covid 19 Update

Top News



 মোকাবিলায় প্রায় ১০০টি প্রতিষেধকের ওপর পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজ চলছে। এর মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের তৈরি প্রতিষেধক ChAdOx1 nCoV-19। এ বার এই প্রতিষেধকের উৎপাদনের কাজ শুরু হয়ে গেল।
ব্রিটিশ ফার্মাসিউটিক্যাল জায়ান্ট ‘অ্যাস্ট্রা জেনিকা’ (AstraZeneca) অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের তৈরি প্রতিষেধকটির উৎপাদনের কাজ শুরু করেছে বলে জানিয়েছে। শুক্রবার বিবিসি রেডিও-কে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে সংস্থার কার্যনির্বাহী প্রধান পাস্কাল সরিওট এ কথা জানান।
ইতিমধ্যেই চূড়ান্ত সাফল্যের প্রায় দোড়গোড়ায় দাঁড়িয়ে অক্সফোর্ডের এই ChAdOx1 nCoV-19 প্রতিষেধকটি। গত ২৩ এপ্রিল মানুষের উপর তাঁদের তৈরি করোনা প্রতিষেধকের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করেছেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা। ৫১০ জন স্বেচ্ছাসেবকের উপর পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে ChAdOx1 nCoV-19-এর কার্যকারিতা। ব্রাজিলে চূড়ান্ত পর্বের হিউম্যান ট্রায়ালে এ বার করোনা হয়নি, এমন ১,০০০ জন স্বেচ্ছাসেবক বেছে নিয়ে তাঁদের উপর অক্সফোর্ডের এই ChAdOx1 nCoV-19 প্রতিষেধকটির ‘হিউম্যান ট্রায়াল’ হবে। এমনটাই জানিয়েছে ফেডারেল ইউনিভার্সিটি অব সাও পাওলো।
জুলাই মাসের মধ্যেই মিলবে অক্সফোর্ডের করোনার টিকার চূড়ান্ত পর্বের ফলাফল! তার পরেই উৎপাদনের গতি আরও বাড়িয়ে দেওয়া হবে। তার জন্য কোয়ালিশন ফর এপিডেমিক প্রিপেয়ার্ডনেস ইনোভেশন (Coalition for Epidemic Preparedness Innovations বা CEPI), গাভি দ্য ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্স (Gavi the Vaccine Alliance) আর ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট-এর (Serum Institute of India) সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে অ্যাস্ট্রা জেনিকা।
প্রথম দু’টি ‘হিউম্যান ট্রায়াল’-এ অভূতপূর্ব সাফল্যের পর অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের তৈরি প্রতিষেধক ChAdOx1 nCoV-19-এর চূড়ান্ত পর্বের সাফল্যের বিষয়ে যথেষ্ট আশাবাদী ব্রিটিশ ফার্মাসিউটিক্যাল জায়ান্ট ‘অ্যাস্ট্রা জেনিকা’। ক্রমশ ভয়াবহ হতে থাকা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে তাই এখন থেকেই টিকা উৎপাদনের কাজ প্রাথমমিক ভাবে শুরু করে দিচ্ছে সংস্থা। পরে জুলাই মাসে চূড়ান্ত পর্বের ফলফল জানার পর টিকার উৎপাদন বাড়ানো হবে। সংস্থা জানিয়েছে, সব ঠিকঠাক চললে আগামী সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যেই এই প্রতিষেধকের অন্তত ২০০ কোটি ডোজ বিশ্ব বাজারে আনার লক্ষমাত্রা সামনে রেখে প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে।


প্রতিষেধকের অভাবে দরিদ্র দেশের মানুষদের করোনায় আক্রান্ত হয়ে মরতে দিতে চান না মাইক্রোসফট কর্তা (Microsoft) বিল গেটস (Bill Gates)। করোনার ভ্যাকসিন প্রস্তুতির পর তা বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলির কাছে পৌঁছে দিতে চান তিনি। এই মর্মে বিশ্বের সবকটি দেশের গবেষণা সংস্থাগুলিকে কোটি কোটি প্রতিষেধকের ডোজ তৈরি করার জন্যও খরচ দিতে চায় তাঁর ফাউন্ডেশন।
সর্বদাই অসহায়ের সহায় হয়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন মাইক্রোসফট কর্তা। তাই করোনা আবহেও তার অন্যথা হল না। ইতিমধ্যেই করোনার প্রতিষেধক নির্মাণে গবেষণায় বিপুল পরিমাণে অর্থ দিয়ে সাহায্য করছেন তিনি। তবে এখানেই নিজেকে সীমাবদ্ধ করে রাখতে চান না। প্রতিষেধক নির্মিত হলে তা ছড়িয়ে দিতে চান বিশ্বের দরিদ্র দেশবাসীর মধ্যে। সেক্ষেত্রে প্রয়োজনে অর্থ বিনিয়োগ করতেও পিছপা হবে না তাঁর সংস্থা মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন (Melinda Gates Foundation)। কোভিড ভ্যাকসিন তৈরি করতে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন সংস্থাকে আর্থিক সাহায্য করছে বিল ও তাঁর সংস্থা। পেনসালিভানিয়ার বায়োটেক ফার্ম ইনোভিও ফার্মাসিউটিক্যালসের ভ্যাকসিন গবেষণাতেও সামিল তিনি।


জানা গিয়েছে, এই ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানির করোনা ভ্যাকসিন গবেষণার কাছে যাবতীয় আর্থিক অনুদান দিয়েছেন বিল গেটস ও তার সংস্থা মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন। এই কর্মযজ্ঞে সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছে কোয়ালিশন ফর এপিডেমিক প্রিপেয়ার্ডনেস ইনোভেশনসও। গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন অ্যান্ড ইমিউনাইজেশন (Gavi)-র সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে বিশ্বের নানা দেশে ভ্যাকসিনের ডোজ পৌঁছে দেওয়ার জন্য আগাম পরিকল্পনাও করে রেখেছেন বিল গেটস। কোন দেশ ভ্যাকসিনের গবেষণায় কতদূর এগোল তা জানতে প্রতিনিয়ত রাষ্ট্রপ্রধান বা সেই সব দেশের চিফ মেডিক্যাল অফিসারদের সঙ্গে আলোচনা করছেন মাইক্রোসফট কর্তা। সম্প্রতি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ও জার্মান চান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেলের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে কোভিড ভ্যাকসিনের গবেষণা নিয়ে আলোচনা করেন তিনি।
বিল গেটস জানান, “এশিয়া, ইউরোপ, আমেরিকার বিভিন্ন কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করবে আমাদের ফাউন্ডেশন। বছরে ১০০ কোটি বা ২০০ কোটি ভ্যাকসিনের ডোজ যদি তৈরি করা যায়, তাহলে কোভিড আক্রান্ত দেশগুলিতে দ্রুত সেই ডোজ পৌঁছে দেওয়া হবে। আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া দেশগুলির জন্য ভ্যাকসিন কিনবে মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন। Gavi-র ইমিউনাইজেশন প্রোগ্রামের মাধ্যমে ভ্যাকসিনের ডোজ পৌঁছে বিশ্বের দেশে অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল দেশগুলিতে।” বিশ্বের এই ধনী ব্যক্তির কথায়, শুধুমাত্র একটি দেশকে রোগমুক্ত করে নয়, সবকটি দেশকেই এই মহামারীর বিরুদ্ধে একত্রে লড়াই করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।


বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নোভেল করোনা ( Corona) ভাইরাসের সংক্রমণের ফলে আরও ৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে করোনা আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন দু হাজার ৪২৩ জন। এর ফলে বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত  বাংলাদেশে করোনায় মৃত্যু হল ৭৮১ জনের। আর সব মিলিয়ে মোট শনাক্ত হয়েছেন ৫৭ হাজার ৫৬৩ জন।
বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা জানান, গত একদিনে মৃত ৩৫ জনের মধ্যে ২৯ জন পুরুষ এবং ছজন নারী। এর মধ্যে ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে তিনজন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে একজন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে তিনজন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ১৪ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ১১ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে দুজন এবং ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে একজন। মৃতদের মধ্যে ঢাকা বিভাগের রয়েছেন ২১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ৯ জন, সিলেট বিভাগের দুজন, রাজশাহী বিভাগের একজন, বরিশাল বিভাগের একজন এবং খুলনা বিভাগের একজন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গিয়েছেন ২২ জন, বাড়িতে থাকাকালীন ১২ জন এবং মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয় একজনকে।
তিনি আরও জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৫৭১ জন। এর ফলে এখনও পর্যন্ত গোটা দেশে মোট সুস্থ হয়েছেন ১২ হাজার ১৬১ জন। ঢাকা-সহ সারা দেশে মোট আইসোলেশনের সংখ্যা ১৩ হাজার ২৮৪টি। বর্তমানে ঢাকা মহানগরে সাত হাজার ২৫০টি এবং শহরের বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে আইসোলেশন বেডের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৩৪টি। এছাড়া ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ৫০০টি ও ময়মনসিংহ নার্সিং ডরমিটরিতে আরও ২০০টি আইসোলেশন বেড বসানোর প্রস্তুতি চলছে।


"প্রাক্তনী" ।। হাওড়ার একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন প্রাক্তনী। হাওড়ার রঘুনাথপুর নফর একাডেমীর প্রধান শিক্ষক ডক্টর চন্দন মিশ্র এর অনুপ্রেরণায় 2018 সালে এই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন টি গঠিত হয়। আজ 5 ই জুন 2020 শুক্রবার, বিশ্ব পরিবেশ দিবস তাই আজ তারা উপস্থিত হয়েছেন গত কয়েকদিন আগে ঘটে যাওয়া বিধ্বস্ত ঘূর্ণিঝড় আমফান এর তাণ্ডবে সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত প্রবণ এলাকা দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার কাকদ্বীপের ভুবননগর এলাকায়। ঘূর্ণিঝড় আমফান এবং লকডাউন এর জন্য বাড়িতে আটকে পড়া সেই সব খেটে খাওয়া অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়াতে তাদের আজকের এই পরিকল্পনা। অসহায় দুর্গতদের মুখে হাসি ফোটাতে পেরে, তাদের পাশে দাঁড়াতে পেরে প্রাক্তনী আজ নিজেকে ধন্য মনে করে।



আজ 5 ই জুন শুক্রবার, দক্ষিণ 24 পরগনা জেলার কাকদ্বীপের ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র গ্রাম পঞ্চায়েতে CHANGE INITIATIVE উদ্যোগে ও কাকদ্বীপ প্রশাসনের সহযোগিতায়, ওই এলাকার যে সমস্ত পরিবার গুলি গত কয়েকদিন আগে ঘটে যাওয়া বিধ্বস্ত ঘূর্ণিঝড় আমফানের তাণ্ডবে এবং মারণ ভাইরাস করোনায় প্রচন্ড ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেই সমস্ত পরিবার গুলির জন্য একটি ত্রাণ শিবিরের ব্যবস্থা করা হয়। এই ত্রাণ শিবিরে উপস্থিত ছিলেন CHANGE INITIATIVE এন.জি.ও এর কর্মকর্তারা এবং কাকদ্বীপ থানার আইসি মাননীয় সুদ্বীপ সিংহ মহাশয়। এই ত্রাণ শিবিরে দুর্গতদের উন্নত মানের  খাদ্য ও গৃহ সামগ্রী দেওয়া হয়।
আজ যেহেতু 5 ই জুন অর্থাৎ বিশ্ব পরিবেশ দিবস সেই উপলক্ষে সমস্ত দুর্গতদের হাতে একটি করে চারা গাছ তুলে দেওয়া হয় এবং তাদের গাছটির পরিচর্চার নানা বিধিনিষেধ বলে দেওয়া হয়।তাছাড়াও ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ের প্রাঙ্গণে এন.জি.ও এর কর্মকর্তা এবং কাকদ্বীপ পুলিশ প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে একটি চারা গাছ রোপণ করা হয়।



০৩/০৬/২০ তারিখ হিন্দুস্তান পার্ক, কলকাতা ২৯ এর পুকার স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা সুন্দরবন পুলিশ জেলার সহযোগিতায় গোবর্ধনপুর কোস্টাল থানার অধীনে এল প্লট দ্বীপে (শ্রীধরনগর গ্রাম পঞ্চায়েত) একটি ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করে এবং ৬০০ দরিদ্র আম্ফান ক্ষতিগ্রস্থ লোকদের মধ্যে চাল, আলু, লবণ, সাবান এবং বিস্কুট বিতরণ করেন। সুন্দরবন পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার শ্রী বৈভব তিওয়ারি, আইপিএস, এসডিপিও, কাকদ্বীপ শ্রী অনিল কুমার রায়, সিআই, কাকদ্বীপ শ্রী শুভব্রত ঘোষ, শ্রীধরনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শ্রী প্রদ্যুত বর্মণ, প্রতিষ্ঠানের উভয় ট্রাস্টি স্বাতী গৌতম এবং শ্রীমতি মঞ্জুলা সিং, গোবর্ধনপুর কোস্টাল থানার ভারপ্রাপ্ত আধীকারিক শ্রী বরুন শেঠ, অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। সুন্দরবন পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার আমাদের সরকারের অবিচ্ছিন্ন সহায়তার পাশাপাশি সুন্দরবন পুলিশ জেলার অসহায় মানুষকে সহায়তা করতে পুলিশকে জড়িত করার জন্য আয়োজকদের কাছে তার ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।

03.06.20 Pukaar NGO of
Hindustan Park, Kolkata 29 in association with Sundarban Police District organised a relief distribution programme at L plot island( Sridharnagar GP) under Gobardhanpur Coastal PS and distributed rice, potatos, salt, soap and biscuits  to 600 poor amphan affected people. Sri Vaibhav Tiwari, IPS, SP, Sundarban Police District, Sri Anil Kumar Roy,  SDPO, Kakdwip, Sri Subhabrata Ghosh, CI, Kakdwip, Sri Pradyut Barman  Pradhan, Sridharnagar GP, Swati Gautam and Smt Manjula Singh,  both trustees of the organization,  Barun Seth, OC, Gobardhanpur Coastal PS  attended the programme. SP,  Sundarban Police District has conveyed his thanks and gratitude to the organizers for involving  Police to support  helpless people of Sundarban Police District  in addition to the continuous support of our Government.




ভট্টাচার্য পাড়া আশার আলো এন. জি.ও (বেহালা, কলকাতা) - এর তরফ থেকে কাকদ্বীপ প্রশাসনের সহায়তায় বুধখালী গ্রামপঞ্চায়েতের বিশালক্ষী পুর অগ্রণী সংঘের মাঠে আজ ৩০০ পরিবারের হাতে তিরপল, হরলিক্স, দুধ, মাস্ক, বিস্কুট ইত্যাদি তুলে দেন।

৩/৬/২০ তারিখ কাকদ্বীপ থানার অধীন বিজয়ক্ষ্মীপুরে সুন্দরবন পুলিশ জেলা সমর্থিত কলকাতা ভিত্তিক একটি এনজিও "ভট্টাচার্জীপাড়া আশার আলো" এর সহায়তায় একটি ত্রাণ শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল। ৩০০ টি পরিবারের মধ্যে ভাল মানের ত্রিপল, শিশু খাদ্য, হরলিক্স, ওআরএস, মুখোশ বিতরণ করা হয়েছে। সুন্দরবন পুলিশ জেলার ডিআইএসপি ট্রাফিক শ্রী অজয় দে, এনজিওর মল্লিকা রায়চৌধুরী মজুমদার, কাকদ্বীপ থানার আইসি, শ্রী সুদীপ সিং, অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন। সুন্দরবন পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার শ্রী বৈভব তিওয়ারি, আইপিএস সুন্দরবন পুলিশ জেলার আঞ্চলিক ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের জন্য এই দুর্দান্ত কাজ করার জন্য পুলিশকে জড়িত করার জন্য আয়োজককে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। অন্যদিকে বারুইপুরের একটি এনজিও সাগর থানার সহায়তায় মুরিগঙ্গায় একটি ত্রাণ বিতরণ শিবিরের আয়োজন করেছিল। তারা ৫০০ টি আম্ফান আক্রান্ত পরিবারের মধ্যে ১৫ কেজি চাল, ৫ কেজি আশির্বাদ আটা, ১ কেজি সালোনি সরিষার তেল ও ২৫ টি মারগো নিম সাবান, পাঁচটি করে মাস্ক বিতরণ করেছেন।

3.6.20 a relief camp was organised at Bisalaxmipur under PS Kakdwip with the help of "Bhattacharjeepara Ashar Alo" one Kolkata based NGO,supported by Sundarban Police District.  Good quality tarpaulin, baby food, horlicks, ORS,masks were distributed among 300 families.Mallika Roy Chowdhury  Majumdar of the  NGO, Sri Ajoy Dey, DySP Traffic, Sundarban Police District and Sri Sudip Singh, IC, Kakdwip PS attended the programme. Sri VaibhavTiwari, IPS conveyed  thanks and gratitude to the organizer to involve Police in doing this great job for amphan affected people of Sundarban Police District. And "Pally Unnayan Samittee" an NGO of Baruipur has also organised  a relief distribution camp with the assistence of Sagar PS at Muriganga 1. They distributed 15 kgs of rice,5 Kgs of Asirbad atta,1 kgs of Saloni mustard oil, 25 pieces of Margo neem soap, 5 pieces of musk each among 500 amphan affected  families .



পূর্বাভাস মতোই আজ, মঙ্গলবার কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষিপ্তভাবে ঝড়-বৃষ্টি হয়। আগামিকাল, বুধবারও উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। দক্ষিণবঙ্গে বিক্ষিপ্তভাবে বেশ কিছু জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে । সপ্তাহান্তে বৃষ্টি বাড়তে পারে দক্ষিণবঙ্গে। এমনটাই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর ৷

রাজ্যে এখন প্রাক বর্ষার পরিস্থিতি। দক্ষিণা বাতাসে ভর করে প্রচুর জলীয়বাষ্প ঢুকছে রাজ্যে। এই জলীয় বাষ্প বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি করে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়াচ্ছে।

কেরলে বর্ষা ঢুকেছে নির্ধারিত সময়ে। মৌসুমী বায়ু অন্ধ্র, তামিলনাডু, পদুচেরির বেশ কিছু অংশে ঢুকে পড়েছে। দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর এই গতি বজায় থাকলে স্বাভাবিক নিয়মেই নির্ধারিত সময়ে বর্ষা আসবে রাজ্যে এমনটাই মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা। সেই সূচি অনুযায়ী উত্তরবঙ্গে ৭ জুন এবং দক্ষিণবঙ্গে ১১ জুন বর্ষা প্রবেশ করতে পারে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা।

মঙ্গলবার কলকাতায় আংশিক মেঘলা আকাশ ৷ পূর্বাভাসমতোই বজ্রবিদ্যুৎ - সহ ঝড়-বৃষ্টি হয় সন্ধ্যায় ৷ বাতাসে জলীয় বাষ্প থাকায় আর্দ্রতা জনিত অস্বস্তিও থাকছে। এদিন সকালে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি নীচে ৷ গতকাল, সোমবার বিকেলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪.৫ ডিগ্রি যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি নীচে।

বুধবার থেকে ঝড়-বৃষ্টি বাড়বে উত্তর-পশ্চিম ভারতেের বেশ কিছু রাজ্যে। পঞ্জাব হরিয়ানা-সহ উত্তর-পশ্চিমের রাজ্যগুলিতে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে।



২.৬.২০২০ তারিখে, সুন্দরবন পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার শ্রী বৈভব তিওয়ারি, আইপিএস, গঙ্গাসাগর কোস্টাল থানা এবং সাগর থানা পরিদর্শন করেছেন এবং অফিসার ও ফোর্সকে কোভিড-১৯ পরিচালনার জন্য সুরক্ষা  সম্পর্কে অবহিত করেছেন এবং আমাদের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর আম্ফান সুপার সাইক্লোন চলাকালীন মানুষের জীবন বাঁচাতে খুব ভাল কাজ করার জন্য পুলিশ বিভাগের সবার প্রশংসা সম্পর্কেও অবহিত করেন। তিনি আগত দিনে জনসাধারণকে আরও ভাল সেবা দেওয়ার জন্য সকলকে ফিট রাখার পরামর্শ দিয়েছেন। সুন্দরবন পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (জোনাল), শ্রী সন্তোষ কুমার মন্ডল, এসডিপিও, কাকদ্বীপ, সিআই, কাকদ্বীপ শ্রী অনিল কুমার রায়, শ্রী শুভব্রত ঘোষ, তাঁর সাথে উপস্থিত ছিলেন।





Today on 2.6.20 Sri Vaibhav Tiwari,  IPS, SP, Sundarban Police District visited Gangasagar Coastal PS and Sagar PS and briefed the officer, force regarding safety mesures to handle COVID, 19 and conveyed the appreciation made by our honourable Chief Minister to all of  Police Department for doing very well to save the lives of people during Amphan super cyclone.  He also advised all to keep fit for rendering better Service to the members of public in coming days.Sri Santosh Kr Mondal,  Addl SP,  zonal,  Sundarban PD,  Sri Anil Kumar Roy,  SDPO, Kakdwip,  Sri Subhabrata Ghosh,  CI Kakdwip accompanied him.

গতকাল রাজ্য সুরক্ষা উপদেষ্টা এবং পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন ডিজি ও আইজিপি, শ্রী সুরজিৎ কর পুরকায়স্থ, আইপিএস, পাথরপ্রতিমা থানার আওতাধীন উত্তর গোপালনগর কেজি স্কুল এবং রামগঙ্গা এফপি বিদ্যালয়ের ত্রাণ কেন্দ্রগুলিতে সামাজিক দূরত্ব এবং স্যানিটেশন ব্যবস্থা সরবরাহ দেখতে যান। তিনি স্থানীয় গ্রামবাসীদের সাথে কথা বলে তাদের সমস্যাগুলি জানার চেষ্টা করেছিলেন এবং ত্রাণ কাজ প্রজেক্ট সম্পর্কে অনুসন্ধান করেছিলেন। তিনি ঘূর্ণিঝড় আম্ফান চলাকালীন যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা নির্ধারণের জন্য স্থানীয় কয়েকটি স্থানেও গিয়েছিলেন। তিনি তাদের মধ্যে চাল, আলু, ত্রিপল, স্যানিটাইজার, মাস্ক, মুড়ি জাতীয় ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছিলেন। আইজিপি দক্ষিণবঙ্গ,  শ্রী রাজীব মিশ্র আইপিএস, ডিআইজি প্রেসিডেন্সি রেঞ্জ, শ্রী প্রবীণ কুমার ত্রিপাঠি, আইপিএস, এবং সুন্দরবনের এসপি শ্রী বৈভব তিওয়ারি, আইপিএস‌ উপস্থিত ছিলেন।

Yesterday, Sri Surajit Kar Purkayastha, IPS, State Security Adviser and ex DG & IGP, WB visted relief centres at Uttar Gopalnagar KG School  and Ramganga FP School under Patharpratima PS to see the social distancing and Sanitisation facilities being provided there. He also interacted with local villagers to understand their problems and enquired about the relief work progess. He also visited some local places to asses the damage caused during the cyclone Amphan. He further distributed some relief materials like rice, potatos, tarpauline, sanitizer, masks, puffed rice(muri) among them. Sri Rajeev Mishra, IPS, IGP South Bengal, Sri Praveen Kr Tripathi, IPS, DIG Presidency Range, and Sri Vaibhav Tiwari,  IPS, SP Sundarban accompanied him.







০১.০৬.২০২০ তারিখে সুন্দরবন পুলিশ জেলার সহযোগিতায় এবং ডায়মন্ড হার্বার সরকারী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের মেডিকেল অফিসাররা এবং পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবন সংক্রান্ত বিষয়ক মন্ত্রী, শ্রী মন্তুরাম পাখিরার সক্রিয় সহযোগিতায় কাকদ্বীপ থানার অধীনে দুর্গানগরে আম্ফান ক্ষতিগ্রস্থ ও সুবিধাবঞ্চিত ৫০০ পরিবারের (১৫০০ নাগরিক) লোকদের জন্য ত্রাণ বিতরণ এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষার কর্মসূচির আয়োজন করেছে এবং ফেসমাস্ক, স্যানিটাইজার, সাবান, ডিটারজেন্ট, স্যানিটারি ন্যাপকিনস, বেবি হাগিস, মিল্ক পাউডার, ওষুধ, শাড়ি, গামছা, বিস্কুট বিতরণ করা হয়েছে।
1) অধ্যাপক রামপ্রসাদ রায়।
২) অধ্যাপক সোমজিতা চক্রবর্তী।
৩) অধ্যাপক সুজিত ভট্টাচার্য।
৪) ডাঃ শিব শেখর চ্যাটার্জী।
5) ডাঃ সৌভিক সাম মাল।
৬) ডাঃ শেশাদ্রী শেখর চ্যাটার্জী।
৭) ডাঃ সন্জনা হালদার।
8) ডাঃ চপল পান্ডা।
9) ডাঃ রাজীব বিশ্বাস।
১০) ডাঃ সৌম্যব্রত মিত্র।
১১) ডাঃ কৃষ্ণ পাইন উপস্থিত ছিলেন। এসডিপিও, কাকদ্বীপ, শ্রী অনিল কুমার রায়, কাকদ্বীপ থানার অবর পরিদর্শক দিবস ঘোষ, এসডিও, কাকদ্বীপ, বিডিও, নামখানা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। সুন্দরবন পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার শ্রী বৈভব তিওয়ারি, আইপিএস এই উদ্যোগের অত্যন্ত প্রশংসা করেছেন।

01.6.20 Medical officers of Diamond harbour Government Medical college and hospital in association with Sundarban Police District and with active support of Sri Manturam Pakhira, MOS, Sundarban affairs, WB organised a relief distribution and health check up programme at Durganagar under PS- Kakdwip for Amphan affected and underprivileged people and distributed Facemask,Sanitizer,Soap,Detergent, Sanitary napkins,Baby huggies,Milk powder,Drugs medicine,Saree, Gamcha,
Biscuit to 500 family ( 1500 citizen).
1) Professor Ramaprasad roy.
2) Professor Somajita chakrabarti.
3) Professor Sujit bhattacharya.
4) Dr Shiv Sekhar chatterjee.
5) Dr Souvik Sama Mal.
6) Dr Seshadri Sekhar Chatterjee.
7) Dr Sanjana halder.
8) Dr chapal panda.
9) Dr Rajib biswas.
10) Dr soumyabrata mitra.
11) Dr Krishna pyne were present. Anil Kumar Roy, SDPO, Kakdwip, SI, Dibas Ghosh of Kakdwip PS, SDO, Kakdwip, BDO, Namkhana attended the programme. Sri Vaibhav Tiwari, IPS, SP, Sundarban Police District highly appreciated the initiative.