WEATHER

Top News


সদ্য মেখলিগঞ্জ ব্লক তৃণমূলের সহ-সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন উত্তম সরকার। পরেশের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেন, স্থানীয় বিধায়ক পরেশচন্দ্র অধিকারী দলকে পৈতৃক সম্পত্তির মতো পরিচালনা করছেন। গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকলেও তাঁকে কোনও কর্মসূচি বা বৈঠকে ডাকা হয়নি বলে দাবি তাঁর।



ভোটের আগে গোটা রাজ্যেই পরিবর্তন সংকল্প যাত্রা করছে বিজেপি। এরইমধ্যে মেখলিগঞ্জে পরিবর্তন সংকল্প যাত্রার করেছিলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে দেখে হাত নাড়ান তৃণমূল নেতা। কিন্তু কে জানতো তাতেই তাঁর জন্য ঘনাতে চলেছে বড়সড় বিপদ। ভিডিয়ো ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই ওই তৃণমূল নেতাকে লাগাতার কটাক্ষ করেই চলেছেন পরেশ অধিকারীর অনুগামীরা। এরইমধ্যে পরেশের বিরুদ্ধে ফরোয়ার্ড ব্লকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ এনে দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ করেন জেলা সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক অনুগামী ওই তৃণমূল নেতা। ভোটের মুখে এ নিয়ে জেলার রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তরজা। 


অভিযোগ শুনে হেসে উড়িয়ে দেন পরেশ অধিকারী। হাবেভাবে বুঝিয়ে দিলেন পদত্যাগী নেতাকে কোনওভাবেই গুরুত্ব দিতে নারাজ তিনি। এদিকে ভোটের মুখে একেবারে বিধায়কের বিরুদ্ধে ফরোয়ার্ড ব্লকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ এনে তৃণমূল সভাপতির ইস্তফার ঘটনায় স্বভাবতই অস্বস্তি বেড়েছে তৃণমূলের অন্দরে।  


সদ্য মেখলিগঞ্জ ব্লক তৃণমূলের সহ-সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন উত্তম সরকার। পরেশের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেন, স্থানীয় বিধায়ক পরেশচন্দ্র অধিকারী দলকে পৈতৃক সম্পত্তির মতো পরিচালনা করছেন। গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকলেও তাঁকে কোনও কর্মসূচি বা বৈঠকে ডাকা হয়নি বলে দাবি তাঁর। দলে থেকেও প্রাপ্য সম্মান না পাওয়ার কারণেই তিনি জেলা সভাপতিকে ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছেন। শুধু তাঁকেই নয়, প্রতিলিপি গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছেও। 


যদিও উত্তমের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন যুব তৃণমূলের জেলা কমিটির সদস্য নরেশ চন্দ্র রায়। তিনি বলছেন, উত্তম সরকারের অভিযোগ মিথ্যা। বিজেপির দালাল বলে কটাক্ষ করে তাঁর আরও সংযোজন, দলে থেকে উনি দলের সব তথ্য বিজেপিকে পাচার করতেন। ওনার ফেসবুকই তার প্রমাণ। অন্যদিকে এই ইস্যুতে সুযোগ বুঝে পরেশ অধিকারীর বিরুদ্ধে চাকরি দুর্নীতির বিষয়ে তোপ দেগেছেন বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য শ্যাম প্রসাদ। তিনি আবার ঘুরিয়ে ওই তৃণমূল নেতাকে বিজেপিতে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। তা নিয়েও চলছে চাপানউতোর। 

পরবর্তীতে আগে সেমিস্টারে ভর্তি হওয়া ছাত্রদের ভগবানগোলা পাঠানো হয়েছে। ছাত্রীদের বহরমপুরে নিয়ে আসা হয়েছে। এই ঘটনার ফলে চলতি বছরে ছাত্র ভর্তির সংখ্যা কমে গিয়েছে। কারণ যে সমস্ত ছেলেরা বহরমপুর এলাকার বাসিন্দা, তারা ভগবানগোলা যেতে ইচ্ছুক নয়, আবার ভগবানগোলা এলাকার ছাত্রীরা বহরমপুরে আসতে ইচ্ছুক নয়। চলতি বছরে ৭৩ জন ভর্তি হয়েছে, তার মধ্যে প্রায় ৬৬ জন ছাত্রী খবর কলেজ সূত্রে। কিন্তু কেন কাজ ছাড়লেন পরপর তিন ওয়ার্ডেন? 
 'কিছু তো একটা আছেই, এক সপ্তাহও টিকছে না', কীসের ভয়? নোটিস সাঁটিয়ে কলেজে ছাত্রীদের ক্লাসই বন্ধ করে দিল কলেজ কর্তৃপক্ষ!
মুর্শিদাবাদের DIETC কলেজ

কো এড কলেজ! কিন্তু সেখানে ছাত্রীদের ক্লাস বন্ধ। নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলায় কো-এড কলেজে ছাত্রীদের ক্লাস বন্ধ। DIETC কলেজে ছাত্রীদের ভগবানগোলা থেকে বহরমপুরের মেইন ক্যাম্পাসে স্থানান্তরিত করা নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন। জানা যাচ্ছে, কোনও এক অজ্ঞাত কারণে ছাত্রী হস্টেলে পরপর তিন ওয়ার্ডেনের ইস্তফা। ওয়ার্ডেনহীন হস্টেলে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন ছাত্রীরা। প্রশ্ন উঠছে, কীসের ভয়ে পরপর চাকরি ছাড়লেন তিন ওয়ার্ডেন? কলেজে ছাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন কলেজ কর্তৃপক্ষও। রীতিমতো কলেজের বাইরে নোটিস সাটানো হয়ে গিয়েছে।

সর্বশিক্ষা অভিযানে জেলায় জেলায় তৈরি হয় একটি করে ডায়েট কলেজ। মুর্শিদাবাদ জেলায় সেই কলেজটি হয় বহরমপুরের চুয়াপুরে। এছাড়াও দ্বিতীয় ক্যাম্পাস তৈরি করা হয় ভগবানগোলায়। ভগবানগোলা দ্বিতীয় ক্যাম্পাসে ছাত্র-ছাত্রী উভয়ে পড়াশোনা করত। এছাড়াও ছিল হস্টেল ব্যবস্থা। ২০২৪ সাল থেকে ভগবানগোলার যে দ্বিতীয় ক্যাম্পাসে ছাত্রীদের থাকার হস্টেল সেখানে অজ্ঞাত কারণে একের পর এক ওয়ার্ডেন কাজ ছেড়ে চলে যান। পরবর্তীতে নিরাপত্তার অভাবে প্রশিক্ষণ শিক্ষা দফতরের পক্ষ থেকে নির্দেশিকা জারি করা হয়। ভগবানগোলায় শুধুমাত্র ছাত্ররা পড়বে ও বহরমপুরের মেইন ক্যাম্পাসে ছাত্রীরা।


পরবর্তীতে আগে সেমিস্টারে ভর্তি হওয়া ছাত্রদের ভগবানগোলা পাঠানো হয়েছে। ছাত্রীদের বহরমপুরে নিয়ে আসা হয়েছে। এই ঘটনার ফলে চলতি বছরে ছাত্র ভর্তির সংখ্যা কমে গিয়েছে। কারণ যে সমস্ত ছেলেরা বহরমপুর এলাকার বাসিন্দা, তারা ভগবানগোলা যেতে ইচ্ছুক নয়, আবার ভগবানগোলা এলাকার ছাত্রীরা বহরমপুরে আসতে ইচ্ছুক নয়। চলতি বছরে ৭৩ জন ভর্তি হয়েছে, তার মধ্যে প্রায় ৬৬ জন ছাত্রী খবর কলেজ সূত্রে। কিন্তু কেন কাজ ছাড়লেন পরপর তিন ওয়ার্ডেন?

কলেজের প্রিন্সিপ্যাল বিকাশ সামন্ত বলেন, “আমরা যাঁদেরকেই পাঠাচ্ছি, কোনও একটা অজ্ঞাত কারণে কাজ করতে চাইছেন না। ক্যাম্পাসে ছাত্রীরা থাকে, তারা নিরাপত্তাহীনতায় থাকছে। তাদের সঙ্গে কোনও মহিলা ওয়ার্ডেন থাকছে না। প্রথমে ছিলেন সুপর্ণা নস্কর। তিনি বেশ কিছু কাজ করেন, তারপর ইস্তফা দিয়ে চলে যান। এরপর আমি ২০২৪ সালের পর চুক্তিভিত্তিক একজনকে নিয়োগ করি। তিনি এক সপ্তাহ কাজ করতে না করতেই ইস্তফা দিলেন। কোনও কথাই জানাল না। কী কারণ, সেটা বুঝতে পারছি না।”

বহরমপুরের বিজেপি বিধায়ক সুব্রত মৈত্র বলেন, “প্রশ্ন তো একটাই, কেন নিরাপত্তা দিতে পারবে না? যারা পড়াশোনা করে ওই কলেজে তারা যাবে কোথায়ঁয পরিস্থিতি আজ এমন জায়গায় পৌঁছেছে, সরকারি নিজে স্বীকার করছে নিরাপত্তা দিতে পারছি না।”

যদিও তৃণমূলের দাবি, ছাত্রী সংখ্যা কমে গিয়েছে, এটাই আসল কারণ। তৃণমূল মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বলেন, “আগে ১৫০-২০০ ছাত্রী ছিল। এখন কমে গিয়ে কোথায় ঠেকেছে। তাদের বাবা-মাও চাইছেন পাশের উইমেন্স কলেজে মেয়েদের পড়াতে। যাতে পঠনপাঠনের কোনও সমস্যা না হয়, এর মধ্যে কোনও রাজনীতি নেই। “



 অভিষেক এদিন বলেন, "অর্থমন্ত্রী আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেন যে ভারতের অর্থনীতি বর্ধনশীল। আর বাংলা ৬.৫ লক্ষ কোটি ট্যাক্স দেওয়ার পরও বঞ্চিত। মনরেগায় কোনও নিয়োগ হয়নি, গ্রাম সড়ক যোজনা থেকে জল জীবন মিশন সবক্ষেত্রেই বঞ্চিত। পানীয় জল নিয়েও দরাদরি করতে হয়।"

 'মনে করছেন একবার, আসলে তিনবার কর দিচ্ছেন', কীভাবে? বুঝিয়ে দিলেন অভিষেক


 বাজেটে ৮৫ মিনিটের বক্তব্যে বাংলার নামও নেওয়া হয়নি। লোকসভায় মঙ্গলবার এ কথা বলেই কেন্দ্রীয় বাজেটের সমালোচনা করেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, ফ্রেট করিডরের যে ঘোষণা করা হয়েছে, তা আগেই করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সমতা নয় পক্ষপাতিত্বেই সরকার বিশ্বাস করে বলে মন্তব্য করেছেন অভিষেক।

অভিষেক এদিন বলেন, “অর্থমন্ত্রী আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেন যে ভারতের অর্থনীতি বর্ধনশীল। আর বাংলা ৬.৫ লক্ষ কোটি ট্যাক্স দেওয়ার পরও বঞ্চিত। মনরেগায় কোনও নিয়োগ হয়নি, গ্রাম সড়ক যোজনা থেকে জল জীবন মিশন সবক্ষেত্রেই বঞ্চিত। পানীয় জল নিয়েও দরাদরি করতে হয়।”



বেকারদের ৯০ হাজার টাকা দিচ্ছে মমতার সরকার
এরপর ট্রিপল ট্যাক্স ট্র্যাপের কথা বলেন অভিষেক। তিনি বলেন, “নাগরিকরা মনে করেন তাঁরা একবার কর দিচ্ছেন, কিন্তু আসলে তিনবার দিচ্ছেন। প্রথমত বেতন থেকে কর দিতে হয়, দ্বিতীয় হল জিএসটি। বিস্কুট থেকে স্কুলের খাতা, হাসপাতালের খরচ থেকে বাথরুমের সাবান, সর্বত্র পরোক্ষ কর দিতে হয়। তৃতীয়টি হল, মূল্যবৃদ্ধি। কোনও অনুমতি ছাড়াই সেটা বাড়ে। সেটা নিঃশব্দ ট্যাক্স।”

মধ্যবিত্তের ক্ষেত্রে বেতন একমাসও চলে না বলে মন্তব্য করেন অভিষেক। একটা গাড়ি কেনার জন্য তিনবার কর দিতে হয় বলেও দাবি করেন তিনি। উল্লেখ করেন, ইনকাম ট্যাক্স, রোড ট্যাক্স, টোল ট্যাক্সের কথা।

এছাড়া এসআইআর থেকে শুরু করে বাংলা ভাষা- সব ইস্যুতেই কেন্দ্রের সমালোচনা করেন সাংসদ। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “জয় বাংলা বললে আর সোনার বাংলা গাইলে অনুপ্রবেশকারী বলে দেওয়া হয়। সেনাকর্মী থেকে নোবেলজয়ী বা হাইকোর্টের বিচারপতিকেও বলা হচ্ছে প্রমাণ দিতে হবে। বাংলায় ১৫০ মানুষের প্রাণ গিয়েছে। ১ কোটি সন্দেহের তালিকায়।”

সব শেষে অভিষেক বলেন, “ফান্ড বন্ধ করতে চান করুন, বাংলার শিরদাঁড়া কখনও ঝুঁকবে না। সব নিয়ে নিন, কিন্তু স্মৃতি কখনও মোছে না। মানুষ যখন জাগবে, আমরাই শেষ কথা বলব।”

 
 তৃণমূল পরিচালিত জামালপুর ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সাহাবুদ্দিন মণ্ডল দাবি করেন, "তিনি খোঁজ নিয়ে জেনেছেন কোনও সমস্যার কারণে বৃদ্ধ শেখ ইব্রাহিম তাঁর নিজের নামে ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেননি। আর যেহেতু ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর দিতে পারেননি, তাই বার্ধক্য ভাতার জন্য উনি আবেদন করলেও আবেদনের বিষয়টি নির্দিষ্ট সরকারি পোর্টালে আপলোড করা যায়নি। সেই কারণেই উনি বার্ধক্য ভাতা পাচ্ছেন না।”

জামালপুরে ১০৪ বছরের ইব্রাহিম পান না বার্ধক্য ভাতা, কারণ জানলে অবাক হবেন

পরাধীন ভারতে জন্ম। ১০৩ পেরিয়ে ১০৪ বছরে পা দিয়েছেন। তবুও বার্ধক্য ভাতা থেকে বঞ্চিত পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের বত্রিশবিঘা গ্রামের শেখ ইব্রাহিম। হাতের আঙুলের ছাপ না ওঠার জন্যই তিনি নাকি বার্ধক্য ভাতা পাচ্ছেন না। ভোটের মুখে এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পড়েছে জেলায়। তৃণমূলকে কটাক্ষ করেছে বিজেপি।

জামালপুর ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার অখ্যাত গ্রাম বত্রিশবিঘা। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এই গ্রামের আদি বাসিন্দা হলেন শেখ ইব্রাহিম। তাঁর বক্তব্য, ১৩২৯ বঙ্গাব্দের মাঘ মাসে তাঁর জন্ম। সেই অনুযায়ী বর্তমানে তাঁর বয়স ১০৪ বছর। শেখ ইব্রাহিম জানান, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর রাজ্যের মানুষ নানা প্রকল্পের সুবিধা পেতে শুরু করেন। তা দেখে তিনি বার্ধক্য ভাতা পাওয়ার জন্য আবেদন করেন। কিন্তু বার্ধক্য ভাতা তিনি পাননি। হয়তো কিছু ভুল ভ্রান্তি হয়েছে, এমনটা ধরে নিয়ে ফের আর একবার তিনি নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে আবেদন ফর্ম পূর্রণ করে প্রশাসনের দফতরে জমা করেছিলেন। তারপরও বার্ধক্য ভাতা আজ পর্যন্ত পাননি। শেখ ইব্রাহিম তাঁর বাম হাতের বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বলেন, “আমার হাতের আঙুলের ছাপ নাকি উঠছে না। এই কথাই আমায় বলা হয়েছে।”



সানিয়া মির্জার স্কিন কেয়ার, ফিটনেস রুটিন জানেন?
জ্যোতিষীর নির্দেশে টানা একবছর ব্রা-প্যান্টি পরবেন না রাখি সাওয়ান্ত!
শেখ ইব্রাহিমের বার্ধক্য ভাতা না পাওয়া নিয়ে জামালপুরের বিডিও পার্থসারথি দে বলেন, “এমনটা তো হওয়ার কথা নয়। কেননা, বার্ধক্য ভাতা পেতে চেয়ে আবেদন করা কোনও ব্যক্তির আঙুলের ছাপ তো আমাদের লাগে না। আমাদের লাগে, নির্ভুল আবেদনপত্র, আবেদনকারীর বয়সের প্রমাণপত্র, আধার কার্ড, ভোটার কার্ড আর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত তথ্য।” বিডিও বলেন, “আমার মনে হচ্ছে শেখ ইব্রাহিমের বার্ধক্য ভাতা হয়তো অনুমোদন হয়ে গিয়েছে। কিন্তু ব্যাঙ্কিং কোনও সমস্যার কারণে উনি বার্ধক্য ভাতার টাকা হাতে পাচ্ছেন না।”


আমনের বাড়ি মধ্য হাওড়ায়। মৃত যুবক সুরেন্দ্রনাথ কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। পাশাপাশি একটি বেসরকারি সংস্থায় কাজ করতেন তিনি। ব্যক্তিগত কিছু কাজে গোলাবাড়ি এলাকায় গিয়েছিলেন তিনি। পুলিশ জানিয়েছে, দেহে কোনও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। পরনের জামা কাপড় সম্পূর্ণ অক্ষত অবস্থায় ছিল।


গোলাবাড়ি এলাকায় নর্দমা থেকে যুবকের দেহ উদ্ধার। সোমবার রাতে গোলাবাড়ি থানার ট্যাণ্ডেলবাগান এলাকার একটি নর্দমা থেকে এক যুবকের দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায়। রাত আটটা নাগাদ নর্দমার মধ্যে ওই যুবকের দেহটিকে পড়ে থাকতে দেখেন বাসিন্দারা। এরপর থানায় খবর দেওয়া হলে পুলিশ গিয়ে দেহ উদ্ধার করে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত যুবকের নাম আমন গুপ্তা (২২)।


জানা গিয়েছে, আমনের বাড়ি মধ্য হাওড়ায়। মৃত যুবক সুরেন্দ্রনাথ কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। পাশাপাশি একটি বেসরকারি সংস্থায় কাজ করতেন তিনি। ব্যক্তিগত কিছু কাজে গোলাবাড়ি এলাকায় গিয়েছিলেন তিনি। পুলিশ জানিয়েছে, দেহে কোনও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। পরনের জামা কাপড় সম্পূর্ণ অক্ষত অবস্থায় ছিল।



হাওড়া সিটি পুলিশের এক কর্তা বলেন, দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। মৃত যুবকের দাদা দিলীপ কুমার গুপ্তা বলেন, “ভাইয়ের সঙ্গে কারোর কোনও ঝামেলা ছিল না। কিন্তু মনে হচ্ছে ওকে খুন করা হয়েছে। পুলিশ সঠিক তদন্ত করুক।” যদিও এই ঘটনায় মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত গোলাবাড়ি থানায় কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি। তবে দেহটি উদ্ধার করে তদন্তের জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ।

টলিপাড়ায় দু' দিন আগেই ওয়েস্ট বেঙ্গল মোশন পিকচার্স আর্টিস্টস' ফোরামের সাধারণ সভা ও নির্বাচন হয়ে গেল। এই নির্বাচনের একটা তাৎপর্য রয়েছে। এই ফোরামের কার্যকরী সভাপতির পদে ফিরছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। এই ফোরামের সবথেকে পুরোনো সদস্য অভিনেত্রী অনামিকা সাহা। তিনি খুব আশাবাদী এই বছরের আর্টিস্ট ফোরামের নির্বাচন নিয়ে।



টলিপাড়ায় দু’ দিন আগেই ওয়েস্ট বেঙ্গল মোশন পিকচার্স আর্টিস্টস’ ফোরামের সাধারণ সভা ও নির্বাচন হয়ে গেল। এই নির্বাচনের একটা তাৎপর্য রয়েছে। এই ফোরামের কার্যকরী সভাপতির পদে ফিরছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। এই ফোরামের সবথেকে পুরোনো সদস্য অভিনেত্রী অনামিকা সাহা। তিনি খুব আশাবাদী এই বছরের আর্টিস্ট ফোরামের নির্বাচন নিয়ে। সঙ্গে কথা বলতে গিয়েও তিনি বললেন, “প্রায় ছাব্বিশ বছর হয়ে গেল আর্টিস্টস’ ফোরামের। প্রথম প্রসেনজিৎ আমায় বলল, শুটিংয়ের পর থাকতে হবে একটা কাজ আছে। তারপর দেখলাম রঞ্জিত মল্লিকবাবুর বাড়ির ছাদে আমাকে নিয়ে গেল। সেখানে আমি, রঞ্জিতবাবু, বিপ্লব চট্টোপাধ্যায়, দুলাল লাহিড়ি, রুপা গঙ্গোপাধ্যায় সহ দশজন মিলে একটি সংস্থা তৈরি হলো, আর্টিস্টস’ ফোরাম। আমার সদস্য সংখ্যা ৯। আমাদের নানা সমস্যা নিয়ে কথা বলার একটা জায়গা হলো।”


এই মুহূর্তে ফেডারেশনের সঙ্গে দুই অভিনেতা ঋদ্ধি সেন ও অনির্বাণ ভট্টাচার্যর মনোমালিন্য থেকে দু’ জনের উপর অঘোষিত ব্যান রয়েছে। এই বিষয়ে কি এবার কোনও পদক্ষেপ করা হবে? এই প্রশ্নের উত্তরে অনামিকা বললেন, “আমাদের সময় এত কেউ আসত না সিনেমাতে। পরে দেখা গেল নতুন প্রজন্ম অভিনয়ে আসতে চাইছে। তখন এতসব ঝামেলা ছিল না। ফেডারেশনের সঙ্গেও কোনও সমস্যা হয়নি। তবে এত সমস্যার কারণেই আবার সহ সভাপতি পদে প্রসেনজিৎকে আনা হয়েছে, চিরঞ্জিত চক্রবর্তী, রুপা গঙ্গোপাধ্যায় সকলে এসেছেন। আশা করছি এবার আমাদের সমস্যাগুলো নিয়ে আবার আলোচনা শুরু হবে। আর্টিস্টস’ ফোরাম ঘুরে দাঁড়াবে।”
প্রসঙ্গত, বহু হিট ছবিতে অভিনয় করে বাঙালি দর্শকদের কাছে নিজের পরিচয় তৈরি করেছেন অনামিকা সাহা। সম্প্রতি ‘ভানুপ্রিয়া ভূতের হোটেল ‘-এ অভিনয় করে প্রশংসিত হয়েছেন। আগামীতে ‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’ ছবিতেও তাঁর চরিত্রে চমক থাকবে।


এখন দেখার বিষয় আর্টিস্টস’ ফোরামের নতুন নির্বাচিত সদস্যরা মিলে ঋদ্ধি সেন, অনির্বাণ ভট্টাচার্যদের ব্যান থেকে শুরু করে অভিনেতাদের নানা সমস্যার সমাধান কতটা তাড়াতাড়ি করতে পারেv।

 ক্রিকেটারেরা এবার থেকে বছরে পাবেন ৫ কোটি, ৩ কোটি এবং ১ কোটি টাকা করে। গ্রেড এ প্লাস বিভাগ তুলেই দিল বিসিসিআই। এ গ্রেডে রাখা হল তিনজনকে--- যশপ্রীত বুমরা, শুভমন গিল ও রবীন্দ্র জাডেজাকে। শুধুমাত্র ওয়ান ডে খেলার জন্য রো-কোকে গ্রেড এ-তে রাখেনি বোর্ড।
চুক্তিতে নামলেন বিরাট-রোহিত, বাদ সামি!


আশঙ্কা ছিলই। এ বার সত্যি ভারতীয় বোর্ডের বার্ষিক চুক্তিতে দু’ধাপ নামলেন বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মা। এর আগের চুক্তিতে তাঁরা ছিলেন এ প্লাস গ্রেডে। নতুন চুক্তিতে তাঁরা রয়েছেন গ্রেড বি-তে। ৩০ জন পুরুষ ক্রিকেটারের তালিকা থেকে বাদ পড়ে গেল মহম্মদ সামির নাম। রাখা হয়েছে স্রেফ তিনটি গ্রেড – এ, বি ও সি। গ্রেড এ প্লাস বিভাগ তুলেই দিল বিসিসিআই। এ গ্রেডে রাখা হল তিনজনকে— যশপ্রীত বুমরা, শুভমন গিল ও রবীন্দ্র জাডেজাকে। শুধুমাত্র ওয়ান ডে খেলার জন্য রো-কোকে গ্রেড এ-তে রাখেনি বোর্ড। রোহিত, কোহলি-সহ ১১ জন ক্রিকেটার রয়েছেন গ্রেড বি-তে। গ্রেড সি-তে রয়েছেন ১৫ জন ক্রিকেটার।

এ প্লাস বিভাগে থাকা ক্রিকেটারেরা এতদিন বছরে পেতেন ৭ কোটি টাকা। এ, বি, সি – তিন গ্রেডের ক্রিকেটারেরা এবার থেকে বছরে পাবেন ৫ কোটি, ৩ কোটি এবং ১ কোটি টাকা করে। বি গ্রেডে রয়েছেন সূর্যকুমার যাদব, বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা, কে এল রাহুল, মহম্মদ সিরাজ, ঋষভ পন্থের মতো তারকারা। সি গ্রেডে রয়েছেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়, হর্ষিত রানা, অভিষেক শর্মা, সাই সুদর্শন, আকাশ দীপ প্রমুখ। মেয়েদের এ বিভাগে রয়েছেন স্মৃতি মন্ধানা, জেমাইমা রড্রিগেজ, হরমনপ্রীত কৌর, দীপ্তি শর্মা। বাংলার মেয়ে রিচা ঘোষ রয়েছেন বি ক্যাটেগরিতে।



সম্প্রতি টি-টোয়েন্টি দলে ফিরেছেন ঈশান কিষান। তিনিও বোর্ডের বার্ষিক চুক্তিতে জায়গা পাননি। মহম্মদ সামিকে কোনও ক্যাটাগরিতেই রাখা হয়নি। গতবছর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর আর সেই অর্থে জাতীয় দলের হয়ে সুযোগ পাননি সামি। সম্প্রতি বাংলার হয়ে রঞ্জি খেলছেন তিনি। এই ম্যাচ দেখতে এসেছিলেন নির্বাচক আরপি সিংহ। ম্যাচের পর সামির সঙ্গে বহুক্ষণ কথা হয়েছে তাঁর। এই চুক্তির নবীকরণের পর জাতীয় দলে তাঁর ফেরা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গেল।

জয়নগর: দিনের শুরুতেই মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন এক ব্যক্তি, আহত হলেন আরও চারজন। মঙ্গলবার সকালে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগর থানার অন্তর্গত দক্ষিণ বারাসাত এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটতেই এলাকাজুড়ে নেমে আসে শোকের ছায়া ও আতঙ্ক।


স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি অটো ও একটি মোটর ভ্যান একই রাস্তায় বেপরোয়া গতিতে রেষারেষি করে এগোচ্ছিল। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, যাত্রীবোঝাই অটোটি হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুলতে শুরু করে। সেই সময় অটো থেকে ছিটকে রাস্তায় পড়ে যান এক যাত্রী। দুর্ভাগ্যজনকভাবে ঠিক তখনই উল্টো দিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা একটি লরি ওই ব্যক্তিকে চাপা দেয়। ঘটনাস্থলেই তিনি গুরুতর জখম হন। দুর্ঘটনার জেরে অটো ও মোটর ভ্যানের আরও কয়েকজন যাত্রী আহত হন।
রক্তাক্ত অবস্থায় আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় বাসিন্দারা নিমপীঠ গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকরা রবীন গায়েন (৬০) নামে এক ব্যক্তিকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। জানা গিয়েছে, তিনি পেশায় অটো শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে পরিবার ও সহকর্মীদের মধ্যে নেমে এসেছে গভীর শোক।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্ষোভও ছড়িয়েছে এলাকায়। স্থানীয় বাসিন্দা বাবু দাস জানান, “এই রাস্তায় প্রায়ই অটো ও মোটর ভ্যান বেপরোয়া গতিতে চলে। প্রতিদিনই দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। আজ তারই মর্মান্তিক পরিণতি দেখলাম।” তাঁর অভিযোগ, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও পুলিশি নজরদারি বাড়ানো না হলে ভবিষ্যতে আরও বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
খবর পেয়ে জয়নগর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। দুর্ঘটনাগ্রস্ত যানবাহনগুলি সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং বেপরোয়া গতির বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।
এলাকাবাসীদের দাবি, নিয়মিত ট্রাফিক নজরদারি, স্পিড কন্ট্রোল ও কঠোর ব্যবস্থা না নিলে এ ধরনের দুর্ঘটনা রোখা সম্ভব নয়। মঙ্গলবার সকালের এই দুর্ঘটনা ফের একবার প্রশ্ন তুলে দিল রাস্তায় নিরাপত্তা ও দায়িত্বজ্ঞানহীন গাড়ি চালানোর বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ভূমিকা নিয়ে।

মধ্যশিক্ষা পর্ষদের বরখাস্তের নির্দেশ তদন্ত না হওয়া পর্যন্ত সাসপেন্ড থাকবেন ওই শিক্ষক বলেই উল্লেখ। তবে এই ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক এবং সংশ্লিষ্ট মথুরাপুর বিএসএস উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অতীন্দ্রনাথ দাস গোটা ঘটনা নিয়ে কিছু বলতে না চাইলেও তদন্ত হোক বলে জানিয়েছেন। এদিকে অভিযুক্ত শিক্ষক সানোয়ার আলি পারভেজ মানিকচক ব্লক তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব রয়েছে। আর এতেই তীব্র ভাবে আক্রমণ সুর চরাচ্ছে বিজেপি।

এটার উত্তর, এটা হবে...', প্রশ্ন ধরে ধরে উত্তর বলে দিচ্ছিলেন! মাধ্যমিকে তৃণমূলের দাপুটে নেতার কাণ্ডে পর্ষদ যা বলল...
মালদহের স্কুলে নকলে সাহায্যের অভিযোগ TMC নেতা-শিক্ষকের বিরুদ্ধে

তৃণমূল নেতা। দলের সাধারণ সম্পাদক। তিনিই আবার শিক্ষক। আর সেই শিক্ষককে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের টুকলিতে সাহায্য করা, উত্তর বলে দেওয়ার অভিযোগে সাসপেন্ড করল মধ্য শিক্ষা পর্ষদ। মালদহের মানিকচক ব্লকের মথুরাপুর বিএসএস উচ্চ বিদ্যালয়ের মাধ্যমিক পরীক্ষা কেন্দ্রের ঘটনা।অভিযুক্ত শিক্ষক সানোয়ার আলি পারভেজ। তিনি মথুরাপুর বিএসএস উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক।

গত ৬ ফেব্রুয়ারি পরীক্ষা চলাকালীন এই শিক্ষক একটি কাগজে উত্তর লিখে পরীক্ষার্থীদের নকল করতে সহযোগিতা করেন বলেই অভিযোগ। ঘটনাক্রম যদি বলা হয়, তা যথেষ্টই নাটকীয়। ওই শিক্ষকের যেখানে গার্ড দেওয়ার কথা ছিল, তিনি সেখানে গার্ড না দিয়ে, চলে যান পাশের রুমে। অভিযোগ, সেখানে গিয়ে তিনি টেবিলের ওপর থেকে একটি লুজ় শিট হাতে তুলে নেন। তারপর প্রশ্ন দেখে সেখানে উত্তরগুলোও লিখে ফেলেন। তাঁর বিষয়েরই পরীক্ষা ছিল। ফলে দ্রুত উত্তর লিখে ফেলেন। এরপর, সেই শিট দেখে পাখি পড়ানোর মতো পরীক্ষার্থীদের পড়াতে শুরু করেন। অভিযোগ, তিনি প্রশ্ন ধরে ধরে উত্তর বলে দিতে থাকেন। এই ভাবেই চলছিল গোটা পরীক্ষা। গোটা বিষয়টির ছবি-ভিডিয়ো করেন স্কুলেরই কেউ একজন। সেটি পর্ষদের কাছে পৌঁছয়। পর্ষদের কাছে পৌঁছতেই কড়া পদক্ষেপ। ওই শিক্ষককে সাসপেন্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি ওই একই রকম অভিযোগ উঠেছে আরও ৮ শিক্ষকের বিরুদ্ধে। তাঁদেরকেও সাসপেন্ড করা হয়েছে।

শহরে গা-ঝাড়া দিয়ে ঘুরে দাঁড়াবে তৃণমূল? ভোটের আগে কী বলছে অঙ্ক?


গড়িয়াহাটের দিকে যাচ্ছিল অটো, থামিয়ে সার্চ করতেই চোখ কপালে পুলিশের
মধ্যশিক্ষা পর্ষদের বরখাস্তের নির্দেশ তদন্ত না হওয়া পর্যন্ত সাসপেন্ড থাকবেন ওই শিক্ষক বলেই উল্লেখ। তবে এই ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক এবং সংশ্লিষ্ট মথুরাপুর বিএসএস উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অতীন্দ্রনাথ দাস গোটা ঘটনা নিয়ে কিছু বলতে না চাইলেও তদন্ত হোক বলে জানিয়েছেন। এদিকে অভিযুক্ত শিক্ষক সানোয়ার আলি পারভেজ মানিকচক ব্লক তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব রয়েছে। আর এতেই তীব্র ভাবে আক্রমণ সুর চরাচ্ছে বিজেপি

চিকিৎসকদের মতে, ক্যানসার মানেই জীবনের শেষ নয়। বরং প্রাথমিক স্তরে রোগ ধরা পড়লে আধুনিক চিকিৎসার মাধ্যমে সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়া সম্ভব। এই বিষয়ে আলোকপাত করে ডিসান হাসপাতালের সিনিয়র মেডিক্যাল ডিরেক্টর ডাঃ সুজয়রঞ্জন দেব বলেন, "সচেতনতা এবং সঠিক সময়ে স্ক্রিনিং প্রাণ বাঁচাতে পারে। ক্যানসার নিয়ে সামাজিক জড়তা কাটিয়ে সময়মতো পরীক্ষা করানো জরুরি।"

মারণ রোগের করাল থাবাকে উপেক্ষা করে ফিনিক্স পাখির মতো ঘুরে দাঁড়িয়েছেন তাঁরা। তাঁদের চোখেমুখে এখন নতুন করে বাঁচার অঙ্গীকার। সোমবার ‘বিশ্ব ক্যানসার দিবস’ উপলক্ষে সেই লড়াকু যোদ্ধাদেরই কুর্নিশ জানাল কলকাতার ডিসান হাসপাতাল। ক্যানসার জয়ীদের অদম্য সাহসের কাহিনি আর সচেতনতার বার্তার মধ্য দিয়ে দিনটি পালন করল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

এ দিনের অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল ক্যানসার জয়ীদের সংবর্ধনা। নিজেদের লড়াই ও ফিরে আসার অভিজ্ঞতার কথা শোনান তাঁরা। সেই সঙ্গে ছিল ক্যানসার সচেতনতায় এক অভিনব উদ্যোগ। ৫০ বছর বা তার বেশি বয়সি পুরুষদের জন্য বিনামূল্যে প্রস্টেট ক্যানসার স্ক্রিনিং-এর ব্যবস্থা করা হয়। ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একজোট হওয়ার শপথ নিয়ে আকাশে ওড়ানো হয় রঙিন বেলুন।


Desun Hospital On World Cancer Day (2)

চিকিৎসকদের মতে, ক্যানসার মানেই জীবনের শেষ নয়। বরং প্রাথমিক স্তরে রোগ ধরা পড়লে আধুনিক চিকিৎসার মাধ্যমে সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়া সম্ভব। এই বিষয়ে আলোকপাত করে ডিসান হাসপাতালের সিনিয়র মেডিক্যাল ডিরেক্টর ডাঃ সুজয়রঞ্জন দেব বলেন, “সচেতনতা এবং সঠিক সময়ে স্ক্রিনিং প্রাণ বাঁচাতে পারে। ক্যানসার নিয়ে সামাজিক জড়তা কাটিয়ে সময়মতো পরীক্ষা করানো জরুরি।” অনুষ্ঠানে হাসপাতালের একঝাঁক বিশিষ্ট ক্যানসার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক উপস্থিত ছিলেন।

Desun Hospital On World Cancer Day

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, সচেতনতাই এই রোগের বিরুদ্ধে সেরা হাতিয়ার। জেসিআই (JCI) এবং এনএবিএইচ (NABH) স্বীকৃত এই হাসপাতালে উন্নত প্রযুক্তির সাহায্যে ক্যানসার চিকিৎসার সব রকম সুযোগ রয়েছে। কলকাতার পাশাপাশি শিলিগুড়িতেও তাঁদের শাখা হাসপাতাল উত্তরবঙ্গের রোগীদের ভরসা জোগাচ্ছে।

এ দিনের অনুষ্ঠানে চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী এবং ক্যানসার জয়ীদের সম্মিলিত উপস্থিতি এক ইতিবাচক বার্তা দেয়। ক্যানসারকে ভয় নয়, বরং সাহস ও সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমেই যে জয় করা সম্ভব— অনুষ্ঠান শেষে সেই সুরই প্রতিধ্বনিত হল সকলের কণ্ঠে।


গত ৮ জানুয়ারির ঘটনায় এই মামলা হয় শীর্ষ আদালতে। প্রতীক জৈনের বাড়ি ও তাঁর অফিস অর্থাৎ তৃণমূলের ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাকের অফিসে তল্লাশি চালাচ্ছিল ইডি, সেই সময় ভিতরে ঢুকে ফাইল নিয়ে বেরিয়ে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধেই ছিনতাইয়ের অভিযোগ তোলে ইডি।



এখনও অসুস্থ কপিল সিব্বল, হল না IPAC মামলার শুনানি

মঙ্গলবার সকাল থেকে নজর ছিল সুপ্রিম কোর্ট। আইপ্যাক অফিসে তল্লাশি সংক্রান্ত মামলায় কী নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট, কী দাবি জানায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট, তা নিয়ে চর্চা চলছিল। তবে শেষ পর্যন্ত স্থগিত হয়ে গেল শুনানি। মঙ্গলবার শীর্ষ আদালতে শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও আইনজীবী কপিল সিব্বল অসুস্থ থাকায় শুনানি স্থগিত করার আবেদন জানান তাঁর জুনিয়র।

মঙ্গলবার বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র ও বিচারপতি বিপুল এম পাঞ্চোলির বেঞ্চে শুনানির কথা ছিল। সেই বেঞ্চেই সিব্বলের অসুস্থতার কথা জানান আইনজীবী। যেহেতু স্বাস্থ্য সংক্রান্ত কারণে এই আর্জি জানানো হয়, তাই কোনও আপত্তি জানাননি সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। তিনি বলেন, আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি শুনানি করা যেতে পারে। ওইদিনই শুনানির দিন ধার্য করেছে ডিভিশন বেঞ্চ।


গত ৮ জানুয়ারির ঘটনায় এই মামলা হয় শীর্ষ আদালতে। প্রতীক জৈনের বাড়ি ও তাঁর অফিস অর্থাৎ তৃণমূলের ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাকের অফিসে তল্লাশি চালাচ্ছিল ইডি, সেই সময় ভিতরে ঢুকে ফাইল নিয়ে বেরিয়ে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধেই ছিনতাইয়ের অভিযোগ তোলে ইডি। গত সপ্তাহেও শুনানি হয়নি। সেই সময় অসুস্থ ছিলেন কপিল সিব্বল। এখনও সুস্থ হননি তিনি।

এভাবে বারবার মামলা স্থগিত হয়ে যাওয়ার বিষয়টি ভাল চোখে দেখছে না বিজেপি। বিজেপি মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, “অসুস্থতার ক্ষেত্রে বিরোধিতা করার কিছু নেই। তবে এই সময় শুনানি হলে হয়ত রাজ্য সরকারই অসুস্থ হয়ে পড়ত।” এদিকে, তৃণমূলের দাবি অযথা এমন বক্তব্য রাখছে বিজেপি। তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার জানিয়েছেন, অন্য কোনও কোর্টেও এদিন মামলা লড়ছেন না কপিল সিব্বল।

তৃণমূলেরও স্পিকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ নেহাৎ কম নয়। যদিও তাঁরা বলছে আগে ২০০ চিঠিকেই অনস্থা আনার ক্ষেত্রে স্পিকারের বিরুদ্ধে শেষ হাতিয়ারের আগের পদক্ষেপ হিসাবে ব্যবহার করা হোক। স্পিকারকে দেওয়া হোক তিনদিনের ডেডলাইন। স্পিকার যদি চিঠিতে তোলা দাবিগুলি মেনে নেন তাহলে ভাল। অন্যথায় কী বলছেন অভিষেক?


স্পিকারে আর কোনও আস্থা নেই কংগ্রেসের, কিন্তু ‘অনস্থায়’ ধীরে চলো নীতি অভিষেকের, দিলেন ব্যাখ্যা

গত কয়েকদিন ধরেই স্পিকারের অবস্থান ঘিরে সরগরম দিল্লির রাজনৈতিক মহল। এরইমধ্যে ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনস্থা আনার তোড়জোড়ের মধ্যেই ইন্ডিয়া ব্লকে ফাটল ক্রমেই চওড়া হচ্ছে। কংগ্রেসের সঙ্গে তৃণমূলের দ্বিমত নিয়েও চর্চা তুঙ্গে। তৃণমূল চাইছিল অন্তত ২০০ সাংসদের সাক্ষর করা চিঠি দেওয়া হোক স্পিকারকে। কিন্তু তৃণমূলের এই অবস্থানে খুব একটা সায় নেই কংগ্রেসের। তৃণমূল ছাড়াই স্পিকারের বিরুদ্ধে অনস্থা আনার পথে ঝুঁকছে হাত শিবির। কংগ্রের পাশে রয়েছে ডিএমকে, সমাজবাদী পার্টির মতো দলগুলি। 

এদিকে তৃণমূলেরও স্পিকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ নেহাৎ কম নয়। যদিও তাঁরা বলছে আগে ২০০ চিঠিকেই অনস্থা আনার ক্ষেত্রে স্পিকারের বিরুদ্ধে শেষ হাতিয়ারের আগের পদক্ষেপ হিসাবে ব্যবহার করা হোক। স্পিকারকে দেওয়া হোক তিনদিনের ডেডলাইন। স্পিকার যদি চিঠিতে তোলা দাবিগুলি মেনে নেন তাহলে ভাল। অন্যথায়, তিনি যদি কোনও পদক্ষেপ না করেন তাহলে শেষ হাতিয়ার হিসাবে অনাস্থা আনা হোক। সোজা কথায়, অনস্থার আগেই শেষ আল্টিমেটাম দিতে চাইছে ঘাসফুল শিবির। যা দেখে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের বড় অংশের মত, অনস্থা ইস্য়ুকে অভিষেকরা খানিক ধীরেই চলতে চাইছেন। কিন্তু রাহুল গান্ধী যেখানে সংসদে বাধার মুখে পড়েছেন সেখানে আর ধীরে চলোর নীতি না পসন্দ হাত শিবিরের। যদিও বাস্তবে বিরোধী শিবিরের যা শক্তি রয়েছে সংসদে তাতে এই অনস্থা প্রস্তাব কতটা পাশ হয় তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। 



বেকারদের ৯০ হাজার টাকা দিচ্ছে মমতার সরকার
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় পরিষ্কার বলছেন, “আমাদের পার্টির যে অবস্থার তাতে অনস্থায় সই করতে আমাদের কোনও সমস্যাই নেই। সব তৃণমূল সাংসদরাই সই করবে। কিন্তু কংগ্রেসের তরফে যে চার দাবি স্পিকারের কাছে রাখার কথা বলা হচ্ছে সেটাই আমরা চিঠির আকারে স্পিকারে পাঠাতে বলছিলাম। সেটায় সমস্ত বিরোধী সাংসদরা সই করবেন। তারপর ২ থেকে ৪ দিন সময় দিন। তারপরেও স্পিকার কোনও অ্যাকশন না নিলে অনস্থার অপশন তো থাকছেই। ওই রাস্তা খোলাই আছে।”  

মঙ্গলবার বেলা দেড়টার কিছু আগে লোকসভার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব জমা দিয়েছে কংগ্রেস। এদিন লোকসভার সেক্রেটারি জেনারেলের কাছে জমা পড়েছে এই অনাস্থা প্রস্তাব। তাতে স্বাক্ষর করেছেন ১১৮ জন সাংসদ। কিন্তু নেই কোনও তৃণমূল সাংসদের নাম। কেন এমনটা হল? নেপথ্য়ে কি অন্য সমীকরণ?


স্পিকারে বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব ইন্ডি জোটের! 'একলা চলো' নীতি নিল তৃণমূল?
লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা

দূরত্ব বজায় নাকি কংগ্রেসের সিদ্ধান্তে ভর করে তৃণমূলের একলা চলো নীতি? আপাতত লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব ঘিরে তৈরি হচ্ছে এই প্রশ্ন। শাসকদলের প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণ করছেন স্পিকার ওম বিড়লা — এই অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার সিদ্ধান্ত নিল কংগ্রেস। রাহুল গান্ধীদের ওই প্রস্তাবে সমাজবাদী পার্টি, ডিএমকের মতো ইন্ডিয়া জোটের দলগুলি সমর্থন জানালেও, তৃণমূল কংগ্রেসের সিদ্ধান্ত নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।

মঙ্গলবার বেলা দেড়টার কিছু আগে লোকসভার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব জমা দিয়েছে কংগ্রেস। এদিন লোকসভার সেক্রেটারি জেনারেলের কাছে জমা পড়েছে এই অনাস্থা প্রস্তাব। তাতে স্বাক্ষর করেছেন ১১৮ জন সাংসদ। কিন্তু নেই কোনও তৃণমূল সাংসদের নাম। কেন এমনটা হল? নেপথ্য়ে কি অন্য সমীকরণ?

সাদা চিনি-ভাত, আর কী খেতে নিষেধ করছেন রামদেব
সূত্রের খবর, তৃণমূলের প্রস্তাব ছিল নিদেনপক্ষে দু’শো জন সাংসদের স্বাক্ষর করা চিঠি স্পিকারকে দেওয়া হোক। কীভাবে অধিবেশন চলা উচিত, স্পিকারের আচরণ কী হওয়া উচিত সে বিষয়ে চিঠিতে উল্লেখ করা হোক। কিন্তু তা আর হয়ে উঠেনি। কংগ্রেস তৃণমূলের প্রস্তাবকে গুরুত্ব না দিয়ে নিজেরাই এক তরফা অনাস্থা প্রস্তাব জমা দিয়ে ফেলেছে।

তা হলে কি জোটে ভাঙন নাকি ধীরে চলো নীতিকে আধার করে কৌশলী হল তৃণমূল? যাতে বাড়তি ডিভিডেন্ড দিল কংগ্রেসের অতিসক্রিয়তা! এই নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন অনাস্থা প্রস্তাবে কোনও আপত্তি নেই। ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের কথায়, “আমাদের তরফে তো কোনও আপত্তি ছিল না। কিন্তু আমরা ওদের একটা প্রস্তাব দিয়েছিলাম। জানিয়েছিলাম, প্রথমে একটা চিঠি পাঠাতে। তারপর কয়েকদিন সময় দিন। স্পিকার যদি সেই চিঠির ভিত্তিতে কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ না করেন, তা হলে তখন অনাস্থা প্রস্তাব জমা দিন।”