WEATHER

Top News


নদীভাঙনের জেরে একের পর এক ফেরিঘাটে বসানো সোলার লাইট, সোলার প্যানেল ও বাতিস্তম্ভ নদীগর্ভে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এতে যেমন সরকারি সম্পত্তির ক্ষতি হচ্ছে, তেমনি রাতের অন্ধকারে ফেরিঘাট ব্যবহারকারী সাধারণ মানুষের নিরাপদ যাতায়াতও ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

জানা গিয়েছে, পাথরপ্রতিমা বিধানসভা কেন্দ্রের ১৫টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে ৯টি নদীবহুল এলাকায় অবস্থিত। এই অঞ্চলের মানুষের নিত্যদিনের যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম বিভিন্ন ফেরিঘাট। সেই কারণে সরকারি উদ্যোগে একাধিক ফেরিঘাটে সোলার আলোর ব্যবস্থা করা হলেও বর্তমানে নদীভাঙনের কারণে বেশ কয়েকটি স্থানে সেই পরিকাঠামো মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

বিশেষ করে ব্রজবল্লভপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের গদাধর জানার ফেরিঘাট এবং ক্ষেত্রমোহনপুরের যুধিষ্ঠির জানার ফেরিঘাটে স্থাপিত সোলার লাইট ও সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম নদীতে পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি। দীর্ঘদিন ধরেই নদীর পাড় ভাঙতে থাকলেও সেগুলি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয়দের দাবি, প্রশাসন, পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ এবং ফেরিঘাটের নৌকা ইজারাদারদের সমন্বয়ে অবিলম্বে নদীতে তলিয়ে যাওয়া সোলার সরঞ্জাম উদ্ধার করতে হবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে নদীভাঙনের ঝুঁকি এড়াতে সোলার পোল, কন্ট্রোল বক্স ও অন্যান্য সরঞ্জাম ভাঙনমুক্ত এবং জোয়ারের সর্বোচ্চ জলস্তরের ঊর্ধ্বে নিরাপদ স্থানে পুনঃস্থাপনের ব্যবস্থা করা জরুরি।

এলাকাবাসী বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট বিডিও অফিস, পঞ্চায়েত ও স্থানীয় প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, ক্ষতিগ্রস্ত ফেরিঘাটগুলিতে দ্রুত সোলার আলোর ব্যবস্থা পুনরায় চালু করা গেলে যাত্রীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি সরকারি সম্পত্তিও রক্ষা করা সম্ভব হবে।

সরকারি অর্থে নির্মিত এই গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো সংরক্ষণ এবং নদীপথে প্রতিদিন যাতায়াতকারী হাজার হাজার মানুষের স্বার্থে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি ক্রমশ জোরালো হচ্ছে।

পাথরপ্রতিমা থেকে কাকদ্বীপ ডট কম নিউজ টিম

দক্ষিণ ২৪ পরগনার গঙ্গাসাগরে বিজেপি শিবিরের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এল। শ্রীধাম বাজারে বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য রাজু মণ্ডল এবং তাঁর এক সঙ্গীকে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠল বিজেপিরই ৪ নম্বর মণ্ডলের সভাপতি পিনাক্ষী মণ্ডলের বিরুদ্ধে। 

এই ঘটনায় আহতদের সাগর গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রাজু মণ্ডলের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে কাকদ্বীপ মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হচ্ছে।
আহত রাজ্য কমিটির সদস্য রাজু মণ্ডলের অভিযোগ, বিজেপির নাম ভাঙিয়ে ৪ নম্বর মণ্ডলের সভাপতি পিনাক্ষী মণ্ডল এলাকায় তোলাবাজি চালাচ্ছেন। রাজু মণ্ডলের দাবি, বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকেই পিনাক্ষী মণ্ডল এই দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়েন। এই অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় পিনাক্ষী মণ্ডল এদিন তৃণমূলের বেশ কিছু লোকজন নিয়ে এসে তাঁর ওপর চড়াও হন। পিনাক্ষীর উপস্থিতিতেই তাঁদের ওপর নৃশংস হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ রাজু মণ্ডলের।

এই ঘটনায় দলের একাংশের কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্ত মণ্ডল সভাপতি ও তাঁর সঙ্গীদের কঠোর শাস্তির দাবিতে ইতিমধ্যেই গঙ্গাসাগর কোস্টাল থানার সামনে ভিড় করেছেন বিজেপির পুরোনো কর্মী-সমর্থকরা। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালাচ্ছে। দলেরই এক উচ্চপদস্থ নেতাকে এভাবে আক্রান্ত হতে দেখে স্থানীয় রাজনীতিতে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এবং বিজেপি নেতৃত্বের অন্দরে তীব্র অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত বিজেপি মণ্ডল সভাপতি পিনাক্ষী মণ্ডলের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবন এলাকার কৃষকদের আর্থিক স্বনির্ভরতা নিশ্চিত করতে সম্প্রতি গঙ্গাসাগরের ছবি মহলে আয়োজিত হলো এক বিশেষ সচেতনতা শিবির। 


পশ্চিমবঙ্গ গ্রামীণ ব্যাঙ্ক এবং কৃষি ও কৃষক কল্যাণ বিভাগের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিল ‘খেত বাঁচাও অভিযান’ ও ‘কেসিসি (কিষাণ ক্রেডিট কার্ড) স্যাচুরেশন ড্রাইভ’।

১ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত চলা এই বিশেষ প্রচার অভিযানের আওতায়, গ্রামীণ ব্যাঙ্কের আধিকারিকরা সুন্দরবনের প্রত্যন্ত অঞ্চলের কৃষকদের কৃষি ঋণের সুবিধা পাওয়ার সহজ উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন। কৃষকদের আধুনিক চাষাবাদে উৎসাহিত করা এবং সরকারি প্রকল্পের সুবিধা তাঁদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়াই ছিল এই অনুষ্ঠানের প্রধান উদ্দেশ্য।

দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হওয়ায় খুশির হাওয়া সাগর দ্বীপে। রাজ্য বাজেটে অর্থমন্ত্রী স্বপন দাসগুপ্ত সুন্দরবনের বিচ্ছিন্ন এই দ্বীপে একটি নতুন 'মহিলা কলেজ' স্থাপনের ঘোষণা করতেই আনন্দে মেতে উঠলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আজ সকাল থেকেই সাগর দ্বীপের বিভিন্ন প্রান্তে দেখা গেল উৎসবের আমেজ।



এদিন দ্বীপের মহিলারা ও ছাত্রীরা একে অপরকে আবির মাখিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। মিষ্টি মুখ করিয়ে উদযাপন করতেও দেখা যায় তাঁদের। স্থানীয়দের কথায়, এতদিন উচ্চশিক্ষার জন্য সাগর দ্বীপের মেয়েদের মূল ভূখণ্ডে যেতে হতো, যা ছিল অত্যন্ত কষ্টসাধ্য ও ব্যয়বহুল। এই ঘোষণার ফলে দ্বীপের মেয়েরা ঘরের কাছেই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাবেন।
এই সিদ্ধান্তের জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় মহিলারা। দ্বীপের বাসিন্দাদের আশা, এই নতুন কলেজটি সাগর দ্বীপের শিক্ষাক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্ত খুলে দেবে এবং নারীশিক্ষার প্রসারে মাইলফলক হয়ে থাকবে।

আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের অনুষ্ঠান শেষে কলকাতা থেকে ফেরার পথে ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়ল একটি লঞ্চ। সোমবার রাত আনুমানিক আটটা নাগাদ নামখানা থানার খাটুয়ার ঘেরি ঘাট সংলগ্ন হাতানিয়া-দোয়ানিয়া নদীতে ‘এম.ভি মা অজন্তা’ নামের লঞ্চটিকে একটি মৎস্যজীবী ট্রলার সজোরে ধাক্কা মারে।


ঘটনার ৫-৭ মিনিটের মধ্যেই লঞ্চটি নদীতে তলিয়ে যায়। তবে চালকসহ লঞ্চে থাকা পাঁচজনকেই জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। লঞ্চের চালক জানান, কলকাতায় আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিল লঞ্চটি। সোমবার ভোর সাড়ে পাঁচটা নাগাদ কলকাতার ডগ ঘাট থেকে গোসাবায় ফেরার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিল লঞ্চটি। নামখানা মৎস্য বন্দর পার করে ভগবতপুরের দিকে যাওয়ার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা ‘এফবি করুণাময়ী’ নামের একটি দ্রুতগতির মৎস্যজীবী ট্রলার লঞ্চটির মাঝবরাবর ধাক্কা মারে।

লঞ্চটি ডুবতে শুরু করলে কর্মীদের আর্তনাদ শুনে পাশে থাকা একটি ট্যুরিস্ট লঞ্চ এবং ধাক্কা দেওয়া ট্রলারটির মৎস্যজীবীরা দ্রুত উদ্ধারকাজে হাত লাগান। তাঁদের তৎপরতায় পাঁচজনকেই সুরক্ষিতভাবে উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে নামখানা ও কাকদ্বীপ থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। স্থানীয় বেঙ্গল লঞ্চ অ্যাসোসিয়েশনের সহায়তায় পুলিশ ডুবন্ত লঞ্চটি উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

মুড়িগঙ্গা নদীতে বালিবোঝাই ট্রলার ডুবে যাওয়ার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। আজ, সোমবার সকাল আনুমানিক ৮:৩০ নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটে মুড়িগঙ্গা নদীর বরাতলা ধানিসংলগ্ন রামতনুনগর গ্রামের কাছে। 



পুলিশ সূত্রে খবর, ‘এমভি মা নাছিন্দা’ নামের ট্রলারটি গেঁওখালি থেকে বালি নিয়ে কচুবেড়িয়ার দিকে যাচ্ছিল। পথে ঘোড়ামারা থেকে প্রায় ৩০ মিনিট উত্তরের এক চড়ায় ট্রলারটি আটকে গিয়ে আচমকা ডুবে যায়। দুর্ঘটনার পর ট্রলারের মালিক, পূর্ব মেদিনীপুরের গেঁওখালির বাসিন্দা শুভ জানা সাঁতরে কোনোমতে হারউড পয়েন্ট উপকূল থানার ৬ নম্বর ট্যাঙ্কের কাছে ডঙায় উঠে আত্মরক্ষা করেন।

তবে ট্রলারের দুই কর্মী—গেঁওখালির সন্তোষ ঘোড়ুই এবং সাগরের ঘোড়ামারার বাসিন্দা শেখ আসাদ এখনও নিখোঁজ। নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধানে সাগর থানার পুলিশ ইতিমধ্যেই তল্লাশি শুরু করেছে।


 এত দিন ধরে বিভিন্ন পুরসভার বদল হচ্ছে। কোথাও বোর্ড ভেঙে যাচ্ছে। কোথাও বিদ্রোহ চলেছে। এত সব কিছুর মধ্যে কোথাও কোনও বোর্ড গঠন হয়নি। ফলত, পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের সেক্ষেত্রে একটা দৃষ্টান্ত তৈরি করল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা
'এই প্রথমবার...', বাজেটের পর ফের সুখবর দিলেন 

কলকাতা: বাংলাকে ঢেলে সাজাচ্ছে রাজ্যের বিজেপি সরকার (BJP)। সোমবারই জনমুখী বাজেটের ঘোষণা করেছে তারা। এর মধ্যেই বিকেলে এল আরও একটি সুখবর। আর সেই খবর সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাগ করে নিয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। কী সেই সুখবর? বদলের বাংলায় এই প্রথম মুখ্যমন্ত্রী জেলা পূর্ব মেদিনীপুরে বোর্ড গঠন করছে বিজেপির (BJP)। জেলা পরিষদের নতুন সভাধিপতি হলেন বামদেব গুছাইত। আর সহ সভাধিপতি নির্বাচিত হলেন বাঁশুরি পণ্ডিত।


 'নিজের দাম বাড়াচ্ছেন', মহুয়াকে নিয়ে বড় কথা কাকলির
বনশালির শুটিং ফ্লোরে মৃত্যু কর্মীর, কত টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে পরিচালককে?
কেরিয়ারের শুরুতে শিঙারা বিক্রি করতেন শাহরুখ! কিং খানের জীবনের কোন গল্প এল সামনে?
শুভেন্দু অধিকারী কী লিখেছেন?


মুখ্য়মন্ত্রী আনন্দের খবর ভাগ করতে গিয়ে লিখেছেন, “অত্যন্ত আনন্দের বিষয়, ভারতীয় জনতা পার্টি পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবার কোনও জেলা পরিষদের বোর্ড গঠন করেছে।” এরপর তাঁর সংযোজন, “পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদ আজ থেকে ভারতীয় জনতা পার্টির সদস্যদের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। বামদেব গুছাইতকে সভাধিপতি এবং শ্রীমতী বাঁসুরি পণ্ডিত কে সহকারী সভাধিপতি হিসেবে নির্বাচিত করেছেন।”

তাঁর আরও বক্তব্য, “আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আপনাদের দক্ষ নেতৃত্ব, জনসেবার প্রতি অঙ্গীকার এবং উন্নয়নমুখী দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে পূর্ব মেদিনীপুরের সার্বিক অগ্রগতি আরও গতিশীল ও সমৃদ্ধ হবে।”

এক নজরে পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা পরিষদ

এর আগে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদ ছিল তৃণমূলের। গত ৫ জুন জেলা পরিষদের সভাধিপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন তৃণমূলের উত্তম বারিক। পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ৭০। তৃণমূলের- ৫৬। বর্তমানে ২ জন মৃত। বিজেপির-১৪ জন।

জেলা প্রশাসনের তরফে নতুন সভাধিপতি নির্বাচনের দিন স্থির করা হয় সোমবার। সোমবার তৃণমূলের প্রায় ৪৭ জন জেলা পরিষদের সদস্য এবং বিজেপির ১৪ জন জেলা পরিষদের সদস্য উপস্থিত ছিলেন। বিজেপির তরফে বামদেব গুছাইতের নাম জেলা সভাধিপতি হিসাবে প্রস্তাব করা হয়। উপস্থিত তৃণমূল এবং বিজেপি সদস্যরা বামদের গুছাইতকে সভাধিপতি পদে সমর্থন করেন। এরপর বিজেপির তরফে সহ সভাধিপতি বাঁশুরি পন্ডিতকে বেছে নেন। বিজেপি এবং তৃণমূল সদস্যরা এই প্রস্তাবকে সমর্থন করেন।

এত দিন ধরে বিভিন্ন পুরসভার বদল হচ্ছে। কোথাও বোর্ড ভেঙে যাচ্ছে। কোথাও বিদ্রোহ চলেছে। এত সব কিছুর মধ্যে কোথাও কোনও বোর্ড গঠন হয়নি। ফলত, পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের সেক্ষেত্রে একটা দৃষ্টান্ত তৈরি করল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা


 ঝাড়গ্রাম এবং পূর্ব বর্ধমানে চারটি জায়গা চিহ্নিত করা হয়েছে। ঝাড়গ্রাম ও বাঁকুড়াতে দু’টি কেন্দ্রীয় বিদ্যালয় তৈরির জন্য জমি দেখা হয়েছে।


 গ্রিন সিগন্যাল শুভেন্দুর সরকারের, বড় তকমা পেতে চলেছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়
কী ঘোষণা করা হল বাজেটে?

রাজ্যে ছুটছে ডাবল ইঞ্জিনের সরকার। বাংলায় পালাবদলের প্রথম বাজেটেই একেবারে ছক্কা হাঁকাল বিজেপি সরকার। একাধারে জোর কর্মসংস্থানে, অন্যদিকে জোর শিক্ষাতেও। একের পর এক বড়সড় বরাদ্দের ঘোষণা অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্তর। উত্তরবঙ্গে যেমন তৈরি হচ্ছে আইআইটি, আইআইএম, তেমনই দক্ষিণবঙ্গেও শিক্ষার ক্ষেত্রে এসেছে বড়সড় বরাদ্দ। 


নবোদয় বিদ্যালয় স্থাপনের জন্য জমি দেবে সরকার। এর জন্য আপাতত দক্ষিণ ২৪ পরগণা, মালদহ, ঝাড়গ্রাম এবং পূর্ব বর্ধমানে চারটি জায়গা চিহ্নিত করা হয়েছে। ঝাড়গ্রাম ও বাঁকুড়াতে দু’টি কেন্দ্রীয় বিদ্যালয় তৈরির জন্য জমি দেখা হয়েছে। বড় প্রাপ্তি হচ্ছে রাজ্যের এক নম্বর বিশ্ববিদ্যালয় যাদবপুরেরও। অর্থমন্ত্রী বলছেন, আগামী ৫ বছরে কেন্দ্র সরকারের ১ হাজার কোটির সহায়তায় ও রাজ্যের তরফে ২০০ কোটি টাকা দিয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি Institute of Excellence-এ উন্নীত করা হবে।




বনশালির শুটিং ফ্লোরে মৃত্যু কর্মীর, কত টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে পরিচালককে?
শুধু তাই নয়, স্টার্ট আপ এবং যুব মাইক্রো উদ্যোগীদের উৎসাহিত করতে বাংলার উদ্যম ক্রেডিট কার্ড প্রকল্প চালু করছে সরকার। এই প্রকল্পে প্রায় ২ লাখ যুবক প্রত্যেকে ১০ লাখ টাকা অবধি আর্থিক সহায়তা পাবে। তার মধ্যে ৫ লাখ টাকা গ্রান্ট হিসাবে থাকছে। বাকি ৫ লাখ টাকা সুদবিহীন ঋণ হিসেবে দেওয়া হবে সরকারের তরফে। এর জন্য ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। এখানেই শেষ নয়, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিলেও পাশে দাঁড়াবে সরকার। সরকারি ও সরকারপোষিত কলেজের পড়ুয়ারা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য এককালীন ৩০ হাজার টাকা অর্থ সাহায্য পাবেন সরকারের তরফে। এর জন্য ৩০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। 

আজ ছিল রাজ্যের সরকার বদলের পর প্রথম বাজেট। সেখানেই একগুচ্ছ ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। রাজ্যের উন্নতিস্বার্থে সব বিষয়ের পাশাপাশি খেলা সংক্রান্ত বিষয়েও বাজেট ঘোষণা করেছে সরকার। কী কী বিষয়ে জানানো হল, কী বললেন স্বপন দাশগুপ্ত?

ক্রীড়াক্ষেত্রে বিপুল অর্থ বিনিয়োগ রাজ্যের, নতুন কী কী পাচ্ছে বঙ্গবাসী?
বাজেটে বড় ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী।


 রাজ্যের পালাবদলের পর প্রথম বাজেট (State Budgte) পেশ হল আজ। প্রায় দেড় ঘন্টা ধরে বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত (Finance Minister Swapan Dasgupta)। একগাদা বিষয়ে ঘোষণা হয়েছে বাজেটে। কৃষি, শিল্প, কর্মক্ষেত্র, যুব, ছাত্রছাত্রী – সব বিষয়েই উন্নতির ছাপ স্পষ্ট। একই সঙ্গে বদলাতে চলেছে রাজ্যের মানচিত্রও। কারণ, আরও ৫টি জেলা অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে রাজ্যে। এর পাশাপাশি খেলাধুলো নিয়েও বড় আপডেট দিলেন অর্থমন্ত্রী।


বাজেটে অর্থমন্ত্রী স্পষ্ট করে দিয়েছেন, আগামী দিন রাজ্যকে দেশের প্রধান স্পোর্টস হাব করাই প্রধান উদ্দেশ্য রাজ্য সরকারের। আর সেই জন্যই একগাদা স্পোর্টস প্রকল্পের ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। জানানো হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে চালু হবে খেলো ইন্ডিয়া (Khelo India)। এই প্রতিযোগিতার উদ্দেশ্য, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তিক প্রান্ত থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের তুলে আনা। এই খেলো ইন্ডিয়ার ফলে সব জায়গারই খেলোয়াড়রা নিজেদের প্রমাণের সুযোগ পাবে।



নতুন বাংলায় কেবল একটি খাতেই বরাদ্দ ২০০ কোটি টাকা! জিরাটে বড় উদ্যোগ
'অভিনেতাদের রং মাখা জাত বলা হয় জানি...', হঠাত্‍ কেন বললেন শ্রুতি?
এর পাশাপাশি, রাজ্যে তৈরি হবে অত্যাধুনিক স্পোর্টস ইউনিভার্সিটি, যার ফলে ছাত্রছাত্রীরা পাবেন আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ। এর পাশাপাশি উন্নয়ন করছে রাজ্য সরকার। শোনা গিয়েছে, উত্তরবঙ্গে তৈরী হবে আন্তর্জাতিক মানের ইনডোর স্টেডিয়াম। তৈরি হবে একটি আউটডোর স্টেডিয়াম। এই প্রকল্পে বরাদ্দ করা হয়েছে ২০ কোটি টাকা। এর পাশাপাশি প্রতিটি এলাকায় তৈরি করা হবে একটি মিনি ইনডোর স্টেডিয়াম। এর জন্য খরচ হবে প্রায় ৫ কোটি টাকা। এর ফলে আশা করা হচ্ছে, জেলাস্তর থেকে আরও নতুন নতুন খেলোয়াড় উঠে আসবে।
শুধু তাই নয় আলাদা করে জোর দেওয়া হচ্ছে শিলিগুড়িতে। বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে শিলিগুড়ির কৌশলগত অবস্থানের উপরেও। উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রবেশদ্বার হিসাবে যে শিলিগুড়ির আলাদা গুরুত্ব আছে এদিন তাও এদিন বাজেট পেশের সময় আলাদা করে বলেন অর্থমন্ত্রী।


শিলিগুড়ি-জলপাইগুড়িতেও ছুটবে মেট্রো? বড় কথা বিজেপি সরকারের

 উত্তরবঙ্গের জন্য একের পর এক প্রাপ্তি। বাজেটে বড়সড় ঘোষণা অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্তর। মেডিকেল কলেজ, আইআইটি, সবই হচ্ছে। এরইমধ্যে শোনা গেল আরও বড় কথা। দুর্গাপুর–আসানসোল ও শিলিগুড়ি-জলপাইগুড়ির মধ্যে মেট্রো সংযোগ চালুর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে টেকনো-ইকোনমিক স্টাডি করার ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী। এই শহরগুলিতে মেট্রো চালু হবে কিনা তা নিয়ে আগাম সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। যদিও সরকারের তরফে এই ঘোষণা হতেই খুশির হাওয়া উত্তরবঙ্গে।


শুধু তাই নয় আলাদা করে জোর দেওয়া হচ্ছে শিলিগুড়িতে। বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে শিলিগুড়ির কৌশলগত অবস্থানের উপরেও। উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রবেশদ্বার হিসাবে যে শিলিগুড়ির আলাদা গুরুত্ব আছে এদিন তাও এদিন বাজেট পেশের সময় আলাদা করে বলেন অর্থমন্ত্রী। উত্তরবঙ্গে শিলিগুড়ির অবস্থান প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে বলেন, “উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রবেশদ্বার হিসাবে কাজ করে এবং নেপাল, ভূটান ও বাংলাদেশের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ সংযোগের কাজ করে। এই ভৌগোলিক অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে আমাদের সরকার ইন্টিগ্রেটেড লজিস্টিক পার্ক, মাল্টিমোডাল পরিবহণ পরিকাঠামো, আধুনিক গুদামজাতকরণের সুবিধা, কোল্ড-চেন নেটওয়ার্ক, উন্নত সড়ক, রেল ও বিমানসংযোগের উন্নতির মাধ্যমে শিলিগুড়িকে একটি লজিস্টিক ও ব্যাবসা কেন্দ্রে উন্নীত করা হবে।”




বাবার সঙ্গে ডেটের পর ছেলের সঙ্গে ডেট! সাবিত্রীর মজার কাণ্ড জানেন?
কেরিয়ারের শুরুতে শিঙারা বিক্রি করতেন শাহরুখ! কিং খানের জীবনের কোন গল্প এল সামনে?
অর্থমন্ত্রীর দাবি, এর ফলে লজিস্টিক ব্যয় কমবে, সাপ্লাই চেনের দক্ষতা বাড়বে। এর জন্য বরাদ্দ হচ্ছে ২০০ কোটি টাকা। একইসঙ্গে এদিন আলাদা করে শিলিগুড়ি ও বারাণসীর মধ্যে High Speed Rail Corridor-এর কথাও উল্লেখ করেন অর্থমন্ত্রী। ইতিমধ্যেই এই রুটে বুলেট ট্রেন চালানোর ঘোষণা করেছে ভারত সরকার। 

 আজ যাকে আমরা আরামবাগ বলে জানি, চিরকাল কি তার এই নাম ছিল? কেনই বা এই জনপদের নামের সঙ্গে জড়িয়ে গেল 'আরাম' ও 'বাগ' (বাগান)—এই দুটি শব্দ? ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, বর্তমানের এই শান্ত-স্নিগ্ধ আরামবাগের গর্ভে লুকিয়ে রয়েছে এক প্রাচীন ও বৈপ্লবিক রূপান্তরের ইতিহাস।


বাঙালির স্মৃতির সিন্দুকে প্রতিটি জনপদের নামের পেছনে লুকিয়ে থাকে এক একটি দীর্ঘ ইতিহাস। কোনওটির সঙ্গে জড়িয়ে থাকে লোকগাথা, আবার কোনওটির সঙ্গে রাজকাহিনি। তেমনই এক অনন্য ইতিহাসের সাক্ষী হুগলি জেলার দ্বারকেশ্বর নদীতীরের প্রাচীন শহর ‘আরামবাগ’। কিন্তু আজ যাকে আমরা আরামবাগ বলে জানি, চিরকাল কি তার এই নাম ছিল? কেনই বা এই জনপদের নামের সঙ্গে জড়িয়ে গেল ‘আরাম’ ও ‘বাগ’ (বাগান)—এই দুটি শব্দ? ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, বর্তমানের এই শান্ত-স্নিগ্ধ আরামবাগের গর্ভে লুকিয়ে রয়েছে এক প্রাচীন ও বৈপ্লবিক রূপান্তরের ইতিহাস।


আজকের আরামবাগের পূর্বতন নাম ছিল ‘জাহানাবাদ’। এই নামের পেছনে রয়েছে মোগল সাম্রাজ্যের ইতিহাস। ইতিহাসবিদদের একাংশের মতে, মোগল সম্রাট শাহজাহানের নামানুসারে এই অঞ্চলের নামকরণ হয়েছিল জাহানাবাদ। আবার অন্য একটি মত অনুযায়ী, সম্রাট ঔরঙ্গজেবের কন্যা জাহানারা বেগমের নাম থেকে এই জাহানাবাদ নামের উৎপত্তি। সপ্তদশ শতকে এই অঞ্চলটি ছিল মোগল সাম্রাজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও সামরিক কেন্দ্র। মানসিংহের উড়িষ্যা অভিযানের সময়ও এই অঞ্চলের কৌশলগত গুরুত্ব প্রকাশ পেয়েছিল। পরবর্তীতে ব্রিটিশ আমলেও, ১৮১৮ সালে যখন প্রথম এই অঞ্চলকে পৃথক থানা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয় এবং ১৮৪৬ সালে মহকুমা গঠিত হয়, তখনও এর দাপ্তরিক নাম ছিল জাহানাবাদ।


 নতুন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক ঋতব্রত, চেয়ারম্যান অরূপ, আর কে কোন পদে?
রাহুলের হাসপাতালের বকেয়া বিল মেটালেন সলমন, কী হয়েছিল অভিনেতার?
তাহলে ‘জাহানাবাদ’ কীভাবে ‘আরামবাগ’ হয়ে উঠল?


উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে এবং বিশ শতকের শুরুতে জাহানাবাদ ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চল এক ভয়াবহ মহামারীর গ্রাসে পড়ে। ‘বর্ধমান জ্বর’ বা ম্যালেরিয়ার প্রকোপে এই অঞ্চলের জনজীবন সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল। মহামারীর পাশাপাশি যোগ হয়েছিল ম্যালেরিয়া-পরবর্তী ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ। হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারান, গ্রামকে গ্রাম উজাড় হয়ে যায়। একসময়ের সমৃদ্ধ জাহানাবাদ আক্ষরিক অর্থেই এক ‘মৃত নগরী’ বা শ্মশানে পরিণত হয়েছিল। পরিস্থিতি এতটাই উদ্বেগজনক ছিল যে, মানুষ ‘জাহানাবাদ’ নামটিকে একপ্রকার অপয়া বা অভিশপ্ত বলে গণ্য করতে শুরু করেন।

এই মনস্তাত্ত্বিক আতঙ্ক ও নেতিবাচকতা থেকে স্থানীয় মানুষকে মুক্ত করতে ১৯০০ সালের শুরুর দিকে উদ্যোগী হন তত্কালীন ব্রিটিশ সরকার এবং স্থানীয় বিদগ্ধ সমাজ। ১৯০০ সালের ১৯ এপ্রিল (কারও মতে ১৯০১ সাল) এক সরকারি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ‘জাহানাবাদ’ নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ‘আরামবাগ’।

‘আরামবাগ’ শব্দটির আক্ষরিক অর্থ ‘আরামের বাগান’ বা ‘বিশ্রামের উদ্যান’। মহামারীর সেই ভয়াল দিনগুলো কাটিয়ে এই অঞ্চলের মানুষ যাতে নতুন করে শান্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারেন, বুক বেঁধে বাঁচতে পারেন এবং জীবনে ‘আরাম’ বা স্বস্তি ফিরে পান—সেই উদ্দেশ্যেই এই নতুন নামকরণ। দ্বারকেশ্বর নদের শীতল হাওয়া এবং চারপাশের সবুজ প্রকৃতি মিলিয়ে এই অঞ্চলটি সত্যিই যেন এক ক্লান্তিনাশক উদ্যান হয়ে উঠেছিল।

আজকের আরামবাগ কেবল কৃষি ও বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান কেন্দ্রই নয়, এটি রাজা রামমোহন রায়ের জন্মভিটে (রাধামণিপর/খানাকুল) এবং প্রফুল্লচন্দ্র সেনের মতো বরেণ্য ব্যক্তিত্বের কর্মভূমি। ইতিহাসের সেই ‘জাহানাবাদ’ আজ ধুলো চাপা পড়েছে ঠিকই, কিন্তু ‘আরামবাগ’ নামের প্রতিটি অক্ষরে মিশে আছে এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে টিকে থাকা মানুষের ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই, পুনর্জন্ম এবং শান্তির এক চিরন্তন আখ্যান।

তবে ইতিহাসে রয়েছে আরও একটি তথ্যও। জানা যায়, ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি শেষভাগ পর্যন্ত তৎকালীণ জাহানাবাদ পরগণার ভৌগলিক অবস্থান ছিল ঘাটাল,চন্দ্রকোনা,আরামবাগ,কোতুলপুর রায়না থানা সীমানা পর্যন্ত। বিহারের গয়া জেলায় জাহানাবাদ বলে একটি স্থান থাকার জন্য যাতে দুটি স্থানের মধ্যে গোলযোগ না হয় সেই জন্য জাহানাবাদ থেকে আরামবাগ নামকরণ করা হয়। এটি প্রকাশ হয় ১৯০০ খ্রীস্টাব্দে ২৫শে এপ্রিল তারিখে কলিকাতা গেজেটের এক বিজ্ঞপ্তিতে।

তথ্যসূত্র- হুগলি জেলা ইতিহাস ও বঙ্গসমাজ, সুধীরকুমার মিত্র, বাঙালির ইতিহাস, নীহাররঞ্জন রায়। আমারবাগের সেকাল ও একাল, অজয় বেরা, বাংলার ইতিহাস, রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়, উইকিপিডিয়া।

অন্নপূর্ণা যোজনায় (Annapurna Yojana Status) আবেদন করার পর স্ট্যাটাস দেখতে পাবেন সোশ্যাল সিকিউরিটি পোর্টালে। আবেদনকারীকে প্রথমে পোর্টালে লগ-ইন করতে হবে। লগ ইন করার সময় আপনার জেলা দিতে হবে, রেজিস্ট্রারড মোবাইল নম্বর দিতে হবে। তারপর কীভাবে দেখবেন স্ট্যাটাস, জেনে নিন

আপনি কি ১ জুলাই অন্নপূর্ণার টাকা পাবেন? স্ট্যাটাস চেক করুন এইভাবে...
ফাইল ছবি

আপনি কি অন্নপূর্ণা যোজনায় (Annapurna Yojana) আবেদন করেছেন? তাহলে আপনাদের জন্য সুখবর। সম্প্রতি, অন্নপূর্ণ যোজনা নিয়ে বড় ঘোষণা করেছেন শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ১ জুলাই আরও একটা কিস্তি দেওয়া হবে। এক কোটির বেশি আবেদন জমা পড়েছে। ইতিমধ্যেই তা ভেরিফিকেশন করে পোর্টালে আপলোড করে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু। কিন্তু, আপনি কি করে বুঝবেন যে এক কোটির তালিকায় আদৌ আপনি রয়েছেন কি না? বা আপনার ভেরিফিকেশন (Annapurna Yojana Verification) সম্পূর্ণ হয়েছে কি না? কীভাবে দেখবেন আপনার নাম রয়েছে কি না, জেনে নিন


অন্নপূর্ণা যোজনার স্ট্যাটাস কী, দেখবেন কীভাবে?
অন্নপূর্ণা যোজনায় (Annapurna Yojana Status) আবেদন করার পর স্ট্যাটাস দেখতে পাবেন সোশ্যাল সিকিউরিটি পোর্টালে। আবেদনকারীকে প্রথমে পোর্টালে লগ-ইন করতে হবে। লগ ইন করার সময় আপনার জেলা দিতে হবে, রেজিস্ট্রারড মোবাইল নম্বর দিতে হবে। তারপর ক্যাপচা পূরণ করলেই একটা ওটিপি আসবে আপনার ফোন নম্বরে। এরপর অ্যাপ্লিকেশন স্ট্যাটাস বা ট্র্যাক অ্যাপ্লিকেশন অপশনে ক্লিক করতে হবে। সেখানে অ্যাপলিকেশন নম্বর, আধার নম্বর অথবা নথিভুক্ত মোবাইল নম্বর দিতে হবে। OTP যাচাই সম্পন্ন হলে আবেদনপত্রের স্ট্যাটাস কী তা দেখা যাবে।


পোর্টালে বিভিন্ন ধরনের স্ট্যাটাস দেখা যেতে পারে। যেমন


অ্যাপ্রুভড: আবেদন গৃহীত হয়েছে। ভেরিফাইড: জমা দেওয়া নথি সফলভাবে যাচাই করা হয়েছে। পেমেন্ট প্রসিড: আর্থিক সহায়তার টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। পেন্ডিং ভেরিফিকেশন: এখনও নথি যাচাইয়ের কাজ চলছে।

আধার লিঙ্কড ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেই মিলবে টাকা
সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, অন্নপূর্ণা প্রকল্পের টাকা শুধুমাত্র ডিবিটি-র মাধ্যমে আধার-লিঙ্কড ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে। আবেদন, নথি এবং ব্যাঙ্কের তথ্য সম্পূর্ণভাবে যাচাই হওয়ার পরেই মাসে তিন হাজার টাকা করে পাওয়া যাবে।

সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে, ভুল তথ্য বা অসম্পূর্ণ যাচাইয়ের কারণে টাকা পেতে দেরি হতে পারে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, “যাঁদের নাম এখনও অন্নপূর্ণা যোজনায় নথিভুক্ত হয়নি, তাঁদের চিন্তার কোনও কারণ নেই। আবেদন প্রক্রিয়া এখনও চালু রয়েছে। এলাকার সরকারি কর্মীরা প্রয়োজন হলে বাড়িতে গিয়েও আবেদন করতে সাহায্য করবেন।”

সম্প্রতি, মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, ১ কোটি ৫ লক্ষ অ্যাকাউন্ট ভেরিফাই হয়ে গিয়েছে। ভেরিফিকেশন যে সম্পূর্ণ হয়েছে তাও আপলোড করা হয়েছে পোর্টালে। তাঁরা ১ জুলাই ৩ হাজার টাকা পেয়ে যাবেন। আপনিও পাবেন কি না, তা জানতে এখনই স্ট্যাটাস চেক করতে পারেন।

স্টারমার বলেন, "আমার দল এখন এই প্রশ্ন করছে যে, আগামী সাধারণ নির্বাচনে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য আমি কি সেরা ব্যক্তি? আমার সংসদীয় দলের উত্তর আমি শুনেছি এবং তা সসম্মানে গ্রহণ করছি। আমি যে সিদ্ধান্তই নিয়েছি, দেশের স্বার্থকে সবার আগে রেখেই নিয়েছি। সেই কারণেই আমি লেবার পার্টির নেতার পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছি।"

 ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা কিয়ার স্টারমারের, কেন এই বড় সিদ্ধান্ত?
স্টারমার

ব্রিটেনের রাজনীতিতে বড় বদল। তীব্র চাপের মুখে অবশেষে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিলেন কিয়ার স্টারমার (Keir Starmer)। লেবার পার্টির প্রধানের দায়িত্ব থেকেও অব্যাহতি নিয়েছেন। সোমবার লন্ডনের ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের সামনে দাঁড়িয়ে আবেগঘন ভাষণে স্টারমার জানান, নতুন নেতা নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি প্রধানমন্ত্রী ও দলের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি তিনি তাঁর উত্তরসূরিকে পূর্ণ সমর্থনের আশ্বাসও দিয়েছেন।


কী বললেন স্টারমার?
স্টারমার বলেন, “আমার দল এখন এই প্রশ্ন করছে যে, আগামী সাধারণ নির্বাচনে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য আমি কি সেরা ব্যক্তি? আমার সংসদীয় দলের উত্তর আমি শুনেছি এবং তা সসম্মানে গ্রহণ করছি। আমি যে সিদ্ধান্তই নিয়েছি, দেশের স্বার্থকে সবার আগে রেখেই নিয়েছি। সেই কারণেই আমি লেবার পার্টির নেতার পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছি।” তিনি জানান, সোমবার সকালে রাজা তৃতীয় চার্লসের সঙ্গেও কথা বলেছেন এবং নিজের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তাঁকে অবহিত করেছেন।



নায়িকাদের কাছে পেলেই কেন গায়ে ঢলে পড়েন ওরি? গোপন কথা ফাঁস করলেন আরেক নায়িকা
স্টারমারের কথায়, “আমি লেবার পার্টির ন্যাশনাল এক্সিকিউটিভ কমিটিকে নতুন নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করার অনুরোধ করেছি। যাতে সেপ্টেম্বর মাসে সংসদের পরবর্তী অধিবেশন শুরু হওয়ার আগেই নতুন নেতা নির্বাচিত হয়। আমি আমার উত্তরসূরিকে সম্পূর্ণ সমর্থন করব। আমি বিশ্বাস করি, তিনি আরও শক্তিশালী ব্রিটেনের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন এবং লেবার পার্টিকে দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করবেন।”


স্ত্রীকে পাশে নিয়ে আবেগঘণ স্টারমার
ভাষণের শেষে আবেগপ্রবণ হয়ে স্ত্রী ভিক্টোরিয়ার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন স্টারমার। তিনি বলেন, “সুসময় হোক বা দুঃসময়, ভিক্টোরিয়া সবসময় আমার পাশে থেকেছে। দেশের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব ছেড়ে যাওয়ার পর আমি আমার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজটিতে আরও বেশি সময় দিতে চাই। সেটা হল একজন ভালো স্বামী ও একজন ভালো বাবা হওয়া।”

জানা গিয়েছে, লেবার পার্টির নেতৃত্ব নির্বাচনের জন্য ৯ জুলাই থেকে মনোনয়ন জমা নেওয়া শুরু হবে এবং ১৬ জুলাইয়ের মধ্যে তা শেষ হবে। প্রয়োজনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, যাতে সেপ্টেম্বরের মধ্যে নতুন নেতা নির্বাচিত করা যায়।

প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহে লেবার পার্টির অভ্যন্তরীণ প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম একটি বিশেষ নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর থেকেই স্টারমারের নেতৃত্ব নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়। গ্রেটার ম্যানচেস্টারের প্রাক্তন মেয়র বার্নহ্যাম প্রকাশ্যেই দলের নেতৃত্বের জন্য চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিলেন। সেই রাজনৈতিক চাপের মধ্যেই অবশেষে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিলেন কিয়ার স্টারমার।