WEATHER

Top News


 সাধারণত কোনও তারকার জনপ্রিয়তা কাজে লাগিয়ে অনেক সংস্থা তাঁর অনুমতি ছাড়াই টি-শার্ট, পোস্টার বা অন্যান্য সামগ্রী তৈরি করে বাজারে বিক্রি করে। অল্লু অর্জুনের দাবি, তাঁর সম্মতি ছাড়া তাঁর ব্যক্তিত্বের কোনো অংশই যেন বাণিজ্যিক স্বার্থে ব্যবহার করা না হয়। এই অধিকারটিকেই আইনি ভাষায় বলা হয় ‘পার্সোনালিটি রাইটস’।



তেলুগু সিনেমার মহাতারকা অল্লু অর্জুন এবার আদালতের শরণাপন্ন হলেন। টলিউডের এই অভিনেতার অভিযোগ, তাঁর অনুমতি ছাড়াই বিভিন্ন বাণিজ্যিক পণ্য বা ‘মার্চেন্ডাইজ’-এ তাঁর নাম, ছবি এবং কণ্ঠস্বর ব্যবহার করা হচ্ছে। এই যথেচ্ছ ব্যবহার রুখতেই দিল্লি হাইকোর্টে একটি মামলা দায়ের করেছেন তিনি। শুক্রবার বিচারপতি তুষার রাও গেডেলার এজলাসে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা।

সাধারণত কোনও তারকার জনপ্রিয়তা কাজে লাগিয়ে অনেক সংস্থা তাঁর অনুমতি ছাড়াই টি-শার্ট, পোস্টার বা অন্যান্য সামগ্রী তৈরি করে বাজারে বিক্রি করে। অল্লু অর্জুনের দাবি, তাঁর সম্মতি ছাড়া তাঁর ব্যক্তিত্বের কোনো অংশই যেন বাণিজ্যিক স্বার্থে ব্যবহার করা না হয়। এই অধিকারটিকেই আইনি ভাষায় বলা হয় ‘পার্সোনালিটি রাইটস’।



এটি কোনো ব্যক্তির আইনি অধিকার, যার মাধ্যমে তিনি নিজের পরিচয়— যেমন নাম, ছবি, কণ্ঠস্বর, স্বাক্ষর, এমনকি তাঁর জনপ্রিয় কোনো সংলাপের বাণিজ্যিক ও প্রকাশ্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। এর দুটি প্রধান দিক রয়েছে- পাবলিসিটি রাইট: অনুমতি ছাড়া বিজ্ঞাপনে ছবি বা পরিচয় ব্যবহার করে মুনাফা লোটা বন্ধ করা। প্রাইভেসি রাইট: মফড ছবি, ডিপফেক ভিডিও বা জাল বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে কারও ব্যক্তিগত মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হওয়া থেকে রক্ষা করা।

কেবল আল্লু অর্জুন নন, সম্প্রতি অমিতাভ বচ্চন, অনিল কাপুর এবং জ্যাকি শ্রফের মতো তারকারাও এই অধিকার রক্ষায় আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। খুব সম্প্রতি বলিউড অভিনেতা কার্তিক আরিয়ানও বম্বে হাইকোর্ট থেকে এ বিষয়ে স্বস্তি পেয়েছেন। আদালত তাঁর ব্যক্তিত্বের অধিকার লঙ্ঘনকারী সমস্ত কন্টেন্ট ইন্টারনেট থেকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

বিশ্বজুড়ে অল্লু অর্জুনের অগণিত অনুরাগী থাকলেও, ব্যবসায়িক স্বার্থে তাঁর পরিচয়ের অপব্যবহার রুখতে অভিনেতার এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। দিল্লি হাইকোর্ট এই বিষয়ে কী রায় দেয়, এখন সেটাই দেখার।



জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী


আসন পুনর্বিন্যাসের সঙ্গে মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে ১৩১তম সংবিধান সংশোধনী বিল শুক্রবার লোকসভায় পাশ করাতে ব্যর্থ হয়েছে কেন্দ্র। আর শনিবার রাত সাড়ে আটটায় জাতির উদ্দেশে ভাষণে এই নিয়ে বিরোধীদের নিশানা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, মহিলা সংরক্ষণ বিলের বিরোধিতা করে পাপ করেছে বিরোধীরা। জনগণ এর সাজা দেবে। তিনি আরও বলেন, বিরোধীরা নারীশক্তির উত্থানকে রুদ্ধ করেছে। বিলটি পেশের সময় যারা হাততালি দিয়েছিল নারীরা তাদের ক্ষমা করবে না।

জাতির উদ্দেশে ভাষণে কী কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?



গোটা রাজ্য ছুটে বেড়াচ্ছেন, ভবানীপুরে কেন প্রচার করছেন না মমতা?
গতকাল ১৩১ সংবিধান সংশোধনী বিল নিয়ে লোকসভায় ভোটাভুটি হয়। সেখানে দুই তৃতীয়াংশ সমর্থন পায়নি কেন্দ্র। ফলে লোকসভা পাশ করানো যায়নি মহিলা সংরক্ষণ নিয়ে ১৩১তম সংবিধান সংশোধনী বিল। এই বিলের কথা উল্লেখ করে এদিন জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রথমেই প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, নারীশক্তির বিকাশকে বাধা দেওয়া হয়েছে। সংবিধান সংশোধনী বিল পাশ করাতে না পারার জন্য দেশের মা-বোনদের কাছে ক্ষমা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী।


‘বিরোধীরা মহিলাদের আত্মসম্মানের উপর আঘাত হেনেছে’

বিরোধীদের নিশানা করে জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, “বিরোধীরা মহিলাদের আত্মসম্মানে আঘাত হেনেছে। তারা তাদের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। বিরোধীরা নারীদের অধিকার হরণ করে তারপর উল্লাস করেছে। যে দলগুলো মহিলা সংরক্ষণের বিরোধিতা করেছে, তারা নারী শক্তিকে সহজলভ্য বলে ধরে নিচ্ছে। তারা ভুলে যাচ্ছে যে একবিংশ শতাব্দীর মহিলারা প্রতিটি ঘটনার উপর নজর রাখছে।”

বিরোধীরা মহিলাদের স্বপ্নকে চুরমার করেছে: প্রধানমন্ত্রী মোদী

প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, “আজ আমি আমার বোন ও কন্যাদের সঙ্গে কথা বলতে এসেছি। আজ দেশের প্রত্যেক নাগরিক দেখেছেন, কীভাবে ভারতের নারী ক্ষমতায়নকে রুখে দেওয়া হল। তাঁদের স্বপ্ন চুরমার করা হল। আমাদের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা সত্ত্বেও আমরা সফল হতে পারিনি। মহিলা সংরক্ষণ বিলটি সংসদে পাশ হতে ব্যর্থ হয়েছে। এর জন্য আমি সকল মা ও বোনদের কাছে ক্ষমা চাইছি।”

তৃণমূলকে নিশানা প্রধানমন্ত্রীর-

১৩১তম সংবিধান সংশোধনী বিলের বিরোধিতার জন্য তৃণমূলকে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মহিলাদের এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ ছিল তৃণমূলের কাছে। কিন্তু, সেই সুযোগ তারা নষ্ট করল।” মহিলা সংরক্ষণ বিল লোকসভায় পাশ না হওয়ার ঘটনাকে ভ্রূণহত্যার সঙ্গে তুলনা করলেন প্রধানমন্ত্রী। বললেন, “সৎ চেষ্টার ভ্রূণহত্যা করল কংগ্রেস, ডিএমকে, তৃণমূলের মতো দলগুলি।”

কংগ্রেসকে নিশানা প্রধানমন্ত্রীর-

এদিন জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি আশা করেছিলাম যে কংগ্রেস তার অতীতের ভুল শুধরে নেবে এবং পাপের প্রায়শ্চিত্ত করবে। কিন্তু তারা এই সুযোগটি হাতছাড়া করেছে। পরজীবীর মতো কংগ্রেস আঞ্চলিক দলগুলোর কাঁধে চড়ে টিকে থাকার চেষ্টা করছে।” পরিবারতন্ত্র নিয়ে বিরোধীদের নিশানা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিরোধীরা কখনওই চাইবে না যে তাদের নিজেদের পরিবারের বাইরের নারীরা উন্নতি করুক। আসন পুনর্বিন্যাসের পর নারীদের জন্য আরও বেশি আসন থাকবে এবং তাদের মর্যাদা বাড়বে। তাই বিরোধীরা বিলটির বিরোধিতা করেছে। নারীরা কংগ্রেস এবং তার মিত্রদের ক্ষমা করবে না।”

‘দেশের নারীশক্তির আশীর্বাদ আমাদের সঙ্গেই রয়েছে’

জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যদিও আজ আমরা বিলটি পাশ করার জন্য প্রয়োজনীয় ৬৬ শতাংশ ভোট পাইনি। কিন্তু আমি জানি যে দেশের শতভাগ নারীশক্তির আশীর্বাদ আমাদের সঙ্গে রয়েছে। মহিলা সংরক্ষণের পথে থাকা প্রতিটি বাধা আমরা দূর করব। আমাদের সংকল্প অটল, আমাদের মনোবল দৃঢ়।”

এছাড়াও তাঁর আয়ের একটি বড় উৎস ছিল বিদেশের মাটিতে ছড়িয়ে থাকা তাঁর বিখ্যাত রেস্তোরাঁ চেইন। এই সমস্ত কিছুরই উত্তরাধিকারী হতে চলেছেন আনন্দ। প্রসঙ্গত, সমাজমাধ্যমে ঘোরাফেরা করা তথ্য অনুযায়ী, শুধুমাত্র তাঁর রিয়েল এস্টেট বা আবাসন সম্পত্তির বাজারমূল্যই প্রায় ৮০ থেকে ১০০ কোটি টাকা।
কারা পাচ্ছেন আশা ভোঁসলের ২৫০ কোটি টাকার 

আশা ভোঁসলের প্রয়াণের মধ্য়ে দিয়ে ভারতীয় সঙ্গীতের একটি স্বর্ণালি যুগের অবসান হয়েছে। তবে শোকের আবহেও গায়িকার রেখে যাওয়া বিপুল স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির বিলিবন্দোবস্ত নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া খবর অনুযায়ী, আশার প্রায় ২৫০ কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক ছিলেন। যার মধ্যে রয়েছে তাঁর গানের রয়্যালটি, বাড়ি, ফ্ল্যাট, দেশে-বিদেশে ছড়িয়ে থাকা তাঁর রেস্তরাঁও।


তা কে কে পাচ্ছেন আশার এই বিশাল সম্পত্তি?
একটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আশা ভোঁসলের সমস্ত ব্যবসায়িক কাজকর্ম দেখাশোনা করতেন তাঁর ছেলে আনন্দ। মুম্বই ও পুনেতে গায়িকার বেশ কিছু বিলাসবহুল আবাসন রয়েছে। এছাড়াও তাঁর আয়ের একটি বড় উৎস ছিল বিদেশের মাটিতে ছড়িয়ে থাকা তাঁর বিখ্যাত রেস্তোরাঁ চেইন। এই সমস্ত কিছুরই উত্তরাধিকারী হতে চলেছেন আনন্দ। প্রসঙ্গত, সমাজমাধ্যমে ঘোরাফেরা করা তথ্য অনুযায়ী, শুধুমাত্র তাঁর রিয়েল এস্টেট বা আবাসন সম্পত্তির বাজারমূল্যই প্রায় ৮০ থেকে ১০০ কোটি টাকা।



BJP-কে ভোট দেবেন', কৌস্তভ বলতেই মহিলা TMC কর্মী বললেন, 'জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত মমতা দেখছেন, তাঁর সঙ্গেই থাকব'
আশা ভোঁসলের মোট সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ২৫০ কোটি টাকা। কয়েক দশক ধরে হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে তাঁর গাওয়া হাজার হাজার কালজয়ী গানই ছিল এই সম্পদের মূল ভিত্তি। গজল, ধ্রুপদী সঙ্গীত থেকে শুরু করে ক্যাবারে বা পপ— সব ঘরানাতেই তিনি ছিলেন অপ্রতিদ্বন্দ্বী। শুরুর দিকে প্লে-ব্যাক গায়িকারা রয়্যালটি পেতেন না, কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন সুরকার ও পরিচালকদের সঙ্গে তাঁর কাজ এবং গানের রয়্যালটি তাঁর আর্থিক ভিত্তিকে মজবুত করেছিল।


আশা ভোঁসলে কেবল সুরের জাদুকরী ছিলেন না, বরং একজন সফল উদ্যোক্তাও ছিলেন। ২০০২ সালে দুবাইতে তিনি তাঁর আন্তর্জাতিক রেস্তোরাঁ চেইন ‘আশা’স’ (Asha’s) শুরু করেন। বর্তমানে এই ব্র্যান্ডটি সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, কুয়েত, বাহরাইন এবং ব্রিটেনের বার্মিংহাম ও ম্যাঞ্চেস্টারের মতো শহরে দাপটের সঙ্গে ব্যবসা করছে। সঙ্গীত জগতের বাইরেও তাঁর এই ব্যবসায়িক দূরদর্শিতা তাঁকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিল।

ব্যক্তিগত জীবনে অনেক চড়াই-উতরাই দেখলেও আশা ভোঁসলে নিজের পরিশ্রমে গড়ে তুলেছিলেন এক বিশাল সাম্রাজ্য। তাঁর প্রয়াণে সেই সম্পত্তির দায়িত্ব এখন তাঁর সুযোগ্য পুত্র ও নাতনির কাঁধে। তবে ভক্তদের কাছে তাঁর সবথেকে বড় সম্পত্তি হয়ে থাকবে তাঁর গাওয়া সেই অজস্র মায়াবী গান, যা যুগ যুগ ধরে বেঁচে থাকবে।


রিচা চাড্ডা বরাবরই ঠোঁটকাটা হিসেবে পরিচিত। তবে এবার তিনি যে প্রশ্নটি তুলেছেন, তা অনেকের মনেই চিন্তার ছাপ ফেলেছে। তাঁর মতে, স্বাধীন ধারার সিনেমা চিরকালই ঝুঁকি নিতে পছন্দ করত। সেখানে প্রাধান্য পেত গল্পের সত্যতা এবং নতুনত্ব। রিচার বক্তব্য হল, "আমি কোনও নির্দিষ্ট অভিনেতার ক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছি না। কিন্তু একজন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত অভিনেতা অন্তত এটুকু গ্যারান্টি দিতে পারেন যে অভিনয়ের মান বজায় থাকবে।"


বলিউডের প্রথম সারির অভিনেতাদের জন্যই নতুনদের হাল খারাপ! কাকে ঠুকলেন রিচা?
রিচার এই মন্তব্য ঘিরে এখন বি-টাউনে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।


ইনডিপেন্ডেন্ট বা স্বাধীন ধারার সিনেমা মানেই এককালে ছিল নতুন প্রতিভা খোঁজার মঞ্চ। কিন্তু বর্তমানে কী সেই ছবিটা কিছুটা পাল্টাচ্ছে? কেন যে ছবিতে তথাকথিত ‘তারকা’র দরকার নেই, সেখানেও কমার্শিয়াল অভিনেতাদের ভিড় করানো হচ্ছে? সম্প্রতি এই নিয়েই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন অভিনেত্রী তথা প্রযোজক রিচা চাড্ডা। তাঁর সাফ কথা, যেসব অভিনেতাদের বক্স অফিসে ছবি নিয়ে বাজিমাত করার ক্ষমতা নেই, আবার আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালেও যাঁদের নামের ওজন বিশেষ কাজ করে না— তাঁদের কেন মিছিমিছি ইন্ডিপেনডেন্ট ছবিতে নেওয়া হচ্ছে? রিচার এই মন্তব্য ঘিরে এখন বি-টাউনে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।


“পারফরম্যান্সের গ্যারান্টি কে দেবে”?



 মোদী আসার আগেই ভাঙন, তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান
রাতে ভুল দিকে মাথা রেখে ঘুমোচ্ছেন না তো? বড় বিপদ ঘনিয়ে আসার আগেই বদলে ফেলুন অভ্যাস!
রিচা চাড্ডা বরাবরই ঠোঁটকাটা হিসেবে পরিচিত। তবে এবার তিনি যে প্রশ্নটি তুলেছেন, তা অনেকের মনেই চিন্তার ছাপ ফেলেছে। তাঁর মতে, স্বাধীন ধারার সিনেমা চিরকালই ঝুঁকি নিতে পছন্দ করত। সেখানে প্রাধান্য পেত গল্পের সত্যতা এবং নতুনত্ব। রিচার বক্তব্য হল, “আমি কোনও নির্দিষ্ট অভিনেতার ক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছি না। কিন্তু একজন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত অভিনেতা অন্তত এটুকু গ্যারান্টি দিতে পারেন যে অভিনয়ের মান বজায় থাকবে।” তিনি মনে করেন, যেসব গল্পের জন্য বড় স্টারের প্রয়োজন নেই, সেখানে মিছিমিছি বাজেট বাড়িয়ে কমার্শিয়াল মুখ নেওয়ার কোনও মানেই হয় না।


২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে ইন্ডিপেনডেন্ট সিনেমাকে টিকিয়ে রাখতে হলে অর্থনৈতিক দিকটা মাথায় রাখা জরুরি বলে মনে করেন রিচা। তিনি বাস্তব চিত্রটা তুলে ধরে বলেন, বড় অভিনেতাদের সঙ্গে তাঁদের বিশাল টিম বা ‘এন্টুরেজ’-এর খরচও বহন করতে হয় প্রযোজকদের। এতে অকারণেই ছবির বাজেটে একটা বড় ফাঁক তৈরি হয়। রিচার পরামর্শ হল, “এমন অভিনেতাদের সুযোগ দিন যাঁরা ছবির বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াবেন, কিন্তু বাজেটে টান দেবেন না। দর্শকরা এখন ভালো গল্প এবং বিশ্বাসযোগ্য অভিনয় দেখতে চান।”

আশির দশকের উদাহরণ টেনে রিচা মনে করিয়ে দিয়েছেন ফারুক শেখ, অমল পালেকর কিংবা শাবানা আজমিদের কথা। তাঁরা সেই সময়ে বিকল্প ধারার সিনেমার মহাতারকা ছিলেন। কিন্তু বর্তমানে ইন্ডাস্ট্রি যেন পাঁচজন ব্যস্ত এবং ক্লান্ত প্রথম সারির পুরুষ অভিনেতার সম্মতির জন্য চাতক পাখির মতো বসে থাকে। রিচার মতে, যদি সবাই শুধু তাঁদের ওপর ভরসা করে বসে থাকে, তবে নতুন কাজের সংখ্যা যেমন কমবে, তেমনই কমবে মৌলিকত্ব।

ইন্ডিপেনডেন্ট সিনেমা মানেই ছিল নতুন মুখের অভিনেতা অভিনেত্রীদের সুযোগ, নতুন লেখক এবং নতুন কারিগররা নিজেদের নতুন করে চিনতে পারতেন এই ছবিগুলোর হাত ধরে। কিন্তু ‘কমার্শিয়াল ভ্যালু’র মোহে পড়ে যখন কাস্টিংয়ে আপস করা হয়, তখনই ছবির প্রাণ হারিয়ে যায় বলে মনে করেন এই অভিনেত্রী।


সিনেমায় জুনায়েদ খানকে দেখা যাবে একজন লাজুক প্রেমিকের চরিত্রে, যে তাঁর সহকর্মী সাই পল্লবীকে মনে মনে পছন্দ করলেও মুখ ফুটে বলতে পারে না। কিন্তু গল্পের মোড় ঘোরে জাপানে একটি ভ্রমণের সময়। সেখানে এক ভয়াবহ দুর্ঘটনায় সাই পল্লবীর চরিত্রটি ‘ট্রানজিয়েন্ট গ্লোবাল অ্যামনেসিয়া’ (TGA) বা সাময়িক স্মৃতিভ্রমের শিকার হয়।


কীভাবে সিনেমার নায়ক হয়ে উঠলেন আমির? গোপন গল্প নিজেই জানিয়ে দিলেন
আকাশ মিশ্র


“কখনও কখনও আপনার পুরো জীবন পরিবর্তন করার জন্য মাত্র একটি দিনই যথেষ্ট”— এই মন্ত্রকে সামনে রেখেই বড় পর্দায় আসছে রোম্যান্টিক ড্রামা ‘এক দিন’। আগামী ১ মে ২০২৬-এ মুক্তি পেতে চলা এই ছবিটির প্রচার শুরু করতে গিয়ে নিজের ব্যক্তিগত জীবনের এক অম্লমধুর স্মৃতি ভাগ করে নিলেন আমির খান।


ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে আমির জানান, কেরিয়ারের শুরুর দিকে একটি নাটকে অভিনয়ের সুযোগ হাতছাড়া হওয়ায় তিনি ভেঙে পড়েছিলেন। যে কাজটির জন্য তিনি জানপ্রাণ লড়িয়ে দিয়েছিলেন, সেটি না পাওয়ায় নিজেকে ব্যর্থ মনে হয়েছিল তাঁর। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হল, সেই ব্যর্থতার দিনটিই তাঁর জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। ওই দিনটির রেশ ধরেই তিনি তাঁর প্রথম বড় ব্রেক পেয়েছিলেন। আমির বলেন, “জীবনের অপ্রত্যাশিত বাঁকগুলো আসলে লুকানো সুযোগ। একটি দিনই আপনার সফরের সংজ্ঞা নতুন করে লিখে দিতে পারে।”



'আমি বিশ্বাসঘাতকতা করেছি', অধীরকে 'গুরু' মেনে ভোটের আগে বিস্ফোরক সাগরদিঘির তৃণমূল প্রার্থী বায়রন
সিনেমায় জুনায়েদ খানকে দেখা যাবে একজন লাজুক প্রেমিকের চরিত্রে, যে তাঁর সহকর্মী সাই পল্লবীকে মনে মনে পছন্দ করলেও মুখ ফুটে বলতে পারে না। কিন্তু গল্পের মোড় ঘোরে জাপানে একটি ভ্রমণের সময়। সেখানে এক ভয়াবহ দুর্ঘটনায় সাই পল্লবীর চরিত্রটি ‘ট্রানজিয়েন্ট গ্লোবাল অ্যামনেসিয়া’ (TGA) বা সাময়িক স্মৃতিভ্রমের শিকার হয়। অদ্ভুতভাবে, সেই দুর্ঘটনার পর সে কেবল জুনায়েদকেই চিনতে পারে, কারণ জুনায়েদই তাঁর প্রাণ বাঁচিয়েছিল। এই পরিস্থিতির পর তাঁদের সম্পর্কের সমীকরণ সম্পূর্ণ বদলে যায়।



এই ছবির হাত ধরে দীর্ঘ সময় পর ফের একসঙ্গে কাজ করছেন দুই ভাই আমির খান ও মানসুর খান। এর আগে ‘জো জিতা ওহি সিকান্দার’ এবং ‘অকেলে হাম অকেলে তুম’-এর মতো ক্লাসিক ছবি উপহার দিয়েছেন তাঁরা। রোম্যান্টিক ঘরানার এই ছবিটির পরিচালনা করেছেন সুনীল পাণ্ডে। সহ-প্রযোজক হিসেবে রয়েছেন অপর্ণা পুরোহিত।

সিনেমাটি নিয়ে দর্শকদের মধ্যে ইতিমধ্যেই উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে। বিশেষ করে সাই পল্লবীর বলিউড অভিষেক এবং জুনায়েদের নতুন অবতার বড় পর্দায় দেখার জন্য মুখিয়ে আছেন ভক্তরা।

টলিপাড়ায় রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে অভিনেতা জীতু কমল আর অভিনেত্রী পায়েল দে-র মধ্যে বিরাট ঝগড়া শুরু হয়ে গেল। সমাজ মাধ্যমে দর্শকদের সামনেই চলছে সেই বচসা। রাহুলের মৃত্যুর ন্যায় বিচার চেয়ে যে দিন শহরে মিছিলের আয়োজন করা হয় নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে, সেদিন নিজের একটা সমস্যার কথা তুলে ধরতেই জীতু নিজের ছবিতে মালা দিয়ে তার পাশে বসেছিলেন টেকনিশিয়ান্স স্টুডিয়োতে। পাশে ছিল রাহুলের ছবি, তাতেও ছিল মালা।


মৃত রাহুলের ছবি গাছের নীচে ফেলে উধাও জীতু? পায়েল-জীতুর বচসায় চোখ কপালে!


টলিপাড়ায় রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে অভিনেতা জীতু কমল আর অভিনেত্রী পায়েল দে-র মধ্যে বিরাট ঝগড়া শুরু হয়ে গেল। সমাজ মাধ্যমে দর্শকদের সামনেই চলছে সেই বচসা। রাহুলের মৃত্যুর ন্যায় বিচার চেয়ে যে দিন শহরে মিছিলের আয়োজন করা হয় নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে, সেদিন নিজের একটা সমস্যার কথা তুলে ধরতেই জীতু নিজের ছবিতে মালা দিয়ে তার পাশে বসেছিলেন টেকনিশিয়ান্স স্টুডিয়োতে। পাশে ছিল রাহুলের ছবি, তাতেও ছিল মালা।


জীতুর দাবি ছিল, আর্টিস্টস ফোরামের নজর কাড়তেই এই পদক্ষেপ। কিন্তু রাহুলের সেই ছবি পোস্ট করে অভিনেত্রী পায়েল দে ফেসবুকে লিখলেন, ”দাদা গো, তোমার এই ছবিটায় মালা পরানো হয়েছিল, ওটা টেকনিশিয়ান্স স্টুডিয়োতে গাছতলায় পড়ে ছিল। যিশুদা (সেনগুপ্ত) আর ইন্দ্রাশিস (রায়) সেটা খুব যত্ন করে ফোরামের অফিসে রেখে দিয়েছে, খুব যত্ন করে রাখা আছে, বলছি, উনি কি নিজের ছবির সঙ্গে রাহুলের ছবিটা নিতে ভুলে গিয়েছিলেন? একটু জানতে ইচ্ছা হল। আর্টিস্টস ফোরামের একজন কর্মী আর রাহুলদার বোন…”


 ফের খড়গপুর আইআইটি-তে আবারও ছাত্রের অস্বাভাবিক মৃত্যু, তদন্তে পুলিশ
এর উত্তরে জীতু লেখেন, ”আমি, আমার আর রাহুলদার ছবিটা রেখে এসেছিলাম, কারণ আমি জানি মৃত মানুষের ছবি ফোরামের চোখে আগে পড়ে আর আমার ছবিটা রেখে এসেছিলাম যাতে আমার কমপ্লেনের কথাটা আপনাদের মনে থাকে। তাই জন্যেই আর্টিস্ট ফোরামের অফিসের নীচেই রেখে এসেছিলাম। দুদিন পরও আমি টেকনিশিয়ান্সে যাই, আমি কিন্তু ছবিটা আর্টিস্ট ফোরামে দেখিনি,ইলেকট্রিক বক্স এর উপর থাকতে দেখি। তা আজ হঠাৎ কথাটা তুললেন, নিশ্চয়ই আপনাদের ইন্সট্রাকশন আছে। করুন, বলুন অসুবিধা নেই। চোখ তো একদিন নিশ্চয়ই খুলবে আপনারও। আর আপনার মত আক্রমণ যে আরও আসবে সেটা আমি জানতামই, আগেই বলেছি। করুন, তাতেও অসুবিধা নেই। আমি আপনার কাছে মার্জনা চেয়ে নিচ্ছি। আপনিই ঠিক, আমার কমপ্লেন দেওয়াটা ভুল। কখনও কোনও প্রোডিউসার কমপ্লেন দিলে, দিনের দিন ডেকে পাঠাবেন কেমন, ভর্ৎসনা করার জন্য।”


টলিপাড়ায় রূপাঞ্জনা মিত্র, বিদীপ্তা চক্রবর্তীর মতো বেশ কিছু নাম পায়েলের সমর্থনে কথা বলেছেন। আবার জীতুর হয়ে মুখ খুলেছেন সুদীপা চট্টোপাধ্যায়। লক্ষণীয় ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ ধারাবাহিকে পায়েল দে আর জীতু কমল একসঙ্গে কাজ করেন। এর আগে জীতুর সঙ্গে সমস্যার পরে শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে ধারাবাহিক ছেড়ে দিয়েছিলেন দিতিপ্রিয়া রায়।

*বিজেপির যারা করবে তৃণমূলের মস্তানী চোখকে আর ভয় নয় পথসভায় বিজেপির প্রার্থী।*
 




 দক্ষিণ 24 পরগনা ১৩৮তপঃ ক্যানিং পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের বাঁশড়া অঞ্চলে বিজেপি প্রার্থী শিক্ষক প্রশান্ত বায়েন চার নম্বর মন্ডলে দেবাশীষের নেতৃত্বে এক পথ সভার আয়োজন করা হয়। গৌড়দহ রেল স্টেশন শিব মন্দির সন্নিকটে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির প্রার্থী শিক্ষক প্রশান্ত বায়েন,সদ্য তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে জয়েন করলেন শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরে শৈবাল লাহিড়ী ও সিরাজ দেওয়ান তাছাড়াও বিজেপির কর্মকর্তাগণ। পথসভা উপলক্ষে বিশিষ্ট সমাজসেবী ও বিজেপির পুরাতন সৈনিক সুব্রত মন্ডল বলেন "তৃণমূলের গুন্ডাদের রক্তচক্ষু আর ভয় না করে মানুষ এগিয়ে আসে বিজেপির দিকে। 


যতই ওরা অত্যাচার করবে মানুষ ততই হৃদয়ে বিজেপির নাম লিখে নেবে। তিনি আরো বলেন আমার উপর একাধিক অত্যাচার চালিয়েছিল তৃণমূলের গুন্ডা বাহিনী। আমি সমাজসেবী মানুষের হয়ে কাজ করি বলে এটাই অন্যায় ছিল। তাই আমার একটাই পথ বেছে নিয়েছি দীর্ঘদিনের পুরাতন সৈনিক আমি বিজেপির তাই এবারে হৃদয়ে লিখে নিয়েছি। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সুব্রত মন্ডল।

 আজ মুখোমুখি আরসিবি ও দিল্লি ক্যাপিটালস। একদিকে রজত পাতিদার ও অন্যদিকে অক্ষর প্যাটেল। আরসিবির গত ম্যাচে অসুস্থ থাকা সত্ত্বেও রানে ছিলেন বিরাট কোহলি। আরসিবির শক্তিশালী ব্যাটিং লাইন আপের বিরুদ্ধে কঠিন পরীক্ষায় নামছেন অক্ষররা। এই মুহূর্তে পয়েন্ট টেবিলে ২ নম্বর স্থানে কোহলিরা। ৬ নম্বরে দিল্লি। আজ কি ম্যাচ জিতে আরসিবি এক নম্বরে যাবে ? বিস্তারিত জানতে নজর রাখুন 


ডিজিটালের পাতায়।



আজ আইপিএলের ডবল হেডারের ম্যাচে আজ বিকেলে মুখোমুখি হতে চলেছে আরসিবি ও দিল্লি ক্যাপিটালস। ৪ পয়েন্ট নিয়ে ষষ্ঠ স্থানে দিল্লি। আজকের ম্যাচে নিজেদের চিরাচরিত লাল-কালো জার্সির বদলে সবুজ জার্সি পরে নামবেন কোহলিরা। প্রতি বছর পরিবেশ বাঁচানোর উদ্যোগে এই পদক্ষেপ নেয় আরসিবি ম্যানেজমেন্ট। এবছরও এই একই পদক্ষেপ নিতে দেখা যাবে আরসিবিকে। সেই কারনেই আজকের ম্যাচে সবুজ জার্সিতে মাঠে নামবেন কোহলি-রজতরা। কোহলিদের জয়রথ থামাতে আজ ভাল খেলতেই হবে দিল্লিকে, এমনই মত দিল্লির সমর্থকদের।




শেষ ওভার করতে এসেছিলেন রোমারিও শেপার্ড। প্রথম ২ বল ভাল করলেও শেষ ৩ বলে ১৬ রান খেলেন শেপার্ড। ১ বল বাকি থাকতেই ম্যাচ জিতে গেল দিল্লি। ৪৭ বলে ৬০ রানে অপরাজিত রইলেন ট্রিস্টান স্টাব্স। ১০ বলে ২২ রানে অপরাজিত রইলেন মিলার।

18 Apr 2026 07:18 PM (IST)
RCB vs DC | DC- 151/4 | Over- 18| অর্ধ শতরান করলেন স্টাব্স!
২৪ বল পর বাউন্ডারি এল দিল্লির। ক্রমাগত ভাল বোলিং করছে আরসিবি। ১২ বলে প্রয়োজন ২৫ রানের। ক্রিজে রয়েছেন ট্রিস্টান স্টাব্স ও ডেভিড মিলার।


18 Apr 2026 07:00 PM (IST)
RCB vs DC | DC- 130/4 | Over- 15| উইকেট পাবে আরসিবি?
১৫তম ওভারে এল মাত্র ৫ রান। এখনও ক্রিজে স্টাব্স ও অক্ষর। ৩০ বলে ৪৬ রান প্রয়োজন দিল্লির। হাতে আছে ৬ উইকেট।

18 Apr 2026 06:41 PM (IST)
RCB vs DC | DC- 101/4 | Over- 12| ১০০ রান পার করল দিল্লি!
অবশেষে ১০০ রান পার করল দিল্লি। আউট হলেন রাহুল। তাঁর দুরন্ত ক্যাচ ধরেছেন বিরাট কোহলি। ক্রিজে এই মুহূর্তে অক্ষর ও স্টাব্স। ৮ ওভারে ৭৫ রান প্রয়োজন দিল্লির।

18 Apr 2026 06:25 PM (IST)
RCB vs DC | DC- 76/3 | Over- 9| ধীরে ধীরে প্রতিরোধ গড়ে তুলছে দিল্লি!
রাহুলকে আউট করার পরিকল্পনা করা উচিত আরসিবির। তিনি অপরাজিত ৪৭ রানে। তাঁকে সঙ্গত দিচ্ছেন স্টাব্স। ১৬ বলে ১৭ রানে অপরাজিত তিনি।


18 Apr 2026 06:09 PM (IST)
RCB vs DC | DC- 50/3 | Over- 6| ৫০ রান দিল্লির বোর্ডে!
৫০ রান পার করল দিল্লি। ৩ উইকেট পড়ে গেলেও এখনও ক্রিজে রয়েছেন কে এল রাহুল। তাঁকে সাহায্য করছেন ট্রিস্টান স্টাব্স। ১৮ বলে ৩১ রানে অপরাজিত রাহুল।

18 Apr 2026 05:54 PM (IST)
RCB vs DC | DC- 22/3 | Over- 3| চিন্নাস্বামীতে প্রত্যাবর্তন ভুবনেশ্বরের!
৩ ওভারের শেষে দিল্লির স্কোর ২২/৩। প্রথম ওভারেই ভুবির বলে এলবিডব্লিউ হয়ে আউট পাথুম নিশঙ্কা। ক্রিজে রয়েছেন কে এল রাহুল। ভুবির দ্বিতীয় ওভারেই সল্টের দুরন্ত ক্যাচে প্যাভিলিয়নে ফিরলেন করুণ নায়ার। পঞ্চম বলে আউট হলেন সমীর রিজভি।

18 Apr 2026 05:21 PM (IST)
RCB vs DC | RCB – 175/8 | Over- 20| স্পিনের ফাঁদেই ব্যর্থ বেঙ্গালুরু!
অসাধারণ কামব্যাক করল দিল্লি। যেখানে একসময় ১০ ওভারের মধ্যেই ১০০ রানের কাছাকাছি চলে গিয়েছিল আরসিবি, সেখান থেকেই দিল্লিকে ম্যাচে ফেরালেন বোলাররা। স্পিনের ফাঁদে পড়ে শেষ হল আরসিবির ২০০ রানের স্বপ্ন। সেই সঙ্গে পেসাররা ক্রমাগত ইয়র্কার করে রানের গতি আরও কমিয়ে দিলেন বেঙ্গালুরুর! জিততে গেলে দিল্লিকে করতে হবে ১৭৬ রান।

18 Apr 2026 05:04 PM (IST)
RCB vs DC | RCB – 153/6 | Over- 17| ক্রমাগত উইকেটের পতন বেঙ্গালুরুর!
সল্ট আউট হওয়ার পর থেকেই ধস নেমেছে বেঙ্গালুরুর ব্যাটিংয়ে। দুরন্ত কামব্যাক করেছে দিল্লি। ১৭তম ওভার থেকে এসেছে মাত্র ৫ রান। ২০০ কি ছুঁতে পারবে আরসিবি ?

18 Apr 2026 04:51 PM (IST)
RCB vs DC | RCB – 146/4 | Over- 14 | আবার উইকেট, এবার রজত!
রান বাড়লেও উইকেট পড়ছে আরসিবির। রান রেট হঠাৎ করেই কমে গিয়েছে আরসিবির। জিতেশ শর্মা ও টিম ডেভিড রয়েছেন ক্রিজে। ১৫ বলে ২৬ রানে অপরাজিত ডেভিড।

18 Apr 2026 04:26 PM (IST)
RCB vs DC | RCB – 110/3 | Over- 11 | দুই ওভারের মধ্যেই আউট সল্ট-দেবদত্ত!
হঠাৎ করেই ম্যাচের মোমেন্টাম পেয়ে গেল দিল্লি। দুই ওভারের মধ্যেই দুই উইকেটের পতন বেঙ্গালুরুর। ৬৩ রানে আউট হলেন সল্ট। ১৮ রানে আউট দেবদত্ত। ক্রিজে এখন ক্যাপ্টেন রজত ও টিম ডেভিড।

18 Apr 2026 04:11 PM (IST)
RCB vs DC | RCB – 79/1 | Over- 8 | কোহলি ফিরলেও ছন্দে সল্ট ও দেবদত্ত!
কোহলি আউট, তাতে কী ? দলকে বড় রানের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন ফিল সল্ট ও দেবদত্ত পাদিক্কাল। ২৮ বলে ৪৫ রানে অপরাজিত সল্ট ও ৭ বলে ১১ রানে অপরাজিত দেবদত্ত।

18 Apr 2026 03:57 PM (IST)
RCB vs DC | RCB – 52/1 | Over- 5.1 | বিরাট কোহলি আউট!
প্রথম ৫ ওভারে ভাল শুরু করেছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। ৫ ওভারেই ৫০ পার হয়ে গিয়েছে আরসিবির স্কোর। ৩ ওভার বল করে ৩৬ রান দিয়েছেন আকিব নবি। ১৮ বলে ৩০ রানে অপরাজিত ফিল সল্ট। ১২ বলে ১৯ রানে লুঙ্গি এনগিডির প্রথম বলেই আউট কোহলি।

18 Apr 2026 03:41 PM (IST)
RCB vs DC | RCB – 21/0 | Over- 2 | নিজের অতীতের ঝলক দেখাচ্ছেন কোহলি!
প্রথম ২ ওভার শেষ। বেঙ্গালুরুর স্কোর – ২১/০। দুই ওভার করলেন আকিব নবি ও মুকেশ কুমার। ৬ বলে ১২ রানে অপরাজিত বিরাট।

18 Apr 2026 03:36 PM (IST)
RCB vs DC | Toss | প্রথমে ব্যাটিং করবে আরসিবি!
আইপিএলে আজ চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে মুখোমুখি আরসিবি ও দিল্লি। আজ পরিবেশকে বাঁচানোর বার্তা দিতে সবুজ জার্সিতে কোহলিরা। টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দিল্লি। অর্থাৎ প্রথমে ব্যাটে নামবেন কোহলিরা।

 ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাঘের ঘালিবাফের দাবি,ট্রাম্প এক ঘণ্টায় সাতটি দাবি করেছেন। যা সবই মিথ্যা। তবে, তিনি ঠিক কোন দাবিগুলির কথা বলছেন, তা স্পষ্ট করেননি। শুক্রবার অ্যারিজোনায় ট্রাম্প বক্তব্য রাখার সময়ই গালিবাফ এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করেন। সেখানেি হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে ট্রাম্পকে।



তেহরান: ইরান-আমেরিকার মধ্যে দুই সপ্তাহের সংঘর্ষবিরতি চলছে। ইতিমধ্যেই এক সপ্তাহ পার হয়ে গিয়েছে। দুই দেশের মধ্যে শান্তি কি আর ফিরবে? জানা গিয়েছে, খুব শীঘ্রই আবারও দুই দেশের মধ্যে বৈঠক হতে পারে। কিন্তু, তার মধ্যেই দুই দেশের মধ্যে বাগযুদ্ধ চলছে। চলছে আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ। একে অপরকে হুমকি দিতেও ছাড়ছে না কেউ। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আবারও সুর চড়াল ইরান। ট্রাম্প নাকি এক ঘণ্টায় অন্তত ৭টি মিথ্যে দাবি করেছে।


কী দাবি করল ইরান?


ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাঘের ঘালিবাফের দাবি,ট্রাম্প এক ঘণ্টায় সাতটি দাবি করেছেন। যা সবই মিথ্যা। তবে, তিনি ঠিক কোন দাবিগুলির কথা বলছেন, তা স্পষ্ট করেননি। শুক্রবার অ্যারিজোনায় ট্রাম্প বক্তব্য রাখার সময়ই গালিবাফ এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করেন। সেখানেই তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন, মার্কিন অবরোধ বজায় থাকলে হরমুজ প্রণালী খোলা থাকবে না। তিনি জানান, এই জলপথে চলাচল নির্দিষ্ট রুট মেনে এবং ইরানের অনুমতি সাপেক্ষেই হবে। সতর্কবার্তার পরেই আজ ফের হরমুজ় বন্ধ করে দিয়েছে ইরান।

‘মিথ্যে’ কোনও ফল দেবে না

গালিবাফের কথায়, এই ধরনের মিথ্যা যুদ্ধ বা আলোচনায় কোনও ফল দেবে না। পাশাপাশি তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, প্রণালীর বাস্তব পরিস্থিতি ও নিয়মকানুন বাস্তব পরিস্থিতির উপর নির্ভর করবে। সোশ্যাল মিডিয়ার ঘোষণার উপর নয়।

এর আগে, ইরানের তরফে জানানো হয়েছিল, সমস্ত ধরনের বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়া হয়েছে। এলপিজি থেকে শুরু করে অন্য জ্বালানি বা তেল আমদানিতে বাধা থাকছে না। যদিও মার্কিন অবরোধ এখনও চলছে। আর সেই প্রসঙ্গ তুলেই হরমুজ় আবার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইরান। সেদেশের সামরিক বাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে, আমেরিকা প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে এবং ইরানের বন্দরের জাহাজের ওপর অবরোধ বজায় রেখেছে। তাই বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে হরমুজ়।

এরপরই শওকতের প্রাণহানির আশঙ্কা করে তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, “ওকে আমি খুব ভালোবাসি। ওকে খুন করতে চায় ওরা। বিজেপিকে বলে সিকিউরিটি তুলে নিতে চায়। আমি সব খবর রাখি। যদি সিকিউরিটি তুলে নিয়ে ওর উপর কোনও হামলা হয়, আমি ছেড়ে কথা বলব না। প্রশাসনকে জানিয়ে রাখলাম। বিজেপির 

নিজের হিম্মত নেই। আমার সঙ্গে লড়তে পারে না। ওরা শওকত মোল্লার সঙ্গে ঝগড়া করছে।”

শওকতের প্রশংসা করে মমতা বলেন, “আমি যদি বাঁ হাত হই, শওকত আমার ডান হাত। এটা মাথায় রাখবেন। বিজেপির নেতারা ২০ টা করে গাড়িতে সেন্ট্রাল ফোর্স নিয়ে ঘুরে বেড়াবে। আর শওকতদের সিকিউরিটি কেড়ে নেওয়া হবে। কারণ, বিজেপির ভ্যানিশ ওয়াশিং কমিশন অর্ডার দেবে। মনে রাখবেন, মানুষের জীবন নিয়ে খেলবেন না। আমার সিকিউরিটি তুলে নিন। যদি সেরকম হয়, আমি আমার সিকিউরিটি তুলে নিয়ে শওকতকে দিয়ে দেব। আমার সিকিউরিটির দরকার নেই। আমি গুন্ডা-টুন্ডাকে ভয় পাই না। আমাকে বোমা, বন্দুক মেরেও কিছু করা যাবে না। জন্মেছি একদিন, মৃত্যু একদিন হবেই। আর বিজেপি-কে আমি দেখে ছাড়ব। এদের আমি ছাড়ব না।”

কী বলছে বিজেপি?

মমতার মন্তব্য নিয়ে খোঁচা দিয়ে রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি তথা রাজ্যসভার সাংসদ রাহুল সিনহা বলেন, “নিজেই তো খুন করে আর খুন করিয়ে বেড়ায় শওকত মোল্লা। তৃণমূলের লোকেরাই বলে। তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে যদি কিছু হয়, সেটা তৃণমূলের অন্দরের ব্যাপার। আমরা খুনোখুনি করি না। শওকতকে জেতাতে সেন্টিমেন্ট তৈরি করছেন তৃণমূল সুপ্রিমো।”

অপরদিকে, দেবানন্দপুর পঞ্চায়েত প্রধান রুমা পাল বলেন, "সধবা মেয়ের ছবি দিয়ে বিধবা ভাতার প্রচার করছে তার মানে কি তাঁদের স্বামীদের খুন করবে?" উপ প্রধান পীযূষ ধর বলেন, "বাংলার সংস্কৃতি জানে না, তাই এমন কাজ করছে বিজেপি।"


সধবাদের ছবি দিয়ে বিধবা ভাতার কেন প্রচার? বিজেপিকে খোঁচা দেবাংশুর
বিজেপির পোস্ট ঘিরে বিতর্ক

 সধবা মহিলার ছবি দিয়ে বিধবা ভাতার প্রচার। সোনার বাংলা ‘সংকল্প পত্রে’ এবার বিজেপি পোস্টারে বিতর্ক। বিধবা ভাতা এক হাজার থেকে বাড়িতে তিন হাজার করার অঙ্গীকার। বাংলার মায়েদের অসম্মান অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বিজেপির দাবি, সবটাই তৃণমূলের ষড়যন্ত্র।

হিন্দু সধবারা কপালে সিঁদুর পরেন। বিধবাদের কপালে সিঁদুর থাকে না। অথচ বিজেপির সংকল্প পত্রে সধবা মহিলার ছবি দিয়ে বিধবা ভাতার প্রচার কেন এই নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। চুঁচুড়ার তৃণমূল প্রার্থী দেবাংশু ভট্টাচার্য তার সমাজ মাধ্যম অ্যাকাউন্ট থেকে এই ছবি শেয়ার করেছেন। তাঁর অভিযোগ, বাংলার মায়েদের অসম্মান করছে বিজেপি।


অপরদিকে, দেবানন্দপুর পঞ্চায়েত প্রধান রুমা পাল বলেন, “সধবা মেয়ের ছবি দিয়ে বিধবা ভাতার প্রচার করছে তার মানে কি তাঁদের স্বামীদের খুন করবে?” উপ প্রধান পীযূষ ধর বলেন, “বাংলার সংস্কৃতি জানে না, তাই এমন কাজ করছে বিজেপি।”


চুঁচুড়ার বিজেপি প্রার্থী সুবীর নাগ বলেন, “রাজ্য থেকে যে কোনও প্রকল্পের সূচি বা পোস্টার দিলে আমরা সেগুলো শেয়ার করি। কিন্তু এ ধরনের কোনও পোস্টার আমাদের কাছে আসেনি। হতে পারে তৃণমূল ষড়যন্ত্র করে এসব করছে।”


শিক্ষক সঙ্কটের কথা বারবার স্বীকার করেছেন শিক্ষামন্ত্রী। তাঁর দাবি সরকার বারবার জেলায় শিক্ষক পাঠানোর চেষ্টা করেছে। ভবিষ্যতেও করবে। দমদমে বিদায়ী শিক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে বাম প্রার্থী এসএফআইয়ের প্রাক্তন ছাত্রনেতা ময়ূখ বিশ্বাস। তিনি অবশ্য নির্বাচনী প্রচারের শীর্ষে রেখেছেন এই ইস্যুকে।

একের পর এক স্কুল বন্ধ, বাংলার অবস্থা রাজস্থানের থেকেও খারাপ! প্রভাব পড়বে ভোটে?
বাংলায় স্কুলের বেহাল দশা

কলকাতা: বাংলায় ভোট আসছে। ভোটের নানা ইস্যু। প্রচারে ব্যস্ত শাসক, বিরোধী সব শিবির। কিন্তু গত বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে বাংলার যে ইস্যু সবথেকে বেশি সামনে এসেছে, তা হল শিক্ষা। দুর্নীতির অভিযোগ তো ছিলই, এখন বন্ধ হচ্ছে একের পর এক স্কুল। মূলত দুটি কারণে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। স্কুলের দুর্বল পরিকাঠামো আর শিক্ষকের অভাব। ৮ হাজারের বেশি স্কুল বন্ধ কেন হল? এই প্রশ্ন বারবার বিধানসভায় তুলেছে বিরোধীরা।

কলকাতায় কিছু স্কুলে শিক্ষক থাকলেও খারাপ অবস্থা জেলাগুলোর। সরকারি স্কুলে মূলত প্রান্তিক বাড়ির শিশুরা পড়তে যায়। সেখানে একাধিক প্রকল্প রয়েছে সরকারের। কিন্তু জেলায় জেলায় সেই স্কুলগুলোই ধুঁকছে। পরিসংখ্যান বলছে, জেলার থেকে প্রায় আড়াই গুন বেশি শিক্ষক রয়েছে কলকাতায়। আর কলকাতায় ছাত্র সংখ্যা অর্ধেকেরও থেকে কম। মূলত উৎসশ্রী প্রকল্পের (শিক্ষক বদলির উদ্যোগ) কারণে জেলার শিক্ষকরা শহরে চলে গিয়েছেন। শিক্ষক না থাকায় কমেছে পড়ুয়া সংখ্যা। ধুঁকতে ধুঁকতে বন্ধ হয়েছে জেলার স্কুলগুলো।


কেন জেলায় জেলায় নেই শিক্ষক?
১. সরকার জেলায় জেলায় শিক্ষক পাঠানোর জন্য তথ্য সংগ্রহ করলেও তা খাতায় কলমে প্রয়োগ হয়নি।


২. শিক্ষানীতিতে দফতর স্থির করেছিল যে, প্রত্যেক শিক্ষকের গ্রামে পড়াতে যাওয়া বাধ্যতামূলক। কিন্তু সেই নীতি কার্যকর হয়নি।

৩.উৎসশ্রী পোর্টাল চালু হওয়ার পর, শিক্ষকদের বিভিন্ন প্রয়োজনে বদলির অর্ডার হয়। সেখানে অধিকাংশ বদলিই হয় জেলা থেকে শহরে।

শিক্ষক সংখ্যায় রাজস্থানের থেকেও পিছিয়ে বাংলা
পশ্চিমবঙ্গের থেকে বেশি স্কুল রয়েছে রাজস্থানে। রাজস্থানের থেকেও বেশি স্কুল রয়েছে উত্তর প্রদেশে। তারপরও দেখা যাচ্ছে, বাংলার স্কুলগুলোয় শিক্ষকের সংখ্যা কম।


 হাতে থাকা নথিতে দেখা যাচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গে মোট স্কুলের সংখ্যা ৯৩ হাজার ৭১৫। রাজস্থানে মোট স্কুল ১ লক্ষ ৬ হাজার ৩০২ আর উত্তর প্রদেশে মোট স্কুল ২ লক্ষ ৬২ হাজার ৩৫৮। অর্থাৎ স্কুলের সংখ্যার নিরিখে অনেক পিছিয়ে বাংলা। তারপরেও বাংলায় শিক্ষক নেই। রাজস্থানে যেখানে স্কুল প্রতি ৬ জনের বেশি শিক্ষক। সেখানে বাংলায় এই গড় ৫ জনেরও কম।

শিক্ষক সঙ্কট
খোদ শিক্ষামন্ত্রীর বিধানসভায় তাকালে স্কুলের বেহাল দশার ছবি স্পষ্ট হয়ে যাবে। দমদম বিধানসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের খেলার মাঠের পাশে একতলা স্কুলবাড়িতে এখন আর ঘণ্টা বাজে না। সূর্য সেন প্রাথমিক বিদ্যালয় সম্পূর্ণভাবে বন্ধ। এমনকী দমদম বিধানসভাতেই একাধিক স্কুল রয়েছে সেখানে শিক্ষকের অভাবে পড়াশোনা বন্ধ। এখন সন্ধে হলে সেখানে মদের আসর বসে। জেলায় জেলায় চোখ ফেললেই এই একই ছবি।

ভোটে প্রভাব ফেলবে শিক্ষক সঙ্কট?
শিক্ষক সঙ্কটের কথা বারবার স্বীকার করেছেন শিক্ষামন্ত্রী। তাঁর দাবি সরকার বারবার জেলায় শিক্ষক পাঠানোর চেষ্টা করেছে। ভবিষ্যতেও করবে। দমদমে বিদায়ী শিক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে বাম প্রার্থী এসএফআইয়ের প্রাক্তন ছাত্রনেতা ময়ূখ বিশ্বাস। তিনি অবশ্য নির্বাচনী প্রচারের শীর্ষে রেখেছেন এই ইস্যুকে। প্রধান শিক্ষক সংগঠনের নেতা চন্দন মাইতি বলছেন, “অবশ্যই ভোটাধিকার প্রয়োগের আগে স্কুলবাড়িগুলোর দিকে তাকানো উচিত। বাংলায় বিভিন্ন স্কুলে ১০০ জনকে পড়াচ্ছেন একজন শিক্ষক। এরকম চললে আর ছাত্র থাকবে না।”

প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, " বিরোধীরা ভুল করেছে, ফল ভুগতেই হবে। দেশের মহিলাদের আশাহত করেছে বিরোধীরা। মহিলাদের কাছে জবাবদিহি করতে হবে বিরোধীদের। দেশের প্রতিটি জেলায়, প্রতিটা গ্রামে, প্রতিটা মানুষের কাছে এই বার্তা পৌঁছে দিতে হবে।"


বাকি মাত্র আর কিছুক্ষণ। তারপর আজ জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মনে করা হচ্ছে, দেশের মহিলাদের কোনও বার্তা দিতে পারেন তিনি। লোকসভায় মহিলা সংরক্ষণ বিল(সংশোধনী) ফেল হওয়ার পর, সেই বিষয়ে প্রথমবার কিছু বলতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। তবে, তার আগেই এই ইস্যুতে আজ মন্ত্রিসভার বৈঠকে একাধিক বার্তা দিয়েছেন মোদী। সূত্রের খবর, বিরোধীদের এক হাত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন,”বিরোধীরা ভুল করেছে, ফল ভুগতেই হবে।”


মন্ত্রিসভার বৈঠকে মোদীর বার্তা


লোকসভায় মহিলা সংরক্ষণ বিল পেশ করার আগেই প্রধানমন্ত্রী মোদী দাবি করেছিলেন, এই বিলটা গোটা দেশের জন্য মঙ্গল। কিন্তু যাঁরা বাধা দেবেন, কারও জন্য যদি এই বিল পাশ না হয়, তাহলে দেশের মহিলারা কোনওভাবেই তাঁকে বা তাঁদের ক্ষমা করবে না। এরপর আজ মন্ত্রিসভার বৈঠকে আরও একবার বিরোধীদের তোপ দেগেছেন মোদী। সূত্রের খবর, বৈঠকে মোদী বলেছেন, ” বিরোধীরা ভুল করেছে, ফল ভুগতেই হবে। দেশের মহিলাদের আশাহত করেছে বিরোধীরা। মহিলাদের কাছে জবাবদিহি করতে হবে বিরোধীদের। দেশের প্রতিটি জেলায়, প্রতিটা গ্রামে, প্রতিটা মানুষের কাছে এই বার্তা পৌঁছে দিতে হবে।” আজ রাত সাড়ে ৮টায় জাতির উদ্দেশে সেই বার্তাই দিতে পারেন নরেন্দ্র মোদী।