WEATHER

Top News


বিগ বসের উইকেন্ড এপিসোডে ধুন্ধুমার! 'শো স্ক্রিপ্টেড' মন্তব্যের কড়া জবাব দিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। অন্যদিকে, সঞ্চালকের ধমক খেয়ে সবার সামনে কান ধরে ক্ষমা চাইলেন জীতু কমল! কিন্তু কেন? সোনামণির আনা 'ব্যাড টাচ' অভিযোগ নিয়েই বা কী বললেন সঞ্চালক? বিগ বসের অন্দরের সব খবর জানতে পড়ুন...


উইকেন্ডের এপিসোড মানেই টানটান উত্তেজনা। প্রতিযোগীদের সারা সপ্তাহের ভুলের হিসাব নিতে হাজির হন সঞ্চালক। এবারও তার ব্যতিক্রম হল না। ‘বিগ বস’-এর ঘরে কি সবটাই স্ক্রিপ্ট মেনে হয়? শো-এর অন্দরে সম্প্রতি এমনটাই দাবি করেছিলেন সোহিনী। শনিবার তারই কড়া জবাব দিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। একই সঙ্গে জীতু কমলের একটি আগ্রাসী আচরণ নিয়েও কড়া ভাষায় ভর্ৎসনা করেন তিনি। সোনামণির আনা ‘ব্যাড টাচ’ অভিযোগ নিয়েও এদিন মুখ খোলেন সঞ্চালক। কী এমন ঘটেছিল উইকেন্ডের এপিসোডে?


‘বিগ বস’ কি আদেও রিয়্যালিটি শো? নাকি পুরোটাই আগে থেকে ঠিক করা থাকে? দর্শকদের মনে এই প্রশ্ন অনেকদিন ধরেই ঘুরপাক খাচ্ছে। সম্প্রতি প্রতিযোগী সোহিনী দাবি করেছিলেন, উইকেন্ডে সঞ্চালক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় নাকি স্ক্রিপ্ট পড়েই কথা বলেন। শনিবার এই মন্তব্যেরই কড়া জবাব দিয়েছেন সৌরভ। সঞ্চালক স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন, শো-এর কোনও অংশই স্ক্রিপ্টেড নয়। প্রমাণ হিসেবে তিনি সৃজলার গুরুতর চোট পাওয়ার ঘটনাটি তুলে ধরেন। সৌরভ কড়া সুরে বলেন, যদি সবকিছু আগে থেকেই ঠিক করা থাকত, তাহলে এমন অমানবিক দুর্ঘটনা বিগ বস কখনও হতে দিত না। সঞ্চালকের এই যুক্তির পর কার্যত চুপ হয়ে যান প্রতিযোগীরা।

তবে বিতর্ক এখানেই শেষ হয়নি। উইকেন্ডের এপিসোডে এদিন সঞ্চালকের তোপের মুখে পড়েন জীতু কমল। টাস্ক চলাকালীন মনামীকে টেনে সরানোর অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। সহ-প্রতিযোগীর প্রতি এমন আচরণের জন্য জীতুকে রীতিমতো ভর্ৎসনা করেন সৌরভ। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে, নিজের ভুলের জন্য সবার সামনে কান ধরে ক্ষমা চেয়ে নেন জীতু। তিনি বুঝিয়ে দেন, খেলার উত্তেজনায় এই কাজ করে ফেলেছেন, কাউকে আঘাত করার কোনও উদ্দেশ্য তাঁর ছিল না।

অন্যদিকে, সোনামণির আনা ‘ব্যাড টাচ’ অভিযোগ নিয়েও এদিন আলোচনা হয়। টাস্কের মাঝে জীতুর বিরুদ্ধে এই গুরুতর অভিযোগ উঠেছিল। সৌরভ গোটা বিষয়টি পরিষ্কার করে দেন। তিনি নিরঞ্জনকে বুঝিয়ে বলেন যে, জীতু ইচ্ছে করে গায়ে হাত দেননি। টাস্কের হুড়োহুড়িতেই অনিচ্ছাকৃতভাবে এমনটা ঘটে গিয়েছে। সব মিলিয়ে উইকেন্ডের এই এপিসোড ছিল ড্রামা আর অ্যাকশনে ভরপুর। একদিকে যেমন স্ক্রিপ্টেড বিতর্কের অবসান ঘটল, তেমনই প্রতিযোগীদের আচরণের সীমানাও স্পষ্ট করে দেন সঞ্চালক।



পড়ুয়াদের অফারের পাশাপাশি এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস আরও কিছু ছাড় দিচ্ছে। সরাসরি বুকিংয়ের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে প্রোমো কোড VIBES ব্যবহার করে অতিরিক্ত ৫% ছাড় পাওয়া যেতে পারে। এছাড়া ভিসা কার্ড ব্যবহারকারীদের জন্যও একটি বিশেষ সুবিধে দেওয়া হচ্ছে।


উৎসবের মরসুমের আগে পড়ুয়াদের জন্য বিশেষ অফার নিয়ে এল এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস। এই অফারের মাধ্যমে যোগ্য পড়ুয়ারা দেশের মধ্যে বিমানযাত্রা করলে বেস ভাড়ায় ১০% ছাড় পাবেন। এর পাশাপাশি মিলবে অতিরিক্ত লাগেজের সুবিধা ও কম খরচে টিকিটের তারিখ পরিবর্তনের সুযোগ।


কী কী সুবিধে পাওয়া যাবে?

যোগ্য পড়ুয়ারা এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস-এর নির্দিষ্ট ভ্যালু ফেয়ার বুক করলে ৩টি বিশেষ সুবিধে পাবেন।


১- বেস ভাড়ায় ১০% ছাড়।
২- চেক-ইন লাগেজের সীমা ১৫ কেজি থেকে বাড়িয়ে ২৫ কেজি করা হবে।
৩- সরাসরি এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস-এর ওয়েবসাইট বা মোবাইল অ্যাপ থেকে টিকিট কাটলে ৯৯ টাকায় তারিখ বদল করা যাবে।

তবে এই বেশ সুবিধে শুধুমাত্র দেশের অভ্যন্তরীণ বিমানযাত্রা ও নির্দিষ্ট ভ্যালু ফেয়ার-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

কারা এই সুবিধে পাবেন?

১২ বছর বা তার বেশি বয়সের পড়ুয়ারা এই অফার ব্যবহার করতে পারবেন। তবে তাঁদের কোনও স্বীকৃত শিক্ষা প্রতিস্হানের দেওয়া বৈধ স্টুডেন্ট ফটো আইডি থাকতে হবে। পরিচয়পত্রে পড়ুয়ার নাম ও জন্মতারিখ থাকা বাধ্যতামূলক। বিমানবন্দরে চেক-ইনের সময় এই স্টুডেন্ট আইডি দেখতে হতে পারে।

কিভাবে টিকিট কাটবেন?

পড়ুয়ারা এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস-এর ওয়েবসাইট অথবা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে টিকিট বুক করতে পারবেন। টিকিট কাটার সময় স্টুডেন্ট ফেয়ার নির্বাচন করতে হবে। তাহলে প্রযোজ্য সুবিধাগুলি পাওয়া যাবে।

রয়েছে আরও অফার

পড়ুয়াদের অফারের পাশাপাশি এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস আরও কিছু ছাড় দিচ্ছে। সরাসরি বুকিংয়ের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে প্রোমো কোড VIBES ব্যবহার করে অতিরিক্ত ৫% ছাড় পাওয়া যেতে পারে। এছাড়া ভিসা কার্ড ব্যবহারকারীদের জন্যও একটি বিশেষ সুবিধে দেওয়া হচ্ছে। ডোমেস্টিক ও ইন্টারন্যাশনাল টিকিট বুক করলে ৬০০ টাকা পর্যন্ত ছাড় পাওয়া যাবে। এই অফারটি ৯ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত চালু থাকছে। তবে প্রতিটি অফারের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শর্ত প্রযোজ্য। তাই টিকিট কাটার আগে অফার দেখা জরুরি।




প্রাণ বাঁচাতে উঁচু জায়গায় আশ্রয় নিতে হয় বহু পরিবারকে। কিছুদিন আগেই শান্তিপুর গয়েশপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত শ্রীরামপুর এলাকায় রাতের অন্ধকারে প্রায় ১০ টি বাড়ি নদীগর্ভে তলিয়ে যায়। এবার ফের জল বাড়ার সঙ্গে ভাঙনের তীব্রতাও বেড়েছে। শান্তিপুরের হালদারপাড়া চৌধুরী পাড়ার যাতায়াতের রাস্তা বর্তমানে জলের তলায়।


 হু হু করে বাড়ছে ভাগীরথীর জল। ধীরে ধীরে বিপদসীমা অতিক্রম করছে নদীর জলস্তর। ইতিমধ্যেই শান্তিপুরের গঙ্গা তীরবর্তী একাধিক রাস্তা চলে গিয়েছে জলের তলায়। পাশাপাশি শুরু হয়েছে নদী ভাঙন। চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন শান্তিপুরের গঙ্গা তীরের বাসিন্দারা। রাতের অন্ধকারে একের পর এক বাড়ি তলিয়ে গিয়েছে। সেইসঙ্গে এবার চাষের জমিও যেতে বসেছে চাষের জমিও।


শান্তিপুর থানা এলাকার একাধিক গ্রাম ভাগীরথীর তীরে অবস্থিত। প্রতি বছরই বর্ষার এই সময়টায় জল বাড়ার পাশাপাশি ভাঙনের কবলে পড়ে বিস্তীর্ণ এলাকা। জলের তলায় চলে যায় চাষের জমি, নষ্ট হয় বিভিন্ন ফসল। পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে নদীর জল ঢুকে পড়ে গ্রামে, জলমগ্ন হয়ে পড়ে বাড়িঘর।


প্রাণ বাঁচাতে উঁচু জায়গায় আশ্রয় নিতে হয় বহু পরিবারকে। কিছুদিন আগেই শান্তিপুর গয়েশপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত শ্রীরামপুর এলাকায় রাতের অন্ধকারে প্রায় ১০ টি বাড়ি নদীগর্ভে তলিয়ে যায়। এবার ফের জল বাড়ার সঙ্গে ভাঙনের তীব্রতাও বেড়েছে। শান্তিপুরের হালদারপাড়া চৌধুরী পাড়ার যাতায়াতের রাস্তা বর্তমানে জলের তলায়। জল ঢুকতে শুরু করেছে চাষের জমিতেও। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের একাধিকবার জানানো হলেও স্থায়ী সমাধান হয়নি।


এলাকার বাসিন্দারা বলছেন, “এভাবে চলতে থাকলে গোটা গ্রাম শেষ হয়ে যাবে।” যে রাস্তা দিয়ে বাসস্ট্যান্ডে যাওয়া যায়, সেই রাস্তার প্রায় পুরোটাই জলের তলায় চলে গিয়েছে। সেইসঙ্গে চাষের জমিও ভাঙন শুরু হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই।


জয়শঙ্কর বলেন, “বন্ধুত্ব ও সদিচ্ছা সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে একসঙ্গে চলতে পারে না।” সন্ত্রাসবাদের মতো কর্মকাণ্ড চলতে থাকলে সেই সম্পর্কের ভিত্তিতে তৈরি বোঝাপড়াগুলিও স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্নের মুখে পড়বে বলে জানান তিনি। বিদেশমন্ত্রীর কথায়, সন্ত্রাসবাদের পথ বেছে নেওয়া পক্ষকেই নিজেদের আচরণ বদলাতে হবে।

রাষ্ট্রপুঞ্জের মঞ্চে সন্ত্রাসবাদ নিয়ে ফের কড়া বার্তা দিল ভারত। শনিবার রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ সভায় ৮১তম অধিবেশনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কোনও রকম আপস করা যাবে না। যে সমস্ত সরকার সন্ত্রাসবাদকে মদত দেয় বা কোনওভাবে সাহায্য করে, তাদেরও জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে বলে দাবি জানান।


বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর বলেন, “সন্ত্রাসবাদে মদত দেওয়া রাষ্ট্রগুলিকে দায়ী করতে হবে। একইসঙ্গে সন্ত্রাসবাদে অর্থ জোগানোর যে নেটওয়ার্ক রয়েছে, সেগুলিও চিহ্নিত করে ভেঙে দিতে হবে। সন্ত্রাসবাদের আর্থিক দিকটি প্রকাশ্যে আনা এবং তার বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ করা অত্যন্ত জরুরি।”

এটিও পড়ুন
বাংলাদেশে ড্রামের ভিতরে মিলল হিন্দু ব্যবসায়ীর দেহ! দেখে তসলিমার প্রশ্ন, 'হিন্দুকে কি মেরে ফেলবে?'
Nandigram: ২০০৭-র মামলায় ফের গ্রেফতারি পরোয়ানা, নেতাদের বাড়ি বাড়ি পুলিশ-বাহিনী
Ranbir-Alia: 'বহুত বোল রাহা হ্যায় তু', আলিয়ার কোমর জড়িয়ে কার দিকে আঙুল তুললেন রণবীর?
নাম না করে পাকিস্তানকে নিশানা?
বক্তব্যে সরাসরি পাকিস্তানের নাম না নিলেও বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্করের মন্তব্য যে প্রতিবেশী দেশের প্রসঙ্গেই ছিল, তা স্পষ্ট। শুক্রবারও তিনি বলেছিলেন যে ‘সন্ত্রাসবাদের ধারাবাহিক অনুশীলনকারী’ রাষ্ট্রপুঞ্জের সামনে তথ্যকে ভুলভাবে তুলে ধরেছেন।


জয়শঙ্করের অভিযোগ, সন্ত্রাসবাদকে স্বাভাবিক ঘটনা হিসেবে দেখানোর এবং তার পরিণতি থেকে দায়মুক্তি পাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। ভারত তা মেনে নেবে না বলেও স্পষ্ট বার্তা দেন বিদেশমন্ত্রী। তিনি বলেন, “সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে এবং প্রয়োজন হলে সেই অধিকার প্রয়োগ করা হবে।”

‘সন্ত্রাসবাদ ও বন্ধুত্ব একসঙ্গে চলতে পারে না’-
সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিষয়টিও জুড়ে দেন জয়শঙ্কর। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, “কোনও দেশ যদি সন্ত্রাসবাদকে হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করে, তাহলে সেই দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার সম্পর্ক আগের মতো চলতে পারে না।”

জয়শঙ্কর বলেন, “বন্ধুত্ব ও সদিচ্ছা সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে একসঙ্গে চলতে পারে না।” সন্ত্রাসবাদের মতো কর্মকাণ্ড চলতে থাকলে সেই সম্পর্কের ভিত্তিতে তৈরি বোঝাপড়াগুলিও স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্নের মুখে পড়বে বলে জানান তিনি। বিদেশমন্ত্রীর কথায়, সন্ত্রাসবাদের পথ বেছে নেওয়া পক্ষকেই নিজেদের আচরণ বদলাতে হবে।

প্রসঙ্গত, ভারত দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছে, সীমান্তে সন্ত্রাসবাদকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক থেকে আলাদা করে দেখা সম্ভব নয়। যে দেশগুলি সন্ত্রাসবাদী সংগঠনকে সমর্থন, অর্থ বা নিরাপদ আশ্রয় দেয়, তাদেরও দায়বদ্ধ করতে হবে বলে আন্তর্জাতিক মঞ্চে দাবি করে আসছে নয়াদিল্লি।



বাংলাদেশে সংসার করার মাঝেই ফের সামাজিক মাধ্যমে মুর্শিদাবাদের এক যুবকের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে সেই পরিচয় প্রেমের সম্পর্কে পরিণত হয়। এরপর ডালিম নামে ওই যুবকের সঙ্গে দেখা করার উদ্দেশ্যে এবং প্রেমের টানে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ফেরার চেষ্টা করেন মানজেরা।


বাংলাদেশের সংসারের গণ্ডি পেরিয়ে মুর্শিদাবাদের যুবকের প্রেমে পড়েছিলেন মানজিরা! ঘর ছেড়ে আসতেই যা হল...
গ্রেফতার বাংলাদেশি

 বাংলাদেশে তাঁর স্বামী-সন্তান সবই রয়েছে। তাঁরা সবাই বাংলাদেশি। কিন্তু প্রেম কি আর কোনও বাধা মানে। সামাজিক মাধ্যমে পরিচয়, আর তার থেকে প্রেম। তার থেকে সেই সম্পর্ককে পরিণতি দেওয়ার চেষ্টা। প্রেমের টানে বাংলাদেশ থেকে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে আসার চেষ্টা। আর সেই পথেই বিএসএফ ও রঘুনাথগঞ্জ থানার পুলিশের হাতে গ্রেফতার এক মহিলা। ধৃতের নাম মানজেরা বিবি। রবিবার তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে পুলিশের পক্ষ থেকে।


পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত মানজেরা বিবির বাড়ি মুর্শিদাবাদ জেলার রঘুনাথগঞ্জের নাড়ু খাকি চর এলাকায়। একদম ছোট বয়সেই বাংলাদেশের এক যুবকের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয় বিয়ে করে বাংলাদেশেই সংসার শুরু করেন মানজেরা। তাঁদের তিন মেয়ে এবং একটি ছয় বছরের সন্তানও রয়েছে। বিয়ের পর দীর্ঘদিন বাংলাদেশেই স্বামীর সঙ্গে সংসার করছিলেন তিনি। সবকিছুই ওখানে রয়েছে তাঁর।


তবে অভিযোগ, বাংলাদেশে সংসার করার মাঝেই ফের সামাজিক মাধ্যমে মুর্শিদাবাদের এক যুবকের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে সেই পরিচয় প্রেমের সম্পর্কে পরিণত হয়। এরপর ডালিম নামে ওই যুবকের সঙ্গে দেখা করার উদ্দেশ্যে এবং প্রেমের টানে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ফেরার চেষ্টা করেন মানজেরা।


জানা গিয়েছে, বাংলাদেশ থেকে সীমান্ত পেরিয়ে মুর্শিদাবাদে ঢোকার সময় রঘুনাথগঞ্জের বাহুরা ঘাট এলাকায় তাঁকে আটক করে বিএসএফ। পরে বিষয়টি রঘুনাথগঞ্জ থানার পুলিশকে জানানো হয়। বিএসএফের হাতে আটক ওই মহিলাকে পরবর্তী সময়ে রঘুনাথগঞ্জ থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

পুলিশ মানজেরা বিবিকে গ্রেফতার করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কীভাবে তিনি বাংলাদেশ থেকে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। ধৃত মহিলাকে রবিবার আদালতে পেশ করা হয়েছে। ঘটনাকে ঘিরে সীমান্ত এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।



পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর সম্পূর্ণ হওয়ার পর প্রায় ৯০ লক্ষের বেশি ভোটারের নাম বাদ যায়। ৩৭ লক্ষের বেশি নাম ট্রাইব্যুনালে ঝুলে রয়েছে, যাদের আবেদনের নিষ্পত্তি হয়নি। তাদের জন্য নাম তোলার সুযোগ করে দিল কমিশন।  


এসআইআর নিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের বড় সিদ্ধান্ত। পশ্চিমবঙ্গ সহ ২০টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিশেষ কর্মসূচির নির্দেশ নির্বাচন সদনের। এসআইআর প্রক্রিয়ায় যাদের নাম বাদ পড়েছে, তাদের আবার নাম তোলার সুযোগ দেওয়া হবে। নতুন করে আবেদন করা যাবে। পাশাপাশি জানানো হল যে এসআইআরে যাদের হিয়ারিংয়ে ডাকা হবে, তাদেরও আর কষ্ট করে বুথ বা ইআরও (ERO)-র কাছে যেতে হবে না। বাড়িতেই শুনানি হবে।


গতকাল, শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তিন কমিশনার একসঙ্গে বসে সাংবাদিক বৈঠক করেন। জানানো হয় যে ২০টি রাজ্য ও কেন্দ্রীয়শাসিত অঞ্চলে এসআইআর সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে দিল্লি ও মহারাষ্ট্রে এসআইআর চলছে।


আজ আমার গুলিবিদ্ধ দেহ পাওয়া যেত, জানি না এটাই আমার শেষ বিবৃতি কি না', বললেন কুণাল
পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর সম্পূর্ণ হওয়ার পর প্রায় ৯০ লক্ষের বেশি ভোটারের নাম বাদ যায়। ৩৭ লক্ষের বেশি নাম ট্রাইব্যুনালে ঝুলে রয়েছে, যাদের আবেদনের নিষ্পত্তি হয়নি। তাদের জন্য নাম তোলার সুযোগ করে দিল কমিশন।


নতুন কী নিয়ম?
কমিশনের সিদ্ধান্ত, এসআইআরের নোটিস পেলেও আবেদনকারীদের সশরীরে শুনানির জন্য যেতে হবে না। নোটিস পাওয়া ব্যক্তিদের বাড়ি গিয়ে প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ করবেন বিএলও (BLO)। এইআরও (AERO) বা ইআরও (ERO) অফিসে শুনানির জন্য ডাকা হবে না। বিশেষ কোনও ক্ষেত্রে ইআরও মনে করলে, অনলাইনে শুনানি করতে পারেন।

নির্বাচন সদনের তরফে জানানো হয়েছে, এসআইআরে নাম বাদ পড়া ব্যক্তিরা সরাসরি ইআরও-র কাছে আবেদন করতে পারবেন নিজেদের নাম ভোটার তালিকায় তোলার জন্য। ফর্ম ৬ দিয়ে নতুন করে নাম তোলার জন্য আবেদন করা যাবে। তবে উল্লেখ্য, যাদের নাম ট্রাইব্যুনালে ক্লিয়ার হয়ে গিয়েছে, তারাই নতুন করে নাম তোলার জন্য আবেদন করতে পারবেন। এছাড়া যারা স্থানান্তরিত হয়েছেন বা কোনও কারণে এসআইআর প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারেননি, তারাই আবেদন করতে পারবেন।



টানা তিনদিন ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের পর বৃহস্পতিবার ব্যাঙ্ক খুলছে। আবার শুক্রবার গান্ধী জয়ন্তী থাকায় সেদিন ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকবে। স্বাভাবিকভাবেই বৃহস্পতিবারে সমস্ত ব্যাঙ্কে ভিড় হবে। সেই কারণেই গ্রাহকরা, যাদের ব্যাঙ্কে যাওয়ার প্রয়োজন, তারা আজই তড়িঘড়ি কাজ মিটিয়ে রাখছেন।




কলকাতা: ছুটির দিন রবিবারে খোলা ব্যাঙ্ক। এবং তাতে গ্রাহকদের ভিড়ও চোখে পড়ার মতো। আগামিকাল, ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টানা তিনদিন ব্যাঙ্ক ধর্মঘট থাকায় গ্রাহকদের চরম ভোগান্তির আশঙ্কা। সেই কারণেই আজ, রবিবার ব্যাঙ্ক খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।



সপ্তাহে পাঁচদিন কর্মদিবস এবং শনি ও রবিবার ছুটির দাবিতে তিনদিনের ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে ইউনাইটেড ফোরাম অব ব্য়াঙ্ক ইউনিয়ন। আগামিকাল থেকে বুধবার পর্যন্ত ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকবে। ব্যাঙ্কে চেক জমা, পাসবুক আপডেট, উইথড্রলের মতো পরিষেবাগুলি এই তিনদিন পাওয়া যাবে না। তবে অনলাইন পরিষেবা, এটিএম চালু থাকবে।


কেন রবিবার ব্যাঙ্ক খোলা?
এর আগে সেপ্টেম্বর মাসের শুরুতেও একদিনের ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছিল। সেই সময়ে ব্যাঙ্কিং পরিষেবা সেভাবে ব্যাহত হয়নি। তবে এইবার একটানা তিনদিন ধর্মঘট ডাকা হয়েছে। এই শনিবার চতুর্থ শনিবার হওয়ায়, ওইদিনও ব্যাঙ্ক বন্ধ ছিল। আজ, রবিবারও যদি ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকত, তাহলে একটানা পাঁচদিন ব্যাঙ্কের কাজ হত না। সেক্ষেত্রে সাধারণ মানুষকে চরম সমস্যায় পড়তে হত। সেই কারণেই কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ব্যাঙ্ক খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কী বলছেন গ্রাহকরা?
টানা তিনদিন ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের পর বৃহস্পতিবার ব্যাঙ্ক খুলছে। আবার শুক্রবার গান্ধী জয়ন্তী থাকায় সেদিন ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকবে। স্বাভাবিকভাবেই বৃহস্পতিবারে সমস্ত ব্যাঙ্কে ভিড় হবে। সেই কারণেই গ্রাহকরা, যাদের ব্যাঙ্কে যাওয়ার প্রয়োজন, তারা আজই তড়িঘড়ি কাজ মিটিয়ে রাখছেন।

সকাল ১০টায় ব্য়াঙ্ক খুলতেই গ্রাহকদের ভিড় দেখা যাচ্ছে। গ্রাহকরা আজ ব্যাঙ্ক খোলা পেয়ে খুশি। তাদের বক্তব্য, এই সিদ্ধান্তে সকলে উপকৃত হবেন। পেনশন গ্রাহকরা যাদের মাসের শেষে টাকা আসে অ্যাকাউন্টে, তাদের খুব সমস্যা হবে। মাসের শেষে বেতন আসার সময়ই ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকায়, অনেকেরই টাকা তুলতে বা লেনদেন করতে অসুবিধা হবে। অনেক গ্রাহক আবার অভিযোগ জানান যে সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাঙ্কের পরিষেবার অবনতি হয়েছে।



 প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, "ভারতে একটা সময় ছিল, যখন সিরিয়াল বিস্ফোরণ হত। ২০০৮ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে সিরিয়াল বিস্ফোরণে বহু নির্দোষের প্রাণ গিয়েছিল। তার কয়েক সপ্তাহ পরই, মুম্বইতে ২৬/১১ হামলা হয়েছিল। আগেও পাকিস্তানের উপরে তদন্তের দাবি করা হত, কিন্তু তা গুরুত্ব দেওয়া হত না।"


ঝড়খালির বাঘ-বিধবাদের প্রশংসা প্রধানমন্ত্রীর, কী বললেন তাঁদের সম্পর্কে?

সন্ত্রাসবাদ নিয়ে আরও একবার ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi)। ‘মন কি বাত’ (Mann ki Baat) অনুষ্ঠানের ১৩৮ তম পর্বে প্রধানমন্ত্রী মোদী সার্জিকাল স্ট্রাইক থেকে শুরু করে ৯/১১ মুম্বই হামলার ঘটনা এবং ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার ধ্বংসের কথা তুলে ধরেন। এরপরই ভারতের বর্তমান অবস্থান স্পষ্ট করে দেন। আর কী কী বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদী, দেখে নিন একনজরে-


এ দিন শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, “আজ সার্জিকাল স্ট্রাইকের সাফল্যের কথা বলতে হয়। ১০ বছর আগে, ২০১৬ সালের ২৮-২৯ সেপ্টেম্বর ভারতীয় সেনা পাকিস্তানে জঙ্গিদের গোপন ঘাঁটিতে সার্জিকাল স্ট্রাইক চালিয়েছিল। নিয়ন্ত্রণ রেখার ওই পারে গিয়ে আমাদের সেনা যে সাহসিকতা, বীরত্ব দেখিয়েছিল, তা দেখে গোটা বিশ্ব অবাক হয়েছিল।”
সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের অবস্থানের এক নতুন উদাহরণ তৈরি হয়েছিল। দীর্ঘ সময় ধরে জঙ্গি হামলায় ভারতকে অনেক কষ্ট সহ্য করতে হয়েছে। সার্জিকাল স্ট্রাইক তার জবাব ছিল। বিগত এক দশকে বালাকোট এয়ারস্ট্রাইক থেকে শুরু করে অপারেশন সিঁদুর পর্যন্ত অভিযানে ভারতীয় সেনা বীরত্ব দেখিয়েছে। বারবার স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে যে জঙ্গিরা ভারতের দিকে তাকালে, তার কড়া জবাব দেওয়া হবে।
ভারতে একটা সময় ছিল, যখন সিরিয়াল বিস্ফোরণ হত। ২০০৮ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে সিরিয়াল বিস্ফোরণে বহু নির্দোষের প্রাণ গিয়েছিল। তার কয়েক সপ্তাহ পরই, মুম্বইতে ২৬/১১ হামলা হয়েছিল। আগেও পাকিস্তানের উপরে তদন্তের দাবি করা হত, কিন্তু তা গুরুত্ব দেওয়া হত না। আজকের ভারত সন্ত্রাসবাদে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে চলে।
আমেরিকায় ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে হামলায় মার্কিন নাগরিকদের পর সবথেকে বেশি ভারতীয়দের প্রাণহানি হয়েছিল। ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর মার্কিন সফরে গিয়ে আমি এই নির্দোষ মানুষদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছিলাম।

জনগণনা হচ্ছে দেশের সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে। ইতিমধ্যেই জনগণনার প্রথম পর্ব শেষ হয়েছে, ৩২ কোটি মানুষের নাম নথিভুক্ত হয়েছে। জনগণনা আমাদের সকলের দায়িত্ব। নিজেদের তথ্য জানান। নিজেদের মোবাইল থেকেই এই তথ্য আপলোড করতে পারবেন। অনলাইন পোর্টালে গিয়ে তথ্য় আপলোড করুন। এর কোনও কোনও ডকুমেন্ট আপলোড করতে হবে না। জনগণনার কর্মীরা এলে আইডি নম্বর বলুন।
২৭ সেপ্টেম্বর আরও একটি কারণে বিশেষ। আজ বিশ্ব হিন্দু পরিষদের প্রাক্তন অধ্যক্ষ অশোক সিংঘলজির জন্মবার্ষিকী। উনি রাম জন্মভূমি আন্দোলনকে যে দিশা দিয়েছিলেন, তার জন্যই আজ অযোধ্যায় রাম মন্দির দেখতে পাচ্ছি।
আজ থেকে এক হাজার বছর আগে, ১০২৬ সালে মহম্মদ গজনি প্রথমবার সোমনা মন্দিরে হামলা চালিয়েছিল। যারা সোমনাথ মন্দিরকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল, আজ তাদের অস্তিত্বও নেই। এই বছর সোমনাথ স্বাভিমান পর্ব পালিত হচ্ছে। গুজরাটের মোদেরা মন্দিরও ধ্বংস করা হয়েছিল এক হাজার বছর আগে।
২ অক্টোবর মহাত্মা গান্ধীর জন্মদিন। বাপু আমাদের জীবনের নানা মন্ত্র দিয়েছেন। স্বচ্ছতা তার অন্যতম অংশ। মধ্য প্রদেশে কিছু যুবক নদী পরিষ্কার করছে। সকলে সেই উদ্যোগে অংশ নিচ্ছেন। মুম্বইতেও কয়েকশো যুবক-যুবতী প্রতি সপ্তাহে কোনও না কোনও সমুদ্র সৈকত সাফাই অভিযান চালাচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গেও স্থানীয় বাসিন্দা ও যুবকরা পিকনিক স্পট পরিষ্কার করছে। এটাই তো জনগণের অংশীদারিত্ব।
  আমরা যখন পরিবেশকে রক্ষা করি, তখন শুধু গাছ নয়, পুরো ইকোসিস্টেমকে রক্ষা করি। অসমের সোনাই রুপাইতে জমি অধিগ্রহণ হয়েছিল। তিন বছর আগে তা মুক্ত করা হয়। অদ্ভুতভাবে সেখানে আবার হাতির পাল ফিরে এসেছে।
পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবনের ঝড়খালির মহিলারা মানগ্রোভ রোপণ ও সংরক্ষণ করে উদাহরণ তৈরি করছে। তারা নতুন করে মানগ্রোভ অরণ্য তৈরি করছেন। এই মহিলাদের মধ্যে অধিকাংশই বাঘ-বিধবা, যাদের স্বামীকে বাঘ টেনে নিয়ে বা খেয়ে নিয়েছে।
দেশে নেশামুক্তি অভিযান চলছে। হাজার হাজার পডুয়া, যুবক অংশগ্রহণ করেছে।
ক্রীড়াজগতে ভারত একের পর এক সাফল্য পাচ্ছে।


‘ শুক্রবারই সাংবাদিক বৈঠকে বসেছিল কমিশনের ফুল বেঞ্চ। দুই নির্বাচনী কমিশনারের সঙ্গে মুখ্য নির্বাচনী কমিশনারের ছবি মতভেদের বিতর্কের অবসান ঘটায়। কমিশনের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, এসআইআর ইস্যুতে সর্বসম্মত ভাবেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এবার সেই বৈঠকের প্রসঙ্গ তুলে ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করলেন মুখ্যমন্ত্রী।


পশ্চিমবঙ্গে ২৭ লক্ষ নাম বাদের দায় বিজেপি বা কমিশনের নয়', SIR ইস্যুতে মন্তব্য মুখ্যমন্ত্রীর
শুভেন্দু অধিকারী


এসআইআর (SIR) ইস্যুতে এবার মমতা তৃণমূলকে নিশানা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। তাঁর দাবি, পশ্চিমবঙ্গে ২৭ লক্ষ নাম বাদের দায় বিজেপি বা কমিশনের নয়। শুভেন্দুর দাবি, এসআইআর নিয়ে বারবার সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছে মমতা তৃণমূল। তারপরই সুপ্রিম কোর্ট বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে জুডিশিয়াল অফিসারদের নিয়োগ করে। ওই অফিসাররাই নাম বাদ দিয়েছেন। উল্লেখ্য, শুক্রবারই সাংবাদিক বৈঠকে বসেছিল কমিশনের ফুল বেঞ্চ। দুই নির্বাচনী কমিশনারের সঙ্গে মুখ্য নির্বাচনী কমিশনারের ছবি মতভেদের বিতর্কের অবসান ঘটায়। কমিশনের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, এসআইআর ইস্যুতে সর্বসম্মত ভাবেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এবার সেই বৈঠকের প্রসঙ্গ তুলে ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করলেন মুখ্যমন্ত্রী।


কমিশনের বৈঠক নিয়ে কী বলেন শুভেন্দু?
মুখ্য় নির্বাচন কমিশনারের বৈঠক নিয়ে শুভেন্দু বলেন, “গতকালের এই ছবি বলে দিয়েছে SIR-এর সিদ্ধান্ত মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের একার ছিল না। তিনজন সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এসআইআর কেরলে খুব ভাল, মিষ্টি। কংগ্রেস জিতেছে, তাই বলছে। কংগ্রেসের কথা হল, কেরলে এসআইআর না হলে সিপিএম থেকে যেত। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে তো এসআইআর তিতো। কারণ বহু কষ্টে কংগ্রেস ভোট কাটাকাটির সুযোগে ঢুকে পড়েছেন, কত দিন থাকবে জানি না। সিপিএম তো সোশ্যাল মিডিয়াতে আছে, টক শোতে আছে।”

আর কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?
এরপরই শুভেন্দু দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর-এ নাম বাদের দায় তৃণমূলেরই। তার কারণ হিসেবে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “গতকাল সাংসদ রবিশঙ্কর প্রসাদ উল্লেখ করেছেন, বিহারের এসআইআর-এর সময় থেকে কংগ্রেস ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলি সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছে। বিহার থেকে শুরু করে পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে একবার নয়, একাধিকবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। এবং পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্ট বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে আর্টিকেল ১৪২-প্রয়োগ করেছে। মূলত বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে ইআরও-দের পাওয়ার কেড়ে নিয়ে জুডিশিয়ার অফিসারদের নিয়োগ করে সুপ্রিম কোর্ট।” মমতাকে নিশানা করে বলেন, “আপনার কথা শুনেই তো সুপ্রিম কোর্ট সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।”এরপরই শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, পশ্চিমবঙ্গে ২৭ লক্ষ নাম বাদের দায় বিজেপি বা কমিশনের নয়। এর দায় তৃণমূলের।

তৃণমূল ও সিপিএম-কেও একযোগে আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “৩৪ বছরের সিপিএমের অত্যাচার, অবিচার, সীমাহীন মানবাধিকার লঙ্ঘন, নন্দীগ্রাম থেকে নেতাই পর্যন্ত, তার উপরে দাঁড়িয়ে। সিপিএম এখন ওঁদের বন্ধু হয়েছে। সেই বন্ধুত্ব আমরা কিছুদিন আগে বিধানসভার ভিতরেও দেখেছি।”



 গতকাল মমতার সভায় যাওয়ার সময় উত্তরপাড়ায় কুণালের গাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছিল। ডিম হামলার পাশাপাশি রড দিয়ে তাঁর গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। আজ আবারও বিধায়কের গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল বাইক বাহিনীর বিরুদ্ধে।




কলকাতা: উত্তরপাড়ার পর বেলেঘাটা। এবার নিজের বিধানসভা এলাকাতেই ‘আক্রান্ত’ বিধায়ক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। গতকাল মমতার সভায় যাওয়ার সময় উত্তরপাড়ায় কুণালের গাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছিল। ডিম হামলার পাশাপাশি রড দিয়ে তাঁর গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। আজ আবারও বিধায়কের গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল। কুণালের অভিযোগ, তাঁর গাড়ি ঘিরে ধরে হামলা চালিয়েছে বাইক বাহিনী। হামলার ঘটনায় বিজেপির বিরুদ্ধেই অভিযোগ তুলেছেন বিধায়ক। এদিকে, এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ (Sajal Ghosh)। তবে, তাঁর দাবি, এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপি জড়িত নয়।


রসুনের নামে একটা গোটা শহর, ভারতের 'গার্লিক সিটি' বলা হয় কাকে জানেন?
বাংলাদেশে ড্রামের ভিতরে মিলল হিন্দু ব্যবসায়ীর দেহ! দেখে তসলিমার প্রশ্ন, 'হিন্দুকে কি মেরে ফেলবে?'
ঠিক কী ঘটেছে?
হামলার অভিযোগ তুলে সংবাদমাধ্যমের কাছে একটি অডিয়ো বার্তা পাঠিয়েছিলেন কুণাল ঘোষ। বিধায়কের অভিযোগ, তাঁর গাড়ি ধাওয়া করে হামলা করা হয়। হাতুড়ি দিয়ে ভাঙচুর করার অভিযোগ ওঠে। অডিয়ো বার্তায় বলেন, “আমার উপর আবার হামলা চালানো হয়েছে। আমি বেলেঘাটায় এক অনুষ্ঠানে ঢুকছিলাম। বাইক বাহিনী ঘিরে আমার গাড়ি চুরমার করে দিয়েছে। সশ্রস্ত্র রিভলবার নিয়ে হাতুড়ি দিয়ে কাচ ভেঙে আমাকে বের করতে যাচ্ছিল। সেখান থেকে কোনও রকমে আমার সহকর্মী চালক ও আমি নারকেলডাঙা থানায় এসে ঢুকেছি। আমি বাঁচতে ঢুকেছি নারকেলডাঙা থানায়। একেবারে বেলাঘাটা থেকে অনুসরণ করেছে বিজেপির গুন্ডা বাহিনী। তারা সশস্ত্র অবস্থায় আসে।”


বিজেপি কী বলছে?
সজল ঘোষ বলেন, “ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি। কিন্তু, আমার বিশ্বাস ঘটনাস্থলে বিজেপি ছিল না। যে বা যাঁরা করেছে, তাঁদের রাজনৈতিক রং না দেখে পুলিশ গ্রেফতার করুক।” দোষীদের শাস্তির দাবি করেছেন বিজেপি বিধায়ক। বিধায়ক ও মন্ত্রী তাপস রায়ের কথায়, দলগত বা ব্যক্তিগতভাবে এই বিষয়টা একেবারেই সমর্থন করে না।

উত্তরপাড়ায় হামলা
শনিবার শ্রীরামপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের সভা ছিল। সেখানেই যাচ্ছিলেন কুণাল ঘোষ। কিন্তু, তার আগে উত্তরপাড়াতেই বেলেঘাটার বিধায়ককে আটকে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। বেশ কিছু লোকজন এগিয়ে গিয়ে কাচের উপর ডিম ছুড়তে শুরু করে বলে অভিযোগ। সরাসরি বিজেপির দিকে আঙুল তুলেছে মমতা তৃণমূল। তবে বিজেপির দাবি, এটা সাধারণ মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ।




হামলার অভিযোগ তুলে কুণাল ঘোষ বলেন, "গাড়ির ভিতরে হাতুড়ি পড়ে রয়েছে। আমি ড্রাইভারের পাশে বসি। ভেঙে আমার গলা ধরে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। আরেকজন রিভলভার বের করছে। আমার তো গুলিবিদ্ধ দেহ পাওয়ার কথা ছিল। ওপরওয়ালা রয়েছেন, তাই আমি বাঁচতে নারকেল ডাঙায় ঢুকেছি।"

১৮ ঘণ্টায় দ্বিতীয়বার। রবিবার নিজের বিধানসভায় একটা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে ফের ‘আক্রান্ত’ হলেন বিধায়ক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। শুধু তাই নয়, গুলি করে খুনের চেষ্টার মতো গুরুতর অভিযোগ তুললেন তিনি। বিধায়কের অভিযোগ, গাড়ি ভাঙচুরের পর তাঁকে টেনে বের করে গুলি করে খুনের চেষ্টা করা হয়। বিধায়কের কথায়, ‘আজ আমার তো গুলিবিদ্ধ দেহ পাওয়ার কথা ছিল।’


কী বললেন কুণাল?
হামলার অভিযোগ তুলে কুণাল ঘোষ বলেন, “গাড়ির ভিতরে হাতুড়ি পড়ে রয়েছে। আমি ড্রাইভারের পাশে বসি। কাচ ভেঙে আমার গলা ধরে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। আরেকজন রিভলভার বের করে। আমার তো গুলিবিদ্ধ দেহ পাওয়ার কথা ছিল। ওপরওয়ালা রয়েছেন, তাই আমি বাঁচতে নারকেল ডাঙায় ঢুকেছি। আমার একার চিন্তা নয়, আমার সঙ্গে গাড়িতে চারজন ছিলেন। এটা কী হচ্ছে? আমি চালকের কাছে কৃতজ্ঞ যে ওই অবস্থা থেকে গাড়িটা বের করে এনেছে। কোন পরিস্থিতি তৈরি হলে কলকাতা পুলিশের সিকিউরিটিকে রিভলভার বের করতে হয়। এইভাবে থামানো যাবে না। একজন-দুজনের নাম পাওয়া গিয়েছে।”


ঠিক কীভাবে হামলা চালানো হয়?
কুণাল ঘোষের দাবি, “বাড়ি থেকে ফলো করা হয়। শুধু আমি নই, আমার সহকর্মীরাও নিরাপদ নয়। বাড়ি থেকে বেরনোর পর যখন একটু এগিয়েছি একের পর এক বাইক বাহিনী যোগ হতে থাকে। সব মুখ বাধা, হাতে হাতুড়ি। ফুলবাগানের মোড় দিয়ে যখন যাচ্ছি, তখন আমার গাড়ি ঘিরে ফেলার চেষ্টা হয়। আমি যখন বুঝতে পারি, ঘিরে ফেলার চেষ্টা চলছে তখন আমার সহকর্মীরা গাড়ি ঘুরিয়ে নেয়। ঠিক তখনই পিছন থেকে ইট, পাথর মারা হয়। এরপর যখন নারকেল ডাঙায় ঢুকেছি, ঠিক তখনই বাইক বাহিনী ঘিরে ফেলে। অকথ্য গালাগালি। সামনের কাচ চুরমার করে আমার হাতে হাতুড়ি দিয়ে মারা হয়। বলেছে জানে মেরে দেবে। রিভলবার পাঠিয়েছে। এটা কী হচ্ছে? বাঁচতে দেবে না।”



পুজো উদ্যোক্তা সুরজ কুমার সিং বলেন, "বামপন্থীদের কোনও স্টল আমরা পুজোতে লাগাতে দেব না। ওরা ধর্ম বিশ্বাস রাখে না। আর আমরা ওদের উপর বিশ্বাস রাখি না, মানুষও ওদের উপর কোনও বিশ্বাস রাখে না। যেখানে ধর্ম সেখানে বামপন্থীরা থাকতে পারে না।"

 কামারডাঙার দুর্গাপুজোয় বসতে দেওয়া হবে না বামেদের বুক স্টল, ব্যানারে লেখা হল 'বাম বধ'
দুর্গাপুজা কমিটি

শারদোৎসব’ না লিখলে সিপিএম-কে কোনও স্টল করতে দেওয়া হবে না। নির্দেশ দিয়েছিলেন স্বয়ং মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আর সেই পথেই একপ্রকার হাঁটল ‘কামারডাঙা দুর্গোৎসব কমিটি’। এবারের পুজোয় ‘বামবধের’ ডাক। এই সমিতি এবার বুকস্টল করতে দেবে না বামেদের। একটি ব্যানারও ছাপা হয়েছে এই মর্মে।


এবার কামারডাঙা দুর্গোৎসব সমিতির থিম-‘সনাতন হিন্দু রাষ্ট্র’। ১০৭ বছর পড়বে তাদের পুজোয়। তার তোড়জোড় চলছে। কিন্তু এর পাশাপাশি বামেদের বুকস্টলকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে একটি ব্যানারও ছাপা হয়েছে। যেখানে বামবধের ডাক দিয়েছে তারা। সংশ্লিষ্ট ব্যানারে লেখা রয়েছে-‘CPIM/ DYFI/SUCI সহ সকল বামপন্থী সংগঠন দ্বারা নির্মিত স্টল বসতে দেওয়া হবে না।’


 'আজ আমার গুলিবিদ্ধ দেহ পাওয়া যেত, জানি না এটাই আমার শেষ বিবৃতি কি না', বললেন কুণাল
পুজো উদ্যোক্তা সুরজ কুমার সিং বলেন, “বামপন্থীদের কোনও স্টল আমরা পুজোতে লাগাতে দেব না। ওরা ধর্ম বিশ্বাস রাখে না। আর আমরা ওদের উপর বিশ্বাস রাখি না, মানুষও ওদের উপর কোনও বিশ্বাস রাখে না। যেখানে ধর্ম সেখানে বামপন্থীরা থাকতে পারে না। আর আমরা তো ধর্মীয় অনুষ্ঠান করছি। দুর্গাপুজো ধর্মীয় অনুষ্ঠান। মুখ্যমন্ত্রীও বলে দিয়েছেন, এটা শারোদৎসব নয় দুর্গাপুজো। তাই আমাদের পুজোতে হিন্দুদের আহ্বান জানাচ্ছি।”


সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী পুরো বিষয়টি শুনে প্রথমেই বলেন, “আমি কোনও প্রতিক্রিয়া দেব না। কেউ একটা প্রচার পাওয়ার জন্য এই ধরনের কথা বলছেন। ওখানে দুর্গোৎসব কমিটি কী হয়, কে করে কেউ জানে কি না জানি না। তবে আমি অন্তত জানি না। ওইখানে পুজোয় স্টল হয় কি না আমি সেইটাও জানি না। শুধুমাত্র প্রচারের জন্য এই সব করছে। যাতে সরকারের কাছ থেকে বেশি টাকা পাওয়া যায়।”



স্বাস্থ্য মন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় বলেন, "বাংলার রাজনীতিতে সৌজন্যতা এখন নিম্নমানে চলে গেছে। এত নির্লজ্জভাবে কেউ এমন বলতে পারে, ভাবতেই পারিনি। হতে পারে উনি শুভেন্দু অধিকারীকে পছন্দ করেন না, ওঁর নীতি অপচ্ছন্দ হতে পারে। কিন্তু কারও মৃত্যু কামনা করা যায়? তীব্র নিন্দা করছি।"


উপরওয়ালা যেন তাড়াতাড়ি ওঁর টিকিট কাটিয়ে দেয়', মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর মৃত্যু কামনা করলেন হুমায়ুন, চাইলেন ইন্দিরা-রাজীব গান্ধীর মতো পরিণতি
শুভেন্দু অধিকারীর মৃত্যু কামনা হুমায়ুনের

বাংলার প্রশাসনিক প্রধান তিনি। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। আর তাঁকেই কি না এভাবে আক্রমণ? এখানে ‘আক্রমণ’ শব্দটাও অত্যন্ত লঘু। কারণ, রীতিমতো ঘৃণ্য রাজনীতির নির্লজ্জ নজির গড়লেন নওদার আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মৃত্যুকামনা করলেন তিনি। রাজনীতিতে না পেরেই কি এমনভাবে আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রীকে?


হুমায়ুন এ দিন সাংবাদিকদের সামনে কদর্য ভাষায় বলেন, “আমাদের অসম্মান করলে ক্ষমতাচ্যুত হতে হবে। আমি চাই মুখ্যমন্ত্রী থেকে উনি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হয়ে যান। শুক্রবারে নমাজ পড়ব, বলব, এ যত তাড়াতাড়ি পৃথিবী থেকে বিদায় হয়, উপরওয়ালা যেন ওকে ওঁর টিকিট কাটিয়ে দেয়। ছত্তিশগঢ়ের একজন কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। তাঁর কীভাবে মৃত্যু হয়েছে? মহারাষ্ট্রের শরদ পাওয়ারের ভাইপো অজিত পাওয়ারের কীভাবে মৃত্যু হয়েছে? ইন্দিরা গান্ধী-রাজীব গান্ধীকে কীভাবে যেতে হয়েছে? এর এত অহংকার? অহংকারের পতন হবে। ওইভাবে পৃথিবী ছেড়ে যেতে হবে।”


উত্তরপাড়ার পর বেলাঘাটা, ফের 'আক্রান্ত' কুণাল, হাতুড়ি দিয়ে 'ভাঙা' হল গাড়ির কাচ, প্রাণ বাঁচাতে ছুটলেন থানায়



ঠিক এই কদর্য ভাষাতেই আক্রমণ করেছেন হুমায়ুন। রাজনীতি মতাদর্শ বিভিন্ন হতে পারে। ভারতের মতো গণতান্ত্রিক দেশে প্রত্যেকের স্বাধীনতা রয়েছে নিজের নিজের মতো করে পছন্দের রাজনৈতিক দলকে সমর্থন করা। কিন্তু তা বলে এই ধরনের নিম্ন রুচির আক্রমণ, তাও আবার মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে? এমনটা করা যায় কি না প্রশ্ন তুলেছে ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ।

স্বাস্থ্য মন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় বলেন, “বাংলার রাজনীতিতে সৌজন্যতা এখন নিম্নমানে চলে গিয়েছে। এত নির্লজ্জভাবে কেউ এমন বলতে পারে, ভাবতেই পারিনি। হতে পারে উনি শুভেন্দু অধিকারীকে পছন্দ করেন না, ওঁর নীতি অপছন্দ হতে পারে। কিন্তু কারও মৃত্যুকামনা করা যায়? তীব্র নিন্দা করছি। শুভেন্দু অধিকারী কারও দয়ায় মুখ্যমন্ত্রী হননি, জনগণ মুখ্যমন্ত্রী করেছেন। আমি ওঁকে বলছি, হুমায়ুুন কবীর সাহেব- শকুনের অভিশাপে গরু মরে না।”