WEATHER

Top News


দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপের যুবক সৌমেন মণ্ডল আবারও এক অসাধারণ ও দুঃসাহসিক অভিযানে নেমেছেন। বিশ্বশান্তি, সম্প্রীতি ও মানবতার বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে তিনি স্কেটিং করেই অমরনাথ যাত্রা শুরু করেছেন। বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, এই দীর্ঘ সফরে তিনি কোনও যানবাহনের সাহায্য নিচ্ছেন না; সম্পূর্ণ পথই স্কেটিং করে অতিক্রম করার লক্ষ্য নিয়েছেন।


কাকদ্বীপ থেকে জম্মু ও কাশ্মীরের অমরনাথ গুহা পর্যন্ত সড়কপথে মোট দূরত্ব প্রায় ২,৩০০ থেকে ২,৫০০ কিলোমিটারেরও বেশি। এই দীর্ঘ যাত্রাপথে তাঁকে পশ্চিমবঙ্গ, ঝাড়খণ্ড, বিহার, উত্তরপ্রদেশ, দিল্লি, হরিয়ানা, পাঞ্জাব এবং জম্মু ও কাশ্মীরের বিস্তীর্ণ এলাকা অতিক্রম করতে হবে।
এই অভিযানের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ শুধু দূরত্ব নয়, বরং পথের বৈচিত্র্য। কাকদ্বীপ ও দক্ষিণবঙ্গের আর্দ্র ও গরম আবহাওয়া থেকে শুরু করে উত্তর ভারতের তীব্র গরম, ধুলোঝড়, বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চল এবং শেষপর্যন্ত হিমালয়ের পার্বত্য অঞ্চলের ঠান্ডা আবহাওয়ার মুখোমুখি হতে হবে তাঁকে। এক যাত্রাতেই কয়েকটি ভিন্ন জলবায়ুর অভিজ্ঞতা অর্জন করবেন সৌমেন।
পথের অবস্থাও সর্বত্র একরকম নয়। কোথাও জাতীয় সড়কের মসৃণ রাস্তা, কোথাও যানজটপূর্ণ শহুরে এলাকা, আবার কোথাও পাহাড়ি আঁকাবাঁকা পথ ও খাড়া উতরাই-চড়াই। বিশেষ করে জম্মু থেকে শ্রীনগর এবং সেখান থেকে পাহেলগাম বা বালতাল পর্যন্ত অংশে পাহাড়ি রাস্তা, আবহাওয়ার আকস্মিক পরিবর্তন এবং উচ্চতা বৃদ্ধি তাঁর যাত্রাকে আরও কঠিন করে তুলবে।
অমরনাথ গুহা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩,৮৮০ মিটার (১২,৭০০ ফুট) উচ্চতায় অবস্থিত। ফলে শেষ পর্যায়ে অক্সিজেনের ঘাটতি, নিম্ন তাপমাত্রা এবং দুর্গম পার্বত্য পথের মতো চ্যালেঞ্জও অপেক্ষা করছে তাঁর জন্য। যদিও স্কেটিং করে যতদূর সম্ভব এগিয়ে যাওয়া যাবে, তবুও অমরনাথ যাত্রার শেষ অংশে পাহাড়ি ট্রেকিং পথ অতিক্রম করতেই হবে।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালেও বিশ্বশান্তির বার্তা নিয়ে স্কেটিং করে কেদারনাথ যাত্রা করেছিলেন সৌমেন মণ্ডল। সেই অভিযানের পর এবার আরও বড় লক্ষ্য নিয়ে অমরনাথের পথে পা বাড়িয়েছেন তিনি। তাঁর এই উদ্যোগ কেবল ক্রীড়া দক্ষতার পরিচয় নয়, বরং সমাজের প্রতি একটি ইতিবাচক বার্তা বহন করছে।
সৌমেনের এই ব্যতিক্রমী অভিযানে ইতিমধ্যেই কাকদ্বীপবাসীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও গর্বের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। বিশ্বশান্তির বার্তা নিয়ে তাঁর এই দীর্ঘ যাত্রা সফল হোক, এমনটাই কামনা সকলের।




নতুন সিদ্ধান্তের ফলে ‘দিল্লি স্পেশাল পুলিশ এস্টাবলিশমেন্ট অ্যাক্ট, ১৯৪৬’ অনুযায়ী সিবিআই (DSPE) পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে তদন্ত করার সাধারণ অনুমতি (General Consent) ফিরে পেল। এখন থেকে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী, কেন্দ্রীয় সংস্থা বা যেকোনো সরকারি-বেসরকারি ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে সিবিআই সরাসরি তদন্ত করতে পারবে।


CBI এর পায়ের বেড়ি খুলে দিল শুভেন্দু-সরকার
সিবিআই (প্রতীকী ছবি)


দীর্ঘ আট বছর পর রাজ্যে স্বাধীনভাবে তদন্ত করার ক্ষমতা ফিরে পেল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ২০১৮ সালে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে রাজ্যে সিবিআই-এর অবাধ প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা চাপিয়েছিল তৎকালীন সরকার। ফলে যে কোনও তদন্তের জন্য রাজ্যের আগাম অনুমতির প্রয়োজন হত। রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছিল, প্রভাবশালীদের বাঁচাতেই কি ওই পদক্ষেপ করা হয়েছিল? অবশেষে বর্তমান সরকার পূর্ববর্তী সেই বিতর্কিত বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার করে নিল।


নতুন সিদ্ধান্তের ফলে ‘দিল্লি স্পেশাল পুলিশ এস্টাবলিশমেন্ট অ্যাক্ট, ১৯৪৬’ অনুযায়ী সিবিআই (DSPE) পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে তদন্ত করার সাধারণ অনুমতি (General Consent) ফিরে পেল। এখন থেকে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী, কেন্দ্রীয় সংস্থা বা যেকোনো সরকারি-বেসরকারি ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে সিবিআই সরাসরি তদন্ত করতে পারবে।


‘বুক আর কোমরের আলাদা শট নিতে বারণ করেছিলাম!’ কী ঘটে জাহ্নবীর সঙ্গে?
তবে এই নতুন বিজ্ঞপ্তিতে একটি বিশেষ শর্ত বা ‘রক্ষাকবচ’ রাখা হয়েছে। রাজ্য সরকারের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণাধীন কোনও সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে তদন্ত করতে হলে সিবিআই-কে এখনও রাজ্য সরকারের কাছ থেকে লিখিত অনুমতি নিতে হবে।

প্রশাসনের এই দ্বিমুখী সিদ্ধান্তে একদিকে যেমন রাজ্যে সিবিআই তদন্তের গতি বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে, তেমনই রাজ্য সরকারি কর্মীদের ক্ষেত্রে শর্ত বজায় রাখায় নতুন করে আইনি ও রাজনৈতিক কাটাছেঁড়াও শুরু হয়েছে।


 সুখেন্দু শেখর ছাড়াও এই বৈঠকে রয়েছে শর্মিলা ঠাকুর, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, জগদীশ বসু নিয়া, কালীপদ সোরেন, অরূপ চক্রবর্তী। পাশাপাশি রয়েছেন অসিত মাল, কাকলি ঘোষ দস্তিদারও। এদিনের বৈঠকের পর তাঁরা কোনও পদক্ষেপ করেন কিনা, সেটা সব থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।


কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বাসভবনে গোপন বৈঠক তৃণমূল সাংসদদের, নেতৃত্ব দিচ্ছেন শুভেন্দু
ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে তৃণমূল সাংসদদের গোপন বৈঠক


ইন্ডি জোটের বৈঠক চলাকালীনই গোপন বৈঠকে তৃণমূলের বিক্ষুদ্ধ সাংসদরা। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতে বিক্ষুব্ধ সংসদরা বৈঠক করছেন ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে। জানা যাচ্ছে, ৯ নম্বর মতিলাল নেহেরু মার্গ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনেই বৈঠকে বসেছেন বিক্ষুব্ধ ১২ সাংসদ। এখানেই দুপুরে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তার আগেই তিনটি গাড়িতে পৌঁছন তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ সাংসদরা। সুখেন্দু শেখর রায় এদিন পদত্যাগ করে গিয়েই ফোন সুইচ অফ করে দেন। তিনি বলেই গিয়েছিলেন, তৃণমূল থেকে তিনি পদত্যাগ করেছেন। কিন্তু তৃণমূল ভাঙানোর রাজনীতিতেও যে তিনি সক্রিয়, তা খানিকটা এই ছবিতেই স্পষ্ট। রাজ্যসভার সাংসদ হিসাবে উপ রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পরই এই বাসভবনে পৌঁছে যান সুখেন্দু শেখর।


কেন ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে বৈঠক?


কাতারের ক্ষতে প্রলেপ দিতে তৈরি অরেঞ্জ বাহিনী, ২০২৬ বিশ্বকাপে কোম্যানের তুরুপের তাস কারা?
তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ সাংসদদের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে বৈঠক বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। বাংলার নির্বাচনে একেবারে রণকৌশল সাজানোর কারিগর। নেপথ্যে নেথে গোটা রণকৌশল নির্ধারণ করেছেন তিনি।

কারা কারা রয়েছেন বৈঠকে?

সুখেন্দু শেখর রায় ছাড়াও এই বৈঠকে রয়েছে শর্মিলা ঠাকুর, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, জগদীশ বসু নিয়া, কালীপদ সোরেন, অরূপ চক্রবর্তী। পাশাপাশি রয়েছেন অসিত মাল, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, পার্থ ভৌমিক, অসিত মাল। এদিনের বৈঠকের পর তাঁরা কোনও পদক্ষেপ করেন কিনা, সেটা সব থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

কী কী বিষয় ফ্যাক্টর?

যে সংখ্যক সাংসদরা উপস্থিত রয়েছেন, তা নিয়ম অনুযায়ী, দুই তৃতীয়াংশের গণ্ডি পেরোচ্ছে না। তাই তাঁদেরই এখনই ব্লক ভেঙে বেরিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু আরও কয়েকজন এই বৈঠকে আছেন বলেও সূত্রের খবর। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের বক্তব্য, যদি এই সাংসদরা বিজেপির সঙ্গে সরাসরি ‘মার্জ’ করে যান, তাহলে দলত্যাগবিরোধী আইনে তাঁদেরকে আটকানো কোনওভাবেই সম্ভব হবে না।

কিন্তু যদি তাঁরা লোকসভার স্পিকারকে চিঠি দিয়ে জানান, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দলনেতা হিসাবে মানছেন না, সেক্ষেত্রে তাঁরা আলাদাভাবে একটি ব্লক তৈরি করতে চান, তার জন্য নেতা নির্বাচন করেন, সেটা তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীকে তা সম্ভব নয়। কারণ অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের ক্ষেত্রে যিনি দলনেতা হবেন, সংসদীয় দলের চেয়ারপার্সন হিসাবে কেবল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরই রয়েছে। স্পিকার ব্লককে স্বীকৃতি দেন, তাহলে আইনি লড়াইয়ের পথ খোলা ছিল। যেহেতু প্রথম থেকেই বিজেপি বলে আসছিল, তারা তৃণমূলের কোনও সাংসদকেই দলে নেবেন না, সেক্ষেত্রে ‘মার্জ’ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ ছিল। কিন্তু এদিনের বৈঠকের পরই গোটা বিষয়টা জলের মতো পরিষ্কার।

‘ইচ্ছার ঐক্য মিলে যায়’

বেলা দুটো নাগাদ বৈঠক শেষ হয়। প্রথমেই বেরিয়ে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীরা। যদিও তিনি কোনও প্রশ্নের উত্তর দেননি। এই বৈঠক প্রসঙ্গে বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “এটা ইচ্ছার ঐক্য। আমাদের লেজিসলেটিভ পার্টির যাঁরা সদস্য, আমাদের ইচ্ছার ঐক্য বোধহয় দিল্লি পর্যন্ত পৌঁছেছে। আমার সঙ্গে লোকসভার বেশ কয়েকজন সাংসদের গতকাল কথা হয়েছিল, ফোনেই কথা হয়। তখন তাঁরা আমাদের বক্তব্যগুলোর সঙ্গে সহমত ছিলেন। পার্লামেন্টারির পার্টির অধিকাংশ মেম্বার যদি একত্রে বসেন, তার থেকে ভাল আর কী হতে পারে!”

বিজেপি কি তৃণমূল সাংসদদের তবে নিচ্ছে দলে?

কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, “আমরা প্রথম থেকেই বলতাম তৃণমূলে প্রচুর পরিমাণে অন্তর্দ্বন্দ্ব রয়েছে, তা আরও প্রকট হচ্ছে। এই দলে আর কেউ থাকতে চাইছে না। পাপের ভাগীদার আর কেউ হতে চাইছে না।” তৃণমূলের কাউকে কি তাহলে নেবেন? এ বিষয়ে রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বিষয়টি জানাতে পারবেন বলে জানালেন সুকান্ত মজুমদার।

 যে ২০ জন দিন এনডিএ-র শরিক হিসেবে থাকতে আবেদন জানালেন, তাঁদের কারও পার্লামেন্টারি পারফরম্যান্স ভালো নয় বলে মনে করেন সৌগত রায়। তাঁর কথায়, এই সাংসদদের এমন কিছু জেলায় প্রভাব নেই। তবে কাকলি ঘোষ দস্তিদার, যিনি প্রথম থেকে বেসুরো, তাঁকে সিনিয়র হিসেবে উল্লেখ করেন সৌগত।

 পার্সোনালি ফোন করে ভয় আর লোভ দেখানো হয়েছিল: সৌগত রায়
সৌগত রায়

 সোমবার যেভাবে ২০ জন তৃণমূল সাংসদ এনডিএ-র অংশ হওয়ার দাবি জানিয়েছেন, তাকে ‘অপারেশন লোটাস’ বলেই উল্লেখ করলেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় (Sougata Roy)। ২৮ জন সাংসদের মধ্যে যে ৮ জন পুরনো দলেই রয়ে গেলেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম সৌগত। তাঁর মতে, সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রতিষ্ঠা করতেই বিজেপিই এই তৃণমূল সাংসদদের প্রভাবিত করছে। তাঁর দাবি, বিজেপি ভয় আর লোভ দেখায় বিরোধী দলের সাংসদদের। তবে, বিজেপি বলছে, পাপের ভাগীদার হবে না বলেই তৃণমূল সাংসদরা বিদ্রোহী হয়ে উঠেছেন।


সৌগতর কাছেও কি ছিল এমন কোনও অফার? বর্ষীয়ান এই সাংসদ বলেন, “ভয় আর লোভ দুটোই দেখানো হয়েছিল।” তবে কী বলা হয়েছিল, সে কথা বলতে নারাজ সৌগত। তিনি বলেন, “কে আমাকে পার্সোনালি ফোন করে কী বলেছেন, তা আমি টিভি-তে বলব না।” কী উত্তর দেন সৌগত? সাংসদ বলেন, “আমার দিক থেকে না করে দিয়েছি।”


কাউকে নেওয়ায় আপত্তি নেই', কারণ ব্যাখ্যা করলেন সুনীল বনশল
তবে যে ২০ জন দিন এনডিএ-র শরিক হিসেবে থাকতে আবেদন জানালেন, তাঁদের কারও পার্লামেন্টারি পারফরম্যান্স ভালো নয় বলে মনে করেন সৌগত রায়। তাঁর কথায়, এই সাংসদদের এমন কিছু জেলায় প্রভাব নেই। তবে কাকলি ঘোষ দস্তিদার, যিনি প্রথম থেকে বেসুরো, তাঁকে সিনিয়র হিসেবে উল্লেখ করে সৌগত বলেন, “উনি ছেলেকে দাঁড় করাতে চেয়েছিলেন, সেটা হয়নি।” 

 যোগ্য কর্মীরা তাঁদের অতিরিক্ত পরিশ্রমের পরিপূরক হিসেবে মোট ১০ দিনের বিশেষ ছুটির সুবিধা পাবেন। এর মধ্যে রয়েছে ৮ দিনের ক্ষতিপূরণমূলক নৈমিত্তিক ছুটি (Compensatory Casual Leave)। এর পাশাপাশি, রাজ্যপালের অনুমোদনক্রমে আরও ২ দিনের অতিরিক্ত বিশেষ ছুটি (Special Leave) মঞ্জুর করা হয়েছে।


এবার রাজ্য সরকারের এই কর্মীদের ছুটি নিয়ে বড় নির্দেশ দিল নবান্ন
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী


উৎসবের মরশুমে রাজ্যবাসীকে সুরক্ষা দিতে দিন-রাত এক করে ডিউটি করা পুলিশ ও হোমগার্ড কর্মীদের জন্য সুখবর দিল রাজ্য সরকার। ২০২৫ সালের দুর্গাপুজো-সহ অন্যান্য গেজেটেড ছুটিতে টানা ৭ দিনের বেশি ডিউটি করা কর্মীদের জন্য একগুচ্ছ অতিরিক্ত ছুটির ঘোষণা করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ, কলকাতা পুলিশ এবং রাজ্য ও কলকাতা হোমগার্ড সংগঠনের সকল স্তরের কর্মীরা এই সুবিধার আওতায় আসবেন।


রাজ্য সরকারের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, যোগ্য কর্মীরা তাঁদের অতিরিক্ত পরিশ্রমের পরিপূরক হিসেবে মোট ১০ দিনের বিশেষ ছুটির সুবিধা পাবেন। এর মধ্যে রয়েছে ৮ দিনের ক্ষতিপূরণমূলক নৈমিত্তিক ছুটি (Compensatory Casual Leave)। এর পাশাপাশি, রাজ্যপালের অনুমোদনক্রমে আরও ২ দিনের অতিরিক্ত বিশেষ ছুটি (Special Leave) মঞ্জুর করা হয়েছে।


 ‘বুক আর কোমরের আলাদা শট নিতে বারণ করেছিলাম!’ কী ঘটে জাহ্নবীর সঙ্গে?

 ৫০ লক্ষ মহিলা অন্নপূর্ণার টাকা পেয়েছেন! এবার ভিতরের খবরটা বলেই দিলেন শুভেন্দু
তবে এই ছুটি ভোগের ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম বেঁধে দেওয়া হয়েছে। নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে:

সংশ্লিষ্ট কর্মীদের এই ১০ দিনের ছুটি আগামী ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৬-এর মধ্যে ব্যবহার করতে হবে।

সাধারণ ক্যাজুয়াল লিভ (CL) ছাড়া অন্য কোনও ধরনের ছুটি, গেজেটেড ছুটি কিংবা স্থানীয় ছুটির সঙ্গে মিলিয়ে বা যুক্ত করে এই বিশেষ ছুটি নেওয়া যাবে না।

রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তে স্বাভাবিকভাবেই খুশি পুলিশ ও হোমগার্ড কর্মীরা।

 রাজনীতির কারবারিরা বলছেন, একজন বিধায়ক হিসেবে বিধানসভায় আসতেই পারেন ফিরহাদ। কিন্তু, নজর কেড়েছে বিধানসভায় তাঁর ঋতব্রতর ঘরে যাওয়া নিয়ে। এমনকি, সন্দীপন হাত ধরে ফিরহাদকে ঋতব্রতর ঘরে নিয়ে যান। তৃণমূল যাঁদের বহিষ্কার করেছে, তাঁদের সঙ্গে ফিরহাদের এই বৈঠক নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

বড় খবর, ঋতব্রতর ঘরে ফিরহাদ হাকিম
বিধানসভায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরে ফিরহাদ হাকিম

এবার কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছাড়ছেন ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim)? জল্পনা বাড়িয়ে সোমবার বিধানসভায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরে পৌঁছে গেলেন ফিরহাদ। তাঁকে বিধানসভার বিরোধী দলনেতার ঘরে নিয়ে যান তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত বিধায়ক সন্দীপন সাহা (Sandipan Saha)। তবে বিধানসভায় ঋতব্রতর ঘরে যাওয়া নিয়ে ফিরহাদ কোনও মন্তব্য করতে চাননি।


বিধানসভায় তৃণমূল বিধায়করা দুই ভাগে ভাগ হওয়ার পর থেকেই ফিরহাদকে নিয়ে নানা জল্পনা চলছে। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের সহযোগী ফিরহাদ। মমতা কংগ্রেসে থাকাকালীন তাঁর সঙ্গে ছিলেন। তারপর তৃণমূলেও শুরু থেকে রয়েছেন। তৃণমূলের আমলে গুরুত্বপূর্ণ দফতরের মন্ত্রী ছিলেন ফিরহাদ। আবার কলকাতার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব সামলেছেন।


ডাকাতটার বিষয় পুলিশমন্ত্রীর উপর ছেড়ে দিন', কার কথা বললেন শুভেন্দু?
তিনদিন আগে কলকাতার মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দেন ফিরহাদ। সেইসময় জানা যায়, মমতার কাছ থেকে অনুমতি নিয়েই মেয়র পদে ইস্তফা দিয়েছেন তিনি। আবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর ডাকা নিয়ে কলকাতা বন্দরের বিধায়ক হিসেবে উপস্থিত থেকেছেন। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা যখন বাংলায় বিজেপির জয়কে অস্বীকার করেছেন, সেখানে নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ডাকা বৈঠকে ফিরহাদের হাজির থাকা নিয়ে নানা জল্পনা শুরু হয়।

এবার বিধানসভায় এসে একদম ঋতব্রতর ঘরে পৌঁছে গেলেন ফিরহাদ। ঋতব্রত ও সন্দীপনের নেতৃত্বেই তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ বিধায়করা ‘নব তৃণমূল ব্লক’ গঠন করেছেন। বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হয়েছেন ঋতব্রত। তৃণমূল ঋতব্রত ও সন্দীপনকে বহিষ্কার করেছে। তৃণমূলের দুই বহিষ্কৃত বিধায়কের সঙ্গেই এদিন দেখা গেল ফিরহাদকে। এই নিয়ে ফিরহাদ কিছু না বললেও মহেশতলার বিধায়ক শুভাশিস দাস বলেন, “বিরোধী দলনেতার ঘরে আমরা সবাই ছিলাম। ববি দাও এল। বিরোধী দলনেতার ঘরে বিধায়ক আসা কি অন্যায়ের? আমরা সবাই তো তৃণমূল।”

রাজনীতির কারবারিরা বলছেন, একজন বিধায়ক হিসেবে বিধানসভায় আসতেই পারেন ফিরহাদ। কিন্তু, নজর কেড়েছে বিধানসভায় তাঁর ঋতব্রতর ঘরে যাওয়া নিয়ে। এমনকি, সন্দীপন হাত ধরে ফিরহাদকে ঋতব্রতর ঘরে নিয়ে যান। তৃণমূল যাঁদের বহিষ্কার করেছে, তাঁদের সঙ্গে ফিরহাদের এই বৈঠক নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। তাহলে কি এবার মমতার হাত ছেড়ে ঋতব্রতদের সঙ্গে যাবেন ফিরহাদ? সেরকম হলে বিধানসভায় তৃণমূলের কতজন মমতার পক্ষে থাকবেন, তা নিয়ে জল্পনা বাড়ছে।

তৃণমূল কংগ্রেসের মুখ্য সচেতক হিসেবেই এদিন চিঠি জমা দিয়েছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। কিছুদিন আগেই তাঁকে ওই পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু কাকলির যুক্তি, তাঁকে ওই পদ থেকে সরানোর বিষয়টি লোকসভার রেকর্ডে এখনও নেই।


 তৃণমূলে চরম ধাক্কা! বিজেপিতে যোগ নয়, ২০ TMC সাংসদের সই নিয়ে স্পিকারকে বড় সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিলেন কাকলি
কাকালি ঘোষ দস্তিদার

ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে বৈঠকের পর স্পিকারকে চিঠি দিয়ে এলেন তৃণমূলের বর্ষীয়ান সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার (Kakali Ghosh Dastidar)। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন দিল্লিতে উপস্থিত, তখনই স্পিকারকে সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দিল তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদরা। তৃণমূলের সংসদীয় দলের সঙ্গে সব সম্পর্ক ত্যাগ করলেন তাঁরা। সোমবার ঠিক দুুপুর ১২টা ৫৩ মিনিটে ওই চিঠি জমা পড়েছে। এদিন ২০ জন সাংসদের সই নিয়ে ওই চিঠি জমা দেওয়া হয়েছে স্পিকার ওম বিড়লার ঘরে।


কী সিদ্ধান্ত বিদ্রোহীদের?
কাকলির দেওয়া চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন না তাঁরা। তবে, এনডিএ-তে যোগ দেবেন তাঁরা। অর্থাৎ তৃণমূলের একটি পৃথক ব্লক হিসেবে এনডিএ জোটের অংশ হতে চান তাঁরা। অর্থাৎ এই চিঠি গৃহীত হলে, তৃণমূলের সংসদীয় দল ভেঙে যাবে। তবে, সোমবার ওম বিড়লা লোকসভায় উপস্থিত নেই, তিনি অন্য রাজ্যে অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছেন। তাই চিঠিটি তাঁর অফিসে জমা দেওয়া হয়েছে।



মুখ্য সচেতক হিসেবে কীভাবে চিঠি দিলেন কাকলি?
তৃণমূল কংগ্রেসের মুখ্য সচেতক হিসেবেই এদিন চিঠি জমা দিয়েছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। কিছুদিন আগেই তাঁকে ওই পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই পদে বসানো হয়েছিল কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। কিন্তু কাকলির যুক্তি, তাঁকে ওই পদ থেকে সরানোর বিষয়টি লোকসভার রেকর্ডে এখনও নেই, কারণ এর মধ্যে লোকসভার অধিবেশন হয়নি। সেই যুক্তিতেই নিজেকে মুখ্য সচেতক দাবি করে ওই চিঠি দিয়েছেন কাকলি।

কারা সই করলেন কাকলির চিঠিতে?
লোকসভায় তৃণমূলের মোট ২৮ জন সাংসদ রয়েছেন। তার মধ্যে ২০ জন সই করেছেন বলে জানিয়েছেন কাকলি। তবে কার কার সই রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সূত্রের খবর তালিকায় রয়েছেন, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, পার্থ ভৌমিক, শর্মিলা সরকার, অসিত মাল, জগদীশ বসু নিয়া, কালীপদ সোরেন, অরূপ চক্রবর্তী, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, দেব, শতাব্দী রায়, জুন মালিয়া, সাজদা আহমেদ, বাপি হালদার, ইউসুফ পাঠান, খলিলুর রহমান।

বিগত কয়েক বছরে যাবতীয় সুযোগ সুবিধা নিয়েছেন দেব। ২০১৪, ২০১৯, ২০২৪ সালে তিনি সাংসদ হয়েছেন। ২০২৫ সালে তাঁকে শেষবার দেখা গিয়েছিল ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের বৈঠকে। এরপর থেকে দেবকে সেই অর্থে নিজের সংসদীয় কেন্দ্রে দেখা যায়নি।


 মমতার 'মহানায়ক' দেব-ও পাল্টি! কুণাল বললেন, 'নেত্রী আজ বুঝলেন'
দেবের পাল্টি নিয়ে কুণাল


চৈতন্যদেব’…’দেবাদিদেব’…এই ধরনের শব্দ প্রয়োগ করে বারেবারে তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ কটাক্ষ করেছিলেন ঘাটালের তৃণমূল সাংসদ দীপক অধিকারীকে। কখনও তাঁর সৌজন্যের রাজনীতি নিয়ে, কখনও বিজেপি করা অভিনেতাদের সঙ্গে সিনেমা নিয়ে কুণালের আক্রমণের মুখে পড়েছিলেন সাংসদ। দলকে বারেবারে সতর্ক করেছিলেন কুণাল। রাজ্যের পালাবদল হতেই এবার কি সেই সেই কুণালেরই কথা খানিক মিলছে? কারণ তৃণমূলের ক্ষমতা হারাতেই কার্যত অবস্থান বদল ঘাটালের তৃণমূল সাংসদের। সূত্রের খবর, তড়িঘড়ি বিদ্রোহী শিবিরে নাম লেখালেন তৃণমূলের অভিনেতা সাংসদ। এখানেই শেষ নয়, একেবারে শ্যুটিং বাতিল করে দিল্লি গেলেন তিনি। তারপর বিদ্রোহীদের বৈঠকে সামিল দেব।


বিধানসভায় দলনেতা কে হবেন, সেই নিয়ে তৃণমূলের একপ্রস্থ নাটক দেখেছেন রাজ্যবাসী। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে একাধিক বিধায়ক নাম লেখান তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরে। এরপর সোমবার যখন খোদ সুপ্রিমো দিল্লিতে তখন একই ছবি দেখা গেল লোকসভার সাংসদের ভূমিকাতে। প্রথম থেকে সুর বদলানো কাকলী ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে তৃণমূল সংসদীয় দলের সঙ্গে সব সম্পর্ক ত্যাগ করলেন তাঁরা। তারপর কুড়ি জন বিদ্রোহী সাংসদের সই নিয়ে ওই চিঠি জমা দেওয়া দেওয়া হয়েছে। পৃথক ব্লক হিসেবে এনডিএ জোটের অংশ হতে চান তাঁরা। জানা যাচ্ছে, এই কুড়ি জন বিদ্রোহী সাংসদের মধ্যে রয়েছেন দেবও।


বিগত কয়েক বছরে যাবতীয় সুযোগ সুবিধা নিয়েছেন দেব। ২০১৪, ২০১৯, ২০২৪ সালে তিনি সাংসদ হয়েছেন। ২০২৫ সালে তাঁকে শেষবার দেখা গিয়েছিল ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের বৈঠকে। এরপর থেকে দেবকে সেই অর্থে নিজের সংসদীয় কেন্দ্রে দেখা যায়নি। যদিও, দেব বারেবারে বলেছিলেন ২০২৪ সালের নির্বাচনে নাকি তিনি দাঁড়াতে চাননি। মমতার জোরাজুরিতেই তিনি ভোটে লড়েছিলেন। তবে বিধানসভার পালা বদলেরই পরই অন্যান্য় ১৯ জনের মতো পাল্টি খেলেন তিনিও।

কুণাল ফের কী বললেন?

দেবকে নিয়ে একদা সতর্ক করা কুণাল সোমবার ফের লিখলেন, “দেব এক নম্বর অভিনেতা । তবে ওর রাজনীতি নিয়ে আমার বক্তব্য ঠিক ছিল কি না তা নেত্রী আজ বুঝবেন নিশ্চই।”

পড়াশোনার পাশাপাশি এখানে শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশের দিকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, প্রযুক্তিগত কর্মশালা এবং ডিজাইন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নেতৃত্বের গুণ, দলগত কাজের দক্ষতা এবং আত্মবিশ্বাস অর্জন করে।

স্থাপত্যবিদ্যা কেন আজ এত গুরুত্বপূর্ণ? জানুন OmDayal-এর B.Arch. কোর্স সম্পর্কে
ওমদয়াল গ্রুপ অব ইনস্টিটিউশন-র B.Arch. কোর্স শিক্ষার্থীদের আধুনিক স্থাপত্য শিক্ষায় দক্ষ করে তুলছে



আমাদের চারপাশে যে বাড়ি, অফিস, স্কুল, হাসপাতাল বা বড় বড় ভবন দেখি, সেগুলি শুধু ইট-পাথরের কাঠামো নয়। এগুলির নকশা, সৌন্দর্য, নিরাপত্তা এবং ব্যবহারযোগ্যতার পিছনে থাকে একজন স্থপতির (Architect) চিন্তাভাবনা ও দক্ষতা। তাই বর্তমান সময়ে স্থাপত্যবিদ্যা বা আর্কিটেকচার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সম্ভাবনাময় পেশা হিসেবে উঠে এসেছে।


স্থাপত্য এমন একটি বিষয় যেখানে সৃজনশীলতা, প্রযুক্তি এবং কৌশলগত জ্ঞানের সমন্বয় ঘটে। একজন স্থপতি বা আর্কিটেকচারের কাজ শুধু সুন্দর বিল্ডিং তৈরি করা নয়, বরং এমন পরিবেশ গড়ে তোলা যেখানে মানুষ নিরাপদে ও স্বাচ্ছন্দ্যে বসবাস করতে পারে। বর্তমানে পরিবেশবান্ধব এবং টেকসই উন্নয়নের উপর জোর বাড়ায় দক্ষ আর্কিটেক্টদের চাহিদাও দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এটিও পড়ুন
Janhvi Kapoor Peddi: ‘বুক আর কোমরের আলাদা শট নিতে বারণ করেছিলাম!’ কী ঘটে জাহ্নবীর সঙ্গে?
Debangshu Bhattacharya: 'আনন্দ পাচ্ছি', তৃণমূল নেতাদের গ্রেফতারিতে বিস্ফোরক দেবাংশু 
বাংলাদেশের সঙ্গে 'ডিল'! বাংলায় বাংলাদেশিদের নিয়ে এবার কোন পথে ভারত?
Omdayal New

যে সব শিক্ষার্থীর আঁকাআঁকি, ডিজাইন, নতুন কিছু ভাবা এবং সমস্যা সমাধানের প্রতি আগ্রহ রয়েছে, তাদের জন্য আর্কিটেকচার হতে পারে একটি আদর্শ কেরিয়ার। এই পেশার মাধ্যমে নিজের কল্পনাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার পাশাপাশি সমাজের উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব।

এই লক্ষ্যেই ওমদয়াল গ্রুপ অব ইনস্টিটিউশন (OmDayal Group of Institutions)-এর B.Arch. (Bachelor of Architecture) কোর্স শিক্ষার্থীদের আধুনিক স্থাপত্য শিক্ষায় দক্ষ করে তুলছে। এই কোর্সে আর্কিটেকচারাল ডিজাইন, বিল্ডিং নির্মাণ প্রযুক্তি, পরিবেশবিদ্যা, নগর পরিকল্পনা এবং বিভিন্ন আধুনিক বিষয় পড়ানো হয়, যাতে শিক্ষার্থীরা পেশাগত জীবনের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত হতে পারে।

Omdayal Group Of Institutions2

প্রতিষ্ঠানটির অভিজ্ঞ শিক্ষকমণ্ডলী, আধুনিক ডিজাইন স্টুডিও, ল্যাবরেটরি এবং কর্মশালাগুলি শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে শেখার সুযোগ করে দেয়। শুধু ক্লাসরুমের পড়াশোনাই নয়, নিয়মিত সাইট ভিজিট, সেমিনার এবং ইন্ডাস্ট্রি বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা শিক্ষার্থীদের বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনে সাহায্য করে।

OmDayal-এর অন্যতম বিশেষত্ব হল টেকসই বা Sustainable Architecture-এর উপর জোর। শিক্ষার্থীদের শেখানো হয় কীভাবে পরিবেশের ক্ষতি কমিয়ে ভবিষ্যতের জন্য উন্নত ও বাসযোগ্য স্থাপনা তৈরি করা যায়। এর ফলে তারা শুধু দক্ষ স্থপতি নয়, সমাজের প্রতি দায়িত্বশীল হিসাবেও গড়ে ওঠে।

Omdayal Group Of Institutions3

পড়াশোনার পাশাপাশি এখানে শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশের দিকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, প্রযুক্তিগত কর্মশালা এবং ডিজাইন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নেতৃত্বের গুণ, দলগত কাজের দক্ষতা এবং আত্মবিশ্বাস অর্জন করে।




সম্প্রতি ওমদয়াল গ্রুপের আর্কিটেকচার বা স্থাপত্য বিভাগ একটি বড় সাফল্যের সাক্ষী হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি গর্বের সঙ্গে ৬৮ তম নাসা জোনাল কনভেনশন (68th NASA Zonal Convention)-এর আয়োজন করেছিল। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ৩৫০-রও বেশি আর্কিটেকচারের পড়ুয়া এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। তিন দিনব্যাপী এই সম্মেলনে ছিল বিভিন্ন প্রতিযোগিতা, কর্মশালা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং জ্ঞান বিনিময়ের সুযোগ। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের প্রতিভা তুলে ধরার পাশাপাশি দেশের অন্যান্য স্থাপত্য শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতামত বিনিময়ের সুযোগ পায়।



ওমদয়াল গ্রুপের বহু প্রাক্তন শিক্ষার্থী বর্তমানে দেশের এবং বিদেশের বিভিন্ন নামী প্রতিষ্ঠানে উচ্চশিক্ষা ও পেশাগত ক্ষেত্রে সাফল্যের সঙ্গে কাজ করছেন। তাঁদের এই সাফল্য প্রতিষ্ঠানটির উন্নত মানসম্মত শিক্ষা এবং শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশেরই প্রমাণ।



বর্তমান যুগে যখন শহর ও অবকাঠামোর দ্রুত উন্নয়ন হচ্ছে, তখন দক্ষ স্থপতিদের ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ওমদয়াল গ্রুপ অব ইনস্টিটিউটে (OmDayal Group of Institutions) সেই ভবিষ্যতের স্থপতিদের গড়ে তুলতে কাজ করে চলেছে, যারা আগামী দিনের উন্নত, সুন্দর এবং পরিবেশবান্ধব সমাজ নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

MOU হস্তান্তর করা হল। রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনকে প্রণাম। ওদের আর্শীবাদেই আমরা ক্ষমতায়। এই অনুষ্ঠান কলকাতাতে হতে পারত। তবে নাড্ডাজি এই অনুষ্ঠান রাজধানীতে করার কথা বলেন। এবং বোঝান রাজধানী দিল্লিতে এই অনুষ্ঠান করার গুরুত্ব। তার জন্য 

আয়ুষ্মান ভারতের কার্ডে নাকি সুবিধা মেলে না', সব 'মিথ' ভেঙে শুভেন্দু ধরে-ধরে বোঝালেন পুরোটা
শুভেন্দু অধিকারী, মুখ্যমন্ত্রী


দিল্লিতে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সেখান থেকে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য বিমা আয়ুষ্মান ভারত (Ayushman Bharat) নিয়ে বক্তব্য রাখলেন। দীর্ঘ অপেক্ষার অবসানের পর বাংলায় চালু হচ্ছে কেন্দ্রের ‘আয়ুষ্মান যোজনা’। বাংলায় ১ লক্ষ ৪৬ হাজার পরিবার এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে এই সুবিধা মিলবে। আজ শুভেন্দু অধিকারী MOU স্বাক্ষর করেন। তারপর একটি সাংবাদিক বৈঠক করেন দিল্লি থেকে।


আয়ুষ্মান ভারত নিয়ে এক নজরে সবটা

২৮ হাজার ফুট উচ্চতায় মুখে ঘুষি মেরেছে, এমনকী আমার...', মৃতদেহের টাকা আত্মসাৎ থেকে অরূপের লোকজন আর কী কী করেছেন, হাড়হিম অভিজ্ঞতা বললেন পিয়ালী
শুভেন্দু অধিকারী: বাংলার মানুষকে বলছি ২০১৮ সালে শুরু হওয়া কর্মসূচিতে ব্যক্তিগত কার্ড বিতরণ হয়েছে ৪৪ কোটি। মোট ৩১ মে ২০২৬ পর্যন্ত, দেশের ৩৬ হাজার ১৯৩ হাসপাতাল এতে যুক্ত হয়েছে। বেসরকারি হাসপাতাল আছে ১৬, ৫৫৭। বাংলায় প্রচার আছে, আষুষ্মান ভারতের কার্ডে নাকি সুবিধা পাওয়া যায় না। আমি পশ্চিমবঙ্গে মানুষদের বলছি, মোদীজির নেতৃত্বে ভারত সরকার ১২.১৭ কোটি হাসপাতালে ভর্তি হওয়া মানুষকে ১.৮২ লক্ষ কোটি টাকা দিয়েছেন এই কর্মসূচিতে। যেটা থেকে বাংলা বঞ্চিত হয়েছে আট বছর ধরে শুধু রাজনীতির কারণে। এর মধ্যে ৪৯ শতাংশ আয়ুষ্মান কার্ড মহিলাদের জন্যই অনুমোদিত হয়েছিল। হাসপাতালে যাঁরা উপকৃত হয়েছেন তাঁদের মধ্যে ৪৯ শতাংশ মহিলা রয়েছে। তাই ৮ বছর ধরে বাংলার মানুষ বঞ্চিত হয়েছেন এবার তাঁরাও এই সুবিধা পাবেন।
শুভেন্দু অধিকারী: ৫৭০ কোটি টাকা পশ্চিমবঙ্গে ট্রান্সফার করা হয়েছে। ১ কোটি ৪৩ লক্ষ পরিবার সুবিধা পাবেন। HPV ভ্যাকসিনেশন চালু করার কথা ছিল। তৃণমূল এই ভ্যাকশিন চালু করেনি। আমরা এসেই চালু করেছি। আমাদের আবেদন, ‘৪৬৭ জন ঔষুধি যোজনা’ কেন্দ্রের অনুমতি মিললে গরিব মানুষ উপকারি হবে। এছাড়াও কেন্দ্র স্বাস্থ্যে যা যা উন্নয়ন করছে সেই সুবিধা যাতে বাংলার মানুষ পান সেই আবেদনও করব।
শুভেন্দু অধিকারী: আষুষ্মান শুরু হওয়ার পর ওড়িশা, দিল্লি ও বাংলা-এই তিনটে রাজ্য প্রথমে এর সুবিধা রাজ্যবাসীকে দিতে দেয়নি। তবে জনগণ এই তিন সরকারকেই টাটা বাই-বাই বলে দিয়েছে। এবার ডাবল ইঞ্জিন সরকারের সুবিধা বাংলা পাবে।
শুভেন্দু অধিকারী: MOU স্বাক্ষর করা হল। রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনকে প্রণাম। ওদের আর্শীবাদেই আমরা ক্ষমতায়। এই অনুষ্ঠান কলকাতাতে হতে পারত। তবে নাড্ডাজি এই অনুষ্ঠান রাজধানীতে করার কথা বলেন। এবং বোঝান রাজধানী দিল্লিতে এই অনুষ্ঠান করার গুরুত্ব।

সাংবাদিক বৈঠকে সাংবাদিকদের কোনও প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আগেই উঠে পড়েন ইন্ডি জোটের নেতারা। সেইসময় দেখা যায়, সবার আগে বৈঠক ছেড়ে উঠে পড়েছেন মমতা। রাজনীতির কারবারিরা বলছেন, মমতার এমন অবস্থা আগে কখনও দেখা যায়নি। তৃণমূল ক্ষমতায় থাকাকালীন ইন্ডি জোটের রাশও নিজের কাছে রাখার চেষ্টা করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে।



চুপ মমতা, বললেন মাত্র দুটি শব্দ, রাশ হারালেন ইন্ডি জোটেরও?
মল্লিকার্জুন খাড়্গের পাশে চুপচাপ বসে রইলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়


এতদিন এইভাবে দেখা যায়নি তাঁকে। কার্যত বিধ্বস্ত। চুপ করে রইলেন। ইন্ডি জোটের সাংবাদিক বৈঠকে বললেন মাত্র দুটি শব্দ। সেই শব্দ দুটিও বলেছেন কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গেকে। এর বাইরে সোমবার নয়াদিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে ইন্ডি জোটের সাংবাদিক বৈঠকে কোনও কথা বললেন না তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর ভাঙছে তৃণমূল। বিধানসভার পর লোকসভায়ও তৃণমূল এখন দু’ভাগ হয়ে গিয়েছে। এবং এমন দিনে হয়েছে, যখন স্বয়ং মমতা দিল্লিতে রয়েছেন। এরই মধ্যে এদিন কনস্টিটিউশন ক্লাবে এদিন বৈঠকে বসেন ইন্ডি জোটের নেতারা। সেই বৈঠকে যোগ দিতেই দিল্লি এসেছেন মমতা ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।



এদিন ওই বৈঠকের পর সাংবাদিক বৈঠক করেন ইন্ডি জোটের নেতারা। সেখানে কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি খাড়্গের ডানদিকে বসেছিলেন মমতা। তাঁর পাশে অখিলেশ যাদব, ওমর আবদুল্লা ও তেজস্বী যাদব। আর খাড়্গের বাম পাশে ছিলেন রাহুল গান্ধী।

সাংবাদিক বৈঠকে কোনও দুটি শব্দ বলেছেন মমতা?

এদিন কনস্টিটিউশন ক্লাবে সাংবাদিক বৈঠকে খাড়্গের পাশে চুপ করে বসেছিলেন মমতা। প্রায় সাড়ে সাত মিনিটের সাংবাদিক বৈঠকে দুটি শব্দ বলেছেন মমতা। ‘অ্যাট্রোসিটি, ভার্চুয়ালি’। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে খাড়্গে ইন্ডি জোটের নেওয়া সিদ্ধান্তের কথা বলছিলেন। কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি বলেন, “২৫টি দল এদিনের বৈঠকে অংশ নিয়েছিল। নিজেদের বক্তব্য জানিয়েছে। ৫টি পয়েন্টে সবাই সম্মতি জানিয়েছে। প্রথমত, SIR নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে শীঘ্রই চিঠি দেওয়া হবে। দ্বিতীয়ত, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করা হয়েছে। তৃতীয়ত, বর্তমান অর্থনীতি পরিস্থিতি, বেকারত্ব, মূল্যবৃদ্ধি, কৃষক ইস্যু ও অন্যান্য জনগণ সম্পর্কিত ইস্যুতে কেন্দ্রকে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকার দাবি।”

খাড়্গে চতুর্থ পয়েন্ট বলা শুরু করতেই মমতা তাঁকে বলেন, আর অ্যাট্রোসিটি (নৃশংসতা) ইস্যু। অর্থাৎ তিন নম্বর পয়েন্টে নৃশংসা ইস্যুতেও সর্বদলীয় বৈঠক ডাকার দাবির কথা আলোচনা হয়েছে বলে স্মরণ করান। তখন খাড়্গে আবার তৃতীয় পয়েন্টে নৃশংসতার কথা যোগ করেন।

পুরো সাংবাদিক বৈঠকে এরপর আর একটি শব্দই বলেছেন মমতা। তাও খাড়্গেকে। খাড়্গে চতুর্থ পয়েন্টে জানান, প্রতি ২ মাস অন্তর ইন্ডি জোটের বৈঠক হবে। পরের বৈঠক হবে হায়দরাবাদে। আর পঞ্চম পয়েন্টে বলেন, বাদল অধিবেশনে প্রতিদিন সকালে বিরোধী দলনেতার ঘরে সমন্বয় বৈঠক হবে। এরপরই খাড়্গে জানান, এদিনের বৈঠকে সশরীরে না থাকলে ৫টি পয়েন্টে সম্মতি জানিয়েছেন উদ্ধব ঠাকরে, হেমন্ত সোরেন। তখন মমতা খাড়্গেকে বলেন, ‘ভার্চুয়ালি’। অর্থাৎ ভার্চুয়ালি বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন উদ্ধব ও হেমন্ত।

সাংবাদিক বৈঠকে সাংবাদিকদের কোনও প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আগেই উঠে পড়েন ইন্ডি জোটের নেতারা। সেইসময় দেখা যায়, সবার আগে বৈঠক ছেড়ে উঠে পড়েছেন মমতা। রাজনীতির কারবারিরা বলছেন, মমতার এমন অবস্থা আগে কখনও দেখা যায়নি। তৃণমূল ক্ষমতায় থাকাকালীন ইন্ডি জোটের রাশও নিজের কাছে রাখার চেষ্টা করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। কংগ্রেসের সমালোচনা করতেও ছাড়েননি। বাংলায় ক্ষমতা হারানোর পর ইন্ডি জোটের রাশও মমতা হারালেন কি না, সেই প্রশ্ন উঠছে।

তবে জানা গিয়েছে, ইন্ডি জোটের বৈঠকে মমতা বলেছেন, জোর করে বাংলায় তৃণমূলকে হারানো হয়েছে। তিনি দাবি করেন, “আজ যা বাংলায় হয়েছে, সেটা অন্যান্য রাজ্যেও হবে।” সোনারপুরে অভিষেকের উপর আক্রমণের কথা আলাদাভাবে ইন্ডি জোটের বৈঠকে উল্লেখ করেছেন মমতা। প্রসঙ্গত, ইন্ডি জোটের এই বৈঠকে এদিন ডিএমকে ও আপ উপস্থিত ছিল না।

বছরভর পুণ্যার্থীদের আনাগোনা থাকলেও, প্রতি বছরের ন্যায় এবারও পৌষ সংক্রান্তিকে কেন্দ্র করে মহোৎসবে সেজে উঠছে সাগরদ্বীপ। ৮ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে চলা ঐতিহ্যবাহী গঙ্গাসাগর মেলাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই দেশ-বিদেশের লক্ষ লক্ষ ভক্তের সমাগম হতে শুরু করেছে। 


কপিল মুনির আশ্রমে পুজো দেওয়া এবং সমুদ্রের পবিত্র জলে স্নান করে পুণ্য অর্জনের এই সনাতন ধারা এবার এক নতুন মাত্রা পেতে চলেছে। রাজ্যের বর্তমান সরকার পরিবর্তনের পর থেকেই গঙ্গাসাগর মেলাকে ‘আন্তর্জাতিক মেলা’ হিসেবে মর্যাদা দেওয়ার তোড়জোড় শুরু হয়েছে। কয়েকদিন আগেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছেন, খুব শীঘ্রই গঙ্গাসাগর মেলাকে আন্তর্জাতিক মেলার আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদান করা হবে। সেই লক্ষ্যেই এখন যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে প্রশাসনিক পরিকল্পনা ও পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজ।

তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন এই স্বীকৃতির জন্য কেন্দ্রের কাছে বহুবার আবেদন জানানো হয়েছিল, যা অধরাই থেকে গিয়েছিল। তবে বর্তমান সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে গঙ্গাসাগর মেলাকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার বিষয়টি এখন কার্যত নিশ্চিত বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি মিললে এই মেলা যে পর্যটন ও অর্থনীতির ক্ষেত্রে এক নতুন মাইলফলক স্পর্শ করবে, তা বলাই বাহুল্য। এখন শুধু আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষায় রয়েছে সাগরদ্বীপ বাঁশি থেকে পুণ্যার্থীরা।

ভিন রাজ্যে কাজে গিয়ে মর্মান্তিক পরিণতি। হায়দ্রাবাদে পাথর খাদানে কাজ করতে গিয়ে পাথর চাপা পড়ে মৃত্যু হলো বছর আঠারোর এক তরুণ শ্রমিকের। মৃত যুবকের নাম রাকেশ মান্না। 


বাড়ি কীর্তনখালী গ্রামে। গত শুক্রবার বিকেলে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, পরিবারের আর্থিক অবস্থার কথা ভেবে কয়েকদিন আগেই হায়দ্রাবাদে পাড়ি দিয়েছিলেন রাকেশ। সাথে ছিলেন তাঁর বাবা গুরুপদ মান্নাও। কাজের সূত্রে বাবা ও ছেলে আলাদা জায়গায় কর্মরত ছিলেন। শুক্রবার বিকেলে কাজ করার সময় আচমকাই রাকেশের ওপর বিশাল বড় পাথরের চাঙড় ধসে পড়ে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ওই তরুণের।


 কিছুক্ষণ পর খবর পেয়ে দ্রুত ছুটে আসেন বাবা গুরুপদ মান্না। নিজের চোখের সামনে ছেলের নিথর দেহ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। সহকর্মীদের সহায়তায় দেহ উদ্ধার করা হলেও, মাত্র আঠারো বছর বয়সে ছেলের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবারে।
পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, রাকেশ এর আগে কখনও বাড়ির বাইরে কাজে যায়নি। এটিই ছিল তাঁর প্রথম অভিজ্ঞতা। প্রথমবার কাজে গিয়েই যে ছেলে আর ফিরবে না, তা মেনে নিতে পারছেন না পরিজনেরা।