WEATHER

Top News


সইফরা এক আধুনিক পরিবারের সদস্য। পরিবারে খোলামেলাভাবে সম্পর্কের কথা আলোচনা করা হয়। সইফের সঙ্গে অমৃতার ছাড়াছাড়ির পরও সারা-ইব্রাহিমের আনায়াস যাতায়াত আছে পরিবারে। সইফের দ্বিতীয় স্ত্রী করিনা কাপুর খানের সঙ্গেও তাঁদের সুসম্পর্ক রয়েছে। সকলে মিলেমিশেই থাকেন পরিবারে।

জন্মদিনের আগে সইফকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছিলেন অমৃতা, সারাকে বলেন করণ
সইফ-অমৃতা।


“সইফ আলি খান আমার লাকি ম্যাসকট,” সোজাসাপ্টা কথাটা বলেই ফেলেছিলেন পরিচালক-প্রযোজক করণ জোহর। মেয়ে সারা আলি খানের সঙ্গে ‘কফি উইথ করণ’-এ গিয়েছিলেন সইফ। সেখানে সইফ-কন্যা সারাকে কথাটা বলেছিলেন করণ। তিনি বলেছিলেন, “সেদিনটা ২০০৪ সালের ১৬ অগস্ট। তোমার বাবার জন্মদিন ছিল সেদিন। ঠিক তাঁর আগেরদিন তোমার মা অমৃতা সিং বাবাকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছিলেন।”


মেয়ে সারাকে এমনই একটি কথা বলছেন করণ, তা দেখে খানিকটা ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন সইফ। তিনি বলেই ফেলেছেন, “এর জন্য আমি তোমাকে মেরেই ফেলব।”


সইফরা এক আধুনিক পরিবারের সদস্য। পরিবারে খোলামেলাভাবে সম্পর্কের কথা আলোচনা করা হয়। সইফের সঙ্গে অমৃতার ছাড়াছাড়ির পরও সারা-ইব্রাহিমের আনায়াস যাতায়াত আছে পরিবারে। সইফের দ্বিতীয় স্ত্রী করিনা কাপুর খানের সঙ্গেও তাঁদের সুসম্পর্ক রয়েছে। সকলে মিলেমিশেই থাকেন পরিবারে।

বাস্তব ছবিটা তেমন ছিল না মোটেই। যার ফলে রীতিমত বিপত্তিতে পড়তে হয় ইমরান হাসমিকে। দিতে হয় মোটা টাকার জরিমানা। বউয়ের খপ্পরে পড়ে ঠিক কী পরিস্থিতি হয়েছিল ইমরান হাসমির?
অভিনেত্রীদের ঠোঁটে ঠোঁট রেখে চুমু, সংসার বাঁচাতে স্ত্রীকে কী খেসারত দিতে হত ইমরানকে?



ইমরান হাসমি, বলিউডের কিসিং স্টার। কেরিয়ারের শুরু থেকেই এই তকমা তাঁর গায়ে লেগে যায়। ইমরানের ছবি মানেই গল্প যাই হোক না কেন রগরগে চুমুর দৃশ্য থাকবেই থাকবে। একটা সময় ভক্তরা অন্তত তেমনই সমীকরণে বিশ্বাসী ছিলেন। ইমরান, বড়পর্দা, নায়িকা ও চুমু, চর্চার কেন্দ্রে জায়গা করবেই করবে। আজও এই প্রসঙ্গে চর্চিত তিনি। একটা সময় শোনা গিয়েছিল যে তিনি বিয়ে করছেন একটাই শর্তে, তাঁকে নাকি আর চুমুর দৃশ্যে দেখা যাবে না। তবে বাস্তব ছবিটা তেমন ছিল না মোটেই। যার ফলে রীতিমত বিপত্তিতে পড়তে হয় ইমরান হাসমিকে। দিতে হয় মোটা টাকার জরিমানা। বউয়ের খপ্পরে পড়ে ঠিক কী পরিস্থিতি হয়েছিল ইমরান হাসমির?


একবার এক সাক্ষাৎকারে তাঁকে বলতে শোনা যায়, যখন স্ত্রীর সঙ্গে ছবি দেখতে গিয়েছিলেন রীতিমত বিপত্তিতে পড়তে হয়েছিল তাঁকে। ঝড়ের গতিতে ভাইরাল হয়েছিল সেই খবর। শেষে কি না চড়? ইমরান হাসমি স্পষ্ট জানিয়েছিলেন CROOK ছবির প্রথম স্কিনিং-এ গিয়েছিলেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী। ছবিতে ইমরানের চুমুর দৃশ্য দেখে রীতিমতো চমকে গিয়েছিলেন তাঁর স্ত্রী পারভিন শাহানি। মেরেছিলেন সপাটে চড়। একবার নয়, একাধিকবার চলে সেই পর্ব।


পরবর্তীতে পারভিন বুঝতে পেরেছিলেন, যে তিনি এটা করতে বাধ্য হচ্ছেন কাজের সূত্রে। ইমরানের কথায়, তখন থেকে তাঁদের মধ্যে বোঝাপড়া তৈরি হয়। এক কঠিন শর্ত চাপে ইমরানের ওপর। চুমু পিছু স্ত্রীকে কিনে দিতে হবে একটি করে ব্যগ। ইমরানের কথায়, একটা ব্যগের আস্ত আলমারি তৈরি হয়েছে তাঁর বাড়িতে। বর্তমানে তাঁর স্ত্রী বলে থাকেন, ‘তুমি ছবি করো, আর ব্যগ কেন। ব্যস’। যদিও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পাল্টে গিয়েছে ইমরান হাসমির ছবির ধাঁচ। চরিত্রের উপস্থাপনা। সম্প্রতি তাঁকে দেখা যায় টাইগার থ্রি ছবিতে ভিলেন রূপে।

জানা যাচ্ছে, জখম যুবতীর নাম তনুশ্রী চক্রবর্তী। তিনি অঙ্ক বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্রী। সম্প্রতি দ্বিতীয় সেমিস্টারের পরীক্ষা দিয়েছেন তিনি। এ দিন বিজ্ঞান বিভাগের সামনেই তাঁর গলা কাটের অভিযোগ ওঠে ওই বিশ্ববিদ্যালয়েরই প্রাক্তন পড়ুয়া অলোক মণ্ডলের বিরুদ্ধে।


বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে ঢুকে অঙ্ক বিভাগের ছাত্রীর 'গলা কেটে' নিজের গলায়ও 'ছুরি চালালেন' প্রাক্তন ছাত্র
রক্তারক্তি ঘটনা গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে


মালদহ: শিক্ষাঙ্গনে রক্তারক্তি কাণ্ড! গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভয়ানক ঘটনা। ছাত্রীর গলা কেটে নিজে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করলেন প্রাক্তন ছাত্র। দু’জনই অত্যন্ত আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি। এই ঘটনা কার্যত আরও একবার মনে করিয়ে দিচ্ছে মুর্শিদাবাদের সুতপা চৌধুরীর কথা। ২০২২ সালের মে মাসে বহরমপুরে সুতপা নামের এক ছাত্রীকে মেসের সামনে পরপর কোপ মেরে খুন করা হয়। সেই রকমই ঘটনারই কি পুনরাবৃত্তি ঘটল এ দিন গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে? এ দিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে কীভাবে অস্ত্র নিয়ে ঢুকল এক বহিরাগত সেই নিয়েই উঠছে প্রশ্ন।

জানা যাচ্ছে, জখম যুবতীর নাম তনুশ্রী চক্রবর্তী। তিনি অঙ্ক বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্রী। সম্প্রতি দ্বিতীয় সেমিস্টারের পরীক্ষা দিয়েছেন তিনি। এ দিন বিজ্ঞান বিভাগের সামনেই তাঁর গলা কাটার অভিযোগ ওঠে ওই বিশ্ববিদ্যালয়েরই প্রাক্তন পড়ুয়া অলোক মণ্ডলের বিরুদ্ধে। কার্যত ছুটে এসে তনুশ্রীর গলায় চাকু চালিয়ে দেন বলে অভিযোগ ওঠে। এখানেই শেষ নয়, মেয়েটির গলা কাটার পর নিজের গলাও কেটে ফেলেন তিনি। এমনটাই দাবি প্রত্যক্ষদর্শীদের।

ঘটনার পর দু’জনকেই উদ্ধার করে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। উভয়ের অবস্থাই আশঙ্কাজনক। ঘটনার বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছছে পুলিশ। ওই যুবক ও যুবতীর মধ্যে প্রণয়ের সম্পর্ক ছিল কি না, কেনই বা এমন ভয়াবহ ঘটনা তা সবটাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী বলেন, “আমাদের পরীক্ষা চলছিল। সেই সময় ঘটেছে। ছেলেটাকে চিনি না আমরা।” গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট অফিসার রাজীব পুততুণ্ড বলেন, “পড়ুয়াদের থেকে শুনেছি একটি ছাত্র একটি ছাত্রীকে আক্রমণ করেছিল ছুরি নিয়ে। আমাদের প্রথম চেষ্টা উভয়কেই বাঁচানো। তারপর সবটা দেখা যাবে।”
 নদী পেরোয়, তারপর দৌড়য়। গ্রামেরই লোকদের জিজ্ঞাসা করতে করতে পৌঁছে যায় থানায়। তারপর একেবারে 'পুলিশকাকুকে' সঙ্গে নিয়ে অকুস্থলে। ততক্ষণে গাছে বাঁধা অবস্থাতেই হেলে পড়েছে বাবার রক্তাক্ত ক্ষতবিক্ষত শরীর। নদী পেরিয়ে তিরিশ মিনিট দৌড়ে থানায় গিয়েও বাবাকে বাঁচাতে পারল না জলপাইগুড়ির ময়নাগুলির নিহত কংগ্রেস কর্মী মানিক রায়ের ছেলে।


নদী পেরিয়ে ৩০ মিনিট দৌড়ে থানায়, তবুও পারল না বাঁচাতে! কংগ্রেস কর্মীর খুন দৃশ্য টু দৃশ্য বলল তাঁর দশ বছরের ছেলে
নিহত কংগ্রেস কর্মীর ছেলে


জলপাইগুড়ি: ময়নাগুড়ির প্রত্যন্ত গ্রাম কলোনি এলাকা। সেখান থেকে অনেকটা দূর থানা। গ্রামে জঙ্গলের ধারে টানতে টানতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তার বাবাকে। বাড়ির বেড়া ভেঙে ঢুকেছিল। বাবাকে ঘর থেকে হিঁচড়াতে হিঁচড়াতে নিয়ে যাচ্ছিল গ্রামের কয়েকজন। গালি দিচ্ছিল। মা অঝোরে কাঁদছেন। বাধা দেওয়ার মতো শক্তি ছিল না কারোর। স্কুলে পড়ে বাচ্চাটা। বয়স বড় জোড় দশ। বাবাকে ওইভাবে নিয়ে যেতে দেখে দুষ্কৃতীদের পিছু নিয়েছিল একাই। দূর থেকে দেখে বাবাকে গাছে বাঁধছে ওরা, তারপর বেধড়ক পেটাচ্ছে, কী যেন একটা অস্ত্র দিয়ে কোপাচ্ছে। দৌড় শুরু করেছিল ওই দশ বছরের শিশুটা। থানায় যেতে রাস্তায় পড়ে নদী। নদী পেরোয়, তারপর দৌড়য়। গ্রামেরই লোকদের জিজ্ঞাসা করতে করতে পৌঁছে যায় থানায়। তারপর একেবারে ‘পুলিশকাকুকে’ সঙ্গে নিয়ে অকুস্থলে। ততক্ষণে গাছে বাঁধা অবস্থাতেই হেলে পড়েছে বাবার রক্তাক্ত ক্ষতবিক্ষত শরীর। নদী পেরিয়ে তিরিশ মিনিট দৌড়ে থানায় গিয়েও বাবাকে বাঁচাতে পারল না জলপাইগুড়ির ময়নাগুলির নিহত কংগ্রেস কর্মী মানিক রায়ের ছেলে।

বুধবার রাতে ময়নাগুড়িতে একটা মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে মানিক রায় নামে এক কংগ্রেস কর্মীকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ ওঠে। জানা গিয়েছে, ২০১৯ সালের একটি পুরনো বিবাদের জেরে এই ঘটনা। পাঁচ বছর ধরে সপরিবারে ঘরছাড়া ছিলেন মানিক। রবিবার দলেরই সাহায্যে বাড়ি ফেরেন। তারপর থেকে তাঁকে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ। পরিবারের দাবি, যাঁরা অভিযুক্ত সকলেই তৃণমূল কর্মী। বুধবার রাতে মানিককে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে গাছে বেঁধে পিটিয়ে খুন করা হয় বলে অভিযোগ।

ঘটনার এক মাত্র প্রত্যক্ষদর্শী মানিকের নাবালক ছেলে বলে, “আমরা তখন ঘরে ছিলাম। ওরা প্রথমে বাইরে থেকে ঢিল মারতে শুরু করে। ওরা বলছিল, বেরা বেরা। আমরা বেরোয়নি। ওরা বেড়া ভেঙে ঘরে ঢুকে বাবাকে টেনে বাইরে নিয়ে যায়। বাবাকে গাছে বেঁধে ওরা ভীষণ মারছিল। আমি দূর থেকে দেখেই দৌড়ে থানায় যাই। তারপর পুলিশ আমাকে গাড়িতে নিয়ে আসে। তিরিশ মিনিট দৌড়েছিলাম।”

নিহতের স্ত্রী বলেন, “তৃণমূলের লোকেরা ওর নামে নারী নির্যাতনের মিথ্যা অভিযোগ করেছিল। পাঁচ বছর আমরা বাড়ি থেকে শিলিগুড়িতে ছিলাম। রবিবার বাড়িতে ফিরে আসি। এরপর বাপ্পা রায়, অমল দাস ওরা আবার এল আমাদের বাড়িতে। ওরা এসে বলে তোকে আজ ডিজেল দিয়ে পোড়াব, গাছে বেঁধে মারে। অস্ত্র দিয়ে মাথায় কোপাল।” এই গোটা ঘটনায় রাজ্য জুড়ে শোরগোল। এখনও পর্যন্ত পাঁচ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ১১ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। বাকিদের বিরুদ্ধে খোঁজ চলছে।

বুধবার রাতে মানিককে এলাকার বেশ কয়েকজন তুলে নিয়ে যান। অভিযোগ, গ্রামের পাশেই একটা গাছে বেঁধে মারধর করে বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। মানিককে উদ্ধার করে জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। রাতেই তাঁর মৃত্যু হয়।


কংগ্রেস কর্মীকে গাছে বেঁধে পিটিয়ে 'খুন', গ্রেফতার ৫
কংগ্রেস কর্মীকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ


জলপাইগুড়ি: কংগ্রেস কর্মীকে গাছে বেঁধে মারধর করে খুনের অভিযোগ। কাঠগড়ায় তৃণমূল। ঘটনাকে ঘিরে উত্তপ্ত জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়ি। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম মানিক রায়। তিনি ময়নাগুড়ি কলোনির বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। পুরনো বিবাদের জেরে ওই কংগ্রেস কর্মীকে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ধৃত ৫। ১১ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে মানিককে এলাকার বেশ কয়েকজন তুলে নিয়ে যান। বাবাকে কেউ নিয়ে যাচ্ছে দেখে, পিছু নেয় মানিকের নাবালক ছেলে। সেই দেখে তার বাবাকে গাছে বেঁধে মারধর করা হচ্ছে। তারপর সেখান থেকে নদী পেরিয়ে প্রায় ৩০ মিনিট দৌড়ে থানায় যায় স্কুল ছাত্র। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। মানিককে উদ্ধার করে জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। রাতেই তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনায় ইতিমধ্যেই পাঁচ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

জানা যাচ্ছে, ২০১৯ সাল থেকে নারী নির্যাতনের মামলা নিয়ে বিবাদের সূত্রপাত। সে সময়ে তাঁর বাড়িও ভাঙচুর হয় বলে অভিযোগ। তখন চাপে পড়ে বাধ্য হয়ে পাঁচ বছর ঘরছাড়া ছিলেন মানিক। পাঁচটা বছর শিলিগুড়িতে ছিলেন তিনি। সে সময় থানাতেও অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল বলে দাবি পরিবারের। আলাপ আলোচনায় সমঝোতায় এসে সপ্তাহ খানেক আগেই বাড়ি ফিরেছিলেন। কিন্তু কিছুদিন যাওয়ার পর থেকে মানিককে আবারও শাসানো হচ্ছিল বলে অভিযোগ। তাঁকে বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য হুমকি দেওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ। তারই মর্মান্তিক পরিণতি ঘটল বুধবার। অভিযোগ, ৩২ জন মিলে ওই কংগ্রেস কর্মীর বাড়িতে ঢোকে। তাঁকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে গাছে বেঁধে পিটিয়ে মারে বলে অভিযোগ।

নিহতের স্ত্রী বলেন, “তৃণমূলের লোকেরা ওর নামে নারী নির্যাতনের মিথ্যা অভিযোগ করেছিল। পাঁচ বছর আমরা বাড়ি থেকে শিলিগুড়িতে ছিলাম। রবিবার বাড়িতে ফিরে আসি। এরপর বাপ্পা রায়, অমল দাস ওরা আবার এল আমাদের বাড়িতে। ওরা এসে বলে তোকে আজ ডিজেল দিয়ে পোড়াব, গাছে বেঁধে মারে। অস্ত্র দিয়ে মাথায় কোপাল।”

এই ঘটনায় তৃণমূলের মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বলেন, “এটা একেবারেই পাড়াগত গ্রাম্য বিবাদ। তবে যারাই করেছে, তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসন পদক্ষেপ করবে। ইতিমধ্যেই পাঁচ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী প্রথম দিন থেকেই বলেছেন, কোনও ভাবে গুন্ডারাজ বরদাস্ত করা হবে না। যারা করেছে, তাদের জায়গা জেলের পিছনেই থাকবে।”


বুধবারই বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার আর্জি জানিয়েছেন, উত্তরবঙ্গকে উত্তর-পূর্বের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হোক। সেই দাবি নিয়ে ইতিমধ্যেই বিতর্ক চরমে। এরই মধ্যে আরও বিস্ফোরক দাবি তুললেন সাংসদ নিশিকান্ত দুবে।


'মালদহ, মুর্শিদাবাদ নিয়ে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গঠন করা হোক', সংসদে উঠল বিস্ফোরক দাবি



নয়া দিল্লি: বাংলাদেশি অনুপ্রবেশের কারণে পশ্চিমবঙ্গের একটা অংশে জনবিন্যাস বদলে যাচ্ছে। লোকসভায় এমনই অভিযোগ তুললেন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। তাই বাংলা ও বিহারের কয়েকটি জেলা নিয়ে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গঠনের দাবিও তুললেন সাংসদ। তাঁর দাবি, পশ্চিমবঙ্গের মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বিহারের কাটিহার, আরারিয়া ও কিষানগঞ্জকে নিয়ে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গঠন করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

বিজেপি সাংসদের দাবি, এই এলাকায় সংখ্যালঘুদের সংখ্যা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই এলাকাকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল না করলে হিন্দুদের অস্তিত্ব থাকবে না বলে উল্লেখ করেছেন নিশিকান্ত।

সাংসদের দাবি, বাংলা থেকে পুলিশ গিয়ে ঝাড়খণ্ডে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার করছে। তার জেরে সংঘর্ষও হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি। নিশিকান্ত বলেন, “বাংলা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের পুলিশ ঝাড়খণ্ডে গিয়ে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার করছে। একটা কথাও যদি মিথ্যা হয়ে থাকে, তাহলে আমি ইস্তফা দেব।”

এরপরই তিনি বলেন, “মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বিহারের কাটিহার, আরারিয়া ও কিষানগঞ্জ জেলাগুলিকে নিয়ে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গঠন করা হোক। নাহলে হিন্দু শূন্য হয়ে যাবে। এনআরসি লাগু করুন। প্রয়োজন হলে কেন্দ্র থেকে একটি টিম পাঠান। নিয়ম জারি করুন, যাতে ধর্মান্তকরণ করে বিয়ের জন্য অনুমতি নিতে হয়।”

গতকাল, বুধবার বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার দাবি করেন, উত্তর-পূর্বের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হোক উত্তরবঙ্গের আটটি জেলাকে। তিনি চান ওই আট জেলা উত্তর-পূর্ব উন্নয়ন মন্ত্রকের অধীনে চলে আসুক। তবে উত্তরবঙ্গের উন্নতি সম্ভব বলে মনে করেন তিনি। এই আর্জি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছেও গিয়েছিলেন তিনি। সুকান্তর দাবি নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। তৃণমূল সাংসদরা সুকান্তর মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। উত্তরবঙ্গ বলে আলাদা কোনও ভূখণ্ডের যে অস্তিত্ব নেই, সে কথাও বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি। সেই আবহেই এবার নতুন দাবি তুললেন নিশিকান্ত দুবে।

তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষের দাবি, বিজেপি যেখানে সংগঠন তৈরি করতে পারছে না, সেখানে এভাবে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল তৈরির দাবি তোলা হচ্ছে। তিনি বলেন, “বিজেপি আলাদা কিছু করছে, মানেই বুঝবেন সেখানে সংগঠন নেই বলে এসব করা হচ্ছে।”

নেত্রীর এহেন নির্দেশের পরই সক্রিয় মালদহ নেতৃত্ব। কারণ মালদহ উত্তর ও মালদহ দক্ষিণ লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের হাতছাড়া হয়েছে। মালদহ উত্তরে বিজেপি ও মালদহ দক্ষিণে বাম-কংগ্রেস জোটের হাতে গিয়েছে। মালদহের কথা উল্লেখ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

 চাপ এসেছে এক্কেবারে উপরমহল থেকে, করজোড়ে বাড়ি বাড়ি ঘুরে ক্ষমা চাইছেন কাউন্সিলর! বাসিন্দারা তো হতবাক
ক্ষমা চাইছেন তৃণমূল কাউন্সিলর


মালদহ: বুকে মমতার ছবি, পেছনে কর্মীদের হাতে তৃণমূলের পতাকা। বাড়ি বাড়ি গিয়ে ক্ষমা চাইছেন তৃণমূল কাউন্সিলর। করজোড়ে তৃণমূল কাউন্সিলর বলছেন, ‘সব সময় পাশে থাকি তাহলে তৃণমূলকে ভোট কেন দিলেন না লোকসভায়?’ আগামীদিনে আরও পাশে থাকার বার্তা দিয়ে সতর্ক করে দিচ্ছেন, ‘এই ভুল যাতে না হয়’। একুশে জুলাই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশের পরই ‘শুদ্ধকরণ’ যাত্রায় মালদহ পৌরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর।

প্রসঙ্গত, একুশের মঞ্চ থেকে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলীয় নেতা কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছিলেন, “যেখানে যেখানে জিতেছেন, সেখানে সেখানে মানুষের কাছে গিয়ে ধন্যবাদ জানান। তাঁদের কোন কাজ বাকি রয়েছে, করবেন। যেটা পারবেন না দলকে জানাবেন। আর যেখানে আমরা জিতিনি, সেখানে মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে বলবেন, আমাদের ক্ষমা করবেন, হয়তো আমাদের বিশ্বাসযোগ্যতায় কোনও খামতি ছিল, আগামী দিন যাতে না হয়, আমরা দেখব। আমাদের আর্শীবাদ করবেন।” সঙ্গে নেত্রী এও বলেছিলেন, “গাড়িতে ঘোরার চেয়ে পায়ে হেঁটে গ্রামে ঘোরা ভালো।”

নেত্রীর এহেন নির্দেশের পরই সক্রিয় মালদহ নেতৃত্ব। কারণ মালদহ উত্তর ও মালদহ দক্ষিণ লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের হাতছাড়া হয়েছে। মালদহ উত্তরে বিজেপি ও মালদহ দক্ষিণে বাম-কংগ্রেস জোটের হাতে গিয়েছে। মালদহের কথা উল্লেখ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং, জোর দিয়েছিলেন দুটি লোকসভার ওপরে। এরপরই মালদহে দেখা গেল রাস্তায় নেমে পড়েছেন নেতারা। মমতার ছবি বুকে নিয়ে হাত জোড় করে দুয়ারে দুয়ারে ঘুরছেন তাঁরা।

ওল্ড মালদহ পুরসভার ৭নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শত্রুঘ্ন সিনহা বর্মা তাঁর দলীয় কর্মী সমর্থকদের নিয়ে নিজের ওয়ার্ড বাচামারি এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে জনসংযোগ করা শুরু করেছেন। সাধারণ ভোটারদের কাছ থেকে কাউন্সিলর জানতে চান, গত লোকসভা নির্বাচনে তাঁদের থেকে কেন মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন তাঁরা। কাউন্সিলর আক্ষেপ করে বলেন, “বিপদের সময় আমরা থাকি, বিভিন্ন প্রকল্পের সুযোগ সুবিধা আমরা পাইয়ে দিই অথচ আমাদের কেন ভোট দিলেন না?” ভুল ত্রুটির জন্যে তিনি ক্ষমা চান।

তবে তৃণমূল কাউন্সিলরের এই জনসংযোগ ও শুদ্ধিকরণ কর্মসূচিকে কটাক্ষ করেন বিজেপির উত্তর মালদহ সাংগঠনিক জেলা সভাপতি উজ্জ্বল দত্ত বলেন, “তৃণমূলের বোধ, বুদ্ধির উদয় হয়েছে এটি ভাল কথা ,বাড়ি বাড়ি গিয়ে শুদ্ধিকরণ করছে। তবে খালি হাতে গিয়ে শুদ্ধিকরণ করলে হবে না। কারণ তৃণমূল নেতারা যেসব কাটমানি এবং বিভিন্নভাবে তোলা আদায় করেছে, সেসব টাকা ফেরত দিতে হবে। তবেই শুদ্ধিকরণ হবে।” তাঁর কটাক্ষ, ছাব্বিশের নির্বাচনকে সামনে রেখেই এটা তৃণমূলের নয়া স্ট্র্যাটেজি।

 জানা গিয়েছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার কেওড়াখালিতে আরও একটি বাড়ি রয়েছে সাদ্দামের। আর সেই বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি। শুধু তাই নয়, মিলেছে দু'টি বহুমূল্যের মূর্তিও। আপাতত পুলিশ হেফাজতে রয়েছে সাদ্দাম।

খাটের তলা থেকে সুড়ঙ্গ কেটেছিলেন! সেই সাদ্দামের দ্বিতীয় বাড়ি থেকে যা মিলল হাড়হিম হয়ে যাবে...
সাদ্দাম সর্দারের দ্বিতীয় বাড়ির খোঁজ


কুলতলি: সাদ্দাম সর্দারকে নিশ্চয়ই মনে আছে? বাড়ির খাটের তলায় সুড়ঙ্গ বানিয়ে তদন্তকারী আধিকারিকদের পুরো চমকে দিয়েছিলেন। এবার সেই সাদ্দামের আরও একটি বাড়ির হদিশ মিলল। সেখানেও কিন্তু বহর কম নেই! সাদ্দামের এই দ্বিতীয় বাড়ি থেকে কী মিলল জানেন?

জানা গিয়েছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার কেওড়াখালিতে আরও একটি বাড়ি রয়েছে সাদ্দামের। আর সেই বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি। শুধু তাই নয়, মিলেছে দু’টি বহুমূল্যের মূর্তিও। আপাতত পুলিশ হেফাজতে রয়েছে সাদ্দাম। তাঁকে একাধিকবার জেরা করা হয়। সেখান থেকেই কেওড়াখালির বাড়ির কথা জানতে পেরেছেন পুলিশ আধিকারিকরা বলে খবর। এরপর তাকে নিয়ে দ্বিতীয় বাড়িতে যান আধিকারিকরা। তখনই তল্লাশি চালাতে গিয়ে এই গুলি-আগ্নেয়াস্ত্র ও মূর্তির খোঁজ পায় পুলিশ। এই মূর্তি গুলি কোন ধাতবের তৈরি, আসল নাকি নকল তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।

প্রসঙ্গত, নকল সোনা কারবারির খোঁজ করতে গিয়ে নাম উঠে আসে সাদ্দাম সর্দারের। এরপর তাঁর প্রথম বাড়িতে ঢুকে চক্ষু চড়কগাছ হওয়ার জোগাড় হয় পুলিশ আধিকারিকদের। বাড়ির ঘাট সরাতেই দেখা মেলে সুড়ঙ্গের। সেই সুড়ঙ্গটি মিশেছে মাতলা নদীর খালে। প্রথমে পুলিশের চোখ এড়িয়ে পালালেও শেষ রক্ষা হয়নি। একটি ভেড়ির পাশের আলাঘর থেকে গ্রেফতার করা হয় তাকে।


মহানায়ক উত্তমকুমারের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকীতে মহানায়ক সম্মান পেয়েছেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং নচিকেতা চক্রবর্তী। বিশেষ চলচ্চিত্র সম্মান পেয়েছেন অম্বরীশ ভট্টাচার্য, শুভাশিস মুখোপাধ্যায় এবং রুক্মিণী মৈত্র। চার দশকে বাংলা চলচ্চিত্রে বিশেষ অবদানের জন্য সম্মানিত হয়েছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। 
'আমিও অভিনয় করেছি,' 'মহানায়ক' সম্মান পেয়ে 
ডিজিটালকে বলেন নচিকেতা
নচিকেতা।


আজ মহানায়ক উত্তমকুমারের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী। আজকের দিনেই জনপ্রিয় বাঙালি গায়ক নচিকেতা চক্রবর্তীর হাতে ‘মহানায়ক’ সম্মান তুলে দিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রশিদ খানের মৃত্যুর পর নচিকেতাকেই দায়িত্ব নিতে বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। ‘মহানায়ক’ পুরস্কার নামটা শুনলেই প্রথমে মাথায় আসে কোনও অভিনেতাই পেতে পারেন সেই পুরস্কার। সেই জায়গায় গায়ক নচিকেতাকে পুরস্কার দেওয়ার কারণ কী? এর কারণ নচিকেতা নিজেই জানিয়েছেন টিভি নাইন বাংলা ডিজিটালকে। কী বলেছেন তিনি?

নচিকেতা বলেছেন, “অভিনয় শিল্প। গানও শিল্প। ফলে ‘মহানায়ক’ সম্মান আমাকে দেওয়া হয়েছে। এই সম্মান আসলে তিনিই পেতে পারেন, যিনি কোনও শিল্পে পারদর্শী। আমি তো নিজেও অভিনয় করেছি। ৩-৪টে ছবিতে আমি নচিকেতা হয়েও অভিনয় করেছি। গান গেয়েছি।”

২০২৩ সাল পর্যন্ত মোট ২৩জন অভিনেতাকে মহানায়ক পুরস্কার দিয়েছে রাজ্য সরকার। এবার কাকে দেওয়া যায় সেই পুরস্কার তা নিয়ে ধন্দে পড়ে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এসে এদিন তিনি বলেছেন, “নাম খুঁজতে গিয়ে দেখি সবাইকে প্রায় সম্মান জানিয়ে দিয়েছিল। নামই আর খুঁজে পাইনি। ২০১২ সাল থেকে এই অনুষ্ঠান আমরা করি। প্রসেনজিৎকে অভিনন্দন। ৪০ বছর ধরে ওঁর অবদান , আমাদের গর্ব। নচিকে আমি সবসময় বলি, নচি নাচি নাচি। আমরা রশিদকে হারিয়েছি। নচিকে বলেছি রশিদের জায়গাটা ধরতে। নচিকেতাকে দেখিয়ে বলেন, ওঁকে একটু খাওয়া-দাওয়া করতে বলুন।” মমতার এই কথা শুনে নচিকেতা বলেন, “আপনিই আমাদের অনুপ্রেরণা।” তা শুনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি খাওয়াদাওয়া করি।” অভিনেতা শুভাশিস মুখোপাধ্যায় সম্পর্কে মমতা বলেছেন, “শুভাশিসদা আপনার শরীরটা মনে হয় ভাল নেই।” এবারের আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব সম্পর্কে মমতা বলেছেন, “আগামী ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল ৪-১১ ডিসেম্বর। গৌতম ঘোষকে নতুন চেয়ারম্যান করা হয়েছে ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে। প্রসেনজিৎ কো-চেয়ারম্যান।”




২০২৪-২৫ সালের কেন্দ্রীয় বাজেটে তিনটি ক্যান্সারের ওষুধে শুল্কে অব্যাহতি দেওয়ার ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এই তিনটি ওষুধ হল, ট্রাস্টুজুমাব ডেরক্সটেকান, ওসিমেরটিনিব এবং দুরভালুমাব। এই শুল্ক ছাড়ের ঘোষণায় সত্যি সত্যি কি লাভবান হবেন ক্যান্সার রোগীরা?

ক্যান্সারের তিনটি ওষুধের শুল্কে ছাড়, আদৌ কি লাভবান হবেন রোগীরা?
ক্যান্সারের এই তিন ওষুধে শুল্ক ছাড় ঘোষণা করেছে সরকার


২০২৪-২৫ সালের কেন্দ্রীয় বাজেটে তিনটি ক্যান্সারের ওষুধে শুল্কে অব্যাহতি দেওয়ার ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এই তিনটি ওষুধ হল, ট্রাস্টুজুমাব ডেরক্সটেকান, ওসিমেরটিনিব এবং দুরভালুমাব। অর্থমন্ত্রীর ঘোষণার আগে, এই তিনটি ওষুধের আমদানিতে ১০ শতাংশ করে শুল্ক দিতে হত। এই শুল্ক ছাড়ের ঘোষণায় সত্যি সত্যি কি লাভবান হবেন ক্যান্সার রোগীরা? এই প্রশ্নে আসার আগে জেনে নেওয়া যাক, এই ক্যান্সারের ওষুধগুলি কীভাবে ক্যান্সারের চিকিৎসায় সাহায্য করে –

ট্রাস্টুজুমাব ডেরক্সটেকান (Trastuzumab Deruxtecan): এটি একটি মোনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি। HER-2 রিসেপ্টর আছে এমন স্তন এবং পাকস্থলীর ক্যান্সারের চিকিৎসায় এটি ব্যবহৃত হয়। বর্তমানে এই ওষুধের প্রতি শিশির দাম পড়ে প্রায় ১.৬ লক্ষ টাকা। মহিলাদের ক্যান্সার ক্ষেত্রে স্তনের ক্যান্সারেই সবথেকে বেশি মৃত্যু হয়।

ওসিমেরটিনিব (Osimertinib): নির্দিষ্ট ধরণের ফুসফুসের ক্যান্সারের চিকিৎসায় লাগে এই ওষুধ। ক্যান্সার কোষের সংখ্যা বৃদ্ধি করে, এমন একটি প্রোটিনের কর্মকাণ্ড বন্ধ করে দেয় এটি। ফুসফুসের ক্যান্সারের চিকিৎসা করা সবচেয়ে কঠিন। পুরুষদের ক্যান্সারের ক্ষেত্রে ফুসফুসের ক্যান্সার হল দ্বিতীয় বৃহত্তম ঘাতক। ওসিমেরটিনিবের প্রতি স্ট্রিপের দাম প্রায় ১.৫ লক্ষ টাকা। একেকটিস্ট্রিপে দশটি করে বড়ি থাকে।

দুরভালুমাব (Durvalumab): এটি একটি ইমিউনোথেরাপি ড্রাগ। এটি একটি নির্দিষ্ট প্রোটিনকে ব্লক করে। যার ফলে ক্যান্সার কোষকে আক্রমণ করতে সুবিধা হয় রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার। নির্দিষ্ট ফুসফুস এবং মূত্রাশয়ের ক্যান্সারের চিকিত্সার জন্য ব্যবহার করা হয় এই ওষুধটি। এছাড়া, যকৃত এবং পিত্তথলির ক্যান্সারের জন্য ব্যবহার করা হয়। প্রতি ১০ মিলিলিটারের দাম পড়ে প্রায় ১.৫ লক্ষ টাকা।

কারা এই ওষুধগুলি তৈরি করে?
এই তিনটি ওষুধের পেটেন্টই রয়েছে অ্যাস্ট্রাজেনেকা (Astrazeneca) সংস্থার হাতে। যারা অস্কফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে হাত মিলিয়ে কোভিডের টিকা তৈরি করেছিল। অ্যাস্ট্রাজেনেকাই এই তিনটি ওষুধ তৈরি করে এবং ভারতে রফতানি করে।

শুল্ক ছাড়ে কতটা লাভ হল?
এই ব্যয়বহুল ওষুধগুলির উপর ১০ শতাংশ শুল্ক ছাড় মানে, রোগীদের উপর আর্থিক বোঝা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমবে। ওষুধগুলি পেটেন্টের অধীনে থাকায়, ভারতে এগুলি তৈরির উপায় নেই। তাই অনেক খরচ করে এগুলি বাইরে থেকে আমদানি করতে হয়। এগুলি সবই ইমিউনোথেরাপির ওষুধ। নির্দিষ্ট ধরণের ক্যান্সারের জন্য অন্যান্য উপলব্ধ থেরাপিগুলির তুলনায় অনেক ভাল কাজ দেয়। দিল্লি এইমস-এও রোগীদেরও এই থেরাপিগুলি দেওয়া হয়। তবে, তিনটি ওষুধের দামই সাধারণত এক লক্ষ টাকার বেশি থাকে। ডোজ অনুযায়ী প্রত্যেক রোগীর প্রতি মাসে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়। তাই, দাম সামান্য কমলেও রোগীদের অনেকটাই লাভ হবে। সেদিক থেকে আমদানী শুল্কে ১০ শতাংশ ছাড়ের সিদ্ধান্তে রোগীরা খুবই উপকৃত হবেন।


জানা গিয়েছে, বুধবার গভীর রাতে জলপাইগুড়ির দিন বাজার এলাকায় নাকা চেকিং করছিলেন জলপাইগুড়ি থানার পুলিশ আধিকারিকরা। সেই সময় একটি গাড়িকে দেখে সন্দেহ হয় তাঁদের। গাড়িটিকে আটক করতে যান তাঁরা।


গভীর রাতে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালাতে-চালাতে পালিয়ে গেল দুষ্কৃতীদল
এই জায়গায় চলেছে গুলি


জলপাইগুড়ি: সুরক্ষিত নন পুলিশ কর্মীরাও? একটি সন্দেহজনক গাড়িকে আটক করতে গিয়ে বিপদের মুখে রাজ্য পুলিশের কর্মীরা। পুলিশকে লক্ষ্য করে চলে গুলি। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়িতে। কোনও রকমে প্রাণ রক্ষা হয়েছে পুলিশ কর্মীদের। গোটা ঘটনায় আতঙ্কিত এলাকার বাসিন্দারা। অতীতে কবে এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে তা কার্যত মনে করতে পারছেন না তাঁরা।


জানা গিয়েছে, বুধবার গভীর রাতে জলপাইগুড়ির দিন বাজার এলাকায় নাকা চেকিং করছিলেন জলপাইগুড়ির পুলিশ কর্মীরা। সেই সময় একটি গাড়িকে দেখে সন্দেহ হয় তাঁদের। আটক করতে যান তাঁরা। পুলিশ সূত্রে খবর, গাড়ির ভিতরে থাকা ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে যেতেই সেটি নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে তারা।

দ্রুত দুষ্কৃতীদের ধাওয়া করেন পুলিশ কর্মীরা। অভিযোগ, সেই সময় পুলিশ কর্মীদের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালায় ওই দলটি। পুলিশ সূত্রে খবর, অন্তত তিন রাউন্ড গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতী দল। গোটা ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে। গাড়িটির খোঁজ শুরু করেছে জলপাইগুড়ি কর্মীরা। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে গাড়িটির খোঁজ শুরু করেছেন তাঁরা। গোটা ঘটনাটি স্বীকার করেছে পুলিশের এক পদস্থ আধিকারিক। স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, “আমরা ঘুমোচ্ছিলাম তখন। সকালে উঠে দেখি এখানে পুরো পুলিশে ছয়লাপ। প্রথমে মনে হচ্ছিল কোনও দুর্ঘটনা ঘটেছে। পরে শুনলাম একদল দুষ্কৃতী পুলিশের উপর গুলি চালিয়েছে।”

বুধবার (২৪ জুলাই), লোকসভায় প্রথম বক্তৃতা দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি তথা পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সাংসদ, অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। আর প্রথম বক্তৃতা দেওয়ার সময়ই কংগ্রেস সাংসদ তথা লোকসভার উপ-দলনেতা গৌরব গগৈয়ের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ে জড়িয়ে পড়লেন তিনি।

গগৈ! প্রথম ভাষণেই বিতর্কে অভিজিৎ
লোকসভা উত্তপ্ত বাদানুবাদে জড়ালেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ও গৌরব গগৈ


 বুধবার (২৪ জুলাই), লোকসভায় দেখা গেল গঙ্গোপাধ্যায় বনাম গগৈ। নির্মলা সীতারামনের কেন্দ্রীয় বাজেটে প্রস্তাবের উপর বলতে উঠেছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি তথা পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সাংসদ, অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এটিই ছিল লোকসভায় তাঁর প্রথম বক্তৃতা। আর প্রথম বক্তৃতা দেওয়ার সময়ই কংগ্রেস সাংসদ তথা লোকসভার উপ-দলনেতা গৌরব গগৈয়ের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ে জড়িয়ে পড়লেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর বলা কিছু কথা পরে লোকসভার রেকর্ড থেকে মুছেও ফেলতে হয়েছে।

সেই সময় চেয়ায়ে লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লা ছিলেন না। তাঁর বদলে সভা পরিচালনা করছিলেন চেয়ারপার্সন দিলীপ সাইকিয়া। বাজেট বক্তৃতায় তমলুকের বিধায়ক অতিরিক্ত সময় নিচ্ছেন বলে আপত্তি এসেছিল বিরোধী বেঞ্চ থেকে। দিলীপ সাইকিয়াও প্রাক্তন বিচারপতিকে এক মিনিটে তাঁর বক্তৃতা শেষ করতে বলেন। এরপরই, বিরোধীদের উদ্দেশ্য করে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “যাঁরা আমায় বক্তৃতা শেষ করতে বলছেন, তাঁদের বলি, আমি আমার বক্তৃতা শোনার জন্য তাদের এখানে থাকতে বলিনি।”

এতে, কংগ্রেসের লোকসভার উপ-দলনেতা গৌরব গগৈ মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকারী নাথুরাম গডসের প্রসঙ্গ তোলেন। অতীতে এক টিভি সাক্ষাৎকারে, বিজেপির প্রথমবারের বিধায়ক বলেছিলেন, মহাত্মা গান্ধীকে হত্যার পিছনে গডসের কী প্রেরণা ছিল, তা না বুঝতে পারলে, গান্ধী এবং গডসের মধ্যে কোনও একজনকে বেছে নেওয়াটা তাঁর পক্ষে অসম্ভব। সেই প্রসঙ্গ তুলে গডসে সম্পর্কে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের মতামত জিজ্ঞাসা করেন গৌরব গগৈ।

বুধবার থেকে শিথিল হওয়া শুরু হয়েছে কারফিউ। খুলছে অফিস-কাছারি। চালু হয়েছে রেল পরিষেবাও। বৃহস্পতিবারও সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত শিথিল থাকবে কারফিউ। এদিকে, মৃতের সংখ্যা গিয়ে পৌঁছেছে ২০১-এ। পুলিশের পক্ষ থেকে তৈরি করা হচ্ছে দৃষ্কৃতীদের তালিকা। শুরু হয়েছে ধর-পাকড়।

২০০ ছাড়াল মৃত, শিথিল কারফিউ, ফিরল ইন্টারনেট, কেমন আছে বাংলাদেশ?
দেশ জুড়ে আন্দোলনের ক্ষত

ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরছে বাংলাদেশ। টানা তিন দিন ধরে কারফিউ চলার পর, বুধবার (২৪ জুলাই) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত রাজধানী ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদী জেলায় শিথিল করা হয়েছিল কারফিউ। একইভাবে বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) ঢাকা-সহ পাশ্ববর্তী তিন জেলায় সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত শিথিল থাকবে কারফিউ। এছাড়া অন্যান্য জেলাতেও জেলাশাসকদের অনুমতিক্রমে কারফিউ শিথিল রাখা হবে। এদিকে, ঢাকা-সহ বিভিন্ন জেলায় সংঘর্ষে আহত চিকিৎসাধীন আরও চারজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। এর ফলে, প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, কোটা বিরোধী আন্দোলনে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২০১-এ।

বুধবার কারফিউ শিথিল করার পরই বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি অফিস, কল-কারখানাগুলি সীমিত পরিসরে খুলেছিল। এদিনও সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৩টে পর্যন্ত অফিসগুরলি খোলা থাকবে। ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট পরিষেবাও অধিকাংশ জায়গাতেই ফের চালু হয়েছে। তবে, সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার এখনও বন্ধ রয়েছে। এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বেনজির হিংসায় লাগাম টানতে, গত শুক্রবার রাত ১২টা থেকেই সারাদেশে কারফিউ জারি করেছিল শেখ হাসিনা সরকার। কারফিউ পরিস্থিতে অসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করতে মোতায়েন করা হয়েছিল সেনাবাহিনীকে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) থেকে, কারফিউ শিথিলের সময় স্বল্প দূরত্বের কিছু যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল করবে বলে জানা গিয়েছে। গত শনিবার থেকেই বন্ধ ছিল রেল পরিষেবা।


ধীরে ধীরে ছন্দে ফিরছে বাংলাদেশ

এদিকে, কোটা আন্দোলন প্রশমিত হওয়ার পর এখন শুরু হয়েছে ধর-পাকড়ের পালা। সাধারণ শিক্ষার্থীদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে এই আন্দোলনকে হিংসাত্মক আকার দিয়েছিল কিছু দুষ্কৃতী। এমনটাই দাবি হাসিনা সরকারের। সাধারণ মানুষের কাছে এই দুষ্কৃতীদের সম্পর্কে তথ্য চেয়েছে বাংলাদেশের পুলিশ। বুধবার (২৪ জুলাই) এই বিষয়ে নাগরিকদের এসএমএস করেছে বাংলাদেশ পুলিশ সদর দফতর। নাশকতার সময়ের ছবি-ভিডিয়ো ফুটেজও তাদের কাজে লাগবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তথ্য প্রদানকারীদের পরিচয় গোপন রাখা হবে বলে আশ্বস্ত করেছে তারা।