WEATHER

Top News


গতকাল থেকে গঙ্গাসাগরে চলছে মকর সংক্রান্তি উপলক্ষে পূণ্য স্থান।

 কাল সকাল থেকে শুরু হয়েছে এই স্নান আজ দুপুর একটা ১৯ পর্যন্ত চলবে এই পূর্ণ স্নান। পুণ্যস্থান পর কপিল মুনির আশ্রমে পুজো দিচ্ছে পুণ্যার্থীরা। নিরাপত্তার জন্য আকাশ পথে চলছে ডোন্ট ক্যামেরায় নজরদারি এবং সিসিটিভি ক্যামেরায় মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা মেলা চত্বর এলাকা।

 ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য বেরিকেট এবং ডগ গেট রয়েছে একাধিক। মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস জানিয়েছে গতকাল দুপুর তিনটে পর্যন্ত ৮৫ লক্ষ পুণ্যার্থী পুণ্যস্থান করেছে, লক্ষ্য এখন কোটি ছোঁয়ার।

গঙ্গাসাগর মেলায় জনজোয়ার। ১৫ দিনে উপস্থিত ৮৫ লক্ষ পুণ্যার্থী।

 মকর সংক্রান্তির পুণ্যতিথিতে গঙ্গাসাগর মেলায় উপচে পড়া ভিড়। বুধবার বিকেল ৫টায় মেলা প্রাঙ্গণের অফিসে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে মেলার বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরেন রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। মন্ত্রী জানান, ১ জানুয়ারি থেকে আজ বেলা ৩টে পর্যন্ত মেলায় মোট ৮৫ লক্ষ পুণ্যার্থীর সমাগম হয়েছে।
বিশাল এই ভিড় সামলাতে প্রশাসন কোনো খামতি রাখছে না। মেলা প্রাঙ্গণে ১৫ হাজার পুলিশ কর্মীর পাশাপাশি মেলা চত্বরের বিভিন্ন পয়েন্টে ১৫০টি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ১০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক মোতায়েন রয়েছেন। পুণ্যার্থীদের সহায়তায় ২৪ ঘণ্টা কাজ করে চলেছে এই বাহিনী।

মেলার স্মৃতি ধরে রাখতে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহারে ব্যাপক সাড়া মিলেছে। মন্ত্রী জানান, এখনো পর্যন্ত ৫ লক্ষ ৭৫ হাজার পুণ্যার্থী ‘বন্ধন’ অ্যাপের মাধ্যমে নিজেদের ছবি সম্বলিত ই-শংসাপত্র সংগ্রহ করেছেন।
মেলায় হারিয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের পরিজনদের কাছে ফিরিয়ে দিতে তৎপর রয়েছে প্রশাসন।
৪,৮৮৩ জন নিখোঁজ পুণ্যার্থীর মধ্যে ৪,৮৬০ জনকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফেরানো হয়েছে। ২৭২টি চুরির ঘটনার মধ্যে ২৬০টি ক্ষেত্রে খোয়া যাওয়া সামগ্রী উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে এখন পর্যন্ত ৭৭২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মেলায় একজন পুণ্যার্থীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। মৃতর নাম মিঠু মণ্ডল (৫২), তিনি অসমের বাসিন্দা। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর। এছাড়া, গুরুতর অসুস্থ ৫ জন পুণ্যার্থীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য গ্রিন করিডোর ও এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সের মাধ্যমে কলকাতায় স্থানান্তরিত করা হয়েছে।


তবে এতসব বিতর্ক উঠলেও, প্রবাহ নন্দী কিন্তু এসব নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছেন। তার পরেই সোশাল মিডিয়ায় প্রশ্ন উঠেছে, এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলটের বেতন কত? প্রবাহ কি সত্য়িই স্ত্রীর থেকে দামি দামি উপহার নিতেন? প্রবাহ কত বেতন পেতেন কিংবা সত্যিই তিনি দামি উপহার নিয়েছেন কিনা, সে সব উত্তর পাওয়া সম্ভব হয়নি। তবে একজন এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলটের বেতন সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যেতেই পারে।


পাইলট স্বামীকে দামি অন্তর্বাস, বেল্ট, কিনে দিতেন 
দেবলীনা! জানেন একজন বিমান চালকের বেতন কত?


ইদানিং সোশাল মিডিয়ার হট টপিক গায়িকা দেবলীনা নন্দী ও তাঁর পাইলট স্বামী প্রবাহ নন্দী। দেবলীনার অভিযোগ, স্বামী প্রবাহ, তাঁকে সংসার ও মায়ের মধ্যে বেছে নিতে বলেছিলেন একজনকে। এমনকী, প্রবাহ তাঁর গানের পেশাকেও বাঁকা চোখে দেখতেন বলে অভিযোগ দেবলীনার। অন্যদিকে, যখন ৭৮ টা ঘুমের ওষুধ খেয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন দেবলীনা, তখন তাঁর দিদি ফেসবুক লাইভে এসে নানা অভিযোগের তীর ছুঁড়েছিলেন দেবলীনার স্বামী প্রবাহের দিকে। এমনকী, বলেছিলেন পাইলট স্বামীর সমস্ত খরচা নাকি চালাতেন গায়িকা দেবলীনা! শুধু তাই নয়, স্বামীর অন্তর্বাস থেকে শুরু করে ২৬ হাজার টাকার ব্র্যান্ডেড বেল্ট, দামি পারফিউম, স্বামীকে কিনে দিতেন দেবলীনাই! তবে এতসব বিতর্ক উঠলেও, প্রবাহ নন্দী কিন্তু এসব নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছেন। তার পরেই সোশাল মিডিয়ায় প্রশ্ন উঠেছে, এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলটের বেতন কত? প্রবাহ কি সত্য়িই স্ত্রীর থেকে দামি দামি উপহার নিতেন? প্রবাহ কত বেতন পেতেন কিংবা সত্যিই তিনি দামি উপহার নিয়েছেন কিনা, সে সব উত্তর পাওয়া সম্ভব হয়নি। তবে একজন এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলটের বেতন সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যেতেই পারে। যতদূর জানা গিয়েছে, প্রবাহ নন্দী এয়ার ইন্ডিয়ার একজন সিনিয়ার পাইলট। এয়ারবাস চালানোর অভিজ্ঞতাও রয়েছে প্রবাহ নন্দীর।


www.pilotcet.com – ওয়েবসাইট থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, পাইলটদের জন্য আকর্ষণীয় বেতন এবং বিশ্বমানের সুযোগ-সুবিধা নিয়ে এসেছে এয়ার ইন্ডিয়া বিমান সংস্থা। প্রথমেই জেনে নেওয়া যাক, পাইলট হতে গেলে কী শিক্ষাগত যোগ্যতা দরকার।



পাইলট হওয়ার স্বপ্ন পূরণের প্রথম ধাপ শুরু হয় স্কুল জীবন থেকেই। এয়ার ইন্ডিয়ায় আবেদনের জন্য প্রধান শর্তগুলি হল- স্বীকৃত বোর্ড থেকে পদার্থবিজ্ঞান (Physics) এবং গণিতসহ (Mathematics) উচ্চমাধ্যমিক বা ১০+২ উত্তীর্ণ হতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে ইংরেজি, পদার্থবিজ্ঞান ও গণিতে ন্যূনতম ৬০% নম্বর থাকা বাধ্যতামূলক।


ইতিমধ্যেই আপত্তির কথা জানানো হয়েছে। কীভাবে নেতাজির জন্মদিনে পরীক্ষা? প্রশ্ন তুলে NTA-কে চিঠি দেওয়া হয়েছে শিক্ষা দফতরের তরফে। একদিকে সরস্বতী পুজো অন‍্যদিকে নেতাজির জন্মদিন, সেই দিনই পরীক্ষা ঘিরে সংঘাত তুঙ্গে।

নেতাজির জন্মদিনে পরীক্ষার ডেট, ফের কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাত

২৩ জানুয়ারি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মদিন পালিত হয়। সেই সঙ্গে এবছর ওই দিনই সরস্বতী পূজা পড়েছে। আর সেই ২৩ জানুয়ারিই জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষার দিন ধার্য করা হয়েছে। ‘ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি’র তরফে এই দিন জয়েন্ট এন্ট্রান্সের মেইনস-এর পরীক্ষা দেওয়া হয়েছে। আর তাতেই আপত্তি রাজ্যের।


ইতিমধ্যেই আপত্তির কথা জানানো হয়েছে। কীভাবে নেতাজির জন্মদিনে পরীক্ষা? প্রশ্ন তুলে NTA-কে চিঠি দেওয়া হয়েছে শিক্ষা দফতরের তরফে। একদিকে সরস্বতী পুজো অন‍্যদিকে নেতাজির জন্মদিন, সেই দিনই পরীক্ষা ঘিরে সংঘাত তুঙ্গে।


নেতাজির জন্মদিন আর সরস্বতী পূজা, দুটি বিষয়েই বাঙালির বিশেষ আবেগ জড়িয়ে আছে। ওই দিন সব স্কুল ছুটি থাকে, স্কুল তথা বাংলার প্রায় সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই সরস্বতী পূজার আয়োজন করা হয়। তাই ওই দিন পরীক্ষা ফেললে পরীক্ষার্থীদের অসুবিধা হতে পারে। রাজ্য়ের দেওয়ার চিঠির এখনও পর্যন্ত কোনও জবাব দেয়নি এনটিএ।

বিধানসভা নির্বাচনঘরের বায়োস্কোপআবহাওয়াকর্মখালিকলকাতা হাইকোর্টরাশিফলআধ্যাত্মিকAb Meri BaariPujoy 

বর্তমানে ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট থেকে মিউচুয়াল ফান্ড খুব সহজেই এক অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা যায়। আগে এই ধরনের স্থানান্তরের ক্ষেত্রে কিছু সীমাবদ্ধতা থাকলেও বর্তমানে এই বিষয়ে পরিস্থিতি অনেকটাই সহজ বা সরল হয়েছে।


সন্তানের আগামীর সুরক্ষায় উপহার দিন মিউচুয়াল ফান্ড, কিন্তু কীভাবে?
সন্তানকে উপহার দিন মিউচুয়াল ফান্ড


আপনার সন্তাদের জন্য চিন্তা আপনাকেই চিন্তা করতে হবে। ফলে, সন্তানের জন্য কিছু করে রাখার চিন্তা প্রত্যেক অভিভাবকই করেন। কিন্তু সেই লক্ষ্য পূরণে আপনার কাছে একটি কার্যকর বিকল্প হতে পারে মিউচুয়াল ফান্ড। কিন্তু প্রশ্ন হল, সন্তানকে কীভাবে আপনি একটি মিউচুয়াল ফান্ড উপহার হিসাবে দেবেন?

আমাদের দেশের আয়কর আইন বলছে, বাবা-মা তাঁদের সন্তানদের উপহার হিসাবে মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট দিতেই পারেন। ১৯৬১ সালের আয়কর আইনের ৫৬ (২) ধারা অনুযায়ী নিকট আত্মীয়ের দেওয়া যে কোনও উপহারই করমুক্ত হিসাবে গণ্য করা হয়। অর্থাৎ, বাবা-মা সন্তানদের কোনও উপহার দিলে তাতে কোনও অতিরিক্ত কর দিতে হয় না।


বর্তমানে ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট থেকে মিউচুয়াল ফান্ড খুব সহজেই এক অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা যায়। আগে এই ধরনের স্থানান্তরের ক্ষেত্রে কিছু সীমাবদ্ধতা থাকলেও বর্তমানে এই বিষয়ে পরিস্থিতি অনেকটাই সহজ বা সরল হয়েছে। অ্যাসোসিয়েশন অফ মিউচুয়াল ফান্ডস ইন ইন্ডিয়ার নির্দেশ অনুযায়ী প্রতিটা ফান্ড হাউসই অনলাইনে উপহারের সুবিধা চালু করেছে। CAMS এবং KFintech-এর মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা তাঁদের হোল্ডিংয়ের সম্পূর্ণ বা আংশিক অন্য কাউকেই উপহার দিতে পারেন।

তবে এই ধরনের উপহার দেওয়ার ক্ষেত্রে একই ফান্ড হাউসে সন্তানের জন্য একটি ফোলিও থাকতে হবে। আর অনলাইনে এই ধরনের আবেদনের পর একটি কুলিং পিরিয়ডও থাকতে হবে। তবে এই কথা বলাই যায়, আপনি যদি সঠিক পরিকল্পনা মেনে চলেন তাহলে আপনার ভবিষ্যতের সুরক্ষায় মিউচুয়াল ফান্ড হতে পারে একটা শক্ত ভিত।

রঞ্জিৎ মল্লিকের সঙ্গে দেখা করার পর এদিন অভিষেক যখন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন, তখন পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন অভিনেতা রঞ্জিৎ মল্লিক। তিনি এগিয়ে এসে অভিষেককে জড়িয়ে ধরে বলেন, "ওকে আমার খুব ভাল লাগে... খুব ভাল লাগে। এটুকুই বলব।"

আমার জীবনের প্রথম দেখা ছবি গুরুদক্ষিণা, বললেন অভিষেক, জড়িয়ে ধরলেন রঞ্জিৎ মল্লিক


বর্ষীয়ান অভিনেতা রঞ্জিৎ মল্লিকের সঙ্গে দেখা করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার বিকেলে ভবানীপুরে অভিনেতার বাড়িতে উপস্থিত হন অভিষেক। প্রায় ২ ঘণ্টা সেখানেই ছিলেন তিনি। পরে বেরিয়ে এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, রঞ্জিৎ মল্লিকের বাড়িতে গিয়ে কোনও রাজনৈতিক কথা বলেননি তিনি। এদিন অভিষেকের সঙ্গে ছিলেন বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্য়ায়।

বেরিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায় বলেন, আমার সঙ্গে ছোটবেলার একটা স্মৃতি জড়িয়ে আছে। আমি প্রথম ছোটবেলায় যে সিনেমা দেখেছিলাম সেটার নাম ‘গুরুদক্ষিণা’। ওঁর অধিকাংশ সিনেমা রিলিজ হয়েছে আমার জন্মের আগে। ১৯৯২ সালে কালী বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের মৃত্যু হয়। ওই সিনেমায় তিনি ছিলেন।


অভিষেক আরও বলেন, “আজ আমি রাজনীতির কথা বলতে আসিনি। তবে আমাদের টাকা কীভাবে আটকে রাখা হয়েছে, কীভাবে ১৫ বছর ধরে আমরা কাজ করেছি। সেটাই ওঁকে বলেছি।” কেন্দ্রীয় বঞ্চনা নিয়ে কথা বলার পাশাপাশি এদিন মমতা সরকারের ‘উন্নয়নের পাঁচালি’ তুলে দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

অভিষেক যখন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন, তখন পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন রঞ্জিৎ মল্লিক। তিনি এগিয়ে এসে অভিষেককে জড়িয়ে ধরে বলেন, “ওকে আমার খুব ভাল লাগে… খুব ভাল লাগে। এটুকুই বলব।”

‘উন্নয়নের পাঁচালি’ হল তৃণমূল কংগ্রেসের একটি প্রচার অভিযান। গত ১৫ বছরে রাজ্যে মা-মাটি-মানুষের সরকার যে যে উন্নয়নমূলক কাজ করেছে, বিশেষত মহিলাদের জন্য গৃহীত প্রকল্পগুলি (যেমন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, কন্যাশ্রী, স্বাস্থ্যসাথী) লোককথার ঢঙে প্রচারের কৌশল। বিশেষত গ্রামের মহিলাদের মধ্যে প্রচার করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। লক্ষ্মীর পাঁচালির মতো গ্রাম-বাংলার মানুষের কাছে বিশেষ করে মহিলাদের কাছে তৃণমূলের উন্নয়ন মূলক প্রকল্পের গান ও গল্পের খতিয়ান তুলে ধরা হয়।

জলে ডুবে যাওয়াকে চিহ্নিত করা হয়। তাঁর শরীরে পাওয়া আঘাতগুলো সিপিআর ও উদ্ধার প্রচেষ্টার ফল বলে জানানো হয়। টক্সিকোলজি পরীক্ষায় দেখা যায়, গার্গের রক্তে অ্যালকোহলের মাত্রা ছিল প্রতি ১০০ মিলিলিটার রক্তে ৩৩৩ মিলিগ্রাম, যা মারাত্মক মদ্যপান এবং সমন্বয় ও প্রতিক্রিয়াশক্তি হ্রাসের ইঙ্গিত দেয়। সিঙ্গাপুরে আইনি সীমা হলো প্রতি ১০০ মিলিলিটারে ৮০ মিলিগ্রাম।

পুলিশ গার্গের হোটেল কক্ষ থেকে ৪৩ শতাংশ অ্যালকোহলযুক্ত ৭৫০ মিলিলিটারের একটি স্কচ হুইস্কির বোতল বাজেয়াপ্ত করে, যা প্রায় ২৫ শতাংশ ভর্তি ছিল। তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতকে জানান, ইয়টে ২০ জনের বেশি মানুষ ছিলেন, যাদের মধ্যে গার্গের বন্ধু ও সহকর্মীরাও অন্তর্ভুক্ত ছিল। তারা সবাই পানীয় ও অ্যালকোহল গ্রহণ করছিলেন।

একাধিক সাক্ষী জানান, তাঁরা গার্গকে মদ্যপান করতে দেখেছেন। একজন বলেন, তিনি একাধিক কাপ মদ, জিন ও হুইস্কি পান করেছিলেন। কর্মকর্তা আরও জানান, প্রথমবার সাঁতার কাটার পর গার্গ ইয়টে ফিরে এসে বলেছিলেন যে তিনি ক্লান্ত বোধ করছেন, এরপর আবার সাঁতার কাটার সিদ্ধান্ত নেন। আদালতকে জানানো হয়, গার্গ উচ্চ রক্তচাপ ও মৃগীরোগে (এপিলেপসি) ভুগছিলেন এবং তাঁর শেষ খিঁচুনির ঘটনা ঘটে ২০২৪ সালে। তাঁর রক্তে উভয় রোগের ওষুধের উপস্থিতি পাওয়া গেলেও, ঘটনার দিন তিনি এপিলেপসির ওষুধ নিয়েছিলেন কি না তা নিশ্চিত করা যায়নি, কারণ প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য স্পষ্ট ছিল না। ফরেনসিক প্যাথোলজিস্ট আদালতে বলেন, এমন কোনও লক্ষণ পাওয়া যায়নি, যা থেকে নিশ্চিতভাবে বলা যায় যে গার্গ খিঁচুনিতে আক্রান্ত হয়েছিলেন।

‘ক্রেজি মাঙ্কি’ নামের ইয়টের ক্যাপ্টেন আদালতে বলেন, গার্গ ইয়টে ওঠার সময় তিনি দেখেছিলেন যে তাঁর দুই বন্ধু তাঁর হাত ধরে রেখেছেন, কারণ তিনি ঠিকমতো হাঁটতে পারছিলেন না। তিনি আরও জানান, কিছু যাত্রী ইয়টে ওঠার আগেই মদ্যপান শুরু করেছিলেন এবং তিনি দুটি নিরাপত্তা ব্রিফিং পরিচালনা করেছিলেন। ক্যাপ্টেন তার বিবৃতিতে বলেন, “দ্বিতীয়বার যখন আমি তাঁকে লাইফ জ্যাকেট ছাড়া জলে নামতে দেখি, তখন আমি তাঁর বন্ধুকে বলেছিলাম যে সে মাতাল, আর যদি সে জলে নামতে চায়, তা হলে অবশ্যই লাইফ জ্যাকেট পরতে হবে।”

তিনি যোগ করেন, পরে যখন তিনি গার্গকে জলে উপুড় হয়ে ভাসতে দেখেন, তখন সঙ্গে-সঙ্গে অন্যদের সতর্ক করেন এবং তাঁর দিকে সাঁতরে যান। গার্গের মাথা জলের বাইরে ঘোরানোর সময় তিনি তাঁর মুখ ও নাক দিয়ে ফেনা বের হতে দেখেন এবং একটি “ভয়াবহ” গন্ধ অনুভব করেন। পুলিশ আদালতকে জানায়, আত্মহত্যার কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি এবং গার্গকে কেউ জলে ধাক্কা দেয়নি। একাধিক সাক্ষীর বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি স্বেচ্ছায় সাঁতার কাটার জন্য সমুদ্রে নেমেছিলেন।

এই তদন্তে মোট ৩৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর মধ্যে ইয়টে উপস্থিত ব্যক্তিরা, নৌকার ক্যাপ্টেন, পুলিশ কর্মকর্তা ও প্যারামেডিকরাও অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির ফলে ইউরোপ ও লাতিন আমেরিকা, দু'পক্ষেরই রফতানি কমেছে। তাই নিজেদের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করতে এগিয়ে এসেছে তারা। ইউরোপের হয়ে চুক্তি সই করবে ইউরোপিয়ান কমিশন। লাতিন আমেরিকার হয়ে চুক্তি সই করার কথা মের্কসুর নামে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য ব্লকের, এটি একটি স্প্যানিশ অ্যাক্রোনিম।




নয়াদিল্লি: প্যারিস, এথেন্স এবং ব্রাসেলস — তিন শহরের কৃষকরা একযোগে ট্রাক্টর নিয়ে নেমেছেন রাস্তায়। রাজধানী শহরগুলিকে অবরোধ করে রেখেছেন কৃষকরা। পুলিশের সঙ্গে দফায় দফায় চলছে খণ্ডযুদ্ধ। কিন্তু এমন উন্নত দেশে এই রকম পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার কারণ কী? সহজ কথা বলতে গেলে, উন্নত তিন দেশ — ফ্রান্স, গ্রিস এবং বেলজিয়ামে এখন সংঘাত চলছে কৃষি বনাম শিল্পের। এই দুই পক্ষকে ঘিরে দ্বিবিভক্ত হয়েছে আস্ত ইউরোপ। ইউরোপিয়ান ইউনিয়নেও ফাটলের লক্ষণ স্পষ্ট।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির ফলে ইউরোপ ও লাতিন আমেরিকা, দু’পক্ষেরই রফতানি কমেছে। তাই নিজেদের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করতে এগিয়ে এসেছে তারা। ইউরোপের হয়ে চুক্তি সই করবে ইউরোপিয়ান কমিশন। লাতিন আমেরিকার হয়ে চুক্তি সই করার কথা মের্কসুর নামে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য ব্লকের, এটি একটি স্প্যানিশ অ্যাক্রোনিম। যার অর্থ হল দক্ষিণের মুক্ত বাজার। এই জোটে রয়েছে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে, প্যারাগুয়ে।


এই চুক্তি- স্বাক্ষর ঘিরেই জ্বলছে ইউরোপের একাংশ। চুক্তির মূল কথা, ৯০ শতাংশ পণ্য বিনা শুল্কে ইউরোপ ও লাতিন আমেরিকার মধ্যে কেনা-বেচা হবে। যার প্রতিবাদে ফ্রান্স, গ্রিস, পোল্যান্ড, অস্ট্রিয়ার মতো দেশের কৃষকেরা রাস্তায় নেমেছেন। কারণ, তাঁদের আশঙ্কা লাতিন আমেরিকা থেকে মাংস আর শাক-সবজি যদি বিনা শুল্কে একবার ইউরোপে ঢুকতে শুরু করে, তা হলে তাঁদের রুটি-রুজি নষ্ট হয়ে যাবে।

অন্যদিকে, জার্মানি, স্পেন, নেদারল্যান্ডসের মতো দেশগুলো আবার এই চুক্তির পক্ষে। গাড়ি-সহ নানা ক্ষেত্রে শিল্পে এদের বাড়তি উত্‍পাদন হচ্ছে। ভাবনাটা হল, ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট হয়ে গেলে কৃষির ক্ষতি, শিল্পের রফতানি থেকে পুষিয়ে যাবে। ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টে এনিয়ে ভোটাভুটি হওয়ার কথা রয়েছে। তাদের সংসদের নিয়ম হল, ইইউ-এর ২৭ দেশের মধ্যে ১৫ দেশের সমর্থন লাগবে। আর এই ‍১৫ দেশের জনসংখ্যা হতে হবে মোট ২৭ দেশের জনসংখ্যার ৬৫ শতাংশ। যারা ভোটে হারবে, তাদের সঙ্গে আগামী দিনে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সম্পর্ক কেমন দাঁড়াবে, সেটাও একটা দেখার মতো বিষয়।



 ক্যাপ্টেন শুভমন গিল ৫৬ করে ফেরার পর দায়িত্ব নিয়েছিলেন দলের। ১১৫-৩ থেকে দলকে পৌঁছে দিয়েছেন লড়াই করার মতো জায়গায়। তার থেকেও বড় কথা হল, উল্টো দিকে জাডেজা, নীতীশ রেড্ডি যতই থাকুন, দ্রুত রান তোলা থেকে বিপক্ষের বোলারদের পাল্টা আক্রমণ করেছেন রাহুল।

বিপদের বন্ধু? আতঙ্ক কাটাল ভারত রাহুলের দুরন্ত সেঞ্চুরিতে ভর করে!
কে এল রাহুল

কেউ তাঁকে বলেন, আন্ডাররেটেড! বাংলায় তর্জমা করলে যা দাঁড়ায়, ঠিক মতো মূল্যায়ন হয়নি!
কেউ তাঁকে বলেন, মোস্ট ডিপেন্ডেবল! ভরসার মুখ! বিপদে সবচেয়ে বড় বন্ধু!


কারও কারও কাছে বিস্ময়েরও। টেস্টে ওপেন করেন। ওয়ান ডে-তে মিডল অর্ডারে। দুই বিপরীত ধর্মী ক্রিকেটরকে তিনি মিলিয়ে দিতে জানেন। তাই টেস্টে সেঞ্চুরি করেন যেমন, ওয়ান ডে-তেও। মিলিয়ে দিতে জানেন অবলীলায়। তুমুল পরীক্ষার পরেও।


ওপেনার, মিডল অর্ডার ব্যাটার, কিপার, ক্যাপ্টেন অথবা ভাইস ক্যাপ্টেন— যে ভাবেই ভাবা হোক না কেন, লোকেশ রাহুল সবসময় প্রাসঙ্গিক। যে কোনও ফর্মে, যে কোনও মোডে সফল। রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলিরা ফিরুন ২৪ কিংবা ২৩এ, শ্রেয়স আইয়ার, রবীন্দ্র জাডেজা ৮ অথবা ২৭ করুন, দল চাপে পড়লে, দরকার হলে ঠিক রান এনে দেন। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে রাজকোট সেই ‘ক্রাইসিস-ম্যান’ রাহুলের সাক্ষী রইল। শ্রেয়স আউট হওয়ার পর নেমেছিলেন ক্রিজে। ২১.৩ ওভার পেরিয়ে গিয়েছে ততক্ষণে। উল্টো দিকে উৎসাহ বেড়েছে। এ দিকে চাপ। সে সব সামলে নট আউট ১১২ রানের চমৎকার ইনিংস খেলে গেলেন রাহুল। ৯২ বল, ১১টা চার ও ১টা ছয় দিয়ে কেএল বুঝিয়ে দিলেন, ফর্ম্যাট কিংবা ব্যাটিং নম্বর গুরুত্বপূর্ণ নয়। যে পারে সে একেও পারে, পাঁচেও পারে!



 এরপর সেই আধার কার্ড ও ভোটার কার্ডে লেখা বয়সের নিরিখে জেলাশাসক তাঁর চাকরি তাঁকে ফিরিয়ে দেয়। কর্মহীন হয়ে পড়েন প্রমিলা। দ্বারস্থ হন উচ্চ আদালতে। তারপর হিরলিবাইয়ের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করে উচ্চ আদালত।


নির্বাচন কমিশনের দৌলতে এই প্রসঙ্গ অজানা নয়। নাগরিকত্ব কবেই গিয়েছিল, এবার জন্মের প্রমাণ বাদ। জানিয়ে দিল হাইকোর্ট। আধারের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া যাবে না জন্ম প্রমাণ। অর্থাৎ জন্ম তারিখের প্রমাণ হিসাবে কাজ করবে শুধুমাত্র জন্ম শংসাপত্রই।


মঙ্গলবার এমনই নির্দেশ দিয়েছে মধ্য় প্রদেশ হাইকোর্টের বিচারপতি জয় কুমার পিল্লাইয়ের সিঙ্গল বেঞ্চ। তাঁর পর্যবেক্ষণ, ‘এটা স্পষ্ট যে আধার কার্ড এবং ভোটার কার্ড জন্ম তারিখের প্রমাণপত্র হিসাবে বিবেচিত হতে পারে না। এই নথিগুলি স্বঘোষণার ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়ে থাকে এবং শুধুমাত্র পরিচয় বা শনাক্তকরণের কাজেই ব্য়বহৃত হয়।’


মামলার নেপথ্যে
ঘটনার সূত্রপাত একটি অঙ্গনওয়াড়ি সহায়কের পদ ঘিরে। মধ্য় প্রদেশের ধর জেলা। সম্প্রতি সেখানে প্রমিলা নামে একজনকে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের সহায়কের পদে নিয়োগ করা হয়। ওই কেন্দ্রে একটি পদ ছিল। হিরলিবাই নামে এক কর্মী অবসরগ্রহণের পর সেই পদে প্রমিলা আসেন।


এই ঘটনার দু’বছর পর হিরলিবাই দ্বারস্থ হন ধর জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসকের কাছে। সেখানে তিনি দাবি করেন, আধার কার্ডে তাঁর জন্ম তারিখ ভুল রয়েছে। তাঁর এখনও অবসরগ্রহণের বয়স হয়নি। এরপর সেই আধার কার্ড ও ভোটার কার্ডে লেখা বয়সের নিরিখে জেলাশাসক তাঁর চাকরি তাঁকে ফিরিয়ে দেয়। কর্মহীন হয়ে পড়েন প্রমিলা। দ্বারস্থ হন উচ্চ আদালতে। তারপর হিরলিবাইয়ের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করে উচ্চ আদালত।

আদালতের পর্যবেক্ষণতাঁকে আবার পুনরায় নিয়োগ করা হলে তৃতীয় পক্ষের প্রতি অবিচার করা হবে।’ পাশাপাশি, আদালত এই বিষয়টিও স্পষ্ট করেছে যে, অবসরগ্রহণ করা হিরলিবাই তাঁর অফিসিয়াল সার্ভিস রেকর্ডে যে জন্ম তারিখের কথা উল্লেখ করেছিলেন, সেই ভিত্তিতে অবসরগ্রহণ করেছেন। তাই এটাকেই চূড়ান্ত বলে গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি প্রমিলাকে পুনরায় চাকরি ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে উচ্চ আদালত।

ইডির আইনজীবীর সওয়ালের উপর ভিত্তি করেই বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ মামলা খারিজ করে দেন। তবে, ইডির দায়ের করা মামলা মুলতুবি করা হয়েছে হাইকোর্টে। এ প্রসঙ্গে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “মিস্টার রাজু বলেছেন, তৃণমূলের কোনও কিছু বাজেয়াপ্ত হয়নি। তাই বিচারপতি এই মামলা খারিজ করে দিয়েছেন।”


আইপ্যাকে তল্লাশির দিনটি ছিল ঘটনাবহুল। তৃণমূলের ভোটকুশলী সংস্থার অফিস ও কর্ণধারের বাড়িতে ইডি তল্লাশি চালাতেই মামলার জল গড়িয়েছিল হাইকোর্ট পর্যন্ত। সেখানে একটি মামলা করে ইডি, অপর মামলাটি হয় ইডির বিরুদ্ধে। সেই মামলাই কোর্ট খারিজ করেছে এ দিন। ইডির আইনজীবীর যুক্তি, ভোটকুশলী সংস্থার কোনও নথি ইডি বাজেয়াপ্ত করেনি।


আজ অর্থাৎ বুধবার ছিল এই মামলার শুনানি। সেখানে অ্যাডিশনাল সলিসিটর জেনারেল এসভি রাজু হাইকোর্টে যুক্তি দেন,ঘটনার দিনের কোনও নথি বাজেয়াপ্ত করেনি ইডি। যাবতীয় জিনিসপত্র নিয়ে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে তৃণমূলের উচিত মমতার বিরুদ্ধে মামলা করা। সেক্ষেত্রে ইডির আইনজীবীরা তাঁদের সমর্থন করবেন। এমনকী, কোর্টে এও বলা হয়, মুখ্যমন্ত্রী যা নথি নিয়ে গিয়েছেন তা যেন ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

কিন্তু এসব চলবে না। কোনওভাবেই এসব বরদাস্ত করা হবে না। পাক ডিজিএমও-কে এ ভাষাতেই কড়া বার্তা দিয়েছিলেন ভারতের ডিজিএমও। পাকিস্তানের কোনও ছক বাস্তবের মুখ দেখবে না বলে সাফ জানিয়ে দিলেন সেনা প্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদীও। পাল্টা তোপ দেগেছেন পাক সেনার বিরুদ্ধে।

মার খেয়েও শিক্ষা হয়নি, তলে তলে চলছে পাকিস্তানের শয়তানি! ফের পাক ড্রোন গুলি করে নামাল ভারতীয় সেনা
চাপানউতোর চলছেই

ড্রোন পাঠিয়ে ভারতীয় সেনার গতিবিধিতে নজরদারির চেষ্টা পাকিস্তানের। এক সপ্তাহের ব্যবধানে ফের জম্মু-কাশ্মীরের আকাশে ড্রোন। এবার রাজৌরির আকাশে। আগেই ভারতীয় সেনাপ্রধানের তরফে রীতিমতো সতর্কবার্তা গিয়েছিল পাকিস্তানের কাছে। তা নিয়ে আন্তর্জাতিক আঙিনাতেও চর্চা শুরু হয়। তারপরেও ড্রোন দেখা গেল ভারতীয় আকাশ সীমায়। শেষ পর্যন্ত ভারতীয় সেনা তরফে গুলি করে নামানো হলো ড্রোনটিকে। যা দেখে অনেকেই বলছেন, মার খেয়েও শিক্ষা হয়নি। তলে তলে চলছেই পাকিস্তানের শয়তানি। তবে শেষ পর্যন্ত নজরদারি চালিয়ে জঙ্গি অনুপ্রবেশের চেষ্টা বিফল। 


কিন্তু এসব চলবে না। কোনওভাবেই এসব বরদাস্ত করা হবে না। পাক ডিজিএমও-কে এ ভাষাতেই কড়া বার্তা দিয়েছিলেন ভারতের ডিজিএমও। পাকিস্তানের কোনও ছক বাস্তবের মুখ দেখবে না বলে সাফ জানিয়ে দিলেন সেনা প্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদীও। পাল্টা তোপ দেগেছেন পাক সেনার বিরুদ্ধে। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিগত কয়েকদিনে ড্রোনের গতিবিধি নিয়ে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, “এ ড্রোনগুলি খুবই ছোট। আলো জ্বেলেই মূলত এগুলি আসে। খুব একটা উুঁচুতেও ওঠে না। এমনকী এদের খুবই কম দেখতে পাওয়া যায়। ১০ তারিখ নাগাদ ৬ থেকে ৭টা দেখা গিয়েছিল। ১১ ও ১২ তারিখে ২-৩টে দেখা গিয়েছে। আমাদের মনে হয় এগুলি প্রতিরক্ষা খাতে ব্যবহার করা হয় এমন ড্রোন।” কিন্তু কেন এমন করছে পাকিস্তান? 




'অন্য কোথাও আইন মানা হয়নি মানেই আমিও মানব না...', শুভেন্দুর মামলায় বলল কোর্ট
কলকাতার 'ইডেন গার্ডেন'-এর নিচে চাপা পড়ে আছে অবিশ্বাস্য ইতিহাস! কার চোখের জলে আজও ভেজে মাঠের মাটি?
টার্গেট হিন্দুরা, শরিফের সঙ্গে 'যোগাযোগ'! কাশ্মীর কেড়ে নেওয়ার হুঁশিয়ারি লস্করি-মুসার
উপেন্দ্র দ্বিবেদী যদিও মনে করছেন ওরা আসলে উপরে এসে দেখার চেষ্টা করছে ওদের বিরুদ্ধে ভারত কোনও পদক্ষেপ করছে কিনা। একইসঙ্গে তিনি বলেন, “ভারতীয় সেনার গতিবিধিতে কোনও ফাঁক, কোনও ঢিলেঢালা ব্যবস্থা রয়েছে কিনা সেটাও ওরা দেখার চেষ্টা করতে পারে। সেটা পেলেই ওরা জঙ্গি পাঠাতে পারবে। তবে আমাদের পদক্ষেপে ওরা ঠিক জবাবই পেয়ে গিয়েছে বলে মনে হয়। তবে আমরা যে ওদের এই ধরনের কোনও কার্যকলাপই মানছি না তা ডিজিএমও স্তরেও স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।”  


ঘটনা কাটোয়া শহরের। পেশায় শিক্ষক দেবশঙ্করবাবু কেতুগ্রামের ভোমরকোল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত হলেও বর্তমানে কাটোয়ার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের চৌরঙ্গি এলাকায় সপরিবারে বসবাস করেন। সম্প্রতি ভোটার তথ্য যাচাইয়ের সময় ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’ বা তথ্যগত অসঙ্গতি ধরা পড়ে তাঁর নিজের ও স্ত্রীর নথিতে।

 বউ বলে ‘নো ছাড়’! স্ত্রীকে তো দিলেন, সঙ্গে নিজেই নিজেকে শুনানির নোটিস ধরালেন BLO
কী বলছেন ওই বিএলও?


আপনি আচরি ধর্ম’, প্রবাদটি যেন বাস্তবেই প্রয়োগ করে দেখালেন কাটোয়ার ১৬৫ নম্বর বুথের বিএলও দেবশঙ্কর চট্টোপাধ্যায়। নির্বাচন কমিশনের নিয়ম রক্ষায় বিন্দুমাত্র ঢিলেমি করলেন না তিনি। ছাড়লেন না নিজেকেও। ভোটার তালিকায় তথ্যগত অসঙ্গতি থাকায় কমিশনের নির্দেশ মেনে খোদ নিজেকে এবং নিজের স্ত্রীকেই শুনানির নোটিশ ধরালেন এই সরকারি কর্মী। বিএলও স্বামীর হাত থেকে নোটিশ পেয়ে কার্যত বাকরুদ্ধ স্ত্রী অনিন্দিতা চৌধুরী।


ঘটনা কাটোয়া শহরের। পেশায় শিক্ষক দেবশঙ্করবাবু কেতুগ্রামের ভোমরকোল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত হলেও বর্তমানে কাটোয়ার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের চৌরঙ্গি এলাকায় সপরিবারে বসবাস করেন। সম্প্রতি ভোটার তথ্য যাচাইয়ের সময় লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি বা তথ্যগত অসঙ্গতি ধরা পড়ে তাঁর নিজের ও স্ত্রীর নথিতে। দেবশঙ্করবাবুর বাবার নামের পদবিতে বানান ভুল এবং স্ত্রী অনিন্দিতা দেবীর ক্ষেত্রে তাঁর বাবার সঙ্গে বয়সের ব্যবধানজনিত ত্রুটি কমিশনের নজরে আসে। দেবশঙ্করবাবুর বাবার নাম পুলকেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়৷ কিন্তু ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি পদবির বানান ভুল রয়েছে।এই কারণেই তাঁকে কমিশন শুনানির নোটিস পাঠায়। অন্যদিকে স্ত্রীর বাড়ি নদিয়া জেলার নাকাশিপাড়ায়। তাঁর বাবার নাম অনিল চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু তাঁর ও বাবার বয়সের পার্থক্য ৫০ বছর দেখাচ্ছে। সে ক্ষেত্রেও এসেছে নোটিস। 



ভারতবিরোধী লস্কর, এখন 'পাকিস্তান-বিরোধী'! বেজিং-ওয়াশিংটনের মন কাড়তে গিয়ে কালবেলায় পা শরিফের
কমিশনের অ্যাপে নোটিশ আসতেই বিএলও হিসেবে নিজের কর্তব্য পালন করলেন দেবশঙ্করবাবু। তিনি জানান, “বিএলও হলেও আমি নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনে কাজ করতে বাধ্য। সেখানে আমার নিজের পরিবার আলাদা কোনও গুরুত্ব পায় না। আইনের চোখে সবাই সমান।” ফলে, আর পাঁচজন সাধারণ নাগরিকের মতোই এখন লাইনে দাঁড়িয়ে শুনানিতে অংশ নিতে হবে এই দম্পতিকে।