WEATHER

Top News


 প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পতাকা উত্তোলন করার ঠিক পরেই, ভারতীয় বায়ুসেনার দুটি এমআই-১৭ হেলিকপ্টার আকাশ থেকে পুষ্পবৃষ্টি করবে। একটি হেলিকপ্টারে জাতীয় পতাকা এবং অন্যটিতে ‘বন্দে মাতরম’ লেখা পতাকা প্রদর্শন করা হবে।


 স্বাধীনতা দিবসের প্রস্তুতি তুঙ্গে, লালকেল্লা থেকে প্রধানমন্ত্রী মোদীর ভাষণ সরাসরি দেখতে পারবেন এখান থেকে...
রাত পোহালেই স্বাধীনতা দিবস।

রাত পোহালেই স্বাধীনতা দিবস। দেশজুড়ে পালিত হবে ৮০ তম স্বাধীনতা দিবস। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে প্রতি বছরের মতো লালকেল্লা থেকে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই বছর স্বাধীনতা দিবসে বিশেষভাবে বন্দে মাতরমের ১৫০ বছরের ঐতিহ্যকে স্মরণ করা হবে। লালকেল্লায় স্বাধীনতা দিবসের বিশেষ আকর্ষণ হবে প্রথমবারের মতো বন্দে মাতরম গাওয়া।


এই বছরের উদযাপনে থিম হবে ‘বিকাশিত ভারত @২০৪৭’। এবারে বিশেষ করে যুবকদের ভূমিকার ওপর আলোকপাত করা হবে। দেশ গঠনে যুবকদের উদ্যম, আকাঙ্ক্ষা এবং অংশগ্রহণকে প্রতিফলিত করার জন্য কর্মসূচিগুলি সাজানো হয়েছে।


ঘুঙুরের আওয়াজ, হি হি করে হাড় কাঁপানো হাসি, রাত হলেই কেউ যেন ডুকরে কেঁদে ওঠে...আতঙ্কে হস্টেল থেকে পালিয়ে গেল ৬০০-রও বেশি পড়ুয়া
স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান সরাসরি দেখতে পাবেন ওয়েবসাইট, ইউটিউব পেজ থেকে।




সকাল ৭টা থেকে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান শুরু হবে। লালকেল্লায় প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাবেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী সঞ্জয় শেঠ এবং প্রতিরক্ষা সচিব রাজেশ কুমার সিং। যৌথ সামরিক ও দিল্লি পুলিশ গার্ডের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানানো হবে। এরপর প্রধানমন্ত্রী গার্ড অফ অনার দেওয়া হবে।

এরপরে প্রধানমন্ত্রী লালকেল্লায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবেন। ১০৫ মিমি লাইট ফিল্ড গান দিয়ে ২১টি তোপধ্বনি দেওয়া হবে। এরপরে আর্মি ব্যান্ড ‘বন্দে মাতরম’ গাইবে। তারপরে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পতাকা উত্তোলন করার ঠিক পরেই, ভারতীয় বায়ুসেনার দুটি এমআই-১৭ হেলিকপ্টার আকাশ থেকে পুষ্পবৃষ্টি করবে। একটি হেলিকপ্টারে জাতীয় পতাকা এবং অন্যটিতে ‘বন্দে মাতরম’ লেখা পতাকা প্রদর্শন করা হবে।

এরপরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন। ভাষণের পর এনসিসি ক্যাডেট এবং স্বেচ্ছাসেবকরা ‘বন্দে মাতরম’ এবং তারপর জাতীয় সঙ্গীত গাইবেন। এতে মোট ২৫০০ জন এনসিসি ক্যাডেট এবং স্বেচ্ছাসেবক অংশগ্রহণ করবেন।

এই বছর লালকেল্লার স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে প্রায় ৫০০০ বিশেষ অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। জ্ঞানপথে বসে থাকা ক্যাডেট এবং স্বেচ্ছাসেবকরা ‘বন্দে মাতরম’-এর আকৃতি তৈরি করবেন, যা বিশেষ আকর্ষণ হবে।

 ২০২৭ সালের জনগণনা ভারতের জন্য একাধিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ। এটিই হতে চলেছে দেশের প্রথম সম্পূর্ণ ডিজিটাল জনগণনা। পাশাপাশি এই জনগণনায় প্রথমবারের মতো জাতিভিত্তিক তথ্যও সংগ্রহ করা হবে।


কোভিড টিকাকরণ থেকে আধার নম্বর- জনগণনায় কোন ৪০টি প্রশ্ন করা হবে আপনাকে?
জনগণনায় কী কী প্রশ্ন করা হবে?

দেশজুড়ে চলছে জনগণনা বা জনশুমারি। ইতমধ্যেই প্রথম ধাপে সেল্ফ এনুমারেশন চলছিল এতদিন। এবার আরও এক ধাপ এগোল কেন্দ্র। জনগণনায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহের জন্য ৪০টি প্রশ্নের তালিকা প্রকাশ করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক (MHA)। ১৪ অগস্ট এই বিজ্ঞপ্তি জারি করেন ভারতের রেজিস্ট্রার জেনারেল তথা জনগণনা কমিশনার মৃত্যুঞ্জয় কুমার নারায়ণ।


জনগণনা ২০২৭-এর দ্বিতীয় পর্যায় অর্থাৎ জনসংখ্যা গণনা (Population Enumeration)-এর সময় এই প্রশ্নগুলির মাধ্যমে দেশের প্রতিটি পরিবারের সদস্যদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এই ধাপে জনসংখ্যার আর্থ-সামাজিক, শিক্ষাগত যোগ্যতা, অভিবাসন সহ বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এই প্রথমবার জনগণনায় জাতিভিত্তিক জনগণনাও করা হবে।


'৫ বছর পর দেখে নেব', প্রিজন ভ্যানে তোলার সময় পুলিশকেই হুমকি তৃণমূল নেতার!
জনগণনায় কী কী প্রশ্ন করা হবে?
জনগণনার সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সম্পর্কে মোট ৪০টি প্রশ্ন করবেন। এগুলি হল—


 ব্যক্তির নাম
পরিবারের প্রধানের সঙ্গে সম্পর্ক
 লিঙ্গ
 জন্মতারিখ ও বয়স (সম্পূর্ণ বছর হিসাবে)
 বর্তমান বৈবাহিক অবস্থা
 বিয়ের সময় বয়স
 স্বামী/স্ত্রীর নাম
 ঘোষিত নাগরিকত্ব
 ধর্ম
তফসিলি জাতি (SC)/তফসিলি উপজাতি (ST)/জাতি
বাবার তথ্য
 মায়ের তথ্য
 প্রতিবন্ধকতা সংক্রান্ত তথ্য
 মাতৃভাষা ও অন্য কী কী ভাষা জানেন
 সাক্ষরতা ও ডিজিটাল সাক্ষরতার অবস্থা
 শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিতির হার বা অবস্থা
 সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং বিষয়/শাখা
গত এক বছরে কোনও সময় কাজ করেছেন কি না
অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ধরন
 পেশা
 শিল্প, ব্যবসা বা পরিষেবার ধরন
 কর্মীর শ্রেণি
 অর্থনৈতিক নয়, এমন কার্যকলাপ (প্রান্তিক, অর্ধ-প্রান্তিক ও কর্মহীনদের ক্ষেত্রে)
কাজ খুঁজছেন কি না বা কাজের জন্য উপলব্ধ কি না
 কর্মস্থলে যাতায়াতের তথ্য
জন্মস্থান
 শেষ কোথায় বসবাস করতেন
 অভিবাসন বা স্থানান্তরিত হওয়ার কারণ
 শেষবার স্থানান্তরিত হওয়ার পর এই গ্রাম/শহরে কত বছর ধরে বসবাস করছেন
 স্থায়ী বাসস্থানের ঠিকানা
 বর্তমানে জীবিত সন্তানের সংখ্যা (বিবাহিত, বিধবা, বিবাহবিচ্ছিন্ন ও পৃথক বসবাসকারী মহিলাদের ক্ষেত্রে)
 জীবনে মোট কতজন জীবিত সন্তানের জন্ম দিয়েছেন (বর্তমানে বিবাহিত, বিধবা, বিবাহবিচ্ছিন্ন ও পৃথক বসবাসকারী মহিলাদের ক্ষেত্রে)
 গত এক বছরে জীবিত সন্তানের জন্ম দিয়েছেন কি না এবং সংখ্যা (বর্তমানে বিবাহিত মহিলাদের ক্ষেত্রে)
 কোভিড-১৯ টিকাকরণের স্থান
 মোট কতটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট রয়েছে
 মোবাইল নম্বর (যদি থাকে)
 আধার নম্বর (যদি থাকে)
ভোটার আইডি নম্বর (যদি থাকে)
 পাসপোর্ট নম্বর (ভারতীয় পাসপোর্টধারীদের ক্ষেত্রে)
 ড্রাইভিং লাইসেন্স রয়েছে কি না
প্রথম পর্যায়ে ছিল ৩৩টি প্রশ্ন-
এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে জনগণনা ২০২৭-এর প্রথম পর্যায়ের জন্য ৩৩টি প্রশ্ন নির্ধারণ করেছিল রেজিস্ট্রার জেনারেল অব ইন্ডিয়া (RGI)। সেই পর্যায়ে মূলত বাড়ির তালিকাভুক্ত এবং বাড়ি সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। পরিবারের প্রধান তফসিলি জাতি (SC), তফসিলি উপজাতি (ST) নাকি ‘অন্যান্য’ শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত—সেই প্রশ্নও ছিল প্রথম পর্যায়ের প্রশ্নে।

জনগণনা ২০২৭-এর দ্বিতীয় পর্যায় অর্থাৎ জনসংখ্যা গণনা (Population Enumeration) ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে হওয়ার কথা। এই পর্যায়ে দেশের প্রতিটি ব্যক্তির আর্থিক, শিক্ষাগত, অভিবাসন এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এই পর্যায়েই হবে জাতভিত্তিক জনগণনা।

প্রথমবার সম্পূর্ণ ডিজিটাল জনগণনা
২০২৭ সালের জনগণনা ভারতের জন্য একাধিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ। এটিই হতে চলেছে দেশের প্রথম সম্পূর্ণ ডিজিটাল জনগণনা। পাশাপাশি এই জনগণনায় প্রথমবারের মতো জাতিভিত্তিক তথ্যও সংগ্রহ করা হবে।

প্রশাসনের কাছে প্রধান শিক্ষকের কাতর আর্জি, স্কুলের পঠন-পাঠনের পরিবেশ আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসুক। জল নিকাশির যে নালা, তা তৎকালীন তৃণমূল সরকারের আমলে চুরি হয়েছিল। নতুনভাবে সংস্কার করা হয়নি। এই নালা সংস্কারের অনুরোধ, যাতে স্কুলে জল জমা থেকে রেহাই পান ছাত্র-ছাত্রীরা।

নিকাশি নালা চুরি করে বিক্রি করে দিয়েছেন প্রাক্তন কাউন্সিলর! সেই দুর্নীতির ফল এখন রোজ ভুগতে হচ্ছে ছাত্র-ছাত্রীদের
বেহাল দশা স্কুলের।


এ তো রক্ষকই ভক্ষক! যে শিক্ষকের কাঁধে পড়ুয়াদের জীবনের আদর্শের পাঠ দেওয়ার কথা, সেই শিক্ষকই কি না চুরি করছেন! স্কুলের জল নিকাশির প্রধান নালা চুরি করে বিক্রি করেছেন প্রাক্তন কাউন্সিলর তথা হাওড়া সদর তৃণমূল যুব সভাপতি কৈলাস মিশ্র! এমনটাই অভিযোগ লিলুয়া ভারতীয় হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষকের।


প্রতিবাদ করায় সেই সময় জুটে ছিল হুমকি। আজ ভয় কেটেছে, জল জমায় চরম অব্যবস্থার সম্মুখীন স্কুল। প্রশাসনের কাছে প্রধান শিক্ষকের কাতর আর্জি, স্কুলের পঠন-পাঠনের পরিবেশ আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসুক। জল নিকাশির যে নালা, তা তৎকালীন তৃণমূল সরকারের আমলে চুরি হয়েছিল। নতুনভাবে সংস্কার করা হয়নি। এই নালা সংস্কারের অনুরোধ, যাতে স্কুলে জল জমা থেকে রেহাই পান ছাত্র-ছাত্রীরা।

দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে উৎসব, চুটিয়ে আনন্দ করছেন কাকলি-শতাব্দী-রচনা
প্রধান শিক্ষকের দাবি, একসময় ছাত্র-ছাত্রীদের উপস্থিতির সংখ্যা ছিল চোখে পড়ার মতো ছিল লিলুয়ার ভারতীয় হাই স্কুলে। দীর্ঘদিন ধরে স্কুলের বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। একদিকে যেমন ছাত্র-ছাত্রী সংখ্যা কমেছে, অন্যদিকে স্কুলের ভবন ভেঙে যাওয়ায় বেহাল দশা।


বর্তমানে স্কুল চত্বরে বর্ষার জল জমে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে বালির বিধায়ক সঞ্জয় সিং জানিয়েছেন যে কোনও রকম দুর্নীতির সঙ্গে আপোস না করে, স্কুলের নিকাশি নালা পুনরায় ফিরিয়ে দেওয়া হবে। স্কুলে পঠন-পাঠনের যাবতীয় পরিকাঠামো আগের অবস্থায় নিয়ে আসা হবে। তার জন্য তিনি সব রকম ভাবে স্কুলের পাশে রয়েছে।

রাজ্যের কাছে বিচারপতি রাওয়ের প্রশ্ন, "আপনার বাড়ি মাত্র ৬ কিমি। শনিবার ছুটির দিন। শিক্ষকরা শনিবারেও ক্লাস করেন। ১০- ৪ স্কুলের টাইম। তাহলে সেনসাসের সময় কোথায়?" রাজ্যের জবাব, "শিক্ষকরা তো চারটে পর্যন্ত থাকেন না, সেটা কি আদালত নোট করবে?"

বিকাল চারটেয় ছুটি হলে কাজ করে বাড়ি যাবেন কখন?' সেনশাসের কাজে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে অসন্তুষ্ট আদালত
কলকাতা হাইকোর্ট

সেনশাসের কাজের জন্য শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে অসন্তুষ্ট আদালত। দিনে ৪০ কিমি যাতায়াত করে কি আদৌ এই কাজ করা সম্ভব? প্রশ্ন আদালতের। শুক্রবার এই মামলার শুনানি ছিল বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের বেঞ্চে। বিচারপতির প্রশ্ন, কখন স্কুল করবেন শিক্ষকরা, কখন কাজে যাবেন? নিয়োগের আগে বায়োডাটা কেন পরীক্ষা করেননি? তাঁরা কোথা থেকে কাজে আসছেন, সেটা কেন দেখা হয়নি। রাজ্যকে প্রশ্ন করেন বিচারপতি।


বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, এই কাজ স্কুলের পাশেই নয়, যে তাঁরা সহজে চলে যাবেন। বিকাল চারটেয় ছুটি হলে অন্য জায়গায় গিয়ে কাজ করে বাড়ি যাবেন কখন? রাজ্যের বক্তব্য, সেনসাস খুব গুরুত্বপূর্ণ কাজ সব রাজ্যে হচ্ছে। সেখানে এত সমস্যা নেই।

শিক্ষকরা শনিবারেও ক্লাস করেন। ১০- ৪ স্কুলের টাইম। তাহলে সেনসাসের সময় কোথায়?” রাজ্যের জবাব, “শিক্ষকরা তো চারটে পর্যন্ত থাকেন না, সেটা কি আদালত নোট করবে?” বিচারপতি রাওয়ের পরামর্শ, “একসঙ্গে সবাইকে না নিয়ে ৪-৫ জন করে নিলে বাকিরা স্কুলে কাজ সামলাতেন। বা এক দিন অন্তর করতে পারতেন। রাজ্য চাইলে অনেক কিছু করতে পারত। অন্যন্য ব্যবস্থা করুন। বাড়ি কখন যাবেন?”


আজ মামলাকারীরা তাঁদের যাবতীয় তথ্য অর্থাৎ কোথায় থাকেন, কোথায় স্কুল, টাইমিং ইত্যাদি এসজি-কে দেবেন। রাজ্য মঙ্গলবার মামলাকারীদের নিয়ে সিদ্ধান্ত জানাবে আদালতকে।

শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টে সুমিত রায়ের অন্তর্বর্তীকালীন জামিনের আবেদনের শুনানি ছিল। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের এজলাসে মামলার শুনানি হয়। আদালতে সুমিত রায়ের আইনজীবী গোপাল শঙ্করনারায়ণ জানান, তাঁর মক্কেল তদন্তে সব রকম সহযোগিতা করছেন। গত ৮ দিনে ছয়বার ডাকা হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টে স্বস্তি সুমিতের, রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়ল অভিষেকের পিএ-র
সুপ্রিম কোর্টে সুমিত রায়ের স্বস্তি


সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) স্বস্তি পেলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) আপ্ত সহায়ক সুমিত রায় (Sumit Roy)। অন্তর্বর্তীকালীন রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়ল সুমিতের। প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়ে দিয়েছে, আপাতত তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না। বুধবার পর্যন্ত রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়ানো হচ্ছে। মামলার পরবর্তী শুনানি ১৯ অগস্ট।


কী জানিয়েছে শীর্ষ আদালত?
শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টে সুমিত রায়ের অন্তর্বর্তীকালীন জামিনের আবেদনের শুনানি ছিল। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের এজলাসে মামলার শুনানি হয়। আদালতে সুমিত রায়ের আইনজীবী গোপাল শঙ্করনারায়ণ জানান, তাঁর মক্কেল তদন্তে সব রকম সহযোগিতা করছেন। গত ৮ দিনে ছয়বার ডাকা হয়েছে। প্রত্যেকদিন হাজিরা দিয়েছেন তিনি। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হয়েছেন। এরপরই সুমিতের রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ।


ছোপ ছোপ রক্ত চারিদিকে, মাথার খুলির অর্ধেকটাই নেই! ভোরবেলা ঝোপ থেকে বৃদ্ধার দেহ উদ্ধার
অন্যদিকে, তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে জানতে চায় আদালত। সেক্ষেত্রে, তদন্তের আপডেট ও জিজ্ঞাসাবাদে কী কী তথ্য উঠে আসছে, সেই সম্পর্কিত আপডেট জমা দেওয়ার জন্য কিছুটা সময় চেয়ে নিয়েছেন সলিসিটর জেনেরাল তুষার মেহতা। আগামী সোমবার পর্যন্ত সময় চেয়ে নিয়েছেন তিনি। সময় মঞ্জুর করেন প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। তার ভিত্তিতেই শীর্ষ আদালতে জানিয়ে দেয়, আগামী বুধবার পরবর্তী শুনানি। সেক্ষেত্রে সুমিতের রক্ষাকবচও বুধবার পর্যন্ত বহাল থাকল।


সুমিত মামলা
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কলকাতা হাইকোর্টে আগাম জামিন পেয়েছেন সুমিত। তবে, শালবনি এলাকায় জমি সংক্রান্ত মামলায় তাঁকে আগাম জামিন না দেওয়ায় সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি। ওই মামলায় সুপ্রিম কোর্ট সুমিতের গ্রেফতারিতে স্থগিতাদেশ দেয়।

তবে, জমি ও চাকরি দুর্নীতি ছাড়া সুমিতের বিরুদ্ধে আরও ৪টি এফআইআর রয়েছে। তাই, হাইকোর্ট-সুপ্রিম কোর্টে আগাম জামিন পেয়েও ফের কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি। গ্রেফতারির আশঙ্কা করে রক্ষাকবচের আবেদন করে দ্রুত শুনানির আর্জি জানান। তবে, আর্জি গ্রহণ করেননি বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। তিনি জানিয়ে দেন, মামলাটির জরুরি ভিত্তিতে শুনানির পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। তাই পরে তালিকা অনুযায়ী শুনানি হতে পারে।

 নির্মলদের গ্রেফতারি প্রসঙ্গে অগ্নিমিত্রা জানান, কিছুটা হলেও শান্তি পেয়েছেন। তবে, তাঁর মতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও গ্রেফতার করা উচিত। এই বিষয়ে অগ্নিমিত্রা বলেন, "যদি নির্মল ঘোষ গ্রেফতার হয়, তাহলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও গ্রেফতার করার দরকার। কারণ সেইসময় তিনি মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন।"

নির্মল ঘোষ গ্রেফতার হলে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও...', তিলোত্তমা কাণ্ডে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর গ্রেফতারির দাবি অগ্নিমিত্রার
অগ্নিমিত্রা পাল-মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) গ্রেফতারির দাবি তুললেন পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul)। বৃহস্পতিবারই তিলোত্তমা-কাণ্ডে গ্রেফতার করা হয়েছে নির্মল ঘোষ (Nirmal Ghosh) ও সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়কে (Sanjib Mukherjee)। তাঁদের বিরুদ্ধে তিলোত্তমার দেহ তড়িঘড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। অগ্নিমিত্রার প্রশ্ন, নির্মল ঘোষদের গ্রেফতার করা হলে কেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাদ যাবেন?


তিলোত্তমা কাণ্ডে গ্রেফতার নির্মল-সঞ্জীব
গত ৯ অগস্ট তিলোত্তমার স্মরণসভায় দাঁড়িয়ে শুভেন্দু অধিকারী পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছিলেন, “দয়া করে নতুন কেস চালু করুন। দ্রুত অ্যকশন নিন। আমার যা করার আছে করব। অভয়াকে ভুলিনি। মানুষ জিতিয়েছেন এই কেসের বিচারের জন্য। আমি কমিটেড।” এরপরই নতুন করে নির্মল ঘোষ, সঞ্জীব মুখোপাধ্যায় ও সোমনাথ দে-র বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন তিলোত্তমার বাবা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই বৃহস্পতিবার সকালে নির্মল ঘোষকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তারপর রাতে সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করে পুলিশ। এখনও অধরা সোমনাথ দে।



হাড় কাঁপানো ঠান্ডায় ঝরনার জল, সাদা স্বচ্ছ ভেজা শাড়ি, সেদিন কী কী ঘটেছিল? ৪১ বছর পর রাজ কাপুরকে নিয়ে মুখে খুললেন মন্দাকিনী
কী বললেন অগ্নিমিত্রা?
নির্মলদের গ্রেফতারি প্রসঙ্গে অগ্নিমিত্রা জানান, কিছুটা হলেও শান্তি পেয়েছেন। তবে, তাঁর মতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও গ্রেফতার করা উচিত। এই বিষয়ে অগ্নিমিত্রা বলেন, “যদি নির্মল ঘোষ গ্রেফতার হয়, তাহলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও গ্রেফতার করার দরকার। কারণ সেইসময় তিনি মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। তিনি কথা বলতে বলতে ঝাড়গ্রাম থেকে বিনীত গোয়েলের সঙ্গে এসেছিলেন। তিনি কেন বলেননি ৬টার পর পোস্টমর্টেম হয় না। দেহ রেখে দাও। বরং তিনি চেষ্টা করেছেন পুলিশকে ঘুষ খাইয়ে, অভয়ার বাবা-মায়ের মুখ চুপ করে দিতে। যদি প্রশ্নের উত্তর নির্মলবাবুকে গ্রেফতার করে দিতে হয়, যদি সোমনাথবাবুকে গ্রেফতার করার দাবি রাখি, তাহলে মাননীয়া প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও গ্রেফতার করা দরকার বলে মনে হয়।”

আজ সকালে দিল্লি হাইকোর্ট, ইন্দিরা গান্ধী ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট সহ একাধিক জায়গায় বোমাতঙ্ক ছড়ায়। ওই হুমকি ইমেইলে লেখা আছে, "ব্লাস্ট দিল্লি হাইকোর্ট @২.১১"। এই ইমেইল পেতেই শোরগোল পড়ে যায়। ইতিমধ্যেই ইমেইলে উল্লেখিত জায়গাগুলিতে নিরাপত্তা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। চলছে তল্লাশি। 


দুপুর ২টো ১১-এ ব্লাস্ট হবে হাইকোর্টে, তারপরই একের পর এক বিস্ফোরণ'! স্বাধীনতা দিবসের আগেই এল হুমকি ইমেইল, তীব্র আতঙ্ক
দিল্লিতে স্বাধীনতা দিবসের আগেই বিস্ফোরণের হুমকি।


স্বাধীনতা দিবসের আগের দিনই বোমাতঙ্ক। স্বাধীনতা দিবসের আগে দিল্লি হাইকোর্ট, এয়ারপোর্টে টার্মিনাল তিন সহ ছয় জায়গায় বোমাতঙ্ক। ইমেইল আছে, এই জায়গাগুলিতে বোমা রাখা আছে। জামনগর হাউস, ঝান্ডেওয়ালা বিল্ডিং, এমবি সাকেত অফিস, ডিএম অফিস সহ বিভিন্ন জায়গায় ইমেইল এসেছে। এই মেইল আসার পরই বেড়েছে তৎপরতা। ইমেল-এর সত্যতা খতিয়ে দেখছে দিল্লি পুলিশ।


জানা গিয়েছে, আজ সকালে দিল্লি হাইকোর্ট, ইন্দিরা গান্ধী ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট সহ একাধিক জায়গায় বোমাতঙ্ক ছড়ায়। ওই হুমকি ইমেইলে লেখা আছে, “ব্লাস্ট দিল্লি হাইকোর্ট @২.১১”। এই ইমেইল পেতেই শোরগোল পড়ে যায়। ইতিমধ্যেই ইমেইলে উল্লেখিত জায়গাগুলিতে নিরাপত্তা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। চলছে তল্লাশি।


সূত্রের খবর, এই হুমকির পিছনে খালিস্তানের হাত থাকতে পারে। কারণ পাঠানো ইমেইলে খালিস্তান লেখা ছিল। ইমেইলে হুমকি দিয়ে বলা হয়েছে, দিল্লিকে খালিস্তানে পরিণত করে দেওয়া হবে। ওই হুমকি ইমেইলে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে শনিবার, ১৫ অগস্ট দুপুর ২টো ১১ মিনিটে দিল্লি হাইকোর্টে বোমা বিস্ফোরণ হবে। এর এক ঘণ্টা পর থেকে জেলা আদালতে বিস্ফোরণ হবে।


হুমকি মেইলে বলা হয়েছে, “দিল্লি কোর্ট শুধু শিখদের বিরুদ্ধে মামলা শোনে”। শিখরা ইতিমধ্যে দিল্লিতে পৌঁছে গিয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।

দিল্লি হাইকোর্ট, বিমানবন্দরের পাশাপাশি জামনগর হাউস, ঝান্ডেওয়ালা বিল্ডিং, এমবি সাকেত অফিস, ডিএম অফিসও উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে। দিল্লি মেট্রো ও অম্বালাগামী ট্রেনেও হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছে। হুমকি ইমেইলের উৎস সন্ধান করছে পুলিশ। এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি এই ঘটনায়।

তিলোত্তমার দেহ পুড়িয়ে দেওয়ার ৯টি জামিনযোগ্য ধারায় মামলা করা হয়েছে। এই মামলায় নির্মলের জামিনের আবেদন করেন নির্মলের আইনজীবী। বিচারককে জানান, নির্মলের বয়স ৭৮। অসুস্থ। চিকিৎসার প্রয়োজন। জামিন দেওয়া হোক। কিন্তু, শেষপর্যন্ত ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়।

তিলোত্তমা কাণ্ডে জেল নির্মল ঘোষের, লটারি প্রতারণা মামলাতেও বিপাকে প্রাক্তন বিধায়ক
নির্মল ঘোষ

তিলোত্তমা কাণ্ডে জেল হেফাজত প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষের। তাঁকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে ব্যারাকপুর আদালত। এদিকে, তিলোত্তমা কাণ্ডের সঙ্গে আরও একটি মামলা যুক্ত হয়েছে। লটারি প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে নির্মল ঘোষের বিরুদ্ধে। সেই মামলাতেও নির্মলকে আট দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে ব্যারাকপুর আদালত।


লটারি প্রতারণা মামলা
তিলোত্তমা কাণ্ডে বৃহস্পতিবার পুরী থেকে গ্রেফতার করা হয় নির্মল ঘোষকে। আজ, তাঁকে ব্যারাকপুর আদালতে পেশ করা হয়। তিলোত্তমার সঙ্গে যুক্ত করা হয় আরও একটি লটারি প্রতারণা। আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, লটারিতে প্রথম পুরস্কার হিসেবে এক কোটি টাকা পেয়েছিলেন এক পানশালার মালিকের গাড়ির ড্রাইভার। বিষয়টি মালিককে জানাতেই, তিনি ওই ড্রাইভারকে সোজা নিয়ে যান নির্মল ঘোষের কাছে। অভিযোগ, সেখানে তাঁর লটারির টাকা কেড়ে নেওয়া হয়। ২০২৪ সালে অভিযোগ দায়ের করার চেষ্টা করা হলে পুলিশ কর্ণপাত করেননি বলে অভিযোগ। ২০২৬ সালে সরকার বদলের পর তিনি অভিযোগ করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেও এদিন নির্মল ঘোষকে আদালতে পেশ করা হয়। তিলোত্তমার মামলায় যুক্ত করা হয় লটারি প্রতারণা মামলা। তাতেই আট দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়।


জামিনযোগ্য ধারায় মামলা
অন্যদিকে, তিলোত্তমার দেহ পুড়িয়ে দেওয়ার ৯টি জামিনযোগ্য ধারায় মামলা করা হয়েছে। এই মামলায় নির্মলের জামিনের আবেদন করেন নির্মলের আইনজীবী। বিচারককে জানান, নির্মলের বয়স ৭৮। অসুস্থ। চিকিৎসার প্রয়োজন। জামিন দেওয়া হোক। কিন্তু, শেষপর্যন্ত ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়।


সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়ের জেল হেফাজত
অন্যদিকে, তিলোত্তমা মামলাতে সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়কেও ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে তোলাবাজি মামলাতে তাঁকে ৭ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে ব্যারাকপুর আদালত।

 
আমুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ১৬ অগস্ট দিনটিকে 'আয়ুষ্মান দিবস' হিসেবে ঘোষণা করেছেন। সেই বিশেষ দিনেই রাজ্যজুড়ে চালু হচ্ছে আয়ুষ্মান ভারত ও মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বীমা। শুক্রবার স্বাস্থ্য ভবনে আয়োজিত এক যৌথ সাংবাদিক বৈঠকে এই ঘোষণা করেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সুমনা সরকার এবং স্বাস্থ্য দফতরের পদস্থ আধিকারিকরা। ওই অনুষ্ঠানেই স্বাস্থ্যসাথী নিয়ে ঘোষণা করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।


য়ুষ্মান ভারত চালু হলেও বন্ধ হচ্ছে না স্বাস্থ্যসাথী? বড় ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
শারদ্বত মুখোপাধ্যায়

রাজ্যজুড়ে ১৬ অগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হতে চলেছে আয়ুষ্মান ভারত (Ayushman Bharat)। ওই একইদিনে চালু হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবীমা যোজনাও। ঘোষণা করে দিলেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় (Sharadwat Mukherjee)। দুই প্রকল্পেই পাঁচ লক্ষ ক্যাশলেস পরিষেবা দেওয়া হবে। তবে, একটা প্রশ্ন বারবার উঠছে বিগত সরকারের স্বাস্থ্যসাথী (Swasthya Sathi) প্রকল্প কি বন্ধ হয়ে যাবে? এবার তাও স্পষ্ট করে দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।


কী জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী?
স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্প এখনই বন্ধ হচ্ছে না। আশ্বস্ত করেছেন শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “আগামী দুই-তিম মাস ‘স্বাস্থ্যসাথী’, ‘আয়ুষ্মান ভারত’ এবং ‘মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বীমা যোজনা’, তিনটি প্রকল্পই একসঙ্গে চলবে। উপভোক্তারা যখন ধাপে ধাপে নতুন দুই প্রকল্পে সম্পূর্ণ স্থানান্তরিত হয়ে যাবেন এবং কোনও পরিষেবায় অসুবিধা থাকবে না, তখনই ধীরে ধীরে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্প প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে।”

হাড় কাঁপানো ঠান্ডায় ঝরনার জল, সাদা স্বচ্ছ ভেজা শাড়ি, সেদিন কী কী ঘটেছিল? ৪১ বছর পর রাজ কাপুরকে নিয়ে মুখে খুললেন মন্দাকিনী
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ১৬ অগস্ট দিনটিকে ‘আয়ুষ্মান দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন। সেই বিশেষ দিনেই রাজ্যজুড়ে চালু হচ্ছে আয়ুষ্মান ভারত ও মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বীমা। শুক্রবার স্বাস্থ্য ভবনে আয়োজিত এক যৌথ সাংবাদিক বৈঠকে এই ঘোষণা করেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সুমনা সরকার এবং স্বাস্থ্য দফতরের পদস্থ আধিকারিকরা।


আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে কী কী সুবিধা মিলবে, সেই বিষয়েও বিস্তারিত জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
৫ লক্ষ টাকার ক্যাশলেস পরিষেবা: প্রতি পরিবারকে বছরে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত সম্পূর্ণ ক্যাশলেস স্বাস্থ্য বীমার সুবিধা দেওয়া হবে। পরিবারের সদস্য সংখ্যার কোনও ঊর্ধ্বসীমা নেই।
পুরোনো রোগের কভারেজ : কোনও রোগী আগে থেকেই কোনও জটিল রোগে আক্রান্ত থাকলেও প্রথম দিন থেকেই চিকিৎসার যাবতীয় খরচ এই প্রকল্পের আওতায় থাকবে।
ভর্তির আগের ও পরের খরচ: হাসপাতালে ভর্তির ৩ দিন আগে থেকে শুরু করে ছুটি পাওয়ার পর ১৫ দিন পর্যন্ত যাবতীয় ওষুধপত্র, স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং ফলো-আপ চিকিৎসার খরচ এই প্রকল্পে বহন করা হবে।
শুধু আধার কার্ডেই মিলবে সুবিধা: হাসপাতালে গিয়ে আলাদা কার্ড নিয়ে হয়রানি হতে হবে না। হাসপাতালে থাকা নির্দিষ্ট কাউন্টারে আধার কার্ড দিলেই তাৎক্ষণিক ডিজিটাল ভেরিফিকেশন হয়ে যাবে।
দেশজুড়ে চিকিৎসার সুযোগ: পরিযায়ী শ্রমিক বা ভ্রমণের সময় অসুস্থ হলে পশ্চিমবঙ্গের নাগরিকরা শুধু রাজ্যেই নয়, দেশের যে কোনও প্রান্তে থাকা ৪০ হাজারেরও বেশি অনুমোদিত হাসপাতালে এই সুবিধা পাবেন।

১৫ অগস্টের জন্য বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা রাখবে কলকাতা পুলিশের টিম। শুক্রবার রাত থেকেই গোটা রেড রোডকে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হচ্ছে। থাকছে ওয়াচ টাওয়ার, বাঙ্কার ও অতিরিক্ত সিসিটিভি। দফায় দফায় বম্ব স্কোয়াড ও পুলিশ কুকুর দিয়ে তল্লাশি চলবে।

রেড রোডে দাঁড়িয়ে এটা করতে পারবে না পুলিশ! স্বাধীনতা দিবসের আগেই কড়া বার্তা
কলকাতা পুলিশের জন্য কড়া নির্দেশিকা।

স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজে কোনও গাফিলতি নয়। স্বাধীনতা দিবসে কড়া নজরদারিতে পুলিশও। যেখানে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান যাতে সুষ্ঠ ও ভালোভাবে হয়, তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব রয়েছে তাদের কাঁধে, তার পাশাপাশি এবার তাঁদের অর্থাৎ পুলিশের উপরও নজর থাকবে।


কলকাতা পুলিশের শীর্ষকর্তারা থানা, ট্রাফিক গার্ডের ওসি, অন্য পুলিশ কর্তাদের মাধ্যমে ডিউটিরত পুলিশ ও আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছেন, তাঁরা কেউ যেন রেড রোডে ডিউটিতে মোবাইল না ঘাঁটেন এবং ছবি বা ভিডিয়ো তুলতে ব্যস্ত হয়ে না পড়েন। তাঁদের মূল লক্ষ্য হবে রেড রোডে আইন শৃঙ্খলা রক্ষা ও কড়া নজরদারি রাখা। আশপাশের লোকজন ও দর্শকদের উপরেও যেন কড়া নজর রাখা হয়, সেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


হাড় কাঁপানো ঠান্ডায় ঝরনার জল, সাদা স্বচ্ছ ভেজা শাড়ি, সেদিন কী কী ঘটেছিল? ৪১ বছর পর রাজ কাপুরকে নিয়ে মুখে খুললেন মন্দাকিনী
শনিবার, ১৫ অগস্ট রেড রোডে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সাম্প্রতিক সময়ে শহরের উপকণ্ঠ থেকে জঙ্গি সংগঠনের সদস্য ও পাক চর গ্রেফতারের ঘটনায় সতর্ক লালবাজার। এবার অনুষ্ঠান পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত, কোনও দর্শককে রেড রোডে নামতে দেওয়া হবে না। পুলিশের ডিউটি-ও এক মুহূর্তের জন্য শিথিল হবে না।


১৫ অগস্টের জন্য বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা রাখবে কলকাতা পুলিশের টিম। শুক্রবার রাত থেকেই গোটা রেড রোডকে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হচ্ছে। থাকছে ওয়াচ টাওয়ার, বাঙ্কার ও অতিরিক্ত সিসিটিভি। দফায় দফায় বম্ব স্কোয়াড ও পুলিশ কুকুর দিয়ে তল্লাশি চলবে। রেড রোড ও ময়দানের আশপাশের কিছু রাস্তায় যানবাহন বন্ধ থাকবে।

নিরাপত্তার জন্য রেড রোডকে প্রায় ১৫টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি সেক্টরের দায়িত্বে থাকবেন এক জন ডিসি পদমর্যাদার আধিকারিক। সামগ্রিক দায়িত্বে থাকবেন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার, ৬ জন যুগ্ম কমিশনার, ২০ জন ডিসি ও ৪০ জন অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার।

রেড রোডে তৈরি হচ্ছে ৬টি ওয়াচ টাওয়ার ও ১১টি বাঙ্কার। রেড রোডে মোতায়েন থাকছে ১৫০০ পুলিশ। মোতায়েন থাকবে কলকাতা পুলিশের স্পেশাল ফোর্স ও কম্যান্ডো। গোটা কলকাতা জুড়ে অতিরিক্ত আরও তিন হাজার পুলিশ মোতায়েন থাকবে। শহরে টহল দেবে ৯টি পিসিআর ভ্যান ও ৩টি কুইক রেসপন্স টিম। ১৯টি পুলিশ পিকেট, মেট্রো রেল স্টেশনে ২৫টি পিকেট, ২৪টি পিকেট থাকছে শহরের একাধিক ঘিঞ্জি বাজার ও শপিং মল, কালীঘাট মন্দির ছাড়াও আরও সাতটি ধর্মস্থানে। মোট ২৩টি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় হবে নাকা চেকিং। শহরের হোটেলগুলিতেও চলছে তল্লাশি।

শুক্রবার ধনধান্য অডিটোরিয়ামে কন্যা-রত্ন দিবস পালন করে রাজ্য সরকার। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল, মন্ত্রী মালতী রাভা-সহ বিশিষ্টরা। অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দিতে গিয়ে শুভেন্দু বলেন, "বিদ্যাসাগর মহাশয়ের ভাবনায় নারী শিক্ষার প্রসার, নারী শিক্ষার ক্ষমতায়নে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ।"


বড় ঘোষণা, কন্যা-রত্ন প্রকল্পে এবার দ্বিগুণ অনুদান দেবে রাজ্য সরকার, চালু হল 'বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও'
শুভেন্দু অধিকারী
কন্যা-রত্ন প্রকল্পে আর্থিক অনুদান বাড়াল রাজ্য। তৃণমূল সরকারের আমলে এক হাজার টাকা দেওয়া হত ছাত্রীদের। এবার তা বাড়িয়ে দুই হাজার করা হল। তবে, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে এই অনুদান মিলবে। আজ, ১৪ অগস্ট কন্যা-রত্ন (Kanya-Ratna) দিবসে বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। একইসঙ্গে, এদিন রাজ্যে মেয়েদের জন্য ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’-সহ একাধিক প্রকল্প চালু করা হয়েছে।


বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও প্রকল্পের সূচনা
শুক্রবার ধনধান্য অডিটোরিয়ামে কন্যা-রত্ন দিবস পালন করে রাজ্য সরকার। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল, মন্ত্রী মালতী রাভা-সহ বিশিষ্টরা। অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দিতে গিয়ে শুভেন্দু বলেন, “বিদ্যাসাগর মহাশয়ের ভাবনায় নারী শিক্ষার প্রসার, নারী শিক্ষার ক্ষমতায়নে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ। আমাদের ৮ মাসের বাজেট কর্ম সংস্থানের ক্ষেত্রে মহিলাদের অগ্রাধিকার দেওয়া থেকে শুরু করে, নারী শিক্ষা, মহিলা কলেজ, উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়,মহাবিদ্যালয়, কোনও ছাত্রী যাতে মাঝপথে পড়াশোনা না ছেড়ে যেতে পারেন, তার জন্য সমস্ত আর্থিক ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।”


ঘুঙুরের আওয়াজ, হি হি করে হাড় কাঁপানো হাসি, রাত হলেই কেউ যেন ডুকরে কেঁদে ওঠে...আতঙ্কে হস্টেল থেকে পালিয়ে গেল ৬০০-রও বেশি পড়ুয়া
কী কী সুবিধা পাবেন ছাত্রীরা?
বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও প্রকল্প নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন,”বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও সমস্ত রাজ্যে এই কর্মসূচি থাকলেও আমাদের রাজ্য এতদিন যুক্ত হয়নি। আমরা এবার যুক্ত হলাম। কন্যাদের পাশে থাকার অঙ্গীকার নিলাম। আমাদের ছাত্রীরা শিক্ষা ক্ষেত্রে, সমাজকে শক্ত পোক্ত করার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা নিক।”


শুভেন্দুর কথায়, “কন্যারা আগামী দিনে মাতঙ্গিনী হাজরার ভূমিকা নিক, আমরা এটাই চাইব।” এরপরই তিনি জানান, বিগত সরকারের যে কর্মসূচি ছিল, ছাত্রীদের অর্থপ্রদান, এবার সমপরিমাণ দেওয়া হচ্ছে। এবার পাচ্ছে ২০ লক্ষের বেশি। বিদ্যালয়গুলি ভেরিফিকেশন করে আজ ১০ লক্ষের বেশি দেওয়া হচ্ছে। ৪০০ কোটি বরাদ্দ করা হয়েছে।”

কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে ছাত্রছাত্রীদের উচ্চশিক্ষার জন্য ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হবে। ৬০ শতাংশের বেশি নম্বর যাঁরা পাবেন, তাঁদের জন্য বিবেকানন্দ মেরিট স্কলারশিপ যোজনা চালু রাখা হয়েছে। সঙ্গে নতুন স্কিম আনা হয়েছে বিবেকানন্দর নামে। বিদেশে পড়তে যাওয়ার ক্ষেত্রে বা জাতীয় স্তরে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য স্বামী বিবেকানন্দের নামে ১০০ কোটির তহবিল করা হয়েছে।”

কন্যা-রত্ন প্রকল্পে অনুদান
শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “যে এক হাজার টাকা আমাদের কন্যারা গ্রান্টটা পাচ্ছেন, পরের শিক্ষাবর্ষ, ২০২৭ সাল থেকে এই অর্থ দ্বিগুণ করে দেওয়া হবে। অর্থাৎ বছরে ২০০০টাকা করে দেওয়া হবে।” উল্লেখ্য, তৃণমূল সরকারের আমলে, ১৩ বছরের পর থেকেই বছরে ১ হাজার টাকা এবং ১৮ বছরের পরে এককালীন ২৫ হাজার টাকা দেওয়া হত। চলতি বছর একই হারে অনুদান দেওয়া হলেও পরের শিক্ষাবর্ষ থেকে বাড়ানো হবে অর্থ।

আর কী কী চালু হল?
মহিলাদের জন্য চালু হল নতুন ১৮১ হেল্পলাইন নম্বর।কর্মরত মায়েদের সন্তানদের জন্য নতুন ‘PALNA’ ক্রেশ প্রকল্পেরও সূচনা হয়েছে। এদিনের অনুষ্ঠানে কলকাতা, হাওড়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিভিন্ন স্কুল-কলেজের প্রায় ১,৬০০ ছাত্রী উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে ছাত্রীদের সঙ্গে দেখাও করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

 রাষ্ট্রপতি জানান, নারীদের শিক্ষায় দেশে নতুন নজির তৈরি হয়েছে। ২৫ কোটিরও বেশি মানুষ দারিদ্র্যসীমার উপরে উঠে এসেছেন। বিনামূল্যে খাদ্যশস্য দেওয়ার মাধ্যমে ৮০ কোটি মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানান রাষ্ট্রপতি। প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনার আওতায় বছরে সর্বাধিক ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরিষেবা ৬০ কোটি মানুষকে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।


যুবসমাজই দেশের চালিকাশক্তি', স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে জাতির উদ্দেশে বার্তা দ্রৌপদী মুর্মুর
রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু

৮০তম স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। দেশ-বিদেশে থাকা সমস্ত ভারতীয়কে স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানান তিনি। তবে, ইতিহাসে এই প্রথম রাষ্ট্রপতির ভাষণের আগে বেজে ওঠে ‘বন্দে মাতরম’। তারপর পরিবেশিত হয় জাতীয় সঙ্গীত ‘জনগণমন’। এদিন রাষ্ট্রপতির ভাষণে উঠে আসে দেশভাগের ক্ষত, দেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য থেকে নারী ও যুবসমাজের ভূমিকা। স্বাধীনতার প্রকৃত অর্থ কী, তাও মনে করিয়ে দেন রাষ্ট্রপতি।


স্বাধীনতার প্রকৃত অর্থ
রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী বলেন,”স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এই জাতীয় উৎসবে আপনাদের সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। আর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আমাদের দেশ স্বাধীনতার ৮০তম বর্ষে পা দেবে।” এরপরই স্বাধীনতার প্রকৃত অর্থ ব্যক্ত করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, “দেশে এবং বিদেশে থাকা ভারতীয়রা অত্যন্ত উৎসাহের সঙ্গে স্বাধীনতা দিবস পালন করেন। তেরঙা দেশের স্বাধীনতার প্রতীক এবং গর্বের সঙ্গে তা উত্তোলন করা হয়।” তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, “১৯৪৭ সালের ১৫ অগস্ট ‘মাতৃভূমি পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হয়েছিল’। সেই সঙ্গে স্বাধীন ভারতের ভাগ্য নির্মাণের দায়িত্বও দেশের নাগরিকদের হাতেই এসেছিল। দেশের নাগরিকদের হাতে থাকা সুযোগগুলিকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের স্বপ্নপূরণ করতে হবে। একইসঙ্গে ভারতকে বিশ্বের সেরা দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করতে হবে।” তাঁর কথায়,”এটাই স্বাধীনতার প্রকৃত অর্থ।”

এটিও পড়ুন
নিকাশি নালা চুরি করে বিক্রি করে দিয়েছেন প্রাক্তন কাউন্সিলর! সেই দুর্নীতির ফল এখন রোজ ভুগতে হচ্ছে ছাত্র-ছাত্রীদের
যশের শুটিংয়ে প্রেগন্যান্ট কিয়ারা! জানতে পেরে কীভাবে সামলেছিলেন নায়ক?
রেড রোডে দাঁড়িয়ে এটা করতে পারবে না পুলিশ! স্বাধীনতা দিবসের আগেই কড়া বার্তা
দেশ গঠনের কারিগরদের প্রশংসা
রাষ্ট্রপতি দেশের উন্নয়নে ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক, বিজ্ঞানী, ইঞ্জিনিয়র, চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, শ্রমিক এবং কৃষকদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের প্রশংসা করেন। পাশাপাশি খেলোয়াড়, কারিগর, শিল্পী, বুদ্ধিজীবী, সরকারি ও বেসরকারি ক্ষেত্রের কর্মী, জনপ্রতিনিধি, বিচার বিভাগের সদস্য, সরকারি আধিকারিক, বিনিয়োগকারী, সমাজকর্মী, স্বচ্ছতা অভিযানের কর্মী এবং সাফাইকর্মীদেরও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।


বিশেষভাবে তিন বাহিনী, সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী এবং পুলিশের নিষ্ঠা ও কর্তব্যপরায়ণতার প্রশংসা করেন রাষ্ট্রপতি। বিদেশে থাকা ভারতীয়রা বিশ্বজুড়ে দেশের সম্মান ও মর্যাদা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

দেশভাগের ক্ষত স্মরণ
১৪ অগস্ট ‘বিভাজন বিভীষিকা স্মৃতি দিবস’ হিসেবে পালিত হয়। রাষ্ট্রপতি বলেন, “দেশভাগের সময় হিংসায় প্রাণ হারানো এবং ঘরছাড়া হওয়া লক্ষ লক্ষ মানুষকে এই দিনে স্মরণ করা হয়।” ভারতের সংবিধান নাগরিকদের অংশগ্রহণের উপর ভিত্তি করে তৈরি।” রাষ্ট্রপতি জানান, সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণের মাধ্যমে জাতীয় স্তরের বিভিন্ন কর্মসূচি এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, যা ভারতীয় গণতন্ত্রের একটি অনুপ্রেরণার দিক।

রাষ্ট্রপতি আইনসভা, বিচারবিভাগের দায়িত্বের কথাও তুলে ধরেন। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের আইনসভায় মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার কথা তুলে ধরতে হবে। বিচারব্যবস্থাকে নিশ্চিত করতে হবে, অর্থের অভাবে যেন কোনও মানুষ ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত না হন।

শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও খাদ্য নিরাপত্তা
রাষ্ট্রপতি জানান, নারীদের শিক্ষায় দেশে নতুন নজির তৈরি হয়েছে। ২৫ কোটিরও বেশি মানুষ দারিদ্র্যসীমার উপরে উঠে এসেছেন। বিনামূল্যে খাদ্যশস্য দেওয়ার মাধ্যমে ৮০ কোটি মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানান রাষ্ট্রপতি। প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনার আওতায় বছরে সর্বাধিক ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরিষেবা ৬০ কোটি মানুষকে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

কৃষকদের প্রসঙ্গে দ্রৌপদী মুর্মু বলেন,”কিষান সম্মান নিধি এবং কিষান ক্রেডিট কার্ড কৃষি, দুগ্ধ উৎপাদন, পোলট্রি, মৎস্যচাষ এবং মৌমাছি পালনের সঙ্গে যুক্ত কৃষকদের সহায়তা করছে।”

সন্ত্রাসবাদীদের নিয়ে রাষ্ট্রপতির কড়া বার্তা
জাতির উদ্দেশে ভাষণে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু কড়া বার্তা দিয়েছেন সন্ত্রাসবাদীদের। তিনি বলেন, “সন্ত্রাসবাদী এবং তাঁদের মদতদাতারা বিশ্বের যে প্রান্তেই লুকিয়ে থাকুক না কেন, তাঁদের পরিণতি ভুগতেই হবে।” পাশাপাশি, দেশকে নকশালমুক্ত করাকে বড় জাতীয় সাফল্য হিসেবে তুলে ধরেন রাষ্ট্রপতি। বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা সত্ত্বেও ভারতের অর্থনীতির বৃদ্ধি নিয়ে আশাবাদী রাষ্ট্রপতি। তাঁর বক্তব্য, বিশ্ব অর্থনীতির গড় বৃদ্ধির তুলনায় ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার দ্বিগুণেরও বেশি থাকার পূর্বাভাস রয়েছে।

আত্মনির্ভর ভারত, বিশ্বমঞ্চে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা
দ্রৌপদী মুর্মু বলেন, “‘আত্মনির্ভর ভারত’ দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং জাতীয় নিরাপত্তাকে আরও শক্তিশালী করেছে। ভারতের বিদেশনীতি জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে পরিচালিত হয় এবং শান্তি, সহযোগিতা, সংলাপ ও ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’-এর আদর্শকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।”

দেশের উন্নয়নের চালিকাশক্তি যুবসমাজ
রাষ্ট্রপতি দেশের যুবসমাজের মেধা, দক্ষতার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “তরুণ প্রজন্ম সামাজিক ও জাতীয় স্তরের নানা সমস্যার বাস্তবসম্মত সমাধান খুঁজে বের করছে।” সম্প্রতি, গড়ে ২৮ বছর বয়সের একটি তরুণ দল রকেট উৎক্ষেপণ করেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এর ফলে ভারতের মহাকাশ গবেষণায় নতুন যুগের সূচনা হয়েছে বলে জানান রাষ্ট্রপতি।

নিয়োগ পরীক্ষা নিয়েও বার্তা
সরকারি চাকরির পরীক্ষায় অনিয়মের প্রসঙ্গও উঠে আসে রাষ্ট্রপতির ভাষণে। তিনি বলেন, “এই সমস্ত পরীক্ষা ব্যবস্থার উন্নতির জন্য সরকার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করছে।”


পাথরপ্রতিমা: দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার পাথরপ্রতিমা ব্লকের ব্রজবল্লভপুর গ্রামপঞ্চায়েতের ক্ষেত্রমোহনপুর মৌজার শৈল্যজা সংলগ্ন এলাকায় বজ্রাঘাতে মৃত্যু হল দুর্গা দাস (৫০) নামে এক মহিলার। তাঁর স্বামীর নাম অদিত্য দাস।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ সকালে পূজার্চনার জন্য বাড়ির বাইরে ফুল তুলতে গিয়েছিলেন দুর্গা দাস। সেই সময় আচমকাই বজ্রপাত হয়। পরে তাঁর বাড়ির বৌমা ফুল গাছের ধারে তাঁকে পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করেন। খবর পেয়ে পরিবারের অন্যান্য সদস্য এবং স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।

স্থানীয় বাসিন্দা বুদ্ধদেব মান্না বলেন, “পূজার্চনা করার পূর্বে বাড়ির বাইরে ফুল তুলতে যাওয়ার পর একটি বাজ পড়ে। সেই সময়ই এই দুর্ঘটনা ঘটে।”
এরপর দুর্গা দাসের স্বামী অদিত্য দাস পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় তাঁকে ব্রজবল্লভপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক পরীক্ষা করে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

এই মর্মান্তিক ঘটনায় পরিবারে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। দুর্গা দাসের আকস্মিক মৃত্যুতে শোকাহত স্থানীয় বাসিন্দারাও।
 

পাথরপ্রতিমার ব্রজবল্লভপুর গ্রামপঞ্চায়েত থেকে পূর্ণব্রত হাজরা Kakdwip.com