WEATHER

Top News


​শরৎকালের আগমনী বার্তার আগেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার গঙ্গাসাগরে শুরু হয়ে গেল দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি। সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে ঐতিহ্যবাহী আশ্রমমোড় সার্বজনীন শারদীয়া দুর্গোৎসব কমিটির ৬৪ তম বর্ষের পুজোর শুভ খুঁটিপুজো সম্পন্ন হলো অত্যন্ত ধুমধাম ও আনন্দমুখর পরিবেশে।


​পবিত্র গুরু পূর্ণিমার শুভ তিথিকে বেছে নেওয়া হয়েছিল এই শুভ সূচনার জন্য। এদিন সকালে বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণ, উলুধ্বনি এবং শঙ্খধ্বনির মাধ্যমে পুজোর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন তথা খুঁটিপুজো সম্পন্ন হয়। এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, পুজো কমিটির সদস্যবৃন্দ এবং সাধারণ মানুষ এই অনুষ্ঠানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। খুঁটিপুজোকে কেন্দ্র করে আশ্রমমোড় চত্বরে এখন থেকেই যেন এক উৎসবের আমেজ তৈরি হয়েছে।

​প্রতি বছরই ব্যতিক্রমী থিম এবং জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে দক্ষিণ ২৪ পরগনা তথা সমগ্র রাজ্যে নজর কাড়ে গঙ্গাসাগরের এই পুজো কমিটি। এ বছর তাদের ৬৪ তম বর্ষে আরও বড় চমক নিয়ে হাজির হতে চলেছে আয়োজকরা। পুজো কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ বছরের তাদের মূল থিম কর্ণাটকের ঐতিহাসিক 'বিধানসৌধ' (বেঙ্গালুরু)।
​বেঙ্গালুরুর এই সুবিশাল এবং স্থাপত্যের এক অনন্য নিদর্শন—বিধানসৌধের রূপ ও সুদৃশ্য কারুকার্য এবার ফুটিয়ে তোলা হবে গঙ্গাসাগরের এই পুজো মণ্ডপে। দক্ষিণ ভারতের প্রাচীন ও আধুনিক স্থাপত্যকলার মেলবন্ধনে তৈরি এই থিম দর্শনার্থীদের এক অদ্ভুত নান্দনিক অভিজ্ঞতা দেবে বলেই আশাবাদী পুজো কমিটি। শুধু মণ্ডপসজ্জা নয়, প্রতিমা এবং আলোকসজ্জাতেও থাকছে বিশেষ চমক। ​খুঁটিপুজোর শুভ দিনে পুজো কমিটির সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ জানান, "আজ গুরু পূর্ণিমার পবিত্র দিনে আমাদের ৬৪ তম বর্ষের খুঁটিপুজো সম্পন্ন হলো। প্রতিবারের মতো এবারও আমরা এলাকার মানুষকে একটি ঐতিহাসিক ও দৃষ্টিনন্দন থিম উপহার দিতে চলেছি। কর্ণাটকের বিধানসৌধের আদলে গড়া আমাদের এই মণ্ডপ গঙ্গাসাগরের পুজোর ইতিহাসে এক নতুন মাইলফলক হয়ে থাকবে। আশা করছি, দূরদূরান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীরা এই বিশাল কর্মযজ্ঞ দেখে মুগ্ধ হবেন।"
​পুজোর মাসকয়েক আগেই এই ধরনের জমকালো খুঁটিপুজো এবং অভিনব থিমের ঘোষণার পর থেকেই গঙ্গাসাগর ও আশেপাশের এলাকাবাসীর মধ্যে উন্মাদনা তুঙ্গে পৌঁছেছে। এখন কেবল অপেক্ষা শারদোৎসবের সেই মহামিলনের ক্ষণের, যখন অগণিত মানুষের ভিড়ে মুখর হয়ে উঠবে আশ্রমমোড়ের এই পুজো প্রাঙ্গণ।

অসমের একাধিক জেলার অবস্থা বর্তমানে আশঙ্কাজনক। মাথার ওপর ছাদ হারিয়ে বহু পরিবার এখন নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে দিন কাটাচ্ছেন। এই দুর্যোগের সময়েই সলমন খানের দাতব্য সংস্থা ‘বিয়িং হিউম্যান’ (Being Human)-এর মাধ্যমে ত্রাণ পাঠাতে উদ্যোগী হন তারকা।

অসমের বন্যা দুর্গতদের পাশে সলমন খান! কোন দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিলেন ভাইজান?
আকাশ মিশ্র


অসমের সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় ঘরছাড়া লাখ লাখ মানুষ। প্লাবিত এলাকার এই সংকটজনক পরিস্থিতিতে এবার ত্রাতার ভূমিকায় এগিয়ে এলেন বলিউড ভাইজান সলমন খান। ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষের সহায়তায় একটি বিশেষ ত্রাণ অভিযানের সূচনা করেছেন অভিনেতা। তাঁর উদ্যোগে ইতিমধ্যেই বন্যাকবলিত দুর্গম এলাকাগুলোতে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে শুকনো খাবার, পানীয় জল এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জরুরি সামগ্রী।


স্থানীয় সূত্রের খবর, অসমের একাধিক জেলার অবস্থা বর্তমানে আশঙ্কাজনক। মাথার ওপর ছাদ হারিয়ে বহু পরিবার এখন নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে দিন কাটাচ্ছেন। এই দুর্যোগের সময়েই সলমন খানের দাতব্য সংস্থা ‘বিয়িং হিউম্যান’ (Being Human)-এর মাধ্যমে ত্রাণ পাঠাতে উদ্যোগী হন তারকা। প্রয়োজনীয় চাল, ডাল, পানীয় জল, শিশুদের খাবার ও ওষুধপত্রসহ হাজার হাজার ত্রাণ সামগ্রীর কিট লরি বোঝাই করে দুর্গতদের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছে।



কোথায় দাঁড়িয়ে নিম্নচাপ? কী বলছে আবহাওয়া দফতর?
সলমন খানের ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রের খবর, এই কঠিন সময়ে অসমের মানুষের পাশে থাকাটা নিজের সামাজিক দায়িত্ব বলেই মনে করছেন অভিনেতা। পাশাপাশি, তিনি তাঁর অনুরাগীদের এবং সমাজের সামর্থ্যবান মানুষদেরও এই সংকটকালে বন্যাকবলিত এলাকার বাসিন্দাদের সহায়তায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।


প্রতিবছরের মতো এবারও অসমের বন্যা পরিস্থিতি মারাত্মক রূপ ধারণ করায় তারকাদের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ ও উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা। সলমন খানের এই ত্রাণ সামগ্রী অন্তত কিছু মানুষের মুখের আহার ও প্রাথমিক চিকিৎসা নিশ্চিত করতে বড় সাহায্য করবে বলেই মনে করছেন স্থানীয় প্রশাসন।

একই সঙ্গে আগামী ১৬ অগস্ট নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে আয়ুষ্মান ভারত দিবস পালন হবে বলেও সচিবদের বৈঠকে এমনটাই ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। যাঁরা আয়ুষ্মান ভারত কর্মসূচির আওতায় আসবে না, তাঁদের ওই দিন মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা যোজনা কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।

পুজোর আগেই মেরামত করে ফেলতে হবে রাস্তা, সচিবদের কড়া নির্দেশ শুভেন্দুর
শুভেন্দু অধিকারী, মুখ্যমন্ত্রী


রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় রাস্তার হাল অত্যন্ত খারাপ। বাদ নয় কলকাতাও। তিলোত্তমার বিভিন্ন রাস্তা খানা-খন্দে ভরা। যার জেরে প্রবল অসুবিধায় পড়তে হয় স্থানীয় মানুষজনকে। এবার রাস্তা নিয়ে কড়া বার্তা দিল শুভেন্দুর সরকার। দুর্গাপুজোর আগেই রাস্তা ঠিক করতে হবে রাস্তা। সচিবদের বৈঠকে এমনটাই নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।


বর্ষা আসার পরপরই একাধিক রাস্তার বেহাল অবস্থা ৷ শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “সঠিকভাবে টেন্ডার করতে হবে। ১০ অক্টোবরের মধ্যেই সব রাস্তা ঠিক করার কাজ সেরে ফেলতে হবে। এর জন্য পূর্ত দফতরকে ৫০০ কোটি টাকা দেওয়া হচ্ছে। এর আগের সরকার ভেন্ডারদের ঠকিয়েছে। ওদের সঙ্গে কথা বলে সমস্যার সমাধান করতে হবে।” খবর নবান্ন সূত্রে।

‘ভয়ের দিন শেষ...’ বাদশার ক্ষমতা নিয়ে বিস্ফোরক স্ত্রী ইশা! বিয়ের কয়েক মাস যেতে না যেতেই বিচ্ছেদ?


দাঁড়াও...দাঁড়াও ছেলেগুলো হাত দেখাতেই দাঁড়িয়ে পড়ল শুভেন্দুর কনভয়, মুখ্যমন্ত্রী দিলেন নম্বর, কী বলেছিল ওরা জানেন?

কোথায় দাঁড়িয়ে নিম্নচাপ? কী বলছে আবহাওয়া দফতর?
একই সঙ্গে আগামী ১৬ অগস্ট নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে আয়ুষ্মান ভারত দিবস পালন হবে বলেও সচিবদের বৈঠকে এমনটাই ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। যাঁরা আয়ুষ্মান ভারত কর্মসূচির আওতায় আসবে না, তাঁদের ওই দিন মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা যোজনা কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। উল্লেখ্য, এ দিকে, রাজ্য মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর সোমবারই পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা যোজনা (MMSBY) চালু হল। মূলত,যে সকল পরিবারগুলি ‘আয়ুষ্মান ভারত’ প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছে না, অথচ স্বাস্থ্য পরিষেবার প্রয়োজন তাঁদের জন্যই স্বাস্থ্য বিমা চালু করল সরকার।

 ইডির নজরে থাকা একাধিক হেভিওয়েট ব্যবসায়ী। গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, এই তল্লাশি অভিযানে সন্দেহভাজনদের বাড়ি ও অফিস থেকে একাধিক ডিজিটাল ডিভাইস, ব্যাঙ্কের পাসবুক, লেনদেনের খাতা এবং কয়লা ব্যবসার নানা গুরুত্বপূর্ণ নথি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ধানবাদে ইডির জোর তল্লাশি, ২৫ জায়গায় হানা
আসানসোলে ইডি তল্লাশি

বেআইনি কয়লা পাচার এবং কালো টাকা কারবারের গুরুতর অভিযোগে ঝাড়খণ্ডের ধানবাদে বড়সড় অভিযান চালাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের প্রায় ২৫টি আলাদা দল একযোগে শহরের প্রায় ২৫টি ভিন্ন স্থানে এই মেগা অভিযান চালায়। ধানবাদের একাধিক প্রভাবশালী ও বিতর্কিত কয়লা ব্যবসায়ীর বাড়ি, অফিস এবং ডেরায় এই চিরুনি তল্লাশি শুরু হয়।


ইডির নজরে থাকা একাধিক হেভিওয়েট ব্যবসায়ী। গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, এই তল্লাশি অভিযানে সন্দেহভাজনদের বাড়ি ও অফিস থেকে একাধিক ডিজিটাল ডিভাইস, ব্যাঙ্কের পাসবুক, লেনদেনের খাতা এবং কয়লা ব্যবসার নানা গুরুত্বপূর্ণ নথি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ভয়ের দিন শেষ...’ বাদশার ক্ষমতা নিয়ে বিস্ফোরক স্ত্রী ইশা! বিয়ের কয়েক মাস যেতে না যেতেই বিচ্ছেদ?
উল্লেখ্য, এর আগেও গত বছরের নভেম্বর মাসে এই একই কয়লা কেলেঙ্কারির মামলায় অভিযান চালিয়েছিল কেন্দ্রীয় এজেন্সি। সেই সময় নগদ প্রায় আড়াই কোটি টাকা এবং দেড়শর বেশি জমির দলিল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। ইডি আধিকারিকদের প্রাথমিক অনুমান, বর্তমান এই ব্যাপক তল্লাশির ফলে আরও একাধিক নতুন বেনামি সম্পত্তির হদিশ মিলবে এবং কালো টাকা লেনদেনের গভীর চক্র উন্মোচিত হবে।


পাশাপাশি, এই বিশাল অবৈধ কয়লা কারবারের নেপথ্যে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী সরকারি আধিকারিকেরও প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ যোগসাজশ থাকতে পারে বলে জোরাল জল্পনা তৈরি হয়েছে। নথিপত্র খতিয়ে দেখে এই সিন্ডিকেটের সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য কুশীলবদের দ্রুত চিহ্নিত করার কাজ চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল।

 মৃত যুবকের পরিবারের অভিযোগ, হাত পা বেঁধে মারধর করা হয়েছে তুফানকে। এমনকি তাঁকে জলে ডোবানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় মানিক, মানিকের বন্ধু সুজয় সহ বেশ কয়েকজন জড়িত বলে অভিযোগ মৃতের পরিবারের।


মোটর বাইক সারানো নিয়ে বচসা, মিটমাট হওয়ার পরই বড় 'ষড়যন্ত্র', হাড়হিম ঘটনা বর্ধমানে
কী বলছে মৃত যুবকের পরিবার?


মোটর সাইকেল সারানোকে কেন্দ্র করে বচসা। তার জেরে গ্যারেজ মালিককে খুনের অভিযোগ উঠল বন্ধুর বিরুদ্ধে। মৃতের নাম তুফান ক্ষেত্রপাল(২৮)। বর্ধমান থানার পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ তিন জনকে আটক করেছে। আর এক অভিযুক্তের খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ। ঘটনায় জড়িতদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন মৃত যুবকের পরিবার।


তুফান ক্ষেত্রপালের বর্ধমানের নীলপুর বটতলা এলাকায় একটি মোটর সাইকেলের গ্যারেজ আছে। ওই এলাকাতেই ঘর ভাড়া নিয়ে থাকতেন তিনি। অভিযুক্ত মানিক পোড়েল তাঁর মোটর সাইকেলটি বেশ কয়েকদিন আগে সার্ভিসিংয়ের জন্য দেন। বেশ কয়েকদিন মোটর সাইকেল না পাওয়ায় গতকাল মানিক ও তুফানের মধ্যে বচসা হয়। পরে তুফানের পরিবারের সদস্যরা এলে বিষয়টি মিটমাট হয়। সেখানেই নাকি কথা হয় পরদিন অর্থাৎ মঙ্গলবার মোটর সাইকেল সার্ভিসিং করে ফেরত দেবেন তুফান।


'ওর নিতম্বটা দারুণ...', রামের চুমুতেই কেরিয়ার ওলটপালট! 'সমকামী' তকমা নিয়ে বিস্ফোরক নমন
মিটমাট হওয়ার পর মানিক তুফানের পরিবারের সদস্যদের জানান, তিনি তুফানকে বাড়ি দিয়ে আসবেন। কিন্তু তুফান সারারাত বাড়ি ফেরেননি বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। মঙ্গলবার সকালে তুফানের পরিবার জানতে পারে তেলিপুকুর এলাকায় মানিকের বাড়ির অদূরে তুফানের মৃতদেহ পড়ে আছে। তুফানের পরিবারের অভিযোগ, হাত পা বেঁধে মারধর করা হয়েছে তুফানকে। এমনকি তাঁকে জলে ডোবানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় মানিক, মানিকের বন্ধু সুজয় সহ বেশ কয়েকজন জড়িত বলে অভিযোগ মৃতের পরিবারের।


কী বলছে মৃতের পরিবার?

নিহতের জামাইবাবু বিশ্বজিৎ নট্ট অভিযোগ করেন, বড়বাজার থেকে তুফানকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। তুফানের ভাই রাজু খবর পেয়ে মীমাংসার জন্য গিয়েছিলেন। তখন অভিযুক্তরা জানায়, তুফানকে পরে পাঠিয়ে দেবে। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, সারারাত তুফানকে হাত-পা বেঁধে মারধর করা হয়েছে। তারপর জলে ডোবানো হয়েছে। সকালে তাঁরা খবর পান, মৃত অবস্থায় তাঁকে তেলিপুকুর এলাকায় ফেলে রাখা হয়েছে।

নিহতের বাবা বাপি ক্ষেত্রপাল বলেন, গাড়ি সারনো নিয়ে এমন নৃশংস ঘটনা ঘটবে, ভাবতে পারেননি তাঁরা। দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানান তাঁরা।

 কিন্তু কোনওরকম সদর্থক পদক্ষেপ রাজ্য প্রশাসনের তরফে করা হয়নি। যে কারণে মালদহ, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়া এই তিন জেলায় সবথেকে বেশি অনিয়ম ধরা পড়েছে।সম্প্রতি, উত্তরবঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সীমান্ত পরিদর্শনে এলে তাঁকে পঞ্চায়েত প্রধান এবং বিগত প্রশাসনকে চিঠি দেওয়ার বিষয়টি বিএসএফ কর্তারা তাঁকে জানান।


অনুপ্রবেশকারীদের বাংলাদেশ থেকে ঢোকাত কারা জানেন? BSF-খুঁজে পেল 'সর্ষের মধ্যেই ভূত'
বিএসএফ


অনুপ্রবেশকারীদের নাগরিকত্ব পাইয়ে দিতে পঞ্চায়েত প্রধানদের ভূমিকা নিয়ে বিগত তৃণমূল সরকারকে বারবার চিঠি বিএসএফের (BSF), উদাসীন বিগত প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে এবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অমিত শাহকে অভিযোগ বিএসএফ কর্তাদের। জানা যাচ্ছে, একবার বা দু’বার নয়, অন্তত পাঁচবার বিএসএফের (BSF)-এর তরফে বিগত প্রশাসনকে চিঠি দিয়ে সতর্ক করা হয়েছিল সীমান্ত লাগোয়া গ্রামগুলির পঞ্চায়েত প্রধানদের ভূমিকা নিয়ে।


বিএসএফ সূত্রে খবর, অনুপ্রবেশকারীদের নাগরিকত্ব পাইয়ে দেওয়ার জন্য এই পঞ্চায়েত প্রধানরা সই করতেন ফর্মে। বিগত পাঁচ বছরে যতজন অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়েছেন, তাঁদের ৭৫ শতাংশের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ভোটার কার্ড অথবা আধার কার্ড। কীভাবে এই কার্ড তাঁরা বের করেছে, সেই তদন্ত করতে গিয়েই পঞ্চায়েত প্রধানদের সইয়ের বিষয়টি উঠে আসে। এরপরই বিএসএফের তরফে রাজ্য প্রশাসনকে এবং পুলিশ প্রশাসনকে পঞ্চায়েত প্রধানদের এই কর্মকাণ্ড জানিয়ে ব্যবস্থা নিতে বিএসএফের তরফে বলা হয়েছিল।

কোথায় দাঁড়িয়ে নিম্নচাপ? কী বলছে আবহাওয়া দফতর?
কিন্তু কোনওরকম সদর্থক পদক্ষেপ রাজ্য প্রশাসনের তরফে করা হয়নি। যে কারণে মালদহ, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়া এই তিন জেলায় সবথেকে বেশি অনিয়ম ধরা পড়েছে।সম্প্রতি, উত্তরবঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সীমান্ত পরিদর্শনে এলে তাঁকে পঞ্চায়েত প্রধান এবং বিগত প্রশাসনকে চিঠি দেওয়ার বিষয়টি বিএসএফ কর্তারা তাঁকে জানান।


রাজ্যে পালা বদলের পর পঞ্চায়েত প্রধানদের সই এবং আনুষঙ্গিক বেশ কিছু ক্ষমতা বিল এনে কেড়ে নেওয়া হয়েছে। বিএসএফ সূত্রে খবর, সীমান্তবর্তী গ্রামগুলির পঞ্চায়েত প্রধানদের একাংশ আর্থিকভাবে সব থেকে বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত। অভিযোগ, মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে অনুপ্রবেশকারীদের নাগরিকত্ব পাইয়ে দেওয়ার ব্যাপারে এই প্রধানদের একাংশ সচেষ্ট হয়েছে বারবার।

বিষয়টি বিস্তারিত এবং উদাহরণ দিয়ে বিগত রাজ্য প্রশাসনকে জানানো হলেও ভোট ব্যাংকের কারণেই চুপ থেকেছে তৃণমূল শাসিত প্রশাসন, এমনই দাবি বিএসএফ কর্তাদের একাংশের।

BSF এর তথ্য – গত ৩ বছরের হিসাব

পশ্চিমবঙ্গের হিসাব-
২০২৩: ১,১৮১ জন
২০২৪: ১,৫১৬ জন
 ২০২৫: ১৩৮৪ জন
 ২০২৬: ৮৭৯ জন
এর মধ্যে দক্ষিণবঙ্গ ফ্রন্টিয়ার এলাকায় ৩ হাজার ৯৮৪টি কেস এবং উত্তরবঙ্গ ফ্রন্টিয়ার এলাকায় ৯৭৬টি কেস

একটি হিসাবও দেওয়া হয়েছে বিএসএফ-এর তরফে। ২০২৪-২০২৫ এর কিছু উল্লেখযোগ্য ঘটনা 1. নভেম্বর ২০২৫: বসিরহাটে সীমান্তে মাত্র ৩ দিনে ৮৯ জন বাংলাদেশি আটক। এর মধ্যে ২ নভেম্বর ৩ জন ও ১ নভেম্বর ১৫ জন 2. ফেব্রুয়ারি ২০২৪: নদিয়া ও মুর্শিদাবাদে BSF ৭ জন বাংলাদেশি ও ৩ জন ভারতীয় দালালকে ধরেছে 3. জানুয়ারি ২০২৪: BSF ১৩ জন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে পুশব্যাক করেছে ও ৩ জন গরু পাচারকারিকে ধরেছে 4. এপ্রিল ২০২৪: মালদহতে ৩ জন বাংলাদেশি ধরা পড়ে 5. অক্টোবর ২০২৪: মুর্শিদাবাদে ৩ জন ধরা পড়েছেন। অগস্টে একই জেলায় ৪ জন ধরা পড়েছিল।

প্রাক্তন বিধায়ক হুমায়ুন কবীর বলেন,”এটা ঠিক বাংলাদেশের লোক এখানে থাকবে কেন? যার ভিসা আছে সে থাকবে। কারা বেআইনি ভাবে আছে সেটা নিশ্চয়ই বিএসএফ-এর কাছে আছে। সেই তথ্য দিক।” দোলা সেন বলেন, “এখন তো ডাবল ইঞ্জিন গর্ভমেন্ট। তাই পুরনো সরকারকে দোষ দিয়ে লাভ কী?”

প্রশাসনের কাছে দম্পতির আর্জি অবিলম্বে চুরি যাওয়া জিনিসপত্র উদ্ধার করতে হবে। সম্প্রতি উত্তরপাড়ায় তিনটি টোটোর ব্যাটারি চুরির অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনায় এখনও অধরা অভিযুক্ত। আর বাড়ি ফাঁকা রেখে কোথাও গেলেই বারবার চুরির ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের।


৩ দিনের পুরী ট্রিপে গিয়েছিলেন স্বামী-স্ত্রী! বাড়ি ঢুকেই তাজ্জব উত্তরপাড়ার দম্পতি
উত্তরপাড়ার বাসিন্দা প্রীতি বেরা

উল্টোরথে হঠাৎ করে পুরী যাওয়ার প্ল্যান হয় উত্তরপাড়ার দম্পতির। ২-৩ দিনের প্ল্যান, তাই বাড়ি ফাঁকা রেখেই চলে গিয়েছিলেন। কিন্তু ফিরে এসে এমন দৃশ্য দেখতে হবে, তা ভাবতে পারেনি ওই দম্পতি। উধাও নগদ টাকা, উধাও সোনার গয়না।


হুগলির উত্তরপাড়া পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের চড়কডাঙা রোডের বাসিন্দা নন্দদুলাল বেরা ও প্রীতি বেরা উল্টোরথে পুরী বেড়াতে গিয়েছিলেন, ফিরে এসে দেখেন বাড়ির একতলার জানালার গ্রিল কাটা। চোর বাড়িতে ঢুকে বাড়ি লন্ডভন্ড করে ফেলেছে। আলমারি খুলে দেখেন, আলমারি থেকে নগদ ২ লক্ষ টাকা এবং প্রায় ৩০ গ্রাম সোনার গয়না নিয়ে চম্পট দিয়েছে দুষ্কৃতীরা।


এক্ষুনি রক্ষাকবচ চাইবেন না', অভিষেকের পিএ-র মামলায় বলল হাইকোর্ট, বড় অভিযোগ রাজ্যের
বাড়ির গৃহকর্ত্রী প্রীতি জানিয়েছেন, তাঁর বাড়িতে লোনের টাকা মেটানোর জন্য নগদ টাকা রাখা ছিল। সেই টাকা চুরি হয়ে গিয়েছে। তিনি আরও জানান, সোনার গয়নাও চুরি হয়েছে। কার্যত মাথায় হাত ওই দম্পতির। এলাকায় কোনও সিসিটিভি না থাকায় অভিযুক্তদের চিহ্নিত করা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন প্রীতি। প্রশাসনের কাছে দম্পতির আর্জি অবিলম্বে চুরি যাওয়া জিনিসপত্র উদ্ধার করা হোক, দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করা হোক।


সম্প্রতি উত্তরপাড়ায় তিনটি টোটোর ব্যাটারি চুরির অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনায় এখনও অধরা অভিযুক্ত। আর বাড়ি ফাঁকা রেখে কোথাও গেলেই বারবার চুরির ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের। এমন ঘটনা যাতে আর না ঘটে, সেই আবেদন জানাচ্ছেন বাসিন্দারা।

তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, থানা থেকে বার বার বলা হয়েছে যাতে ফাঁকা বাড়ি ছেড়ে কেউ কোথাও গেলে, তা থানায় জানানো হয়। তারপরও মানুষ সচেতন হচ্ছে না বলে দাবি পুলিশের।


অর্থ দফতর, পরিবহন দফতরের, বিশেষ সচিব পদে রদবদল করা হয়েছে। মালদহ, বালুরঘাট সহ একাধিক জায়গায় এসডিও বদল করা হয়েছে। ডিএম, এডিএম পদেও হয়েছে বদল। এছাড়া, পুলিশের একাধিক পদেও বদল করা হয়েছে।


 ৩৬ অফিসার, ৩১ ইন্সপেক্টরের বদলের বিজ্ঞপ্তি নবান্নের

পুলিশ ও প্রশাসনের একগুচ্ছ পদে রদবদল। সোমবার রাতে বদলি করা হয়েছে ৩৬ জন WBCS অফিসারকে। নতুন পদে বদলি করা হয়েছে তাঁদের। নির্দেশিকায় স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, সংশ্লিষ্ট সমস্ত অফিসারদের অবিলম্বে তাঁদের নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে। এছাড়া পুলিশ প্রশাসনেও বড় রদবদল হয়েছে। এছাড়া, রাজ্য পুলিশে ৩১ জন ইন্সপেক্টর পদেও রদবদল করা হয়েছে। রাজ্যে আট মহিলা থানার আইসি বদল করা হয়েছে।


অর্থ দফতর, পরিবহন দফতরের, বিশেষ সচিব পদে রদবদল করা হয়েছে। মালদহ, বালুরঘাট সহ একাধিক জায়গায় এসডিও বদল করা হয়েছে। ডিএম, এডিএম পদেও হয়েছে বদল। এছাড়া, পুলিশের একাধিক পদেও বদল করা হয়েছে।


 দাঁড়াও...দাঁড়াও ছেলেগুলো হাত দেখাতেই দাঁড়িয়ে পড়ল শুভেন্দুর কনভয়, মুখ্যমন্ত্রী দিলেন নম্বর, কী বলেছিল ওরা জানেন?
রাজ্য পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে একাধিক ইন্সপেক্টরকে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। CID, STF, ইন্টেলিজেন্স ব্রাঞ্চ (IB), এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ (EB), ভিজিল্যান্স কমিশনে আনা হয়েছে নতুন আধিকারিকদের। ঝাড়গ্রাম, হাওড়া, বারাসত, ব্যারাকপুর, বিধাননগর, বারুইপুরে মহিলা থানায় দায়িত্ব পেয়েছেন নতুন ইনচার্জ।

বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, রক্ষাকবচের মেয়াদ শেষ হওয়ার এক দিনের মধ্যেই পুলিশ তড়িঘড়ি গ্রেফতার করে ফেলছে। এই প্রসঙ্গে রাজ্যের আইনজীবী আদালতকে জানান, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে দেখা হবে। তবে মামলা বিচারাধীন থাকলে কোনও কঠোর পদক্ষেপ করা হবে না এবং এই বিষয়ে পুলিশকে পুনরায় নির্দেশ জানিয়ে দেওয়া হবে। আজ ফের শুনানি হল কোর্টে।


অতীন ঘোষকে নিয়ে বড় নির্দেশ দিলেন বিচারপতি ঘোষ

জমি মামলায় অভিযুক্ত কলকাতা পুরসভার প্রাক্তন ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষকে এখনই গ্রেফতার করা যাবে না। তাঁর রক্ষাকবচের মেয়াদ ফের বৃদ্ধি করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। আজ, মঙ্গলবার অতীন ঘোষকে ১৪ অগস্ট পর্যন্ত রক্ষাকবচ দিল আদালত। এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ১০ অগস্ট।


এ দিন, মামলাকারীর আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য এবং সরকারের আইনজীবীরা শুনানির জন্য আইনজীবীরা হাজির হন। সময় চাওয়া হয়। তারপরেই বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ লিখিতভাবে রক্ষাকবচ দেন অতীন ঘোষ সহ অন্য অভিযুক্তদের। এর আগে মৌখিক রক্ষাকবচ ছিল তাঁর।

 ২-৩ দিনের পুরী ট্রিপে গিয়েছিলেন স্বামী-স্ত্রী! বাড়ি ঢুকেই তাজ্জব উত্তরপাড়ার দম্পতি
রাজ্যের প্রাক্তন বিধায়ক তথা অতীন ঘোষের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছিল। এমনকী, অতীনের মেয়েকে উত্তর থানার পুলিশ ডেকে পাঠিয়েছিল। এরপরই আগাম জামিন চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অতীন। গতকাল মামলা ওঠে কোর্টে। বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ বলেন, “মামলাকারীকে যেন কোনওভাবেই গ্রেফতার না করা হয়।” বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, রক্ষাকবচের মেয়াদ শেষ হওয়ার এক দিনের মধ্যেই পুলিশ তড়িঘড়ি গ্রেফতার করে ফেলছে। এই প্রসঙ্গে রাজ্যের আইনজীবী আদালতকে জানান, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে দেখা হবে। তবে মামলা বিচারাধীন থাকলে কোনও কঠোর পদক্ষেপ করা হবে না এবং এই বিষয়ে পুলিশকে পুনরায় নির্দেশ জানিয়ে দেওয়া হবে। আজ ফের শুনানি হল কোর্টে।

জাপান মেটেওরজিক্যাল এজেন্সি অর্থাৎ জাপানের আবহাওয়া সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল সমুদ্রপৃষ্ঠের নীচে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে। জাপানের ওকি থেকে ৪ কিমি ছিল ভূমিকম্পের কেন্দ্র। এদিকে, ভূমিকম্পের পর কুমামোটো, নাগাসাকি, কাগোশিমা, ফুকুওকা, সাগা, ওইতা এবং মিয়াজাকি আফটারশকের জরুরি সতর্কতা জারি করেছে জাপান সরকার।


এক সপ্তাহের মধ্যে জাপানে দ্বিতীয় ভূমিকম্প, জারি হল সুনামির সতর্কতা
প্রতীকী ছবি


জাপানে ফের ভূমিকম্প (Japan Earthquake)। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সকালে দেশের দক্ষিণের কিউশু উপকূলে শক্তিশালী কম্পন অনুভূত হয়েছে। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ৭.১। সুনামির (Japan Tsunami) সতর্কতাও জারি করা হয়েছে। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৫০ জন আহত হয়েছেন বলে খবর। তবে, তীব্র ভূমিকম্পে কোথায়, কতটা ক্ষতিগ্রস্থ, সেই বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি।


আফটারশক ও সুনামির সতর্কতা
জাপান মেটেওরজিক্যাল এজেন্সি অর্থাৎ জাপানের আবহাওয়া সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল সমুদ্রপৃষ্ঠের নীচে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে। জাপানের ওকি থেকে ৪ কিমি ছিল ভূমিকম্পের কেন্দ্র। এদিকে, ভূমিকম্পের পর কুমামোটো, নাগাসাকি, কাগোশিমা, ফুকুওকা, সাগা, ওইতা এবং মিয়াজাকি আফটারশকের জরুরি সতর্কতা জারি করেছে জাপান সরকার।


দাঁড়াও...দাঁড়াও ছেলেগুলো হাত দেখাতেই দাঁড়িয়ে পড়ল শুভেন্দুর কনভয়, মুখ্যমন্ত্রী দিলেন নম্বর, কী বলেছিল ওরা জানেন?
সুনামির সতর্কতাও জারি করা হয়েছে। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, উপকূলবর্তী এলাকায় ১ মিটার পর্যন্ত উচ্চতার ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই উপকূলের কাছে বসবাসকারী প্রত্যেককে নিরাপদ ও উঁচু জায়গায় সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এদিকে, জাপানের সরকারি সংবাদমাধ্যমের দাবি, কয়েকটি এলাকায় ওই উচ্চতার ঢেউ ইতিমধ্যেই আছড়ে পড়তে শুরু করেছে।


এক সপ্তাহের মধ্যেই দ্বিতীয় বড় ভূমিকম্প
গত ২৫ জুন জাপানের উত্তরে ৭.২ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প হয়েছিল। যদিও সেই ঘটনায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির খবর মেলেনি। ২০ এপ্রিল জাপানের উত্তরাঞ্চলে ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছিলেন। উল্লেখ্য, ২০১১ সালে জাপানে ৯ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্প ও সুনামিতে প্রায় ১৮,৫০০ জনের মৃত্যু হয়েছিল। ওই ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ফুকুশিমা পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।

ভিডিয়ো সরানোর জন্য ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রীর কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছে মেটা। তবে, সূত্রের খবর, ঘটনাটিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে কেন্দ্রীয় সরকার। ঘটনার ব্যাখ্যা চেয়ে মেটার (ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম) গ্লোবাল হেড এবং গ্লোবাল হেড অব পাবলিক পলিসিকে তলব করেছে ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক।


ফেসবুক থেকে প্রধানমন্ত্রীর ভিডিয়ো ডিলিট! ক্ষমা চাইল মেটা, সংস্থার শীর্ষকর্তাদের তলব কেন্দ্রের
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।


 নিট নিয়ে চলা বিক্ষোভের মাঝে যুবসমাজকে বার্তা দিতে ভিডিয়ো পোস্ট করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi)। এবার সেই ভিডিয়ো ডিলিট করে দিল মেটা (Meta)। যদিও, কিছুক্ষণের মধ্যেই ভিডিয়ো আবার ফিরে আসে প্রধানমন্ত্রীর সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে। ইতিমধ্যেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে হইচই পড়ে গিয়েছে। কীভাবে ভিডিয়ো ডিলিট হল (PM Modi Video Delete), এই বিষয়ে মেটা-র কাছে জবাবদিহি চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ইতিমধ্যেই ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম-এর শীর্ষ কর্তাদের তলব করা হয়েছে।


কী দাবি মেটার?
ভিডিয়ো সরানোর জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছে মেটা। তবে, সূত্রের খবর, ঘটনাটিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে কেন্দ্রীয় সরকার। ঘটনার ব্যাখ্যা চেয়ে মেটার (ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম) গ্লোবাল হেড এবং গ্লোবাল হেড অব পাবলিক পলিসিকে তলব করেছে ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক। তবে, মেটার দাবি, ভুলবশত এটা হয়েছে। প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে সাময়িকভাবে ভিডিয়োটি সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল ডিলিট হয়ে গিয়েছিল।


অতীন ঘোষকে নিয়ে বড় নির্দেশ দিলেন বিচারপতি ঘোষ
 নিট নিয়ে ভিডিয়ো পোস্ট মোদীর
গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রায় ৩ মিনিটের সেলফি ভিডিয়ো পোস্ট করেছিলেন। সেখানে তিনি নিট-ইউজি প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশে বার্তা দেন। ভিডিয়োতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রশ্নফাঁসের ঘটনা অত্যন্ত গুরুতর এবং এতে লক্ষ লক্ষ ছাত্রছাত্রী ও তাঁদের পরিবারের ক্ষতি হয়েছে। তিনি জানান, অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে জেলে পাঠানো হয়েছে এবং যাতে পড়ুয়াদের একটা বছরও নষ্ট না হয়, সেই লক্ষ্যেই দ্রুত পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে নিট নিয়ে নয়া বিল নিয়েও ঘোষণা করেছিলেন।


ভিডিয়োটি পোস্ট করার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তা রীতিমতো ভাইরাল হয়ে যায়। ইনস্টাগ্রামে ৩০৩ মিলিয়নেরও বেশি ভিউজ় হয়। বাড়ে ফলোয়ার্সের সংখ্যাও। ভিডিয়োটি আপলোড করার আগে ইনস্টাগ্রামে প্রধানমন্ত্রী মোদীর অনুসারীর সংখ্যা ছিল ১০১ মিলিয়ন। কিন্তু পোস্টটি প্রকাশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেই সংখ্যা লাফিয়ে ১০২ মিলিয়নে পৌঁছে যায়।

 পরপর পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার অভিযোগে একমাসেরও বেশি সময় ধরে চলেছে বিক্ষোভ। বিক্ষোভের জেরে পদত্যাগ করেছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। এরপরই বিলে সংশোধনী আনা হচ্ছে। সেই বিল নিয়েই মঙ্গলবার ছিল আলোচনা।


অভিষেকের বক্তব্যের সময় তুমুল উত্তেজনা, বিজেপিকে থামাতে গেলেন
অভিষকের পাশে মহুয়া


পেপার লিক বন্ধ করতে বিলে সংশোধনী আনছে কেন্দ্র। আজ, মঙ্গলবার সেই বিল নিয়ে চলছে আলোচনা। একে একে বলছেন বিরোধীরা। বিলের সমর্থনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায় (Abhishek Banerjee) বক্তব্য রাখতে উঠতেই তুমুল হট্টগোল শুরু হয়ে যায় লোকসভায়। থামাতে ওঠেন সাংসদ মহুয়া মৈত্র। বিজেপির সাংসদদের বারবার চুপ করতে বলেন তিনি। পরে সব পক্ষকে থামিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেন স্পিকারের আসনে থাকা সাংসদ দিলীপ সাইকিয়া।


ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ এদিন বিলের সমর্থনে বলতে উঠতেই হট্টগোল শুরু হয়ে যায়। তখনই সরব হন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া। উঠে চিৎকার করে বলতে থাকেন, “ওদের থামতে বলুন। দেখুন আদতে কে আলোচনা চায় না। ওরা ডিসটার্ব করছে।” বিজেপি সাংসদদের দিকে দেখিয়ে স্পিকার বলেন, “দেখুন ওঁরা সবাই বসে আছে। আপনি দাঁড়িয়ে কথা বলতে পারেন না। বসুন।” এরপর অভিষেক ফের বলতে শুরু করতেই আবারও উত্তাল হয়ে ওঠে সংসদ কক্ষ। ফের উঠে দাঁড়ান মহুয়া। স্পিকার সেই সময় মহুয়াকে থামানোর চেষ্টা করেন। মহুয়া না বসায়, স্পিকার বলতে থাকেন, ‘আপনি বসুন।’ পরে বিজেপি সাংসদদের থামানোর পর পরিস্থিতি আয়ত্তে আসে।



Salman Khan: অসমের বন্যা দুর্গতদের পাশে সলমন খান! কোন দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিলেন ভাইজান?
অভিষেক বলেন, “২০২৪-এ বিল এনে এখনই সংশোধনী আনতে হচ্ছে। এটা লজ্জার। পরীক্ষার্থীরা স্বচ্ছতা চায়। বিল কোনও সমাধান নয়। এই বিল বলে দিচ্ছে এনডিএ ব্যর্থ হয়েছে।” অভিষেকের প্রশ্ন, কেন প্রশ্নফাঁস রুখতে পারে না? তিনি বলেন, “যদি প্রশ্নপত্র নিয়ে যাওয়ার জন্য মিলিটারি হেলিকপ্টার প্রয়োজন হয় তাহলে দেশের পরীক্ষা ব্যবস্থার কী পরিকাঠামো বুঝুন।” অভিষেকের দাবি, এই বিল কোনও সমাধান নয়। এই বিল একটা স্বীকারোক্তি, যে সরকার ব্যর্থ হয়েছে। এটা সরকারের একটা নতুন কৌশল বলে মন্তব্য করেছেন অভিষেক।

বরাদ্দ অর্থ পাওয়ার পরেই জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তৎপরতা শুরু হয়ে গিয়েছে। সম্প্রতি জেলাশাসক এবং এলাকার সাংসদ নিজে ওই পরিত্যক্ত বিমানঘাঁটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন। খুব শীঘ্রই সংশ্লিষ্ট দফতরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও এটি পরিদর্শনে আসবেন বলে জানা গিয়েছে।


বরাদ্দ হয়ে গেল ২০০০ কোটি টাকা, প্রস্তুতি শুরু! এবার জেলাতেই বিমানবন্দর, বদলাচ্ছে অর্থনৈতিক চিত্র! বড় পদক্ষেপ নবান্নের
পুরুলিয়ায় ছররা বিমানবন্দর


দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে এবার আশার আলো দেখছে পুরুলিয়ার ছররা বিমানবন্দর। কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের যৌথ উদ্যোগে এই পরিত্যক্ত বিমানঘাঁটিকে পুনরুজ্জীবিত করার কাজ শীঘ্রই শুরু হতে চলেছে। কেন্দ্র সরকারের ‘উড়ান’ প্রকল্পের আওতায় এই বিমানবন্দরটিকে যুক্ত করে এর আধুনিকীকরণ ও সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের জন্য মোট ২০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সাংসদ।


দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়, ১৯৪২ সালে সামরিক প্রয়োজনে ছররা বিমানবন্দরটি তৈরি করা হয়েছিল। ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত এটি সক্রিয়ভাবে ব্যবহৃত হলেও তারপর থেকেই এটি সম্পূর্ণ পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। বাম আমল থেকেই এই বিমানবন্দরটি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হলেও বাস্তবে কোনও কাজ এগোয়নি। এমনকি বর্তমান তৃণমূল সরকারের আমলে বিগত ১৫ বছরে একাধিকবার এই নিয়ে ঘোষণা হলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। তবে বর্তমান পরিস্থিতির পালাবদলের পর সাম্প্রতিক বাজেটেই ছররা বিমানবন্দর চালুর কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয় এবং এর জন্য ২০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়।


অভিষেকের বক্তব্যের সময় তুমুল উত্তেজনা, বিজেপিকে থামাতে গেলেন
বরাদ্দ অর্থ পাওয়ার পরেই জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তৎপরতা শুরু হয়ে গিয়েছে। সম্প্রতি জেলাশাসক এবং এলাকার সাংসদ নিজে ওই পরিত্যক্ত বিমানঘাঁটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন। খুব শীঘ্রই সংশ্লিষ্ট দফতরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও এটি পরিদর্শনে আসবেন বলে জানা গিয়েছে। বিমানবন্দরটিকে আধুনিক করে গড়ে তুলতে এবং ছোট ও মাঝারি বিমান চলাচলের উপযোগী করতে রানওয়ে-সহ অন্যান্য পরিকাঠামো তৈরি করা হবে। প্রয়োজনে কিছু নতুন জমিও অধিগ্রহণ করা হতে পারে, যে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সংশ্লিষ্ট দফতর।


এই বিমানবন্দরটি চালু হলে পুরুলিয়া ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের অর্থনৈতিক চিত্র সম্পূর্ণ বদলে যাবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। রঘুনাথপুর শিল্প পার্ক এবং ঝাড়খণ্ডের সীমানায় অবস্থিত বিভিন্ন শিল্পতালুকের ব্যবসা ও যোগাযোগ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে সুবিধা হবে। পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড়-সহ আশপাশের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে পর্যটকদের যাতায়াত আরও সহজ হবে। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির জেরে এই জেলায় নতুন নতুন শিল্প গড়ে উঠবে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।

বিমানবন্দর চালুর এই খবরে স্বাভাবিকভাবেই অত্যন্ত খুশি স্থানীয় ব্যবসায়ী মহল থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ ও পর্যটন ব্যবসায়ীরা। দীর্ঘদিনের বঞ্চনা কাটিয়ে ছররা বিমানবন্দর পুরুলিয়াকে দেশের বিমান মানচিত্রে স্থান করে দিতে চলেছে, যা এই পিছিয়ে থাকা জেলার উন্নয়নে এক নতুন মাইলফলক হতে চলেছে।