WEATHER

Top News


ভারতে সরকারের অনুমতি ছাড়া স্যাটেলাইট ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ। ভারতীয় টেলিগ্রাফ অ্যাক্ট ও নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী, অনুমতি ছাড়া এই ধরনের স্য়াটেলাইট ফোন ব্যবহার করলে আটক, গ্রেফতার করা হতে পারে। স্যাটেলাইট ফোন বা ডিভাইস ব্যবহার করার জন্য টেলিকমিউনিকেশন বিভাগের লিখিত অনুমতির প্রয়োজন।

নিষিদ্ধ জিনিস' নিয়ে শ্রীনগর বিমানবন্দরে ধরা পড়ল মার্কিন নাগরিক, যোগ রয়েছে কলকাতারও
ফাইল চিত্র।

বড় কোনও ছক? দুই মার্কিন নাগরিককে আটক করা হল শ্রীনগর বিমানবন্দরে। তাদের লাগেজের ভিতর থেকে স্যাটেলাইট ফোন পাওয়া গিয়েছে। বিমানে স্যাটেলাইট ফোন নেওয়া নিষিদ্ধ। লাগেজের ভিতর থেকে স্যাটেলাইট ফোন পেতেই নিরাপত্তারক্ষীরা তাদের আটক করে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করার পর পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে বিস্তারিত তদন্তের জন্য।


জানা গিয়েছে, আটক মার্কিন নাগরিকদের মধ্যে একজনের নাম জেফারি স্কট। মন্টানার বাসিন্দা তিনি। তাঁর লাগেজ থেকেই স্যাটেলাইট ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। এনডিটিভি ও নিউজ ১৮-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই মার্কিন নাগরিকের সঙ্গে কলকাতার এক বাসিন্দা ছিলেন। তাঁর নাম কৌশিক হালদার।



অনুমতি তো দিয়েছেন, কেন হামলা?' হরমুজ়ে হামলার পর নাবিকের অডিও ক্লিপ প্রকাশ্যে
প্রসঙ্গত, ভারতে সরকারের অনুমতি ছাড়া স্যাটেলাইট ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ। ভারতীয় টেলিগ্রাফ অ্যাক্ট ও নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী, অনুমতি ছাড়া এই ধরনের স্য়াটেলাইট ফোন ব্যবহার করলে আটক, গ্রেফতার করা হতে পারে। স্যাটেলাইট ফোন বা ডিভাইস ব্যবহার করার জন্য টেলিকমিউনিকেশন বিভাগের লিখিত অনুমতির প্রয়োজন।


স্যাটেলাইট ট্র্যাকার ও জিপিএস ভিত্তিক ট্র্যাকিং ডিভাইস আমেরিকায় খুব সাধারণ হলেও, ভারতে এই ধরনের ডিভাইস ব্যবহার করা যায় না। বিশেষ করে কাশ্মীরে নিরাপত্তার কারণে স্যাটেলাইট ডিভাইস ব্যবহার করা নিষিদ্ধ। পাকিস্তানি জঙ্গিরা এই ধরনের ডিভাইস ব্যবহার করে যোগাযোগ করে।


সকাল থেকেই নির্বাচনী প্রচার শুরু করেছিলেন কাঁথি উত্তরের বিজেপি প্রার্থী সুমিতা সিনহা। তিনি প্রথমে বিভিন্ন মন্দিরে পুজো দেন। এরপর দলীয় কর্মীদের নিয়ে হাতিশাল বাজার এলাকা অতিক্রম করে মিছিল যখন পাঁচগাছিয়ার দিকে যাচ্ছিল, ঠিক সেই সময়েই তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা অতর্কিতে মিছিলে হামলা চালায় বলে অভিযোগ।

শুভেন্দুর খাসতালুকে বিজেপির মিছিলে হামলার অভিযোগ, তপ্ত কাঁথি
তপ্ত নন্দীগ্রাম


শুভেন্দু অধিকারীর খাসতালুক হিসাবে পরিচিত পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের দেশপ্রাণ ব্লকে বিজেপির মিছিলে হামলার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। রবিবারের এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।


ঘটনার বিবরণ

জানা গিয়েছে, সকাল থেকেই নির্বাচনী প্রচার শুরু করেছিলেন কাঁথি উত্তরের বিজেপি প্রার্থী সুমিতা সিনহা। তিনি প্রথমে বিভিন্ন মন্দিরে পুজো দেন। এরপর দলীয় কর্মীদের নিয়ে হাতিশাল বাজার এলাকা অতিক্রম করে মিছিল যখন পাঁচগাছিয়ার দিকে যাচ্ছিল, ঠিক সেই সময়েই তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা অতর্কিতে মিছিলে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। এই আক্রমণে বিজেপির বেশ কয়েকজন কর্মী আহত হয়েছেন।


প্রার্থীর ক্ষোভ ও অবরোধ

হামলার প্রতিবাদে সোচ্চার হয়ে ওঠেন বিজেপি প্রার্থী সুমিতা সিনহা। হামলার ঘটনার পরপরই তিনি নিজে রাস্তায় বসে পথ অবরোধ শুরু করেন। বিজেপি কর্মীদের দাবি, প্রচার কর্মসূচি চলাকালীন পরিকল্পিতভাবে তাঁদের ওপর আক্রমণ করা হয়েছে। সুমিতা সিনহার স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, যতক্ষণ না পর্যন্ত আক্রমণকারী দুষ্কৃতীদের পুলিশ গ্রেফতার করছে, ততক্ষণ এই অবরোধ কর্মসূচি জারি থাকবে।

বর্তমান পরিস্থিতি

ঘটনার খবর পেয়েই দ্রুত বিশাল পুলিশ বাহিনী এলাকায় পৌঁছয়। অবরোধের জেরে এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হয়েছে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালাচ্ছে এবং দুপক্ষের মধ্যে যাতে নতুন করে সংঘর্ষ না বাধে, তার জন্য বাড়তি সতর্ক নজর রাখা হয়েছে। নির্বাচনের প্রাক্কালে এই ঘটনা এলাকায় রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়িয়ে দিল।

মৌসম ভবনের তরফে আগেই বলা হয়েছিল, ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, নাইজেরিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপিন্সের মতো দেশ, যেখানে জনসংখ্যা বাকি দেশের তুলনায় অনেকটা বেশি, সেখানের নাগরিকরা তীব্র গরমে কষ্ট পেতে চলেছেন বিশ্ব উষ্ণায়নের কারণে। দীর্ঘ সময় ধরে গরমকাল চলবে।


 আসছে সুপার এল নিনো, কলকাতাকে মরুভূমি বানিয়ে দেবে?
গরমে জ্বলে-পুড়ে যাবেন এবার।


এখন তো সবে ট্রেলার চলছে। আসল সিনেমা শুরু হবে মে মাস থেকে। এবার গরমে আক্ষরিকভাবেই জ্বলে-পুড়ে যাওয়ার মতো অবস্থা হবে। আসছে সুপার এল-নিনো (Super El-Nino)। এর প্রভাবে তাপমাত্রা বাড়বে। বইবে তাপপ্রবাহ। এর প্রভাব পশ্চিমবঙ্গ সহ গোটা ভারতেই পড়তে চলেছে।


 বইবে ‘লু’, আসছে খরা? 
এই বছরের দ্বিতীয়ভাগে আসছে ‘সুপার এল নিনো’ (Super El Nino)। এর প্রভাবে প্রচণ্ড গরম পড়তে চলেছে। তাপপ্রবাহ হবে। কমে যাবে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ। কলকাতায় যেখানে চড়া গ্রীষ্মে তাপমাত্রা ৪০ থেকে ৪৫ ডিগ্রির ঘরে পৌঁছয়, এবার তা রেকর্ড ভেঙে ৫০ ডিগ্রিও হতে পারে, এমনটাই সতর্ক করছেন আবহাওয়াবিদরা।


অতি-স্পর্শকাতর' সাড়ে ৮ হাজার বুথ নিয়েই চিন্তা! প্রথম দফায় ১৫০০ বুথ নিয়ে বিশেষ সতর্ক কমিশন
আবহাওয়াবিদরা বলছেন, মে থেকে জুলাই মাসের মধ্যে এল নিনো আসতে চলেছে। এর প্রভাবে স্বাভাবিকের তুলনায় তাপমাত্রা অনেকটা বেড়ে যাবে। বিশেষত উত্তর ও মধ্য ভারতে এল নিনোর প্রভাব সবথেকে বেশি পড়তে চলেছে। শুষ্ক আবহাওয়ার পাশাপাশি প্রচণ্ড তাপপ্রবাহ বইবে দেশজুড়ে। খরাও দেখা দেবে বেশ কিছু জায়গায়। গোটা বছরটাই তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি উষ্ণ থাকবে। উষ্ণ জায়গাগুলি আরও উষ্ণ হবে। শুষ্ক হয়ে যাবে আবহাওয়া।


বৃষ্টিতে কোপ-
মৌসম ভবন জানিয়েছে, বিগত তিন বছরে এই প্রথম স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টিপাত হতে চলেছে এল নিনোর প্রভাবে। সাধারণত প্রতি বছর ১ জুন কেরলে বর্ষা প্রবেশ করে এবং সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি বিদায় নেয়। তবে এবার লা নিনা দুর্বল হওয়ায়, জুনে এল নিনো অনেকটাই বেশি সক্রিয় হয়ে উঠবে। উত্তর-পূর্ব ভারত, উত্তর-পশ্চিম ভারত ও দক্ষিণ ভারতের কিছু অংশে স্বাভাবিক বর্ষা হলেও, দেশের বাকি অংশে স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টি হবে।

এল নিনো কী?
এল নিনো হল একটি আবহাওয়াগত ঘটনা, যেখানে মধ্য ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরের উপরিভাগের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেকটা বেড়ে যায়। এর প্রভাবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া সহ বিশ্বের একাধিক অংশে গরম ও শুষ্ক জলবায়ু তৈরি হয়।

পৃথিবীর আবহাওয়ার একটা বড় অংশ নির্ভর করে প্রশান্ত মহাসাগরের তাপমাত্রার উপর। এই মহাসাগরের জলের উপরিভাগ ঠান্ডা হওয়ার প্রক্রিয়াকে বলে ‘লা নিনা’। এর প্রভাবে অতিবৃষ্টি বা তীব্র শীতের সাক্ষী হয় পৃথিবী। আবার প্রশান্ত মহাসাগর যদি উষ্ণ হয়ে যায় তাকে বলা হয় ‘এল নিনো’। এর প্রভাবে অনাবৃষ্টি,খরা, প্রবল তাপপ্রবাহ হয়।

এল নিনোর প্রভাব-
মৌসম ভবনের তরফে আগেই বলা হয়েছিল, ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, নাইজেরিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপিন্সের মতো দেশ, যেখানে জনসংখ্যা বাকি দেশের তুলনায় অনেকটা বেশি, সেখানের নাগরিকরা তীব্র গরমে কষ্ট পেতে চলেছেন বিশ্ব উষ্ণায়নের কারণে। দীর্ঘ সময় ধরে গরমকাল চলবে। অর্থাৎ যে কয়েক মাস গ্রীষ্মকাল বলে পরিচিত, তার তুলনায় অনেক বেশি দিন গরম থাকবে।

বর্ষা ভারতের অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ কৃষিকাজের জন্য ও জলাধারগুলি ভর্তি করার জন্য ৭০ শতাংশ বৃষ্টিপাতের দরকার। যদি বৃষ্টি কম হয়, তাহলে ফসল কম হবে। চাপ বাড়বে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলির উপরে। এমনকী, বিদ্যুতের ঘাটতির কারণে লোডশেডিংয়ের মতো সমস্যাও আবার ফিরতে পারে। গরম বাড়লে এসি, কুলারের চাহিদা অনেক বাড়বে। চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ না থাকলে, সেক্ষেত্রে এসি-কুলারের দামও অনেক বাড়তে পারে।
পুরুলিয়ার সভা থেকে তৃণমূলের দুর্নীতি প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে মোদী বলেন, "তৃণমূলের আরও একটা দুর্নীতি সামনে এসেছে। গোটা দেশ চাইছে যে, সংসদ ও বিধানসভাতে মহিলাদের ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণের আইন লাগু হোক। এই ইস্যুতে সংসদে ভোটাভুটি হয়। কিন্তু, তৃণমূল চায়নি যে আগামী বিধানসভায় মহিলা বিধায়কের সংখ্যা বাড়ুক।"


 বাংলার মহিলাদের প্রতারিত করেছে তৃণমূল, কংগ্রেসের সঙ্গে হাত মিলিয়ে বিল আটকেছে', আক্রমণ মোদীর
নরেন্দ্র মোদী

মহিলা সংরক্ষণ বিল (সংশোধনী) নিয়ে ফের সুর চড়ালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বাঁকুড়ার বড়জোড়া ও পুরুলিয়ায় সভা ছিল তাঁর। সেখান থেকেই বিরোধীদের নিশানা করলেন তিনি। তাঁর দাবি, কংগ্রেস ও তৃণমূল মিলে মহিলা সংরক্ষণ বিল আটকে দিয়েছে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেন, “তৃণমূল বাংলার মেয়েদের প্রতারিত করেছে।” প্রধানমন্ত্রীর আরও অভিযোগ,” আগামী বিধানসভায় মহিলাদের সংখ্যা বাড়ুক, চায় না তৃণমূল”।


মহিলা আসন সংরক্ষণ নিয়ে ১৩১ তম সংবিধান সংশোধনী বিল লোকসভায় পাশ হয়নি। সেই ইস্যুতে বিরোধীদের বিরুদ্ধে আগেই সুর চড়িয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। গতকাল রাত সাড়ে ৮টার সময় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেখানেই তিনি বিরোধীদের তোপ দেগে বলেন, “বিরোধীরা পাপ করেছে। মহিলাদের আত্মসম্মানে আঘাত হেনেছে। তারা তাদের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। বিরোধীরা নারীদের অধিকার হরণ করে তারপর উল্লাস করেছে।” এবার বাংলায় এসে আরও একবার বিল ইস্যুতে তৃণমূলকে একহাত নিয়েছেন।





পুরুলিয়ার সভা থেকে তৃণমূলের দুর্নীতি প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে মোদী বলেন, “তৃণমূলের আরও একটা দুর্নীতি সামনে এসেছে। গোটা দেশ চাইছে যে, সংসদ ও বিধানসভাতে মহিলাদের ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণের আইন লাগু হোক। এই ইস্যুতে সংসদে ভোটাভুটি হয়। কিন্তু, তৃণমূল চায়নি যে আগামী বিধানসভায় মহিলা বিধায়কের সংখ্যা বাড়ুক। এরকম হলে মহিলাদের হয়ে আওয়াজ ওঠাতে হবে। সেইকারণেই তৃণমূল এই বিলের বিরোধিতা করেছে।” বাংলার মানুষের কাছে তাঁর আবেদন, এই শাস্তির সাজা দিতে হবে তৃণমূলকে।

এর আগে বাঁকুড়ার জনসভা থেকেও একই ইস্যুতে বিরোধীদের তোপ দেগেছেন। তিনি বলেন, “আরও একবার বাংলার মহিলাদের প্রতারিত করেছে তৃণমূল। সংসদে মহিলাদের সংখ্যা বাড়ুক, চায় না তৃণমূল। কংগ্রেসের সঙ্গে হাত মিলিয়ে বিলকে আটকে দিয়েছে তৃণমূল।” তাঁর আরও অভিযোগ, তৃণমূল শুধু অনুপ্রবেশকারীদেরই চায়।

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে মহিলা ভোট একটা বড় ফ্যাক্টর। তৃণমূল মহিলা ভোটব্যাঙ্ক টানতেই লক্ষ্মীর ভান্ডারের মতো প্রকল্প চালু করেছে। এবারের নির্বাচনে বিজেপিও কিন্তু নারী ক্ষমতায়নে জোর দিয়েছে। দলের ইস্তাহারেও তা স্পষ্ট। মহিলাদের জন্য একাধিক ঘোষণা করা হয়েছে। তা মাসে ৩ হাজার টাকা হোক বা সরকারি বাসে বিনামূল্যে যাতায়াত করা কিংবা অন্তঃসত্ত্বাদের এককালীন আর্থিক সহায়তা প্রদানেও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। মাতৃশক্তি ভরসা কার্ডও প্রকাশ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি এখন বিরোধীদের বিরুদ্ধে বিজেপির নতুন হাতিয়ার মহিলা সংরক্ষণ (সংশোধনী) বিল। এই বিল পাশ না হওয়ায় বিরোধীদের ‘মহিলা বিরোধী’ তকমা দিয়ে প্রচার শুরু করেছে বিজেপি। ভোটপ্রচারে এসে সেই ইস্যুতেই তৃণমূলকে আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।


 কার্তিক মহারাজ বলেন, "ভারতবর্ষ সাধু-সন্ন্যাসীদের দেশ। এই বাংলার বুকে মনীষীরা জন্ম নিয়েছে। সেই বাংলার বুকে সাধু-সন্ন্যাসীদের চোর-ডাকাত বলে অপমান করা হচ্ছে। প্রাচীন আশ্রমের সন্ন্যাসীরা অপমানিত হয়েছেন। সারা ভারতবর্ষের সাধু সমাজ অপমানিত হয়েছে। সব মঠ ও মিশন থেকে সাধুরা রাস্তায় নেমেছে।"


 আশ্রমে ঢুকে 'হুমকি', 'মারধর', প্রতিবাদে রাস্তায় সাধু-সন্ন্যাসীরা, কার্তিক মহারাজের নেতৃত্বে মিছিল
সাধুদের প্রতিবাদ মিছিল

ভবানীপুরের আশ্রমে ঢুকে সাধুদের হুমকি ও মারধরের অভিযোগ। প্রতিবাদে রাজপথে নামলেন সাধুরা। বালিগঞ্জ থেকে ভবানীপুর থানা পর্যন্ত প্রতিবাদ মিছিলে হাঁটালেন তাঁরা। তার আগে প্রতিবাদে দীর্ঘক্ষণ গড়িয়াহাট আটকে রেখেছিলেন সাধুরা। তারপর ভারত সেবাশ্রম থেকে ভবানীপুরের দিকে এগোতে শুরু করে মিছিল। ওই মিছিলে উপস্থিত ছিলেন রাসবিহারীর বিজেপি বিধায়ক স্বপন দাশগুপ্তও। মিছিলে ছিলেন কার্তিক মহারাজ। এর আগে সাধুদের হুমকি দেওয়ার ঘটনায় রাজ্যপালের কাছে ডেপুটেশন জমা দিয়েছিলেন তিনি। গোটা দেশজুড়ে প্রতিবাদের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কার্তিক মহরাজ।


কী ঘটেছিল?


 'নিষিদ্ধ জিনিস' নিয়ে শ্রীনগর বিমানবন্দরে ধরা পড়ল মার্কিন নাগরিক, যোগ রয়েছে কলকাতারও
সম্প্রতি, যদুবাবুর বাজারে ভোলাগিরি আশ্রমে ঢুকে সাধু-সন্ন্যাসীদের মারধরের অভিযোগ ওঠে। একইসঙ্গে তাঁদের হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ তোলা হয়েছে। ৭০ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল কাউন্সিলর অসীম বোস ও তাঁর সঙ্গপাঙ্গদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। জানা গিয়েছে, হঠাৎই দলীয় পতাকা হাতে কয়েকজন সাঙ্গপাঙ্গদের সঙ্গে নিয়ে আশ্রমে হামলা চালায়। সাধুদের মারধরও করা হয় বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল কাউন্সিলর অসীম বোস। ওই আশ্রম থেকে একটি ভিডিও পোস্ট করে তিনি বলেন, “তাঁর কাছে অনেক অভিযোগ এসেছে। আশ্রমে সাধুর বেশ পরে রয়েছেন অনেকে। বাইরে থেকে এসেছে। তাঁদের কাছে উপযুক্ত নথি নেই। অস্ত্র নিয়ে বাড়ি বাড়ি যাচ্ছে। বাড়ি থেকে জিনিসপত্র চুরি যাচ্ছে।” তারপরই আশ্রমে গিয়ে দূরে থাকার পরামর্শ দেন তিনি।


তবে, সন্ন্যাসীরা অভিযোগ করেছেন, তাঁদের উপর হামলা চালানো হয়েছে। তারই প্রতিবাদে আজ এই মিছিল। এদিনের মিছিল থেকে কার্তিক মহারাজ বলেন, “ভারতবর্ষ সাধু-সন্ন্যাসীদের দেশ। এই বাংলার বুকে মনীষীরা জন্ম নিয়েছে। সেই বাংলার বুকে সাধু-সন্ন্যাসীদের চোর-ডাকাত বলে অপমান করা হচ্ছে। প্রাচীন আশ্রমের সন্ন্যাসীরা অপমানিত হয়েছেন। সারা ভারতবর্ষের সাধু সমাজ অপমানিত হয়েছে। সব মঠ ও মিশন থেকে সাধুরা রাস্তায় নেমেছে।” কেন সাধুদের অপমান করা হচ্ছে, প্রশ্ন তুলে গর্জে উঠেছেন তিনি। একইসঙ্গে এই প্রতিবাদ গোটা দেশে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।


জানা গিয়েছে, আজ বিকেলে কারখানার ভিতরে ৩০ জন শ্রমিক বাজি তৈরির কাজ করছিলেন। সেই সময়ই বিস্ফোরণ ঘটে। দাউ দাউ করে জ্বলতে শুরু করে কারাখানার একাংশ। বিস্ফোরণের জেরে কারাখানার কিছু অংশও ধসেও পড়ে। ঘটনা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল বাহিনী।

 বাজি তৈরির কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, ১৩ জনের মৃত্যু
তামিলনাড়ু বিস্ফোরণ

বাজি তৈরির কারখানায় বিস্ফোরণ। ঘটনায় মৃত্যু হল অন্তত ১৩ জনের। মৃতদের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে খবর। তামিলনাড়ুর বিরুধুনগর জেলায় ঘটনাটি ঘটেছে। জানা গিয়েছে আজ বিকেলের দিকে ঘটনাটি ঘটেছে। ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্টালিন। বিস্ফোরণে মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি। বিস্ফোরণের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত আহত হয়েছেন ছয়জন।


জানা গিয়েছে, আজ বিকেলে কারখানার ভিতরে ৩০ জন শ্রমিক বাজি তৈরির কাজ করছিলেন। সেই সময়ই বিস্ফোরণ ঘটে। দাউ দাউ করে জ্বলতে শুরু করে কারাখানার একাংশ। বিস্ফোরণের জেরে কারাখানার কিছু অংশও ধসেও পড়ে। ঘটনা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল বাহিনী। পুলিশও পৌঁছয় ঘটনাস্থলে। শুরু হয় উদ্ধার কাজ। এখনও পর্যন্ত ৬ জন আহতকে অবিলম্বে উদ্ধার করে বিরুধুনগর সরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তাঁরা। এখনও পর্যন্ত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে। এখনও উদ্ধারকাজ চলছে বলে খবর।


স্ত্রীকে খুন করে চরম অবসাদ! কিছুক্ষণেই ভয়ঙ্কর সিদ্ধান্ত স্বামীর
Iran-India: 'অনুমতি তো দিয়েছেন, কেন হামলা?' হরমুজ়ে হামলার পর নাবিকের অডিও ক্লিপ প্রকাশ্যে
এদিকে, বাজি কারখানার বিস্ফোরণে নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন। এক্স হ্যান্ডেলের একটি পোস্টে স্ট্যালিন লেখেন, তিনি গভীরভাবে শোকাহত। ঘটনাস্থলে আধিকারিকদের পাঠিয়েছেন তিনি। আহতদের যাতে যথাযথ চিকিৎসা ব্যবস্থা দেওয়া হয়, সেদিকেও ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।


বিগত কয়েক বছরে বিরুধুনগরে বেশ কয়েকটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ১৩ এপ্রিলই বিরুধুনগর জেলার সাত্তুরের কাছে মাদাথুপট্টিতে একটি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ ঘটেছিল। আবার ২০২৪ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি, তামিলনাড়ুর বিরুধুনগর জেলায় একটি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের পর আগুন লেগে দশজনের মৃত্যু হয়। সাতজনেরও বেশি আহত হন বলে খবর। আবার ২৯ জুন, আরেকটি বাজি কারখানায় পৃথক এক বিস্ফোরণে চারজন নিহত এবং একজন আহত হয়েছিলেন।

ঝাড়গ্রামের সভামঞ্চ থেকে হেলিকপ্টারে ওঠার আগে হঠাৎই তিনি রাস্তার দিকে এগোন। সেখানে রাজকলেজ মোড়ের ‘স্বপনলালের স্পেশ্যাল মুড়ি’র দোকানে সবাইকে চমকে দিয়ে ঢুকে পড়েন প্রধানমন্ত্রী। দোকানের মালিক বিক্রম সাউ, যিনি এলাকায় ‘বিহারীবাবু’ নামেই পরিচিত, এখনও সেই আকস্মিকতার রেশ কাটিয়ে উঠতে পারছেন না।

 সভামঞ্চ থেকে সটান 'বিহারীবাবু'র দোকানে, ঝাড়গ্রামের ঝালমুড়িতে মজে প্রধানমন্ত্রী!
ঝালমুড়ির দোকানে প্রধানমন্ত্রী


ঝাড়গ্রামে জনসভা শেষে ফেরার পথে হঠাৎ রাস্তার ধারের ঝালমুড়ির দোকানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর এই বিরল জনসংযোগের সাক্ষী থাকল ঝাড়গ্রামের রাজকলেজ মোড়। রবিবার প্রচারের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রীর এমন আচরণে অবাক হয়েছেন স্থানীয় মানুষ থেকে দলীয় কর্মীরা।  ক্যামেরায় ধরা পড়া এই মুহূর্তটি এখন রাজনৈতিক মহলে চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে।


জানা গিয়েছে, ঝাড়গ্রামের সভামঞ্চ থেকে হেলিকপ্টারে ওঠার আগে হঠাৎই তিনি রাস্তার দিকে এগোন। সেখানে রাজকলেজ মোড়ের ‘স্বপনলালের স্পেশ্যাল মুড়ি’র দোকানে সবাইকে চমকে দিয়ে ঢুকে পড়েন প্রধানমন্ত্রী। দোকানের মালিক বিক্রম সাউ, যিনি এলাকায় ‘বিহারীবাবু’ নামেই পরিচিত, এখনও সেই আকস্মিকতার রেশ কাটিয়ে উঠতে পারছেন না।


'চামড়া ছাড়িয়ে ডুগডুগি তৈরি করে বাজাব', ডোমকলে হুঁশিয়ারি তৃণমূলের হুমায়ুনের



বিক্রম জানান, “স্যার হঠাৎ এসে বললেন, তোমার নাম কী? তারপর বললেন, একটা ঝালমুড়ি বানাও। আমি বানালাম। খেয়ে উনি বললেন দারুণ হয়েছে। শুধু মুড়ি খাওয়াই নয়, তিনি বাবা-মায়ের নাম ও ব্যবসার ব্যাপারেও খোঁজখবর নিলেন। এটা তো সত্যিই ভাগ্যের ব্যাপার।”

বিশ্লেষকদের মতে, দেশের প্রধানমন্ত্রীর এমন সহজ-সরল জনসংযোগের প্রক্রিয়া বিরল। উল্লেখ্য, এর আগে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জনসভার পথে রাস্তার ধারে চপের দোকানে চপ ভাজতে বা চা বানাতে দেখা গিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেই পরিচিত জনসংযোগের ঘরানায় এবার প্রধানমন্ত্রীর এই মুড়ি-যোগ নতুন রাজনৈতিক ইঙ্গিত দিচ্ছে কি না, তা নিয়েই শুরু হয়েছে জল্পনা। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ঝাঁঝালো আক্রমণের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সাথে প্রধানমন্ত্রীর এই মাটির কাছাকাছি আসার চেষ্টাকেই বড় করে দেখছে গেরুয়া শিবির।


মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন স্পষ্ট ভাষায় বলেন, "কেন্দ্রের এজেন্সিগুলো আমাদের পার্টির কাজ করা সংস্থাগুলোকে বাংলা ছেড়ে চলে যেতে বলছে। ওদের যদি ভয় দেখানো হয়, তবে ওরা আমার দলের সঙ্গেই যুক্ত হবে। আমরা ওদের চাকরি দেব, কোনো ছেলেকেই বেকার হতে দেব না।"

'আমরা চাকরি দেব...', IPAC-এর কাজ বন্ধের জল্পনা উড়িয়ে মমতার হুঙ্কার


নিজস্ব প্রতিবেদন: পশ্চিমবঙ্গে ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাক (I-PAC)-এর কাজ ২০ দিনের জন্য বন্ধের খবর ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র জল্পনা। তৃণমূলের অন্দরমহল থেকে এই খবরকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দেওয়া হলেও, বিরোধী শিবিরে এ নিয়ে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।


তরজার নেপথ্যে



বিজেপি টু বিজেপি ভায়া তৃণমূল! মাত্র ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে খেলা ঘুরে গেল পরেশের বিধানসভায়
সূত্রের খবর, আইনি বাধ্যবাধকতার কথা উল্লেখ করে IPAC-এর তরফে কর্মীদের ইমেল মারফত নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, আগামী ২০ দিন যেন তাঁরা বাড়ি থেকেই কাজ করেন। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে ধোঁয়াশা তৈরি হয়। তবে তৃণমূলের সাফ দাবি, তারা IPAC-এর সঙ্গে যৌথভাবেই কাজ করছে এবং এই ধরনের প্রচার মূলত বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য করা হচ্ছে।

মমতার সুর ও সুরক্ষাকবচ

এই ইস্যুতে তারকেশ্বরের সভা থেকে সরাসরি কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে ব্যবহার করে তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত সংস্থা ও কর্মীদের ভয় দেখানো হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “কেন্দ্রের এজেন্সিগুলো আমাদের পার্টির কাজ করা সংস্থাগুলোকে বাংলা ছেড়ে চলে যেতে বলছে। ওদের যদি ভয় দেখানো হয়, তবে ওরা আমার দলের সঙ্গেই যুক্ত হবে। আমরা ওদের চাকরি দেব, কোনো ছেলেকেই বেকার হতে দেব না।” এদিন সকালেই এ নিয়ে তিনি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলোচনা করেছেন বলেও জানিয়েছেন।



বিজেপি ও সিপিএমের কটাক্ষ

এই ঘটনাকে পুঁজি করে তৃণমূলকে বিঁধেছে বিরোধীরা। বিজেপির প্রধান মুখপাত্র দেবজিৎ সরকারের দাবি, “তৃণমূলের বিসর্জন নিশ্চিত। আইপ্যাক কর্তৃপক্ষ নিজেরাই ইমেল করেছে, তারা থাকবে কি না সেটা তাদের সিদ্ধান্ত।” অন্যদিকে, সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী কটাক্ষ করে বলেন, “বাংলার ছেলেদের চাকরি দিতে পারছেন না, অথচ আইপ্যাকের মতো বাইরের এজেন্সির কর্মীদের সরকারি চাকরির প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন! এটা তো প্রাইভেট সংস্থা।” এই ঘটনায় রাজনৈতিক উত্তাপ এখন তুঙ্গে।


 গ্রেফতারের পর ব্যাঙ্কশাল আদালতে নিয়ে আসার পথে অসুস্থ হয়ে পড়েন জয় কামদার। তড়িঘড়ি তাঁকে আরজি কর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ভর্তি করা হয় তাঁকে। আদালতে পেশ করতে না পারায় ইডির তরফে এদিন ব্যাঙ্কশাল আদালতে ধৃত ব্যবসায়ীর জেল হেফাজতের আবেদন জানানো হয়। চিকিৎসাধীন থাকাকালীন নজরদারির জন্য দু'জন করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান রাখার আবেদন জানানো হয়।


ইডির হাতে গ্রেফতার হতেই অসুস্থ সোনা পাপ্পু ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী, ভর্তি হলেন আরজি করে
ব্যবসায়ী জয় কামদার (ফাইল ফোটো)


এখনও অধরা কসবার ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পু। এবার তাঁর ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী জয় কামদার গ্রেফতার হলেন ইডির হাতে। রবিবার সান গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টরকে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আদালতে নিয়ে যাওয়ার পথেই অবশ্য তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। ভর্তি করতে হয় আরজি কর হাসপাতালে।


এদিন সাতসকালে বেহালায় ব্যবসায়ী জয় কামদারের বাড়িতে হানা দেয় ইডি। সঙ্গে ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী। কয়েকদিন আগে এই বাড়ি থেকেই ইডি ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছিল। যেদিন এক কোটি ২০ লক্ষ টাকা পাওয়া যায়, সেদিন সোনা পাপ্পুর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছিল অস্ত্র। এদিন জয় কামদারের বাড়ির পাশাপাশি স্পেশাল ব্রাঞ্চের ডেপুটি কমিশনার শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের বাড়িতেও ইডি হানা দেয়।



সকাল ১১টা নাগাদ ব্যবসায়ী জয় কামদারকে সল্টলেকে সিজিও কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন ইডি আধিকারিকরা। কয়েক ঘণ্টা পর তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। জানা যায়, সোনা পাপ্পুর মামলায় টাকা উদ্ধারের ঘটনায় এই ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।


গ্রেফতারের পর ব্যাঙ্কশাল আদালতে নিয়ে আসার পথে অসুস্থ হয়ে পড়েন জয় কামদার। তড়িঘড়ি তাঁকে আরজি কর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ভর্তি করা হয় তাঁকে। আদালতে পেশ করতে না পারায় ইডির তরফে এদিন ব্যাঙ্কশাল আদালতে ধৃত ব্যবসায়ীর জেল হেফাজতের আবেদন জানানো হয়। চিকিৎসাধীন থাকাকালীন নজরদারির জন্য দু’জন করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান রাখার আবেদন জানানো হয়।

জানা গিয়েছে, গ্রেফতারের পর থেকে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভুগছেন জয় কামদার।এদিন আদালতের ইডির তরফে বলা হয়, “আমরা গ্রেফতারের পর অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাই অসুস্থতার জন্য আদালতে পেশ করা গেল না। তবে তাঁর বিরুদ্ধে যা অভিযোগ, তাতে হেফাজতে নিয়ে জেরা প্রয়োজন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাকালীন সর্বক্ষণ ইডি অফিসারদের নজরদারির জন্য থাকার প্রয়োজন।” একইসঙ্গে ইডির তরফে বলা হয়, ধৃত ব্যবসায়ী জেরায় মুখ খোলেননি। কিন্তু, ডিজিটাল অ্যাভিডেন্স থেকে অন্যান্য নথিতে অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগ পাওয়া যাচ্ছে।

ধৃত ব্যবসায়ীর আইনজীবী আদালতে দাবি করেন, তাঁর মক্কেলকে ইডি নিয়ম মেনে গ্রেফতার করেনি। তখন ইডির আইনজীবী ধীরজ ত্রিবেদী বলেন, “আমরা অভিযুক্ত পক্ষকে স্পষ্ট জানিয়েছি কী কী কারণে গ্রেফতার করা হয়েছে।”

দু’পক্ষের সওয়ালের পর জয় কামদারকে সুস্থ হওয়া পর্যন্ত জেল হেফাজতে হাসপাতালে রাখার নির্দেশ দেয় আদালত। ইডি নজরদারির জন্য গার্ড (বাহিনী) রাখতে পারবে। আদালত নির্দেশ দিয়েছে, আগামিকাল হয় অভিযুক্তকে সশরীরে পেশ করতে হবে। নাহলে চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি পেশ করতে হবে।

আজ সাগরের ছয়েরঘেরিতে তৃণমূল প্রার্থী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরার সমর্থনে এক বিশাল জনসভা করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সভা থেকে একদিকে যেমন তিনি এলাকার উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরলেন, তেমনই কড়া ভাষায় আক্রমণ শানালেন বিজেপিকে।


অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, সাগরের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি মেনে ১৭০০ কোটি টাকা ব্যয়ে মুড়িগঙ্গা ব্রিজের কাজ শুরু হয়েছে। এছাড়াও ৩০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নামখানা সেতু নির্মাণ হয়েছে ২০১৯ সালে। পাশাপাশি হাতানিয়া-দোয়ানিয়া নদীর ওপর ৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে অত্যাধুনিক মৎস্য বন্দর নির্মাণের কাজ দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে বলেও তিনি জানান। তিনি বলেন, “বঙ্কিম হাজরাকে জেতালে সাগরের পরবর্তী উন্নয়নের সমস্ত দায়ভার আমার।” মূল ভূখন্ড থেকে বিছিন্ন ঘোড়ামারা দ্বীপের ১২০০ পরিবারকে ভোটের পর পুনর্বাসন এবং আগামী ৫ বছরের মধ্যে ঘরে ঘরে নলবাহিত পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি। বিজেপিকে বিঁধে অভিষেক বলেন, "মোদির গ্যারান্টি মানেই জিরো ওয়ারেন্টি।" তিনি প্রশ্ন তোলেন, গত ১২ বছরে মোদি সরকার বাংলার জন্য কী করেছে? তাঁর দাবি, কেন্দ্র টাকা না দিলেও রাজ্য সরকার নিজস্ব তহবিল থেকে ১০০ দিনের কাজের টাকা ও আবাস যোজনার বাড়ি তৈরি করে দেবে। সাগরের ১ লক্ষ ৭ হাজার মহিলা ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ এবং ৩৫ হাজার যুবরা যুবসাথি প্রকল্পের মাধ্যমে সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পাচ্ছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

গঙ্গাসাগর ও কুম্ভ মেলার তুলনা টেনে তিনি বলেন, ব্যবস্থাপনার ত্রুটির কারণে কুম্ভ মেলায় মৃত্যু হলেও গত ১০ বাঁচাতে গঙ্গাসাগরে কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি। পাশাপাশি, বিজেপির দলবদলু প্রার্থীকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, যাঁদের এই ভূখণ্ড নিয়ে কোনো ধারণা নেই, আগামী ৪ তারিখ তাঁদের জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।
বক্তব্যের শেষে তিনি উপস্থিত জনতার উদ্দেশে বলেন, “বিজেপি আমাদের বারে বারে লাইনে দাঁড় করিয়েছে, এবার ২৯ তারিখ লাইনে দাঁড়িয়ে আপনারা ইভিএমে তার জবাব দিন।” সাগরের মাটি থেকে আশীর্বাদ নিয়েই তিনি তাঁর পরবর্তী গন্তব্য নন্দীগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দেন।


নির্বাচনী উত্তাপে ফুটছে সাগর। আজ দুপুরে সাগরের ছয়েরঘেরি এলাকায় মেগা জনসভা করতে চলেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। 


সাগর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরার সমর্থনে আয়োজিত এই সভাকে কেন্দ্র করে দ্বীপ জুড়ে এখন সাজ-সাজ রব। এই প্রথম সাগরের মাটিতে নির্বাচনী প্রচারে আসছেন অভিষেক। ফলে স্থানীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে উন্মাদনা তুঙ্গে। বিশেষ করে যুব তৃণমূল কর্মীদের তৎপরতা চোখে পড়ার মতো। গোটা এলাকা ছেয়ে গিয়েছে তৃণমূলের পতাকা ও ফেস্টুনে।

আজ দুপুর ১২টায় সভা মঞ্চে পৌঁছাবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের দাবি অনুযায়ী, সভায় প্রায় ৭০ থেকে ৮০ হাজার মানুষের ভিড় হতে পারে। সভাস্থল নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে। মোতায়েন রয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী, মেটাল ডিটেক্টর টিম ও বম্ব স্কোয়াড। বিচ্ছিন্ন এই দ্বীপাঞ্চলে অভিষেকের এই জনসভা রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। সাগরের ভোট বৈতরণী পার করতে ঘাসফুল শিবিরের এই হাইভোল্টেজ প্রচার কতটা কার্যকর হয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

 সাধারণত কোনও তারকার জনপ্রিয়তা কাজে লাগিয়ে অনেক সংস্থা তাঁর অনুমতি ছাড়াই টি-শার্ট, পোস্টার বা অন্যান্য সামগ্রী তৈরি করে বাজারে বিক্রি করে। অল্লু অর্জুনের দাবি, তাঁর সম্মতি ছাড়া তাঁর ব্যক্তিত্বের কোনো অংশই যেন বাণিজ্যিক স্বার্থে ব্যবহার করা না হয়। এই অধিকারটিকেই আইনি ভাষায় বলা হয় ‘পার্সোনালিটি রাইটস’।



তেলুগু সিনেমার মহাতারকা অল্লু অর্জুন এবার আদালতের শরণাপন্ন হলেন। টলিউডের এই অভিনেতার অভিযোগ, তাঁর অনুমতি ছাড়াই বিভিন্ন বাণিজ্যিক পণ্য বা ‘মার্চেন্ডাইজ’-এ তাঁর নাম, ছবি এবং কণ্ঠস্বর ব্যবহার করা হচ্ছে। এই যথেচ্ছ ব্যবহার রুখতেই দিল্লি হাইকোর্টে একটি মামলা দায়ের করেছেন তিনি। শুক্রবার বিচারপতি তুষার রাও গেডেলার এজলাসে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা।

সাধারণত কোনও তারকার জনপ্রিয়তা কাজে লাগিয়ে অনেক সংস্থা তাঁর অনুমতি ছাড়াই টি-শার্ট, পোস্টার বা অন্যান্য সামগ্রী তৈরি করে বাজারে বিক্রি করে। অল্লু অর্জুনের দাবি, তাঁর সম্মতি ছাড়া তাঁর ব্যক্তিত্বের কোনো অংশই যেন বাণিজ্যিক স্বার্থে ব্যবহার করা না হয়। এই অধিকারটিকেই আইনি ভাষায় বলা হয় ‘পার্সোনালিটি রাইটস’।



এটি কোনো ব্যক্তির আইনি অধিকার, যার মাধ্যমে তিনি নিজের পরিচয়— যেমন নাম, ছবি, কণ্ঠস্বর, স্বাক্ষর, এমনকি তাঁর জনপ্রিয় কোনো সংলাপের বাণিজ্যিক ও প্রকাশ্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। এর দুটি প্রধান দিক রয়েছে- পাবলিসিটি রাইট: অনুমতি ছাড়া বিজ্ঞাপনে ছবি বা পরিচয় ব্যবহার করে মুনাফা লোটা বন্ধ করা। প্রাইভেসি রাইট: মফড ছবি, ডিপফেক ভিডিও বা জাল বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে কারও ব্যক্তিগত মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হওয়া থেকে রক্ষা করা।

কেবল আল্লু অর্জুন নন, সম্প্রতি অমিতাভ বচ্চন, অনিল কাপুর এবং জ্যাকি শ্রফের মতো তারকারাও এই অধিকার রক্ষায় আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। খুব সম্প্রতি বলিউড অভিনেতা কার্তিক আরিয়ানও বম্বে হাইকোর্ট থেকে এ বিষয়ে স্বস্তি পেয়েছেন। আদালত তাঁর ব্যক্তিত্বের অধিকার লঙ্ঘনকারী সমস্ত কন্টেন্ট ইন্টারনেট থেকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

বিশ্বজুড়ে অল্লু অর্জুনের অগণিত অনুরাগী থাকলেও, ব্যবসায়িক স্বার্থে তাঁর পরিচয়ের অপব্যবহার রুখতে অভিনেতার এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। দিল্লি হাইকোর্ট এই বিষয়ে কী রায় দেয়, এখন সেটাই দেখার।



জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী


আসন পুনর্বিন্যাসের সঙ্গে মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে ১৩১তম সংবিধান সংশোধনী বিল শুক্রবার লোকসভায় পাশ করাতে ব্যর্থ হয়েছে কেন্দ্র। আর শনিবার রাত সাড়ে আটটায় জাতির উদ্দেশে ভাষণে এই নিয়ে বিরোধীদের নিশানা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, মহিলা সংরক্ষণ বিলের বিরোধিতা করে পাপ করেছে বিরোধীরা। জনগণ এর সাজা দেবে। তিনি আরও বলেন, বিরোধীরা নারীশক্তির উত্থানকে রুদ্ধ করেছে। বিলটি পেশের সময় যারা হাততালি দিয়েছিল নারীরা তাদের ক্ষমা করবে না।

জাতির উদ্দেশে ভাষণে কী কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?



গোটা রাজ্য ছুটে বেড়াচ্ছেন, ভবানীপুরে কেন প্রচার করছেন না মমতা?
গতকাল ১৩১ সংবিধান সংশোধনী বিল নিয়ে লোকসভায় ভোটাভুটি হয়। সেখানে দুই তৃতীয়াংশ সমর্থন পায়নি কেন্দ্র। ফলে লোকসভা পাশ করানো যায়নি মহিলা সংরক্ষণ নিয়ে ১৩১তম সংবিধান সংশোধনী বিল। এই বিলের কথা উল্লেখ করে এদিন জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রথমেই প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, নারীশক্তির বিকাশকে বাধা দেওয়া হয়েছে। সংবিধান সংশোধনী বিল পাশ করাতে না পারার জন্য দেশের মা-বোনদের কাছে ক্ষমা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী।


‘বিরোধীরা মহিলাদের আত্মসম্মানের উপর আঘাত হেনেছে’

বিরোধীদের নিশানা করে জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, “বিরোধীরা মহিলাদের আত্মসম্মানে আঘাত হেনেছে। তারা তাদের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। বিরোধীরা নারীদের অধিকার হরণ করে তারপর উল্লাস করেছে। যে দলগুলো মহিলা সংরক্ষণের বিরোধিতা করেছে, তারা নারী শক্তিকে সহজলভ্য বলে ধরে নিচ্ছে। তারা ভুলে যাচ্ছে যে একবিংশ শতাব্দীর মহিলারা প্রতিটি ঘটনার উপর নজর রাখছে।”

বিরোধীরা মহিলাদের স্বপ্নকে চুরমার করেছে: প্রধানমন্ত্রী মোদী

প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, “আজ আমি আমার বোন ও কন্যাদের সঙ্গে কথা বলতে এসেছি। আজ দেশের প্রত্যেক নাগরিক দেখেছেন, কীভাবে ভারতের নারী ক্ষমতায়নকে রুখে দেওয়া হল। তাঁদের স্বপ্ন চুরমার করা হল। আমাদের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা সত্ত্বেও আমরা সফল হতে পারিনি। মহিলা সংরক্ষণ বিলটি সংসদে পাশ হতে ব্যর্থ হয়েছে। এর জন্য আমি সকল মা ও বোনদের কাছে ক্ষমা চাইছি।”

তৃণমূলকে নিশানা প্রধানমন্ত্রীর-

১৩১তম সংবিধান সংশোধনী বিলের বিরোধিতার জন্য তৃণমূলকে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মহিলাদের এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ ছিল তৃণমূলের কাছে। কিন্তু, সেই সুযোগ তারা নষ্ট করল।” মহিলা সংরক্ষণ বিল লোকসভায় পাশ না হওয়ার ঘটনাকে ভ্রূণহত্যার সঙ্গে তুলনা করলেন প্রধানমন্ত্রী। বললেন, “সৎ চেষ্টার ভ্রূণহত্যা করল কংগ্রেস, ডিএমকে, তৃণমূলের মতো দলগুলি।”

কংগ্রেসকে নিশানা প্রধানমন্ত্রীর-

এদিন জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি আশা করেছিলাম যে কংগ্রেস তার অতীতের ভুল শুধরে নেবে এবং পাপের প্রায়শ্চিত্ত করবে। কিন্তু তারা এই সুযোগটি হাতছাড়া করেছে। পরজীবীর মতো কংগ্রেস আঞ্চলিক দলগুলোর কাঁধে চড়ে টিকে থাকার চেষ্টা করছে।” পরিবারতন্ত্র নিয়ে বিরোধীদের নিশানা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিরোধীরা কখনওই চাইবে না যে তাদের নিজেদের পরিবারের বাইরের নারীরা উন্নতি করুক। আসন পুনর্বিন্যাসের পর নারীদের জন্য আরও বেশি আসন থাকবে এবং তাদের মর্যাদা বাড়বে। তাই বিরোধীরা বিলটির বিরোধিতা করেছে। নারীরা কংগ্রেস এবং তার মিত্রদের ক্ষমা করবে না।”

‘দেশের নারীশক্তির আশীর্বাদ আমাদের সঙ্গেই রয়েছে’

জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যদিও আজ আমরা বিলটি পাশ করার জন্য প্রয়োজনীয় ৬৬ শতাংশ ভোট পাইনি। কিন্তু আমি জানি যে দেশের শতভাগ নারীশক্তির আশীর্বাদ আমাদের সঙ্গে রয়েছে। মহিলা সংরক্ষণের পথে থাকা প্রতিটি বাধা আমরা দূর করব। আমাদের সংকল্প অটল, আমাদের মনোবল দৃঢ়।”