WEATHER

Top News


১১৭ নম্বর জাতীয় সড়কে নিরাপদ যাতায়াত ও যানজটমুক্ত পরিবেশ গড়ে তুলতে বিশেষ অভিযানে নামল সুন্দরবন পুলিশ জেলার কাকদ্বীপ ট্রাফিক বিভাগ। মঙ্গলবার কাকদ্বীপ চৌরাস্তা থেকে পাকার পোল পর্যন্ত দীর্ঘ রাস্তায় ফুটপাত দখলদারি হটাতে এই প্রচার ও অভিযান চালানো হয়। পথচারীদের জন্য সুগম রাস্তা নিশ্চিত করতেই পুলিশের এই বিশেষ তৎপরতা।


স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে কাকদ্বীপ চৌরাস্তা থেকে পাকার পোল পর্যন্ত জাতীয় সড়কের দু’পাশে ফুটপাত দখল করে ব্যবসা চালাচ্ছিলেন বহু মানুষ। এর ফলে সাধারণ পথচারীদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মূল রাস্তা দিয়ে হাঁটতে হচ্ছিল। ব্যস্ততম এই জাতীয় সড়কে এর ফলে প্রতিনিয়ত ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। সাধারণ যাত্রীদের সুরক্ষা সুনিশ্চিত করতেই এদিন ট্রাফিক পুলিশ ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে এবং ফুটপাত খালি করার নির্দেশ দেয়।
এদিনের অভিযানে ট্রাফিক আধিকারিকরা রাস্তার দু’ধারের ব্যবসায়ীদের স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, ফুটপাত পথচারীদের হাঁটার জন্য, ব্যবসার জন্য নয়। কেবল ব্যবসায়ীদের সরানোই নয়, মানুষের নিরাপদ যাতায়াতের জন্য রাস্তা কতটা প্রশস্ত হওয়া প্রয়োজন, সেই বিষয়েও সচেতন করা হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী দিনেও এই নজরদারি বজায় থাকবে যাতে পুনরায় ফুটপাত দখল না হয়।
কাকদ্বীপের বাসিন্দারা পুলিশের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, ফুটপাত দখলমুক্ত হলে কেবল যানজটই কমবে না, বরং স্কুলের পড়ুয়া ও বয়স্কদের যাতায়াত অনেক নিরাপদ হবে। সুন্দরবন পুলিশ জেলার ট্রাফিক বিভাগের এই ‘সেফ ড্রাইভ সেভ লাইভ’ কর্মসূচি এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

ষ্টাফ রিপোর্টার মুন্না সরদার

শুক্রবার থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত মোট ৩৯ বার কেঁপে উঠেছে সিকিম। রিখটার স্কেলে মাত্রা কখনও ৩, কখনও ৪। মাত্রা খুব বেশি না হলেও কম্পন থামছেই না। পরপর এতবার কম্পন খুব বেশি দেখা যায়নি এর আগে। প্রথমে গত শুক্রবার গভীর রাতে কেঁপে ওঠে সিকিম। সেই কম্পনের প্রভাব অনুভূত হয় উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ জায়গায়।


'ফোর-শক'! ৪ ঘণ্টায় ৩৯ বার কম্পন, নিরাপদ জায়গা খুঁজতে বলছেন বিশেষজ্ঞরা


ভূমিকম্পের পর আফটার শকের কথা সবারই জানা। কিন্তু এভাবে একটানা চারদিন কম্পনের কথা কখনও শুনেছেন? পশ্চিমবঙ্গের একেবারে কাঁধ ঘেঁষে থাকা পাহাড়ি রাজ্য কোন বিপদ সংকেত দিচ্ছে, তা বোঝার চেষ্টা করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে খারাপ কিছু যে ঘটতে চলেছে, তেমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। নিরাপদ আশ্রয় খোঁজার পরামর্শও দিচ্ছেন তাঁরা।

শুক্রবার থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত মোট ৩৯ বার কেঁপে উঠেছে সিকিম। রিখটার স্কেলে মাত্রা কখনও ৩, কখনও ৪। মাত্রা খুব বেশি না হলেও কম্পন থামছেই না। পরপর এতবার কম্পন খুব বেশি দেখা যায়নি এর আগে। প্রথমে গত শুক্রবার গভীর রাতে কেঁপে ওঠে সিকিম। সেই কম্পনের প্রভাব অনুভূত হয় উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ জায়গায়। তারপর ৪ ঘণ্টা ১২ মিনিটে পরপর ১২টি ভূমিকম্প অনুভূত হয়। সেখানেই শেষ নয়। মঙ্গলবার সকালেও থামেনি কম্পন।



বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটা ‘ফোর শক’ হতে পারে। বড় ভূমিকম্পের আগে এমনটা হতে পারে বলে জানাচ্ছেন তাঁরা। এই ভূমিকম্প অনেকটা পঙ্গপালের মতো ঝাঁকে ঝাঁকে আসে। মঙ্গলবার সকালেও নামচি, মঙ্গনে ভূমিকম্প হয়েছে। বড় ভূমিকম্পের আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে সিকিমের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর। নিরাপদ জায়গা খুঁজে রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে দফতরের তরফে।

জলাধার নির্মাণ, যত্রতত্র নির্মাণ , পাহাড়ের অন্দরে রেলপথ তৈরি করতে ডিনামাইট ফাটিয়ে গুহাপথ তৈরির মতো কাজই এর কারণ কি না, সেটাও খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

বাংলার একেবারে পাশের রাজ্য সিকিম। সারাবছর সেখানে বাঙালি পর্যটকদের আনাগোনা। তাই আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। আর সিকিমে বড়সড় কম্পন হলে, তার প্রভাব যে বাংলায় পড়বে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

 সাধারণভাবে আদর্শ বিধি ঘোষণার পর সরকারের নিয়মিত কাজ চালানো ছাড়া আর কোনও কাজ থাকে না। কিন্তু বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার শেষ মুহূর্তে ব্যয়বহুল প্রকল্প ও চুক্তি অনুমোদনের ক্ষেত্রে তৎপরতা বাড়িয়েছে। একের পর এক বড় অঙ্কের চুক্তি এবং ব্যয়বহুল প্রকল্পে অনুমোদনের হিড়িক বেড়েছে।



আর মাত্র হাতেগোনা ক’টা দিন। ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে প্রতীক্ষিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন। একই দিনে গণভোট। সেদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার প্রায় দেড় বছর পর হতে চলেছে নির্বাচন। তার আগে এই শেষবেলায় দফায় দফায় বেড়েছে চুক্তি স্বাক্ষরের পালা। একের পর এক বড় বড় চুক্তি স্বাক্ষরের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে মুহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। যা নিয়ে বেড়েছে উত্তাপ। আসন্ন সরকারকে ‘অগ্নিপরীক্ষার মুখে ফেলতে চক্রান্ত নয় তো’, প্রশ্ন তুলছেন একাংশ।

সাধারণভাবে আদর্শ বিধি ঘোষণার পর সরকারের নিয়মিত কাজ চালানো ছাড়া আর কোনও কাজ থাকে না। কিন্তু বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার শেষ মুহূর্তে ব্যয়বহুল প্রকল্প ও চুক্তি অনুমোদনের ক্ষেত্রে তৎপরতা বাড়িয়েছে। একের পর এক বড় অঙ্কের চুক্তি এবং ব্যয়বহুল প্রকল্পে অনুমোদনের হিড়িক বেড়েছে। যা ঘিরে উঠছে সমালোচনার ঝড়। যে সকল চুক্তি কোনও নির্বাচিত সরকারের করার কথা, সেগুলি করছে অন্তর্বর্তী সরকার।


বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম কালের কণ্ঠের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন ও চিনের সঙ্গে বিমান ও জাহাজ কেনার চুক্তি করেছে ঢাকা। যার আওতায় বেশ কয়েক যুদ্ধতরী এবং ১৪টি বোয়িং বিমান কিনতে চলেছে বাংলাদেশ। শুধু তা-ই নয়, এছাড়াও বেশ কয়েকটি নতুন বড় প্রকল্পে অনুমোদন এবং বিভিন্ন বাণিজ্যিক সমঝোতারও ঘোষণা করেছে যমুনা।

ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, গত পয়লা ডিসেম্বর থেকে ২৫ জানুয়ারির মধ্য়ে এক লক্ষ ছয় হাজার ৯৯৩ কোটি টাকা ব্যায়ের ৬৪টি প্রকল্পে অনুমোদন দিয়েছে ঢাকা। এর মধ্যে ৭৯ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকার ৪০টি প্রকল্পই সম্পূর্ণ নতুন। দেড় বছর মেয়াদে এই সরকার মোট ১৩৫টি নতুন প্রকল্প হাতে নিয়েছে, যার মোট ব্যয় ধরা হয়েছে দুই লক্ষ তিন হাজার কোটি টাকা।

একদিকে নতুন চুক্তি ঘোষণার চাপ। অন্য়দিকে জুড়ে গিয়েছে প্রস্তাবিত নবম পে কমিশন বাস্তবায়নে খরচ হতে চলা এক লক্ষ কোটি টাকার বেশি ব্যয়ের চাপ। সঙ্গে রয়েছে বিপুল বৈদেশিক ও অভ্যন্তরীণ ঋণ এবং বাড়ন্ত মূল্যবৃদ্ধি। অর্থাৎ নির্বাচিত সরকার এলেই রয়েছে বড় অগ্নিপরীক্ষা। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই পরিস্থিতি মোটেই সুবিধার নয়। অন্তর্বর্তী সরকারের তৈরি করে যাওয়া ‘দায় বহন’ করেই দেশের দায়িত্ব নিতে হবে নবনির্বাচিত সরকারকে। যা তাঁদের ঠেলে দেবে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে।
এই মানবিক ঘটনার কথা দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে। তৎকালীন প্রখ্যাত কার্টুনিস্ট ক্লিফোর্ড বেরিম্যান ওয়াশিংটন পোস্টে একটি ব্যঙ্গচিত্র আঁকেন, যেখানে রুজভেল্টকে একটি ছোট ভালুক ছানাকে রক্ষা করতে দেখা যায়। এই কার্টুনটি দেখে অনুপ্রাণিত হন ব্রুকলিনের এক খেলনা দোকানদার দম্পতি, মরিস মিশটম এবং রোজ। তাঁরা কাপড়ের তৈরি একটি ভাল্লুক ছানা বানিয়ে তাঁদের দোকানের জানলায় সাজিয়ে রাখেন। প্রেসিডেন্ট রুজভেল্টের ডাকনাম ছিল ‘টেডি’।


ভ্যালেন্টাইন সপ্তাহের চতুর্থ দিনটি হলো ‘টেডি ডে’। তুলতুলে নরম একটা খেলনা ভালুক বা টেডি বিয়ার আজ বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে। কিন্তু এই মিষ্টি খেলনাটির জন্ম বা নামকরণের ইতিহাস বেশ নাটকীয়। কেনই বা একে ‘টেডি’ বলা হয়? আর কেনই বা এটি ভালোবাসার সপ্তাহের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠল? এর পিছনে রয়েছে এক শতকেরও বেশি পুরনো এক কাহিনী।


টেডি বিয়ারের নামকরণের কৃতিত্ব সরাসরি দেওয়া হয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৬তম প্রেসিডেন্ট থিওডর রুজভেল্টকে। ১৯০২ সালের নভেম্বর মাসে মিসিসিপিতে শিকার অভিযানে গিয়েছিলেন রুজভেল্ট। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর তাঁর সঙ্গীরা একটি বুড়ো কালো ভাল্লুককে খুঁজে পায় এবং সেটিকে পিটিয়ে আধমরা করে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে প্রেসিডেন্টকে গুলি করার সুযোগ দেওয়ার জন্য। কিন্তু রুজভেল্ট সেই দৃশ্য দেখে বিচলিত হয়ে পড়েন। তিনি সেই অসহায় পশুটিকে গুলি করতে অস্বীকার করেন এবং জানান, একটি অসহায় প্রাণীকে এভাবে শিকার করা তাঁর কাছে ‘অখেলোয়াড়োচিত’।


এই মানবিক ঘটনার কথা দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে। তৎকালীন প্রখ্যাত কার্টুনিস্ট ক্লিফোর্ড বেরিম্যান ওয়াশিংটন পোস্টে একটি ব্যঙ্গচিত্র আঁকেন, যেখানে রুজভেল্টকে একটি ছোট ভালুক ছানাকে রক্ষা করতে দেখা যায়। এই কার্টুনটি দেখে অনুপ্রাণিত হন ব্রুকলিনের এক খেলনা দোকানদার দম্পতি, মরিস মিশটম এবং রোজ। তাঁরা কাপড়ের তৈরি একটি ভাল্লুক ছানা বানিয়ে তাঁদের দোকানের জানলায় সাজিয়ে রাখেন। প্রেসিডেন্ট রুজভেল্টের ডাকনাম ছিল ‘টেডি’। মিশটম সাহেব প্রেসিডেন্টের কাছে চিঠি লিখে অনুমতি চান যে, তিনি এই খেলনাটির নাম ‘টেডি বিয়ার’ রাখতে চান কি না। রুজভেল্ট সানন্দে অনুমতি দেন।

১৯০৩ সাল নাগাদ এই টেডি বিয়ার বিপুল বাণিজ্যিক সাফল্য পায়। ধীরে ধীরে এটি শিশুদের প্রিয় খেলনা থেকে বড়দের উপহার দেওয়ার সামগ্রীতে পরিণত হয়। নরম ও কোমল হওয়ার কারণে এটি যত্ন ও নিরাপত্তার প্রতীক হয়ে দাঁড়ায়। বিশ শতকের শেষ দিকে যখন ভ্যালেন্টাইন সপ্তাহের প্রতিটি দিনকে আলাদা আলাদা নাম দেওয়া শুরু হয়, তখন ১০ ফেব্রুয়ারি দিনটিকে ‘টেডি ডে’ হিসেবে বেছে নেওয়া হয়। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল এমন একটি উপহারের দিন রাখা, যা শব্দ ছাড়াই সঙ্গীকে বলতে পারে— ‘আমি তোমাকে সবসময় এভাবেই আগলে রাখব’।

সমাজতাত্ত্বিকদের মতে, ডিজিটাল যুগে দামী ফোন বা ইলেকট্রনিক গ্যাজেটের ভিড়েও টেডি বিয়ার তার জায়গা হারায়নি। কারণ এটি একটি অনুভূতির নাম। বিষণ্ণ মনে একটি নরম টেডি জড়িয়ে ধরা আজও মানসিক প্রশান্তি দেয়। আর সেই ঐতিহ্যকে সঙ্গী করেই আজ বিশ্বজুড়ে প্রেমিক-প্রেমিকারা পালন করছেন ‘টেডি ডে’।

বর্তমানে বাজারে হরেক রঙের ও আকারের টেডি বিয়ার পাওয়া গেলেও, সেই ১৯০২ সালের সেই ছোট্ট ভাল্লুক ছানাটিই আজও মানুষের মনে প্রেমের অন্যতম বড় বিজ্ঞাপন হয়ে রয়ে গিয়েছে।


লকেট বা ব্রেসলেট (Promise Jewelry)– প্রতিশ্রুতির প্রতীক হিসেবে একটি লকেট, ব্রেসলেট বা আংটি দিতে পারেন। চাইলে তাতে নাম, তারিখ বা বিশেষ কোনও বার্তা খোদাই করিয়ে নিতে পারেন, তাতে আপনার কাছের মানুষের কাছে উপহারটি হবে আরও বেশি স্পেশাল।

মেমরি স্ক্র্যাপবুক– আপনাদের একসঙ্গে কাটানো সুন্দর মুহূর্তগুলোর ছবি, ছোট নোট, টিকিট স্টাব বা স্মৃতিচিহ্ন দিয়ে তৈরি একটি স্ক্র্যাপবুক হতে পারে অসাধারণ একটি উপহার।

পার্সোনালাইজড ফ্রেম বা পোস্টার– একটি সুন্দর কাপল ফটো ফ্রেম দিতে পারেন যেখানে থাকবে আপনাদের প্রিয় ছবি। এই উপহারটি ঘরের কোণায় রাখলে প্রতিদিন আপনার ভালোবাসার মানুষের এই বিশেষ দিনটির কথা মনে পরবে।

সারপ্রাইজ ডেট বা রোমান্টিক প্ল্যান– সব সময় উপহার মানেই বস্তু নয়। একটি রোমান্টিক সারপ্রাইজ ডেট, ক্যান্ডেললাইট ডিনার, বা প্রিয় জায়গায় ছোট্ট ভ্রমণের পরিকল্পনা করাও হতে পারে দারুণ একটি উপহার।

প্রতিশ্রুতির জার (Promise Jar) – একটি কাঁচের জারে ছোট ছোট কাগজে লিখে রাখুন আপনার প্রতিশ্রুতিগুলো। ডিজিটালের যুগে এই উপহার আপনার ভালোবাসার মানুষকে নিয়ে যাবে পুরনো দিনের ভালোবাসার যুগে।

নিজের হাতে বানানো কিছু, যেমন হ্যান্ডমেড কার্ড, চকলেট, বা ছোট কোনও ক্রাফট আইটেম সব সময়ের জন্যই শ্রেষ্ঠ উপহার। কারণ তাতে থাকবে আপনার ভালোবাসার ছোঁয়া।


Valentine’s Week 2026 হেগ ডে কেবল একটি দিবস পালনের বিষয় নয়, এর পিছনে রয়েছে গভীর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা। গবেষকদের মতে, কাউকে অন্তত ৩০ সেকেন্ড আলিঙ্গন করলে শরীরের ‘অক্সিটোসিন’ হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়, যাকে বলা হয় ‘লাভ হরমোন’। এটি কেবল মানসিক প্রশান্তিই দেয় না, বরং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য করে।


গোলাপের সুবাস, চকোলেটের মিষ্টতা আর প্রতিশ্রুতির পর এবার একে অপরকে আগলে রাখার পালা। ১২ ফেব্রুয়ারি, ভ্যালেন্টাইন সপ্তাহের ষষ্ঠ দিন— ‘হাগ ডে’। শব্দ যেখানে হার মেনে যায়, সেখানে একটি উষ্ণ আলিঙ্গনই পারে মনের না বলা হাজারো কথা বুঝিয়ে দিতে। সম্পর্কের বাঁধন আরও মজবুত করতে এবং প্রিয় মানুষকে আশ্বস্ত করতে এই দিনটির গুরুত্ব অপরিসীম।


হাগ ডে কেবল একটি দিবস পালনের বিষয় নয়, এর পিছনে রয়েছে গভীর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা। গবেষকদের মতে, কাউকে অন্তত ৩০ সেকেন্ড আলিঙ্গন করলে শরীরের ‘অক্সিটোসিন’ হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়, যাকে বলা হয় ‘লাভ হরমোন’। এটি কেবল মানসিক প্রশান্তিই দেয় না, বরং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য করে। প্রিয় মানুষের একটি আলিঙ্গন নিমিষেই ক্লান্তি ও একঘেয়েমি দূর করে মনে খুশির জোয়ার আনে।

ভ্যালেন্টাইন সপ্তাহের অন্যান্য দিনগুলোর মতো হাগ ডে-র কোনও প্রাচীন লিখিত ইতিহাস না থাকলেও, বিশ শতকের শেষের দিকে এই দিনটি বিশেষ জনপ্রিয়তা পায়। আধুনিক সমাজতাত্ত্বিকদের মতে, মানুষের যান্ত্রিক জীবনে একাকীত্ব দূর করতে এবং একে অপরের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে এই দিনটিকে ভ্যালেন্টাইন সপ্তাহের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১৯ শতকের শেষের দিকে ইউরোপে ‘ফ্রি হাগস’ মুভমেন্টের মাধ্যমে পরিচিতদের পাশাপাশি অপরিচিতদের প্রতিও মানবিকতা প্রকাশের চল শুরু হয়েছিল, যা পরবর্তীতে প্রেমের সপ্তাহে একটি বিশেষ দিনে পরিণত হয়।

আজকের দিনে আলিঙ্গনের ধরণ দেখেও বুঝে নেওয়া যায় সম্পর্কের গভীরতা:

বিয়ার হাগ: প্রিয় মানুষকে দু’হাতে জাপটে ধরা, যা নিরাপত্তা ও গভীর ভালোবাসার প্রতীক।

সাইড হাগ: এটি মূলত বন্ধুদের মধ্যে বিশ্বাসের প্রতীক হিসেবে দেখা হয়।

ব্যাক হাগ: পেছন থেকে জড়িয়ে ধরা, যা সঙ্গীর প্রতি নির্ভরতা ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ।

আসলে হাগ ডে মানে শুধু জড়িয়ে ধরা নয়, এর অর্থ হলো সঙ্গীকে এ কথা জানানো যে— “যাই হয়ে যাক, আমি তোমার পাশেই আছি।” শহরজুড়ে ডানা মেলুক সেই আগলে রাখার গল্প।


প্রেমিক-প্রেমিকাদের কাছে টেডি বিয়ার শুধু একটি খেলনা নয়, বরং এটি হল প্রিয় মানুষের ছায়া। মনোবিদদের মতে, টেডি বিয়ার একাকীত্ব দূর করতে এবং মানসিক প্রশান্তি দিতে সাহায্য করে। যখন প্রিয় মানুষটি কাছে থাকেন না, তখন এই নরম খেলনাটিকেই আগলে রেখে তাঁর অস্তিত্ব অনুভব করেন অনেকে। সম্পর্কের নিরাপত্তা এবং কোমলতা প্রকাশ করার জন্য টেডি বিয়ারের চেয়ে ভালো বিকল্প আর কী-ই বা হতে পারে!


প্রেমের সপ্তাহে কেন উপহার হিসেবে সেরা টেডি?
আকাশ মিশ্র | 
ভালোবাসার মরসুম চলছে। গোলাপের সুবাস, মনের কথা জানানো আর চকোলেটের মিষ্টতার পর সেই বিশেষ দিন, যা প্রেমের সম্পর্কে নিয়ে আসে এক অনাবিল সারল্য। ১০ ফেব্রুয়ারি, ‘টেডি ডে’। ভ্যালেন্টাইন সপ্তাহের চতুর্থ এই দিনে প্রিয় মানুষকে একটি নরম তুলতুলে ‘টেডি বিয়ার’ উপহার দিয়ে নিজের যত্ন ও স্নেহের কথা জানান দিচ্ছেন যুগলরা।

কেন এই দিনটি এত জনপ্রিয়?


প্রেমিক-প্রেমিকাদের কাছে টেডি বিয়ার শুধু একটি খেলনা নয়, বরং এটি হল প্রিয় মানুষের ছায়া। মনোবিদদের মতে, টেডি বিয়ার একাকীত্ব দূর করতে এবং মানসিক প্রশান্তি দিতে সাহায্য করে। যখন প্রিয় মানুষটি কাছে থাকেন না, তখন এই নরম খেলনাটিকেই আগলে রেখে তাঁর অস্তিত্ব অনুভব করেন অনেকে। সম্পর্কের নিরাপত্তা এবং কোমলতা প্রকাশ করার জন্য টেডি বিয়ারের চেয়ে ভালো বিকল্প আর কী-ই বা হতে পারে!

আপনি কি জানেন, ‘টেডি’ নামটি কোনও কাল্পনিক চরিত্রের নয়, বরং এক মার্কিন প্রেসিডেন্টের নাম থেকে এসেছে? ১৯০২ সালের নভেম্বর মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট থিওডর রুজভেল্ট (যাঁর ডাকনাম ছিল ‘টেডি’) মিসিসিপিতে শিকারে গিয়ে একটি আহত ভালুক ছানাকে মারতে অস্বীকার করেন। এই মানবিক ঘটনাটি সে সময় সংবাদপত্রের কার্টুনে তুলে ধরা হয়। তা দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে নিউইয়র্কের এক খেলনা বিক্রেতা দম্পতি কাপড়ের ভালুক ছানা তৈরি করেন এবং প্রেসিডেন্টের অনুমতি নিয়ে এর নাম রাখেন ‘টেডি বিয়ার’। বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময় থেকে এই টেডি বিয়ার বিশ্বজুড়ে স্নেহের প্রতীক হয়ে ওঠে এবং পরবর্তীতে ভ্যালেন্টাইন সপ্তাহের ক্যালেন্ডারে জায়গা করে নেয়।

বর্তমান সময়ে উপহার দেওয়া টেডি বিয়ারের রঙের ওপর ভিত্তি করেও অনেকে মনের ভাব প্রকাশ করেন:

লাল টেডি: গভীর ভালোবাসা এবং রোমান্সের প্রতীক।

গোলাপী টেডি: পছন্দ বা প্রস্তাব গ্রহণের ইঙ্গিত।

নীল টেডি: সম্পর্কের গভীরতা ও বিশ্বাসের প্রতীক।

হলুদ টেডি: বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দেওয়া।

ডিজিটাল দুনিয়ার হরেক দামি উপহারের ভিড়েও এক টুকরো নরম তুলতুলে টেডি আজও অমলিন তার আবেদনে। কারণ, এটি উপহার নয়, এটি যেন প্রিয় মানুষের এক দীর্ঘস্থায়ী আলিঙ্গন।

কিন্তু এই মারণ ভাইরাসের বাড়ন্ত প্রকোপের তথ্য হঠাৎ করে কীভাবে পেল কর্তৃপক্ষ? স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি এক যুবক দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর বেশ কয়েকটি মেডিক্যাল টেস্ট করান। তাতে ছিল HIV টেস্টও। তখনই ধরা পড়ে তিনি এই মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত। এরপর তাঁর ঘনিষ্ঠমহলে থাকা যুবকদেরও এই টেস্ট করানো হলে পরপর তৈরি হয় নজির।


সমকামিতার জেরে HIV আক্রান্ত, বর্ধমানে বাড়ছে চিন্তা! ৩০ যুবকের শরীরে মিলল ভাইরাস
প্রতীকী ছবি


জেলাজুড়ে বেড়েছে HIV আক্রান্তের সংখ্যা। যার মধ্য়ে একটা বড় অংশ আবার বর্ধমান শহরের বাসিন্দা। সমকামিতা বা ভিন্ন যৌন চাহিদার বশে ওই শহরে HIV আক্রান্ত হয়েছেন ৩০ জন যুবক। সোমবার এমনই তথ্য় প্রদান করল জেলা পরিষদের জনস্বাস্থ্য দফতর।

সোমবার ওই দফতরের কর্মাধ্যক্ষ বিশ্বনাথ রায় জানিয়েছেন, “জেলায় বর্তমানে প্রায় ৯০ জন HIV পজ়িটিভ রয়েছেন। তার মধ্য়ে খোদ বর্ধমান শহরেই আক্রান্তের সংখ্য়া ৩০। সকলেই যুবক, উচ্চ শিক্ষিত, অভিজাত পরিবারের।” প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে, ঝুঁকিপূর্ণ যৌন আচরণের কারণেই আচমকা এই মারণ ভাইরাসের প্রকোপ বেড়েছে।



টলিপাড়ার পার্টিতে নেশা করে টাল সামলাতে পারলেন না পরিচালক, কেলেঙ্কারি কাণ্ড!
এদিন তিনি আরও বলেন, “সাধারণ ভাবে আমরা এই নিয়ে সব সময়ই সচেতনতা তৈরির জন্য় চেষ্টা চালাই। যে সকল জায়গায় যৌনপল্লি রয়েছে, সেখানেই সচেতনতা অভিযান চালানো হয়। কিন্তু এই বছরের একটু বেনজির কাণ্ড ঘটেছে। HIV ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার ক্ষেত্রে সমকামিতাও একটা বড় ভূমিকা পালন করছে।”

কিন্তু এই মারণ ভাইরাসের বাড়ন্ত প্রকোপের তথ্য হঠাৎ করে কীভাবে পেল কর্তৃপক্ষ? স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি এক যুবক দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর বেশ কয়েকটি মেডিক্যাল টেস্ট করান। তাতে ছিল HIV টেস্টও। তখনই ধরা পড়ে তিনি এই মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত। এরপর তাঁর ঘনিষ্ঠমহলে থাকা যুবকদেরও এই টেস্ট করানো হলে পরপর তৈরি হয় নজির। এই ঘটনা আকস্মিক কিছু নয়, বরং এর নেপথ্যে একটা বড় যৌনচক্র থাকতে পারে বলেও মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

তবে পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য দফতর তৈরি। কর্মাধ্যক্ষের দাবি, HIV সংক্রমণ আচমকা বেড়ে গেলেও, কিছু এলাকায় তা নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। আক্রান্ত যুবকদের পরিচয় গোপন রেখেই চিকিৎসা চলছে। অন্যদিকে, স্বাস্থ্য কর্তারা জানিয়েছেন, এইচআইভি সংক্রমণ প্রতিরোধযোগ্য। নিরাপদ যৌন আচরণ, নিয়মিত পরীক্ষা এবং সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমেই এই রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।


ডানকুনি-সুরাট করিডরটি ছয়টি রাজ্যের মধ্য দিয়ে যাবে। পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা, ছত্তীসগঢ়, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র এবং গুজরাট। বর্তমানে কলকাতা থেকে সুরাটগামী একটি ট্রেনকে যানজটপূর্ণ ও বহুমুখী ট্র্যাকের মধ্যে দিয়ে প্রায় ১,৮৫০ থেকে ১,৯০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে হয়। এই ক্লান্তিকর যাত্রায় সময় লাগে ৩০ থেকে ৩৩ ঘণ্টা। যেখানে মালবাহী ট্রেনগুলিকে প্রায়ই প্যাসেঞ্জার এক্সপ্রেস ট্রেনকে পথ ছেড়ে দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হয়। ডানকুনি-সুরাট DFC হল এই ‘লজিস্টিকস বাধা’-র চূড়ান্ত সমাধান। উচ্চ-গতির কার্গোর জন্য একটি ডেডিকেটেড ট্র্যাকের মাধ্যমে ট্রানজিট সময় প্রায় অর্ধেক কমে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। যা আগে দেড় দিন সময় নিত। তা অনেক কম সময়ে সম্ভব হবে। সময় কমে যাওয়ায় লাভবান হবেন উদ্যোগপতিরা।

স্থানীয় কারিগরদের বিশ্ববাজারের সুবিধা-

পশ্চিমবঙ্গ কারুশিল্পের একটি শক্তিকেন্দ্র, বিশেষ করে পোশাক খাতে। কলকাতা হল হাজার হাজার মেধাবী কারিগরের আবাসস্থল, যাঁরা বিশ্বমানের পোশাক তৈরি করেন। তবে স্থানীয় বাজার প্রায়শই খণ্ডিত এবং ক্ষুদ্র পরিসরে থেকে যায়। প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্রগুলির সঙ্গে সরাসরি এবং দ্রুত সংযোগ না থাকায় এই নির্মাতারা নিজেদের প্রসারিত করতে প্রতিনিয়ত লড়াই করেছেন, যার ফলে বৃদ্ধিতে ভাটা পড়েছে।

ডানকুনি-সুরাট করিডর ভবিষ্যতে এই চিত্রটিকে সম্পূর্ণ বদলে দেবে-

বস্ত্রশিল্পের সমন্বয়: কলকাতার উৎপাদন ইউনিটগুলোকে সরাসরি ভারতের প্রধান বাণিজ্যিক ও বস্ত্রকেন্দ্র সুরাটের সঙ্গে যুক্ত করার মাধ্যমে, স্থানীয় পোশাক প্রস্তুতকারকরা এখন একটি বিশাল জাতীয় ও বিশ্বব্যাপী নেটওয়ার্ক ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। বাংলার পণ্য অবশেষে গতি ও দক্ষতার সঙ্গে সুরাটের উচ্চ-চাহিদার বাজারগুলিতে পৌঁছাবে।

হিরা সংযোগ: সুরাট তার হিরা ও গহনা শিল্পের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। বাঙালি জাতির সোনা ও হিরার গহনার প্রতি গভীর অনুরাগ ও ঐতিহ্য রয়েছে। এই করিডর একটি নিরবচ্ছিন্ন আদান-প্রদান সহজতর করবে, যা বাংলার কারিগরদের পশ্চিম থেকে উপকরণ সংগ্রহের সুযোগ দেবে এবং রাজ্যে বিশ্বমানের গহনার ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণ করবে।

কৃষি স্বর্ণযুগ : বাংলার বিখ্যাত আম বা শীতকালীন সবজির মতো পচনশীল পণ্য এখন পশ্চিম ভারতে সতেজ অবস্থায় পৌঁছাতে পারবে। যা স্থানীয় কৃষকদের জন্য “বিশ্বমানের” দাম নিশ্চিত করবে।

যাত্রীবাহী ট্রেন থেকে মালবাহী ট্রেনকে আলাদা করার মাধ্যমে কী কী সুবিধা পাওয়া যাবে?

১. যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্য: যাত্রীবাহী ট্রেনগুলি অবশেষে সময়মতো চলবে। কারণ ভারী কার্গো এখন নিজস্ব ট্র্যাকে চলবে।

২. অর্থনৈতিক লাভ: ডানকুনি একটি আন্তর্জাতিক লজিস্টিক হাব-এ পরিণত হতে চলেছে, যা আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ টানবে এবং বাংলার যুবকদের জন্য হাজার হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডানকুনি-সুরাট করিডর কেবল পণ্য চলাচলের বিষয় নয়, এটি পশ্চিমবঙ্গকে বিশ্বমানের শিল্পোন্নত রাজ্যগুলোর সারিতে নিয়ে যাওয়ার মাধ্যম। এই করিডরের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গ এখন আর কেবল একটি গন্তব্য নয়; এটি একটি প্রবেশদ্বার। এটি এমন এক ভবিষ্যতের শুরু যেখানে ‘সোনার বাংলা’ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে মালবাহী ট্রেনের ছন্দে, যা রাজ্যের ঐতিহ্য ও কঠোর পরিশ্রমকে বিশ্বের দরবারে পরিচিতি দেবে। হাজার হাজার কর্মসংস্থানের পথ খুলে দেবে।


 এদিন পাকাপাকি ভাবে চুক্তি স্বাক্ষরের পর বাংলাদেশের বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দিন বলেন, "এই চুক্তি আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে এক নতুন অধ্য়ায়ের সূচনা ঘটাবে। বাংলাদেশ এবং আমেরিকার বাজারে উভয়পক্ষে পণ্যের উপস্থিতি বাড়বে।"


বাণিজ্য়মহলে নয়াদিল্লির জন্য় উদ্বেগ, কাঁধের কাছে নিঃশ্বাস ফেলছে ঢাকা। অন্তর্বর্তী সরকারের বিদায়বেলায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বড় চুক্তি স্বাক্ষর যমুনা ভবনের। কমল শুল্কের পরিমাণও। সেই নিয়ে নিজের সমাজমাধ্যমে পোস্ট করলেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।


সোমবার পারস্পরিক শুল্ক নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ঢাকা। যার আওতায় এবার থেকে আমেরিকায় রফতানি হওয়া বাংলাদেশি পণ্যে ২০ শতাংশ নয়, বরং ১৯ শতাংশ শুল্ক চাপাবে হোয়াইট হাউস। সম্প্রতি বেশ কিছু ভারতীয় পণ্য়ে ছাড় এবং মোট শুল্কের পরিমাণ কমিয়ে ১৮ শতাংশ করার সিদ্ধান্ত নেয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। স্বাক্ষর হয় অন্তর্বর্তী বাণিজ্যিক সমঝোতা। এবার তার কিছু দিন পরেই বাংলাদেশের সঙ্গে শুল্ক-সমঝোতা সেরে ফেলল হোয়াইট হাউস।


এদিন পাকাপাকি ভাবে চুক্তি স্বাক্ষরের পর বাংলাদেশের বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দিন বলেন, “এই চুক্তি আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে এক নতুন অধ্য়ায়ের সূচনা ঘটাবে। বাংলাদেশ এবং আমেরিকার বাজারে উভয়পক্ষে পণ্যের উপস্থিতি বাড়বে।”





উল্লেখ্য, বাণিজ্য়ের স্বার্থে বিশ্বজুড়ে বস্ত্র রফতানি করে থাকে বাংলাদেশ। আমেরিকা, ইউরোপের মতো পশ্চিমী দেশগুলি তাঁদের প্রধান বাজার। কিন্তু দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর সেই পথেই কাঁটা ফেলেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বাংলাদেশের উপর এক ধাক্কায় ৩৭ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছিলেন তিনি। তবে গত অগস্ট মাসে সমঝোতার মাধ্যমে সেই শুল্ক কমে নেমে আসে ২০ শতাংশে। এবার তা নেমে এল ১৯ শতাংশে। পাশাপাশি, বেশ কিছু পণ্যকে একেবারে শুল্কমুক্ত করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও মিলেছে।

এদিন হোয়াইট হাউস তরফে জারি করা বিবৃতি বলা হয়েছে, বাংলাদেশি বস্ত্র শিল্প সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি পণ্যকে একেবারে শুল্কমুক্ত করে দেওয়া হবে। কিন্তু নির্দিষ্টভাবে কোন পণ্যগুলি শুল্কমুক্ত হবে, তা স্পষ্ট করেনি উভয়পক্ষ।

এদিন রাতে দিল্লি উড়ে যাওয়ার পথে কলকাতা বিমানবন্দরে চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় প্রকাশের সময় নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েন সিইও মনোজ আগরওয়াল। ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ কি সম্ভব? এই প্রশ্নের উত্তরে দৃঢ়তার সঙ্গে সিইও পাল্টা বলেন, "কেন সম্ভব হবে না? কাজ চলছে। মাইক্রো অবজার্ভাররা সাহায্য করবেন।" তিনি বুঝিয়ে দিলেন, ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশে তৎপর সিইও দফতর।


দিল্লি উড়ে গেলেন CEO মনোজ আগরওয়াল, মঙ্গলেই কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে বড় সিদ্ধান্ত?
কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠকের জন্য দিল্লি গেলেন সিইও মনোজ কুমার আগরওয়াল


 বাংলায় এসআইআর নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের একাধিক নির্দেশের পর সোমবার রাতেই দিল্লি রওনা দিলেন রাজ্যের মুখ্য় নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল। মঙ্গলবার জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। সেখানে এসআইআর প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ নিয়ে আলোচনা হতে পারে। তেমনই বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন নিয়েও রাজ্যের সিইও-র সঙ্গে আলোচনা করতে পারে কমিশনের ফুল বেঞ্চ।

এসআইআর নিয়ে মামলার শুনানিতে সোমবার একাধিক নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চ। ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, এদিন ১৪ ফেব্রুয়ারির পর সাত দিন স্ক্রুটিনির জন্য সময় বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। স্বাভাবিকভাবেই ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ সম্ভব নয়। ২১ তারিখ পর্যন্ত স্ক্রুটিনির সময় দিয়েছে শীর্ষ আদালত। সেক্ষেত্রে ২১ ফেব্রুয়ারির পরই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ সম্ভব। কিন্তু, কবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হতে পারে?


বিপাকে হুমায়ুনের মেয়ের শ্বশুরবাড়ি! ১১ কোটির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে তৎপর পুলিশ
নাচের সময় পিরিয়ড, প্রচণ্ড কষ্ট বলিউড নায়িকার, সত্যি সামনে এলো
এদিন রাতে দিল্লি উড়ে যাওয়ার পথে কলকাতা বিমানবন্দরে চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় প্রকাশের সময় নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েন সিইও মনোজ আগরওয়াল। ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ কি সম্ভব? এই প্রশ্নের উত্তরে দৃঢ়তার সঙ্গে সিইও পাল্টা বলেন, “কেন সম্ভব হবে না? কাজ চলছে। মাইক্রো অবজার্ভাররা সাহায্য করবেন।” তিনি বুঝিয়ে দিলেন, ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশে তৎপর সিইও দফতর।

শুধু চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশই নয়, বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনও রয়েছে। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ না হলে নির্বাচনের নির্ঘণ্টও ঘোষণা করা যাচ্ছে না। জানা গিয়েছে, এসব নিয়ে কমিশনের সঙ্গে আলোচনার জন্যই এদিন দিল্লি রওনা দিলেন মনোজ আগরওয়াল। মঙ্গলবার কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বিধানসভা ভোটের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা। আর এই বৈঠকে বড় কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় কি না, সেটাই দেখার। 

এই আবহেই বাংলার পদ্ম বিধায়কদের উদ্দেশে বার্তা দিল বঙ্গ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। এখন মাধ্যমিক পরীক্ষা চলছে। সেটা মিটলে আবার উচ্চ মাধ্যমিক। সুতরাং, এই সময়টা যে 'সাইলেন্ট পিরিয়ড' তাতে কোনও সন্দেহ নেই। এটা মাইক বাজিয়ে, চিল-চিৎকার করে জনসংযোগের সময় নয়, বরং বাড়ি-বাড়ি গিয়ে মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ তৈরির সময়।



ফেব্রুয়ারির মধ্য়েই সারতে হবে বুথ ভিত্তিক জনসংযোগ। বাংলার বিজেপি বিধায়কদের পরামর্শ শীর্ষ নেতৃত্বের। চলতি মাসের ২৫ তারিখের মধ্যে সেরে ফেলতে হবে সম্পূর্ণ জনসংযোগের কাজ। সামনেই নির্বাচন, তার আগে গেরুয়া শিবিরের বিধায়কদের ডেডলাইন ধরিয়ে দিল পদ্ম নেতৃত্ব। সাফ নির্দেশ, প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে বুথভিত্তিক জনসংযোগ চালাতে। প্রতিদিন অন্ততপক্ষে পাঁচটি বুথ এলাকায় টহল দিতে হবে।

নির্বাচনী নির্ঘণ্ট এখনও ঘোষণা হয়নি। কিন্তু বাংলার আসন্ন বিধানসভা ভোট ঘিরে যে তোড়জোড় ভালোই তাতে কোনও সন্দেহ নেই। শাসকশিবির হোক বা বিরোধী শিবির, ভোটের আগে জল মাপছে প্রত্যেকটি দল। কারওর হাতে একাধিক ইস্য়ু, কেউ বা এখনও হাত গুনছে, কোথাও আবার জোটের জট। সব মিলিয়ে ভোটের বাদ্যি যেন বেজে গিয়েছে।



এই আবহেই বাংলার পদ্ম বিধায়কদের উদ্দেশে বার্তা দিল বঙ্গ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। এখন মাধ্যমিক পরীক্ষা চলছে। সেটা মিটলে আবার উচ্চ মাধ্যমিক। সুতরাং, এই সময়টা যে ‘সাইলেন্ট পিরিয়ড’ তাতে কোনও সন্দেহ নেই। এটা মাইক বাজিয়ে, চিল-চিৎকার করে জনসংযোগের সময় নয়, বরং বাড়ি-বাড়ি গিয়ে মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ তৈরির সময়। তাই এই প্রক্রিয়া বা বলা চলে এই মুহূর্তকেই হাতিয়ার করতে প্রস্তুত বঙ্গ বিজেপি।

বাংলার বিজেপি বিধায়কদরে শীর্ষ নেতৃত্বের সাফ নির্দেশ, চলতি মাসের ২৫ তারিখের মধ্য়ে বুথ ভিত্তিক জনসংযোগের কাজ শেষ করতে হবে। প্রতিটি পাঁচটি করে বুথ এলাকায় বাড়ি-বাড়ি ঘুরতে হবে। মানুষের সঙ্গে আত্মীক সম্পর্ক তৈরি করতে হবে। যেতে হবে মন্দির দর্শনে। দলের নীচের তলার কর্মীদের সঙ্গে বজায় রাখতে হবে সম্পর্ক। কর্মীদের বাড়িতে যেতে হবে ভোজনে। এছাড়াও, যোগাযোগ বজায় রাখতে হবে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের উপভোক্তাদের সঙ্গে। তাঁদের কোনও অসুবিধা হচ্ছে কিনা জানতে হবে সেই বিষয়েও। করতে হবে উঠোন বৈঠক — সবটাই একটা লক্ষ্যে, তা হল নির্বাচন।



গত সপ্তাহে এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে নিজেই সওয়াল করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। তবে সোমবারের শুনানিতে উপস্থিত হননি তিনি। এদিন এসআইআর সংক্রান্ত একাধিক মামলার শুনানি হচ্ছে একইসঙ্গে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামলাও রয়েছে। এই শুনানির আগে, রবিবার রাজ্যের তরফে ৮,৫০৫ জন অফিসারকে কমিশনের কাজে নিয়োগ করা হয়েছে।


 রাজ্যে SIR-এর সময়সীমা বাড়ল, ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ হচ্ছে না চূড়ান্ত তালিকা


অফিসার নিয়োগ নিয়ে অভিযোগ তুলেছিল নির্বাচন কমিশন। রাজ্য পর্যাপ্ত অফিসার দিচ্ছে না বলে অভিযোগ ওঠে। সোমবারের শুনানির আগেই রবিবারই অফিসার নিয়োগের কথা জানিয়ে কমিশনকে চিঠি দেয় রাজ্য সরকার। এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সওয়াল করার এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তুলে একটি মামলা হয়। সোমবার সেই সব মামলার শুনানি হয় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চে।


এসআইআর (SIR) মামলায় কী কী হল সুপ্রিম কোর্টে



RSS-এর অনুষ্ঠানে সলমন খান, মঞ্চে ভাইজানকে দেখামাত্রই কী বললেন মোহন ভগবত?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে একটি মামলা করে অখিল ভারত হিন্দু মহাসভা। সোমবার সেই মামলা উঠলে সনাতনী সংগঠনের মামলার বৈধতা নিয়েই প্রশ্ন তোলে সুপ্রিম কোর্ট। সুপ্রিম কোর্টের প্রশ্ন, ‘এমন একটি সংগঠন যারা মন্দিরের দেখাশোনা করে। এদের সঙ্গে নির্বাচনের কী সম্পর্ক?’ শুরুতেই একসঙ্গে অনেকে কথা বলায় ক্ষুব্ধ হন প্রধান বিচারপতি।
এদিন রাজ্যের তরফে সওয়াল করেন আইনজীবী শ্যাম দিওয়ান। পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি জানান, আনম্যাপড ভোটারের সংখ্যা ৩২ লক্ষ। বাকি সবাইকে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির জন্য ডাকা হয়েছে। ১.৩৬ কোটি লোককে নোটিস দেওয়া হয়েছে। বানান ভুলের কারণে ৫০ শতাংশকে তলব করা হচ্ছে।
রাজ্যের দায়িত্বজ্ঞানহীনতা নিয়ে প্রশ্ন শীর্ষ আদালতেরকমিশনের দাবি, অফিসার চেয়ে রাজ্যকে ৫টি চিঠি লেখা হয়েছে। অন্যদিকে, রাজ্যের বক্তব্য, অফিসার চাওয়ার কথা তারা আদালতে এসেই জানতে পেরেছে। এদিন রাজ্য সরকারের দায়িত্বজ্ঞানহীনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। তিনি জানতে চান, ৮৫০৫ জন আগামিকাল (মঙ্গলবার) ডিস্ট্রিক্ট ইলেকশন অফিসারের কাছে গিয়ে রিপোর্ট করতে পারবেন কি না।এদের নামের তালিকা কমিশনকে দেওয়া হয়েছে কি না, সেটাও জানতে চান তিনি। জিজ্ঞেস করলেন। কমিশনের আইনজীবী জানালেন যে তাঁরা কোনও নামের তালিকা পাননি। এ কথা শুনে প্রধান বিচারপতি বলেন, শুধু সংখ্যা পাঠালে হবে না। অফিসারের নাম ডেজিগনেশন সহ সমস্ত তথ্য দিতে হবে। তবে তাদের ডেপুটেশনে নেওয়া সম্ভব হবে।
৪ বা ৫ তারিখ কেন তালিকা দেওয়া হল না?প্রধান বিচারপতি এদিন রাজ্যকে বলেন, “আমরা ৪ তারিখ নামের তালিকা দিতে বলেছি। ৭ তারিখ নাম দেওয়া হয়েছে। ৪ বা ৫ তারিখ নাম দেওয়া যেত। আমরা এই বিষয় নিয়ে বিতর্ক চাই না। বিতর্ক হলে আমাদের মুখ্য সচিবকে নির্দেশ দিতে হবে।” রাজ্য জানিয়েছে, তালিকা তৈরি করতে একটু সময় লেগেছে। কোথায় কত আধিকারিক প্রয়োজন জানতে চাওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছে রাজ্য।
রাজ্য সরকারের তরফে কী কী করা হয়েছে, তা তুলে ধরেছেন আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি। আইনজীবীর দাবি, রাজসাহিত্য সংস্থা থেকে কর্মীদের এনে মাইক্রো অবজার্ভার করা হয়েছে, যাদের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের কোনও সম্পর্ক নেই। তাঁর আরও দাবি, কমিশন কখনও বলেনি যে তাদের গ্রুপ-বি আধিকারিক দরকার।
কমিশনের তরফে অভিযোগ, পাঁচটি চিঠি লেখা হয়েছে কমিশনের তরফে। SDM, SDO র‌্যাঙ্ক অফিসার আমরা চাওয়া হয়েছে। প্রধান বিচারপতি জানতে চান, AERO রা রাজ্য সরকারের আধিকারিক কি না। কমিশনের আইনজীবী অভিযোগ করেন, AERO-রা পদাধিকার অনুযায়ী মাইক্রো অবজার্ভারদের নীচে। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী জানতে চান, ইআরও-রা গ্রুপ এ নাকি গ্রুপ সি? এই প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘খুব দুর্ভাগ্যজনক পরিস্থিতি।’
রাজ্য সরকারের তরফে মনোজ পন্থ: ২৯৪ আসনে ইআরও-রা গ্রুপ এ অফিসার। তারা এসডিও বা এসডিএম র‍্যাঙ্কের। ৯ বছর বা তার বেশি সার্ভিসের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন।প্রধান বিচারপতি: কতজন এআরও?মনোজ পন্থ: ৮৫২৪প্রধান বিচারপতি: এইআরও-তে আপনারা কতজনের নাম দিয়েছেন?পন্থ: ৮৫২৪প্রধান বিচারপতি: তারা কোন র‍্যাঙ্কের?পন্থ: ৬৫% গ্রুপ বি, অন্যরা গ্রুপ এ এবং গ্রুপ সি। প্রায় ১০% গ্রুপ সি।কমিশন: কী ধরনের অফিসার চাই, তা জানিয়ে ৫টি চিঠি লেখা হয়েছে। তারা দেয়নি।
প্রধান বিচারপতির কড়া পর্যবেক্ষণ, যে কোনও নির্দেশ প্রয়োজন হলে, আমরা জারি করব। কিন্তু কোনও পরিস্থিতিতেই আমরা এসআইআর প্রক্রিয়ায় কোনও প্রতিবন্ধকতা বরদাস্ত করব না। এটা সব রাজ্যকে স্পষ্টভাবে বুঝতে হবে।
ব্যাপক সংখ্যায় মানুষের নাম বাদ যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করলেন আইনজীবী শ্যাম দিওয়ান। প্রধান বিচারপতি মানলেন, ইআরও সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, মাইক্রো অবজারভাররা নিতে পারেন না। মাইক্রো অবজারভারদের অতি ক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন দিওয়ান।
এসআইআর প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য সেন্ট্রাল প্যারামিলিটারি ফোর্স এবং অন্য রাজ্য থেকে পুলিশ নিয়োগের আবেদন করলেন আইনজীবী ভি ভি গিরি। এই বিষয়ে পদক্ষেপ করার জন্য আবেদন করলেন। কমিশনের তরফে আইনজীবী জানালেন, ঘটনার পর এফআইআর করা হচ্ছে না, ইআরও পদক্ষেপ করছে না, নেতারা প্রকাশ্যে হুমকি দিচ্ছে। আইনজীবী ভি ভি গিরি আরও বলেন, জিনিসপত্র পুড়িয়ে ফেলা হচ্ছে। রাস্তায় সন্ত্রাস চলছে। তুষার মেহতা বলেন, ‘সংবিধান সব রাজ্যের জন্য প্রযোজ্য। এই বার্তাটা দেওয়া প্রয়োজন।’
১৪ ফেব্রুয়ারির পর আরও এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হল স্ক্রুটিনির জন্য। অর্থাৎ এসআইআর-এর সময়সীমা বাড়ানো হল রাজ্যে।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, ৮৫০৫ জন অফিসারকে ইআরও-র কাছে মঙ্গলবার বিকেল ৫টার কাছে রিপোর্ট করতে হবে। নির্বাচন কমিশন সব তথ্য দেখে ঠিক করবে, কাকে নিয়োগ করা হবে, কাকে নয়। ইআরও-র সিদ্ধান্তই সর্বোচ্চ।