WEATHER

Top News


 তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও আইপ্যাককে নিশানা করে জগদীশ বলেন, "অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলা এবং ভাবের আদানপ্রদান করা খুবই কঠিন ব্যাপার ছিল। উনি এমনিতেই কম কথা বলতেন। এবং কথা শুনতেন না। অভিষেক দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে দলের সিনিয়র নেতাদের সরানো হয়েছে। আইপ্যাক ও অভিষেক মিলে যে প্রার্থী বাছাই হয়েছিল, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সেটা ভুল সিদ্ধান্ত ছিল। ফলে অনেক জায়গায় হেরে গিয়েছি।"


তৃণমূলের লোগো, টাকা কার? বড় ইঙ্গিত দিলেন বিক্ষুব্ধ জগদীশ বসুনিয়া
কী বললেন জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া?

১৮ মে না ৮ জুন? তৃণমূলের লোকসভার বিক্ষুব্ধ সাংসদরা চিঠিতে কবে সই করেছেন? কবে জমা দিয়েছেন লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লার কাছে? এই নিয়ে চাপানউতোর বাড়ছে। তখন মুখ খুলছেন লোকসভার বিক্ষুব্ধ তৃণমূল সাংসদ জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া। কোচবিহারের তৃণমূল সাংসদ বলে দিলেন, ১৮ মে নয়, ৮ জুন তাঁরা চিঠিতে সই করেছেন। সেখানে তাঁরা কী জানিয়েছেন, তাও জানালেন। টিভি৯ বাংলায় এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে আর কী বললেন জগদীশ বসুনিয়া?


অধ্যক্ষের কাছে বিক্ষুব্ধ সাংসদদের চিঠি নিয়ে-


 ১৮ মে নয়, কবে স্পিকারকে চিঠি দিয়েছেন বিক্ষুব্ধ সাংসদরা? জানালেন জগদীশ বসুনিয়া
একটি সংবাদসংস্থা বলছে, বিক্ষুব্ধ সাংসদদের সই করা চিঠি ১৮ মে জমা পড়েছে, তা কি ঠিক? প্রশ্ন শুনে কোচবিহারের তৃণমূল সাংসদ বলেন, “১৮ মে নয়। এটা ভুল। ৮ জুন স্পিকারের অফিসে জমা পড়েছে। আমরা দাবি জানিয়েছি, আমরা তৃণমূল কংগ্রেসের আলাদা লবি। এবং প্রকৃত তৃণমূল হয়ে লোকসভায় বসতে চাই। ইস্যু ভিত্তিক উন্নয়নে আমরা এনডিএ-কে সমর্থন করব। দেশ ও রাজ্যের উন্নয়ন যাতে কোথাও বাধাপ্রাপ্ত না হয়, সেজন্য সবসময় তাদের সঙ্গে থাকব।”


তিনি আরও বলেন, “চিফ হুইপ হিসেবে কাকলি ঘোষ দস্তিদার ছিলেন। এবং ডেপুটি চিফ হুইপ ছিলেন শতাব্দী রায়। সেই হিসেবে কাগজটা তাঁরা জমা দিয়েছেন। এই সই আমরা সম্ভবত তিনদিন আগে করেছি। যেটা স্পিকারের কাছে জমা পড়েছে। সেটা আজকে সামনে এসেছে।”

কাকলিকে সরিয়ে কল্যাণকে চিপ হুইপ করা নিয়ে তৃণমূলের চিঠি-

তৃণমূল বলছে, কল্যাণকে চিপ হুইপ করার চিঠি ২০ মে দেওয়া হয়েছিল। এবং ২৯ মে তা গৃহীত হয়। এই নিয়ে জগদীশ বলেন, “কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে যে ওরা করেছে, তা তো লোকসভায় গৃহীত হয়নি।” এরপরই তিনি বলেন, “এই বিষয়টি আমি জানি না। কাকলি ঘোষ দস্তিদার ও শতাব্দী রায় দেখছেন।”

একইসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা প্রকৃত তৃণমূল হিসেবেই দাবি করব। পার্টির লোগো, ফান্ডের বিষয়টি ধাপে ধাপে জানতে পারবেন। সেই প্রক্রিয়া চলছে। আগে সংসদের কাজটা শেষ হোক।”

ভোটে তৃণমূলের ভরাডুবির পর কেন তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করছেন?

এই নিয়ে জগদীশ বসুনিয়া বলেন, “এই ক্ষোভটা একদিনের নয়। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে কোচবিহারে জেতে বিজেপি। কিন্তু, আমার সিতাই আসনে আমরা ৩৪ হাজারের বেশি লিড দিয়েছিলাম। তারপর বিজেপি সিতাইয়ে আমাদের কর্মীদের উপর আক্রমণ শুরু করে। এমনকি, আমার বাড়িতেও ভাঙচুর চালায়। তিনমাস আলিপুরদুয়ারে ছিলাম। আমি সেইসময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানিয়েছিলাম। কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। কিন্তু, মুখ্যমন্ত্রী চাইলেই ব্যবস্থা করতে পারতেন।”

তিনি আরও বলেন, “২০২১ সালের বিধানসভার আগে প্রকাশ্য সভায় নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলাম। বলেছিলাম, দল সঠিক সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন না। প্রকাশ্য সভায় সরব হয়েছিলাম। দল আমাকে কলকাতায় ডেকে পাঠিয়েছিল। প্রকাশ্যে কেন একথা বলছি, জানতে চেয়েছিল। আমার কথা জানিয়েছিলাম। একুশে সেটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। কোচবিহারে আমি আর পরেশ অধিকারী ছাড়া কেউ জেতেনি।”

অভিষেক ও আইপ্যাক নিয়ে বিস্ফোরক জগদীশ-

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও আইপ্যাককে নিশানা করে জগদীশ বলেন, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলা এবং ভাবের আদানপ্রদান করা খুবই কঠিন ব্যাপার ছিল। উনি এমনিতেই কম কথা বলতেন। এবং কথা শুনতেন না। অভিষেক দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে দলের সিনিয়র নেতাদের সরানো হয়েছে। আইপ্যাক ও অভিষেক মিলে যে প্রার্থী বাছাই হয়েছিল, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সেটা ভুল সিদ্ধান্ত ছিল। ফলে অনেক জায়গায় হেরে গিয়েছি।” টাকা নিয়ে বিধানসভায় টিকিট দেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমি চাই দুর্নীতির তদন্ত হোক। দুর্নীতিতে যারা যুক্ত, তাদের শাস্তি হোক।”

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য প্রসঙ্গে ঋতব্রত বলেন, "আমি ও সন্দীপন আমরা সমষ্টির প্রতিনিধিত্ব করছি। সুতরাং ব্যক্তিগত মতামত নিয়ে আমাদের আগ্রহ নেই। ব্যক্তিগত একটা ঘটনা ঘটেছে, তার পরিপ্রেক্ষিতে উনি একটা মন্তব্য করেছেন। আমাদের কাছে যে বিষয়টা মনে হয়েছে, আমরা সমষ্টিগতভাবে যে কথাটা অনেকদিন ধরে বলছি, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যক্তিগতভাবে সেই কথাগুলো বলেছেন।"

ফিরহাদ এখন কাদের সঙ্গে? প্রশ্ন শুনেই ঋতব্রত বললেন...
ফিরহাদ হাকিমকে নিয়ে কী বললেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়?

ফিরহাদ হাকিমের অবস্থান কী? তিনি কি এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে রয়েছেন? নাকি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের ‘নব তৃণমূল ব্লকে’ যোগ দিয়েছেন? কলকাতা বন্দরের বিধায়ক তথা কলকাতা পৌরনিগমের প্রাক্তন মেয়রকে নিয়ে জল্পনার শেষ নেই। বৃহস্পতিবার বিধানসভায় আসার কথা থাকলেও আসেননি তিনি। ফিরহাদের অবস্থান নিয়ে কী বলছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়?


শুক্রবার বিধানসভায় শপথ নিলেন দুই বিধায়ক। ফলতার বিজেপি বিধায়ক দেবাংশু পণ্ডা এবং চণ্ডীতলার তৃণমূল বিধায়ক স্বাতী খন্দকার। দুই বিধায়কের শপথ অনুষ্ঠানে এসেছিলেন ‘নব তৃণমূল ব্লকের’ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহা। সেই শপথ অনুষ্ঠানের পর সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হল ঋতব্রত ও সন্দীপন। সেখানেই একাধিক প্রশ্নের উত্তর দিলেন ঋতব্রত।


‘নব তৃণমূল ব্লকে’ বিক্ষুব্ধ বিধায়কদের সংখ্যা বাড়বে?


ঋতব্রত বলেন, “সংখ্যা বাড়বে কি না, সেটা সোমবার বলতে পারব। মঙ্গলবার বলতে পারব। নম্বর বাড়লে অবশ্যই সংবাদমাধ্যমকে জানিয়ে দেব। সোম-মঙ্গলে কী হবে, এখন বলতে পারব না।”

স্বাতী খন্দকার কি আপনাদের সঙ্গে রয়েছে?

প্রশ্ন শুনেই ঋতব্রত বলেন, “আজকে দু’জন বিধায়ক শপথ নিয়েছেন। একজন বিজেপির দেবাংশু পণ্ডা আর অন্যজন আমাদের স্বাতী খন্দকার। যেহেতু আমাদের বিধায়ক, তাই আমি ও সন্দীপন শপথ গ্রহণে ছিলাম।” এরপরই তিনি বলেন, “আমরাই তো এখানে মূল ফোর্স। দুই-তৃতীয়াংশের বেশি বিধায়কের সমর্থন। আমার এটা নৈতিক দায়িত্ব। আমাদের ব্লককে সমর্থন করছেন কি না, তার সঙ্গে এটার কোনও সম্পর্ক নেই।”

ফিরহাদ হাকিম কি আপনাদের ব্লকে যোগ দিয়েছেন নাকি যোগ দেবেন?

এই নিয়ে ঋতব্রত বলেন, “আমি ব্যক্তি সম্পর্কে বলব না। আমি সংখ্যায় যাব। আমি ও সন্দীপন ছাড়া এবং যাঁদের কথা বলেছি, তাঁদের ছাড়া কারও কথা বলব না। যখন বিধানসভার অধিবেশন হবে, তখন দেখা যাবে।” প্রসঙ্গত, গত ৮ জুন বিধানসভায় এসেছিলেন ফিরহাদ। তখন সন্দীপন সাহা তাঁর হাত ধরে বিরোধী দলনেতা ঋতব্রতর ঘরে নিয়ে গিয়েছিলেন। ঘণ্টাখানেক সেখানে ছিলেন ফিরহাদ। ফলে তাঁকে নিয়ে জল্পনা বাড়ে। গতকাল বিধানসভায় যাওয়ার কথা থাকলেও যাননি ফিরহাদ।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য প্রসঙ্গে ঋতব্রত বলেন, “আমি ও সন্দীপন আমরা সমষ্টির প্রতিনিধিত্ব করছি। সুতরাং ব্যক্তিগত মতামত নিয়ে আমাদের আগ্রহ নেই। ব্যক্তিগত একটা ঘটনা ঘটেছে, তার পরিপ্রেক্ষিতে উনি একটা মন্তব্য করেছেন। আমাদের কাছে যে বিষয়টা মনে হয়েছে, আমরা সমষ্টিগতভাবে যে কথাটা অনেকদিন ধরে বলছি, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যক্তিগতভাবে সেই কথাগুলো বলেছেন।”


প্রসঙ্গত, চণ্ডীতলা আসনের জয়ী তৃণমূল প্রার্থী স্বাতী খন্দকারের শপথগ্রহণ দুর্ঘটনার কারণে পিছিয়ে গিয়েছিল। তাঁর পা ভেঙে যাওয়ায় গত ১৩ ও ১৪ মে অন্য বিধায়কদের সঙ্গে শপথ নিতে পারেননি তিনি। সেইসময় হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। এদিন দেবাংশু পণ্ডার সঙ্গে শপথ নিলেন।

সূত্রের খবর, মমতার বিরুদ্ধে হেয়ারস্ট্রিট থানায় এই অভিযোগ দায়ের করেছেন এক ব্যবসায়ী। পুলিশ ইতিমধ্যেই মামলা রুজু করে তদন্তও শুরু করে ফেলেছে বলে জানা যাচ্ছে। এখন দেখার এই কেসে পুলিশ মমতাকে ডেকে পাঠায় কিনা।


 ‘একটা কমিউনিটি যখন জোট বাঁধে না..’, মমতার ‘১ সেকেন্ড’ মন্তব্যে এবার পুলিশে অভিযোগ দায়ের
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

গত ২ জুন রানি রাসমণি রোডের সভা থেকে নাম না করে বাংলাদেশের ওসমান হাদি হত্যা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের অভিযোগ উঠেছিল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। ওই ঘটনাতেই তাঁর নামে দায়ের হয়েছিল এফআইআর। শিলিগুড়ির সাইবার ক্রাইম থানায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন এক আইনজীবী। এবার মমতার বিরুদ্ধে আরও চাপ বাড়ছে। এবার আরও এক উস্কানিমূলক মন্তব্যের অভিযোগে মমতার নামে থানায় অভিযোগ দায়ের করলে এক ব্যবসায়ী। 


এই বছরের শুরুর দিকেই ভোটের আবহে ধর্মতলার মঞ্চ থেকেই ওই বিতর্কিত মন্তব্য করতে দেখা গিয়েছিল মমতাকে। মঞ্চ থেকেই বলেছিলেন, “আমরা আছি বলে আপনারা সবাই ভালো আছেন। যদি আমরা না থাকি তখন এক সেকেন্ড লাগবে! একটা কমিউনিটি যখন জোট বাঁধে না, তখন ঘিরে ফেললে ১ সেকেন্ডে দেবে একদম ১২টা বাজিয়ে দেবে। যদি নিজেদের ১৩টা বাজাতে না চান তাহলে বিজেপির অপ্রচারে ভুল বুঝবেন না।” মুহূর্তেই তাঁর এই মন্তব্য ভাইরাল হয়ে গিয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। বিতর্কের ঝড় উঠেছিল রাজনীতির আঙিনায়। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসে থাকার পরেও একজন কীভাবে এই ধরনের উস্কানিমূলক মন্তব্য করতে পারেন সেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল নাগরিক মহলে। 



অবশেষে দায়ের অভিযোগ। সূত্রের খবর, মমতার বিরুদ্ধে হেয়ারস্ট্রিট থানায় এই অভিযোগ দায়ের করেছেন এক ব্যবসায়ী। পুলিশ ইতিমধ্যেই মামলা রুজু করে তদন্তও শুরু করে ফেলেছে বলে জানা যাচ্ছে। এখন দেখার এই কেসে পুলিশ মমতাকে ডেকে পাঠায় কিনা। অন্যদিকে ২ জুন রানি রাসমণি রোডের সভা থেকে মমতার করা মন্তব্য নিয়েও চাপে রয়েছে তৃণমূল। 

রাজনীতির কারবারিরা বলছেন, তৃণমূলের বর্তমান পরিস্থিতিতে মমতার সঙ্গে 'হারাধনের' যে কয়েকজন নেতা রয়েছেন, তার মধ্যে অন্যতম মদন। তৃণমূল সুপ্রিমোর দীর্ঘদিনের সঙ্গী কামারহাটির বিধায়ক। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, মমতার সঙ্গেই তিনি রয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে তাঁর সিআইডি-র নোটিস পাওয়া নিয়ে জল্পনা বাড়ছে। 

মমতার আর এক 'হারাধন' মদনের কাছেও এল সিআইডি-র নোটিস
বিধায়কদের সই জালকাণ্ডে সিআইডি-র নোটিস পেলেন মদন মিত্র

বিধায়কদের সই জালকাণ্ডে এবার কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রকে নোটিস সিআইডি-র। শুক্রবার মদনের কামারহাটির বাড়িতে গিয়ে তাঁকে নোটিস দেন সিআইডি আধিকারিকরা। তিনি যে নোটিস পেয়েছেন, তা স্বীকার করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিশ্বস্ত সঙ্গী মদন। নোটিস পেয়ে কী বলছেন কামারহাটির বিধায়ক?


তৃণমূল বিধায়কদের সই জালকাণ্ডে পুরোদমে তদন্তে নেমেছে সিআইডি। গতকালই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাড়ে ৫ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন সিআইডি আধিকারিকরা। অভিষেক একাধিক প্রশ্নের উত্তর দেননি বলে জানা গিয়েছে। সিআইডি আধিকারিকদের প্রশ্নে মেজাজও হারান।


ঘুম থেকে উঠেই এই জিনিস দেখলে দিনটা খারাপ যাবে
অভিষেককে নিয়ে চর্চার মধ্যেই মদনকে নোটিস দিল সিআইডি। এই নিয়ে কামারহাটির বিধায়ক বলেন, “আজ সকালে আমাকে একটা নোটিস দেওয়া হয়েছে। আমি নোটিস পেয়েছি। তবে আমায় এখনও তলব করা হয়নি। সিআইডি শুধু জানিয়ে গিয়েছে, আমাকে নোটিস দেওয়া হল।” জানা গিয়েছে, সই জালকাণ্ডে মদনকে তদন্তে সাহায্যের জন্য বলা হয়েছে।


রাজনীতির কারবারিরা বলছেন, তৃণমূলের বর্তমান পরিস্থিতিতে মমতার সঙ্গে ‘হারাধনের’ যে কয়েকজন নেতা রয়েছেন, তার মধ্যে অন্যতম মদন। তৃণমূল সুপ্রিমোর দীর্ঘদিনের সঙ্গী কামারহাটির বিধায়ক। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, মমতার সঙ্গেই তিনি রয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে তাঁর সিআইডি-র নোটিস পাওয়া নিয়ে জল্পনা বাড়ছে।

প্রসঙ্গত, বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর থেকে এমনিতে তৃণমূলের অন্দরে ডামাডোল বাড়ছে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, সন্দীপন সাহার নেতৃত্বে তৃণমূলের ৬০ বিধায়ক ‘নব তৃণমূল ব্লক’ গঠন করেছেন। লোকসভায়ও তৃণমূল সাংসদরা দু’ভাগ হয়ে গিয়েছেন। রাজ্যসভায় একের পর এক সাংসদ ইস্তফা দিচ্ছেন। এরই মধ্যে বিধায়কদের সই জালকাণ্ডে তদন্তের গতি বাড়িয়েছে সিআইডি। বিধায়কদের সই জাল করে বিধানসভায় জমা দেওয়ার অভিযোগে অভিষেককে একাধিকবার তলব করা হয়েছে। প্রথম তিনবার সিআইডি-র তলবে সাড়া দেননি তিনি। এরপর গতকাল কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের পর ভবানীভবনে হাজির হন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড।

সাংবাদিক সম্মেলনে বিজিবিএস প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন,"আমার কাছে তালিকা রয়েছে। বিজিবিএস করতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থাকে মোট ৬৩৫ কোটি টাকা দিয়ে গিয়েছেন। এরও তদন্ত হবে। শুধু তদন্ত নয়, মামলা করব। প্রয়োজনে আর্থিক তছরূপের যাঁরা তদন্ত করে, তাঁদের দায়িত্ব দেব।"



কলকাতা: তৃণমূলের সরকারের (TMC Government) বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন (BGBS) নিয়ে বিজেপির (BJP) অভিযোগ বহুদিনের। মানুষকে ঠকানোর মঞ্চ তৈরি করেছিল তৃণমূল, এমনও বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছিল তৎকালীন বিরোধী দল। তবে, এবার বাংলায় সরকার বদল হতেই বিজিবিএস নিয়ে কড়া পদক্ষেপ শুভেন্দুর সরকারের (Suvendu Adhikari Government)। তৃণমূলের আমলের এই বাণিজ্য সম্মেলনে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতির (BGBS Corruption) অভিযোগ তুললেন। বিরোধী দল থাকাকালীনও দুর্নীতির অভিযোগ করেছিলেন। এবার ক্ষমতায় এসে বাণিজ্য সম্মেলনের আয়োজনে দুর্নীতির তদন্তও হবে বলে ঘোষণা 


আজ নরেন্দ্র মোদীর সরকারের ১২ বছর পূর্ণ উপলক্ষে বিশেষ প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করা হয়েছে বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এক সাংবাদিক সম্মেলনে নরেন্দ্র মোদী সরকারের আমলে কী কী উন্নতি হয়েছে দেশে,তার খতিয়ান তুলে ধরেন। পরে, সেখানেই সাংবাদিক সম্মেলনে বিজিবিএস প্রসঙ্গে বলেন,”আমার কাছে তালিকা রয়েছে। বিজিবিএস করতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থাকে মোট ৬৩৫ কোটি টাকা দিয়ে গিয়েছেন। এরও তদন্ত হবে। শুধু তদন্ত নয়, মামলা করব। প্রয়োজনে আর্থিক তছরূপের যাঁরা তদন্ত করে, তাঁদের দায়িত্ব দেব। আমরা ছাড়ব না। ছাড়ার জন্য তো লোক বসাইনি। পুষ্পাদের পরিস্থিতি তো দেখতেই পাচ্ছেন।” শুভেন্দু স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এই টাকা কোন কোন খাতে ব্যবহার করা হয়েছে, তার পুঙ্খানুপুঙ্খ রিপোর্ট নিয়ে প্রয়োজনে তদন্ত করা হবে।

উল্লেখ্য, তৃণমূল সরকারের আমলে বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনের আয়োজন করা হত। এই মঞ্চ থেকেই শিল্পে বিনিয়োগ এসেছে বলে বহুবার দাবি করেছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে, প্রথম থেকেই বিজিবিএস-এর বাস্তবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল বিজেপি। সবটাই তৃণমূলের লোক দেখানো বলে অভিযোগ তোলা হয়েছিল। বারবার এই নিয়ে সরব হয়েছিল তৎকালীন বিরোধী দল বিজেপি। তবে, সরকার বদলে যেতেই বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্যের ভবিষ্যত নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল রাজনৈতিক মহলে। এবার সেই সম্মেলনেই এবার আর্থিক নয়ছয়ের অভিযোগ তুলেছেন শুভেন্দু।


 বাগুইআটির বাসিন্দা রাজীব সরকার নামে জনৈক এক ব্যক্তি তিনি বিধানগর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। প্রথমে এই মামলার তদন্তভার নিয়েছিলেন বিধাননগর কমিশনারেটের সাইবার শাখা। গত বুধবার সিআইডি তদন্তভার হাতে নেয়।

 কালীঘাটের দরজার এপারে CID, ওপাশে অভিষেকের উকিলরা! রক্ষাকবচের 'ফাঁক' দিয়েই কি 'যুবরাজে'র গ্রেফতারি?
বাঁ দিকে, অভিষেকের লিগ্যাল টিম, ডান দিকে সিআইডি


সই মামলায় রক্ষাকবচ পেয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে হাইকোর্টের নির্দেশে বৃস্পতিবারই ভবানী ভবনে হাজিরা দিয়েছেন অভিষেক। একটি মামলায় রক্ষাকবচ পেয়েছেন, কিন্তু ফাঁক তো রয়ে গিয়েছে আরও। কারণ অভিষেকের বিরুদ্ধে আরও একটি মামলার দায়িত্ব নিয়েছে সিআইডি। সেটি ডিজে মামলা। অর্থাৎ নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যে উস্কানিমূলক মন্তব্য করেছিলেন, তার বিরুদ্ধে FIR দায়ের হয় বিধাননগর থানায়। গত বুধবার রাতেই সেই মামলা নিজের হাতে নেয় সিআইডি। শুক্রবার সেই মামলারই নোটিস দিতে আসেন তদন্তকারীরা। বিধানসভার সই জালিয়াতির পর এবার উস্কানিমূলক মন্তব্য করার অভিযোগে ডাক পড়ল অভিষেকের।


বৃহস্পতিবারই অভিষেকের সিআইডি দফতরে হাজিরা নিয়ে এক প্রস্থ নাটক দেখেছে বাংলা। প্রথমে বর্ষীয়ান আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামলা থেকে সরে দাঁড়ানো, তারপর হাইকোর্টের বিচারপতি কৌশিক চন্দের অভিষেককে হাজিরা দেওয়ার জন্য ডেডলাইন বেঁধে দেওয়া, সঙ্গে ১৪ দিনের রক্ষাকবচ। সন্ধ্যা ৬টায় অভিষেকের হাজিরা, আর তার মাঝেই অভিষেকের ডিজে মামলার তদন্তভার সিআইডি-র হাতে নেওয়া।


মমতার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করলেন? আজ সবটা জানিয়ে দিলেন শতাব্দী
আর সেই সূত্র ধরেই শুক্রবার দুপুরে সিআইডি-র টিম যায় অভিষেকের কালীঘাটের বাড়িতে। ডিজে হুমকি মামলার তদন্তে আসেন তাঁরা। গেটের বাইরে থাকেন সিআইডি আধিকারিকরা। কিছুক্ষণের মধ্যেই খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবীরা। এক মহিলা আইনজীবী-সহ তিন জনের টিম পৌঁছন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন তাঁরা। এক আইনজীবী বলেন, “সংবিধানের লোক, তিনি সংবিধান মেনেই চলবেন। তিনি তো বারবার করে বলেছেন, আমি সহযোগিতা করব। হাইকোর্টের নির্দেশে গতকালও তিনি গিয়েছিলেন। তিনি নির্দেশকে মান্যতা দিয়েছেন। আগামী দিনেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আইন মাফিকই কাজ করবেন।”


অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যেহেতু সে সময়ে বাড়িতে ছিলেন না, তাই নোটিস দেওয়া সম্ভব হয়নি। বাগুইআটির বাসিন্দা রাজীব সরকার নামে জনৈক এক ব্যক্তি তিনি বিধানগর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। প্রথমে এই মামলার তদন্তভার নিয়েছিলেন বিধাননগর কমিশনারেটের সাইবার শাখা। গত বুধবার সিআইডি তদন্তভার হাতে নেয়।

নির্বাচনী প্রচারে অভিষেক বলেছিলেন, ‘৪ তারিখ বেলা বারোটার পর কোন জহ্লাদের কত ক্ষমতা, কার দিল্লির বাবা কাকে বাঁচাতে আসে, আমি ৪ তারিখ দেখব। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যতই উদার হোক, ৪ তারিখ আরামবাগের স্টিয়ারিং আমার হাতে থাকবে। ডিজে বাজবে, এমন জোরে বাজবে, কান ঝালাপালা করে দেব।’

অভিযোগকারী রাজীব সরকার বলেন, “এমন কিছু শব্দ তিনি ব্যবহার করেছেন, যা অসাংবিধানিক। জনপ্রতিনিধি আইন অনুসারে, এক জন জনপ্রতিনিধি এরকম কোনও শব্দ ব্যবহার করতে পারেন না, যা মানুষকে উত্তেজিত করে। সেটাই উনি করেছিলেন।”

গঙ্গাসাগরের নটেন্দ্রপুর এলাকায় এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। স্থানীয় নটেন্দ্রপুর ঘেরির ভেতর থেকে সোলার প্লেট বসানোর কাজে ব্যবহৃত লোহার পাইপ, লোহার চ্যানেলসহ বিভিন্ন পরিকাঠামোর সরঞ্জাম খোয়া যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এর পাশাপাশি, ওই এলাকা থেকেই কয়েকশো আধার কার্ড উদ্ধার হওয়ায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।



অভিযোগের তির তৃণমূল নেতার ছেলে দীনেশ মাইতির দিকে। স্থানীয়দের দাবি, ঘেরির ভেতর সোলার প্যানেল বসানোর পরিকাঠামোগুলো সরিয়ে ফেলা হয়েছে, যার ফলে সরকারি প্রকল্পের সরঞ্জাম খোয়া যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সবচেয়ে বেশি আতঙ্ক তৈরি হয়েছে কয়েকশো আধার কার্ড উদ্ধার হওয়া নিয়ে। এত বিপুল সংখ্যক সরকারি পরিচয়পত্র কেন একটি ঘেরির ভেতরে ফেলে রাখা হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসী।

এই ঘটনার পেছনে কোনো বড়সড় জালিয়াতি চক্র জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি তুলেছেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে পুলিশ। বিষয়টি নিয়ে তৃণমূল নেতৃত্বের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। পুরো ঘটনার নেপথ্যে প্রকৃত সত্য উদ্‌ঘাটন করতে পুলিশ প্রশাসন কতটা তৎপর হয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার গঙ্গাসাগরের সুমতি নগর ও জীবনতলা গ্রামের সংযোগকারী একমাত্র কাঠের সেতুটি দীর্ঘ এক বছর ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। জরাজীর্ণ এই সেতু দিয়েই প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে বাধ্য হচ্ছেন এলাকার সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে রোগী, বৃদ্ধ এবং স্কুলগামী ছাত্র-ছাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।



স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সেতুটির কাঠ পচে গিয়ে বিভিন্ন জায়গায় বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করছেন তারা। স্থানীয়রা জানান, বারংবার স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের কাছে এই বিষয়ে অভিযোগ জানিয়েও কোনো সুরাহা মেলেনি। বর্ষার মরশুম সামনে আসায় আতঙ্ক আরও বেড়েছে এলাকাবাসীদের মধ্যে। দ্রুত সেতুটি মেরামতি বা নতুন সেতু নির্মাণের দাবিতে সরব হয়েছেন স্থানীয়রা।


এই বিষয়ে স্থানীয় নবনির্বাচিত বিজেপি বিধায়ক সুমন্ত মণ্ডল জানান, তিনি ব্যক্তিগতভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। সেতুটির বেহাল দশা সম্পর্কে তিনি অবগত। বিধায়ক আশ্বাস দিয়েছেন, p w d এর সঙ্গে কথা বলেছেন প্রশাসনিক স্তরে আলোচনা করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সেতুটি মেরামতির ব্যবস্থা করা হবে। এখন প্রশাসন কবে এই সমস্যা সমাধানে উদ্যোগী হয়, সেটাই দেখার বিষয়।

ডায়মন্ড হারবার: গ্রেফতার হওয়া জাহাঙ্গীর খানকে বৃহস্পতিবার পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যে হাফ প্যান্ট ও গেঞ্জি পরিহিত অবস্থায় ঘটনাস্থল ও সংলগ্ন এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। তদন্তের স্বার্থে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান চিহ্নিত করতে এবং ঘটনার পুনর্নির্মাণ 


(রেকনস্ট্রাকশন) করতে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

জাহাঙ্গীরকে দেখতে এলাকায় ভিড় জমায় বহু মানুষ। অভিযুক্তকে ওই অবস্থায় এলাকায় ঘোরানো নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কেউ তদন্তের স্বার্থে পুলিশের পদক্ষেপকে সমর্থন করেন, আবার কেউ বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চলমান তদন্তের অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং মামলার সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে। গোটা ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। তদন্তকারীরা আশা করছেন, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র মিলতে পারে।

সমুদ্রে মৎস্যজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ও সচেতনতা প্রসারের লক্ষ্যে সাগর থানার উদ্যোগে স্থানীয় ‘ছবি মহলে একটি জরুরি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এদিনের এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বিধায়ক সুমন্ত মণ্ডল, বিডিও কানাইয়া কুমার রাও, এসডিপিও, সাগর থানা ও কোস্টাল থানার ওসি, বন দপ্তরের প্রতিনিধি এবং কোস্ট গার্ডের আধিকারিকরা এবং মৎস দপ্তরের আধিকারিক।



মূলত সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়ার আগে মৎস্যজীবীদের সতর্ক করতেই এই সভার ডাক দেওয়া হয়েছিল। সভায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে মৎস্যজীবীদের বেশ কিছু কঠোর নির্দেশিকা মেনে চলার কথা বলা হয়েছে। নির্দেশ অনুযায়ী, সমুদ্রে পাড়ি দেওয়ার সময় প্রতিটি মৎস্যজীবীকে বাধ্যতামূলকভাবে 'লাইফ জ্যাকেট' সঙ্গে রাখতে হবে। এছাড়া, মাছ ধরতে যাওয়ার সময় মৎস্যজীবীদের কাছে প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ও নৌকার নথিপত্র অরিজিনাল বা মূল কপি রাখা আবশ্যক।
নিরাপত্তার পাশাপাশি মৎস্যজীবীদের সামাজিক সুরক্ষার দিকটিও গুরুত্ব পেয়েছে এদিনের আলোচনায়। প্রশাসনিক আধিকারিকরা স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, প্রতিটি মৎস্যজীবীর বিমা বা ইনস্যুরেন্স থাকা বাধ্যতামূলক। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় সমুদ্রে যাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে এবং সরকারি নির্দেশিকা মেনে চলতে মৎস্যজীবীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন মৎস্যজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

ডায়মন্ড হারবার: ডায়মন্ড হারবার বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ডায়মন্ড হারবার ২ নম্বর ব্লকের সরিষা পঞ্চায়েত এলাকার হিঙ্গছেবেরিয়া গ্রামে কয়েক কোটি টাকার সেবাশ্রয় ক্যাম্পের ওষুধ মাটির নিচ থেকে উদ্ধারের অভিযোগ ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।


ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। বিজেপির অভিযোগ, সাধারণ মানুষের চিকিৎসার জন্য আনা কোটি কোটি টাকার ওষুধ ও চিকিৎসা সামগ্রী গোপনে মাটির নিচে পুঁতে রাখা হয়েছিল। যদিও এই অভিযোগ নিয়ে এখনও পর্যন্ত প্রশাসন বা তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ডায়মন্ড হারবার ২ নম্বর বিজেপি মণ্ডলের সভাপতি উত্তম বাগের নেতৃত্বে বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা সরিষার হিঙ্গছেবেরিয়া এলাকায় অভিযান চালান। অভিযোগ, নির্দিষ্ট একটি জায়গায় মাটি খুঁড়তেই বেরিয়ে আসে বিপুল পরিমাণ ওষুধ, স্বাস্থ্য পরিষেবার বিভিন্ন সামগ্রী, এমনকি অক্সিজেন সিলিন্ডারও। মুহূর্তের মধ্যে ঘটনাস্থলে ভিড় জমাতে শুরু করেন এলাকার মানুষ। বহু মানুষ মোবাইলে সেই দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করেন। এলাকাজুড়ে শুরু হয় তুমুল চর্চা।


বিজেপির দাবি, উদ্ধার হওয়া ওষুধ ও সামগ্রীগুলি তথাকথিত “সেবাশ্রয় ক্যাম্প”-এ ব্যবহারের জন্য আনা হয়েছিল। উল্লেখ্য, ডায়মন্ড হারবার, বজবজ এবং ফলতা-সহ বিভিন্ন এলাকায় সম্প্রতি সেবাশ্রয় ক্যাম্প পরিচালনা করা হয়েছিল। বিজেপির অভিযোগ, সেই ক্যাম্পগুলির দায়িত্বে ছিলেন ফলতার প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গীর খান এবং ডায়মন্ড হারবারের পর্যবেক্ষক তথা মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক শামীম আহমেদের ঘনিষ্ঠ নেতৃত্ব। যদিও এই দাবির স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এই ঘটনাকে সামনে এনে বিজেপি সরাসরি তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বড়সড় দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছে। তাদের দাবি, সাধারণ মানুষের জন্য বরাদ্দ চিকিৎসা সামগ্রী ও ওষুধ গোপনে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, যদি এই ওষুধ মানুষের চিকিৎসার জন্য বরাদ্দ হয়ে থাকে, তাহলে তা মাটির নিচে কীভাবে গেল? কেন তা সংরক্ষণ না করে লুকিয়ে রাখা হল? এই প্রশ্ন এখন ঘুরপাক খাচ্ছে রাজনৈতিক মহলে।
অন্যদিকে, এই ঘটনার জেরে রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকেও কাঠগড়ায় তুলছে বিজেপি। তাদের অভিযোগ, সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে সাধারণ মানুষ প্রতিদিন ওষুধের অভাবে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। অনেক ক্ষেত্রেই চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন নিয়ে বাইরে থেকে দামি ওষুধ কিনতে বাধ্য হচ্ছেন রোগীরা। দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত মানুষের পক্ষে সেই ব্যয়ভার বহন করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে কয়েক কোটি টাকার ওষুধ মাটির নিচে পড়ে থাকার অভিযোগ সামনে আসায় মানুষের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
ডায়মন্ড হারবার ২ নম্বর বিজেপি মণ্ডলের সভাপতি উত্তম বাগ এই ঘটনাকে “তৃণমূল আমলের স্বাস্থ্য দুর্নীতির জ্বলন্ত প্রমাণ” বলে দাবি করেছেন। তাঁর কথায়, “একদিকে মানুষ হাসপাতালে ওষুধ পাচ্ছে না, সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গেলে বলা হচ্ছে ওষুধ নেই। অন্যদিকে কোটি কোটি টাকার ওষুধ মাটির নিচে লুকিয়ে রাখা হয়েছে। এটা অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। এর নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া দরকার।”
উত্তম বাগ আরও দাবি করেন, শুধুমাত্র ওষুধ নয়, উদ্ধার হয়েছে অক্সিজেন সিলিন্ডার-সহ একাধিক স্বাস্থ্য সরঞ্জাম। তাঁর বক্তব্য, “যদি প্রশাসন নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে, তাহলে আরও বড় মাথাদের নাম সামনে আসবে। কার নির্দেশে এই ওষুধ মাটির নিচে রাখা হয়েছিল, কারা এর সঙ্গে জড়িত—সব সামনে আসা উচিত। আমরা চাই দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হোক।”
বিজেপির অভিযোগের জেরে সরিষা এলাকায় রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশও ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি তুলেছেন। তাঁদের প্রশ্ন, এত বিপুল পরিমাণ ওষুধ কীভাবে এখানে এল? সরকারি নথিতে সেই ওষুধের হিসাব রয়েছে কি না? এবং সেগুলি আদৌ সাধারণ মানুষের জন্য বরাদ্দ ছিল কিনা—তা প্রশাসনের স্পষ্ট করা উচিত।
যদিও এখনও পর্যন্ত প্রশাসনের তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর পরিমাণ বা প্রকৃতি নিয়ে কিছু জানানো হয়নি। পুলিশ বা স্বাস্থ্য দফতরের তরফেও এই বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য মেলেনি। ফলে বিষয়টি নিয়ে ধোঁয়াশা থেকেই যাচ্ছে। তবে রাজনৈতিক মহলের মতে, অভিযোগ যদি সত্য প্রমাণিত হয়, তাহলে তা ডায়মন্ড হারবার মহকুমার সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় বিতর্কে পরিণত হতে পারে।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে ডায়মন্ড হারবারের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নতুন মোড় নিতে পারে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ। একদিকে বিজেপি দুর্নীতির অভিযোগ তুলে আন্দোলনের পথে হাঁটার ইঙ্গিত দিচ্ছে, অন্যদিকে তৃণমূল কী অবস্থান নেয়, সেদিকেও নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের। এখন দেখার, প্রশাসনিক তদন্ত আদৌ শুরু হয় কি না এবং শুরু হলে সেই তদন্তে কী তথ্য উঠে আসে।

উত্তরবঙ্গের আদিবাসী মুখ মালতী রাভা রায়। উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের আলিপুরদুয়ার কলেজ থেকে আর্টসে গ্রাজুয়েশন করেছেন তিনি। ৯০-র দশক থেকে বিজেপিতে রয়েছেন মালতী। তাঁর স্বামী ইন্দ্র মোহন রাভা বিজেপির জেলা সভাপতি ছিলেন।


সঙ্ঘ ঘনিষ্ঠ উত্তরবঙ্গের দাপুটে নেত্রীর হাতেই রাজ্যের নারী সুরক্ষার ভার, কে এই মালতী রাভা রায় চেনেন?
কে এই মালতী রাভা রায়?

মাটি কামড়ে পড়েছিলেন, লড়েছিলেন দাঁতে দাঁত চেপে। তার পুরস্কারও পেলেন। রাজ্যের নতুন বিজেপি সরকারের (BJP Govt) একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দফতরের দায়িত্ব পেলেন উত্তরবঙ্গের নেত্রী তথা তুফানগঞ্জের বিজেপি বিধায়ক মালতী রাভা রায় (Malati Rava Roy)। স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী তিনি। আজ মন্ত্রিত্ব বন্টনে তাঁকে নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী করা হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক উন্নয়ন ও স্বনির্ভর গোষ্ঠীর দায়িত্বও সামলাবেন তিনি।


উত্তরবঙ্গের আদিবাসী মুখ মালতী রাভা রায়। উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের আলিপুরদুয়ার কলেজ থেকে আর্টসে গ্রাজুয়েশন করেছেন তিনি। ৯০-র দশক থেকে বিজেপিতে রয়েছেন মালতী। তাঁর স্বামী ইন্দ্র মোহন রাভা বিজেপির জেলা সভাপতি ছিলেন। মালতী নিজেও জেলা সভাপতি ছিলেন। ২০২১ সালে প্রথমবার বিজেপির টিকিটেই তুফানগঞ্জ থেকে নির্বাচনে লড়েন এবং বিধায়ক হন। এবার ফের নির্বাচনে লড়লেন তুফানগঞ্জ থেকে এবং তৃণমূলের প্রার্থী প্রাক্তন ক্রিকেটার শিবশঙ্করকে ৩১ হাজার ভোটে হারিয়ে জয়ী হলেন।



 অভিষেক সরিয়েছিলেন চেয়ারম্যানের পদ থেকে, তৃণমূলের ভরাডুবি হতেই পৌরসভায় রবীন্দ্রনাথ, বড় কোনও ইঙ্গিত? 
সংঘ ঘনিষ্ঠ হিসাবেই পরিচিত মালতী। উত্তরবঙ্গে বিজেপির লড়াইয়ে অন্যতম মুখ ছিলেন তিনি। ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের আগে কোচবিহারে বিজেপির রথযাত্রা করার কথা ছিল। সেই রথযাত্রা আয়োজনের দায়িত্বে ছিলেন মালতী। যদিও পরে হাইকোর্টের অনুমতি না মেলায়, সেই রথযাত্রা হয়নি। সেই সময়ও শিরোনামে উঠে এসেছিল মালতীর নাম।

পরবর্তীতে সাংবাদিকতার পেশা ছেড়ে রাজনীতির এবড়োখেবড়ো ময়দানে পা। প্রথম লড়াইয়ে হারের মুখ দেখতে হলেও, হার মানেননি জগন্নাথ। ফল মিলেছে এবারের ভোটে। শুধু বিধায়ক নয়, হলেন রাজ্যের মন্ত্রীর। রাজ্যের উচ্চ শিক্ষা দফতরের গুরু দায়িত্ব এবার তাঁর কাঁধে।



 ছোট থেকেই RSS-এর ঘরের ছেলে, সাংবাদিকতার সরণী বেয়ে উচ্চশিক্ষার উচ্চাসনে! কে এই জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়?
কবে থেকে রাজনীতিতে যোগ?

স্বাধীনতার পর এই প্রথম! সিউড়ির মুকুটে জুড়ল পূর্ণমন্ত্রীর পালক। নতুন ইতিহাস লিখে ফেললেন সিউড়িরই ভূমিপুত্র জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। একসময়ে ছিলেন সাংবাদিক। ঝড় তুলতেন কলমের খোঁচায়। প্রশাসনিক রিপোর্টিংয়ের ক্ষেত্রে কর্মজীবনে বিশেষ সুনাম অর্জন করেছিলেন। যে সময় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা, সেই সময় নবান্ন তথা রাজ্য প্রশাসনের খবর করতেন তিনি। শোনা যায়, দক্ষ সাংবাদিক হওয়ায় তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পছন্দের সাংবাদিকও ছিলেন। 


পরবর্তীতে সাংবাদিকতা ছেড়ে রাজনীতির এবড়োখেবড়ো ময়দানে পা। প্রথম লড়াইয়ে হারের মুখ দেখতে হলেও, হার মানেননি জগন্নাথ। ফল মিলেছে এবারের ভোটে। শুধু বিধায়ক নয়, হলেন রাজ্যের মন্ত্রীর। রাজ্যের উচ্চ শিক্ষা দফতরের গুরু দায়িত্ব এবার তাঁর কাঁধে। 


ফাইলের পর ফাইল নথি ছাই, 'কোলাপস' করে যেতে পারে গোটা সরকারি সিস্টেম! সরকারের প্রধান অফিসেই ভয়ঙ্কর ঘটনা
ছোট থেকেই তাঁর আরএসএস ঘনিষ্ঠতা বরাবরই চর্চায় থেকেছে। ছাত্রাবস্থাতেও করেছেন আরএসএসের ছাত্র সংগঠনই। পরবর্তীতে বিজেপিতে যোগ। বিগত কয়েক বছর ধরেই দলের হয়ে টানা কাজ করে গিয়েছেন। তৃণমূলের বেলাগাম দুর্নীতি নিয়ে বিজেপির হয়ে বারবার মুখ খুলেছেন টিভির পর্দায়। তাঁর ক্ষরধার শব্দের প্রয়োগে বারবার কাত হয়েছে শাসক শিবির। পড়ে থেকেছেন মাঠে ময়দানে, বারবার বিজেপির নানা আন্দোলনে তাঁকে একেবারে প্রথমসারিতে দেখা গিয়েছে। দক্ষতার প্রমাণ দিয়ে প্রথমে রাজ্য সাধারণ সম্পাদক এবং পরবর্তীতে রাজ্য সহ-সভাপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। এবার একেবারে মন্ত্রিত্বে।


২০২১ সালের নির্বাচনে জয় অধরা থাকলেও, জনপ্রতিনিধি না হলেও জনসেবার পথে তা বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। দলের সর্বভারতীয় স্তরের যোগাযোগকে কাজে লাগিয়ে সিউড়ির উন্নয়নের স্বার্থে বারবার কেন্দ্রীয় রেল মন্ত্রকের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। তার এই নিরলস চেষ্টাতেই দীর্ঘদিনের আটকে থাকা হাটজনবাজার রেল ওভারব্রিজের কাজ গতি পেয়েছে। এছাড়া সিউড়ি-শিয়ালদহ যাতায়াত সুগম করতে মেমু এক্সপ্রেস চালু, সিউড়ি স্টেশনের আধুনিকীকরণ, সিউড়ি-প্রান্তিক রেল প্রকল্পের থমকে থাকা কাজ পুনরায় শুরু করার ক্ষেত্রেও যথেষ্ট সচেষ্ট হয়েছিলেন জগন্নাথ।