WEATHER

Top News


দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার কাকদ্বীপ মহাকুমার কাকদ্বীপ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের নতুন সিটি স্ক্যান ইউনিটের উদ্বোধন করলেন কাকদ্বীপের বিধায়ক তথা প্রতিমন্ত্রী দীপঙ্কর জানা। 

হাসপাতালের পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং আধুনিক স্বাস্থ্য পরিষেবা সাধারণ মানুষের কাছে আরও সহজলভ্য করে তোলার লক্ষ্যেই এই নতুন ইউনিট চালু করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কাকদ্বীপ এর বিধায়ক দীপঙ্কর জানা, হাসপাতালের চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী ও প্রশাসনের আধিকারিকরা। নতুন সিটি স্ক্যান পরিষেবা চালু হওয়ায় কাকদ্বীপ ও সংলগ্ন এলাকার রোগীদের উন্নত মানের রোগ নির্ণয়ের জন্য আর দূরবর্তী হাসপাতালে যেতে হবে না বলে মনে করা হচ্ছে।
রাজ্য সরকারের উদ্যোগে পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্য পরিষেবাকে আরও শক্তিশালী ও জনমুখী করে তুলতে এই পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে জানান মন্ত্রী। নতুন এই সিটি স্ক্যান ইউনিট চালু হওয়ায় সুন্দরবন ও উপকূলবর্তী এলাকার বহু মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন কাকদ্বীপ হাসপাতাল থেকে। 

ব্যুরো রিপোর্ট কাকদ্বীপ ডট কম

কেরলমে বর্ষা প্রবেশ করতেই এবার সকলের মনে প্রশ্ন জেগেছে যে বাকি দেশে কবে থেকে বৃষ্টিপাত শুরু হবে? বিশেষ করে উত্তর-পূর্ব ভারত যেখানে তাপপ্রবাহে পুড়ছে, সেখানে সকলে হা-পিত্যেশ করে বসে আছে বর্ষার আশায়। তাদের জন্য সুখবর দিয়েছে মৌসম ভবন।


সুখবর! এসে গেল বর্ষা, আজ থেকেই তুমুল বৃষ্টি শুরু, কোন কোন জায়গায় সতর্কতা জারি করল IMD?
কবে আসছে বর্ষা?

কাঠফাটা গরম থেকে এবার মিলবে মুক্তি। ভারতে প্রবেশ করল বর্ষা (Monsson)। কেরলমে (Keralam) চলে এল বর্ষা। নির্দিষ্ট সময়ের তিন দিন পরে কেরলমে এল মৌসুমি বায়ু। বর্ষা প্রবেশ করতেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে কেরলমে। তামিলনাড়ু, কর্নাটকের কিছু অংশেও বর্ষার বৃষ্টি শুরু হয়েছে।


কেরলমে এল বর্ষা-
মৌসম ভবন জানিয়েছে, আজ, ৪ জুন দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু কেরলমে প্রবেশ করেছে। ১ জুনই প্রবেশ করার কথা ছিল বর্ষার। তবে তিন দিন দেরিতে হলেও এল বর্ষা। দ্রুত কেরলম ও তার আশেপাশের অঞ্চলগুলিতে বর্ষার প্রভাবে তুমুল বৃষ্টি শুরু হবে। ইতিমধ্যেই প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়েছে কেরলমে। কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে আলাপুজ্জা, কোট্টায়াম ও এর্নাকুলাম জেলায়। এখানে ঝড়ের সঙ্গে প্রবল বৃষ্টির সতর্কতা দেওয়া হয়েছে। ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়াও বইতে পারে।



কবে উত্তর-পূর্ব ভারতে বর্ষা আসবে?
কেরলমে বর্ষা প্রবেশ করতেই এবার সকলের মনে প্রশ্ন জেগেছে যে বাকি দেশে কবে থেকে বৃষ্টিপাত শুরু হবে? বিশেষ করে উত্তর-পূর্ব ভারত যেখানে তাপপ্রবাহে পুড়ছে, সেখানে সকলে হা-পিত্যেশ করে বসে আছে বর্ষার আশায়। তাদের জন্য সুখবর দিয়েছে মৌসম ভবন। আগামী ২-৩ দিনের মধ্যে বর্ষা আসছে উত্তর-পূর্ব ভারতে। তবে বাংলায় কবে বর্ষা প্রবেশ করবে, তার আভাস এখনও মেলেনি। আপাতত প্যাচপেচে গরমে নাকাল হতে হবে বঙ্গবাসীকে। সপ্তাহান্তে ঝড়-বৃষ্টির আশা রয়েছে।

সাধারণত মৌসুমি বায়ু পশ্চিম উপকূল দিয়ে এগিয়ে উত্তর-পূর্ব ভারতে পৌঁছয়। এরপর তা মধ্য ভারতে পৌঁছয়, মধ্য প্রদেশ, ছত্তীসগঢ়ে জুনের মাঝামাঝি সময় থেকে বৃষ্টি শুরু হয়। এরপর তা ধীরে ধীরে পূর্ব ও উত্তর ভারতের দিকে এগোতে থাকে। জুনের শেষ ভাগে দিল্লিতে পৌঁছয় বর্ষা। পঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থান, উত্তর প্রদেশে জুনের শেষভাগ বা জুলাইয়ের শুরুতে বর্ষা প্রবেশ করে।

বাবুলের কথায়, "যুদ্ধ ও ভালবাসায় -'সবই ন্যায্য বা ঠিক'। সেটা রাজনীতি ও জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রের রাজনীতিতেও প্রযোজ্য। রাজনৈতিক দলে থেকে ব্যক্তিগত মত প্রকাশ করা যায় না। তবুও আমি আগে করেছি, এটাকেও সম্পূর্ণ আমার ব্যক্তিগত মতামত হিসেবেই দেখা হোক।"

একজন মানুষ আমায় সব থেকে বেশি অবাক করেছে...', তৃণমূলের দুর্দশার মধ্যেই ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট বাবুলের
বাবুল সুপ্রিয়, সাংসদ


আদি তৃণমূল ও নব তৃণমূল ব্লক গঠিত হয়েছে। বিরোধী দলনেতা হিসাবে স্বীকৃতি পেয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় (Ritabrata Banerjee)। এই নিয়ে আপাতত দলের অন্দরে বিতর্কের অন্ত নেই। অবশেষে বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন রাজ্যসভার সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়। তিনি লিখেছেন, “নিজের দলের বিরুদ্ধেও অবস্থান নেওয়ার পূর্ণ অধিকার আপনার আছে। আমিও তা করেছি। সেই অবস্থানকে সম্মান জানাতে হলে সাংসদ বা বিধায়ক পদ থেকেও সরে দাঁড়ানো উচিত। কারণ, আপনি দলের প্রতীক,নেতৃত্ব ও ব্যানারের অধীনে ভোটে লড়েছিলেন।” একই সঙ্গে নাম না করে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্য়ায়কেও খোঁচা তাঁর।

বাবুল আর কী কী লিখেছেন?


এ দিন, বাবুল মুখ খুলেছেন মমতার বিরুদ্ধে। তাঁরা দাবি সরকারি অর্থ তছরুপ করা হয়েছে এমন অভিযোগ শোনার পরই সুপ্রিমোর উচিত ছিল ব্যবস্থা নেওয়া। তিনি লিখেছেন, “দিদি নিশ্চয়ই একটা বড় ভুল করেছিলেন। ক্ষমতায় আসার প্রথম দিন থেকেই যারা দুর্নীতি, সরকারি অর্থ তছরুপ বা নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়েছিল। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নিয়ে। তাদের অনেকেই এখন ওই ‘৬০’-এর অংশ! বাকিদের কেউ ভোটে হেরেছে, কেউ জেলে যাচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, “তবে একজন মানুষ আমাকে সবচেয়ে বেশি অবাক করেছে! কখনও ভাবিনি, আমাদের চারপাশে একটা সাপ মানুষের ছদ্মবেশে ঘুরে বেড়াচ্ছিল।এখন শুধু আশা করি, ভারতীয় জনতা পার্টি বা BJP যেন অন্য অনেক রাজ্যের মতো তাদের দলে টেনে নেওয়ার ভুল না করে।” রাজনৈতিক মহলের ধারণা,দলের ভাল সময়ে কোনও দিন সেভাবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় মন্তব্য করেননি। দল হারতেই সঙ্গে সঙ্গে এভাবে অন্দরে বিভাজন তৈরি নিয়ে সরব তিনি।

বাবুলের কথায়, “যুদ্ধ ও ভালবাসায় -‘সবই ন্যায্য বা ঠিক’। সেটা রাজনীতি ও জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রের রাজনীতিতেও প্রযোজ্য। রাজনৈতিক দলে থেকে ব্যক্তিগত মত প্রকাশ করা যায় না। তবুও আমি আগে করেছি, এটাকেও সম্পূর্ণ আমার ব্যক্তিগত মতামত হিসেবেই দেখা হোক।”


মুখ্য়মন্ত্রী বলেন, আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পরই তাজপুর সি-পোর্ট নিয়ে পর্যালোচনা করেছি। আদানি গ্রুপের ম্যানেজিং Tajpur port project: ডিরেক্টর করণ আদানির সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে। ইতিমধ্যেই ওঁরা ভিজিট করে গিয়েছেন। আমি বিরোধী দলনেতা হিসাবেও বারবার বলে গিয়েছি যে রেলপথে উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, ওয়ারহাউস সহ অন্তত কয়েক হাজার একর জমি সংগ্রহ না হলে, তাজপুর সমুদ্র বন্দর তৈরি সম্ভব নয়।

তাজপুরে সমুদ্র বন্দর সম্ভব নয়, জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী, ১০ কিমি দূরেই লুকিয়ে 'আশার আলো'?
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।


তাজপুরে কি বন্দর তৈরি হবে? বড় আপডেট দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। পূর্ববর্তী তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) সরকারই এই বন্দর তৈরির উদ্যোগ নিয়েছিল, কিন্তু তা বাস্তব রূপ পায়নি। এবার তাজপুরের বন্দর নিয়ে আপডেট দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।


নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানালেন কেন্দ্রীয় জাহাজ মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর রাজ্য সরকারের শিপিং ডিপার্টমেন্ট ও জলপথ দফতরের সঙ্গে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হয়েছে। মুখ্যসচিবের নেতৃত্ব পোর্ট ট্রাস্টের চেয়ারম্যান, শিল্প দফতর, পরিবহন দফতর থেকে শুরু করে কলকাতা কর্পোরেশনের সকল উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা ছিলেন এই বৈঠকে।


কলকাতায় এবার ছুটবে ওয়াটার মেট্রো, বিরাট ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর
মুখ্য়মন্ত্রী বলেন, “আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পরই তাজপুর সি-পোর্ট নিয়ে পর্যালোচনা করেছি। আদানি গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর করণ আদানির সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে। ইতিমধ্যেই ওঁরা ভিজিট করে গিয়েছেন। আমি বিরোধী দলনেতা হিসাবেও বারবার বলে গিয়েছি যে রেলপথে উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, ওয়ারহাউস সহ অন্তত কয়েক হাজার একর জমি সংগ্রহ না হলে, তাজপুর সমুদ্র বন্দর তৈরি সম্ভব নয়। নতুন সরকারও মূল্যায়ন করে জানিয়েছে, ওখানে বন্দর তৈরি সম্ভব নয়।”

তবে রাজ্যের মানুষকে আশাহত হতে বারণ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী, কারণ তাজপুর থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে দাদনপত্রবাড়ে গভীর সমুদ্র বন্দর নিয়ে চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। এখানে আগে নুনের কারখানা ছিল। ১৭০০ একর জমি রয়েছে সরকারের। সেটি নিয়েই এগোবে রাজ্য সরকার। বাস্তবসম্মতভাবে এগোবে সরকার।

তিনি আরও জানান যে আগের সরকার তাজপুর গভীর সমুদ্র বন্দর করার নামে ৩০ কোটি টাকা খরচ করেছে। কিন্তু তাজপুর সমুদ্র বন্দর হওয়া বাস্তবে সম্ভব নয়। আর সেই কারণেই দাদনপাত্রবারে ১৭০০ একর জমি আছে, সেখানে সমুদ্র বন্দর করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে
আগে রাজ্যে ছাত্রীদের বাসে যাতায়াত ফ্রি ছিল। এবার পড়ুয়াদের বাসে যাতায়াত ফ্রি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। কারা কারা এই সুবিধা পাবে, কীভাবে পডুয়াদের আবেদন করতে হবে, সে বিষয়ে শীঘ্রই বিস্তারিত জানানো হবে।     

স্কুল ও কলেজ পড়ুয়ারা বাসে যাতায়াত করবে ফ্রি-তে, বড় ঘোষণা নতুন মুখ্যমন্ত্রীর
প্রতীকী চিত্র।
যুবশক্তিকেই বিশেষ জোর। রাজ্যে উন্নয়নের জন্য বিরাট ঘোষণা। দুই হাজার কোটির সড়ক উন্নয়ন থেকে শুরু করে প্রাইভেট সেক্টরে এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জের ঘোষণা করেছেন তিনি। পাশাপাশি পড়ুয়াদের জন্য ফ্রি বাস পাসের ঘোষণাও করেছেন তিনি।


বুধবারই কর্নাটকের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন ডিকে শিবকুমার। তারপরই তিনি বেঙ্গালুরু সহ রাজ্যের উন্নয়নের জন্য ছয় পয়েন্টের এজেন্ডা ঘোষণা করেছেন রাজ্যে নতুন যুব যুগ শুরু করতে। তিনি জানিয়েছেন, রাজ্যে কাজের সুযোগ তৈরি করা হবে। যুব সমাজ রাজ্যের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।


এতদিন ধরে জবরদখল হচ্ছিল! কলকাতা বন্দর নিয়ে এবার বড় সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু
ফিরহাদকে 'মেয়র সাহেব' বলে ডেকে পাশে বসান মুখ্যমন্ত্রী
কী কী ঘোষণা করলেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী? 
পড়ুয়াদের জন্য ফ্রি বাস পাস-
প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকেই নতুন মুখ্যমন্ত্রী ডিকে শিবকুমার ঘোষণা করেন যে রাজ্যের সমস্ত স্কুল ও কলেজ পড়ুয়াদের জন্য ফ্রি বাস পাস দেওয়া হবে। আগে রাজ্যে ছাত্রীদের বাসে যাতায়াত ফ্রি ছিল। এবার পড়ুয়াদের বাসে যাতায়াত ফ্রি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। কারা কারা এই সুবিধা পাবে, কীভাবে পডুয়াদের আবেদন করতে হবে, সে বিষয়ে শীঘ্রই বিস্তারিত জানানো হবে।

প্রাইভেট সেক্টর এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ-
কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী জানান যে রাজ্যে একটি প্রাইভেট সেক্টর এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ তৈরি করা হবে, যাতে চাকরি প্রার্থীরা সরাসরি সংস্থাগুলির সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবে। চাকরিপ্রার্থীদের এখানে রেজিস্টার করতে হবে। এছাড়া রাজ্যে ৫৬ হাজার সরকারি শূন্যপদ রয়েছে, তাও পূরণ করা হবে বলে জানান। কন্নড়বাসীই প্রাধান্য পাবে। এক মাসের মধ্য়েই এই নীতি তৈরি করা হবে বলে জানান তিনি।

১০ হাজার ভারত জোড়ো ইয়ুথ ক্লাব-
রাজ্যের যুবশক্তির জন্য ১০ হাজার ভারত জোড়ো ইয়ুথ ক্লাব তৈরির ঘোষণা করেন ডিকে শিবকুমার। রাজ্য সরকার এর জন্য ১০ লাখ টাকা করে দেবে প্রতিটি ক্লাবকে। প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েতে এই ক্লাব তৈরি করা হবে। এই ক্লাবগুলি খেলাধুলো, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বিভিন্ন অ্যাক্টিভিটির উপরে জোর দেবে।

বেঙ্গালুরুর রাস্তা সংস্কার-
সিলিকন ভ্যালি বেঙ্গালুরুর রাস্তা সংস্কারের জন্য দুই হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা করেছে কর্নাটক সরকার।

এছাড়াও বাড়ি মালিকদের অকুপেন্সি সার্টিফিকেট ও কমপ্লিশন সার্টিফিকেটের জন্য এককালীন ছাড় দেওয়া হবে।

সম্পত্তির মালিকানার আইনি নথি তৈরিতেও বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।


মাঠে ভুট্টা ঢাকতে গিয়ে বজ্রাঘাতে মৃত্যু হল একই পরিবারের তিন জনের। ঘটনাকে কেন্দ্র করে শোকের ছায়া নেমে এসেছে বংশীহারী ব্লকের ২ নম্বর ব্রজবল্লভপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বড়গ্রাম এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের নাম বিশ্বনাথ সরকার (৩৮), স্ত্রী পুষ্প সরকার (৩০) এবং মেয়ে নন্দিতা সরকার (১১)।



 দক্ষিণ দিনাজপুর ও মুর্শিদাবাদ: বৃহস্পতিবারের ঝড়বৃষ্টিতে রাজ্যের একাধিক জায়গায় বজ্রাঘাতে মৃত্যু হল পাঁচ জনের। দক্ষিণ  দিনাজপুরের বংশীহারীতে মৃত্যু হয়েছে একই পরিবারের তিন জনের। অন্যদিকে মুর্শিদাবাদেরও এক শিশু-সহ ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। বৃষ্টি থেকে ফসল বাঁচাতে মাঠে ভুট্টা ঢাকতে বাবা মায়ের সঙ্গে গিয়েছিলেন বছর এগারোর নাবালিকা মেয়ে। মাঠে ভুট্টা ঢাকতে গিয়ে বজ্রাঘাতে মৃত্যু হল একই পরিবারের তিন জনের। ঘটনাকে কেন্দ্র করে শোকের ছায়া নেমে এসেছে বংশীহারী ব্লকের ২ নম্বর ব্রজবল্লভপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বড়গ্রাম এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের নাম বিশ্বনাথ সরকার (৩৮), স্ত্রী পুষ্প সরকার (৩০) এবং মেয়ে নন্দিতা সরকার (১১)।

নন্দিতা বড়গ্রামের নপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী।  মৃত তিনজনকে রসিদপুর গ্রামীণ হাসপাতালে আনা হয়েছে। শুক্রবার দেহ তিনটি ময়নাতদন্তের জন্য বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে পাঠানো হবে।


অন্যদিকে, বজ্রাঘাতে প্রাণ গেল শিশু-সহ দুইজনের। মুর্শিদাবাদের সুতির ঘটনা। বৃহস্পতিবার আম কুড়াতে গিয়ে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানা গিয়েছে। মৃত শিশুর নাম আবুল কাশেম, বাড়ি সুতি থানার নয়াগ্রাম কুসুমগাছি এলাকায়। একই ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন আব্দুল রশিদ, যিনি সুতি থানার বৈষ্ণবডাঙ্গা এলাকার বাসিন্দা।

 বিরোধী দলনেতার প্রস্তাব দিয়ে তৃণমূল যে চিঠি দিয়েছিল, তাতে ত্রুটি ছিল বলে দাবি করেন স্পিকার। তাই সেটা গ্রহণ করা হয়নি। স্পিকার রথীন্দ্র বসু বলেন, "আইন মেনে কাজ করেছি। কোনও কিছু বেশিও করিনি, কমও করিনি। এর আগে দলের চিঠিতে স্বাক্ষর নিয়ে সমস্যা ছিল, আমরা সেটা তদন্তের জন্য সিআইডিকে দিয়েছি।"


সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় (Ritabrata Banerjee) ও সন্দীপন সাহার (Sandipan Saha) নাম নিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জানা গেল, ওই দুই তৃণমূল বিধায়কের করা অভিযোগের ভিত্তিতেই (জাল সই-কাণ্ড) অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও অন্যান্য তৃণমূল বিধায়কদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে সিআইডি। ২০ মিনিটের মধ্যে বহিষ্কার করল তৃণমূল কংগ্রেস। আর এই পুরো ঘটনার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হয়ে গেলেন ‘আসল তৃণমূলে’র নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। এই পুরো ঘটনাক্রমে বেশ কিছু প্রশ্ন ঘোরাফেরা করছে। ঋতব্রতকে তো তৃণমূল বহিষ্কার করেছে, তাহলে তিনি তৃণমূল হলেন কীভাবে? তৃণমূলের দেওয়া বিরোধী দলনেতার প্রস্তাব গ্রহণ করা হল না কেন? এবার সেই সব প্রশ্নের উত্তর দিলেন বিধানসভার অধ্যক্ষ রথীন্দ্রনাথ বসু।


‘নিয়ম মেনে বহিষ্কার করা হয়নি ঋতব্রতকে’
মাত্র ২০ মিনিটের মধ্যে ঋতব্রতকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নেয় তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু স্পিকার রথীন্দ্র বসুর বক্তব্য, নিয়ম মেনে ঋতব্রতদের বহিষ্কার করা হয়নি। তাঁর কথায়, “দলের সংবিধান অনুযায়ী, বহিষ্কারের চিঠি বৈধ নয়। শোকজ করতে হয় সময় দিতে হয়। একদিনেই দুম করে বহিষ্কার করা যায় না। ওদের কাছে বিধায়ক সংখ্যা আছে। তাই মেনে নিয়েছি।”



বিরোধী দলনেতার প্রস্তাব দিয়ে তৃণমূল যে চিঠি দিয়েছিল, তাতে ত্রুটি ছিল বলে দাবি করেন স্পিকার। তাই সেটা গ্রহণ করা হয়নি। স্পিকার রথীন্দ্র বসু বলেন, “আইন মেনে কাজ করেছি। কোনও কিছু বেশিও করিনি, কমও করিনি। এর আগে দলের চিঠিতে স্বাক্ষর নিয়ে সমস্যা ছিল, আমরা সেটা তদন্তের জন্য সিআইডিকে দিয়েছি।”

দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার গঙ্গাসাগর ব্লকের বামনখালি এলাকায় ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’র সুবিধা পাওয়ার আশায় সাধারণ মানুষের ঢল নেমেছে। রাজ্য সরকারের এই জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের সুবিধা যেন প্রকৃত উপভোক্তারা পান, তা নিশ্চিত করতে গত কয়েকদিন ধরে বামনখালিতে বিশেষ ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে।


প্রতিদিন সকাল থেকেই ফর্ম ফিলাপ করার জন্য শয়ে শয়ে মানুষ ক্যাম্পে ভিড় জমাচ্ছেন। সরকারি প্রকল্পের সুবিধা যাতে মানুষ সঠিকভাবে পেতে পারেন, সে বিষয়ে প্রশাসনিক তৎপরতা তুঙ্গে। এরই মধ্যে আজ দুপুরে এই ক্যাম্প পরিদর্শনে আসেন স্থানীয় বিধায়ক সুমন্ত মন্ডল।

ক্যাম্পে এসে তিনি ফর্ম ফিলাপ প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখেন এবং কর্মী ও আবেদনকারীদের সঙ্গে কথা বলেন। বিধায়ক জানান, যাতে কোনো মানুষই সরকারি পরিষেবা থেকে বঞ্চিত না হন, সেই লক্ষ্যেই রাজ্য সরকার এই উদ্যোগ নিয়েছে। ভিড় সামাল দিতে এবং দ্রুত কাজ সম্পন্ন করতে তিনি প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেন। প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।


সাগর বিধানসভার নবনির্বাচিত বিধায়ক সুমন্ত মণ্ডল আজ কচুবেড়িয়ার শ্মশান ঘাট এলাকা পরিদর্শন করেন। শ্মশানঘাটের বর্তমান পরিকাঠামো এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা তিনি সরেজমিনে খতিয়ে দেখেন। 

পরিদর্শনকালে এলাকার সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন বিধায়ক। স্থানীয়রা শ্মশানঘাটের বিভিন্ন অভাব-অভিযোগ ও দীর্ঘদিনের দাবি-দাওয়া তাঁর কাছে তুলে ধরেন। 


সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা শোনার পর, বিধায়ক দ্রুত তা সমাধানের পূর্ণ আশ্বাস দেন। তিনি জানান, দ্রুত প্রশাসনিক স্তরে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও উন্নয়নের কাজ শুরু করা হবে। বিধায়কের এই পরিদর্শনে দ্রুত সমস্যার সমাধানের আশা দেখছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের জনকল্যাণমুখী প্রকল্প 'অন্নপূর্ণা যোজনা'র সুবিধা পেয়ে আনন্দিত গঙ্গাসাগরের বাসিন্দা অনিমা জানা। বুধবার তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে এই প্রকল্পের টাকা জমা হওয়ার পর তিনি নিজের খুশি চেপে রাখতে পারেননি। 


এই প্রাপ্তির আনন্দ ভাগ করে নিতে তিনি স্থানীয় বিজেপি কর্মী ও সমর্থকদের মিষ্টিমুখ করান এবং সরকারি প্রকল্পের সুবিধার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অনিমা জানা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তিনি এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন। আজ টাকা হাতে আসায় তাঁর সমস্যার অনেকটাই সুরাহা হবে। এই খুশির মুহূর্তে তিনি এলাকার বিজেপি কর্মীদের সাথে নিয়ে মিষ্টিমুখ করেন। সামাজিক ও রাজনৈতিক নির্বিশেষে সরকারি প্রকল্পের এই সুফল সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। এই ঘটনাটি গঙ্গাসাগর এলাকায় বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

 রবিনা ট্যান্ডনের বাড়িতে চুরির ঘটনায় চাঞ্চল্য। আপন ভেবে যাঁকে বাড়িতে জায়গা দিয়েছিলেন, সেই ‘কাছের মানুষ’-ই যে এমন বিশ্বাসঘাতকতা করবেন, তা হয়তো ঘুণাক্ষরেও ভাবতে পারেননি রবিনা ট্যান্ডন ও তাঁর পরিবার। ২০২০ সাল থেকে রবিনা ট্যান্ডনদের বাড়িতে নিয়মিত যাতায়াত করতেন তিনি। কিন্তু কে জানত, সেই বিশ্বাসের সুযোগ নিয়েই এমন বড়সড় হাতসাফাইয়ের ছক কষছিলেন তিনি! মায়ের ২৫ লক্ষ টাকার গয়না ও ঘড়ি হাতানোর অভিযোগে গ্রেফতার পরিবারের এক ঘনিষ্ঠ সদস্য। ঠিক কী ঘটেছে? কী জানাচ্ছে পুলিশ?

রবিনার বাড়ি থেকে লাখ লাখ টাকার গয়না চুরি!
কীভাবে আস্থা অর্জন করেছিলেন অভিযুক্ত?


বলিউড তারকা রবিনা ট্যান্ডনের বাড়িতে চুরি! আপন ভেবে যাঁকে বাড়িতে জায়গা দিয়েছিলেন, সেই ‘কাছের মানুষ’-ই যে এমন বিশ্বাসঘাতকতা করবেন, তা হয়তো ঘুণাক্ষরেও ভাবতে পারেননি রবিনা ট্যান্ডন ও তাঁর পরিবার। অভিনেতার মায়ের ২৫ লক্ষ টাকার গয়না ও বহুমূল্য ঘড়ি চুরি করার অভিযোগে এক মহিলাকে গ্রেফতার করল মুম্বইয়ের জুহু পুলিশ।



সময় দিত, সঙ্গ দিত…’, ঠিক কী চক্র চালাতেন ইন্দ্রনীল সেন? পর্দাফাঁস করতে এবার মুখ্যমন্ত্রীর কাছে দুই গায়িকা

শুক্র ও রবিতে ব্যাপক বৃষ্টি বাংলায়, বর্ষা নিয়ে সুখবর দিল হাওয়া অফিস
কীভাবে আস্থা অর্জন করেছিলেন অভিযুক্ত?


পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্তের নাম রাশি ছাবরিয়া। ৪৭ বছর বয়সি এই মহিলা ২০২০ সাল থেকে রবিনা ট্যান্ডনদের বাড়িতে নিয়মিত যাতায়াত করতেন। দীর্ঘ চার বছর ধরে অভিনেত্রীর মায়ের সেবাযত্ন করে ধীরে ধীরে গোটা পরিবারের আস্থা অর্জন করে নিয়েছিলেন তিনি। রবীনার মায়ের প্রায় ছায়াসঙ্গী হয়ে উঠেছিলেন রাশি। কিন্তু কে জানত, সেই বিশ্বাসের সুযোগ নিয়েই এমন বড়সড় হাতসাফাইয়ের ছক কষছিলেন তিনি! কারও মনে কোনও সন্দেহ তৈরি না করেই দিনের পর দিন এই কাণ্ড ঘটিয়েছেন ওই মহিলা।

ঠিক কী ঘটেছিল? পুলিশ জানিয়েছে, ওই অভিযুক্ত মহিলা রবিনার মায়ের ঘরের লকার ভেঙে সোনার ও হিরের গয়নাসমেত দু’টি অত্যন্ত দামি ঘড়ি চুরি করেন। সব মিলিয়ে খোয়া গিয়েছে প্রায় ২৫ লক্ষ টাকার সম্পত্তি। লকার থেকে বহুমূল্য সামগ্রী উধাও হতে দেখে প্রথমে পরিবারের সদস্যদের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে। স্বাভাবিকভাবেই বাড়ির সবথেকে কাছের পরিচারিকার ওপর সন্দেহ গিয়ে পড়ে পরিবারের। কিন্তু তাঁকে এ বিষয়ে প্রথমবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি পুরো বিষয়টিই অস্বীকার করেন। তিনি জানান যে, এই চুরির বিষয়ে তাঁর কাছে কোনও খবর নেই এবং তিনি কখনও লকারের ধারেকাছেও যাননি।

রাশির বয়ানে রবিনার পরিবারের সন্দেহ আরও গাঢ় হয়। উপায় না দেখে সোজা জুহু পুলিশের দ্বারস্থ হন তাঁরা। সেখানে একটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করা হয়। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ অভিযুক্ত রাশিকে আটক করে। লাগাতার পুলিশি জেরার মুখে পড়ে শেষমেশ ভেঙে পড়েন তিনি। পুলিশের কাছে নিজের অপরাধ কবুল করে নেন ওই মহিলা।

ইতিমধ্যেই অভিযুক্তের কাছ থেকে চুরি যাওয়া কয়েকটি দামি ঘড়ি উদ্ধার করা গিয়েছে। তবে বাকি সোনার ও হিরের গয়না ঠিক কোথায় লুকিয়ে রাখা হয়েছে, তা জানতে জোরদার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। বলিউড তারকাদের বাড়িতে চুরির ঘটনা অবশ্য নতুন কিছু নয়। তবে দীর্ঘদিনের পরিচিত ও বিশ্বাসভাজন কারও এমন কীর্তিতে স্বাভাবিকভাবেই বেশ হতবাক রবিনা ও তাঁর পরিবার। আপাতত পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন ওই অভিযুক্ত। জুহু পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, খুব দ্রুতই বাকি গয়না উদ্ধার করা সম্ভব হবে।
ললিত মোদী ও সুস্মিতা সেনের প্রেম এবং আচমকা বিচ্ছেদ নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি। এবার এক সাক্ষাৎকারে ব্রেকআপের আসল কারণ জানালেন প্রাক্তন আইপিএল কর্তা। ঠিক কী বলেছেন তিনি?

টাকার লোভে ললিতের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান সুস্মিতা? মুখ খুললেন প্রাক্তন আইপিএল কর্তা
কী বলেছেন ললিত?


ললিত মোদী (Lalit Modi) এবং সুস্মিতা সেনের প্রেমকাহিনি একটা সময় ইন্টারনেটে আক্ষরিক অর্থেই ঝড় তুলেছিল। ২০২২ সালের জুলাই মাসে সার্ডিনিয়া ও মালদ্বীপ সফরের কিছু ঘনিষ্ঠ ছবি সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করে প্রেমের কথা ঘোষণা করেছিলেন প্রাক্তন আইপিএল কর্তা। তারপর কেটে গিয়েছে প্রায় চার বছর। এই দীর্ঘ সময়ে তাঁদের সম্পর্ক ও আচমকা বিচ্ছেদ নিয়ে ডিজিটাল দুনিয়ায় আলোচনা-সমালোচনা কম হয়নি। ট্রোলিং থেকে শুরু করে সুস্মিতাকে ‘গোল্ড ডিগার’ বা অর্থলোভী বলা, কোনও কিছু বাদ দেননি নিন্দুকেরা। এবার সেই চর্চিত সম্পর্ক এবং ব্রেকআপের আসল কারণ নিয়ে অবশেষে নীরবতা ভাঙলেন খোদ ললিত মোদী।




সম্প্রতি একটি দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে ললিত মোদী স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, তাঁদের মধ্যে কোনও ঝামেলা বা তিক্ততা তৈরিই হয়নি। আসলে পরিস্থিতির কারণেই এই সম্পর্কের ইতি হয়। ললিত বর্তমানে লন্ডনের বাসিন্দা, আর সুস্মিতার পুরো কেরিয়ার এবং জীবন ভারতে। এই বিপুল ভৌগোলিক দূরত্বের কারণেই দু’জনের পথ দুই ভিন্ন দিকে মোড় নিয়েছে। তবে বিচ্ছেদ হলেও সুস্মিতা আজও তাঁর জীবনে অত্যন্ত ‘স্পেশাল’ এক মানুষ। ললিতের কথায়, “সুস্মিতা আমার জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। আজ আমি যা, তার পেছনে ওর অবদান অনেকখানি। দু’জনের মধ্যে দূরত্ব হয়তো বেড়ে গিয়েছে, কিন্তু ও আজও আমার খুব প্রিয় একজন বন্ধু। আমি ওর মঙ্গল কামনা করি।”

সিঙ্গল মাদার হিসেবে রেনে ও আলিশাকে সুস্মিতা যেভাবে বড় করে তুলেছেন, তা নিয়েও প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন ললিত। সেই সঙ্গে নেট দুনিয়ায় ভাইরাল হওয়া ছবিগুলি নিয়েও এক মজাদার নেপথ্য কাহিনি শুনিয়েছেন তিনি। সার্ডিনিয়া সফর শেষে সুস্মিতা যখন তাঁর মায়ের সঙ্গে দেখা করতে লন্ডনে ফিরছিলেন, তখন বিমানে বসেই নাকি ছবিগুলো পোস্ট করেছিলেন ললিত। দু’জনের মধ্যে কোনও একটা বিষয় নিয়ে খুনসুটি চলছিল, আর তখনই ললিত রসিকতা করে বলেন যে তিনি ছবিগুলো পোস্ট করতে চলেছেন। সুস্মিতা হেসে উড়িয়ে দিলেও কখনও রেগে যাননি বা পরে ছবি মুছে ফেলার কথা বলেননি।

টাকার লোভে সুস্মিতা তাঁর সঙ্গে জড়িয়েছিলেন, নিন্দুকদের এই দাবিকে এক ফুঁয়ে উড়িয়ে দিয়েছেন ললিত মোদী। উল্টে বিস্ফোরক দাবি করে রসিকতার সুরে তিনি বলেন, “সম্পর্কে থাকাকালীন সুস্মিতাই আমার সমস্ত খরচ চালাত। আমি তো ওর কেপ্ট বয়ফ্রেন্ড ছিলাম!” ললিতের এই নতুন ইন্টারভিউয়ের পর স্বাভাবিকভাবেই সুস্মিতার সততা ও ব্যক্তিত্বের প্রশংসা করছেন অনুরাগীরা।

 মাদক কাণ্ডে যখন নাম জড়িয়েছিল শাহরুখ খানের ছেলে আরিয়ান খানের, তখন তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন রিয়া চক্রবর্তী। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই কঠিন সময়ের স্মৃতি হাতড়ালেন অভিনেত্রী। কী কী বলেছেন অভিনেত্রী?


শাহরুখ পুত্রের কাছে এই জন্যই ছুটে গিয়েছিলাম', আরিয়ানকে নিয়ে কোন কথা প্রকাশ্যে আনলেন রিয়া?
কী বলেছেন রিয়া?



শাহরুখ খান (Shah Rukh Khan)-এর জীবনের অন্যতম অন্ধকার অধ্যায় ছিল ছেলে আরিয়ান খানের মাদক মামলায় জড়িয়ে পড়া। গোটা দেশ যখন কিং খানের পরিবারকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছিল, ঠিক তখনই আরিয়ানের দিকে সহানুভূতির হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন একজন। তিনি আর কেউ নন, খোদ রিয়া চক্রবর্তী। সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর যিনি নিজে তীব্র মিডিয়া ট্রায়াল এবং সামাজিক লাঞ্ছনার শিকার হয়েছিলেন, তিনি আরিয়ানের এই চরম দুর্দশা দেখে নিজেকে ধরে রাখতে পারেননি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রিয়া খোলসা করেছেন সেই অজানা অধ্যায়, যা আগে কখনও সামনে আসেনি।



 জাভেদের হাটে হাঁড়ি ভেঙেছিলেন শুভেন্দু, জানেন সেই হাঁড়ি কত বড়?
মাদক কাণ্ডে আরিয়ানের গ্রেফতারি রিয়াকে তাঁর নিজের ফেলে আসা দিনগুলোর কথা মনে করিয়ে দিয়েছিল। রিয়া জানিয়েছেন, আরিয়ান যখন ওই কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন দূর থেকে সেটা দেখা তাঁর পক্ষে অত্যন্ত কষ্টকর ছিল। অভিনেত্রীর কথায়, “পুরো ঘটনাটা আমার নিজের জীবনের সঙ্গে হুবহু মিলে গিয়েছিল। সত্যি বলতে, আমার থেকেও আমার ভাই শৌভিকের কাহিনীর সঙ্গে আরিয়ানের ঘটনার বেশি মিল ছিল। এমনকি ওদের দুজনের চেহারার মধ্যেও একটা অদ্ভুত সাদৃশ্য রয়েছে।” রিয়া স্পষ্ট জানান, আরিয়ানের ওই অসহায়তা দেখে তিনি চুপ করে থাকতে পারেননি, সরাসরি তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন।