covid 19 Update

Top News

ভুয়েো টিকা কাণ্ডে ধৃত দেবাঞ্জন দেব কসবার শিবিরে যে টিকা ব্যবহার করেছিলেন সেগুলো আদৌ কোভিশিল্ড নয়। বৃহস্পতিবার তা নিশ্চিত করল পুণের সেরাম ইনস্টিটিউট।

কসবায় ওই শিবিরে ব্যবহৃত টিকা এবং শিশি সেরাম ইনস্টিটিউটে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিল। বৃহস্পতিবার তার রিপোর্ট জমা পড়েছে লালবাজারে। ওই রিপোর্টে সেরাম দাবি করেছে, কসবা থেকে উদ্ধার হওয়া টিকার শিশির উপর কোভিশিল্ড লেখা লেবেল লাগানো হয়েছিল। ওই লেবেলগুলো তাদের নয়।

তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, শিশিগুলির উপর কোভিশিল্ড লেখা লেবেল লাগানো থাকলেও তা তুলে ফেলতেই তার নীচে আরও একটি লেবেল মেলে। বৃহস্পতিবার সেরামের এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসতেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে তা হলে শিশির ভিতরে কী তরল ছিল।


যাঁরা এই ভুয়ো টিকা নিয়েছিলেন, তাঁদের শরীরে কী তরল প্রয়োগ করা হয়েছে তা নিয়ে শুরু হয়েছে তদন্ত।

কসবায় ভুয়ো টিকা শিবির খুলে গ্রেফতার হয়েছেন দেবাঞ্জন দেব। তাঁর বিরুদ্ধে অনুচ্ছাকৃত খুনের মামলা রুজু হয়েছে। শুধু ভুয়ো টিকা শিবিরই নয়, দেবাঞ্জনের বিরুদ্ধে প্রতারণা-সহ একাধিক অভিযোগ উঠেছে। ভুয়ো আইএএস অফিসার সেজে নীল বাতি লাগানো গাড়িতে ঘুরে বেড়ানোর অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এ ছাড়া কোভিড অতিমারি শুরু হতেই মাস্ক, স্যানিটাইজার, পিপিই কিটের অবৈধ ব্যবসা। ভুয়ো আইএএস আধিকারিকের পরিচয় দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে দেবাঞ্জনের বিরুদ্ধে।
উচ্চ মাধ্যমিকের (Higher Secondary Exam 2021) ফল প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই জেলায় জেলায় একাধিক স্কুলে পড়ুয়াদের বিক্ষোভের ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। খাস কলকাতার একটি স্কুলের ছাত্রী আত্মহত্যার হুমকি দিয়ে বসেছিলেন। সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি চাকদহে। রেজাল্ট না আসায় স্কুলের ছাদে উঠে ঝাঁপ দেওয়ার হুমকি দিলেন ৫ ছাত্র। স্কুল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস নিলে নামে তাঁরা।

বুধবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার চাকদহের মদনপুর কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ে। ওই বিদ্যালয়ের পাঁচ পড়ুয়া এদিন আচমকা ছাদে উঠে পড়ে। তাঁদের অভিযোগ, 'আমরা হেড স্যারের সঙ্গে দেখা করেছি। কিন্তু স্যার আমাদের রেজাল্ট দিচ্ছেন না।


বলছেন, আমরা নাকি ফর্ম ফিলাপ করিনি। তাই আমাদের রেজাল্ট হাতে পাইনি। কিন্তু এটা আমরা মানব কী করে? পাশ তো সবাই করেছে, ফেল হলে তো আলাদা ব্যাপার। আমাদের রেজাল্ট শো করছে না। দেখাচ্ছে, রেজিস্ট্রেশন নম্বর ভুল। আমরা প্রজেক্ট জমা দিয়েছি। প্রজেক্টে রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়েছি। সই করেছি। তবুও স্যার বলছেন, ফর্ম ফিলাপ করিনি। আমাদের রেজাল্ট দেওয়া হোক, স্যার আমাদের স্পষ্ট করে জানান। না হলে আমরা ছাদ থেকে ঝাঁপ দেব। আমরা কেউ বড়লোকের ছেলে না। আমাদের অভিভাবকরা লকডাউনের  মধ্যে টিউশনি দিয়ে আমাদের পড়িয়েছেন। অভিভাবকরা স্কুলে প্রথম দিন এসেছিলেন, রেজাল্ট নেওয়ার জন্য। অথচ অভিভাবকদের সামনে বলা হয়েছে, আমরা ট্যাবের টাকা পাওয়ার পর স্কুলে যোগাযোগ রাখিনি। অথচ ট্যাবের টাকা পাওয়ার পর ফোন কিনেছি। স্কুলে এসেছি। প্রজেক্ট জমা দিয়েছি, ক্লাস অ্যাটেন্ড করেছি। যে স্যারেরা আমাদের ক্লাস নেন, তারাও আমাদের মুখ চেনেন।' স্কুলের পরিচালন কমিটির সদস্য তাপস মুখোপাধ্যায় এবিষয়ে বলেন, 'প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে শুনেছি ওরা উচ্চ মাধ্যমিকের (Higher Secondary Exam 2021) ফর্ম ফিলাপ করেনি।ট্যাবের জন্য ফর্ম ফিলাপ করেছিল। '

অন্যদিকে, উচ্চ মাধ্যমিকের ফল নিয়ে চাপানউতোরের মাঝেই ৩৭ জন জেলা স্কুল পরিদর্শক (ডিআই) কে বদলি করল রাজ্য সরকার। উচ্চমাধ্যমিকের ফল বিভ্রাটের পর এই গণবদলির ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্কুলশিক্ষা দপ্তর যদিও রুটিন বদলি বলেই জানিয়েছে।
বাড়ির পিছনে চলছিল কুয়ো খোঁড়ার কাজ। কাজ হচ্ছিল পুরোদমে। আচমকাই বড়সড় কোনও কিছুতে ধাক্কা লাগল। আর ভাল করে খুঁড়তেই বেরিয়ে এল বিশালাকার নীলা বা Sapphire Cluster। যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১০ কোটি মার্কিন ডলার। যা দেখে চক্ষু চড়কগাছ অনেকেই। হ্যাঁ, শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি।

একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, শ্রীলঙ্কার রতনপুর এলাকায় অনেক জায়গাতে মাটি থেকে নানারকম রত্ন খুঁজে পাওয়া যায়। গ্যামেজ নামে ওই রত্ন ব্যবসায়ীর বাড়ির নিচেই মিলল বড় আকারের ওই নীলাটি। জানা গিয়েছে, গ্যামেজের বাড়ির পিছনে কুয়ো খোঁড়ার কাজ চলছিল।


যিনি কুয়োটি খুঁড়ছিলেন, আগেভাগেই এই ব্যাপারে আভাসও দিয়েছিলেন। আর খননকার্য চলকালীনই আচমকা বেরিয়ে আসে দামী ওই পাথরটি। দেখা যায়, সেটির ওজন প্রায় ৫১০ কিলোগ্রাম। 'Serendipity Sapphire' নামও রাখা হয়েছে পাথরটির


কিন্তু জানেন কী আন্তর্জাতিক বাজারে এই নীলাটির দাম কত? জানা গিয়েছে, এর দাম হতে পারে ১০ কোটি মার্কিন ডলার। ইতিমধ্যে গ্যামেজ মূল্যবান এই পাথরটির ব্যাপারে শ্রীলঙ্কান কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন। তবে তিনি আরও জানান, এখনই সেটি বিক্রি করা যাবে না। আপাতত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে পাথরটিকে পরিস্কারের কাজ চলবে। এরপরই সেটি অ্যানালাইজ করে সার্টিফিকেট দেওয়া হবে। তারপরই তা বিক্রি করা হবে। শ্রীলঙ্কার ন্যাশনাল জেম এবং জুয়েলারি অথরিটির পক্ষ থেকে তিলক বিরাসিংঘে জানান, এটি আর পাঁচটি নীলার মতো নয়, তাঁদের থেকে পৃথক। তবে মনে হয় এটিই বিশ্বের সবচেয়ে বড় নীলা। পাশাপাশি এটির যা দাম হয়তো কেউ ব্যক্তিগত মালিকানায় রাখার জন্য কিংবা মিউজিয়ামে রাখার জন্য এটি কিনেও নিতে পারেন।
ইলিশের ভরা মরশুমে এমন যে দেখতে হবে তা কল্পনাও করতে পারেননি মাছচাষিরাও! বুধবার, দিঘার মোহনায় ধরা পড়ল এক দৈত্যাকৃতির ‘কই ভোলা’ মাছ । প্রায় ১৫০ কেজি ওজনের সেই মাছটি রফা হল ৩৫ হাজার টাকায়!

মত্‍স্যজীবীরা জানিয়েছেন, বুধবার অন্যান্য দিনের মতোই সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন তাঁরা। আচমকা, মাঝসমুদ্রে জালে টান পড়ে। মাছচাষিরা বুঝতে পারেন জালে ভারি কিছু আটকে গিয়েছে। কিন্তু কী আটকেছে তা তখনও কল্পনা করতে পারেননি তাঁরা। জাল টেনে তুলতেই দেখা গেল এক বৃহদাকার ‘কই ভোলা’ মাছ ধরা পড়েছে। মাছটির ওজন কমপক্ষে ১৫০ গ্রাম। দিঘার মোহনায় অমন মাছ ধরা পড়তেই হইচই পড়ে যায়।


দৈত্যাকার মাছটিকে দেখতে আশপাশের গ্রাম থেকে ছুটে আসেন অনেকে। মাছটিকে আনা হয় মোহনা বাজারে। সেখানে চড়া দাম ওঠে মাছটির । পরে, বসিরহাটের এক ব্যবসায়ী ৩৫ হাজার টাকায় বৃহদাকার ‘কই ভোলা’-টি কিনে নেন।

মাছচাষিরা আরও জানিয়েছেন, বিশালাকৃতির ওই মাছটি ওড়িশার পারাদ্বীপে এস এস সি নামের একটি ট্রলারে উঠেছিল। সেখান থেকেই সেটিকে দিঘার মোহনা বাজারে আনা যায়। সাধারণত, ‘কই ভোলা’ মাছ আকারে ছোট হয়। কই ও ভোলা মাছের সংকর এই মাছটি যেমন সুস্বাদু তেমনি বাহারি। বাজারে খুব সহজে পাওয়া না গেলেও মাছপ্রিয়দের পছন্দের তালিকায় থাকে এই মাছ। তবে, এত বেশি ওজনের ‘কই ভোলা’ কোনওদিন মত্‍স্যজীবীরাও সাম্প্রতিককালে
করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের আতঙ্ক কাটতে না কাটতে রাজ্যে আগমন ঘটেছে করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের। তাই বর্তমানে এই করণা মহামারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে জয়লাভের একমাত্র মোক্ষম অস্ত্র হলো ভ্যাকসিনেশন। ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন স্তরে বিভিন্ন পদ্ধতিতে কভিড ভ্যাকসিন দেওয়া চলছে। এরই মধ্যে অন্যতম হলো দুয়ারে ভ্যাকসিন প্রকল্প। স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গিয়ে লম্বা লাইনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে নিজেকে ক্লান্ত অনুভব করার হাত থেকে অনেকটাই রেহাই দিচ্ছে এই দুয়ারে ভ্যাকসিন প্রকল্প ।আজ নামখানা সমষ্টি উন্নয়ন অফিসে দুয়ারে ভ্যাকসিন প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় 100 জনকে কভিড ভ্যাকসিন দেওয়া হল। এই বিষয়ে নামখানা সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক সান্তনু সিংহ ঠাকুরের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় আজকে বিডিও অফিসে মূলত তারাই ভ্যাকসিন পেল যারা প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফ্রন্টলাইন ওয়ার্কার হিসেবে কাজ করে চলেছেন। মূলত আজকে নামখানা ব্লকের বেশ কিছু মিডিয়া পারসন এবং সিভিল ডিফেন্স এর কর্মীরা কোভিড ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ পেল। তবে শুধু আজ নয় এর আগেও নামখানা বিডিও অফিসের ব্যবস্থাপনায় নামখানা ব্লক এর বিভিন্ন স্তরের মানুষ কভিড ভ্যাকসিন পেয়েছেন। 
এ যেন অস্ত্রের ভাণ্ডার!

গ্রেফতার হওয়া ভুয়ো আইপিএস রাজর্ষি ভট্টাচার্যের বাড়িতে হানা দিয়ে মঙ্গলবার রাতে এই উপলব্ধিই হয়েছে লালবাজারের গোয়েন্দাদের। পুলিশ সূত্রে বুধবার জানা গিয়েছে, বেলঘরিয়ার পি সি ব্যানার্জি লেনে রাজর্ষির দোতলা বাড়ি থেকে মিলেছে মোট সাতটি আগ্নেয়াস্ত্র। যার মধ্যে রয়েছে রাইফেল, দো-নলা বন্দুক, এয়ারগান, রিভলভার এবং পিস্তল। এ ছাড়াও তল্লাশিতে মিলেছে প্রচুর কার্তুজ।

এত আগ্নেয়াস্ত্র এক জন ভুয়ো পুলিশের কাছে আসে কী করে? তদন্তকারীদের দাবি, জেরায় রাজর্ষি জানিয়েছে, তার সব ক'টি আগ্নেয়াস্ত্রেরই লাইসেন্স রয়েছে। সে উত্তর কলকাতার রাইফেল শুটিং ক্লাবের সদস্য। তার বাড়ি থেকে যে রাইফেল উদ্ধার হয়েছে, তা শুটিং অনুশীলনের জন্যই ব্যবহার করা হত


আর উদ্ধার হওয়া রিভলভারটি তার দেহরক্ষীর। কিন্তু এয়ারগান বা দো-নলা বন্দুকটি কী কাজে ব্যবহার করা হত, সে সম্পর্কে রাজর্ষি কোনও স্পষ্ট জবাব দিতে পারেনি বলেই পুলিশ সূত্রের খবর। শুটিংয়ের অনুশীলন বা তার দেহরক্ষীর রিভলভার ব্যবহারের বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

তাঁকে আইনি জটিলতায় ফাঁসিয়ে গ্রেফতারির হুমকি দিয়ে দু'লক্ষ টাকা দাবি করা হচ্ছে বলে গত সোমবার পার্ক স্ট্রিট থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন জাকির হোসেন নামে এক ব্যক্তি। সেই অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নেমে পুলিশ রাজর্ষিকে গ্রেফতার করে। সেই সঙ্গেই গ্রেফতার করা হয় পার্ক স্ট্রিটের বাসিন্দা মহম্মদ সিকন্দর ও হাওড়ার জগাছার অভিজিত্‍ দাস ওরফে সন্তুকে। জানা যায়, আইপিএস সেজে রীতিমতো ব্যবসা ফেঁদে বসেছিল রাজর্ষি। নীল বাতির পাশাপাশি আইপিএস-দের মতোই স্টার লাগানো গাড়িতে চড়ে ঘুরত সে। সিকন্দর ছিল রাজর্ষির গাড়িচালক। রাজর্ষির সঙ্গে সর্বক্ষণ থাকত বন্দুকধারী নিরাপত্তারক্ষীও। তাদেরই এক জন অভিজিত্‍। রাজর্ষি নিজেকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার (এনআইএ) ডেপুটেশনে থাকা আধিকারিক বলে পরিচয় দিত। এমনকি, নিজেকে গুপ্তচর সংস্থা 'র'-এর কর্মী বলেও দাবি করত সে। তার এই সব পরিচয় পেয়ে তটস্থ হয়ে থাকতেন আত্মীয় এবং প্রতিবেশীরা।

ধৃতদের মুখোমুখি বসিয়ে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদের পরে রাজর্ষির বাড়িতে হানা দেন তদন্তকারীরা। সেখান থেকে আগ্নেয়াস্ত্রের পাশাপাশি স্টার লাগানো আইপিএসের ব্লেজ়ারও মিলেছে। এ ছাড়াও ছিল বেশ কয়েকটি খাকি উর্দি। সেগুলি সম্পর্কে ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ধৃতের গাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া তিন লক্ষ টাকার উত্‍স সম্পর্কেও জানতে চাওয়া হচ্ছে।

পুলিশ সূত্রের খবর, রাজর্ষি বিভিন্ন পাঁচতারা হোটেলে যেত। সেখানেই ভাব জমাত 'টার্গেটদের' সঙ্গে। তার পরেই শুরু হত 'কাজের' কথাবার্তা। জানা গিয়েছে, সে ভাল ছবি আঁকতে পারে। ছবি কিনে প্রভাবশালীদের কাছে চড়া দামে বিক্রি করত। পুলিশের অনুমান, সে বিভিন্ন জায়গা থেকে ছবি কিনে বড় শিল্পীদের আঁকা বলে লোকজনের কাছে চড়া দামে বিক্রি করত। 
আজ সকালে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার অক্ষয়নগর কালি নগর উত্তর শিবপুর রেল গেটের পার্শ্ববর্তী এলাকায় একটি জলমগ্ন মাঠে হঠাৎ একটি মৃত দেহ ভেসে উঠেছে । মৃত ব্যক্তির নাম পবিত্র সামন্ত, ঘটনা স্থল থেকে জানাযায় গত চার দিন অর্থাৎ সোমবার রাত থেকে নিখোঁজ ঐ মৃত ব্যক্তি। আজ সকাল নাগাদ মৃতদেহ টি ভেসে উঠে ঐ এলাকায় এবং এলাকার মানুষ ঐ মৃতদেহটি দেখতে পান। তৎক্ষণাৎ কাকদ্বীপ হারুপয়েন্ট কোষ্টাল থানার পুলিশ প্রশাসন কে খবর দেন এলাকার মানুষ। ঘটনাস্থলে পুলিশ আসেন জলমগ্ন মাঠ থেকে উদ্ধার করা হয়, মৃতদেহটি তদন্তের জন্য পাঠানো হয়।
ছবি : সংগৃহীত 

 ট্রলারডুবি হলো বঙ্গোসাগরে। গতকাল সন্ধ্যা নাগাদ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মধ্যে পড়ে বাংলাদেশ বর্ডার এর কাছে ভধু মা। নামে ট্রলারটি ডুবে যায়। প্রবল জলের ডেউ এ ট্রলারের তলা ফেটে যায়। বিপদ সংকেত বাজিয়ে দেওয়ার, সঙ্গে সঙ্গে আশেপাশে মাছ ধরতে থাকা কাকদ্বীপের দুটি  ট্রলার দ্রুত গতিতে চলে আসে। অনেক চেষ্টা করে ওই ট্রলারের মধ্যে থাকা 16 জন মৎসজীবি কে  তারা উদ্ধার করে। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অসুস্থ হয়ে পড়ার খবর আসছে। কয়েকদিন আগে কুলতলি থানার সানকি জান এলাকার বাসিন্দা কৃষ্ণ দাস নামে ট্রলার মালিকের এই ভোদু মা ট্রলারটি মাছ ধরতে বেরিয়েছিল। গতকাল সন্ধ্যা নাগাদ এই বিপর্যয়ের মুখে পড়ে বলে জানা গেছে। মৎস্যজীবী ইউনিয়নের পক্ষ থেকে ডুবে যাওয়া ট্রলারটি সন্ধানে রওনা দিয়েছে বেশ কয়েকটি ট্রলার গত 14 তারিখে বঙ্গোপসাগরে হৈমবতী ট্রলারটি ডুবে যাওয়ায় 10 জন মৎসজীবি প্রাণ হারিয়েছিলেন। এক্ষেত্রে ভোদু মা  ট্রলার টি ডুবে গেলেও প্রাণে বেঁচে যায় 16 জন মৎসজীবি।

 


 শহরে ফের ভুয়ো অফিসারের খোঁজ। নিজেকে পুলিশ পরিচয় দিয়ে আর্থিক প্রতারণা করত সুমন ভৌমিক নামে ওই যুবক। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে লালবাজারের গোয়েন্দারা। সে আবার একসময়ে কলকাতা পুলিশে সিভিক ভলান্টিয়ারের চাকরি করত বলে জানা গিয়েছে।


পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত সুমন একসময় কলকাতা পুলিসে সিভিক ভলান্টিয়ার পদে চাকরি করত। অথচ নিজেকে পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিক হিসেবে পরিচয় দিত বলে অভিযোগ। তার বিরুদ্ধের নির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে, ভুয়ো টেন্ডারের মাধ্যমে ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৪৮ লক্ষ টাকা আত্মসাত্‍ করেছে। এই মর্মে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর তত্‍পর হন লালবাজারে গোয়েন্দারা। এরপর তদন্তে নেমে গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্ত প্রতারককে। কসবায় ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডের পর থেকেই একের পর এক ভুয়ো আধিকারিক, বিচারক, সেনা, মানবাধিকার কমিশনের আধিকারিকের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে। ভ্যাকসিন কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবের ঘটনা থেকে রাজ্য জুড়ে নীল বাতি দেওয়া গাড়ি এবং বিভিন্ন স্টিকার দেওয়া গাড়ির ওপর কড়া নজরদারি শুরু করেছে পুলিশ। গোটা রাজ্য জুড়ে এখন জালিয়াতি নিয়ে তোলপাড়। দিন কয়েক আগে কৃষ্ণনগরে এক মহিলা নিজেকে সিআইডি পরিচয় দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাত্‍ করার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছে।

আবার পুলিশ কমিশনারকে বাবা পরিচয় দিয়ে সুলগ্না ঘোষ নামে এক ভুয়ো ট্রাফিক সার্জেন্ট গ্রেফতার হয়েছে। জগাছা থেকে এক ভুয়ো সিআইডি অফিসারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। কৃষ্ণনগর থেকে আরও এক ভুয়ো আইএএস অফিসারের গ্রেফতারের পর কলকাতা পুরসভার ভুয়ো ফুড ইন্সপেক্টর পুলিশের জালে ধরা পড়েছে। গতকালই রাজশ্রী ভট্টাচার্য নামে এক ভুয়ো আইপিএস অফিসারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই তালিকায় নবতম সংযোজন সুমন ভৌমিক।

  


রমরম করে চলছিল গাঁজার বেআইনি কারবার। নতুন বোলেরো গাড়িও কিনে ফেলেছিল পাচারকারীরা। এই চক্রের দুই যুবককে ধরার জন্য তক্কেতক্কেই ছিল দুর্গাপুরের কোকওভেন থানার পুলিশ। মঙ্গলবার প্রায় ১৬ কেজি গাঁজা ও নগদ ৮০ হাজার টাকা সহ ওই দু'জনকে পাকড়াও করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম বীরেন কর ও প্রশান্ত রক্ষিত। বীরেন বাঁকুড়ার রাজগ্রামের বাসিন্দা। সেই এই চক্রের মূল পান্ডা বলে মনে করা হচ্ছে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে, দুর্গাপুর ব্যারেজ সংলগ্ন বীরভানপুর বিসর্জন ঘাটের কাছে ওত পেতেছিল পুলিশ। খবর ছিল, এখানেই গাঁজা নিয়ে হাজির হবে দুজন। টাকাপয়সার লেনদেনও হবে। পুলিশ জানায়, সাদা রঙের বোলেরো গাড়ি চেপে ঠিক সময়েই ঘটনাস্থলে এসেছিল বীরেন ও প্রশান্ত। গাড়িটি দেখেই সজাগ হয়ে যান পুলিশকর্মীরা। ঘিরে ফেলা হয় গাড়ি। গাঁজা ও নগদ টাকা সহ হাতেনাতে ধরা পড়ে দুই যুবক। গাড়িটা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, জেরায় ধৃতরা স্বীকার করেছে ওড়িশা থেকে গাঁজা এনে বাঁকুড়া, আসানসোলের বেশ এলাকায় পাচার করে তারা। আরও অন্যান্য জেলাতেও গাঁজা সরবরাহ করা হয়। ধৃতদের ৮ দিনের পুলিশি হেফাজত চেয়ে আসানসোল আদালতে পেশ করা হয়েছে। পুলিশ জানাচ্ছে, এই চক্রের জাল কতটা ছড়িয়েছে তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। শিল্পাঞ্চল এলাকায় কোনও বড় অপরাধ চক্রের সঙ্গে এদের যোগসাজস আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

  


পাচার করার আগেই প্রায় হাজার খানেক টিয়াপাখি উদ্ধার করল রেল পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে মালদায়। গোপন সূত্রে খবর অনুযায়ী মালদা আরপিএফের একটি দল মালদা স্টেশনে এসে পৌঁছোন। মঙ্গলবার রাতে কলকাতাগামী ডাউন যোগবানি এক্সপ্রেসের একটি সংরক্ষিত কামরা থেকে ওই পাচারকারীকে গ্রেফতার করে মালদা রেল পুলিশ।


উল্লেখ্য, ট্রেনের ৮ নম্বর স্লিপার কোচ সন্ধান করে প্রায় হাজার খানেক টিয়া ও একটি বিরল প্রজাতির ময়না পাখি উদ্ধার করা হয়। তার সাথে ধরা পড়ে শেখ শহীদ নামে এক চোরাকারবারি। এদিন রাতেই আরপিএফ মালদা ফরেস্ট রেঞ্জ অফিসের অফিসারের কাছে অভিযুক্ত সহ টিয়া পাখি গুলো তুলে দেওয়া হয়। তবে, পাখিগুলি কোথা থেকে সে নিয়ে এসেছিল, বা কোথায় পাচারের ছক ছিল তা এখনও স্পষ্ট হয়নি। মালদা আরপিএফ এর ইন্সপেক্টর বি শর্মা আরও জানান, 'ধৃত যুবক কাটিহার থেকে টিকিট কেটে ট্রেনে উঠেছিল। আর সেই টিকিট বর্ধমান পর্যন্ত কাটা ছিল। বিশেষ সূত্রে খবর, আগে থেকেই ছিল যার ফলে ট্রেনটি যখন তিন নম্বর প্লাটফর্মে ঢুকে তখনই আমাদের আরপিএফ কর্মীরা ৮ নম্বর স্লিপার কোচের উঠে তল্লাশি চালিয়ে টিয়া পাখি সমেত ওই যুবককে হাতেনাতে ধরে ফেলে। তবে ধৃত ওই যুবক পাখিগুলি কোথা থেকে নিয়ে কোথায় যাচ্ছিল সেটা এখনও পরিষ্কার হয়নি। তবে ওই যুবক পাচারকারীর কাজে যুক্ত। আমরা উদ্ধার হওয়া পাখিগুলি সহ ধৃত ওই যুবককে মালদা ফরেস্ট রেঞ্জ অফিসারের হাতে তুলে দিয়েছি।'


আগামী ২৪ ঘণ্টা কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় ভারী বৃষ্টি হবে। পূর্বাভাস আলিপুর আবহাওয়া দফতরের (Alipur Weather Update)।

উত্তর বঙ্গোপসাগরে উপর সক্রিয় নিম্নচাপ অক্ষরেখা। আর সেই কারণে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গ ও উত্তরবঙ্গে বৃষ্টি চলবে আগামী ২৪ ঘণ্টা। হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর- এই সমস্ত জেলাগুলোতে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হবে। বৃষ্টি হবে বর্ধমান, পুরুলিয়া, নদিয়াতে।

উত্তরবঙ্গের ক্ষেত্রে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং, মালদা, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুরে। কলকাতার আকাশ মেঘলা থাকবে। বজ্রবিদ্যুত্‍-সহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।


বৃহস্পতিবার থেকে হবে অতি ভারী বৃষ্টি। ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে। সর্তকতা রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা, হুগলি, হাওড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান এবং বীরভূমে। ভারী বৃষ্টির সর্তকতা কলকাতা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, নদিয়া ও মুর্শিদাবাদ জেলায়। শুক্রবার দু-এক পশলা অতি ভারী বৃষ্টি হবে পশ্চিমের জেলাগুলিতে। বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে ভারী বৃষ্টি হবে। ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস পূর্ব বর্ধমানের ঝাড়গ্রাম জেলাগুলিতেও।

এর প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু নদীর জল স্তর বাড়তে পারে। কলকাতা-সহ বিভিন্ন পুরসভার এলাকাগুলিতে কিছু এলাকা জলমগ্ন হতে পারে। অন্যান্য জেলার নিচু এলাকা প্লাবিত হতে পারে
বাড়ির রান্নাঘর থেকে উদ্ধার হল গৃহবধূর রক্তাক্ত, ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ। সোমবার গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটেছে ঘোলা থানা এলাকার রূপায়ণনগরে। মৃতার নাম নিশা সাউ (২৪)। তাঁর দুই হাতের কব্জি ও গলায় গভীর ক্ষতের দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা। ওই ঘটনার পরে নিশার স্বামী বিনোদ সাউকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। বিনোদের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের করেছে মৃতার পরিবার।

পুলিশ জানিয়েছে, নিশার পরিবার থাকে টিটাগড়ে। বিনোদের বাড়ি কামারহাটিতে। গত বছর বাড়ি থেকে পালিয়ে বিয়ে করেন তাঁরা। রূপায়ণনগরে বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকতে শুরু করেন। পুলিশকে বিনোদ জানিয়েছেন, ঘটনার রাতে বাড়ি ফিরে তিনি দেখেন, দরজায় তালা ঝুলছে।

স্ত্রীর সাড়াশব্দ নেই। সেই খবর ফোনে নিশার পরিবারকে জানান বিনোদ। এর পরে রাত পৌনে ১টা নাগাদ পুলিশ এসে বাড়ির দরজা ভাঙে। রান্নাঘরের ভিতর থেকে মুখে বালিশ চাপা দেওয়া অবস্থায় নিশার রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। তাঁর গলায় ও দু'হাতের কব্জিতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়েছে বলেই প্রাথমিক ভাবে অনুমান পুলিশের। দেহটি ময়না-তদন্তের জন্য পাঠিয়েছে ঘোলা থানার পুলিশ।

নিশার পরিজনেদের দাবি, তাঁকে খুন করার পরে পুলিশের চোখে ধুলো দিতেই বিনোদ বাড়ির দরজা বন্ধ থাকার গল্প ফেঁদেছেন। বিনোদের দাদা মনোজ সাউয়ের অবশ্য দাবি, ''আমার ছোট ভাই বিয়ের পর থেকেই স্ত্রীকে নিয়ে আলাদা থাকত। ওদের মধ্যে কোনও অশান্তি ছিল না। ভাই যেখানে গাড়ি চালায়, কাজ সেরে সেখান থেকে অনেক রাতেই বেরিয়েছিল। ভাই কোনও ভাবেই খুনের সঙ্গে জড়িত নয়