WEATHER

Top News


এদিনের দুর্ঘটনায় তাঁর ছোট ছেলের মৃত্যু হয়েছে ঘটনাস্থলেই। পুত্রশোকে তাঁর স্ত্রীর ব্রেন স্ট্রোক হয়ে গিয়েছে বলেও জানিয়েছেন ভোলা। সেই কারণেই হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে বাড়ি ফিরেছেন। সেখানে গিয়ে ইতিমধ্যেই থানায় অভিযোগও দায়ের করেছেন তিনি। কে পরিকল্পনা করেছেন, কারা তাঁকে সরাতে চাইছেন? সেই সব অভিযোগপত্রে লিখে দিয়ে এসেছেন তিনি।

'কালো জ্যাকেট পরে ওই গাড়ি চালাচ্ছিল...', বাড়ি ফিরেই বিস্ফোরক ভোলা ঘোষ
ভোলানাথ ঘোষ

 ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ভোলানাথ ঘোষের ছেলের। কোনও ক্রমে বেঁচে গিয়েছেন তিনি। এসএসকেএমে চিকিৎসা চলে তাঁর। পরে সন্ধ্যায় ছেড়ে দেওয়া হয় তাঁকে। বাড়ি ফিরে ফের একবার ভোলা ঘোষ বললেন, এটা কোনও দুর্ঘটনা নয়, সবটাই পরিকল্পনা। তিনি গাড়ির সামনে বসেছিলেন, চালকের পাশে। পিছনে ছিল তাঁর ছেলে। ঘাতক গাড়িটি কে চালাচ্ছিল, সেটাও দেখতে পেয়েছিলেন তিনি।


এদিনের দুর্ঘটনায় তাঁর ছোট ছেলের মৃত্যু হয়েছে ঘটনাস্থলেই। পুত্রশোকে তাঁর স্ত্রীর ব্রেন স্ট্রোক হয়ে গিয়েছে বলেও জানিয়েছেন ভোলা। সেই কারণেই হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে বাড়ি ফিরেছেন। সেখানে গিয়ে ইতিমধ্যেই থানায় অভিযোগও দায়ের করেছেন তিনি। কে পরিকল্পনা করেছেন, কারা তাঁকে সরাতে চাইছেন? সেই সব অভিযোগপত্রে লিখে দিয়ে এসেছেন তিনি।



 নাম বাদ যাওয়ার আশঙ্কাতেই এই হামলা, অভিযোগ আক্রান্ত BLO মানব চন্দ্রের
আমাকে অপমান করে এখন চুল কোঁকড়াচ্ছে: হুমায়ুন
ভোলানাথের দাবি, ঘাতক ১০ চাকার ট্রাকটি কে চালাচ্ছিলেন, সেটা স্পষ্ট দেখতে পেয়েছেন তিনি। ভোলানাথ জানান, আলিম নামে এক ব্যক্তি গাড়ি চালাচ্ছিলেন। তিনি বলেন, “আমি ১০০ শতাংশ নিশ্চিত। গাড়িতে আলিম ছিল। কালো জ্যাকেট পরে ও চালাচ্ছিল আমি দেখতে পেয়েছি।” যেহেতু তাঁর সাক্ষ্য দেওয়ার কথা ছিল, তাই অনেকদিন থেকেই তাঁকে খুন করার চেষ্টা চলছিল বলে দাবি করেছেন ভোলা।

এদিন সকালেই দুর্ঘটনার বর্ণনা দিয়ে গিয়ে ভোলানাথ বলেন, “বয়ারমারি পার হয়েছি ওই লরিটা সামনে যাচ্ছিল আমাদের গাড়ি এগোচ্ছিল। ডাইরেক্ট এসে আমার গাড়িতে মারল। তারপর আমার গাড়ি জলে চলে গেল। অজ্ঞান হয়ে গেলাম।” পুলিশের তদন্তেই তিনি ভরসা রাখছেন। আসল দোষীকে গ্রেফতার করা যাবে বলেই আশা রাখছেন তিনি। বলছেন, “আমার আর কোনও ভয় নেই, কারণ আমার আর হারানোর কিছু নেই।”

*বজরংবলীর মূর্তি ভাঙ্গা কে কেন্দ্র করে উত্তেজনা! রাস্তা অবরোধ এলাকাবাসীদের*


কুলপি: বজরংবলীর মূর্তি ভাঙাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা কুলপির সিংহেরহাট এলাকায়। মূর্তি ভাঙার ঘটনা প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের। ঘটনাস্থলে কুলপি থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় কুলপি থানার অন্তর্গত সিংহেরহাট এলাকায় কয়েক দশকের পুরানো একটি হনুমান মন্দির এলাকায় ছিল। মঙ্গলবার রাতে যে বা কারা ওই মন্দিরে বজরংবলীর মূর্তি ভেঙে দিয়েছে।

 বুধবার সকালে এলাকাবাসীদের নজরে আসে বিষয়টি এরপর মূর্তি ভাঙ্গার ঘটনার খবর মুহূর্তের মধ্যে দাবানলের আগুনের মতন গোটা এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। এই ঘটনা তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে এলাকাবাসীরা। বিক্ষোভের জেরে ডায়মন্ড হারবার ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। এই ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে কুলপি থানার পুলিশ। ।
অবশেষে বাংলাদেশের আটকে পড়া মৎস্যজীবীরা ফিরছে নিজেদের ঘরে, অন্যদিকে ভারতে আটকে পড়া মৎস্যজীবীদের ফিরে দেয়া হচ্ছে বাংলাদেশ

দীর্ঘ তিন মাস পর আইনি জটিলতা কাটিয়ে অবশেষে বাংলাদেশ থেকে ঘরে ফিরছে সুন্দরবনের মৎস্যজীবীরা। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে ইতিমধ্যেই বাংলাদেশে আটকে পড়া ৪৭ জন মৎস্যজীবীকে আজই তাদের বাড়ির লোকের হাতে তুলে দেওয়া হবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অন্যদিকে আন্তর্জাতিক


 জলসীমানা অতিক্রম করার অভিযোগে বেশ কিছু বাংলাদেশি মৎস্যজীবীকে গ্রেপ্তার করেছিল উপকূল রক্ষী বাহিনী। তাদের সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া মেনে ও ও মেডিকেল রিপোর্ট করানোর পরে ৩২ জন বাংলাদেশি মৎস্যজীবীকে ফেরানো হচ্ছে তাদের দেশে দীর্ঘ তিন মাস পর পরিবারের লোক ঘরে ফিরে আসার আনন্দে আত্মহারা মৎস্যজীবী পরিবারগুলি।

২৬ শে বিধানসভা ভোটের আগে বিরোধী শিবিরে আবার ও ভাঙন।


দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার কুলতলী বিধানসভার অধীনে জালাবেরিয়া ২ নম্বর অঞ্চলে ৩৬ নম্বর মন্ডলের এলাকায় ১১২ নম্বর বুথে ভারতীয় জনতা পার্টির দুইটি পরিবার সহ ১০ থেকে ১৫ জন বিজেপি কর্মী বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসের যোগদান করে। মূলত তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল অবজার্ভারের হাত ধরে তৃণমূল কংগ্রেসের যোগদান করে। এবং তৃণমূল কংগ্রেসের পতাকা তুলে দেন।
বছর ঘুরলে ২৬ এ বিধানসভা ভোট আর ছাব্বিশে বিধানসভা ভোটের আগে একাধিক জায়গায় বিরোধী শিবিরে ভাঙ্গন ঠিক তেমনি কুলতলী বিধানসভা এলাকায় আবারো বিরোধী শিবিরে ভাঙ্গন, ভোটের আগে তৃণমূল কংগ্রেসের আরো সংগঠন মজবুত হল। মূলত তৃণমূল কংগ্রেসের উন্নয়ন দেখে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করে। বিজেপিতে দীর্ঘদিন থাকার পরেও মানুষের হয়ে এলাকায় কোন উন্নয়ন করতে পারছিল না তাই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসের যোগদান। আর এই যোগদান ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড়।

বেকারত্বকে 'কেক-মেকওভার'! ইউটিউব দেখে স্বনির্ভর গঙ্গাসাগরের সুমনা, ডাক দিলেন পিছিয়ে পড়া মেয়েদেরও
 
কর্মহীনতা মানেই হতাশা নয়— এই ভাবনাকেই সত্যি করে দেখালেন সুন্দরবনের প্রত্যন্ত এলাকা গঙ্গাসাগরের খান সাহেব আবাদের মেয়ে সুমনা
 দাস। হাতে কাজ না থাকায় যখন সময় কাটছিল না, তখন তিনি ইউটিউবে কেক বানানোর ভিডিও দেখে নিজেই উদ্যোগী হন।
সাহস করে বাড়িতে বসে কেক তৈরি শুরু করেন সুমনা। প্রথমদিকে হয়তো সামান্য ছিল, কিন্তু দ্রুত তাঁর বানানো কেকের মান ও স্বাদের জন্য চাহিদা বাড়তে থাকে। এখন জন্মদিন থেকে শুরু করে অন্যান্য অনুষ্ঠানে কেকের অর্ডার পাচ্ছেন তিনি।

 বাড়িতে বসেই সেই কেক তৈরি ও বিক্রি করে স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছেন মামনি দাস। সুমনার এই উদ্যোগ কেবল তাঁর ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, এটি সুন্দরবনের অন্য বেকার মেয়েদের জন্যও অনুপ্রেরণা। তিনি চান, তাঁর এলাকার পিছিয়ে পড়া মেয়েরা শুধু বাড়িতে বসে না থেকে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করুক। তাঁর সঙ্গে সহযোগিতা করে তাঁরাও যেন উপার্জন করতে পারে, সেই আহ্বান জানিয়েছেন এই উদ্যোগী তরুণী। সুমনা দাসের এই স্বনির্ভরতার গল্প প্রমাণ করে, ইচ্ছেশক্তি আর সামান্য প্রশিক্ষণের সুযোগ থাকলে প্রত্যন্ত এলাকার মেয়েরাও নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারে। সুমনা এখন এই অঞ্চলের অন্য মেয়েদের হাতেও রোজগারের চাবিকাঠি তুলে দিতে বদ্ধপরিকর।


সুদূর ইসলামপুর থেকে চিকিৎসক হতে চেয়ে কলকাতা এসেছিলেন যুবক। কিন্তু ভর্তির হাজারও জটিলতায় শেষে আবেদন ফর্মটি পূরণ করতে পারেননি নাহিদ আলম। জল গড়ায় আদালত পর্যন্ত। গোটা ঘটনায় বিস্মিত হাইকোর্ট। মঙ্গলবার সেই মামলা ওঠে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর এজলাসে।

চাষির বাড়ির ছেলে বলে ডাক্তার হবে না?', 'সিস্টেম' নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বিচারপতি বসু
বাবার সঙ্গে নাহিদ

চাষির ছেলের চিকিৎসক হতে বাধা, নেপথ্যে কোন অদৃশ্য হাত! প্রশ্ন কলকাতা হাইকোর্টের। সুদূর ইসলামপুর থেকে চিকিৎসক হতে চেয়ে কলকাতা এসেছিলেন যুবক। কিন্তু ভর্তির হাজারও জটিলতায় শেষে আবেদন ফর্মটি পূরণ করতে পারেননি নাহিদ আলম। জল গড়ায় আদালত পর্যন্ত। গোটা ঘটনায় বিস্মিত হাইকোর্ট। মঙ্গলবার সেই মামলা ওঠে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর এজলাসে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, “সিস্টেম চাইলেও কোন অদৃশ্য হাত বারবার দরিদ্রদের বিরুদ্ধে কাজ করছে। সিস্টেমের মধ্যে থাকা সেই লোকগুলোই বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।”

তাহির আলম সুদুর গোয়ালপোখরের বাসিন্দা। এবছর NEET-এ পরীক্ষা দিয়ে চিকিৎসক হিসেবে বজবজের জগন্নাথ মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির সুযোগ পান তিনি। রাজ্যের অনুমোদিত বেসরকারি কলেজেটিতে ভর্তির ও পড়াশোনার জন্য মোট ২৫ লক্ষ টাকা ধার্য ছিল। ফর্মে কলেজে টাকা জমা দেওয়ার কথা থাকায় বজবজে আসেন তিনি। সেখানে গিয়ে জানতে পারেন টাকা জমা দিতে হবে SSKM-এ। বজবজ থেকে কলকাতায় এসে ১০ লক্ষ টাকা জমা দিতেও আসেন। তখন জানতে পারেন কোন চেক নেওয়া হবে না। শুধু ড্রাফটের মাধ্যমে পুরো ২৫ লক্ষ টাকাই দিতে হবে।

 কেন্দ্রের কাছে জমা পড়ল 'ওয়াকফের হিসাব', বাংলায় কত পাওয়া গেল?
এককালীন ওই টাকা সঙ্গে সঙ্গে জোগাড় করতে না পারায় তাঁকে ভর্তি নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। এরপরই কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন তাহির। নাহিদের বাবা গোয়ালপোখরের চাষি। নিজের জমি আর বাড়ি বন্দক রেখে টাকা জোগাড় করার জন্য ব্যাঙ্কের দারস্থ হন। সেখানে দুদিন পর তাঁকে বাকি টাকা দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়। কিন্তু কলেজ কর্তৃপক্ষ তাতে সায় দেন নি।

বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর পর্যবেক্ষণ, “চাষির বাড়ির ছেলের স্বপ্ন এভাবে নষ্ট হতে দেওয়া যায় না। আগামী দিনে এই ছাত্র দেশের নামকরা চিকিৎসক হতে পারেন। সিস্টেমে সাহায্যের আশ্বাস থাকলেও কয়েকজনের জন্য সেটা সম্ভব হয় না।” বৃহস্পতিবারই এই মামলার রায় দেবেন বিচারপতি। তার মধ্যে ড্রাফটের কাগজপত্র সহ যাবতীয় নথি দিতে নির্দেশ দিয়েছেন মামলাকারীকে।
রাজ্যে এসআইআর পর্ব শুরু হতেই রাজ্যের নানা প্রান্ত থেকে লাগাতার ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বিএলও-রা। ট্রেনিংয়ে গিয়ে কাজের চাপ নিয়ে কেঁদে ভাসিয়েছেন অনেকে। এসেছে বেশ কিছু মৃত্যুর খবরও। তা নিয়ে প্রশাসনিক মহলের পাশাপাশি রাজনৈতিক মহলেও বিস্তর চাপানউতোর হয়।

 কয়েকদিন আগেই ব্রেনস্ট্রোক! অসুস্থ সহকর্মীকে অ্য়াম্বুলেন্সে নিয়ে এসে CEO দফতরে তুমুল বিক্ষোভ BLO-দের
ফের বিক্ষোভে বিএলও-রা

ফের সিইও দফতরের সামনে আছড়ে পড়ল বিএলও-দের বিক্ষোভ। এবার এক্কেবারে ব্রেনস্ট্রোকে আক্রান্ত বিএলও-কে নিয়ে ছুটে এল পরিবারের সদস্যরা। এই অবস্থায় কীভাবে চলবে সংসার, প্রশ্ন তুললেন পরিবারের সদস্যরা। সিইও অফিসের সামনা ধরনাতেও বসল বিএলও অধিকার রক্ষা কমিটি। পিছনে দাঁড়িয়ে রইল অ্যাম্বুলেন্স। সেখানেই রইলেন নামখানার বাসিন্দা অসুস্থ ওই বিএলও দেবাশিস দাস। গত ১০ দিন চিকিৎসাধীন ছিলেন এসএসকেএম হাসপাতালে। এদিনই ছাড়া পান। পরিবারের সদস্যদেক অভিযোগ, কাজের চাপেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তিনি। একই কথা সহকর্মীদেরও। 

কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন অসুস্থ দেবাশিস দাসের ছেলে সৌরভ দাস। তিনি বলছেন, শুরু থেকেই ওনারা কোনও খবর নেননি। বাবার শারীরিক অবস্থা কেমন, কতটা সঙ্কটজনক কিছুই জানতে চাননি। আমরা ডেপুটেশন দিয়েছি। বিএলও-দের জন্য যে ইনস্যুরেন্স রয়েছে তার কথা বলেছি। আমরা ১৫ লক্ষ টাকার ক্ষতিপূরণ চেয়েছি। 



ঢুকছে না ভাতা, মমতার সভায় এসে ক্ষোভ উগরে দিলেন পরিযায়ী শ্রমিক
আন্দোলন মঞ্চ থেকেই আর এক বিএলও বললেন, “দেবাশিসবাবু তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠুন এটাই চাই। আর সঙ্গে আমাদের এই এত কাজের চাপ, এত মানসিক চাপ থেকে মুক্তি দেওয়া হোক। এটাই চাই। কমিশন আমাদের কথা ভাবছে মুখে বললেও, নানা নির্দেশ দিলেও আমাদের চাপ কিছুতেই কমছে না।” 

রাজ্যে এসআইআর পর্ব শুরু হতেই রাজ্যের নানা প্রান্ত থেকে লাগাতার ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বিএলও-রা। ট্রেনিংয়ে গিয়ে কাজের চাপ নিয়ে কেঁদে ভাসিয়েছেন অনেকে। এসেছে বেশ কিছু মৃত্যুর খবরও। তা নিয়ে প্রশাসনিক মহলের পাশাপাশি রাজনৈতিক মহলেও বিস্তর চাপানউতোর হয়। একের পর এক মৃত্য়ুর সঙ্গে জুড়ে গিয়েছে এসআইআর তত্ত্ব। ক্ষতিপূরণের ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। এরইমধ্যে এর আগে একাধিকবার সিইও দফতরে আছড়ে পড়েছে বিএলও-দের বিক্ষোভ।  


মঙ্গলবার গায়ককে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। পৌঁছে নচিকেতার কুশল সংবাদ নেওয়ার পাশাপাশি চিকিৎসকের সঙ্গে আলাদা করে কথাও বলেছেন তিনি। জানতে চেয়েছেন, চিকিৎসার খুঁটিনাটিও। দিদির মতো নচিকেতাকে শরীরের যত্ন নেওয়ার জন্য মৃদু শাসনও করেছেন মমতা।


নচিকেতাকে দেখতে হাসপাতালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় , গায়ককে কী নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী?
আকাশ মিশ্র


শুক্রবার রাত থেকে বাইপাস সংলগ্ন একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তী। জানা গিয়েছে, গায়কের হার্টে ব্লকেজ রয়েছে। দ্রুত তাঁর অস্ত্রোপচার করা হয়। নচিকেতার হার্টে দুটো স্টেন্টও বসানো হয়েছে। তবে এখন নচিকেতার শারীরিক অবস্থা আগের থেকে অনেকটাই স্থিতিশীল। মঙ্গলবার গায়ককে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। পৌঁছে নচিকেতার কুশল সংবাদ নেওয়ার পাশাপাশি চিকিৎসকের সঙ্গে আলাদা করে কথাও বলেছেন তিনি। জানতে চেয়েছেন, চিকিৎসার খুঁটিনাটিও। দিদির মতো নচিকেতাকে শরীরের যত্ন নেওয়ার জন্য মৃদু শাসনও করেছেন মমতা।

সূত্রের খবর অনুযায়ী, শনিবার হার্টের সমস্যার কারণে জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় নচিকেতাকে। যদিও বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলেই চিকিৎসক সূত্রে খবর। অসুস্থতার কারণে গত কয়েকদিনের নির্ধারিত অনুষ্ঠানের সময়সূচি বাতিল করা হয়েছিল এবং তিনি বাড়িতে বিশ্রামেই ছিলেন। কিন্তু হঠাৎ শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। শোনা গিয়েছে, গায়কের অ্যাঞ্জিওপ্লাস্ট হয়েছে। হার্টে স্টেন্ট বসেছে। তবে বর্তমানে তিনি বিপদমুক্ত। ২ দিন হাসপাতালেই রাখা হবে তাঁকে।



অভিনেতা কল্যাণ চোখ বুজতেই মুখ খুললেন বোন, সামনে চলে এল বিরাট প্রশ্ন!
এই মুহূর্তে নচিকেতার পরিবার বা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে আনুষ্ঠানিক কোনও বিবৃতি প্রকাশ্যে আনা হয়নি। তবে খবর ছড়িয়ে পড়তেই অনুরাগীরা তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছেন। কিছুদিন বিশ্রামের পর আবারও মঞ্চে ফিরবেন গায়ক, এই অপেক্ষাই এখন বর্তমান।

মমতার দাবি, বিজেপির হাতে রাজ্য গেলে বাংলাটা শেষ হয়ে যাবে। বলেন, “বিজেপির হাতে রাজ্য গেলে আপনার অস্তিত্ব থাকবে না, আপনার সম্মান খাকবে না, আপনার ঠিকানা থাকবে না। বাংলাটা ডিটেনশন ক্যাম্পে পরিণত হবে।” তবে বাংলায় কোনওভাবেই তিনি ডিটেনশন ক্যাম্প করতে দেবেন না বলে এদিন ফের একবার সোচ্চারে বলেন।


ফাইনাল লিস্ট তৈরির পরের দিনই…’ বিজেপির তুলোধনা করে SIR নিয়ে কোন ‘প্ল্যানের’ ইঙ্গিত মমতার?
আক্রমণে মমতা


ছাব্বিশের নির্বাচনে রাজবংশী ভোটে নজর তৃণমূল কংগ্রেসের? এসআইআর আবহে কোচবিহারের রাসমেলা ময়দানে বড়সড় জনসভা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঞ্চে উঠেই কেন্দ্রীয় বঞ্চনা থেকে বন্দেমাতরম বিতর্ক নানা ইস্যুতে কথা বললেন। সঙ্গে একইসঙ্গে বিগত কয়েকদিনের মতোই সুর চড়ালেন এসআইআর নিয়েই। মমতার সাফ কথা, “সামনে নির্বাচন রয়েছে। তাই সবটাই প্ল্য়ান করে করেছে।” 


মঞ্চ থেকে এসআইআর প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে মমতা বলেন, “নির্বাচনের সময় সংখ্যালঘু ভোট ভাগ করার চেষ্টা করছেন কোটি কোটি টাকা খরচ করে। এসআইআরে সবাই নাম তুলবেন। কারণ এটা ওদের চালাকি। সামনে নির্বাচন রয়েছে। তাই প্ল্য়ান করে করেছে। যদি আমরা না করি তাহলে ওরা রাষ্ট্রপতি শাসন করে ভোট করবে।” কেন তিনি পুরো বিষয়ে প্ল্য়ান বলছেন এদিন তার ব্যখ্যাও দেন তিনি। বলেন, “ফাইনাল লিস্ট তৈরি করেই পরের দিন নির্বাচন ঘোষণা করে দেবে যাতে কেউ আদালতে যেতে না পারে। কোর্টের ব্যাপার আমি কোর্টের উপর ছেড়ে দিচ্ছি। কিন্তু রাজনৈতিক লড়াই আমরা রাজনৈতিকভাবেই লড়ব।” 



আইন ও বিধিনিষেধের পরোয়া নেই, কাজের কাছ হচ্ছে কি?', রাজ্যকে বড় নির্দেশ বিচারপতি সিনহার

জেনারেল কাস্ট থেকে ST হয়ে বিধানসভা নির্বাচনে লড়েছিলেন, SIR হতেই ধরা পড়লেন সেই নেতা
মমতার দাবি, বিজেপির হাতে রাজ্য গেলে বাংলাটা শেষ হয়ে যাবে। বলেন, “বিজেপির হাতে রাজ্য গেলে আপনার অস্তিত্ব থাকবে না, আপনার সম্মান খাকবে না, আপনার ঠিকানা থাকবে না। বাংলাটা ডিটেনশন ক্যাম্পে পরিণত হবে।” তবে বাংলা কোনওভাবেই যে ডিটেনশন ক্যাম্প করতে দেওয়া হবে না তা ফের একবার জোর দিয়ে বলেন তিনি। হুঙ্কার দিয়ে বলেন, “ডাবল ইঞ্জিন সরকার উত্তর প্রদেশ, অসমে ডিটেনশন ক্যাম্প চালু করেছে। কিন্তু আমরা এখানে আমরা এনআরসি করতে দেব না। কোনও ডিটেনশন ক্যাম্প হবে না।” পাল্টা তোপ দাগছে বিজেপি। বিজেপি মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার খোঁচা দিয়ে বলছেন, “এ কী অদ্ভুত কথা। যুদ্ধ শুরুর আগেই উনি হেরে গেলেন। এখন থেকে হারের কারণ হিসাবে প্রতিক্রিয়া দিচ্ছেন।”  


প্রসঙ্গত, একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলের সঙ্গে ঝামেলা তৈরি হলেও সম্প্রতি মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদ তৈরিকে কেন্দ্র করে দলের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ে হুমায়ুন কবীরের। তৃণমূল তাঁকে সাসপেন্ড করে। তারপরই ২২ ডিসেম্বর নতুন দল তৈরির ঘোষণা করেছিলেন ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক।


আপনার দলের নাম কি 'ন্যাশানাল কনজারভেটিভ পার্টি'? একটু হেসে হুমায়ুন বললেন...
হুমায়ুন কবীর

নতুন দল তৈরি আছে, সব বলব ২২ তারিখ’ বারবার এমনই বলেছেন ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। দল যে ঘোষণা করবেন সে কথা আগেই বলেছিলেন। তবে তার বিস্তারিত তথ্য তিনি দেননি। আজ টিভি ৯ বাংলা হুমায়ুনের নতুন দলের নাম জানতে চাইলে তিনি মুচকি হাসেন। তারপর যদিও স্পিকটি নট।

আগামী ছাব্বিশে কোনও দল কত ভোট পেতে পারে তার একটি তথ্য দেন হুমায়ুন কবীর। সেই সময় হুমায়ুন বলেন, “আমার অনুমান কোনও দল ২০২৬-এ ১৪৮ পৌঁছতে পারবে না। তৃণমূলও না বিজেপিও না। আমি ১৩৫ আসনে লড়ব বলেছি। এমন পরিমাণ সিট জিতব দেখবেন যে, মুখ্যমন্ত্রীর গদিতে যিনি শপথ নিতে যাবেন তাঁকে হুমায়ুন কবীরের দলের বিধায়কদের সমর্থন প্রয়োজন হবে।” এরপর টিভি ৯ বাংলার প্রতিনিধি তাঁকে প্রশ্ন করেন, তবে কি তাঁর নতুন দলের নাম ‘ন্যাশানাল কনজারভেটিভ পার্টি?’ হুমায়ুন তখন হাসেন। আর উত্তর দেন, “সব পরে বলব। পরে জানতে পারবেন।” তবে দলের নাম বলতেই তিনি যেমন হ্যাঁ-ও বলেননি তেমন না-ও বলেননি। অর্থাৎ সব জল্পনাই জিইয়ে রাখলেন আগামী ২২ ডিসেম্বরের জন্য।



 কেন্দ্রের কাছে জমা পড়ল 'ওয়াকফের হিসাব', বাংলায় কত পাওয়া গেল?
তবে এ দিন হুমায়ুন আরও বলেন, “আমি অন ক্যামেরা বলছি, ২২ তারিখ যে দলের কথা ঘোষণা করব, সেখানে ১ লক্ষ মানুষের জমায়েত করে এই দল ওপেন করব। বহরমপুক টেক্সটাইল মোড়ে এই দল ঘোষণা হবে।” প্রসঙ্গত, একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলের সঙ্গে ঝামেলা তৈরি হলেও সম্প্রতি মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদ তৈরিকে কেন্দ্র করে দলের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ে হুমায়ুন কবীরের। তৃণমূল তাঁকে সাসপেন্ড করে। তারপরই ২২ ডিসেম্বর নতুন দল তৈরির ঘোষণা করেছিলেন ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক। বাম-কংগ্রেস এমনকী বাংলায় সদ্য ঢোকা ওয়েসির পার্টি মিমের সঙ্গে জোট করে তিনি লড়াই করবেন বলে জানিয়েছিলেন।


বাংলা যে ধীরে ধীরে নিজের পায়ে দাঁড়াচ্ছে, বাংলার সরকার একাধিক জনমুখী প্রকল্প সামনে আনছে তারও খতিয়ান এদিন তুলে ধরেন কিনি। এরপরই কার্যত হুঙ্কারের সুরে বলেন, “বাংলা কোনওদিন মাথানত করেননি এবং করবেও না। বাংলা মাথা উঁচু করে চলতে জানে।”

দয়া চাই না', ভরা জনসভায় দিল্লির চিঠি কুচিকুচি করে ছিঁড়ে ফেললেন মমতা
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়


 এদিন কোচবিহার থেকে ফের একবার কেন্দ্রীয় বঞ্চনা নিয়ে স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে সরব হতে দেখা গেল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে। একশোদিনের টাকা থেকে আবাস যোজনার টাকা আটাকে রাখা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন। মমতার সাফ কথা, টাকা দিতে শর্ত চাপাচ্ছে কেন্দ্র। কেন্দ্রের লেবার বাজেটের শর্ত তিনি কোনওভাবেই মানছেন না। এদিন মঞ্চে ১০০ দিনের কাজ নিয়ে কেন্দ্রের চিঠিও ছিঁড়ে ফেলতে দেখা যায় তাঁকে। বলেন, “এখন এসআইআর হচ্ছে। এখন আপনি ডিসেম্বর মাসে যদি কিছু দেনও তাহলে মার্চ মাসে বাজেট শেষ। অর্থবর্ষ শেষ। তখন বলবেন করতে পারল না। কারণ আপনি তো করতে দেননি। দু’মাসে টেন্ডার করে সবকিছু হয় না।” 

বঞ্চনা নিয়ে সুর চড়িয়ে বলেন, “একশোদিনের কাজ কেন্দ্রীয় সরকার বন্ধ করে দিয়েছে। ৭টা জেলার জন্য ভোট নেয় ওরা কিন্তু কাজটা করি আমরা। আমরা প্রায় অনেকগুলো চা বাগান খুলে দিয়েছি। কিন্তু হিংসার তো কোনও ওষুধ হয় না, একশোদিনের কাজ ৪ বছর বন্ধ করে দিয়েছে, আবাস যোজনা বন্ধ করে দিয়েছে, গ্রামীণ রাস্তার কাজ বন্ধ করে দিয়েছে।” 


কেন্দ্রের কাছে জমা পড়ল 'ওয়াকফের হিসাব', বাংলায় কত পাওয়া গেল?
তবে বাংলা যে ধীরে ধীরে নিজের পায়ে দাঁড়াচ্ছে, বাংলার সরকার একাধিক জনমুখী প্রকল্প সামনে আনছে তারও খতিয়ান এদিন তুলে ধরেন কিনি। এরপরই কার্যত হুঙ্কারের সুরে বলেন, “বাংলা কোনওদিন মাথানত করেননি এবং করবেও না। বাংলা মাথা উঁচু করে চলতে জানে।” এরপরই কেন্দ্রের অর্ডার নিয়ে বলতে গিয়ে তীব্র ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, “হঠাৎ করে একটা চিঠি দিয়েছে আমাদের। তাতে বলছে কোয়ার্টারলি লেবার বাজেট দেখাতে হবে। বলছে ট্রেনিং দিতে হবে, তারপর কাজ দিতে হবে। কিন্তু কবে ট্রেনিং দেবেন? কবে কাজ দেবেন? আমি বলছি এই কাগজের কোনও মূল্য নেই। একশোদিনের কাজ বাংলাই করবে। তোমাদের ভিক্ষা আমরা চাই না।” আর কথা বলতে বলতেই সকলের সামনেই কেন্দ্রের অর্ডারের কপি টুকরো টুকরো করে ছিঁড়ে ফেলেন তিনি। 

তিনি মনে করিয়ে দেন, ১৯৯২-তে বিজেপি সাংসদ 'বন্দেমাতরম' সংসদে গাওয়ার আবেদন জানিয়েছিলেন। লালকৃষ্ণ আদবানিও তখন বলেছিলেন, সংসদে এই গান গাওয়া উচিত। সেই সময় ইন্ডিয়া জোটের বহু নেতা-নেত্রী আপত্তি জানিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেন অমিত শাহ।


জাতীয় গান ‘বন্দেমাতরম’-এর ১৫০ বছর পূর্তিতে সংসদে আলোচনা চলল দুদিন ধরে। হল বিতর্কও। বিরোধীদের প্রশ্নের মুখে জবাব দিয়ে মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ উদাহরণ দিয়ে দাবি করেন, কংগ্রেস কীভাবে ‘বন্দেমাতরম’কে অবহেলা করেছে। শুধু তাই নয়, এবারের আলোচনাতেও কীভাবে আপত্তি জানানো হয়েছে, সে কথাও উল্লেখ করেন অমিত শাহ।

কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়ঙ্কা গান্ধী সোমবার প্রশ্ন তুলেছেন বন্দেমাতরম নিয়ে আলোচনার প্রয়োজন এখন? সে কথা উল্লেখ করেন অমিত শাহ। পাশাপাশি, তিনি মনে করিয়ে দেন, ১৯৯২-তে বিজেপি সাংসদ ‘বন্দেমাতরম’ সংসদে গাওয়ার আবেদন জানিয়েছিলেন। লালকৃষ্ণ আদবানিও তখন বলেছিলেন, সংসদে এই গান গাওয়া উচিত। সেই সময় ইন্ডিয়া জোটের বহু নেতা-নেত্রী আপত্তি জানিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেন অমিত শাহ।


আপনার দলের নাম কি 'ন্যাশানাল কনজারভেটিভ পার্টি'? একটু হেসে হুমায়ুন বললেন...
কারা আপত্তি জানিয়েছিলেন, সেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে বিরোধীদের তরফ থেকে। উত্তরে অমিত শাহ বলেন, “আমি নিজে চোখে দেখেছি, অনেক নেতা বন্দেমাতরম গাওয়ার সময় সংসদ ছেড়ে চলে যায়। কারা সংসদ ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিলেন, কারা এই গান গাওয়ায় আপত্তি জানিয়েছিলেন, সেই তালিকা আমার কাছে আছে। আমি দিয়ে দেব।”

অমিত শাহ আরও বলেন, “বন্দে মাতরমের সুবর্ণজয়ন্তীতে জওহরলাল নেহরু বন্দেমাতরমকে দু’টুকরো করে দিয়েছিলেন। গানের মহিমা ক্ষুন্ন করেছিল কংগ্রেস। সেই থেকে তোষণ শুরু। আর তার জেরেই পরবর্তীতে দেশভাগ হয়। বন্দেমাতরমকে দু’টুকরো না করা হলে দেশভাগ হত না।” শাহের আরও অভিযোগ, “বন্দেমাতরমের ১০০ বছর পূর্তিতে কোনও উদযাপন হয়নি, কারণ যারা বন্দেমাতরম বলত, তাদের জেলে পুরে দিয়েছিলেন ইন্দিরা গান্ধী।”

জাতীয় নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই স্পষ্ট করে দিয়েছে যাঁরা ভারতের নাগরিক এখনও নন, নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে তাঁরা কোনওভাবেই ভোটার তালিকায় থাকতে পারে না। এই প্রেক্ষাপটেই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা আত্মদীপ সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল। তাঁদের দাবি, যাঁদের আবেদন এখনও বিচারাধীন রয়েছএ তাঁদের আপতভাবে ভোট দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হোক।

নাগরিকত্ব নিশ্চিত হওয়ার পরেই ভোটাধিকার’, সুপ্রিম পর্যবেক্ষণে চাপে মতুয়ারা?
সুুপ্রিম কোর্ট (ফাইল ছবি)

নাগরিকত্ব নিশ্চিত হওয়ার পরই পাওয়া যাবে ভোটাধিকার। স্পষ্ট করে দিল সুপ্রিমকোর্ট। ভোট দিতে পারবেন কি CAA-তে নাগরিকত্বের আবেদনকারী মতুয়ারা? প্রশ্ন ঘুরলেও সুপ্রিম কোর্টের মঙ্গলবারের পর্যবেক্ষণের পর ফের অনিশ্চিত পশ্চিমবঙ্গের CAA তে আবেদনকারীদের ভোটাধিকারের ভবিষ্যৎ। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন ২০১৯-এর নির্দেশিত সময়সীমা অনুযায়ী যারা নাগরিকত্ব লাভের যোগ্য, কিন্তু যাদের নাগরিকত্বের আবেদন এখনও বিচারাধীন, তাঁদের SIR এর পর ভোটার তালিকায় সংযুক্ত করার আবেদন জানিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল আত্মদীপ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। চলে শুনানি। 

কী বলছে সিএএ? 
নাগরিকত্ব সংশোধন আইনে স্পষ্টতই বলা আছে সুনির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যাঁরা ভারতে এসেছেন তাঁরা নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারবেন। কারা নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারবেন সে বিষয়েও সুনির্দিষ্ট কয়েকটি বিষয় উল্লেখ করা আছে। অর্থাৎ সেই জাতীগত শর্ত যদি মানা হয় তাহলেই তাঁরা নাগরিকত্ব পাবেন। স্বাভাবিকভাবেই সেই বিষয়গুলি যতক্ষণ না যাচাই হচ্ছে, যতদিন তাঁদের আবেদন বিচারাধীন থাকছে ততদিন তাঁরা ভারতের নাগরিক হিসাবে কখনও গণ্য হচ্ছে না। 



কে করেছিল মামলা? কোথা থেকে সূত্রপাত? 
অন্যদিকে জাতীয় নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই স্পষ্ট করে দিয়েছে যাঁরা ভারতের নাগরিক এখনও নন, নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে তাঁরা কোনওভাবেই ভোটার তালিকায় থাকতে পারে না। এই প্রেক্ষাপটেই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা আত্মদীপ সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল। তাঁদের দাবি, যাঁদের আবেদন এখনও বিচারাধীন রয়েছএ তাঁদের আপতভাবে ভোট দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হোক। এসআইআরের পর যে সংশোধিত ভোটার তালিকা প্রকাশ হবে সেখানে যেন তাঁদের জায়গা দেওয়া হয় সেই আবেদনও করা হয়। পাশাপাশি সিএএ-র এই প্রক্রিয়া অর্থাৎ নাগরিকত্ব যাচাইয়ের প্রক্রিয়াও আরও দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে নির্দেশ দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছিল পিটিশনের মাধ্যমে। আবেদন জানান স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার তরফে আইনজীবী করুণা নন্দী। কোর্ট যদিও এ বিষয়েও কোন নির্দেশ দিতে অস্বীকার করে। কিন্তু সামনে আসে একের পর এক তাৎপর্যপূর্ণ পর্যবেক্ষণ। 

কী বলছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন? 
সুপ্রিম কোর্ট এদিন প্রথমেই বলে দেয় যাঁরা আবেদন করেছেন তাঁদের আবেদন যতক্ষণ না যাচাই হচ্ছে, যতক্ষণ না তাঁরা ভারতের নাগরিক হিসাবে ঘোষিত হচ্ছে ততক্ষণ তাঁরা ভোটাধিকার পেতে পারে না। এদিন বিচারপতি সূর্যকান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দেয় প্রথমে নাগরিকত্ব পেতে হবে তারপরে ভোটার তালিকায় নাম তোলার বিষয়ে আসবে। তবে নাগরিকত্ব নির্ধারণের ক্ষেত্রে জাতীয় নির্বাচন কমিশনেরও কোনও ভূমিকা নেই বলে কমিশনের তরফে অবস্থান জানিয়ে দেন আইনজীবী রাকেশ দ্বিবেদী। তাঁর বক্তব্য, এক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্রীয় সরকার। 

আশার আলো কি রয়েছে?
তবে বিচারপতি সূর্যকান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ কেন্দ্রীয় সরকারকে এ বিষয়ে নোটিস ইস্যু করেছে। এক সপ্তাহের মধ্যে কেন্দ্রের বক্তব্য জানানোর কথা বলা হয়েছে। অ্য়াটর্নি জেনারেলের অফিসের মাধ্যমে এই নোটিস ইস্যু করা হয়েছে। আগামী সপ্তাহেই এই বিষয়ের শুনানি হবে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় সরকার যদি এই সিএএ প্রক্রিয়াকে দ্রুত সম্পন্ন করার নির্দেশ দেয়, যদি তা ফেব্রুয়ারির মধ্যে হয় তাহলে যাঁরা আবেদন করেছেন তাঁরা ভোট দিতে পারবেন। কিন্তু তার জন্যই অবশ্যই নাগরিকত্ব নিশ্চিত হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।