WEATHER

Top News


পুলিশ সূত্রে খবর, দক্ষিণেশ্বরের একটি হোটেল থেকে তাঁকে রবিবার গভীর রাতে গ্রেফতার করে পুলিশ। খড়দা থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। বন্দুক দেখিয়ে লটারির টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কীভাবে টাকা আত্মসাৎ করেছিলেন, এর পিছনে আর কেউ ছিলেন কি না বা কত জনের মধ্যে টাকা ভাগ হয়েছিল, সেই বিষয়ে তীর্থঙ্করকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।


আড়ালে থেকেও শেষ রক্ষা হল না! গ্রেফতার প্রাক্তন বিধায়ক নির্মলের ‘গুণধর’ ছেলে, রয়েছে লটারির টিকিট হাতানোর অভিযোগ
নির্মল ঘোষ ও তীর্থঙ্কর ঘোষ

পুলিশের ব়্যাডারে ছিলেন বাবা-ছেলে দু’জনেই। বাবা পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষ (Nirmal Ghosh)। দীর্ঘদিন বেপাত্তা থাকার পর দিন দু’য়েক আগেই হঠাৎ উদয় হন। ঋতব্রতদের (Ritabrata Banerjee) বৈঠকে হাজির হতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। যদিও ঋতব্রত শিবিরের দাবি, পানিহাটির নির্মল অনাহুত। তাঁকে বৈঠকে ডাকাই হয়নি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে রাজ্য-রাজনীতিতে। এরই মধ্যে নির্মলের ‘গুণধর’ ছেলেকে গ্রেফতার করল পুলিশ। জানা গিয়েছে, নির্মল ঘোষের মতো গা ঢাকা দিয়েছিলেন ছেলে তীর্থঙ্কর ঘোষও (Tirthankar Ghosj)। অবশেষে রবিবার গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে দক্ষিণেশ্বর থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। উল্লেখ্য, চলতি বছর পানিহাটিতে তৃণমূল প্রার্থীও হয়েছিলেন তীর্থঙ্কর ঘোষ। কিন্তু পরাজিত হন।


কী অভিযোগ তীর্থঙ্কর ঘোষের বিরুদ্ধে?
ড্রাইভারের লটারির টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তীর্থঙ্করের বিরুদ্ধে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর থেকেই বাবার মতো তিনিও গা ঢাকা দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। পুলিশ সূত্রে খবর, রবিবার গভীর রাতে দক্ষিণেশ্বরের একটি হোটেল থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বর্তমানে তাঁকে খড়দা থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। বন্দুক দেখিয়ে লটারির টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তীর্থঙ্করের বিরুদ্ধে। কীভাবে টাকা আত্মসাৎ করেছিলেন, এর পিছনে আর কেউ ছিলেন কি না বা কত জনের মধ্যে টাকা ভাগ হয়েছিল, সেই বিষয়ে তীর্থঙ্করকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। আজ তাঁকে ব্যারাকপুর আদালতে তোলা হবে। তাঁকে ১০ দিনের হেফাজতের আবেদন করতে পারে পুলিশ। তীর্থঙ্করের বিরুদ্ধে ভোট পরবর্তী হিংসারও অভিযোগ রয়েছে।


ছেলের পর কি এবার গ্রেফতার হবেন বাবাও?
তোলাবাজির অভিযোগে পানিহাটির এক বড় বার ও হোটেলের মালিক সুশান্ত সরকারকে গ্রেফতার করেছে খড়দহ থানার পুলিশ। এরপর থেকেই প্রাক্তন বিধায়ক এবং বিধানসভার প্রাক্তন মুখ্যসচেতক নির্মল ঘোষের খোঁজ চলছিল। শুধু তোলাবাজি নয়, তাঁর বিরুদ্ধে জমি দখল, টাকা আত্মসাৎ, ভয় দেখানোর অভিযোগ রয়েছে। পুলিশে অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর থেকে কার্যত বেপত্তা ছিলেন তিনি। কেউ কেউ বলছিলেন, গা ঢাকা দিয়েছেন নির্মল। কিন্তু, গত শনিবার ঋতব্রত শিবিরে এসে দাবি করলেন তিনি গা ঢাকা দেননি। তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তাই তিনি এসছেন। এদিকে ঋতব্রত দাবি করেছেন, নির্মল ঘোষকে তাঁরা ডাকেননি। তাঁকে ডাকার প্রশ্ন নেই। মেদিনীপুরের নির্মল ঘোষকে ডাকা হয়েছিল। নির্মল বিভ্রাটের মধ্যেই প্রাক্তন বিধায়কের ছেলেকে তুলে নিল পুলিশ।

 কন্ডাক্টর তাঁর ব্যাগ খুলে দেখান যে তাঁর কাছে আর খুচরো টাকা নেই। যদি খুচরো টাকায় ভাড়া দিতে না পারেন, তাহলে তিনি যেন বাস থেকে নেমে যান। শুনে একটু হকচকিয়ে গেলেও, মন্ত্রী চুপচাপ নেমে যান বাস থেকে। পরে তিনি অটো-রিক্সায় করে এক কিলোমিটার যান।



বেঙ্গালুরু: বাসে-ট্রেনে যাতায়াত করার সময় অন্যতম মাথাব্যথা হল খুচরো টাকা। নিত্যদিনই বহু যাত্রীকে এই নিয়ে ভোগান্তি পোহাতে হয়। অনেকেরই অটো চালক বা বাস কন্ডাক্টরের সঙ্গে ঝগড়া লেগে যায়। যাত্রীদের এই সমস্যা এবার হাড়ে হাড়ে টের পেলেন পরিবহন মন্ত্রী। খুচরো দিতে না পারায়, তাঁকে বাস থেকে নামিয়ে দিলেন কন্ডাক্টর।


কর্নাটকের পরিবহন মন্ত্রী বাইরথি সুরেশ যাত্রীদের সুবিধা-অসুবিধা বুঝতেই ব্যাঙ্গালোর মেট্রোপলিটন ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশনের বাসে উঠেছিলেন। নিজের পরিচয় গোপন করতে মন্ত্রী মুখে মাস্ক পরে ছিলেন। কন্ডাক্টর যখন টিকিট কাটতে আসেন, তখন মন্ত্রী মশাই ১০০ টাকার নোট দিয়ে দুটি টিকিট কাটতে বলেন।



কন্ডাক্টর তাঁর ব্যাগ খুলে দেখান যে তাঁর কাছে আর খুচরো টাকা নেই। যদি খুচরো টাকায় ভাড়া দিতে না পারেন, তাহলে তিনি যেন বাস থেকে নেমে যান। শুনে একটু হকচকিয়ে গেলেও, মন্ত্রী চুপচাপ নেমে যান বাস থেকে। পরে তিনি অটো-রিক্সায় করে এক কিলোমিটার যান।

রবিবার বারুইপুর-কাণ্ডে উস্কানি দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার হন লাহেক। সোমবার তাঁকে কোর্টে তোলা হয়। আট দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। তবে, বাম নেতার পরিষ্কার মন্তব্য, তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। এও বলেছেন, "আমি উস্কানি দিয়েছি প্রমাণ করুক।"



কলকাতা: হাত মুঠো। আদালত থেকে বেরিয়ে উঠবেন প্রিজ়ন ভ্যানে। তার আগে দৃপ্ত কণ্ঠে বললেন, ‘এভাবে বেশিদিন আটকে রাখা যাবে না…।’ এই বছর অর্থাৎ ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি সিপিএম-এর হয়ে লড়াই করেছিলেন বারুইপুর পশ্চিম থেকে। জিততে পারেননি। এর আগেও নির্বাচনে লড়েছিলেন। কিন্তু এতদিন খবরে তাঁকে দেখা যায়নি। আজ শুধুই চর্চায় তিনি। তাঁর বিরুদ্ধে উঠেছে গুরুতর অভিযোগ। বারুইপুরে গণপিটুনির ঘটনায় নাকি তিনি উস্কানিমূলক মন্তব্য করেছেন। আর তারপর সটান তাঁর বাড়িতে হাজির পুলিশ। এরপর গ্রেফতারি। কথা হচ্ছে সিপিএম নেতা লাহেক আলিকে নিয়ে। বামেদের এই তরুণ মুখকে চেনেন? জানেন তাঁর কী পরিচয়?


লাহেক পেশায় গৃহশিক্ষক। ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ান তিনি। তাঁর ঝুলিতে রয়েছেন স্নাতকোত্তর ডিগ্রি। ২০০৫ সাল থেকে তিনি সক্রিয় ভাবে বাম রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। প্রথমে DYFI-এর জেলা সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য ছিলেন। এরপর সিপিএম। ২০২৪ সালে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় পার্টির জেলা কমিটির সদস্য হয়েছেন। ২০০১ ও ২০২৬ সালে বারুইপুর বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী হন।


রবিবার বারুইপুর-কাণ্ডে উস্কানি দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার হন লাহেক। সোমবার তাঁকে কোর্টে তোলা হয়। আট দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। তবে, বাম নেতার পরিষ্কার মন্তব্য, তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। এও বলেছেন, “আমি উস্কানি দিয়েছি প্রমাণ করুক।” বারেবারে বুঝিয়েছেন ইচ্ছা করে ফাঁসানো হয়েছে তাঁকে।


এ দিকে, দলের কর্মীর গ্রেফতারির পর ক্ষোভে ফুঁসছে সিপিএম। লাহেকের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীর অভিযোগ, রাজনৈতিক কারণেই গ্রেফতার করা হয়েছে লাহেক আলিকে। আবার সিপিএম নেতা শতরূপ ঘোষের বক্তব্য, “পুলিশকে কাজে লাগিয়ে লাহেক আলিকে গ্রেফতার করেছে রাজ্য সরকার। এর বিরুদ্ধে আমরা আদালতে যাব। আদালতে গিয়েই জয় ছিনিয়ে আনব।”

দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার গঙ্গাসাগরের ডাক্তার বাড়ি এলাকায় পথ দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হলেন দুজন। স্থানীয় সূত্রে খবর, সোমবার বৃষ্টি চলাকালীন একটি লরির সঙ্গে বাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বাইকটিতে তিন ব্যক্তি ছিলেন। দুর্ঘটনার তীব্রতায় বাইকটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং বাইকে থাকা তিনজনের মধ্যে দু’জন গুরুতর আহত হন।

স্থানীয় বাসিন্দারা তড়িঘড়ি তাঁদের উদ্ধার করেন। আহতদের দ্রুত চিকিৎসার জন্য সাগর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। 


ঘটনার খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় গঙ্গাসাগর কোস্টাল থানার পুলিশ। ঘাতক লরিটিকে আটক করা হয়েছে এবং দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

ব্যবসায়ী সুজয় ঘোষ বলেন, "প্রচুর লোক জায়গা দখল করেছে। অনেক বড় ব্যবসায়ী যাঁদের কাছে নিজস্ব ঘর আছে, লাইসেন্স প্রাপ্ত ঘর পেয়েছে ওরাও বেআইনি ভাবে দখল করে রেখেছে। কেউ কেউ দুটো তিনটে করে দোকান বানিয়েছে। আমরা ব্যবসায়ীরা সরকারের সঙ্গে।"


কোনও রকম বেআইনি নির্মাণ রাখা যাবে না। রেলের জায়গা দখল করা যাবে না। ফুটপাথ খালি করতে হবে, যাতে তা সাধারণ মানুষের বসবাসের যোগ্য হয়। আর এই নীতি সর্বত্র প্রয়োগ করছে রাজ্য সরকার। রাজ্যের প্রতিটি জেলায় চলছে বেআইনি হকার উচ্ছেদ। তেমনই এবার জলপাইগুড়ির ধূপগুড়িতে চলল বুলডোজার। একসঙ্গে ৩টি বুলডোজার নামল রাস্তায়।


সোমবার রেগুলেটেড সুপারমার্কেটে এই অভিযান চলেছিল। রীতিমতো সরকারি জায়গা দখল করে প্রায় ৩৫০ টি দোকান ঘর গজিয়ে উঠেছিল। তারপরই তা ভাঙা হবে বলে নোটিস জারি করা হয়। এরপর পনেরো দিনের মধ্যেই তা উঠিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। প্রশাসনের তরফ থেকে চালানো হয় বুলডোজার। চলে দখল মুক্ত করার অভিযান। ঘটনাস্থলে ধূপগুড়ি থানার পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিক। ঘটনায় চাঞ্চল্য এলাকায়। এই উচ্ছেদ অভিযান চালাতে গিয়ে ব্যবসায়ীদের বাধার মুখে পড়তে হয় আধিকারিকদের।

বর্তমানে কলকাতায় মোট ১৪৪টি ওয়ার্ড আছে। সেগুলি ভেঙে ২০০টি ওয়ার্ড তৈরি করা হচ্ছে। তার জন্য এলাকায় গিয়ে সমীক্ষা করা হবে বলে জানিয়েছেন পুর কমিশনার। সরকারি ভাবে জানিয়ে দেওয়া হল বিষয়টি। বিভিন্ন ওয়ার্ডে সমীক্ষা শুরু হচ্ছে শীঘ্রই।

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ডিসেম্বরেই পুরভোট হতে চলেছে। তার আগেই যে কলকাতা পুরনিগমের ওয়ার্ডের পুনর্বিন্যাস করা হবে বলেও জানিয়েছিলেন শুভেন্দু। এবার সেই ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের কথা জানিয়ে দিলেন পুর কমিশনার স্মিতা পাণ্ডে। সেই প্রক্রিয়া যে শুরু হচ্ছে সে কথাও জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।


পুরসভার কমিশনার জানিয়েছেন, আগামী ২৭ জুলাই ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস নিয়ে রিপোর্ট জমা করতে হবে। আগামী ৩১ জুলাইয়ের পর খসড়া প্রকাশ করা হবে। আর ডিসেম্বরে হবে কলকাতা পুরসভার নির্বাচন। তার আগেই সরকারিভাবে জানিয়ে দেওয়া হল কলকাতা পুরসভার ওয়ার্ড সংখ্যা ১৪৪ থেকে বেড়ে ২০০ করা হচ্ছে।


কলকাতায় কোনও কোনও ওয়ার্ডে রয়েছেন ৬০-৮০ হাজার ভোটার। আবার কোনও কোনও ওয়ার্ডে রয়েছেন ১০ থেকে ১৫ হাজার ভোটার। এই ধরনের ওয়ার্ডগুলিকে নতুন করে সাজানো হবে বলে জানানো হয়েছে। জোকার কাছ থেকে সিঁথির মোড়, নিউ গড়িয়া মেট্রো স্টেশন থেকে উল্টোডাঙা ব্রিজ। কলকাতা পুরসভার ওয়ার্ডগুলি ভাঙা হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে।


মুখ্যমন্ত্রীর গদিতে বসার পর শুভেন্দু অধিকারী কলকাতা পুরসভার ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস নিয়ে নিজের বড় সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিলেন। সেই মতো কাজ শুরু করল কলকাতা পুরসভা। আগামী ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে সমীক্ষা রিপোর্ট জমা পড়বে কলকাতা পুরসভার সদর দফতরের কেন্দ্রীয় টিমের কাছে। সেই টিম এবং অডিট টিম মূলত ওয়ার্ডের বাউন্ডারি এবং বুথ খতিয়ে দেখবে। একই সঙ্গে খতিয়ে দেখা হবে ওয়ার্ডগুলির জনসংখ্যা। এরপর ৩১ শে জুলাই যাবতীয় রিপোর্ট খসড়া আকারে পুর ও নগরোন্নয়ন দফরের কাছে জমা পড়বে।

কারও কোন অভিযোগ থাকলে সেই খসড়া নিয়ে জানাতে পারবেন বলেও কমিশনার জানিয়েছেন।

বাঁকুড়া থেকে তারকেশ্বর, বর্ধমান থেকে তারকেশ্বর, দিঘা থেকে তারকেশ্বর, খড়গপুর থেকে তারকেশ্বর, কলকাতা থেকে তারকেশ্বর বাস চালু হয়েছে। এক মহিলা বলেন, "আমি কলকাতায় থাকি। ছেলে এখানে থাকে। এই বাসগুলো চালু হলে গ্রামের মানুষের খুব সুবিধা হবে। এর থেকে ভালো উদ্যোগ হয় না। পরিবর্তন হয়ে খুবই ভাল হয়েছে। সরকার যে কাজ করছে দেখা যাচ্ছে।"

 রাজ্যে আরও ৫টি সরকারি বাস চালু হল, কোন রুটে চলবে?
বাস পরিষেবা চালু

 রাজ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হবে, কর্মসংস্থান বাড়বে, সরকারি বাসে মহিলারা ফ্রি যাতায়াত করতে পারবেন এই প্রতিশ্রুতি দিয়ে রাজ্যে এসেছিল বিজেপি। আর এবার সেই প্রতিশ্রুতি পূরণের পালা। রাজ্যে চালু হল আরও সরকারি বাস। নাম দেওয়া হয়েছে ‘মহাদেব এক্সপ্রেস’। তারকেশ্বর থেকে হাওড়া, বর্ধমান, বাঁকুড়া, দিঘা এবং কলকাতা পযন্ত প্রতিদিন চলবে মোট পাঁচটি সরকারি বাস।


এতদিন, তারকেশ্বর থেকে কোনও সরকারি বাস পরিষেবা ছিল না। সরকারি বাস পরিষেবা চালু হওয়ায় খুশি এখানকার বাসিন্দারা। বিশেষ করে খুশি হয়েছেন মহিলারা। কারণ, সরকারি বাসে বিনামূল্যে যাতায়াত করছেন তাঁরা।


৮দিন পর উদ্ধার হওয়া ট্রলার থেকে বেরিয়ে আসছে একের পর এক লাশ, এখনও পর্যন্ত ৯ মৎস্যজীবীর দেহ উদ্ধার, নিখোঁজ ৬

ক্যানসারকে হারিয়েও বাঁচল না প্রাণ, প্রয়াত‘জুরাসিক পার্ক’অভিনেতা স্যাম নিল
তারকেশ্বরের বিধায়ক সন্তু পান বলেন, “এখান থেকে প্রচুর মানুষ পুরী যান। এবং উত্তরবঙ্গেও যাতে যেতে পারেন সেই ব্যবস্থা করেছি। সাধারণ মানুষ গোটা রাজ্যে যেতে পারে। ট্রেনের পাশাপাশি বাসের সুবিধা যাতে পায় সেই চেষ্টাই করব দেওয়ার। শুধু বাস না, ভাল বাসের সুবিধা যাতে দিতে পারি চেষ্টা করেছি। এই সরকার মানুষের সরকার।”


নতুন বাস কোথায়-কোথায় যাবে?

বাঁকুড়া থেকে তারকেশ্বর, বর্ধমান থেকে তারকেশ্বর, দিঘা থেকে তারকেশ্বর, খড়গপুর থেকে তারকেশ্বর, কলকাতা থেকে তারকেশ্বর বাস চালু হয়েছে। এক মহিলা বলেন, “আমি কলকাতায় থাকি। ছেলে এখানে থাকে। এই বাসগুলো চালু হলে গ্রামের মানুষের খুব সুবিধা হবে। এর থেকে ভালো উদ্যোগ হয় না। পরিবর্তন হয়ে খুবই ভাল হয়েছে। সরকার যে কাজ করছে দেখা যাচ্ছে।”

 
কিন্তু গত ৬ মে কাজে গেলে তাঁকে আর রেজিস্টারে সই করতে দেওয়া হয়নি। চাকরি থেকে বাদ পড়ায় নানান কটূক্তির শিকার হতে হচ্ছে মহিলাকে বলে অভিযোগ করে মামলা দায়ের হয়। এরপরই বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে মামলা দায়ের হয়েছে।


 এখনই গ্রেফতার নয় মানসকে, তবে কোর্ট দিল কয়েকটি শর্ত
কলকাতা হাইকোর্ট

গ্রেফতারির আশঙ্কা থেকে আগেই কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court)-এর দ্বারস্থ হয়েছিলেন প্রাক্তন সেচমন্ত্রী মানস ভুঁইয়া। অবশেষে স্বস্তি পেলেন তিনি। সবংয়ের প্রাক্তন বিধায়ককে শর্তসাপেক্ষে রক্ষাকবচ দিল আদালত।


কী কী শর্ত দেওয়া হয়েছে?


ময়দানে নামল ৩টি বুলডোজার, ভেঙে গুঁড়িয়ে দিল ফুটপাথের সব দোকান

 এবার লেকটাউন, বাড়িতে ডেকে মাদক মেশানো পানীয় খাইয়ে ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ
বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য কোর্টের শর্ত,মানুষ ভূঁইয়া সহ বাকিদেরকে গ্রেফতার করা যাবে না। টাকার বিনিময় চাকরি দেওয়ার মামলায় তদন্ত সহযোগিতা করতে হবে। পাসপোর্ট জমা রাখতে হবে পুলিশের কাছে। সবং এর বাইরে যেতে পারবেন না মানুষ ভূঁইয়া।


মামলার ব্যাকগ্রাউন্ড

তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম সারির নেতাদের মধ্যে অন্য একজন হলেন মানসবাবু। তৃণমূল জমানায় সেচমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলেছেন। তবে, সম্প্রতি দল ছেড়েছেন সবংয়ের সাত বারের বিধায়ক। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে থানায়। রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ, চাকরি দেওয়ার নাম করে আর্থিক প্রতারণা করেছেন। সবং থানার পুলিশ সেই অভিযোগের ভিত্তিতে BNS-এর ৩১৮(৪)/৬১(২) ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। অভিযোগকারীর দাবি, সেচ দফতরের বাংলোতে চাকরি করে দেওয়া হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। তার বিনিময়ে চাওয়া হয় পাঁচ লক্ষ টাকা। চাকরি পাওয়ার পর থেকে খাতায় সই করে অভিযোগাকারীর স্ত্রী মার্চ মাসের বেতন হিসেবে প্রায় ১১ হাজার টাকা পেয়েছিলেন। কিন্তু গত ৬ মে কাজে গেলে তাঁকে আর রেজিস্টারে সই করতে দেওয়া হয়নি। চাকরি থেকে বাদ পড়ায় নানান কটূক্তির শিকার হতে হচ্ছে মহিলাকে বলে অভিযোগ করে মামলা দায়ের হয়। এরপরই বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে মামলা দায়ের হয়েছে।


তাঁর আপ্ত সহায়কের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেছেন অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, ২০২৪ সাল থেকে একটি সংস্থা তাঁর শিডিউল এবং ইভেন্ট দেখভাল করে। ওই সংস্থারই একজন কর্মী অভিযুক্ত। সংস্থার তরফে অভিযুক্ত যুবক তাঁর আপ্ত সহায়ক হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন।

যুবতীকে ধর্ষণের অভিযোগ শ্রাবন্তীর ম্যানেজারের বিরুদ্ধে, মুখ খুললেন অভিনেত্রী
প্রতীকী ছবি

অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়কের বিরুদ্ধে এক যুবতীকে ধর্ষণের অভিযোগ। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল হাওড়ার চ্যাটার্জিহাট থানার পুলিশ। ধৃতকে সোমবার হাওড়া আদালতে তোলা হয়। এদিকে, তাঁর ম্যানেজারের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে শ্রাবন্তী জানিয়েছেন, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি বিশদে না জানলেও ম্যানেজারের দায়িত্ব থেকে অভিযুক্তকে সরানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। 


অভিযুক্ত যুবকের বাড়ি হাওড়ার চ্যাটার্জিহাট এলাকায়। পুলিশ সূত্রে খবর, একটি ইভেন্ট কোম্পানির সঙ্গে যুক্ত তিনি। সেখানেই অভিযোগকারিণীও কাজ করেন। ওই যুবতী গত ১২ এপ্রিল চ্যাটার্জিহাট এলাকায় অর্ঘ্যর বাড়িতে আসেন। নিজের বাড়িতে ওই যুবতীকে অভিযুক্ত ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ। ঘটনাটি ১২ এপ্রিল হলেও গত ২৭ জুন ওই যুবতী চ্যাটার্জিহাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ একটি ধর্ষণের মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে। গতকাল রাতে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণ-সহ একাধিক জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা শুরু করে পুলিশ। এদিন ধৃতকে হাওড়া আদালতে পেশ করা হয়। আদালতে নিয়ে যাওয়ার পথে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে মুখ খোলেননি ধৃত যুবক।


রাস্তার মাঝে প্রাইভেট পার্ট খুলে দেখাচ্ছে...' ডেলিভারি বয়ের কলার ধরে টেনে সোজা ঢোকালেন থানায়
তবে অভিযুক্তের আইনজীবী শঙ্খজিৎ লাল মিত্র বলেন, “অভিযুক্ত ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টে কাজ করেন। তাঁর এক বান্ধবী তাঁর বিরুদ্ধে যৌন নিগ্রহের অভিযোগ দায়ের করেছেন। দু’জনেই দীর্ঘদিনের পরিচিত। অভিযুক্তের বাড়িতে ঘটনাটি ঘটেছে গত ১২ এপ্রিল। গত ২৭ জুন অভিযোগ দায়ের হয়েছে। মাঝে এতদিনের একটা ব্যবধান রয়েছে। এটা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। পুলিশ তদন্ত করছে। ধর্ষণের অভিযোগ-সহ জামিন অযোগ্য একাধিক ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতের আবেদন জানানো হয়েছে। তদন্ত হোক। আশা করছি, আগামিদিনে জামিন পাবেন।” 


ম্যানেজারের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে কী বলছেন অভিনেত্রী শ্রাবন্তী?

তাঁর আপ্ত সহায়কের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেছেন অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, ২০২৪ সাল থেকে একটি সংস্থা তাঁর শিডিউল এবং ইভেন্ট দেখভাল করে। ওই সংস্থারই একজন কর্মী অভিযুক্ত। সংস্থার তরফে অভিযুক্ত যুবক তাঁর আপ্ত সহায়ক হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় শ্রাবন্তী লিখেছেন, ‘আমি জানতে পেরেছি, তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তাঁর ব্যক্তিগত বিষয়ে আমি বিশেষ কিছু না জানলেও বিষয়টি উদ্বেগজনক। তাই পরবর্তী নোটিস না দেওয়া পর্যন্ত তাঁকে আমার ম্যানেজারের দায়িত্ব থেকে সরালাম।’ এদিকে, ওই ইভেন্ট সংস্থার তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, তাদের সংস্থা থেকে ওই কর্মীকে বরখাস্ত করা হল।

রাজার দেহ উদ্ধার করে আর জি কর হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। বাকি দুই সহযোগীকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। সেখানেই চিকিৎসা চলছে। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। শুধুমাত্র পাঁচজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দমদম থানার পুলিশ।

দমদমে 'খুন' কুখ্যাত দুষ্কৃতী, বেলঘড়িয়া এক্সপ্রেসওয়ের ধার থেকে উদ্ধার রক্তাক্ত দেহ, নিজের বন্দুকে গুলিতেই ঝাঁঝরা রাজা দত্ত?
মৃত রাজা দত্ত

দমদমে ‘খুন’ কুখ্যাত দুষ্কৃতী রাজা দত্ত। সোমবার ভোর রাতে বেলঘড়িয়া এক্সপ্রেসওয়ের ধার থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দলবলের সঙ্গে গন্ডগোলের জেরেই খুন বলে প্রাথমিক অনুমান পুলিশের। এখনও পর্যন্ত ঘটনায় পাঁচজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দমদম থানার পুলিশ। রাজা দত্তের বিরুদ্ধে একাধিক অপরাধমূলক কাজের অভিযোগ রয়েছে।


ঠিক কী ঘটেছে?
আজ ভোরে উত্তর দমদম পৌরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের খলিসাকোটা থেকে রাজার দেহ উদ্ধার হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, গ্যাংওয়ারেই খুন হয়েছেন রাজা। জানা গিয়েছে, গতকালই পৌরসভা এলাকার একটি পার্টি অফিসে বাগ-বিতণ্ডা হয় বলে অভিযোগ। পার্টি অফিস ভাঙচুরেরও অভিযোগ ওঠে। পুলিশ সূত্রে খবর, ভোর রাতে কুখ্যাত দুষ্কৃতী রাজা দত্ত দু’জন সঙ্গীকে নিয়ে বাইকে করে বেলঘড়িয়া এক্সপ্রেসের খলিসাকোটায় আসেন। সেইসময় বেশ কয়েকজনের সঙ্গে গন্ডগোল হয় বলে পুলিশ সূত্রে খবর। পুলিশের আরও অনুমান, রাজা দত্তের আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে তাঁকেই গুলি করে খুন করেছেন ওই দুষ্কৃতীরা। কিন্তু কী কারণে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা হয়েছে, ঠিক কী হয়েছিল, তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।


১০০ টাকার খুচরো নেই, পরিবহন মন্ত্রীকেই বাস থেকে নামিয়ে দিলেন কন্ডাক্টর!

কলকাতা বিমানবন্দর থেকে সরবে বাঁকড়া মসজিদ, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু বললেন...
রাজার দেহ উদ্ধার করে আর জি কর হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। বাকি দুই সহযোগীকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। সেখানেই চিকিৎসা চলছে। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। শুধুমাত্র পাঁচজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দমদম থানার পুলিশ।


রাজা দত্তের বিরুদ্ধে কী অভিযোগ?
স্থানীয় সূত্রে খবর, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী ছিলেন রাজা দত্ত। একাধিক খুনের মামলায় জড়িত রয়েছেন তিনি। পুলিশ সূত্রে দাবি, এছাড়াও একাধিক অপরাধমূলক কাজের সঙ্গে জড়িত ছিলেন রাজা।

 রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের দাবি, এটা নিয়ে চিন্তার কোনও কারণ নেই। কোর ব্যাঙ্কিং সিস্টেমের ক্ষেত্রে একটা টেকনিক্যাল গ্লিচ তৈরি হচ্ছে। সেই কারণেই এই ধরনের ঘটনা ঘটছে। তাঁদের আরও দাবি, বিপুল অঙ্কের টাকাই হোক বা কম অঙ্কের টাকা, গ্রাহকের কাছে যেমন টাকা ঢোকার মেসেজ আসবে, তেমনই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেও তা এন্ট্রি হবে।
 

 এই ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট থাকলেই ঢুকছে ৭৫৯ কোটি টাকা! কেন ঢুকছে জেনে নিন
মহিলাদের অ্যাকাউন্টে ৭৬০ কোটি


কোচবিহার, জলপাইগুড়ি: কেউ স্কলারশিপের টাকা তুলতে গিয়েছিলেন। কেউ আবার অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে কি না দেখতে গিয়েছিলেন। কেউ আবার অ্যাকাউন্ট চেক করতে যান। কিন্তু, ব্যালেন্স দেখেই তো চক্ষু চড়কগাছ। একের পর এক অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে ৭০০ কোটির বেশি। কেউ সাধারণ দিন আনা দিন খাওয়া নিম্নবিত্ত পরিবারের বা কেউ আবার দশম বা দ্বাদশ শ্রেণীর পড়ুয়া। বেশিরভাগের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে ৭৫৯ কোটি ৬৯ লক্ষ ৫১ হাজার ৯৫১ টাকা। মুর্শিদাবাদ, জলপাইগুড়ি, থেকে ময়নাগুড়ি, কোচবিহার…সর্বত্র একই ছবি। আরও তাজ্জব ব্যাপার হল সকলেরই অ্যাকাউন্ট একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে রয়েছে। সম্প্রতি, এই ঘটনা শোরগোল ফেলে দিয়েছে চারিদিকে।

 দমদমে 'খুন' কুখ্যাত দুষ্কৃতী, বেলঘড়িয়া এক্সপ্রেসওয়ের ধার থেকে উদ্ধার রক্তাক্ত দেহ, নিজের বন্দুকে গুলিতেই ঝাঁঝরা রাজা দত্ত?
কোচবিহারের ঘটনা
কোচবিহারের বাসিন্দা সুকুমার অধিকারী। সাধারণ হোটেল চালান তিনি। ৫০০ টাকা তুলতে গিয়েছিলেন। কিন্তু, ব্যালেন্স দেখতে গিয়ে অবাক হয়ে যান তিনি। দেখা যায়, তাঁর অ্যাকাউন্টে রয়েছে ৭০০ কোটির বেশি। স্বাভাবিকভাবেই প্রথমে তিনি ঘাবড়ে যান। পরে থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। অন্যদিকে, দিনহাটাতে এক দশম শ্রেণির ছাত্র স্কলারশিপের টাকা তুলতে গিয়েছিল। সেখানও একই পরিস্থিতি। দিনহাটা থানায় অভিযোগও দায়ের করে তাঁর পরিবার। শনিবার ও রবিবার ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকায় ব্যাঙ্কে যেতে পারেননি কেউ। সোমবার ওই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক খুলতেই লাইন পড়ে যায় এই ধরনের গ্রাহকদের।


জলপাইগুড়ি, ময়নাগুড়ির ঘটনা
হলদিবাড়ির ছাত্রী। স্কলারশিপের টাকা ঢুকেছে কি না দেখতে গিয়েছিল ব্যাঙ্কে। সেও দেখে তার অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে সেই একই অঙ্কের টাকা। আবার ময়নাগুড়িতে এক গৃহবধূ অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা তুলতে ব্যাঙ্কে গিয়েছিলেন। সেখানেও একই ঘটনা।

মুর্শিদাবাদের ঘটনা
মুর্শিদাবাদে লালগোলা থানার বিলবোরাকোপরা অঞ্চলের কালিকাপুর গ্রামেও একই ঘটনা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কালিকাপুর গ্রামের বাসিন্দা শরিফা খাতুনের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে গত শনিবার চেন্নাই থেকে ৩,০০০ টাকা পাঠান তাঁর দেওর। সেই টাকা তুলতে গিয়েই শরিফা খাতুন দেখেন, তাঁর অ্যাকাউন্টে ব্যালেন্সের জায়গায় জ্বলজ্বল করছে ৭,৫৯,৬৯,৫১,৯৫১ টাকা ১৬ পয়সা। তাঁরও অ্যাকাউন্ট রয়েছে ওই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে।

ব্যাঙ্ক কী বলছে?
রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের দাবি, এটা নিয়ে চিন্তার কোনও কারণ নেই। কোর ব্যাঙ্কিং সিস্টেমের ক্ষেত্রে একটা টেকনিক্যাল গ্লিচ তৈরি হচ্ছে। সেই কারণেই এই ধরনের ঘটনা ঘটছে। তাঁদের আরও দাবি, বিপুল অঙ্কের টাকাই হোক বা কম অঙ্কের টাকা, গ্রাহকের কাছে যেমন টাকা ঢোকার মেসেজ আসবে, তেমনই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেও তা এন্ট্রি হবে। কিন্তু ওই বিপুল পরিমাণ টাকা আদতে ব্যাঙ্কে ক্রেডিট হচ্ছে। সেক্ষেত্রে ওই টাকা কোনওভাবেই তোলা যাবে না। ওই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের দাবি, অনলাইনে যাঁরা ব্যাঙ্কে লেনদেন করেন, বা নেট ব্যাঙ্কিংয়ের মতো পরিষেবা ব্যবহার করেন, তাঁদের ক্ষেত্রে এই ধরনের ঘটনা ঘটেনি। যাঁদের লেনদেন কম, তাঁদের অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রেই এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। তবে, কোন জায়গায় গ্লিচ হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এরকম ধরনের কোনও ঘটনা ঘটলে, সেটা সঙ্গে সঙ্গে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকে জানানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সাইবার বিশেষজ্ঞরা কী বলছেন?
অ্যাকাউন্টে এভাবে কোটি কোটি টাকা কোনও সাইবার প্রতারণাও হতে পারে। এই বিষয়ে সাইবার বিশেষজ্ঞ সাম্যজিৎ মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, বিশ্বকাপ চলাকালীন প্রতারণা বেড়েছে। যাঁরা প্রতারক, তাঁরা এই সময় অনেক বেশি সক্রিয় থাকেন। বিভিন্ন অ্যাপ যা এখন ভারতে বন্ধ হয়ে গিয়েছে, সেগুলি চালিয়ে তাঁরা ব্যবসা করছে। তাঁর আরও দাবি, এই ধরনের টাকাগুলি আসলে বেশিরভাগই প্রতারণার টাকা। প্রতারকরা বাঁচার জন্য বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে সেই টাকা পাঠিয়ে দেয়। এধরনের ঘটনা গুজরাট ও ব্যাঙ্গালোরেও ঘটেছে। এটা সত্যি চিন্তার বিষয়। সেক্ষেত্রে, সাধারণ মানুষকে অনেক বেশি সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন তিনি। তাঁর পরামর্শ, এধরনের কোনও ঘটনা ঘটলে প্রথমে থানায় জানাতে হবে। তারপর নির্দিষ্ট ব্যাঙ্কে যেতে হবে।

সাম্যজিতের আরও দাবি, টেকনিক্যাল গ্লিচ হলেও এত টাকা কীভাবে এক অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য অ্যাকাউন্টে চলে যেতে পারে? সেক্ষেত্রে ব্যাঙ্কে আপনার টাকা আদৌ সুরক্ষিত কি না সেটা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সেক্ষেত্রে এটা জালিয়াতি চক্র নাকি ব্যাঙ্কের ত্রুটি সেটা খতিয়ে দেখতে হবে বলে মনে করছেন তিনি।

২০১৫ সাল থেকে ২০২০ সালের মধ্যে নিয়োগ বাতিলের সিদ্ধান্ত এবং রাজ্য সরকারের অনুদানভিত্তিক (Grant-in-Aid) প্রকল্পের আওতায় বেতন প্রদানের দাবি প্রত্যাখ্যান করার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ৩৬১ জন মামলাকারী। তাঁদের মধ্যে থেকে ১৩ জনকে বেছে নেওয়া হয়।

কোনও রিট পিটিশনেরই মেরিট নেই', মাদ্রাসায় শিক্ষক-অশিক্ষক কর্মী নিয়োগ নিয়ে বড় রায় সুপ্রিম কোর্টের
সুুপ্রিম কোর্ট


মাদ্রাসায় (Madrasa) শিক্ষক-অশিক্ষক কর্মী নিয়োগ (Madrasa Teacher Recruitment) নিয়ে বড় রায় সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court)। রাজ্যের অনুমোদিত মাদ্রাসার শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মীদের নিয়োগের বৈধতা নিয়ে মামলা হয় শীর্ষ আদালতে। সেই মামলাই এবার খারিজ করে দিল শীর্ষ আদালত। কোনও রিট পিটিশনেরই কোনও মেরিট নেই। সব আবেদন খারিজ করে পর্যবেক্ষণ বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি এজি মাসিহ-র বেঞ্চের।


পর্যবেক্ষণে কী বললেন বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ?
২০১৫ সাল থেকে ২০২০ সালের মধ্যে নিয়োগ বাতিলের সিদ্ধান্ত এবং রাজ্য সরকারের অনুদানভিত্তিক (Grant-in-Aid) প্রকল্পের আওতায় বেতন প্রদানের দাবি প্রত্যাখ্যান করার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ৩৬১ জন মামলাকারী। তাঁদের মধ্যে থেকে ১৩ জনকে বেছে নেওয়া হয়। শুনানি চলাকালীন সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল, বাছাই করা ১৩ টি আবেদন সম্পর্কে যদি আদালত সন্তুষ্ট হয় তাহলে বাকি মামলাগুলি খতিয়ে দেখা হবে। কিন্তু, সোমবার বিচারপত্তি দত্ত জানান, এই ১৩ আবেদনকারীর কেউই আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারেনি। তাই শুধু এই ১৩ আবেদনই নয়, সমস্ত আবেদনই খারিজ করে দেওয়া হচ্ছে।

ঋতব্রতরাই কি বৈধ তৃণমূল? আদালতের নির্দেশ নিয়ে জবাব দিল 'কালীঘাট তৃণমূল'
বিস্তারিত মামলা 
বিতর্কের সূত্রপাত পশ্চিমবঙ্গ মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন অ্যাক্ট, ২০০৮-কে কেন্দ্র করে। এই অ্যাক্টের মাধ্যমে স্বীকৃত মাদ্রাসাগুলিতে শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করার জন্য একটি আইনানুগ (Statutory) কমিশন গঠন করা হয়। ২০১৪ সালে কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ অ্যাক্টকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে। সিঙ্গেল বেঞ্চের রায়কে বৈধতা দেয় ডিভিশন বেঞ্চও। মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে।


২০১৬ সালে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের রায়ের উপর স্থগিতাদেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। এরপর ২০২০ সালে সুপ্রিম কোর্ট কলকাতা হাইকোর্টের রায় খারিজ করে ২০০৮ এর ওই আইনকে বৈধ বলে ঘোষণা করে।

কিন্তু, ২০১৫ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত এই মামলা শীর্ষ আদালতে বিচারাধীন থাকার সময় মাদ্রাসাগুলিতে লাগাতার শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মচারী নিয়োগ হয়। এই সময়কালের নিয়োগ বৈধ নয় বলে ফের মামলা হয় সুপ্রিম কোর্টে। ২০২৩ সালে একটি কমিটি গঠন করে সুপ্রিম কোর্ট। ২০১৫ সালে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ থেকে ২০২০ সালে সুপ্রিম কোর্টের চূড়ান্ত রায় দেওয়া পর্যন্ত মাদ্রাসায় যে শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মী নিয়োগ হয়েছে তা বৈধ কিনা তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়। একইসঙ্গে কর্মরত শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মচারীদের বেতন দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় রাজ্যকে।

২০২৩ সালে সুপ্রিম কোর্টের গঠিত কমিটি রিপোর্টে জানায়, সংশ্লিষ্ট সময়ের নিয়োগ বৈধ নয়। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে এতদিন শুনানি চলছিল। মোট ৩৬১ জন আবেদনকারী ৪০টি রিট পিটিশন ফাইল করেছিলেন। এর মধ্যে ১৩জন আবেদনকারীর নিয়োগের বৈধতা খতিয়ে দেখা শুরু করে সুপ্রিম কোর্ট। জানানো হয়, যদি এই ১৩জনের নিয়োগ সংক্রান্ত সওয়ালে সুপ্রিম কোর্ট সন্তুষ্ট হয়, তবে বাকি ৩৪৮ জনের আবেদন খতিয়ে দেখা হবে। আজ সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, ১৩ জুনের নিয়োগের বিষয় সন্তুষ্ট নয় সুপ্রিম কোর্ট। স্বাভাবিকভাবেই বাকিদের আবেদন খতিয়ে দেখার প্রয়োজন নেই।


এরপর বিধানসভার সচিব সৌমেন্দ্রনাথ দাস পদাধিকার বলে এই নির্বাচনে রির্টানিং অফিসার এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন। এ দিন, মনোনয়ন পত্র পেশের সময় উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। 


একদিকে শুভেন্দু অন্য়দিকে শমীক, মাঝে সদ্য বিজেপিতে আসা ৩ প্রার্থী, জমা দিলেন মনোনয়ন
মনোনয়ন পেশ


আগে ছিলেন তৃণমূলের (TMC) রাজ্য সভার সাংসদ (MP)। তারপর পালা বদলের পর দল ছাড়েন। এরপর বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের হাত থেকে বিজেপির (BJP) পতাকা তুলে নেন। এরপর সোমবার রাজ্যসভার ভোটে মনোনয়ন পেশ করলেন তৃণমূল ত্যাগী সুস্মিতা দেব, সুখেন্দু শেখর রায় ও প্রকাশ চিক বড়াইক। বর্তমান সমীকরণ অনুযায়ী তৃণমূল ত্যাগী তিনজনেরই জয় নিশ্চিত।


সমীকরণ কী বলছে?



এই ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট থাকলেই ঢুকছে ৭৫৯ কোটি টাকা! কেন ঢুকছে জেনে নিন

৬০টি রথযাত্রা কমিটিকে ৫ লক্ষ করে অনুদান, জানালেন শুভেন্দু
বিধানসভায় অখন্ড তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক রয়েছেন ৮০ জন। কংগ্রেসের ২ জন বিধায়ক, আইএসএফ ও সিপিএম জোটের ২ জন বিধায়ক রয়েছেন। এছাড়া আমজনতা উন্নয়ন পার্টি দু’টি আসনে জিতলেও বিধায়ক এক জন। এ দিকে, বিজেপির একার ২০৭ জন বিধায়ক রয়েছে। রাজ্যসভার নির্বাচনে যে অঙ্ক রয়েছে, এক-একজন প্রার্থীকে ১৪৭টি ভোট পেতে হবে। ফলে বিজেপির কাছে সেই সংখ্যা রয়েছে। অন্যদিকে, বিরোধীরা সবাই একজট হলেও সেই সংখ্যা তৈরি হচ্ছে না। ফলত, এই তিনজনের জয় শুধু সময়ের অপেক্ষা হবে।


মঙ্গলবার এই প্রার্থীদের মনোনয়ন পত্র পরীক্ষা হবে। আগামী ১৭ তারিখ বেলা তিনটের মধ্যে মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের সময় রয়েছে। তারপরই তাঁদের হাতে জয়ের শংসাপত্র তুলে দেওয়া হবে। এরপর বিধানসভার সচিব সৌমেন্দ্রনাথ দাস পদাধিকার বলে এই নির্বাচনে রির্টানিং অফিসার এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন। এ দিন, মনোনয়ন পত্র পেশের সময় উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।

বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর শমীক বলেছিলেন তৃণমূল কর্মীদের দলে জায়গা হবে না। পরে যদিও তিনি বলেছিলেন, ‘ভাল তৃণমূলের জন্য দরজা খোলা’। এরপর দেখা যায় এই তিন তৃণমূলত্যাগীকে যোগদান করান বিজেপির রাজ্য সভাপতি নিজের হাতে। সেই সময় তিনি জানিয়েছিলেন তৃণমূলে থেকে যাঁরা দুর্নীতি করেননি,তাঁদের আগেই পাশে চেয়েছে বিজেপি।