WEATHER

Top News


আজ কাকদ্বীপ বিধানসভার কাকদ্বীপ বাস স্ট্যান্ড প্রাঙ্গণে ভারতীয় জনতা পার্টির যুব মোর্চার উদ্যোগে একটি বাজেট আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। 

সভায় কেন্দ্রীয় বাজেটের বিভিন্ন দিক, যুবসমাজের জন্য ঘোষিত বিভিন্ন প্রকল্প, কর্মসংস্থান, পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
সভায় বিজেপি যুব মোর্চার জেলা ও স্থানীয় নেতৃত্বসহ দলের কর্মী-সমর্থকেরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা কেন্দ্রীয় বাজেটের বিভিন্ন ইতিবাচক দিক তুলে ধরেন এবং সাধারণ মানুষের কাছে বাজেটের সুফল পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি উপস্থিত কর্মীদের আগামী দিনে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার বার্তাও দেওয়া হয়।

এই বাজেট আলোচনা সভাকে ঘিরে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।


কাকদ্বীপ থেকে সৌম্য সুন্দর দাস এর সাথে বাপ্পা রুহি দাস এর রিপোর্ট কাকদ্বীপ ডট কম।

পাথর প্রতিমা:দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমা ব্লকের দক্ষিণ রায়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতে কাটমানি ও দুর্নীতির অভিযোগকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা ছড়াল। আবাস যোজনা-সহ একাধিক সরকারি প্রকল্পে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ তুলে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখান।


অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে টাকা ফেরতের দাবি জানিয়ে দীর্ঘক্ষণ ধরে চলে বিক্ষোভ ও বচসা, যার জেরে পরিস্থিতি ক্রমশ অশান্ত হয়ে ওঠে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই আবাস যোজনা এবং অন্যান্য সরকারি সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নাম করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠছিল। অভিযোগ, প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে কাটমানি আদায় করা হয়েছে। বহু মানুষ টাকা দেওয়ার পরও সরকারি সুবিধা না পাওয়ায় তাঁদের মধ্যে ক্ষোভ জমতে থাকে। অবশেষে মঙ্গলবার সেই ক্ষোভ বিস্ফোরণের আকার নেয়।
গ্রামবাসীদের অভিযোগের তীর মূলত স্থানীয় তৃণমূল নেতা অনন্ত হালদারের দিকে। বিক্ষোভ চলাকালীন গ্রামবাসীদের একাংশ অনন্ত হালদারকে একটি দোকান থেকে ধরে বের করে আনেন। এরপর ক্ষোভে ফেটে পড়ে তাঁকে জুতোপেটা করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলে উপস্থিত বহু মানুষ এই ঘটনার সাক্ষী থাকলেও পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে কেউ প্রথমে হস্তক্ষেপ করার সাহস পাননি।
পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে যখন তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি সুশান্ত দাস ওরফে কিরণ, উপপ্রধান এবং পঞ্চায়েতের অন্যান্য সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন। অভিযোগ, তাঁদের ঘিরে ধরে বিক্ষুব্ধ জনতার একাংশ বচসায় জড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে সেই বচসা হাতাহাতিতে পরিণত হয়। বিক্ষোভকারীদের একাংশ তাঁদের উপর চড়াও হলে গণধোলাইয়ের ঘটনা ঘটে। এতে সুশান্ত দাস গুরুতরভাবে আহত হন বলে অভিযোগ।


ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় ঢোলাহাট থানার পুলিশ। উত্তেজিত জনতাকে নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়। শেষপর্যন্ত পুলিশ হস্তক্ষেপ করে অভিযুক্ত ও আক্রান্তদের উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যায়। পুলিশের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলেও এলাকায় এখনও থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর। বিরোধীদের অভিযোগ, সরকারি প্রকল্পে দুর্নীতি ও কাটমানির সংস্কৃতি গ্রামাঞ্চলে সাধারণ মানুষের ক্ষোভকে চরমে পৌঁছে দিয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। দলের একাংশের দাবি, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করা হয়েছে।
বর্তমানে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। নতুন করে অশান্তি এড়াতে প্রশাসন নজরদারি বাড়িয়েছে। কাটমানি অভিযোগ ঘিরে এই বিস্ফোরক পরিস্থিতি দক্ষিণ ২৪ পরগনার রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এখন দেখার, তদন্তে কী তথ্য সামনে আসে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রশাসন কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
,

সরকারি সূত্রে খবর, হরমুজ প্রণালীর পথ খুলে গেলেও, এখনও ১২টি ভারতীয় জাহাজ আটকে রয়েছে হরমুজ প্রণালীতে। এতদিন হরমুজের বাইরেই অপেক্ষা করতে হচ্ছিল জাহাজগুলিকে। দীর্ঘ জাহাজ-জটের সৃষ্টি হয়েছিল। তার ফলে ভারতে তেল ও জ্বালানি সরবরাহেও টান পড়েছিল।    

১০০ টাকার নীচে নেমে আসবে পেট্রোল-ডিজেলের দাম? শীঘ্রই সুখবর শোনাতে পারে কেন্দ্র
পেট্রোল-ডিজেলের দাম কমবে?


ইরান-আমেরিকার যুদ্ধের প্রভাব সইতে হয়েছে গোটা বিশ্বকে। হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ায়, বিশ্ব জুড়েই তেল সরবরাহ বিপর্যস্ত হয়েছিল। দাম বেড়েছিল পেট্রোল-ডিজেল (Petrol-Diesel Price Hike) থেকে শুরু করে এলপিজি-সিএনজির (LPG-CNG Price Hike)। এখন দুই দেশ শান্তি চুক্তিতে সম্মত হতেই ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে ক্রুড তেলের সরবরাহ। এবার কি পেট্রোল-ডিজেলের দাম কমাবে কেন্দ্রীয় সরকার?

জ্বালানি সরবরাহে জোর-
মধ্যপ্রাচ্য থেকে জ্বালানি সরবরাহ নিরবিচ্ছিন্ন রাখতে ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার উপর জোর দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi)। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেস্কিয়ানের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ ফোনে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। হরমুজ প্রণালীতে যাতে সম্পূর্ণ বাধাহীন ভাবে জাহাজ চলাচল করে, তার জন্য ইরানের প্রেসিডেন্টকে আবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী, এমনটাই জানা গিয়েছে।


অন্নপূর্ণা যোজনার ১২ পাতার ফর্ম যাঁরা পূরণ করেছেন, তাঁরা বড় সুযোগ পেতে চলেছেন, ঘোষণা শুভেন্দুর
'গান-টান গেয়ে লাভ নেই বন্ধুরা!' আচমকা পোস্ট সাহানা বাজপেয়ীর
সরকারি সূত্রে খবর, হরমুজ প্রণালীর পথ খুলে গেলেও, এখনও ১২টি ভারতীয় জাহাজ আটকে রয়েছে হরমুজ প্রণালীতে। এতদিন হরমুজের বাইরেই অপেক্ষা করতে হচ্ছিল জাহাজগুলিকে। দীর্ঘ জাহাজ-জটের সৃষ্টি হয়েছিল। তার ফলে ভারতে তেল ও জ্বালানি সরবরাহেও টান পড়েছিল।

বর্তমানে জ্বালানি সরবরাহে ইরানের উপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে আমেরিকা। আর এই মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সুযোগকেই কাজে লাগাতে চাইছে ভারত।

পেট্রোল-ডিজেলের দাম কমবে?
ইতিমধ্যেই বিশ্ববাজারে কমেছে তেলের দাম। সঙ্গতি রেখে আজই বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম কমেছে দেশে। কমেছে পাঁচ কেজি রান্নার গ্যাসের দামও। কমেছে বিমান জ্বালানির খরচও। সূত্রের খবর, জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক হবার পর দাম কমতে পারে পেট্রোল-ডিজেলেরও। বর্তমানে ১১৩ টাকা প্রতি লিটার পেট্রোলের, ডিজেলের দাম ৯৯ টাকা রয়েছে। এই দাম কতটা কমে, তাই-ই দেখার।

 শিয়ালদহ ডিভিশনের নর্থ লাইনের আগরপাড়া, টিটাগড়, জগদ্দল, বিরাটি, অশোকনগর রোড, মছলন্দপুরের রিজার্ভেশন টিকিট কাউন্টারের ঝাঁপ পড়েছে। শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার ঢাকুরিয়া, বজবজ শাখার নিউ আলিপুরের টিকিট কাউন্টারগুলোর ঝাঁপ পড়েছে। কাচের PRS কাউন্টার থেকে টিকিট কাটার অনুরোধ করেছে রেল। 

আজ থেকেই হয়ে গেল বন্ধ! এবার চরম ভোগান্তিতে আগরপাড়া, টিটাগচরড়া, জগদ্দল-সহ শিয়ালদহ ডিভিশনের ৮ স্টেশনের যাত্রীরা
আগরপাড়া স্টেশন


আজ থেকে বন্ধ হয়ে গেল শিয়ালদহ ডিভিশনের ৮ স্টেশনে বন্ধ হল রিজার্ভেশন কাউন্টার। শিয়ালদহ ডিভিশনের নর্থ লাইনের আগরপাড়া, টিটাগড়, জগদ্দল, বিরাটি, অশোকনগর রোড, মছলন্দপুরের রিজার্ভেশন টিকিট কাউন্টারের ঝাঁপ পড়েছে। শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার ঢাকুরিয়া, বজবজ শাখার নিউ আলিপুরের টিকিট কাউন্টারগুলোর ঝাঁপ পড়েছে। কাচের PRS কাউন্টার থেকে টিকিট কাটার অনুরোধ করেছে রেল।

মূলত অনলাইন টিকিটের রমরমা এবং কাউন্টারে টিকিট বিক্রির হার কমে যাওয়ার কারণেই রেল এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে। রেল সূত্রের খবর, এই স্টেশনগুলির কাউন্টারে প্রতিদিন গড়ে টিকিটের চাহিদা অনেকটাই কমে গিয়েছিল। খরচ কমাতে এবং কর্মীদের অন্য কাজে ব্যবহার করতে এই পদক্ষেপ। তবে কাউন্টার বন্ধ হলেও যাত্রীদের সম্পূর্ণ খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে না। রেলের তরফে জানানো হয়েছে, স্টেশনগুলির সাধারণ টিকিট কাউন্টার বা ‘কাচের কাউন্টার’ থেকেই এখন দূরপাল্লার ট্রেনের রিজার্ভেশন টিকিট কাটার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

আমরা ফ্রিতে বাসে যাতায়াত করতে চাই না', দিদিদের কথা শুনে শুভেন্দু বুঝিয়ে দিলেন এবার কারা সুবিধা পাবেন
'যার যত ভালো ক্লিভেজ, সুযোগ তত বেশি!' ইন্ডাস্ট্রির কোন দিক তুলে ধরলেন জিনত আমন?
রিজার্ভেশন কাউন্টার বন্ধ হওয়ায় এই স্টেশনের যাত্রীরা নিম্নলিখিত জায়গা থেকে টিকিট কাটতে পারবেন

অনলাইন বুকিং: রেলের ওয়েবসাইট বা অফিসিয়াল অ্যাপের মাধ্যমে ঘরে বসেই টিকিট কাটতে পারবেন।
মোবাইল অ্যাপ: ট্রেনের আসন ও টিকিটের তথ্যের জন্য RailOne App ব্যবহার করতে পারেন।

এই স্টেশনগুলোর কাউন্টার বন্ধ হলেও বড় জংশন বা পার্শ্ববর্তী অন্য স্টেশনের রিজার্ভেশন কাউন্টারে পরিষেবা চালু রয়েছে।

চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী থেকে শুরু করে তৃণমূলের অন্যান্য কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে জেলা শাসজের দফতর , ইংরেজবাজার থানা এমনকি খোদ মুখ্যমন্ত্রীর কাছেও অভিযোগ জানানো হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে জমি আত্মসাতের, অবৈধ নির্মাণের, তোলাবাজি ইত্যাদির। ক্ষোভও রয়েছে মানুষের মধ্যে। কিন্তু সেই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ নেই।

এতদিন চড়া দামে বিকিয়েছে, এখনও সাজানো পেটি পেটি ডিম, কিন্তু তার কী হবে? রাতারাতি এই ঘটনায় দুশ্চিন্তায় ব্যবসায়ীরা
ডিম ব্যবসায়ী

আশাহত ডিম ব্যবসায়ীরা। সামনে ভাল ডিমের সঙ্গে গাদা গাদা পচা ডিমও সাজিয়ে রাখা। এই আশায় যদি ডিম থেরাপির জন্যে বিক্রি হয়। চড়া দামে। কিন্তু সেগুড়ে বালি। ইংরেজবাজার পুরএলাকায় কোন তৃণমূল নেতাকে ডিম ছুঁড়ছে না কেউ। ধোয়া তুলশী পাতা কেউ নয়, কাছেপিঠে সকলের বিরুদ্ধেই দুর্নীতির বিস্তর অভিযোগ, তবুও ডিম ছুঁড়ছে না কেউ। আজব ছবি মালদহে। পুর এলাকায় বিক্রি নেই পচা ডিমের। অথচ অন্যত্র ভালো ডিমের থেকেও বেশি দামে পচা ডিম বিক্রি হয়েছে শুধুমাত্র দুর্গন্ধের কারণে। পেটি পেটি পচা ডিম বিক্রি হয়েছে বেশি দামে। রাজ্যের সর্বত্র চলেছে এমনকি মালদাতেও মানিকচক, চাঁচল, হবিবপুরে ডিম থেরাপি হয়েছে তৃণমূল নেতাদের লক্ষ্য করে।

ব্যতিক্রম শুধু মালদহ শহর, বিশেষ করে ইংরেজবাজার পুরএলাকায়। দোকানদাররা নিজেরাই পচা ডিম সাজিয়ে, দুর্গন্ধে জেরবার। তারমধ্যে বিক্রি নেই। অথচ, ইংরেজবাজার পুরসভা তৃণমূল পরিচালিত। রাজ্যে সরকার বদলে গেলেও চেয়ারম্যান, কাউন্সিলররা দিব্যি আছেন। পুরসভায় যাচ্ছেন আসছেন। কম বেশি প্রত্যেকের বিরুদ্ধেই রোজই প্রায় অভিযোগ জমা পড়ছে। বিভিন্ন দুর্নীতির। চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী থেকে শুরু করে তৃণমূলের অন্যান্য কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে জেলা শাসজের দফতর , ইংরেজবাজার থানা এমনকি খোদ মুখ্যমন্ত্রীর কাছেও অভিযোগ জানানো হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে জমি আত্মসাতের, অবৈধ নির্মাণের, তোলাবাজি ইত্যাদির। ক্ষোভও রয়েছে মানুষের মধ্যে। কিন্তু সেই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ নেই।



'যার যত ভালো ক্লিভেজ, সুযোগ তত বেশি!' ইন্ডাস্ট্রির কোন দিক তুলে ধরলেন জিনত আমন?
ক্লাস ফাইভের ইংরেজি বইয়ে সলমন-ঐশ্বর্যর ‘নিম্বুড়া নিম্বুড়া’!
ডিম থেরাপিও নেই। রাস্তায় বেরোলে বা অফিসে সেই সব কাউবসিলর বা চেয়ারম্যানের সঙ্গে লোকজন বা অনুগামীদের ভিড় হয়তো আর দেখা যাচ্ছে না, কিন্তু ডিমও ছুঁড়ছে না কেউ।

এই নিয়ে কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী বলেন, “আমরা ক্ষমতার অপব্যবহার করিনি। আমি বামফ্রন্টের সঙ্গেও সম্পর্কটা রাখতাম। সকলের সঙ্গে ভাল সম্পর্ক রাখতাম। আর আমি এটা মেনটেইন করি বলেই, এখানে চরম কিছু হচ্ছে না। ” উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই ডিম থেরাপি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে। ডিম ছোড়ায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, তা নিয়ে রাজ্যের কাছে হলফনামা তলব করেছে আদালত।

অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে মন্ত্রী মালতী রাভা রায় বলেন, "অন্নপূর্ণা যোজনা শুধু আর্থিক সাহায্য নয়, এটা নারীদের আত্মবিশ্বাস ও স্বাধীনতার দিকে বড় পদক্ষেপ। একজন মা ও বোনের হাতে টাকা থাকলে পরিবারের সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাঁর ভূমিকা থাকে। সমাজ শক্তিশালী হয়। সোনার বাংলা গড়ে তোলার মূল কারিগর মা ও বোনেরা। আমি অনুরোধ করব, যাঁরা যোগ্য তাঁরা যেন এই যোজনার সুবিধা নেন।"


আপনার সন্তান এইসব স্কুলে পড়লে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাবেন না
প্রতীকী ছবি


অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা কারা পাবেন না? প্রকল্পের শুরুতে এই নিয়ে রাজ্য সরকারের তরফে বার্তা দেওয়া হয়েছিল। এরপর ১২ পাতার ফর্ম পূরণ করতে হয়। পরিবারের সন্তান কোন স্কুলে পড়ে, তাও ফর্মে জানাতে হয়। সন্তান কোন স্কুল ও কোন ক্লাসে পড়ে, তা জানতে চাওয়া নিয়ে নানা মহলে প্রশ্ন উঠেছিল। অবশেষে অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্মে ওই পয়েন্ট রাখার কারণ স্পষ্ট করল রাজ্য সরকার। কোনও পরিবারের সন্তান কোন স্কুলে পড়লে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাওয়া যাবে না, এদিন জানিয়ে দিলেন নারী ও শিশু উন্নয়ন ও সমাজকল্যাণ দফতরের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী মালতী রাভা রায়।

কী বললেন মন্ত্রী মালতী রাভা রায়?


'প্রতীক লাগবে না, ছবিটাই এনাফ', মমতাপন্থী তৃণমূলের সভায় বলছেন অনুগত কর্মী
এদিন নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে রাজ্য সরকারের অন্নপূর্ণা যোজনার অনুষ্ঠান হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন ১ কোটি ৩০ লক্ষের বেশি মহিলার অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা ঢুকছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেই মন্ত্রী মালতী রাভা রায় জানান, অন্নপূর্ণা যোজনায় কারা টাকা পাবেন এবং কারা টাকা পাবেন না। তিনি জানিয়ে দেন, অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সী মহিলারা পাবেন। এই যোজনার প্রাপকদের পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা হতে হবে। আয়করদাতা হলে হবে না।

এরপরই এই যোজনার বাইরে কাদের রাখা হয়েছে, সেকথা জানান তিনি। সেখানেই জানান, কোন স্কুলে সন্তান পড়লে মহিলারা অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাবেন না। তিনি বলেন, “স্বচ্ছতা বজায় রাখতে গিয়ে কিছু শ্রেণিকে এই প্রকল্পের বাইরে রাখা হয়েছে। একাধিক বিবাহযুক্ত পরিবার। স্থায়ী সরকারি কর্মচারী। এবং যে পরিবারের সন্তানরা সরকার অনুমোদিত নয়, এমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করে, তাঁরা এই যোজনায় আসবেন না। পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা যে মহিলাদের নাম বাদ পড়েছে, সেই মহিলারা আপাতত এই যোজনার সুবিধা পাবেন না।”

অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে মন্ত্রী মালতী রাভা রায় বলেন, “অন্নপূর্ণা যোজনা শুধু আর্থিক সাহায্য নয়, এটা নারীদের আত্মবিশ্বাস ও স্বাধীনতার দিকে বড় পদক্ষেপ। একজন মা ও বোনের হাতে টাকা থাকলে পরিবারের সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাঁর ভূমিকা থাকে। সমাজ শক্তিশালী হয়। সোনার বাংলা গড়ে তোলার মূল কারিগর মা ও বোনেরা। আমি অনুরোধ করব, যাঁরা যোগ্য তাঁরা যেন এই যোজনার সুবিধা নেন।”

আগামী ২৫ জুলাই কলকাতা থেকে শুরু হবে উদ্বোধনী ম্যাচ। এরপর প্রায় এক মাস ধরে কলকাতা, রাঁচি, শিলং, গুয়াহাটি, ইম্ফলে হবে ডুরান্ড কাপ। ২৩ অগাস্ট কলকাতার যুবভারতী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল। এবারেও বেশ কিছু সেনার দল, নতুন ফুটবল ক্লাব ও বিদেশী ক্লাব নিয়ে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ডুরান্ড কাপ।


একই গ্ৰুপে মোহন-ইস্ট, ডুরান্ড কাপে জায়গাই হল না অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের দলের!
ইস্টবেঙ্গল এফসি


১৩৫তম ডুরান্ড কাপ শুরু হতে আর বেশি দেরি নেই। ইতিমধ্যেই ডুরান্ড কাপ (Durand Cup) আয়োজক কমিটি এবারের প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া মোট ২৪টি দলের নাম ও ৫টি আয়োজক শহরের নাম ঘোষণা করেছে। আবার একই গ্ৰুপে রয়েছে ইস্টবেঙ্গল (East Bengal FC) ও মোহনবাগান (Mohunbagan Supergiant)। মোট ছটি স্টেডিয়ামে হবে ডুরান্ডের ম্যাচ। কিন্তু এবার ডুরান্ডে সুযোগই পেল না ডায়মন্ড হারবার এফসি (Diamond Harbour FC)। গতবারের রানার্স ছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banderjee) দল ডায়মন্ড হারবার। এবার তারা অংশগ্রহণ করছে না ডুরান্ড কাপে।

আগামী ২৫ জুলাই কলকাতাতে শুরু হবে উদ্বোধনী ম্যাচ। এরপর প্রায় এক মাস ধরে কলকাতা, রাঁচি, শিলং, গুয়াহাটি, ইম্ফলে হবে ডুরান্ড কাপ। ২৩ অগাস্ট কলকাতার যুবভারতী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল। এবারেও বেশ কিছু সেনার দল, নতুন ফুটবল ক্লাব ও বিদেশী ক্লাব নিয়ে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ডুরান্ড কাপ। ২০১৯ সাল থেকেই কলকাতাকে ডুরান্ড কাপের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে দেখা হচ্ছে। এবারেও শহরে হবে দুটি গ্ৰুপের ম্যাচ। উদ্বোধনী ম্যাচ, দুটি কোয়ার্টার ফাইনাল, একটি সেমিফাইনাল ও ফাইনালও হবে কলকাতার যুবভারতী স্টেডিয়ামে। সব ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে কলকাতার দুটি মাঠে – যুবভারতী স্টেডিয়াম ও কিশোরভারতী স্টেডিয়াম। ২৫ জুলাই থেকে ২৩ অগাস্ট অবধি চলবে ডুরান্ড কাপ।


জুলাই মাসে মালামাল হয়ে যাবে এই রাশি! কাদের সাবধানে থাকতে হবে?
গ্রুপ এ-তে আছে মোহনবাগান সুপারজায়েন্ট, ইস্টবেঙ্গল এফসি, সাউথ ইউনাইটেড ও সিআইএসএফ ফুটবল টিম। মোহনবাগান ১৭ বার ডুরান্ড চ্যাম্পিয়ন ও ১৬ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ইস্টবেঙ্গল এফসি। কলকাতার গ্রুপ বি-তে আছে বাঘপত এফসি, ইন্ডিয়ান নেভি, মহামেডান স্পোর্টিং ও সমলেশ্বরী স্পোর্টিং। এই বছর প্রথমবার ডুরান্ড কাপে নামতে চলেছে আই লিগ ৩ চ্যাম্পিয়ন বাঘপত এফসি ও ওড়িশার সম্বলপুরের আই লিগ ৩ এর দল সমলেশ্বরী স্পোর্টিং। কিন্তু এবার বাদ দেওয়া হয়েছে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল ডায়মন্ড হারবার এফসিকে।

এই প্রথমবারের মত রাঁচিতে ডুরান্ড কাপ খেলা হবে। রাঁচির বিরসা মুন্ডা স্টেডিয়ামে লিগ পর্বের ম্যাচ হবে এখানে। এমনকি একটি কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচও পাচ্ছে রাঁচি। রাঁচিতে খেলবে জামশেদপুর এফসি, ইন্ডিয়ান এয়ার ফোর্স ফুটবল টিম, স্পোর্টিং দিল্লি ও শ্রীলঙ্কার সেনা দল ডিফেন্ডার্স এফসি। ডিফেন্ডার্স এই প্রথমবার ডুরান্ড কাপে অংশ নিচ্ছে।

ইম্ফলের খুমান লাম্পাক স্টেডিয়ামেও খেলা হবে। সেই গ্রুপে রয়েছে স্থানীয় দুই দল নেরোকা এফসি, ট্রাউ এফসি, ইন্ডিয়ান নেভি ফুটবল টিম। এর পাশাপাশই অংশ নেবে এফসি রেংদাই, যারা গত মরশুমে আই লিগ ৩-এ রানার্স হয়েছিল। সব মিলিয়ে, ডায়মন্ড হারবার বিতর্কের মাঝেই ডুরান্ডে ফিরতে চলেছে ভারতের ফুটবলের মরশুমের উত্তেজনা ।
  ডিম থেরাপি নিয়েই মহুয়া সরব হয়েছিলেন। বলেছিলেন, "বোরখা পরে ডিম ছোড়ো, তাহলে কেউ চিনতে পারবে না।" আর মহুয়ার এই মন্তব্য ঘিরে তুমুল দানা বাঁধে বিতর্ক। অভিযোগ ওঠে, মহুয়া বিশেষ এক সম্প্রদায়ের মএইহিলাদের অপমান করছেন। নদিয়ার হোগলাবেড়িয়া থানায় তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআরও দায়ের হয়।


একটার পর একটা ধেয়ে আসছে... বিধ্বস্ত হয়ে কোনও রকমে নিজেকে বাঁচাতে ফেসবুক লাইভে এলেন মহুয়া মৈত্র
মহুয়া মৈত্র, সাংসদ


এবার নিগৃহীত কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র। কালীগঞ্জে বৈঠকের মাঝেই আক্রান্ত হন মহুয়া। মহুয়াকে লক্ষ্য করে কাদা-গোবর ছোড়া হয়েছে বলে অভিযোগ। কালীগঞ্জের বিধায়ক আলিফা আহমেদের বাড়িতে বৈঠক চলছিল, কাদা-গোবর বাইরে থেকে ছোড়া হয়েছে। তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয় বলেও অভিযোগ। গোটা ঘটনা নিজের মোবাইলে দৃশ্যবন্দি করেছেন খোদ মহুয়াই। তাঁকে কালো পতাকাও দেখানো হয়। গোটা বিষয়টি নিজের ফেসবুক লাইভে এসে দেখান মহুয়া। ফেসবুকে মহুয়া বলতে থাকেন, “দেখুন কীভাবে জানালা দিয়ে ডিম ছুড়ছে। কীভাবে ঘরের মধ্যে এসে পড়ছে ডিম। পুলিশ জাস্ট দাঁড়িয়ে রয়েছে। পুলিশ কেবল দাঁড়িয়ে দেখছে।”


অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে ট্রেন্ডটা শুরু হয়েছিল। সোনারপুরে মৃত কর্মীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে নিগৃহীত হতে হয়েছিল তাঁকে। জনরোষ আছড়ে পড়েছিল তাঁর ওপর। প্রচুর ডিম ছোড়া হয়েছিল বিক্ষুব্ধ জনতার মাঝ থেকে। ভোট পরবর্তী নতুন বাংলায় এটাই ‘ডিম থেরাপি’র প্রথম এপিসোড। পরবর্তীতে তা সংক্রমণের চেহারা নেয়। তৃণমূলের একেবারে ছোট, মেজো-বড় মাপের নেতাদের লক্ষ্য করে ডিম ছুড়তে দেখা গিয়েছে জনতাকে। এর আগে ডিম থেরাপির শিকার হন বর্ষীয়ান সাংসদ সৌগত রায়ও।


'গান-টান গেয়ে লাভ নেই বন্ধুরা!' আচমকা পোস্ট সাহানা বাজপেয়ীর
এই ডিম থেরাপি নিয়েই মহুয়া সরব হয়েছিলেন। বলেছিলেন, “বোরখা পরে ডিম ছোড়ো, তাহলে কেউ চিনতে পারবে না।” তাঁদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হবে ৷ থানা অভিযোগ না আদালত এমনকী সুপ্রিম কোর্টেও যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ৷ আর মহুয়ার এই মন্তব্য ঘিরে তুমুল দানা বাঁধে বিতর্ক। অভিযোগ ওঠে, মহুয়া বিশেষ এক সম্প্রদায়ের মহিলাদের অপমান করছেন। নদিয়ার হোগলাবেড়িয়া থানায় তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআরও দায়ের হয়। কিন্তু এদিন কালীগঞ্জে যে দৃশ্য দেখা গেল, তিনি ঘরের মধ্যে বৈঠক করছেন, জানতে পেরেই বাইরে জড়ো হয় জনতা। একেবারে রাস্তা থেকে ওই ঘরের জানালা টিপ্ করে ডিম ছুড়তে থাকেন বিক্ষোভকারীরা। আর সে মুহূর্তে জানালার আড়ালে থেকে সেটি মোবাইলবন্দি করতে দেখা যায় মহুয়াকেও।

বর্তমানে শিয়ালদহ ভায়া বনগাঁ থেকে রানাঘাট, শিয়ালদহ থেকে রানাঘাট, শিয়ালদহ থেকে কৃষ্ণনগর, শিয়ালদহ থেকে কল্যাণী, শিয়ালদহ থেকে কৃষ্ণনগর এসি পরিষেবা রয়েছে। উন্নত যাত্রী পরিষেবা এবং আধুনিক মানের রেক হওয়ায় যাত্রীদের সংখ্যাও অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে।

বনগাঁ-রানাঘাট-কৃষ্ণনগর তো ছিলই, এবার শিয়ালদহের এই শাখাতেও চলবে AC লোকাল, বড় ঘোষণা রেলের
প্রতীকী ছবি
আগে একাধিক লাইনে চালু হয়েছে। এবার শিয়ালদহ থেকে বারাসাত পর্যন্ত এসি লোকাল চালু হতে চলেছে। সাংবাদিক বৈঠকে ঘোষণা করলেন শিয়ালদহ ডিআরএম রাজীব সাক্সেনা। বর্তমানে ১০টি সার্ভিস চলছে একাধিক শাখায়। আগামী সোমবার অর্থাৎ ৬ জুলাই থেকে এই নতুন পরিষেবা শুরু করছে পূর্ব রেল। তাতেই খুশির হাওয়া এই লাইনের যাত্রীদের। 

শিয়ালদহ স্টেশন থেকে ছাড়বে সকাল ১০:৩৩ মিনিটে। বারাসত পৌঁছাবে ১১:১৮ টা নাগাদ। বারাসাত থেকে ছাড়বে ১১:২৯ মিনিট নাগাদ। শিয়ালদহ পৌঁছাবে ১২:১৩ মিনিট নাগাদ। শিয়ালদহ থেকে ছেড়ে মোট পাঁচটি স্টেশন দাঁড়াবে এই এসি লোকাল। বিধাননগর রোড, দমদম জংশন, দমদম ক্যান্টনমেন্ট, বিরাটি, মধ্যমগ্রাম। বাকি কোনও স্টেশনে দাঁড়াবে না। 


বাংলায় Swiggy-Zomato কর্মীদের নিয়ে সংস্থাগুলিকে বড় নির্দেশ মন্ত্রীর
বর্তমানে শিয়ালদহ ভায়া বনগাঁ থেকে রানাঘাট, শিয়ালদহ থেকে রানাঘাট, শিয়ালদহ থেকে কৃষ্ণনগর, শিয়ালদহ থেকে কল্যাণী, এসি পরিষেবা রয়েছে। উন্নত যাত্রী পরিষেবা এবং আধুনিক মানের রেক হওয়ায় যাত্রীদের সংখ্যাও অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। ফলের একের পর এক জায়গা থেকে চাহিদা আসছে। বিভিন্ন শাখার যাত্রীরাই চাইছেন তাঁদের লাইনেও এসি লোকাল চালু হোক। বারাসত-সহ আশপাশের শহরতলি থেকে প্রত্যেকদিনই বড় সংখ্যায় মানুষ কলকাতা ও আশপাশের এলাকায় কাজে আসেন। সঙ্গে প্রতি বছর কালীপুুজোর সময়েও বারাসত লাইনে ট্রেনে চাহিদা থাকে তুঙ্গে। ফলে এসি লোকালের দাবিটা এই লাইনের যাত্রীরা তুলছিলেন অনেকদিন থেকেই। অবশেষে হতে চলেছে চাহিদা পূরণ। যাত্রীদের চাহিদার বিষয়টিকে মাথায় রেখেই শিয়ালদহ থেকে বারাসাত এসি লোকাল চালু করা হচ্ছে বলে জানাচ্ছে রেল। 


চাপ বাড়ছে অনুব্রত মণ্ডলের। জোর ধাক্কা আদালতে। ভোট-পরবর্তী হিংসা মামলায় অনুব্রতর আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করল সিউড়ির জেলা আদালত। মঙ্গলবার মামলার শুনানি চলে। সওয়াল জবাবের পর শেষ পর্যন্ত বিচারক অনুব্রতর আবেদন নাকচ করে দেন। আইনজীবীদের বড় অংশের মত, আবেদন খারিজ হয়ে যাওয়ায় এই মামলায় অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেফতার করতে পুলিশের সামনে আপাতত আর কোনও আইনি বাধা রইল না। 

তবে এই পরিস্থিতিতে অনুব্রতর আইনজীবীরা উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হন কি না সেদিকেও অবশ্যই নজর থাকছে। যদিও তার আগেই অনুব্রতর বিরুদ্ধে পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নেয় কিনা সেদিকেও নজর রাজনৈতিক মহলের। চাপানউতোর চলছে পুরোদমে।



'যার যত ভালো ক্লিভেজ, সুযোগ তত বেশি!' ইন্ডাস্ট্রির কোন দিক তুলে ধরলেন জিনত আমন?
ঘটনার সূত্রপাত ২০২১ সালে বিধানসভা ভোটের ফলপ্রকাশের পর থেকে। অভিযোগ, সেই সময় বোলপুরের কঙ্কালীতলা পঞ্চায়েতের পাথরঘাটা গ্রামের একটি ইটভাটা থেকে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা মূল্যের ইট লুঠ হয়ে যায়। ১০০ ট্রাক্টর গিয়ে সেই ইট লুঠ করে নিয়ে আসে। সুর চড়ান ইটভাটার মালিক শুভেন্দু বিকাশ মণ্ডল। তাঁর অভিযোগ, কঙ্কালীতলা পঞ্চায়েতের তৎকালীন উপপ্রধান মামন শেখ ও তাঁর অনুগামীরাই এই কাণ্ড করেছেন। তখনই জড়িয়ে গিয়েছিল অনুব্রত মণ্ডলের নাম। মূল চক্রান্তকারী হিসাবে সামনে আসে অনুব্রত মণ্ডলের নাম। যদিও সেই সময় কড়া কোনও পদক্ষেপ করেনি পুলিশ। কিন্তু রাজ্যে পালাবদলের পরেই রাজনৈতিক আঙিনাতেও হাওয়া বদল। এখন দেখার জল কোনদিকে গড়ায়। চর্চা চলছে জেলার রাজনৈতিক আঙিনায়। 



কলকাতার ১৫০ বছরের পুরোনো নস্ট্যালজিয়া এবং ঐতিহ্যবাহী ট্রাম এবার সম্পূর্ণ নতুন রূপে ফিরতে চলেছে শহরের রাজপথে। ট্রামকে কেন্দ্র করে নতুন এক ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। কলকাতার দুই অন্যতম প্রধান পুণ্যভূমি কালীঘাট এবং দক্ষিণেশ্বর মন্দিরকে এবার যুক্ত করতে চলেছে ট্রাম পরিষেবা।


বুধবার পার্ক স্ট্রিটের একটি বিলাসবহুল হোটেলে আয়োজিত বণিকসভার অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে এই যুগান্তকারী পরিকল্পনার কথা জানালেন রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিং।

বহুদিন ধরেই মহানগরের ট্রাম পরিষেবার পুনরুজ্জীবন নিয়ে নানা জল্পনা চলছিল। তবে বর্তমান সরকারের এই নতুন উদ্যোগ শহরের ট্রামপ্রেমীদের মুখে চওড়া হাসি ফুটিয়েছে। পরিবহণমন্ত্রী জানান, এই রুটে সাধারণ ট্রাম নয়, বরং সম্পূর্ণ আধুনিক এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (AC) ট্রাম চালানো হবে। শুধু তাই নয়, কলকাতার পাশাপাশি সল্টলেক, নিউটাউন এবং রাজারহাটের বুকেও ট্রাম ছোটানোর বড়সড় পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে রাজ্য।


বাংলায় Swiggy-Zomato কর্মীদের নিয়ে সংস্থাগুলিকে বড় নির্দেশ মন্ত্রীর
শহরের রাস্তায় ট্রামের কারণে যানজট তৈরি হয়— দীর্ঘদিন ধরে ওঠা এই অভিযোগ মেটাতে এবার এক অভিনব কৌশল নেওয়া হচ্ছে। অর্জুন সিং স্পষ্ট করেছেন, নতুন এই ট্রামগুলি রাস্তার মাঝখান দিয়ে নয়, বরং রাস্তার একেবারে বাঁদিক ঘেঁষে চলাচল করবে। এর জন্য নতুন করে ট্রামলাইন পাতার কাজও খুব শীঘ্রই শুরু হতে চলেছে। বিদেশের ধাঁচে তৈরি এই ট্রামগুলি চলবে সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব ব্যাটারি প্রযুক্তির সাহায্যে, যার ফলে একদিকে যেমন দূষণ কমবে, অন্যদিকে বাঁচবে জ্বালানিও।

কলকাতার এই প্রাচীন ঐতিহ্যকে বৈজ্ঞানিক ও আধুনিক উপায়ে ফিরিয়ে আনতে ইতিমধ্যেই কোমর বেঁধে নেমেছে প্রশাসন। শহরের কোন কোন রুটে কীভাবে ট্রাম চালানো সম্ভব, তা খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় সংস্থা ‘রাইটস’ (RITES)-কে সমীক্ষার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে সেই সার্ভের কাজ।

পরিবহণ দপ্তরের আশা, দক্ষিণেশ্বর এবং কালীঘাটের মতো দুটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থান ট্রামলাইনের মাধ্যমে জুড়ে গেলে লক্ষ লক্ষ দর্শনার্থী ও পুণ্যার্থীদের যাতায়াত যেমন অনেক সহজ হবে, তেমনই কলকাতার বুকেও তৈরি হবে এক নতুন আকর্ষণ।

তদন্তকারী অফিসার জানান, রাস্তা ও কিছু বাড়ির সিসিটিভি খতিয়ে দেখা হয়েছে। দেখা গিয়েছে শাকির আলি যে গাড়ি ব্যবহার করতেন, সেই গাড়ি বাদ দিয়ে অন্যান্য গাড়ি ভাঙচুর হয়েছে। ঘটনার পর ওই গাড়িতেই শাকির আলি বেরিয়ে যান।


'মাথায় অক্সিজেন যায় না', জামিন চেয়ে অপরূপার স্বামীর দাবি, সেদিন শান্তিরক্ষা করতে গিয়েছিলেন
শাকির আলি


তিন বছর আগের মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে শাকির আলিকে (Shakir Ali)। প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ অপরূপা পোদ্দারের (Aparupa Poddar) স্বামীকে রামনবমী সংক্রান্ত মামলার মূলচক্রী হিসেবে গ্রেফতার করেছে এনআইএ (NIA)। তাঁর বাড়ি থেকে একগুচ্ছ গুলিও উদ্ধার হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, স্ত্রী এমপি থাকায় প্রভাব খাটিয়েছিলেন কাউন্সিলর শাকির, হামলার পরিকল্পনাও করেন তিনি। আজ, বুধবার আদালতে তোলা হলে, সব অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি। যে কোনও শর্তে জামিনের আবেদন করেছেন তিনি।

‘কেন হেফাজতে নেওয়া দরকার?’, জানতে চাইলেন বিচারক
আদালতে এনআইএ উল্লেখ করে, রামনবমীতে অশান্তির ঘটনায় ৬টা এফআইআর হয়েছিল। দুই কমিউনিটির মধ্যে অশান্তি হয়। রামনবমীর মিছিলে যাঁরা ছিলেন, তাঁদের উপর হামলা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এনআইএ-র দাবি, তদন্তে উঠে এসেছে যে শাকির আলি মূলচক্রী যিনি, উস্কানি দিয়েছিলেন। এছাড়া তাঁর বাড়ি থেকে ৩৬ রাউন্ড গুলি উদ্ধার হয়েছে বলেও জানায় এনআইএ। এনআইএ হেফাজতের আবেদন জানানো হয়েছে।



'ঋতুপর্ণ মিথ্যে বলেছিল,অনুপম খের টাকা দিয়ে আমার মুখ বন্ধ করতে চেয়েছিলেন!', কী ঘটেছিল রীতা কয়রালের সঙ্গে?
তবে বিচারক জানতে চেয়েছেন, ২০২৩-এর মে মাসে যে মামলা শুরু হয়েছে, তাতে এতদিন পর গ্রেফতার করা হল কেন? কেন হেফাজতে নেওয়া দরকার?

এনআইএ উত্তরে জানায়, আগে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি, কারণ সরকারের তরফে কোনও সহযোগিতা পাওয়া যায়নি। এখন সবদিক থেকে সমর্থন পাওয়া যাচ্ছে বলে দাবি করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। তদন্তকারীদের বক্তব্য, “আগে এরকম কাউকে গ্রেফতার করা স্বপ্নের মতো ছিল।”

‘সাদা গাড়িটা ওঁর ছিল’
তদন্তকারী অফিসার আরও জানান, রাস্তা ও কিছু বাড়ির সিসিটিভি খতিয়ে দেখা হয়েছে। দেখা গিয়েছে শাকির আলি যে গাড়ি ব্যবহার করতেন, সেই গাড়ি বাদ দিয়ে অন্যান্য গাড়ি ভাঙচুর হয়েছে। ঘটনার পর ওই গাড়িতেই শাকির আলি বেরিয়ে যান। হাইকোর্টে মামলা চলাকালীন সাদা গাড়িটি বিক্রি করা হয় বলেও দাবি এনআইএ-র।

‘মাথায় অক্সিজেন যায় না’, জামিন চান শাকির আলি
আদালতে শাকির আলির আইনজীবী জানান, শাকির এই মামলায় দু’বার হাজিরা দিয়েছিলেন। একজন কাউন্সিলর হিসেবে শান্তিরক্ষা করতে গিয়েছিলেন বলে দাবি করা হয়। শাকিরের বক্তব্য, “যাঁরা মিছিল করে এল, তাঁদের ষড়যন্ত্র খুঁজে পেলেন না, যারা রক্ষা করতে গিয়েছে তাদের অ্যারেস্ট করছেন? বাকি অভিযুক্তরা সবাই জামিনে আছে।”

শাকির আরও জানান যে তাঁর কাছে লাইসেন্সড বন্দুক ছিল, সেটা তিনি বিক্রি করে দিয়েছিলেন। কিন্তু গুলি বিক্রি করা যায় না। শাকির আরও বলেন, “মাথায় অক্সিজেন যায় না, সাসপেক্টেড ক্যান্সার পেশেন্ট, যে কোনও শর্তে জামিনের আবেদন করছি।”

শাকির আলিকে দু’দিনের এনআইএ হেফাজতের আবেদন করা হয়েছে। বিচারবিভাগীয় হেফাজত হলেও জেলে গিয়ে জেরায় আপত্তি নেই এনআইএ-র।

বুধবার দক্ষিণ কলকাতার তৃণমূলের কর্মিসভার আয়োজন করা হয়েছে। নেতৃত্বে রয়েছেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ও বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উপস্থিত না থাকলেও তৃণমূলের কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ কিছু কম ছিল না।


'প্রতীক লাগবে না, ছবিটাই এনাফ', মমতাপন্থী তৃণমূলের সভায় বলছেন অনুগত কর্মী
তৃণমূলের কর্মিসভা

 ভাঙন ধরা তৃণমূল (TMC) আর কোনওদিন মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবে কি না, তা নিয়ে চর্চা চলছে বিভিন্ন মহলে। ২ মাস আগেও যে দল শাসন ক্ষমতায় ছিল, পাড়ায় পাড়ায় যাদের দাপট চলত, তারা আজ কেউ জেলে, কেউ অন্য শিবিরে আশ্রয় নিচ্ছেন। বুধবার বিকেলে নজর কাড়ল সেই তৃণমূলের কর্মিসভা। ঋতব্রত-শিবির নয়, মমতাপন্থী তৃণমূলের কর্মিসভায় উপচে পড়া ভিড়।

বুধবার দক্ষিণ কলকাতার তৃণমূলের কর্মিসভার আয়োজন করা হয়েছে। নেতৃত্বে রয়েছেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ও বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উপস্থিত না থাকলেও তৃণমূলের কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ কিছু কম ছিল না। ‘আসল তৃণমূল’ নিয়ে যখন টানাপোড়েন তুঙ্গে, তখন এই ছবি যে কালীঘাট-শিবিরে বাড়তি অক্সিজেন জোগাবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

বিচারপতিও সরে দাঁড়ালেন! ৮ জুলাই, এবার নতিস্বীকার করতেই হচ্ছে অভিষেককে
Large Image Tmc Meeting 2

মহারাষ্ট্র নিবাস হলে কর্মিসভার আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানেই দক্ষিণ কলকাতার প্রচুর কর্মীর উপস্থিতি দেখা যায়। কর্মীরা এদিন ঋতব্রত শিবিরের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিন।

এক কর্মী এই ভিড় সম্পর্কে বলেন, “এটা হিমশৈলের চূড়ামাত্র। ভিড় দেখবেন আগামিদিনে। যারা ডিম ছুড়ছে, তাদের কী অবস্থা হবে বুঝতে পারবেন। ওই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে সিপিএম থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে, তৃণমূল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এবার মানুষ বহিষ্কার করে বঙ্গোপসাগরের জলে ফেলবে।”

আর এক কর্মী বলেন, “দেখা যাক কে হয় আসল তৃণমূল। মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় মাটির নেত্রী। তাঁর জন্য কোনও ঋতব্রতর সার্টিফিকেটের দরকার নেই। শুধু মমতার বন্দ্যোপাধ্যায় নামটা লাগবে আর ছবিটা লাগবে, কোনও প্রতীক লাগবে না। ছবিটাই এনাফ… এনাফ…এনাফ।”

অন্যদিকে, আসল তৃণমূল হিসেবে স্বীকৃতি পেতে ইতিমধ্যেই দিল্লি গিয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। ৯ বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে বৃহস্পতিবার জাতীয় নির্বাচন কমিশনে দেখা করার কথা তাঁর।