WEATHER

Top News


পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগের তালিকায় রয়েছে ভোট পরবর্তী হিংসায় যুক্ত থাকা, সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচার এবং তোলাবাজির মতো বিষয়। এছাড়াও, ২০২৪ সালে ক্যানিং থানায় ঢুকে তাণ্ডব ও ভাঙচুর চালানো এবং লকআপ থেকে অভিযুক্তদের জোরপূর্বক ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়ার ঘটনার পিছনেও এই চারজনের সরাসরি হাত ছিল বলে পুলিশের দাবি।


ভোট পরবর্তী হিংসায় যুক্ত থাকা-সহ একাধিক অভিযোগ। শুক্রবার বিকেলে ক্যানিং পশ্চিমের তৃণমূল বিধায়ক পরেশরাম দাসের বাড়িতে হানা দিল বিশাল পুলিশ বাহিনী। বিধায়ককে অবশ্য বাড়িতে পাওয়া যায়নি। তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে অন্য চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের বিরুদ্ধেও একাধিক অভিযোগ রয়েছে। নিজেকে বাঁচাতে বিধায়ক গা-ঢাকা দিয়েছেন বলে কটাক্ষ করল বিজেপি।


পরেশরাম দাস মমতা-পন্থী তৃণমূল বিধায়ক। এদিন বিকেল চারটে নাগাদ বারুইপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অনীশ বিশ্বাস এবং ক্যানিং মহকুমা পুলিশ আধিকারিক (SDPO) মোত্তাকিনুর রহমানের নেতৃত্বে বিরাট পুলিশ বাহিনী বিধায়কের বাড়ি ঘিরে ফেলে। শুরু হয় তাঁর বাড়িতে তল্লাশি। বিধায়ককে না পাওয়া গেলেও তাঁর বাড়ি থেকে দিঘিরপাড় গ্রাম পঞ্চায়তের প্রধান শিলাদিত্য রায়-সহ মোট চারজনকে প্রথমে আটক করে পুলিশ। তারপর তাঁদের গ্রেফতার করা হয়।


পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগের তালিকায় রয়েছে ভোট পরবর্তী হিংসায় যুক্ত থাকা, সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচার এবং তোলাবাজির মতো বিষয়। এছাড়াও, ২০২৪ সালে ক্যানিং থানায় ঢুকে তাণ্ডব ও ভাঙচুর চালানো এবং লকআপ থেকে অভিযুক্তদের জোরপূর্বক ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়ার ঘটনার পিছনেও এই চারজনের সরাসরি হাত ছিল বলে পুলিশের দাবি।


বিধায়কের বাড়িতে কেন তল্লাশি?

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়কের বিরুদ্ধে ভোট পরবর্তী হিংসায় যুক্ত থাকা, পঞ্চায়েত ভোটে বিরোধীদের মনোনয়ন জমা করতে না দেওয়া-সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এমনকী, তৃণমূল এই বিধায়কের বিরুদ্ধে ধর্ষণেরও অভিযোগ রয়েছে। সেইসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেই তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালায় পুলিশ। তল্লাশি চালিয়েও তাঁর দেখা না পাওয়ায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা ও বিতর্ক শুরু হয়েছে। BJP-র দাবি, পুলিশের গ্রেফতারির হাত থেকে বাঁচতেই বিধায়ক আগেভাগে গা-ঢাকা দিয়েছেন। এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছেন। তবে এভাবে পালিয়ে আইনের হাত থেকে বিধায়ক নিজেকে বাঁচাতে পারবেন না বলে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য। 



হাওড়া স্টেশনে এর আগেও একাধিকবার বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা ও সোনা-রুপোর সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে। গত সেপ্টেম্বর মাসে বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে আসা এক যাত্রীর কাছ থেকে প্রায় ২১ লক্ষ টাকা নগদ এবং ৩০.১৮ গ্রাম সোনার সামগ্রী উদ্ধার হয়েছিল। বারবার এ ধরনের বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা ও মূল্যবান সামগ্রী উদ্ধারের ঘটনায় হাওড়া স্টেশনে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।


কাঁধে একটা বড় ব্যাগ। সেই ব্যাগ নিয়ে ইতস্তত ঘোরাঘুরি করছিলেন এক যুবক। তাঁকে দেখেই সন্দেহ হয় আরপিএফ জওয়ানদের। তারপরই তাঁরা ওই যুবকের ব্যাগে তল্লাশি চালান। আর তল্লাশি চালাতেই চক্ষু চড়কগাছ। ব্যাগের মধ্যে থরে থরে সাজানো রুপোর থালা, বাটি, প্রদীপ। সবমিলিয়ে রুপোর ওই সব সামগ্রীর ওজন প্রায় সাড়ে ১০ কোজি। যার বাজারমূল্য ২৩ লক্ষ ২৩ হাজার ৫০০ টাকা। ওই রুপোর জিনিসপত্রের কোনও বৈধ নথি দেখাতে পারেননি ওই যুবক। তারপরই তাঁকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া রুপোর জিনিসপত্র এবং আটক যাত্রীকে আয়কর বিভাগের হাতে তুলে দেয় আরপিএফ।


আরপিএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, গতকাল বিবেক কুমার সাউ নামে বছর আঠাশের ওই যাত্রী হাওড়া স্টেশনের পুরনো ডিআরএম বিল্ডিংয়ের সামনে আসেন। তাঁর বাড়ি ঝাড়খণ্ডের রাঁচীতে। হাওড়া-রাঁচী ক্রিয়াযোগা এক্সপ্রেসে চেপে তাঁর ঝাড়খণ্ডে যাওয়ার কথা ছিল। সেই সময় কর্তব্যরত আরপিএফ জওয়ানদের সন্দেহ হওয়ায় তাঁর ব্যাগে তল্লাশি চালানো হয়। ব্যাগ খুলতেই বেরিয়ে আসে বিপুল পরিমাণ রুপোর সামগ্রী।


উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে রুপোর থালা, বাটি, মগ, প্রদীপ, ঘর সাজানোর নানা জিনিস এবং প্রচুর কয়েন। সব মিলিয়ে রুপোর ওজন প্রায় সাড়ে ১০ কেজি। এত বিপুল পরিমাণ রুপোর জিনিস কোথা থেকে এল, কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তা নিয়ে প্রশ্নের যথাযথ উত্তর ওই যাত্রী দিতে পারেননি। এর পরই উদ্ধার হওয়া সমস্ত রুপো বাজেয়াপ্ত করে আয়কর বিভাগের হাতে তুলে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে আটক যাত্রীকেও আয়কর বিভাগের আধিকারিকদের হাতে তুলে দিয়েছে আরপিএফ। কোথা থেকে ওই রুপো আনা হয়েছিল এবং কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


উল্লেখ্য, হাওড়া স্টেশনে এর আগেও একাধিকবার বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা ও সোনা-রুপোর সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে। গত সেপ্টেম্বর মাসে বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে আসা এক যাত্রীর কাছ থেকে প্রায় ২১ লক্ষ টাকা নগদ এবং ৩০.১৮ গ্রাম সোনার সামগ্রী উদ্ধার হয়েছিল। বৈধ নথি দেখাতে না পারায় তাঁকেও আটক করে আয়কর দফতরকে খবর দেয় আরপিএফ। এ ছাড়া, গত সেপ্টেম্বরেই হাওড়া স্টেশনে এক যাত্রীর কাছ থেকে প্রায় ৬৭ লক্ষ টাকা নগদ উদ্ধার হয়। অক্টোবরের শুরুতে ফের এক যাত্রীর ব্যাগ থেকে ৪৪ লক্ষ টাকা উদ্ধার করে আরপিএফ।

বারবার এ ধরনের বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা ও মূল্যবান সামগ্রী উদ্ধারের ঘটনায় হাওড়া স্টেশনে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর উৎস এবং পরিবহণের উদ্দেশ্য জানতে তদন্ত চালাচ্ছেন সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা।




কুণাল ঘোষ বলেন, "সেই ফিরহাদ হাকিম মাঝপথে চলে গেলে বলে কলকাতা পুরবোর্ড বিজেপি ভেঙে দিতে পারল। নইলে মানুষকে আরও পরিষেবা দিতে পারত। রাজনৈতিক ভাবে ফিরহাদ হাকিম বিজেপির কাছে আত্মসমর্পণকারী ব্যক্তি।"

নাম নেননি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee)। তবে ঘুরিয়ে একসময় তাঁর নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর ভাইপো অভিষেককে কটাক্ষ ফিরহাদ হাকিমের। ফের মমতার শিবিরে ফিরে আসা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “দিদি যদি কোনও দিন রক্তকে ছেড়ে ভক্তকে ডাকে, ভক্ত যাবে। কিন্তু আপাতত উনি রক্তকে নিয়েই আছেন।”


মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে লড়াইয়ের অন্যতম সঙ্গী ছিলেন ফিরহাদ হাকিম। তাঁর সময়ের মন্ত্রী ছিলেন। সামলেছেন একাধিক দফতরের দায়িত্ব। তবে পালা বদলের পর মমতার সঙ্গ ছেড়েছেন তিনি। যোগ দিয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে। তবে মমতার সঙ্গ কেন ছেড়েছেন, প্রথম থেকেই এর দায় ঠেলেছেন অভিষেকের কাঁধে। অভিযোগ ছিল দলের এই হাল শুধুমাত্র অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্যই। দলে নাকি অভিযোগ জানানোর কোনও রাস্তাই ছিল না। ঠিক যে যে নেতারা মমতার ‘দুর্দিনে’ সঙ্গ ছেড়েছেন, তাঁদের প্রত্যকেরই মন্তব্য প্রায় একই ছিল।


এখন সময় খানিক কেটেছে। নেত্রী তাঁর গুটি কয়েক সঙ্গী নিয়েই বিরোধিতা চালিয়ে যাচ্ছেন। ফিরহাদ হাকিম কি কখনও আর দাঁড়াবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে? এই নিয়ে বলতে গিয়ে ববি ঘুরিয়ে বলেছেন, “দিদি যদি কোনও দিন রক্তকে ছেড়ে ভক্তকে পছন্দ করেন বা নেন তখন দেখা যাবে। এখন রক্ত তাঁর কাছে আসল। ভক্ত নয়।”


এই নিয়ে পাল্টা বললেন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, “গোটা রাজনৈতিক অস্বিত্বই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর দাঁড়িয়ে আছে। তারপরও ব্যক্তি স্বার্থের জন্য উনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিঠে রাজনৈতিকভাবে ছুরি মেরেছেন। কাউন্সিলর, MIC, একাধিক জেলার দায়িত্ব…সব দিক থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাঁর উপর দায়িত্ব রেখেছিলেন তিনি ফিরহাদ হাকিম। সেই ফিরহাদ হাকিম মাঝপথে চলে গেলে বলে কলকাতা পুরবোর্ড বিজেপি ভেঙে দিতে পারল। নইলে মানুষকে আরও পরিষেবা দিতে পারত। রাজনৈতিক ভাবে ফিরহাদ হাকিম বিজেপির কাছে আত্মসমর্পণকারী ব্যক্তি।”



ICC: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে আইসিসি প্রতিযোগিতা নিয়ে হওয়া হাইব্রিড মডেল চুক্তি অনুযায়ী, দুই দেশের মধ্যে যাবতীয় ম্যাচ নিরপেক্ষ ভেন্যুতে হবে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ও ২০২৮ সালের মহিলাদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত বহাল রাখার কথা হয়।


২০২৮ এর মহিলাদের বিশ্বকাপ হবে পাকিস্তানেই, জানাল আইসিসি! ভারত কোথায় খেলবে?
স্মৃতি মন্ধানা

২০২৮ সালের মহিলাদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে বড় কথা জানাল আইসিসি। এই বিশ্বকাপ আয়োজন করার কথা পাকিস্তানে। আইসিসি জানিয়ে দিয়েছে, পাকিস্তানেই হবে মহিলাদের বিশ্বকাপ। আইসিসি এও বলেছে, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৮ থেকে ১ অক্টোবর ২০২৮ পর্যন্ত চলবে ১২ দলের মহিলাদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। এই প্রতিযোগিতার মূল আয়োজক পাকিস্তান। তবে পাক ভূমে গিয়ে খেলবে না ভারত। টিম ইন্ডিয়ার জন্য বিকল্প কোথায় খেলা হবে, এখনও চূড়ান্ত জানায়নি আইসিসি।


ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে আইসিসি প্রতিযোগিতা নিয়ে হওয়া হাইব্রিড মডেল চুক্তি অনুযায়ী, দুই দেশের মধ্যে যাবতীয় ম্যাচ নিরপেক্ষ ভেন্যুতে হবে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ও ২০২৮ সালের মহিলাদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত বহাল রাখার কথা হয়। ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতেও এই মডেল কার্যকর করা হয়েছিল। পাকিস্তান ছিল মূল আয়োজক ও ভারতের ম্যাচগুলি নিরপেক্ষ ভেন্যু হিসেবে দুবাইতে খেলা হয়েছিল। ভারত সেখানে নিজেদের সব ম্যাচই খেলেছিল। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ফাইনালে জিতেছিল টিম ইন্ডিয়া।



পিসিবির এক কর্তা জানিয়েছেন, বিশ্বকাপ আয়োজন করতে প্রস্তুত পাকিস্তান। তবে ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে যে হাইব্রিড মডেল করা হয়েছিল, সেই একই মডেল এই আসন্ন বিশ্বকাপেও বজায় রাখা হবে। তিনি আরও জানান, নিরপেক্ষ ভেন্যু হিসেবে আরব আমিরশাহী অনেকের পছন্দ হতেই পারে। কারণ পাকিস্তান থেকে দুবাই যাতায়াত সহজ। এতে ভ্রমণের সময় কমবে ও লজিস্টিক্সের খরচও নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে। এই বিশ্বকাপে ভারত নক আউট পর্বে পৌঁছনোর অন্যতম দাবিদার। পিসিবির এই সূত্রের দাবি, যদি ভারত ফাইনালে না ওঠে, তাহলে লাহোর বিশ্বকাপের ফাইনাল আয়োজন করা যেতে পারে। তবে এই বিষয়ে আইসিসির তরফে কোনও চূড়ান্ত ঘোষণা করা হয়নি।



দুপুরের পর থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুরে কয়েক জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে। পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, উত্তর ২৪ পরগনা, হাওড়া, কলকাতায় এক-দুই জায়গায় হালকা বৃষ্টি হবে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে ৩০-৪০ কিমি বেগে দমকা হাওয়া সহ বজ্রবিদ্যুৎ।


পুজো শেষ হল, তার তারপরই ঘূর্ণঝড়ের ইঙ্গিত। সাগরে আরও শক্তি বাড়াচ্ছে নিম্নচাপ। সেই কারণে রবিবার থেকে ঝড়-বৃষ্টির সতর্কতা জারি থাকছে। হাওয়া অফিস বলছে, ২৪ অক্টোবর অর্থাৎ শনিবার বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ শক্তি বাড়িয়ে সুস্পষ্ট নিম্নচাপে পরিণত হবে। বর্তমানে পূর্বমধ্য এবং দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে অবস্থান রয়েছে।


নিম্নচাপের গতিবিধি


২০২৮ এর মহিলাদের বিশ্বকাপ হবে পাকিস্তানেই, জানাল আইসিসি! ভারত কোথায় খেলবে?
আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আজ এটি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। এরপর এটি ২৫ অক্টোবর অতি-গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে।


২৬ অক্টোবর অর্থাৎ সোমবার সকালে পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা।

তারপর আরও শক্তি বাড়িয়ে উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ ও সংলগ্ন দক্ষিণ ওড়িশা উপকূলের দিকে এগোবে।

আবহাওয়াবিদদের অনুমান, অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূল এলাকা কাঁকিনাড়ার কাছে এটি শুক্রবার সকালে স্থলভাগে প্রবেশ অর্থাৎ ল্যান্ড ফল করতে পারে।

ঝড়-বৃষ্টি কবে হবে?

এর প্রভাবে ২৭ অক্টোবর মঙ্গলবার থেকে পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টি শুরু হবে। ২৮ থেকে ৩০ অক্টোবর রাজ্যে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া উপকূলের জেলায়।

আগামী ২৭ অক্টোবর থেকে দক্ষিণবঙ্গে সকাল থেকে আবহাওয়ার পরিবর্তন হবে। আংশিক মেঘলা আকাশ উপকূলে মেঘলা আকাশের সম্ভাবনা থাকছে।

দুপুরের পর থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুরে কয়েক জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে। পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, উত্তর ২৪ পরগনা, হাওড়া, কলকাতায় এক-দুই জায়গায় হালকা বৃষ্টি হবে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে ৩০-৪০ কিমি বেগে দমকা হাওয়া সহ বজ্রবিদ্যুৎ।

এরপর ২৮ অক্টোবর বুধবার ঝড় বৃষ্টির পরিমাণ ও ব্যাপকতা বাড়বে।

দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় অনেক জায়গায় বৃষ্টি হবে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রামে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে। তিরিশ থেকে চল্লিশ কিলোমিটার বেগে দমকা বাতাস বইবে।

৬) ২৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সব জেলার বেশিরভাগ জায়গায় বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকছে। বৃষ্টি হবে, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়ায় ভারী বৃষ্টি। সব জেলায় ৩০-৪০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে।

শুক্রবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ ও ব্যাপকতা কিছুটা করে কমবে। রবিবার থেকে অনেকাংশে কমবে।

অপরদিকে, ২৮ অক্টোবর বুধবার সকাল থেকে আংশিক মেঘলা আকাশ। সব জেলায় কয়েক জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

২৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার অনেক জায়গায় বৃষ্টি, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ারে ভারী বৃষ্টি। মালদা, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।



স্বামী খোকন ছিলেন ভিনরাজ্যে কর্মরত পরিযায়ী শ্রমিক। অভিযোগ, একাধিক যুবকের সঙ্গে স্ত্রীর সম্পর্ক ছিল। আত্মীয়রা নিষেধ করা সত্ত্বেও তিনি কথা শুনতেন না। পারিবারিক বিবাদও ছিল স্বামী-স্ত্রীর। মীমাংসা করতেই স্বামীকে সম্প্রতি ডাকা হয় ভিনরাজ্য থেকে। বাড়ি ফিরতেই বিরিয়ানিতে বিষ মিশিয়ে স্বামীকে খুনের অভিযোগ উঠেছে।


ভিনরাজ্যে থাকেন স্বামী। সদ্য বাড়ি ফিরেছিলেন। এই ফেরাই যে শেষ ফেরা হবে, তা কল্পনা করেননি পরিবারের সদস্যরা। বাড়ি ফিরে বিরিয়ানি খেয়ে সবাই সুস্থ রইলেন, অথচ অসুস্থ হয়ে পড়লেন খোকন কারিকর। হাসপাতালে ভর্তি করা হলে, চলে যমে-মানুষে লড়াই। শেষ পর্যন্ত বাঁচানো সম্ভব হয়নি। এই ঘটনায় স্ত্রীর দিকেই উঠেছে অভিযোগের আঙুল।


স্বামী খোকন ছিলেন ভিনরাজ্যে কর্মরত পরিযায়ী শ্রমিক। অভিযোগ, একাধিক যুবকের সঙ্গে স্ত্রীর সম্পর্ক ছিল। আত্মীয়রা নিষেধ করা সত্ত্বেও তিনি কথা শুনতেন না। পারিবারিক বিবাদও ছিল স্বামী-স্ত্রীর। মীমাংসা করতেই স্বামীকে সম্প্রতি ডাকা হয় ভিনরাজ্য থেকে। বাড়ি ফিরতেই বিরিয়ানিতে বিষ মিশিয়ে স্বামীকে খুনের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে শান্তিপুরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।


নদিয়ার শান্তিপুরের ফুলবাগান মাঠ সংলগ্ন জামাত কলোনিতে খোকন কারিকরের মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, স্ত্রী হাসিনা বেগম ও ফিরদৌস নামে এক যুবক ষড়যন্ত্র করে বিরিয়ানির সঙ্গে বিষ মিশিয়ে খোকনকে খাওয়ান।


অসুস্থ অবস্থায় একাধিক হাসপাতালে চিকিৎসার পর প্রায় এক সপ্তাহের মাথায় মৃত্যু হয় ওই যুবকের। প্রথমে বমি শুরু হয়েছিল। পরে চিকিৎসকরা তাঁকে বলেন যে তাঁর শরীরে বিষ রয়েছে। তারপর থেকেই অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে। একই বিরিয়ানি পরিবারের বাকি সদস্যরাও খেয়েছিলেন। তাঁরা সুস্থই আছেন। তাঁদের দুই সন্তান রয়েছে। শান্তিপুর থানায় খুনের অভিযোগ দায়ের করেছে পরিবার। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের দাবি উঠেছে।



এই প্রথম আয়োজিত হচ্ছে ফিফা অনুর্ধ্ব ১৫ বিশ্বকাপ। প্রতিযোগিতায় মোট ১৮৯টি দেশ অংশগ্রহণ করছে ও তাদের মোট ৩২টি গ্ৰুপে ভাগ করা হয়েছে। ম্যাচগুলি হচ্ছে ৮ জনের দলীয় ফরম্যাটে। এখানেই সম্পূর্ণ ম্যাচ হবে ৪০ মিনিটে, যার মধ্যে ২০ মিনিট করে দুটি অর্ধ।


ফুটবল বিশ্বকাপে বাঙালির গোল, লাওসকে হারিয়ে অভিযান শুরু ভারতের ছোটদের
ভারতীয় ফুটবল দল

বিশ্বকাপে গোল করছেন কোনও বাঙালি, এও কি কোনোদিনও ভেবেছিলেন কেউ? কিন্তু হল। ফুটবল বিশ্বকাপে গোল পেলেন রিষড়ার ১৫ বছরের সৌম্যজিৎ সরকার। ফিফা অনুর্ধ্ব ১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভ্যাল আজারবাইজান ২০২৬-এ দুরন্ত জয় দিয়ে নিজেদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করল ভারত। শনিবার বাকুর হোভসান কম্পিটিশন কমপ্লেক্সে গ্ৰুপ কে-র ম্যাচে লাওসকে ৪-২ গোলে হারাল বিবিয়ানো ফার্নান্দেজ ও রণজিৎ বাজাজের প্রশিক্ষণাধীন ভারত। জোড়া গোল করে ম্যাচের নায়ক আর লালরেমরুয়াতফেলা। একটি করে গোল করেছেন অধিনায়ক ম্যাকডনিশ নাংইরাংবাম ও সৌম্যজিৎ সরকার।




নিয়ম অনুযায়ী, দুই দলেই ছিল ৮ জন ফুটবলার। প্রথমার্ধের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে ভারত। ম্যাচের সপ্তম মিনিটেই ম্যাকডনিশের গোলে এগিয়ে যায় ব্লু কোল্টস। এর ৪ মিনিট পর আবার গোল পায় ভারত। এবার গোল করেন লালরেমরুয়াতফেলা। তবে ভারতীয় দলের সেই আনন্দ বেশিক্ষন স্থায়ী হয়নি। এর পরের মিনিটেই দূরপাল্লার শটে ব্যবধান কমান লাওসের অনাভিন জাইয়াসোনে। প্রথমার্ধের বাকি সময়ে আর কোনও গোল হয়নি। বিরতির পর ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে লাওস। ২৪ মিনিটে সৌকশাভান গোল করে সমতা ফিরিয়ে দেন লাওসকে। ফলে চাপ বাড়ে ভারতের উপর। ম্যাচের ৩১ মিনিটের মাথায় ফের এগিয়ে যায় ভারত। সৌম্যজিতের পাস থেকে দুরন্ত বাঁ পায়ের শটে গোল করেন লালরেমরুয়াতফেলা। এর ঠিক মিনিট দুয়েক পর অর্থাৎ ৩৩ মিনিটে গেল করেন সৌম্যজিৎ। মাঝমাঠের কাছাকাছি জায়গা থেকে তাঁর দূরপাল্লার শট লাওসের গোলরক্ষককে টপকে জালে জড়িয়ে যায়। এর ফলে ৪-২ এগিয়ে যায় ভারত। ম্যাচের বাকি সময়ে আর কোনও গোল করতে পারেনি লাওস ফলে ৪-২ জিতেই ৩ পয়েন্ট পেল ভারত।

উল্লেখ্য, এই প্রথম আয়োজিত হচ্ছে ফিফা অনুর্ধ্ব ১৫ বিশ্বকাপ। প্রতিযোগিতায় মোট ১৮৯টি দেশ অংশগ্রহণ করছে ও তাদের মোট ৩২টি গ্ৰুপে ভাগ করা হয়েছে। ম্যাচগুলি হচ্ছে ৮ জনের দলীয় ফরম্যাটে। এখানেই সম্পূর্ণ ম্যাচ হবে ৪০ মিনিটে, যার মধ্যে ২০ মিনিট করে দুটি অর্ধ। জয় দিয়ে শুরু করলেও এবার কঠিন পরীক্ষা ভারতের সামনে। আগামীকাল, রবিবার ভারতীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ ক্যামেরুনের বিরুদ্ধে খেলবে ভারত। একই দিনে বিকেল ৫টা ১৫ নাগাদ গ্রানাডার মুখোমুখি হবে টিম ইন্ডিয়া। এরপর ২৬ তারিখ বাহরাইন ও সেনেগালের বিরুদ্ধে খেলবে ভারত। ৫ ম্যাচের ফলাফলের ভিত্তিতে দ্বিতীয় পর্যায়ে কোন স্তরে খেলবে ভারত, তা নির্ধারিত হবে।



তাঁর মতে, গত সাড়ে তিন বছরে ভারত যে প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জন করেছে, তা দেশের নিজস্ব মোবাইল ব্র্যান্ড তৈরির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। এবার সেই দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে ভারতীয় ব্র্যান্ড, ভারতীয় ডিজাইন এবং মেধাস্বত্ব বা ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি (IP)-র মালিকানা দেশের মধ্যেই ধরে রাখার লক্ষ্য নিয়েছে কেন্দ্র।


আর কোনও বিদেশি কোম্পানি নয়, এবার ভারতীয়দের হাতে থাকবে দেশে তৈরি ফোনই! আগামী দুই বছরের মধ্যেই এই স্বপ্ন সত্যি হবে। প্রতিশ্রুতি দিলেন কেন্দ্রীয় তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw)।


শুক্রবার এনডিটিভি-র একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে বড় পরিকল্পনার কথা ভাগ করে নিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তিনি বলেন, “আজ ২৩ অক্টোবর, ২০২৬। প্লিজ নোট করে রাখুন, ২৩ অক্টোবর, ২০২৮-র মধ্যে আপনার কাছে ভারতীয় ডিজাইনে, ভারতে উৎপাদিত, ভারতীয় ব্র্যান্ডের মোবাইল থাকবে।”


হাতে মোবাইল ফোন নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বোঝান যে একটি মোবাইল ফোন তৈরি করা যতটা সহজ মনে হয়, বাস্তবে তা ততটাই জটিল। একটি ছোট্ট মোবাইলের মধ্যেই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ এবং প্রযুক্তি একসঙ্গে কাজ করে। তাই মোবাইলের ডিজাইন তৈরি করা যথেষ্ট কঠিন। তবে গত কয়েক বছরে এই ক্ষেত্রেও ভারত উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে বলে দাবি করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।


কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানান, প্রায় তিন বছর আগে ভারতীয় ডিজাইনারদের সামনে মোবাইল ফোনের মাদারবোর্ড বা পিসিবি (PCB) তৈরির চ্যালেঞ্জ রেখেছিল কেন্দ্র। তিনি প্রশ্ন করেছিলেন, “তোমরা কেন মাদারবোর্ড তৈরি করতে পারো না?”। সেই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে দুটি সংস্থা মাদারবোর্ডের ডিজাইন তৈরি করে। এর মধ্যে একটি সংস্থার ডিজাইন বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছে। বর্তমানে সেই ডিজাইন আমেরিকার অন্যতম বৃহৎ টেলিকম পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থার জন্য নির্বাচিত হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

আমেরিকায় ভারতীয় ডিজাইনে তৈরি ৫জি (5G) ফোন-
অশ্বিনী বৈষ্ণবের দাবি, ভারতীয় সংস্থার তৈরি ডিজাইন ব্যবহার করে 5G-র উন্নত প্রযুক্তিসম্পন্ন মোবাইল ফোন তৈরি করা হয়েছে। সেই ফোন ইতিমধ্যেই আমেরিকার অন্যতম বৃহৎ টেলিকম পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থার কাছে সরবরাহ করা হয়েছে এবং গ্রাহকদের হাতেও পৌঁছে গিয়েছে। তিনি জানান, আমেরিকায় মোবাইল ফোন কেনার সময় অনেক ক্ষেত্রে টেলিকম পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থার সঙ্গে ১২ মাসের চুক্তিও করা হয়। সেই ব্যবস্থার আওতায় এই ফোনের চুক্তিও ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান তিনি।

তাঁর মতে, গত সাড়ে তিন বছরে ভারত যে প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জন করেছে, তা দেশের নিজস্ব মোবাইল ব্র্যান্ড তৈরির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। এবার সেই দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে ভারতীয় ব্র্যান্ড, ভারতীয় ডিজাইন এবং মেধাস্বত্ব বা ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি (IP)-র মালিকানা দেশের মধ্যেই ধরে রাখার লক্ষ্য নিয়েছে কেন্দ্র। এই উদ্যোগের মাধ্যমে তৈরি মোবাইল ফোন ভবিষ্যতে বিপুল সংখ্যায় বিক্রি হবে বলেও আশাপ্রকাশ করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

মোবাইল ডিজাইন করা এত কঠিন কেন?
অশ্বিনী বৈষ্ণব ব্যাখ্যা করেন যে একটি ছোট্ট মোবাইলের মধ্যে রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি যোগাযোগের ব্যবস্থা, অ্যান্টেনা, কম্পিউটিং ইউনিট, মেমোরি, ক্যামেরা মডিউল, ডিসপ্লে, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ এবং পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট ব্যবস্থা রাখতে হয়। এই সমস্ত যন্ত্রাংশকে খুব কম জায়গার মধ্যে সাজাতে হয়। একই সঙ্গে মোবাইলের ওজন, বিদ্যুতের ব্যবহার এবং প্রতিটি যন্ত্রাংশের কার্যকারিতার দিকেও নজর রাখতে হয়। ফলে এত ছোট আকারের একটি ডিভাইসে সব কিছু সঠিকভাবে যুক্ত করে কার্যকর মোবাইল তৈরি করা অত্যন্ত জটিল কাজ।

কংগ্রেস সরকারের নীতির সমালোচনা-
এদিন দেশের উৎপাদন ক্ষেত্রের অতীত পরিস্থিতি নিয়েও কংগ্রেসকে নিশানা করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তাঁর দাবি, পূর্ববর্তী কংগ্রেস সরকারগুলির তৈরি বিভিন্ন নিয়ম, বিধি এবং আইনের কারণে দেশের উৎপাদন ক্ষেত্র বাধার মুখে পড়েছিল। তিনি বলেন, “১৯৯০ সাল থেকে উদার অর্থনীতির প্রক্রিয়া শুরু হয়। ২০০৪ সাল পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া ভালোভাবে এগিয়েছিল। কিন্তু ২০০৪ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে ফের নিয়ন্ত্রণমূলক মানসিকতা ফিরে আসায় উৎপাদন ক্ষেত্রের অগ্রগতি বাধাপ্রাপ্ত হয়”।

মন্ত্রী আরও বলেন, “২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে সরকার গঠনের পর ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ নীতির মাধ্যমে দেশের উৎপাদন ক্ষেত্রকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”

তাঁর মতে, ভারতের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ইতিহাসের প্রেক্ষাপট বিবেচনা করলেই বোঝা যাবে, বর্তমানে দেশ কোন জায়গায় দাঁড়িয়ে রয়েছে।



টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ভারত। শুরু থেকেই ভাল বোলিং করছিল ভারত। ৬ ওভারের মধ্যেই সাজঘরে ফিরে যান ৩ কিউয়ি ব্যাটার - টিম সেইফার্ট, ফিন অ্যালেন ও ড্যারেল মিচেল। এরপর থেকেই ধীরে ধীরে ছন্দে ফেরে নিউজিল্যান্ড। গ্লেন ফিলিপ্স ও বেভন জেকবস পাল্টা আক্রমণ শুরু করে ভারতের উপর।


 ১০৮ দিন পর ভারতীয় দলে সুযোগ পেলেন বৈভব সূর্যবংশী। তিনি ব্যর্থ হলেন। তবুও জিতল ভারত। একসময় দরকার ছিল ১৮ বলে ৪৬ রান। সেখান থেকেই নাটকীয় কামব্যাক ভারতের। ১৮১ রান তাড়া করতে নেমে শেষ ওভারে জিতল ভারত। জেতালেন সেই তিলক ভার্মা ও নীতিশ রেড্ডি। গত ম্যাচেও দারুন ব্যাটিং করেছিলেন তিলক। আজও দুরন্ত হাফসেঞ্চুরি করলেন তিনি। এই ম্যাচ জিতে ৫ ম্যাচের সিরিজ ২-০ এগিয়ে গেল ভারত।


টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ভারত। শুরু থেকেই ভাল বোলিং করছিল ভারত। ৬ ওভারের মধ্যেই সাজঘরে ফিরে যান ৩ কিউয়ি ব্যাটার – টিম সেইফার্ট (৭), ফিন অ্যালেন (১৬) ও ড্যারেল মিচেল (৬)। এরপর থেকেই ধীরে ধীরে ছন্দে ফেরে নিউজিল্যান্ড। গ্লেন ফিলিপ্স ও বেভন জেকবস পাল্টা আক্রমণ শুরু করে ভারতের উপর। ৪৩ বলে ৭০ রান করেন ফিলিপ্স। ৪৬ বলে ৫৮ রানের ইনিংস খেলেন জেকবসও। তাঁদের বদান্যতায় ২০ ওভারের শেষে ১৮০ রান স্কোরবোর্ডে তুলতে সক্ষম হয় নিউজিল্যান্ড। শেষে মাইকেল ব্রেসওয়েল ২ বলে ১০ রানে অপরাজিত থাকেন। ভারতের হয়ে সবথেকে বেশি রান দিয়েছেন ভুবনেশ্বর কুমার। তাঁর বোলিং স্ট্যাট ৪-০-৫০-১। ২টি উইকেট পেয়েছেন অর্শদীপ সিং। ৩৩ রান দিয়ে সেইফার্ট ও ফিলিপ্সকে আউট করেন তিনি। ১টি করে উইকেট পেয়েছেন নীতিশ রেড্ডি ও প্রিন্স যাদবও।


জবাবে ব্যাট করতে নেমে প্রথমে ভাল শুরু করেছিল ভারত। কিন্তু পঞ্চম ওভার থেকেই শুরু ভরাডুবি। ৪ ওভারের মধ্যে দ্রুত ৩ উইকেট খুইয়ে ফেলে ভারত। ১৭ বলে ১৪ করে আউট হন সঞ্জু স্যামসন। ২১ বলে ২৭ করেন অভিষেক শর্মা। ১০৮ দিন পরে ভারতীয় দলে ফিরেও বড় রান পেলেন না বৈভব (৪)। অধিনায়ক শ্রেয়সও ব্যর্থ (৭)। রান পাননি অক্ষর প্যাটেলও (১১)। কিন্তু ১৮তম ওভারে ১৭ রান দিলেন জেকব ডাফি। প্রায় হারা ম্যাচে ভারতকে জয়ের সরণিতে ফেরালেন তিলক ভার্মা ও নীতিশ রেড্ডি। ১৯ তম ওভারে এল ১৮ রান। এরপরেই বোঝা গিয়েছিল ভারতের জয় স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। শেষে ১ বল বাকি থাকতেই ম্যাচ জিতে যায় টিম ইন্ডিয়া। ২৬ বলে ৫১ রানে অপরাজিত রইলেন তিলক। ১৩ বলে ২৬ রানে অপরাজিত রইলেন নীতিশ রেড্ডিও।



গত মাসে নয়াদিল্লিতে ব্রিকস (BRICS) সম্মেলনের ফাঁকেও শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তিনি জোর দিয়ে বলেন, "দুই দেশকেই পরস্পরের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলির প্রতি সংবেদনশীল থাকতে হবে। পারস্পরিক সম্মান, সংবেদনশীলতা এবং স্বার্থ—এই তিনটি নীতির ভিত্তিতেই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পরিচালিত হওয়া উচিত।"


অরুণাচল প্রদেশ নিয়ে উত্তেজনা। আইটিবিপির প্রধান জানিয়েছেন, অরুণাচল প্রদেশে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় ভারত-চিনের সংঘর্ষ চলছে। এই প্রথম অরুণাচল প্রদেশে চিনের উৎপাত বা আগ্রাসন নিয়ে মুখ খোলা হল। এরপরই কেন্দ্রীয় সরকারের তরফেও বিবৃতি দেওয়া হল। ভারতের তরফে বলা হল, চিনের লাল ফৌজ যদি নির্দিষ্ট পেট্রোলিং প্যাটার্ন থেকে সরে আসে, তাহলেই প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে। ভারত-চিনের সম্পর্কের উন্নতির জন্য সীমান্তে শান্তি ও স্থিতাবস্থা থাকা জরুরি বলেও জানিয়েছে ভারত।


বৃহস্পতিবার রাজস্থানের আলওয়ারে আইটিবিপির জওয়ানদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ইন্দো-টিবেটিয়ান বর্ডার পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল শত্রুজিৎ কাপুর বলেন যে অরুণাচল প্রদেশের সীমান্তে বেশ কিছু জায়গায় সংঘর্ষ চলছে।

এই মন্তব্যের পরই বিতর্ক-জল্পনা তৈরি হয়। বিরোধীরা সুর চড়ায় যে কেন্দ্র কেন এতদিন চিনের সঙ্গে সংঘাত নিয়ে মুখ খোলেনি। এরপরই বিদেশ মন্ত্রকের তরফে বিবৃতি দেওয়া হল। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “ভারত-চিন সীমান্তে চিনা সেনা নির্দিষ্ট টহলদারির নিয়ম থেকে সরে এলেই মাঝেমধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তবে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (LAC) বরাবর ভুল বোঝাবুঝি এবং ভুল পদক্ষেপ এড়াতে দুই দেশই কূটনৈতিক ও সামরিক স্তরে আলোচনা চালিয়ে যাবে।”


তিনি আরও জানান, সীমান্তের নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা সম্পর্কে দুই দেশের বোঝাপড়া আরও স্পষ্ট করতে আলোচনা চালানোর বিষয়ে সম্মত হয়েছে ভারত ও চিন। এর ফলে সীমান্ত পরিচালনার ক্ষেত্রে সুবিধা হবে বলে মনে করা হচ্ছে। রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সামগ্রিক উন্নতির জন্য সীমান্ত এলাকায় শান্তি ও স্থিতাবস্থা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।”

অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার রাজস্থানের আলওয়ারে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ইন্দো-তিব্বত সীমান্ত পুলিশ বা আইটিবিপি (ITBP)-র প্রধান জানান, সীমান্তের সমস্ত ইউনিটে ড্রোন পরিচালনার জন্য বিশেষ প্লাটুন তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি, গালওয়ান উপত্যকার সংঘর্ষের মতো পরিস্থিতি আরও ভালোভাবে মোকাবিলা করার জন্য ‘স্ট্রাইক’ নামে একটি নতুন প্রশিক্ষণ কোর্সও চালু করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে গালওয়ান উপত্যকায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর ভারত ও চিনের সম্পর্কের ব্যাপক অবনতি হয়। এরপর পূর্ব লাদাখে দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে চার বছরেরও বেশি সময় ধরে সামরিক সংঘাতের পরিস্থিতি বজায় ছিল। গত এক বছরে অবশ্য সম্পর্ক স্বাভাবিক করার জন্য একাধিক পদক্ষেপ করেছে দুই দেশ।

২০২৪ সালের অক্টোবরে পূর্ব লাদাখের ডেপসাং ও ডেমচক থেকে সেনা সরানো নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছয় ভারত ও চিন। এই দুটি এলাকাই ছিল পূর্ব লাদাখের শেষ দুটি সংঘাতপ্রবণ এলাকা। এর কয়েক দিন পরেই কাজানে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নত করার জন্য একাধিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় সেই বৈঠকে।

এরপর গত বছরের অগস্টে চিনের তিয়ানজিনে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন-র বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিতে যান প্রধানমন্ত্রী মোদী। সম্মেলনের ফাঁকে শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা করেন তিনি। সেই সময় মোদী জানান, পারস্পরিক আস্থা, সম্মান এবং সংবেদনশীলতার ভিত্তিতে চিনের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যেতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ভারত।

গত মাসে নয়াদিল্লিতে ব্রিকস (BRICS) সম্মেলনের ফাঁকেও শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তিনি জোর দিয়ে বলেন, “দুই দেশকেই পরস্পরের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলির প্রতি সংবেদনশীল থাকতে হবে। পারস্পরিক সম্মান, সংবেদনশীলতা এবং স্বার্থ—এই তিনটি নীতির ভিত্তিতেই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পরিচালিত হওয়া উচিত।”

ভারতের বক্তব্য, সীমান্তের অমীমাংসিত সমস্যাগুলি সমাধান করতে এবং প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে দুই দেশকে কূটনৈতিক ও সামরিক স্তরে আলোচনা চালিয়ে যেতে হবে। একই সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতির জন্য সীমান্তে শান্তি বজায় রাখাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।




শুক্রবার দুপুরে মদন মিত্র বলেছিলেন, "প্রতীক যেই পাক না কেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল কংগ্রেস হল সমার্থক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হলেন আল্টিমেট তৃণমূল।" শুক্রবার রাতেই একটি ভিডিয়োতে অন্য কথা বলেন মদন মিত্র।


কখনও বলছেন রাজনৈতিক সন্ন্যাস নেবেন, কখনও করছে মমতার স্তূতি। বিগত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে একবার নয়, একাধিকবার শিরোনামে এসেছেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র (Madan Mitra)। ভোটে বিজেপির জয়ের পর বেশ কিছুদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের আশপাশে দেখা গেলেও পরে তিনি ঋত-তৃণমূলে যোগ দেন। শুক্রবার দুপুরে সেই মদন মিত্র বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূলের আল্টিমেট নেত্রী।” আর এ কথা বলার ১২ ঘণ্টার মধ্যেই উল্টো কথা শোনা গেল মদনের মুখে।


শুক্রবার দুপুরে মদন মিত্র বলেছিলেন, “প্রতীক যেই পাক না কেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল কংগ্রেস হল সমার্থক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হলেন আল্টিমেট তৃণমূল।” শুক্রবার রাতেই একটি ভিডিয়োতে মদন মিত্র বলেন, “আপনাদের নেত্রী, একদিন আমার নেত্রী ছিলেন। এই জায়গাটা ভালো করে স্পষ্ট করে নিন। যেমন, একদিন অটল বিহারী ছিলেন। পাস্ট টেন্স।” এখানেই শেষ নয়। মদন মিত্র বলেন, “শুভেন্দু অধিকারী এই মর্যাদা আদায় করে নিয়েছেন। তাঁকে ফ্লোর টেস্ট দিতে হবে বলে আমি মনে করি না। যদি দিতে হয়, তাহলে, আপনি বলেছেন ২৭৫ জন আছেন… দেখা যাবে ২৯০ হয়ে গিয়েছে।” শুভেন্দু অধিকারী আগামী ২০ বছর মুখ্যমন্ত্রী থাকবেন বলে মনে করেন তিনি।




'আর কখনও সৌদি যাব না...' কান ধরে বলছেন বাংলাদেশিরা, ঠিক কী কী হয় ওই দেশে?
সকালে একরকম, রাতে একরকম কথা বলছেন মদন মিত্র! এই প্রসঙ্গে মমতা-তৃণমূলের দাবি, সবটাই পুলিশ বা ইডি-র নোটিস পাওয়ার উপর নির্ভর করে। মমতা তৃণমূলের নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় বলেন, “পুলিশের নোটিস পেলে একরকম কথা বলবেন, ইডি-র নোটিস পেলে একরকম কথা বলবেন। এসব কথার কোনও মানে হয় না।” অন্যদিকে, বিজেপি নেতা তথা রাজ্যের মন্ত্রী পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ বলেন, “কী বলেছেন, তার কোনও গুরুত্ব নেই। কখন বলেছেন, সেটা গুরুত্বপূর্ণ।”



 শিউলি আরও দাবি করেন যে এলাকায় গিয়ে মানুষকে পরিষেবা দিতে চাইলেও যেতে পারছেন না তিনি। সব অফিসারদের বলেছেন, তাতেও কোনও লাভ হয়নি। বন্যা পরিস্থিতিতেও এলাকায় গিয়ে ত্রাণ দিতে পারেননি বলে আক্ষেপ করেন তিনি। বিধায়ক বলেন, "সব বাউন্ডারি পার করে, বিজেপি নেতাদেরও বলেছি। তারপরও যেতে পারিনি।" 


কেউ কথা রাখেনি...', ক্ষোভ উগরে দিলেন শিউলি সাহা
শিউলি সাহা

 মমতার হাত ছেড়ে ঋতব্রত-শিবিরে যাঁরা নাম লিখিয়েছেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম কেশপুরের বিধায়ক শিউলি সাহা (Seuli Saha)। রাজ্য বিধানসভায় বিরোধী তকমা পাওয়া সেই দলের বিধায়ক এবার ক্ষোভ উগরে দিলেন। ক্ষোভ প্রশাসনের বিরুদ্ধে, ক্ষোভ বিজেপির একাংশের বিরুদ্ধেও। বললেন, ‘কেউ কথা রাখেনি।’


শিউলিকে দেওয়া কোন কথা, কে রাখেননি, তা স্পষ্ট না করলেও বিধায়ক প্রশ্ন তুলেছেন নিরাপত্তা নিয়ে। নিরাপত্তার অভাবে নাকি নিজের কেন্দ্র কেশপুরে যেতে পারছেন না শিউলি। পুলিশ-প্রশাসনের দরজায় ঘুরেও নাকি কোনও লাভ হয়নি, বলছেন বিধায়ক।


চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে নিজেদের শেয়ার কমাবে কেন্দ্র, বেসরকারি হয়ে যাবে দুটি ব্যাঙ্ক?
সম্প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘আল্টিমেট তৃণমূল’ বলে শিরোনামে এসেছেন ঋত-শিবিরের আর এক বিধায়ক মদন মিত্র। কার্যত তাঁর সুরে সুর মিলিয়ে শিউলি সাহাও বলছেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার নেত্রী। তাঁর প্রতি আমি শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।” তবে কালীঘাটে গিয়ে বিজয়ার প্রণাম করার পরিস্থিতি নেই বলে দাবি করে শিউলি বলেন, “আমি আপনাদের মাধ্যমে প্রণাম জানাচ্ছি।”


শিউলি আরও দাবি করেন যে এলাকায় গিয়ে মানুষকে পরিষেবা দিতে চাইলেও যেতে পারছেন না তিনি। সব অফিসারদের বলেছেন, তাতেও কোনও লাভ হয়নি। বন্যা পরিস্থিতিতেও এলাকায় গিয়ে ত্রাণ দিতে পারেননি বলে আক্ষেপ করেন তিনি। বিধায়ক বলেন, “সব বাউন্ডারি পার করে, বিজেপি নেতাদেরও বলেছি। তারপরও যেতে পারিনি।”


কেমোথেরাপিতে ক্লান্ত শরীর, পাশে শুয়ে থাকা প্রেমিকই ঘুমের মধ্য়ে ধর্ষণ করতেন দিনের পর দিন


তদন্তে জানা গিয়েছে, আপৎকালীন পরিস্থিতিতে ঘোষণা করার জন্য পুজো কমিটির তরফে মোট ১২টি মাইক বসানো হয়েছিল। সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ, মুক্তারামবাবু স্ট্রিট এবং পার্বতী ঘোষ লেন জুড়ে ওই মাইকগুলি রাখা ছিল। মঞ্চ ভেঙে পড়ার কথা এই ১২টি মাইক থেকেই ঘোষণা করা হয়েছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে।


চোরবাগানকাণ্ডে (Chorbagan Incident) মঞ্চ ভেঙে পড়ার ঘোষণা ঘিরে নতুন তথ্য সিট-এর (SIT) তদন্তে। মূল থিম মণ্ডপের প্রবেশপথ অর্থাৎ অমর বসু সরণিতে মঞ্চ ভেঙে পড়ার কোনও ঘোষণা করা হয়নি। বিশেষ তদন্তকারী দলের প্রাথমিক তদন্তে এমনই তথ্য উঠে এসেছে। তদন্তকারীদের দাবি, ঘটনার সময় সেখানে উপস্থিত পুলিশকর্মী ও দর্শনার্থীদের বয়ানে সেই ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে। তাঁদের দাবি, অমর বসু সরণিতে অর্থাৎ মণ্ডপের প্রবেশপথে মঞ্চ ভেঙে পড়ার কোনও ঘোষণা শুনতে পাননি তাঁরা।


সিটের তদন্তে আর কী কী তথ্য উঠে এসেছে?
তদন্তে জানা গিয়েছে, আপৎকালীন পরিস্থিতিতে ঘোষণা করার জন্য পুজো কমিটির তরফে মোট ১২টি মাইক বসানো হয়েছিল। সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ, মুক্তারামবাবু স্ট্রিট এবং পার্বতী ঘোষ লেন জুড়ে ওই মাইকগুলি রাখা ছিল। মঞ্চ ভেঙে পড়ার কথা এই ১২টি মাইক থেকেই ঘোষণা করা হয়েছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে। ভাইরাল হওয়া ভিডিয়োতে মণ্ডপের কাছাকাছি যে ঘোষণার শব্দ শোনা গিয়েছিল, তদন্তকারীদের দাবি অনুযায়ী, সেটি আসলে মুক্তারামবাবু স্ট্রিটে হয়েছিল। ভিডিয়োতে ঘোষণার শব্দ শোনা গেলেও ঘটনাস্থলের ঠিক কোথায় সেই ঘোষণা করা হয়েছিল, তা নিয়ে তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এসেছে।

এটিও পড়ুন
'আর কখনও সৌদি যাব না...' কান ধরে বলছেন বাংলাদেশিরা, ঠিক কী কী হয় ওই দেশে?
Madan Mitra: 'মমতা আল্টিমেট নেত্রী' বলার ১২ ঘণ্টার মধ্যেই 'পাল্টি', এবার মদন মিত্রের মুখে...
কেমোথেরাপিতে ক্লান্ত শরীর, পাশে শুয়ে থাকা প্রেমিকই ঘুমের মধ্য়ে ধর্ষণ করতেন দিনের পর দিন!
শুধু অমর বসু সরণিই নয়, ওই রাস্তা থেকে বাঁ দিকে গিয়ে রামচন্দ্র চ্যাটার্জি লেন হয়ে মূল থিম মণ্ডপে পৌঁছনো যায়। সিটের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, ওই এলাকাতেও মাইকে মঞ্চ ভেঙে পড়ার কোনও ঘোষণা করা হয়নি।


চোরবাগানের পাস নিয়েও একটা বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই বিষয়ে ধৃত ঘোষক তদন্তাকারীদের জানিয়েছেন, ঘটনার আগে ই-কমার্স সংস্থার পাস নিয়ে ঘোষণা করা হয়েছিল। ওই সংস্থার পাস ভিআইপি লাইনে গ্রহণযোগ্য হবে না বলে জানানো হয়েছিল। চুক্তিতে নির্ধারিত সংখ্যার চেয়ে বেশি পাস বিক্রি করা হয়েছিল বলে চোরবাগান পুজো কমিটির কর্তৃপক্ষ সেই পাস গ্রহণ করেনি বলে দাবি ধৃতের।

তবে মঞ্চ ভেঙে পড়ার ঘোষণা ঠিক কার নির্দেশে করা হয়েছিল,সেই বিষয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছেন ধৃতেরা। তদন্ত সূত্রে খবর, ধৃত দুই ঘোষকই এ বিষয়ে মুখ খোলেননি।

মঞ্চ ভেঙে পড়ার ঘোষণা নিয়ে বিতর্ক
শনিবার রাতে চোরবাগানে বিপর্যয়ের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ১৯ জনের। এই ঘটনায় বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তার মধ্য়ে সবথেকে বেশি চর্চা হচ্ছে মাইকে ঘোষণা নিয়ে। ঠিক কী ঘটেছিল? ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিয়োতে শোনা গিয়েছে, মণ্ডপ থেকে ঘোষণা করা হচ্ছে, “মণ্ডপের দিকে কেউ আসবেন না…মণ্ডপ পড়ে যাচ্ছে। আপনারা বেরিয়ে আসুন….মণ্ডপের অবস্থা খুব খারাপ…। বাইরের গেট দিয়ে বেরিয়ে যান।”

এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “এটা মানুষের ভুল। আর সেই মানুষটা কোন জ্যাকেট পরেছিল, কোন জামা পরেছিল, কী লোগোতে ছিল, সেটা ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম দেখবে।” মুখ্যমন্ত্রীর মতে, “মাইকে তো বলার দরকার ছিল না, প্যান্ডেল ভেঙে পড়বে। আমি তো মাঝ রাতে ২টোর সময়ে গিয়ে দেখেছি, তখন তো প্যান্ডেল ভেঙে পড়েনি। আমি তো নিজেই গোটা প্যান্ডেল ঘুরে দেখেছি। এটা দরকার ছিল না। যাঁরা দড়িটা ধরে দাঁড়িয়েছিল, তাঁদের দড়িটা ছেড়ে যাওয়ার দরকার ছিল না।”