WEATHER

Top News


নতুন সিলেবাসে আগেই সিলমোহর দিয়েছিল রাজ্য সরকার। এবার শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্য়ায়ের অবদান ও পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাস পড়ানো হবে স্কুলের বইতে। তবে, বাদ যাচ্ছে সিঙ্গুর আন্দোলনের অধ্যায়। যে আন্দোলনে বিরোধী দলনেতা হিসেবে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাম ছিল, সেই অধ্যায় এবার বাদ দেওয়া হচ্ছে।


নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থার খোলনলচে বদল করতে তৎপর রাজ্য সরকার। স্কুলের ইউনিফর্ম থেকে শুরু করে উচ্চমাধ্যমিকের পরীক্ষা ব্যবস্থা, সব ক্ষেত্রেই পরিবর্তনের বার্তা দেওয়া হয়েছে। আর এবার বদলে গেল বই। আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই নতুন বই হাতে পাবেন পড়ুয়ারা। ইতিমধ্য়েই সেই বই ছাপাতে দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর। TV9 বাংলার হাতে সেই নতুন বইয়ের ছবি।


নতুন কী থাকছে বইতে?
প্রত্যেকটি বিষয়ের বইয়ের প্রথম পাতায় থাকছে সংবিধানের প্রস্তাবনা। থাকছে সংবিধানের মৌলিক অধিকার ও কর্তব্য পালনের বিষয়টিও। স্কুলশিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মন জানিয়েছেন, সংবিধানের প্রস্তাবনা আগেও থাকত, কিন্তু নাগরিকদের যে কিছু কর্তব্য আছে, সেটাও মনে করিয়ে দেওয়া জরুরি। মন্ত্রী বলেন, “ছাত্রছাত্রীরা এগুলো শিখলে আরও সুশৃঙ্খল নাগরিক সমাজ গড়ে উঠবে।”



বইয়ের দ্বিতীয় পাতায় থাকছে রাষ্ট্রগীত ‘বন্দে মাতরম’। প্রত্যেকদিন স্কুলে পূর্ণ ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে আগেই। এবার সেই রাষ্ট্রগীত ছাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে বইয়ের সামনের পাতায়। শিক্ষামন্ত্রীর কথায়, বইয়ের পাতায় থাকলে পড়ুয়াদের মুখস্থ করতেও কোনও অসুবিধা হবে না।

কী আছে নতুন সিলেবাসে?
নতুন সিলেবাসে আগেই সিলমোহর দিয়েছিল রাজ্য সরকার। এবার শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্য়ায়ের অবদান ও পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাস পড়ানো হবে স্কুলের বইতে। তবে, বাদ যাচ্ছে সিঙ্গুর আন্দোলনের অধ্যায়। যে আন্দোলনে বিরোধী দলনেতা হিসেবে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাম ছিল, সেই অধ্যায় এবার বাদ দেওয়া হচ্ছে।



রাজ্যে ক্ষমতার আসার আগে থেকেই বিনিয়োগের আশা দেখিয়েছিল বিজেপি। ক্ষমতায় আসতেই সেই প্রতিশ্রুতি পূরণও করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই রাজ্যে বিনিয়োগ করেছে আদানি। নিউ টাউনে তৈরি হচ্ছে ২,০০০ শয্যাবিশিষ্ট অত্যাধুনিক হাসপাতাল, মেডিক্যাল কলেজ এবং গবেষণাকেন্দ্র ‘আদানি আরোগ্য মন্দির’।

 বিনিয়োগের জোয়ার আসছে বাংলায়! মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ সজ্জন জিন্দালের, নিলেন মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের দায়িত্ব
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করলেন শিল্পপতি সজ্জল জিন্দাল।

বাংলায় আরও বিনিয়োগের আশা। দীপাবলির আগেই রাজ্যে শিল্প সম্ভাবনা আরও উজ্জ্বল হল। আজ, বুধবার সন্ধ্যায় নবান্নে এসে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)-র সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন জেএসডব্লিউ গ্রুপের চেয়ারম্যান সজ্জন জিন্দাল (Sajjan Jindal)।


আজ মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে নবান্নে গিয়ে দেখা করেন সজ্জল জিন্দাল। শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটাই তাঁদের প্রথম বৈঠক।


রোগ নির্ণয় করতে পারলেই ৫০০-১০০০টাকা! প্রেসক্রিপশনের কেবল একটা জেরক্স দিয়েই লাখ লাখ টাকার ব্যবসা

 নেহা বোরার 'মন্দিরে ধর্ষণ' মন্তব্যে তীব্র আক্রমণ বিজেপির, সমর্থন করল না কংগ্রেসের শরিকরাও
জানা গিয়েছে, আজকের এই বৈঠকে বাংলায় বিদ্যুৎ, পাওয়ার সিস্টেম, বন্দর, সিমেন্ট ও ইস্পাত সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনিয়োগের সুযোগ নিয়ে আলোচনা হয় দুজনের মধ্যে।


সজ্জল জিন্দালের সঙ্গে দেখা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “সজ্জন জিন্দাল দেখা করেছেন। বড় বিনিয়োগ হচ্ছে। জানুয়ারিতে ভূমিপুজো হবে। আমি চাকরির কথা বলেছি। সামাজিক কর্তব্য হিসাবে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের দায়িত্ব নেবেন তিনি। মন্দির সংস্কার করতে চান।”

প্রসঙ্গত, রাজ্যে ক্ষমতার আসার আগে থেকেই বিনিয়োগের আশা দেখিয়েছিল বিজেপি। ক্ষমতায় আসতেই সেই প্রতিশ্রুতি পূরণও করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই রাজ্যে বিনিয়োগ করেছে আদানি। নিউ টাউনে তৈরি হচ্ছে ২,০০০ শয্যাবিশিষ্ট অত্যাধুনিক হাসপাতাল, মেডিক্যাল কলেজ এবং গবেষণাকেন্দ্র ‘আদানি আরোগ্য মন্দির’। মহাকরণ এবং কুমারটুলি ঘাটের হেরিটেজ কাঠামো পুনরুদ্ধার ও সংস্কারের দায়িত্বও আদানি গোষ্ঠীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। ২০৩৫ সালের মধ্যে রাজ্যে পরিকাঠামো উন্নয়নের বিভিন্ন ক্ষেত্রে এক লক্ষ কোটি টাকা বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে, মুকেশ অম্বানীও বিনিয়োগ করতে পারেন। ইতিমধ্যেই মুম্বইয়ে অম্বানীদের বাড়িতে গিয়ে বৈঠক সেরে এসেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এবার কি জিন্দাল গোষ্ঠীও বিনিয়োগের ঝুলি আনছে।





ডায়মন্ড হারবার: পুলিশ হেফাজতে থাকা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করেই বড়সড় সাফল্য পেল ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলা। 

তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দক্ষিণ ২৪ পরগনার সরিষায় তৃণমূল কংগ্রেসের একটি দলীয় কার্যালয় থেকে উদ্ধার হল ১ কোটি ২ লক্ষ ৭৯ হাজার টাকা নগদ।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া দলীয় কার্যালয়টি মগরাহাট পশ্চিমের তৃণমূল বিধায়ক শামিম আহমেদের বলে পরিচিত। বুধবার সাংবাদিক বৈঠকে ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অভিষেক মজুমদার এই টাকা উদ্ধারের কথা জানান।
তবে এত বিপুল পরিমাণ টাকা কোথা থেকে এল, কার মালিকানাধীন এবং কী উদ্দেশ্যে পার্টি অফিসে রাখা হয়েছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। উদ্ধার হওয়া টাকার উৎস ও আর্থিক লেনদেনের নথি খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এই ঘটনায় আর কারা জড়িত, তা জানতেও চলছে তদন্ত।
সব মিলিয়ে সরিষার তৃণমূল কার্যালয় থেকে কোটি টাকারও বেশি নগদ উদ্ধারের ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

২০২৭ সালের ঐতিহ্যবাহী গঙ্গাসাগর মেলাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে নবান্ন থেকে শুরু করে সাগরদ্বীপ পর্যন্ত জোরকদমে চলছে প্রশাসনিক প্রস্তুতি। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশনায় ইতিমধ্যেই একাধিক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে। নতুন বিজেপি সরকারের অধীনে এটিই প্রথম গঙ্গাসাগর মেলা। তাই মেলা পরিচালনায় কোনওরকম খামতি রাখতে চাইছে না রাজ্য প্রশাসন।

এবারের মেলার মূল লক্ষ্য পুণ্যার্থীদের যাতায়াত থেকে শুরু করে পুণ্যস্নান এবং নিরাপদে বাড়ি ফেরা পর্যন্ত প্রতিটি ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করা। মেলার অন্যতম বড় সিদ্ধান্ত হলো **ভিআইপি সংস্কৃতি সম্পূর্ণ বাতিল করে সাধারণ পুণ্যার্থী ও ভিআইপিদের জন্য সমান পরিষেবার ব্যবস্থা।**

যাতায়াতের সুবিধার্থে কলকাতা থেকে সরাসরি গঙ্গাসাগর পর্যন্ত বিনামূল্যে বাস পরিষেবা চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ সামলাতে বিভিন্ন রুটে বিশেষ ট্রেন চালানোর ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।

মেলা প্রাঙ্গণের পরিকাঠামো উন্নয়নেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পুণ্যার্থীদের ভিড় সামলাতে মেলা গ্রাউন্ডের পরিধি বাড়ানো হচ্ছে। তৈরি ও সংস্কার করা হচ্ছে একাধিক স্নানঘাট ও জেটিঘাট। পাশাপাশি মেলা চত্বরে হাজার হাজার শৌচাগার, বিশুদ্ধ পানীয় জলের ব্যবস্থা এবং অন্যান্য জরুরি পরিষেবা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এবার থাকছে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার। সমগ্র মেলা প্রাঙ্গণ, জেটিঘাট এবং উপকূলবর্তী এলাকায় বসানো হবে এআই প্রযুক্তিনির্ভর সিসিটিভি ক্যামেরা। আকাশপথে নজরদারির জন্য মোতায়েন থাকবে হেলিকপ্টার। ভিড় নিয়ন্ত্রণ এবং দুর্ঘটনা এড়াতে পুণ্যস্নানের জন্য পৃথক প্রবেশ ও প্রস্থান পথ তৈরি করা হচ্ছে। এই পথগুলি প্রশস্ত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে একসঙ্গে বহু মানুষ নিরাপদে যাতায়াত করতে পারেন।

ইতিমধ্যেই জেলা প্রশাসন, পুলিশ বিভাগ এবং নবান্নের শীর্ষ আধিকারিকদের মধ্যে একাধিক দফায় বৈঠক হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী **৮ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়ার কথা গঙ্গাসাগর মেলা ২০২৭।** মেলার শুভ উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলে জানানো হয়েছে।

সব মিলিয়ে উন্নত পরিবহণ ব্যবস্থা, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা, উন্নত পরিকাঠামো এবং পুণ্যার্থীদের জন্য সমান পরিষেবার মাধ্যমে গঙ্গাসাগর মেলা ২০২৭-কে আন্তর্জাতিক মানের এক বৃহৎ ধর্মীয় ও পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত করাই প্রশাসনের মূল লক্ষ্য।

কালীপুজোর আগেই রায়মঙ্গল নদী থেকে উদ্ধার মা কালীর বিগ্রহ, অবশেষে ফিরলেন নিজের ঘরে। কালীপুজোর প্রস্তুতির মাঝেই এক অভাবনীয় ঘটনার সাক্ষী থাকল সুন্দরবনের হিঙ্গলগঞ্জ। মঙ্গলবার সকালে বসিরহাটের হিঙ্গলগঞ্জের মাধবকাটি গ্রামের মৎস্যজীবী বাবলু মণ্ডল মাছ ধরতে গিয়ে রায়মঙ্গল নদীতে একটি কালীমূর্তি ভাসতে দেখেন। 


এরপর তিনি মূর্তিটি উদ্ধার করে গ্রামের একটি মন্দিরে নিয়ে আসেন। খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় ভিড় জমাতে শুরু করেন উৎসুক গ্রামবাসীরা। মুহূর্তের মধ্যে ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের এলাকায়।

এরপর পূঁইজালির একটি মন্দির কমিটির সদস্যরা দাবি করেন, উদ্ধার হওয়া বিগ্রহটি তাঁদের মন্দিরের। কোনওভাবে সেটি নদীতে ভেসে চলে এসেছিল।

 অবশেষে স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় অক্ষত অবস্থায় মায়ের বিগ্রহটি পূঁইজালির বাসিন্দাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। দীর্ঘ অপেক্ষার পর মায়ের মূর্তি ফিরে পেয়ে খুশিতে আপ্লুত গ্রামবাসীরা। মন্দির কমিটির সদস্য উত্তম পাত্র জানান, অক্ষত অবস্থায় মায়ের বিগ্রহ ফিরে পেয়ে তাঁরা অত্যন্ত আনন্দিত।





পরপর একাধিক গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ! মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখায় আতঙ্ক ছড়াল গোটা এলাকায়। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছারখার আনুমানিক চারটি বাড়ি। ঘটনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও স্বস্তির বিষয়, কোনও হতাহতের খবর নেই।

ঘটনাটি কাকদ্বীপের ৮ নম্বর কালীনগরের দাসেরচক এলাকার। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি বাড়ির ভাড়াটিয়া অংশে হঠাৎই আগুন লাগে। আর সেই আগুন লাগার কিছুক্ষণের মধ্যেই পরপর বিস্ফোরণ হয় একাধিক গ্যাস সিলিন্ডারের।

জানা যায়, ঘটনার সময় মূল বাড়ির মালিক পরিবারের সদস্যরা কেউই বাড়িতে ছিলেন না। তাঁরা সকলেই বেড়াতে গিয়েছিলেন। অন্যদিকে, ভাড়াটিয়া পরিবারের সদস্যরা কাজের সূত্রে সকলেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। কিন্তু এরপর কীভাবে আগুনের সূত্রপাত, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

প্রথমে একটি গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে এলাকা। আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। এরপর কিছুক্ষণের ব্যবধানে পরপর আরও প্রায় তিনটি সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হওয়ায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে।

এদিকে, দাসেরচকের রাস্তা অত্যন্ত সংকীর্ণ হওয়ায় সেখানে দমকলের গাড়ি প্রবেশ করা নিয়ে আশঙ্কা থাকলে এমন পরিস্থিতিতে স্থানীয় বাসিন্দারাই আগুন নিয়ন্ত্রণে উদ্যোগী হন।

প্রথমেই নিরাপত্তার স্বার্থে দাসেরচক এবং কাকদ্বীপ ইয়ং ফাইটার্স ক্লাব সংলগ্ন, নোনামাঠের কাছে থাকা দুটি ট্রান্সফর্মারের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। বিদ্যুৎ দপ্তরকেও খবর দেওয়া হয়। এরপর স্থানীয় বাসিন্দারা পুকুর থেকে বালতিতে করে জল তুলে আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগান।
অন্যদিকে, ভাড়াটিয়া বাড়ি থেকে আগুন জানলা দিয়ে ছড়িয়ে পড়ে মূল বাড়িতেও। যার জেরে মূল বাড়ির একটি ঘরের ভিতরে থাকা সমস্ত আসবাবপত্র পুড়ে ছারখার হয়ে যায়। ভাড়াটিয়া ঘরের আসবাবপত্রই নয়, ঘর সহ ঘরে থাকা সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ও নথিপত্রও আগুনে সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গিয়েছে। কার্যত গোটা ঘরটাই ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

পরবর্তীকালে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল বাহিনী এবং স্থানীয় প্রশাসনিক পুলিশকর্তারা। দমকল কর্মীদের প্রচেষ্টায় অবশেষে আগুনের বাকি অংশটুকুও সম্পূর্ণভাবে নেভানো সম্ভব হয়।

সবচেয়ে বড় স্বস্তির বিষয়, ঘটনার সময় বাড়িতে কেউ উপস্থিত না থাকায় কোনও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। তবে পরপর একাধিক গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ এবং ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে সংশ্লিষ্ট পরিবার।

কীভাবে এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কাকদ্বীপের ৮ নম্বর কালীনগরের দাসেরচক এলাকায় ছড়িয়েছে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক।

আবারও বৃষ্টির ভ্রুকুটি দক্ষিণবঙ্গের আকাশে। আবহাওয়ার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি অনুযায়ী, কলকাতা, হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

বিশেষ করে কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, নদিয়া, পূর্ব মেদিনীপুর এবং পূর্ব বর্ধমান জেলার বেশ কিছু এলাকায় ইতিমধ্যেই বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। আগামী বেশ কিছু সময় ধরে এই বৃষ্টির পরিস্থিতি বজায় থাকতে পারে।
তবে সব জায়গায় একটানা বৃষ্টি হবে না। আবহাওয়ার পরিস্থিতি অনুযায়ী বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও হালকা, আবার কোথাও মাঝারি বৃষ্টিও হতে পারে।



দুর্নীতি, অনিয়ম এবং কর্মীদের উপর মানসিক ও শারীরিক অত্যাচারের অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল কাকদ্বীপের আইসিডিএস কর্মীমহল। দশ দফা দাবিকে সামনে রেখে বুধবার (৪ নভেম্বর) কাকদ্বীপ চাইল্ড ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট অফিসে ডেপুটেশন জমা দিল কাকদ্বীপ ইন্ডিপেন্ডেন্ট অঙ্গনওয়াড়ি ওয়ার্কার্স অ্যান্ড হেল্পার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা।

সংগঠনের মূল অভিযোগ, ক্যারিং কন্ট্রাক্টর বিশ্বনাথ কামিলার বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি আইসিডিএস কর্মীদের উপর বিভিন্নভাবে অত্যাচার ও হয়রানি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন আন্দোলনকারীরা। এই সমস্ত অভিযোগের যথাযথ তদন্ত, কর্মীদের উপর হয়রানি বন্ধ এবং তাঁদের ন্যায্য দাবিগুলি দ্রুত কার্যকর করার দাবিতেই এদিন সরব হন তাঁরা।

আইসিডিএস কর্মী প্রতিভা পাজা কুণ্ডু এই ডেপুটেশনের উদ্দেশ্য ও অভিযোগের বিষয়গুলি তুলে ধরেন। এদিনের কর্মসূচিতে প্রায় ৭০ থেকে ৮০ জন আইসিডিএস কর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের উপস্থিতিতে সিডিপিও আধিকারিকের কাছে দশ দফা দাবিসংবলিত স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদিকা আসমা খাতুন জানান, তাঁরা তাঁদের সমস্ত অভিযোগ ও দাবির কথা সিডিপিও আধিকারিকের কাছে জানিয়েছেন। সরকারের উপর তাঁদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে কর্মীদের দুর্ভোগ আরও বাড়বে বলেও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।

এখন দেখার, আইসিডিএস কর্মীদের এই দশ দফা দাবি এবং ক্যারিং কন্ট্রাক্টরের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের ভিত্তিতে প্রশাসন কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে। কর্মীদের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও দ্রুত সমাধানের দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন সকলে।

নৌ-সেনা চ্যালেঞ্জ নিয়েছিল, খুব বড় কোনও বদল ছাড়াই আইএনএস বিক্রান্তের ডেক থেকে মেরিন রাফাল উড়বে। সেজন্য আইএনএস বিক্রান্তের স্টোবার প্ল্যানফর্মের প্রযুক্তিতে বদল আনা হয়। স্টোবার মানে শর্ট টেক অফ অ্যান্ড অ্যারেস্টেড রিকভারি। ভারতীয় প্রযুক্তিবিদ এবং নৌ-সেনার সদস্যরাই স্টোবারের সাহায্যে প্রয়োজনীয় কাজটা করলেন।


নতুন মাইলস্টোন ভারতীয় নৌসেনার, এবার চিনের ফুজিয়ানকেও টেক্কা দেবে INS বিক্রান্ত
আইএনএন বিক্রান্তে সফল অবতরণ মেরিন রাফাল


মাইলস্টোন। আইএনএস বিক্রান্তের ডেক থেকে উড়ছে রাফাল। ভারতীয় নৌ-সেনা এটা সম্ভব করে এমন একটা সাফল্য অর্জন করেছে, যা এর আগে তিনটে দেশের বাইরে কেউ পারেনি। মেরিন রাফাল আসলে আইএনএস বিক্রান্তের কথা ভেবে তৈরিই হয়নি। সেটা হওয়ার কথাই নয়। চার্লস দ্য গলের কথা ভেবে মেরিন রাফাল তৈরি হয়েছে। অন্য দেশ মেরিন রাফাল কিনলে তাদের বিমানবাহী রণতরীগুলো রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং করে পাল্টে নিতে হত। ভারতের ক্ষেত্রে তার প্রয়োজন হল না।


নৌ-সেনা কর্তারা বলছেন, এতদিন আইএনএস বিক্রান্তের ডেক থেকে সুখোই এমকে থার্টির মেরিন ভার্সন টেক অফ করত। সুখোই এমকে থার্টির মেরিন ভার্সনের ওড়ার জন্যই আইএনএস বিক্রান্তের ডিজাইন হয়েছিল। একটি বিশেষ যুদ্ধবিমানের জন্য যে বিমানবাহী রণতরী তৈরি, সেখানে একেবারে নতুন কোনও যুদ্ধবিমান টেক অফ করা যায় না। এজন্য জাহাজের প্রযুক্তিগত পরিবর্তন করতে হয়। জাহাজের ডেকও পাল্টে ফেলতে হয়। ফ্রান্সের থেকে ২৬টি মেরিন রাফাল কিনতে চুক্তি করেছে ভারত। সেই চুক্তির সময়ই ফ্রান্স আইএনএস বিক্রান্তের ডিজাইন পাল্টানোর পরামর্শ দিয়েছিল। ভারত মানেনি। কারণ তাতে অনেক সময় লাগবে। খরচও বিশাল।


নৌ-সেনা চ্যালেঞ্জ নিয়েছিল, খুব বড় কোনও বদল ছাড়াই আইএনএস বিক্রান্তের ডেক থেকে মেরিন রাফাল উড়বে। সেজন্য আইএনএস বিক্রান্তের স্টোবার প্ল্যানফর্মের প্রযুক্তিতে বদল আনা হয়। স্টোবার মানে শর্ট টেক অফ অ্যান্ড অ্যারেস্টেড রিকভারি। ভারতীয় প্রযুক্তিবিদ এবং নৌ-সেনার সদস্যরাই স্টোবারের সাহায্যে প্রয়োজনীয় কাজটা করলেন।

নৌ-সেনা সূত্রে খবর, গত মাসের শুরুতে আরও একটা ধাপ পার করেছে ভারতে তৈরি বিমানবাহী রণতরী। বিক্রান্ত ফুললি অপারেশনাল মোডে এসেছে। এর অর্থ, একটা অস্ত্রের যতটা ক্ষমতা, তার একশো শতাংশ প্রয়োগ পারা। দুনিয়ার বড় শক্তিগুলির হাতে যে বিমানবাহী রণতরী রয়েছে, তার মাত্র ৫০ শতাংশ ফুললি অপারেশনাল। কারণ যে কোনও রণতরীরই সেই স্তরে পৌঁছনোটা প্রযুক্তিগতভাবে জটিল। সেজন্য অনেক সময় লাগে। আর তাই আইএনএস বিক্রান্তের ফুললি অপারেশনাল মোডে পৌঁছনো সব অর্থেই ঐতিহাসিক সাফল্য।

১৮টি মিগ ২৯কে ফাইটার জেট, মাল্টি রোলার কপ্টার সহ একসঙ্গে ৩০টি বিমান অপারেট করতে পারে আইএনএস বিক্রান্ত। এবার এর বুক চিরে রাফালও উড়বে। মেরিন রাফালের অপারেশনাল কভারেজ এরিয়া প্রায় ১২৫ কিলোমিটার। সুখোইয়ের ক্ষেত্রে ৭৫। অর্থাৎ বিক্রান্ত- রাফাল জুটি ভারতীয় জলসীমাকে অনেকটা সুরক্ষিত করবে।

নৌ-সেনার অবসরপ্রাপ্ত অফিসার অনিল জয় সিং জানিয়েছেন, ভারত মহাসাগর ও আরব সাগরে চিনের কথা মাথায় রেখেই আইএনএস বিক্রান্তকে তৈরি করা হয়েছে। আইএনএস বিক্রান্ত ফুললি অপারেশনাল মোডে চলে আসায় ভারত মহাসাগরে দেশের জলসীমা অনেক সুরক্ষিত হল। তাঁর কথায়, চিন যদি তাদের নৌ-বাহিনীর সেরা অস্ত্র ফুজিয়ানকেও এগিয়ে দেয়, তা হলেও তার মহড়া নিতে তৈরি আইএনএস বিক্রান্ত। মনে রাখতে হবে, ফুজিয়ান ২০১৯ সালে জলে ভাসলেও এখনও ফুললি অপারেশনাল মোডে পৌঁছয়নি। সেটা হতে এখনও ২ বছর লাগবে। ক্ষমতা ও প্রযুক্তিতে বিক্রান্তের তুলনায় অনেক এগিয়ে ফুজিয়ান। তবে রাফাল যোগ হওয়ার পর ফুজিয়ানের মহড়া নিতে বিক্রান্তের খুব একটা সমস্যা হবে না বলেই মত নৌ-সেনা কর্তাদের।



 অগ্নিমিত্রার 'মডেল' হল মুম্বইয়ের মেরিন ড্রাইভ। সেখানে যেভাবে আরব সাগরের দুপারে অত্যাধুনিক শহর তৈরি হয়েছে, সেই ধাঁচেই তৈরি করা হবে সবকিছু। শুধু ঘাটগুলি সাজানো নয়, মেট্রো, হাইওয়ে, সাইকেল ট্র্যাক থেকে শুরু করে বিরাট পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তিনি। এই পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর দফতরেও।


 শহরের রাস্তায় মাঝেমধ্যেই বেরিয়ে পড়েন মন্ত্রী। কোথাও পরিচ্ছন্নতা, কোথাও উন্নয়ন, কোথাও নতুন করে সাজানোর বার্তা দিয়ে আসেন। আর এবার একেবারে বড় স্বপ্নের কথা বললেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul)। সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে তিনি একাধিক প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেছেন। গঙ্গার দুই পারের পুরো এলাকা একেবারে নতুন ধাঁচে সাজানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তিনি।


এ ক্ষেত্রে অগ্নিমিত্রার ‘মডেল’ হল মুম্বইয়ের মেরিন ড্রাইভ। সেখানে যেভাবে আরব সাগরের দুপারে অত্যাধুনিক শহর তৈরি হয়েছে, সেই ধাঁচেই তৈরি করা হবে সবকিছু। শুধু ঘাটগুলি সাজানো নয়, মেট্রো, হাইওয়ে, সাইকেল ট্র্যাক থেকে শুরু করে বিরাট পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তিনি। এই পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর দফতরেও।


ঋতর পোস্ট করা এই ছবি ঘিরে এখন তোলপাড়!
মন্ত্রী জানান, মেরিন ড্রাইভের পাশে যেমন হোটেল আছে, অফিস আছে। সেরকমই উন্নয়ন চাইছেন তিনি। বলেন, “অনেক বড় স্বপ্ন দেখছি। উপরে ফোর লেন হাইওয়ে থাকবে। সাইকেল ট্র্যাক থাকবে। সাইকেল ট্র্যাকের জন্য নেদারল্যান্ডের একটি সংস্থার সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে।”


বর্তমানে এক একটি ঘাট উন্নয়ন করা হচ্ছে বলে জানান অগ্নিমিত্রা। তিনি বলেন, ডায়মন্ড হারবার থেকে এসপ্লানেড অবধি নীচ দিয়ে যদি একটা মেট্রো চালানো যায়, তাহলে ভালো হবে। এছাড়া থাকবে, হাঁটার জন্য আলাদা রাস্তা। বিরাট বড় প্ল্যান পিএমও-র সঙ্গে শেয়ার করা হয়েছে বলে জানান তিনি। অনেক শেয়ার হোল্ডার আছে। অর্থাৎ একাধিক দফতর মিলে এটি তৈরি করা হচ্ছে। বিরাট বাজেটের ব্যাপার বলেও জানিয়েছেন অগ্নিমিত্রা।



বাংলার উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে মঙ্গলবার থেকেই শুরু হয়েছে প্রবল বৃষ্টি। আজও চলছে। আর এর মধ্যেই বড় খবর। বিদ্যুৎ সরবরাহের সমস্যার জেরে দিঘা ঢোকার মুখেই ট্রেনে বিপত্তি। পাওয়ার সাপ্লাই বন্ধ হয়ে যাওয়ায়, দিঘা ঢোকার আগে তাম্রলিপ্ত এক্সপ্রেস দাঁড়িয়ে যায়। সমস্যায় যাত্রীরা। প্রায় দীর্ঘ দু'ঘণ্টা ধরে দাঁড়িয়ে ছিল এই ট্রেন।


 দিঘা ঢোকার আগেই থেমে গেলে তাম্রলিপ্ত এক্সপ্রেস, আর এগোতে পারছে না, কেন?
তাম্রলিপ্ত এক্সপ্রেস

ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের ল্যান্ডফল প্রক্রিয়া বুধবার ভোরে অন্ধ্র প্রদেশ ও পুদুচেরির ইয়ানাম উপকূল বরাবর শুরু হয়। এর জেরে সংশ্লিষ্ট এলাকায় প্রবল বৃষ্টিপাত হচ্ছে। বাংলার উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে মঙ্গলবার থেকেই শুরু হয়েছে প্রবল বৃষ্টি। আজও চলছে। আর এর মধ্যেই বড় খবর। বিদ্যুৎ সরবরাহের সমস্যার জেরে দিঘা ঢোকার মুখেই ট্রেনে বিপত্তি। বৈদ্যি বন্ধ হয়ে যাওয়ায়, দিঘা ঢোকার আগে তাম্রলিপ্ত এক্সপ্রেস দাঁড়িয়ে যায়। সমস্যায় যাত্রীরা। প্রায় দীর্ঘ দু’ঘণ্টার বেশি সময় ধরে দাঁড়িয়ে আছে এই ট্রেন।


হাওড়া থেকে প্রতিদিনের মতোই তাম্রলিপ্ত এক্সপ্রেস ছেড়েছিল। আজ সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ ঢোকার কথা ছিল তার। কিন্তু দিঘা থেকে ১ কিলোমিটার দূরে হঠাৎ লোডশেডিং হয়ে যায়। ট্রেনে বন্ধ হয়ে যায় বিদ্যুতের সরবরাহ। এরপরই যাত্রী বোঝাই এক্সপ্রেস থেমে যায় মাঝ রাস্তায়। প্রায় দু’ঘণ্টা হয়ে গিয়েছে, এখনও চলছে না ট্রেন। এ দিকে ট্রেন দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার কারণে যাত্রীদের একাংশ ট্রেন থেকে নেমে যান। ব্যাগ-লাগেজ নিয়ে সকলে হেঁটেই রওনা দিতে শুরু করেন গন্তব্যে।


 ম্যাচিওর পুরুষ পছন্দ শ্রীময়ীর, কাঞ্চনকে প্রথমবার চুমু খেয়ে কেমন লেগেছিল? শ্রীময়ী বললেন 'দাগ কেটে...'
প্রসঙ্গত, ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের জন্য হাওড়া থেকে চারটি ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। কোনও ট্রেন ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত বাতিল করা হয়েছে। আবার কোনও ট্রেন ৫ নভেম্বর পর্যন্ত বাতিল করা হয়েছে। রেলের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ১৮১০৭ রাউরকেলা-জগদলপুর এক্সপ্রেস ২৯ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত বাতিল থাকবে। অন্যদিকে, ১৮১০৮ জগদলপুর-রাউরকেলা এক্সপ্রেস ৩০ অক্টোবর থেকে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে না।এছাড়াও, ১৮০০৫ হাওড়া-জগদলপুর এক্সপ্রেস ২৭ অক্টোবর থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত বাতিল করা হয়েছে। একইভাবে ১৮০০৬ জগদলপুর-হাওড়া এক্সপ্রেস ২৮ অক্টোবর থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে না।



 এ দিন চার রাজ্যে বিধান পরিষদের ফল প্রকাশ হয়। উত্তর প্রদেশে ১১টি আসনের মধ্যে চার আসনে আপাতত জয়ী হয়েছে বিজেপি। কর্নাটকে চার আসনের মধ্যে তিনটিতেই জয়ী হয়েছে বিজেপি। অন্যদিকে মহারাষ্ট্র ও বিহারেও মোটামুটি ভালো ফল করেছে বিজেপি। 

সরাসরি কংগ্রেসকে খোঁচা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (PM Narendra Modi)। চারটি বড় রাজ্যে বিধান পরিষদের নির্বাচন (MLC Election) হয়েছে। আজ ফল প্রকাশ হতেই দেখা গেল, একটিতেও খাতা খুলতে পারেনি কংগ্রেস (Congress)। তাদের এই শোচনীয় ফল নিয়েই এবার একহাত নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।


এ দিন চার রাজ্যে বিধান পরিষদের ফল প্রকাশ হয়। উত্তর প্রদেশে ১১টি আসনের মধ্যে চার আসনে আপাতত জয়ী হয়েছে বিজেপি। কর্নাটকে চার আসনের মধ্যে তিনটিতেই জয়ী হয়েছে বিজেপি। অন্যদিকে মহারাষ্ট্র ও বিহারেও মোটামুটি ভালো ফল করেছে বিজেপি।



এই ফল প্রকাশের পরই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে লেখেন, “উত্তর প্রদেশ, কর্নাটক, বিহার ও মহারাষ্ট্র- চারটি বড় রাজ্যে ২৮টি আসনে বিধান পরিষদ নির্বাচন হয়েছে। ব্যালট পেপার ব্যবহার করেই ভোট হয়েছে। কংগ্রেস ক’টা আসনে জয়ী হয়েছে, গেস করুন।”



‘ এর আগে শুভেন্দু সরাসরি বলেছিলেন 'ভাইপো গ্যাং'-এর কথা। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "চন্দ্রনাথকে খুন করতে শ্যুটার এবং তাঁদের যাঁরা সুপারি দিয়েছিলেন তেমন সাত জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আমার যেটুকু জানা আছে, ওকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য দু'কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে। এই টাকা সরবরাহের কাজ ভাইপো গ্যাং করেছে।'


আগেও বলেছিলেন। আবারও বললেন, তাঁর প্রয়াত পিএ চন্দ্রনাথ রথের খুনের পিছনে থাকতে পারে সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মদত। এর আগে ‘ভাইপো গ্যাং’ বলে মন্তব্য করেছিলেন। আর বুধবার নাম না করে ঘুরিয়ে সেই দিকেই ইঙ্গিত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।


নন্দীগ্রাম বিধানসভা ভোটে এবার প্রার্থী হয়েছিলেন চন্দ্রনাথ রথের মা হাসিরানি রথ। আজ ছিল তাঁর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “হাসি রানির ছেলেকে নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে আমার সহযোগী ছিল বলে। সাত জনকে সিবিআই গ্রেফতার করেছে। সুপারি কিলার আর শ্যুটার গ্রেফতার হয়েছে। এখন ২ কোটি টাকা সুপারি কে দিয়েছিল সেটা জানা বাকি। বিচার পাবেন হাসি রানি।”



মাঝসমুদ্রে ৪৮ ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস অভিযান! জলদস্যুদের কবল থেকে ২০ জনকে উদ্ধার করল ভারতীয় নৌসেনা
তারপরই নাম না করে ঘুরিয়ে বলেন, “এই ২ কোটি কোথা থেকে এসেছিল? কালীঘাট নাকি ক্যামাকস্ট্রিট থেকে এসেছিল? নাকি ডায়মন্ড-হারবারের কেউ দিয়েছিল? এইটুকুই জানা বাকি। এটা জানা হয়ে গেলেই তদন্তের বৃত্ত সম্পূর্ণ হবে আমার বিশ্বাস।” এর আগে শুভেন্দু সরাসরি বলেছিলেন ‘ভাইপো গ্যাং’-এর কথা। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ” “চন্দ্রনাথকে খুন করতে শ্যুটার এবং তাঁদের যাঁরা সুপারি দিয়েছিলেন তেমন সাত জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আমার যেটুকু জানা আছে, ওকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য দু’কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে। এই টাকা সরবরাহের কাজ ভাইপো গ্যাং করেছে।’ এরপর ফের একবার নাম না করে অভিষেকের দিকেই ইঙ্গিত ঘোরালেন শুভেন্দু।