WEATHER

Top News


শুধু অভিষেক নন, রিতেশ এদিন সঞ্জয় দত্তর কথাও বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন। সঞ্জয় এই ছবিতে ‘আফজল খাঁ’-র চরিত্রে অভিনয় করছেন। সঞ্জয় জানান, তাঁদের দুই পরিবারের সম্পর্ক বহু দশকের। রিতেশের বাবা বিলাসরাও দেশমুখের সঙ্গে সুনীল দত্তর গভীর বন্ধুত্ব ছিল। সেই পারিবারিক টানেই রিতেশের ডাকে না বলতে পারেননি সঞ্জয়।
কেন ভরা মঞ্চে অভিষেকের জন্য কেঁদে ভাসালেন রিতেশ- জেনেলিয়া?


রিতেশ দেশমুখ আর নিজেকে সামলাতে পারেননি।


মঞ্চে তখন উপচে পড়া ভিড়। ঝলমল করছে ক্যামেরার ফ্ল্যাশ। উপলক্ষ ছিল রিতেশ দেশমুখের বহু প্রতীক্ষিত ছবি ‘রাজা শিবাজি’-র ট্রেলার লঞ্চ। কিন্তু হঠাৎই বদলে গেল গোটা পরিবেশ। মারাঠা বীর ছত্রপতি শিবাজি মহারাজের ভূমিকায় অভিনয় করা রিতেশ আর আবেগ ধরে রাখতে পারলেন না। ভরা মজলিশে কার্যত ভেঙে পড়লেন কান্নায়। পাশে দাঁড়িয়ে স্ত্রী জেনেলিয়াও তখন চোখের জল মুছছেন। কিন্তু কেন এমন পরিস্থিতি হল? নেপথ্যে কি তবে অভিষেক বচ্চন?


আসলে এই কান্নার জল দুঃখের নয়, এ হল চরম প্রাপ্তি আর কৃতজ্ঞতার। রিতেশ এদিন জানিয়েছেন, ২০১৬ সাল থেকে তিনি এই সিনেমাটি বানানোর স্বপ্ন দেখছেন। কিন্তু বারবার বাধা এসেছে। কখনও পরিস্থিতি সঙ্গ দেয়নি, কখনও আবার অতিমারি থমকে দিয়েছে সবটা। রিতেশের কথায়, “মনে হচ্ছিল মহারাজ নিজেই আমাকে বলছেন, একটু অপেক্ষা করো, এখন সঠিক সময় নয়।” অবশেষে ২০২৩ সালে সবুজ সংকেত মেলে।


মা-বাবার কোটি টাকার সম্পত্তি, জানেন অক্ষয়-টুইঙ্কলের ছেলে কত টাকা স্যালারির চাকরি করেন?
আর এই দীর্ঘ লড়াইয়ে রিতেশের সবথেকে বড় স্তম্ভ হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন তাঁর প্রিয় ‘অভিষেক ভাইয়া’। রিতেশ এদিন মঞ্চে দাঁড়িয়েই অভিষেক বচ্চনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। তিনি জানান, এই ছবির জন্য যখন তিনি অভিষেককে প্রস্তাব দেন, জুনিয়র বচ্চন একটিবারও পালটা প্রশ্ন করেননি। বড় দাদার মতো নিঃস্বার্থভাবে রিতেশের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন তিনি। অভিষেকের এই অকুন্ঠ সমর্থন আর ভালোবাসাতেই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন রিতেশ।


শুধু অভিষেক নন, রিতেশ এদিন সঞ্জয় দত্তর কথাও বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন। সঞ্জয় এই ছবিতে ‘আফজল খাঁ’-র চরিত্রে অভিনয় করছেন। সঞ্জয় জানান, তাঁদের দুই পরিবারের সম্পর্ক বহু দশকের। রিতেশের বাবা বিলাসরাও দেশমুখের সঙ্গে সুনীল দত্তর গভীর বন্ধুত্ব ছিল। সেই পারিবারিক টানেই রিতেশের ডাকে না বলতে পারেননি সঞ্জয়। অভিষেক বচ্চনও এদিন আবেগঘন গলায় বলেন, “রিতেশ আমার ছোট ভাইয়ের মতো। ও কিছু চাইলে আমি আসব না, এটা সম্ভবই নয়।” প্রিয় বন্ধুদের এমন ভালোবাসা আর ১০ বছরের লালিত স্বপ্ন সার্থক হতে দেখে অভিনেতা রিতেশ দেশমুখ আর নিজেকে সামলাতে পারেননি।

জেনেলিয়া এবং রিতেশ দুজনেই এদিন জানান, স্বপ্ন দেখা সহজ, কিন্তু সেই স্বপ্নপূরণের লড়াইয়ে কাউকে পাশে পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার। মারাঠি ও হিন্দি ভাষায় তৈরি এই বিগ বাজেট ছবি মুক্তি পেতে চলেছে আগামী ১ মে, ২০২৬-এ। এখন দেখার, রিতেশের এই পরিশ্রম পর্দায় কতটা জাদু তৈরি করে।

সোমবার রাতে হোসেন শাহ রোডে বিজেপি প্রার্থী রাকেশ সিং-এর সভা ছিল। অভিযোগ, সভা চলাকালীন বিজেপির উদ্দেশে স্লোগান দিতে শুরু করেন বেশ কয়েকজন ব্যক্তি। বিজেপির অভিযোগ, ওই ব্যক্তিরা আসলে তৃণমূল আশ্রিত গুন্ডা। পাল্টা স্লোগান দিতে শুরু করে বিজেপিও। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়।

রাকেশ সিং-এর সভাকে ঘিরে তুলকালাম, তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে উত্তপ্ত একবালপুর, ঝড়ল রক্তও!
একবালপুরে উত্তেজনা

 ভোটের মুখে উত্তপ্ত কলকাতার একবালপুর। বিজেপির সভা ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল। সোমবার রাতে হোসেন শাহ রোডে বিজেপি প্রার্থী রাকেশ সিং-এর সমর্থনে একটি সভার আয়োজন করা হয়েছিল। সেই সভা ঘিরেই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে তৃণমূল ও বিজেপি। একবালপুর থানার সামনে বিক্ষোভ দেখায় দুই পক্ষই। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে লাঠিচার্জও করে পুলিশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়।


তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ

 'এরা আবার ভোটে জিতলে...', গোপন ডেরা থেকে মমতার জন্য বার্তা দিলেন জীবন সিংহ
সোমবার রাতে হোসেন শাহ রোডে বিজেপি প্রার্থী রাকেশ সিং-এর সভা ছিল। অভিযোগ, সভা চলাকালীন বিজেপির উদ্দেশে স্লোগান দিতে শুরু করেন বেশ কয়েকজন ব্যক্তি। বিজেপির অভিযোগ, ওই ব্যক্তিরা আসলে তৃণমূল আশ্রিত গুন্ডা। পাল্টা স্লোগান দিতে শুরু করে বিজেপিও। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ, বিজেপি কর্মীদের মারধর করা হয়েছে। এক মহিলা বিজেপি কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন।


একবালপুর থানার সামনে বিক্ষোভ

যখন এই ঘটনা ঘটে, তখন সেখানে উপস্থিত ছিলেন না রাকেশ সিং। অন্য জায়গায় সভা চলছিল তাঁর। এমনই দাবি করেছেন তিনি। পরে বিজেপি প্রার্থী সেখানে পৌঁছলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। গোটা ঘটনায় পুলিশি নিস্ক্রয়তার অভিযোগ তোলেন তিনি। এরপরই তাঁর নেতৃত্বে একবাল থানায় পৌঁছন বিজেপি কর্মীরা। থানার সামনেই অবস্থান-বিক্ষোভে বসেন তাঁরা। রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখান রাকেশ সিং। এদিকে, থানার সামনে জড়ো হয় তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরাও। একবালপুর থানা ঘিরে তাঁরাও বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। ফলে, একবালপুর থানার সামনে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। হাতাহাতিতেও জড়িয়ে পড়ে দুই পক্ষ। পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যায়। তারপরই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ।

ঘটনায় এক বিজেপি মহিলা কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন বলে খবর। এছাড়া, রাকেশ সিং-এর মেয়েও আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন রাকেশ সিংও।

রাকেশ সিং বলেন, “অনুমতি নিয়েই হাসন শাহ রোডে আমার একটা সভা হচ্ছিল। ওখানেই চার-পাঁচজন ব্যক্তি ঝামেলা করে। খবর পেয়েই আমি পুলিশকে জানাই। কিন্তু কোনও কাজ হয়নি। বরং পুলিশের উপস্থিতিতেই আমাদের মা-বোন ও বিজেপি কর্মীদের মারধর করা হয়। সব সিসিটিভি ফুটেজে রয়েছে। পরে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। ওদের ছাড়ানোর জন্য তৃণমূলের লোকেরা এসে ঝামেলা করছে।”

তৃণমূল কর্মী বলেন, “বিজেপির একটা সভা ছিল হুসেন শাহ রোডে। সভা চলাকালীন কোনও এক ব্যক্তি সেখানে আপত্তিজনক কথাবার্তা বলেন। ওই কথা বলার পর এলাকার কয়েকজন মানুষ প্রতিবাদ জানান। উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরবর্তীকালে সেখানে রাকেশ সিং উপস্থিত হয়। গালিগালাজ করে।”
এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করেছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে মহম্মদ বাকের গালিবফ বলেন, ওয়াশিংটন এই আলোচনাকে আত্মসমর্পণের টেবিলে পরিণত করার চেষ্টা করছে। সতর্ক করে দিয়েছেন, হামলার তীব্রতা বাড়লে ইরান নয়া পরিকল্পনায় এবার হামলা করার প্রস্তুতি নেবে।

হুমকি ও চাপের মধ্যে আলোচনা নয়, কড়া অবস্থান ইরানের, শান্তি বৈঠক কি বিশবাঁও জলে?
মোজ়তবা খামেনেই

আমেরিকা বলছে আমরা আলোচনা চাই। কিন্তু, ইরান তা চাইছে না। শান্তিচুক্তি নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করছে না তেহরান। সত্যিই কি তাই? এবার ইরানের তরফে বিবৃতি আসতেই তা কিছুটা স্পষ্ট হয়ে গেলে। তেহরানের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, তারা কোনও রকম শান্তি বৈঠকে বসতে রাজি নন। তেহরান জানিয়েছে, চাপের মুখে কোনও আলোচনা করবে না।


কী বলছে ইরান?



আর বাংলায় থাকতে পারব না...', মিঠুনের মুখে 'বড় ষড়যন্ত্রে'র কথা
আজ সন্ধেবেলাতেই ইরান-আমেরিকার সংঘর্ষবিরতি শেষ হচ্ছে। এদিকে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, কোনও চুক্তি ছাড়া সংঘর্ষবিরতি শেষ হলে ভয়ঙ্কর পরিণতি হতে চলেছে ইরানের। মুহুর্মুহু বোমা বিস্ফোরণের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। ট্রাম্পের এই হুঁশিয়ারির পরই ইরান তাদের কড়া অবস্থান স্পষ্ট করে। এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করেছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে মহম্মদ বাকের গালিবফ বলেন, ওয়াশিংটন এই আলোচনাকে আত্মসমর্পণের টেবিলে পরিণত করার চেষ্টা করছে। সতর্ক করে দিয়েছেন, হামলার তীব্রতা বাড়লে ইরান নয়া পরিকল্পনায় এবার হামলা করার প্রস্তুতি নেবে।


ইরান-আমেরিকার শান্তি বৈঠক

এদিকে, ইরান-আমেরিকার মধ্যে শান্তি-বৈঠক নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ট্রাম্প জানিয়ে দিয়েছেন, আলোচনার প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই ইসলামাবাদের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন জেডি ভান্সের নেতৃত্বে একটি দল। সেই দলে রয়েছেন, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স,বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনারসহ আরও বেশ কয়েকজন। যদিও, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, আজ ইসলামাবাদের উদ্দেশে রওনা দেবে জেডি ভান্সের নেতৃত্বে আমেরিকার প্রতিনিধি দল। কিন্তু, ইরান এদিকে জানিয়ে দিয়েছে তারা বৈঠকে থাকবে না। শেষপর্যন্ত কী হয়, ইরান যোগ দেয় কি না, যোগ না দিলেও বা কী হতে চলেছে, সেদিকেও নজর থাকবে।

কেন ইরান আলোচনায় বসতে চাইছে না?

নতুন করে ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি তো অবশ্যই একটা কারণ। এছাড়া একাধিক কারণ উঠে আসছে। আরও একটা কারণ হল আমেরিকাকে বিশ্বাস করতে পারছে না ইরান। ভরসা পাচ্ছে না। সাম্প্রতিক মার্কিন কর্মকাণ্ডের কথা উল্লেখ করে বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে ইরান। পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী ইশাকদারের সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছে ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির। তিনি জানিয়েছেন, ওয়াশিংটনের উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ড এবং বারবার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন আলোচনায় প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

 

দুই দেশের চুক্তির বিষয়ে, আলোচনায় ইরান যোগ দেবে কি না প্রশ্ন করা হলে বলেন, "আমি জানি না। মানে, তাদের সেখানে থাকার কথা। আমরাও সেখানে(শান্তি আলোচনায়) থাকতে রাজি হয়েছিলাম। যদিও তারা বলছে আমরা রাজি হইনি। কিন্তু এটা ঠিক নয়।"

চুক্তি ছাড়া সংঘর্ষবিরতি শেষ হলেই বিস্ফোরণ! ইরান উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ট্রাম্পের
ডোনাল্ড ট্রাম্প

 অনিশ্চয়তা। উদ্বেগ। আতঙ্ক। বিশ্বজুড়ে বিশেষ করে পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতিটা ঠিক এরকমই। ইরান-আমেরিকার মধ্যে যুদ্ধ আবহে ঘুম উড়েছে বাকি দেশগুলির। বিশ্ববাণিজ্যে বড় প্রভাব পড়েছে। একাধিক পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে। এদিকে, আশঙ্কার মেঘ কাটার কোনও লক্ষণ নেই। যুদ্ধ থামানোর কোনও সদিচ্ছা ইরান বা আমেরিকার আছে বলে তো মনে করছেন না বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাতে উলুখাগড়ার প্রাণ গেলেও কোনও সমস্যা নেই। আজই দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি শেষ হচ্ছে। এদিকে, দুই দেশের মধ্যে শান্তি চুক্তি নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তারই মধ্যে ফের ইরানে তীব্র হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।


বোমা বিস্ফোরণের হুঁশিয়ারি



আজ, অর্থাৎ মঙ্গলবার সন্ধে নাগাদ দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষবিরতির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। এরপর কী হবে? এই বিষয়ে এক সংবাদমাধ্যমের তরফে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন,”সংঘর্ষবিরতি শেষ হলেই বোমা বিস্ফোরণ হবে।” দুই দেশের চুক্তির বিষয়ে, আলোচনায় ইরান যোগ দেবে কি না প্রশ্ন করা হলে বলেন, “আমি জানি না। মানে, তাদের সেখানে থাকার কথা। আমরাও সেখানে(শান্তি আলোচনায়) থাকতে রাজি হয়েছিলাম। যদিও তারা বলছে আমরা রাজি হইনি। কিন্তু এটা ঠিক নয়। আয়োজন করা হয়েছে। আমরা দেখব তারা আসে কি না। যদি তারা না আসে, সেটাও ঠিক আছে।” অর্থাৎ ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারি, চুক্তি ছাড়া সংঘর্ষবিরতি শেষ হলে ভয়ঙ্কর পরিণতি হতে চলেছে।


পরমাণু শর্ত নিয়ে কী বলছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প?

ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও মনে করে দিয়েছেন পরমাণু-শর্ত নিয়ে আমেরিকার অবস্থান একই আছে। ট্রাম্প বলেন,”কোনও পারমাণবিক অস্ত্র নয়। খুবই সহজ। ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র থাকতে পারে না।”

এদিকে, ইরানের সঙ্গে দ্বিতীয় দফায় আলোচনা করতে রাজি আমেরিকা। ইসলামাবাদে সেই প্রস্তুতিও নেওয়া শুরু হয়েছে বলে খবর। আবারও জেডি ভান্সের নেতৃত্বেই পাকিস্তানে যাবে আমেরিকার প্রতিনিধি দল। যদিও,ট্রাম্প আগে বলেছিলেন যে,জেডি ভান্স পাকিস্তানে যাবেন না। কিন্তু,তিনি নিশ্চিত করেছেন যে ভাইস প্রেসিডেন্টই প্রতিনিধিদলকে নেতৃত্ব দেবেন। ট্রাম্প জানিয়েছেন, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স,বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনারসহ একটি উচ্চ-পর্যায়ের মার্কিন প্রতিনিধিদল পরবর্তী দফার আলোচনার জন্য ইতিমধ্যেই ইসলামাবাদের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। এদিকে, শান্তি বৈঠক নিয়ে ইরানের তরফে কোনও আগ্রহ প্রকাশ করা হয়নি।


এসআইআর মামলার একটি শুনানিতে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ভোটের মার্জিন আর বাতিল হওয়া ভোটারের সংখ্যার ফারাক মনে করিয়ে দেন। বলেন, "যদি ১০ শতাংশ ভোটের মার্জিনে কেউ জয়ী হন, আর ১০ শতাংশ ভোটার ভোট দিতে না পারেন, তাহলে কী হবে? যদি জয়ের মার্জিন ২ শতাংশ হয়, আর ১৫ শতাংশ ম্যাপড ভোটার ভোটই না দিতে পারেন, তাহলে অবশ্যই আমরা বিষয়টায় নজর দেব।”


যদি সত্যিই মার্জিন ২ শতাংশ আর ডিলিটেড ভোটার ১৫ শতাংশ হয়, কী হবে? কী বলছেন আইনজীবীরা
আইনজীবীরা কী বলছেন


একসঙ্গে ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এসআইআর প্রক্রিয়ার ঘোষণা করেছিল নির্বাচন কমিশন। সেই ঘোষণার ৬ মাস দেখা গেল, সব জায়গায় এসআইআর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেও পশ্চিমবঙ্গে জটিলতা রয়েই গিয়েছে। লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি, সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট পেরিয়ে এখন জট গিয়েছে ট্রাইব্যুনালে। তালিকায় নাম ওঠাটাই বড় কথা নয়, প্রশ্ন উঠেছে ভোটাধিকার নিয়ে। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী প্রশ্ন তুলেছেন ভোটের মার্জিন নিয়েও।



আর বাংলায় থাকতে পারব না...', মিঠুনের মুখে 'বড় ষড়যন্ত্রে'র কথা
পশ্চিমবঙ্গে মোট প্রায় ৯০ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। ৩৪ লক্ষ ভোটার নাম তোলার জন্য আবেদন জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালে। ২৩ ও ২৯ এপ্রিলের ভোটের আগে এতজন ভোটারের নামের নিষ্পত্তি হওয়া কার্যত অসম্ভব। সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর মামলার শুনানিতে বারবার প্রশ্ন উঠেছিল, নাম নিষ্পত্তি হলে কি ভোট দেওয়া সম্ভব? অবশেষে সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদ অনুসারে নিষ্পত্তি হলে ভোটার তালিকায় নাম তোলার অনুমতি দিয়েছে শীর্ষ আদালত।


‘ভোটের মার্জিনের থেকে বাতিল ভোটারের সংখ্যা বেশি হলে…’
এসআইআর মামলার একটি শুনানিতে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ভোটের মার্জিন আর বাতিল হওয়া ভোটারের সংখ্যার ফারাক মনে করিয়ে দেন। বলেন, “যদি ১০ শতাংশ ভোটের মার্জিনে কেউ জয়ী হন, আর ১০ শতাংশ ভোটার ভোট দিতে না পারেন, তাহলে কী হবে? যদি জয়ের মার্জিন ২ শতাংশ হয়, আর ১৫ শতাংশ ম্যাপড ভোটার ভোটই না দিতে পারেন, তাহলে অবশ্যই আমরা বিষয়টায় নজর দেব।” কমিশনের উদ্দেশে বিচারপতি বলেন, “যদি কোনও সচেতন ভোটারের নাম লিস্টে না থাকে, তাহলেও তাঁর কথা ভুলে গেলে চলবে না।”

বিচারপতি বাগচীর এই তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য কী বার্তা দিল? যদি সত্যিই এমন কিছু ঘটে তাহলে কি সুপ্রিম কোর্ট হস্তক্ষেপ করবে? এই একটা বার্তা কি সব রাজনৈতিক দলের উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠল?

কী হতে পারে, কী বলছেন আইনজীবীরা?
আইনজীবী অরিন্দম দাস, যিনি বাতিল হওয়া ভোটারদের জন্য সুপ্রিম কোর্টে লড়ছেন, তাঁর মতে, ভারতের গণতন্ত্র প্রশ্নের মুখে পড়ে যাবে। তিনি বলেন, “এটা তো সত্যি। যদি ৫ শতাংশ ভোটের মার্জিনে যদি কেউ জয়ী হয়, আর যদি ৫ শতাংশ ভোটার ভোটই দিতে না পারে, তাহলে তাদের অধিকার-মতামতের কী হবে?” ভোট একবার হয়ে গেলে আর কিছু করার থাকে না বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে, আইনজীবীর কথায়, এটা গণতন্ত্রের লজ্জা। ভারত বৃহত্তম গণতন্ত্রের দেশ, এই দেশের যে কোনও ভোটের দিকে তাকিয়ে থাকে গোটা বিশ্ব। তাই এই বিশ্বের সামনে একটা খারাপ নিদর্শন তুলে ধরা হবে।

সংবিধান অনুসারে ইলেকশন পিটিশন করার সুযোগ আছে
উদাহরণ দিয়ে আইনজীবী ফিরদৌস শামিম বলেন, “যদি জয়ী প্রার্থীর সঙ্গে পরাজিত প্রার্থীর ভোটের মার্জিন ৫০০০ হয় আর ডিলিট ভোটার ১৫০০০ হয়, তাহলে প্রশ্ন ওঠে যে তারা তো জয়-পরাজয়ের নির্ণায়ক হতে পারত। বিচারপতি বাগচীর মন্তব্য তুলে ধরে শামিম বলেন, “নির্দেশ না দিলেও পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন বিচারপতি। ভোটের পর যদি দেখা যায় বাদ পড়া ভোটারের সংখ্যা ভোটের ফলাফলের উপর প্রভাব বিস্তার করছে, তাহলে নিশ্চয় সুপ্রিম কোর্ট নির্দিষ্ট নির্দেশ দেবেন।”

সেই সঙ্গে আইনজীবী শামিম মনে করিয়ে দিয়েছেন, ভোট নিয়ে যদি কেউ অসন্তুষ্ট হন, তাহলে আদালতে ইলেকশন পিটিশন বা ভোট সংক্রান্ত আবেদন করার সুযোগ রয়েছে সংবিধানে। এই ক্ষেত্রেও সেটা হতে পারে। আবার এমন উদাহরণের কথাও তিনি বলছেন, যে দেশে ইলেকশন পিটিশনের বিচার সম্পূর্ণ হয়নি। এই প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নন্দীগ্রাম ভোট সংক্রান্ত মামলার কথা মনে করিয়ে দেন তিনি। তবে আইনি পথে যে সমাধান হবে, সে ব্যাপারে আশাবাদী শামিম।

আজ ভোর ৫টা ৩৮ মিনিটে কেঁপে ওঠে মায়ানমারের একাধিক অঞ্চল। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৬। অন্যদিকে, আরও একটা কম্পন অনুভূত হয় ভারত-মায়ানমার সীমান্তের কাছে মণিপুরের কামজং-এ। এটাই ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল বলে জানিয়েছে ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি।

ফের ভূমিকম্প, ভোরেই কাঁপল মায়ানমার-মণিপুর-অসম, ক্ষয়ক্ষতি কত?
ভূমিকম্প


মায়ানমার ও গুয়াহাটি : তীব্র ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল মায়ানমার। ভূ-কম্পন অনুভূত হয়েছে উত্তর-পূর্ব ভারতের কিছু অংশেও। গতকালই ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল জাপান। সতর্কবার্তার আধ ঘণ্টার মধ্যেই আছড়ে পড়ে সুনামিও। এদিকে, আজ সকালে একাধিক জায়গায় ভূমিকম্পের খবর সামনে এসেছে। মায়ানমারে ভূমিকম্পের পাশাপাশি ভারতের একাধিক রাজ্যে কম্পন অনুভূত হয়েছে। অসম, গুয়াহাটি, মণিপুরে ভূমিকম্প হয়েছে বলে খবর।


মায়ানমার ও মণিপুর ভূমিকম্প


'আমরা সত্যিই অবাক হয়ে গিয়েছি', কলকাতায় এসে কেন বললেন স্মৃতি
আজ ভোর ৫টা ৩৮ মিনিটে কেঁপে ওঠে মায়ানমারের একাধিক অঞ্চল। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৬। অন্যদিকে, আরও একটা কম্পন অনুভূত হয় ভারত-মায়ানমার সীমান্তের কাছে মণিপুরের কামজং-এ। এটাই ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল বলে জানিয়েছে ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি। দ্বিতীয় কম্পনটি অনুভূত হয় ভোর ৫টা ৫৯ মিনিটে। রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৫.২। এর আগে সোমবারও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে মায়ানমারে। তবে কোনও ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।


এদিকে, আজ সকাল ৭টা ৫২ মিনিট নাগাদ কলম্বিয়া ও ইকুয়েডরেও ৫.৪ মাত্রার একটি কম্পন অনুভূত হয়েছে।

অসম ও গুয়াহাটির ভূমিকম্প

মায়ানমারে ভূমিকম্পের ফলে কেঁপে ওঠে উত্তরপূর্ব ভারতের আরও একটা রাজ্য। ভোরবেলা তীব্র কম্পনে ঘুম ভাঙে অসমবাসীর। এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে, সতর্ক রয়েছে প্রশাসন। ভারতীয় সময় ভোর ৫টা ৫ মিনিটে ৫.২ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। তার ফলে কম্পন অনুভূত হয় গুয়াহাটি-সহ একাধিক জায়গায়।

প্রসঙ্গত, সোমবার সকালেই জাপানের উত্তর উপকূলে স্থানীয় সময়ে বিকেল ৪টে ৫৩ মিনিটে (ভারতীয় সময়ে ৭টা ৫৩ মিনিট) ভূমিকম্প অনুভূত হয়। উত্তর জাপানের সানরিকু উপকূলে তীব্র কম্পন অনুভূত হয়। ভূমিকম্পের পরই সুনামির সতর্কতা জারি করা হয়। জাপান মেটেরোলজিক্যাল এজেন্সি জানিয়েছে,তিন মিটার উচ্চতা পর্যন্ত সমুদ্রের ঢেউ উঠতে পারে। সতর্কতার পরই সুনামি আছড়ে পড়ে। ভূমিকম্পের প্রায় আধ ঘণ্টা পরে ইওয়াতে প্রদেশের কুজি বন্দরে প্রায় ৮০ সেন্টিমিটার উচ্চতার সুনামির ঢেউ আছড়ে পড়ে বলে খবর।



তবে দ্বিতীয় দফা ভোটের আগে পরিস্থিতি কিছুটা বদলাবে। আগামী ২৬ এপ্রিল দক্ষিণবঙ্গে ঝড়-বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। এছাড়া আগামী রবিবার দক্ষিণের ৭ জেলায় কালবৈশাখীর হলুদ সতর্কতা জারি থাকছে। আর উত্তরবঙ্গে রোজই ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।


 ৪২ পেরিয়ে গেল তাপমাত্রা, 'সুপার এল নিনো'-র খেলা শুরু?
আবহাওয়ার আপডেট

ভোটের মুখে হু হু করে বাড়ছে তাপমাত্রার পারদ। ভ্যাপসা গরমে নাকাল কলকাতা থেকে শহরতলি। তবে এই গরমই শেষ কথা নয়। শুধু তাপমাত্রা বাড়ছে ভেবেই নিশ্চিন্ত থাকতে পারবেন না রাজ্যবাসী। ভোটের মুখে তাপপ্রবাহের আঁচ বাংলা। অন্তত প্রথম দফার ভোটে রীতিমতো ঘর্মাক্ত অবস্থা হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস বলছে, পশ্চিমাঞ্চলে পারদ ক্রমশ চড়ছে।


ইতিমধ্যেই তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি পেরিয়ে গিয়েছে। আসানসোলের পারদ পৌঁছেছে ৪২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। মঙ্গলবার ও বুধবার পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান সহ পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি হয়েছে। বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হলেও অস্বস্তি কমার কোনও আশা নেই।



আবহাওয়া ঘুরতে আরও দিন পাঁচেক সময় লাগবে। ২৬ এপ্রিল একাধিক জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে উত্তরবঙ্গের জন্য একটু স্বস্তির খবর রয়েছে। সেখানে রোজই বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকছে।


তবে দ্বিতীয় দফা ভোটের আগে পরিস্থিতি কিছুটা বদলাবে। আগামী ২৬ এপ্রিল দক্ষিণবঙ্গে ঝড়-বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। এছাড়া আগামী রবিবার দক্ষিণের ৭ জেলায় কালবৈশাখীর হলুদ সতর্কতা জারি থাকছে। আর উত্তরবঙ্গে রোজই ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

এই বছরের দ্বিতীয়ভাগে আসছে ‘সুপার এল নিনো’ (Super El Nino)। এর প্রভাবে প্রচণ্ড গরম পড়তে চলেছে। তাপপ্রবাহ হবে। কমে যাবে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ। কলকাতায় যেখানে চড়া গ্রীষ্মে তাপমাত্রা ৪০ থেকে ৪৫ ডিগ্রির ঘরে পৌঁছয়, এবার তা রেকর্ড ভেঙে ৫০ ডিগ্রিও হতে পারে, এমনটাই সতর্ক করছেন আবহাওয়াবিদরা।


শুনানি চলাকালীন বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, এই মামলায় ইউএপিএ (UAPA) বা 'বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন'-এর ধারা প্রযোজ্য হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার শুধুমাত্র প্রধান বিচারপতির। তাই এই ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানি সম্ভব নয়।

 বড় ধাক্কা! বেলডাঙা মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি! কেন?
কলকাতা হাইকোর্ট


 বেলডাঙা হিংসার মামলায় বড়সড় মোড়। মামলাটি থেকে সরে দাঁড়ালেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ। এনআইএ-র বিশেষ আদালতের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে এনআইএ এই ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন করেছিল, তবে এখন সেই মামলা ফেরত পাঠানো হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের কাছে।


কেন সরলেন ডিভিশন বেঞ্চ

আর বাংলায় থাকতে পারব না...', মিঠুনের মুখে 'বড় ষড়যন্ত্রে'র কথা
West Bengal Election 2026: ধরা পড়লেই সোজা শ্রীঘরে, ভোটের মুখে নজিরবিহীন নির্দেশ
 শুনানি চলাকালীন বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, এই মামলায় ইউএপিএ (UAPA) বা ‘বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন’-এর ধারা প্রযোজ্য হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার শুধুমাত্র প্রধান বিচারপতির। তাই এই ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানি সম্ভব নয়। এই আইনি জটিলতার কারণেই মামলাটি পুনরায় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


কেন হাইকোর্টে NIA

 বেলডাঙায় হিংসার ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া ১৫ জন অভিযুক্তকে সম্প্রতি জামিন দেয় এনআইএ-র বিশেষ আদালত। জামিনের মূল কারণ হিসেবে আদালত উল্লেখ করেছিল যে, নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে এনআইএ চার্জশিট দাখিল করতে পারেনি। এই জামিন নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ।

মামলার প্রেক্ষাপট

ঘটনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল ঝাড়খণ্ডে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙার বাসিন্দা এক পরিযায়ী শ্রমিকের অস্বাভাবিক মৃত্যু। সেই শ্রমিকের মৃত্যুর খবর বেলডাঙায় পৌঁছানোর পর স্থানীয় মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও বিক্ষোভের সৃষ্টি হয়। শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনার প্রতিবাদে বেলডাঙা এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিক্ষোভকারীরা রাস্তা অবরোধ করেন এবং শিয়ালদহ-লালগোলা শাখার মহেশপুর সংলগ্ন এলাকায় দীর্ঘক্ষণ রেল চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ পদক্ষেপ করলে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ বাঁধে। এই সংঘর্ষের সময় বেশ কয়েকজন আহত হন এবং এলাকায় ব্যাপক ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে লাঠিচার্জ করতে হয়েছিল।

NIA তদন্ত
প্রাথমিকভাবে রাজ্য পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও, ঘটনার গুরুত্ব এবং পরিস্থিতি বিবেচনা করে মামলাটি পরে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা বা NIA-র হাতে তুলে দেওয়া হয়। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে এই তদন্তভার এনআইএ গ্রহণ করে।

বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বাজতেই তপ্ত হতে শুরু করেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার উপকূলীয় অঞ্চল। 


গতকালের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আজ আবারও তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় পতাকা ছিঁড়ে ফেলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ালো গঙ্গাসাগরের মুড়িগঙ্গা ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের বইচবাড়ি এলাকায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বইচবাড়ি এলাকার ২৭ নম্বর বুথে তৃণমূলের অসংখ্য দলীয় পতাকা লাগানো ছিল। অভিযোগ, গতকাল রাতের অন্ধকারে বিজেপি আশ্রিত একদল দুষ্কৃতী বেছে বেছে তৃণমূলের সেই পতাকাগুলি ছিঁড়ে ফেলে দেয়। আজ সকালে বিষয়টি জানাজানি হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা। গতকালই মুড়িগঙ্গা ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের ৩৭ নম্বর বুথেও একই ধরণের ঘটনা ঘটেছিল। পরপর দুদিন একই ঘটনার পুনরাবৃত্তিতে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান সাগর থানার পুলিশ আধিকারিকরা। পরিদর্শনে আসেন অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি আব্দুল সামির শাহ সহ অন্যান্য স্থানীয় নেতৃত্ব। তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, আসন্ন নির্বাচনে পরাজয় নিশ্চিত জেনেই বিজেপি এলাকায় অশান্তি তৈরির চেষ্টা করছে। ইতিমধ্যেই সাগর থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এলাকায় নতুন করে যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, তার জন্য পুলিশি নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। যদিও বিজেপির পক্ষ থেকে এই অভিযোগ অস্বীকার করে একে তৃণমূলের ‘গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব’ বলে দাবি করা হয়েছে।

বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বাজতেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার নামখানায় বড়সড় ভাঙন দেখা দিল শাসক শিবিরে। সোমবার বিকেলে নামখানার সাত মাইল বাজারে আয়োজিত বিজেপির এক জনসভায় তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে গেরুয়া শিবিরে যোগ দিলেন শতাধিক কর্মী সমর্থক।



এদিন সাগর বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী সুমন্ত মণ্ডলের সমর্থনে আয়োজিত এই জনসভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি নেতা তথা রাজ্যসভার সাংসদ রাহুল সিনহা। তাঁর হাত থেকেই দলীয় পতাকা গ্রহণ করেন দলত্যাগী কর্মীরা। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, তৃণমূল কংগ্রেস বর্তমানে আপাদমস্তক দুর্নীতিতে নিমজ্জিত। তৃণমূল ছেড়ে আসা কর্মীদের মতে, রাজ্যে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং নিজেদের অধিকার রক্ষার তাগিদেই তাঁরা মোদীর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বিজেপির পতাকাতলে শামিল হয়েছেন।


 অন্যদিকে, এই দলবদলকে গুরুত্ব দিতে নারাজ স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। নামখানার ব্লক তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, যারা দল ছেড়েছে তারা সুবিধাবাদী। এতে দলের জনভিত্তিতে কোনো প্রভাব পড়বে না। মানুষ উন্নয়নের নিরিখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশেই আছেন।
ভোটের আগে এই রাজনৈতিক মেরুকরণ সাগরের নির্বাচনী সমীকরণকে আরও উত্তপ্ত করে তুলল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

আসন্ন নির্বাচনের মুখে সাগর বিধানসভার রাজনৈতিক অঙ্গনে শোরগোল। মন্ডল ফাইবের বাসিন্দা বিজেপি সমর্থক স্নেহাশিস গিরি এক ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে বিজেপি প্রার্থী সুমন্ত মন্ডলের বিরুদ্ধে তথ্য গোপনের গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। 


স্নেহাশিস বাবুর দাবি, বিজেপি প্রার্থী সুমন্ত মন্ডল নিজের পরিচয় ও পেশা নিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন। তার প্রধান অভিযোগগুলি হলো: সুমন্ত বাবু কোন স্কুলের শিক্ষক তা স্পষ্ট নয়। তিনি কি স্থায়ী শিক্ষক নাকি ‘প্যারা টিচার’ বা ‘পার্ট-টাইম’, তা ভোটারদের জানানো উচিত ছিল। প্রার্থীকে 'জননেতা' হিসেবে তুলে ধরা হলেও স্নেহাশিস বাবুর দাবি,


 নামখানার মানুষই ওনাকে ভালো করে চেনেন না, সেখানে সাগর বা গঙ্গাসাগরের মানুষ তাকে কীভাবে চিনবেন? প্রার্থীর দেওয়া তথ্যে প্রচুর অমিল রয়েছে এবং তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে অনেক কিছু গোপন করেছেন বলে স্নেহাশিস গিরি দাবি করেন। "উনি নিজের পরিচয় গোপন করেছেন। যাকে নামখানার মানুষই চেনে না, তাকে জননেতা সাজিয়ে প্রচার করা হচ্ছে।" — এই ভাইরাল ভিডিওটি কেন্দ্র করে সাগর বিধানসভা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার পাথরপ্রতিমার হেরম্ব গোপালপুরের মাটিতে কর্মী সমর্থকদের সমাগমে র‍্যালি পরিণত হল এক মহামিছিলে।


দলের পক্ষ থেকে বক্তব্য তৃণমূল কংগ্রেসের এই মহামিছিলে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে পথে নামা, আবারও প্রমাণ করে দিল বাংলার উন্নয়নের।


 তারা জানান এই র‍্যালি শুধু একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, এটি মানুষের বিশ্বাস, আস্থা ও ভালোবাসার প্রতিফলন। গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে ছড়িয়ে পড়া উন্নয়নের বার্তা আজ মানুষের মুখে মুখে।
 মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে রাজ্যের যে উন্নয়নের ধারা শুরু হয়েছে, তাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে আজ হেরম্ব গোপালপুরের মানুষ দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে আসন্ন দিনে এই জনসমর্থনই পাথরপ্রতিমার তৃণমূল কংগ্রেসের শক্তিকে আরো বাড়িয়ে দিয়েছে।



তখনও নায়ক হয়ে ওঠেননি অভিষেক, কাজ করছিলেন বাবার ছবি ‘মৃত্যুদাতা’-র প্রোডাকশন বয় হিসেবে। লোকেশন দেখতে গিয়েছেন সুইজারল্যান্ডে। সেখানেই ববি দেওলের সঙ্গে শ্যুটিং করছিলেন ঐশ্বর্য। ববিই আলাপ করিয়ে দিয়েছিলেন দুজনের। অভিষেকের কথায়, “সেই সময় আমার ব্রিটিশ উচ্চারণের ইংরেজি ঐশ্বর্য কিছুই বুঝতে পারছিল না!” সেই শুরু, তারপর বন্ধুত্ব আর প্রেম।


অমিতাভ-জয়ার কাছে ঐশ্বর্য এখন ‘দ্বিতীয় সন্তান’, স্ত্রীর সাফল্যে হিংসা হয় অভিষেকের?
স্ত্রীর সাফল্যে হিংসা হয় অভিষেকের?



বলিউডের সবথেকে প্রভাবশালী পরিবারগুলের মধ্যে অন্যতম বচ্চন পরিবার। আর সেই পরিবারের অন্দরের সমীকরণ নিয়ে সাধারণ মানুষের কৌতূহল চিরকালই তুঙ্গে। বিটাউনের সবথেকে চর্চিত বিয়ের আসর বসেছিল ২০০৭ সালের ২০ এপ্রিল। একদিকে অমিতাভ বচ্চনের আদরের পুত্র অভিষেক, অন্যদিকে বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বর্য রাই। সেই রাজকীয় পরিণয়ের ১৯ বছর পূর্ণ হল। চড়াই-উতরাই আসুক বা বিচ্ছেদের গুঞ্জন- বচ্চন দম্পতির রসায়ন আজও অনুরাগীদের কাছে এক বড় পাওনা। সম্পর্কের এই দীর্ঘ সফরে একে অপরের সম্পর্কে ঠিক কী ভাবেন অভিষেক-ঐশ্বর্য? কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে ঐশ্বর্য কেবল অভিষেকের স্ত্রী হয়েই থাকেননি, বরং শ্বশুরবাড়ির অন্দরে নিজের এক আলাদা সাম্রাজ্য তৈরি করে নিয়েছেন। খোদ অভিষেকই একবার ফাঁস করেছিলেন, তাঁর বাবা-মায়ের কাছে অ্যাশ এখন আর শুধুই বউমা নন, বরং তাঁদের ‘দ্বিতীয় কন্যা’।


তখনও নায়ক হয়ে ওঠেননি অভিষেক, কাজ করছিলেন বাবার ছবি ‘মৃত্যুদাতা’-র প্রোডাকশন বয় হিসেবে। লোকেশন দেখতে গিয়েছেন সুইজারল্যান্ডে। সেখানেই ববি দেওলের সঙ্গে শ্যুটিং করছিলেন ঐশ্বর্য। ববিই আলাপ করিয়ে দিয়েছিলেন দুজনের। অভিষেকের কথায়, “সেই সময় আমার ব্রিটিশ উচ্চারণের ইংরেজি ঐশ্বর্য কিছুই বুঝতে পারছিল না!” সেই শুরু, তারপর বন্ধুত্ব আর প্রেম।


মা-বাবার কোটি টাকার সম্পত্তি, জানেন অক্ষয়-টুইঙ্কলের ছেলে কত টাকা স্যালারির চাকরি করেন?
বাবা হলেন দীপিকার ছবির পরিচালক অ্যাটলি, 'জওয়ান'-এর ঘরে ছেলে এল নাকি মেয়ে?
বিয়ের পর ঐশ্বর্য শুধু পুত্রবধূ নন, হয়ে উঠেছেন অমিতাভ ও জয়া বচ্চনের ঘরের মেয়ে। অভিষেক একবার ফাঁস করেছিলেন যে, অমিতাভ বচ্চনের গাম্ভীর্য ভরা ‘গুড মর্নিং’ শুনলে যে কেউ ঘাবড়ে যেতে পারে, কিন্তু ঐশ্বর্য খুব তাড়াতাড়ি মানিয়ে নিয়েছেন। এখন তো অভিষেকের চেয়ে তাঁর বাবার সঙ্গেই ঐশ্বর্যর গল্প জমে বেশি। শ্বশুরবাড়িতে অভিষেকও বেশ আদুরে। ফোন না করেই পৌঁছে যান শ্বশুরবাড়িতে, আর সরাসরি আবদার করেন খাবারের!অমিতাভ বচ্চন এখন নিজের ছেলের চেয়ে পুত্রবধূর সঙ্গেই বেশি সময় কাটান, আড্ডা দেন। এমনকি অভিষেক মজা করে বলেছিলেন, তাঁর বোন শ্বেতার জায়গা কেউ নিতে না পারলেও, বাবা-মায়ের কাছে ঐশ্বর্য এখন তাঁদের দ্বিতীয় মেয়ের মতোই আদুরে।


ঐশ্বর্যর জগৎজোড়া খ্যাতি কি কখনও অভিষেককে ছোট করে দেয়? এই প্রশ্নের জবাবে ঐশ্বর্য বরাবরই সরব। তিনি মনে করেন, ‘ওভারশ্যাডো’ শব্দটি ব্যবহার করাই অনুচিত। তাঁর কথায়, অভিষেক নিজের যোগ্যতায় ইন্ডাস্ট্রিতে জায়গা করে নিয়েছেন। অন্যদিকে, ঐশ্বর্য যখন ‘পদ্মশ্রী’ পান বা কান চলচ্চিত্র উৎসবে রেড কার্পেটে হাঁটেন, অভিষেক গর্ব করে বলেন, “একজন পুরুষ হিসেবে স্ত্রীকে এগিয়ে দিতে আমার কোনও দ্বিধা নেই।”

কেবল ঐশ্বর্য নন, অভিষেকও শ্বশুরবাড়িতে নিজেকে ঘরের ছেলে করে তুলেছেন। কোনও ফোন না করেই হুটহাট শ্বশুরবাড়িতে পৌঁছে যাওয়া কিংবা গিয়েই সোজা বিছানায় আয়েশ করে বসে খাবার আবদার করা— অভিষেকের এই সহজাত ভঙ্গিই দুই পরিবারকে এক সুতোয় বেঁধেছে।

১৯ বছরের এই যাত্রায় বিচ্ছেদের গুঞ্জন বহুবার উঠেছে, কিন্তু দিনশেষে জুটির পারস্পরিক শ্রদ্ধা অটুট। স্ত্রী যখন বিশ্বমঞ্চে সমাদৃত হন, অভিষেক তখন গর্বিত স্বামী হিসেবে তাঁর পাশে দাঁড়ান। তাঁর মতে, স্ত্রীর সাফল্যকে উদযাপন করা কোনও হীনম্মন্যতা নয়, বরং একজন প্রকৃত পুরুষের পরিচয়।