WEATHER

Top News



কোরিয়ান নাটক, 'কে পপ' ব্যান্ডের গানে বুঁদ নয়া প্রজন্ম। কোরিয়া যেতে চেয়ে গাজিয়াবাদে তিন বোনের একসঙ্গে আত্মহত্যার ঘটনা উদ্বেগ বাড়িয়েছে অভিভাবকদের। উত্তরপ্রদেশ থেকে উত্তর কোরিয়ার দূরত্ব সাড়ে ৪ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি। কিন্তু সেখানেও তিন স্কুল ছাত্রীর পরিণতি কার্যত একই। 


কোরিয়ান ড্রামা, গান শোনার অপরাধে সে দেশে স্কুল পড়ুয়াদের ফাঁসিতে ঝোলানো হচ্ছে। বাকিদের শিক্ষা দিতে ফাঁসি দেওয়া হচ্ছে প্রকাশ্য রাস্তায়, জনসমক্ষে। সম্প্রতি অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মতো মানবাধিকার সংগঠন এমনই গায়ে কাঁটা দেওয়ার মতো তথ্য সামনে এনেছে। রিপোর্টে উত্তর কোরিয়া থেকে পালিয়ে আসা ২৫ জনেরও বেশি ব্যক্তির সবিস্তার ইন্টারভিউ ছাপা হয়েছে। তাঁদের জবানিতে যা যা উঠে এসেছে, শুনলে চমকে উঠতে হয়।



কিমের দেশে, আইনকানুন সর্বনেশে। জনপ্রিয় ব্যান্ড BTS-এর গান শোনার ‘অপরাধে’ তিনজন স্কুল পড়ুয়াকে প্রকাশ্যে ফাঁসিতে ঝোলানো হল উত্তর কোরিয়ায়। ১৬ থেকে ১৭ বছরের ওই ছাত্রীদের অপরাধ, নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও তারা বিদেশি অপসংস্কৃতিতে নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছিল।


কোরিয়ান নাটক, ‘কে পপ’ ব্যান্ডের গানে বুঁদ নয়া প্রজন্ম। কোরিয়া যেতে চেয়ে গাজিয়াবাদে তিন বোনের একসঙ্গে আত্মহত্যার ঘটনা উদ্বেগ বাড়িয়েছে অভিভাবকদের। উত্তরপ্রদেশ থেকে উত্তর কোরিয়ার দূরত্ব সাড়ে ৪ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি। কিন্তু সেখানেও তিন স্কুল ছাত্রীর পরিণতি কার্যত একই। কোরিয়ান ড্রামা, গান শোনার অপরাধে সে দেশে স্কুল পড়ুয়াদের ফাঁসিতে ঝোলানো হচ্ছে। বাকিদের শিক্ষা দিতে ফাঁসি দেওয়া হচ্ছে প্রকাশ্য রাস্তায়, জনসমক্ষে। সম্প্রতি অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মতো মানবাধিকার সংগঠন এমনই গায়ে কাঁটা দেওয়ার মতো তথ্য সামনে এনেছে। রিপোর্টে উত্তর কোরিয়া থেকে পালিয়ে আসা ২৫ জনেরও বেশি ব্যক্তির সবিস্তার ইন্টারভিউ ছাপা হয়েছে। তাঁদের জবানিতে যা যা উঠে এসেছে, শুনলে চমকে উঠতে হয়।






এমনিতেই উত্তর কোরিয়ার বাসিন্দাদের উপর একগুচ্ছ নিষেধাজ্ঞা চাপানো রয়েছে। সে দেশের চুলের স্টাইল থেকে নাগরিকরা কী শুনবে- সেটাও কিম জং উনের ঠিক করে দেয়। প্রতিবেশী দক্ষিণ কোরিয়া হোক বা মার্কিন, ইউরোপীয় সংস্কৃতি। পিয়ং-ইয়ংয়ে বিদেশি গান, সিনেমা, সাহিত্যের ‘নো এন্ট্রি।’ কিন্তু চোরাগোপ্তা পেন ড্রাইভে করে প্রতিবেশী সিওলের জনপ্রিয় স্কুইড গেমের মতো সিরিজ বা বিটিএস-এর গান ব্যাপক জনপ্রিয় উত্তর কোরিয়াতেও। বিশেষত সীমান্ত লাগোয়া এলাকাগুলিতে যেখানে চোরাচালান জলভাত। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পালিয়ে আসা উত্তর কোরিয়ার নাগরিকরা বলেছেন, সীমান্তবর্তী ইয়াংগ্যাং গ্রামের পড়ুয়াদের প্রকাশ্যে ফাঁসি দিয়েছে কিমের পুলিশ। স্কুল পড়ুয়া, গ্রামবাসী, মেয়েদের-ও নির্বিচারে ফাঁসি দেওয়া হচ্ছে দেদার। বাড়িতে ঢুকে হঠাৎ তল্লাশি চালাচ্ছে কিমের পুলিশ। ঘরে কোথাও দক্ষিণ কোরিয়ার নাটকের সিডি, গানের ক্যাসেট পেলেই ফাঁসি অবধারিত। কোনও বিচার, আইন, মানবাধিকারের প্রশ্নই নেই। ফাঁসির হাত থেকে রেহাই একমাত্র মোটা ঘুষ দিলে। বাড়িঘর বেচে মা-বাবা ঘুষ দিচ্ছেন সন্তানকে বাঁচাতে।




কোনওমতে সীমান্ত দিয়ে পালিয়ে আসা ৩৯ বছরের এক উত্তর কোরীয় নাগরিক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, কিমের পুলিশের নজরদারির হাত থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় নগদ নারায়ণ। তাতে প্রাণরক্ষা হলেও যেতে হবে কিমের রি-এডুকেশন ক্যাম্পে। যেখানে ‘পপ গান’ বা ‘কোরিয়ান ড্রামা’র অভিজ্ঞতা ভুলিয়ে ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের কিমের জয়গান শোনানো হয়। থেকে ১০ হাজার ডলার পর্যন্ত ঘুষ দিতে হচ্ছে। তবে কারও পরিবারের সঙ্গে যদি কিমের প্রশাসনের উচ্চপদস্থদের যোগাযোগ থাকে, তারা শাস্তি থেকে রেহাই পায়। ২০১০ থেকে এই ট্র্যাডিশন সমানে চলছে। চিন সীমান্তের কাছে শিনুইজু গ্রামে এই ফাঁসি দেওয়া হচ্ছে। ১৬-১৭ বছরের স্কুলছাত্রীরাও রেহাই পাচ্ছে না। প্রকাশ্যে তিনজন মেয়েকে ফাঁসি দিয়ে বাকি নাগরিকদের শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে, কেউ যেন কোনও বিদেশি সিরিজ-সিনেমা কিমের দেশে না দেখে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের ডেপুটি রিজিওনাল ডিরেক্টর সারাহ ব্রুকস জানিয়েছেন, এইসব শিউরে ওঠার মতো সাক্ষাৎকার শুনলে বোঝা যায়, কিমের দেশে একজন মানুষের পক্ষে নাগরিক অধিকার নিয়ে বেঁচে থাকা অসম্ভব। কোরিয়ান ড্রামা দেখার অপরাধে শাস্তি সেখানে ফাঁসি।



গত দুদিন ধরেই শহর কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে ঘোরাফেরা করছে। তবে এই প্রথম নয়, গত কয়েক বছরেও ফেব্রুয়ারির এই সময়টাতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা এমনই ছিল। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার বাধা কাটিয়ে দিন দুয়েক আগে থেকে ঠান্ডা পড়তে শুরু করেছে রাজ্যের সর্বত্র। প্রায় ২-৩ ডিগ্রি কমে গিয়েছে তাপমাত্রা।


পৌষে জাঁকিয়ে ঠান্ডা পড়লেও মাঘে চলছে শীতের লুকোচুরি খেলা। সকালে ঠান্ডা তো দুপুরে গরম। রাত হলে গায়ে টানতে হচ্ছে কম্বল আর বেলা বাড়লে সোয়েটার-চাদর খুলে ফেলার জোগাড় করতে হচ্ছে। শনিবার থেকে কিছুটা ঠান্ডার আমেজ নতুন করে অনুভূত হলেও, তা আর বেশিদিন থাকবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।


আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস বলছে, তিনদিন পরই উধাও হবে শীত। আগামী সপ্তাহান্তে অনেকটাই বাড়বে তাপমাত্রা। শুধু রাত নয়, চড়বে দিনের পারদও। ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছবে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। আর কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হতে পারে ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পাল্লা দিয়ে পশ্চিমের জেলাগুলিতেও বাড়বে গরম।


আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, মাঘের শেষেই বাড়বে রোদের তেজ। পশ্চিমাঞ্চলের দিনের পারদ থাকবে ৩০ থেকে ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে। অর্থাৎ এবছরের মতো ঠান্ডাকে যে খুব তাড়াতাড়ি বিদায় জানাতে হবে, তেমনটাই অনুমান করা হচ্ছে।


গত দুদিন ধরেই শহর কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে ঘোরাফেরা করছে। তবে এই প্রথম নয়, গত কয়েক বছরেও ফেব্রুয়ারির এই সময়টাতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা এমনই ছিল। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার বাধা কাটিয়ে দিন দুয়েক আগে থেকে ঠান্ডা পড়তে শুরু করেছে রাজ্যের সর্বত্র। প্রায় ২-৩ ডিগ্রি কমে গিয়েছে তাপমাত্রা।

আবহাওয়া দফতর বলছে আগামী সাতদিন তাপমাত্রা মোটের উপর শুষ্কই থাকছে। বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস নেই।


প্রাক্তন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তথা তৃণমূল নেতা জগদীশ মণ্ডলের আত্মীয় এই বৃদ্ধ দম্পতি। জগদীশ মণ্ডল নিজেও তৃণমূলের যুবনেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন। তিনি বলেন, "পুলিশ প্রশাসন ব্যবস্থা না নিলে এর থেকে মুক্তি মিলবে না।" তবে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল যুবনেতা দীপঙ্কর মোদক।


জন্মভূমি ছেড়ে চলে যেতে হচ্ছে...', হাউহাউ করে কেঁদে ফেললেন অঞ্জলি, উঠছে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ
বৃদ্ধ দম্পতি


জমানো টাকায় নিজেদের বাড়ি তৈরি করেছিল বৃদ্ধ দম্পতি। সেই বাড়িতেই শান্তিতে সময় কাটাবেন বলে আশা করেছিলেন। সব মিলিয়ে কোটি টাকার সম্পত্তি ছিল তাঁদের। কিন্তু বাড়ি-সম্পত্তি সবকিছ মায়া ত্যাগ করে কাঁদতে কাঁদতে চলে যেতে হল বৃদ্ধ দম্পতিকে। নদিয়ার রানাঘাটের ঘটক দম্পতির কাছে এছাড়া আর কোনও উপায় ছিল না। কোটি টাকার সম্পত্তি প্রায় অর্ধেক দামে বিক্রি করে দিয়ে রাজ্য় ছেড়ে চলে যাচ্ছেন তাঁরা।

তৃণমূল যুবনেতার কাছ মারধর ও হুমকির জেরেই এভাবে বাড়ি বিক্রি করে চলে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ বৃদ্ধ দম্পতির। রাজ্য ছেড়ে মধ্যপ্রদেশের ভোপালে চলে যাচ্ছেন রঞ্জিৎ ঘটক ও অঞ্জলি ঘটক। মারধর করা থেকে শুরু করে খুনের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। থানায় জানিয়েও কোনও সুবিধা হয়নি বলে অভিযোগ। পাল্টা বাড়তে থাকে অত্যাচার। বাধ্য হয়েই কোটি টাকার উপর সম্পত্তি অর্ধেক দামে বিক্রি করে দেওয়া হয়।



'১ কোটি হিন্দু যদি লড়বে বলে সিদ্ধান্ত নেয়...', ইউনূসের বাংলাদেশকে সতর্ক করলেন সঙ্ঘ প্রধান
Supreme Court: বিএলওদের জীবনের ঝুঁকি, তাই সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মানতে চায় না কমিশন
রঞ্জিৎ ঘটক জানান, দিনের পর দিন তাঁদের হুমকি দেওয়া হত, মদ্যপ অবস্থায় বাড়ির সামনে এসে গালিগালাজ করা হত। কাঁদতে কাঁদতে তাঁর স্ত্রী অঞ্জলি বলেন, ‘নিজের জন্মভূমি ছেড়ে, নিজেদের লোক ছেড়ে কি যেতে ইচ্ছে করে। যেতে বাধ্য হচ্ছি।’


রানাঘাট থানার নোকাড়ির বাসিন্দা রঞ্জিৎ ঘটক ও অঞ্জলি ঘটক। অভিযোগ, তাঁদের বাড়ি দখল নেওয়ার জন্য প্রাক্তন অঞ্চল যুব সভাপতি দীপঙ্কর মোদক ও মধু বিশ্বাস মিলিত ভাবে দীর্ঘদিন ধরে ভয় দেখাচ্ছিল তাঁদের। সহ্য করতে না পেরে নাম মাত্র দামে বাড়ি বিক্রি করে মধ্যপ্রদেশের ভোপালে চলে যাচ্ছেন তাঁরা। তৃণমূল নেতার এই তাণ্ডবের ভয় এখনও কাটেনি পরিবারের।

প্রাক্তন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তথা তৃণমূল নেতা জগদীশ মণ্ডলের আত্মীয় এই বৃদ্ধ দম্পতি। জগদীশ মণ্ডল নিজেও তৃণমূলের যুবনেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন। তিনি বলেন, “পুলিশ প্রশাসন ব্যবস্থা না নিলে এর থেকে মুক্তি মিলবে না।” তবে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল যুবনেতা দীপঙ্কর মোদক। ওই দম্পতির বিরুদ্ধেই পাল্টা চুরির অভিযোগ জানিয়েছেন তিনি। যুবনেতার দাবি, বাড়ি ফাঁকা থাকার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নগদ টাকা ও প্রায় ২০ গ্রাম সোনা চুরি করেছিল ঘটক পরিবার। তিনি বলেন, “কেন এভাবে আমার নামে দোষ দেওয়া হচ্ছে জানি না।” অন্যদিকে, বিজেপি নেতৃত্ব এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে।

তাঁর মতে, দেশভাগের অন্যতম কারণই হল, হিন্দুত্ব ভাব ও হিন্দু অস্মিতাকে ভুলে যাওয়া। মোহন ভগবতের অভিযোগ, "ধর্মের কারণেই দেশভাগ হয়েছিল। আমরা বলেছিলাম, আমরা প্রতিটি ধর্মকে সম্মান করি। কারণ আমরা হিন্দু। কিন্তু কিছু মানুষ ছিল, তাঁরা বলেছিল, এই ধারণা ভুল। আজ দেখুন, ভারতে মুসলিম, খ্রীস্টান — সবাই রয়েছে।"

 'হিন্দুত্ব নিরাপত্তার গ্যারান্টি...', ভারত-হিন্দুসমাজকে এক সুতোয় বেঁধে বার্তা ভগবতের
মোহন ভগবত

হিন্দু কোনও সম্প্রদায় নয়, এটা একটা সভ্যতা। শনিবার মুম্বইয়ে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠান থেকে এমনই বার্তা দিলেন সরসঙ্ঘচালক মোহন ভগবত। তিনি বলেন, “ভারতে বসবাসকারী প্রতিটি নাগরিক হিন্দু।” এই মর্মে দেশের চার প্রকারের হিন্দুর কথাও তুলে ধরেন তিনি।

ভগবতের যুক্তি অনুযায়ী —



যাঁরা নিজেদের গর্বের সঙ্গে হিন্দু বলেন, তাঁরা হিন্দু।
যাঁরা হিন্দু, কিন্তু তাতে গর্ব করার কী রয়েছে — এই কথা বলেন, তাঁরা হিন্দু।
যাঁরা ফিসফিস করে নিজেদের হিন্দু বলে পরিচয় দেন, তাঁরা হিন্দু।
যাঁরা ভুলে গিয়েছেন বা যাঁদের ভুলে যেতে বাধ্য় করা হয়েছে, তাঁরাও হিন্দু।
হিন্দু নিয়ে মোহন ভগবতের এই মন্তব্য আজ প্রথম নয়। গতবছরের গোড়া দিকে ১০ দিনের জন্য বাংলা সফরে এসেও এমন কথা বলতে শোনা গিয়েছিল তাঁকে। সেই সময় সরসঙ্ঘচালক বলেছিলেন, “হিন্দু সমাজ ও ভারতবর্ষ একই কথা। আর এই স্বভাব পরম্পরার সঙ্গে যাঁদের কাছে এসেছে, তাঁরাই হিন্দু।”


এদিনের সভায় দেশভাগের নেপথ্যে হিন্দু অস্মিতাকে জুড়ে দেন সরসঙ্ঘচালক। তাঁর মতে, দেশভাগের অন্যতম কারণই হল, হিন্দুত্ব ভাব ও হিন্দু অস্মিতাকে ভুলে যাওয়া। মোহন ভগবতের অভিযোগ, “ধর্মের কারণেই দেশভাগ হয়েছিল। আমরা বলেছিলাম, আমরা প্রতিটি ধর্মকে সম্মান করি। কারণ আমরা হিন্দু। কিন্তু কিছু মানুষ ছিল, তাঁরা বলেছিল, এই ধারণা ভুল। আজ দেখুন, ভারতে মুসলিম, খ্রীস্টান — সবাই রয়েছে।” সরসঙ্ঘচালকের সংযোজন, “হিন্দুত্বকে গ্রহণ করা মানেই নিজের ধর্ম, বিশ্বাস, ধর্মীয় আচারকে ছেড়ে দেওয়া নয়। কেউ যদি হিন্দুত্ব গ্রহণ করেন, তা হলে তার পরিবর্তে তাঁকে কিছু হারাতে হচ্ছে না। হিন্দুত্ব আপনার নিরাপত্তার গ্যারান্টি।”


এসআইআরের খসড়া তালিকায় নাম উঠেছে তাঁর। ভারতীয় ভোটার কার্ড ও আধার কার্ড দুইই আছে তাঁর নামে। সেই অনুযায়ী তাঁর নামও উঠে গিয়েছে খসড়া তালিকায়। কিন্তু তালিকা প্রকাশের পর মাইক্রো অবজারভাররা তা খতিয়ে দেখতে গিয়েই চক্ষু চড়কগাছ। বাংলাদেশের ভোটার তালিকাতেও খুঁজে বের করা গিয়েছে মঞ্জুরানি সাহাকে।

ওপারে নারায়নগঞ্জেও ভোট দেন, এপারে বারাসতেও, খসড়ায় বাংলাদেশি খুঁজে পেল কমিশন!


এসআইআর প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হলে প্রচুর বাংলাদেশির নাম বাদ যাবে, এমন দাবি বারবার করেছেন বিজেপি নেতারা। সেই এসআইআর প্রক্রিয়া এবার প্রায় শেষ হওয়ার পথে। এবার খসড়া তালিকায় খোঁজ পাওয়া গেল এক বাংলাদেশির। নিছক অভিযোগ নয়, কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই মহিলা যে বাংলাদেশে ভোট দিয়েছেন, সেই প্রমাণও পাওয়া গিয়েছে।

ভোটারের নাম মঞ্জুরানি সাহা। এসআইআরের খসড়া তালিকায় নাম উঠেছে তাঁর। ভারতীয় ভোটার কার্ড ও আধার কার্ড দুইই আছে তাঁর নামে। সেই অনুযায়ী তাঁর নামও উঠে গিয়েছে খসড়া তালিকায়। কিন্তু তালিকা প্রকাশের পর মাইক্রো অবজারভাররা তা খতিয়ে দেখতে গিয়েই চক্ষু চড়কগাছ। বাংলাদেশের ভোটার তালিকাতেও খুঁজে বের করা গিয়েছে মঞ্জুরানি সাহাকে।



উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের ভোটার তিনি। ভারতের আধার কার্ড অনুযায়ী, তাঁর ঠিকানা ঋষি বঙ্কিম সরণি, হৃদয়পুর, বারাসত। আর বাংলাদেশের ভোটার তালিকায় তাঁর ঠিকানা নারায়নগঞ্জ সদর, জেলা নারায়নগঞ্জ। নারায়নগঞ্জ গার্লস স্কুলে ভোট দিয়েছেন তিনি। কীভাবে তাঁর নাম ভারতের তালিকায় উঠল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


কমিশনের নির্দেশিকামতো শনিবারই ছিল শুনানির শেষ দিন। সেই সময় আরও বাড়ানোর দাবি জানানো হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সে ব্যাপারে কোনও সিদ্ধান্তের কথা জানায়নি নির্বাচন কমিশন। সোমবার সুপ্রিম কোর্টে ফের এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানি রয়েছে।

 একাংশের মতে, EPFO-র এই সুদের হার নির্ধারণের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক অভিসন্ধিকেও কাজে লাগানো হতে পারে। চলতি বছরেই বাংলা, তামিলনাড়ু, কেরল-সহ দেশের একাধিক রাজ্য়ে নির্বাচন। এই পরিস্থিতিতে প্রভিডেন্ট ফান্ডের সুদের হার অপরিবর্তিতও (৮.২৫ শতাংশ) রাখা হতে পারে।

EPFO Central Board Meeting: সুদে হতে পারে ঘাটতি, বছর শুরুতেই সব কর্মীদের নিরাশ করতে পারে EPFO
ফাইল চিত্র।

নতুন বছরে দুঃখের খবর শোনাবে EPFO? কমবে সুদের হার? আসন্ন মাসেই বৈঠকে বসতে চলেছে EPFO-এর কেন্দ্রীয় বোর্ড। তার আগেই জমা হয়েছে সংশয়ের মেঘ। সুদের হার কমিয়ে দেওয়া হতে পারেই বলে মনে করছেন একাংশ। অর্থাৎ ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে প্রভিডেন্ট ফান্ডে জমা পড়ায় টাকা অল্প সুদ দিতে চাইছে EPFO। কিন্তু এই নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ হবে কেন্দ্রীয় বোর্ডের বৈঠকেই।


দ্য় ইকনোমিক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বৈঠকে বার্ষিকী সুদ ৮ শতাংশ থেকে ৮.২০ শতাংশের মধ্য়ে রাখা হতে পারে। যা গতবছর ছিল ৮.৩০ শতাংশ। কিন্তু এই অঙ্ক যে চূড়ান্ত তা নয়। একাংশের মতে, EPFO-র এই সুদের হার নির্ধারণের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক অভিসন্ধিকেও কাজে লাগানো হতে পারে। চলতি বছরেই বাংলা, তামিলনাড়ু, কেরল-সহ দেশের একাধিক রাজ্য়ে নির্বাচন। এই পরিস্থিতিতে প্রভিডেন্ট ফান্ডের সুদের হার অপরিবর্তিতও (৮.২৫ শতাংশ) রাখা হতে পারে।


জানা গিয়েছে, চলতি মাসের শেষে EPFO-এর ফিনান্স, ইনভেস্টমেন্ট এবং অডিট কমিটির একটি বৈঠক হবে। তাঁরা EPFO কেন্দ্রীয় বোর্ড গোটা এক বছরের তথ্য়-সহ একটি সুদের হার সুপারিশ করবে। কেন্দ্রীয় বোর্ড তাতে সম্মতি জানাবে মার্চের বৈঠকে। তারপর সেই ভিত্তিতেই হবে ঘোষণা।


গত ১২ বছরের খতিয়ান —
২০১৪-১৫ অর্থবর্ষ — ৮.৮ শতাংশ
২০১৫-১৬ অর্থবর্ষ — ৮.৮ শতাংশ
২০১৬-১৭ অর্থবর্ষ — ৮.৭ শতাংশ
২০১৭-১৮ অর্থবর্ষ — ৮.৬ শতাংশ
২০১৮-১৯ অর্থবর্ষ — ৮.৭ শতাংশ
২০১৯-২০ অর্থবর্ষ — ৮.৫ শতাংশ
২০২০-২১ অর্থবর্ষ — ৮.৫ শতাংশ
২০২১-২২ অর্থবর্ষ — ৮.১ শতাংশ
২০২২-২৩ অর্থবর্ষ — ৮.২ শতাংশ
২০২৩-২৪ অর্থবর্ষ — ৮.৩ শতাংশ
২০২৪-২৫ অর্থবর্ষ — ৮.৩ শতাংশ

 হুমায়ুন কবীর বলেন, "মুর্শিদাবাদ, মালদহ, উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুর মিলিয়ে ৪৯টা আসন রয়েছে। আমায় ১৪টা আসন ছাড়তে চাইছ। কিন্তু, এই ৪৯টা আসনের মধ্যে ৩৫টা আসনে জিতব।" রেজিনগরের বাসিন্দাদের বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, "রেজিনগরে আমার দলের যেই দাঁড়াক, ৭৮ হাজার লিড হওয়া চাই।"

সিপিএম, মিম, আইএসএফের সঙ্গে জোট নিয়ে বার্তা দিয়েছেন তিনি। কিন্তু, তাঁর দলের সঙ্গে কি মুর্শিদাবাদে আসন রফা করতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস? বিস্ফোরক দাবি করলেন জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর। রবিবার তিনি দাবি করেন, মুর্শিদাবাদে ১৪টি আসন তাঁর দলকে ছাড়তে চেয়ে যোগাযোগ করেছে রাজ্যের শাসকদল। তবে তাঁর হুঁশিয়ারি, মুর্শিদাবাদে তৃণমূলকে শূন্য করবেন তিনি।

একুশের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের টিকিটে মুর্শিদাবাদের ভরতপুর থেকে জয়ী হন হুমায়ুন। কিন্তু, তৃণমূলের সঙ্গে গত কয়েকমাসে তাঁর দূরত্ব বাড়ছিল। শেষপর্যন্ত তৃণমূল তাঁকে সাসপেন্ড করে। তারপরই নতুন দল গঠন করেন হুমায়ুন। আর নতুন দল গঠনের পর থেকে তৃণমূলকে ক্ষমতাচ্যুত করার হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন তিনি।


এই পরিস্থিতিতে এদিন রেজিনগরে একটি অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “আমাকে এবার ভরতপুরেই তৃণমূল টিকিট দেবে কি না, সেই আলোচনা চলছিল। দু’দুটো ব্লক সভাপতি, জেলা সভাপতিকে আমার বিরুদ্ধে লাগিয়ে রেখেছিল তৃণমূল। আর এখন কেমন লাগছে। এখন বলছে, মুর্শিদাবাদের ২২টা আসনের মধ্যে ১৪টা তুমি নিয়ে নাও। আর ৮টা আমরা নিই। আমাদের সঙ্গেই থাকো। লজ্জা করে না। আজকে ১৪টা সিট ছাড়তে চাইছ। ২২টা আসনেই শূন্য করব। ২২টা আসনই ছিনিয়ে নেব। তারপর বিধানসভায় গিয়ে হিসাব-নিকাশ বুঝব। মুর্শিদাবাদ, মালদহ, উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুর মিলিয়ে ৪৯টা আসন রয়েছে। আমায় ১৪টা আসন ছাড়তে চাইছ। কিন্তু, এই ৪৯টা আসনের মধ্যে ৩৫টা আসনে জিতব।” রেজিনগরের বাসিন্দাদের বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, “রেজিনগরে আমার দলের যেই দাঁড়াক, ৭৮ হাজার লিড হওয়া চাই।”


প্রতিবেশীর বেআইনি নির্মাণের প্রতিবাদ জানাতে উত্তর ব্যারাকপুর পুরসভায় চিঠি দিয়েছিলেন মণিরামপুর এলাকার বাসিন্দা তুলসীচরণ অধিকারিক। অভিযোগ, এরপরই রবিবার ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রবীন ভট্টাচার্য তুলসীবাবুর বাড়িতে হাজির হন। বৃদ্ধকে তিনি বেধড়ক মারধর করেন বলেও অভিযোগ।


পেটে লাথি মারতেই হার্টফেল! গ্রেফতার কাউন্সিলর, তড়িঘড়ি রবীনকে সাসপেন্ড করল তৃণমূল

ব্যারাকপুরে বৃদ্ধের মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেফতার করা হল কাউন্সিলরকে। তারপরই তাঁকে সাসপেন্ড করা হল দল থেকে। মনিরামপুরে ৮১ বছরের বৃদ্ধকে খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত কাউন্সিলর আইনজীবী রবীন ভট্টাচার্যকে তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড করার কথা জানালেন বিধায়ক পার্থ ভৌমিক। আগামী ৬ বছরের জন্য সাসপেন্ড করা হল তাঁকে। রবিবার এক ৮১ বছরের বৃদ্ধকে লাথি মারার পর তাঁর মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ উঠেছে কাউন্সিলর রবীন ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে।


প্রতিবেশীর বেআইনি নির্মাণের প্রতিবাদ জানাতে উত্তর ব্যারাকপুর পুরসভায় চিঠি দিয়েছিলেন মণিরামপুর এলাকার বাসিন্দা তুলসীচরণ অধিকারিক। অভিযোগ, এরপরই রবিবার ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রবীন ভট্টাচার্য তুলসীবাবুর বাড়িতে হাজির হন। বৃদ্ধকে তিনি বেধড়ক মারধর করেন বলেও অভিযোগ। এমনকী রবীনবাবু বৃদ্ধের পেটে লাথি মারেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।


এদিন সন্ধ্যায় ঘটনাস্থলে গিয়ে পার্থ ভৌমিক বলেন, “অত্যন্ত নিন্দনীয়, মর্মান্তিক ঘটনা। দুটি বাড়ির মধ্যে অশান্তি চলছিল। সেই কারণেই পুরসভায় চিঠি দিয়েছিলেন। পুরসভার নোটিফিকেশন নিয়ে আমাদের কাউন্সিলরের সঙ্গে বাবা ও ছেলের তর্ক চলে। আমি শুনেছি, উনি হার্টফেল করে মারা গিয়েছেন। নিরীহ ও সজ্জন মানুষ ছিলেন।” দল বিষয়টাকে ভালভাবে দেখছে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।


এদিন অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর কাউন্সিলরকে আটক করে পুলিশ। খুনের ঘটনার কারণ দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করে ব্যারাকপুর থানার পুলিশ। এরপর তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।


স্থায়ী জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে বিভিন্ন সরকারি আধিকারিকের কাছ থেকেই এই স্থায়ী বসবাসের শংসাপত্র পাওয়া যায়। তবে কখন তা এসআইআর-এর কাজে গৃহিত হবে বা বৈধ নথি হিসাবে গ্রহণ হবে, তা এবার নির্দিষ্ট করে জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন।

ডোমিসাইল থাকলেই হবে না! SIR-র জন্য বাড়তি নিয়ম বেঁধে দিল কমিশন
প্রতীকী ছবি

স্থায়ী বসবাসের শংসাপত্র বা ডোমিসাইল সার্টিফিকেট পেতে যাতে অসুবিধা না-হয়, তার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় কলকাতা-সহ রাজ্য প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছিলেন, এই শংসাপত্র সাধারণের হাতে দ্রুত তুলে দিতে হবে। এই মর্মে ক্যাম্প করারও বার্তা দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন (এসআইআর)-এর কাজে এই শংসাপত্রটি কোন ক্ষেত্রে বৈধ ধরা হবে, সেই নিয়ে এবার অবস্থান স্পষ্ট করল নির্বাচন কমিশন।


নয়াদিল্লি থেকে বাংলার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে এল চিঠি। নিবিড় পরিমার্জন প্রক্রিয়ায় ডোমিসাইল সার্টিফিকেট গ্রহণযোগ্য নথি। তবে শংসাপত্রটি কয়েকটি ক্ষেত্রে বৈধ হিসাবে ধরা হবে বলেই জানিয়েছে কমিশন। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক, মহকুমাশাসক এবং কলকাতার ক্ষেত্রে কালেক্টর যে সকল শংসাপত্র দিয়েছেন, সেগুলিকেই বৈধ বলে চিহ্নিত করা হবে।


প্রতিবাদ জানাতেই একেবারে পেটে লাথি মারলেন TMC কাউন্সিলর! ৮১ বছরের বৃদ্ধের মৃত্যুতে বিস্ফোরক অভিযোগ
স্থায়ী জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে বিভিন্ন সরকারি আধিকারিকের কাছ থেকেই এই স্থায়ী বসবাসের শংসাপত্র পাওয়া যায়। তবে কখন তা এসআইআর-এর কাজে গৃহিত হবে বা বৈধ নথি হিসাবে গ্রহণ হবে, তা এবার নির্দিষ্ট করে জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। সঙ্গে তাঁরা এও স্পষ্ট করে দিয়েছে প্রতিটি শংসাপত্র পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ১৯৯৯ সালের নভেম্বর মাসে জারি হওয়া নির্দেশিকা মেনেই হতে হবে।




কিন্তু ওই নির্দেশিকায় কী বলা হয়েছিল? ১৯৯৯ সালের ২ নভেম্বর ডোমিসাইল সার্টিফিকেট নিয়ে রাজ্য় প্রশাসনের জারি করা নির্দেশিকায় বলা হয়েছিল, প্রতিরক্ষা এবং আধা সামরিক বাহিনীর চাকরির জন্য ওই শংসাপত্র দেওয়া হয়, যা প্রদান করার ক্ষমতা একমাত্র জেলাশাসকদের রয়েছে। এক্ষেত্রে আবেদনকারী বা তাঁর বাবা-মা কমপক্ষে প্রায় ১৫ বছর ধরে একটানা পশ্চিমবঙ্গে থাকলে তাঁরা এই শংসাপত্র পেতে পারেন। নিজের জমি থাকলে এই সার্টিফিকেট পাওয়া যেতে পারে। পাশাপাশি, রাজ্যের কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করেছেন, এই প্রমাণ থাকলেও সংশ্লিষ্ট শংসাপত্র পাওয়া যেতে পারে।

শনিবার রাজ্যের সিইও দফতরে পাঠানো চিঠিতেও স্থায়ী বসবাসকারী শংসাপত্র নিয়ে এই নির্দেশিকা এবং নির্দিষ্ট আধিকারিকদের দ্বারা অনুমোদনের কথা স্মরণ করাল নির্বাচন কমিশন। পাশাপাশি, এই নির্দেশ কঠোর ভাবে পালন করতে হবে বলেই জানিয়ে দিল তাঁরা।

তৃণমূলে যোগ দিতে হবে, রাজি না হওয়ায় বিজেপি কর্মীর দোকান-বাইক জ্বালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ


অভিযোগ জানাতে আনন্দপুর থানায় গিয়েছিলেন রাজেশ। সেখানে প্রথম তাঁর অভিযোগ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। খবর জানাজানি হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন বিজেপি কর্মীরা। থানার সামনে ব্যাপক বিক্ষোভও দেখানো হয় বিজেপির তরফে।



কলকাতা: সক্রিয় বিজেপি কর্মীকে তৃণমূলে যোগদান করার জন্য হুমকি। তৃণমূলে যোগদান না করায় তাঁর দোকান এবং তার বাইক জ্বালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল ১০৮ নম্বর ওয়ার্ডে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে শহরের রাজনৈতিক মহলে। বিজেপি কর্মীর নাম রাজেশ মণ্ডল। তাঁর অভিযোগ স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষের নেতৃত্বেই যাবতীয় ঘটনা ঘটেছে। অন্যদিকে এ ঘটনায় পুলিশি নিষ্ক্রিয়তারও অভিযোগ উঠেছে। 

অভিযোগ জানাতে আনন্দপুর থানায় গিয়েছিলেন রাজেশ। সেখানে প্রথম তাঁর অভিযোগ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। খবর জানাজানি হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন বিজেপি কর্মীরা। থানার সামনে ব্যাপক বিক্ষোভও দেখানো হয় বিজেপির তরফে। তারপরই নেওয়া হয় অভিযোগ। এদিকে এ ঘটনার পর থেকে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন রাজেশ। আতঙ্কের ছাপ পরিবারেও। তীব্র ভয়ের আবহেই রয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজেশের স্ত্রী মৌমিতা মণ্ডল। যদিও পুলিশ তাঁদের নিরাপত্তা দেওয়ার কথা বলেছে। কিন্তু এখনও তাঁদের বাড়ির সামনে কোনও পুলিশকেই মোতায়েন করা হয়নি বলে অভিযোগ রাজেশের। 



বিগত কয়েকদিনে উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের প্রায় প্রতিটা জেলাতেই কুয়াশার দাপট দেখা গিয়েছে। আপাতত কুয়াশার দাপট আর থাকছে না বলেই জানাচ্ছে আবহাওয়া দফতর। তবে সকালের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার দেখা মিলবে।


শেষবেলায় হঠাৎ মুড সুইং শীতের! এই ফেব্রুয়ারিতেই ৫ থেকে ৬ ডিগ্রিতে নেমে যাবে তাপমাত্রা
কী বলছে আবহাওয়া দফতর?


মাঘ-শেষে রাজ্য জুড়ে শীতের আমেজ। ফাঁকা মাঠ পেয়ে নিজের ছন্দে বইছে উত্তুরে হাওয়া। দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের বেশ কিছুটা নিচে। টানা দু’দিন ১৪ ডিগ্রির ঘরে কলকাতার পারদ। এদিনও কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। জেলায় জেলায় ১০-১২ ডিগ্রির ঘরে ঘোরাফেরা করছে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। ঠান্ডার ভালই কামর রয়েছে পশ্চিমের জেলাগুলিতে। উত্তরেও শেষবেলায় মুড ভাল শীতের। মঙ্গলবার পর্যন্ত তাপমাত্রায় বড়সড় কোনও বদলের সম্ভাবনা নেই বলেই মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা। 


কেমন থাকবে দক্ষিণবঙ্গ থেকে উত্তরবঙ্গ? 
আগামী কয়েকদিন কলকাতার তাপমাত্রা ১৪ থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে তাপমাত্রা। উপকূলের ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ১৩ থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করবে। পশ্চিমের জেলাগুলির তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির কাছাকাছি নেমে যেতে পারে। ১১ থেকে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে পশ্চিমের বেশিরভাগ জেলার তাপমাত্রা। 



অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে আগামী ৪ থেকে ৫দিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রার বিশেষ কোনও হেরফের থাকছে না। দার্জিলিংয়ের পার্বত্য এলাকায় ৫ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করবে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। উত্তরবঙ্গের উপরের দিকে কালিম্পং সহ সমতলের জেলাতে ১০ থেকে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে তাপমাত্রা থাকবে। মালদা সহ নিচের দিকের জেলাতে ১৩ থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।

তবে বুধবার থেকে দিন-রাতের তাপমাত্রা, দুই-ই বাড়বে। কারণ ফের রয়েছে ঝঞ্ঝার পূর্বাভাস। পশ্চিমী ঝঞ্ঝা থাকছে হিমাচল প্রদেশ ও সংলগ্ন উত্তর-পশ্চিম ভারতের পার্বত্য এলাকায়। জম্মু-কাশ্মীর ও সংলগ্ন এলাকায় আরও একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা আসবে ৯ ফেব্রুয়ারি।  

এদিকে বিগত কয়েকদিনে উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের প্রায় প্রতিটা জেলাতেই কুয়াশার দাপট দেখা গিয়েছে। আপাতত কুয়াশার দাপট আর থাকছে না বলেই জানাচ্ছে আবহাওয়া দফতর। তবে সকালের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার দেখা মিলবে। কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি থাকবে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুর জেলাতে। সেই তুলনায় দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে কুয়াশার মাত্রা অনেকটাই কম থাকছে। 


দুদিন আগে অর্থাৎ গত পাঁচ তারিখ রবীন্দ্র সরোবর স্টেশনে মেট্রোর লাইনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন এক ব্যক্তি। সন্ধে নাগাদ ব্যস্ত সময়ে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটায় স্বাভাবিকভাবেই ব্লু লাইনে খানিকসময়ের জন্য বন্ধ করে রাখা হয় পরিষেবা। প্রসঙ্গত,ব্লু লাইনে বিশেষ করে রবীন্দ্র সরোবরে প্রায়ই আত্মহত্যার চেষ্টা হয়।

আবার রবীন্দ্র সরোবর স্টেশনে আত্মহত্যার চেষ্টা, কোন-কোন স্টেশনে এখন মেট্রো চলছে?
কলকাতা মেট্রোয় আত্মহত্যার চেষ্টা
ফের মেট্রো স্টেশনে ঝাঁপ। স্টেশনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা। যার জেরে ব্যহত পরিষেবা। আপাতত ময়দান থেকে দক্ষিণেশ্বর পর্যন্ত চলছে মেট্রো। তবে রবিবার ছুটির দিন। প্রচুর মানুষ বের হন এদিক-ওদিকে। তারপর আবার শীতের মরশুম। সেই মরশুমে মানুষজন ঘুরতে বেরচ্ছেন। তখনই এমন বিভ্রাট স্বাভাবিকভাবেই ক্ষুব্ধ যাত্রীরা। ( শেষ পাওয়া খবর ১টা বেজে ৩২ মিনিট: উদ্ধারকাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক এখন)


মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ সূত্রে খবর, সকাল ১০ বেজে ৪৫ মিনিট নাগাদ আপ লাইনে রবীন্দ্র সরোবর মেট্রো স্টেশনে হঠাৎই এক ব্যক্তি ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। বিষয়টি নজরে আসতেই তড়িঘড়ি এমারজেন্সি পাওয়ার সাপ্লাই বন্ধ করে দেওয়া হয়। তারপরই শুরু হয় উদ্ধার কাজ। এই ঝাঁপ দেওয়ার ঘটনার কারণে মেট্রো পরিষেবার উপর যথেষ্ঠ প্রভাব পড়েছে। মেট্রো সূত্রে খবর, উদ্ধারকাজের জন্য ময়দান থেকে দক্ষিণেশ্বর পর্যন্ত আপ ও ডাউন লাইনে মেট্রো পরিষেবা স্বাভাবিক রাখা হয়েছে। তবে মেট্রো কর্তৃপক্ষের আশ্বাস যে উদ্ধারকাজ সম্পন্ন হলেই সব জায়গায় পরিষেবা স্বাভাবিক হবে।



 হেরে গেলেই টাকা বন্ধ! 'বাপের ব্যাটা হলে উদ্ধার করে নাও...', প্রকাশ্যে হুঁশিয়ারি শওকতের
'আমি অ্যাকোরিয়ামের মাছ নই...', কী বোঝাতে চাইলেন পার্থ
দুদিন আগে অর্থাৎ গত পাঁচ তারিখ রবীন্দ্র সরোবর স্টেশনে মেট্রোর লাইনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন এক ব্যক্তি। সন্ধে নাগাদ ব্যস্ত সময়ে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটায় স্বাভাবিকভাবেই ব্লু লাইনে খানিকসময়ের জন্য বন্ধ করে রাখা হয় পরিষেবা। প্রসঙ্গত,ব্লু লাইনে বিশেষ করে রবীন্দ্র সরোবরে প্রায়ই আত্মহত্যার চেষ্টা হয়। অন্যান্য নতুন তৈরি রুটগুলিতে সাবধানতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে সবচেয়ে পুরনো এই রুটে তা এখনও করা সম্ভব হয়নি। অন্য রুটে মেট্রোর লাইন পাঁচিল দিয়ে ঢাকা থাকায় সেখানে ঝাঁপ দেওয়া সম্ভব নয়।

 কিন্তু ক’টা আসনে দিনের শেষে লড়তে চান হুমায়ুন? তিনি বলছেন, “জোট হলে তো আমাদের সিট শেয়ারিং কমে যাবে। তবে যতই কমুক, আমি ১৩৫ এর নিচে নামব না। যদি জোট না হয় তাহলে আমি একাই ১৮২ আসনে লড়ব। আমার মূল টার্গেট তৃণমূলকে পরাজিত করা, বিজেপিকেও মেজোরিটিতে পৌঁছাতে না দেওয়া। সে ক্ষেত্রে জোটের নেতৃত্ব যদি সেলিম সাহেব দেয় তাহলে সেটা আমি মানব।”


শূন্য শূন্য যোগ করলে শূন্যই হয়’, বাম-কংগ্রেসকে খোঁচা দিয়েও সেলিমকে জোটের নেতা মানতে রাজি হুমায়ুন
হুমায়ুন কবীর

হুমায়ুনের দলের সঙ্গে কি জোট বাঁধবে সিপিএম-আইএসএফ-মিম? জল্পনার মধ্যেই এবার নতুন কথা ভরতপুরের বিধায়কের। সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে। ২৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে জোট চূড়ান্ত হয়ে যাবে। জোট হলে ১৩৫ এর নিচে নামবেন না। আর জোট যদি হয় তাহলে তা একমাত্র মহম্মদ সেলিমের নেতৃত্বেই মানবেন। সাফ কথা হুমায়ুনের। এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে হুমায়ুনের মুখে শোনা যায় একাধিক ইঙ্গিতপূর্ণ কথা। 


এদিকে কয়েকদিন আগেই আবার নিউটাউনে হুমায়ুন বৈঠক নিয়ে মুখ খুলতে দেখা গিয়েছিল সেলিমকে। সেদিন আবার তিনি স্পষ্ট জানিয়েছিলেন তাঁদের সঙ্গে কথা বলতে হলে মন্দির মসজিদ রাজনীতি জোড়া যাবে না। এখন হুমায়ুন বলছেন, “শূন্য শূন্য যোগ করলে শূন্যই হয়। সেই শূন্যের একটা কেটে গিয়েছে। আর একটা শূন্য আমাদের সঙ্গে থাকার জন্য আগ্রহ দেখিয়েছে। ২৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে মিম, আইএসএফ, সিপিএমের মধ্যে কাদের সঙ্গে আমরা জোট বাঁধছি সেটা বাংলার মানুষ জানতে পেরে যাবে।”


 ইউনূসের বাংলাদেশকে সতর্ক করলেন সঙ্ঘ প্রধান
রবিবার সকালে ভয়ঙ্কর ঘটনা, উত্তরপাড়ার একাধিক মন্দিরে মা কালীর এ কী রূপ দেখলেন সকলে!
কিন্তু ক’টা আসনে দিনের শেষে লড়তে চান হুমায়ুন? তিনি বলছেন, “জোট হলে তো আমাদের সিট শেয়ারিং কমে যাবে। তবে যতই কমুক, আমি ১৩৫ এর নিচে নামব না। যদি জোট না হয় তাহলে আমি একাই ১৮২ আসনে লড়ব। আমার মূল টার্গেট তৃণমূলকে পরাজিত করা, বিজেপিকেও মেজোরিটিতে পৌঁছাতে না দেওয়া। সে ক্ষেত্রে জোটের নেতৃত্ব যদি সেলিম সাহেব দেয় তাহলে সেটা আমি মানব। অন্য কাউকে জোটের নেতা মানব না।” তবে তীব্র কটাক্ষ করছে বিজেপি। বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ বলছেন, “ভোটের আগে অনেকেই ফাঁকা আওয়াজ দেয়। দেখতে থাকুন না কী হয়।”