WEATHER

Top News


ভোটার তালিকায় কোপ মারার চক্রান্ত! গঙ্গাসাগরের মাটি থেকে কেন্দ্রকে হুঙ্কার তৃণমূলের


কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে কারচুপির অভিযোগ তুলে এবার সরব হলো ঘাসফুল শিবির। আজ বিকেলে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার গঙ্গাসাগরের কৃষ্ণনগর গান্ধী স্মৃতি সংঘ ময়দানে এক বিশাল প্রতিবাদী জনসভার আয়োজন করা হয়। সাগর বিধানসভা কেন্দ্রের প্রায় ১৭ হাজার ভোটারের কাছে নোটিস আসার প্রতিবাদে আয়োজিত এই জনসভাটি কার্যত এক বিশাল রাজনৈতিক সমাবেশে রূপ নেয়।
এদিনের সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী তথা স্থানীয় বিধায়ক বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা, মথুরাপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ বাপি হালদার সহ জেলা ও ব্লক স্তরের একাধিক নেতৃত্ব। সভা থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানান জয়প্রকাশ মজুমদার। ১৭ হাজার ভোটারের কাছে নোটিস পাঠানোর ঘটনাকে 'রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র' বলে উল্লেখ করে তিনি উপস্থিত জনতাকে আশ্বস্ত করেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন: "একটাও ভোট কাটতে দেব না। প্রত্যেকের নাম তালিকায় থাকবে। কারোর নাম বাদ যাবে না—এই দায়িত্ব আমাদের। বিধায়ক বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা ও সাংসদ বাপি হালদারও সাধারণ মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেন। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার যেকোনো চেষ্টাকে মাঠের লড়াইয়ে প্রতিহত করা হবে। সাধারণ ভোটারদের মনে সাহস জোগাতে এবং আইনি ও রাজনৈতিকভাবে এই পরিস্থিতির মোকাবিলা করতেই এই সভার ডাক দেওয়া হয়েছিল।
গঙ্গাসাগরের এই জনসভা থেকে দেওয়া জয়প্রকাশ মজুমদারের ‘গ্যারান্টি’ আগামী দিনে ওই এলাকায় রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়াবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

ফ্রেজারগঞ্জ কোস্টাল থানার অন্তর্গত মৌশুনী দ্বীপের কুসুমতলা গ্রামে সদ্যজাতের দেহ উদ্ধারের ঘটনাকে ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। বুধবার সকাল প্রায় ৯টা নাগাদ স্থানীয় বাসিন্দারা গ্রামের রাস্তার পাশে একটি ড্রেনে সদ্যজাত শিশুর দেহ পড়ে থাকতে দেখতে পান। বিষয়টি নজরে আসতেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গ্রামজুড়ে।

স্থানীয়দের পক্ষ থেকে দ্রুত ফ্রেজারগঞ্জ কোস্টাল থানায় খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে অল্প সময়ের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। পুলিশ ড্রেন থেকে সদ্যজাতের দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। প্রাথমিকভাবে অনুমান, শিশুটির জন্মের পরই তাকে ফেলে দেওয়া হয়েছে, যদিও মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে ময়নাতদন্ত রিপোর্টের অপেক্ষা করা হচ্ছে।
এই ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। কে বা কারা সদ্যজাতকে এভাবে ফেলে রেখে গেছে এবং এর পিছনে কী কারণ রয়েছে, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে ফ্রেজারগঞ্জ কোস্টাল থানার পুলিশ। আশপাশের এলাকায় খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ করা হবে।

সদ্যজাতের দেহ উদ্ধারের ঘটনায় গোটা এলাকায় শোক ও চাঞ্চল্যের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।


স্টাফ রিপোর্টার মুন্না সর্দার

মুড়িগঙ্গায় চড়ায় ধাক্কা ফ্লাই অ্যাশ ভর্তি বাংলাদেশী বার্জের, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ১২ জন নাবিক

 বুধবার দুপুরে সাগরের কচুবেড়িয়া ও লট নম্বর ৮-এর মধ্যবর্তী মুড়িগঙ্গা নদীতে **‘এমভি তামজিদ নাসির’** নামের বার্জটি দুর্ঘটনার মুখে পড়ে। বার্জটিতে থাকা ১০ থেকে ১২ জন নাবিককে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও, পণ্য-সহ বার্জটির অধিকাংশ অংশ এখন জলের তলায়।


প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বার্জটি দক্ষিণ ২৪ পরগনার বজবজ থেকে প্রচুর পরিমাণে ফ্লাই অ্যাশ বা ছাই বোঝাই করে বাংলাদেশের দিকে যাচ্ছিল। মুড়িগঙ্গা নদী পার হওয়ার সময় ভাটার টানে নদীগর্ভে জেগে থাকা একটি বিশালাকার চড়ায় সজোরে ধাক্কা মারে বার্জটি। ধাক্কার অভিঘাতে বার্জের নিচের অংশ ফেটে যায় এবং হু হু করে জল ঢুকতে শুরু করে। কিছুক্ষণের মধ্যেই ভারসাম্য হারিয়ে বার্জটি ডুবতে শুরু করে।


বার্জটি ডুবতে দেখে চিৎকার শুরু করেন নাবিকরা। সেই সময় নদীতে থাকা অন্যান্য ট্রলার  দ্রুত তৎপরতার সঙ্গে এগিয়ে আসেন। বার্জটিতে থাকা ১০ থেকে ১২ জন নাবিককেই অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসা হয়েছে। তবে বার্জটি পুরোপুরি না ডুবলেও সেটির সিংহভাগ অংশই বর্তমানে জলের নিচে চলে গিয়েছে।ঘটনায় টন টন ফ্লাই অ্যাশ নদীগর্ভে মিশে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

দুর্ঘটনার খবর পেয়েই সুন্দরবন পুলিশ জেলার পুলিশ আধিকারিকরা এবং সেচ দপ্তরের আধিকারিকরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। মুড়িগঙ্গা নদীতে ভেসেল চলাচলের পথে এই বার্জটি কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কলকাতা পোর্ট ট্রাস্টকেও  বিষয়টি জানানো হয়েছে। বার্জটিকে উদ্ধারের জন্য প্রয়োজনী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।


স্টাফ রিপোর্টার মুন্না সরদার 

গভীর সমুদ্রে ভেসে থাকা এক বাংলাদেশি মৎস্যজীবীকে উদ্ধার করল ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী। জানা যায়, ভারতীয় নৌসেনার জাহাজ ‘কমলাদেবী’ ২২ বছর বয়সী ওই বাংলাদেশি মৎস্যজীবীকে উদ্ধার করেছে। উদ্ধারের পর তাঁকে ফের বাংলাদেশে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

জানা গিয়েছে, আন্তর্জাতিক জলসীমার কাছে জাহাজে করে টহল দিচ্ছিল ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী। টহলরত জওয়ানরা ভারতীয় জলসীমার ভিতরে একজনকে ভাসতে দেখেন। দ্রুত তাঁরা জাহাজ নিয়ে ওই ব্যক্তির কাছে গিয়ে পৌঁছান এবং বয়া ছুঁড়ে তাঁকে উদ্ধার করেন।

২২ বছর বয়সী ওই মৎস্যজীবী কীভাবে সমুদ্রে ভেসে এলেন, তা জানা যায়নি। উপকূলরক্ষী বাহিনীর প্রাথমিক অনুমান, মাছ ধরার সময় সম্ভবত তিনি নৌকা থেকে পড়ে গিয়েছিলেন। প্রাথমিক চিকিৎসায় তাঁকে সুস্থ করে তোলা হয়। মৎস্যজীবীকে উদ্ধারের ছবি ভারতীয় উপকূল রক্ষী বাহিনী তাদের ফেসবুকে পোস্ট করে। সামাজিক মাধ্যমে এই পোষ্টের পরেই ভারতীয় উপকূল রক্ষী বাহিনীর এই কাজের প্রশংসা করেছেন ভারতীয়রা। ভারতীয় উপকূল রক্ষী বাহিনীর এই পদক্ষেপে দুদেশের আন্তরিক সম্পর্ক আরো অটুট হবে বলে মনে করছেন অনেকেই।

শেষ মুহূর্তের তুলির টান: সরস্বতী পুজো উপলক্ষে নাওয়া-খাওয়া ভুলে ব্যস্ত গঙ্গাসাগরের শিল্পীরা


হাতে গোনা আর মাত্র কয়েকটা দিন। তারপরেই বাগদেবীর আরাধনায় মেতে উঠবে আপামর বাঙালি। সরস্বতী পুজোকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্য়েই সাজ সাজ রব স্কুল, কলেজ থেকে শুরু করে পাড়ার ক্লাব ও কোচিং সেন্টারগুলিতে। কোথাও প্যান্ডেল বাঁধার কাজ চলছে, তো কোথাও চলছে আলোকসজ্জার প্রস্তুতি। তবে এই সবের মাঝে সবথেকে বেশি ব্যস্ততা এখন গঙ্গাসাগরের মৃৎশিল্পীদের স্টুডিওগুলোতে। সাগর দ্বীপের কুমোরটুলিগুলিতে এখন দম ফেলার সময় নেই শিল্পীদের। খড় আর কাদা মাটির কাঠামো পেরিয়ে প্রতিমারা এখন রূপ পেয়েছে পূর্ণাঙ্গ অবয়বে। কোথাও চলছে শেষ মুহূর্তের মাটির কাজ, আবার কোথাও শুরু হয়েছে রঙ এবং তুলির টান। শিল্পীরা জানিয়েছেন, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার ফরমায়েশ বেশ ভালো।
 সাদা বক, রাজহংস আর দেবী সরস্বতীর চিরন্তন রূপ ফুটিয়ে তুলতে দিনরাত এক করে কাজ করছেন তাঁরা।
গঙ্গাসাগরের এক প্রবীণ শিল্পী জানান, "সময়ের মধ্যে ঠাকুর ডেলিভারি দিতে হবে। তাই নাওয়া-খাওয়া ভুলে পরিবারের সবাই হাত লাগিয়েছি। রঙের কাজ শেষ হলে শুরু হবে ডাকের সাজ ও অলঙ্কার পরানোর পালা।" আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় কাজ দ্রুত এগোচ্ছে বলে খুশি শিল্পীরা। এখন শুধু অপেক্ষা মাঘি শুক্লাপঞ্চমীর সেই মাহেন্দ্রক্ষণের, যখন শিল্পীর ঘর থেকে দেবী পাড়ি দেবেন মণ্ডপে মণ্ডপে।


 বিষয়টি সামনে আসার পরই কর্নাটক সরকার ওই ডিজি-কে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তদন্ত চলছে। নির্দেশিকায় আরও জানানো হয়েছে যে, তদন্ত চলাকালীন, লিখিত অনুমতি ছাড়া পুলিশ হেডকোয়ার্টার ছেড়ে কোনও অবস্থাতেই বেরতে পারবেন না ডিজি। তবে কে রামাচন্দ্র রাও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।


 একাধিক মহিলার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থার ভিডিয়ো, তড়িঘড়ি সাসপেন্ড করা হল DG-কে

থানায় আপত্তিকর অবস্থায় বসে আছেন পুলিশ অফিসার। কোনও সাধারণ অফিসার নন, রাজ্য পুলিশের ডিজির বিরুদ্ধেই উঠল গুরুতর অভিযোগ। এক মহিলার সঙ্গে আপত্তিকর ভঙ্গিতে তাঁর একাধিক ভিডিয়ো ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। সোমবার দিনভর সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে সেই ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়ার পর কর্নাটকের ডিজি (সিভিল রাইটস এনফোর্সমেন্ট) রামচন্দ্র রাও-কে সাসপেন্ড করা হয়েছে। যে সব ভিডিয়ো সামনে এসেছে, সেখানে ওই মহিলা ও ডিজি রামচন্দ্রকে দেখা যাচ্ছে তাঁর দফতরেই। কিছু অডিয়ো ক্লিপও সামনে এসেছে ইতিমধ্যেই, যেখানে ওই মহিলার সঙ্গে ডিজি-কে কথা বলতে শোনা যাচ্ছে। ভিডিয়ো বা অডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি 


সাসপেনশনের চিঠিতে লেখা হয়েছে, ‘একজন সরকারি কর্মী হিসেবে ওই অফিসারকে যে অশ্লীল ভঙ্গিতে দেখা গিয়েছে, তা সরকারের জন্যও অস্বস্তিকর।’ তিনি যে আইনভঙ্গ করেছেন, সেটাও উল্লেখ করা হয়েছে চিঠিতে।



বিষয়টি সামনে আসার পরই কর্নাটক সরকার ওই ডিজি-কে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তদন্ত চলছে। নির্দেশিকায় আরও জানানো হয়েছে যে, তদন্ত চলাকালীন, লিখিত অনুমতি ছাড়া পুলিশ হেডকোয়ার্টার ছেড়ে কোনও অবস্থাতেই বেরতে পারবেন না ডিজি।

তবে কে রামাচন্দ্র রাও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, পুরোটাই মিথ্যা। সোমবার ভিডিয়ো ভাইরাল হওয়ার পর রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জি পরমেশ্বরের সঙ্গে দেখা করতে তাঁর বাসভবনে হাজির হন ওই পুলিশ অফিসার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই সাক্ষাৎ হয়নি। সেখানে দাঁড়িয়েই সাংবাদিকদের ডিজি বলেন, “ভিডিয়োটি সম্পূর্ণ ভুয়ো। আমার এই সম্পর্কে কিছুই জানা নেই। আমিও ভাবছি, এটা কে করল! এ যুগে সবই সম্ভব।” এগুলো কি পুরনো ভিডিয়ো? এর উত্তরে রামাচন্দ্র রাও বলেন, “পুরনো মানে আট বছর আগের, আমি যখন বেলাগাভিতে ছিলাম।”

ঘটনার পরই কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া নির্দেশ দেন, দোষী প্রমাণিত হলে অবিলম্বে ওই পুলিশ অফিসারকে সরাতে হবে।

 বার্ষিক চুক্তি নতুন কাঠামোয় এলে খেলোয়াড়দের মূল্যায়ন করা হবে তাঁদের বর্তমান ফর্মের ভিত্তিতে। কোন ফর্ম্যাটে খেলছেন এবং দলের তাঁর ভবিষ্যতের ভিত্তিতে। তারকা নাম কিনা বা অতীতে কী করেছেন, এই কৃতিত্বের উপর নির্ভর করে নয়।



কলকাতা: চুক্তিতে বড়সড় পরিবর্তন আনতে চলেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। জানা যাচ্ছে, বার্ষিক চুক্তির কাঠামো পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছে নির্বাচক কমিটি। যার জেরে আর হয়তো থাকবে না এ+ ক্যাটেগরি। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে তার প্রভাব পড়তে পারে দলের দুই সিনিয়র তারকা বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মার উপর। বিসিসিআই বলেছে, অজিত আগরকরের নেতৃত্বে নির্বাচক কমিটি চার স্তরীয় চুক্তির বদলে তিনটি ক্যাটেগরি অর্থাৎ এ, বি, সি রাখার কথা চলছে। বর্তমানে এ+ ক্যাটেগরিতে যে ক্রিকেটার থাকেন বছরে তিনি ৭ কোটি টাকা পান। এই ক্যাটেগরিই তুলে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

বার্ষিক চুক্তি নতুন কাঠামোয় এলে খেলোয়াড়দের মূল্যায়ন করা হবে তাঁদের বর্তমান ফর্মের ভিত্তিতে। কোন ফর্ম্যাটে খেলছেন এবং দলের তাঁর ভবিষ্যতের ভিত্তিতে। তারকা নাম কিনা বা অতীতে কী করেছেন, এই কৃতিত্বের উপর নির্ভর করে নয়। এই অবস্থায় শুধুমাত্র ওয়ান ডে খেলার কারণে বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মাকে গ্রেড বি-তে রাখা হতে পারে। ওই ক্যাটেগরিতে থাকা ক্রিকেটার বার্ষিক ৩ কোটি টাকা পান। এক বিসিসিআই কর্তা বলেছেন, “এখনও সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়নি। তবে খেলোয়াড়দের টানা খেলার চাপ, ফর্ম্যাটের দাবি এবং ভবিষ্যতের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখা যাতে যায়, সে দিকে নজর রেখে ভাবা হতে পারে।” আগামী বৈঠকে এই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করা হবে। সেখানেই পরিষ্কার হবে আর্থিক ভাবে কোনও পরিবর্তন আসছে কি না।



২০২৪-২৫ কেন্দ্রীয় চুক্তি অনুযায়ী, এ+ ক্যাটেগরিতে ছিলেন রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি, রবীন্দ্র জাডেজা ও জসপ্রীত বুমরা। গ্রেড এ-তে জায়গা পেয়েছিলেন মহম্মদ সিরাজ, কেএল রাহুল, শুভমন গিল, হার্দিক পান্ডিয়া, মহম্মদ সামি ও ঋষভ পন্থ। গ্রেড বি-তে ছিলেন সূর্যকুমার যাদব, অক্ষর প্যাটেল, কুলদীপ যাদব, যশস্বী জয়সওয়াল ও শ্রেয়স আইয়ার। নতুন বহু ক্রিকেটার জায়গা পেয়েছিলেন গ্রেড সি-তে। নতুন বার্ষিক চুক্তিতে শুধুমাত্র আর্থিক সুরক্ষা নয়, খেলোয়াড়দের গুরুত্বও বিবেচিত হবে। সেক্ষেত্রে এ+ ক্যাটেগরি বাতিলের প্রস্তাব যদি গৃহীত হয়, ভারতীয় ক্রিকেটে এক বিরাট পরিবর্তন দেখা যাবে। গৌতম গম্ভীর বরাবর যে তারকা পুজো থেকে বেরিয়ে আসার কথা বলছেন, তারও সমাপ্তি হতে পারে।


হুগলির চুঁচুড়ার মগড়া বিডিও অফিসে সোমবার ফর্ম ৭ জমা নিয়ে অশান্তি হয়। অসিতের সামনেই ফর্ম ছিঁড়ে কুটিকুটি করে দেন এক ব্যক্তি। শুধু তাই নয়,সেই সময় বিজেপির জেলা সম্পাদক সন্দীপ সাধুখাঁ-সহ কয়েকজন বিজেপি কর্মীকে মারধর করার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে।


প্রয়োজনে ফের মারব', ফর্ম ৭ 'ছেঁড়ার পর' বিজেপিকে হুমকি TMC নেতার
তাপস চক্রবর্তী

চুঁচুড়ার বিধায়ক অসিত মজুমদারের উপস্থিতিতেই সোমবার মগরা বিডিও অফিসে তুমুল অশান্তি হয়। সেই ঘটনায় পর ফের বিজেপিকে হুমকি তৃণমূল নেতার। বললেন, “প্রয়োজন পড়লে বিজেপিকে আবার মারব।” পাল্টা বিজেপির হুমকি, “সুদ সমেত ফিরিয়ে দেওয়া হবে, কেউ চুরি পরে নেই।”

হুগলির চুঁচুড়ার মগড়া বিডিও অফিসে সোমবার ফর্ম ৭ জমা নিয়ে অশান্তি হয়। অসিতের সামনেই ফর্ম ছিঁড়ে কুটিকুটি করে দেন এক ব্যক্তি। শুধু তাই নয়,সেই সময় বিজেপির জেলা সম্পাদক সন্দীপ সাধুখাঁ-সহ কয়েকজন বিজেপি কর্মীকে মারধর করার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। চুঁচুড়া মগড়া ব্লক তৃণমূল সভাপতি ও পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য তাপস চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে সেই মারধরের অভিযোগ ওঠে। এরপর আজ মগরা থানায় এই ঘটনার প্রতিবাদে বিজেপি বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে হবে বলে দাবি তোলে তারা।



এরপর এই প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তৃণমূল নেতা তাপস চক্রবর্তী বলেন, “এসআইআর-এর নামে মানুষকে হয়রানি করছে বিজেপি। প্রয়োজন হলে আবার মারব। সে বিজেপির ব্লক জেলা রাজ্যের যে কোনও নেতাই আসুক না কেন।” পাল্টা বিজেপির হুগলি জেলা নেতা সুরেশ সাউয়ের জবাব, “বিজেপি কর্মীরা চুরি পরে বসে নেই। আমাদের মারলে ফিরিয়ে দেব। ব্রিটিশরাও এদের ২০০ বছর শাসন করেছিল, তারপর চলে যেতে বাধ্য হয়। সিপিএম ৩৪ বছর শাসন করেছে, তারপর কী হয়েছে সবাই জানে। তৃণমূল যদি মনে করে তারা আজীবন ক্ষমতায় থাকবে এটা ভুল।”




এসআইআরের হিয়ারিং চলাকালীন বিএলএ -২ হিয়ারিং সেন্টারে প্রবেশ! পুরুলিয়া ২নম্বর ব্লকের টাটারি গ্রামের ১৫নম্বর বুথের বিএলএ-২কে দেখা গেস শুনানিকেন্দ্রে। শুনানির সহযোগিতা করছেন। তিনি ভেতরে ঢুকে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কথাও বলছেন, কথা বলছেন নির্বাচন অধিকারিকদের সঙ্গেও।


৫০এর বেশি বয়সের ব্যবধান কার দোষ? বাবা-মায়ের না ছেলের?', প্রশ্ন বিএলএ-২র
এসআইআর-এর শুনানিকেন্দ্র

পঞ্চাশের বেশি বয়সের ব্যবধানের জন্য বাবা মায়ের দোষ না ছেলের দোষ? বিস্ফোরক পুরুলিয়ার তৃণমূলের জেলার সাধারণ সম্পাদক হলধর মাহাতো! সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরেই এসআইআরের হিয়ারিং চলাকালীন বিএলএ -২ হিয়ারিং সেন্টারে প্রবেশ! পুরুলিয়া ২নম্বর ব্লকের টাটারি গ্রামের ১৫নম্বর বুথের বিএলএ-২কে দেখা গেস শুনানিকেন্দ্রে। শুনানির সহযোগিতা করছেন। তিনি ভেতরে ঢুকে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কথাও বলছেন, কথা বলছেন নির্বাচন অধিকারিকদের সঙ্গেও।

তাঁর দাবি, “সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের প্রথম বিএলএ -২ হিসেবে ভেতরে প্রবেশ করেছি। বুথের মানুষের নানারকম কাগজপত্র সমস্যা রয়েছে, সেগুলো যাতে ঠিকমতো দেখাতে পারে, সেই সব সহযোগিতা করে দিতে হচ্ছে।” তিনি অভিযোগ করেন, হিয়ারিংয়ে আসা ব্যাক্তিদের অভিযোগ বাবার সঙ্গে ছেলের বয়সের ব্যবধান ৫০-এর বেশি হলেই তাদের ডাকা হচ্ছে।


 মধ্যরাতে থানায় ছুটে গেলেন তৃণমূল বিধায়ক রত্না চট্টোপাধ্যায়

 বাড়িতে ছিল না ছেলে, রানাঘাটে ঘরের ভিতরে একসঙ্গে বৌমা আর বেয়ানকে পেয়েই ঘটনা ঘটিয়ে ফেললেন শ্বশুর
তৃণমূল পরিচালিত ঘঙ্গা গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ-প্রধানের অভিযোগ, তাঁর পরিবারের ১২ভাই বোন রয়েছে, তাঁদের মধ্যে ৬জনকে ডাকা হয়েছে। সবার কাগজপত্র আছে, তবুও কেবল একটা সংসদ থেকে ৭০০জনকে ডাকা হয়েছে শুনানির জন্য।

তাঁর বক্তব্য, “৫০ বছর বয়েসের ব্যবধানের জন্য কি বাবা মায়ের দোষ না ছেলে মেয়ের দোষ? ২০০২সাল থেকে ভোট দিয়ে আসছেন, তাঁরা, সেই সময় বয়স কেন সংশোধন করা হয়নি?”

ক্ষোভের সঙ্গে এই আইসিডিএস কর্মী বলেন, “কোনওরকমের শর্ত দিয়ে মোবাইল কেনানো চলবে না। আমরা যেভাবে মোবাইল চেয়েছি, যে টাকা চেয়েছি তা দেওয়া হয়নি। উল্টে অন্যায় শর্ত চাপানো হচ্ছে। জোর করা হচ্ছে। মোবাইল কিনতে বাধ্য করা হয়েছে।”

এক মাস মাইনে দেয়, এক মাস দেয় না! গয়না বিক্রি করে মোবাইল কিনেছি’, রাজপথে অঙ্গনওয়ারি কর্মীদের আন্দোলনে তুলকালাম
রাজভবনে যাওয়ার পথেই পুলিশের বাধা

বারবার রাস্তায় নেমেছেন আশা কর্মীরা। এবার রাজপথে তুমুল বিক্ষোভ আইসিডিএস কর্মীদের। ধুন্ধুমার পরিস্থিতি কলকাতা পুরসভার সামনে। ভাতা বৃদ্ধি, মোবাইল ফোনের সিম দেওয়ার জোরাল দাবি তোলা হয় আন্দোলন থেকে। সুবোধ মল্লিক স্কোয়ার থেকে রাজভবনের দিকে যাওয়ার সময় কলকাতা পুরসভার সামনেই আন্দোলনকারীদের আটকায় পুলিশ। শুরু হয়ে যায় ব্যাপক ধস্তাধস্তি। পুলিশকে লক্ষ্য করে লাগাতার উঠতে থাকে ধিক্কার স্লোগান। 

ক্ষোভের সঙ্গে এই আইসিডিএস কর্মী বলেন, কোনওরকমের শর্ত দিয়ে মোবাইল কেনানো চলবে না। আমরা যেভাবে মোবাইল চেয়েছি, যে টাকা চেয়েছি তা দেওয়া হয়নি। উল্টে অন্যায় শর্ত চাপানো হচ্ছে। জোর করা হচ্ছে। মোবাইল কিনতে বাধ্য করা হয়েছে। কাজের জন্য আমরা গয়না বন্ধক রেখেও মোবাইল কিনতে বাধ্য হয়েছি। পাশ থেকে একজন বললেন, “আমাদের সরকারি করতে হবে। সরকারি স্কিম আমাদের দিতে হবে।”



অটোর ধাক্কায় উল্টে গেল অক্ষয়ের মার্সেডিজ, দুর্ঘটনার কবলে সস্ত্রীক অভিনেতা! জখম ২
ক্ষোভের সঙ্গেই আরও এক আইসিডিএস কর্মী বললেন, “আমাদের উপর রোজ অতিরিক্ত কাজের বোঝা চাপাচ্ছে। আমরা এত কাজ কেন করব? সামান্য কটা টাকা মাইনে আমাদের দেয়। তাও এক মাস দেয় এক মাস দেয় না। প্রত্যেক মাসে টাকা বাকি থাকে।” পুলিশের সঙ্গেও ব্যাপক তর্কাতর্কি করতে দেখা যায় এক আন্দোলনকারীকে। তাঁর প্রশ্ন, “কেন আমাদের রাস্তা আটকানো হচ্ছে? আমরা কী করেছি? আমরা আমাদের ন্যায্য দাবি নিয়ে রাস্তায় নেমেছি।”  

পুলিশের বাধা পেতেই শুরুতেই ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করতে থাকেন আন্দোলনকারীরা। তাঁদের সাফ কথা, যে কোনও উপায়ে তাঁদের রাজভবনে যেতে দিতেই হবে। কিন্তু পথ ছাড়েনি পুলিশ। ফলে মুহূর্তেই রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় গোটা এলাকা।   


২০২১-এর হলফনামায় স্ত্রী হিসেবে অনিন্দিতার নাম উল্লেখ করেছিলেন হিরণ। তবে আপাতত স্ত্রীর সঙ্গে হিরণের বিচ্ছেদ নিয়ে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। সম্প্রতি হিরণের এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে দেখা গিয়েছে, বিয়ের সাজে এক মহিলাকে সিঁদুর পরাচ্ছেন তিনি। তাঁর পরণেও ছিল বরবেশ।


বাজারে প্রচুর ঋণ, ৯০ লাখের ফ্ল্যাট, ফের 'বিবাহিত' হিরণের কত সম্পত্তি জানেন


 অভিনেতা হওয়ার পাশাপাশি নিজেকে গবেষক বলেও পরিচয় দেন হিরণ। আবার তিনি সক্রিয় রাজনীতিকও। ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হয়ে খড়্গপুরের বিধায়ক হন তিনি। তাঁর পুরো নাম হিরণ্ময় চট্টোপাধ্যায়। ২০০৭ সাল থেকে বাংলা সিনেমায় অভিনয় করছেন তিনি। একসময় তৃণমূলেই ছিলেন। পরে একুশের নির্বাচনের আগে বিজেপিতে যোগ দেন হিরণ। লোকসভা নির্বাচনে ঘাটালে দেবের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে লড়লেও জিততে পারেননি। জানেন হিরণের সম্পত্তি কত?

কত আয় হিরণের?



প্রয়োজনে ফের মারব', ফর্ম ৭ 'ছেঁড়ার পর' বিজেপিকে হুমকি TMC নেতার
২০২৪-এর নির্বাচনী হলফনামায় হিরণ জানিয়েছেন, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে তাঁর আয় ছিল ৫ লক্ষ ৪২ হাজার ৫৭০ টাকা। ২০২১-২২ অর্থবর্ষে তাঁর আয় কয়েক লক্ষ টাকা বাড়ে। ওই অর্থবর্ষে মোট ৯ লক্ষ ১ হাজার ৯১০ টাকা আয় করেছিলেন তিনি। ২০২০-২১ অর্থবর্ষে বিজেপি প্রার্থীর আয় ছিল ৫ লক্ষ ১ হাজার ৬৭০ টাকা। ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে ছিল ৭ লক্ষ ৮০ হাজার ২৫০ টাকা। আর ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষে হিরণের আয় ছিল ৮ লক্ষ ৬৮ হাজার ১২৩ টাকা।

বিজেপি প্রার্থী হিরণ, তাঁর স্ত্রী অনিন্দিতা চট্টোপাধ্যায়ের আয়ের হিসেবও জানিয়েছেন হলফনামায়। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে অনিন্দিতার আয় ছিল ৫ লক্ষ ৪৭ হাজার ১০০ টাকা। ৪ লক্ষ ৫ হাজার ৫৭০ টাকা আয় ছিল ২০২১-২২ অর্থবর্ষে। ২০২০-২১ অর্থবর্ষে হিরণের স্ত্রীর আয় ছিল ৫ লক্ষ ৫ হাজার ২৭০ টাকা। ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে অনিন্দিতার আয় ছিল ৪ লক্ষ ৮২ হাজার ৯৩০ টাকা। আর ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষে ৭ লক্ষ ৬৩ হাজার ৪৭৯ টাকা আয় করেছিলেন হিরণের স্ত্রী।

কত সম্পত্তি, কী কী আছে হিরণের?

হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, একাধিক ব্যাঙ্কে টাকা রয়েছে তাঁর ও তাঁর স্ত্রীর। ৪ লক্ষ ৭১ হাজার ৬৯৬ টাকা মূল্যের একটি গাড়ি রয়েছে তাঁর। আর তাঁর স্ত্রীরও ৫ লক্ষ টাকা মূল্যের একটি গাড়ি রয়েছে। হিরণের কাছে রয়েছে ১৫ লক্ষ টাকার সোনার গয়না। আর তাঁর স্ত্রীর কাছে রয়েছে ১৮ লক্ষ টাকার সোনার গয়না। সব মিলিয়ে হিরণের অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ৩ কোটি ১৩ লক্ষ ১৫ হাজার ৮২৮ টাকা। আর তাঁর স্ত্রীর অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ১ কোটি ৯২ লক্ষ ২৪ হাজার ৭৭৯ টাকা। তাঁর পরিবারের এক সদস্যের অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ৪২ লক্ষ ৩ হাজার ৩২৬ টাকা।

২০১৫ সালে কসবায় ৩২ লক্ষ টাকা দিয়ে একটি ফ্ল্যাট কেনেন হিরণ। ২০২৪ সালে যার বাজারমূল্য ছিল ৯০ লক্ষ টাকা। তাঁর ঋণ ছিল ১ কোটি ৫২ হাজার ৩৭ টাকা। নিজের আয়ের উৎস হিসেবে অভিনয়, বিধায়ক হিসেবে পাওয়া ভাতা ও ব্যবসার কথা উল্লেখ করেছেন হিরণ। তাঁর স্ত্রীর আয়ের উৎসও ব্যবসা।

তবে স্ত্রী অনিন্দিতার সঙ্গে হিরণের বিচ্ছেদ নিয়ে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। সম্প্রতি হিরণের এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে দেখা গিয়েছে, বিয়ের সাজে এক মহিলাকে সিঁদুর পরাচ্ছেন তিনি। তাঁর পরণেও বরবেশ। বিয়ের ছবি ভাইরাল হওয়ার পর তাঁকে ফোনে যোগাযোগ করা হলে, হিরণের তরফ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, স্ত্রী অনিন্দিতার সঙ্গে হিরণের বিচ্ছেদ সম্পন্ন হয়নি বলেই সূত্রের খবর।

এরপর আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন তৃণমূল নেতা কৃষ্ণ দাস। রিসিভ কপি দেওয়ার দাবি করেন। তারপর ঘোষণা করা হয় রিসিভ কপি দেওয়া হবে। সেই রিসিভ কপি নিতে হুড়োহুড়ি শুরু হয়। ধাক্কা খেয়ে এক মহিলা পুলিশের গায়ে পড়ে যান নুর বানু বেগম। অভিযোগ, তাতেই ক্ষিপ্ত হয়ে মহিলাকে সপাটে চড় মারেন ওই মহিলা পুলিশ কর্মী।

শুনানিতে গিয়ে পুলিশের হাতে চড় খেয়ে গালে দাগ ফেললেন মহিলা! কেন?
নিগৃহীত মহিলা

এসআইআর-এর শুনানিতে এসে জুটল পুলিশের চড়। আর এই নিয়ে ফের উত্তেজনা ছড়াল জলপাইগুড়িতে। অধিক ভাইবোন থাকায় মঙ্গলবার হেয়ারিংয়ে ডাকা হয় জলপাইগুড়ি বেলাকোবা অঞ্চলের বাসিন্দা নুর বানু বেগমকে। তিনি নির্দিষ্ট সময়ে শুনানি কেন্দ্রে গিয়ে ফর্ম জমা করেন। নথি জমা নিলেও প্রথমে রিসিভ কপি দেওয়া হয়নি।

এরপর আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন তৃণমূল নেতা কৃষ্ণ দাস। রিসিভ কপি দেওয়ার দাবি করেন। তারপর ঘোষণা করা হয় রিসিভ কপি দেওয়া হবে। সেই রিসিভ কপি নিতে হুড়োহুড়ি শুরু হয়। ধাক্কা খেয়ে এক মহিলা পুলিশের গায়ে পড়ে যান নুর বানু বেগম। অভিযোগ, তাতেই ক্ষিপ্ত হয়ে মহিলাকে সপাটে চড় মারেন ওই মহিলা পুলিশ কর্মী। নুর বানুর গালে হাতের আঙুলের দাগ পড়ে যায়।


বিধানসভা ভোটে কত সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী আসবে কলকাতায়? জরুরি বৈঠক
SIR এর নোটিস পেয়ে কী বলছেন নওশাদ?
এতে অপমানিত বোধ করেন নুর বানু বেগম। ওই মহিলা পুলিশ কে ক্ষমা চাইতে হবে বলে দাবি তাঁর। তিনি বলেন, “উনি ভাল হোন, ভদ্র হোক, আর যেন কারোর সঙ্গে এমনটা না করেন। কাজটা আমার হয়েই গিয়েছিল। যেহেতু আমি রিসিভ কপিটা পাইনি, তাই আনতে গিয়েছিলাম। হুড়োহুড়ি শুরু হয়ে যায়। তাতে লড়াই করে, মার খেয়ে রিসিভ কপিটা হাতে পেতে হল।” ডি এস পি পার্থকুমার সিং খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান। তবে এ বিষয়ে তিনি কিছু বলতে চাননি।



একজন এলাকার দুবারের প্রাক্তন বিধায়ক। বামের হাত ধরে কংগ্রেসের হয়ে জিতে ২০১১ তে বিধায়ক হয়েছিলেন শঙ্কর মালাকার। এরপর বামের হাত ধরে কংগ্রেসের টিকিটে ফের বিধায়ক হন শঙ্কর। কিন্তু গত ২০২১ সালের বিধানসভায় কগ্রেসের হয়ে দাড়িয়ে হারতে হয়।

আসন একটি, দাবিদার দুই, আদা-জল খেয়ে এক শিবির থেকে দু’জনেই ময়দানে, হচ্ছেটা কী মাটিগাড়া-নকশালবাড়িতে?
রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর



 আসন একটি, দাবিদার দুই। একজন প্রাক্তন বিধায়ক, অন্যজন বিদ্রোহী তৃণমূল কাউন্সিলর। বিপুল ব্যবধানে বিজেপির কছে হারা মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি কেন্দ্রে এবার জয়ের চেষ্টায় ময়দানে আদা-জল খেয়ে নেমে পড়েছেন দু’জনেই। তাড়িয়ে উপভোগ করছে পদ্ম শিবির। 

একজন এলাকার দুবারের প্রাক্তন বিধায়ক। বামের হাত ধরে কংগ্রেসের হয়ে জিতে ২০১১ তে বিধায়ক হয়েছিলেন শঙ্কর মালাকার। এরপর বামের হাত ধরে কংগ্রেসের টিকিটে ফের বিধায়ক হন শঙ্কর। কিন্তু গত ২০২১ সালের বিধানসভায় কগ্রেসের হয়ে দাড়িয়ে হারতে হয়। তারপরই তৃণমূলে যোগ দেন শঙ্কর। তিনিই তৃণমূলের টিকিট পাবেন এই আশায় রোজ ছুটছেন এলাকায়। শঙ্করের দাবি, এবার ঘাসফুল জিতবে। তাঁর সাফ কথা, দল টিকিট দিলে আমিই জিতব। দলে কাঁটা থাকবেই। ওসব পাশে সরিয়ে রেখেই জিতব। এলাকায় সব পঞ্চায়েত, মহকুমা পরিষদ আমরাই জিতেছি। মানুষ আমাদের চায়। 


বাড়িতে ছিল না ছেলে, রানাঘাটে ঘরের ভিতরে একসঙ্গে বৌমা আর বেয়ানকে পেয়েই ঘটনা ঘটিয়ে ফেললেন শ্বশুর
অন্যজন দিলীপ বর্মন। দূর্নীতির অভিযোগ তুলে মেয়র গৌতম দেব ও পৌরবোর্ডকে নাস্তানাবুদ করে ছেড়েছেন তিনি। দলের কাউন্সিলর ও মেয়র পারিষদ হলেও শিলিগুড়িতে আপাতত কোণঠাসা অভিষেক ঘনিষ্ট দিলীপ। নিজের ওয়ার্ডের কাজ সেরে তিনিও রোজ ছুটছেন ওই বিধানসভা এলাকায়। শঙ্করকে খোঁচ দিয়ে তিনি বলছেন, দু’বারের বিধায়ক একুশে হারলেন কেন? মানুষ তো বেইমান নয়। কাজ না করলে হারতেই হয়। আমি এলাকায় রোজ কাজ করি। আমায় টিকিট দিলে প্রথমবার ঘাসফুল জিতবে এলাকায়। 

অন্যদিকে বিধায়ক আনন্দময় বর্মন বলছেন, “এলাকায় হিন্দুত্বর চোরাস্রোত বইছে। গত লোকসভা ও বিধান সভায় ৭৫ হাজারের ব্যবধান ছিল। এবার তা আরও বাড়বে। ওরা আসে গ্রাম-বাংলা লুঠ করতে। আমরা গ্রমে থাকি। মানুষের পাশে থাকি।”