WEATHER

Top News


জিনিসপত্রের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি রুখতে সাগর ব্লক ও সাগর থানার যৌথ উদ্যোগে রুদ্রনগর বাজার সহ বিভিন্ন বাজারে অভিযান চালালো প্রশাসন। উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক প্রতিনিধিও।


সাম্প্রতিক সময়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছিল। এই পরিস্থিতিতে বাজারে কৃত্রিম সংকট ও অতিরিক্ত মূল্যবৃদ্ধি রোধ করতেই এই আকস্মিক অভিযান চালানো হয়।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যবসায়ীদের স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দাম নেওয়া চলবে না। বাজারে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং সাধারণ ক্রেতাদের স্বস্তি দিতে এই ধরনের নজরদারি ও ব্লক প্রশাসনের এবং পুলিশ প্রশাসনের যৌথ অভিযান আগামী দিনেও নিয়মিতভাবে জারি থাকবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপের হারউড পয়েন্ট কোস্টাল থানার অন্তর্গত কালীনগর দাসপাড়ার বাসিন্দা পরিযায়ী শ্রমিক সুজিত দাস (৪২)-এর কেরলে রহস্যজনক মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, স্থানীয় কয়েকজন দুষ্কৃতী তাঁকে বেধড়ক মারধর করে, যার জেরেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ জুলাই কাজের উদ্দেশ্যে কেরলে যান সুজিত দাস। অভিযোগ, ২৭ জুলাই রাতে তিনি হামলার শিকার হন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
মৃতের ভাই রবিরাম দাস কেরলের পল্লি টাটো থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে তিনি দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে সুজিতকে মারধর করে হত্যার অভিযোগ তুলেছেন।

পরিবারের দাবি, ফোনে মৃত্যুর খবর পেয়ে তাঁরা হাসপাতালে গিয়ে সুজিতের দেহ শনাক্ত করেন। ঘটনার নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত, অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।

অন্যদিকে, কেরল পুলিশের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত মৃত্যুর সঠিক কারণ বা মারধরের অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য প্রকাশ করা হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে এবং তদন্তের রিপোর্টের ভিত্তিতেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।


ব্যুরো রিপোর্ট কাকদ্বীপ ডট কম

মুখ্যমন্ত্রীর গতিবিধির উপর হামিম যে নজর রেখেছিল, সে তথ্য গতকালই পাওয়া গিয়েছিল। এদিন এসটিএফের আইজি বলেন, "আমরা জানতে পেরেছি, হামিম মণ্ডলের মাধ্য়মে মুখ্যমন্ত্রীকেও টার্গেট করার পরিকল্পনা ছিল। হামিমকে টাস্ক দেওয়া হয়েছিল, মুখ্যমন্ত্রীর গতিবিধি জানাতে। মুখ্যমন্ত্রীর কোনও আনগার্ডেড মুভমেন্ট থাকলে জানাতে বলা হয়েছিল।"

 যন্তর মন্তরে পুলিশের পোশাকে হামলার ছকও ছিল হামিমের, বিস্ফোরক তথ্য সামনে আনল বেঙ্গল STF
কী বললেন এসটিএফের আইজি গৌরব শর্মা?


শুধু মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপর হামলার ছক নয়। দিল্লির যন্তর মন্তরেও আন্দোলনের সময় নাশকতার ছক কষেছিল সন্দেহভাজন জইশ-ই-মহম্মদ জঙ্গি হামিম মণ্ডল। পাকিস্তান থেকে নির্দেশ আসত তার কাছে। শনিবার সাংবাদিক বৈঠক করে এমনই সব বিস্ফোরক তথ্য সামনে আনল বেঙ্গল এসটিএফ (STF)। তবে তদন্তের স্বার্থে সব তথ্য প্রকাশ করল না তারা। হামিমকে কীভাবে ধরা গেল, এদিন তাও জানালেন বেঙ্গল এসটিএফের আইজি গৌরব শর্মা।


কী বললেন বেঙ্গল এসটিএফের আইজি গৌরব শর্মা?


নাকের চুল কি ছাঁটা উচিত? জেনে নিন চিকিৎসক কী বলছে
বর্ধমান শহর থেকে হামিম মণ্ডল গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই শোরগোল পড়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর গতিবিধির উপর নজর রাখছিল হামিম। কীভাবে হামিমের তথ্য পেলেন গোয়েন্দার? এদিন সাংবাদিক বৈঠকে এসটিএফের আইজি গৌরব শর্মা বলেন, কয়েকদিন আগে তাঁরা ইন্টেলিজেন্স ইনপুট পান, হাওড়ার এক মন্ত্রীর ছেলেকে অপহরণ করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। ওই মন্ত্রীর ছেলেকে হানিট্র্যাপে ফেলার চেষ্টা হচ্ছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে তদন্তে নেমেই হামিম মণ্ডলের নাম জানতে পারে এসটিএফ। হাওড়ার পিলখানার বাসিন্দা হামিম গত কয়েকমাস ধরে বর্ধমানে থাকছে। তারপরই বর্ধমান থেকে হামিমকে গ্রেফতার করা হয়।


হামিমকে জিজ্ঞাসাবাদ করে কী কী জানতে পারা গিয়েছে, সেই সম্পর্কে STF-র আইজি বলেন, “হামিম মণ্ডলকে কাস্টডিতে নিয়ে জেরা করে কয়েকটি গুরুতর বিষয় জানতে পেরেছি আমরা। যাদের সঙ্গে হামিমের যোগাযোগ রয়েছে। সেই হ্যান্ডলের নাম রয়েছে রানা, উজের। ইনস্টাগ্রামে তাদের ফলো করত হামিম। এনক্রিপটেড চ্যাটের মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রাখত। সেটা খতিয়ে দেখতে গিয়ে দেখলাম, এটা পাকিস্তান থেকে হ্যান্ডল করা হচ্ছে। পাকিস্তান থেকে অপারেট হওয়া শাহজাদ ভাট্টি গ্যাংয়ের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। এই হ্যান্ডলগুলি উগ্রপন্থী প্রচার করে যুবকদের টার্গেট করত।”

হামিমকে কীভাবে পাকিস্তান থেকে ব্যবহার করা হত, সেই সম্পর্কে গৌরব শর্মা বলেন, “একে দিয়ে এখানে একটা নেটওয়ার্ক তৈরি করার চেষ্টা করা হয়। এছাড়া, কিছু টার্গেট তৈরি করা। হামিম নেটওয়ার্ক তৈরির চেষ্টা করেছে। আমরা কয়েকজনের নাম পেয়েছি। এখনই সব বলছি না।”

মুখ্যমন্ত্রীর উপর হামলার পরিকল্পনা ছিল-

মুখ্যমন্ত্রীর গতিবিধির উপর হামিম যে নজর রেখেছিল, সে তথ্য গতকালই পাওয়া গিয়েছিল। এদিন এসটিএফের আইজি বলেন, “আমরা জানতে পেরেছি, হামিম মণ্ডলের মাধ্য়মে মুখ্যমন্ত্রীকেও টার্গেট করার পরিকল্পনা ছিল। হামিমকে টাস্ক দেওয়া হয়েছিল, মুখ্যমন্ত্রীর গতিবিধি জানাতে। মুখ্যমন্ত্রীর কোনও আনগার্ডেড মুভমেন্ট থাকলে জানাতে বলা হয়েছিল।”

দিল্লিতে ছাত্র আন্দোলনে নাশকতার পরিকল্পনা ছিল-

সম্প্রতি নিট প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলনে নেমেছিলেন পড়ুয়ারা। সেই আন্দোলনেই বড়সড় নাশকতারও পরিকল্পনা করা হয়েছিল পাকিস্তান থেকে। বেঙ্গল এসটিএফ এদিন বলে, “দিল্লিতে সম্প্রতি যে ছাত্র আন্দোলন ছিল, সেখানে নাশকতার পরিকল্পনা ছিল। কোনও পুলিশের পোশাক জোগাড় করে ওখানে নাশকতার পরিকল্পনার জন্য ওকে (হামিম) বলা হয়েছিল। বিশৃঙ্খলা তৈরির পরিকল্পনা ছিল।”

পাকিস্তান থেকে হামিমের অ্যাকাউন্টে কত টাকা এসেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানালেন গৌরব শর্মা। তবে তিনি জানালেন, ব্রিটেন, মেক্সিকোর সিম কার্ড ব্যবহার করা হত। হামিমকে গ্রেফতারের পর তাঁর বান্ধবী অর্পিতা সরকারকে শুক্রবার রাতে ঝাড়খণ্ডের সাহেবগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদিন এসটিএফের আইজি জানান, তাদের মধ্যে একটা সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। হানিট্র্যাপে ফেলানোর জন্য অর্পিতাকে ব্যবহার করত হামিম।

ম্যাচ শেষে ক্রীড়াসুলভ মানসিকতার পরিচয় দেন জ্যাসমিন। ফল ঘোষণার পর তিনি প্রতিপক্ষ মাইকেলা ওয়ালসের হাত তুলে তাঁর লড়াইয়ের প্রশংসা করেন তিনি। যদিও জাদুমণি সিং হেরে গিয়েছেন আজ। এর ফলে আজ, শনিবার পর্যন্ত ভারত ৩০টি মেডেল জিতেছে। এর মধ্যে ৮টি সোনা, ১৫টি রুপো ও ৭টি ব্রোঞ্জ।

বক্সিংয়ে জোড়া সোনা, কমনওয়েলথে দেশের নাম উজ্জ্বল করলেন প্রীতি ও জ্যাসমিন!
প্রীতি পাওয়ার ও জ্যাসমিন ল্যাম্বোরিয়া


কমনওয়েলথ গেমসে আজ, শনিবার ভারতের বক্সিংয়ে এল জোড়া সোনা। শনিবার মহিলাদের ৫৪ কেজি প্রীতি পাওয়ার ও ৫৭ কেজি বিভাগে জ্যাসমিন ল্যাম্বোরিয়া সোনা জিতে ভারতের সাফল্যে নতুন পালক যোগ করলেন।


প্রথমে মহিলাদের ৫৪ কেজির ফাইনালে কানাডার স্কারলেট ডেলগাডোকে ৫-০ ব্যবধানে হারান প্রীতি। শুরু থেকেই ম্যাচের রাশ ছিল তাঁর হাতেই। প্রথম রাউন্ডে ৫ বিচারকই প্রীতির পক্ষে রায় দেন। এরপরেও একই ছন্দ বজায় রেখে সহজেই সোনা জিতে নেন ভারতের এই বক্সার। ২২ বছরের প্রীতি এর আগে সেমিফাইনালে জাম্বিয়ার ক্যাথরিন মাওয়াপেকে ৫-০ ব্যবধানে হারিয়েছিলেন। চলতি বছর তিনি বিশ্ব বক্সিং কাপ ও এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ জিতেছেন। এবার সেই তালিকায় যোগ হল কমনওয়েলথ গেমসের সোনাও।


বিশ্বকাপ বয়কটের হুঁশিয়ারি, ফিফার নতুন পরিকল্পনার বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ উয়েফার!
এরপর মহিলাদের ৫৭ কেজি বিভাগে উত্তর আয়ারল্যান্ডের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন মাইকেলা ওয়ালশকে ৫-০ ব্যবধানে হারিয়ে সোনা জেতেন বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জ্যাসমিন ল্যাম্বোরিয়া। প্রথম রাউন্ডে দুই বক্সারের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হলেও সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন জ্যাসমিন। দ্বিতীয় রাউন্ড থেকে আরও আক্রমণাত্মক বক্সিং করেন ও একের পর এক শক্তিশালী ঘুষি মেরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৫-০ ব্যবধানে জিতে ভারতের ঝুলিতে আরও একটি সোনার পদক যোগ করেন তিনি।


ম্যাচ শেষে ক্রীড়াসুলভ মানসিকতার পরিচয় দেন জ্যাসমিন। ফল ঘোষণার পর তিনি প্রতিপক্ষ মাইকেলা ওয়ালসের হাত তুলে তাঁর লড়াইয়ের প্রশংসা করেন তিনি। যদিও জাদুমণি সিং হেরে গিয়েছেন আজ। এর ফলে আজ, শনিবার পর্যন্ত ভারত ৩০টি মেডেল জিতেছে। এর মধ্যে ৮টি সোনা, ১৫টি রুপো ও ৭টি ব্রোঞ্জ। এই মুহূর্তে পদক তালিকায় ষষ্ঠ স্থানে রয়েছেন প্রীতিরা।


পরে আর এক ব্যক্তি নিজেকে সুপ্রিম কোর্টের এক আইপিএস আধিকারিক পরিচয় দিয়ে একটি নির্দিষ্ট মামলা নম্বর উল্লেখ করে বিজ্ঞানীর সঙ্গে যোগাযোগ করে। অভিযুক্তদের কথায় বিশ্বাস করে অবসরপ্রাপ্ত ওই বিজ্ঞানী তাঁর পরিচয়পত্র, ছবি, স্বাক্ষর-সহ একাধিক ব্যক্তিগত নথি তাদের হাতে তুলে দেন।

ডিজিটাল অ্যারেস্টের ফাঁদে বিধাননগরের অবসরপ্রাপ্ত বিজ্ঞানী, খোয়ালেন কোটি টাকা, ধৃত ৩
গ্রেফতার করা হয়েছে ৩ জনকে

ডিজিটাল অ্যারেস্ট’-র নামে এক অবসরপ্রাপ্ত বিজ্ঞানীর কাছ থেকে ১ কোটি ৪ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগ। তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ। ধৃতদের নাম বিকু কুমার, দুরন্ত পাত্র এবং মহম্মদ জাবেদ। শনিবার তাদের বিধাননগর আদালতে তোলা হলে আদালত ৬ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয়।


পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি বিধাননগরের অবসরপ্রাপ্ত এক বিজ্ঞানীর কাছে একটি ফোন আসে। ফোনের অপর প্রান্ত থেকে নিজেকে বেঙ্গালুরু পুলিশের এক আধিকারিক পরিচয় দিয়ে জানানো হয়, মানব পাচার সংক্রান্ত একটি মামলায় তাঁর আধার কার্ড, মোবাইল নম্বর এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা হয়েছে।

গ্রিসের সৈকতে কণিকা কাপুরের সঙ্গে ললিত মোদী! প্রেম করছেন?
এরপর অভিযুক্তরা বিজ্ঞানীকে একটি অ্যাপের মাধ্যমে টানা তিন-চার দিন যোগাযোগে রাখে। তাঁকে বলা হয়, তাঁর প্যান কার্ডের তথ্য এবং মোবাইল নম্বরের সঙ্গে অসঙ্গতি রয়েছে। একইসঙ্গে দাবি করা হয়, তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ব্লক ও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এবং তদন্তে সহযোগিতা না করলে তিনি আইনি জটিলতায় পড়তে পারেন।


পরে আর এক ব্যক্তি নিজেকে সুপ্রিম কোর্টের এক আইপিএস আধিকারিক পরিচয় দিয়ে একটি নির্দিষ্ট মামলা নম্বর উল্লেখ করে বিজ্ঞানীর সঙ্গে যোগাযোগ করে। অভিযুক্তদের কথায় বিশ্বাস করে অবসরপ্রাপ্ত ওই বিজ্ঞানী তাঁর পরিচয়পত্র, ছবি, স্বাক্ষর-সহ একাধিক ব্যক্তিগত নথি তাদের হাতে তুলে দেন। পাশাপাশি, আয়কর বিভাগ ও এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-র যাচাইয়ের কথা বলে তাঁকে আরটিজিএস (RTGS)-র মাধ্যমে ১ কোটি ৪ লক্ষ টাকা একটি নির্দিষ্ট ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠাতে বাধ্য করা হয়।

পরে টাকা ফেরতের জন্য যোগাযোগ করলে প্রতারকরা আরও অর্থ দাবি করে। তখনই তিনি বুঝতে পারেন, সাইবার প্রতারণার শিকার হয়েছেন। এরপর বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে বেহালা এলাকা থেকে তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, এই প্রতারণা চক্রের সঙ্গে আরও কারা জড়িত এবং প্রতারিত অর্থ কোথায় স্থানান্তর করা হয়েছে।


পূর্ব রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, শ্রাবণী মেলা উপলক্ষে জসিডি, দেওঘর, বৈদ্যনাথ ধাম ও বাসুকিনাথ স্টেশনগুলিতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জসিডি স্টেশনের হোল্ডিং এলাকার ধারণক্ষমতা প্রায় ৮৯ শতাংশ বৃদ্ধি করে একসঙ্গে ১২,৫০০ জন যাত্রী রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেখানে অ্যাম্বুলেন্স, প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্র, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) চালিত অতিরিক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা, ২৪ ঘণ্টার ওয়ার রুম এবং অতিরিক্ত বায়ো-টয়লেটেরও ব্যবস্থা করা হয়েছে।


শ্রাবণী মেলা উপলক্ষে ২১ জোড়া স্পেশ্যাল ট্রেন, বাড়ছে স্টপেজের সময়, বড় পদক্ষেপ রেলের
ফাইল ছবি

চলতি বছরের শ্রাবণী মেলা উপলক্ষে চলবে স্পেশ্যাল ট্রেন। ঘোষণা পূর্ব রেলের (Eastern Railway)। মোট ২১ জোড়া মেলা স্পেশাল ট্রেন (Special Train Service) চালানো হবে। একইসঙ্গে লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থীর নিরাপদ, স্বাচ্ছন্দ্যময় ও নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করতে আরও বেশ কয়েকটি উদ্যোগ নিয়েছে পূর্ব রেল। নির্দিষ্ট স্টেশনগুলিকে সিসিটিভি ক্যামেরায় মুড়ে ফেলা হচ্ছে, সাহায্য নেওয়া হচ্ছে এআই তথা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার। আবার কিছু স্টেশনে স্টপেজর (Rail Station Stoppage) সময়ও বাড়ানো হয়েছে।


শনিবার পূর্ব রেলের নতুন জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পরই গীতিকা পাণ্ডে পূর্ব রেল সদর দফতরে এক উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠক করেন। মেলা চলাকালীন ২৪ ঘণ্টা নজরদারি, যাত্রী নিরাপত্তা, ভিড় নিয়ন্ত্রণ, পরিচ্ছন্নতা এবং মেলা স্পেশাল ট্রেনের সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন।



বিবাদ থেকে বেধড়ক মার, প্রাণ গেল ব্যক্তির, তারপর যা হল গোঘাটে...
স্টেশনগুলিতে এআই চালিত সিসি ক্যামেরা
পূর্ব রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, শ্রাবণী মেলা উপলক্ষে জসিডি, দেওঘর, বৈদ্যনাথ ধাম ও বাসুকিনাথ স্টেশনগুলিতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জসিডি স্টেশনের হোল্ডিং এলাকার ধারণক্ষমতা প্রায় ৮৯ শতাংশ বৃদ্ধি করে একসঙ্গে ১২,৫০০ জন যাত্রী রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেখানে অ্যাম্বুলেন্স, প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্র, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) চালিত অতিরিক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা, ২৪ ঘণ্টার ওয়ার রুম এবং অতিরিক্ত বায়ো-টয়লেটেরও ব্যবস্থা করা হয়েছে।


দ্রুত টিকিট পরিষেবা
টিকিট পরিষেবা আরও সহজ ও দ্রুত করতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মোট ২০টি ইউটিএস (UTS) কাউন্টার, ৬টি অটোমেটিক টিকিট ভেন্ডিং মেশিন (ATVM) এবং ৩০টি মোবাইল ইউটিএস ডিভাইস চালু রাখা হয়েছে।

স্পেশ্যাল ট্রেন
অতিরিক্ত যাত্রী চাপ সামাল দিতে পূর্ব রেল ২১ জোড়া স্পেশাল ট্রেন চালাবে। মোট ১,০১৭টি ট্রিপ পরিচালনা করবে। এই বিশেষ ট্রেনগুলি গোরক্ষপুর, রক্সৌল, জয়নগর, দানাপুর, পটনা, বারাণসী, জামালপুর, গোড্ডা এবং সাহেবগঞ্জ-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনের সঙ্গে সংযোগ বজায় রাখবে। পাশাপাশি যাত্রী চাহিদার কথা মাথায় রেখে মিথিলা এক্সপ্রেস, গঙ্গাসাগর এক্সপ্রেস, বালিয়া এক্সপ্রেস এবং মোকামা এক্সপ্রেসে অতিরিক্ত কোচ সংযোজন করা হয়েছে। জসিডি স্টেশনে ট্রেনের স্টপেজের সময়ও বাড়ানো হয়েছে যাতে যাত্রীরা নিরাপদে ওঠানামা করতে পারেন।

জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য মধুপুর, জসিডি ও আসানসোলে তিনটি অতিরিক্ত ট্রেনের রেক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রবীণ রেল আধিকারিকদের তত্ত্বাবধানে মেলা চলাকালীন ২৪ ঘণ্টা পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হবে।

পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক শিবরাম মাঝি জানান, শ্রাবণী মেলা উপলক্ষে প্রতিটি পুণ্যার্থীর নিরাপদ, আরামদায়ক যাত্রা নিশ্চিত করতে পূর্ব রেল সুপরিকল্পিতভাবে কাজ করছে। তিনি যাত্রীদের বৈধ টিকিট নিয়ে ভ্রমণ, রেলের নিরাপত্তা বিধি মেনে চলা এবং রেল ও আরপিএফ কর্মীদের সঙ্গে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছেন।

যুবসমাজের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, "আজ ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম। ভারত এখন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল ফোন উৎপাদনকারী দেশ। ভারতের তৈরি ডিজিটাল সলিউশন বিশ্বের বহু দেশের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে। এই সমস্ত কৃতিত্বই দেশের যুবশক্তির।"

ভারতের যুবরা পৌঁছে গিয়েছেন মহাকাশ পর্যন্ত', ফের যুবসমাজের প্রশংসায় প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী

দেশের মূল শক্তি যুবরাই। সবক্ষেত্রে ভারতকে উন্নতির শিখরে পৌঁছে দিচ্ছেন তাঁরা। শনিবার কর্নাটকের মহীশূরে একটি অনুষ্ঠানে গিয়ে আবারও যুবসমাজের প্রশংসায় পঞ্চমুখ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi)। তিনি বলেন,”ভারতের সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন থেকে শুরু করে স্টার্টআপ, ডিজিটাল প্রযুক্তি…সব ক্ষেত্রেই যে দ্রুত অগ্রগতি হচ্ছে, তার মূল শক্তি দেশের যুবসমাজ।”


মা সারদা, রামকৃষ্ণদেব ও স্বামী বিবেকানন্দকে শ্রদ্ধা
প্রধানমন্ত্রী মোদী এদিন মহীশূরে স্বামী বিবেকানন্দ কালচারাল (Swami Vivekanada Cultural) ইউথ সেন্টার ‘বিবেক স্মারক’-এর উদ্বোধন করেন। সেখানে শ্রীরামকৃষ্ণ, মা সারদা, ও স্বামীজিকে শ্রদ্ধা জানান। মহীশূরের সঙ্গে কীভাবে যোগাযোগ গড়ে উঠেছিল স্বামী বিবেকানন্দের, তা তুলে ধরেন। বলেন, “প্রায় ১৩০ বছর আগে এক তরুণ সন্ন্যাসী হিসেবে স্বামী বিবেকানন্দ মহীশূরে এসেছিলেন। তখন তাঁর খ্যাতি ততটা না থাকলেও তাঁর ভাবনা ছিল অসাধারণ। সেই সময় মহীশূরের তৎকালীন মহারাজা তাঁর প্রতিভা চিনতে পেরেছিলেন এবং পরবর্তীকালে আমেরিকা থেকে লেখা একটি চিঠিতে স্বামী বিবেকানন্দ নিজেও মহারাজার সহযোগিতার কথা উল্লেখ করেছিলেন। রামকৃষ্ণ আশ্রম এবং স্বামী বিবেকানন্দের স্মৃতি মহীশূরের ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ‘বিবেক স্মারক’-এর উদ্বোধনের মাধ্যমে সেই আদর্শকে আরও বিস্তৃত করা হচ্ছে।” তিনি এই উদ্যোগের জন্য রামকৃষ্ণ আশ্রম এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে অভিনন্দন জানান।


মৃত্যুর পর কেন জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল উত্তমের পার্সোনাল ডায়েরি?
স্বামীজির আদর্শ নিয়ে কী বললেন মোদী?
দেশসেবায় স্বামীজির আদর্শকেও তুলে ধরেন বক্তব্যে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, “স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শ ছিল ‘শিব জ্ঞানে জীব সেবা’। অর্থাৎ মানুষের সেবাই ঈশ্বরের সেবা। এই স্মারকে এমন যুবসমাজ গড়ে তুলতে হবে, যাদের কাছে সমাজ ও দেশের স্বার্থই সবার আগে থাকবে। দরিদ্র ও বঞ্চিত মানুষের সেবাই হবে জীবনের লক্ষ্য।”


যুবসমাজের প্রশংসা করে মোদী বলেন, “আজ ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম। ভারত এখন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল ফোন উৎপাদনকারী দেশ। ভারতের তৈরি ডিজিটাল সলিউশন বিশ্বের বহু দেশের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে। এই সমস্ত কৃতিত্বই দেশের যুবশক্তির।”

তিনি আরও বলেন,”একসময় ভারতের যুবসমাজ পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ ছিল। কিন্তু আজ সেই যুবকরাই বিশ্বের উন্নয়নের গতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। স্বামী বিবেকানন্দ যুবসমাজের শিক্ষাকেই জাতি গঠনের সবচেয়ে শক্তিশালী ভিত্তি হিসেবে দেখতেন।”

 সূত্রের খবর, দুর্নীতির শিকড়ের খোঁজে এবার তদন্তভার নিতে পারে ইডি। বীরভূম থেকে দুর্নীতির টাকা বিদেশেও পাচার হয়েছে বলে সন্দেহ ইডির। আন্তর্জাতিক পাচার চক্রের কি যোগ রয়েছে? খতিয়ে দেখতে পারে ইডি।


শুধু পাথর সাম্রাজ্যই নয়, রোড 'সম্রাট'-ও ছিলেন টুলু
রাস্তা তৈরির টেন্ডারেও শেষ কথা ছিলেন টুলু মণ্ডল


তাঁকে বীরভূমের ‘পাথর সম্রাট’ বলা হয়। তবে মহম্মদ নাজিবুদ্দিন ওরফে টুলু মণ্ডল শুধুই পাথর সম্রাট ছিলেন না। রাস্তা তৈরিতেও ‘কিং’ হয়ে উঠেছিলেন তিনি। এক বছরেই ৮৪টি রাস্তা তৈরির বরাত পেয়েছিল তাঁর সংস্থা এমএসপি (মণ্ডল স্টোন প্রোডাক্ট)। শুধু বীরভূম নয়, আশপাশের জেলাতেও রাস্তা তৈরির টেন্ডার পেয়েছেন তিনি। কীভাবে রাস্তা তৈরির টেন্ডারেও অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছিলেন টুলু মণ্ডল?


গত কয়েকদিন ধরে খবরের শিরোনামে বীরভূমের টুলু মণ্ডল। তাঁর ১৪৪ কোটি টাকার সম্পত্তির হদিশ পাওয়া গিয়েছে। রাজ্যে পালাবদলের পর তিনি বিদেশে গা ঢাকা দিয়েছেন বলে অভিযোগ। টুলুকে পাওয়া না গেলেও তাঁর একের পর এক ‘কীর্তি’ সামনে আসছে। এবার টুলুর রাস্তা তৈরির বরাত পাওয়ার পিছনে কোন জাদু ছিল, তা নিয়ে জল্পনা বাড়ছে।


 নিমন্ত্রণের পরও আসেননি অতিথিরা, 'শাস্তি' ৫০০ টাকা জরিমানা! হুগলির পোস্টার ঘিরে হইচই
কীভাবে টেন্ডারে টুলুর দাদাগিরি চলত?


তৃণমূল জমানায় পথশ্রী, নদী বাঁধের কাজে অধিকাংশ বরাত পেতেন টুলু। বীরভূম, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানের একাংশে বাঁধ, রাস্তা তৈরি ও মেরামতির বরাত পেতেন। প্রধানমন্ত্রী সড়ক যোজনার কাজও বাগিয়ে ফেলে টুলুর সংস্থা এমএসপি (মণ্ডল স্টোন প্রোডাক্ট)। ঝাড়খণ্ডেও রাস্তা তৈরির বরাত পেয়েছে তাঁর সংস্থা। একটি দুটি নয়, এক বছরে ৮৪টি রাস্তা তৈরির টেন্ডার পেয়েছেন। সেগুলির কাজ প্রায় শেষের পথে।

কীভাবে টেন্ডার পেতেন টুলু?

যেহেতু তাঁর নিজের বালি ও পাথরের ব্যবসা রয়েছে। তাই, টেন্ডারে সবচেয়ে কম দাম দিতেন টুলু। প্রথমেই অন্য ঠিকাদারদের ছিটকে দিতেন। পিডব্লুডি, জেলা পরিষদ-সহ সরকারি মহলে রোড সম্রাট নামেই পরিচিত হয়ে উঠেছিলেন টুলু। প্রধানমন্ত্রী সড়ক যোজনার টেন্ডারও প্রায় সবটাই টুলু ও তাঁর অনুগামীদের দখলে থাকত। তৃণমূল সরকারের পথশ্রী প্রকল্প, নদী বাঁধ, ড্যামের বেশিরভাগটাই একাধিক কোম্পানির নামে কাজ করতেন টুলু।

সূত্রের খবর, দুর্নীতির শিকড়ের খোঁজে এবার তদন্তভার নিতে পারে ইডি। বীরভূম থেকে দুর্নীতির টাকা বিদেশেও পাচার হয়েছে বলে সন্দেহ ইডির। আন্তর্জাতিক পাচার চক্রের কি যোগ রয়েছে? খতিয়ে দেখতে পারে ইডি।




এদিকে, এদিন টুলু মণ্ডলের মহম্মদ পার্কিংয়ের ভেতরে থাকা পাথর সিজ করল বীরভূম জেলা প্রশাসন। মহম্মদবাজারের BLRO ওই পার্কিংয়ের ভেতরে থাকা থাকা ১৫ লক্ষ ৬৯ হাজার ২৪৯ কিউবিক ফুট পাথর বাজেয়াপ্ত করল। পাথর মজুতের নথি চাওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নথি না জমা দিলে, নিলাম করা হবে ওই পাথর।

এই প্রকল্পের অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক হল, জাহাজগুলির প্রধান ও সহায়ক যন্ত্রাংশের প্রায় ৭০ শতাংশই দেশীয়। ফলে এটি শুধু ভারতীয় নৌবাহিনীর প্রযুক্তিগত শক্তি বৃদ্ধি করছে না, একই সঙ্গে কেন্দ্রের 'আত্মনির্ভর ভারত' এবং 'মেক ইন ইন্ডিয়া' উদ্যোগকেও আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।


শক্তি বাড়ল ভারতীয় নৌসেনার, হুগলি নদীতে নামল পঞ্চম ডাইভিং সাপোর্ট ক্রাফ্ট
টিটাগড়ে জলে নামল ভারতীয় নৌবাহিনীর পঞ্চম ডাইভিং সাপোর্ট ক্রাফ্ট


ভারতীয় নৌবাহিনীর অপারেশনাল ক্ষমতা আরও জোরদার করতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। শনিবার কলকাতায় হুগলি নদীতে জলে নামানো হল ডাইভিং সাপোর্ট ক্রাফ্ট (DSC) প্রকল্পের পঞ্চম জাহাজ ‘DSC A24’। নৌবাহিনীর ঐতিহ্য মেনে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে জাহাজটির উদ্বোধন করেন ভাইস অ্যাডমিরাল গুরচরণ সিংয়ের স্ত্রী কমল সিং। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় নৌবাহিনীর চিফ অব পার্সোনেল ভাইস অ্যাডমিরাল গুরচরণ সিং, নৌবাহিনীর শীর্ষ আধিকারিকরা এবং টিটাগড় রেল সিস্টেমস লিমিটেড (TRSL)-এর প্রতিনিধিরা।


এই ডাইভিং সাপোর্ট ক্রাফ্টগুলির নির্মাণের দায়িত্বে রয়েছে কলকাতার টিটাগড় রেল সিস্টেমস লিমিটেড। আধুনিক ক্যাটামারান-হাল নকশায় তৈরি জাহাজগুলির স্থানচ্যুতি প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ টন। এই বিশেষ নকশার ফলে জাহাজে অধিক স্থিতিশীলতা, বড় ডেক এলাকা এবং উত্তাল সমুদ্রেও উন্নত কর্মক্ষমতা নিশ্চিত হয়। ফলে ডাইভিং, জলের নীচে প্রযুক্তিগত পরিদর্শন, উদ্ধার অভিযান এবং অন্যান্য বিশেষ নৌ-অভিযানে এই জাহাজগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।


শ্রাবণী মেলা উপলক্ষে ২১ জোড়া স্পেশ্যাল ট্রেন, বাড়ছে স্টপেজের সময়, বড় পদক্ষেপ রেলের
জাহাজগুলি ইন্ডিয়ান রেজিস্টার অব শিপিং (IRS)-এর নৌ-নিয়ম ও মানদণ্ড অনুসারে নকশা ও নির্মাণ করা হয়েছে। ভারতীয় নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর এগুলি ডাইভিং সাপোর্ট, জলের নীচে পরিদর্শন, উদ্ধারকাজ এবং উপকূলীয় নিরাপত্তা অভিযানে নৌবাহিনীর ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।


এই প্রকল্পের অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক হল, জাহাজগুলির প্রধান ও সহায়ক যন্ত্রাংশের প্রায় ৭০ শতাংশই দেশীয়। ফলে এটি শুধু ভারতীয় নৌবাহিনীর প্রযুক্তিগত শক্তি বৃদ্ধি করছে না, একই সঙ্গে কেন্দ্রের ‘আত্মনির্ভর ভারত’ এবং ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগকেও আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

দেশীয় প্রযুক্তি, আধুনিক নকশা এবং স্বনির্ভর উৎপাদনের সমন্বয়ে তৈরি এই ডাইভিং সাপোর্ট ক্রাফ্ট ভারতীয় নৌবাহিনীর ভবিষ্যৎ সামুদ্রিক অভিযান ও উদ্ধার ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

 শুভেন্দু অধিকারী বলেন, "প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে শৃঙ্খলমুক্ত পশ্চিমবঙ্গ বাঁধনমুক্ত পশ্চিমবঙ্গ যেখানে সংবিধানের প্রতিটি স্তম্ভ সুরক্ষিত। সেই পশ্চিমবঙ্গে সবার আসার সুযোগ রয়েছে। সবার বাগ স্বাধীনতা রয়েছে। এবং আজ অত্যন্ত প্রিয় সম্মানীয় লেখিকা তসলিমা নাসরিন মহোদয়া এই বঙ্গভূমিতে গতকাল পদার্পণ করেছেন।"

আপনাকে নিরাপত্তার দায়িত্ব মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রীর', তসলিমাকে বললেন শুভেন্দু
শুভেন্দু অধিকারী


সাহিত্যিক তসলিমা নাসরিনকে (Taslima Nasrin) স্বাগত জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। প্রায় দুই দশক পর কলকাতায় ফিরেছেন লেখিকা। আজ রবীন্দ্র সদনে বই প্রকাশ অনুষ্ঠান ছিল তাঁর। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ওই অনুষ্ঠানেই তসলিমাকে স্বাগত জানিয়ে তাঁর হাতে ঋষি বঙ্কিমচন্দ্রের ছবি তুলে দেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari Welcomes Taslima Nasrin)। পাশাপাশি জানিয়ে দেন, তসলিমার নিরাপত্তার দায়িত্ব মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রীর।


‘বাঁধনমুক্ত পশ্চিমবঙ্গে স্বাগত’
শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে শৃঙ্খলমুক্ত পশ্চিমবঙ্গ বাঁধনমুক্ত পশ্চিমবঙ্গ যেখানে সংবিধানের প্রতিটি স্তম্ভ সুরক্ষিত। সেই পশ্চিমবঙ্গে সবার আসার সুযোগ রয়েছে। সবার বাগ স্বাধীনতা রয়েছে। এবং আজ অত্যন্ত প্রিয় সম্মানীয় লেখিকা তসলিমা নাসরিন মহোদয়া এই বঙ্গভূমিতে গতকাল পদার্পণ করেছেন। আজ কর্মসূচি করছেন। এটার মধ্যে দিয়ে প্রমাণিত হয়েছে নতুন সরকারের হাতে এই বাংলার গণতন্ত্র, সংবিধান, বাগস্বাধীনতা, মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত। এখানে কোনওভাবে ধমক-চমক, দেখে নেব আটকে দেব, এইসব জিনিস অতীত হয়ে গিয়েছে।”

নিমন্ত্রণের পরও আসেননি অতিথিরা, 'শাস্তি' ৫০০ টাকা জরিমানা! হুগলির পোস্টার ঘিরে হইচই
‘নিরাপত্তার দায়িত্ব পুলিশমন্ত্রীর’
তসলিমার উদ্দেশে বলেন, “আমন্ত্রিত না হয়েও তসলিমা আসছেন শুনে তথ্য প্রযুক্তি দফতরের মন্ত্রী হিসেবে ওঁকে স্বাগত জানালাম। পশ্চিমবঙ্গে আপনাকে স্বাগত। আপনি লেখিকা। আপনার লেখা সবাই পড়েন। আপনার গুণগ্রাহীর সংখ্যা প্রচুর। পশ্চিমবঙ্গের যে ব্যবস্থার পরিবর্তন হয়েছে, সেটা নিশ্চিতভাবে আপনার অভিজ্ঞতায় আপনি দেখেছেন। আপনি যখনই মনে করবেন, বার বার আসবেন। সুরক্ষিত পশ্চিমবঙ্গে আপনাকে নিরাপত্তার দায়িত্ব মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রীর।”


মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্য়বাদ তসলিমার
মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে তসলিমা বলেন, “নিরাপত্তার দায়িত্ব নেওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।” একইসঙ্গে বামেদের তোপ দেগে বলেন, “আজকের দরজা খোলা প্রমাণ করে অন্যায় দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে, চিরস্থায়ী নয়। ইতিহাস মনে রাখে, কারা দরজা বন্ধ করেছিল কারা খুলল।”

আজ রবীন্দ্র সদনে তসলিমা নাসরিনের বই 'আত্মজীবনী সমগ্র' প্রকাশিত হয়। উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তসলিমাকে স্বাগত জানান তিনি। এরপর মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে তসলিমা বলেন, "নিরাপত্তার দায়িত্ব নেওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।" এরপর লেখিকা বলেন,"কোনও রাজনৈতিক দলের কথা বলতে আসিনি।"

কলকাতায় ফিরেছি বলতেই দুই দশক লেগে গেল, আজ থেকে অগস্ট আমার প্রত্যাবর্তনের মাস, বললেন তসলিমা
তসলিমা নাসরিন


কলকাতায় এসে আবেগপ্লুত সাহিত্যিক তসলিমা নাসরিন (Taslima Nasrin)। রবীন্দ্রসদনে (Rabindra Sadan) বইপ্রকাশ অনুষ্ঠানে বক্তৃতা রাখতে গিয়ে তাঁর কণ্ঠে ঝড়ে পড়ে একরাশ আক্ষেপও। বললেন, “কলকাতায় ফিরেছি, একথা বলতেই দুই দশক লেগে গেল। একজন লেখককে নিজের ভাষার শহরে আসতে পুলিশের সাহায্যের প্রয়োজনটাই বেদনার।” কলকাতায় ফিরতে পারায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে (CM Suvendu Adhikari) ধন্যবাদ জানান লেখিকা। একইসঙ্গে অগস্টকে প্রত্যাবর্তনের মাস বলেও উল্লেখ করলেন।


‘অগস্ট প্রত্যাবর্তনের মাস’
আজ রবীন্দ্র সদনে তসলিমা নাসরিনের বই ‘আত্মজীবনী সমগ্র’ প্রকাশিত হয়। উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তসলিমাকে স্বাগত জানান তিনি। এরপর মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে তসলিমা বলেন, “নিরাপত্তার দায়িত্ব নেওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।” এরপর লেখিকা বলেন,”কোনও রাজনৈতিক দলের কথা বলতে আসিনি। বাক স্বাধীনতার কথা বলতে এসেছি। আমি কলকাতায় এসেছি ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলতে। ভয় চিরস্থায়ী নয়, নিষেধাজ্ঞা চিরস্থায়ী নয়। বন্ধ দরজা চিরকাল বন্ধ থাকে না। অগস্ট আমার জন্মের মাস, নির্বাসনের মাস, আজ থেকে অগস্ট প্রত্যাবর্তনের মাস।”


১২০ কোটি থেকে ৭০ কোটি! কেন হঠাৎ পারিশ্রমিক কমালেন সলমন?
Uttam Kumar: মৃত্যুর পর কেন জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল উত্তমের পার্সোনাল ডায়েরি?
বাংলাদেশ নিয়ে কী বললেন তসলিমা?
তসলিমা জানান, বাংলাদেশ তাঁর হৃদয়েই রয়েছে। বলেন, “রাষ্ট্র আমাকে দেশ থেকে সরিয়ে দিয়েছে, কিন্তু আমার ভিতর থেকে দেশকে সরাতে পারেনি। এক বাংলায় আমার জন্ম আরেক বাংলায় ঘর খুঁজে পেয়েছিলাম। বাংলাকে কোনোদিন এপার ওপার বলে ভাবিনি। কাঁটাতার ভূখণ্ডকে ভাগ করতে পারে, ভাষাকে নয়। আমার বই দ্বিখণ্ডিত নিষিদ্ধ হয়েছিল, হাইকোর্ট সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল।”


কোন অপরাধে বাংলাদেশ থেকে নির্বাসিত করা হয়েছে তাঁকে? প্রশ্ন তুললেন তসলিমা। বাংলাদেশে সেই দিনগুলির স্মৃতিচারণ করেন। বলেন,”আমার দেশ বাংলাদেশ আমাকে শাস্তি দিয়েছিল। আমি কি কাউকে হত্যা করেছিলাম? সারা দেশে আমাকে হত্যার জন্য মিছিল বের হল। রাষ্ট্র আমাকে নিরাপত্তা দেওয়ার বদলে আমার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করল, আমাকে বের করে দিল। আমার নির্বাসন কোনও ব্যক্তিগত বিষয় নয়। আইনের শাসনের নির্বাসন।”

তসলিমার কথায়, “ধর্মের মর্যাদার চেয়ে মানুষের মর্যাদা বড়। ভারত বাংলাদেশ দুই দেশে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি দরকার। বাংলাদেশে আজ সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষের অবস্থা ভয়াবহ।” কলকাতায় প্রত্যাবর্তন নিয়ে বলেন, “আমাকে পশ্চিমবঙ্গ ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছিল। আমি কোনও অপরাধ করিনি। তাও শাস্তি দিয়েছিল। চলে যাওয়া আর ফিরে আসার মধ্যে ১৯ বছর কেউ আমায় ফিরিয়ে দিতে পারবে না। কলকাতায় ফেরা আমার ব্যক্তিগত বিষয় নয়, নির্বাসনের বিরুদ্ধে জয়।” বামেদের তোপ দেগে ও নতুন সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “আজকের দরজা খোলা প্রমাণ করে অন্যায় দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে, চিরস্থায়ী নয়। ইতিহাস মনে রাখে, কারা দরজা বন্ধ করেছিল কারা খুলল।”

হিঙ্গলগঞ্জ । দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার বেহাল দশা উত্তর ২৪ পরগনা বসিরহাট হিঙ্গলগঞ্জ বিধানসভার যোগেশগঞ্জ পঞ্চায়েত ও কালিতলা পঞ্চায়েতের ২ পঞ্চায়েতের মাঝখানে প্রায় 17 কিলোমিটার রাস্তা দীর্ঘদিন বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। সুন্দরবনের যাওয়ার একটি রাস্তা এই রাস্তাটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে সুন্দরবনের পর্যটনের যাওয়ার মুল এই রাস্তা। 

যোগেশগঞ্জ থেকে শামশেরনগর পর্যন্ত প্রায় ১৭ কিলোমিটার রাস্তা ভগ্নদশা তৃণমূল সরকারের আমলে একাধিকবার পঞ্চায়েত প্রাক্তন বিধায়ক প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের জানিয়েও কোন সূরা মেলেনি। এই রাস্তা দিয়ে প্রতিনিয়ত ছোট-বড় বহু যান চলাচল করে।




 স্কুলে যেতে বাচ্চাদের সমস্যায় পড়তে হয় , একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তায় জল জমে থাকে খানাখন্দে ভরা এই রাস্তা বিগত সরকারের আমলে তিনটি সরকারি বাস চলাচল করত সেই বাস তিনটি দীর্ঘদিন বন্ধ হয়ে আছে শামশামনগর থেকে বারাসাত পর্যন্ত স্থানীয়দের দাবি নতুন সরকারের কাছে পুনরায় এই বাসগুলি যেন চলে এবং রাস্তা দিয়ে চলাচলের অযোগ্য এমনই দাবী জানাচ্ছেন শামসের নগরএলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা সরকার পরিবর্তন হয়েছে । আমরা নতুন সরকারের কাছে আবেদন করব এই রাস্তাটি খুব গুরুত্বপূর্ণ সুন্দরবনে যাওয়ার একটি মাত্র এই রাস্তা। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই রাস্তাটি সংস্কার করা হোক তা না হলে সমস্যায় পড়বে সুন্দরবনের বহু মানুষ।

শিক্ষক জাতির মেরুদন্ড,আর সেই শিক্ষককের শিক্ষা দপ্তরকে দেওয়া মিথ্যা প্রতিশ্রুতির অভিযোগ। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার মথুরাপুর-২ ব্লকের কাশীনগর উচ্চ মাধ্যমিক হাই স্কুলের এক ইংরেজি শিক্ষকের বিরুদ্ধে বাড়িতে অর্থের বিনিময়ে প্রাইভেট টিউশনের অভিযোগ। 

 অভিযোগকারীদের দাবি, সংশ্লিষ্ট শিক্ষক শিক্ষা দপ্তর, স্কুল কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় বিধায়কের কাছে মুচলেকা দেওয়ার পরও প্রাইভেট টিউশন বন্ধ করেননি।অভিযোগ কাশীনগর প্রাইভেট টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদের।
অভিযোগের ভিত্তিতে শিক্ষা দপ্তরের এসআই স্কুলের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের কাছ থেকে মুচলেকা লিখে নেয় তিনি আর বাড়িতে প্রাইভেট টিউশনি করবেন না।এমন দাবি অভিযোগকারী এবং ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক সুরজিৎ পুরকাইত এর। এমনকি রায়দিঘি বিধানসভা বিধায়ক তাপস মণ্ডলও ফোনে ওই শিক্ষককে প্রাইভেট টিউশন বন্ধ রাখার পরামর্শ দেন। প্রতিশ্রুতি দিলেও সরকারি নির্দেশ ও

বিধায়কের নির্দেশকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে প্রাইভেট টিউশনি চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ।
অভিযোগ কারীদের দাবি, সরকারি নিয়ম মেনে অবিলম্বে প্রাইভেট টিউশন বন্ধ করে প্রশাসনের উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
অন্যদিকে, অভিযুক্ত শিক্ষক চাঁদ রতন মণ্ডলের বক্তব্য, তিনি সামান্য পারিশ্রমিকের বিনিময়ে ছাত্রছাত্রীদের পড়ান। শিক্ষাবর্ষের মাঝপথে পড়ানো বন্ধ করে দিলে ছাত্রছাত্রীরা সমস্যায় পড়বে। তাঁর এই বক্তব্যকে সমর্থন পড়ুয়াদের একাংশও।
এ প্রসঙ্গে অ্যাডভান্স সোসাইটি ফর হেডমাস্টার্স সার্ভিসের রাজ্য সম্পাদক চন্দন মাইতি বলেন যেসব শিক্ষক বিনা পারিশ্রমিককে পড়াতে চায় তাদের কথা সরকারের চিন্তা করা উচিত।