WEATHER

Top News

কয়েক দিন আগেই বনগাঁ সীমান্ত থেকে হাদি হত্যার মূল চক্রী এবং তাঁর সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে বেঙ্গল এসটিএফ। ধৃতদের নাম ফয়জল করিম মাসুদ এবং আলমগীর হোসেন। মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে তাঁরা ভারতে ঢুকেছিলেন। আর গ্রেফতারির আগে বনগাঁ সীমান্ত এলাকায় একটি বাড়িতে গা-ঢাকা দিয়ে ছিলেন। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান চালায় এসটিএফ। গ্রেফতার করা হয় তাঁদের।

ওসমান হাদি খুনের ঘটনায় বাংলা থেকে গ্রেফতার বাংলাদেশি, কীভাবে নদিয়ায় এল ধৃত?
নদিয়া থেকে এক বাংলাদেশিকে ধরল বেঙ্গল STF
সুজয় পাল




বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদিকে খুনের ঘটনায় আরও এক বাংলাদেশি ধরা পড়ল বাংলায়। ধৃতের নাম ফিলিপ সাংমা। নদিয়া জেলার শান্তিপুর থেকে তাঁকে গ্রেফতার করেছে বেঙ্গল এসটিএফ। ওসমান হাদি খুনে মূল অভিযুক্তদের সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে পালিয়ে আসতে সাহায্য করেছিলেন ধৃত ব্যক্তি। পরে নিজেও ভারতে চলে এসেছিলেন। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বাংলাদেশি নাগরিক ফিলিপ সাংমাকে গ্রেফতার করল বেঙ্গল এসটিএফ।

মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকার থাকাকালীন পদ্মাপারের দেশে খুন হন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদি। গত বছরের ১২ ডিসেম্বর তাঁকে গুলি করে পালায় দুই দুষ্কৃতী। হাদি খুনের বিচার চেয়ে উত্তাল হয় বাংলাদেশ।



কয়েক দিন আগেই বনগাঁ সীমান্ত থেকে হাদি হত্যার মূল চক্রী এবং তাঁর সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে বেঙ্গল এসটিএফ। ধৃতদের নাম ফয়জল করিম মাসুদ এবং আলমগীর হোসেন। মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে তাঁরা ভারতে ঢুকেছিলেন। আর গ্রেফতারির আগে বনগাঁ সীমান্ত এলাকায় একটি বাড়িতে গা-ঢাকা দিয়ে ছিলেন। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান চালায় এসটিএফ। গ্রেফতার করা হয় তাঁদের। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দু’জনেই বাংলাদেশের অন্যতম ছাত্র আন্দোলনকারী ওসমান হাদির খুনের কথা স্বীকার করেন বলে জানা গিয়েছে।

সূত্রে জানা গিয়েছে, হাদি খুনে মূল অভিযুক্তদের সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে আসতে সাহায্য করেছিলেন ফিলিপ সাংমা। এর জন্য ৫০ হাজার টাকা পেয়েছিলেন। পরে বাংলাদেশ পুলিশের তাড়া খেয়ে তিনিও সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢুকে পড়েন। ফিলিপও মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতে ঢোকেন বলে জানা গিয়েছে। ফয়জল ও আলমগীরকে জিজ্ঞাসাবাদ করেই ফিলিপের নাম জানতে পারে বেঙ্গল এসটিএফ। জানা গিয়েছে, ভারতে ঢোকার পর বারবার ঠিকানা বদলাচ্ছিলেন ফিলিপ সাংমা। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শান্তিপুর বাইপাস এলাকা থেকে বেঙ্গল এসটিএফ তাঁকে গ্রেফতার করে। এদিকে, ফয়জল ও আলমগীরকে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণের জন্য ভারতের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে সেদেশের সরকার।
শুধু পরিবর্তনের ডাক দেওয়া নয়, বিজেপি এলে যে দুর্নীতির হিসাব নেওয়া হবে, এদিন সেই হুঁশিয়ারিও দিয়ে গেলেন মোদী। তিনি বলেন, "বিজেপি সরকার তৈরি হওয়ার পরে একদিকে আমরা সবকা সাথ, সবকা বিকাশের মন্ত্র নিয়ে চলব। আরেকদিকে সবকা হিসাব লিয়া জায়গা।” আর মোদীর এই সভার পর উচ্ছ্বসিত শাহ-ও আশাবাদী, বাংলায় পরিবর্তন শুধু সময়ের অপেক্ষা। 

 ব্রিগেডে মোদীর সভা কী ইঙ্গিত দিল? বলে দিলেন শাহ
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ব্রিগেডের সভা নিয়ে কী বললেন অমিত শাহ?

দোরগোড়ার বাংলার বিধানসভা নির্বাচন। সেই নির্বাচনের আগে ব্রিগেড থেকে শনিবার বাংলায় পরিবর্তনের বার্তা দিয়ে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রীর সভার ভিড় দেখে উচ্ছ্বসিত তাঁর ডেপুটি অমিত শাহ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলে দিলেন, ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রীর সভায় ভিড় বুঝিয়ে দিয়েছে বাংলায় মানুষ পরিবর্তন চাইছেন।

ব্রিগেডে সভার একটি ভিডিয়ো এক্স হ্যান্ডলে শেয়ার করেছেন মোদী। আর তার পরই এক্স হ্যান্ডলে শাহ লিখেছেন, “কলকাতায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীজির সভায় এই বিপুল জনসমাগম পরিষ্কার বার্তা দিচ্ছে যে বাংলার মানুষ পরিবর্তন চাইছেন। বাংলার মানুষ মমতা দিদিকে ক্ষমতাচ্যুত করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন। এবং তাঁরা বিজেপি-র সরকারকে নির্বাচিত করবেন।”



একুশের নির্বাচনের সময় ব্রিগেডে সভা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। ৫ বছর পর সেই ব্রিগেডে ফের সভা করলেন তিনি। বাংলায় এবার পরিবর্তন হবে বলে আশাবাদী বঙ্গ বিজেপি। আর এদিন ব্রিগেড থেকে রাজ্যে পরিবর্তনের বার্তা দিয়ে গেলেন মোদী। নিজের বক্তব্যে আগাগোড়া বাংলায় বিজেপি সরকার গঠনের কথা বললেন। নতুন বাংলা গড়ার ডাক দিলেন।

প্রধানমন্ত্রী এদিন বলেন, “এই জনপ্লাবন বলে দিচ্ছে বাংলা কী চাইছে। কারও মনে সন্দেহ থাকলে এই ছবি দেখে নিন। আজ থেকেই মহাজঙ্গলরাজ শেষের কাউন্টডাউন শুরু। অনাচার হলেই ঐতিহাসিক ব্রিগেড থেকে প্রতিবাদের আওয়াজ উঠেছে। আজ ফের নতুন বাংলা গড়ার বিউগল বাজল। তৃণমূলকে বাঁচানোর আর কেউ নেই।”

শুধু পরিবর্তনের ডাক দেওয়া নয়, বিজেপি এলে যে দুর্নীতির হিসাব নেওয়া হবে, এদিন সেই হুঁশিয়ারিও দিয়ে গেলেন মোদী। তিনি বলেন, “বিজেপি সরকার তৈরি হওয়ার পরে একদিকে আমরা সবকা সাথ, সবকা বিকাশের মন্ত্র নিয়ে চলব। আরেকদিকে সবকা হিসাব লিয়া জায়গা।” আর মোদীর এই সভার পর উচ্ছ্বসিত শাহ-ও আশাবাদী, বাংলায় পরিবর্তন শুধু সময়ের অপেক্ষা। 


ছবির সঙ্গে যুক্ত যে সমস্ত কলাকুশলী আজ আর বেঁচে নেই, তাঁদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন আমির। তিনি জানান, আজ এই সাফল্য যতটা তাঁদের, ততটাই সেই মানুষগুলোরও, যাঁরা পর্দার সামনে বা পেছনে থেকে এই ছবিটিকে কালজয়ী করে তুলেছিলেন।
সিনেমার শুটিংয়ে রোজ কেন গায়ত্রী মন্ত্র শুনতেন আমির খান? কারণটা চমকে দেওয়ার মতো
আকাশ মিশ্র

ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে ‘লগান’ কেবল একটি চলচ্চিত্র নয়, বরং একটি মাইলফলক। সেই ঐতিহাসিক সফরের ২৫ বছর উদযাপনে সম্প্রতি একজোট হয়েছিলেন পরিচালক আশুতোষ গোয়ারিকর এবং অভিনেতা-প্রযোজক আমির খান। তাঁদের সঙ্গে রেড লরি ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে উপস্থিত ছিলেন রঘুবীর যাদব, অখিলেন্দ্র মিশ্র, আমিন হাজি এবং প্রদীপ রাম সিং রাওয়াতের মতো ছবির সেই জনপ্রিয় মুখেরা। দীর্ঘ সময় পর ভুবন আর তাঁর দলকে একসঙ্গে দেখে মঞ্চে যেন ফিরে এসেছিল সেই পুরনো চম্পানের গ্রাম।

ছবির প্রদর্শনী শেষে পরিচালক আশুতোষের সঙ্গে দীর্ঘ আড্ডায় মাতেন আমির খান। দীর্ঘ কয়েক দশকের এই যাত্রাপথের কথা বলতে গিয়ে বেশ আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’। ছবির সঙ্গে যুক্ত যে সমস্ত কলাকুশলী আজ আর বেঁচে নেই, তাঁদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন আমির। তিনি জানান, আজ এই সাফল্য যতটা তাঁদের, ততটাই সেই মানুষগুলোরও, যাঁরা পর্দার সামনে বা পেছনে থেকে এই ছবিটিকে কালজয়ী করে তুলেছিলেন।


পুলিশ খুঁজেই পাচ্ছে না, অথচ সেই সোনা পাপ্পুরই ইফতারে 'হেভিওয়েট' দাওয়াত!
এদিন আমির খান শুটিং চলাকালীন এক অদ্ভুত ও অনুপ্রেরণামূলক অভ্যাসের কথা ফাঁস করেন। তিনি জানান, শুটিং চলাকালীন প্রতিদিন ভোরে ইউনিটের সবাই মিলে যখন সেটের দিকে রওনা হতেন, তখন বাসে করে যাওয়ার সময় সবাই মিলে ‘গায়েত্রী মন্ত্র’ শুনতেন। আমির বলেন, “শুরুতে এটি একটি সাধারণ অভ্যাসের মতো মনে হলেও, ধীরে ধীরে তা আমাদের নিত্যদিনের রুটিন হয়ে দাঁড়িয়েছিল।” এই বিশেষ রীতিটি গোটা টিমের মধ্যে এক ইতিবাচক মানসিকতা তৈরি করত এবং একে অপরের প্রতি টান ও বন্ধন আরও মজবুত করেছিল।

আজ থেকে আড়াই দশক আগে মুক্তি পাওয়া এই ছবি অস্কারের দৌড়েও শামিল হয়েছিল। ব্রিটিশদের কর বা ‘লগান’ মকুবের দাবিতে এক কাল্পনিক গ্রামের ক্রিকেট ম্যাচের সেই রোমহর্ষক লড়াই আজও দর্শকদের রক্তে দোলা দেয়। ২৫ বছর পরেও আমির এবং আশুতোষের জুটির সেই ম্যাজিক যে বিন্দুমাত্র ফিকে হয়নি, উৎসবের মেজাজই তা প্রমাণ করে দিল।


রিচালক ড্যানি বয়েলের এই ছবির সঙ্গে যুক্ত হওয়ার নেপথ্যে এক মজার কাহিনি শোনালেন ৬৯ বছর বয়সী এই তারকা। তিনি বলেন, “আমি নিজেকে শিক্ষিত করতে এই সিনেমাটি করেছিলাম। আমি সবসময় শিখতে চাই, আর এটাই আমাকে আজও প্রাসঙ্গিক রেখেছে।” অনিল জানান, ছবিটির কাজ শুরুর সময় নির্মাতারা তাঁকে বলেছিলেন যে তাঁর যা পারিশ্রমিক, তা দেওয়ার ক্ষমতা তাঁদের নেই।


দেড় দশক পেরিয়েও আসছে চেক! জানেন কোন ছবির জন্য এখনও টাকা পেয়ে চলেছেন অনিল?


তিনি বলিউডের ঝাকাস কাপুর। এখনও দেখলে বোঝা যায় না, তাঁর বয়স প্রায় সত্তর। ফিটনেসে চ্যালেঞ্জ ছুড়তে পারে নতুন প্রজন্মের নায়কদের। জানেন সেই অনিল কাপুর, বহু আগে একটি ছবিতে অভিনয় করার পর, এখনও সেই ছবির পারিশ্রমিক পেয়ে চলেছেন! নাহ, কোনও গুঞ্জন নয়। বরং অনিল নিজেই জানালেন সেকথা।


২০০৮ সালের ‘স্লামডগ মিলিওনেয়ার’ বদলে দিয়েছিল ভারতীয় সিনেমার বিশ্বজনীন সংজ্ঞা। সেই ছবির কুইজ মাস্টার প্রেম কুমারের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন অনিল কাপুর। মজার বিষয় হল, ছবিটি মুক্তির ১৮ বছর পরেও সেই কাজ থেকে রয়্যালটি বাবদ মোটা টাকা পাচ্ছেন অভিনেতা। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে অনিল কাপুর নিজেই এই কথা খোলসা করে উপস্থিত দর্শকদের চমকে দিয়েছেন।



ওসমান হাদি খুনের ঘটনায় বাংলা থেকে গ্রেফতার বাংলাদেশি, কীভাবে নদিয়ায় এল ধৃত?
কনক্লেভের একটি বিশেষ অধিবেশনে অনিল অত্যন্ত আবেগপ্রবণ হয়ে বলেন, “একটি খুব গোপন কথা আপনাদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে চাই। দেড় দশকেরও বেশি সময় হয়ে গিয়েছে ছবিটির, কিন্তু বিশ্বাস করবেন না, গতকালই আমি ‘স্লামডগ মিলিওনেয়ার’-এর জন্য একটি পে-চেক পেয়েছি।” কত টাকা পেলেন? উত্তরে অভিনেতা জানান, গতকালের চেকে ৩০০০ পাউন্ড (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৩ লক্ষ টাকার বেশি) ছিল। এখানেই শেষ নয়, তিনি আরও যোগ করেন, “আমি সব ট্যাক্স দিয়ে দিই, তাই বুক ফুলিয়ে বলতে পারি যে আমি প্রায় ৫ লক্ষ পাউন্ড (প্রায় সাড় ৫ কোটি টাকা) পেতে চলেছি। আমি নিজেই এখন একজন মিলিওনেয়ার! আমি এই টাকা চাইনি, ওঁরা নিজেরাই আমায় দিচ্ছেন।”

পরিচালক ড্যানি বয়েলের এই ছবির সঙ্গে যুক্ত হওয়ার নেপথ্যে এক মজার কাহিনি শোনালেন ৬৯ বছর বয়সী এই তারকা। তিনি বলেন, “আমি নিজেকে শিক্ষিত করতে এই সিনেমাটি করেছিলাম। আমি সবসময় শিখতে চাই, আর এটাই আমাকে আজও প্রাসঙ্গিক রেখেছে।” অনিল জানান, ছবিটির কাজ শুরুর সময় নির্মাতারা তাঁকে বলেছিলেন যে তাঁর যা পারিশ্রমিক, তা দেওয়ার ক্ষমতা তাঁদের নেই। অনিল তখন পাল্টা প্রশ্ন করেছিলেন, “আমি কি টাকা চেয়েছি? আমি বিনা পয়সায় কাজ করতে রাজি।” অভিনেতার এই উদারতা আর ভালোবাসার প্রতিদান হিসেবেই সম্ভবত আজ লভ্যাংশের চেক পৌঁছে যাচ্ছে তাঁর ঠিকানায়।

বয়স কেবলই একটা সংখ্যা মাত্র, মঞ্চে দাঁড়িয়ে যেন সেটাই প্রমাণ করলেন ‘ঝাকাস’ অভিনেতা। নিজের অভিজ্ঞতা এবং অদম্য জেদ নিয়ে আজও বলিউডে নিজের দাপট বজায় রেখেছেন অনিল কাপুর।

দীর্ঘ কয়েক দশক পেরিয়েও এই গানের আবেদন বিন্দুমাত্র কমেনি। তবে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রবিনা ফাঁস করলেন সেই গানের নেপথ্যের আসল সত্যি। রবিনা জানান, গানে সেনসুয়ালিটি বা আবেদন থাকলেও তাতে ‘অশ্লীলতা’ থাকুক তা তিনি চাননি। তাই শুটিং শুরুর আগেই কিছু কড়া শর্ত আরোপ করেছিলেন তিনি।


শাড়ি খোলা যাবে না!’ আদরের আগে অক্ষয়কে কেন শর্ত দিয়েছিলেন রবিনা?


আকাশ থেকে বৃষ্টির ধারা নামছে, আর তার নিচে হলুদ শাড়িতে অক্ষয় কুমারের সঙ্গে রোমান্সে মজেছেন রবিনা ট্যান্ডন। ‘টিপ টিপ বরসা পানি’ বললেই এই দৃশ্যটি চোখের সামনে ভেসে ওঠে। দীর্ঘ কয়েক দশক পেরিয়েও এই গানের আবেদন বিন্দুমাত্র কমেনি। তবে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রবিনা ফাঁস করলেন সেই গানের নেপথ্যের আসল সত্যি। রবিনা জানান, গানে সেনসুয়ালিটি বা আবেদন থাকলেও তাতে ‘অশ্লীলতা’ থাকুক তা তিনি চাননি। তাই শুটিং শুরুর আগেই কিছু কড়া শর্ত আরোপ করেছিলেন তিনি।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রবিনা ট্যান্ডন জানান, সেই সময় পর্দায় নিজের ভাবমূর্তি নিয়ে তিনি অত্যন্ত সচেতন ছিলেন। তাই গানটির কোরিওগ্রাফি বা দৃশ্য নিয়ে তাঁর কিছু স্পষ্ট আপত্তি ছিল। রবিনা বলেন, “আমি পরিচালককে পরিষ্কার বলে দিয়েছিলাম, নাচের সময় আমার গা থেকে শাড়ি খুলে পড়ে যাবে না। এমনকি কোনওরকম চুম্বনের দৃশ্যও রাখা যাবে না।” মূলত গানের দৃশ্য যেন শালীনতার মাত্রা ছাড়িয়ে না যায়, সেটাই ছিল অভিনেত্রীর প্রধান লক্ষ্য।


অভিনেত্রীর মতে, একটি গানকে আবেদনময়ী করে তোলার জন্য কেবল শরীর প্রদর্শন বা ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের প্রয়োজন হয় না। রবিনা বলেন, “আমি সবসময় বিশ্বাস করি সেনসুয়ালিটি আর অশ্লীলতার মধ্যে খুব সূক্ষ্ম একটা রেখা আছে। আমি সেই রেখাটা কখনওই পার করতে চাইনি। আমি চেয়েছিলাম গানটা এমন হোক যা দেখে দর্শক আমাকে শিল্পী হিসেবে মনে রাখবে, সস্তা জনপ্রিয়তা হিসেবে নয়।” মজার বিষয় হল, শুটিংয়ের সময় রবিনা এতটাই ভয়ে ছিলেন যে প্রতিটা স্টেপ করার পর বারবার কনফার্ম করে নিতেন যে তাঁকে খুব বেশি ‘বাজে’ দেখাচ্ছে না তো!

পরবর্তীতে ক্যাটরিনা কাইফ এই গানের রিমেকে নজর কেড়েছেন ঠিকই, কিন্তু দর্শকদের একটি বড় অংশের মতে, রবিনার সেই ব্যক্তিত্ব আর বৃষ্টির জমাটি রোমান্স আজও অতুলনীয়। কোনও যৌন সুড়সুড়ি না দিয়েও কীভাবে একটি গানকে বছরের পর বছর জনপ্রিয় রাখা যায়, রবিনার সেই শর্তগুলোই আজ তার সবথেকে বড় প্রমাণ। ব্যক্তিগত জীবনে স্পষ্টবক্তা হিসেবে পরিচিত রবিনা আজও নিজের কেরিয়ার ও পছন্দ নিয়ে সমান আত্মবিশ্বাসী।

ব্বইয়ের দশকে পরিস্থিতি এমন ছিল না। সম্প্রতি একটি পডকাস্টে ‘তিস মার খাঁ’ ছবির স্মৃতি চারণা করতে গিয়ে অক্ষয় খান্না সম্পর্কে বিস্ফোরক সব তথ্য ফাঁস করলেন ফারহা খান। তাঁর দাবি, এক সময় সেটে অক্ষয়ের অপেশাদার আচরণে তিনি এতটাই বিরক্ত ছিলেন যে, ছবিতে অক্ষয় আছেন শুনলেই কাজ ছেড়ে পালিয়ে যেতে চাইতেন ফারহা।


সেটে জিনিসপত্র ছুড়তেন অক্ষয়! বিস্ফোরক ফারহা 


বর্তমানে অক্ষয় খান্না মানেই পর্দায় এক শান্ত, ধীরস্থির এবং শক্তিশালী অভিনেতা। কিন্তু নব্বইয়ের দশকে পরিস্থিতি এমন ছিল না। সম্প্রতি একটি পডকাস্টে ‘তিস মার খাঁ’ ছবির স্মৃতি চারণা করতে গিয়ে অক্ষয় খান্না সম্পর্কে বিস্ফোরক সব তথ্য ফাঁস করলেন ফারহা খান। তাঁর দাবি, এক সময় সেটে অক্ষয়ের অপেশাদার আচরণে তিনি এতটাই বিরক্ত ছিলেন যে, ছবিতে অক্ষয় আছেন শুনলেই কাজ ছেড়ে পালিয়ে যেতে চাইতেন ফারহা।

ফারহা জানান, নব্বইয়ের দশকের শুরুর দিকে অক্ষয়ের সঙ্গে কাজ করা তাঁর কাছে ছিল এক দুঃস্বপ্নের মতো। ফারহার কথায়, “নব্বইয়ের দশকে অক্ষয়ের সঙ্গে কয়েকটি কাজ করার পর আমার ট্রমা হয়ে গিয়েছিল। ও একেবারেই অন্যরকম মানুষ ছিল। অসম্ভব অন্তর্মুখী কিন্তু সেটে ওর আচরণ মোটেও ভালো ছিল না। তখন যদি শুনতাম কোনও ছবিতে অক্ষয় খান্না অভিনয় করছেন, আমি সরাসরি বলে দিতাম— আমার কাছে ডেটস নেই।”

পুলিশ খুঁজেই পাচ্ছে না, অথচ সেই সোনা পাপ্পুরই ইফতারে 'হেভিওয়েট' দাওয়াত!
কেন অক্ষয় সেটে এমন আচরণ করতেন? ফারহা জানান, সেই সময় অভিনেতা নিজেও মানসিক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন। ফারহা বলেন, “সে সময় ও খুব অল্প বয়সে চুল পড়ে যাওয়ার সমস্যায় ভুগছিল, যা ওকে খিটখিটে করে তুলেছিল। ও সেটে জিনিসপত্র ছুড়ে মারত। স্ক্রিপ্ট হাতে পেয়ে চেঁচিয়ে বলত— এটা কী ধরণের সংলাপ! ও ছিল ঠিক সেই ধরণের মেজাজি মানুষ।”

ফারহা জানান, অক্ষয়কে নিয়ে তাঁর এই ধারণা বদলে যায় কালজয়ী ছবি ‘দিল চাহতা হ্যায়’-এর সময়। ফারহা বলেন, “ছবিটির পরিচালক ফারহান আখতার আমার ভাই, তাই কাজটা না করার কোনও উপায় ছিল না। কিন্তু সেই সেটে গিয়ে দেখলাম অক্ষয় একদম বদলে গিয়েছে। ও অনেক বেশি শান্ত আর ভদ্র হয়ে গিয়েছিল। আমরা পুরনো তিক্ততা মিটিয়ে নিয়েছিলাম।”

অক্ষয়ের অভিনয়ের পাশাপাশি তাঁর নাচেরও প্রশংসা করেন ফারহা। তাঁর মতে, ‘দিল চাহতা হ্যায়’ ছবির ‘কোই কহে কহেতা রহে’ গানে আমির খান এবং সইফ আলি খানের চেয়েও অনেক ভালো নেচেছিলেন অক্ষয়। ফারহার ইউটিউব চ্যানেল এখন তুমুল জনপ্রিয় হলেও, অক্ষয়ের সঙ্গে কাটানো সেই বিতর্কিত দিনগুলো আজও তাঁর স্মৃতিতে টাটকা। ‘ধুরন্ধর ২’-এ অক্ষয়কে বড় পর্দায় না দেখা গেলেও, ফ্ল্যাশব্যাকে তাঁর উপস্থিতি নিয়ে আশাবাদী ভক্তরা।

আমির স্বীকার করেছেন যে, কেরিয়ারের শুরু থেকে তিনি এতটাই কাজের প্রতি মগ্ন ছিলেন যে পরিবারকে পর্যাপ্ত সময় দিতে পারেননি। ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’ হওয়ার ইঁদুর দৌড়ে তিনি ব্যক্তিগত সম্পর্কের ছোট ছোট আনন্দ বা দায়িত্বগুলোকে অজান্তেই অবহেলা করে ফেলেছিলেন। রীনার সঙ্গে তাঁর বিচ্ছেদ আইনি হলেও তা কোনও কাদা ছোঁড়াছুড়ির পর্যায়ে যায়নি। 

বরং আজও রীনাকে তাঁর জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মানুষ এবং সেরা বন্ধু হিসেবে সম্মান করেন আমির।
কেন ভেঙেছিল প্রথম সংসার? প্রথম স্ত্রী রিনার সঙ্গে বিচ্ছেদ নিয়ে মুখ খুললেন আমির খান


আমির খান এবং রিনা দত্ত। নব্বইয়ের দশকে বলিউডের অন্যতম ‘পাওয়ার কাপল’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন তাঁরা। বাড়ি থেকে পালিয়ে বিয়ে করা থেকে শুরু করে আমিরের কেরিয়ারের চড়াই-উতরাইয়ে রিনার ছায়ার মতো পাশে থাকা, সবটাই ছিল রূপকথার মতো। কিন্তু ২০০২ সালে ১৬ বছরের সেই দীর্ঘ দাম্পত্যে ইতি টেনে যখন তাঁরা আইনি বিচ্ছেদের পথে হাঁটেন, তখন স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিল গোটা ইন্ডাস্ট্রি। কেন এই বিচ্ছেদ? কোনও তৃতীয় ব্যক্তি না কি অন্য কোনও কারণ?

অনেকেই মনে করতেন আমিরের দ্বিতীয় স্ত্রী কিরণ রাওয়ের সঙ্গে আমিরের ঘনিষ্ঠতাই হয়তো রিনার সঙ্গে বিচ্ছেদের মূল কারণ। কিন্তু আমির খান নিজে জানিয়েছেন অন্য কথা। তাঁর মতে, কোনও তৃতীয় ব্যক্তির জন্য নয়, বরং পরিস্থিতির চাপে এবং ব্যক্তিগত কিছু সমস্যার কারণেই তাঁদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল। আমির একবার এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, “রিনার সঙ্গে আমার বিচ্ছেদ অত্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক ছিল। এটা কেবল আমার বা রীনার জন্য নয়, আমাদের পরিবারের জন্যও ছিল কঠিন সময়।”



আমির স্বীকার করেছেন যে, কেরিয়ারের শুরু থেকে তিনি এতটাই কাজের প্রতি মগ্ন ছিলেন যে পরিবারকে পর্যাপ্ত সময় দিতে পারেননি। ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’ হওয়ার ইঁদুর দৌড়ে তিনি ব্যক্তিগত সম্পর্কের ছোট ছোট আনন্দ বা দায়িত্বগুলোকে অজান্তেই অবহেলা করে ফেলেছিলেন। রীনার সঙ্গে তাঁর বিচ্ছেদ আইনি হলেও তা কোনও কাদা ছোঁড়াছুড়ির পর্যায়ে যায়নি। বরং আজও রীনাকে তাঁর জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মানুষ এবং সেরা বন্ধু হিসেবে সম্মান করেন আমির।

বলিউডের আর পাঁচটা বিচ্ছেদের মতো আমির-রিনার সম্পর্ক তিক্ততায় শেষ হয়নি। আজও আমিরের বাড়ির যেকোনও অনুষ্ঠানে বা দুই সন্তান জুনেইদ ও আইরার প্রয়োজনে তাঁদের একসঙ্গে দেখা যায়। এমনকি আমির যখন কিরণ রাওকে বিয়ে করেন, তখনও রীনার সঙ্গে তাঁর সৌহার্দ্য বজায় ছিল। আমির জানান, “বিচ্ছেদের মানে এই নয় যে আমাদের ভালোবাসা বা শ্রদ্ধা শেষ হয়ে গিয়েছে। রীনা আজও আমাদের পরিবারের অবিচ্ছেদ্য অংশ।”

রিনার সঙ্গে বিচ্ছেদের প্রায় দুই বছর পর ‘লগান’ ছবির সেটে আলাপ হওয়া কিরণ রাওয়ের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান আমির এবং ২০০৫ সালে তাঁকে বিয়ে করেন। যদিও রীনার সঙ্গে বিচ্ছেদের সময় কিরণের কোনও ভূমিকা ছিল না বলেই বারবার দাবি করেছেন আমির।

জীবনযুদ্ধের ময়দানে আমির খান হয়তো অনেক জয় পেয়েছেন, কিন্তু প্রথম বিয়ে ভেঙে যাওয়ার সেই ক্ষত যে আজও কোথাও একটা রয়ে গিয়েছে, তা তাঁর কথায় মাঝে মাঝেই ফুটে ওঠে।


অনেকেই হয়তো জানেন না, আমিশার প্রথম ছবি ‘কহো না প্যায়ার হ্যায়’-এর পেছনেও রয়েছে সানি দেওলের বড় অবদান। আমিশা জানান, হৃতিক রোশনের বিপরীতে কাজ করার আগে তিনি সানির প্রযোজনা সংস্থা ‘বিজেতা ফিল্মস’-এর সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ ছিলেন। আমিশার কথায়, “যখন আমি সানিকে গিয়ে বললাম যে আমি ‘কহো না প্যায়ার হ্যায়’ করতে চাই, সে এক মুহূর্ত সময় নষ্ট না করে আমার সামনেই কন্টাক্ট পেপার ছিঁড়ে ফেলেছিল।


কেন আমিশা প্যাটেলকে আমিশা দেওল বলে ডাকতেন ধর্মেন্দ্র? ছেলের বউ বানাতে চেয়েছিলেন?
আকাশ মিশ্র


পর্দায় তাঁরা তারা সিং আর সাকিনা। কিন্তু পর্দার বাইরেও সানি দেওল এবং আমিশা প্যাটেলের রসায়ন দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে অমলিন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে আমিশা কেবল সানি নয়, বরং গোটা দেওল পরিবারের সঙ্গে তাঁর আত্মার সম্পর্কের কথা তুলে ধরলেন। ধর্মেন্দ্রর প্রয়াণ থেকে শুরু করে কেরিয়ারের কঠিন সময়ে সানির পাশে থাকা— সবকিছু নিয়েই অকপট অভিনেত্রী।

ধর্মেন্দ্রর মৃত্যু প্রসঙ্গে আমিশা জানান, “ধরমজি যখন আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন, আমার মনে হয়েছিল আমি ব্যক্তিগতভাবে কাউকে হারালাম। যদিও তাঁর সঙ্গে আমার খুব নিয়মিত কথা হতো না, কিন্তু তিনি আমাকে সব সময় পরিবারের অংশ মনে করতেন। তিনি আমাকে ‘আমিশা দেওল’ বলে সম্বোধন করতেন।”



২০০১ সালের ‘গদর’ হোক বা ২০২৩-এর ‘গদর ২’— বক্স অফিসে সানি- আমিশা জুটি মানেই ইতিহাস। তাঁদের বন্ধুত্বের গভীরতা বোঝাতে গিয়ে আমিশা বলেন, “আমি সানিকে সবসময় বলি, অন্য কেউ তোমার সঙ্গে কাজ করতে চাক বা না চাক, আমি আছি। সানি যদি আমাকে কোনও ছবিতে সংলাপহীন একটি ‘গাছ’-এর চরিত্রে অভিনয় করতে বলে, আমি একমাত্র তাঁর জন্যই সেটা করব। পেশাদার বা ব্যক্তিগত যেকোনও পরিস্থিতিতেই আমাদের বন্ধুত্ব অটুট থাকবে।”

অনেকেই হয়তো জানেন না, আমিশার প্রথম ছবি ‘কহো না প্যায়ার হ্যায়’-এর পেছনেও রয়েছে সানি দেওলের বড় অবদান। আমিশা জানান, হৃতিক রোশনের বিপরীতে কাজ করার আগে তিনি সানির প্রযোজনা সংস্থা ‘বিজেতা ফিল্মস’-এর সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ ছিলেন। আমিশার কথায়, “যখন আমি সানিকে গিয়ে বললাম যে আমি ‘কহো না প্যায়ার হ্যায়’ করতে চাই, সে এক মুহূর্ত সময় নষ্ট না করে আমার সামনেই কন্টাক্ট পেপার ছিঁড়ে ফেলেছিল। সে বলেছিল, ‘যাও আমিশা, কাজটা কর।’ সে অত্যন্ত বড় মনের মানুষ।”

পরিশেষে আমিশা জানান, তারা সিং এবং সাকিনা হিসেবে তাঁরা যে মর্যাদা পেয়েছেন, তা তাঁদের একে অপরের প্রতি অগাধ শ্রদ্ধা ও ভালোবাসারই ফল। ‘গদর ২’-এর ব্লকবাস্টার সাফল্যের পর এই দুই তারকার অটুট বন্ধন আরও একবার দর্শকদের মন জয় করে নিল।

অভিযোগ, অনুষ্ঠানের সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই খোদ পুলিশি হস্তক্ষেপে চূড়ান্ত অপমানিত হয়ে মঞ্চ ছাড়তে বাধ্য হলেন শিল্পী। শুধু অনুষ্ঠান থামানোই নয়, পুলিশের পক্ষ থেকে শিলাজিতের প্রতি ‘কুরুচিকর’ ইঙ্গিত করা হয়েছে বলেও বিস্ফোরক দাবি তুলেছেন তিনি।


'এভাবে আমাকে অসম্মান করতে পারেন না...' মঞ্চ থেকে নামিয়ে দেওয়া হল শিলাজিৎকে! কী ঘটল সেন্ট্রাল পার্কে?


শুক্রবার রাতে কৃষ্ণনগর সেন্ট্রাল পার্কের বইমেলা প্রাঙ্গণ ছিল কানায় কানায় পূর্ণ। মঞ্চে তখন মেজাজে গান গাইছেন শিলাজিৎ মজুমদার। কিন্তু অনুষ্ঠানের একেবারে অন্তিম লগ্নে যা ঘটল, তা এক কথায় নজিরবিহীন। অভিযোগ, অনুষ্ঠানের সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই খোদ পুলিশি হস্তক্ষেপে চূড়ান্ত অপমানিত হয়ে মঞ্চ ছাড়তে বাধ্য হলেন শিল্পী। শুধু অনুষ্ঠান থামানোই নয়, পুলিশের পক্ষ থেকে শিলাজিতের প্রতি ‘কুরুচিকর’ ইঙ্গিত করা হয়েছে বলেও বিস্ফোরক দাবি তুলেছেন তিনি।

জানা গিয়েছে, শিলাজিতের অনুষ্ঠান চলার কথা ছিল রাত ১১টা পর্যন্ত। কিন্তু ঘড়ির কাঁটা ১০টা ৫৮ ছুঁতেই মেলা প্রাঙ্গণে উদয় হয় পুলিশ বাহিনী। শিলাজিতের অভিযোগ, তখনও হাতে দু’মিনিট সময় থাকা সত্ত্বেও পুলিশ অত্যন্ত অসভ্যভাবে এবং নোংরা ইশারা করে তাঁকে গান থামানোর ইঙ্গিত দেয়। ভরা মঞ্চে একজন শিল্পীর প্রতি পুলিশের এই ‘দাদাগিরি’ দেখেই মেজাজ হারান শিলাজিৎ।



কেন আমিশা প্যাটেলকে আমিশা দেওল বলে ডাকতেন ধর্মেন্দ্র? ছেলের বউ বানাতে চেয়েছিলেন?
পুলিশের এমন আচরণে স্তম্ভিত শিল্পী পাল্টা তোপ দাগেন মাইক হাতেই। তিনি সরাসরি পুলিশ আধিকারিককে উদ্দেশ্য করে বলেন, “এভাবে আমাকে অসম্মান করতে পারেন না। আপনাদের এর থেকে অনেক বেশি আওয়াজ সহ্য করতে হয়। ১১টা বাজতে এখনও দু’মিনিট বাকি, উদ্যোক্তারাই আমাকে এই সময় দিয়েছেন।” এরপরই ক্ষোভে ও অভিমানে অনুষ্ঠান অসম্পূর্ণ রেখেই মঞ্চ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।



মঞ্চ থেকে নামার সময় পুলিশের উদ্দেশে শিলাজিতের মন্তব্য এখন নেটপাড়ায় ভাইরাল। তিনি বলেন, “স্যার, আপনি আমাকে না চিনতেই পারেন, কিন্তু এই ৩২ বছরে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ আমাকে চিনেছে। সাধারণ মানুষ আমার গান শুনতে এসেছেন, আর পাঁচটা মিনিট দিলে কি খুব সমস্যা হতো? আজ একজন শিল্পীকে এভাবে বাজে ইশারা করে নামিয়ে দিচ্ছেন, ভোটের সময় রাজনৈতিক দলগুলোর শো কীভাবে আটকান, তা আমি দেখব।”



উল্লেখ্য, কৃষ্ণনগরে গান গাইতে এসে এর আগেও অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মুখে পড়েছিলেন শিলাজিৎ। সেই অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে আগে একটি ভিডিও-ও করেছিলেন তিনি। এবার ফের একই শহরে পুলিশের এমন ‘অভব্য’ আচরণে রাজ্যের শিল্পী মহলে নিন্দার ঝড় উঠেছে। প্রশ্ন উঠছে, সময়ের দোহাই দিয়ে একজন প্রবীণ শিল্পীকে এভাবে জনসমক্ষে অপমান করা কি কাম্য? সোশাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যেই পুলিশের এই ভূমিকার কড়া সমালোচনা শুরু করেছেন নেটিজেনরা।

২০২৬ সালে ব্রিকস-এর সভাপতিত্ব করছে ভারত। ব্রিকস গোষ্ঠীতে রয়েছে ইরানও। এবার ব্রিকস-এ ইরানের উপর মার্কিন এবং ইজরায়েলি হামলার বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাব আনার জন্য় ভারতকে আবেদন জানিয়েছে তেহরান। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে কথা হয়েছে ইরানের বিদেশমন্ত্রী আরাগাচির। জানা গিয়েছে, ফোনালাপে ইরানের উপর হামলার বিরুদ্ধে ভারতকে ব্রিকস-এ অবস্থান নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন আরাগাচি।

হরমুজে ছাড়ের পরিবর্তে ভারতকে মানতে হবে শর্ত? নয়া দিল্লির উপর পাল্টা চাপ ইরানের!
ভারতকে পাল্টা চাপ ইরানের

ভারতের উপর চাপ বাড়াচ্ছে ইরান। হরমুজে ছাড় দেওয়ার পরিবর্তে নয়া দিল্লিকে বড় শর্ত দিল তেহরান। শর্ত না মানলে কি হরমুজ ফের পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে ভারতের জন্য? ইতিমধ্যেই ‘বন্ধু’ ভারতের জন্য হরমুজ প্রণালী ধীরে ধীরে খুলে দিচ্ছে ইরান। নয়া দিল্লিও কূটনৈতিক পথে সঙ্কট পরিস্থিতি মোকাবিলায় সচেষ্ট রয়েছে। ইরানের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে একাধিকবার বৈঠক করেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সম্প্রতি, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেসকিয়ানের সঙ্গে কথা বলেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তারপরই হরমুজে ভারতের একের পর এক ট্যাঙ্কারকে ছাড় দিচ্ছে ইরান। পুরোপুরি ছাড় না মিললেও এখনও পর্যন্ত ৪টি ট্যাঙ্কারকে গ্রিন সিগন্যাল দিয়েছে ইরান। কিন্তু, এরই মধ্যে নয়া দিল্লির উপর পাল্টা চাপ দেওয়া শুরু করেছে ইরান।

ভারতকে আবেদন ইরানের

পুলিশ খুঁজেই পাচ্ছে না, অথচ সেই সোনা পাপ্পুরই ইফতারে 'হেভিওয়েট' দাওয়াত!
২০২৬ সালে ব্রিকস-এর সভাপতিত্ব করছে ভারত। ব্রিকস গোষ্ঠীতে রয়েছে ইরানও। এবার ব্রিকস-এ ইরানের উপর মার্কিন এবং ইজরায়েলি হামলার বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাব আনার জন্য় ভারতকে আবেদন জানিয়েছে তেহরান। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে কথা হয়েছে ইরানের বিদেশমন্ত্রী আরাগাচির। জানা গিয়েছে, ফোনালাপে ইরানের উপর হামলার বিরুদ্ধে ভারতকে ব্রিকস-এ অবস্থান নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন আরাগাচি। ইরানের এই দাবি ভারতের উপর আরও চাপ বাড়াল বলেই দাবি করছে কূটনৈতিক মহল। একদিকে হরমুজে ভারতীয় জাহাজের নিরাপত্তা, অন্যদিকে ব্রিকস নিয়ে তেহরানের চাপ। চরম কূটনৈতিক সাঁড়াশি চাপে পড়েছে নয়াদিল্লি।

ভারত কী সিদ্ধান্ত নেবে ?

চলতি বছরে, ব্রিকসে সভাপতিত্ব করছে ভারত। ব্রিকস-এর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়ভার নয়া দিল্লিরই । ব্রিকস গোষ্ঠীতে রয়েছে ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চিন ও দক্ষিণ আফ্রিকা। ব্রিকসে যদি নিন্দা প্রস্তাব আনে ভারত, তাহলে চিন এবং রাশিয়া যে ইরানের পাশে থাকবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। উল্লেখ্য, ব্রিকস-এর সদস্য দেশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত ইরানও। অন্যদিকে, ব্রিকসের অন্তর্ভুক্ত সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহীও। কিন্তু, ইরান লাগাতার এই দেশগুলির উপর হামলা চালাচ্ছে। মার্কিন সেনা ঘাঁটির উপর হামলা চালানো হচ্ছে। সেক্ষেত্রে স্বাভাবিক ভাবেই তারা ইরানের বিরোধিতা করবে। আবার ইরানের দাবি মেনে যদি ভারত যদি সত্যি নিন্দা প্রস্তাব আনে, তাহলে আমেরিকার রোষের মুখে পড়তে হতে পারে ভারতকে। এই পরিস্থিতিতে নয়া দিল্লি কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই তাকিয়ে কূটনৈতিক মহল।

রাজ্যের মন্ত্রীর বাড়িতে হামলার ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে নিশানা করেন। কুণাল বলেন, "আপনার সভায় যাওয়ার সময় এই হামলা হয়েছে। এই হামলার দায় নিতে হবে প্রধানমন্ত্রীকে।"


শশীর বাড়িতে ডিসি সেন্ট্রাল, পৌঁছে গেলেন কুণালও, আক্রমণ শানিয়ে বললেন...
কী বললেন কুণাল ঘোষ ও শশী পাঁজা?

 ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভার দিনই রণক্ষেত্র গিরিশ পার্ক এলাকা। শ্যামপুকুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছে। এমনকী, মন্ত্রীর অভিযোগ, তিনিও আক্রান্ত হয়েছেন। সাংবাদিক বৈঠকে করে শশী পাঁজা বললেন, “আমরা বলছি, আমাকে খুন করার জন্য় এসেছিল। এই মর্মে অভিযোগ দায়ের হচ্ছে।” আবার এই ঘটনায় রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর। 

এদিন সাংবাদিক বৈঠকে শশী পাঁজা বলেন, “বিজেপি গুন্ডা-খুনি পুষছে। এতদিন ভাবতাম ওরা গণতন্ত্র ভাঙছে। এখন দেখছি মারতে আসছে। মহিলাকে মেরেছে। প্রধানমন্ত্রী বলছেন, হিসেব নেব। এই হিসেব নেওয়ার ধরন। মন্ত্রীর উপর হামলা করা হচ্ছে।” একটা থান ইট তাঁর পেটে এসে লাগে বলে জানান। মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে ফোন করেছিলেন জানিয়ে শশী বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফোন করেছিলেন। আমরা সংযত আছি। আমাদের সংযমকে দুর্বলতা ভাববেন না।” রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, “স্বাধীনতার পর অঙ্গ রাজ্যের মন্ত্রীর বাড়ি আক্রমণ হচ্ছে। এমন নজির নেই।”


মমতা বা অভিষেক নয়, ব্রিগেডের মঞ্চে মোদীর নিশানায় শুধুই তৃণমূল
ডিসি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় সন্ধেয় শশী পাঁজার বাড়িতে আসেন। কিছুক্ষণ পর বেরিয়ে যান তিনি। সংবাদমাধ্যমের সামনে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষও এদিন শশী পাঁজার বাড়িতে আসেন। রাজ্যের মন্ত্রীর বাড়িতে হামলার ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে নিশানা করেন। কুণাল বলেন, “আপনার সভায় যাওয়ার সময় এই হামলা হয়েছে। এই হামলার দায় নিতে হবে প্রধানমন্ত্রীকে।” এদিন সন্ধেয় শশী পাঁজা সাংবাদিকদের তাঁর বাড়ির ভিতরে হামলার ছবি দেখান। দেখা যায়, বাড়ির ভিতরে চারদিকে ইট পড়ে রয়েছে। শশী পাঁজা বলেন, “এফআইআর প্রক্রিয়া চলছে।”

এদিকে, গিরিশ পার্কের ঘটনায় কলকাতার পুলিশ কমিশনারের কাছ থেকে রিপোর্ট চাইল রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর। এই নিয়ে শশী পাঁজা বলেন, “হামলার সব ফুটেজ আছে। সেগুলো সব পাঠানো হবে।”

শশী পাঁজার বাড়িতে হামলার অভিযোগের পাল্টা বিজেপি নেতা অর্জুন সিং বলেন, “কেউ মারলে চুপ করে বসে থাকব না। বিজেপি জবাব দিতে শুরু করেছে।” আবার শশী পাঁজার বাড়িতে হামলার অভিযোগ নিয়ে বিজেপি নেতা সজল ঘোষ দাবি করেন, সিসিটিভি প্রকাশ করা হোক।

জাহাজ মন্ত্রক সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই ৮০ হাজার মেট্রিক টন তেল বহনের ক্ষমতাধারী জাহাজ সুয়েজম্যাক্স ইন্দ্রি পৌঁছেছে গুজরাটের সিক্কা বন্দরে। রাশিয়ার বলটিক থেকে তেল নিয়ে সিঙ্গাপুর পৌঁছানোর কথা ছিল এই জাহাজের। কিন্তু মাঝপথে ভারতের দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হয় এই জাহাজকে।


মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্কটের মধ্যেই বড় স্বস্তি ভারতের! দেশে আসছে বিপুল পরিমাণ রাশিয়ান তেল
প্রতীকী ছবি


বড় স্বস্তি ভারতের। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে ভারতে এসে যাচ্ছে বিপুল পরিমাণ রাশিয়ান তেল। ভেসেল ট্র্যাকিং ডেটা বলছে, পূর্বনির্ধারিত রুট পরিবর্তন করে ভারতের উপকূলের দিকে আসছে চারটি তৈলবাহী ট্যাঙ্কার জাহাজ। পূর্ব রাশিয়া থেকে তেল নিয়ে চিনের দিকে যাচ্ছিল দু’টি জাহাজ। মুখ ঘুরিয়ে ভারতের দিকে রওনা দিয়েছে তারা। চারটির মধ্যে একটি বিরাট মাপের অপরিশোধিত তেলের ট্যাঙ্কার জাহাজ রয়েছে। 

জাহাজ মন্ত্রক সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই ৮০ হাজার মেট্রিক টন তেল বহনের ক্ষমতাধারী জাহাজ সুয়েজম্যাক্স ইন্দ্রি পৌঁছেছে গুজরাটের সিক্কা বন্দরে। রাশিয়ার বলটিক থেকে তেল নিয়ে সিঙ্গাপুর পৌঁছানোর কথা ছিল এই জাহাজের। কিন্তু মাঝপথে ভারতের দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হয় এই জাহাজকে। 


পুলিশ খুঁজেই পাচ্ছে না, অথচ সেই সোনা পাপ্পুরই ইফতারে 'হেভিওয়েট' দাওয়াত!
সিনেমার শুটিংয়ে রোজ কেন গায়ত্রী মন্ত্র শুনতেন আমির খান? কারণটা চমকে দেওয়ার মতো
আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয় উপকূলের চারপাশে বিভিন্ন জাহাজে প্রায় ৬০ মিলিয়ন ব্যারেল রাশিয়ান অপরিশোধিত তেল আছে। কমবেশি ৩০ দিনের মধ্যে ভারতে পৌঁছতে পারে এই তেল। 

অন্যদিকে আসছে আরও দুই বড় আপডেট। এদিন রাতেই মুম্বই উপকূলে পৌঁছচ্ছে ১.৪ লক্ষ মেট্রিক টন অপরিশোধিত তেল! ইতিমধ্যেই কোনো বাধা ছাড়াই নিরাপদেই হরমুজ প্রণালী পার করে ফেলেছে আরও এক ভারতীয় জাহাজ। সৌদি আরব থেকে ১.৪ লক্ষ মেট্রিক টন অপরিশোধিত তেল শনিবার রাতে মুম্বই উপকূলে আসছে লিবেরিয়ার বিশালাকার তৈলবাহী জাহাজ সেনলং সুয়েজম্যাক্স। অন্যদিকে ভারতীয় জাহাজ জগ প্রকাশকে নিয়েও আসছে ইতিবাচক খবর। ৫০ হাজার মেট্রিক টন গ্যাসোলিন নিয়ে এই জাহাজটিও হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করেছে। ফলে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার আবহে বিপদের মেঘ অনেকটাই কাটছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। 

এদিন সকাল ৯টায় মালোপাড়ায় যান শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে শহিদ বেদীতে মাল্যদান করেন। শুভেন্দু অধিকারী সহ ভূমি আন্দোলনের নেতৃত্ব ও বিজেপির পদাধিকারীরা ছিলেন। সেখান থেকেই শুভেন্দু তিনি বলেন, “আমরা ১৪ই মার্চ ভুলতে পারি না। জমি বাড়ি বাঁচানোর লড়াই ছিল নন্দীগ্রামের সাধারণ মানুষের কাছে। ওই ঐতিহাসিক দিনটি ভুলছি না।”

ভোটবঙ্গে ফের প্রাসঙ্গিক নন্দীগ্রাম, শহিদ দিবসে পথে শুভেন্দু, এক্সে পোস্ট মমতার! কর্মসূচি তৃণমূলেরও
নন্দীগ্রামে শুভেন্দু


ভোটবঙ্গে ফের প্রাসঙ্গিক নন্দীগ্রাম। ‘২০০৭ এর ১৪ মার্চ ভুলছি না ভুলব’, মোদী আসছেন ব্রিগেডে আর সেই দিনই নন্দীগ্রামে শহিদ বেদিতে মাল্যদান দিয়ে পরপর স্লোগান তুলতে দেখা গেল বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে। অন্যদিকে শহিদ দিবস পাল করছে তৃণমূলও। এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করতে দেখা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। সকাল ৯টার পোস্টে তিনি লেখেন, ‘নন্দীগ্রাম দিবসে নন্দীগ্রাম, সিঙ্গুর ও নেতাই-সহ সমগ্র বিশ্বের সকল শহিদের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি এবং অন্তরের গভীর প্রণতি।’ 

অন্যদিকে এদিন সকাল ৯টায় মালোপাড়ায় যান শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে শহিদ বেদীতে মাল্যদান করেন। শুভেন্দু অধিকারী সহ ভূমি আন্দোলনের নেতৃত্ব ও বিজেপির পদাধিকারীরা ছিলেন। সেখান থেকেই শুভেন্দু তিনি বলেন, “আমরা ১৪ই মার্চ ভুলতে পারি না। জমি বাড়ি বাঁচানোর লড়াই ছিল নন্দীগ্রামের সাধারণ মানুষের কাছে। ওই ঐতিহাসিক দিনটি ভুলছি না।” প্রসঙ্গত, প্রতি ভোটেই বারবার চর্চায় ফিরে ফিরে আসে এই নন্দীগ্রাম। শেষ বিধানসভা নির্বাচনে এই নন্দীগ্রামেই শুভেন্দুর কাছে হারতে হয়েছিল মমতাকে। এবার ভোটে জমি আন্দোলনের আঁতুরঘর সেই নন্দীগ্রামই ফের প্রাসঙ্গিক বঙ্গ রাজনীতিতে।





সূত্রের খবর, কিছু সময় অধিকারী পাড়ার শহীদ বেদিতে শ্রদ্ধা জানাবেন রাজ্যের শাসকদলের পক্ষে রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী, ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির পদাধিকারী এবং তৃণমূলের নেতৃতরা। যদিও আগে শুভেন্দু অধিকারীরা অধিকারী পাড়ায় কর্মসূচি করছেন। পরে সোনাচূড়া শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। বেলা ১১টায় তৃণমূল পন্থী ভূমি উচ্ছেদ কমিটির নেতৃতরা কর্মসূচি করবেন। প্রথমে ভাঙাবেড়া শহীদ স্মরণ ও পরে অধিকারী পাড়া মাল পাড়ায় কর্মসূচি করবেন।