WEATHER

Top News



আজ ধৃতকে ডায়মন্ড হারবার মহকুমা আদালতে তোলা হয়। তাঁকে হেফাজতে নিয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এই চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়াও উদ্ধার এটিএম কার্ডগুলোর মধ্যে কতগুলো এটিএম কার্ড অরিজিনাল এবং নকল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।


পুলিশ পরিচয় দিয়ে ATM কার্ড হাতানোর অভিযোগ, গ্রেফতার যুবক
গ্রেফতার অভিযুক্ত

 কখনো সিবিআই (CBI) অফিসার, আবার কখনো রাজ্য পুলিশের বড় অফিসার পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে বেড়াতেন। বিশেষ করে এটিএমে টাকা তুলতে আসা সাধারণ মানুষকে প্রতিশ্রুতি দিতেন সাহায্য করার জন্য। টাকা তোলার ক্ষেত্রে সাহায্য করার প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পর অরিজিনাল এটিএম কার্ডটি তাদের থেকে হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ। তারপর নকল এটিএম কার্ড ধরিয়ে দিত। পরে সেই এটিএম কার্ড দিয়ে সমস্ত টাকা তুলে নিত বলে অভিযোগ। এরপরই অভিযুক্তকে পাকড়াও করল পুলিশ।


পশ্চিম বর্ধমানের বেনাচিতি এলাকার বাসিন্দা জয়দেব রায়। ডায়মন্ড হারবারের রামনগর থানা এলাকার বাসিন্দা তিনি। এক বাসিন্দার অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত নামে পুলিশ। এরপর গতকাল রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে রায়চক এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি গোপন আস্তানা থেকে জয়দেবকে গ্রেফতার করে।



তাঁকে আমি চাই না... আমার ভালো লাগবে না', অকপটে বলে দিলেন সজল ঘোষ
Pin Code: পিন কোডের ছ'টি সংখ্যার অর্থ কী? কোন নম্বরে কোন তথ্য লুকিয়ে, জেনে নিন
তল্লাশি চালিয়ে ধৃতের কাছ থেকে ১৩৪টি এটিএম কার্ড উদ্ধার হয়েছে। এছাড়াও পুলিশ স্টিকার লাগানো একটি স্কুটিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। অভিযোগ, বিভিন্ন সময়ে নিজেকে সিবিআই অফিসার এবং পুলিশ অফিসার পরিচয় দিয়ে এটিএমে টাকা তুলতে আসা মানুষকে ভুল বুঝিয়ে তাঁদের কাছ থেকে আসল এটিএম কার্ড নিয়ে নিত জয়দেব। পরিবর্তে তাঁদের হাতে ধরিয়ে দেওয়া হত নকল কার্ড। পরে ওই আসল কার্ড ব্যবহার করে টাকা তুলে নেওয়া হত বলে অভিযোগ। আজ ধৃতকে ডায়মন্ড হারবার মহকুমা আদালতে তোলা হয়। তাঁকে হেফাজতে নিয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এই চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়াও উদ্ধার এটিএম কার্ডগুলোর মধ্যে কতগুলো এটিএম কার্ড অরিজিনাল এবং নকল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।




 রাজ্যের বিভিন্ন সড়ক, সেতু থেকে অ্যাভিনিউয়ের নামবদল বা নামকরণের জন্য কমিটি গঠন করেন তিনি। ওই কমিটির চেয়ারম্যান কার্তিক মহারাজ। কমিটিতে রয়েছেন তথাগত রায়ও। তিনি জানিয়েছেন, লেনিন সরণি ছাড়াও আরও কিছু রাস্তার নাম বদলের প্রস্তাব দেওয়া হবে কমিটিতে।

লেনিন সরণি থেকে কার্ল মার্কস...তালিকায় মেয়ো রোডও! কোন কোন রাস্তার নাম বদলাতে পারে? জানিয়ে দিলেন তথাগত রায়
ফাইল ছবি

রাজ্যে নতুন সরকারের আমলে বিভিন্ন রাস্তার নাম পরিবর্তন করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই সোহরাবর্দি অ্যাভিনিউয়ের নাম পাল্টে হয়েছে গোপাল মুখার্জি রোড (Gopal Mukherjee Road)। এবার বদলে যাবে লেনিন সরণির (Lenin Sarani) নামও? আগেই তা ইঙ্গিত দিয়েছিলেন কার্তিক মহারাজ (Kartik Maharaj)। এবার জানা গেল, খুব শীঘ্রই লেনিন সরণির নাম বদলের প্রস্তাব দেবেন বিজেপি নেতা তথাগত রায় (Tathagata Roy)। তাঁর মতে, লেনিন সরণির নাম বদলে দেবপ্রসাদ ঘোষের (Debaprashad Ghosh) নাম করা হোক। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের পর ভারতীয় জনসংঘের সর্বভারতীয় সভাপতি ছিলেন দেবপ্রসাদ ঘোষ। এছাড়া, কলকাতার আরও কয়েকটি রাস্তার নাম বদলের ভাবনা-চিন্তা করা হচ্ছে।


রাস্তার নাম বদলের জন্য কমিটি
গোপাল মুখার্জি রোড নাম নিয়ে বিতর্কের জবাব দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়েছিলেন,”কলকাতায় কোনও মুঘল, পাঠান, অত্যাচারী ব্রিটিশের নামে নামকরণ থাকবে না। ভগিনী নিবেদিতা ছাড়া কোনও বিদেশির নাম থাকবে না। এপিজে আব্দুল কালামের মতো কোনও প্রকৃত দেশভক্ত থাকলে তথ্য দিন, মর্যাদা দেবে রাজ্য সরকার।” এরপর রাজ্যের বিভিন্ন সড়ক, সেতু থেকে অ্যাভিনিউয়ের নামবদল বা নামকরণের জন্য কমিটি গঠন করেন তিনি। ওই কমিটির চেয়ারম্যান কার্তিক মহারাজ। কমিটিতে রয়েছেন তথাগত রায়ও।

কোন রাস্তার নাম বদলে কী রাখা হচ্ছে?
বিজেপি নেতা তথাগত রায় জানিয়েছেন, লেনিন সরণি ছাড়াও আরও কিছু রাস্তার নাম বদলের প্রস্তাব দেওয়া হবে কমিটিতে। কোন কোন রাস্তার নাম বদলে কী রাখা হতে পারে, সেই বিষয়েও জানিয়েছেন বিজেপি নেতা।


লেনিন সরণির নাম বদলে করা হতে পারে দেবপ্রসাদ ঘোষ সরণি। কার্ল মার্কস সরণি বদলে রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় বা মাইকেল মধুসূদন দত্তের নামে করা হতে পারে। হো-চি-মিন সরণির নাম বদলে হতে পারে মার্টিন লুথার কিং।

বিজেপি নেতা তথাগত রায় জানান, প্রাথমিকভাবে রাস্তার নাম বদল নিয়ে কার্তিক মহারাজের সঙ্গে কথা বলেছেন। প্রস্তাব দেওয়া হবে। এরপর কমিটিতে পাশ হলে রাস্তার নাম বদল হবে। এছাড়া কলকাতার একটি জনপথের (স্ট্র্যান্ড রোড বা মেয়ো রোড) নামও পরিবর্তন করে সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের নামে করারও চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।



এ দিকে, পড়ুয়ারা এখনও অনড় উপাধক্ষ্যের ইস্তফা নিয়ে। একজন বলেন, "চারিদিকে বলা হচ্ছে আমরা নাকি ক্লাস ফাঁকি দিতে চাই। বার কাউন্সিলের ৭৫ শতাংশ উপস্থিতির নিয়মের জন্য ভয় পেয়ে আমরা ভাইস প্রিন্সিপালের পদত্যাগ চাইছি। সম্পূর্ণ মিথ্যে কথা। এই প্রতিবাদ নিয়ম বাতিলের বিরুদ্ধে নয়।"


সেই আগের মতো একই জিনিস হচ্ছে', থ্রেট কালচার চলছে সুরেন্দ্রনাথে, দাবি উপাধ্যক্ষের
সুরেন্দ্রনাথ কলেজ

 সুরেন্দ্রনাথ আইন কলেজের উপাধ্যক্ষ মহম্মদি তরন্নুমকে জোর করে পদত্যাগ করানোর অভিযোগ। শুধু তাই নয়, ২৩ ঘণ্টা আটকে রেখে পড়ুয়াদের বিক্ষোভ। পরে ঘেরাও মুক্ত হতেই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। ঘটনার ৩ দিন পর ফের কলেজ যাবেন বলে জানিয়ে দিলেন উপাধ্যক্ষ। একই সঙ্গে অভিযোগ করলেন কলেজে ফের ফিরে আসছে থ্রেট কালচার।


মহম্মদির দাবি তাঁকে জোর করে ইস্তফাপত্রে সই করানো হয়, তবে তিনি অফিশিয়ালি পদত্যাগ করেননি। জানান, “আপাতত একদিনের মেডিক্যাল লিভ নিয়েছি। শরীর ঠিক হলেই আমি অফিস যাব।” এরপরই থ্রেট কালচারের অভিযোগ করেন। তিনি জানান, “ছাত্র-শিক্ষক-কর্মচারি সকলকে থ্রেট দেওয়া হচ্ছে।” তিনি আবার বলেন, “আগের মতো এক জিনিস হচ্ছে। ক্লাস করব না, অফিস যাব না, আসব যাব বেতন নেব। একই ভাবে কলেজ চালাতে চাইছে।” তিনি এখানে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ কানকাটা দেবু ওরফে দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামও নেন। বলেন, “দেবু পালিয়ে গেছে তবে তার বাহিনী বিজেপির কাছে আশ্রয় নিয়েছে।”

'বিজেপিতে যোগ দিলেই সব পাপ মুছে যাবে না', রচনা-সায়নীদের নিয়ে দলের সিদ্ধান্ত স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন শমীক ভট্টাচার্য


'তাঁকে আমি চাই না... আমার ভালো লাগবে না', অকপটে বলে দিলেন সজল ঘোষ
এ দিকে, পড়ুয়ারা এখনও অনড় উপাধক্ষ্যের ইস্তফা নিয়ে। একজন বলেন, “চারিদিকে বলা হচ্ছে আমরা নাকি ক্লাস ফাঁকি দিতে চাই। বার কাউন্সিলের ৭৫ শতাংশ উপস্থিতির নিয়মের জন্য ভয় পেয়ে আমরা ভাইস প্রিন্সিপালের পদত্যাগ চাইছি। সম্পূর্ণ মিথ্যে কথা। এই প্রতিবাদ নিয়ম বাতিলের বিরুদ্ধে নয়।”


কী নিয়ে গণ্ডগোল?

কলেজে উপস্থিতির হার নিয়ে নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল সুরেন্দ্র কলেজ। ওই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ্যে আসতেই বিক্ষোভ চরমে। জানা গিয়েছে, নির্দেশিকায় বলা হয়েছে ৭৫ শতাংশ উপস্থিতি না থাকলে পরীক্ষায় বসা যাবে না। এরপরই আন্দোলনকারী ছাত্রছাত্রীদের দাবি, তাঁদের পরীক্ষায় বসার সুযোগ দিতে হবে। উপাধ্যক্ষের দাবি, ABVP ছাত্র সংগঠন এই বিক্ষোভ প্রদর্শন করছিল।

কলেজ থেকে বেরিয়েই উপাধ্যক্ষ বলেন, “জোর করে আমাকে ইস্তফা দিতে বাধ্য করা হয়েছে। আমি কোনও ইস্তফা দিইনি।” একইসঙ্গে অভিযোগ তোলেন, একটা অন্ধকার করে তাঁকে আটকে রাখা হয়েছিল। আলো-পাখা বন্ধ করে রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ।


কলেজের এক ছাত্রীর অভিযোগ, "দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর ছেলে শিবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় ছাত্রীদের হেনস্থা করত। তৃণমূল আমলে ছাত্রীদের বারবার কম্প্রোমাইজড করার কথা বলে গিয়েছেন শিবাশিস ও দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। একটি ল কলেজে মেয়েরা এতটাই আনসেফ (অসুরক্ষিত)?গার্লস বাথরুমে ছিটকিনি পর্যন্ত নেই। বাথরুমে যেতে গেলে সঙ্গে একজনকে নিয়ে যেতে হয়। পরিকাঠামোর নামে যে টাকা নেওয়া হচ্ছে, সেগুলি কোথায় যাচ্ছে?"


'বাথরুমে ছিটকিনি নেই, মেয়েদের কম্প্রোমাইজ করতে বলা হত’, বিস্ফোরক অভিযোগ সুরেন্দ্রনাথ কলেজের ছাত্রীদের, ফের বিতর্কে কানকাটা দেবু
কলেজের ছাত্রী

মাস তিনেক আগে সুরেন্দ্রনাথ কলেজের (Surendranath Law College) ইউনিয়ন রুম থেকে টাকা উদ্ধারের ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। শুধু তাই নয়, কলেজের মধ্যেই বিলাসবহুল দুটি ঘরের হদিস মিলেছিল। সেখানে দামি খাট, বিছানা, অ্যাটাচড বাথরুম…কী কী-ই না পাওয়া গিয়েছিল। সেইসময় উঠে এসেছিল দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় (Debasish Banerjee) তথা কানকাটা দেবুর নাম। এবার আরও একবার তাঁর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন সুরেন্দ্রনাথ কলেজের পড়ুয়ারা। সম্প্রতি, সুরেন্দ্রনাথ ল কলেজে উপস্থিতির হার নিয়ে বিক্ষোভ, ভাইস প্রিন্সিপালকে ঘেরাও, তাঁর পদত্যাগ…গোটা বিষয়ে নিয়ে বিতর্কের ঝড় উঠেছে। এই আবহেই আবারও উঠে এসেছে কানকাটা দেবুর নাম। রাজনীতির প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে সুরেন্দ্রনাথ কলেজকে গাজোয়ারির ডেরা বানিয়েছিলেন কানকাটা দেবু ও তার শাগরেদরা। ছাত্রীদের কম্প্রোমাইজ করতে বলা হত। টিভি ৯ বাংলায় এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ কলেজের ছাত্রীদের।


কলেজের এক ছাত্রীর অভিযোগ, “দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর ছেলে শিবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় ছাত্রীদের হেনস্থা করত। তৃণমূল আমলে ছাত্রীদের বারবার কম্প্রোমাইজড করার কথা বলে গিয়েছেন শিবাশিস ও দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। একটি ল কলেজে মেয়েরা এতটাই আনসেফ (অসুরক্ষিত)?গার্লস বাথরুমে ছিটকিনি পর্যন্ত নেই। বাথরুমে যেতে গেলে সঙ্গে একজনকে নিয়ে যেতে হয়। পরিকাঠামোর নামে যে টাকা নেওয়া হচ্ছে, সেগুলি কোথায় যাচ্ছে?”


 'বাবা এবারের মতো বাঁচাও', এটাই শেষ কথা! বরফের মতো ঠান্ডা শরীর ছেলের, পুলিশ হেফাজতে অস্বাভাবিক মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য
কী ধরনের কম্প্রোমাইজ করতে হত?
অভিযোগ, ছাত্রীদের বলা হত কম্প্রোমাইজ না করলে অ্যাটেনডেন্স পাবে না।এরকম থ্রেট দিতেন দেবাশিস ও শিবাশিস বন্দ্যোপাধ্য়ায়। কলেজের গেটের সামনেই বসে থাকতেন। কোনও ছাত্রী আসলে নাম জিজ্ঞেস করা হতো। ভাইস প্রিন্সিপাল বলতেন, ওদের বিরুদ্ধে গেলে চলবে না। ওরাই যা সিদ্ধান্ত নেবেন।


কী বলছেন ভাইস প্রিন্সিপ্যাল?
এদিকে, দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন সুরেন্দ্রনাথ আইন কলেজের উপাধ্যক্ষ মহম্মদি তরন্নুম। সেক্ষেত্রে ছাত্র-ছাত্রীদের প্রশ্ন, কেন আগে পদক্ষেপ করা হয়নি? তাঁরা বলেন, “ভাইস প্রিন্সিপাল ম্যাডাম যে বলেছেন, দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো বহিরাগত রাজনৈতিক ব্যক্তিরা কলেজে হস্তক্ষেপ করতেন। তাহলে কেন পুলিশে অভিযোগ করেননি। দেবাশিস, শিবাশিসের বিরুদ্ধে কেন পদক্ষেপ করা হয়নি। আমরা ছাত্র, কোনও দুষ্কৃতী নই। নিয়মের সঠিক স্বচ্ছ প্রয়োগ চাই। আমাদের দাবি স্পষ্ট।”

সুরেন্দ্রনাথ আইন কলেজের উপাধ্যক্ষ মহম্মদি তরন্নুমকে জোর করে পদত্যাগ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অন্তত এমনই দাবি উপাধ্যক্ষের। তাঁকে জোর করে ইস্তফাপত্রে সই করানো হয়, তবে তিনি অফিশিয়ালি পদত্যাগ করেননি। তিনি আবারও কলেজে যাবেন। এ দিকে, পড়ুয়ারা এখনও অনড় উপাধক্ষ্যের ইস্তফা নিয়ে। সোমবার পড়ুয়াদের তরফে একটি সাংবাদিক বৈঠক করা হয়। সেখানে তাঁরা বলেন, “চারিদিকে বলা হচ্ছে আমরা নাকি ক্লাস ফাঁকি দিতে চাই। বার কাউন্সিলের ৭৫ শতাংশ উপস্থিতির নিয়মের জন্য ভয় পেয়ে আমরা ভাইস প্রিন্সিপালের পদত্যাগ চাইছি। সম্পূর্ণ মিথ্যে কথা। এই প্রতিবাদ নিয়ম বাতিলের বিরুদ্ধে নয়। এই প্রতিবাদ কলেজের চরম প্রশাসনিক অযোগ্যতা, আর্থিক শোষণ, পরিকাঠামোগত দুর্নীতির বিরুদ্ধে। আমাদের কলেজে ৭০০-র বেশি ছাত্র। খুব বেশি হলে ১০ থেকে ১৫ জন কলিজিয়েট হয়েছে। বাকিরা ডিস কলিজিয়েট। এটা কি সম্ভব হতে পারে? ইআরপি মডিউল যেটা বলা হচ্ছে, তার অ্যাক্সেস রয়েছে ভাইস প্রিন্সিপালের কাছে। কারচুপি সে নিজেই করেছে। আমাদের কোনও দায়বদ্ধতা নই। সকাল সাড়ে ৬টা থেকে ক্লাস থাকে। কিন্তু ৭টার আগে গেটই খোলে না। সেখানে একটা ক্লাসের অ্যাটেনডেন্স কমে যায়। তৃণমূলের আমলে তাঁর দর্শনও পাওয়া যেত না।”

নিজেদের দাবিগুলিও স্পষ্ট করে দিয়েছেন পড়ুয়ারা। তাঁদের দাবি, “অযোগ্যতা ও দুর্নীতির দায়ে ভাইস প্রিন্সিপালকে অবিলম্বে পদত্যাগের ব্যবস্থা করা ডিজিট্যাল এন্ট্রির কারচুপি মানা হবে না। অ্যাটেনডেন্স ফিজিক্যাল রেকর্ড জনসমক্ষে আনতে হবে। ফি কাঠামো অন্যান্য সরকারি ল কলেজের সমতুল্য করতে হবে। অ্যাকাডেমিক ভবিষ্যত নিয়ে ছিনিমিনি খেললে চলবে না।”




একইসঙ্গে বর্ধমান সহ রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় বেআইনি নার্সিংহোম এবং ভুয়ো চিকিৎসকদের অভিযোগ নিয়েও সরব হন মন্ত্রী। তাঁর দাবি, স্বাস্থ্য দফতরের নির্ধারিত গাইডলাইন মেনে যে নার্সিংহোমগুলি চলছে, সেগুলি চলবে। কিন্তু তদন্তে নিয়মবহির্ভূত বা ভুয়ো নার্সিংহোমের সন্ধান মিললে সেগুলি বন্ধ করে দেওয়া হবে।


নিয়মবহির্ভূত মাদ্রাসার বিরুদ্ধে আরও কড়া পদক্ষেপ, বার্তা মন্ত্রীর
সংখ্যালঘু উন্নয়নমন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু

পরিকাঠামোহীন ও নিয়মবহির্ভূত মাদ্রাসার বিরুদ্ধে আগামিদিনে আরও কড়া পদক্ষেপ করা হতে পারে বলে জানালেন রাজ্যের আদিবাসী উন্নয়ন ও সংখ্যালঘু দফতরের মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু। জেলাভিত্তিক তদন্ত কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়ছেন মন্ত্রী। অনুমোদনহীন হিসেবে চিহ্নিত করে রাজ্যের ২৫২টি মাদ্রাসা বন্ধ করা হয়েছে ইতিমধ্যেই। এছাড়া একাধিক মাদ্রাসাকে শোকজ লেটার দেওয়া হয়েছে।


তাঁর বক্তব্য, ‘‘এই তালিকা আগামিদিনে আরও বাড়তে পারে। জেলাগুলিতে যে তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে, তাদের তদন্তের ভিত্তিতেই পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে। এখনই সম্পূর্ণভাবে পদক্ষেপ করলে অনেক ছাত্রছাত্রী ড্রপ আউট হয়ে যেতে পারে। সামনে পরীক্ষা রয়েছে। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর আরও বিস্তারিত তদন্ত করে দেখা হবে।’’

 'বাবা এবারের মতো বাঁচাও', এটাই শেষ কথা! বরফের মতো ঠান্ডা শরীর ছেলের, পুলিশ হেফাজতে অস্বাভাবিক মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য

পুলিশ পরিচয় দিয়ে ATM কার্ড হাতানোর অভিযোগ, গ্রেফতার যুবক
পরিকাঠামো ছাড়াই যে সব মাদ্রাসা চলছে, তদন্তে সেগুলির অস্তিত্ব ধরা পড়লে সেগুলি বন্ধ করে দেওয়া হবে বলেও স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, অতীতে সরকারগুলি এই ধরনের প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করেনি। ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতির কারণেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।


একইসঙ্গে বর্ধমান সহ রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় বেআইনি নার্সিংহোম এবং ভুয়ো চিকিৎসকদের অভিযোগ নিয়েও সরব হন মন্ত্রী। তাঁর দাবি, স্বাস্থ্য দফতরের নির্ধারিত গাইডলাইন মেনে যে নার্সিংহোমগুলি চলছে, সেগুলি চলবে। কিন্তু তদন্তে নিয়মবহির্ভূত বা ভুয়ো নার্সিংহোমের সন্ধান মিললে সেগুলি বন্ধ করে দেওয়া হবে।

নার্সিংহোমের নাম পরিবর্তন করে ফের ব্যবসা শুরু করার প্রবণতা নিয়েও কড়া বার্তা দেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, ‘একবার ধরা পড়ার পর নাম পরিবর্তন করে নতুন করে নার্সিংহোম চালানোর মতো ঘটনা মেনে নেওয়া হবে না।’’



ব্যক্তির নামে মেট্রো স্টেশনের নাম নিয়ে আপত্তি, তাই মেট্রো স্টেশনের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব দিতে চলেছেন তথাগত রায়। প্রবীণ বিজেপি নেতা সরকারি কমিটির কাছে এই প্রস্তাব জমা দেবেন বলেই সূত্রের খবর। মহানায়ক উত্তম কুমার মেট্রো স্টেশনের নাম বদলে টালিগঞ্জ নামেই ফিরতে পারে। 

মহানায়ক উত্তর কুমার নয়, ফিরছে 'টালিগঞ্জ'! আর কোন কোন স্টেশন তালিকায়?
মহানায়ক উত্তর কুমার মেট্রো স্টেশনের নাম বদল হয়ে যাবে?

রাস্তার পর এবার মেট্রো স্টেশনের নাম বদল? বদলে যাবে মহানায়ক উত্তম কুমার বা নেতাজির নামাঙ্কিত নামে মেট্রো স্টেশনের নাম? জোর জল্পনা এই নিয়ে। কেন হঠাৎ মেট্রো স্টেশনের নাম বদলের কথা হচ্ছে?


ব্যক্তির নামে মেট্রো স্টেশনের নাম নিয়ে আপত্তি, তাই মেট্রো স্টেশনের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব দিতে চলেছেন তথাগত রায়। প্রবীণ বিজেপি নেতা সরকারি কমিটির কাছে এই প্রস্তাব জমা দেবেন বলেই সূত্রের খবর।

চাকরি গিয়েছে তাঁরও, কে এই সঞ্চিতা প্রধান দে? যিনি হয়ে উঠলেন মমতার হাতিয়ার

তাঁকে আমি চাই না... আমার ভালো লাগবে না', অকপটে বলে দিলেন সজল ঘোষ
কোন কোন মেট্রো স্টেশনের নাম বদল হবে?
মহানায়ক উত্তম কুমার মেট্রো স্টেশনের নাম বদলে টালিগঞ্জ নামেই ফিরতে পারে। একইসঙ্গে হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, জ্যোতিরিন্দ্র নন্দীর নামে স্টেশনের নামও পরিবর্তন করার প্রস্তাব দেওয়া হবে। এই স্টেশনগুলির নাম পরিবর্তন হয়ে ওই এলাকার নামেই দেওয়া হবে স্টেশনের নাম, এমনটাই পরিকল্পনা।


একইসঙ্গে ভবানীপুর মেট্রো স্টেশনের নামও নেতাজি ভবন করা নিয়ে আপত্তি রয়েছে তথাগত রায়ের। তাঁর যুক্তি, এই স্টেশন থেকে নেতাজি ভবন অনেকটা দূরে। তাই নেতাজি ভবনের নামও বদল করার প্রস্তাব দেবেন তিনি।

এর পাশাপাশি আপত্তি জানানো হয়েছে বেলেঘাটা মেট্রো স্টেশনের নামকরণ নিয়ে। এর কারণ, মূল বেলেঘাটা অঞ্চল যেখানে, সেখান থেকে বেলেঘাটা মেট্রো স্টেশন অনেক দূরে। এমনকী, নাম পরিবর্তন হতে পারে স্বপ্ন ভোর মেট্রো স্টেশনেরও। এই স্টেশনের নামও এলাকার নামেই রাখা হতে পারে।

রাস্তার নামও পরিবর্তনের প্রস্তাব-
নতুন সরকার আসার পরই সোহরাবর্দি অ্যাভিনিউয়ের নাম পাল্টে রাখা হয়েছে গোপাল মুখার্জি রোড (Gopal Mukherjee Road)। তথাগত রায় লেনিন সরণীর নাম পরিবর্তন করার প্রস্তাব দেবেন বলে জানা গিয়েছে। লেনিন নামাঙ্কিত রাস্তার নাম বদলে দেবপ্রসাদ ঘোষের নামে রাস্তার নাম করার প্রস্তাব দিতে চলেছেন তিনি। পাশাপাশি কার্ল মার্কস সরণির নাম বদলে রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় বা মাইকেল মধুসূদন দত্তের নামে করা হতে পারে। হো-চি-মিন সরণির নাম বদলে হতে পারে মার্টিন লুথার কিং। এমনটাই শোনা যাচ্ছে।



২০ জন সাংসদের সাংসদ পদ খারিজ করার আর্জি জানিয়ে স্পিকারকে চিঠি দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মামলাও করেছেন সুপ্রিম কোর্টে। দলত্যাগ বিরোধী আইন অনুযায়ী তাঁদের পদ খারিজ করার আর্জি জানানো হয়েছে কালীঘাট-তৃণমূলের তরফে।

'বিজেপিতে যোগদানে আর কোনও বাধা নেই', বিস্ফোরক বসুনিয়া, পুজোর আগেই বড় সিদ্ধান্ত কাকলিদের?
এনসিপিআই সাংসদ

তৃণমূলের (Trinamool Congress) টিকিটে জিতে সাংসদ হয়েছিলেন জগদীশ চন্দ্র বসুনিয়া। বর্তমানে তিনি এনসিপিআই (NCPI)-তে যোগ দিয়েছেন। এবার, কমিশনে যখন তৃণমূলের দুই শিবিরের প্রতীকের লড়াই চলছে, তখন বিস্ফোরক দাবি করলেন বসুনিয়া। বাংলায় এসে তিনি জানিয়ে দিলেন, বিজেপিতে যোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁদের কোনও বাধা নেই। পুজোর আগেই এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া ১৭ জন সাংসদ বিজেপিতে যোগ দেবেন বলে দাবি করলেন তিনি।


২০ জন সাংসদের সাংসদ পদ খারিজ করার আর্জি জানিয়ে স্পিকারকে চিঠি দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মামলাও করেছেন সুপ্রিম কোর্টে। দলত্যাগ বিরোধী আইন অনুযায়ী তাঁদের পদ খারিজ করার আর্জি জানানো হয়েছে কালীঘাট-তৃণমূলের তরফে। এই আবহেই বিজেপিতে যোগ দেওয়ার কথা বললেন সিতাইয়ের বিধায়ক।


মদের আসরে বন্ধুকে খুন, থানায় গিয়ে পুলিশকে নিজেই সব বললেন অভিযুক্ত
কী বলছেন জগদীশ বসুনিয়া?
সম্প্রতি সাংসদ বলেছেন, “তিনজন যেহেতু সরাসরি বিজেপিতে যেতে চান না, তাই এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়ার ব্যবস্থা করে বিজেপিই। আমরা এনসিপিআই-তে যাওয়ার কথা জানতাম না। এখন আমাদের বিজেপিতে যোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনও বাধা নেই। তিনজন সংখ্যালঘু থেকে যেতে চাইলেও আমরা বিজেপিতে যোগ দেব।” এ ক্ষেত্রে তিন সাংসদ অর্থাৎ খলিলুর রহমান, আবু তাহের ও ইউসুফ পাঠানের কথা বলেছেন তিনি। পুজোর আগেই সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।


এলাকায় গেলেও কোনও সভা-সমিতি আপাতত করবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন বসুনিয়া। তিনি বলেন, “আমরা তো এখন এনসিপিআই-তে। কাকে নিয়ে সভা-সমিতি করব? আমি আপাতত সাংসদ অফিসে বসব বলে এসেছি।”

বসুনিয়ার কথার আদৌ রাজনৈতিক ভিত্তি আছে?
বিজেপি তো বারবার বলেছে, তৃণমূলিকরণ হলে না। এরই মধ্যে বসুনিয়ার বক্তব্য নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। প্রশ্ন উঠছে, বসুনিয়ার কথার রাজনৈতিক ভিত্তি আছে? নাকি এলাকার কর্মীদের কোনও বার্তা দিতে চাইছেন তিনি? কারণ এলাকায় গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছে জগদীশ বসুনিয়াকে। বিজেপির সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতার প্রমাণ সামনে এলেও এলাকার কর্মীরা তাঁকে গ্রহণ করছে না। সেই কারণেই কি এই বার্তা বসুনিয়ার? যোগাযোগ করা হলেও বিজেপি নেতারা এ ব্যাপারে কোনও মন্তব্য করছেন না।

আরও একটি বিষয় হল, সুপ্রিম কোর্টে এনসিপিআই সাংসদদের নিয়ে মামলা চলছে। এছাড়া, খাতায়-কলমে তাঁরা এখনও তৃণমূল সাংসদ। এই অবস্থায় বিজেপিতে যোগ দিতে গেলে দলত্যাগ-বিরোধী আইনের মুখে পড়তে হবে তাঁদের। এই প্রসঙ্গে আবু তাহের খানকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “অন্য় ১৭ জনের দায়িত্ব, ১৭ জন নেবে। এরকম কোনও চুক্তি আমাদের সঙ্গে হয়নি। ১৭ জনের সঙ্গে এ ব্যাপারে কথা বলুন।”

এই প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে সজল ঘোষ বলেন, “দল নির্দেশ দিলে মানতেই হবে। সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে আমাদের পরনির্ভরশীল হতে হয়। জোট রাজনীতির কিছু বাধ্যবাধকতা আছে।”





জগদীশ বলেছেন, "তিনজন যেহেতু সরাসরি বিজেপিতে যেতে চান না, তাই এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়ার ব্যবস্থা করে বিজেপিই। আমরা এনসিপিআই-তে যাওয়ার কথা জানতাম না। এখন আমাদের বিজেপিতে যোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনও বাধা নেই। তিনজন সংখ্যালঘু থেকে যেতে চাইলেও আমরা বিজেপিতে যোগ দেব।" বসুনিয়ার এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতেই মন্তব্য করেছেন আবু তাহের।

দুর্গাপুজোর আগেই NCPI-এর সতেরো জন সাংসদ যোগ দিচ্ছেন বিজেপিতে। অন্তত তেমনটাই দাবি করেছেন সাংসদ জগদীশ চন্দ্র বসুনিয়া। তবে তিনজন সংখ্যালঘু সাংসদ যদি নাও যেতে চান তাঁরা যোগ দেবেন বিজেপিতে। এবার এই নিয়েই মুখ খুললেন সাংসদ আবু তাহের খান। বিজেপিতে যোগদানের কথা ওড়ালেন তিনি। বললেন, “আমরা নিজেদের এলাকায় কাজ করার কথা ভাবছি। অন্য় ১৭ জনের দায়িত্ব, ১৭ জন নেবে।”


একটি সাক্ষাৎকারে আবু তাহের খান বলেন, “বসুনিয়া তাঁর কথা বলেছেন। আমাদের কোনও দায়িত্ব তাঁকে দেওয়া হয়নি। এটা ওঁর ব্যক্তিগত মতামত। এর সঙ্গে আমাদের মতামতের কোনও মিল নেই।” তিনি আরও বলেন, “আমরা বিজেপিতে বা এনডিএ-তে নেই। আমরা নিজেদের এলাকায় কাজ করার কথা ভাবছি। অন্য় ১৭ জনের দায়িত্ব, ১৭ জন নেবে। এরকম কোনও চুক্তি আমাদের সঙ্গে হয়নি। ১৭ জনের সঙ্গে এ ব্যাপারে কথা বলুন।”



সোশ্যাল মিডিয়ার দায়িত্বপ্রাপ্ত সপ্তর্ষি চৌধুরীকে মুখপাত্র পদে আনা হল। দলের মুখ্য মুখপাত্র হয়েছেন দেবজিৎ সরকার। সায়ন্তন ছাড়াও মুখপাত্র পদে রয়েছেন, রীতেশ তিওয়ারি, কেয়া ঘোষ, প্রণয় রায়, তন্ময় মুখোপাধ্যায়, অঙ্কন দত্ত, মেঘা সেন রায়, নিখিল প্রসূন সিং, শমীক দাশগুপ্তা।

সামনের সারিতে ফিরলেন সায়ন্তন, ভোটের মুখে মুখপাত্রের তালিকা প্রকাশ
সায়ন্তন বসু
বিজেপির সাংগঠনিক পদে একাধিক রদবদল। রাজ্য বিজেপি-র মিডিয়া সেল, আইটি সেল, সোশ্যাল মিডিয়া ও মুখপাত্র পদে নতুন নিয়োগের ঘোষণা করলেন রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। রাজ্যের পালাবদলের পর এই প্রথম ওই সব পদে নিয়োগ করা হল। দলের দীর্ঘদিনের নেতা সায়ন্তন বসুকে আবার ফিরিয়ে আনা হল সামনের সারিতে ফিরিয়ে আনা হল।


মিডিয়া সেলেও দেখা গেল বড় বদল। কনভেনর পদে আনা হল অনুপম ঘোষকে। অন্যদিকে, সরানো হল বিমল শঙ্কর নন্দকে। আইটি সেলের পদ অবশ্য অপরিবর্তিত থাকল। কনভেনার থাকলেন জয় মল্লিক। তিনি দলের অন্দরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত।

চুরি যায় উত্তমের গোপন একটি জিনিস, যা অন্য কারও হাতে পড়লেই বিপাকে পড়তেন মহানায়ক! কী ঘটেছিল জানেন?
সোশ্যাল মিডিয়ার দায়িত্বপ্রাপ্ত সপ্তর্ষি চৌধুরীকে মুখপাত্র পদে আনা হল। দলের মুখ্য মুখপাত্র হয়েছেন দেবজিৎ সরকার। সায়ন্তন ছাড়াও মুখপাত্র পদে রয়েছেন, রীতেশ তিওয়ারি, কেয়া ঘোষ, প্রণয় রায়, তন্ময় মুখোপাধ্যায়, অঙ্কন দত্ত, মেঘা সেন রায়, নিখিল প্রসূন সিং, শমীক দাশগুপ্তা।


এদিকে, সঙ্গে দলীয় সাহিত্যের কাজকর্ম দেখাশোনার দায়িত্ব দেওয়া হল সপ্তর্ষিকে। উপমন্যু ভট্টাচার্য সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পরে এবার সরাসরি আহ্বায়ক হলেন। ধীরে ধীরে সায়ন্তন বসুকে সামনের সারিতে ফেরাচ্ছ দল। দিন কয়েক আগে রাজ্য এক্সিকিউটিভ কমিটিতে আনা হয়, আর এবার তিনি হলেন মুখপাত্র।

সামনেই পুর নির্বাচন। তার আগে অক্টোবরেই হবে উপ নির্বাচন। সেই ভোটকে সামনে রেখে এই রদবদল বলে মনে করা হচ্ছে। এর আগে গত সপ্তাহেই বিজেপির ২৭০ সদস্যের রাজ্য কমিটি ঘোষণা করা হয়। শুভেন্দু অধিকারী ছাড়াও সেই কমিটিতে জায়গা পান সুকান্ত মজুমদার, জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, তাপস রায়, অগ্নিমিত্রা পাল ও শঙ্কর ঘোষরা।



 বিজেপি নেতা তথাগত রায়ের মতে খুব শীঘ্রই লেনিন সরণির নাম বদলে যাবে। তাঁর মতে, লেনিন সরণির নাম বদলে দেবপ্রসাদ ঘোষের নাম করা হোক। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের পর ভারতীয় জনসংঘের সর্বভারতীয় সভাপতি ছিলেন দেবপ্রসাদ ঘোষ।

আমাদের সরকারের সময় শ্যামাপ্রসাদের নামে রাস্তা হয়েছে, বদলাইনি: শতরূপ
শতরূপ ঘোষ, সিপিএম নেতা

বিজেপি (BJP) ক্ষমতায় আসার পর রাস্তার নাম পরিবর্তন করেছে। ইতিমধ্যে সোহরাবর্দি অ্যাভিনিউয়ের নাম পাল্টে গোপাল মুখার্জি রোড (Gopal Mukherjee Road) হয়েছে। এবার জল্পনা ছড়াচ্ছে লেনিন সরণি, হো-চি-মিন রোডের নাম পরিবর্তন হবে কি না। এই নিয়েই এবার মুখ খুললেন সিপিএম নেতা শতরূপ ঘোষ। সিপিএম নেতা জানালেন, যদি সত্যিই রাস্তার নাম পরিবর্তন হয়, তবে তাঁরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন।


সিপিএম নেতা বলেন, “ওঁরা এখনও ঘোষণা করেননি। তবে একটা কমিটি বানিয়েছে। ওদের নাম বদলের উদ্দেশ্য থাকতেই পারে। এর বিরুদ্ধে যা প্রতিবাদ করার হবে। ৩৪ বছর আমাদের সরকারের সময় শ্যামাপ্রসাদের নামে রাস্তা হয়েছে। কোনওদিন তা বদলাতে যায়নি।” তিনি এও বলেন, “ইন্দিরা গান্ধী রাজনৈতিক ভাবে বিরোধী ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পর বামফ্রন্ট রাস্তা করেছে। এটা আমাদের সংস্কৃতি ছিল। ওরা যখন সরকার থেকে যাবে তখন বাংলার অনেক কিছু আবার বদলানো হবে।”

সামনের সারিতে ফিরলেন সায়ন্তন, ভোটের মুখে মুখপাত্রের তালিকা প্রকাশ


তাঁকে আমি চাই না... আমার ভালো লাগবে না', অকপটে বলে দিলেন সজল ঘোষ
বিজেপি নেতা তথাগত রায়ের মতে খুব শীঘ্রই লেনিন সরণির নাম বদলে যাবে। তাঁর মতে, লেনিন সরণির নাম বদলে দেবপ্রসাদ ঘোষের নাম করা হোক। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের পর ভারতীয় জনসংঘের সর্বভারতীয় সভাপতি ছিলেন দেবপ্রসাদ ঘোষ। এছাড়া, কলকাতার আরও কয়েকটি রাস্তার নাম বদলের ভাবনা-চিন্তা করা হচ্ছে। বিজেপি নেতা তথাগত রায় জানিয়েছেন, লেনিন সরণি ছাড়াও আরও কিছু রাস্তার নাম বদলের প্রস্তাব দেওয়া হবে কমিটিতে। কোন কোন রাস্তার নাম বদলে কী রাখা হতে পারে, সেই বিষয়েও জানিয়েছেন বিজেপি নেতা।




সিতাইয়ের সাংসদ জগদীশ চন্দ্র বসুনিয়া দাবি করেছেন, তিনজন সাংসদ বাদে বাকি ১৭ জন বিজেপিতে যোগ দেবেন শীঘ্রই। তাঁদের নাকি, এনসিপিআইতে নয়, আগেই বিজেপিতে যোগ দেওয়ার কথা ছিল, বলেও দাবি করেছেন সাংসদ।


বিজেপিতে যোগ দিলেই সব পাপ মুছে যাবে না', রচনা-সায়নীদের নিয়ে দলের সিদ্ধান্ত স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন শমীক ভট্টাচার্য
শমীক ভট্টাচার্য

সম্প্রতি এমনটাই বলেছেন এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া সাংসদ জগদীশ চন্দ্র বসুনিয়া। তাঁর কথা অনুযায়ী, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ ১৭ জন সাংসদ বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন দুর্গা পুজোর আগেই। বসুনিয়ার এই মন্তব্য নিয়েই এবার উত্তর দিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।


সিতাইয়ের সাংসদ জগদীশ চন্দ্র বসুনিয়া দাবি করেছেন, তিনজন সাংসদ বাদে বাকি ১৭ জন বিজেপিতে যোগ দেবেন শীঘ্রই। এই দাবির কথা শুনেই নস্যাৎ করে দিলেন শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর দাবি, দল এমন কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি। তৃণমূল থেকে ভবিষ্যতেও কেউ বিজেপিতে যোগ দেবে না বলে জানিয়ে দিলেন তিনি।



ঋতব্রত বন্দ্য়োপাধ্যায় বললেন, "মমতা বন্দোপাধ্যায় এবার বিধানসভায় জিততে পারেননি। তিনি নিজের বুথে, পাড়ায় হেরেছেন। আমরা তাই বলেছিলাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রার্থী হোক। আমরা চাই উনি জিতে আসুন। উনি অবশ্য প্রার্থী দিয়ে দিলেন। নন্দীগ্রামে সঞ্চিতা দেবীকে ওনারা করলেন।" এদিকে, রেজিনগরে কালীঘাট তৃণমূলের প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরী। 


'আমাদের প্রতীক ঘাসের উপর জোড়াফুল', প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করল ঋত-শিবির
ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা

উপনির্বাচনের নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে সোমবার জাতীয় কর্মসমিতি নিয়ে বৈঠক করে ঋত-তৃণমূল শিবির।


রেজিনগরে ঋত শিবিরের তৃণমূল প্রার্থী সফিউজ্জামান শেখ

লিপস্টিক কাকিমা বলতেই নতুন নাম পেলেন কুণাল! কী নাম দিলেন ঋতব্রতরা?
Sajal Ghosh: 'তাঁকে আমি চাই না... আমার ভালো লাগবে না', অকপটে বলে দিলেন সজল ঘোষ
নন্দীগ্রামের প্রার্থী মহম্মদ এতেসামুল হক।


সাংবাদিক বৈঠকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ১৬ তারিখ মনোনয়ন জমা দেওয়া হবে। তাঁর কথায়, “কমিশনের কাছে আমাদের নথি ও তথ্য জমা দেওয়া হয়েছে। আমরা উতলা নই। আমাদের দেশের সংবিধান গভীরে আছে।” উল্লেখ্য, নন্দীগ্রামে কালীঘাট তৃণমূল প্রার্থী করেছে একেবারেই নতুন মুখকে। সঞ্চিতা প্রধান দে-কে প্রার্থী করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই লড়বেন বলে রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন শুরু হয়েছিল, সেখানে দাঁড়িয়ে রবিবার রাতেই কালীঘাট তৃণমূলের এই ঘোষণা বড় চমকের।

সে প্রসঙ্গে এদিন ঋতব্রত বন্দ্য়োপাধ্যায় বললেন, “মমতা বন্দোপাধ্যায় এবার বিধানসভায় জিততে পারেননি। তিনি নিজের বুথে, পাড়ায় হেরেছেন। আমরা তাই বলেছিলাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রার্থী হোক। আমরা চাই উনি জিতে আসুন। উনি অবশ্য প্রার্থী দিয়ে দিলেন। নন্দীগ্রামে সঞ্চিতা দেবীকে ওনারা করলেন।” এদিকে, রেজিনগরে কালীঘাট তৃণমূলের প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরী।

তবে প্রতীক বিতর্কের এখনও কোনও ফয়সলা হয়নি। বিষয়টি ঝুলে রয়েছে নির্বাচন কমিশনেই। জোড়া ফুলের দাবিদার ঋতশিবির। এদিকে, নিজের অধিকারের সমস্ত দাবিদাওয়া জানিয়ে কমিশনে নথি জমা দিয়েছে কালীঘাট তৃণমূলও। ১৬ তারিখ কালীঘাট তৃণমূলকে ডেকেছে কমিশন। ডাক পায়নি ঋতশিবির। সেক্ষেত্রে আত্মবিশ্বাসী ঋতব্রত বললেন, “আমাদের প্রতীক হবে ঘাসের উপর জোড়াফুল।”

কার হাতে প্রতীক যাবে, সে বিষয়ে কোনও স্থগিতাদেশ জারি করেনি কমিশন। এর মাঝেই দুই শিবির থেকেই প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে দেওয়ায় রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়ছে।



 ২০ সাংসদের সদস্যপদ খারিজের আর্জি জানিয়ে ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে তৃণমূল। কাকলি-সুদীপদের নোটিসও দিয়েছে শীর্ষ আদালত। এবার কালীঘাট-তৃণমূলের প্রশ্ন, ঋতব্রতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না কেন? তাঁদের সদস্যপদ খারিজের আবেদন সুপ্রিম কোর্টে।


কালীঘাট-ঋতব্রত সংঘাতে নয়া মোড়। নির্বাচন কমিশনে লড়াই জারি আছে এখনও। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় (Ritabrata Banerjee)- দুই শিবিরের কাছে আরও কিছু তথ্য চাওয়া হয়েছে। এই টানাপোড়েনের মধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হল তৃণমূল কংগ্রেস (কালীঘাটপন্থী)। সোমবারই স্পেশাল লিভ পিটিশন ফাইল করা হয়েছে বলে জানালেন দলের সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায়।


প্রথমে ১০ জন, বাকিদের অক্সিজেন দিচ্ছি: কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়
সোমবার দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, এদিনই স্পেশাল লিভ পিটিশন ফাইল করা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। তিনি বলেন, “শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় আবেদন করেছেন। ঠিক যেমন সাংসদদের বিরুদ্ধে করা হয়েছিল, সেরকমই আবেদন করা হয়েছে।” উল্লেখ্য, ঋতব্রতপন্থী বিধায়কদের সদস্যপদ খারিজের আবেদন জানিয়ে বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসুকে চিঠি দিয়েছিল কালীঘাট-শিবির। সেই চিঠির প্রেক্ষিতে কেন এখনও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হল না, সেই ক্ষেত্রে স্পিকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে তৃণমূল।

বাংলায় কবে চালু হচ্ছে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, দিনক্ষণ বলে দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
কল্যাণ আরও বলেন, “প্রথমে ১০ জনের নাম দেওয়া হয়েছে। বাকিদের একটু অক্সিজেন দিচ্ছি। ফিরতে চাইলে ফিরে আসুন। না ফিরলে পুরো রাজনৈতিক কেরিয়ার নষ্ট হয়ে যাবে।”


কোন ১০ জনকে প্রথমে বাছল তৃণমূল?
তালিকায় প্রথম নাম ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়াও নাম রয়েছে, অরূপ রায়, ফিরহাদ হাকিম, সন্দীপন সাহা, আখরুজ্জামান, শিউলি সাহা, সাবিনা ইয়াসমিন, বিপ্লব মিত্র, জাভেদ খান ও রথীন ঘোষের।

কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের কথা অনুযায়ী, বাকিদের কিছুটা সময় দিতে চাইছে মমতাপন্থী তৃণমূল। তাঁদের বক্তব্য, অনেকেই বাধ্য হয়ে ঋত-শিবিরে নাম লিখিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে তাঁদের কালীঘাটে ফেরার রাস্তা খোলা রাখা হচ্ছে তাঁদের তরফে।

মামলাটির সম্পর্কে ওয়াকিবহাল না হলেও, এই মামলার কথা শুনে ঋত-শিবিরের বিধায়ক মদন মিত্র বললেন, “যা বুঝতে পারছি, তাতে রাজনীতি ছেড়ে দিতে হবে। রাজনীতি করা সম্ভব হবে না। প্রতিদিন কথার পরিবর্তন করলে, মানুষ বুঝবে আমরা সুযোগসন্ধানী অথবা পাগল।”

এর আগে ২০ জন সাংসদের ক্ষেত্রে প্রত্যেকের সদস্যপদ খারিজ করার জন্য পৃথকভাবে স্পিকারকে চিঠি দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়। পরে তাঁদের সদস্যপদ খারিজ করতে আইনি লড়াইও শুরু করেছে তৃণমূল কংগ্রেস।