WEATHER

Top News



 এই মামলায় বিচারপতি প্রশ্নও করেন, "এই অনুষ্ঠান ব্রিগেডে করা হচ্ছে না কেন?" রাজ্যের অ্যাডিশন্যাল এজি বিলদ্বল ভট্টাচার্য জানান, সেনা বাহিনী এই অনুষ্ঠানের জন্য রেড রোড অনুমোদন করেছে। এটা রাজ্য সরকারের অনুষ্ঠান। মাত্র ৮০০ মিটার বন্ধ করা হয়েছে। বাকি সব রাস্তা খোলা আছে।


নাগরিকরা বিকল্প পথে যান', কোন মামলায় রাজ্যবাসীকে বড় পরামর্শ কলকাতা হাইকোর্টের
কলকাতা হাইকোর্ট

যোগ দিবস পালনে ৭ দিন রেড রোড বন্ধ, আর তাতে আমজনতার হয়রানির বিষয়টি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন আইনজীবীদের একাংশ। বৃহস্পতিবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য এই মামলায় পরামর্শ দেন, ২১ জুন পর্যন্ত নাগরিকরা যাতে বিকল্প রাস্তা ব্যবহার করেন। তবে এই মামলায় বিচারপতি প্রশ্নও করেন, “এই অনুষ্ঠান ব্রিগেডে করা হচ্ছে না কেন?” রাজ্যের অ্যাডিশন্যাল এজি বিলদ্বল ভট্টাচার্য জানান, সেনা বাহিনী এই অনুষ্ঠানের জন্য রেড রোড অনুমোদন করেছে। এটা রাজ্য সরকারের অনুষ্ঠান। মাত্র ৮০০ মিটার বন্ধ করা হয়েছে। বাকি সব রাস্তা খোলা আছে।

বিচারপতি তখন প্রশ্ন করেন, “এটা ব্রিগেডে হলে কী ক্ষতি হত? আমি মানছি এটা রাজ্যের সরকারি অনুষ্ঠান, এটা রাজনৈতিক নয়, তারপরেও বলছি এটা ব্রিগেডে হলে নাগরিকের ওই রাস্তা ব্যবহারে সমস্যা হত না। আর গোটা রাস্তা বন্ধ কেন, কেন অর্ধেক খোলা নয়?”



বাবা হিন্দু, মা মুসলিম...' ঈশান খট্টরের ধর্ম কী? অভিনেতা বললেন 'জয় শ্রী...'
বঙ্গোপসাগরে বড় খেলা খেলছে পাকিস্তান, দোসর হয়েছে চিন! ভারত কি জবাব দেবে?
তখন এএজি জানান, “প্রধানমন্ত্রী এসপিজি নিরাপত্তা পান। তার জন্য গোটা রাস্তা বন্ধ করতে হচ্ছে। তার নিরাপত্তার কারণেই ব্রিগেডে করা যাচ্ছে না।”

বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, “সিপির এই বিজ্ঞপ্তিতে প্রশ্ন আছে। তিন সপ্তাহের মধ্যে সবপক্ষকে হলফনামা দিতে হবে।” পাশাপাশি রাজ্য় পুলিশকেও স্পষ্ট করে দেন, এই সময়ের মধ্যে বিকল্প রাস্তার ব্যবস্থা করতে হবে সব নাগরিকদের জন্য। যাতে তাঁরা সুষ্ঠুভাবে গন্তব্যে পৌঁছতে পারেন। অনুষ্ঠান শেষ হলেই যাতে সেই রাস্তা ব্যবহার করা যায়, সেটা পুলিশকে নিশ্চিত করতে হবে। এই মামলায় সেনাবাহিনীকে আগামী দিনে যুক্ত করতে হবে।

উল্লেখ্য, ২১ জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস। ২০ জুন কলকাতার আকাশে উড়বে ৩ হাজার ড্রোন। ২১ জুন বাংলায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী। যোগ দিবস বাংলাতে পালন করবেন তিনিও। ২১ জুন রেড রোডে হবে যোগ প্রদর্শনী।


ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা করার স্পিকারের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বালিগঞ্জের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। বুধবার সেই মামলার শুনানি শেষ হয়েছে। কিন্তু রায়দানে দেখা যায়, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের আবেদনে হস্তক্ষেপ করল না আদালত। কিন্তু কেন? 


ঠিক কোন বিশেষ নথির জোর? শোভনদেব নন, ঋতব্রতর পক্ষেই গেল আদালতের রায়? স্পষ্ট করলেন সন্দীপন
সন্দীপন সাহা

বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের আবেদনে আপাতত হস্তক্ষেপ করলেন না কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। হাইকোর্টের রায়ের পর সন্দীপন সাহা বললেন, “এটা আমাদের নৈতিক জয়। যে লড়াইটা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও আমি, আমরা শুরু করেছিলাম, যে অনিয়মের বিরুদ্ধে, তাতে আমরা নৈতিক জয় পেলাম।”


বুধবারই কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের বেঞ্চে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের আবেদনের শুনানি ছিল। শুনানিতে বারবার বিধানসভার স্পিকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তৃণমূল থেকে বহিষ্কার করার পরেও কী ভাবে বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসাবে বেছে নিলেন স্পিকার রথীন্দ্র বসু? বিধানসভার মামলায় প্রশ্ন তুলেছিল কলকাতা হাই কোর্ট। কেন তৃণমূলের তরফ থেকে আসা প্রথম চিঠিকে গুরুত্ব দেওয়া হল না এবং কেন দ্বিতীয় চিঠিটি গ্রহণ করে নেওয়া হল, সেই প্রশ্নও তুলেছেন বিচারপতি কৃষ্ণ রাও। ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা করার স্পিকারের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বালিগঞ্জের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। বুধবার সেই মামলার শুনানি শেষ হয়েছে। কিন্তু রায়দানে দেখা যায়, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের আবেদনে হস্তক্ষেপ করল না আদালত। কিন্তু কেন?


কেন দলীয় কার্যালয়ে বেডরুম? পিছনে 'মহৎ উদ্দেশ্য', ব্যাখ্যা দেবাংশুর
বিধায়ক সন্দীপন সাহা বললেন, “৫৮ জনের বেশি বিধায়ক সমর্থন দিয়ে ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা করার জন্য অধ্যক্ষকে চিঠি দিয়েছিলেন। সেটা পুরোপুরি নিয়ম মাফিক। স্পিকার তাতে স্বীকৃতি দিয়েছেন। আজকে হাইকোর্টও সেই স্বীকৃতিতে শিলমোহর দিল। আমরা যে কাজটা করেছি, আইন মেনে করা, নৈতিক জয়। বিধায়কদের সমর্থনের সংখ্যা বাড়ছে। যাঁরা নতুন করে সমর্থন করছেন, সেই মতো চিঠি স্পিকারকে দিচ্ছি।” এই গোটা বিষয়টি আদালতের নজরে আনা হয় বলে তিনি জানান।

তরফে সন্দীপনকে প্রশ্ন করা হয়, শোভনদেবকে বিরোধী দলনেতা চেয়ে ১২ তারিখে চিঠি দেওয়া হয়েছিল, তা ১৬ তারিখে কেন চিঠি গৃহীত হল? এই প্রশ্ন করতেই সন্দীপন বলেন, “কোন তৃণমূল কংগ্রেসের কথা বলছেন? সেই তৃণমূল কংগ্রেস অনেক কথা বলে, অনেক দাবি করে, সেই সাপোর্টিং নথি থাকতে হয়, অধিকাংশ সময়েই দেখা যায়, সেরকম নথি থাকে না। তাঁরা মুখে বলছেন।” উল্লেখ্য, বুধবারের শুনানিতে সেই একই প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি রাও। কেন তৃণমূল থেকে দেওয়া প্রথম চিঠিকে গুরুত্ব না দিয়ে দ্বিতীয় চিঠির ভিত্তিতে পদক্ষেপ করা হল? সে প্রশ্ন ওঠে হাইকোর্টেও।

 অন্যদিকে, এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা ৫৮ জন বিধায়কের সমর্থন দেখিয়ে উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার কথা বলেন। বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসু বিরোধী দলনেতা হিসাবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্বাচিত করেন। স্পিকারের ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন শোভনদেব।

ঋতব্রতই বিরোধী দলনেতা, শোভনদেব নন, স্পষ্ট নির্দেশ হাইকোর্টের
কলকাতা হাইকোর্ট

 পালা বদলের পর রাজ্যের বিরোধী দলনেতা হিসাবে বালিগঞ্জের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম প্রস্তাব করেছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। অন্যদিকে, এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা ৫৮ জন বিধায়কের সমর্থন দেখিয়ে উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার কথা বলেন। বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসু বিরোধী দলনেতা হিসাবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্বাচিত করেন। স্পিকারের ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন শোভনদেব। গত দু’দিন বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের এজলাসে চলছিল সেই মামলার শুনানি। তবে কে হবেন বিরোধী দলনেতা সেই নির্দেশ স্থগিত ছিল। বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের নির্দেশ, বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই। 


আদালত জানিয়েছে, বিরোধী ব্লকের বিধায়কদের নির্বাচনে আপাতত কোনও হস্তক্ষেপ নয়। এ দিন, অন্তবর্তী কোনও নির্দেশ দিলেন না বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের আবেদনে আপাতত হস্তক্ষেপ করেনি হাইকোর্ট। তবে, এই মামলার ফের শুনানি হবে ২৮ জুলাই। এ দিকে, আজই আবার রয়েছে বিধানসভায় বাজেট অধিবেশন। আর সেই অধিবেশন শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে এই নির্দেশ নিতান্তই তাৎপর্যপূর্ণ।


ঠিক কোন বিশেষ নথির জোর? শোভনদেব নন, ঋতব্রতর পক্ষেই গেল আদালতের রায়? স্পষ্ট করলেন সন্দীপন
বাংলা ধারাবাহিকে ফিরছেন সুস্মিতা? কোন ধারাবাহিকে দেখা যেতে পারে তাঁকে?
এর আগের শুনানিতে, অধ্যক্ষ রথীন্দ্র বসুর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি প্রশ্ন তুলেছিলেন, “ঘরে বসে স্পিকার কীভাবে জানলেন কোন পক্ষে লোক বেশি?” এরপর বুধবারও চলে এই মামলার সওয়াল-জবাব। কোর্টে গতকাল স্পিকারের আইনজীবী অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল তৃণমূলের পাঠানো চিঠিতে বিধায়ক দলের বৈঠকের কোনও উল্লেখ নেই। তাই স্পিকার বৈঠকের কার্যবিবরণী চেয়ে পাঠিয়েছিলেন। এরপর তৃণমূলকে বলা হয় বৈঠকের মিনিটস ও শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে নির্বাচনের প্রস্তাবের কপি জমা দিতে। পরে কয়েকজন তৃণমূল বিধায়ক স্পিকারকে জানান, ওই প্রস্তাবে থাকা তাঁদের স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে স্পিকার তদন্তের নির্দেশ দেন। সন্দীপন সাহার একটি চিঠি স্পিকারের কাছে যায়। যেখানে দাবি করা হয় যে তাঁদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন রয়েছে এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে।

মামলার ব্যাকগ্রাউন্ড

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা এবং অন্যান্য পদাধিকারী নির্বাচনের জন্য অধ্যক্ষের কাছে একটি প্রস্তাব বা রেজোলিউশন জমা দেওয়া হয়। এই প্রস্তাবে বালিগঞ্জের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা, অসীমা পাত্র ও নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়কে উপ-বিরোধী দলনেতা এবং ফিরহাদ হাকিমকে চিফ হুইপ করা হয়েছিল। পরে একদল বিধায়ক নিজেদের বিক্ষুব্ধ হিসেবে দাবি করে সোজা চলে যান স্পিকারের কাছে। তাঁদের প্রস্তাব অনুযায়ী বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত। আর সেই প্রস্তাবই মান্যতা পায় স্পিকারের কাছে। শুধু তাই নয়, কালীঘাট থেকে তৃণমূলের দেওয়া চিঠিতে অনেক বিধায়কের সই জাল করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। তারপরই মামলার জল গড়ায় হাইকোর্ট পর্যন্ত।

সূত্রের খবর, ত্রিপাঠীর পরিবারের অনেকগুলি ট্রাক আছে, যেগুলি বালি নিয়ে যেত। বালি খাদানে কার নিয়ন্ত্রণ থাকবে এবং টাকার ভাগ কে, কত পাবে, তা নিয়েই বিরোধ চলছিল। বুধবার রাতে ভরত সিংকে যখন ঝামেলা মেটানোর জন্য টাকা হয়েছিল, তিনি ফরচুনার গাড়ি নিয়ে যান।


রায়পুর: ভয়ঙ্কর। দীর্ঘদিনের ঝামেলায় ভয়ঙ্কর পরিণতি হল বিজেপি নেতার। দুটি ট্রাকের মাঝে আটকে দেওয়া হয়েছিল গাড়ি, তারপর সেই গাড়িতে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হল। গাড়ির ভিতরেই পুড়ে মৃত্যু হল বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রেসিডেন্ট ভরত সিংয়ের। তাঁর সঙ্গে গাড়িতে ছিলেন আরও দুইজন। তাঁদের মৃত্যু হয়েছে গাড়ির ভিতরে আগুনে পুড়ে।

ঘটনাটি ঘটেছে ছত্তীসগঢ়ের কোরিয়া জেলায়। বুধবার রাতে ওই বিজেপি নেতাকে ডাকা হয়েছিল বালি উত্তোলন নিয়ে ঝামেলা মেটাতে। তবে পরিবারের দাবি, আসলে সেটা ফাঁদ ছিল। দীর্ঘদিন ধরেই সোনহাত, কৈলাশপুর. তেলিমুড়া, বেলিয়া ও চিনগুড়ায় বালি তোলা নিয়ে ঝামেলা ছিল। বিগত কয়েক মাস ধরে ভরত সিংয়ের গোষ্ঠী ও আরেক বিজেপি নেতা মনোজ ত্রিপাঠীর গোষ্ঠীর মধ্যে বিরোধ চরমে উঠেছিল।



সূত্রের খবর, ত্রিপাঠীর পরিবারের অনেকগুলি ট্রাক আছে, যেগুলি বালি নিয়ে যেত। বালি খাদানে কার নিয়ন্ত্রণ থাকবে এবং টাকার ভাগ কে, কত পাবে, তা নিয়েই বিরোধ চলছিল। বুধবার রাতে ভরত সিংকে যখন ঝামেলা মেটানোর জন্য টাকা হয়েছিল, তিনি ফরচুনার গাড়ি নিয়ে যান। সেখানে পৌঁছতেই তাঁর গাড়ির সামনে ও পিছনে ট্রাক দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়। এরপরই সঙ্গে সঙ্গে গাড়িতে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ফলে গাড়ি ভিতরে থাকা বিজেপি নেতা ও তাঁর দুই সঙ্গী পুড়ে মারা যান। ময়ঙ্ক সিং নামক আরও একজন গুরুতর আহত। তাঁর অবস্থা সঙ্কটজনক।

পুলিশ এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত আক্ষত ত্রিপাঠী, বিশাল ত্রিপাঠী, সত্য প্রকাশ ত্রিপাঠী ও মন্নু ত্রিপাঠীকে গ্রেফতার করেছে। নয়জনের বিরুদ্ধে খুন ও খুনের চেষ্টার মামলা করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ভরত সিং আগে কংগ্রেস করতেন। ভূপেশ বাঘেল সরকারের আমলে তিনি বিজেপিতে যোগ দেন। যথেষ্ট প্রভাবশালী নেতা ছিলেন তিনি। নীল বাতির গাড়ি নিয়ে ঘুরতেন।  মৃতের পরিবার সিবিআই তদন্তের দাবি করেছে।


দলের তহবিল কার হাতে থাকবে, তা নিয়েও তৈরি হয়েছে জটিলতা, আর সেই বিষয়টি উল্লেখ করেই অ্যাকাউন্টটি ফ্রিজ করার আবেদন জানিয়েছেন তিনি। যাতে এই অবস্থায় দলের অ্যাকাউন্টটি সুরক্ষিত রাখা যায়। যদিও সূত্রের খবর, অরূপের চিঠিতে মান্যতা দিচ্ছে না ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ। কারণ ৫ জুন থেকে তৃণমূলের কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে শুভাশিস চক্রবর্তীকে।

মমতাকে চাপে ফেলতে বড় পদক্ষেপ অরূপের? পাল্টা মোক্ষম চাল তৃণমূল সুপ্রিমোর! কী ঘটল?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অরূপ বিশ্বাস

এই ১৫ বছরের তৃণমূল জমানায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিশেষ আস্থাভাজন যদি ৩-৪ জন থেকে থাকতেন, তাঁদের মধ্যে অরূপ বিশ্বাস ছিলেন একজন। এবার কি মমতাকে চাপে ফেলার চেষ্টা করছেন সেই অরূপই? তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করতে চেয়ে ব্যাঙ্ক ম্যানেজারকে চিঠি অরূপ বিশ্বাসের। ১২ জুন, ব্যাঙ্কে পাঠানো চিঠিতে নিজেকে তৃণমূলের কোষাধ্যক্ষ হিসাবে দাবি করেছেন অরূপ। চিঠিতে সংসদীয় ও পরিষদীয় দলে ভাঙনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। দলের তহবিল কার হাতে থাকবে, তা নিয়েও তৈরি হয়েছে জটিলতা, আর সেই বিষয়টি উল্লেখ করেই অ্যাকাউন্টটি ফ্রিজ করার আবেদন জানিয়েছেন তিনি। যাতে এই অবস্থায় দলের অ্যাকাউন্টটি সুরক্ষিত রাখা যায়। যদিও সূত্রের খবর, অরূপের চিঠিতে মান্যতা দিচ্ছে না ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ। কারণ ৫ জুন থেকে তৃণমূলের কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে শুভাশিস চক্রবর্তীকে।


এর আগে কালীঘাটে যখন বৈঠক হয়েছিল, তখন অরূপের সঙ্গে তর্কাতর্কির মতো একটা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল বলে সূত্রের খবর। দ্বিতীয়ত, এটাও জানা যাচ্ছে, অরূপকে যখন যখন ডেকে পাঠানো হচ্ছিল, তিনি কালীঘাটে যাচ্ছিলেন না। তিন, মেসিকাণ্ডে অরূপের বিরুদ্ধে যখন পরপর অভিযোগ দায়ের হতে থাকে, তার মধ্যে আর্থিক লেনদেনের বিষয়টিও জড়িয়ে যায়, তখন দলের অন্দরেও প্রশ্নের মুখে পড়ছিলেন অরূপ। সঠিক উত্তর দলকেও দিতে পারেননি বলে খবর। কালীঘাটের অন্দরে জল্পনা বাড়তে থাকে, অরূপ বিশ্বাস ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। অরূপকে ডেকে জিজ্ঞাসাও করা হয়েছিল, সেখানেও নাকি তাঁর তরফে কোনও উত্তর মেলেনি। এরপরই দল কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব অরূপের থেকে নিয়ে শুভাশিসকে দেয়।


বউয়ের প্রতি কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই... ছিলও না', কটাক্ষ তাপসের
১২ জুন অরূপ ব্যাঙ্ককে চিঠি পাঠিয়েছিলেন। এদিকে তিনি সে সময়ে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় পুলিশের হাজিরা এড়িয়ে যাচ্ছিলেন। তাঁর হদিশও মিলছিল না। কিন্তু সেই চিঠি গৃহীত হয়নি, কারণ তার আগেই অর্থাৎ অরূপের হাবভাব বুঝেই ৫ জুন সমস্ত আইনি পদ্ধতি মেনে অরূপকে সরিয়ে শুভাশিসকে কোষাধ্যক্ষ বানিয়ে ফেলেছে। এখানে স্বাভাবিকভাবেই বলা যেতে পারে, মমতার বড় চাল! দলের তরফ থেকে রেজুলিউশন করে মিনিটস করে জানানো হয়েছে, এখন থেকে কোষাধ্যক্ষ শুভাশিস চক্রবর্তী। আর সেটাই ব্যাঙ্ককে জানিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, কেন হঠাৎ ১২ জুন চিঠি লিখতে গেলেন অরূপ? তিনি কি ঋতব্রতদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে মমতাকে চাপে ফেলতে চাইছেন? উঠছে প্রশ্ন।

এদিকে, তৃণমূলের অ্যাকাউন্টের দাবিদার ঋতব্রতরাও। বৃহস্পতিবারই কলকাতা হাইকোর্ট স্পষ্ট করে দিয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই বিরোধী দলনেতা। এবার অ্যাকাউন্ট নিয়ে সন্দীপন সাহা বলেন, “অরূপ বিশ্বাস চিঠি দিয়েছেন। তিনি কোষাধ্যক্ষ ছিলেন। তিনি মনে করেছেন, এই চিঠিটা না দিলে হয়তো, তৃণমূলের যে অ্য়াকাউন্টটা রয়েছে, তাতে অনিয়ম হতে পারে।”

শিবসেনার ভাঙন ও একনাথ শিন্ডের শিবিরকে আসল শিবসেনার স্বীকৃতি দেওয়ার প্রসঙ্গ টেনে সঞ্জয় রাউত বলেন যে মহারাষ্ট্রে গণতন্ত্র নিয়ে যে মজা হয়েছে, তার সবথেকে বড় দায় সুপ্রিম কোর্টের। যদি সুপ্রিম কোর্ট যথাসময়ে পদক্ষেপ করত, তাহলে রাজ্যে এই রাজনৈতিক অস্থিরতা থামানো যেত।   


 তৃণমূল থেকে শিক্ষা! বিদ্রোহী সাংসদদের বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ করতে চলেছে উদ্ধবের শিবসেনা
বিদ্রোহীদের সবক শেখাবে উদ্ধবের শিবসেনা?


শিবসেনা ভেঙেছে একবার। আরও একবার ভাঙনের মুখে উদ্ধব ঠাকরের (Uddhav Thackeray) শিবসেনা। ছয়জন বিদ্রোহী সাংসদরা তৈরি করতে চলেছেন আলাদা ফ্রন্ট। এমনটাই সূত্রের খবর। দলের তরফে নয়জন সাংসদকে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছিল, কিন্তু মাত্র তিনজনই উপস্থিত হন। এবার বিদ্রোহী সাংসদদের বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ করতে চলেছে শিবসেনা (ইউবিটি) (Shiv Sena UBT)।


উদ্ধব ঠাকরের নির্দেশে চিফ হুইপ অনিল দেশাইয়ের ডাকা সংসদীয় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না শিবসেনা (ইউবিটি)-র ছয়জন সাংসদ। তাদের ইতিমধ্যেই দলের তরফে শোকজ নোটিস দেওয়া হয়েছে। শিবসেনা (ইউবিটি) সাংসদ অরবিন্দ সাওয়ান্ত জানিয়েছেন, বিদ্রোহী নেতাদের আগামী সাতদিনের মধ্যে শোকজের জবাব দিতে হবে। যদি তারা জবাব না দেন, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলেও তিনি জানান।



নায়কের সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর নাতনি! কেরিয়ারের সাফল্যই কি ব্রেকআপের কারণ?
গতকালই রাজ্যসভার শিবসেনা (ইউবিটি) সাংসদ সঞ্জয় রাউত জানিয়েছিলেন যে চিফ হুইপের নির্দেশ অমান্য করে আইন ভঙ্গ করেছেন বিদ্রোহী সাংসদরা। তিনি জানান, ইতিমধ্যেই ডিসিপ্লিনারি প্রসিডিং শুরু হয়েছে। এই বিদ্রোহী সাংসদদের বিরুদ্ধে দলের তরফে সাংসদ পদ খারিজ করে দেওয়ার আবেদন জানানো হবে বলেও হুঙ্কার দেন সঞ্জয় রাউত। বিদ্রোহী সাংসদরা ষড়যন্ত্র ও প্রতারণা করেছেন বলে অভিযোগ করেন।

একইসঙ্গে তিনি সুপ্রিম কোর্টের বিরুদ্ধেও সুর চড়ান। শিবসেনার ভাঙন ও একনাথ শিন্ডের শিবিরকে আসল শিবসেনার স্বীকৃতি দেওয়ার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন যে মহারাষ্ট্রে গণতন্ত্র নিয়ে যে মজা হয়েছে, তার সবথেকে বড় দায় সুপ্রিম কোর্টের। যদি সুপ্রিম কোর্ট যথাসময়ে পদক্ষেপ করত, তাহলে রাজ্যে এই রাজনৈতিক অস্থিরতা থামানো যেত।

সূত্রের খবর, আজ বিধান পরিষদে ভোটিংয়ের পর শিবসেনা (ইউবিটি)-র ছয় সাংসদ নিজদের আলাদা একটি ফ্রন্ট তৈরি করবে। সাংসদ সঞ্জয় বান্দু যাদব এই নতুন ফ্রন্টের নেতা হবেন।

প্রসঙ্গত, মহারাষ্ট্রের আগে পশ্চিমবঙ্গেও একইভাবে ভাঙন ধরেছে তৃণমূল কংগ্রেসে। সেখানে তৃণমূলের বিদ্রোহী ২০ জন সাংসদও আলাদা ফ্রন্ট গঠন করার পরিকল্পনা করেছিলেন কাকলী ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে। তবে দলত্যাগ বিরোধী আইনে ফেঁসে যাওয়ার ভয়েই এনসিপিআই (NCPI)-তে মিশে যান। মহারাষ্ট্রের শিবসেনা (ইউবিটি) সাংসদরা আলাদা ফ্রন্ট গড়বেন নাকি একনাথ শিন্ডের শিবসেনার সঙ্গে মিশে যাবেন, তাই-ই দেখার।

কয়েকদিন আগে বেলেঘাটার প্রাক্তন মেয়র পারিষদ স্বপন সমাদ্দার গ্রেফতার হওয়ার পর কুণাল ঘোষ মুখ্যমন্ত্রীকে বার্তা পাঠিয়ে বলেছিলেন, এই হয়রানি থামানো দরকার। বহু জায়গায় নেতা-কর্মীদের উপর পুলিশি হেনস্থা চলছে। এর মধ্যে সত্যিকারের অপরাধে কিছু বলার নেই। কিন্তু বহু ক্ষেত্রে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য দেখা যাচ্ছে।

অধিবেশনের দিনই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর ঘরে হাজির কুণাল-মদন-শোভনদেবরা

পালাবদলের পর রাজ্যে এক অভিনব রাজনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। রাজ্যে বিরোধী দল এখন আড়াআড়ি বিভক্ত। তৃণমূলের (TMC) বিধায়ক হয়েও একদল বিরোধী দলের স্বীকৃতি পাননি, আবার একদল বিরোধীদের ঘরে বসার সুযোগ পেয়েছে। এহেন পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে অধিবেশন। প্রথম দিনই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) ঘরে ঢুকতে দেখা গেল পাঁচ তৃণমূল বিধায়ককে, যাঁরা মূলত মমতা-পন্থী বলেই জানা যায়।


এদিন বিধানসভায় রাজ্যপালের ভাষণ শেষ হওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসেন পাঁচ বিধায়ক। ছিলেন কুণাল ঘোষ, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, মদন মিত্র, অশোক দেব, রহিম বক্সী। সাম্প্রতিক কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করতেই শুভেন্দু অধিকারীর কাছে গিয়েছেন তাঁরা।


মমতাকে চাপে ফেলতে বড় পদক্ষেপ অরূপের? পাল্টা মোক্ষম চাল তৃণমূল সুপ্রিমোর! কী ঘটল?
কয়েকদিন আগে বেলেঘাটার প্রাক্তন মেয়র পারিষদ স্বপন সমাদ্দার গ্রেফতার হওয়ার পর কুণাল ঘোষ মুখ্যমন্ত্রীকে বার্তা পাঠিয়ে বলেছিলেন, এই হয়রানি থামানো দরকার। বহু জায়গায় নেতা-কর্মীদের উপর পুলিশি হেনস্থা চলছে। এর মধ্যে সত্যিকারের অপরাধে কিছু বলার নেই। কিন্তু বহু ক্ষেত্রে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য দেখা যাচ্ছে বলে দাবি করেন কুণাল। মুখ্যমন্ত্রী পাল্টা যোগাযোগ করে বার্তা দেন যে, এভাবে কথা হয় না। অধিবেশন বসছে। সেদিন রাজ্যপালের ভাষণের পর মুখোমুখি কথা হতে পারে।


এরপর বুধবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা প্রত্যাহারের পর কুণাল নিজে থেকেই আবার মুখ্যমন্ত্রীকে খবর পাঠিয়ে বলেন, পুরনো পিএসও-দের ফিরিয়ে দিতে। কুণাল আবেদন করেন, পুলিশ প্রশাসন যাই করুক, মুখ্যমন্ত্রী যেন সৌজন্যমূলকভাবে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করেন। মোটামুটি ইতিবাচক সাড়া আসে। ঠিক হয় বৈঠকে বিষয়টি আলোচিত হবে। এরপরই আজ বসল বৈঠক।
দেবাংশুর বক্তব্য, তিনি নিজেও এমন অনেক জেলার দলীয় কার্যালয়ে গিয়েছেন, যেখানে বেডরুম কেন, রান্নাঘরও রয়েছে। তাঁর কথায়, "গত সাত বছরে আমি নিজেই বহু জেলায় গিয়ে পার্টি অফিসে থেকেছি। শুধু বেডরুম নয়, বহু পার্টি অফিসে রান্নাঘরও থাকে, যেখানে রান্না করে আমাদের খাবার ব্যবস্থাও করা হয়েছে বহুবার।"


কেন দলীয় কার্যালয়ে বেডরুম? পিছনে 'মহৎ উদ্দেশ্য', ব্যাখ্যা দেবাংশুর
দেবাংশু ভট্টাচার্য

বড়, ছোট, মেজো- সাম্প্রতিক অতীতে একের পর এক তৃণমূল নেতার দলীয় কার্যালয়ে চলেছে ‘রেইড’। খাট-আলমারি, তোষক-গদি, বালিশ, আলমারি, টাকা, ত্রাণের সামগ্রী, ত্রিপল, কন্ডোম, গর্ভ নিরোধক… বেশ কিছু জিনিস সবক্ষেত্রেই ‘কমন’। খাস কলকাতাতেও তৃণমূল ভবনে বেডরুম! ইএম বাইপাস লাগোয়া মেট্রোপলিটন লাগোয়া তৃণমূল ভবন থেকেও ছিল ঝাঁ চকচকে বেডরুম। বাঁকুড়ার ইন্দাসে তৃনমূলের ব্লক কার্যালয়ে তো খোঁজ মেলে আস্ত একটা গেস্ট হাউজের। কিন্তু একটা রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ে কেন বেডরুম? এ নিয়ে চর্চা বিস্তর। সামাজিক মাধ্য়মেও তৈরি হয়ে যাচ্ছে একের পর এক ন্যারেটিভ। কেন দলীয় কার্যালয়ে একটা বেডরুম থাকার প্রয়োজন? এবার সামাজিক মাধ্য়মে এসেই তার ব্যাখ্যা দিলেন তৃণমূলের আইটি সেলের প্রাক্তন ইনচার্জ দেবাংশু ভট্টাচার্য। তিনি বোঝালেন কেন দলীয় কার্যালয়ে বেডরুম থাকার প্রয়োজন।





দেবাংশু বক্তব্য, দলীয় কার্যালয়ে বহু দূরদূরান্ত থেকে কর্মীরা আসেন। তাঁদের কিছুটা বিশ্রামের প্রয়োজন। তিনি লিখলেন, ” এই যে পার্টি অফিস গুলোতে বেডরুম পাওয়া নিয়ে কিছু সংবাদমাধ্যমের বন্ধুরা “এ বাবা, ছিঃ ছিঃ” বলে চিল-চিৎকার জুড়ছেন, তারা কি জানেন একটা পার্টি অফিসে কেন বেডরুম থাকে?” নিজেই ব্যাখ্যা দিলেন, “দূর দূরান্ত থেকে বহু নেতৃত্ব-কর্মী যখন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে আসেন, তখন হোটেল ভাড়া করে যেন তাদের থাকতে না হয় তাই বহু জেলা অফিসেই বেডরুম, স্নানঘরের ব্যবস্থা রাখা হয়।”

দেবাংশুর বক্তব্য, তিনি নিজেও এমন অনেক জেলার দলীয় কার্যালয়ে গিয়েছেন, যেখানে বেডরুম কেন, রান্নাঘরও রয়েছে। তাঁর কথায়, “গত সাত বছরে আমি নিজেই বহু জেলায় গিয়ে পার্টি অফিসে থেকেছি। শুধু বেডরুম নয়, বহু পার্টি অফিসে রান্নাঘরও থাকে, যেখানে রান্না করে আমাদের খাবার ব্যবস্থাও করা হয়েছে বহুবার।”

তবে তিনি এও উল্লেখ করেছেন, “আমার এই পোস্ট কেবলমাত্র পার্টি অফিস গুলির জন্যই প্রযোজ্য। স্কুল-কলেজ থেকে যদি বেডরুম পাওয়া যায়, এবং সেটা যদি অসুস্থ হলে বিশ্রাম নেওয়ার “সিক রুম” না হয়ে থাকে, তবে সেগুলির যথাযথ তদন্ত দরকার।” কারণ সুরেন্দ্রনাথ-সহ একাধিক কলেজেও, এমনকি স্কুলের ছাদেও মিলেছে কন্ডোম। দেবাংশুর এই পোস্টের নীচে সেগুলোও অনেকে কমেন্ট করতে থাকেন।

চলতি বছর জয়েন্ট এন্ট্রান্সে পাশের হার ৯৭.৭৪ শতাংশ। প্রথম দশে জায়গা করে নিয়েছেন কলকাতার পড়ুয়ারা। মেধাতালিকার শীর্ষেই রয়েছেন কলকাতার এক পড়ুয়া। পশ্চিম মেদিনীপুর থেকেও জায়গা করে নিয়েছেন দুইজন।

প্রকাশিত জয়েন্টের ফল, প্রথম স্থানে কলকাতার পড়ুয়া, দেখে নিন মেধাতালিকা
প্রতীকী ছবি

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত হল রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রাসের ফল (WBJEE 2026)। আজ দুপুরে সাংবাদিক বৈঠক করে ফলপ্রকাশ করা হল পশ্চিমবঙ্গ জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ডের তরফে। পরীক্ষার প্রায় ২৬ দিনের মাথায় ফলপ্রকাশ করল বোর্ড। চলতি বছর জয়েন্ট এন্ট্রান্সে ((WBJEE Result 2026) পাশের হার ৯৭.৭৪ শতাংশ। প্রথম দশে জায়গা করে নিয়েছেন কলকাতার পড়ুয়ারা। মেধাতালিকার শীর্ষেই রয়েছেন কলকাতার এক পড়ুয়া। পশ্চিম মেদিনীপুর থেকেও জায়গা করে নিয়েছেন দুইজন।


জয়েন্ট এন্ট্রান্সের মেধাতালিকা
প্রথম স্থানে রয়েছেন শাশ্বত বন্দ্যোপাধ্যায়। সল্টলেকের বাসিন্দা। রাজস্থানের নালন্দা অ্যাকাডেমির ছাত্র
দ্বিতীয় হয়েছেন সৌঋদ্ধ মণ্ডল। বিবেকানন্দ মিশন স্কুল। বিষ্ণুপুরের বাসিন্তা
তৃতীয় হয়েছেন রাণীগঞ্জের বাসিন্দা উমঙ্গ ভুট, পূরব ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ছাত্র
চতুর্থ স্থানে রাহুল কোনার। উত্তর ২৪ পরগনার ডিপিএস-এর ছাত্র।
পঞ্চম স্থানে শ্রাবণ ভট্টাচার্য। নদিয়ার বীজপুরের বাসিন্দা শ্রাবণ গার্ডেন হাইস্কুলের ছাত্র
ষষ্ঠ স্থানে আরহা ভট্টাচার্য। চন্দ্রকোনা জিরাট হাইস্কুলের ছাত্র
সপ্তম স্থানে সৃজন শুর, কলকাতার সাউথ পয়েন্টের ছাত্র, শিবপুরের ছেলে
অষ্টম স্থানে মণীশ সেনাপতি, মেদিনীপুর কলেজিয়েট স্কুলের ছাত্র
নবম স্থানে সব্যসাচী লস্কর, বিডি মেমোরিয়াল, সোনারপুরের ছেলে
দশম স্থানে দেবজিত পাল, কলকাতার সাউথ পয়েন্টের ছাত্র, বালিগঞ্জের ছেলে
জয়েন্ট এন্ট্রান্সে এবার মোট পরীক্ষার্থী ৯৪ হাজার ৯০১। ছাত্র ৬৭ হাজার ৩৭৮। ছাত্রী ২৭ হাজার ৫২১জন। ট্রান্সজেন্ডার ২ জন


সলমনের ‘কৃষ্ণসার হরিণ শিকার’ মামলা নিয়ে ছবি তৈরি করায় খুনের হুমকি পেলেন প্রযোজক!
মোট পাশ করেছেন ৯২ হাজার ৭৫৩। পাশের হার ৯৭.৭৪ শতাংশ। ছাত্র পাশ করেছেন ৬৬ হাজার ৩৮৩। ছাত্রী পাশ করেছেন ২৬ হাজার ৩৬৮।

এতদিন কাউন্সেলিংয়ের ক্ষেত্রে একবার রেজিস্ট্রেশনের পর আর রেজিস্ট্রেশন করতে হত না। এবারে তিনটে রাউন্ডেই আলাদা করে প্রত্যেক ছাত্র -ছাত্রী তিনবারই আলাদা করে প্রেফারেন্স চয়েস ফিলিং করতে পারবে। রেজিস্ট্রেশনও আলাদা ভাবে করতে পারবেন।

 সকাল থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনের ছবিটা অন্য। কেবল পিএসও পদমর্যাদার কয়েকজন পুলিশ আধিকারিক সকাল থেকে হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের বাড়ির বাইরেই দাঁড়িয়ে রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একজনকে ভেতরে ঢুকে কথা বলার অনুমতি দেওয়া হলেও ১০ মিনিটের মধ্যে তাঁকেও বের করে দেওয়া হয়।


মমতার বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হল মমতার বিশেষ নিরাপত্তারক্ষীকে! কী করেছেন তিনি? কালীঘাটে বড় ঘটনা
কালীঘাটে নিরাপত্তার দায়িত্বে আস্থাভাজনরা

বুধবারের সন্ধ্যার পর বৃহস্পতিবার সকালও। আরও ৬ জন পিএসও পদমর্যাদার আধিকারিককে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে পাঠিয়েছিল লালবাজার। তাদেরকে অনুমতি দেওয়া হল না ভিতরে প্রবেশের ক্ষেত্রে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির যাবতীয় নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাচ্ছে বর্তমানে দলেরই বেশ কয়েকজন যুবক। যাঁরা দলের অত্যন্ত বিশ্বাসী এবং আস্থাভাজন। তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন দু-একজন পুলিশ।


সকাল থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনের ছবিটা অন্য। কেবল পিএসও পদমর্যাদার কয়েকজন পুলিশ আধিকারিক সকাল থেকে হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের বাড়ির বাইরেই দাঁড়িয়ে রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একজনকে ভেতরে ঢুকে কথা বলার অনুমতি দেওয়া হলেও ১০ মিনিটের মধ্যে তাঁকেও বের করে দেওয়া হয়। জানিয়ে দেওয়া হয়, “ম্যাডাম অনুমতি দেননি আপনাদের প্রবেশের। ম্যাডামের সিদ্ধান্ত উনি পিএসও নেবেন না। ম্যাডাম সিদ্ধান্ত না বদলালে আমাদের পক্ষে আপনাদের ভিতরে প্রবেশ করার অনুমতির দেওয়া সম্ভব নয়।”



জল থেকে হু হু করে ছড়াচ্ছে 'শিগেলা', ইতিমধ্যেই মৃত্যু ৬ জনের! কী উপসর্গ দেখলে সতর্ক হবেন?
সূত্রের খবর, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, তাঁর কোনও পিএসও লাগবে না। বাইরে কলকাতা পুলিশের বিশেষ বাহিনীর জওয়ানরা বারবার টহল দিচ্ছেন। কিন্তু ভিতরে কাউকে অনুমতি দেওয়া হয়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মোট পাঁচজন পিএসও ছিলেন। যার মধ্যে তিনজন সবথেকে বিশ্বাসী এবং আস্থাভাজন। তাঁদেরকে নিজেদের পুরনো ইউনিটে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়ায় ক্ষুব্ধ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা প্রত্যাহারের পর কুণাল নিজে থেকেই মুখ্যমন্ত্রীর কাছে বিষয়টি উত্থাপন করেন। বৃহস্পতিবারই বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন মমতাপন্থী পাঁচ বিধায়ক। মধ্যস্থতা করেন কুণাল। তিনি আবেদন জানান, যাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো পিএসও-দের ফিরিয়ে দেওয়া হয়। কুণালের আবেদন, পুলিশ প্রশাসন যাই করুক, মুখ্যমন্ত্রী যেন সৌজন্যমূলকভাবে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করেন। মোটামুটি ইতিবাচক সাড়া আসে।

প্রসঙ্গত, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষীদের সরিয়ে দেওয়া এবং তাঁর কালীঘাটের বাড়ির সামনে থেকে পুলিশি প্রহরা তুলে নেওয়ার অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলীয় সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন এই পদক্ষেপকে ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’ বলে অভিযোগ করেছেন। অন্যদিকে, রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ পুরোপুরি খারিজ করে দেওয়া জেড প্লাস নিরাপত্তা বহাল রয়েছে এবং রুটিন প্রশাসনিক রদবদলের অংশ হিসেবে নতুন নিরাপত্তা কর্মীদের পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই নতুন রক্ষীদের গ্রহণ করতে অস্বীকার করেন।


কুণাল জানান, বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী ও বিরোধী দলনেতার চেয়ার নির্দিষ্ট থাকে। এদিন বিরোধী দলনেতার জন্য নির্দিষ্ট থাকা চেয়ারে শোভনদেবকে বসতে দেওয়া হয়। ঋতব্রত কিছুটা দূরে বসেছিলেন বলে দাবি করেছেন কুণাল। তিনি সাফ জানিয়েছেন, ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে মানবেন না তাঁরা।

বিরোধী দলনেতার চেয়ার রাখা ছিল শোভনদেবের জন্যই, সম্মান দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী: কুণাল
শোভনদেব চট্টোপাধ্য়ায়

সদর্থক আলোচনা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) সঙ্গে বৈঠক করে বেরিয়ে এমনটাই বললেন কুণাল ঘোষ। তিনি জানিয়েছেন, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে যথাযথ সম্মান দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। বিরোধী দলনেতার চেয়ারও শোভনদেবের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছিল বলেও দাবি করেছেন তিনি।


বৃহস্পতিবার ছিল নির্বাচনের পর বিধানসভার প্রথম অধিবেশন। এদিন রাজ্যপালের ভাষণের পর শুভেন্দুর ঘরে গিয়ে দেখা করেন তৃণমূলের পাঁচ বিধায়ক। ছিলেন কুণাল ঘোষ, মদন মিত্র, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, আলিফা আহমেদ, অশোক দেব। এরা প্রত্যেকেই কালীঘাট শিবিরের বিধায়ক। এদিন বেশ কিছু দাবি নিয়ে শুভেন্দুর সঙ্গে দেখা করেন তাঁরা।


এই ডিম খেতে মিষ্টি, সঙ্গে আরও কত গুণ! ভিড় সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন দোকানদার
৯২ বছর বয়সেও যৌনতার ইচ্ছাপ্রকাশ অভিনেত্রীর, নেপথ্যে ছিল কোন কারণ?
এদিন বৈঠকের পর সাংবাদিক বৈঠকে বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে কুণাল ঘোষ বলেন, “আমাদের গ্যারাজে দাঁড়াতে হয়নি, হামাগুড়ি দিয়ে স্পিকারের ঘরে ঢুকতে হয়নি। এক মিনিটও দাঁড়াতে হয়নি। মাথা উঁচু করে ঢুকেছি মুখ্যমন্ত্রীর ঘরে।” নতুন সরকারকে সময় দিতে চাই বলেও মন্তব্য করেন কুণাল ঘোষ।

কুণাল জানান, বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী ও বিরোধী দলনেতার চেয়ার নির্দিষ্ট থাকে। এদিন বিরোধী দলনেতার জন্য নির্দিষ্ট থাকা চেয়ারে শোভনদেবকে বসতে দেওয়া হয়। ঋতব্রত কিছুটা দূরে বসেছিলেন বলে দাবি করেছেন কুণাল। তিনি সাফ জানিয়েছেন, ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে মানবেন না তাঁরা। বিরোধী হিসেব যাতে সময় দেওয়া হয়, সেই দাবিও জানিয়ে এসেছেন কুণাল। শুভেন্দুর দিক থেকে ইতিবাচক সাড়া মিলেছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

 মুখ্যমন্ত্রীর কড়া নির্দেশের পর ফলতা থানায় হামলার ঘটনায় জোরদার হয়েছে পুলিশি অভিযান। বুধবার গভীর রাত পর্যন্ত সিসিটিভি ফুটেজ, ভিডিও ও ছবি খতিয়ে দেখে আরও ৮ জনকে গ্রেফতার করেছে ফলতা থানার পুলিশ। 

এই নিয়ে মোট গ্রেফতারির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৬-তে। ধৃতদের বিরুদ্ধে অবৈধ জমায়েত, সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর, সরকারি কাজে বাধা, অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনে মামলা রুজু হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কুখ্যাত ‘পুষ্পা’ জাহাঙ্গীর খানকে হেফাজত থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার ষড়যন্ত্রে তাঁর স্ত্রী রেজিনা বিবির সক্রিয় ভূমিকা ছিল। তাঁর বিরুদ্ধেও একাধিক গুরুতর ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে। বর্তমানে তিনি পলাতক।

উল্লেখ্য, বুধবার ফলতায় জনকল্যাণ শিবিরে যোগ দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী থানায় হামলার ঘটনায় কড়া বার্তা দেন। তিনি পুলিশকে নির্দেশ দেন, সিসিটিভিতে চিহ্নিত প্রত্যেক অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে। এরপরই রাতভর পুলিশি অভিযানে একের পর এক গ্রেফতারি হয়। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত চলছে এবং আরও গ্রেফতারি হতে পারে।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার সাগর দ্বীপের মহিষামারি এলাকায় হুগলি নদীর উপর আজ বেলা সাড়ে এগারোটা নাগাদ জোড়া টর্নেডোর দেখা মিলল। 


হঠাৎ নদীর বুক থেকে আকাশের দিকে ঘূর্ণায়মান জলস্তম্ভ তৈরি হতে দেখে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও মৎস্যজীবীদের মধ্যে। 

কিছুক্ষণ স্থায়ী হওয়া এই বিরল প্রাকৃতিক দৃশ্যের পরই এলাকার আকাশ কালো মেঘে ঢেকে যায়। শুরু হয় দমকা হাওয়া ও ঝড়-বৃষ্টি। নদীতে থাকা নৌকা ও ট্রলারগুলিকে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যেতে দেখা যায়। আবহাওয়ার এই আকস্মিক পরিবর্তনে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।