WEATHER

Top News


ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়া (NPCI) এমন একটি ফিচার এনেছে, যাতে যত খুশি ডিভাইসে UPI ব্যবহার করতে পারেন। UPI Circle নামে ওই ফিচারে দুটি স্মার্টফোন ব্যবহার করলেও নতুন UPI সেট আপ করতে হবে না, পৃথক ব্যাঙ্ক অ্য়াকাউন্টও ব্যবহার করতে হবে না।

UPI-তে দুর্দান্ত ফিচার, মা-বাবা-সন্তান, যে কেউ আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকেই পেমেন্ট করতে পারবেন

বর্তমানে বহু মানুষের কাছে থাকে দুটি স্মার্টফোন। কেউ একটি ফোন কাজের জন্য ও অপর ফোন ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করেন। একটি ফোনে জরুরি কথা আর অন্য ফোনে গান-সিনেমা- এভাবেই ব্যবহার করেন অনেকে। কিন্তু মুস্কিল হল UPI ব্যবহার করার জন্য় একটা নির্দিষ্ট ফোনই রাখতে হয়। চাইলেই যে কোনও ফোনে UPI ব্যবহার করতে পারেন না। তবে এবার সেই সমস্যার সমাধান এসে গিয়েছে।


ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়া (NPCI) এমন একটি ফিচার এনেছে, যাতে যত খুশি ডিভাইসে UPI ব্যবহার করতে পারেন। UPI Circle নামে ওই ফিচারে দুটি স্মার্টফোন ব্যবহার করলেও নতুন UPI সেট আপ করতে হবে না, পৃথক ব্যাঙ্ক অ্য়াকাউন্টও ব্যবহার করতে হবে না।


কাঠগড়ায় মাস্টারমশাই, তাঁর বিরুদ্ধে মামলার প্রেক্ষাপট শুনেই ভরা এজলাসে হাতজোড় করে ক্ষমা চাইলেন খোদ বিচারক, করলেন দুঃখপ্রকাশও! কী অপরাধ স্যরের?
কী এই UPI Circle?
এই ফিচারে একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকেই একাধিক ডিভাইসে মাধ্যমে পেমেন্ট করা সম্ভব। সে ক্ষেত্রে শুধু একজন ব্যক্তির একাধিক ডিভাইস থাকলেই যে সুবিধা হবে তা নয়, কোনও পরিবারের একাধিক সদস্যও একজনের অ্যাকাউন্ট থেকেই পেমেন্ট করতে পারবেন।

এই ফিচারে প্রাইমারি UPI অ্যাকাউন্ট হোল্ডার অর্থাৎ যাঁর অ্যাকাউন্টের সঙ্গে UPI লিংক আছে, তাঁকেই বাকি ডিভাইসগুলি অথরাইজ করতে হবে। সে ক্ষেত্রে অন্যদের ফোনে থাকবে UPI-এর সেকেন্ডারি অ্যাকাউন্ট। যাঁর ফোনে সেকেন্ডারি অ্যাকাউন্ট থাকবে, তাঁকে প্রত্যেকবার লেনদেনে অনুমতি চাইতে হবে কি না, তা ঠিক করবে প্রাইমারি হোল্ডার। সেকেন্ডারি ইউজার ঠিক কত টাকা ব্যবহার করতে পারবে, সেটাও ঠিক করে দিতে পারবে প্রাইমারি ইউজার।

কীভাবে UPI Circle সেট আপ করবেন
ফোন থেকে UPI অ্যাপ খুলুন।

UPI Circle নামে ফিচারটি খুঁজে বের করুন।

কোনও কোনও অ্যাপের এই ফিচারটির নাম রয়েছে Pocket Money।

সেখানে গিয়ে সেকেন্ডারি ইউজার অ্যাড করুন।

invite অথবা dependent account অপশনে ট্যাপ করুন।

সেকেন্ডারি ইউজারের UPI ID ও মোবাইল নম্বর দিন।

Verification শেষ করুন।

এরপর ঠিক করুন সেকেন্ডারি ইউজার আপনার থেকে অনুমতি নেবে কি না।

শিবসেনা (ইউবিটি)-র সঞ্জয় যাদব, সঞ্জয় দেশমুখ, ওমরাজ নিম্বলকর, ভাউসাহেব ওয়াকচুরে, নাগেশ পাটিল ও সঞ্জয় দিনা পাটিল দিল্লিতে চলে গিয়েছিলেন। সেখানে তারা মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে ও তাঁর ছেলে শ্রীকান্তের সঙ্গে দেখা করেন।

শিন্ডের মাস্টারপ্ল্যানেই মাত! আজই উদ্ধবের শিবসেনা ভেঙে বেরিয়ে যাবে সাংসদরা?
ফাইল চিত্র।

আর কোনও জল্পনা বা গুঞ্জন নয়। আজই ফের ভেঙে দুই খণ্ড হবে উদ্ধবের শিবসেনা। সূত্রের খবর, আজ, রবিবার (২১ জুন) শিবসেনা (ইউবিটি) (Shiv Sena UBT)-র ৬ বিক্ষুব্ধ সাংসদ দল থেকে আলাদা হয়ে যাওয়ার কথা ঘোষণা করতে পারে। এরপরে উদ্ধব ঠাকরের (Uddhav Thackeray) শিবসেনার হাতে মাত্র দুইজন লোকসভার সাংসদ পড়ে থাকবে।


বিগত এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে মহারাষ্ট্র উত্তাল শিবসেনার অন্দরে ভাঙনের খবরে। ২০২৩ সালে ভেঙে দুই ভাগ হয়ে গিয়েছিল শিবসেনা। তৈরি হয়েছিল শিবসেনা ও শিবসেনা (ইউবিটি)। আসল শিবসেনার নেতৃত্বে রয়েছেন একনাথ শিন্ডে আর শিবসেনা(ইউবিটি)-র নেতৃত্বে উদ্ধব ঠাকরে। এখন আবার ভাঙন ধরেছে শিবসেনা (ইউবিটি)-তে। উদ্ধব ঠাকরের দল ছেড়ে একনাথ শিন্ডের দলে নাম লেখাতে চাইছেন ছয়জন বিদ্রোহী সাংসদ।


কাঠগড়ায় মাস্টারমশাই, তাঁর বিরুদ্ধে মামলার প্রেক্ষাপট শুনেই ভরা এজলাসে হাতজোড় করে ক্ষমা চাইলেন খোদ বিচারক, করলেন দুঃখপ্রকাশও! কী অপরাধ স্যরের?
সূত্রের খবর, আজই শিবসেনার বিদ্রোহী সাংসদরা দল থেকে আলাদা হওয়ার কথা ঘোষণা করতে পারেন। তারা আজ সাংবাদিক বৈঠক করবেন। সেখানে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে তাদের সাক্ষাতের ছবি ও ভিডিয়ো রিলিজ করবেন। ওই বৈঠকেই তারা তুলে ধরবেন যে কেন উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনা ছেড়ে বেরিয়ে যাচ্ছেন।

শিবসেনা (ইউবিটি)-র সঞ্জয় যাদব, সঞ্জয় দেশমুখ, ওমরাজ নিম্বলকর, ভাউসাহেব ওয়াকচুরে, নাগেশ পাটিল ও সঞ্জয় দিনা পাটিল দিল্লিতে চলে গিয়েছিলেন। সেখানে তারা মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে ও তাঁর ছেলে শ্রীকান্তের সঙ্গে দেখা করেন। পরেরদিন সকালে তারা লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করেন। এরপরে তারা স্পিকারের কাছে চিঠি জমা দিয়ে জানান যে একনাথ শিন্ডের শিবসেনার সঙ্গে তারা মিশে যাবেন। লোকসভায় তাদের বসার আসন যেন আলাদা করে দেওয়া হয়।

আজকের সাংবাদিক বৈঠকের পর ছয় বিদ্রোহী সাংসদ একনাথ শিন্ডের সঙ্গে দেখা করতে পারেন। দরকার পড়লে তারা লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে ফের দেখা করতে পারেন।

 প্রধানমন্ত্রী মোদী কলকাতা থেকে রওনা দিয়ে দুপুর ১ টা ১৫ নাগাদ দিল্লি বিমানবন্দরে পৌঁছন। কিন্তু সেই সময়ই বিমানবন্দর থেকে বেরোননি তিনি। বরং ৪৫ মিনিট অপেক্ষা করে, দুপুর ২টো বেজে যাওয়ার পর তিনি বিমানবন্দর থেকে বের হন এবং নিজের বাসভবনের দিকে রওনা দেন। 

 বিমানবন্দরে ঠায় ৪৫ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী! কীসের জন্য জানেন?
ফাইল চিত্র।

 আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে যোগ দিতে কলকাতায় এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi)। ফেরার পথে দিল্লি বিমানবন্দরে (Delhi Airport) তাঁকে দাঁড়িয়ে থাকতে হল পাক্কা ৪৫ মিনিট। দেশের সবথেকে হাই প্রোফাইল ব্যক্তি, তাঁকে অপেক্ষা করতে হল বিমানবন্দরে? তাও আবার ৪৫ মিনিট! এর নেপথ্যে রয়েছে নিট পরীক্ষা।


জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী মোদী কলকাতা থেকে রওনা দিয়ে দুপুর ১ টা ১৫ নাগাদ দিল্লি বিমানবন্দরে পৌঁছন। কিন্তু সেই সময়ই বিমানবন্দর থেকে বেরোননি তিনি। বরং ৪৫ মিনিট অপেক্ষা করে, দুপুর ২টো বেজে যাওয়ার পর তিনি বিমানবন্দর থেকে বের হন এবং নিজের বাসভবনের দিকে রওনা দেন।


ক্ষমতায় থেকে পার্টি করার সুবিধা ছিল...', মমতার সঙ্গ ছাড়লেন মোশারফ
প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্তের কারণ ছিল যাতে নিট (NEET) পরীক্ষার্থীদের কোনও সমস্যা না হয়। দুপুর দুটো থেকে পরীক্ষা শুরু হচ্ছিল। যাতে প্রধানমন্ত্রীর কনভয়ের জন্য কোনও পরীক্ষার্থীর সমস্যা না হয়, দেরি না হয়ে যায়, তার জন্যই তিনি বিমানবন্দরে অপেক্ষা করে যান।

প্রধানমন্ত্রীর কনভয় গেলে সেই রুট সাময়িক বন্ধ করে দেওয়া হয় সাধারণ মানুষদের জন্য। এতে পরীক্ষা হলের দিকে যাওয়া নিট পরীক্ষার্থীদের দেরি হয়ে যেতে পারত। তাদের কথা মাথায় রেখেই দুপুর দুটোয় পরীক্ষা শুরুর পরে তিনি বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে বাসভবনের উদ্দেশে রওনা দেন।

প্রসঙ্গত, গত মে মাসে নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে যাওয়ায় বাতিল হয়ে যায় মেডিক্যালের প্রবেশিকা পরীক্ষা। ফের পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়। আজ সেই পরীক্ষাই চলছে। মোট ২২ লাখের বেশি পরীক্ষার্থী বসেছে এই পরীক্ষায়। দেশ জুড়ে ৫,৪৪০টি সেন্টারের ব্যবস্থা করা হয়েছে এনটিএ-র তরফে। কড়া নজরদারি চলছে পরীক্ষাকেন্দ্রগুলিতে। ১.৩৮ লক্ষ সিসিটিভি বসানো হয়েছে। ৫১ হাজার সিগন্যাল জ্যামার বসানো হয়েছে।


তৃণমূলের বেলেঘাটার বিধায়ক তথা মুখপত্র কুণাল ঘোষ বলেন, "সুমিত রায় সম্পর্কে যা যা বলার আগে বলেছি। আমি তৃণমূলের মুখপাত্র, সুমিত রায়ের নই। তাই ওঁকে নিয়ে কিছু বলব না। আইন আইনের মতো চলবে। আর আমি ওঁকে নিয়ে বেশি কিছু বলব না, অনেকে রেগে যান।"


আরও বিপদে অভিষেকের PA, সরকারি চাকরি নিয়ে বড় অভিযোগ সুমিতের বিরুদ্ধে

কোথায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়? সেই নিয়ে প্রশ্নের মধ্যেই এবার আরও চাপে তিনি। কারণ, তাঁর বিরুদ্ধে এবার দায়ের হল নয়া মামলা। পুলিশ সূত্রে খবর, পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরা থানায় এই নয়া মামলা দায়ের হয়েছে। আগেই তাঁর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু হয়েছিল। এর মধ্যেই আবার নয়া মামলা।


পুলিশ সূত্রে খবর, সুমিতের বিরুদ্ধে নতুন করে ডেবরা থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। সরকারি চাকরি দেওয়ার নামে লক্ষাধিক টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। একজন জনৈক ব্যক্তি অপর আর একজন ব্যক্তির মাধ্যমে সুমিতকে লক্ষাধিক টাকা দিয়েছিলেন চাকরির জন্য। জানা যাচ্ছে, সেই টাকা দেওয়ার পর নথি পেয়েছিলেন, তারপর তাঁর মেডিক্যাল পরীক্ষা হয়েছিল। কিন্তু এত সবের পরও চাকরি হয়নি। শেষমেশ তিনি অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।


'নট সো পুওর' বলে খোঁচা মহুয়ার, উত্তর দিতে 'রুচিতে বাধছে' কাকলির
এখানে উল্লেখ্য, প্রতারণা ও জমি দুর্নীতি মামলায় সুমিতের বিরুদ্ধে খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ। মেদিনীপুরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সুজয় হাজরাকে গ্রেফতার করার পর জিজ্ঞাসাবাদে অভিষেকের আপ্ত সহায়কের নাম সামনে আসে। তারপরই সুমিতের খোঁজে অভিষেকের কালীঘাটের বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছিল শালবনী থানার পুলিশ। কিন্তু খোঁজ মেলেনি তাঁর। জারি হয় লুকআউট নোটিসও।

তৃণমূলের বেলেঘাটার বিধায়ক তথা মুখপত্র কুণাল ঘোষ বলেন, “সুমিত রায় সম্পর্কে যা যা বলার আগে বলেছি। আমি তৃণমূলের মুখপাত্র, সুমিত রায়ের নই। তাই ওঁকে নিয়ে কিছু বলব না। আইন আইনের মতো চলবে। আর আমি ওঁকে নিয়ে বেশি কিছু বলব না, অনেকে রেগে যান।


এবারের নিট-ইউজি পরীক্ষায় ২২ লক্ষ পরীক্ষার্থী বসেছে। কড়া নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে যাতে এবারের পরীক্ষায় কোনও রকমের সমস্যা বা প্রশ্নপত্র লিক না হয়। প্রশ্নপত্র ফাঁস রুখতেই বায়ুসেনা নিটের প্রশ্ন পৌঁছে দিয়েছে। উত্তরপত্র সুরক্ষিতভাবে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্বে রয়েছে প্যারামিলিটারি। 


দ্বিতীয়বারও NEET-UG পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস? QR Code-এ ৩০ হাজার টাকা দিলেই ভিডিয়ো কল, আর তারপরই 'আসল খেলা'....
ফের নিট পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস হয়ে গেল?

একবার পরীক্ষা বাতিল হয়েছে। আবার কি নিট পরীক্ষা (NEET-UG Exam) বাতিল হয়ে যাবে? আজ, ২১ জুন ফের নিট পরীক্ষার আয়োজন করা হয়েছে গত মে মাসের পরীক্ষা বাতিল হয়ে যাওয়ার পর। লাখ লাখ পরীক্ষার্থী ফের একবার ডাক্তার হওয়ার আশায় পরীক্ষায় বসেছে। এর মধ্য়েই হইচই এক ব্যক্তির দাবি ঘিরে। এক ব্যক্তি দাবি করেন যে তাঁর কাছে নিটের প্রশ্নপত্র (NEET Question Paper) আছে। ৩০ হাজার টাকাও দাবি করেন। ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।


চলতি বছরের মে মাসে নিট পরীক্ষা হয়েছিল। সেই সময় প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে গিয়েছিল রাজস্থানের শিকর থেকে। এবারও রাজস্থানের নামই উঠে এল। আজমেরে এক অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে নিটের রি-এগজামিনেশনের প্রশ্নপত্র ফাঁস করার অভিযোগ উঠেছে।


ক্ষমতায় থেকে পার্টি করার সুবিধা ছিল...', মমতার সঙ্গ ছাড়লেন মোশারফ
ডিএভি কলেজের স্টুডেন্ট ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট কৃষ্ণ সিং ঠাকুর থানায় গিয়ে অভিযোগ করেন যে ভিডিয়ো কলে এক ব্যক্তি নিটের প্রশ্নপত্র দেখাচ্ছেন। এর বদলে তিনি ৩০ হাজার টাকা করে নিচ্ছেন পড়ুয়াদের থেকে। এক পড়ুয়া এই খবর দিতেই তিনি নিজেও ফোন করেছিলেন যাচাই করতে।

অভিযোগকারী গতকাল পুলিশের কাছে বলেন, “আগামিকাল নিট পরীক্ষা। পড়ুয়াদের এভাবে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, তাদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হচ্ছে…আমাকেও একটা পেপার দেখানো হয়েছে। ৩০ হাজার টাকা চাওয়া হচ্ছিল। আমি রেকর্ডিং-ও জমা দিয়েছি”। তাঁর দাবি, ইতিমধ্যেই অনেক পড়ুয়া এই ফাঁদে পা দিয়ে টাকা দিয়েছে।

পুলিশ ওই মোবাইল নম্বর ও কিউআর কোডে দেওয়া ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের লিঙ্ক ট্র্যাক করে অভিযুক্তকে খোঁজার চেষ্টা করছে। আদৌ ওই ব্যক্তির কাছে সত্যি নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র আছে নাকি তিনি মিথ্যা দাবি করে পড়ুয়াদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

এবারের নিট-ইউজি পরীক্ষায় ২২ লক্ষ পরীক্ষার্থী বসেছে। কড়া নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে যাতে এবারের পরীক্ষায় কোনও রকমের সমস্যা বা প্রশ্নপত্র লিক না হয়। প্রশ্নপত্র ফাঁস রুখতেই বায়ুসেনা নিটের প্রশ্ন পৌঁছে দিয়েছে। উত্তরপত্র সুরক্ষিতভাবে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্বে রয়েছে প্যারামিলিটারি।

যে কারণে আদ্রর্তাজনিত অস্বস্তি থাকছেই। সোমবার ও মঙ্গলবার বৃষ্টির মাত্রা কিছুটা কমলে তাপমাত্রাও বাড়বে। বুধবার থেকে ফের ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা আবারও বাড়বে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে। জারি হতে পারে কমলা সতর্কতা। ফলে এখনই বলা যাচ্ছে না বৃষ্টি আদৌ কমবে কবে।

দক্ষিণবঙ্গে ফের জারি বৃষ্টির সতর্কতা, এত বৃষ্টি কমবে কবে?
আবহাওয়ার খবর

শুক্রবারের পর আবার রবিবার। ব্যাপক বৃষ্টি দক্ষিণবঙ্গে। অল্প সময়ের বৃষ্টিতে জলে ডুবল কলকাতা। বিগত কয়েকদিন ধরে যে গরম পড়েছিল তাতে রীতিমতো নাজেহাল অবস্থা হয়েছিল শহরবাসীর। বৃষ্টি কবে হবে সেই প্রশ্নই ঘোরাঘুরি করছিল মনে। এই আবহের মধ্যেই এবার ঝড়বৃষ্টি হল দক্ষিণবঙ্গে। আগামী চার পাঁচ দিন বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণবঙ্গে।


এ দিকে, উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টি হচ্ছে। তবে, সোমবারের পর সাময়িক ভাবে বৃষ্টি কমবে উত্তরবঙ্গে। সোমবার উত্তরের তিন জেলা জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারে লাল সতর্কতা জারি হয়েছে। অন্যদিকে, দার্জিলিং, কালিম্পং, সিকিমে অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা জারি হয়েছে। তবে, কয়েকদিন ক্ষান্ত দিয়ে আবারও শুক্রবার থেকে আবার বৃষ্টি বাড়বে উত্তরবঙ্গে। শনিবার ফের উত্তরের ৫ জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা।


মহেশতলায় কাটা গেল একজনের পা, চিনার পার্কে জলে ডোবা অ্যাপ ক্যাবে যাত্রীর মর্মান্তিক অবস্থা! অল্প সময়ের বৃষ্টিতে কলকাতায় ধরা পড়ল ভয়ঙ্কর ছবি
এ দিকে রবিবার কলকাতা ও লাগোয়া দুই ২৪ পরগনায় হলুদ সতর্কতা জারি হয়েছে। হাওড়ায় কমলা সতর্কতা। এক নাগাড়ে বৃষ্টির জেরে ধর্মতলা, শিয়ালদহ, বেহালায় প্রায় হাঁটুসমান জল জমে গিয়েছে। অপরদিকে বালি আন্ডারপাসে বুক সমান জল হয়েছে। প্রবল বৃষ্টিতে মৃত্যু হয়েছে একজনের।

এদিন কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বঙ্গোপসাগর থেকে বাংলায় ঢুকছে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প। ফলে বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ঘোরাফেরা করছে ৬৭ থেকে ৯৮ শতাংশের মধ্যে। যে কারণে আদ্রর্তাজনিত অস্বস্তি থাকছেই। সোমবার ও মঙ্গলবার বৃষ্টির মাত্রা কিছুটা কমলে তাপমাত্রাও বাড়বে। বুধবার থেকে ফের ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা আবারও বাড়বে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে। জারি হতে পারে কমলা সতর্কতা। ফলে এখনই বলা যাচ্ছে না বৃষ্টি আদৌ কমবে কবে।


দুর্ঘটনাগ্রস্ত সরকারি বাসটি শিলিগুড়ির দিক থেকে আসছিল। অপরদিকে ময়নাগুড়ি উল্লাডাবরি এলাকার জাতীয় সড়কে একটি ট্রেলার দাঁড়িয়েছিল। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সরকারি বাসটি ট্রেলারটিকে পাশ কাটিয়ে আগে বেরিয়ে যাওয়ার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে। সরকারি বাসের পাশের দিকের অংশ পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যায়।


সরকারি বাসে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, মৃত ৬, ৫ লক্ষ করে ক্ষতিপূরণ ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
বাস দুর্ঘটনা

বৃষ্টির আবহাওয়ার মধ্যেই ভয়াবহ দুর্ঘটনা। দুমড়ে মুচড়ে গেল সরকারি বাস। দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেলারে ধাক্কা মারে দ্রুতগতির বাস। দুর্ঘটনায় ৬ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। একাধিক যাত্রীর অবস্থা আশঙ্কাজনক। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিককে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শুধু তাই নয়, ক্ষতিপূরণও ঘোষণা করেছেন তিনি।

সরকারি বাসের সঙ্গে ট্রেলারের ধাক্কা। ময়নাগুড়ি ব্লকের উল্লাডাবরি এলাকার জাতীয় সড়কের উপর ঘটানাটি ঘটে। ঘটনায় আহত অন্তত ৩০। এক শিশু সহ বেশ কয়েকজনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক।


ঐতিহাসিক ভুলের, ঐতিহাসিক সংশোধন', বলছে গোপাল পাঁঠার পরিবার
দুর্ঘটনাগ্রস্ত সরকারি বাসটি শিলিগুড়ির দিক থেকে আসছিল। অপরদিকে ময়নাগুড়ি উল্লাডাবরি এলাকার জাতীয় সড়কে একটি ট্রেলার দাঁড়িয়েছিল। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সরকারি বাসটি ট্রেলারটিকে পাশ কাটিয়ে আগে বেরিয়ে যাওয়ার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে। সরকারি বাসের পাশের দিকের অংশ পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যায়।

ঘটনার পর ছুটে গিয়ে উদ্ধারকাজে হাত লাগান স্থানীয় বাসিন্দারা। রক্তাক্ত অবস্থায় প্রচুর মানুষজনকে নিয়ে যাওয়া হয় জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজে ও ময়নাগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে। বেশ কয়েকজনকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে রেফার করা হচ্ছে।

এই ঘটনায় তৎপর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক ও পরিবহন দফতরের প্রতিমন্ত্রী আনন্দময় বর্মণকে ঘটনা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন। শুভেন্দু অধিকারী এক্স মাধ্যমে ঘোষণা করেছেন, দুর্ঘটনায় মৃতদের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা, গুরুতর আহত যাত্রীদের ১ লক্ষ টাকা ও অন্যান্য আহত যাত্রীদের ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। ময়নাগুড়ির পথ দুর্ঘটনায় হেল্প লাইন খোলা হয়েছে। নম্বরটি হল- ৮৫৯৭৯৬৫০১৬।

হঠাৎ করেই শ্রমিকদের নাকে একটা ঝাঁঝালো গন্ধ এসে লাগে। এর কিছুক্ষণ পরই তাদের শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। মাথা ঘোরাতে শুরু করে। কেউ কেউ বমি করতেও শুরু করেন। একে একে প্রচুর শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়তেই বোঝা যায় যে বড় কোনও বিপদ ঘটেছে। সঙ্গে সঙ্গে শ্রমিকদের উদ্ধার করে কাছের হাসপাতালগুলিতে নিয়ে যাওয়া হয়।


রবিবার দুপুরে কারখানা ভরে গেল ঝাঁঝালো গন্ধে, বিষাক্ত গ্যাসে মৃত ৭, অসুস্থ অন্তত ৫৭ শ্রমিক
অসুস্থ শ্রমিকদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

রবিবারে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। কারখানায় অ্যামোনিয়া গ্যাস লিক থেকে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি। বিষাক্ত গ্যাসে প্রাণ গেল কমপক্ষে সাতজন শ্রমিকের। অসুস্থ অন্তত ৫৭ জন শ্রমিক। সাতজন শ্রমিককে ভেন্টিলেটরকে রাখা হয়েছে।


ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনাটি ঘটেছে তামিলনাড়ুর তিরুভাল্লুর জেলায়। পেরিয়াপালম অঞ্চলে অবস্থিত সেন্ট পিটার্স অ্যান্ড পাল সিফুড এক্সপোর্ট ফেসিলিটি নামক একটি সি-ফুড প্রসেসিং ইউনিটে এ দিন অ্যামোনিয়া গ্যাস লিক হয়। এরপরই একের পর এক শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়তে থাকেন।

ক্ষমতায় থেকে পার্টি করার সুবিধা ছিল...', মমতার সঙ্গ ছাড়লেন মোশারফ
জানা গিয়েছে, হঠাৎ করেই শ্রমিকদের নাকে একটা ঝাঁঝালো গন্ধ এসে লাগে। এর কিছুক্ষণ পরই তাদের শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। মাথা ঘোরাতে শুরু করে। কেউ কেউ বমি করতেও শুরু করেন। একে একে প্রচুর শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়তেই বোঝা যায় যে বড় কোনও বিপদ ঘটেছে। সঙ্গে সঙ্গে শ্রমিকদের উদ্ধার করে কাছের হাসপাতালগুলিতে নিয়ে যাওয়া হয়।

প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, পরিমাপ করার ভাল্ভ বা মেজার ভাল্ভ থেকে অ্যামোনিয়া গ্য়াস লিক করেছে।

দুর্ঘটনার খবর পেয়েই মুখ্যমন্ত্রী বিজয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল রাজেন্দ্র আরলেকর বলেন, “তিরুভাল্লুর জেলায় কান্নিগাইপেয়ার গ্রামে চিংড়ি প্রসেসিং ফ্যাক্টরিতে মর্মান্তিক অ্যামোনিয়া গ্যাস লিক দুর্ঘটনায় অনেক শ্রমিকের প্রাণ গিয়েছে এবং অনেকের ক্ষতি হয়েছে। এই ঘটনায় আমি গভীরভাবে শোকাহত। নিহতদের পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা রইল। অসুস্থদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করি।”

 যে পথ বিজনেস ক্লাসে যেতে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা খরচ হয়, সেই পথ লাখ পাঁচেক টাকা খরচ করে চার্টার্ড বিমানে গিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়। সেই যাত্রা নিয়ে সমালোচনা হয়েছে ইতিমধ্যেই। প্রশ্ন তুলেছেন দলের নেতাদের একাংশ। এমনকী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে থাকা নেতারাও সেই প্রশ্ন তুলেছেন।

 ভারতে এমন নজির নেই! ১৫০ কোটির রেকর্ড গড়েছে মমতার তৃণমূল

দলের পরাজয়ের পর ভিতরে-বাইরে আক্রমণের মুখে পড়তে হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee)। একসময় যাঁরা ‘সেনাপতি’ বলে সম্বোধন করতেন, আজ তাঁরাও ছাড়ছেন না। আর সেই বিক্ষোভে ঘৃতাহুতি দিয়েছে অভিষেকের বিমান-যাত্রা। যে পথ বিজনেস ক্লাসে যেতে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা খরচ হয়, সেই পথ লাখ পাঁচেক টাকা খরচ করে চার্টার্ড বিমানে গিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়। সেই যাত্রা নিয়ে সমালোচনা হয়েছে ইতিমধ্যেই। তবে, বিগত কয়েক বছরের হিসেব বলছে, শুধু চার্টার্ড বিমানে তৃণমূল যা খরচ করেছে, তা আগে কখনও কোনও আঞ্চলিক দল করেনি।


তৃণমূলের অডিট রিপোর্ট বলছে, মাত্র ৪ বছরে চার্টার্ড বিমানে ১৫০ কোটি টাকা খরচ করেছে তৃণমূল। এর মধ্যে বেশিরভাগটাই খরচ হয়েছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য।

অভিষেকের উড়ান-খরচ জানলে চমকে যাবেন!
২০২২ সালে খরচ হয়েছে ৩৫ কোটি টাকা।

২০২৩ সালে খরচ হয়েছে ১৩ কোটি টাকা।

২০২৪ সালে খরচ হয়েছে ৫৬ কোটি টাকা।

২০২৫ সালে খরচ হয়েছে ৩৭ কোটি টাকা।

অর্থাৎ সব মিলিয়ে প্রায় ১৪১ কোটি টাকা খরচ করেছে তৃণমূল। তথ্য বলছে, ভারতের আর কোনও আঞ্চলিক দল এত টাকা খরচ করেনি। অর্থাৎ কার্যত রেকর্ড করেছে তৃণমূল। ২০২১ সালের পর থেকে এই তথ্য পাওয়া গিয়েছে। এর আগের খরচের হিসেব পাওয়া যায়নি। প্রশ্ন উঠেছে কোথা থেকে এল এত টাকা।

উল্লেখ্য, এই প্রশ্ন তুলছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে থাকা নেতারাও। কুণাল ঘোষও বলেছেন, “দলের টাকা হলে, সমর্থন করি না।” বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ কটাক্ষ করে বলেন, যত টাকা চার্টার্ড বিমান ভাড়া নিয়ে খরচ হয়েছে, তত টাকায় আস্ত বিমান কিনে ফেলতে পারত তৃণমূল।

 গত বছরের অগস্টে 'গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং'-এ মৃতদের স্মরণে পদযাত্রায় অংশ নিয়েছিলেন তৎকালীন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর হাতে ছিল গোপাল মুখোপাধ্যায়ের ছবি। মিছিল শেষে আলিপুরে গোপাল মুখোপাধ্যায়ের মূর্তির উন্মোচন করেছিলেন।

সোহরাওয়ার্দির নাম বদলে পার্ক সার্কাসের এই রাস্তা এবার গোপাল পাঁঠার
প্রতীকী ছবি

 এবার গোপাল পাঁঠার নামে রাস্তা হচ্ছে কলকাতায়। পার্ক সার্কাস এলাকার সোহরাওয়ার্দি অ্যাভিনিউয়ের নাম পাল্টে রাখা হচ্ছে গোপাল মুখোপাধ্যায় রোড। কলকাতা পৌরনিগমের কমিশনার স্মিতা পাণ্ডে এই নিয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন। এই সিদ্ধান্তের জন্য কলকাতা পৌরনিগমকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাজনীতির কারবারিরা বলছেন, ক্ষমতায় এসেই গোপাল পাঁঠার নামে রাস্তার নাম রেখে তাঁকে সম্মান জানাল বিজেপি সরকার।


১৯৩৩ সালে পার্ক সার্কাসের এই রাস্তাটির নাম সোহরাওয়ার্দি অ্যাভিনিউ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন কলকাতা পৌরনিগম। ১৯৩৩ সালের ২০ এপ্রিল একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে কলকাতা পৌরনিগম জানায়, ১৯৩৩ সালের ৮ মার্চ কলকাতা পৌরনিগমে একটি বৈঠক হয়। সেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, পার্ক সার্কাস থেকে কাশিপাড়া লেন জংশন পর্যন্ত যে ১০০ ফুট নতুন রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে, তার নাম রাখা হবে সোহরাওয়ার্দি অ্যাভিনিউ। রাস্তাটি তৈরি করেছে ক্যালকাটা ইমপ্রুভমেন্ট ট্রাস্ট। ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এই রাস্তাতেই রয়েছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য স্যর হাসান সোহরাওয়ার্দির বাড়ি।


ঐতিহাসিক ভুলের, ঐতিহাসিক সংশোধন', বলছে গোপাল পাঁঠার পরিবার



১৯৩৩ সালে সোহরাওয়ার্দি অ্যাভিনিউ নিয়ে কলকাতা পৌরনিগমের বিজ্ঞপ্তি

স্যর হাসান সোহরাওয়ার্দি ১৯৩০ সালের ৮ অগস্ট থেকে ১৯৩৪ সালের ৭ অগস্ট পর্যন্ত কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন। তাঁর ভাইপো হলেন হুসেন শাহীদ সোহরাওয়ার্দি। যিনি ১৯৪৬ থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। পরে পাকিস্তানে চলে যান। এবং তিনি পাকিস্তানের পঞ্চম প্রধানমন্ত্রী হন। গ্রেট ক্যালকাটা কিলিংয়ের খলনায়ক এই হুসেন শাহীদ সোহরাওয়ার্দি। এই গ্রেট ক্যালকাটা কিলিংয়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন গোপাল পাঁঠা।

১৯৪৬ সালে ‘গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং’-র কথা প্রায়ই বলে থাকে বিজেপি। ১৯৪৬ সালে হিন্দু হত্যার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন গোপাল মুখোপাধ্যায়। হিন্দুদের মসিহা হয়ে উঠেছিলেন। হিন্দুদের রক্ষা করতে অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছিলেন তিনি। বউবাজারের মলঙ্গালেন নিবাসী গোপালদের একটি পারবারিক পাঁঠার দোকান ছিল কলেজ স্ট্রিটে। পেশায় তিনি একজন কসাই। সেই জন্য তাঁকে গোপাল পাঁঠা বলা হত।

গত বছরের অগস্টে ‘গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং’-এ মৃতদের স্মরণে পদযাত্রায় অংশ নিয়েছিলেন তৎকালীন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর হাতে ছিল গোপাল মুখোপাধ্যায়ের ছবি। মিছিল শেষে আলিপুরে গোপাল মুখোপাধ্যায়ের মূর্তির উন্মোচন করেছিলেন। এদিন কলকাতা পৌরনিগমের সিদ্ধান্ত নিয়ে এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্ট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পৌরনিগমের সিদ্ধান্তের প্রশংসা করেছেন। একইসঙ্গে তিনি লেখেন, প্রকৃত নায়কদের সম্মান জানানোর এটা সময়।

‘গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং’ নিয়ে ছবিও বানিয়েছেন বলিউড পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রী। ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ নামে ওই সিনেমার ট্রেলার লঞ্চ ঘিরে কলকাতায় শোরগোল পড়েছিল। তৎকালীন শাসকদল তৃণমূলের বিরুদ্ধে বাইপাসের ধারে একটি পাঁচতারা হোটেলে সিনেমার ট্রেলার লঞ্চে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।

কী ঘটেছিল ১৯৪৬ সালে?

১৯৪৬ সালের ১৬ অগস্ট। মহম্মদ আলি জিন্নার নেতৃত্বে ‘১৬ অগস্ট’কে ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে হিসাবে ঘোষণা করা হয়। রাস্তায় খোলা অস্ত্র, লাঠি নিয়ে পায়চারি করছে একদল দুষ্কৃতী। মুখে স্লোগান ‘লড় কে লেঙ্গে পাকিস্তান’। ১৬, ১৭, ১৮ নির্বিচারে চলে হত্যা। সেই সময়ে প্রত্যেক রাজ্যের প্রধানমন্ত্রী(স্বাধীনতার পরে তা মুখ্যমন্ত্রী হয়ে যায়) হত। সেই সময়ে বাংলার প্রধানমন্ত্রী গদিতে হোসেন শাহিদ সোহরাওয়ার্দি। শোনা যায় তাঁর নির্দেশে ওই সময় ঠুঁটো জগন্নাথ হয়ে বসেছিল পুলিশ। দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে নিজের দলবল অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মাঠে নামেন গোপাল পাঁঠা। রক্ষা করেন শত শত প্রাণ। ২০০৫ সালে খানিকটা অন্তরালেই সেই গোপাল পাঁঠার মৃত্যু হয়।

নিজের হকের টাকা ফিরে পেতে এবং এই দুর্নীতির তদন্তের দাবিতে শেষ পর্যন্ত ক্যানিং থানার দ্বারস্থ হয়েছেন প্রতারিত জাহাঙ্গির লস্কর। তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকেও বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।


খাতায় বরাদ্দ, ক্যানিংয়ে গরিবের আবাসের টাকা খেল ‘তৃণমূলের ভূত’
আবাস যোজনায় ঘরের টাকা না পেয়ে কী বলছেন জাহাঙ্গির লস্কর?

সরকারিভাবে খাতায়-কলমে আবাস যোজনার টাকা অ্যাকাউন্টে এসেছে। কিন্তু একটি টাকাও উপভোক্তা হাতে পাননি। উধাও হয়ে গিছে আবাসের টাকা। উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে না গিয়ে কোথায় গেল সেই টাকা? এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়াল দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ে। অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে।  


ক্যানিং পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের উত্তর অঙ্গদবেড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা জাহাঙ্গির লস্কর। তিনি অভিযোগ করেন, গত ১১ জুন স্থানীয় বিএলও এবং ব্লক দফতরের দু’জন আধিকারিক তাঁর বাড়িতে আসেন। এরপর আধিকারিকরা তাঁকে জিজ্ঞাসা করেন, আবাস যোজনার সরকারি টাকায় তিনি ঘর তৈরি করেছেন কি না। আধিকারিকরা স্পষ্ট জানান যে, জাহাঙ্গিরের নামে ইতিমধ্যে ঘর বরাদ্দ হয়েছে এবং সরকারি খাতা অনুযায়ী সেই টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে চলেও গিয়েছে। এই কথা শুনেই আকাশ থেকে পড়েন পেশায় দিনমজুর জাহাঙ্গির। তিনি জানান, তাঁর অ্যাকাউন্টে কোনও টাকাই ঢোকেনি। তদন্তে জানা যায়, উপভোক্তার অজান্তেই তাঁর নথি ব্যবহার করে অন্য কোনও ভুয়ো অ্যাকাউন্টে টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।


DA নিয়ে বড় ঘোষণা? আদানিদের বিনিয়োগ? কী থাকবে শুভেন্দু সরকারের বাজেটে
কী বলছেন জাহাঙ্গির লস্কর?

জাহাঙ্গির বলেন, “আমার নামে যে ঘর এসেছিল, তা আমি জানতাম না। আমাদের পার্টের বিএলও, পঞ্চায়েত আধিকারিক, বিডিও অফিসের আধিকারিক আমার কাছে কাছে এসে বললেন, আপনার নামে আবাসের টাকা ঢুকেছে, আপনি ঘর করেননি কেন? ওঁরা বললেন, আপনার প্রথম কিস্তির টাকা ঢুকেছে। আমি ব্যাঙ্কে গিয়ে দেখলাম, আমার অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকেনি।” এরপরই তৃণমূলকে নিশানা করে তিনি বলেন, “আমার মনে হয়, তৃণমূলের ভূতেরাই আমার টাকা খেয়েছে। পঞ্চায়েত এখন আমাকে বলছে, গ্রাম সদস্যের কাছে যান। গ্রাম সদস্য বলছেন, আমি কী করে বলব।” বর্তমান রাজ্য সরকারের প্রশংসা করে জাহাঙ্গির বলেন, “শুভেন্দু অধিকারীর সরকার এসেছে বলে তদন্তের পর জানতে পারলাম। এরকম কতজনের আবাসের টাকা খেয়েছে তৃণমূলের ভূতেরা কে জানে।”

কী বলছে বিজেপি?

এই ঘটনার পিছনে স্থানীয় শাসকদল তৃণমূলের একাংশের যোগসাজশ রয়েছে বলে সরব হয়েছে বিরোধী শিবির। ‘তৃণমূলের ভূতে’ই গরিব মানুষের আবাসের টাকা গায়েব করেছে বলে এলাকায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। বিজেপি নেতা অর্পণ দাস বলেন, “এমন কোনও দুর্নীতি নেই, যার সঙ্গে তৃণমূল জড়িত ছিল না। এখন তা প্রমাণিত। এর পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হবে। প্রশাসন এর যথাযথ ব্যবস্থা নেবে। যেসব আধিকারিক এর সঙ্গে জড়িত, তাঁদেরও তদন্তের আওতায় আনা হবে।”

নিজের হকের টাকা ফিরে পেতে এবং এই দুর্নীতির তদন্তের দাবিতে শেষ পর্যন্ত ক্যানিং থানার দ্বারস্থ হয়েছেন প্রতারিত জাহাঙ্গির লস্কর। তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকেও বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তৃণমূলের তরফে এই নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

আজ সারা বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে গঙ্গাসাগরেও পালিত হলো দশম আন্তর্জাতিক যোগা দিবস। এই উপলক্ষ্যে সাগর দ্বীপের ঐতিহাসিক কপিলমুনির আশ্রম চত্বর সেজে উঠেছিল এক অনন্য রূপ। জেলার মূল অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয় এখানেই। 


এদিনের অনুষ্ঠানে যোগব্যায়ামের মাধ্যমে সুস্থ জীবনের বার্তা ছড়িয়ে দিতে প্রায় তিন হাজার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। ভোরের আলো ফুটতেই স্থানীয় বাসিন্দা থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়সের মানুষ যোগাসনে সামিল হন। আশ্রম চত্বরে এক শান্ত ও প্রাণবন্ত পরিবেশ তৈরি হয়। এই বিশেষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার জেলাশাসক, সাগরের বিডিও-সহ জেলা ও ব্লক প্রশাসনের শীর্ষস্থানীয় আধিকারিকরা।

 জেলাশাসক উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে যোগাভ্যাসের গুরুত্ব নিয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন। তিনি জানান, শরীর ও মনকে সতেজ রাখতে এবং সুস্থ সমাজ গঠনে নিয়মিত যোগাভ্যাসের কোনো বিকল্প নেই। প্রশাসনিক আধিকারিকদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে পালিত হয়। সামগ্রিকভাবে, গঙ্গাসাগরের এই আয়োজন আন্তর্জাতিক যোগা দিবসের মূল ভাবার্থকেই সার্থক করে তুলেছে।

 শনিবার (২০ জুন) হাইকোর্টের বর্তমান প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের কার্যকালের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। এরপরই ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন তপোব্রত চক্রবর্তী। কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রক বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর নিয়োগ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।


OBC নিয়ে বড় রায় দিয়েছিলেন, আজ তিনিই প্রধান বিচারপতি, কে এই Justice তপোব্রত চক্রবর্তী?
কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হচ্ছেন তপোব্রত চক্রবর্তী


আইনজীবী পরিবারের জন্ম। সেই আবহে বেড়ে ওঠার সময় আইনকে পেশা হিসেবে বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত। ফলে কলেজে আইন নিয়ে পড়াশোনা। তারপর আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবন শুরু। আর এবার কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হচ্ছেন তপোব্রত চক্রবর্তী। এর আগে ৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি ফেরানো নিয়ে রায়ের সময় বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী চর্চায় উঠে এসেছিলেন। বড় রায় দিয়েছিলেন ওবিসি শংসাপত্র সংক্রান্ত মামলায়ও।


১৯৬৭ সালের ২৭ নভেম্বর কলকাতায় এক আইনজীবী পরিবারে তপোব্রত চক্রবর্তীর জন্ম। এলএলবি পাশ করার পর ১৯৯১ সালের জানুয়ারিতে আইনজীবী হিসেবে তাঁর নাম নথিভুক্ত হয়। ২২ বছর কলকাতা হাইকোর্টে প্র্যাকটিস করেছেন তিনি। ২০১৩ সালের ৩০ অক্টোবর হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ করা হয় তাঁকে। বছর তিনেক পর ২০১৬ সালের ১৪ মার্চ স্থায়ী বিচারপতি হন তিনি। এবার কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হচ্ছেন বছর আটান্নর তপোব্রত চক্রবর্তী।


মহিলাকে আগিয়ে দেয়, ওদের কাছে বন্দুক ছিল...', টার্গেট অভিষেক! কলকাতা বিমানবন্দরে ভয়ঙ্কর কাণ্ড
শনিবার (২০ জুন) হাইকোর্টের বর্তমান প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের কার্যকালের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। এরপরই ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন তপোব্রত চক্রবর্তী। কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রক বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর নিয়োগ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।


বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর উল্লেখযোগ্য রায়-

বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মামলায় উল্লেখযোগ্য রায় দিয়েছেন। এর মধ্যে অন্যতম ছিল প্রাথমিক শিক্ষকদের ৩২ হাজার চাকরি বাতিল সংক্রান্ত মামলা। দুর্নীতির অভিযোগে ৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ। পরে বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চ সেই নির্দেশ খারিজ করে দেয়। ৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি বহাল রাখার কথা জানিয়ে সেইসময় বিচারপতি চক্রবর্তীর পর্যবেক্ষণ ছিল, বহু বছর ধরে কর্মরত শিক্ষকদের চাকরি বাতিল হলে তাঁদের ও তাঁদের পরিবারের উপর গুরুতর প্রভাব পড়বে। সেই প্রেক্ষিতে চাকরি বাতিলের নির্দেশ খারিজ করা হয়।

এছাড়া শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত আর এক মামলায় তিনি মন্তব্য করেছিলেন, “শুধুমাত্র সন্দেহ বা অনুমানের ভিত্তিতে চাকরি বাতিল করা যায় না। প্রত্যেক নিয়োগপ্রাপ্তের বিরুদ্ধে পৃথকভাবে অনিয়ম প্রমাণ করতে হবে। বিচারকের সিদ্ধান্তের ভিত্তি হতে হবে প্রমাণ, অনুমান নয়।”

এছাড়া ওবিসি শংসাপত্র মামলায় গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছিলেন বিচারপতি চক্রবর্তী। ২০১০ সালের পর থেকে দেওয়া সমস্ত ওবিসি শংসাপত্র বাতিলের নির্দেশ দেন তিনি। ওবিসি সার্টিফিকেট প্রদানের ক্ষেত্রে যে ব্যাপক কারচুপি করা হয়েছিল, তা তিনি রায়ের মধ্যে দিয়ে স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন।