WEATHER

Top News



বিবাহবিচ্ছেদ কিংবা ব্রেকআপ--এমন ঘটনা ঘটলে অনেক তারকা জুটিই আর একসঙ্গে কাজ করতে চান না। তবে মিথিলা-তাহসানের বিষয়টা একটু অন্যরকম। পেশাগত এবং ব্যক্তিগত জীবনকে তাঁরা আলাদা রাখতে জানেন। ফলে একসঙ্গে কাজ করার ক্ষেত্রেও তাঁদের কোনও ছুৎমার্গ নেই।

সৃজিতের স্ত্রী মিথিলা কি ফিরে গেলেন তাঁর প্রথম স্বামীর কাছে? কী ঘটেছে জানেন...
সৃজিত-মিথিলা-তাহসান


কাছে ফিরে গেলেন রাফিয়াত রশিদ মিথিলা? এই কথা কি সত্যি? বাঙালি পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে বিয়ে করেছিলেন বাংলাদেশের প্রতিভাময়ী অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। মিথিলার প্রথম স্বামী বাংলাদেশেরই গায়ক-অভিনেতা তাহসান খান এবং তাঁর এক কন্যাসন্তানও রয়েছে। সেই কন্যাসন্তানকে নিজের মেয়ের মতো আগলে রেখেছেন সৃজিত। এখন শোনা যাচ্ছে, মিথিলা নাকি ফিরে গিয়েছেন তাঁর প্রথম স্বামীর কাছে। বাস্তবে না হলেও, সিনেমার পর্দায় ফের একসঙ্গে দেখা যাবে মিথিলা-তাহসানকে।


বিবাহবিচ্ছেদ কিংবা ব্রেকআপ–এমন ঘটনা ঘটলে অনেক তারকা জুটিই আর একসঙ্গে কাজ করতে চান না। তবে মিথিলা-তাহসানের বিষয়টা একটু অন্যরকম। পেশাগত এবং ব্যক্তিগত জীবনকে তাঁরা আলাদা রাখতে জানেন। ফলে একসঙ্গে কাজ করার ক্ষেত্রেও তাঁদের কোনও ছুৎমার্গ নেই। বাংলাদেশের একটি ওয়েব সিরিজ়ে একসঙ্গে কাজ করতে চলেছেন মিথিলা-তাহসান। সেই ওয়েব সিরিজ়ের নাম ‘বাজি’। আরিফুর রহমানের পরিচালনায় তৈরি হচ্ছে সেই ওয়েব সিরিজ়। এপার বাংলায় মিথিলার ওয়েব সিরিজ়ে হাতেখড়ি হলেও, তাঁর কেরিয়ারের এটা প্রথম ওয়েব সিরিজ়।


২২ বছরের দাম্পত্যে ইতি টেনে, প্রথম স্ত্রীকে ডিভোর্স দিয়ে, আরও একটা বিয়ে করেছেন বলিউডের ভিলেন অভিনেতা আশীষ বিদ্যার্থী। সেই বিয়েটা করতেই নানা ধরনের খারাপ কথা শুনতে হয় আশীষকে। খুবই বিশ্রী লেগেছে অভিনেতার। কিন্তু ৫৭ বছর বয়সে এসে আরও একটা বিয়ে কেন করলেন আশীষ?

আশীষের ৫৭ বছর বয়সে দ্বিতীয় বিবাহ, শোনেন, 'ছেলের বিয়ের সময় বাপ করছে!'
আশীষ বিদ্যার্থী।

আশীষ বিদ্যার্থী। হিন্দি ছবির জগতের এক দুর্দান্ত অভিনেতা। তিনি ছিলেন বাঙালি অভিনেত্রী শকুন্তলা বড়ুয়ার জামাই। বিয়ে করেছিলেন অভিনেত্রীর কন্যা পিলুকে। পিলুর ভাল নাম রাজশী। অর্থ তাঁদের একমাত্র পুত্রসন্তান। ২০২২ সালে আশীষের সঙ্গে ডিভোর্স হয়েছিল পিলুর। একাকী থাকবেন না আশীষ, তাই অভিনেতা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, তিনি দ্বিতীয় বিয়েটা করবেন। এদিক-ওদিক পাত্রীর সন্ধান চলতে থাকে। সেই সময় আশীষের বয়স ৫৭। এই বয়সে এসে দ্বিতীয় বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিতেই নানা ধরনের কটাক্ষ শুনতে হয়েছিল আশীষকে। তবে তিনি মুষড়ে পড়েননি। জীবনকে দ্বিতীয় সুযোগ দিয়েছিলেন। অভিনেতা মনে-প্রাণে এটাই বিশ্বাস করেন, জীবনে কোনও বিপর্যয় ঘটলে তা থেমে থাকে না। স্রোতস্বিনীর ন্যায় প্রবাহিত হতে থাকে। প্রথম স্ত্রী পিলুর প্রতি আজও সম্মান এবং ভালবাসা রয়েছে আশীষের। ২২ বছরের দাম্পত্যের এটাই আসল রসদ। যে কারণেই ছাড়াছাড়ি হোক, একদা স্ত্রীর প্রতি সম্মান যাতে অটুট থাকে, বিষয়টি নিয়ে বিশেষ স্পর্শকাতর অভিনেতা। সেই কারণেই হয়তো ইন্ডাস্ট্রির লোকজন মনে করেন, পর্দায় এই দুঁদে ভিলেনের মনটা খাঁটি সোনা। না পুড়লে যে সোনা তৈরিও হয় না। নানা ভাবে সেই আগুন দগদগে করেছে আশীষের নরম মনটাকে। কিন্তু সবকিছুকে তোয়াক্কা করেই অভিনেতা স্থির করলেন, তিনি বিয়ে করবেন আরও একবার এবং তিনি প্রমাণ করবেন ডিভোর্স মানেই থেমে যাওয়া নয়। বরং নতুন কিছু সূচনা। শেষে পাত্রী পাওয়া গেল আশীষের। ২০২৩ সালে অসমীয়া রুপালি বড়ুয়াকে বিয়ে করলেন আশীষ।


বিয়েটা করেই ঘটে গেল যত্ত বিপত্তি। আশীষকে শুনতে হল, “ছেলে অর্থের বিয়ের বয়স হয়েছে, আর এই বয়সে আপনি বিয়ে করছেন।” আরও অশ্রাব্য ভাষায় আক্রমণ করা হয়ে আশীষকে, যা এই প্রতিবেদনে লেখার অযোগ্য। আশীষ বলেছেন, “আমি মনে করি, একটা সম্পর্ক শেষ হলে সেটাই জীবনের গতি স্থির করে না। জীবন প্রবাহমান। ফলে আমি আবারও বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিলাম।” আর আশীষের দ্বিতীয় স্ত্রী?



হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয়েছিল, হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন শাহরুখ। মঙ্গলবার কেকেআর এবং সানরাইজ়ার্স হায়দ্রাবাদের আইপিএল ম্যাচ দেখতে গিয়েছিলেন তিনি। ম্যাচ শেষে নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে দর্শকের সঙ্গে দেখাও করেন সুপারস্টার। আহমেদাবাদের তামমাত্রা তখন ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। প্রচণ্ড গরম সহ্য করতে পারেননি শাহরুখ।

হাসপাতালেই শাহরুখ, কেমন আছেন তিনি? জানালেন বান্ধবী জুহি চাওলা
শাহরুখ খান।

হাসপাতালে ভর্তি আছেন বলিউড-বাদশাহ শাহরুখ খান। আহমেদাবাদে কেকেআর (আইপিএল ক্রিকেট টিম কলকাতা নাইট রাইডার্স-কেকেআর-এর মালিক তিনি)-এর ম্যাচ দেখতে গিয়ে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। হিট স্ট্রোক হয়েছিল অভিনেতার। তারপর তাঁকে তড়িঘড়ি ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। আহমেদাবাদের কেডি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় শাহরুখ খানকে। এখন কেমন আছেন শাহরুখ? জানালেন বাদশাহর বান্ধবী, সহ-অভিনেত্রী এবং কেকেআর-এর সহ-মালকিন জুহি চাওলা।


বন্ধু শাহরুখকে হাসপাতালে দেখতে গিয়েছিলেন জুহি। সেখানে সেই সময় উপস্থিত শাহরুখের স্ত্রী গৌরী খানও। সংবাদমাধ্যমকে জুহি জানিয়েছেন, বুধবার রাত থেকে শারীরিক অবস্থা ভাল ছিল না শাহরুখের। কিন্তু বৃহস্পতিবার তিনি অনেকটাই সুস্থ। জুহি বলেছেন, “ঈশ্বরই বাঁচিয়ে দিয়েছে শাহরুখকে।” শাহরুখের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন শাহরুখ। সেই সঙ্গে এটাও তিনি জানিয়েছেন, রবিবার (২৬ মে, ২০২৪) দলকে উৎসাহ দিতে মাঠেও হাজির থাকতে পারেন শাহরুখ।



জার্সি নম্বর ১৮-র আইপিএল ট্রফির অপেক্ষা বাড়ল। প্লেয়ার, ক্যাপ্টেন দুই ভূমিকাতেই নজর কেড়েছেন। কাপ আর ঠোঁটের দূরত্ব মেটেনি। ১৮ নম্বর জার্সির অপেক্ষা এ বার আইপিএলের ১৮তম সংস্করণের। দীনেশ কার্তিকের কাছে হয়তো স্বপ্নের মরসুম হয়ে থাকতে পারত। শুরু থেকে এমন কিছু ইনিংস খেলেছিলেন, যার ফলে তাঁকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নেওয়ার দাবিও উঠেছিল।

বিরাটের আলিঙ্গন, গার্ড অব অনার; চোখের জলে দীনেশ কার্তিকের সফর শেষ

টুর্নামেন্টের আগে, মাঝে বেশ কয়েক বার বলেছেন। এটাই তাঁর শেষ আইপিএল। বরাবরই যেন ট্র্যাজিক নায়ক হয়েই থেকে গিয়েছেন। এ বারও তাই। টানা ছয় ম্যাচ জিতে প্লে-অফে উঠেছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। এলিমিনেটরে রাজস্থান রয়্যালসের কাছে হার। এ বারের মতো আইপিএল সফর শেষ রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর। ক্রিকেট কেরিয়ারে ইতি দীনেশ কার্তিকেরও। এ মরসুমে মুগ্ধকর কয়েকটা পারফরম্যান্স থাকলেও ট্রফির স্বাদ মিলল না। টানা আনন্দের মাঝে সকলে যেন ভুলেই গিয়েছিলেন কার্তিকের সেই অবসর প্রসঙ্গ। বিরাটের আলিঙ্গন, টিমের গার্ড অব অনার, যেন মনে করিয়ে দিল, দীনেশ কার্তিক একটা সফর শেষ করলেন।


কাউকে যদি জিজ্ঞেস করা হয়, পাশে কেমন মানুষ চান, ক্রিকেট প্রেমী হলে তিনি বলতেই পারেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর মতো লয়্যাল সমর্থন করে যাবে, এমন মানুষ। প্রতিটা মরসুম আসে প্রত্যাশার সঙ্গে। দল গঠন হয়, একঝাঁক তারকা থাকে। নানা চড়াই উতরাই দেখা যায়। শিখরে পৌঁছনো হয় না। গত ১৬টি সংস্করণের মতো, এ বারের গল্পটাও তাই। প্রথম আট ম্যাচে মাত্র একটি জয়। কেউ ভাবেনি আরসিবি প্লে-অফ অবধি পৌঁছতে পারে। তবে বিরাটের সেই মন্তব্য, ‘অনেক সময়, ১ শতাংশ সুযোগই যথেষ্ঠ।’ সেই মন্ত্রেই যেন টানা আধডজন ম্যাচ জিতে প্লে-অফ। এর পরের সফরটা আর পেরনো হল না।


জার্সি নম্বর ১৮-র আইপিএল ট্রফির অপেক্ষা বাড়ল। আইপিএলের জন্মলগ্ন থেকে আরসিবিতেই খেলছেন বিরাট কোহলি। একবারও ট্রফির স্বাদ পাননি। প্লেয়ার, ক্যাপ্টেন দুই ভূমিকাতেই নজর কেড়েছেন। কাপ আর ঠোঁটের দূরত্ব মেটেনি। ১৮ নম্বর জার্সির অপেক্ষা এ বার আইপিএলের ১৮তম সংস্করণের। দীনেশ কার্তিকের কাছে হয়তো স্বপ্নের মরসুম হয়ে থাকতে পারত। শুরু থেকে এমন কিছু ইনিংস খেলেছিলেন, যার ফলে তাঁকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নেওয়ার দাবিও উঠেছিল।


বিশ্বকাপের দলে অবশ্য জায়গা মেলেনি। সেই আক্ষেপটা মিটতে পারত আইপিএলে। সেটাও হল না। চোখে জল ছিল কি? ক্যামেরা জুম করলে অনেক কিছুই ধরা পড়ে। বিরাট যে ভাবে তাঁকে সামলালেন, হয়তো চোখে জল ছিল। টিমকে লিড করে মাঠ ছাড়লেন। অভিব্যক্তিতে সমর্থকদের বিদায় বার্তা দিলেন। তাঁকে দ্রুতই মাঠে দেখা যাবে, অন্য ভূমিকায়, মাইক হাতে, কমেন্ট্রি বক্সে। সেটাও যেন মনে করিয়ে দিলেন। মাঠ ছাড়ছেন সাময়িক, মাঠকে ছাড়ছেন না।

আইপিএল 2024: বড় ম্যাচের চাপ সামলানো সহজ নয়। বল আর রান প্রায় সমান। কিন্তু স্নায়ুর চাপ ধরে রাখাটাই আসল। বোলিং-ব্যাটিং দু-ক্ষেত্রেই তাই। ১৮তম ওভারের দ্বিতীয় ডেলিভারিতে রিয়ান পরাগকে বোল্ড করেন সিরাজ। ফের একবার ম্যাচে ফেরে আরসিবি। ওভারের শেষ বলে হেটমায়ারের উইকেট। অনবদ্য ক্যাচ ডুপ্লেসির। স্নায়ুর চাপ এবং মিরাকল। যে ভাবে বর্ণনা করা যায়।

আরসিবির বিদায়ে বিরাট বিষণ্ণতা, চেন্নাইয়ের পথে রয়্যালস

এক যুগ পর দেশের মাটিতে বিশ্বকাপ জেতার সুযোগ এসেছিল ভারতের সামনে। টানা দশ ম্যাচ জিতে ফাইনালে উঠেছিল ভারতীয় দল। ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হার। হতাশায় উইকেট থেকে বেল সরিয়ে দিয়েছিলেন বিরাট কোহলি। টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত পারফর্ম করেছিলেন বিরাট। কিন্তু ট্রফি জিততে না পারলে ব্যক্তিগত মাইলফলকের গুরুত্ব থাকে না। বিরাটের কেরিয়ারে নানা প্রাপ্তির মাঝেও অধরা আইপিএল ট্রফি। টানা আধডজন ম্যাচ জিতে প্লে-অফ নিশ্চিত করেছিল আরসিবি। পুরো টুর্নামেন্টেই দুর্দান্ত খেলেছেন বিরাট কোহলি। কিন্তু ট্রফির ম্যাচের আগেই থামতে হল। আমেদাবাদে বিশ্বকাপ হতাশার মাঠেই এলিমিনেটরে রাজস্থান রয়্যালসের কাছে হারে এ বারের মতো বিদায়। ১৮ নম্বর জার্সির অপেক্ষা বাড়ল। একই ভাবে বেল সরালেন বিরাট। স্নায়ুর চাপ সামলে কোয়ালিফায়ারের যোগ্যতা অর্জন করল রাজস্থান রয়্যালস।


ইনিংসের পঞ্চম ওভারে ক্যাডমোরের সহজ ক্যাচ ফেলেন ম্যাক্সওয়েল। সে সময় মাত্র ১১ রানে ব্যাট করছিলেন টম কোহলার ক্যাডমোরে। পরের ওভারেই অবশ্য স্লো-ইয়র্কারে তাঁকে বোল্ড করেন লকি ফার্গুসন। বেশি স্বস্তিতে ছিলেন ম্যাক্সিই। এ বারের আইপিলে ধারাবাহিক পারফর্ম করতে পারছিলেন না যশস্বী। এলিমিনেটরে নির্ভরতা দিচ্ছিলেন যশস্বী। স্কুপ শট খেলতে গিয়ে খেই হারান। বোলার ক্যামেরন গ্রিনের পাশাপাশি আত্মবিশ্বাসী ছিলেন কিপার কার্তিকও। অন ফিল্ড আম্পায়ার আউট না দেওয়ায় রিভিউ নেন। সাফল্যও আসে। ৩০ বলে ৪৫ রানে ফেরেন যশস্বী।

আরসিবি শিবিরে বড় সাফল্য দেন করণ শর্মা। রাজস্থান অধিনায়ক যেন উইকেটটা ছুড়ে দিয়ে আসেন। স্টেপ আউট করেন সঞ্জু। অনেকটাই বাইরে বল। লাইন মিস করেন। বল কালেক্ট করে স্টাম্পিংয়ে কোনও ভুল করেননি দীনেশ কার্তিক। রিয়ান পরাগ, ধ্রুব জুরেল ক্রিজে থাকলেও চাপ বাড়তে থাকে রাজস্থান রয়্যালস শিবিরে। এই পিচে বড় শট খেলা সহজ ছিল না। তার উপর প্রয়োজনীয় রান এবং বলের সঙ্গেও দূরত্ব বাড়তে থাকে। আর এর মাঝেই বিরাট কোহলির দৌড়, পিক আপ এবং দুর্দান্ত একটা থ্রো। ক্যামেরন গ্রিন বল ধরে উইকেট ভেঙে দেন। রান আউট ধ্রুব জুরেল। তখনও রাজস্থানের প্রয়োজন ৪১ বলে ৬১ রান।


রাজস্থানের এ মরসুমে চিন্তা ছিল লোয়ার অর্ডার। ৪ উইকেট পড়ায় ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসেবে নামানো হয় শিমরন হেটমায়ারকে। ৭ ইনিংসে মাত্র ৪৫ ডেলিভারি খেলেছিলেন। রিয়ান পরাগের সঙ্গে দায়িত্ব পড়ে সেই হেটমায়ারের উপরই। শেষ ২৪ বলে রাজস্থানের টার্গেট দাঁড়ায় ৩০ রান। রাজস্থানকে চেন্নাইয়ের টিকিট দেওয়ার মরিয়া চেষ্টায় দেখা যায় রিয়ান পরাগকে। হেটমায়ারও ফোর্থ গিয়ারে ব্যাট করছিলেন। ১৭তম ওভারে ১১ রান আসে। শেষ ১৮ বলে ১৯ রান, বড় কোনও টার্গেট বলা যায় না। আরসিবির প্রয়োজন ছিল মিরাকল।

বড় ম্যাচের চাপ সামলানো সহজ নয়। বল আর রান প্রায় সমান। কিন্তু স্নায়ুর চাপ ধরে রাখাটাই আসল। বোলিং-ব্যাটিং দু-ক্ষেত্রেই তাই। ১৮তম ওভারের দ্বিতীয় ডেলিভারিতে রিয়ান পরাগকে বোল্ড করেন সিরাজ। ফের একবার ম্যাচে ফেরে আরসিবি। ওভারের শেষ বলে হেটমায়ারের উইকেট। অনবদ্য ক্যাচ ডুপ্লেসির। স্নায়ুর চাপ এবং মিরাকল। যে ভাবে বর্ণনা করা যায়।

শেষ ২ ওভারে ১৩ রান। রোভম্যান পাওয়েল-অশ্বিন জুটির হাতেই ছিল রাজস্থানের ভাগ্য। ১৯ ওভারে লকি ফার্গুসনকে বাউন্ডারি মেরে স্বাগত জানান পাওয়েল। পরের বলেও বাউন্ডারি। ১০ বলে ৫ রান! আরসিবির স্বপ্ন ভাঙার পথে। ওভারের শেষ বলে ৬ মেরে ম্যাচ ফিনিশ করেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক রোভম্যান পাওয়েল। আরসিবির বিদায়ে বিরাট বিষণ্ণতা ঘিরে ঘরেছে বেঙ্গালুরুকে।

সিবিআই আধিকারিক ওই চিকিৎসকের আধার নম্বর জানতে চান এবং তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে কত টাকা আছে, জানতে চান। এরপরই প্রতারক হুমকি দেয় যে সমস্ত টাকা যদি সিবিআইয়ের অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার না করে দেন, তবে গ্রেফতার করা হবে তাঁকে।

রোজ ফোন করে ধমক-চমক, ডাক্তারের কাছ থেকে প্রায় ৪ কোটি টাকার তোলাবাজি CBI-র! পরে জানলেন...
প্রতীকী চিত্র


 ভুয়ো নথি দিয়ে ব্যাঙ্ক অ্য়াকাউন্ট খোলা হয়েছে, সেখান থেকে হচ্ছে বেআইনি লেনদেন। সিবিআইয়ের ফোন পেলেন বৃদ্ধ চিকিৎসক। সব শুনে তো আকাশ থেকে পড়লেন। এদিকে, সিবিআই আধিকারিকরা তো চোট-পাট দেখাচ্ছেন। বললেন, অ্যাকাউন্ট থেকে লেনদেন হওয়া টাকা যদি সিবিআইয়ের অ্যাকাউন্টে না পাঠান, তবে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হবে চিকিৎসককে। কোনও অপরাধ না করেই, গ্রেফতারির ভয়ে ৩ কোটি ৭১ লক্ষ টাকা পাঠালেন সিবিআইয়ের অ্যাকাউন্টে!


সিবিআই কি এভাবে টাকা নেয়? দিনের পর দিন টাকা দিয়ে ফতুর হয়ে গিয়েই শেষ পর্যন্ত সাইবার ক্রাইমের দ্বারস্থ হলেন চিকিৎসক। তখনই জানতে পারলেন, কোনও সিবিআই নয়, প্রতারণার শিকার হয়েছেন তিনি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার নাম ভাঁড়িয়েই বৃদ্ধ চিকিৎসকের কাছ থেকে প্রায় ৪ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে প্রতারকরা।

কর্নাটকের হাভেরীর বাসিন্দা ভীমসেন শ্রীনিবাস কারজাগির কাছে গত ১১ মে একটি অচেনা নম্বর থেকে ফোন আসে। ও প্রান্ত থেকে পরিচয় দেওয়া হয়, মুম্বইয়ের সিবিআই অফিসার দীক্ষিত গাদাম কথা বলছেন। চিকিৎসককে ওই ভুয়ো সিবিআই আধিকারিক জানান যে নরেশ গয়াল নামে এক ব্যক্তি তাঁর নামে অ্যাকাউন্ট খুলেছেন এবং সেই অ্যাকাউন্ট থেকে বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজে আর্থিক মদত দেওয়া হয়েছে। ব্যাঙ্ক প্রতারণা ও আর্থিক তছরুপেও ওই চিকিৎসকের নাম খুঁজে পেয়েছে সিবিআই।


এরপর ভুয়ো সিবিআই আধিকারিক ওই চিকিৎসকের আধার নম্বর জানতে চান এবং তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে কত টাকা আছে, জানতে চান। এরপরই প্রতারক হুমকি দেয় যে সমস্ত টাকা যদি সিবিআইয়ের অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার না করে দেন, তবে গ্রেফতার করা হবে তাঁকে।

ভয়ে ১০টি অ্যাকাউন্টে ধাপে ধাপে ৩ কোটি ৭১ লক্ষ টাকা পাঠান ওই চিকিৎসক। কিন্তু দিনের পর দিন এইভাবে টাকা নেওয়াতেই তাঁর সন্দেহ হয়। গত ১৮ মে পুলিশে গিয়ে অভিযোগ জানান চিকিৎসক। সাইবার ক্রাইম শাখা গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

 ইন্ডিয়া জোট জিতলে প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন অরবিন্দ কেজরীবাল। বুধবার এই জল্পনার সত্যতা যাচাই করতেই প্রশ্ন করা হয়েছিল দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে। কিন্তু তিনি কোনও জবাবই দিলেন না। ইন্ডিয়া জোটের প্রধানমন্ত্রীর মুখ কি তবে রাহুল গান্ধী?

রাহুল গান্ধীকে কি প্রধানমন্ত্রী হিসাবে মানতে পারবেন কেজরীবাল? ইন্ডিয়া জোটের বড় খবর ফাঁস
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবাল।

বিজেপিকে ক্ষমতাচ্যুত করতে একজোট তো হয়েছে বিরোধী দলগুলি, কিন্তু অন্য কোনও দলের প্রধান নেতাকে কি তাঁরা মানতে পারবে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে? এই প্রশ্নে বরাবরই নিরুত্তর ইন্ডিয়া জোট। এবার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী তথা আপ সুপ্রিমোও বিরোধী জোটের প্রধানমন্ত্রীর মুখ নিয়ে বড় ইঙ্গিত দিলেন।


ইন্ডিয়া জোট জিতলে প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন অরবিন্দ কেজরীবাল। বুধবার এই জল্পনার সত্যতা যাচাই করতেই প্রশ্ন করা হয়েছিল দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে। কিন্তু তিনি কোনও জবাবই দিলেন না। ইন্ডিয়া জোটের প্রধানমন্ত্রীর মুখ কি তবে রাহুল গান্ধী? এই প্রশ্নও এড়িয়ে গেলেন সুচারুভাবে। বললেন, “এমন কোনও আলোচনাই হয়নি। নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর ইন্ডিয়া জোট এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।”   

নিজের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার প্রসঙ্গে কেজরীবাল বলেন, “আম আদমি পার্টি একটা ছোট দল। কেবল ২২টি আসনে লড়ছে”। এ কথা বলে কার্যত তিনি নিজেই বুঝিয়ে দিলেন যে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।


সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী সাফ বলেন, “ইন্ডিয়া জোট জিতলেও, আমার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার কোনও ইচ্ছা নেই। আমার লক্ষ্য হল দেশকে স্বৈরাচারী শাসন থেকে রক্ষা করা। এই নির্বাচন দেশকে রক্ষা করার জন্য়। বিজেপি ক্ষমতায় এলে গণতন্ত্র শেষ হয়ে যাবে। সমস্ত বিরোধী নেতারা জেলে থাকবেন।”

প্রসঙ্গত, এই প্রথম নয়। গত সপ্তাহেও সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবের সঙ্গে সাংবাদিক বৈঠকে ইন্ডিয়া জোটের প্রধানমন্ত্রীর মুখ কে- জানতে চাওয়া হলে তিনি অরবিন্দ কেজরীবাল বলেছিলেন, “না, আমি নই।”

রাহুল গান্ধীও ইন্ডিয়া জোটের প্রধানমন্ত্রীর মুখ নিয়ে বরাবর সাসপেন্স বজায় রেখেছেন। তবে ইন্ডিয়া জোটের একটি বৈঠকে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের নাম প্রধানমন্ত্রীর মুখ হিসাবে সুপারিশ করেছিলেন।



জাত-ধর্ম নিয়ে রাজনীতি নয়, কংগ্রেস-বিজেপিকে সতর্ক করল নির্বাচন কমিশন

জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তরফে দুই দলকেই তাদের তারকা প্রচারকদের সতর্ক করে নোটিস দিতে বলা হয়েছে। জাতপাত, ধর্ম,বর্ণ নিয়ে প্রচার থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

জাত-ধর্ম নিয়ে রাজনীতি নয়, কংগ্রেস-বিজেপিকে সতর্ক করল নির্বাচন কমিশন
বিজেপি-কংগ্রেসকে সতর্ক করল নির্বাচন কমিশন।


লোকসভা নির্বাচনের পাঁচ দফা ভোট হয়ে গিয়েছে, বাকি আর মাত্র দুই দফা। তার মাঝেও জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ‘রক্তচক্ষু’ কংগ্রেস-বিজেপিকে। দেশের দুই বড় দলই একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিল নির্বাচন কমিশনে। তার প্রেক্ষিতেই দুই দলকে সতর্ক করল কমিশন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও রাহুল গান্ধীর মন্তব্যের ভিত্তিতে বিজেপি ও কংগ্রেসকে সতর্ক করে নির্বাচন কমিশন জানাল, নির্বাচনের জন্য দেশের সামাজিক-সাংস্কৃতিক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে না। দুই দলকেই তাদের তারকা প্রচারকদের সতর্ক করে নোটিস দিতে বলা হয়েছে। জাতপাত, ধর্ম,বর্ণ নিয়ে প্রচার থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।


বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা ও কংগ্রেসের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে-উভয়কেই চিঠি পাঠিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। চিঠিতে বলা হয়েছে, “নির্বাচন একটি প্রক্রিয়া যেখানে রাজনৈতিক দলগুলি শুধু জেতার জন্য লড়ে না, বরং ভোটারদের কাছে নিজেদের শ্রেষ্ঠ হিসাবে প্রমাণ করার সুযোগ, যার উপরে ভিত্তি করে আশা-ভরসা তৈরি হয়। ভারতীয় নির্বাচনে এই দ্বিতীয় অংশটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের নির্বাচনী গণতন্ত্রকে দুর্বল হতে দেওয়া উচিত নয়। আপনাদের দলেরও এ কাজ করা উচিত নয়। নির্বাচন আসবে-যাবে, কিন্তু আপনাদের মতো রাজনৈতিক দলের দায়িত্ব ভারতের সামাজিক-সাংস্কৃতিক পরিবেশকে রক্ষা করা। বর্তমান ও ভবিষ্যতের নেতা গড়ার দায়িত্ব রাজনৈতিক দলগুলিরই। তাই নিয়ম-আচরণে এমন কোনও খামতি থাকতে পারে না, বিশেষ করে শীর্ষ নেতাদের আচরণ এমন হতে পারে না।”

কংগ্রেস ও বিজেপি-দুই দলই নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রতিপক্ষ দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েছিল। কমিশনের তরফে ওই অভিযোগের ভিত্তিতে দুই দলের কাছেই ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছিল। বুধবার নির্বাচন কমিশন দুই দলের ‘সাফাই’-কেই খারিজ করে দেয় এবং তাদের সতর্ক হতে পরামর্শ দেয়।


একদিকে যেখানে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাকে পাঠানো চিঠিতে নির্বাচন কমিশন বলেছে যে কেন্দ্রের শাসক দল হিসাবে বিজেপির প্রচারের পদ্ধতি যেন সংবেদনশীল হয়। আদর্শ আচরণবিধি ভেঙে কোনও তারকা প্রচারক যেন মন্তব্য না করেন, যা বিভিন্ন শ্রেণি ও গোষ্ঠী বা ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে ঘৃণা-বিদ্বেষ তৈরি করে।

অন্যদিকে, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গেকে পাঠানো চিঠিতেও প্রচারে সংবেদনশীল হওয়ার কথা বলা হয়েছে। দেশের প্রতিরক্ষা বাহিনীকে নিয়ে যেন কোনও প্রোপাগান্ডা প্রচার না করা হয় এবং আর্থ-সামাজিক বিষয়ে এমন কোনও মন্তব্য না করা হয় যাতে মানুষের মনে এই ভ্রান্ত ধারণা তৈরি হয় যে দেশের সংবিধান অবলুপ্ত বা বিক্রি হয়ে গিয়েছে।

.মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ সূত্রে খবর, আজ ভোর সাড়ে ৪টে নাগাদ মেট্রোর লাইনের বিদ্যুৎ সংযোগে সমস্যা দেখা দেয়। এরপর সকালবেলা আপ (দক্ষিণেশ্বর থেকে কবি সুভাষ) এবং ডাউন লাইনে (কবি সুভাষ থেকে দক্ষিণেশ্বর) যখন মেট্রো চলা শুরু হয় তখন দেখা যায় স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল কাজ করছে না।

অফিস টাইমে কী হল মেট্রোয়? প্রতিটি স্টেশনেই ৮ থেকে ১০ মিনিট দাঁড়িয়ে ট্রেন
মেট্রোয় বিভ্রাট
 প্রামাণিক 

কলকাতা: একে বৃহস্পতিবার। তার উপর অফিস টাইম। আর শহরের বড় অংশ মানুষের ভরসা এই মেট্রো। তবে সাত সকালেই এল বিভ্রাটের খবর। জানা যাচ্ছে, ময়দান স্টেশনে এই বিদ্যুৎ বিভ্রাটের জেরে ভোগান্তি দেখা দিয়েছে মেট্রোয়।


মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ সূত্রে খবর, আজ ভোর সাড়ে ৪টে নাগাদ মেট্রোর লাইনের বিদ্যুৎ সংযোগে সমস্যা দেখা দেয়। এরপর সকালবেলা আপ (দক্ষিণেশ্বর থেকে কবি সুভাষ) এবং ডাউন লাইনে (কবি সুভাষ থেকে দক্ষিণেশ্বর) যখন মেট্রো চলা শুরু হয় তখন দেখা যায় স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল কাজ করছে না। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের জন্য তা সিগন্যালে ঠিক মতো পৌঁছতে পারছে না। যার জেরে গোলযোগ তৈরি হয়।


তবে মেট্রোর পরিষেবা ঠিক রাখতে ম্যানুয়ালি সিগন্যালিংয়ের মাধ্যে ট্রেন চালানো হচ্ছে। মেট্রোর রেল সূত্রে জানা যাচ্ছে, প্রতি স্টেশনে গড়ে ৮ থেকে ১০ মিনিট দাঁড়িয়ে আছে মেট্রো। তবে ইতিমধ্যেই বিদ্যুতের যে বিভ্রাট তৈরি হয়েছিল তা সঠিক করার কাজ শুরু হয়েছে। তবে এখনও বেশ কিছুটা সময় লাগবে বলে জানা যাচ্ছে। তবে সব মিলিয়ে দিনের শুরুতেই মেট্রোর এই গণ্ডগোলের জেরে ক্ষুব্ধ যাত্রীদের একাংশ।

 

দিঘা যাওয়ার কথা ভাবছেন? এই দু'দিন নেওয়া হবে না কোনও হোটেল বুকিং
দিঘায় বন্ধ বুকিং


দিঘা: ভোটের সময় দিঘা বেড়াতে এসে সমস্যায় পড়তে পারেন পর্যটকরা। তাই নেওয়া হল বড় সিদ্ধান্ত। নির্বাচন কমিশনের গাইডলাইন অনুসারে, ভোট গ্রহণের দু দিন আগে থেকে এলাকায় বহিরাগত লোকজন থাকতে পারবেন না।


ষষ্ঠ দফার নির্বাচন ২৫ মে শনিবার অনুষ্ঠিত হবে। যার কারণে ২৩ তারিখ থেকে হোটেলগুলি খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে। যদিও এই নির্দেশের কথা মৌখিক ভাবে জানানো হলেও কোনও নোটিশ জারি করা হয়নি। যার কারণে নির্বাচনের সময় হোটেলে পর্যটক রাখা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে হোটেল মালিকদের মধ্যে।

হোটেল সংগঠনগুলির কথায় গরমের ছুটি চলছে। যার কারণে উইকন্ডে শনি ও রবিবার প্রচুর পর্যটক ভিড় জমছে দিঘা ,শংকরপুর, মন্দারমণি,তাজপুরের সৈকতে। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচনের সময় হোটেলে পর্যটক রাখা নিয়ে সমস্যায় পড়েছেন হোটেল মালিকরা। দিঘা শঙ্করপুর হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সম্পাদক বিপ্রদাস চক্রবর্তী বলেন, “পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশের কথা জানানো হয়েছে। বেড়াতে এসে পর্যটকরা যাতে সমস্যায় না পড়েন তার জন্যে ২৩ মে থেকে ২৫ মে পর্যন্ত কোনA বুকিং না নেওয়ার জন্যে হোটেল মালিকদের বলা হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “নির্বাচন কমিশনের গাইডলাইনের কথা বলা হলেও এই সংক্রান্ত কোনও নোটিশ পাইনি আমরা। যার কারণে অনেক বুঝতে পারছেন না। হোটেলে পর্যটক থাকলে কোনও সমস্যা হবে কি না। যারা হোটেল বুকিংয়ের কথা বলছেন তাদের ২৫ তারিখের পর বুকিং করার কথা বলা হচ্ছে।”


এই প্রসঙ্গে কাঁথির মহকুমা শাসক ও দিঘা শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদের মুখ্য নির্বাহী আধিকারিক শৌভিক ভট্টাচার্য বলেন, “এই বিষয়ে প্রশাসন কিংবা পর্ষদের কোনও ভূমিকা নেই। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনেই নির্বাচনের সময় বহিরাগত লোকজন হোটেলে না রাখার জন্যে বলা হয়েছে।”

ডিএসপি( ডিএন্ডটি) আবুনুর হোসেন বলেন, “কমিশনের গাইড লাইন মেনে চলার জন্যে হোটেল সংগঠনগুলিকে বলা হয়েছে। পাশাপাশি বহিরাগত আটকাতে দিঘার ওড়িশা বার্ডার এলাকায় নজরদারি ও চেকিং বাড়ানো হয়েছে। নজরদারি বাড়ানো হয়েছে উপকৃল এলাকা জুড়ে।”