WEATHER

Top News


পুলিশ সূত্রে খবর, ওই চার শিশুই অভিযুক্ত যুবকের আত্মীয়। জানা গিয়েছে, ঘটনার সময় দুই শিশু বাড়ির বাইরে এবং আরও দু'জন বাড়ির ভিতরে খেলছিল। সেই সময় আচমকাই বছর কুড়ির যুবক গোলাম সারওয়ার ওরফে বাদশা হাঁসুয়া নিয়ে শিশুদের উপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ।

চার শিশুকন্যাকে হাঁসুয়ার 'কোপ' যুবকের, ভয়ঙ্কর ঘটনা মুর্শিদাবাদে
প্রতীকী ছবি

 (Children Death) হাঁসুয়া দিয়ে কোপানোর অভিযোগ উঠল যুবকের বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, বাড়ির সামনেই খেলছিল শিশুরা। সেইসময় তাদের উপর হামলা করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে এক শিশুকন্যার। গুরুতর জখম অবস্থায় আরও তিন শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বৃহস্পতিবারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মুর্শিদাবাদের সুতি থানার রঘুনাথপুরে।


ঠিক কী ঘটেছে?
পুলিশ সূত্রে খবর, ওই চার শিশুই অভিযুক্ত যুবকের আত্মীয়। জানা গিয়েছে, ঘটনার সময় দুই শিশু বাড়ির বাইরে এবং আরও দু’জন বাড়ির ভিতরে খেলছিল। সেই সময় আচমকাই বছর কুড়ির যুবক গোলাম সারওয়ার ওরফে বাদশা হাঁসুয়া নিয়ে শিশুদের উপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ। কিছু বুঝে ওঠার আগেই ওই শিশুদের উপর পরপর কোপ মারে বলে অভিযোগ। চিৎকার শুনে ছুটে আসেন পরিবারের সদস্যরা। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় চার জনকেই দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।


কৃষ্ণনগরের 'বুড়িমা'র গয়না চুরি! গৌতম গ্রেফতার হতেই চরম উত্তেজনা
কী বলছে পুলিশ?
তবে, হাসপাতালে ভর্তির পরই এক শিশুকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। মৃতের নাম মনিফা খাতুন(৪)। তার দেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকি তিন শিশুর আঘাত গুরুতর হওয়ায় জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। আহতেরা হলেন আনিসা খাতুন, ইসরাত জাহান এবং নুসরত জাহান। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। তবে, কী কারণে ওই শিশুকন্যাদের উপর হামলা চালানো হয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে সুতি থানার পুলিশ। ইতিমধ্যেই আটক করা হয়েছে ওই অভিযুক্তকে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।


জীবনে কোনওদিন ফুলপ্যান্ট পরেননি তিনি। আজও পরেন সাদা খদ্দরের ধুতি ও পাঞ্জাবি। গান্ধীজিকে দেখেই এই জীবনচর্চা শুরু। বাবার মৃত্যুর পর গুণধর বাবুর বোনের বিয়ে হয় বলাগড়ে। তখন থেকেই তিনি চলে আসেন বলাগড়ে।

ব্রিটিশদের হাতে কানমোলা খেয়েছিলেন, হরতাল পোস্টার লাগিয়ে জরিমানা হয়েছিল ৬ টাকা, আজও স্বাধীনতার স্মৃতি উজ্জ্বল নবতিপর গুণধরের মনে
স্বাধীনতার দিনগুলি এখনও মনে তাজা গুণধর বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

ব্রিটিশ পুলিশের হাতে কান মোলা খেয়েছিলেন, সরকারি অফিসে পোস্টার লাগাতে গিয়ে জরিমানা হয়েছিল ৬ টাকা ২৫ পয়সা। কোনদিনও ফুলপ্যান্ট পরেননি, আজও খদ্দরের ধুতি-পাঞ্জাবি পরেন বলাগড়ের স্বাধীনতা সংগ্রামী গুণধর বন্দ্যোপাধ্যায়।


দেশে ৮০তম স্বাধীনতা দিবসের প্রস্তুতি চলছে। হর ঘর তিরঙ্গার কর্মসূচিও চলছে। সেই সময় বলাগড়ের গ্রামে বসে স্বাধীনতা সংগ্রামের দিনগুলি মনে করছেন এক বৃদ্ধ। ৯২ বছর বয়সেও খদ্দর, সাদা ধুতি-পাঞ্জাবিতেই তাঁকে দেখা যায়। স্বাধীনতার স্মৃতি আর গান্ধীর আদর্শ আঁকড়ে থাকা মানুষটি আজও এলাকার কাছে এক প্রেরণার নাম।

আজান দিতে কেউ বাধা দিচ্ছে না', মসজিদ থেকে মাইক খোলার মামলায় রাজ্যকে অবস্থান জানানোর নির্দেশ হাইকোর্টের
সিঙ্গাপুরের জাহাজের ধাক্কায় নুরপুরে বিরাট ক্ষতি, প্লাবনের আশঙ্কা
স্বাধীনতার লড়াইয়ের দিনগুলি আজও স্মৃতিতে টাটকা। বলাগড়ের কামারপাড়ার বাসিন্দা গুণধর বন্দ্যোপাধ্যায় সেই সময়েরই জীবন্ত দলিল। তাঁর আদি বাড়ি ছিল হাওড়া জেলার আমতায়। গোটা পরিবারই ছিল স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত।


গুণধর বাবুর বাবা জয় কৃষ্ণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও সামিল ছিলেন স্বাধীনতার আন্দোলনে। জয় কৃষ্ণ বন্দ্যোপাধ্যায়রা দুই ভাই। অপরজন বিজয় কৃষ্ণ বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজয় কৃষ্ণের বড় ছেলে ঘনশ্যাম বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন গান্ধীজির অনুসারী। বাড়িতে চরকায় সুতো কাটতেন। ঘনশ্যাম বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর বন্ধুরা “মাতৃ পূজা”, “পলাশীর পরে’র মতো দেশাত্মবোধক যাত্রা ও গান করতেন।

জ্যাঠতুতো দাদা ঘনশ্যাম বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরেই স্বদেশী আন্দোলন শুরু করেন গুণধর। মাত্র ১০ বছর বয়স থেকে পাঠশালায় পড়ার সময়েই যুক্ত হন আন্দোলনের সঙ্গে। মেদিনীপুরের আমদান গ্রাম থেকে পাঠশালায় পড়াতে আসতেন সত্য ও বিমান নামে দুই শিক্ষক। তাঁরাই ছাত্রদের স্বাধীনতার মন্ত্রে উদ্বুদ্ধ করতেন। ২০ জন ছাত্রকে নিয়ে একটি দলও গঠন করেছিলেন।

স্বাধীনতা আন্দোলনের স্মৃতিচারণ-
কিশোর বয়সেই বিপ্লবীদের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি করতেন গুণধর। রাতের অন্ধকারে দোকানে ও সরকারি অফিসে “হরতাল” লিখে পোস্টার টাঙিয়ে আসতেন। একবার সরকারি অফিসে পোস্টার লাগানোর জন্য ব্রিটিশ পুলিশ তাঁকে ৬ টাকা ২৫ পয়সা জরিমানা করে। ১০ বছর বয়সে ব্রিটিশদের হাতে কান মোলাও খেতে হয়েছিল তাঁকে।

হুগলি তখন বিপ্লবীদের অন্যতম আস্তানা। দাদা ঘনশ্যামের মাধ্যমেই বৃন্দাবন চট্টোপাধ্যায়, প্রফুল্ল সেন, অজয় মুখোপাধ্যায়, ভূপতি মজুমদার, অতুল্য ঘোষের মতো নেতাদের সঙ্গে পরিচয় হয় তাঁর। একসময় মহাত্মা গান্ধী বাংলাদেশের নোয়াখালী যাওয়ার পথে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বজবজের চড়িয়ালে একটি সভায় এসেছিলেন, সেই সময় গুণধর বাবু তাঁকে সামনে থেকে দেখার সুযোগ পান।

স্বাধীনতার পর কংগ্রেসের রাজনীতিতে যুক্ত হন গুণধর বাবু। ১৯৬৪ সালে মহিপালপুর পঞ্চায়েতের উপপ্রধান নির্বাচিত হন। ১৯৭০-৭১ সাল থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত একই পঞ্চায়েতের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব সামলান। উপপ্রধান থাকাকালীন গ্রামের উন্নয়ন ও আলোচনার জন্য “গান্ধী ঘর” তৈরি করেন। ২৪টি গ্রামের মানুষ সেখানে বসে আলোচনা করতেন। এই কাজে তাঁকে সাহায্য করেছিলেন ক্যাপ্টেন শচীন্দ্র লাল বন্দ্যোপাধ্যায়।

জীবনে কোনওদিন ফুলপ্যান্ট পরেননি তিনি। আজও পরেন সাদা খদ্দরের ধুতি ও পাঞ্জাবি। গান্ধীজিকে দেখেই এই জীবনচর্চা শুরু। বাবার মৃত্যুর পর গুণধর বাবুর বোনের বিয়ে হয় বলাগড়ে। তখন থেকেই তিনি চলে আসেন বলাগড়ে।

দেশ গড়ার কাজে অবদানের জন্য অগ্রজ বিপ্লবী প্রফুল্ল সেন ও শান্তিমোহন রায়ের কাছ থেকে “রক্তরাঙা” একটি মেডেল পেয়েছিলেন গুণধর বাবু। সেই মেডেল আজও তাঁর কাছে স্বযত্নে রাখা আছে।

গুণধর বাবুর চামড়া কুঁচকে গিয়েছে বয়সের ভারে। মাথার চুলে সাদা পাক ধরেছে। শ্রবণশক্তিও কিছুটা কমেছে। চোখের চশমার পাওয়ারটা একটু বেড়েছে। তবুও মনের শক্তি এক ফোঁটাও কমেনি।

কাঁপা কাঁপা গলায় গুণধর বাবু বলেন, “হ্যাঁ আমি স্বাধীনতার লড়াইয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। নয় বছর বয়স থেকেই বিপ্লবীদের সঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাঘুরি করতাম। শিক্ষকরা আমাদের যেভাবে বুঝিয়ে দিতেন, আমরা সেই ভাবেই পোস্টার লাগাতাম। চারটি শব্দের হরতাল লিখে টাঙিয়ে দিয়ে আসতাম দোকানে। পোস্টার দিতে গিয়ে আমার নামে জরিমানা হয়ে গিয়েছিল। আমার পরিবার স্বাধীনতা সংগ্রামের সঙ্গে যুক্ত ছিল। কোনওদিন প্যান্ট পরিনি। কারণ আমি গান্ধীজির আদর্শে অনুপ্রাণিত ছিলাম। বাড়িতে চরকায় সুতো কাটা হত। খদ্দরের কাপড় পরতাম। সেই সময়ে ৬ টাকা ২৫ পয়সা জরিমানা করেছিল ব্রিটিশ পুলিশ।”

গুণধর বাবুর তিন ছেলে। ছোট ছেলে মাধব বন্দ্যোপাধ্যায় স্কুল শিক্ষক। তিনি বলেন, “আমাদের পরিবারের সকলেই গান্ধীজির স্বদেশী আন্দোলনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিল। বাড়ির মেয়েরাও চরকায় সুতো কাটার কাজে যুক্ত ছিলেন। বাবা যাদের কাছে পাঠশালায় পড়তেন, সেই শিক্ষকরাও ছিলেন বিপ্লবী। ছোটবেলা থেকেই বাবা গান্ধীর আদর্শ সামনে রেখে চলেন, তাই এখনও পর্যন্ত ফুল প্যান্ট পরেননি। খদ্দরের ধুতি পাঞ্জাবি পড়েন।”

বলাগড়ের আঞ্চলিক গবেষক পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “স্বাধীনতা সংগ্রামী গুণধর বন্দ্যোপাধ্যায়। ছাত্র অবস্থাতেই তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামে যোগ দিয়েছিলেন।”

 অভিযোগ, রাতের অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে দুষ্কৃতীরা নেতাজির মূর্তির ডান হাত ভেঙ্গেছে। ঘটনায় কারা জড়িত, তা খুঁজে বের করতে পুলিশ প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানানো হবে বলে জানান বিজেপি কর্মীরা। পাশাপাশি বিষয়টি দলের রাজ্য নেতৃত্বকেও জানানো হবে বলে তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।


খাস কলকাতায় নেতাজিকে এমন অপমান! ভেঙে ফেলা হল মূর্তির হাত
ভাঙা নেতাজির মূর্তি।

খাস কলকাতায় নেতাজিকে চরম অসম্মান। ভাঙা হল নেতাজির মূর্তি। মু্খ্যমন্ত্রী যেখানে নেতাজিকে অসম্মান করলে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছেন, সেখানেই কলকাতার বুকে ভাঙা হল নেতাজির মূর্তি। দেখা গেল, নেতাজির মূর্তির ডান হাত ভাঙা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিউ আলিপুরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।


রাতের অন্ধকারে দক্ষিণ কলকাতার নিউ আলিপুরের ৮১ নম্বর ওয়ার্ডের বটতলা তিন মাথার মোড়ে স্থাপিত নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর আবক্ষ মূর্তির ডান হাত ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। আজ সকালে বিষয়টি নজরে আসতেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, গতকাল অবধি অক্ষত ছিল মূর্তি। আজ সকালে দেখা যায়, নেতাজির মূর্তি ভাঙা। কে বা কারা নেতাজির ডান হাত ভেঙে দিয়েছে।

 ব্রিটিশদের হাতে কানমোলা খেয়েছিলেন, হরতাল পোস্টার লাগিয়ে জরিমানা হয়েছিল ৬ টাকা, আজও স্বাধীনতার স্মৃতি উজ্জ্বল নবতিপর গুণধরের মনে
সুখবীর সিং বাদলের উপরে হামলায় উদ্বিগ্ন প্রধানমন্ত্রী মোদী, খোঁজ নিলেন ফোন করে
খবর পেয়ে বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা ঘটনাস্থলে এসে উপস্থিত হন। তাদের অভিযোগ, রাতের অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে দুষ্কৃতীরা নেতাজির মূর্তির ডান হাত ভেঙ্গেছে। ঘটনায় কারা জড়িত, তা খুঁজে বের করতে পুলিশ প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানানো হবে বলে জানান বিজেপি কর্মীরা। পাশাপাশি বিষয়টি দলের রাজ্য নেতৃত্বকেও জানানো হবে বলে তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।


বিজেপির দক্ষিণ কলকাতার সম্পাদক তারক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, গতকাল বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে নিয়ে কোনও অবমাননাকর মন্তব্য করা যাবে না বলে সতর্ক করেছিলেন। কেউ এমন মন্তব্য করলে প্রশাসন আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে বলেও জানানো হয়েছিল। পাশাপাশি রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রের সেবা কেন্দ্রগুলির নাম ‘নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু সেবা কেন্দ্র’ করার কথা বলা হয়েছে।

তারক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, এই ঘোষণার পরই রাতের অন্ধকারে নিউ আলিপুরের ৮১ নম্বর ওয়ার্ডে নেতাজির মূর্তির ডান হাত ভেঙে দেওয়ার ঘটনা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, তা দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করলে জানা যাবে মূর্তি ভাঙার পিছনে কারা রয়েছে এবং ঘটনাটি কীভাবে ঘটল।

 ১৫ অগস্ট, শনিবার স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে কলকাতা মেট্রোর বিভিন্ন লাইনে পরিবর্তিত সূচিতে পরিষেবা চলবে। যাত্রীদের সুবিধার জন্য আগে থেকেই সেই পরিষেবার সংখ্যা জানাল মেট্রো কর্তৃপক্ষ। যাত্রীদের সুবিধার জন্য এই পরিবর্তিত সূচি জানানো হয়েছে।

স্বাধীনতা দিবসে পরিবর্তিত সূচিতে চলবে মেট্রো, কখন কোন লাইনে মেট্রো পাবেন?
কলকাতা মেট্রো।

 স্বাধীনতা দিবসে কলকাতা মেট্রো (Kolkata Metro) পরিষেবায় বদল। বিভিন্ন লাইনে বদলে যাচ্ছে মেট্রোর সংখ্যা। কোন লাইনে কত ট্রেন চলবে? আগে থেকেই জেনে নিন-


১৫ অগস্ট, শনিবার স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে কলকাতা মেট্রোর বিভিন্ন লাইনে পরিবর্তিত সূচিতে পরিষেবা চলবে। যাত্রীদের সুবিধার জন্য আগে থেকেই সেই পরিষেবার সংখ্যা জানাল মেট্রো কর্তৃপক্ষ।


TATA-র সঙ্গে সম্পর্ক ছেদ চন্দ্রশেখরনেরও, রতন টাটার ছেড়ে যাওয়া ব্যাটন কার হাতে উঠবে?
সুখবীর সিং বাদলের উপরে হামলায় উদ্বিগ্ন প্রধানমন্ত্রী মোদী, খোঁজ নিলেন ফোন করে
ব্লু লাইন: মোট ১৯৪টি মেট্রো পরিষেবা পাওয়া যাবে, এর মধ্যে ৯৭টি আপ এবং ৯৭টি ডাউন ট্রেন। প্রথম ও শেষ মেট্রোর সময়ে কোনও পরিবর্তন করা হয়নি। অর্থাৎ যাত্রীরা সকাল ৬টায় প্রথম মেট্রো এবং রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে শেষ মেট্রো চলবে।


গ্রিন লাইন: মোট ১৪৮টি পরিষেবা পাওয়া যাবে স্বাধীনতা দিবসের দিন। এর মধ্যে ৭৪টি আপ এবং ৭৪টি ডাউন মেট্রো চলবে। প্রথম ও শেষ মেট্রোর সময় অপরিবর্তিত থাকবে।

ইয়েলো লাইন: ইয়েলো লাইনেও স্বাভাবিক পরিষেবা থাকবে। ৯২টি পরিষেবা থাকবে—৪৬টি আপ এবং ৪৬টি ডাউন মেট্রো চলবে। তবে জয় হিন্দ বিমানবন্দর থেকে শহিদ ক্ষুদিরাম পর্যন্ত সরাসরি পরিষেবা ৫টির পরিবর্তে ৪টি হবে। প্রথম ও শেষ মেট্রোর সময়ে কোনও পরিবর্তন নেই।

পার্পল লাইন: এই লাইনেও স্বাভাবিক পরিষেবা চালু থাকবে।

অরেঞ্জ লাইন: ১৫ অগস্ট অরেঞ্জ লাইনে কোনও মেট্রো পরিষেবা থাকবে না। কবি সুভাষ থেকে বেলেঘাটা পর্যন্ত রুটে মেট্রো চলবে না।

কৃষক পরিবারের একমাত্র মেয়ে। দুই ভাইয়ের একমাত্র বোন ছিলেন ওই নার্স। তাঁর পরিণতিতে ভেঙে পড়েছেন পরিবারের সদস্যরা। পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুর থানা ও পটাশপুর দুই ব্লকের সাউথখন্ড গ্রামে ওই নার্সের বাপের বাড়ি। ১০ মাস আগে তাঁর বিয়ে হয়। তবে স্বামীর সঙ্গে দমদমে থাকতেন তিনি। স্নাতকোত্তর পাশ।

ম্যাট্রিমোনিয়াল সাইট থেকেই বিয়ে, ১০ মাসের বিবাহিত জীবন, শান্ত মেয়ের এমন পরিণতি মানতেই পারছে না নার্সের পরিবার
রাতে খাওয়া দাওয়া সেরে সবাই তখন ঘুমোতে গিয়েছেন। হঠাৎ ফোন আসে। মুহূর্তে স্তব্ধ হয়ে যায় গোটা পরিবারের। আদরের একমাত্র বোন আর নেই। মাত্র ১০ মাস আগে বিয়ে হয়েছিল, এরই মধ্যে কী এমন ঘটল! ভেবে কূল পাচ্ছে না পরিবার। বুধবার রাতে নীলরতন সরকার হাসপাতালের বাথরুম থেকে উদ্ধার হয় নার্সের দেহ। কর্তব্যরত অবস্থায় থাকাকালীন কীভাবে ওই নার্সের মৃত্যু হল, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে।


কৃষক পরিবারের একমাত্র মেয়ে। দুই ভাইয়ের একমাত্র বোন ছিলেন ওই নার্স। তাঁর পরিণতিতে ভেঙে পড়েছেন পরিবারের সদস্যরা। পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুর থানা ও পটাশপুর দুই ব্লকের সাউথখন্ড গ্রামে ওই নার্সের বাপের বাড়ি। ১০ মাস আগে তাঁর বিয়ে হয়। তবে স্বামীর সঙ্গে দমদমে থাকতেন তিনি। স্নাতকোত্তর পাশ। নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের স্ত্রীরোগ বিভাগের এইচডিইউয়ে ডিউটি করছিলেন তিনি। মৃতার বৌদির কথায়, ‘উনি খুব শান্ত মাথার মেয়ে ছিলেন, হুট করে রেগে যেতেন না।’


কৃষ্ণনগরের 'বুড়িমা'র গয়না চুরি! গৌতম গ্রেফতার হতেই চরম উত্তেজনা
মৃতার মেজো বৌদি বলেন, “রাত ১২টা থেকে সাড়ে ১২টার মধ্যে কলকাতা থেকে একটি ফোন আসে। ফোনটি করেছিলেন আমাদের জামাই, অর্থাৎ ওঁর স্বামী। তিনি জানান, ননদ আর নেই। আমাদের তাড়াতাড়ি সেখানে যেতে বলেন। উনি জানান পুলিশ কেস হয়ে গিয়েছে। খবরটি শুনে আমরা কান্নায় ভেঙে পড়ি। জামাইকে বিস্তারিত কিছু জিজ্ঞাসা করতে পারিনি। ফোনটি কেটে যায়।”


এরপর আবার ফোন যায়। পরের ফোনটি করেন, নার্সের ঘনিষ্ঠ বান্ধবী। তিনিও মৃত্যুর খবর দেন। আধ ঘণ্টা পর আরও একটি ফোন যায়। এবার ফোন করেন নার্সের সহকর্মীরা। তাঁরা জানতে চান, পরিবার কোনও খবর পেয়েছে কি না।

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরিবারের আর্জি, এই ঘটনার সঠিক তদন্ত হোক। সুষ্ঠু বিচার হোক।

পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, ওই নার্সের বিয়ে হয় ২০২৫-এর মার্চ মাসে। ম্যাট্রিমোনিয়াল সাইট থেকে একে অপরকে পছন্দ করেন তাঁরা। সম্পর্কের পর বিয়েতে মতামত দেন। নার্সের স্বামী দিল্লিতে থাকেন। কলকাতাতেও থাকতেন। তাঁর শ্বশুরবাড়ি দিল্লিতে। শ্বশুর সরকারি চাকরি করতেন, বর্তমানে প্রয়াত।

নেতাজিকে ‘অপমান’, অনন্ত মহারাজের বঙ্গবিভূষণ কাড়ল শুভেন্দু-সরকার

গত ২১ ফেব্রুয়ারি অনন্ত মহারাজকে বঙ্গবিভূষণ সম্মান দিয়েছিল তৎকালীন তৃণমূল সরকার। ৬ মাসের মধ্যেই সেই সম্মান ফিরিয়ে নেওয়া হল। সম্প্রতি, নেতাজিকে নিয়ে বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ অনন্ত মহারাজের করা মন্তব্যকে কেন্দ্র করে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। বিভিন্ন থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে ইতিমধ্যেই। কুণাল ঘোষ তাঁর সাংসদপদ খারিজের আবেদন করেছেন।




কলকাতা: অনন্ত মহারাজের (Ananta Maharaj) বঙ্গবিভূষণ সম্মান ফিরিয়ে নিল শুভেন্দু-সরকার (CM Suvendu Adhikari)। নেতাজিকে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্দেশ আগেই দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, দেশনায়ককে অসম্মান কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। কথামতোই এবার কড়া অ্যাকশন রাজ্য সরকারের। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে অনন্ত মহারাজকে দেওয়া সম্মান কেড়ে নিল শুভেন্দু সরকার।

অনন্ত মহারাজের বিতর্কিত মন্তব্য

সম্প্রতি, নেতাজিকে নিয়ে বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ অনন্ত মহারাজের করা মন্তব্যকে কেন্দ্র করে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। নেতাজি সম্পর্কে অনন্ত মহারাজ বলেছিলেন, তাঁর স্বাধীনতা সংগ্রামে কোনও ভূমিকা ছিল না। এমনকী নেতাজি আজাদ হিন্দ ফৌজের অপব্যবহার করেছিলেন বলেও মন্তব্য করেন। এরপর তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় লিখিত অভিযোগও দায়ের হয়। নিজের দলের সাংসদের বিরুদ্ধেই সরব হন বিজেপি নেতা-মন্ত্রীরা। মুখ্যমন্ত্রী নিজেই স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন, কাউকে রেয়াত করা হবে না। এদিকে, তৃণমূলের তরফে কুণাল ঘোষ তাঁর সাংসদপদ খারিজের আবেদনও করেন।


সম্মান ফেরাল রাজ্য সরকার

অনন্ত মহারাজকে নিয়ে যখন রাজ্য-রাজনীতি তোলপাড়, তখনই কড়া পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার।  বিজেপি সাংসদ অনন্ত মহারাজের থেকে কেড়ে নেওয়া হল বিশেষ সম্মান। এই সংক্রান্ত নোটিস জারি করা হয়েছে রাজ্য সরকারের তরফে। নোটিসে স্পষ্ট বলা হয়েছে, রাজ্যের মান-সম্মান নষ্ট করছেন অনন্ত মহারাজ। সামাজিক অবদানের কথা ভেবে তাঁকে সম্মানিত করা হয়েছিল। সেখানে তিনি সমাজে এমন ভূমিকা পালন করেছেন, যা সমাজের পক্ষে সুখকর নয়। সেইকারণেই ফিরিয়ে নেওয়া হচ্ছে সম্মান। উল্লেখ্য, গত ২১ ফেব্রুয়ারি অনন্ত মহারাজকে বঙ্গবিভূষণ সম্মান দিয়েছিল তৎকালীন তৃণমূল সরকার। ৬ মাসের মধ্যেই সেই সম্মান ফিরিয়ে নেওয়া হল।

এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, “একটাই কথা বলব, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু ভারত মায়ের শ্রেষ্ঠ সম্মান। কারও উচিৎ নয় নেতাজির মতো ব্যক্তিত্ব, যিনি মাতৃভূমি ত্যাগ করে বাইরে গিয়ে নিজের দেশকে স্বাধীন করার চেষ্টা করেছিলেন, সেইরকম এক ব্যক্তিকে নিয়ে কারও মন্তব্য করা উচিত নয়।

এদিকে, কুণাল ঘোষ বলেন, “সঠিক পদক্ষেপ। তবে, রাজ্যসভার সদস্যপদ খারিজ করতে হবে। তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি পদক্ষেপও করতে হবে।”

এবার কি গ্রেফতার হবেন অনন্ত মহারাজ?

এদিকে, বুধবারই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন, নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু সম্পর্কে যাঁরা কটূক্তি করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে গ্রেফতারও করা হবে। তারপর থেকেই প্রশ্ন উঠছিল যে অনন্ত মহারাজকেও গ্রেফতার করা হবে কি না। নাম না করলেও মুখ্যমন্ত্রীর স্পষ্ট ইঙ্গিত ছিল, “কারও নাম করব না, তবে আইন সবার জন্য সমানভাবে কার্যকর হবে।” অনন্ত মহারাজের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ হিসেবে আপাতত বঙ্গবিভূষণ সম্মান কেড়ে নেওয়া হয়েছে। এখন রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠছে, এবার কি তাহলে গ্রেফতার হবেন অনন্ত মহারাজ?


সূত্রের খবর, এর আগে ২০০৬ সালে স্বাধীনতা দিবসে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য দূরদর্শনের মাধ্যমে বার্তা দিয়েছিলেন। তারপর আর কোনও মুখ্যমন্ত্রী স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এই বার্তা দেননি। বদলের বাংলায় এবার সেই বার্তাই দেবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ইতিমধ্যে সেই প্রক্রিয়া অনেকটাই এগিয়েছে বলে খবর।

রাষ্ট্রপতির পরই সম্প্রচারিত হবে মুখ্যমন্ত্রীর ভাষণ, স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে রাজ্যবাসীর উদ্দেশে বিশেষ বার্তা দেবেন শুভেন্দু অধিকারী
শুভেন্দু অধিকারী

স্বাধীনতা দিবসের (Independence Day) প্রাক্কালে বিশেষ বার্তা দেবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari) । সাধারণ স্বাধীনতা দিবসের আগের দিন সন্ধেবেলায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন দেশের রাষ্ট্রপতি। জানা গিয়েছে, এবার প্রোটোকল অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির ভাষণের পরই সম্প্রচারিত হবে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা। দূরদর্শন বাংলা ও আকাশবাণী কলকাতা থেকে রাজ্যবাসীর উদ্দেশে বার্তা দেবেন দেবেন তিনি।


শেষবার বার্তা দিয়েছিলেন বুদ্ধদেব
সূত্রের খবর, এর আগে ২০০৬ সালে স্বাধীনতা দিবসে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য দূরদর্শনের মাধ্যমে বার্তা দিয়েছিলেন। তারপর আর কোনও মুখ্যমন্ত্রী স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এই বার্তা দেননি। বদলের বাংলায় এবার সেই বার্তাই দেবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ইতিমধ্যে সেই প্রক্রিয়া অনেকটাই এগিয়েছে বলে খবর।


গ্যাসের KYC-র নামে হচ্ছেটা কী? গ্যাস অফিস সামনে এল ভয়ঙ্কর অভিযোগ
সুখবীর সিং বাদলের উপরে হামলায় উদ্বিগ্ন প্রধানমন্ত্রী মোদী, খোঁজ নিলেন ফোন করে
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে মুখ্যমন্ত্রীর কর্মসূচি
উল্লেখ্য, পালাবদলের পর স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচিতে প্রথমবার যুক্ত হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। ইতিমধ্যেই রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে এই কর্মসূচি। ৯ অগস্ট থেকে ১৭ অগস্ট পর্যন্ত চলবে। ১০ অগস্ট ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচির সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দলের নেতা-কর্মী ও জনসাধারণের সঙ্গে পদযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন।


এদিকে, জানা গিয়েছে, স্বাধীনতা দিবসে সুন্দরবনের বাঘের ডেরায় জাতীয় পতাকা ওড়াতে পারেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। সূত্রের খবর অনুযায়ী, সুন্দরবনের ব্যাঘ্র প্রকল্প (STR) এলাকাধীন ঝিলা ফরেস্ট ক্যাম্প অফিসে মুখ্যমন্ত্রী আসবেন। এখান থেকেই পতাকা উত্তোলন কর্মসূচি হবে। মুখ্যমন্ত্রীর এই সম্ভাব্য সফরকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই সুন্দরবন এলাকায় প্রশাসনিক তৎপরতা তুঙ্গে উঠেছে।

 প্রাক্তন কাউন্সিলর সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিলোত্তমার দেহ সৎকারের সময় শ্মশানের একটি নথিতে স্বাক্ষর করেছিলেন তিনি। জানা গিয়েছে, তিলোত্তমার বাড়ি থেকে ঢিল ছোড়া দূরেই বাড়ি সঞ্জীবের। তবে, বর্তমানে তিনি বাড়িতে নেই।

দেখা মিলছে না বাড়িতে, কোথায় সঞ্জীব?  মুখ খুললেন তিলোত্তমার সেই অভিযুক্ত প্রতিবেশী
সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়


মুখ্যমন্ত্রীর (CM Suvendu Adhikari) নির্দেশের ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেফতার হয়েছেন প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষ (EX MLA Nirmal Ghosh)। পুলিশের ব়্যাডারে রয়েছেন আরও দুইজন। নির্মল ঘোষের পাশাপাশি সঞ্জীব মুখোপাধ্যায় (Sanjiv Mukherjee) ও সোমনাথ দে-র (Somnath Dey) বিরুদ্ধে নতুন করে অভিযোগ দায়ের করেছেন তিলোত্তমার বাবা। সেই সঞ্জীব ও সোমনাথ কোথায়? জানা গিয়েছে বাড়িতে নেই সঞ্জীব। ইতিমধ্যেই তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছে টিভি৯ বাংলা। কী জানিয়েছেন তিনি?


বাড়িতে নেই সঞ্জীব
প্রাক্তন কাউন্সিলর সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিলোত্তমার দেহ সৎকারের সময় শ্মশানের একটি নথিতে স্বাক্ষর করেছিলেন তিনি। জানা গিয়েছে, তিলোত্তমার বাড়ি থেকে ঢিল ছোড়া দূরেই বাড়ি সঞ্জীবের। তবে, বর্তমানে তিনি বাড়িতে নেই। পরিচারিকার দাবি, গত তিন-চার দিন ধরে বাড়িতে নেই সঞ্জীব বাবু। কাজের সূত্রে বাইরে গিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।




টিভি৯ বাংলার তরফে সঞ্জীবের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি দাবি করেন,ব্যক্তিগত কাজে বর্তমানে বাইরে রয়েছেন। আগামিকালই ফিরবেন। ফিরে তদন্তে সহযোগিতা করবেন। তাঁর কথায়,”পুলিশ হয়ত কোনওভাবে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না। কারণ আমার নম্বর তাঁদের কাছে হয়ত নেই। তবে আমি তদন্তে সহযোগিতা করব।” এদিকে, আরেক প্রাক্তন কাউন্সিলর সোমনাথ দে-র ফ্ল্যাটও তালাবন্ধ বলে জানা গিয়েছে।


উল্লেখ্য, গত ৯ অগস্ট, তিলোত্তমার মৃত্যুর দু’বছর পর নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ১০ অগস্ট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তিলোত্তমার বাবা। নির্মল ঘোষ, সঞ্জীব মুখোপাধ্যায় ও সোমনাথ দে-র নামে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, তথ্যপ্রমাণ লোপাট এবং জোরপূর্বক কাজ করানোর মতো অভিযোগ দায়ের করা হয়। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের তিনদিনের মধ্যেই গ্রেফতার করা হয় নির্মলকে। আরজি কর-কাণ্ডে নিহত তরুণী চিকিৎসকের দেহ দ্রুত দাহ করার অভিযোগ রয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে।

আবারও ডায়মন্ড হারবার থানায় তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর আপ্তসহায়ক সুমিত রায় সহ ৭৯ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেন বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস ওরফে ববি। 

আজ থানায় অভিযোগ দায়ের করে অভিজিৎ দাস দাবি করেন, ২০২০ সালের ৬ অক্টোবর ডায়মন্ড হারবারের স্রোতের পোল মোড়ে বর্তমান বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের উপর প্রাণঘাতী হামলা ও তাঁর গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় কর্মী-সমর্থকেরা আহত হয়েছিলেন বলেও দাবি তাঁর।

 পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। রাজ্যে পালাবদলের পর ওই ঘটনায় এবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, সুমিত রায়-সহ ৭৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে জানান অভিজিৎ দাস। নিরপেক্ষ তদন্ত করে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবি তুলেছেন তিনি।
 



হরিণবাড়ি থেকে চৌরঙ্গী: গঙ্গাসাগরে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জাঁকজমকপূর্ণ তেরঙ্গা যাত্রা


আসন্ন স্বাধীনতা দিবসকে সামনে রেখে দেশপ্রেমের জোয়ারে ভাসল দক্ষিণ ২৪ পরগনার গঙ্গাসাগর। আজ হরিণবাড়ি এলাকা থেকে শুরু হয় একটি বর্ণাঢ্য 'তেরঙ্গা যাত্রা'। এই যাত্রার মূল আকর্ষণ ছিলেন সাগর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক সুমন্ত মণ্ডল। সাধারণ কর্মী-সমর্থকদের পাশাপাশি বহু সাধারণ মানুষও স্বতঃস্ফূর্তভাবে পা মেলান এই মিছিলে।


 হরিণবাড়ি থেকে শুরু হয়ে এই তেরঙ্গা যাত্রা বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে চৌরঙ্গীতে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে স্বামী বিবেকানন্দের মূর্তিতে মাল্যদান করে শ্রদ্ধা জানান বিধায়ক সুমন্ত মণ্ডল ও উপস্থিত অন্যান্য বিশিষ্টজনেরা। পুরো চত্বরটি 'বন্দে মাতরম' ও 'ভারত মাতা কি জয়' ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে।


গভীর নিম্নচাপ ও কোটালের জেরে চরম সতর্কতা,গঙ্গাসাগরে সিভিল ডিফেন্সের কর্মীদের তৎপরতায় কপিল মুনির আশ্রমের সামনে সমুদ্রের ধার থেকে সরানো হচ্ছে পুণ্যার্থীদের


বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ এবং অমাবস্যার কোটালের জেরে উত্তাল হয়ে উঠেছে গঙ্গাসাগরের সমুদ্র। আবহাওয়া দপ্তরের তরফ থেকে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এই দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় উত্তাল সমুদ্রের জল আছড়ে পড়ে ধাক্কা দিচ্ছে নদীবাঁধে। এর জেরে নতুন করে কপিলমুনির আশ্রমের সামনে নদীবাঁধ ভেঙে যাওয়ার তীব্র আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় তৎপর রয়েছে সাগর ব্লক প্রশাসন। সম্ভাব্য বিপদ এড়াতে গঙ্গাসাগরের সমুদ্র সৈকতে স্নান করতে নামা পুণ্যার্থীদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার কাজ চালাচ্ছে সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সৈকতজুড়ে লাগাতার মাইকিং করে পুণ্যার্থী ও সাধারণ মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। উপকূলবর্তী এলাকার বাসিন্দাদেরও বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ব্লক প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের নজরদারি জারি থাকবে বলে জানানো হয়েছে।


স্বাধীনতা দিবসের রঙে রাঙল গঙ্গাসাগর বিডিও অফিস চত্বর

​​আসন্ন স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে রাজ্যজুড়ে। আর এই বিশেষ দিনটির ঠিক আগে দেশপ্রেমের এক অনন্য নজির গড়ল দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার সাগর ব্লক প্রশাসন। জাতীয় পতাকার তিন রঙে— গেরুয়া, সাদা এবং সবুজে সেজে উঠল গঙ্গাসাগর বিডিও অফিস চত্বর।

​তরুণ প্রজন্ম থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মধ্যে দেশপ্রেমের জোয়ার জাগাতে এবং স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরতে এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে। আলোকসজ্জা এবং নানা রঙের পতাকায় সুসজ্জিত এই ভবনটি এখন আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। বিডিও অফিসের এই রূপ দেখতে এবং ছবি তুলতে ভিড় জমাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রশাসনের এমন মনোগ্রাহী উদ্যোগে উচ্ছ্বসিত গোটা এলাকার মানুষ।
মঙ্গলবার রাতে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে অসুস্থ ছাত্রীদের দেখতে আসেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। অসুস্থ ছাত্রীদের দেখে বেরিয়ে তিনি জানান, মোট ৩৩ জন ভর্তি হয়েছিল। মঙ্গলবার নতুন করে বেশ কয়েকজন ভর্তি হয়েছে। যাদের মধ্যে ১৬ জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

রক্তে ইনফ্লুয়েঞ্জার সংক্রমণ! দেশবন্ধু পার্কের স্কুলে একসঙ্গে এত ছাত্রীর অসুস্থ হওয়ার নেপথ্যে কী?
স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়

পার্ক ইনস্টিটিউশন ফর গার্লস’ স্কুলের হস্টেলের অসুস্থ ছাত্রীদের অবস্থা স্থিতিশীল। ১৬ জন ছাত্রীকে ইতিমধ্যেই আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল থেকে ছুটি দেওয়া হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে চিকিৎসাধীন থাকা বাকি ১৭ জনের শারীরিক পরিস্থিতিও স্থিতিশীল। তবে ভর্তি থাকা ছাত্রীদের মধ্যে ৬ জনের রক্তের নমুনায় ইনফ্লুয়েঞ্জার অস্তিত্ব পাওয়া গিয়েছে। অন্য ১১ জন সুস্থ রয়েছে বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন।


মঙ্গলবার রাতে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে অসুস্থ ছাত্রীদের দেখতে আসেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। অসুস্থ ছাত্রীদের দেখে বেরিয়ে তিনি জানান, মোট ৩৩ জন ভর্তি হয়েছিল। মঙ্গলবার নতুন করে বেশ কয়েকজন ভর্তি হয়েছে। যাদের মধ্যে ১৬ জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ১৭ জন এই মুহূর্তে ভর্তি রয়েছে। তার মধ্যে ৬ জনের ইনফ্লুয়েঞ্জা সংক্রমণ পাওয়া গিয়েছে।

আশঙ্কা করা হচ্ছে, বাকিদেরও রক্তপরীক্ষার রিপোর্ট আসলে ইনফ্লুয়েঞ্জার প্রমাণ পাওয়া যাবে। যারা ভর্তি রয়েছে, তাদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। তাদের মাঝেমধ্যে জ্বর আসছে বলে জানা গিয়েছে। এদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের আগে থেকে জ্বর আসছিল। যদিও ইনফ্লুয়েঞ্জা,সংক্রমণ রোগ। কিন্তু করোনার মতো ঘাতক নয়।


মনে করা হচ্ছে, হস্টেলে কেউ ইনফ্লুয়েঞ্জা সংক্রমিত হয়েছিল। সেখান থেকেই বাকিরা সংক্রমিত হয়েছে। পার্ক ইনস্টিটিউশন ফর গার্লসের হস্টেলে আচমকাই ছাত্রীরা অসুস্থ হতে শুরু করে। অভিভাবকেরা অভিযোগ তোলেন আবাসিকে খাবারের গুণমান, জলের শুদ্ধতা নিয়ে। যদিও প্রধান শিক্ষিকা অলকানন্দা মজুমদার জানিয়েছেন, বছরে নিয়মিত দু’বার করে জলের ট্যাঙ্ক পরিষ্কার হয়। ইতিমধ্যে এক বার পরিষ্কার করা হয়ে গিয়েছে। কিন্তু তারপরও এই ধরনের ঘটনায় প্রশ্ন উঠছেই।