WEATHER

Top News



উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুস্কর সিং ধামির উপস্থিতিতে শুরু হওয়া সেই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর চলে যাওয়ার পরেই সুর কাটল গায়ক মাসুম শর্মার আচরণে। অভিযোগ, মঞ্চ থেকে মহিলাদের উদ্দেশে অত্যন্ত কুরুচিকর ও অপমানজনক মন্তব্য করেন তিনি।
গানের মঞ্চে মহিলাদের নিয়ে অশালীন মন্তব্য! আইনি বিপাকে গায়ক মাসুম শর্মা



কলেজের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ছিলেন শিল্পী। গানে গানে মঞ্চ মাতানোর কথা ছিল তাঁর। কিন্তু গানের বদলে গায়কের মুখ থেকে বেরলো এমন কিছু মন্তব্য, যা মুহূর্তে কলঙ্কিত করল অনুষ্ঠানের পরিবেশকে। উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুস্কর সিং ধামির উপস্থিতিতে শুরু হওয়া সেই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর চলে যাওয়ার পরেই সুর কাটল গায়ক মাসুম শর্মার আচরণে। অভিযোগ, মঞ্চ থেকে মহিলাদের উদ্দেশে অত্যন্ত কুরুচিকর ও অপমানজনক মন্তব্য করেন তিনি।


ঘটনার গুরুত্ব বুঝে দেরাদুন পুলিশ ইতিমধ্যেই ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS)-এর একগুচ্ছ কড়া ধারায় মামলা রুজু করেছে। দালানওয়ালা থানায় দায়ের হওয়া এই মামলায় যুক্ত করা হয়েছে। ২৯৬ ধারা জনসমক্ষে অশ্লীল কাজ ও গান। ৭৯ ধারা: নারীজাতির মর্যাদাহানি ও অপমানজনক অঙ্গভঙ্গি। ৩৫২ ধারা: শান্তিভঙ্গের উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃত অপমান। ৩৫১(৩) ধারা: ফৌজদারি ভয়ভীতি প্রদর্শন।


দাঁ দিয়ে স্বামীর গলার নলি কেটে 'খুন', স্ত্রীর বর্ণনা শুনে স্তম্ভিত পুলিশ
ডিএভি কলেজের ছাত্র সংসদের বার্ষিক উৎসবে অজয় হুডার সঙ্গে পারফর্ম করছিলেন মাসুম। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, অনুষ্ঠানের শুরুতে মুখ্যমন্ত্রী উপস্থিত থাকলেও তিনি চলে যাওয়ার পরেই মাসুমের আচরণে আমূল বদল আসে। উপস্থিত পুলিশকর্মী, কলেজের অশিক্ষক কর্মী এবং বিশেষ করে ছাত্রীদের লক্ষ্য করে তিনি একের পর এক আপত্তিকর মন্তব্য করতে থাকেন। খানপুরের বিধায়ক উমেশ কুমার তাঁকে বারবার থামানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। গোটা ঘটনায় স্তম্ভিত ছাত্রছাত্রী ও কলেজ কর্তৃপক্ষ।


ঘটনার আঁচ পৌঁছেছে শিল্পীর নিজের রাজ্য হরিয়ানাতেও। হরিয়ানা রাজ্য মহিলা কমিশন এই বিষয়টি স্বতঃপ্রণোদিতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। ২০১২ সালের কমিশন আইন অনুযায়ী, মাসুম শর্মাকে আগামী ১৮ এপ্রিল সকাল ১১টায় পঞ্চকুলার দফতরে সশরীরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেখানে তাঁকে নিজের আচরণের সপক্ষে বিস্তারিত ব্যাখ্যা জমা দিতে হবে। কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, নির্দেশ অমান্য করলে বা অপরাধ প্রমাণিত হলে কড়া শাস্তির মুখে পড়তে হবে এই গায়ককে।

বিতর্ক চরম আকার ধারণ করতেই পিছু হটেছেন মাসুম। একটি ভিডিও বার্তায় তিনি দাবি করেছেন, সে সময় তিনি চরম ‘মানসিক চাপে’ ছিলেন। কাউকে ব্যক্তিগতভাবে আঘাত করা বা কারও অনুভূতি ক্ষুণ্ণ করা তাঁর উদ্দেশ্য ছিল না বলে জানিয়ে তিনি নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন। যদিও দেরাদুন পুলিশ জানিয়েছে, স্রেফ ক্ষমাপ্রার্থনায় কাজ হবে না। ভিডিও ও অডিও রেকর্ডিং পরীক্ষা করে এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান নিয়ে আইনি প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। সুরের মঞ্চে একজন শিল্পীর এমন পদস্খলন নিয়ে এখন নিন্দার ঝড় সোশ্যাল মিডিয়ায়। ডিএভি কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তদন্তে তাঁরা পুলিশকে সবরকম সহযোগিতা করবেন।


ভবানীপুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য ভোটের প্রচারে গিয়েছিলেন অভিনেতা সোহেল দত্ত। তবে রবিবার অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। এতটাই অসুস্থ হয়ে যান যে মিন্টো পার্কের কাছে এক বেসরকারি হাসপাতালে চিকিত্‍সাধীন রয়েছেন অভিনেতা।

মুখ্যমন্ত্রীর প্রচারে গিয়ে অসুস্থ অভিনেতা, শহরের বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি


ভবানীপুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য ভোটের প্রচারে গিয়েছিলেন অভিনেতা সোহেল দত্ত। তবে রবিবার অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। এতটাই অসুস্থ হয়ে যান যে মিন্টো পার্কের কাছে এক বেসরকারি হাসপাতালে চিকিত্‍সাধীন রয়েছেন অভিনেতা।


ঠিক কী হয়েছিল?  সোহল জানালেন, ”পেটে যন্ত্রণা নিয়ে ভর্তি হয়েছি হাসপাতালে। ভোটের প্রচারে গিয়েছিলাম ভবানীপুরে। সারা দিন ঠিকভাবে খাওয়া হয়নি। অসুস্থতা এতটাই বেড়ে যায় যে, রবিবার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি। আজকে সারা দিন চিকিত্‍সকরা দেখবেন, শরীরের অবস্থা কী থাকে।” কিডনি স্টোনের সমস্যা ধরা পড়েছে অভিনেতার।



নাকা চেকিংয়ে শ্রীময়ীর সঙ্গে 'ভয়ঙ্কর' ঘটনা, নিন্দা করলেন মুখ্যমন্ত্রীও
গানের মঞ্চে মহিলাদের নিয়ে অশালীন মন্তব্য! আইনি বিপাকে গায়ক মাসুম শর্মা
সোহেল এই মুহূর্তে বাংলা ধারাবাহিকে কাজ করছেন। তাই শুটিং পর্বে কিছুটা সমস্যা হতে পারে। সোহেল বরাবরই সবুজ শিবিরের ঘনিষ্ঠ। তবে গত বিধানসভা নির্বাচনের সময়ে তাঁকে গেরুয়া শিবিরের ঘনিষ্ঠ হতে দেখা গিয়েছিল। এই বছর সবুজ শিবিরের হয়ে প্রচারে বেশ কিছু টলিপাড়ার মুখকে দেখা যাচ্ছে। সবুজ শিবিরে যোগ দেওয়ার পর কোয়েল মল্লিক ভোটের প্রচার করছেন। তৃণা সাহা, শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়, সৌমিতৃষা কুণ্ডু, ইমন চক্রবর্তীর মতো ব্যক্তিত্বদের দেখা গিয়েছে সবুজ শিবিরের প্রার্থীদের হয়ে ভোটের প্রচারে। গেরুয়া শিবির থেকে সবুজ শিবিরে যোগ দেওয়ার পর পার্নো মিত্র প্রচার সেরেছেন নোয়াপাড়াতে।


এমনিতে অভিনয় জগতের প্রার্থীর সংখ্যা এবারের বিধানসভা নির্বাচনে তুলনায় কম। তবে গেরুয়া, সবুজ, লাল তিন শিবিরের জন্যই অভিনেতা-অভিনেত্রীরা অনেকে প্রচার করছেন। সোহেলের প্রেমিকা তিয়াশা লেপচা এবার ভোটে সবুজ শিবিরের হয়ে প্রার্থী হতে পারেন, এমন জল্পনা ছিল। তবে শেষ অবধি তাঁকে প্রার্থী হতে দেখা যায়নি।


আশা ভোঁসলের শেষযাত্রায় সামিল হতে সোমবার সকালেই পৌঁছে যান বলিউড ও ক্রীড়াজগতের দিকপালরা। সপরিবারে উপস্থিত ছিলেন ক্রিকেট কিংবদন্তি সচিন তেন্ডুলকর। এ ছাড়াও রিতেশ দেশমুখ, তব্বুসহ টিনসেল টাউনের বহু তারকা এদিন চোখের জলে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। প্রিয় শিল্পীর পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দিতে ভিড় জমিয়েছিলেন তাঁর ঘনিষ্ঠ পরিজনেরা।


রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষশ্রদ্ধা আশা ভোঁসলেকে, কোন কোন তারকা উপস্থিত ছিলেন?


স্তব্ধ মায়ানগরী, নীরব সুরের ভুবন। সোমবার দুপুর গড়াতেই মুম্বইয়ের লোয়ার পারেল এলাকার ‘কাসা গ্র্যান্ডে’ আবাসনে নেমে এল শোকের ছায়া। ভারতের সুরসম্রাজ্ঞী আশা ভোঁসলের প্রয়াণে এদিন সকাল থেকেই তাঁর বাসভবনে ভিড় জমিয়েছিলেন অগণিত অনুরাগী ও বিশিষ্টজনেরা। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফডণবীস এদিন শিল্পীর মরদেহে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শেষশ্রদ্ধা জানান।


ভারতীয় সংগীত জগতের এই মহীরুহকে যথাযথ সম্মান জানাতে তাঁর মরদেহ জাতীয় পতাকায় মুড়ে দেওয়া হয়। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, শিল্পীকে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় জানানো হচ্ছে। দুপুর ২টো পর্যন্ত তাঁর মরদেহ বাসভবনেই শায়িত ছিল, যাতে গুণমুগ্ধরা তাঁদের প্রিয় ‘আশা তাই’-কে শেষবারের মতো চাক্ষুষ করতে পারেন। বিকেল ৪টে নাগাদ শিবাজী পার্কে সম্পন্ন হবে তাঁর শেষকৃত্য।



আশা ভোঁসলের শেষযাত্রায় সামিল হতে সোমবার সকালেই পৌঁছে যান বলিউড ও ক্রীড়াজগতের দিকপালরা। সপরিবারে উপস্থিত ছিলেন ক্রিকেট কিংবদন্তি সচিন তেন্ডুলকর। এ ছাড়াও রিতেশ দেশমুখ, তব্বুসহ টিনসেল টাউনের বহু তারকা এদিন চোখের জলে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। প্রিয় শিল্পীর পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দিতে ভিড় জমিয়েছিলেন তাঁর ঘনিষ্ঠ পরিজনেরা।

শনিবার হঠাৎ অসুস্থ হয়ে ব্রীচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ৯২ বছর বয়সি এই শিল্পী। তাঁর অসুস্থতার খবর ছড়িয়ে পড়তেই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিল গোটা দেশ। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করে টুইট করেছিলেন। কিন্তু চিকিৎসকদের সমস্ত চেষ্টা ব্যর্থ করে রবিবার শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। ব্রীচ ক্যান্ডি হাসপাতালের চিকিৎসক প্রতীত সমদানি জানিয়েছেন, বার্ধক্যজনিত কারণে শরীরের একাধিক অঙ্গ বিকল হয়ে যাওয়াই (Multiple organ failure) তাঁর মৃত্যুর প্রধান কারণ।

পদ্মবিভূষণ থেকে দাদাসাহেব ফালকে— দীর্ঘ কেরিয়ারে সম্মানের কোনো খামতি ছিল না তাঁর ঝুলিতে। ২০টিরও বেশি ভাষায় গান রেকর্ড করে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডেও নাম তুলেছিলেন তিনি। ১৯৯৭ সালে গ্র্যামি মনোনয়ন পাওয়া এই শিল্পীর কন্ঠস্বর কয়েক প্রজন্মকে মন্ত্রমুগ্ধ করে রেখেছে। তাঁর প্রয়াণে কেবল একটি কণ্ঠই স্তব্ধ হলো না, বরং ভারতীয় চলচ্চিত্রের একটি সোনালি অধ্যায়ের অবসান ঘটল।


অভিনেত্রী মৌসুমী ভট্টাচার্যকে এবার পাওয়া গেল বাম শিবিরের হয়ে ভোটের প্রচারে। বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী দীপ্সিতা ধরের হয়ে প্রচার করছিলেন অভিনেত্রী। প্রচার মঞ্চে মৌসুমী বলেন, ''শুনতে পাই বাম নাকি শূন্য, এই যে এত মানুষ, তা হলে বাম কী করে শূন্য হয়?


'যে বলবে বাম শূন্য, তার গলা টিপে ধরবেন...', এবার ভোটের প্রচারে মৌসুমী


অভিনেত্রী মৌসুমী ভট্টাচার্যকে এবার পাওয়া গেল বাম শিবিরের হয়ে ভোটের প্রচারে। বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী দীপ্সিতা ধরের হয়ে প্রচার করছিলেন অভিনেত্রী। প্রচার মঞ্চে মৌসুমী বলেন, ”শুনতে পাই বাম নাকি শূন্য, এই যে এত মানুষ, তা হলে বাম কী করে শূন্য হয়?


বাম কখনও শূন্য ছিল না, বাম কখনও শূন্য হবে না…এবার যে বলবে বাম শূন্য, তাদের গলা টিপে ধরবেন, বলবেন এই ভিডিয়োগুলো দেখ! যে দল ৩৪ বছর রাজত্ব করে, তারা নিমেষে হাওয়া হয়ে যেতে পারে না। আর প্রত্যেককে বলছি, নিজের বুথ দখল করে ভোট করাবেন। সবাইকে ভোট দিতে বলবেন।” ভিডিয়োতে দেখা যায়, বাম শিবিরের মঞ্চের সামনে প্রচুর মানুষ উপস্থিত।



মুখ্যমন্ত্রীর প্রচারে গিয়ে অসুস্থ অভিনেতা, শহরের বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি
সম্প্রতি মৌসুমী চর্চা এসেছেন অভিনেতা জীতু কমলের সমালোচনা করে। রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের অকাল মৃত্যুর প্রতিবাদে ৪ এপ্রিল টেকনিশিয়ান্স স্টুডিয়ো থেকে একটি প্রতিবাদ মিছিল হয়। এটি কোনও রাজনৈতিক মিছিল ছিল না। সেই মিছিলে টলিপাড়ায় বিভিন্ন শিল্পী-টেকনিশিয়ানরা উপস্থিত ছিলেন। এদিন স্টুডিয়োতে একটা গাছের নীচে বসে ছিলেন অভিনেতা জীতু কমল। রাহুলের ছবিতে মালা দেওয়ার পাশাপাশি তিনি নিজের ছবিতে মালা পরিয়ে দেন। সামনে রাখেন মোমবাতি-ফুল। জীতুর দাবি ছিল, একটা শুটিং করতে গিয়ে তিনিও সমস্যায় পড়েন। আর্টিস্টস ফোরামকে সেই ব্যাপারে ই-মেল মারফত জানালেও উত্তর পাননি। শিল্পীরা বেঁচে থাকলে, বিষয়টা গুরুত্ব পায় না বলেই, তিনি প্রতীকী প্রতিবাদ করেন।


এই ঘটনার কড়া সমালোচনা করেছেন অভিনেত্রী মৌসুমী ভট্টাচার্য। তিনি একটি সাক্ষাত্‍কারে বলেন, ”জীতু যেটা করেছে, ভীষণ ভুল করেছে। ভীষণ অন্যায় করেছে। তারপর ওঁকে ক্ষমা চাইতে হয়েছে। আজকে ও ক্ষমা চেয়েছে। আমি হলে ওঁকে ক্ষমাই করতাম না। আর্টিস্টস ফোরামের অনেক বড় মন, তাই ওঁকে ক্ষমা করেছে।” গত রবিবার বিকেলে আর্টিস্টস ফোরামের একটা মিটিংয়ে বিভিন্ন শিল্পীদের ডাকা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন জীতু।

মৌসুমীর এই মন্তব্যে রাগে ফেটে পড়েন জীতু। ফেসবুক লাইভে তিনি বলেন, ”আমি প্রতীকী প্রতিবাদ করেছিলাম। তারপর আমাকে আর্টিস্টস ফোরামের মিটিংয়ে ডাকা হয়, এই বিষয়টা নিয়ে আলোচনা হবে বলে। আমি গিয়েছিলাম, যদিও এই বিষয়টা নিয়ে কথা হয়নি। বলা হয়েছে, ডিসপিউট কমিটি তৈরি হলে, বিষয়টা নিয়ে প্রথমেই কথা হবে। কিন্তু আপনি কেন বললেন, আমি ক্ষমা চেয়েছি? কে ক্ষমা চেয়েছে? কেন ক্ষমা চাইতে যাব? নোংরামিটা কম করুন…আপনাদের মতো পার্টির কিছু সদস্য, সকালে প্রাক্তনের নামে কুত্‍সা রটান। সেই প্রাক্তনের থেকে সুবিধা পেলে, তার পায়ের তলায় বসে পড়েন। আপনারা পালটিবাজ। আমি নই…”

তাঁর স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে গলা ভিজে আসে আর এক কিংবদন্তি সঙ্গীত শিল্পী আরতি মুখোপাধ্যায়ের। তিনি বলেন, "লতাদির চলে যাওয়ায় যে শূন্যতা তৈরি হয়েছিল, আজ সেই শূন্যতা আরও বেড়ে গেলো , কত কী শিখেছি ওর কাছে, কত গানের সুর, ছন্দ তাল নিয়ে আলোচনা হত। আজ বহু কথা ভিড় করে আসছে। আশাজি বার বার বলতো, এই যে গানের প্রতিযোগিতা হচ্ছে, সেখানে তো লতা,আশাজির গানই গাইছে সকলে, যে গলার কাজ করেছেন, সেটাই কপি করছে, নতুন কিছু আর আসছে কোথায়? "


হিন্দি ফিল্ম জগতের সঙ্গে বাংলার গভীর সম্পর্ক বহু বহু বছর ধরে চলে আসছে। বাঙালি পরিচালকের নির্দেশনায় যেমন বহু অবাঙালি অভিনেতা পরিচিত হয়েছেন, তেমনই বহু বাঙালি সঙ্গীত পরিচালকের সঙ্গে কাজ করে অমর হয়ে রয়েছেন গায়ক-গায়িকা। তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন আশা ভোঁসলে। সঙ্গীত পরিচালক আর ডি বর্মনের ঘরনিও তিনি। বিরানব্বই বছর বয়সে পরোলোক গমন করেন। তাঁর স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে গলা ভিজে আসে আর এক কিংবদন্তি সঙ্গীত শিল্পী আরতি মুখোপাধ্যায়ের। তিনি বলেন, “লতাদির চলে যাওয়ায় যে শূন্যতা তৈরি হয়েছিল, আজ সেই শূন্যতা আরও বেড়ে গেলো , কত কী শিখেছি ওর কাছে, কত গানের সুর, ছন্দ তাল নিয়ে আলোচনা হত। আজ বহু কথা ভিড় করে আসছে। আশাজি বার বার বলতো, এই যে গানের প্রতিযোগিতা হচ্ছে, সেখানে তো লতা,আশাজির গানই গাইছে সকলে, যে গলার কাজ করেছেন, সেটাই কপি করছে, নতুন কিছু আর আসছে কোথায়? ”

আরতি মুখোপাধ্যায় আরও বলেন, “আশাজি খুব বিরক্ত হতেন, নতুন শিল্পীরা নিজেদের কোনও স্টাইল তৈরি করছে না, সেই আগেকার গায়ক গায়িকাকেই কপি করছে, এটা একদম পছন্দ করতেন না। কত ধরনের গান গেয়েছেন। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত ডিসিপ্লিন ছিলেন রেয়াজ করতেন। আসলে মন্দেস্কর পরিবার প্রথম দিকে বিভিন্ন স্টেজ শ্যো করত, সেই সময় আশাজি খুব ছোটো ছিল, তাই ছোট থেকেই স্টেজে গাওয়ার যে উচ্ছলতা সেটা ওর গানে পরবর্তী সময়ে প্রকাশ পেয়েছে। কত সময় কাটিয়েছি, গানের মধ্যে যে হরকত করতেন, সেই নিয়ে আলোচনা হতো।”




আশা ভোঁসলের গান যেমন চর্চায় থাকত,তেমনি বিতর্কিত ছিল তাঁর ব্যক্তিগত জীবন। কাজ নিয়ে খুব প্যাশনেট ছিলেন, তাই নানা বিতর্কের সঙ্গে অনেক শিল্পীদের নানা অভিমান মনে বাসা বেঁধেছিল। কিছুদিন আগেই টিভিনাইন বাংলাকে একান্ত সাক্ষাৎকারে সঙ্গীত শিল্পী আরতি মুখোপাধ্যায় বলেছিলেন, “মুম্বই কি ভয়ংকর জায়গা খুব ভালো করে চিনে গিয়েছি, আমার গানের জন্য ফিল্ম ফেয়ার পুরষ্কার পাওয়ার পর থেকে আরডি বর্মন আমাকে দিয়ে আর গান গাওয়াতে পারেননি, প্রথমে বুঝতে না পারলেও পরে বুঝেছি, আরডি বর্মন বলতেই মঙ্গেশকরের পরিবারে গান না গেলে ওই শহরে থাকা যাবে না। ” সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরতি মুখোপাধ্যায়ের কাছে পরিষ্কার হয়ে যায়, মুম্বইয়ে লতাজি আশাজির অদৃশ্য হাতের জন্য আরডি বর্মন তাঁকে দিয়ে আর গাওয়াতে পারেননি



অভিনেতা ও লেখক রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্যকর মোড়। মৃত্যুর নেপথ্যে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে গত ৫ এপ্রিল ওড়িশার তালসারি মেরিন থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন তাঁর স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকার। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই এবার কড়া পদক্ষেপ করল ওড়িশা পুলিশ। সমন পাঠানো হল অভিযুক্তদের কাছে।


রাহুলের দেওয়া শেষ জামা পরেই স্মরণসভায় অনির্বাণ, ভাইকে নিয়ে কী বললেন শোকাতুর দাদা?
আকাশ মিশ্র


অভিনেতা রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়কে অকালে হারিয়ে এখনও যেন শোকাচ্ছন্ন গোটা টলিউড। তালসারিতে শুটিং করতে গিয়ে তাঁর মৃত্য়ুর তদন্ত চললেও, তাঁর নানান স্মৃতিতেই আটকে রয়েছেন রাহুলের আত্মীয়-পরিজন, বন্ধুবান্ধবরা।


সম্প্রতি বিজয়গড়ে অনুষ্ঠীত হল রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্মরণসভা। এই স্মরণসভায় উপস্থিত ছিলেন রাহুলের বন্ধবান্ধব, ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির মানুষরাও। এই স্মরণসভাতেই রাহুলের স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে চোখ ছলছল রাহুলের দাদা অনির্বাণের।





রাহুলের দাদা অনির্বাণ এই স্মরণসভায় হাজির হয়েছিলেন ‘সহজ কথা’ লেখা কালো টিশার্ট পরেই। রাহুলের দাদা জানালেন, ”এই বাড়িতেই রাহুলের পৈতে হয়েছিল। আজ সেই বাড়িতে স্মরণসভা। কীরকম একটা অদ্ভুত লাগছে। এই টিশার্টটা বাবিন আমাকে দিয়েছিল। এটা আমার খুবই প্রিয়। এটা আমাকে দেওয়া ওর শেষ উপহার।”

উল্লেখ্য, অভিনেতা ও লেখক রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্যকর মোড়। মৃত্যুর নেপথ্যে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে গত ৫ এপ্রিল ওড়িশার তালসারি মেরিন থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন তাঁর স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকার। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই এবার কড়া পদক্ষেপ করল ওড়িশা পুলিশ। সমন পাঠানো হল অভিযুক্তদের কাছে।

‘ভোলে বাবা পার করেগা’ ধারাবাহিকের শুটিং চলাকালীন গত ২৯ মার্চ বিকেলে তালসারি সমুদ্রে ডুবে মৃত্যু হয়েছিল রাহুলের। তাঁর স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকারের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রযোজনা সংস্থা ‘ম্যাজিক মোমেন্টস মোশন পিকচার্স’-এর কর্নধার শৈবাল বন্দ্যোপাধ্যায়, লিনা গঙ্গোপাধ্যায়-সহ পরিচালক শুভাশিস মণ্ডল, এক্সিকিউটিভ প্রোডিউসার শান্তনু নন্দী এবং ম্যানেজার চন্দ্রশেখর চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে বিএনএস-এর ১০৬ (১), ২৪০ ও ৩ (৫) ধারায় মামলা শুরু করে ওড়িশা পুলিশ। এবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এই পাঁচ অভিযুক্তকে সমন পাঠানো হয়েছে।

গানের সুরকার হিমেশ রেশমিয়া তখন অন্য একটি কাজে ব্যস্ত ছিলেন। স্টুডিওতে রেকর্ডিং সামলাচ্ছিলেন হিমেশের বাবা। কুণাল জানান, হিমেশ তাঁকে ফোন করে স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন যে গানটি কেমন হওয়া চাই। হিমেশ বলেছিলেন, "আমাদের ‘হামদম সুনিয়ো রে’ গানের মতো একটা রোমান্টিক আর ইয়ুথফুল ভাইব চাই, কারণ এই গান সলমন ভাইয়ের জন্য।"
সলমনের ছবির 'দিল কহে রাহা হ্যায়' গান রেকর্ডে কী ঘটেছিল জানেন?


কালজয়ী গানটির রেকর্ডের গল্প শুনিয়েছেন কুণাল।


বলিউডের সুপারহিট ছবি ‘কিউ কি’-র সেই মন ছুঁয়ে যাওয়া গান ‘দিল কহে রাহা হ্যায়’ শোনেননি এমন শ্রোতা মেলা ভার। সলমন খান আর করিনা কাপুর খান পর্দার সেই রসায়ন আজও দর্শক ভোলেননি। কিন্তু জানেন কি কুণাল গাঞ্জাওয়ালা এই কালজয়ী গানটি রেকর্ড করেছিলেন মাত্র ১৫ থেকে ২০ মিনিটে? সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই কালজয়ী গানটির রেকর্ডের গল্প শুনিয়েছেন কুণাল।


সাধারণত গায়করা স্টুডিওতে গিয়ে হার্ডকপিতে গানের লিরিক্স বা কথা পান। কিন্তু এই গানের ক্ষেত্রে তেমনটা হয়নি। কুণালের মোবাইলে এসএমএস (SMS) করে পাঠানো হয়েছিল গানের লাইনগুলো। আধুনিক প্রযুক্তির যুগে এটা স্বাভাবিক মনে হলেও, সেই সময়ে দাঁড়িয়ে বিষয়টা ছিল বেশ চমকপ্রদ।



গানের সুরকার হিমেশ রেশমিয়া তখন অন্য একটি কাজে ব্যস্ত ছিলেন। স্টুডিওতে রেকর্ডিং সামলাচ্ছিলেন হিমেশের বাবা। কুণাল জানান, হিমেশ তাঁকে ফোন করে স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন যে গানটি কেমন হওয়া চাই। হিমেশ বলেছিলেন, “আমাদের ‘হামদম সুনিয়ো রে’ গানের মতো একটা রোমান্টিক আর ইয়ুথফুল ভাইব চাই, কারণ এই গান সলমন ভাইয়ের জন্য।”


হিমেশ স্টুডিওতে আসার পর প্রথমে রেকর্ড করা অংশটি তাঁর মনের মতো হয়নি। তিনি বুঝতে পারেন তাঁর বাবা যেভাবে কাজটা করাচ্ছিলেন, সেখানে কোথাও একটা খামতি থেকে গিয়েছে। এরপর হিমেশ নিজে দায়িত্ব নেন। কুণাল গাঞ্জাওয়ালাও আর দেরি করেননি। হিমেশের নির্দেশমতো মাত্র ১৫-২০ মিনিটের মধ্যেই গোটা গানটির রেকর্ডিং শেষ করে ফেলেন তিনি।

২০০৫ সালে মুক্তি পাওয়া প্রিয়দর্শন পরিচালিত ‘কিউ কি’ ছবিটি ছিল ওঁরই এক মালয়ালম ছবির রিমেক। মানসিক হাসপাতালের রোগী আনন্দ (সলমন খান) এবং চিকিৎসক তনভির (করিনা কাপুর) সেই ট্র্যাজিক প্রেমের গল্প আজও মানুষের মনে গেঁথে আছে। জ্যাকি শ্রফ, সুনীল শেট্টি ও ওম পুরির মতো তারকাদের ভিড়েও এই ছবির গানগুলো ছিল অন্যতম প্রাণভোমরা। আর সেই গানের নেপথ্যে যে এমন এক রুদ্ধশ্বাস গল্প ছিল, তা কুণালের এই স্মৃতিচারণায় আরও একবার পরিষ্কার হয়ে গেল।

কমিশনের আইনজীবী ডি এস নাইডুর উদ্দেশে একযোগে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন। বিচারপতি বাগচী বলেন, যে পদ্ধতিতে বিহারে এসআইআর হয়েছে, বাংলায় তা অবলম্বন করা হয়নি। পাশাপাশি বিচারপতি বলেন, "একজন ভোটার এখানে দুই সাংবিধানিক সংস্থার মাঝে পড়ে যাচ্ছে স্যান্ডউইচ হচ্ছেন।" উঠে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির প্রসঙ্গও। 

ভোটার এখানে স্যান্ডউইচ হয়ে যাচ্ছেন', SIR প্রক্রিয়া নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে এবার এক গাদা প্রশ্নের মুখে পড়ল কমিশন
সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী

সুপ্রিম কোর্টে ভোটার তালিকা ফ্রিজের সময়সীমা বাড়ানোর আর্জি। এসআইআর-এর মূল মামলার আগে এই মামলাটি শোনে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ। কিন্তু এদিন সুপ্রিম কোর্ট এই আবেদনে সাড়া দেয়নি। পাল্টা মামলাকারীকে ট্রাইবুনালেই যাওয়ার কথা বললেন তিনি। কিন্তু এই মামলাতেও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে আসে। এদিন কমিশনের আইনজীবী ডি এস নাইডুর উদ্দেশে একযোগে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন। বিচারপতি বাগচী বলেন, যে পদ্ধতিতে বিহারে এসআইআর হয়েছে, বাংলায় তা অবলম্বন করা হয়নি। পাশাপাশি বিচারপতি বলেন, “একজন ভোটার এখানে দুই সাংবিধানিক সংস্থার মাঝে পড়ে যাচ্ছে স্যান্ডউইচ হচ্ছেন।” উঠে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির প্রসঙ্গও।


এক্ষেত্রে বিচারপতি বাগচীর একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ, বাংলার মতো লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি আর কোনও রাজ্যে হয়নি। কমিশনকে এদিন সুপ্রিম কোর্টে বেশ কিছু প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। কমিশনের তরফ থেকে আইনজীবী ডিএস নাইডু পাল্টা কমিশনের অবস্থান তুলে ধরছিলেন, কেন বিহারের ক্ষেত্রে এক ধরনের নিয়ম ছিল, আর বাংলার ক্ষেত্রে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি চালু করা হয়। তখন খুব স্পষ্টভাবে বিচারপতি বাগচী বলেন, “আপনি এমন একজনের কাছে মডেল ফর্ম দিচ্ছেন, যিনি ইতিমধ্যেই ফর্ম পূরণ করেছেন।”


একুশের নির্বাচনে ছিলেন বাংলার পর্যবেক্ষক, এবার দেখা নেই কৈলাসের! বললেন, 'বাংলায় এলেই গ্রেফতার...'
অর্থাৎ বিচারপতি বাংলার SIR-এ অংশ নিয়েছেন, অর্থাৎ সমস্তটাই জানেন। সেক্ষেত্রে বিচারপতির মুখে উঠে আসে ২০০২ সালের ভোটার তালিকার কথাও। বিচারপতির প্রশ্ন, আগে কমিশন যখন বলেছিল, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম থাকলেই হবে, তাঁদের আলাদা করে নথি জমা দিতে হবে না। কিন্তু বাংলার ক্ষেত্রে কমিশনের আইনজীবী বলেন, ২০০২ সালে যাঁদের নাম রয়েছে, তাঁরা একই ব্যক্তি কিনা, সেটা দেখতেই নথি। কারণ অনেকের নামের পরিবর্তন হয়েছে। তখন বিচারপতি বাগচী বলেন, কমিশন তাদের আগের অবস্থান থেকে সরে যাচ্ছে।


কমিশনের আইনজীবী নাইডুর উদ্দেশে বিচারপতি বাগচী বলেন, “আমাদের ‘ন্যায্য প্রক্রিয়ায় অধিকার রক্ষা করতে হবে।” আইনজীবী নাইডু তখন বলেন, “যখন আমরা লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি তালিকা প্রকাশ করেছি এবং মানুষকে জানানো হয়েছে, তখন তারা আপত্তি জমা দিতে পারে। অনুগ্রহ করে লক্ষ্য করুন, ৪৭ শতাংশ আবেদন বাতিল হয়েছে।”

বিচারপতি বাগচী তখন বলেন, “এটা দোষারোপের খেলা নয়। একজন ভোটার এখানে দুই সাংবিধানিক সংস্থার মাঝে পড়ে যাচ্ছে স্যান্ডউইচ হচ্ছেন।”

এই পর্বের শুনানিতে ট্রাইবুনালের কাজে হস্তক্ষেপ করতে অস্বীকার করে সুপ্রিমকোর্ট।


২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন দুই দফায় হচ্ছে। ২৩ এপ্রিল ও ২৯ এপ্রিল। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনীর আড়াই হাজারের বেশি কোম্পানি রাজ্যে থাকছে। তারপরও ভোটারদের কোনও অভিযোগ থাকলে, তার জন্যই আর একটি টোল ফ্রি নম্বর চালু করল কমিশন। রাজনীতির কারবারিরা বলছেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করতে কমিশন যে বদ্ধপরিকর, তা স্পষ্ট করে দিচ্ছে।


অভিযোগ জানাতে নতুন টোল ফ্রি নম্বর চালু কমিশনের, জেনে নিন নম্বরটি
নির্বাচন কমিশন

অবাধ ও সুষ্ঠু ভোটের জন্য সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বাংলায় ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার পরই এ কথা জানিয়েছিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী বাড়ানোর কথা ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছে কমিশন। এবার ভোট সংক্রান্ত অভিযোগ জানাতে আরও একটি টোল ফ্রি নম্বর চালুর ঘোষণা করল। কেউ হুমকি দিলে, কেউ ভয় দেখালে ফোন করে অভিযোগ জানানো যাবে। সোমবার এই টোল ফ্রি নম্বর চালুর কথা ঘোষণা করে কমিশন জানিয়েছে, যেকোনও অভিযোগ পেলে দ্রুত নিষ্পত্তি করা হবে।

জেনে নিন নতুন টোল ফ্রি নম্বরটি-



বৃষ্টিও দমাতে পারেনি রাজস্থানের জয়রথ! নজির গড়ে পুরস্কৃত বর্ষাপাড়ার কিউরেটররা
ইতিমধ্যেই একটি টোল ফ্রি নম্বর রয়েছে কমিশনের। ওই নম্বরটি হল ১৯৫০। এর পাশাপাশি ভোটের জন্য একটি নতুন টোল ফ্রি নম্বর চালু হল। নম্বরটি হল ১৮০০৩৪৫০০৮। কমিশন জানিয়েছে, ভোটের জন্য এই নম্বর চালু করা হল। ভোট সংক্রান্ত যাবতীয় অভিযোগ জানানো যাবে এই নম্বরে। এছাড়া কমিশন ইতিমধ্যে একটি মেইল আইডি-ও দিয়েছে। মেইল আইডি হল 
 এই মেইলেও অভিযোগ পেলে দ্রুত নিষ্পত্তি করা হবে।

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন দুই দফায় হচ্ছে। ২৩ এপ্রিল ও ২৯ এপ্রিল। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনীর আড়াই হাজারের বেশি কোম্পানি রাজ্যে থাকছে। তারপরও ভোটারদের কোনও অভিযোগ থাকলে, তার জন্যই আর একটি টোল ফ্রি নম্বর চালু করল কমিশন। রাজনীতির কারবারিরা বলছেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করতে কমিশন যে বদ্ধপরিকর, তা স্পষ্ট করে দিচ্ছে।

এদিকে, রাজারহাট-গোপালপুর কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী অদিতি মুন্সির প্রচারে নাইজেরিয়ান ফুটবলারদের অংশগ্রহণ নিয়ে বিতর্ক বেধেছে। এই নিয়ে এদিন কমিশন স্পষ্ট করে দিয়েছে, বিদেশি ফুটবলাররা আইন ভেঙেছেন। বিদেশি কেউ প্রচারে অংশ নিতে পারেন না। এই নিয়ে রিপোর্ট চেয়েছে কমিশন।

আবার আজ থেকে এসআইআর প্রক্রিয়ায় ট্রাইব্যুনাল কাজ শুরু করেছে। কমিশন জানিয়েছে, অনলাইনে কয়েক হাজার আবেদন জমা পড়েছে।


কমিশনের আইনজীবী নাইডু বলেন, "এটা একটা চলমান প্রক্রিয়া। ট্রাইব্যুনালে শুনানির মধ্য দিয়ে কাদের নাম থাকবে, কাদের নাম বাদ যাবে, তা ঠিক হবে। কিন্তু ভোটার তালিকা ফ্রিজ হয়ে গিয়েছে।" প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, 'আমরা ট্রাইব্যুনালের উপর চাপ দিতে পারি না। আজ এই বিষয়ে রিট পিটিশনে শুনানি আমরা করেছি।'

বিচারাধীন ভোটাররা ভোট দিতে পারবেন? 'কোনও প্রশ্নই ওঠে না' বলল সুপ্রিম কোর্ট
প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে এসআইআর মামলা

পশ্চিমবঙ্গের লক্ষ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। বিচারাধীন তালিকায় থাকা ভোটাররা যাতে ভোট দিতে পারে, আজ সেই সওয়াল করা হয় রাজ্যের তরফে। ইতিমধ্যেই ফ্রিজ হয়ে যাওয়া ভোটার তালিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে বিবেচনাধীন ভোটাররা যে কোনওভাবেই ভোট দিতে পারবেন না, তা আপাতত স্পষ্ট হয়ে গেল সুপ্রিম কোর্টের শুনানিতে। আগামী সপ্তাহে রয়েছে পরবর্তী শুনানি।

সোমবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চে ছিল মামলার শুনানি।


অনুপ্রবেশকারী-মুক্ত বাংলা তৈরি করুন', রোড শো-তে বললেন শাহ
রোজ LPG Cylinder বুকিং বাতিল হচ্ছে শয়ে শয়ে, মাথায় হাত ডিস্ট্রিবিউটরদের, হঠাৎ কী হল?
কারা ২৩ এপ্রিল ভোট দিতে পারবেন?


প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানিয়েছেন যে ৬০ লক্ষ ৪ হাজার মামলার নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে। প্রায় ১৮২৩টি মামলা কিছু প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে এখনও মুলতুবি রয়েছে। ট্রাইব্যুনাল রবিবার থেকেই কার্যক্রম শুরু করেছে। রবিবার একটি ইন্ট্রোডাক্টরি সেসন ছিল, তার সঙ্গে একটি মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়েছিল।

বিচারপতি বাগচী জানান, ৩৪ লক্ষ আবেদন জমা পড়েছে। ৬ এপ্রিল বা ৭ এবং ৮ এপ্রিল কয়েক দফায় যাঁদের নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে তাঁরা ২৩ এপ্রিল ভোট দিতে পারবেন।

‘প্রশ্ন ওঠেই না’

আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় উল্লেখ করেন, রঘুনাথগঞ্জে যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, সেখানে সব ভোটার বিচারাধীন। সেখানকার সব মামলা পেন্ডিং আছে। অথচ এমন একটা ‘ইমপ্রেশন’ তৈরির চেষ্টা হচ্ছে, যেন বিচারাধীন সমস্ত কেসের নিষ্পত্তি করে দেওয়া হয়েছে। ১৬ লক্ষ আবেদন জমা পড়েছে। তাঁদের ভোট দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হোক।

এ কথা শুনে প্রধান বিচারপতি বলেন, “এই প্রশ্ন ওঠেই না।” 

রাজ্যের তরফে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায় আর্জি জানান, আগামী ২৩ এপ্রিল ভোটের আগে যত সম্ভব কেসের শুনানি শেষ করা হোক। তবে প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, “আমরা ট্রাইব্যুনালের উপর চাপ দিতে পারি না।”

এরপর কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায় বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের মানুষ আপনাদের মুখের দিকে তাকিয়ে আছে। তারা ভোটাধিকার চায়।” এ কথা শুনে আইনজীবী অশ্বিনী উপাধ্যায় বলেন, “বাংলায় কীভাবে জনবিন্যাস পরিবর্তন হয়েছে সকলে জানে।” উত্তরে কল্যাণ বলেন, ‘বাংলাকে টার্গেট করবেন না। বাংলা জানে কীভাবে লড়াই করতে হয়।’

মুখ্যমন্ত্রীর আইনজীবী শ্যাম দিওয়ান আইনের ধারা তুলে উল্লেখ করেন, “যাঁদের ভোটাধিকার চলে গিয়েছে, তাঁদের সুযোগ দেওয়া হোক। যারা বিচারাধীন তালিকায় আছে, তাদের ভোট দেওয়ার সুযোগ দিন।” পাল্টা আইনের ধারা তুলে বিরোধিতা করেন কমিশনের আইনজীবী নাইডু। বিচারপতি বাগচী বলেন, “আমাদের একটু ভাবার সময় দিন। দু’পক্ষের কথাই আমাদের মাথায় রাখতে হবে।” আগামী সপ্তাহে পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে।

আজ ভোটের ডিউটির তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে। আর সেখানেই দেখা যাচ্ছে এমন বহু নাম যাঁদের ভোট কর্মী হিসেবে কীভাবে নেওয়া হল তা নিয়েই প্রশ্ন উঠে যাচ্ছে। অন্যদিকে ইংরেজবাজার পুরসভার প্রায় ৪০ জন সাফাই কর্মীকে থার্ড পোলিং অফিসার করেছে নির্বাচন কমিশন।

এবারের ভোটে সাফাই কর্মীরা থার্ড পোলিং অফিসার, কমিশনের সিদ্ধান্তে বিতর্ক
সাফাই কর্মীরা থার্ড পোলিং অফিসার



সই করতে পারে না। আঙুল ছাপ, এমন অনেকেই রয়েছেন থার্ড পোলিং অফিসার। শুধু তাই নয়, কো-অপারেটিভ হোলসেল কনজিউমার সোসাইটির হেল্পারও থার্ড পোলিং অফিসার। সাফাই কর্মী, ঝাড়ুদার, মজদুর সকলেই থার্ড পোলিং অফিসার। এহেন ভোটের ডিউটির নমুনা দেখে হতবাক সকলেই। উঠছে প্রশ্নও। চলছে শোরগোলও।

আজ ভোটের ডিউটির তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে। আর সেখানেই দেখা যাচ্ছে এমন বহু নাম যাঁদের ভোট কর্মী হিসেবে কীভাবে নেওয়া হল তা নিয়েই প্রশ্ন উঠে যাচ্ছে। অন্যদিকে ইংরেজবাজার পুরসভার প্রায় ৪০ জন সাফাই কর্মীকে থার্ড পোলিং অফিসার করেছে নির্বাচন কমিশন। ফলে শহর জুড়ে সাফাই প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাবে বলে জানিয়ে দিয়েছে ইংরেজবাজার পুরসভা। ইতিমধ্যেই পুরসভার তরফ থেকে এই বিষয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশনকেও। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে নির্বাচন কমিশন।




'বিজেপি কল্পনাই করতে পারবে না...', কী বললেন ফিরহাদ?
মালদহের অতিরিক্ত জেলা শাসক অনিন্দ্য সরকার বলেন, “সরকারি গাইডলাইন অনুযায়ী যাঁদের ডিউটি দেওয়া যায় তাঁদেরই ডিউটিতে দিচ্ছি আমরা। কিন্তু এরপরও যদি কোনও ইস্যু থাকে আমরা দেখব।” চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল, ইংরেজবাজার পুরসভার শুভময় বসু বলেন, “আমাদের সব স্থায়ী সাফাই কর্মীদের এমনকী মহিলা কর্মীদেরও নিয়ে গেছে থার্ড পোলিং অফিসার বানিয়েছে। এদের নির্বাচনী কোনও অভিজ্ঞতা নেই। এঁরা তো সমাজ পরিষ্কার করেন। এদেরই যদি কাজে লাগায় তাহলে কী হবে বলুন তো?”

ঘরের মধ্যে গুলিবিদ্ধ দেহ উদ্ধার, নবগ্রামে চাঞ্চল্য; গ্রেফতার ২


দক্ষিণ ২৪ পরগনার রাজপুর-সোনারপুরের নরেন্দ্রপুর থানার নবগ্রাম এলাকায় একটি ফ্ল্যাট থেকে রক্তাক্ত গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক যুবকের দেহ উদ্ধার ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতের নাম অরূপ মন্ডল (৩৭)। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র ও ছ’ রাউন্ড গুলি।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই ফ্ল্যাটে একাই থাকতেন অরূপ। আবাসনের বাসিন্দারা এই বিষয়ে মুখ খুলতে চাননি। পরিবারের দাবি, মধ্যরাতে প্রায় একটা নাগাদ এক পরিচিত ব্যক্তির মাধ্যমে খবর পান অরূপের মামা শংকর নস্কর। এরপর পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে মৃতের মাথায় আঘাতের চিহ্ন মিলেছে বলেও জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় অরূপের বান্ধবী প্রিয়াঙ্কা দাস এবং তার এক বন্ধু রাজুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। নির্বাচনী আবহের মধ্যে গুলি চালানোর ঘটনা ও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

ডায়মন্ড হারবারে ভোটের চেকিং চলাকালীন বিজেপি নেতার গাড়ি থেকে উদ্ধার ৯ লক্ষ্য টাকা

মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রে নির্বাচনের আবহে বড়সড় নগদ টাকা উদ্ধারের ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সোমবার দুপুরে উস্তি থানার পুলিশের পক্ষ থেকে উস্তির হটুগঞ্জ এলাকায় নিয়মিত নাকা চেকিং চলাকালীন একটি চারচাকা গাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ উদ্ধার হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হটুগঞ্জ থেকে উস্তির দিকে যাওয়ার সময় সন্দেহভাজন ওই গাড়িটিকে থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। 
তল্লাশির সময় গাড়ির ভেতর থেকে মোট ৯ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। এত বড় অঙ্কের নগদ টাকা উদ্ধার হওয়ায় সঙ্গে সঙ্গেই গাড়িতে থাকা ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে সন্তোষজনক উত্তর না পাওয়ায় দু’জনকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিরা হলেন অরুণব মজুমদার, যিনি মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপির ইনচার্জ হিসেবে পরিচিত, এবং আকাশ চক্রবর্তী, যিনি ওই কেন্দ্রের বিজেপির কনভেনার পদে রয়েছেন বলে জানা গেছে। নির্বাচনের সময় বিপুল অঙ্কের নগদ টাকা উদ্ধার হওয়ায় গোটা ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। এই টাকা কোথা থেকে আনা হচ্ছিল এবং কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচন কমিশনের কড়া নজরদারির মধ্যেই এই ধরনের নগদ অর্থের লেনদেন আইনসিদ্ধ কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উস্তি থানার পুলিশ ইতিমধ্যেই পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করে টাকার উৎস এবং উদ্দেশ্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি গাড়ির নথিপত্রও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে আয়কর দফতর এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাকেও এই বিষয়ে জানানো হতে পারে বলে পুলিশ সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্বাচনের সময় এলাকায় যাতে কোনো ধরনের বেআইনি লেনদেন না হয়, তার জন্য বিভিন্ন জায়গায় নাকা চেকিং জোরদার করা হয়েছে। তারই অংশ হিসেবে হটুগঞ্জ এলাকায় এই অভিযান চালানো হচ্ছিল। পুলিশের এই তৎপরতায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে এই টাকা ব্যবহার করার পরিকল্পনা ছিল কি না। এদিকে, এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক তরজাও শুরু হয়েছে। শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হয়েছে, নির্বাচনে প্রভাব ফেলতেই এই বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। যদিও বিজেপির পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনপ্রতিক্রিয়া মেলেনি।
সব মিলিয়ে, নির্বাচনের মুখে এই ঘটনা মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকেই এখন নজর রয়েছে।

স্টাফ রিপোর্টার সৌরভ নস্কর