WEATHER

Top News


অ্যানার স্বামী জনপ্রিয় ফুটবলার। ইউরো কাপে তাঁকে অ্যাকশনে দেখা যাবে। কিন্তু তাঁর দেশের হয়ে প্রথম ম্যাচে ওই ফুটবলার খেলতে পারবেন না। অ্যানা এবং ওই ফুটবলারের অনুরাগীরা অবশ্য এখন থেকেই তাঁর খেলার দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন। কে এই ফুটবলার?

একজনকেই দু'বার বিয়ে, তারপরই পদবী বদল! স্বামীর খেলা দেখার অপেক্ষায় অ্যানা

একজনকেই দু'বার বিয়ে, তারপরই পদবী বদল! স্বামীর খেলা দেখার অপেক্ষায় অ্যানা


কলকাতা: ভালোবাসা কত কিছুই বদলে দেয়। তা না হলে, দুই সন্তানের মা ফের একজনকেই দু’বার বিয়ে করেন। কথা হচ্ছে সুন্দরী অ্যানাকে নিয়ে। তাঁর পুরো নাম বলে দিলেই অনেকে ধরে ফেলবেন তিনি কে। তার আগে একটু তাঁর দু’বার বিয়ের গল্প শোনানো যাক। অ্যানার স্বামী জনপ্রিয় ফুটবলার। ইউরো কাপে তাঁকে অ্যাকশনে দেখা যাবে। কিন্তু তাঁর দেশের হয়ে প্রথম ম্যাচে ওই ফুটবলার খেলতে পারবেন না। অ্যানা এবং ওই ফুটবলারের অনুরাগীরা অবশ্য এখন থেকেই তাঁর খেলার দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন। কে এই ফুটবলার? ক্রিকেট বিশ্বে রানমেশিন বলে পরিচিত বিরাট কোহলি। আর ফুটবল বিশ্বে গোলমেশিন বলে পরিচিত রবার্ট লেওয়ানডস্কি (Robert Lewandowski)। তাঁকে এবং তাঁর স্ত্রী অ্যানাকে নিয়েই হচ্ছে কথা।

দুই সন্তানের বাবা-মা রবার্ট ও অ্যানা ২০২৩ সালে দ্বিতীয় বার বিয়ে করেন। ২০১৩ সালে প্রথম বার অ্যানা স্টাচুরুসকাকে বিয়ে করেন পোলিশ সুপারস্টার রবার্ট লেওয়ানডস্কি। গত বছর তাঁদের দশম বিবাহবার্ষিকী ছিল। সেই উপলক্ষ্যে বিবাহবার্ষিকী স্মরণীয় করে রাখতে তাঁরা দুই কন্যাসন্তানের সামনে দ্বিতীয় বার বিয়ে করেন। রবার্ট মাঠে থাকলে অ্যানা সেই ম্যাচ দেখার চেষ্টা করেন। তাঁদের মেয়েদেরও দেখা যায় স্টেডিয়ামে। ইউরো কাপেও লেওয়ানডস্কিকে অ্যাকশনে দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন অ্যানা।


পোল্যান্ডের তারকা রবার্ট লেওয়ানডস্কি এ বারের ইউরো কাপের প্রথম ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে খেলতে পারবেন না। ফলে ইউরোর শুরুতেই স্বামীর জন্য গলা ফাটাতে পারছেন না অ্যানা। কিন্তু রবার্ট লেওয়ানডস্কির অনুরাগীদের মতো তাঁর স্ত্রী অ্যানাও চান শীঘ্রই পোল্যান্ডের জার্সিতে তাঁকে ইউরোর মঞ্চে গোল করতে দেখতে। স্বামী ফুটবলার, অ্যানাও কম যান না। তিনি ক্যারাটেতে পারদর্শী। পাশাপাশি ফিটনেস ফ্রিক এবং পুষ্টিবিদ। তাঁর ইন্সটাগ্রামে ঢুঁ মারলেই তার ঝলক মেলে।

বীজনগর গ্রামে রবিবার সকালে জগন্নাথ পালের বাড়িতে এক অচেনা মহিলা ঢুকে পড়েন। জগন্নাথের স্ত্রী লক্ষ্মীরানি পাল তখন রান্নাঘরে কাজে ব্যস্ত ছিলেন। সেটি প্রতিবেশী এক মহিলা দেখতে পেয়ে যান। তিনিই গিয়ে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টা জানান।

দরজা খোলা রাখতেই কেল্লাফতে! বাড়িকর্তা বাজার থেকে ফিরতেই, পিছু পিছু ঘরে ঢোকেন মহিলা, নজর এড়ায়নি প্রতিবেশীর! রবির সকালে পাড়া-সুদ্ধ পড়ল ঢি
কালনায় এক মহিলাকে বেঁধে রেখে 'মার'

কাটোয়া: ছুটির সকালে বাড়িতে সকলেই রয়েছেন। বাজার করে সবে ফিরেছেন গৃহকর্তা। তাই সদর দরজা খোলাই ছিল। তার মধ্যেই আচমকা চোখের আড়ালে মহিলা ঢুকে পড়েছিলেন ঘরে। একজন অচেনা মহিলা যে ইতিউতি দেখে অন্যের বাড়িতে ঢুকছেন, তা খেয়াল রেখেছিলেন প্রতিবেশী মহিলা। তিনিও পিছু নেন। আর তারপরই মর্মান্তিক ঘটনা। মহিলাকে নিয়ে বেঁধে যায় হট্টগোল। চোর সন্দেহে এক মহিলাকে পোলে বেঁধে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ। ঘটনাটি ঘটেছে কাটোয়ার এক নম্বর ব্লকের সুদপুর পঞ্চায়েতের বীজনগর গ্রামে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বীজনগর গ্রামে রবিবার সকালে জগন্নাথ পালের বাড়িতে এক অচেনা মহিলা ঢুকে পড়েন। জগন্নাথের স্ত্রী লক্ষ্মীরানি পাল তখন রান্নাঘরে কাজে ব্যস্ত ছিলেন। সেটি প্রতিবেশী এক মহিলা দেখতে পেয়ে যান। তিনিই গিয়ে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টা জানান। তারপরই পাড়াসুদ্ধ ঢি পড়ে যায়। তারপরই সবাই চড়াও হয় ওই বাড়িতে মহিলাকে ধরতে। মহিলাকে বিদ্যুতের পোলের সঙ্গে বেঁধে রেখে বেধড়ক মারধর শুরু হয়।


বাঁশ, লাঠি, লোহার রড দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। গ্রামবাসীদের মধ্যেই কয়েকজন কাটোয়া থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ গিয়ে ওই মহিলাকে উদ্ধার করে। ওই মহিলাকে উদ্ধার করে নিয়ে যায় কাটোয়া থানায়। পুলিশ জানিয়েছে, ওই মহিলার কাছ থেকে কোনও কিছুই উদ্ধার হয়নি। তবে কী কারণে ওই মহিলা বাড়িতে ঢুকেছিলেন, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

 নোজ় জব করিয়ে জীবনে নেমে আসে বিপর্যয়। নানা কথা শুনতে হয় বাঙালি সুপারমডেল কোয়েনা মিত্রকে। এখন তিনি কী করছেন? নোজ় জব নিয়ে তাঁর কী ছিল বক্তব্য। অভিনেত্রী সবটাই ব্যক্ত করেছিলেন প্রয়াত পরিচালক ঋতুপর্ণ ঘোষকে।


 নোজ় জব করিয়ে পড়েন বিপদে, সেই কোয়েনা মিত্র এখন কেমন আছেন জানেন?
কোয়েনা মিত্র।


বাঙালি মেয়ে কোয়েনা মিত্র। এক জনপ্রিয় বাংলা ম্যাগাজ়িনের আয়োজিত সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে জিতেছিলেন কোয়েনা। তারপর থেকে মডেলিং জগতে তাঁর যাত্রা শুরু হয়। হাতছানি দেয় আরব সাগর পাড়ের স্বপ্ননগরী মুম্বই। মুম্বইয়ের সুপারমডেল কোয়েনাকে নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে একটা সময়। বিশেষ করে আলোচনা হয়েছে তাঁর সার্জারি নিয়ে। নিজের নাকেটা পছন্দ করতেন না কোয়েনা। কারেকশন করিয়েছিলেন। জানাজানি হতেই জীবন তাঁর দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। সেই অসহনীয়তার কথাই কোয়েনা প্রথমবার বলেছিলেন প্রয়াত পরিচালককে।

নাকের অস্ত্রোপচার করার বিষয়টি নিয়ে কোয়েনা বলেছিলেন, “আমি নাকের অস্ত্রোপচার করিয়েছিলাম। লোকজনের একটা অনুমান তৈরি হয়েছিল সেটা নিয়ে। কিন্তু আমি কখনও নিজে মুখে কিছু বলিনি একটা সময় পর্যন্ত। ফলে আলোচনার কোনও অবকাশ ছিল না। অনুমান নিয়ে মানুষ আর কতদিন চলতে পারেন? নোজ় জব করানোর এক বছর পেরিয়ে যায়। কিছু বন্ধুকে গল্পের ছলে আমি বলে ফেলি। ব্যস, সেটাই ছিল আমার দোষ। সেই কথা কোথা থেকে কোথায় গিয়ে সোজা চলে যায় সংবাদ মাধ্যমের কাছে। ফলাও করে বেরোয় নিউজ়। আমি খুবই আহত হয়েছিলাম। অনেক কথা আমাকে শুনতে হয়েছিল।”

 গত বারের ইউরোতেও তরুণ দল গড়ে সাফল্য পেয়েছিল স্পেন। যদিও কাতার বিশ্বকাপে সেই স্ট্র্যাটেজি কাজে আসেনি। স্বাভাবিক ভাবেই এই স্ট্র্যাটেজি নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছিলেন তৎকালীন কোচ লুইস এনরিকে। কাতার বিশ্বকাপের পরই পদ ছাড়তে বাধ্য হন। দায়িত্ব দেওয়া হয় বিভিন্ন বয়সভিত্তিক দলকে কোচিং করানো লুই দে লা ফুয়েন্তেকে। তাঁর কোচিংয়ে প্রথম বড় অ্যাসাইনমেন্ট।

স্পেনের দুর্দান্ত শুরু, ১৬ বছরের তরুণ জমি ধরাল ক্রোয়েশিয়াকে


কার্লোস আলকারাস! একটা সময় রাফায়েল নাদাল! তরুণ বয়সে টেনিস কোর্টে তাঁদের কীর্তি অজানা নয়। স্পেন যেন বরাবরই তরুণদের বিজ্ঞাপন করে। কিছুক্ষেত্রে সাফল্যও আসে। ইউরো কাপে ১৬ বছরের স্প্যানিশ তরুণ জমি ধরাল ক্রোয়েশিয়াকে! তাঁর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দৌড়তে গিয়ে হিমসিম অবস্থা ক্রোয়েশিয়া মিডফিল্ডের। নাম লামিনে য়ামাল। রেকর্ড গড়লেন ইউরো কাপে। টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সে খেলার নজির স্প্যানিশ তরুণের। বয়স ১৬ বছর ৩৩৮ দিন। লামিনের রেকর্ডের দিনে ক্রোয়েশিয়ার মতো ধারাবাহিক ভালো খেলা টিমকে ৩-০ ব্যবধানে হারাল স্পেন।

গত বারের ইউরোতেও তরুণ দল গড়ে সাফল্য পেয়েছিল স্পেন। যদিও কাতার বিশ্বকাপে সেই স্ট্র্যাটেজি কাজে আসেনি। স্বাভাবিক ভাবেই এই স্ট্র্যাটেজি নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছিলেন তৎকালীন কোচ লুইস এনরিকে। কাতার বিশ্বকাপের পরই পদ ছাড়তে বাধ্য হন। দায়িত্ব দেওয়া হয় বিভিন্ন বয়সভিত্তিক দলকে কোচিং করানো লুই দে লা ফুয়েন্তেকে। তাঁর কোচিংয়ে প্রথম বড় অ্যাসাইনমেন্ট। তিনি তারুণ্য এবং অভিজ্ঞতার মিশেলে দল গড়ে শুরুটা দুর্দান্ত করলেন।

ক্রোয়েশিয়া দলে লুকা মদ্রিচের মতো তারকা ফুটবলার। গুয়ার্দিওলের মতো অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার। এ ছাড়া মাঝমাঠে অভিজ্ঞ ব্রোজোভিচ, কোভাসিচরা রয়েছেন। শুধু অভিজ্ঞতা দিয়ে যে ম্যাচ জেতা যায় না! লামিনে গোল না করলেও করালেন। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ফুটবল বিশ্বের নজর কাড়লেন। ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে প্রথমার্ধেই তিন গোল করে স্পেন। দ্বিতীয়ার্ধে সুযোগ তৈরি হলেও গোল আসেনি।


ম্যাচের ১২ মিনিটেই এগিয়ে যায় স্পেন। ক্যাপ্টেন আলভারো মোরাতার দুর্দান্ত রান। তেমনই চোখ ধাঁধানো পাস ফ্যাবিয়ান রুইজের। আলভারো মোরাতা কোনও ভুল করেননি দলকে এগিয়ে দিতে। প্রথম গোলে অ্যাসিস্ট। ৩২ মিনিটে পেদ্রির অ্যাসিস্টে গোল সেই ফ্যাবিয়ান রুইজের। তবে এই ম্যাচে বাড়তি নজর ছিল সর্বকনিষ্ঠ লামিনের দিকে। কোচের ভরসার মর্যাদা দিয়েছেন। প্রথমার্ধের অ্যাডেড টাইমে শর্ট কর্নার স্পেনের। নিজেদের মধ্যে পাস-পাস-পাস। লামিনে প্রথম পোস্ট নিশানা করে বল পাঠান, তাতে টোকা দিয়ে গোল কার্ভাহালের।

ভাগ্যও সঙ্গ দেয়নি ক্রোয়েশিয়াকে। পেনাল্টি মিস, ভিআরএ গোল বাতিল, এসব হতাশা নিয়েই ইউরো অভিযান শুরু লুকা মদ্রিচদের। লিগ পর্বে একটা হার মানে অনেকটা পিছিয়ে পড়া। ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য পরিকল্পনা বদলে নামতে হবে মদ্রিচদের।

বিশ্বকাপে রান পাচ্ছেন না বিরাট কোহলি। তিন ম্যাচের পারফরম্যান্সে বিরাট কোহলি যে সেরার আসন থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন তা কোনও ভাবেই নয়। ক্রিকেটের শুভেচ্ছা দূত তিনি। কিং কোহলির উদাহরণ দিয়ে অনেক দেশের ক্রিকেট বেঁচে থাকে। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে তাঁর স্ট্রাইকরেট যখন প্রবল আলোচনায় বিরাট জবাব দিয়েছিলেন, টিমের জন্য খেলেন, স্ট্রাইকরেটের জন্য নয়।

ভিডিয়ো: কানাডা ক্রিকেটারদের স্বপ্নপূরণ, প্রেরণার বার্তা কিংবদন্তির


বৃষ্টি থেমেছে। ম্যাচ হয়নি। কানাডা ক্রিকেটারদের কাছে তবুও বসন্ত। এই ম্যাচটার জন্য হা পিত্যেশ করেছিলেন কানাডা ক্রিকেটাররা। বিশ্বের সেরা ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধে খেলার স্বপ্ন। এমন ম্যাচে বাড়তি তাগিদ থাকে। বিশ্বের নজরে আসার জন্য সেরাদের বিরুদ্ধে সর্বস্ব দিয়ে পারফর্ম করতে মরিয়া থাকেন সকলেই। কানাডার মতো ক্রিকেট বিশ্বের ছোট দেশও এই প্রত্যাশায় ছিল। তাদের প্রত্যাশায় জল ঢেলে দিয়েছে প্রকৃতি। কিন্তু ম্যাচের বাইরের স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। সেই প্রাপ্তিও কম নয়।

বিশ্বকাপে রান পাচ্ছেন না বিরাট কোহলি। তিন ম্যাচের পারফরম্যান্সে বিরাট কোহলি যে সেরার আসন থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন তা কোনও ভাবেই নয়। ক্রিকেটের শুভেচ্ছা দূত তিনি। কিং কোহলির উদাহরণ দিয়ে অনেক দেশের ক্রিকেট বেঁচে থাকে। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে তাঁর স্ট্রাইকরেট যখন প্রবল আলোচনায় বিরাট জবাব দিয়েছিলেন, টিমের জন্য খেলেন, স্ট্রাইকরেটের জন্য নয়। আর সে কারণেই অনেক দেশে টি-টোয়েন্টির প্রচারে তাঁর নাম ব্যবহার করা হয়। কথাটা যে মিথ্যে নয়, মার্কিন মুলুকে তাঁকে নিয়ে মাতামাতিতেই পরিষ্কার।


ফ্লোরিডায় ম্যাচ ভেস্তে যাওয়ার পরই বিরাটের সঙ্গে ছবি তোলার আবদার কানাডা ক্রিকেটারদের। নিরাশ করেননি বিরাট কোহলিও। গ্রুপ ছবিতে হাসি মুখে কিং কোহলি। প্রাপ্তির এখানেই শেষ নয়। কানাডা ক্রিকেটাররা সকলের সই করা জার্সি উপহার দেন টিম ইন্ডিয়ার হেড কোচ কিংবদন্তি রাহুল দ্রাবিড়কে। গ্রেট দ্য ওয়ালের থেকে প্রেরণার বার্তাও মিলেছে। যা কানাডা ক্রিকেটার এবং পরবর্তী প্রজন্মকে এই খেলায় উন্নতিতে ব্যাপক প্রভাব রাখবে।

রাহুল দ্রাবিড়ের বার্তা কানাডা শিবিরে কতটা প্রভাব ফেলেছে, এই ভিডিয়োতেই যেন পরিষ্কার।

 গ্রুপ পর্বে ভারতের প্রথম ম্যাচ ছিল আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে। ভারত সহজেই জিতেছে। যদিও ৫ বল খেলে মাত্র ১ রানেই ফেরেন ওপেন করতে নামা বিরাট কোহলি। বিশ্বকাপের আগেই আইপিএল হয়েছে। ওপেনার বিরাট কোহলি দুর্দান্ত পারফর্ম করেছেন। কিন্তু নিউ ইয়র্কের জার্নিটা ভালো হয়নি। দ্বিতীয় ম্যাচে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত কভার ড্রাইভে বাউন্ডারি মারেন।


 সুপার এইটের আগে ভারতীয় দলে যে বিরাট প্রশ্নের উত্তর মিলল না...


বিরাট কোহলি কি বিশ্বকাপের বাকি ম্যাচেও ওপেন করবেন? নাকি তাঁকে ফেরানো হবে সবচেয়ে বেশি সাফল্য পাওয়া তিনেই! এই প্রশ্ন নিয়েই সুপার এইটে ভারত। গ্রুপ পর্বে প্রথম তিন ম্যাচ জিতেই সুপার এইট নিশ্চিত করেছিল ভারত। নিউ ইয়র্কের পিচ ব্যাটারদের কাছে খুবই চ্যালেঞ্জিং ছিল। একশো প্লাস রান তাড়া করতে ঘাম ছুটেছে ব্যাটারদের। এর কারণ সেখানকার পিচ। অসমান বাউন্স। কখনও হঠাৎ লাফিয়ে উঠছে বল, কখনও আবার নীচু হচ্ছে। ভারতীয় দল বিশ্বকাপের আগে একটি মাত্রই প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছে। নিউ ইয়র্কের নাসাউ স্টেডিয়ামে সেই ম্যাচে খেলেননি বিরাট কোহলি। কার্যত প্রস্তুতি ছাড়াই নেমেছিলেন।

গ্রুপ পর্বে ভারতের প্রথম ম্যাচ ছিল আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে। ভারত সহজেই জিতেছে। যদিও ৫ বল খেলে মাত্র ১ রানেই ফেরেন ওপেন করতে নামা বিরাট কোহলি। বিশ্বকাপের আগেই আইপিএল হয়েছে। ওপেনার বিরাট কোহলি দুর্দান্ত পারফর্ম করেছেন। কিন্তু নিউ ইয়র্কের জার্নিটা ভালো হয়নি। দ্বিতীয় ম্যাচে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত কভার ড্রাইভে বাউন্ডারি মারেন। কিন্তু তিন নম্বর ডেলিভারিতেই অফ স্টাম্পের বাইরের বল তাড়া করে আউট। গত ম্যাচে আমেরিকার বিরুদ্ধে গোল্ডেন ডাক। ফলে প্রশ্ন উঠছে বিরাট কোহলির ব্য়াটিং পজিশন নিয়ে।


কানাডার বিরুদ্ধে গ্রুপের শেষ ম্যাচে এই প্রশ্নেরই উত্তর খোঁজার ছিল। বিশ্বকাপের আগে প্রাক্তনদের অনেকেই বলেছিলেন, বিরাট কোহলিকে ওপেন করানো উচিত। ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টও সেই সিদ্ধান্তই নিয়েছে। এখনও অবধি সেই সিদ্ধান্ত সঠিক প্রমাণ হয়নি। সে কারণেই মনে করা হচ্ছিল, কানাডা ম্যাচের পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। কিন্তু বৃষ্টিতে ম্যাচ ভেস্তে যাওয়ার পর সেই প্রশ্নের উত্তর অধরাই থেকে গেল।

হঠাৎ তাঁর মনে হয়, মুখে কিছু একটা চ্যাটচ্যাটে লাগছে সন্দেহ হলে, তিনি পার্লারের সিসিটিভি ফুটেজ দেখতে চান। প্রথমে অস্বীকার করলেও, শেষে অনেক ঝামেলার পর সিসিটিভি ফুটেজ দেখাতে রাজি হয় পার্লারের মালিক। আর সেই ফুটেজ দেখেই শিউরে ওঠেন ওই ব্যক্তি।

 চোখ বুজে আরাম নিচ্ছেন কাস্টমার, থুতু দিয়ে 'ফেস ম্যাসাজ' করছেন বিউটিশিয়ান!
এভাবেই থুতু দিয়ে মুখে ম্যাসাজ করেন কর্মী।


লখনউ: সারা সপ্তাহের খাটাখাটনি। ক্লান্তি দূর করতে সেলুনে গিয়েছিলেন একটু ম্যাসাজ নিতে। ভালই ম্যাসাজ করছিল পার্লারের কর্মী। হঠাৎ কেমন যেন অন্য কিছু মুখে লাগল বলে মনে হল। সন্দেহ হতেই চোখ খোলেন গ্রাহক। দেখতে চান, কী ক্রিম তাঁর মুখে দেওয়া হল। কিন্তু তা দেখাতে নারাজ সেলুনের কর্মী। অনেক ঝগড়া-অশান্তির পর শেষে যখন সিসিটিভি ফুটেজ দেখলেন, তখন পায়ের নীচ থেকে মাটি সরে গেল। সেলুনের কর্মী যে কাজ করেছেন তাঁর সঙ্গে, তা দেখে গা ঘিনঘিন করে উঠল। দেখলেন, ক্রিমের বদলে থুতু দিয়ে মুখে ম্যাসাজ করেছেন সেলুনের কর্মী।

ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর প্রদেশের লখনউতে। সেখানে একটি পার্লারে এক ব্যক্তির মুখে থুতু দিয়ে ম্যাসাজ করে দেন সেলুনের কর্মী। আশীষ কুমার নামে ওই ব্যক্তি জানিয়েছেন, তিনি গত ১১ জুন স্থানীয় একটি সেলুনে গিয়েছিলেন। সেখানে তাঁর চুল কাটেন এবং ফেস ম্যাসাজ করেন পার্লারের ব্যক্তি।

হঠাৎ তাঁর মনে হয়, মুখে কিছু একটা চ্যাটচ্যাটে লাগছে সন্দেহ হলে, তিনি পার্লারের সিসিটিভি ফুটেজ দেখতে চান। প্রথমে অস্বীকার করলেও, শেষে অনেক ঝামেলার পর সিসিটিভি ফুটেজ দেখাতে রাজি হয় পার্লারের মালিক। আর সেই ফুটেজ দেখেই শিউরে ওঠেন ওই ব্যক্তি। দেখেন, ম্য়াসাজ করার ফাঁকে পার্লারের কর্মী নিজের হাতে থুতু ফেলে, সেই থুতু দিয়েই মুখে ম্যাসাজ করে দেন।


ওই ভিডিয়ো হাতে পেতেই পার্লারে যাওয়া ব্যক্তি পুলিশের দ্বারস্থ হন। পুলিশও ফুটেজ দেখে যথাযথ ব্যবস্থা করার আশ্বাস দিয়েছে।

প্রসঙ্গত, এর কয়েকদিন আগেই উত্তর প্রদেশের শামলি জেলাতেও এক সেলুনের কর্মীকে এক ব্যক্তির মুখে থুতু দিয়ে ম্যাসাজ করতে দেখা যায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিয়োটি ভাইরাল হতেই পুলিশ কড়া পদক্ষেপ কে এবং অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে।



 গোপন সূত্রে খবর মিলেছিল নইনপুরের ভাইওয়াহি এলাকায় বিপুল সংখ্যক গরু এনে রাখা ছিল কুরবানির জন্য। এই খবর পেয়েই পুলিশ অভিযান চালায়। উদ্ধার করা হয় ১৫০টিরও বেশি গরু। ১১ জন অভিযুক্তের বাড়ির ফ্রিজ থেকে গরুর মাংস উদ্ধার করা হয়। ঘর থেকে উদ্ধার করা হয় গরুর চামড়া ও হাড়গোড়।

গরুর মাংস আছে ফ্রিজে! খবর পেয়েই বুলডোজার দিয়ে ১১টি বাড়ি গুঁড়িয়ে দিল পুলিশ
প্রতীকী চিত্র

ফ্রিজে রাখা রয়েছে গরুর মাংস। গোপন সূত্রে এই খবর আসা মাত্রই অ্যাকশন মোডে পুলিশ। বুলডোজার দিয়ে ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া হল বাড়ি। তাও আবার একটি নয়, পরপর ১১টি বাড়ি। রাজ্যে বেআইনি গরুর মাংসের বিক্রি রুখতেই কঠোর পদক্ষেপ সরকারের।

ঘটনাটি ঘটেছে মধ্য প্রদেশের মান্দলায়। জানা গিয়েছে, ভেঙে দেওয়া বাড়িগুলি সরকারি জমির উপরে তৈরি ছিল। এর জন্য়ই সরকারি নির্দেশে পুলিশ গিয়ে বাড়িগুলি ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া হয়।

পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, গোপন সূত্রে খবর মিলেছিল নইনপুরের ভাইওয়াহি এলাকায় বিপুল সংখ্যক গরু এনে রাখা ছিল কুরবানির জন্য। এই খবর পেয়েই পুলিশ অভিযান চালায়। উদ্ধার করা হয় ১৫০টিরও বেশি গরু। ১১ জন অভিযুক্তের বাড়ির ফ্রিজ থেকে গরুর মাংস উদ্ধার করা হয়। ঘর থেকে উদ্ধার করা হয় গরুর চামড়া ও হাড়গোড়। স্থানীয় সরকারি পশু চিকিৎসকও পরীক্ষা করে জানান যে উদ্ধার হওয়া মাংস গরুরই। নমুনাগুলি ডিএনএ পরীক্ষার জন্য হায়দরাবাদে পাঠানো হয়েছে।


এরপরই প্রশাসনের নির্দেশে ১১ জন অভিযুক্তের বাড়ি, যা সরকারি জমির উপরে তৈরি, তা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। ইতিমধ্যেই ১ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি ১০ অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

প্রসঙ্গত, মধ্য প্রদেশে প্রকাশ্যে মাছ-মাংস, ডিম বিক্রি নিষিদ্ধ। পাশাপাশি ২০১২ সালেই গো-হত্যা প্রতিরোধ আইন কঠোর করা হয়েছে রাজ্যে। গরুর মাংস কেনা-বেচা নিষিদ্ধ। যদি কেউ গো-হত্যায় অভিযুক্ত হয়, তবে ৭ বছর পর্যন্ত সাজা হতে পারে।

লোকসভা নির্বাচনে এনডিএ জোট জেতার পরই শোনা গিয়েছিল, জোটসঙ্গীরা চাপ সৃষ্টি করছে বিজেপির উপরে। চন্দ্রবাবুর টিডিপি লোকসভার স্পিকার পদ দাবি করেছে। বিজেপি এই পদ ছাড়বে কি না, তা জানা না গেলেও, এখন শোনা যাচ্ছে, বিরোধীদেরও নজর রয়েছে ওই পদের উপরে। 


ঘরে-বাইরে চাপে বিজেপি! টিডিপির পর এখন বিরোধীদেরও নজর স্পিকার পদে, কী হবে সংসদে?
ইন্ডিয়া জোট। ফাইল ছবি।


 লোকসভা ভোটে কিছুটা হলেও ধাক্কা খেয়েছে বিজেপি। এনডিএ-র ৪০০ পারের যে স্বপ্ন ছিল, তা ২৯২-তেই থেমেছে। কড়া কট্টর দিয়েছে বিরোধী জোট ইন্ডিয়া। তবে শুধু ভোটের ময়দানে নয়, এবার সংসদের অন্দরেও লড়াই কঠিন হতে চলেছে বিজেপির। সূত্রের খবর, বিরোধীরাও এবার স্পিকার পদের দাবি করতে পারে। 

লোকসভা নির্বাচনে এনডিএ জোট জেতার পরই শোনা গিয়েছিল, জোটসঙ্গীরা চাপ সৃষ্টি করছে বিজেপির উপরে। চন্দ্রবাবুর টিডিপি লোকসভার স্পিকার পদ দাবি করেছে। বিজেপি এই পদ ছাড়বে কি না, তা জানা না গেলেও, এখন শোনা যাচ্ছে, বিরোধীদেরও নজর রয়েছে ওই পদের উপরে।

সূত্রের খবর, বিরোধী শিবির অধিবেশন শুরুর আগেই লোকসভার ডেপুটি স্পিকারের পদ দাবি করবে। যদি তাদের সেই পদ দেওয়া না হয়, তবে তারা স্পিকার পদের জন্য নিজেদের প্রার্থী দেবে।


প্রসঙ্গত, আগামী ২৪ জুন থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের লোকসভার অধিবেশন। শেষ হবে ৩ জুলাই। ৯ দিনের এই বিশেষ অধিবেশনে ২৬ জুন স্পিকারের নির্বাচন হবে।

স্পিকার পদটিকে শাসক দলের শক্তির প্রতীক হিসাবেই গণ্য করা হয়। যেহেতু স্পিকারের হাতেই লোকসভা পরিচালনার ক্ষমতা থাকে, তাই এই পদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে, স্পিকারের অবর্তমানে দায়িত্ব থাকে ডেপুটি স্পিকারের। তবে ডেপুটি স্পিকার কিন্তু স্পিকারের অধীনে কাজ করেন না।

সেমি হাইস্পিড ট্রেন বন্দে ভারত এক্সপ্রেস যাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়। তবে চেয়ারকার হওয়ায়, এই ট্রেন বেশি দূরত্বে চালানো হয় না। দূরপাল্লার আরও ট্রেন বাড়াতে এবং বন্দে ভারতে অধিক দূরত্ব অতিক্রম করার জন্যই রেলের তরফে স্লিপার কোচ আনা হচ্ছে বন্দে ভারত ট্রেনে।


১৫ অগস্টের আগেই শুয়ে যেতে পারবেন বন্দে ভারতে, 'বিছানাটা' কেমন দেখুন
চেয়ারকার বন্দে ভারত। প্রতীকী চিত্র

 অপেক্ষার অবসান। এবার আর বসে নয়, শুয়ে সফর করা যাবে বন্দে ভারতে। অবশেষে ট্র্যাকে নামতে চলেছে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন(Vande Bharat Sleeper Train)। খোদ কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw) এই সুখবর দিলেন। আগামী ১৫ অগস্টের আগেই চাকা গড়াতে চলেছে বহু প্রতীক্ষিত বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের। আগামী ৬ মাসের মধ্যে সম্পূর্ণ পরিষেবা চালু হয়ে যাবে।

ভারতীয় রেলওয়ে সূত্রে জানা গিয়েছে, বন্দে ভারতের কোচ প্রায় তৈরি হয়ে গিয়েছে। শেষ কিছু কাজ চলছে। তবে ১৫ অগস্টের আগেই তা রেললাইনে নামার জন্য প্রস্তুত হয়ে যাবে। প্রাথমিকভাবে ট্রায়াল চলবে। তার ৬ মাস পর থেকে সম্পূর্ণরূপে পরিষেবা চালু হবে।


বন্দে ভারত স্লিপারের কামরা।

সেমি হাইস্পিড ট্রেন বন্দে ভারত এক্সপ্রেস যাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়। তবে চেয়ারকার হওয়ায়, এই ট্রেন বেশি দূরত্বে চালানো হয় না। দূরপাল্লার আরও ট্রেন বাড়াতে এবং বন্দে ভারতে অধিক দূরত্ব অতিক্রম করার জন্যই রেলের তরফে স্লিপার কোচ আনা হচ্ছে বন্দে ভারত ট্রেনে।

এক গবেষক বলেন, "এই রোগে আক্রান্ত হলে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মৃত্যু হয় অধিকাংশ ক্ষেত্রেই। এই ব্যাকটেরিয়া প্রবেশ করলে, ধরা যাক রোগী সকালে লক্ষ্য করলেন যে পা ফুলে গিয়েছে। দুপুরের মধ্যে তা হাঁটু পর্যন্ত ছড়িয়ে যাবে। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সংক্রমণে মৃত্যু হতে পারে।"


ছড়াচ্ছে ভয়ঙ্কর রোগ, শরীরে বাসা বাঁধছে মাংসখেকো ব্যাকটেরিয়া, ৪৮ ঘণ্টাতেই মৃত্যু নিশ্চিত!
প্রতীকী চিত্র

শরীরের ভিতর থেকে কুড়ে কুড়ে মাংস খেয়ে ফেলছে ব্যাকটেরিয়া! একবার শরীরে এই ব্যাকটেরিয়া ঢুকলে, ৪৮ ঘণ্টার মধ্য়ে মৃত্যু প্রায় নিশ্চিত। ভয়ঙ্কর এমনই এক রোগ ছড়িয়ে পড়েছে জাপানে। চলতি বছরেই আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় হাজার ছুইছুই। মারণ এই ব্যাকটেরিয়াকে ঘিরে চরম আতঙ্ক ছড়িয়েছে দেশে।

বিরল রোগ স্ট্রেপটোকোকাল টক্সিক শক সিনড্রোম (streptococcal toxic shock syndrome)। এক ধরনের মাংসখেকো ব্যাকটেরিয়া থেকেই এই রোগ হয়। ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব ইনফেকশিয়াস ডিজিজ-র তরফে জানানো হয়েছে, ২ জুন পর্যন্ত জাপানে ৯৭৭ জন আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে। গত বছর জাপানে এই রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন ৯৪১ জন।

চিকিৎসক-গবেষকরা জানিয়েছেন, স্ট্রেপটোকোকাল টক্সিক শক সিনড্রোম এমনই এক ভয়ঙ্কর রোগ, যা আক্রান্ত হওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মৃত্যু হতে পারে। গ্রুপ এ স্ট্রেপটোককাস (GAS) রোগে মূলত শিশুরাই আক্রান্ত হয়। স্ট্রেপ থ্রোট-ও বলা হয় একে। এই সংক্রমণের প্রাথমিক উপসর্গ হল গলা ব্যথা বা গলা ফুলে যাওয়া। কিন্তু দ্রুত শারীরিক অবনতি হতে থাকে। হাত-পায়ের পেশীতে ব্য়থা, ফুলে যাওয়া, জ্বর, রক্তচাপ কমে যাওয়ার পর উপসর্গ দেখা যায়। শেষ পর্যায়ে নেক্রোসিস (কোষের মৃত্যু), শ্বাসকষ্ট, অঙ্গ-প্রতঙ্গ বিকল হয়ে যাওয়া এবং মৃত্যু হয়। পঞ্চাশোর্ধ্ব ব্যক্তিদেরও এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।


টোকিয়ো ওমেন্স মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটির এক গবেষক বলেন, “এই রোগে আক্রান্ত হলে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মৃত্যু হয় অধিকাংশ ক্ষেত্রেই। এই ব্যাকটেরিয়া প্রবেশ করলে, ধরা যাক রোগী সকালে লক্ষ্য করলেন যে পা ফুলে গিয়েছে। দুপুরের মধ্যে তা হাঁটু পর্যন্ত ছড়িয়ে যাবে। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সংক্রমণে মৃত্যু হতে পারে।”

২০২৪ সালে জাপানে এই বিরল রোগে আক্রান্তের সংখ্যা ২৫০০ পার করতে পারে বলেই শঙ্কা গবেষকদের। এই রোগে মৃত্যুহারও ভয় ধরানোর মতো। ৩০ শতাংশ রোগীরই মৃত্যু হয়। এই মারণ ব্যাকটেরিয়া থেকে বাঁচতে নিয়মিত ভালভাবে হাত ধোয়া এবং কোনও খোলা ক্ষতস্থান থাকলে, তার চিকিৎসা করার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।



গৌরব চট্টোপাধ্যায়ের জন্মদিন আজ। তিনি উত্তমকুমারের নাতি। দাদুর আদর্শকে বুকে নিয়ে চলেন গৌরব। তবে বিখ্যাত দাদুর নাতি হওয়ার পাশাপাশি গৌরব নিজেকে স্বতন্ত্রভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন অভিনেতা হিসেবে। তাঁর জন্মদিনে আজ পরিবারের সকলেই আনন্দে ভাসছেন। জানেন তাঁর স্ত্রী অভিনেত্রী দেবলীনা কুমার কী লিখেছেন গৌরবের জন্য?


'...প্রত্যেক ঝগড়ার নিস্তব্ধতার পর', স্বামী গৌরবের জন্মদিনে স্ত্রী দেবলীনার পোস্ট!
দেবলীনা-গৌরব।


আজ গৌরব চট্টোপাধ্যায়ের জন্মদিন। টলিপাড়ার অভিনেতা তিনি। মূলত সিরিয়ালেই অভিনয় করেন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে। তাঁর আরও এক বিরাট পরিচয়, তিনি মহানায়ক উত্তমকুমারের নাতি। কিন্তু সেই পরিচয়কে ছাপিয়েও গৌরব নিজেকে প্রতিনিয়ত প্রমাণ করছেন অভিনয় জগতে। সে সিরিয়াল হোক, সিনেমা কিংবা ওয়েব সিরিজ়। গৌরব এক কথায় লাজবাব। আরও এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, গৌরব অসম্ভব অমায়িক এবং সৎ। সেটা একবাক্যে স্বীকার করে নেন তাঁর প্রিয়জনেরা। গৌরব বিয়ে করেছেন তৃণমূল বিধায়ক দেবাশিস কুমারের কন্যা দেবলীনা কুমারকে। ৪ বছর আগে তাঁদের বিয়ে হয়েছে ঘটা করে। স্বামীর জন্য হৃদয় উজাড় করে পোস্ট লিখেছেন অভিনেত্রী, নৃত্যশিল্পী এবং শিক্ষিকা দেবলীনা কুমার।

দেবলীনার পোস্ট থেকে:

“আমার জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে আজ বলতে চাই শুভ জন্মদিন। প্রথম ছবিটি তাঁকে যেভাবে গোটা পৃথিবীর মানুষ দেখেছেন। দ্বিতীয়টি তাঁকে আমি যেভাবে পেয়েছি। তোমাকে অনেক ধন্যবাদ জানাতে চাই আমাকে হাসিয়ে-হাসিয়ে পেট খিল ধরিয়ে দেওয়ার জন্য। তোমার জোকস আমাকে আনন্দ দেয়। সারাক্ষণ বাড়িটাকে আনন্দে ভরিয়ে রাখো তুমি। এখন গর্ব করে বলতে পারি আমার একজন মিম পার্টনার আছে। প্রত্যেক ঝগড়ার নিস্তব্ধতার পর, জোকসের পর, রিল শেয়ার করার পর, একে-অপরকে ১০০০টি ডাক নাম দেওয়ার পর (একটাও বলতে পারব না লোককে), জীবনের সব আনন্দ পাও তুমি। একে-অপরের চেয়ে ১৮০ ডিগ্রি বিপরীত হওয়ার পরও আমি তোমাকেই বেছে নেব বারবার। শুভ জন্মদিন গৌরব।”



রামোজি রাওয়ের মৃত্যু ভীষণভাবে নাড়িয়ে দিয়েছে পরিচালক-প্রযোজক-অভিনেতা শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে। রামোজির মৃত্যুর একসপ্তাহ পর 
 ডিজিটালের জন্য কলম ধরলেন শিবপ্রসাদ। ঋণীর স্বীকার করলেন। বললেন, "আজ আমি যা হতে পেরেছি, সব এই লোকটার জন্য..."



জামাই হাউ আর ইউ?' রামোজি রাও-এর স্মৃতিতে ডুবলেন 'জামাই' শিবপ্রসাদ
শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়।



নীতীশদা (নীতীশ রায়–রামোজি ফিল্ম সিটি তৈরি হয় তাঁর নির্দেশনাতেই) আর নন্দিতাদি (নন্দিতা রায়–নীতীশের স্ত্রী, ইটিভি বাংলার জন্ম লগ্নের দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং পরবর্তীতে চলচ্চিত্র পরিচালক) না থাকলে রামোজি রাও কে কিংবা রামোজি ফিল্ম সিটি কী, জানাই হত না আমার। রামোজি রাও যে বাংলা ছবিটি প্রথম প্রযোজনা করেছিলেন, সেই ছবির নায়ক ছিলাম আমি। ছবির নাম ‘জামাই নম্বর ওয়ান’। নীতীশদাই ছিলেন ছবির পরিচালক। সুতরাং, বুঝতেই পারছেন, রামোজি রাওয়ের নজরে আমি ছিলাম কেবলই এক নায়ক। এক অভিনেতা। এই নায়ক কীভাবে আগামীকালের পরিচালক হয়ে উঠল, তার নেপথ্যে রামোজির কতখানি হাত, সেটাই আজ বলতে ইচ্ছা করছে খুব। যেদিন তিনি মারা গেলেন (রামোজি রাওয়ের মৃত্যু হয়েছে একসপ্তাহ আগে। দিনটা ছিল শনিবার, ৮ জুন, ২০২৪), সেদিনই আমি একটি পোস্ট করেছিলাম ফেসবুকে। তাও যেন মনের মধ্যে থেকে বোঝাটা নামাতে পারছিলাম না। তারপর আপনাদের দফতরের ফোনটা পেলাম। মানুষটাকে নিয়ে লেখার আরও একটা প্ল্যাটফর্ম পেয়ে নিজেকে উজাড় করে দিতে ইচ্ছা করল খুব। শুনুন তবে…

তখন আমি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারন্যাশনাল রিলেশনের ছাত্র। লেখাপড়ায় মন্দ ছিলাম না। বাড়ির সকলে আমার থেকে অনেককিছু আশা করে বসেছিলেন। বাবা-মা, প্রত্যেকে চাইতেন ছেলে তাঁদের ইউপিএসসি-ডব্লিউবিএসসি পরীক্ষায় সুযোগ পেয়ে দেশের হাল ধরুক। কিন্তু ছেলের সেই সবের বালাই ছিল না। সে চাইত স্রেফ একটা চাকরি। যে চাকরি করতে-করতেও ছেলেটা সিনেমা তৈরির প্রস্তুতি নিতে পারবে। তখনই হাতে চাঁদ পাওয়ার মতো নন্দিতাদির অফারটা আসে আমার কাছে। তিনি আমাকে ইটিভিতে চাকরি করার প্রস্তাব দিয়ে বসেন। কী জানি, অদৃষ্টের দৃষ্টি আমার উপর দয়াই করেছিল হয়তো। চাকরি করতে এসে ছবি তৈরির অ-আ-ক-খ শিখে নিলাম এই রামোজি ফিল্ম সিটিতে বসে। রামোজি রাওয়ের অধীনে।