WEATHER

Top News

সোমবার পুরুলিয়ায় পরপর দুটো কর্মসূচি ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। প্রথমে মানবাজারে জলপ্রকল্পের উদ্বোধন করেন। পরে রঘুনাথপুরে তিনি একটি ইস্পাত কারখানার শিলান্যাস করেন তিনি। পুরুলিয়ার রঘুনাথপুরে একটি নতুন ইস্পাত কারখানার শিলান্যাস ও প্রশাসনিক কর্মসূচি ছিল তাঁর।

রাজ্যবাসীর কাছে ১ বছর সময় চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী, কেন?
পুরুলিয়ায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী


রাজ্যবাসীর কাছে এক বছর সময় চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যবাসীর কাছে যেন এক পরীক্ষায় তিনি। আর সেই পরীক্ষায় যদি ১০-এর মধ্যে ৯ না পান, তাহলে ক্ষমা চেয়ে নেবেন তিনি। পুরুলিয়ার সভা থেকে রাজ্যবাসীর উদ্দেশে বার্তা মুখ্য়মন্ত্রীর।


তিনি বললেন, “আগামী ২০২৭ সালের ৯ মে আমার মুখ্যমন্ত্রিত্বের ১ বছর হবে। মুখ্যমন্ত্রিত্বের ১ বছর হলে আপনাদের সামনে পরীক্ষায় বসব। পরীক্ষায় আপনারা আমাকে নম্বর দেবেন। ১০-এর মধ্যে ৯ না পেলে ক্ষমা চেয়ে নেব। বলব পারলাম না। আপনারাই বলবেন ভুল লোককে ঠিক করিনি। সঠিক লোককে সঠিক দলকে এনেছি। বিশ্বাস-ভরসা রাখুন। সময় দিন।” তিনি আবারও বলেন, “কেন্দ্র-রাজ্য একসঙ্গে মিলে আপনাদের কল্যাণ করব। আমরা বদ্ধপরিকর।”


'বয়স না হলে চাপকে পিঠের ছাল তুলে তুলে নিতাম', 'মাস্টারমশাই' আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়কে কেন হুমকি দিয়েছিলেন বিজেপির মণ্ডল সভাপতি?
সোমবার পুরুলিয়ায় পরপর দুটো কর্মসূচি ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। প্রথমে মানবাজারে জলপ্রকল্পের উদ্বোধন করেন। পরে রঘুনাথপুরে তিনি একটি ইস্পাত কারখানার শিলান্যাস করেন তিনি। পুরুলিয়ার রঘুনাথপুরে একটি নতুন ইস্পাত কারখানার শিলান্যাস ও প্রশাসনিক কর্মসূচি ছিল তাঁর। এই প্রকল্পটিতে প্রায় ৪,০০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ এবং প্রায় ৫,০০০ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে চলেছে।


মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “শিল্পায়নের জন্য আমরা সবরকম সাহায্য করব, পুরুলিয়ায় দাঁড়িয়ে বললেন শুভেন্দু।” মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দেন, “আমরা জোর করে শিল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণ করব না, আমরা ল্যান্ড পার্চেস পলিসি চালু করেছি। ল্যান্ড পুলিং পলিসি চালু করেছি। চাষিদের থেকে জমি নিয়ে ল্যান্ড ডেভলপমেন্টও চালু করব।” বদলের বাংলায় শিল্পের জোয়ার আনতে যে এই সরকার বদ্ধপরিকর, তা স্পষ্ট করে দেন মুখ্যমন্ত্রী।

অমৃত ফার্মেসিতে স্টেন্টের উপর ৮০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হবে! ক্যানসারের ওষুধ , চোখের লেন্স কম টাকায় পাওয়া যাবে। রাজ্যের এরকম প্রায় ১০০ টি ফার্মেসি চিহ্নিত করা হয়েছে ইতিমধ্যেই। ইতিমধ্যে এই সংখ্যা আরও বাড়ানো হতে পারে বলেও জানিয়েছেন তিনি।


স্টেন্টের উপর ৮০ শতাংশ ছাড়, চোখের লেন্স থেকে ক্যান্সারের ওষুধে বিস্তর ছাড়! বাংলায় এবার জায়গায় জায়গায় 'অমৃত ফার্মেসি'
স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়


 রবিবারই বাংলায় আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের চালু করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একই সঙ্গে চালু হয় মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমা যোজনাও। আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের পাশাপাশি রাজ্যে চালু করা হয় ‘অমৃত ফার্মাসি’। কিন্তু কী এই অমৃত ফার্মেসি? কী সুবিধা মিলবে তাতে? তারই ব্যাখ্যা দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়।


স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, রাজ্যের ১০০টি সরকারি হাসপাতালে এই ‘অমৃত ফার্মেসি’ থাকবে। এর মাধ্যমে বিভিন্ন ওষুধ এবং চিকিৎসাসামগ্রী ৫০-৮০ শতাংশ ছাড়ে কেনা যাবে। সরকারি হাসপাতালে এই ফার্মেসি চালু করার জন্য একটি কোম্পানির সঙ্গে মৌচুক্তি স্বাক্ষর করেছে রাজ্য সরকার।


বাবা হলেন অনুপম রায়, স্ত্রী প্রশ্মিতার কোল জুড়ে ছেলে এল নাকি মেয়ে?
অমৃত ফার্মেসিতে স্টেন্টের উপর ৮০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হবে! ক্যানসারের ওষুধ , চোখের লেন্স কম টাকায় পাওয়া যাবে। রাজ্যের এরকম প্রায় ১০০ টি ফার্মেসি চিহ্নিত করা হয়েছে ইতিমধ্যেই। ইতিমধ্যে এই সংখ্যা আরও বাড়ানো হতে পারে বলেও জানিয়েছেন তিনি। সাধারণত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালগুলির আশপাশেই এই ধরনের ফার্মেসি চিহ্নিত করা হচ্ছে। ছাড়ের সুবিধা নিতে রোগীর প্রেসক্রিপশন এবং ক্ষেত্রবিশেষে পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখতে পারেন পরিজনরা।


পাশাপাশি রাজ্যের স্বাস্থ্যক্ষেত্রে উন্নয়নের জন্য আরও একাধিক পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, সরকারি হাসপাতালগুলোতে ইন্টিগ্রেটেড কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। সেকথা আগেই ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এর মাধ্যমে প্রত্যেকটি হাসপাতালে নজরদারি রাখা হবে। ২৪ ঘণ্টা লাইভ ফিড পাওয়া যাবে। নজরদারিতে থাকবেন মেডিক্যাল অফিসার। হাসপাতাল পরিষেবার কার্যকারিতা, নির্ধারিত মানদণ্ড মেনে চলা, ফিল্ড ইউনিটের সঙ্গে সমন্বয় এবং গুরুত্বপূর্ণ কর্মদক্ষতা সূচকের উপর নজর রাখা হচ্ছে।

 বঙ্গোপসাগরে জন্ম হওয়া নিম্নচাপ আরও শক্তি বাড়িয়ে অতিগভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। ধীরে ধীরে সেটি প্রবেশ করছে স্থলভাগে। বর্তমানে এর অবস্থান কলকাতার ঠিক মাথার উপর। ধীরে ধীরে সেটি দক্ষিণবঙ্গ হয়ে সরে যাবে ঝাড়খন্ডের দিকে। তবে, তার জেরে ভাসবে বাংলা।



কলকাতা: সোমবার প্রবল বৃষ্টিতে ভাসবে বাংলা। সেই পূর্বাভাস আগেই দিয়েছিল আলিপুর আবহাওয়া অফিস। আর তেমনটাই হল। সপ্তাহের শুরুর দিন আকাশের মুখ ভার। কালো মেঘে ঢেকে পুরো আকাশ। সকাল থেকে মুষলধারে বৃষ্টি হয়ে চলেছে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায়। হাওয়া অফিস বলছে, বর্তমানে কলকাতার ঠিক উপরেই অবস্থান করছে নিম্নচাপ। এর জেরে আরও বৃষ্টি হবে বলে পূর্বাভাস দিচ্ছে হাওয়া অফিস। আগামী ২৪ ঘণ্টায় ১১৫ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টির সতর্কতা মহানগরে।ঘণ্টায় ২০-৩০ মিলিমিটার বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে কলকাতায়। যত সময় যাবে বৃষ্টির তীব্রতা বাড়বে।

বঙ্গোপসাগরে জন্ম হওয়া নিম্নচাপ আরও শক্তি বাড়িয়ে অতিগভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। ধীরে ধীরে সেটি প্রবেশ করছে স্থলভাগে। বর্তমানে এর অবস্থান কলকাতার ঠিক মাথার উপর। ধীরে ধীরে সেটি দক্ষিণবঙ্গ হয়ে সরে যাবে ঝাড়খন্ডের দিকে। তবে, তার জেরে ভাসবে বাংলা। শুধু তাই নয়, ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে বইবে দমকা বাতাসও। বাজ পড়লে কংক্রিটের নিচে আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ আবহবিদের।

সোমবার চরম ভারী বৃষ্টির লাল সতর্কতা থাকছে- পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া।

সোমবার অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা: হাওড়া, হুগলি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান।

সোমবার ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা: কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং।

মঙ্গলবার ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা: পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার

এ দিকে, প্রবল বৃষ্টিতে শহরের নিচু এলাকাগুলিতে জল জমতে শুরু করেছে। বন্ধ করা হতে পারে আন্ডারপাসগুলি। প্রবল বৃষ্টিতেরাস্তা জল জমে ব্যাপক যানজটের আশঙ্কা।

আর প্রবল বৃষ্টির জেরে বানভাসী হওয়ার আশঙ্কা থাকছে জেলাগুলিতে।ইতিমধ্যেই জল ছাড়তে শুরু করেছে ডিভিসি। মরশুমে এই প্রথম ৩২ হাজার কিউসেক হারে জল ছাড়ছে ডিভিসি। সেই কারণে প্লাবনের আশঙ্কা থাকছে জেলাগুলিতে।

অপরদিকে, হলদিয়ার পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপ হচ্ছে। ৫ দিনে ৫৫২ মিলিমিটার বৃষ্টি হলদিয়ায়। জলমগ্ন হলদিয়ায় শেষ ২৪ ঘণ্টায় ১৩৪ মিলিমিটার বৃষ্টি। ২৪ ঘণ্টায় ১৩৭ মিলিমিটার সাগরদ্বীপে। দিঘায় ১১৪ মিমি, ডায়মন্ড হারবারে ১১২ মিমি বৃষ্টি হয়েছে।কাঁথিতে বৃষ্টির পরিমাণ ৮০ মিলিমিটার। উপকূলে ঘণ্টায় ৪০-৫০ কিমি বেগে দমকা বাতাস বইবে।


অন্যান্যদের মতো তপনবাবুও পরিবার নিয়ে গিয়েছিলেন তারাপীঠ। যেহেতু শ্রাবণের শেষ সোমবার, সেই কারণে পুণ্য তিথিতে অনেক পুণ্যার্থীই তারাকে পুজো দিতে হাজির হয়েছেন সেখানে। তপনজ্যোতির সঙ্গে ছিলেন তাঁর ৭২ বছরের বৃদ্ধা মা, স্ত্রী ও দশ বছরের দুই সন্তান।


পটপট করে আওয়াজ...আমার উল্টোদিকের ৭ জন মরে গেছে,ভগবান বাঁচিয়েছেন', তারাপীঠের হোটেলের হাড়হিম অভিজ্ঞতা বললেন আবাসিক
তারাপীঠের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা জানালেন

রাতে হোটেলের ভিতর নিশ্চিন্তে ঘুমোচ্ছিলেন সকলে। কারও প্ল্যান ছিল পরের দিন তারাপীঠে পুজো দেওয়ার, কেউ আবার পুজো দিয়ে ফেলেছেন বাড়ির ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন। কিন্তু গভীর রাতে এমন হাড়হিম ঘটনা ঘটবে কল্পনারও বাইরে। যাঁরা জীবিত রইলেন তাঁদের মধ্যেই একজন বললেন, “আমার বাঁচার কথাই ছিল না…ভগবান বাঁচিয়েছেন। আমার উল্টোদিকের সাতজন মরে গিয়েছে…।” ভগবানের জায়গায় এসে এমন মারত্মক ঘটনা ঘটবে ভাবতে গেলেই এখনও শিউরে উঠছেন অভিশপ্ত সেই হোটেলের আবাসিক তপনজ্যোতি মণ্ডল।


অন্যান্যদের মতো তপনবাবুও পরিবার নিয়ে গিয়েছিলেন তারাপীঠ। যেহেতু শ্রাবণের শেষ সোমবার, সেই কারণে পুণ্য তিথিতে অনেক পুণ্যার্থীই তারাকে পুজো দিতে হাজির হয়েছেন সেখানে। তপনজ্যোতির সঙ্গে ছিলেন তাঁর ৭২ বছরের বৃদ্ধা মা, স্ত্রী ও দশ বছরের দুই সন্তান। সকলের মতো তাঁরাও রাতে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। আর যখন চোখ খুললেন সেই বীভৎস অভিজ্ঞতা।


ভাই ছাড়া স্বামীকেও পরাতে পারেন রাখী! শাস্ত্রে রয়েছে এর নেপথ্যের কারণও
তিনি বলেন, “যে রিসেপশনে ঘটনাটা ঘটেছে তার পিছনের প্রথম রুমে আমার বৃদ্ধ মা ছিলেন। পরের রুমে আমার স্ত্রী ও দশ বছরের দুই সন্তান ছিল। রাতে হঠাৎ করে এসি বন্ধ, ফ্যান বন্ধ হয়ে গেল। বাইরে পাটকাঠি পোড়ালে যেমন আওয়াজ হয় পট পট পট, তেমন আওয়াজ অনুভব করলাম। এরপর দরজা খুলতে না খুলতেই দেখি আগুন ঢুকে গেল…আমরা বেরতে পারিনি।” তাঁর আরও সংযোজন, “এদিকে দরজা বন্ধ করছি কিন্তু এসির জন্য জানালা-ভেন্টিলেটর কিছুই নেই। না পারছি বেরতে না পারছি কিছু করতে। তারপর বাথরুমে জল চালিয়েছি। আর সেখানকার ফাঁকা অংশ থেকে সাহায্যের জন্য চিৎকার করেছি।”


তিনি এও বলেন, “তারপর তারাপীঠ থানা থেকে এসে উদ্ধার করে। আমার বাচ্চারা অজ্ঞান হয়ে যায়। আমার বাঁচার কথা নয়…ভগবান বাঁচিয়েছেন। উল্টোদিকের সাতজন মরে গেছেন। বাচ্চা নিয়ে বেরিয়ে গেছি।”

এখানে উল্লেখ্য, তারাপীঠ থানা থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে পুকুরের ধারে হোটেল। সোমবার সেই হোটেলেই ভোররাতে আচমকা আগুন লাগে। জানা গিয়েছে, ভোররাতে হোটেলের এক তলায় বিদ্যুত সরবরাহের এনসিবিতে হঠাৎ আগুন দেখতে পান হোটেলের কর্মীরা। তারপরই চিৎকার, ডাকাডাকি শুরু করেন তাঁরা। কিন্তু, ততক্ষণে আগুন পুরো ছড়িয়ে পড়ে হোটেলের বিল্ডিংয়ে। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী কমপক্ষে ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে।

আগামী ১৮ অগস্ট, মঙ্গলবার বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া জেলার সমস্ত রাজ্য সরকারি দফতর বন্ধ থাকবে। এই ছুটির আওতায় থাকছে, রাজ্য সরকারের সমস্ত সরকারি অফিস, স্থানীয় সংস্থা, স্ট্যাটুটরি বডি,বোর্ড ও কর্পোরেশন, সরকারি নিয়ন্ত্রণাধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য সরকারি নিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠান।


রাজ্যে প্রথমবার, মনসা পুজোয় ছুটি দিল সরকার
মনসা পুজো উপলক্ষে ছুটি


 মঙ্গলবার রয়েছে মনসা পুজো (Manasa Puja)। বাংলার প্রায় অনেকের বাড়িতেই এই পুজো হয়ে থাকে। আর সেই কারণে সরকারি দফতরগুলিতে ছুটি ঘোষণা করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার (West Bengal)। তবে সব জেলায় এই ছুটি ঘোষণা হয়নি। শুধু মনসা পুজো উপলক্ষে বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া জেলায় সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে।


আগামী ১৮ অগস্ট, মঙ্গলবার বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া জেলার সমস্ত রাজ্য সরকারি দফতরে পূর্ণ দিবস ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এই ছুটির আওতায় থাকছে, রাজ্য সরকারের সমস্ত সরকারি অফিস, স্থানীয় সংস্থা, স্ট্যাটুটরি বডি, বোর্ড ও কর্পোরেশন, সরকারি নিয়ন্ত্রণাধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য সরকারি নিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠান।




বিদেশ যাওয়ার আগে বিপাকে অভিষেক, ফ্রিজ হওয়া ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলাতে ছুটলেন হাইকোর্ট
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার থাকাকালীন বিভিন্ন ধরনের সরকারি ছুটি দেওয়া হত কর্মী। এমনকী দুর্গা পুজোর সময় দীর্ঘ ছুটি দিতেন তিনি। একই সঙ্গে জেলাগুলিতে আঞ্চলিক যে যে উৎসব হয়, প্রায় সেই সকল উৎসবেই ছুটি ঘোষণা করতেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে, এখন রাজ্যে পালা-বদল হয়েছে। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে বেশ কিছু নতুন ছুটিও সংযোজন হয়েছে সেই তালিকায়। যেমন এর আগে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিনের দিন কোনও দিনও রাজ্যে সরকারি ছুটি দেওয়া হত না। তবে, বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সেই ঘোষণা করেছিলেন। অন্যদিকে, কিছু ছুটি কমিয়েও দেওয়া হয়েছে। যেমন তৃণমূল সরকারের সময় বকরি ইদে দুটি ছুটি দেওয়া হত। তবে এবার তা কমিয়ে একদিন করা হয়েছে। এবার সেই নতুন ছুটির তালিকায় সংযোজন হল মনসা পুজোর ছুটি।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সুমনা সরকার জানান, "১০ জুলাই পর্যন্ত যতগুলি আবেদন জমা পড়েছিল, তা ভেরিফাই হয়ে গিয়েছে। ১১ জুলাই থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত যত আবেদন জমা পড়েছে, সেগুলি ফেরিভাইয়ের কাজ চলছে। ৩১ জুলাই পর্যন্ত যত আবেদন জমা পড়েছে, সেগুলি ফেরিভাই শেষ না হওয়া পর্যন্ত নতুন আবেদন গ্রহণ করা হবে না।"


আজ থেকে কত মহিলার অ্যাকাউন্টে ঢুকবে অন্নপূর্ণার টাকা, জানিয়ে দিলেন মন্ত্রী
অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে কী বললেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সুমনা সরকার?


আজ (১৭ অগস্ট) শুভেন্দু-সরকারের একশো দিন পূর্ণ হল। আর নতুন সরকারের ১০০তম দিনে অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বড় বার্তা দিলেন রাজ্যের স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সুমনা সরকার। এদিন নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানালেন, অগস্টে অন্নপূর্ণা যোজনায় ১ কোটি ৪৫ লক্ষ মহিলা টাকা পাচ্ছেন। আজ (সোমবার) থেকে যোগ্য মহিলাদের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো শুরু হয়েছে। আগামী ২০ অগস্ট পর্যন্ত মহিলাদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকবে।


কী বললেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সুমনা সরকার?



বিজেপির জাতীয় সহ সভাপতি পদে বাংলার চিকিৎসক, কে এই মধুছন্দা কর?
সাপ আদৌ কি দুধ খায়?
এদিন নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে সুমনা সরকার বলেন, বর্তমান সরকারের আজ ১০০ দিন পূর্ণ হল। আজ আমাদের সবার কাছে আনন্দের। মুখ্য়মন্ত্রী অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বার্তা দিয়েছিলেন। তবে নানা বিভ্রান্তিমূলক খবর ছড়িয়েছে। মহিলাদের মধ্যে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। তাঁদের বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। আমরা বলতে চাই, ১ কোটি ৮০ লক্ষ আবেদন জমা পড়েছে। সেখানে ১ কোটি ৪৫ লক্ষ মহিলার নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। চারদিন ধরে টাকা দেওয়ার কাজ চলবে। আজ অর্থাৎ ১৭ অগস্ট থেকে ২০ অগস্ট। আজ টাকা ছাড়ার কাজ শুরু হয়েছে। ২০ অগস্ট পর্যন্ত চলবে। প্রত্যেক যোগ্য মহিলা টাকা পাবেন। এটা আমাদের জন্য গর্বের।”


আপাতত নতুন আবেদন নেওয়া হবে না-

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, “১০ জুলাই পর্যন্ত যতগুলি আবেদন জমা পড়েছিল, তা ভেরিফাই হয়ে গিয়েছে। ১১ জুলাই থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত যত আবেদন জমা পড়েছে, সেগুলি ফেরিভাইয়ের কাজ চলছে। ৩১ জুলাই পর্যন্ত যত আবেদন জমা পড়েছে, সেগুলি ফেরিভাই শেষ না হওয়া পর্যন্ত নতুন আবেদন গ্রহণ করা হবে না।”

অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে সমালোচনার জবাব দিয়ে তিনি বলেন, “যাঁরা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন, তাঁদের বলছি, ৩১ জুলাই পর্যন্ত জমা পড়া আবেদন ভেরিফাই না হওয়া পর্যন্ত নতুন আবেদন গ্রহণ করা হবে না। কিন্তু, কোনও যোগ্য মহিলা বঞ্চিত হবেন না।” মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও আগেই জানিয়েছিলেন, ১৭ অগস্ট থেকে যোগ্য মহিলাদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকবে। এদিন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জানিয়ে দিলেন, এবার কতজন মহিলা অন্নপূর্ণা যোজনায় টাকা পাচ্ছেন। 

 কোনও আবেদনকারীকেই একেবারের রিজেক্টেড করা হচ্ছে না জানিয়ে মৌমিতা গোদারা বসু বলেন, "আমি আবার বলছি, কাউকে একদম বাদ (Rejected) দেওয়া হচ্ছে না। অর্থাৎ তাঁরা আবার ক্লেম ও অবজেকশন জানাতে পারেন। হতেই পারে, আর একটু ইন ডেপথ ভেরিফিকেশন করতে হবে। সেক্ষেত্রে ক্লেম করলে আবার ভেরিফিকেশন হবে। তারপর তিনি যোগ্য হলে টাকা পাবেন।"

 বড় খবর, অন্নপূর্ণা যোজনায় নাম বাদ পড়া মহিলারা আবার আবেদন করতে পারবেন
কী বললেন নারী ও শিশু উন্নয়ন ও সমাজকল্যাণ দফতরের সচিব মৌমিতা গোদারা বসু?


অগস্টে ১ কোটি ৪৫ লক্ষ মহিলা অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাচ্ছেন। আজ (১৭ অগস্ট) থেকে টাকা ঢোকা শুরু হয়েছে। ২০ তারিখ পর্যন্ত টাকা দেওয়া হবে। কিন্তু, যাঁদের নাম বাদ পড়ল, তাঁদের জন্যও অন্নপূর্ণা যোজনার দরজা একেবারে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে না। সোমবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে একথা জানালেন নারী ও শিশু উন্নয়ন ও সমাজকল্যাণ দফতরের সচিব মৌমিতা গোদারা বসু। যাঁদের নাম আপাতত বাদ পড়ছে, তাঁরা ফের আবেদনের সুযোগ পাবেন বলে জানালেন তিনি।


কী বললেন মৌমিতা গোদারা বসু?


এদিন সাংবাদিক বৈঠকে নারী ও শিশু উন্নয়ন ও সমাজকল্যাণ দফতরের সচিব মৌমিতা গোদারা বসু জানান, গত ১০ জুলাই পর্যন্ত যত আবেদন জমা পড়েছে, তার মধ্যে ১ কোটি ৪৫ লক্ষ মহিলা অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাচ্ছেন। ১৭ লক্ষের মতো নাম আপাতত বাদ পড়েছে জানিয়ে তাঁর সংযোজন, “যেসব শর্ত রাখা হয়েছে, তার পরিপ্রেক্ষিতে ১০ জুলাইয়ের আগে যেসব আবেদনকারীর নাম বাদ পড়েছে, তারপরও তাঁরা কিন্তু বঞ্চিত হচ্ছেন না। তাঁর যদি টাকা না ঢোকে, তিনি একটা ক্লেম (দাবি) করবেন। সেই দাবি জেলা প্রশাসন আবার এনকোয়ারি করবে। সেখানে যদি দেখা যায়, উনি টাকা পাওয়ার যোগ্য, তবে তিনিও আবার পাবেন। অর্থাৎ কাউকে একদম বাদ দেওয়া হচ্ছে না। যাঁদের এখন আন্ডার ভেরিফিকেশন দেখানো হল, তাঁরা আবার ক্লেম করতে পারেন। এবং ক্লেম করে টাকা পেতে পারেন, যদি তিনি ভেরিফিকেশনে যোগ্য হন।”


তারপরই তিনি জানান, ১১ জুলাই থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত যাঁরা আবেদন করেছেন, তাঁদের ফেরিভিকেশন চলছে। সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহের মধ্যে পুরো ভেরিফিকেশন সম্পূর্ণ হয়ে যাবে। তারপর তাঁদের মধ্যে যাঁরা যোগ্য হবেন, তাঁরা টাকা পাবেন।

কাউকে একেবারে বাদ দেওয়া হচ্ছে না-

কোনও আবেদনকারীকেই একেবারের রিজেক্টেড করা হচ্ছে না জানিয়ে মৌমিতা গোদারা বসু বলেন, “আমি আবার বলছি, কাউকে একদম বাদ (Rejected) দেওয়া হচ্ছে না। অর্থাৎ তাঁরা আবার ক্লেম ও অবজেকশন জানাতে পারেন। হতেই পারে, আর একটু ইন ডেপথ ভেরিফিকেশন করতে হবে। সেক্ষেত্রে ক্লেম করলে আবার ভেরিফিকেশন হবে। তারপর তিনি যোগ্য হলে টাকা পাবেন।”

টাকা না পাওয়ার কারণ জানানো হবে-

নারী ও শিশু উন্নয়ন ও সমাজকল্যাণ দফতরের সচিব জানান, “যাঁরা পাবেন না, তাঁদের কারণ জানানো হবে। পাশে সেটা লেখা থাকবে। কারও বাড়িতে গিয়ে হয়তো পাওয়া যায়নি, সেটা পাশে লেখা থাকবে ‘নট ফাউন্ড’। সেটার উপর ভিত্তি করে তাঁরা ক্লেম করবেন। আমাদের যে সোশ্যাল রেজিস্ট্রি পোর্টাল রয়েছে, সেখানেই এই ক্লেম ও অবজেকশন জানানো যাবে। সেখানে আপাতত নতুন আবেদন করা যাবে না। আগামী ২ দিনের মধ্যে ক্লেম ও অবজেকশন জানানোর জন্য খুলে দেওয়া হবে পোর্টালটি। ১৯ অগস্টেই ক্লেম ও অবজেকশনের জন্য পোর্টাল খুলে যাবে।” তিনি জানান, আধার সম্পর্কিত মিস ম্যাচের জন্যই বেশিরভাগ নাম বাদ গিয়েছে। একইসঙ্গে সচিব জানিয়ে দেন, আবার পোর্টাল খোলা হলে এখনও যাঁরা আবেদন করেননি, তাঁরা আবেদন করতে পারবেন।

গতকাল ল্যান্সডাউন বাজারে পরিদর্শনে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে গিয়ে তিনি দেখেন ফুটপাথ তো বটেই,রাস্তার পাশেরও অনেকখানি জায়গা দখলে চলে গিয়েছে ব্যবসায়ীদের। যা দেখেই মেজাজ হারিয়ে ফেলেন মন্ত্রী। সেই সময়ই তাঁর নজরে পড়ে এক বেআইনি পাখি ব্যবসায়ী। তাঁকেও কার্যত ধমক দেন মন্ত্রী।

 'আমি কি ঘাসে মুখ দিয়ে চলি?', বলেই খাঁচা খুলে একের পর এক পায়রা ওড়ালেন অগ্নিমিত্রা
অগ্নিমিত্রা পাল


ক্ষমতায় আসার পর থেকেই কলকাতার রাস্তায় ঘুরে-ঘুরে বেআইনি দখলদারি উচ্ছেদ নিয়ে কড়া দিয়েছেন পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul)। যখনই তিনি রাস্তাঘাট নোংরা দেখেছেন, ফুটে বসে থাকা ব্যবসায়ীদের কড়া নির্দেশ দিয়েছেন। এমনকী, ফুটপাথ জুড়ে দোকান নিয়ে বসে থাকা ব্যবসায়ীদেরও বুঝিয়ে দিয়েছেন এভাবে চলা যাবে না। আর রবিবার তেমনই বেআইনিভাবে আটকে রাখা এক পাখি বিক্রেতাকে কড়া বার্তা দিয়েছেন পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল।


গতকাল ল্যান্সডাউন বাজারে পরিদর্শনে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে গিয়ে তিনি দেখেন ফুটপাথ তো বটেই,রাস্তার পাশেরও অনেকখানি জায়গা দখলে চলে গিয়েছে ব্যবসায়ীদের। যা দেখেই মেজাজ হারিয়ে ফেলেন মন্ত্রী। সেই সময়ই তাঁর নজরে পড়ে এক বেআইনি পাখি ব্যবসায়ী। তাঁকেও কার্যত ধমক দেন মন্ত্রী।

 বিজেপির জাতীয় সহ সভাপতি পদে বাংলার চিকিৎসক, কে এই মধুছন্দা কর?
মন্ত্রী যখন পাখিগুলি ছেড়ে দিতে শুরু করেন সেই সময় বিক্রতা বলেন, “আমি এদের পুষি। পরে ছেড়ে দেব।” পাল্টা অগ্নিমিত্রা বলেন, “তুমি তো কাটার জন্য এনেছ।” বিক্রেতা বলেন, “না দিদি পুষি।” সঙ্গে-সঙ্গে অগ্নিমিত্রা বলেন, “পোষো তুমি? কী ভেবেছ ঘাসে মুখ দিয়ে চলি?”


এরপর এক পুলিশ কর্মীকে খাঁচার পাখি খোলার নির্দেশ দেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, “ভিতরে তিনটে পাখি আছে। বাইরে ছেড়ে দিন ওদের।” তারপরই কড়া ভাষায় তাঁর হুঁশিয়ারি, “এবার পাখি ছাড়লাম পরের বার তোমায় থানায় ধরে নিয়ে যাব।”

  বাংলায় ৩০ লক্ষ প্রধানমন্ত্রী আবাসের ঘর করা হবে জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "যে ৩০ লাখ বাড়ি আমরা দেব, তাতে কেউ যদি এক টাকা চায় আমাকে খবর দেবেন।" এরপরই তিনি বলেন, "বালির দাম একটু বেশি হয়ে গিয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রী আবাসে যাঁরা ঘর করবেন, তাঁরা ১২০০ টাকা করে বালি পাবেন। সব বালি ঘাটকে বৈধ করব, সিন্ডিকেট বন্ধ করব। আপনারা তো চান, সরকারের টাকা সরকারের ঘরে আসুক।"


পুরুলিয়ার স্কুলগুলিতেও এবার মিড ডে মিলের দায়িত্বে ইসকন, রাঁধুনিদের বড় বার্তা শুভেন্দুর
পুরুলিয়ার স্কুলে মিড ডে মিল নিয়ে কী বললেন 

 কলকাতায় স্কুলের পড়ুয়াদের মিড ডে মিলের দায়িত্বে ইসকন। রাজ্য সরকার এই ঘোষণার পর বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছিল। পড়ুয়াদের পাতে ডিম পড়বে কি না, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত পড়ুয়াদের পাতে ডিম পড়ছে। এবার কলকাতার বাইরে পুরুলিয়ার স্কুলগুলিতেও মিড ডে মিলের দায়িত্ব ইসকনকে দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একইসঙ্গে মিড ডে মিলের রাঁধুনিদের কাজ যাবে না বলে আশ্বস্ত করলেন।


কী বললেন শুভেন্দু অধিকারী?


ভাই ছাড়া স্বামীকেও পরাতে পারেন রাখী! শাস্ত্রে রয়েছে এর নেপথ্যের কারণও
সোমবার পুরুলিয়ার মানবাজারে জলপ্রকল্পের উদ্বোধনে এসে পড়ুয়াদের মিড ডে মিল নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “বিজেপি সরকার প্রাইমারির বাচ্চাদের খাবারের জন্যও ১০ টাকা করে দিয়েছে। যাতে তারা ভালো খাবার পায়। কলকাতাতে ২ লক্ষ ৪৫ হাজার ছাত্রছাত্রী ইসকনের খাওয়ার পাচ্ছে। বিরোধীরা বলছিল, বিজেপি আসার পর ইসকনের প্রসাদ খাওয়াবে, ডিম কোথায়? আমরা ইসকনের শুদ্ধ খাওয়ারও যেমন দিচ্ছি, সপ্তাহে ২ দিন ডিমেরও ব্যবস্থা করেছি। এর পরের তালিকাতে আমরা পুরুলিয়াকেও যুক্ত করেছি। পুরুলিয়াতেও মিড ডে মিল আমরা ইসকনকে দেব। রাঁধুনিরা নিশ্চিত থাকুন, তাঁদের কারও কাজ যাবে না। এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে দিয়ে সপ্তাহে ২ দিন ডিম পড়ুয়াদের পাতে দেব।”


মিড ডে মিল ছাড়াও মঞ্চ থেকে নানা ইস্যুতে বার্তা দেন শুভেন্দু অধিকারী। পরিযায়ী শ্রমিকদের রাজ্যে ফিরে আসার বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, “পরিযায়ী শ্রমিকেরা ফিরে আসুন। শিল্পে ভরিয়ে দেব।” ভিবি জি রাম জি প্রকল্পে কাজের কথা উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রীর সংযোজন, “১২৫ দিন কাজ পাবেন। নতুন জব কার্ড হবে। পুরনো জব কার্ড যাঁদের রয়েছে, তাঁরা তো কাজ পাবেনই। যাঁদের নেই, আপনারা নতুন করে জব কার্ড করুন। আগামী ৬ মাস ১২ হাজার কোটি টাকার কাজ করব। প্রত্যেক গ্রাম পঞ্চায়েতে ৫০ লক্ষ টাকার কাজ হবে।”

বাংলায় বিজেপি সরকার ১০০ দিন পূর্ণ করল। তাঁর সরকারের এই ১০০ দিনের কাজের উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা জনগণনা শুরু করেছি। অবৈধভাবে যাদের ওবিসি করা হয়েছিল, তাদের বাতিল করে দিয়েছি। ভোটব্যঙ্কের স্বার্থে ও তোষণের জন্য অবৈধভাবে ওবিসি করে দেওয়া হয়েছিল। এবার স্কুল সার্ভিস কমিশন, পুলিশ সবমিলিয়ে এক লক্ষের কাছাকাছি দ্রুত নিয়োগ হবে।” তিনি আরও বলেন, “আমরা রেশনে পচা আটা বন্ধ করে দিয়েছি। ৫ লক্ষ টাকা চিকিৎসা ফ্রি করার জন্য আয়ুষ্মান ভারত গতকাল চালু করে দিয়েছি। সারা দেশের ৩৮ হাজার হাসপাতালে আয়ুষ্মানের চিকিৎসা পাবেন। যাঁরা আয়ুষ্মান পেলেন না, মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমায় আরও ৮০ লক্ষ সংযুক্ত হবে।”

দুর্নীতিতেও যে তাঁর সরকার জিরো-টলারেন্স নীতি নিয়েছে, সেকথা উল্লেখ করে শুভেন্দু বলেন, “জামবনি ব্লকের একজন সাব অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার। ঠিকাদারের কাছ থেকে ২ লাখ টাকা নিচ্ছিল। খপ করে ধরেছি। জেলে ভরেছি। হাতেনাতে। আসানসোল-দুর্গাপুরে টোলপ্লাজাতে গাড়িতে বৈধ কাগজ রয়েছে। ওভারলোড নেই। তারপরও মোটর ভেহিক্যালের দু’জন ইঞ্জিনিয়ার ১৬ হাজার টাকা ঘুষ চেয়েছেন। ব্যবস্থা নিয়েছি।”

তোলাবাজি বন্ধে বার্তা-

তোলাবাজি বন্ধ করতেও যে তাঁর সরকার বদ্ধ পরিকর, সেকথা বুঝিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী। জনগণের উদ্দেশে জিজ্ঞাসা করেন, “তোলাবাজি বন্ধ হয়েছে? রাস্তায় হাত পাতা বন্ধ হয়েছে? গোরু পাচার বন্ধ হয়েছে? কয়লা পাচার বন্ধ হয়েছে?” হাত তুলে জনতা তাঁকে সমর্থন জানান।

‘কেউ ১ টাকা চাইলে আমায় বলবেন’-

বাংলায় ৩০ লক্ষ প্রধানমন্ত্রী আবাসের ঘর করা হবে জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “যে ৩০ লাখ বাড়ি আমরা দেব, তাতে কেউ যদি এক টাকা চায় আমাকে খবর দেবেন।” এরপরই তিনি বলেন, “বালির দাম একটু বেশি হয়ে গিয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রী আবাসে যাঁরা ঘর করবেন, তাঁরা ১২০০ টাকা করে বালি পাবেন। সব বালি ঘাটকে বৈধ করব, সিন্ডিকেট বন্ধ করব। আপনারা তো চান, সরকারের টাকা সরকারের ঘরে আসুক।”

শেষে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “অনেক আশা-স্বপ্ন নিয়ে আপনারা আমাদের জিতিয়েছেন। আমরা নরেন্দ্র মোদীর গ্যারান্টি পূরণ করব। এক বছর পর আপনাদের সঙ্গে পরীক্ষায় বসব। যদি ১০ এ ৯ না পাই, তাহলে বলবেন।”

তবে হঠাৎ করেই মেগা ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে টেলি-পাড়ায় জল্পনা বাড়িয়েছেন অভিনেত্রী নিজেই। সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘বনলতা’ চরিত্রটির বিশেষ কিছু মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও পোস্ট করে এই খবর নিশ্চিত করেন নন্দিনী। ‘কনে দেখা আলো’য় এবার ‘বনলতা’র চরিত্রে দেখা যাবে কাকে? নেটপাড়ায় একাধিক জনপ্রিয় অভিনেত্রীর নাম নিয়ে জোর চর্চা।


মাঝপথেই 'কনে দেখা আলো' ছাড়লেন নন্দিনী দত্ত! ধারাবাহিক নিয়ে কী লিখলেন 'বনলতা'?
আকাশ মিশ্র

জনপ্রিয় মেগা ধারাবাহিক ‘কনে দেখা আলো’ থেকে আচমকাই সরে দাঁড়ালেন অভিনেত্রী নন্দিনী দত্ত। এই ধারাবাহিকে ‘বনলতা’ চরিত্রে তাঁর অভিনয় দর্শকদের বিশেষ নজর কেড়েছিল। তবে হঠাৎ করেই মেগা ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে টেলি-পাড়ায় জল্পনা বাড়িয়েছেন অভিনেত্রী নিজেই। সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘বনলতা’ চরিত্রটির বিশেষ কিছু মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও পোস্ট করে এই খবর নিশ্চিত করেন নন্দিনী। পোস্টের ক্যাপশনে সহকর্মী ও পুরো টিমকে শুভকামনা জানিয়ে তিনি লেখেন, “খুব ভালো অভিজ্ঞতা, পুরো টিমের জন্য অনেক শুভেচ্ছা।”


গল্পের নতুন মোড়ে অতি সম্প্রতি ‘বনলতা’ চরিত্রটিকে কিছুটা খলনায়িকা বা নেতিবাচক হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছিল। অথচ শুরুর দিকে চরিত্রটি তেমন ছিল না। টলিপাড়ার অন্দরের গুঞ্জন, আগে থেকে এই ধরনের আচমকা রূপবদলের কোনও আভাস না পেয়েই নাকি ক্ষুব্ধ হয়ে ধারাবাহিক ছেড়েছেন নন্দিনী। তবে এই জল্পনাকে সম্পূর্ণ খারিজ করে দিয়েছেন অভিনেত্রী। অন্যদিকে, এই বিষয়ে প্রযোজনা সংস্থা ‘অর্গানিক স্টুডিও’-র পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

পুরুলিয়ার স্কুলগুলিতেও এবার মিড ডে মিলের দায়িত্বে ইসকন, রাঁধুনিদের বড় বার্তা শুভেন্দুর


নন্দিনীর বিদায়ের পর এখন প্রশ্ন উঠেছে— ‘কনে দেখা আলো’য় এবার ‘বনলতা’র চরিত্রে দেখা যাবে কাকে? নেটপাড়ায় একাধিক জনপ্রিয় অভিনেত্রীর নাম নিয়ে জোর চর্চা শুরু হলেও, শোনা যাচ্ছে নন্দিনীর জায়গায় বনলতা হচ্ছেন সৌমিলি চক্রবর্তী।

ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে বাছাই করা হবে চাকরিপ্রার্থীদের। ইন্টারভিউয়ে পাশ করলেই সঙ্গে দেওয়া হবে নিয়োগপত্র। মঙ্গলবার সকালে এই মেলার উদ্বোধন করবেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। উপস্থিত থাকবেন রাজ্যের মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু সহ প্রশাসনিক আধিকারিকরা।


বাংলায় প্রথমবার ভারত সরকারের উদ্যোগে আয়োজিত হতে চলেছে ‘কৌশল মহোৎসব’। মঙ্গলবার বালুরঘাট স্টেডিয়ামে বসছে এই কর্মসংস্থান মেলা। শিক্ষিত যুবক যুবতীরা যাতে তাঁদের যোগ্যতা ও দক্ষতা অনুযায়ী সরাসরি বিভিন্ন সংস্থায় চাকরির সুযোগ পান, তার জন্যই এই উদ্যোগ।


ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে বাছাই করা হবে চাকরিপ্রার্থীদের। ইন্টারভিউয়ে পাশ করলেই সঙ্গে দেওয়া হবে নিয়োগপত্র। মঙ্গলবার সকালে এই মেলার উদ্বোধন করবেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। উপস্থিত থাকবেন রাজ্যের মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু সহ প্রশাসনিক আধিকারিকরা।


মেলার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে সোমবার বিকেলে বালুরঘাট স্টেডিয়ামে যান স্কিল ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড এন্টারপ্রেনারশিপের ডিরেক্টর ভি এস অরবিন্দ এবং দক্ষিণ দিনাজপুরের জেলাশাসক বালাসুব্রামানিয়ান টি। পরে তাঁরা সাংবাদিক বৈঠকও করেন। তাঁরা জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উদ্যোগে দেশের ১০টি প্রান্তে ইতিমধ্যেই ‘কৌশল মহোৎসব’ আয়োজিত হয়েছে। এবার বাংলায় প্রথমবারের মতো এই কর্মসূচির আয়োজন করা হচ্ছে দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে।

 পাড়ার সবাই উদগ্রীব ছিলেন যে অন্নপূর্ণা কাহার কবে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাবেন। তাঁদের বক্তব্য, তাঁর বয়স বাড়ছে। বেশিদিন হয়তো পরিচারিকার কাজও করতে পারবেন না। তখন এই টাকা তাঁকে অনেক সাহায্য করবে। তাই, অন্নপূর্ণা আজ অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাওয়ায় খুশি প্রতিবেশীরাও।


অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পেলেন অন্নপূর্ণা, মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
আজ অগস্টের অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা মহিলাদের অ্যাকাউন্টে ঢোকা শুরু হয়েছে
হেডলাইন দেখে চমকে গেলেন? হেডলাইন ঠিকই পড়েছেন। হুগলির চুঁচুড়া বড়বাজারের বাসিন্দা প্রৌঢ়া অন্নপূর্ণা কাহার এদিন অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পেলেন। পরিচারিকার কাজ করেন তিনি। এক কামরার ভাড়া ঘরে থাকেন। টালির চাল ভেদ করে জল পরে। ত্রিপল দিয়ে সেই জল আটকানো হয়েছে কোনওভাবে। মাস ছয়েক আগে মা মারা যাওয়ার পর থেকে প্রৌঢ়া একাই থাকেন। পরের বাড়ি কাজ করে দিন চলে কোনওভাবে। ওষুধ, গ্যাস, ইলেকট্রিকের বিল দিতে হাত ফাঁকা হয়ে যায় মাসের শেষে। সেই অন্নপূর্ণা রাজ্য সরকারের অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাওয়ায় স্থানীয় বিজেপি নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধন্যবাদ জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে।


রাজ্য সরকার মহিলাদের অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা দেওয়ার কথা ঘোষণার পর আবেদন শুরু হয়। তখনই আবেদন করেছিলেন অন্নপূর্ণা কাহার। প্রথম বার তাঁর ব্যাঙ্কে টাকা ঢোকেনি। বড়বাজারে অনেকের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছিল। প্রৌঢ়া ভেবেছিলেন তাঁর কপালটাই খারাপ হয়ত। প্রতিবেশীরা চেয়েছিলেন অন্নপূর্ণা যেন অন্নপূর্ণা পান। কারণ, তাঁর মতো মহিলাদের জন্যই তো সরকার এই প্রকল্প এনেছে। অবশেষে সোমবার অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পেলেন অন্নপূর্ণা কাহার। খুশিতে চোখের কোণ চিক চিক করে ওঠে তাঁর। শুধু বলেন, “খুব দরকার ছিল। আনন্দ পেলাম। বিকেলে ঘুম থেকে উঠেই জানতে পারি। অনেক উপকার হবে।” আগে লক্ষ্মীর ভান্ডার পেতেন বলে জানাতেন।



মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, আগের সরকারের লক্ষ্মীর ভান্ডার পুরুষরাও পেয়েছে। এবার তা হবে না।তাই, প্রশাসন ভেরিফিকেশন করে যোগ্যদের চিহ্নিত করেছে। সেখানেই যোগ্য অন্নপূর্ণা টাকা পেয়েছেন। এই নিয়ে বড়বাজারের স্থানীয় বিজেপি নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “ওঁর খুবই দরকার ছিল। অন্নপূর্ণা যোজনা পেয়েছেন এতে আমরা খুশি। মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই। তাঁর সরকার যে কাজ করেছে, এটা খুবই ভালো। অন্নপূর্ণার মতো যাঁরা আছেন, তাঁরা সবাই পাবেন। এটা আমরা আশা করি।” বিজেপি নেতা সপ্তর্ষী বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “অন্নপূর্ণার মতো মহিলারা যাতে এই প্রকল্পের সুবিধা পান, এটাই আমরা চাই। অর্থনৈতিক দিক থেকে পিছিয়ে পড়া গরিব মানুষদের জন্যই তো এই প্রকল্প।”


পাড়ার সবাই উদগ্রীব ছিলেন যে অন্নপূর্ণা কাহার কবে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাবেন। তাঁদের বক্তব্য, তাঁর বয়স বাড়ছে। বেশিদিন হয়তো পরিচারিকার কাজও করতে পারবেন না। তখন এই টাকা তাঁকে অনেক সাহায্য করবে। তাই, অন্নপূর্ণা আজ অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাওয়ায় খুশি প্রতিবেশীরাও।

কয়েকদিনের টানা বৃষ্টির জেরে দক্ষিণ ২৪ পরগনার গঙ্গাসাগর এলাকার ধবলাট, শিবপুর এবং লালপুর এলাকার বেশ কয়েকটি বাড়ি জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। এর ফলে এলাকার সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগের মুখে পড়েছেন।


এই পরিস্থিতিতে জলমগ্ন বাড়িগুলির বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) মন্ডল চারের পক্ষ থেকে দুর্গতদের সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেওয়া হয়। সোমবার দুর্গত মানুষের হাতে ত্রাণ হিসেবে প্রয়োজনীয় শুকনো খাবার তুলে দেন স্থানীয় নেতৃত্ব।

 এই ত্রাণের ফলে সাময়িকভাবে কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলি। প্রশাসনের পাশাপাশি রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের এই সহযোগিতায় উপকৃত হয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।