WEATHER

Top News

পূর্বাঞ্চলের এই বিশাল স্কোরের মূল কারিগর হলেন ঈশান কিষাণ। ৩৩৪ বলে ২৭০ রানের ম্যারাথন ইনিংস খেলেছেন তিনি। এই ইনিংসের ফলে এক মরশুমে সব ফরম্যাটে সেঞ্চুরি করে ফেললেন ঝাড়খণ্ডের এই ক্রিকেটার। ২০২৪ সালে তাঁকে নিজেদের কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে বাদ দিয়েছিল বিসিসিআই।


দলীপ ফাইনালে ৭০৮ রানের পাহাড় পূর্বাঞ্চলের, ম্যাচ ড্র হলে চ্যাম্পিয়ন কে হবে?
ঈশান কিষাণ করেছেন ২৭০ রান।

দলীপ ট্রফির ফাইনালে দুর্দান্ত ইনিংস খেলেছেন ঈশান কিষাণ। তাঁর করা ২৭০ রানের ইনিংসের জবাবে প্রথম ইনিংসে ৭০৮ রানের বিশাল স্কোর করেছে পূর্বাঞ্চল। চেন্নাইয়ের চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে ম্যাচের প্রথম দুদিন ব্যাট করে ক্রিজে দাপট দেখাল পূর্বাঞ্চল। এর ফলে বলা যায়, ঈশানের ইনিংস একপ্রকার ক্লান্ত করে দিয়েছে তিলক ভার্মা ও তাঁর বোলিং ইউনিটকে। তবে এরপরেই অনেকে প্রশ্ন তুলেছিলেন, ৫ দিনের ম্যাচে এতক্ষন ধরে ব্যাট করে ইস্ট জোন কি শেষ অবধি ২০ উইকেট তুলতে পারবে? তবে টুর্নামেন্টের নিয়ম মেনেই পরিকল্পনা করেছিলেন বৈভবরা, যা আসলেই তাঁদের সাফল্য এনে দিচ্ছে।


বিসিসিআই-এর লাল বলের নকআউট ম্যাচের নিয়ম অনুযায়ী, দলীপ ট্রফি বা রঞ্জি ট্রফির ফাইনাল ৫ দিন পর ড্র হলে প্রথম ইনিংসে এগিয়ে থাকা দলকেই বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। সেই জন্যই এই মুহূর্তে দলীপ ট্রফি চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দিকে অনেক এগিয়ে আছে পূর্বাঞ্চল। দক্ষিণাঞ্চলকে ম্যাচে টিকে থাকতে গেলে প্রথম ইনিংসে কমপক্ষে ৭০৯ রান করতে গেলে। যদি এর কম রানে দক্ষিণাঞ্চল অল আউট হয়ে যায় এবং ম্যাচ ড্র হয়ে যায়, তাহলে পূর্বাঞ্চল চ্যাম্পিয়ন হয়ে যাবে। এই প্রতিবেদন লেখা অবধি দক্ষিণাঞ্চলের স্কোর ২০৬/৫। ৩৭ রানে অপরাজিত আছেন ক্যাপ্টেন তিলক ভার্মা।


এবার দুর্গাপুজোয় কী কী করা যাবে না, স্পষ্ট করে দিলেন শুভেন্দু
পূর্বাঞ্চলের এই বিশাল স্কোরের মূল কারিগর হলেন ঈশান কিষাণ। ৩৩৪ বলে ২৭০ রানের ম্যারাথন ইনিংস খেলেছেন তিনি। এই ইনিংসের ফলে এক মরশুমে সব ফরম্যাটে সেঞ্চুরি করে ফেললেন ঝাড়খণ্ডের এই ক্রিকেটার। ২০২৪ সালে তাঁকে নিজেদের কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে বাদ দিয়েছিল বিসিসিআই। কিন্তু এর পরেই নিজের ব্যাটিং নিয়ে পরিশ্রম করেছেন তিনি, যার প্রতিফলন চোখে পড়েছে দলীপ ফাইনালে।


ম্যাচ শেষ হতে এখনও বাকি ২ দিন। ইতিমধ্যেই ৫০৫ রানে পিছিয়ে আছে দক্ষিণাঞ্চল। হাতে আছে মাত্র ৫ উইকেট। স্রেফ ম্যাচে টিকে থাকতে গেলেই দক্ষিণাঞ্চলের দরকার ৫০৬ রান। নাহলে ম্যাচ পিছলে যাবে তিলকদের হাত থেকে।


চলতি বছরের মাঝে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু ও বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে উপস্থিত রেখেই বিজেপিতে যোগদান করেন লিয়েন্ডার পেজ। এরপর থেকেই চর্চা হয়েছিল, তাহলে কি ক্রীড়াক্ষেত্রে মন্ত্রিত্বের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে লিয়েন্ডারকে? কিন্তু সেটি হয়নি।


 ৬ মাস আগে যোগদান বিজেপিতে, এই প্রথম ভোটে লড়বেন লিয়েন্ডার পেজ?
লিয়েন্ডার পেজ

মাস কয়েক আগেই তিনি যোগ দিয়েছিলেন বিজেপিতে। এরপর থেকেই একটা গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে, তাহলে কি ভোটে লড়বেন দেশের এই প্রাক্তন অলিম্পিয়াড? কিন্তু না, ক্রীড়াপ্রেমীদের স্বপ্ন পূরণ হয়নি। ২০২৬ এর বিধানসভা ভোটে লড়েননি লিয়েন্ডার পেজ। তবে এবার জানা গিয়েছে, নির্বাচনের ময়দানে লড়তে পারেন লিয়েন্ডার।


এর মধ্যেই রয়েছে চমক। কারণ লিয়েন্ডার রাজনীতির মঞ্চে লড়ছেন না। লড়ছেন ক্রীড়া মঞ্চে। ২০২৫ সালে বেঙ্গল টেনিস অ্যাসোসিয়েশনের (BTA) প্রেসিডেন্ট হওয়াও ভোটে জিতেই। এবার তিনি লড়তে চলেছেন সর্বভারতীয় টেনিস সংস্থার (AITA) সভাপতি পদে। AITA নির্বাচনে লিয়ের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী হতে চলেছেন ডেভিস কাপের প্রাক্তন নন প্লেইং ক্যাপ্টেন রোহিত রাজপাল। এই মুহূর্তে দিল্লির টেনিস সংস্থার প্রেসিডেন্ট তিনি। যদিও, বাংলার টেনিস সংস্থার কাউন্সিল অব মেম্বার্সের পূর্ণ সমর্থনও রয়েছে আঠারো বারের গ্র্যান্ড স্ল্যামজয়ীর দিকে। বর্তমানে লিয়েন্ডার বিখ্যাত টেনিস তারকা রজার ফেদেরারের ‘টেনিস হল অফ ফেম’ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে রয়েছেন আমেরিকাতে। তিনি এই প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন। চলতি মাসের শেষের দিকে দেশে ফিরে পেজ এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করতে পারেন।


বিকশিত ভারতের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমার আত্মবিশ্বাস আরও দৃঢ় হচ্ছে', কেন বললেন মোদী?
BTA এর সচিব কেতন শেঠের জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “বেঙ্গল টেনিস অ্যাসোসিয়েশন মনে করে, ভারতীয় টেনিস বর্তমানে এক গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে ও এর জন্য দরকার এমন এক দূরদর্শী মানুষকে, যিনি খেলোয়াড়, কোচ, রাজ্য সংস্থা, প্রশাসক – সবাইকে এক জায়গায় আনতে সক্ষম।” চলতি বছরের মাঝে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু ও বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে উপস্থিত রেখেই বিজেপিতে যোগদান করেন লিয়েন্ডার পেজ। এরপর থেকেই চর্চা হয়েছিল, তাহলে কি ক্রীড়াক্ষেত্রে মন্ত্রিত্বের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে লিয়েন্ডারকে? কিন্তু সেটি হয়নি। তবে এবার বিজেপিতে থাকাকালীনই ক্রীড়ার দুনিয়াতে নির্বাচনে লড়তে নামছেন দেশের এই প্রবাদপ্রতিম টেনিস তারকা।



হলফনামা অনুযায়ী, শেখ হাসিনার ১৫.৩ বিঘা কৃষিজমি রয়েছে। টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ সদর, গাজিপুর এবং রংপুরে এই জমিগুলি রয়েছে। গাজিপুর শহর থেকে প্রায় ১৩ কিলোমিটার দূরে ঢাকা-টাঙ্গাইল হাইওয়ের পাশে মৌচাকের তেলিরচালা এলাকায় শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের একটি বাগানবাড়িও রয়েছে।


হাসিনার সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের তোরজোড়, কোটি টাকার ব্যাঙ্ক ব্যালান্স থেকে জমি-বাড়ি, কী কী রয়েছে বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর নামে?

বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে (Seikh Hasina) গত বছরই মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (ICT)। একইসঙ্গে তাঁর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এবার সেই সম্পত্তি কীভাবে বাজেয়াপ্ত করা হবে, কোন সংস্থা এই কাজ করবে এবং বাজেয়াপ্ত সম্পত্তি কীভাবে নিহতদের পরিবারের ক্ষতিপূরণে ব্যবহার করা হবে, তা নিয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলছে। আর এই প্রসঙ্গেই নতুন করে উঠে এসেছে হাসিনার সম্পত্তির পরিমাণ (Seikh Hasina Assets)।


প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার সাংবাদিকদের এই বিষয়ে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মহম্মদ আমিনুল ইসলাম। তাঁর বক্তব্য, আইন ও বিধিতে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সংস্থান রয়েছে। তবে গোটা প্রক্রিয়াটি কীভাবে কার্যকর হবে, তা সাধারণ আইনের মাধ্যমে নির্ধারিত হয়। তবে, পুরনো রায়েও বাজেয়াপ্ত করা যাবে সম্পত্তি? চিফ প্রসিকিউটর জানিয়েছেন, শুনানির সময় বিষয়টি ট্রাইব্যুনালের বিচারকদের সামনে তোলা হয়েছিল এবং এই নিয়ে স্পষ্ট নির্দেশিকা দেওয়ার আবেদন করা হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হয়ে গেলে তা পূর্ববর্তী রায়ের ক্ষেত্রেও কার্যকর হতে পারে। অর্থাৎ, ইতিমধ্যে যে সমস্ত রায়ে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সেই নির্দেশ অনুযায়ীও পদক্ষেপ করা সম্ভব হবে। এক্ষেত্রে কোনও আইনি বাধা নেই বলেই দাবি করেছেন তিনি।


এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, শেখ হাসিনার নিজের নামে ঠিক কত সম্পত্তি রয়েছে, যা বাজেয়াপ্ত করা সম্ভব? ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ির মালিকানাই বা কার নামে?


হাসিনার নামে কত টাকার সম্পত্তি?
২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জ-৩ আসন থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন শেখ হাসিনা। সেই সময় জমা দেওয়া নির্বাচনী হলফনামায় নিজের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির হিসাব দিয়েছিলেন তিনি।

হলফনামা অনুযায়ী, শেখ হাসিনার নিজের নামে বাংলাদেশি মুদ্রায় মোট ৪ কোটি ৩৪ লক্ষ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি রয়েছে। ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় তিন কোটি ৩৩ লক্ষ টাকা। তাঁর হাতে নগদ ছিল ২৮ হাজার ৫০০ টাকা (বাংলাদেশি)। ব্যাঙ্ক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ছিল প্রায় ২ কোটি ৩৯ লক্ষ বাংলাদেশি টাকা।

এছাড়া, ২৫ লক্ষ টাকার (বাংলাদেশি) সেভিংস সার্টিফিকেট এবং ৫৫ লক্ষ টাকার (বাংলাদেশি) ফিক্সড ডিপোজিট বা FDR থাকার কথা জানিয়েছিলেন তিনি।

তিনটি গাড়ি, সোনা ও আসবাব
নির্বাচনী হলফনামায় শেখ হাসিনা তিনটি মোটরগাড়ির কথাও জানিয়েছিলেন। তার মধ্যে একটি উপহার হিসাবে পাওয়া। সেই গাড়ির মূল্য উল্লেখ করা হয়নি। বাকি দু’টি গাড়ির মোট মূল্য দেখানো হয়েছিল বাংলাদেশের হিসেবে ৪৭ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া, তাঁর কাছে ১৩ লক্ষ ২৫ হাজার টাকার সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতু এবং ৭ লক্ষ ৪০ হাজার টাকার আসবাব থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছিল।

কোথায় কোথায় জমি রয়েছে?
হলফনামা অনুযায়ী, শেখ হাসিনার ১৫.৩ বিঘা কৃষিজমি রয়েছে। টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ সদর, গাজিপুর এবং রংপুরে এই জমিগুলি রয়েছে। গাজিপুর শহর থেকে প্রায় ১৩ কিলোমিটার দূরে ঢাকা-টাঙ্গাইল হাইওয়ের পাশে মৌচাকের তেলিরচালা এলাকায় শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের একটি বাগানবাড়িও রয়েছে।

১৯৭০ সালের আশপাশে স্থানীয় এক ব্যক্তি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে ওই জমি হস্তান্তর করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে উত্তরাধিকার সূত্রে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা ওই জমির মালিক হন।

পরে তাঁরা জমির একাংশ সন্তানদের নামে হস্তান্তর করেন। ফলে জমির মালিকানার অংশ যায় শেখ হাসিনার সন্তান সজীব ওয়াজেদ ও সায়মা ওয়াজেদ এবং শেখ রেহানার সন্তান রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ও আজমিনা সিদ্দিকের নামে। নথি অনুযায়ী, ওই জমির পরিমাণ ২৯৭ ডেসিমেল বা প্রায় ৯ বিঘা।

শেখ হাসিনার নির্বাচনী হলফনামায় ঢাকার পূর্বাচলে একটি প্লটের উল্লেখ রয়েছে। তার মূল্য দেখানো হয়েছে ৩৪ লক্ষ ৭৬ হাজার টাকা।

শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন পূর্বাচলে তাঁর নিজের পাশাপাশি ছেলে সজীব ওয়াজেদ, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ, বোন শেখ রেহানা, রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক এবং মেয়ে আজমিনা সিদ্দিকের নামে ১০ কাঠা করে প্লট বরাদ্দ হয়েছিল। অর্থাৎ, একই পরিবারের ছয় সদস্য মোট ৬০ কাঠা জমি পেয়েছিলেন।

টুঙ্গিপাড়ায় তিনতলা বাড়ি
হলফনামায় টুঙ্গিপাড়ার একটি সম্পত্তির কথাও জানিয়েছিলেন শেখ হাসিনা। তাঁর নিজের নামে আংশিক ৬.১০ ডেসিমেল জমি এবং সেখানে একটি তিনতলা বাড়ি রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছিল।

ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়ি কি হাসিনার নামে?
ভূমি দফতরের সূত্র অনুযায়ী, ঢাকার ঐতিহাসিক ৩২ ধানমন্ডির বাড়িটির মালিকানা শেখ হাসিনার নামে নেই। বাড়িটির মালিকানা রয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের নামে। অন্যদিকে, ধানমন্ডিতে শেখ হাসিনার বাসভবন ‘সুধা সদন’-এর মালিকানা তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদ এবং মেয়ে সায়মা ওয়াজেদের নামে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

মৃত্যুদণ্ডের সঙ্গে সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের নির্দেশ
২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনা এবং বাংলাদেশের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। পাশাপাশি তাঁদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশও দেওয়া হয়।পাশাপাশি জুলাই আন্দোলনে নিহতদের পরিবারকে উল্লেখযোগ্য অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয় সরকারকে।

শুধু এই মামলাই নয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের আরও কয়েকটি রায়েও অভিযুক্তদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আশুলিয়ায় ছয় ব্যক্তিকে হত্যা এবং তাঁদের দেহ পুড়িয়ে দেওয়ার মামলায় প্রাক্তন সাংসদ সাইফুল ইসলামের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।



আলিপুর আবহাওয়া অফিস বলছে, উত্তর-পূর্ব বিহারে অবস্থান করবে ঘূর্ণাবর্ত। মৌসুমী অক্ষরেখা পুরুলিয়া এবং দিঘার ওপর দিয়ে এগিয়ে উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। মঙ্গলবার ভারী বৃষ্টি হবে,পূর্ব বর্ধমান হাওড়া এবং হুগলি জেলায়। বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির হলুদ সর্তকতা জারি হয়েছে। সঙ্গে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে দমকা বাতাস বইতে পারে এক জায়গায়।


উত্তর এবং দক্ষিণ, দুই বঙ্গেই বৃষ্টি হবে। পরিষ্কার জানিয়ে দিল আবহাওয়া অফিস। মঙ্গলবার দক্ষিণবঙ্গে বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা। আর বৃষ্টি না হলে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি বজায় থাকবে বলেছে হাওয়া অফিস।


আলিপুর আবহাওয়া অফিস বলছে, উত্তর-পূর্ব বিহারে অবস্থান করবে ঘূর্ণাবর্ত। মৌসুমী অক্ষরেখা পুরুলিয়া এবং দিঘার ওপর দিয়ে এগিয়ে উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। ফলে ঘূর্ণাবর্ত ও মৌসুমী অক্ষরেক্ষা, এই দু’য়ের প্রভাবে বৃষ্টি চলবে বাংলায়।


বাগেশ্বর বাবার বিরুদ্ধে এবার থানায় দায়ের অভিযোগ!
মঙ্গলবার ভারী বৃষ্টি হবে,পূর্ব বর্ধমান হাওড়া এবং হুগলি জেলায়। বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির হলুদ সর্তকতা জারি হয়েছে। সঙ্গে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে দমকা বাতাস বইতে পারে এক জায়গায়।


বুধবার ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। সব জেলাতেই বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎসসহ ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে। সঙ্গে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার দমকা বাতাস হইতে পারে।

বৃহস্পতিবার থেকে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা নেই। বৃষ্টির সম্ভাবনাও কমবে। ক্রমশ কমবে বৃষ্টির পরিমাণ।

অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং আলিপুরদুয়ারে। বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা মাঝারি বৃষ্টির সঙ্গে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে দমকা বাতাস বইবে।

বুধবার এবং বৃহস্পতিবার বৃষ্টির সম্ভাবনা কম থাকবে। তবে বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি দু-এক জায়গায়। আর্দ্রতা জনিত অস্বস্তি বজায় থাকবে মালদহ-উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে।

শুক্র ও শনিবার ফের ভারী বৃষ্টির সতর্কতা থাকছে।

বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে। বুধবার পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি থাকবে। বৃষ্টি না হলে বাতাসে জলীয় বাষ্প থাকার কারণে আর্দ্রতা জনিত অস্বস্তি থাকবে।



নিম করোলি বাবার অন্যতম শিষ্য ছিলেন আমেরিকান আধ্যাত্মিক গুরু রাম দাস, যাঁর আসল নাম ছিল রিচার্ড অ্যালপার্ট। হাভার্ডের প্রাক্তন মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক রিচার্ড ভারতে এসে বাবার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এরপরেই তাঁর জীবন আমূল বদলে যায়। পরে তাঁর বিখ্যাত বই Be Here Now প্রকাশিত হয়, যা গোটা বিশ্বে বাবার মাহাত্ম্য ছড়াতে সাহায্য করে।


২ কোটির কম টাকায় বানানো 'হনুমান অংশ'-এর প্রাপ্তি ১৩০ কোটি! পর্দার নিম করোলি বাবা বাস্তবে কে ছিলেন জানেন?
নিম করোলি বাবা

 সোশ্যাল মিডিয়া থেকে খবরের কাগজ – সর্বত্র এই মুহূর্তে চর্চায় একজন, নিম করোলি বাবা। সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা হনুমান অংশ-এর মুক্তি ও সাফল্যের পরেই এই সিনেমা নিয়ে চর্চা চলছে। এর পাশাপাশি চর্চা হচ্ছে নিম করোলি বাবাকে নিয়েও। বিশাল চতুর্বেদীর পরিচালিত মাত্র ২ কোটি বাজেটে বানানো এই সিনেমা ইতিমধ্যেই বক্স অফিসে কামিয়ে ফেলেছে ১৩০ কোটি টাকারও বেশি অর্থ। ধুরন্ধর, উরি – দ্য সার্জিকাল স্ট্রাইকের মতো সিনেমার পরিচালক আদিত্য ধর থেকে অভিনেতা বরুণ ধাওয়ান – সবাই এই সিনেমার প্রশংসায় পঞ্চমুখ। এর ফলেই আবার চর্চায় চলে এসেছে নিম করোলি বাবার মাহাত্ম্য। কিন্তু কে ছিলেন এই নিম করোলি বাবা, জানেন?


উত্তরপ্রদেশের আকবরপুর গ্রামে ১৯০০ সালে জন্ম হয় নিম করোলি বাবার। তাঁর আসল নাম লক্ষ্মণ নারায়ণ শর্মা। তিনি জীবনের একটি বড় অংশ সাধু হিসেবে অতিবাহিত করেন। হিন্দু আধ্যাত্মিক গুরু ও ভগবান হনুমানের ভক্ত হিসেবেই তাঁর পরিচিতি। নিজের জীবনের প্রথমার্ধে সাধু হয়ে থাকলেও পরে তিনি সংসারধর্ম পালন করেছিলেন। ১৯৭৩ সালের ১১ সেপ্টেম্বর তাঁর মৃত্যু হয়। তবে তাঁর শিক্ষা ও দর্শন এখনও তাঁর ভক্তদের মধ্যে অমলিন। সেই কারণেই নিম করোলি বাবাকে নিয়ে রচিত আছে অনেক কাল্পনিক কাহিনী। তাঁর ভক্তদের মধ্যে এমন কাহিনীও প্রচলিত আছে, যে তিনি অসুস্থ মানুষকে সুস্থ করে দেওয়ার মতো কাজ করতে পারতেন। তবে যেহেতু এই ঘটনাগুলি ভক্তদের বিশ্বাস, তাই এগুলিকে ঐতিহাসিক সত্য হিসেবে মানাটা ভুল।


তাঁর কিংবদন্তি কাহিনীর সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে কোঁচি ধাম। ১৯৬২ সালে উত্তরাখণ্ডের কুমায়ুন অঞ্চলে তিনি এই আশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন। তবে পরবর্তী সময়ে এই ধামটি একটি উল্লেখযোগ্য স্থানে পরিণত হয়। আজও প্রতি বছরের ১৫ জুন আশ্রম প্রতিষ্ঠার দিন বহু ভক্ত এখানে আসেন। তবে সবথেকে চর্চিত বিষয় হল, হনুমানজীর প্রতি বাবার শ্রদ্ধা, ভক্তি দেখেই অনেক ভক্ত তাঁকে ভগবান হনুমানের বরপুত্র মনে করেন। এই কাহিনীটিকেই দেখানো হয়েছে সিনেমাতে।

স্টিভ জবস, মার্ক জুকারবার্গের সঙ্গে সম্পর্ক:

নিম করোলি বাবার অন্যতম শিষ্য ছিলেন আমেরিকান আধ্যাত্মিক গুরু রাম দাস, যাঁর আসল নাম ছিল রিচার্ড অ্যালপার্ট। হাভার্ডের প্রাক্তন মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক রিচার্ড ভারতে এসে বাবার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এরপরেই তাঁর জীবন আমূল বদলে যায়। পরে তাঁর বিখ্যাত বই Be Here Now প্রকাশিত হয়, যা গোটা বিশ্বে বাবার মাহাত্ম্য ছড়াতে সাহায্য করে। শোনা যায়, স্টিভ জবস একসময় ভারতে এসেছিলেন বাবার সঙ্গে দেখা করতে। কিন্তু তাঁর দেশে আসার আগেই ১৯৭৩ সালে বাবার মৃত্যু হয়। স্টিভ অবশ্য কোঁচি ধামে গিয়েছিলেন ও বেশ কিছু সময় কাটিয়েছিলেন। এর পাশাপাশি তাঁর উপরে আগ্রহী ছিলেন হলিউড অভিনেত্রী জুলিয়া রবার্টস, ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকেরবার্গও। সুতরাং, একটি সিনেমার মুক্তির পরই চর্চায় চলে এসেছেন হনুমান অংশ খ্যাত নিম করোলি বাবা।



 
ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন নির্মল শিকদার। বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন তাঁর মেয়েও। তাঁকেও মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনায় সোনারপুর থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে।

সোনারপুরে মদ্যপ অবস্থায় আবাসনে ঢুকে মারধরের অভিযোগ, বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত মেয়ে
সোনারপুরে উত্তেজনা

সোনারপুর (Sonarpur) বাজারের একটি বহুতল আবাসনে মদ্যপ অবস্থায় ঢুকে এক ব্যক্তিকে মারধরের অভিযোগ উঠল এক আবাসিকের বিরুদ্ধে। বিশ্বকর্মা পুজোর দিন ঘুড়ি ওড়ানোকে কেন্দ্র করে প্রথমে বাদানুবাদ, এরপরই পাথর দিয়ে হামলার অভিযোগ। ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন নির্মল শিকদার। বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন তাঁর মেয়েও। তাঁকেও মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনায় সোনারপুর থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে।


অভিযোগ, সোনারপুর বাজারের ওই বহুতল আবাসনে প্রায় ১৫টি পরিবার বসবাস করে। আবাসিকদের দাবি, আবাসনেরই এক ব্যক্তি মাঝেমধ্যেই বহিরাগতদের নিয়ে এসে নানান অসামাজিক কাজকর্ম করেন। প্রতিবাদ করলেই ঝামেলা ও মারধরের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ। এর আগেও একাধিকবার ঝামেলা হয়েছে এবং থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে দাবি আবাসিকদের।


বর্তমানে আবাসনের অন্যান্য বাসিন্দাদের মধ্যেও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে। আতঙ্কে রয়েছেন মহিলা ও বয়স্ক আবাসিকরাও। বয়স্ক বাসিন্দা জগাইলাল ঘোষ জানান, তাঁরা এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান চান। অন্য এক বাসিন্দা, পেশায় শিক্ষিকা সোনালী চক্রবর্তীর অভিযোগ, তাঁর বাড়ি লক্ষ্য করেও ঢিল ছোড়া হয়েছে। ফলে তাঁরা ভয় ও আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন বলে দাবি তাঁর। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে সোনারপুর থানার পুলিশ। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।



কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের কাছেই কি ঘাসফুল প্রতীক থাকবে? এদিকে ঋতব্রত শিবির ইতিমধ্যেই প্রতীকের দাবিদার হয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে। ঋতব্রত শিবির দাবি করেছে, যে মূল দলটির সিংহভাগ বিধায়ক তাদের সঙ্গে রয়েছেন এবং তারাই 'আসল' তৃণমূল।


ঘাসফুল প্রতীক তাহলে মমতা না ঋতর? বাংলার উপনির্বাচনের আগে কি নির্ধারিত হল?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়

 মমতা শিবির না ঋতব্রত শিবির- আসল তৃণমূল কে? কার থাকবে প্রতীক? উপনির্বাচনের ঢাকে কাঠি পড়তেই প্রতীক সঙ্কটে দুই শিবির। প্রতীক কার, তা এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি। তার মধ্যেই নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে দুই শিবির। ৬ অক্টোবর নির্বাচন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দেশে এই ধরনের পরিস্থিতি আগে তৈরি হয়নি, আর এই পরিস্থিতির সমাধান কোন উপায়ে বেরোবে, তাও স্পষ্ট নয়। এর মধ্যে চরম সঙ্কটে দুই শিবির।


সাধারণত কোনও নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষিত হলে এতদিন দেখা গিয়েছে, রাজনৈতিক দলগুলো প্রার্থী বাছাইয়ের কাজ শুরু করে দেয়। কিন্তু এখন তৃণমূল ব্যস্ত তার প্রতীক বাছাই করতে ব্যস্ত। এটাই এখন তাদের কাছে চ্যালেঞ্জ। কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের কাছেই কি ঘাসফুল প্রতীক থাকবে? এদিকে ঋতব্রত শিবির ইতিমধ্যেই প্রতীকের দাবিদার হয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে। ঋতব্রত শিবির দাবি করেছে, যে মূল দলটির সিংহভাগ বিধায়ক তাদের সঙ্গে রয়েছেন এবং তারাই ‘আসল’ তৃণমূল। পাশাপাশি পারিবারিক দল হিসেবে পরিচিতি ভাঙার কথা বলা হয়েছে। ইতিমধ্যেই দিল্লি গিয়ে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের কাছে সমস্ত আইনি নথি ও রেজোলিউশন জমা দিয়েছেন ঋতপন্থীরা। 


জল্পনা রয়েছে বেশ কয়েকটি। নির্বাচন কমিশন কি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরকেই ঘাসফুল প্রতীক দেবে? নাকি কোনও পক্ষকেই প্রতীক না দিয়ে, তা বাতিল করে নতুন প্রতীক দেবে?


রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বেশ কয়েকটি সম্ভাবনা রয়েছে

সম্ভাবনা ১: প্রতীক থাকতে পারে কালীঘাট তৃণমূলের কাছেই

সম্ভাবনা ২: কমিশন প্রতীক দিতে পারে ঋত তৃণমূলকে

সম্ভাবনা ৩: কাউকেই প্রতীক না দিয়ে ডিসলভ্ করতে পারে কমিশন

বিজেপি-র বক্তব্য

বিজেপির কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, “কোনও তৃণমূল প্রতীক পাবে না পাবে, সেটা তো নির্বাচন কমিশনের ব্যাপার। আদালত পর্যন্ত গিয়েছে। আদালত দেখবে।” তৃণমূলের তরফে অবশ্য এই নিয়ে কোনও পক্ষরই প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।




এবার পরিস্থিতি বদলেছে। পুজোর বেশ কিছুটা আগেই ২০ শতাংশ বোনাস ঘোষণায় স্বস্তি ফিরেছে চা শ্রমিকদের মধ্যে। জলপাইগুড়ি জেলায় ছোট-বড় মিলিয়ে মোট 90 টি চা বাগান রয়েছে। সেই সমস্ত বাগানের শ্রমিকদের কাছে পুজোর বোনাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


 চা-শ্রমিকদের ২০ শতাংশ বোনাস ঘোষণা, শুভেন্দুকে ধন্যবাদ দিন আনা দিন খাওয়া পরিবারগুলোর!
শুভেন্দু অধিকারী

ক্ষমতায় এলে চা শ্রমিকদের সমস্যা গুরুত্ব দিয়ে বিচার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবারই কালিম্পঙে বৈঠক করার কথা ছিল তাঁর। খারাপ আবহাওয়ার দরুণ তাঁর কপ্টার নামতে পারেনি। উত্তরকন্যা থেকে ভার্চুয়ালি বৈঠক করছেন প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে। তবে পাহাড়ে যাওয়ার আগেই চা শ্রমিকদের জন্য বিশেষ উদ্যোগ। পুজোর আগে বোনাসের দাবিতে আন্দোলন, গেট মিটিং কিংবা রাস্তা অবরোধ—ডুয়ার্সের চা বাগানগুলিতে এমন ছবি প্রতি বছরই দেখা যেত। কিন্তু এবার যেন সেই চেনা ছবিতে বদল। আন্দোলনে নামার আগেই চা শ্রমিকদের জন্য ২০ শতাংশ বোনাস ঘোষণা। হওয়ায় পুজোর মুখে খুশির হাওয়া বইছে জলপাইগুড়ি জেলার বিভিন্ন চা বাগানে।


প্রশাসন সূত্রে খবর, পাহাড়, তরাই, ডুয়ার্সে চা বাগানের সংখ্যা প্রায় ২৭৫টি। শ্রমিকের সংখ্যা তিন লক্ষের বেশি। শ্রমিকদের ২০ শতাংশ হারে বোনাস প্রদানের অ্যাডভাইজারি ঘোষণা করা হয়েছে।


'আরশোলার দুধ'-এ এত গুণ! আবিষ্কার করে ভারতের মুকুটে 'নোবেল' পালক
'বাগেশ্বর বাবার যেটা ঠিক মনে হয়েছে সেটাই বলেছেন, এই নিয়ে রাজনীতির কী আছে?', মুখ খুললেন অগ্নিমিত্রা
প্রতি বছর পুজোর আগে বোনাসের দাবিতে চা শ্রমিকদের আন্দোলনে নামতে হতো। কোথাও গেট মিটিং, কোথাও বিক্ষোভ, আবার কোথাও রাস্তা অবরোধ করে দাবি জানাতেন শ্রমিকরা। এমনকী, বোনাস ঘোষণা হওয়ার পরেও অনেক ক্ষেত্রে মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে টালবাহানার অভিযোগ উঠত। সরকারের তরফে বোনাস ঘোষণা নিয়েও বিভিন্ন সময় নানা জটিলতা তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ শ্রমিকদের।


তবে এবার পরিস্থিতি বদলেছে। পুজোর বেশ কিছুটা আগেই ২০ শতাংশ বোনাস ঘোষণায় স্বস্তি ফিরেছে চা শ্রমিকদের মধ্যে। জলপাইগুড়ি জেলায় ছোট-বড় মিলিয়ে মোট 90 টি চা বাগান রয়েছে। সেই সমস্ত বাগানের শ্রমিকদের কাছে পুজোর বোনাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, বছরের এই সময়ে বোনাসের টাকাতেই অনেক পরিবারে পুজোর কেনাকাটা থেকে শুরু করে ঘর মেরামত—বিভিন্ন প্রয়োজন মেটানো হয়।

চা শ্রমিকদের কথায়, বোনাসের টাকা হাতে এলে সন্তানদের নতুন পোশাক কিনে দেওয়ার পাশাপাশি নিজেদের জন্যও নতুন জামাকাপড় কেনা সম্ভব হবে। পুজোর কয়েকটি দিন পরিবারের জন্য ভালো-মন্দ খাবারের ব্যবস্থাও করতে পারবেন তাঁরা। অনেকের বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে মেরামতের প্রয়োজন থাকলেও আর্থিক সমস্যার কারণে তা করা সম্ভব হয়নি। বোনাসের টাকা পেলে পুজোর আগে সেই কাজও সেরে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে অনেকের।

চা শ্রমিকরা জানান, পুজোর আগে বোনাসের জন্য আন্দোলন করতে হবে কি না, তা নিয়ে প্রতি বছরই একটা দুশ্চিন্তা থাকত। এবার সেই দুশ্চিন্তা অনেকটাই দূর হয়েছে। আন্দোলনে নামার আগেই বোনাস ঘোষণা হওয়ায় তাঁরা খুশি। একইসঙ্গে নতুন সরকারের এই উদ্যোগের জন্য রাজ্য সরকারকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন তাঁরা।

সব মিলিয়ে, পুজোর আগেই ২০ শতাংশ বোনাস ঘোষণা চা শ্রমিকদের কাছে যেন বাড়তি পাওনা। বোনাসের টাকায় নতুন পোশাক, পুজোর কেনাকাটা, ভালো-মন্দ খাওয়া আর ঘরদোর মেরামতের পরিকল্পনা নিয়ে ইতিমধ্যেই উৎসবের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে দুয়ার্সের চা বাগানগুলিতে।



ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসের হোর্ডিংকে ঘিরে তুলকালাম পরিস্থিতি তৈরি হয় দিনকয়েক আগেই। অবৈধ বলে অভিযোগ তুলে তা ভাঙতে যান পুরসভার কর্মীরা। সঙ্গে ছিল পুলিশ। কিন্তু, অভিযোগ, অফিসে ঢুকতেই বাধা পান পুরসভার কর্মীরা। পুলিশের সঙ্গে তীব্র বচসা শুরু হয় তৃণমূল কর্মীদের।
কী অভিযোগ মালিকের
ক্যামার স্ট্রিটের অফিসের মালিকের নাম রমাদেবী গোয়েঙ্কা। ২০২০ সালে ৯ নম্বর ক্যামাক স্ট্রিটের বাড়ির মালিকের সঙ্গে চুক্তি হয় তৃণমূল যুব কংগ্রেসের। কিন্তু, মালিকপক্ষের অভিযোগ চুক্তিতে যে যে শর্ত ছিল তা মানা হয়নি। প্রভাব খাটিয়ে দু’টি ফ্লোর দখল করে রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয়, বাড়ির মালিককে না জানিয়েই বিল বোর্ড লাগানো হয়েছিল বলেও অভিযোগ। তাঁদের দাবি, শুধু ফ্লোর নয়, সিঁড়ির নীচের অংশ, গ্যারাজ, ছাদ- সবটাই দখল করে রাখা হয়েছে।



বিরল প্রজাতির বিদেশি পাখির জন্য বাড়িতেই ICU, ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে চার্জশিট ED-র
স্থগিতাদেশকে চ্যালেঞ্জ
মালিকের অভিযোগের ভিত্তিতে অফিস ছাড়ার নোটিস দেওয়া হয়েছিল ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে। সেই নোটিসে স্থগিতাদেশ দেয় নিম্ন আদালত। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই মামলা হয়েছে বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্যের এজলাসে।


ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসের হোর্ডিংকে ঘিরে তুলকালাম পরিস্থিতি তৈরি হয় দিনকয়েক আগেই। অবৈধ বলে অভিযোগ তুলে তা ভাঙতে যান পুরসভার কর্মীরা। সঙ্গে ছিল পুলিশ। কিন্তু, অভিযোগ, অফিসে ঢুকতেই বাধা পান পুরসভার কর্মীরা। পুলিশের সঙ্গে তীব্র বচসা শুরু হয় তৃণমূল কর্মীদের। অফিসে পৌঁছন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ওব্রায়েনরা। অফিসে জোর করে ঢুকতে গেলে পরিস্থিতি ভয়ংকর হয়ে ওঠে। তারপর দেড় ঘণ্টা ধরে চলতে থাকে পুলিশের সঙ্গে ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসের কর্মীদের হাতাহাতি।



ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসের হোর্ডিংকে ঘিরে তুলকালাম পরিস্থিতি তৈরি হয় দিনকয়েক আগেই। অবৈধ বলে অভিযোগ তুলে তা ভাঙতে যান পুরসভার কর্মীরা। সঙ্গে ছিল পুলিশ। কিন্তু, অভিযোগ, অফিসে ঢুকতেই বাধা পান পুরসভার কর্মীরা। পুলিশের সঙ্গে তীব্র বচসা শুরু হয় তৃণমূল কর্মীদের।
কী অভিযোগ মালিকের
ক্যামার স্ট্রিটের অফিসের মালিকের নাম রমাদেবী গোয়েঙ্কা। ২০২০ সালে ৯ নম্বর ক্যামাক স্ট্রিটের বাড়ির মালিকের সঙ্গে চুক্তি হয় তৃণমূল যুব কংগ্রেসের। কিন্তু, মালিকপক্ষের অভিযোগ চুক্তিতে যে যে শর্ত ছিল তা মানা হয়নি। প্রভাব খাটিয়ে দু’টি ফ্লোর দখল করে রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয়, বাড়ির মালিককে না জানিয়েই বিল বোর্ড লাগানো হয়েছিল বলেও অভিযোগ। তাঁদের দাবি, শুধু ফ্লোর নয়, সিঁড়ির নীচের অংশ, গ্যারাজ, ছাদ- সবটাই দখল করে রাখা হয়েছে।



বিরল প্রজাতির বিদেশি পাখির জন্য বাড়িতেই ICU, ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে চার্জশিট ED-র
স্থগিতাদেশকে চ্যালেঞ্জ
মালিকের অভিযোগের ভিত্তিতে অফিস ছাড়ার নোটিস দেওয়া হয়েছিল ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে। সেই নোটিসে স্থগিতাদেশ দেয় নিম্ন আদালত। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই মামলা হয়েছে বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্যের এজলাসে।


ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসের হোর্ডিংকে ঘিরে তুলকালাম পরিস্থিতি তৈরি হয় দিনকয়েক আগেই। অবৈধ বলে অভিযোগ তুলে তা ভাঙতে যান পুরসভার কর্মীরা। সঙ্গে ছিল পুলিশ। কিন্তু, অভিযোগ, অফিসে ঢুকতেই বাধা পান পুরসভার কর্মীরা। পুলিশের সঙ্গে তীব্র বচসা শুরু হয় তৃণমূল কর্মীদের। অফিসে পৌঁছন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ওব্রায়েনরা। অফিসে জোর করে ঢুকতে গেলে পরিস্থিতি ভয়ংকর হয়ে ওঠে। তারপর দেড় ঘণ্টা ধরে চলতে থাকে পুলিশের সঙ্গে ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসের কর্মীদের হাতাহাতি।



আগেই খাদ্য দফতরের তরফ থেকে পদক্ষেপ করার কথা জানানো হয়েছিল। বেশ কিছু রেস্তোরাঁর লাইসেন্স বাতিল করা হয়, একাধিক হোটেলের বিক্রি বন্ধ করে দেওয়া হয়। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, পচা খাবার, রাসায়নিক ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে হোটেলগুলির বিরুদ্ধে।


আরসালান, নিজাম, সিমলা বিরিয়ানির মতো ৪০ রেস্তোরাঁর লাইসেন্স বাতিল
খাদ্য সুরক্ষা অভিযান

রাজ্য জুড়ে খাদ্য সুরক্ষা অভিযান চালাচ্ছে খাদ্য দফতর (Food Department)। ছোট দোকান থেকে, জনপ্রিয় রেস্তোরাঁ, নজরদারি থেকে বাদ পড়ছে না কোনওকিছুই। কোথাও মিলেছে পচা মাংস, কোথাও মিলেছে খাবারে মেশানো হচ্ছিল বিষ রং। তাই পুজোর আগে বড় পদক্ষেপ করা হল। বাতিল হল ৫০টি রেস্তোরাঁর লাইসেন্স। কলকাতার পুর কমিশনারের কাছে জমা পড়ল রিপোর্ট।


তালিকায় একাধিক জনপ্রিয় রেস্তোরাঁ
আগেই খাদ্য দফতরের তরফ থেকে পদক্ষেপ করার কথা জানানো হয়েছিল। বেশ কিছু রেস্তোরাঁর লাইসেন্স বাতিল করা হয়, একাধিক হোটেলের বিক্রি বন্ধ করে দেওয়া হয়। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, পচা খাবার, রাসায়নিক ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে হোটেলগুলির বিরুদ্ধে। এবার সেই তালিকা জমা পড়ল কলকাতা পুরসভায়।


এটা তো আর দাদাগিরি নয়!' 'বিগ বস' নিয়ে মুখ খুললেন সৌরভ
তালিকায় রয়েছে নাগেরবাজারের আরসালান, বাইপাসের ধারের সিমলা বিরিয়ানি, রিপন স্ট্রিটের করিমস, কলকাতা পুরনিগমের পাশে অবস্থিত নিজামের মতো রেস্তোরাঁ। এর আগে বারবিকিউ নেশন, চিনা পাড়ার বিগ বস সহ একাধিক নামী রেস্তোরাঁর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হয়েছে। রয়েছে বলরাম মল্লিক রাধারমণ মল্লিক মিষ্টির দোকান। প্রাথমিক রিপোর্টের ভিত্তিতেই এই পদক্ষেপ করেছেন পুরকর্তারা।


পরিসংখ্যান দিল পুরনিগম
পুর কমিশনার স্মিতা পাণ্ডে জানিয়েছেন, ৪০টি সংস্থাকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। সংস্থাগুলো যখন তাদের সব নিয়ম মেনে আবেদন করবে, তখন সেটা বিবেচনা করে দেখা হবে। ৫৯২ টি জায়গায় ভিজিট করা হয়েছে, ১২২৪ কেজি খাবার নষ্ট করা হয়েছে, ১৬১টি স্যাম্পেল কালেক্ট করা হয়েছে।

উগ্বেগ প্রকাশ বিশেষজ্ঞ
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ কাজলকৃষ্ণ বণিক উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, “এইভাবে আমরা কতদিন ধরে বিষাক্ত খাবার খাচ্ছিলাম, সেটা ভেবেই অবাক লাগছে। অবশেষে পদক্ষেপ করা হয়েছে।” তিনি উল্লেখ করেছেন, যেভাবে খাবারে রাসায়নিক মেশানো হচ্ছে, তাতে লিভার, কিডনি বা স্নায়ুতেও প্রভাব পড়তে পারে।



ওই ব্যক্তির সঙ্গে থাকা তাঁর দেহরক্ষীকেও আটক করে পুলিশ। তাঁর কাছ থেকেই বন্দুকটি উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, আটক ২৪ বছর বয়সি রোহন পারেখ নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর দফতর বা PMO-র আধিকারিক বলে পরিচয় দেন। কিন্তু তাঁর পরিচয়পত্র পরীক্ষা করে দেখা যায়, সেটি ভুয়ো।


মুম্বইয়ে মোদীর অনুষ্ঠানের আগে বন্দুক-সহ পাকড়াও ভুয়ো PMO আধিকারিক! প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে চাঞ্চল্য
নরেন্দ্র মোদী (ফাইল ফোটো)

 দুই ব্যক্তি। একটি বন্দুক এবং ভুয়ো PMO-র পরিচয়পত্র। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মুম্বইয়ের অনুষ্ঠানের আগে নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠল। অনুষ্ঠানস্থল থেকে দু’জনকে আটক করেছে মুম্বই পুলিশ। প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানস্থলে কেন তাঁরা ভুয়ো পরিচয়ে ঢোকার চেষ্টা করছিলেন, সেই প্রশ্ন উঠেছে।


সূত্রের খবর, সোমবার গভীর রাতে নিরাপত্তা প্রোটোকল ড্রিল চলাকালীন ওই দু’জনকে আটক করা হয়। মুম্বই পুলিশ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে একজনের কাছ থেকে একটি বন্দুকও উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মুম্বইয়ের বান্দ্রা-কুর্লা কমপ্লেক্সে অবস্থিত নীতা মুকেশ অম্বানী কালচারাল সেন্টারে (NMACC) প্রধানমন্ত্রী মোদীর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে এক ব্যক্তিকে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। এরপরই তাঁকে আটক করা হয়।


'আরশোলার দুধ'-এ এত গুণ! আবিষ্কার করে ভারতের মুকুটে 'নোবেল' পালক
ওই ব্যক্তির সঙ্গে থাকা তাঁর দেহরক্ষীকেও আটক করে পুলিশ। তাঁর কাছ থেকেই বন্দুকটি উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, আটক ২৪ বছর বয়সি রোহন পারেখ নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর দফতর বা PMO-র আধিকারিক বলে পরিচয় দেন। কিন্তু তাঁর পরিচয়পত্র পরীক্ষা করে দেখা যায়, সেটি ভুয়ো।


ঘটনার পরই প্রধানমন্ত্রীর মুম্বই সফরের আগে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে সতর্কতা জারি করা হয়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় NMACC-তে গ্লোবাল ফিনটেক ফেস্ট (GFF) ২০২৬-এর উদ্বোধন করার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। বন্দুক এবং ভুয়ো পরিচয়পত্র নিয়ে ওই দু’জন কী উদ্দেশ্যে অনুষ্ঠানের ভেন্যুতে ঢোকার চেষ্টা করেছিলেন, তা জানতে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে মুম্বই পুলিশ।

ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে তদন্তের দায়িত্ব নিয়েছে মুম্বই ক্রাইম ব্রাঞ্চ। আটক দু’জনকে জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি তাঁদের মোবাইল ফোন, পরিচয়পত্র এবং অন্যান্য সামগ্রীও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের পর পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

প্রসঙ্গত, মুম্বইয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গ্লোবাল ফিনটেক ফেস্ট (GFF) ২০২৬-এর উদ্বোধন করবেন। এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ এবং গুরুত্বপূর্ণ বার্ষিক ফিনটেক সম্মেলন।



কেবল বলরাম মল্লিক নয়, একাধিক মিষ্টির দোকানেরও লাইসেন্স সাসপেন্ড করেছে কলকাতা পুরনিগম। কোথাও পচা খাবার, মেয়াদ উত্তীর্ণ মশলা, কোথাও আবার খাবারে বিষাক্ত রং। কিন্তু মিষ্টির দোকানে সমস্যা কী? জানা যাচ্ছে, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের মধ্যে মিষ্টি তৈরি হত। মিষ্টিতে ব্যবহৃত দুধেও ছিল ভেজাল। 


বলরাম মল্লিক রাধারমন মল্লিক মিষ্টির দোকানও! কেন লাইসেন্স বাতিল ধরে ধরে বলল KMC
বলরাম মল্লিকের মিষ্টির দোকান

ইএম বাইপাসের ধারে সিমলা বিরিয়ানি থেকে শুরু করে নাগেরবাজারের আরসালান- কলকাতার ৪০টি রেস্তোরাঁ-হোটেলের লাইসেন্সে কাঁচি! তার মধ্যে রয়েছে বলরাম মল্লিকের মিষ্টির দোকানও। কেবল বলরাম মল্লিক নয়, একাধিক মিষ্টির দোকানেরও লাইসেন্স সাসপেন্ড করেছে কলকাতা পুরনিগম। কোথাও পচা খাবার, মেয়াদ উত্তীর্ণ মশলা, কোথাও আবার খাবারে বিষাক্ত রং। কিন্তু মিষ্টির দোকানে সমস্যা কী? জানা যাচ্ছে, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের মধ্যে মিষ্টি তৈরি হত। মিষ্টিতে ব্যবহৃত দুধেও ছিল ভেজাল।


কলকাতার টলিগঞ্জের বি এল সাহা রোডের বলরাম মল্লিকের মিষ্টির দোকানে কোথায় কোথায় সমস্যা?



কলকাতা পুরসভার তরফে যে সাসপেনশনের তালিকা দেওয়া হয়েছে, তাতে যে বিষয়গুলো সামনে এসেছে…


১. খাবার প্রস্তুতকারী ও পরিবেশনকারীদের বার্ষিক শারীরিক পরীক্ষা এবং প্রতিষেধক টিকাদানের নথি পাওয়া যায়নি। ২. রেফ্রিজারেটরে রাখা কোনও প্রস্তুত বা অর্ধ-প্রস্তুত খাবারে প্রস্তুতের তারিখের ট্যাগ (Date tag) পাওয়া যায়নি। ৩. ব্যবহৃত ভোজ্যতেল ফেলার বা নষ্ট করার বিষয়ে কোনও কাগজপত্র বা নথি পাওয়া যায়নি। ৪. ঢাকনাবিহীন আবর্জনার পাত্র (ডাস্টবিন) পাওয়া গেছে। ৫. তাপমাত্রা সঠিকভাবে দেখা যায় এমন কোনও ফ্রিজার পাওয়া যায়নি। ৬. খাবার প্রস্তুতকারী বা পরিবেশনকারীরা কোনো ধরনের টুপি বা অ্যাপ্রন পরে ছিলেন না। ৭. বেশিরভাগ খাবারই খোলা বা ঢাকনাবিহীন অবস্থায় রেক বা ফ্রিজারে রাখা ছিল। ৮. রান্নাঘরের বাইরে আলুর সবজি তৈরি হচ্ছিল এবং নিচু জলজ/জলাভূমির সংলগ্ন জায়গায় বস্তায় আলু রাখা ছিল।

কেবল বি এল সাহা রোডের বলরাম মল্লিকের মিষ্টির দোকান নয়, একাধিক মিষ্টির দোকানের লাইসেন্স সাসপেন্ড করা হয়েছে। পুজো আসছে তাই মিষ্টির দোকান গুলোর পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার দরকার। কলকাতার পুর কমিশনার স্মিতা পাণ্ডে জানিয়েছেন, ৪০ টি সংস্থাকে সাসপেনশন করা হয়েছে। সংস্থাগুলো যখন তাদের সব নিয়ম মেনে আবেদন করবে, তখন সেটা দেখা হবে।