WEATHER

Top News


কলকাতার স্বনামধন্য ‘ফ্রি উইংস আর্ট গ্যালারি’-তে সম্প্রতি সুন্দরবন আর্ট একাডেমির উদ্যোগে অত্যন্ত উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হলো তৃতীয় আন্তর্জাতিক শিল্প প্রদর্শনী। এই বিশেষ আয়োজনে নবীন ও ক্ষুদে শিল্পীদের আঁকা চমৎকার সব ছবি স্থান পাওয়ায় শিল্পপ্রেমী মহলে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।


কাকদ্বীপ থেকে আগত রুম্পা মাইতি ও তাঁর মেয়ে অদৃতি মাইতি মতো বহু প্রতিভাবান শিল্পীর অংশগ্রহণ অনুষ্ঠানটিকে সমৃদ্ধ করেছে।প্রদর্শনীতে মেয়ের ছবি স্থান পাওয়ায় আনন্দে আপ্লুত পরিবার ও এলাকাবাসী।মেয়ের এই শিল্পচর্চার অগ্রযাত্রায় সকলের আশীর্বাদ ও শুভকামনা প্রার্থনা করেছেন তাঁর পরিবার। 


উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান আকর্ষণ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বখ্যাত শিল্পী শ্রী তারক গড়াই মহাশয়, বিমান নাগ, শম্পা নাগ এবং কাজল ভট্টাচার্য ভদ্রী মহাশয়ার মতো শিল্প জগতের বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। তাঁদের উপস্থিতি অনুষ্ঠানটিকে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দেয়। সমগ্র অনুষ্ঠানটির সফল আয়োজনের জন্য উদ্যোক্তা তথা শিল্পী দেবরাজ বেরার প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা জ্ঞাপন করেছেন অংশগ্রহণকারীদের অভিভাবকরা। শিল্পের আলোয় আয়োজিত এই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী কলকাতার সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এক নতুন অনুপ্রেরণার সৃষ্টি করেছে এবং আগামী দিনে তরুণ শিল্পীদের আরও দূর এগিয়ে যাওয়ার পথ প্রশস্ত করবে বলে মনে করছেন বিশিষ্টজনেরা।

মগরাহাট পশ্চিমের দুই তৃণমূল নেতাকে আগ্নেয়াস্ত্র-সহ গ্রেফতার করল পুলিশ। ধৃতদের নাম রিপন শেখ ও সঞ্জীব মণ্ডল। পুলিশ সূত্রে খবর, ২০২০ সালের ১০ ডিসেম্বর শিরাকোলে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার কনভয়ে হামলার ঘটনায় এই দুই নেতার যোগের অভিযোগ রয়েছে। 


সম্প্রতি খুনের চেষ্টার মামলায় এই দুই নেতাকে গ্রেফতার করা হয়। ওই হামলার তদন্তে নেমে তাঁদের বিরুদ্ধে তথ্য হাতে আসে পুলিশের। পরে আগ্নেয়াস্ত্র-সহ তাঁদের গ্রেফতার করা হয়। ধৃত দু’জনকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। 



তাঁদের বিরুদ্ধে এলাকায় বাইক বাহিনী নিয়ে সন্ত্রাস চালানোর অভিযোগও রয়েছে। নাড্ডার কনভয় হামলার ঘটনায় তাঁদের ঠিক কী ভূমিকা ছিল, অস্ত্রগুলি কোথা থেকে এল এবং অন্য কারও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

আসন্ন ২০২৭ সালের ঐতিহ্যবাহী গঙ্গাসাগর মেলাকে সর্বাঙ্গীন সফল, নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল করে তুলতে ইতিমধ্যে কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে প্রশাসন। রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর এটিই নতুন সরকারের পরিচালনায় প্রথম গঙ্গাসাগর মেলা। শুধু তাই নয়, বর্তমান সরকারের বিশেষ উদ্যোগে এই মেলা এবার আন্তর্জাতিক মেলার স্বীকৃতি পেতে চলেছে—এমন ইঙ্গিত মিলতেই উন্মাদনা ও তৎপরতা দ্বিগুণ হয়েছে।

এই বিশেষ প্রেক্ষাপটে আজ দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা গঙ্গাসাগরের ভাঙনবিধ্বস্ত সমুদ্র সৈকত এবং মেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল স্থান সরেজমিন পরিদর্শন করলেন।এদিন সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ লাইন ডিপার্টমেন্টের শীর্ষ আধিকারিকরা প্রথমে কচুবেড়িয়া পয়েন্ট ঘুরে দেখেন এবং সেখানে যাতায়াত ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখেন। এরপর তারা সরাসরি গঙ্গাসাগর পয়েন্টে পৌঁছে ঐতিহাসিক কপিল মুনির আশ্রম সংলগ্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। সাম্প্রতিক সময়ে সমুদ্রের আগ্রাসী রূপের কারণে ১ নম্বর থেকে ৬ নম্বর স্নানঘাট পর্যন্ত যে লাগাতার ভয়ংকর ভাঙন দেখা দিয়েছে, সেই ভাঙন পরিস্থিতি স্বচক্ষে দেখেন এবং বিশেষজ্ঞদের সাথে আলোচনা করেন আধিকারিকেরা। সৈকত রক্ষা ও পুণ্যার্থীদের সুরক্ষাই যে এই মুহূর্তে প্রশাসনের প্রধান অগ্রাধিকার, তা তাদের পরিদর্শনে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।



 সৈকত ও বিভিন্ন পয়েন্ট পরিদর্শনের পর সাগরের বিডিও অফিসে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রশাসনিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তৃণমূল সরকার একটানা ১৫ বছর গঙ্গাসাগর মেলা পরিচালনা করার পর রাজ্যে নতুন সরকার গঠিত হয়েছে। নতুন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অনুষ্ঠিত এই প্রথম গঙ্গাসাগর মেলা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা প্রশাসনের কাছে যেমন একটি বড় চ্যালেঞ্জ, তেমনই এটি একটি মর্যাদার লড়াইও বটে। মেলার প্রস্তুতিতে যাতে কোনো রকম ফাঁকফোকর বা খামতি না থাকে, সেদিকে কড়া নজর রাখা হচ্ছে।প্রতিবছর দেশ-বিদেশ থেকে লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থী এই মেলায় অংশ নিতে আসেন। এ বছর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির সম্ভাবনা থাকায় ভিড় আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই পুণ্যার্থীরা যাতে কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই অত্যন্ত সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে পবিত্র স্নান সেরে নিরাপদে নিজেদের বাড়ি ফিরতে পারেন, তার জন্য একাধিক নতুন, আধুনিক ও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে প্রশাসন। সবমিলিয়ে, আগামী ২০২৭ সালের গঙ্গাসাগর মেলাকে এক ঐতিহাসিক ও আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে এখন থেকেই চরম ব্যস্ততা ও তৎপরতা শুরু হয়েছে জেলা প্রশাসনের অন্দরে।

আগামী উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের মনোবল বাড়াতে এবং তাদের সাফল্যের কামনায় অভিনক উদ্যোগ নেওয়া হলো গঙ্গাসাগরে

২০২৬ সালের শিক্ষাবর্ষের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াতে বিশেষ উদ্যোগ নেন ১৩২ নম্বর সাগর বিধানসভার বিধায়ক সুমন্ত মণ্ডল এবং ভারতীয় জনতা পার্টির মণ্ডল -৪ নেতৃবৃন্দ।আজ গঙ্গাসাগরের নটেন্দ্রপুর নটেন্দ্রনাথ হাই স্কুলের পরীক্ষার্থীদের হাতে জলের বোতল ও পেন তুলে দেন তাঁরা। 

পরীক্ষার দিনগুলিতে যাতে ছাত্রছাত্রীদের কোনো রকম অসুবিধা না হয় এবং তারা হাসিমুখে পরীক্ষা দিতে পারে, সেই উদ্দেশ্যে এই শুভকামনা জানানো হয়। বিধায়কের এই ধরনের উৎসাহব্যঞ্জক পদক্ষেপে খুশি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।


বিশ্বকর্মা পুজোর রাত থেকে নিখোঁজ ছিলেন এক যুবক। আজ সব সকালে মহেশতলা পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের লালাবাগান এলাকায় একটি জলের সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে উদ্ধার হল তাঁর পচাগলা দেহ। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য, নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

মৃত যুবকের নাম রিতেশ মান্না, বয়স ৩৪ বছর। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বিশ্বকর্মা পুজোর রাত থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজির পরও তাঁর কোনও সন্ধান পাওয়া যায়নি। অবশেষে লালাবাগান এলাকায় একটি সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় রবীন্দ্রনগর থানার পুলিশ। পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে। 
কীভাবে ওই যুবকের মৃত্যু হল এবং কীভাবে তাঁর দেহ সেপটিক ট্যাঙ্কে পৌঁছল, তা খতিয়ে দেখছে রবীন্দ্রনগর থানার পুলিশ। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে আসার পরই স্পষ্ট হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।


ডায়মন্ড হারবার:আঁকা শেখানোর নাম করে দুই নাবালিকার যৌন হেনস্থার অভিযোগ, গ্রেফতার বিজেপি নেতা অঙ্কন শিক্ষক

ডায়মন্ড হারবার: আঁকা শেখানোর নাম করে দুই নাবালিকা ছাত্রীর যৌন হেনস্থার অভিযোগ উঠল এক অঙ্কন শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার পুরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে। ধৃত অঙ্কন শিক্ষক প্রবীর হালদার। এলাকায় তিনি বিজেপি নেতা হিসেবে পরিচিত বলে জানা গিয়েছে। শনিবার নাবালিকাদের পরিবারের তরফে ডায়মন্ড হারবার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে প্রবীর হালদারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। রবিবার ধৃতকে আদালতে পেশ করা হবে।
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, নিজের বাড়িতেই ছবি আঁকা শেখানোর স্কুল খুলেছিলেন প্রবীর হালদার। এলাকার বেশ কয়েকজন পড়ুয়া তাঁর কাছে ছবি আঁকা শিখতে যেত। প্রতি রবিবার দুই নাবালিকাও তাঁর বাড়িতে আঁকা শিখতে যেত বলে পরিবারের দাবি। অভিযোগ, আঁকা শেখানোর সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ওই দুই নাবালিকাকে দীর্ঘদিন ধরে যৌন হেনস্থা করেছেন অভিযুক্ত শিক্ষক।
পরিবারের দাবি, প্রথম দিকে ভয়ে এবং আতঙ্কে কাউকে কিছু জানাতে পারেনি দুই নাবালিকা। ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আনতে পারেনি তারা। পরে সাহস করে পরিবারের সদস্যদের কাছে বিষয়টি জানায় দুই নাবালিকা। তাদের কাছ থেকে ঘটনার কথা জানতে পেরেই বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসেন পরিবারের সদস্যরা। এরপরই অভিযুক্ত অঙ্কন শিক্ষক প্রবীর হালদারের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়।
শনিবার লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পরই তদন্তে নামে ডায়মন্ড হারবার থানার পুলিশ। অভিযুক্তের বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এদিকে, অভিযোগের বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়তেই উত্তেজনা তৈরি হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ অভিযুক্তের বাড়ির সামনে জড়ো হন বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি যাতে নিয়ন্ত্রণের বাইরে না যায়, তার জন্য ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি সামাল দেয় পুলিশ। পরে পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রবীর হালদারকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতের বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে শুরু হয়েছে তদন্ত। দুই নাবালিকার বয়ান, পরিবারের অভিযোগ এবং ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত অন্যান্য তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে যুক্ত আরও কোনও তথ্য বা প্রমাণ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
ডায়মন্ড হারবারের এসডিপিও বিজয় যাদব জানিয়েছেন, প্রবীর হালদার নিজের বাড়িতেই ছবি আঁকা শেখাতেন। প্রতি রবিবার দুই নাবালিকা তাঁর কাছে ছবি আঁকা শিখতে যেত। পরিবারের তরফে দীর্ঘদিন ধরে যৌন হেনস্থার অভিযোগ করা হয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতের বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা রুজু হয়েছে।
অন্যদিকে, অভিযুক্ত প্রবীর হালদার বিজেপির সঙ্গে যুক্ত বলে স্থানীয় সূত্রে দাবি করা হয়েছে। তাঁকে গ্রেফতারের পরেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তবে পুলিশের তদন্তের মূল বিষয় হল নাবালিকাদের করা অভিযোগ এবং তার সত্যতা যাচাই। অভিযুক্তের রাজনৈতিক পরিচয়কে কেন্দ্র করে যে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে, তা তদন্তের বিষয় নয় বলেই পুলিশ সূত্রে ইঙ্গিত।

অভিযোগ সামনে আসার পর এলাকার অভিভাবকদের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। যে বাড়িতে পড়ুয়ারা ছবি আঁকা শিখতে যেত, সেখানে এমন গুরুতর অভিযোগ ওঠায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে শিশু ও নাবালিকাদের নিরাপত্তা নিয়ে। পরিবারের অভিযোগ, ভয় এবং আতঙ্কের কারণে এতদিন বিষয়টি প্রকাশ্যে আসেনি। পরে নাবালিকারা পরিবারের কাছে বিষয়টি জানালে পুরো ঘটনা সামনে আসে।
তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, অভিযোগের সময়কাল কতদিনের এবং দীর্ঘদিন ধরে এমন কোনও ঘটনা ঘটেছিল কি না। পাশাপাশি ওই অঙ্কন শিক্ষকের কাছে অন্য কোনও পড়ুয়া একই ধরনের সমস্যার মুখে পড়েছিল কি না, সেই বিষয়টিও তদন্তের আওতায় আসতে পারে। যদিও তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।
ইতিমধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রবিবার তাঁকে আদালতে পেশ করা হয়েছে।

পরিচ্ছন্ন ও সবুজ পরিবেশ গড়ার বার্তা নিয়ে আজ সফলভাবে সম্পন্ন হলো 'স্বচ্ছ সাগর সুরক্ষিত সাগর' কর্মসূচির অন্তিম তথা সমাপনী দিন। এদিন রাজ্যের বন ও পরিবেশ দপ্তরের মন্ত্রী মনোজ কুমার ওরাওঁ গঙ্গাসাগর সমুদ্র সৈকতে নেমে নিজে হাতে সাফাই অভিযান পরিচালনা করেন। পরিবেশ রক্ষা এবং উপকূল অঞ্চলকে প্লাস্টিক ও জঞ্জালমুক্ত রাখার আহ্বানে এদিনের কর্মসূচি এক বিশেষ তাৎপর্য লাভ করে।


এদিন সকালে গঙ্গাসাগরে পৌঁছে প্রথমে ঐতিহ্যবাহী কপিলমুনির আশ্রমের সামনে যোগাভ্যাসে অংশ নেন পরিবেশমন্ত্রী মনোজ কুমার ওরাওঁ। মন ও শরীর সুস্থ রাখার পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি। যোগা পর্ব শেষে তিনি সরাসরি চলে যান সমুদ্র সৈকতে। সেখানে কোমর বেঁধে সৈকত সাফাই অভিযানে অংশ নেন মন্ত্রী। সমুদ্র সৈকতে পড়ে থাকা প্লাস্টিক ও অন্যান্য আবর্জনা পরিষ্কার করে স্থানীয় মানুষ ও পর্যটকদের সচেতনতার বার্তা দেন তিনি।সৈকত সাফাইয়ের পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ম্যানগ্রোভ রোপণ কর্মসূচিতেও অংশ নেন পরিবেশমন্ত্রী মনোজ কুমার ওরাওঁ।উপকূলবর্তী এলাকার ভাঙ্গন রোধ এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের মোকাবিলায় ম্যানগ্রোভ অরণ্যের গুরুত্ব অপরিসীম।মন্ত্রী নিজ হাতে চারাগাছ রোপণ করে সবুজায়নের এই উদ্যোগকে এগিয়ে নিয়ে যান। গত ১২ সেপ্টেম্বর দীঘায় মুখ্যমন্ত্রী এই প্রকল্পের শুভ সূচনা করেছিলেন।এদিনের এই গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে মন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সাগরের বিধায়ক সুমন্ত মন্ডল। 


পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন রাজ্য প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরা, যাদের মধ্যে এসডিও , এসডিপিও, বিডিও, গঙ্গাসাগর কোস্টাল থানার ওসি সহ বিভিন্ন দপ্তরের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করেন। প্রশাসনের এমন যৌথ উদ্যোগে এই কর্মসূচি এক সফল রূপ নেয়।
পরিবেশপ্রেমী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, মন্ত্রীর এই সশরীরে উপস্থিতি এবং পরিচ্ছন্নতার বার্তা আগামী দিনে গঙ্গাসাগর এবং সংলগ্ন উপকূলীয় অঞ্চলগুলিকে আরও বেশি প্লাস্টিকমুক্ত ও সুন্দর রাখতে সাহায্য করবে।


আগামীকাল অর্থাৎ শনিবার গঙ্গাসাগর চত্বরে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং পরিচ্ছন্নতার বার্তা দিতে ঝাঁটা হাতে সাফাই অভিযানে নামতে চলেছেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বন ও পরিবেশ দপ্তরের মন্ত্রী মনোজ কুমার ওরাওঁ। এই কর্মসূচিকে সফল করতে আজ শুক্রবারই গঙ্গাসাগরে এসে পৌঁছেছেন তিনি। 

স্থানীয় নেত্রীবৃন্দ ও দলীয় নেতৃত্বকে নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকও করেন মন্ত্রী। বৈঠকে আগামীকালকের সাফাই অভিযানের রূপরেখা এবং প্রশাসনিক প্রস্তুতি নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়।


 প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, পর্যটন কেন্দ্র ও তীর্থক্ষেত্র হিসেবে গঙ্গাসাগরকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতেই মন্ত্রীর এই বিশেষ উদ্যোগ।স্থানীয় প্রশাসন ও এলাকাবাসীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এই কর্মসূচি এক সফল রূপ নেবে বলেই আশা করা হচ্ছে।

দেশজুড়ে পরিবেশ সচেতনতা এবং উপকূল পরিষ্কার রাখার বার্তা নিয়ে শুরু হওয়া সাত দিনব্যাপী বিশেষ কর্মসূচি "স্বচ্ছ সাগর সুরক্ষিত সাগর"-এর অঙ্গ হিসেবে আজ গঙ্গাসাগরে অনুষ্ঠিত হলো জমজমাট "মহাসাগর কুইজ অলিম্পিয়াড"। ১২ তারিখে শুভ সূচনার পর, এই কর্মসূচির ষষ্ঠ দিনে এসে ছাত্রছাত্রীদের ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেল। 


এদিনের এই বিশেষ কুইজ প্রতিযোগিতায় এলাকার মোট পাঁচটি স্বনামধন্য স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা অংশগ্রহণ করে নিজেদের মেধার পরিচয় দেন। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর প্রকাশিত ফলাফলে কুইজ প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করার গৌরব অর্জন করেছে মনসা দ্বীপ রামকৃষ্ণ মিশন। পাশাপাশি, অত্যন্ত কৃতিত্বের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে শ্রীধাম গঙ্গাসাগর


 স্বামী কপিলানন্দ বিদ্যাভবন হাই স্কুল। বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারী ছাত্রছাত্রীদের হাতে বিশেষ সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সমুদ্র সংরক্ষণ ও পরিচ্ছন্নতার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তোলার এই মহতী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাগর ব্লকের বিডিও অনন্ত কুমার গোস্বামী।এছাড়াও এদিনের অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জয়েন্ট বিডিও, বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা এবং স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের বিশিষ্ট প্রতিনিধি দল। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাত দিনব্যাপী এই বহুমুখী কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য হলো সাধারণ মানুষ ও ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে পরিবেশ রক্ষার অভ্যাস গড়ে তোলা। এদিনের মহাসাগর কুইজ অলিম্পিয়াড সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় খুশি শিক্ষক মহল ও অভিভাবকরা।


দুর্গাপূজার অনুপস্থিতি ঢাকতে কোজাগরি লক্ষ্মীপুজোকেই শারদোৎসবের রঙে রাঙিয়ে তুললেন দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার গঙ্গাসাগরের সুদর্শন মোড়ের খান সাহেব আবাদ গ্রামের বাসিন্দারা। বিশ্বকর্মা পুজোর শুভলগ্নে জাগরণ কমিটির উদ্যোগে ও এলাকাবাসীর স্বতঃস্ফূর্ত সহযোগিতায় অত্যন্ত ধুমধাম ও আনন্দের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হলো এ বছরের লক্ষ্মীপুজোর খুঁটি পুজো। জানা গেছে, খান সাহেব আবাদ গ্রামে কোনো দুর্গাপূজার আয়োজন হয় না।


ফলে গ্রামের মানুষ প্রতিবছর শারদোৎসবের আনন্দ থেকে বঞ্চিত থাকেন। এই আক্ষেপ দূর করতেই গ্রামের সকলে মিলে চাঁদা তুলে কোজাগরি লক্ষ্মীপুজোকে দুর্গোৎসবের আকারে উদযাপন করার এক অনন্য নজির সৃষ্টি করেছেন।বিগত তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে চলে আসা এই পুজো এ বছর ৩৩তম বছরে পদার্পণ করল। গ্রামবাসীদের উৎসাহ উদ্দীপনা দেখে মনে হয় না এটি নেহাতই একটি লক্ষ্মীপুজো। পাঁচ দিন ব্যাপী চলা এই পূজোকে কেন্দ্র করে গোটা এলাকায় সাজো সাজো রব পড়ে যায়। 

দুর্গাপূজার আদলেই এখানে চোখ ধাঁধানো আলোকসজ্জা, শিশুদের বিনোদনের জন্য নাগরদোলা এবং হরেক রকমের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। পুজো কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রামের মানুষের ত্যাগে ও সহযোগিতায় এই পুজো আজ সার্বজনীন উৎসবে রূপ নিয়েছে। আজ খুঁটি পুজো সম্পন্ন হওয়ার মধ্যে দিয়েই আগামী উৎসবের কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গেল।ধর্মীয় আচার পালনের পাশাপাশি দুর্গোৎসবের আমেজে মেতে ওঠার এই অভিনব উদ্যোগ গোটা গঙ্গাসাগর অঞ্চলেই এক বিশেষ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।


দক্ষিণ ২৪ পরগনার নামখানার হাতানিয়া-দোহানিয়া ব্রিজে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল এক বাইক আরোহীর। মঙ্গলবার দুপুর পৌনে একটা নাগাদ ব্রিজের নামখানা প্রান্তে এই দুর্ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়।


পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কাকদ্বীপ থেকে বকখালির দিকে যাচ্ছিল দুটি বাইক। সেই সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বোলেরো গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পরপর দুটি বাইকে ধাক্কা মারে। একটি বাইকে ছিলেন এক দম্পতি এবং অন্য বাইকটিতে একাই ছিলেন এক ব্যক্তি।
সংঘর্ষের অভিঘাত এতটাই তীব্র ছিল যে, একাকী বাইক আরোহী ছিটকে ব্রিজ থেকে নিচের রাস্তায় পড়ে যান। দুর্ঘটনার বিকট শব্দে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁরা গুরুতর আহত অবস্থায় ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে দ্রুত দ্বারিকানগর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম শংকর মাইতি (৪৮)। তাঁর বাড়ি নামখানার চন্দনপিড়ি এলাকায়।
অন্যদিকে, দুর্ঘটনায় আহত বাইকে থাকা দম্পতির মধ্যে স্বামীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে কাকদ্বীপ মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। তাঁর স্ত্রীও আহত হয়েছেন, তবে তাঁর আঘাত তুলনামূলকভাবে সামান্য।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় নামখানা থানার পুলিশ। দুর্ঘটনার জেরে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল ব্যাহত হলেও পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে যান চলাচল স্বাভাবিক করে। দুর্ঘটনায় জড়িত বোলেরো গাড়িটিকে চিহ্নিত করে আটক করা হয়েছে। কীভাবে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারাল, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।


সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পুজো পরিচালনার বার্তা বিডিওর


সামনেই বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গোৎসব। দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই সাগরদ্বীপে শুরু হয়েছে প্রশাসনিক তৎপরতা। পুজো সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিয়ম মেনে পরিচালনার লক্ষ্যে সাগর ব্লকের বিডিও অফিসে দুর্গাপুজো কমিটিগুলিকে নিয়ে অনুষ্ঠিত হল বিশেষ প্রশাসনিক বৈঠক।

বৈঠকে সাগরদ্বীপের বিভিন্ন দুর্গাপুজো কমিটির পদাধিকারীদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন সাগর ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক অনন্ত কুমার গোস্বামী, সাগর থানার ওসি অর্পণ নায়ক, গঙ্গাসাগর কোস্টাল থানার ওসি পার্থ ঘোষ, সাগর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সাবিনা বিবি-সহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকরা।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবী রাজেশ জানা, অরুণাভ দাস, অনিতা প্রধান, বিকাশ কামিলা-সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

বৈঠকে দুর্গাপুজোর দিনগুলিতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখা, প্রশাসনিক সহযোগিতা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং পুজো কমিটিগুলির করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুজো কমিটিগুলিকে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে পুজো পরিচালনার পাশাপাশি উৎসবের দিনগুলিতে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার বার্তা দেওয়া হয়।
পুজো কমিটিগুলির পক্ষ থেকে বিভিন্ন বিষয় প্রশাসনের নজরে তুলে ধরা হয়। প্রশাসনের তরফে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাসও দেওয়া হয়।

বৈঠকের শেষে সাগর ব্লকের সমস্ত দুর্গোৎসব কমিটি এবং দ্বীপবাসীকে আগাম দুর্গাপুজোর শুভেচ্ছা জানান বিডিও অনন্ত কুমার গোস্বামী।

প্রশাসন ও পুজো কমিটিগুলির মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদার করে সাগরদ্বীপে নির্বিঘ্নে দুর্গোৎসব সম্পন্ন করাই এই বৈঠকের মূল লক্ষ্য বলে প্রশাসন সূত্রে জানা যায়।

বকখালি, ১৭ সেপ্টেম্বর: আন্তর্জাতিক উপকূল পরিষ্কার দিবস উপলক্ষে বকখালির সমুদ্রতটে বিশেষ সাফাই অভিযানের আয়োজন করা হয়। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের নেচার ক্লাব, রোটারি ক্লাব অফ কলকাতা যাদবপুর এবং হাওড়া বিজ্ঞান চেতনার যৌথ উদ্যোগে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। সহযোগিতায় ছিল ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ওশান টেকনোলজি (NIOT) এবং মিনিস্ট্রি অফ আর্থ সায়েন্সেস।

প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে চলা এই অভিযানে বকখালির প্রায় ৬০০ মিটার সমুদ্রতট পরিষ্কার করা হয়। সাফাই অভিযানে সমুদ্রতট থেকে প্রায় ৫৪৫ কেজি বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে ছিল সিঙ্গল-ইউজ প্লাস্টিক, বিভিন্ন ধরনের প্লাস্টিক সামগ্রী, রাবার, কাঠ, কাচ এবং মেডিক্যাল বর্জ্যসহ নানা ধরনের আবর্জনা।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের নেচার ক্লাবের আহ্বায়ক ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক পুনর্বসু চৌধুরী। উপস্থিত ছিলেন ড. পৃথা বন্দ্যোপাধ্যায়, মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক অলক শীল এবং জেনেটিক্স বিভাগের অধ্যাপক দীপঙ্কর চক্রবর্তী। নামখানার BDO ও SDO অফিসের পক্ষ থেকেও সহযোগিতা করা হয়।
লক্ষ্মীপুর প্রবর্তক স্কুলের ছাত্রছাত্রীরাও এই অভিযানে সক্রিয়ভাবে অংশ নেয়। সংগৃহীত বর্জ্য পৃথকীকরণ করে পুনর্ব্যবহারযোগ্য অংশ রিসাইক্লিংয়ের জন্য পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।

আয়োজকদের বক্তব্য, উপকূল ও সামুদ্রিক পরিবেশকে দূষণমুক্ত রাখতে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো জরুরি। এই ধরনের সম্মিলিত উদ্যোগ পরিবেশ সংরক্ষণে মানুষের অংশগ্রহণ আরও বাড়াবে।

বকখালি থেকে মুন্না সর্দারের রিপোর্ট কাকদ্বীপ ডট কম