WEATHER

Top News


ভোটের ফল ঘোষণার পর থেকেই রাজনীতির কারবারিরা বলেন, শুভেন্দু অধিকারী ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ঘরের মাঠে’ জিতেছেন। দলের এই জয়ের তাঁর বড় অবদান রয়েছে। তাছাড়া রাজ্যের মন্ত্রী হিসেবে বেশ কয়েকবছর কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। শেষপর্যন্ত শুভেন্দুকে নিয়ে জল্পনাতেই সিলমোহর পড়ল।

অধিকারীর হাতেই অধিকারের রাশ, শুভেন্দুতেই আস্থা পদ্মফুলের
মুখ্যমন্ত্রী পদে শনিবার শপথ নেবেন শুভেন্দু অধিকারী

সব জল্পনার অবসান। কাঁথির শান্তিকুঞ্জের মেজো ছেলেই বসছেন মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে। শুক্রবার বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে বিজেপি বিধায়কদের সঙ্গে অমিত শাহের বৈঠকের পরই শুভেন্দু অধিকারীর নাম বিজেপির পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে ঘোষণা করা হল। স্বাভাবিকভাবেই বিজেপির পরিষদীয় দলনেতাই মুখ্যমন্ত্রী হবেন। বাংলায় বিজেপির প্রথম সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে আগামিকাল ব্রিগেড ময়দানে শপথ নেবেন শুভেন্দু।

বিজেপির পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনে পর্যবেক্ষক হিসেবে বাংলায় এসেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সহকারী পর্যবেক্ষক হিসেবে আসেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝি। এদিন বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে নবনির্বাচিত বিজেপি বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করেন তাঁরা। মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, তা নিয়ে বৈঠক শুরুর আগে বিজেপির কোনও বিধায়ক-নেতাই মুখ খোলেননি। ফলে জল্পনা ক্রমশ বাড়ে। নানা নাম সামনে আসে।



একাধিক নাম নিয়ে আলোচনা হলেও শুভেন্দু যে দৌড়ে এগিয়ে ছিলেন, তা নিয়ে দ্বিমত নেই রাজনীতির কারবারিদের। ভোটের ফল ঘোষণার পর থেকেই রাজনীতির কারবারিরা বলেন, শুভেন্দু অধিকারী ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ঘরের মাঠে’ জিতেছেন। দলের এই জয়ের তাঁর বড় অবদান রয়েছে। তাছাড়া রাজ্যের মন্ত্রী হিসেবে বেশ কয়েকবছর কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। শেষপর্যন্ত শুভেন্দুকে নিয়ে জল্পনাতেই সিলমোহর পড়ল। বাংলায় শাসকদল হতে চলেছে বিজেপি। এদিন সেই দলের পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচিত হলেন শুভেন্দু। আর শাসকদলের পরিষদীয় দলনেতা স্বাভাবিকভাবে মুখ্যমন্ত্রী হবেন।

কী বললেন অমিত শাহ?

শুভেন্দুকে পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে ঘোষণা করে অমিত শাহ বলেন, “আটটি প্রস্তাব এসেছিল। সব প্রস্তাবে পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম ছিল। দ্বিতীয় কোনও নাম প্রস্তাব করার কথা বলা হয়েছিল। সেজন্য সময়ও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, দ্বিতীয় কোনও নাম কেউ প্রস্তাব করেননি। তাই, শুভেন্দুকেই পরিষদীয় দলনেতা করা হল।”

শনিবার শপথ গ্রহণ-

শনিবার সকাল ১০টায় ব্রিগেড ময়দানে বাংলার প্রথম বিজেপি সরকারের শপথ অনুষ্ঠান হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী শপথ অনুষ্ঠানে থাকবেন। থাকবেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী নিতিন গড়কড়ি, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান-সহ এক ডজনের বেশি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। দেশের ২০টি রাজ্যের বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারের মুখ্যমন্ত্রীরাও থাকবেন। সমস্ত দলকে শপথ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এককথায় জাঁকজমকপূর্ণ শপথ অনুষ্ঠান। আর আগামিকাল সেই শপথ অনুষ্ঠানেই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন শুভেন্দু। ইতিমধ্যে পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথিতে তাঁর শান্তিকুঞ্জের বাড়িতে নিরাপত্তা আঁটোসাঁটো করা হয়েছে।

 ব্রিগেড গ্রাউন্ডকে নিরাপত্তার খাতিরে মোট ৩৫টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছে। কয়েকটি সেক্টর নিয়ে তৈরি করা হয়েছে একটি করে ব্লক। প্রতিটি ব্লকের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন একজন করে আইপিএস (IPS) পদমর্যাদার অফিসার। নিরাপত্তার এই সামগ্রিক ব্যবস্থার তদারকি করবেন স্বয়ং কলকাতা পুলিশের কমিশনার।

নিরাপত্তার চাদরে ব্রিগেড, মোতায়েন আইপিএস অফিসার ও কেন্দ্রীয় বাহিনী, নজরদারিতে ড্রোন
ব্রিগেডে জোর প্রস্তুতি


কলকাতা: ব্রিগেডে আয়োজিত মেগা অনুষ্ঠানের নিরাপত্তায় কোনও খামতি রাখতে চাইছে না প্রশাসন। শপথ গ্রহণ ও বিজয় সমাবেশকে কেন্দ্র করে অভূতপূর্ব নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে গোটা ময়দান চত্বরে। কলকাতা পুলিশের পাশাপাশি নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনীও। ব্রিগেড গ্রাউন্ডকে নিরাপত্তার খাতিরে মোট ৩৫টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছে। কয়েকটি সেক্টর নিয়ে তৈরি করা হয়েছে একটি করে ব্লক। প্রতিটি ব্লকের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন একজন করে আইপিএস (IPS) পদমর্যাদার অফিসার। নিরাপত্তার এই সামগ্রিক ব্যবস্থার তদারকি করবেন স্বয়ং কলকাতা পুলিশের কমিশনার।


অনুষ্ঠান মঞ্চের সামনের দিকের ব্লকগুলি মূলত ভিভিআইপিদের জন্য সংরক্ষিত থাকছে। প্রশাসন সূত্রে খবর, প্রায় ৪০ জন ভিভিআইপি এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন। তাঁদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে এবং ব্রিগেডের বাইরে ড্রোন ব্যবহার করে নজরদারি চালানো হবে। এছাড়া মাঠের চারপাশের বহুতল ভবনগুলির ছাদে মোতায়েন থাকবেন পুলিশ কর্মীরা।



অনুষ্ঠানে আসা প্রত্যেক ব্যক্তিকে কড়া চেকিংয়ের মধ্য দিয়ে প্রবেশ করতে হবে। আমন্ত্রিত অতিথি হোক বা সাধারণ দর্শক—নিরাপত্তা তল্লাশি সবার জন্য বাধ্যতামূলক। পুলিশ সূত্রে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, মাঠে কোনোভাবেই ছাতা, ব্যাগ বা জলের বোতল নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না। কেউ এই ধরনের সামগ্রী নিয়ে এলে তাঁকে গেট থেকেই ফেরত পাঠানো হবে। শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মানুষকে এই সামগ্রীগুলি এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

পুরো মাঠ এবং তার সংলগ্ন এলাকা বর্তমানে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে রয়েছে। কোনো রকম অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশি টহল বাড়ানো হয়েছে শহরজুড়ে।
বাড়ি বাড়ি পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার এই প্রকল্পের বকেয়া টাকা ছাড়ার জন্য কেন্দ্রের সঙ্গে রাজ্যের দ্রুত চুক্তি স্বাক্ষর করার প্রক্রিয়া চলছে। বকেয়া বরাদ্দের পাশাপাশি, রাজ্যে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালু করার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে এবং ন্যাশনাল হেলথ অথরিটির সঙ্গে রাজ্যের বৈঠক হয়েছে বলে জানা গিয়েছে

বড় খবর! শুভেন্দু শপথ নেওয়ার আগেই কোটি কোটি বকেয়া টাকা পাওয়া শুরু
অমিত শাহ ও শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী

 নতুন সরকার গঠনের পরেই বকেয়া টাকা পাচ্ছ বাংলা। জল জীবন মিশন প্রকল্পের ২ হাজার ৭০০ কোটি টাকা পেতে চলেছে বিজেপির নতুন সরকার। নবান্ন সূত্রের খবর, খুব শীঘ্রই রাজ্য সরকারের সঙ্গে মউ স্বাক্ষরের পরেই রাজ্যের কোষাগারে ঢুকবে ২ হাজার ৭০০ কোটি টাকা। প্রসঙ্গত, গত ২ বছর ধরে জল জীবন মিশনের টাকা বরাদ্দ করেনি কেন্দ্র। কিন্তু নতুন সরকার আসতেই কোষাগারের মুখ খুলে দিল কেন্দ্রীয় সরকার।


জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় জল শক্তি মন্ত্রকের সচিব ভি এল কান্থা রাও এর সঙ্গে রাজ্যের জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের সচিবের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে বলে নবান্ন সূত্রের খবর। বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া চলার মধ্যেই কেন্দ্র থেকে রাজ্যের জন্য বড় অঙ্কের বকেয়া বরাদ্দ মঞ্জুর করা হয়েছে।জলজীবন মিশনের অধীনে রাজ্যের জন্য প্রায় ২৭০০ কোটি টাকার বকেয়া বরাদ্দ অনুমোদন করেছে কেন্দ্র।


বাড়ি বাড়ি পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার এই প্রকল্পের বকেয়া টাকা ছাড়ার জন্য কেন্দ্রের সঙ্গে রাজ্যের দ্রুত চুক্তি স্বাক্ষর করার প্রক্রিয়া চলছে। বকেয়া বরাদ্দের পাশাপাশি, রাজ্যে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালু করার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে এবং ন্যাশনাল হেলথ অথরিটির সঙ্গে রাজ্যের বৈঠক হয়েছে বলে জানা গিয়েছ। মূলত, নতুন করে সরকার গঠন ও প্রশাসনিক তৎপরতা শুরু হতেই কেন্দ্রীয় প্রকল্পের বকেয়া টাকা ছাড়ার এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে নবান্ন সূত্রের খবর।

সরকারের মতে, সময়মতো লিকুইড ফান্ড বা আর্থিক সহায়তা পেলে ব্যবসাগুলি কর্মসংস্থান বজায় রাখতে পারবে, সরবরাহ ব্যবস্থা সচল থাকবে এবং উৎপাদন বজায় রাখা সম্ভব হবে। ব্যাঙ্ক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দেওয়া এই অতিরিক্ত ঋণ ভারতীয় ব্যবসা ও অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।


 ৮০ হাজার কোটি টাকার ঋণ দেবে SBI, কারা লোন নিতে পারবেন?
ফাইল চিত্র।

চারিদিকে যুদ্ধের হাওয়া। তার মাঝেই বড় পদক্ষেপ করতে চলেছে স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া (State Bank of India)। ভারতের বৃহত্তম সরকারি ব্যাঙ্ক স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (SBI) এবার প্রায় ৭০,০০০ থেকে ৮০,০০০ কোটি টাকার ঋণ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। কারা এই ঋণ পাবেন?

কেন্দ্রীয় সরকারের ইমার্জেন্সি ক্রেডিট লাইন গ্যারান্টি স্কিম (Emergency Credit Line Guarantee Scheme)-এর আওতায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে এসবিআই (SBI)। এই বিষয়টি নিয়ে এসবিআইয়ের চেয়ারম্যান সি.এস শেট্টি জানিয়েছেন, আগামী ৮ থেকে ১০ দিনের মধ্যেই এই প্রকল্প সম্পূর্ণভাবে চালু হয়ে যাবে। তিনি স্পষ্ট করে জানান, এই প্রকল্প সবার জন্য উন্মুক্ত এবং এতে অংশগ্রহণ সম্পূর্ণ ঐচ্ছিক।



মূলত ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পগুলিকে সহজে ঋণ দিতে বিভিন্ন এমএসএমই (MSME) সংগঠনের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছে এসবিআই (SBI)। দ্য ইকোনমিক টাইমস-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, সি.এস শেট্টি বলেছেন, এই স্কিমের প্রযুক্তিগত ও প্রক্রিয়াগত সমস্ত জটিলতা খুব শীঘ্রই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে। শুধুমাত্র SBI-ই এই প্রকল্পের মাধ্যমে ৭০,০০০ কোটি থেকে ৮০,০০০ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ বিতরণ করতে পারে।

২.৫৫ লক্ষ কোটি পর্যন্ত ঋণের সুবিধা-
গত বুধবারই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ECLGS 5.0 অনুমোদন করেছে। এমএসএমই (MSME) এবং বিমান পরিবহণ খাতে আর্থিক স্বস্তি দিতেই এই প্রকল্প চালু করা হয়েছে। এই স্কিমের মাধ্যমে যোগ্য ক্ষুদ্র ও মাঝারি মাপের ব্যবসাগুলি প্রায় ২.৫৫ লক্ষ কোটি টাকার ঋণ পেতে পারবে। এর মধ্যে বিমান সংস্থাগুলির জন্য আলাদাভাবে ৫,০০০ কোটি টাকার সহায়তা বরাদ্দ করা হয়েছে, যাতে দীর্ঘদিন ধরে অর্থ সঙ্কটে ভোগা এয়ারলাইন সংস্থাগুলি কিছুটা স্বস্তি পায়।

এয়ারলাইন সংস্থাগুলির জন্য বিশেষ সুবিধা-
জানা গিয়েছে, এই প্রকল্পের আওতায় MSME সংস্থাগুলি মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত ব্যবহৃত সর্বোচ্চ ওয়ার্কিং ক্যাপিটালের ২০ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত ঋণ পেতে পারবে। MSME-র জন্য ঋণের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ১০০ কোটি টাকা।

অন্যদিকে, বিমান সংস্থাগুলি তাদের সম্পূর্ণ ওয়ার্কিং ক্যাপিটালের সমান পরিমাণ ঋণ পেতে পারে, যার সর্বোচ্চ সীমা রাখা হয়েছে প্রতি ঋণগ্রহীতা পিছু ১,৫০০ কোটি টাকা। তবে এর জন্য নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে।

কী কী শর্ত-
ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের (MSME) ক্ষেত্রের জন্য ঋণের মেয়াদ হবে ৫ বছর।
প্রথম এক বছর কিস্তি শোধে ছাড় মিলবে।
বিমান সংস্থাগুলির ক্ষেত্রে ঋণের মেয়াদ ৭ বছর, যার মধ্যে প্রথম ২ বছর থাকবে মোরাটোরিয়াম সুবিধা।
সরকার জানিয়েছে, পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কটের প্রভাব যেসব খাতে পড়েনি—যেমন শিক্ষা, প্রতিরক্ষা, উদ্যান পালন, বিদ্যুৎ এবং চিনি শিল্প—তাদের এই প্রকল্পের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে।
ব্যবসায়ীদের স্বস্তি দিতেই এই উদ্যোগ-
ইমার্জেন্সি ক্রেডিট লাইন গ্যারান্টি স্কিম (Emergency Credit Line Guarantee Scheme) 5.0-এর মূল লক্ষ্য হল পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনা এবং ইরান সঙ্কটের কারণে তৈরি হওয়া আর্থিক সমস্যার মোকাবিলায় ব্যবসাগুলিকে সহায়তা করা। এমএসএমই (MSME) এবং এয়ারলাইন সেক্টরকে অতিরিক্ত ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল জোগান দিতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সরকারের মতে, সময়মতো লিকুইড ফান্ড বা আর্থিক সহায়তা পেলে ব্যবসাগুলি কর্মসংস্থান বজায় রাখতে পারবে, সরবরাহ ব্যবস্থা সচল থাকবে এবং উৎপাদন বজায় রাখা সম্ভব হবে। ব্যাঙ্ক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দেওয়া এই অতিরিক্ত ঋণ ভারতীয় ব্যবসা ও অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।

এসবিআই রিসার্চ (SBI Research)-র রিপোর্ট অনুযায়ী, ECLGS 5.0 প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ১.১ কোটি MSME অ্যাকাউন্ট উপকৃত হতে পারে, যা মোট MSME পোর্টফোলিওর প্রায় ৪৫ শতাংশ। রিপোর্টে বলা হয়েছে, প্রত্যেক অ্যাকাউন্টে গড়ে ২ লক্ষ থেকে ২.৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত ঋণ পেতে পারে

পরিবারতন্ত্র নিয়ে আক্রমণ করতে গিয়ে প্রিয়দর্শিনী হাকিম টেনে এনেছেন রামায়ণ ও মহাভারতের প্রসঙ্গ। দুই মহাকাব্যের তুলনা টেনে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন, অতীতেও পরিবারতন্ত্রের কারণে বড় বড় সাম্রাজ্যের পতন হয়েছে। মমতাকে দেওয়া তাঁর এই খোঁচা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

'চোখে ঠুলি বেঁধে থেকো না...', এবার মমতাকে ধৃতরাষ্ট্র বলে খোঁচা ফিরহাদের মেয়ের
প্রিয়দর্শিনী হাকিম ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়




 দলের ‘বিপর্যয়ে’র সময়ে তৃণমূলের একের পর এক নেতার তোপের মুখে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়। কোচবিহারের রবীন্দ্রনাথ ঘোষ, মালদহের কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরী সহ একাধিক নেতা অভিষেকের ‘কর্পোরেট’ স্টাইল ও আইপ্যাক নির্ভরতার সমালোচনা করে সরাসরি তোপ দেগেছেন। তা নিয়ে অবশ্য তাঁদের কপালে নেমে এসেছে শাস্তির খাড়া। এবার মুখ খুললেন ফিরহাদ হাকিমের মেয়ে প্রিয়দর্শিনী। সামাজিক মাধ্যমে তিনি মহাকাব্যের প্রসঙ্গ উত্থাপন করে মমতাকে ‘ধৃতরাষ্ট্র’,
অভিষেককে ‘দুর্যোধন’ বলে খোঁচা দিলেন। লিখলেন, “চোখে ঠুলি বেঁধে থেকো না। কান দিয়ে দেখো না।” দুই মহাকাব্যের তুলনা টেনে মমতাকে খোঁচা দিলেন পরিবারতন্ত্র নিয়ে।



প্রিয়দর্শিনীর ইঙ্গিত, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যক্তিগতভাবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি অতিরিক্ত দুর্বল, আর সেই কারণেই আজ দলের এই বেহাল দশা। এখানেই শেষ নয়, তিনি নেত্রীকে বিঁধে বলেন, মমতা এখন অন্যের কথায় ওঠেন বসেন। দলের দীর্ঘদিনের সেনাপতিদের চেয়েও নবীন প্রজন্মের কথাকেই তিনি বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন বলে দাবি করেছেন


চাবি দিয়ে তালা খুলে TMC পার্টি অফিসে ঢুকে পড়লেন লোকজন, ঘরের ভিতর থেকে যা পাওয়া গেল ভাবনার বাইরে


পরিবারতন্ত্র নিয়ে আক্রমণ করতে গিয়ে প্রিয়দর্শিনী হাকিম টেনে এনেছেন রামায়ণ ও মহাভারতের প্রসঙ্গ। দুই মহাকাব্যের তুলনা টেনে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন, অতীতেও পরিবারতন্ত্রের কারণে বড় বড় সাম্রাজ্যের পতন হয়েছে। মমতাকে দেওয়া তাঁর এই খোঁচা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

তৃণমূলের অন্দরে ববি হাকিম যে কোনওদিনও অভিষেক ঘনিষ্ঠ ছিলেন না, তা রাজনৈতিক মহলে ওপেন সিক্রেট। তবে সম্প্রতি সংঘাত চরমে পৌঁছয় বয়সের সীমারেখা নিয়ে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যখন দলে ‘এক ব্যক্তি এক পদ’ এবং বয়সের উর্ধ্বসীমা বেঁধে দেওয়ার সওয়াল করেছিলেন, তখন সেই ফতোয়ার বিরুদ্ধে সবথেকে সোচ্চার ছিলেন ববি হাকিমই।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ববি হাকিমের মেয়ের এই ‘বিদ্রোহ’, দলের খারাপ সময়ে সংগঠনের দুর্বলতাকেই প্রকাশ করেছে। পাশাপাশি আরও একটি বিষয় উঠে আসছে। আগামী দিনে নতুন কোনও মেরুকরণের ইঙ্গিতও হতে পারে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।


নিউটাউনে বিশ্ব বাংলা কনভেনশন হলে বঙ্গবাসীর উদ্দেশে বক্তৃতা রাখলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বাংলার হবু মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আর এদিন তাঁর কথায়, বারবার উঠে এল একটাই শব্দবন্ধ, 'আমরা'। দায়িত্ব নেওয়ার আগেই 'আমি' নয়, 'আমরা'তেই জোর দিলেন শুভেন্দু।


'আমি নই, আমরা'য় বিশ্বাসী শুভেন্দু, শপথের আগে করলেন কী কী শপথ?
শুভেন্দু অধিকারী


জল্পনা ছিলই। সেটাই বাস্তবায়িত হল। শুভেন্দুই মুখ্য়মন্ত্রী। শুক্রবার বিজেপির ২০৭ জন জয়ী প্রার্থীর সঙ্গে বৈঠক করে শুভেন্দু অধিকারীকেই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার পরিষদীয় দলনেতা বেছে নিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। রাত পোহালেই তাঁর শপথগ্রহণ। শনিবার কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে নতুন সরকার শপথ নেবে।


তার আগে নিউটাউনে বিশ্ব বাংলা কনভেনশন হলে বঙ্গবাসীর উদ্দেশে বক্তৃতা রাখলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বাংলার হবু মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আর এদিন তাঁর কথায়, বারবার উঠে এল একটাই শব্দবন্ধ, ‘আমরা’। দায়িত্ব নেওয়ার আগেই ‘আমি’ নয়, ‘আমরা’তেই জোর দিলেন শুভেন্দু। এই জয়ের কৃতিত্ব ‘দলের জন্য প্রাণপাত করা প্রত্যেক বিজেপি কর্মী’কে দিলেন শুভেন্দু। পাশাপাশি তাঁর কথায় বারবার উঠে এল, অমিত শাহ, শমীক ভট্টাচার্য, বাংলার বিচারধারা সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিত্বের প্রসঙ্গ। তিনি বলেন, “আগামী বিধায়ক দল বিচারধারা সঙ্গে যুক্ত লোক সংকল্পপত্রের প্রত্যেকটা সংকল্প সময়ের মধ্যে পূরণ করা হবে। আমাদের মন্ত্র সবকা সাথ, সবকা বিকাশ।” বিশ্লেষকদের কথায়, শপথ নেওয়ার আগে শুভেন্দু আমিতে নয়, আমরা শব্দে বিশ্বাসী।



মুখ্যমন্ত্রী যে শুভেন্দুই হচ্ছেন, তা নিয়ে কৌতূহল থাকলেও খুব একটা সংশয় ছিল না পদ্মশিবিরে। ভোটের ফল ঘোষণার পর থেকে মুখ্যমন্ত্রীর পদে তাঁকেই সবচেয়ে জোরালো দাবিদার বলে মনে করা হচ্ছিল। তিনি যেভাবে পর পর দু’বার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাস্ত করেছেন, সে কৃতিত্ব এদিন শুভেন্দুকেই দিলেন শাহ।

মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরই শুভেন্দু কী কী করবেন, সেটাও এদিন স্পষ্ট করেন। তিনি প্রথমেই বলে দেন, “বাংলায় প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি যারা করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে অবসরপ্রাপ্ত বিচাবক কমিশন গঠন করা হবে। যারা সরকারি অর্থ নয়ছয় করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেব।” সন্দেশখালি, আরজি করকাণ্ডের তদন্তে কমিশন বসবে বলেও তিনি জানিয়ে দেন।

উত্তরবঙ্গেও শনিবার বিকেল পর্যন্ত ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়িতে বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। মালদা ও দুই দিনাজপুরেও ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। সঙ্গে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে।


আজ বিকেলেই 'বদলের হাওয়া' বাংলায়, হলুদ অ্যালার্ট জারি
জারি হলুদ সতর্কতা


 বাংলায় আজ সত্যিই বদলের হাওয়া। শপথ নিচ্ছেন নবগঠিত সরকারের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আর এদিনই ফের ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস বঙ্গে। সকাল থেকে পরিষ্কার আকাশ, রোদ ঝলমলে আবহাওয়া থাকলেও বিকেলের পর থেকেই হাওয়া বদলের সম্ভাবনা। ঝড়-বৃষ্টির পরিস্থিতি তৈরি হবে কলকাতা সহ একাধিক জেলায়। জারি করা হয়েছে হলুদ সতর্কতা।


ঝড়বৃষ্টির দাপটে বৈশাখের শেষেও স্বাভাবিকের নীচেই রইল শহরের তাপমাত্রা। এখনও ছুঁল না ৪০ ডিগ্রি। শুক্রবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম। এদিকে, সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পারদও কমেছে। শুক্রবার রাতে স্বাভাবিকের থেকে ৩.২ ডিগ্রি নীচে নেমে যায় শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা, যা ২৩.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।



আজ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। তালিকায় রয়েছে পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া।

উত্তরবঙ্গেও শনিবার বিকেল পর্যন্ত ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়িতে বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। মালদা ও দুই দিনাজপুরেও ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। সঙ্গে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। তবে রবিবার থেকে উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির সম্ভাবনা কমবে।

 শুক্রবার দিনভর নাটকীয়তার পর জানা গিয়েছিল যে অবশেষে ১১৮ বিধায়কের সই সংগ্রহ করতে পেরেছেন বিজয়। কংগ্রেস ছাড়াও সিপিআই, সিপিআই(এম) ও ভিসিকে দল তাঁর টিভিকে সরকারকে সমর্থন জানাচ্ছে। ইন্ডিয়ন ইউনিয়ন মুসলিম লিগ (IUML)-ও সমর্থন জানায়।


রাজ্যপাল রাজি নন, আজও মুখ্যমন্ত্রীর শপথ নিতে পারছেন না বিজয়!
বিজয়ের শপথ গ্রহণ নিয়ে জট।

ধরি ধরি করেও ধরা হচ্ছে না! শুক্রবার বিকেলেই শোনা গিয়েছিল, জোট নিয়ে জট কেটেছে। ১১৮ বিধায়কের সমর্থন নিয়ে সরকার গড়ছেন বিজয়। মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন তিনি। তবে শেষ মুহূর্তে ফের উঠল প্রশ্ন। সত্যিই বিজয়ের কাছে ১১৮ বিধায়কের সমর্থন আছে তো? অনিশ্চিত সরকার গঠন। আজ বিজয়ের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানও হচ্ছে না।


ম্যাজিক ফিগারের অঙ্কের গেরোতেই বারবার আটকা পড়ছেন বিজয়। দুই বছর আগে দল গড়ে, এবারের প্রথম নির্বাচনেই যে বিপুল জনসমর্থন পেয়েছেন, তা অকল্পনীয়। ২৩৪ আসনের মধ্যে ১০৮টি জয়ী হয়েছে বিজয়ের দল। তবে সরকার গড়ার জন্য ম্যাজিক ফিগার হল ১১৮। এই ১০ আসনের গেরোতেই যাবতীয় সমস্যা।


চাবি দিয়ে তালা খুলে TMC পার্টি অফিসে ঢুকে পড়লেন লোকজন, ঘরের ভিতর থেকে যা পাওয়া গেল ভাবনার বাইরে
20 
শুক্রবার দিনভর নাটকীয়তার পর জানা গিয়েছিল যে অবশেষে ১১৮ বিধায়কের সই সংগ্রহ করতে পেরেছেন বিজয়। কংগ্রেস ছাড়াও সিপিআই, সিপিআই(এম) ও ভিসিকে দল তাঁর টিভিকে সরকারকে সমর্থন জানাচ্ছে। ইন্ডিয়ন ইউনিয়ন মুসলিম লিগ (IUML)-ও সমর্থন জানায়। এই দাবি অনুযায়ীই যাবতীয় প্রস্তুতি শুরু হয় বিজয়ের সরকার গঠন ও মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেওয়ার।

তবে শেষ মুহূর্তে সংশয় তৈরি হয় ভিসিকে দলকে নিয়ে। তাদের সমর্থনের চিঠি এখনও মেলেনি। ফলে রাজ্যপাল রাজেন্দ্র আরলেকারও নারাজ বিজয়কে মুখ্যমন্ত্রীর শপথ পাঠ করাতে।

লোকভবন সূত্রে খবর, শুক্রবার বিকেলে বিজয় রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে ১১৬ জন বিধায়কের সমর্থনের স্বাক্ষর জমা দিয়েছেন। তবে রাজ্যপাল এখনও তাঁর অবস্থানে অনড়। ১১৮ বিধায়কের সই-ই চাই তাঁর। এদিকে, আইইউএমএল, যারা বিকেলেই টিভিকে-কে সমর্থনের কথা জানিয়েছিল, তারা জোট সমর্থনে অস্বীকার করে এবং জানায় যে তারা ডিএমকে-র সঙ্গেই থাকবেন।

বিজয় যখন শপথ নিতে পারছেন না, সেই সুযোগের ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা করছে অন্য দল। টিটিভি দিনাকরণের এএমএমকে (AMMK) রাজ্যপালকে চিঠি লিখে জানিয়েছে, এআইএডিএমকে-কে সরকার গঠন করতে দিতে হবে। শেষ পর্যন্ত কী হয়, তাই-ই দেখার।

 ব্রিগেডিয়ার পদে পদোন্নতির পর তিনি সাম্বায় ১৬৮ ইনফ্যান্ট্রি ব্রিগেডের দায়িত্বে ছিলেন। আর্মি হেডকোয়ার্টারে ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল অব মিলিটারি ইন্টেলিজেন্সের ডেপুটি ডিরেক্টর পদে ছিলেন। এরপরে তাঁকে প্রোমোশন দিয়ে ইস্টার্ন কম্যান্ডের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল স্টাফ (অপারেশন) পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

নতুন চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ ঘোষণা করল কেন্দ্র, কে এই লেফটেন্যান্ট জেনারেল এনএস রাজা সুব্রমণি?
ফাইল চিত্র।
দেশ পেল নতুন চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ। কেন্দ্রের তরফে লেফটেন্যান্ট জেনারেল এনএস রাজা সুব্রমণির নাম পরবর্তী চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ হিসাবে ঘোষণা করা হল। লেফটেন্যান্ট জেনারেল অনিল চৌহানের জায়গায় দায়িত্ব নেবেন তিনি।


আগামী ৩০ মে চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ পদে মেয়াদ শেষ হচ্ছে জেনারেল অনিল চৌহানের। তার আগেই পরবর্তী সিডিএসের নাম ঘোষণা করল কেন্দ্র। এনএস রাজা সুব্রমণি ভারত সরকারের মিলিটারি বিষয়ক বিভাগের সেক্রেটারি হিসাবেও দায়িত্ব পালন করবেন পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত।


কে এই এনএস রাজা সুব্রমণি?
ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমি থেকে এই উর্দির যাত্রা শুরু। ১৯৮৫ সালের ডিসেম্বর মাসে গারওয়াল রাইফেলসে তিনি নিয়োগ হন। এরপর তিনি ব্রিটেনের ব্রাকনেলে জয়েন্ট সার্ভিসেস কম্য়ান্ড স্টাফ কলেজে পড়েন। ভারতে ফিরে আসার পর তাঁকে মাউন্টেন ব্রিগেডের ব্রিগেড মেজর পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

পড়াশোনা-
দিল্লির ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ থেকে পড়াশোনা করেছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল এনএস রাজা সুব্রমণি। লন্ডনের কিংস কলেজ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। মাদ্রাজ ইউনিভার্সিটি থেকে ডিফেন্স স্টাডিজে এমফিল করেছেন। ৩৫ বছরের দীর্ঘ কেরিয়ারে তিনি নানা যুদ্ধ-সংঘর্ষের সাক্ষী থেকেছেন। কাজাকিস্তানের আস্তানায় ভারতীয় দূতাবাসেও দায়িত্বে ছিলেন তিনি।

মিলিটারিতে সাফল্য়-
কর্নেল র‌্যাঙ্ক অর্জন করেন তিনি। সেনাবাহিনীর হেডকোয়ার্টারে অ্যাসিস্টেন্ট মিলিটারি সেক্রেটারি র দায়িত্বও সামলান। এরপর ইস্টার্ন কম্যান্ড হেডকোয়ার্টারে কর্নেল জেনারেল স্টাফ (অপারেশন) পদে ছিলেন। জম্মু-কাশ্মীরে রাষ্ট্রীয় রাইফেল সেক্টরের ডেপুটি কম্যান্ডার পদেও দায়িত্ব পালন করেন।

ব্রিগেডিয়ার পদে পদোন্নতির পর তিনি সাম্বায় ১৬৮ ইনফ্যান্ট্রি ব্রিগেডের দায়িত্বে ছিলেন। আর্মি হেডকোয়ার্টারে ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল অব মিলিটারি ইন্টেলিজেন্সের ডেপুটি ডিরেক্টর পদে ছিলেন। এরপরে তাঁকে প্রোমোশন দিয়ে ইস্টার্ন কম্যান্ডের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল স্টাফ (অপারেশন) পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

২০২৩ সালে সুব্রমণি সেন্ট্রাল কম্যান্ডের জেনারেল অফিসার কম্যান্ডিং ইন চিফ দায়িত্ব নেন। এক বছর পরে তাঁকে আর্মি স্টাফের ৪৭তম ভাইস চিফ করা হয়। সক্রিয় মিলিটারি সার্ভিস থেকে অবসরের পর তাঁকে ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল সেক্রেটারিয়েটের মিলিটারি অ্যাডভাইসর পদে বসানো হয়েছিল। এবার তিনি তিন বাহিনীর সর্বোচ্চ পদ, চিফ অব ডিফেন্স স্টাফের দায়িত্ব পেলেন।

দীর্ঘ এই সেনাবাহিনীর কেরিয়ারে তিনি পরম বিশিষ্ট সেবা মেডেল, অতি বিশিষ্ট সেবা মেডেল, সেনা মেডেল ও বিশিষ্ট সেবা মেডেল পেয়েছেন।

  এএমএমকে-র অভিযোগ, বিজয়ের পার্টি নকল সমর্থন পত্র তৈরি করে সরকার গঠনের চেষ্টা করছে। এএমএমকে-র একজনই বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন, কামারাজ। টিভিকে গতকালই দাবি করেছিল যে কামারাজ তাদের দলকে সমর্থন করতে রাজি হয়েছে।

সরকার গড়তে বিধায়ক 'চুরি' করেছেন বিজয়? TVK-র বিরুদ্ধে দায়ের FIR
কামারাজের সই করার ভিডিয়ো ভাইরাল। বিজয় কি সরকার গড়তে পারবেন?
 তামিলনাড়ুর লড়াই আরও কঠিন হচ্ছে। বিজয়ের টিভিকে সরকার গঠন নিয়ে যেখানে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, সেখানেই এবার পুলিশে অভিযোগ জানাতে ছুটল আম্মা মাক্কাল মুন্নেত্রা কাজ়াগাম (AMMK)। অভিনেতা-রাজনীতিবিদ বিজয়ের দলের বিরুদ্ধেই এফআইআর দায়ের করেছে তারা। কী অভিযোগ?


এএমএমকে-র অভিযোগ, বিজয়ের পার্টি নকল সমর্থন পত্র তৈরি করে সরকার গঠনের চেষ্টা করছে। এএমএমকে-র একজনই বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন, কামারাজ। টিভিকে গতকালই দাবি করেছিল যে কামারাজ তাদের দলকে সমর্থন করতে রাজি হয়েছে। এরপরই এএমএমকে পাল্টা দাবি করে যে তারা টিভিকে-কে সমর্থন করার কথা বলেনি। ভুয়ো চিঠি জমা দিচ্ছে বিজয়ের দল।




একদিকে, এএমএমকে প্রধান টিটিভি দীনাকরণ যখন পুলিশে অভিযোগ জানাচ্ছে, তখন টিভিকে আবার একটি ভিডিয়ো প্রকাশ করেছে যেখানে দেখা যাচ্ছে কামারাজ বিজয়ের দলকে সমর্থনের চিঠিতে স্বাক্ষর করছেন। ভিডিয়োয় তাঁকে বলতেও শোনা যাচ্ছে যে দীনাকরণের সম্মতি নিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।



টিভিকে-র অভিযোগ, দীনাকরণ মিথ্যা খবর ও ভুয়ো তথ্য প্রচার করছেন। কামারাজের কাছ থেকে জোর করে সমর্থন আদায়ের অভিযোগও অস্বীকার করেছে তারা।

তবে ম্যাজিক ফিগারে পৌঁছতে না পারায়, গতকাল সরকার গঠনের অনুমতি দেওয়া হয়নি টিভিকে-কে। আজ বিজয়ের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণের কথা থাকলেও, তা হচ্ছে না। এই ফাঁকে ডিএমকে ও এআইএডিএমকে জোট বেঁধে সরকার গড়ে কি না, তা-ও দেখার। সবমিলিয়ে টানটান উত্তেজনা এখন তামিলনাড়ুতে।
শুধু যে খাওয়া-দাওয়াই চলছে তাই নয়। লাগাতার উঠছে জয় শ্রী রাম স্লোগানও। অন্যদিকে নতুন আঙ্গিকে বাঙিলায়ানায় শপথ নিয়ে রবীন্দ্র জয়ন্তীতে ব্রিগেডে মহাসমারোহে আয়োজন করা হয়েছে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের।


 ঘুরছে হাতে হাতে, সকাল থেকে ব্রিগেডে ঝালমুড়ির চাহিদা তুঙ্গে
ব্রিগেডে ঝড় তুলছে ঝালমুড়ি


প্রচারে ঝড় তুলেছিল ঝালমুড়ি। এবার বাংলায় বিজেপির প্রথম মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণের দিনও ব্রিগেডে হটকেক সেই ঝালমুড়িই। দিকে দিকে বিক্রি হচ্ছে ঝালমুড়ি। ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ঢোকার মুখে মানুষের হাতে হাতে ঘুরছে ঝালমুড়ি। ঝালমুড়ি খেয়ে সেলিব্রেশনে মুডে বিজেপি কর্মীরা। রীতিমতো উচ্ছ্বাসের সুরে এক পদ্ম সমর্থক বললেন, প্রচারে এসে প্রধানমন্ত্রী ঝালমুড়ি খেয়েছিলেন। এবার আমরাও খাচ্ছি। পাশে দাঁড়িয়ে আর একজন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে উদ্দেশ্যে করে রীতিমতো কটাক্ষের সুরে বললেন, ঝালমুড়ি খেয়ে খুব আনন্দ পাচ্ছি। ঝালে দিদি জ্বলুক। আমরা দিদির উদ্দেশ্যেও ঝালমুড়ি পাঠাতে চাই। 


শুধু যে খাওয়া-দাওয়াই চলছে তাই নয়। লাগাতার উঠছে জয় শ্রী রাম স্লোগানও। অন্যদিকে নতুন আঙ্গিকে বাঙিলায়ানায় শপথ নিয়ে রবীন্দ্র জয়ন্তীতে ব্রিগেডে মহাসমারোহে আয়োজন করা হয়েছে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের। শুধু ঝালমুড়ি নয় স্টলে স্টলে সীতাভোগ, মিহিদানারও ছড়াছড়ি। সব স্টলেই ভিড়। 




অন্যদিকে রবীন্দ্র জয়ন্তীতে রবি ঠাকুরকে স্মরণ করতে দেখা গিয়েছে খোদ রাজ্যপালকেও। লোকভবনের এক্সহ্যান্ডেল থেকে করা হয়েছে পোস্ট। লেখা হচ্ছে, ‘গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তীতে সমগ্র জাতি আজ তাঁর চরণে বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করছে। তাঁর সেই কালজয়ী দূরদৃষ্টি আমাদের পাথেয় হয়ে থাকুক। এই নবজাগরণই প্রতিফলিত করবে ‘সোনার বাংলা’র প্রকৃত স্বরূপ এবং ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’-এর মহান লক্ষ্যে উপনীত হতে ভারতকে চালিত করবে।’ অন্যদিকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষ্যে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের তরফেও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে থেকে জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি পর্যন্ত প্রভাতফেরির আয়োজন করা হয়। 

 মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে দিয়ে যেতে যেতেও বিজেপি সমর্থকরা তুলছেন জয় শ্রী রাম স্লোগান। মমতার বাড়ির সামনে ইতিউতি ঘুরতে দেখা যাচ্ছে কিছু পুলিশ কর্মীকে। কয়েক জন আধা সামরিক বাহিনীর জওয়ানেরও দেখা মিলল।


 শুভেন্দুর শপথে ব্রিগেডে জনসমুদ্র, খাঁ খাঁ করছে হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট! মমতার বাড়ির সামনেই জয় শ্রী রাম স্লোগান
খাঁ খাঁ করছে গোটা এলাকা


 বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর শপথগ্রহণে ব্রিগেডে জনসমুদ্র। কিন্তু ঠিক উল্টো ছবি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে। কার্যত খাঁ খাঁ করছে গোটা এলাকা। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির রাস্তাজুড়ে শুধুই শূন্যতা। এরই মাঝে ব্রিগেডগামী বিজেপি সমর্থকদের ছোট বড় মিছিল চলছে হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট জুড়ে।  


মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে দিয়ে যেতে যেতেও বিজেপি সমর্থকরা তুলছেন জয় শ্রী রাম স্লোগান। মমতার বাড়ির সামনে ইতিউতি ঘুরতে দেখা যাচ্ছে কিছু পুলিশ কর্মীকে। কয়েক জন আধা সামরিক বাহিনীর জওয়ানেরও দেখা মিলল। এরইমধ্যে আবার তৃণমূল নেত্রীকে সমবেদনা জানাতে বাড়ির সামনে উপস্থিত কিছু তৃণমূল কর্মী। তাঁরা মমতার পাশে আছে এই বার্তা দিতে চান নেত্রীকে। বিজেপি সমর্থকদের জয় শ্রীরাম স্লোগান এর বদলে তাঁদের অনেককেই জয় বাংলা স্লোগানও তুলতে দেখা গেল।


অন্যদিকে বদলের বাংলায় ফের কলকাতায় এসে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রেসকোর্সে হেলিপ্যাড গ্রাউন্ড থেকে সোজা গেলেন ব্রিগেডের পথে। আজ সেখানেই শপথ নিতে চলেছেন বাংলায় বিজেপির প্রথম মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বসেছে একেবারে চাঁদের হাট। ইতিমধ্যে ব্রিগেডের পথে রওনা হয়েছেন অমিত শাহ থেকে নিতিন নবীন। থাকছেন ২০ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা। ইতিমধ্যেই মঞ্চে এক এক করে আসতে শুরু করেছেন বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, উপ মুখ্যমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা। আসছেন বাংলার রাজ্যপালও। 

 মাখনলাল সরকার ছিলেন ভারতীয় জনসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের একজন ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং অন্যতম পুরনো কর্মী। ১৯৫২ সালে যখন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় কাশ্মীরে ভারতীয় ত্রিবর্ণ রঞ্জিত পতাকা উত্তোলনের আন্দোলন করছিলেন, তখন মাখনলাল সরকার তাঁর সঙ্গে ছিলেন এবং গ্রেফতার হয়েছিলেন।


৯৭ বছরের বৃদ্ধের লড়াই আজ সফল! বাংলায় বিজেপি শাসন প্রতিষ্ঠার দিন শিলিগুড়ির মাখনলালকে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন মোদীর
মাখনলাল সরকারকে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন প্রধানমন্ত্রীর

শ্যামাপ্রসাদের স্বপ্ন সফল হল আজ। বন্দে মাতরমের ১৫০ বছরে বঙ্গে বিজেপি সরকার। ব্রিগেডে বাংলার প্রথম বিজেপি সরকারের শপথ। শ্যামাপ্রসাদের সহযোগী মাখনলালকে শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রী প্রণাম করলেন মাখনলাল সরকারকে। ৯৭ বছর বয়সের মাখনলালের চোখেমুখে পরিভাষায় বলে দিচ্ছিল আত্মতুষ্টির কথা!

মাখনলাল সরকার ছিলেন ভারতীয় জনসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের একজন ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং অন্যতম পুরনো কর্মী। ১৯৫২ সালে যখন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় কাশ্মীরে ভারতীয় ত্রিবর্ণ রঞ্জিত পতাকা উত্তোলনের আন্দোলন করছিলেন, তখন মাখনলাল সরকার তাঁর সঙ্গে ছিলেন এবং গ্রেফতার হয়েছিলেন। দিল্লি পুলিশ গ্রেফতার করেছিল দেশাত্মবোধক গান গাওয়ার জন্য। তখন সরকার কংগ্রেসের। বিচারালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। বিচারপতি বলেন ক্ষমা চাইতে। মাখনলাল বলে ক্ষমা চাইব না, কোনও অপরাধ করিনি। বিচারপতি এরপর নির্দেশ দেন, এনাকে ফার্স্ট ক্লাস টিকিট কেটে দিন, সঙ্গে ১০০ টাকা দিন।


তিনি পশ্চিমবঙ্গের বিজেপির সবচেয়ে প্রবীণ কর্মীদের মধ্যে অন্যতম হিসেবে পরিচিত। আজ বঙ্গে যখন বিজেপি শাসন প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে, তখন তাঁকে বিশেষভাবে সম্মানিত করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

ব্রিগেডে এদিন মোদী-শাহর উপস্থিতিতেই মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেবেন শুভেন্দু অধিকারী। ব্রিগেড গ্রাউন্ড এদিন আক্ষরিক অর্থেই বাঙালিয়ানায় পরিপূর্ণ। মঞ্চে আছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন, কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা, অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নায়ডু, ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্ত, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা এনসিপি নেতা প্রফুল পটেল, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধরি, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নড্ডা, স্মৃতি ইরানি, শিবরাজ সিংহ চৌহান, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফডনবিশ, মিঠুন চক্রবর্তী-সহ কেন্দ্র ও রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতারা।