WEATHER

Top News

  স্বাস্থ্য নিয়ে একাধিক বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর। শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের চারটি জেলায় মেডিক্যাল কলেজ নেই। চার জেলার জন্য প্রস্তাবিত জমি ভারত সরকারের কাছে পাঠানো হবে। অর্থাৎ সব জেলায় মেডিক্যাল কলেজ তৈরি করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।


জুলাই থেকে মিলবে আয়ুষ্মান কার্ড, যাঁদের 'স্বাস্থ্য সাথী' আছে, তাঁদের কী হবে


রাজ্যে পালাবদলের পর আয়ুষ্মান ভারত (Ayushman Bharat) স্কিম চালু হওয়া সময়ের অপেক্ষা। স্কিম যে দ্রুত চালু হবে, তা ইতিমধ্যেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে রাজ্যের তরফে। শনিবার সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, আগামী জুলাই মাস থেকেই আয়ুষ্মান কার্ড দেওয়া হবে বাংলায়।

আয়ুষ্মান কার্ডের সুবিধা কারা পাবেন?
৬ কোটির বেশি মানুষ, যাঁরা স্বাস্থ্যসাথীতে যুক্ত আছেন, তাঁদের সবাইকেই আয়ুষ্মান ভারতে যুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।


শূন্য পেয়েও কীভাবে প্রথম প্রশান্ত বর্মণ? শিউরে ওঠার মতো 'দুর্নীতি'-র কাহিনি শোনালেন পার্থসারথি সেনগুপ্ত 
স্বাস্থ্যসাথীতে যুক্ত হননি, এমন কেউ যদি আয়ুষ্মান ভারত স্কিমে যুক্ত হতে চান, তাঁদের জন্যও সুযোগ থাকছে বলে জানান শুভেন্দু।

পশ্চিমবঙ্গের যে সব বাসিন্দা কর্মসূত্রে অন্য রাজ্যে আছেন, তেমন এক কোটি মানুষও এই স্কিমের সুবিধা পাবেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে বাংলার জন্য ৯৭৬ কোটি টাকার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে।

আর কী কী ঘোষণা করা হল স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে
শুভেন্দু জানান, ২১০৩ কোটি টাকা ‘ভারত সরকার ন্যাশনাল হেলথ মিশন’-এ এই অর্থবর্ষ অনুমোদন মিলেছে। তার মধ্যে ৫০০ কোটি টাকা আজই মিলেছে।

পশ্চিমবঙ্গের চারটি জেলায় মেডিক্যাল কলেজ নেই। চার জেলার জন্য প্রস্তাবিত জমি ভারত সরকারের কাছে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু।

সার্ভিক্যাল ক্যান্সারের প্রতিষেধক ৭ লক্ষের বেশি দেওয়া হবে পশ্চিমবঙ্গে। ১৪-১৫ বছরের কিশোরীদের দেওয়া হবে। আগামী ৩০ মে রাজ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে লঞ্চ হবে।

কলকাতায় টিবি মুক্ত ভারতের ওয়ার্কশপ হবে।

৪৬৯টি প্রধানমন্ত্রী জন ঔষধি যোজনার সেন্টার তৈরি করা হবে। সেই সঙ্গে অমৃত প্রকল্পে ৫০ থেকে ১০০ শতাংশ ছাড়ে দুরারোগ্য ব্যধির ওষুধ বিতরণ করা হবে।

নিরাপত্তা শুধু মানব নির্ভর হবে না। নতুন ব্যবস্থায় অত্যাধুনিক সেন্সর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করা হবে। স্মার্ট বর্ডার প্রকল্পে রিয়েল-টাইম ডেটা অ্যানালিটিক্সের মাধ্যমেও ২৪ ঘণ্টার স্বয়ংক্রিয় নজরদারি ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। এছাড়াও থাকবে হাই রেজলিউশন ক্যামেরা এবং অন্যান্য মনিটরিং ডিভাইস।


সীমান্তে দুর্ভেদ্য প্রাচীর, পাহারায় AI, কেন্দ্রের নয়া প্রকল্প স্মার্ট বর্ডার কী, জেনে নিন
প্রতীকী ছবি

স্মার্ট কার্ড, স্মার্ট সিটির নাম তো শুনেছেন। কিন্তু, এবার স্মার্ট শব্দটা জুড়ে যাচ্ছে সীমান্তের সঙ্গেও। ঠিক কীরকম? কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) সম্প্রতি একটি প্রকল্পের ঘোষণা করেছেন। যার নাম দেওয়া হয়েছে স্মার্ট বর্ডার (Smart Border)। সীমান্ত সুরক্ষায় উদ্যোগ ও অনুপ্রবেশে জ়িরো টলারেন্স (Zero Tollarence) নীতি নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। বাংলার সভা থেকেই অমিত শাহকে বলতে শোনা গিয়েছে, অনুপ্রবেশকারীদের বেছে বেছে বের করা হবে। এবার সীমান্ত সুরক্ষায় আরও বড় সিদ্ধান্ত নিল মোদী সরকার। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে,’স্মার্ট বর্ডার’ প্রকল্প চালু করে সীমান্তের প্রায় কয়েক হাজার কিলোমিটার এলাকা সুরক্ষিত করা হবে। তবে, কী এই স্মার্ট বর্ডার, এই বিশেষ প্রকল্পে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, জেনে নেওয়া যাক

স্মার্ট বর্ডার কী?
স্মার্ট বর্ডার একটি প্রকল্প। এই প্রকল্প চালুর উদ্দেশ্য হল সীমান্তে দুর্ভেদ্য প্রাচীর গড়ে তোলা। একইসঙ্গে অঞ্চলের জনবিন্যাস পরিবর্তনের চেষ্টাকে ব্যর্থ করে দেওয়া। সেক্ষেত্রে, এই প্রকল্প চালু হলে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ সীমান্তে নিরাপত্তা আরও আঁটসাঁট হবে। ঠিক কীভাবে? জানা গিয়েছে, স্মার্ট বর্ডার প্রকল্পে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সীমান্তজুড়ে প্রায় ৬ হাজার কিলোমিটার এলাকা সুরক্ষিত করা হবে। তবে, নিরাপত্তাকে আরও স্মার্ট করে তোলা হবে। অর্থাৎ নিরাপত্তায় উন্নত প্রযুক্তি ব্যবস্থা থাকবে।



'দ্য অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টস'-এর নিষিদ্ধ দৃশ্যগুলো এবার হাতের মুঠোয়!
স্মার্ট বর্ডারে কী কী থাকবে?
পাকিস্তান ও বাংলাদেশ জুড়ে দীর্ঘ এলাকার নজরদারি করবে উন্নত প্রযুক্তি। অর্থাৎ বিএসএফ জওয়ান ছাড়াও সেখানে থাকবে উন্নত মানের ড্রোন। স্মার্ট বর্ডার প্রকল্পটি বর্তমানে কমপ্রিহেনসিভ ইন্টিগ্রেটেড বর্ডার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (CIBMS)-এর উপর ভিত্তি করেই তৈরি করা হয়েছে। এই সিআইবিএমএস আসলে অত্যাধুনিক স্মার্ট ফেন্সিং প্রকল্প। ভারত-পাকিস্তান এবং ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের দুর্গম ও নজরদারির পক্ষে সমস্যাবহুল এলাকাগুলিকে সুরক্ষিত করাই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। এই বিশেষ প্রযুক্তিতেই স্মার্ট বর্ডার তৈরি করা হচ্ছে।

অর্থাৎ নিরাপত্তা শুধু মানব নির্ভর হবে না। নতুন ব্যবস্থায় অত্যাধুনিক সেন্সর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করা হবে। স্মার্ট বর্ডার প্রকল্পে রিয়েল-টাইম ডেটা অ্যানালিটিক্সের মাধ্যমেও ২৪ ঘণ্টার স্বয়ংক্রিয় নজরদারি ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। এছাড়াও থাকবে হাই রেজলিউশন ক্যামেরা এবং অন্যান্য মনিটরিং ডিভাইস।

স্মার্ট বর্ডারের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হল উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন স্মার্ট ক্যামেরা এবং ইলেক্ট্রো-অপটিক সিস্টেমের বিশাল নেটওয়ার্ক। এর মধ্যে রয়েছে দিন-রাত নজরদারির উপযোগী সিসিটিভি, থার্মাল ইমেজিং ক্যামেরা—যা সম্পূর্ণ অন্ধকার, কুয়াশা বা ঘন জঙ্গলের মধ্যেও মানুষের শরীরের তাপমাত্রা মাপতে পারবে। এই ক্যামেরাগুলির অনেকগুলিতেই AI প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। যা মানুষ, পশু, যানবাহন এবং ড্রোনের মধ্যে পার্থক্য বুঝে সন্দেহজনক গতিবিধি শনাক্ত করলেই সঙ্গে সঙ্গে সতর্কবার্তা পাঠাতে পারে।

এই ক্যামেরাগুলির সঙ্গে থাকবে অত্যাধুনিক গ্রাউন্ড সার্ভেল্যান্স রাডার এবং ব্যাটলফিল্ড রাডার, যা কয়েক কিলোমিটার দূর থেকেও কারও নড়াচড়া বুঝতে পারবে। এমনকী, চোরাচালান বা নজরদারির কাজে ব্যবহৃত নিচু দিয়ে ওড়া ড্রোনও ধরা পড়বে এই রাডারে।

কী বলছেন অমিত শাহ?
শুক্রবার বিএসএফের বার্ষিক রুস্তমজি মেমোরিয়াল অনুষ্ঠানে স্মার্ট বর্ডার প্রকল্পের ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেন,”আগামী এক বছরের মধ্যে স্মার্ট বর্ডারের কাজ শুরু হবে। এবার সীমান্তগুলিকে দুর্ভেদ্য করে তোলা সম্ভব হবে। জনবিন্যাস পরিবর্তনের যে ব্যর্থ চেষ্টা চলছে, তাতেও লাগাম টানা যাবে।” তিনি আরও জানিয়েছেন, অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে অসম, ত্রিপুরা পশ্চিমবঙ্গ কেন্দ্রের নীতির সঙ্গে একমত। স্মার্ট বর্ডার চালু হলে বাংলাও উপকৃত হবে বলে জানিয়েছেন অমিত শাহ। অনুপ্রবেশ রোখা যাবে।

করণ জোহরের মতে, সেই অন্ধ অনুকরণের দিন এখন অতীত। বর্তমান সময়ের দর্শকেরা পর্দায় তারকাদের দেখছেন ঠিকই, কিন্তু তাঁদের মতো করে সাজগোজ করার বা তাঁদের অন্ধভাবে অনুকরণ করার তাগিদ এখন আর কারও মধ্যে নেই। ফ্যাশনের চাবিকাঠি এখন আর শুধু তারকাদের হাতে আটকে নেই।


আলিয়া-করিনাকে টেনে বলিউড নিয়ে বিস্ফোরক করণ, হঠাৎ পরিচালকের কী হল?
আকাশ মিশ্র


আলিয়া ভাট কিংবা করিনা কাপুর খান— দুজনেই পরিচালক-প্রযোজক করণ জোহরের কতটা কাছের, তা আর নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। বিশেষ করে আলিয়ার প্রতি তাঁর অন্ধ স্নেহ নিয়ে বলিপাড়ায় প্রায়শই চর্চা চলে। স্বজনপোষণ থেকে শুরু করে বলিউডের প্রথম সারির অভিনেত্রীদের প্রতি পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ বরাবরই উঠেছে করণের বিরুদ্ধে। কিন্তু এবার সেই প্রিয় পাত্রীদের নিয়েই সম্পূর্ণ ভিন্ন এক সুর শোনা গেল করণের গলায়। অকপটে তিনি স্বীকার করে নিলেন, “এখনকার দিনে আর কেউ আলিয়া কিংবা করিনাদের মতো হতে চান না।”

একটা সময় ছিল যখন রুপোলি পর্দার তারকাদের ফ্যাশন আমজনতার জীবনযাত্রাকে আক্ষরিক অর্থেই নিয়ন্ত্রণ করত। মাধুরী দীক্ষিতের পরা চুড়িদার থেকে শুরু করে ‘তেরে নাম’ ছবিতে সলমন খানের সেই বিখ্যাত চুলের ছাঁট— পর্দায় যা-ই আসত, অনুরাগীরা হুবহু তা নকল করতেন। তারকাদের লিপস্টিকের শেড কিংবা পোশাকের ধরন দেখেই চলত দেশের ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি।


সিভিক ভলান্টিয়ার থেকে কাউন্সিলর, এবার পুলিশের জালে দেবরাজের 'ডান হাত' সম্রাট
তবে করণ জোহরের মতে, সেই অন্ধ অনুকরণের দিন এখন অতীত। বর্তমান সময়ের দর্শকেরা পর্দায় তারকাদের দেখছেন ঠিকই, কিন্তু তাঁদের মতো করে সাজগোজ করার বা তাঁদের অন্ধভাবে অনুকরণ করার তাগিদ এখন আর কারও মধ্যে নেই। ফ্যাশনের চাবিকাঠি এখন আর শুধু তারকাদের হাতে আটকে নেই।

এর পেছনের আসল কারণ হিসেবে করণ মানুষের মানসিকতার পরিবর্তনকেই তুলে ধরেছেন। তাঁর মতে, আজকের প্রজন্ম সেলিব্রিটিদের ছাঁচে নিজেদের না ঢেলে বরং নিজেদের স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখতে বেশি পছন্দ করেন।

করণের ভাষায়, “দর্শক তারকাদের অন্ধভাবে নকল করবেন, সেই যুগটা এখন পুরোপুরি চলে গিয়েছে। বর্তমান সময়ের মূল মন্ত্রই হলো নিজস্বতা। এখন কেউ আর করিনা, দীপিকা বা আলিয়া হতে চান না; বরং প্রত্যেকে নিজের মতো করে স্টাইল করতে চান। মানুষ এখন নিজস্বতা বা স্বকীয়তার জন্যই খরচ করতে রাজি।”

বলিউডের এই নামী পরিচালক আসলে মেনে নিয়েছেন যে, আজকের দিনে নায়ক-নায়িকাদের মতো হুবহু দেখতে হওয়াটা আর কোনো কৃতিত্বের বিষয় নয়। বরং সাধারণ মানুষ এখন নিজেদের চেনা গণ্ডির মধ্যেই নিজস্ব একটি ফ্যাশন স্টেটমেন্ট তৈরি করতে ভালোবাসেন এবং নিজেদের স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখাকেই বেশি গুরুত্ব দেন।

রুবিও-র সঙ্গে বৈঠকের পর মোদী জানিয়েছেন, বিশ্বের উন্নতির জন্য ভারত ও আমেরিকা একসঙ্গে কাজ করবে। বৈঠক নিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন মোদী। লেখেন,"মার্কিন সেক্রেটারি অব স্টেট মার্কো রুবিও-র সঙ্গে কথা হয়েছে। আমরা ভারত-আমেরিকার বৈশ্বিক কৌশলগত অংশীদারিত্ব নিয়ে আলোচনা করেছি।"


হোয়াইট হাউজ়ে মোদীকে আমন্ত্রণ রুবিও-র, বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে কি আলোচনা হল?
রুবিও ও নরেন্দ্র মোদী


 ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে (PM Narendra Modi) হোয়াইট হাউজ়ে আমন্ত্রণ জানালেন মার্কিন সেক্রেটারি অব স্টেট মার্কো রুবিও (Marco Rubio)। ভারতে চারদিনের সফরে এসেছেন তিনি। আজ সকালে প্রথমে স্ত্রীকে নিয়ে কলকাতায় পৌঁছন। তারপর দুপুরে দিল্লিতে নামেন। রাজধানীতে পৌঁছনোর পরই সেবাতীর্থে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠক করেন রুবিও। বৈঠকে মূলত বাণিজ্য়, প্রতিরক্ষা, শক্তি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ওই বৈঠকেই ট্রাম্পের তরফে আমেরিকা সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তবে বৈঠকে কি ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে কী কোনও আলোচনা হল? আর কী কী কথা হয়েছে দুই দেশের নেতার মধ্যে?

মোদী-রুবিও বৈঠক
রুবিও-র সঙ্গে বৈঠকের পর মোদী জানিয়েছেন, বিশ্বের উন্নতির জন্য ভারত ও আমেরিকা একসঙ্গে কাজ করবে। বৈঠক নিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন মোদী। লেখেন,”মার্কিন সেক্রেটারি অব স্টেট মার্কো রুবিও-র সঙ্গে কথা হয়েছে। আমরা ভারত-আমেরিকার বৈশ্বিক কৌশলগত অংশীদারিত্ব নিয়ে আলোচনা করেছি। একইসঙ্গে আলোচনায় উঠে এসেছে ধারাবাহিক অগ্রগতি এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা সম্পর্কিত বিষয়।” প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, বিশ্বের মঙ্গলের জন্য নয়াদিল্লি ও ওয়াশিংটন একসঙ্গে কাজ করে যাবে। আলোচনা ও কূটনীতির ওপর জোর দিয়েছেন তিনি। বিদেশমন্ত্রকের এক বিবৃতি অনুযায়ী, পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী মোদী আলোচনা ও কূটনীতির ওপর জোর দিয়েছেন ও শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন।



মোদী-রুবিওর বৈঠক নিয়ে ভারতে মার্কিন অ্যাম্বাসডর সার্গিও গোর জানিয়েছেন, ভালো আলোচনা হয়েছে। নিরাপত্তা, বাণিজ্য এবং অত্যাবশ্যকীয় প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর উপায় নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। বৈঠকের পর একটা ইতিবাচক ফল পাওয়া যাবে বলে মনে করছেন তিনি। এছাড়া, মোদীরও প্রশংসা করেন।

উল্লেখ্য, আজ ভারত সফরে এসে প্রথমে কলকাতায় পা দেন মার্কো রুবিও। শহরে পা দিয়েই স্ত্রীকে নিয়ে সোজা পৌঁছে যান মাদার হাউসে। সেখানে প্রায় দুই ঘণ্টা সময় কাটান। নির্মলা শিশুভবনেও যান সস্ত্রীক রুবিও। ১৪ বছরে এই প্রথম কোনও মার্কিন স্টেট সেক্রেটারি কলকাতা সফরে এলেন। এর আগে ২০১২ সালে কলকাতায় এসেছিলেন তৎকালীন মার্কিন স্টেট সচিব হিলারি ক্লিনটন।

বাড়ি থেকেই তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে। তড়িঘড়ি তাঁকে নাগেরবাজারের এক বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলেও শেষ রক্ষা হয়নি। তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলেই সন্দেহ করা হচ্ছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে জোরদার চাপানউতোর রাজনৈতিক মহলে। ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি কিরণ ভট্টাচার্য আবার এর পিছনে বিস্ফোরক দাবি করছেন।


দক্ষিণ দমদমে দেবরাজ ঘনিষ্ঠ তৃণমূল কাউন্সিলরের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার
শোকের ছায়া এলাকায়

দক্ষিণ দমদম পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলর তথা চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল স্বাস্থ্য সঞ্জয় দাসের অস্বাভাবিক মৃত্যু। বাড়ি থেকেই তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে। তড়িঘড়ি তাঁকে নাগেরবাজারের এক বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলেও শেষ রক্ষা হয়নি। তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলেই সন্দেহ করা হচ্ছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে জোরদার চাপানউতোর রাজনৈতিক মহলে। তিনি আবার রাজারহাট গোপালপুরের প্রাক্তন বিধায়ক অদিতি মুন্সির স্বীমা দেবরাজ চক্রবর্তীর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন বলে খবর। মৃত্যুর খবর পেয়ে ছুটে যান অদিতিও। 


২৪ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি কিরণ ভট্টাচার্য আবার এর পিছনে বিস্ফোরক দাবি করছেন। তাঁর দাবি, সঞ্জয় দাসকে বেশ কিছু লোকজন হুমকি দিয়েছিল। তাঁরা আবার আগে তৃণমূল করতো। এখন বিজেপি। ওই হুমকির পরই স্ট্রেস নিতে না পেরে আত্মহননের পথে হেঁটেছেন সঞ্জয়। রীতিমতো উদ্বেগের সুরে তিনি বলেন, “আমি শুনেছি সঞ্জয় দাসকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। ওর থেকে ১০ লক্ষ টাকা চাওয়া হয়েছিল। যে ছেলেরা ওর থেকে টাকা চায় তাঁদের ও বলে তোরা ১০ হাজার টাকা নে আমি পরে দেখছি। শুনেছি এরা সব ১২টার পর বিজেপি। আগে সব তৃণমূলে ছিল। সরকার বদলের পর বিজেপি। হয়েছে। আমি মনে করি বিজেপির কোনও কর্মীরা এই কাজ করতে পারে না। শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে আমার দীর্ঘদিনের পরিচয়। বিজেপি এই জিনিস বরদাস্ত করবে না। আমি অনুরোধ করব যাঁরা বা যে গিয়েছিল তাঁদের খুঁজে বের করা হয়। ওদের ধমকের পরই সঞ্জয় আর স্ট্রেস নিতে পারেনি।” 


ভোটে তৃণমূলের ভরাডুবি, মমতা-অভিষেককে ব্যাপক খোঁচা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের
প্রসঙ্গত, রাজ্যে পালা বদলের পর থেকেই জোরকদমে চলছে ধড়পাকড়। দুর্নীতির অভিযোগে পুলিশের জালে একের পর এক হেভিওয়েট নেতা। ইতিমধ্যেই একাধিক তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলরকে দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশের জালে বিধাননগর পৌরনিগমের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সমরেশ চক্রবর্তী, ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুশোভন মণ্ডল, ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রঞ্জন পোদ্দার। একদিন আগেই পুলিশের জালে ধরা পড়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু ঘনিষ্ঠ কাউন্সিলর পার্থ ভার্মা। তিনি দক্ষিণ দমদম পুরসভার ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তথা চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল। এরইমাঝে সঞ্জয় দাসের মৃত্যু ঘিরে চাপানউতোর তুঙ্গে। 


 শনিবার রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এই মেগা প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেন। আগামী ৩০ মে রাজ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে এই টিকাকরণ কর্মসূচির সূচনা হতে চলেছে। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সারা রাজ্যে ৭ লক্ষেরও বেশি কিশোরীকে এই জীবনদায়ী প্রতিষেধক প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।

মহিলাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ করল বাংলা নতুন বিজেপি সরকার। রাজ্যে এবার ১৪ থেকে ১৫ বছর বয়সী কিশোরীদের সার্ভিক্যাল ক্যানসার বা জরায়ু ক্যানসারের প্রতিষেধক দেওয়া হবে। তাও আবার বিন্যামূলে, যেকোনও সরকারি হাসপাতালে। শনিবার রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এই মেগা প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেন। আগামী ৩০ মে রাজ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে এই টিকাকরণ কর্মসূচির সূচনা হতে চলেছে। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সারা রাজ্যে ৭ লক্ষেরও বেশি কিশোরীকে এই জীবনদায়ী প্রতিষেধক প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।

কী এই ক্যানসার?

 ভোটে তৃণমূলের ভরাডুবি, মমতা-অভিষেককে ব্যাপক খোঁচা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের
চিকিৎসা বিজ্ঞানের পরিভাষায় সার্ভিক্যাল ক্যানসার আসলে জরায়ু মুখ ক্যানসার। মহিলাদের জরায়ুর নিচের অংশ, যা যোনির সঙ্গে যুক্ত থাকে (সার্ভিক্স), মূলত সেখানে এই ক্যানসারের উৎপত্তি হয়। এই মারণ রোগের প্রধান কারণ হল, ‘হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস’ বা এইচপিভি (HPV)-এর দীর্ঘস্থায়ী সংক্রমণ। বিশেষজ্ঞরা জানান, এই রোগটি অত্যন্ত মারাত্মক এবং একে ‘নীরব ঘাতক’ বলা হয়ে থাকে। এর প্রধান কারণ হল, প্রাথমিক পর্যায়ে এই রোগের প্রায় কোনও সুস্পষ্ট উপসর্গই শরীরে ফুটে ওঠে না। যখন অনিয়মিত রক্তপাত, তলপেটে বা কোমরে তীব্র ব্যথার মতো উপসর্গগুলো প্রকাশ পায়, তখন রোগটি অনেক ক্ষেত্রেই অ্যাডভান্সড স্টেজে পৌঁছে যায় এবং শরীরের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়ে। তখন চিকিৎসকদের পক্ষে রোগীকে সম্পূর্ণ সুস্থ করে তোলা অত্যন্ত কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।

এই ক্যানসার কতটা ভয়াবহ, তা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-এর পরিসংখ্যান দেখলেই স্পষ্ট হয়। ডব্লিউএইচও-এর তথ্য অনুযায়ী, সারা বিশ্বে মহিলাদের মধ্যে ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার তালিকার চতুর্থ স্থানে রয়েছে এই সার্ভিক্যাল ক্যানসার। প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে প্রায় ৬ লক্ষ মহিলা নতুন করে এই ক্যানসারে আক্রান্ত হন এবং ৩ লক্ষেরও বেশি মহিলার মৃত্যু ঘটে শুধুমাত্র সময়মতো চিকিৎসা ও সচেতনতার অভাবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আরও জানাচ্ছে যে, এই রোগে আক্রান্ত ও মৃত্যুর প্রায় ৯০ শতাংশই ঘটে ভারত সহ অন্যান্য নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশগুলোতে। ডব্লিউএইচও-এর নির্দেশিকা অনুযায়ী, ৯ থেকে ১৪ বছর বয়সের মধ্যে, অর্থাৎ যৌন জীবন শুরু করার আগেই যদি কিশোরীদের এইচপিভি (HPV) টিকা দেওয়া যায়, তবে জরায়ু মুখ ক্যানসারের ঝুঁকি প্রায় সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করা সম্ভব।

বিনামূল্যে ৭ লক্ষের বেশি কিশোরীকে টিকার আওতায় আনার ফলে আগামী দিনে রাজ্যে সার্ভিক্যাল ক্যানসারে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। রাজ্যের প্রতিটি প্রান্তে যাতে এই ভ্যাকসিন পৌঁছে দেওয়া যায়, তার জন্য স্বাস্থ্য দপ্তরের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। আগামী ৩০ মে-র আনুষ্ঠানিক সূচনার দিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছে গোটা বাংলা।


 দিল্লিতে গিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টচার্য। প্রায় তিনদিন ধরে রাজধানীতে রয়েছেন। আজ সকালে নির্মলা সীতারমনের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। জানা গিয়েছে, বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গের অর্থনীতি নিয়ে দু'জনের মধ্যে কথা হয়েছে। সূত্রের খবর, বাংলার অর্থনীতি নিয়ে রাজ্যের কী কী পদক্ষেপ করা উচিত এই মুহূর্তে সেই বিষয়েও কথা হয়েছে। আর কী কী নিয়ে আলোচনা হল?

বাংলায় কবে আসবে বকেয়া বরাদ্দ? সীতারমনের সঙ্গে বৈঠক শমীকের
নির্মলা সীতারমন-শমীক ভট্টাচার্য


বাংলায় এখন ডবল ইঞ্জিন সরকার। তার সুফল কি পাবে বঙ্গবাসী? ক্ষমতায় এসেই অন্নপূর্ণা ভান্ডার (Annapurna Bhandar) থেকে ডিএ (DA)-সহ একাধিক বিষয় নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। তবে,কেন্দ্রীয় বকেয়ার (Central Dues) কী হবে? বাংলার অর্থনীতির ভবিষ্যতও বা কী হবে, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। এই আবহেই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনের সঙ্গে দেখা করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। জানা গিয়েছে, রাজ্যের দাবিদাওয়া নিয়েই মূলত দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।

শমীক-সীতারমন বৈঠকে কী কী আলোচনা
দিল্লিতে গিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টচার্য। প্রায় তিনদিন ধরে রাজধানীতে রয়েছেন। আজ সকালে নির্মলা সীতারমনের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। জানা গিয়েছে, বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গের অর্থনীতি নিয়ে দু’জনের মধ্যে কথা হয়েছে। সূত্রের খবর, বাংলার অর্থনীতি নিয়ে রাজ্যের কী কী পদক্ষেপ করা উচিত এই মুহূর্তে সেই বিষয়েও কথা হয়েছে। তবে, বৈঠকের সবথেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ যে অংশ, সেটা হল কেন্দ্রীয় বকেয়া। হাজার হাজার কোটি কোটি টাকা যে বকেয়া রয়েছে, তা তৃণমূল জমানায় পাওয়া যায়নি। শুধু তাই নয়, তৃণমূল জমানায় কেন্দ্রীয় প্রকল্পের নাম পরিবর্তন থেকে তাতে দুর্নীতিরও অভিযোগ উঠেছিল। সূত্রের খবর, বৈঠকে শমীক ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, প্রত্যেকটা ক্ষেত্রকে শোধরানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। সেই বিষয়গুলি অর্থমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন।




সূত্রের খবর, অর্থমন্ত্রী ও রাজ্য বিজেপি সভাপতির আলোচনায় আলাদা করে গুরুত্ব পেয়েছে তাঁত শিল্প এবং টেক্সটাইল হাব। এই বিশেষ সেক্টর নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক সূত্রে খবর, শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে আলোচনা করলেও বাংলার বকেয়া-সহ অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে কী পদক্ষেপ করা হবে সে বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে আলোচনার পরেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন নির্মলা সীতারমন।

শমীক ভট্টাচার্য কী বললেন?
সীতারমনের সঙ্গে বৈঠক প্রসঙ্গে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “৫০ বছরে পশ্চিমবঙ্গের শিল্পকে কার্যত ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ এখন পরিযায়ীদের রাজ্য হয়ে গিয়েছে। পরিযায়ী হয়েই সবাই বাইরে চলে যাচ্ছে। এই অবস্থা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। আমাদের মহারাষ্ট্র, কর্নাটক ও তামিলনাড়ুর সঙ্গে একই পংক্তিতে দাঁড়াতে হবে। প্রধানমন্ত্রী সোনার বাংলা তৈরির কথা দিয়েছেন। আমরা সোনার বাংলা তৈরি করব। পশ্চিমবঙ্গের এই অর্থনৈতিক অবস্থা থেকে কীভাবে উত্তরণের পথ দেখানো যায়, সেই সম্পর্কে তিনি অবহিত রয়েছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, পশ্চিমবঙ্গকে এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে নিয়ে আসা সম্ভব।”

উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গ সরকার ও কেন্দ্রীয় জলশক্তি মন্ত্রকের মধ্যে সম্প্রতি জল জীবন মিশনের মৌ স্বাক্ষর হয়েছে। এই চুক্তি স্বাক্ষরের পরই শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, “ডবল ইঞ্জিন সরকারের কাজ শুরু হল। বাংলার জনগণ ডবল ইঞ্জিন সরকার তৈরি করতে সাহায্য করেছেন। অনেকে বলেছেন আমাকে যে কেন্দ্র এত টাকা দিচ্ছে । কিন্তু কোনও কাজ হচ্ছে না। ফলে এই সরকার যৌথভাবে যে ভাবে কাজ করতে শুরু করছে তাতে বাংলার মানুষ উপকৃত হবেন।”

বিধায়ক হিসেবে শপথ নেওয়ার পর কুণাল ঘোষ মনে করিয়ে দিয়েছিলেন, তাপস রায়, সজল ঘোষদের মতো নেতাদের ধরে রাখতে পারেনি তৃণমূল। সন্দীপন সাহার মতো নবীন বিধায়ককেও কার্যত বিদ্রোহী হতে দেখা গিয়েছে। তাই রাজনৈতিক মহল মনে করছে, কুণাল কি প্রবীণ নেতাদের কটাক্ষ করতে চাইলেন?

খোলসে ঢুকে থাকুন', কচ্ছপ দিবসে কাকে বার্তা? কুণাল বললেন...
কুণাল ঘোষের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট


নির্বাচনে বড়সড় বিপর্যয়ের পর থেকে তৃণমূলের দিকে নজর রয়েছে সব মহলের। কোনও নেতার গলায় আক্ষেপ, কোনও নেতার গলায় বিদ্রোহের সুর। কেউ কেউ আবার সব অতীত ভুলে দলের নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন। এই আবহেই ইঙ্গিতবাহী পোস্ট কুণাল ঘোষের। কচ্ছপের ছবি পোস্ট করে একটি বার্তা দিয়েছেন কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। বিশ্ব কচ্ছপ দিবস হিসেবে এই পোস্ট করেছেন তিনি। তবে তাঁর পোস্টটির পিছনে অন্য ইঙ্গিত পাচ্ছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

কুণাল লিখেছেন, “কচ্ছপদের ভালো রাখুন। ওরা দীর্ঘদিন বাঁচে, অনেক বয়স পর্যন্ত। সিনিয়রিটিকে সম্মান দিয়ে চলুন। তাঁদের দেখে শিখুন। খোলসটা ব্যবহার করুন। ঝামেলা দেখলে খোলসে ঢুকে থাকুন। খোলসের ভিতর থেকে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করুন। বাইরের ঝামেলা একটু কমলে খোলস থেকে বেরন। আগে মুখ বাড়িয়ে দেখে নিন কোন দিকে হাঁটবেন। তারপর সুবিধেমতো চলুন।”




'দ্য অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টস'-এর নিষিদ্ধ দৃশ্যগুলো এবার হাতের মুঠোয়!
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, রাজ্যের পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কুণাল দলের একাংশকেই বার্তা দিতে চেয়েছেন। যে সব নেতা-নেত্রীরা হারের পর চুর করে আছেন, কোনও বিষয়েই মুখ খুলছেন না, তাঁরা কি আদতে ‘খোলসে’র ভিতর থেকে জল মাপছেন? তাঁদেরকেই কি খোঁচা দিলেন কুণাল? উল্লেখ্য, সম্প্রতি কুণাল সহ দলের নবীন নেতাদের মুখে আত্মসমালোচনার কথা শোনা গিয়েছে।

আয়ুষ্মান ভারত (PM-JAY) যোজনার আওতায় পরিবার পিছু বছরে পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে চিকিৎসার সুবিধা পাওয়া যায়। সতরোর্ধ্ব প্রবীণ নাগরিকরা আলাদাভাবে পাঁচ লক্ষ টাকার বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবার সুবিধা পান।


আয়ুষ্মান ভারত কার্ডে কী কী চিকিৎসা করানো যাবে? এখনই জেনে নিন লিস্ট
প্রতীকী চিত্র।


রাজ্যে চালু হচ্ছে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প (Ayushman Bharat Scheme)। আজ, শনিবারই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেছেন আয়ুষ্মান ভারত নিয়ে। জানিয়েছেন, জুলাই মাস থেকে রাজ্যবাসীর হাতে আয়ুষ্মান ভারত কার্ড দেওয়া হবে। এই কার্ডে আপনি কী কী চিকিৎসার সুবিধা পাবেন?


আয়ুষ্মান ভারত (PM-JAY) যোজনার আওতায় পরিবার পিছু বছরে পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে চিকিৎসার সুবিধা পাওয়া যায়। সতরোর্ধ্ব প্রবীণ নাগরিকরা আলাদাভাবে পাঁচ লক্ষ টাকার বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবার সুবিধা পান।

ভোটে তৃণমূলের ভরাডুবি, মমতা-অভিষেককে ব্যাপক খোঁচা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের
এই প্রকল্পের মধ্যে প্রায় ১,৯২৯টি মেডি্ক্যাল ও সার্জিক্যাল চিকিৎসা, যেমন ক্যানসারের কেমোথেরাপি, হৃদরোগের অস্ত্রোপচার (বাইপাস), কিডনি ডায়ালাইসিস এবং নিউরোসার্জারির মতো জটিল ও ব্যয়বহুল চিকিৎসাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

কী কী সুবিধা পাওয়া যায় আয়ুষ্মান ভারতে?
আয়ুষ্মান ভারত প্রধানমন্ত্রী জন-আরোগ্য যোজনা কার্ড থাকলে রাজ্যবাসী নিখরচায়-
মেডিক্যাল পরীক্ষা, চিকিৎসা ও চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারবেন।
হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার আগে তিন দিন অবধি চিকিৎসা ও সেবা-শুশ্রষার খরচ পাবেন।
হাসপাতালে ভর্তি থাকাকালীন ওষুধ ও চিকিৎসায় ব্যবহৃত অন্যান্য জিনিসের খরচ বহন করা হবে।
নন-ইনটেনসিভ ও ইনটেনসিভ কেয়ার (ICU) সার্ভিস।
ডায়গনস্টিক ও ল্যাবরেটরি পরীক্ষার খরচ পাওয়া যাবে।
মেডিক্যাল ইমপ্ল্যান্টের খরচও পাওয়া যাবে।
হাসপাতালের বেড ভাড়া ও খাবারের খরচ মিলবে।
হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর ১৫ দিন অবধি চিকিৎসা ও সেবার খরচ পাওয়া যাবে।
কী কী চিকিৎসা করাতে পারবেন?
কার্ডিওলজি: ওপেন হার্ট সার্জারি, পেসমেকার ইমপ্লান্টেশন, অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি এবং অন্যান্য হৃদরোগের চিকিৎসা করানো যাবে।

অনকোলজি (ক্যানসার): কেমোথেরাপি, রেডিয়েশন থেরাপি এবং ক্যানসারের অস্ত্রোপচার করানো যাবে।

নিউরোসার্জারি: মস্তিষ্কের সার্জারি, স্পাইন সার্জারি ও স্নায়ু সংক্রান্ত জটিল রোগের চিকিৎসা করা যাবে।

নেফ্রোলজি: কিডনি প্রতিস্থাপন (Transplant) এবং নিয়মিত ডায়ালাইসিস করানো যাবে।

অর্থোপেডিক: জয়েন্ট রিপ্লেসমেন্ট, ফ্র্যাকচার বা হাড়ের বড় ধরনের অস্ত্রোপচার করা যাবে।

গ্যাস্ট্রোএন্ট্রোলজি: জটিল পেটের অস্ত্রোপচার এবং লিভারের চিকিৎসা করানো যাবে।

এছাড়াও চোখের ছানি অপারেশন, কানের সার্জারি, পুড়ে যাওয়ার (Burn) চিকিৎসা এবং প্রসূতি সংক্রান্ত জটিল অস্ত্রোপচারও করানো যাবে আয়ুষ্মান ভারত কার্ড দিয়ে।

সীমান্ত পারের অনুপ্রবেশে মদত থেকে শুরু করে পুলিশ ও প্রশাসনকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করার বিস্ফোরক অভিযোগ ঘিরে রাজ্যজুড়ে এখন জোর চাঞ্চল্য। গোটা বিষয়টির গভীরে গিয়ে তদন্তের দাবি ক্রমশ জোরালো হচ্ছে। কী বলছেন প্রাক্তন গোয়েন্দা কর্তারা?


শুধু WBCS নয়, WBPS-এও কি পরিকল্পিত নিয়োগ দুর্নীতি? অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্তাদের বিস্ফোরক দাবিতে চাঞ্চল্য
প্রশাসনিক মহলেও চলছে চাপানউতোর


প্রশান্ত বর্মন বা শানু বক্সিদের নিয়ে চর্চা কম হচ্ছে না। কার্যত হাটে হাঁড়ি হাটে ভেঙে গিয়েছে। তদন্ত যেন এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। রাজনৈতিক মহলে তুমুল শোরগোল। এ নিয়ে চর্চার মাঝেই এবার অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্তাদের দাবি, শানু ও প্রশান্তদের মতো একদলকে যেমন সুপরিকল্পিতভাবে WBCS-এ নিয়োগ করা হয়েছিল, ঠিক একইভাবে আরও একদল ব্যক্তিকে WBPS-এও নিয়োগ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। নিজেদের আখের গোছাতেই পাবলিক সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে এই পরিকল্পিত নিয়োগগুলি ২০১৪ সাল থেকেই সামনে আসতে শুরু করে।  

গোয়েন্দা বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত ডিএসপি বিশ্বজিৎ দাসের অভিযোগ, ২০১৪ সাল থেকে WBPS-এ এমন কিছু লোক আসতে শুরু করেন, যাঁদের কাজকর্ম দেখে, সামান্য ইংরেজিতে লেখা চিঠি পড়তে-বুঝতে না পারার বিষয় দেখে সন্দেহ জাগতে শুরু করেছিল। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছিল, এরা কীভাবে WBPS পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেন? তাঁর অভিযোগ, এই ব্যক্তিদের একটা বড় অংশ প্রভাবশালীদের পরিচয় কাজে লাগিয়েই চাকরি পেয়েছিলেন। কিন্তু পুলিশ সার্ভিসে (WBPS) কেন এমন পরিকল্পনা করে নিয়োগ? অবসরপ্রাপ্ত এই গোয়েন্দা কর্তার দাবি, অনুপ্রবেশকারীদের সাহায্য করতেই এই ছক কষা হয়ে থাকতে পারে।


কেন তৃণমূলের হয়ে প্রচার করেছিলেন, পরমব্রতর সরাসরি জবাব…
প্রাক্তন গোয়েন্দা কর্তা বিশ্বজিৎ দাস বলছেন, “আমি গোয়েন্দা বিভাগের ডিএসপি হিসেবে চাইলেই অনুপ্রবেশকারীদের খুব সহজে ভারতীয় নথিপত্র তৈরি করিয়ে দিতে পারি। এদেরও এই ধরনের বেআইনি কাজের জন্যই আনা হয়েছিল কি না, তার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।”  

অন্যদিকে, আরও এক অবসরপ্রাপ্ত সিআইডি কর্তা গৌতম ঘোষালও প্রায় একই সুরে বিস্ফোরক দাবি করেছেন। তাঁর মতে, এভাবে কাজ পাওয়া প্রশান্ত বা শানুদের কাজ যেমন আলাদা ছিল, তেমনি এই আনকোরা WBPS অফিসারদের কাজও নির্দিষ্ট করা ছিল। তিনি বলছেন, “প্রশাসনিক এবং পুলিশি ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ কুক্ষিগত করে অসাধু কারবার বাড়িয়ে তুলতেই পাবলিক সার্ভিস কমিশনকে ব্যবহার করে WBCS এবং WBPS-এ দুর্নীতি হয়েছিল। সীমান্ত পারের অনুপ্রবেশ থেকে শুরু করে সীমান্তের অবৈধ কারবারে মদত দেওয়ার পিছনে এদের কোনও বিশেষ উদ্দেশ্য ছিল কি না, তা গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা উচিত। নতুন সরকারের উচিত পাবলিক সার্ভিস কমিশনের সমস্ত পরীক্ষাই পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখা।”  


আয়ুষ্মান ভারত হল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য প্রকল্প। এই প্রকল্পের অধীনে ৫ লক্ষ টাকা অবধি চিকিৎসার খরচ পাওয়া যায়। ২০১৮ সাল থেকে এই প্রকল্প চালু করা হয়েছে। মূলত গরিব, নিম্ন আয়ের পরিবারের জন্য এই চিকিৎসা পরিষেবার ব্যবস্থা করা হয়েছে। 

 জুলাই মাস থেকে দেওয়া হবে আয়ুষ্মান ভারত কার্ড, কারা এই সুবিধা থেকে বাদ পড়বেন?
আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের সুবিধা পাবেন?

সুখবর। বাকি রাজ্যের মতো এবার পশ্চিমবঙ্গেও চালু হচ্ছে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প (Ayushman Bharat Scheme)। আজ, শনিবার রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ঘোষণা করলেন যে আগামী জুলাই মাস থেকে পশ্চিমবঙ্গে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালু হবে। পশ্চিমবঙ্গে আয়ুষ্মান ভারতের জন্য ৯৭৬ কোটি টাকার অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্র। তবে প্রশ্ন, এই আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের সুবিধা কারা পাবেন?

যদিও মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, প্রথমে ৬ কোটি মানুষকে আয়ুষ্মান ভারতের সুবিধা দেওয়া হবে। যারা স্বাস্থ্যসাথীর সুবিধা পেতেন, তারা আয়ুষ্মান ভারতের সুবিধা পাবেন। আগামী জুলাই মাস থেকে রাজ্যের মানুষদের হাতে আয়ুষ্মান ভারত কার্ড তুলে দেওয়া হবে। এখনও মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিক বৈঠক করে জানালেও, আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের শর্ত নিয়ে কিছু জানাননি। কেন্দ্রের আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের সাধারণত কিছু শর্ত রয়েছে। সেই শর্ত পশ্চিমবঙ্গে কার্যকর হবে কি না, স্পষ্ট নয়। কেন্দ্রের আয়ুষ্মান ভারতের কী কী শর্ত রয়েছে, একবার জেনে নেওয়া যাক-


সীমান্তে দুর্ভেদ্য প্রাচীর, পাহারায় AI, কেন্দ্রের নয়া প্রকল্প স্মার্ট বর্ডার কী, জেনে নিন
 আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প-
আয়ুষ্মান ভারত হল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য প্রকল্প। এই প্রকল্পের অধীনে ৫ লক্ষ টাকা অবধি চিকিৎসার খরচ পাওয়া যায়। ২০১৮ সাল থেকে এই প্রকল্প চালু করা হয়েছে। মূলত গরিব, নিম্ন আয়ের পরিবারের জন্য এই চিকিৎসা পরিষেবার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

কারা আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের সুবিধা পাবেন?
যে সকল পরিবারের বার্ষিক আয় আড়াই লক্ষ টাকার কম, তারাই আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের সুবিধা পাবেন।
যারা এক কামরার ঘরে থাকেন বা কাঁচা বাড়িতে থাকেন, তারা আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের সুবিধা পাবেন।
বিশেষভাবে সক্ষম, তফশিলি জাতি/জনজাতি (SC/ST)-রা এই প্রকল্পের অধীনে স্বাস্থ্য পরিষেবা পাবেন।
৭০ বছর বা তার ঊর্ধ্বে সকল প্রবীণ নাগরিকরাই এই প্রকল্পের অধীনে স্বাস্থ্য পরিষেবা পাবেন। এক্ষেত্রে আয়ের কোনও সীমা বেঁধে দেওয়া হয়নি।
কারা আয়ুষ্মান ভারতের সুবিধা পাবেন না?
যাদের বার্ষিক আয় আড়াই লক্ষ টাকার বেশি, তারা আয়ুষ্মান ভারতের সুবিধা পাবেন না।
যাদের বাইক বা গাড়ি রয়েছে, তারা আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না।
যাদের মাছ ধরার নৌকা রয়েছে, সেই পরিবারও আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না।


এই যোজনার কেন্দ্র বাড়ানো হওয়ার ঘোষণায় খুশি সাধারণ মানুষ। তাঁরা বলছেন, যেভাবে ওষুধের দাম বাড়ছে, তাতে ছাড় পেলে সুবিধাই হয়। বহু পরিবারেই এখন ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যা রয়েছে, ফলে নিয়মিত ওষুধ খেতে হয়। সে ক্ষেত্রে এই কেন্দ্রগুলি থেকে সস্তায় ওষুধ পেলে সুবিধাই হবে।


২০০০ টাকার ওষুধ পাবেন ২০০ টাকায়, বাংলায় বড় ঘোষণা, কীভাবে পাবেন এই সুবিধা
ফাইল ছবি


রাজ্য়ের স্বাস্থ্য় ব্যবস্থা নিয়ে একের পর এক অভিযোগ সামনে এসেছে তৃণমূল সরকারের আমলে। আরজি কর-কাণ্ডের সেই সব অভিযোগ আরও প্রকট হয়। আর ক্ষমতায় এসেই সেই স্বাস্থ্যের খোলনলচে বদলাতে উদ্যোগী হলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শনিবার সাংবাদিক বৈঠকে একের পর এক বড় ঘোষণা করলেন তিনি।

সস্তায় মিলবে ওষুধ
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ঘোষণা, প্রধানমন্ত্রী জনৌষধি প্রকল্পের ৪৬৯টি সেন্টার চালু হবে রাজ্যে।



মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “একজনের পরিবারে যদি মাসে ২০০০ টাকার ওষুধ লাগে, এই সেন্টারগুলি চালু হলে সেই খরচ ২০০ টাকায় নেমে আসবে। পাঁচগুণ বেনিফিট মিলবে।”

এছাড়া, অমৃত প্রকল্পের আওতায় দুরারোগ্য ব্যাধির ওষুধের ক্ষেত্রে ৫০ থেকে ৮০ শতাংশ ছাড়ের কথাও ঘোষণা করা হয়েছে।

কী এই জনৌষধি প্রকল্প
সস্তায় ওষুধ বিক্রির উদ্যোগ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার এই জনৌষধি যোজনার সেন্টার খুলেছে।

দেশ জুড়ে ১৮০০০ জনৌষধি কেন্দ্র আছে। ২০২৭-এর মধ্যে সেই সংখ্যা বাড়িয়ে ২৫,০০০ করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

জনৌষধি কেন্দ্র গড়তে মহিলা, এসসি-এসটি অন্তর্ভুক্তদের জন্য ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ইনসেনটিভ দেয় কেন্দ্র।

এই সব কেন্দ্রে জনৌষধি সুবিধা স্যানিটারি ন্যাপকিন মেলে ১ টাকায়।

এই যোজনার কেন্দ্র বাড়ানো হওয়ার ঘোষণায় খুশি সাধারণ মানুষ। তাঁরা বলছেন, যেভাবে ওষুধের দাম বাড়ছে, তাতে ছাড় পেলে সুবিধাই হয়। বহু পরিবারেই এখন ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যা রয়েছে, ফলে নিয়মিত ওষুধ খেতে হয়। সে ক্ষেত্রে এই কেন্দ্রগুলি থেকে সস্তায় ওষুধ পেলে সুবিধাই হবে

শুধুমাত্র বকরি ইদ নয়, তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর সরকারি কর্মীদের ছুটির তালিকা অনেক ক্ষেত্রেই লম্বা হয়েছিল। অনেক নতুন ছুটি যুক্ত করা হয়েছিল। এবার অন্যান্য ছুটির ক্ষেত্রেও নিয়মে কোনও বদল হবে কি না, সেই প্রশ্ন উঠছে।

রাজ্যে ইদের দু'দিন ছুটি আর নয়, পালাবদলের পর নয়া ঘোষণা
ফাইল ছবি

সরকার বদলের পর প্রথমবার ছুটির তালিকায় রদবদল। ইদের ছুটি নিয়ে জারি হল নয়া বিজ্ঞপ্তি। তৃণমূল সরকারের আমলে ইদে (Eid) দু’দিন ছুটি দেওয়ার রীতি চালু হয়। তবে বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় এসেই বদলে দিল সেই নিয়ম। এ বছর একদিনই ছুটি পাবেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা।

পুরনো সরকারের আমলের তালিকা অনুযায়ী, ২৬ মে আর ২৭ মে ইদের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। এবার রাজ্য সরকারের তরফে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানানো হল যে, এবছর ২৮ মে ইদ পালিত হবে। তাই শুধুমাত্র ২৮ মে তারিখেই সরকারি ছুটি থাকবে। আগের বিজ্ঞপ্তি বাতিল করা হল। কেন্দ্রীয় সরকার দু’দিন আগেই ২৮ তারিখের ছুটির কথা জানিয়েছিল।


ভোটে তৃণমূলের ভরাডুবি, মমতা-অভিষেককে ব্যাপক খোঁচা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের
শুধুমাত্র বকরি ইদ নয়, তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর সরকারি কর্মীদের ছুটির তালিকা অনেক ক্ষেত্রেই লম্বা হয়েছিল। অনেক নতুন ছুটি যুক্ত করা হয়েছিল। এবার অন্যান্য ছুটির ক্ষেত্রেও নিয়মে কোনও বদল হবে কি না, সেই প্রশ্ন উঠছে।

তবে বকরি ইদ পালনে যাতে কোনও সমস্যা না হয়, সে ব্যাপারে তৎপর রাজ্য সরকার। ইতিমধ্যেই রাজ্যের সব থানাগুলিকে এ ব্যাপারে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কয়েকদিন আগেই গরমের ছুটি নিয়ে নির্দেশিকা বদল করে শুভেন্দু সরকার। বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে গরমের ছুটি।