covid 19 Update

Top News

ডোমজুড় থানার অন্তর্গত নিবড়া ৬ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে প্রায় বছর খানেক ধরে ব্যবসা করছেন পরিবহন ব্যবসায়ী আরশাদ খান আশরাফী।

এই রাজ্যে যে তোলাবাজির ঘটনা অব্যহত রয়েছে তা আরও এবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল হাও়ড়ার ডোমজুড় (Howrah, Domjur)। তোলাবাজির পাঁচ লক্ষ টাকা না দেওয়ায় অভিযোগে এক পরিবহন ব্যবসায়ীর (businessman) অফিসে ভাঙচুর এবং ৮০ হাজার টাকা লুটপাট করা হয়া।ঘটনাটি ঘটেছে ডোমজুড়ের নিবড়া এলাকায় ৬ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে। ওই আতঙ্কিত ব্যবসায়ী ডোমজুড় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেও এখনো পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ। রাজ্যের সমবায় মন্ত্রী অরূপ রায় জানিয়েছেন তোলাবাজি বরদাস্ত করবে না রাজ্য সরকার অথবা তৃণমূল কংগ্রেস। তিনি পুলিশ (police) কমিশনারকে সমাজবিরোধীদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেবেন।

ডোমজুড় থানার অন্তর্গত নিবড়া ৬ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে প্রায় বছর খানেক ধরে ব্যবসা করছেন পরিবহন ব্যবসায়ী আরশাদ খান আশরাফী। ওই ব্যবসায়ীর অভিযোগ দিন কয়েক আগে ওই ব্যবসায়ীর অফিসে কয়েক জন দুষ্কৃতী সশস্ত্র অবস্থায় আসেন। তারা সিসিটিভি ক্যামেরা গুলি ভেঙে দেয়। এরপর ওই ব্যবসায়ীর অফিসে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। অফিস থেকে ৮০ হাজার টাকা লুটও করে। ওই ব্যবসায়ীকেও বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় আহত ব্যবসায়ী ডোমজুড় থানা লিখিতভাবে অভিযোগ দায়ের করে। কিন্তু তার অভিযোগ পুলিশের কাছে অভিযোগ করা সত্ত্বেও পুলিশ কোন ব্যবস্থা নেয়নি।
পুরীর হোটেল থেকে উদ্ধার কলকাতা পুলিশের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনারের দেহ। সপরিবারে পুরী বেড়াতে গিয়েছিলেন তিনি। হঠাত্‍ করেই সোমবার সন্ধ্যেবেলায় হোটেলের ঘরে তাকে অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় স্থানীয় চিকিত্‍সককে, তিনি এসে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

ইতিমধ্যেই পুরি পুলিশ স্টেশনের আধিকারিকরা সেই দেহকে নিজেদের রিমান্ডে নিয়েছে এবং কন্টাক্ট করা হয়েছে কলকাতা পুলিশের সঙ্গে। কলকাতা পুলিশের একটা টিম রওনা হয়েছে পুরির উদ্দেশ্যে।

জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সমস্ত নিয়ম মেনে ময়না তদন্ত হবে দেহের এবং তার পরেই তার পরিবারের সঙ্গে তাঁর দেহ ফিরিয়ে আনবে এই পুলিশের টিম। উল্লেখ্য, মৃত অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার ১৯৮৬ সালের অফিসার।

সাধারণ করোনার উপসর্গের পাশাপাশি শরীরে কোন ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে ওমিক্রন (Omicron) প্রজাতির করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা করা যেতে পারে, খোলসা করলেন দক্ষিণ আফ্রিকার সেই চিকিত্‍সক, যাঁর কাছে প্রথমবারের জন্য ওমিক্রনের সংক্রমণ ধরা পড়ে।

নতুন প্রজাতির (new variant) ক্ষেত্রে অনেক নতুন নতুন উপসর্গ দেখা যাচ্ছে বলে দাবি করেছেন ওই দক্ষিণ আফ্রিকার চিকিত্‍সক।

ঠিক যখন বিপুল টিকাকরণ থেকে শুরু করে করোনার বিরুদ্ধে দীর্ঘকালীন লড়াইয়ের ফলে আশার আলো দেখতে শুরু করেছিল বিশ্ব, তখনই দক্ষিণ আফ্রিকা (South Africa) ফেরত করোনা ভাইরাসের একটি নতুন প্রজাতি আশঙ্কা তৈরি করেছে গোটা বিশ্বে। ডেল্টা, ডেল্টা প্লাসের মতো একাধিক প্রজাতির পর ওমিক্রন প্রজাতির সংক্রমণ নতুন করে কপালে ভাঁজ ফেলেছে চিকিত্‍সকদের, সতর্ক


হয়েছে হু (WHO)। সেই প্রজাতিতে যাঁরা সংক্রমিত হচ্ছেন, তাঁদের শরীরে কী উপসর্গ দেখা দিতে পারে, তা নিয়েই এ বার স্পষ্ট কথা শোনা গেল চিকিত্‍সকমহল থেকে।

দক্ষিণ আফ্রিকা মেডিক্যাল অসোসিয়েশনের প্রধান অ্যাঞ্জেলিকিউ কোয়েটজি জানিয়েছেন, তিনি এখনও পর্যন্ত যে ক'জন ওমিক্রন আক্রান্তের সন্ধান পেয়েছেন, বা চিকিত্‍সা করেছেন, তাঁদের মধ্যে কাউকেউ হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়নি। সংবাদ সংস্থাকে তিনি বলেছেন, শেষ ১০ দিনে তিনি ৩০ জন করোনা আক্রান্ত রোগীর মুখোমুখি এসেছে, তাঁদের মধ্যে আগের মতো করোনার উপসর্গ আর দেখা যাচ্ছে না, দেখা যাচ্ছে নতুন ধরনের কয়েকটি উপসর্গ। কী রয়েছে সেই উপসর্গের তালিকায়?

তিনি বলেছেন, যাঁরা ওমিক্রনে আক্রান্ত হচ্ছে তাঁদের শরীরে ভর করছে ভীষণ ক্লান্তি। গাঁটে ব্যথা দেখা দিচ্ছে। প্রতিনিয়ত গলা খুসখুস করছে, এ ছাড়া শুকনো কাশিতেও ভুগছেন কেউ কেউ। চিকিত্‍সকের আশঙ্কা, ইউরোপ-সহ সারা পৃথিবীতেই ওমিক্রনে আক্রান্তের সংখ্যা খুব একটা কম নয়। টিকাপ্রাপ্ত নন, এমন অনেকের মধ্যেই এই ভাইরাসের প্রজাতি আস্তানা তৈরি করেছে। কিন্তু পরীক্ষা না হওয়ায় এখনও তা বোঝা যাচ্ছে না।

পাশাপাশি, ওমিক্রনে আক্রান্তদের মধ্যে এমন কোনও চরম প্রাণঘাতী উপসর্গ দেখা যাচ্ছে না যে হঠাত্‍ করে তাঁদের চিহ্নিত করা যাবে। সেই কারণেই হয়েছে আরও সমস্যা। চিকিত্‍সক আরও জানিয়েছেন, তিনি যাঁদের চিকিত্‍সা করছেন তাঁদের বেশিরভাগেরই বয়স ৪০-এর নীচে।


  মোবাইলে আসক্তি নিয়ে বারেবারেই সতর্ক করছেন চিকিত্‍সক থেকে মনোবিদরা। রোজই কোনও না কোনও দুর্ঘটনার খবর আসে মোবাইলে আসক্তির জেরে। তবুও যে হুঁশ ফিরছে না সাধারণ মানুষের তার সবচেয়ে বড় প্রমান হল রাজস্থানের চুরু জেলার সাহওয়া শহরের বছর কুড়ির যুবক।

সে মোবাইলে এতটাই আসক্ত হয়ে পড়েছে যে পুরোপুরি মানসিক রোগীতে পরিনত হয়েছেন। মর্মান্তিক ঘটনাটি সামনে এসেছে সম্প্রতি। ওই যুবক তাঁর পরিবারের কাউকে চিনতে পারছেন না। পাঁচদিনের বেশি ঘুম নেই, এমনকি খাওয়াদাওয়াও প্রায় বন্ধ।

ওই যুবকের পরিবারের দাবি, বিগত একমাসের বেশি সময় ধরে ওই যুবক মোবাইলে এতটাই বুঁদ হয়ে থাকছিলেন যে ব্যবসা, পরিবার সব ভুলেছিলেন। সারা দিনরাত সে মোবাইলে গেম খেলা ও চ্যাটিংয়ে ব্যস্ত থাকতেন। কার্যত নাওয়া-খাওয়া ভুলে গিয়েছিলেন। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথাবার্তাও বন্ধ হয়েছিল। শেষ পাঁচদিন তাঁর ঘুমও নেই। ফলে ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিনত হয়েছে ওই যুবক। আপাতত তাঁর চিকিত্‍সা চলছে চুরুর সরকারি হাসপাতালে। তাঁকে দেখছেন দুজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ। এই ঘটনার কথা জানাজানি হতেই দেশজুড়ে শোরগোল পড়েছে। অনেকেই বলছেন আগামীদিনে এই প্রবনতা বন্ধ করা না গেলে তরুণ প্রজন্মের বিশাল ক্ষতি হয়ে যাবে।


 উত্তরবঙ্গ এক্সপ্রেসে করে কলকাতা থেকে জলপাইগুড়ি যাওয়ার পথে রহস্যজনক ভাবে নিখোঁজ হলেন এক মহিলা আইনজীবী। নিখোঁজ আইনজীবীর নাম রীনা বাড়রী। ঘটনার প্রেক্ষিতে পুলিশ ও রেল পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছে রীনাদেবীর পরিবার। জলপাইগুড়ির বার অ্যাসোসিযেশনও বিষয়টি নিয়ে যোগাযোগ করেছে পুলিশের সঙ্গে।

জানা গিয়েছে, জলপাইগুড়ি শহরের তরুণ দল ক্লাবের কাছেই থাকতেন রীনাজেবী। রবিবার রাতে তিনি কলকাতা থেকে বাড়ি ফেরার উদ্দেশ্যে চেপেছিলেন উত্তরবঙ্গ এক্সপ্রেসে। স্লিপার ক্লাসের চার নম্বর বোগির ৩৩ নম্বরে আসনে ছিলেন তিনি। সোমবার সকাল আটটার সময় তাঁর পৌঁছানোর কথা ছিল জলপাইগুড়ি। কিন্তু তিনি আসেননি।

পরিবারের তরফে জানানো হয, শেষবার রবিবার রাত ১০টা নাগাদ রীনাদেবীর সঙ্গে কথা হয়েছিল তাঁদের। সেই সম. রীনাদেবী ট্রেনেই ছিলেন বলে জানিযেছে পরিবার। যেই সময রীনাদেবীর সঙ্গে তাঁর পরিবারের ফোনে কথা হয, তখন তিনি বর্ধমানে ছিলেন বলে দাবি করা হয়। তবে এরপর রীনাদদেবীর সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। নিখোঁজ আইনজীবীর ফোন বন্ধ।

এদিকে আইনজীবীর ভাই শিবনাথবাবু জানিয়েছেন যে রেল পুলিশ এখনও কোনও খবর দিতে পারেনি। এদিকে রীনাদেবীর সঙ্গে থাকা ব্যাগপত্রেরও কোনও খোঁজ মেলেনি। ঘটনায স্বভাবতই পরিবারের সব সদস্য অত্যন্ত চিন্তিত আছেন বলে জানান নিখোঁজ আইনজীবীর ভাই।

 


পরীক্ষা দিয়ে স্কুল থেকে বেরিয়েই মৃত্যু হল নবম শ্রেণির ছাত্রের। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দুর্গাপুরে। কী কারণে ছাত্রের মৃত্যু হল জানতে তদন্তে নেমেছে পুলিশ। ছেলের মৃত্যুর খবরে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মা।

জানা গিয়েছে, দুর্গাপুরের নিউ টাউনশিপ থানার বিধাননগরের একটি বেসরকারি স্কুলের ছাত্র ছিল উত্‍সব চক্রবর্তী।

সোমবার স্কুলে তাঁর পরীক্ষা ছিল। অন্যান্য ছাত্রদের সঙ্গে স্বাভাবিক ভাবেই পরীক্ষা দিয়েছিল সে। পরীক্ষা শেষ হতে স্কুল থেকে বেরোতেই অসুস্থ হয়ে পড়ে উত্‍সব। কিছুক্ষণের মধ্যেই সংজ্ঞা হারায় সে। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত ঘোষণা করেন চিকিত্‍সকরা।

ঘটনার সময় ছেলের সঙ্গেই ছিলেন মা। চোখের সামনে একমাত্র ছেলেকে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়তে দেখে জ্ঞান হারান তিনি। তাঁকেও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এব্যাপারে স্কুলের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

উত্‍সবের সহপাঠীরা জানিয়েছে, পড়াশুনোয় খুব মনোযোগী ছিল সে। সোমবার পরীক্ষার হলে কোনও অস্বাভাবিকতা দেখা যায়নি। তাহলে হঠাত্‍ কী ভাবে ছাত্রের মৃত্যু হল জানতে তদন্ত শুরু করেছে নিউ টাউনশিপ থানার পুলিশ।

 












 গত সপ্তাহেই সব প্রিপেড প্ল্যানের দাম ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল এয়ারটেল। ইতিমধ্যেই চালু হয়েছে এয়ারটেলের নতুন প্রিপেড প্ল্যান। তবে দাম বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গেই গ্রাহকদের জন্য আকর্ষণীয় অফার নিয়ে হাজির হল গুরুগ্রামের কোম্পানিটি। চারটি প্রিপেড প্ল্যানের সঙ্গে প্রতিদিন অতিরিক্ত ৫০০এমবি ডেটা দেবে টেলিকম কোম্পানিটি।

এয়ারটেলের ৭১৯ টাকা, ২৯৯ টাকা, ২৬৫ টাকা ও ৮৩৯ টাকা প্রিপেড রিচার্জে এই সুবিধা পাওয়া যাবে। গত মাসে ২৪৯ টাকা (যা এখন ২৯৯ টাকা) প্ল্যানের সঙ্গে প্রথম প্রতিদিন অতিরিক্ত ৫০০এমবি ডেটা দেওয়া শুরু করলেও এখন আরও তিনটি প্ল্যানের সঙ্গে কোম্পানির গ্রাহকরা একই সুবিধা পাবেন।

যখনই ডেটা শেষ হয়ে যাবে তখনই এয়ারটেল থ্যাঙ্কস অ্যাপ থেকে অতিরিক্ত ডেটা রিডিম করে নেওয়া যাবে। ৭১৯ টাকা, ২৯৯ টাকা, ২৬৫ টাকা ও ৮৩৯ টাকার প্ল্যানগুলির সঙ্গে পাওয়া যাবে আনলিমিটেড লোকাল ও ন্যাশনাল আউটগোইং কল ও আনলিমিটেড ইনকামিং কলের সুবিধা। এছাড়াও ভারটি প্ল্যানের সঙ্গেই থাকছে বিনামূল্যে প্রতিদিন ১০০টি এসএমএস।

৮৩৯ টাকা প্ল্যানের গ্রাহকরা প্রতিদিন ২জিবি ডেটা ব্যবহার করতে পারেন। ৫০০এমবি অতিরিক্ত ডেটার কারণে এবার থেকে এই প্ল্যান রিচার্জ করলে মিলবে প্রতিদিন ২.৫জিবি ডেটা। তবে ২৬৫ টাকা রিচার্জে মেলে ১জিবি ডেটা, যা এখন বেড়ে প্রতিদিন ১.৫জিবি হচ্ছে।

এদিকে ২৯৯ টাকা ও ৭১৯ টাকা প্ল্যানের সঙ্গে প্রতিদিন ১.৫জিবি ডেটা ব্যবহার করা যাব। যা এখন বেড়ে প্রতিদিন ২জিবি হয়েছে।

এয়ারটেলের ২৬৫ টাকা ও ২৯৯ টাকা রিচার্জে ২৮ দিন ভ্যালিডিটি পাওয়া যায়। ৭১৯ টাকা ও ৮৩৯ টাকা প্রিপেড প্ল্যানের সঙ্গে এয়ারটেল গ্রাহকরা পাবেন ৮৪ দিন ভ্যালিডিটি।

চারটি প্ল্যানের সঙ্গেই এয়ারটেল প্রিপেড গ্রাহকরা আমাজন প্রাইম মোবাইল এডিশন এক মাস বিনামূল্যে ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। এছাড়াও থাকছে উইঙ্ক মিউজিক সাবস্ক্রিপশন, বিনামূল্যে হ্যালোটিউন ও আরও অনেক সুবিধা।

সীমান্তে পাচার নিয়ে ইতিমধ্যে কড়া পদক্ষেপ করেছে বিএসএফ(BSF)। সোনার বিস্কুট (Gold Biscuit) সহ এক পাচারকারীকে গ্রেফতার করেছে তারা।

মহকুমার স্বরূপনগর থানার বিথারী সীমান্তের দহরকন্দা গ্রামের ঘটনা। বিএসএফ(BSF) সূত্রে জানা গিয়েছে, দুবাই, মায়ানমার ও বাংলাদেশ হয়ে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢোকা ১০টি সোনার বিস্কুট যার ওজন ১ কেজি ২০০ গ্রাম, বাজারমূল্য প্রায় ৬০ লক্ষ টাকা নিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিল এক ব্যক্তি।

ওই ব্যক্তির নাম গোলাম হোসেন। সেই সময় তাকে দেখে টহলরত ১১২ নং ব্যাটালিয়নের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জওয়ানদের সন্দেহ হয়। এরপরই শুরু হয় জেরা। তার উত্তরে অসঙ্গতি পাওয়ায় বিএসএফ তল্লাশি চালায় ব্যাগে।তখনই বেরিয়ে আসে ১০টি সোনার বিস্কুট।

জানা গিয়েছে,অভিযুক্তের বাড়ি পার্শ্ববর্তী হাকিমপুর উত্তরপাড়ায়। তাকে আটক করে স্বরূপনগর থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। উদ্ধার হওয়া সোনার বিস্কুটগুলি তেঁতুলিয়ায় শুল্ক দফতরের হাতে তুলে দিয়েছে বিএসএফ। বিএসএফের প্রাথমিক অনুমান এগুলি কলকাতার উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এর সঙ্গে আন্তর্জাতিক পাচার চক্রের যোগ আছে কিনা সেটাও খতিয়ে দেখছে বিএসএফ। ধৃত সোনা পাচারকারীকে রবিবার বসিরহাট মহকুমা আদালতে তোলা হবে।

কয়েকদিন আগেই টোটোর ব্যাটারির ভিতর সোনার বিস্কুট পাচারের অভিযোগ উঠছিল। সেই বিস্কুট নিয়ে বাংলাদেশে পাচারের ছক কষছিল ব্যক্তি। অবশেষে বিএসএফের হাতে গ্রেফতার হয় সে। বছর ২৮ এর টোটো চালক সুমন মণ্ডল যাত্রী নিয়ে আসছিল। সেই সময়ে ১১২ নম্বর ব্যাটালিয়নের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কমান্ডিং অফিসার স্বরূপ কুমার গোগোই এর নেতৃত্বে টোটো গাড়িটিকে আটকে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশির পর টোটোর ব্যাটারি থেকে ৬টি সোনার বিস্কুট উদ্ধার হয়। ওজন প্রায় ৭০০ গ্রাম। যার বাজার মূল্য প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা। হাতেনাতে টোটো চালক সুমনকে আটক করে বিএসএফ।

তারপর তাকে স্বরূপনগর থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। উদ্ধার হওয়া সোনার বিস্কুট তেঁতুলিয়া শুল্ক দফ্তরের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। টোটো গাড়িটিকে আটক করা হয়েছে। সীমান্ত রক্ষীবাহিনীর প্রাথমিক অনুমান এগুলো ইন্দোনেশিয়া থেকে বাংলাদেশ হয়ে এগুলি ভারতে ঢুকেছে। এর সঙ্গে কোনও আন্তর্জাতিক পাচার চক্রের যোগ আছে কিনা সেটাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

প্রসঙ্গত, বিএসএফের এক্তিয়ার বাড়ানোকে কেন্দ্র করে মামলা দায়ের হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে। কেন্দ্রের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়েছে,সীমান্ত থেকে ৫০ কিলোমিটার ভিতর পর্যন্ত এলাকায় বিএসএফের এক্তিয়ার থাকবে। সেই বিজ্ঞপ্তিতে আইনের ১৩৯ ধারার ১ উপধারার কথা বলা হয়েছিল। এই ধারা প্রয়োগ করেই বিএসএফের এই এক্তিয়ার বাড়িয়েছে। আইনের সেই ধারাকেই চ্যালেঞ্জ করেই এবার মামলা দায়ের করা হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে। মামলা করেছে সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায় নামে এক জনৈক ব্যক্তি। মামলাকারীর দাবি, আইনের এই ধারায় ভারতের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো ধ্বংস হবে। আগামী সপ্তাহে মামলাটির শুনানি হতে পারে প্রধান বিচারপতির ঘরে।


TV9-BANGLA
নদিয়ায় পথ দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে কেন্দ্র সরকার। মৃতদের পরিবার পিছু দেওয়া হবে ২ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ। আহতরা পাবেন ৫ হাজার টাকা। কেন্দ্রের সহযোগিতা পেয়ে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন মৃত ও আহতদের পরিবারের সদস্যরা।

নদিয়ার হাঁসখালিতে একটি শববাহী গাড়ির সঙ্গে লরির মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ১৮ জনের।




এরপরেই দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের প্রতি শোকজ্ঞাপন করে টুইট করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন তিনি।

PM Narendra Modi has announced an ex-gratia of Rs 2 lakhs each from PMNRF for the next of kin of those who have lost their lives due to the road accident in Nadia, West Bengal. Rs 50,000 would be given to the injured: PMO pic.twitter.com/dDwQAdCuu2

শোকপ্রকাশ করে বাংলায় টুইট করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি লেখেন, 'পশ্চিমবঙ্গের নদিয়া জেলায় ঘটে যাওয়া পথ দুর্ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। এই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো মানুষদের প্রতি আমার সমবেদনা রইল। ঈশ্বর ওনাদের এই কঠিন পরিস্থিতিতে সহায় হোন। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি'।

পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলায় ঘটে যাওয়া পথ দুর্ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। এই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো মানুষদের প্রতি আমার সমবেদনা রইল। ঈশ্বর ওনাদের এই কঠিন পরিস্থিতিতে সহায় হোন। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় টুইট বার্তায় লিখেছেন, 'নদিয়ার সড়ক দুর্ঘটনায় আমি ব্যথিত। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা জানাই। যাঁরা আহত হয়েছেন তাঁদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি। ঈশ্বর তাঁদের এই কঠিন সময় কাটিয়ে ওঠার শক্তি দিন, এই প্রার্থনা করি। সরকার আপনাদের পাশে রয়েছে'।

Heartbroken to hear about the road accident in Nadia.

I offer my deepest condolences to the bereaved families and pray for the speedy recovery of those who were injured.

May God give them the strength to get past this difficult time. (1/2)

দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ও।

Deeply pained at reported death of 18 people and 5 others injured in Nadia District after the vehicle they were travelling in collided with a truck parked on the side of road.

Expect all efforts @MamataOfficial to the family of deceased and injured. Need to promote Road Safety.

সমবেদনা জানানোর পাশাপাশি টুইটে মমতা-সরকারকে সড়ক-নিরাপত্তায় বিশেষ নজর দিতে 'পরামর্শও' দিয়েছেন রাজ্যপাল।
ওয়েলিংটন: গর্ভবতী মহিলাদের হবু সন্তান নিয়ে নানা উত্‍কণ্ঠা থাকে। বিস্তর টেনশনে ভোগন অনেকেই। সেই সমস্ত ভয়, উদ্বেগ দূরে সরিয়ে মধ্যরাতে সাইকেল চালিয়ে হাসপাতালে পৌঁচে সন্তানের জন্ম দিলেন নিউজিল্যান্ডের এক সাংসদ। তাঁর এই সাহসিকতার কথা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়তেই প্রশংসায় পঞ্চমুখ নেটপাড়া।নিউজিল্যান্ড পার্লামেন্টের ওই সদস্যার নাম জুলি অ্যানি জেন্টার। নিউজিল্যান্ডের সময় অনুযায়ী রবিবার ভোর তিনটের সময় একটি ফুটফুটে সন্তানের জন্ম দিয়েছেন তিনি। এদিন প্রসব যন্ত্রণা ওঠার পরেই তিনি সাইকেল নিয়ে হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা দেন। তবে যাঁরা জুলিকে চেনেন, তাঁরা তাঁর এই কাজে একেবারেই হতবাক নন। কারণ তিন বছর আগে একই ভাবে প্রসব বেদনা নিয়ে সাইকেল চালিয়ে হাসপাতালে গিয়েছিলেন তিনি। তবে সেবার ছিল রোদ ঝলমলে সকাল। এবার মধ্যরাত।


সন্তান জন্মের পর ফেসবুকে সেই কথা নিজেই শেয়ার করেছেন সাংসদ। সুখবর জানিয়ে লিখেছেন, ''বড় খবর! রবিবার ভোর ৩টে ৪ মিনিটে আমাদের পরিবারে নতুন সদস্য এসেছে। প্রসব যন্ত্রনা ওঠার পর এই ভাবে সাইকেল চালিয়ে যাব, সত্যিই তেমন কোনও পরিকল্পনা ছিল না। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তেমনটাই হল। বাড়ি থেকে বেরনোর সময় আমার অবস্থা ততটা খারাপ ছিল না। আমরা রাত ২টোর সময় বাড়ি থেকে বেরোই। কিন্তু ২-৩ মিনিট পরেই ব্যথা শুরু হয়ে যায়। ১০ মিনিট পরে আমরা যখন হাসপাতালে পৌঁছই, তখন যন্ত্রণা চরমে পৌঁছেছে। (আমি কার পার্কে দাঁড়িয়ে হাসছিলাম এর ঠিক পরের মুহূর্তেই)। তবে অদ্ভূত ভাবে এখন আমাদের সঙ্গে রয়েছে স্বাস্থ্যবান, সুখী এক ছোট্ট ঘুমন্ত প্রাণ।" সেই সঙ্গে হাসপাতালের গোটা ইউনিটকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন জুলি।
সারা বিশ্বের সঙ্গে করোনা ভাইরাস নামটার পরিচয় ঘটেছিল প্রায় দু'বছর হতে চলল। দু'বছর পর বিশ্বের কোভিড পরিস্থিতির দিকে চোখ রাখলে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলার সুযোগ নেই। হানা দিয়েছে করোনার নতুন প্রজাতি। আর সেই ওমিক্রন নিয়ে এবার ভারতকে সতর্ক করলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান বিজ্ঞানী সৌম্যা স্বামীনাথন।

তাঁর আশা, ওমিক্রন নিয়ে গোটা বিশ্বে যে উদ্বেগ দানা বেঁধেছে সেদিকে তাকিয়েই সতর্ক হবে ভারত। কোভিডবিধি কড়াভাবেই পালন করা হবে এদেশে। কোভিডের দাপট ভারতে এখন আগের চেয়ে অনেক কম। যদিও এখনও ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চলেছেন অনেকেই, তবে অতিমহামারীর সেই ভয়াবহ রূপ এখন শান্ত হয়েছে। আর তাই দিকে দিকে কোভিডবিধি শিথিল হয়ে পড়েছে। অফিস-কাছারি থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজ খুলে গেছে সবই। কিন্তু বিধি শিথিল হলেও মাস্ক স্যানিটাইজার ব্যবহারে ঘাটতি হলে চলবে না, তেমনটাই জানাচ্ছেন হু-এর বিজ্ঞানী। তাঁর মতে ওমিক্রন থেকে সতর্ক হতে হবে। কোভিডবিধি শিথিল করে দিলে চলবে না। এখন থেকেই যদি সতর্ক না হয় ভারতবাসী, তবে আগামীদিনে ফের ভোগাবে করোনা। তা সে যতই ভ্যাকসিন নেওয়া থাক না কেন। ওমিক্রনের বিরুদ্ধে লড়াই চালাতে হবে বিজ্ঞানসম্মত পথেই। কোভিডের ওমিক্রন প্রজাতিকে উদ্বেগের বলে মেনে নিয়েছে হু। তবে তা কতটা দাপট দেখাতে পারবে তা নিয়ে বিশেষজ্ঞ মহলে নানা মত দেখা দিয়েছে। এখনও পর্যন্ত কোভিডের সবচেয়ে মারাত্মক প্রজাতি ডেল্টা। ওমিক্রন কি তাকেও ছাপিয়ে যাবে? প্রশ্নটা ঘোরাফেরা করছে। তার মাঝেই নতুন এই প্রজাতি নিয়ে ভারতকে সতর্ক করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
ফের নিম্নচাপের আশঙ্কা বঙ্গোপসাগরে। দক্ষিণ আন্দামান সাগর ও বঙ্গোপসাগরে ২৯ নভেম্বর থেকে নিম্নচাপ তৈরি হবে বলে জানা গিয়েছে। সেই নিম্নচাপই ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে সেই নিম্নচাপই ঘূর্ণাবর্তে পরিবর্তিত হবে। আর সেই ঘূর্ণাবর্তের প্রভাব পড়বে অন্ধ্র প্রদেশ, ওডিশা ও পশ্চিমবঙ্গে।

ইতিমধ্যে মৌসম ভবনের তরফে সতর্কতা দেওয়া হয়েছে।এমনকি পরিস্থিতি জটিল হলে সাইক্লোনের আশঙ্কাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না আবহাওয়াবিদরা। যদিও পুরো পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে।এটি বেশ শক্তিশালী হবে

মৌসম ভবন বলছে, নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এটি বেশ শক্তিশালী হবে ও ক্রমশ উত্তর- পশ্চিমের দিকে এগিয়ে যাবে। তার জেরে আগামী ৩০ নভেম্বর ও ১ ডিসেম্বরের মধ্যে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে প্রবল বৃষিপাত হবে বলে জানিয়েছে মৌসম ভবন। মৌসম ভবনের তরফ থেকে করা এটি টুইটে এই তথ্য জানানো হয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, ২৯ নভেম্বর দক্ষিণ আন্দামান সাগরে ৪০ থেকে ৬০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায় হাওয়া বইবে। এছাড়া ১ ডিসেম্বর হাওয়া বইবে বঙ্গোপসাগরের ওপর দিয়ে।

বঙ্গোপসাগর উত্তাল হয় ঘূর্ণিঝড়ে
 

সাধারণত অক্টোবর ও নভেম্বরে বঙ্গোপসাগর উত্তাল হয় ঘূর্ণিঝড়ে। অথচ এবার তেমন কোনও পরিস্থিতি তৈরি হয়নি বঙ্গোপসাগরে। গত সেপ্টেম্বর মাসের শেষে দক্ষিণবঙ্গ সহ কলকাতা জুড়ে ব্যাপক বৃষ্টি হয়েছে সারাদিন ধরে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছিল, ঘূর্ণাবর্ত ও মৌসুমী অক্ষরেখার প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গে ওই ভারী বৃষ্টিপাত তৈরি হয়। সেই সময়, পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগর ও লাগোয়া উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগরের ওপর ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছিল।

দীঘা থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত
 

উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে সেই নিম্নচাপ তৈরি হয়েছিল। সেই ঘূর্ণাবর্ত ওড়িশা ও পশ্চিমবঙ্গ উপকূলের কাছাকাছি চলে আসে। তার প্রভাবে ওড়িশা ও পশ্চিমবঙ্গের উপকূলের জেলাগুলোতে ভারী বৃষ্টিপাত হয়। এমনকি জামশেদপুর হয়ে দীঘা থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয় মৌসুমী অক্ষরেখা। যার এর প্রভাবে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়ে।

শহরে ১০ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে
 

ইতিমধ্যে গত ২৭ নভেম্বর সকালে চেন্নাই শহরে ১০ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এ মাসে চেন্নাইতে মোট বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ৯৮ সিএম। আইএমডির তথ্য অনুযায়ী, ১৯১৮ সালের নভেম্বরে চেন্নইতে ১০৮.‌৮ সিএম রেকর্ড বৃষ্টিপাত হয়েছিল। আইএমডি ইতিমধ্যেই পূর্বাভাস দিয়েছে যে ২৮ নভেম্বর চেন্নাইয়ের উত্তর উপকূসবর্তী জেলাগুলিতে ও পুদুচেরিতে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। নভেম্বর শেষ হতে আর মাত্র তিনদিন বাকি আর এরই মধ্যে আরও বৃষ্টির পূর্বাভাস। আইএমডি মনে করছে এ বছরের নভেম্বরের বৃষ্টিপাত হয়ত ২০১৫ সালের ১০৫ সিএম বৃষ্টিপাতের রেকর্ডকে ভাঙতে পারে।

source: oneindia.com
বিশাখাপত্তনম: বর্তমানে ই-কমার্স সংস্থা গুলির ওপর কমবেশি সকলেই নির্ভরশীল। কারণ এখন থেকে প্রয়োজনীয় জিনিস কেনা যেমন সহজ, তেমনই কোনও কিছু কেনার প্রয়োজন হলে বাইরে যেতে হয়না, বাড়িতে বসে অর্ডার করলেই মেলে পছন্দের জিনিস। এই ধরনের অনলাইন মাধ্যমকে ব্যবহার করে মাদক পাচার! 

শুনতে অবাক লাগলেও বাস্তবটা খানিকটা এইরকমই। অন্ধ্র প্রদেশে পুলিশের স্পেশাল এনফোর্সমেন্ট ব্যুরো সম্প্রতি এই রকম এক চক্রের পর্দাফাঁস করেছে।

পুলিশের বিশেষ ওই শাখার হাতে গ্রেফতার হয়েছেন বাবা ছেলে জুটি। জানা গিয়েছে, জনপ্রিয় ই-কমার্স সংস্থা অ্যামাজনকে ব্যবহার করে তাঁরা গাঁজার ব্যবসা চালাচ্ছিল। শনিবার, বিশাখাপত্তনম থেকে তাদের গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সূত্রের খবর, ধৃতদের কাছ থেকে ৪৮ কেজি গাঁজা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সম্প্রতি মধ্যপ্রদেশের ভিন্ড পুলিশ এক গাঁজা পাচার চক্রের সন্ধান পায়। সেই পাচার চক্র, বিশাখাপত্তনম থেকে অনলাইন মাধ্যমে গাঁজা আনিয়ে পাচার করত। ই-কমার্স সংস্থা অ্যামাজন স্পষ্টতই জানিয়ে দিয়েছিল, অনলাইনে কোনও নিষিদ্ধ দ্রব্য বিক্রি করার কোনও অনুমতি, সংস্থার তরফে দেওয়া হয়নি। এই তদন্তে অ্যামাজন কর্তৃপক্ষের সব ধরনের সহায়তা পেয়েছে পুলিশ।

স্পেশাল এনফোর্সমেন্ট ব্যুরো সূত্রে খবর, অ্যামজনে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করে গাঁজার ব্যবসা ফেঁদেছিলেন ধৃত সুরজ ও মুকুল জয়সওয়াল। বিশাখাপত্তনম থেকে গাঁজা পাচারের জন্য তাঁরা অন্যদের জিএসটি নম্বর ব্যবহার করত। বাবা ছেলে জুটি শ্রীনিবাস রাও এবং মোহন রাজু বিশাখাপত্তনম থেকে পাচারের কাজ পরিচালনা করত বলেই জানা গিয়েছে। বাবা ছেলের পাশাপাশি আরও দুই ব্যক্তি ও গাড়ির চালককে আটক করেছে স্পেশাল এনফোর্সমেন্ট ব্যুরো।