WEATHER

Top News


ককরোচ জনতা পার্টির মতো রাহুল গান্ধীও অবিলম্বে জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবি করেন। তিনি বলেন যে নতুন করে এই দাবি তুলছেন না। বিগত তিন বছর ধরে এই ইস্যু নিয়ে তিনি সরব। কোনও কল্পনা নয়, তথ্য প্রমাণ নিয়ে তিনি এই দাবিগুলি করছেন।


নির্বাচন কমিশন বিতর্কে সরগরম দেশ। ৪৮ ঘণ্টার মধ্য়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবি করেছে ককরোচ জনতা পার্টি। এবার সেই দাবি তুললেন কংগ্রেস সাংসদ তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। বললেন, কংগ্রেস চুপ থাকবে না। দেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করতে দেবে না।


ভোট চুরির পর কানুন চুরি!
এ দিন নয়া দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে রাহুল গান্ধী বলেন, “ভোট চুরির পর এল কানুন চুরি। আজ ভোট নেই, আইন তৈরির ব্যবস্থাও নষ্ট হয়ে গিয়েছে। যদি ভোট চুরি হয়, তার মানে ভোট পেয়ে দেশের নির্বাচিত সাংসদদের তৈরি করা আইনও বেআইনি।”


 'নোটিস দেওয়া হচ্ছে, জমি ফেরত নেওয়া হবে', এবার কোন শিল্পপতিদের থেকে জমি ফেরত নেবে সরকার? স্পষ্ট করে দিলেন মন্ত্রী
জ্ঞানেশ কুমারকেই এই সবের জন্য দায়ী করেন রাহুল গান্ধী। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তির প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “আমাদের দেশের ভিত হল ভোট। আমাদের ভোটই নষ্ট করে দেওয়া হচ্ছে। এটা শুধু ভোটের উপরে আক্রমণ নয়, দেশের প্রতিটি নাগরিকের ভাবনাচিন্তা-মতের উপরে আক্রমণ।”


ভোট চুরিকে দেশের বিরুদ্ধে বড় চক্রান্ত বলে উল্লেখ করেন রাহুল গান্ধী। এরপর এই চক্রান্তের প্রধান চক্রী হিসাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতের ছবি দেখান। একাধিক সাংবাদিক ও পরিচালকদের ছবিও দেখান, যাদের ‘কাঠের পুতুল’ হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে রাহুল দাবি করেন।

‘দেশদ্রোহী’ জ্ঞানেশ? 
জ্ঞানেশ কুমারকে সরাসরি ‘দেশদ্রোহী’ বলে আক্রমণ করেন কংগ্রেস সাংসদ। একটু থেমে বলেন, “কারণ এটাই বাস্তব সত্য। যে ব্যক্তি ভোটের অধিকারকে আঘাত করে, ভারতের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে ভিতর থেকে ধ্বংস করে দেয়, তাকে বিশ্বাসঘাতক ছাড়া আর কী-ই বা বলা যায়? তাঁকে অন্য কোনও নামে ডাকার সুযোগ নেই। এটাই সঠিক শব্দ”।

ককরোচ জনতা পার্টির মতো রাহুল গান্ধীও অবিলম্বে জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবি করেন। তিনি বলেন যে নতুন করে এই দাবি তুলছেন না। বিগত তিন বছর ধরে এই ইস্যু নিয়ে তিনি সরব। কোনও কল্পনা নয়, তথ্য প্রমাণ নিয়ে তিনি এই দাবিগুলি করছেন। উদাহরণ দিতে উল্লেখ করেন যে তাঁর টিম ৬ মাস ধরে প্রত্য়েকটা কেন্দ্রের তথ্য সংগ্রহ করেছে, যেখানে যেখানে ভোট চুরির অভিযোগ উঠেছে।

রাহুল গান্ধী বলেন, “নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব ভোটারদের অধিকার রক্ষা করার। যদি ভোট নষ্ট করে দেওয়া হয়, তাহলে সংবিধান কাজ করছে না। ১০০ শতাংশ নিশ্চিত হওয়ার মতো তথ্য রয়েছে যে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন এবং তারপরে বিধানসভা নির্বাচনগুলিতে চুরি হয়েছে।”

প্রতিষ্ঠান বিরোধী হাওয়ায় বদল?
রাহুল গান্ধী প্রশ্ন তোলেন, কংগ্রেস এবং আঞ্চলিক দলগুলিকে যে প্রতিষ্ঠান বিরোধী হাওয়ায় (anti-incumbency) বারবার ভোটে সমস্যায় পড়েছে, পরাজিত হয়েছে, সাম্প্রতিক নির্বাচনে সেই প্রবণতা কেন যেন দেখা যাচ্ছে না?

উদাহরণ হিসাবে তিনি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর কথা উল্লেখ করেন। ১৯৭১ সালের বাংলাদেশ যুদ্ধের পর ইন্দিরা গান্ধীর জনপ্রিয়তা ব্যাপকভাবে বেড়েছিল। কিন্তু কয়েক বছরের মধ্যেই তাঁর সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানবিরোধী হাওয়া জোরালো হয়ে ওঠে। সেই প্রসঙ্গ টেনেই রাহুল প্রশ্ন করেন, “একই ঘটনা একের পর এক নেতার ক্ষেত্রে ঘটেছে। কংগ্রেস নেতাদের ক্ষেত্রে হয়েছে, আঞ্চলিক দলগুলির নেতাদের ক্ষেত্রেও হয়েছে। কিন্তু কোনও এক কারণে সেটা নরেন্দ্র মোদীর ক্ষেত্রে কখনও হচ্ছে না। অমিত শাহের ক্ষেত্রে হচ্ছে না? বিজেপির ক্ষেত্রেও হচ্ছে না?”

হরিয়ানা, মহারাষ্ট্র, উত্তর প্রদেশ, মধ্য প্রদেশ এবং গুজরাটের নির্বাচনের ফলাফলে ভোটের গ্রাফ তুলে ধরে রাহুল গান্ধী দাবি করেন, প্রতিষ্ঠানবিরোধী হাওয়ার প্রচলিত ধরণ বদলে গিয়েছে। তিনি বলেন, “কেন এমন হচ্ছে, তা বোঝার চেষ্টা করছে কংগ্রেস।” তাঁর দাবি, এর উত্তর লুকিয়ে রয়েছে নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে কিছু সমস্যার মধ্যে।

তিনি বলেন, “ভোটই আমাদের দেশের ভিত্তি। ভোটের মাধ্যমেই সংবিধান শক্তি পায়। সংবিধানের ভিত্তিতেই আইন তৈরি হয় এবং সেই আইন থেকেই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে। যদি ভোটের ভিত্তিটাই ধ্বংস করে দেওয়া হয়, তাহলে আমাদের সংবিধানও ধ্বংস হয়ে যায়। তখন তার আর কোনও ক্ষমতা থাকে না। সেটি আর ঠিকভাবে কাজ করে না। ভোট সুরক্ষার দায়িত্ব পালনে নির্বাচন কমিশন ব্যর্থ হয়েছে।”

নির্বাচন আধিকারিকদের প্রসঙ্গও তোলেন রাহুল। পাশাপাশি জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধেও প্রশ্ন উঠেছে বলে দাবি করেন গান্ধী। তাঁর অভিযোগ, এর আগে তিনি এই কথা জানিয়েছিলেন, কিন্তু তা গুরুত্ব দিয়ে শোনা হয়নি।



২০২৬ সালের ২৪ এপ্রিল জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ চেয়ে রাজ্যসভায় নোটিস দিয়েছিল বিরোধীরা। তবে, রাজ্যসভার চেয়ারম্যান এই নোটিস গ্রহণ করেননি। এবার লোকসভাতেও জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে অপসারণের নোটিশ জমা দিতে চলেছে বলে সূত্রের খবর।


দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের (Gyanesh Kumar) বিরুদ্ধে ফের ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনতে চলেছেন বিরোধীরা। ইতিমধ্যেই তার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে ইন্ডি জোট। সম্প্রতি, দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের একটি প্রতিবেদন নিয়ে হইচই পড়ে গিয়েছে। জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার (Gyanesh Kumar Impeachment) দাবি তুলেছেন বিরোধীরা। রাজ্যসভায় জমা দেওয়া জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের নোটিস নিয়ে নতুন কী পদক্ষেপ করা যায়, তা নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়। সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, ফের জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে অপসারণের নোটিস জমা দিতে চলেছেন রাহুল গান্ধীরা। এবার লোকসভায় নোটিস জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।


লোকসভাতেও অপসারণের নোটিস
২০২৬ সালের ২৪ এপ্রিল জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ চেয়ে রাজ্যসভায় নোটিস দিয়েছিল বিরোধীরা। তবে, রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সেই নোটিস গ্রহণ করেননি। এবার লোকসভাতেও জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে অপসারণের নোটিশ জমা দিতে চলেছে বিরোধী জোট। শুধু তাই নয়, বদলানো হবে রাজ্যসভার নোটিসের খোলনলচেও। কারণ তৃণমূলের তরফে স্বাক্ষর করা পুরনো নোটিশে এখন অনেকেই শিবির বদলেছেন। পাশাপাশি, সেই সময় তৃণমূলের উদ্যোগে আনা নোটিসে সই করেননি সোনিয়া গান্ধী ও মল্লিকার্জুন খার্গে।


দারোয়ানের মোবাইলে রাধিকার ব্যক্তিগত ভিডিয়ো! আতঙ্কে কী কাণ্ড ঘটান অভিনেত্রী?
উপকূলে পৌঁছল অতি গভীর নিম্নচাপ, আসল 'খেলা' শুরু হবে এবার? আগেই এল সতর্কবার্তা
পুরনো নোটিসের খোলনলচে বদলাচ্ছে
সেই কারণেই পুরনো নোটিসে বেশ কিছু বদল করা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর। নতুন নোটিসে সই করবেন রাহুল গান্ধী এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। খুব শীঘ্রই বৈঠকে বসতে চলেছে ইন্ডি জোট। কবে কোথায় বৈঠক হবে, তা আগামী সপ্তাহে চূড়ান্ত হয়ে যাবে বলে সূত্রের খবর।


প্রসঙ্গত, বুধবারই ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে’র একটি প্রতিবেদন জাতীয় রাজনীতিতে তোলপাড় ফেলে দিয়েছে। তাতে বড়সড় বিতর্কের মুখে পড়েন জ্ঞানেশ কুমার। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, একই দিনে নাকি চার বার প্রশ্ন তুলেছিলেন দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক জোশী। এই প্রতিবেদনকে হাতিয়ার করেই সরব হওয়ার পরিকল্পনা করছে বিরোধীরা। আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরীবাল, সিপিএম সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবি, কংগ্রেস নেতা তথা আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভির মধ্যে এই নিয়ে একপ্রস্থ আলোচনা হয়। সিপিএম সাংসদ জন ব্রিটাস, এনসিপি (শরদ) সাংসদ সুপ্রিয়া সুলে-সহ একাধিক নেতাদের সঙ্গে জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে জমা দেওয়া অপসারণের নোটিস নিয়ে কথা বলেছেন ডেরেক ও’ব্রায়েনও।


বিগত সরকারের আমলে এসএসসি-র বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। সেখানেই স্বচ্ছতার বার্তা দিতে নতুন উপদেষ্টা কমিটি গড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু, এখনও অভিযোগ উঠছে শিক্ষকদের অশালীন প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে। বদলির নামে মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। এই অভিযোগ পৌঁছয় স্কুল সার্ভিস কমিশনের কাছেও। এরপরই বিজ্ঞপ্তি জারি করে এসএসসি।


 বদলি করার নামে শিক্ষকদের (West Bengal Teacher Transfer Rules) অশালীন প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে। প্রতারণার শিকার হচ্ছেন শিক্ষকরা। এবার স্কুল সার্ভিস কমিশনের (SSC) নাম করে বদলি করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতির অভিযোগ উঠল। আর এই অভিযোগ উঠতেই তৎপর SSC। একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে কমিশনের (School Service Commission) তরফে। সেখানে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, বেআইনি কাজের সঙ্গে স্কুল সার্ভিস কমিশনের কোনও যোগ নেই। এছাড়া এরকম কোনও প্রস্তাব এলে কী কী করণীয়, তাও জানিয়ে দিয়েছে কমিশন।


SSC-র বিজ্ঞপ্তি জারি
বিগত সরকারের আমলে এসএসসি-র বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। সেখানেই স্বচ্ছতার বার্তা দিতে নতুন উপদেষ্টা কমিটি গড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু, এখনও অভিযোগ উঠছে শিক্ষকদের অশালীন প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে। বদলির নামে মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। এই অভিযোগ পৌঁছয় স্কুল সার্ভিস কমিশনের কাছেও। এরপরই বিজ্ঞপ্তি জারি করে এসএসসি।


কী কী বলা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে?
বিজ্ঞপ্তিতে স্কুল সার্ভিস কমিশন জানিয়েছে, বদলি সংক্রান্ত এমন কোনও বেআইনি কর্মকাণ্ডের সঙ্গে কমিশনের কোনও প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ যোগ নেই। নিয়ম অনুযায়ী বদলির ক্ষেত্রে কমিশনই শুধুমাত্র সুপারিশ করে। বদলির অনুমোদন ও নির্দেশ জারি করে পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ (WBBSE)। কমিশনের নামে কোনও ব্যক্তি অনুচিত প্রস্তাব বা বদলির প্রতিশ্রুতি দিলে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এমন কোনও প্রস্তাব বা যোগাযোগ পেলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষককে তৎক্ষণাৎ পুলিশ, এসিবি এবং স্কুল সার্ভিস কমিশনে অভিযোগ জানানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।



*ক্যানিং:* দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ক্যানিং পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের বেতবেড়িয়া এলাকায় একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি বিধায়ক অশোক কীর্তনীয়া। শ্রী শ্রী গুরুচাঁদ মিশনের পক্ষ থেকে খাদ্যমন্ত্রীকে সংবর্ধনা জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে মঞ্চে তিনি প্রকাশ্যে বলেন, তিনি কেন বিজেপি করেন। পাশাপাশি মতুয়া সম্প্রদায়ের সমস্ত উদ্বাস্তু মানুষকে ভারতের নাগরিকত্ব নেওয়ার আবেদন করেন তিনি।

এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যের পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেন খাদ্যমন্ত্রী।

প্রসঙ্গত, বিদেশ থেকে ফিরে নির্বাচন আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে মন্তব্য করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, জ্ঞানেশ কুমারের গ্রেফতার হওয়া উচিত।
এর জবাবে খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনীয়া বলেন, "অভিষেক আগে জেলে যাক। ও কী বলবে, ও পাগল হয়ে গেছে। ওর কোনও অস্তিত্ব নেই। ওদের দল তৃণমূল তিনটে ভাগে ভাগ হয়ে গেছে - কালীঘাট তৃণমূল, ঋতব্রত তৃণমূল এবং দিল্লি তৃণমূল। ভাইপোবাবু জেলে যাবে, জেলে যাওয়ার জন্য রেডি হন।"

অন্যদিকে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, "দুটোই জিতবো। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর নাম শুভেন্দু অধিকারী।"

রাজ্যে 'এসআইআর' (SIR)-এর নামে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার চক্রান্ত, রাজ্য সরকারের সামাজিক প্রকল্পে স্বজনপোষণ এবং ১০০ দিনের কাজের বকেয়া পারিশ্রমিক আটকে রাখার প্রতিবাদে গর্জে উঠল সিপিআইএম। পাশাপাশি এলাকায় বিজেপির একাংশের বিরুদ্ধে তোলাবাজি, জমি দখল এবং সম্প্রতি নামখানায় সাংবাদিক নিগ্রহের ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বৃহস্পতিবার নামখানা বিডিও অফিসে এক বিশাল ডেপুটেশন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়। 

বৃহস্পতিবার দুপুর দুটো নাগাদ সিপিআইএম নামখানা এরিয়া কমিটির আহ্বানে বিডিও অফিসের মূল গেটের সামনে এক প্রতিবাদী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত বাম নেতৃত্ব রাজ্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনের গণবিরোধী নীতি এবং বিজেপির অরাজকতার বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন। সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সিপিআইএম নামখানা এরিয়া কমিটির সম্পাদক সজল ঘড়ুই বলেন, "নির্বাচন কমিশন সাধারণ নাগরিক ও বৈধ ভোটারদের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিতে গভীর ষড়যন্ত্র করছে। এসআইআর-এর বাহানায় নামখানা ব্লকের বহু প্রকৃত ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার চেষ্টা চলছে, যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।" তিনি আরও যোগ করেন, "সরকার সাধারণ মানুষকে ধারাবাহিকভাবে প্রতারিত করে চলেছে। 'অন্নপূর্ণা যোজনা'র মতো সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প থেকে বহু যোগ্য ও দুস্থ মহিলাকে বঞ্চিত রাখা হয়েছে। ১০০ দিনের কাজের বিপুল বকেয়া টাকা না মিটিয়ে 'ভিবিজি রামজি' নামে নতুন প্রকল্পের মাধ্যমে স্রেফ ধোঁকাবাজি চলছে। অবিলম্বে গরিব মানুষের বকেয়া পারিশ্রমিক মেটাতে হবে।"
এই কর্মসূচিতে স্থানীয় বিজেপির একাংশের অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধেও সরব হন বাম নেতারা। এলাকায় বিজেপির কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে তোলাবাজি, সাধারণ মানুষের জমি দখল এবং মাফিয়ারাজ চালানোর অভিযোগ তোলা হয়। সম্প্রতি নামখানা থানা সংলগ্ন নামখানা বাজারে খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে বিজেপি নেতা কর্মীদের হাতে সাংবাদিকদের হেনস্থা ও আক্রমণের শিকার হওয়ার তীব্র নিন্দা জানান নেতৃবৃন্দ। গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধের এই অপচেষ্টার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের দাবি জানানো হয় সিপিআইএমের পক্ষ থেকে।

মঞ্চে বক্তব্য পর্ব শেষে সিপিআইএমের পাঁচজনের একটি প্রতিনিধি দল বিডিও অফিসে গিয়ে নামখানা সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিকের (বিডিও) হাতে একাধিক দাবি সংবলিত স্মারকলিপি তুলে দেন। প্রতিনিধি দলের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, প্রশাসন যদি অবিলম্বে সাধারণ মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে না দেয় এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয়, তবে আগামী দিনে নামখানা ব্লক জুড়ে আরও বৃহত্তর ও তীব্র আন্দোলনের পথ বেছে নেবে বামেরা।


নিম্নচাপের প্রভাবে সমুদ্র উত্তাল হয়ে ওঠার আশঙ্কায় বকখালি সমুদ্র সৈকতে পর্যটকদের সতর্ক করতে মাইকিং শুরু করল প্রশাসন। বৃহস্পতিবার বকখালি সিবিজে এলাকায় সিভিল ডিফেন্স ও ফ্রেজারগঞ্জ কোস্টাল থানার পক্ষ থেকে মাইকিং করে পর্যটকদের সমুদ্রের কাছে যাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক করা হয়।


প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যটকদের উদ্দেশ্যে জানানো হয়, আবহাওয়ার পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে আপাতত গভীর সমুদ্রে স্নান করতে যাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। সমুদ্রের ঢেউ উত্তাল থাকায় কোনওভাবেই সতর্কবার্তা অমান্য করে জলে নামা যাবে না বলেও জানানো হয়।

পাশাপাশি, পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে সৈকত এলাকায় নজরদারি চালানো হচ্ছে। মাইকিংয়ের মাধ্যমে বারবার সতর্ক করা হচ্ছে যাতে কেউ ঝুঁকি নিয়ে সমুদ্রে না নামেন। নিম্নচাপের প্রভাব কেটে না যাওয়া পর্যন্ত সকলকে প্রশাসনের নির্দেশ মেনে চলার আবেদন জানানো হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ৭৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে ‘সেবা সপ্তাহ’ সংকল্প অভিযান। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে চন্দনপিড়ী মুরারীমোহন হাইস্কুল (উচ্চ মাধ্যমিক) পরীক্ষা কেন্দ্রে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াল ভারতীয় জনতা যুব মোর্চা।



সাগর বিধানসভার বিধায়ক সুমন্ত মণ্ডলের সহায়তায় এবং যুব মোর্চার উদ্যোগে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। পরীক্ষার প্রথম দিনে পরীক্ষা কেন্দ্রে আসা ছাত্রছাত্রীদের মনোবল বাড়াতে এবং তাঁদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে পানীয় জল ও কলম তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি সূর্যকান্ত মণ্ডল এবং বিজেপি যুব মোর্চার কার্যকর্তা অভিজিৎ মাইতি। তাঁরা জানান, “উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা।


 প্রধানমন্ত্রীজির সেবা সপ্তাহ সংকল্প অভিযানের মাধ্যমে আমরা তরুণ পরীক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছি এবং তাঁদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। যুব মোর্চা সর্বদা শিক্ষার্থীদের পাশে রয়েছে এবং উন্নয়নমূলক কাজের মধ্য দিয়েই আমরা এগিয়ে চলব।”
পরীক্ষা কেন্দ্রের সামনে এই ধরনের সহায়তামূলক উদ্যোগ ঘিরে পরীক্ষার্থী ও তাঁদের অভিভাবকদের মধ্যে উৎসাহ দেখা যায়। পরীক্ষার্থীদের হাতে পানীয় জল ও কলম তুলে দিয়ে তাঁদের পরীক্ষার জন্য শুভেচ্ছা জানান যুব মোর্চার কর্মীরা।

উল্লেখ্য, পুরশুড়ার বিধায়ক বিমান ঘোষের বাড়ি গোঘাটের তেলিগ্রামেই। সেই গ্রাম থেকেই বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়ার এই উদ্যোগ শুরু করলেন তিনি। যদিও গোঘাট এলাকায় ‘জনকল্যাণ স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র’ উদ্বোধন হলেও দেখা গেল না গোঘাটের বিধায়ক প্রশান্ত দিগারকে।

 একদম ফ্রি-তে রোগী দেখবেন ডাক্তাররা! বাংলায় চালু নতুন পরিষেবা, কারা পাবেন সুযোগ?
চালু বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরিষেবা

ক্ষমতায় আসার পর একের পর এক জনকল্যাণমূলক কাজ করে চলেছে রাজ্যের বিজেপি সরকার। বিভিন্ন প্রকল্প এনেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আর এবার নিজের গ্রামের মানুষের স্বাস্থ্য পরিষেবার কথা মাথায় রেখে ব্যক্তিগত উদ্যোগে বিনামূল্যে ‘জনকল্যাণ স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র’ চালু করলেন পুরশুড়ার বিধায়ক বিমান ঘোষ (Biman Ghosh)।


বুধবার সন্ধ্যায় গোঘাটের তেলিগ্রামে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ও দ্বারোদ্ঘাটনের মাধ্যমে কেন্দ্রটির উদ্বোধন হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আরামবাগ প্রফুল্লচন্দ্র সেন মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডাঃ রমাপ্রসাদ রায়, চিকিৎসক ডাঃ অশোক নন্দী, ডাঃ কুন্তল কান্তি দাস, ডাঃ সমীরণ সামুই-সহ অন্যান্যরা।

নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের বৈধতা নিয়ে 'দ্বিখণ্ডিত' রায় সুপ্রিম কোর্টের
চিকিৎসক ডাঃ অশোক নন্দী জানান, এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া হবে। পাশাপাশি নির্দিষ্ট দিনে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরাও রোগী দেখবেন। বিজেপি বিধায়ক বিমান ঘোষ জানান,শুধু তেলিগ্রামের মানুষই নয়, আশপাশের গ্রামের বাসিন্দারাও এই কেন্দ্র থেকে বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা পাবেন। ভবিষ্যতে পুরশুড়ার বিভিন্ন এলাকাতেও একই ধরনের স্বাস্থ্যকেন্দ্র চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। বিমান বলেন, “আমার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল আমার গ্রামের মানুষদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সার্ভিস চালু করতে পারে। তাই প্রথমে নিজের গ্রাম থেকে চালু করলাম। আজ শুরু হল পরে আরও বাড়বে। এই স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ফ্রি-তে চিকিৎসা করানো হবে।”


উল্লেখ্য, পুরশুড়ার বিধায়ক বিমান ঘোষের বাড়ি গোঘাটের তেলিগ্রামেই। সেই গ্রাম থেকেই বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়ার এই উদ্যোগ শুরু করলেন তিনি। যদিও গোঘাট এলাকায় ‘জনকল্যাণ স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র’ উদ্বোধন হলেও দেখা গেল না গোঘাটের বিধায়ক প্রশান্ত দিগারকে।



রাজ্য সরকারি কর্মীদের দীর্ঘ সময় ধরে যে বকেয়া ডিএ রয়েছে, তা দ্রুত মিটিয়ে দিতে তৎপর রাজ্যের নতুন সরকার। এক কিস্তিতেই সম্পূর্ণ মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গ্রুপ এ, বি, সি ও ডি কর্মীরা সকলেই বকেয়া ডিএ পাবেন।


রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা নিয়ে বড় ঘোষণা। এক কিস্তিতেই সম্পূর্ণ বকেয়া মেটানোর সিদ্ধান্ত নিল নবান্ন। ২০০৮ সালের ১ এপ্রিল থেকে ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সম্পূর্ণ বকেয়া মহার্ঘ ভাতা মেটানোর সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের। বুধবার এই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করল রাজ্যের অর্থ দফতর।


কারা মহার্ঘ ভাতা পাবেন?
রাজ্য সরকারি কর্মীদের দীর্ঘ সময় ধরে যে বকেয়া ডিএ রয়েছে, তা দ্রুত মিটিয়ে দিতে তৎপর রাজ্যের নতুন সরকার। এক কিস্তিতেই সম্পূর্ণ মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গ্রুপ এ, বি, সি ও ডি কর্মীরা সকলেই বকেয়া ডিএ পাবেন।


পারফিউমের গন্ধ থাকবে অনেকক্ষণ, স্প্রে করার আগে জাস্ট এটা করুন
জানা গিয়েছে, গ্রুপ ‘এ’, ‘বি’ ও ‘সি’ কর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা সরাসরি জিপিএফ অ্যাকাউন্টে জমা পড়বে। গ্রুপ ‘ডি’ কর্মীদের প্রাপ্য অর্থ সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা দেওয়া হবে।


অবসরের তিন মাসের মধ্যে থাকা যোগ্য কর্মীদের বকেয়া অর্থও সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে দেওয়া হবে। জিপিএফে জমা পড়া বকেয়া অর্থ ২০২৮ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত তোলার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ বহাল থাকবে। অর্থাৎ এখন মহার্ঘ ভাতার বকেয়া টাকা জমা পড়লেও, তা ২০২৮ সালের আগে তোলা যাবে না।

কর্মীদের চাকরি ও বেতনের নথি যাচাই করে প্রাপ্য বকেয়ার হিসাব নির্ধারণের নির্দেশ অর্থ দফতরের। অর্থ বরাদ্দের অপেক্ষা না করেই বকেয়া মহার্ঘ ভাতার বিল প্রক্রিয়াকরণ করতে পারবে ট্রেজারি।

জানা গিয়েছে, বকেয়া মেটানোর জন্য মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তিগত পরিবর্তন শুরু করা হয়েছে। অর্থ প্রদানের বিস্তারিত পদ্ধতি নিয়ে পৃথক নির্দেশিকা জারি করবে অর্থ দফতর। এ কথা আজ নির্দেশিকা জারি করে জানাল অর্থ দফতর।





নবান্ন সূত্রে খবর, দেবী দুর্গার বন্দনা হবে বাংলার লোকসংস্কৃতি,উৎসবের মেলবন্ধনে। একই সঙ্গে আয়োজন করা হয়েছে বিশেষ সাংস্কৃতিক সফর। নাম দেওয়া হয়েছে ' 'ট্রিবিউট মা টুর'। পাঁচ জায়গায় দু'দিন করে হবে এই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে। বাঁকুড়া, বিষ্ণুপুর, নন্দীগ্রাম, শিলিগুড়ি দুর্গাপুর এবং বহরমপুরে এই সফর হবে।


কুমার শানু,সান থেকে মোনালি ঠাকুর, দুর্গাপুজোয় মেগা শো-এর ভাবনা রাজ্য সরকারের
দুর্গাপুজো নিয়ে বড় উদ্যোগ

 তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পর দুর্গাপুজোর (Durga Puja 2026) শেষে কার্নিভালের আয়োজন করা হত। দেশ বিদেশের বহু অতিথি আসতেন। সেরা সেরা প্রতিমা প্রদর্শন করা হত রেড রোডে। সে সব এখন অতীত। এখন বাংলার ক্ষমতায় নতুন সরকার। এবার আর পুজোর শেষে কোনও কার্নিভাল নয়, তবে দুর্গাপুজোর উদ্বোধনেই হবে মেগা আয়োজন।


মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) আগেই বৈঠক করে জানিয়েছিলেন, কলকাতার আকাশে একসঙ্গে দেখা যাবে তিন হাজার ড্রোন। সেই ড্রোন দিয়ে আলোর বিন্দুতে আঁকা হবে দেবীদুর্গার অবয়ব। তারপর ফুটিয়ে তোলা হবে দুর্গাপুজোর আবাহনের নানা মুহূর্ত। মহালয়া থেকে অষ্টমী, দুর্গাপুজোর দিনগুলিতে হবে মেগা শো। তবে এবার পুজোর আবহন শুধুমাত্র কলকাতা কেন্দ্রিক নয়। গোটা রাজ্যজুড়েই পালনের উদ্যোগ নিয়েছে বিজেপি সরকার।


'নোটিস দেওয়া হচ্ছে, জমি ফেরত নেওয়া হবে', এবার কোন শিল্পপতিদের থেকে জমি ফেরত নেবে সরকার? স্পষ্ট করে দিলেন মন্ত্রী
নবান্ন সূত্রে খবর, দেবী দুর্গার বন্দনা হবে বাংলার লোকসংস্কৃতি,উৎসবের মেলবন্ধনে। একই সঙ্গে আয়োজন করা হয়েছে বিশেষ সাংস্কৃতিক সফর। নাম দেওয়া হয়েছে ‘ ‘ট্রিবিউট মা টুর’। পাঁচ জায়গায় দু’দিন করে হবে এই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে। বাঁকুড়া, বিষ্ণুপুর, নন্দীগ্রাম, শিলিগুড়ি দুর্গাপুর এবং বহরমপুরে এই সফর হবে।


এরপর পঞ্চমীর দিনে দিঘাতে হবে সবচেয়ে বড় অনুষ্ঠান। যেখানে গান গাইবেন নামি শিল্পীরা। সূত্রের খবর, শিল্পীদের তালিকায় নাম আছে কুমার শানু,সান এবং মোনালি ঠাকুরের।




বৃহস্পতিবার ঝাড়খণ্ডেও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা থাকছে। পরিস্থিতি মাথায় রেখে বিকেল থেকে ৩৭ হাজার কিউসেক হারে জল ছাড়ছে ডিভিসি (DVC)। বৃষ্টি বাড়লে জল ছাড়ার পরিমাণও বাড়তে পারে। ২ দিন ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস পশ্চিম বর্ধমানে। সেই জলের একটা বড় অংশও জুড়বে দামোদরে।


রাতেই স্থলভাগে ঢুকেছে, ঝোড়ো হাওয়া বৃষ্টিতে আজ টালমাটাল ৬ জেলা, পরিস্থিতি স্বাভাবিক কবে হবে জানাল হাওয়া অফিস
আবহাওয়া কী বলছে?


ঘূর্ণিঝড় নয়,অতি গভীর নিম্নচাপ রূপেই স্থলভাগে ঢুকে পড়েছে বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া সেই নিম্নচাপ। বুধবার রাতেই বঙ্গোপসাগর থেকে ঢুকে পড়েছে স্থলভাগে। বর্তমানে অন্ধ্র উপকূলে অবস্থান করছে। আর এর প্রভাবে আজও বৃষ্টি হবে বলার অপেক্ষা রাখে না। হাওয়া অফিস বলছে, আজই সবচেয়ে বেশি বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকছে রাজ্যে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে শুক্রবার পর্যন্ত।


আগামী শুক্রবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি হবে। শনিবার থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আজ ছয় জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা জারি থাকছে। দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রামে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বৃষ্টি হতে পারে ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত। ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার গতিবেগের দমকা ঝড়ো বাতাস বইতে পারে। পাশাপাশি কলকাতা, বাঁকুড়া এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনাতে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। পুরুলিয়া এবং বীরভূম পশ্চিম বর্ধমান ও হাওড়া জেলাতেও ভারী বৃষ্টি হবে। অল্প সময়ে বেশি বৃষ্টি হয়ে গেলে, নতুন করে অনেক এলাকা জলমগ্ন হতে পারে। জলমগ্ন হওয়ার আশঙ্কা পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূমেও।

 বীরভূম পশ্চিম বর্ধমান বাঁকুড়া এবং পুরুলিয়া জেলায়।


অপরদিকে, উত্তরবঙ্গে শনিবার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টির সতর্কতা। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি এবং কিছুটা উত্তর দিনাজপুরে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে রবিবার পর্যন্ত।

বৃহস্পতিবার ঝাড়খণ্ডেও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা থাকছে। পরিস্থিতি মাথায় রেখে বিকেল থেকে ৩৭ হাজার কিউসেক হারে জল ছাড়ছে ডিভিসি (DVC)। বৃষ্টি বাড়লে জল ছাড়ার পরিমাণও বাড়তে পারে। ২ দিন ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস পশ্চিম বর্ধমানে। সেই জলের একটা বড় অংশও জুড়বে দামোদরে।

 

 

 



১৭ সেপ্টেম্বর রাতে কমিশন তৃণমূলের নাম এবং জোড়াফুল প্রতীক ফ্রিজ করার পর ১৮ সেপ্টেম্বরই সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করেন মমতা। ২১ সেপ্টেম্বর অর্থাৎ সোমবার জরুরি শুনানির আর্জি জানিয়ে প্রধান বিচারপতির দ্বারস্থ হন আইনজীবী কপিল সিব্বল।


তৃণমূলের নাম-জোড়াফুল প্রতীক ফ্রিজ বিতর্ক! সুপ্রিম কোর্টে গৃহীত মমতার 'আবেদন'
সুপ্রিম কোর্টে মমতা

সুপ্রিম কোর্টে মানা হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদন। জরুরি শুনানির আবেদন মেনে নাম-প্রতীক ফ্রিজ ইস্যুতে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে দায়ের করা আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামলা তালিকাভুক্ত করল সুপ্রিমকোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের এজলাসে শুনানি। উপনির্বাচনের আগে নাম প্রতীক ইস্যুতে কোনও স্বস্তি মিলবে কি মমতার? কমিশনের অন্তর্বর্তীকালীন সিদ্ধান্ত কি আইন মোতাবেক? শুনানিতে উঠে আসতে পারে এই বিতর্কই।


১৭ সেপ্টেম্বর রাতে কমিশন তৃণমূলের নাম এবং জোড়াফুল প্রতীক ফ্রিজ করার পর ১৮ সেপ্টেম্বরই সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করেন মমতা। ২১ সেপ্টেম্বর অর্থাৎ সোমবার জরুরি শুনানির আর্জি জানিয়ে প্রধান বিচারপতির দ্বারস্থ হন আইনজীবী কপিল সিব্বল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফাইল করা পিটিশনের ভিত্তিতে বর্ষীয়ান আইনজীবী কপিল সিব্বল প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে এই মামলার মেনশন করেন। কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, কমিশন আগে কেন বিষয়টির নিষ্পত্তি করেনি? কেন নির্বাচনের ঠিক আগেই মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিনে নাম ও প্রতীক ফ্রিজ করা হল, সেই নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।


 নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের বৈধতা নিয়ে 'দ্বিখণ্ডিত' রায় সুপ্রিম কোর্টের
এক্ষেত্রে সব পক্ষের বক্তব্য শোনা প্রয়োজন বলে পর্যবেক্ষণ প্রধান বিচারপতির। জুন মাসে বিতর্কের সূচনা হলেও তিনমাস পর সেপ্টেম্বরে উপনির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরে কমিশন কেন নাম-প্রতীকের মালিকানার বৈধতা নিয়ে তৎপরতা শুরু করল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।




খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল এবং জেওয়ার থানার পুলিশ। শুরু হয় উদ্ধার ও ত্রাণের কাজ। আগুন কীভাবে লাগল, তা এখনও নিশ্চিত নয়। প্রাথমিকভাবে শর্ট সার্কিট থেকেই আগুন লাগতে পারে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


গ্রেটার নয়ডার যমুনা এক্সপ্রেসওয়েতে ভয়াবহ দুর্ঘটনা (Accident)। বৃহস্পতিবার ভোরে একটি স্লিপার পর্যটক বাসে আচমকাই আগুন লেগে যায়। আর তাতেই মৃত্যু অন্তত ৯ জনের। আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। দুর্ঘটনার সময় বাসে ৩০ জনেরও বেশি যাত্রী ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।


সূত্রের খবর, বাসটি নয়ডা থেকে উত্তরপ্রদেশের মহোবার দিকে যাচ্ছিল। যমুনা এক্সপ্রেসওয়ের দয়ানতপুর গ্রামের কাছে আচমকা বাসটিতে আগুন ধরে যায়। সেই সময় অধিকাংশ যাত্রীই ঘুমিয়ে ছিলেন। মুহূর্তের মধ্যে আগুন গোটা বাসে ছড়িয়ে পড়ে। সেই আগুন থেকে বাঁচতে বেশ কয়েকজন যাত্রী বাসের জানালা দিয়ে ঝাঁপ মারেন। প্রত্যক্ষদর্শী এক যাত্রীর কথায়, “চারদিকে এতটাই ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়েছিল যে কিছুই দেখা যাচ্ছিল না।” ভিতরে থাকা যাত্রীরা কার্যত দমবন্ধ অবস্থায় পড়ে যান। বাস থেকে বেরোনোর সময় যাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক ধাক্কাধাক্কিও হয়।




ভুয়ো ফর্ম বিলি করে আবাসের ঘর পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ, ৫ হাজার টাকা তোলা, অভিযোগ উঠতেই পালিয়ে গেলেন কংগ্রেস নেতা


খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল এবং জেওয়ার থানার পুলিশ। শুরু হয় উদ্ধার ও ত্রাণের কাজ। আগুন কীভাবে লাগল, তা এখনও নিশ্চিত নয়। প্রাথমিকভাবে শর্ট সার্কিট থেকেই আগুন লাগতে পারে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

দুর্ঘটনার পর উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ পরিস্থিতির খোঁজ নেন। মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে আহতদের যথাযথ চিকিৎসার ব্যবস্থা করার জন্য আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। মৃত ও আহতদের পরিচয় এবং দুর্ঘটনার বিস্তারিত কারণ এখনও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।