WEATHER

Top News


শুক্রবার (২ অক্টোবর) মুম্বই পুলিশের অর্থনৈতিক অপরাধ শাখা বা ইকোনমিক অফেন্সেস উইং (EOW) প্রায় ৮ ঘণ্টা ধরে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর অভিনেতাকে নিজেদের হেফাজতে নেয়। গ্রেফতারির আগে মুম্বইয়ের বান্দ্রায় অবস্থিত ডিনোর বাসভবনে টানা ৮ ঘণ্টা ধরে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ চালান তদন্তকারী আধিকারিকেরা।



আইনি বিপাকে বলিউড অভিনেতা তথা মডেল ডিনো মোরিয়া। মুম্বইয়ের মিঠী নদীর পলি অপসারণ ও সংস্কার প্রকল্পে বিপুল অঙ্কের আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) মুম্বই পুলিশের অর্থনৈতিক অপরাধ শাখা বা ইকোনমিক অফেন্সেস উইং (EOW) প্রায় ৮ ঘণ্টা ধরে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর অভিনেতাকে নিজেদের হেফাজতে নেয়।


পুলিশ সূত্রে খবর, গ্রেফতারির আগে মুম্বইয়ের বান্দ্রায় অবস্থিত ডিনোর বাসভবনে টানা ৮ ঘণ্টা ধরে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ চালান তদন্তকারী আধিকারিকেরা। মুম্বই পুরসভা অর্থাৎ বৃহন্মুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের (BMC) অধীনস্থ মিঠী নদী সংস্কার প্রকল্পের পলি পরিষ্কারের কাজে চরম অসঙ্গতির অভিযোগ সামনে এসেছে। তদন্তকারীদের প্রাথমিক হিসেব অনুযায়ী, এই আর্থিক কারচুপির জেরে পুরসভার আনুমানিক ৬৫.৫৪ কোটি টাকার মারাত্মক আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।


জ্যোতি বসু আমার অনুপ্রেরণা', হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে তাক লাগিয়ে এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকার দিলশাদার
প্রসঙ্গত, এই হাই-প্রোফাইল মামলায় বেশ কিছুদিন ধরেই ডিনো মোরিয়ার নাম ঘোরাফেরা করছিল। গত বছর জুন মাসেও এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)-এর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল অভিনেতার মুম্বইয়ের বাসভবনে টানা ১৪ ঘণ্টা ধরে চিরুনি তল্লাশি চালিয়েছিল। শুধু ডিনোর বাড়িই নয়, সেই সময় মুম্বই ও কোচির প্রায় ১৪টি বিভিন্ন স্থানে একযোগে অভিযান চালায় কেন্দ্রীয় সংস্থা। যার মধ্যে ডিনোর ভাইয়ের বাসভবন সহ একাধিক ঠিকাদার ও মধ্যস্থতাকারীদের ডেরা অন্তর্ভুক্ত ছিল।


মূলত মিঠী নদীর পলি অপসারণ সংক্রান্ত চুক্তি বণ্টন এবং অর্থ লেনদেনের জটিল পথ অনুসরণ করেই এই তদন্ত এগোচ্ছে। ঠিকাদার, মধ্যস্থতাকারী ও পুর আধিকারিকদের মধ্যে কীভাবে টাকা হাতবদল হয়েছিল, তা গভীরভাবে খতিয়ে দেখছে EOW। তদন্তে ইতিমধ্যেই উঠে এসেছে যে, দুর্নীতির একটি অংশ হিসেবে প্রায় ১৮ লক্ষ টাকা ‘ইউবিও রাইডজ়’ (UBO Rides) নামে একটি সংস্থায় স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। বিশেষ বিষয় হল, এই সংস্থার অন্যতম ডিরেক্টর পদে রয়েছেন ডিনোর ভাই স্যান্টিনো মোরিয়া। ইওডব্লিউ-এর দাবি, মামলার অন্যতম মূল চক্রান্তকারী কেতন কদম এই অর্থ পাচার করেছিলেন। উল্লেখ্য, মিঠী নদী কেলেঙ্কারিতে প্রত্যক্ষ জড়িত থাকার অভিযোগে ২০২৫ সালেই গ্রেফতার হন কেতন কদম।

তবে তদন্তকারী আধিকারিকরা পরিষ্কার জানিয়েছেন, ডিনো মোরিয়ার বিরুদ্ধে উত্থাপিত সমস্ত অভিযোগই বর্তমানে বিচারাধীন ও তদন্তসাপেক্ষ। আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী এখনও আদালতে কোনও অভিযোগ চূড়ান্ত প্রমাণ হয়নি।




অভিযোগ পাওয়ার পর প্রযুক্তিগত নজরদারির সাহায্যে হাওড়া সিটি পুলিশের একটি বিশেষ দল দিল্লিতে ওই মহিলার অবস্থান চিহ্নিত করে তাঁকে গ্রেফতার করে। বৃহস্পতিবার দিল্লির আদালত থেকে ট্রানজিট রিমান্ড আদায় করে শুক্রবার সকালে বিমানবন্দর হয়ে শিবপুর থানায় নিয়ে আসা হয় তাঁকে।


PMO-র ভুয়ো আধিকারিক সেজে নবান্নে অনুপ্রবেশ, দিল্লি থেকে গ্রেফতার অভিযুক্ত মহিলা

 প্রধানমন্ত্রীর দফতরের (PMO) ভুয়ো আধিকারিক পরিচয় দিয়ে রাজ্য প্রশাসনিক সদর দফতর নবান্নে ঢুকে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টার অভিযোগে দিল্লি থেকে গ্রেপ্তার করা হল আকাঙ্ক্ষা বিদ্যার্থী নামের এক মহিলাকে।


পুলিশ সূত্রে খবর, আগে থেকে সাক্ষাতের সময় নিয়ে নবান্নে আসেন দিল্লির বাসিন্দা আকাঙ্ক্ষা। সেখানে পূর্তমন্ত্রী অজয় পোদ্দার ও দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করে নিজেকে PMO-র অফিসার দাবি করেন এবং বেশ কিছু প্রশাসনিক তথ্য জানতে চান। তবে তাঁর কথাবার্তা ও হাবভাবে সন্দেহ জাগায় আধিকারিকরা তৎপর হন। বিষয়টির আঁচ পেয়ে দ্রুত নবান্ন ছেড়ে চম্পট দেন ওই মহিলা। ভুয়ো পরিচয়ের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পরই পূর্ত দফতরের তরফে শিবপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়।


শনিবার ভোর নাকি রবিবার? কোন দিন শুনবেন মহালয়া?
অভিযোগ পাওয়ার পরই প্রযুক্তিগত নজরদারির সাহায্যে হাওড়া সিটি পুলিশের একটি বিশেষ দল দিল্লিতে ওই মহিলার অবস্থান চিহ্নিত করে তাঁকে গ্রেফতার করে। বৃহস্পতিবার দিল্লির আদালত থেকে ট্রানজিট রিমান্ড আদায় করে শুক্রবার সকালে বিমানবন্দর হয়ে শিবপুর থানায় নিয়ে আসা হয় তাঁকে। অভিযুক্তকে হাওড়া আদালতের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের (CJM) এজলাসে পেশ করা হবে।


পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে প্রতারণা-সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেছে। ওই মহিলা ঠিক কী উদ্দেশ্যে নবান্নে এসে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছিলেন এবং এর পেছনে কোনও আন্তঃরাজ্য চক্র জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।




যদিও আগামীকালের ম্যাচ নিয়ে একগাদা নির্দেশ দিয়ে রেখেছে বিধাননগর পুলিশ। ডুরান্ডের সময় থেকেই দেখা গিয়েছিল, মাঠে পানীয় জলের সুব্যবস্থা রয়েছে। সেই ব্যবস্থাই থাকছে আগামীকালও। মাঠে শৌচাগার ও জলের ব্যবস্থার উন্নতি হয়েছে ফলে সেই দিক থেকেও ভাল পরিষেবা পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে মেসির সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার কথা মাথায় রেখে এবার আরও শক্ত হাতে সব নিয়ন্ত্রন করছে পুলিশ।


যুবভারতীতে প্র্যাক্টিসে নামল ব্রাজিল, হাইভোল্টেজ ম্যাচের আগে দলকে উজ্জীবিত করলেন খালিদ!
ভারতের কোচ খালিদ জামিল ও ব্রাজিলের কার্লো আন্সেলোত্তি।

 আগামীকাল ঠিক এই সময় শুরু হয়ে যাবে ভারত বনাম ব্রাজিল ম্যাচ। কলকাতায় গতকাল, বৃহস্পতিবার নেমেছে ব্রাজিল। সাংবাদিক সম্মেলনের পর আজ থেকেই মাঠে নেমে পড়ল ব্রাজিল দল। সাংবাদিক সম্মেলনে যতই ব্রাজিল কোচ কার্লো আন্সেলোত্তি বিপক্ষকে সম্ভ্রম করুন না কেন, বাস্তব কিন্তু পুরো আলাদা। তিনি বলেই রেখেছেন, ভারতকে একটুও হালকা ভেবে নেবে না তাঁর ছেলেরা।


বিশ্বকাপের ক্রমতালিকায় ব্রাজিল এখন ৫ নম্বরে। ভারত ১৩৮। প্রথম ফ্রেন্ডলি ম্যাচে শক্তিশালী পানামা দলকে আটকে দিয়েছে ভারত। ম্যাচ শেষ হয়েছে ১-১ ফলে। এমনকি পানামা দলকে দেখে মনেও হয়নি যে তারা ভারতের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারছে। নিজেদের জেতা ম্যাচ নিজেদের ভুলে মাঠে ফেলে এসেছে ভারত। তাই সেই ম্যাচ থেকেই শিক্ষা নিয়েছে খালিদের ছেলেরা। আজ ভারতের প্র্যাকটিসে দলকে বেশ কয়েকবার উজ্জীবিত করতে দেখা গেল কোচকে। রীতিমতো চিল্লিয়ে খেলোয়াড়দের মানসিকভাবে চাঙ্গা করা শুরু করেন খালিদ। এমনকি সূত্রের খবর, খুব সম্ভবত ৪-৫-১ ফর্মেশনে শুরু করতে পারে ভারত। আক্রমণ ভাগের দায়িত্ব সামলাবেন রায়ান উইলিয়ামস।


যদিও আগামীকালের ম্যাচ নিয়ে একগাদা নির্দেশ দিয়ে রেখেছে বিধাননগর পুলিশ। ডুরান্ডের সময় থেকেই দেখা গিয়েছিল, মাঠে পানীয় জলের সুব্যবস্থা রয়েছে। সেই ব্যবস্থাই থাকছে আগামীকালও। মাঠে শৌচাগার ও জলের ব্যবস্থার উন্নতি হয়েছে ফলে সেই দিক থেকেও ভাল পরিষেবা পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে মেসির সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার কথা মাথায় রেখে এবার আরও শক্ত হাতে সব নিয়ন্ত্রন করছে পুলিশ। ম্যাচ নিয়ে মাঠে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। যাতে আর মেসিকাণ্ডের মতো ভুল না হয়, সেই দিকে কড়া নজর দিয়ে রেখেছে প্রশাসন। তবে সব মিলিয়ে একটি হাই ভোল্টেজ ম্যাচ দেখার অপেক্ষায় রয়েছে শহরবাসী।



একদিনে ৬ সোনা পেল ভারত। প্রথমে বক্সিংয়ে পরভিন হুডা সোনা জেতেন। এরপর বক্সিংয়ে সোনা জেতেন অঙ্কুশ পাঙ্ঘাল। তারপর আবার সুজিত কালখাল কুস্তিতে সোনা জেতেন। রিকার্ত তীরন্দাজিতেও আজ সোনা জিতল ভারত। কুমকুম মোহত, কীর্তি শর্মা ও অঙ্কিতা ভকতের ব্রিগেড সোনা জেতে। তারপরেই ৭৫ কেজি বিভাগে সোনা জিতলেন বক্সার লভলিনা বরগোহাইন। ফলে একদিনে ৬ সোনা জিতে রেকর্ড গড়ল ভারত।


বাস্তবের 'চক দে ইন্ডিয়া', ৪৪ বছরের খরা কাটিয়ে এশিয়ানে সোনা জিতল ভারতের মেয়েরা!
ভারতীয় মহিলা হকি দল।

শাহরুখ খানের চক দে ইন্ডিয়া সিনেমাই যেন বাস্তবে। এশিয়ান গেমস ২০২৬-এ হকিতে সোনা পেল ভারতের মহিলা ব্রিগেড। ফাইনালে তারা ১-০ গোলে হারাল চিনকে। ১০ মিনিটে ভারতের হয়ে গোল করেন লালরেমসিয়ামি। একদিনে ৫টি সোনা পেল ভারত। এমনকি এই সোনা জয়ের ফলে ৪৪ বছরের খরা কাটিয়ে প্রথম সোনা মেয়েদের হকি দলের।


আজ নিজের ২০০তম ম্যাচ খেলে ফেললেন লালরেমসিয়ামি। ফলে ম্যাচের আগে সম্মান জানানো হল তাঁকে। আর নিজের ২০০তম ম্যাচেই গোল পেলেন তিনি। তাঁর একমাত্র গোলেই ভারত সোনা জিতল ৪৪ বছর পর। আজকের ম্যাচ শুরু হয় নির্ধারিত সময়ের ১ ঘন্টা পরে। তবে খেলা শুরুর ১০ মিনিটের মাথায় দুরন্ত গোল করে দলকে এগিয়ে দেন লালরেমসিয়ামি। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে ফাউল করার ফলে পেনাল্টির নির্দেশ দেন আম্পায়ার। সেই পেনাল্টি সেভ করে দেন ভারতের গোলকিপার সবিতা পুনিয়া। চিনের হয়ে শট নেন ঝাং ইং- যা সেভ করে দলকে বাঁচিয়ে দেন সবিতা। খেলা যত শেষের দিকে যেতে শুরু করে, ততই ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে চিন। স্রেফ ডিফেন্স করতে হচ্ছিল ভারতের মেয়েদের। তবে শেষের দিকে চিন এক ভয়ঙ্কর স্ট্র্যাটেজির সাহায্য নেয়। গোলকিপারকে তুলে ১১ জন খেলোয়াড়কেই আক্রমণ বিভাগে নামিয়ে দেয় চিন। কিন্তু ভারতের সৌভাগ্য, কোনও গোল খেতে হয়নি ভারতের মেয়েদের।


ম্যাচ শেষ হতেই উল্লাসে ফেটে পরে ভারতের মেয়েরা। এর ফলে ১৯৮২ সালের পর আবার এশিয়াডে সোনা পেল মেয়েদের হকি দল। যদিও ১৯৯৮ ও ২০১৮ সালে রুপো নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল ভারতকে। এর ফলে একদিনে ৬ সোনা পেল ভারত। প্রথমে বক্সিংয়ে পরভিন হুডা সোনা জেতেন। এরপর বক্সিংয়ে সোনা জেতেন অঙ্কুশ পাঙ্ঘাল। তারপর আবার সুজিত কালখাল কুস্তিতে সোনা জেতেন। রিকার্ত তীরন্দাজিতেও আজ সোনা জিতল ভারত। কুমকুম মোহত, কীর্তি শর্মা ও অঙ্কিতা ভকতের ব্রিগেড সোনা জেতে। তারপরেই ৭৫ কেজি বিভাগে সোনা জিতলেন বক্সার লভলিনা বরগোহাইন। ফলে একদিনে ৬ সোনা জিতে রেকর্ড গড়ল ভারত।



 গত বুধবার হাওড়া বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন রেলের সাবওয়ের সামনে থেকে পেয়ারেলালকে বাইকে চেপে এসে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। এরপর সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রযুক্তিগত নজরদারির ওপর ভিত্তি করে তদন্তকারীরা অপহৃতের অবস্থান চিহ্নিত করে অভিযান চালান।

হাওড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে অপহৃত এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করল পুলিশ। গতরাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে লিলুয়া ঝিল রোডের একটি বহুতল থেকে অপহৃত পেয়ারেলালকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে এই ঘটনায় যুক্ত কুখ্যাত দুষ্কৃতী রাহুল মল্লিকসহ মোট সাতজন অপহরণকারীকে গ্রেফতার করেছে গোলাবাড়ি ও লিলুয়া থানার যৌথ টিম।


পুলিশ সূত্রে খবর, গত বুধবার হাওড়া বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন রেলের সাবওয়ের সামনে থেকে পেয়ারেলালকে বাইকে চেপে এসে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। এরপর সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রযুক্তিগত নজরদারির ওপর ভিত্তি করে তদন্তকারীরা অপহৃতের অবস্থান চিহ্নিত করে অভিযান চালান। ধৃতদের কাছ থেকে ৭টি আগ্নেয়াস্ত্র, ৫০ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ৯টি মোবাইল ফোন এবং একটি ট্যাব বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।


'জ্যোতি বসু আমার অনুপ্রেরণা', হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে তাক লাগিয়ে এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকার দিলশাদার
১ তারিখ থেকে বদলে গিয়েছে নিয়ম! শুধু টিকিট নয়, সঙ্গে এই ডকুমেন্টও দেখাতে হবে... নাহলেই মোটা জরিমানা
হাওড়া পুলিশের ডিসিপি (নর্থ) অম্লান কুসুম ঘোষ জানান, অপরাধের মূল উদ্দেশ্য খতিয়ে দেখতে ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তবে প্রাথমিক অনুমান, মোটা অঙ্কের টাকা আদায়ের লক্ষ্যেই এই অপহরণ। মূল অভিযুক্ত রাহুল মল্লিক একটি খুনের মামলায় ১৬ বছর জেল খেটে সম্প্রতি বাইরে এসেছে। আজ সব ধৃতকে হাওড়া আদালতে পেশ করা হয়।




ইউসিসিতে গুজরাটেও একটি বিবাহ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এর অর্থ হল, স্বামী বা স্ত্রী জীবিত থাকা অবস্থায় দ্বিতীয় বিবাহ করা যাবে না। বিবাহ রেজিস্ট্রেশন করতে ব্যর্থ হলে, তা সরকারি নথি বা চাকরির রেকর্ডে বৈবাহিক অবস্থার পরিবর্তনেও প্রভাব ফেলবে। 


একটার বেশি বিয়ে করা যাবে না, লিভ ইনে থাকতে এই নিয়ম মানতেই হবে! মোদী রাজ্যেও চালু হল অভিন্ন দেওয়ানি বিধি

মোদী রাজ্যে চালু হল অভিন্ন দেওয়ানি বিধি। উত্তরাখণ্ডের পর গুজরাট। দেশের দ্বিতীয় রাজ্যে চালু হল অভিন্ন দেওয়ানি বিধি। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এই বিলে স্বাক্ষর করে অনুমোদন দিয়েছেন। ফলে এটি আইনে পরিণত হল। গুজরাট সরকার শীঘ্রই অভিন্ন দেওয়ানি বিধির সমস্ত নিয়ম-কানুন ঘোষণা করবে।


গত মার্চ মাসেই গুজরাট বিধানসভায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল পাশ করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র পটেল জানিয়েছেন, অভিন্ন দেওয়ানি বিধির মাধ্যমে সকলের সমান অধিকার নিশ্চিত করা হবে। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু অভিন্ন দেওয়ানি বিধির বিলে সই করার পরই রাজ্য সরকার আইনটি সম্পর্কে একটি গেজেট বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। তবে, তফসিলি উপজাতিরা এই আইনের বিধান থেকে বাদ থাকবে।


ফুটপাত 'দখল', রাস্তার দু’ধারে পার্কিং-আবর্জনা! দেখেই ক্ষুব্ধ অগ্নিমিত্রা, দিলেন ডেডলাইন
অভিন্ন দেওয়ানি বিধিতে বিবাহ থেকে শুরু করে বিবাহবিচ্ছেদ এবং উত্তরাধিকার পর্যন্ত বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। লিভ ইন সম্পর্ক নিয়েও বিধান রয়েছে। বিয়ের রেজিস্ট্রেশন নিয়েও নতুন আইন আসছে। কী কী নিয়ম চালু হচ্ছে জেনে নিন-


বিয়ের নিয়ম-
অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বা ইউসিসি অনুযায়ী, গুজরাটে এবার থেকে বিয়ের রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক হচ্ছে। আইন কার্যকর হওয়ার পর নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সকলকে বিয়ের রেজিস্ট্রেশন করাতেই হবে। শোনা যাচ্ছে, গুজরাটে ৬০ দিনের মধ্যে বিয়ের রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলকভাবে করতে হবে। যদি রেজিস্ট্রেশন না করা হয়, তাহলে জরিমানা হতে পারে। বিয়ের ক্ষেত্রে পুরুষদের বয়স ন্যূনতম ২১ বছর ও মহিলাদের বয়স ন্যূনতম ১৮ বছর হতে হবে।

 বহুবিবাহের উপর নিষেধাজ্ঞা-
ইউসিসিতে গুজরাটেও একটি বিবাহ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এর অর্থ হল, স্বামী বা স্ত্রী জীবিত থাকা অবস্থায় দ্বিতীয় বিবাহ করা যাবে না। বিবাহ রেজিস্ট্রেশন করতে ব্যর্থ হলে, তা সরকারি নথি বা চাকরির রেকর্ডে বৈবাহিক অবস্থার পরিবর্তনেও প্রভাব ফেলবে।

 লিভ-ইন সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন নিয়ম-
গুজরাটের অভিন্ন দেওয়ানি বিধিতেও লিভ-ইন সম্পর্ক নিয়ে স্পষ্ট বিধান রয়েছে। যে সকল যুগল বিয়ের আগে বা বিয়ে না করে একসঙ্গে বসবাস করছেন বা লিভ-ইন সম্পর্কে থাকছেন, তাদের অবশ্যই সম্পর্কের রেজিস্ট্রেশন করাতে হবে। রেজিস্ট্রারারের কাছে একটি যৌথ বিবৃতি জমা দিতে হবে।

সরকারের কাছে লিভ ইন সম্পর্কের নথি সংরক্ষিত থাকবে। যদি কেউ লিভ-ইন সম্পর্ক ভেঙে বেরিয়ে যান, সেটিও রেজিস্ট্রারারের কাছে জানাতে হবে। এই তথ্য যৌথভাবে বা যেকোনও এক পক্ষ জানাতে পারে। এইভাবে লিভ-ইন সম্পর্ককে আইনের আওতায় আনা হবে।

পুত্র ও কন্যার সম্পত্তিতে সমান অধিকার
ইউসিসি-তে উত্তরাধিকার সংক্রান্ত বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে। কোনও ব্যক্তি উইল না করে মারা গেলে, তার স্বামী বা স্ত্রী, সন্তান এবং পিতা-মাতা সম্পত্তির উপর আইনগত অধিকার লাভ করবেন। উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে পুত্র ও কন্যার মধ্যে কোনও পার্থক্য থাকবে না। বিয়ের সম্পর্কের বাইরে জন্মগ্রহণকারী সন্তান এবং সারোগেসি বা দত্তকের মাধ্যমে দত্তক নেওয়া সন্তানরাও বায়োলজিক্যাল সন্তানদের মতো একই আইনত উত্তরাধিকার পাবে। সম্পত্তি ও উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে নারীদেরও পুরুষদের সমান অধিকার দেওয়া হয়েছে।

উত্তরাখণ্ডের মতো গুজরাটেও অভিন্ন দেওয়ানি বিধির আইন থেকে তফসিলি জনজাতি-উপজাতিদের সুরক্ষিত রাখা হয়েছে।



এরপর কথায় কথায় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে 'মদ্যপ' বলে আক্রমণ করেন। বলেন, "ওই সাংসদ যেখানে যেখানে যাবে, তার জন্য যে দাওয়াই প্রয়োজন, সেটা যুব মোর্চার ভাই-রা করবে। শ্রীরামপুরে ঢোকে কোন সাহসে? ও যেন বাড়ি থেকে বেরোতে না পারে।"


'পচা ডিম কি কম পড়েছে? ও যেন বাড়ি থেকে বেরতে না পারে...' কল্যাণকে বেনজির আক্রমণ কৌস্তভ বাগচীর
কল্যাণকে আক্রমণ কৌস্তভ বাগচীর।

কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে বেনজির আক্রমণ করলেন বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচি। শ্রীরামপুরে বিজেপির যুব গর্জন সভা থেকে ব্যারাকপুরের বিজেপি বিধায়ক কৌস্তুভ বাগচী বলেন, “শ্রীরামপুরে ঢুকছে কী করে? পচা ডিম কি কম পড়েছে? ডিমের দাম যদি বেশি মনে হয়, বাজারে পচা আলু-টমেটো আছে তো!”


এ দিন সভার শুরুতেই কৌস্তভ বাগচী বলেন, “আমি শ্রীরামপুরে সভা করতে আসছি শুনে একজন বলল, কদিন আগে অন্য একটা রাজনৈতিক দলও তো সভা করল। অন্য রাজনৈতিক দল বলছি কারণ ওদের আসল নামটা তো জানা নেই। বালিশ চাটা নাকি চটি চাটা। আমাদেরটা যদি যুব গর্জন সভা হয়, তাহলে ওদেরটা ছিল ঘেউ ঘেউ সভা!”


জমি কেনার আগে শুধু দলিল নয়, আর কী কী নথি দেখে নিতে হয় জানেন?
শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রীকে কদর্য ভাষায় কথা বলার সাহস পায় কোথা থেকে? এই প্রশ্ন তুলে বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী বলেন, “রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর পা ধরে ক্ষমা চাওয়াবো। জেনে রাখো।”


এরপর কথায় কথায় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘মদ্যপ’ বলে আক্রমণ করেন। বলেন, “এই ধরনের মানুষের সঙ্গে কী করা উচিত? ডিম যদি মনে করেন ৮ টাকা বেশি দাম। তাহলে দুপুর সাড়ে ১২টার পর বাজারে যাবেন। অনেক পচা টমেটো-আলু পাওয়া যায়। এগুলি দিয়ে ভালো করে স্বাগত জানানোর ব্যবস্থা করবে আমাদের যুব মোর্চা ভাইরা। ওই সাংসদ যেখানে যেখানে যাবে, তার জন্য যে দাওয়াই প্রয়োজন, সেটা যুব মোর্চার ভাই-রা করবে। শ্রীরামপুরে ঢোকে কোন সাহসে? ও যেন বাড়ি থেকে বেরোতে না পারে।”

কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে আরও আক্রমণ করে বলেন, “একটা মার্ডার কেসের আসামী। আগাম জামিন নিয়েছে।আর বলছে এই করব, সেই করব। ওকে ওঁর দলের লোকেরাই উকিল বলে মনে করে না। সব মামলায় হারে।”

“ওর আরও অনেক গুণ আছে। এখানে ওর এক বিশ্বস্ত সৈনিক আছে পাপ্পু সিং, তাঁর ফ্ল্যাটে কি কি হত?” এই প্রশ্নও তোলেন বিজেপি বিধায়ক।

পুলিশকেও একহাত নিয়ে কৌস্তভ বলেন, পুরনো প্রেম-পিরিত ছাড়ুন। একটু থানায় এনে ছয় ঘণ্টা বসিয়ে রাখবেন।

শেষে বিজেপি বিধায়ক বলেন, “আমাদের মনে অনেক জ্বালা আছে, অনেক যন্ত্রণা আছে। দল আমাদের বেড়ি পরিয়ে রেখেছে। চার তারিখের পর দল যদি আমাদের দুই ঘণ্টা সময় দিত, ওই বালিশ চাটা-চটি চাটা জানিনা,কোনও ভালো তৃণমূল, খারাপ তৃণমূল বুঝিনা। কোনও ঘাসফুল-শিকর মূল কিচ্ছু থাকত না। আমাদের দলের নেতৃত্ব সৌজন্য দেখিয়েছে।”



 ২০টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এই বিশেষ অভিযান চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশিকা অনুযায়ী, বুথ লেভেল অফিসারদের (BLO) বর্তমান একটি তালিকা তৈরি করতে হবে। আগের ভোটার তালিকা দেখে বের করতে হবে আগের তালিকায় কাদের নাম ছিল, এখন কাদের নাম নেই।


এসআইআর (SIR) নিয়ে এবার বড় সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। আজ, শুক্রবার থেকেই শুরু হচ্ছে বিশেষ অভিযান। দেশের যে ২০টি রাজ্য়ে ইতিমধ্যেই এসআইআর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে, সেখানে এই অভিযান চালানো হচ্ছে। ভোটার তালিকা থেকে যাঁদের নাম বাদ পড়েছে তাঁদের বাড়ি বাড়ি যাবেন বিএলও-রা। ২০ রাজ্যের সিইও বা মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের ইতিমধ্যেই এই সংক্রান্ত নির্দেশ দিয়েছে চিঠি পাঠিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।


শুধুমাত্র বাদ যাওয়া ভোটাররাই নয়, নতুন ভোটারদের নাম যুক্ত করতে ২০টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এই বিশেষ অভিযান চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশিকা অনুযায়ী, বুথ লেভেল অফিসারদের (BLO) বর্তমান একটি তালিকা তৈরি করতে হবে। আগের ভোটার তালিকা দেখে বের করতে হবে আগের তালিকায় কাদের নাম ছিল, এখন কাদের নাম নেই।

এটিও পড়ুন
Tilotoma Case: এবার সিবিআই আধিকারিক সীমা পাহুজার বিরুদ্ধেই তদন্ত চাইলেন তিলোত্তমার মা
Exclusive: 'জ্যোতি বসু আমার অনুপ্রেরণা', হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে তাক লাগিয়ে এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকার দিলশাদার
জমি কেনার আগে শুধু দলিল নয়, আর কী কী নথি দেখে নিতে হয় জানেন?
আজ, শুক্রবার থেকে BLO-রা সংশ্লিষ্ট ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাঁদের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেবেন। যোগ্য বলে বিবেচিত হলে, তাঁদের নাম যুক্ত করার জন্য ‘ফর্ম-৬’ পূরণ করাবেন। BLO-দের প্রত্যেককে প্রতি সপ্তাহে অন্তত ২০ থেকে ২৫ জন ভোটারের বাড়ি যেতে হবে এবং এক মাসের মধ্যে এই অভিযান শেষ করতে হবে বলে লক্ষ্যমাত্রা স্থির করে দিয়েছে কমিশন।


এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া চলাকালীন বিএলও-রা অনুপস্থিত, স্থানান্তরিত বা মৃত ভোটার বলে চিহ্নিত করেছিলেন অনেক ভোটারকে। তারপর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়।

কী কী হবে এই বিশেষ অভিযানে
BLO-রা বর্তমান ভোটার তালিকার সঙ্গে আগের ভোটার তালিকা তুলনা করবেন। যাদের নাম SIR-এর আগের তালিকায় ছিল কিন্তু বর্তমান তালিকায় নেই, তাদের একটি তালিকা তৈরি করবেন।

BLO-রা এই চিহ্নিত ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানবেন। যেখানে কোনও ব্যক্তিকে যোগ্য মনে হবে, সেখানে ‘ফর্ম ৬’-এর মাধ্যমে তাদের নাম নথিভুক্ত করা হবে।

স্বীকৃত রাজনৈতিক দলগুলোর হাতে তালিকা তুলে দেওয়া হবে।

ফিল্ড ভেরিফিকেশন রিপোর্ট সমৃদ্ধ তালিকাটি ERO-র সঙ্গে শেয়ার করা হবে।

এই প্রক্রিয়ার শেষে তৈরি করা বুথ-ভিত্তিক তালিকা ERO রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে শেয়ার করবেন, যাতে তারা বাদ পড়া ভোটারদের নাম নথিভুক্ত করানোর আর একটি সুযোগ পান।

এছাড়া, যাদের ঘরবাড়ি নেই, সেই সব পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর নাম নথিভুক্ত করার জন্য বিশেষ ক্যাম্পের আয়োজন করা হতে পারে।



চিঠিতে লেখা হয়েছে, চলতি বছরে সুকান্তর জন্ম শতবর্ষ পূর্তি হচ্ছে। তাঁর লেখা কবিতা ছাত্রীদের ও বৃহত্তর জনমানস থেকে সরিয়ে রাখা সমর্থনযোগ্য নয়। আবারও যাতে মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিকের সিলেবাসে তাঁর কবিতা ফেরানো হয়, সেই আর্জি জানানো হয়েছে।


 ‘আঠারো বছর বয়সের নেই ভয়, পদাঘাতে চায় ভাঙতে পাথর বাধা’- এই কবিতা পড়ে বড় হয়েছে বাংলার এক প্রজন্ম। কিন্তু ২০১৪ সালের পর বাদ পড়ে কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের (Sukanta Bhattacharya) সেই বিখ্যাত কবিতা ‘আঠারো বছর বয়স’। বাদ পড়ে ‘রবীন্দ্রনাথের প্রতি’ কবিতাটিও। সেই দুই কবিতা যাতে আবার সিলেবাসে ফেরানো হয়, সেই আর্জি জানিয়ে রাজ্য সরকারকে চিঠি দিল ‘পশ্চিমবঙ্গ গণতান্ত্রিক লেখক শিল্পী সঙ্ঘ’।


তৃণমূল কংগ্রেসের আমলে বাদ পড়েছিল দুটি কবিতা। চিঠিতে রয়েছে পবিত্র সরকার ও রজত বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের সই। তাঁদের দাবি, সুকান্তর কবিতা কোনও যুক্তিতেই বাদ দেওয়া যায় না।


 'জ্যোতি বসু আমার অনুপ্রেরণা', হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে তাক লাগিয়ে এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকার দিলশাদার
চিঠিতে লেখা হয়েছে, চলতি বছরে সুকান্তর জন্ম শতবর্ষ পূর্তি হচ্ছে। তাঁর লেখা কবিতা ছাত্রীদের ও বৃহত্তর জনমানস থেকে সরিয়ে রাখা সমর্থনযোগ্য নয়। আবারও যাতে মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিকের সিলেবাসে তাঁর কবিতা ফেরানো হয়, সেই আর্জি জানানো হয়েছে।


সরকারের তরফ থেকে এই বিষয়ে এখনও কোনও উত্তর পাওয়া যায়নি। তবে আশা করা হচ্ছে, ফিরতে পারে। রাজ্য়ে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর সিলেবাস ফের পরিবর্তন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্কুলশিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মণ।

প্রথম শ্রেণি থেকে শুরু করে পুরো সিলেবাস আমুল বদলে যাবে বলে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। দীপক বর্মণ ইঙ্গিত দিয়েছেন, ২০২৮ সালে আমুল পরিবর্তন হবে সিলেবাসের। ইতিমধ্যেই নয়া সিলেবাস কমিটি গঠিত হয়েছে। সেই কমিটির দায়িত্বে রয়েছেন অধ্যাপক দেবশিস চট্টোপাধ্যায়। এ দিন দীপকবাবু জানিয়েছেন, ২০২৭ সালের যে সিলেবাস রয়েছে তা আরও একবার খতিয়ে দেখা হয়েছে।



 প্রাক্তন বিচারপতি ইন্দ্রজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ি সল্টলেকে। আর ট্রাইবুনালের সেন্টার পড়েছে জোঁকাতে। দূরত্ব ২২ কিলোমিটারের মতো। গাড়িতে যেতে সময় লাগার কথা ঘণ্টা খানেক। সেখানে দেড় ঘণ্টারও বেশি সময় লেগে যাচ্ছে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির।


 'যখন আমাদের নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, তখন জানতাম না...', কেন ট্রাইব্যুনালের কাজ ছাড়ার ইচ্ছা প্রকাশ অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির? জানালেন নিজেই
অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ইন্দ্রজিৎ চট্টোপাধ্যায়

 তাঁর জেলায় এতদিনে সবেমাত্র ৫০০-৭০০ জনের ভাগ্য নির্ধারিত হয়েছে। SIRএর পরীক্ষায় এখনও ভাগ্য ঝুলে রয়েছে সাড়ে পাঁচ লক্ষের মতো। কিন্তু এই পরিস্থিতিতেই SIR ট্রাইব্যুনালের কাজ ছাড়তে চেয়ে প্রধান বিচারপতিকে চিঠি পাঠালেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ইন্দ্রজিৎ চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু কেন? প্রধান বিচারপতিকে লেখা চিঠিতে তিনি রাস্তার খারাপ দশাকেই কারণ হিসাবে দর্শিয়েছেন। এই খবর সামনে আসা মাত্রই স্বাভাবিকভাবে নানামহলে একাধিক প্রশ্নের উত্থাপন হয়েছে। সত্যিই ঠিক কী কারণে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি? 
এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে সেটারই ব্যাখ্যা দিলেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি।


অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ইন্দ্রজিৎ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “আমার এখান থেকে দূরত্বটা বিরাট ফ্যাক্টর। আমি সকাল ৯.৪৫ মিনিটে বাড়ি থেকে বের হই, আমার ওখানে পৌঁছতেই ১১.১৫ হয়ে যায়। ওখানে তিন-চারটে ইংরাজি মাধ্যম স্কুল রয়েছে, ওই জায়গায় আমার ২০-২৫ মিনিট সময় চলে যায়। যেহেতু ওখানে অনেকগুলো গাড়ি পার্ক করা থাকে। সেজন্য অসুবিধা হয়। আমি সেটাই চিঠিতে লিখেছি। আমি ইস্তফাপত্র দিইনি।”

উল্লেখ্য, প্রাক্তন বিচারপতি ইন্দ্রজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ি সল্টলেকে। আর ট্রাইব্যুনালের সেন্টার পড়েছে জোকাতে। দূরত্ব ২২ কিলোমিটারের মতো। গাড়িতে যেতে সময় লাগার কথা ঘণ্টা খানেক। সেখানে দেড় ঘণ্টারও বেশি সময় লেগে যাচ্ছে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির। তিনি বলছেন, “এগুলো যখন করা হল, তখন কিন্তু আমাদের জানানোই হয়নি, যে এতটা দূরে হবে। আমাদের নিয়ে যাওয়া হল, দেখলাম একটা ট্রাইব্যুনাল তৈরি হচ্ছে। তখন ভেবেছিলাম ২-৩ মাসের ব্যাপার। তখন জানতাম না, এত কেস পেন্ডিং আছে। আমি সেটাই ভেবেছিলাম, আমি ৩-৪ মাস করব, তারপর ছেড়ে দেব।” কিন্তু তিনি নিজেই জানালেন, তাঁর জেলায় সাড়ে পাঁচ লক্ষ কেস পেন্ডিং রয়েছে। এতদিনে ৫০০-৭০০ মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। তবুও রোজ এই তিন ঘণ্টায় যাতায়াত, তার ওপর খারাপ রাস্তা, এটাই মূলত তাঁর কাজের ক্ষেত্রে সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।


তিনি বলেন, “আমার কাজটা করতে ভালো লাগে। আমি চাই কাজটা করি। যদি কাছাকাছি কোথাও দেওয়া হয়, আমি কাজটা করতে পারি।” প্রধান বিচারপতিকে চিঠিতে গোটা বিষয়টি উল্লেখ করেছেন তিনি। তিনি বলেন, “আমি বলেছি, আমাকে ২১ দিনের মধ্যে জানাবে যে ওয়ার্ক ফর্ম হোম করতে দেওয়া হবে কিনা, কিংবা ভেন্যুটাকে বদলে সল্টলেকের কাছাকাছি দেওয়া হবে কিনা। এছাড়াও ট্রাইব্যুনালের আরও কিছু কিছু সমস্যা রয়েছে। সেগুলি আমরা আলোচনা করব প্রধান বিচারপতি কিংবা কমিশনের সঙ্গে।”

কিন্তু এসবের পরও প্রশ্ন থাকছে, এত মামলার নিষ্পত্তি কীভাবে হবে? কবে হবে? উল্লেখ্য, এর আগে প্রাক্তন বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম ট্রাইব্যুনালের কাজ থেকে ইস্তফা নিয়েছেন।



ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে মুম্বইতে জেল ভরো আন্দোলনের ঘোষণা করেছেন। আজ সকালেই তিনি জানিয়েছিলেন যে তাঁকে আটক করার চেষ্টা করেছিল। পরে তাঁকে চা খাইয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। দীপকের দাবি, সিজেপির আন্দোলনের অনুমতি খারিজ করে দেওয়া হয়েছে।


জেলে ভরে দেখাক', চ্যালেঞ্জ দীপকের, CJP-র আন্দোলনে অন্ধকার দিল্লি, স্তব্ধ হচ্ছে মুম্বইও
দিল্লি-মুম্বইতে বিক্ষোভ ককরোচদের।

একদিকে দেশের বাণিজ্য নগরী, অন্যদিকে দেশের রাজধানী। দেশের দুই প্রাণ কেন্দ্রে একসঙ্গে আন্দোলনে নামল ককরোচ জনতা পার্টি। আজ, ২ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরে যেমন আন্দোলন হয়, তেমনই মুম্বইয়ের শিবাজি পার্কেও বিকেল থেকে বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। সিজেপির দাবি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ইস্তফা দিতে হবে। পাশাপাশি ২০২৫ সালের ভোটার তালিকা ফ্রিজ করার দাবিও করছে তাঁরা।


দিল্লির যন্তর মন্তরের আন্দোলনে কমপক্ষে ৫০০-রও বেশি বিক্ষোভকারীকে আটক করে দিল্লি পুলিশ। আপ নেতা তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অতিশি, সৌরভ ভরদ্বাজ, সঞ্জয় সিং-কে আটক করা হয়। সিপিএম-র সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবি ও দলের নেত্রী বৃন্দা কারাতকেও কার্যত টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হয়।




নয়া দিল্লিতে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা কার্যকর করা হয়েছে। বিনা অনুমতিতে জমায়েত ও বিক্ষোভ প্রদর্শন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আজ রাত ৯টা পর্যন্ত ইন্টারনেট বন্ধ থাকবে। দিল্লির জনপথ, পটেল চক, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট, রাজীব চক, মান্ডি হাউস, লোক কল্যাণ মার্গ সহ একাধিক মেট্রো স্টেশন আপাতত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।



এদিকে, ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে মুম্বইতে জেল ভরো আন্দোলনের ঘোষণা করেছেন। আজ সকালেই তিনি জানিয়েছিলেন যে তাঁকে আটক করার চেষ্টা করেছিল। পরে তাঁকে চা খাইয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। দীপকের দাবি, সিজেপির আন্দোলনের অনুমতি খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। যদিও মুম্বই পুলিশের যুক্তি, ২০১৩ সালে বম্বে হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী শিবাজি পার্কে জমায়েত করতে দেওয়ার অধিকার বা ক্ষমতা পুলিশের নেই কারণ এটি সাইলেন্স জ়োন।

জ্ঞানেশ কুমারকে আক্রমণ করে বলেন, যতক্ষণ ‘গো জ্ঞানু, গো’ দাবি পূরণ হবে না, ততক্ষণ আন্দোলন চলবে। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীসকেও চ্যালেঞ্জ করেন শিবাজি পার্কে আসা আন্দোলনকারীদের গ্রেফতার করার। সিজেপির এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন অভিনেত্রী শাবানা আজমি।



ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে মুম্বইতে জেল ভরো আন্দোলনের ঘোষণা করেছেন। আজ সকালেই তিনি জানিয়েছিলেন যে তাঁকে আটক করার চেষ্টা করেছিল। পরে তাঁকে চা খাইয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। দীপকের দাবি, সিজেপির আন্দোলনের অনুমতি খারিজ করে দেওয়া হয়েছে।


জেলে ভরে দেখাক', চ্যালেঞ্জ দীপকের, CJP-র আন্দোলনে অন্ধকার দিল্লি, স্তব্ধ হচ্ছে মুম্বইও
দিল্লি-মুম্বইতে বিক্ষোভ ককরোচদের।

একদিকে দেশের বাণিজ্য নগরী, অন্যদিকে দেশের রাজধানী। দেশের দুই প্রাণ কেন্দ্রে একসঙ্গে আন্দোলনে নামল ককরোচ জনতা পার্টি। আজ, ২ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরে যেমন আন্দোলন হয়, তেমনই মুম্বইয়ের শিবাজি পার্কেও বিকেল থেকে বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। সিজেপির দাবি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ইস্তফা দিতে হবে। পাশাপাশি ২০২৫ সালের ভোটার তালিকা ফ্রিজ করার দাবিও করছে তাঁরা।


দিল্লির যন্তর মন্তরের আন্দোলনে কমপক্ষে ৫০০-রও বেশি বিক্ষোভকারীকে আটক করে দিল্লি পুলিশ। আপ নেতা তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অতিশি, সৌরভ ভরদ্বাজ, সঞ্জয় সিং-কে আটক করা হয়। সিপিএম-র সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবি ও দলের নেত্রী বৃন্দা কারাতকেও কার্যত টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হয়।




নয়া দিল্লিতে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা কার্যকর করা হয়েছে। বিনা অনুমতিতে জমায়েত ও বিক্ষোভ প্রদর্শন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আজ রাত ৯টা পর্যন্ত ইন্টারনেট বন্ধ থাকবে। দিল্লির জনপথ, পটেল চক, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট, রাজীব চক, মান্ডি হাউস, লোক কল্যাণ মার্গ সহ একাধিক মেট্রো স্টেশন আপাতত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।



এদিকে, ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে মুম্বইতে জেল ভরো আন্দোলনের ঘোষণা করেছেন। আজ সকালেই তিনি জানিয়েছিলেন যে তাঁকে আটক করার চেষ্টা করেছিল। পরে তাঁকে চা খাইয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। দীপকের দাবি, সিজেপির আন্দোলনের অনুমতি খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। যদিও মুম্বই পুলিশের যুক্তি, ২০১৩ সালে বম্বে হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী শিবাজি পার্কে জমায়েত করতে দেওয়ার অধিকার বা ক্ষমতা পুলিশের নেই কারণ এটি সাইলেন্স জ়োন।

জ্ঞানেশ কুমারকে আক্রমণ করে বলেন, যতক্ষণ ‘গো জ্ঞানু, গো’ দাবি পূরণ হবে না, ততক্ষণ আন্দোলন চলবে। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীসকেও চ্যালেঞ্জ করেন শিবাজি পার্কে আসা আন্দোলনকারীদের গ্রেফতার করার। সিজেপির এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন অভিনেত্রী শাবানা আজমি।



নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনের প্রচারে গিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার প্রচারের মঞ্চ থেকে দুর্নীতি ইস্যুতে তৃণমূলকে তোপ দাগেন তিনি। এরপরই সুমিত রায়ের জেল যাত্রার প্রসঙ্গ টেনে এনে ওই ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী।


'বড় চোরও জেলে যাবে', নন্দীগ্রামের মঞ্চ থেকে কাকে ইঙ্গিত করলেন শুভেন্দু?
শুভেন্দু অধিকারী

 ‘বড় চোরও জেলে যাবে।’ নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনের (Nandigram By-Poll) প্রচারে গিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। শুক্রবার প্রচারের মঞ্চ থেকে দুর্নীতি ইস্যুতে তৃণমূলকে তোপ দাগেন তিনি। এরপরই সুমিত রায়ের জেল যাত্রার প্রসঙ্গ টেনে এনে ওই ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর ওই মন্তব্যের পর থেকেই জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজ্য-রাজনীতিতে। প্রশ্ন উঠছে, বড় চোর কে , কাকে ইঙ্গিত করলেন শুভেন্দু অধিকারী?


নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনের প্রচারে শুভেন্দু
চলতি বছর বিধানসভা নির্বাচনে দুই কেন্দ্র থেকে লড়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর। দুই কেন্দ্রেই জয়লাভ করেন। কিন্তু, শেষপর্যন্ত নন্দীগ্রামের বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেন তিনি। তাঁর ছেড়ে যাওয়া নন্দীগ্রামের আসনে ফের উপনির্বাচন ৬ অক্টোবর। আজ, শুক্রবার বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথের প্রচারে নন্দীগ্রামে গিয়েছিলেন শুভেন্দু। সেখান থেকেই মমতা তৃণমূল ও ডেমোক্রেটিক তৃণমূলকে আক্রমণ করেন শুভেন্দু।



কী বললেন শুভেন্দু?
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “হলদিয়াতে আমি যেদিন সার্টিফিকেট নিয়েছিলাম, চার তারিখের মধ্যরাত্রি, সেদিনই বলেছিলাম সব দল থাকবে, এই পার্টির নাম ও নিশান থাকবে না। আজ নামও নেই, নিশানও নেই। এত পাপ ও এত অত্যাচার করেছে, তার সীমা-পরিসীমা নেই। আপনারা সবাই অপেক্ষা করে আছেন, সুমিত রায় সব চোরেরা তো জেলে, বড় চোর কবে যাবে? বড় চোরও জেলে যাবে। এতটুকু বিচলিত হবেন না।”


শুভেন্দুর এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে কাকে চোর বলে ইঙ্গিত করলেন মুখ্যমন্ত্রী? চর্চা শুরু হয়েছে রাজ্য-রাজনীতিতে। এই বিষয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার বলেন, “কোনও মুখ্যমন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রী তো কেউই বলতে পারেন না। এটা নির্বাচনী গিমিক। এগুলো নির্বাচনের সময় অনেক কথা বলেন, পরে ভুলে যান। কেউ যদি অপরাধ করেন, তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

কুণাল ঘোষের দাবি, এই ধরনের কথার কোনও মানে হয় না। পাল্টা ডেমোক্রেটিক তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্যদের একহাত নেন। এই বিষয়ে মদন মিত্র বলেন, “কুণাল ঘোষ কী জানেন যে বড় চোর কে, শুভেন্দু অধিকারী কাকে উদ্দেশ্য করে কথা বলছেন। দুইদিন অপেক্ষা করুন, সবটা সামনে আসবে। বাংলার জনগণ জানে কে বেইমান, কে বিজেপির দালাল।”