WEATHER

Top News

 মশাল মিছিল ও কুশপুতুল পোড়ানোকে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রতিবাদের পদ্ধতি বলে দাবি পড়ুয়াদের। তাঁদের প্রশ্ন, গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগে আপত্তি কোথায়? স্লোগান, প্রতিবাদ এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে পড়ুয়াদের একজোট হওয়াকে কি হুমকি হিসেবে দেখছে কর্তৃপক্ষ?


ফের শিরোনামে সত্যজিৎ রায় ফিল্ম ইন্সটিটিউট (SRFTI)। পরপর সংঘর্ষের ঘটনার পর এবার মধ্যরাতে ক্যাম্পাসে ঢুকল পুলিশ। মঙ্গলবার মধ্যরাতে এসআরএফটিআই ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে দেখা যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। প্রায় ৬০ জনের বেশি অফিসার ও কর্মীকে দেখা গিয়েছে ক্যাম্পাসে।


জানা গিয়েছে, ২৭ অক্টোবর রাত ১১টা ৩০ মিনিটে পুলিশকে প্রবেশ করতে দেখা যায়। উপাচার্যের অনুরোধেই পুলিশ ক্যাম্পাসে ঢুকেছিল বলে অভিযোগ ছাত্র সংসদের। পড়ুয়াদের হস্টেলের পিছনে গেস্ট হাউসের কাছে জড় হন পুলিশকর্মীরা। পুলিশ মোতায়েন কেন হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন পড়ুয়ারা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নজরদারি ও ভয়ের পরিবেশ তৈরির আশঙ্কা রয়েছে পড়ুয়াদের।

বাবার মৃত্যু হয়েছিল দুর্ঘটনায়, ছেলেও অকালে চলে গেল 'অ্যাক্সিডেন্টে'
অন্যদিকে, উপাচার্যের দাবি, পড়ুয়াদের মশাল মিছিল তাঁকে আতঙ্কিত করেছিল। ২৭ অক্টোবর, মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় শেষ হয় পড়ুয়াদের মশাল মিছিল। মিছিলের শেষে ক্যাম্পাসের বাইরে একটি কুশপুতুল পোড়ানো হয়। ছাত্র সংসদের দাবি, মিছিল শেষ হওয়ার প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পরে ক্যাম্পাসে ঢোকে পুলিশ।


শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের জেরে মধ্যরাতে ৬০ জনের বেশি পুলিশ মোতায়েনের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন পড়ুয়াদের। ছাত্র সংসদের অভিযোগ, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকে নিরাপত্তার অজুহাতে অপরাধ হিসেবে তুলে ধরতে চাইছে কর্তৃপক্ষ।

মশাল মিছিল ও কুশপুতুল পোড়ানোকে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রতিবাদের পদ্ধতি বলে দাবি পড়ুয়াদের। তাঁদের প্রশ্ন, গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগে আপত্তি কোথায়? স্লোগান, প্রতিবাদ এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে পড়ুয়াদের একজোট হওয়াকে কি হুমকি হিসেবে দেখছে কর্তৃপক্ষ?

পড়ুয়াদের উপর হামলার অভিযোগ ওঠার সময় পুলিশ কোথায় ছিল, সেই প্রশ্নও তুলেছে ছাত্র সংসদ। পড়ুয়াদের নিরাপত্তার অভিযোগে কেন একই তৎপরতায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়নি, প্রশ্ন ছাত্র সংসদের।

উপাচার্য নিজের নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে ক্যাম্পাসে স্থায়ী পুলিশ মোতায়েনের চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে পুলিশি ব্যারাকে পরিণত করার বিরোধিতা করছে ছাত্র সংসদ। স্থায়ী পুলিশি উপস্থিতি পড়ুয়াদের স্বাধীন মত প্রকাশ ও গণতান্ত্রিক প্রতিবাদে বাধা তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা। ছাত্র সংসদের দাবি, নিরাপত্তার নামে পুলিশি ক্ষমতার বিস্তার নয়, হামলার তদন্ত ও হুমকির বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন। ক্যাম্পাসের প্রত্যেক সদস্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রশাসনের দায়িত্ব বলে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।



 এই রঞ্জিতে এখনও দুরন্ত ফর্মে রয়েছেন বাংলার বোলাররা। বিশেষত, প্রদীপ্ত প্রামাণিক। প্রত্যেক ম্যাচেই দারুন পারফরম্যান্স করে দলের জয়ে বড় ভূমিকা নিচ্ছেন তিনি। আগামীকাল, বৃহস্পতিবার কত জলদি কেরলের বাকি ৬ উইকেট তুলে নেওয়া যায়, সেই দিকেই নজর থাকবে বাংলার।

রঞ্জি ট্রফিতে টানা তৃতীয় জয়ের লক্ষ্যে দৌড়োচ্ছে বাংলা ক্রিকেট দল। বুধবার, তিরুঅনন্তপুরমে রঞ্জির এলিট গ্ৰুপের ম্যাচে এখনও প্রবল চাপে আছে কেরল। প্রথম দুটি ম্যাচে জিতেছে বঙ্গ ব্রিগেড। এবার তৃতীয় ম্যাচেও তৃতীয় দিনের শেষে ভাল অবস্থানে বাংলা।


প্রথমে ব্যাট করে ৩৫০ রান তোলে লক্ষ্মীর ছেলেরা। ২০৩ বলে ১২১ রান করেন শাহবাজ আহমেদ। ৬৬ রান আসে ওপেনার অঙ্কুর পালের ব্যাট থেকে। ৪৯ রান করেন সুমন্ত গুপ্ত। ৪টি উইকেট পান কেরলের আদিত্য সরওয়াতে। জবাবে প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৪১ রানেই অল আউট হয়ে যায় কেরল। দলের সর্বোচ্চ রান করেন অধিনায়ক বিষ্ণু বিনোদ (৪১)। ৪ উইকেট পান স্পিনার প্রদীপ্ত প্রামাণিক। ৩ উইকেট আসে শামির ঝুলিতেও। ২০৯ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে নামে বাংলা।



রহস্যমৃত্যু প্যারা অ্যাথলিট নীরজ যাদবের! এশিয়ানে সোনাজয়ীর মৃত্যুতে শোক ক্রীড়ামহলে
বারাণসীতেই হেরে গেল বিজেপি! চওড়া হাসি অখিলেশের, মুখ পুড়ল কংগ্রেসেরও
দ্বিতীয় ইনিংসে ১৯৮ রানেই আউট হয়ে যায় বঙ্গ ব্রিগেড। অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরণ করেন ৪৭ রান। ৫ উইকেট পান জলজ সাক্সেনা। ৩টি উইকেট পান আদিত্য সরওয়াতে। ফলে কেরলের সামনে লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায় ৪০৮ রানের। তৃতীয় দিনের শেষে কেরলের স্কোর ৫৩/৪। ১৯ রানে ব্যাট করছেন অধিনায়ক বিষ্ণু। দুই অভিষেক নায়ারকেই ০ রানে আউট করেছেন বঙ্গ স্পিনার প্রদীপ্ত। বাংলার হয়ে ৪টি উইকেটই পেয়েছেন তিনি। এখনও জিততে গেলে কেরলকে করতে হবে ৩৫৫ রান। এই রঞ্জিতে এখনও দুরন্ত ফর্মে রয়েছেন বাংলার বোলাররা। বিশেষত, প্রদীপ্ত প্রামাণিক। প্রত্যেক ম্যাচেই দারুন পারফরম্যান্স করে দলের জয়ে বড় ভূমিকা নিচ্ছেন তিনি। আগামীকাল, বৃহস্পতিবার কত জলদি কেরলের বাকি ৬ উইকেট তুলে নেওয়া যায়, সেই দিকেই নজর থাকবে বাংলার।



জানা গিয়েছে, আইরো ট্রেনে শিশু সহ ১৪৭ জন যাত্রী ছিলেন। রেনফে হাই স্পিড ট্রেনে মোট ৩৯৭ জন যাত্রী ছিলেন। এখনও পর্যন্ত ৬৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। তবে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেই আশঙ্কা। বর্তমানে মাদ্রিদ-আন্দালুসিয়া হাই স্পিড করিডরে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।  


ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা। মুখোমুখি সংঘর্ষ দুটি হাইস্পিড ট্রেনের। দুর্ঘটনায় মৃত কমপক্ষে ৬৪ জন। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। আহত অন্তত ২০০ যাত্রী।


আজ, বুধবার সকাল ৯টা নাগাদ স্পেনের মাদ্রিদ-আন্দালুসিয়া রেলওয়ে লাইনে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে। টলেডো প্রদেশের মোরা ও ওরগাজ় শহরের মাঝে এই দুর্ঘটনা ঘটে। রেনফে ও আইরো হাইস্পিড ট্রেনের মধ্যে দুর্ঘটনা ঘটে। মাদ্রিদ-সেভিলে রুটে চলে দুটি ট্রেনই। দুর্ঘটনার জেরে ট্রেনের দুটি কামরা ছিটকে লাইনচ্যুত হয়ে যায়। বাকি কামরাগুলিও লাইনচ্যুত হয়ে ঝুলতে থাকে। তবে কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও জানা যায়নি। প্রশাসন এই দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। আপাতত রেল চলাচল বন্ধ আছে।

এই দুজন মানুষের চোখে চোখ রাখারও সাহস নেই 'অ্যানিম্যাল' রণবীর কাপুরের!
দুর্ঘটনার পরই ইমার্জেন্সি জারি করা হয়। দমকল ও মেডিক্যাল টিম দ্রুত দুর্ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। আশেপাশের সমস্ত হাসপাতালেও অ্যালার্ট জারি করা হয়। জানা গিয়েছে, আইরো ট্রেনে শিশু সহ ১৪৭ জন যাত্রী ছিলেন। রেনফে হাই স্পিড ট্রেনে মোট ৩৯৭ জন যাত্রী ছিলেন। এখনও পর্যন্ত ৬৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। তবে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেই আশঙ্কা। বর্তমানে মাদ্রিদ-আন্দালুসিয়া হাই স্পিড করিডরে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।


প্রধানমন্ত্রী পেড্রো সানচেজ় দুর্ঘটনায় শোক প্রকাশ করে জানিয়েছেন যে পরিবহন মন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। আঞ্চলিক প্রশাসন উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে। এই দুর্ঘটনার নয় মাস আগে একই রেলওয়ে লাইনে হাইস্পিড ট্রেনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছিল। জানুয়ারি মাসের ওই দুর্ঘটনাতেও ৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল।



গত ২৭ অক্টোবর বিচারপতি বিক্রম নাথ এবং বিচারপতি সন্দীপ মেহতার বেঞ্চে ওষুধের দাম নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত দু'টি মামলার শুনানি ছিল। সেই শুনানিতেই ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা, হাসপাতাল এবং ওষুধের দামের উপর নজরদারি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আদালত।


 'রোগীদের নিয়ে ব্যবসা করবেন না', ১৫ টাকা সরঞ্জাম কেন ২৫০ টাকায়? কেন্দ্রকে প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের
সুপ্রিম কোর্ট

১৫ টাকায় কেনা ড্রিপ লাইন (চিকিৎসার সরঞ্জাম) রোগীর কাছে বিক্রি হচ্ছে ২৫০ টাকায়। জীবনদায়ী ওষুধ ও চিকিৎসার সরঞ্জামের দামের এমন বিপুল ফারাক কেন? কেন্দ্রের থেকে জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। ওষুধের কেনা দাম এবং রোগীদের কাছ থেকে নেওয়া দামের মধ্যে এতটা ফারাক কেন, তার ব্যাখ্যা চেয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। একই সঙ্গে ওষুধের দামের উপর নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে সরকার কেমন ভূমিকা নিচ্ছে তাও জানতে চাইল কোর্ট।


ডিভিশন বেঞ্চ কী বলেছে?


 স্থলভাগে প্রবেশ করতেই শক্তি হারাচ্ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব
মুখোমুখি দুই হাইস্পিড ট্রেনের ভয়ঙ্কর সংঘর্ষ, মৃত অন্তত ৬৪, আহত ২০০
গত ২৭ অক্টোবর বিচারপতি বিক্রম নাথ এবং বিচারপতি সন্দীপ মেহতার বেঞ্চে ওষুধের দাম নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত দু’টি মামলার শুনানি ছিল। সেই শুনানিতেই ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা, হাসপাতাল এবং ওষুধের দামের উপর নজরদারি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আদালত।


শুনানি চলার সময় দামের ফারাক নিয়ে প্রশ্ন তোলে আদালত। ওষুধ ও চিকিৎসার সামগ্রীর দামের ক্ষেত্রে এত বিপুল ব্যবধান থাকলে ‘ড্রাগস প্রাইসেস কন্ট্রোল অর্ডার’ (ডিপিসিও) বা ওষুধের দাম নিয়ন্ত্রণের নিয়মের কার্যকারিতা কোথায়, সেই প্রশ্নও তোলে কোর্ট। শুধু তাই নয়, এক ক্যানসার আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসায় ব্যবহৃত ইঞ্জেকশনের দাম নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।

শীর্ষ আদালতে কেন্দ্রীয় সরকার দাবি করে, ওষুধের দামের উপরে নিয়মিত নজরদারি চালানো হয়। এটা শোনার পর ডিভিশন বেঞ্চ ক্যানসারের একটি ইঞ্জেকশনের দামের ফারাকের উদাহরণ দিয়ে বলে, “ক্যানসারের একটি ইঞ্জেকশনের দাম কোথাও ১১ হাজার টাকা, কোথাও ১ লক্ষ ৩০ হাজার। এটা আপনাদের কেমন নজরদারি।” দুই আবেদনের শুনানিতে বিচারপতিদের প্রশ্ন, “কেন গোটা সিস্টেম নির্মাতাদের সাহায্য করে যাচ্ছে?”

কেন্দ্রের তরফে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল ঐশ্বর্যা ভাটি জানান, বিদেশের তুলনায় ভারতে ওষুধের দাম তুলনামূলক কম। তবে আদালতের বক্তব্য, দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় এবং রোগীদের আর্থিক ক্ষমতার বিষয়টিও বিবেচনা করা জরুরি। চিকিৎসার মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে বাণিজ্যিক স্বার্থের তুলনায় রোগীদের স্বার্থকে গুরুত্ব দিতে বলে কোর্ট। বিচারপতি মেহতা বলেন, “রোগীদের নিয়ে ব্যবসা করবেন না”

বেসরকারি হাসপাতালগুলির পক্ষে আইনজীবী মুকুল রোহতগি জানান, হাসপাতাল চালাতে বিপুল পরিকাঠামো, কর্মী এবং পরিষেবার খরচ বহন করতে হয়। পাশাপাশি বাইরে থেকে কেনা ওষুধের গুণমান নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে বলে জানান তিনি। তবে হাসপাতালের খরচের যুক্তিতে ওষুধের দামে অস্বাভাবিক বৃদ্ধি মেনে নেওয়া যায় কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে আদালত। ওষুধের দামের এই বিপুল ব্যবধানের পিছনে কী কারণ রয়েছে, তা স্পষ্ট করার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেয় বেঞ্চ। বিচারপতিদের প্রশ্ন, “আপনারা একটি বাণিজ্যিক হাসপাতাল। আপনারা সবকিছুর জন্যই দাম নেন। কিন্তু ওষুধের দাম কেন ১০০, ২০০ গুণ বেশি হবে?” এই মামলায় এখনও রায় দেয়নি কোর্ট।




এ দিন চার রাজ্যে বিধান পরিষদের ফল প্রকাশ হয়। উত্তর প্রদেশে ১১টি আসনের মধ্যে চার আসনে আপাতত জয়ী হয়েছে বিজেপি। কর্নাটকে চার আসনের মধ্যে তিনটিতেই জয়ী হয়েছে বিজেপি। অন্যদিকে মহারাষ্ট্র ও বিহারেও মোটামুটি ভালো ফল করেছে বিজেপি। 

গেস করুন কংগ্রেস ক'টা আসনে জিতেছে?', ইমোজি দিয়ে খোঁচা প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

সরাসরি কংগ্রেসকে খোঁচা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (PM Narendra Modi)। চারটি বড় রাজ্যে বিধান পরিষদের নির্বাচন (MLC Election) হয়েছে। আজ ফল প্রকাশ হতেই দেখা গেল, একটিতেও খাতা খুলতে পারেনি কংগ্রেস (Congress)। তাদের এই শোচনীয় ফল নিয়েই এবার একহাত নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।


এ দিন চার রাজ্যে বিধান পরিষদের ফল প্রকাশ হয়। উত্তর প্রদেশে ১১টি আসনের মধ্যে চার আসনে আপাতত জয়ী হয়েছে বিজেপি। কর্নাটকে চার আসনের মধ্যে তিনটিতেই জয়ী হয়েছে বিজেপি। অন্যদিকে মহারাষ্ট্র ও বিহারেও মোটামুটি ভালো ফল করেছে বিজেপি।




এর আগে শুভেন্দু সরাসরি বলেছিলেন 'ভাইপো গ্যাং'-এর কথা। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "চন্দ্রনাথকে খুন করতে শ্যুটার এবং তাঁদের যাঁরা সুপারি দিয়েছিলেন তেমন সাত জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আমার যেটুকু জানা আছে, ওকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য দু'কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে। এই টাকা সরবরাহের কাজ ভাইপো গ্যাং করেছে।'


 'সুপারির ২ কোটি টাকা কালীঘাট না ক্যামাক স্ট্রিট থেকে এসেছিল? এইটুকুই জানা বাকি', বিধানসভায় দাঁড়িয়ে বড় কথা শুভেন্দুর
শুভেন্দু অধিকারী, মুখ্যমন্ত্রী

আগেও বলেছিলেন। আবারও বললেন, তাঁর প্রয়াত পিএ চন্দ্রনাথ রথের খুনের পিছনে থাকতে পারে সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মদত। এর আগে ‘ভাইপো গ্যাং’ বলে মন্তব্য করেছিলেন। আর বুধবার নাম না করে ঘুরিয়ে সেই দিকেই ইঙ্গিত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।


নন্দীগ্রাম বিধানসভা ভোটে এবার প্রার্থী হয়েছিলেন চন্দ্রনাথ রথের মা হাসিরানি রথ। আজ ছিল তাঁর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “হাসি রানির ছেলেকে নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে আমার সহযোগী ছিল বলে। সাত জনকে সিবিআই গ্রেফতার করেছে। সুপারি কিলার আর শ্যুটার গ্রেফতার হয়েছে। এখন ২ কোটি টাকা সুপারি কে দিয়েছিল সেটা জানা বাকি। বিচার পাবেন হাসি রানি।”



তারপরই নাম না করে ঘুরিয়ে বলেন, “এই ২ কোটি কোথা থেকে এসেছিল? কালীঘাট নাকি ক্যামাকস্ট্রিট থেকে এসেছিল? নাকি ডায়মন্ড-হারবারের কেউ দিয়েছিল? এইটুকুই জানা বাকি। এটা জানা হয়ে গেলেই তদন্তের বৃত্ত সম্পূর্ণ হবে আমার বিশ্বাস।” এর আগে শুভেন্দু সরাসরি বলেছিলেন ‘ভাইপো গ্যাং’-এর কথা। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ” “চন্দ্রনাথকে খুন করতে শ্যুটার এবং তাঁদের যাঁরা সুপারি দিয়েছিলেন তেমন সাত জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আমার যেটুকু জানা আছে, ওকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য দু’কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে। এই টাকা সরবরাহের কাজ ভাইপো গ্যাং করেছে।’ এরপর ফের একবার নাম না করে অভিষেকের দিকেই ইঙ্গিত ঘোরালেন শুভেন্দু।



এখানে উল্লখ্য, গত সোমবার তৃণমূলের নথি ছিনতাইয়ের অভিযোগ তুলে মুখ খুলেছিলেন আখরুজ্জামানও। জানিয়েছিলেন, লরিতে করে হলফনামা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছিল। হরিয়ানার বর্ডারে অস্ত্র দেখিয় লরিটা অন্যদিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়। পিছনে দলের গাড়ি ছিল।


 নির্বাচন কমিশনে হলফনামা জমা দেওয়ার আগেই নাকি সব হলফনামা ছিনতাই করার চেষ্টা হয়েছে। সোমবার সকালেই সোশ্যাল মিডিয়ায় এই অভিযোগ জানিয়েছিলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় (Ritabrata Banerjee)। এবার সেই ঘটনায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের সিআইডি তদন্তের আশ্বাস মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। আর সেই আশ্বাস দিতে দিতেই হেসে ফেললেন তিনি।


এ দিন বিধানসভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ” আপনারা নিজেরা লড়ুন। ঋতব্রত বলেছেন, তাদের নথি ছিনতাইয়ের চেষ্টা হয়েছে। যদি FIR করেন মামলা CID-কে দেব। এই ধরনের ঘটনা না হওয়াই ভালো।” বলতে বলতেই কার্যত হেসে ফেলেন তিনি। তবে কি তৃণমূলকে ব্যাঙ্গ করলেন তিনি?



'আচরণ নজরে আসে আগেই', টলিগঞ্জবাসীর জন্য বিবৃতি দিলেন পাপিয়া
এখানে উল্লখ্য, গত সোমবার তৃণমূলের নথি ছিনতাইয়ের অভিযোগ তুলে মুখ খুলেছিলেন আখরুজ্জামানও। জানিয়েছিলেন, লরিতে করে হলফনামা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছিল। হরিয়ানার বর্ডারে অস্ত্র দেখিয় লরিটা অন্যদিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়। পিছনে দলের গাড়ি ছিল। লরিতে কয়েক লক্ষ হলফনামা ছিল বলে দাবি করেছেন তিনি। কাদের বিরুদ্ধে নথি ছিনতাইয়ের অভিযোগ? এই প্রশ্নের উত্তরে আখরুজ্জামান বলেন, “আমাদের প্রতিপক্ষ কালীঘাট। আমাদের হাতে কয়েক লক্ষ কর্মীর হলফনামা আছে। কালীঘাটের কাছে এত কর্মী নেই। ওরাই হাইজ্যাক করেছে।” বিধায়কের দাবি, মমতা তৃণমূলের কাছে মাত্র কয়েক’শ বা কয়েক হাজার হলফনামা আছে। এই প্রসঙ্গেই আজ সিআইডির কথা শোনা যায় শুভেন্দুর মুখে।






এ দিন সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চে এই পিটিশনগুলির শুনানি চলছিল। তাতেই বলা হয়, ফর্ম ৬, ফর্ম ৭ ও ফর্ম ৮-র একটি নির্দিষ্ট ফরম্যাট রয়েছে। এটি পরিবর্তন করা যায় না। 

ফর্ম-৬, ৭, ৮ পরিবর্তন করতে পারে না কমিশন', SIR-এ যাদের নাম বাদ পড়েছে, তাদের নিয়ে বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের
ফাইল চিত্র।
 
 ফর্ম ৬, ৭ ও ৮- এ পরিবর্তন করতে পারে না নির্বাচন কমিশন। আজ এসআইআর নিয়ে একগুচ্ছ পিটিশনের শুনানিতে এ কথাই বলল সুপ্রিম কোর্ট। একইসঙ্গে শীর্ষ আদালত প্রশ্ন তুলল যাদের নাম ইতিমধ্যেই ভোটার তালিকায় ছিল, তাদের নাম পুনরায় ভোটার তালিকায় তোলার জন্য কেন ফর্ম ৬ পূরণ করতে বলা হচ্ছে? ফর্ম ৬ নতুন ভোটারদের নাম তোলার জন্য।


দিল্লিতে ভোটার তালিকায় নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে একগুচ্ছ পিটিশন জমা পড়েছে। এ দিন সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চে এই পিটিশনগুলির শুনানি চলছিল। তাতেই বলা হয়, ফর্ম ৬, ফর্ম ৭ ও ফর্ম ৮-র একটি নির্দিষ্ট ফরম্যাট রয়েছে। এটি পরিবর্তন করা যায় না।

কমপ্লাই না করলে অ্যারেস্ট! ভরসন্ধ্যায় কুণাল ঘোষের বাড়িতে হাজির পুলিশের বিশাল টিম
দিল্লিতে সামনে বিধানসভা নির্বাচন নেই। তবুও কেন নির্বাচন কমিশন ৩০ অক্টোবরের ডেডলাইন দিয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। বলা হয়, “ভোটার তালিকায় পুনরায় নাম তোলার জন্য কোনও কাট অফ ডেট সেট করবেন না।”


যারা বিভিন্ন কারণে এনুমারেশন ফর্ম জমা করতে পারছেন না বা পারেননি, সেই সকল ভোটারদের জন্য সহজ কোনও সমাধান খোঁজার নির্দেশও দেওয়া হয় নির্বাচন কমিশনকে। প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ এ দিন বলে, যাদের আগে ভোটার তালিকায় নাম ছিল, কিন্তু এখন নেই, তাদের নতুন ভোটার হিসাবে চিহ্নিত না করে, তাদের জন্য নির্দিষ্ট সমাধান খোঁজা উচিত।

প্রধান বিচারপতি বলেন যে নির্বাচন কমিশনের ভোটারদের আবেদন জমা করার জন্য অপেক্ষা করা উচিত নয়, বরং তাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করার, তাদের কাছে পৌঁছে যাওয়ার প্রচেষ্টা করা উচিত। নির্বাচন কমিশনকে ফর্ম-৬, ফর্ম ৭ ও ফর্ম ৮ গ্রহণের প্রক্রিয়া চালু রাখার পাশাপাশি সহজ পদ্ধতিও খোঁজার নির্দেশ দেওয়া হয়।




সাধারণত প্রতি বছর দুবার করে মহার্ঘ ভাতা বৃদ্ধি করে সরকার। কর্মীদের বেসিক পে-র উপর নির্দিষ্ট শতাংশের ডিএ দেওয়া হয়। বাজারে মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কর্মীদের বেতন ও পেনশন বাড়ানোর জন্য ডিএ বাড়ানো হয়।

উৎসবের আবহে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের জন্য বড় ঘোষণা। মহার্ঘ ভাতা (DA Hike) বাড়ানোর ঘোষণা করল কেন্দ্র। ৩ শতাংশ ডিএ বাড়ানোর ঘোষণা হল বুধবার। এই ঘোষণায় উপকৃত হবেন লক্ষাধিক সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগী।


সাধারণত প্রতি বছর দুবার করে মহার্ঘ ভাতা বৃদ্ধি করে সরকার। কর্মীদের বেসিক পে-র উপর নির্দিষ্ট শতাংশের ডিএ দেওয়া হয়। বাজারে মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কর্মীদের বেতন ও পেনশন বাড়ানোর জন্য ডিএ বাড়ানো হয়।

ঋতব্রতদের অভিযোগে তদন্তের আশ্বাস দিতে গিয়ে হেসে ফেললেন শুভেন্দু
৩ শতাংশ ডিএ বাড়িয়ে ৬০ থেকে ৬৩ শতাংশ করা হল মহার্ঘ ভাতা। এর ফলে সরকারের খরচ বাড়তে চলেছে ১০,০১৬ টাকা।


এর আগে ২০২৬-এর এপ্রিলে ২ শতাংশ ডিএ বাড়ানোর কথা ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় সরকার। গত জানুয়ারি মাস থেকে সেই ডিএ কার্যকর হয়। এবার যে ঘোষণা হল, তা গত জুলাই মাস থেকে কার্যকর হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এ রাজ্যে বিজেপি সরকার প্রথম বাজেটে সরকারি কর্মীদের জন্য বড় ঘোষণা করেছিল রাজ্য। ২০ শতাংশ ডিএ ঘোষণা করেছিলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। ফলে ১৮ শতাংশ থেকে বেড়ে রাজ্য সরকারি কর্মীদের ডিএ দাঁড়িয়েছে ৩৮ শতাংশে। সেইসময় কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা ৬০ শতাংশ হারে ডিএ পেতেন। এবার আরও ২ শতাংশ ফারাক বেড়ে গেল।



কলকাতা পুলিশের দাবি, তদন্তে সাড়া দেননি ইন্দ্রনীল সেন। বারবার তলবও করা হয়েছিল তাঁকে। এদিন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের সদস্যরা ইডি দফতরের বাইরেই অপেক্ষা করছিলেন। দুপুর থেকেই মোতায়েন করা হয়েছিল বিশাল পুলিশ বাহিনী।

গ্রেফতার রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন (Indranil Sen)। সুজিত বসুর পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জমানার আরও এক মন্ত্রীকে গ্রেফতার করা হল। বুধবার সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বেরতেই ইন্দ্রনীলকে গাড়িতে তুলে নেন পুলিশ আধিকারিকরা। পুজোর পাসের নামে কোটি কোটি টাকা জালিয়াতির মামলায় গ্রেফতার করা হল ইন্দ্রনীলকে।


বুধবার দুপুরে নির্ধারিত সময়ে সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছে যান ইন্দ্রনীল সেন। দুপুরে যখন তাঁকে ইডি দফতরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছিল, তখন বাইরে অপেক্ষা করছিল বিশাল পুলিশ বাহিনী। তিনি বাইরে পা রাখতেই তাঁকে গাড়িতে তুলে নেয় পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, পুজোর পাসের নামে জালিয়াতির অভিযোগ দায়ের হয় ইন্দ্রনীলের বিরুদ্ধে। বারবার চেষ্টা করেও তাঁর নাগাল পাচ্ছিল না পুলিশ। আদালতে ছুটলেও পুলিশের কাছে ধরা দিচ্ছিলেন না তিনি। সেই কারণে পুলিশ এদিন ওঁৎ পেতে ছিল।


দীপাবলিতে সরকারি কর্মীদের বড় উপহার, ফের বাড়ল ডিএ
কী অভিযোগ ইন্দ্রনীলের বিরুদ্ধে
দুর্গাপুজোর পাস বিক্রির অভিযোগ উঠেছে ইন্দ্রনীল সেনের নামে। ঘটনায় নাম নাম জড়ায় ইন্দ্রনীল ও তাঁর স্ত্রীর। তাঁদের সংস্থা ‘মাস আর্ট’-এর মাধ্যমে ইউনেস্কোর নামে পুজোর পাস বিক্রি করা হত বলে অভিযোগ। ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে ভিআইপি পাস ও টিকিট চড়া দামে বিক্রি করার গুরুতর অভিযোগ ওঠে ইন্দ্রনীলের বিরুদ্ধে। সেই মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি তদন্ত শুরু করে। তাঁর বাড়িতে তল্লাশিও চালানো হয়।


আগাম জামিনের আর্জি খারিজ হয়ে যায়
কলকাতা হাইকোর্টে আগাম জামিন চেয়ে আর্জি জানিয়েছিলেন ইন্দ্রনীল সেন। কিন্তু সেই শুনানিতে স্বস্তি পাননি তিনি। তাঁর আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয় বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের বেঞ্চ। এরপর গ্রেফতারির আশঙ্কা জোরাল হতেই সুপ্রিম কোর্টে ছুটলেন প্রাক্তন মন্ত্রী। কিন্তু শুনানি থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত। ব্যক্তি ইন্দ্রনীল সেন ও তাঁর সম্পর্কিত মামলার সঙ্গে পূর্বে যুক্ত থাকার কারণে বিচারপতি এই সিদ্ধান্ত নেন। ফলে শুনানি হয়নি। এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে আগামী ২ নভেম্বর।

ইন্দ্রনীলের বিরুদ্ধে কী কী অভিযোগ
২০২২ সালে হঠাৎ একটি সংস্থা গড়ে ওঠে। প্রেসিডেন্ট হন ইন্দ্রনীল সেনের স্ত্রী মধুছন্দা।

UNESCO সঙ্গে হাত মিলিয়েছে বলে দাবি করে সেনদের সংস্থা ‘মাস আর্ট’।

২৪টা দুর্গাপুজোর প্যান্ডেলকে বেছে নেওয়া হয়েছে বলে মিথ্যা দাবি করে ‘মাস আর্ট’।

এই পুজোগুলি দেখতে হলে প্রথম চারদিন টিকিট কেটে দেখতে হবে বলে দাবি করা হয়।

UNESCO-নাম ও লোগো ব্যবহার করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ ভুয়ো।

পুজোর পাস বিক্রি করে ৬০ কোটি টাকার বেশি হাতানো হয়েছে।

UNESCO জানায় তাদের সঙ্গে কোনও সংস্থার চুক্তি হয়নি।

আন্তর্জাতিক সংস্থার পরামর্শদাতা জয়দীপ মুখোপাধ্যায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়।



 এ দিন বিকেলে সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "ক্যাবিনেটের মিটিংয়ে কয়েকটা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়েছে। একটা হচ্ছে, আমাদের বিভিন্ন দফতরে নিয়োগ। গত ক্যাবিনেটে ৪৫ হাজার পদ তৈরি করা হয়েছিল। আজকে আর্বান ডেভলপমেন্ট, হেলথ অ্যান্ড ফ্যামিলি প্ল্যানিং সহ মিলিয়ে ১১৯৯ নতুন পোস্ট তৈরি করা হয়েছে।"


বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর। শিক্ষকরা আর প্রত্যক্ষ রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারবেন না। আজ, বুধবার (২৮ অক্টোবর) নবান্নের সভাঘর থেকে এ কথা স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।


এ দিন বিকেলে সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ক্যাবিনেটের মিটিংয়ে কয়েকটা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়েছে। একটা হচ্ছে, আমাদের বিভিন্ন দফতরে নিয়োগ। গত ক্যাবিনেটে ৪৫ হাজার পদ তৈরি করা হয়েছিল। আজকে আর্বান ডেভলপমেন্ট, হেলথ অ্যান্ড ফ্যামিলি প্ল্যানিং সহ মিলিয়ে ১১৯৯ নতুন পোস্ট তৈরি করা হয়েছে। এগুলি আমরা দ্রুত বিজ্ঞপ্তি, পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ করব। মোট এখনও অবধি প্রায় কয়েকটা ক্যাবিনেট মিলিয়ে ৬০ হাজারের মতো রিক্রুটমেন্ট করেছি। মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ হবে।”



স্থলভাগে প্রবেশ করতেই শক্তি হারাচ্ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব
রাজনীতি করতে পারবেন না শিক্ষকরা-
এরপরই মুখ্যমন্ত্রী বড় সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, “আমরা একটা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ভারতবর্ষের কোনও রাজ্যে শিক্ষকরা সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে থাকে না। পশ্চিমবঙ্গ সরকার আজকে ক্যাবিনেট বৈঠকে একটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আজকের পর থেকে যে শিক্ষক নিয়োগ হবে, তারা অন্যান্য রাজ্যের মতোই প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে অর্থাৎ পঞ্চায়েত, পুরসভা, লোকসভা, বিধানসভায় লড়তে পারবেন না। প্রত্যক্ষ রাজনীতি করতে পারবেন না।”


যারা রাজনীতি করতেন, তাদের কী হবে?
যে শিক্ষকরা দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত, তাদের ছাড় দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “যারা রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন, তারা যে স্বাধীনতা পেয়েছেন, তাদের সেই অধিকার খর্ব করছি না। আজকের পর থেকে যা নিয়োগ হবে, তারা প্রত্যক্ষ রাজনীতি করতে পারবেন না। এটা আমরা স্কুল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগ প্রক্রিয়ার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করলাম। আমরা চাই পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষার মান বাডুক। ৩৪ বছরের কমিউনিস্ট ও ১৫ বছরের দুর্নীতিগ্রস্ত তৃণমূল কংগ্রেস , যাদের মাইন্ডসেট ছিল গ্রেটার বাংলাদেশ তৈরি করার, সেই জায়গা থেকে শিক্ষা ব্যবস্থাকে, শিক্ষা প্রাঙ্গণ, শিক্ষা মন্দিরকে, শিক্ষক শব্দের যে মর্যাদা, সেটা ফিরিয়ে আনা। এটি বড় উদ্যোগ।”



দুর্গাপুজোর পাস বিক্রির অভিযোগ উঠেছে ইন্দ্রনীল সেনের নামে। ঘটনায় নাম নাম জড়ায় ইন্দ্রনীল ও তাঁর স্ত্রীর। তাঁদের সংস্থা ‘মাস আর্ট’-এর মাধ্যমে ইউনেস্কোর নামে পুজোর পাস বিক্রি করা হত বলে অভিযোগ। প্রায় ৫০-৬০ কোটি টাকা হাতানো হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে।


প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর মেয়ের NGOর সঙ্গে যোগ! নন্দীগ্রামের সময় ইন্দ্রনীলের ভূমিকাও মনে করালেন শুভেন্দু

 পুজোর পাস বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা হাতানোর অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে রাজ্যের প্রাক্তন তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনকে (Indranil Sen)। তিনি শুধু রাজ্যের একজন মন্ত্রীই ছিলেন না। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ হিসেবেই বরাবর পরিচিত ছিলেন তিনি। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার গঠনের আগে সিপিএমের (CPIM) সঙ্গে সঙ্গীতশিল্পীর যে ঘনিষ্ঠতা ছিল, গ্রেফতারির পর সে কথা মনে করালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।


বুধবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী ইন্দ্রনীলে গ্রেফতারি সম্পর্কে বলেন, “তদন্তকারী সংস্থা তথ্য প্রমাণ পেয়েছে বলেই গ্রেফতার করেছে। তবে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ মদতে সবটা হয়েছে। ও একা তো খায়নি, খাইয়ে খেয়েছে।” মমতার সঙ্গে ইন্দ্রনীল একই গাড়িতে ঘুরে বেড়াতেন, গান করতেন, সে কথাও মনে করিয়ে দিয়ে শুভেন্দু বলেন, “দুজনের শেষ গানটাও আমরা শুনেছি… আমার যাবার সময় হল।”

এরপরই সিপিএমের যোগের কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, সিপিএমের ব্লু আয়েড বয় ছিলেন ইন্দ্রনীল। নাম না করে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর মেয়ের এনজিও-র সঙ্গে যুক্ত ছিলেন রাজ্যের এই প্রাক্তন মন্ত্রী। তাঁর কথায়, এরা সময়ে সময়ে জলের আকার ধারন করে। তবে বিজেপির যে দরজা বন্ধ, সেই বার্তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন শুভেন্দু।


ইন্দ্রনীল সেন সিপিএমের সবথেকে বড় ক্যাম্পেনার ছিলেন বলেও উল্লেখ করেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি উল্লেখ করেন, নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময় ইন্দ্রনীল সেন সিপিএমের হয়ে গান গাইতেন, কথা বলতেন। তিনিই পরবর্তীতে তৃণমূল সরকারের মন্ত্রী হন। ‘সিপিএমকে খাইয়ে খেতেন’ বলেও মন্তব্য করেন শুভেন্দু।


ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে আকস্মিক মারা যাওয়া এক গ্রাহকের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করল পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংক (পিএনবি)।সম্প্রতি সাপখালি শাখা মারফত কচুবেড়িয়া মেন ব্রাঞ্চের পক্ষ থেকে মৃত অঞ্জলি প্রামানিকের নমিনিকৃত বাড়ির বৌমার হাতে প্রধানমন্ত্রী জীবন জ্যোতি বীমা যোজনা (PMJJBY)-র ২ লক্ষ টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়। 


পরিবার সূত্রে জানা যায়, অঞ্জলি দেবী হঠাৎ ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে মারা যান। তাঁর ব্যাংক অ্যাকাউন্টটি কচুবেড়িয়া পিএনবি মেন ব্রাঞ্চে থাকলেও লেনদেন সাপখালি শাখাতেই পরিচালিত হতো। 


মৃত্যুর মাত্র ৭-৮ মাসের মধ্যে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের সহায়তায় এই বীমার টাকা হাতে পাওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে শোকস্তব্ধ পরিবারটিতে। ব্যাংকের এই দ্রুত ও মানবিক পদক্ষেপে খুশি স্থানীয় এলাকাবাসীও।