WEATHER

Top News


নৌ-সেনা চ্যালেঞ্জ নিয়েছিল, খুব বড় কোনও বদল ছাড়াই আইএনএস বিক্রান্তের ডেক থেকে মেরিন রাফাল উড়বে। সেজন্য আইএনএস বিক্রান্তের স্টোবার প্ল্যানফর্মের প্রযুক্তিতে বদল আনা হয়। স্টোবার মানে শর্ট টেক অফ অ্যান্ড অ্যারেস্টেড রিকভারি। ভারতীয় প্রযুক্তিবিদ এবং নৌ-সেনার সদস্যরাই স্টোবারের সাহায্যে প্রয়োজনীয় কাজটা করলেন।


নতুন মাইলস্টোন ভারতীয় নৌসেনার, এবার চিনের ফুজিয়ানকেও টেক্কা দেবে INS বিক্রান্ত
আইএনএন বিক্রান্তে সফল অবতরণ মেরিন রাফাল


মাইলস্টোন। আইএনএস বিক্রান্তের ডেক থেকে উড়ছে রাফাল। ভারতীয় নৌ-সেনা এটা সম্ভব করে এমন একটা সাফল্য অর্জন করেছে, যা এর আগে তিনটে দেশের বাইরে কেউ পারেনি। মেরিন রাফাল আসলে আইএনএস বিক্রান্তের কথা ভেবে তৈরিই হয়নি। সেটা হওয়ার কথাই নয়। চার্লস দ্য গলের কথা ভেবে মেরিন রাফাল তৈরি হয়েছে। অন্য দেশ মেরিন রাফাল কিনলে তাদের বিমানবাহী রণতরীগুলো রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং করে পাল্টে নিতে হত। ভারতের ক্ষেত্রে তার প্রয়োজন হল না।


নৌ-সেনা কর্তারা বলছেন, এতদিন আইএনএস বিক্রান্তের ডেক থেকে সুখোই এমকে থার্টির মেরিন ভার্সন টেক অফ করত। সুখোই এমকে থার্টির মেরিন ভার্সনের ওড়ার জন্যই আইএনএস বিক্রান্তের ডিজাইন হয়েছিল। একটি বিশেষ যুদ্ধবিমানের জন্য যে বিমানবাহী রণতরী তৈরি, সেখানে একেবারে নতুন কোনও যুদ্ধবিমান টেক অফ করা যায় না। এজন্য জাহাজের প্রযুক্তিগত পরিবর্তন করতে হয়। জাহাজের ডেকও পাল্টে ফেলতে হয়। ফ্রান্সের থেকে ২৬টি মেরিন রাফাল কিনতে চুক্তি করেছে ভারত। সেই চুক্তির সময়ই ফ্রান্স আইএনএস বিক্রান্তের ডিজাইন পাল্টানোর পরামর্শ দিয়েছিল। ভারত মানেনি। কারণ তাতে অনেক সময় লাগবে। খরচও বিশাল।


নৌ-সেনা চ্যালেঞ্জ নিয়েছিল, খুব বড় কোনও বদল ছাড়াই আইএনএস বিক্রান্তের ডেক থেকে মেরিন রাফাল উড়বে। সেজন্য আইএনএস বিক্রান্তের স্টোবার প্ল্যানফর্মের প্রযুক্তিতে বদল আনা হয়। স্টোবার মানে শর্ট টেক অফ অ্যান্ড অ্যারেস্টেড রিকভারি। ভারতীয় প্রযুক্তিবিদ এবং নৌ-সেনার সদস্যরাই স্টোবারের সাহায্যে প্রয়োজনীয় কাজটা করলেন।

নৌ-সেনা সূত্রে খবর, গত মাসের শুরুতে আরও একটা ধাপ পার করেছে ভারতে তৈরি বিমানবাহী রণতরী। বিক্রান্ত ফুললি অপারেশনাল মোডে এসেছে। এর অর্থ, একটা অস্ত্রের যতটা ক্ষমতা, তার একশো শতাংশ প্রয়োগ পারা। দুনিয়ার বড় শক্তিগুলির হাতে যে বিমানবাহী রণতরী রয়েছে, তার মাত্র ৫০ শতাংশ ফুললি অপারেশনাল। কারণ যে কোনও রণতরীরই সেই স্তরে পৌঁছনোটা প্রযুক্তিগতভাবে জটিল। সেজন্য অনেক সময় লাগে। আর তাই আইএনএস বিক্রান্তের ফুললি অপারেশনাল মোডে পৌঁছনো সব অর্থেই ঐতিহাসিক সাফল্য।

১৮টি মিগ ২৯কে ফাইটার জেট, মাল্টি রোলার কপ্টার সহ একসঙ্গে ৩০টি বিমান অপারেট করতে পারে আইএনএস বিক্রান্ত। এবার এর বুক চিরে রাফালও উড়বে। মেরিন রাফালের অপারেশনাল কভারেজ এরিয়া প্রায় ১২৫ কিলোমিটার। সুখোইয়ের ক্ষেত্রে ৭৫। অর্থাৎ বিক্রান্ত- রাফাল জুটি ভারতীয় জলসীমাকে অনেকটা সুরক্ষিত করবে।

নৌ-সেনার অবসরপ্রাপ্ত অফিসার অনিল জয় সিং জানিয়েছেন, ভারত মহাসাগর ও আরব সাগরে চিনের কথা মাথায় রেখেই আইএনএস বিক্রান্তকে তৈরি করা হয়েছে। আইএনএস বিক্রান্ত ফুললি অপারেশনাল মোডে চলে আসায় ভারত মহাসাগরে দেশের জলসীমা অনেক সুরক্ষিত হল। তাঁর কথায়, চিন যদি তাদের নৌ-বাহিনীর সেরা অস্ত্র ফুজিয়ানকেও এগিয়ে দেয়, তা হলেও তার মহড়া নিতে তৈরি আইএনএস বিক্রান্ত। মনে রাখতে হবে, ফুজিয়ান ২০১৯ সালে জলে ভাসলেও এখনও ফুললি অপারেশনাল মোডে পৌঁছয়নি। সেটা হতে এখনও ২ বছর লাগবে। ক্ষমতা ও প্রযুক্তিতে বিক্রান্তের তুলনায় অনেক এগিয়ে ফুজিয়ান। তবে রাফাল যোগ হওয়ার পর ফুজিয়ানের মহড়া নিতে বিক্রান্তের খুব একটা সমস্যা হবে না বলেই মত নৌ-সেনা কর্তাদের।



 অগ্নিমিত্রার 'মডেল' হল মুম্বইয়ের মেরিন ড্রাইভ। সেখানে যেভাবে আরব সাগরের দুপারে অত্যাধুনিক শহর তৈরি হয়েছে, সেই ধাঁচেই তৈরি করা হবে সবকিছু। শুধু ঘাটগুলি সাজানো নয়, মেট্রো, হাইওয়ে, সাইকেল ট্র্যাক থেকে শুরু করে বিরাট পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তিনি। এই পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর দফতরেও।


 শহরের রাস্তায় মাঝেমধ্যেই বেরিয়ে পড়েন মন্ত্রী। কোথাও পরিচ্ছন্নতা, কোথাও উন্নয়ন, কোথাও নতুন করে সাজানোর বার্তা দিয়ে আসেন। আর এবার একেবারে বড় স্বপ্নের কথা বললেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul)। সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে তিনি একাধিক প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেছেন। গঙ্গার দুই পারের পুরো এলাকা একেবারে নতুন ধাঁচে সাজানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তিনি।


এ ক্ষেত্রে অগ্নিমিত্রার ‘মডেল’ হল মুম্বইয়ের মেরিন ড্রাইভ। সেখানে যেভাবে আরব সাগরের দুপারে অত্যাধুনিক শহর তৈরি হয়েছে, সেই ধাঁচেই তৈরি করা হবে সবকিছু। শুধু ঘাটগুলি সাজানো নয়, মেট্রো, হাইওয়ে, সাইকেল ট্র্যাক থেকে শুরু করে বিরাট পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তিনি। এই পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর দফতরেও।


ঋতর পোস্ট করা এই ছবি ঘিরে এখন তোলপাড়!
মন্ত্রী জানান, মেরিন ড্রাইভের পাশে যেমন হোটেল আছে, অফিস আছে। সেরকমই উন্নয়ন চাইছেন তিনি। বলেন, “অনেক বড় স্বপ্ন দেখছি। উপরে ফোর লেন হাইওয়ে থাকবে। সাইকেল ট্র্যাক থাকবে। সাইকেল ট্র্যাকের জন্য নেদারল্যান্ডের একটি সংস্থার সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে।”


বর্তমানে এক একটি ঘাট উন্নয়ন করা হচ্ছে বলে জানান অগ্নিমিত্রা। তিনি বলেন, ডায়মন্ড হারবার থেকে এসপ্লানেড অবধি নীচ দিয়ে যদি একটা মেট্রো চালানো যায়, তাহলে ভালো হবে। এছাড়া থাকবে, হাঁটার জন্য আলাদা রাস্তা। বিরাট বড় প্ল্যান পিএমও-র সঙ্গে শেয়ার করা হয়েছে বলে জানান তিনি। অনেক শেয়ার হোল্ডার আছে। অর্থাৎ একাধিক দফতর মিলে এটি তৈরি করা হচ্ছে। বিরাট বাজেটের ব্যাপার বলেও জানিয়েছেন অগ্নিমিত্রা।



বাংলার উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে মঙ্গলবার থেকেই শুরু হয়েছে প্রবল বৃষ্টি। আজও চলছে। আর এর মধ্যেই বড় খবর। বিদ্যুৎ সরবরাহের সমস্যার জেরে দিঘা ঢোকার মুখেই ট্রেনে বিপত্তি। পাওয়ার সাপ্লাই বন্ধ হয়ে যাওয়ায়, দিঘা ঢোকার আগে তাম্রলিপ্ত এক্সপ্রেস দাঁড়িয়ে যায়। সমস্যায় যাত্রীরা। প্রায় দীর্ঘ দু'ঘণ্টা ধরে দাঁড়িয়ে ছিল এই ট্রেন।


 দিঘা ঢোকার আগেই থেমে গেলে তাম্রলিপ্ত এক্সপ্রেস, আর এগোতে পারছে না, কেন?
তাম্রলিপ্ত এক্সপ্রেস

ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের ল্যান্ডফল প্রক্রিয়া বুধবার ভোরে অন্ধ্র প্রদেশ ও পুদুচেরির ইয়ানাম উপকূল বরাবর শুরু হয়। এর জেরে সংশ্লিষ্ট এলাকায় প্রবল বৃষ্টিপাত হচ্ছে। বাংলার উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে মঙ্গলবার থেকেই শুরু হয়েছে প্রবল বৃষ্টি। আজও চলছে। আর এর মধ্যেই বড় খবর। বিদ্যুৎ সরবরাহের সমস্যার জেরে দিঘা ঢোকার মুখেই ট্রেনে বিপত্তি। বৈদ্যি বন্ধ হয়ে যাওয়ায়, দিঘা ঢোকার আগে তাম্রলিপ্ত এক্সপ্রেস দাঁড়িয়ে যায়। সমস্যায় যাত্রীরা। প্রায় দীর্ঘ দু’ঘণ্টার বেশি সময় ধরে দাঁড়িয়ে আছে এই ট্রেন।


হাওড়া থেকে প্রতিদিনের মতোই তাম্রলিপ্ত এক্সপ্রেস ছেড়েছিল। আজ সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ ঢোকার কথা ছিল তার। কিন্তু দিঘা থেকে ১ কিলোমিটার দূরে হঠাৎ লোডশেডিং হয়ে যায়। ট্রেনে বন্ধ হয়ে যায় বিদ্যুতের সরবরাহ। এরপরই যাত্রী বোঝাই এক্সপ্রেস থেমে যায় মাঝ রাস্তায়। প্রায় দু’ঘণ্টা হয়ে গিয়েছে, এখনও চলছে না ট্রেন। এ দিকে ট্রেন দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার কারণে যাত্রীদের একাংশ ট্রেন থেকে নেমে যান। ব্যাগ-লাগেজ নিয়ে সকলে হেঁটেই রওনা দিতে শুরু করেন গন্তব্যে।


 ম্যাচিওর পুরুষ পছন্দ শ্রীময়ীর, কাঞ্চনকে প্রথমবার চুমু খেয়ে কেমন লেগেছিল? শ্রীময়ী বললেন 'দাগ কেটে...'
প্রসঙ্গত, ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের জন্য হাওড়া থেকে চারটি ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। কোনও ট্রেন ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত বাতিল করা হয়েছে। আবার কোনও ট্রেন ৫ নভেম্বর পর্যন্ত বাতিল করা হয়েছে। রেলের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ১৮১০৭ রাউরকেলা-জগদলপুর এক্সপ্রেস ২৯ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত বাতিল থাকবে। অন্যদিকে, ১৮১০৮ জগদলপুর-রাউরকেলা এক্সপ্রেস ৩০ অক্টোবর থেকে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে না।এছাড়াও, ১৮০০৫ হাওড়া-জগদলপুর এক্সপ্রেস ২৭ অক্টোবর থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত বাতিল করা হয়েছে। একইভাবে ১৮০০৬ জগদলপুর-হাওড়া এক্সপ্রেস ২৮ অক্টোবর থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে না।



 এ দিন চার রাজ্যে বিধান পরিষদের ফল প্রকাশ হয়। উত্তর প্রদেশে ১১টি আসনের মধ্যে চার আসনে আপাতত জয়ী হয়েছে বিজেপি। কর্নাটকে চার আসনের মধ্যে তিনটিতেই জয়ী হয়েছে বিজেপি। অন্যদিকে মহারাষ্ট্র ও বিহারেও মোটামুটি ভালো ফল করেছে বিজেপি। 

সরাসরি কংগ্রেসকে খোঁচা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (PM Narendra Modi)। চারটি বড় রাজ্যে বিধান পরিষদের নির্বাচন (MLC Election) হয়েছে। আজ ফল প্রকাশ হতেই দেখা গেল, একটিতেও খাতা খুলতে পারেনি কংগ্রেস (Congress)। তাদের এই শোচনীয় ফল নিয়েই এবার একহাত নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।


এ দিন চার রাজ্যে বিধান পরিষদের ফল প্রকাশ হয়। উত্তর প্রদেশে ১১টি আসনের মধ্যে চার আসনে আপাতত জয়ী হয়েছে বিজেপি। কর্নাটকে চার আসনের মধ্যে তিনটিতেই জয়ী হয়েছে বিজেপি। অন্যদিকে মহারাষ্ট্র ও বিহারেও মোটামুটি ভালো ফল করেছে বিজেপি।



এই ফল প্রকাশের পরই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে লেখেন, “উত্তর প্রদেশ, কর্নাটক, বিহার ও মহারাষ্ট্র- চারটি বড় রাজ্যে ২৮টি আসনে বিধান পরিষদ নির্বাচন হয়েছে। ব্যালট পেপার ব্যবহার করেই ভোট হয়েছে। কংগ্রেস ক’টা আসনে জয়ী হয়েছে, গেস করুন।”



‘ এর আগে শুভেন্দু সরাসরি বলেছিলেন 'ভাইপো গ্যাং'-এর কথা। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "চন্দ্রনাথকে খুন করতে শ্যুটার এবং তাঁদের যাঁরা সুপারি দিয়েছিলেন তেমন সাত জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আমার যেটুকু জানা আছে, ওকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য দু'কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে। এই টাকা সরবরাহের কাজ ভাইপো গ্যাং করেছে।'


আগেও বলেছিলেন। আবারও বললেন, তাঁর প্রয়াত পিএ চন্দ্রনাথ রথের খুনের পিছনে থাকতে পারে সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মদত। এর আগে ‘ভাইপো গ্যাং’ বলে মন্তব্য করেছিলেন। আর বুধবার নাম না করে ঘুরিয়ে সেই দিকেই ইঙ্গিত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।


নন্দীগ্রাম বিধানসভা ভোটে এবার প্রার্থী হয়েছিলেন চন্দ্রনাথ রথের মা হাসিরানি রথ। আজ ছিল তাঁর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “হাসি রানির ছেলেকে নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে আমার সহযোগী ছিল বলে। সাত জনকে সিবিআই গ্রেফতার করেছে। সুপারি কিলার আর শ্যুটার গ্রেফতার হয়েছে। এখন ২ কোটি টাকা সুপারি কে দিয়েছিল সেটা জানা বাকি। বিচার পাবেন হাসি রানি।”



মাঝসমুদ্রে ৪৮ ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস অভিযান! জলদস্যুদের কবল থেকে ২০ জনকে উদ্ধার করল ভারতীয় নৌসেনা
তারপরই নাম না করে ঘুরিয়ে বলেন, “এই ২ কোটি কোথা থেকে এসেছিল? কালীঘাট নাকি ক্যামাকস্ট্রিট থেকে এসেছিল? নাকি ডায়মন্ড-হারবারের কেউ দিয়েছিল? এইটুকুই জানা বাকি। এটা জানা হয়ে গেলেই তদন্তের বৃত্ত সম্পূর্ণ হবে আমার বিশ্বাস।” এর আগে শুভেন্দু সরাসরি বলেছিলেন ‘ভাইপো গ্যাং’-এর কথা। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ” “চন্দ্রনাথকে খুন করতে শ্যুটার এবং তাঁদের যাঁরা সুপারি দিয়েছিলেন তেমন সাত জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আমার যেটুকু জানা আছে, ওকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য দু’কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে। এই টাকা সরবরাহের কাজ ভাইপো গ্যাং করেছে।’ এরপর ফের একবার নাম না করে অভিষেকের দিকেই ইঙ্গিত ঘোরালেন শুভেন্দু।



এখানে উল্লখ্য, গত সোমবার তৃণমূলের নথি ছিনতাইয়ের অভিযোগ তুলে মুখ খুলেছিলেন আখরুজ্জামানও। জানিয়েছিলেন, লরিতে করে হলফনামা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছিল। হরিয়ানার বর্ডারে অস্ত্র দেখিয় লরিটা অন্যদিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়। পিছনে দলের গাড়ি ছিল।


নির্বাচন কমিশনে হলফনামা জমা দেওয়ার আগেই নাকি সব হলফনামা ছিনতাই করার চেষ্টা হয়েছে। সোমবার সকালেই সোশ্যাল মিডিয়ায় এই অভিযোগ জানিয়েছিলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় (Ritabrata Banerjee)। এবার সেই ঘটনায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের সিআইডি তদন্তের আশ্বাস মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। আর সেই আশ্বাস দিতে দিতেই হেসে ফেললেন তিনি।


এ দিন বিধানসভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ” আপনারা নিজেরা লড়ুন। ঋতব্রত বলেছেন, তাদের নথি ছিনতাইয়ের চেষ্টা হয়েছে। যদি FIR করেন মামলা CID-কে দেব। এই ধরনের ঘটনা না হওয়াই ভালো।” বলতে বলতেই কার্যত হেসে ফেলেন তিনি। তবে কি তৃণমূলকে ব্যাঙ্গ করলেন তিনি?



মাঝসমুদ্রে ৪৮ ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস অভিযান! জলদস্যুদের কবল থেকে ২০ জনকে উদ্ধার করল ভারতীয় নৌসেনা
এখানে উল্লখ্য, গত সোমবার তৃণমূলের নথি ছিনতাইয়ের অভিযোগ তুলে মুখ খুলেছিলেন আখরুজ্জামানও। জানিয়েছিলেন, লরিতে করে হলফনামা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছিল। হরিয়ানার বর্ডারে অস্ত্র দেখিয় লরিটা অন্যদিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়। পিছনে দলের গাড়ি ছিল। লরিতে কয়েক লক্ষ হলফনামা ছিল বলে দাবি করেছেন তিনি। কাদের বিরুদ্ধে নথি ছিনতাইয়ের অভিযোগ? এই প্রশ্নের উত্তরে আখরুজ্জামান বলেন, “আমাদের প্রতিপক্ষ কালীঘাট। আমাদের হাতে কয়েক লক্ষ কর্মীর হলফনামা আছে। কালীঘাটের কাছে এত কর্মী নেই। ওরাই হাইজ্যাক করেছে।” বিধায়কের দাবি, মমতা তৃণমূলের কাছে মাত্র কয়েক’শ বা কয়েক হাজার হলফনামা আছে। এই প্রসঙ্গেই আজ সিআইডির কথা শোনা যায় শুভেন্দুর মুখে।


 দিন সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চে এই পিটিশনগুলির শুনানি চলছিল। তাতেই বলা হয়, ফর্ম ৬, ফর্ম ৭ ও ফর্ম ৮-র একটি নির্দিষ্ট ফরম্যাট রয়েছে। এটি পরিবর্তন করা যায় না। 


ফর্ম ৬, ৭ ও ৮- এ পরিবর্তন করতে পারে না নির্বাচন কমিশন। আজ এসআইআর নিয়ে একগুচ্ছ পিটিশনের শুনানিতে এ কথাই বলল সুপ্রিম কোর্ট। একইসঙ্গে শীর্ষ আদালত প্রশ্ন তুলল যাদের নাম ইতিমধ্যেই ভোটার তালিকায় ছিল, তাদের নাম পুনরায় ভোটার তালিকায় তোলার জন্য কেন ফর্ম ৬ পূরণ করতে বলা হচ্ছে? ফর্ম ৬ নতুন ভোটারদের নাম তোলার জন্য।


দিল্লিতে ভোটার তালিকায় নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে একগুচ্ছ পিটিশন জমা পড়েছে। এ দিন সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চে এই পিটিশনগুলির শুনানি চলছিল। তাতেই বলা হয়, ফর্ম ৬, ফর্ম ৭ ও ফর্ম ৮-র একটি নির্দিষ্ট ফরম্যাট রয়েছে। এটি পরিবর্তন করা যায় না।


 ঋতর পোস্ট করা এই ছবি ঘিরে এখন তোলপাড়!
দিল্লিতে সামনে বিধানসভা নির্বাচন নেই। তবুও কেন নির্বাচন কমিশন ৩০ অক্টোবরের ডেডলাইন দিয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। বলা হয়, “ভোটার তালিকায় পুনরায় নাম তোলার জন্য কোনও কাট অফ ডেট সেট করবেন না।”


যারা বিভিন্ন কারণে এনুমারেশন ফর্ম জমা করতে পারছেন না বা পারেননি, সেই সকল ভোটারদের জন্য সহজ কোনও সমাধান খোঁজার নির্দেশও দেওয়া হয় নির্বাচন কমিশনকে। প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ এ দিন বলে, যাদের আগে ভোটার তালিকায় নাম ছিল, কিন্তু এখন নেই, তাদের নতুন ভোটার হিসাবে চিহ্নিত না করে, তাদের জন্য নির্দিষ্ট সমাধান খোঁজা উচিত।

প্রধান বিচারপতি বলেন যে নির্বাচন কমিশনের ভোটারদের আবেদন জমা করার জন্য অপেক্ষা করা উচিত নয়, বরং তাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করার, তাদের কাছে পৌঁছে যাওয়ার প্রচেষ্টা করা উচিত। নির্বাচন কমিশনকে ফর্ম-৬, ফর্ম ৭ ও ফর্ম ৮ গ্রহণের প্রক্রিয়া চালু রাখার পাশাপাশি সহজ পদ্ধতিও খোঁজার নির্দেশ দেওয়া হয়।



সাধারণত প্রতি বছর দুবার করে মহার্ঘ ভাতা বৃদ্ধি করে সরকার। কর্মীদের বেসিক পে-র উপর নির্দিষ্ট শতাংশের ডিএ দেওয়া হয়। বাজারে মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কর্মীদের বেতন ও পেনশন বাড়ানোর জন্য ডিএ বাড়ানো হয়।


উৎসবের আবহে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের জন্য বড় ঘোষণা। মহার্ঘ ভাতা (DA Hike) বাড়ানোর ঘোষণা করল কেন্দ্র। ৩ শতাংশ ডিএ বাড়ানোর ঘোষণা হল বুধবার। এই ঘোষণায় উপকৃত হবেন লক্ষাধিক সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগী।


সাধারণত প্রতি বছর দুবার করে মহার্ঘ ভাতা বৃদ্ধি করে সরকার। কর্মীদের বেসিক পে-র উপর নির্দিষ্ট শতাংশের ডিএ দেওয়া হয়। বাজারে মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কর্মীদের বেতন ও পেনশন বাড়ানোর জন্য ডিএ বাড়ানো হয়।


ঋতর পোস্ট করা এই ছবি ঘিরে এখন তোলপাড়!
৩ শতাংশ ডিএ বাড়িয়ে ৬০ থেকে ৬৩ শতাংশ করা হল মহার্ঘ ভাতা। এর ফলে সরকারের খরচ বাড়তে চলেছে ১০,০১৬ টাকা।


এর আগে ২০২৬-এর এপ্রিলে ২ শতাংশ ডিএ বাড়ানোর কথা ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় সরকার। গত জানুয়ারি মাস থেকে সেই ডিএ কার্যকর হয়। এবার যে ঘোষণা হল, তা গত জুলাই মাস থেকে কার্যকর হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এ রাজ্যে বিজেপি সরকার প্রথম বাজেটে সরকারি কর্মীদের জন্য বড় ঘোষণা করেছিল রাজ্য। ২০ শতাংশ ডিএ ঘোষণা করেছিলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। ফলে ১৮ শতাংশ থেকে বেড়ে রাজ্য সরকারি কর্মীদের ডিএ দাঁড়িয়েছে ৩৮ শতাংশে। সেইসময় কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা ৬০ শতাংশ হারে ডিএ পেতেন। এবার আরও ২ শতাংশ ফারাক বেড়ে গেল।



কলকাতা পুলিশের দাবি, তদন্তে সাড়া দেননি ইন্দ্রনীল সেন। বারবার তলবও করা হয়েছিল তাঁকে। এদিন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের সদস্যরা ইডি দফতরের বাইরেই অপেক্ষা করছিলেন। দুপুর থেকেই মোতায়েন করা হয়েছিল বিশাল পুলিশ বাহিনী।


 গ্রেফতার রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন (Indranil Sen)। সুজিত বসুর পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জমানার আরও এক মন্ত্রীকে গ্রেফতার করা হল। বুধবার সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বেরতেই ইন্দ্রনীলকে গাড়িতে তুলে নেন পুলিশ আধিকারিকরা। পুজোর পাসের নামে কোটি কোটি টাকা জালিয়াতির মামলায় গ্রেফতার করা হল ইন্দ্রনীলকে।


বুধবার দুপুরে নির্ধারিত সময়ে সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছে যান ইন্দ্রনীল সেন। দুপুরে যখন তাঁকে ইডি দফতরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছিল, তখন বাইরে অপেক্ষা করছিল বিশাল পুলিশ বাহিনী। তিনি বাইরে পা রাখতেই তাঁকে গাড়িতে তুলে নেয় পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, পুজোর পাসের নামে জালিয়াতির অভিযোগ দায়ের হয় ইন্দ্রনীলের বিরুদ্ধে। বারবার চেষ্টা করেও তাঁর নাগাল পাচ্ছিল না পুলিশ। আদালতে ছুটলেও পুলিশের কাছে ধরা দিচ্ছিলেন না তিনি। সেই কারণে পুলিশ এদিন ওঁৎ পেতে ছিল।



 ঋতর পোস্ট করা এই ছবি ঘিরে এখন তোলপাড়!
কী অভিযোগ ইন্দ্রনীলের বিরুদ্ধে
দুর্গাপুজোর পাস বিক্রির অভিযোগ উঠেছে ইন্দ্রনীল সেনের নামে। ঘটনায় নাম নাম জড়ায় ইন্দ্রনীল ও তাঁর স্ত্রীর। তাঁদের সংস্থা ‘মাস আর্ট’-এর মাধ্যমে ইউনেস্কোর নামে পুজোর পাস বিক্রি করা হত বলে অভিযোগ। ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে ভিআইপি পাস ও টিকিট চড়া দামে বিক্রি করার গুরুতর অভিযোগ ওঠে ইন্দ্রনীলের বিরুদ্ধে। সেই মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি তদন্ত শুরু করে। তাঁর বাড়িতে তল্লাশিও চালানো হয়।


আগাম জামিনের আর্জি খারিজ হয়ে যায়
কলকাতা হাইকোর্টে আগাম জামিন চেয়ে আর্জি জানিয়েছিলেন ইন্দ্রনীল সেন। কিন্তু সেই শুনানিতে স্বস্তি পাননি তিনি। তাঁর আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয় বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের বেঞ্চ। এরপর গ্রেফতারির আশঙ্কা জোরাল হতেই সুপ্রিম কোর্টে ছুটলেন প্রাক্তন মন্ত্রী। কিন্তু শুনানি থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত। ব্যক্তি ইন্দ্রনীল সেন ও তাঁর সম্পর্কিত মামলার সঙ্গে পূর্বে যুক্ত থাকার কারণে বিচারপতি এই সিদ্ধান্ত নেন। ফলে শুনানি হয়নি। এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে আগামী ২ নভেম্বর।

ইন্দ্রনীলের বিরুদ্ধে কী কী অভিযোগ
২০২২ সালে হঠাৎ একটি সংস্থা গড়ে ওঠে। প্রেসিডেন্ট হন ইন্দ্রনীল সেনের স্ত্রী মধুছন্দা।

UNESCO সঙ্গে হাত মিলিয়েছে বলে দাবি করে সেনদের সংস্থা ‘মাস আর্ট’।

২৪টা দুর্গাপুজোর প্যান্ডেলকে বেছে নেওয়া হয়েছে বলে মিথ্যা দাবি করে ‘মাস আর্ট’।

এই পুজোগুলি দেখতে হলে প্রথম চারদিন টিকিট কেটে দেখতে হবে বলে দাবি করা হয়।

UNESCO-নাম ও লোগো ব্যবহার করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ ভুয়ো।

পুজোর পাস বিক্রি করে ৬০ কোটি টাকার বেশি হাতানো হয়েছে।

UNESCO জানায় তাদের সঙ্গে কোনও সংস্থার চুক্তি হয়নি।

আন্তর্জাতিক সংস্থার পরামর্শদাতা জয়দীপ মুখোপাধ্যায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়।



 এ দিন বিকেলে সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "ক্যাবিনেটের মিটিংয়ে কয়েকটা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়েছে। একটা হচ্ছে, আমাদের বিভিন্ন দফতরে নিয়োগ। গত ক্যাবিনেটে ৪৫ হাজার পদ তৈরি করা হয়েছিল। আজকে আর্বান ডেভলপমেন্ট, হেলথ অ্যান্ড ফ্যামিলি প্ল্যানিং সহ মিলিয়ে ১১৯৯ নতুন পোস্ট তৈরি করা হয়েছে।"


বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর। শিক্ষকরা আর প্রত্যক্ষ রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারবেন না। আজ, বুধবার (২৮ অক্টোবর) নবান্নের সভাঘর থেকে এ কথা স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।


এ দিন বিকেলে সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ক্যাবিনেটের মিটিংয়ে কয়েকটা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়েছে। একটা হচ্ছে, আমাদের বিভিন্ন দফতরে নিয়োগ। গত ক্যাবিনেটে ৪৫ হাজার পদ তৈরি করা হয়েছিল। আজকে আর্বান ডেভলপমেন্ট, হেলথ অ্যান্ড ফ্যামিলি প্ল্যানিং সহ মিলিয়ে ১১৯৯ নতুন পোস্ট তৈরি করা হয়েছে। এগুলি আমরা দ্রুত বিজ্ঞপ্তি, পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ করব। মোট এখনও অবধি প্রায় কয়েকটা ক্যাবিনেট মিলিয়ে ৬০ হাজারের মতো রিক্রুটমেন্ট করেছি। মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ হবে।”


রাজনীতি করতে পারবেন না শিক্ষকরা-
এরপরই মুখ্যমন্ত্রী বড় সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, “আমরা একটা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ভারতবর্ষের কোনও রাজ্যে শিক্ষকরা সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে থাকে না। পশ্চিমবঙ্গ সরকার আজকে ক্যাবিনেট বৈঠকে একটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আজকের পর থেকে যে শিক্ষক নিয়োগ হবে, তারা অন্যান্য রাজ্যের মতোই প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে অর্থাৎ পঞ্চায়েত, পুরসভা, লোকসভা, বিধানসভায় লড়তে পারবেন না। প্রত্যক্ষ রাজনীতি করতে পারবেন না।”


যারা রাজনীতি করতেন, তাদের কী হবে?
যে শিক্ষকরা দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত, তাদের ছাড় দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “যারা রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন, তারা যে স্বাধীনতা পেয়েছেন, তাদের সেই অধিকার খর্ব করছি না। আজকের পর থেকে যা নিয়োগ হবে, তারা প্রত্যক্ষ রাজনীতি করতে পারবেন না। এটা আমরা স্কুল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগ প্রক্রিয়ার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করলাম। আমরা চাই পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষার মান বাডুক। ৩৪ বছরের কমিউনিস্ট ও ১৫ বছরের দুর্নীতিগ্রস্ত তৃণমূল কংগ্রেস , যাদের মাইন্ডসেট ছিল গ্রেটার বাংলাদেশ তৈরি করার, সেই জায়গা থেকে শিক্ষা ব্যবস্থাকে, শিক্ষা প্রাঙ্গণ, শিক্ষা মন্দিরকে, শিক্ষক শব্দের যে মর্যাদা, সেটা ফিরিয়ে আনা। এটি বড় উদ্যোগ।”



৩জি আরও অনেক আছে বলে উদাহরণ দিতে গিয়ে করুণানিধি, স্ট্যালিন, উদয়নিধির কথাও বলেন তিনি। তারপর বলেন, "২ জি-র তো ছড়াছড়ি। "পিসি-ভাইপো, মৌলানা-মুলায়ম, লালু- তেজস্বী, মুফতি-মেহবুবা। মোদীজির কিচ্ছু নেই।"


ভারতীয় রাজনীতিতে পরিবারবাদ নিয়ে বারবার সরব হয়েছে বিজেপি। বিশেষত এ রাজ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উত্থানের পরও পরিবারবাদ নিয়ে একাধিকবার সরব হয়েছেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এবার সেই প্রসঙ্গেই ৪জি, ৩জি তত্ত্ব বোঝালেন মুখ্যমন্ত্রী।


সোমবার কলকাতার পর শিলিগুড়িতে বিশেষ কর্মসূচি ছিল বিজেপির। উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারও। সেখানেই এই তত্ত্বের ব্যাখ্যা দেন শুভেন্দু।


ভয়ঙ্কর অভিযোগ! দলীয় কর্মীদের মারেই মাথা ফাটল বিজেপি বিধায়কের
তিনি বলেন, “ভারতে ৪জি আছে, ৩জি আছে, ২জি আছে। মোদীজির কোনও জি নেই।” এরপরই তিনি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন, “৪জি হল, চাচা নেহরু, বেটি ইন্দিরা, রাজীব গান্ধী, রাহুল গান্ধী। ৩ জি হল শেখ আব্দুল্লা, ফারুক আব্দুল্লা, ওমর আব্দুল্লা।” এরকম ৩জি আরও অনেক আছে বলে উদাহরণ দিতে গিয়ে করুণানিধি, স্ট্যালিন, উদয়নিধির কথাও বলেন তিনি। তারপর বলেন, “২ জি-র তো ছড়াছড়ি। “পিসি-ভাইপো, মৌলানা-মুলায়ম, লালু- তেজস্বী, মুফতি-মেহবুবা। মোদীজির কিচ্ছু নেই। আগে দেশ, পিছে দেশ।”


এদিন শিলিগুড়িতে একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতিও দিয়ে এসেছেন তিনি। বলেছেন, শিলিগুড়িবাসীর যাতে কখনও মনে না হয় যে কলকাতা তথা দক্ষিণের নেতা বলে মুখ্যমন্ত্রী বঞ্চিত করছেন। একইসঙ্গে তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, শিলিগুড়িতে আইআইটি-র মতো কোনও প্রতিষ্ঠানও তৈরি করবেন তিনি।

L


শিশুদের জন্য সরকারি আইসিডিএস কেন্দ্র থেকে সরবরাহ করা খিচুড়িতে মরা মাকড়সা থাকার অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল নামখানার শিবনগর আবাদ এলাকায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিশুদের খাবারের পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নামখানা থানার অন্তর্গত শিবনগর আবাদের নামখানা ইউনিয়ন নিম্ন বুনিয়াদি বিদ্যালয়ের আইসিডিএস কেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ। এলাকার বাসিন্দা অনুপম পাল সকালে কেন্দ্র থেকে খিচুড়ি বাড়িতে নিয়ে আসেন। সেই খাবার খেতে গিয়ে তাঁর স্ত্রী সুস্মিতা পাল খিচুড়ির মধ্যে পোকা জাতীয় কিছু দেখতে পান। ভালো করে পরীক্ষা করতেই সেটি মরা মাকড়সা বলে দাবি করেন তিনি।

এরপরই আইসিডিএস কর্মী সীতা ওঝাকে ফোন করে বিষয়টি জানান সুস্মিতা। তাঁর অভিযোগ, কর্মী ফোনে জানান, স্কুলের রান্নাঘর অন্ধকার থাকায় সেখানে কিছু পড়ে যেতে পারে। পাশাপাশি বাড়িতে থাকা খিচুড়ি ফেলে দেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

অভিযোগ, ততক্ষণে কেন্দ্রের অধিকাংশ শিশুই খিচুড়ি খেয়ে নিয়েছে। ফলে বিষয়টি সামনে আসতেই উদ্বেগ ছড়িয়েছে অভিভাবকদের মধ্যে।

অন্যদিকে, আইসিডিএস কর্মী সীতা ওঝার বক্তব্য, “মাকড়সাটি স্কুলে পড়েছে, নাকি বাড়িতে, তা নিশ্চিত নই। রান্নাঘর অন্ধকার। যদি স্কুল থেকে পড়ে থাকে, তাহলে আমাদের ভুল হয়েছে। আগামী দিনে আরও সতর্কতার সঙ্গে রান্না করা হবে।”

তবে খাবারে সত্যিই কীভাবে মাকড়সাটি এল, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে। রান্নাঘরে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা এবং শিশুদের হাতে খাবার তুলে দেওয়ার আগে তা পরীক্ষা করা হয় কি না, উঠছে সেই প্রশ্নও। ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে শিশুদের খাবারের গুণমান ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

গঙ্গাসাগরের কয়লা পাড়া উত্তর হারাধনপুর দেবী মথুরাপুরে গ্রামবাসীর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত হতে চলেছে সার্বজনীন কালীমাতার পুজো। স্থানীয়দের অদম্য উৎসাহ ও ভক্তিময় পরিবেশের মধ্য দিয়ে এই পুজো এবার পদার্পণ করল ২০ তম বছরে। দুই দশকের এই বিশেষ মাইলফলককে সামনে রেখে পুজো কমিটি ও গ্রামবাসীরা গ্রহণ করেছেন এক বিশাল আয়োজন। 


বিগত চার বছর ধরে এই পুজোয় ঐতিহ্যগতভাবে বিশাল আকারের কালী প্রতিমা তৈরি করা হচ্ছে। সেই ধারা বজায় রেখে এ বছরও গড়া হচ্ছে সুবিশাল দেবী প্রতিমা, যার উচ্চতা ৪১ ফুট। বর্তমানে জোর কদমে চলছে এই ৪১ ফুট উচ্চতার প্রতিমা তৈরির কাজ।মৃৎশিল্পীদের নিপুণ হাতে দিনরাত এক করে দেবী প্রতিমা ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে। বিশাল এই প্রতিমাকে ঘিরে স্থানীয় ও আশপাশের অঞ্চলের মানুষের মধ্যে ইতিমধ্যেই প্রবল উৎসাহ ও কৌতূহল দেখা দিয়েছে।পুজোর আর মাত্র হাতে গোনা কয়েকটা দিন বাকি।

 ফলে প্রস্তুতি চলছে তুঙ্গে। এ বছর পুজোর দিনগুলোতে দর্শনার্থীদের জন্য থাকছে বিশেষ আকর্ষণের আয়োজন।মণ্ডপ প্রাঙ্গণ ও সংলগ্ন এলাকা সাজিয়ে তোলা হচ্ছে চোখধাঁধানো আলোকসজ্জায়। প্রতিবারের মতো এবারও আয়োজন করা হচ্ছে পুজোর মেলার, যেখানে থাকবে নাগরদোলা সহ নানা ধরনের বিনোদনমূলক রাইড ও হরেক রকমের খাবারের দোকান। পাশাপাশি কয়েকদিন ধরে চলবে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এই জাঁকজমকপূর্ণ পুজোর শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সাগর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক সুমন্ত মণ্ডল, সাগরের বিডিও অনন্ত কুমার গোস্বামী, সাগর থানার ওসি অর্পণ নায়ক সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। ২০ তম বছরের এই বিশেষ উদযাপনে কয়লা পাড়া উত্তর হারাধনপুর দেবী মথুরাপুর এলাকায় এখন থেকেই উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছে। ৪১ ফুটের প্রতিমা এবং জমজমাট মেলা দেখতে প্রচুর দর্শনার্থীর আগমন ঘটবে বলে আশাবাদী পুজো উদ্যোক্তারা।