WEATHER

Top News


 শনিবার (২০ জুন) হাইকোর্টের বর্তমান প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের কার্যকালের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। এরপরই ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন তপোব্রত চক্রবর্তী। কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রক বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর নিয়োগ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।


OBC নিয়ে বড় রায় দিয়েছিলেন, আজ তিনিই প্রধান বিচারপতি, কে এই Justice তপোব্রত চক্রবর্তী?
কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হচ্ছেন তপোব্রত চক্রবর্তী


আইনজীবী পরিবারের জন্ম। সেই আবহে বেড়ে ওঠার সময় আইনকে পেশা হিসেবে বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত। ফলে কলেজে আইন নিয়ে পড়াশোনা। তারপর আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবন শুরু। আর এবার কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হচ্ছেন তপোব্রত চক্রবর্তী। এর আগে ৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি ফেরানো নিয়ে রায়ের সময় বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী চর্চায় উঠে এসেছিলেন। বড় রায় দিয়েছিলেন ওবিসি শংসাপত্র সংক্রান্ত মামলায়ও।


১৯৬৭ সালের ২৭ নভেম্বর কলকাতায় এক আইনজীবী পরিবারে তপোব্রত চক্রবর্তীর জন্ম। এলএলবি পাশ করার পর ১৯৯১ সালের জানুয়ারিতে আইনজীবী হিসেবে তাঁর নাম নথিভুক্ত হয়। ২২ বছর কলকাতা হাইকোর্টে প্র্যাকটিস করেছেন তিনি। ২০১৩ সালের ৩০ অক্টোবর হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ করা হয় তাঁকে। বছর তিনেক পর ২০১৬ সালের ১৪ মার্চ স্থায়ী বিচারপতি হন তিনি। এবার কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হচ্ছেন বছর আটান্নর তপোব্রত চক্রবর্তী।


মহিলাকে আগিয়ে দেয়, ওদের কাছে বন্দুক ছিল...', টার্গেট অভিষেক! কলকাতা বিমানবন্দরে ভয়ঙ্কর কাণ্ড
শনিবার (২০ জুন) হাইকোর্টের বর্তমান প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের কার্যকালের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। এরপরই ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন তপোব্রত চক্রবর্তী। কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রক বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর নিয়োগ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।


বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর উল্লেখযোগ্য রায়-

বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মামলায় উল্লেখযোগ্য রায় দিয়েছেন। এর মধ্যে অন্যতম ছিল প্রাথমিক শিক্ষকদের ৩২ হাজার চাকরি বাতিল সংক্রান্ত মামলা। দুর্নীতির অভিযোগে ৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ। পরে বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চ সেই নির্দেশ খারিজ করে দেয়। ৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি বহাল রাখার কথা জানিয়ে সেইসময় বিচারপতি চক্রবর্তীর পর্যবেক্ষণ ছিল, বহু বছর ধরে কর্মরত শিক্ষকদের চাকরি বাতিল হলে তাঁদের ও তাঁদের পরিবারের উপর গুরুতর প্রভাব পড়বে। সেই প্রেক্ষিতে চাকরি বাতিলের নির্দেশ খারিজ করা হয়।

এছাড়া শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত আর এক মামলায় তিনি মন্তব্য করেছিলেন, “শুধুমাত্র সন্দেহ বা অনুমানের ভিত্তিতে চাকরি বাতিল করা যায় না। প্রত্যেক নিয়োগপ্রাপ্তের বিরুদ্ধে পৃথকভাবে অনিয়ম প্রমাণ করতে হবে। বিচারকের সিদ্ধান্তের ভিত্তি হতে হবে প্রমাণ, অনুমান নয়।”

এছাড়া ওবিসি শংসাপত্র মামলায় গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছিলেন বিচারপতি চক্রবর্তী। ২০১০ সালের পর থেকে দেওয়া সমস্ত ওবিসি শংসাপত্র বাতিলের নির্দেশ দেন তিনি। ওবিসি সার্টিফিকেট প্রদানের ক্ষেত্রে যে ব্যাপক কারচুপি করা হয়েছিল, তা তিনি রায়ের মধ্যে দিয়ে স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন।

জানা গিয়েছে, স্বরূপ বিশ্বাস গ্রেফতার হতেই থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিল এলআইসি। সেই অভিযোগের পরই এলআইসির আইনজীবীর তরফে নোটিস পাঠানো হয়েছে। বলা ভালো, সুরুচির তিন দিকে নোটিস সাঁটিয়ে দেওয়া হয়েছে। নোটিসে চারটি প্লট খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


বন্ধ হয়ে যাবে সুরুচি সঙ্ঘের পুজো? জমি খালি করার নোটিস দিল LIC
অরূপ বিশ্বাস

 কলকাতার বিখ্যাত পুজোগুলির মধ্যে অন্যতম প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের (Aroop Biswas) সুরুচি সঙ্ঘের পুজো (Suruchi Sangha Puja)। শুধু অরূপ নয়, ভাই স্বরূপ বিশ্বাসও এই পুজোর সঙ্গে জড়িয়ে। কিন্তু, প্রশ্ন উঠছে এবার কি আদৌ পুজো হবে? ইতিমধ্যেই জেলে গিয়েছেন স্বরূপ বিশ্বাস। এদিকে, বারবার থানার চক্কর কাটতে হচ্ছে অরূপকে। মেসিকাণ্ডে খাঁড়া ঝুলছে তাঁর ঘাড়ে। সঙ্গে জুড়েছে আরও একটা নতুন ইস্যু। অরূপ-স্বরূপের সুরুচি সঙ্ঘে গেল এলআইসির নোটিস (LIC Notice to Suruchi Sangha)। অভিযোগ, এলআইসির জমি দখল করে প্রত্যেক বছর পুজো হত। অর্থাৎ দুর্গাপুজোতেও বেআইনি?


কী বলা হয়েছে নোটিসে?
জানা গিয়েছে, স্বরূপ বিশ্বাস গ্রেফতার হতেই থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিল এলআইসি। সেই অভিযোগের পরই এলআইসির আইনজীবীর তরফে নোটিস পাঠানো হয়েছে। বলা ভালো, সুরুচির তিন দিকে নোটিস সাঁটিয়ে দেওয়া হয়েছে। নোটিসে চারটি প্লট খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ওই চারটি প্লট অর্থাৎ প্রায় ২২ কাঠা জমি। ওই জমিতে বেআইনি নির্মাণ করা হয়েছে বলে নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে। আগামী ১৮ জুলাইয়ের মধ্যে প্লট খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্লট খালি না করা হলে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলেও বলা হয়েছে নোটিসে।


 মহুয়া-কল্যাণ বনাম কাকলি
এদিকে, সুরুচি সঙ্ঘে নোটিস পড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা ছিঁড়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সুরুচি সঙ্ঘের তিন দিকে নোটিশ দেওয়া দেওয়া হলেও দুই জায়গায় নোটিস ছিঁড়ে দেওয়া হয়েছে। কে বা কারা নোটিস ছিঁড়েছে, তা জানা যায়নি। এদিকে, এলআইসির জমি দখল করে সুরুচির পুজো নিয়ে বিগত সরকারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন বিজেপি বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষ।

রুদ্রনীল ঘোষ বলেন, “দখলদারির রাজনীতি তো পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল শক্তি বৃদ্ধির চেষ্টা করেছিল দাঁত-নখ বের করে। সব কিছুই দখল করতে চায়। রাষ্ট্রের জমি দখল করতে চায়। মানুষের অধিকার দখল করতে চায়। গণতন্ত্র দখল করতে চায়। এরা সংবিধানের মর্যাদা হরণ করতে চায়। এরা আইন-কানুন তৈরি করে সব কিছুই নিজেদের দখলে করতে চায়। অর্থ ও ক্ষমতা ভোগ করতে চায়। এই পরিচয়টা দিয়েছিল বলেই পশ্চিমবঙ্গের মানুষ তাঁদের ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছেন। শাসকের আইন চলত। লুঠের নীতি ছিল। এই অরূপ বিশ্বাস-স্বরূপ বিশ্বাস সংস্কৃতি বা ক্রীড়া সব কিছু তছনছ করে দিয়েছে। ধর্মের কল বাতাসে নড়ে।… আরও খোঁজ করলে হয়তো কেঁচো খুঁড়তে পাইথন বেরবে।”
শুক্রবার গৌতম দেব পদত্যাগ করতেই শিলিগুড়িতে ক্ষমতা দখলে সচেষ্ট তৃণমূলের এক অংশ। শুক্রবার বিকেলেই কাউন্সিলরদের এক অংশের বৈঠকে ডেপুটি মেয়র রঞ্জন সরকারকে দলনেতা ও মেয়র পারিষদ সঞ্জয় পাঠককে উপ দলনেতা নির্বাচন করা হয়েছে।


 গৌতমের ইস্তফার পর মেয়র হতে মরিয়া ডেপুটি মেয়র, বাড়া ভাতে ছাই দিচ্ছেন তৃণমূলের কাউন্সিলররাই বাড়া ভাতে ছাই দিচ্ছেন তৃণমূলের কাউন্সিলররাই
রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর


শিলিগুড়ি পৌরনিগমে মেয়র পদ থেকে গৌতম দেব পদত্যাগ করতেই ক্ষমতা দখলে তৎপর তৃণমূলের এক অংশ। অন্যদিকে তার বিরোধিতায় একাধিক তৃণমূল কাউন্সিলরের পদত্যাগ। এদিনও পদত্যাগ করতে পারেন আরও কিছু তৃণমূল কাউন্সিলর। এই পরিস্থিতির মধ্যেই বোর্ড নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে ৭২ ঘন্টার সময় বেঁধে দিল সরকার। 


শুক্রবার গৌতম দেব পদত্যাগ করতেই শিলিগুড়িতে ক্ষমতা দখলে সচেষ্ট তৃণমূলের এক অংশ। শুক্রবার বিকেলেই কাউন্সিলরদের এক অংশের বৈঠকে ডেপুটি মেয়র রঞ্জন সরকারকে দলনেতা ও মেয়র পারিষদ সঞ্জয় পাঠককে উপ দলনেতা নির্বাচন করা হয়েছে। তৃণমূল সুত্রে খবর, ঐক্যমতে পৌঁছান গেলে রঞ্জন সরকার মেয়র ও সঞ্জয় পাঠক ডেপুটি মেয়র হওয়ার চেষ্টা করবেন। 

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুকে বাংলায় ৫ পাতার চিঠি প্রধানমন্ত্রী মোদীর, কী লিখলেন?
যদিও তৃণমূলের একাধিক কাউন্সিলর অবশ্য অন্য মত। ইতিমধ্যেই কাউন্সিলর পদে পদত্যাগ করেছেন সেবিকা মিত্তল, দিলীপ বর্মন। শনিবার পদত্যাগ করতে পারেন দুই মেয়র পারিষদ মানিক দে ও কমল আগরওয়ালা। ফলে নাটক যে পুরোমাত্রায় জমে উঠেছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। অন্যদিকে ডেপুটি মেয়র রঞ্জন সরকার বলছেন, পরিষেবার প্রশ্নেই বোর্ড রাখিতে চাইছি আমরা। সরকার কি করবে সিদ্ধান্ত নিক। 


প্রসঙ্গত, বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পরই গৌতম দেবেরই ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল দলেরই অন্দরে। যে শহরে মেয়র হিসেবে ৪ বছর কাজ করেছেন তিনি সেই শহরের সব ওয়ার্ডেই পরাজিত হয় তৃণমূল। ফলে তাঁর সাংগঠনিক দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। সূত্রের খবর, কয়েকদিন আগেই কলকাতায় এসেছিলেন গৌতম দেব। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও দেখা করেন। তারপরই তাঁর ইস্তফা। 

অপরদিকে, রবিবার বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান, নদিয়া, হুগলি, হাওড়াতে। একই সঙ্গে ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝড়ের সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি হতে পারে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বজায় থাকবে। 


জারি হল লাল-কমলা সতর্কতা, ফের বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণবঙ্গে
বৃষ্টির পূর্বাভাস, প্রতীকী ছবি

উত্তরবঙ্গে বর্ষা আগেই প্রবেশ করেছে। আর বর্ষা প্রবেশের অনেক আগে থেকেই সেখানে বৃষ্টি হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু ভ্যাপসা গরমে নাজেহাল অবস্থা ছিল দক্ষিণবঙ্গের (south Bengal)। তবে, হাওয়া অফিস বলেছিল বৃষ্টি হলে পরিস্থিতি বদলাবে। ঠিক তেমনই হল। শুক্রবার ব্যাপক ঝড়-বৃষ্টি হয়েছে দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলায়। আলিপুর আবহাওয়া অফিস জানাচ্ছে, যোগ দিবসেও বৃষ্টি হবে কলকাতায়। যোগ দিবসে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকছে কলকাতায়। তবে, কর্মসূচিতে বড় বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা কম।


কোথায় কোথায় বৃষ্টি হবে?

ফের বন্ধ হরমুজ়,কাছে এলেই বিপদে পড়বে জাহাজ, চরম হুঁশিয়ারি তেহরানের
ভোটার লিস্টে যাদের নাম থাকবে, তারাই সরকারি স্কিমের সুবিধা পাবেন, বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
এ দিকে, হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঝাড়খণ্ডের আকাশ বজ্রগর্ভ মেঘের সঞ্চার হচ্ছে পশ্চিমাঞ্চলের আকাশে। সেই কারণে পশ্চিমাঞ্চলের ৪ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির লাল সতর্কতা জারি হয়েছে। বৃষ্টি হতে পারে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূমে। বজ্রাঘাত থেকে বাঁচতে কংক্রিটের নীচে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিগত কয়েকদিন অসহ্য গরমে ভুগেছে পশ্চিমাঞ্চল। ফলত, বৃষ্টি হলে পরিস্থিতি সাময়িক বদলাবে বলে মনে করা হচ্ছে। অপরদিকে, পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুরে ঝড়-বৃষ্টির কমলা সতর্কতা জারি হয়েছে।


অপরদিকে উত্তরবঙ্গে কালও মুষলধারায় বৃষ্টির আভাস থাকছে। ইতিমধ্যেই ব্যাপক ঝড়বৃষ্টিতে ভেঙে গিয়েছে পাহাড়ি রাস্তা। জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ারে অতি ভারী বৃষ্টির লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রবিবার দার্জিলিং, কালিম্পংয়ে অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা থাকছে। তবে আশার খবর সোমবারের পর বৃষ্টির তীব্রতা কমবে উত্তরবঙ্গে।

অপরদিকে, রবিবার বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান, নদিয়া, হুগলি, হাওড়াতে। একই সঙ্গে ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝড়ের সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি হতে পারে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বজায় থাকবে।

 শনিবার মহম্মদ বাবলু এক রোগীকে নিয়ে ইসলামপুর থেকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে যাচ্ছিলেন। সেই সময় ঘোষপুকুর টোল প্লাজায় একটি গাড়ির চালকের সঙ্গে টোল কর্মীদের বচসা বাধে। সামান্য টোল দেওয়াকে কেন্দ্র করেই ওই বিবাদের সূত্রপাত বলে জানা যায়।

টোল দেওয়াকে কেন্দ্র করে বচসা, ঝুলন্ত অবস্থাতেই টোলকর্মীকে নিয়ে ১২ কিলোমিটার ছুটল গাড়ি
সামনে এল চাঞ্চল্যকর ছবি


বিশ্বরূপ বিশ্বাসের রিপোর্ট


ইসলামপুর: সামান্য দূরত্ব নয়, একেবারে ১২ কিলোমিটার ঝুলন্ত অবস্থায় টোল প্লাজার কর্মীকে নিয়ে ছুটল গাড়ি। চাঞ্চল্যকর ছবি দেখা গেল উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরে। শিউরে ওঠার মতো এই ঘটনার ভিডিয়ো নিজের ক্যামেরায় রেকর্ড করেন ইসলামপুর শহরের বাসিন্দা মহম্মদ বাবলু। তাতেই দেখা যায় অসমের নম্বর প্লেট লাগানো একটি ছোট গাড়ির পিছনের অংশে ঝুলছেন টোল প্লাজার এক কর্মী। ওই অবস্থাতেই তাঁকে নিয়ে প্রায় ১২ কিলোমিটার পথ বেপরোয়া গতিতে ছুটে যায় গাড়িটি। 



জানা গিয়েছে, শনিবার মহম্মদ বাবলু এক রোগীকে নিয়ে ইসলামপুর থেকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে যাচ্ছিলেন। সেই সময় ঘোষপুকুর টোল প্লাজায় একটি গাড়ির চালকের সঙ্গে টোল কর্মীদের বচসা বাধে। সামান্য টোল দেওয়াকে কেন্দ্র করেই ওই বিবাদের সূত্রপাত বলে জানা যায়। ঝামেলার কিছুক্ষণের মধ্যেই টোল প্লাজা থেকে কিছুটা দূরে বাবলু দেখতে পান, ওই গাড়ির পিছনের দরজায় এক ব্যক্তি বিপজ্জনকভাবে ঝুলছেন। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে সঙ্গে সঙ্গেই তিনি নিজের গাড়ি নিয়ে ওই গাড়িটির পিছু নেন।

এদিকে সেই সময় একেবারে নাটকীয়ভাবে ঘাতক গাড়ির চালক একের পর এক লরিকে ওভারটেক করে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে পালানোর চেষ্টা করছিল। প্রায় ১২ কিলোমিটার ধাওয়া করার পর, বাবলু ও অন্যান্য পথচারীদের সহায়তায় গাড়িটিকে শেষমেশ আটকানো সম্ভব হয়। শেষ পর্যন্ত গাড়ির পিছনে ঝুলতে থাকা টোলকর্মীকে নিরাপদেই অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

খবর দেওয়া হয় জলপাইগুড়ি থানার পুলিশকে। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে গাড়ির চালক-সহ গাড়িতে থাকা অন্যান্য যাত্রীদের আটক করেছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। কেন ঝামেলা, কী করে এমনটা ঘটল সবটাই জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।

প্রাক্তন বিএসএফ কর্তা সমীর মিত্র বলেন, "মালদহের সুখদেবপুর দিয়ে অনুপ্রবেশের চেষ্টা হতে থাকে। অত্যন্ত কুখ্যাত সীমান্ত বলা যায়। এখান থেকেই জালনোট কিংবা পাচার হয়। এখন জড়ো হওয়ার কারণ, হয়তো ওদের কোনও উদ্দেশ্য রয়েছে। আমাদের বিএসএফ ও সীমান্তের বাসিন্দাদের একত্রিত হয়ে থাকতে হবে।"

মালদহ সীমান্তে অস্ত্র হাতে হাজির কয়েকশো বাংলাদেশি, অনুপ্রবেশের চেষ্টা রুখল বিএসএফ
মালদহে অনুপ্রবেশের চেষ্টা রুখল বিএসএফ

কাঁটাতারহীন সীমান্ত। আর সেই সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ঢোকার চেষ্টা। অস্ত্র হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেল অনুপ্রবেশকারীদের। ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার উত্তেজনা ছড়াল মালদহের বৈষ্ণবনগরে। তৎপরতার সঙ্গে অনুপ্রবেশের চেষ্টা রুখল সীমান্তরক্ষী বাহিনী (BSF)। তাদের সাহায্য করল বৈষ্ণবনগর থানার পুলিশও।


ভারত ও বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকা হল বৈষ্ণবনগরের সুখদেবপুর। ২০২৪ সালের অগস্টে শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেওয়ার পর থেকে বিভিন্ন সময় এই এলাকা দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টার ঘটনা সামনে এসেছে। বছর খানেক আগে বাংলাদেশিরা একাধিকবার হামলা চালিয়েছিল সুখদেবপুরে। কাঁটাতারহীন সীমান্ত হওয়ায় হামলা চালিয়ে পালিয়ে যেতে সুবিধা হয় অনুপ্রবেশকারীদের। ওই এলাকায় বিএসএফ কাঁটাতার বসাতে গেলে বিজিবি (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) বাধা দিয়েছিল। গত বছর বাংলাদেশিরা সুখদেবপুরে ঢুকে হামলা চালালে প্রতিরোধ গড়েছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এবারও তাঁরা অনুপ্রবেশকারীদের রুখতে প্রস্তুত বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানাচ্ছেন। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে বিএসএফ ও পুলিশ স্থানীয় বাসিন্দাদের সীমান্তের কাছে ঘেঁষতে দিচ্ছেন না। সুখদেবপুরের স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, “ওপারে চাঁপাইনগর রয়েছে। সেখান থেকেই অনুপ্রবেশের চেষ্টা হচ্ছে। তাদের রুখছে বিএসএফ।” বাংলাদেশের ওপারে কয়েকশো লোক জড়ো হয়েছেন বলে স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন।



একই ট্র্যাকে ঢুকল দুই ট্রেন, সজোরে ধাক্কা! সিট থেকে উড়ে পড়লেন যাত্রীরা, কত প্রাণ গেল?
কী বলছেন প্রাক্তন বিএসএফ কর্তা?


প্রাক্তন বিএসএফ কর্তা সমীর মিত্র বলেন, “মালদহের সুখদেবপুর দিয়ে অনুপ্রবেশের চেষ্টা হতে থাকে। অত্যন্ত কুখ্যাত সীমান্ত বলা যায়। এখান থেকেই জালনোট কিংবা পাচার হয়। এখন জড়ো হওয়ার কারণ, হয়তো ওদের কোনও উদ্দেশ্য রয়েছে। আমাদের বিএসএফ ও সীমান্তের বাসিন্দাদের একত্রিত হয়ে থাকতে হবে। বাংলাদেশের দুষ্কৃতীরা হাতিয়ার নিয়ে চলে আসবে, এটা তো মেনে নিতে পারি না। বিজিবিকে ডেকে বিএসএফ-র বলা উচিত, এদের উদ্দেশ্যটা কী?”

রাজ্যে পালাবদলের পরই সীমান্ত সুরক্ষায় বিএসএফকে জমি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নতুন রাজ্য সরকার। সেকথা উল্লেখ করে বিজেপি বিধায়ক তথা প্রাক্তন NSG কম্যান্ডো দীপাঞ্জন চক্রবর্তী বললেন, “সীমান্ত সুরক্ষায় নজর বাড়ানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিএসএফ-কে জমি হস্তান্তর করেছেন। রাজ্য পুলিশ ও বিএসএফের সমন্বয় বাড়ানো হয়েছে। এক-দেড় মাসেই এর সুফল পাওয়া যাবে, এটা ভাবা বাড়াবাড়ি। তবে ১০০ শতাংশ ফল পাওয়া যাবে।”

গতকাল লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে বৈঠকের জন্য দিল্লি যান অভিষেক। তাঁর চার্টার্ড ফ্লাইটে দিল্লি যাওয়া নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এর আগে গত ৬ জুনও চার্টার্ড ফ্লাইটে দিল্লি গিয়েছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক। তাঁর চার্টার্ড ফ্লাইটে দিল্লি যাওয়া নিয়ে গতকাল বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেছিলেন, "অভিষেক যদি দলের টাকায় চার্টার্ড ফ্লাইটে দিল্লি যান, তবে আমি তা কোনওমতেই সমর্থন করি না।"


 'বাপরে! কেউ কি বারণ করবেন?', অভিষেককে খোঁচা দিয়ে এবার কী বললেন তৃণমূলেরই প্রাক্তন বিধায়ক?
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চার্টার্ড ফ্লাইটে দিল্লি যাওয়া নিয়ে এবার খোঁচা প্রাক্তন বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের


কলকাতা ও মুর্শিদাবাদ: দল ক্ষমতা হারিয়েছে। তাসের ঘরে মতো দল ভাঙছেও। এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) বিরুদ্ধে মুখ খুলছেন নেতারা। আবার অভিষেকের চার্টার্ড ফ্লাইটে দিল্লি যাওয়া নিয়েও বিতর্ক বাড়ছে। তৃণমূলের অন্দরেই প্রশ্ন উঠছে। এবার দলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ডকে খোঁচা দিলেন ডেবরার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর।

সোশ্যাল মিডিয়ায় কী লিখলেন হুমায়ুন কবীর?


 মোদীর হাত ধরে নৌসেনায় যুক্ত হচ্ছে তিনটি যুদ্ধজাহাজ, জেনে নিন তাদের শক্তি
এদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রাক্তন আইপিএস তথা প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর লেখেন, ‘সাধারণ সমর্থকরা কেস লড়ার টাকা জোগাড় করতে জমি বন্ধক থেকে ঘটি-বাটি বিক্রি করে দিচ্ছে। আর নেতা চার্টার্ড বিমানে দিল্লি!’ এরপর দুটি বিস্ময়ের ইমোজি দিয়ে হুমায়ুন কবীর লিখেছেন, ‘একবার যাতায়াতে খরচ ৩৫ লাখ টাকা।’ ফের দুটি বিস্ময়ের ইমোজি দিয়ে লিখেছেন, ‘বাপরে!!’ শেষে ফের খোঁচা দিয়ে লিখেছেন, ‘কেউ কি বারণ করবেন?’

একুশের বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরা থেকে জিতেছিলেন হুমায়ুন কবীর। ছাব্বিশের নির্বাচনে মুর্শিদাবাদের ডোমকল থেকে তৃণমূলের টিকিটে প্রার্থী হয়েছিলেন। তবে পরাজিত হন। এবার সেই হুমায়ুনও চার্টার্ড ফ্লাইটে একবার যাতায়াতে কত খরচ, সেকথা তুলে অভিষেককে খোঁচা দিলেন।

প্রসঙ্গত, গতকাল লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে বৈঠকের জন্য দিল্লি যান অভিষেক। তাঁর চার্টার্ড ফ্লাইটে দিল্লি যাওয়া নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এর আগে গত ৬ জুনও চার্টার্ড ফ্লাইটে দিল্লি গিয়েছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক। তাঁর চার্টার্ড ফ্লাইটে দিল্লি যাওয়া নিয়ে গতকাল বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেছিলেন, “অভিষেক যদি দলের টাকায় চার্টার্ড ফ্লাইটে দিল্লি যান, তবে আমি তা কোনওমতেই সমর্থন করি না।” আবার তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ বিধায়ক তথা বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ও খোঁচা দেন অভিষেককে। ঋতব্রত বলেন, “ওঁর বাহন চার্টার্ড ফ্লাইট। সেই বাহনে চেপেছেন। আমি তো এতটুকু অবাক হচ্ছি না। কারণ, ওঁর ঔদ্ধত্য এতটুকু কমেনি।” অভিষেককে কটাক্ষ করেছিলেন বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষও।

দলে ও বাইরে কটাক্ষের মুখে পড়ে গতকাল এই নিয়ে অভিষেক বলেছিলেন, “যাঁরা বলছেন আমি কীসে আসছি, কীসে যাচ্ছি, কোথায় নামছি, তাঁরা যদি লিখিত দিয়ে দেয়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ইকোনমিকস ক্লাসে যাবে। আমার লিগাল ওপিনিয়ন নিয়ে এটা করা। কুণাল ঘোষ আমার সহকর্মী, সে যদি আমার বিরুদ্ধে বলে, আমি তার বিরুদ্ধে বলব না।”   


মোদীর মুখে উঠে আসে গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং ও নোয়াখালির প্রসঙ্গ। মনে করালেন ১৯৪৬ সালের দিনগুলিকে। মোদী বলেন, "কলকাতার হিংসায় কত কত বাঙালির মৃত্যু হয়েছিল। তারপর নোয়াখালি। বাংলা রক্ত সহ্য করেছে, নিজের মানুষকে হারিয়েছে, নিজের মাতৃভূমিকে টুকরো হতে দেখেছে। কিন্তু বাংলা নিজের অস্মিতাকে নষ্ট হতে দেয়নি।"

পশ্চিমবঙ্গকে পাকিস্তানে যুক্ত করার চেষ্টা হচ্ছিল, তোষণের রাজনীতি করেছে কংগ্রেস', তীব্র আক্রমণ মোদীর
নরেন্দ্র মোদী

শ্যামপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় (Syamaprashad Mukherjee) না থাকলে বাংলা ভারতের অংশ হত না। পশ্চিমবঙ্গকে পাকিস্তানের অংশ করে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। আর সেই ষড়যন্ত্রে আত্মসমর্পণ করেছিল কংগ্রেস (Congress)। কিন্তু, সেই ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে লড়াই চালিয়ে বাংলাকে পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে জুড়ে দেওয়ার নেপথ্যে শ্যামপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। কিন্তু, সেই ইতিহাসকে কেউ মনে রাখেনি। মনে রাখতে দেওয়া হয়নি। পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসকে বিকৃত করার চেষ্টা করেছে কংগ্রেস। ইতিহাসকে ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছে। আজ তারকেশ্বরের ভূমি থেকে ঠিক এভাবেই কংগ্রেসকে তুলোধনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi attacks Congress)। একইসঙ্গে সেই ১৯৪৬ সালের ইতিহাসকে স্মরণ করালেন। স্মরণ করালেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অবদানের কথা। স্মরণ করালেন বাঙালির অস্মিতাকে।


‘বাঁধন থেকে মুক্ত বাংলা’
আজ পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে তারকেশ্বরে সভার আয়োজন করেছিল বিজেপি সরকার। সেখানেই এদিন উপস্থিত হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সভা থেকে একাধিক কেন্দ্রীয় প্রকল্পের উদ্বোধন করেন তিনি। এরপর জয় বাবা তারকনাথকে স্মরণ করে বক্তৃতা শুরু করেন মোদী। পরিবর্তনের বাংলায় বলেন, “বাংলার বাতাসে এখন নতুন সুগন্ধ। সব বাঁধন থেকে মুক্ত হয়ে গিয়েছে বাংলা, বাংলার গৌরব ফিরে আসা শুরু হয়েছে।…মনীষীদের স্বপ্ন সফল হচ্ছে। দ্রুত গতিতে কাজ হচ্ছে।”


৬ তলার বারান্দা থেকে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা দেবলীনাকে, মারধর! প্রবাহর বিরুদ্ধে ভয়ানক অভিযোগ করে বড় পদক্ষেপ গায়িকার
গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং প্রসঙ্গ
এরপরই মোদীর মুখে উঠে আসে গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং ও নোয়াখালির প্রসঙ্গ। মনে করালেন ১৯৪৬ সালের দিনগুলিকে। মোদী বলেন, “কলকাতার হিংসায় কত কত বাঙালির মৃত্যু হয়েছিল। তারপর নোয়াখালি। বাংলা রক্ত সহ্য করেছে, নিজের মানুষকে হারিয়েছে, নিজের মাতৃভূমিকে টুকরো হতে দেখেছে। কিন্তু বাংলা নিজের অস্মিতাকে নষ্ট হতে দেয়নি।”


কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ
মোদীর কথায়, ২০ জুন শুধু একটা তারিখ নয়, পুরো ইতিহাসকে স্মরণ করা হচ্ছে। আজকের প্রজন্মকে বারবার পশ্চিমবঙ্গ দিবসের গুরুত্ব কী তা জানানোর প্রয়োজন রয়েছে। কী হয়েছিল সেইসময়, জানার প্রয়োজন রয়েছে। যখন পুরো পশ্চিমবঙ্গকে ভারত থেকে আলাদা করে পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত করার ষড়যন্ত্র হয়েছিল, তখন কংগ্রেস ওই ষড়যন্ত্রকারীদের সামনে মাথা নত করেছিল। আত্মসমর্পণ করে বসেছিল। সেইসময় এর বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছিলেন ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। শ্যামাপ্রসাদ ঐতিহাসিক রেজোলিউশন পাশ করিয়েছিলেন। ঘোষণা করেছিলেন পুরো বাংলা পাকিস্তানের অংশ হবে না।”

যে ভাবনা থেকে পশ্চিমবঙ্গকে বাঁচানো হয়েছিল, সেই ভাবনা থেকেই তা আগে নিয়ে যাওয়া উচিত ছিল। কিন্তু, দুর্ভাগ্যবশত, তার উল্টো হল। পশ্চিমবঙ্গ দিবস ও তার ভাবনাকে ভোলানোর চেষ্টা করা হল। ইতিহাসকে বিকৃত করা হয়েছে। বিভাজনের পর পশ্চিমবঙ্গে তোষণের রাজনীতি শুরু করেছিল কংগ্রেস। পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসকে ভোলানোর চেষ্টা করা হয়।”

বাম-তৃণমূলকেও আক্রমণ
শুধু কংগ্রেস নয়, একযোগে কংগ্রেস, বাম ও তৃণমূলকে আক্রমণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন,”রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, নেতাজি সুভাষচন্দ্রের মতো মহান ব্যক্তিদের সঙ্গে বাংলার সম্পর্ক রয়েছে, সেই ভূমিতে বিদেশি চিন্তাধারা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রথমে কংগ্রেস, পরে বাম, তারপর তৃণমূল। বছরের পর বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গকে সাজানোর বদলে অনুপ্রবেশকারীদের ঘাঁটি তৈরি করেছে। অনুপ্রবেশকারীদের তোষণ করেছে।” পশ্চিমবঙ্গ দিবসে মোদীর অঙ্গীকার, ‘ঐতিহাসিক’ ভুল আর হবে না, এবার নতুন ইতিহাস রচনা হবে। নতুন বাংলা গড়ে উঠবে।

একসময় উত্তর প্রদেশের ক্ষমতায় ছিল অখিলেশের দল। অখিলেশ নিজে মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। এরপর বিজেপির যোগী আদিত্যনাথ তাঁকে গদিচ্যুত করেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সমাজবাদী পার্টি আবার নিজের ক্ষমতা বাড়াচ্ছিল। ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল সপা।  

মমতাকে সান্ত্বনা দিতে এসেছিলেন অখিলেশ, ভোটের আগে এবার তাঁর ঘরেও ভাঙন?
অখিলেশের সমাজবাদী পার্টিতেও ভাঙন ধরল?


তৃণমূল কংগ্রেস কি এখন বাকি আঞ্চলিক দল, যাদের জাতীয় স্তরেও উপস্থিতি আছে, তাদের কাছে উদাহরণ হয়ে উঠছে? তবে এই উদাহরণ ভালো দিক দিয়ে নয়। ঠিক যেভাবে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের পরই তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গিয়েছে, সেই পরিণতি কি বাকি আঞ্চলিক দলগুলিরও হচ্ছে? ইতিমধ্যেই মহারাষ্ট্রে শোরগোল পড়েছে শিবসেনা(ইউবিটি)-র ভাঙন নিয়ে (Shiv Sena UBT Split)। এখন আবার জল্পনা, অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টি (Samajwadi Party)-তেও “অল ইজ নট ওয়েল”।


সমাজবাদী পার্টিতে ভাঙন?
আগামী ২০২৭ সালে উত্তর প্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন (Uttar Pradesh Assembly Election 2027)। তার আগেই জল্পনা শোনা যাচ্ছে যে অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টিতে বড়সড় ভাঙন ধরতে চলেছে। একাধিক বিজেপি নেতা ও তাদের জোটসঙ্গীরা ক্রমাগত দাবি করছেন যে দলের একটা বড় অংশের সাংসদরাই অখিলেশের হাত ছেড়ে এনডিএ-র ছত্রছায়ায় আসতে চাইছে।


জ্যোতিপ্রিয়ই খুনের পরিকল্পনা করেছিলেন’, ভাইয়ের হত্যার ফাইল খুলতে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ বরুণ বিশ্বাসের দাদা
জানেন কোন কোন ফল খেলে রক্ত বাড়ে?
গত বুধবার বিজেপির জোটসঙ্গী, সুহলদেব ভারতীয় সমাজ পার্টির প্রধান ওম প্রকাশ রাজভর একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে দাবি করেন যে ৩০ জন সমাজবাদী পার্টির সাংসদ যেকোনও মুহূর্তে দল ছেড়ে চলে যেতে পারেন। এর কিছুক্ষণ পরই উত্তর প্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী কেশব প্রসাদ মৌর্য্যও একই সুরে বলেন যে ২৫-২৬ জন সাংসদ দল বদল করতে প্রস্তুত। বরং বিজেপিই তাদের নিতে রাজি নয়। তিনি আরও দাবি করেন যে সমাজবাদী পার্টির অবস্থা তৃণমূল কংগ্রেসের থেকেও শোচনীয় হবে।


বিজেপির মাইন্ডগেম নাকি সপা-র ব্য়র্থতা?
একসময় উত্তর প্রদেশের ক্ষমতায় ছিল অখিলেশের দল। অখিলেশ নিজে মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। এরপর বিজেপির যোগী আদিত্যনাথ তাঁকে গদিচ্যুত করেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সমাজবাদী পার্টি আবার নিজের ক্ষমতা বাড়াচ্ছিল। ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল সপা।

অখিলেশ যাদবের দলের নেতারা সরাসরি এই ভাঙনের জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছেন। তাদের বক্তব্য, রাজভর সহ বিজেপির জোটসঙ্গীরা ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা তথ্য প্রচার করছে ভোটারদের বিভ্রান্ত করতে। দলে কোনও ভাঙন ধরেনি। পুরোটাই রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত। তবে সম্প্রতিই তৃণমূল কংগ্রেসের ভাঙনের পর অখিলেশ যাদবের মন্তব্য তাৎপর্য্যপূর্ণ ছিল। তিনি বলেছিলেন যে বিজেপিকে হারাতে বিরোধী দলগুলিকে একজোট হতে হবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটা বিজেপির মাইন্ডগেম হতে পারে। বিধানসভা নির্বাচনের আগে অখিলেশের দলকে দুর্বল করতে এই ভাঙনের জল্পনা রটিয়ে দেওয়া হতে পারে। যেখানে সমস্ত আঞ্চলিক দলই নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষা করতে লড়াই করছে, সেখানে সপা-র এই ভাঙন ভোটবাক্সে যথেষ্ট প্রভাব ফেলবে।


সুকান্ত মজুমদারের অভিযোগ, "আজ সেই মহান পুরুষকে, তাঁর ইতিহাসকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, স্তব্ধ করে দেওয়া হয়েছে, মুছে ফেলা হয়েছে,সেই ইতিহাসকে সকলের সামনে আনা হোক। আমরা সিংহভাগ জানতাম না যে পশ্চিমবঙ্গ কীভাবে তৈরি হয়েছে। কোথাও ইতিহাস বইয়ে রাখা পর্যন্ত হয়নি।"


হিন্দু নিধনের' ইতিহাস স্কুলের সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করা হোক, আর্জি তাপসের
তাপস রায়

বাংলার পাঠ্যবইয়ে কি এবার জুড়বে পশ্চিমবঙ্গ দিবসের (Paschimbanga Diwas) ইতিহাস? পড়ানো হবে পশ্চিমবঙ্গে নির্মাণে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের (DR. Shyamaprasad Mukherjee) ভূমিকা? আজ রাজ্যজুড়ে পালিত হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ দিবস। প্রথমবার এই দিনটি সরকারিভাবে পালন করা হচ্ছে বাংলায়। আর এই বিশেষ দিনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) কাছে বিশেষ দাবি জানালেন তাপস রায়। তাঁর আর্জি, স্কুলের পাঠ্যবইয়ে যেন হিন্দু নিধনের ইতিহাসকেও তুলে ধরা হয়। একই আর্জি করেছেন আরেক মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ। অন্যদিকে, সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Mazumdar) আবেদন, এবার যেন পশ্চিমবঙ্গ দিবস নির্মাণ নিয়ে একটা চ্যাপ্টার পাঠ্যবইয়ে আনা হয়। তাঁর মতে, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ইতিহাস, তাঁর ভূমিকা সম্পর্কে বাঙালির জানা প্রয়োজন।


রাজ্যজুড়ে পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদযাপন
পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে তারকেশ্বরে বিশেষ সভার আয়োজন করা হয়েছে। সেখানেই আজ উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এদিকে, পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদযাপন হল রাজ্য বিজেপির সদর দফতর ও বিধানসভাতেও। রাজ্য বিজেপির সদর দফতরে উপস্থিত ছিলেন সুকান্ত মজুমদার। অন্যদিকে, বিধানসভায় উপস্থিত ছিলেন তাপস রায়, শঙ্কর ঘোষরা।


বিধানসভায় পশ্চিমবঙ্গ দিবসের গুরুত্ব নিয়ে তাপস রায় বলেন,”সুরাবর্দিকে শুধু হিন্দুরা নয়, শিক্ষিত মুসলমানরাও তাঁকে গুণ্ডাদের সর্দার বলতেন। সেই সুরাবর্দির নির্দেশে নিস্ক্রিয় পুলিশ দশ হাজারের বেশি মানুষকে কলকাতার রাস্তায় খুন করা হয়েছিল। তারপরই শুরু হয়েছিল ঢাকা, নোয়াখালি, তারপরই শুরু হয়েছিল হিন্দু নিধন। এই ইতিহাস কিন্তু আমাদের পড়ানো হয় না। ইতিহাসে নেই। মাননীয় অধ্যক্ষকে অনুরোধ করব, তার মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রীকে অনুরোধ করব, আমাদের নবপ্রজন্মের স্কুলের সিলেবাসেপ মধ্যে যেন এগুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়।”


বিজেপির রাজ্য দফতরে পশ্চিমবঙ্গ দিবসের ইতিহাস নিয়ে বিশেষ বক্তৃতা রাখেন সুকান্ত মজুমদার। পশ্চিমবঙ্গ দিবস নির্মাণে কী ভূমিকা ছিল শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের, তাও তুলে ধরেন।

শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ভূমিকা প্রসঙ্গে সুকান্ত
শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ভূমিকা প্রসঙ্গে বলতে গিয়েই সুকান্ত মজুমদার বলেন, ” সেইসময় যদি ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় না থাকতেন, তাহলে সুকান্ত আজ হয়তো আন্দামানে বা মধ্যপ্রদেশে, বা উত্তর প্রদেশের পিলভিটে উদ্বাস্তু বাঙালি হিসেবে কাউন্সিলরের বেশি কিছু হতে পারতাম না। আমরা কেউ মন্ত্রী, সান্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রী হতে পারতাম না, যদি না শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ দিয়ে না যেতেন।”

সুকান্ত মজুমদারের অভিযোগ, “আজ সেই মহান পুরুষকে, তাঁর ইতিহাসকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, স্তব্ধ করে দেওয়া হয়েছে, মুছে ফেলা হয়েছে,সেই ইতিহাসকে সকলের সামনে আনা হোক। আমরা সিংহভাগ জানতাম না যে পশ্চিমবঙ্গ কীভাবে তৈরি হয়েছে। কোথাও ইতিহাস বইয়ে রাখা পর্যন্ত হয়নি।” এরপরই পাঠ্যবইয়ে নতুন চ্যাপ্টার আনার দাবি করেন সুকান্ত মজুমদার।

পাঠ্যবইয়ে চ্যাপ্টার রাখার দাবি
সাংসদ বলেন, “শুভেন্দুবাবুর নেতৃত্বে যে পশ্চিমবঙ্গ সরকার গঠন হয়েছে, আমি বিজেপির কর্মী হিসেবে সরকারের কাছে আবেদন জানাব আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গের পাঠ্যবইয়ে, এই পশ্চিমবঙ্গ নির্মাণে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের যে ভূমিকা ও অন্যান্যদের যে ভূমিকা রয়েছে, সেই ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে অন্তত একটা চ্যাপ্টার হিসেবে পড়ানো উচিত, সিলেবাসে রাখা উচিত।”


এ দিকে, আজ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিনও। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, বাংলায় শ্যামাপ্রসাদের ১২৫ ফুটের মূর্তি তৈরি হবে। বলেন, "৬ জুলাই শ্যামপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫ তম জন্ম-জয়ন্তী। সাড়ম্বরে পালন করা হবে। তাঁর পৈত্রিকভিটা ক্রয় করে লাইব্রেরি বানাব,স্মৃতিসৌধ বানাব।"

শনির বিকেল থেকেই যান চলাচলে নিয়ন্ত্রণ, যোগা দিবসের জন্য রবিবার কোন রাস্তা বন্ধ?
কলকাতায় কোথায় কোথায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ?


 শনিবার ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’ ও রবিবার ‘যোগা দিবস’। সেই উপলক্ষ্যে রাজ্যে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi)। তারকেশ্বরে পালিত হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ দিবস, সেই কারণে সেখানে উপস্থিত রয়েছেন মোদী। এ দিকে, যোগ দিবস আবার রবিবার। সেখানেও প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিত থাকার কথা। আর সেই উপলক্ষ্যে সাজো-সোজো রব রেড রোডে। সেজে উঠেছে মিলেনিয়াম পার্ক ও সংলগ্ন শিপিং জেটি। যোগ প্রচারে গঙ্গবক্ষে ৫০০ নৌকায় হবে প্রদর্শন। ইতিমধ্যেই যোগ দিবসের জন্য কলকাতায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা শুরু হয়েছে।


কোন-কোন রাস্তা বন্ধ থাকবে? কোন-কোন গাড়িকে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে?


কলকাতা পুলিশ সূত্রে খবর, একাধিক মালবাহী গাড়ি চলাচল আপাতত নিষিদ্ধ। শুধু জরুরি পরিষেবাতে ছাড় দেওয়া হয়েছে। রবিবার বেলা ১২টা পর্যন্ত মালবাহী গাড়ি নিয়ন্ত্রিত হবে। অপরদিকে, রাস্তা বন্ধ থাকছে, গর্ভমেন্ট প্লেস ইস্ট, এসপ্ল্যানেড রো ইস্ট ক্রসিং,পুরনো কোর্ট হাউস স্ট্রিট, বিবাদী বাগ দক্ষিণ ক্রসিংয়ের।


এ দিকে, আজ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিনও। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, বাংলায় শ্যামাপ্রসাদের ১২৫ ফুটের মূর্তি তৈরি হবে। বলেন, “৬ জুলাই শ্যামপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫ তম জন্ম-জয়ন্তী। সাড়ম্বরে পালন করা হবে। তাঁর পৈত্রিকভিটা ক্রয় করে লাইব্রেরি বানাব,স্মৃতিসৌধ বানাব।” এ দিকে, বাংলায় বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী শপথগ্রহণের পর প্রথমবার পা রাখলেন নরেন্দ্র মোদী। এক যোগে তিন বিরোধী দলকে আক্রমণ শানিয়েছেন। এর আগে পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে কী কী অন্যায় হয়েছে তা খোলসা করেন তিনি।

গঙ্গাসাগর, ২০ জুন: আন্তর্জাতিক যোগা দিবসের প্রাক্কালে আজ গঙ্গাসাগরের সমুদ্রতটে আয়ুস অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে এক বিশেষ যোগা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। ‘গঙ্গোত্রী থেকে গঙ্গাসাগর’ পর্যন্ত যোগা ও পরিবেশ সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়, তাদের মূল উদ্দেশ্য হল গঙ্গা নদীকে দূষণমুক্ত রাখা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তোলা এবং সুস্থ জীবনযাপনের জন্য যোগব্যায়ামের গুরুত্ব সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা। আগামীকাল আন্তর্জাতিক যোগা দিবস উপলক্ষে এই কর্মসূচি ছিল তারই প্রারম্ভিক পর্ব।
আজকের অনুষ্ঠানে কয়েকশো কিশোর-কিশোরী, তরুণ-তরুণী এবং স্থানীয় প্রবীণ নাগরিকরা উৎসাহের সঙ্গে অংশগ্রহণ করেন। গঙ্গাসাগরের মনোরম সমুদ্রতটে একসঙ্গে যোগাভ্যাসের মধ্য দিয়ে সুস্থতা ও পরিবেশ রক্ষার বার্তা তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কোস্টাল থানার এক পুলিশ আধিকারিক। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সাগর ব্লকের ভারতীয় জনতা পার্টির নেতা ও কর্মী অরুণাভ দাস, শিব শংকর কামিলা সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

সমুদ্রের ঢেউয়ের শব্দ আর শতাধিক মানুষের সম্মিলিত যোগাভ্যাসে আজ গঙ্গাসাগরের সমুদ্রতটে এক আবেগঘন ও অনুপ্রেরণামূলক পরিবেশের সৃষ্টি হয়। অংশগ্রহণকারীরা যোগব্যায়ামের মাধ্যমে শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণের অঙ্গীকারও গ্রহণ করেন।

 দক্ষিণবঙ্গ মৎস্যজীবী ফোরামের সম্পাদক দেবাশিস শ্যামল বলেন, “অনেক পাম্পেই একটা নির্দিষ্ট লিমিটের বেশি তেল মিলছিল না। কিন্তু অত অল্প তেলে তো মৎস্যজীবীদের চলবে না। এখন রাজ্যের ফুড অ্যান্ড সাপ্লাই ডিপার্টমেন্ট বিভিন্ন তেল কোম্পানিগুলির সঙ্গে কথা বলেছে।”

জামাইষষ্ঠীতে ইলিশ নিয়ে বড় সুখবর! মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে কেটে গেল বড় বাধা
কেটে গেল কোন জট?

জামাইষষ্ঠীর বাজারে প্রতি বছরের মতো এ বছরও ইলিশের চাহিদা তুঙ্গে। এদিকে মাছ ধরতে চেয়েও তেলের যোগানে ঘাটতি থাকায় চাপে পড়েছিলেন মৎসজীবীরা। মিলছিল না প্রয়োজন মতো ডিজেল। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে চিঠি দিতে বাধ্য হন মৎসজীবী সংগঠনের সদস্যরা। শেষ পর্যন্ত শুভেন্দু অধিকারীর হস্তক্ষেপেই সমস্যার সমাধান। হাসি ফুটল মৎসজীবীদের মুখে। 


যুদ্ধের জেরে তেলের আমদানি কমে যাওয়ায় সমস্যা গোটা দেশেই। এরইমধ্যে তেল বিক্রিতে একাধিক পাম্পে রাশ টানা হচ্ছে বলে খবর। এই যেমন পূর্ব মেদিনীপুরেই একাধিক পাম্পে কোথায় একবারে সর্বোচ্চ ২০০০ টাকার ডিজেল, ৫০০ টাকার পেট্রোল মিলছিল। কোথায় আবার ১০০০ টাকার ডিজেল, ২০০টাকার পেট্রোল মিলছিল সধারণ যানের ক্ষেত্রে। এদিকে ট্রলারের ক্ষেত্রে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গেলে অন্তত ৫ থেকে ৭ হাজার লিটার ডিজেলেরে প্রয়োজন হয়। কিন্তু ২ হাজার লিটারের বেশি ডিজেল মিলছিল না। এতেই চাপে পড়ে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হন মৎসজীবীরা। শেষ পর্যন্ত রাজ্যের হস্তক্ষেপে সেই সমস্যার সমাধান হয়ে গেল। দিঘা-সহ রাজ্যের ট্রলার সংগঠন, দক্ষিণবঙ্গ মৎস্যজীবী ফোরামের আবেদনের ভিত্তিতে উঠে গেল ঊর্ধ্বসীমা। 


কেন স্বামী প্রবাহর 'নন্দী' পদবি ছাড়ছেন না দেবলীনা?
মুখ্যমন্ত্রীর এই উদ্যোগ কে সাধুবাদ জানিয়েছেন মৎস্যজীবী সংগঠনগুলি। দক্ষিণবঙ্গ মৎস্যজীবী ফোরামের সম্পাদক দেবাশিস শ্যামল বলেন, “অনেক পাম্পেই একটা নির্দিষ্ট লিমিটের বেশি তেল মিলছিল না। কিন্তু অত অল্প তেলে তো মৎস্যজীবীদের চলবে না। এখন রাজ্যের ফুড অ্যান্ড সাপ্লাই ডিপার্টমেন্ট বিভিন্ন তেল কোম্পানিগুলির সঙ্গে কথা বলেছে। ট্রলারগুলির ডিজেল পেতে যাতে কোনও সমস্যা না হয় তা দেখতে বলা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের জন্য রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপ খুব ইতিবাচক। আমরা মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।” 


প্রতি মাছ ধরার মরশুমে ইলিশের খোঁজে পাড়ি দেয় পূর্ব মেদিনীপুর জেলার প্রায় ৩ হাজারের বেশি মাছ ধরার ট্রলার, লঞ্চ ও যন্ত্র চালিত নৌকো। ১৪ জুন পর্যন্ত ব্যান পিরিয়ড কাটিয়ে গভীর রাত থেকে ইলিশের খোঁজে সমুদ্র পাড়ি দিচ্ছে মাছ ধরার ট্রলার লঞ্চ সহ নৌকো। সমুদ্রে পাড়ি দেওয়ার আগে চলতি মরশুমে ইলিশ ভাল মিলবে বলে আশাবাদী মৎস্যজীবীরা।