WEATHER

Top News


 ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মাথাভাঙা শহর তৃণমূলের ব্লক সভাপতি বিশ্বজিৎ রায় এই বিতর্কিত মন্তব্য করেন। শহরের ১ নম্বর ওয়ার্ডের একটি পথসভায় তৃণমূলের শহর ব্লক সভাপতি বিশ্বজিৎ রায়ের বিতর্কিত মন্তব্য ব্যাপক আলোড়ন ফেলেছে শহরে।

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে এখন হুমকি দিয়ে বেড়াচ্ছেন তৃণমূল নেতারা?
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে হুঁশিয়ারি তৃণমূল নেতা।

দিনহাটার পর এবার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধের হুঁশিয়ারি মাথাভাঙার তৃণমূল ব্লক সভাপতির। লোকসভা ভোটে মাথাভাঙায় সব ওয়ার্ডে তৃণমূলের হার হয়েছে। তাতেই কি লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে কোপ পড়তে চলেছে বলে হুঁশিয়ারি দিলেন ব্লক তৃণমূল সভাপতি? তৃণমূলে থেকে সব সুযোগ সুবিধা নিয়ে বিজেপিকে ভোট দিয়েছে যারা, আগামিদিনে তাদের চিহ্নিত করে সরকারি প্রকল্প বন্ধের হুঁশিয়ারি দেন মাথাভাঙার তৃণমূল ব্লক সভাপতি বিশ্বজিৎ রায়।

২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মাথাভাঙা শহর তৃণমূলের ব্লক সভাপতি বিশ্বজিৎ রায় এই বিতর্কিত মন্তব্য করেন। শহরের ১ নম্বর ওয়ার্ডের একটি পথসভায় তৃণমূলের শহর ব্লক সভাপতি বিশ্বজিৎ রায়ের বিতর্কিত মন্তব্য ব্যাপক আলোড়ন ফেলেছে শহরে।

১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভা থেকে দিনহাটা ২ নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি দীপক কুমার ভট্টাচার্যকে ঠিক এরকমই কথা বলতে শোনা গিয়েছিল। এবার মাথাভাঙা নেতার মুখেও একই কথা। বিশ্বজিৎ রায়কে ওই সভায় বলতে শোনা গিয়েছে, “যারা বেইমানি করে তাদের শিক্ষা দিতে হবে। সারা বছর তৃণমূলের খেয়েদেয়ে ভোটের সময় বেইমানি করলে শক্ত হাতে দমন করতে হবে। প্রয়োজনে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধ করে দিতে হবে। এটাই আমাদের উদ্দেশ্য হবে আগামিদিনে।”

পাল্টা বিজেপির কোচবিহার জেলা সভাপতি মনোজ ঘোষ বলেন, এই প্রকল্পগুলি তো মানুষের করের টাকায়। আর এটা তো তৃণমূল দেয় না। সরকার দেয়। সরকার তো সকলের। তাই সকলেরই তা পাওয়ার অধিকারী আছে। কী করে এটা বলতে পারে? মনোজ ঘোষ বলেন, “তাহলে সরকার কাগজে লিখে দিক তৃণমূলে ভোট দিলে এই প্রকল্প পাওয়া যাবে। না হলে নয়।”

এ বিষয়ে বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, “যেমন ঝাড় তেমনই তো বাঁশ হবে। এই যে কেন্দ্রের সরকার যদি বলে যারা বিজেপিকে ভোট দেয়নি আধার কার্ড বাতিল করে দেব, ভোটার কার্ড, রেশন কার্ড বাতিল করে দেব। সেটাও যেমন শুনতে ভাল লাগে না বা সম্ভব নয়। এটাও তেমনই সম্ভব নয়।”
এর পাশাপাশি জয়ন্ত সিংয়ের বাড়ি নিয়েও মন্তব্য করতে শোনা যায় দমদমের তৃণমূল সাংসদকে। অভিযোগ উঠছে, পুকুর বুজিয়ে বেআইনি নির্মাণ করেছে জয়ন্ত। তবে কি তার বাড়ি এবার ভেঙে ফেলা হবে? সৌগত রায় বলেছেন, "এখনই এমন কিছু হবে না। বাড়ি ভাঙার আইনগত পদ্ধতি আছে।


'ভুল হয়েছে...' মদনকে পাশে নিয়ে বড় সিদ্ধান্তের কথা জানালেন সৌগত
মদন মিত্র ও সৌগত রায়


উত্তর ২৪ পরগনা: জয়ন্ত সিং…জয়ন্ত সিং… আর জয়ন্ত সিং…। বিগত বেশ কয়েকদিন ধরে এই ‘গ্যাংস্টারের’ নাম সংবাদ শিরোনামে। আড়িয়াদহে মা ছেলেকে পেটানোর অভিযোগ থেকে শুরু করে সাঁড়াশি দিয়ে নাবালকের গোপনাঙ্গ ছিঁড়ে নেওয়ার চেষ্টার মতো হাড়হিম করা ভিডিয়ো প্রকাশ্যে আসতেই হইচই পড়ে যায় রাজনীতিতে। আর সেই আগুনে ঘি পড়ে তখন, যখন দেখা যায় এই জয়ন্ত সিংয়ের সঙ্গে একই মঞ্চ শেয়ার করছেন কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রের ছেলে, তাঁর পুত্রবধূ। সেই ছবি প্রকাশ্যে আসতেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে তবে কি এই গ্যাংস্টারের সঙ্গে যোগ রয়েছে মদনের পরিবারের? কার ছত্রছায়াতেই বা এই দুষ্কৃতীর বাড়ন্ত? এমন আবহেই আজ মদনকেই পাশে বসিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন দমদমের তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। বলেন, “যা হয়েছে ভুল হয়েছে। সংশোধন করে নেওয়া হবে।”

আজ তৃণমূল নেতা-কর্মী ও এলাকার কাউন্সিলরদের সঙ্গে একপ্রস্থ বৈঠক করেন মদন-সৌগত। একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় সেখানে। পরে সাংবাদিক বৈঠক করে সে কথাই খোলাখুলি জানান সৌগত রায়। সাংসদ বলেন,”আজ আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের সঙ্গে কোনও বড় প্রোমোটার বা সমাজ বিরোধীদের সম্পর্ক থাকবে না। অতীতে যদি ভুল হয়ে থাকে আমরা সেটা সংশোধন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।” সৌগতকে এও বলতে শোনা যায়, “অতীতে হয়ত কিছু ভুল হয়েছে…তবে সব কিছুর তো সময় থাকে? উল্টো রথের দিন সিদ্ধান্ত নিলাম যা হয়েছে ভুল হয়েছে। সংশোধন করব। এরপর থেকে ভুল হবে না।”

এর পাশাপাশি জয়ন্ত সিংয়ের বাড়ি নিয়েও মন্তব্য করতে শোনা যায় দমদমের তৃণমূল সাংসদকে। অভিযোগ উঠছে, পুকুর বুজিয়ে বেআইনি নির্মাণ করেছে জয়ন্ত। তবে কি তার বাড়ি এবার ভেঙে ফেলা হবে? সৌগত রায় বলেছেন, “এখনই এমন কিছু হবে না। বাড়ি ভাঙার আইনগত পদ্ধতি আছে। সেটা শুরু হয়েছে। প্রথম পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।”

কেন্দ্রীয় হারে ডিএ প্রয়োজন। এই দাবি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারিদের একাংশ। এই নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টেরও দ্বারস্থ হন তাঁরা। পরবর্তীতে মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। সরকারি কর্মচারিদের একাংশের পাশাপাশি রাজ্য সরকারও দ্বারস্থ হয়েছে শীর্ষ আদালতের।


ফের পিছিয়ে গেল DA শুনানি, অপেক্ষা করতে হবে ডিসেম্বর পর্যন্ত
সুপ্রিম কোর্ট


নয়া দিল্লি: কেন্দ্রীয় হারে মহার্ঘ ভাতা পান না রাজ্য সরকারি কর্মচারিরা। এই দাবি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন রাজ্য সরকারি কর্মচারিদের একাংশ। সোমবার শুনানি হওয়ার কথা ছিল। তবে তা হল না। পিছিয়ে গেল ডিএ মামলার শুনানি। কোনও পক্ষই পেশ করতে পারেনি বক্তব্য। ডিসেম্বরে ফের ডিএ মামলার শুনানি।

কেন্দ্রীয় হারে ডিএ প্রয়োজন। এই দাবি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারিদের একাংশ। এই নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টেরও দ্বারস্থ হন তাঁরা। পরবর্তীতে মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। সরকারি কর্মচারিদের একাংশের পাশাপাশি রাজ্য সরকারও দ্বারস্থ হয়েছে শীর্ষ আদালতের। সেই মামলার শুনানি ছিল আজ। তবে সেই শুনানি হয়নি। জানা যাচ্ছে, ডিসেম্বরে ডিএ মামলার শুনানি হবে। ফলে ততদিন পর্যন্ত ফের প্রতীক্ষায় থাকতে হবে রাজ্য সরকারি কর্মচারিদের।

প্রসঙ্গত, ২০২২ সালে প্রথম সুপ্রিম কোর্টে ওঠে ডিএ মামলা। প্রায় দেড় বছরের বেশি সময় কেটেছে। কিন্তু পূর্ণাঙ্গ শুনানি একবারও হয়নি। যার জেরে কার্যত হতাশ লক্ষ-লক্ষ কর্মচারি। রাজ্য সরকারি কর্মীদের একাংশের অভিযোগ, ৫০ শতাংশ হারে মহার্গ ভাতা পেলেও তাঁদের এআইসিপিআই মেনে ডিএ দেওয়া হচ্ছে না। বঞ্চনার শিকার হচ্ছেন তাঁরা।

পরিবার ও হাসপাতাল সূত্রে খবর, অমিত মিত্রর শ্বাসনালী সংক্রমণের ধাঁচ রয়েছে। এবার জ্বর-সর্দি-কাশি থাকার জন্য কোনও ঝুঁকি নেননি তাঁর পরিবারের সদস্যরা। ঢাকুরিয়ার বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। চিকিৎসকরা একাধিক শারীরিক পরীক্ষা-নীরিক্ষা করেন।

করোনা আক্রান্ত অমিত মিত্র, ঢাকুরিয়ার বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি
অমিত মিত্র


কলকাতা: হাসপাতালে ভর্তি রাজ্যের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। সূত্রের খবর, করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন তিনি। বেশ কয়েকদিন ধরেই জ্বর-সর্দি-কাশি নিয়ে ভুগছিলেন তিনি। এরপর সোমবার ঢাকুরিয়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। তবে অমিতবাবুর শারীরিক অবস্থা উদ্বেগজনক নয় বলে খবর।

পরিবার ও হাসপাতাল সূত্রে খবর, অমিত মিত্রর শ্বাসনালী সংক্রমণের ধাঁচ রয়েছে। এবার জ্বর-সর্দি-কাশি থাকার জন্য কোনও ঝুঁকি নেননি তাঁর পরিবারের সদস্যরা। ঢাকুরিয়ার বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। চিকিৎসকরা একাধিক শারীরিক পরীক্ষা-নীরিক্ষা করেন। সেই সময় করোনা পরীক্ষা করা হলে কোভিড পজেটিভ ধরা পড়ে তাঁর।

হাসপাতাল সূত্রে খবর, প্রাক্তন অর্থ মন্ত্রীকে আলাদা কেবিনে রাখা হয়েছে । স্যালাইনের মাধ্যমে অ্যান্টিবডি দেওয়া হতে পারে বলে খবর। প্রসঙ্গত, দীর্ঘ একদশক ধরে রাজ্যের অর্থ দফতরের দায়িত্ব সামলেছেন অমিত মিত্র। অর্থমন্ত্রী থাকাকালীন বিভিন্ন ধরনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। তবে বয়সজনিত কারণে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে আর ভোট লড়েননি তিনি।

 মধ্য প্রদেশের ৫৫টি জেলায় 'পিএম কলেজ অব এক্সেলেন্স'-র ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ৫৫টি জেলায় আলাদা আলাদা অনুষ্ঠান হয়। গুনায় 'পিএম কলেজ অব এক্সেলেন্স'-র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পান্নালাল শাক্য।

ডিগ্রি কাজে লাগবে না, মোটর সাইকেলের লিক সারানোর দোকান খোলো', পড়ুয়াদের পরামর্শ বিজেপি বিধায়কের
প্রতীকী ছবি


গিয়েছিলেন ‘পিএম কলেজ অব এক্সেলেন্স’-র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। সেখানে গিয়ে সংসার চালাতে পড়ুয়াদের মোটর সাইকেলের লিক সারানোর দোকান খোলার পরামর্শ দিলেন এক বিজেপি বিধায়ক। মধ্য প্রদেশের গুনা বিধানসভার বিধায়ক পান্নালাল শাক্য ওই অনুষ্ঠানে পড়ুয়াদের এই পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, “ডিগ্রি অর্জন করে কোনও লাভ হবে না। সংসার চালাতে মোটর সাইকেলের লিক সারানোর দোকান খোলা উচিত পড়ুয়াদের।”

রবিবার মধ্য প্রদেশের ইন্দোরে অটল বিহারী বাজপেয়ী গভর্নমেন্টস আর্টস ও সায়েন্স কলেজে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেই অনুষ্ঠান থেকে মধ্য প্রদেশের ৫৫টি জেলায় ‘পিএম কলেজ অব এক্সেলেন্স’-র ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ৫৫টি জেলায় আলাদা আলাদা অনুষ্ঠান হয়। গুনায় ‘পিএম কলেজ অব এক্সেলেন্স’-র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পান্নালাল শাক্য।

সংবাদসংস্থা PTI জানিয়েছে, সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজেপি বিধায়ক বলেন, “এখানে একটি পিএম কলেজ অব এক্সেলেন্স উদ্বোধন করলাম আমরা। আমি একটা কথা সবাইকে মনে রাখতে বলব। এইসব কলেজ ডিগ্রি দিয়ে কিছু হবে না। তার বদলে পেট চালাতে বাইকের পাংচার সারানোর একটা দোকান খুলুন।”



এ প্রসঙ্গে সংগঠনের এক কর্তা বলেন, "একটি মুরগি বোঝাই গাড়ি পুলিশ আটক করে। বৈধ নথি থাকা সত্বেও পুলিশ গাড়ি আটকে রাখে। হেনস্থা করা হয় চালককে। টাকা চাওয়া হয়। পুলিশ যে টাকা চেয়েছিল সেই টাকা চালকের কাছে না থাকায় উনি দিতে অস্বীকার করেন।"

বৃহস্পতিবার থেকে কি বাংলায় মিলবে না মুরগির মাংস? নেওয়া হল বড় সিদ্ধান্ত
মিলবে না মুরগির মাংস?


বেলদা: এবার কি মুরগির মাংস মিলবে না? নাকি অধিক দাম দিয়ে কিনতে হবে? কারণ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ মুরগি পরিবহন। সাংবাদিক সম্মেলন করে নির্দেশিকা জারি করল ওয়েস্ট বেঙ্গল পোল্ট্রি ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন।

কেন এমন সিদ্ধান্ত?

গত ১১ই জুলাই বৃহস্পতিবার মধ্যরাত্রে একটি মুরগির গাড়ি যাচ্ছিল। অভিযোগ, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বেলদা থানা এলাকায় পুলিশের দ্বারা আক্রান্ত হয় গাড়ির চালক। তাঁর নাম সমীর ঘোষ। বাড়ি শালবনীতে। ঘটনার পর তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে বেলদা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় মেদিনীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বেলদা থানার আইসি পরে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার পুলিশ সুপার এবং নবান্নে মেল মারফত জানান অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তারা। তার এখনো উত্তর মেলেনি বলে দাবি অ্যাসোসিয়েশনের।

এ প্রসঙ্গে সংগঠনের এক কর্তা বলেন, “একটি মুরগি বোঝাই গাড়ি পুলিশ আটক করে। বৈধ নথি থাকা সত্বেও পুলিশ গাড়ি আটকে রাখে। হেনস্থা করা হয় চালককে। টাকা চাওয়া হয়। পুলিশ যে টাকা চেয়েছিল সেই টাকা চালকের কাছে না থাকায় উনি দিতে অস্বীকার করেন। চালক নিজের সাধ্য মতো পঞ্চাশ টাকা দিতে চেয়েছিলেন। আর তার জন্য কর্তব্যরত পুলিশ আধিকারিকরা ওই চালককে টর্চের পিছন দিক দিয়ে মাথায় জোরাল আঘাত করেন। রক্তাক্ত হন চালক। গালিগালাজ করা হয়।”

এরপর সোমবার সন্ধ্যায় পাঁশকুড়ার মেছোগ্রামে একটি আবাসনে বেশ কয়েকটি জেলার প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি বৈঠক হয়। সেই বৈঠক শেষে সাংবাদিক সম্মেলন করে ওয়েস্ট বেঙ্গল পোল্ট্রি ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তারা। তাঁরা ঘোষণা করেন, আগামী ১৮ জুলাই বৃহস্পতিবার মধ্যরাত্র থেকে রাজ্য জুড়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য মুরগি পরিবহন বন্ধ থাকবে।

ছানিকাণ্ডে সম্পূর্ণ দৃষ্টিশক্তি হারালেন দু'জন। বাকি ১৮ জনেরও দৃষ্টিশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত। দু'জনের দৃষ্টিশক্তি নষ্টের কথা অস্বীকার করেননি আর‌আইও ডিরেক্টর অসীম ঘোষ। একদিকে ছানিকাণ্ডে ধাক্কা, অন্যদিকে চিকিৎসক সঙ্কটে আর‌আইও। আর‌আইও'র ১২ জন চিকিৎসককে অন্যত্র বদলি করা হয়েছে।


চোখের আলো’ প্রকল্পে অন্ধকার ঘনাল চোখে! ছানিকাণ্ডে দৃষ্টি হারালেন ২ জন
ছানি কাটাতে এসে দৃষ্টি হারালেন দু'জন।


কলকাতা: স্বাস্থ্য ভবনের মুখরক্ষা হল না। চোখের আলো প্রকল্পেই দুই রোগীর চোখে ঘনিয়ে এল অন্ধকার। ছানি অপারেশনকাণ্ডে দৃষ্টিশক্তিই হারালেন দুই রোগী। তাঁদের একটি করে চোখের দৃষ্টি হারিয়েছেন তাঁরা। ছানিকাণ্ডে সম্পূর্ণ দৃষ্টিশক্তি হারালেন দু’জন। বাকি ১৮ জনেরও দৃষ্টিশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত। দু’জনের দৃষ্টিশক্তি নষ্টের কথা অস্বীকার করেননি আর‌আইও ডিরেক্টর অসীম ঘোষ। একদিকে ছানিকাণ্ডে ধাক্কা, অন্যদিকে চিকিৎসক সঙ্কটে আর‌আইও। আর‌আইও’র ১২ জন চিকিৎসককে অন্যত্র বদলি করা হয়েছে।

চক্ষু হাসপাতালের উৎকর্ষ কেন্দ্রে প্রফেসর, অ্যাসোসিয়েট, অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর পদে ২৪ জন চিকিৎসক থাকার কথা। চিকিৎসক সঙ্কটে কি উৎকর্ষ মানের পরিষেবা সম্ভব, ছানিকাণ্ডের অস্বস্তির মধ্যেই প্রশ্ন আর‌আইও কর্তৃপক্ষের।

অনেকেরই বেসরকারি হাসপাতালে গিয়ে ছানি কাটানোর সামর্থ নেই। তাঁদের জন্যই সরকার চোখের আলো প্রকল্প নিয়ে এসেছে। সেই প্রকল্পে মেটিয়াবুরুজ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ছানি কাটাতে গিয়েই চরম বিপাকে পড়েছেন।

রিজিওনাল ইনস্টিটিউট অব অবথ্যালমোলজি বা আর‌আইও ডিরেক্টর অসীম ঘোষ বলেন, “প্রায় সকলকে নিয়েই আমরা আশাবাদী। ১৪-১৫ জন তো বটেই।” অর্থাৎ সকলের ক্ষেত্রে একইরকম জোর নেই আরআইওর ডিরেক্টরের গলায়।

মেটিয়াবুরুজ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ছানি কাটানোর পর একাধিক রোগীর আত্মীয়রা দাবি করেন, সেই অস্ত্রোপচারের পরই চোখের সমস্যা দেখা দিয়েছে। সূত্রের খবর, কোনও সংক্রমণ থেকে এই ঘটনা ঘটে। স্বাস্থ্য ভবনে এ নিয়ে বৈঠক হয়। প্রশ্ন ওঠে, অপারেশন থিয়েটারের পরিকাঠামো নিয়েও। স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম এ নিয়ে রিপোর্টও চান। জানতে চান, রাজ্যের সমস্ত চোখের হাসপাতালে নির্দিষ্ট এসওপি মেনে কাজ হচ্ছে কি না। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, এই রিপোর্ট চাওয়ায় একটু দেরি হয়ে গেল না তো? যখন চোখের ছানি কাটাতে গিয়ে ২ জন দৃষ্টি হারালেন, ১৮ জন ক্ষতিগ্রস্ত, তখন নড়েচড়ে বসল স্বাস্থ্যভবন। আগে এই ফাকফোকর খুঁজে দেখা হল না কেন?

বিজেপি নেতা সজল ঘোষের কথায়, “সরকার ভুল বোঝাচ্ছে। এই যে বলছে ২ জনের সমস্যা আর ১৮ জনের দৃষ্টিশক্তি ফিরেছে। এটা একদমই ঠিক নয়। খোঁজ নিয়ে দেখবেন হয়ত ১৮ জনও একইভাবে ক্ষতির মুখে। সরকার মিসগাইড করছে। আমি এই সেট-আপটা বুঝি। এই ইনফেকশনে চোখ গেলে চোখ ফেরানো মুশকিল। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা।”

যদিও তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বলেন, “চক্ষু বিশেষজ্ঞদের দেখা উচিত কেন হল। রাজনীতি দিয়ে নয়। এর জন্য স্বাস্থ্য পরিকাঠামো ভেঙে পড়েছে। এটা ঠিক না।”

নবান্ন সূত্রে খবর, শ্রম দফতরের নতুন সচিব করা হয়েছে অবনীন্দ্র সিং-কে। তিনি শ্রম দফতরের পাশাপাশি বর্ধমান ডিভিশনের ডিভিশনাল কমিশনারের দায়িত্বও সামলাবেন। আবার বর্তমান শ্রম সচিব বরুণ রায় অপ্রচলিত ও পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি দফতরের অতিরিক্ত মুখ্য সচিব হলেন।


প্রশাসনের উচ্চ-পর্যায়ে বড় রদবদল করল নবান্ন, কে কোন দায়িত্ব পেলেন?
নবান্ন


কলকাতা: রাজ্য প্রশাসনের উচ্চ-পর্যায়ে রদবদল নবান্নর। একাধিক আধিকারিক পেলেন অতিরিক্ত দায়িত্ব। তার মধ্যে যেমন রয়েছেন আইপিএস রাজেশ কুমার, তেমনই রয়েছেন পরিবেশ সচিব রোশনি সেন।নবান্ন সূত্রে খবর, শ্রম দফতরের নতুন সচিব করা হয়েছে অবনীন্দ্র সিং-কে। তিনি শ্রম দফতরের পাশাপাশি বর্ধমান ডিভিশনের ডিভিশনাল কমিশনারের দায়িত্বও সামলাবেন। আবার বর্তমান শ্রম সচিব বরুণ রায় অপ্রচলিত ও পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি দফতরের অতিরিক্ত মুখ্য সচিব হলেন।

নতুন পরিবেশ সচিব হচ্ছেন আইপিএস রাজেশ কুমার। তিনি দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের সদস্য সচিবের পদও সামলাবেন। বর্তমান পরিবেশ সচিব রোশনি সেন এবার মৎস্য দফতরের অতিরিক্ত মুখ্যসচিবের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ শিল্প উন্নয়ন নিগমের চেয়ারম্যান এবং এমডি পদের দায়িত্ব সামলাবেন।

ছোটেন লামা আদিবাসী উন্নয়ন দফতরের পাশাপাশি এখন থেকে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের প্রধান সচিবের দায়িত্বেও থাকবেন। কর্মিবর্গ ও প্রশাসনিক সংস্কার দফতরের নতুন সচিব হলেন জগদীশপ্রসাদ মিনা। এই দফতরের পাশাপাশি তিনি সংশোধনাগার দফতর এবং প্রেসিডেন্সি ডিভিশনের ডিভিশনাল কমিশনারের দায়িত্বও সামলাবেন। ‌কর্মিবর্গ ও প্রশাসনিক সংস্কার দফতরের বর্তমান সচিব প্রভাত কুমার মিশ্র সেচ দফতর দেখবেন। ‌‌সংখ্যালঘু উন্নয়ন ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের নতুন সচিব হলেন গুলাম আলি আনসারি। মালদা ডিভিশনের অতিরিক্ত কমিশনারের দায়িত্বও তিনি সামলাবেন।

রবিবার স্থানীয় একটি পুজোর বিসর্জন দেখতে গিয়েছিল ওই কিশোরী। মেয়েটি ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ত। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, রাত্রি দশটা বেজে যাওয়ার পরও বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করে। সারারাত খুঁজে না পাওয়ায় সোমবার সকালে কিশোরীর বাবা জয়পুর থানায় অভিযোগ করে।

মা রে বাড়ি চল...', মায়ের ডাক ফিরিয়েছিল মেয়ে, বিসর্জনের রাতেই নারকীয় ঘটনার শিকার
হাওড়ায় হাড়হিম ঘটনা


হাওড়া: কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ। শুধু তাই নয়, তারপর খুন। দেহ লোপাটের জন্য় খোঁড়া হল মাটি। অতঃপর দেহটি পুঁতে তার উপর মাটি চাপা দিয়ে প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা। শিউরে ওঠার মতো এমনই ঘটনা ঘটেছে হাওড়ার জয়পুর থানা এলাকায়। গ্রেফতার অভিযুক্ত প্রতিবেশী যুবক।

পরিবার সূত্রে খবর, রবিবার স্থানীয় একটি পুজোর বিসর্জন দেখতে গিয়েছিল ওই কিশোরী। মেয়েটি ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ত। রাত্রি দশটা বেজে যাওয়ার পরও বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করে। সারারাত খুঁজে না পাওয়ায় সোমবার সকালে কিশোরীর বাবা জয়পুর থানায় অভিযোগ করেন। এরপরই পুলিশ তদন্ত নামে। ছাত্রীর বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে প্রতিবেশী সন্দেহভাজন বছর বাইশের এক যুবককে আটক করা হয়। পরে পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে পারে, নাবালিকাকে শ্বাসরোধ করে খুন করে একটি জমির মধ্যে মাটি চাপা দিয়েছে সে। এরপর জয়পুর থানার পুলিশ গিয়ে ছাত্রীর দেহ উদ্ধার করে। পরে পুলিশ ওই যুবককে গ্রেফতার করে।

নির্যাতিতার মা বলেন, “মেয়ে বলেছিল পুজো দেখতে যাচ্ছি। রাত্রি আটটা নাগাদ আমি ডাকতে গিয়ে বললাম বাড়ি চল মা। ও বলল যাব না। ঠাকুর ভাসান গেলে যাব। এরপর ফের রাত্রি দশটা নাগাদ ওইখানে গিয়ে আর মেয়েকে দেখতে পাইনি।” নির্যাতিতার বাবা বলেন, “মেয়েকে খুঁজে পাইনি। পুলিশকে জানাই। এরপর থানায় ডেকে পাঠাল আমায়। ডায়রি করি। পরে বড় সাহেব জানাল খবরটা।”

বস্তুত, ২০১৬ সালের স্কুল সার্ভিস কমিশনের পুরো প্যানেল বাতিল করা হয়। বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি শব্বর রশিদির ডিভিশন বেঞ্চ ওই প্যানেল বাতিলের নির্দেশ দেয়। দেখা যায়, গ্রুপ সি, গ্রুপ ডি, নবম-দশম ও একাদশ-দ্বাদশের মোট ২৫ হাজার ৭৫৩ জনের চাকরি বাতিল হয়।


চাকরি থাকবে ২৫ হাজারের বেশি শিক্ষাকর্মীর? সুপ্রিম শুনানি মঙ্গলবার
প্রতীকী ছবি

 বাতিল মামলার শুনানি মঙ্গলবার। ২৫ হাজারের বেশি শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর আদৌ কি চাকরি থাকবে ? সেই উত্তর মিলবে আগামিকাল। কারণ, সুপ্রিম কোর্টে শুনানি রয়েছে চাকরি বাতিল মামলার। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে চাকরি বাতিল হয় ২৫ হাজারের বেশি শিক্ষাকর্মীর।


বস্তুত, ২০১৬ সালের স্কুল সার্ভিস কমিশনের পুরো প্যানেল বাতিল করা হয়। বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি শব্বর রশিদির ডিভিশন বেঞ্চ ওই প্যানেল বাতিলের নির্দেশ দেয়। দেখা যায়, গ্রুপ সি, গ্রুপ ডি, নবম-দশম ও একাদশ-দ্বাদশের মোট ২৫ হাজার ৭৫৩ জনের চাকরি বাতিল হয়। এরপর রাজ্য সরকার ও এসএসসি এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়। এসএসসি-র দাবি, কতজনের চাকরি অবৈধভাবে হয়েছে, তার একটা হিসেব তারা দিয়েছিল হাইকোর্টে। তারপরও কেন পুরো প্যানেল বাতিল করা হল? এই প্রশ্ন তোলে তারা।দেশের শীর্ষ আদালতের নির্দেশে এই রায়ে স্থগিতাদেশ পড়ে।


তবে আদৌ কি এই ২৫ হাজারের চাকরি বহাল থাকবে? কারণ, অভিযোগ উঠছে অনিয়মের। আর সেই মামলার শুনানি রয়েছে আগামিকাল। আদৌ এই ২৫ হাজারের চাকরি বহাল থাকবে? নাকি কিছু জনের চাকরি বেঁচে যাবে? মঙ্গলবারই মিলতে চলছে সব প্রশ্নের উত্তর।

মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পাওয়া ডোনাল্ড ট্রম্পের প্রতি তাদের ভালবাসা প্রকাশ করেছেন ট্রাম্পের সন্তানরা। কিন্তু মেলানিয়া ট্রাম্পের পক্ষ থেকে কোনও বার্তা আসেনি। বস্তুত, হোয়াইট হাউসে দ্বিতীয়বার প্রবেশের ইচ্ছেয়, ট্রাম্প বর্তমানে যে নির্বাচনী প্রচার চালাচ্ছেন, তার কোথাও মেলানিয়াকে দেখা যায়নি। কোথায় গেলেন মার্কিুন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন ফার্স্ট লেডি?
স্বামীর উপর প্রাণঘাতী হামলা, কোথায় মেলানিয়া ট্রাম্প?
মেলানিয়া ও ডোনাল্ড ট্রাম্প

ওয়াশিংটন: পেনসিলভানিয়ায় নির্বাচনী সমাবেশ হত্যার চেষ্টা রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। অল্পের জন্য বেঁচে গিয়েছেন তিনি। রবিবার (১৪ জুলাই), ট্রাম্পের উপর এই হামলার পর, সারা বিশ্বের রাষ্ট্রনেতারা এবং ট্রাম্পের সন্তানরা বেশ কিছু বার্তা পাঠিয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রাম্পের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন। কিন্তু, এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি তাঁর স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্প। মৃত্যু হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার ট্রম্পের প্রতি তাদের ভালবাসা প্রকাশ করেছেন ট্রাম্পের সন্তানরা। কিন্তু মেলানিয়া ট্রাম্পের পক্ষ থেকে কোনও বার্তা আসেনি।

বস্তুত, হোয়াইট হাউসে দ্বিতীয়বার প্রবেশের ইচ্ছেয়, ট্রাম্প বর্তমানে যে নির্বাচনী প্রচার চালাচ্ছেন, তার কোথাও মেলানিয়াকে দেখা যায়নি। প্রচারের আলো থেকে সাত হাত দূরে আছেন তিনি। প্রকাশ্যে তাঁকে দেখাই যাচ্ছে না। এর মধ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্প সুপার টিউসডে ভিক্ট্রি পার্টি দিয়েছেন। গত মাসে তার ৭৮তম জন্মদিন ছিল। সেই উপলক্ষ্যেও পার্টি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু এই সকল গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে দেখা যায়নি মেলানিয়া ট্রাম্পকে। এমনকি, নিউইয়র্কে এক মাস ধরে অর্থের বিনিময়ে মুখ বন্ধ রাখার মামলার বিচার চলাকালীনও রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থীর সঙ্গে দেখা যায়নি মেলানিয়াকে। আজ, পেনসিলভানিয়ার সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন না তিনি। ট্রাম্পের উপর প্রাণঘাতী হামলা হওয়ার পরও তাঁর কাছ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া আসেনি।

কোথায় গেলেন মার্কিুন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন ফার্স্ট লেডি? শোনা যাচ্ছে, বেশিরভাগ সময় তিনি হয় ফ্লোরিডার পাম বিচে বা নিউ ইয়র্ক সিটির মার-এ-লাগোতে আছেন। তাঁর ছেলে ব্যারন, নিউ ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবেন। তাঁর সঙ্গেই আছেন মেলানিয়া বলে মনে করা হচ্ছে। সংবাদ সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহে মিলওয়াকিতে রিপাবলিকান পার্টির ন্যাশনাল কনভেনশন রয়েছে। সেখানে যোগ দিতে পারেন আমেরিকার প্রাক্তন ফার্স্ট লেডি, মেলানিয়া। মেলানিয়া কোনও বার্তা না দিলেও, ট্রাম্পের চার সন্তানই তাদের বাবার পাশে দাঁড়িয়েছে। নিজ নিজ সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে বাবার পাশে থাকার বার্তা দিয়েছে।

মেলানিয়াকে যখন ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাশে দেখা যাচ্ছে না, সেই সময় তাঁর পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন ট্রাম্পের প্রাক্তন স্ত্রী, মার্লা মেপলস। ট্রাম্পের প্রচারে তিনি সহায়তা করতে চেয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি ট্রাম্পের ভাইস প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগ্রহও দেখিয়েছেন। ১৯৯৩ সালে ট্রাম্পের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল তাঁর। দুজনের এক মেয়েও আছে, টিফানি। ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত টিকেছিল ট্রাম্পের এই বিয়ে। ২০ লক্ষ ডলারের বিনিময়ে ট্রাম্পকে বিবাহ বিচ্ছেদ দিয়েছিলেন তিনি। ট্রাম্পেক ২০১৬ সালের প্রচারের সময়, ৬০ বছর বয়সী প্রাক্তন অভিনেত্রীকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি।

বস্তুত, গতকাল দলের সব নেতা-কর্মী ক্ষোভ বিক্ষোভ শোনেন সুকান্ত-দিলীপ। কার্যত করজোড়ে তিনি কর্মীদের আবেদন করেন একসঙ্গে মিলেমিশে কাজ করার। উদাহরণ হিসাবে সুকান্ত তুলে ধরেন দিলীপ ঘোষের সময়কার উদাহরণ।

 'দিলীপদাকেই রাজ্য সভাপতি করতে হবে', সুকান্তর সামনেই চিৎকার BJP কর্মীর, হাত উঠিয়ে পাল্টা রাজ্য সভাপতি বললেন...
মঞ্চে দিলীপ-সুকান্ত


খড়গপুর: পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়গপুরে শনিবার বিজেপি-র কার্যকর্তাদের নিয়ে তখন মিটিং চলছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও মেদিনীপুরের প্রাক্তন সাংসদ দিলীপ ঘোষ। মিটিং সেই সময় একদম শেষের মুখে। হঠাৎ করেই একজন বিজেপি কর্মী বলেন উঠলেন, ‘দিলীপদাকে রাজ্যসভাপতি করতে হবে…।’

বস্তুত, গতকাল দলের সব নেতা-কর্মী ক্ষোভ বিক্ষোভ শোনেন সুকান্ত-দিলীপ। কার্যত করজোড়ে তিনি কর্মীদের আবেদন করেন একসঙ্গে মিলেমিশে কাজ করার। উদাহরণ হিসাবে সুকান্ত তুলে ধরেন দিলীপ ঘোষের সময়কার উদাহরণ। সভা শেষ হতেই আচমকা দেখা যায় এক কর্মী বলে বসেন, ‘দিলীপদাকে রাজ্যসভাপতি করতে হবে…দিলীপদাকে রাজ্যসভাপতি করতে হবে…তবেই বাংলার সিংহাসন আমরা পাব।’ এরপর সুকান্ত হাত দেখিয়ে ওই কর্মীকে থামিয়ে আশ্বাস দেন। বলেন, ‘করে দেব…।’

উল্লেখ্য, চলতি বছরের লোকসভা নির্বাচনে মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে দিলীপ ঘোষকে সরিয়ে বর্ধমান-দুর্গাপুর কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়। তৃণমূলের কীর্তি আজাদের কাছে পরাজিত হন তিনি। যা কার্যত মেনে নিতে পারেনি খোদ সুকান্ত মজুমদার থেকে শুরু করে শুভেন্দু অধিকারীদের মতো বিজেপির তাবড় নেতৃত্ব। সুকান্ত নিজেও বলেন, ‘দিলীপদার কেন্দ্র বদলের সিদ্ধান্ত হয়ত ঠিক হয়নি…’ একা দিলীপের পরাজয় নয়, চব্বিশের ভোটে রেজাল্টও ভাল করেনি পদ্ম-শিবিরের। আসন সংখ্যা কমেছে তাঁদের। ২০১৯-এ দিলীপ ঘোষ রাজ্য সভাপতি থাকাকালীন বিজেপি পেয়েছিল ১৮জন সাংসদকে। সেখানে এবার আসন হারানোয় কার্যত প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় রাজ্য সভাপতি সুকান্তকে। কানাঘুষো এও উঠে আসে দিলীপ ঘোষ থাকলে হয়ত রেজাল্ট আরও ভাল হত। তবে সুকান্তকে বারবার বলতে শোনা গিয়েছে, ‘আমি রাজ্য সভাপতি। খারাপ ফলের দায় তো আমাকেই নিতে হবে…।’ এই আবহে আচমকা কর্মীদের এমন দাবি পদ্ম শিবিরকে অস্বস্তিতে ফেলল কি না তার উত্তর যদিও মেলেনি।

পরিবারের বক্তব্য, ছোট থেকেই মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন সুপর্ণা শীল। প্রায় প্রতিদিনই তিনি ভোর সাড়ে তিনটা নাগাদ বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতেন। যেমনটা বেরিয়েছিলেন ১১ তারিখ। আবার ঠিক সময়মতো বাড়িও ফিরে আসতেন।


প্রায়ই বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেত, ফিরেও আসত, কিন্তু…’, কাশী বোসে উদ্ধার হওয়া মহিলার দেহ চিনতে পেরেই আক্ষেপ পরিবারের
শোকের ছায়া পরিবারে


কলকাতা: হঠাৎ মাটি খুঁড়তেই উঠে এসেছিল মহিলার পচা গলা দেহ। শনিবার বিকালে এ ঘটনায় রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছিল কাশী বোস লেনে। যদিও তাঁর মৃত্যু নিয়ে শুরু থেকেই ঘনাচ্ছিল রহস্য। জানা যায়নি পরিচয়ও। অবশেষে এদিন সকালে সামনে আসে পরিচয়। পুলিশ সূত্রে খবর, ওই মহিলার নাম সুপর্ণা শীল। শ্যামপুকুর এলাকার বাসিন্দা ৪৫ বছরের ওই মহিলা মানসিক সমস্যাগ্রস্থ ছিলেন বলেও জানা যাচ্ছে। 

পরিবারের বক্তব্য, ছোট থেকেই মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন সুপর্ণা শীল। প্রায় প্রতিদিনই তিনি ভোর সাড়ে তিনটা নাগাদ বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতেন। যেমনটা বেরিয়েছিলেন ১১ তারিখ। আবার ঠিক সময়মতো বাড়িও ফিরে আসতেন। তবে এবারে ফিরে না আসায় পরিবারের তরফ থেকে প্রাথমিকভাবে খোঁজাখুঁজি শুরু হলেও অতটা গা করেনি পরিবারের লোকজন। কারণ সুপর্ণা শীল যেখানেই যেতেন ঠিক ফিরে আসতেন দাবি পরিবারের। এবারেও ভেবেছিলেন তেমনটাই হবে। কিন্তু, কে জানতো আর হবে না বাড়ি ফেরা। 

পরিবারের এক মহিলা বলছেন, “ওরকম তো মাঝেমাঝেই হয়। বাড়ি থেকে চলে যায়। আবার চলে আসে। এবার যে ফিরবে না কী করে জানব। আমরা ১১ তারিখের পর থেকেই খোঁজ করছিলাম। কিন্তু পাইনি। শনিবার বিকালে কাশী বোস লেনে দেহ উদ্ধারের পরেই আমরা থানায় যাই। পুলিশকে সবটা খুলে বলি। তারপর তো দেহ দেখে আমরা চিনতে পারি।”

আর এক সদস্য বলছেন, “রাত সাড়ে তিনটে থেকে ৪টে নাগাদ প্রায়ই বাড়ি থেকে বের হতেই। এরকম ঘটনা আগেও হয়েছে তিন থেকে চার বার। দু থেকে তিনদিন পর্যন্ত বাড়িতে ছিলেন না। তারপর ফের ফিরে আসে। একটা নির্দিষ্ট এলাকার মধ্যে ঘোরাফেরা করে। কিন্তু এবার যে আসবে না আর সেটা বুঝতে পারিনি।”