WEATHER

Top News


দেবরাজের অদিতি মুন্সি এলাকার বিধায়ক ছিলেন, তবে অভিযোগ, তাঁর হয়ে এলাকা কন্ট্রোল করতেন দেবরাজই। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেবাশ্রয় নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এই সেবাশ্রয়ের আয়োজনের দায়িত্বে ছিলেন দেবরাজও। সেই মামলাতেও দেবরাজকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন তদন্তকারীরা। 

দেবরাজের বিরুদ্ধে একাধিক মহিলাঘটিত অপরাধও! এবার নীরবতা ভাঙবেন? অদিতিকে হাতিয়ার করেই এগোতে পারেন তদন্তকারীরা
দেবরাজ চক্রবর্তী-অদিতি মুন্সি (ফাইল ছবি)

রক্ষাকবচ খারিজের এক সপ্তাহের মধ্যেই গ্রেফতার বিধাননগরের প্রাক্তন মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তী। পুরুলিয়া-ঝাড়খণ্ড সীমানা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তোলাবাজি-হিংসা মামলায় বেঙ্গল এসটিএফের জালে অভিষেক-ঘনিষ্ঠ এই তৃণমূল নেতা।

দেবরাজ চক্রবর্তী উত্তর ২৪ পরগনার যুব সভাপতি ছাড়াও রাজারহাট, নিউটাউন, বাগুইআটি এলাকায় কার্যত একটা চক্রবর্তী সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিল। দীর্ঘদিনের অভিযোগ, দেবরাজের আয় বহির্ভূত প্রচুর সম্পত্তি রয়েছে। তার জন্য এলাকার মানুষ দেবরাজের প্রতি বীতশ্রদ্ধ ছিলেন। পূর্ণেন্দু বসুর আপ্ত সহায়ক হিসাবেই দেবরাজের উত্থান। তারপর সেখান থেকে সুজিত বসুর হাত ধরেন। তখন থেকেই ধীরে ধীরে নিজের প্রভাব বিস্তার শুরু করেন দেবরাজ। এরপর শুরু হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠা।


 দশদিন ধরে কোথায় লুকিয়ে ছিলেন দেবরাজ? উঠে এল বিস্ফোরক তথ্য

কবে পেট্রোল-ডিজেলের দাম কমবে? অবশেষে উত্তরটা দিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী
এলাকার প্রোমোটারদের হুমকি দেওয়া, তোলাবাজি, টাকা তোলার একাধিক অভিযোগ উঠতে থাকে। সব থেকে বড় উদাহরণ, রাজ্যে SIR এর সময়ে দেবরাজের ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মীদের হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ ওঠে। যাতে মৃতদের নাম তালিকায় তোলা হয়।

দেবরাজের অদিতি মুন্সি এলাকার বিধায়ক ছিলেন, তবে অভিযোগ, তাঁর হয়ে এলাকা কন্ট্রোল করতেন দেবরাজই। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেবাশ্রয় নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এই সেবাশ্রয়ের আয়োজনের দায়িত্বে ছিলেন দেবরাজও। সেই মামলাতেও দেবরাজকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন তদন্তকারীরা। রাজ্যের মন্ত্রী অর্জুন সিং অভিযোগ করেছিলেন, অভিষেকের মদতে দেবরাজ উত্তর ২৪ পরগনাতে একাধিক দুর্নীতির জাল বিস্তার করেছিলেন। দেবরাজের বিরুদ্ধে একাধিক মহিলা সংঘঠিত অপরাধেরও অভিযোগ রয়েছে। সে ব্যাপারে দেবরাজের স্ত্রী প্রাক্তন বিধায়ক অদিতি মুন্সি কতটা জানতেন, সেটাই জানতে তৎপর তদন্তকারীরা। সেক্ষেত্রে তাঁদেরও মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।

নির্বাচনের আগেই অদিতি মুন্সি কীভাবে মনোনয়নপত্রে ভুল তথ্য দিয়েছিলেন, তা নিয়ে থানায় এফআইআর দায়ের করেছিলেন বিজেপি নেতা তথা আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি। দেবরাজের গ্রেফতারির পর এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, “সম্পত্তির কিছুটা অংশ তো তাঁর নামেও ছিল। বউ ও জানত, স্বামী শুধু চোর নয়, ডাকাত। খুনের কথাটাও ওর বউ জানতেন। তিনি নিজেও তো এক বাচ্চার মা, জানেন না সন্তান মারা গেলে কী কষ্ট হয়? তারপরেও দেবরাজের সঙ্গেই থেকে গিয়েছেন। নির্বাচনের আগে বলেছিলেন না, ‘আমার স্বামী যদি চুরি করে, তাঁর নামে যদি অভিযোগ হয়, হিন্দু ধর্ম মতে বিয়ে হয়েছে, আমিও যাব জেলে।’ তাহলে যান। এখন আদালতে জামিন চাইতে গিয়েছিলেন কেন? বলুন, ‘আমার স্বামী গ্রেফতার হয়েছে, আমিও হব।’ উল্লেখ্য, আগাম জামিনের আবেদন জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন দেবরাজ-অদিতি। চার মাসের সন্তানের কথা ভেবে অদিতিকে আদালত রক্ষাকবচ দিলেও দেবরাজকে দেয়নি।

২০১৫ সালে গানের রিয়েলিটি শোতে অদিতির গলায় কীর্তন শুনে ভুলেছিল গোটা বাংলা। ২০১৮ সালে দেবরাজ চক্রবর্তীকে বিয়ে করেন অদিতি। দেবরাজ তখন ধীরে ধীরে সুজিত বসুর সূত্রে ধরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়াচ্ছেন। দেবরাজের বিরুদ্ধে এখন বিস্তর অভিযোগ।

গানের রিয়েলিটি শো-র প্যানেলিস্টদের সঙ্গে কী ধরনের চ্যাট করতেন অদিতি মুন্সি? এবার বিস্ফোরক তথ্য এল সামনে
অদিতি মুন্সি

বিপদ বুঝে দু’জনেই আদালতের কাছে ছুটেছিলেন রক্ষাকবচ চাইতে। চার মাসের সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক অদিতি মুন্সিকে রক্ষাকবচ দিলেও, হাইকোর্টের দেবরাজের আবেদন খারিজ করে দেয়। আর তার এক সপ্তাহের মধ্যেই দেবরাজ গ্রেফতার হয়েছেন! এই পরিস্থিতি অদিতি মুন্সিকে খোঁচা বিজেপি বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারি। এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অদিতি সম্পর্কের বিস্ফোরক দাবি করলেন তরুণজ্যোতি। গানের রিয়েলিটি শো-তে তিনি ঠিক কী করেছিলেন, তা ফাঁস করলেন বিধায়ক।

তরুণজ্যোতি এক সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “ওঁকে আমি নির্বাচনের সময় তো আক্রমণ করিনি। কিচ্ছু বলিনি। নাহলে আমার কাছে যা যা স্ক্রিনশট ছিল, যা যা প্রমাণ ছিল, উনি যখন গানের প্রতিযোগিতায় গিয়েছিলেন, যাঁরা যাঁরা ওই প্যানেলে ছিলেন, তাঁদের সঙ্গে কী ধরণের চ্যাট হত… চ্যাটগুলো আমার কাছে আছে। সেগুলো পাবলিশ করে দিতে পারি। কিন্তু আমি মহিলাদের সম্মান করি… ওঁর বাচ্চা রয়েছে। আমিও বাচ্চার বাবা। বাবা চোর, মা চোর। বাচ্চা কী করবে? বাচ্চাটা ভাল থাকুক, তার জন্যই হয়তো বাইরে রয়েছেন। কোর্ট ও সেটাই মনে করেছে।”


কবে পেট্রোল-ডিজেলের দাম কমবে? অবশেষে উত্তরটা দিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

দশদিন ধরে কোথায় লুকিয়ে ছিলেন দেবরাজ? উঠে এল বিস্ফোরক তথ্য
২০১৫ সালে গানের রিয়েলিটি শোতে অদিতির গলায় কীর্তন শুনে ভুলেছিল গোটা বাংলা। ২০১৮ সালে দেবরাজ চক্রবর্তীকে বিয়ে করেন অদিতি। দেবরাজ তখন ধীরে ধীরে সুজিত বসুর সূত্রে ধরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়াচ্ছেন। দেবরাজের বিরুদ্ধে এখন বিস্তর অভিযোগ। রাজারহাট-বাগুইআটি-গোপালপুর-নিউটাউনে দেবরাজ নিজের একচ্ছত্র সাম্রাজ্য বিস্তার করেছিলেন বলে অভিযোগ। কিন্তু দেবরাজের বিরুদ্ধে যা যা অভিযোগ, তার কিছুই কি জানতেন না অদিতি মুন্সি। সে প্রশ্ন তোলেন তরুণজ্যোতিও।

বিজেপি বিধায়কের বক্তব্য, “দেবরাজের সম্পত্তির কিছুটা অংশ তো তাঁর নামেও ছিল। বউ ও জানত, স্বামী শুধু চোর নয়, ডাকাত। তারপরেও দেবরাজের সঙ্গেই থেকে গিয়েছেন।”

অদিতিকে খোঁচা দিয়ে তরুণজ্যোতি বলেন, “নির্বাচনের আগে বলেছিলেন না, ‘আমার স্বামী যদি চুরি করে, তাঁর নামে যদি অভিযোগ হয়, হিন্দু ধর্ম মতে বিয়ে হয়েছে, আমিও যাব জেলে।’ তাহলে যান। এখন আদালতে জামিন চাইতে গিয়েছিলেন কেন? বলুন, ‘আমার স্বামী গ্রেফতার হয়েছে, আমিও হব।” সূত্রের খবর, তদন্তের স্বার্থে দেবরাজের সঙ্গে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হতে পারে অদিতিকেও।
সে সময়ে তৃণমূলের রাজত্ব চলছে। ছেলে এদিকে বিজেপি সমর্থক। তবুও সাহস জুগিয়ে পঁচাশি বছরের বৃদ্ধ গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছেও। কিন্তু তিনি বিচার পাননি। উল্টে তাঁর দাবি, এতে দেবরাজদের দাপট আরও বেড়ে যায়।


জানালা দিয়ে হাত ঢুকিয়ে বলত...', অশীতিপর বৃদ্ধ সামনে আনলেন দেবরাজের আরও ঘৃ্ণ্য দিক
অভিযোগকারী বৃদ্ধ

 প্রোমোটারি, তোলাবাজি, ভয় দেখিয়ে টাকা তোলা, জমি দখল- দেবরাজ চক্রবর্তীর অভিযোগের তালিকা শেষ আপাতত দেখা যাচ্ছে না। সঙ্গে রয়েছে মহিলাঘটিত অপরাধও। একাধিক ব্যক্তি প্রকাশ্যে এসে মুখ খুলতে শুরু করেছেন। কিন্তু তা বলে পাড়ার ৮৬ বছরের বৃদ্ধের সঙ্গে এই ঘটনা। যাকে জ্যেঠু বলে ডাকতেন দেবরাজ! মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ২৫ লক্ষ টাকা হাতানোর অভিযোগ দেবরাজের বিরুদ্ধে। প্রাক্তন মেয়র পারিষদের ভয়ে বাড়ি ছাড়া বৃদ্ধের ছেলে-বৌমা। বিস্ফোরক দাবি করেছেন বাগুইআটির অশীতিপর বৃদ্ধ দেবকুমার দাশগুপ্ত।

দেবকুমার বলেন, “বিভিন্ন লোক জনকে বাড়িতে পাঠাত। বলত টাকা দাও, নাহলে কেস দেব। বাড়ির ভিতর ঢুকে যেত। জানালা দিয়ে হাত ঢুকিয়ে বলত টাকা দাও। আমি এখন একা থাকি। ছেলের ক্ষতি হবে, এই সব চিন্তা করে টাকা দিতাম। লক্ষ লক্ষ টাকা দিয়েছি। প্রায়২৫ লক্ষ টাকা নিয়ে গিয়েছে। ছেলে আমার বিজেপি করে, তাই মিথ্যা কেস দেওয়ার ভয় দেখাত।”


দশদিন ধরে কোথায় লুকিয়ে ছিলেন দেবরাজ? উঠে এল বিস্ফোরক তথ্য
সে সময়ে তৃণমূলের রাজত্ব চলছে। ছেলে এদিকে বিজেপি সমর্থক। তবুও সাহস জুগিয়ে পঁচাশি বছরের বৃদ্ধ গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছেও। কিন্তু তিনি বিচার পাননি। উল্টে তাঁর দাবি, এতে দেবরাজদের দাপট আরও বেড়ে যায়। তিনি বলেন, “আমি মমতার কাছে পর্যন্ত গিয়েছিলাম। আমি দেবরাজদের বাড়িতেই কতবার গিয়েছি। দেবরাজের পাড়াতেও পাঠকীর্তন করে এসেছি। ওর মা-বাবা আমাকে কতদিনের চেনা। আমার সঙ্গে পশুর মতো ব্যবহার করেছে ও। আমি শুনেছি গ্রেফতার হয়েছে। কিন্তু ও সাজা পাক কঠিন।”

দেবরাজের গ্রেফতারিতে এখন পাড়াতেও খুশির জোয়ার। একটা সময়ে রাজারহাট-গোপালপুর, নিউটাউন, বাগুইআটিতে একচ্ছত্র আধিপত্য চালিয়েছেন দেবরাজ। তাঁর বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ। এই নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় বলেন, “দেবরাজের তো এটাই কান, এটাই মাথা। ধারাবাহিক চোর। তৃণমূল কংগ্রেসে চুরি নিয়ে OTT তে সিরিজ লঞ্চ হয়েছে। আর ওনার স্ত্রী তো যা করে গিয়েছেন, উনি গায়ক, ভক্তিগীতি গাইতেন। এখন ভক্তির কী ছিরিছাঁদ তো বুঝতেই পারছি।”


  চাঞ্চল্যকর অভিযোগ EX ফরেন্সিক আধিকারিকের
দিন কয়েক আগে তিলোত্তমার পরিবারের কাছে এই চিঠি আসে। সেখানে তিলোত্তমার বাবাকে অ্যাড্রেস করা ছিল। চিঠি পাঠান প্রাক্তন ফরেন্সিক আধিকারিক। চিঠিতে বলা হয়, তিলোত্তমার ভিসেরা নেওয়ার যে স্যাম্পেল নেওয়া হয়েছিল, তা বদলে ফেলা হয়েছে। তিলোত্তমার লিভার, কিডনি, পাকস্থলীর স্যাম্পেল নেওয়া হয়েছিল, এটা দেখার জন্য, যে তিলোত্তমার শরীরে কোনও বিষক্রিয়া করা হয়েছিল কিনা, ঘুমের ওষুধ দেওয়া হয়েছিল কিনা।


খোদ মমতার বিরুদ্ধেই অভিযোগ, সেই রাতে ল্যাবে তিলোত্তমার ভিসেরা স্যাম্পেলে কী মেশানো হয়? চাঞ্চল্যকর অভিযোগ EX ফরেন্সিক আধিকারিকের
আরজি কর কাণ্ডে বিস্ফোরক তথ্য

 তিলোত্তমা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় এবার বিস্ফোরক অভিযোগ পরিবারের।রাজ্য ফরেনসিক পরীক্ষাগারে তিলোত্তমার ভিসেরা পরীক্ষার জন্য নমুনা নষ্ট করার অভিযোগ। প্রাক্তন এক ফরেনসিক আধিকারিক তিলোত্তমার বাবাকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন এই তথ্য। তিলোত্তমার বাবার দাবি, রাজ্য ফরেনসিক বিভাগের তিন আধিকারিক তিলোত্তমার ভিসেরা স্যাম্পল নষ্ট করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে সেই চিঠিতে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশে ভিসেরা নমুনা নষ্ট করা হয়েছে বলে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। 

দিন কয়েক আগে তিলোত্তমার পরিবারের কাছে এই চিঠি আসে। সেখানে তিলোত্তমার বাবাকে অ্যাড্রেস করা ছিল। চিঠি পাঠান প্রাক্তন ফরেন্সিক আধিকারিক। চিঠিতে বলা হয়, তিলোত্তমার ভিসেরা নেওয়ার যে স্যাম্পেল নেওয়া হয়েছিল, তা বদলে ফেলা হয়েছে। তিলোত্তমার লিভার, কিডনি, পাকস্থলীর স্যাম্পেল নেওয়া হয়েছিল, এটা দেখার জন্য, যে তিলোত্তমার শরীরে কোনও বিষক্রিয়া করা হয়েছিল কিনা, ঘুমের ওষুধ দেওয়া হয়েছিল কিনা। কিন্তু অভিযোগ, রাজ্য ফরেন্সিক বিভাগের তিন আধিকারিক সেই স্যাম্পেল বদলে ফেলেছিলেন। রাজ্য ফরেন্সিক ল্যাব থেকে সেন্ট্রাল ফরেন্সিক ল্যাবে যখন স্যাম্পেল গিয়েছে, সেটাও বদলে ফেলা হয়েছে।


গানের রিয়েলিটি শো-র প্যানেলিস্টদের সঙ্গে কী ধরনের চ্যাট করতেন অদিতি মুন্সি? এবার বিস্ফোরক তথ্য এল সামনে
সেই চিঠি এবার শিয়ালদহ আদালতে বিচারকের কাছে জমা করতে চলেছে তিলোত্তমার পরিবার। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে সিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিক আদালত, সেই মর্মে আজই আর্জি জানানো হবে। চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে তৃণমূল জমানায় খুন হওয়া বিজেপি, সিপিএম কর্মীদের ভিসেরা নষ্ট করেছে ওই তিন কর্মী।

তখন বিচারপতি জানতে চান, তিনটে অ্যাকাউন্টে মোট কত টাকা রয়েছে? বিচারপতির তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য, "অপরাধগুলিই যদি ব্যাঙ্ক অ্য়াকাউন্ট নিয়ে হয়, তাহলে তদন্তে বাধা কোথায়?" তখন বিচারপতি বলেন, তাহলে কি তদন্তের স্বার্থে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি দুজনকে স্পেশাল অফিসার নিয়োগ করা যায়? তিনি নির্দেশ দেন, এই সময়ের মাঝে তদন্তকারী জানাবেন কী কী তথ্য পাওয়া গিয়েছে এই অ্যাকাউন্ট থেকে।


সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা, অভিযোগের সময়টাই ভাবাচ্ছে', তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ মামলায় কেন বললেন বিচারপতি?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়


অভিযোগ দায়েরের সময়টাই আদালতকে ভাবাচ্ছে। তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট ৪৪০ কোটি ফ্রিজ মামলায় বড় পর্যবেক্ষণ কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। এই ঘটনায় শরৎ বোস রোডের বেসরকারি ব্যাঙ্কের হলফনামা তলব করেছে আদালত। এই মামলায় অন্তবর্তী নির্দেশ দিতে চায় আদালত। তার আগে ব্যাঙ্ক কতৃপক্ষের বক্তব্য জানতে চায় হাইকোর্ট। মঙ্গলবার তদন্তের অগ্রগতি সংক্রান্ত তথ্য আদালতে পেশ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এই মামলায় এদিন কালীঘাট তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে আইনজীবী ছিলেন কিশোর দত্ত। অভিযোগকারী অর্থাৎ জয়নগরের বিধায়কের হয়ে সওয়াল করেন নীরজ কিষণ পাল। এদিন শুনানির শুরুতেই বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য বলেন, “আদালতের কাছে এখন এই বিষয়টি অস্পষ্ট ,তখন কার বিরুদ্ধে কী অভিযোগ রয়েছে, তার গভীরতা দেখা সম্ভব নয়। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলিতে ডেবিট ফ্রিজিং জরুরি কি না সেটা এই আদালত দেখবে। তিনটি একাউন্ট ঘিরে অভিযোগ থাকলে কিছু সময়ের জন্য তো বন্ধ থাকবে? অ্যাকাউন্ট বন্ধ না হলে কীভাবে পদক্ষেপ হবে? এই আদালতের রায় কি তদন্ত গুটিয়ে দেবে?”



গানের রিয়েলিটি শো-র প্যানেলিস্টদের সঙ্গে কী ধরনের চ্যাট করতেন অদিতি মুন্সি? এবার বিস্ফোরক তথ্য এল সামনে
তখন কালীঘাট তৃণমূলের আইনজীবী কিশোর দত্ত সওয়াল করেন, “পুলিশের এই ক্ষমতা নেই। রাজনৈতিক দলের প্রতিদিনের কিছু খরচ রয়েছে। ইলেক্ট্রিক বিল, জলের লাইন ইত্যাদি জরুরি পরিষেবা। সেগুলি কোনওভাবেই বন্ধ করা যায় না। সিজ করা যেতে পারে কিন্তু একেবারে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া যায় না।”

তখন বিচারপতি জানতে চান, তিনটে অ্যাকাউন্টে মোট কত টাকা রয়েছে? বিচারপতির তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য, “অপরাধগুলিই যদি ব্যাঙ্ক অ্য়াকাউন্ট নিয়ে হয়, তাহলে তদন্তে বাধা কোথায়?” তখন বিচারপতি বলেন, তাহলে কি তদন্তের স্বার্থে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি দুজনকে স্পেশাল অফিসার নিয়োগ করা যায়? তিনি নির্দেশ দেন, এই সময়ের মাঝে তদন্তকারী জানাবেন কী কী তথ্য পাওয়া গিয়েছে এই অ্যাকাউন্ট থেকে।

রাজ্য পুলিশের তরফ থেকে সওয়াল করেন সলিসেটর জেনারেল তুষার মেহতা। তিনি বলেন, “আমরা তদন্ত করছি। কীভাবে টাকা সাইফন হয়েছে দেখা হচ্ছে।”

তখনই বিচারপতি বলেন, “অভিযোগ দায়েরের সময় আদালতকে ভাবাচ্ছে। ২৮ জুন সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় অভিযোগ দায়ের হল। আর পরদিন সকালেই ব্যাঙ্ক জানাল অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে। অথচ অভিযোগ জানানোর আগে ওই অ্যাকাউন্ট নিয়ে নির্দিষ্ট কেন অপরাধের অভিযোগে উঠেনি। তাহলে হঠাৎ পুলিশ অভিযোগের পরে কিসের ভিত্তিতে এত তড়িঘড়ি ফ্রিজ করার জায়গায় চলে গেল।”

কালীঘাট তৃণমূলের আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি বলেন, “পুলিশ কি চলতি রাজনৈতিক দলকে এভাবে তার লাইফলাইন বন্ধ করে পঙ্গু করতে পারে?”

অভিযোগকারীর আইনজীবী নীরজ কিষণ কল বলেন, “এই মামলার কি আদৌ গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে? ৫ জুন আপডেট দেখলে বোঝা যাবে কয়েকজন অফিস বেয়ারা নিয়োগ করেছে সেটা কি করা যায়? কে এই পার্টি কে রিপ্রেসেন্ট করছে।” বেআইনি ফান্ড নিয়ে এই অ্যাকাউন্টে জমা হয়েছে বলে আদালতে দাবি করেন তিনি। তাঁর প্রশ্ন, সেক্ষেত্রে পুলিশ যা করছে সেটা কি ভুল?

তখন তুষার মেহতা বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেসের দুজন প্রেসিডেন্ট দাবি করছেন, তারাই এই দলের দাবিদার। কে ব্যবহার করবে এই অ্যাকাউন্ট?” সেক্ষেত্রে তিনি আদালতের কাছে আর্জি জানান, এখন কোনও অ্যাকাউন্টই যাতে ব্যবহার করতে না দেওয়া হয়। এরপরই ব্যাঙ্কের কাছে হলফনামা তলব করা হয়েছে।


 সুপ্রিম কোর্ট এ-ও স্পষ্ট করেছে যে এই রায় এআই(AI) প্রযুক্তির বৈধ বা দায়িত্বশীল ব্যবহারের বিরুদ্ধে নয়। গবেষণা, তথ্য বিশ্লেষণ বা অন্যান্য কাজে এআই ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে এআই যদি ভুয়ো বা অস্তিত্বহীন তথ্য তৈরি করে, তা যাচাই না করে আদালতে ব্যবহার করা যাবে না।


আদালতে AI ব্যবহার নিয়ে 

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে কড়া অবস্থান সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। আদালতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করে তৈরি ভুয়ো বা অস্তিত্বহীন মামলার নজির (Precedent) কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। সাফ জানিয়েছিল শীর্ষ আদালত।

বৃহস্পতিবার একটি মামলার পর্যবেক্ষণে সুপ্রিম কোর্ট জানায়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)-তৈরি ভুয়ো বা ‘হ্যালুসিনেটেড’ তথ্যের ভিত্তিতে দেওয়া কোনও রায় আইনের চোখে বৈধ সিদ্ধান্ত হিসেবে গণ্য হবে না। এমনকী, বিচার প্রক্রিয়ায় সামান্যতম ভুয়ো তথ্যের প্রভাব থাকলেও সেই রায় বাতিল করা হতে পারে বলে স্পষ্ট করেছে দেশের শীর্ষ আদালত।


খোদ মমতার বিরুদ্ধেই অভিযোগ, সেই রাতে ল্যাবে তিলোত্তমার ভিসেরা স্যাম্পেলে কী মেশানো হয়? চাঞ্চল্যকর অভিযোগ EX ফরেন্সিক আধিকারিকের
Dankuni: শিশু কোলে মহিলাকে দেখেই বললেন 'কী চাই?', ততক্ষণে যা সর্বনাশ হওয়ার হয়ে গিয়েছে
বিচারপতি পি এস নরসিংহ এবং বিচারপতি অলোক আরাধের বেঞ্চ এসেল ইনফ্রাপ্রজেক্টস লিমিটেডের (Essel Infraprojects Ltd)-র দেউলিয়া সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানিতে এই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করে। মামলার নথি খতিয়ে দেখে আদালতের নজরে আসে যে ন্যাশনাল কোম্পানি ল ট্রাইব্যুনাল (NCLT)-এর রায়ে এমন একাধিক রায়ের নজিরের উল্লেখ করা হয়েছে, যেগুলির কোনও অস্তিত্বই নেই অথবা যেভাবে সেগুলিকে উদ্ধৃত করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভুল।

‘জিরো টলারেন্স’ বার্তা সুপ্রিম কোর্টের-
সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়েছে, আদালতে এআই (AI) দিয়ে তৈরি তথ্য ব্যবহার করা নিষিদ্ধ নয়, কিন্তু যাচাই না করে ভুয়ো তথ্যকে আদালতের কাছে প্রকৃত নজির হিসেবে পেশ করা বা তার উপর নির্ভর করা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। এই ধরনের ঘটনার ক্ষেত্রে আদালত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করবে।

আদালতের পর্যবেক্ষণ, কোনও আইনজীবী যদি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি রায় বা উদ্ধৃতি যাচাই না করেই আদালতে পেশ করেন, তবে তা পেশাগত অসদাচরণ বা মিসকনডাক্ট (Misconduct) বলে গণ্য করা হবে। একইভাবে কোনও বিচারক যদি সেই ভুয়ো তথ্যের উপর নির্ভর করে রায় দেন, সেটিও গুরুতর ত্রুটি হিসাবে ধরা হবে।

‘এক ফোঁটা ভুয়ো তথ্যও চলবে না’
সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ জানিয়েছে, বিচারপ্রক্রিয়ায় সামান্যতম ভুয়ো বা ‘হ্যালুসিনেটেড’ তথ্য ঢুকে পড়লেও বিচারব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই এমন তথ্যের ভিত্তিতে দেওয়া কোনও সিদ্ধান্ত আইনের দৃষ্টিতে নির্ভরযোগ্য হতে পারে না। আদালতের ভাষায়, বিচারব্যবস্থার সততা (Integrity) বজায় রাখতে বার এবং বেঞ্চ- উভয় পক্ষকেই সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

এআই ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা নয়, সতর্কবার্তা-
সুপ্রিম কোর্ট এ-ও স্পষ্ট করেছে যে এই রায় এআই(AI) প্রযুক্তির বৈধ বা দায়িত্বশীল ব্যবহারের বিরুদ্ধে নয়। গবেষণা, তথ্য বিশ্লেষণ বা অন্যান্য কাজে এআই ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে এআই যদি ভুয়ো বা অস্তিত্বহীন তথ্য তৈরি করে, তা যাচাই না করে আদালতে ব্যবহার করা যাবে না।

এনসিএলএটি (NCLAT)-এর ভূমিকাও প্রশ্নের মুখে-
ন্যাশনাল কোম্পানি ল অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনাল (NCLAT)-এর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের প্রশ্ন, ভুয়ো ও অস্তিত্বহীন রায়-গুলি কীভাবে আপিলের সময়ও ধরা পড়ল না? একই সঙ্গে বার কাউন্সিলকে এই ঘটনাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখে, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে শীর্ষ আদালত।

কী ছিল পুরো মামলা-
জম্মু ও কাশ্মীর ব্যাঙ্ক এসেল ইনফ্রাপ্রজেক্ট লিমিটেডের বিরুদ্ধে দেউলিয়া আইন (IBC)-এর ৭ নম্বর ধারায় আবেদন করেছিল। অভিযোগ ছিল, সংস্থাটি প্যান ইন্ডিয়া ইউটিলিটিস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডে (Pan India Utilities Distribution Company Ltd)-এর ঋণের জন্য কর্পোরেট গ্যারান্টি দিয়েছিল। ২০২৪ সালের ২৮ অগস্ট এনসিএলটি মুম্বই মামলাটি গ্রহণ করে। পরে সংস্থার সাসপেন্ডেড ডিরেক্টর পূজা রমেশ সিংহের পক্ষে উপস্থিত সিনিয়র অ্যাডভোকেট মাধবী দিবান দাবি করেন, ট্রাইব্যুনাল যে ছয়টি রায়ের উপর নির্ভর করেছে, তার কয়েকটির কোনও অস্তিত্বই নেই এবং কয়েকটি আবার মামলার সঙ্গে কোনওভাবেই প্রাসঙ্গিক নয়। এরপরই বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের নজরে আসে এবং এআই দিয়ে তৈরি ভুয়ো তথ্যের ব্যবহার নিয়ে কড়া অবস্থান নেয় সুপ্রিম কোর্ট।

 রেলের আইনজীবী ধীরজ ত্রিবেদী দাবি করেছেন, হকার উচ্ছেদ করতে কোনও নোটিস লাগে না। বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য বলেন, "কিন্তু আপনারা নোটিস দিয়েছেন। কোন কাঠামো উচ্ছেদ করা হবে, সেটা বলুন। নাহলে নোটিস খারিজ করব।"


কাঁচা-পাকা কাঠামো ভাগ করেছেন?' জানতে চাইল হাইকোর্ট, সব হকারের জন্য স্থগিতাদেশ


রেল ও অন্যান্য সরকারি জমি ব্যবহার করে ব্যবসা চালানোর অভিযোগ তুলে শহর তথা রাজ্যের একাধিক জায়গায় হকার উচ্ছেদ করা হয়েছে। বেআইনিভাবে ব্যবসা করার অভিযোগে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে হকারদের। বালিগঞ্জ, বামনগাছি, বারুইপুর, ডানকুনির মতো একাধিক জায়গার হকার উচ্ছেদ নিয়ে আগেই মামলা হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court)। আর এবার মধ্যমগ্রাম রেল স্টেশনে হকার উচ্ছেদে অন্তর্বতী স্থগিতাদেশ দিল হাইকোর্ট।


যাঁরা মামলা করেছেন, শুধুমাত্র তাঁদের উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ। আজ, বৃহস্পতিবার বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য ও বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্য ডিভিশন বেঞ্চে সেই মামলা উঠলে বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, আপাতত ওই স্টেশনের সবার জন্যই স্থগিতাদেশ প্রযোজ্য হবে। পরবর্তী শুনানির আগে পর্যন্ত লাগু থাকবে এই নির্দেশ।

জানালা দিয়ে হাত ঢুকিয়ে বলত...', অশীতিপর বৃদ্ধ সামনে আনলেন দেবরাজের আরও ঘৃ্ণ্য দিক


 কবে পেট্রোল-ডিজেলের দাম কমবে? অবশেষে উত্তরটা দিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী
রেলের আইনজীবী ধীরজ ত্রিবেদী দাবি করেছেন, হকার উচ্ছেদ করতে কোনও নোটিস লাগে না। বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য বলেন, “কিন্তু আপনারা নোটিস দিয়েছেন। কোন কাঠামো উচ্ছেদ করা হবে, সেটা বলুন। নাহলে নোটিস খারিজ করব।”

কারা লাইসেন্সপ্রাপ্ত, কারা নয়, কাদের কাঁচা কাঠামো, কাদের পাকা কাঠামো রয়েছে, সেগুলি ভাগ করা হয়েছে কি না, রেলের কাছে জানতে চান বিচারপতি। রেলের আইনজীবী প্রশ্ন তোলেন, যে ১৩ জন আদালতে এসেছে, তাদের ছাড় দেওয়া হয়েছে, তাহলে এখন সবার জন্য অর্ডার দেওয়ার কথা কেন বলা হচ্ছে? যত হকার আছে সবাইয়ের ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া অসম্ভব বলে দাবি করেন তিনি।

বিচারপতি বলেন, “আপনারা কাদের নোটিসের মধ্যে আনছেন? যদি বলেন আলাদা আলাদা করে প্রত্যেককে নোটিস দেবেন না, তাহলে একইসঙ্গে হকাররাও একইভাবে ওই স্থগিতাদেশ পাবেন।” এর আগে হকার সংক্রান্ত অপর একটি মামলায় হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, রেলকে উচ্ছেদের আগে বিকল্প জায়গা বেছে দিতে হবে

সৌগত পুরনো প্রসঙ্গ টেনে বলেন, "এর আগে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল, শুধুমাত্র স্বীকৃত প্রতিনিধিরাই ফুল বেঞ্চের সঙ্গে দেখা করতে পারে। সেক্ষেত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃণমূলের চেয়ারম্যান তো কোনও মিটিং চাননি, তাহলে ভেঙে যাওয়া বিক্ষুব্ধ তৃণমূলরা কীভাবে সাক্ষাতের সময় পেল?" 

দাবি তো বৈধ নই-ই, কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় পাওয়ারও যোগ্য নন ঋতব্রতরা! কীভাবে, বোঝালেন সৌগত

তৃণমূলের নাম এবং প্রতীকের আসল দাবিদার কারা? টানাপোড়েনের মাঝেই বৃহস্পতিবার দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠক করেন ঋতব্রতরা। কিন্তু তাঁদের বৈঠকের অনতিবিলম্ব পরই সাংবাদিক বৈঠকে করেন মমতাপন্থী সৌগত-সাগরিকা ঘোষরা। কেন ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলের দাবি আইনত বৈধ নয়, কীভাবেই বা তাঁরা নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গেও বৈঠক করার অনুমতি পেলেন- এ সব নিয়ে বিস্তর প্রশ্ন তুললেন তাঁরা। তাঁর প্রশ্ন, ” ভেঙে যাওয়া বিক্ষুব্ধ তৃণমূলরা কীভাবে সাক্ষাতের সময় পেল?”

প্রসঙ্গত, তৃণমূলের প্রতীক, তহবিল কার হাতে থাকবে, তা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠক করেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা। আর সেটা নিয়েই সাংবাদিক বৈঠক করেন মমতাপন্থী সাংসদরা। সৌগত বলেন, “আজকে একটা গোষ্ঠী দেখেছি, যারা তৃণমূল থেকে বেরিয়ে যাওয়া… যাদের নেতাকে তৃণমূল বহিষ্কার করেছিল, তারা নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠক করেছে।” কিন্তু এটা কীভাবে সম্ভব? সৌগত পুরনো প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “এর আগে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল, শুধুমাত্র স্বীকৃত প্রতিনিধিরাই ফুল বেঞ্চের সঙ্গে দেখা করতে পারে। সেক্ষেত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃণমূলের চেয়ারম্যান তো কোনও মিটিং চাননি, তাহলে ভেঙে যাওয়া বিক্ষুব্ধ তৃণমূলরা কীভাবে সাক্ষাতের সময় পেল?”


গানের রিয়েলিটি শো-র প্যানেলিস্টদের সঙ্গে কী ধরনের চ্যাট করতেন অদিতি মুন্সি? এবার বিস্ফোরক তথ্য এল সামনে
তাঁর দাবি, “আমরাই তো ঠিক করব, কে আমাদের দলের প্রতিনিধি, এতে জ্ঞানেশ কুমারের কোনও ভূমিকা নেই।” সাংবাদিক বৈঠকেই এক গুচ্ছ প্রশ্নের উত্থাপন করেন বর্ষীয়ান সাংসদ। তাঁর প্রশ্ন, যে কোনও লোককেই কমিশনের সাক্ষাতের সময় দিতে পারে? যে কোনও বিধায়ক গিয়ে তিন জন কমিশনের আধিকারিকের সঙ্গে দেখা করতে পারেন? এর আগে হয়েছে এরকম?

এদিকে আবার কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠকের পর ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, “ফুল বেঞ্চের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা হয়েছে । পার্টি চার্টার্ড ব্যুরোক্র্যাট হাইজ্যাক করেছিল। পার্টি পারিবারিক হয়ে গিয়েছিল। আসল তৃণমূল আমরাই।”

 
দুপুর সাড়ে ১২টায় বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত ও ১০ বিধায়ককের সময় দিয়েছিল কমিশন। সেই সময়েই পৌঁছে যান তাঁরা। বৈঠকের পর বেরিয়ে ঋতব্রত জানান, সম্প্রতি অরূপ রায়কে চেয়ারপার্সন করে যে কমিটি গঠন করা হয়েছে, সেই বিষয়ে এদিন কমিশনকে অবগত করেছেন বিধায়করা।

ফুল-বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠক করলেন ঋতব্রতরা, পরিবারবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের বার্তা বিরোধী দলনেতার
ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়


নির্ধারিত সময়ে দিল্লিতে জাতীয় কমিশনের দফতরে উপস্থিত হলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় (Ritabrata Banerjee), অরূপ রায় সহ ১০ বিধায়ক। ফুল বেঞ্চের সঙ্গে দেখা করে কমিটি গঠনের বিষয়ে কথা বললেন তাঁরা। দলীয় প্রতীক ও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নিয়ে আলাদা করে কোনও কথা বলার প্রয়োজন নেই বলেই উল্লেখ করেন তিনি।

এদিন দুপুর সাড়ে ১২টায় বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত ও ১০ বিধায়ককের সময় দিয়েছিল কমিশন। সেই সময়েই পৌঁছে যান তাঁরা। বৈঠকের পর বেরিয়ে ঋতব্রত জানান, সম্প্রতি অরূপ রায়কে চেয়ারপার্সন করে যে কমিটি গঠন করা হয়েছে, সেই বিষয়ে এদিন কমিশনকে অবগত করেছেন বিধায়করা। ঋতব্রত বলেন, “কমিশনের ফুল বেঞ্চ ধৈর্য ধরে আমাদের কথা শুনেছেন। সবটা খতিয়ে দেখে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন বলে জানিয়েছেন। আশা করি, খুব শীঘ্র আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে।”


 কবে পেট্রোল-ডিজেলের দাম কমবে? অবশেষে উত্তরটা দিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী
দলের প্রতীক বা ফান্ড সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে ঋতব্রত সাফ জবাব দেন, “আমরাই অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস। এই প্রশ্নটা আসছে কোথা থেকে?” একইসঙ্গে ঋতব্রত একাধিকবার দাবি করেন, এই দলে যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার, তা সমষ্টিগতভাবে নেওয়া হবে, কেউ একা নেবে না। তাঁর কথায়, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস যে দিনের পর দিন পরিবারতন্ত্রে পরিণত হয়েছে। সেই পরিবারতন্ত্রের বিরুদ্ধে লড়াই হবে। পরিবারতন্ত্র বাংলার মানুষ সমর্থন করে না।’

একইসঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নাম না করে কটাক্ষ করেন ঋতব্রত। তিনি বলেন, “দলের কাছে ৪ টাকা থাকলে, ১ টাকা খরচ হয়েছে চার্টার্ড বিমানে। যারা বালি চুরি করেছে, কয়লা চুরি করেছে, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত হওয়া উচিৎ।”

কেন প্রকৃত তৃণমূল কংগ্রেসের মান্যতা দেওয়া হবে সেই প্রসঙ্গে নিজেদের সমর্থনে তথ্য দিয়ে নোটিসের জবাব দিতে হবে। ৬ জুলাই, আগামী সোমবার, বিকেল সাড়ে পাঁচটার মধ্যে দুই পক্ষকেই নোটিসের জবাব জমা দিতে হবে দুই পক্ষকেই।


 তৃণমূল তুমি কার? মমতা-ঋতব্রত, দুই পক্ষকেই নোটিস ধরিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন
রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর চলছে


 কে আসল, কেই বা নকল, তা নিয়ে টানাপোড়েনের অন্ত নেই। বিধানসভায় বিরোধী শিবিরের তকমা জুটেছে ঋতব্রতপন্থী তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়কদের। অন্যদিকে ছেড়ে কথা বলতে নারাজ মমতাপন্থী কালীঘাট তৃণমলের বিধায়করাও। রোজই চলছে কাদা ছোড়াছুড়ি। টানাটানি চলছে প্রতীক নিয়েও। আড়াআড়ি ভাগ একুশে জুলাই নিয়েও। এবার শেষ পর্যন্ত তৃণমূলের অধিকার নিয়ে মমতা এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, দুই পক্ষকেই নোটিস দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। তা নিয়েই শুরু হয়েছে নতুন চর্চা। 

কী বলছে কমিশন? 
কেন প্রকৃত তৃণমূল কংগ্রেসের মান্যতা দেওয়া হবে সেই প্রসঙ্গে নিজেদের সমর্থনে তথ্য দিয়ে নোটিসের জবাব দিতে হবে। ৬ জুলাই, আগামী সোমবার, বিকেল সাড়ে পাঁচটার মধ্যে দুই পক্ষকেই নোটিসের জবাব জমা দিতে হবে দুই পক্ষকেই। 


কবে পেট্রোল-ডিজেলের দাম কমবে? অবশেষে উত্তরটা দিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী
অন্যদিকে সাম্প্রতিক, কালে তৃণমূলের ন্যাশনাল ওয়ার্কিং কমিটি নিয়েও জট ক্রমেই বেড়েছে। প্রশ্ন উঠেছে বৈধতা নিয়ে। এই আবহে ঋতব্রত শিবিরের বক্তব্য, ২০২৫ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে পুরনো ওয়ার্কিং কমিটির মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। তারপর আর কোনও অভ্যন্তরীণ নির্বাচন হয়নি। অপরদিকে মমতা শিবিরের বক্তব্য, ২০২৬ এর ফেব্রুয়ারি মাসে তাঁরা কমিটির তালিকা পাঠিয়ে দিয়েছেন। ফলে বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন থাকার কথা নয়। এখন এর মূলেই যেতে চাইছে কমিশন। 

এদিকে নির্বাচন কমিশনের নিয়ম বলছে, প্রতিটা রাজনৈতিক দলকে একজন ব্যক্তিকে রাখতে হয় যিনি কমিশনের সঙ্গে দলের হয়ে ‘অফিসিয়ালি’ কথা বলেন। যিনি পার্টির বিষয়ে সিদ্ধান্তের কথাও জানাতে পারেন, একইসঙ্গে যার সাক্ষর নির্বাচন কমিশনে বৈধ হিসাবে গণ্য হবে। এই জটিলতার আবহে তৃণমূলের তরফে সেই অধিকার কার কাছে থাকছে তা নিয়েও চলছে চাপানউতোর। অন্যদিকে কালীঘাট তৃণমূল সূত্রে খবর এতদিন সাংগঠনিক ক্ষেত্রে এই সই করতেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আর প্রার্থীদের মনোনয়নের ক্ষেত্রে সই করতেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 

 বিশেষ জোর নারী নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও। ৫০০ থানায় চালু মহিলা হেল্প ডেস্ক। চালু দুর্গা স্কোয়াডও। ২১৩টি নতুন মোটরসাইকেল দেওয়া হচ্ছে মহিলা পুলিশদের। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “নির্ভয়ার ঘটনা থেকে তিলোত্তমার ঘটনা পর্যন্ত আমরা যে তিক্ত অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছি তা মাথায় রেখে আমরা আমাদের রাজ্যের নারী-কন্যাদের সুরক্ষা প্রদান করব।”


 পুলিশকে মনের মতো সাজালেন শুভেন্দু, এবার কী কী করবে?
কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

সাইবার অবরাধ মোকাবিলায় জোর বিজেপি সরকারের। জোর নারী নিরাপত্তাতেও। আজ থেকেই পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটা থানায় চালু সাইবার হেল্পডেস্ক। শুরু হচ্ছে সাইবার হেল্পলাইন। চালু করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সাংবাদিক বৈঠক থেকে খানিক উদ্বেগের সঙ্গেই বললেন, “সাইবার অপরাধ কার্যত মহামারির আকার ধারণ করেছে। সামাজিক প্রকল্পে যাঁরা ফর্ম ফিলাপ করছেন, অ্যাকাউন্ট নম্বর দিচ্ছেন সেটা জানতে পেরে সেই সমস্ত প্রান্তিক মানুষদের কাছ থেকে, তাঁদের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা গায়েব হয়ে যাচ্ছে।” 

সাইবার অপরাধ দমনে বড় পদক্ষেপ
অন্যদিকে আগামীতে সাইবার অপরাধ দমনে যে রাজ্য আলাদা করে একগুচ্ছ পদক্ষেপ নিতে চলেছে তাও এদিন জানান শুভেন্দু। জোরালো সাওয়াল গোল্ডেন আওয়ারেই সমাধানের পক্ষে। বলেন, “বিভিন্ন দফতরে যেমন উচ্চপদের এডিজি, আইজি লেভেলের আধিকারিকরা রয়েছেন তেমনই সাইবারের ক্ষেত্রে এই ধরনের সিনিয়র আধিকারিকদের এক্সক্লুসিভভাবে দিতে চলেছি। তিনি পুরো রাজ্যে সাইবার হেল্পডেস্ক, সাইবার পুলিশ স্টেশন এগুলো করবেন ভারত সরকারের স্বরাষ্ট্র দফতরের সঙ্গে সমণ্বয় রেখে।”  


গানের রিয়েলিটি শো-র প্যানেলিস্টদের সঙ্গে কী ধরনের চ্যাট করতেন অদিতি মুন্সি? এবার বিস্ফোরক তথ্য এল সামনে

সৌরভ মাধ্যমিকে কত নম্বর পেয়েছিলেন জানেন?
Petrol-Diesel Price: কবে পেট্রোল-ডিজেলের দাম কমবে? অবশেষে উত্তরটা দিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী
একইসঙ্গে বিশেষ জোর নারী নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও। ৫০০ থানায় চালু মহিলা হেল্প ডেস্ক। চালু দুর্গা স্কোয়াডও। ২১৩টি নতুন মোটরসাইকেল দেওয়া হচ্ছে মহিলা পুলিশদের। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “নির্ভয়ার ঘটনা থেকে তিলোত্তমার ঘটনা পর্যন্ত আমরা যে তিক্ত অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছি তা মাথায় রেখে আমরা আমাদের রাজ্যের নারী-কন্যাদের সুরক্ষা প্রদান করব। তার জন্য সরকার জিরো টলারেন্স নীতিতে চলবে।”  

কী বললেন পুলিশকে নিয়ে? 
বড় বার্তা দেন পুলিশের উদ্দেশ্যেও। অপরাধ দমনে আগের সরকারের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, “কোনও অভিযোগ এলে লুকানোর দরকার নেই। নথিভুক্ত করুন। এফআইআর করুন। ভারত সরকারের স্বরাষ্ট্র দফতর যে ধরনের তথ্য বিভিন্ন ক্রাইমের ক্ষেত্রে বিশেষ করে মহিলা ও শিশু সংক্রান্ত অভিযোগের যে সমস্ত তথ্য চায় বিগত দিনে আমাদের সরকার পাঠায়নি। আমরা যেন এবার কোনওভাবে একটা সংখ্যাও কম না পাঠাই! আমরা যদি বুঝতে পারি আমাদের রাজ্য়ে কোন ধরনের রোগ বেশি হচ্ছে তাহলে আমরা সঠিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করব। সেই ব্যধিকে আড়াল করলে ব্যধি বাড়বে।”  

অন্যদিকে অ্যাকশন নেওয়া, পুলিশি তৎপরতা আরও বাড়ানোর পক্ষেও জোরালো সওয়াল করেন শুভেন্দু। অনেক ক্ষেত্রে এমন অনেক ঘটনা ঘটে যেখানে পুলিশকে অন দ্য স্পষ্ট সিদ্ধান্ত নিতে হয়। সে ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা পুলিশের থাকা উচিত বলেই মত শুভেন্দুর। বলেন, “আমি ডিজিপকে বলেছি ১১২ পরিষেবা আমাদের রাজ্যে চালু করুন। গুজরাট, মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশে গড়ে ৬ মিনিটে পুলিশ পৌঁছায়। পশ্চিমবঙ্গে এই গড় ৩ ঘণ্টা। আগামী বাজেটে আরও গাড়ি দেওয়া হবে পুলিশ। আগামী ১ বছরের মধ্যে অন্য রাজ্য যদি ৬ মিনিটে পৌঁছায় আমরা ৫ মিনিটে পৌঁছাতে পারব। এটাই আমাদের লক্ষ্য থাকা উচিত।”  


এবার নিট (NEET), জেইই (JEE)-র মতো কোর্সে শুধু প্রবেশিকা পরীক্ষায় (Entrance) প্রাপ্ত নম্বরই নয়, মাধ্যমিক বা উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাওয়া নম্বরেরও ৫০ শতাংশ গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে। সূত্রের খবর এমনটাই। একটি মাত্র পরীক্ষার উপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমাতেই এই প্রস্তাব বিবেচনা করা হচ্ছে।

এবার শুধু প্রবেশিকা নয়, উচ্চ মাধ্যমিকের রেজাল্টেরও প্রয়োজন ডাক্তারি-ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অ্যাডমিশনে
ফাইল চিত্র।


শিক্ষা ব্যবস্থায় আসছে বড় বদল। এবার নিট (NEET), জেইই (JEE)-র মতো কোর্সে শুধু প্রবেশিকা পরীক্ষায় (Entrance) প্রাপ্ত নম্বরই নয়, মাধ্যমিক বা উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাওয়া নম্বরেরও ৫০ শতাংশ গুরুত্ব (50 Percent Weightage) দেওয়া হতে পারে। সূত্রের খবর এমনটাই। একটি মাত্র পরীক্ষার উপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমাতেই এই প্রস্তাব বিবেচনা করা হচ্ছে।


সহজভাবে বলতে গেলে, মেডিক্যাল ও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তির প্রবেশিকা পরীক্ষা (NEET, JEE) হোক বা বোর্ড পরীক্ষা- কোনও একটি নম্বরকে একমাত্র নির্ধারক না রেখে, প্রবেশিকা ও বোর্ড পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে ভর্তি প্রক্রিয়া পরিচালনার ভাবনা করা হচ্ছে।



অন্নপূর্ণা যোজনার ১২ পাতার ফর্ম যাঁরা পূরণ করেছেন, তাঁরা বড় সুযোগ পেতে চলেছেন, ঘোষণা শুভেন্দুর
Debraj Chakraborty: 'জানালা দিয়ে হাত ঢুকিয়ে বলত...', অশীতিপর বৃদ্ধ সামনে আনলেন দেবরাজের আরও ঘৃ্ণ্য দিক
বড় বড় পরীক্ষাগুলিতে একাধিক ব্যবস্থাপনায় গলদ, প্রশ্নপত্র ফাঁসের পরই দেশের পরীক্ষা ব্যবস্থা বা সিস্টেম নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এরপরই এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার চিন্তাভাবনা।

সূত্রের খবর, “কোনও কোর্সে ভর্তিতে বোর্ড পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ৫০ শতাংশও গুরুত্ব দেওয়ার চিন্তা করা হচ্ছে, যাতে স্কুলের পাঠক্রমও প্রবেশিকা পরীক্ষার অংশ হয়। প্রবেশিকা পরীক্ষার ক্ষেত্রে কোচিং সেন্টার, একাধিকবার প্রচেষ্টার উপরে নির্ভরশীলতা কমাতে এবং কম্পিউটার ভিত্তিক পরীক্ষার দিকে ধীরে ধীরে স্থানান্তরিত হওয়ার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ।”

বর্তমানে মেডিক্যাল ও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তি প্রবেশিকা পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে হয়। প্রার্থীদের বোর্ড পরীক্ষায় ন্যূনতম একটি শতাংশ নম্বর পেতে হয়, প্রবেশিকা পরীক্ষায় বসার জন্য।

গত বছর শিক্ষা মন্ত্রকের নয় সদস্যের কমিটি তৈরি করা হয়েছিল পড়ুয়াদের কোচিং সেন্টারের উপরে নির্ভরশীলতা কতটা, তা পরীক্ষা করার জন্য এবং এই ধরনের পরীক্ষায় যাতে স্বচ্ছতা বজায় থাকে, তা নিশ্চিত করতে।

জানা গিয়েছে, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এই প্য়ানেল কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা করতে পারে। এই কমিটি প্রবেশিকা পরীক্ষাকে স্কুলের সিলেবাসের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতেও সুপারিশ করেছে।

আজ কাকদ্বীপ বিধানসভার কাকদ্বীপ বাস স্ট্যান্ড প্রাঙ্গণে ভারতীয় জনতা পার্টির যুব মোর্চার উদ্যোগে একটি বাজেট আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। 

সভায় কেন্দ্রীয় বাজেটের বিভিন্ন দিক, যুবসমাজের জন্য ঘোষিত বিভিন্ন প্রকল্প, কর্মসংস্থান, পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
সভায় বিজেপি যুব মোর্চার জেলা ও স্থানীয় নেতৃত্বসহ দলের কর্মী-সমর্থকেরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা কেন্দ্রীয় বাজেটের বিভিন্ন ইতিবাচক দিক তুলে ধরেন এবং সাধারণ মানুষের কাছে বাজেটের সুফল পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি উপস্থিত কর্মীদের আগামী দিনে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার বার্তাও দেওয়া হয়।

এই বাজেট আলোচনা সভাকে ঘিরে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।


কাকদ্বীপ থেকে সৌম্য সুন্দর দাস এর সাথে বাপ্পা রুহি দাস এর রিপোর্ট কাকদ্বীপ ডট কম।