WEATHER

Top News


‘চোর চোর’ স্লোগানকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত পাথরপ্রতিমার রামগঙ্গা। বিডিও অফিসে যাওয়ার পথে দুই তৃণমূল কর্মাধ্যক্ষকে ঘিরে বিক্ষোভ ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় আহত হয়েছেন পাথরপ্রতিমা পঞ্চায়েত সমিতির দুই কর্মাধ্যক্ষ বিবেক পোদ্দার ও শশাঙ্ক হালদার। তাঁদের গাড়িচালক সুবিনয় পট্টনায়ককেও মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ।

জানা গিয়েছে, রামগঙ্গা এলাকায় তাঁদের গাড়ি পৌঁছতেই ‘চোর চোর’ স্লোগান দেওয়া হয়। এরপরই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং হামলার অভিযোগ ওঠে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে।
গাড়িচালক সুবিনয়ের পরিবারের দাবি, তিনি শুধুমাত্র গাড়ি চালানোর দায়িত্বে ছিলেন। তাঁকেও মারধর করা হয়েছে। ঘটনায় ছেলের উপর হামলার বিচার চেয়ে প্রশাসনের কাছে আবেদন জানিয়েছেন তাঁর বাবা-মা।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। তৃণমূলের অভিযোগের তির বিজেপির দিকে থাকলেও বিজেপি তা অস্বীকার করেছে। এদিকে ঘটনার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়েছে। তবে ভিডিওটির সত্যতা আমাদের চ্যানেল যাচাই করেনি।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৭৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ‘সেবা সপ্তাহ’ কর্মসূচিকে সামনে রেখে বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। সেই কর্মসূচিরই অংশ হিসেবে নামখানার দ্বারিকনগর গ্রামীণ হাসপাতালে বিশেষ উদ্যোগ নিল ভারতীয় জনতা যুব মোর্চা।


সাগর বিধানসভার বিধায়ক সুমন্ত মণ্ডলের অনুপ্রেরণায় এবং ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার উদ্যোগে দ্বারিকনগর গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগী ও গর্ভবতী মহিলাদের হাতে ফল ও বিভিন্ন উপহার সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন গর্ভবতী মহিলা ও রোগীর মধ্যে এই সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের সঙ্গে দেখা করে তাঁদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি তাঁদের হাতে ফল ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী তুলে দেন আয়োজকরা। এই উদ্যোগের মাধ্যমে অসহায় ও চিকিৎসাধীন মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং মানবিকতার বার্তাও তুলে ধরা হয়।
আয়োজকদের বক্তব্য, মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সমাজের পিছিয়ে পড়া ও অসহায় মানুষের জন্য বিভিন্ন ধরনের জনকল্যাণমূলক কাজ করাই এই ধরনের কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য। আগামী দিনেও ‘সেবা সপ্তাহ’-এর পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তাঁরা।


শিশু ও মায়ের সুস্থ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে সাগরে অনুষ্ঠিত হলো ‘অঙ্গনওয়াড়ি মিলন সংকল্প অভিযান ২০২৬’। পুষ্টি, স্বাস্থ্য, সচেতনতা ও সুরক্ষিত ভবিষ্যতের বার্তা নিয়ে শনিবার সাগরের বামনখালী বহুমুখী ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রে এই বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

মুরিগঙ্গা-২ অঞ্চলের সমস্ত অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কর্মী ও সহায়িকাদের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাগর বিধানসভার কনভেনার সোমনাথ ভুঁইয়া, মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার সদস্য অরুনাভ দাস, মণ্ডল-১-এর সভাপতি চিন্ময় সাউ-সহ একাধিক নেতৃত্ব। পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় এলাকার মা-বোনেরা এবং অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কর্মী ও সহায়িকারা।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রতীকী মূর্তিতে মাল্যদান ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর উদ্বোধনী সংগীত পরিবেশিত হয়। অনুষ্ঠানে শিশুদের আবৃত্তি, নৃত্য-সহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা দর্শকদের নজর কাড়ে।

কর্মসূচিতে শিশু, গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়েদের পুষ্টি, স্বাস্থ্যবিধি এবং সুষম খাদ্যের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে জীবনের প্রথম কয়েক বছর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় নিয়মিত স্বাস্থ্যপরীক্ষা, পুষ্টিকর খাবার এবং সঠিক পরিচর্যার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে সচেতন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সুস্থ মা ও সুস্থ শিশুই একটি সুস্থ সমাজের ভিত্তি। তাই পরিবারস্তর থেকেই পুষ্টি ও স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তোলার প্রয়োজন রয়েছে।

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের উদ্যোগে তৈরি পুষ্টিকর খাবার ও স্বাস্থ্যসচেতনতা বিষয়ক স্টল। সেখানে বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজি, ফল ও ভেষজ উপাদান প্রদর্শন করা হয়। সহজলভ্য উপকরণ দিয়ে কীভাবে পুষ্টিকর খাবার তৈরি করা যায়, সেই বিষয়েও উপস্থিতদের সচেতন করা হয়।

সব মিলিয়ে, বামনখালীতে আয়োজিত এই কর্মসূচির মধ্য দিয়ে শিশু ও মায়ের স্বাস্থ্য, পুষ্টি এবং সচেতনতার পাশাপাশি একটি সুস্থ ও সুরক্ষিত ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার বার্তা উঠে আসে।
পানিহাটি স্পোর্টিং খেলার মাঠে আয়োজিত হয় এই ফুটবল টুর্নামেন্ট। এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করতে আসেন রাজ্য সম্পাদক শমীক ভট্টাচার্য। উপস্থিত ছিলেন পানিহাটির বিধায়ক রত্না দেবনাথ সহ বিজেপির একাধিক কর্মী নেতৃত্বরা। 


MLA-কে পাত্তাই দেওয়া হচ্ছে না...', পানিহাটিতেই 'অপমানিত' রত্না দেবনাথ, অভিযোগ স্বামীর
কী অভিযোগ রত্না দেবনাথের স্বামীর?

বিধায়িকাকে সম্মান দেওয়া হচ্ছে না! অভিযোগ তুললেন খোদ বিধায়িকার স্বামীই। পানিহাটিতে রাজ্যস্তরের ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনে এসে অপমানিত হওয়ার অভিযোগ তুললেন বিধায়িকা রত্না দেবনাথের স্বামী শেখর দেবনাথ। ক্ষোভ উগড়ে দিলেন সংবাদমাধ্যমের সামনে। তবে মুখ খুলতে নারাজ পানিহাটির বিধায়িকা রত্না দেবনাথ।


কী হয়েছিল?
কলকাতা উত্তর শহরতলী ক্রীড়া বিভাগের আয়োজিত তিন দিন ব্যাপী পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য স্তরের ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু হয়েছে। পানিহাটি স্পোর্টিং খেলার মাঠে আয়োজিত হয় এই ফুটবল টুর্নামেন্ট। এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করতে আসেন রাজ্য সম্পাদক শমীক ভট্টাচার্য। উপস্থিত ছিলেন পানিহাটির বিধায়ক রত্না দেবনাথ সহ বিজেপির একাধিক কর্মী নেতৃত্বরা।


 'ভোটের আগে বলেননি কেন অন্নপূর্ণা যোজনা সবাই পাবে না?', 'লক্ষ্মীর ভাণ্ডার' সকলে পেতেন মনে করালেন মমতা
এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধনে এসে রত্না দেবনাথের স্বামী, শেখর দেবনাথ একরাশ ক্ষোভ উগরে দেন। তিনি বলেন, “পানিহাটির বিধায়ককে অপমানিত করা হচ্ছে। এমএলএ রীতিমতো অপমানিত। তাঁকে পাত্তাই দেওয়া হচ্ছে না। তারা এখানে নিজেদের ইচ্ছামতো প্রোগ্রাম করছে।”


যদিও বা এই বিষয় নিয়ে মুখ খুলতে চাননি বিধায়ক রত্না দেবনাথ। তিনি নিজের দলের নেতৃত্বের কাছে অপমানিত হয়েছেন কি না, এই প্রশ্নের উত্তরে শুধু বলেন, “না, অপমানিত হইনি। এই বিষয়ে আমি কথা বলতে চাই না”। অন্যদিকে, বিজেপির কেউ এই বিষয়ে মন্তব্য করতে নারাজ। তবে কি বিধায়িকার স্বামীর অভিযোগই ভুল?




আগে রাষ্ট্রসঙ্ঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে ভারতের পক্ষ থেকে পাকিস্তানকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করা হয়। ভারতীয় কূটনীতিক ক্ষিতিজ ত্যাগী বলেছিলেন যে, পাকিস্তানের কেবলমাত্র অন্যের দেশে নজর না দিয়ে, সন্ত্রাসবাদ রফতানি না করে, নিজেদের দেশের আভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক সঙ্কটের দিকে নজর দেওয়া।


পাকিস্তানি সাংবাদিক প্রশ্ন করতে চুপ করিয়ে দিয়েই ঘর ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন জয়শঙ্কর
পাক সাংবাদিককে জবাব বিদেশমন্ত্রীর

সন্ত্রাস নিয়ে পাকিস্তানকে বারবার কড়া জবাব দিয়েছে ভারত। পাকিস্তানের জঙ্গি কার্যকলাপে মদত দেওয়ার বিষয়টা যে ভারত কোনোভাবেই বরদাস্ত করে না, তা সরাসরি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে আন্তর্জাতিক মঞ্চে। আর এবার পাকিস্তানি সাংবাদিকের (Pakistani Journalist) প্রশ্নে কড়া জবাব দিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)।


রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ পরিষদের (UNGA) ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে সাংবাদিক বৈঠক চলাকালীন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর কার্যত কড়া জবাবে চুপ করিয়ে দেন জয়শঙ্কর। শুধু তাই নয়, সাংবাদিককে জবাব দিয়েই ঘর ছেড়ে বেরিয়ে যান তিনি।


সোহিনী জীবনে কী করেছে?' নন্দিনীর কটাক্ষে এবার মুখ খুললেন তাপস পালের স্ত্রী, কী বললেন আরেক নন্দিনী?
রাষ্ট্রসঙ্ঘের সদর দফতরে চলছিল ওই সাংবাদিক বৈঠক। সেখানেই ওই পাক সাংবাদিক জয়শঙ্করকে প্রশ্ন করেছিলেন, ‘ভারত কবে পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদে মদত দেওয়া বন্ধ করবে?’ এই প্রশ্ন শেষ হতে না হতেই বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলে ওঠেন “একটি সন্ত্রাসী দেশ আমাকে এই প্রশ্ন করছে?” এক লাইনের এই জবাবই সাংবাদিককে থামিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট ছিল। জবাব দেওয়ার পরই মন্ত্রী এবং অন্যান্য ভারতীয় প্রতিনিধিরা চেয়ার ছেড়ে ঘর থেকে বেরিয়ে যান, আর ওই সাংবাদিক তখনও কথা বলে চলছিলেন।


এর আগে রাষ্ট্রসঙ্ঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে ভারতের পক্ষ থেকে পাকিস্তানকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করা হয়। ভারতীয় কূটনীতিক ক্ষিতিজ ত্যাগী বলেছিলেন যে, পাকিস্তানের কেবলমাত্র অন্যের দেশে নজর না দিয়ে, সন্ত্রাসবাদ রফতানি না করে, নিজেদের দেশের আভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক সঙ্কটের দিকে নজর দেওয়া।



আগামী ২ এবং ৩ অক্টোবর মাইনোরিটি সিটিজেনস ফোরামের ব্যানারে ধনধান্য অডিটোরিয়ামে বিশেষ আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে রাষ্ট্রবাদী ভাবনায় থাকা সংখ্যালঘুদের আমন্ত্রণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শাখা বৃদ্ধি এবং সাংগঠনিক কাজকর্ম আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।


লক্ষ্য ১০,০০০, বাংলায় বড় ভাবনা আরএসএসের, বর্ধমানে আসছেন ভাগবত
মোহন ভাগবত

 রাজ্যে পালাবদলের পরই রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সাংগঠনিক কাঠামোয় বদল। শাখা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিল সঙ্ঘ। রাজ্যকে সাংগঠনিক পাঁচটি প্রদেশে ভাগ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিজেপি যখন নিজেদের সংগঠন বৃদ্ধিতে জোর দিয়েছে, তখন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘও (RSS) রাজ্যে নিজেদের সংগঠনে পা থেকে মাথা পর্যন্ত বদল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।


৫ হাজার থেকে শাখা বেড়ে ১০ হাজার
আগামী ৮ অক্টোবর আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত আসছেন রাজ্যে। বর্ধমানে যাওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। আরএসএস সূত্রে খবর, সাংগঠনিক নির্বাচন নিয়ে এই সফরে সময় যেমন আলোচনা হবে, তেমনই রাজ্য সংগঠন বৃদ্ধির বিষয়েও যে একাধিক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে, সেই বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। বর্তমানে রাজ্যে রাজ্যে ৫ হাজার শাখা রয়েছে আরএসএসের। ১০ অক্টোবরের মধ্যে এই শাখার সংখ্যা ১০ হাজার করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।

ভোটের আগে বলেননি কেন অন্নপূর্ণা যোজনা সবাই পাবে না?', 'লক্ষ্মীর ভাণ্ডার' সকলে পেতেন মনে করালেন মমতা

এই ৫ বীজ রোজ খেলে ১০ দিনেই নতুন চুলে ভরে যাবে মাথা! বিশ্বাস না হলে খেয়েই দেখুন
পাঁচ সম্ভাগ থাকবে রাজ্যে
রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সংগঠনের কাজকর্ম চালাতে পশ্চিমবঙ্গকে তিনটি ভাগে ভাগ করা রয়েছে বর্তমানে, যাকে মূলত বলা হয় ‘প্রান্ত’। সংগঠন বৃদ্ধির কাজের জন্য এবং রাজ্যে প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করার জন্য এবার তা বদল করা হচ্ছে বলেও আরএসএস সূত্রের খবর। এবার থেকে আর প্রান্ত থাকবে না, পশ্চিমবঙ্গকে নিজেদের সাংগঠনিক কাজ পরিচালনার জন্য মোট পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হচ্ছে, যাকে বলা হচ্ছে ‘সম্ভাগ’। মোট পাঁচটি সম্ভাগ তৈরি করা হবে। একটি সম্ভাগে পাঁচটি করে জেলা থাকবে।


উত্তরবঙ্গ, বর্ধমান, নবদ্বীপ, মেদিনীপুর এবং কলকাতা- মোট পাঁচটি সম্ভাগ থাকবে। গোটা দেশে বর্তমানে ৪৪টি প্রান্ত রয়েছে, যা সম্পূর্ণ সাংগঠনিক বদল হয়ে ১১০টি সম্ভাগে ভাগ হতে চলেছে। এছাড়াও, আগামী ২ এবং ৩ অক্টোবর মাইনোরিটি সিটিজেনস ফোরামের ব্যানারে ধনধান্য অডিটোরিয়ামে বিশেষ আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে রাষ্ট্রবাদী ভাবনায় থাকা সংখ্যালঘুদের আমন্ত্রণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শাখা বৃদ্ধি এবং সাংগঠনিক কাজকর্ম আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।




 সম্প্রতি কলকাতার মুকুন্দপুরে মমতা তৃণমূলের মিছিলে আক্রমণের অভিযোগ ওঠে। আহত হন কর্মীরা। গুরুতর আহত হন প্রাক্তন বিধায়ক হুমায়ুন কবীরও। বিজেপি মারধর করেছে বলে অভিযোগ ওঠে। ঘটনার পরের দিন সেই খবর প্রকাশ হয় সিপিএমের মুখপত্র গণশক্তিতে।


বেনজির সখ্য! ইতিহাস পিছনে রেখে সিপিএমের সঙ্গে কথা মমতার
বেবির সঙ্গে কথা মমতার

মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের রাজনৈতিক তাৎপর্য হিসেবে সবথেকে বেশি আলোচিত হয় বাম-বিরোধী লড়াইয়ের কথা। ৩৪ বছরের বাম দুর্গের পতন ঘটানো নেত্রী হিসেবে ভারতীয় রাজনীতিতে বিশেষ পরিচিত রয়েছে মমতার। রাস্তায় নেমে, অনশন করেই হোক বা সংসদীয় রাজনীতিতেই হোক, সিপিএমকে সরাতে মমতা যে লড়াই লড়েছিলেন, তা বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে লেখা থাকবে। তবে, বিজেপি বিরোধিতায় মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় যদি সিপিএমের সঙ্গে পংক্তিতে দাঁড়ান, তাহলে তা নতুন ইতিহাস তৈরি করবে, এ কথা বলাই যায়। সেই পথেই কি এগোচ্ছেন মমতা?


আপাতত রাজ্যে না হলেও, জাতীয় রাজনীতিতে সিপিএমের সঙ্গে বেনজির সান্নিধ্যে এলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবির সঙ্গে ফোনে কথা বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তাই নয়, আগামী সপ্তাহে দিল্লিতে ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক হোক, চান মমতা। এই বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়ার আবেদন জানিয়ে ফোনে কথা বলেছেন রাহুল গান্ধীর সঙ্গেও।


MLA-কে পাত্তাই দেওয়া হচ্ছে না...', পানিহাটিতেই 'অপমানিত' রত্না দেবনাথ, অভিযোগ স্বামীর
'সন্ত্রাসবাদ চালালে ফল ভুগতেই হবে', 'মিথ্যাবাদী' পাকিস্তানকে ধুয়ে দিল ভারত 
চিঠি চালাচালিও হয়েছে বেবি-মমতার
ইংরেজি দৈনিকে কমিশন সংক্রান্ত খবর প্রকাশের দিনই রাহুল গান্ধী, অখিলেশ যাদব, উদ্ধব ঠাকরে সহ একাধিক বিরোধী নেতার সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। জ্ঞানেশ কুমার বিতর্ক নিয়ে দেশের সব বিরোধী নেতাদের পাশাপাশি মমতাকে আগেই চিঠি লিখেছিলেন এম এ বেবি। সিপিএম সাধারণ সম্পাদকের চিঠির জবাবে পাল্টা চিঠিও দিয়েছেন মমতা।


বেবির সঙ্গে কথা হয়েছিল অভিষেকের
পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় থাকাকালীন ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে সিপিএমের সঙ্গে এক টেবিলে বৈঠকে বসলেও কোনোদিন সিপিএমের সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে আলাদা করে কথা বলেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্যে একজোট হওয়া তো দূর অস্ত।

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের আগে দিল্লিতে রাহুল গান্ধীর বাসভবনে সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবির সঙ্গে আলাদা করে কিছুক্ষণ আলাপচারিতা করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, সেই সময় এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বেবি এবং অভিষেকের কথাও হয়েছিল। সূত্রের খবর, ইন্ডিয়া জোটের বাইরে থাকা রাজনৈতিক দল- আপ (AAP), ডিএমকে (DMK), বিজেডি (BJD)-র মতো দলগুলিকেও কমিশন ইস্যুতে পাশে টানার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন বেবি এবং মমতা।

গণশক্তিতে ছাপা হয়েছিল মমতা-তৃণমূল আক্রান্ত হওয়ার খবর
সম্প্রতি কলকাতার মুকুন্দপুরে মমতা তৃণমূলের মিছিলে আক্রমণের অভিযোগ ওঠে। আহত হন কর্মীরা। গুরুতর আহত হন প্রাক্তন বিধায়ক হুমায়ুন কবীরও। বিজেপি মারধর করেছে বলে অভিযোগ ওঠে। ঘটনার পরের দিন সেই খবর প্রকাশ হয় সিপিএমের মুখপত্র গণশক্তিতে।




ভারত গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশকে ৪২-২১, ইরানকে ৩৭-২৩, জাপানকে ৫০-২৫ ব্যবধানে হারানোর পর সেমিফাইনালে নেপালকে উড়িয়ে দিয়ে বার্তা দিয়েছিল। সেই কথাই রাখল ফাইনালে ইরানকেও ধরাশায়ী করে। এর ফলে ক্রিকেট, শ্যুটিংয়ের মিক্সড ডাবলসের পরে আবার কবাডিতে সোনা পেল ভারত।


অপ্রতিরোধ্য মেয়েদের কবাডি দল, ইরানকে হারিয়ে এশিয়ান গেমসে ৩য় সোনা পেল ভারত
ভারতীয় মহিলা কবাডি দল

এশিয়ান গেমসে আবার সেরার শিখরে ভারত। এবার কবাডিতে। মহিলাদের কবাডিতে ইরানকে ফাইনালে ৩৭-৩৪ ফলে হারাল ভারত। এটি এশিয়ান গেমসে ভারতের তৃতীয় সোনা। যদিও, এশিয়ান গেমসে মহিলা কবাডি দলের এটি ৪ নম্বর পদক। ২০১০ সালে এই ইভেন্ট চালু হওয়ার পর ভারত ২০১০, ২০১৪, ২০২২ সালে সোনা জিতেছিল। ২০১৮ সালে জাকার্তা এশিয়ান গেমসে ইরানের কাছে ফাইনালে হেরে রানার্স হয়েছিল ভারত।


যদিও, গ্ৰুপ পর্বে বাংলাদেশ, ইরান, জাপানকে হারায় ভারত। সেমিফাইনালে নেপালকে ৪৮-২৪ ব্যবধানে পরাজিত করে ভারত ফাইনালে পৌঁছায়। এর ফলে, টুর্নামেন্টে অপরাজিত থেকে সোনা জিতল ভারত। ফাইনালেও প্রথমার্ধে এগিয়েই ছিল টিম ইন্ডিয়া। ৬ পয়েন্টের পার্থক্য ছিল দুই দলের মধ্যে। ২২-১৬ ফলে টিম ইন্ডিয়া জিতছিল। প্রথমার্ধে এমনকি ভারতের কাছে অল-আউটও হয়ে যায় ইরান। তবে বিরতির পর মরিয়া চেষ্টা চালানো শুরু করে ইরান। ভারত ২৭-২২ ব্যবধানে এগিয়ে থাকার সময় ইরানের আতেনা মাদাদি একটি ৪ পয়েন্টের রেড করে ব্যবধান কমিয়ে ২৭-২৬ স্কোর করেন। গোটা ম্যাচে এই প্রথমবার এগিয়ে যাওয়ার একটা সুযোগ পায় ইরান। এরপর থেকেই ভারত ডিফেন্স শক্তিশালী করে ও ইরানের ম্যাচে ফেরার রাস্তা রুখে দেয়। শেষ পর্যন্ত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে ৩৭-৩৪ ব্যবধানে ম্যাচ জেতে টিম ইন্ডিয়া।


সোহিনী জীবনে কী করেছে?' নন্দিনীর কটাক্ষে এবার মুখ খুললেন তাপস পালের স্ত্রী, কী বললেন আরেক নন্দিনী?
ম্যাচের শেষদিকে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করেছিল ইরান। একবার অল-আউটও হয়ে যায় ভারত। যদিও পুষ্পা রানা ভাল খেলেছেন আজ। যদিও ভারত বাংলাদেশকে ৪২-২১, ইরানকে ৩৭-২৩, জাপানকে ৫০-২৫ ব্যবধানে হারানোর পর সেমিফাইনালে নেপালকে উড়িয়ে দিয়ে বার্তা দিয়েছিল। সেই কথাই রাখল ফাইনালে ইরানকে উড়িয়ে দিয়ে।


বর্তমান পয়েন্ট তালিকায় সেরা ৫ –



তবে ভোটারদের ভিআইপি হিসাবে চিহ্নিত করার নিয়ম নির্বাচন কমিশনের (ECI)-এর ম্যানুয়ালে ২০১৮ সাল থেকেই রয়েছে। নতুন বিষয় হল, এবার এই ভিআইপি ট্যাগ সরাসরি বিএলও (BLO)-দের ব্যবহৃত ডিজিটাল অ্যাপের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। ফলে বুথ পর্যায়ে ভোটার তালিকা তৈরির কাজের প্রক্রিয়ায় এই ভিআইপি-দের চিহ্নিত করা যাবে। 


এসআইআর নিয়ে বিতর্ক যেন থামতেই চাইছে না। পশ্চিমবঙ্গের পালা মিটেছে। এখন রাজধানীতে চলছে এসআইআর। সেখানেই এমন সব ব্য়ক্তির নাম বাদ পড়েছে বা নোটিস পাঠানো হয়েছে, যাদের নাম শুনলে তাজ্জব হবেন। দিল্লির প্রাক্তন ও বর্তমান- দুই মুখ্যমন্ত্রীরই নাম বাদ। এসআইআরের নোটিস পাঠানো হয়েছে দেশের প্রাক্তন উপ-প্রধানমন্ত্রী তথা প্রবীণ বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আদবাণীকে। বাদের তালিকায় রয়েছে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর থেকে বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রির নাম। এমনকী নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধুর নামও বাদ পড়েছে। এই বিতর্কের আবহেই নতুন ফিচার চালু করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন- মার্ক ভিআইপি (Mark VIP)। কী কাজ হবে এই ফিচার বা অপশনে?


নাম পড়েই বোঝা যাচ্ছে যে এটি ভিআইপি-দের চিহ্নিত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। হিন্দুস্তান টাইমসের রিপোর্ট অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশন বুথ লেভেল অফিসারদের (BLO) ব্যবহৃত বিশেষ মোবাইল অ্যাপে মার্ক ভিআইপি নামে একটি নতুন ফিচার চালু করা হয়েছে। গত ৩১ জুলাই অ্যাপেল অ্যাপ স্টোরে এই ডিজিটাল আপডেটটি দেখা গিয়েছে। সেখানে এর ডিটেইলসে লেখা—মার্ক ভিআইপি ইলেকটর রিলেটেড চেঞ্জ (mark VIP elector related changes)। রিপোর্ট অনুযায়ী, ফিচারটি ৩০ জুলাই থেকেই চালু হয়ে গিয়েছে।


ভোটের আগে বলেননি কেন অন্নপূর্ণা যোজনা সবাই পাবে না?', 'লক্ষ্মীর ভাণ্ডার' সকলে পেতেন মনে করালেন মমতা
দিল্লির চিফ ইলেক্টোরাল অফিসার (CEO)-এর দফতরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ সরাসরি এই সফটওয়্যারে কোনও পরিবর্তন করতে পারবে না।


‘Mark VIP’ ফিচারটি কী কাজ করবে?
‘মার্ক ভিআইপি’ মূলত ভোটারদের ভিআইপি (VIP) হিসেবে চিহ্নিত করা এবং তাঁদের সংক্রান্ত কাজের অগ্রগতি ডিজিটালভাবে ট্র্যাক করার জন্য একটি ব্যবস্থা। বিএলও (BLO)-রা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের তথ্য যাচাই করার সময় কোনও ভোটারকে ভিআইপি হিসাবে চিহ্নিত করতে পারবেন। এরপর ওই ভোটারের প্রোফাইলে একটি তারকা (*) চিহ্ন দেখা যাবে।

এটি কেন ব্যবহার করা হচ্ছে?
বিশিষ্ট ব্যক্তিদের চিহ্নিতকরণ (Digital Flagging): সাংসদ, বিধায়ক, সাংবিধানিক বা বিচারবিভাগের উচ্চপদস্থ কর্তা, প্রবীণ আমলা, বিখ্যাত ক্রীড়াবিদ, শিল্পী বা সাংবাদিক ভোটারদের ভোটার তালিকায় বিশেষ চিহ্ন (asterisk/তারকাচিহ্ন) দিয়ে ট্যাগ করা হবে।

এই ফ্ল্যাগিংয়ের মাধ্যমে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নাম ড্রাফট ভোটার তালিকা থেকে যাতে দুর্ঘটনাবশত বাদ না পড়ে, তা নিশ্চিত করতেই এই ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এতে প্রশাসনিক কাজে সুবিধা হবে। ভিআইপি-দের তথ্য যাচাইয়ের সুবিধায় যাতে বিশেষ প্রশাসনিক নজরদারি থাকে, নথিপত্র যাচাই বা সংশোধন প্রক্রিয়ায় তাঁদের সরাসরি শুনানি কেন্দ্রে এসে লাইনে দাঁড়াতে না হয়, তার জন্যই এই ব্যবস্থা।

একাধিক স্তরে যাচাই-
কোনও ভোটারকে ভিআইপি হিসাবে চিহ্নিত করার পর সেই সুপারিশ ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের কাছে পাঠানো হবে। প্রথমে অ্যাসিস্ট্যান্ট ইলেকটোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার বা এইআরও (AERO) এবং ইলেকটোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার বা ইআরও (ERO) তা যাচাই করবেন। এরপর বিষয়টি যাবে দিল্লির মুখ্য নির্বাচন অফিসারের দফতরে।

খসড়া ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তি-
এই ট্যাগ করার ফলে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের খসড়া ভোটার তালিকায় যুক্ত করার প্রক্রিয়া সহজ হবে। সাংসদ, বিধায়ক, সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তি, বিচারপতি, সরকারি আধিকারিক এবং শিল্প, খেলাধুলা ও সাংবাদিকতার মতো ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থা কার্যকর হবে। তাঁরা এনুমারেশন ফর্ম পূরণ না করলেও তাঁদের খসড়া ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার ব্যবস্থা থাকবে।

শুনানি কেন্দ্রে যাওয়ার প্রয়োজন নেই-
ভিআইপি হিসাবে চিহ্নিত ভোটারদের ফর্ম দ্রুত প্রক্রিয়াকরণের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এর ফলে ভুল করে তাঁদের নাম বাদ পড়ার সম্ভাবনা কমবে। আবার কোনও অসঙ্গতি নিয়ে নোটিস বা আপত্তির বিষয় উঠলে, তাঁদের শারীরিকভাবে শুনানির কেন্দ্রে গিয়ে হাজির হতে হবে না। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া প্রশাসনিকভাবে সম্পন্ন করার ব্যবস্থা থাকবে।

তবে ভোটারদের ভিআইপি হিসাবে চিহ্নিত করার নিয়ম নির্বাচন কমিশনের (ECI)-এর ম্যানুয়ালে ২০১৮ সাল থেকেই রয়েছে। নতুন বিষয় হল, এবার এই ভিআইপি ট্যাগ সরাসরি বিএলও (BLO)-দের ব্যবহৃত ডিজিটাল অ্যাপের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। ফলে বুথ পর্যায়ে ভোটার তালিকা তৈরির কাজের প্রক্রিয়ায় এই ভিআইপি-দের চিহ্নিত করা যাবে।

তবে ভিআইপি হিসাবে চিহ্নিত হলেই কোনও ভোটার দাবি-আপত্তির প্রক্রিয়া থেকে পুরোপুরি ছাড় পেয়ে যাবেন—এমনটা নয়। নিয়ম অনুযায়ী, প্রয়োজন হলে তাঁদের তথ্য ও নথি যাচাই করা হতে পারে। মূলত এই ট্যাগের উদ্দেশ্য হল, প্রশাসনিক কাজ দ্রুত করা, প্রযুক্তিগত কারণে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া আটকানো এবং প্রয়োজনীয় নথি যাচাইয়ের প্রক্রিয়াকে সহজ করা।



 শনিবার ভোরে মেদিনীপুর সদর ব্লকের হাতিহলকা এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে। জানা গিয়েছে, গতকাল বিকেল থেকেই ঝামেলার সূত্রপাত। কোনও মিছিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। প্রাথমিকভাবে বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে মিটে গেলেও শনিবার ভোরে ফের নতুন করে ঝামেলা শুরু হয় বলে খবর।


বিজেপি কর্মীকে পিটিয়ে খুনের (BJP Worker Allegedly Beaten to Death) অভিযোগ উঠল মেদিনীপুরে। বাঁশ, লাঠি দিয়ে দফায় দফায় হামলা চালিয়ে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। সেই ঘটনার ভয়াবহ সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে এসেছে। মৃত বিজেপি নেতার নাম শামসের বিশ্বাস। আরও এক বিজেপি কর্মী জখম হয়েছেন বলে খবর। কে বা কারা হামলা চালিয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।


কী নিয়ে ঝামেলা?
শনিবার ভোরে মেদিনীপুর সদর ব্লকের হাতিহলকা এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে। জানা গিয়েছে, গতকাল বিকেল থেকেই ঝামেলার সূত্রপাত। কোনও মিছিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। প্রাথমিকভাবে বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে মিটে গেলেও শনিবার ভোরে ফের নতুন করে ঝামেলা শুরু হয় বলে খবর। সেখানেই ওই বিজেপি নেতাকে পিটিয়ে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার মুহূর্তের সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে এসেছে।


 'ভোটের আগে বলেননি কেন অন্নপূর্ণা যোজনা সবাই পাবে না?', 'লক্ষ্মীর ভাণ্ডার' সকলে পেতেন মনে করালেন মমতা
Samik Bhattacharya: তোলাবাজি করলেই গ্রেফতার করুন, বার্তা শমীকের
প্রকাশ্যে সিসিটিভি ফুটেজ
সিসিটিভিতে দেখা গিয়েছে, একদল দুষ্কৃতী বাঁশ, লাঠি নিয়ে দফায় দফায় হামলা চালাচ্ছে। এক বার নয়, একাধিকবার হামলা করা হয়। তাতেই ওই বিজেপি কর্মীর মৃত্য়ু হয়ে বলে অভিযোগ। আরও একজন বিজেপি কর্মী জখম হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি।


ঘটনার পর থেকেই উত্তপ্ত রয়েছে মেদিনীপুরের ওই এলাকা। সকালেই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ বাহিনী। তাঁরা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আঁটোসাঁটো করা হয়েছে নিরাপত্তা। ঘটনাস্থলে চলছে পুলিশি টহল। আপাতত থমথমে রয়েছে ওই এলাকা।

কারা হামলা চালিয়েছে, কী বলছে বিজেপি?
তবে, কে বা কারা হামলা চালিয়েছে, তা জানা যায়নি। বিজেপির জেলা সহ-সভাপতি অজয় জানার দাবি, ঘটনার নেপথ্যে রাজনৈতিক কোনও যোগ নেই। একদল দুষ্কৃতী হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এই বিষয়ে বলেন, “কে করছে, কি করছে তাঁদের নাম আমাদের কাছে আসছে। থানায় পাঠিয়েছি। তদন্ত হোক। এখন তো আর কোনও বিরোধী রাজনৈতিক দল নেই। তৃণমূলও নেই , সিপিএমও নেই। দুষ্কৃতীরাই হামলা চালিয়েছে।

অন্যদিকে, জেলা সভাপতি সৌমেন তিওয়ারির দাবি, যাঁরা গত ১৫ বছর ধরে এলাকায় গোলমাল পাকিয়ে নিজেদের আয়ত্তে রাখার চেষ্টা করেছিল, তারাই ফের এলাকা দখলের চেষ্টা করছে। তাই এই ধরনের গোলমাল হয়েছে। তবে, মৃত শামসের আদৌ বিজেপি করতেন কি না, সেই নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তিনি।



জানা গিয়েছে, জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ চেয়ে ফের একবার লোকসভায় স্পিকারের কাছে নোটিস পাঠাবে বিরোধীরা। এই বিতর্কে বিরোধী দলগুলির অবস্থান কী হবে, তাদের স্ট্র্যাটেজি কী-তা ঠিক করতেই ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক ডাকা হয়েছে। আগামী সপ্তাহেই এই বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা। 


আবার শক্তিশালী হচ্ছে ইন্ডিয়া জোট? জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ চেয়ে ফের একবার একজোট হচ্ছে ছন্নছাড়া বিরোধী জোট। ইতিমধ্যেই সিপিআইএমের সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবির সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এবার ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে যোগ দিতে দিল্লি যেতে পারেন মমতা। সঙ্গে যাবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। এমনটাই সূত্রের খবর।


সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, আগামী সপ্তাহে দিল্লিতে যেতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে জোট দেওয়ার জন্যই এই দিল্লি সফর। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে ইন্ডিয়া জোট বৈঠক হবে। বৈঠকে যোগ দেবেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও।


উত্তমকে চুমু খেতে ইচ্ছা করছে!', সুচিত্রা সেনের এমন ফোনে কী জবাব দিয়েছিলেন সুপ্রিয়া?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদন মেনেই আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর বৈঠকে বসতে চলেছে ইন্ডিয়া জোট। ২৯ সেপ্টেম্বর বসবে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক। তার পরদিনই বিরোধী জোটের বৈঠকে চূড়ান্ত হবে যৌথ কর্মসূচির রূপরেখা।


ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকের বিষয়বস্তু কী হবে?
এসআইআর বিতর্কের আবহে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ চাইছে বিরোধীরা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও ফেসবুক লাইভে এসে জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবি করেছেন। জানা গিয়েছে, জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ চেয়ে ফের একবার লোকসভায় স্পিকারের কাছে নোটিস পাঠাবে বিরোধীরা। এই বিতর্কে বিরোধী দলগুলির অবস্থান কী হবে, তাদের স্ট্র্যাটেজি কী-তা ঠিক করতেই ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক ডাকা হয়েছে। আগামী সপ্তাহেই এই বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা।

কারা কারা থাকবে?
যা শোনা যাচ্ছে, শুধুমাত্র ইন্ডিয়া জোটের শরিকরাই নয়, জোটে নেই কিন্তু বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলিও একত্রিত হতে পারে। সেক্ষেত্রে তামিলনাড়ুর শাসক দল টিভিকে-র নাম যেমন উঠে আসছে, তেমনই ককরোচ জনতা পার্টি রাজনৈতিক বৈঠকে যোগ দেবে কি না, তাও দেখার। অক্টোবরের শুরুতে এই বৈঠক হবে। সেই বৈঠকে যোগ দিতেই ৩০ সেপ্টেম্বর দিল্লি রওনা দেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

দিন কয়েক আগেই সিপিআইএমের সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবি প্রথমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লেখেন এবং তারপরে তাদের মধ্যে ফোনে কথা হয়। আগামী সপ্তাহে ইন্ডিয়া জোট এবং তার বাইরে থাকা শক্তিগুলোকে নিয়ে বৈঠক হবে।

এই বিষয় নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়ে মমতা পন্থী তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেন, “বৈঠকের চূড়ান্ত দিনক্ষণ স্থির হয়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দুদিন আগে এমএ বেবি চিঠি লিখেছেন, কথা বলেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে সম্মতি নিয়েছেন। আগামী সপ্তাহে বৈঠক করার কথা। রাহুল গান্ধীর সঙ্গেও কথা বলেছিলেন নেত্রী। অন্যান্য বিরোধীদের সঙ্গে কথা বলেছেন। এখনও মিটিংয়ের দিন চূড়ান্ত হয়নি। এই বৈঠকে কংগ্রেস উপস্থিত থাকবে।”



 কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার (ট্রাফিক) সূর্য প্রতাপ যাদব যাচ্ছেন রাজ্য IB-র DIG পদে। তাঁর জায়গায় ড.ভোলানাথ পাণ্ডে কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার (ট্রাফিক) হচ্ছেন। এছাড়া কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার (সিকিউরিটি) সুখেন্দু হীরা, বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের যুগ্ম কমিশনার দেবর্ষি দত্ত


পুরভোটের আগে রাজ্য পুলিশে বড় রদবদল, একসঙ্গে ২৩জন IPS-এর বদলি, দায়িত্ব বদল কলকাতার অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনারেরও
রাজ্য পুলিশে রদবদল



কলকাতা: ফের রাজ্য পুলিশে (West Bengal Police Reshuffle) রদবদল। পুরভোটের আগে একাধিক আইপিএস ও ডব্লিউবিপিএস পদমর্যাদার আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে। রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতরের তরফে এই সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে মোট ২৩ জন আইপিএস-কে বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তালিকায় রয়েছে কলকাতার অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ডি পি সিং। তাঁকে কলকাতা থেকে পাঠানো হয়েছে উত্তরবঙ্গের আইজি পদে। সেই জায়গায় কলকাতার নতুন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার হলেন সুধীর কুমার নীলকান্তম। STF-এর IGP পদে ছিলেন তিনি।


'সোহিনী জীবনে কী করেছে?' নন্দিনীর কটাক্ষে এবার মুখ খুললেন তাপস পালের স্ত্রী, কী বললেন আরেক নন্দিনী?
কোন কোন পদে কাদের বদলি করা হল?
কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার (ট্রাফিক) সূর্য প্রতাপ যাদব যাচ্ছেন রাজ্য IB-র DIG পদে। তাঁর জায়গায় ড.ভোলানাথ পাণ্ডে কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার (ট্রাফিক) হচ্ছেন। এছাড়া কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার (সিকিউরিটি) সুখেন্দু হীরা, বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের যুগ্ম কমিশনার দেবর্ষি দত্ত এবং কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার (ডিটেকটিভ ডিপার্টমেন্ট) পদে যাচ্ছেন স্পর্শা নীলাঙ্গি।


জেলা স্তরেও একাধিক রদবদল হয়েছে। দার্জিলিংয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপারেশনস) কৌস্তুভদীপ্ত আচার্য যাচ্ছেন আলিপুরদুয়ারের জয়গাঁয়। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে পাঠানো হচ্ছে। আলিপুরদুয়ারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) হচ্ছেন সলিমা লামা। এছাড়া, কালিম্পঙের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হচ্ছেন পূর্ণিমা শেরপা এবং মালদহ থেকে বীরভূমের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে যাচ্ছেন অভিষেক রায়। তাঁর সদর দফতর থাকবে বোলপুরে।

রদবদলের তালিকা

দেবেন্দ্র প্রকাশ সিং, IPS : বর্তমান পদ-অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার, নতুন পদ: IG, IB, উত্তরবঙ্গ

নীলু শেরপা (চক্রবর্তী), IPS: বর্তমান পদ- IGP, SCRB, নতুন পদ- IGP, WBPHIDCL

শঙ্খ শুভ্র চক্রবর্তী, IPS: বর্তমান পদ- IG, হোম গার্ড, নতুন পদ- IGP, SCRB, পশ্চিমবঙ্গ

সুধীর কুমার নীলকান্তম, IPS: বর্তমান পদ- IGP, STF, পশ্চিমবঙ্গ , নতুন পদ- অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (Addl. CP), কলকাতা

সুখেন্দু হীরা, IPS: বর্তমান পদ- DIG (সিকিউরিটি), পশ্চিমবঙ্গ, নতুন পদ: যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (সিকিউরিটি), কলকাতা

ড.ভোলানাথ পাণ্ডে, IPS: বর্তমান পদ- DIG, IB, পশ্চিমবঙ্গ, নতুন পদ- যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক), কলকাতা

সূর্য প্রতাপ যাদব, IPS : বর্তমান পদ- যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক), কলকাতা, নতুন পদ- DIG, IB, পশ্চিমবঙ্গ

দেবর্ষি দত্ত, IPS: বর্তমান পদ-DIG, WBPHIDCL, নতুন পদ- যুগ্ম পুলিশ কমিশনার, বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট

নিমা নরবু ভুটিয়া, IPS: বর্তমান পদ-CO, SAP 10th Bn, নতুন পদ- SS, CID, পশ্চিমবঙ্গ

ধৃতিমান সরকার, IPS: বর্তমান পদ- SS, IB, পশ্চিমবঙ্গ, নতুন পদ- SS, CID, মালদহ

ওয়াংডেন ভুটিয়া, IPS: বর্তমান পদ- CO, 2nd IR Bn, শিলিগুড়ি, পশ্চিমবঙ্গ, নতুন পদ- SS, CID, পশ্চিমবঙ্গ

ড. হোসেন মেহেদি রহমান, IPS: বর্তমান পদ- SS, IB, পশ্চিমবঙ্গ, নতুন পদ- ডেপুটি ডিরেক্টর, SVSPA, পশ্চিমবঙ্গ

আরিশ বিলাল, IPS: বর্তমান পদ- SS, CID, মালদহ, নতুন পদ- SS, CID, পশ্চিমবঙ্গ

সৌম্যদীপ ভট্টাচার্য, IPS: বর্তমান পদ- CO, SAP 1st Bn, নতুন পদ- DC, Cyber-II, কলকাতা

কাজি সামসুদ্দিন আহমেদ, IPS: বর্তমান পদ- DC, ট্রাফিক, শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেট, নতুন পদ- DC, DD, বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট

কুন্তল বন্দ্যোপাধ্যায়, IPS: বর্তমান পদ- CO, SAP 4th Bn, নতুন পদ- DC, ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট

স্পর্শা নীলাঙ্গি, IPS: বর্তমান পদ- DC, EB, কলকাতা, নতুন পদ- DC, DD, কলকাতা

কৌস্তুভদীপ্ত আচার্য, WBPS: বর্তমান পদ- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপারেশনস), দার্জিলিং, নতুন পদ- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, জয়গাঁ, আলিপুরদুয়ার

সলিমা লামা, WBPS: বর্তমান পদ- Dy. CO, IR 2nd Bn, শিলিগুড়ি, পশ্চিমবঙ্গ, নতুন পদ- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর), আলিপুরদুয়ার

পূর্ণিমা শেরপা, WBPS: বর্তমান পদ- Dy. CO, SAP 12th Bn, নতুন পদ- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, কালিম্পং

অভিষেক রায়, WBPS: বর্তমান পদ- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গ্রামীণ), মালদহ, নতুন পদ- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, বীরভূম (সদর দফতর বোলপুর)

মানবেন্দ্র দাস, WBPS: বর্তমান পদ- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, বীরভূম (সদর দফতর বোলপুর), নতুন পদ- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, মাথাভাঙা, কোচবিহার

কুনাল বার্নাবাস, WBPS: বর্তমান পদ- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, কালিম্পং, নতুন পদ- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গ্রামীণ), মালদহ





শনিবার বিকেল ৪টেয় সভা শুরু হবে শ্রীরামপুরে। মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় সেখানে যাওয়ার আগেই দুপুরে যাচ্ছিলেন কুণাল ঘোষ। উত্তরপাড়াতেই বেলেঘাটার বিধায়ককে আটকে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। বেশ কিছু লোকজন এগিয়ে গিয়ে কাচের উপর ডিম ছুড়তে শুরু করে বলে অভিযোগ।


ক্ষমতা ও প্রতীক দুই হারানোর পর আজ শনিবার প্রথমবার সভা করার কথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের (Mamata Banerjee)। কলকাতা হাইকোর্টের শর্ত মেনেই এদিন সভা করতে হবে তাঁকে। সেই সভার কয়েক ঘণ্টা আগেই আক্রান্ত হলেন মমতা তৃণমূলের বিধায়ক কুণাল ঘোষ। শ্রীরামপুরের সেই সভায় যোগ দিতে যাওয়ার পথেই কুণাল ঘোষের গাড়িতে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল।


শনিবার বিকেল ৪টেয় সভা শুরু হবে শ্রীরামপুরে। মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় সেখানে যাওয়ার আগেই দুপুরে যাচ্ছিলেন কুণাল ঘোষ। উত্তরপাড়াতেই বেলেঘাটার বিধায়ককে আটকে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। বেশ কিছু লোকজন এগিয়ে গিয়ে কাচের উপর ডিম ছুড়তে শুরু করে বলে অভিযোগ। সরাসরি বিজেপির দিকে আঙুল তুলেছে মমতা তৃণমূল। তবে বিজেপির দাবি, এটা সাধারণ মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ।


লাঠি, বাঁশ নিয়ে দফায় দফায় হামলা, রাস্তায় লুটিয়ে পড়লেন বিজেপি কর্মী, প্রকাশ্যে ঘটনার ভয়াবহ সিসিটিভি ফুটেজ
ঘটনায় ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন,”যে কোনও বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারত। চুরমার করে দিয়েছে গাড়ি। মমতার সভায় যাচ্ছিলাম। লাঠি-রড নিয়ে দাঁড়িয়েছিল। পুরো রাস্তা আটকে দিল। আমার সারা শরীর কাচে ভরা।” তাঁর দাবি, গাড়ি থামিয়ে থামিয়ে রাস্তায় দেখা হচ্ছে, কোন গাড়িতে কোন নেতা যাচ্ছে। পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। কাচ ভেদ করে পাথর গেলে ডানদিকে কাঁধে আঘাত লেগেছে বলে জানিয়েছেন তিনি। ভাঙা গাড়ি নিয়েই সোজা লালবাজার বা ভবানী ভবন যাচ্ছেন তিনি। কুণাল বলেন, “আমি ভবানী ভবনে যাচ্ছি। গিয়ে দেখাব, একজন বিধায়কের কী অবস্থা।”


এই পরিস্থিতি নিয়ে উত্তরপাড়ার বিধায়ক দীপাঞ্জন গুহ বলেন, “কুণাল ঘোষ কী অভিযোগ করলেন, তাতে কিছু যায় আসে না। উনি তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও অভিযোগ করেছিলেন।” বিধায়কের দাবি, বিজেপি নয়, সাধারণ মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হয়েছে।