WEATHER

Top News


সুকান্ত মজুমদার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, পুরভোটের প্রার্থী নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। এত তাড়াহুড়োর করার প্রয়োজন নেই। ভোটের প্রার্থী ঝাড়াই-বাছাইয়ের সময় কী কী বিষয় দেখা হবে, কোন মাপকাঠিতে টিকিট দেওয়া হবে, তা জানিয়ে দিয়েছেন সুকান্ত। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, যে জিতবে, তাঁকেই প্রার্থী করবে বিজেপি। দলের সঙ্গে কে কতদিন যুক্ত তা বিচার্য নয়।


কে কতদিন দলে আছে, সেটা বিচার্য নয়', ভোটে কারা টিকিট পাবেন, আগাম জানিয়ে দিলেন সুকান্ত
সুকান্ত মজুমদার

সামনেই রয়েছে পুরভোট। নভেম্বরের দিকেই পুরভোট করার চিন্তা-ভাবনা করছে রাজ্য সরকার। ইতিমধ্যেই সেই ইঙ্গিত মিলেছে কখনও মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যে, কখনও আবার পুর ও নগরোন্নায়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের (Agnimitra Paul) মন্তব্যে। তবে, দিনক্ষণ এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তবে, জোরকদমে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে বিজেপি। দলের বিভিন্ন বিধায়ক-মন্ত্রীদের মধ্যে দায়িত্বও ভাগ করা দেওয়া হয়েছে। কলকাতার পুরভোট (KMC Vote) সামলানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সুকান্ত মজুমদারকে (Sukanta Majumdar)। এবার ভোটের আগে প্রার্থী নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করলেন বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। ভোটে কারা টিকিট পাবেন তা আগাম জানিয়ে দিলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি।


কী বলেছেন সুকান্ত মজুমদার?
সুকান্ত মজুমদার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, পুরভোটের প্রার্থী নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। এত তাড়াহুড়োর করার প্রয়োজন নেই। ভোটের প্রার্থী ঝাড়াই-বাছাইয়ের সময় কী কী বিষয় দেখা হবে, কোন মাপকাঠিতে টিকিট দেওয়া হবে, তা জানিয়ে দিয়েছেন সুকান্ত। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, যে জিতবে, তাঁকেই প্রার্থী করবে বিজেপি। দলের সঙ্গে কে কতদিন যুক্ত তা বিচার্য নয়।



 স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ও বিশেষ নজর রেখেছেন এই বিষয়ে। তাঁর মতে, সৌন্দর্যায়নের নামে জায়গায় জায়গায় পদ্ম পুল বানানো বন্ধ হোক। তিনি বলেন, "কোনও দিন একটা পদ্ম ফুটতে দেখিনি। একটা মাছ ঘুরে বেড়াতেও দেখিনি। তৈরি হয়ে যায়, তারপর রক্ষণাবেক্ষণ হয় না ঠিক মতো।"


 ১০ জনের মৃত্যু ভাবাচ্ছে স্বাস্থ্য দফতরকে, ৭ দিনে হাসপাতালে ভর্তি ৮০০ আক্রান্ত


বর্ষা মানেই ডেঙ্গি আতঙ্ক। এবছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। পরিসংখ্যান যা বলছে, তাতে ডেঙ্গিকে আর অবহেলা করার সময় নেই। চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত ১০ জন ডেঙ্গি আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে বলে সূত্রের খবর। শয়ে শয়ে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। গত সাত দিনে ডেঙ্গির উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন অন্তত ৮০০ জন। তার মধ্যে ৫ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।


পরিসংখ্যান: ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২৩ আগস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গিতে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৩৮৭ জন। ২০২৬ সালে ১ জানুয়ারি থেকে ২৩ আগস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গিতে আক্রান্ত ৩২৭ জন।

১০ জনের মৃত্যু ভাবাচ্ছে স্বাস্থ্য দফতরকে, ৭ দিনে হাসপাতালে ভর্তি ৮০০ আক্রান্ত

স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ও বিশেষ নজর রেখেছেন এই বিষয়ে। তাঁর মতে, সৌন্দর্যায়নের নামে জায়গায় জায়গায় পদ্ম পুল বানানো বন্ধ হোক। তিনি বলেন, "কোনও দিন একটা পদ্ম ফুটতে দেখিনি। একটা মাছ ঘুরে বেড়াতেও দেখিনি। তৈরি হয়ে যায়, তারপর রক্ষণাবেক্ষণ হয় না ঠিক মতো।"


১০ জনের মৃত্যু ভাবাচ্ছে স্বাস্থ্য দফতরকে, ৭ দিনে হাসপাতালে ভর্তি ৮০০ আক্রান্ত

বর্ষা মানেই ডেঙ্গি আতঙ্ক। এবছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। পরিসংখ্যান যা বলছে, তাতে ডেঙ্গিকে আর অবহেলা করার সময় নেই। চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত ১০ জন ডেঙ্গি আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে বলে সূত্রের খবর। শয়ে শয়ে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। গত সাত দিনে ডেঙ্গির উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন অন্তত ৮০০ জন। তার মধ্যে ৫ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।


পরিসংখ্যান: ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২৩ আগস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গিতে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৩৮৭ জন। ২০২৬ সালে ১ জানুয়ারি থেকে ২৩ আগস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গিতে আক্রান্ত ৩২৭ জন।

১৪ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণে উস্কানি ও মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেফতার নার্স
উদ্বেগ কোথায়: প্রতি বছর পূর্ববর্তী বছরের সঙ্গে যখন পরিসংখ্যান মেলানো হয়, তখন দেখা যায় আগের বছর থেকে অন্তত ৩০-৪০ শতাংশ কম ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়। কিন্তু এবার সেখানে মাত্র ১৫ শতাংশ কম।


ডেঙ্গির ঝুঁকি-সূচক: ৩০ অগস্টের একটি স্বাস্থ্য-ঝুঁকি সূচকে কলকাতায় ডেঙ্গির ঝুঁকি ৩৯/১০০, অর্থাৎ মাঝারি হিসাবে দেখানো হয়েছে। এটি আক্রান্তের সংখ্যা নয। ৩৯/১০০ পরিসংখ্যানটি সরকারি ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা নয়; এটি একটি স্বাস্থ্য-ঝুঁকি সূচক।

ম্যালেরিয়ার ঝুঁকিও রয়েছে: একই সূচকে কলকাতায় ম্যালেরিয়ার ঝুঁকি ডেঙ্গির তুলনায় বেশি দেখানো হয়েছে।

মৃত্যুর সংখ্যা: ২০২৬ সালে এখনও পর্যন্ত মোট ডেঙ্গিতে মৃত্যু হয়েছে ১০জন আক্রান্তের। তবে ডেথ রিভিউ কমিটির মতে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের। বাকি ৩ জন ডেঙ্গি আক্রান্ত হলেও মৃত্যুর কারণ অন্য, ডেঙ্গি নয়। ২০২৫ সালে মৃত্যু হয়েছিল ১৯ জনের, ২০২৪-এ মৃত্যু হয়েছিল ৩১ জনের।

পদ্ম-পুল বন্ধ করে দেওয়া হোক: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ও বিশেষ নজর রেখেছেন এই বিষয়ে। তাঁর মতে, সৌন্দর্যায়নের নামে জায়গায় জায়গায় পদ্ম পুল বানানো বন্ধ হোক। তিনি বলেন, “কোনও দিন একটা পদ্ম ফুটতে দেখিনি। একটা মাছ ঘুরে বেড়াতেও দেখিনি। তৈরি হয়ে যায়, তারপর রক্ষণাবেক্ষণ হয় না ঠিক মতো।” কেএমসির মুখ্য পতঙ্গবিদ দেবাশিস বিশ্বাসের বক্তব্য, এখনও হাতের বাইরে যায়নি পরিস্থিতি। সবাইকে এ ব্যাপারে সচেতন হতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।



 স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ও বিশেষ নজর রেখেছেন এই বিষয়ে। তাঁর মতে, সৌন্দর্যায়নের নামে জায়গায় জায়গায় পদ্ম পুল বানানো বন্ধ হোক। তিনি বলেন, "কোনও দিন একটা পদ্ম ফুটতে দেখিনি। একটা মাছ ঘুরে বেড়াতেও দেখিনি। তৈরি হয়ে যায়, তারপর রক্ষণাবেক্ষণ হয় না ঠিক মতো।"


 ১০ জনের মৃত্যু ভাবাচ্ছে স্বাস্থ্য দফতরকে, ৭ দিনে হাসপাতালে ভর্তি ৮০০ আক্রান্ত


বর্ষা মানেই ডেঙ্গি আতঙ্ক। এবছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। পরিসংখ্যান যা বলছে, তাতে ডেঙ্গিকে আর অবহেলা করার সময় নেই। চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত ১০ জন ডেঙ্গি আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে বলে সূত্রের খবর। শয়ে শয়ে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। গত সাত দিনে ডেঙ্গির উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন অন্তত ৮০০ জন। তার মধ্যে ৫ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।


পরিসংখ্যান: ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২৩ আগস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গিতে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৩৮৭ জন। ২০২৬ সালে ১ জানুয়ারি থেকে ২৩ আগস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গিতে আক্রান্ত ৩২৭ জন।

১০ জনের মৃত্যু ভাবাচ্ছে স্বাস্থ্য দফতরকে, ৭ দিনে হাসপাতালে ভর্তি ৮০০ আক্রান্ত

স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ও বিশেষ নজর রেখেছেন এই বিষয়ে। তাঁর মতে, সৌন্দর্যায়নের নামে জায়গায় জায়গায় পদ্ম পুল বানানো বন্ধ হোক। তিনি বলেন, "কোনও দিন একটা পদ্ম ফুটতে দেখিনি। একটা মাছ ঘুরে বেড়াতেও দেখিনি। তৈরি হয়ে যায়, তারপর রক্ষণাবেক্ষণ হয় না ঠিক মতো।"


১০ জনের মৃত্যু ভাবাচ্ছে স্বাস্থ্য দফতরকে, ৭ দিনে হাসপাতালে ভর্তি ৮০০ আক্রান্ত

বর্ষা মানেই ডেঙ্গি আতঙ্ক। এবছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। পরিসংখ্যান যা বলছে, তাতে ডেঙ্গিকে আর অবহেলা করার সময় নেই। চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত ১০ জন ডেঙ্গি আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে বলে সূত্রের খবর। শয়ে শয়ে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। গত সাত দিনে ডেঙ্গির উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন অন্তত ৮০০ জন। তার মধ্যে ৫ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।


পরিসংখ্যান: ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২৩ আগস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গিতে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৩৮৭ জন। ২০২৬ সালে ১ জানুয়ারি থেকে ২৩ আগস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গিতে আক্রান্ত ৩২৭ জন।

১৪ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণে উস্কানি ও মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেফতার নার্স
উদ্বেগ কোথায়: প্রতি বছর পূর্ববর্তী বছরের সঙ্গে যখন পরিসংখ্যান মেলানো হয়, তখন দেখা যায় আগের বছর থেকে অন্তত ৩০-৪০ শতাংশ কম ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়। কিন্তু এবার সেখানে মাত্র ১৫ শতাংশ কম।


ডেঙ্গির ঝুঁকি-সূচক: ৩০ অগস্টের একটি স্বাস্থ্য-ঝুঁকি সূচকে কলকাতায় ডেঙ্গির ঝুঁকি ৩৯/১০০, অর্থাৎ মাঝারি হিসাবে দেখানো হয়েছে। এটি আক্রান্তের সংখ্যা নয। ৩৯/১০০ পরিসংখ্যানটি সরকারি ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা নয়; এটি একটি স্বাস্থ্য-ঝুঁকি সূচক।

ম্যালেরিয়ার ঝুঁকিও রয়েছে: একই সূচকে কলকাতায় ম্যালেরিয়ার ঝুঁকি ডেঙ্গির তুলনায় বেশি দেখানো হয়েছে।

মৃত্যুর সংখ্যা: ২০২৬ সালে এখনও পর্যন্ত মোট ডেঙ্গিতে মৃত্যু হয়েছে ১০জন আক্রান্তের। তবে ডেথ রিভিউ কমিটির মতে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের। বাকি ৩ জন ডেঙ্গি আক্রান্ত হলেও মৃত্যুর কারণ অন্য, ডেঙ্গি নয়। ২০২৫ সালে মৃত্যু হয়েছিল ১৯ জনের, ২০২৪-এ মৃত্যু হয়েছিল ৩১ জনের।

পদ্ম-পুল বন্ধ করে দেওয়া হোক: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ও বিশেষ নজর রেখেছেন এই বিষয়ে। তাঁর মতে, সৌন্দর্যায়নের নামে জায়গায় জায়গায় পদ্ম পুল বানানো বন্ধ হোক। তিনি বলেন, “কোনও দিন একটা পদ্ম ফুটতে দেখিনি। একটা মাছ ঘুরে বেড়াতেও দেখিনি। তৈরি হয়ে যায়, তারপর রক্ষণাবেক্ষণ হয় না ঠিক মতো।” কেএমসির মুখ্য পতঙ্গবিদ দেবাশিস বিশ্বাসের বক্তব্য, এখনও হাতের বাইরে যায়নি পরিস্থিতি। সবাইকে এ ব্যাপারে সচেতন হতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।


কোনও আগাম অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছাড়াই সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি দেখা করবেন এবং তাঁদের অভিযোগ শুনবেন অফিসাররা। ওই দুদিন কোনও কাজে বাইরে যেতে পারবেন না অফিসাররা। প্রকাশ করতে হবে তাঁদের মোবাইল নম্বরও।


প্রতি মঙ্গল-বৃহস্পতি সকাল সাড়ে ১০টা, বিডিও-এসডিও-র সঙ্গে দেখা করতে পারবেন আপনিও
নবান্ন

অভাব-অভিযোগের কথা শুনতে প্রতি শনিবার জনতার দরবারে বসেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু প্রতিনিয়ত বিভিন্ন সরকারি পরিষেবা নিয়ে অনেক সমস্যার মুখে পড়তে হয় সাধারণ মানুষকে। তাঁদের কথাও এবার শোনার ব্যবস্থা করল রাজ্য সরকার। নবান্নের তরফে জারি করা হল বিশেষ নির্দেশিকা। মহকুমা শাসক সহ উচ্চপদস্থ সরকারি অফিসারদের সঙ্গে এবার থেকে সরাসরি দেখা করতে পারবেন সাধারণ মানুষ।


কবে দেখা করতে পারবেন
নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্রতি সপ্তাহে মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০ টা থেকে সরকারি অফিসারদের সঙ্গে দেখা করতে পারবেন সাধারণ মানুষ। অফিস জনসাধারণের জন্য খোলা থাকবে ওই দুদিন। ওই দুদিন কোনও আগাম অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছাড়াই সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি দেখা করবেন এবং তাঁদের অভিযোগ শুনবেন অফিসাররা। ওই দুদিন কোনও কাজে বাইরে যেতে পারবেন না অফিসাররা।


কাকদ্বীপ, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: জাতীয় সড়কে টোটো ও মেশিন ভ্যানের চলাচল রুখতে কাকদ্বীপে বিশেষ সচেতনতামূলক অভিযান চালাল সুন্দরবন পুলিশ জেলা ও কাকদ্বীপ ট্রাফিক গার্ড। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পরিবহন দপ্তরের নির্দেশিকা মেনে শনিবার ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়কে এই কর্মসূচি হয়।

অভিযানে ট্রাফিক পুলিশের কর্মীরা টোটো ও মেশিন ভ্যান চালকদের জাতীয় সড়কে না চলাচলের বিষয়ে সচেতন করেন। দুর্ঘটনা এড়ানো, যানজট নিয়ন্ত্রণ এবং সড়ক নিরাপত্তা বজায় রাখতেই এই উদ্যোগ বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। চালকদের নির্ধারিত রুট মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি জাতীয় সড়ক দখল করে অবৈধভাবে যানবাহনের স্ট্যান্ড তৈরি না করার বিষয়েও সতর্ক করা হয়।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভবিষ্যতে জাতীয় সড়কে বেআইনিভাবে যানবাহন দাঁড় করিয়ে যানজট সৃষ্টি বা অবৈধ স্ট্যান্ড গড়ে তোলা হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কাকদ্বীপ থেকে সন্দীপ দাসের রিপোর্ট, কাকদ্বীপ ডট কম।

কাকদ্বীপ: কাকদ্বীপ থেকে বকখালিগামী রাস্তায় গণেশ নগর নিমতলা সংলগ্ন এলাকায় পথ দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়াল। জানা গিয়েছে, একটি প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার ধারে থাকা একটি বিদ্যুতের পোস্টে সজোরে ধাক্কা মারে।

ঘটনার সময় গাড়িটিতে চালক-সহ মোট তিনজন যাত্রী ছিলেন। দুর্ঘটনায় একজন গুরুতর আহত হন। দুর্ঘটনার শব্দ শুনে আশপাশের স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করেন।


স্থানীয়দের তৎপরতায় আহতকে দ্রুত কাকদ্বীপ মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে সেখানে তাঁর চিকিৎসা চলছে। কী কারণে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিদ্যুতের পোস্টে ধাক্কা মারল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

কাকদ্বীপ থেকে সন্দীপ দাসের রিপোর্ট।

উৎসবের মরশুম হোক কিংবা সাধারণ দিন, একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীর লোভের জেরে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে সাধারণ মানুষের পকেট কাটার প্রবণতা পুরোপুরি রুখতে রবিবার দুপুরে সাগর ব্লকের বিভিন্ন বাজারে এক আকস্মিক ও ব্যাপক পরিদর্শন চালালেন কাকদ্বীপের মহকুমা শাসক শুভঙ্কর ভট্টাচার্য। 

সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় ন্যায্য মূল্যে মানসম্মত খাদ্যসামগ্রী ও সমস্ত নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস সঠিক পরিমাণে ও সঠিক মূল্যে পৌঁছাচ্ছে কি না, তা সরাসরি খতিয়ে দেখতে এবং বাজারে পণ্যের গুণগত মান ঠিকঠাক বজায় রয়েছে কি না তা নিশ্চিত করতে এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে জেলা ও ব্লক প্রশাসন।
রবিবার দুপুরে সাগর ব্লকের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম বাজারে এসডিও-র এই হঠাৎ পরিদর্শনে স্থানীয় ব্যবসায়ী মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও হুলস্থূল পড়ে যায়। চাল, ডাল, আটা, ভোজ্যতেল, মাছ, মাংস, ডিম ও শাকসবজি সহ অন্যান্য বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বর্তমান বাজারদর কেমন রয়েছে, তা তিনি নিজেই বিভিন্ন দোকানে গিয়ে সরাসরি বিক্রেতা ও সাধারণ ক্রেতাদের কাছ থেকে খুঁটিয়ে জেনে নেন। পাশাপাশি, খাদ্যের মান যথাযথ রয়েছে কি না, পণ্যের গায়ে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য বা এমআরপি সঠিকভাবে লেখা রয়েছে কি না এবং ওজন বা পরিমাপে কোনো কারচুপি বা ওজনে মার দেওয়ার প্রবণতা চলছে কি না, তা যাচাই করতে কয়েকটি দোকানে আকস্মিক তল্লাশি চালানো হয়। এছাড়া ক্রেতা সুরক্ষা আইন এবং সরকারের দেওয়া বিভিন্ন নির্দেশিকা ও নিয়মকানুন ব্যবসায়ীরা ঠিকঠাক মেনে চলছেন কি না, সে বিষয়েও উপস্থিত ব্যবসায়ীদের কঠোরভাবে সতর্ক করেন মহকুমা শাসক। প্রশাসন সূত্রে বিশেষভাবে জানা গেছে, সাগরের মতো একটি সংবেদনশীল ও ভৌগোলিকভাবে বিচ্ছিন্ন দ্বীপে সুযোগ বুঝে কেউ যাতে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে কালোবাজারির ফায়দা লুটতে না পারে, সে বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন অত্যন্ত কড়া নজর রাখছে। দ্বীপ অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থার সুযোগ নিয়ে কেউ যাতে অতিরিক্ত মুনাফা অর্জন করতে না পারে, সেদিকেও প্রশাসনের কড়া দৃষ্টি রয়েছে। সাধারণ মানুষ যাতে কোনোভাবেই অহেতুক অর্থনৈতিক হয়রানির শিকার না হন এবং বাজারে কোনো সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য না থাকে, তার জন্য প্রশাসনিক স্তর থেকে এই ধরনের নজরদারি ভবিষ্যতে আরও কঠোর করা হবে বলে স্পষ্ট ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। এই আকস্মিক পরিদর্শনের খবর চাউর হতেই আশপাশের বাজারের অন্যান্য ব্যবসায়ীরাও নিজেদের দোকানপাট, পণ্যের মূল্যতালিকা ও স্টক নিয়ে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন শুরু করেন। সাধারণ ক্রেতারাও প্রশাসনের এই আকস্মিক ও ইতিবাচক পদক্ষেপে গভীর স্বস্তি প্রকাশ করেছেন এবং এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিত চালিয়ে যাওয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন।
এদিনের এই গুরুত্বপূর্ণ ও উচ্চপর্যায়ের ঝটিকা অভিযানে মহকুমা শাসক শুভঙ্কর ভট্টাচার্য ছাড়াও কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে উপস্থিত ছিলেন এসডিপিও সুমন কান্তি ঘোষ, সাগর ব্লকের জয়েন্ট বিডিও, এসআই ও সাগর থানার ওসি অর্পণ নায়েক সহ ব্লকের বিভিন্ন দপ্তরের অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় প্রশাসনিক আধিকারিকেরা। প্রশাসনের এতগুলি দপ্তরের শীর্ষ কর্তাদের একসঙ্গে বাজারে ঘুরে বেড়াতে দেখে স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ ও কৌতূহল লক্ষ্য করা যায়। সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষা করতে এবং জনস্বার্থ পুরোপুরি সুরক্ষিত রাখতে এই ধরনের অভিযান আগামী দিনেও নিয়মিতভাবে সাগর ব্লকের বিভিন্ন বাজারে চালানো হবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাজারের এই সার্বিক পরিস্থিতি খুঁটিয়ে দেখে স্থানীয় প্রশাসন ব্লকের প্রতিটি ব্যবসায়ীকে সৎ, স্বচ্ছ ও নিয়ম মেনে ব্যবসা পরিচালনা করার চূড়ান্ত নির্দেশ দিয়েছে।

সাগরদ্বীপের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোয় বড়সড় পরিবর্তনের পথে। শুক্রবার সাগর গ্রামীণ হাসপাতাল পরিদর্শন করেন ডিস্ট্রিক্ট ডেপুটি ডিরেক্টর অফ হেলথ সার্ভিসেস ড. নিতাই মণ্ডল (DDHS RCH & State Family Planning Officer)। পরিদর্শনের পর স্বাস্থ্য সচিব ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে হাসপাতালে স্থায়ীভাবে একজন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ (Paediatrician) নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে সাগর গ্রামীণ হাসপাতালে স্থায়ী শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ না থাকায় সমস্যায় পড়ছিলেন দ্বীপবাসী। বিশেষ করে প্রসূতি ও নবজাতকের চিকিৎসায় এই ঘাটতি নিয়ে উদ্বেগ ছিল স্থানীয়দের।

সম্প্রতি এক নবজাতকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল চত্বরে বিক্ষোভের ঘটনাও ঘটে। পরিবারের অভিযোগ, শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে কাকদ্বীপে রেফার করা হলেও মুড়িগঙ্গা নদী পারাপারে বিলম্ব হয়। ঘটনার পর বিধায়ক সুমন্ত মণ্ডল পরিবারের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দেন।

এরপরই স্বাস্থ্য দপ্তরের এই সিদ্ধান্তে সাগরদ্বীপের স্বাস্থ্য পরিষেবা আরও শক্তিশালী হবে বলে আশাবাদী এলাকাবাসী।




সাগরদ্বীপের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোয় বড়সড় পরিবর্তনের পথে। শুক্রবার সাগর গ্রামীণ হাসপাতাল পরিদর্শন করেন ডিস্ট্রিক্ট ডেপুটি ডিরেক্টর অফ হেলথ সার্ভিসেস ড. নিতাই মণ্ডল (DDHS RCH & State Family Planning Officer)। পরিদর্শনের পর স্বাস্থ্য সচিব ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে হাসপাতালে স্থায়ীভাবে একজন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ (Paediatrician) নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে সাগর গ্রামীণ হাসপাতালে স্থায়ী শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ না থাকায় সমস্যায় পড়ছিলেন দ্বীপবাসী। বিশেষ করে প্রসূতি ও নবজাতকের চিকিৎসায় এই ঘাটতি নিয়ে উদ্বেগ ছিল স্থানীয়দের।

সম্প্রতি এক নবজাতকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল চত্বরে বিক্ষোভের ঘটনাও ঘটে। পরিবারের অভিযোগ, শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে কাকদ্বীপে রেফার করা হলেও মুড়িগঙ্গা নদী পারাপারে বিলম্ব হয়। ঘটনার পর বিধায়ক সুমন্ত মণ্ডল পরিবারের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দেন।

এরপরই স্বাস্থ্য দপ্তরের এই সিদ্ধান্তে সাগরদ্বীপের স্বাস্থ্য পরিষেবা আরও শক্তিশালী হবে বলে আশাবাদী এলাকাবাসী।




সুন্দরবনের দুর্গম ও নদীমাতৃক এলাকার মানুষের সুরক্ষা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা এবং সাংবাদিকতার নানা দিক নিয়ে কাকদ্বীপের বিডিও অফিসে একটি উচ্চপর্যায়ের বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সুন্দরবনের প্রত্যন্ত অঞ্চলের খবর কীভাবে আরও দায়িত্বশীল ও গুরুত্ব সহকারে মূলধারার গণমাধ্যমে তুলে ধরা যায় এবং চরম সংকটের দিনে সাংবাদিকদের ভূমিকা ঠিক কেমন হওয়া উচিত, মূলত সেই রূপরেখা তৈরিতেই এই সভার আয়োজন করা হয়।


এদিনের এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সুন্দরবন উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী তথা কাকদ্বীপের বিধায়ক দীপঙ্কর জানা, ইউনিসেফের প্রতিনিধি সুচরিতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্যের বিশিষ্ট প্রবীণ সাংবাদিক জয়ন্ত বসু দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের উপদক্ষ অনিমেষ মন্ডল জয়েন বিডিও সহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার একাধিক নামী সাংবাদিকেরা। সুন্দরবনের অবহেলিত মানুষের জীবনযাত্রা, তাদের নিত্যদিনের সংগ্রাম এবং প্রশাসনিক ত্রুটি ও বিপদের দিনে গণমাধ্যমের পক্ষ থেকে তাদের পাশে দাঁড়ানোর কার্যকর উপায় নিয়ে বৈঠকে দীর্ঘ আলোচনা হয়। বৈঠকের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল সুন্দরবনের অত্যন্ত সংবেদনশীল ও জলবেষ্টিত অঞ্চলগুলি—যেমন গোসাবা, কুলতলী, গঙ্গাসাগর, পাথরপ্রতিমা, ঘোড়ামারা দ্বীপ এবং মৌসুনি দ্বীপ। প্রতি বছর বর্ষা বা বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপ ও ঘূর্ণিঝড়ের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগে এই সমস্ত এলাকার মানুষ কীভাবে সর্বস্বান্ত হন এবং চরম বিপদের মুখে পড়েন, তার নিখুঁত ও বস্তুনিষ্ঠ চিত্র তুলে ধরার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। কেবল ক্ষয়ক্ষতির খতিয়ান দেওয়াই নয়, বরং দুর্গত মানুষের কণ্ঠস্বর যাতে যথাযথভাবে প্রশাসনের কাছে পৌঁছায়, সে বিষয়েও সংবাদকর্মীদের বিশেষ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।

এছাড়াও, বৈঠকে সাংবাদিকতার পেশাগত নৈতিকতা, মাঠপর্যায়ে খবর সংগ্রহের সময় নিরাপত্তা এবং শিশুদের সুরক্ষার মতো বিষয়গুলি নিয়েও বিস্তারিত মতবিনিময় করেন ইউনিসেফের প্রতিনিধি ও প্রবীণ সাংবাদিকরা। সুন্দরবনের প্রতিটি দ্বীপের নিজস্ব সমস্যা এবং তার স্থায়ী সমাধানের পথগুলি গণমাধ্যমের মাধ্যমে বারবার তুলে ধরে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে এই বৈঠক এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টমহল।

সুন্দরবনের দুর্গম ও নদীমাতৃক এলাকার মানুষের সুরক্ষা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা এবং সাংবাদিকতার নানা দিক নিয়ে কাকদ্বীপের বিডিও অফিসে একটি উচ্চপর্যায়ের বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সুন্দরবনের প্রত্যন্ত অঞ্চলের খবর কীভাবে আরও দায়িত্বশীল ও গুরুত্ব সহকারে মূলধারার গণমাধ্যমে তুলে ধরা যায় এবং চরম সংকটের দিনে সাংবাদিকদের ভূমিকা ঠিক কেমন হওয়া উচিত, মূলত সেই রূপরেখা তৈরিতেই এই সভার আয়োজন করা হয়।


এদিনের এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সুন্দরবন উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী তথা কাকদ্বীপের বিধায়ক দীপঙ্কর জানা, ইউনিসেফের প্রতিনিধি সুচরিতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্যের বিশিষ্ট প্রবীণ সাংবাদিক জয়ন্ত বসু দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের উপদক্ষ অনিমেষ মন্ডল জয়েন বিডিও সহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার একাধিক নামী সাংবাদিকেরা। সুন্দরবনের অবহেলিত মানুষের জীবনযাত্রা, তাদের নিত্যদিনের সংগ্রাম এবং প্রশাসনিক ত্রুটি ও বিপদের দিনে গণমাধ্যমের পক্ষ থেকে তাদের পাশে দাঁড়ানোর কার্যকর উপায় নিয়ে বৈঠকে দীর্ঘ আলোচনা হয়। বৈঠকের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল সুন্দরবনের অত্যন্ত সংবেদনশীল ও জলবেষ্টিত অঞ্চলগুলি—যেমন গোসাবা, কুলতলী, গঙ্গাসাগর, পাথরপ্রতিমা, ঘোড়ামারা দ্বীপ এবং মৌসুনি দ্বীপ। প্রতি বছর বর্ষা বা বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপ ও ঘূর্ণিঝড়ের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগে এই সমস্ত এলাকার মানুষ কীভাবে সর্বস্বান্ত হন এবং চরম বিপদের মুখে পড়েন, তার নিখুঁত ও বস্তুনিষ্ঠ চিত্র তুলে ধরার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। কেবল ক্ষয়ক্ষতির খতিয়ান দেওয়াই নয়, বরং দুর্গত মানুষের কণ্ঠস্বর যাতে যথাযথভাবে প্রশাসনের কাছে পৌঁছায়, সে বিষয়েও সংবাদকর্মীদের বিশেষ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।

এছাড়াও, বৈঠকে সাংবাদিকতার পেশাগত নৈতিকতা, মাঠপর্যায়ে খবর সংগ্রহের সময় নিরাপত্তা এবং শিশুদের সুরক্ষার মতো বিষয়গুলি নিয়েও বিস্তারিত মতবিনিময় করেন ইউনিসেফের প্রতিনিধি ও প্রবীণ সাংবাদিকরা। সুন্দরবনের প্রতিটি দ্বীপের নিজস্ব সমস্যা এবং তার স্থায়ী সমাধানের পথগুলি গণমাধ্যমের মাধ্যমে বারবার তুলে ধরে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে এই বৈঠক এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টমহল।
সোমবার পুরুলিয়ায় পরপর দুটো কর্মসূচি ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। প্রথমে মানবাজারে জলপ্রকল্পের উদ্বোধন করেন। পরে রঘুনাথপুরে তিনি একটি ইস্পাত কারখানার শিলান্যাস করেন তিনি। পুরুলিয়ার রঘুনাথপুরে একটি নতুন ইস্পাত কারখানার শিলান্যাস ও প্রশাসনিক কর্মসূচি ছিল তাঁর।

রাজ্যবাসীর কাছে ১ বছর সময় চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী, কেন?
পুরুলিয়ায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী


রাজ্যবাসীর কাছে এক বছর সময় চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যবাসীর কাছে যেন এক পরীক্ষায় তিনি। আর সেই পরীক্ষায় যদি ১০-এর মধ্যে ৯ না পান, তাহলে ক্ষমা চেয়ে নেবেন তিনি। পুরুলিয়ার সভা থেকে রাজ্যবাসীর উদ্দেশে বার্তা মুখ্য়মন্ত্রীর।


তিনি বললেন, “আগামী ২০২৭ সালের ৯ মে আমার মুখ্যমন্ত্রিত্বের ১ বছর হবে। মুখ্যমন্ত্রিত্বের ১ বছর হলে আপনাদের সামনে পরীক্ষায় বসব। পরীক্ষায় আপনারা আমাকে নম্বর দেবেন। ১০-এর মধ্যে ৯ না পেলে ক্ষমা চেয়ে নেব। বলব পারলাম না। আপনারাই বলবেন ভুল লোককে ঠিক করিনি। সঠিক লোককে সঠিক দলকে এনেছি। বিশ্বাস-ভরসা রাখুন। সময় দিন।” তিনি আবারও বলেন, “কেন্দ্র-রাজ্য একসঙ্গে মিলে আপনাদের কল্যাণ করব। আমরা বদ্ধপরিকর।”


'বয়স না হলে চাপকে পিঠের ছাল তুলে তুলে নিতাম', 'মাস্টারমশাই' আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়কে কেন হুমকি দিয়েছিলেন বিজেপির মণ্ডল সভাপতি?
সোমবার পুরুলিয়ায় পরপর দুটো কর্মসূচি ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। প্রথমে মানবাজারে জলপ্রকল্পের উদ্বোধন করেন। পরে রঘুনাথপুরে তিনি একটি ইস্পাত কারখানার শিলান্যাস করেন তিনি। পুরুলিয়ার রঘুনাথপুরে একটি নতুন ইস্পাত কারখানার শিলান্যাস ও প্রশাসনিক কর্মসূচি ছিল তাঁর। এই প্রকল্পটিতে প্রায় ৪,০০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ এবং প্রায় ৫,০০০ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে চলেছে।


মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “শিল্পায়নের জন্য আমরা সবরকম সাহায্য করব, পুরুলিয়ায় দাঁড়িয়ে বললেন শুভেন্দু।” মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দেন, “আমরা জোর করে শিল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণ করব না, আমরা ল্যান্ড পার্চেস পলিসি চালু করেছি। ল্যান্ড পুলিং পলিসি চালু করেছি। চাষিদের থেকে জমি নিয়ে ল্যান্ড ডেভলপমেন্টও চালু করব।” বদলের বাংলায় শিল্পের জোয়ার আনতে যে এই সরকার বদ্ধপরিকর, তা স্পষ্ট করে দেন মুখ্যমন্ত্রী।

অমৃত ফার্মেসিতে স্টেন্টের উপর ৮০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হবে! ক্যানসারের ওষুধ , চোখের লেন্স কম টাকায় পাওয়া যাবে। রাজ্যের এরকম প্রায় ১০০ টি ফার্মেসি চিহ্নিত করা হয়েছে ইতিমধ্যেই। ইতিমধ্যে এই সংখ্যা আরও বাড়ানো হতে পারে বলেও জানিয়েছেন তিনি।


স্টেন্টের উপর ৮০ শতাংশ ছাড়, চোখের লেন্স থেকে ক্যান্সারের ওষুধে বিস্তর ছাড়! বাংলায় এবার জায়গায় জায়গায় 'অমৃত ফার্মেসি'
স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়


 রবিবারই বাংলায় আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের চালু করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একই সঙ্গে চালু হয় মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমা যোজনাও। আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের পাশাপাশি রাজ্যে চালু করা হয় ‘অমৃত ফার্মাসি’। কিন্তু কী এই অমৃত ফার্মেসি? কী সুবিধা মিলবে তাতে? তারই ব্যাখ্যা দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়।


স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, রাজ্যের ১০০টি সরকারি হাসপাতালে এই ‘অমৃত ফার্মেসি’ থাকবে। এর মাধ্যমে বিভিন্ন ওষুধ এবং চিকিৎসাসামগ্রী ৫০-৮০ শতাংশ ছাড়ে কেনা যাবে। সরকারি হাসপাতালে এই ফার্মেসি চালু করার জন্য একটি কোম্পানির সঙ্গে মৌচুক্তি স্বাক্ষর করেছে রাজ্য সরকার।


বাবা হলেন অনুপম রায়, স্ত্রী প্রশ্মিতার কোল জুড়ে ছেলে এল নাকি মেয়ে?
অমৃত ফার্মেসিতে স্টেন্টের উপর ৮০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হবে! ক্যানসারের ওষুধ , চোখের লেন্স কম টাকায় পাওয়া যাবে। রাজ্যের এরকম প্রায় ১০০ টি ফার্মেসি চিহ্নিত করা হয়েছে ইতিমধ্যেই। ইতিমধ্যে এই সংখ্যা আরও বাড়ানো হতে পারে বলেও জানিয়েছেন তিনি। সাধারণত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালগুলির আশপাশেই এই ধরনের ফার্মেসি চিহ্নিত করা হচ্ছে। ছাড়ের সুবিধা নিতে রোগীর প্রেসক্রিপশন এবং ক্ষেত্রবিশেষে পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখতে পারেন পরিজনরা।


পাশাপাশি রাজ্যের স্বাস্থ্যক্ষেত্রে উন্নয়নের জন্য আরও একাধিক পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, সরকারি হাসপাতালগুলোতে ইন্টিগ্রেটেড কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। সেকথা আগেই ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এর মাধ্যমে প্রত্যেকটি হাসপাতালে নজরদারি রাখা হবে। ২৪ ঘণ্টা লাইভ ফিড পাওয়া যাবে। নজরদারিতে থাকবেন মেডিক্যাল অফিসার। হাসপাতাল পরিষেবার কার্যকারিতা, নির্ধারিত মানদণ্ড মেনে চলা, ফিল্ড ইউনিটের সঙ্গে সমন্বয় এবং গুরুত্বপূর্ণ কর্মদক্ষতা সূচকের উপর নজর রাখা হচ্ছে।