WEATHER

Top News


 সাধারণত শিশু সন্তান থাকলে বিবাহ বিচ্ছেদ মামলায় মায়ের কাছেই সন্তানের দেখভালের দায়িত্ব আসে। কিন্তু হাইকোর্ট বিপরীত পথে হেঁটে রায় দিল বাবার পক্ষেই। বর্ধমানের বাসিন্দা সজল ও মৌসূমীর (নাম অপরিবর্তিত) বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা চলছিল। সেখানে তাঁদের সন্তানের দায়িত্ব কে পাবেন সেই বিষয়টিও কোর্টে ওঠে।

নজিরবিহীন রায় হাইকোর্টের! উচ্চ-শিক্ষিতা মা নন, মাছ ব্যবসায়ী বাবার কাছেই গেল সন্তানের কাস্টডি
কলকাতা হাইকোর্ট

মায়ের অপূর্ণতা শিশুর মনে দাগ কাটে। সেই যুক্তিতেই মূলত শিশুর দায়িত্ব মায়ের কাছে দিয়ে থাকে আদালত। তবে এবার কলকাতা হাইকোর্ট একটি মামলায় নজিরবিহীন রায় দিল। নিম্ন আদালত সংশ্লিষ্ট মামলায় শিশুর দায়িত্ব দিয়েছিল মায়ের কাছে। যুক্তি দেখানো হয়েছিল যে, মায়ের অপূর্ণতা দাগ কাটতে পারে শিশুমনে। তবে সেই রায়কে মানতে নারাজ কলকাতা হাইকোর্ট। নিম্ন আদালতের রায়কে স্থগিত করে বাবাকেই শিশুর দেখভালের দায়িত্ব দিল আদালত। কোর্টের রায়, শিক্ষিকা মা নয়, বরং শিশু সন্তান থাকবে মাছ ব্যবসায়ী বাবার কাছেই।


সাধারণত শিশু সন্তান থাকলে বিবাহ বিচ্ছেদ মামলায় মায়ের কাছেই সন্তানের দেখভালের দায়িত্ব আসে। কিন্তু হাইকোর্ট বিপরীত পথে হেঁটে রায় দিল বাবার পক্ষেই। বর্ধমানের বাসিন্দা সজল ও মৌসূমীর (নাম অপরিবর্তিত) বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা চলছিল। সেখানে তাঁদের সন্তানের দায়িত্ব কে পাবেন সেই বিষয়টিও কোর্টে ওঠে। এই মামলায় আট বছরের পুত্রসন্তানের দায়িত্ব বাবাকেই দিল হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য ও বিচারপতি সুপ্রতীম ভট্টাচার্য পেশায় গানের শিক্ষক মাকে দেখা করার সুযোগ দিয়েছেন মাত্র একদিন। একই সঙ্গে মামলাটি মীমাংসা কমিটিতে পাঠানো হয়েছে।


বাবরি মসজিদের জন্য কোথা থেকে টাকা পেয়েছেন হুমায়ুন? বিস্ফোরক শুভেন্দু
বিয়ার খেয়ে গার্লফ্রেন্ডের ডেডবডির সঙ্গে যৌনতা! ইউটিউব দেখে ডাকছিল আত্মাকে, তখনই হাজির...
বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্যের পর্যবেক্ষণ, বাবা-মায়ের বয়স বড়োজোর তিরিশের কিছু বেশি। তাই এখন ইগোর লড়াই চলছে। একে অপরের বিরুদ্ধে নতুন-নতুন মামলা আনছেন। ২০২১ সাল থেকেই আলাদা থাকছেন ওই দম্পতি। মায়ের আইনজীবী উদয় শঙ্কর ভট্টাচার্যের অভিযোগ, ছেলের বয়স যখন তিন তখন উচ্চ শিক্ষিতা মা তাঁর বাপের বাড়িতে চলে আসেন। কিন্তু সেখান থেকে শিশু সন্তানকে তাঁর বাড়িতে তুলে নিয়ে যায় তার বাবা।


এরপরই শুরু হয় ছেলেকে ফেরানোর লড়াই। নিম্ন আদালত সন্তানের সঙ্গে কথা বলে জানতে চায় কার সঙ্গ চায় সে। উত্তরে ছোট্ট শিশু জানায় বাবা-মা দুজনকেই চায়। এরপর মা কেই সন্তানের দায়িত্ব দেয় আদালত। সেই সময় নিম্ন আদালতের যুক্তি ছিল, সন্তানের মা উচ্চ শিক্ষিতা। তাই সেখানে সন্তানের ভবিষ্যৎ ভালো। শিশু মনের উপর দাগ পড়ে মা না থাকলে। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে বাবা আসেন হাইকোর্টে।

এরপর নিম্ন আদালতের এই পর্যবেক্ষণ খারিজ হাইকোর্টে। কোর্টের যুক্তি, শিশুর পড়াশোনার জন্য গৃহ শিক্ষক আছেন। গত পাঁচ বছর বাবার সঙ্গে সাধারণ জীবন যাপন করছে শিশুটি। তাই আবেগ নয়, বাস্তবতা নিম্ন আদালতের পর্যবেক্ষণের সঙ্গে মেলে না।

এদিন হাইকোর্টের রায়ে আপাতত মা শনিবার বিকেলে ছেলেকে নিজের সঙ্গে নিয়ে যেতে পারবেন। রবিবার সন্ধ্যে সাতটায় বাবার বাড়িতেই ফেরাতে হবে ছেলেকে। অন্যথা হলে ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে মায়ের বিরুদ্ধে। অবশ্য মানবিক হয়ে আদালতের পরামর্শ হাইকোর্টের মীমাংসা কমিটির মাধ্যমে তারা যদি আবার এক সঙ্গে থাকেন সেটা বিচার করা যাবে।



এদিকে আবার সিপিএম নেতা কলতান দাশগুপ্ত বলছেন, “যাদের জল্পনা করার তাঁরা জল্পনা করুক। কেউ দল ছেড়ে কোথাও যায়নি। এ বিষয়ে যা বলার মহম্মদ সেলিম বলবে। আমরা দলের অভ্যন্তরে আলোচনা করাতেই বিশ্বাসী।” তবে কলকাতান যাই বলুন, দলের অন্দরে যে প্রতীক-উর নিয়ে পুরোদমে চর্চা চলছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

কতটা কষ্টে ছিলেন প্রতীক-উর? কী বললেন সিপিএমের যুবনেত্রী?
প্রতীক-উর রহমান


জোট নিয়ে এখনও কোনও পাকা সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি বামেরা, তার মধ্যেই অস্বস্তিটা যেন আরও কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিলেন এক সময়ের দলের ‘প্রিয় কমরেড’ প্রতীক-উর রহমান। গত লোকসভা ভোটে তাঁকেই শেষ লোকসভা ভোটে ডায়মন্ড-হারবারে লড়তে পাঠিয়েছিল সিপিএম। তাও আবার তৃণমূল সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। শোনা যাচ্ছে চলতি সপ্তাহেই সেই অভিষেকের হাত ধরেই তৃণমূলে যোগদান করতে পারেন প্রাক্তন এসএফআই নেতা। ইতিমধ্যেই আবার মগরাহাটে তাঁর ভোটে দাঁড়ানো নিয়েও তুমুল জল্পনা চলছে। 


এদিকে আবার সিপিএম নেতা কলতান দাশগুপ্ত বলছেন, “যাদের জল্পনা করার তাঁরা জল্পনা করুক। কেউ দল ছেড়ে কোথাও যায়নি। এ বিষয়ে যা বলার মহম্মদ সেলিম বলবে। আমরা দলের অভ্যন্তরে আলোচনা করাতেই বিশ্বাসী।” কলকাতান যাই বলুন, দলের অন্দরে যে প্রতীক-উর নিয়ে পুরোদমে চর্চা চলছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। জেলা ও রাজ্য নেতৃত্বের বেশ কিছু ভাবনা ও কর্মপদ্ধতির সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারছেন না। মানসিক দ্বন্দ্বে ছিলেন। রাজ্য সম্পাদককে লেখা প্রতীক উরের এই লাইনটাই যেন সব থেকে বেশি ভাবাচ্ছে তাঁর সহযোদ্ধাদের। ক্যামেরার সামনে মুখে যদিও সবারই কুলুপ। সকলের একটাই কথা, যা বলার পার্টি বলবে। তবে কেউ যে একদমই কথা বলছেন না তা নয়। 



যুব সাথীর টাকা পাবেন না যদি আপনার এই তালিকায় নাম থাকে
নাম না করে সিপিএমের এক যুব নেত্রী বলছেন, দলের মূল সমস্যা হয়ে দাঁড়াচ্ছে কে কোন আসনে লড়বেন এ বিষয়ে দলের কোনও আগাম পরিকল্পনা থাকছে না। ফলে নির্বাচনের সময়ে বা নির্বাচনের প্রাক্কালে প্রার্থীকে এলাকা চিনতেই অনেক সময় ব্যয় করতে হচ্ছে। ফলে ভোটের ময়দানে তাঁরা পিছিয়ে পড়ছেন। দলের এ হেন অবস্থান দীর্ঘদিন ধরেই অনেককে কষ্ট দিচ্ছে। আমার ধারনা প্রতীকূরও এর থেকে বাদ নয়। 


ঠিক দু’দিন পরেই সিপিএমের রাজ্য কমিটির বৈঠক। এখন সেখানে প্রতীক-উর ইস্যুতে নতুন করে কোনও আলো পড়ে কিনা, নাকি জল্পনাই দিনের শেষে সত্যি হয় সেদিকে অবশ্যই নজর থাকছে রাজনৈতিক মহলের। 



ক্ষিতি কন্যা কস্তুরীর বিজেপিতে যোগদান নিয়ে তৃণমূল মুখপাত্র তন্ময় ঘোষ বলেন, "বসুন্ধরা গোস্বামী দীর্ঘদিন ধরে আমাদের সঙ্গে রয়েছেন। কাজ করছেন। গণতন্ত্রে কে কোথায় যোগদান করবেন, তাঁদের বিষয়। কেউ যদি মনে করেন, সাম্প্রদায়িক শক্তির সঙ্গে থাকবেন, তাই কস্তুরী বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন।"

বাম নেতা ক্ষিতির এক কন্যা তৃণমূলে, আর এক কন্যা এবার বিজেপিতে
বিজেপিতে যোগ দিলেন প্রয়াত বাম নেতা ক্ষিতি গোস্বামীর কন্য়া কস্তুরী গোস্বামী

প্রয়াত আরএসপি নেতা ক্ষিতি গোস্বামীর এক কন্যা বছর পাঁচেক আগে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। এবার ক্ষিতি গোস্বামীর আর এক কন্যা যোগ দিলেন গেরুয়া শিবিরে। মঙ্গলবার সল্টলেকে বিজেপির দফতরে বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নেন ক্ষিতি-কন্যা কস্তুরী গোস্বামী। রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য ও বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতে বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নেন কস্তুরী। শুধু কস্তুরী একা নন, এদিন বিজেপিতে যোগ দেন প্রাক্তন এনএসজি কর্তা দীপাঞ্জন চক্রবর্তী। অবসরপ্রাপ্ত সিআরপিএফ কর্তা বিপ্লব বিশ্বাসও এদিন বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নেন।


২০১৯ সালে প্রয়াত হন আরএসপি নেতা তথা প্রাক্তন মন্ত্রী ক্ষিতি গোস্বামী। এরপর তাঁর এক মেয়ে বসুন্ধরা গোস্বামীকে তৃণমূলের প্রশংসা করতে শোনা যায়। তাঁর ঘাসফুল শিবিরে যোগদানের জল্পনা ছড়ায়। শেষ পর্যন্ত সেই জল্পনা সত্যি করে তৃণমূলের পতাকা হাতে তুলে নেন বসুন্ধরা। ২০২১ সালের শেষে কলকাতা পৌরনিগমের নির্বাচনে ৯৬ নম্বর ওয়ার্ডে তাঁকে প্রার্থী করে শাসকদল। জয়ীও হন বসুন্ধরা।


বাবরি মসজিদের জন্য কোথা থেকে টাকা পেয়েছেন হুমায়ুন? বিস্ফোরক শুভেন্দু
এবার প্রয়াত বাম নেতার আর এক কন্যা কস্তুরী বিজেপিতে যোগ দিলেন। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে গেরুয়া শিবির তাঁকে প্রার্থী করবে কি না, তা নিয়ে জল্পনা চলছে। একইসঙ্গে প্রশ্ন উঠছে, একজন বাম নেতার দুই কন্যার অন্য দুই রাজনৈতিক শিবিরে যাওয়া নিয়েও। আরএসপি তথা বামেরা কেন একজন প্রয়াত বাম নেতার দুই কন্যাকে তাঁদের সঙ্গে রাখতে পারলেন না, সেই প্রশ্ন উঠছে।


ক্ষিতি কন্যা কস্তুরীর বিজেপিতে যোগদান নিয়ে তৃণমূল মুখপাত্র তন্ময় ঘোষ বলেন, “বসুন্ধরা গোস্বামী দীর্ঘদিন ধরে আমাদের সঙ্গে রয়েছেন। কাজ করছেন। গণতন্ত্রে কে কোথায় যোগদান করবেন, তাঁদের বিষয়। কেউ যদি মনে করেন, সাম্প্রদায়িক শক্তির সঙ্গে থাকবেন, তাই কস্তুরী বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন।”

কস্তুরীর বিজেপিতে যোগদান নিয়ে তাঁর দিদি বসুন্ধরা বলেন, “এই নিয়ে আমার কিছু বলার নেই। হয়ত কোনও রাজনৈতিক লক্ষ্য ছিল, সেটা পূরণ করার জন্য যোগদান করেছে। এটা মানুষের ব্যক্তিগত ব্যাপার। আমি কী বলব? আমার সঙ্গে খুব একটা সদ্ভাব নেই। তাই, আলোচনার কোনও প্রশ্নই নেই। আমার মা-ও জানতেন না।”

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূলে এক শীর্ষ নেতার কথা, প্রতীকূর সিপিএম ছাড়ছেনই। তা ১০০ শতাংশ নিশ্চিত। দলবদলও হয়ে যাবে অভিষেকের হাত ধরে। তবে তিনি এখনই মগরাহাট থেকে ভোটে দাঁড়াচ্ছেন না। তাঁকে দলের সাংগঠনিক স্তরের বড় পদ দেওয়া হতে পারে বলে জানাচ্ছেন তিনি।
অভিষেকের সভাতেই তৃণমূলে ‘অভিষেক’ প্রতীক-উরের? পদ না টিকিট, কী পাচ্ছেন?
রাজনৈতিক মহলে জল্পনা


ছাইয়ের ভিতর নাকি আগুন জ্বলছিল। হুমায়ুন কবীর-মহম্মদ সেলিম বৈঠক শুধু ঘি দিয়েছে মাত্র। SFI-র প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি প্রতীক উর রহমানের সদ্য মুখ খোলা থেকে দল ছাড়ার চিঠি- সেই জল্পনা আরও উস্কে দিয়েছে। এবার কী করবেন প্রতীক উর রহমান? এই প্রশ্ন যখন সোশ্যাল মিডিয়ায় তোলপাড়, প্রতীক উরের তৃণমূলে যোগদান নিয়ে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। শোনা যাচ্ছে তিনি নাকি মগরাহাট পশ্চিম আসন থেকে দাঁড়াতে চান। তাও আবার তৃণমূলের টিকিটে। সিপিএম নেতারা সে কথা উড়িয়ে দিলেও উঠে আসছে আরও বড় খবর। 


সূত্রের খবর, আর মাত্র দিন তিন-চার পরেই তৃণমূলের সভায় খোদ দলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরেই তৃণমূলে যোগ দেবেন প্রতীকূর। সেই সভা হতে পারে আমতলায়। থাকতে পারেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার প্রথমসারির এক ঝাঁক তৃণমূল নেতৃত্ব। 


 যুব সাথীর টাকা পাবেন না যদি আপনার এই তালিকায় নাম থাকে
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূলের এক শীর্ষ নেতার কথা, প্রতীক উর সিপিএম ছাড়ছেনই। তা ১০০ শতাংশ নিশ্চিত। দলবদলও হয়ে যাবে অভিষেকের হাত ধরে। তবে তিনি এখনই মগরাহাট থেকে ভোটে দাঁড়াচ্ছেন না। তাঁকে দলের সাংগঠনিক স্তরের বড় পদ দেওয়া হতে পারে বলে জানাচ্ছেন তিনি। তৃণমূল স্তরে ঘাসফুল শিবিরকে চাঙ্গা করার বড় দায়িত্ব থাকবে তাঁর কাঁধে। তবে কী সত্য়িই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের পর আরও এক দাপুটে এসএফআই নেতার তৃণমূলে যোগদান সময়ের অপেক্ষা? জল্পনার মধ্যেই উত্তর খুঁজছে রাজনৈতিক মহলে। 


‘সাম্প্রতিক সময়ে পার্টির জেলা ও রাজ্য নেতৃত্বের বেশ কিছু ভাবনা ও কর্মপদ্ধতির সঙ্গে আমি নিজেকে খাপ খাওয়াতে পারছি না। মানসিক দ্বন্দ্বের মধ্যে দিন কাটাতে হচ্ছে। সেই কারণেই যাবতীয় পদ থেকে অব্যাহতি চাইছি।’ এই চিঠিই সেলিমকে লিখেছেন প্রতীক উর। তা যে ভোটের আগে বাম শিবিরের কাছে আদপে বিনা মেঘে বজ্রপাতের সামিল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এখনও মুখ খোলেলনি সেলিম। ১৯ আর ২০ তারিখ সিপিএমের রাজ্য কমিটির বৈঠক। সেখানেই প্রতীকূর নিয়ে কোনও স্ট্যান্ড নেওয়া হতে পারে বলে সূত্রের খবর। সিপিএম নেতা কলতান দাশগুপ্ত যদিও বলছেন, “যাদের জল্পনা করার তাঁরা জল্পনা করুক। কেউ দল ছেড়ে কোথাও যায়নি। এ বিষয়ে যা বলার মহম্মদ সেলিম বলবে। আমরা দলের অভ্যন্তরে আলোচনা করাতেই বিশ্বাসী।”

হুমায়ুনের নতুন দল গঠন নিয়ে প্রথম থেকে রাজনৈতিক চাপানউতোর চলছে। বিজেপি বলছে, হুমায়ুনকে দিয়ে নতুন দল গঠন তৃণমূলের কৌশল। অন্যদিকে, হুমায়ুনের নতুন দল গঠনের পিছনে বিজেপির মদত রয়েছে বলে অভিযোগ রাজ্যের শাসকদলের। এই আবহে বাংলাদেশকে টেনে আনলেন শুভেন্দু। হুমায়ুন এর জবাবে কী বলেন, সেটাই দেখার। 
Suvendu Adhikari: বাবরি মসজিদের জন্য কোথা থেকে টাকা পেয়েছেন হুমায়ুন? বিস্ফোরক শুভেন্দু
বাবরি মসজিদ নির্মাণের জন্য টাকা নিয়ে হুমায়ুন কবীরকে আক্রমণ শুভেন্দু অধিকারীর

 মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় বাবরি মসজিদ গড়ছেন হুমায়ুন কবীর। গত বছরের ৬ ডিসেম্বর তার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হয়েছে। বাবরি মসজিদ তৈরির জন্য আর্থিক সাহায্য করতে সাধারণ মানুষকে আবেদন জানিয়েছেন হুমায়ুন। অনলাইনেও আর্থিক সাহায্য করা যাচ্ছে। এবার বাবরি মসজিদ তৈরির জন্য এই আর্থিক সাহায্য নিয়েই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার হুমায়ুনকে নিশানা করে তিনি বললেন, বাবরি মসজিদ তৈরির জন্য ৫০ শতাংশের বেশি আর্থিক সাহায্য এসেছে বাংলাদেশ থেকে। একইসঙ্গে শুভেন্দুর অভিযোগ, বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের আগে সাতদিন বাংলাদেশে ছিলেন হুমায়ুন।


শুধু বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন নয়, জনতা উন্নয়ন পার্টি নামে নতুন দলও গড়েছেন হুমায়ুন। এদিন হুমায়ুনকে নিশানা করে শুভেন্দু বলেন, “তথাকথিত বাবরি মসজিদের শিলান্যাস এবং নতুন দল গঠনের আগে, সাতদিন বাংলাদেশে কাটিয়েছেন হুমায়ুন কবীর। হুমায়ুন কবীর রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বাবরি মসজিদের জন্য যে অর্থ সংগ্রহ করেছেন, তার ৫০ শতাংশের বেশি অর্থ বাংলাদেশ থেকে এসেছে। বাবরি মসজিদের শিলান্যাসের আগে হুমায়ুন কবীর বাংলাদেশে ছিলেন সাতদিন। বাংলাদেশের জামাত ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেতু হুমায়ুন কবীর। হিন্দুরা তো বটেই, রাষ্ট্রবাদী মুসলিমরাও এগিয়ে আসুন, এটা দেশের সুরক্ষার প্রশ্ন।”


আয় শূন্য, জানেন ক'টা বাড়ি-গাড়ির মালিক প্রতীক উর রহমান?
শুভেন্দুর এই মন্তব্য নিয়ে এখনও কোনও জবাব পাওয়া যায়নি ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুনের। তবে বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের সময় সেখানে বেশ কয়েকটি বাক্স রাখা হয়েছিল। ওই বাক্সগুলিতে কত টাকা জমা পড়েছে, লাইভ ভিডিয়োর মাধ্যমে তা গণনা করা হয়েছিল। এছাড়া, অনলাইনেও আর্থিক সাহায্যের কথা জানিয়েছিলেন হুমায়ুন। এই অনলাইনে সাহায্য নিয়েই অভিযোগ করেছেন শুভেন্দু।

মুখ্যমন্ত্রী এ দিন গোটা বিষয়টির আশপাশ দিয়ে ঘুরেছেন, তবে কোন বিষয়ে প্রকাশ্যে আনবেন তা নিয়ে মুখ খোলেননি। তিনি এও বলেছেন, "আপনাদের ইতিহাস-ভূগোল-পলিটিক্যাল সায়েন্স থেকে সবকিছু আছে। অনেক কীর্তি কেলেঙ্কারির নায়ক-নায়িকাদের বলব জণগনের উপর নেবেন না। আপনাদের প্রতিশোধ আমার উপর নিন। জনগণের উপর নয়। আপনারা কেউ ৪২০ ভোল্ট হন। আমি ৪৪০ ভোল্ট।"

 'আমি ওয়ার্লড ওয়াইড প্রচার করব', ছাব্বিশের আগে বড় ঝড়ের ইঙ্গিত দিলেন মমতা?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, মুখ্যমন্ত্রী


কয়েকদিন আগেই এসআইএর ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্ট পৌঁছে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চেও সওয়াল করে এসেছেন তিনি। আর এবার ছাব্বিশের ভোটের আগে বড় কোনও ঝড়ের ইঙ্গিত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠক থেকে তিনি বললেন, এবার তিনি গোটা পৃথিবী ব্যাপি প্রচার করবেন।


মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠক থেকে বারেবারে কোনও একটি বিষয় প্রকাশ্যে আনার হুমকি দিতে থাকেন মমতা। প্রথমে তিনি কমিশনকে আক্রমণ করে বলেন, “বাউন্ডারির বাইরে গেলে কিন্তু ছক্কা খেতে হবে।” মুখ্যমন্ত্রী এ দিন নির্বাচন কমিশনকে ‘তুঘলকি কমিশন’বলে ব্যাখ্যা করে বলেন, “আমরা আইন নিশ্চয়ই মানবো। আইন আইনের পথে চলবে। তুঘলকি কমিশনের যেটুকু আইন মানার প্রয়োজন সেটা নিশ্চয়ই মানব।” এরপর তিনি সরব হন রাজ্যে এসআইআর-এ এতজন মানুষের মৃত্যু নিয়ে।



জেল থেকে ছাড়া পেলেন রাজপাল যাদব, মুক্তি পেয়েই কোন কথা সামনে আনলেন 'ছোটে পণ্ডিত'?
মমতা বলেন, “১৬০ জনের উপর মানুষ মারা গেছে। ইআরও -দের বিরুদ্ধে একটা পলিটিক্যাল পার্টি বলেছে.. তাই তাঁদের সাসপেন্ড করা হচ্ছে। অনেক ঘটনা ঘটে গেছে, আমরা মুখ খুলিনি এখনো। সংসদীয় রাজনীতিতে কেউ যদি মনে করেন, কারোও অধিকার কেড়ে নেবেন, তাহলে কিন্তু আমি প্রত্যাঘাত করব।”


মমতার হুঁশিয়ারি, “তৃণমূল কংগ্রেস সংবিধান মেনে চলে। ছাব্বিশের পর তো কেন্দ্রে এই সরকারও থাকবে না। এখন থেকে বলছি খোঁজ রাখুন। অনেক ঘটনা ঘটে গিয়েছে, আমরা মুখ খুলিনি। ভদ্রতা করেছি। পার্লামেন্ট চালাতে দিয়েছি। তৃণমূল গণতন্ত্রে বিশ্বাসী। কিন্তু কেউ যদি মানুষের অধিকার কেড়ে নিতে চায়। নির্বাচন প্রক্রিয়াকে নির্বাচনের আগেই শেষ করতে চায়। আমায় আঘাত করলে,আমি প্রত্যাঘাত করব। আমি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড প্রচার করব। যদিও আমি নিজের দেশকে ভালোবাসি।”

মুখ্যমন্ত্রী এ দিন গোটা বিষয়টির আশপাশ দিয়ে ঘুরেছেন, তবে কোন বিষয়ে প্রকাশ্যে আনবেন তা নিয়ে মুখ খোলেননি। তিনি এও বলেছেন, “আপনাদের ইতিহাস-ভূগোল-পলিটিক্যাল সায়েন্স থেকে সবকিছু আছে। অনেক কীর্তি কেলেঙ্কারির নায়ক-নায়িকাদের বলব জণগনের উপর নেবেন না। আপনাদের প্রতিশোধ আমার উপর নিন। জনগণের উপর নয়। আপনারা কেউ ৪২০ ভোল্ট হন। আমি ৪৪০ ভোল্ট।”

মমতার এ দিনের বারেবারে এই হুঁশিয়ারির বিষয়টিই সামনে আসতে রাজনীতির অন্দরে আলোচনা শুরু হয়েছে। তিনি কোন ইস্যুকে সামনে আনতে চাইছেন তা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনীতির অন্দরে জোর আলোচনা।

অন্যান্য দিনের মতোই এদিন বাঁকুড়ার ইন্দাস ব্লকের কুশমুড়ি হাইস্কুলে চতুর্থ পিরিয়ডের ক্লাস চলছিল। স্কুলের দোতলার একটি হলঘরে ক্লাস এইটের বাংলার ক্লাস নিচ্ছিলেন স্কুলের শিক্ষক গোলক বিহারী বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ক্লাসরুমে আচমকাই অনুমতি না নিয়েই ঢুকে পড়েন ইন্দাসের বিজেপি বিধায়ক নির্মল ধাড়া। তা নিয়েই যত বিতর্ক।

স্কুল চলাকালীন ক্লাসে ঢুকে ‘দাদাগিরির’ অভিযোগ বিধায়কের বিরুদ্ধে, ‘কার অনুমতি নিয়ে ঢুকলেন?’, প্রশ্ন শিক্ষকের
রাজনৈতিক মহলেও চাপানউতোর


বলা নেই, কওয়া নেই। ক্লাস চালাকালীন সটান ক্লাসে ঢুকে ক্লাসের মেঝে এত নোংরা কেন খোদ শিক্ষকের কাছে জানতে চাইলেন বিধায়ক। অনুমতি না নিয়ে এভাবে ক্লাসে ঢুকে পড়া নিয়ে শিক্ষক প্রতিবাদ জানালে পড়ুয়াদের সামনেই শিক্ষকের সঙ্গে তুমুল বাগবিতন্ডাতেও জড়ালেন বিধায়ক। ঘটনায় চূড়ান্ত ক্ষুব্ধ ওই শিক্ষক। পরে অনুমতিবিহীনভাবে ক্লাসরুমে ঢুকে পড়ার ঘটনার ভুল স্বীকার করেছেন বিধায়ক। ঘটনা বাঁকুড়ার ইন্দাস ব্লকের কুশমুড়ি হাইস্কুলের। বিধায়কের এহেন আচরণের তীব্র নিন্দা করেছে তৃণমূল। রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর।  


অন্যান্য দিনের মতোই এদিন বাঁকুড়ার ইন্দাস ব্লকের কুশমুড়ি হাইস্কুলে চতুর্থ পিরিয়ডের ক্লাস চলছিল। স্কুলের দোতলার একটি হলঘরে ক্লাস এইটের বাংলার ক্লাস নিচ্ছিলেন স্কুলের শিক্ষক গোলক বিহারী বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ক্লাসরুমে আচমকাই অনুমতি না নিয়েই ঢুকে পড়েন ইন্দাসের বিজেপি বিধায়ক নির্মল ধাড়া। ঢুকেই ক্লাসরুমের মেঝে এত নোংরা কেন তা শিক্ষকের কাছে জানতে চান। শিক্ষক জানান স্কুলে চতুর্থ শ্রেণির কর্মী বা সাফাই কর্মী নেই। পড়ুয়ারাই ক্লাসরুম পরিস্কার রাখে। হাত লাগান শিক্ষকেরাও। এদিনও চতুর্থ পিরিয়ডের পর ক্লাসরুম পরিস্কার করা হবে। 




এরপরই শিক্ষক বিধায়কের কাছে জানতে চান কেন অনুমতি না নিয়ে এভাবে বিধায়ক ক্লাসরুমে প্রবেশ করেছেন? শিক্ষকের এই প্রশ্নে কার্যত ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন বিধায়ক। ক্লাসরুমে পড়ুয়াদের সামনেই শিক্ষকের সঙ্গে বচসা শুরু করে দেন বিধায়ক। আঙুল তুলে বিধায়ক বলতে থাকেন কেন তাঁকে অনুমতি নিতে হবে? বেশ কিছুক্ষণ বাগবিতন্ডার পর ক্লাসরুম থেকে বেরিয়ে ঝাড়ু হাতে স্কুল চত্বর সাফাই করতে শুরু করেন বিধায়ক। স্কুলের ক্লাসরুমে পড়ুয়াদের সামনে বিধায়ক তাঁর সঙ্গে এহেন আচরণ করায় চূড়ান্ত অপমানিত শিক্ষক গোলোক বিহারী বন্দ্যোপাধ্যায়। অনুমতি না নিয়ে এভাবে ক্লাসরুমে প্রবেশ করার ঘটনায় পরে নিজের ভুল স্বীকারও করে নেন বিধায়ক। শিক্ষাঙ্গনে বিধায়কের এহেন আচরণের কড়া নিন্দা করেছেন তৃণমূলের ইন্দাস ব্লক সভাপতি শেখ হামিদও

২ জন ইআরও ও ২ জন এইআরও-র বিরুদ্ধে ভোটার লিস্টে কারচুপির অভিযোগ উঠেছিল। এতে নাম জড়ায় এক ডেটা এন্ট্রি অপারেটরেরও। সরকারি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে এফআইআরের নির্দেশ দেয় কমিশন। কিন্তু, এতদিন কমিশনের নির্দেশ মানা নিয়ে টালবাহানার অভিযোগ ওঠে নবান্নের বিরুদ্ধে। শেষপর্যন্ত মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে ডেকে কড়া বার্তা দেয় কমিশন।


কমিশনের ডেডলাইন শেষের আগেই ৪ আধিকারিকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নবান্নের, শুরু রাজনৈতিক চাপানউতোর
৪ আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর করল রাজ্য

রাজ্যের মুখ্যসচিবকে ডেকে কড়া বার্তা দিয়েছিল জাতীয় কমিশন। সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল। সেই ডেডলাইন শেষের আগেই এসআইআর প্রক্রিয়ায় যুক্ত চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর করল রাজ্য সরকার। এই চারজনের মধ্যে ২ জন ইআরও এবং ২ জন এইআরও। শেষপর্যন্ত কমিশনের ‘চাপে’ রাজ্য এফআইআর করার পর শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। বিজেপির বক্তব্য, নিয়ম না মানলে এইরকম এফআইআর আরও হবে। অন্যদিকে, তৃণমূলের বক্তব্য, নির্দেশ মানা হলেও কমিশনের বিরুদ্ধে নিজেদের অভিযোগ থেকে সরে আসছে না তারা।


২ জন ইআরও ও ২ জন এইআরও-র বিরুদ্ধে ভোটার লিস্টে কারচুপির অভিযোগ উঠেছিল। এতে নাম জড়ায় এক ডেটা এন্ট্রি অপারেটরেরও। সরকারি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে এফআইআরের নির্দেশ দেয় কমিশন। কিন্তু, এতদিন কমিশনের নির্দেশ মানা নিয়ে টালবাহানার অভিযোগ ওঠে নবান্নের বিরুদ্ধে। শেষপর্যন্ত মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে ডেকে কড়া বার্তা দেয় কমিশন। ওই চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর করার জন্য মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই চার সরকারি আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর করল রাজ্য সরকার।



ওই চার আধিকারিকের মধ্যে পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না বিধানসভার ইআরও এবং এইআরও রয়েছেন। আর রয়েছেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর পূর্বের ইআরও এবং এইআরও। বারুইপুর পূর্বের ইআরও এবং এইআরও হিসাবে কাজ করছিলেন দেবোত্তম দত্ত চৌধুরী এবং তথাগত মণ্ডল। ময়নায় ওই দুই দায়িত্বে ছিলেন বিপ্লব সরকার ও সুদীপ্ত দাস। চার আধিকারিকই ডব্লিউবিসিএস অফিসার।


চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর করা নিয়ে তৃণমূলের আইটি সেলের ইনচার্জ দেবাংশু ভট্টাচার্য বলেন, “নির্বাচন কমিশনের নির্দেশকে সম্মান জানিয়ে যতটুকু প্রক্রিয়া করার সেটা করা হয়েছে। এর অর্থ এই নয় যে কমিশনের বিরুদ্ধে আমরা যে অভিযোগ করছি, তা থেকে সরে আসছি। এই ইআরও ও এইআরও-র বিরুদ্ধে কমিশনের খড়্গহস্ত হওয়ার কারণ, কমিশনের পাঠানো বহিরাগত মাইক্রো অবজার্ভারদের কথা শোনেননি। মাইক্রো অবজার্ভাররা সুপারিশ করলেও কিন্তু, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা ছিল ইআরও-দের। সুপ্রিম কোর্টও পরে তা বলেছে। কিন্তু, কমিশন তা করতে দিচ্ছিল না। মেরুদণ্ড সোজা রেখে যাঁরা কাজ করছিলেন, তাঁদের উপর খড়্গহস্ত হয়েছে কমিশন। এখন কমিশন মুখ্যসচিবকে নির্দেশ দিয়েছেন। সেই মতো পদক্ষেপ করা হয়েছে। তার মানে এটা নয় যে আদর্শগতভাবে এটা আমরা স্বীকার করে নিলাম।”

এদিন নবান্নে কমিশনকে নিশানা করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বলেছেন, “আমরা আইন নিশ্চয় মানব। আইন আইনের পথে চলবে। তুঘলকি কমিশনের যেটুকু আইন মানার প্রয়োজনে সেটা নিশ্চয় মানব। কিন্তু, তার একটা বাউন্ডারি আছে। বাউন্ডারির বাইরে গেলে কিন্তু ছক্কা খেতে হবে।” একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমার বিরুদ্ধেও তো কত এফ‌আইআর রয়েছে। এত সিরিয়াসলি নিচ্ছেন কেন? এগুলো ছেড়ে দিন। আইন আইনের পথে চলবে।”

চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর নিয়ে বিজেপি মুখপাত্র জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “গতকালই তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন তাদের সর্বোচ্চ ক্ষমতা প্রয়োগ করে যেমন সাত জনকে সাসপেন্ড করেছে, তেমন মুখ্যসচিবকে বলা হয়েছিল, যদি ওই চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া না হয়, তাহলে মুখ্যসচিবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাতে কাজ হয়েছে। ইআরও এবং এইআরও-দের কাছে স্পষ্ট বার্তা, সাত ও চার মিলে এগারো হল, এটা ১১১ হতে বেশি সময় লাগবে না। এটা ২০০২ সালের মতো এসআইআর হচ্ছে না। এখানে কোন বিএলও, কোন ইআরও, কোন ডিইও কী কাজ করছেন, তার ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট রয়ে যাচ্ছে। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর কোনও গাফিলতি ধরা পড়লে, তাহলে নির্বাচন কমিশন কী করতে পারে, তার হাল্কা ইঙ্গিত দিয়েছে।”

কোর্টের উদ্দেশে NIA: শীর্ষ আদালতের নির্দেশে কোনও স্থগিতাদেশ নেই। কেস ডায়েরি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই। আমরা বারবার আবেদন করছি কেস ডায়েরি হস্তান্তরের জন‍্য। আমরা বলেছি এই আদালতের নির্দেশ আছে, কেস ডায়েরি দেওয়া হোক। পুলিশ যেখানে মার খেয়েছে, পুলিশ আক্রান্ত। সেই মামলার আমরা তদন্ত করছি, তাতে পুলিশ কেস ডায়েরি দিচ্ছে না। হাইকোর্টের কোনও নির্দেশ আনতে পারেনি। হাইকোর্টে যদি মামলা করে থাকে, তাহলে তো একটা নথি বা অর্ডার নিয়ে আসবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশ মেনে আমরা তদন্ত করছি।


বেলডাঙা-কাণ্ডে পুলিশকে ভর্ৎসনা কোর্টের, NIA বলল, 'পুলিশ যেখানে নিজে মার খেয়েছে, পুলিশ আক্রান্ত, আমরা তদন্ত করছি, তবুও কেস ডায়রি দিচ্ছে না'
কোর্ট কেস

পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তপ্ত হয়ে ওঠে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। সরকারি সম্পত্তি নষ্টের পাশাপাশি সংবাদ মাধ্যমের কর্মীদেরও হেনস্থা করার হয়। বেলডাঙার ঘটনার জল ইতিমধ্যেই গড়িয়েছে NIA বিশেষ আদালতে। নিম্ন আদালতে এ দিন ছিল সেই মামলার শুনানি। আজ বিচার ভবনের NIA বিশেষ আদলতের নির্দেশ মোতাবেক দুই তদন্তকারী সংস্থার তদন্তকারী অফিসার হাজিরা দেন।


বিচারক বেলডাঙার আইও: কেস ডায়েরি দিয়েছেন? এই কোর্টের নির্দেশ ছিল তো কেস ডায়েরি হস্তান্তর করার!


আইও: হাইকোর্টে মামলা রয়েছে।


বিচারক: আপনাকে কি নির্দেশ দিয়েছে কেস ডায়েরি দিতে হবে না? কোথাও কি নির্দেশ আছে? সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশেও কি কোথাও বলা আছে যে বেলডাঙা থানার আইও ও এসপি এই কেস ডায়েরি হস্তান্তর করবে না?

কোর্টের উদ্দেশে NIA: শীর্ষ আদালতের নির্দেশে কোনও স্থগিতাদেশ নেই। কেস ডায়েরি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই। আমরা বারবার আবেদন করছি কেস ডায়েরি হস্তান্তরের জন‍্য। আমরা বলেছি এই আদালতের নির্দেশ আছে, কেস ডায়েরি দেওয়া হোক। পুলিশ যেখানে মার খেয়েছে, পুলিশ আক্রান্ত। সেই মামলার আমরা তদন্ত করছি, তাতে পুলিশ কেস ডায়েরি দিচ্ছে না। হাইকোর্টের কোনও নির্দেশ আনতে পারেনি। হাইকোর্টে যদি মামলা করে থাকে, তাহলে তো একটা নথি বা অর্ডার নিয়ে আসবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশ মেনে আমরা তদন্ত করছি। কেস ডায়েরি তো দিতে হবে আমাদের। আমরা তদন্ত কীভাবে এগিয়ে নিয়ে যাবো? অভিযুক্তদের এখনও এক্সজামিন করা গেল না। হেফাজতে নেওয়া গেল না।

রাজ্যের তরফে আইনজীবী দীপঙ্কর কুণ্ডু (চিফ পিপি): এই কোর্টের নির্দেশে বলা আছে আইওকে উপস্থিত থাকতে হবে। এটা শেষ অর্ডার।

বিচারক: আপনি প্রথম অর্ডার দেখুন

সরকারি আইনজীবী: আজ তো এখানে শুনানি হওয়ার কথা। কেস ডায়েরি হস্তান্তর নিয়ে…




বিচারক: কীভাবে এসপি ও তদন্তকারী অফিসার সিদ্ধান্ত নিলেন কেস ডায়েরি হস্তান্তর করবেন না?

সরকারি আইনজীবী: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ছিল ইউএপিএ ধারা প্রয়োগ নিয়ে এনআইএ-কে রিপোর্ট দেওয়ার হাইকোর্টে।

বিচারক: আমার বক্তব্য এটা নয়। আমি জানতে চাইছি কোথায় বলা আছে সিডি দেওয়া যাবে না? আইও ও এসপি কীভাবে সিদ্ধান্ত নিলেন? কীভাবে সিদ্ধান্ত নিলেন সিডি হস্তান্তর না করার

সরকারি আইনজীবী: শীর্ষ আদালত হাইকোর্টকে সিদ্ধান্ত নিতে বলেছে ইউএপিএ ধারা প্রয়োগ হবে কি না! এই কারণে আমরা অপেক্ষা করছি। আমরা সময় চাইছি। হাইকোর্টে মামলার অর্ডার হলেই আমরা সঙ্গে সঙ্গে কেস ডায়েরি হস্তান্তর করব।

এনআইএ বিশেষ আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও কেন বেলডাঙা থানার আইও কেস ডায়েরি হস্তান্তর করেনি NIA কে? এদিন আদালতে একাধিকবার প্রশ্ন বিচারকের।



একুশের বিধানসভা ভোটে এই সৃজনকেই সোজা সিঙ্গুরে পাঠিয়েছিল সিপিএম। জমি আন্দোলনের আঁতুরঘর থেকেই সৃজন শুরু করেছিলেন নির্বাচনী যাত্রা। হারতে হয়েছিল। কিন্তু দমেননি সৃজন। ফের পুরোদমে ধরেছেন ছাত্র-যুব ব্রিগেডের হাত।

এবার সিপিএম ছাড়ছেন সৃজন? কোন ইঙ্গিত দিচ্ছেন বাবা?
কী বলছেন সৃজনের বাবা?

দীর্ঘদিন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ধরেছিলেন এসএফআইয়ের ব্যাটন। একজন ছিলেন রাজ্য সভাপতি, অন্যজন রাজ্য সম্পাদক। সেই জুটির একজন ইতিমধ্যেই দল থেকে অব্যাহতি চেয়ে সোজা চিঠি দিয়েছেন রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমকে। দলের সিদ্ধান্তের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারছেন না, সাফ বলছেন প্রতীক উর রহমান। ইতিমধ্যেই তাঁর তৃণমূলে যোগদান নিয়ে জল্পনা একেবারে তুঙ্গে। আর সেই রেশই উঠে আসছে সৃজন ভট্টাচার্যের প্রসঙ্গ। যাঁর কাঁধে আবার বর্তমানে সারা ভারত এসএফআইয়ের দায়িত্ব। জল্পনা ভোটের আবহে তিনিও নাকি দল তৃণমূলে যেতে চলেছেন? মুখে কুলপ এেঁটেছে বাম ব্রিগেড। কিন্তু বিতর্ক-জল্পনার মধ্যেই মুখ খুললেন সৃজনের বাবা অরিন্দম ভট্টাচার্য। 


অরিন্দমবাবুর সাফ কথা, ছেলের উপর তাঁর পূর্ণ আস্থা রয়েছে। তিনি বিশ্বাস করেন না এরকম কিছু ঘটতে পারে। টিভি ৯ বাংলার তরফে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “এরকম কোনও বিষয় আমি জানি না। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি ও কোনও দক্ষিণপন্থী দলে যাবে না। আমি তো ভাবছি হঠাৎ এরকম কথা আসছে কেন? প্রতীক-উর আর সৃজন একসঙ্গে ছাত্র রাজনীতি বলে এটা ভাসিয়ে দেওয়া হল? আমি তো এর কোনও কারণ দেখতে পারছি না।” এরপরই তার সংযোজন, “ও বর্তমানে এসএফআইয়ের অল ইন্ডিয়া সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করছে। সেটাই পালন করবে বলে আমি বিশ্বাস করি। গত দু’দিন ওর সঙ্গে আমার কথা হয়নি। কলকাতার বাইরে আছে। কলকাতায় ফিরলে কথা বলব।” 



 আয় শূন্য, জানেন ক'টা বাড়ি-গাড়ির মালিক প্রতীক উর রহমান?
একুশের বিধানসভা ভোটে এই সৃজনকেই সোজা সিঙ্গুরে পাঠিয়েছিল সিপিএম। জমি আন্দোলনের আঁতুরঘর থেকেই সৃজন শুরু করেছিলেন নির্বাচনী যাত্রা। হারতে হয়েছিল। কিন্তু দমেননি সৃজন। ফের পুরোদমে ধরেছেন ছাত্র-যুব ব্রিগেডের হাত। কিন্তু এই আবহে প্রতীক উর দ্বন্দ্ব যে দলের মতো তাঁর মনেও ব্যথা দিয়েছে তা মানছেন সৃজন। মুখ খুলেছেন সংবাদমাধ্যমে। তবে সরাসরি কিছুই বলতে চাননি। অন্যদিকে তাঁর দলবদল নিয়েও প্রশ্ন করা হলেও কার্যত হেসেই উড়িয়ে দিচ্ছেন। 

প্রেমের মর্মান্তিক পরিণতি: সাগরদ্বীপে যুবকের রহস্যমৃত্যু, ঘনিয়ে উঠছে খুনের অভিযোগ


দক্ষিণ ২৪ পরগনার সাগর থানার গোবিন্দপুর এলাকার এক ২০ বছরের যুবকের অস্বাভাবিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। মৃতের নাম রাকেশ পাত্র। পরিবারের দাবি, ভালোবাসার মাসুল দিতে হলো রাকেশকে। পরিকল্পিতভাবে তাঁকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে তাঁর শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে। স্থানীয় সূত্রে খবর, মাস পাঁচেক আগে পাশের গ্রাম নগেন্দ্রগঞ্জের রিনা মন্ডলকে ভালোবেসে পালিয়ে বিয়ে করেন রাকেশ। 
তবে এই সম্পর্ক মেনে নেয়নি দুই পরিবার। বিয়ের পর জীবিকার তাগিদে ভিন রাজ্যে কাজে গিয়েছিলেন রাকেশ। ১০ দিন আগে বাড়ি ফিরে তিনি জানতে পারেন স্ত্রী বাপের বাড়ি চলে গিয়েছেন। অভিযোগ, গত রবিবার রাতে শ্বশুরবাড়ি থেকে ফোন করে রাকেশকে ডাকা হয়। সোমবার সকালে সেই শ্বশুরবাড়ির এক আত্মীয়ের গোয়ালঘর থেকেই গামছা জড়ানো অবস্থায় রাকেশের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। রাকেশের পরিবারের স্পষ্ট অভিযোগ, তাঁকে ডেকে নিয়ে গিয়ে শ্বাসরোধ করে খুন করার পর দেহ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। সাগর থানার পুলিশ দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কাকদ্বীপ মর্গে পাঠিয়েছে। এটি আত্মহত্যা নাকি সুপরিকল্পিত হত্যা, তা খতিয়ে দেখতে একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে।

*আন্তর্জাতিক জলসীমা লঙ্ঘন। এসআইআর আবহে ফের বাংলাদেশি ট্রলার আটক। বাংলাদেশী মৎস্যজীবীর কাছে মিলল ভারতীয় আধার কার্ড।* 


আন্তর্জাতিক জলসীমা লঙ্ঘনের অভিযোগে একটি বাংলাদেশি ট্রলারসহ ২৮ জন মৎস্যজীবীকে আটক করল ভারতীয় উপকূল রক্ষী বাহিনী। ধৃতদের মধ্যে রবীন্দ্র দাস নামে এক বাংলাদেশী মৎস্যজীবীর কাছ থেকে ভারত ও বাংলাদেশ—উভয় দেশেরই পরিচয়পত্র উদ্ধার হওয়ায় ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য। রবিবার রাতে ভারতীয় জলসীমার অভ্যন্তরে ‘এফবি সাগর’ নামক একটি বাংলাদেশি ট্রলারকে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখে উপকূল রক্ষী বাহিনীর টহলদারি দল। ট্রলারটি থামিয়ে তল্লাশি চালালে উদ্ধার হয় রবীন্দ্র দাসের ভারতীয় আধার কার্ড। জানা গেছে, রবীন্দ্র আদতে বাংলাদেশি হলেও কয়েক বছর আগে কাকদ্বীপের অক্ষয়নগরে বসবাস করতেন। 


২০১৯ ও ২০২৩ সালে বৈধ ভিসা নিয়ে তিনি ভারতে এলেও, এবার ট্রলারে চেপে অবৈধভাবে প্রবেশের চেষ্টা করছিলেন বলে প্রাথমিক অনুমান পুলিশের।
সোমবার ধৃত ২৮ জন বাংলাদেশী মৎস্যজীবীকে ফ্রেজারগঞ্জ কোস্টাল থানার হাতে তুলে দেওয়া হয়। এদিনই তাঁদের কাকদ্বীপ মহকুমা আদালতে পেশ করা হলে বিচারক ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন।
সাগর উপকূলে এই অনুপ্রবেশের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ধৃত মৎস্যজীবীদের প্রকৃত উদ্দেশ্য কী ছিল, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো।



প্রায় ৫ ঘণ্টা পর অবশেষে ফ্রেজারগঞ্জের র‌্যাম্প থেকে ঝাঁপ দেওয়া মৎস্যজীবীর দেহ উদ্ধার হলো।



 দীর্ঘ ৫ ঘণ্টার তল্লাশি অভিযানের পর মঙ্গলবার বিকেলে রেম্পের অদূরেই বছর ৪৫ এর অজয় বাগের দেহ খুঁজে পায় ফ্রেজারগঞ্জ কোস্টাল থানার পুলিশ ও স্থানীয় মৎস্যজীবীরা। 
এদিন বেলা ১১টা নাগাদ এডওয়ার্ড ক্রিক নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার পর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন ফ্রেজারগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার উত্তর শিবপুরের বাসিন্দা অজয়। ফ্রেজারগঞ্জ কোস্টাল থানার পুলিশ এবং স্থানীয় মৎস্যজীবীরা ট্রলার ও এফআইবি  বোট নিয়ে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালায়। নদীতে ভাটা পড়তে এমনকি স্থানীয় মৎস্যজীবীরা নদীতে নেমে অজয়ের খোঁজে তল্লাশি চালায়। অবশেষে বিকেল ৪টে নাগাদ নদীতে ভাটা শুরু হতেই রেম্প থেকে কিছুটা দূরে তাঁর দেহটি দেখা যায়। 


পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কাকদ্বীপ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, অজয়  মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। সেই অবসাদের চরম পরিণতি হিসেবেই তিনি ভরা মৎস্য বন্দরে সবার সামনে আত্মঘাতী হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।  পুলিশ একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর  মামলা রুজু করে পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।


ষ্টাফ রিপোর্টার মুন্না সরদার