WEATHER

Top News



গত বছরও ভিয়েতনামে বড় দুর্ঘটনা ঘটেছিল। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে হা লং উপসাগরে একটি যাত্রীবাহী নৌকা ঝড়ের মধ্যে উল্টে যায়।ওই দুর্ঘটনায় অন্তত ৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল। তারপর থেকেই ভিয়েতনামের পর্যটন এলাকায় নৌ-নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত হতাহত নিয়ে কিছু জানানো হয়নি।

ভিয়েতনামে বড় দুর্ঘটনা, ভারতীয় পর্যটক নিয়ে উল্টে গেল নৌকা, মৃত্যু ১৫ জনের
ভিয়েতনামে উল্টে গেল নৌকা


ভিয়েতনামে বড় দুর্ঘটনা। ফুকুয়ক (Phu Quoc) দ্বীপের কাছে উল্টে গেল যাত্রীবাহী নৌকা (Vietnam Boat Accident)। ওই নৌকাতে ভারতীয় পর্যটক ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। ভিয়েতনামে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসের তরফে এই খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। জোরকদমে চলছে উদ্ধারকাজ।


ঠিক কী ঘটেছে?
আজ দুপুরের দিকে ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, দুর্ঘটনার সময় আন থোই উপকূলের সমুদ্র বেশ উত্তাল ছিল। তবুও সেই সময় পর্যটকবাহী নৌকা চলাচল করছিল। স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে খবর, ওই নৌকাতে মোট ৩২ জন ভারতীয় পর্যটক ছিলেন। এছাড়া চারজন নাবিক ছিলেন। তাঁদের মধ্যে এখনও পর্যন্ত ১৫ ভারতীয় পর্যটকের মৃত্যু (প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত) হয়েছে। ভারতীয় দূতাবাসের তরফে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে জানানো হয়েছে, “ফুকুয়ক দ্বীপের কাছে মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। ভারতীয় পর্যটক নিয়ে একটি নৌকা উল্টে গিয়েছে। ঘটনার সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।”


এখনই সোনা কিনতে পিছিয়ে যাচ্ছেন? সোনার দাম ১ লাখ ৬০ হাজার পৌঁছতে আর বেশি দেরি নেই কিন্তু!
ভারতীয় দূতবাসের তরফে একটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে সাহায্য করতে হো চি মিন সিটিতে ভারতীয় কনস্যুলেট জেনারেলে এই কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। পাশাপাশি হ্যানয়েও একটি পৃথক কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়েছে। প্রয়োজনে সেখান থেকে তথ্য ও সাহায্যও পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে দূতাবাস।


হো চি মিন সিটিতে যে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে, তার যোগাযোগের নম্বরও দেওয়া হয়েছে। নম্বরগুলি হল +৮৪৩৬২৮১৭৯৩০, +৮৪৯১৫৫২৩৭১৪ এবং +৮৪৩৩৪৫২০৪১৪। হ্যানয়ের কন্ট্রোল রুমের নম্বর বল +৮৪৯১৩০৮৯১৬৫।

জোরকদমে চলছে উদ্ধারকাজ
দুর্ঘটনার পর সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় উদ্ধারকারী দল। আশপাশে থাকা একাধিক পর্যটকবাহী নৌকা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজে অংশ নেয়। দুর্ঘটনার বিষয়ে নৌকার এক মাঝি জানান, তাঁরা মাত্র পাঁচ মিনিটের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান। তবে অনেক যাত্রী নৌকার ভিতরে আটকে পড়ায় উদ্ধারকাজে প্রাথমিক সমস্যা তৈরি হয়। তাঁর কথায়, খুব অল্প কয়েকজনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত বছরও ভিয়েতনামে বড় দুর্ঘটনা ঘটেছিল। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে হা লং উপসাগরে একটি যাত্রীবাহী নৌকা ঝড়ের মধ্যে উল্টে যায়। ওই দুর্ঘটনায় অন্তত ৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল। তারপর থেকেই ভিয়েতনামের পর্যটন এলাকায় নৌ-নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল।

স্বাধীন বাংলা সিনেমায় নতুন সংযোজন ‘Get Up Kingshuk’। মুক্তির পর থেকেই ছবিটি দর্শকদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। কলকাতার নন্দন-II প্রেক্ষাগৃহে প্রথম দিনেই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক দর্শক উপস্থিত ছিলেন। শনিবারের শো সম্পূর্ণ হাউসফুল হওয়ায় ছবিটি ঘিরে দর্শকদের আগ্রহ আরও বেড়েছে।

ছবিটির বিশেষ আকর্ষণ, পরিচালক নন্দন ঘোষ, প্রযোজক দীপান্বিতা দাস এবং চিত্রগ্রাহক অর্ণব কর—তিনজনই কাকদ্বীপের বাসিন্দা। ফলে ছবিটি নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বাস রয়েছে এলাকার মানুষের মধ্যেও। মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিনেতা শাহির রাজ।
মুক্তির আগেই ৩১তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব (KIFF)-এ মনোনীত হওয়ায় ছবিটি চলচ্চিত্র মহলের নজর কেড়েছিল। মুক্তির পর দর্শকদের একাংশের বক্তব্য, গল্প বলার ধরন, অভিনয়, চিত্রগ্রহণ এবং নির্মাণশৈলী ছবিটিকে আলাদা মাত্রা দিয়েছে। অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবিটিকে "হৃদয়ছোঁয়া", "সতেজ" এবং "অন্যরকম বাংলা সিনেমা" বলে উল্লেখ করেছেন।

স্বাধীন বাংলা ছবির জন্য এমন দর্শক সাড়া নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন চলচ্চিত্রপ্রেমীদের একাংশ। একই সঙ্গে কাকদ্বীপের মতো একটি ছোট শহর থেকে উঠে আসা চলচ্চিত্রকর্মীদের এই সাফল্য স্থানীয়দের কাছেও গর্বের বিষয় হয়ে উঠেছে।

রবিবারও নন্দন-II-এ ছবিটির প্রদর্শনী রয়েছে। নির্মাতাদের আশা, দর্শকদের মুখে মুখে প্রচার আরও বাড়বে এবং আগামী দিনেও ছবিটি একইভাবে দর্শকদের ভালোবাসা পাবে।



অনুব্রত মণ্ডল সশরীরে উপস্থিত না থাকলেও জেলা সভাপতিদের তালিকায় জায়গা হল তাঁর। আবারও বীরভূমের দায়িত্ব ফিরে পেলেন তিনি। গরু পাচার মামলায় জেলে যাওয়ার পর বীরভূমের সভাপতি পদ গিয়েছিল অনুব্রতর। যদিও মমতা অন্য কাউকে আর ওই পদ দেননি।


বীরভূমে অনুব্রত, বসিরহাটে লিটন, ঠিক হয়ে গেল ঋত-শিবিরের জেলা সভাপতিদের নাম
জেলা সভাপতিদের তালিকা


নিজের নিজের পক্ষের যুক্তি ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনে জমা দিয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাকি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, কার নেতৃত্বে এগোবে ভবিষ্যতের তৃণমূল, তা জানা এখন সময়ের অপেক্ষা। এরই মধ্যে সংগঠন সাজিয়ে ফেলেছেন বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত। আর শনিবার জেলা সভাপতিদের তালিকাও তৈরি করে দিল ঋত-শিবির।


এদিন দুপুরের পর তপসিয়ার বৈঠকে একে একে হাজির হতে দেখা গেল তৃণমূলের বহু পুরনো মুখকে। উল্লেখ্যযোগ্য নাম শান্তনু সেন, অশোক রুদ্র, নারায়ণ গোস্বামী প্রমুখ। দেখা গেল প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষকেও। পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়ককে নির্মলকে ভোটের পর থেকে কোথাও দেখা যাচ্ছিল না। কেউ কেউ বলছিলেন, গা ঢাকা দিয়েছে নির্মল। এদিন বৈঠকে প্রবেশের আগে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “মমতার উপর আস্থা আছে। মমতা আমাদের হৃদয়ে আছে। অভিষেকের ব্যাপারে বলতে পারব না।”


তৎকাল টিকিট বুকিংয়ে বড় বদল! আসছে IRCTC ওয়েবসাইট, নয়া নিয়ম জানেন?
এদিনের বৈঠকে জেলা সভাপতিদের নাম নির্ধারণ করা হয়। অনুব্রত মণ্ডল সশরীরে উপস্থিত না থাকলেও জেলা সভাপতিদের তালিকায় জায়গা হল তাঁর। আবারও বীরভূমের দায়িত্ব ফিরে পেলেন তিনি। গরু পাচার মামলায় জেলে যাওয়ার পর বীরভূমের সভাপতি পদ গিয়েছিল অনুব্রতর। যদিও মমতা অন্য কাউকে আর ওই পদ দেননি। কেষ্টর অনুপস্থিতিতে নিজেই দেখতেন ওই জেলা।


কে কোন দায়িত্ব পেলেন, একনজরে
কৃষ্ণনগর (জেলার সভাপতি)- জেবের শেখ

আলিপুরদুয়ার (জেলার সভাপতি)- বিনোদ মিঞ্জ

জলপাইগুড়ি (জেলার সভাপতি)- মহুয়া গোপ

দার্জিলিং (জেলার সভাপতি)- রঞ্জন সরকার

বহরমপুর (জেলার সভাপতি)- ডেভিড

মালদা (জেলার সভাপতি)- প্রসূন

যাদবপুর, ডায়মন্ড হারবার (জেলার সভাপতি)- শুভাশিস দাস

মুখপাত্র-

প্রধান মুখপাত্র প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়

এছাড়া মুখপাত্র আখরুজ্জামান, ডেভিড, সুদীপ রাহা, কোহিনুর

সাধারণ মানুষের সমস্যা সরাসরি জানতে এবং এলাকার উন্নয়নমূলক কাজের অগ্রগতি খতিয়ে দেখতে শনিবার হরিণবাড়ি এলাকায় জনসংযোগ কর্মসূচিতে অংশ নিলেন বিধায়ক সুমন্ত মণ্ডল। এদিন তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের বিভিন্ন অভাব-অভিযোগ শোনেন এবং এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন।



স্থানীয় বাসিন্দারা বিধায়কের কাছে অন্নপূর্ণা যোজনা, রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্থা, পানীয় জল ও অন্যান্য পরিকাঠামোগত সমস্যার বিষয় তুলে ধরেন। সাধারণ মানুষের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনার পর বিধায়ক সংশ্লিষ্ট সমস্যাগুলির দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন। তিনি জানান, পর্যায়ক্রমে এলাকার সমস্ত সমস্যা সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
জনসংযোগ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিধায়ক হরিণবাড়ি যুধিষ্ঠির আদর্শ শিক্ষায়তন বিদ্যালয়ও পরিদর্শন করেন। সেখানে বিদ্যালয়ের পরিকাঠামো, শিক্ষার পরিবেশ এবং বিভিন্ন প্রয়োজনীয় বিষয় খতিয়ে দেখেন তিনি।


এরপর ‘এক গাছ, এক প্রাণ’ কর্মসূচির আওতায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে নিজের মায়ের স্মৃতিতে একটি চারাগাছ রোপণ করেন বিধায়ক। তাঁর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক এবং স্থানীয় বাসিন্দারা।
এদিনের কর্মসূচিতে বিধায়কের সঙ্গে দলের স্থানীয় নেতৃত্ব, জনপ্রতিনিধি ও কর্মী-সমর্থকেরাও উপস্থিত ছিলেন।


বকখালি থেকে মুন্না সরদারে কাকদ্বীপ ডট কম

শমীক ভট্টাচার্য বলেন, "সমস্ত শিল্পপতিরা আসছেন আমাদের দলীয় কার্যালয়ে। তার কারণ আগে বামফ্রন্ট সরকার ছিল, তৃণমূল সরকার ছিল। কিন্তু কখনও পশ্চিমবঙ্গ সরকার ছিল না। আজ সবাই এগিয়ে আসতে চাইছে। আমাদের পাহাড় আছে। নদী আছে। প্রভূত পরিমাণে খনিজ সম্পদ আছে।"

লাক্স পরিবারের কর্ণধার একদিন সকালে আমার বাড়ি এলেন', কী কী বলেছিলেন জানালেন শমীক
শমীক ভট্টাচার্য, বিজেপির রাজ্য সভাপতি

কারখানা হবেই। রাজ্যে শিল্প বাড়বে। ক্ষমতায় আসার আগে এমনই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বিজেপি সরকার। আর সেই প্রতিশ্রুতি পূরণের পালা। আজ রাজ্যে ৬০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ করল লাক্স-কোজ়ি। সেই উদ্বোধনে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য ও শিল্প মন্ত্রী তাপস রায়। কী কী বললেন শমীক এক নজরে


শমীক ভট্টাচার্য: লাক্স পরিবারের কর্ণধার একদিন সকাল বেলা আমার বাড়ি এলেন। বললেন, “আমার একটা ইন্ডাস্ট্রি আছে। আরও সেটা বাড়াতে চাই। আমি বলি, দলের সঙ্গে কথা বলতে পারি, সরকারের কথা নয়। সমস্ত শিল্পপতিরা আসছেন আমাদের দলীয় কার্যালয়ে। তার কারণ আগে বামফ্রন্ট সরকার ছিল, তৃণমূল সরকার ছিল। কিন্তু কখনও পশ্চিমবঙ্গ সরকার ছিল না। আজ সবাই এগিয়ে আসতে চাইছে। আমাদের পাহাড় আছে। নদী আছে। প্রভূত পরিমাণে খনিজ সম্পদ আছে।




৩ বউ, ২ প্রাক্তন ও ১ বর্তমান স্ত্রীকে নিয়ে একসঙ্গে থাকতে প্রাসাদ বানাচ্ছেন আমির খান?
প্রথম ছবিতেই অস্কার মনোনয়ন, পেয়েছিলেন জাতীয় পুরস্কার! আজ পেট চালাতে অটো চালান এই অভিনেতা
শমীক ভট্টাচার্য: মুখ্যমন্ত্রী আর শিল্পমন্ত্রীকে অনুরোধ করব একটু সিঙ্গুরের দিকে তাকাবেন।


শমীক ভট্টাচার্য: যারা বাংলায় কথা বলেন, তাঁরা শুধু বাঙালি নন। যারা তিন পুরুষ ধরে বাংলায় বাণিজ্য দিয়েছেন। কিন্তু বাড়িতে হিন্দি ভাষায় কথা বলেন। তাঁরাও বাঙালি।

শমীক ভট্টাচার্য: টাটাও আসবে, বাটাও আসবে। রিলায়েন্সও আসবে, আদানিও আসবে। ইজরায়েল থেকে বিনিয়োগ হবে। সিলিকন ভ্যালি হবে। লন্ডন থেকে বিনিয়োগ হবে। এত ভাল শিল্প প্রকৃতি বিধাতা দেননি।

শমীক ভট্টাচার্য: কাউকে মাসোহারা দেওয়ার নেই, রক্তচক্ষু নেই। কারও জমির উপর পার্টি অফিস হবে না। বাংলায় পরিবর্তন হয়েছে

তোলাবাজির অভিযোগে পানিহাটির এক বড় বার ও হোটেলের মালিক সুশান্ত সরকারকে গ্রেফতার করেছে খড়দহ থানার পুলিশ। এরপর থেকেই প্রাক্তন বিধায়ক এবং বিধানসভার প্রাক্তন মুখ্যসচেতক নির্মল ঘোষের খোঁজ চলছিল। কেউ কেউ বলছিলেন, গা ঢাকা দিয়েছেন নির্মল।

ফোন ট্র্যাক করে খোঁজ চলছিল, হঠাৎ উদয় সেই নির্মলের, 'হৃদয় মমতাকে' রেখেই ঢুকলেন ঋতদের বৈঠকে
নির্মল ঘোষ

তোলাবাজি ও দুর্নীতির অভিযোগে একের পর এক তৃণমূল নেতা গ্রেফতার হয়েছেন। কেউ কেউ এই পরিস্থিতিতে ‘উধাও’ হয়ে গিয়েছিলেন। কোথাও কোনও পাত্তা পাওয়া যাচ্ছিল না। সেই তালিকাতেই নাম ছিল পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষের (Nirmal Ghosh)। গত কয়েকদিন ধরে তাঁর খোঁজে পুলিশ তল্লাশি চালাচ্ছিল বলেও শোনা যায়। তাঁর পুত্র তথা ২০২৬-এর পানিহাটির তৃণমূল প্রার্থী তীর্থঙ্কর ঘোষেরও খোঁজ চলছিল। শনিবার সন্ধ্যায় সেই নির্মল হাজির ক্যামেরার সামনে। লুকিয়ে-চুরিয়ে নয়, গাড়ি থেকে নেমে সদর্পে হেঁটে গেলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের বৈঠকে।


তোলাবাজির অভিযোগে পানিহাটির এক বড় বার ও হোটেলের মালিক সুশান্ত সরকারকে গ্রেফতার করেছে খড়দহ থানার পুলিশ। এরপর থেকেই প্রাক্তন বিধায়ক এবং বিধানসভার প্রাক্তন মুখ্যসচেতক নির্মল ঘোষের খোঁজ চলছিল। কেউ কেউ বলছিলেন, গা ঢাকা দিয়েছেন নির্মল। এমনকী ফোন ট্র্যাক করেও খোঁজ চলছিল নির্মলের। এদিন সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বললেন, ‘গা ঢাকা? কে বলেছে?’


নাম শুনে দেখা মাত্রই পুলিশ বলল, 'ও তো হ্যাবিচুয়াল অফেন্ডার'... কী করতেন এই তরুণী?

মানে কী? টাকা কি ঢুকবে?
এদিন সকাল গাড়ি থেকে নেমে যখন নির্মল ঘোষ বৈঠকে প্রবেশ করছেন, তাঁকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “হৃদয় তো এখনও মমতার সঙ্গেই আছে। অভিষেকের কথা বলতে পারছি না।” তীর্থঙ্করের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “এই রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কে কোথায় আছে, তা বলা মুস্কিল।”


আরজি করকাণ্ডে নির্যাতিতার দেহ দ্রুত দাহ করার অভিযোগ উঠেছিল নির্মল ঘোষের বিরুদ্ধে। তাঁর ছেলে তীর্থঙ্কর বিজেপি প্রার্থী রত্না দেবনাথের কাছে পরাজিত হন। ভোটে পরাজয়ের পর থেকে তোলাবাজির অভিযোগে পিতা-পুত্রকে খুঁজছিল পুলিশ।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবারে এক বিজেপি কর্মীকে অপহরণ করে একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে আটকে রেখে মারধরের অভিযোগ উঠলো। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। 


অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে ডায়মন্ড হারবার থানার অন্তর্গত পারুলিয়া মোড়ে ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভে সামিল হন বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা। জানা যায়, শনিবার দুপুরে শতাধিক বিজেপি কর্মী ও সমর্থক জাতীয় সড়কের উপর বসে পড়ে অবরোধ শুরু করেন। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, রাজদীপ ব্যানার্জি নামে এক বিজেপি কর্মীকে হরিণডাঙ্গা গ্রাম পঞ্চায়েতের পিছনে একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে জোর করে তুলে নিয়ে গিয়ে আটকে রাখা হয়। সেখানে তাঁকে দীর্ঘক্ষণ ধরে মারধর করা হয়। আরও অভিযোগ, অভিযুক্তরাই তাঁর মাথার ক্ষতস্থানে সেলাই করে এবং ইনজেকশন দেয়। পাশাপাশি ঘটনাটি যাতে বাইরে প্রকাশ না পায়, সেই উদ্দেশ্যে রাজদীপের পরিবারকেও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন বিক্ষোভকারীরা। গুরুতর আহত অবস্থায় রাজদীপ ব্যানার্জিকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও পরে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় কলকাতার একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন আছে বলে জানা গিয়েছে ।


 ঘটনার প্রতিবাদে অভিযুক্তদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবিতে ঘন্টাখানেক ধরে জাতীয় সড়ক অবরোধ চলে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ডায়মন্ড হারবার থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিজেপি কর্মীকে মারধরের ঘটনায় ইতিমধ্যেই দু'জনকে আটক করা হয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়ার পর অবরোধ তুলে নেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা।

ডায়মন্ড হারবার থেকে মুন্না সরদারে কাকদ্বীপ ডট কম

২০২২-এর আগে কোনও নিয়ম ছিল না। স্কুল নিজেদের মতো করে ইউনিফর্ম বাছাই করতে পারত। কিন্তু পরে নিয়মের পরিবর্তন হয়। বিশ্ব বাংলার লোগো লাগানো নীল সাদা পোশাক পরতে হত সরকারি স্কুলের পড়ুয়াদের।


এবার চেনা যাবে...', ইউনিফর্ম বদলে কতটা খুশি পড়ুয়ারা, কী বলছে স্কুলগুলি
স্কুলের পড়ুয়াদের বর্তমান পোশাক

রাজ্যের সরকারি স্কুলে আর থাকল না নীল-সাদা পোশাকের বাধ্যবাধকতা। স্কুলগুলির পোশাকের (School Uniform) রঙ নির্বাচনের ক্ষেত্রে সরকারি নিয়ন্ত্রণ প্রত্যাহার করে নিল রাজ্যের সরকার। এবার থেকে পোশাকের রঙ নির্বাচনের ক্ষেত্রে স্বতন্ত্রতা রক্ষা করতে পারবে স্কুলগুলি। এই সিদ্ধান্তে খুশি স্কুল পড়ুয়া, অভিভাবক থেকে শুরু করে শিক্ষক শিক্ষিকারা।


২০২২ সালের সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী প্রতিটি সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলের পড়ুয়াদের পোশাক নীল সাদা করা ছিল একপ্রকার বাধ্যতামূলক। ফলে রাজ্যের যে সব স্কুলে পৃথক রঙের পোশাক ছিল, তাদের একটা বড় অংশ বাধ্য হয়ে পোশাকের রঙ বদল করে নীল-সাদা করতে বাধ্য হয়েছিল। ফলে প্রায় সব সরকারি স্কুলের পোশাকেরই রঙই এক হয়ে গিয়েছিল। এতে কিছুটা হলেও ধাক্কা খেয়েছিল স্কুলগুলির স্বতন্ত্র পরিচয়।

 কোর্টে বিরাট নাটক! প্রধান বিচারপতিকে গালিগালাজ, কাগজ ছুড়ে মারলেন মামলাকারী...
বাঁকুড়ার এক স্কুলের প্রধান শিক্ষক সুজিত সিংহ মহাপাত্র বলেন, “আগে স্কুলই পোশাকগুলি কিনে নিত। কিন্তু পরে অন্য জায়গায় গিয়ে মাপ দিয়ে আসার ব্য়বস্থা করা হয়। সেটা দেওয়ার সময় অনেক পড়ুয়া অনুপস্থিত থাকত, ফলে সাইজের ক্ষেত্রে সমস্যা হত।”


অভিভাবকরাও বলছেন, এবার পৃথক পৃথক স্কুলের পোশাক হলে বুঝতে সুবিধা হবে যে কে কোন স্কুলে পড়াশোনা করে। এছাড়া পোশাকের রঙ যে আলাদা করে পড়ুয়াদের মনে প্রভাব ফেলে, সে কথাও মনে করিয়ে দিচ্ছেন অনেকে।

২০২২-এর আগে কোনও নিয়ম ছিল না। স্কুল নিজেদের মতো করে ইউনিফর্ম বাছাই করতে পারত। কিন্তু পরে নিয়মের পরিবর্তন হয়। বিশ্ব বাংলার লোগো লাগানো নীল সাদা পোশাক পরতে হত সরকারি স্কুলের পড়ুয়াদের।


পুলিশ ফাঁড়ির উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "পরিবার প্রথম থেকেই প্রশাসনকে সাহায্য করেছে। আমরা পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞ। ঘটনার দিন ফোনে কথা বলেছিলাম, মঙ্গলবার নিজে এসেছিলাম, নির্দিষ্ট করে চার জনের নামে ওঁরা অভিযোগ করেছিলেন।" এই ঘটনায় চার জনকেই পুলিশ গ্রেফতার করেছে। এক জনকে এনকাউন্টার করা হয়েছে।

BNS-এর চূড়ান্ত চরম শাস্তি হবে, গোটাটাই হবে মুখ্যমন্ত্রীর মনিটারিংয়ে, দৃষ্টান্ত রাখবে সরকার', বারুইপুর মামলায় কোন শাস্তি দেবে সরকার?
বারুইপুরে মুখ্যমন্ত্রী

চার দিনের ব্যবধানে বারুইপুরে আবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। পরিবারের দাবি মেনে সূর্যপুরে উদ্বোধন করলেন নতুন পুলিশ ফাঁড়ির। এই ফাঁড়ির OC-র দায়িত্বে শিমূল মণ্ডল। ফাঁড়িতে থাকছেন ২ জন করে SI ও ASI। থাকছেন ৮ জন কনস্টেবল ও ৪ জন মহিলা কনস্টেবল। এতদিন ওই এলাকায় কোনও ফাঁড়ি ছিল না, থানা দূরে, সেক্ষেত্রে নিরাপত্তার অভাব ছিল। এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল, সেখানে একটি ফাঁড়ি হোক। ফাঁড়ির উদ্বোধনের পর এদিন আবারও মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দিলেন, বারুইপুরের মামলায় সরকার একটি দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ করবে।


পুলিশ ফাঁড়ির উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “পরিবার প্রথম থেকেই প্রশাসনকে সাহায্য করেছে। আমরা পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞ। ঘটনার দিন ফোনে কথা বলেছিলাম, মঙ্গলবার নিজে এসেছিলাম, নির্দিষ্ট করে চার জনের নামে ওঁরা অভিযোগ করেছিলেন।” এই ঘটনায় চার জনকেই পুলিশ গ্রেফতার করেছে। এক জনকে এনকাউন্টার করা হয়েছে।



'এবার চেনা যাবে...', ইউনিফর্ম বদলে কতটা খুশি পড়ুয়ারা, কী বলছে স্কুলগুলি
উল্লেখ্য গত মঙ্গলবার যখন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন নির্যাতিতার বাবা-মা, তখনই সূর্যপুরে একটি ফাঁড়ি করার আবেদন জানিয়েছিলেন। এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই আবেদন অত্যন্ত যুক্তিগ্রাহ্য মনে হয়েছে। তাই পাঁচ দিনের মধ্যেই পুলিশের শীর্ষ কর্তাদের প্রচেষ্টায় পুলিশ ফাঁড়ি তৈরি হল সূর্যপুরে। এছাড়াও ওই এলাকার প্রায় প্রত্যেকটি মোড়ে CCTV বসানো হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী এদিন আবারও স্পষ্ট করে দিয়েছেন, এই ঘটনায় অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেবে সরকার। সেক্ষেত্রে ‘কনভিকশন ও এক্সকিউশন’ মুখ্যমন্ত্রীর মনিটারিংয়েই হবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর ঘটনায়, “এই ঘটনায় যাঁরা জড়িত, তাদের চূড়ান্ত চরম শাস্তি হবে। এদের সঙ্গে প্যায়ার মহব্বত হতে পারে না। “


আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের মাধ্যমে দরিদ্র ও আর্থিকভাবে পরিবারকে বছরে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে চিকিৎসার সুবিধা পান। নির্দিষ্ট দিনমজুর, গৃহহীন, কাঁচা বাড়িতে বসবাসকারী, এবং ভিখারি বা রিকশাচালক তাঁরা মূলত এই সুবিধা পাবেন। আয়-নির্বিশেষে ৭০ বছর বা তার বেশি বয়সী সকল প্রবীণ নাগরিক এই প্রকল্পের আওতায় ৫লক্ষ টাকার স্বাস্থ্যবিমা পাবেন।


যাঁরা পাবেন না 'আয়ুষ্মান ভারত', তাঁদের জন্যও এবার বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

 বাংলায় আবারও সরকারি বিমা নিয়ে বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। যাঁরা আয়ুষ্মান ভারতের সুবিধা পাবেন না, তাঁদের জন্য মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা যোজনায় ৫ লক্ষ টাকার বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা। শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, গোটা দেশেই এই কার্ডের মাধ্যমে বিনামূল্যে পরিষেবা পাবেন তাঁরা। রেজিনগরের সভা থেকে এই কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।


‘আয়ুষ্মান ভারত’ প্রকল্পের মাধ্যমে দরিদ্র ও আর্থিকভাবে পরিবারকে বছরে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে চিকিৎসার সুবিধা দেয় রাজ্য সরকার। দিনমজুর, গৃহহীন, কাঁচা বাড়িতে বসবাসকারী- তাঁরাই মূলত এই সুবিধা পাবেন। যাঁদের পাকা বাড়ি, চার চাকা গাড়ি, সরকারি চাকরি, বা যাঁদের মাসিক আয় ১০,০০০ টাকার বেশি, তাঁরা এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার অযোগ্য। ৫ একরের বেশি কৃষিজমি অথবা যন্ত্রচালিত চাষের সরঞ্জাম থাকলে, তাঁরা পাবেন না। পরিবারের কেউ আয়কর দিলে, তাঁরাও আয়ুষ্মান ভারতের পরিষেবা পাবেন না। আয়-নির্বিশেষে ৭০ বছর বা তার বেশি বয়সী সকল প্রবীণ নাগরিক এই প্রকল্পের আওতায় ৫লক্ষ টাকার স্বাস্থ্যবিমা পাবেন। 



আদালত যখন নির্দেশ দিয়েছে, তখন আপনি চ্যালেঞ্জ করছেন কেন?’ অভিষেককে তুলোধনা অগ্নিমিত্রার
রাজ্যে এখন ঘরে ঘরে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের ফর্ম তোলার কাজ চলছে। তবে এই প্রকল্পের নির্দিষ্ট কিছু আর্থ-সামাজিক মাপকাঠি থাকায়, কারা কারা শেষ পর্যন্ত এর সুবিধা পাবেন আর কারা বাদ পড়বেন, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। যেসব পরিবার আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী যোগ্য নন, তাঁদের জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকার ‘মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমা যোজনা’ চালু করেছে, যেখানে সমপরিমাণ ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ক্যাশলেস চিকিৎসার সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। তবে এখনও পর্যন্ত এটা স্পষ্ট নয়, কীভাবে এই বিমার সুবিধা পেতে আবেদন করতে পারবেন। সেটা নির্দিষ্ট সময়ে ধাপে ধাপে সামনে আনবে সরকার।

 প্রসঙ্গত, ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত রেজিনগর থেকে ১ লক্ষ ২৩ হাজারের বেশি ভোটে নিজের পকেটে ঢুকিয়েছিলেন আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর। ভোট শতাংশের বিচারে তা ৫১ শতাংশের বেশি।


রেজিনগরটা দেবেন তো?’ পরিবর্তে কী কী দেবেন ‘ফলতা মডেলে’ বলে দিলেন শুভেন্দু
রেজিনগরে কর্মিসভায় শুভেন্দু


 বিধানসভায় বিজেপিকে ২০৯ করার চ্যালেঞ্জ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। রেজিনগরের কর্মিসভাতেই বেজে গেল উপনির্বাচনের ডঙ্কা। একইসঙ্গে নন্দীগ্রামে জয় যে একপ্রকার নিশ্চিত তাও বললেন সোচ্চারে। তাঁর সাফ কথা, “নন্দীগ্রামটা আমার উপর ছেড়ে দিন। ওখানে কত ভোটে জিতব আমি জানি। সীমা নেই, অনেক বড় ভোটে জিতব।” কিন্তু তার পাখির চোখ যে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত রেজিনগরও তাও বোঝালেন গোটা সভাতেই। সংখ্যালঘুদের কথা মাথায় রেখেই দিলেন গুচ্ছ গুচ্ছ প্রতিশ্রুতি। অকপটেই সমবেত জনতার উদ্দেশ্যে বললেন, “রেজিনগরটা দেবেন তো? একটা নয়, দুটো ব্রিজ দেব। পরিযায়ী শ্রমিকদের বাড়ি ফেরাব। যত আবাস লাগে দেব। যা চাইবেন দু’হাত ভরে দেব। নন্দীগ্রাম জিতে ২০৮ বিধায়ক হবে বিজেপির। এবার সংখ্যাটা ২০৯ হবে কিনা রেজিনগরের উপর নির্ভর করবে।” 


রেজিনগরে ফুটবে পদ্ম? 
প্রসঙ্গত, ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত রেজিনগর থেকে ১ লক্ষ ২৩ হাজারের বেশি ভোটে নিজের পকেটে ঢুকিয়েছিলেন আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর। ভোট শতাংশের বিচারে তা ৫১ শতাংশের বেশি। সেখানে বিজেপির বাপন ঘোষ পেয়েছিলেন ৬৪ হাজারের কিছু বেশি ভোট। ভোট শতাংশের বিচারে তা প্রায় ২৭ শতাংশ। অন্যদিকে তৃণমূলের খাতায় ছিল ১৭ শতাংশের কিছু বেশি ভোট। এবার সেই রেজিনগরেই বাকিদের ছাপিয়ে পদ্ম পদ্ম ফোটাতে চাইছেন শুভেন্দু। 

মাঝ সমুদ্রে উধাও হয়ে যায়, এখনও খোঁজ মিলল না 'কালী'র
‘কার অহঙ্কার ভাঙতে হবে নামটা বললাম না’ 
তুলোধনা করলেন হুময়ুন কবীরেরও। নাম না করেই বললেন, “কাকে পাঠাবেন বিধানসভায়? যে ঝগড়া করবে, ধমকাবে, কমিউনিটির কথা বলবে, হিন্দু-মুসলমান করবে, মন্দির-মসজিদ করবে, না উন্নয়ন চাইবেন?” হুমায়ুনের বিরুদ্ধে সুর আরও চড়িয়ে বলেন, “দম্ভটা ভাঙতে হবে, অহঙ্কারটা ভাঙতে হবে। কার অহঙ্কার ভাঙতে হবে নামটা বললাম না। সামঝদারো কা ইশারা কাফি হ্যা। নাম বললে অনেকে হিরো হয়। তাই নাম বলার দরকার নেই।” 

অভিযোগ, কারচুপি ও যোগসাজশের মাধ্যমেই সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাইয়ে দেওয়া হয়েছিল পুরুষদের। চাঞ্চল্যকর ঘটনা কাটোয়া ১ নম্বর ব্লকের আলমপুর পঞ্চায়েতের আলমপুর গ্রামের। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছেন এক তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধান।

একজন-দু'জন নয়, প্রায় গোটা গ্রাম! এখানে পুরুষ হলেও মিলছিল লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা
চাপানউতোর এলাকায়

লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পাচ্ছেন পুরুষেরা। এক-দু’জন নয়, বছরের পর বছর ধরে একাধিক পুরুষের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে এই সরকারি প্রকল্পের টাকা। কোথাও অবিবাহিত পুরুষের নামে মিলেছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সুবিধা, কোথাও আবার একই পরিবারের স্বামী-স্ত্রী, দু’জনের অ্যাকাউন্টেই এসেছে প্রকল্পের অর্থ। এমনকি বাইরে কর্মরত পুরুষের অ্যাকাউন্টেও নিয়মিত জমা পড়েছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা।


অভিযোগ, কারচুপি ও যোগসাজশের মাধ্যমেই সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাইয়ে দেওয়া হয়েছিল পুরুষদের। চাঞ্চল্যকর ঘটনা কাটোয়া ১ নম্বর ব্লকের আলমপুর পঞ্চায়েতের আলমপুর গ্রামের। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছেন এক তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধান। তবে মূল অভিযুক্ত এখনও গ্রামছাড়া। কীভাবে বছরের পর বছর চলল এই অনিয়ম, উঠছে প্রশ্ন ?

তৃতীয় বিয়ের ৫ দিন পরেই জোড়া সুখবর দিলেন আমির খান
অভিযোগ,এই গ্রামের কার্তিক মণ্ডল ও পঞ্চায়েত প্রধান বাবলু মোল্লার যোগসাজসে বহু পুরুষের নামে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের আবেদন অনুমোদন করানো হত। পাইয়ে দেওয়া হতো প্রকল্পের বরাদ্দ ১২০০ টাকা। পরিবর্তে, উপভোক্তাদের কাছ থেকে প্রতি মাসে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হতো।


লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পাওয়ার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন গ্রামের এক অবিবাহিত যুবক। একইসঙ্গে এক মহিলা উপভোক্তা জানিয়েছেন, তাঁর স্বামীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেই এই প্রকল্পের টাকা আসত। অভিযোগ, মূল অভিযুক্ত কার্তিক মণ্ডল তাদের ভুল বুঝিয়ে প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ করে তাঁদের অ্যাকাউন্টে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পাইয়ে দিত। যদিও তাঁদের দাবি, কিসের টাকা তা তারা জানতেন না। 

অন্যদিকে সাফাই দিতে দেখা গিয়েছে কার্তিক মণ্ডলের স্ত্রীকেও। তিনি বলছেন, আমার স্বামী ভুল করেছে ঠিকই। কিন্তু সে একা টাকা নেয়নি। যাদের নামে টাকা ঢুকতো, তারাও সেই টাকা পেত। 

সম্প্রতি ইজরায়েলও ইরানের ট্রাম্পকে খুনের প্ল্যান নিয়ে যে সতর্কবার্তা দিয়েছে, সেই প্রসঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, "না, না,ইজরায়েল কিছু বলেনি। আমি দীর্ঘ সময় ধরেই ওদের তালিকায় এক নম্বরে রয়েছি। এটাই জীবন। আশা করি আপনারা আমায় মিস করবেন।"

যখন-তখন খুন হতে পারেন! মৃত্যু হলে কী করতে হবে, আগে থেকেই নির্দেশ দিয়ে রাখলেন ট্রাম্প
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।


মৃত্যুভয় পাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)? তাঁর আশঙ্কা, তাঁকে খুন করা হতে পারে। ইরানই তাঁকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করছে। শঙ্কা এতটাই যে ট্রাম্পকে যদি খুন করা হয়, তাহলে তারপর কী করবে আমেরিকা, সেই নির্দেশ এখন থেকেই দিয়ে রেখেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।


ট্রাম্পকে খুনের প্ল্যান?
শুক্রবার, ১০ জুলাই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন যে ইসলামিক রিপাবলিক যদি তাঁকে হত্যা করতে সফল হয়, তাহলে তিনি আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়ে রেখেছেন যে ইরানের উপরে যেন বোমাবর্ষণ করা হয়। নিউ ইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন যে দীর্ঘদিন ধরেই তিনি ইরানের হিট লিস্টে আছেন।


‘রেজিনগরটা দেবেন তো?’ পরিবর্তে কী কী দেবেন ‘ফলতা মডেলে’ বলে দিলেন শুভেন্দু
ইরান ধ্বংসের নির্দেশ- 
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরেই ওদের তালিকায় আছি। আমরা এদেরকেই সামলাচ্ছি…আমি আগে থেকেই নির্দেশ দিয়ে রেখেছি, যদি কিছু হয়, তাহলে ওদের (ইরান) উপরে এমন মাত্রায় বোমা বর্ষণ করতে যা আগে কখনও দেখেনি।”


সম্প্রতি ইজরায়েলও ইরানের ট্রাম্পকে খুনের প্ল্যান নিয়ে যে সতর্কবার্তা দিয়েছে, সেই প্রসঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “না, না,ইজরায়েল কিছু বলেনি। আমি দীর্ঘ সময় ধরেই ওদের তালিকায় এক নম্বরে রয়েছি। এটাই জীবন। আশা করি আপনারা আমায় মিস করবেন।”

ভয়ে দিন কাটাচ্ছেন ট্রাম্প?
প্রসঙ্গত, ইরানের মিলিটারি অফিসার কাশেম সোলেমানিকে হত্যার নির্দেশ দেওয়ার পর থেকেই হিটলিস্টে রয়েছেন ট্রাম্প। ইরানের প্রয়াত সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেইয়ের শেষকৃত্যে ট্রাম্পের বিশালাকার লেগো মূর্তি তৈরি করে তা শূন্যে ঝুলিয়ে আগুনে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। দিকে দিকে ‘কিল ট্রাম্প’-র স্লোগান উঠেছে। হামলার আশঙ্কাতেই আঙ্কারা থেকে ন্যাটো সামিট থেকে ফেরার পথে নিজের বিমানও বদলে নিয়েছিলেন ট্রাম্প।

ন্যাটো সামিটেও ট্রাম্প বলেন, “ওদের লিডার আর নেই। তারপর ওরা আরও নতুন নেতৃত্ব তৈরি করেছিল। তারাও নেই। এখন আবার নতুন লিডার তৈরি করেছে। ওরাও হয়তো আর থাকবে না, কে বলতে পারে। আর কী জানি, আমিও হয়তো থাকব না।”