WEATHER

Top News

 গতকাল স্কুল পরিদর্শনে এসেছিলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী। দীর্ঘক্ষণ ছাত্রদের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করেন তিনি।কার কী অভাব-অভিযোগ আছে, তা জিজ্ঞাসা করেন। স্কুলে ছাত্ররা কত ওজনের ব্যাগ নিয়ে আসে, সেটাও সরজমিনে খতিয়ে দেখেন মন্ত্রী। ব্যাগ নিয়ে আসতে কতটা সমস্যা, তাও জিজ্ঞাসা করেন মন্ত্রী।


এটাই কি এই যুগের গুরুদক্ষিণা? শিক্ষক দিবসের খাওয়া-দাওয়াকে কেন্দ্র করে নিগ্রহ করা হয়েছিল জলপাইগুড়ি জেলা স্কুলের প্রধান শিক্ষককে। সেই দৃশ্য দেখেছে সবাই। প্রধান শিক্ষককে নিগ্রহ কাণ্ডে টিসি দেওয়া হয়েছে চার ছাত্রকে। এবার ওই কাণ্ডে আটক করা হল এক ছাত্রকে। আজ, শনিবার তাঁকে জুভেনাইল আদালতে তোলা হবে।


জলপাইগুড়ি জেলা স্কুলে প্রধান শিক্ষক নিগ্রহ কাণ্ডে আটক করা হয়েছে ১ ছাত্র। আজ তাঁকে জুভেনাইল আদালতে তোলা হবে। থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন আক্রান্ত প্রধান শিক্ষক ধর্ম চাঁদ বারই। এই ক’দিন তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েই থানায় আসেন অভিযোগ দায়ের করতে।


অভিযোগ পত্রে বহিরাগতদের হামলা চালানোর কথা উল্লেখ রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তদন্তে নেমে এক ছাত্রকে আটক করে পুলিশ। আজ তাঁকে জুভেনাইল আদালতে তোলা হবে। পুলিশ সুত্রে জানা গিয়েছে, ওইদিন হামলার ঘটনায় কারা সরাসরি যুক্ত ছিল, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তাদের শনাক্ত করার কাজ শুরু হয়েছে।


অপরদিকে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চেয়ে এবার ডিআই-কে লিখিত আবেদন করল বামপন্থী শিক্ষক সংগঠনগুলি।

ইতিমধ্যেই চারজন ছাত্রকে টিসি (TC) দেওয়া হয়েছে। এ কথা জানিয়েছেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মন। তবে ওই ছাত্রদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে তিনি জানিয়েছেন যে জলপাইগুড়ি জেলা স্কুল থেকে টিসি দেওয়া হলেও, ওই ছাত্ররা অন্য স্কুলে ভর্তি হতে পারবে।

গতকাল স্কুল পরিদর্শনে এসেছিলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী। দীর্ঘক্ষণ ছাত্রদের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করেন তিনি।কার কী অভাব-অভিযোগ আছে, তা জিজ্ঞাসা করেন। স্কুলে ছাত্ররা কত ওজনের ব্যাগ নিয়ে আসে, সেটাও সরজমিনে খতিয়ে দেখেন মন্ত্রী। ব্যাগ নিয়ে আসতে কতটা সমস্যা, তাও জিজ্ঞাসা করেন মন্ত্রী।



ঘরের ভেতরে পা রাখার ঠিক আগের মুহূর্তে টিভি নাইন বাংলাকে নিজের মনের কথা ও পরিকল্পনার কথা ফাঁস করেছেন জীতু। প্রথমে প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়া সত্ত্বেও কেন শেষমেশ রাজি হলেন বিগ বসের চ্যালেঞ্জ নিতে? এর নেপথ্যে ৩টি প্রধান কারণ তুলে ধরেছেন অভিনেতা নিজেই।


রিয়্যালিটি শো ‘বিগ বস বাংলা’র অন্দরমহলে উত্তেজনা এখন মধ্যগগনে। গত সপ্তাহে ওয়াইল্ড কার্ড প্রতিযোগী হিসেবে রাজবীর দে-র প্রবেশের পর থেকেই নিত্যদিন ভাঙছে খেলার সমীকরণ। তবে বিগ বস প্রেমীদের মতে, অন্দরের সেই বিতর্ক ও অশান্তির ঝড় এবার টর্নেডোর রূপ নিতে চলেছে। কারণ বিগ বসের ঘরে এবার ধামাকাদার এন্ট্রি নিতে চলেছেন জীতু কমল।


ঘরের ভেতরে পা রাখার ঠিক আগের মুহূর্তে টিভি নাইন বাংলাকে নিজের মনের কথা ও পরিকল্পনার কথা ফাঁস করেছেন জীতু। প্রথমে প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়া সত্ত্বেও কেন শেষমেশ রাজি হলেন বিগ বসের চ্যালেঞ্জ নিতে? এর নেপথ্যে ৩টি প্রধান কারণ তুলে ধরেছেন অভিনেতা নিজেই।

 ভরতকে সরিয়ে এবার ক্যাপ্টেন সোহিনী! 'বিগ বস'-এর ঘরে শুরু নতুন সংঘাত
কী বললেন জীতু?


প্রথম কারণ, বছরের শুরু থেকেই ‘বিগ বস’-এর তরফ থেকে প্রস্তাব ছিল জীতুর কাছে। প্রাথমিক পর্যায়ে না বললেও বহু মানুষের বারণই তাঁর সিদ্ধান্ত বদলে দেয়। জীতু কমলের কথায়, “আমি আগেও বলেছি, এখনও বলছি—কোনও কিছু আমাকে খুব উত্তেজিতও করে না, আবার ডাউনও করে না। একটা নতুন অভিজ্ঞতা নেওয়ার জন্যই আসা। প্রথম দিকে যখন বহু মানুষ বলল ‘তুই যাস না’, তখন মনে হল এমন কী ব্যাপার রয়েছে যা নিয়ে সবাই ভয় পাচ্ছে বা অনিহা দেখাচ্ছে? সবাই যেটা চাইছে না, সেখানে কী আছে সেটা আমাকে জানতেই হবে!”

দ্বিতীয় কারণ, প্রথম, দ্বিতীয় বা তৃতীয় হওয়ার দৌড়ে বিশ্বাসী নন জীতু। তবে ট্রফির চেয়েও দর্শকের ভালোবাসাকেই তিনি আসল পুরস্কার মনে করেন। জীতু বলেন, “আমি ট্রফি জিততে আসিনি, কিছু মানুষের মন জয় করতে চাই। এই কথাটা বিনয় করে বলছি না। আগাগোড়াই আমি সত্যের পথে দাঁড়িয়েছি। কিন্তু শুধু সত্যের পথে দাঁড়ালেই হয় না, যখন মিথ্যা কিছু ঘটে তার বিপরীতে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ করতে হয়। অসংখ্য মানুষের আশীর্বাদ আমার মাথায় রয়েছে, মানুষ আমার জন্য মন্দিরে পুজো দেয়। আর কী চাওয়ার থাকতে পারে?”

তৃতীয় কারণ, ব্যক্তিগত লাভ-ক্ষতির ঊর্ধ্বে উঠে পুরো টলিউড ইন্ডাস্ট্রির অর্থনৈতিক স্বার্থকেও নিজের অংশগ্রহণের বড় কারণ বলে মনে করছেন তিনি। জীতু জানান, “একটা শো হিট করার পেছনে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় থেকে শুরু করে জলসা ও এন্ডেমল টিমের মারাত্মক পরিশ্রম থাকে। এই শো সফল হলে পরের বছর আবার হবে, অন্য চ্যানেলেও কাজ বাড়বে এবং বহু টেকনিশিয়ান কাজ পাবেন। আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে বিনিয়োগ হবে, তাই কেন আমি এর জন্য লড়ব না?”

এর পাশাপাশি এক পরম মানবিক অঙ্গীকারের কথা জানিয়ে জীতু যোগ করেন, “আমি জয়ী হলে পুরস্কারের অর্থের ৭৫ শতাংশ আমার ট্রাস্টে দেব। অনাথ শিশুদের জন্য একটা পরিবার তৈরি করতে চাই। বাকিটা নিজের পরিবারের জন্য তো লাগবেই।”

সবশেষে দর্শক ও অনুরাগীদের প্রতি অভিনেতা জীতু কমলের খোলামেলা বার্তা—“ইটস আ গেম, গেম হিসেবেই দেখবেন!” এখন দেখার, এই নতুন মানসিকতা ও প্রতিবাদী ব্যক্তিত্ব নিয়ে বিগ বসের ঘরের অন্যান্য প্রতিযোগীদের কীভাবে সামলান জীতু কমল।



ইথিওপিয়া ও মালয়শিয়ার প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, তারা ভারতের সঙ্গে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও বাড়াতে আগ্রহী তারা। যৌথ সামরিক প্রশিক্ষণ ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। দুই দেশই ভারতীয় শিল্প ও বিনিয়োগকে স্বাগত জানিয়েছেন।


আজ থেকে শুরু হচ্ছে ব্রিকস সামিট। এবার ব্রিক সামিটের সভাপতিত্বের দায়িত্বে রয়েছে ভারত। সামিট শুরুর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করলেন ইথিওপিয়া ও মালয়শিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। তারা জানিয়েছেন, ভারতের সঙ্গে ইথিওপিয়া ও মালয়শিয়ার সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।


ইথিওপিয়া ও মালয়শিয়ার প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, তারা ভারতের সঙ্গে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও বাড়াতে আগ্রহী তারা। যৌথ সামরিক প্রশিক্ষণ ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। দুই দেশই ভারতীয় শিল্প ও বিনিয়োগকে স্বাগত জানিয়েছেন। একদিকে যেখানে ইথিওপিয়ায় ভারতীয় মাইনিং কোম্পানি গুলিকে স্বাগত জানানো হয়েছে, সেখানেই মালয়শিয়ার সঙ্গে সেমিকন্ডাক্টর নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এমনটাই খবর সরকারি সূত্রে।


প্রসঙ্গত, ছোট ও মাঝারি দেশগুলির সঙ্গে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সহযোগিতা ক্রমশ বাড়ছে। এশিয়া, আফ্রিকা-সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নিরাপত্তার প্রয়োজন মেটাতে ভারতের তৈরি প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহ বাড়ছে।সাম্প্রতিক সময়ে এর অন্যতম উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হল ইন্দোনেশিয়া। চলতি বছরের জুলাই মাসে জাকার্তা ভারতের সঙ্গে ব্রাহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র সংক্রান্ত চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। পাশাপাশি, ভারতের ‘অস্ত্র’ (Astra) এয়ার-টু-এয়ার মিসাইলকে ঘিরে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তিও স্বাক্ষর করেছে দুই দেশ।


ভিয়েতনামও ভারতের গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাব্য প্রতিরক্ষা অংশীদার হিসেবে উঠে এসেছে। ভারত সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ভিয়েতনামের সঙ্গে ব্রহ্মোস চুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। ফিলিপিন্স ইতিমধ্যেই ব্রহ্মোস কিনেছে ভারতের কাছ থেকে। ৩৭৫ মিলিয়ন ডলারের চুক্তিতে তিনটি অ্যান্টি-শিপ মিসাইল ব্যাটারি কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। ২০২৬ সালে সেই সরঞ্জাম সরবরাহের কাজও সম্পূর্ণ হয়েছে।

আর্মেনিয়াও ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা ক্রেতা। ভারতের কাছ থেকে পিনাকা মাল্টি-ব্যারেল রকেট লঞ্চার, আকাশ-১এস এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম, ATAGS আর্টিলারি গান, র‌্যাডার-সহ একাধিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কিনেছে। ২০২২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে আর্মেনিয়ার মোট অস্ত্র আমদানির প্রায় ৪৩ শতাংশই এসেছে ভারত থেকে।


তাঁর সমসাময়িক নায়িকাদের মধ্যে অনেকেই বিয়ে সেরে ফেলেছেন আগে। তবে মিমি কার সঙ্গে প্রেম করছেন বা জীবনসঙ্গী হিসেবে কাকে বেছে নেবেন, তা জানার জন্য অনুরাগীদের কৌতূহল ছিল তুঙ্গে।


টলিপাড়ার বড় খবর! এবার কি সাত পাকে বাঁধা পড়তে চলেছেন মিমি চক্রবর্তী?

নায়িকা খুঁজে পেয়েছেন তাঁর জীবনসঙ্গীকে, খবর তেমনই। প্রেমপর্ব চলছিল বেশ কিছুদিন ধরেই। নায়িকার আত্মীয়-বন্ধুরা অনেকেই চেনেন তাঁর কাছের মানুষকে। সেই সম্পর্ক এবার পরিণতির পথে। নায়িকা যাঁর সঙ্গে প্রেম করছেন, তিনি ইন্ডাস্ট্রির কেউ নন। নৌসেনায় কর্মরত। তবে দু’ জনের কেউ এখনও এই সম্পর্কের কথা ঘোষণা করেননি।


এই বিষয়ে বিস্তারিত জানতে মিমি চত্রবর্তীর আপ্তসহায়ককে যোগাযোগ করা হলে, তিনি জানান, ‘এই বিষয়ে আমাদের কাছে কোনও তথ‍্য নেই’। যা খবর, তাতে নভেম্বর মাসেই আইনি বিয়ে হতে চলেছে। ডিসেম্বর মাসে কালিম্পংয়ে হবে বিয়ের অনুষ্ঠান। বিয়ের আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে গিয়েছে, আত্মীয়দের হাতে, তেমনই জানা যাচ্ছে। মিমির শিকড় জলপাইগুড়িতে। তাই পাহাড়েই হবে বিয়ের অনুষ্ঠান।



টলিপাড়ার অন্যতম সেরা নায়িকা মিমি চক্রবর্তী। তাঁর কাজ থেকে ব্যক্তিগত জীবন, সবদিকেই নজর থাকে অনুরাগীদের। তাঁর সমসাময়িক নায়িকাদের মধ্যে অনেকেই বিয়ে সেরে ফেলেছেন আগে। তবে মিমি কার সঙ্গে প্রেম করছেন বা জীবনসঙ্গী হিসেবে কাকে বেছে নেবেন, তা জানার জন্য অনুরাগীদের কৌতূহল ছিল তুঙ্গে। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে তাঁকে এক অনুরাগী প্রশ্ন করেছিলেন, আপনি কবে বিয়ে করতে চলেছেন? সেই সময় মিমি যে উত্তর দেন, তাতে আঁচ করা যায় যে তাঁর জীবন নতুন দিকে মোড় নিতে পারে। সেই জল্পনাই এবার সত্যি হতে চলেছে। কাজের ক্ষেত্রে এই পুজোতে মুক্তি পাবে সৃজিত মুখোপাধ‍্যায়ের পরিচালনায় ‘এম্পারার ভার্সেস শরৎচন্দ্র’। সামনেই তিনি আরেকটি নতুন ছবির শুটিং শুরু করবেন।



এক্স হ্যান্ডলে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বার্তা দেন, "আমাদের সরকার কন্যাসন্তানদের সুরক্ষা, তাদের শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করা এবং পশ্চিমবঙ্গের মাটি থেকে শিশুবিবাহ সম্পূর্ণ নির্মূল করার লক্ষ্যে কোনও আপস করবে না। আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতার মাধ্যমে আমরা একসঙ্গে আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করব।"


বিয়ের আসর থেকে বরকে তুলে নিয়ে গেল পুলিশ, বড় বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর
নাবালিকাকে বিয়ে করতে আসায় আটক বর

 বর পৌঁছে গিয়েছে। পাত্রীপক্ষের বাড়িতে চরম ব্যস্ততা। আচমকা ছন্দপতন। বিয়েবাড়িতে পৌঁছে গেল পুলিশ। নাবালিকাকে বিয়ে করতে আসায় বিয়ের আসর থেকেই আটক করা হল বরকে। ঘটনাটি মুর্শিদাবাদের ফরাক্কার বেনিয়াগ্রাম এলাকার। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বরের পাশাপাশি নাবালিকাকেও আটক করেছে পুলিশ।


স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বেনিয়াগ্রামে এক নাবালিকার সঙ্গে এক যুবকের বিয়ের আয়োজন করা হয়েছিল। নির্দিষ্ট সময়ে বর বিয়ের আসরে হাজিরও হন। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছয় পুলিশ। এরপর নাবালিকার বয়স সংক্রান্ত তথ্য খতিয়ে দেখে বিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়। বিয়ের আসর থেকেই বরকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। নাবালিকার বিয়ে রুখতে পুলিশের এই তৎপরতাকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।



সবজি বিক্রেতাকে দেখলেই কথায় কথায় জড়িয়ে ধরতেন, বাজার করতে এসে খেলেন চুমুও, তারপর গল্প মোড় নিল অন্যদিকে
প্রশাসন সূত্রে খবর, নাবালিকা বিবাহের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নেওয়া হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। নাবালিকার বয়স, বিয়ের আয়োজনের সঙ্গে কারা জড়িত এবং এই ঘটনায় আরও কেউ যুক্ত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


নাবালিকাদের বিয়ে আটকাতে কড়া পদক্ষেপ করা হবে বলে বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সেই বার্তার পর নাবালিকার বিয়ে রুখতে প্রশাসনের তরফে কড়া পদক্ষেপের মধ্যেই এই ঘটনা সামনে এল। পুলিশ জানিয়েছে, নাবালিকা বিবাহ কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। আইন অনুযায়ী অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মুর্শিদাবাদে দুই নাবালিকার বিয়ে আটকানোয় পুলিশের প্রশংসা মুখ্যমন্ত্রী-

গত ৯ ও ১০ সেপ্টেম্বর মুর্শিদাবাদে দুই নাবালিকার বিয়ে রুখতে পুলিশের তৎপরতা প্রশংসা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন এক্স হ্যান্ডলে তিনি লেখেন, “মুর্শিদাবাদ জেলার সামশেরগঞ্জ থানার পুলিশ এবং সিডিপিও-র দ্রুত ও সক্রিয় পদক্ষেপের প্রশংসা করছি। তাঁদের তৎপরতায় ৯ ও ১০ সেপ্টেম্বর পরপর দুটি শিশুবিবাহ রুখে দেওয়া সম্ভব হয়েছে।” মুখ্যমন্ত্রী জানান, “৯ সেপ্টেম্বর গাজিনগরের ১৬ বছর বয়সি এক কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়, যাতে বেআইনি শিশুবিবাহ সম্পন্ন হওয়ার আগেই তা প্রতিহত করা যায়। এই ঘটনায় কঠোর আইনি পদক্ষেপ শুরু হয়েছে। কাজি-সহ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সকলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং কিশোরীর বাবাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া মেনে কিশোরীকে কাউন্সেলিংয়ের জন্য চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটি (CWC)-র সামনে হাজির করা হয়েছে।”

আর গতকাল অর্থাৎ ১০ সেপ্টেম্বর পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ করে আরও একটি শিশুবিবাহ রুখে দেয়। এক্স হ্যান্ডলে মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, “এর ফলে আরও এক নাবালিকার নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত হয়েছে। তাকেও চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটির তত্ত্বাবধানে রাখা হয়েছে।”

সবশেষে মুখ্যমন্ত্রী বার্তা দেন, “আমাদের সরকার কন্যাসন্তানদের সুরক্ষা, তাদের শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করা এবং পশ্চিমবঙ্গের মাটি থেকে শিশুবিবাহ সম্পূর্ণ নির্মূল করার লক্ষ্যে কোনও আপস করবে না। আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতার মাধ্যমে আমরা একসঙ্গে আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করব।”




 দিনের পর দিন অপমান করা হয় তাঁকে, এমনটাই দাবি বিজেপি বিধায়িকার। তিনি বলেন, "আমি পড়াশোনা জানি না, তাই তাই জেলা কমিটি আমাকে সব সময় অপমানিত করে। আমাকে অনুষ্ঠান ডাকার পরে আমাকে অপমানিত করে।"


'আমি পড়াশোনা জানি না বলে...', কারা 
বিস্ফোরক রেখা পাত্র। নিজের দলের নেতৃত্বের উপরই ক্ষোভ উগরে দিলেন হিঙ্গলগঞ্জের বিজেপি বিধায়ক। বললেন, তিনি পড়াশোনা জানেন না বলে তাঁকে সবসময় অপমানিত করা হয়।


সন্দেশখালির ঘটনা থেকেই প্রতিবাদী মুখ হিসাবে উঠে এসেছিলেন রেখা পাত্র। এরপর বিজেপির টিকিটে এবারের বিধানসভা নির্বাচনে লড়েন এবং জয়ী হন। তবে এ দিন দলের একাংশের বিরুদ্ধেই ক্ষোভ উগরে দিলেন রেখা পাত্র। তিনি বলেন, “আমার দল, তাই আমি এতদিন কিছু বলিনি। জেলার নেতৃত্ব আমাকে সবসময় মিসগাইড করে।”

 সবজি বিক্রেতাকে দেখলেই কথায় কথায় জড়িয়ে ধরতেন, বাজার করতে এসে খেলেন চুমুও, তারপর গল্প মোড় নিল অন্যদিকে
দিনের পর দিন অপমান করা হয় তাঁকে, এমনটাই দাবি বিজেপি বিধায়িকার। তিনি বলেন, “আমি পড়াশোনা জানি না, তাই তাই জেলা কমিটি আমাকে সব সময় অপমানিত করে। আমাকে অনুষ্ঠান ডাকার পরে আমাকে অপমানিত করে। এগুলো আমার পছন্দ হয় না। সেই কারণে আমি জেলার কোনও অনুষ্ঠানে যাই না। আমি আমার বিধানসভা নিয়ে পড়ে থাকি। আমি আশা করব দলের ঊর্ধ্বতন নেতৃত্ব এই বিষয়গুলি বিচার করে দেখবেন।”


রেখা পাত্রর এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বসিরহাট বিজেপির সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সুকল্যাণ বৈদ্য বলেন, “একজন বিধায়ক এবং একজন জেলা কমিটির সদস্য হিসাবে তাঁর যতটুকু সম্মান প্রাপ্য, যা যা পাওয়ার প্রাপ্য, আমরা তা দেওয়ার চেষ্টা করেছি । কিন্তু ওঁর হয়তো কোন জায়গায় কোনও কিছু মনে হয়েছে। সেটা ওঁর ব্যাপার। সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন রয়েছে, একসঙ্গে লড়তে হবে। দলের বড়রা রয়েছেন, তারা বিষয়টা দেখবেন।”



প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, "গত ১২ বছরে ভারত এই মন্ত্রকে অর্থনীতি ও বাণিজ্য নীতির ভিত্তি বানিয়েছে। ভারত শক্তি থেকে প্রযুক্তি পর্যন্ত সাপ্লাই চেইনকে আরও নিপুণ ও বিশ্বাসযোগ্য করেছে। এরই ফল হল বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মধ্যেও ভারত আজ বৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতার ভরসা দিচ্ছে।"


ভারতে বসছে ব্রিকস সম্মেলনের আসর। আগামিকাল, ১২ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু ব্রিকস লিডারস সামিট। এই সামিটে যোগ দিতে আসছেন একাধিক রাষ্ট্রনেতা। ইতিমধ্যেই ভারতে এসে পৌঁছেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। আজ, শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন তাঁর সঙ্গে। বৈঠক শেষে ভারত মণ্ডপমে ব্রিকস বিজনেস ফোরামে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi)।



 ভুল ইংরেজি বলে বিপাকে উত্তম কুমার, বাতিল হয়েছিল সাক্ষাৎকার, তারপর যা ঘটল...
প্রধান শিক্ষককে মারধর করে আটক ১, স্কুলে গিয়ে অভিযুক্ত ৪ ছাত্রকে 'ছুটি' দিয়ে দিলেন শিক্ষামন্ত্রী
ব্রিকসের অর্থনৈতিক শক্তি দুই গুণ গতিতে বেড়েছে। বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্যও ব্রিকস গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। আমাদের দেশে উদ্ভাবনের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। ব্রিকসের বৃদ্ধি, গতি স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে।
ভারতে আয়োজিত ব্রিকস ফোরাম এখনও পর্যন্ত সবথেকে বড় ব্রিকস বিজনেস ফোরাম। ভারতের অধীনে ব্রিকসের থিম হল- বিল্ডিং ফর রেজিলিয়েন্স-ইনোভেশন, কোঅপারেশন অ্যান্ড সাসটেনেবিলিটি।

বিগত ১২ বছরে ভারত এই মন্ত্রকে অর্থনীতি ও বাণিজ্য নীতির ভিত্তি বানিয়েছে। ভারত শক্তি থেকে প্রযুক্তি পর্যন্ত সাপ্লাই চেইনকে আরও নিপুণ ও বিশ্বাসযোগ্য করেছে। এরই ফল হল বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মধ্যেও ভারত আজ বৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতার ভরসা দিচ্ছে। আমরা রাস্তা, রেলওয়ে ও বন্দরের দ্রুত বৃদ্ধি করছি। এর সঙ্গে জাহাজ তৈরি, সেমিকন্ডাক্টর, কোয়ান্টাম, ক্রিটিকাল মিনারেল এবং বায়োটেকের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও স্ট্র্যাটেজিক ক্ষেত্রে নতুন ক্ষমতা দেখিয়েছি। এই ক্ষেত্রগুলিতে ভারত বৈশ্বিক ব্যবসার জন্য নতুন ক্ষেত্র হিসাবে উঠে এসেছে। এই জন্য মেক ইন ইন্ডিয়া, ইনোভেট উইথ ইন্ডিয়া সাহায্য করছে।
আজ ভারতে স্টার্টআপ বিপ্লব হচ্ছে। দুই লক্ষেরও বেশি স্টার্টআপ, ১২০টিরও বেশি ইউনিকর্নকে নিয়ে ভারত আজ গ্লোবাল সলিউশনের হাব হয়ে উঠছে। এর এক ঝলক আপনারা ব্রিকস: ভারত ইনোভেটসে দেখতে পাবেন। আমাদের স্টার্টআপ, এআই, শিক্ষা, হেলথকেয়ারকে পরিবর্তন করছে। গ্রিন হাইড্রোজেন নিয়ে কাজ হচ্ছে। মহাকাশ ও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রেও একের পর এক সাফল্য আসছে। ব্রিকসের সদস্য দেশরাও এই পদ্ধতি গ্রহণ করতে পারে।
ব্রিকসের মঞ্চকে ব্যবহার করে আমাদের এই বিশ্বমানের উদ্ভাবনকে আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছে দিতে হবে।
ভারতের ইউপিআই ডিজিটাল ট্রানজাকশনকে নতুন গতি দিয়েছে। আজ বিশ্বের ৫০ শতাংশ রিয়েল টাইম পেমেন্ট এই প্রযুক্তির মাধ্যমেই হচ্ছে। এই ডিজিটাল লেয়ারে নতুন সলিউশনের জন্য শিল্প ও স্টার্টআপ-দের খোলা মঞ্চ দিয়েছে। আমরা গর্বিত যে ভারতের এই বিশ্বমানের ইকোসিস্টেমকে বহু দেশ গ্রহণ করছে।
২০১৪ সালের পর থেকে বিশ্বের প্রায় ৪০টি দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করেছি আমরা। বাধা সরিয়ে, ব্যবসার জন্য সুযোগ তৈরি করে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য। স্টার্টআপ ও এমএসএমই-দেরও নানা সুবিধা দেওয়া হয়েছে। সকলে এই সুযোগ নিতে পারেন। প্রতিভার আদান-প্রদান করতে পারেন।
সমুদ্রপথ সুরক্ষিত থাকলে, সরবরাহের রাস্তা খোলা থাকলে এবং নাবিকরা সুরক্ষিত থাকলেই বৈশ্বিক বাণিজ্য় সম্ভব। সেই কারণেই ভারত মুক্ত পথ ও নাবিকদের সুরক্ষার জন্য বরাবর সমর্থন করেছে।
আমরা চাই, মহিলা উদ্যোগপতিরা আমাদের বৃদ্ধিকে তুলে ধরুক। এই বৈঠকেও ২০০-রও বেশি মহিলা অংশ নিয়েছেন। আজ যখন ব্রিকস তৃতীয় দশকে প্রবেশ করছে, ব্রিকস বিজনেস কাউন্সিলের কাছে আমার অনুরোধ থাকবে যে প্রথম ১০টি বাণিজ্যে বাধা সরাতে রিপোর্ট বানান। আমরা প্রতি বছর ১০০টি স্টার্টআপকে অন্য দেশের মার্কেটে কি সাহায্য করতে পারি না? আমাদের ব্যবসায় হাজার নতুন অংশীদারিত্ব তৈরি করতে পারি না? প্রতি বছর আমাদের এটা নিয়ে রিভিউ করা উচিত।
ব্রিকস আগে এগিয়ে যাক, বিশ্বকেও আগে নিয়ে যাক।



লরিটিকে পুলিশের হেফাজতে দেওয়ার পাশাপাশি অভিযুক্ত দুই পাচারকারীকেও তুলে দেওয়া হয় পুলিশের হাতে। পরে নাটকীয়ভাবে কোতুলপুর নেতাজী মোড়ে ওই বিজেপির মন্ডল সভাপতির হাতেই ধরা পড়ে লরি থেকে পালিয়ে যাওয়া আরও চার পাচারকারী।


সাঁই সাঁই করে ছুটে আসছিল ট্রাক, ফিল্মি কায়দায় বাইক নিয়ে দাঁড়ালেন বিজেপি নেতা, ডালা খুলতেই বেরিয়ে এল...
গরু পাচার রুখে দিলেন মন্ডল সভাপতি।

হলগরু পাচারের খবর আসতেই দ্রুত সেই খবর দেওয়া হয়েছিল পুলিশকে। কিন্তু পুলিশ পৌঁছানোর আগেই ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দিয়েছিল পাচারকারীরা। তবে শেষ রক্ষা হল না। বিজেপির মন্ডল সভাপতি কার্যত ফিল্মি কায়দায় বমাল সমেত পাচারকারীদের হাতেনাতে ধরে তুলে দিলেন পুলিশের হাতে। ঘটনাটি বাঁকুড়ার কোতুলপুরের।


সরকারি নির্দেশে রাজ্যের সমস্ত গরুর হাট বন্ধ রয়েছে। বন্ধ রয়েছে গরু কেনাবেচাও। তা সত্ত্বেও গোপনে বাঁকুড়ার কোতুলপুর থানার দেশড়া কোয়ালপাড়া অঞ্চলের পুয়োলগেড়ে গ্রাম থেকে প্রায়শই গরু পাচার হচ্ছে। এমন খবর আসছিল বিজেপির স্থানীয় কোতুলপুর মন্ডল নেতৃত্বের কাছে।


প্রধান শিক্ষককে মারধর করে আটক ১, স্কুলে গিয়ে অভিযুক্ত ৪ ছাত্রকে 'ছুটি' দিয়ে দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

 ৭ বছর পর ভারতে শি জিনপিং, দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে
গতকাল রাতে সেভাবেই খবর আসে যে পুয়োলগেড়ে গ্রাম থেকে একটি লরিতে ১২টি গরু চাপিয়ে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছে পাচারকারীরা। খবর পাওয়ার পরই কোতুলপুর থানায় খবরটি জানান বিজেপির মন্ডল সভাপতি কেশবী নাগা। কিন্তু পুলিশ গ্রামে পৌঁছানোর আগেই ১২টি গরু চাপিয়ে গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যায় পাচারকারীরা।


বিষয়টি জানার পর নিজে তৎপর হন মন্ডল সভাপতি তথা প্রাক্তন সেনাকর্মী কেশবী নাগা। দলের কয়েকজন কর্মীকে নিয়ে বাইকে চড়ে লরিটির সন্ধান শুরু করেন তাঁরা। বেশ কিছুক্ষণ সন্ধান চালানোর পর দেখতে পান বেপরোয়া গতিতে লরিটি ছুটে আসছে। গরু নিয়ে ওই লরিটিকে পালিয়ে যেতে দেখে পুরো ফিল্মি কায়দায় রাস্তায় আড়াআড়িভাবে নিজের বুলেট বাইকটিকে দাঁড় করিয়ে দেন বিজেপির মন্ডল সভাপতি।

বাধ্য হয়ে লরিটিকে থামতে হয়। লরিটি থামতেই অন্ধকারে গা ঢাকা দেয় লরির চালক, খালাসি সহ কয়েকজন। পালানোর সময় বিজেপি নেতা কেশবী নাগা নিজেই দুই পাচারকারীকে জাপটে ধরে ফেলেন। পরে বিজেপির মন্ডল সভাপতি দুই পাচারকারীকে ফের লরিতে চাপিয়ে, গরু সহ লরিটিকে নিজে চালিয়ে হাজির হন কোতুলপুর থানায়।

লরিটিকে পুলিশের হেফাজতে দেওয়ার পাশাপাশি অভিযুক্ত দুই পাচারকারীকেও তুলে দেওয়া হয় পুলিশের হাতে। পরে নাটকীয়ভাবে কোতুলপুর নেতাজী মোড়ে ওই বিজেপির মন্ডল সভাপতির হাতেই ধরা পড়ে লরি থেকে পালিয়ে যাওয়া আরও চার পাচারকারী। তাদেরও তুলে দেওয়া পুলিশের হাতে। পুলিশ ওই লরির চালক, খালাসি ও পাচারকারী মিলিয়ে মোট ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে।

কোতুলপুরের বিজেপির মন্ডল সভাপতি কেশবী নাগা বলেন, “চার তারিখ সরকার বদলের পর মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন যে কেউ যেন অবৈধ কোনও কাজ না করেন। আমরাও সেই অনুযায়ী সাধারণ মানুষকে বলেছি। অনেকদিন ধরেই খবর আসছিল যে রাত ১২টা-১টার সময় গরু পাচার হচ্ছে। আজ যখন খবর এল। আমি ফিরছিলাম, তখন ট্রাকটিকে দেখে পথ আটকে দাড়াই।”

মহম্মদ কারিমুল্লা নামক পাচারকারী জানিয়েছে, এই গরুগুলিকে নিয়ে তারা কলকাতায় যাচ্ছিল।




 ২০০৯ সালে শিশুদের বিনামূল্যে ও বাধ্যতামূলক শিক্ষার অধিকার আইন কার্যকর হওয়ার আগে যাঁরা চাকরি পেয়েছেন এবং এখনও ৫ বছরের বেশি চাকরি করবেন, তাঁদের TET দিতে হবে। ২০২৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্ট এই নির্দেশ দিয়েছিল। TET পাশ না করলে তাঁদের চাকরি থাকবে না বলে স্পষ্ট নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত।


কর্মরত শিক্ষকদের TET পাশ করতেই হবে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ উল্লেখ করে বড় পদক্ষেপ রাজ্যের
ফাইল ফোটো

দিতেই হবে পরীক্ষা। নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সময়ও বেঁধে দিয়েছে। এবার শীর্ষ আদালতের সেই নির্দেশকে কার্যকর করতে পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। যেসব কর্মরত শিক্ষক TET দেননি, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে তাঁদের জন্য TET-র আয়োজন করতে স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC) ও প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে নির্দেশ দিল রাজ্য। কর্মরত শিক্ষকদের TET নিতে হবে জানিয়ে এসএসসি ও প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে চিঠি দিল শিক্ষা দফতর।


শুক্রবার বিকাশ ভবন থেকে এসএসসির চেয়ারম্যান ও প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতিকে চিঠি লেখা হয়েছে। শিক্ষা দফতর লিখেছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনেই এই পরীক্ষা নিতে হবে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০০৯ সালে শিশুদের বিনামূল্যে ও বাধ্যতামূলক শিক্ষার অধিকার আইন কার্যকর হওয়ার আগে যাঁরা চাকরি পেয়েছেন এবং এখনও ৫ বছরের বেশি চাকরি করবেন, তাঁদের TET দিতে হবে। ২০২৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্ট এই নির্দেশ দিয়েছিল। TET পাশ না করলে তাঁদের চাকরি থাকবে না বলে স্পষ্ট নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত।


আমি পড়াশোনা জানি না বলে...', কারা অপমান করে, আজ সবার সামনে বলে দিলেন রেখা পাত্র
প্রধান শিক্ষককে মারধর করে আটক ১, স্কুলে গিয়ে অভিযুক্ত ৪ ছাত্রকে 'ছুটি' দিয়ে দিলেন শিক্ষামন্ত্রী
২ বছরের মধ্যে TET পাশ করতে হবে বলে শীর্ষ আদালত সময় বেঁধে দিয়েছিল। এরপর আবেদনের ভিত্তিতে ২০২৬ সালের ২৯ মে নির্দেশে কিছুটা সংশোধন করে সুপ্রিম কোর্ট। নতুন নির্দেশে শীর্ষ আদালত জানায়, কর্মরত শিক্ষকদের ৩ বছরের মধ্যে TET পাশ করতে হবে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ উল্লেখ করে চিঠিতে শিক্ষা দফতর জানিয়েছে, কর্মরত শিক্ষকদের ২০২৮ সালের ৩১ অগস্ট কিংবা তার আগে TET পাশ করতে হবে।


এরপরই চিঠি এসএসসি ও প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে শিক্ষা দফতর জানিয়েছে, বছরে দু’বার TET নেওয়া যাবে। ৬ মাস অন্তর পরীক্ষা দেওয়া যাবে। কর্মরত শিক্ষকরা যাতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পরীক্ষা দিতে পারেন, তার ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে চিঠিতে। একইসঙ্গে শিক্ষা দফতর উল্লেখ করেছে, TET নিয়ে আর কোনও সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন গ্রহণ করা হবে না বলে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে।




কুণালের মন্তব্য নিয়ে তৃণমূলকে খোঁচা দিতে ছাড়ল না গেরুয়া শিবির। রাজ্য বিজেপির প্রধান মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, "এটা ওদের ঘরের বিষয়। যা ইচ্ছা বলতেই পারে। ঋত অথবা মৃত, কোনও তৃণমূল নিয়ে আমাদের কোনওরকম মাথাব্যথা নেই।"


হঠাৎ করে নন্দীগ্রাম নিয়ে 'বেসুরো' কুণাল, নিজের দলের বিরুদ্ধেই ক্ষোভ উগরে দিলেন
কী বললেন কুণাল ঘোষ?
 তিনি একসময় নন্দীগ্রামে তৃণমূলের দায়িত্বে ছিলেন। তবে ছাব্বিশের নির্বাচনের সময় সেই দায়িত্বে তিনি ছিলেন না। এই নিয়ে নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনের আগে দলের বিরুদ্ধেই একরাশ ক্ষোভ উগরে দিলেন বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। একাধিক নেতার নাম নিলেন। আইপ্যাকের কথাও উল্লেখ করলেন। বললেন, “ক্ষতি করার জন্য আত্মসমালোচনার প্রয়োজন আছে।”


কী বললেন কুণাল ঘোষ?

 ৭ বছর পর ভারতে শি জিনপিং, দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে
বিধানসভা ভোটে ভরাডুবির পর তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে তৃণমূল। তবে এখনও পর্যন্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই রয়েছেন কুণাল। তারপরও এদিন নন্দীগ্রাম নিয়ে দলের বিরুদ্ধে সরব হলেন তিনি। বললেন, “নন্দীগ্রামে যদি তৃণমূলের খারাপ অবস্থা হয়ে থাকে, বাস্তব কথা হচ্ছে, ওটা শুভেন্দু অধিকারীর যতটা না কৃতিত্ব, আমাদের কিছু বিশিষ্ট নেতৃত্ব, যাঁরা কলকাতায় বসে ভেবেছিলেন, অঙ্গুলিহেলনে তাঁরা সব জেলা চালাবেন। নন্দীগ্রামটা নন্দীগ্রামের কর্মীরা যথেষ্ট গুটিয়ে এনেছিলেন। তার ক্ষতি করার জন্য আমাদের আত্মসমালোচনার প্রয়োজন আছে।”


এরপরই একাধিক নেতার নাম নিয়ে কুণাল বলেন, “রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, তন্ময় ঘোষ, প্রার্থী তাঁরা করেছিলেন। তাঁরা বুঝবেন। যতদিন আমার হাতে দায়িত্ব ছিল, আমি সবাইকে নিয়ে কাজ করেছি। পজিটিভ দিকে আসছিল। এবং তারপর যদি কারও মনে হয়ে থাকে, বিনা নোটিসে কুণাল ঘোষকে সরিয়ে দিয়ে বিশিষ্ট জননেতাদের সেখানে পাঠিয়েছেন। তাঁরা বুঝবেন। হঠাৎ আমাকে কিছু না বলে আইপ্যাক এবং অন্য কেউ বসে পৃথিবীর সমস্ত কিছু বুঝে গিয়েছেন, তাহলে তাঁদের কৈফিয়ত দেওয়া উচিত কেন দুর্বল।” কিন্তু, সেই নেতাদের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিংবা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় পাঠিয়েছিলেন? প্রশ্ন শুনে কুণালের জবাব, “সেইসব বলার সময় এখনও আসেনি। কিছু সময় বাকি থাক।”

কী বললেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়?

কুণালের মন্তব্য নিয়ে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “নন্দীগ্রামে আমাকে কোনওদিন নির্দিষ্ট দায়িত্ব দিয়ে পাঠানো হয়নি। বরং কুণালদা আমাকে দু-একবার নিয়ে গিয়েছিলেন সভা করার জন্য। পরবর্তীকালে লোকসভা নির্বাচনের সময় তমলুকের লোকসভার প্রার্থীকে সাহায্য করার জন্য যেটুকু আমি গিয়েছি। কুণালদাকে স্মরণ করিয়ে দিই, দল আমাকে যখন যতটুকু নির্দিষ্ট দায়িত্ব দিয়েছে, আমি নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেছি।”

জবাব দিলেন তন্ময় ঘোষ-

কালীঘাটপন্থী তৃণমূল নেতা তন্ময় ঘোষ বলেন, “আমি যতদূর মনে করতে পারছি, বিষয়টা কোনওদিন এমনটা ছিল না। যখন পূর্ব মেদিনীপুরের দায়িত্বে আমি ছিলাম, তখন পঞ্চায়েত-সহ ওখানকার ফল দেখতে পারেন। পরে দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়। নন্দীগ্রাম কুণালদা দেখতেন। নন্দীগ্রামে দল কুণালদাকে দায়িত্ব দেওয়ার পর আমি ওখানে কাজ করিনি।”

কুণালের মন্তব্য নিয়ে তৃণমূলকে খোঁচা দিতে ছাড়ল না গেরুয়া শিবির। রাজ্য বিজেপির প্রধান মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, “এটা ওদের ঘরের বিষয়। যা ইচ্ছা বলতেই পারে। ঋত অথবা মৃত, কোনও তৃণমূল নিয়ে আমাদের কোনওরকম মাথাব্যথা নেই। কারণ, পশ্চিমবঙ্গের মানুষের কাছে তৃণমূল গৃহীত, পরীক্ষিত এবং পরিত্যক্ত বিষয়।”



 এই বির্তকের মাঝেই অন্য একটা দিকও উঠে আসছে। গতকাল থেকেই সোশাল মিডিয়াতে দেখা গিয়েছে, মোহনবাগানের একটি ফ্যান পেজকে সমাজমাধ্যমে ফলো করছেন অস্কার। এর পরেই একজন সমর্থক অস্কারকে প্রশ্ন করেছেন, "আপনাকে কি তাহলে সবুজ-মেরুন জার্সিতে দেখা যাবে?" যদিও অস্কার এই মন্তব্যকে ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়েছেন।


মাস্টারের পর এবার 'নিতুদা'! নাম নিয়ে দেবব্রত সরকারকে সরাসরি নিশানা প্রাক্তন লাল-হলুদ কোচের!
লাল-হলুদ বনাম অস্কার নিয়ে তুঙ্গে তরজা।

 ঝামেলা কি থামবে না? আর কতদিন চলবে এই কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি? অস্কার ব্রুজো বনাম ইস্টবেঙ্গল ক্লাব সমস্যা প্রতিদিন একের পর এক নতুন মোড় নিচ্ছে। গতকালই ইস্টবেঙ্গল ক্লাবকে আক্রমণ করে অস্কার জানিয়েছিলেন, কোনও এক মাস্টার রয়েছেন, যিনি বারবার ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের সব অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতেন। এমনকি, সেই মাস্টার নাকি জানিয়েছিলেন, আইএসএল-এর শেষ ম্যাচে রেফারি ম্যানেজ করা আছে। এই নিয়েই এই মুহূর্তে উত্তাল বঙ্গ ক্রীড়ামহল। তবে এবার আরও এক বোমা ফাটালেন অস্কার। সমর্থকদের উদ্দেশ্যে একটি খোলা চিঠি লিখে সোশাল মিডিয়াতে পোস্ট করেছেন অস্কার। সেখানে ক্লাবের শীর্ষকর্তা নিতুদা অর্থাৎ দেবব্রত সরকারের নাম নিয়েছেন তিনি।


অস্কার লিখেছেন, “ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের সঙ্গে আমার কোনও সমস্যা নেই। যাঁরা সত্যিই ইস্টবেঙ্গলকে ভালবাসেন ও দলের ভাল চান, তাঁদের প্রতি আমি শ্রদ্ধাশীল। আমি ক্লাবের সঙ্গে নতুন চুক্তি সই না করার পর থেকেই আমার উদ্দেশ্যে বেলাগাম আক্রমণ ভেসে আসছে। আমি এখন ভিয়েতনামের যে ক্লাবের হয়ে কাজ করছি, সেখানেও বিষয়টি পৌঁছে গিয়েছে। এর ফলে আমার পেশাগত সম্মান নষ্ট হচ্ছে।”




অস্কার বলেন, “এই আক্রমণের পিছনে আমার মনে হয়, নিতুদার হাত আছে। আমি আশা করি, তিনি তাঁর সঙ্গের লোকজনকে এই ধরনের ব্যক্তিগত আক্রমণ বন্ধ করতে বলবেন। আমি যা দেখেছি, তার ভিত্তিতে আমি এই কথা বলছি। নিতু দা যদি এসবের সঙ্গে যুক্ত না থাকেন, তাহলে তাঁরা সেটার প্রমাণ দিক ও এই আক্রমণ বন্ধ করুক।” এমনকি অস্কার এও বলেছেন, “আমি চাই সব ধরণের ব্যক্তি আক্রমণ বন্ধ হোক। নিজেদের ক্লাবের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি হতে দেওয়া উচিত না। কোনও কোচ বা কর্মকর্তা ক্লাবের থেকে বড় হতে পারেন না। আমি ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে ঝামেলা করতে চাই না।” এমনকি সমর্থকদের প্রতি ক্লাবকে রক্ষা করার ও প্রমাণ চাওয়ার কথাও বলেছেন অস্কার।

MBSG

এই বির্তকের মাঝেই অন্য একটা দিকও উঠে আসছে। গতকাল থেকেই সোশাল মিডিয়াতে দেখা গিয়েছে, মোহনবাগানের একটি ফ্যান পেজকে সমাজমাধ্যমে ফলো করছেন অস্কার। এর পরেই একজন সমর্থক অস্কারকে প্রশ্ন করেছেন, “আপনাকে কি তাহলে সবুজ-মেরুন জার্সিতে দেখা যাবে?” যদিও অস্কার এই মন্তব্যকে ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়েছেন। গতকালই অস্কার সম্পর্কে দেবব্রত সরকারকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, “অস্কার ব্রুজো জিন্দাবাদ। ওঁ আমাদের নয়নের মণি। অস্কার আমাদের হৃদয়ে থাকবেন।” কিন্তু বিতর্কের অবসান যেন হচ্ছে না।



রবিবার সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটের পর (সম্ভাব্য) দক্ষিণেশ্বর থেকে শহিদ ক্ষুদিরাম পর্যন্ত পুরো ব্লু লাইনে স্বাভাবিক পরিষেবা চালু হবে। অর্থাৎ সাড়ে নয় ঘণ্টা মেট্রো পরিষেবা আংশিক ব্যহত হবে। রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে যাত্রীদের অসুবিধা হবে।

সাড়ে ৯ ঘণ্টা আংশিক মেট্রো বন্ধ থাকবে! কোন স্টেশন থেকে পরিষেবা পাবেন, এখনই জেনে নিন
ফাইল চিত্র।
মেট্রো যাত্রীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ খবর। রবিবার আংশিক বন্ধ থাকবে মেট্রো পরিষেবা। ব্লু লাইনে আংশিক ট্রাফিক ও পাওয়ার ব্লক থাকবে। তার ফলে বেশ কয়েকটি স্টেশনে মেট্রো পরিষেবা পাওয়া যাবে না।


কলকাতা মেট্রোর তরফে জানানো হয়েছে, আগামিকাল, ১৩ সেপ্টেম্বর ব্লু লাইনে শহীদ ক্ষুদিরাম মেট্রো স্টেশন থেকে মহানায়ক উত্তম কুমার স্টেশন পর্যন্ত মেট্রো পরিষেবা বন্ধ থাকবে। অর্থাৎ নিউ গড়িয়া থেকে টালিগঞ্জ পর্যন্ত মেট্রো পাওয়া যাবে না। রক্ষণাবেক্ষণের কাজের জন্য ব্লু লাইনে গীতাঞ্জলি অর্থাৎ নাকতলা ও কবি নজরুল অর্থাৎ গড়িয়া বাজার স্টেশনের মধ্যে ট্রাফিক ও পাওয়ার ব্লক থাকবে।

 সবজি বিক্রেতাকে দেখলেই কথায় কথায় জড়িয়ে ধরতেন, বাজার করতে এসে খেলেন চুমুও, তারপর গল্প মোড় নিল অন্যদিকে
জানা গিয়েছে, সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত শহিদ ক্ষুদিরাম থেকে মহানায়ক উত্তম কুমার স্টেশনের মধ্যে মেট্রো পরিষেবা বন্ধ থাকবে। তবে দক্ষিণেশ্বর থেকে মহানায়ক উত্তম কুমার পর্যন্ত মেট্রো পরিষেবা স্বাভাবিক থাকবে।


রবিবার সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটের পর (সম্ভাব্য) দক্ষিণেশ্বর থেকে শহিদ ক্ষুদিরাম পর্যন্ত পুরো ব্লু লাইনে স্বাভাবিক পরিষেবা চালু হবে। অর্থাৎ সাড়ে নয় ঘণ্টা মেট্রো পরিষেবা আংশিক ব্যহত হবে। রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে যাত্রীদের যে অসুবিধা হবে, তার জন্য মেট্রো কর্তৃপক্ষ দুঃখপ্রকাশ করেছে।



 জয়ের নেপথ্যের লড়াইটা সহজ ছিল না। বিদ্যালয়ের নিজস্ব খেলার মাঠ নেই, স্থানীয় ক্লাবের মাঠেই চলেছে অবিরাম অনুশীলন। এর আগে চারবার জাতীয় স্তরের সুব্রত কাপে অংশ নিয়েছে এই স্কুল। অতীতে একবার সেমিফাইনালে পৌঁছেও স্বপ্নভঙ্গের যন্ত্রণা নিয়ে ফিরতে হয়েছিল।

১৭ বছর পর তৈরি হল ইতিহাস, বিরাট সাফল্যে মধ্যরাতে আবেগে ভাসল ঝাড়গ্রাম
মধ্যরাতে উদযাপন

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ফুটবলের মানচিত্রে এক সোনালি ইতিহাস রচনা। জঙ্গলমহলের কিশোর ফুটবলাররা চ্যাম্পিয়ন ট্রফি নিয়ে জেলায় পা রাখতেই বাঁধভাঙা আবেগে মাতলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। গভীর রাতেও উৎসবের মেজাজে দেখা গেল গোটা শহরকে। ১৭ বছর পর ইতিহাস গড়ল ঝাড়গ্রামের স্কুল।


প্রদীপ জ্বালিয়ে, চন্দনের ফোঁটা ও ফুলের মালা পরিয়ে ঘরের ছেলেদের রাজকীয় সংবর্ধনা জানানো হয় সুব্রত কাপ জয়ী মানিকপাড়া বিবেকানন্দ স্কুলের খেলোয়াড়দের। তারা পৌঁছাতেই গভীর রাতে শহর জুড়ে বেরোয় বর্ণাঢ্য বিজয় মিছিল, চলে মিষ্টিমুখ। মিছিল পাঁচমাথা মোড়ে ঝাড়গ্রামের বিধায়ক জেলা প্রশাসন, মহকুমা প্রশাসন, জেলা পুলিশ, স্থানীয় কয়েকটি ক্লাবের তরফে সম্বর্ধনা দেওয়া করা হয়।

 ৭ বছর পর ভারতে শি জিনপিং, দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে
সুব্রত কাপ আন্তর্জাতিক ফুটবল টুর্নামেন্টের অনূর্ধ্ব-১৫ (সাব-জুনিয়র) বিভাগে শক্তিশালী অসমকে ১-০ গোলে পরাজিত করে শিরোপা ছিনিয়ে নিয়েছে বাংলার এই প্রত্যন্ত অঞ্চলের স্কুলটি। জঙ্গলমহলের কোনও বিদ্যালয়ের পক্ষে আন্তর্জাতিক স্তরের এই ঐতিহ্যবাহী টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার নজির এটাই প্রথম।


এর আগে ২০০৯ সালে কলকাতার সুকান্ত বিদ্যালয় নিকেতন নাগাল্যান্ড কোহিমার চ্যারিটি স্কুলকে ১-০ গোলে হারিয়ে শেষবার এই ট্রফি জিতেছিল। পরবর্তীতে ২০১২ সালে কলকাতার কল্যাণগড় বিদ্যামন্দির ফাইনালে পৌঁছালেও নাগাল্যান্ডের কাছে হেরে রানার্স হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সেই আক্ষেপ মুছে দিয়ে ২০২৬ সালে বাংলার স্কুল ফুটবলের গৌরব পুনরুদ্ধার করল জঙ্গলমহলের মাণিকপাড়া বিবেকানন্দ বিদ্যাপীঠ।

তবে এই জয়ের নেপথ্যের লড়াইটা সহজ ছিল না। বিদ্যালয়ের নিজস্ব খেলার মাঠ নেই, স্থানীয় ক্লাবের মাঠেই চলেছে অবিরাম অনুশীলন। এর আগে চারবার জাতীয় স্তরের সুব্রত কাপে অংশ নিয়েছে এই স্কুল। অতীতে একবার সেমিফাইনালে পৌঁছেও স্বপ্নভঙ্গের যন্ত্রণা নিয়ে ফিরতে হয়েছিল। সেই আক্ষেপ ঘুচিয়ে এবার এল সাফল্য।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শৈবাল মহাপাত্র জানান, সীমিত পরিকাঠামোর মধ্যেও ছেলেরা অদম্য জেদে এই অসাধ্য সাধন করেছে। তিনি বলেন, “স্কুলে পরিকাঠামোর যথেষ্ট অভাব রয়েছে। আগামী দিনে একটি ভালো মানের হোস্টেল ও স্থায়ী খেলার মাঠের ব্যবস্থা করা গেলে ছেলেরা আরও বড় মঞ্চে দেশের মুখ উজ্জ্বল করবে।”

স্কুলের এই অভূতপূর্ব সাফল্যে উচ্ছ্বসিত জেলা প্রশাসন। ঝাড়গ্রামের জেলাশাসক আকাঙ্খা ভাস্কর জানান, বিদ্যালয়ের পরিকাঠামোগত ঘাটতি দ্রুত পূরণ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকেও এই প্রতিভাবান ফুটবলারদের জন্য বিশেষ সুযোগ-সুবিধা ও উন্নত ব্যবস্থার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।