WEATHER

Top News


পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মৎস্য দপ্তরের উদ্যোগে গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে এবং মৎস্যজীবীদের স্বাবলম্বী করে তুলতে সাগর ব্লকে এক বিশেষ বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে এলাকার বহু নির্বাচিত বেনিফিশিয়ারির হাতে উন্নত মানের দেশি মাগুর মাছের চারা এবং পুকুরের জল পরিশুদ্ধ করার জন্য চুনের বস্তা তুলে দেওয়া হয়। 

এদিনের এই জনকল্যাণমূলক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাগর ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক অনন্ত কুমার গোস্বামী, মৎস্য দপ্তরের আধিকারিকবৃন্দ, সাগর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সাবিনা বিবি এবং পঞ্চায়েত সমিতির বিভিন্ন দপ্তরের কর্মাধ্যক্ষরা। এছাড়াও স্থানীয় উন্নয়নমূলক এই উদ্যোগে অংশ নেন ভারতীয় জনতা পার্টির ব্লক কনভেনার সোমনাথ ভূঁইয়া, অরুনাভ দাস এবং বিজেপির একাধিক স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। 


দলমত নির্বিশেষে এই ধরনের প্রশাসনিক উদ্যোগে খুশি সাধারণ মানুষ। প্রশাসনের শীর্ষকর্তা ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের হাত থেকে দেশি মাগুর মাছের চারা ও চুন বুঝে পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করেন উপস্থিত বেনিফিশারিরা। বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশি মাগুর চাষ করা তুলনামূলকভাবে সহজ এবং বাজারে এর চাহিদা ব্যাপক থাকায় এটি চাষীদের আর্থিক উন্নতির পথ প্রশস্ত করবে। পাশাপাশি, পুকুরের স্বাস্থ্যের সুরক্ষায় চুনের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। মৎস্য দপ্তরের এই সময়োপযোগী ও কল্যাণকর পদক্ষেপের ফলে সাগর ব্লকের গ্রামীণ অর্থনীতি আরও মজবুত হবে এবং মৎস্য উৎপাদনে এক নতুন গতির সঞ্চার হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন উপস্থিত অতিথিরা।

বিশ্ব ওজোন দিবস তথা আন্তর্জাতিক ওজোন স্তর সুরক্ষা দিবস উপলক্ষে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার পবিত্র তীর্থক্ষেত্র গঙ্গাসাগরে এক বিশেষ ও প্রশংসনীয় পরিবেশ সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালিত হলো। বুধবার এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে পরিবেশ সংরক্ষণের এক জোরালো বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়।



এই বিশেষ দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে ঐতিহাসিক কপিলমুনির আশ্রমের সামনে এবং আশ্রম চত্বরের বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্যাপক উৎসাহের সঙ্গে একাধিক চারা গাছ রোপণ করা হয়। গাছ লাগানোর পাশাপাশি সমগ্র আশ্রম চত্বর এলাকা জুড়ে একটি বিশেষ সাফাই অভিযানও চালানো হয়। তীর্থযাত্রী ও পর্যটকদের ভিড়ে যাতে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রেখেই এই পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়। এর পাশাপাশি গঙ্গাসাগর কোস্টাল থানা সংলগ্ন এলাকাতেও বেশ কিছু নতুন চারা গাছ লাগানো হয়।


পরিবেশ রক্ষার এই মহৎ উদ্যোগে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন গঙ্গাসাগর কোস্টাল থানার ওসি পার্থ সরকার সহ ব্লক প্রশাসনের একাধিক শীর্ষ আধিকারিক, পুলিশ প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্তা ব্যক্তি এবং স্থানীয় বিশিষ্টজনেরা। নিজ হাতে চারা গাছ রোপণ করে তাঁরা উপস্থিত সাধারণ মানুষকে সবুজায়নের গুরুত্ব সম্পর্কে বোঝান। গঙ্গাসাগর কোস্টাল থানা এবং ব্লক প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে এই জনমুখী কর্মসূচিটি রূপায়িত হয়েছে।আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ক্রমবর্ধমান দূষণ রোধ এবং ওজোন স্তর সুরক্ষায় সচেতনতা বৃদ্ধির জন্যই এই অভিনব উদ্যোগ। স্থানীয় প্রশাসন ও বিশিষ্টজনেদের এই যৌথ প্রয়াসকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকার সাধারণ মানুষ ও দূরদূরান্ত থেকে আগত পুণ্যার্থীরা।সাগরের পবিত্র মাটি থেকে পরিবেশ রক্ষার এই বার্তা আগামী দিনে সারা রাজ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলেই দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন উদ্যোক্তারা।

রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনে জয়লাভ করে সরকার গঠনের পরই মহিলাদের জন্য বড় ঘোষণা বাস্তবায়ন করল বিজেপি। বিরোধী দলের থাকাকালীন ঘোষণা অনুযায়ী, লক্ষ্মীর ভান্ডারের দেড় হাজার টাকার পরিবর্তে 'অন্নপূর্ণা যোজনা'র মাধ্যমে রাজ্যের মহিলাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি তিন হাজার টাকা করে পাঠানো শুরু হয়েছে। 


টাকা হাতে পেয়ে বেজায় খুশি দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার গঙ্গাসাগরের মহিলারা। এই আনন্দের মাঝেই দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার গঙ্গাসাগরের ভারতীয় জনতা পার্টির মণ্ডল টু-এর পক্ষ থেকে মহেন্দ্রগঞ্জ বাজারে একটি বিশাল বিজয় মিছিলের আয়োজন করা হয়।মহিলাদের অ্যাকাউন্টে সরাসরি এই অনুদান পৌঁছানোয় উচ্ছ্বসিত মহিলারা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী-কে ধন্যবাদ জানান। 


এদিনের মিছিলে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন কয়েক হাজার মহিলা। মিছিল শেষে এক বিশাল জনসভাও অনুষ্ঠিত হয়, যেখান থেকে নেতৃত্বরা শুভেন্দু অধিকারীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় জনতা পার্টির ব্লক কনভেনার সোমনাথ ভূঁইয়া, মণ্ডল টু-এর মণ্ডল সভাপতি ভোলানাথ মাইতি, লড়াকু নেতা বিকাশ কামিলা সহ একাধিক বিশিষ্ট নেতৃত্ববৃন্দ ও মোর্চার অন্যান্য নেতৃবন্দ। গোটা কর্মসূচি ঘিরে মহেন্দ্রগঞ্জ বাজার চত্বরে ছিল উপচে পড়া ভিড় ও উৎসবের আমেজ।



উত্তর ২৪ পরগনা: হিঙ্গলগঞ্জের যোগেশগঞ্জ হাই স্কুলের ঘটনা।আজ যোগেশগঞ্জ হাই স্কুলে স্কুল শুরু হওয়ার ঠিক আগের মুহূর্তে স্কুলের একটি দেওয়াল বিদ্যুতের একটি দেওয়াল শর্ট সার্কিট থেকে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে থাকে । 


ছাত্র-ছাত্রীরা সেই দেওয়ালে হাত দিলেই পাঁচজন ছাত্রছাত্রী বিদ্যুৎপৃষ্ট হয় । এবং সেখানেই তারা অসুস্থ হয়ে পড়ে।এই পাঁচজনের মধ্যে তড়িঘড়ি তিনজনকে যোগেশগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়। হাসপাতলে প্রাথমিক চিকিৎসার পর দু'ঘণ্টা অবজারভেশনে রাখার পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। 

পাশাপাশি বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীদের খবর দিয়ে সেই শর্ট সার্কিট থেকে মুক্ত করা হয় দেয়ালটিকে। সূত্রে জানা যায় এই মুহূর্তে পুরো বিষয়টি স্থিতিশীল।




 দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমা ব্লকের দিগম্বরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের দক্ষিণ দুর্গাপুর এলাকায় মিলন সেতু সংলগ্ন নদীর চর থেকে দুটি বোমা উদ্ধার করল ঢোলাহাট থানার পুলিশ।


স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সুতার বাক নদীর উপর দিগম্বরপুর ও শ্রীনারায়ণপুর-পূর্ণচন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সংযোগকারী মিলন সেতুর উপর দিয়ে প্রতিদিন প্রচুর মানুষ ও যানবাহন যাতায়াত করেন। বুধবার সকালে সেতুর ঢালে সুতলি জড়ানো দুটি সন্দেহজনক বস্তু দেখতে পান এক ব্যবসায়ী গৃহবধূ। বিষয়টি না বুঝেই তিনি সেগুলি হাতে তুলে রাস্তার ধারে ঢালে ফেলে দেন। পরে তাঁর ছেলেরাও সেগুলি তুলে বাড়িতে নিয়ে যায়। বিষয়টি জানাজানি হতেই স্থানীয়রা সতর্ক হয়ে দুটি বস্তু নদীর চরে ফেলে দেন।

খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় ঢোলাহাট থানার পুলিশ। ততক্ষণে নদীতে জোয়ার আসায় বোমা দুটি জলের মধ্যে ডুবে যায়। পরে প্রশাসনের কর্মীরা জলে নেমে বালতি ও অন্যান্য সরঞ্জামের সাহায্যে কাদা থেকে বোমা দুটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান।
বোমা দুটি কোথা থেকে এল এবং কারা সেখানে রেখে গিয়েছিল, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তবে উদ্ধার হওয়ার আগে বোমা দুটিকে না বুঝে একাধিকবার হাতে নেওয়া হলেও কোনও দুর্ঘটনা না ঘটায় স্বস্তি স্থানীয়দের। ঢোলাহাট থানার পুলিশের দ্রুত তৎপরতায় খুশি এলাকার বাসিন্দারা।


মলের জমির মালিকের অভিযোগ, শপিং মলের সামনেই থাকা একটি বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমারে বিস্ফোরণ ঘটে। তার জেরেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। যদিও দমকল বিভাগের এক আধিকারিক জানান, কী কারণে আগুন লেগেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের পরই অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানা যাবে।s

গলগল করে বেরচ্ছে ধোঁয়া, পুজোর আগে আগুন লেগে গেল নামী শপিং মলে
ইসলামপুরে আগুন


আর কয়েকদিন, তারপরই দুর্গাপুজো। আর পুজোর আগে নামী শপিং মলে আগুন। কালো ধোঁয়া বেরতে শুরু করে মলের জানালা থেকে। চাঞ্চল্য তৈরি হয় গোটা এলাকায়। জানা গিয়েছে, উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরের ওই নামী শপিং মলের দোতলায় আগুন ধরে যায়। তারপরই মঙ্গলবার সকালে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে আহত হন একাধিক দমকলকর্মী। অগ্নিকাণ্ডে মলে থাকা প্রচুর জামাকাপড় পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়ায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও উল্লেখযোগ্য বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান।


স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সকালে হঠাৎ করেই মলের দ্বিতল থেকে ধোঁয়া ও আগুন বের হতে দেখা যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের দুটি ইঞ্জিন। আগুনের তীব্রতা এতটাই ছিল যে দমকলকর্মীদের বাইরে থেকে কাচ ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করতে হয়। সেই সময় কাচের আঘাতে একাধিক দমকলকর্মী আহত হন বলে জানা গিয়েছেন।

 উপনির্বাচনের আগে বাবরি মসজিদ নিয়ে 'অশান্তির ষড়যন্ত্র', কী বললেন হুমায়ুন কবীর?
মলের জমির মালিকের অভিযোগ, শপিং মলের সামনেই থাকা একটি বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমারে বিস্ফোরণ ঘটে। তার জেরেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। যদিও দমকল বিভাগের এক আধিকারিক জানান, কী কারণে আগুন লেগেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের পরই অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানা যাবে।


মলের জমির মালিক শুভাশিস সাহা বলেন, “আমি তো বিল্ডিংয়ের উপরেই ছিলাম। দেখলাম ট্রান্সফরমার ব্লাস্ট করেছেন। সেটা ব্লাস্টের পর আওয়াজ পাই। এরপর মনে হয় শর্ট সার্কিট থেকেই মনে হয় আগুন লেগে গেছে।” দমকল আধিকারিক শম্ভুনাথ গোপ বলেন, “উপরে ধোঁয়া ছিল। সেই ধোঁয়া বের করার জন্য কাচ ভাঙতে গিয়েছিলাম তখনই আঘাত লেগেছে।”



 এক বিক্ষোভকারী বলেন, "উনি বিজেপিতে আসতে চান ভালো কথা। কিন্তু সিতাইয়ের মানুষের কাছে যে পাপ করেছেন, সেই পাপ কীভাবে ধোবেন? ওই পাপ ধুয়ে আসুন। সাধারণ মানুষের উপর যে অত্যাচার করেছেন, তার ক্ষমা চাইতে হবে।"

জগদীশের চামড়া, তুলে দেব আমরা…’ সিতাইয়ের সাংসদ জগদীশ বসুনিয়ার বাড়ির সামনে এই স্লোগান তুলে ফের প্রবল বিক্ষোভ। তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই (NCPI) শিবিরে যাওয়ার পরই একাধিকবার সাংসদের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ চলেছে। এমনকী, এলাকায় ঢুকেও মধ্যরাতে সস্ত্রীক ফিরতে হয় তাঁকে। এই আবহের মধ্যে ফের একবার বিক্ষোভের মুখে তিনি। বিক্ষোভকারীদের দাবি, “পাপ ধুয়ে বিজেপিতে আসতে হবে।”


প্রায় চার মাস পর রবিবার ভোর পাঁচটা নাগাদ পুলিশি নিরাপত্তায় বাড়ি ফিরেছিলেন বসুনিয়া। তাঁর বাড়ি ফেরার পর থেকেই সিতাইয়ে দফায় দফায় বিক্ষোভ হয়। এর আগে তৃণমূল কংগ্রেসের সিতাই পার্টি অফিসে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।সাংসদদের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন একাংশ। পরে সোমবারও সিতাইয়ের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাংসদের বাড়ির সামনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি মোতায়েন ছিল সিতাই থানার পুলিশ।

উপনির্বাচনের আগে বাবরি মসজিদ নিয়ে 'অশান্তির ষড়যন্ত্র', কী বললেন হুমায়ুন কবীর?
এরপর সোমবার সন্ধ্যা ছ’টা নাগাদ ফের সাংসদের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ শুরু হয়। পরিস্থিতি যাতে কোনওভাবেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে না যায়, সেজন্য আগে থেকেই বাড়ির সামনে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিশ মোতায়েন করা হয়। জগদীশ বসুনিয়া বাড়ি ফেরার পর পরপর দু’দিন বিক্ষোভের ঘটনায় নতুন করে রাজনৈতিক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে সিতাইয়ে। কেন বারবার সাংসদের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ হচ্ছে এবং এর নেপথ্যে কোনও রাজনৈতিক কারণ রয়েছে কি না, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। এক বিক্ষোভকারী বলেন, “উনি বিজেপিতে আসতে চান ভালো কথা। কিন্তু সিতাইয়ের মানুষের কাছে যে পাপ করেছেন, সেই পাপ কীভাবে ধোবেন? ওই পাপ ধুয়ে আসুন। সাধারণ মানুষের উপর যে অত্যাচার করেছেন, তার ক্ষমা চাইতে হবে।”


মূলত, জগদীশ বসুনিয়া দাবি করেছেন, তিনি সহ ১৭ জন এনসিপিআই সাংসদ বিজেপি-তে যোগ দেবেন পুজোর পর। যদিও বাকিরা এখনও সেই বিষয়ে মুখ খোলেননি।


 সম্প্রতি সংসদে ‘পেমেন্ট অ্যান্ড সেটলমেন্ট সিস্টেমস অ্যাক্ট, ২০০৭’-এর সংশোধনী বিল পাশ হওয়ার পর থেকেই ইউপিআই লেনদেনে অতিরিক্ত চার্জ বসানো নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। এবার স্থির করা হল যে ঠিক কত টাকা লাগবে।

আর ফ্রি থাকছে না ইউপিআই (UPI) ট্রানজাকশন। গত কয়েক বছরে দেশ জুড়ে লেনদেনের মাধ্যম হিসেবে প্রবল জনপ্রিয়তা পেয়েছে ইউপিআই। ছোট থেকে বড় সব লেনদেনের ক্ষেত্রেই এই মাধ্যম ব্যবহার করে থাকেন ক্রেতা বা ব্যবসায়ীরা। কিন্তু এবার আর বিনামূল্যে কোনও লেনদেন হবে না। ইউপিআই ট্রানজাকশনের ক্ষেত্রে কত টাকা চার্জ লাগবে, সেটা ঘোষণা করে দিল ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়া (NCPI)।


সম্প্রতি সংসদে ‘পেমেন্ট অ্যান্ড সেটলমেন্ট সিস্টেমস অ্যাক্ট, ২০০৭’-এর সংশোধনী বিল পাশ হওয়ার পর থেকেই ইউপিআই লেনদেনে অতিরিক্ত চার্জ বসানো নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। এবার স্থির করা হল যে ঠিক কত টাকা লাগবে।


'আমাদের কলেজে OYO রুম আছে', বিস্ফোরক সুরেন্দ্রনাথ ল কলেজের ছাত্রী
আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে চালু হবে নতুন নিয়ম। মঙ্গলবার ঘোষণা করা হল, ২০০০ টাকার বেশি লেনদেনের ক্ষেত্রে ০.০৪ শতাংশ মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেটে চার্জ দিতে হবে। তবে ক্রেতারা বিনামূল্যেই ইউপিআই-এর মাধ্যমে লেনদেন করতে পারবেন, ফি দিতে হবে ব্যবসায়ীদের।


ধার্য করা রেট অনুযায়ী, ৩০০০ টাকার বেশি লেনদেনে ১২ টাকা দিতে হবে চার্জ। ৭৫ হাজার টাকার উপরে লেনদেনে দিতে হবে ৩০০ টাকা। সর্বাধিক ৩০০ টাকা পর্যন্ত চার্জ দিতে হবে। ব্যবসায়ীরা লেনদেনের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্ককে ওই চার্জ দেবেন, এর জন্য ক্রেতাদের কাছ থেকে কিছু নেবেন না।

আরও জানানো হয়েছে যে, কোনও ইউপিআই অ্য়াপ প্রোভাইডারও কোনও প্লাটফর্ম ফি বা অন্য কোনও চার্জ নিতে পারবে না। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ০.৪ শতাংশ হারের হিসেব হবে না। রেলওয়ে, টেলিকম, বিমা, জ্বালানির মতো ক্ষেত্রগুলিতে ২০০০ টাকার উপরে লেনদেন করতে গেলে ৫ টাকা করে চার্জ দিতে হবে।



এরপরই এক ব্যক্তিকে ডেকে তিনি বলেন, "আপনার মাথায় কোনও আক্কেল নেই?" তখন ওই ব্যক্তি বলেন, "সরিয়ে দেব...সরিয়ে দেব।" পাল্টা মন্ত্রী বলেন, "কখন সরাবেন? আজ আমি এসেছি বলে সরাবেন? মাথায় আক্কেল নেই? এটা ফুটপাথ, জিনিসপত্র রেখে কাজ করা উচিত নয়। জানেন না?" এরপর তাঁর নির্দেশ, আজ রাতের মধ্যে যেন এটা পরিষ্কার হয়।"

আপনার মাথায় আক্কেল নেই?', এবার সল্টলেকে এসে ধমক দিলেন অগ্নিমিত্রা
অগ্নিমিত্রা পাল, মন্ত্রী

রাস্তার উপর কোনও জঞ্জাল পড়ে থাকবে না। কোনও ভাবে রাস্তা নোংরা করা হলে ফাইন দিতে হবে। কিংবা বেআইনি পার্কিং করা যাবে না। পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul) কড়া নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু অনেকের কানেই ঢোকে না সেই কথা। আর এবার সল্টলেকের ফুটপাথে নোংরা পড়ে থাকতে দেখে ক্ষুব্ধ মন্ত্রী। দিলেন কড়া ধমক।


প্রতিদিন সকালে রাজ্যের পুরমন্ত্রী শহর পরিদর্শনে বের হন। এক-একদিন এক-একজায়গা ঘুরে দেখেন তিনি। কখনও বাজারে ঘোরেন, কখনও ফুটপাথ পরিদর্শন করেন। যেখানেই বেআইনি পার্কিং দেখেন কিংবা নোংরা আবর্জনা তাঁর চোখে পড়ে তিনি সেখানে পৌঁছন। সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেন।

ওইখানকার লোকরাই বলছে, প্রেসিডেন্সি থেকে এমন জিনিস বেরল ভাবতেই পারছি না', নাম না করে ঋতব্রতকে বেনজির কটাক্ষ কল্যাণের
'আমাদের কলেজে OYO রুম আছে', বিস্ফোরক সুরেন্দ্রনাথ ল কলেজের ছাত্রী
মঙ্গলবার তেমনই সল্টলেক (Salt lake) পরিদর্শনে যান তিনি। ফুটপাথের উপর ব্যক্তিগত গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে ক্ষুব্ধ হন রাজ্যের মন্ত্রী। এরপর খানিক এগোতেই তিনি দেখেন একটি বাড়ি তৈরির কাজ চলছে। পুরো ফুটপাথে ইট-সুরকি-চুন-বালি সব রাখা রয়েছে।


এরপরই এক ব্যক্তিকে ডেকে তিনি বলেন, “আপনার মাথায় কোনও আক্কেল নেই?” তখন ওই ব্যক্তি বলেন, “সরিয়ে দেব…সরিয়ে দেব।” পাল্টা মন্ত্রী বলেন, “কখন সরাবেন? আজ আমি এসেছি বলে সরাবেন? মাথায় আক্কেল নেই? এটা ফুটপাথ, জিনিসপত্র রেখে কাজ করা উচিত নয়। জানেন না?” এরপর তাঁর নির্দেশ, আজ রাতের মধ্যে যেন এটা পরিষ্কার হয়।” ফের ধমক দিয়ে বলেন, “মাথায় ঢুকল তো? আজ রাতের মধ্যেই খালি চাই। রিপোর্ট দেখব আমি।”



আইনজীবী সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "এটাই রাজ্য সরকারের দ্বিচারিতা। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী একদিকে বলেছেন যাতে বামেরা নবান্নে গিয়ে পুষ্পাঞ্জলি দেয়। অন্যদিকে, হলদিয়াতে শুভেন্দুবাবুর পুলিশ অনুমতি দিচ্ছে না কারণে এই পুজোয় CITU যুক্ত বলে। এটা তো দ্বিচারিতা। ধর্ম পালন সাংবিধানিক অধিকার। আমরা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হই।"

কলকাতা হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে বিশ্বকর্মা পুজো করছে বামেরা। CITU-কে হলদিয়া রিফাইনারিতে বিশ্বকর্মা পুজো করার অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। রাজ্য পুলিশ প্রথমে এই পুজোর অনুমতি দেয়নি। তারপরই মামলা হয় আদলতে।


আগামী শুক্রবার বিশ্বকর্মা পুজো। সেই কারণে পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়ার IOC গেটে সামনে বিশ্বকর্মা পুজোর অনুমতি চেয়েছিল CITU। বামেদের দাবি হলদিয়া বন্দর কর্তৃপক্ষ বামেদের অনুমতি দিলেও রাজ্য সরকার অনুমতি দেয়নি। সেই কারণে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় তারা। মঙ্গলবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চে মামলা হয়। সেখানে তিনি বামেদের বিশ্বকর্মা পুজো করার অনুমতি দিয়েছেন।



 হৃত্বিকের সঙ্গে প্রেম করছেন শ্বেতা বচ্চন! স্বামী নিখিলের সঙ্গে রয়েছেন সেপারেশনে?
আইনজীবী সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “এটাই রাজ্য সরকারের দ্বিচারিতা। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী একদিকে বলেছেন যাতে বামেরা নবান্নে গিয়ে পুষ্পাঞ্জলি দেয়। অন্যদিকে, হলদিয়াতে শুভেন্দুবাবুর পুলিশ অনুমতি দিচ্ছে না কারণে এই পুজোয় CITU যুক্ত বলে। এটা তো দ্বিচারিতা। ধর্ম পালন সাংবিধানিক অধিকার। আমরা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হই। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য মামলা শুনে IC-কে নির্দেশ দেন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পুজো অনুমতি দিতে হবে। কিন্তু প্রশ্ন হল, একদিকে রাজ্যের প্রশাসন পুজো করার জন্য এত কিছু বলছে, অন্যদিকে সেই পুজো করার জন্যই অনুমতি নিতে হচ্ছে।”



মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "আমি সকলের কাছে আবেদন করব, আপনারা যে বিপুল জয় এনে দিয়েছেন সরকার তৈরি হয়েছে, সরকার কাজ শুরু করেছে এবং মাত্র চার মাস অতিবাহিত হয়েছে। সঙ্কল্পপত্র প্রতিশ্রুতি পূরণের কাজ এগিয়ে নিয়ে যাব। নন্দীগ্রামের বিপুল জনতার কাছে একটাঅ প্রতিশ্রুতি নিশ্চিন্তে থাকবেন, যেদিন আমি তমলুকের সাংসদ থেকে সরে গিয়েছিলাম, সেদিন অনেকেই সাংসদের পরিষেবা ইত্যাদি নিয়ে তাঁরা আশঙ্কার প্রকাশ করেছিলেন।"

চন্দ্রর সবথেকে বড় অপরাধ বিরোধী দলনেতাকে সাহায্য করতেন', বললেন শুভেন্দু
শুভেন্দু অধিকারী

নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী করা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর পিএ প্রয়াত চন্দ্রনাথ রথের মা হাসিরানি রথকে। মঙ্গলবার প্রায় ২০ হাজার কর্মী-সমর্থক নিয়ে মনোনয়ন পেশ করলেন তিনি। মনোনয়নে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখান থেকেই প্রত্যয়ী বার্তা দিলেন তিনি। শুভেন্দুর দাবি, ‘নন্দীগ্রামে কল্পনাতীত রেকর্ড মার্জিনে জিতবে বিজেপি।’ মনোনয়নের মঞ্চ বক্তৃতা দিতে গিয়ে চন্দ্রনাথকেও মনে করলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, চন্দ্রনাথের অপরাধ ছিল যে তিনি একজন বিরোধী দলনেতাকে সাহায্য করতেন।


কী বললেন শুভেন্দু?
মঙ্গলবার হাসিরানি রথের মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগে নন্দীগ্রামের উদ্দেশে বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বক্তৃতার শুরুতেই চন্দ্রনাথকে মনে করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “বিরোধী দলনেতা হিসেবে আমাকে প্রভূত সাহায্য করেছে একজন অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মী প্রয়াত ভাতৃপ্রতীম চন্দ্রর মাতৃদেবীও বটে। চন্দ্রকে যেভাবে নৃশংসভাবে খুন হয়েছে, আমি মনে করি চন্দ্রর সবথেকে বড় অপরাধ ছিল একজন বিরোধী দলনেতাকে সহযোগিতা করতেন।

 উপনির্বাচনের আগে বাবরি মসজিদ নিয়ে 'অশান্তির ষড়যন্ত্র', কী বললেন হুমায়ুন কবীর?
এরপরই নন্দীগ্রামের জনতার উদ্দেশে বার্তা দেন, সঙ্গে প্রতিশ্রুতিও দেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, ” আমি সকলের কাছে আবেদন করব, আপনারা যে বিপুল জয় এনে দিয়েছেন সরকার তৈরি হয়েছে, সরকার কাজ শুরু করেছে এবং মাত্র চার মাস অতিবাহিত হয়েছে। নন্দীগ্রামের বিপুল জনতার কাছে একটা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি। নিশ্চিন্তে থাকবেন, যেদিন আমি তমলুকের সাংসদ থেকে সরে গিয়েছিলাম, সেদিন অনেকেই সাংসদের পরিষেবা ইত্যাদি নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু আপনাদের প্রয়োজনে, আপনাদের সঙ্গে দাঁড়িয়ে আমি প্রাক্তন সাংসদ হিসেবে অভাব বুঝতে দিইনি।”


বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যে মামলা প্রত্যাহারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “ভারতীয় জনতা পার্টির প্রার্থী হিসেবে যে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছি। আমি নন্দীগ্রামের জেল খাটা, কেস খাওয়া প্রত্যেক নেতাকে এই প্রতিশ্রুতি দিতে চাই আপনাদের সসম্মানে দলগত মর্যাদা দিয়ে প্রতিষ্ঠিত করার কাজ আমার। মিথ্যে মামলা প্রত্যাহার করার দায়িত্ব আমার। সেই দায়িত্ব পালন করব। নন্দীগ্রামের অবহেলিত, অত্যাচারিত প্রত্যেকটি পরিবারের পেটে ভাত, মাথায় ছাদ…এ আমার অঙ্গীকার। এটা পূরণ করব।”

নন্দীগ্রামে বিপুল ভোটে জেতার অঙ্গীকার করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “ভোট আমি করতে জানি। আমি বলে দিলাম। এমন মার্জিনে নন্দীগ্রামে বিজেপি জিতবে যেটা কখনও কল্পনা করতে পারেননি। বাকিটা সময় কথা বলবে।” মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে বলেন, “হারাতে এসেছিল নন্দীগ্রামে একুশে। হারিয়ে বাড়ি পাঠিয়েছিলাম। এবার গঙ্গা পেরিয়ে ওর পাড়াতে গিয়ে ওকে হারিয়ে দিয়ে এসেছি।”

সংখ্যালঘুদেরও বার্তা দিয়েছেন শুভেন্দু। বলেন, “আমি নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের সংখ্যালঘুদের আবেদন করছি। একটা সুযোগ এসেছে আপনাদের কাছে। আপনারা সরকারের সঙ্গে থাকবেন কি থাকবেন না। সরকারের সঙ্গে যদি থাকতে চান, হাতে হাত মিলিয়ে যদি কাজ করতে চান, কাজ নিতে চান ৬ অক্টোবর রেজিনগর ও নন্দীগ্রামে আপনাদের পরীক্ষা। আপনি পরীক্ষায় পাশ করবেন নাকি ফেল করবেন, ওটা আপনাদের উপর ছেড়ে দিয়ে গিলাম। বাকি আমরা জিতছি, জিতব।”



 নন্দীগ্রাম থেকে বাদ পড়া ২,৮২৬ জন ভোটারের মধ্যে ৯৫.৫% (প্রায় ২,৭০০ জন) মুসলিম সম্প্রদায়ের ছিলেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নন্দীগ্রামে ৭৫ শতাংশ হিন্দু ভোটের বড় অংশ বিজেপির দিকেই থাকবে। তবে মার্জিনের পুরো চাবিকাঠি নির্ভর করে এই ২৫ শতাংশ সংখ্যালঘু ভোটের ওপরেই।

 উপনির্বাচনের আগে সংখ্য়ালঘুদের বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রামের মাটিতে দাঁড়িয়ে সংখ্যালঘুদের উদ্দেশে তাঁর বার্তা, সরকারের সঙ্গে থাকার পরীক্ষা ৬ অক্টোবর। তিনি বললেন, “নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের সংখ্যালঘুদের জন্য বললাম, এটাই আপনাদের একটা সুযোগ। সরকার-মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে যদি থাকতে চান, হাতে হাত মিলিয়ে যদি কাজ করতে চান, কাজ নিতে চান, আপনাদের পরীক্ষা ৬ অক্টোবর। আপনি পরীক্ষায় পাশ করবেন না ফেল করবেন, সেটা আপনাদের ওপর ছেড়ে দিলাম। বাকি আমরা তো জিতছি, জিতব।” নন্দীগ্রামের মাটিতে দাঁড়িয়ে চ্যালেঞ্জ করলেন, ‘নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে বিজেপি কল্পনাতীত মার্জিনে জিতবে।’


প্রসঙ্গত, বরাবরই নন্দীগ্রাম ১ সংখ্যালঘু অধ্যুষিত। রেজিনগর তো বটেই। ২০২৬ সালের এপ্রিলে প্রকাশিত বিশেষ ভোটার তালিকা সংশোধনীর সাপ্লিমেন্টারি তালিকায় দেখা যায়, নন্দীগ্রাম থেকে বাদ পড়া ২,৮২৬ জন ভোটারের মধ্যে ৯৫.৫% (প্রায় ২,৭০০ জন) মুসলিম সম্প্রদায়ের ছিলেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নন্দীগ্রামে ৭৫ শতাংশ হিন্দু ভোটের বড় অংশ বিজেপির দিকেই থাকবে। তবে মার্জিনের পুরো চাবিকাঠি নির্ভর করে এই ২৫ শতাংশ সংখ্যালঘু ভোটের ওপরেই।


রেজিনগরের ক্ষেত্রে সংখ্যালঘুই ফ্যাক্টর। কারণ রেজিনগরে ভোটারদের ৭০ শতাংশই সংখ্যালঘু। ২৬-এর নির্বাচনে রেজিনগর আসনে নিকটবর্তী বিজেপি প্রার্থীকে ৫৮,৮৭৬ ভোটের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত করেছিলেন হুমায়ুন কবীর। নন্দীগ্রামের মটিতে দাঁড়িয়ে শুভেন্দু টানলেন রেজিনগরের প্রসঙ্গও। তিনি বললেন, “ভোট করতে আমরা জানি, ভোট করাতেও আমরা জানি। বিজেপি এমন মার্জিনে জিতবে, যা কেউ কল্পনা করতে পারবে না। সংখ্যালঘুরা ঠিক করুন কার সঙ্গে থাকবেন। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে থাকার জন্য এটা আপনাদের কাছে একটা সুযোগ।”



মামলাটি দায়ের করেছিলেন উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের বনমালীপুর সন্তোষ ভট্টাচার্য মেমোরিয়াল হাইস্কুলের ইংরেজির শিক্ষিকা সোমা সরদার। ২০১৩ সাল থেকে ওই স্কুলে কর্মরত সোমাকে ‘উদ্বৃত্ত’ দেখিয়ে অন্য স্কুল বেছে নেওয়ার নির্দেশ দেয় শিক্ষা দফতর।

কলকাতা হাইকোর্টের অন্তর্বর্তী নির্দেশে রাজ্য সরকারের মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও উচ্চপ্রাথমিক স্কুলগুলিতে শিক্ষক বদলির নতুন নির্দেশিকা আপাতত থমকে গেল। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ‘উদ্বৃত্ত’ হিসাবে চিহ্নিত করে বদলি করার জন্য গত ২৪ জুলাই শিক্ষা দফতর যে সংশোধিত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর (SOP) জারি করেছিল, তার কার্যকারিতার ওপর ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্থগিতাদেশ দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা।


মামলাটি দায়ের করেছিলেন উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের বনমালীপুর সন্তোষ ভট্টাচার্য মেমোরিয়াল হাইস্কুলের ইংরেজির শিক্ষিকা সোমা সরদার। ২০১৩ সাল থেকে ওই স্কুলে কর্মরত সোমাকে ‘উদ্বৃত্ত’ দেখিয়ে অন্য স্কুল বেছে নেওয়ার নির্দেশ দেয় শিক্ষা দফতর। সোমার পক্ষে তাঁর আইনজীবী উজ্জ্বল রায় আদালতে জানান, ইংরেজি সব শিক্ষার্থীদের জন্যই একটি আবশ্যিক বিষয় এবং ওই স্কুলে তিনি একমাত্র পাস গ্রাজুয়েট ইংরেজি শিক্ষক। অথচ স্কুলের প্রকৃত শিক্ষক-চাহিদা, ছাত্রসংখ্যা ও বিষয়ভিত্তিক কাজের চাপ বিবেচনা না করেই তাঁকে উদ্বৃত্ত ঘোষণা করা হয়েছে।

ওইখানকার লোকরাই বলছে, প্রেসিডেন্সি থেকে এমন জিনিস বেরল ভাবতেই পারছি না', নাম না করে ঋতব্রতকে বেনজির কটাক্ষ কল্যাণের
সোমার আইনজীবী উজ্জ্বল রায় জানান, হাইকোর্টের স্থগিতাদেশে জুলাইয়ের এসওপি-র ভিত্তিতে স্কুল বাছাই, বদলি এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক পদক্ষেপ আপাতত থমকে গেল। একই এসওপি অনুসারে উদ্বৃত্ত ঘোষিত ও বদলির মুখে পড়া রাজ্যের বহু শিক্ষক-শিক্ষিকাও এই নির্দেশের সুফল পেতে পারেন।