October 2025


রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এখন SIR-এর মৌখিক বিরোধিতার বদলে রাজনৈতিকভাবে লড়বার পথে হাঁটছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই কারণেই দলের কর্মী. সাংসদ, বিধায়কদের লড়বার নির্দেশ দিলেন তিনি। প্রত্যেক বিধানসভায় ১৫ জনের টিম তৈরি করতে হবে।


SIR আবহে দলের সাংসদ-বিধায়কদের এবার ওয়ার রুম গড়ার নির্দেশ অভিষেকের
SIR নিয়ে দলীয় বিধায়ক-সাংসদদের নির্দেশ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের


 SIR আবহে তৃণমূলের সাংসদ-বিধায়কদের বিশেষ দায়িত্ব। প্রত্যেক বিধানসভায় ১৫ জনের টিম গড়ার জন্য নির্দেশ দিলেন তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। হার্ড কপি ও ডিজিট্যাল লিস্ট মিলিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন। কোথাও কোনও অসংলগ্ন, কিংবা প্রক্রিয়ায় ক্রটি দেখলে আইনি পদক্ষেপের বার্তা দিয়েছেন। শুক্রবার দলের সাংসদ বিধায়কদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি বৈঠক করেন অভিষেক। তাতেই তালিকায় অসঙ্গতি থাকলে আইনি পদক্ষেপের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি ১ থেকে ৩ নভেম্বর বিধানসভা ভিত্তিক দলের বিধায়ক-সাংসদদের বৈঠকের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এখন SIR-এর মৌখিক বিরোধিতার বদলে রাজনৈতিকভাবে লড়বার পথে হাঁটছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই কারণেই দলের কর্মী. সাংসদ, বিধায়কদের লড়বার নির্দেশ দিলেন তিনি। প্রত্যেক বিধানসভায় ১৫ জনের টিম তৈরি করতে হবে। পাঁচ জনের কাছে থাকবে ল্যাপটপ। একজন সরাসরি BLO2 এর সঙ্গে যোগাযোগ রাখবেন।

মূলত কোচবিহারের মাথাভাঙা ও উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগর থেকে একাধিক অসঙ্গতির খবর আসছে বলে জানা যাচ্ছে। অর্থাৎ সেক্ষেত্রে অনেকসময় দেখা যাচ্ছে, ২০০২ সালের ভোটার লিস্টে নাম থাকার পরও এখন তালিকায় নাম নেই। বৈঠকে এই বিষয়টি তুলে ধরেন অভিষেক। তাঁর নির্দেশ, যে যে জায়গায় অসঙ্গতির খবর বেশি আসছে, সেখানে বিশেষভাবে নজর দেওয়ার পাশাপাশি পরিদর্শনে যাওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন অভিষেক।

পাশাপাশি প্রতিটি অঞ্চলে হেল্প ডেস্ক ও ক্যাম্প তৈরি করার নির্দেশ দিয়েছেন। ক্যাম্পে থাকবে প্রিন্টার, ল্যাপটপ। অভিষেকের নির্দেশ, মানুষ সাহায্য চাইলে, তাঁকে সর্বোতভাবে সাহায্য করতে হবে। তৃণমূল যে এই বিষয়ে একেবারেই জনগণের পাশে রয়েছে, সেই বিষয়টি নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি
গভীর সমুদ্রে মৎস্যজীবী ট্রলারে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা মৎস্যজীবীর



গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে মৎস্যজীবী ট্রলারে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করল বছর তিরিশের যুবক সুদীপ বর বাড়ি পাথরপ্রতিমা ব্লকের কে প্লট এলাকায়। 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায় গত কয়েকদিন আগে রাধা কৃষ্ণ নামক মৎস্যজীবী ট্রলারটি ১৪ জন মৎস্যজীবী নিয়ে গভীর সমুদ্রে পাড়ি দেয়। মান্থা আসতে ঘোষনা করায় গভীর সমুদ্র দিক থেকে মঙ্গলবার পাথর প্রতিমার দিকে রওনা দেয়। বুধবার গভীর রাতে  যখন ট্রলার নঙ্গর করে সবাই ঘুমাচ্ছিল তখনই এই ঘটনা ঘটে মৎস্যজীবীদের দাবি রাত্রে মাঝি যখন ট্রলার দেখার জন্য বাইরে বেরহয় হঠাৎ দেখতে পায় হালে গলায় দড়ি বেঁধে ঝুলে রয়েছে। প্রশাসনকে খবর দেয় প্রশাসনের নির্দেশমতো শুক্রবার ভোরে গোলাপি পাথরপ্রতিমা থানা সংলগ্ন ঘাটে আনা হয়, মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে কাকদ্বীপে। সেই সঙ্গে মৎস্যজীবী ট্রলারটিকে সমস্ত মৎস্যজীবী সহ প্রশাসনিক নজরদারিতে রাখা হয়েছে ময়না তদন্তে রিপোর্টের অপেক্ষায়। উল্লেখ্য ওই মৎস্যজীবী ট্রলারে মৃত মৎস্যজীবীর কাকা রয়েছে। 
কাকার দাবি কোন রকম অশান্তির ঘটনা ঘটেনি তবে কি কারণে আত্মহত্যা করল সেটা জানা নেই।


গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে মৎস্যজীবী ট্রলারে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করল বছর তিরিশের যুবক সুদীপ বর বাড়ি পাথরপ্রতিমা ব্লকের কে প্লট এলাকায়। 
স্থানীয় সূত্রে জানা যায় গত কয়েকদিন আগে রাধা কৃষ্ণ নামক মৎস্যজীবী ট্রলারটি ১৪ জন মৎস্যজীবী নিয়ে গভীর সমুদ্রে পাড়ি দেয়। মান্থা আসতে ঘোষনা করায় গভীর সমুদ্র দিক থেকে মঙ্গলবার পাথর প্রতিমার দিকে রওনা দেয়। বুধবার গভীর রাতে যখন ট্রলার নঙ্গর করে সবাই ঘুমাচ্ছিল তখনই এই ঘটনা ঘটে মৎস্যজীবীদের দাবি রাত্রে মাঝি যখন ট্রলার দেখার জন্য বাইরে বেরহয় হঠাৎ দেখতে পায় হালে গলায় দড়ি বেঁধে ঝুলে রয়েছে। প্রশাসনকে খবর দেয় প্রশাসনের নির্দেশমতো শুক্রবার ভোরে গোলাপি পাথরপ্রতিমা থানা সংলগ্ন ঘাটে আনা হয়, মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে কাকদ্বীপে। সেই সঙ্গে মৎস্যজীবী ট্রলারটিকে সমস্ত মৎস্যজীবী সহ প্রশাসনিক নজরদারিতে রাখা হয়েছে ময়না তদন্তে রিপোর্টের অপেক্ষায়। উল্লেখ্য ওই মৎস্যজীবী ট্রলারে মৃত মৎস্যজীবীর কাকা রয়েছে। 
কাকার দাবি কোন রকম অশান্তির ঘটনা ঘটেনি তবে কি কারণে আত্মহত্যা করল সেটা জানা নেই।

 গত ২৭ অক্টোবর বাংলা-সহ ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা শুরুর ঘোষণা করে কমিশন। আগামী ৪ নভেম্বর থেকে বাড়ি বাড়ি যাবেন বুথ লেভেল অফিসাররা(BLO)। ৯ ডিসেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর দাবি ও অভিযোগ জানানো যাবে। সেই প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর ২০২৬ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা।


আদালতের নজরদারিতেই হোক SIR, আবেদন কলকাতা হাইকোর্টে
কলকাতা হাইকোর্ট

বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) নিয়ে এবার মামলার আবেদন কলকাতা হাইকোর্টে। আদালতের নজরদারিতে এসআইআর প্রক্রিয়ার জন্য আবেদন জানিয়ে হাইকোর্টে আবেদন জানানো হয়। হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের ডিভিশন বেঞ্চ মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছেন।


হাইকোর্টের কাছে আবেদনে একাধিক দাবি জানিয়েছেন আবেদনকারী। তাঁর আবেদন, আদালতের নজরদারিতে হোক এসআইআর প্রক্রিয়া। বিশেষ নিবিড় সমীক্ষার জন্য সময়সীমা বৃদ্ধি করা হোক। কেন এসআইআর করা হচ্ছে? এসআইআর করার প্রয়োজন কী? বিস্তারিতভাবে যাতে জাতীয় নির্বাচন কমিশন আদালতের কাছে জানায়, সেই দাবিও জানিয়েছেন আবেদনকারী। একইসঙ্গে আবেদনে বলা হয়েছে, ২০০২-র ভোটার তালিকা সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করুক কমিশন।




ইতিমধ্যে পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর নিয়ে রাজনৈতিক পারদ চড়ছে। শাসকদল তৃণমূল হুঁশিয়ারি দিয়েছে, একজন বৈধ ভোটারের নাম বাদ গেলেই প্রতিবাদে নামবে তারা। এসআইআরের জেরে এনআরসি নিয়ে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে বলে তাদের দাবি। এত কম সময়ে এইআইআর প্রক্রিয়া সম্ভব কীভাবে, সেই প্রশ্ন তুলেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পাল্টা তৃণমূলকে আক্রমণ শানিয়েছে বিজেপি। কমিশন অবশ্য জানিয়েছে, এইআইআর নিয়ে আতঙ্কের কিছু নেই। কোনও বৈধ ভোটারের নাম বাদ যাবে না বলে আশ্বাস দিয়েছে কমিশন। এই পরিস্থিতিতে এসআইআর নিয়ে মামলা হল হাইকোর্টে। এখন দেখার, হাইকোর্ট কী নির্দেশ দেয়।



২০২৬ টার্গেট! সাগর বিধানসভায় তৃণমূলের 'মহাশক্তি' কর্মশালা, বাংলা-বিরোধী চক্রান্ত রুখতে হুঙ্কার! 


২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার সাগর বিধানসভা কেন্দ্রে দলকে আগাম শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এক বিরাট রাজনৈতিক কর্মশালা আয়োজিত হল। বৃহস্পতিবার গঙ্গাসাগরের কমলপুর ছবি মহলে সাগর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে এই কর্মশালায় তৃণমূল নেতৃত্বের মুখে শোনা গেল বাংলা-বিরোধী সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে বৃহত্তর আন্দোলনের বার্তা।
কর্মশালায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মথুরাপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ বাপি হালদার এবং সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা। এছাড়াও ব্লকের পঞ্চায়েত স্তরের সকল নেতৃত্ববৃন্দ উপস্থিত থেকে কর্মীদের সঙ্গে সরাসরি মত বিনিময় করেন এবং নির্বাচনী কৌশল নিয়ে আলোচনা করেন।


এদিনের সভার মূল সুর ছিল 'বাংলা বিরোধী' এবং 'সাম্প্রদায়িক' শক্তি হিসেবে পরিচিত ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) 'মিথ্যা ও অপপ্রচার'-এর মোকাবিলা করা। বক্তারা অভিযোগ করেন, বিজেপি 'SIR' (যা সম্ভবত Voter ID সম্পর্কিত একটি ইস্যু)-এর মাধ্যমে বৈধ ভোটারদের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণের 'চক্রান্ত' করছে।
 সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান, এই ধরনের 'চক্রান্তের' বিরুদ্ধে তৃণমূলকে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, "বিজেপি মিথ্যা প্রচার ছড়িয়ে বাংলার সম্প্রীতি নষ্ট করতে চাইছে। আমাদের কর্মীদেরকে এই অপপ্রচারের মোকাবিলা করতে হবে এবং প্রতিটি বৈধ ভোটারের অধিকার সুনিশ্চিত করতে হবে।"
সাংসদ বাপি হালদার তৃণমূলের বুথ ও অঞ্চল স্তরের কর্মীদেরকে নির্বাচনের জন্য এখন থেকেই কোমর বেঁধে নামার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, "২০২৬-এর আগে সাগর বিধানসভায় তৃণমূলকে অজেয় করে তুলতে হবে। প্রতিটি ঘরে ঘরে সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের বার্তা পৌঁছে দিন এবং সাম্প্রদায়িক শক্তির বিষদাঁত ভেঙে দিন।"
এই কর্মশালা থেকে স্পষ্ট, সাগর বিধানসভায় তৃণমূল কংগ্রেস আগাম নির্বাচনী প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে এবং আগামী দিনে বিজেপির বিরুদ্ধে আরও আক্রমণাত্মক অবস্থানে থাকবে। কর্মীদের মনোবল চাঙা করে ভোট বাক্সে তার প্রতিফলন দেখার লক্ষ্য নিয়েই এই 'মহাশক্তি' কর্মশালা সম্পন্ন হলো।

আবারো সাগরের পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু, চেন্নাইয়ে পাথর চাপা পড়ে মর্মান্তিক পরিণতি

ভিনরাজ্যে কাজের সন্ধানে গিয়ে ফের মর্মান্তিক দুর্ঘটনার শিকার হলেন পশ্চিমবঙ্গের এক পরিযায়ী শ্রমিক। চেন্নাইতে রাজমিস্ত্রির কাজ করতে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগণার সাগর থানার মন্দিরতলা খেয়া ঘাট এলাকার লক্ষীকান্ত বেড়া (৪২) নামের এক যুবকের। অভাবের তাড়নায় মাস ছয়েক আগে চেন্নাই গিয়েছিলেন তিনি। কফিনবন্দি দেহ গ্রামে ফিরতেই গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রাজমিস্ত্রির কাজের পাশাপাশি রাতে ওভার ডিউটিতে গাড়ি খালি করার সময় লক্ষীকান্তর বুকে পাথর এসে পড়ে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে চেন্নাইয়ের রাজীব গান্ধী হসপিটালে ভর্তি করা হয়। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ২৮ তারিখ রাতে পরিবারকে ফোন করে লক্ষীকান্তর দুর্ঘটনার কথা জানানো হয় এবং জরুরি অপারেশনের জন্য অনুমতি চাওয়া হয়। পরিবারের সদস্যরা অনুমতি দেন।

অপারেশন হওয়ার পরে লক্ষীকান্ত কান্নাকাটি করে পরিবারের সঙ্গে কথাও বলেন। কিন্তু অপারেশনের বেশ কিছু সময় পরে আসে তার মৃত্যুর দুঃসংবাদ। মৃত্যুর খবর পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে গোটা পরিবার। লক্ষীকান্তর পরিজনদের অভিযোগ, হয়তো ঠিকমতো চিকিৎসা হয়নি, সঠিক চিকিৎসা পেলে হয়তো তাকে বাঁচানো যেত।
পরিবার ও গ্রামের মানুষের প্রশ্ন, সংসারে সচ্ছলতা ফেরাতে এত দূরে গিয়েও কেন এভাবে অকালে প্রাণ হারাতে হলো লক্ষীকান্তকে। তার কফিনবন্দি দেহ গ্রামে পৌঁছলে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের সৃষ্টি হয়। ভিনরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের এমন করুণ মৃত্যু আবারও রাজ্যের কর্মসংস্থানের অভাবের চিত্রকেই তুলে ধরল।।



SIR, West Bengal Election: এই সবের মধ্যে একটা চিন্তা থেকেই যাচ্ছে রাজ্যের বিবাহিত মহিলাদের। বিয়ের পর বদলেছে ঠিকানা। অনেকেরই বদলেছে ভোটকেন্দ্র থেকে বিধানসভা। বদলে গিয়েছে ভোটার কার্ডও। এসআইআরে কী অসুবিধায় পড়তে হতে পারে তাঁদের?


বিয়ের পর বদলেছে ঠিকানা, বদলেছে ভোটার কার্ডও! SIR-এ কী অসুবিধায় পড়তে হবে এই মহিলাদের?
বিয়ের পর বদলেছে পদবি, ঠিকানা! কী হবে SIR-এ?

সামনের বছরই ভোট হতে চলেছে বঙ্গে। আর তার আগে রাজনীতির পারদ চড়ছে বিশেষ নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআরকে ঘিরে। এসআইআর ঘোষণা হওয়ার পরই ‘স্বচ্ছতার সঙ্গে এসআইআর করতে হবে’ বলেছেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। অন্যদিকে, এসআইআর প্রসঙ্গে দেশের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমারকে হুঁশিয়ারি তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কিন্তু এই সবের মধ্যে একটা চিন্তা থেকেই যাচ্ছে রাজ্যের বিবাহিত মহিলাদের। বিয়ের পর বদলেছে ঠিকানা। অনেকেরই বদলেছে ভোটকেন্দ্র থেকে বিধানসভা। বদলে গিয়েছে ভোটার কার্ডও। এসআইআরে কী অসুবিধায় পড়তে হতে পারে তাঁদের?

কার্ডের জায়গা বদলালে কী কী সমস্যা?
ধরা যাক কোনও মহিলার বিয়ের পর বদলে গিয়েছে জেলা। তাহলে একই সঙ্গে বদলেছে লোকসভা, বিধানসভা এবং বুথও। তাহলে কী হবে? এমন ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি সম্ভাবনা তৈরি হয়। যাঁরা বিয়ের পর নিজের ভোটার কার্ড পুরনো এলাকা থেকে বর্তমান ভোটকেন্দ্রে ট্রান্সফার করিয়ে নিয়েছিলেন। অনেকের আবার ট্রান্সফারের পর ভোটার কার্ডের নম্বর বা এপিক নম্বর বদলে গিয়েছে। এ ছাড়াও অনেকে রয়েছে, যাঁদের নতুন করে ভোটার কার্ড তোইরি হয়েছিল। কিন্তু পুরনো কার্ডটিকে ক্যানসেল হয়নি।

এটিও পড়ুন
Chandannagar: পুজোর আবহে চন্দননগরে ভয়ঙ্কর ঘটনা, রক্তে ভাসল রাস্তা
হঠাৎ ঢুকে পড়ে অন্য রাস্তায়, যুবতীকে 'ধর্ষণ' অ্যাপ বাইক চালকের, অত্যাচারের পর ছেড়ে এল বাড়িও!
খুন করলেও ভিলেন হতে হয়নি উত্তম কুমারকে! ব্যাপারটা আগে থেকে আঁচ করেই ঘুঁটি সাজিয়েছিলেন, ঘটনাটা জানেন?
যদি ট্রান্সফার করা হয়
কমিশন জানিয়েছে, যদি কার্ড ট্রান্সফার করানো হয়ে থাকে তাহলে পুরনো ভোটকেন্দ্রে ওই মহিলার বাবার সঙ্গে তাঁর কার্ডের লিঙ্ক খুঁজবে কমিশন। তারপর ইন্টারনাল লিঙ্ক দিয়ে কমিশন ঠিক খুঁজে নেবে ওই মহিলা বর্তমানে কোথায় রয়েছেন। অর্থাৎ, যাঁর কার্ড ট্রান্সফার হয়েছে তাঁকে আর কোনও সমস্যায় পড়তে হবে না। এই ক্ষেত্রে এনুমারেশন ফর্মেই পুরনো ভোটকেন্দ্রের সব তথ্য লেখা থাকবে। আবার অনেক ক্ষেত্রে ভোটার কার্ডের নম্বর বদলে গিয়েছে অনেকের, সেই ক্ষেত্রে কমিশন ম্যাপিং ও ম্যাচিংয়ের সময় ওই ভোটারের পুরনো কার্ড চিহ্নিত করতে না পারলে সমস্যার কিছু নেই। ভোটারকে নিজেকেই জানাতে হবে তিনি আগে কোথায় থাকতেন ও তাঁর ঠিকানা ও পদবি বদল হয়েছে। এই ক্ষেত্রে এনুমারেশন ফর্মেই পুরনো ভোটকেন্দ্রের কিছুই লেখা থাকবে না। সেগুলো বিএলওরা ফিলআপ করে দেবে।

যদি নতুন করে কার্ড তৈরি হয়
এবার পড়ে রইল তাঁরা, যাঁদের আগের ভোটার কার্ড ক্যানসেল হয়নি, তার আগেই নতুন কার্ড হয়ে গিয়েছে। এমতাবস্থায় কী করণীয়? এই ক্ষেত্রে বিএলও দুই জায়গাতেই যাবে। ভোটারকে জানাতে হবে তিনি কোন এলাকায় থাকতে চান। তিনি যে এলাকায় থাকতে চান, তাঁর সেই ভোটার কার্ড থাকবে আর অন্য কার্ডটি বাতিল হয়ে যাবে। এই ক্ষেত্রে কমিশন যদি মনে করে, ওই মহিলাকে হিয়ারিংয়ের জন্য ডাকতেও পারে। সেই ক্ষেত্রে কমিশন জানতে চাইবে যে এমন কেন করা হয়েছিল।

তাহলে আপনার যদি বুথ, বিধানসভা বা লোকসভা বদলে গিয়ে থাকে তাহলেও চিন্তার কোনও কারণ নেই। বিএলওরা আপনার সব সমস্যার সমাধান করে ফেলবে।




হাতের লেখা নিয়েও ধন্দ প্রকাশ করেছেন তিনি। প্রদীপ করের ডান হাতের চারটে আঙুল ছিল না, কোনও একটি দুর্ঘটনায় আঙুল কাটা যায়, সেটি জানিয়েছেন তাঁরই পরিবারের সদস্য। প্রদীপের ভগ্নিপতি উত্তম হাজরা জানিয়েছেন, ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচনেও ভোট দিয়েছেন প্রদীপ। 



২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম ছিল প্রদীপ করের', আত্মহত্যার কারণ নিয়েই প্রশ্ন তুলল বিজেপি
ভোটার তালিকায় প্রদীপ করের নাম


NRC আতঙ্কে আগরপাড়ার বাসিন্দা প্রদীপ করের আত্মহত্যা! এই অভিযোগ ঘিরে উঠে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। বিজেপির তরফ থেকে দাবি করা হচ্ছে, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে প্রদীপ করের। সেই তালিকাও সামনে এনেছে বিজেপি। বিজেপির দাবি, কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী প্রদীপের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাওয়ার কোনও কারণ নেই। অবসাদের কারণেই প্রদীপ আত্মঘাতী হয়েছেন বলে দাবি বিজেপির।

পানিহাটির বিজেপি নেতা চণ্ডীচরণ রায় বলেন, “তৃণমূল সরকার আগেও এভাবে অপপ্রচার করে এসেছে। নিজেদের দুর্বলতা ঢাকার জন্য এই ধরনের প্রচেষ্টা চালায়। যদি কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়ে থাকে, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম থাকলেই হবে, সেখানে ওনার তো নাম রয়েছে। আমি যতদূর জানি, উনি কিছুটা মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে ওনার সমস্যা হচ্ছিল বলে শুনেছি।”

 সেক্ষেত্রে বিজেপির দাবি, এই উদ্ধার হওয়া নোটের হাতের লেখাও যাচাই করে দেখা হোক। পাশাপাশি আদালতের প্রাক্তন বিচারপতির নেতৃত্বে এই ঘটনার তদন্ত করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

এ বিষয়ে তৃণমূলের সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদারের বক্তব্য, “বিজেপি কি ওনার মনের ভিতর জেনে নিলেন? বিজেপি কি বাড়িতে গিয়ে ভোটার লিস্ট দিয়ে এসেছিল? বিজেপির কাছে থাকতে পারে। কিন্তু এখন কত মানুষ জানেন, কীভাবে ২০০২ সালের ভোটার তালিকা বার করা যায়! বিজেপি আর নির্বাচন কমিশন মিলে মানুষের মধ্যে ত্রাস তৈরি করেছে।”

রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “ওটা ফলস কেস। ২০০২ সালে ওনার নাম ভোটার লিস্টে ছিল। ওনার পরিবারের সদস্যরা সব তৃণমূল করেন। ওনার কাছে তো CAA, NRC-র কোনও ব্যাপার নেই তো, আমার কাছে ওনার সিরিয়াল নম্বর, পার্ট নম্বর সব রয়েছে। আমি নিজে দেখেছি।”

সোমবার আগরপাড়ায় বছর সাতান্নর প্রৌঢ় প্রদীপ করের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়, যা নিয়ে তুঙ্গে রাজ্য রাজনীতি। পুলিশের দাবি, দেহের পাশ থেকে একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার হয়। সেখানে লেখা ছিল ‘আমার মৃত্যুর জন্য NRC দায়ী।’ এই খবর সামনে আসতেই সামাজিক মাধ্য়মে পোস্ট করে কেন্দ্র-কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। সাংবাদিক বৈঠকে মুখ খুলেছেন তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। বুধবার দুপুরে খোদ অভিষেক নিজেই যাচ্ছেন প্রদীপ করের বাড়িতে। মৃতের পরিজনদের সঙ্গে দেখা করবেন তিনি।


 বুধবার বায়ুসেনার হরিয়ানার অম্বালা এয়ারফোর্স বেসে যান রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। সেখানে গিয়ে তিনি ৩০ মিনিট নতুন রাফাল যুদ্ধ বিমানেও চড়েন। বায়ুসেনার পোশাকে দেখা যায় রাষ্ট্রপতিকে। ফিরে এসে রাফালে ওঠার সিঁড়িতে দাঁড়িয়েই তিনি স্কোয়াড্রন লিডার শিবাঙ্গী সিংয়ের সঙ্গে ছবি তোলেন।

পাকিস্তানের মিথ্যা ফাঁস! স্কোয়াড্রন লিডার শিবাঙ্গী সিংকে বন্দি বানানোর দাবি করেছিল, তাঁর সঙ্গেই রাফালে চড়লেন রাষ্ট্রপতি
স্কোয়াড্রন লিডার শিবাঙ্গী সিংয়ের সঙ্গে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু।


পাকিস্তান দাবি করেছিল যে অপারেশন সিঁদুরের সময় স্কোয়াড্রন লিডার শিবাঙ্গী সিং-কে বন্দি করেছিল। বায়ুসেনার সেই পাইলটের সঙ্গে দাঁড়িয়েই ছবি পোস্ট করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু।

বুধবার বায়ুসেনার হরিয়ানার অম্বালা এয়ারফোর্স বেসে যান রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। সেখানে গিয়ে তিনি ৩০ মিনিট নতুন রাফাল যুদ্ধ বিমানেও চড়েন। বায়ুসেনার পোশাকে দেখা যায় রাষ্ট্রপতিকে। ফিরে এসে রাফালে ওঠার সিঁড়িতে দাঁড়িয়েই তিনি স্কোয়াড্রন লিডার শিবাঙ্গী সিংয়ের সঙ্গে ছবি তোলেন। সরাসরি ঝামা ঘষে দেন পাকিস্তানের মুখে। অপারেশন সিঁদুরের সময় পাকিস্তান রাফাল ধ্বংস ও ভারতীয় বায়ুসেনার পাইলটকে যুদ্ধবন্দি বানানোর যে দাবি করেছিল, তাও গোটা বিশ্বের কাছে মিথ্যা প্রমাণ করে দেন।








প্রসঙ্গত, শিবাঙ্গী সিং দেশের প্রথম ও একমাত্র মহিলা রাফাল পাইলট। উত্তর প্রদেশের বারাণসীতে বেড়ে ওঠা তাঁর। ২০১৭ সালে তিনি ভারতীয় বায়ুসেনায় যোগ দেন পাইলট হিসাবে। তিনি বায়ুসেনার মহিলা ফাইটার পাইলটদের দ্বিতীয় ব্য়াচের সদস্য। ২০২০ সালে রাফালের পাইলট হিসাবে তাঁকে শর্টলিস্ট করা হয়।

অপারেশন সিঁদুরের অংশও ছিলেন তিনি। সেই সময় পাকিস্তান দাবি করেছিল, রাফাল সহ একাধিক যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছে তারা। বায়ুসেনার পাইলট শিবাঙ্গী সিংকেও শিয়ালকোটের কাছে বন্দি বানানো হয় বলে দাবি করে। তবে সেই সব দাবিই মিথ্যা বলে প্রমাণিত হয়েছে বারবার।


শুভেন্দু বলেন, "৫২ জন BLO বিহারের জেলে রয়েছেন। এটা মাথায় রাখবেন। তৃণমূলের কথা, বিজেপির কথা শুনবেন না। কেবল নির্বাচন কমিশনের কথা শুনবেন। বিহারের ৫২ জন BLO কিন্তু এখনও জামিন পাননি। আপনাদের কিন্তু জেলে কাটাতে হবে।"


তৃণমূলের কথা শুনলে বিহারের ৫২ BLO-র মতো অবস্থা হবে', বুথ লেভেল অফিসারদের কোন হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর?
রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী


বাংলায় শুরু হয়ে গিয়েছে SIR। এই প্রেক্ষিতে বাংলার BLO-দের জন্য কড়া পরামর্শ রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর। তাঁর বক্তব্য, BLO-রা যদি কোনও ‘দাদাদিদির’ কথা মতো চলেন, তাহলে তাঁদের পরিণতিও বিহারের BLO-দের মতো হবে। অর্থাৎ জেলে যেতে হবে। প্রচ্ছন্ন হুঁশিয়ারিও দেন শুভেন্দু। আমতলায় জগদ্ধাত্রী পুজোর উদ্বোধন করতে যান শুভেন্দু। সেখানে সভামঞ্চে বক্তব্য রাখার পর সাংবাদিকদের সামনে BLO-দের বার্তা দেন তিনি।

শুভেন্দু বলেন, “৫২ জন BLO বিহারের জেলে রয়েছেন। এটা মাথায় রাখবেন। তৃণমূলের কথা, বিজেপির কথা শুনবেন না। কেবল নির্বাচন কমিশনের কথা শুনবেন। বিহারের ৫২ জন BLO কিন্তু এখনও জামিন পাননি। আপনাদের কিন্তু জেলে কাটাতে হবে।” রীতিমতো হুঁশিয়ারি দেন, “জেলে যাওয়ার জন্য তথ্য, নথি আমরা জোগাড় করে দেব। আজকেও আমি পোস্ট করেছি, ফলতাতে তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য দিব্য়েন্দু সর্দারকে BLO করেছে।”



কাটোয়ায় ভয়ঙ্কর ঘটনা, বৃন্দাবনে বাড়ি কেনার প্রলোভন দেখিয়ে টাকা তোলার অভিযোগ
কথা প্রসঙ্গেই শুভেন্দু বলেন, “BLO-রা কোনও দল, কোনও দাদা-দিদির কথা শুনবেন না। নাহলে আপনাদের পরিণতিও বিহারের BLO-দের মতো হবে। পুলিশ বাধ্য হবে, আপনাকে গ্রেফতার করতে। আর পুলিশ যদি বাধ্য না হয়, যেখানে গেলে পুলিশ বাধ্য হবে, সর্ব ভারতীয় দল হিসাবে আমরা সেখানে যাব।”

BLO-দের ওপর যে কোনও রাজনৈতিক দলের চাপ সৃষ্টি করার সম্ভাবনা বেশি। সে বিষয়টি নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজ আগরওয়াল। BLO-দের বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, “BLA আপনাদের উপর কোনও চাপ দিতে পারবে না। আপনারা ECI-এর নিয়ম মেনে কাজ করবেন। BLA শুধু আপনাকে কাজে সাহায্য করতে পারে। কোনও জায়গায় সমীক্ষা না হলে সেই জায়গায় নিয়ে যেতে পারে। কিন্তু এই কাজ আপনাকেই করতে হবে। BLA-রা আপনাকে প্রভাবিত করতে পারবে না।”


অন্যদিকে লেকটাউনে রয়েছে রেডিয়েন্ট এন্টারপ্রাইজ প্রাইভেট লিমিটেডের মালিকের বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে। এদিন আচমকা সেখানেও হানা দেন ইডির আধিকারিকরা। সেখানেও একযোগে তল্লাশি চলছে বলে জানা যাচ্ছে। সেখান থেকেও ১০ কেজির বেশি সোনার সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।


পুর নিয়োগ দুর্নীতির যোগ? ব্যবসায়ীর বাড়িতে ইডি হানা দিতেই উদ্ধার ১০ কোটির সোনা, বিপুল নগদ
ফের ইডি হানা


ফের কলকাতায় টাকার পাহাড়। তারাতলায় ব্যবসায়ীর অফিস থেকে উদ্ধার হয়েছে বিপুল টাকা। পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে তারাতলার ব্যবসায়ীর বাড়িতে হানা দেয় এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেট। সূত্রের খবর, রেডিয়েন্ট এন্টারপ্রাইজ প্রাইভেট লিমিটেড নামে ওই সংস্থার অফিস থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রায় ১ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা। একটি গোপন জায়গাতে ওই টাকা লুকিয়ে রাখা হয়েছিল বলে খবর। পুরোটাই পুর নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত বলে ইডির তরফে দাবি করা হচ্ছে। তল্লাশি এখনও চলছে। ফলে আরও টাকা উদ্ধারের সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। 


অন্যদিকে লেকটাউনে রয়েছে রেডিয়েন্ট এন্টারপ্রাইজ প্রাইভেট লিমিটেডের মালিক গৌতম ধন্ধানিয়ার বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে। এদিন আচমকা সেখানেও হানা দেন ইডির আধিকারিকরা। সেখানেও একযোগে তল্লাশি চলছে বলে জানা যাচ্ছে। তাতেই মেলে সাফল্য। সেখান থেকেও ১০ কেজির বেশি সোনার সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। যার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ১০ কোটিরও বেশি। এর মধ্যে প্রচুর স্বর্ণলঙ্কারও রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। 




রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে থাকা ব্যক্তিকে পিষে দিল লরি, উত্তেজনা সিউড়িতে
তবে এখনও তল্লাশি চলছে পুরোদমে। তরাতলার মতো এখান থেকেও আরও বড় অঙ্কের সোনা পাওয়া যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এই বিপুল অঙ্কের সোনা পাওয়া গেলেও এর কোনও হিসাব-খতিয়ান কিছু দিতে পারেনি ওই ব্যবসায়ীর পরিবার। এমনটাই খবর ইডি সূত্রে। এখানেই আরও দানা বাঁধছে সন্দেহের মেঘ। জিজ্ঞাসাবাদও চলছে একযোগে। এই ব্যবসায়ী পরিবার এক মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ বলেও জানা যাচ্ছে। কোন মন্ত্রী তা নিয়েও চলছে চর্চা। সে কারণেই চাপানউতোর আরও তীব্র হচ্ছে রাজনৈতিক আঙিনাতেও। 

১০ বছরে ঐতিহাসিক পরিবর্তন’, ভারতের মেরিটাইম কনক্লেভে আশাবাদী মোদী


ভারতের মেরিটাইম সেক্টরে কীভাবে পরবর্তী প্রজন্মের সংস্কার আনা হয়েছে, তা এদিন বর্ণনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি আরও বলেন, "বিশ্বের যে কোনও সমুদ্রতটে গেলেই ভারতের জাহাজ দেখতে পাবেন। ভারত আজ স্থানীয় স্তরে সাপ্লাই চেন আরও পোক্ত করতে চায়। বিশ্বমানের বন্দর তৈরি করা হচ্ছে ভারতে।"

নয়া দিল্লি: ভারতের মেরিটাইম উইকের বিশেষ অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বুধবার মুম্বইতে মেরিটাইম লিডারস কনক্লেভে যোগ দিয়েছেন তিনি। সোমবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এই মেরিটাইম উইকের উদ্বোধন করেন। সাপ্লাই চেইন, গ্রিন শিপিং সহ একাধিক বিষয়ে আলোচনা হয়েছে ওই প্লাটফর্মে। সমুদ্রপথে ভারত যে কতটা সাফল্য পেয়েছে, সেই বর্ণনাই দিলেন প্রধানমন্ত্রী।

ভারতের মেরিটাইম সেক্টর যে কতটা উন্নয়নশীল, সে কথাও উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, পুরনো আইন সরিয়ে আধুনিক মেরিটাইম আইন কার্যকর করা হয়েছে। এর ফলে মেরিটাইম বোর্ডের খুব সুবিধা হয়েছে। বিনিয়োগকারীদেরও ভরসা বেড়েছে। মোদী আরও উল্লেখ করেন, “ভারতের দীর্ঘ কোস্ট লাইনে ব্যাপক উন্নতি হবে। মেরিটাইম সেক্টরে গত ১০ বছরে যে পরিবর্তন এসেছে, তা ঐতিহাসিক।” ১৫০-র বেশি নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ক্রুজ ট্যুরিজমে নতুন গতি আনা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।



ভারতের এই উদ্যোগে সামিল হয়েছিল বিশ্বের ৮৫টি দেশ। প্রতিটি দেশের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন সেখানে। তাই এই অনুষ্ঠানকে আদতেই বিশ্বমানের বলে মনে করেছেন মোদী। তাঁর কথায়, এই অনুষ্ঠান পুরো বিশ্বের কাছে এক বার্তা পৌঁছে দেবে।

ভারতের মেরিটাইম সেক্টরে কীভাবে পরবর্তী প্রজন্মের সংস্কার আনা হয়েছে, তা এদিন বর্ণনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি আরও বলেন, “বিশ্বের যে কোনও সমুদ্রতটে গেলেই ভারতের জাহাজ দেখতে পাবেন। ভারত আজ স্থানীয় স্তরে সাপ্লাই চেন আরও পোক্ত করতে চায়। বিশ্বমানের বন্দর তৈরি করা হচ্ছে ভারতে।”

গ্লোবাল মেরিটাইম সিইও ফোরামে উপস্থিত ছিলেন একাধিক গ্লোবাল মেরিটাইম সিইও, বিনিয়োগকারী, পলিসিমেকার, ইনোভেটর ও ইন্টারন্যাশনাল পার্টনাররা।

গত ২৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ওই অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার কথা আগামী ৩১ অক্টোবর। গ্লোবাল মেরিটাইম হাবের পথে ভারত যেভাবে এগোচ্ছে এদিন সেই বর্ণনাও দিয়েছেন মোদী।



 কিন্তু সাবান কেন? বিষয়টা একটু খোলসা করে বলা যাক! একাধিক সময়ে একাধিক ইস্যুতে শাসকদলের মুখপাত্র হিসাবে সরব হন কুণাল। আরজি করের সময়ে যখন শাসকদলেরই একাংশ নেতৃত্বকে চুপ থাকতে দেখা গিয়েছে, তখনও তিনি সওয়াল করেছেন রাজ্য সরকারের পক্ষে। রাজ্য সরকার যখন একাধিক কাঁটায় বিদ্ধ, তখনও তাঁকে এক কাট্টা লড়াই করতে দেখা গিয়েছে।


আরব থেকে আনা উটের দুধের সাবান মাখছেন কুণাল ঘোষ...বেশ উপকারও পাচ্ছেন, দেখুন VIDEO
কুণাল ঘোষ, তৃণমূল রাজ্য সাধারণ সম্পাদক


SIR আবহে রাজ্য এখন সরগরম! যুযুধান প্রতিপক্ষের নেতৃত্ব সুর চড়াচ্ছেন নিজেদের সামাজিক মাধ্যমের পেজে! SIR, NRC- আর সেই আবহে আবার CAA- শব্দবন্ধগুলোর চর্চা এখন তুঙ্গে! কিন্তু কুণাল ঘোষ, যাঁকে কিনা প্রায়ই ক্ষেত্রে প্রত্যেক ইস্যুতে নিজের মতামত প্রকাশ করতে দেখা যায়, সেই কুণাল ঘোষ কী বলছেন, সেটা দেখতেই তাঁর সামাজিক মাধ্য়মের পেজ একবার স্ক্রল করা! সত্যিই মিলল কুণাল ঘোষের ভিডিয়ো বার্তা! কিন্তু এর প্রেক্ষাপট SIR, NRC, কেন্দ্র-কমিশনের তুলোধনা নয়, বরং কথা বললেন একেবারে নিজের ব্যক্তিগত একটি বিষয় নিয়ে। স্নানের সময়ে কী সাবান ব্যবহার করেন তিনি! একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব কেন সমাজ মাধ্যমে এসে নিজের সাবান সম্পর্কে আলোচনা করবেন! আর সেটাও আবার কুণালোচিত ভঙ্গিমাতেই। যাতে মিশে হালকা শ্লেষ, হালকা কৌতুক, সঙ্গে খোঁচাও বটে।

কিন্তু সাবান কেন? বিষয়টা একটু খোলসা করে বলা যাক! একাধিক সময়ে একাধিক ইস্যুতে শাসকদলের মুখপাত্র হিসাবে সরব হন কুণাল। আরজি করের সময়ে যখন শাসকদলেরই একাংশ নেতৃত্বকে চুপ থাকতে দেখা গিয়েছে, তখনও তিনি রাজ্য সরকার তথা শাসকদলের হয়ে ‘Defen’ করে গিয়েছেন তিনি। আর এই জন্যই শাসকদলের অনান্য নেতার তুলনায় কুণাল ঘোষকে সবথেকে বেশি বিতর্কের মধ্যে থাকতে দেখা গিয়েছে।



ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে আর ফেরা হল না, জগদ্ধাত্রীর মণ্ডপের সামনেই সব শেষ
কেবল এই ইস্যুই নয়, আরও একাধিক বিষয়ে সমালোচিত যে হন, তা নিজেই কার্যত স্বীকার করেছেন কুণাল। তাঁর লড়াই শুধু মাঠে ময়দানে নয়, সামাজিক মাধ্যমেও প্রতি মুহূর্তে শান দেন তিনি। আর এই সব পোস্টের কমেন্ট বক্সে নানা প্রতিক্রিয়ার বন্যা বয়ে যায়। কিন্তু তারপরও তিনি কীভাবে নিরুত্তাপ থাকেন? এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়েই খাড়া করেন সাবান-তত্ত্ব! আর এটা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে আবার ‘ফলোয়ার্স’দের বর্ণমালার ব্যাঞ্জনবর্ণের চারটে বর্ণে বিভক্তও করলেন কুণাল! যেমন, ‘ক’। কুণালের কথায়, এনারা তাঁকে খুব ভালবাসেন। তাঁদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞ। ‘খ’। যাঁরা নীরবে তাঁর ওপর নজর রাখেন, ‘গ’। যাঁরা তাঁকে ভালবাসেন, কিন্তু তাঁর কাজের প্রয়োজন বিশেষে সমালোচনাও করেন, তবে তা গঠনমূলকভাবে। আর সর্বোপরি ‘ঘ’। শ্রেণিতে তাঁরা পড়েন, যাঁরা নিজেদের হতাশা তাঁর পোস্টে গিয়ে ব্যক্ত করেন। আর এই পোস্ট মূলত তাঁদেরই উদ্দেশে।

কুণাল তাঁর ভিডিয়ো বার্তায় বলেছেন, তিনি কীভাবে সমালোচকদের কথা এড়িয়ে চলতে পারেন। তাঁর বক্তব্য, তিনি একটি বিশেষ ধরনের সাবান স্নানের সময় ব্যবহার করেন। যে সাবান উটের দুধের তৈরি। আর সেই সাবানেই রয়েছে বিশেষ কেরামতি, কুণালের কথায় ‘ম্যাজিক্যাল এফেক্ট’! যাঁরা তাঁকে কটূক্তি করেন, তা তাঁর শরীর স্পর্শ না করে রিভার্সে আবার সেই সমালোচকদেরই গায়ে গিয়েই লাগে। সেই সাবান তাঁর চামড়ায় তৈরি করছে এই বিশেষ এফেক্ট! কারণ সমালোচকরা তাঁর পোস্ট থেকে বেরোতেই পারবেন না। আর তাতেই তাঁর প্রতি নেশাগ্রস্ত হয়ে যাবেন তাঁর প্রতি।


সাবানটাও দেখান নিজের পোস্টে। আরব থেকে বিশেষ সাবান আনিয়েছেন তিনি। নাম, ‘ক্যামেল মিল্ক সোপ’! কুণালের দাবি, মরুভূমিতে তৈরি এই সাবান ট্রোলারদের জন্য দারুণ কাজ করে! দর্শকদেরও স্নানের সময়ে এই সাবান মাখার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

জাস্টিস ফর প্রদীপ কর’, আগরপাড়ায় গিয়ে সুর চড়ালেন অভিষেক



এলাকাবাসীকে অভয় বার্তা দেন অভিষেক। এক জন ভোটারের নামও বাদ গেলে, এক লক্ষ ভোটার নিয়ে নির্বাচন কমিশন ঘেরাও করার ডাক দেন তিনি।  কলোনি এলাকার বাসিন্দাদেরও  নিশ্চিন্তে থাকার পরামর্শ দেন তিনি।



উত্তর ২৪ পরগনা: ‘সারা বাংলায় একটাই স্বর, জাস্টিস ফর প্রদীপ কর’, আগরপাড়ায়  মৃত প্রদীপ করের বাড়িতে গিয়ে সুর চড়ালেন তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক 

 সামাজিক মাধ্যমে নিজের ডিপিও বদল করেছেন অভিষেক। প্রদীপ করের মৃত্যুর জন্য কেন্দ্রীয় সরকার ও নির্বাচন কমিশন দায়ী বলে অভিযোগ করেন তিনি। পাশাপাশি বঙ্গবাসীর উদ্দেশে বার্তা দেন, “SIR শুরুর পর থেকে আমি রাস্তায় থাকব, আপনারা ভয় পাবেন না।” প্রদীপের মৃত্যুর পরও কেন বিজেপির কেউ তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে গেলেন না, সে প্রশ্নও তোলেন।

অভিষেক এদিন দুপুর তিনটে নাগাদ প্রদীপ করের বাড়িতে যান। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন। তারপর সামনে এসে খোলা মঞ্চে এলাকাবাসীর উদ্দেশে বার্তা দেন তিনি। অভিষেক বলেন, “খুবই মর্মান্তিক ঘটনা। গত পরশু জাতীয় নির্বাচন কমিশন SIR ঘোষণা করেছে। আর তার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই খবর পাই। SIR এর ভয়ে নিজেই নিজের প্রাণ নিয়েছেন। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করি। একটা প্রাণ চলে গেলে তো কেউ ফিরিয়ে আনতে পারে না।”




প্রদীপ কর অবিবাহিত। বাড়ির পাশেই একটা দোকান চালিয়ে সংসার চালাতেন তিনি। ভাইয়েরও ওপেন হার্ট বাইপাস সার্জারি হয়েছে। অভিষেক বলেন, “পরিবারের লোকেদের কাছ থেকে শুনেছিল, তিনি দানধ্যান করতেন, এলাকার তাঁর পরিচিত রয়েছে। নিপাট ভদ্রলোক। প্রদীপবাবুর পরিবার এই এলাকায় ৪০ বছরের বেশি সময় ধরে রয়েছেন। এই বাড়িতে হয়তো কিছুদিন এসেছেন। তার আগে এখানেই অন্য বাড়িতে থাকতেন।”

এলাকাবাসীকে অভয় বার্তা দেন অভিষেক। এক জন ভোটারের নামও বাদ গেলে, এক লক্ষ ভোটার নিয়ে নির্বাচন কমিশন ঘেরাও করার ডাক দেন তিনি।  কলোনি এলাকার বাসিন্দাদেরও  নিশ্চিন্তে থাকার পরামর্শ দেন তিনি। উল্লেখ্য়, অভিষেক যখন আগরপাড়ায়, তখনই খবর সামনে আসে দিনহাটায় আরও এক জন SIRএর ভয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন। সে প্রসঙ্গও উত্থাপন করেন তিনি।

মঙ্গলবার ঘর থেকে প্রদীপ করের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। আর পুলিশের দাবি, তাঁর পাশ থেকে উদ্ধার হয় একটি নোট। সেই নোট নিয়ে রহস্য জোরাল হচ্ছে। পুলিশের দাবি, নোটে লেখা ছিল, ‘আমার মৃত্যুর জন্য NRC দায়ী।’ কিন্তু পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য, প্রদীপ করেন ডান হাতের চারটে আঙুল ছিল না। ‘৮০ সালের আগে একটি দুর্ঘটনায় ডান হাতের চারটে আঙুল কাটা যায় প্রদীপ করেন। ডান হাতেই খেতেন, কাজ করতেন, তবে লিখতে পারতেন কিনা, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে।

সে প্রসঙ্গ উত্থাপন করে অভিষেক বলেন, “আমি সত্যিই লজ্জিত, একটা রাজনৈতিক দল এতটা নিচে নামতে পারে। প্রদীপবাবুকে ব্যক্তি আক্রমণ করা হচ্ছে, তিনি লিখতে পারেন নাকি পারেন না, সে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। তিনি পরিস্কারভাবে লিখে দিয়ে গিয়েছেন, ‘আমার মৃত্যুর জন্য দায়ী NRC’, তারপরও এটা নিয়ে রাজনীতি করবেন?” কেন এখনও পর্যন্ত বিজেপির কেউ পরিবারের সদস্যদের কাছে গিয়ে দেখা করেননি, সে প্রশ্নও তোলেন। অভিষেক বলেন, ” যারা নিজেদের হিন্দু ধর্ম, হিন্দুদের রক্ষাকর্তা, ধারকবাহক বলে দাবি করেন, তাঁদের কেউ এসে পরিবারটার খোঁজ নিয়েছেন।”

এদিনই অবশ্য রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “ওটা ফলস কেস। ২০০২ সালে ওনার নাম ভোটার লিস্টে ছিল। ওনার পরিবারের সদস্যরা সব তৃণমূল করেন। ওনার কাছে তো CAA, NRC-র কোনও ব্যাপার নেই তো, আমার কাছে ওনার সিরিয়াল নম্বর, পার্ট নম্বর সব রয়েছে। আমি নিজে দেখেছি।”

ভোটার লিস্টে নামের বানান ভুল আসায় আত্মহত্যার চেষ্টা, উদয়নকে দ্রুত দেখতে যাওয়ার নির্দেশ মমতার



জানা যাচ্ছে, কোচবিহারের দিনহাটায় থাকেন ওই ব্যক্তি। তিনিও আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন তিনি। জানা যাচ্ছে, ওই ব্যক্তির নামের বানান ২০০২ -এর তালিকার সঙ্গে ২০২৫ এর তালিকার গড়মিল রয়েছে। একটি অক্ষর নেই। তার জেরেই তৈরি হয়েছিল আতঙ্ক।



কলকাতা: SIR ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যে একের পর এক ঘটনা প্রকাশ্যে আসছে। ইতিমধ্যেই উত্তর ২৪ পরগনার আগরপাড়ায় বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করেছেন প্রদীপ কর নামে এক ব্যক্তি। অভিযোগ, NRC আতঙ্কে এই মর্মান্তিক পথ বেছে নিয়েছিলেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই সুর চড়িয়েছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার উত্তরবঙ্গ থেকেও বিষ খেয়ে আত্মঘাতী হওয়ার চেষ্টা একজনের। আজ বিষয়টি নিয়ে সরব হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

জানা যাচ্ছে, কোচবিহারের দিনহাটায় থাকেন ওই ব্যক্তি। তিনিও আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন তিনি। জানা যাচ্ছে, ওই ব্যক্তির নামের বানান ২০০২ -এর তালিকার সঙ্গে ২০২৫ এর তালিকার গড়মিল রয়েছে। একটি অক্ষর নেই। তার জেরেই তৈরি হয়েছিল আতঙ্ক। পরিবারের দাবি অন্তত তেমনটাই। জানা যায়, আজ ওই ব্যক্তি নামাজও পড়তে যাননি। এলাকাবাসীর দাবি, তিনিও SIR আতঙ্কে এই কাজ করেছেন। হাসপাতালের বেড়ে শুয়ে ওই ব্যক্তি বলেন, “আমার ভোটার লিস্টে নামের বানান ভুল এসেছে। আমি ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। জানি না তো কিছু। ভেবেছি এর থেকে মরে যাওয়া ভাল।”



আজ ভার্চুয়ালি গোটা রাজ্যের একাধিক জগদ্ধাত্রী পুজো উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই সময় দিনহাটার পুজো উদ্বোধন করার আগেই তিনি সেখানকার বিধায়ক উদয়ন গুহকে নির্দেশ দেন। বলেন, “দিনহাটায় একজন বিষ খেয়েছে। আমি জানতে পেরেছি। তুমি ফিরে গিয়ে ওঁর বাড়ি যাবে।”

প্রসঙ্গত, এ দিকে, আজ আবার আগরপাড়ায় মৃত প্রদীপ করের বাড়ি গিয়ে জাস্টিস ফর প্রদীপ কর বলে সুর চড়ান তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার লোকজনের উদ্দেশে বার্তা দেন, “SIR শুরুর পর থেকে আমি রাস্তায় থাকব, আপনারা ভয় পাবেন না।”


ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সুন্দরবন, পরিস্থিতি পরিদর্শনে মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে চলছে দফায় দফায় বৃষ্টি। এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে বকখালি সমুদ্র সৈকত পরিদর্শন করলেন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা।
জানা গিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কায় সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে প্রশাসনের তরফে সতর্কতামূলক মাইকিং চলছে। মন্ত্রী বকখালি সৈকত ঘুরে দেখেন এবং প্রশাসনের পদক্ষেপ সম্পর্কে খোঁজ নেন।


পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা সাংবাদিকদের জানান, "ঘূর্ণিঝড়ের বর্তমান পরিস্থিতির ওপর প্রশাসন সবকিছু নজর রাখছে। উপকূল অঞ্চলে যাতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটে, সেদিকে কঠোর দৃষ্টি রাখা হচ্ছে।" তিনি আরও বলেন, বকখালি সমুদ্র সৈকতেও প্রশাসনের তরফ থেকে নিয়মিত মাইকিং চলছে, যাতে পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যান। দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।
মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরার এই পরিদর্শনে সুন্দরবনের দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের তৎপরতা স্পষ্ট হলো।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সুন্দরবনে বৃষ্টি, সতর্ক প্রশাসন 

ঘূর্ণিঝড় 'মান্থা'র সরাসরি ল্যান্ড ফল্ট এই রাজ্যে না হলেও, এর প্রভাবে সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে শুরু হয়েছে বৃষ্টি। সম্ভাব্য বিপদ মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
উপকূল তীরবর্তী অঞ্চলগুলিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে লাগাতার মাইকিং করা হচ্ছে। মৎস্যজীবীদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে সমুদ্রে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন। মৎস্যজীবীদের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে বকখালি সমুদ্র সৈকত ঘুরে দেখেন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা। অন্যদিকে, গঙ্গাসাগর সমুদ্র সৈকতেও জোরদার নজরদারি চলছে। সাগর ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা মাইকিং করে চলেছেন। তাঁরা পুণ্যার্থীদের সমুদ্রে নামতে কঠোরভাবে নিষেধ করছেন এবং তাঁদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার কথা বলছেন। কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে প্রশাসনিক আধিকারিকেরা সর্বদা সতর্ক রয়েছেন।
অস্থির আবহাওয়ার কারণে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকতে এবং প্রশাসনের নির্দেশ মেনে চলতে অনুরোধ করা হচ্ছে।


মূলত, মঙ্গলবার বারুইপুর পূর্ব বিধানসভার তৃণমূল বিধায়ক বিভাস সর্দারের স্ত্রী নমিতা সর্দারেরই দু জায়গায় নাম প্রকাশ্যে আসে। জানা গিয়েছে, তাঁর বাপের বাড়ি কুলতলি বিধানসভা এলাকায়। সেখানেও যেমন তাঁর ভোটার কার্ডের নাম রয়েছে, একইভাবে বারুইপুরেও ভোটার কার্ডের নাম রয়েছে।


দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর পূর্ব বিধানসভার তৃণমূল বিধায়কের স্ত্রী কুলতলি ও বারুইপুর দুই জায়গায় ভোটার কার্ডে নাম থাকার প্রসঙ্গে মুখ খুললেন বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার এক তৃণমূল কাউন্সিলরের স্ত্রীর দুই বিধানসভা এলাকায় নাম প্রকাশ্যে আসে। আর সেই ঘটনাতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।

মূলত, মঙ্গলবার বারুইপুর পূর্ব বিধানসভার তৃণমূল বিধায়ক বিভাস সর্দারের স্ত্রী নমিতা সর্দারেরই দু জায়গায় নাম প্রকাশ্যে আসে। জানা গিয়েছে, তাঁর বাপের বাড়ি কুলতলি বিধানসভা এলাকায়। সেখানেও যেমন তাঁর ভোটার কার্ডের নাম রয়েছে, একইভাবে বারুইপুরেও ভোটার কার্ডের নাম রয়েছে। এই নিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী মঙ্গলবার এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন।



NRC আতঙ্কে আত্মঘাতী? আগরপাড়ার প্রদীপ করের বাড়িতে যাচ্ছেন অভিষেক
এবার এই প্রসঙ্গে বারুইপুর পশ্চিম বিধানসভার বিধায়ক তথা বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “এরকম অনেকেরই নাম আছে। এটা কোনও ব্যতিক্রমী ব্যাপার নয়। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব ছিল এটা দেখবার। সুতরাং এই রকম নাম প্রচুর জায়গায় পাওয়া যাবে। আমরা তো চাই স্বচ্ছ ভোটার লিস্ট হোক। প্রত্যেকটা মানুষ যাঁরা ভোটার হবেন তাঁরা ভোট দিতে পারবেন। কোনও মানুষের নাম যেন বাদ না যায়। যারা আমাদের বিএলও (BLO) রয়েছেন, তাঁরা ব্যাপারটা দেখবেন। এবং আমরাও সতর্ক দৃষ্টি রাখব। যাতে প্রতিটা মানুষ তারা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।”

প্রসঙ্গত, সোমবারই SIR ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। তারপর থেকেই রাজনীতির পারদ আরও চড়েছে। সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, একজনও বৈধ ভোটারের নাম বাদ গেলে কমিশনের অফিস ঘেরাও হবে।


আজ তৃণমূল ভবনে বৈঠকে বসেছিলেন অভিষেক। প্রথম থেকেই একেবারে ঢাল-তরোয়াল নিয়ে কার্যত কমিশনের বিরুদ্ধে 'যুদ্ধে' নামেন তৃণমূল সাংসদ। সর্বপ্রথম প্রশ্ন তোলেন, অসমে কেন SIR হচ্ছে না? সেখানে বিজেপি ক্ষমতায় আছে বলেই কি SIR হচ্ছে না?

 'দেশ ছেড়ে পালাবেন না...যেখানে থাকবেন খুঁড়ে নিয়ে আসব', জ্ঞানেশ কুমারকে 'ওয়ার্নিং' অভিষেকের
অভিষেকের আক্রমণ জ্ঞানেশকুমারকে

 কখনো বলছেন, ‘ঘেরাও করবেন’, কখনো আবার বলছেন, ‘যেখানেই থাকুন খুঁড়ে বের করে নিয়ে আসব’। গতকাল অর্থাৎ সোমবার এসআইআর (SIR) ঘোষণার পরেই মুখ্য নির্বাচনে আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমারকে কার্যত একহাত নিলেন ডায়মন্ড হারবারে তৃণমূল সংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ‘একহাত’ বলা ভুল। বলা ভাল, একেবারে ‘ওয়ার্নিং’ দিয়ে বসলেন তিনি।

SIR নিয়ে প্রথম থেকেই সরব ছিল শাসকদলের একাধিক নেতা-মন্ত্রী। বারেবারে তাঁদের বলতে শোনা গিয়েছে, বাংলায় একজন বৈধ নাগরিকের নাম বাদ গেলে ছেড়ে কথা বলা হবে না। আজ দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলাতেও একই সুর। একই ভঙ্গিতে একবার নয়, একাধিকবার বললেন, বৈধ নাগরিকের নাম বাদ গেলে ছেড়ে কথা বলা হবে না কমিশনকে। এমনকী, নির্বাচন কমিশনের অফিসও ঘেরাও করবেন তাঁরা।



আজ তৃণমূল ভবনে বৈঠকে বসেছিলেন অভিষেক। প্রথম থেকেই একেবারে ঢাল-তরোয়াল নিয়ে কার্যত কমিশনের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধে’ নামেন তৃণমূল সাংসদ। সর্বপ্রথম প্রশ্ন তোলেন, অসমে কেন SIR হচ্ছে না? সেখানে বিজেপি ক্ষমতায় আছে বলেই কি SIR হচ্ছে না? এমনকী, ভারতের ম্যাপ খুলে রাজ্যগুলির অবস্থান নিয়ে আলোচনা করেন। ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের স্পষ্ট বক্তব্য, অসমেও বাংলাদেশের বর্ডার আছে। তাহলে শুধু বাংলাতেই কেন SIR? তিনি বলেন, “যে পাঁচটা রাজ্যে ভোট আছে, খুব কৌশলের সঙ্গে অসমকে বাদ দিয়েছে। কারণ বিজেপি ক্ষমতায় আছে। তাহলে বিজেপি ক্ষমতায় থাকলে SIR হবে না।”

এরপর এই এসআইআর-এর পিছনে কমিশনের ‘অভিসন্ধি’ কী রয়েছে সেটাও কার্যত স্পষ্ট করে দেন তৃণমূল সাংসদ। বলেন, “আসলে ওদের উদ্দেশ্য বাংলাকে অপমান, বাংলা ভাষাকে বিদ্রুপ, বাঙালিকে বাংলাদেশি বেল দাগানো। আগেও বলেছি, একটা বৈধ ভোটারের নাম বাদ গেলে বাংলার এক লক্ষ লোক গিয়ে কমিশনের অফিস ঘেরাও করবে। অমিত শাহের দিল্লিপুলিশ আটকে দেখাক।” তাঁর অভিযোগ, আসলে বিজেপি হারবে সেই কারণেই ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা করছেন। অভিষেক বলেন, “SIR হওয়ার পরও তৃণমূলের যা ভোটের আসন ছিল একুশে তা একটা হলেও বাড়াব। কমার জায়গায় নেই। বিজেপিকে পঞ্চাশে নামাব। ক্ষমতা থাকলে চ্যালেঞ্জ নিন। আর এসআইআর হওয়ার পর যদি হারে, তারপর বিজেপি নেতারা সাংবাদিক বৈঠক করে বলুন, আমরা দুলক্ষ কোটি টাকা বকেয়া ছেড়ে দেব। নাহলে আপনারা যা বলবেন তাই করব।”

এরপরই একদম সরাসরি আক্রমণ শানান জ্ঞানেশ কুমারকে। ক্ষুব্ধ কণ্ঠে তিনি বলেন, “আমি সাংসদ হিসাবে এদের ওয়ার্নিং দেব, আজ নয় কাল সরকার বদলাবে। জ্ঞানেশবাবু দেশ ছেড়ে পালাবেন না। বিজেপি থাকবে না, দেশের সংবিধান থাকবে। অমিত শাহ থাকবে না। তখন যেখানে থাকবেন খুঁড়ে নিয়ে আসব। জবাবদিহি মানুষের কাছে দিতে হবে। আপনার অনেক তথ্য আমাদের কাছে আছে। সময় মতো সব মানুষের কাছে উপস্থাপিত করব।” এখানেই শেষ নয়, তিনি মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে এই বাংলায় অতিথি হয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। বলেছেন, “আমি বলব জ্ঞানেশকুমার কবে বাংলায় এসেছেন? অতিথি হয়ে আসুন। মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশের সঙ্গে এক করবেন না। ইতিহাস পড়ুন এখানকার। বাংলা না থাকলে যে ভাষায় কথা বলছেন বলতে পারতেন না।“
 

গত ২৫ জুন কসবা আইন কলেজে গণধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনায় তোলপাড় হয় কলকাতা। অভিযোগ ওঠে, ঘটনার দিন কলেজের মূল দরজা বন্ধ করে আইনের ছাত্রীকে গণধর্ষণ করা হয় সিকিউরিটি গার্ডের রুমে। শুধু গণধর্ষণ নয়, হকিস্টিক দিয়ে তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয়। এই ঘটনায় নির্যাতিতার মাথায় আঘাতও লাগে।


ল কলেজে গণধর্ষণের ঘটনায় জামিন পেয়েছিলেন অভিযুক্ত, রায়কে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে নির্যাতিতা
এবার হাইকোর্টে লড়াই


 কসবা ল কলেজে গণধর্ষণের ঘটনায় সম্প্রতি নিম্ন আদালত জামিন মঞ্জুর করেছিল অভিযুক্ত নিরাপত্তা রক্ষীর। এই ধর্ষণের ঘটনায় ওই ব্যক্তিকে অন্যতম অভিযুক্ত মনে করেনি নিম্ন আদালত। একাধিক সাক্ষীর বয়ানের উপর ভিত্তি করে অভিযুক্তকে জামিন দিয়েছিল কোর্ট। এবার নিম্ন আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হল নির্যাতিতার পরিবার। ল কলেজের নিরাপত্তা রক্ষীর জামিন খারিজের আবেদন জানিয়ে উচ্চ-আদালতের দ্বারস্থ হলেন নির্যাতিতা।

গত ২৫ জুন কসবা আইন কলেজে গণধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনায় তোলপাড় হয় কলকাতা। অভিযোগ ওঠে, ঘটনার দিন কলেজের মূল দরজা বন্ধ করে আইনের ছাত্রীকে গণধর্ষণ করা হয় সিকিউরিটি গার্ডের রুমে। শুধু গণধর্ষণ নয়, হকিস্টিক দিয়ে তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয়। এই ঘটনায় নির্যাতিতার মাথায় আঘাতও লাগে। যে সময় এই ঘটনা ঘটেছিল,সেই সময় ডিউটিতে ছিলেন অভিযুক্ত নিরাপত্তারক্ষী। তবে সব কিছু দেখেও তিনি চুপ ছিলেন। সেই সময়ই প্রশ্ন ওঠে তাঁর ভূমিকা নিয়ে। নির্যাতিতার অভিযোগের ভিত্তিতে মূল অভিযুক্ত ও তাঁর সহকর্মীরা গ্রেফতার হন।



 'তৃণমূলের কিছুই ভাল লাগে না', দল ছেড়ে বিজেপিতে এলেন ৫০ জন
এরপর গত ১৩ই অক্টোবর আলিপুর আদালতে ওঠে এই মামলা। কুড়ি হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে এই জামিন মঞ্জুর করে কোর্ট। অভিযুক্ত নিরাপত্তারক্ষীর আইনজীবী এ দিন জামিন পাওয়ার পর জানিয়েছিলেন, “নিরাপত্তারক্ষীকে জেলা আদালত চারমাসের মধ্যে জামিন দিল। আমরা কিছু তথ্য দেখাই, যে উনি ভয়ে ছিলেন তাই কিছু করার ছিল না। ওই কলেজের অন্য নিরাপত্তারক্ষীরাও বলেছেন যে আমার মক্কেলের কিছু করার ছিল না পরিবেশটাই এমন ছিল ওইখানকার। এখনও সম্পূর্ণ চার্জশিট জমা পড়েনি। সিসিটিভি ফুটেজও দিতে পারেনি।”

সিইও মনোজ কুমার আগরওয়াল বলেন, "এটা তো সরকারি কর্মসূচি। নির্বাচন কমিশন করছে। এর আগেও বেশ কয়েকবার এসআইআর হয়েছে। প্রথমবার এসআইআর হচ্ছে না। আশঙ্কার কিছু নেই। প্রত্যেক ব্যক্তির কাছে আমরা ৩-৪ বার যাব।"


আশঙ্কার কিছু নেই', বুথ লেভেল এজেন্ট নিয়োগ করতে রাজনৈতিক দলগুলিকে বার্তা CEO-র
সিইও মনোজ কুমার আগরওয়াল


একজন বৈধ ভোটারের নাম বাদ পড়লেই আন্দোলনে নামবে তারা। জাতীয় নির্বাচন কমিশন বিশেষ নিবিড় সমীক্ষার (SIR) ঘোষণার পরই হুঁশিয়ারি দিয়েছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল। এই নিয়ে কী বলছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO) মনোজ কুমার আগরওয়াল? মঙ্গলবার সর্বদলীয় বৈঠকের পর সাংবাদিক বৈঠকে এই নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে CEO স্পষ্ট করে দিলেন, স্বচ্ছ ভোটার তালিকা প্রস্তুত করাই তাঁদের লক্ষ্য। এসআইআর নিয়ে আশঙ্কার কিছু নেই বলেও আশ্বাস দিলেন তিনি।

সোমবার বাংলা-সহ ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এসআইআর শুরুর কথা ঘোষণা করেছে কমিশন। তারপরই এদিন পশ্চিমবঙ্গের সিইও অফিসে সর্বদলীয় বৈঠক করেন মনোজ কুমার আগরওয়াল। ওই বৈঠকের পরই সাংবাদিক বৈঠক করেন তিনি। এসআইআর প্রক্রিয়া কীভাবে হবে, তা তুলে ধরেন।





সাংবাদিক বৈঠকে সিইও জানান, নির্বাচন কমিশনের ঘোষণার পর গতকাল রাতে বাংলায় ভোটার তালিকা ফ্রিজ হয়েছে। আর সেই তালিকা হিসেবে এখন রাজ্যে ভোটার রয়েছেন ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫২৯। এনুমারেশনের জন্য বিএলও অ্যাপ তৈরি হয়েছে। ৩ নভেম্বর পর্যন্ত বুথ লেভেল অফিসারদের (BLO) প্রশিক্ষণ হবে। এরপর ৪ নভেম্বর থেকে বিএলও-রা বাড়ি বাড়ি এনুমারেশন ফর্ম নিয়ে যাবেন। খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ হবে ৯ ডিসেম্বর। আর ৯ ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ৮ জানুয়ারি পর্যন্ত দাবি ও অভিযোগ জানানো যাবে। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে ৭ ফেব্রুয়ারি।

২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে ২০২৫ সালের ম্যাপিংয়ের কথা উল্লেখ করে সিইও বলেন, “বাংলায় এসআইআর শুরুর আগে ম্যাপিং হয়েছে। ফলে নির্দিষ্ট কোনও বুথে ২০০২ সালে কতজন ভোটার ছিলেন, তা জানা গিয়েছে। এটা নিয়ে অনেক ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। ২০০২ সালের পর অনেকে ভোট কেন্দ্র বদলেছেন। ২০০২ সালের পর অনেকের নাম উঠেছে।”

এরপরই তিনি বলেন, “খসড়া তালিকায় কেন কারও নাম বাদ যাবে তা জানানো হবে। পঞ্চায়েত অফিস, পৌরসভায় তালিকা টাঙানো হবে। হেল্প ডেস্ক থাকবে। বিএলও অ্যাপেও আপনি জানাতে পারেন। কোনও বৈধ ভোটার বাদ যাবেন না।” এদিন রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে বৈঠকের কথা উল্লেখ করে সিইও বলেন, “আটটি রাজনৈতিক দলের ৪ জন করে প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছি।”

পশ্চিমবঙ্গের অনেক সাধারণ মানুষ এসআইআর নিয়ে আশঙ্কায় রয়েছেন বলে বিভিন্ন মহলের দাবি। এই নিয়ে সিইও মনোজ কুমার আগরওয়াল বলেন, “এটা তো সরকারি কর্মসূচি। নির্বাচন কমিশন করছে। এর আগেও বেশ কয়েকবার এসআইআর হয়েছে। প্রথমবার এসআইআর হচ্ছে না। আশঙ্কার কিছু নেই। প্রত্যেক ব্যক্তির কাছে আমরা ৩-৪ বার যাব। পরিযায়ী শ্রমিকরা কিউআর কোডের মাধ্যমে এতে অংশ নিতে পারবেন। পরিবারের লোকেরা করতে পারে।”

এরপরই রাজনৈতিক দলগুলিকে বার্তা দিয়ে সিইও বলেন, “আজ রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে বৈঠক করলাম। তাদের অনুরোধ করলাম, আপনারা বুথ লেভেল এজেন্ট (BLA) নিয়োগ করুন। প্রতি বুথের রাজনৈতিক দলগুলির বিএলএ-দের সঙ্গে আমাদের বিএলও-রা ধাপে ধাপে বৈঠক করবেন। এনুমারেশনের আগে বৈঠক করবেন। ফর্ম তুলতে পারবেন বিএলএ-রা।”


বস্তুত, একা অভিষক নন, প্রদীপ করের মৃত্যুতে ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তিনি বলেন, "আমি কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি যে এই নির্মম খেলাটি চিরতরে বন্ধ হোক। বাংলা কখনও এনআরসি অনুমোদন করবে না। কাউকে আমাদের জনগণের মর্যাদা কেড়ে নিতে দেবে না।"

 'অমিত শাহ ও জ্ঞানেশ কুমারের নামে FIR হওয়া উচিত', কেন বললেন অভিষেক
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, সাংসদ


NRC আতঙ্ক। সুইসাইড নোট লিখে আত্মহত্যা করলেন এক ব্যক্তি। তিনি আগরপাড়ার মহাজাতি নগরের বাসিন্দা। এই ঘটনার পরই ময়দানে নেমে পড়ছে তৃণমূল। মঙ্গলবার বিকালে সাংবাদিক বৈঠক করে সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এই ঘটনার পুরো দায় ঠেলেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অমিত শাহ ও মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমারের দিকে। প্রৌঢ়ের মৃত্যুতে তাঁদের বিরুদ্ধে FIR হওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেছেন তৃণমূল সাংসদ।

আজ সাংবাদিক বৈঠক থেকে আদ্যপান্ত এসআইআর ইস্যুতে মন্তব্য করেছেন অভিষেক। হুঙ্কার দিয়ে এও বলেছেন, একজনও বৈধ ভোটারের নাম বাদ গেলে তিনি বাংলার মানুষদের নিয়ে গিয়ে নির্বাচন কমিশনের অফিস ঘেরাও করবেন। তিনি বলেন, “অমিত শাহের দিল্লি পুলিশ তখন কী করে দেখব।” ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের এ দিন প্রশ্ন, “বিজেপির যারা এমপি তাঁদের বাবার নাম আছে ২০০২ এর ভোটার লিস্টে? যাঁরা কেন্দ্রের মন্ত্রী তাঁদের বাবার নাম আছে ২০০২ এর ভোটার লিস্টে? তথ্য সব পরে দেব। জোগাড় করেছি।”



 দেবে। এই মৃত্যুর জন্য দায়ী অমিত শাহ ও জ্ঞানেশ কুমার। তাদের নামে FIR হওয়া উচিত। উনি যখন নিজের আত্মহত্যার চিঠিতে লিখেছেন, মৃত্যুর জন্য দায়ী SIR ও NRC। আর এই এনআরসি করছেন অমিত শাহ, আর এসআইআর করার চক্রান্ত করেছেন জ্ঞানেশ কুমার। ছমাস আগে সহকর্মী ছিলেন অমিত শাহের।” এখানেই শেষ নয়, মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে ওয়ার্নিং ও দিয়েছেন অভিষেক। বলেন, “আমি সাংসদ হিসাবে এদের ওয়ার্নিং দেব, আজ নয় কাল সরকার বদলাবে। জ্ঞানেশবাবু দেশ ছেড়ে পালাবেন না। বিজেপি থাকবে না, দেশের সংবিধান থাকবে। অমিত শাহ থাকবে না। তখন যেখানে থাকবেন খুঁড়ে নিয়ে আসব। জবাবদিহি মানুষের কাছে দিতে হবে। আপনার অনেক তথ্য আমাদের কাছে আছে। সময় মতো সব মানুষের কাছে উপস্থাপিত করব।”

বস্তুত, একা অভিষক নন, প্রদীপ করের মৃত্যুতে ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তিনি লিখেছেন, “আমি কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি যে এই নির্মম খেলাটি চিরতরে বন্ধ হোক। বাংলা কখনও এনআরসি অনুমোদন করবে না। কাউকে আমাদের জনগণের মর্যাদা কেড়ে নিতে দেবে না। বছরের পর বছর ধরে বিজেপি এনআরসির হুমকি দিয়ে, মিথ্যা প্রচার করে, আতঙ্ক ছড়িয়েছে। কীভাবে ভোটের জন্য নিরাপত্তাহীনতার অস্ত্র ব্যবহার করে নিরীহ নাগরিকদের উপর নির্যাতন চালিয়েছে তা কল্পনা করলে আমার হৃদয় কেঁপে ওঠে।”

নবান্নে ইতিমধ্যেই খোলা হয়েছে বিশেষ কন্ট্রোল রুম। উপকূলবর্তী এলাকায় অতিরিক্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। মৎস্যজীবীদের সতর্ক করে দেওয়া ছাড়াও বাঁধগুলির উপরও নজর রাখতে বলা হয়েছে। বৈঠকে মুখ্যসচিব ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের সচিব রাজেশ সিনহা, সেচ দফতরের সচিব মণীশ জৈন-সহ সংশ্লিষ্ট দফতরের সচিবরা।


মন্থা' নিয়ে সতর্ক নবান্ন, জেলাশাসকদের একগুচ্ছ নির্দেশ মুখ্যসচিবের
প্রতীকী ছবি


 ঘূর্ণিঝড় ‘মন্থা’-র প্রভাব সরাসরি পড়বে না বাংলায়। তবে আগামী কয়েকদিন উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কোনও ঝুঁকি নিতে রাজি নয় নবান্ন। মঙ্গলবার সব জেলাশাসককে সতর্ক করে দিলেন মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিকে সতর্ক করা হয়েছে।


উত্তরবঙ্গের মানুষ সদ্য প্রাকৃতিক বিপর্যয় কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াচ্ছেন। মন্থার প্রভাবে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে ফের ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তাই মুখ্যসচিব সেখানে জেলাশাসকদের পর্যাপ্ত ত্রাণ সামগ্রী মজুত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। নিচু এলাকা থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি যদি অতি ভারী বৃষ্টির কারণে বিহার, ঝাড়খণ্ড থেকে জল ছাড়া হয়, সেক্ষেত্রে এ রাজ্যের বেশ কয়েকটি জেলায় প্লাবনের সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে। সেই সব এলাকায় সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যসচিব। ত্রাণ মজুত রাখার পাশাপাশি প্রয়োজনে অস্থায়ী ত্রাণ শিবির খোলার ব্যাবস্থা রাখতে হবে বলে জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যসচিব।





এদিকে, অন্ধ্র প্রদেশে ল্যান্ডফল করেছে ঘূর্ণিঝড় মন্থা। আবহাওয়া অফিস বলছে, উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির হবে। কারণ, দক্ষিণে ল্যান্ডফল হলেও ধীরে ধীরে ঘূর্ণিঝড়ের অবশিষ্ট অংশ ছত্তীসগঢ় হয়ে বিপরীত দিকে এসে বিহার হয়ে ঘূর্ণিঝড়ের অবশিষ্ট অংশ উত্তরবঙ্গের দিকে যাবে। তার প্রভাব পড়বে এ রাজ্যে। দক্ষিণবঙ্গেও বৃষ্টি হবে। ১ তারিখ থেকে ধাপে ধাপে বৃষ্টি কমবে দক্ষিণবঙ্গে।
গত ২৬ সেপ্টেম্বর তাঁর বিরুদ্ধে নিয়োগ দুর্নীতির শেষ মামলাতেও কলকাতা হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। কিন্তু, সুপ্রিম কোর্টের একটি শর্তের জন্য জেল থেকে এখনও বেরতে পারেননি তিনি। গত ১৮ অগস্ট সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয়, চার সপ্তাহের মধ্যে চার্জ গঠন করবে নিম্ন আদালত। তার পরে ২ মাসের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীদের জবানবন্দি নথিবদ্ধ করতে হবে।


 শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ২০২২ সালের জুলাই থেকে জেলে রয়েছেন তিনি। তাঁর বিরুদ্ধে সব মামলায় জামিন পেয়েছেন। তারপরও এখনও জেলেই রয়েছেন। এবার জেল থেকে বেরতে মরিয়া প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। মঙ্গলবার আলিপুর বিশেষ সিবিআই আদালতে ভার্চুয়ালি শুনানিতে অংশ নিয়ে তিনি বললেন, জেল থেকে বেরতে নিজেই সওয়াল করতে চান।


শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি, সিবিআইয়ের সব মামলায় জামিন পেয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। গত ২৬ সেপ্টেম্বর তাঁর বিরুদ্ধে নিয়োগ দুর্নীতির শেষ মামলাতেও কলকাতা হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। কিন্তু, সুপ্রিম কোর্টের একটি শর্তের জন্য জেল থেকে এখনও বেরতে পারেননি তিনি। গত ১৮ অগস্ট সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয়, চার সপ্তাহের মধ্যে চার্জ গঠন করবে নিম্ন আদালত। তার পরে ২ মাসের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীদের জবানবন্দি নথিবদ্ধ করতে হবে। সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হলে পার্থকে জেল থেকে ছাড়া হবে।




শুরু হতে চলেছে ৩১ তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব, এবারের বিশেষ চমক কী?
এদিন আলিপুর বিশেষ সিবিআই আদালতে শুনানিতে ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে ‘ধীরগতিতে’ সাক্ষ্য গ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেন পার্থ। তখন তিনি জানান, প্রয়োজনে নিজের হয়ে নিজেই সওয়াল করতে চান। পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “বিচার প্রক্রিয়া যাতে দ্রুত শেষ হয় তার জন্য দরকারে নিজের হয়ে নিজেই সওয়াল করব। আমার কেসে (গ্রুপ সি) ১৪ তারিখ (নভেম্বর) পর্যন্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করার নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু, যেভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ প্রক্রিয়া টেনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, তাতে কিছু বোঝা যাচ্ছে না।”

প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী এদিন বলেন, বিচার প্রক্রিয়ায় তাঁর সঙ্গে যুক্ত সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ না করায় বিলম্ব হচ্ছে বিচার প্রক্রিয়া। তার জেরে তাঁর জেল থেকে মুক্তি হচ্ছে না বলে মনে করেন পার্থ।

তিনিও বললেন, বৈধ ভোটারের নাম বাদ গেলে দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের অফিস ঘেরাও করবেন। দলের নেতা মন্ত্রী মাথারা যখন SIR ইস্যু নিয়ে একের পর এক মুখ খুলছেন, সেই সময় একদম ভিন্ন সুর শোনা গেল তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলের গলায়। বীরভূমের বাঘ আবার বলে বসলেন,"SIR হোক।"


'SIR হলে তো ভালই হবে', এবার উল্টো সুর কেষ্টর গলায়
অনুব্রত মণ্ডল


তখনও SIR শুরু হয়নি। জল্পনা চলছিল। তার মধ্যেই রাজ্যের মন্ত্রী সাবিনা ইয়ামিন হুমকি দিয়ে বলেছিলেন, একজনও বৈধ ভোটারের নাম বাদ গেলে তিনি মোথাবাড়ি লণ্ডভণ্ড করে দেবেন। আজ অর্থাৎ মঙ্গলবার একই সুর শোনা গেল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলাতেও। তিনিও বললেন, বৈধ ভোটারের নাম বাদ গেলে দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের অফিস ঘেরাও করবেন। দলের নেতা মন্ত্রী মাথারা যখন SIR ইস্যু নিয়ে একের পর এক মুখ খুলছেন, সেই সময় একদম ভিন্ন সুর শোনা গেল তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলের গলায়। বীরভূমের বাঘ আবার বলে বসলেন,”SIR হোক।”

কী বলেছেন কেষ্ট?



অনুব্রত বলেন, “এসআইআর চালু হোক না। অসুবিধা কী আছে? এসআইআর হলে তো ভালই হবে। খারাপের কিছু নেই, এত ভাল জিনিস। এতে খারাপের কিছুই হবে না।” প্রসঙ্গত, আজ যখন অনুব্রত এই কথা বলছেন, ঠিক তখনই তাঁরই দলের নেতা তথা সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন ভিন্ন কথা। সুর চড়িয়েছেন কমিশনের বিরুদ্ধে। আক্রমণ করেছেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে। তৃণমূল নেতা এও বলেছেন, সব সময় বিজেপি থাকবে না। তখন যেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক দেশ ছেড়ে না পালিয়ে যান। তিনি বলেন, “আমি সাংসদ হিসাবে এদের ওয়ার্নিং দেব, আজ নয় কাল সরকার বদলাবে। জ্ঞানেশবাবু দেশ ছেড়ে পালাবেন না। বিজেপি থাকবে না, দেশের সংবিধান থাকবে। অমিত শাহ থাকবে না। তখন যেখানে থাকবেন খুঁড়ে নিয়ে আসব। জবাবদিহি মানুষের কাছে দিতে হবে। আপনার অনেক তথ্য আমাদের কাছে আছে। সময় মতো সব মানুষের কাছে উপস্থাপিত করব।” খোদ দলের নেতা যখন এমন কথা বলছেন, সেই সময় হঠাৎ কেন এ হেন মন্তব্য কেষ্টর? তা নিয়েই বেড়েছে জল্পনা


রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা হাফিজ আলম সৈরানির প্রথম প্রয়াণ বার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার উত্তর কলকাতার রামমোহন লাইব্রেরি হলে স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানেই উপস্থিত ছিলেন সেলিম-অধীর-শুভঙ্কর-বিমানরা। 


অধীর বলেন, "আমি যখন রাজনীতি শুরু করি তখন নকশাল করেছি। না বুঝেই করেছিলাম। আবেগে করেছি। ভেবেছি বিপ্লব হবে, ঝামেলা নেই, পড়াশোনা করতে হবে না। সব থেকে সহজ। কিন্তু পড়ে দেখলাম গড়বড়ে।"


ছাব্বিশের ভোটে ফের বাম-কংগ্রেস জোট? অধীর-সেলিমের ইঙ্গিত তেমনটাই
জোট হচ্ছে তবে?


ছাব্বিশের ভোটে তৃণমূল আর বিজেপিকে হারাতে জোট ছাড়া কোনও বিকল্প নেই। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারকে সামনে রেখেই তা কার্যত বুঝিয়ে দিলেন কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য অধীর চৌধুরী আর সিপিএম-এর রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। যে সময় তাঁরা জোট গঠনের ইঙ্গিত দিচ্ছেন, সেই সময় একই মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসুও। সেখানেই বামপন্থী ও ডানপন্থী দুই দলের নেতাদের এই বার্তা আগামী বিধানসভা ভোটের ক্ষেত্রে যথেষ্ঠ ইঙ্গিতপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক কারবারিরা।


কংগ্রেস নেতা শুভঙ্কর সরকারের মুখে প্রায়শই শোনা যায়, ২৯৪ আসনে প্রার্থী দিতে আগ্রহী তারা। সেই কারণেই বারেবারে যে প্রশ্ন রাজনীতির অলিন্দে ঘুরপাক খায়, তা হল জোট হচ্ছে কি না। কারণ, সেই একুশের বিধানসভা ভোটের পর থেকে লাগাতার নির্বাচনে এই দুই দল জোট করেই ভোট বৈতরণী পারের চেষ্টা করেছে। কিন্তু ছাব্বিশের ভোটে বাম-কংগ্রেস জোটের ভবিষ্যৎ কী? হাফিজ আলম সাইরানীর স্মরণসভায় অধীর, সেলিমরা তাঁদের ভাষণে বুঝিয়ে দিলেন মেরুকরণের রাজনীতি নয়। বরং সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে লড়াই জারি রাখতে জোট ছাড়া কোনও বিকল্প নেই।


 আলম সৈরানির প্রথম প্রয়াণ বার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার উত্তর কলকাতার রামমোহন লাইব্রেরি হলে স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানেই উপস্থিত ছিলেন সেলিম-অধীর-শুভঙ্কর-বিমানরা। অধীর বলেন, “আমি যখন রাজনীতি শুরু করি তখন নকশাল করেছি। না বুঝেই করেছিলাম। আবেগে করেছি। ভেবেছি বিপ্লব হবে, ঝামেলা নেই, পড়াশোনা করতে হবে না। সব থেকে সহজ। কিন্তু পড়ে দেখলাম গড়বড়ে। তবে দিল্লিতে গিয়ে শিখেছি আমি তো পড়াশোনা করিনি, কিন্তু ভিতর থেকে অনেক কিছু শিখেছি।” তিনি আরও বলেন, “কে হিন্দু,কে মুসলিম,কে রাজবংশী বা মতুয়া এই বিচার করে রাজনীতি বাংলায় হত না। ধর্ম,জাতের নামে রাজনীতি ছিল উত্তর ভারতে। বাংলায় ছিল শ্রেণি সংগ্রাম, জাত বা ধর্মের নামে লড়াই নয়। এখন দুর্ভাগ্যজনক ভাবে উত্তর ভারতের সেই পরিস্থিতি বাংলায় নিয়ে আসা হচ্ছে। এর মোকাবিলায় ধর্মনিরপেক্ষ ও উদারপন্থী ঐক্য দরকার।” আর সেলিম বলেন, “মানুষ যখন সরকারের কাছে জবাব চাইছে, সেই সময়ে ফ্যাসিবাদী শক্তি পরিচালিত সরকার মানুষকে ব্যতিব্যস্ত রাখছে নিজেদের নাগরিকত্বের প্রমাণ জোগাড় করতে বলে! ভয় পেলে চলবে না। গণতান্ত্রিক,ধর্মনিরপেক্ষ সব পক্ষ একসঙ্গে নিয়ে ফ্যাসিবাদীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।”

এখানে উল্লেখ্য, ২০২১ সালে কংগ্রেস-বাম ও আইএসএফ মিলে তৈরি করেছিল সংযুক্ত মোর্চা। তবে ২০২৪-এ লোকসভা ভোটে বামেদের ছাড়াই একা-একা লড়েছিল আইএসএফ। সেই সময় বামেদের ঘাড়েই দোষ চাপিয়েছিলেন নওশাদ। মুর্শিদাবাদে আইএসএফ প্রার্থীর নাম ঘোষণার করে দেওয়া হয়। সেখানে প্রার্থী দিয়ে দেয় সিপিএম। তারপর নওশাদ বলেন, তাঁরা জোটে লড়বেন না। অপরদিকে, ডায়মন্ড হারবারের ক্ষেত্রেও দেখা যায় একা একা প্রার্থী দিয়েছে আইএসএফ। এবার কী হবে? জানা যাচ্ছে, আসন্ন বিধানসভার জন্য একসঙ্গে লড়তে চেয়ে বিমানকে চিঠি পাঠিয়েছেন নওশাদ। তবে তার উত্তর আসেনি। ফলে শুধুই বাম-কংগ্রেস জোট নাকি আবার গঠিত হবে সংযুক্ত মোর্চা তা সময় বলবে।

ব্যাঙ্ক খোলার সময় না হওয়ায় কোনও কর্মী কিংবা গ্রাহক ব্যাঙ্কে ছিলেন না। ফলে বড় বিপদ এড়ানো গিয়েছে বলে দমকল কর্মীরা মনে করছেন। কিন্তু, ব্যাঙ্কে নানা নথি রয়েছে। সেইসব নথিপত্রের যাতে বেশি ক্ষতি না হয়, তার চেষ্টা করেন দমকলকর্মীরা। আগুন লাগার কারণ এখনও জানা যায়নি।

ঢাকুরিয়ায় রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে ভয়াবহ আগুন, দমকলের ৬টি ইঞ্জিনের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে
রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে আগুন

 সাতসকালে ঢাকুরিয়ায় একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের শাখায় ভয়াবহ আগুন। এদিন সকালে ব্যাঙ্কের ভিতর থেকে ধোঁয়া বেরিয়ে আসতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যাঙ্কের নিরাপত্তারক্ষীরা। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় দমকলে। খবর পেয়েই দমকলের ৬টি ইঞ্জিন পৌঁছায় ঘটনাস্থলে। বেশ কিছুক্ষণের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। কেউ হতাহত হননি। আগুন লাগার কারণ খতিয়ে দেখছে দমকল।


জানা গিয়েছে, এদিন সকালে পৌনে ৬টা নাগাদ ব্যাঙ্কে আগুন লাগে। ব্যাঙ্ক খোলার সময় না হওয়ায় কোনও কর্মী কিংবা গ্রাহক ব্যাঙ্কে ছিলেন না। ফলে বড় বিপদ এড়ানো গিয়েছে বলে দমকল কর্মীরা মনে করছেন। কিন্তু, ব্যাঙ্কে নানা নথি রয়েছে। সেইসব নথিপত্রের যাতে বেশি ক্ষতি না হয়, তার চেষ্টা করেন দমকলকর্মীরা। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের এই শাখার এক আধিকারিক অবশ্য বলেন, “গ্রাহকদের নথির কোনও ক্ষতি হয়নি। মূলত আসবাবপত্রে আগুন লাগে। সোয়া ৬টা নাগাদ আমরা খবর পাই। আমাদের নিচে এটিএমে যে নিরাপত্তারক্ষীরা থাকেন তাঁরাই খবর দেন।”




ব্যাঙ্কে আগুন লাগার খবর পেয়ে গ্রাহকরাও হাজির হন। তাঁদের নথিপত্রের কোনও ক্ষতি হয়েছে কি না, তা জানতেই তাঁরা হাজির হয়েছেন বলে জানালেন তন্ময় চট্টোপাধ্যায় নামে এই ব্যাঙ্কের এক গ্রাহক। তিনি বলেন, “লকারের কোনও ক্ষতি হয়েছে কি না জানতে এসেছিলাম। ব্যাঙ্ক বলল, লকারের কোনও ক্ষতি হয়নি। ব্যাঙ্কের দোতলায় আগুন লেগেছিল। দশটার পর এসে জানতে পারব, কোনও নথিপত্র ক্ষতি হয়েছে কিনা।” আর এক গ্রাহক বলেন, শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগেছে বলে জানা গিয়েছে।

ব্যাঙ্কে আগুন লাগার খবর পেয়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন স্থানীয় বাম কাউন্সিলর মধুছন্দা দেব। তিনি বলেন, “খবর পেয়েই আমি এখানে আসি। কেউ আহত হয়েছেন কি না, সেটা জানতেই আমি আসি। কেউ আহত হননি বলেই আমি জানতে পেরেছি।”


কিছুদিন আগেই বন্যা ও ভূমিধসে বিপর্যস্ত হয়েছে উত্তরবঙ্গ। এখন ফের মন্থার প্রভাবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃহস্পতি ও শুক্রবার ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে উত্তরবঙ্গে। পাহাড়ে ধসের আশঙ্কা। সেখানকার নদীগুলিতে জলস্তর বাড়তে পারে।


পাহাড়ে ফের ধসের আশঙ্কা, ঘূর্ণিঝড় মন্থা পাকা ধানে 'মই' দিতে পারে
শুক্রবার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলে আছড়ে পড়েছে ঘূর্ণিঝড় মন্থা। উপকূল ছাড়িয়ে সে রাজ্যের ভিতরে প্রবেশ করেছে। আর এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে অক্টোবরের শেষে বাংলার বিভিন্ন জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস। উত্তরবঙ্গে ফের দুর্যোগের সতর্কবার্তা দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। শুক্রবার পর্যন্ত বিক্ষিপ্ত ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে দক্ষিণবঙ্গে। মঙ্গলবার সকাল থেকে কলকাতার আকাশ মেঘলা রয়েছে।


মঙ্গলবার সন্ধেয় অন্ধ্র প্রদেশ উপকূলে ঘূর্ণিঝড় মন্থা আছড়ে পড়ার পর ঝড় ও বৃষ্টির জেরে সেরাজ্যে স্বাভাবিক জনজীবন ব্যাহত হয়। উপকূলবর্তী কোনাসীমা জেলায় একটি বাড়িতে গাছ ভেঙে পড়ে এক বৃদ্ধা প্রাণ হারিয়েছেন। ওই জেলাতেই ঝড়ে নারকেল গাছ উপড়ে একটি অটোতে পড়ে এক নাবালক ও অটোচালক আহত হয়েছেন। ঘূর্ণিঝড় মন্থার প্রভাব পড়েছে অন্ধ্র প্রদেশের প্রতিবেশী রাজ্য ওড়িশার ১৫টি জেলায়।



'সব কিছু দিয়েছি, কিন্তু গলা আমি বেচব না'! শেষ দিন পর্যন্ত কেন এই শপথ ভাঙেননি উত্তম কুমার?
আবহবিদরা বলছেন, অন্ধ্র প্রদেশ উপকূলে আছড়ে পড়ার পর কিছুটা শক্তি হারিয়েছে ঘূর্ণিঝড় মন্থা। শক্তি হারিয়ে ছত্তীসগঢ় ও বিহারের দিকে সরে আসতে পারে। তবে এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বাংলার একাধিক জেলায় শুক্রবার পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

কিছুদিন আগেই বন্যা ও ভূমিধসে বিপর্যস্ত হয়েছে উত্তরবঙ্গ। এখন ফের মন্থার প্রভাবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃহস্পতি ও শুক্রবার ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে উত্তরবঙ্গে। পাহাড়ে ধসের আশঙ্কা। সেখানকার নদীগুলিতে জলস্তর বাড়তে পারে।

উত্তরবঙ্গের পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। ৩১ তারিখ পর্যন্ত ভারী বৃষ্টি হবে। আর কার্তিক মাসে এই ভারী বৃষ্টির ফলে পাকা ধান নষ্টের আশঙ্কা রয়েছে। আলুচাষ পিছিয়ে যেতে পারে। যার প্রভাব পড়তে পারে ফলনে। এদিন সকাল থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় শুরু হয়েছে বৃষ্টি। ঝোড়ো হাওয়াও বইছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। প্রশাসনের তরফে প্রতিটি মহকুমা ও ব্লকস্তরে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে এবং পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। বৃষ্টির জেরে নিম্নাঞ্চলে জল জমার আশঙ্কা রয়েছে।

প্রসঙ্গত, ঘূর্ণিঝড় মন্থার প্রভাবে যাতে বড় কোনও ক্ষয়ক্ষতি না হয়, তা নিয়ে ব্যবস্থা নিতে সব জেলাশাসককে সতর্ক করেছেন মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ। গতকাল ভার্চুয়ালি বৈঠক করেন তিনি। সেখানে একগুচ্ছ নির্দেশিকা দেন। উত্তরবঙ্গের জেলাশাসকদের পর্যাপ্ত ত্রাণ সামগ্রী মজুত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। নিচু এলাকা থেকে বাসিন্দাদেরও সরাতে বলেছেন।



২৪ অক্টোবর অন্য এক অতিথি ওই রুমটি ভাড়া দেন। তিনি রুমে ঢুকেই পচা গন্ধ পান। এরপর হোটেলের কর্মীরা পচা গন্ধ আসার কারণ খতিয়ে দেখতে গিয়ে বক্স খাটের মধ্যে রাহুল লালের দেহ দেখতে পান। পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে জানা যায়, শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে রাহুলকে।


লুকোচুরি' শেষ, পার্ক স্ট্রিটের হোটেলে যুবক খুনে ২ অভিযুক্তকে ওড়িশা থেকে ধরল পুলিশ
তদন্তের জন্য হোটেলে তদন্তকারীরা (ফাইল ফোটো)

পার্ক স্ট্রিটের একটি হোটেল থেকে যুবকের দেহ উদ্ধারের ঘটনায় ২ জনকে গ্রেফতার করল কলকাতা পুলিশ। ওড়িশা থেকে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের নাম শক্তিকান্ত বেহরা ও সন্তোষ বেহরা। ধৃত ২ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে খুনের কারণ জানার চেষ্টা করা হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।


গত ২৪ অক্টোবর রফি আহমেদ কিদওয়াই রোডের ওই হোটেলের রুম থেকে উদ্ধার হয়েছিল রাহুল লাল নামে যুবকের দেহ। বক্স খাটের মধ্যে যুবকের দেহ ছিল। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, গত ২২ অক্টোবর বিকেলে তিন যুবক হোটেলের ওই রুমটি ভাড়া নিয়েছিলেন। কিছুক্ষণ পর একজন বেরিয়ে গিয়েছিলেন। তিনি রাতে আবার ফিরে আসেন। কিছুক্ষণ পর আর এক যুবকের সঙ্গে তিনি বেরিয়ে যান। পরদিন হোটেলের ওই রুমটি খোলা হয়নি।




২৪ অক্টোবর অন্য এক অতিথি ওই রুমটি ভাড়া দেন। তিনি রুমে ঢুকেই পচা গন্ধ পান। এরপর হোটেলের কর্মীরা পচা গন্ধ আসার কারণ খতিয়ে দেখতে গিয়ে বক্স খাটের মধ্যে রাহুল লালের দেহ দেখতে পান। পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে জানা যায়, শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে রাহুলকে। পুলিশ জানিয়েছে, খুনের পর একটি চাদর নিয়ে পালান অভিযুক্তরা।

ঘটনার তদন্তে নেমে রাহুল লালের ২ সঙ্গীর খোঁজ শুরু করে পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিলেন তাঁরা। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ওড়িশায় পৌঁছে যায় কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। পড়শি রাজ্য থেকেই গ্রেফতার করা হয় শক্তিকান্ত ও সন্তোষকে। ধৃত ২ জন ওইদিন রাহুলের সঙ্গে হোটেলে গিয়েছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে খুনের কারণ জানার চেষ্টা করবে তারা। তাঁদের ওড়িশা পালাতে কেউ সাহায্য করেছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


২০১৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা ঘিরে লাগাতার অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। মামলার পর মামলা হয় আদালতে। কলকাতা হাইকোর্ট থেকে জল গড়ায় দেশের শীর্ষ আদালতেও। শেষ পর্যন্ত বাতিলই হয়ে যা্য় ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর চাকরি। তারপরও লাগাতার আবেদন-নিবেদনের পরেও ফেরেনি চাকরি।

 ৩৫ হাজার ৭২৬টি শূন্যপদে নিয়োগ! ৭ তারিখের মধ্যেই হতে পারে এসএসসি-র ফলপ্রকাশ: সূত্র
আসছে বড় খবর


অপেক্ষা চলছে। এরই মধ্যে জানা গেল নভেম্বরের ৭ তারিখের মধ্যেই ফলপ্রকাশ করতে চলেছে স্কুল সার্ভিস কমিশন। ফলপ্রকাশের পরেই জেলায় জেলায় ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে। ডিসেম্বরের মধ্যেই শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করবে এসএসসি। নির্দেশও যদিও তেমনটাই রয়েছে। মোট ৩৫ হাজার ৭২৬টি শূন্যপদে নিয়োগ করা হবে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের।  


এদিকে ২০১৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা ঘিরে লাগাতার অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। মামলার পর মামলা হয় আদালতে। কলকাতা হাইকোর্ট থেকে জল গড়ায় দেশের শীর্ষ আদালতেও। শেষ পর্যন্ত বাতিলই হয়ে যা্য় ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর চাকরি। তারপরও লাগাতার আবেদন-নিবেদনের পরেও ফেরেনি চাকরি। শেষ পর্যন্ত নতুন চাকরির পরীক্ষার নির্দেশ। একইসঙ্গে আদালতের তরফে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয় ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করতে হবে সম্পূর্ণ নিয়োগ প্রক্রিয়া। এবার তারই তোড়জোড় চলছে পুুরোদমে। যদিও সেপ্টেম্বরে পরীক্ষার পরেই সাংবাদিক বৈঠকে বসেছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। ছিলেন এসএসসি-র চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার। সেখানেই জানান হয় পুজোর পর ফলপ্রকাশের কথা। তবে তখনও দিনক্ষণ জানান হয়নি।




আম বিক্রেতা থেকে শাহরুখের সঙ্গে অভিনয়, এখন ১৬৬ কোটির সম্পত্তির মালিক! চেনেন এই নায়ককে?
এবার ৭ সেপ্টেম্বর হয়েছিল নবম-দশমের শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা। আবেদনকারীর সংখ্যা ছিল ৩ লক্ষ ১৯ হাজার ৯১৯ জন। ১৪ তারিখ হয়েছিল একাদশ-দ্বাদশের শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা। আবেদনকারী সংখ্যা ছিল ২ লক্ষ ৪৬ হাজার। অন্যদিকে ৩ তারিখ থেকে শুরু হচ্ছে শিক্ষাকর্মী নিয়োগের আবেদন। ৩ নভেম্বর থেকে ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে আবেদন প্রক্রিয়া। পুরনো শিক্ষাকর্মীদের অভিজ্ঞতার জন্য ৫ নম্বর দেওয়ার সিদ্ধান্ত এসএসসির। শিক্ষাকর্মীদের প্রায় সাড়ে ৮ হাজার শূন্যপদে নিয়োগ করবে এসএসসি। 

দুই রাজ্যে ভোটার তালিকায় নাম নিয়ে প্রশান্ত কিশোরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক জন সুরজ পার্টির এক নেতা অবশ্য জানিয়েছেন, বাংলায় নির্বাচন শেষে বিহারে ভোটার তালিকায় নাম তুলেছেন প্রশান্ত কিশোর। বাংলায় ভোটার কার্ড বাতিলের আবেদনও করেছেন। তাঁর সেই আবেদন এখন কোন পর্যায়ে রয়েছে তা তাঁরা জানেন না বলে জানান।


খোদ প্রশান্ত কিশোরের দু-দুটো ভোটার কার্ড, একটা ভবানীপুরেও, নোটিস পাঠাল কমিশন
প্রশান্ত কিশোর



পটনা ও কলকাতা: একসময় তিনি তৃণমূলের ভোটকুশলী ছিলেন। এখন পুরোদস্তুর রাজনীতিক। তাঁর দল জন সুরজ পার্টি বিহারে বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। নিজে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করলেও দলের প্রার্থীদের প্রচারে ব্যস্ত। এরই মধ্যে দুই রাজ্যে ভোটার তালিকায় তাঁর নাম থাকা নিয়ে বিতর্কে প্রশান্ত কিশোর ওরফে পিকে। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রাক্তন ভোটকুশলী পিকেকে নোটিস পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তিন দিনের মধ্যে উত্তর দিতে বলা হয়েছে তাঁকে।

একুশের নির্বাচনের সময় তৃণমূলের ভোটকুশলী ছিলেন পিকে। সর্বভারতীয় ওই সংবাদমাধ্যমের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেইসময় পশ্চিমবঙ্গের ভবানীপুর বিধানসভার ভোটার হন প্রশান্ত কিশোর। ভবানীপুরে ১২১ কালীঘাট রোডে তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয়কে পিকের ঠিকানা হিসেবে দেখানো হয়েছে। আবার বিহারে করগহর বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার হিসেবে প্রশান্ত কিশোরের নাম রয়েছে।





সর্বভারতীয় এই সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টের ভিত্তিতে পদক্ষেপ করেছে নির্বাচন কমিশন। প্রশান্ত কিশোরকে নোটিস পাঠিয়েছেন করগহর বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনী আধিকারিক। সেখানে ওই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের কথা উল্লেখ করা বলা হয়েছে, কোনও ব্যক্তি একটি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার হিসেবেই নিজের নাম নথিভুক্ত করাতে পারেন। এই নিয়ম উলঙ্ঘন করলে এক বছরের জন্য কারাবাস কিংবা জরিমানা অথবা দুটোই হতে পারে। একাধিক বিধানসভা কেন্দ্রে তাঁর নাম থাকা নিয়ে নিজের বক্তব্য জানাতে পিকেকে ৩ দিন সময় দিয়েছে কমিশন। এখন জন সুরজ পার্টির নেতা কী উত্তর দেন, সেটাই এখন দেখার।

 


সূত্রের খবর, যে সময় এ ঘটনা ঘটে সেই সময় বেশ কিছু দর্শনার্থী ছিলেন মণ্ডপের ভিতরে। মুহূর্তেই জানা যায় দু’জন আহত হয়েছেন। পরবর্তীতে আরও বেশ কয়েকজনের আহত হওয়ার খবর মেলে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে পুলিশ।


চন্দননগরে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল ৭০ ফুটের বিশাল মণ্ডপ! উল্টে গেল ‘সবথেকে বড়’ জগদ্ধাত্রীও
স্থানীয় বাসিন্দারই উদ্ধার কাজে হাত লাগান


ট্যাগ লাইন ছিল বিশ্বের সবথেকে বড় জগদ্ধাত্রী। কিন্তু পুজো শুরুর মুখেই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল বিশালাকার মণ্ডপ। উল্টে গেল বিশালাকার প্রতিমাও। আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। বর্তমানে তাঁদের হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা চন্দননগরের কানাইলাল পল্লীতে। বেশ কয়েকজন দর্শনার্থী আহত হয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। একইসঙ্গে পুজো পরিক্রমায় আসা বেশ কয়েকজন বিচারকও আহত হয়েছেন বলে খবর। 

সূত্রের খবর, এবারের পুজোয় দর্শনার্থীদের বড় চমক দিতে প্রায় ৭০ ফুটের পুজো মণ্ডপ তৈরি করেছিল কানাইলাল পল্লী। মণ্ডপের সামনে ফাইবারের জগদ্ধাত্রী তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু খুব বেশি উচ্চতা হওয়ায় হালকা হাওয়াতেই সবটাই উল্টে যায়। রীতিমতো শোরগোল পড়ে যায় এলাকায়। 




'আগে পয়সা নিতাম না, এখনই নিই!' কোন ঘটনায় সিদ্ধান্ত বদলালেন কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়?
সূত্রের খবর, যে সময় এ ঘটনা ঘটে সেই সময় বেশ কিছু দর্শনার্থী ছিলেন মণ্ডপের ভিতরে। মুহূর্তেই জানা যায় দু’জন আহত হয়েছেন। পরবর্তীতে আরও বেশ কয়েকজনের আহত হওয়ার খবর মেলে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে পুলিশ। ততক্ষণে উদ্ধার কাজে হাত লাগিয়ে দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। উদ্ধার কাজে হাত লাগান ক্লাবের সদস্যরাও। পুলিশ এসেও উদ্ধার কাজ শুরু করে। মণ্ডপের নিচে কেউ চাপা পড়ে আছেন কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যাঁদের উদ্ধার করা হয়েছে তাঁদের দ্রুত চন্দননগর হাসাপাতালে পাঠানো হয়। সেখানেই চলছে চিকিৎসা। ঘটনাস্থলে আসেন চন্দননগর পুলিশের কমিশনার অমিত পি জাভালগি-সহ উচ্চপদস্থ কর্তারা। কী করে পুরো ঘটনা ঘটল তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। পাশাপাশি সব কিছুর অনুমতি ছিল কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।