WEATHER

Top News


আহিরিটোলার একটা ছোট্ট মন্দির। সেই মন্দিরের সামনেই স্টল করছিল বামেরা। মন্দিরের সামনেই বাঁধা হয়ে গিয়েছিল বাঁশের কাঠামো। কিন্তু ষষ্ঠীর সকালে সেখানে পৌঁছে যায় পুলিশ। বামেদের দাবি, পুলিশের তরফ থেকে বলা হযেছে, কোনও রকমের কাঠামো তৈরি করে স্টল করা যাবে না। সেরকম হলে ছাতা লাগিয়ে বসতে পারেন বাম কর্মী সমর্থকরা। 


ভদ্রলোকের এক কথা', সিপিএমের বুকস্টল খুলে দিয়ে বলল পুলিশ
সিপিএমের বুক স্টল খুলছে

 বামেদের বুক স্টল বিতর্কে নয়া সংযোজন। আহিরিটোলায় বামেদের বুক স্টল খুলে দিল পুলিশ। বিজেপির অভিযোগ, মন্দির আড়াল করে বুক স্টল তৈরি করেছে বামেরা। বামেদের দাবি, পুলিশের তরফে বলা হয়েছে, কাঠামো নয়, ছাতা লাগিয়ে স্টল করতে হবে।


আহিরিটোলার একটা ছোট্ট মন্দির। সেই মন্দিরের সামনেই স্টল করছিল বামেরা। মন্দিরের সামনেই বাঁধা হয়ে গিয়েছিল বাঁশের কাঠামো। কিন্তু ষষ্ঠীর সকালে সেখানে পৌঁছে যায় পুলিশ। বামেদের দাবি, পুলিশের তরফ থেকে বলা হযেছে, কোনও রকমের কাঠামো তৈরি করে স্টল করা যাবে না। সেরকম হলে ছাতা লাগিয়ে বসতে পারেন বাম কর্মী সমর্থকরা।




এছাড়াও ১৮ই অক্টোবর, সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৭টা পর্যন্ত প্রখ্যাত পাঞ্জাবি গায়ক বিপি সিং সঙ্গীত পরিবেশন করবেন। সন্ধ্যা ৭টা থেকে ৮টা পর্যন্ত সঙ্গীতজ্ঞ শ্রেয়াস ধর্মধিকারী, যিনি ব্লকবাস্টার চলচ্চিত্র ‘হনুমান অংশ’-এর টাইটেল ট্র্যাকে গান গেয়েছেন। রাত ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত ডিজে শিবাল সঙ্গীতে এক নতুন মাত্রা যোগ করবেন।



আবারও নিয়ে আসছে ‘ফেস্টিভ্যাল অফ ইন্ডিয়া ২০২৬’। প্রতিবার দিল্লির বুকে এই উৎসব আয়োজিত হয়। এই নিয়ে চতুর্থবর্ষে পড়ল এই উৎসব। আগামী ১৬ থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত নয়াদিল্লির ইন্ডিয়া গেটের মেজর ধ্যানচাঁদ ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। দেশের নামী-দামি শিল্পীরা যেমন আসবেন, তেমনই থাকবে সুস্বাদু সব খাবার। আজ টিভি ৯ নেটওয়ার্কের MD, CEO বরুণ দাস ও হেমন্ত শর্মা এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। উৎসবে দেবী দুর্গার আবাহন যেমন করা হবে, তেমনই নিয়ম মেনে নবরাত্রির উৎসবের প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে।


কবে কী অনুষ্ঠান সূচি?

 জয় শ্রীরাম স্লোগান দিতে দিতে হামলার অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে
আজ মহাষষ্ঠী ১৬ই অক্টোবর। সকাল ১০টায় প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে উৎসব শুরু হবে। এরপর নির্ধারিত মন্ত্র পাঠের মাধ্যমে দেবী দুর্গার আরাধনা করা হবে। বিকেল ৫টায় দেবী বোধন, আমন্ত্রণ ও অধিবাস অনুষ্ঠান হবে এবং এরপর সন্ধ্যার আরতি অনুষ্ঠিত হবে।


এরপর বিকেল ৪ থেকে সন্ধ্যা ৬ পর্যন্ত ক্রিয়েটিভ কর্নারে শঙ্খধ্বনি, আলপনা, ডান্ডিয়া, রঙ্গোলি ইত্যাদির মাধ্যমে ভারতের সংস্কৃতি ও ঝলক দেখা যাবে।

মহাষষ্ঠী, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬
সকাল ১০ আনুষ্ঠানিক প্রদীপ প্রজ্বলন 
বিকাল ৫: দিব্য জ্ঞানলাভ, আহ্বান, সংবর্ধনা
সন্ধ্যা আরতি
সৃজনশীল কর্নার: বিকাল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা: শঙ্খধ্বনি, আলপনা, মণ্ডলা, ডান্ডিয়া কাঠি সজ্জা, রঙ্গোলি
সন্ধ্যা ৭টা থেকে হারদীপ কৌরের লাইভ কনসার্ট
এ দিনের, উৎসবে আসবেন হরদীপ কৌর। সরাসরি সঙ্গীত পরিবেশন করবেন তিনি। সন্ধে ৭টা থেকে শুরু হবে তাঁর অনুষ্ঠান
এছাড়াও ১৮ই অক্টোবর, সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৭টা পর্যন্ত প্রখ্যাত পাঞ্জাবি গায়ক বিপি সিং সঙ্গীত পরিবেশন করবেন। সন্ধ্যা ৭টা থেকে ৮টা পর্যন্ত সঙ্গীতজ্ঞ শ্রেয়াস ধর্মধিকারী, যিনি ব্লকবাস্টার চলচ্চিত্র ‘হনুমান অংশ’-এর টাইটেল ট্র্যাকে গান গেয়েছেন। রাত ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত ডিজে শিবাল সঙ্গীতে এক নতুন মাত্রা যোগ করবেন।

তারিখ: ১৬-২০ অক্টোবর, ২০২৬

ভেন্যু: মেজর ধ্যান চাঁদ জাতীয় স্টেডিয়াম, নয়াদিল্লি

হর্ষদীপ কৌরের অভিনয়: 16 অক্টোবর

রাফতার পারফরম্যান্স: 17 অক্টোবর

ডান্ডিয়া রাত্রি: ১৮-২০ অক্টোবর

শ্রেয়াস ধর্মাধিকারী: ১৮ অক্টোবর, সন্ধ্যা ৭ টা থেকে ৮ টা




এছাড়াও ১৮ই অক্টোবর, সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৭টা পর্যন্ত প্রখ্যাত পাঞ্জাবি গায়ক বিপি সিং সঙ্গীত পরিবেশন করবেন। সন্ধ্যা ৭টা থেকে ৮টা পর্যন্ত সঙ্গীতজ্ঞ শ্রেয়াস ধর্মধিকারী, যিনি ব্লকবাস্টার চলচ্চিত্র ‘হনুমান অংশ’-এর টাইটেল ট্র্যাকে গান গেয়েছেন। রাত ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত ডিজে শিবাল সঙ্গীতে এক নতুন মাত্রা যোগ করবেন।



আবারও নিয়ে আসছে ‘ফেস্টিভ্যাল অফ ইন্ডিয়া ২০২৬’। প্রতিবার দিল্লির বুকে এই উৎসব আয়োজিত হয়। এই নিয়ে চতুর্থবর্ষে পড়ল এই উৎসব। আগামী ১৬ থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত নয়াদিল্লির ইন্ডিয়া গেটের মেজর ধ্যানচাঁদ ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। দেশের নামী-দামি শিল্পীরা যেমন আসবেন, তেমনই থাকবে সুস্বাদু সব খাবার। আজ টিভি ৯ নেটওয়ার্কের MD, CEO বরুণ দাস ও হেমন্ত শর্মা এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। উৎসবে দেবী দুর্গার আবাহন যেমন করা হবে, তেমনই নিয়ম মেনে নবরাত্রির উৎসবের প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে।


কবে কী অনুষ্ঠান সূচি?

 জয় শ্রীরাম স্লোগান দিতে দিতে হামলার অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে
আজ মহাষষ্ঠী ১৬ই অক্টোবর। সকাল ১০টায় প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে উৎসব শুরু হবে। এরপর নির্ধারিত মন্ত্র পাঠের মাধ্যমে দেবী দুর্গার আরাধনা করা হবে। বিকেল ৫টায় দেবী বোধন, আমন্ত্রণ ও অধিবাস অনুষ্ঠান হবে এবং এরপর সন্ধ্যার আরতি অনুষ্ঠিত হবে।


এরপর বিকেল ৪ থেকে সন্ধ্যা ৬ পর্যন্ত ক্রিয়েটিভ কর্নারে শঙ্খধ্বনি, আলপনা, ডান্ডিয়া, রঙ্গোলি ইত্যাদির মাধ্যমে ভারতের সংস্কৃতি ও ঝলক দেখা যাবে।

মহাষষ্ঠী, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬
সকাল ১০ আনুষ্ঠানিক প্রদীপ প্রজ্বলন 
বিকাল ৫: দিব্য জ্ঞানলাভ, আহ্বান, সংবর্ধনা
সন্ধ্যা আরতি
সৃজনশীল কর্নার: বিকাল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা: শঙ্খধ্বনি, আলপনা, মণ্ডলা, ডান্ডিয়া কাঠি সজ্জা, রঙ্গোলি
সন্ধ্যা ৭টা থেকে হারদীপ কৌরের লাইভ কনসার্ট
এ দিনের, উৎসবে আসবেন হরদীপ কৌর। সরাসরি সঙ্গীত পরিবেশন করবেন তিনি। সন্ধে ৭টা থেকে শুরু হবে তাঁর অনুষ্ঠান
এছাড়াও ১৮ই অক্টোবর, সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৭টা পর্যন্ত প্রখ্যাত পাঞ্জাবি গায়ক বিপি সিং সঙ্গীত পরিবেশন করবেন। সন্ধ্যা ৭টা থেকে ৮টা পর্যন্ত সঙ্গীতজ্ঞ শ্রেয়াস ধর্মধিকারী, যিনি ব্লকবাস্টার চলচ্চিত্র ‘হনুমান অংশ’-এর টাইটেল ট্র্যাকে গান গেয়েছেন। রাত ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত ডিজে শিবাল সঙ্গীতে এক নতুন মাত্রা যোগ করবেন।

তারিখ: ১৬-২০ অক্টোবর, ২০২৬

ভেন্যু: মেজর ধ্যান চাঁদ জাতীয় স্টেডিয়াম, নয়াদিল্লি

হর্ষদীপ কৌরের অভিনয়: 16 অক্টোবর

রাফতার পারফরম্যান্স: 17 অক্টোবর

ডান্ডিয়া রাত্রি: ১৮-২০ অক্টোবর

শ্রেয়াস ধর্মাধিকারী: ১৮ অক্টোবর, সন্ধ্যা ৭ টা থেকে ৮ টা



 অষ্টমী থেকে দশমী উত্তরবঙ্গেও শুকনো আবহাওয়া থাকার কথা। বর্ষা গেলেও বৃষ্টির সম্ভাবনা প্রবল। বৃষ্টি নামিয়ে এবার পুজোয় 'খলনায়ক' হতে চলেছে নিম্নচাপ অক্ষরেখা। তামিলনাড়ু থেকে ওড়িশা পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে সেই অক্ষরেখা। তবে পুজোর মূল ৪ দিন যে বৃষ্টির আশঙ্কা কম রয়েছে, তাতেই আশা দেখছেন বঙ্গবাসী।

 শরতের আকাশ আর দুর্গাপূজা একে অপরের পরিপূরক। মিঠে রোদ, ভোরে হালকা ঠান্ডার আমেজ, নাতিশীতোষ্ণ সন্ধ্যা। এমন আবহাওয়াই (Weather Update) আশা করে থাকেন বাংলার মানুষ। কারণ সারা বছরে এই পাঁচটা দিন আর ফিরে আসে না। সেই পুজো যদি বৃষ্টি এসে মাটি করে দেয়, তাহলেই মুস্কিল! এবারও সেই ‘খলনায়ক’ হাজির। তবে গোটা পুজো মাটি হবে না।


আবহাওয়াবিদরা বলছেন, এবার পুজো শুকনোই থাকবে। আনন্দ করে প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘুরে ঠাকুর দেখতে পারবেন সাধারণ মানুষ। তবে, ‘ড্রাই ডে’র আগে আরও ২ দিন বৃষ্টির সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে। বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে দক্ষিণবঙ্গের জন্য। বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে উত্তরবঙ্গেও।

ফ্ল্যাট ভাড়া দিলেন রণবীর কাপুর, জানেন প্রতি মাসে কত টাকা পাবেন?
উপকূলে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। কলকাতা ও লাগোয়া জেলায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দ্বিতীয় সপ্তমী অর্থাৎ রবিবার থেকে দশমী অর্থাৎ বুধবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে ‘ড্রাই ডে’। অর্থাৎ আগামী তিনদিন উত্তরবঙ্গের কিছু অঞ্চলে হালকা বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।


অষ্টমী থেকে দশমী উত্তরবঙ্গেও শুকনো আবহাওয়া থাকার কথা। বর্ষা গেলেও বৃষ্টির সম্ভাবনা প্রবল। বৃষ্টি নামিয়ে এবার পুজোয় ‘খলনায়ক’ হতে চলেছে নিম্নচাপ অক্ষরেখা। তামিলনাড়ু থেকে ওড়িশা পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে সেই অক্ষরেখা। তবে পুজোর মূল ৪ দিন যে বৃষ্টির আশঙ্কা কম রয়েছে, তাতেই আশা দেখছেন বঙ্গবাসী।



এসআইআর নিয়ে কমিশনের সিদ্ধান্ত সংক্রান্ত বেশ কিছু প্রশ্ন তুলে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছিলেন রাহুল গান্ধী। দিল্লির রাজপথে নামে ইন্ডি জোটের বিক্ষোভ, সেই বিক্ষোভে সামিল ককরোচ জনতা পার্টিও। আর সেই দিল্লি বিক্ষোভ নিয়ে আরও একটি মামলা হয় সুপ্রিম কোর্টে।

SIR: দিল্লির বিক্ষোভ ও SIR সংক্রান্ত মামলার শুনানি নিয়ে এবার বিশেষ সিদ্ধান্ত সুপ্রিম কোর্টের
সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর সংক্রান্ত মামলা
দিল্লির বিক্ষোভ ও SIR সংক্রান্ত মামলার শুনানির জন্য এবার আলাদা আলাদা দিন নির্দিষ্ট করল সুপ্রিম কোর্ট।


২৭ অক্টোবর: রাহুল গান্ধী এবং SIR-সংক্রান্ত অন্যান্য সংযুক্ত মামলার শুনানি।

এটিও পড়ুন
কোন দক্ষতা প্রয়োজন ভারতের, আগামিদিনে তরুণরা বেছে নেবে কোন কৌশল?
SIR: 'এই নির্দেশ আপলোড করার সময় আমরা জানতে পারি...', দুর্ভাগ্যজনক খবর, রাহুলের করা মামলার অর্ডার কপিতেই লিখলেন CJI
Alur Dam English Name: আলুর ইংরেজি Potato, আলুর দমের ইংরেজি জানেন?
৩ নভেম্বর: দিল্লির বিক্ষোভ, পুলিশের পদক্ষেপ, যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ এবং সংশ্লিষ্ট মামলাগুলির শুনানি।


৫ নভেম্বর: মহিলা সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ সংক্রান্ত মামলার শুনানি।

১৯ নভেম্বর: ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (BNSS) ১৭২ নম্বর ধারার সাংবিধানিক বৈধতা এবং ১৬৩ নম্বর ধারায় জারি করা নিষেধাজ্ঞামূলক আদেশগুলিকে পৃথকভাবে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা মামলাগুলির শুনানি।

এ ছাড়া, পরস্পর সম্পর্কিত বিক্ষোভ সংক্রান্ত মামলাগুলিকে একত্রিত করার জন্য নোডাল আইনজীবীকে ২৮ অক্টোবরের মধ্যে মামলাগুলির শ্রেণিবিন্যাস করতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

এর উদ্দেশ্য, সমস্ত সংশ্লিষ্ট মামলার জন্য সমন্বিতভাবে জবাবি হলফনামা (কাউন্টার-অ্যাফিডেভিট) দাখিলের প্রক্রিয়া সহজ করা।

এসআইআর নিয়ে কমিশনের সিদ্ধান্ত সংক্রান্ত বেশ কিছু প্রশ্ন তুলে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছিলেন রাহুল গান্ধী। দিল্লির রাজপথে নামে ইন্ডি জোটের বিক্ষোভ, সেই বিক্ষোভে সামিল ককরোচ জনতা পার্টিও। আর সেই দিল্লি বিক্ষোভ নিয়ে আরও একটি মামলা হয় সুপ্রিম কোর্টে। সেই বিক্ষোভে এক মহিলা সাংবাদিককে পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ ওঠে। সেই মামলাও দায়ের হয় সুপ্রিম কোর্টে। একই প্রেক্ষাপট, কিন্তু তিনটি ভিন্ন মামলা। তিনটি মামলার বিষয়বস্তু আলাদা আলাদা করে গুরুত্ব দিয়ে বিচার করছে সুপ্রিম কোর্ট। তাই তিনটি ভিন্ন দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।



 মহুয়া মৈত্রের তরফে আইনজীবী গোপাল শঙ্করনারায়ণন যুক্তি দেন যে, গত ১০ বছর ধরে একজন বিধায়ক এবং পরবর্তীতে সাংসদ হিসেবে বরাবর ৩-৪ ঘণ্টার নোটিসেই সার্কিট হাউসে ঘর পেয়ে এসেছেন মহুয়া। সব সাংসদ ও বিধায়কদের ক্ষেত্রেই এই একই নিয়ম। সেই রাতে অন্যান্য ঘরে একাধিক সরকারি আধিকারিক ছিলেন বলেও উল্লেখ করেন মহুয়ার আইনজীবী।


মধ্যরাতে আচমকা নোটিস দিয়ে সার্কিট হাউস ছাড়তে বলা হয়েছিল কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে (Mahua Moitra)। এভাবে একজনট সাংসদকে বের করে দেওয়া হল কীভাবে, এই প্রশ্ন তুলে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মহুয়া। সেই মামলায় নোটিস সংশোধন করল শীর্ষ আদালত। নদিয়ার জেলাশাসকের চিঠি নিয়েও প্রশ্ন তুলল সুপ্রিম কোর্ট। ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, ‘চিঠিটি প্রতিহিংসামূলক বলে মনে হচ্ছে’। সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) স্পষ্ট করে দিয়েছে যে সার্কিট হাউসে ঘর পাওয়া যাবে কি না, তার ভিত্তিতে নয়, প্রোটোকল অনুযায়ী সাংসদের আবেদনের ভিত্তিতে তাঁর থাকার ব্যবস্থা করতে হবে।


প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চে শুক্রবার এই মামলার শুনানি ছিল। রাজ্যের পক্ষে এদিন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান যে, সেই সময় সার্কিট হাউসে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলছিল। তিনি আরও জানান, দুজন অফিসার দুটি ঘরে ছিলেন, তা ছাড়া অন্য কাউকে কোনও ঘর বরাদ্দ করা হয়নি। মহুয়া মৈত্রকে একটি ঘরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। অতিরিক্ত জেলাশাসক তাঁকে অন্য একটি সরকারি অতিথি ভবনে যাওয়ার অনুরোধ করেছিলেন। সবরকম সৌজন্য প্রদর্শন করা হয়েছে।


এই নির্দেশ আপলোড করার সময় আমরা জানতে পারি...', দুর্ভাগ্যজনক খবর, রাহুলের করা মামলার অর্ডার কপিতেই লিখলেন CJI
মহুয়া মৈত্রের তরফে আইনজীবী গোপাল শঙ্করনারায়ণন যুক্তি দেন যে, গত ১০ বছর ধরে একজন বিধায়ক এবং পরবর্তীতে সাংসদ হিসেবে বরাবর ৩-৪ ঘণ্টার নোটিসেই সার্কিট হাউসে ঘর পেয়ে এসেছেন মহুয়া। সব সাংসদ ও বিধায়কদের ক্ষেত্রেই এই একই নিয়ম। সেই রাতে অন্যান্য ঘরে একাধিক সরকারি আধিকারিক ছিলেন বলেও উল্লেখ করেন মহুয়ার আইনজীবী। কিন্তু তাদের কাউকেই ঘর খালি করতে বলা হয়নি বলে অভিযোগ জানান তিনি। তিনি আরও জানান, অন্য আধিকারিকদের কেন ঘর খালি করতে বলা হয়নি, সেই বিষয়ে রাজ্যের কোনও জবাব পাওয়া যায়নি।


বিচারপতি বাগচী বলেন যে, আদালত কোনও বিতর্কে জড়াতে চায় না, কারণ চিঠির প্রথম অনুচ্ছেদেই স্পষ্ট যে এটি একটি প্রতিহিংসামূলক চিঠি। সলিসিটর জেনারেল বলেন, এটি কোনও একজন সাংসদকে উদ্দেশ্য করে লেখা হয়নি। জেলার সমস্ত জনপ্রতিনিধিদের জন্যই এটি প্রযোজ্য। বিচারপতি বাগচী বলেন, “আমরা চাই আপনি এটি প্রত্যাহার করে নিন।”

প্রধান বিচারপতি পর্যবেক্ষণ করেন যে, এই ধরনের বিরোধ সাধারণত সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত আসা উচিত নয় এবং এর জন্য কেবল একটি ছোট এসওপি-র প্রয়োজন। তিনি পরামর্শ দেন যে, এক সপ্তাহ বা ১০ দিন আগে জানানোর কোনও প্রয়োজন নেই। নোডাল অফিসারের মাধ্যমে ৮ ঘণ্টা বা একদিন আগে নোটিস দিলেই যথেষ্ট।



অ্যাডভোকেট জেনারেলের বিল্বদল ভট্টাচার্যের সওয়াল, "বাকি স্টলগুলির অনুমতি আছে কি না জানা নেই।" প্রধান বিচারপতি জানান, "হাইকোর্ট নির্দেশ দেবে সরাতে। আইনের চোখে সমতা থাকা দরকার। সব স্টল তুলে দিন।" আইনজীবী শামিম বলেন, " একই পর্যবেক্ষণ রেখেছে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য একক বেঞ্চও"


আইনের চোখে সবাই সমান, সব স্টল তুলে দিন', CPM-এর বুকস্টল মামলায় বড় পর্যবেক্ষণ হাইকোর্টের
কলকাতা হাইকোর্ট ও সিপিএম-এর বুক স্টল

বনগাঁয় সিপিএম-এর (CPM) বুকস্টল হচ্ছে না। বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চ অনুমতি দিয়েছিল বইয়ের স্টল করার। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে গিয়েছিল রাজ্য। শুক্রবার একক বেঞ্চের সেই নির্দেশে স্থগিতাদেশ দিয়েছে প্রধান বিচারপতি ডিভিশন বেঞ্চের। পুলিশের অনুমতি না থাকলে টেবিল-ছাতা পেতেও কেউ স্টল করতে পারবে না বলে জানায় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। আগামী ২১ জানুয়ারি এই মামলার পরবর্তী শুনানি।


শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে বলেন, “অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছেন? সেটা দেখান। যদি আবেদনে অনুমতি না পেয়ে থাকেন, তাহলে পুলিশ কী করবে?” সিপিএম-এর আইনজীবী শামিম আহমেদ বলেন, “PWD এবং হাইওয়ে অথরিটিকে অনুমতি চেয়ে ই-মেইল করা হয়।” মামলাকারীর আইনজীবী প্রশ্ন ছোড়েন,”পুলিশ কাছে আবেদন করেছেন?”


সব পক্ষের কথা শুনে প্রধান বিচারপতির নির্দেশ, “রাস্তার ধারের সব স্টল তুলে দাও। পুলিশের অনুমতি না থাকলে কারোরই স্টলের প্রয়োজন নেই। আইনের চোখে সমান সবাই।” এরপর তিনি জানতে চান বুকস্টল কোথায় হয়েছে? রাস্তার উপরে কি না?


উত্তরে আইনজীবী শামিম আহমেদ বলেন, “সিপিএমের দলীয় কার্যালয়ের সামনে।” প্রধান বিচারপতির প্রশ্ন, “রাস্তার অন্য স্টলগুলির মতো একই লাইনে আছে সিপিএমের বুকস্টল? নাকি একটু রাস্তার ওপরে চেপে আছে?” এখানে উত্তর দেন মামলাকারী। কোর্টে বলেন, “একই লাইনে আছে, অন্য স্টলের মতোই।”

অ্যাডভোকেট জেনারেলের বিল্বদল ভট্টাচার্যের সওয়াল, “বাকি স্টলগুলির অনুমতি আছে কি না জানা নেই।” প্রধান বিচারপতি জানান, “হাইকোর্ট নির্দেশ দেবে সরাতে। আইনের চোখে সমতা থাকা দরকার। সব স্টল তুলে দিন।” আইনজীবী শামিম আগের দিনের মামলার প্রসঙ্গ তুলে বলেন, “একই পর্যবেক্ষণ রেখেছে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য একক বেঞ্চও”

এ দিন, বুকস্টল বসানোর জন্য সিপিএম-এর আইনজীবী আবেদন করেছেন। কোর্টে বলেন, “দুর্গাপুজো শুরু হয়েছে। পুজোর আর ৩-৪ টে দিন রয়েছে। বুকস্টল চালাতে দেওয়া হোক। কোনও মাইক, মাইক্রোফোন ব্যবহার না করে বুকস্টল অনুমতি দেওয়া হোক।”

মামলা লড়ার সময় সিপিএম-এর আইনজীবী শেষ প্রস্তাবে জানান, “পার্টি অফিস সামনে টেবিল পেতে ৫ ফুট লম্বা স্টল করতে দেওয়া হোক। ছাউনির প্রয়োজন নেই। ছাতা আর টেবিল পেতে বুকস্টল করতে দিলেই হবে।” পাল্টা সওয়ালে আবার এজি বলেন, “বনগাঁ থানার আইসি এজলাসে উপস্থিত রয়েছেন। বুকস্টল থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব ৬ কিলোমিটার।” নিরাপত্তার যুক্তি খাড়া করেন তিনি। তখনই প্রধান বিচারপতির নির্দেশ, অনুমতি না থাকলে টেবিল-ছাতা পেতে স্টলেও অনুমতি নয়। নির্দেশের পর কী কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, এই মামলায় যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দিয়ে জানতে চেয়েছে কোর্ট।



শুক্রবার লখনউয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন রাজনাথ সিং। সেখান থেকেই কংগ্রেস এবং তাদের সহযোগী দলগুলির বিরুদ্ধে তোপ দাগেন তিনি। অভিযোগ করেন, দেশের যুবসমাজের শক্তিকে গঠনমূলক কাজে ব্যবহার না করে রাজনৈতিক সংঘাত তৈরির চেষ্টা চলছে।

'বাংলাদেশের মতো ভারতেও সরকার বদলের ষড়যন্ত্র', কংগ্রেস-সহ বিরোধীদের তীব্র আক্রমণ রাজনাথের
রাজনাথ সিং

বাংলাদেশে গণঅভ্যুত্থানের জেরে পতন হয়েছিল শেখ হাসিনা সরকারের। এবার কি সেই একই কায়দায় ভারতেও সরকার বদলের চেষ্টা চলছে? রাজধানী দিল্লিতে চলতে থাকা বিক্ষোভ-আন্দোলনের আবহে কংগ্রেস (Congress) এবং বিরোধী জোটের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। তাঁর অভিযোগ, বাংলাদেশের মতো ভারতেও সরকার পরিবর্তনের চেষ্টা করছে কংগ্রেস এবং তাদের রাজনৈতিক সহযোগীরা। দেশের যুবসমাজকে হাতিয়ার করে অরাজকতা ছড়ানোর চেষ্টা চলছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। একই সঙ্গে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi) কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

কী অভিযোগ রাজনাথ সিংয়ের?
শুক্রবার লখনউয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন রাজনাথ সিং। সেখান থেকেই কংগ্রেস এবং তাদের সহযোগী দলগুলির বিরুদ্ধে তোপ দাগেন তিনি। অভিযোগ করেন, দেশের যুবসমাজের শক্তিকে গঠনমূলক কাজে ব্যবহার না করে রাজনৈতিক সংঘাত তৈরির চেষ্টা চলছে। রাজনাথ বলেন, “মনে হচ্ছে, কংগ্রেস এবং তাদের রাজনৈতিক সহযোগীরা প্রত্যক্ষভাবে যুবসমাজকে দেশ গঠনের কাজে ব্যবহার করার পরিবর্তে রাজনৈতিক সংঘাত এবং অরাজকতা ছড়ানোর কাজে লাগাতে চাইছে। দেশের যুবসমাজকে অরাজকতার রাজনীতির বোড়ে বানানো হচ্ছে।”

এরপরই বাংলাদেশের প্রসঙ্গ টেনে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন,”ওরা প্রকাশ্যে সাংবাদিক বৈঠক করে বলছে, সরকার পরিবর্তনের জন্য বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রেরণা নিয়েছে। আবার কেউ প্রকাশ্যেই সরকার ফেলে দেওয়ার কথা বলছে। এতেই স্পষ্ট, ওদের একমাত্র উদ্দেশ্য গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে ধ্বংস করা এবং গোটা দেশে আগুন জ্বালানো।”

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালে বাংলাদেশে ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের জেরে ক্ষমতাচ্যুত হয়েছিল শেখ হাসিনা সরকার। সেই ঘটনার সঙ্গে ভারতের বর্তমান আন্দোলনের তুলনা টেনেই বিরোধীদের নিশানা করেছেন রাজনাথ।

SIR আন্দোলন নিয়ে রাজনাথের বক্তব্য
ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে উত্তাল রাজধানী দিল্লি। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছে বিরোধী রাজনৈতিক দল এবং একাধিক নাগরিক সংগঠন। বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে। এর ফলে বহু যোগ্য ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে রাজনাথ সিংয়ের দাবি, এই আন্দোলনের প্রকৃত উদ্দেশ্য নির্বাচনী সংস্কার নয়। এসআইআর নিয়ে আপত্তিও আসল বিষয় নয়। তাঁর বক্তব্য, বিরোধীদের মুখে ‘রেজিম চেঞ্জ’ বা সরকার পরিবর্তনের মতো শব্দ ব্যবহারই বুঝিয়ে দিচ্ছে, তাদের লক্ষ্য অন্য।

বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণের প্রসঙ্গও টেনে আনেন রাজনাথ। রাহুল গান্ধী এবং তাঁর রাজনৈতিক সহযোগীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “গণতন্ত্রের অর্থ এই নয় যে কেউ অরাজকতা সৃষ্টি করতে পারবেন কিংবা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলির বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করার চেষ্টা করবেন।”

রাহুলকে কড়া বার্তা প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর
রাহুল গান্ধীকে সরাসরি আক্রমণ করে রাজনাথ সিং বলেন,”গণতন্ত্র রক্ষার নামে ধ্বংসাত্মক রাজনীতি বন্ধ করা উচিত কংগ্রেস নেতার। পরিবর্তে জনতার রায়কে সম্মান জানানো এবং নিজের রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে আত্মসমালোচনা করা প্রয়োজন। ভারতের ভবিষ্যৎ আমাদের সকলের দায়িত্ব। সংঘাতের পথ নয়, আলোচনা এবং দেশ গঠনের পথ বেছে নিতে হবে।”




সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে যে, এই তথ্য সংগ্রহ করার জন্য কেন্দ্র সরকার একটি প্রশ্নপত্র তৈরি করতে পারে এবং সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের কাছ থেকে জবাব তলব করতে পারে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ১৪ ডিসেম্বর হবে। ডিভিশন বেঞ্চ বলেছে, তাদের পুরো বিশ্বাস রয়েছে যে, কেন্দ্র, রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলো ঋতুকালীন স্বাস্থ্য একটি মৌলিক অধিকার হিসেবে ঘোষণা করার আদালতের রায়ের গুরুত্ব বুঝতে পেরেছে।


 মেনস্ট্রুয়াল হাইজিন বা ঋতুকালীন স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া নির্দেশ বাস্তবায়ন সম্পর্কিত তথ্য না দিলে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করল সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, মেনস্ট্রুয়াল হাইজিন সংক্রান্ত রায় কার্যকর করার জন্য কী কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, সেই বিষয়ে কেন্দ্র সরকারের চাওয়া তথ্য যদি রাজ্যের মুখ্যসচিবরা না দেন, তাহলে তাঁদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার নোটিস জারি করা হবে।


বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা এবং বিচারপতি আর মহাদেবনের বেঞ্চ প্রশ্ন তোলে যে, কেন্দ্র সরকারের চাওয়া তথ্য রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলো কেন এখনও দেয়নি। আদালতের দেওয়া নির্দেশ পালনের জন্য একটি শেষ সুযোগ দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়। সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্রকে নির্দেশ দিয়েছে যে, এই বিষয়ে গত ১ সেপ্টেম্বর দেওয়া নির্দেশের বিশেষ কিছু নির্দেশকে গুরুত্ব দিয়ে, রায় বাস্তবায়িত হওয়ার বিষয়ে সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের কাছে লিখিত তথ্য চাইতে হবে।




সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে যে, এই তথ্য সংগ্রহ করার জন্য কেন্দ্র সরকার একটি প্রশ্নপত্র তৈরি করতে পারে এবং সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের কাছ থেকে জবাব তলব করতে পারে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ১৪ ডিসেম্বর হবে। ডিভিশন বেঞ্চ বলেছে, তাদের পুরো বিশ্বাস রয়েছে যে, কেন্দ্র, রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলো ঋতুকালীন স্বাস্থ্য একটি মৌলিক অধিকার হিসেবে ঘোষণা করার আদালতের রায়ের গুরুত্ব বুঝতে পেরেছে।


শীর্ষ আদালত বলেছে, “আমরা এই স্বাস্থ্যবিধিকে সংবিধানের ২১ নম্বর অনুচ্ছেদের (Article 21) একটি অংশ হিসেবে ঘোষণা করেছি।” তবে বেঞ্চ এই প্রশ্নও তুলেছে যে, আদালত রায় কেবল কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ থাকলে এই অধিকার কীভাবে বাস্তবায়িত হবে?

ডিভিশেন বেঞ্চ মন্তব্য করেছে, “আমাদের রায়ের বিষয়গুলো যদি শুধু কাগজেই থেকে যায়, তবে কেন্দ্র, রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলো কীভাবে এই মৌলিক অধিকার বাস্তবায়ন করবে? আমরা যা কিছু করেছি, তা সেই সব তরুণী মেয়েদের স্বার্থে করেছি যারা মেনস্ট্রুয়াল হাইজিনের মতো সমস্যার কারণে পড়াশোনা ছেড়ে দিচ্ছে। দেশের দূর-দরাজের এলাকাগুলোতে বিশেষ করে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়।”




 ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন অভিজিৎ। সেই সময় দিল্লিতে বিমান অবতরণের পরই তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। এবার জাতীয় পতাকা হাতে প্রতিবাদ মিছিল শুরুর ঠিক আগেই তাঁকে ফের আটক করা হল।


হাতে জাতীয় পতাকা, রাস্তায় বেরোতেই অভিজিৎ দীপকে-কে টেনে গাড়িতে তুলল পুলিশ, তিরঙ্গা কর্মসূচির আগে আটক নেহা বোরাও
অভিজিৎ দীপকে-নেহা বোরা


 আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার দিল্লিতে সিজেপির ‘তিরঙ্গা’ মিছিল ছিল কনট প্লেসে। যদিও এই মিছিলে বিপুল জমায়েতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবারই দিল্লি পুলিশের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল মোট ১১জনের একটি দলকে অনুমতি দেওয়ার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। এরপর আজ মিছিলের ঠিক আগে দীপকে-র দিল্লির বাড়িতে পৌঁছয় দিল্লি পুলিশ। কর্মসূতি পালন থেকে বিরত থাকার বার্তা দেওয়া হয় দীপকেকে। ধরানো হয় নোটিস। এরপরই আটক করা হয় অভিজিৎ দীপকেকে। এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আটক হলেন তিনি।


দ্বিতীয়বার আটক অভিজিৎ দীপকে
ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন অভিজিৎ। সেই সময় দিল্লিতে বিমান অবতরণের পরই তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। এবার জাতীয় পতাকা হাতে প্রতিবাদ মিছিল শুরুর ঠিক আগেই তাঁকে ফের আটক করা হল।




বৃহস্পতিবারই দিল্লি পুলিশের তরফে সিজেপিকে কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছিল। জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার অনুমতি দেওয়া যেতে পারে ১১ জনের একটি দলকে। তবে, আজ সকালে তিরঙ্গা যাত্রার ঠিক আগে অভিজিৎ দীপকের দিল্লির বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁকে একটি নোটিস দেওয়া হয়। কনট প্লেসে বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেন অভিজিৎ দীপকেকে।


পুলিশের সঙ্গে বচসা দীপকের
তবে, জানা গিয়েছে পতাকা নিয়ে পূর্ব নির্ধারিত সূচি মেনেই হাতে জাতীয় পতাকা নিয়ে কনট প্লেসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন দীপকে। অভিযোগ, ঠিক তখনই তাঁকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে যায় দিল্লি পুলিশ। তবে তার আগে পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন দীপকে। সিজেপি প্রধান প্রশ্ন তোলেন, কেন তাঁকে আটক করা হচ্ছে। অভিজিতের দাবি, তিনি তো কোনও আইন ভঙ্গ করেননি।




মহা ষষ্ঠীর পুণ্যতিথিতে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার গঙ্গাসাগরে আয়োজিত হলো এক বিশেষ সেবামূলক কর্মসূচি। ‘মহালয়া উৎসব উদযাপন সমিতি’র ব্যবস্থাপনায় ঐতিহ্যবাহী কপিলমুনির আশ্রমের সামনে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। এদিন আশ্রমে বসবাসকারী দুস্থ মানুষদের হাতে বস্ত্র তুলে দেওয়া হয়। এর পাশাপাশি, কপিলমুনির আশ্রমে আসা সমস্ত ভক্ত ও সাধারণ মানুষের জন্য খিচুড়ি প্রসাদ বিতরণের আয়োজন করা হয়।সমিতির তরফ থেকে জানানো হয়েছে, এই অর্থ সংস্থানের পেছনে রয়েছেন মহালয়ার শুভ লগ্নে আগত পুণ্যার্থীরা।


মহালয়ায় গঙ্গাসাগরে এসে পুণ্যলাভের উদ্দেশ্যে আগত দর্শনার্থীরা যে আর্থিক সহায়তা করেছিলেন, সেই অর্থ দিয়েই আজ এই কর্মসূচির আয়োজন করা সম্ভব হয়েছে। মহালয়ার দিন থেকেই ‘মহালয়া উৎসব উদযাপন সমিতি’র উদ্যোগে এবং স্বেচ্ছাসেবকদের পরিচালনায় একাধিক সেবামূলক কাজ করা হচ্ছে। বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদান (ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প), পানীয় জল এবং খিচুড়ি বিতরণের মতো কার্যক্রম চালানো হয়েছে।

সমিতির প্রতিনিধিরা জানান, মহালয়ায় করা সেই সমস্ত সেবামূলক কাজের মাধ্যমেই যেটুকু অর্থ পাওয়া গিয়েছিল, সেই অর্থ দিয়েই মহা ষষ্ঠীর দিনে আশ্রমে থাকা দুস্থ মানুষদের বস্ত্র তুলে দেওয়া এবং কপিলমুনির আশ্রমে আসা সকল মানুষকে খিচুড়ি খাওয়ানোর এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উৎসবের মরশুমে সমিতির এই মানবিক কাজ সর্বস্তরে প্রশংসিত হয়েছে।

দুর্গোৎসবের আনন্দে যখন চারদিক মুখরিত, দেবীপক্ষের শুভ সূচনায় ঠিক তখনই এক অসহায় বৃদ্ধ দম্পতির অন্ধকার জীবনে কাটল দীর্ঘদিনের অভিশাপ। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার সাগর ব্লকের বেগুয়াখালী গ্রামের জীর্ণ ঘরে অবশেষে পৌঁছাল আধুনিক বিদ্যুতের আলো। দুর্গাপূজার মহাপঞ্চমীর বিশেষ তিথিতে সাগরদ্বীপের বিধায়ক সুমন্ত মণ্ডল নিজে ওই দম্পতির বাড়িতে উপস্থিত হয়ে নিজ হাতে সুইচ টিপে ঘর আলোয় ভরিয়ে দিলেন।

আর সেই আলোর সঙ্গে সঙ্গেই আনন্দে চোখের জল ও হাসিতে ভেসে উঠলেন দিনদরিদ্র বৃদ্ধ বাবলু পাইক ও তাঁর স্ত্রী। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১১ সালেই সমগ্র সাগরদ্বীপে সরকারি উদ্যোগে ব্যাপকভাবে বিদ্যুতায়ন সম্পন্ন হয়েছিল দ্বীপে আলো এলেও বেগুয়াখালী গ্রামের এই প্রত্যন্ত প্রান্তের দম্পতির ছোট কুঁড়েঘরটি আলো থেকে চিরতরে বঞ্চিতই রয়ে যায়।বাবলু পাইকের অভিযোগ, বিজেপি করার অপরাধে বিগত বছরগুলিতে একাধিক স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রভাবশালী ব্যক্তির দুয়ারে দুয়ারে তিনি বিদ্যুতের আলোর জন্য ধর্না দিয়েছেন। তবে অভিযোগ উঠেছে, বিদ্যুৎ সংযোগ পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে তাঁদের কাছে থেকে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করা হয়েছিল। দিন এনে দিন খাওয়া এই নিঃস্ব দম্পতির সেই টাকা দেওয়ার বিন্দুমাত্র সামর্থ্য ছিল না। 


Oফলে বছরের পর বছর ধরে প্রদীপের শিখা আর কেরোসিনের কুপির আবছা আলোতেই চরম কষ্টে দিন কাটাতে বাধ্য হয়েছিলেন তাঁরা। সম্প্রতি বিষয়টি বর্তমান বিধায়ক সুমন্ত মণ্ডলের কানে পৌঁছায়। পুরো ঘটনাটি শোনার পরই তিনি আর কালবিলম্ব করেননি। অবিলম্বে বিদ্যুৎ দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে সম্পূর্ণ সরকারি খরচে এবং অতি দ্রুততার সঙ্গে ওই বাড়িতে বিনামূল্যে বিদ্যুৎ সংযোগের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেন।প্রশাসনিক তৎপরতায় দ্রুত সমস্ত কাজ শেষ হয় এবং দুর্গাপূজার পঞ্চমীর সন্ধ্যায় বিধায়ক নিজে বাবলু পাইকের বাড়িতে গিয়ে হাজির হন। নিজের হাতে মিটার ও সুইচের বোতাম টিপে যখন পুরো ঘরটি আলোয় উদ্ভাসিত করে তোলেন, তখন দীর্ঘদিনের জমানো ক্ষোভ আর যন্ত্রণা মুছে গিয়ে ওই বৃদ্ধ দম্পতির মুখে ফুটে ওঠে স্বস্তির আলো।বিধায়কের এই মানবিক ও সময়োপযোগী উদ্যোগে বেগুয়াখালী গ্রামজুড়ে আনন্দের আবহ তৈরি হয়েছে।দম্পতির মতে, "আজ আমাদের ঘরে আসল দুর্গাপূজা শুরু হলো।
 
 দেবী দুর্গার আরাধনায় নারীশক্তির জয়গান। দুর্গাপ্রতিমা তৈরি থেকে রং করা, এমনকী দেবীর চক্ষুদান—সবেতেই দায়িত্ব সামলাচ্ছেন মা ও মেয়ে। মহিলা পরিচালিত দুর্গাপুজোয় মা-মেয়ের হাতে তৈরি হচ্ছে মা দুর্গার প্রতিমা। জীবন্ত মাতৃশক্তির হাতেই মৃন্ময়ী মায়ের রূপদান! নারীশক্তির এমনই অনন্য নজির গড়ছে ক্যানিংয়ের মিত্র মহল স্পোর্টিং ক্লাবের দুর্গাপুজো।


চলতি বছরে চতুর্থ বর্ষে পদার্পণ করেছে এই পুজো। ক্লাবের প্রায় ৫০ শতাংশ সদস্য মহিলা। তাঁদের উদ্যোগেই শুরু হয়েছিল দুর্গাপুজো। পুরুষ সদস্যরা সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলেও পুজোর মূল দায়িত্ব নিজেদের কাঁধে তুলে নিয়েছেন মহিলারাই। আর সেই নারীশক্তির ভাবনাকেই এ বছর প্রতিমার মধ্য দিয়ে আরও বিশেষভাবে তুলে ধরার উদ্যোগ নিয়েছে পুজো কমিটি।

দীর্ঘ প্রায় দু’মাস ধরে চলছে প্রতিমা তৈরির কাজ। উত্তর ২৪ পরগনার ন্যাজাট থানার অন্তর্গত কানমারীর মৃৎশিল্পী লাকি সরদার এবং তাঁর মা দীপালী সরদার তৈরি করছেন দুর্গাপ্রতিমা। প্রায় ১৫ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন লাকি ও তাঁর মা প্রতিমার কাঠামো গড়া থেকে শুরু করে মাটির কাজ, রং করা—সমস্ত দায়িত্ব সামলাচ্ছেন নিজেরাই। শুধু প্রতিমা তৈরি নয়, দেবীর চক্ষুদানের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজেও থাকছে মহিলা মৃৎশিল্পীর হাতের ছোঁয়া। ফলে এই পুজোয় মৃন্ময়ী দেবী যেন জীবন্ত নারীশক্তিরই প্রতিচ্ছবি।