WEATHER

Top News


আজ নেইমারের দেশের বিরুদ্ধে খেলবে মরক্কো, যে মরক্কো গত বিশ্বকাপে চমকে দিয়েছিল গোটা বিশ্বকে। বিশ্বকাপ ইতিহাসের প্রথম আফ্রিকান-আরব দেশ হিসেবে তারা খেলেছিল সেমিফাইনাল। নক আউট পর্বে হারিয়েছিল ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর পর্তুগালকে। ম্যাচের পর রোনাল্ডোর কাঁদতে কাঁদতে বেরিয়ে যাওয়া তো এখনও ফুটবলবিশ্ব ভোলেনি।

 '৯৪ এর স্মৃতি উস্কে আজ বিশ্বকাপে ব্রাজিল, কেমন হবে সেলেকাওদের সম্ভাব্য একাদশ?
আজ খেলবেন নেইমার?


 চার বছর… এই চার বছরে কত কী বদলে যায়। দুনিয়া কত এগিয়ে যায়… কিন্তু বদলায় না একটা জিনিস। বিশ্বকাপ এলেই কলকাতা শহরের রং বদলে যাওয়া। গোটা শহর যেন ভাগ হয়ে যায় তিন ভাগে, ব্রাজিল (Brazil)-আর্জেন্টিনা (Argentina) -পর্তুগাল (Portugal)। সে এখন যতই কিলিয়ান এমবাপে (Kyllian Mbappe), লামিন ইয়ামালরা (Lamine Yamal) সেই ভালবাসায় ভাগ বসাতে আসুন না কেন, দুর্গাপুজো মানেই যেমন নর্থ কলকাতার সাবেকিয়ানা, তেমনই বিশ্বকাপ ফুটবল (FIFA World Cup) মানেই কলকাতার রং হলুদ-সবুজ বা নীল-সাদা বা লাল। এই বছরেও তার অন্যথা হয়নি। গোটা শহর মুড়ে গিয়েছে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, পর্তুগালের পতাকায়। দেওয়ালে দেওয়ালে আঁকা হয়েছে নেইমার জুনিয়র (Neymar JR.), লিও মেসি (Leo Messi), ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোদের (Christiano Ronaldo) ম্যুরাল। রাস্তায় উপরে টাঙানো হয়েছে ইয়াব্বড় পতাকা। যে পতাকা আগামী দেড়মাস উজ্জ্বল থাকবে এভাবেই।


এমনই এক রবি রাতে বিশ্বকাপ ২০২৬ এ নিজেদের প্রথম ম্যাচে নামতে চলেছে ব্রাজিল। পেলের ব্রাজিল, রোনাল্ডোর ব্রাজিল, রোনাল্ডিনহো-কাকার ব্রাজিল, কার্লো আন্সেলোত্তির ব্রাজিল, নেইমার জুনিয়রের ব্রাজিল, ভিনি-রাফিনহা জুটির ব্রাজিল। যে ব্রাজিল ২০০২ সালের পর বিশ্বকাপ জেতেনি, কিন্তু তবুও একটুও ফিকে হয়নি যার পতাকার রং। ১% ও কমেনি যার সমর্থন, উল্টে এই ইউরোপীয় ফুটবলের বিশ্বায়নের চক্করে বেড়েছে। আজ নেইমারের দেশের বিরুদ্ধে খেলবে মরক্কো, যে মরক্কো গত বিশ্বকাপে চমকে দিয়েছিল গোটা বিশ্বকে। বিশ্বকাপ ইতিহাসের প্রথম আফ্রিকান-আরব দেশ হিসেবে তারা খেলেছিল সেমিফাইনাল। নক আউট পর্বে হারিয়েছিল ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর পর্তুগালকে। ম্যাচের পর রোনাল্ডোর কাঁদতে কাঁদতে বেরিয়ে যাওয়া তো এখনও ফুটবলবিশ্ব ভোলেনি। এই মরক্কোর বিরুদ্ধে আজ (ভারতীয় সময় আগামীকাল রাত) কাপ অভিযানে নামছে ব্রাজিল।


লোটে মাছের গন্ধ পেয়েই অচেনা বাড়িতে হানা রূপা গঙ্গোপাধ্যায়ের, তারপর যা করলেন বিধায়ক...
টলিউডে শুটিংয়ের জন্য ইমেল করতে হবে? কী কাণ্ড ঘটেছে জানুন!
ম্যাচ শুরুর আগে চর্চায় একজনই। নেইমার দ্য সিলভা স্যান্টোস জুনিয়র। যা শোনা গিয়েছে, প্রথম ম্যাচে নেইমারকে ছাড়াই নামতে হবে সেলেকাওদের। একই সঙ্গে রিয়াল মাদ্রিদের প্রাক্তন ‘ডন কার্লো’-রও এটি ব্রাজিলের কোচ হিসেবে বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচ। তবে কেমন হতে পারে নেইমারহীন ব্রাজিলের প্রথম একাদশ? যা শোনা গিয়েছে দলে থাকবেন, কিপার হিসেবে অ্যালিসন, চার ডিফেন্ডার হলেন ড্যানিলো (রাইট ব্যাক), স্যান্ড্রো (লেফট ব্যাক), দুই সেন্ট্রাল ব্যাক থাকবেন গ্যাব্রিয়েল মার্গেলহাস, মার্কুইনহোস। মাঝমাঠে থাকবেন ক্যাসেমিরো, ব্রুনো গুইমারেস, লুকাস পাকুয়েতা। দুই উইং সামলাবেন রাফিনহা ও ভিনি জুনিয়র। ফরোয়ার্ডে ম্যাথেউজ কুনহা। এর মধ্যে যদি বিপক্ষ চাপ বাড়ায়, তাহলে ৪-২-৩-১ থেকে ব্রাজিল দল চলে যাবে ৪-৪-২ ফর্মেশনে। যেখানে আরও বেশি করে আক্রমণে যাওয়ার সুযোগ পাবেন ভিনি-রাফিনহারা। উল্টো দিকে শোনা গিয়েছে চিরাচরিত ৪-৩-৩ ফর্মেশনে নামবে মরক্কো। দলে থাকবেন পিএসজি-র রাইট ব্যাক আশরাফ হাকিমী ও উইং সামলাবেন রিয়াল মাদ্রিদের ব্রাহিম দিয়াজ। সেন্টার ফরোয়ার্ড হিসেবে থাকবেন সাইবারি। গোলে সেই ইয়াসিন বোনু, যাঁর গোলকিপিং দক্ষতায় মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিল কাতার-সহ গোটা বিশ্ব।


গ্ৰুপ সি-র গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে আজ মেটলাইফ স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হচ্ছে দুই দল। এই গ্ৰুপে মরক্কো ছাড়াও হাইতি ও স্কটল্যান্ডের সঙ্গে খেলবে ব্রাজিল। সেই দুই ম্যাচে নেইমার খেলেন কি না, সেই দিকে যেমন নজর থাকবে দর্শকদের, তেমনই এই বিশ্বকাপ যেন ব্রাজিলের ঘরেই ফেরে, ‘মিশন হেক্সা’ যেন সম্পন্ন হয়, সেটাও চান দর্শকরা। শেষবার যখন আমেরিকায় বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছিল, এই দেশেই যে বিশ্বকাপ (১৯৯৪) পেয়েছিলেন কাফু-রোনাল্ডোরা, ভুলে গেলে চলবে?

কল্যাণ সাফ বলছিলেন, “এত ঔদ্ধত্যের কী আছে! সময় থাকতে শিক্ষা পেল না। আমি তো ক্যামাক স্ট্রিটের কর্মী নই। আজকে বুঝতে হবে, ওর জন্য দলটার সর্বনাশ হয়েছে। এখনও যদি ওটা না বোঝে, তাহলে কিছু করার নেই।” কিন্তু কল্যাণ নিয়ে বলতে গিয়ে একটুকুও মাথা গরম করলেন না অভিষেক।


কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আমাকে মানুষ করেছেন, তাই কটু কথা বলার অধিকার রয়েছে’, ‘অ্যারোগেন্ট’ অভিষেকের ভোলবদল?
আর কী বললেন অভিষেক?


 ‘অভিষেকের জন্যই দলের সর্বনাশ হয়েছে। মমতাকে বাছতে হবে হয় আমি, নয় অভিষেক।’ একদিন আগেই চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তৃণমূলের হেভিওয়েট সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। একদা এই কল্যাণই অভিষেকের হয়ে একের পর এক মামলা লড়েছেন। আবার একদিন আগে এই কল্যাণই অভিষেকের বিরুদ্ধে ঔদ্ধত্যের অভিযোগ এনে অভিষেকের রক্ষাকবচ মামলা থেকে সরেও দাঁড়িয়েছেন। কিন্তু এবার অভিষেকের গলায় কল্যাণকে নিয়ে অন্য সুর।  


কল্যাণ সাফ বলছিলেন, “এত ঔদ্ধত্যের কী আছে! সময় থাকতে শিক্ষা পেল না। আমি তো ক্যামাক স্ট্রিটের কর্মী নই। আজকে বুঝতে হবে, ওর জন্য দলটার সর্বনাশ হয়েছে। এখনও যদি ওটা না বোঝে, তাহলে কিছু করার নেই।” কিন্তু কল্যাণ নিয়ে বলতে গিয়ে একটুকুও মাথা গরম করলেন না অভিষেক। উল্টে খানিক কৃতজ্ঞতার সুরে বললেন, ‘কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের অধিকার রয়েছে আমাকে নিয়ে কথা বলার।’ কিন্তু কেন? তাও খোলসা করলেন অভিষেক।



সেক্টর ফাইভে বিজেপির পার্টি অফিসে হাজির বিতর্কিত সিপিএম নেতা তন্ময় ভট্টাচার্য
এদিন ডিজে মামলার তদন্তে অভিষেকের বাড়িতে নোটিস দিতে আসে সিআইডি। কিন্তু প্রায় আড়াই ঘণ্টা সিআইডিকে অপেক্ষা করিয়ে শেষে বাড়িতে আসেন অভিষেক। সেখানেই বিজেপির বিরুদ্ধে সুর চড়াতে গিয়েই উঠে আসে কল্যাণের প্রসঙ্গ। চেনা ছন্দ, স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গি থেকে খানিক সরে অভিষেক বলেন, “কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের অধিকার রয়েছে আমাকে নিয়ে কথা বলার। অধিকার রয়েছে চারটে কটু কথা বলার। ছোট থেকে মানুষ করেছেন। বড় হতে দেখেছেন।” এরপরই দরাজ কণ্ঠে তাঁর সংযোজন, “আমি ওনার কথা খারাপ ভাবে নিই না। ওনার হয়তো কোনও ঘটনা খারাপ লাগতে পারে, তাই বলেছেন। আমার কোনও ব্যক্তিগত ক্রোধ বা ক্ষোভ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে নিয়ে নেই। আমি তাঁকে আগেও সম্মান করতাম, আগামীতেও করব।”
তৃণমূলের তরফে রাজ্য সভানেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য চিঠি পাঠিয়েছেন কালীগঞ্জের বিধায়ক আলিফা আহমেদকে। মহিলা তৃণমূলের সভানেত্রীর পদ এতদিন সামলেছেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তাঁকে রাজ্য সভাপতির পদে এনে মহিলা সংগঠনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল কলকাতা দক্ষিণের সাংসদ মালা রায়কে।

সামনে এসেছে সই, ইস্তফা দিলেন মালা রায়
মালা রায়

 তৃণমূলের মহিলা কংগ্রেসের চেয়ারপার্সন পদ থেকে ইস্তফা দিলেন মালা রায়। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন তিনি। কাকলি ঘোষ দস্তিদারের বিক্ষুব্ধ সংসদীয় দল রয়েছে, তাতে ১৮ নম্বরে সই রয়েছে মালা রায়ের। এই দুইয়ের মধ্যে কোথাও কোনও সংযোগ রয়েছে কিনা, আদৌ তিনি তৃণমূলে থাকবেন কিনা, তা এখনও পরিষ্কার নয়।


ইতিমধ্যেই সূত্রের খবর, তৃণমূলের তরফে রাজ্য সভানেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য চিঠি পাঠিয়েছেন কালীগঞ্জের বিধায়ক আলিফা আহমেদকে। মহিলা তৃণমূলের সভানেত্রীর পদ এতদিন সামলেছেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তাঁকে রাজ্য সভাপতির পদে এনে মহিলা সংগঠনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল কলকাতা দক্ষিণের সাংসদ মালা রায়কে। যিনি আবার কলকাতা পুরসভারও চেয়ারপার্সন।


উনি যেভাবে মা কালীকে…’, মহুয়াকে ‘সবক’ শেখাতে পচা ডিম-টমেটো নিয়ে আদালতে হাজির জনতা
বিপর্যয়ের সময়ে কাকলী ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে যে বিক্ষুব্ধ দলীয় সাংসদরা NDA তে যোগদানের ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন, সেই তালিকাতেও নাম রয়েছে মালা রায়ের। একটি চিঠি সামনে এসেছে, সেখানে সই করেছেন বিক্ষুব্ধ সাংসদরা। তাতে ১৮ নম্বরে নাম রয়েছে দক্ষিণ কলকাতার সাংসদ মালার।


মালা রায় সম্পর্কে কুণাল বলেন, “মালা দি-কে শ্রদ্ধা করি। তিনি অসুস্থ। ভালো করে হাঁটতে পারেন না, পায়ে প্রচণ্ড ব্যাথা। তারপরও দল তাঁকে সময়, সুযোগ দিয়ে সাংসদ করেছে। পুরনিগমের চেয়ারপার্সনও তিনি। তাঁদেরও যদি মনে হয় শিবির বদল করতে হবে, তা অত্যন্ত দুঃখের।”

 এদিন উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়িতে। রবিবার ভারী বৃষ্টি হতে পারে শুধুমাত্র জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে। সেখানে সোমবার ও মঙ্গলবার ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে জলপাইগুড়ি আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে।

২-৩ দিনের মধ্যে মেজাজটাই বদলে ফেলছে বর্ষা, কী আপডেট দিল আবহাওয়া দফতর
কী বলছে হাওয়া অফিস?

 একটু দেরি হলেও প্রায় গোটা বাংলায় হাজির বর্ষা। পুরুলিয়ার কিছুটা অংশ ছাড়া গোটা দক্ষিণবঙ্গ জুড়েই মৌসুমি বায়ু। হাওয়া অফিস বলছে, ২-৩ দিনের মধ্যে গোটা রাজ্যই মুড়ে ফেলবে বর্ষা। তবে বর্ষা এলেও ভারী বৃষ্টির আশা নেই দক্ষিণবঙ্গে। মৌসুমি বায়ু পুরোদমে সক্রিয় শুধু উত্তরবঙ্গে। আগামী কয়েকদিন উত্তরবঙ্গে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকছে। উত্তরবঙ্গ পেরিয়ে বিহারের কিছু অংশ ঢুকে পড়েছে মৌসুমী বায়ু।


এদিন উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়িতে। রবিবার ভারী বৃষ্টি হতে পারে শুধুমাত্র জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে। সেখানে সোমবার ও মঙ্গলবার ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে জলপাইগুড়ি আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে। বাকি জেলাগুলিতেও বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হতে পারে। বুধবার আবার উত্তরের জেলাগুলিতে বৃষ্টির মাত্রা এক ধাক্কায় অনেকটাই বেড়ে যেতে পারে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি- সহ কমবেশি সব জেলাতেই বিক্ষিপ্তভাবে চলবে বৃষ্টি। 

গত মার্চ মাসে অর্থাৎ বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে ধর্মতলার একটি মঞ্চ থেকেই ওই বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঞ্চ থেকেই বলেছিলেন, “আমরা আছি বলে আপনারা সবাই ভালো আছেন। যদি আমরা না থাকি তখন এক সেকেন্ড লাগবে! একটা কমিউনিটি যখন জোট বাঁধে না...।"

সবার সামনে উনি বলুন, কোন কমিউনিটি', মমতার কাছে দাবি অভিযোগকারীর
অভিযোগকারী ব্যবসায়ী

এক বিশেষ মন্তব্যের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের (Mamata Banerjee) বিরুদ্ধে তিনটি ধারায় এফআইআর (FIR) দায়ের করা হয়েছে। একটি জামিন অযোগ্য ও দুটি জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা করা হয়েছে মমতার বিরুদ্ধে। যিনি অভিযোগ দায়ের করেছেন, সৌরিশ মুখোপাধ্যায় নামে সেই ব্যবসায়ীর দাবি, মমতার ওই মন্তব্যের জন্য তাঁর বিরুদ্ধে পুলিশেরই স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করা উচিৎ ছিল। মন্তব্যের ব্যাখ্যা দেওয়া উচিৎ বলেও দাবি করেছেন তিনি।


গত মার্চ মাসে অর্থাৎ বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে ধর্মতলার একটি মঞ্চ থেকেই ওই বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঞ্চ থেকেই বলেছিলেন, “আমরা আছি বলে আপনারা সবাই ভালো আছেন। যদি আমরা না থাকি তখন এক সেকেন্ড লাগবে! একটা কমিউনিটি যখন জোট বাঁধে না, তখন ঘিরে ফেললে ১ সেকেন্ডে দেবে একদম ১২টা বাজিয়ে দেবে। যদি নিজেদের ১৩টা বাজাতে না চান তাহলে বিজেপির অপ্রচারে ভুল বুঝবেন না।” এই মন্তব্যকে উস্কানিমূলক বলে অভিযোগ করেই এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।


আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়ের খোঁজেই অভিষেকের বাড়িতে পুলিশ, কেন?
দারুণ কাজ, বিধায়ক রুদ্রনীলের গালে চুমু মুনমুন সেনের, কোথায় ঘটল এমন?
অভিযোগকারী ব্যবসায়ী বলেন, “ওরকম একজন পদাধিকারী কী করে এমন একটা কথা বলে দিতে পারেন। সাধারণ মানুষ, যাঁর মাথায় একটুও সেন্স আছে, তিনি এই মন্তব্য করবেন না। পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করতে পারত। করেনি যখন কাউকে না কাউকে তো করতে হবে।” এই মন্তব্যের জন্য হেয়ার স্ট্রিট থানায় এফআইআর দায়ের হয়েছে।


মন্তব্যের ব্যাখ্যা চেয়ে ওই ব্যবসায়ী বলেন, “উনি সবার আগে এসে বলুন, উনি কোন কমিউনিটির কথা বলতে চেয়েছেন। পুলিশ পুলিশের কাজ করুক। মানুষ তাকিয়ে আছে পুলিশের দিকে।”

এই বছরের গোড়ার ঘটনা। বছরের প্রথম সপ্তাহে গায়িকা দেবলীনা নন্দী এক রাতে জীবন শেষ করে দিতে চেয়েছিলেন। গানের শো করে ফেরার পথে ঘুমের ওষুধ খান। এরপর তাঁর বর প্রবাহ নন্দীর সঙ্গে নানা সমস্যার কথা উঠে আসে দেবলীনার সঙ্গে সাক্ষাত্‍কারে। প্রবাহ পেশায় পাইলট। এদিকে দেবলীনা-প্রবাহর বৈবাহিক জীবনের প্রচুর ভিডিয়ো দেখা যেত সোশ্যাল মিডিয়ায়।
'

সমাজ মাধ্যমে পোস্ট করবে, নয় জীবন শেষ করে দেবে', কোন ঘটনা বললেন প্রবাহ


এই বছরের গোড়ার ঘটনা। বছরের প্রথম সপ্তাহে গায়িকা দেবলীনা নন্দী এক রাতে জীবন শেষ করে দিতে চেয়েছিলেন। গানের শো করে ফেরার পথে ঘুমের ওষুধ খান। এরপর তাঁর বর প্রবাহ নন্দীর সঙ্গে নানা সমস্যার কথা উঠে আসে দেবলীনার সঙ্গে সাক্ষাত্‍কারে। প্রবাহ পেশায় পাইলট। এদিকে দেবলীনা-প্রবাহর বৈবাহিক জীবনের প্রচুর ভিডিয়ো দেখা যেত সোশ্যাল মিডিয়ায়। এই ঘটনার পর মুখ খুলেছেন দেবলীনা। বলেছেন তাঁর নানা অভিযোগের কথা। তবে এত দিন একদম চুপ করে ছিলেন প্রবাহ। বারংবার মিডিয়ার ফোন এড়িয়ে গিয়েছেন। ছ’ মাস পর প্রথমবার টিভি নাইন বাংলার সঙ্গে কথা বলেছেন প্রবাহ।


সেই সাক্ষাত্‍কারে প্রবাহ দাবি করেন, ”দেবলীনা কিন্তু এমনিতে খুব শর্ট টেম্পারড। ও আমাকে চড় মেরেছে, আবার পা ধরে ক্ষমাও চেয়েছে। এফআইআর-এ ও লিখেছে যে, আমি ওঁকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেছি। আমরা যখন বেড়াতে গিয়েছি, তখনও আমাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হতো। ও চাইত, আমি ওঁর সব কথায় ‘হ্যাঁ’ বলব। ‘ও মদ খেয়ে আমাকেও বলেছে যে, ঘুমের ওষুধ খেয়ে মরতে চাই’। যাই হোক, ও বলে আমি সমাজ মাধ্যমে গিয়ে বলব। ওটা কি কোনও আদালত? দেবলীনা বলে, হয় সমাজ মাধ্যমে পোস্ট করবে, নয় জীবন শেষ করে দেবে। বা পলিটিকাল কানেকশন ব্যবহার করবে। এই ঘটনার পর আমার পরিবার খুব খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে গিয়েছে।”



সবার সামনে উনি বলুন, কোন কমিউনিটি', মমতার কাছে দাবি অভিযোগকারীর
এই সাক্ষাত্‍কার সামনে আসার পর সমাজ মাধ্যমে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করা হয়। যেখানে দেখা যাচ্ছে, গায়িকা দেবলীনা নন্দী বলছেন, ”গাড়িতে ঘুমের ওষুধ আছে, আমাকে এনে দে, রোজ-রোজ মরার চেয়ে একেবারে মরে যাই…” যে ভিডিয়ো দেখে বোঝা যায়, এই বছরের গোড়ায় জীবন শেষ করে দেওয়ার চেষ্টা করার আগেও, অতীতে জীবন শেষ করে দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন দেবলীনা। সেই সময় তাঁকে পরিচিত কোনও মহিলা বোঝানোর চেষ্টা করছেন, এমন করা ঠিক নয়।

দুবাইয়ের একটি কোম্পানির কর্মীরা মিনিবাসে করে যাচ্ছিলেন। রাস্তায় একটি ট্রাক দাঁড়িয়েছিল যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে। সেই ট্রাকের পিছনে গিয়ে ধাক্কা মারে ওই মিনিবাসটি। নিহত যাত্রীদের মধ্যে ভারতের নাগরিক যেমন ছিল, তেমনই শ্রীলঙ্কা ও নেপালের নাগরিকরাও ছিলেন।


দুবাইয়ে পথ দুর্ঘটনায় নিহত-আহতদের ২.৬ কোটি টাকার আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা ডঃ শামসেরের
দুবাইয়ে নিহত ও আহতদের আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা।

ভয়ঙ্কর পথদুর্ঘটনা দুবাইতে। মিনিবাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে সাতজন ভারতীয় নাগরিকের। আহত আরও নয়জন। চলতি সপ্তাহের সোমবার (৯ জুন) এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ও আহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন অনাবাসী উদ্যোগপতি ও সমাজসেবী ডঃ শামসের ভায়ালিল। তিনি ২.৬ কোটি টাকার আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করেছেন।


দুবাইয়ের এমিরেটস রোডে গত ১০ জুন পথ দুর্ঘটনায় সাতজন কর্মীর মৃত্যু এবং যে নয়জন আহত হয়েছিলেন, তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন বুর্জিল হোল্ডিংয়ের চেয়ারম্যান তথা সিইও ডঃ শামসের ভায়ালিল। শুধুমাত্র আর্থিক সাহায্যই নয়, তাদের দুবাই যাওয়ার খরচ, থাকার খরচ, এমনকী নিহতদের পরিবারের সন্তানের পড়াশোনার দায়িত্বও নেবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।


 আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়ের খোঁজেই অভিষেকের বাড়িতে পুলিশ, কেন?
জানানো হয়েছে, ওই দুর্ঘটনায় যে সাতজন প্রাণ হারিয়েছন, তাদের পরিবার পিছু ২৬ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য করা হবে। নয়জন আহতদের জন্য ৪৭ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে তাদের চিকিৎসার প্রয়োজন অনুযায়ী। এর মধ্যে ১৮ লক্ষ টাকা ধার্য করা হয়েছে আহতদের পরিবারের সদস্যদের ইমার্জেন্সি ট্রাভেল ও থাকার জন্য। ১৩ লক্ষ টাকা দেওয়া হবে সন্তানদের পড়াশোনার খরচের জন্য।


এই প্যাকেজ এমনভাবেই ডিজাইন করা হয়েছে, যাতে সেই পরিবারগুলি বিশেষভাবে সাহায্য পায়, যাদের পরিবারের একক উপার্জনকারীর মৃত্যু হয়েছে দুর্ঘটনায়। যাদের পরিবারে ছোট ছোট সন্তান রয়েছে, তাদেরও বিশেষ প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।

কীভাবে হয়েছিল দুর্ঘটনা?
দুবাইয়ের একটি কোম্পানির কর্মীরা মিনিবাসে করে যাচ্ছিলেন। রাস্তায় একটি ট্রাক দাঁড়িয়েছিল যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে। সেই ট্রাকের পিছনে গিয়ে ধাক্কা মারে ওই মিনিবাসটি। নিহত যাত্রীদের মধ্যে ভারতের নাগরিক যেমন ছিল, তেমনই শ্রীলঙ্কা ও নেপালের নাগরিকরাও ছিলেন। ভারতের ছয়জন নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে তিনজন উত্তর প্রদেশের এবং তিনজন তেলঙ্গানার বাসিন্দা। আহত নয়জনের মধ্যে আটজনই ভারতীয়। একজন নেপালের নাগরিক রয়েছেন। ইতিমধ্যেই পাঁচজন আহতকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

দুবাইয়ে ভারতীয় কনস্যুলেটের তরফে সাহায্য করা হচ্ছে নিহত ও আহতদের পরিবারকে যোগাযোগ ও আসা-যাওয়ার জন্য।

দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করে ডঃ শামসের বলেছেন, “এই দুঃখজনক দুর্ঘটনায় বহু পরিবার প্রভাবিত হয়েছে। এই কর্মীরা অনেক স্বপ্ন, আশা ও দায়িত্ব নিয়ে এসেছিলেন। কোনও আর্থিক সাহায্য এই ক্ষতি পূরণ করতে পারে না, তবে আমরা আশা করছি যে শোকাহত পরিবারকে এই আর্থিক সহায়তা কিছুটা সাহায্য করবে।”

প্রসঙ্গত, এই প্রথম নয়, এর আগেও ডঃ শামসের বিভিন্ন সময়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। গত বছর আহমেদাবাদে এয়ার ইন্ডিয়া বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত মেডিক্যাল পড়ুয়াদের পরিবারকে ৬ কোটি টাকার আর্থিক সাহায্য করেছিলেন।

অসমের জোরহাটে ভেঙে পড়ল ভারতীয় বায়ুসেনার এএন-৩২ বিমান। শনিবার সকালে জোরহাটে এয়ারবেসে অবতরণের সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে। নামার পরই বিমানে আগুন ধরে যায়। এখনও পর্যন্ত আহত বা নিহতের কোনও খবর মেলেনি।

আকাশ থেকে ভেঙে পড়ল বায়ুসেনার AN-32 বিমান, পড়া মাত্রই ধরে গেল আগুন
ভেঙে পড়ল বায়ুসেনার বিমান।

ভয়াবহ দুর্ঘটনার মুখে বায়ুসেনার বিমান। অসমের জোরহাটে ভেঙে পড়ল ভারতীয় বায়ুসেনার এএন-৩২ বিমান। শনিবার সকালে জোরহাটে এয়ারবেসে অবতরণের সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে। নামার পরই বিমানে আগুন ধরে যায়। এখনও পর্যন্ত আহত বা নিহতের কোনও খবর মেলেনি। কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তাও আন্দাজ করা যাচ্ছে না এই মুহূর্তে।


শনিবার সকালে অসমের জোরহাটে মিলিটারি বেসে অবতরণ করছিল বায়ুসেনার এএন-৩২ ট্রান্সপোর্ট বিমান। সেই সময় দুর্ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছিল, বিমান অবতরণের আগেই আগুন লেগে গিয়েছিল বিমানে, তবে পরে জানা যায় বিমানটি ভেঙে পড়ার পর তাতে আগুন ধরে যায়। কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।





বিমানের পাইলটের এখনও কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। আশঙ্কা করা হচ্ছে, দুর্ঘটনায় বায়ুসেনার বিমানের পাইলটের মৃত্যু হয়েছে দুর্ঘটনায়। তবে বায়ুসেনার তরফে কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি।

দুর্ঘটনার পর বায়ুসেনার তরফে বিবৃতি প্রকাশ করে বলা হয়েছে, “জোরহাটে আজ বায়ুসেনার এএন-৩২ বিমান দুর্ঘটনার মুখে পড়ে। বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।”

সুকুমারের মামার বাড়ি ছিল জামগড়া গ্রামে। সেই সূত্রেই তাঁর সঙ্গে বিউটির পরিচয়। ধীরে ধীরে তা ভালোবাসার সম্পর্কের রূপ নেয়। যদিও সুকুমার বিয়ে হয়েছে আগেই। বিউটিরও বিয়ে ঠিক হয়ে গিয়েছিল বীরভূমের দুবরাজপুর এলাকায়।


রবিবার বিয়ে! আগের দিনই পাশের গ্রামের বিবাহিত যুবকের সঙ্গে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার তরুণীর
শোকের ছায়া পরিবারে

 সাতসকলে যুবক-যুবতীর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য দুর্গাপুর ফরিদপুর ব্লকের জামগড়া গ্রামে। গ্রাম থেকে কিছুটা দূরে দু’জনকে ঝুলতে দেখেন এলাকার বাসিন্দারা। খবর চাউর হতেই রীতিমতো শোরগোল পড়ে যায় এলাকায়। সুকুমার বাগদি ও বিউটি বাগদি নামে ওই যুগলের মধ্যে দীর্ঘদিন থেকেই তাঁদের মধ্যে প্রণয়ের সম্পর্ক ছিল। এর মধ্যে মৃত যুবক অন্ডালের দক্ষিণখন্ড গ্রামের বাসিন্দা, এবং যুবতীটি জামগড়া গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। 


সুকুমারের মামার বাড়ি ছিল জামগড়া গ্রামে। সেই সূত্রেই তাঁর সঙ্গে বিউটির পরিচয়। ধীরে ধীরে তা ভালোবাসার সম্পর্কের রূপ নেয়। যদিও সুকুমার বিয়ে হয়েছে আগেই। বিউটিরও বিয়ে ঠিক হয়ে গিয়েছিল বীরভূমের দুবরাজপুর এলাকায়। কয়েকদিন পরেই ছিল বিয়ের অনুষ্ঠান। কিন্তু এরইমধ্যে এ ঘটনায় স্বভাবতই শোরগোল পড়ে গিয়েছে এলাকায়। 




স্থানীয় বাসিন্দাদের সন্দেহ তাঁদের ভালোবাসা কখনও পরিণতি পাবে না ভেবেই চরম সিদ্ধান্তের পথে হেঁটেছেন এই যুগল। শনিবার সকালে তাদের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় গ্রামের পাশেই একটা বাঁশঝোপের সামনে থেকে। এলাকার লোকজনই খবর দেন পুলিশে। ইতিমধ্যেই ফরিদপুর থানার পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে গিয়েছে। একইসঙ্গে ঘটনার গভীরে যেতে পুলিশ কথা বলছে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেই। দুই পরিবারেই নেমেছে শোকের ছায়া। এলাকার এক বাসিন্দা বিধান বাগদি বলছেন, ওরা দুজন দুজনকে ভালোবাসতো। রবিবার মেয়েটার বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। এরমধ্যেই তো এই ঘটনা ঘটে গেল। ওদের ভালোবাসা কেউ মেনে নেবে না ভেবেই হয়তো এটা করেছে। 

বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হিসাবে বর্ষীয়ান তৃণমূল বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রস্তাবের চিঠিকে কেন্দ্র করে সেই বিতর্কের সূত্রপাত। অভিযোগ ওঠে, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক স্পিকার রথীন্দ্র বসুকে যে প্রস্তাব পাঠান, তাতে অনেক তৃণমূল বিধায়কের সই ‘জাল’ করা হয়েছে। আর এই অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে ঋতব্রত।


জেতার দলে ভিড় জমানো সহজ, হেরোদের দলে টিকে থেকে লড়াই চালাতে দমের প্রয়োজন', অনেক কিছুই বলে ফেললেন ঋতব্রতর স্ত্রী
ডান দিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী


তাঁর স্বামী তৃণমূলের বিধায়ক। বিক্ষুদ্ধ। তাঁর হাত ধরেই তৈরি হয়েছে নতুুন তৃণমূল। যার পোশাকি নাম তৃণমূল ব্লক। তিনি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। সিপিএম থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পর নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে রাজ্যসভার সাংসদ হিসাবে পাঠিয়েছিলেন। এরপর বিধায়কের টিকিট। আর দলের বিপর্যয়ের সময়ে সেই তিনিই নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছেড়ে নয়া অস্তিত্ব স্থাপনের চেষ্টায় মত্ত! তৃণমূল এখন অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই চালাচ্ছে। ইতিমধ্যেই তাঁর নামের আগে বসেছে ‘বিশ্বাসঘাতক’ তকমা। এহেন পরিস্থিতিতে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী দুর্বা সেন বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের সামাজিক মাধ্যমে করলেন একটি পোস্ট। যা শেয়ার করলেন কুণাল ঘোষ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যা যথেষ্টই ইঙ্গিতবাহী। দুর্বা মায়া অ্যাঞ্জেলুর বিখ্যাত পংক্তি উল্লেখ করে লিখলেন, “সাহস সব গুণের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সাহস ছাড়া অন্য কোনও গুণকে ধারাবাহিকভাবে চর্চা করা যায় না।”


আর এর ব্যাখ্যা দিতে দিয়ে এক ‘সাধু’ ও এক ‘যুবকের’ নীতিগল্পও উল্লেখ করেছেন তিনি।

থাকবে না 'এপাং, ওপাং' থেকে 'হাম্বা', রাজ্যের সব লাইব্রেরি থেকে সরছে মমতার বই, ঘোষণা মন্ত্রীর



বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হিসাবে বর্ষীয়ান তৃণমূল বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রস্তাবের চিঠিকে কেন্দ্র করে সেই বিতর্কের সূত্রপাত। অভিযোগ ওঠে, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক স্পিকার রথীন্দ্র বসুকে যে প্রস্তাব পাঠান, তাতে অনেক তৃণমূল বিধায়কের সই ‘জাল’ করা হয়েছে। আর এই অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে ঋতব্রত। এখন তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত ঋতব্রত। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার ত্রয়োদশ বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। তাঁর এই দাবি ও সমর্থনের ভিত্তিতে স্পিকার বিধানসভায় তাঁর ঘরও খুলে দিয়েছেন। তাঁর হাত ধরেই এখন বিরোধীদের দখলে মমতার পরিষদীয় দল। কিন্তু এই হাজারও বিতর্কের মাঝে সিপিএম থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পর ঋতব্রত রাজনৈতিক কেরিয়ার নতুন করে দিশা দেখেছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরেই। নির্বাচনের আগে ঋতব্রতকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘সহযোদ্ধা’ হিসাবে পাশে থাকতে দেখা গিয়েছে। সেই ঋতব্রতই দলের দুঃসময়ে সুর চড়িয়েছেম দলের একনায়কতন্ত্র-দুর্নীতির বিরুদ্ধে। তৃণমূলের অন্দরেই সমান্তরাল একটি অক্ষরেখা তৈরি করেছেন।

এবার প্রশ্ন, তাহলে তাঁর স্ত্রী এই পোস্ট কার উদ্দেশে? যদিও পোস্টের নীতি তিনি লিখেছেন, “এই পোস্টটি একান্ত ব্যক্তিগত এবং এর সাথে রাজনীতির কোনো যোগ নেই।” 
এই পোস্টটাই শেয়ার করেছেন কুণাল ঘোষ। তিনি বললেন, “পড়লাম, ভাল লাগল।”

 বিদ্যুৎ বণ্টনজনিত আর্থিক ক্ষতি কমানো এবং ডিসকমগুলির (DISCOMs) আর্থিক হাল ফেরানোই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা (WBSEDCL) ইতিমধ্যেই প্রথম পর্যায়ে তাদের ৫৫৪টি কাস্টমার কেয়ার সেন্টারের (CCC) মধ্যে ১০৩টি এলাকায় স্মার্ট মিটার বসানোর কাজ শুরু করে দিয়েছে। বাকি এলাকাগুলিতেও ধাপে ধাপে এই মিটার স্থাপন করা হবে।


অনেক দিন ধরেই কথা চলছিল, এবার বাধ্যতামূলক, করতেই হবে! সরকারি কর্মীদের জন্য বড় নির্দেশিকা নবান্নের
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

 বিদ্যুৎ বণ্টন ব্যবস্থা সংস্কার ও আধুনিকীকরণে বড় পদক্ষেপ রাজ্য সরকারের। কেন্দ্রীয় সরকারের আরডিএসএস (RDSS) প্রকল্পের আওতায় এবার রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বাড়িতে বাধ্যতামূলকভাবে স্মার্ট বিদ্যুৎ মিটার বসানোর নির্দেশ দিলেন মুখ্য সচিব। এই নির্দেশিকার আওতায় কেবল মূল সরকারি দফতরের কর্মীরাই নন, রয়েছেন প্যারাস্টেটাল, রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা (PSU), কর্পোরেশন এবং সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরাও।


বিদ্যুৎ বণ্টনজনিত আর্থিক ক্ষতি কমানো এবং ডিসকমগুলির (DISCOMs) আর্থিক হাল ফেরানোই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা (WBSEDCL) ইতিমধ্যেই প্রথম পর্যায়ে তাদের ৫৫৪টি কাস্টমার কেয়ার সেন্টারের (CCC) মধ্যে ১০৩টি এলাকায় স্মার্ট মিটার বসানোর কাজ শুরু করে দিয়েছে। বাকি এলাকাগুলিতেও ধাপে ধাপে এই মিটার স্থাপন করা হবে।


সেক্টর ফাইভে বিজেপির পার্টি অফিসে হাজির বিতর্কিত সিপিএম নেতা তন্ময় ভট্টাচার্য
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:


বিলিং ব্যবস্থা: নতুন স্মার্ট মিটারগুলি আপাতত বর্তমানের মতো পোস্ট-পেইড পদ্ধতিতেই চলবে। বিলিং ব্যবস্থায় এখনই কোনও বদল আসছে না।

প্রি-পেইড বিকল্প: মিটার স্থাপনের পর কোনও গ্রাহক যদি চান, তবে তিনি স্বেচ্ছায় প্রি-পেইড ব্যবস্থায় স্যুইচ করতে পারবেন।

যে সমস্ত সরকারি কর্মী WBSEDCL এলাকার বাসিন্দা, তাঁদের এই মিটার স্থাপনের কাজে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সমস্ত দফতর প্রধান, জেলাশাসক, বিভাগীয় কমিশনার এবং পুলিশ কর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে তাঁরা নিজ নিজ কর্মীদের দ্রুত এই বিষয়ে অবগত ও সচেতন করেন।

টেসলা প্রধান এলন মাস্ক জানিয়েছেন, মহাকাশে কৃত্রিম উপগ্রহ বা স্যাটেলাইট পাঠানো ও বিশাল ডেটা সেন্টার তৈরি এবং ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে মানুষের স্থায়ী বসতি বা কলোনি গড়ে তোলার স্বপ্নের জন্যই স্পেস-এক্সের প্রচুর অর্থের প্রয়োজন।

বিশ্বের প্রথম ‘ট্রিলিয়নার’ ইলন মাস্ক! শেয়ার বাজারে Space-X এসেই লিখল ইতিহাস
বিশ্বের সবথেকে ধনী ব্যক্তি ইলন মাস্ক।

বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি ইলন মাস্ক (Elon Musk)। এবার তিনি আরও এক অবিশ্বাস্য রেকর্ড গড়লেন। পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম ‘ট্রিলিয়নার’ (Trillionaire) হলেন ইলন মাস্ক। মাস্কের সম্পত্তি এখন ১ লক্ষ কোটি বা ১ ট্রিলিয়ন ডলারের মালিক। শেয়ার বাজারে তাঁর রকেট ও মহাকাশযান সংস্থা ‘স্পেস-এক্স’ (SpaceX) পা রাখতেই এই ম্যাজিক ঘটল।


লক্ষ কোটির সম্পত্তি মাস্কের–
শেয়ার মার্কেটে এসেছে স্পেস-এক্সের আইপিও। প্রথম দিনেই কোম্পানির শেয়ারের দাম ১১ শতাংশ লাফিয়ে ১৫০ ডলারে পৌঁছয় এবং পরে তা আরও বেড়ে প্রায় ১৭২ ডলার হয়ে যায়। স্পেস-এক্স কোম্পানির মোট বাজারমূল্য দাঁড়িয়েছে ২.১৮ ট্রিলিয়ন ডলার।


'কল্যাণদা খুবই ইমোশনাল...', পুরনো ঝগড়া টেনে দুঃসময়ের বাস্তবতা বোঝালেন মহুয়া
প্রাথমিক পাবলিক অফার বা আইপিও (IPO)-তে স্পেস-এক্সের শেয়ারের দাম ১৩৫ ডলার থেকে সরাসরি ১৫০ ডলারে উঠে যাওয়ার পরেই, মাস্কের মোট সম্পত্তি ট্রিলিয়নের গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলে।


বর্তমানে ইলন মাস্কের মোট সম্পদের মূল উৎস হল স্পেস-এক্স এবং গাড়ি তৈরির কোম্পানি টেসলা (Tesla)-র শেয়ার। এ ছাড়াও নিউরোলিঙ্ক (মস্তিষ্কের প্রযুক্তি তৈরির কোম্পানি) এবং দ্য বোরিং কোম্পানির (টানেল তৈরির সংস্থা) মতো বড় বড় সংস্থায় তাঁর মালিকানা রয়েছে।

২০২১ সালের জানুয়ারি মাসেই অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোসকে পেছনে ফেলে বিশ্বের সবথেকে ধনী ব্যক্তির স্থান দখল করেন ইলন মাস্ক। সেই সময় টেসলার শেয়ারের দাম বেড়ে তাঁর মোট সম্পদ ১৮৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছিল।

কেন হঠাৎ শেয়ার বাজারে এল স্পেস-এক্স?
টেসলা প্রধান এলন মাস্ক জানিয়েছেন, মহাকাশে কৃত্রিম উপগ্রহ বা স্যাটেলাইট পাঠানো ও বিশাল ডেটা সেন্টার তৈরি এবং ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে মানুষের স্থায়ী বসতি বা কলোনি গড়ে তোলার স্বপ্নের জন্যই স্পেস-এক্সের প্রচুর অর্থের প্রয়োজন। আর সেই কারণেই কোম্পানিটিকে শেয়ার বাজারে আনা হয়েছে।

মঙ্গল গ্রহে ১০ লাখ মানুষের কলোনি বানানোর পরিকল্পনা মাস্কের। পাশাপাশি মহাকাশে ফুটবল মাঠের মতো বিশাল আকৃতির ডেটা সেন্টার চালু করা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI) প্রযুক্তির ব্যবসায় ওপেনএআই (OpenAI) ও অ্যানথ্রপিক (Anthropic)-এর মতো প্রতিদ্বন্দ্বীদের টেক্কা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে স্পেস-এক্স।

তবে এই আকাশছোঁয়া স্বপ্ন পূরণ করতে স্পেস-এক্সের আরও শত শত কোটি ডলারের প্রয়োজন, যা তাদের বর্তমান রকেট ও স্যাটেলাইট ব্যবসা থেকে পাওয়া আয়ের চেয়ে অনেক বেশি। হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শুরু থেকে ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত কোম্পানিটির প্রায় ৮.৭ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি হয়েছে।

টাকা-পয়সা আর লাগবে না, চাকরি হবে কেবল ‘শখ’-
গত বছরই এক সাক্ষাৎকারে ইলন মাস্ক দাবি করেছিলেন যে ভবিষ্যতে মানুষের কাছে টাকা-পয়সার কোনও মূল্য থাকবে না এবং চাকরি করাটা বাধ্যতামূলক থাকবে না। মাস্কের মতে, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) এবং মানুষের মতো দেখতে রোবটরা (Humanoid Robots) ভবিষ্যতে এতটাই উৎপাদনশীল ও দক্ষ হয়ে উঠবে যে সমাজে আর কোনও দারিদ্র্য থাকবে না। ফলে টাকা-পয়সার আর কোনও প্রয়োজন থাকবে না এবং বেশিরভাগ চাকরি তখন মানুষের জন্য বাধ্যতামূলক কাজ না হয়ে কেবল একটি শখ বা অবসরের বিনোদন হয়ে দাঁড়াবে।

গতকাল, শুক্রবারই তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের পটুয়াপাড়ার বাড়িতে উপস্থিত হয়েছিল সিআইডি। '৪ তারিখ ডিজে বাজবে'- এই মন্তব্যের তদন্তে অভিষেকের বাড়িতে নোটিস দিতে আসে সিআইডি। তখন অভিষেক বাড়ি ছিলেন না।

ঘিরে রেখেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী, সাতসকালে অভিষেকের বাড়ির তালা ভেঙে ঢুকল শালবনী থানার পুলিশ, কী কারণে?
সাতসকালে অভিষেকের বাড়িতে পুলিশ।

টানটান উত্তেজনা। সাতসকালে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) বাড়িতে গিয়ে কড়া নাড়ছে পুলিশ। কলকাতা পুলিশ নয়, সুদূর শালবনী (Salboni) থেকে এসেছেন পুলিশ আধিকারিকরা। কোন মামলায় অভিষেকের বাড়িতে আসতে হল জেলার পুলিশকেও, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। অভিষেকের বাড়িতে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। পুলিশ চলে যাওয়ার পর তিনি চলে যান।


ঝাড়গ্রাম থেকে এল পুলিশ-
আজ অভিষেকের বাড়িতে এল শালবনী থানার পুলিশ। কী কারণে তারা হঠাৎ অভিষেকের বাড়িতে এসেছেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। স্থানীয় থানার পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনী ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীও উপস্থিত রয়েছেন বলেই জানা গিয়েছে। গোটা বাড়ি ঘিরে রেখেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

সেক্টর ফাইভে বিজেপির পার্টি অফিসে হাজির বিতর্কিত সিপিএম নেতা তন্ময় ভট্টাচার্য
জানা গিয়েছে, ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্টের সদস্যরা এদিন তালা ভেঙে অভিষেকের বাড়িতে ঢোকেন। ভিতরে যান ঝাড়গ্রামের শালবনী থানার পুলিশ। কিছুক্ষণ পর শালবনী থানার পুলিশ বেরিয়ে এসে মিনিট পাঁচেক কলকাতা পুলিশের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন। বাড়ির ভিতরে অভিষেক আছেন বলেই অনুমান। বাড়িতে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। বাড়ির বাইরে ভিভিআইপি গাড়ি দেখা যায়, যেটি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যবহার করেন। পুলিশ চলে যাওয়ার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বেরিয়ে যান।


কীসের তদন্তে এল শালবনী থানার পুলিশ?
সূত্রের খবর, অর্থের বিনিময়ে টিকিট দেওয়ার অভিযোগে তদন্ত করতে এসেছিল শালবনী থানার পুলিশ। অভিষেকের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপের অভিযোগ। সেই সূত্রেই অভিষেকের বাড়িতে হাজির হয় পুলিশ। দীর্ঘক্ষণ তারা অভিষেকের বাড়ির ভিতরে ছিলেন। পরে তারা বেরিয়ে গেলেও, এখনও কলকাতা পুলিশ উপস্থিত রয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীও মোতায়েন রয়েছে।

গতকাল, শুক্রবারই তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের পটুয়াপাড়ার বাড়িতে উপস্থিত হয়েছিল সিআইডি। ‘৪ তারিখ ডিজে বাজবে’- এই মন্তব্যের তদন্তে অভিষেকের বাড়িতে নোটিস দিতে আসে সিআইডি। তখন অভিষেক বাড়ি ছিলেন না। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করার পর সিআইডি যখন চলে যায়, তখন আসেন অভিষেক। পরে আবার আসেন সিআইডির আধিকারিকরা। তবে নোটিস গ্রহণ করতে অস্বীকার করেন অভিষেক। জানা গিয়েছে, ১৬ তারিখ সকাল ১১টায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভবানীভবনে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।