WEATHER

Top News


বিশ্বকর্মা পুজোর শুভ লগ্নে বাংলার মহিলাদের আলাদা করে শুভেচ্ছা জানান তিনি। কারণ আজই বাংলার দেড় কোটি মহিলার অ্যাকাউন্টে ঢুকছে অন্নপূর্ণা যোজনার চতুর্থ কিস্তির ৩ হাজার টাকা। মোদী বলেন, "আজ অন্নপূর্ণা যোজনায় বাংলার মহিলাদের মধ্যে নয়া সামর্থ্য, নয়া শক্তি জুগিয়েছে।"


৭৭-এ পা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। নিজের জন্মদিনে বাংলার মহিলাদের উদ্দেশে বড় বার্তা মোদীর। কীভাবে বাংলার মহিলারা তাঁকে ভরসা জুগিয়েছেন, কীভাবে তাঁর আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছেন, সবটা ব্যক্ত করলেন তিনি। এদিনই বাংলায় পালিত হচ্ছে অন্নপূর্ণা যোজনা দিবস। বাংলায় চালু হচ্ছে বিশ্বকর্মা যোজনা দিবস।


প্রধানমন্ত্রী মোদী বললেন, “আজ আমি সত্যিই খুবই উচ্ছ্বসিত। বাংলার মা-বোনেরা সবসময়ই আমাকে ভালোবাসা -স্নেহ উজাড় করে দিয়েছেন। ওঁদের আত্মীয়তা বোধ আমাকে সর্বদাই শক্তি জুগিয়েছে। আমার শক্তি, আপনাদের ভরসা।” তিনি এও বলেন, “৪-মের পরিবর্তনে সবথেকে বড়ে ভূমিকা বাংলার মা-বোনেদের।”

বিশ্বকর্মা পুজোর শুভ লগ্নে বাংলার মহিলাদের আলাদা করে শুভেচ্ছা জানান তিনি। কারণ আজই বাংলার দেড় কোটি মহিলার অ্যাকাউন্টে ঢুকছে অন্নপূর্ণা যোজনার চতুর্থ কিস্তির ৩ হাজার টাকা। মোদী বলেন, “আজ অন্নপূর্ণা যোজনায় বাংলার মহিলাদের মধ্যে নয়া সামর্থ্য, নয়া শক্তি জুগিয়েছে।” সংসারে একজন মহিলার গুরুত্ব বোঝাতে বলেন, “প্রত্যেক বাড়ির মহিলাদের কাঁধে অনেক দায়িত্ব থাকে। নিজেদের সবটা দিয়ে পরিবারের দেখভাল করেন। জরুরি খরচা করার চিন্তা যখন তাঁদের কম থাকে, তখন তাঁদের আত্মবিশ্বাস আরও বেড়ে যায়। তাই এই অন্নপূর্ণা যোজনা।” তিনি বলেন, “বিজেপি সরকারের কাজের একটাই মূল মন্ত্র, কথা কম, কাজ বেশি।”


উল্লেখ্য, এদিনই বাংলায় পিএম বিশ্বকর্মা যোজনার বিশেষ সাফল্যের কথা উল্লেখ করেন তিনি। এর মাধ্যমে রাজ্যের প্রায় ২ লক্ষ ঐতিহ্যবাহী কারিগর ও শিল্পীকে এই প্রকল্পের আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। প্রথম ধাপে ১ লক্ষ টাকা এবং দ্বিতীয় ধাপে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জামানতবিহীন ঋণ পাওয়া যায়, যার সুদের হার মাত্র ৫ শতাংশ।




বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই দলবিরোধী কার্যকলাপ এবং আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে একাধিক আইএসএফ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক পদক্ষেপ করেছে আইএসএফ। আইএসএফ নেতা, কারিমুল ইসলাম, রাহুল মোল্লা-সহ বেশ কয়েকজনকে সাসপেন্ড ও শোকজ করা হয়েছে।

 'দুই ভাইয়ের দল... টাকা দিতে না পারলেই শোকজ', বিস্ফোরক আরাবুল

 দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে আইএসএফের দুই হেভিওয়েট নেতাকে শোকজ করা হয়েছে। তাঁদের কাছে জবাব তলব করেছে দল। এই পরিস্থিতিতে নওশাদ সিদ্দিকীর দলের দিকে আঙুল তুললেন দলেরই প্রাক্তন নেতা আরাবুল ইসলাম। দুই ভাইয়ের দল। টাকা তুলে দিতে পারেনি বলে শোকজ! বিদ্রুপ প্রাক্তন আইএসএফ নেতা আরাবুল ইসলামের।।


বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই দলবিরোধী কার্যকলাপ এবং আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে একাধিক আইএসএফ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক পদক্ষেপ করেছে আইএসএফ। আইএসএফ নেতা, কারিমুল ইসলাম, রাহুল মোল্লা-সহ বেশ কয়েকজনকে সাসপেন্ড ও শোকজ করা হয়েছে।


'কোন বাপ ঠেকায় দেখব', অডিয়ো ভাইরাল হতেই বিধায়ক অসীম বললেন, 'সেই পুলিশ অফিসারের গালে কি চুমু খাব?'

আমি ওখানে রেয়াত করব না', দুর্গাপুজোর আগেই কাদের হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখলেন IC?
এবার সেই তালিকায় নাম উঠেছে আইএসএফের দুই গুরুত্বপূর্ণ নেতার। একই অভিযোগে আইএসএফের রাজ্য কার্যকরী সভাপতি শামসুল আলি মল্লিককে শোকজ করেছে দল। পাশাপাশি দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা আইএসএফের সভাপতি আব্দুল মালেক মোল্লাকেও শোকজ নোটিস পাঠানো হয়েছে।


দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর ফুরফুরা শরিফের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দুই নেতাকে হাজির হতে বলা হয়েছে। সেখানে তাঁদের বক্তব্য শোনা হবে। উপস্থিত থাকবেন আইএসএফের প্রতিষ্ঠাতা আব্বাস সিদ্দিকী। আর সেই শোকজ প্রসঙ্গে নওশাদ সিদ্দিকী ও আব্বাস সিদ্দিকীকে তীব্র কটাক্ষ করেছেন আরাবুল ইসলাম। আইএসএফের প্রার্থী হিসেবে বিধানসভা ভোটে লড়াই করেন তিনি। পরে সেই দল ত্যাগ করেছেন।

আরাবুল বলেন, “আইএসএফ দুই ভাইয়ের দল। যারা টাকা তুলে দিতে পারবে না, তাদের শোকজ করা হবে। এরা পারেনি তাই শোকজ হয়েছে। প্রত্যেকটা বুথে বুথে পয়সা তোলাকে কেন্দ্র করে মারপিঠ হচ্ছে। কোল ফাঁকা হয়ে যাবে। এবার কোল খালি হয়ে যাবে। যারা তোলা তুলছে তাদের কিচ্ছু হচ্ছে না। যারা তোলা তুলতে পারছে না, তারা সাসপেন্ড হয়ে যাচ্ছে।”

এই প্রসঙ্গে সাসপেন্ড হওয়া নেতা বলেন, “দল ভুল ত্রুটি পেয়েছে, তার কারণ দর্শানোর জন্য বলেছে। সত্য মিথ্যা যাচাই করার জন্য দল বলেছে। আমরা দলবিরোধী কাজ করে থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। দলের কাছে সবাই সমান।”




বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই দলবিরোধী কার্যকলাপ এবং আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে একাধিক আইএসএফ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক পদক্ষেপ করেছে আইএসএফ। আইএসএফ নেতা, কারিমুল ইসলাম, রাহুল মোল্লা-সহ বেশ কয়েকজনকে সাসপেন্ড ও শোকজ করা হয়েছে।

 'দুই ভাইয়ের দল... টাকা দিতে না পারলেই শোকজ', বিস্ফোরক আরাবুল

 দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে আইএসএফের দুই হেভিওয়েট নেতাকে শোকজ করা হয়েছে। তাঁদের কাছে জবাব তলব করেছে দল। এই পরিস্থিতিতে নওশাদ সিদ্দিকীর দলের দিকে আঙুল তুললেন দলেরই প্রাক্তন নেতা আরাবুল ইসলাম। দুই ভাইয়ের দল। টাকা তুলে দিতে পারেনি বলে শোকজ! বিদ্রুপ প্রাক্তন আইএসএফ নেতা আরাবুল ইসলামের।।


বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই দলবিরোধী কার্যকলাপ এবং আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে একাধিক আইএসএফ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক পদক্ষেপ করেছে আইএসএফ। আইএসএফ নেতা, কারিমুল ইসলাম, রাহুল মোল্লা-সহ বেশ কয়েকজনকে সাসপেন্ড ও শোকজ করা হয়েছে।


'কোন বাপ ঠেকায় দেখব', অডিয়ো ভাইরাল হতেই বিধায়ক অসীম বললেন, 'সেই পুলিশ অফিসারের গালে কি চুমু খাব?'

আমি ওখানে রেয়াত করব না', দুর্গাপুজোর আগেই কাদের হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখলেন IC?
এবার সেই তালিকায় নাম উঠেছে আইএসএফের দুই গুরুত্বপূর্ণ নেতার। একই অভিযোগে আইএসএফের রাজ্য কার্যকরী সভাপতি শামসুল আলি মল্লিককে শোকজ করেছে দল। পাশাপাশি দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা আইএসএফের সভাপতি আব্দুল মালেক মোল্লাকেও শোকজ নোটিস পাঠানো হয়েছে।


দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর ফুরফুরা শরিফের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দুই নেতাকে হাজির হতে বলা হয়েছে। সেখানে তাঁদের বক্তব্য শোনা হবে। উপস্থিত থাকবেন আইএসএফের প্রতিষ্ঠাতা আব্বাস সিদ্দিকী। আর সেই শোকজ প্রসঙ্গে নওশাদ সিদ্দিকী ও আব্বাস সিদ্দিকীকে তীব্র কটাক্ষ করেছেন আরাবুল ইসলাম। আইএসএফের প্রার্থী হিসেবে বিধানসভা ভোটে লড়াই করেন তিনি। পরে সেই দল ত্যাগ করেছেন।

আরাবুল বলেন, “আইএসএফ দুই ভাইয়ের দল। যারা টাকা তুলে দিতে পারবে না, তাদের শোকজ করা হবে। এরা পারেনি তাই শোকজ হয়েছে। প্রত্যেকটা বুথে বুথে পয়সা তোলাকে কেন্দ্র করে মারপিঠ হচ্ছে। কোল ফাঁকা হয়ে যাবে। এবার কোল খালি হয়ে যাবে। যারা তোলা তুলছে তাদের কিচ্ছু হচ্ছে না। যারা তোলা তুলতে পারছে না, তারা সাসপেন্ড হয়ে যাচ্ছে।”

এই প্রসঙ্গে সাসপেন্ড হওয়া নেতা বলেন, “দল ভুল ত্রুটি পেয়েছে, তার কারণ দর্শানোর জন্য বলেছে। সত্য মিথ্যা যাচাই করার জন্য দল বলেছে। আমরা দলবিরোধী কাজ করে থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। দলের কাছে সবাই সমান।”



 এন চন্দ্রশেখরনের বর্তমান মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। কিন্তু তার আগেই তিনি গত ১২ অগস্ট ইস্তফার কথা ঘোষণা করেন। জানিয়েছিলেন, ফেব্রুয়ারি মাসে মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর তিনি আর টাটা সন্সের এগজেকিউটিভ চেয়ারম্যান পদে আর থাকবেন না।

টাটা গ্রুপ নিয়ে বড় খবর। ফের কামব্যাক করছেন এন চন্দ্রশেখরন। আজ, বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) টাটা সন্স বোর্ড নতুন করে পাঁচ বছরের জন্য এগজেকিউটিভ চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ করল এন চন্দ্রশেখরনকে। এদিকে, গত মাসেই এন চন্দ্রশেখরন জানিয়েছিলেন, তিনি আর এই দায়িত্বে থাকবেন না। তাঁর সিদ্ধান্তকে পরিবর্তন করেই নতুন করে পাঁচ বছরের জন্য দায়িত্ব দেওয়া হল টাটা সন্সের।


কী হল ভোটাভুটিতে?
জানা গিয়েছে, টাটা সন্সের বোর্ডে যখন আজ ভোটাভুটি হয়, তখন বোর্ডের সকল সদস্যরা এন চন্দ্রশেখরনকে টাটা সন্সের এগজেকিউটিভ চেয়ারম্যান পদে পুনরায় নিয়োগের সপক্ষে ভোট দেন। একমাত্র রতন টাটার সৎ ভাই, নোয়েল টাটা তাঁর বিপক্ষে ভোট দেন। বর্তমানে টাটা গ্রুপের দায়িত্বে রয়েছেন নোয়েল টাটা।

এটিও পড়ুন
Mandakini: দাউদের সঙ্গে সময় কাটাতেই দুবাইয়ে গিয়েছিলেন মন্দাকিনী? অবশেষে মুখ খুললেন অভিনেত্রী
SBI, PNB আর Bank of Baroda-তে মিলেমিশে যাবে বাকি ৯টি ব্যাঙ্ক? কী হবে গ্রাহকদের?
Visa Rules: ভারতীয়দের জন্য ৯ দেশে বদলেছে ভিসার নিয়ম, ঘুরতে যাওয়ার আগে জানুন নতুন আপডেট!
টাটা সন্সের এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ক’দিন আগেই রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া টাটা সন্সের কোর ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি হিসেবে তাদের রেজিস্ট্রেশন সমর্পণের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে। এর ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের নিয়ম অনুযায়ী হোল্ডিং কোম্পানিটির সম্ভাব্য শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির পথ আরও প্রশস্ত হয়েছে।


চন্দ্রশেখরনের হঠাৎ ইস্তফার ঘোষণা-
এন চন্দ্রশেখরনের বর্তমান মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। কিন্তু তার আগেই তিনি গত ১২ অগস্ট ইস্তফার কথা ঘোষণা করেন। জানিয়েছিলেন, ফেব্রুয়ারি মাসে মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর তিনি আর টাটা সন্সের এগজেকিউটিভ চেয়ারম্যান পদে আর থাকবেন না। ইস্তফার কারণও ব্যাখ্য়া করেননি তিনি। তবে সংস্থার অন্দরেই জোর জল্পনা শুরু হয় যে নোয়েল টাটার সঙ্গে বিরোধের কারণেই টাটা সন্সের দায়িত্ব ছাড়তে চাইছেন তিনি।

কেন বিরোধ?
৪০ হাজার কোটি মার্কিন ডলারের টাটা গ্রুপের মূল নিয়ন্ত্রক সংস্থা হল টাটা সন্স। টিসিএস থেকে শুরু করে টাটা মোটরস, এয়ার ইন্ডিয়া-সহ ৩০টি সংস্থার পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে টাটা সন্স। আবার টাটা সন্সের ৬৬ শতাংশ অংশীদার হল টাটা ট্রাস্ট। গত ফেব্রুয়ারি মাসে এন চন্দ্রশেখরনের মেয়াদ বৃদ্ধি স্থগিত রাখা হয়েছিল। সংস্থার অন্দরে গুঞ্জন, নোয়েল টাটার আপত্তির কারণেই সেই সময় মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়নি। স্যর দোরাবজি টাটা ট্রাস্টের তরফে জানানো হয় যে এন চন্দ্রশেখরনের উত্তরসূরী খোঁজার কাজ শুরু হবে।

মতপার্থক্যের মধ্যে অন্যতম ছিল পরিচালন ব্যবস্থা, মূলধন বণ্টন, গোষ্ঠীর কিছু নতুন ব্যবসার পারফরম্যান্স এবং টাটা সন্সের ভবিষ্যৎ মালিকানা কাঠামো-সহ একাধিক বিষয়। টাটা সন্স শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত না হয়েই থাকবে কি না, সেটিও আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল।



NCPI সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের অভিযোগ ছিল, সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন ধরনের পোস্টের মধ্য দিয়ে তাঁকে এবং তাঁর পরিবার অপমান করছেন কুণাল। এরপর বারাসত থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। তারপরই বেলেঘাটার বিধায়ককে সশরীরে হাজিরা দিতে বলে থানা। 

কাকলি ঘোষ দস্তিদারের অভিযোগে এফআইআর দায়ের হয় কুণাল ঘোষের নামে। আর সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তলবও হয়। বৃহস্পতিবার সকালে থানায় হাজিরা দেওয়ার আগেই একটা কৌতুকপূর্ণ ছবি পোস্ট করেন কুণাল। পোস্ট করেই থানায় হাজিরা। থানায় তো গেলেন, সঙ্গে করে নিয়ে গেলেন দুটি অভিধানও। কারণ তাঁকে তো তাঁর ব্যবহৃত শব্দের আক্ষরিক অর্থও বোঝাতে হবে পুলিশকে।


কিন্তু পুলিশও চলে ডালে ডালে। সূত্রের খবর, পুলিশের জেরায় বেকায়দায় পড়তে হল কুণাল ঘোষকে। হতাশ মা কে ?আপনি কাকে ‘মিন’ করেছেন? ঘোঁত ঘোঁত কে করে? আপনি কতগুলো হতাশ মায়ের নাম বলুন… সকালের পোস্ট সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়, ছবিটা কি আপনি নিজে বানিয়েছেন নাকি ডাউনলোড করেছেন? এরকম একগুচ্ছ প্রশ্ন করা হয় কুণালকে। পুলিশ সূত্রের খবর, কোন প্রশ্নের উত্তরই সন্তোষজনকভাবে ব্যাখ্যা দিতে পারেননি কুণাল ঘোষ।


দাদার বায়োপিক শ্যুটিংয়ে নষ্ট পিচ, কড়া শাস্তির মুখে ইংল্যান্ডের কাউন্টি ক্লাব!
প্রায় ১ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর বেরিয়ে আসেন কুণাল। সঙ্গে তাঁর অভিধান। বললেন, “এই ধরনের নোটিস আমার ফেলে রাখতে অস্বস্তি লাগে। আমি তো কারোর নাম লিখিনি। কাল্পনিক রূপক দিয়েছিলাম। আমি তো কারোর নাম লিখিনি, কেউ যদি আগ বাড়িয়ে এসে বলে, তাহলে আমার কী বলার আছে। আমি তো অভিধানে ব্যবহৃত শব্দই সব ব্যবহার করেছি।”


উল্লেখ্য, NCPI সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের অভিযোগ ছিল, সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন ধরনের পোস্টের মধ্য দিয়ে তাঁকে এবং তাঁর পরিবার অপমান করছেন কুণাল। এরপর বারাসত থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। তারপরই বেলেঘাটার বিধায়ককে সশরীরে হাজিরা দিতে বলে থানা।

থানায় হাজিরা দেওয়ার আগে কুণাল লেখেন, “বারাসাত থানায় আমার বিরুদ্ধে FIR হয়েছে। পুলিশ নোটিস পাঠিয়েছে। সাত দিনের মধ্যে হাজির হতে বলেছে। আমার আবার এসব ফেলে রাখতে বিরক্তিকর লাগে। তাই কিছু কাজ রদবদল করে আজই যাচ্ছি। ঠিক কী অভিযোগ, জানি না। শুনেছি দলবদলু বেইমান গদ্দার বিশ্বাসঘাতক শিবিরকে আক্রমণ করেছি বলে তাদের কেউ নবান্নে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে আমার নামে নালিশ করেছে। তার জেরেই তলব। বিজেপির বি টিমের নাকিকান্নায় বিজেপি তাদের হয়ে লাঠিয়াল নামিয়ে আমাকে শাসাতে ডেকেছে। আসলে ঠিক কী, সেটা গিয়ে বুঝতে পারব। পুলিশ যা নির্দেশ পেয়েছে, তাদের কাজ করছে। আমি আমার কাজ করব। তবে, আমোদ পেলাম।” এই পোস্টের ভিত্তিতেও জবাব দিতে হয় তাঁকে।



শুভেন্দু অধিকারী বলেন, "বংশ পরম্পরাকে রক্ষা করার জন্য গোটা ভারত সুবিধা নিয়েছে। তামিলনাড়ু ও পশ্চিমবঙ্গ সুবিধা নেয়নি। যাঁরা সুবিধা নেয়নি, তাঁরাই বিচ্ছিন্ন হয়েছে। বিশ্বকর্মা যাঁরা এখানে করতে দেয়নি, পশ্চিমবাংলার প্রকৃত বিশ্বকর্মারাই তাঁদের পরিবর্তন করে দিয়েছেন। বিশ্বাস রাখুন, MSME-র মাধ্যমে ট্রেনিং দেব। ট্রেনিং ভাতা আপনারা পাবেন।"

'কেন্দ্রীয় প্রকল্প থেকে বঞ্চিত করেছে তৃণমূল, প্রকৃত বিশ্বকর্মারা বাংলায় পরিবর্তন করে দিয়েছে', মন্তব্য মুখ্যমন্ত্রীর
ফাইল ছবি
প্রথমবার রাজ্যে পালিত হল পিএম বিশ্বকর্মা যোজনা দিবস। ধন্যধান্য এডিটোরিয়ামে বিশেষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখান থেকেই তৃণমূলকে আক্রমণ করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্রীয় প্রকল্পে বাধা দিত আগের সরকার। রাজ্যবাসীর সঙ্গে অন্যায় করেছে বিগত সরকার। আর কী কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?


ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী ভারতের সাধারণ মানুষের জীবনকে সাজিয়েছেন। ভারতবর্ষকে সর্বোচ্চ জায়গায় নিয়ে গিয়েছেন, তাঁকে অভিবাদন ও অভিনন্দন দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকার আজ অন্নপূর্ণা দিবস হিসেবে পালন করেছে সকাল থেকে। এক কোটি ৬০ লক্ষ মা-বোন-দিদির অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা ট্রান্সফার করেছি। ধন্যবাদ জানাব বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জিতেনরাম মাঝিকে। সম্মান ও প্রণাম জানাই।
আপনারা জানেন আমি বিরোধী দলনেতা ছিলাম। সেইসময় আমি বারবার বলেছি যে পশ্চিমবঙ্গ সরকার বিধানসভার ভিতরে ও বাইরে আপনারা কেন বিশ্বকর্মা যোজনার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন না। যাঁরা হাতের কাজ করেন, এই রাজ্যে এমন লক্ষ লক্ষ লোক রয়েছে। আপনারা শুনলে অবাক হয়ে যাবেন প্রত্যেক জেলাশাসককে আগের সরকার বলে দিয়েছিলেন, এই বিশ্বকর্মা যোজনার কোনও কাজ করবেন না। বিগত দিনে ভারত সরকারের কোনও স্কিম এই রাজ্যে চালু করতে দেয়নি আগের সরকার। আজ অন্নপূর্ণা দিবসে প্রধানমন্ত্রী ভিডিয়োবার্তায় বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী আবাস, আয়ুষ্মান ভারত, প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর ও বিশ্বকর্মা-সহ গোটা ভারতবর্ষে কল্যাণকারী এত কর্মসূচি, যার থেকে পশ্চিমবঙ্গ বঞ্চিত হয়েছে। মাত্র চার মাসের সরকার আমাদের। আমরা ইতিমধ্যেই আয়ুষ্মান ভারত ১৬ অগস্ট চালু করেছিলাম। পশ্চিমবঙ্গে ৫০ হাজার মানুষ আয়ুষ্মানের চিকিৎসার সুবিধা পেয়েছেন। প্রায় দুই হাজার পরিযায়ী শ্রমিক সুবিধা পেয়েছেন।
যাঁরা বিশ্বকর্মা হাতের কাজ করেন, পুজোর আগে তাঁদের কাছে বলতে চাই উপভোক্তা যা দেখলেন, তা শুরু হল। আজ থেকে ঠিক এক বছর পর ২০২৭ সালে ১৭ সেপ্টেম্বর এই হলে করা যাবে না। খোলা মাঠে করতে হবে। পাঁচ লক্ষ হবে পশ্চিমবঙ্গে। এই সরকার দ্রুত গতিতে কাজ করছে।
ঠিক যেভাবে মনরেগা-কে নষ্ট করেছে আগের সরকার, জব কার্ড হোল্ডারদের বঞ্চিত করেছে, …আমরা বিধানসভায় বিল এনে এই রাজ্যের গ্রাম পঞ্চায়েতদের প্রধানদের একটা বড় অংশ ৪ মে ভোটের রেজাল্ট আসার পর অফিস যান না। তার কারণ এই সরকারি অনুষ্ঠানে ব্যক্ত করব না। আমরা বিকশিত ভারতকে সফল করার জন্য পঞ্চায়েতের সচিবদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে দিয়েছি। এটা করার পর ৩ হাজারের বেশি বিশ্বকর্মা অ্যাপ্রুভাল হয়ে গিয়েছে। আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গকে দেশের মধ্যে এক নম্বর বানানোর যে কথা মোদী দিয়েছেন সেটা পূরণের কাজ করবে সরকার। ৭ লাখ ৭০ হাজার আগের এনরোলমেন্ট এর মধ্যে আছেন। তার মধ্যে ২ লাখের বেশি শিল্পী করেছেন এই প্রকল্পের।

ছুতোর, মূর্তিকার, ফিশিং বোট তৈরি করেন, মৎস্যজীবী যাঁরা নেট বানায়, লোহার কাজ, পুরনো তালা-চাবি তৈরি, হাতুড়ি, নাপিত, মালাকার, এর সঙ্গে সঙ্গে আরও যাঁরা আছেন, ঝিনুক, কাঠ, জুট দিয়ে পুতুল বানান, এমন লক্ষ লক্ষ মানুষের এমন দারুণ দক্ষতা রয়েছে। এদের কোনও সার্টিফিকেট লাগে না। বংশ পরম্পরাকে রক্ষা করার জন্য গোটা ভারত সুবিধা নিয়েছে। তামিলনাড়ু ও পশ্চিমবঙ্গ সুবিধা নেয়নি। যাঁরা সুবিধা নেয়নি, তাঁরাই বিচ্ছিন্ন হয়েছে। বিশ্বকর্মা যাঁরা এখানে করতে দেয়নি, পশ্চিমবাংলার প্রকৃত বিশ্বকর্মারাই তাঁদের পরিবর্তন করে দিয়েছেন। বিশ্বাস রাখুন, MSME-র মাধ্যমে ট্রেনিং দেব। ট্রেনিং ভাতা আপনারা পাবেন।
আমাদের উদ্যম পোর্টালে দেশে ৯ কোটি ৩০ লক্ষ রেজিস্ট্রেশন হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের সংখ্যা ৬৩ লক্ষ ২২ হাজারের বেশি আছে। এটি একটি সাবসিডি স্কিম। এটাতেও যুক্ত করব।


রাতের অন্ধকারে হঠাৎ পুলিশের হানা! রামগঙ্গা BDO অফিসের ঢিলছোড়া দূরত্বে পরপর দুই হোটেলে অভিযান। মধুচক্রের অভিযোগে উদ্ধার একাধিক মহিলা। পুলিশের অভিযান শুরু হতেই হোটেলের ম্যানেজার-সহ কয়েকজনের পালানোর অভিযোগ।

ঘটনাকে ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমার রামগঙ্গায়।

মঙ্গলবার রাতে পাথরপ্রতিমা থানার পুলিশ অভিযান চালায় ‘সুইটি’ ও ‘টাইটানিক’ নামে দুই আবাসিক হোটেলে।

পুলিশ সূত্রে খবর, বেশ কিছুদিন ধরেই ওই দুই হোটেলে মহিলাদের রেখে দেহ ব্যবসা চালানোর অভিযোগ আসছিল। অভিযোগের ভিত্তিতে গোপনে নজরদারি চালাচ্ছিল পুলিশ। এরপর নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে হানা দেওয়া হয়।

অভিযানে একাধিক মহিলাকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।
তবে পুলিশের অভিযানের খবর ছড়িয়ে পড়তেই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ঘটনাস্থলে পৌঁছন স্থানীয় বিজেপির কয়েকজন নেতা-কর্মী। তাঁদের অভিযোগ, হোটেলের ম্যানেজার ও কর্মীদের সঙ্গে প্রথমে বচসা এবং পরে হাতাহাতি হয়। বিজেপির দাবি, হোটেল মালিকদের ঘনিষ্ঠ কয়েকজন তাঁদের উপর হামলা চালায়। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে হোটেল কর্তৃপক্ষের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

এদিকে পুলিশি অভিযান শুরু হতেই ম্যানেজার-সহ কয়েকজন ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।

ঠিক কীভাবে চলছিল এই কার্যকলাপ? কারা রয়েছে এর নেপথ্যে? আর এই ঘটনায় আর কেউ জড়িত কি না—সবদিক খতিয়ে দেখছে পাথরপ্রতিমা থানার পুলিশ।



দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৭৬তম জন্মদিন উপলক্ষে দেশজুড়ে উদযাপনের পাশাপাশি দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার সুন্দরবনের প্রত্যন্ত দ্বীপ গঙ্গাসাগরেও নানা কর্মসূচি পালিত হলো। এই বিশেষ দিনটিতে গঙ্গাসাগরের ধসপাড়ায় অবস্থিত প্রায় ২০০ বছরের পুরনো ঐতিহ্যবাহী আদি কালী মন্দিরে 


এলাকার মহিলারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এক অনন্য উদযাপনের আয়োজন করেন। এদিন সকালে এলাকার মহিলারা হাতে ঝাঁটা নিয়ে মন্দিরের চত্বর এবং তার আশপাশের সম্পূর্ণ এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করেন। পরিচ্ছন্নতা অভিযানের পর তাঁরা ঐতিহ্যবাহী ওই মন্দিরে প্রবেশ করে দেবীর বিশেষ পুজো দেন এবং প্রদীপ প্রজ্বলন করেন। মহিলাদের শঙ্খধ্বনি এবং উলুধ্বনিতে সমগ্র মন্দির চত্বর মুখরিত হয়ে ওঠে, যা এক ভক্তিপূর্ণ পরিবেশের সৃষ্টি করে। 


পুজো পাঠ ও অর্চনার পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষায় বিশেষ বার্তা দেন স্থানীয় মহিলারা। মন্দির চত্বর এলাকায় তাঁরা একাধিক ফল ও ছায়া প্রদানকারী গাছ রোপণ করেন। সবশেষে, মন্দিরের সামনে সমবেত হয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে বিশেষ প্রার্থনা জানান তাঁরা। প্রত্যন্ত সুন্দরবনের এই মহিমান্বিত ও স্বতঃস্ফূর্ত আয়োজন স্থানীয় অঞ্চলে এক বিশেষ উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে।

আজ দেশজুড়ে সাড়ম্বরে পালিত হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজীর ৭৬তম জন্মদিন। এই বিশেষ দিনটিকে কেন্দ্র করে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার 


গঙ্গাসাগরের প্রাণকেন্দ্র রুদ্রনগর কালী মায়ের মন্দিরে বিশেষ পুজো দিলেন ভারতীয় জনতা পার্টির নেতা-নেত্রীরা ও স্থানীয় কর্মীবৃন্দ। এদিন সকালে রুদ্রনগর কালী মন্দিরে সমবেত হয়ে দলীয় কর্মী-সমর্থকরা মায়ের চরণে পুজো দেন এবং দেশবাসীর কল্যাণে মোদিজীর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।


 এবং শেষে ঝাড়ু হাতে স্বচ্ছতাই সেবা অভিযানে নামেন কর্মী সমর্থক থেকে নেতৃবৃন্দরা।

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মৎস্য দপ্তরের উদ্যোগে গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে এবং মৎস্যজীবীদের স্বাবলম্বী করে তুলতে সাগর ব্লকে এক বিশেষ বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে এলাকার বহু নির্বাচিত বেনিফিশিয়ারির হাতে উন্নত মানের দেশি মাগুর মাছের চারা এবং পুকুরের জল পরিশুদ্ধ করার জন্য চুনের বস্তা তুলে দেওয়া হয়। 

এদিনের এই জনকল্যাণমূলক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাগর ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক অনন্ত কুমার গোস্বামী, মৎস্য দপ্তরের আধিকারিকবৃন্দ, সাগর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সাবিনা বিবি এবং পঞ্চায়েত সমিতির বিভিন্ন দপ্তরের কর্মাধ্যক্ষরা। এছাড়াও স্থানীয় উন্নয়নমূলক এই উদ্যোগে অংশ নেন ভারতীয় জনতা পার্টির ব্লক কনভেনার সোমনাথ ভূঁইয়া, অরুনাভ দাস এবং বিজেপির একাধিক স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। 


দলমত নির্বিশেষে এই ধরনের প্রশাসনিক উদ্যোগে খুশি সাধারণ মানুষ। প্রশাসনের শীর্ষকর্তা ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের হাত থেকে দেশি মাগুর মাছের চারা ও চুন বুঝে পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করেন উপস্থিত বেনিফিশারিরা। বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশি মাগুর চাষ করা তুলনামূলকভাবে সহজ এবং বাজারে এর চাহিদা ব্যাপক থাকায় এটি চাষীদের আর্থিক উন্নতির পথ প্রশস্ত করবে। পাশাপাশি, পুকুরের স্বাস্থ্যের সুরক্ষায় চুনের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। মৎস্য দপ্তরের এই সময়োপযোগী ও কল্যাণকর পদক্ষেপের ফলে সাগর ব্লকের গ্রামীণ অর্থনীতি আরও মজবুত হবে এবং মৎস্য উৎপাদনে এক নতুন গতির সঞ্চার হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন উপস্থিত অতিথিরা।

বিশ্ব ওজোন দিবস তথা আন্তর্জাতিক ওজোন স্তর সুরক্ষা দিবস উপলক্ষে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার পবিত্র তীর্থক্ষেত্র গঙ্গাসাগরে এক বিশেষ ও প্রশংসনীয় পরিবেশ সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালিত হলো। বুধবার এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে পরিবেশ সংরক্ষণের এক জোরালো বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়।



এই বিশেষ দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে ঐতিহাসিক কপিলমুনির আশ্রমের সামনে এবং আশ্রম চত্বরের বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্যাপক উৎসাহের সঙ্গে একাধিক চারা গাছ রোপণ করা হয়। গাছ লাগানোর পাশাপাশি সমগ্র আশ্রম চত্বর এলাকা জুড়ে একটি বিশেষ সাফাই অভিযানও চালানো হয়। তীর্থযাত্রী ও পর্যটকদের ভিড়ে যাতে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রেখেই এই পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়। এর পাশাপাশি গঙ্গাসাগর কোস্টাল থানা সংলগ্ন এলাকাতেও বেশ কিছু নতুন চারা গাছ লাগানো হয়।


পরিবেশ রক্ষার এই মহৎ উদ্যোগে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন গঙ্গাসাগর কোস্টাল থানার ওসি পার্থ সরকার সহ ব্লক প্রশাসনের একাধিক শীর্ষ আধিকারিক, পুলিশ প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্তা ব্যক্তি এবং স্থানীয় বিশিষ্টজনেরা। নিজ হাতে চারা গাছ রোপণ করে তাঁরা উপস্থিত সাধারণ মানুষকে সবুজায়নের গুরুত্ব সম্পর্কে বোঝান। গঙ্গাসাগর কোস্টাল থানা এবং ব্লক প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে এই জনমুখী কর্মসূচিটি রূপায়িত হয়েছে।আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ক্রমবর্ধমান দূষণ রোধ এবং ওজোন স্তর সুরক্ষায় সচেতনতা বৃদ্ধির জন্যই এই অভিনব উদ্যোগ। স্থানীয় প্রশাসন ও বিশিষ্টজনেদের এই যৌথ প্রয়াসকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকার সাধারণ মানুষ ও দূরদূরান্ত থেকে আগত পুণ্যার্থীরা।সাগরের পবিত্র মাটি থেকে পরিবেশ রক্ষার এই বার্তা আগামী দিনে সারা রাজ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলেই দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন উদ্যোক্তারা।

রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনে জয়লাভ করে সরকার গঠনের পরই মহিলাদের জন্য বড় ঘোষণা বাস্তবায়ন করল বিজেপি। বিরোধী দলের থাকাকালীন ঘোষণা অনুযায়ী, লক্ষ্মীর ভান্ডারের দেড় হাজার টাকার পরিবর্তে 'অন্নপূর্ণা যোজনা'র মাধ্যমে রাজ্যের মহিলাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি তিন হাজার টাকা করে পাঠানো শুরু হয়েছে। 


টাকা হাতে পেয়ে বেজায় খুশি দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার গঙ্গাসাগরের মহিলারা। এই আনন্দের মাঝেই দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার গঙ্গাসাগরের ভারতীয় জনতা পার্টির মণ্ডল টু-এর পক্ষ থেকে মহেন্দ্রগঞ্জ বাজারে একটি বিশাল বিজয় মিছিলের আয়োজন করা হয়।মহিলাদের অ্যাকাউন্টে সরাসরি এই অনুদান পৌঁছানোয় উচ্ছ্বসিত মহিলারা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী-কে ধন্যবাদ জানান। 


এদিনের মিছিলে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন কয়েক হাজার মহিলা। মিছিল শেষে এক বিশাল জনসভাও অনুষ্ঠিত হয়, যেখান থেকে নেতৃত্বরা শুভেন্দু অধিকারীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় জনতা পার্টির ব্লক কনভেনার সোমনাথ ভূঁইয়া, মণ্ডল টু-এর মণ্ডল সভাপতি ভোলানাথ মাইতি, লড়াকু নেতা বিকাশ কামিলা সহ একাধিক বিশিষ্ট নেতৃত্ববৃন্দ ও মোর্চার অন্যান্য নেতৃবন্দ। গোটা কর্মসূচি ঘিরে মহেন্দ্রগঞ্জ বাজার চত্বরে ছিল উপচে পড়া ভিড় ও উৎসবের আমেজ।



উত্তর ২৪ পরগনা: হিঙ্গলগঞ্জের যোগেশগঞ্জ হাই স্কুলের ঘটনা।আজ যোগেশগঞ্জ হাই স্কুলে স্কুল শুরু হওয়ার ঠিক আগের মুহূর্তে স্কুলের একটি দেওয়াল বিদ্যুতের একটি দেওয়াল শর্ট সার্কিট থেকে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে থাকে । 


ছাত্র-ছাত্রীরা সেই দেওয়ালে হাত দিলেই পাঁচজন ছাত্রছাত্রী বিদ্যুৎপৃষ্ট হয় । এবং সেখানেই তারা অসুস্থ হয়ে পড়ে।এই পাঁচজনের মধ্যে তড়িঘড়ি তিনজনকে যোগেশগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়। হাসপাতলে প্রাথমিক চিকিৎসার পর দু'ঘণ্টা অবজারভেশনে রাখার পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। 

পাশাপাশি বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীদের খবর দিয়ে সেই শর্ট সার্কিট থেকে মুক্ত করা হয় দেয়ালটিকে। সূত্রে জানা যায় এই মুহূর্তে পুরো বিষয়টি স্থিতিশীল।