WEATHER

Top News


এলাকায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মোড়, সংযোগকারী রাস্তা ও প্রবেশপথে বসানো হয়েছে নাকা চেকিং পয়েন্ট। সন্দেহভাজন যানবাহন থামিয়ে চলছে কড়া তল্লাশি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিধানসভা নির্বাচনের আগে থেকেই ভাঙড়ের বিভিন্ন এলাকায় বোমা ও আগ্নেয়াস্ত্র মজুত থাকার অভিযোগ উঠেছিল। সেই প্রেক্ষিতেই শওকত মোল্লার গ্রেপ্তারের পর ওই সব অস্ত্র বা বিস্ফোরক অন্যত্র সরিয়ে ফেলার চেষ্টা হতে পারে—এই আশঙ্কা থেকেই প্রশাসন বাড়তি সতর্কতা নিয়েছে বলে সূত্রের দাবি।
পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, নির্দিষ্ট কিছু তথ্যের ভিত্তিতেই এলাকায় বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে। শুধু দিনে নয়, রাতেও টহলদারি বাড়ানো হয়েছে। সন্দেহজনক ব্যক্তি ও যানবাহনের উপর নজরদারি আরও কঠোর করা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখা এবং কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতেই এই পদক্ষেপ বলে দাবি প্রশাসনের।

এদিকে পুলিশের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে ভাঙড়ের আইএসএফ নেতৃত্ব। তাঁদের বক্তব্য, অবৈধ অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধারে প্রশাসনের এই কড়া অবস্থান সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। একইসঙ্গে এলাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এই ধরনের অভিযান প্রয়োজনীয় বলেও মত তাঁদের।

গঙ্গাসাগরের কপিলমুনির আশ্রমে আগত পুণ্যার্থী এবং দুঃস্থ মানুষদের সেবায় মানবিক উদ্যোগ নিল 'হিন্দু সেবা দল'। 



সংগঠনের পক্ষ থেকে এদিন আশ্রম চত্বরে এক অন্নসেবা শিবিরের আয়োজন করা হয়। এখানে আগত সকল পুণ্যার্থী ও ভিক্ষুকদের ভাত, ডাল, সবজি ও পনিরের তরকারি দিয়ে তৃপ্তি সহকারে খাওয়ানো হয়।

সেবা দলের স্বেচ্ছাসেবকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এটি তাদের নিয়মিত উদ্যোগ। গঙ্গাসাগরে আসা মানুষের সেবায় তারা প্রতিনিয়ত এমন অন্নদান কর্মসূচি চালিয়ে যান। আর্ত মানুষের মুখে অন্ন তুলে দেওয়ার এই প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ ও পুণ্যার্থীরা। সংগঠনের এই কর্মকাণ্ড এলাকায় বেশ প্রশংসিত হয়েছে।

বিশ্ব সাইকেল দিবস উপলক্ষে পরিবেশ দূষণমুক্ত রাখতে এক বিশেষ সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করল সাগর ব্লক প্রশাসন। রবিবার গঙ্গাসাগরের কপিলমুনি আশ্রম সংলগ্ন এলাকায় আয়োজিত এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সাগর ব্লকের বিডিও কানাইয়া কুমার রায় এবং স্থানীয় স্কুলের পড়ুয়ারা। 


ভারত সরকারের ‘ফিট ইন্ডিয়া’ (Fit India) অভিযানের মূল লক্ষ্যকে সামনে রেখে এদিনের এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য ছিল, সাধারণ মানুষকে সাইকেল ব্যবহারে উৎসাহিত করা। এদিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বর্তমান যুগে যানবাহন থেকে নির্গত ধোঁয়া পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করছে। একমাত্র সাইকেলই হলো দূষণমুক্ত এবং পরিবেশবান্ধব যান, যা একইসঙ্গে শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

 অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া ছাত্র-ছাত্রীরা সাইকেল চালিয়ে পরিবেশ বাঁচানোর বার্তা দেয়। বিডিও জানান, "নিজেকে সুস্থ রাখতে এবং পৃথিবীকে দূষণমুক্ত রাখতে সাইকেলের কোনো বিকল্প নেই। ছাত্র-ছাত্রীদের মাধ্যমে আমরা এই বার্তাটিই সমাজের প্রতিটি স্তরে পৌঁছে দিতে চাই।" ব্লক প্রশাসনের এই অভিনব উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় মানুষজন।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার ২ নম্বর ব্লকের কলাগাছিয়ার মোড় এলাকায় তৃণমূল নেতা রাজু বাগ ও বিজু বাগের বাড়িতে বিপুল পরিমাণ ত্রিপল মজুদের অভিযোগকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। 


স্থানীয়দের দাবি, প্রায় ৫০ হাজার ত্রিপল দুস্থ ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে বিতরণ না করে গোপনে মজুত করে রাখা হয়েছিল। দীর্ঘদিন ত্রিপল না পেয়ে ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা তালা ভেঙে ঘরে ঢুকে বিপুল ত্রিপলের মজুত দেখতে পান বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পারুলিয়া কোস্টাল থানার পুলিশ। 

পাশাপাশি বিডিও অফিসের আধিকারিকরাও

 ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। প্রশাসনিক স্তরে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। এত বিপুল পরিমাণ ত্রিপল কীভাবে সেখানে মজুত হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসী। অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবিও উঠেছে।

টলিপাড়ায় অশান্তির আবহাওয়া। প্রযোজক অর্ক গঙ্গোপাধ্যায়, যাঁর প্রযোজনা সংস্থার নাম অরগ্যানিক স্টুডিয়োজ প্রাইভেট লিমিটেড, কম্পিটিশন কমিশন অফ ইন্ডিয়ার কাছে প্রসেনজিত্‍ চট্টোপাধ্যায়, শান্তিলাল মুখোপাধ্যায় এবং আর্টিস্টস ফোরামের বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা করেছেন। অর্কর দাবি, ৫ জুন সেই নোটিশ পাঠানো হয়েছে, প্রসেনজিত্‍, শান্তিলাল এবং ২১ জন এক্সিকিউটিভ কমিটির সদস্যকে। 


প্রসেনজিত্‍ রয়েছেন কার্যকরী সভাপতি পদে, শান্তিলাল মুখোপাধ্যায় রয়েছেন সাধারণ সম্পাদক পদে।
'আর্টিস্টস ফোরামের এই কমিটির বৈধতা গুরুতরভাবে প্রশ্নবিদ্ধ', দাবি অর্কর



টলিপাড়ায় অশান্তির আবহাওয়া। প্রযোজক অর্ক গঙ্গোপাধ্যায়, যাঁর প্রযোজনা সংস্থার নাম অরগ্যানিক স্টুডিয়োজ প্রাইভেট লিমিটেড, কম্পিটিশন কমিশন অফ ইন্ডিয়ার কাছে প্রসেনজিত্‍ চট্টোপাধ্যায়, শান্তিলাল মুখোপাধ্যায় এবং আর্টিস্টস ফোরামের বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা করেছেন। অর্কর দাবি, ৫ জুন সেই নোটিশ পাঠানো হয়েছে, প্রসেনজিত্‍, শান্তিলাল এবং ২১ জন এক্সিকিউটিভ কমিটির সদস্যকে। প্রসেনজিত্‍ রয়েছেন কার্যকরী সভাপতি পদে, শান্তিলাল মুখোপাধ্যায় রয়েছেন সাধারণ সম্পাদক পদে।


ঘটনার সূত্রপাত রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের অকালমৃত্যুকে কেন্দ্র করে। ‘ম্যাজিক মোমেন্টস’ প্রযোজনা সংস্থার একটি ধারাবাহিকের জন্য শুটিং করতে গিয়ে প্রাণ হারান রাহুল। শুটিংয়ে কী ধরনের গাফিলতি ছিল, যার জন্য সমুদ্রে শুটিংয়ে নেমে আর প্রাণ বাঁচেনি রাহুলের, তার তদন্ত চেয়ে রাহুলের স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকার এফআইআর করেছেন। সেই ঘটনার তদন্ত চলছে। ম্যাজিক মোমেন্টস-এর কর্ণধার লীনা গঙ্গোপাধ্যায় এবং শৈবাল বন্দ্যোপাধ্যায়। একই সঙ্গে অর্কর প্রযোজনা সংস্থার ধারাবাহিকের সঙ্গে জড়িয়ে ছিল লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম। রাহুলের মৃত্যুর পর টলিপাড়ায় টেকনিশিয়ানদের ফেডারেশন (তখন সভাপতি ছিলেন স্বরূপ বিশ্বাস, যাঁকে এখন গ্রেফতার করা হয়েছে) এবং আর্টিস্টস ফোরাম একদিনের কর্মবিরতি ঘোষণা করে। তারপর ‘ম্যাজিক মোমেন্টস’-এর ধারাবাহিকের পাশাপাশি অর্কর প্রযোজনায় ‘কনে দেখা আলো’ ধারাবাহিকের শুটিং করবেন না তাঁরা, সেই সিদ্ধান্ত জানানো হয় সাংবাদিক বৈঠকে। যদিও এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ায় কিছু শিল্পীই প্রথমে সমাজ মাধ্যমে ক্ষোভ উগরে দেন। আর্টিস্টস ফোরাম আবার বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেয়, কিছু শর্ত সাপেক্ষে ‘কনে দেখা আলো’-র শুটিংয়ে যোগ দেবেন তাঁরা। এরপর শুটিং শুরু হয়ে যায়।



সোহিনী-শোভনের নতুন অধ্যায়? সোহিনী কি মা হচ্ছেন? জল্পনা
টিভি নাইন বাংলার কাছে অর্কর দাবি, ”যে পদ্ধতিতে আমাদের ধারাবাহিকের শুটিং বন্ধ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং ক্ষমতার অপব্যবহার। গত এক বছরে আমাদের কাজ চারবার বন্ধ করা হয়েছে, এবং প্রতিটি ঘটনাই যথাযথভাবে ডকুমেন্টেড। প্রতিবারই আমরা অসংখ্য ই-মেল ও লিখিত যোগাযোগের মাধ্যমে জানতে চেয়েছি কাজ বন্ধ করার কারণ কী। আর্টিস্টস ফোরাম বা ফেডারেশন, কেউই আমাদের সাথে সরাসরি কথা বলার সৌজন্যও দেখাননি। নিজের ইচ্ছে মতো ফরমান জারি করে দিয়েছে।আর্টিস্টস ফোরামের বর্তমান কমিটির বৈধতাই গুরুতরভাবে প্রশ্নবিদ্ধ। সংগঠনের নিজস্ব বিধি অনুযায়ী মোট সদস্যের দুই-তৃতীয়াংশ উপস্থিত না থাকলে নির্বাচন বৈধভাবে সম্পন্ন হতে পারে না। অথচ সেই মৌলিক শর্ত পূরণ না করেই বর্তমান কমিটি গঠন করা হয়েছে। বর্তমান নেতৃত্ব যে নির্বাচনের ভিত্তিতে নিজেদের পদে বহাল বলে দাবি করছে, সেই নির্বাচন ম্যানুপুলেশন-এর মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছে বলেই আমাদের অভিযোগ। ফলে এঁদের প্রকৃত অর্থে নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে গণ্য করা যায় না। সেই কারণে এঁরা যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, সেগুলিকে সংগঠনের বৈধ সিদ্ধান্ত না ধরে পার্সোনাল ক্যাপাসিটি-তে গৃহীত সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। এই কারণেই সংশ্লিষ্ট পদাধিকারীদের পার্সোনাল পার্টি করা হয়েছে। বর্তমান অভিযোগ মূলত দুটি বিষয়ে ভিত্তি করে গঠিত। প্রথমত, কম্পিটিশন-এর সেকশন থ্রি-এর অধীনে ফোরাম-এর মাধ্যমে কালেক্টিভ বয়কট, রিফিউজাল টু ডিল এবং কনসার্টেড অ্যাকশন সংগঠিত হয়েছে, যার ফলে আমাদের ব্যবসায়িক কাজ সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দ্বিতীয়ত, সেকশন ফোর-এর অধীনে ফোরাম বাংলা বিনোদন ইন্ডাস্ট্রি-তে তার প্রভাব খাটিয়ে আমাদের ব্যবসায়িক কাজে হস্তক্ষেপ ও বাধা সৃষ্টি করেছে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, আমাদের সঙ্গে কোনও আলোচনা বা যোগাযোগ না করেই তারা সরাসরি আমাদের ক্লায়েন্ট (চ্যানেল)-এর উপর চাপ সৃষ্টি করেছে। তারা এমন কিছু শর্ত চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছে, যা আরোপ করার কোনও আইনগত, কনট্র্যাকচুয়াল বা অরগ্যানাইজেশনাল অথরিটি তাদের নেই। সাংবাদিক বৈঠকে যে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে—যেমন, “আমরা ব্যান শব্দটি বলব না, সাসপেন্ড বলব”—তা থেকেই স্পষ্ট যে গৃহীত পদক্ষেপগুলির প্রকৃত চরিত্র সম্পর্কে তারা সচেতন ছিল এবং ব্যবহৃত টার্মিনোলজি-র পিছনে একটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য কাজ করছিল। আমরা আরও প্রশ্ন তুলছি যে, যখন কোনও প্রযোজক, যিনি নিজেও ইন্ডাস্ট্রি-এর একজন প্রতিযোগী এবং অন্যান্য প্রযোজনা সংস্থার সঙ্গে সরাসরি প্রতিযোগিতায় রয়েছেন, তিনি অন্য একটি প্রযোজনা সংস্থার বিরুদ্ধে এই ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেন, তখন তার পিছনে ব্যক্তিগত বা বাণিজ্যিক ইন্টারেস্ট কাজ করার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। গত দেড় বছরে বিভিন্নভাবে আর্টিস্টস ফোরাম এবং ফেডারেশন-এর যৌথ পদক্ষেপের মাধ্যমে আমাদের বারবার টার্গেট করা হয়েছে। এই বেআইনি ও একতরফা পদক্ষেপের ফলে আমাদের দু’টি নতুন ধারাবাহিকের কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। এর ফলে আমরা গুরুতর আর্থিক ক্ষতি এবং রেপুটেশনাল ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছি। প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, এই ক্ষতির পরিমাণ ৩০ কোটিরও বেশি।”

লক্ষণীয় কিছুদিন আগে আর্টিস্টস ফোরাম ছেড়েছেন দিগন্ত বাগচী। টিভি নাইন বাংলাকে দিগন্ত বলেছিলেন, ” ৮ ফেব্রুয়ারি আর্টিস্টস ফোরামের নির্বাচন হয়। আমি ১৪ ফেব্রুয়ারি রেজিগনেশন দিতে চাই। অনেক কিছু ঠিক লাগছিল না। কমিটি তৈরিতে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ‍্যা গরিষ্ঠতা ছিল না। তবে আমাকে তখনই রেজিগনেশন দিতে বারণ করার পর অপেক্ষা করি। রাহুলের (অরুণোদয় বন্দ‍্যোপাধ‍্যায়ের) মৃত‍্যুর ঘটনায় জটিলতা বাড়ে। তবে এখন কিছুটা সময় কেটে গেলেও, পরিস্থিতি বদলায়নি। তাই রেজিগনেশন দিয়েছি।’’

আর্টিস্টস ফোরাম যখন সিদ্ধান্ত নেয়, ‘কনে দেখা আলো’ ধারাবাহিকের শুটিংয়ে সদস্যরা যাবেন না, তখন দেবদূত ঘোষ আর দিগন্ত বাগচী এই ধারাবাহিকের তিন সদস্যকে হুমকি দিয়েছিলেন বলে, অর্কর অভিযোগ। তাঁরা শুটিংয়ে গেলে সমস্যা হবে, এমনই বলা হয়েছিল। এই প্রসঙ্গে দিগন্ত কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তবে তিনি অর্কর প্রযোজনা সংস্থা থেকে পাওয়া আইনি নোটিশের উত্তরে, ভুল সংশোধন করে নিতে চেয়ে প্রযোজনা সংস্থাকে চিঠি দিয়েছেন বলে খবর। দেবদূত জানালেন, ”আমি কখনওই গলা তুলে কথা বলার পক্ষে নই। যখন একটি সংগঠনের পদ রয়েছি, তখন সকলের সম্মিলিত সিদ্ধান্ত, সদস্যকে জানাতেই ফোন করেছিলাম। সেটা আমার দায়িত্ব। তবে কোনওভাবেই হুমকির সুর ছিল না আমার কথায়।”

টিভি নাইন বাংলা তরফে সম্প্রতি এক সাক্ষাত্‍কারে প্রসেনজিত্‍ চট্টোপাধ্যায়কে প্রশ্ন করা হয়েছিল, আর্টিস্টস ফোরামকে ঘিরে আইনি জটিলতা নিয়ে কী প্রতিক্রিয়া? তিনি বলেছেন, ”সময় বলবে।” এখন দু’ পক্ষের আইনি জটিলতা কোন মোড় নেয়, তার কী প্রভাব পড়ে টলিপাড়ায়, তা দেখার অপেক্ষা।


উদয়পুর জেলের অন্ধকার কুঠুরিতে কাটানো ৭০ দিনের হাড়হিম করা অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিলেন বলিউড পরিচালক বিক্রম ভাট। জন্ডিস ও অটোইমিউন রোগের কারণে কীভাবে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এলেন তিনি, আর কেনই বা কয়েদিরা তাঁকে ডাকতেন 'ভীষ্ম পিতামহ'? জানুন বিস্তারিত।


জেলে প্রায় মরতে বসেছিলেন! 'ভীষ্ম পিতামহ' বলতেন কয়েদিরা, কী ঘটে বিক্রমের সঙ্গে?
জেল থেকে মুক্তির পর বলিউড থেকে কেমন সাড়া পেলেন?


নিজের জীবনের গল্প নিয়ে কি এবার ছবি বানাতে চলেছেন বিক্রম ভাট (Vikram Bhatt)? এমন প্রশ্ন জাগতেই পারে তাঁর সাম্প্রতিক বিস্ফোরক মন্তব্যে। উদয়পুরের জেলে কাটানো ৭০ দিনের বিভীষিকাময় অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেছেন পরিচালক। জেলের ভেতরে সঠিক চিকিৎসার অভাবে নাকি প্রায় মরতেই বসেছিলেন তিনি! শীতের রাতে প্রচণ্ড ঠান্ডা, জন্ডিস আর তার সঙ্গে শরীরের অসহ্য যন্ত্রণা, সব মিলিয়ে এক ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। তবে এই অন্ধকারের মধ্যেও এক টুকরো আলোর সন্ধান পেয়েছেন তিনি। জেলের কয়েদিরাই নাকি তাঁর পরম বন্ধু ও রক্ষাকর্তা হয়ে উঠেছিলেন, আদর করে ডাকতেন ‘ভীষ্ম পিতামহ’!


ইন্দিরা আইভিএফ-এর প্রতিষ্ঠাতা অজয় মুর্দিয়ার প্রয়াত স্ত্রী ইন্দিরা মুর্দিয়ার বায়োপিক নিয়ে আর্থিক বিবাদের জেরে গত বছরের ডিসেম্বরে গ্রেফতার হন বিক্রম ও তাঁর স্ত্রী শ্বেতাম্বরী ভাট। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে জামিন মিললেও জেলের সেই ৭০ দিন কীভাবে কেটে গিয়েছে, তা তিনি কখনও ভুলবেন না। এক সাক্ষাৎকারে বিক্রম ভাট জানিয়েছেন, তিনি ‘অ্যাক্সিয়াল স্পন্ডিলার্থ্রাইটিস’ নামক একটি অটোইমিউন রোগে আক্রান্ত, যা হাড় ও পেশিতে তীব্র ব্যথা সৃষ্টি করে। তার উপর ডিসেম্বর-জানুয়ারির কনকনে ঠান্ডায় তাঁকে মেঝেতে মাদুর পেতে শুতে হত। পরিস্থিতি আরও জটিল হয় যখন তিনি জন্ডিসে আক্রান্ত হন। বারবার অনুরোধ করলেও পর্যাপ্ত নিরাপত্তারক্ষী না থাকার অজুহাতে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়নি। তীব্র জ্বরে যখন তিনি কাঁপতেন, তখন জেলের কয়েদিরাই নিজেদের কম্বল দিয়ে তাঁকে আগলে রাখতেন। বিক্রমের কথায়, “আমি ওখানে প্রায় মারাই যাচ্ছিলাম। শেষ পর্যন্ত তেল-মশলা ছাড়া ছোলা, ফল আর জল খেয়ে, ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করে নিজে নিজেই সুস্থ হয়েছি।”



বিস্তর অভিযোগ, ধরা পড়ার ভয়ে কোন গর্তে লুকিয়ে জাহাঙ্গির খান?
সোহিনী-শোভনের নতুন অধ্যায়? সোহিনী কি মা হচ্ছেন? জল্পনা
তবে এই চরম কষ্টের মাঝেও এক অনন্য মানবিকতার রূপ দেখেছেন পরিচালক। জেলের ব্যারাকে প্রায় ৬০ থেকে ৮০ জন কয়েদির সঙ্গে থাকতে হত তাঁকে। সেখানে তিনি হয়ে উঠেছিলেন সবার প্রিয় গল্পদাদু। প্রতি রাতে কয়েদিরা তাঁর চারপাশে গোল হয়ে বসত ভূতের গল্প শোনার জন্য! বিক্রম বলেন, “ওরা আমাকে কিচ্ছু করতে দিত না। খাবার এনে দেওয়া থেকে শুরু করে জামাকাপড়ের খেয়াল রাখা, সব ওরাই করত। দু’জন কয়েদি আমার দু’পাশে ঘুমাত যাতে আমার কোনও ক্ষতি না হয়।” এই অভিজ্ঞতা বিক্রমকে ভারতের সেই সাধারণ দর্শকদের মন বুঝতে সাহায্য করেছে, যাঁরা সিনেমা হলে গিয়ে তাঁর সিনেমা দেখেন। জেল থেকে মুক্তির পর বলিউড থেকে কেমন সাড়া পেলেন? বিক্রম জানান, মিঠুন চক্রবর্তী এবং সঞ্জয় দত্ত ফোন করে তাঁর খোঁজ নিয়েছেন। এমনকি শৈশবের বন্ধু অজয় দেবগনও পাশে দাঁড়িয়েছেন। তবে অক্ষয় কুমার কি ফোন করেছিলেন? এই প্রশ্নে বিক্রমের সপাট ও কিছুটা রসাত্মক জবাব হল, “উনি কেন ফোন করবেন? উনি তো আমার বন্ধু নন!”


সমস্ত আইনি বিতর্ককে উড়িয়ে দিয়ে বিক্রম এখন আদালতের ওপর ভরসা রাখছেন। তবে জীবন তো আর থমকে থাকে না। আগামী ১২ জুন মুক্তি পেতে চলেছে তাঁর নতুন হরর থ্রিলার সিনেমা ‘হান্টেড থ্রিডি: ইকোস অফ দ্য পাস্ট’ (Haunted 2)। মুখ্য ভূমিকায় রয়েছেন মহাক্ষয় (মিমো) চক্রবর্তী এবং চেতনা পাণ্ডে। জেলের ভেতরের বাস্তবের ভুতুড়ে অভিজ্ঞতা কাটিয়ে এবার রূপোলি পর্দায় ভয়ের ম্যাজিক দেখাতে কতটা সফল হন বিক্রম, সেটাই এখন দেখার।

সেই তালিকায় নতুন নাম উঠেছে ক্যানিং পূর্বের প্রাক্তন বিধায়ক শওকত মোল্লা (Saokat Molla)। শুক্রবারই NIA আধিকারিকদের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন তিনি। এর আগে গ্রেফতার হয়েছিল তাঁর ছেলে ইমরান মোল্লা। মাতলা নদীর চর বুজিয়ে সেখানে বেআইনি ক্যাফে তৈরি করার অভিযোগ উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। আর কে রয়েছেন শওকতের পরিবারে?

বড় মেয়ে কলেজ টিচার, স্ত্রীর নামে ২৪টি জমি, শওকতের পরিবারের কে কী করে জানেন?
শওকত মোল্লা, প্রাক্তন বিধায়ক

পালা বদলের পর গ্রেফতার একের পর এক তৃণমূল নেতা। শুধু নেতা বললে ভুল, গ্রেফতার হচ্ছেন চুনোপুঁটি থেকে রাঘব বোয়াল সকলেই। সেই তালিকায় নতুন নাম উঠেছে ক্যানিং পূর্বের প্রাক্তন বিধায়ক শওকত মোল্লা (Saokat Molla)। শুক্রবারই NIA আধিকারিকদের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন তিনি। এর আগে গ্রেফতার হয়েছিলেন তাঁর ছেলে ইমরান মোল্লা। মাতলা নদীর চর বুজিয়ে সেখানে বেআইনি ক্যাফে তৈরি করার অভিযোগ উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। আর কে রয়েছেন শওকতের পরিবারে? তাঁর স্ত্রীই বা কী করেন? কী-কী সম্পত্তি আছে তাঁর এক নজরে দেখে নেওয়া যাক।


শওকতের পরিবার 


জেলে প্রায় মরতে বসেছিলেন! 'ভীষ্ম পিতামহ' বলতেন কয়েদিরা, কী ঘটে বিক্রমের সঙ্গে?
বাংলায় বিজেপি সরকার নিয়ে বড় বার্তা বুদ্ধ-জায়ার, কী বললেন?
শওকতের স্ত্রীর নাম সায়ের বানু। দম্পতির দুই মেয়ে আর এক ছেলে। বড় মেয়ের নাম সাবানা মোল্লা। তিনি রোকেয়া মহাবিদ্যালয়ের SACT বা স্টেট অ্যাডেড কলেজ টিচার। বাংলায় পিএইচডি করেছেন। ছোট মেয়ে রুবিনা মোল্লা কম্পিউটার অপারেটর। ছেলে ইমরান মোল্লা স্নাতক পাশ, ক্যাফে চালান।


শওকতের স্ত্রীর সম্পত্তির পরিমাণ 

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে শওকত মোল্লা যে হলফনামা জমা দিয়েছিলেন তার উপর ভিত্তি করে জানা যাচ্ছে- শওকতের স্ত্রী সায়ের বানুর আয় ২০২০-২১ অর্থবর্ষে আয় ৩ লক্ষ ২৯ হাজার ৪৫০ টাকা

২০২১-২২ অর্থবর্ষে আয় ৩ লক্ষ ৫৩ হাজার ১৩০ টাকা

২০২২-২০২৩ অর্থবর্ষে ৯৬ হাজার ২৯০ টাকা

২০২৩-২০২৪ অর্থবর্ষে আয় ৪ লক্ষ ৬৫ হাজার ৮০০ টাকা

২০২৪-২০২৫ অর্থবর্ষে আয় ৫ লক্ষ ৭৪ হাজার ২৪০ টাকা

জমির পরিমাণ

স্ত্রী সায়ের বানুর নামে ২৪টি জমি আছে। মৌখালি কুমারখালিতে, ক্যানিং, জীবনতলা, সোনারপুর সহ একাধিক জায়গায় জমি রয়েছে।

একসময়ের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক যুদ্ধের অন্যতম সঙ্গী এই শওকত। নির্বাচনী প্রচারের সময়ও ভাঙড়ের সভা থেকে তৎকালীন মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শওকতকে নিজের ‘ডানহাত’ বলে তাঁকে জেতানোর আবেদন করেছিলেন। তবে, ভাঙড়ে আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকীর কাছে বিপুল ভোটে পরাজিত হন তিনি। ভোটের রেজাল্ট বেরনোর এক মাসের মধ্যেই শওকত গ্রেফতার হতেই ফের নতুন করে আলোচনায় তিনি।

 এদিন উপস্থিত ব্যবসায়ী এবং শিল্পপতিদের কাছে রাজ্যে বিনিয়োগ এবং রাজ্যের জন্য আরও অনেক কিছু করার বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি উপস্থিত দর্শকদের আশ্বস্ত করেন, "আগে যে অন্যায় ঘটেছে, এখন তা হবে না। কারণ প্রধানমন্ত্রীর আশীর্বাদের হাত রয়েছে। এ রাজ্যে এখন শুধু উন্নয়ন গতি পাবে।"

বাকি যারা রয়েছে, আমার উপর ছেড়ে দিন', কী বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু?
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

দুষ্কৃতীরা কেউ ছাড় পাবেন না। ক্ষমতায় এসেই স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন তিনি। পুলিশের উপর ইট-পাথর ছোড়া হলে, তা বরদাস্ত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। আর শনিবার ধনধান্য অডিটোরিয়ামে একটি অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বললেন, “পালাবদলের পর আবহাওয়া বদল হচ্ছে তো? আরও আবহাওয়া বদল হবে। দেখতে থাকুন।” দুষ্কৃতীদের যে কোনওভাবে ছাড়া হবে না, তা জানিয়ে দিলেন।


কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী?

 'জননী' সিরিয়ালের শিল্পী বাধ্য হন চায়ের দোকান খুলতে, 'সৌজন্যে' সেই স্বরূপ!
রাজ্যে পালাবদলের পর একের পর এক গ্রেফতারি হচ্ছে। এই নিয়ে এদিন ধনধান্য অডিটোরিয়ামে ওই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “তৃণমূল আমলে যেসব দুষ্কৃতীরা ছিল, তারা একে একে পালিয়েছে। যে কয়েকটি রয়েছে, তাদের আমার উপরে ছেড়ে দিন।” অনুপ্রবেশকারীরা যে কোনওভাবেই এ রাজ্যে থাকতে পারবেন না, তা জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এই রাজ্যে শুধু ভারতের যারা নাগরিক, তারা স্থায়ী ভাবে থাকবে। অনুপ্রবেশকারীদের কী হয়, সেটা প্রত্যেকে দেখতে পাচ্ছেন।”


এদিন সন্ধ্যায় ওই অনুষ্ঠানে রাজ্যে বিনিয়োগেরও আহ্বান জানান শুভেন্দু। বলেন, “রাজ্যে ছিল না শিল্পের গতি। রাজ্যে উন্নয়ন থমকে ছিল। শিল্পবান্ধব পরিবেশ এ রাজ্যে ছিল না। মানুষ এখানে থাকতে পারত না। পুলিশ এখানে ক্যাডারে পরিণত হয়েছিল। সবকিছুর মধ্যে রাজনীতিকরণ ঢুকে গিয়েছিল। কিন্তু আর নয়। এই সরকার মানুষের সরকার। অতীত এখন শুধুই অতীত। মানুষ যা চাইবে, সরকার তা করবে।”

এদিন উপস্থিত ব্যবসায়ী এবং শিল্পপতিদের কাছে বিনিয়োগ এবং রাজ্যের জন্য আরও অনেক কিছু করার বার্তা দেন তিনি। উপস্থিত দর্শকদের আশ্বস্ত করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আগে যে অন্যায় ঘটেছে, এখন তা হবে না। কারণ প্রধানমন্ত্রীর আশীর্বাদের হাত রয়েছে। এ রাজ্যে এখন শুধু উন্নয়ন গতি পাবে।” একইসঙ্গে তাঁকে একটু সময় দেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, এখনও একমাস হয়নি সরকারে তিনি বসেছেন।

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু বলেন, অনেক কাজ বাকি। অনেক কাজ করতে গিয়ে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হবে। কিন্তু কাজ করে যাবেন তিনি। রাজ্যজুড়ে গো-শালা যাতে তৈরি করা যায়, তার জন্য উদ্যোগপ্রতিদের এগিয়ে আসার কথা তিনি বলেন।

এদিকে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অযোধ্যার রাম জন্মভূমির তীর্থক্ষেত্রের অন্যতম প্রধান গোবিন্দদেব গিরিজি মহারাজ। মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে তিনি বলেন, যেকোনও রাজ্যের উন্নতি নির্ভর করে সে রাজ্যের শিক্ষার প্রসারের উপরে। অতীতে এই রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থার ছত্রে ছত্রে অনেক গলদ প্রবেশ করে গিয়েছে। গোবিন্দদেব গিরিজি মহারাজ বলেন, নতুন মুখ্যমন্ত্রী দায়িত্ব সেই গলদকে দূর করে শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি করা এবং আধুনিকীকরণ করা।

পিয়ালি বলেন, "২০১৯ সালে এভারেস্ট সামিটের সময় একজন শেরপা আমায় মেরেছ। ওই কমিটির লোকজন শেরপাকে টাকা খাইয়ে ২৮ ফুট উচ্চতায় আমায় মেরেছে। যাতে না আমার এভারেস্ট সামিট হয়। আমার জিনিস পত্র ওই শেরপা বিদেশীদের দিয়ে দিত। এরপরও চূড়ায় পৌঁছে যাচ্ছি।"


২৮ হাজার ফুট উচ্চতায় মুখে ঘুষি মেরেছে, এমনকী আমার...', মৃতদেহের টাকা আত্মসাৎ থেকে অরূপের লোকজন আর কী কী করেছেন, হাড়হিম অভিজ্ঞতা বললেন পিয়ালী


পালা বদলের পর তৃণমূলের বিরুদ্ধে ঠিক যা যা দুর্নীতি প্রকাশ্যে এসেছে তা জানলে খানিক চমকে উঠতে হয়। বালি-কয়লা-চাকরি তো দূরে থাক, পুরসভার বালতি থেকে শুরু করে ড্রেনের ঢাকা এমনকী বল চুরির অভিযোগ পর্যন্ত উঠছে। আর এবার প্রকাশ্যে এল আরও এক দুর্নীতি। তা হল ‘এভারেস্ট দুর্নীতি’ । এটা পড়ে খানিক চমকে উঠলেন তো? এই ভয়ঙ্কর অভিযোগ যিনি এনেছেন তিনি হলেন বাংলার তথা চন্দন-নগরের মেয়ে, অসামান্য পর্বতারোহী-মাউন্ট এভারেস্ট জয়ী পিয়ালি বসাক। আর এই দুর্নীতির মাথায় যিনি ছিলেন, তিনি আর কেউ নন তৎকালীন যুবকল্যাণ ও ক্রীড়া মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। পিয়ালী জানালেন কীভাবে অরূপ ঘনিষ্ঠরা পর্বতারোহীদের নিম্নমানের সামগ্রী দিতেন। এমনকী, পর্বতে ওঠার সময় কীভাবে পিয়ালিকে মারধর করা হয়েছিল সবটা টিভি ৯ বাংলা ডিজিটালকে এক্সক্লুসিভ জানালেন তিনি।


‘ফ্রস্ট বাইটে ২০টা আঙুল বাদ গেল’

পিয়ালি বলেন, “২০১৮ সালে একটি অভিযান করা হয়। রাজ্য সরকারই সেটার আয়োজন করে। পর্বত আরোহীদের যাবতীয় জিনিস সরকারই দিত। দশজন ছেলেকে ওরাই সিলেক্ট করেছিল। তৃণমূল সরকারের তরফে যে তাঁবু-স্লিপিং ব্যাগ দেওয়া হয়েছিল সব নিম্নমানের। মাত্র ২১ হাজার ফুট উচ্চতায় ফ্রস্ট বাইট হয়ে যায়। ৫ জন ছেলের ফ্রস্ট বাইট হয়ে গেল। ওদের পায়ের সব আঙুল আর হাতের সব আঙুল বাদ দিতে হয়েছে। অরূপ বিশ্বাস তখন সামলাতেন এই ডিপার্টমেন্ট।”


মৃতদেহ খোঁজার টাকা গেল কোথায়?

পিয়ালি বলেন, “পর্বতারোহীদের নিয়ে কমিটি তৈরি হয়েছিল তাতে ছিলেন -দেবদাস নন্দী, সত্যরূপ সিদ্ধান্ত, দেবরাজ দত্ত, উজ্জ্বল রায়। পাহাড়ে তো অনেকে মারা যান। যেমন- ছন্দা গায়েন, দীপঙ্কর ঘোষ, গৌতম ঘোষ, পরেশ নাথ, সুভাষ নাথদের মতো মানুষদের আমরা হারিয়েছি। এদের মৃতদেহ খুঁজতে রাজ্য সরকার এক-একজন পিছু ২ কোটি টাকা দিয়েছিল। অথচ নেপালের এজেন্সি বলল টাকা পায়নি। সেই টাকা কোথায় গেল?

‘অরূপ বিশ্বাস নিজেই যুক্ত আমি বুঝিনি’

পিয়ালি বললেন, “আমি প্রথমে বুঝতাম না মন্ত্রী নিজেই যুক্ত। ভেবেছি এগুলো (যে সকল বেআইনি ঘটনা ঘটেছিল) জানালে হয়ত সমস্যার সমাধান হবে। আমি যখন এই সমস্ত কথা অরূপ বিশ্বাসকে জানাতে গিয়েছি, উনি আমার কথা শুনলেন না। এমনকী বডি গার্ড ছিল তাঁদের দিয়ে আমায় বাইরে বের করে দিল নিউ সেক্রেটারিয়েট বিল্ডিংয়ের।”

‘২৮ হাজার ফুট উচ্চতায় মেরেছে’

এ দিন, পিয়ালি বসাক বারেবারে তৎকালীন রাজ্য সরকারের কর্তৃক তৈরি হওয়া কমিটিকে কাঠগড়ায় তুলেছেন। এমনকী তিনি এও অভিযোগ করেছেন, ওই কমিটির একাংশ লোকজন এভারেস্ট সামিটের সময় পিয়ালির সঙ্গে থাকে একজন শেরপাকে প্রচুর টাকা ঘুষ দিয়েছিল। তিনি বলেন, “২০১৯ সালে এভারেস্ট সামিটের সময় একজন শেরপা আমায় মেরেছে। ওই কমিটির লোকজন শেরপাকে টাকা খাইয়ে ২৮ হাজার ফুট উচ্চতায় আমায় মেরেছে। যাতে না আমার এভারেস্ট সামিট হয়। আমার জিনিস-পত্র ওই শেরপা বিদেশীদের দিয়ে দিত। এরপরও চূড়ায় পৌঁছে গিয়েছি আমি।“

 চলতি বছর দুরন্ত ফর্মে রয়েছেন বৈভব। ২০২৬ আইপিএলে তিনি মোট ১৬ ম্যাচে ৭৭৬ রান করেছেন। করেছেন একটি সেঞ্চুরি। এছাড়াও ৩ বার নব্বই রানের ঘরে আউট হয়েছেন তিনি। এই দুরন্ত পারফরম্যান্সের সুবাদে সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে আইপিএলের অরেঞ্জ ক্যাপ পেয়েছেন বৈভব সূর্যবংশী।

 'ওর বয়স অনেক কম তাই...' বৈভবকে নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল বিসিসিআই!
আইপিএলে ভাল পারফরম্যাল্সের ফল পাচ্ছে বৈভব।


রূপকথা তো এভাবেই শুরু হয়। জাস্ট পিছিয়ে যান ৩৭ বছর আগে। ১৯৮৯ সাল। মাত্র ১৬ বছর বয়সে দেশের জার্সিতে অভিষেক করলেন সচিন তেন্ডুলকর (Sachin Tendulkar)। পাকিস্তানের (Pakistan) বিরুদ্ধে তাঁর সেই নাক ফাটার গল্প তো সর্বজনবিদিত। তবে ৩৭ বছরের রেকর্ড ভেঙে সবচেয়ে কনিষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে মাত্র ১৫ বছর বয়সে দেশের জার্সিতে খেলতে সুযোগ পেয়েছেন আইপিএলের (IPL 2026) ‘স্টার’ বৈভব সূর্যবংশী (Vaibhav Suryavanshi)। তাঁর সুযোগ পাওয়ার ফলে ৩৭ বছর ধরে থাকা সচিনের রেকর্ড ভেঙে গিয়েছে। কিন্তু যেহেতু তাঁর বয়স মাত্র ১৫, তাই বিসিসিআই (BCCI) বৈভবের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করতে চলেছে।


বিসিসিআই জানিয়েছে, ভারতীয় দলের ইংল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ড সফরে বৈভবের সঙ্গে তার বাবা-মাকেও পাঠাতে চলেছে বিসিসিআই। বিসিসিআই সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া জানিয়েছেন,“বৈভবের বয়স অনেক কম। এই কারণেই আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ড সফরে বৈভবের সঙ্গে ওর বাবা-মাকেও সফরে পাঠাব আমরা। আমরা চাই ওর বাবা-মা যেন ওর সঙ্গে সফরে যান। এমনিতেও ওর বাবা শ্রীলঙ্কা যাচ্ছেন ছেলের সঙ্গে কিন্তু আমরা চাই যেন ওঁরা ইংল্যান্ড-আয়ারল্যান্ড সফরেও ওর সঙ্গে সফর করুন । এর ফলে বৈভবের যাতে কোনও রকম মানসিক চাপ না হয়, সেটাই আমাদের আশা। ওর বাবা-মায়ের সমস্ত খরচ বোর্ড নিজেই বহন করবে।” তবে ইংল্যান্ড সফরে এই প্রথম যাচ্ছে না বৈভব। অতীতে যুব দলের টেস্ট সিরিজ খেলতে ইংল্যান্ড গিয়েছিল এই বিস্ময় বালক। কিন্তু যুব দল ও সিনিয়র দল সব সময় আলাদা। এখানে বৈভবের সঙ্গে ও বিরুদ্ধে যাঁরা খেলবেন, তাঁরা সবাই অভিজ্ঞ। তাঁরা জানেন, দেশের জার্সিতে কিভাবে মাঠের চাপ সামলাতে হয়। সেখানে বৈভবের এটাই প্রথম দেশের সিনিয়র জার্সিতে সফর। এই কারণেই বৈভবের জন্য বিশেষ সুবিধে দিল বিসিসিআই। এই মুহূর্তে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে প্রস্তুতি নিচ্ছেন ১৫ বছরের ‘তারকা ক্রিকেটার’।



সম্পর্কে শাহজাহান তাঁর শ্যালক, রয়েছে ৩টি বাড়ি, ফিশারি ঠেকে জুয়ার আড্ডা, গ্রেফতার হওয়া রমজান মোল্লার কীর্তি জানেন?
চলতি বছর দুরন্ত ফর্মে রয়েছেন বৈভব। ২০২৬ আইপিএলে তিনি মোট ৭৭৬ রান করেছেন। করেছেন একটি সেঞ্চুরি। এছাড়াও ৩ বার নব্বই রানের ঘরে আউট হয়েছেন তিনি। এই দুরন্ত পারফরম্যান্সের সুবাদে সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে আইপিএলের অরেঞ্জ ক্যাপ পেয়েছেন বৈভব সূর্যবংশী। তাঁর এই পারফরম্যান্স দেখে অনেকেই তাঁকে জাতীয় দোলে নেওয়ার জন্য দাবি জানাচ্ছিলেন। অবশেষে গতকাল এই সুযোগ পেলেন বৈভব। বোর্ড তাঁকে আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি ২০ সিরিজের পাশাপাশি এশিয়ান গেমসের জন্য জাতীয় দলে নিয়েছে। তবে আইপিএলের আগে অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ ফাইনালে ১৭৫ রানের ইনিংস খেলেছিলেন বৈভব। এই আইপিএলে ইতিমধ্যেই ব্যক্তিগত প্রায় সব পুরস্কারই বৈভবের দখলে। তবে, ১৫ বছরের কিশোরের জন্য এবার বড় সুযোগ করে দিল বিসিসিআই। দেশের জার্সিতেও তিনি ঝলমলে পারফরম্যান্স করেন কি না, সেটাই দেখতে উদগ্রীব সমর্থকরা।

অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের ক্লাব ডায়মন্ড হারবার এফসি-র জন্য নাকি নিয়ম বদল করতে বাধ্য হয়েছিল আইএফএ। ২০২২ সালে প্রতিষ্ঠা হওয়ার পরই ফার্স্ট ডিভিশন খেলে সাংসদ অভিষেকের ক্লাব। সেই ক্লাবের জন্য নাকি দুই ডিভিশন (এ ও বি) কে জোর করে মিলিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এই আদেশ জারি করেছিলেন তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস।

জোর করে প্রভাব খাটিয়ে...'স্বরূপকে নিয়ে বিস্ফোরক আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্ত!
অভিযোগের পাহাড় স্বরূপকে নিয়ে।

সদ্যই গ্রেফতার হয়েছেন টালিগঞ্জের হর্তাকর্তা স্বরূপ বিশ্বাস। টালিগঞ্জে তোলাবাজি, শ্লীলতাহানির অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এবার শোনা গেল স্বরূপ ও তাঁর ভাই অরূপ বিশ্বাসকে নিয়ে আরও অভিযোগের ফিরিস্তি। দাদা অরূপ ইতিমধ্যেই বিখ্যাত হয়েছেন মেসি কাণ্ডের জন্য। এবার আইএফএ সচিব অনির্বান দত্তের মুখে শোনা গিয়েছে কিভাবে দাদার ক্রীড়ামন্ত্রী হওয়ার যাবতীয় সুযোগ নিয়েছেন স্বরূপ নিজে।


কী জানা গিয়েছে?


সম্পর্কে শাহজাহান তাঁর শ্যালক, রয়েছে ৩টি বাড়ি, ফিশারি ঠেকে জুয়ার আড্ডা, গ্রেফতার হওয়া রমজান মোল্লার কীর্তি জানেন?
স্বরূপ বিশ্বাস ইতিমধ্যেই আইএফএ-র সহ সভাপতি। তাঁর পদ নিয়ে অনির্বান টিভি৯ বাংলাকে জানান,“যেহেতু স্বরূপ বিশ্বাসকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে কিন্তু উনি দোষী সাব্যস্ত হননি এখনও বা ওঁকে কোনও শাস্তি দেওয়া হয়নি, তাই আমরা ওঁর পদ নিয়ে আইনি পরামর্শ নেব।” ঠিক কীভাবে প্রভাব খাটাতেন স্বরূপ? “ধরুন, কোনও বিষয়ে আমরা আলোচনা করছি, তার মধ্যে অন্য বিষয় নিয়ে কথা বলা শুরু করে বা কোনও কিছু পছন্দ না হলে চেঁচামেচি করে বা কখনও কখনও মিটিং থেকে বেরিয়ে গিয়ে মিটিং ভেস্তে দিতেন। এমনকি কোনও বিষয়ে নিজে প্রভাব না খাটাতে পারলে নিজের সাঙ্গপাঙ্গদের দিয়ে চেষ্টা করতেন।” এখানেই শেষ নয়, শোনা গিয়েছে নিজের ক্লাব সুরুচি সংঘে বেঙ্গল অ্যাকাডেমি থেকে খেলোয়াড় সই করানোর চাপ দিতেন স্বরূপ। অনির্বান দত্তের কথায়,“কোন প্লেয়ার কোন ক্লাবে সই করবে সেটা তার নিজের ব্যাপার কিন্তু ওরা প্রভাব খাটাত এটা ঠিক।”


শুধু তাই নয়, অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের ক্লাব ডায়মন্ড হারবার এফসি-র জন্য নাকি নিয়ম বদল করতে বাধ্য হয়েছিল আইএফএ। ২০২২ সালে প্রতিষ্ঠা হওয়ার পরই ফার্স্ট ডিভিশন খেলে সাংসদ অভিষেকের ক্লাব। সেই ক্লাবের জন্য নাকি দুই ডিভিশন (এ ও বি) কে জোর করে মিলিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এই আদেশ জারি করেছিলেন তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল, যাতে কলকাতার দুই প্রধান, মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে একই সঙ্গে খেলতে পারে ডায়মন্ড হারবার। এমনকি, কলকাতায় মেসি আসার দিন মোহনবাগান অল স্টারের সঙ্গে খেলেছিল এই ডায়মন্ড হারবার অল স্টার।

ডায়মন্ড হারবারকে নিয়ে ইতিমধ্যেই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন বর্তমান ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামানিক। এদিকে মেসি কাণ্ডের ব্যর্থতার পর অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে বিশাল অঙ্কের মামলা করেছেন আয়োজক শতদ্রু দত্ত। স্বরূপ বিশ্বাসকে নিয়ে ক্ষোভ দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে টালিগঞ্জের অন্দরে। সিনেমাপাড়ার সঙ্গে এবার যোগ হল ময়দানও। আচ্ছা, একটাই প্রশ্ন। লিওনেল মেসি কি এর বিন্দু বিসর্গও জানেন?

এর আগে নিউটাউনের রাস্তায় কার্যত দাবাং মেজাজে বাইক চালিয়েছেন দিলীপ ঘোষ। চকচকে কালো রঙের বাইকটি দেখে তোলপাড় হয় সোশ্যাল মিডিয়া। বিশেষ করে কোন কোম্পানির বাইক এবং কোন মডেল তা জানার আগ্রহ তৈরি হয় বাইকপ্রেমীদের কাছে।

'সরকার ক্ষমতায় এসে অনেক গেরুয়া রঙের বাইক কিনেছে', বাইকপ্রেমীদের ভালো খবর দিলেন দিলীপ
দিলীপ ঘোষ, রাজ্যের মন্ত্রী

বরাবরই বাইক চালাতে দেখা গিয়েছে রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষকে (Dilip Ghosh)। সরকারে না থাকাকালীনও বাইক র‌্যালি করেছেন তিনি। কখনও বা বাইকে চড়ে এ দিক-ওদিক গিয়েছেন। ফলে দিলীপ যে বাইক পছন্দ করেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। মন্ত্রী হওয়ার পর সম্প্রতি দেখা গিয়েছিল ৫৩ লক্ষ টাকার বাইক কিনে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তিনি। ইকো-পার্কে দিলীপের সেই বাইক চালানো রীতিমতো ভাইরাল। আর এবার দামি বাইক চালানো নিয়ে নতুন প্রজন্মকে ভালো খবর দিলেন দিলীপ ঘোষ।


কী বললেন রাজ্যের মন্ত্রী?

'আনন্দ পাচ্ছি', তৃণমূল নেতাদের গ্রেফতারিতে বিস্ফোরক দেবাংশু 
প্রতিদিনের মতো রবিবারও নিউটাউনের প্রাতঃভ্রমণে গিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। আজ সেখানেই বিদেশি একটি কোম্পানি নিজেদের বাইক প্রদর্শন করে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন দিলীপ নিজে। পরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “ট্রাফিক রুল মেনে সকলে যেন গাড়ি চালায়। একটি বিদেশী কোম্পানি দামী বাইকের গ্রাহকরা আজ র‌্যালি করল। নতুন সরকার যেদিন এসেছে সেদিন অনেক গেরুয়া রঙের বাইক কিনেছে। ২০০০ সিসির বাইক আমাদের দেশে কম আছে। নতুন প্রজন্মের কাছে খুবই আকর্ষণীয়। রাস্তা-ঘাট ভালো হোক আমরাও চাইব। যাতে এই বাইক কিনে লোকে চালাতে পারে। সেই উপযুক্ত রাস্তাঘাট করে দেব।” অর্থাৎ, যাঁরা বাইক প্রেমী, হুটহাট বেরিয়ে পড়েন ঘুরতে, রাস্তা নিয়ে আর কোনও অভিযোগ থাকবে না তাঁদের। বিনা বাধায় সুন্দর রাস্তায় তাঁরা বাইক চালাতে পারবেন। আর সেই প্রচেষ্টাই নতুন সরকার করবে বলে ভাল খবর দিয়েছেন রাজ্যর মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ।


এর আগে নিউটাউনের রাস্তায় কার্যত দাবাং মেজাজে বাইক চালিয়েছেন দিলীপ ঘোষ। চকচকে কালো রঙের বাইকটি দেখে তোলপাড় হয় সোশ্যাল মিডিয়া। বিশেষ করে কোন কোম্পানির বাইক এবং কোন মডেল তা জানার আগ্রহ তৈরি হয় বাইকপ্রেমীদের কাছে। পরনে সাদা টিশার্ট এবং শর্টস পরে ভাইরাল হয়েছিলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়নমন্ত্রী। আর এবার শুধু নিজে নন, নতুন প্রজন্মও যাতে বাইকের মজা নিতে পারে সেই আশার কথা শোনালেন তিনি।

অভিষেককে নিয়ে তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদ বলেন, "অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তরুণ নেতা। তাঁর ভুল ত্রুটি থাকলে তা শুধরে নেওয়ার অনেক সময় রয়েছে। এখন এরা অভিষেকের ভুল খুঁজে পাচ্ছেন। নির্বাচনের আগে কেন বলেননি? নির্বাচনী প্রচারের সময় অভিষেকের দফতরের সামনে হাতজড়ো করে বসে থাকতেন প্রচারে নিয়ে যাওয়ার জন্য।"

তড়িঘড়ি দিল্লি পাড়ি অভিষেকের, লোকসভায় তৃণমূলের ভাঙন রুখতে পারবেন?
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

বিধায়কদের পর এবার তৃণমূলের লোকসভার ‘বিক্ষুব্ধ’ সাংসদদের সংখ্যা বাড়ছে। আর তা আঁচ করতে পারছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। এই পরিস্থিতিতে শনিবার তড়িঘড়ি দিল্লি উড়ে গেলেন তৃণমূলের লোকসভার দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। লোকসভার বিক্ষুব্ধ তৃণমূল সাংসদদের ক্ষোভ তাঁকে নিয়েই। আগামিকাল (রবিবার) তাঁর দিল্লি যাওয়ার কথা ছিল। একদিন আগেই অভিষেকের দিল্লি যাওয়া নিয়ে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে।


বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর থেকে তৃণমূলের অন্দরে ক্ষোভ বাড়ছে। আর সেই ক্ষোভ যে কতদূর পৌঁছেছে, তা দলের ৬০ জন বিধায়কের ‘নব তৃণমূল ব্লক’ গঠনেই স্পষ্ট। বিধানসভায় এখন দু’ভাগ হয়ে গিয়েছে তৃণমূল। সেরকম সম্ভাবনা দেখা গিয়েছে লোকসভাতেও। জল্পনা বাড়ছে, সোমবার লোকসভার স্পিকারের সঙ্গে দেখা করতে পারেন তৃণমূলের ‘বিক্ষুব্ধ’ সাংসদরা। অভিষেককে তাঁরা লোকসভায় তৃণমূলের দলনেতা মানেন না বলে দাবি জানিয়ে চিঠি দিতে পারেন।

ওর বয়স অনেক কম তাই...' বৈভবকে নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল বিসিসিআই!
এই পরিস্থিতিতে সোমবার (৮ জুন) দিল্লিতে ইন্ডি জোটের বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেকের। এর জন্য আগামিকাল (রবিবার) দিল্লি যাওয়ার কথা ছিল তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ডের। কিন্তু, এদিনই তিনি দিল্লি রওনা দেন। অভিষেকের এদিন দিল্লি যাওয়ার বিষয়টি কার্যত কাকপক্ষীও টের পায়নি। সংসদে ‘বিদ্রোহী’ সাংসদদের আটকাতে কি শেষ মরিয়া চেষ্টা করছে তৃণমূল? তার জন্যই কি তড়িঘড়ি দিল্লি উড়ে গেলেন অভিষেক? এই নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চর্চা বাড়ছে।


এদিন অভিষেকের সঙ্গে দিল্লি রওনা দেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন। জানা গিয়েছে, দিল্লি পৌঁছে সাউথ অ্যাভিনিউতে নিজের বাসভবনে উঠেছেন অভিষেক। এখনও পর্যন্ত সাংসদদের সঙ্গে তাঁর বৈঠকের কোনও খবর পাওয়া যায়নি। এখন দেখার, লোকসভায়ও তৃণমূলের ভাঙন আটকাতে পারেন কি না অভিষেক।

এদিকে, ‘বিদ্রোহী’ সাংসদদের গদ্দার বলে কটাক্ষ করে নিশানা করেছেন তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদ। তিনি বলেন, “দল হারতেই দুর্নীতির কথা মাথায় এল? কাকলি ঘোষ দস্তিদার, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের এতদিন কোথায় ছিলেন? এদের জন্য ঘৃণা হয়। ভালো হয়েছে এরা চলে যাচ্ছেন, কমপক্ষে মানুষ বুঝতে পারছেন প্রয়োজনের সময় এরা ইঁদুরের মতো পালাচ্ছেন।” তিনি মমতার সঙ্গে ছাড়ছেন না বলে স্পষ্ট করে দেন। একইসঙ্গে অভিষেককে নিয়ে কীর্তি বলেন, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তরুণ নেতা। তাঁর ভুল ত্রুটি থাকলে তা শুধরে নেওয়ার অনেক সময় রয়েছে। এখন এরা অভিষেকের ভুল খুঁজে পাচ্ছেন। নির্বাচনের আগে কেন বলেননি? নির্বাচনী প্রচারের সময় অভিষেকের দফতরের সামনে হাতজড়ো করে বসে থাকতেন প্রচারে নিয়ে যাওয়ার জন্য।”