WEATHER

Top News

রাশিয়ার প্রস্তাবিত সম্ভাব্য রুটটি বেশ দীর্ঘ। রাশিয়া থেকে রেলপথ তুর্কমেনিস্তান, ইরান, আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানের উপর দিয়ে এগিয়ে শেষ পর্যন্ত ভারতে পৌঁছতে পারে সম্ভাব্য রেল। তবে এটি এখনও শুধুই পরিকল্পনার স্তরে রয়েছে।


রাশিয়া থেকে সোজা ভারত অবধি ট্রেন চলবে? বিরাট প্রস্তাব মস্কোর
প্রতীকী চিত্র।

ফ্লাইট নয়, ভারতের (India) সঙ্গে এবার রেলপথে জুড়তে চাইছে রাশিয়া (Russia)। ভারতের সঙ্গে স্থলপথে আরও শক্তিশালী যোগাযোগ তৈরি করতে চাইছে রাশিয়া। এবার রেলপথে ভারত মহাসাগর পর্যন্ত পৌঁছনোর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখার প্রস্তাব দিল মস্কো।


রাশিয়ার উপপ্রধানমন্ত্রী মারাত খুসনুলিন জানিয়েছেন, গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথগুলির উপর নির্ভরতা কমাতে বিকল্প রুট তৈরি করা প্রয়োজন। সেই লক্ষ্যেই ভারত মহাসাগর পর্যন্ত রেলপথ তৈরির সম্ভাবনা বিবেচনা করা যেতে পারে।


রুশ সংবাদ সংস্থা TASS-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই প্রস্তাবের কথা জানিয়েছেন খুসনুলিন। তাঁর বক্তব্য, বসফরাস প্রণালী এবং হরমুজ প্রণালীর মতো গুরুত্বপূর্ণ জলপথকে ঘিরে ঝুঁকি বাড়ছে। তাই পণ্য পরিবহণের জন্য বিকল্প স্থলপথ তৈরি করা ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।


কোন পথে ভারত পর্যন্ত পৌঁছতে পারে রেল?
রাশিয়ার প্রস্তাবিত সম্ভাব্য রুটটি বেশ দীর্ঘ। রাশিয়া থেকে রেলপথ তুর্কমেনিস্তান, ইরান, আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানের উপর দিয়ে এগিয়ে শেষ পর্যন্ত ভারতে পৌঁছতে পারে সম্ভাব্য রেল। তবে এটি এখনও শুধুই পরিকল্পনার স্তরে রয়েছে। কোনও নির্দিষ্ট রুট চূড়ান্ত হয়নি।

খুসনুলিন জানিয়েছেন, ভারত পর্যন্ত পৌঁছনোর সুযোগ তৈরি করে এমন যে কোনও বিকল্পই রাশিয়া বিবেচনা করতে পারে। এই মুহূর্তেই রাশিয়া-ভারতের মধ্যে কোনও নতুন যাত্রীবাহী ট্রেন চালুর সিদ্ধান্ত হয়নি। ট্রেনের নাম, টিকিটের দাম, রুট বা পরিষেবা শুরুর তারিখও এখনও ঘোষণা করা হয়নি।

কেন এমন রেলপথ চাইছে রাশিয়া?
এর পিছনে মূল কারণ হল বাণিজ্যিক নিরাপত্তা। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহণের পথ হল হরমুজ প্রণালী। বিশ্বের মোট তেল বাণিজ্যের প্রায় ২৫ শতাংশ এবং এলএনজি (LNG) পরিবহণের প্রায় ২০ শতাংশ এই জলপথের উপর দিয়ে যায়। ফলে হরমুজ প্রণালী বা অন্য কোনও গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথে সমস্যা তৈরি হলে আন্তর্জাতিক পণ্য পরিবহণ ও জ্বালানি সরবরাহে বড় প্রভাব পড়তে পারে। রাশিয়া তাই সমুদ্রপথের পাশাপাশি স্থলপথেও পণ্য পরিবহণের সুযোগ তৈরি করতে চাইছে।

ভারতের কী লাভ?
এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ভারতের জন্যও তা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। রেলপথ তৈরি হলে রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের স্থল যোগাযোগ আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে মধ্য এশিয়া ও দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক যোগাযোগও বাড়তে পারে। বিশেষ করে পণ্য পরিবহণের ক্ষেত্রে এই ধরনের করিডর গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। ভবিষ্যতে যদি সত্যিই ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে স্থলপথে রেল যোগাযোগ তৈরি হয়, তাহলে পর্যটকদের যাতায়াতের সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।

রাশিয়ার এই প্রস্তাবটি এখনও আলোচনার পর্যায়েই রয়েছে। আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মতো দেশগুলির মধ্য দিয়ে রেলপথ তৈরি করা, একাধিক দেশের সঙ্গে সমন্বয় এবং বিপুল পরিকাঠামো নির্মাণ- সব মিলিয়ে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে।

তবে এই প্রস্তাবের সবচেয়ে বড় তাৎপর্য হল, ভারতের দিকে স্থলপথে পৌঁছনোর জন্য নতুন রেল সংযোগের সম্ভাবনা নিয়ে রাশিয়া ভাবতে শুরু করেছে। ভবিষ্যতে এই পরিকল্পনা বাস্তব রূপ পেলে ভারত-রাশিয়া বাণিজ্য ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে তা বড় পরিবর্তন আনতে পারে।

নিম্নচাপের প্রভাবে গত সপ্তাহে বাংলায় আকাশের ছিল মুখভার। দুর্যোগের সম্ভাবনা না থাকলেও, বৃষ্টি চলবে এই সপ্তাহেও। এমনটাই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া অফিস। কবে কবে বৃষ্টি হবে, জেনে নিন আগেই। 


নিম্নচাপ তো বিদায় নিয়েছে, এই সপ্তাহেও কি বৃষ্টি হবে? জেনে নিন আবহাওয়ার লেটেস্ট আপডেট
কলকাতাতেও কি বৃষ্টি হবে?

 নতুন সপ্তাহ, আর তার শুরুতেই ফের বৃষ্টির পূর্বাভাস। নিম্নচাপের প্রভাবে গত সপ্তাহে বাংলায় আকাশের ছিল মুখভার। দুর্যোগের সম্ভাবনা না থাকলেও, বৃষ্টি চলবে এই সপ্তাহেও। এমনটাই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া অফিস। কবে কবে বৃষ্টি হবে, জেনে নিন আগেই।


বঙ্গোপসাগরের উপরে তৈরি একটি নিম্নচাপের প্রভাবে গত সপ্তাহে বৃষ্টি হয়েছে রাজ্য জুড়ে। তবে এখন আর সেই নিম্নচাপের প্রভাব নেই। তাই সপ্তাহের প্রথম ভাগে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনাও নেই। আলিপুর আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আপাতত দুই দিন অর্থাৎ সোমবার ও মঙ্গলবার বৃষ্টির তেমন সম্ভাবনা নেই। বিক্ষিপ্তভাবে কোথাও কোথাও বৃষ্টি হতে পারে। বুধবার থেকে বৃষ্টি বাড়বে দক্ষিণবঙ্গে।


কোথায় কোথায় বৃষ্টি হবে?
পূর্বাভাস অনুযায়ী, বুধবার উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বৃহস্পতিবার ভারী বৃষ্টি হতে পারে দুই ২৪ পরগনা ও পশ্চিম মেদিনীপুরে। শুক্রবার বৃষ্টির সম্ভাবনা আরও বেশি।


আজ ও আগামিকাল বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে বৃষ্টি হলেও, ভ্যাপসা গরম কমবে না। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা অনেকটাই বেশি রয়েছে, তার জেরে অস্বস্তিকর গরম থাকবে।

অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গে আপাতত ৪ দিন ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস নেই। পাহাড়ি জেলাগুলিতে অর্থাৎ দার্জিলিং, কালিম্পংয়ে হালকা থেকে মাঝারি পরিমাণ বৃষ্টি হতে পারে।

কীভাবে জরুরি বার্তা পৌঁছে দেবেন, সোদপুর রেলওয়ে পার্কে তারই মকড্রিল করল হ্যাম রেডিও। ওই রেলওয়ে পার্কে আয়োজন করা হয়েছিল বিশেষ মকড্রিল এক্সারসাইজের। ওয়েস্ট বেঙ্গল রেডিও ক্লাব এবং ইন্ডিয়ান অ্যাকাডেমি অফ কমিউনিকেশন অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্টের উদ্যোগে আয়োজিত এই মকড্রিলের মূল উদ্দেশ্য ছিল বিপর্যয় মোকাবিলায় বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থার গুরুত্ব সম্পর্কে যুব সমাজকে সচেতন করা।

মোবাইলে নেটওয়ার্ক নেই? তারপরেও পৌঁছবে জরুরি বার্তা, কীভাবে? জেনে নিন
সোদপুরে মক ড্রিল

কারও কাছে কোনও জরুরি বার্তা পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যম মোবাইল। বিশেষ করে বিপর্যয় পরিস্থিতে দ্রুত যোগাযোগের জন্য মোবাইলের বিকল্প কিছু নেই। কিন্তু, দেখা যায় সেই জরুরি পরিস্থিতেই মোবাইলে নেটওয়ার্ক নেই। আর নেটওয়ার্ক না থাকলে ইন্টারনেটও কাজ করে না। এধরনের সমস্যায় পড়েছেন অনেকেই। তবে, জানেন কি নেটওয়ার্ক ছাড়াই জরুরি বার্তা পৌঁছে দিতে পারবেন। কীভাবে? তারই উপায় বাতলে দিল ওয়েস্ট বেঙ্গল রেডিও ক্লাব (West Bengal Radio Club) এবং ইন্ডিয়ান অ্যাকাডেমি অফ কমিউনিকেশন অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট।


সোদপুরে মক-ড্রিল
কীভাবে জরুরি বার্তা পৌঁছে দেবেন, সোদপুর রেলওয়ে পার্কে (Sodepur Railway Park) তারই মকড্রিল করল হ্যাম রেডিও। ওই রেলওয়ে পার্কে আয়োজন করা হয়েছিল বিশেষ মকড্রিল এক্সারসাইজের। ওয়েস্ট বেঙ্গল রেডিও ক্লাব এবং ইন্ডিয়ান অ্যাকাডেমি অফ কমিউনিকেশন অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্টের উদ্যোগে আয়োজিত এই মকড্রিলের মূল উদ্দেশ্য ছিল বিপর্যয় মোকাবিলায় বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থার গুরুত্ব সম্পর্কে যুব সমাজকে সচেতন করা।

'আর মাত্র ৬ মাস বাঁচবেন!' সতর্কবার্তা শুনেই কীভাবে ১২০ কেজি ওজন কমান আদনান সামি?
কীভাবে যোগাযোগ করবেন?
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন রেডিও স্টেশনের একাধিক কর্মী, কমিউনিকেশন ও ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে যুক্ত আধিকারিক এবং অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। তাঁদের উপস্থিতিতে বিপর্যয়ের সময় যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখার বিভিন্ন কৌশল প্রদর্শন করা হয়। সাধারণত, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, ভূমিকম্প, বন্যা বা অন্য কোনও জরুরি পরিস্থিতিতে মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সেই পরিস্থিতিতে রেডিও যোগাযোগের মাধ্যমে কীভাবে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে দ্রুত জরুরি বার্তা পৌঁছে দেওয়া যায় এবং বিপদগ্রস্ত মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে কীভাবে যোগাযোগ ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে, মকড্রিলের মাধ্যমে তা তুলে ধরা হয়।

৪৮ ঘণ্টা পার। এখনও ভারতে ফিরল না অপহৃত কৃষক (Kidnapped Indian Farmer)। রবিবার সন্ধ্যায় চাউল হাটি বিএসএফ (BSF) ক্যাম্পে বিক্ষোভ দেখায় গ্রামবাসীরা। বিক্ষোভের মুখে পড়েন রাজগঞ্জের বিজেপি বিধায়ক দীনেশ সরকারও। বিক্ষোভ সামাল দিতে আসে রাজগঞ্জ ও কোতোয়ালি থানার পুলিশ।


 বাংলাদেশ ছাড়ছে না! দুই রাত পরও বাড়ি ফেরেনি অপহৃত ভারতীয়, ক্ষোভ BSF-র বিরুদ্ধে, উঠল বড় দাবি
বামদিকে অপহৃত ভারতীয়। ডানদিকে, স্বামীকে না পেয়ে সংজ্ঞা হারাচ্ছেন স্ত্রী।

৪৮ ঘণ্টা পার। এখনও ভারতে ফিরল না অপহৃত কৃষক (Kidnapped Indian Farmer)। তাঁকে পণবন্দি বানিয়ে রেখেছে বাংলাদেশি (Bangladeshi) দুষ্কৃতীরা। অপহৃত ওই ভারতীয়কে দেশে ফেরাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) হস্তক্ষেপের দাবি করল অপহৃতের বাবা ও গ্রামবাসীরা।


শনিবার জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলার রাজগঞ্জ ব্লকের বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া কুকুর জান এলাকায় ঢুকে দীপঙ্কর গোপ নামে এক চা চাষিকে অপহরণ করে নিয়ে যায় বাংলাদেশি দুষ্কৃতীদের দল। সম্প্রতিই বিএসএফ চোরাচালানের চেষ্টা রুখে দিয়েছিল। আটক করা হয় এক বাংলাদেশিকে। তার বদলা নিতেই এই কৃষককে অপহরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ।


আত্মহত্যা করবেন ঠিক করে ফেলেন, এক পুরোহিতই বদলে দিয়েছিল বলিউডের এই অভিনেতার জীবন
এদিকে, উদ্বেগে রাত কাটছে পরিবারের। রবিবার সন্ধ্যায় চাউল হাটি বিএসএফ (BSF) ক্যাম্পে বিক্ষোভ দেখায় গ্রামবাসীরা। বিক্ষোভের মুখে পড়েন রাজগঞ্জের বিজেপি বিধায়ক দীনেশ সরকারও। বিক্ষোভ সামাল দিতে আসে রাজগঞ্জ ও কোতোয়ালি থানার পুলিশ।


এবার পরিবারের দাবি, প্রয়োজনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হস্তক্ষেপ করুন, তবু ফিরিয়ে আনা হোক দীপঙ্করকে। প্রয়োজনে জেল হেফাজতে থাকা ওই বাংলাদেশিকে তাঁর দেশে ফিরিয়ে দিক ভারত সরকার, এমনটাই দাবি উঠল জলপাইগুড়ি জেলার চাউল হাটি সীমান্তে। সীমান্তবাসীরা জানিয়েছেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে তাদের দাবি পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বিজেপি বিধায়ক।

ফ্ল্যাগ মিটিংয়ের পর তাঁর স্বামীকে ছেড়ে দেবে বাংলাদেশিরা। এই আশায় শ্বশুর ও দুই ছেলেকে নিয়ে ২৮ নং সীমান্ত গেটের কাছে গিয়ে অপেক্ষা করতে থাকেন অপহৃতের স্ত্রী মহামায়া গোপ। কিন্তু বৈঠক শেষে খালি হাতে ফেরেন বিএসএফ (BSF) কর্তারা। জানতে পারেন, মুক্তিপণ না পেলে ছাড়া হবে না তাঁর স্বামীকে। এই কথা জানার পরই সংজ্ঞা হারান মহামায়া দেবী।

শনিবার অপহৃত হওয়া দীপঙ্কর গোপকে দেশে ফেরাতে গেলে, গত ৬ আগষ্ট চাউল হাটি সীমান্তে গ্রেফতার হওয়া বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে ফেরত দিতে হবে। এই কঠিন শর্ত চাপিয়েছে বাংলাদেশ। এই বিষয়ে গত শনিবার থেকে বিজিবি কর্তাদের সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠক করেন বিএসএফ আধিকারিকরা। কিন্তু সব চেষ্টা বৃথা হয়।

এই পরিস্থিতিতে বিএসএফের উপরে আস্থা হারিয়েছে অপহৃতের পরিবার এবং স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা বিএসএফের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন। অভিযোগ, কাঁটাতারের বেড়া পেরিয়ে তারা যখন চাষবাস করতে যায়, তখন ওই এলাকার জিরো লাইন বরাবর আগে বিএসএফ টহল দিত। ইদানিং তা বন্ধ করে দিয়েছে। এতেই বাংলাদেশিদের দৌরাত্ম্য বেড়েছে। ওই এলাকায় বিএসএফের টহল পুনরায় চালু করার দাবি জানিয়েছেন তারা। একইসঙ্গে এই ইস্যুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সরাসরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।

জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জ ব্লকের কুকুর যান গ্রামপঞ্চায়েতের চাউল হাটি সীমান্ত বাসী দের এই দাবিকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করে, স্বরাষ্ট্র দফতরে এই বার্তা পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন রাজগঞ্জের বিজেপি বিধায়ক দীনেশ সরকার।

পেট্রোল পাম্প থেকে মোটা অঙ্কের টাকা তোলা দাবি করেন এই তৃণমূল নেতা। এর আগেও এই তৃণমূল নেতারা পেট্রোল পাম্প থেকে বহুবার তেল ভরে টাকা না দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এই ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকার মানুষ ঘটনাস্থলে এসে উপস্থিত হন। ছুটে আসে পুলিশও।

 স্বভাব যায় না...! ফুল ট্যাঙ্ক পেট্রোল ভরিয়ে টাকা না দিয়ে উল্টে তোলাবাজির চেষ্টা, শ্রীঘরে ঠাঁই ২ তৃণমূল নেতা
তোলাবাজিতে ধৃত তৃণমূল নেতা।

ক্ষমতা গেলেও, স্বভাব বদলায়নি। তোলাবাজির অভ্যাস যায়নি তৃণমূল নেতাদের। এবার পেট্রোল পাম্প থেকে তেল ভরে টাকা না দিয়ে, তোলাবাজি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ল দুই তৃণমূল নেতা। পুলিশের হাতে গ্রেফতার দুইজনই।


ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগণার হাড়োয়া থানার শঙ্করপুরে। ধৃত দুই তৃণমূল নেতার নাম জাহাঙ্গির আনসারি ও আনসারুল মোল্লা। হাড়োয়া থানার পুলিশ তাদেরকে গ্রেফতার করেছে।

 তিলোত্তমাকে খুন করা হয়েছিল যেভাবে...', কুণালকে পাল্টা দিলেন তাপস
অভিযোগ, জাহাঙ্গির আনসারি শঙ্করপুর এলাকার একটি পেট্রোল পাম্পের তেল ভরতে গিয়েছিলেন। বাইক ফুল ট্যাঙ্ক তেল ভর্তি করে তিনি টাকা দিতে অস্বীকার করেন। তখন ওই পাম্পের যে কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন, তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করতে শুরু করেন। এমনকী, মারধর করার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে।


পেট্রোল পাম্পের ম্যানেজার রুহুল আমিন মল্লিক বলেন, “আজ জাহাঙ্গির আনসারি আসেন, বাইকে তেল ভরান। ১০৪৬ টাকা ২২ পয়সা, কিন্তু টাকা দিতে অস্বীকার করেন। টাকা চাইলে হুমকির সুরে বলেন যে পঞ্চায়েত সভাপতি খালেক মোল্লার সঙ্গে যোগাযোগ করতে, তার থেকে টাকা নিতে। অন ডিউটি আমাকে ধাক্কা মারেন। আগেও উনি এরকম করেছেন। আজ আমি হাড়োয়া থানার দ্বারস্থ হই। এখানে ব্যবসা করতে এসেছি, তোলা দেওয়ার জন্য নয়।”

এই ঘটনার পরেও পেট্রোল পাম্প থেকে মোটা অঙ্কের টাকা তোলা দাবি করেন এই তৃণমূল নেতা। এর আগেও এই তৃণমূল নেতারা পেট্রোল পাম্প থেকে বহুবার তেল ভরে টাকা না দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এই ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকার মানুষ ঘটনাস্থলে এসে উপস্থিত হন। ছুটে আসে পুলিশও। এরপরই দুই তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গির আনসারি ও আনসারুল মোল্লাকে গ্রেফতার করা হয়। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে হাড়োয়া থানার পুলিশ।

এই বিষয়ে একাধিক তৃণমূল নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাদের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। বিজেপি নেতা বিমল দাস বলেন, “জাহাঙ্গির আনসারি নামক এক তৃণমূল নেতা পেট্রোল পাম্প থেকে তোলাবাজি করতে গিয়ে ধরা পড়েছেন। বাইকে তেল ভরে টাকা দিতে অস্বীকার করেছিলেন। এটা শুধু এখানে বলে নয়, সারা পশ্চিমবঙ্গ জুড়েই হয়েছে। জামাকাপড়ের দোকান থেকেও তৃণমূল নেতারা ধার নিত। এক একটা দোকানে ৭০ হাজার, ৮০ হাজার বাকি পড়ে থাকত। টাকা চাইলে ভয় দেখাত। পরিবর্তনের পর বাংলার মানুষ এইসব মেনে নিচ্ছে না। কেস হচ্ছে, গ্রেফতার হচ্ছে। মানুষ উৎসাহের সঙ্গে বেরিয়ে আসছে, অভিযোগ জানাচ্ছে। তৃণমূলের আমলে পশ্চিমবঙ্গে বাইরে থেকে ব্যবসায়ীরা আসতে ভয় পেত। বিজেপি আসার পর শিল্প আসছে।”


সব রাজ্যে যদি ৫০ শতাংশ হারে আসন বৃদ্ধি প্রস্তাবে নিশ্চয়তা পেলে, আসন পুনর্ববিন্যাস বিলকে সমর্থন করবে ডিএমকে এবং শরদ পওয়ারের এনসিপি দল। অন্যদিকে বিদেশি অনুদান (FCRA) বিল নিয়ে চার্চ এবং খ্রিস্টান সংগঠনের দাবিকে সমর্থন করছেন এমকে স্ট্যালিন এবং শরদ পওয়ার।

মেপে পা ফেলছে কেন্দ্র, ডিলিমিটেশন-মহিলা সংরক্ষণ বিল পাশ হলেই ঝুলি থেকে বেরবে আরেক বিল?
কেন্দ্র আরও এক নতুন বিল আনবে সংসদে?

সংসদে মেপে পা ফেলছে কেন্দ্রীয় সরকার। বিরোধীদের শিবিরে ধরেছে ভাঙন। সেই সুযোগ নিয়েই গুরুত্বপূর্ণ একাধিক বিল পাশ করানোর পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের, এমনটাই সূত্রের খবর। এর মধ্যে যে বিল নিয়ে এখন তুমুল আলোচনা, তা হল বিদেশি অনুদান (নিয়ন্ত্রণ) আইন ( Foreign Contribution Regulation Act)। আসন পুনর্বিন্যাস বা ডিলিমিটেশন এবং মহিলা সংরক্ষণ বিলের প্রতি সম্ভাব্য সমর্থনের অঙ্ক কষেই ফরেন কন্ট্রিবিউশন রেগুলেশন অ্যাক্ট নিয়ে মেপে পা ফেলছে সরকার।


বাদল অধিবেশনের আগেই, গত এপ্রিল মাসে বিশেষ অধিবেশন ডেকে কেন্দ্রীয় সরকার ১৩১তম সংবিধান সংশোধনী বিল পাশ করানোর চেষ্টা করেছিল। কিন্তু বিলের সপক্ষে ভোট কম পড়ায় সেই বিল পাশ হয়নি। এবার ফের একবার আসন পুনর্বিন্যাস ও মহিলা সংরক্ষণ বিল, যা সংবিধান সংশোধনীরই অংশ, তা পাশ করানোর চেষ্টা করা হবে।


'আমি কাউকে চুমু খাইনি, আর কারও থেকে নিইওনি', নাম না করেই কাকে খোঁচা কুমার শানুর!
FCRA বিল পেশ হবে?

পাশাপাশি চলতি অধিবেশনে বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইন (Foreign Contribution (Regulation) Act)-এর সংশোধনী বিল পেশ করা হবে কি না, তা নিয়ে আজ বিজনেস অ্যাডভাইসরি কমিটির (Business advisory committee) বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।


লোকসভার বিজনেস তালিকা অনুযায়ী, আজ চারটি বিল আলোচনার এবং অনুমোদনের জন্য তালিকাভুক্ত আছে। এর মধ্যে নেই এফসিআরএ (FCRA) বিল।

এনসিপি-ডিএমকে চটবে!
সব রাজ্যে যদি ৫০ শতাংশ হারে আসন বৃদ্ধি প্রস্তাবে নিশ্চয়তা পেলে, আসন পুনর্ববিন্যাস বিলকে সমর্থন করবে ডিএমকে এবং শরদ পওয়ারের এনসিপি দল। অন্যদিকে বিদেশি অনুদান (FCRA) বিল নিয়ে চার্চ এবং খ্রিস্টান সংগঠনের দাবিকে সমর্থন করছেন এমকে স্ট্যালিন এবং শরদ পওয়ার। অর্থাৎ হয় এই বিলকে প্রত্যাহার করতে হবে অথবা যৌথ সংসদীয় কমিটিতে পর্যালোচনার জন্য পাঠাতে হবে।

শুধুমাত্র সংখ্যার জোরে এফসিআরএ (FCRA) বিল পাস করিয়ে, ডিএমকে এবং এনসিপিকে চটানো উচিত হবে কিনা, তা খতিয়ে দেখছে সরকার।

এদিকে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করে খ্রিস্টান প্রতিনিধিদের তরফে জানানো হয়েছে যে সরকার প্রস্তাবিত সংশোধনী অনুযায়ী কোনও সংস্থার এফসিআরএ (FCRA) লাইসেন্স বাতিল হলে বা রিনিউ না হলে, সংস্থার কর্তৃত্ব নিজের হাতে নিয়ে নেবে সরকার। এই বিল পাশ হলে, অর্থের অভাবে বিভিন্ন সংস্থার সমাজসেবামূলক কাজ ব্যাহত হবে বলে জানিয়েছেন তারা।

অন্যদিকে, আজ সকাল ১০টায় বৈঠকে বসছে ইন্ডিয়া জোটের সংসদীয় দলের নেতারা। এই বৈঠকেই এফসিআরএ (FCRA) বিল নিয়ে বিরোধীদের রণকৌশল ঠিক করা হবে।

শুভেন্দু বলেন, "প্রথমত মৃতের পরিবার দুটো জিনিস চেয়েছে। বলেছে আমরা জেনেছি শারীরিক অত্যাচার হয়েছে। দোষী পুলিশদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। দ্বিতীয়ত, মৃতের দু'টি সন্তান আচ্ছা। তাঁদের ভবিষ্য়তের দায়িত্ব নিতে হবে।"


'পুলিশের গাফিলতি প্রমাণিত...', মৃত তৃণমূল নেতার কাউন্সিলর স্ত্রীকে CM-র অ্যাটেনডেন্টের চাকরি দিলেন শুভেন্দু
শুভেন্দু অধিকারী, মুখ্যমন্ত্রী


পুলিশি হেফাজতে মৃত্যুর অভিযোগ তৃণমূল নেতার। রবিবার দলের সেই কর্মীর পরিবারে গিয়ে চোর স্লোগান শুনতে হয় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যাকে। তবে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেননি পরিবারের কেউ। আজ অর্থাৎ সোমবার সকালে সেই হালিশহরে পৌঁছে যান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvednu Adhikari)। মৃতের পরিবারের পাশে দাঁড়ান তিনি। মৃত তৃণমূল কর্মীর স্ত্রী কাউন্সিলর। তাঁকে অ্যাটেনডেন্টের চাকরি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সঙ্গে ১০ লক্ষ টাকার ক্ষতিপূরণ ও মৃতের দুই শিশুর পড়াশোনার দায়িত্বভারও গ্রহণ করলেন তিনি। একই সঙ্গে তদন্তকারী অফিসারকেও সাসপেন্ড করলেন রাজ্যের পুলিশমন্ত্রী শুভেন্দু।


‘মৃতের পরিবারকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি’


শুভেন্দু বলেন, “যে ছেলেটি মারা গিয়েছেন তার পরিবার একটি কাগজ দিয়েছে। এখানে অর্জুন সিং, লোকাল বিধায়ক, DGP আছেন। পরিবারকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছি। তারা এই মৃত্যুকে নিয়ে রাজনৈতিক স্লোগান কাউকে দেয়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আসার পর বাড়ি লোক দেখা করেননি। মৃতের দাদা বলছিলেন, আমি বিচার চাই আর বিচার দিতে পারবে রাজ্য পুলিশ ও প্রশাসন।” গোটা বিষয়টিতে কার্যত আপ্লুত মুখ্যমন্ত্রী। বারেবারে তিনি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেছেন, “পরিবার পুলিশ ও রাজ্য পুলিশের উপর আস্থা রেখেছেন। এটা পাওনা।” একই সঙ্গে এ রাজ্যে পুলিশের অত্যাচারের ঘটনার অনেক উদাহরণ রয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশমন্ত্রী।


‘বুদ্ধবাবু ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও পারেননি’

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “প্রয়াত বুদ্ধবাবু ও মমতার সময়ে একটা উদাহরণ দেখাতে পারবেন না, যে রাজ্য সরকারের প্রশাসনিক প্রধান মুখ্যমন্ত্রী, ডিজিপিকে সঙ্গে নিয়ে রাজনৈতিক ভিন্ন মত পোষণ করা লোকের বাড়িতে এসেছেন। এই উদাহরণ পাবেন না। মৃতের পরিবার পুরোটাই তৃণমূল করে। মৃতের পরিবারের স্ত্রী কাউন্সিলর।”

‘মৃতের পরিবার কী কী চেয়েছে?’

শুভেন্দু বলেন, “প্রথমত মৃতের পরিবার দুটো জিনিস চেয়েছে। বলেছে আমরা জেনেছি শারীরিক অত্যাচার হয়েছে। দোষী পুলিশদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। দ্বিতীয়ত, মৃতের দু’টি সন্তান আচ্ছা। তাঁদের ভবিষ্য়তের দায়িত্ব নিতে হবে।” এরপর তাঁর আরও সংযোজন, “উনি বললেননি আমরা করেছি। পুলিশের হেফাজতে মারা গেছে এটা দিনের আলোর মতো সত্যি। কতটা শারীরিক অত্যাচারে মারা গেছে, সেটা আমরা বলতে পারব না। তিনজন ডাক্তারের উপস্থিত ও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট থেকে জানা যাবে। IO-তে সাসপেন্ড করছি। ঘটনার গুরুত্ব বুঝে ম্যাজেস্ট্রেরিয়ান ইনকোয়ারি দায়িত্ব দিচ্ছি।”

‘স্ত্রীকে চাকরি’

শুভেন্দুর ঘোষণা, “আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বছরে তিনজন অ্যাটেনডেন্ট পাই। ওঁর স্ত্রীকে আমার অ্যাটেনডেন্ট হিসাবে চাকরি দিলাম। উনি শোক কাটিয়ে ওঠার পর লোকাল থানার সঙ্গে যোগাযোগ রাখবেন। এই অ্যাটনডেন্টরা ১৫ হাজার টাকা বারো মাস পায়। ১২ মাস শেষ হলে গ্রুপ ডি-তে স্থায়ী নিয়োগ হন। বারেবারে বলেছি মৃত্যু অর্থ দিয়ে হয় না। তবে মুখ্যমন্ত্রীর তো দায়িত্ব থাকে। ওরা অর্থ চায়নি। তবে আমি মুখ্যমন্ত্রী রিলিফ ফান্ড থেকে ১০ লক্ষ টাকার চেক দিয়েছি।”

ভারতের বিরুদ্ধে ক্যারিবিয়ানরা সিরিজ খেলতে চলেছে। সেপ্টেম্বর-অক্টোবর তিন ম্যাচের সিরিজে মুখোমুখি হবে দুই দল। সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচ হবে যথাক্রমে ২৭ ও ৩০ সেপ্টেম্বর । ভারতকে পরপর দুই ম্যাচে হারালেও ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল সরাসরি কোয়ালিফাই করতে পারবে না।

কালো অতীতের পুনরাবৃত্তি, ২০২৭ বিশ্বকাপের আগেই বিপাকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল!
ক্যারিবিয়ান ক্রিকেট দল


কোনও এক সময় ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের নাম শুনলে থরহরিকম্প পরিস্থিতি হত বিপক্ষ দলের ব্যাটারদের। কিন্তু বিগত দশক থেকেই যেন প্রায় অস্তমিত ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেট। গতবারের মতো এবারেও ধাক্কা খেল ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট। দুইবারের বিশ্বকাপজয়ী দল সরাসরি ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে ব্যর্থ হল। আফগানিস্তানের কাছে আয়ারল্যান্ডের হারের পরেই নিশ্চিত হয়ে গেল যে ক্যারিবিয়ান দলকে এবার বিশ্বকাপ খেলতে গেলে কোয়ালিফায়ার খেলতে হবে।


আগামী বছর হবে বিশ্বকাপ। দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবোয়ে, নামিবিয়ার মোট ১২টি মাঠে অনুষ্ঠিত হবে ২০২৭ বিশ্বকাপ। সেই প্রতিযোগিতায় সরাসরি কোয়ালিফাই করতে ব্যর্থ হল ক্যারিবিয়ানরা। এই নিয়ে টানা তৃতীয়বার বিশ্বকাপে সরাসরি যোগ্যতা অর্জন করতে ব্যর্থ হল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ২০১৯ ও ২০২৩ সালের বিশ্বকাপে এক ঘটনা ঘটেছিল। ২০১৯ সালে কোয়ালিফায়ার খেললেও ২০২৩ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে খেলতেই পারেনি ক্যারিবিয়ানরা। ২০২৭ বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জনের নিয়ম অনুযায়ী, আয়োজক দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবোয়ে সরাসরি বিশ্বকাপ খেলবে। বাকি ৭ জায়গা নির্ধারণ করা হবে ICC Ranking এর ভিত্তিতে। এর জন্য ২০২৬ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ক্রমতালিকা দেখা যাবে। বর্তমানে ওয়েস্ট ইন্ডিজ রয়েছে ১০ নম্বরে। আফগানিস্তান রয়েছে ৮ নম্বরে। বাংলাদেশ ৯ ও জিম্বাবোয়ে ১১। যেহেতু আয়োজক হিসেবে জিম্বাবোয়ে সরাসরি খেলবে, তাই তালিকার প্রথম ৯টি দল সরাসরি সুযোগ পাবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ক্যারিবিয়ানদের প্রথম ৯য়ে ওঠার কোনও সুযোগ নেই।




ভারতের বিরুদ্ধে ক্যারিবিয়ানরা সিরিজ খেলতে চলেছে। সেপ্টেম্বর-অক্টোবর তিন ম্যাচের সিরিজে মুখোমুখি হবে দুই দল। সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচ হবে যথাক্রমে ২৭ ও ৩০ সেপ্টেম্বর । ভারতকে পরপর দুই ম্যাচে হারালেও ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল সরাসরি কোয়ালিফাই করতে পারবে না। আবার আয়ারল্যান্ড দলের আশাও একপ্রকার শেষ। সরাসরি যোগ্যতা অর্জন করার দৌড়ে টিকে থাকতে গেলে আয়ারল্যান্ডকে পাঁচ ম্যাচের সিরিজ ৫-০ ব্যবধানে জিততে হত। কিন্তু সিরিজের প্রথম ম্যাচই বৃষ্টিতে ভেস্তে যাওয়ার ফলে তাদের সেই আশা ধাক্কা খেয়েছে। এরপর ২য় ম্যাচে আফগানরা জিতে যাওয়ার ফলে আয়ারল্যান্ডকেও কোয়ালিফায়ার খেলতে হবে। কিন্তু বারবার বিশ্বকাপের মূলপর্বে যেতে না পারা আসলে ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের ব্যর্থতাকে প্রকট করে দিচ্ছে।


 বনগাঁ দেবগড়ের বাসিন্দা শুভম মিত্র। শুক্রবার রাত সাড়ে আটটা নাগাদ নতুনগ্রাম এলাকা দিয়ে মামাকে নিয়ে বাইকে করে যাচ্ছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় পিছন থেকে অপর একটি বাইকে করে তাঁদের পথ আটকায় দুষ্কৃতীরা। জানা গিয়েছে, দুষ্কৃতীদের দু'জনের মুখে মাক্স পরা ছিল এবং একজন হেলমেটও পরেছিলেন। তারপর ঠিক কী ঘটে?

মাথায় আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে প্রথমে সোনার চেন 'ছিনতাই', তারপরই চলল গুলি! চাঞ্চল্যকর ঘটনা বনগাঁয়
বনগাঁয় সোনার হার ছিনতাইয়ের অভিযোগ

রাতের অন্ধকারে চাঞ্চল্যকর ঘটনা বনগাঁয়। আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে সোনার চেন ছিনতাইয়ের অভিযোগ দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, গুলি চালানোরও অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় রীতিমতো আতঙ্ক ছড়িয়েছে গোপালনগর থানার নতুনগ্রাম এলাকায়। ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে গোপালনগর থানার পুলিশ।


কী ঘটেছিল, কীভাবে ছিনতাই?
বনগাঁ দেবগড়ের বাসিন্দা শুভম মিত্র। শুক্রবার রাত সাড়ে আটটা নাগাদ নতুনগ্রাম এলাকা দিয়ে মামাকে নিয়ে বাইকে করে যাচ্ছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় পিছন থেকে অপর একটি বাইকে করে তাঁদের পথ আটকায় দুষ্কৃতীরা। জানা গিয়েছে, দুষ্কৃতীদের দু’জনের মুখে মাক্স পরা ছিল এবং একজন হেলমেটও পরেছিলেন। অভিযোগ, পথ আটকানোর পরই হঠাৎ আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে প্রথমে সোনার চেন ছিনতাই করে। তারপর হুমকিও দেয় বলে অভিযোগ। পরে ছিনতাই করে পালিয়ে যাওয়ার সময় এক রাউন্ড গুলি চালায় বলে অভিযোগ তুলেছেন শুভম।



শুভম বলেন, “তিন দুষ্কৃতী মোটর-সাইকেল করে আসে। এসে প্রথমে বন্দুক ঠেকায়। তারপর গলার চেন ছিনিয়ে নিয়ে কুকথা বলতে শুরু করে। তারপরই সেখান থেকে চলে যাওয়ার সময় শূন্যে গুলি চালায়।” শুভমের মামার কথায়, “আমাদের এখানে শান্তিপ্রিয় জায়গা। এখানে এই ধরনের ঘটনা ঘটে না।”


তদন্ত শুরু পুলিশের
খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় গোপালনগর থানার পুলিশ। শুভম ও তাঁর মামার সঙ্গে কথা বলেন। পরে থানায় অভিযোগও জানান তাঁরা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে গোপালনগর থানার পুলিশ। অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায় এবং রীতিমত ভয়ের পরিবেশ ও তৈরি হয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে যায় গোপালনগর থানার পুলিশ। অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে গোপালনগর থানার পুলিশ।

রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় জানান, স্বাস্থ্য ভবনের তদন্তের আওতায় আনা হচ্ছে তিলোত্তমার সহকর্মীদের। আবার তাঁদের বয়ান রেকর্ড হবে। খুনের ঘটনার পর কারা কোন উদ্দেশ্যে আরজি কর হাসপাতালে গিয়েছিলেন, তা জানতে তাঁদের পরপর ডেকে পাঠাচ্ছে স্বাস্থ্য ভবনের তদন্তকারী দল। স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, রবিবার পশ্চিমবাংলায় সমস্ত সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে সকাল এগারোটার সময় তিলোত্তমার স্মরণে দুই মিনিট নীরবতা পালন করা হবে।

আরজি করকাণ্ডে নতুন করে সিট গড়ে তদন্তে কতটা এগোল সিবিআই? কী বলছেন তিলোত্তমার মা?
নতুন করে তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই

 আজ (৯ অগস্ট) সেই নৃশংস ঘটনার দিন। যার জেরে তোলপাড় পড়েছিল রাজ্যে। রাস্তায় নেমেছিলেন সাধারণ মানুষ। আরজি কর কাণ্ডের ২ বছর পূরণ হওয়ার দিন ফের উঠছে নানা প্রশ্ন। কবে বিচার পাবে তিলোত্তমার পরিবার? নতুন করে তদন্তে কতটা এগোল সিবিআই? কী বলছেন তিলোত্তমার মা? স্বাস্থ্য ভবন কী পদক্ষেপ করছে? 


২০২৪ সালের ৯ অগস্ট আরজি করের সেমিনার হল থেকে তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার হয়। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশ। পরে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ তদন্তভার নেয় সিবিআই। তারাও সঞ্জয়কে একমাত্র অভিযুক্ত বলে উল্লেখ করে চার্জশিট দেয়। শিয়ালদহ আদালত তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে আজীবন কারাবাসের নির্দেশ দেয়। কিন্তু, তিলোত্তমার পরিবারের দাবি, সঞ্জয় একা এরকম নৃশংস কাজে যুক্ত থাকতে পারে না। এর সঙ্গে আরও বড় মাথা রয়েছে।



রাজ্যে পালাবদলের পর নতুন সরকার তিলোত্তমাকাণ্ড নিয়ে ফের তদন্তের কথা জানায়। আবার তিলোত্তমার পরিবারের আবেদন মেনে সিবিআইকে নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। ইতিমধ্যে হাইকোর্টের নির্দেশে সিবিআই নতুন এবং পৃথক স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম (SIT) গঠন করেছে। তাতে নতুন অফিসাররা রয়েছেন। সেই অফিসাররা ঘটনার পরম্পরা অনুযায়ী, যাঁদের যাঁদের নাম উঠে আসছে, ফুটেজে দেখা গিয়েছে, তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। তার মধ্যে তিলোত্তমার সঙ্গে সেদিন রাতে যেসব সহকর্মী খেয়েছিলেন, তাঁদের বয়ান নিয়ে নিজেদের কাছে রাখছে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য ভবন যেহেতু পৃথকভাবে তদন্ত প্রক্রিয়া চালাচ্ছে। প্রত্যেককে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। স্বাস্থ্য ভবনের তদন্তে যেসব বয়ান উঠে আসবে, সেগুলি সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়া হবে। এরপর দুটো বয়ান মিলিয়ে দেখবেন তদন্তকারীরা। দুটো বয়ানে অসঙ্গতি পাওয়া গেলে তদন্তকারীরা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে। বিশেষ তদন্তকারী দল একদম প্রথম থেকে তদন্ত শুরু করেছে যাতে তিলোত্তমার পরিবার সুবিচার পায়। তিলোত্তমার পরিবার যেসব অভিযোগ তুলেছে, সব অভিযোগ খতিয়ে দেখছে সিবিআই।




গোটা ঘটনায় আতঙ্কে উৎপল মণ্ডলের পরিবার। আতঙ্ক ছড়িয়েছে সারা গ্রামে। বাড়ির মধ্যে ভূতের ভয়ে সিঁটিয়ে সবাই। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ভূত বা অলৌকিক শক্তি ছাড়া এমন বন্ধ ঘরে আগুন লাগা সম্ভব নয়। কারণ বাড়ির ওই অংশের বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন।

কেউ নেই, বন্ধ ঘরে এদিক-ওদিকে লেগে যাচ্ছে আগুন, কুণ্ডলী পাকিয়ে উঠছে ধোঁয়া! আতঙ্কে কাটা মণ্ডল পরিবার, কী হচ্ছে এই বাড়িতে?
এই বাড়িতেই আচমকা আগুন লেগে যাচ্ছে।

বন্ধ ঘর। বাইরে থেকে তালা মারা। এদিকে ঘরের ভিতরে নাকি জ্বলছে আগুন। সেই আগুনে পুড়ে ছাই-ও হয়ে যাচ্ছে। অথচ ঘরের ভিতরে কেউ নেই! অদ্ভুতুড়ে এই ঘটনাতেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে দাসপুরের বৈকুণ্ঠপুরে। ভূতের কারসাজি নাকি অন্য কারোর রয়েছে এর পিছনে? তদন্তে ফায়ার ব্রিগেড ও বিজ্ঞান মঞ্চ। ঘটনায় শোরগোল পড়েছে এলাকায়।


ফাঁকা বাড়িতে ঘরের এদিক-ওদিকে জ্বলে উঠছে আগুন। শুক্রবার রাত থেকে ঘটনাকে ঘিরে আতঙ্কে ওই বাড়িতে থাকা পরিবার। আতঙ্কিত পাড়া-প্রতিবেশীরা ও। ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে এসেছে পুলিশ ও দমকল। তবে আগুনের উৎস খুঁজতে কালঘাম ছুটছে ফায়ার ব্রিগেডের।



দাসপুর থানার অধীনে বাসুদেবপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বৈকুণ্ঠপুর গ্রামে শ্যালক-ভগ্নীপতি মিলে যৌথ বাড়ি তৈরি করেছে। গৌর সামন্ত নামক এক ব্যক্তি তাঁর দুই শ্যালকের সঙ্গে যৌথভাবে ওই প্লটটি প্রায় বছর কুড়ি আগে কেনেন। পরে একসঙ্গেই বসতবাড়ি করে পৃথকভাবে বসবাস শুরু করেন। কর্মসূত্রে জামাই গৌর সামন্ত ও এক শ্যালক অনুপ মণ্ডল পরিবার নিয়ে ভিন রাজ্যে থাকেন। আর এক শ্যালক উৎপল মণ্ডলের পরিবার এই বাড়িতেই তাঁর অংশে বসবাস করেন।


আজ প্রায় দু’দিন ধরে মাঝে-মধ্যেই গৌর সামন্তের অংশের একের পর এক বেডরুমে আগুন লেগে যাচ্ছে। বন্ধ ঘরে আগুন! তারা অনেক পরে ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখতে পান। যতক্ষণে দরজা খোলেন, ততক্ষণে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে ঘরের মধ্যে সমস্ত আসবাব, বিছানা, সোফা-সবই।

গোটা ঘটনায় আতঙ্কে উৎপল মণ্ডলের পরিবার। আতঙ্ক ছড়িয়েছে সারা গ্রামে। বাড়ির মধ্যে ভূতের ভয়ে সিঁটিয়ে সবাই। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ভূত বা অলৌকিক শক্তি ছাড়া এমন বন্ধ ঘরে আগুন লাগা সম্ভব নয়। কারণ বাড়ির ওই অংশের বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন।

চারিদিকে ঝোপঝাড়-জঙ্গলের মাঝে আলো-আঁধারি পরিবেশে এই শ্যালক-ভগ্নীপতিদের বসতবাড়িতে এলে এমনিতেই গা ছমছম করে। বাড়ির দেওয়ালে নানা চিহ্ন আঁকা। সেই চিহ্নে হাত দিলেই নাকি বিপদ। এমন পরিবেশে কীভাবে থাকবেন উৎপলের পরিবার? তাঁর স্ত্রীও আতঙ্কে। কিন্তু তাঁদের যাওয়ারও কোনও জায়গা নেই।

ঘটনার তদন্তে নেমেছেন দমকলের আধিকারিকরা। খতিয়ে দেখছেন আগুনের উৎস। এক আধিকারিক বলেন, “এই আগুন লেগে যাওয়া স্বাভাবিক নয়। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সম্ভবত আগুন লাগানো হতে পারে। তবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এখনই প্রকাশ্যে কিছু বলছি না।”

রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চের একটি টিম। অলৌকিক ঘটনা, ভূতের হাত আছে—এইসব আজগুবি গল্প মানতে তারা নারাজ।

এদিকে, বাসুদেবপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান প্রশান্ত হড়ের বক্তব্য, তিন শরিকের বিবাদ থেকেই এমন কিছু হতে পারে।

 ওড়িশার সম্বলপুরেও সমারোহে পালন করা হল 'হর ঘর তিরঙ্গা' কর্মসূচি। এই মিছিলের নেতৃত্ব দিলেন বিজেপি সাংসদ তথা দলের প্রবীণ নেতা ধর্মেন্দ্র প্রধান। জাতীয় পতাকা নিয়ে দলীয় কর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে পদযাত্রায় অংশ নেন তিনি। কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে জনজোয়ার দেখা যায়।


ধর্মেন্দ্র প্রধানের নেতৃত্বে 'হর ঘর তিরঙ্গা' কর্মসূচি, সম্বলপুরে জনজোয়ার
ধর্মেন্দ্র প্রধান


দেশজুড়ে বিভিন্ন রাজ্যে শুরু হয়েছে ‘হর ঘর তিরঙ্গা যাত্রা’। ওড়িশার সম্বলপুরেও সমারোহে পালন করা হল এই কর্মসূচি। এই মিছিলের নেতৃত্ব দিলেন বিজেপি সাংসদ তথা দলের প্রবীণ নেতা ধর্মেন্দ্র প্রধান। জাতীয় পতাকা নিয়ে দলীয় কর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে পদযাত্রায় অংশ নেন তিনি। কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে জনজোয়ার দেখা যায়।


ওড়িশায় ‘হর ঘর তিরঙ্গা’
স্বাধীনতা দিবসের আগে দেশজুড়ে ৯ অগস্ট থেকে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। ওড়িশার সম্বলপুরে এই কর্মসূচির সূচনা করলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। হাতে পতাকা, গলায় তিরঙ্গা উত্তরীয় পরে দলের কর্মী-নেতাদের সঙ্গে হাঁটেন। পদযাত্রার পাশাপাশি একটি জায়গায় জমায়েত হয়ে দেশপ্রেম ও জাতীয় ঐক্যের বার্তা তুলে ধরা হয়।




মমতার গাড়িতে পড়ল পাথর, জুতো, উঠল চোর স্লোগান , দেখুন...
এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, “তিরঙ্গা (ভারতের পতাকা) আমাদের জাতীয় গর্ব, আত্মমর্যাদা ও ঐক্যের প্রতীক। সম্বলপুরে ‘তিরঙ্গা যাত্রা’র মাধ্যমে আমরা বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছি। ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ অভিযানকে গণআন্দোলনে পরিণত করি এবং ‘বিকশিত ওড়িশা’ ও ‘বিকশিত ভারত’ গড়ে তুলতে অবদান রাখি।” উল্লেখ্য, নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস ঘিরে ছাত্র আন্দোলনে উত্তাল হয়েছিল দেশ। দাবি ছিল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার। সেই দাবি পূরণ করে গত ২৫ জুলাই শিক্ষামন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেন তিনি।


এদিকে, রবিবার ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝি ‘তিরঙ্গা যাত্রা’-য় অংশগ্রহণকারীদের প্লাস্টিকের পতাকা ব্যবহার না করার আবেদন জানিয়েছিলেন। পরিবেশবান্ধব কর্মসূচির জন্য প্লাস্টিকের পরিবর্তে কাপড়ের তৈরি জাতীয় পতাকা ব্যবহারের পরামর্শ দেন তিনি। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আহ্বানে শুরু হওয়া এই কর্মসূচি বর্তমানে একটি দেশব্যাপী আন্দোলনে পরিণত হয়েছে।

‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া একটি পোস্টও করেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে তিনি লেখেন,”এই কর্মসূচি ভারতীয়দের মধ্যে দেশপ্রেম, আত্মমর্যাদা ও ঐক্যের অনুভূতি আরও শক্তিশালী করছে। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আহ্বানে শুরু হওয়া এই অভিযান আজ গোটা দেশে গণআন্দোলনের রূপ নিয়েছে।”

দক্ষিণ শহরতলির অন্যতম বড় ও গুরুত্বপূর্ণ রেলস্টেশন হল যাদবপুর। এই স্টেশনের লাগোয়া রেলের জমিতেই তৈরি হচ্ছে মিনি মার্ট। যাদবপুর এলাকাকে প্রাণবন্ত করার জন্য এই মার্ট তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই মিনি মার্টে ছোট ছোট দোকান করে দেওয়া হবে। দোকানের সর্বোচ্চ আয়তন হবে ৮০ বর্গফুট।


আমূল বদলে যাচ্ছে যাদবপুর স্টেশন, তৈরি হবে মিনি মার্ট, এক ছাদের তলাতেই মিলবে সব, বড় উদ্যোগ রেলের
যাদবপুর স্টেশন

যাদবপুর স্টেশনকে (Jadavpur Station) ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ পূর্ব রেলের। স্টেশনে তৈরি হবে মিনি মার্ট (Mini Mart)। প্রায় তিন হাজার বর্গমিটার এলাকায় মিনি মার্ট তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে পূর্ব রেল (Eastern Railway)। এই মিনি মার্টে একই ছাদের তলায় নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস থেকে খাবার সবই পাওয়া যাবে। ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। রেলের এই উদ্যোগের ফলে যেমন ছোট ব্যবসায়ীদের আয়ের পথ খুলবে, তেমনই উপকৃত হবেন যাত্রীরাও।


কী এই মিনি মার্ট?
দক্ষিণ শহরতলির অন্যতম বড় ও গুরুত্বপূর্ণ রেলস্টেশন হল যাদবপুর। এই স্টেশনের লাগোয়া রেলের জমিতেই তৈরি হচ্ছে মিনি মার্ট। যাদবপুর এলাকাকে প্রাণবন্ত করার জন্য এই মার্ট তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই মিনি মার্টে ছোট ছোট দোকান করে দেওয়া হবে। দোকানের সর্বোচ্চ আয়তন হবে ৮০ বর্গফুট। সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ জায়গাজুড়ে দোকান তৈরি করা হবে। নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দোকান যেমন থাকছে, তেমনই খাবার দোকানও থাকবে মিনি মার্টে। প্রয়োজন মতো যাত্রীরা এই মিনি মার্ট থেকে কেনাকাটা করতে পারবেন।


মমতার ওপর 'হামলা', রাজ্য জুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে কালীঘাট তৃণমূল
পূর্ব রেল সূত্রে খবর, ছোট দোকানগুলির জন্য ৫০ শতাংশ জায়গা রাখা হচ্ছে। বড় খুচরো দোকানগুলির জন্য় ২৫ শতাংশ ও যাতায়াত ও সৌন্দর্যায়নের জন্য ২০-৩০ শতাংশ জায়গা রাখা হচ্ছে। এই মার্টে শুধু দোকান নয়। যাত্রীদের জন্য থাকবে বিশ্রামাগার, শৌচাগার ও পার্কিংয়ের ব্যবস্থা। পূর্ব রেল সূত্রে খবর, এই বিশ্রামাগার, পার্কিং, শৌচাগারের জন্য ৫ থেকে ২০ শতাংশ জায়গা রাখা হয়েছে। এছাড়া, নতুন টিকিট বুকিং কাউন্টার থেকে লিফট-সহ ফুট ওভারব্রিজ তৈরিরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।


উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগেই যাদবপুর স্টেশনে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। হকারদের রুজিরুটি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তবে, রেলের বিশেষ উদ্যোগে এই হকাররাই লাভবান হতে পারেন বলে খবর। এই মিনি মার্টে উচ্ছেদ হওয়া হকারদের পুনর্বাসন দেওয়া হতে পারে বলে রেল সূত্রে খবর। এর ফলে বহু ছোট ব্যবসায়ীদের আয়ের পথ খুলবে বলে মনে করা হচ্ছে।

কী বলছেন নিত্যযাত্রীরা?
রেলের এই উদ্যোগে খুশি নিত্যযাত্রীরা। মিনি মার্ট তৈরি হলে বহু যাত্রীর সুবিধা হবে বলছেন তাঁরা। যাতায়াতে যেমন সুবিধা হবে, তেমনই প্রয়োজনীর জিনিস হাতের সামনে পেলেও উপকৃত হবেন বলে জানাচ্ছেন যাত্রীরা।