WEATHER

Top News



আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে সাগর বিধানসভার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ মৌশুনিতে জোরকদমে প্রচার সারলেন বিজেপি প্রার্থী সুমন্ত মণ্ডল। সোমবার কয়েকশ দলীয় কর্মীকে সঙ্গে নিয়ে দ্বীপজুড়ে এক বিশাল বাইক র‍্যালির আয়োজন করেন তিনি। র‍্যালির পাশাপাশি গ্রামে গ্রামে ঘুরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ ও বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট প্রার্থনা করেন প্রার্থী।



মৌশুনির মতো প্রত্যন্ত এলাকার প্রধান সমস্যাগুলোকেই এবারের নির্বাচনে হাতিয়ার করেছে বিজেপি। প্রচারে বেরিয়ে সুমন্ত মণ্ডল নদী ও সমুদ্র বাঁধের ভাঙন রোধ, বেকারত্ব দূরীকরণ এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দেন। এছাড়া এলাকার ভগ্নপ্রায় স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর উন্নয়ন ও রাজ্যের বিভিন্ন দুর্নীতির ইস্যু তুলে ধরে এলাকায় পরিবর্তনের ডাক দেন তিনি।



এদিন প্রচারের ফাঁকে দ্বীপের একাধিক মন্দিরে পুজো দেন বিজেপি প্রার্থী। দলীয় কর্মীদের উচ্ছ্বাস ও সাধারণ মানুষের ইতিবাচক সাড়ায় অভিভূত সুমন্ত মন্ডল। প্রচারে বেরিয়ে বিজেপি প্রার্থী সুমন্ত মন্ডল বলেন এলাকার মানুষ এবার উন্নয়নের পক্ষে রায় দেবেন। নিজের জয়ের বিষয়ে তিনি ১০০ শতাংশ আশাবাদী বলে দাবি করেছেন। সব মিলিয়ে, বিচ্ছিন্ন এই দ্বীপে প্রচারের মাধ্যমে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়ে দিলেন সাগর বিধানসভার এই পদ্মপ্রার্থী।

 


২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট বাজতেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার সাগর বিধানসভায় বড়সড় ধাক্কা খেল বিজেপি ও কংগ্রেস শিবির। মঙ্গলবার নামখানার সাতমাইল বাজারে তৃণমূলের এক বিশাল কর্মীসভা থেকে কয়েকশ বিজেপি ও কংগ্রেস কর্মী আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করলেন।

 


মথুরাপুরের সাংসদ বাপি হালদারের হাত থেকে তাঁরা দলীয় পতাকা তুলে নেন নিজেদের হাতে। রাজনৈতিক মহলের মতে, নির্বাচনের মুখে এই মাপের নেতাদের দলত্যাগ বিজেপির বুথ স্তরের সংগঠনে বড় ফাটল ধরাবে।



বিজেপির পাশাপাশি সিপিআইএম এবং কংগ্রেস থেকেও বেশ কিছু কর্মী এদিন জোড়াফুলের পতাকা ধরেন।

 


কেরালা উপকূলে এক রোমহর্ষক উদ্ধারকাজ চালাল ভারতীয় কোস্ট গার্ড । গত ৩০শে মার্চ মাঝ সমুদ্রে ট্রলার থেকে নিখোঁজ হওয়া এক মৎস্যজীবীকে টানা ৩৬ ঘণ্টা পর জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
গত ৩০শে মার্চ রাতে তামিলনাড়ু-নিবন্ধিত মৎস্যজীবী জাহাজ 'জিয়ন' কেরালা উপকূল থেকে মাছ ধরে ফিরছিল। সেই সময় ট্রলারের এক কর্মী ৪০ বছর বয়সী রঞ্জুমনি সোনোয়াল হঠাৎই অসাবধানতাবশত গভীর সমুদ্রে পড়ে যান। অন্ধকারের মধ্যে ট্রলারের বাকিরা কিছুই টের পাননি। অনেক পরে বিষয়টি জানাজানি হলে উপকূল রক্ষীবাহিনীকে খবর দেওয়া হয়।

Video Link : https://www.facebook.com/share/v/1DodNsozRQ/


খবর পেয়েই কোস্ট গার্ডের মুম্বাই ও কোচি সেন্টার থেকে তল্লাশি শুরু হয়। সমুদ্রে পাঠানো হয় টহলদারি জাহাজ আর্নভেসকে। একই সঙ্গে আকাশপথে নজরদারি চালাতে কোস্ট গার্ডের বিমান  নামানো হয়। ৩৬ ঘণ্টা ধরে কোনো খাবার বা জল ছাড়াই উত্তাল সমুদ্রে ভাসতে থাকেন রঞ্জুমনি।
গতকাল অর্থাৎ ১লা এপ্রিলকোচি উপকূল থেকে প্রায় ২৭ কিলোমিটার দূরে মাঝ সমুদ্রে রঞ্জুনিকে ভাসতে দেখেন উদ্ধারকারীরা। দ্রুত তাঁকে জাহাজ 'আর্নভেশ'-এ তুলে আনা হয়।


দীর্ঘক্ষণ জলে থাকায় তিনি পানিশূন্যতা এবং হাইপোথার্মিয়ায় ভুগছিলেন। জাহাজে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁকে কোচিন বন্দরে আনা হয় এবং বর্তমানে তিনি একটি সরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। প্রশাসন সূত্রে খবর বর্তমানে এই মৎস্যজীবীর শারীরিক পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল রয়েছে।


 



 ভোটের দিনক্ষণ যত এগিয়ে আসছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলাজুড়ে ততই জোরদার করা হচ্ছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আগামী ২৯ এপ্রিল এই জেলায় ভোটগ্রহণ। সেই লক্ষ্যে সুন্দরবন উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে মরিয়া পুলিশ ও প্রশাসন।

শুক্রবার রাতভর নামখানা থানা এলাকায় ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়কের ওপর চলল ব্যপক নাকা তল্লাশি। রাতে নামখানা বিডিও অফিসের সামনে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা যৌথভাবে এই অভিযান চালায়। মূলত বকখালি ও কলকাতাগামী প্রতিটি যানবাহনকে থামিয়ে

তল্লাশি চালানো হয়। যাত্রীদের পরিচয়পত্র যাচাইয়ের পাশাপাশি গাড়ির ডিকি ও সন্দেহভাজন ব্যাগ তল্লাশি করা হয়। পুলিশ সূত্রের খবর, নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্রশস্ত্রের কারবার রুখতে এবং কালো টাকার লেনদেনে রাশ টানতেই এই বিশেষ তৎপরতা। 


 এদিনের তল্লাশি অভিযানে সরাসরি উপস্থিত ছিলেন সাগরের এসডিপিও (SDPO) সুমন কান্তি ঘোষ। তল্লাশির পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে নির্বাচন সংক্রান্ত বিধিনিষেধ সম্পর্কেও সচেতন করা হয়।
অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে এই নাকা চেকিং আগামী দিনগুলিতেও অব্যাহত থাকবে। ভোটের দিন যত কাছে আসবে, সুন্দরবনের প্রবেশপথ ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলিতে নজরদারি আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে পুলিশের তরফে।


 কাজ শেষ করার জন্য, মেট্রোর তরফে টাকা দিয়ে সার্ভিস রোড তৈরি করে দেওয়া হলেও জট কাটেনি। কলকাতা পুলিশের তরফে কাজের অনুমতি মিলছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ইস্যুতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবও।

'আমরা এই প্রথমবার দেখছি...', রাজ্যকে কড়া ভর্ৎসনা প্রধান বিচারপতির, ধমক খেয়ে ফিরতে হল সুপ্রিম কোর্ট থেকে
সুপ্রিম কোর্ট

রাজ্যের যুক্তি ধোপে টিকল না। ধমক খেয়ে ফিরতে হল সুপ্রিম কোর্ট থেকে। চিংড়িঘাটা মেট্রো লাইন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে টালবাহানা চলছে। মাত্র ৩৬৬ মিটার লাইনের কাজ বাকি থাকায় সম্পূর্ণ হচ্ছে না কলকাতা মেট্রোর অরেঞ্জ লাইন। রাজ্য়ের সঙ্গে মেট্রো কর্তৃপক্ষের বারবার সংঘাত তৈরি হয়েছে এই নিয়ে। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে বৈঠকে বসেও কোনও লাভ হয়নি। আর এবার সেই ইস্যুতেই রাজ্যকে কার্যত ভর্ৎসনা করল সুপ্রিম কোর্ট।

কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে পারেনি মেট্রো। পুলিশের বিরুদ্ধে কাজ করতে না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কাজ করার ক্ষেত্রে বারবার বিভিন্ন যুক্তি দেখিয়েছে রাজ্য। হাইকোর্টের নির্দেশ মানার বদলে সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ করে মামলা করেছে রাজ্য সরকার। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবও এই ইস্যুতে মুখ খুলেছিলেন। আজ, সোমবার হাইকোর্টের রায় বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হল, হাইকোর্ট যে সময়সীমা বেঁধে দেবে, তার মধ্যে কাজ শেষ করতে হবে রাজ্যকে।


মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ নিয়ে সংসদে মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী, হরমুজ দিয়ে তেল আনতে কী করছে ভারত?
গড়িয়া-সল্টলেক মেট্রোর কমলা লাইন সম্প্রসারণে চিংড়িঘাটার ওই অংশের কাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আগামী মে মাস পর্যন্ত সময় দেওয়ার আবেদন করেছিল রাজ্য সরকার। এদিন তা খারিজ করে দিয়েছে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চ।


এদিন প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ বলে, “আমরা প্রথমবার দেখছি, কোনও রাজ‍্য উন্নয়নের বিরোধিতা করছে। এই মামলা এত দূর গড়িয়েছে যে, এখন নির্বাচন বিধির আওতায় পড়ে গিয়েছে। আপনাদের কাছে উৎসব আগে না যোগাযোগ ব‍্যবস্থার উন্নতি করা আগে? আপনারা ডিসেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে প্রথমে বৈঠক করে, তারপর এসে হাইকোর্টকে বলেছেন যে উৎসবের প্রস্তুতিতে ব‍্যস্ত, তাই মেট্রো সম্প্রসারণের কাজটা করতে পারবেন না?” অবিলম্বে রাজ্যকে নিজেদের আবেদন প্রত‍্যাহার করার নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত।

গত ৬ জানুয়ারির মধ‍্যে একটি তারিখ ঠিক করে চিংড়িঘাটা মেট্রোর কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। এই মর্মে কলকাতা পুলিশ এবং রাজ‍্যকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। হাইকোর্টের নির্দেশ মতো কাজ না করে, রাজ‍্যের তরফে হাইকোর্টের রায়ের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়।

সুপ্রিম কোর্টের এই পর্যবেক্ষণের পর তৃণমূল মুখপাত্র জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, “মানুষের সুবিধা-অসুবিধা দেখাটা রাজ্যের কর্তব্য। সবদিক দেখে তবেই ঠিক করতে হবে।”


আজ সংসদে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "যুদ্ধ যখন থেকে শুরু হয়েছে তখন থেকে ভারতীয়দের নিরাপত্তায় সচেষ্ট রয়েছে নয়া দিল্লি। পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছি। তার মধ্যেও অনেকের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন। তাঁদের পরিবারকে সাহায্য করা হচ্ছে। আহতদের চিকিৎসায় সাহায্য করা হচ্ছে। প্রভাবিত দেশগুলিকে ভারতীয়দের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। ২৪ ঘণ্টা কন্ট্রোল রুম ও নম্বর চালু করা হয়েছে। সংকট পরিস্থিতি ভারতীয়দের সুরক্ষাই অগ্রাধিকার।"

 হরমুজ় থেকে কীভাবে তেল আমদানি করছে ভারত, সংসদে জানালেন প্রধানমন্ত্রী
নরেন্দ্র মোদী

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতে সংসদে ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি জানান, পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি যথেষ্ঠ উদ্বেগের। আর তা ভারতের আর্থিক, বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলেছে। অপ্রত্যাশিত চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে ভারতের জন্য। তবে, তিনি জানিয়েছেন সব পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রয়েছে ভারতের। আতঙ্কের কোনও কারণ এই মুহূর্তে নেই। হরমুজ় দিয়েও তেল আমদানিতে সচেষ্ট রয়েছে ভারত। একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা, ভারত শান্তিরই পক্ষে। আলোচনা, কূটনীতিক মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান করতে হবে

আর কী বললেন প্রধানমন্ত্রী ?


 অনলাইনে পেমেন্ট হবে না, জানুন RBI-র নতুন নিয়ম
১ এপ্রিল থেকে বদলে যাচ্ছে ATM থেকে টাকা তোলার নিয়ম, সর্বাধিক কত টাকা তুলতে পারবেন?
আজ সংসদে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যুদ্ধ যখন থেকে শুরু হয়েছে তখন থেকে ভারতীয়দের নিরাপত্তায় সচেষ্ট রয়েছে নয়া দিল্লি। পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছি। কিন্তু এটাই দুর্ভাগ্যজনক যে তার মধ্যেও বহু ভারতীয়র মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন অনেকে। তাঁদের পরিবারকে সাহায্য করা হচ্ছে। আহতদের চিকিৎসায় সাহায্য করা হচ্ছে। প্রভাবিত দেশগুলিকে ভারতীয়দের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। ২৪ ঘণ্টা কন্ট্রোল রুম ও নম্বর চালু করা হয়েছে। সংকট পরিস্থিতি ভারতীয়দের সুরক্ষাই অগ্রাধিকার।”
পশ্চিম এশিয়া থেকে ৩ লাখ ৭৫ হাজার ভারতীয় ফিরেছেন। ইরান থেকে প্রায় এক হাজার ভারতীয় ফিরেছেন। তাঁদের মধ্যে ৭০০-র বেশি মেডিক্যাল ছাত্র রয়েছেন।
ভারতে বড় মাত্রায় তেল, গ্যাস, সার-সহ প্রয়োজনীয় জিনিস হরমুজ দিয়ে সরবরাহ করা হয়। সেখানে হরমুজ় দিয়ে জাহাজ যাতায়াতে বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে ভারতের জন্য। পেট্রল-ডিজ়েল সরবরাহে যাতে বিঘ্ন না ঘটে, তার জন্য যথাযথ চেষ্টা করেছে ভারত। ৬০ শতাংশ এলপিজি উৎপাদন বাড়ানো হয়েছে। গত ১১ বছরে ভারত ৪১ দেশের থেকে গ্যাস, তেল আমদানি করেছে।
ভারতের কাছে ৫৩ লাখ মেট্রিক টন পেট্রোলিয়াম মজুত রয়েছে। ৬৫ লাখের লক্ষ্যমাত্রা স্থির করে কাজ করা হচ্ছে।
কৃষি ব্যবস্থাতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি। কৃষকদের আতঙ্কের কোনও কারণ নেই।
দেশে পর্যাপ্ত কয়লা মজুত রয়েছে।
তড়িৎবাবু জানান, "পুজো হলে আমি তো যাই। এমনিতে তো জানাজানি আছে। আমি ওকে আশীর্বাদ করলাম ভাল কাজ করুক। তবে ওর জয় কামনা করতে পারব না। আমার তো প্রার্থী আছে এখানে নাকি। আদর্শ গত ভাবে আমরা ভীষণভাবে বিজেপির বিরুদ্ধে। ও বাড়ির ছেলে বটেই। তবে মতাদর্শের পক্ষে নই। বলেছি যাতে ওকালতিতে বড় হয়।" 

আমার তো প্রার্থী আছে নাকি...', কৌস্তুভকে আশীর্বাদ করেও জয় চাইলেন না সিপিএম-এর তড়িৎবরণ
তড়িতের বাড়িতে কৌস্তভ

এক সময় কংগ্রেসে ছিলেন। এখন যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে। কথা হচ্ছে বিজেপি প্রার্থী কৌস্তভ বাগচিকে নিয়ে। প্রাক্তন প্রবীণ সিপিএম (CPIM) সাংসদ তড়িৎ বরণ তোপদারের বাড়িতে হাজির বিজেপি প্রার্থী কৌস্তভ বাগচী।

রাজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিধানসভা কেন্দ্র হল ব্যারাকপুর। এখান থেকেই তৃণমূলের হয়ে লড়াই করছেন তৃণমূলের রাজ চক্রবর্তী। এবার সেখানে দাঁড়িয়েছেন বিজেপির কৌস্তভ বাগচী। এই ব্যারাকপুরে CPIM-এর একসময় পাঁচবারের সাংসদ ছিলেন তড়িৎ বরণ তোপদার। ১৯৮৯ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে সাংসদ ছিলেন তিনি। বর্ষীয়ান সেই সিপিএম নেতার বাড়িতে হাজির হলেন কৌস্তভ। পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করে আশীর্বাদ চাইলেন তিনি।

প্রচারের মধ্যেই ভোট চাইতে প্রাক্তন সিপিএম কাউন্সিলের বাড়িতে অগ্নিমিত্রা, নিজেও ভাবতে পারেননি এমনটাও ঘটতে পারে!
কৌস্তভ বাগচি বলেন, “নির্দিষ্ট কোনও উদ্দেশ্যে আসা নয়। আমার বাবা ওঁকে দীর্ঘদিন ধরে চিনতেন। প্রচণ্ড শ্রদ্ধা করতেন। যখন সাংসদ ছিলেন তখনও সম্পর্ক। আমি আমার দল আমার মতাদর্শের কথা বলব। ওঁর মতাদর্শের বিরুদ্ধে কথা বলব। তবে পারিবারিক সম্পর্ক আছে। জেঠুর কাছে ভাইপো আশীর্বাদ চাইতে এসেছে। জেঠু পরামর্শ দিয়েছেন ভাল করে কাজ করতে আরও যাতে উচ্চতা বাড়ে। রাজনৈতিক ভাবে উনি তো আমার দলের সদস্য নয়। উনি তো বিরোধিতা করবেন।”

তড়িৎবাবু জানান, “পুজো হলে আমি তো যাই। এমনিতে তো জানাজানি আছে। আমি ওকে আশীর্বাদ করলাম ভাল কাজ করুক। তবে ওর জয় কামনা করতে পারব না। আমার তো প্রার্থী আছে এখানে নাকি। আদর্শ গত ভাবে আমরা ভীষণভাবে বিজেপির বিরুদ্ধে। ও বাড়ির ছেলে বটেই। তবে মতাদর্শের পক্ষে নই। বলেছি যাতে ওকালতিতে বড় হয়।”

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে, ৭০০-র বেশি জুডিশিয়াল অফিসার ওই নামগুলি খতিয়ে দেখছেন। সোমবার সন্ধ্যায় সাংবাদিক বৈঠক করে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল জানিয়েছেন, এদিন রাত ৯টায় প্রকাশ হবে প্রথম সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট।


প্রসেসিং চলছে, রাতেই বেরচ্ছে লিস্ট, তালিকায় নামের সংখ্যা জানালেন মনোজ আগরওয়াল

অবশেষে প্রকাশ হচ্ছে সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট। ২৮ ফেব্রুয়ারি এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হয়েছে ঠিকই, তবে এখনও ৬০ লক্ষ নাম রয়েছে বিচারাধীন তালিকায়। কত নাম বাদ পড়বে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। আর এবার প্রকাশ হতে চলেছে প্রথম সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে, ৭০০-র বেশি জুডিশিয়াল অফিসার ওই নামগুলি খতিয়ে দেখছেন। সোমবার সন্ধ্যায় সাংবাদিক বৈঠক করে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল জানিয়েছেন, এদিন রাত ৯টায় প্রকাশ হবে প্রথম সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট।


২০২৩ সাল থেকে ওই ভারতের বায়ুসেনা ঘাঁটিতে কাজ, কে জানতো সেই সুমিত কুমারই আসলে পাক গুপ্তচর!

 'আমার তো প্রার্থী আছে নাকি...', কৌস্তুভকে আশীর্বাদ করেও জয় চাইলেন না সিপিএম-এর তড়িৎবরণ
মনোজ আগরওয়াল জানিয়েছেন, যে ড্যাশবোর্ড তাঁদের কাছে আছে, সেখানে তিনি দেখতে পাচ্ছেন, ২৯ লক্ষ নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত বিচারকদের ই-সাইন হয়ে কত নাম আসবে, তা স্পষ্ট করে বলতে পারেননি তিনি। কত নাম বাদ যাবে, সে ব্যাপারে কিছু বলেননি সিইও। তবে, সূত্রের খবর, ১০ লক্ষ নাম বাদ পড়তে পারে। সোমবার রাতে শুধুমাত্র অনলাইনে দেখা যাবে তালিকা, প্রিন্ট হবে পরে। মঙ্গলবার প্রিন্ট করা তালিকা দেখা যাবে।

কমিশনের তরফে ভোট প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে জানানো হয়েছে, বুথের দায়িত্ব থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপর। এখানে পুলিশের কোনও ভূমিকা নেই। ওয়েব ক্যামেরা কাজ না করলে রিপোল হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। নাম বাদ গেলে, হাইকোর্টের তৈরি করা ট্রাইব্যুনালে আবেদন জানাতে পারবেন ভোটাররা।


হোয়াট ইন্ডিয়া থিঙ্কস টুডে সামিটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, "আজ যখন বিশ্ব বহু শিবিরে বিভক্ত, ভারত তখন অভূতপূর্ব সেতুবন্ধন তৈরি করেছে। ভারত সকল দেশের অংশীদার। কেউ কেউ জিজ্ঞাসা করেন, আমরা কার পক্ষে। আমার উত্তর হল, আমরা ভারতের পক্ষে। আমরা শান্তির পক্ষে। আমরা আলোচনার পক্ষে।"

WITT সামিটে প্রধানমন্ত্রী মোদী, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কথা তুলে ধরলেন
WITT সামিটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদ

টিভি৯ নেটওয়ার্কের হোয়াট ইন্ডিয়া থিঙ্কস টুডে সামিট ২০২৬ শুরু হল সোমবার। এই সামিটের প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এদিন সামিটে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কথা তুলে ধরলেন তিনি। বললেন, “বিশ্ব আজ যে কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছে তা অত্যন্ত গুরুতর।” বাংলায় একাধিক কেন্দ্রীয় যোজনা লাগু না করায় তৃণমূল সরকারকেও নিশানা করলেন। 

এদিন WITT সামিটে বক্তব্যের শুরুতেই এই সম্মেলন আয়োজনের জন্য টিভি৯ নেটওয়ার্ককে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী মোদী। বলেন, “আমি এই শীর্ষ সম্মেলনকে অভিনন্দন জানাই। আজ যখন বিশ্ব সংঘাতে জর্জরিত এবং এর প্রভাব বিশ্বজুড়ে দেখা যাচ্ছে, তখন ভারত ও বিশ্ব নিয়ে কথা বলা অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। আজকের ভারত দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির একটি দেশ।”


প্রাইভেট টিউটরের সঙ্গে প্রেম! আচমকা তরুণীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারে রণক্ষেত্র শিলিগুড়ি
১ এপ্রিল থেকে শুধু পিন দিলে আর অনলাইনে পেমেন্ট হবে না, জানুন RBI-র নতুন নিয়ম
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা চালায় ইজরায়েল-আমেরিকা। জবাব দেয় ইরান। যুদ্ধের আঁচে উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য। এদিন WITT সামিটে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, “যুদ্ধের সময়েও ভারতের নীতি ও রণনীতি দেখে বিশ্বের অনেক দেশই বিস্মিত হয়। আমাদের একটি প্রবাদ আছে যে, সত্যের কোনও ক্ষতি করা যায় না।” তারপরই তিনি বলেন, “আজ যখন বিশ্ব বহু শিবিরে বিভক্ত, ভারত তখন অভূতপূর্ব সেতুবন্ধন তৈরি করেছে। ভারত সকল দেশের অংশীদার। কেউ কেউ জিজ্ঞাসা করেন, আমরা কার পক্ষে। আমার উত্তর হল, আমরা ভারতের পক্ষে। আমরা শান্তির পক্ষে। আমরা আলোচনার পক্ষে।”

এরপরই কংগ্রেসকে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যখন রাজনীতিতে ব্যক্তিগত স্বার্থ ঢুকে পড়ে, তখন মানুষ দেশের কথা ভাবা বন্ধ করে দেয়। কংগ্রেস সরকারের আমলে পেট্রোল সংকট ছিল। কিন্তু কংগ্রেস দেশ নিয়ে নয়, বিদ্যুৎ নিয়ে চিন্তিত ছিল। কংগ্রেস অয়েল বন্ড জারি করেছিল। বিদ্যুৎ বাঁচাতে তারা ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিগত পাঁচ-ছয় বছর ধরে আমাদের সরকার কংগ্রেসের পাপের (অয়েল বন্ড) বোঝা বহন করেছে। এই পরিবহণের খরচ কমেনি। ১ লক্ষ ৪৮ হাজার কোটি টাকার পরিবর্তে আমাদের ৩ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি দিতে হয়েছে। আজকাল কংগ্রেস নেতারা একের পর এক বিবৃতি দিয়ে যাচ্ছেন, কিন্তু এই বিষয়ে নীরব রয়েছেন।”

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ নিয়ে WITT সামিটে মোদী বলেন, “বিশ্বের যেকোনও প্রান্তে যুদ্ধ সবাইকে প্রভাবিত করে। কিন্তু রাজনৈতিক স্বার্থে কিছু লোক নিজেদের জন্য রাজনৈতিক সুযোগ খুঁজছে। তাই, আমি টিভি৯ মঞ্চ থেকে আবারও বলছি, এটি সংযম ও সংবেদনশীলতার সময়। এমনকি কোভিড-১৯ মহামারির সময়েও, যখন গোটা দেশ একসঙ্গে কাজ করেছে, তখন তার ফল ইতিবাচক হয়। আমাদের বর্তমান পরিস্থিতিকেও একইভাবে মোকাবিলা করতে হবে।” মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মধ্যেও ভারতের উন্নয়ন যে অব্যাহত রয়েছে, সেকথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যুদ্ধের প্রভাব সত্ত্বেও ভারত তার উন্নয়নের গতি থামায়নি। গত ২৩ দিনে সরকার বেশ কিছু বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যুদ্ধের মুখেও ভারত তার অগ্রগতি বজায় রেখেছে।” নিজের বক্তব্যের শেষে ফের টিভি৯ নেটওয়ার্কের এই সামিটের প্রশংসা করে মোদী বলেন, “আমি আত্মবিশ্বাসী যে এই টিভি৯ সামিট ভারত এবং ভারতীয়দের প্রতি বিশ্বের আস্থা আরও দৃঢ় করবে।

সোমবার থেকে টিভি৯ নেটওয়ার্কের হোয়াট ইন্ডিয়া থিঙ্কস টুডে সামিট শুরু হয়েছে। প্রধান অতিথি হিসাবে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সংশ্লিষ্ট সামিটে দেশের উন্নয়ন নিয়ে যেমন কথা বলেছেন, তেমনই বিরোধী দলগুলিকে তীব্র আক্রমণও শানিয়েছেন তিনি।

কেন্দ্রের কোন-কোন প্রকল্পের সুবিধা বাংলা পায় না WITT সামিটে বললেন মোদী
নরেন্দ্র মোদী, প্রধানমন্ত্রী

নাম না করে তৃণমূল সরকারকে বেলাগাম আক্রমণ নরেন্দ্র মোদীর। শুধু তৃণমূল নয়, পাশাপাশি কংগ্রেসকেও আক্রমণ শানালেন প্রধানমন্ত্রী। এই দুই দলই উন্নয়নের বিরোধী বলে কটাক্ষ করলেন মোদী।

সোমবার থেকে টিভি৯ নেটওয়ার্কের ‘হোয়াট ইন্ডিয়া থিঙ্কস টুডে’ সামিট শুরু হয়েছে। প্রধান অতিথি হিসাবে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সংশ্লিষ্ট সামিটে দেশের উন্নয়ন নিয়ে যেমন কথা বলেছেন, তেমনই বিরোধী দলগুলিকে তীব্র আক্রমণও শানিয়েছেন তিনি। সামনেই রয়েছে পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা ভোট। তার আগে প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য নিতান্তই তাৎপর্যপূর্ণ।



দিব্যা ভারতীর মৃত্যু রহস্য, সেই শেষ কয়েক ঘণ্টা কী ঘটেছিল নায়িকার সঙ্গে? ফাঁস বিস্ফোরক তথ্য
মোদী বলেন, “এক সময় পশ্চিমবঙ্গ ভারতের সংস্কৃতি, শিক্ষার হাব ছিল।” তাঁর অভিযোগ এই বাংলায় কেন্দ্রের প্রকল্পকে বাধা দিচ্ছে সরকার। তবে একবারও তৃণমূলের নাম করেননি তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এগারো বছরে কেন্দ্র সরকার বাংলার জন্য অনেক উন্নয়নের চেষ্টা করেছে। কিন্তু দুর্ভাগ্য এখন ওইখানে এমন নির্মম সরকার রয়েছে যে উন্নয়নে বাধা দিচ্ছে।”

মোদী এও বলেন, “টিভি ৯ বাংলায় যে দর্শক আছে তাঁরা জানেন বাংলায় আয়ুষ্মান প্রকল্পে বাধা দেওয়া হয়েছে, ‘প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর বিনামূল্যে বিদ্যুত’ প্রকল্পে বাধা দেওয়া হয়েছে, ‘আবাস যোজনা প্রকল্পে’ বাধা দেওয়া হয়েছে। চা বাগানের শ্রমিকদের জন্য শুরু হওয়া একাধিক প্রকল্পের সুবিধা এই সরকার পেতে দেয় না। অর্থাৎ উন্নয়ন নয়, এই নির্মম সরকার শুধু মাত্র রাজনীতি করে যাচ্ছে।” এরপরই কংগ্রেসকে দোষারোপ করে তাঁর অভিযোগ, “দেশে এই ধরনের রাজনীতি যে দল প্রথম শুরু করেছে তারা হল কংগ্রেস। তবে তারা তাদের দোষ থেকে বাঁচতে পারবে না। কংগ্রেসের রাজনীতির লক্ষ্যই উন্নয়নে বাধা দেওয়া।”

তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মিথ্যা কথা বলেছেন। এই মিথ্যা কথা বলছেন কীভাবে? অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তো বারেবারে বলেছেন সামনা-সামনি কথা বলার কথা। সকলের সামনে হিসাব হয়ে যাবে। বাংলাকে বঞ্চনা করা হয়েছে, গরিব মানুষের পেটে লাথি মারা হয়েছে।“

সোমবার কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশ্ন করেন, 'ডিজি ট্রান্সফার হতে পারে, কিন্তু মুখ্যসচিবকে বদলি কীভাবে? মাত্র এক মাস দায়িত্ব পেয়েছিলেন পুলিশ কমিশনার সুপ্রতীম সরকার। তাঁকে বদলি কেন? শুধু ক্ষমতা আছে বলে?" মুখ্যসচিবকে বদলানো যায় না বলেও সওয়াল করেন তিনি।

'রাজ্যে সুপার এমার্জেন্সি', সাংসদের জোর সওয়াল আদালতে, কল্যাণের এক্তিয়ার নিয়েই প্রশ্ন তুলল কমিশন


রাজ্যে ভোট ঘোষণা হওয়ার পর মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের ডিজি সহ রাজ্যের পুলিশ ও প্রশাসনের প্রায় সব শীর্ষ আধিকারিককে সরিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সেই ইস্যুতেই আদালতে কমিশনের বিরুদ্ধে জোর সওয়াল করলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। ‘৩৫৬ জারি না করে কমিশন তার ক্ষমতার প্রয়োগ করে অপ্রত্যাশিত জরুরি অবস্থা জারি করেছে রাজ্যে।’ জনস্বার্থ মামলায় সওয়াল করতে গিয়ে সোমবার এমনটাই বললেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে নির্বাচন কমিশন এদিন কল্যাণের মামলা করার অধিকার নিয়েই প্রশ্ন তুলেছে।

শুধু ক্ষমতা আছে বলেই বদলি?



মামলায় কল্যানের যুক্তি, প্রায় সব জেলাশাসকদের বদলি করা হয়েছে। ডিইও-দের বদলি নিয়ে প্রশ্ন তুলে কল্যাণ বলেন, “আবার তাঁদের অন্য রাজ্যে পর্যবেক্ষকদের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে।” কল্যাণের প্রশ্ন, “ডিজিকে ট্রান্সফার হতে পারে, কিন্তু মুখ্যসচিবকে বদলি কীভাবে? মাত্র এক মাস দায়িত্ব পেয়েছিলেন পুলিশ কমিশনার সুপ্রতীম সরকার। তাঁকে বদলি কেন? শুধু ক্ষমতা আছে বলে?” ৬৩ জন পুলিশ অফিসারকে বদল হয়েছে, ১৩ জন এসপি-কে বদল করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন কল্যাণ।

মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনার কথা এদিন আদালতে উল্লেখ করেন কল্যাণ। তিনি বলেন, “লোকসভার ১২০ জন ও রাজ্যসভার ৬০ জন সই করেছেন। কমিশনের আচরণে প্রশ্ন উঠছে, ফেডেরাল পরিকাঠামো কি ভেঙে দিতে চাইছে?”

‘সুপার এমার্জেন্সি’

পরপর অফিসারের বদলির পরিস্থিতিকে ‘সুপার এমার্জেন্সি’ বলে উল্লেখ করে কল্যাণ বলেন, “ডেভেলপমেন্টের কাজ বন্ধ। ৩৫৬ ধারা জারি না করে, কমিশন তার ক্ষমতার প্রয়োগ করে অপ্রত্যাশিত জরুরি অবস্থা জারি করেছে রাজ্যে। সিএস লিড করেন সরকারি অন্যান্য অফিসারদের। রাজ্যের সঙ্গে কোনও আলোচনা না করেই গুরুত্বপূর্ণ পদে এমন বদলি করায় রাজ্যের প্রশাসনিক কাজে প্রভাব পড়ছে।”

কল্যাণের এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন

কমিশনের তরফে আইনজীবী এদিন কল্যাণের যুক্তির বিরোধিতা করে বলেন, “কমিশনকে অভিযুক্ত করা হচ্ছে। অভিযোগ সর্বৈব মিথ্যা। পাঁচ রাজ্যে ভোট। কোথাও এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।”

পাশাপাশি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনস্বার্থ মামলা করার এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে হাইকোর্ট। কমিশন বলে, “জনস্বার্থ মামলাকারীর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট পড়ে দেখুক আদালত। রাজ্যের আইনজীবী হয়ে একাধিক মামলায় সওয়াল করেছেন, দেখুন নির্দেশনামায় কার নাম। সরকারের জুনিয়র আইনজীবী হিসেবে কাজ করেন।”

কমিশনের দাবি, আদালতের কাছে তথ্য গোপন করে মামলা করেছেন জনস্বার্থ মামলাকারী। কমিশনের আরও প্রশ্ন, সব রদবদলের নির্দেশিকা মুখ্যসচিবকে দেওয়া হয়েছে। তাহলে এই নির্দেশিকা কীভাবে পেলেন জনস্বার্থ মামলাকারী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়? বদলি হলেও, কোনও পদ যে ফাঁকা রাখা হয়নি, সে কথাও উল্লেখ করে কমিশন।

মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি, কলকাতার পুলিশ কমিশনার সহ একাধিক অফিসার বদল করেছে কমিশন। স্বরাষ্ট্রসচিব পদ থেকে সরিয়ে জগদীশ প্রসাদ মিনাকে ভিনরাজ্যে পর্যবেক্ষক হিসেবে পাঠানো হয়েছে। কমিশনের এই সিদ্ধান্তে স্থগিতাদেশ চেয়ে আদালতে মামলা করেছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।


 আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি নামখানার চন্দন পিড়ির যুবক। ঘটনাটি ঘটেছে কাকদ্বীপ থানার উকিলের বাজার সংলগ্ন কালীবাঁধ এলাকায়। লরি ও মেশিন ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর আহত হলেন ৩ জন। 


এই দুর্ঘটনায় মেশিন ভ্যানের চালকের একটি হাত শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে বলে জানা গেছে। আহত যুবকের নাম ভুবনেশ্বর পাত্র (৩৫), তাঁর বাড়ি নামখানার চন্দনপিঁড়ি এলাকায়। 
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে খবর, সোমবার সকাল এগারোটা নাগাদ একটি দ্রুতগামী লরি কাকদ্বীপ থেকে নামখানার দিকে যাচ্ছিল। সেই সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মালবোঝাই মেশিন ভ্যানের সঙ্গে কালীবাঁধের কাছে লরিটির মুখোমুখি সজোরে ধাক্কা লাগে। সংঘর্ষের তীব্রতা এতটাই ছিল যে, মেশিন ভ্যানটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ওই ভ্যানের চালক নামখানার চন্দনপিড়ির বাসিন্দা বছর ৩৫ এর ভুবনেশ্বর পাত্রের একটি হাত ঘটনাস্থলেই কেটে বাদ পড়ে যায়। ভ্যানে থাকা আরও দুজন যাত্রী এই ঘটনায় আহত হয়েছেন।

দুর্ঘটনার শব্দ শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে আসেন এবং উদ্ধারকার্যে হাত লাগান। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কাকদ্বীপ থানার পুলিশ। রক্তাত্ব অবস্থায় ভুবনেশ্বরকে উদ্ধার করে প্রথমে কাকদ্বীপ মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু তাঁর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হতে থাকায় চিকিৎসকরা তাঁকে ডায়মন্ড হারবার জেলা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করেন।ঘটনার পরেই ঘাতক লরিটিকে আটক করেছে কাকদ্বীপ থানার পুলিশ। তবে লরির চালক লরি ফেলে পালিয়ে যায়। চালকের সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ

স্টাফ রিপোর্টার মুন্না সরদার

 কোচবিহারের সিতাই (সংরক্ষিত) আসনে লড়াই করবেন ফরওয়ার্ড ব্লকের প্রার্থী অরুণ কুমার বর্মা। আলিপুরদুয়ার থেকে লড়াই করবেন শ্যামল রায়। চোপড়া থেকে বামফ্রন্ট মনোনিত প্রার্থী হলেন মাকলেশ্বর রহমান। অপরদিকে, ইসলামপুর থেকে এবার প্রার্থী হয়েছেন বাজ়িল আখতার। মুর্শিদাবাদের লালগোলা থেকে লড়বেন বাবলুজমান। এন্টালি থেকে তৃণমূলের সন্দীপন সাহা ও বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়ালের বিপরীতে লড়াই করবেন আবদুর রউফ।


 আরও ১৫ আসনে প্রার্থী দিল বামেরা, দেখে নিন এবার কে কোথায় লড়াই করছেন
বামেদের হেভিওয়েট
১৯২ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছিল বামফ্রন্ট। তারপর দ্বিতীয় দফায় ৩২ আসনের নাম ঘোষণা করা হয়। এরপর ফের পনেরো আসনে প্রার্থী দিল বামেরা। তবে এবারও সুজন চক্রবর্তী কিংবা শতরূপ ঘোষের মতো নেতাদের নাম নেই। যদিও, শতরূপ ভোটে লড়তে চান না বলে আগেই জানিয়েছিলেন। অপরদিকে, সুজন চক্রবর্তীকে লোকসভা ভোটের সময় প্রার্থী কারনো হয় দমদমে। তবে তিনি পরাজিত হয়েছিলেন। এবার যদিও, নির্বাচনে লড়ছেন না তিনি। তবে পুরদস্তুর প্রার্থীদের সমর্থনে মাঠে-ময়দানে রয়েছেন।

কোচবিহারের সিতাই (সংরক্ষিত) আসনে লড়াই করবেন ফরওয়ার্ড ব্লকের প্রার্থী অরুণ কুমার বর্মা। আলিপুরদুয়ার থেকে লড়াই করবেন শ্যামল রায়। চোপড়া থেকে বামফ্রন্ট মনোনিত প্রার্থী হলেন মাকলেশ্বর রহমান। অপরদিকে, ইসলামপুর থেকে এবার প্রার্থী হয়েছেন বাজ়িল আখতার। মুর্শিদাবাদের লালগোলা থেকে লড়বেন বাবলুজমান। এন্টালি থেকে তৃণমূলের সন্দীপন সাহা ও বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়ালের বিপরীতে লড়াই করবেন আবদুর রউফ।


১ এপ্রিল থেকে বদলে যাচ্ছে ATM থেকে টাকা তোলার নিয়ম, সর্বাধিক কত টাকা তুলতে পারবেন?

তৃণমূল প্রার্থী ঘনিষ্ঠ নেতাকে থানায় ছাড়াতে হাজির BJP প্রার্থী, কেন?
এখানে উল্লেখ্য, এর আগে প্রথম দফায় ১৯২ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছিল বামফ্রন্ট। পরে আরও ১০ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে CPIML লিবারেশন। দ্বিতীয় দফায় ৩২ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছিল। এবার পনেরো আসনে প্রার্থী দিল। সব মিলিয়ে ২৪৯ আসনে প্রার্থী দিল বামেরা।