WEATHER

Top News


ব্রিকস সামিটের ফাঁকেই মুখোমুখি আলোচনায় বসতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi) ও চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং (Xi Jinping)। এমনটাই সূত্রের খবর। যদি সত্যি তাই হয়, তবে ২০২০ সালের গালওয়ান সংঘর্ষের পর এই প্রথম দুই রাষ্ট্রনেতা দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় বসতে চলেছেন। 


রাজধানীতে বসতে চলেছে ব্রিকস সামিট (BRICS Summit)। সেই সামিটের ফাঁকেই মুখোমুখি আলোচনায় বসতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi) ও চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং (Xi Jinping)। এমনটাই সূত্রের খবর। যদি সত্যি তাই হয়, তবে ২০২০ সালের গালওয়ান সংঘর্ষের পর এই প্রথম দুই রাষ্ট্রনেতা দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় বসতে চলেছেন।


ব্রিকসে মুখোমুখি মোদী-জিনপিং-
আগামী ১২ সেপ্টেম্বর নয়া দিল্লিতে বসতে চলেছে ব্রিকস সামিট। সেই বৈঠকের ফাঁকেই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসতে পারে দুই রাষ্ট্রনেতা। দুই দেশেরই নজর এই বৈঠকের দিকে, কারণ বিগত কয়েক বছর ধরে সীমান্তে যে টানাপোড়েন-উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল এবং আর্থিক সম্পর্কেরও অবনতি হয়েছিল, সেই দিকে নজর রেখে জিনপিং ও প্রধানমন্ত্রী মোদীর বৈঠক দুই দেশের সম্পর্কে মোড় আনতে পারে।


আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে ১৮তম ব্রিকস লিডারস সামিট হতে চলেছে। জানা গিয়েছে, আগামী শনিবারই দিল্লিতে আসার কথা শি জিনপিংয়ের। সাত বছরে এই প্রথম তিনি ভারত সফরে আসতে চলেছেন। যদিও নয়া দিল্লি বা বেজিং-কারোর তরফেই দ্বিপাক্ষিক বৈঠক নিয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি।


সম্প্রতি সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন অর্থাৎ এসসিও সামিটে দেখা হয়েছিল দুই রাষ্ট্রনেতার। সেই সময় মোদী ও জিনপিং হাত মেলালেও, তাদের মধ্যে কোনও দ্বিপাক্ষিক আলোচনা হয়নি।

অন্যদিকে, শি জিনপিংয়ের ভারত সফরের পরই জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের চিন সফরে যাওয়ার কথা।

গালওয়ান সংঘর্ষ-
২০২০ সালের জুন মাসে পূর্ব লাদাখের কাছে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা ঘিরে উত্তেজনা এবং তারপর গালওয়ান সংঘর্ষের জেরে ভারত-চিন সম্পর্কের অবনতি হয়। এরপরে দুই দেশের তরফে একাধিকবার সেনা ও কূটনৈতিক স্তরে আলোচনায় বসা হয়। সেই আবহেই এবার মুখোমুখি আলোচনায় বসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী মোদী ও চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।




ইতিমধ্যেই আইফোন গোটা বিশ্বে খুব বিখ্যাত। এখন চলছে আইফোন ১৭-র যুগ। তবে যেহেতু এই প্রথমবার ফোল্ডিং ফোন বাজারে বিক্রি করা শুরু করতে চলেছে অ্যাপল, তাই সব ঠিক চললে খুব কম দিনের মধ্যেই আইফোন ব্যবসাতে আরও লাভের মুখ দেখবে সংস্থা।

প্রথমবার বাজারে Foldable ফোন আনল অ্যাপল! দাম কত? কী কী ফিচার আছে জানেন?
আইফোন ডুও

স্মার্টফোনের বাজারে একটু আউট অফ দ্য বক্স ফোন মানেই Apple আইফোন। নতুন ফোন বেরনো মানেই কখন সেই নতুন মডেল হাতে নিয়ে একটা সেলফি তুলে সোশাল মিডিয়াতে দিয়ে পোস্ট করবেন, এই ফোমোতে ভোগে সবাই। তবে Apple নিজেও এবার একটা চমক দেখাল। বহুদিন ধরেই বাজারে পাওয়া যাচ্ছে ফোল্ডিং ফোন। তবে এই প্রথমবার বাজারে নিজেদের ফোল্ডেবল ফোন iPhone Duo নিয়ে এল Apple। এই ফোনটি নিয়ে ইতিমধ্যেই চর্চা সর্বত্র।


কী আছে এই ফোনে?



নতুন iPhone Duo-র বেস 256 GB-র মডেলে আছে 7.6 ইঞ্চির ডিসপ্লে। পাশাপাশি আছে 5.4 ইঞ্চির আউটসাইড বা বাইরের স্ক্রিন। ফোনটির hinge, ওজন ও মাল্টিটাস্কিং-এর উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে Apple। ফোনটিকে বিভিন্ন অ্যাঙ্গলে ভাঁজ করে বা ফোল্ড করে ব্যবহার করা যাবে। ফলে একই সময়ে একাধিক কাজ করতে পারবেন ইউজাররা। মোট 256 GB, 512 GM, 1 TB, 2 TB-র স্পেসের হবে এই iPhone Duo। Star White ও Night Sky – এই দুটি কালার অপশনে পাওয়া যাবে এই ফোন।


লঞ্চের আগে শোনা গিয়েছিল, এই ফোনটির দাম হবে প্রায় ২০০০ ডলারেরও বেশি। তবে এই ফোনের দাম শুরু হচ্ছে ১৯৯৯ ডলার থেকে। ভারতে এই ফোনের দাম শুরু হচ্ছে ২ লক্ষ ৯৯ হাজার ৯০০ টাকা থেকে। দীর্ঘদিন ধরেই Samsung, Huawei-এর মতো একাধিক কোম্পানি ফোল্ডিং ফোন বানায় ও সেগুলি খুব বিখ্যাত। সেখানে সবেমাত্র এই ফোল্ডিং ফোনের দুনিয়াতে পা রাখল Apple। ফলে, যাঁরা ইতিমধ্যেই ফোল্ডিং ফোনের বিষয়ে জানেন, সেই প্রিমিয়াম গ্রাহকরা নতুন প্রযুক্তি ও Apple নামক ব্র্যান্ডের উপর ভরসা করে প্রায় ৩ লক্ষ টাকা খরচ করতেও প্রস্তুত।

ইতিমধ্যেই আইফোন গোটা বিশ্বে খুব বিখ্যাত। এখন চলছে আইফোন ১৭-র যুগ। তবে যেহেতু এই প্রথমবার ফোল্ডিং ফোন বাজারে বিক্রি করা শুরু করতে চলেছে Apple, তাই সব ঠিক চললে খুব কম দিনের মধ্যেই আইফোন ব্যবসাতে আরও লাভের মুখ দেখবে সংস্থা। IDC এর তথ্যের মান অনুযায়ী, লঞ্চের প্রথম ১২ মাসে Apple প্রায় ১ কোটি iPhone Duo বিক্রি করতে পারে। এর ফলে সংস্থার ২৭ বিলিয়ন ডলার টাকা লাভ হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। সব যদি ঠিক ভাবে চলে, তাহলে ২০২৭ সালের মধ্যে বিশ্বের সবথেকে বড় স্মার্টফোন বিক্রেতা সংস্থা হয়ে উঠবে Apple। তবে এই সবকিছুই দেখা যাবে ২৩ অক্টোবর থেকে। কারণ ২৩ অক্টোবর থেকে ভারতে পাওয়া যাবে iPhone Duo। Apple ইন্ডিয়ার নানা স্টোরে ফোনটির জন্য প্রি-বুক করা যাবে ১৬ অক্টোবর, বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে।


 বৃহস্পতিবার স্বর্ণ ব্যবসায়ী খুনের মামলার শুনানি হয় কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর একক বেঞ্চে। তাঁর কথায়, "সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বিডিও প্রশান্ত বর্মন নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করেনি। তিনি কতটা প্রভাবশালী ব্যক্তি তা বলার অপেক্ষা রাখে না।" বিচারপতির প্রশ্ন, "সরকারি কর্মচারী,প্রতিমাসে বেতন নিচ্ছেন। বিডিও-র বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা রয়েছে অথচ সিআইডি বলছে তাঁকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এই দাবি কতটা বিশ্বাসযোগ্য?"

সরকারি কর্মী বেতন নিচ্ছেন, অথচ CID বলছে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না?' প্রশান্ত বর্মন মামলায় সিআইডির ভূমিকা নিয়ে অসন্তুষ্ট কলকাতা হাইকোর্ট
কলকাতা হাইকোর্ট

 নিউটাউনে স্বর্ণ ব্যবসায়ী খুনের মামলায় সিআইডির (CID) ভূমিকায় অসন্তুষ্ট কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। খুনে অভিযুক্ত প্রশান্ত বর্মণ একজন সরকারি কর্মচারী, প্রতি মাসে বেতন নিচ্ছেন, অথচ কেন তাঁর খোঁজ পাচ্ছে না সিআইডি? প্রশ্ন তুলে তদন্তকারী সংস্থাকে তীব্র ভর্ৎসনা কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর। সুপ্রিম কোর্টের তরফে বিডিও প্রশান্ত বর্মণকে সাত দিনের মধ্যে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, আত্মসমর্পণ করেননি। এদিকে, প্রশান্ত বর্মণকে এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। তাঁকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে দাবি করা হয়েছে পুলিশের তরফে। এই বিষয়ে তদন্ত করছে সিআইডি। কেন এতদিনেও প্রশান্ত বর্মণকে খুঁজে গ্রেফতার করা হল না? এই বিষয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছে কলকাতা হাইকোর্ট।

কী বলেছেন বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী?
বৃহস্পতিবার স্বর্ণ ব্যবসায়ী খুনের মামলার শুনানি হয় কলকাতা হাইকোর্টে। তাঁর কথায়, “সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বিডিও প্রশান্ত বর্মন নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করেনি। তিনি কতটা প্রভাবশালী ব্যক্তি তা বলার অপেক্ষা রাখে না।” বিচারপতির প্রশ্ন, “সরকারি কর্মচারী,প্রতিমাসে বেতন নিচ্ছেন। বিডিও-র বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা রয়েছে অথচ সিআইডি বলছে তাঁকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এই দাবি কতটা বিশ্বাসযোগ্য?”


অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে বার্ধক্য ভাতার ১৫০০! টাকা পেতেই ক্ষোভ প্রকাশ করে ব্যানার বৃদ্ধের ছেলের! কারণ জানেন?
প্রশান্ত বর্মনের আইনজীবী বিশ্বরূপের দাবি, পাল্টা হলফনামা দিতে চাই। সেই সুযোগ দেওয়া হোক। আইনজীবীর উদ্দেশে বিচারপতির প্রশ্ন,”আপনি সুপ্রিম কোর্টেরও নির্দেশ লঙ্ঘন করেছেন? আপনি তো খুব প্রভাবশালী ব্যক্তি।” অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেলকে বিচারপতির নির্দেশ, “অভিযুক্তকে খুজুঁন। তিনি তো দেশ থেকে গায়েব হয়ে যাননি।” একইসঙ্গে বিচারপতির প্রশ্ন, “একজন সরকারি অফিসার বেপাত্তা অথচ সরকারি কোষাগার থেকে মাইনে দেওয়া হচ্ছে?”

রাজ্যকে রিপোর্ট জমার নির্দেশ
সিআইডি-র তরফে জানানো হয়েছে, প্রশান্ত বর্মণের বিরুদ্ধে যে চার্জশিট দেওয়া হয়েছিল, তাতে বেশ কিছু গাফিলতি থেকে গিয়েছে। এরপর বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী এই মামলায় রাজ্যকে তিন সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।



সুমিত রায়কে রক্ষাকবচ দিয়ে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, তাঁকে তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে। সেই মতো ৮৮ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হয় তাঁকে। আর এদিন সুপ্রিম নির্দেশের পরই তাঁর খোঁজে বেরিয়ে পড়ে সিআইডি। পৌঁছে যায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে।


আর কোনও যুক্তিই ধোপে টিকল না। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়ের (Sumit Roy) সব আর্জি খারিজ হয়ে গেল সুপ্রিম কোর্টে। আর তার এক ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেফতার করা হল তাঁকে। বৃহস্পতিবার জমি কেলেঙ্কারির মামলায় সুমিতের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি মোহানার বেঞ্চ। সেই নির্দেশের এক ঘণ্টার মধ্য়েই সুমিতকে গ্রেফতার করল সিআইডি।


এদিন সুমিত রায়ের তরফে আইনজীবী বারবার সওয়াল করার চেষ্টা করেন যে এটা একটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা। রাজনৈতিক দলের অ্যাকাউন্টের সঙ্গে সুমিত রায়ের লেনদেন গুলিয়ে ফেলার চেষ্টা হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, “এতদিন যথেষ্ট ছাড় দিয়েছি।”



অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে বার্ধক্য ভাতার ১৫০০! টাকা পেতেই ক্ষোভ প্রকাশ করে ব্যানার বৃদ্ধের ছেলের! কারণ জানেন?
আমাদের হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়: সুপ্রিম কোর্ট
শালবনীতে সরকারি জমি ব্যক্তিগত মালিকানার জমি দেখিয়ে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। সেই মামলাতেই নাম জড়ায় সুমিত রায়ের। জমি বিক্রির টাকা তৃণমূলের অ্যাকাউন্টে গিয়েছে বলে অভিযোগ তুলে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। ৮৮ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে। সেই ট্রানস্ক্রিপ্ট জমা দেওয়া হয় সুপ্রিম কোর্টে। এর প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, ‘জিজ্ঞাসাবাদের সময় সুমিত রায় যেভাবে উত্তর দিয়েছে তা থেকে স্পষ্ট, যে এই তদন্তে আমাদের হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়।’


আমরা এতদিন যথেষ্ট ছাড় দিয়েছি: বিচারপতি
সুমিত রায়ের আইনজীবী গোপাল শঙ্করনারায়ণ এদিন সওয়াল করেন, ‘যদি রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ হয়, তাহলে রাজনৈতিক দলকে জেরা করা উচিত।’ বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর তাৎপর্যপূর্ণ পর্যবেক্ষণ, ‘আমরা এতদিন যথেষ্ট ছাড় দিয়েছি’ (We have given longest possible rope)। এরপরই সুমিত রায়ের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দেন প্রধান বিচারপতি।

অ্যাকাউন্টের ১৫ কোটি কার?
সুমিতের অ্য়াকাউন্টে ১৫ কোটি টাকা জমা করার হদিশ পাওয়া গিয়েছে বলে আদালতে উল্লেখ করেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। সুমিত রায়ের আইনজীবী দাবি করেন, এফআইআরে সুমিত রায়ের নাম নেই। তিনি আরও দাবি করেন, অ্যাকাউন্টে জমা করার টাকার মধ্যে সুমিতের ব্যক্তিগত টাকা মাত্র ৬০,০০০। বাকি টাকা আদতে তৃণমূলের। তবে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী উল্লেখ করেন, ওই টাকার লেনদেনের সঙ্গে আবেদনকারী অর্থাৎ সুমিত রায়ের প্যান কার্ডের যোগ আছে। অবৈধ টাকা যে সুমিত রায়ের কাছে এসেছে, সেই প্রশ্নও ওঠে শীর্ষ আদালতে।

একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতার নাম বলানোর চেষ্টা চলছে সুমিতের: আইনজীবী
আইনজীবী শঙ্করনারায়ণন উল্লেখ করেন, সুমিত রায় গোটা সিস্টেমের একটা ক্ষুদ্র অংশ। তাঁর দাবি, পুরো মামলাটাই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, আর তদন্তে দলের একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতার নাম বলানোর চেষ্টা চলছে।



 সম্প্রতি লিলুয়ায় একটি ধর্মীয় সভায় এসেছিলেন মধ্যপ্রদেশের ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী ওরফে বাগেশ্বর বাবা। পশ্চিমবঙ্গে অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদও দিয়েছেন তিনি। কিন্তু গোল বেঁধেছে বাগেশ্বরের একটি মন্তব্যে। দুর্গা পূজায় আমিষ খাওয়ার বিপক্ষে মন্তব্য করেছেন ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী।

দুর্গাপুজোয় আমিষ বিতর্ক নিয়ে এবার বাগেশ্বর বাবার পাশে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিধানসভায় দাঁড়িয়ে রাজ্যবাসীর উদ্দেশে তাঁর স্পষ্ট বার্তা, যাঁর গ্রহণ করার কথা সন্তর কথা গ্রহণ করবেন, আর যাঁর করার নয়, করবেন না। তিনি তো কারোর ওপর কিছু চাপিয়ে দেননি।


বিধানসভায় দাঁড়িয়ে ঠিক কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী? 


বিপাশার প্রোটিন পাউডারের কৌটোর ভিতর কিলবিল করছে পোকা! তারপর...
বৃহস্পতিবার বিধানসভায় প্রথম থেকেই গেরুয়া শব্দের অপমানের বিরুদ্ধে রীতিমতো কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। নাম না করে মধ্যপ্রদেশের সন্ত বাগেশ্বর বাবার প্রসঙ্গও উত্থাপন করেন তিনি। তিনি বলেন, “লিলুয়াতে একজন সন্ত এসেছিলেন, তিনি দেশপ্রেম, রাষ্ট্রবাদ, অখণ্ড ভারতের কথা বলেছেন। তাঁর ঐতিহ্য-সংস্কৃতির কথা তাঁর মতন করে বলেছেন। যাঁর গ্রহণ করার করবেন, যাঁর গ্রহণ করার করবেন না।” তিনি এও বলেন, “তিনি তো কারোর ওপর কিছু চাপিয়ে দিতে চাননি।”


উল্লেখ্য, সম্প্রতি লিলুয়ায় একটি ধর্মীয় সভায় এসেছিলেন মধ্যপ্রদেশের ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী ওরফে বাগেশ্বর বাবা। পশ্চিমবঙ্গে অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদও দিয়েছেন তিনি। কিন্তু গোল বেঁধেছে বাগেশ্বরের একটি মন্তব্যে। দুর্গা পূজায় আমিষ খাওয়ার বিপক্ষে মন্তব্য করেছেন ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী। তাতেই কার্যত বাঙালির আবেগে আঘাত লেগেছে। আবেগের গণ্ডি পেরিয়ে তুঙ্গে রাজ্য রাজনীতি। প্রতিবাদে ভবানীপুরে বিক্ষোভে সামিল হন কংগ্রেস। কংগ্রেস ও যুব কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকেরা কলকাতার ভবানীপুর থানার সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন এবং বাগেশ্বর বাবার ছবি পোড়ান। একইসঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে থানায় একটি লিখিত অভিযোগও দায়ের করা হয়। এদিন বিধানসভায় সেই প্রসঙ্গও উত্থাপন করেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “আমি কতগুলো লোককে দেখলাম, ভবানীপুরে থানার সামনে ছবি পুড়িয়েছে। আমি এখান থেকে সিপি-কে বলছি, ওই লোকগুলোকে গ্রেফতার করতে হবে। এ রাজ্যে এসব চলবে না। অনেক করেছেন।”

বামেদের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রীর কটাক্ষ, “অ্যাপিজমেন্টের রাজনীতি করেছেন বলে আপনাদের সংখ্যা এইটুকু হয়েছে, তার মধ্যে চারটে ভাগ। আর আমাদের সংখ্যা বাড়তে বাড়তে ২৬০। উপনির্বাচনের পর সেটা ৮ কী ৯ হবে, সেটা পরের সেশনে দেখা যাবে।”




সম্প্রতি ব্রুজো ও ইস্টবেঙ্গল দলের একটি ফ্যান ক্লাব QEBNA-র মধ্যেই একটি ঝামেলা চলতে থাকে। ফ্যান ক্লাবের তরফ থেকে অস্কারকে ব্যঙ্গ করে একটি পোস্ট করা হয়। এরপরেই চুপ থাকেননি অস্কারও। তিনিও ওই পেজের কমেন্ট বক্সে গিয়ে কমেন্ট করেন। তিনি সন্দেহ প্রকাশ করে জানান যে এই পেজটি আসলে ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত কেউ চালান।


আপনাদের ম্যানেজমেন্টকে ধিক্কার...', ইস্টবেঙ্গলকে কেন হঠাৎ তোপ দাগলেন প্রাক্তন কোচ অস্কার ব্রুজো?
অস্কার ব্রুজো

ইস্টবেঙ্গল ক্লাব থেকে অনেকদিন আগেই সরে গিয়েছেন অস্কার ব্রুজো। তবে ইস্টবেঙ্গল যে এখনও তাঁর মননেই রয়ে গিয়েছে, তা বেশ বোঝা যায়। কোচ থাকার সময় বারবার ক্লাবকে নিয়ে কথা বলেছেন অস্কার। এমনকি, ক্লাবের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক যে অম্লমধুর ছিল, তা বোঝা যেত সেই সময়ে। কিন্তু এবার ক্লাব ছাড়ার পরও ক্লাবকে নিয়ে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছেন অস্কার। এবার কাহিনি বেশ সিরিয়াস।


সম্প্রতি ব্রুজো ও ইস্টবেঙ্গল দলের একটি ফ্যান ক্লাব QEBNA-র মধ্যেই একটি ঝামেলা চলতে থাকে। ফ্যান ক্লাবের তরফ থেকে অস্কারকে ব্যঙ্গ করে একটি পোস্ট করা হয়। এর প্রতিবাদে অস্কার সেই পোস্টের কমেন্ট বক্সে গিয়ে লেখেন, “আপনাদের ম্যানেজমেন্টকে ধিক্কার। সব সমর্থকরা জানেন যে আপনাদের অ্যাজেন্ডা, ডাবল স্ট্যান্ডার্ড ও ভাবনা সম্পর্কে কেমন। ব্যক্তিগত স্বার্থকে চরিতার্থ করতেই আপনারা এই কাজ করছেন। QEBNA-র নেপথ্যে আপনারা রয়েছেন।”

 আসলে একটি লাল-হলুদ সম্পর্কিত ফ্যান ক্লাব। কোয়েস যখন লাল-হলুদের স্পনসর ছিল, খুব সম্ভবত তখন বানানো হয়েছিল এই পেজটি। এখান থেকেই অস্কার সম্বন্ধে কিছু আপত্তিজনক পোস্ট করা হয়েছিল। এরপরেই চুপ থাকেননি অস্কারও। তিনিও ওই পেজের কমেন্ট বক্সে গিয়ে কমেন্ট করেন। তিনি সন্দেহ প্রকাশ করে জানান যে এই পেজটি আসলে ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত কেউ চালান। যদিও, এই বিতর্কের পরেই আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়েছে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবও।



বিবৃতি দিয়ে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব জানিয়েছে, কিছু ব্যক্তির দ্বারা সোশ্যাল মিডিয়াতে ইস্টবেঙ্গলের নাম ব্যবহার করে প্রাক্তন কোচ অস্কারকে নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করা হচ্ছে। অস্কারের প্রতি ক্লাব গভীরভাবে কৃতজ্ঞ ও তাঁর অবদান ক্লাব মনে রাখবে। ব্রুজো কিভাবে দল বা খেলোয়াড় নির্বাচন করতেন, সেই নিয়েও ক্লাব আগ্রহী নয়। এমনকি কোনও সমর্থক যেন এই জাতীয় প্ররোচনাতে পা না দেন, সেই অনুরোধও করা হয়েছে ইস্টবেঙ্গলের তরফে। সুতরাং, শেষ হইয়াও হইল না শেষ-এর মতো আবার লাল-হলুদে ফিরল অস্কার বিতর্ক।



 কলকাতা স্টেশন থেকে বিশেষ ট্রেনে শুরু হবে সোমনাথ যাত্রা। কলকাতা স্টেশনে উপস্থিত থেকে এই বিশেষ যাত্রার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রীর উদ্বোধনের পরই প্রায় হাজারের বেশি ভক্তকে নিয়ে গুজরাটের সোমনাথের উদ্দেশে রওনা দেবে বিশেষ ট্রেন।


যাতায়াত, থাকা-খাওয়া-সব ফ্রি! রাজ্যবাসীকে এই জ্যোতির্লিঙ্গ দর্শনে নিয়ে যাচ্ছে শুভেন্দু সরকার
নিখরচায় সোমনাথ দর্শন করাবে রাজ্য সরকার।

পুজোর আগেই রাজ্যবাসীর জন্য বড় উপহার, এবার নিখরচায় সোমনাথ দর্শনের ব্যবস্থা করছে রাজ্য সরকার। প্রথমবার রাজ্য সরকারের উদ্যোগে বিশেষ ‘সোমনাথ যাত্রা’-র আয়োজন করা হচ্ছে। গুজরাটের ঐতিহাসিক সোমনাথ মন্দিরে নিয়ে যাওয়া হবে রাজ্যের ভক্তদের।


কারা যেতে পারবেন?
জানা গিয়েছে, রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে বাছাই করা প্রায় ১,০০০-এর বেশি ভক্তকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সোমনাথ দর্শন করাবে রাজ্য সরকার। ভক্তদের যাতায়াত থেকে থাকা, খাওয়া এবং মন্দির দর্শন—সমস্ত খরচই বহন করবে রাজ্য সরকার।


প্রথমবার বাজারে Foldable ফোন আনল অ্যাপল! দাম কত? কী কী ফিচার আছে জানেন?
কবে যাত্রা শুরু?
আগামী ১২ সেপ্টেম্বর কলকাতা স্টেশন থেকে বিশেষ ট্রেনে শুরু হবে সোমনাথ যাত্রা। কলকাতা স্টেশনে উপস্থিত থেকে এই বিশেষ যাত্রার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রীর উদ্বোধনের পরই প্রায় হাজারের বেশি ভক্তকে নিয়ে গুজরাটের সোমনাথের উদ্দেশে রওনা দেবে বিশেষ ট্রেন।


পুজোর ঠিক আগে রাজ্যবাসীর জন্য এই বিশেষ ধর্মীয় ভ্রমণের উদ্যোগকে সামনে রেখে ইতিমধ্যেই প্রশাসনিক স্তরে শুরু হয়েছে প্রস্তুতি। প্রথমবার রাজ্যের উদ্যোগে নিখরচায় সোমনাথ দর্শন করানো হবে। আগামী ১২ সেপ্টেম্বর কলকাতা থেকেই শুরু হচ্ছে এই বিশেষ যাত্রা।



জুটার সদস্যদের অতীত ও বর্তমান ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মুখ্যমন্ত্রী হুঁশিয়ারি দেন, তাদের সমস্ত ইতিহাস বের করা হবে। প্রয়োজনে প্রাক্তন উপাচার্য গোপাল সেন হত্যার ইতিহাস খতিয়ে দেখতে কমিশন বসানোর ইঙ্গিতও দেন তিনি। 


কড়া মাপের ওষুধ দিতে হবে', জুটার অধ্যাপকদের কড়া আক্রমণ শুভেন্দুর
বিধানসভায় শুভেন্দু অধিকারী

বিধানসভায় বিশেষ অধিবেশনে দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনিভার্সিটিজ অ্যান্ড কলেজেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড রেগুলেশন অ্যামেন্ডমেন্ট বিল, ২০২৬’ পেশের মাধ্যমে রাজ্যের এক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক বা অশিক্ষক কর্মীদের অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে বদলি করার আইনি কাঠামো তৈরি করা হয়েছে। বিধানসভায় পাশ হল ‘অধ্যাপক ও শিক্ষাকর্মী বদলি বিল’। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি (JUTA) প্রথম থেকেই এই বিলের বিরোধিতা করছিল। এই বিল কেন আনা হল, সে প্রসঙ্গে বলতে গিয়েই মুখ্যমন্ত্রীর কথায় উঠে এল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় প্রসঙ্গ। আর তাতেই মুখ্যমন্ত্রীর নিশানায় জুটার অধ্যাপকরা। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “জুটার লোকেরা কী করেছেন, সব ইতিহাস রয়েছে, বার করব।”


বিধানসভায় দাঁড়িয়ে ঠিক কী বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী? 


অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে বার্ধক্য ভাতার ১৫০০! টাকা পেতেই ক্ষোভ প্রকাশ করে ব্যানার বৃদ্ধের ছেলের! কারণ জানেন?

যাদবপুরের জুটার অধ্য়াপকদের উদ্দেশে কড়া আক্রমণ শানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ” আমি বুঝতে পারছিলাম সিপিএমের সদস্য ও তার সহযোগী আইএসএফ, তারা বুঝতে পারছে, এই বিলটা কোথায় আঘাত করবে। তথাকথিত ছাত্র নামধারী নয়। যাঁরা ব্রেন ওয়াশ করছেন, তাঁদেরকেও কড়া মাপের ওষুধ দিতে হবে।” জুটার সদস্যদের অতীত ও বর্তমান ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মুখ্যমন্ত্রী হুঁশিয়ারি দেন, তাদের সমস্ত ইতিহাস বের করা হবে। প্রয়োজনে প্রাক্তন উপাচার্য গোপাল সেন হত্যার ইতিহাস খতিয়ে দেখতে কমিশন বসানোর ইঙ্গিতও দেন তিনি।


জুটার অধ্যাপকদের উদ্দেশে কিছুটা কটাক্ষের সুরেই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা এই জন্য বিল প্রয়োগ করব না, আমরা এই কারণে প্রয়োগ করব, কারণ আমাদের নতুন তৈরি হওয়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে তথাকথিত পণ্ডিতগুলোকে পাঠাব। তাঁরা গিয়ে দুর্বল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে শক্তিশালী করে দিয়ে আসবেন। তথাকথিত সমাজবাদ প্রতিষ্ঠা করতে চান, তাঁদের নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ে আনছি। তাঁদের বিরাট মেধাকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে চাই। আপত্তির কারণ কী! ”

সরাসরি আক্রমণ করে তিনি বলেন, “অধ্যাপক বামপন্থীদের জামা পরে গেরুয়াকে টার্গেট করছেন। পহেলগাঁও হামলার প্রতিবাদে মিছিল করেন না ওঁরা। সনাতন ধর্মকে ওনারা কালচারাল মনে করেন। নকশালদের বীজ উপড়ে ফেলার সঠিক সময়।”

প্রসঙ্গত, দেওয়াল লিখন, তা মুছে দেওয়া, ফের দেওয়াল লিখনে যাদবপুরের পরিবেশ যখন তপ্ত, তখনই দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী সাফ বলে দিয়েছিলেন, যাদবপুরের দেওয়ালে ‘কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি’ স্লোগান কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। কড়া বার্তাও দিয়েছিলেন তিনি। তারপরও পরিস্থিতির পরিবর্তন সেভাবে হয়নি। বিধানসভায় দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী এদিন আবারও বলেন, “ঋষি অরবিন্দের তৈরি করা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, যেখান হস্টেল থেকে ছাত্রছাত্রীদের বের করে নিয়ে যাবেন, বলবেন কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি, তা চলবে না। আমরাই টুকরো করে দেব আপনাদের। সীমা রয়েছে বেয়াদপের। আর্টস বিভাগের দেওয়ালে লিখছেন ফ্রি প্যালেস্টাইন। রেড স্যালুট কমরেড কিষাণজি, গোদাবরী থেকে গোমতী যারা আলাদা ভারত তৈরির পরিকল্পনা করেন, তাদের বরদাস্ত করা হবে না। যাঁরা বলছেন চিহ্নিত।”



ব্রিকস সামিটে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আসবেন কি না, তা নিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরেই জল্পনা ছিল। তবে আজ সব জল্পনার অবসান করে বাংলাদেশ সরকারের তরফে জানানো হয় যে ভারতে ব্রিকস সামিটে যোগ দিতে আসবেন না। 


ভারতে আসছেন না বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান! কেন?
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

 ভারতে আসছেন না বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান (Tarique Rahman)। ব্রিকস লিডারস সামিটে (BRICS Leader’s Summit) অংশ নিতে নয়া দিল্লিতে আসার কথা ছিল তাঁর, কিন্তু শেষ মুহূর্তে জানা গেল, ব্রিকসের বৈঠকে যোগ দেবেন না তারেক রহমান। আজ বাংলাদেশের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এ দিন সাংবাদিক বৈঠক করে এ কথা জানান। এরপরে বিএনপি-র ফেসবুক পেজেও পোস্ট করা হয়।


কেন আসছেন না তারেক রহমান?
ব্রিকস সামিটে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আসবেন কি না, তা নিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরেই জল্পনা ছিল। তবে আজ সব জল্পনার অবসান করে বাংলাদেশ সরকারের তরফে জানানো হয় যে ভারতে ব্রিকস সামিটে যোগ দিতে আসবেন না।


 অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে বার্ধক্য ভাতার ১৫০০! টাকা পেতেই ক্ষোভ প্রকাশ করে ব্যানার বৃদ্ধের ছেলের! কারণ জানেন?
বিদেশ প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জানান যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ করা হয়নি, বরং বিমস্টেকের চেয়ারম্যান হিসাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। সেই কারণেই তারেক রহমান ভারতে আসছেন না। এমনকী, বাংলাদেশের কোনও প্রতিনিধিও ব্রিকস সামিটে যোগ দিতে আসবেন না বলেই জানানো হয়েছে।


প্রসঙ্গত, বিমস্টেক হল বঙ্গোপসাগরের সাত দেশের আঞ্চলিক জোট। এই জোটের সদস্য হল ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, মায়ানমার, নেপাল ও ভুটান।

ভারতে কি আসবেনই না তারেক?
ব্রিকস সামিটে না এলেও, বিদেশ প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির নিজেই জানিয়েছেন যে ভারত ও বাংলাদেশ-উভয়ই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের ব্যবস্থা করছে। অনুকূল পরিবেশ হলেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারতে দ্বিপাক্ষিক সফরে আসবেন।

এর আগে জল্পনা শোনা গিয়েছিল যে চলতি বছরের নভেম্বর মাসের শেষে বা ডিসেম্বরে ভারত সফরে আসতে পারেন তারেক রহমান। তবে দুই দেশের তরফেই এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও ঘোষণা করা হয়নি।





কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত নতুন বিল পেশ করা হল বিধানসভা। শুরুতেই বিল নিয়ে আপত্তি জানায় সিপিএম ও আইএসএফ। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের পর বিল নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।


 'পিএইচডি নেই, যাদবপুরের অধ্যাপক...', 'অনিলায়নে' কী হত, মুখ খুললেন ঋতব্রত
অনিলায়ন প্রসঙ্গে ঋতব্রত

বৃহস্পতিবারের বিশেষ অধিবেশনে পেশ হওয়া শিক্ষা সংক্রান্ত নতুন বিল নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় (Ritabrata Banerjee)। কেন সকাল সাড়ে ১০টায় বিল সার্কুলেট করে ১১ টায় সেই বিল নিয়ে আলোচনা করতে হল, তা গণতন্ত্রের পক্ষে সুস্থ কি না, সেই প্রশ্ন তুলেছেন তৃণমূল বিধায়ক। একইসঙ্গে বাম আমলের কথাও উঠে এল তাঁর মুখে।


এদিন বিধানসভায় শিক্ষাক্ষেত্রে ‘অনিলায়ন’ ও ‘মমতায়নে’র কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বাম আমলে শিক্ষাঙ্গনে রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে যে চর্চা হয়, সেটাই ‘অনিলায়ন’ বলে পরিচিত। উল্লেখ্য, সেই সময় সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক ছিলেন অনিল বিশ্বাস। আর রাজ্য বিধানসভার বর্তমান বিরোধী দলনতে ঋতব্রত একসময় সেই বাম রাজনীতির সঙ্গে একনিষ্ঠভাবে জড়িত ছিলেন। এদিন বিধানসভায় তাঁর মুখেও শোনা যায় সেই অনিলায়নের কথা।


 'স্যানিটারি প্যাড পড়ে রয়েছে তো কী হয়েছে?' জয়িতা ব্যাগ ছুড়ে ফেলতেই বিগ বসের ঘরে হুলুস্থুলকাণ্ড
নিজের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে এদিন ঋতব্রত বলেন, “একসময় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) আমাকে ডেকে একটি বিশেষ বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা জানতে চেয়েছিলেন। সেই সময় প্রথম সারির এক দৈনিকে উত্তর সম্পাদকীয় প্রকাশিত হয়েছিল। সেখানে যাদবপুর সম্পর্কে লেখা ছিল। পরে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ডেকে বলেছিলেন, উচ্চ শিক্ষামন্ত্রীকে চিঠি দাও। দিয়েছিলাম কাজ হয়নি। এবারও মন্ত্রীকে সেই তথ্য দিয়ে দেব।”


ঋতব্রত আরও বলেন, “সেই অনিলায়নের সময় আমার ছাত্র আন্দোলনের এক সহযোগী সোনারপুর কলেজে পড়াতেন। পিএইচডি নেই, হঠাৎ করে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হয়ে গেলেন। ডিটেল আকারে সে সব মন্ত্রীকে দিয়েছিলাম, কাজ হয়নি। যে ডেটা রয়েছে, তা দিয়ে দেখব।”



 শুক্রবার একটি মিছিল করার আবেদন জানানো হয়েছিল। অনুমতি না মেলায় হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সিঙ্গল বেঞ্চ সভা করার অনুমতি দেয়। এরপর ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয় রাজ্য। মাহেশ থেকে শ্রীরামপুর পর্যন্ত মিছিল করতে চেয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী।




কলকাতা: শুক্রবার শ্রীরামপুরে হচ্ছে না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সভা। মিছিল করার আবেদন আগেই খারিজ হয়ে যায়। তবে সভা করার অনুমতি মিলেছিল। কিন্তু বৃহস্পতিবারই ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয় রাজ্য। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতার হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee)। সেই শুনানিতে সভা করার জায়গা নিয়ে রাজ্য যে প্রস্তাব দেয়, তাতে রাজি হননি মমতা।

মিছিলের বদলে মিটিং করার অনুমতি দেয় সিঙ্গল বেঞ্চ

শ্রীরামপুরে মিছিলের বদলে মিটিং করার অনুমতি দেয় হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ। সাধারণ মানুষের যাতে সমস্যা না হয়, গাড়ি চলাচলে জন্যে জায়গা রেখে দুপুর ১টা থেকে ৩টের মধ্যে মিটিং শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়। লোকসংখ্যাও বেঁধে দেওয়া হয়। আদালত নির্দেশ দেয়, “মিটিং করাকালীন এমন কোনও মন্তব্য করা যাবে না, যার কারণে বিশেষ কোনও গোষ্ঠী মর্মাহত হন।”


আপনার উদ্দেশে সাধারণ জনগণকে সমস্যায় ফেলা নয়: প্রধান বিচারপতি

শ্রীরামপুরের সভা নিয়ে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয় রাজ্য। সিঙ্গল বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে মামলা উল্লেখ করে রাজ্য। ডিভিশন বেঞ্চে অভিযোগ ডানায় জগন্নাথ মঠ কর্তৃপক্ষ। তাদের বক্তব্য, জগন্নাথ মঠ কোনও রাজনৈতিক দলকে তাদের জায়গা ব্যবহার করতে দিতে চায় না। দিল্লি রোডে হলে অসুবিধা কোথায়? প্রশ্ন করেন বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী। আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘দিল্লি রোড শ্রীরামপুরের বাইরে।’

হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ঘুগে বলেন, “আপনার উদ্দেশে সাধারণ জনগণকে সমস্যায় ফেলা নয়।” প্রধান বিচারপতি বলেন, “এমন জায়গায় করুন, যাতে বার্তা যাক, কিন্তু কোনও সমস্যা না হয়।” পরে ফের শুনানি হয় হাইকোর্টে।

মনে হচ্ছে কেউ আমাদের দয়া করছে: কল্যাণ

ডিভিশন বেঞ্চে রাজ্য জানায়, রবিবার শ্রীরামপুর আদালতের মাঠে সভার অনুমতি দিতে পারে তারা। ৫০০ সমর্থক থাকতে পারবে সেখানে। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এই প্রস্তাবে আপত্তি জানান। তিনি বলেন, “স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে বাড়ি থেকে বের হতে দেব না। মনে হচ্ছে যেন, আমাদের কেউ দয়া করছে। আদালত চত্বরে সম্ভব নয়।”

এই শুনানিতেই আই সির বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “ভোটের আগে আমার বাড়িতে মিষ্টি পাঠিয়ে ফেভার নেওয়ার কথা বলেছিল। পরে পরিবর্তনের পর বদলে যায়।” একথা শুনে বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী বলেন, “সভার থেকে আই সি-র বিরুদ্ধে পদক্ষেপ চাইছেন মনে হচ্ছে।”

কল্যাণ আশঙ্কা প্রকাশ করেন, এই কটা দিন আরও সমর্থকদের গ্রেফতার করা হতে পারে। বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী বলেন, “আই সি আরও কাউকে গ্রেফতার করতে পারে। তবে আমরা সেই মামলা দেখছি না। ফলে হস্তক্ষেপ করব না।”

শুক্রবার হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে দুপুর সাড়ে ১২ টায় ফের এই মামলার শুনানি। সভার বিকল্প স্থান নিয়ে অবস্থান জানাবে রাজ্য। কেন শ্রীরামপুরে হচ্ছে, তৃণমূল কর্মীদের পুলিশি হেনস্থা করার অভিযোগ সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অতিরিক্ত হলফনামায় নিজেদের বক্তব্য জানাতে পারবে মামলাকারী প্রাক্তন বিধায়ক অসিত মজুমদার।



বৃহস্পতিবার বিধানসভায় 'দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনিভার্সিটিজ অ্যান্ড কলেজেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড রেগুলেশন অ্যামেন্ডমেন্ট বিল, ২০২৬’ পেশ হয়েছে। সেই বিশেষ অধিবেশনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বামেদের পরপর কড়া বার্তা দেন শুভেন্দু অধিকারী।

লেনিন, মার্কস নিয়ে আপনাদের এত জ্ঞান...' বামেদের 'বিরাট' মেধাকে কীভাবে কাজে লাগাতে চান শুভেন্দু
শুভেন্দু অধিকারী

বাম আমলে হওয়া চাকরি থেকে পার্টি অফিস, পার্টি অফিস, একের পর এক ইস্য়ুতে বামেদের বিদ্ধ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বৃহস্পতিবার ‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনিভার্সিটিজ অ্যান্ড কলেজেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড রেগুলেশন অ্যামেন্ডমেন্ট বিল, ২০২৬’ বিল পেশ হয় বিধানসভার বিশেষ অধিবেশনে। নতুন বিলে কোন কোন নিয়মের বদলের কথা বলা হয়েছে, তাও এদিন উল্লেখ করেন তিনি। উল্লেখ করা হয়েছে বদলি সংক্রান্ত নিয়মের কথাও। সেই প্রসঙ্গেও বামেদের নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী।


পুরনো আইনে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী বদলির নিয়ম ছিল না। নয়া বিলে অন্য রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়ে বদলির নিয়ম আনা হচ্ছে। এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ে তথাকথিত পণ্ডিতদের পাঠাব। গিয়ে দুর্বল ইউনিভার্সিটিগুলোকে শক্তিশালী করে দিয়ে আসুক।”

নাম না করে বামফ্রন্টকে আক্রমণ করে শুভেন্দু বলেন, “আপনাদের এত জ্ঞান, এত আন্তর্জাতিক বুদ্ধি। কমরেড লেনিন, কমরেড মার্কস, চে গুয়েভারা…কৃষকের রাজত্বের কথা, শ্রমিকের রাজত্বের কথা বলেন। সমাজবাদ প্রতিষ্ঠা করতে চান।” অধ্যাপকদের বার্তা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “সমাজ আনতে গেলে পুরনো ইউনিভার্সিটি থেকে নতুন ইউনিভার্সিটিতে পাঠাব। তাদের বিরাট মেধাকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে চাই। আপত্তির কী আছে।”


এদিন নতুন বিল নিয়ে আলোচনার সময় আপত্তি জানায় সিপিএম বিধায়ক মুস্তাফিজুর রানা, আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী আপত্তি জানান।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি (JUTA)-কেও এদিন আক্রমণ করেন শুভেন্দু। এই বিল কেন আনা হল, সে প্রসঙ্গে বলতে গিয়েই মুখ্যমন্ত্রীর কথায় উঠে আসে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় প্রসঙ্গ। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “জুটার লোকেরা কী করেছেন, সব ইতিহাস রয়েছে, বার করব।”



ভাঙ্গড় থানার নলমুড়ি এলাকায় বাসন্তী হাইওয়েতে মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল এক গৃহবধূর। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। বেশ কিছুক্ষণ অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে বাসন্তী হাইওয়ে। উত্তেজিত জনতা একটি বাস ও একটি বোলেরো পিকআপ গাড়িতে ভাঙচুর চালায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গৃহবধূ বাসন্তী হাইওয়ে পারাপার করছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় গিরিন সিগন্যাল লাল থাকা সত্ত্বেও একটি বোলেরো পিকআপ গাড়ি এবং ধামাখালি থেকে কলকাতাগামী একটি বাস দ্রুতগতিতে সিগন্যাল অমান্য করে এগিয়ে আসে। তখনই ওই গৃহবধূকে সজোরে ধাক্কা মারে। ধাক্কায় তিনি রাস্তায় ছিটকে পড়লে তাঁর শরীরের উপর দিয়ে গাড়ির চাকা চলে যায়। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয় বলে জানা গিয়েছে।
দুর্ঘটনার পরই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষুব্ধ জনতা বাস ও বোলেরো গাড়িতে ভাঙচুর চালায় এবং বাসন্তী হাইওয়ে অবরোধ করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় ভাঙ্গড় থানার পুলিশ। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে এবং মৃতদেহ উদ্ধার করে নলমুড়ি হাসপাতালে নিয়ে যায়।

ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখছে পুলিশ।