August 2020
শেষমেশ থেমে গেল লড়াই। সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টা নাগাদ পুত্র অভিজিত্ মুখোপাধ্যায় টুইট করে জানালেন, বাবা আর নেই। কয়েক দিনের রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে শেষমেশ হার মানলেন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। প্রাক্তন রাষ্ট্রপতির মৃত্যুতে ৭ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে কেন্দ্রের তরফে।

আজ সকালেই সেনা হাসপাতাল তরফে মেডিক্যাল বুলেটিন জারি করে জানানো হয়, আরও অবস্থার অবনতি হয়েছে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতির। আগেই গভীর কোমায় চলে গিয়েছিলেন তিনি। দেওয়া হয় ভেন্টিলেটর সাপোর্ট। বাড়তে থাকে ফুসফুসের সংক্রমণও। গত শনিবার মেডিক্যাল বুলেটিনে প্রণবের সামান্য উন্নতির কথা শুনিয়েছিলেন চিকিত্সকরা। সে দিন হাসপাতাল তরফে জানানো হয়েছিল, কিডনি আগের তুলনায় ভাল কাজ করছে। শরীরের রক্ত সঞ্চালন স্থিতিশীল।
গত ৯ অগস্ট বাড়ির বাথরুমে পড়ে গিয়ে মাথায় চোট পান প্রণব মুখোপাধ্যায়। তারপরই দিল্লির কনটেনমেন্ট সেনা হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করানো হয়। করোনা পরীক্ষা করানো হলে পজেটিভ রিপোর্ট আসে। টুইটারে সে রিপোর্ট জানিয়ে তাঁর সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের সতর্কও করে দেন তিনি। এরপর মাথায় অস্ত্রোপচার হয় তাঁর। তারপর থেকেই কোমায় আচ্ছন্ন ছিলেন প্রণব মুখোপাধ্যায়। তাঁর মৃত্যুতে শোকমগ্ন গোটা দেশ।
প্রণবের মৃত্যুতে কার্যত পিতৃহারা বীরভূমের কীর্ণাহার। এই গ্রামের মেঠো পথ, ভাঙা সাঁকো পেরিয়ে সোজা রাষ্ট্রপতি ভবন, এক দীর্ঘ বর্ণময় জীবন রেখে গেলেন কীর্ণাহারের আদরের পল্টু। জন্ম ১৯৩৫ সালে ১১ ডিসেম্বর। বাবা কামদা কিঙ্কর মুখোপাধ্য়ায় ছিলেন স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন সক্রিয় কর্মী। পরবর্তীকালে পশ্চিমবঙ্গের বিধান পরিষদের সদস্যও ছিলেন। সেই সূত্রেই প্রণবের রাজনীতির হাতেখড়ি ঘর থেকেই।
১৯৬৯ সালে মেদিনীপুর বাই ইলেকশনে প্রচারের জোরে প্রণব মুখোপাধ্যায় একা হাতে জিতিয়ে দিয়েছিলেন ভি কে কৃষ্ণ মেননকে। তারপরই ইন্দিরা গান্ধীর নজরে আসেন প্রণব মুখোপাধ্যায়। কার্যত ইন্দিরা গান্ধী হাত ধরেই  জাতীয় কংগ্রেসে প্রবেশ তাঁর। তারপর ১৯৬৯ থেকে ২০০২ টানা রাজ্যসভার সদস্য বাংলার প্রণব মুখোপাধ্যায়। ইন্দিরা ঘনিষ্ঠ প্রণব মুখোপাধ্যায় ১৯৭৩ সালে ইন্দিরা ক্যাবিনেটের কেন্দ্রীয় ডেপুটি শিল্প উন্নয়ন মন্ত্রী ছিলেন।
১৯৭৫-৭৭ যখন দেশে এমারজেন্সি তখনও ইন্দিরা ক্যাবিনেটে সক্রিয় ছিলেন তিনি। ১৯৭৭ সালে দেশে ক্ষমতা বদলের পর "জনতা সরকার" শাহ কমিশন নিযুক্ত করে সেখানেও নাম জড়িয়েছিল তাঁর।  ১৯৭৯ সালে রাজ্য়সভায় ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের ডেপুটি নেতা হন প্রণব মুখোপাধ্যায়। ১৯৮০ সালে জাতীয় কংগ্রেসের রাজ্যসভার প্রধান নেতা।

১৯৮২ থেকে ৮৪, একাধিক ক্য়াবিনেট পদের পরে অর্থমন্ত্রী হন প্রণব মখোপাধ্যায়। তাঁর আমলেই ভারতের প্রথম IMF লোনের শেষ কিস্তি চুকিয়েছিল ভারত। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর হিসেবে মনমোহনের নিযুক্তিপত্রে সই করেছিলেন তৎকালীন অর্থমন্ত্রী প্রণব মুখোপাধ্যায়।
ইন্দিরা গান্ধীর মৃত্যুর পর কোণঠাসা হয়ে পড়েছিলেন প্রণব মুখোপাধ্যায়। তিনি রাজীব গান্ধীর থেকে অনেক অভিজ্ঞ হওয়া সত্ত্বেও দায়িত্ব নিয়েছিলেন ইন্দিরা পুত্র। রাজীব আমলে ক্যাবিনেট থেকে বাদ পড়েন তিনি, তাঁকে পাঠানো হয় পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস সামলাতে।
১৯৮৬ সালে নিজের দল প্রতিষ্ঠা করেন প্রণব মুখোপাধ্যায়। নাম দেন রাষ্ট্রীয় সমাজবাদী কংগ্রেস। তিন বছর পরেই ১৯৮৯ সালে রাজীব গান্ধীর মধ্যস্থতায় ফের জুড়ে যায় দুই কংগ্রেস। ঘরওয়াপসি হয় তাঁর। পরে প্রণব মুখোপাধ্যায়কে তাঁর প্রধানমন্ত্রী হওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করলে তাঁর উত্তর ছিল, "৭, আরসিআর কখনওই আমার গন্তব্য ছিল না।" ৭ আরসিআর প্রধানমন্ত্রী বাসভবনের ঠিকানা।
রাজীব গান্ধী মৃত্যুর পর ১৯৯১ সালে ফের বদল আসে তাঁর রাজনৈতিক জীবনে। নরসীমা রাওর আমলে ক্যাবিনেট মন্ত্রী হিসাবে ইন্ডিয়ান প্ল্যানিং কমিশনের ডেপুটি চেয়ারম্যান ছিলেন প্রণব মুখোপধ্যায়। নরসীমার সময়েই ১৯৫৫ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত বিদেশমন্ত্রকের দায়িত্বভার সামলেছেন তিনি।
সোনিয়া গান্ধী কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট হওয়ার সময় ১৯৯৮ থেকে ১৯৯৯ সারা ভারত জাতীয় কংগ্রেসের জেনারেল সেক্রেটারি ছিলেন প্রণব মুখোপাধ্যায়। ২০০০ সালে ফের পশ্চিমবঙ্গ কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট হন প্রণব তিনি। তারপর টানা ১০ বছর বহাল ছিলেন এই পদে। জঙ্গীপুর লোকসভা থেকে জিতে ২০০৪ সালে লোকসভার নেতা হন প্রণব মুখোপাধ্যায়। ২০০৯ সালে ফের সেই কেন্দ্র থেকে জেতেন তিনি।  ২০০৪ সালেই লোকমুখে ছড়িয়ে পড়েছিল প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন প্রণব মুখোপাধ্যায়, কিন্তু সোনিয়া গান্ধীর কংগ্রেস থেকে প্রধানমন্ত্রী হন মনমোহন।
মনমোহন জমানায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দফতর সামলেছেন প্রণব মুখোপাধ্যায়। প্রতিরক্ষা, ফের অর্থ এবং বিদেশ মন্ত্রী ছিলেন তিনি। ২০১২ সালে সক্রিয় রাজনীতি ছেড়ে রাষ্ট্রপতি ২৫ জুলাই রাষ্ট্রপতি হন প্রণব মুখোপাধ্যায়। ২০১৭ সালের ২৫ জুলাই মেয়াদ শেষ হয় তাঁর নতুন রাষ্ট্রপতি হন রাম নাথ কোবিন্দ।
চরিত্রগত দিক থেকে থেকে কোভিড-১৯-এর সঙ্গে কিছুটা মিল আছে। রুপোলি পর্দার নায়ক থেকে খেলোয়াড় কিংবা রাজনৈতিক নেতা, কাউকেই পরোয়া করে না কর্কট নামক মারণ রোগ। নভেল করোনা ভাইরাসের সঙ্গে তার প্রধান তফাত এটি ছোঁয়াচে নয়। অসুখটির নাম ক্যানসার। সঞ্জয় দত্ত থেকে শুরু করে ঋষি কপূর কিংবা সেই মানুষটি, যিনি  প্রযুক্তিকে হাতের মুঠোয় করে রেখেছিলেন সেই স্টিভ জোবসও ক্যানসারের কাছে হার মেনেছেন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেবে ২০১৮ সালে বিশ্বের ৯.৬ মিলিয়ন মানুষ ক্যানসারের কবলে প্রাণ হারিয়েছেন। প্রত্যেক বছর নতুন করে ক্যানসার আক্রান্ত হচ্ছেন তিন লক্ষ মানুষ।
কিন্তু রোজের জীবনযাত্রায় কিছুটা রদবদল করতে পারলে দূরে সরিয়ে রাখা যায় ক্যানসারকে। এই মারাত্মক অসুখ প্রতিরোধ করার উপায় সম্পর্কে বরাবর সাধারণ মানুষকে সচেতন করার চেষ্টা করেছিলেন ক্যানসার চিকিৎসক আশিস মুখোপাধ্যায়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এই কর্কট রোগের কাছে হেরে যান তিনি নিজেও।
কিছু কিছু খাবার আছে যেগুলি ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে, অন্য দিকে বেশ কিছু খাবার ক্যানসারের বিরুদ্ধে জোরদার প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারে।
প্রাচীন ধারণা, নিরামিষ খাবার শরীর সুস্থ রাখতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নেয়। পুষ্টি বিজ্ঞানীরাও আজ সে কথা মানেন। ডায়েটিশিয়ান ইন্দ্রাণী ঘোষ জানালেন, উদ্ভিজ্জ খাবারে আছে পর্যাপ্ত ফাইবার,  অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট এবং ফাইটোকেমিক্যালস। টাটকা ফল সবজিতে থাকা এই সব উপকারি উপাদান ক্যানসারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার পাশাপাশি ক্যানসার রুখে দিতে পারে বলে জানালেন ইন্দ্রাণী। তবে বোতলবন্দি ফলের রস বা  প্যাকেটজাত মিষ্টির রসে ভরা ফল না খেয়ে টাটকা তাজা ফল ও সবজি খাওয়া উচিত। পেয়ারা, আম, জাম, আপেল, কলা-সহ যে কোনও টাটকা ফলমূল ও বিট, কুমড়ো, টোম্যাটো, ঢেঁড়সের মত সব্জি রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার করতে সাহায্য করে।
ক্যানসার প্রতিরোধ সহ আমাদের সামগ্রিক ভাবে ভাল রাখতে সাহায্য করে এমন কিছু ফল ও সবজি সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক। অবশ্য তালিকা মিলিয়ে নিয়ম করে প্রত্যেক দিনই যে এসব সবজি ও ফল খেতে হবে তা নয়, চেষ্টা করবেন রোজের খাবারের তালিকায় মরসুমি সবজি ও ফল রাখার।

যেমন-

কলা- বছরভর পাওয়া যায়। অন্য কোনও শারীরিক সমস্যা না থাকলে রোজ কলা খাওয়া যেতে পারে। সেলেনিয়ামের সক্রিয় যৌগের এক শক্তিশালি উৎস এই ফল। রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে মজবুত করার পাশাপাশি ক্যানসার কোষ বিনষ্ট করতে পারে ।

আপেল- দাম বেশি হলেও সারা বছরই এই ফল বাজারে মিলবে। এতে আছে প্রোসায়ানিডিনস, যা ক্যানসার প্রতিরোধ করতে কার্যকর।

ডালিম বা বেদানা- থাকে ফলিফেনল নামে এক যৌগ, যা ক্যানসার সৃষ্টকারী কোষ ধ্বংস করতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিতে পারে।  

কালো আঙুর- আছে রেসভেরাট্রল, যা ক্যানসারের ঝুঁকি কমিয়ে সামগ্রিক ভাবে সুস্থ থাকতে সাহায্য করে।

কমলালেবু- একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ক্যানসার ফাইটার। কমলালেবুর কোয়ায় থাকা ২_হাইড্রক্সিফ্ল্যাভনয়েড (২_এইচএফ) স্তন ও ফুসফুস ক্যানসার কোষ ধ্বংস করতে কার্যকর ভূমিকা নেয়।

টোম্যাটো- লাইকোপিন নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যানসারের মহা শত্রু। তাই রোজকার ডায়েটে টোম্যাটো রাখতে ভুলবেন না।  

ব্রকোলি- আদতে বিলিতি এই সব্জি এখন আমাদের দেশেও সুলভ। এই সবুজ রঙের সব্জিটি ইনডোল-৩ কারবিনোল নামক ফাইটোকেমিক্যালসের এক অন্যতম ভাণ্ডার। এই উপাদানটি ক্যানসার কোষ ধ্বংস করতে পারে।

বিট- এতে আছে পর্যাপ্ত পরিমাণে বিটা সায়ানিন। যা ক্যানসারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নেয়।

নটে শাক- যার বিজ্ঞানসম্মত নাম অ্যামারান্থাস ভিরিডি‌ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ক্যানসাররোধক।

তবে শুধু ক্যানসার রোধক খাবার খেলেই চলবে না, সিগারেট সহ তামাককে জীবন থেকে বিদায় জানাতে হবে। ওজন ঠিক রাখতে নিয়ম করে শরীরচর্চা করা জরুরি, মন ভাল রাখতেই হবে। মানসিক চাপ ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়। মন ভাল রেখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্যানসার ও নভেল করোনা সহ অসুখ-বিসুখ দূরে সরিয়ে রেখে সুস্থ ভাবে বাঁচুন।

হোটেলের ঘর পছন্দ না হওয়ার কারণেই কি সংযুক্ত আরব আমিরশাহি থেকে দেশে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সুরেশ রায়না? এমন খবরই ছড়িয়েছে ক্রিকেটমহলে।
চেন্নাই সুপার কিংসের সিইও কেএস বিশ্বনাথন টুইট করে জানিয়েছিলেন যে, ব্যক্তিগত কারণে দেশে ফিরে যাচ্ছেন রায়না। পরিষ্কার করে কোনও কারণ সেখানে জানানো হয়নি। পরে জানা যায়, পঞ্জাবে দুষ্কৃতীদের হাতে প্রাণ হারিয়েছেন রায়নার কাকা। তখন মনে করা হচ্ছিল, এই কারণেই দেশে ফিরে এসেছেন তিনি। পরবর্তীকালে আবার রায়নার একটি মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে। তাতে তিনি বলেছিলেন যে, সন্তানদের জীবন তাঁর কাছে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কোভিড পরিস্থিতিতে উদ্বিগ্ন হয়ে তিনি দেশে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন বলে মনে করা হয় তখন।
এখন আবার অন্য একটি কারণ সামনে এসেছে। এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, দুবাইয়ের হোটেলে তাঁর জন্য বরাদ্দ ঘর পছন্দ হয়নি রায়নার। সেই ঘরে কোনও ব্যালকনি ছিল না। ব্যালকনি না থাকায় রায়নার নাকি অসুবিধা হচ্ছিল। সিএসকে অধিনায়ক মহেন্দ্র সিংহ ধোনিকে যেমন ঘর দেওয়া হয়েছিল, ঠিক তেমনই ঘর নাকি চেয়েছিলেন রায়না। আর এই ঘটনার জেরেই নাকি আইপিএল না খেলার সিদ্ধান্তে পৌঁছন রায়না।
চেন্নাই সুপার কিংস দলের মালিক ও প্রাক্তন বোর্ড প্রেসিডেন্ট এন শ্রীনিবাসন রায়নার ফিরে আসার ঘটনায় অসন্তুষ্ট, তা বুঝিয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “অনিচ্ছুক কাউকে আটকে রাখার বিরোধী আমি। আমি কাউকে জোর করে কিছু করাই না। আর কখনও কখনও সাফল্যে মাথা ঘুরে যায়। চেন্নাই সুপার কিংস একটা পরিবারের মতো। এখানে সমস্ত সিনিয়র ক্রিকেটারকেই একসঙ্গে থাকা শিখতে হয়। আর রায়না নিশ্চিত ভাবেই উপলব্ধি করবে যে কত টাকা ও হারাতে চলেছে।” প্রসঙ্গত, প্রতি মরসুমে সিএসকে থেকে ১১ কোটি টাকা পান রায়না।
শিবিরে করোনার হানা সত্ত্বেও পরিস্থিতি অধিনায়ক মহেন্দ্র সিংহ ধোনির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছেন শ্রীনিবাসন। তিনি বলেছেন, “ধোনির সঙ্গে কথা হয়েছে। উদ্বেগের কারণ নেই বলে জানিয়েছে ও। জুম কলে ও খেলোয়াড়দের সঙ্গে কথা বলছে, নিরাপদে থাকতে বলছে।”
করোনাভাইরাসের ধাক্কার জিডিপির পতনের সঙ্কেত মিলেছিল আগেই। কিন্তু অভিঘাত যে এতটা তীব্র হবে তার আঁচ পাননি অর্থনীতিবিদদের অনেকেই।  লকডাউনে ইতি টানা হলেও সংক্রমণের হার যে গতিতে বেড়ে চলেছে তাতে আর্থিক কার্যকলাপ কার্যত স্তব্ধ হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে চলতি অর্থবর্ষের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে ভারতের জিডিপি এক বছর আগের তুলনায় ১৯.২ শতাংশ কমতে পারে বলে ব্লুমবার্গ ইকনমিক্সের পূর্বাভাস। ৩১ অগস্ট পর্যন্ত আর্থিক পরিস্থিতি সংক্রান্ত পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে এই মত দিয়েছেন সংস্থার বিশেষজ্ঞেরা।
দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩৩ লক্ষ পেরনোর পরে আর্থিক বৃদ্ধির হার পুনরুদ্ধারের পথ অনেক কঠিন হয়ে গিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৮০ হাজারে পৌঁছে যাওয়ায় আগামী দিনে আর্থিক কার্যকলাপে আরও বড় আঘাত আসতে পারে বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের। দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকের বিভিন্ন আর্থিক সমীক্ষা রিপোর্ট বিশ্লেষণ করে ব্লুমবার্গের বিশেষজ্ঞেরা জানিয়েছেন, করোনার আঘাতে আর্থিক ভাবে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এশিয়ার দেশগুলির তালিকায় রয়েছে ভারত।
আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার (আই এম এফ) আগেই পূর্বাভাস দিয়েছিল ভারতের জিডিপি চলতি অর্থবর্ষে ৪.৫ শতাংশ কমে যেতে বা সঙ্কুচিত হতে পারে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের অধীন ডিপার্টমেন্ট অব ইকনমিক অ্যাফেয়ার্স (ডিইএ)-এর তৈরি জুন মাসের আর্থিক সমীক্ষার রিপোর্টেও একই শঙ্কার কথা বলা হয়েছিল। করোনাভাইরাসের  আক্রমণের জেরে চাহিদা ও জোগানের মধ্যে সামঞ্জস্য না থাকায় জিডিপির এই সঙ্কোচন হবে বলে  জানানো হয়েছিল রিপোর্টে। ১৯৯৬ সাল থেকে ভারতের আর্থিক হাল পর্যালোচনাকারী ব্লুমবার্গের মতে, ভারতীয় অর্থনীতির ইতিহাসে এমন খারাপ পরিস্থিতি নজিরবিহীন।
বস্তুত, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আগে থেকেই ভারতীয় অর্থনীতিতেতে ভাটা শুরু হয়েছিল। মার্চ শেষ থেকে শুরু করে চার দফায় প্রায় আড়াই মাস লকডাউনের জেরে আর্থিক কর্মকাণ্ড স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল। ফলে সরকার এবং আমজনতার আয় তলানিতে ঠেকেছিল। জুলাই মাসে প্রকাশিত ডিইএ-র রিপোর্ট বলছে, সব মিলিয়ে চলতি অর্থবর্ষে রাজস্ব আদায় ৬৯ শতাংশ কমে যেতে পারে। ব্লুমবার্গের এপ্রিল মাসের রিপোর্টে বলা হয়েছিল, দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে ভারতের জিডিপি এক বছর আগের তুলনায় ২৫ শতাংশ কমতে পারে। তা কার্যত মিলতে চলেছে। আজ বার্কলে পিএলসির মুম্বই শাখার প্রধান রাহুল বাজোরিয়া বলেন, ‘‘ওই ত্রৈমাসিকটি ভারতীয় অর্থনীতিতে নজিরবিহীন আঘাত হেনেছে।’’

কেন্দ্র জানিয়েছে, ২৯ ও ৩০ অগাস্টের রাতে লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করে চিন সেনা৷ ভারতীয় সেনা সাহসিকতার সঙ্গে অনুপ্রবেশ রুখে দিয়েছে৷

#নয়াদিল্লি: লাদাখে চিন সেনার অনুপ্রবেশ রুখে দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরেই সীমান্তের ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট দিতে দিল্লি গেলেন লাদাখের লেফটেন্যান্ট গভর্নর আর কে মাথুর৷ News18-কে একটি সূত্র জানিয়েছে, ভারত-চিন প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার পরিস্থিতি নিয়ে দফায় দফায় বৈঠক করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের থেকে রিপোর্ট নিচ্ছেন লাদাখ পরিস্থিতি নিয়ে৷ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠকের নির্যাস, যে কোনও পরিস্থিতির জন্য তৈরি ভারত৷ আপাতত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে৷
কেন্দ্র জানিয়েছে, ২৯ ও ৩০ অগাস্টের রাতে লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করে চিন সেনা৷ ভারতীয় সেনা সাহসিকতার সঙ্গে অনুপ্রবেশ রুখে দিয়েছে৷ ভারতীয় সেনার বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২৯/৩০ অগাস্ট রাতে চুক্তি লঙ্ঘন করে পূর্ব লাদাখে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে৷ সামরিক পদক্ষেপ করে সেখানে স্থিতাবস্থা নষ্ট করে তারা। ভারতীয় জওয়ানদের সংঘর্ষে লিপ্ত হতে উস্কানি দেয়। সেনার মুখপাত্র কর্নেল আমন আনন্দ জানান, সমস্যার সমাধানে চুসুলে ব্রিগেড কম্যান্ডর স্তরের বৈঠক হচ্ছে৷ সেনার বিবৃতি অনুযায়ী, প্যাংগং তাসো লেকের দক্ষিণে চিন সেনার প্ররোচনামূলক গতিবিধি রুখে দিয়েছে সেনা৷
গত ১৫ জুনের পরে এটাই প্রথম লাদাখ সীমান্তে ভারত ও চিনের মধ্যে সংঘর্ষ৷ গত সাড়ে ৩ মাস ধরে লাদাখে ভারত-চিন মুখোমুখি৷ বহু বার বৈঠকের পরেও পরিস্থিতির বিশেষ উন্নতি হয়নি৷ দু দেশের সেনা সরানোর প্রক্রিয়া গত ৬ জুলাই শুরু হয়৷ তার আগে প্রায় ২ ঘণ্টা ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল ও চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়্যাং ই-র মধ্যে মিটিং হয়৷ তারপরে সীমান্তে তপ্ত পরিস্থিতি সামান্য কমে৷ কিছু জায়গায় ভারত ও চিন-- উভয় পক্ষই সেনা সরায়৷

লাদাখ সীমান্তে নতুন করে উত্তেজনায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ খারিজ করল চীন। তাদের দাবি, কঠোর ভাবে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (এলএসি) মেনে চলে তারা। তাদের বাহিনী কখনও সীমা লঙ্ঘন করে না।  
গত ২৯-৩০ অগস্ট রাতে লাদাখে চিনা বাহিনী নতুন করে আগ্রাসন দেখিয়েছে বলে সোমবার জানান ভারতীয় সেনাবাহিনীর এক আধিকারিক। তা নিয়ে এ দিন বেজিংয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েন সে দেশের বিদেশমন্ত্রী ঝাও লিজিয়ান।
কিন্তু ভারতের অভিযোগ খারিজ করে সেখানে ঝাও বলেন, ‘‘চিনা সীমান্ত বাহিনী কঠোর ভাবে এলএসি মেনে চলে। তারা কখনও সীমা লঙ্ঘন করে না। ওই এলাকায় সম্প্রতি যে সমস্যা দেখা দিয়েছে, তা নিয়ে দুই দেশের বাহিনীর মধ্যে আলোচনা জারি রয়েছে।’’  
লাদাখে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দেওয়ায় চুসুলে দুই দেশের ব্রিগেড কমান্ডার স্তরের বৈঠক শুরু হয়েছে বলে এ দিন ভারতের তরফে জানানো হয়। তা নিয়ে প্রশ্ন করলে ঝাও বলেন, ‘‘কূটনৈতিক ও সামরিক স্তরে দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ রয়েছে। নির্দিষ্ট কোনও বৈঠক বা আলোচনার কথা উঠলে বলব, সে রকম কিছু হলে সময় মতো তা প্রকাশ করব আমরা।’’
চিনা বাহিনীর অনুপ্রবেশ ঘিরে বছরের গোড়ার দিকে লাদাখের পরিস্থিতি তেতে ওঠে। জুনের মাঝামাঝি সময়ে গালওয়ান উপত্যকায় ভারতীয় জওয়ানদের সঙ্গে রক্তক্ষয়ী সঙ্ঘর্ষ বাধে তাদের। তাতে ২০ জন ভারতীয় জওয়ান প্রাণ হারান। হতাহতের ঘটনা ঘটে চিনের তরফে। যদিও তাদের তরফে ঠিক কত জন প্রাণ হারিয়েছেন, তা আজও গোপন রেখেছে চিন।
সেই ঘটনার পর গত কয়েক মাসে দুই দেশের সামরিক ও কূটনৈতিক স্তরে একাধিক বৈঠক হয়েছে। তাতে দু’পক্ষই আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের কথা বললেও, এখনও পর্যন্ত তা নিয়ে কোনও সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যায়নি। তার মধ্যেই নতুন করে উত্তেজনার খবর সামনে এল। 
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সাগরদ্বীপে এই প্রথম চালু হলো "স্যানিটাইজার টানেল".
সাগর দ্বীপের মূল যোগাযোগ ব্যাবস্থা হচ্ছে ভেসেল পরিষেবা। রাজ্য সরকার সাগর দ্বীপের মানুষের কথা ভেবে করোনা থেকে যতটা সম্ভব বিপদ থেকে দ্বীপ বাসিকে দূরে রাখা যায় তারই একটি প্রয়াস। বসানো হলো গঙ্গাসাগর কচুবেড়িয়া ভেসেল ঘাটে অটো সেনিটাইজার টানেল।COVID19 সংক্রমণ কমাতে
আজকের সকাল থেকে মেশিনটি চালু করা হবে সাধারণ যাত্রীদের জন্য। লট নং ৮ থেকে গঙ্গাসাগরে প্রবেশ করার পথে কচুবেড়িয়া ঘাটে সাধারণ মানুষকে অটো সেনিটাইজার করানো হবে।
বর্তমানে সাগরদ্বীপ থেকে ও সাগরদ্বীপের বাইরে থেকে বহু মানুষ যাতায়াত করে থাকেন।সবার সুবিধার্থে ,এই নতুন পদ্ধতি দেখে সাগরের মানুষ অনেকটাই খুশি।
উপস্থিত ছিলেন ভেসেলের ইনচার্জ  অর্পণ দাস সহ আরো অন্যান্য সহকর্মীগণ
১০ সেপ্টেম্বর প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং হাজির থাকবেন। ফ্রান্সের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ফ্লোরেন্স পার্লেকেও ওই দন আম্বালায় উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ১০ সেপ্টেম্বর থেকে ভারতীয় বায়ু সেনায় অন্তর্ভুক্ত হবে রাফাল বিমান। হরিয়ানার আম্বালা এয়ারবেস-এ সেদিন বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।

৪ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর রাজনাথ সিং রাশিয়া সফরে থাকবেন। সেই সময় তিনি সাংঘাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন-এর সদস্য দেশগুলির প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের সঙ্গে মিটিং করবেন।
১৭ গোল্ডেন অ্যারোজ স্কোয়াড্রন-এ রাফালকে শামিল করবে ভারতীয় বায়ু সেনা। উল্লেখ্য ২৯ জুলাই ফ্রান্স থেকে ভারতে এসেছিল শক্তিশালী রাফাল বিমান। রাফাল ভারতে আসার ২৪ ঘণ্টর মধ্যেই ভারতীয় বায়ু সেনা সেগুলিকে অপারেট করার জন্য পাইলটদের ট্রেনিং দেওয়া শুরু করেছিল। রাফাল বিমানের মাধ্যমে পরমাণু হামলাও করা যায় বলে জানা গিয়েছিল।
সমুদ্রে ভেঙে দু-টুকরো হয়েছে আস্ত জাহাজ। আর তা থেকে চার হাজার টন তেল মিশেছে সমুদ্রের জলে। যার জেরে কয়েক লাখ সামুদ্রিক প্রাণীর জীবন বিপন্ন হয়ে উঠেছে। মরিশাসের সামনে জাহাজটি থেকে তেল মিশেছে সমুদ্রের জলে।
২৫ জুলাই এমভি ওয়াকাশিও নামের সেই জাহাজ মরিশাসের কাছে প্রবাল প্রাচীরে ধাক্কা খায়। দু’টুকরো হয়ে যায় জাহাজটি। এর পরই চার হাজার টন তেল ১৪ মাইল পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে।
মরিশাসের সমুদ্রের স্বচ্ছ জলের নীচে থাকা প্রবাল প্রাচীরের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। সেখানকার রকমারি প্রাণী ও উদ্ভিদের ক্ষতি হচ্ছে। সমুদ্রের সৌন্দর্যকে ঘিরেই মরিশাসে গড়ে উঠেছিল পর্যটন শিল্প। কিন্তু এত বড় দুর্ঘটনায় সব লন্ডভন্ড হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। গত কয়েক দিন ধরেই সমুদ্র উপকূলে অসংখ্য মরা কচ্ছপ, মাছ, ঝিনুক, কাঁকড়া ইত্যাদি ভেসে আসছে। মরিশাসের দক্ষিণ-পূর্ব এলাকার বাসিন্দারা এদিন সমুদ্র সৈকতে ১৭টি মৃত ডলফিন দেখতে পান। আবার অনেক ডলফিন পাড়ের সামনে মৃ্ত্যু যন্ত্রণায় ছটফট করছিল।
মৃত ডলফিনগুলির শরীরের তেলের আস্তরণ ছিল। এমনকী শ্বাস নেওয়ার ছিদ্রটিও তেলের আস্তরণে ঢাকা। ওই এলাকায় পর্যটকদের মূল আকর্ষণ ছিল ডলফিন। এছাড়া বহু সামুদ্রিক প্রাণী ও উদ্ভিদও দেখতে আসতেন পর্যটকরা। কিন্তু আপাতত সব এলোমেলো। সমুদ্রে তেলের আস্তরণ। স্থানীয় লোকজন সমুদ্রের জল থেকে তেল সরাত নেমেছেন।
 ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্কুল, কলেজ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সমস্ত কোচিং সেন্টার বন্ধই থাকছে। তবে অভিভাবকরা অনুমতি দিলে নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়ারা আলোচনার জন্য স্কুলে যেতে পারবে। শনিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক বিবৃতি প্রকাশ করে এমনটাই জানিয়েছে।

কেন্দ্রের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রাজ্যগুলির সঙ্গে আলোচনা করে ২০ সেপ্টেম্বরের পরে  কনটেইনমেন্ট জোনের বাইরে শিক্ষা ক্ষেত্রে লকডাউনের নিয়ম কিছুটা শিথিল করা হতে পারে। এ ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মচারীরা ২১ সেপ্টেম্বর থেকে স্কুলে যেতে পারবেন। অনলাইন টিচিং এবং টেলিকাউন্সিলের জন্য তাঁদের স্কুলে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে ৫০ শতাংশের বেশি কর্মী বা শিক্ষক-শিক্ষিকা  একসঙ্গে স্কুলে যেতে পারবেন না।বিবৃতি অনুযায়ী, কনটেইনমেন্ট জোনের বাইরে নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীরা স্কুলে পারবে আলোচনার জন্য। তবে তা একেবারেই বাধ্যতামূলম নয়। পড়ুয়াদের কোথাও সমস্যা হলে, তাড়া চাইলেই একমাত্র স্কুলে যেতে পারবে। যদিও সেক্ষেত্রে বাবা-মা তথা অভিভাবকের লিখিত অনুমতি লাগবেই। 

প্রসঙ্গত, চতুর্থ আনলক পর্বে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, মেট্রো পরিষেবা চালু হতে চলেছে সেপ্টেম্বরে। শুধু তাই নয়, সামাজিক, শিক্ষামূলক, বিনোদন, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় জমায়েতে ছা়ড় দেওয়া হচ্ছে ২১ সেপ্টেম্বর থেকে। শর্ত, সর্বাধিক ১০০ জন মানুষ জমায়েত করতে পারবেন এই ধরনের অনুষ্ঠানে। বাধ্যতামূলক ভাবে সঙ্গে রাখতে হবে হ্যান্ড স্যানেটাইজার গ্লাভস ও মাস্ক।

উল্লেখ্য এদিনের নির্দেশিকা অনুযায়ী, বিয়ে ও শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে যোগ দিতে পারবে  ৫০ ও ২০ জন। ২০ সেপ্টেম্বের পর তা বাড়িয়ে ১০০ জন করা হবে। তবে কড়া নির্দেশ, কন্টেইনমেন্ট জোনে কোনও জমায়েত করা চলবে না।

সুশান্তের মৃত্যুর পর সকলেই অভিযোগের আঙুল তুলেছেন অভিনেতার প্রেমিকা রিয়া চক্রবর্তীর দিকে। সিবিআই পর পর দু'দিন রিয়াকে জেরা করে। ফের ডাকা হতে পারে অভিনেত্রীকে। রিয়া শুধু সিবিআইকে নয় বিভিন্ন চ্যানেলেও খোলাখোলি সাক্ষাৎকারে সুশান্তকে নিয়ে নানা তথ্য সামনে এনেছেন।

কয়েক দিন আগেই রিয়া একটি সাক্ষাৎকারে বলেন, " সুশান্ত 'কেদারনাথ' ছবির শ্যুটিং থেকেই মারিজুয়ানা সেবন করতেন।" মারিজুয়ানাকে ড্রাগসের সঙ্গে তুলনা করেন রিয়া। আর এই বক্তব্যেই ক্ষোভ প্রকাশ করলেন বলিউডের আর এক অভিনেত্রী রিচা চড্ডা।

তিনি ট্যুইটারে একটি পোস্ট লেখেন, "যখন সারা বিশ্ব মারিজুয়ানা বা গাঁজার স্বাস্থ্যগুন মানছে, সেখানে আমাদের দেশের কিছু মানুষ গাঁজাকে ড্রাগসের সঙ্গে তুলনা করছেন। মারিজুয়ানা বা গাঁজা আমাদের দেশের প্রাচীন সভ্যতার সঙ্গে জড়িয়ে আছে। এটা কখনই ড্রাগস নয়। ভগবান শিবের পুজোতেও ব্যবহার করা হয়। হলি ও শিবপুজোতেও ব্যবহার করা হয় গাঁজা।" এই ট্যুইট তিনি শেয়ার করেন। এর পরই সকলে রিচাকে সমর্থনও করেন। তবে অতিরিক্ত মাত্রায় গাঁজা সেবন কখনই ভাল হতে পারে না।

কাশি সারাতে সবসময়ই মধু সাহায্য করে। গলা ব্যথা, খুশখুশে ভাব, সারাতে মধুর জুড়ি মেলা ভার। আর মধুর সঙ্গে আদার রস মিশিয়ে খেলে দ্রুত সেরে যায় কাশি।

মনে রাখবেন, মধু অ্যান্টি ব্যাক্টিরিয়াল ও অ্যান্টি ফাঙ্গাল। কোথাও কেটে গেলে মধু সেটি সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে। মায়ো ক্লিনিকের মতো মধু বিশেষত শরীরের একাধিক রোগ সারিয়ে তুলতে পারে, বিশেষত সারিয়ে তেলে পোড়া।

ত্বকের জন্য মধু খুবই উপকারী। যদি বেসন, মধু, দই মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে মুখে লাগানো যায়, তাহলে তৈলাক্ত ত্বকের বিশেষ উপকার হয়।
ঘুমের ঘাটতি মেটাতে মধু ব্যবহার করা যেতে পারে। মধু খেলে ঘুম ভাল হয়। এর একটা হালকা প্রভাব শরীরে থেকে যায়। বিছানায় যাওয়ার আগে, এককাপ দুধে মধু মিশিয়ে খেয়ে নিলে শরীর ভাল থাকবে।

 ঠোঁট ভাল রাখতে মধু ব্যবহার করা যেতে পারে। মধু ব্যবহার করলে ঠোঁট নরম হয়। সাধারণ মাস্কের মতোই মধু নিয়ে নিজের ঠোঁটে লাগিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ, দেখবেন উপকার পাবেন।

NEET এবং JEE পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়ার জন্য সুপ্রিম কোর্টে  রিভিউ  পিটিশন দাখিল করল পশ্চিমবঙ্গ সহ ছ'টি রাজ্য৷ বিরোধী দলগুলির দ্বারা শাসিত এই ছয় রাজ্যের মধ্যে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ, ঝাড়খণ্ড, মহারাষ্ট্র, ছত্তীসগড়, পাঞ্জাব এবং রাজস্থান৷
JEE(Main) এবং NEET(UG) পরীক্ষা গ্রহণ নেওয়ার পক্ষে গত ১৭ অগাস্ট সুপ্রিম কোর্ট যে রায় দিয়েছিল, তা পুনর্বিবেচনার আবেদন জানানো হয়েছে এই রিভিউ পিটিশনে৷ বিরোধী শাসিত রাজ্যগুলি এবং বিভিন্ন মহল থেকে দাবি উঠলেও ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি জানিয়ে দিয়েছে, সেপ্টেম্বর মাসে নির্ধারিত দিনেই সর্বভারতীয় স্তরে ইঞ্জিনিয়ারিং এবং মেডিক্যালের প্রবেশিকা পরীক্ষাগুলি নেওয়া হবে৷করোনা অতিমারির মধ্যে এই পরীক্ষাগুলি পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন খারিজ করে দিয়ে গত ১৭ অগাস্ট শীর্ষ আদালত জানিয়েছিল, ছাত্রছাত্রীদের একটা বছর নষ্ট করার মানে হয় না৷ শুধু তাই নয়, সুপ্রিম কোর্ট নিজেদের পর্যবেক্ষণে বলেছিল, করোনা অতিমারির মধ্যেও 'জীবন থেমে থাকতে পারে না৷'

গত বুধবার বিষয়টি নিয়ে ভার্চুয়াল বৈঠকে মিলিত হন বিজেপি বিরোধী রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রীরা৷ সেখানে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধিও৷ সেই বৈঠকেই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রস্তাবে সাড়া দিয়ে সুপ্রিম কোর্টে পাল্টা রিভিউ পিটিশন করার পক্ষেই মত দেন বৈঠকে উপস্থিত অধিকাংশ মুখ্যমন্ত্রী৷

ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি জানিয়ে দিয়েছে, ১ থেকে ৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে JEE(Main) এবং ১৩ সেপ্টেম্বর NEET(UG) পরীক্ষা নেওয়া হবে৷ বিরোধীদের অভিযোগ, করোনা অতিমারির মধ্যে এই পরীক্ষা নিয়ে ছাত্রছাত্রীদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে ফেলা হচ্ছে৷ পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষাগ্রহণ কেন্দ্রে পৌঁছতেও অসুবিধা হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে৷ ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি অবশ্য জানিয়েছে, সমস্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনেই পরীক্ষা নেওয়া হবে৷
গবেষকরা বলছেন হাঁটার গতিই আপনার সুস্থতার মাপকাঠি।

কেউ ভালোবাসেন হেলেদুলে হাঁটতে। কেউ আবার হনহন করে হেঁটে যান পাশ দিয়ে। অন্য নানা পারিপার্শ্বিক বিষয়ের উপর নির্ভর করে একজন ব্যক্তি কী ভাবে হেঁটে যাবেন। কিন্তু গবেষকরা বলছেন হাঁটার গতিই আপনার সুস্থতার মাপকাঠি।
গবেষকরা আরও বলছেন, আসলে মন্থর চলাফেরা অসচেতন লাইফস্টাইলের বহিঃপ্রকাশ। এই ধরনের ব্যক্তি বেশিরভাগই ভারী চেহারার, তেলভাজা খান, রাতে ঘুমোন দেরি করে।
কাজেই বিজ্ঞানীদের স্পষ্ট মত, এখন থেকে হাঁটার গতিতে নজর দিন। সম্ভব হলে গতি বাড়িয়েই হাঁটুন।
রাজ্যগুলির চাপ এবং ‘দৈবদুর্বিপাক’ বিতর্কের মধ্যেই কেন্দ্র জানিয়ে দিল, জিএসটির ক্ষতিপূরণ মিটিয়ে দেওয়া হবে। তবে কেন্দ্রের বদলে রাজ্য স্তরেই ঋণ নিয়ে ক্ষতিপূরণের পক্ষে সওয়াল করেছে কেন্দ্র। যদিও সেই ঋণ কেন্দ্র মিটিয়ে দেবে বলে রাজ্যগুলিকে চিঠি পাঠিয়ে প্রতিশ্রুতি দিল কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক। করোনাভাইরাসের প্রকোপে বিপুল অর্থনৈতিক চাপ এবং কেন্দ্রের আয় ব্যাপক ভাবে কমে গেলেও জিএসটির ক্ষতিপূরণ রাজ্যগুলি পেয়ে যাবে বলে ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
আগামী ১ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের সচিব এবং ব্যয়সচিব রাজ্যগুলির প্রতিনিধিদের সঙ্গে ভিডিয়ো কনফারেন্সে বৈঠক করবেন। রাজ্যগুলির জিএসটি সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেবেন তাঁরা। তার আগে কেন্দ্রের অবস্থান স্পষ্ট করে ওই চিঠিতে বলা হয়েছে— প্রথমত রাজ্যগুলিকে ঋণের সুদ বা সার্ভিস চার্জ দিতে হবে না বা অন্য কোনও তহবিল থেকে ঋণ পরিষোধ করতে হবে না। অন্য কোনও তহবিল থেকে মূল টাকাও দিতে হবে না। তবে চিঠিতে এও বলা হয়েছে, ‘‘রাজ্য স্তরে সম্ভব হলে কেন্দ্রীয় স্তরে ঋণ নেওয়ার পন্থা এড়িয়ে চলা হবে।’’ অর্থাৎ, কেন্দ্রের বক্তব্য ঋণ নিতে হলে রাজ্যগুলিকেই নিতে হবে। পরে তা সুদে-আসলে কেন্দ্র মিটিয়ে দেবে।
প্রয়াত অরুণ জেটলি অর্থমন্ত্রী থাকার সময় জিএসটি চালু হয়েছিল। জিএসটি চালুর সময় জেটলির প্রস্তাব ছিল, জিএসটি-র টাকা জিএসটি কাউন্সিলকেই মেটাতে হবে। কেন্দ্রের চিঠিতে সেই বিষয়ের উল্লেখ করে বলা হয়েছে, ‘‘কেন্দ্রীয় সরকার অরুণ জেটলির বিবৃতিকেই সমর্থন করে এবং সেই মতো বন্দোবস্ত করার জন্য রাজ্যগুলির সঙ্গে পর্যালোচনা করছে। বকেয়া জিএসটি যত ক্ষণ না মেটানো সম্ভব হচ্ছে, তত ক্ষণ কেন্দ্র রাজ্যগুলিকে সাহায্য করবে।’’ অন্য দিকে অ্যাটর্নি জেনারেল কে সি বেণুগোপালও জিএসটি কাউন্সিলকেই জিএসটির টাকা মেটানোর কথা বলেন। অ্যাটর্নি জেনারেলের ওই পরামর্শ মেনে নেওয়া হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে কেন্দ্রের এই চিঠিতে।  
করোনাভাইরাসের প্রকোপ শুরু হওয়ার আগে থেকেই দেশে অর্থনীতির ঝিমুনি এবং তার পরে করোনা ও লকডাউনের ধাক্কা— এই দুইয়ের জেরে জিএসটির পাশাপাশি, সেস সংগ্রহও কমেছে। ফলে প্রতি দু’মাস অন্তর রাজ্যগুলির ক্ষতিপূরণ পাওয়ার কথা থাকলেও, গত বছর থেকেই তা অনিয়মিত হয়েছে। এরই মধ্যে অর্থসচিব অজয়ভূষণ পাণ্ডে বলেন, কেন্দ্রের পক্ষে ওই ক্ষতিপূরণের টাকা মেটানো সম্ভব নয়।
তাতেই বিতর্ক শুরু হয়। বিশেষ করে অ-বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলি থেকে তীব্র বিরোধিতা শুরু হয়। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বিরোধীদের অনলাইন বৈঠকে এ নিয়ে সরব হন। তার পর কেন্দ্রের এই চিঠিতে রাজ্যগুলিকে কিছুটা আশ্বস্ত করার চেষ্টা করা হল বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।
করোনার ধাক্কায় কেন্দ্রও যে বিরাট আর্থিক সঙ্কটের মুখোমুখি, সে কথাও তুলে ধরা হয়েছে চিঠিতে। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন বলেছিলেন, কোভিড ‘ভগবানের মার’। তা নিয়েও কংগ্রেস-সহ বিরোধী দলগুলি অর্থমন্ত্রী তথা কেন্দ্রকে কটাক্ষে বিঁধেছে। কেন্দ্রের চিঠিতে অবশ্য বলা হয়েছে, ‘‘জিএসটি ছাড়াও কেন্দ্রের আয়ও বিপুল হারে কমে গিয়েছে। আয়করে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। আমদানি কমে যাওয়ায় শুল্ক আয় তলানিতে। অথচ করোনার মোকাবিলা এবং জাতীয় নিরাপত্তা খাতে খরচ অনেক বেড়েছে। এটা শুধু কেন্দ্র সরকারের একার সমস্যা নয়, জাতীয় সঙ্কট।’’

সুশান্ত সিং রাজপুতের বাবা রিয়ার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ এনেছেন, তাঁর অভিযোগ রিয়াই সুশান্তের অন্যতম হত্যাকারী

মুম্বই: সুশান্ত রাজপুত মৃত্যু মামলায় গতকালই সিবিআই ১০ ঘণ্টা জেরা করে রিয়া চক্রবর্তীকে ৷ মৃত্যুর দিন যাঁরা আবাসনে উপস্থিত ছিলেন সেই চারজনকেও আলাদা করে জেরা করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ৷ সূত্রের খবর, রিয়া চক্রবর্তীকে ফের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে ৷ অভিযোগ, রিয়ার সঙ্গে ড্রাগ চক্রের যোগাযোগ রয়েছে ৷ নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো সূত্রে জানা যায়, জেরা করা হবে রিয়াকে। শুক্রবার রিয়াকে  ১০ ঘণ্টার জেরায় যে  ১০টি পয়েন্ট উঠে এসেছে সেগুলি হল --
১) সূত্রের খবর, সুশান্ত সিং রাজপুত মামলায় তদন্তকারী দলের প্রধান নূপুর প্রসাদ রিয়া চক্রবর্তীর বয়ান রেকর্ড করেছেন ৷ সুশান্তের পরিবারের পক্ষ থেকে সিবিআইয়ের সামনে দাবি করা হয়েছে রিয়া ও তাঁর পরিবার সুশান্তকে মানসিক নির্যাতন করতেন ৷ জুন মাসে সুশান্তের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা নিয়েছেন রিয়া, সুশান্তের মৃত্যুতে রিয়ার বড় ভূমিকা আছে বলেই অভিযোগ করা হয়েছে ৷
২) সান্তাক্রুজের ডিআরডিও গেস্ট হাউজে প্রায় রাত ৯টা পর্যন্ত সিবিআই রিয়া চক্রবর্তীকে জেরা করেছে  ৷ শুক্রবার সকাল ১০টায় সিবিআইয়ের মুখোমুখি হতে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন রিয়া ৷ ফের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিয়াকে তলব করেছে সিবিআই।
৩) সিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদের পরেই সান্তাক্রুজ পুলিশ স্টেশনে গিয়ে সংবাদ মাধ্যমের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন রিয়া, একই সঙ্গে তাঁর সুরক্ষার বিষয়ে কথাও বলেছেন ৷ অভিযোগে রিয়া বারবার জানিয়েছেন সংবাদ মাধ্যম সব সময় তাঁকে অনুসরণ করছে ৷ তাঁর ঘরের বাইরে জমায়েত করছে ৷
৪) শুক্রবার সিবিআইয়ের তিন সদস্যের টিম রিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ৷ প্রথম দল নীরজ, সিদ্ধার্থ পিঠানী, স্যামুয়েল মিরান্ডাকে জেরা করেছে ৷ দ্বিতীয় দল রিয়াকে জেরা করেছে ৷ তৃতীয় দল রিয়ার ভাই শৌভিককে জেরা করেছে ৷
৫) এই মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে তদন্তে নেমে ইডি গৌরব আর্য নামে এক ব্যক্তির সন্ধান পায় যিনি অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যু মামলায় অভিনেত্রী রিয়া চক্রবর্তীর সঙ্গে ড্রাগ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে চ্যাট করেছিলেন । তাঁকে ৩১ অগাস্টের আগে দেখা করার সমন পাঠিয়েছে সিবিআই।
৬) ইডি সুশান্ত সং রাজপুতে মৃত্যুর তদন্ত করতে গিয়ে গোয়ায় হোটেলের ব্যবসা করেন গৌরব আর্যকে ৩১ অগাস্টের মধ্যে মুম্বইয়ের ইডির দফতরে হাজিরা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন ৷
৭) তদন্তে ইডি জানতে পেরেছে সুশান্তি সিং রাজপুত ও তাঁর চর্চিত বান্ধবী রিয়া চক্রবর্তী গৌরব আর্যকে ফোনে কিছু নিষিদ্ধ ড্রাগ নিয়ে মেসেজ করেছিলেন। সেই বিষয়ে কথাবার্তার সঙ্কেত পাওয়া গিয়েছে ৷ এরপরেই গৌতম আর্যকে ডাকা হয়েছে ৷

৮) ইডি গত বৃহস্পতিবার রিয়া চক্রবর্তীর বাবা ইন্দ্রজিৎ চক্রবর্তীর উপস্থিতিতে ব্যাঙ্কের বিশ কিছু লকার খুলেছিলেন ৷ এর আগে এই লকারের ব্যবহারের বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল ৷ এরই মাঝে এনসিবির কর্তারা বৃহস্পতিবার দিল্লি থেকে মুম্বইতে পৌঁছেছিলেন, তদন্তকারী ইডি কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করতে ৷ জানতে পারা গিয়েছে এনসিবি খুব তাড়াতাড়ি জিজ্ঞাসাবাদে ডাকতে পারে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে যাঁদের নাম সামনে এসেছে, তাঁদের৷

৯) ইডি সুশান্ত সিং রাজপুতের গার্লফ্রেন্ড রিয়া চক্রবর্তীর দুটি মোবাইল ফোনই ক্লোন করেছে যার ডিজিটাল ডেটা অ্যানালিসিস করা হচ্ছে ৷

১০) সুশান্ত সিং রাজপুতের বাবা কেকে সিং রিয়ার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ এনেছেন। তিনি জানিয়েছেন তাঁর সন্তানকে খুন করেছেন রিয়া ৷ তিনি সিবিআইয়ের কাছে আবেদন করেছেন যাতে রিয়া ও তাঁর সঙ্গীদের গ্রেফতার করা হয় ৷

রাজ্যে লকডাউনের মেয়াদ বাড়ল। আজ নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত রাজ্যে লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানোর কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
৭ সেপ্টেম্বর (সোমবার), ১১ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) ও ১২ সেপ্টেম্বর (শনিবার) রাজ্যে সম্পূর্ণ লকডাউন জারি থাকবে। পরবর্তী দিন পরে ঘোষণা করা হবে।

মুখ্যমন্ত্রী এদিন আরও জানিয়েছেন, ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত রাজ্যে বন্ধ থাকবে স্কুল-কলেজ। তবে সামাজিক দূরত্ব বিধি মেনে মেট্রো চলাচল শুরু হলে আপত্তি নেই। পাশাপাশি বিধি মেনে লোকাল ট্রেনও চলতে পারে বলে এদিন ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে ১ সেপ্টেম্বর থেকে সপ্তাহে ৩ দিন বিমান চলতে পারে বলেও জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, রাজ্যে গোষ্ঠী সংক্রমণ শুরু হতে ভাইরাসের সংক্রমণ শৃঙ্খল ভাঙতে অগাস্ট থেকে সাপ্তাহিক লকডান জারি হয় পশ্চিমবঙ্গে।
আশুতোষ কলেজের ইংরাজির মেধা তালিকায় নাম প্রকাশ সানি লিওনের। ২৪ ঘণ্টাও কাটল না, জবাব দিলেন অভিনেত্রী। রসিকতা করে সানি লিওন ট্যুইট করলেন, “কলেজের পরবর্তী সেমেস্টারে তোমাদের সবার সঙ্গে দেখা হচ্ছে। আশা করি তোমরা সবাই আমার ক্লাসে থাকবে।”
প্রসঙ্গত, আশুতোষ কলেজের ইংরাজির মেধা তালিকায় সানি লিওনের নাম নিয়ে যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়, তা সবার প্রথম প্রকাশিত হয় এবিপি আনন্দর ওয়েবসাইটে। চ্যানেলে খবর প্রকাশিত হওয়ার পরই তড়িঘড়ি তালিকা সংশোধন করে দেওয়া হয়। সরিয়ে দেওয়া হয় অভিনেত্রীর নাম। যদিও সেখানে প্রাপ্ত নম্বর একই রয়েছে।
কর্তৃপক্ষের সাফাই ছিল, কোনও পড়ুয়া মশকরা করেই এই কাজ করেছে। কিংবা প্রযুক্তিগত বিভ্রাটের কারণেই এই ভুল হয়ে থাকতে পারেও আশঙ্কা করেছেন কলেজের উপাধক্ষ্য। পরে কলেজ কর্তৃপক্ষ সানি লিওনের নাম সরিয়ে দিলেও পশ্চিমবঙ্গ তো বটেই সারা ভারতের শিরোনামে চলে আসেন সানি লিওন। এবার সেই চর্চায় অংশীদার হলেন সানি নিজে।
আশুতোষ কলেজে ইংরেজি নিয়ে পড়তে চান সানি লিওন। সম্প্রতি আশুতোষ কলেজের ইংরেজির মেধা তালিকায় প্রাক্তন নীল তারকার নাম দেখে জোর হইচই শুরু হয়ে যায় সামাজিক মাধ্যমে। কলকাতার কলেজের মেধা তালিকায় নিজের নাম দেখে এবার টুইট করলেন সানি লিওন।

এদিকে আশুতোষ কলেজের মেধা তালিকায় সানি লিওনের নাম প্রকাশ পাওয়ায় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কেউ বা কারা ইচ্ছে করে এমন কাজ করেছে। আসলে অনলাইন ফর্ম ফিলাপের সময় কারও নাম যাচাই করা হয়নি। পুরোটাই সিস্টেম জেনারেটেড। তবে অন্তিম মেধা তালিকা তৈরির সময় এসব ভুল শুধরে নেওয়া হয় বলে আশ্বাস দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

নিজের সোশ্যাল হ্যান্ডেলে ওই টুইট করেন সানি।  যেখানে তিনি লেখেন, পরের সেমেস্টারে সবার সঙ্গে দেখা হচ্ছে।  বেশ মজা করেই টুইট করেন বলিউডের 'বেবি ডল'।  দেখুন তিনি কী লিখলেন...
অন্যদিকে বর্তমানে মার্কিন মুলুকে রয়েছেন সানি লিওন। মার্কিন মুলুকের লস এঞ্জেলসের বাংলোয় স্বামী ড্যানিয়েল ওয়েবার এবং ৩ সন্তানকে নিয়ে সময় কাটছে বলিউড অভিনেত্রীর। ড্যানিয়েলের মা পুরো পরিবারের সঙ্গে থাকতে চাইছিলেন অনেকদিন ধরেই। সেই কারণেই মুম্বই ছেড়ে তাঁরা মার্কিন মুলুকে পাড়ি দিয়েছেন। মুম্বই ছাড়ার ইচ্ছে তাঁদের ছিল না কিন্তু ড্যানিয়েলের মায়ের কথা ভেবেই মুম্বই ছেড়ে তাঁদের মার্কিন মুলুকে পাড়ি দেওয়া বলে জানান সানি।
ম্যাঞ্চেস্টার সিটি দৌড়ে এগিয়ে থাকলেও মেসিকে পেতে পিএসজি লড়াইয়ে নেমে পড়েছে। ক্রমশ জটিল হচ্ছে লিওনেল মেসির দলবদলের পরিস্থিতি। মঙ্গলবার মেসি বার্সেলোনা ছাড়তে চেয়ে ফ্যাক্স করার পর তাঁকে প্রথম প্রকাশ্যে দেখা যায় বুধবার রাতে। বার্সা ছেড়ে মেসি কোথায় যাবেন? এই নিয়ে জল্পনা চলছে। ইউরোপের সেরা দলগুলো মেসিকে পেতে আসরে নেমে পড়েছে। এদিকে ঘোলা জলে মাছ ধরতে নেমে পড়ল পিএসজি। জানা গিয়েছে, পিএসজি-র কাছে মেসিকে কেনার অনুরোধ করেছেন স্বয়ং নেইমার। যদিও ফরাসি ক্লাবটি বার্সাকে এখনও কোনও প্রস্তাব দেয়নি।

নেইমারের সঙ্গে মেসির সম্পর্ক বেশ ভাল। বার্সায় চার মরশুম একসঙ্গে খেলেছেন মেসি-নেইমার এই সময় মেসির সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ২০১৭ সালে নেইমার বার্সা ছেড়ে পিএসজি-তে যোগ দিলে সম্পর্ক থেকে গেছে আগের মতোই। আর্জেন্টাইন তারকা বেশ কয়েকবার নেইমারকে বার্সায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেছিলেন। এদিকে মেসি বার্সেলোনা ছাড়ার সিদ্ধান্ত জানানোর পরই, নেইমার তাঁর ক্লাবকে এই অনুরোধ করেছেন বলে সূত্রের খবর।তবে পিএসজিকে শুধুমাত্র অনুরোধ করেছেন নেইমার, এখন পর্যন্ত সরকারিভাবে কোনও প্রস্তাব পিএসজি মেসিকে দেয়নি।

মেসির সঙ্গে বার্সার বর্তমান চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে ২০২১ সালে। তাঁর রিলিজ ক্লজ মূল্য ৭০ কোটি ইউরো। এই দামে তাঁকে কেনার ভাবনা পিএসজি-র নেই বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞমহল। তবে ফ্রি ট্রান্সফার কিংবা এর চেয়েও কম দামে মেসির বার্সা ছাড়ার পথ খুললে পিএসজি ভেবে দেখতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এদিকে ফিফার কাছে দলবদলের প্রাথমিক অনুমতি পত্র চেয়েছেন মেসি।
চেন্নাইতে ছয় দিনের শিবির শেষে ২১ অগাস্ট আমিরশাহি উড়ে যায় চেন্নাই সুপার কিংস দল। আইপিএল-এর কোভিড-19 প্রোটোকল অনুযায়ী, এরপর আমিরশাহি পৌঁছে ছয়দিনের আইসোলেশনে থাকতে হয় সকলকে। এর মধ্যে তিনবার কোভিড পরীক্ষা হয়েছে। সেই পরীক্ষার ফল নেগেটিভ এলে তবেই অনুশীলনের অনুমতি মিলবে। এদিকে চেন্নাই সুপার কিংসের আইসোলেশন পর্ব বৃহস্পতিবারই শেষ হয়ে গিয়েছে। আজ থেকেই অনুশীলন শুরু করার কথা ধোনিদের। কিন্তু সেই অনুশীলন আপাতত হচ্ছে না! দুবাই-এ টিম হোটেলের মধ্যেই থাকছে ধোনি-রায়নাদের। নিয়মমতো ৬ দিনের কোয়ারেন্টিন পর্ব শেষে তাদের কোয়ারেন্টিন পর্ব আরও বাড়ানো হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।

করোনা উদ্বেগের কারণে দেশ থেকে আইপিএল গিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে। সেই সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে আইপিএল শুরুর আগেই মহাবিপদ। করোনার থাবা চেন্নাই সুপার কিংস শিবিরে। তিন বারের চ্যাম্পিয়ন দলের এক ক্রিকেটার এবং ১২ জন সাপোর্ট স্টাফ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গিয়েছে।
জানা গিয়েছে, চেন্নাই দলের এক ক্রিকেটার এবং ১২ জন সাপোর্ট স্টাফ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। যদিও তাঁদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে তাঁদের দুবাইতে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। সুরক্ষার স্বার্থে ক্রিকেটারের নাম প্রকাশ্যে আনা হয়নি। পয়লা সেপ্টেম্বর থেকে দুবাইয়ে অনুশীলন শুরু করতে পারে চেন্নাই সুপার কিংস দল।