Articles by "Daliy News"
Showing posts with label Daliy News. Show all posts

দক্ষিণের সব রেকর্ড ভেঙে ফেলেছে উত্তরবঙ্গ। শুধু শিলিগুড়ি-দার্জিলিংয়ে বৃষ্টি হয়েছে ২৪০ মিলিমিটারের বেশি। আগামী ২৪ ঘণ্টায় উত্তরবঙ্গের উপরের পাঁচটি জেলা দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়িতে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।

ঘনঘোর বর্ষায় বিরামহীন বৃষ্টি বাংলায়, দিনভর কোথায় কত ধারাপাত?
বৃষ্টি নিয়ে কী বলছে আবহাওয়া দফতর?

উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ, সর্বত্রই চলছে টানা বৃষ্টি। হাওয়া অফিস বলছে, রাজ্যে বর্তমানে পুরোদমে সক্রিয় রয়েছে মৌসুমী বায়ু। তার জেরেই এই বৃষ্টি। এছাড়াও একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা রয়েছে পঞ্জাব থেকে বিহার পর্যন্ত। বঙ্গোপসাগর থেকে বাংলায় ঢুকছে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প। সব মিলিয়ে ঘনঘোর বর্ষার ধারাপাত চলছে। 


কোথায় কোথায় সর্বাধিক বৃষ্টি? 
বীরপাড়া পাম্পিং স্টেশন- ৮৮ মিমি


আগেই নির্দেশ এসেছে মুখ্যমন্ত্রীর থেকে, জামাইষষ্ঠীতে চেহারাই বদলে যাচ্ছে দিঘার
বেলগাছিয়া পাম্পিং স্টেশন- ৯৫ মিমি

ধাপা পাম্পিং স্টেশন- ৯০ মিমি

উল্টোডাঙ্গা পাম্পিং স্টেশন- ৭৯ মিমি 

পামারবাজার পাম্পিং স্টেশন- ৭১ মিমি

কুলিয়া ট্যাংরা পাম্পিং স্টেশন- ৯৪.৬ মিমি

চিংড়িঘাটা পাম্পিং স্টেশন- ৭৫ মিমি

পাগলাডাঙ্গা পাম্পিং স্টেশন- ১১৫ মিমি

বালিগঞ্জ বাম্পিং স্টেশন- ৭০ মিমি

তবে দক্ষিণের সব রেকর্ড ভেঙে ফেলেছে উত্তরবঙ্গ। শুধু শিলিগুড়ি-দার্জিলিংয়ে বৃষ্টি হয়েছে ২৪০ মিলিমিটারের বেশি। আগামী ২৪ ঘণ্টায় উত্তরবঙ্গের উপরের পাঁচটি জেলা দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়িতে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। শুধু আগামী ২৪ ঘণ্টায় নয়, আগামী তিনদিনই উত্তরবঙ্গের এই পাঁচটি জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। ভেঙে যেতে পারে অতীতের সব রেকর্ড। দক্ষিণবঙ্গে আগামী ২৪ ঘণ্টা সব জায়গাতেই বৃষ্টি হবে। ২১ তারিখ বৃষ্টিপাতের পরিমাণ খানিকটা কমবে। শনিবার হুগলি, হাওড়ার পাশাপাশি দুই চব্বিশ পরগনা, কলকাতা, দুই মেদিনীপুরে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তারপর ধীরে ধীরে বৃষ্টির মাত্রা কমে এলেও ২৫ তারিখ দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টিপাত বাড়বে। আপাতত কলকাতার তাপমাত্রা ২৮ থেকে ৩১ ডিগ্রির কাছাকাছি ঘোরাফেরা করবে। 
 সাধারণত রবিবারে ট্রেনের সংখ্যা কম থাকে, তবে পরীক্ষার্থীদের কথা মাথায় রেখে ওই দিন ট্রেনের সূচিতে বড়সড় বদল আনা হয়েছে। সব ট্রেনই সপ্তাহের সাধারণ সূচি অনুযায়ী চলবে। পাশাপাশি থাকছে স্পেশ্যাল ট্রেন।


কোনও ট্রেন বাতিল তো নয়ই, উল্টে ২১ তারিখ হাওড়া ও শিয়ালদহ শাখায় চলবে একগুচ্ছ স্পেশ্যাল ট্রেন
তালিকায় কোন কোন ট্রেন?

রবিবার নিট। পরীক্ষার্থীদের সুবিধার্থে তৎপর পূর্ব রেল। আগামী রবিবার হাওড়া এবং শিয়ালদহ, দুই ডিভিশনেই বিশেষ EMU ও MEMU ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সাধারণত রবিবারে ট্রেনের সংখ্যা কম থাকে, তবে পরীক্ষার্থীদের কথা মাথায় রেখে ওই দিন ট্রেনের সূচিতে বড়সড় বদল আনা হয়েছে। সব ট্রেনই সপ্তাহের সাধারণ সূচি অনুযায়ী চলবে। পাশাপাশি থাকছে স্পেশ্যাল ট্রেন। 


হাওড়া ডিভিশনে ২ জোড়া বিশেষ MEMU ট্রেন চলবে রবিবার। দাঁড়াবে সব স্টেশনেই। তালিকায় রয়েছে…
রামপুরহাট – বর্ধমান MEMU স্পেশ্যাল (০৩০৭২)- সকাল ৬টা ৩৫ মিনিটে রামপুরহাট থেকে ছেড়ে সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে বর্ধমান পৌঁছাবে।
বর্ধমান – রামপুরহাট MEMU স্পেশ্যাল (০৩০৭১)- সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে বর্ধমান থেকে ছেড়ে দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে রামপুরহাট পৌঁছাবে।
আজিমগঞ্জ – কাটোয়া MEMU স্পেশ্যাল (০৩০৭৪)- সকাল ৫টা ৪০ মিনিটে আজিমগঞ্জ থেকে ছেড়ে সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে কাটোয়া পৌঁছাবে।
কাটোয়া – আজিমগঞ্জ MEMU স্পেশ্যাল (০৩০৭৩)- সকাল ৭টা ২৫ মিনিটে কাটোয়া থেকে ছেড়ে সকাল ৯টা ৫ মিনিটে আজিমগঞ্জ পৌঁছাবে। 
শিয়ালদহ ডিভিশনে পরীক্ষার্থীদের জন্য ৫টি বিশেষ EMU ট্রেন চালানো হবে। এই ট্রেনগুলিও সব স্টেশনে দাঁড়াবে। তালিকায় রয়েছে… 
সোনারপুর – ডায়মন্ড হারবার স্পেশ্যাল (০৩১৪৪)- সকাল ৬টা ৫ মিনিটে সোনারপুর থেকে ছেড়ে সকাল ৭টা ১০ মিনিটে ডায়মন্ড হারবার পৌঁছাবে।
ডায়মন্ড হারবার – শিয়ালদহ স্পেশ্যাল (০৩১৪৩)- সকাল ৭টা ২২ মিনিটে ডায়মন্ড হারবার থেকে ছেড়ে সকাল ৮টা ৫৮ মিনিটে শিয়ালদহ পৌঁছাবে।
শিয়ালদহ – সোনারপুর স্পেশ্যাল (০৩১২২)- সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে শিয়ালদহ থেকে ছেড়ে সকাল ১০টা ১০ মিনিটে সোনারপুর পৌঁছাবে।
ক্যানিং – সোনারপুর স্পেশ্যাল (০৩১২১)- সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে ক্যানিং থেকে ছেড়ে দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে সোনারপুর পৌঁছাবে। 
শিয়ালদহ – ক্যানিং স্পেশ্যাল (৩৪৪২০)- সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে শিয়ালদহ থেকে ছেড়ে সকাল ১১টা ৫ মিনিটে ক্যানিং পৌঁছাবে।
পাশাপাশি, শিয়ালদহ ডিভিশনে যে সমস্ত লোকাল ট্রেন সাধারণত রবিবারে বন্ধ থাকে সেগুলিও ওই দিন সপ্তাহের অন্যান্য কর্মদিবসের মতোই চালানো হবে। একই ছবি হাওড়াতেও। 
 নির্বাচনী প্রচার পর্বে ডিজে হুমকি মামলার তদন্তে ভবানী ভবনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রায় সাড়ে ৬ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেন সিআইডি গোয়েন্দারা। তারপরই বৃহস্পতিবারই অদিতি গায়েনের বাড়িতে সিআইডি। এদিন প্রায় ৮-১০ জন আধিকারিক আসেন, যাঁদের মধ্যে মহিলা আধিকারিকরাও ছিলেন।


অভিষেকের নামের সঙ্গে সম্পৃক্ত! কে এই মেয়ে? যাঁর খোঁজে মমতার পাড়ায় হানা CID-র
বাঁ দিকে অদিতি গায়েন

২৯/D! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাড়া হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের একটি আবাসন। সেই আবাসনের ফার্স্ট ফ্লোর। বৃহস্পতিবার দুপুর ১.৪৫ মিনিট নাগাদ হঠাৎই সেখানেই হানা দেন সিআইডি আধিকারিকরা। কিন্তু কেন? জানা যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলার তদন্তেই এসেছেন তাঁরা। এই আবাসনে কেন? আসলে ওই বাড়িতেই থাকেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছোট বোন। অর্থাৎ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছোট পিসি। সেই পিসির মেয়ে অদিতি গায়েনের খোঁজে হানা দিয়েছেন আধিকারিকরা। তিনি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সোশ্যাল মিডিয়া পেজ এবং অনলাইন প্রচারের মূল দায়িত্বে। দলীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বক্তৃতা ও প্রচার সংক্রান্ত ডিজিটাল বিষয়গুলো তিনি পরিচালনা করে থাকেন।


নির্বাচনী প্রচার পর্বে ডিজে হুমকি মামলার তদন্তে ভবানী ভবনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রায় সাড়ে ৬ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেন সিআইডি গোয়েন্দারা। তারপরই বৃহস্পতিবারই অদিতি গায়েনের বাড়িতে সিআইডি। এদিন প্রায় ৮-১০ জন আধিকারিক আসেন, যাঁদের মধ্যে মহিলা আধিকারিকরাও ছিলেন। অদিতির সঙ্গে এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে কথা বলেন। সামাজিক মাধ্যমে প্রচার পর্বে অভিষেকের হয়ে যা যা পোস্ট করতেন, তা নিয়ে আলোচনা হয়। সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত সামাজিক মাধ্যমের পোস্ট কিছু হয়েছিল কিনা, সেটাও জানতে চান তদন্তকারীরা।


 অভিষেকের 'বাহন' কী? খোঁচা ঋতব্রতর, কুণালের 'বার্তা' নিয়েও শোরগোল
তৃণমূলের আইটি সেলের ইনচার্জ উপাসনা চৌধুরী বলেন, “ডিজে মামলাটা কবেকার, এটা নির্বাচনের সময়ে। মন্তব্যটা ভুল যদি হয়েই থাকে, তাহলে নির্বাচনের সময়েই অর্থাৎ যে সময়ে বলা হয়েছিল, তখনই কেন কোনও পদক্ষেপ করা হল না?”



পূর্ব রেলের তরফে জানানো হয়েছে, ২০ জুন মোট ৭টি বিশেষ ট্রেন চালানো হবে। হাওড়া ডিভিশনে হাওড়া–শেওড়াফুলি–তারকেশ্বর–গোঘাট শাখায় ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশেষ ট্রেনগুলির কখন, কোন স্টেশন থেকে ছাড়বে, একনজরে দেখে নেওয়া যাক বিশেষ ট্রেনের সময়সূচি

তারকেশ্বরের জন্য স্পেশ্যাল ট্রেন ঘোষণা পূর্ব রেলের, জেনে নিন সময়সূচি
ফাইল ফোটো

তারকেশ্বরের (Tarakeswar) যাত্রীদের জন্য সুখবর। বিশেষ ট্রেনের ঘোষণা পূর্ব রেলের (Eastern Railway)। একটা নয়, মোট ৭টি বিশেষ ট্রেন চালাবে পূর্ব রেল। ২০ জুন পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষ্যে রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi)। আগামিকাল তারকেশ্বরে বিশেষ কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রচুর লোকের সমাগম হতে পারে। বাড়তি যাত্রীর আশঙ্কা করেই তারকেশ্বরে অতিরিক্ত ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পূর্ব রেল।


পূর্ব রেলের তরফে জানানো হয়েছে, ২০ জুন মোট ৭টি বিশেষ ট্রেন চালানো হবে। হাওড়া ডিভিশনে হাওড়া–শেওড়াফুলি–তারকেশ্বর–গোঘাট শাখায় ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশেষ ট্রেনগুলির কখন, কোন স্টেশন থেকে ছাড়বে, একনজরে দেখে নেওয়া যাক বিশেষ ট্রেনের সময়সূচি


 দিনে কটা ডিম খাওয়া নিরাপদ জানেন?
বিশেষ ট্রেনগুলির সময়সূচি নিম্নরূপ—

০৩০৬৩ হাওড়া–তারকেশ্বর EMU স্পেশাল। হাওড়া থেকে সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে ছেড়ে তারকেশ্বরে পৌঁছবে ৯টা ১২ মিনিটে।
০৩০৬৬ তারকেশ্বর–শেওড়াফুলি EMU স্পেশাল। তারকেশ্বর থেকে ৯টা ৪৫ মিনিটে ছেড়ে শেওড়াফুলিতে পৌঁছবে ১০টা ৩৫ মিনিটে।
০৩০৬৫ শেওড়াফুলি–তারকেশ্বর EMU স্পেশাল। শেওড়াফুলি থেকে ১০টা ৪৮ মিনিটে ছেড়ে তারকেশ্বরে পৌঁছবে ১১টা ৪৫ মিনিটে।
০৩০৬৭ তারকেশ্বর–আরামবাগ EMU স্পেশাল। তারকেশ্বর থেকে ৭ টা ২০ মিনিটে ছেড়ে আরামবাগ পৌঁছবে ৮টায়।
০৩০৬৮ আরামবাগ–তারকেশ্বর EMU স্পেশাল। আরামবাগ থেকে ৮টা ৭ মিনিটে ছেড়ে তারকেশ্বরে পৌঁছবে ৮ টা ৩৯ মিনিটে।
০৩০৬৯ তারকেশ্বর–গোঘাট EMU স্পেশাল। তারকেশ্বর থেকে ১০টা ২১ মিনিটে ছেড়ে গোঘাট পৌঁছবে ১১টা ৮ মিনিটে।
০৩০৭০ গোঘাট–তারকেশ্বর EMU স্পেশাল। গোঘাট থেকে ১১টা ২০ মিনিটে ছেড়ে তারকেশ্বরে পৌঁছবে ১২টা ১০ মিনিটে।
পূর্ব রেল সূত্রে জানানো হয়েছে, সব ট্রেনই প্রতিটি স্টেশনে দাঁড়াবে।

এছাড়াও, ৩৭৩৬১ হাওড়া–আরামবাগ EMU লোকাল ট্রেনটের যাত্রাপথ একদিনের জন্য গোঘাট পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে । ট্রেনটি দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে গোঘাট থেকে ছাড়বে এবং ৩৭৩৬২ ট্রেনের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী হাওড়া পর্যন্ত চলবে বলে জানানো হয়েছে পূর্ব রেলের তরফে।

 মেট্রো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রবিবার ব্লু, গ্রিন ও ইয়েলো লাইনে মেট্রো পরিষেবাও বাড়ানো হয়েছে। তবে, ভোরবেলা পরিষেবা শুরু হলেও, শেষ মেট্রোর সময় অপরিবর্তিত থাকবে বলে জানিয়েছে মেট্রো কর্তৃপক্ষ। কোন স্টেশন থেকে কখন মেট্রো চলবে, জেনে নিন সময়সূচি

রবিবার ভোর ৪টে থেকেই মিলবে মেট্রো, চলবে একগুচ্ছ বাড়তি ট্রেনও
ফাইল ছবি

মেট্রো যাত্রীদের জন্য সুখবর। রবিবার ভোর ৪টে থেকেই মিলবে পরিষেবা (Kolkata Metro Service)। তবে, শুধুমাত্র ২১জুনের জন্যই বিশেষ পরিষেবা দেবে মেট্রো কর্তৃপক্ষ। আসলে ২১ জুন রাজ্যজুড়ে সাড়ম্বরে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস (International Yoga Day) পালন করা হবে। রাজ্যে যোগদিবসে সামিল হবেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi)। যোগদিবস উপলক্ষে রবিবার রেডরোডে কর্মসূচি রয়েছে। কর্মসূচিতে সামিল হবেন সাধারণ মানুষ। আবার রবিবার নিট পরীক্ষা (NEET-UG Exam)। ফলে বাড়তি চাপ থাকবেই। তাই, যাত্রীদের সুবিধার্থে রবিবার ভোর থেকেই মেট্রো চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে রবিবার ব্লু, গ্রিন ও ইয়েলো লাইনে মেট্রো পরিষেবাও বাড়ানো হয়েছে।


মেট্রো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভোরবেলা পরিষেবা শুরু হলেও, শেষ মেট্রোর সময় অপরিবর্তিত থাকবে। কোন স্টেশন থেকে কখন মেট্রো চলবে, জেনে নিন সময়সূচি



৬০-এ বিয়ে, মা না হওয়ার সিদ্ধান্ত! সমাজের বাধা ধরা নিয়ম ভাঙায় কী ঘটে সুহাসিনীর সঙ্গে?

দিনে কটা ডিম খাওয়া নিরাপদ জানেন?


ব্লু লাইন মেট্রো পরিষেবা
রবিবার সাধারণত ১৫২টি মেট্রো চলে ব্লু লাইনে। তবে, ২১ জুন মোট ২১৪টি মেট্রো (১০৭ আপ ও ১০৭ ডাউন) চালানো হবে। ভোর ৪টে থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত আপ ও ডাউনে ১৪ থেকে ১৫ মিনিট অন্তর মেট্রো চলবে।

প্রথম মেট্রোর সময়সূচি
দক্ষিণেশ্বর থেকে শহিদ ক্ষুদিরাম। সকাল ৯টার পরিবর্তে ভোর ৪টে থেকে পরিষেবা শুরু। নোয়াপাড়া থেকে শহিদ ক্ষুদিরাম।ভোর ৪টে। মহানায়ক উত্তম কুমার থেকে শহিদ ক্ষুদিরাম: ভোর ৪টে (বিশেষ পরিষেবা) শহিদ ক্ষুদিরাম থেকে দক্ষিণেশ্বর। ভোর ৪:০০ টে মহানায়ক উত্তম কুমার থেকে দক্ষিণেশ্বর। ভোর ৪টে। নোয়াপাড়া থেকে দক্ষিণেশ্বর। ভোর ৪টে (বিশেষ পরিষেবা)

গ্রিন লাইনে পরিষেবা
সাধারণত রবিবারে ১০৮টি মেট্রো চলে গ্রিন লাইনে। তবে, রবিবার মোট ১৭৩টি মেট্রো (৮৭ আপ ও ৮৬ ডাউন) চলবে। ভোর ৪টে থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত আপ ও ডাউনে ১০ থেকে ১৫ মিনিট অন্তর মেট্রো পরিষেবা পাওয়া যাবে। এরপর রবিবারের স্বাভাবিক সময়সূচি কার্যকর হবে।

প্রথম মেট্রো

হাওড়া ময়দান থেকে সল্টলেক সেক্টর ফাইভ। ভোর ৪টে নাগাদ শুরু হবে পরিষেবা। সল্টলেক সেক্টর ফাইভ থেকে হাওড়া ময়দান। ভোর ৪টে ২ মিনিটে শুরু পরিষেবা।

ইয়েলো লাইনে পরিষেবা
রবিবারের ৭৮টি মেট্রোর পরিবর্তে ১১২টি মেট্রো (৫৬ আপ ও ৫৬ ডাউন) চালানো হবে। ভোর ৪টে ১৮ মিনিট থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত আপ ও ডাউনে ১৮ থেকে ২০ মিনিট অন্তর মেট্রো চলবে। এরপর রবিবারের স্বাভাবিক পরিষেবা চালু হবে।

প্রথম মেট্রো

নোয়াপাড়া থেকে জয় হিন্দ বিমানবন্দর। ভোর ৪টে ১৮ মিনিটে প্রথম মেট্রো। জয় হিন্দ বিমানবন্দর থেকে নোয়াপাড়া। ভোর ৪টে ৪০ মিনিটে প্রথম মেট্রো।

কোন পরিষেবা বন্ধ থাকবে?
মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২১ জুন পার্পল লাইন ও অরেঞ্জ লাইনে কোনও পরিষেবা চালু থাকবে না।

আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের অনুষ্ঠান ও NEET-UG পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখেই এই বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ।
 জেলা শিক্ষা দফতরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তারা যেন নিশ্চিত করেন যে সরকারের এই নির্দেশ সরকারি স্কুলগুলিতে অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হচ্ছে। কোনও শিক্ষক কোচিং সেন্টার বা প্রাইভেট টিউশন পড়াচ্ছেন কি না, তার উপরও নজর রাখতে বলা হয়েছে।


স্কুল শিক্ষকদের জন্য এল নির্দেশ, কোনও প্রাইভেট টিউশন-কোচিং সেন্টারে পড়ানো যাবে না!
ফাইল চিত্র।


স্কুলে পড়ুয়াদের লেখাপড়া করানোয় বিশেষ মনোযোগ নেই। শিক্ষকরা কোচিং সেন্টার, প্রাইভেট টিউশনেই বেশি ব্যস্ত। তবে এবার সেই অভ্যাস বন্ধ হবে। কড়া নির্দেশ এল সরকারি স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য। তারা শুধুমাত্র স্কুলেই পড়াবেন। আলাদাভাবে কোনও টিউশন ক্লাস, কোচিং সেন্টার বা বাণিজ্যিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াতে পারবেন না (Private Tuition Ban)। কেউ এই নিয়ম ভাঙলেই তার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে।


সম্প্রতিই বিহার সরকার (Bihar Government) স্কুল শিক্ষকদের জন্য এই নির্দেশিকা জারি করেছে। তাদের বলা হয়েছে যে স্কুলে নিজেদের ডিউটি যেন সম্পূর্ণ পেশাদারিত্বের সঙ্গে পূরণ করেন। আর্থিক লাভের জন্য তারা অন্য কোথাও প্রাইভেটে পড়ানো যাবে না।


অভিষেকের 'বাহন' কী? খোঁচা ঋতব্রতর, কুণালের 'বার্তা' নিয়েও শোরগোল
সরকারি আধিকারিকরা জানিয়েছেন যে শিক্ষকরা যাতে সরকারি স্কুলগুলিতে পড়াশোনার মানোন্নয়নে জোর দেন এবং স্কুলের সময়ে সকল পড়ুয়াদের জন্য সবসময় উপস্থিত থাকেন, তার জন্য এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জেলা শিক্ষা দফতরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তারা যেন নিশ্চিত করেন যে সরকারের এই নির্দেশ সরকারি স্কুলগুলিতে অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হচ্ছে। কোনও শিক্ষক কোচিং সেন্টার বা প্রাইভেট টিউশন পড়াচ্ছেন কি না, তার উপরও নজর রাখতে বলা হয়েছে। যদি কোনও শিক্ষক নিয়ম ভাঙেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে ডিসিপ্লিনারি অ্যাকশন নেওয়া হবে।

বিহারে স্কুল শিক্ষা ব্যবস্থাকে উন্নত করতে এবং সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির উন্নয়নে বিশেষ জোর দিচ্ছে মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরীর সরকার।

 গতকাল থেকেই ধস নেমে বন্ধ হয়ে গিয়েছে NH10। শিলিগুড়ি-গ্যাংটক সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থাও বন্ধ হয়ে গিয়েছে। বন্ধ হয়ে গিয়েছে ১১০ নং জাতীয় সড়কও। মহানদীর কাছে খারসাং থেকে শিলিগুড়ি পর্যন্ত তিন লেনের সড়ক ভেঙে গিয়েছে। প্রধান সড়কের ওপর একটি বড় গাছ পড়েছে বলে খবর।

প্রবল বৃষ্টিতে ধস পাহাড়ে, জলের তোড়ে ভেসে গেল দুধিয়া সেতু, বন্ধ দার্জিলিং-শিলিগুড়ি যোগাযোগ
বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ

প্রবল বৃষ্টিতে ফের বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ। গত কয়েকদিন ধরেই উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টির (North Bengal Rain Update) দাপট বেড়েছে। তবে, গতকাল থেকেই উত্তরের (North Bengal Weather) একাধিক জেলায় প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়েছে। সারারাত প্রবল বর্ষণের ফলে একাধিক জায়গায় ধস নেমেছে। ভেঙে পড়েছে গাছ। বন্ধ হয়ে গিয়েছে ১১০ নং জাতীয় সড়ক। এদিকে, দুধিয়া সেতু ভেঙে পড়ায় শিলিগুড়ি-মিরিক যোগাযোগও প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে।


বালাসন নদীর তোড়ে ভাসল সেতু
বৃহস্পতিবার থেকেই ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি শুরু হয়েছে উত্তরবঙ্গে। শেষ করে নেপাল লাগোয়া মিরিকে রাতভর বৃষ্টি হয়েছে। এদিকে, প্রবল বর্ষণের জেরে রাত থেকেই ফুঁসছে বালাসন নদী। জানা গিয়েছে, ভোর রাতে নদীর জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছে দুধিয়ার অস্থায়ী সেতু। গত অক্টোবরের দুর্যোগেই ভেঙে গিয়েছিল দুধিয়া সেতু। পরে বালাসনের নদীবক্ষেই তৈরি হয় অস্থায়ী সেতু। তবে, এবারের বৃষ্টিতে সেই সেতুও ভেঙে গেল। এর ফলে শিলিগুড়ি-মিরিক যোগাযোগ কার্যত বন্ধ হয়ে গিয়েছে। সেক্ষেত্রে, ঘুরপথে সুখিয়াপোখরি হয়ে নামতে হবে পর্যটকদের।

১৮ মাস 'চুপ' থাকবেন রণবীর সিং! কেন হঠাৎ এমন সিদ্ধান্ত নিলেন 'ধুরন্ধর'?


আগেই নির্দেশ এসেছে মুখ্যমন্ত্রীর থেকে, জামাইষষ্ঠীতে চেহারাই বদলে যাচ্ছে দিঘার
বন্ধ NH10 ও ১১০ নং জাতীয় সড়ক
এদিকে, গতকাল থেকেই ধস নেমে বন্ধ হয়ে গিয়েছে NH10। শিলিগুড়ি-গ্যাংটক সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থাও বন্ধ হয়ে গিয়েছে। বন্ধ হয়ে গিয়েছে ১১০ নং জাতীয় সড়কও। মহানদীর কাছে খারসাং থেকে শিলিগুড়ি পর্যন্ত তিন লেনের সড়ক ভেঙে গিয়েছে। প্রধান সড়কের ওপর একটি বড় গাছ পড়েছে বলে খবর। ফলে, দার্জিলিং থেকে শিলিগুড়ি পর্যন্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।


বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়াতে। এছাড়া বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে হুগলি, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং উত্তর চব্বিশ পরগনায়। তবে, আপাতত ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। বৃষ্টি হলেও আগামী ২৪ ঘন্টায় অস্বস্তিকর আবহাওয়া থাকবে দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলায়।

সকাল থেকে আকাশ কালো করে তুমুল বৃষ্টি, এক রাতেই পারদ নামল ৫ ডিগ্রি, জলমগ্ন একাধিক এলাকা
ফাইল ছবি

প্রবল গরমে স্বস্তির বৃষ্টি। শুক্রবার সকাল থেকেই শহরজুড়ে বৃষ্টি (Kolkata Rain Update) শুরু হয়েছে। কোথাও হালকা, কোথাও ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। শুধু কলকাতা নয়, দক্ষিণবঙ্গের (West bengal Weather Update) একাধিক জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হয়েছে। প্রবল বৃষ্টিতে বেশ কয়েক জায়গায় জলও জমে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার রাতেও দক্ষিণের একাধিক জেলায় ঝড়-বৃষ্টি হয়েছে। এদিকে, বৃষ্টির (Rain Forecast) জেরে এক রাতেই তাপমাত্রা প্রায় ৫ডিগ্রি কমেছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ দিনভর বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি চলবে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে। উত্তরবঙ্গে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।


দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া
আজ কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। আলিপুর আবহাওযা দফতর জানিয়েছে, মূলত মেঘলা আকাশ থাকবে। দক্ষিণের বেশিরভাগ জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎসহ ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে, শনিবার থেকে ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়বে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বৃষ্টির সঙ্গে ৩০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে।


বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়াতে। এছাড়া বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে হুগলি, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং উত্তর চব্বিশ পরগনায়। তবে, আপাতত ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। এদিকে, বৃষ্টি হলেও আগামী ২৪ ঘন্টায় আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তিকর আবহাওয়া থাকবে দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলায়। ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া ও বাঁকুড়ায় তাপমাত্রা ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে। তবে, শনি ও রবিবার থেকে তাপমাত্রা কমতে শুরু করবে। ঝড়-বৃষ্টিও বাড়বে।


উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া
প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ। বেশ কয়েকদিন ধরেই বৃষ্টি চলছে উত্তরের জেলাগুলিতে। গতকাল রাত থেকে বৃষ্টির পরিমাণ বেড়েছে। প্রবল বৃষ্টিতে ধস নেমেছে পাহাড়ে। ১১০ নং জাতীয় সড়ক বন্ধ হয়ে গিয়েছে। বন্ধ হয়ে গিয়েছে NH10। এদিকে, উত্তরের জেলাগুলিতে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আজ দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। এই পাঁচ জেলাতে কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। শনিবার ও রবিবার ভারী বৃষ্টি হতে পারে উত্তর দিনাজপুরে। মালদহ ও দুই দিনাজপুরে বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে।

কলকাতার আবহাওয়া
সকাল থেকে আকাশের মুখ ভার। মেঘ কালো করে বৃষ্টি নেমেছে শহরে। বৃষ্টির জেরে তাপমাত্রাও কমেছে। তবে, আর্দ্রতা জনিত অস্বস্তি বজায় থাকবে। আজ সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৪.৬ডিগ্রি সেলসিয়াস। দিনভর ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শনিবার থেকে ঝড় বৃষ্টির বাড়বে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। রবিবারও একই পূর্বাভাস থাকবে।

পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতদের জেরা করে ১৫ জুন গভীর রাতে ফের ওই স্কুলে হানা দেয় বীজপুর থানার পুলিশ। ধৃত দু’জনকে সঙ্গে নিয়েই চলে তল্লাশি অভিযান। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওইদিন আরও প্রায় ৮ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছে। ফলে মোট উদ্ধার হওয়া নগদের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়াল প্রায় ১ কোটি ৮৫ লক্ষ টাকা।


কয়েকদিন আগেই এই স্কুল থেকে উদ্ধার হয়েছিল কোটি টাকা, ফের খুঁজতেই বেরিয়ে এল আরও গুপ্তধন

সপ্তাহখানেক আগে কাঁচরাপাড়ার (Kanchrapara Money Recovered) বেসরকারি স্কুল থেকে উদ্ধার হয়েছিল ১ কোটি টাকার বেশি। আবারও ওই একই স্কুল থেকে উদ্ধার হল আরও লক্ষ লক্ষ টাকা। স্কুলে টাকা উদ্ধারের ঘটনায় আগেই দুইজনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ওই স্কুলে ফের অভিযান চালিয়ে টাকার বান্ডিল উদ্ধার করল বীজপুর থানার পুলিশ। কোথা থেকে আসছে এত টাকা (Money Recovered), আর কোথাও এরকম বেআইনিভাবে টাকা গচ্ছিত রাখা রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।


পুলিশের তল্লাশি অভিযান
১০ জুন কাঁচরাপাড়ার ওই বেসরকারি স্কুলে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে প্রথম তল্লাশি চালায় বীজপুর থানার পুলিশ। সেই তল্লাশিতেই ঘর থেকে বেরিয়ে আসে ১ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকা। তিনটি মেশিন আনা হয় টাকা গোনার জন্য। ওই ঘটনায় স্কুলের কোষাধ্যক্ষ অভীক নাগ ও সহকারি হিসাবরক্ষক সায়ন পালকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ।


থানা থেকে বেরিয়ে রাস্তায় উদভ্রান্তের মতো ঘুরছেন অরূপ বিশ্বাস! হলটা কী?
পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতদের জেরা করে ১৫ জুন গভীর রাতে ফের ওই স্কুলে হানা দেয় বীজপুর থানার পুলিশ। ধৃত দু’জনকে সঙ্গে নিয়েই চলে তল্লাশি অভিযান। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওইদিন আরও প্রায় ৮ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছে। ফলে মোট উদ্ধার হওয়া নগদের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়াল প্রায় ১ কোটি ৮৫ লক্ষ টাকা। আর কোথাও বেআইনিভাবে টাকা গচ্ছিত রাখা রয়েছে কি না তা ধৃত দু’জনকে জেরা করে পুলিশ জানার চেষ্টা করছে।


প্রাক্তন বিধায়কের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ
টাকা উদ্ধারের ঘটনায় বীজপুরের বিধায়ক সুদীপ্ত দাসের অভিযোগ,”সবটাই বীজপুরের প্রাক্তন বিধায়ক সুবোধ অধিকারী এবং তাঁর ভাই কাঁচরাপাড়ার চেয়ারম্যান কমল অধিকারীর কালো টাকা। শুধু একটা স্কুলে নয়, আমার ধারণা আরও অনেক জায়গায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে যে জায়গা গুলো ওদের কাছে নিরাপদ মনে হয়েছে, সেখানে টাকাগুলো রেখে দিয়েছে। তা না হলে একটা স্কুলে এত নগদ টাকা থাকতে পারে না।”

বিধায়কের আরও অভিযোগ, “২০২২ সালে চিটফান্ড মামলায় যখন সুবোধ অধিকারীর বাড়িতে সিবিআই তল্লাশি করেছিল তখন থেকেই ওরা টাকা লুকানোর জায়গা খুঁজছিল। কমল অধিকারী সহ এফআইআরে যাXদের নাম রয়েছে তাঁদের পুলিশ খুঁজে বের করে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আরও বিপুল কালো টাকার হদিস পাবে।” একইসঙ্গে স্কুলটিকে আমোদপ্রমোদের জায়গা বানিয়ে রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন বিধায়ক।

বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর গৌতম দেবকে নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন দলের একাংশ। অভিযোগ, যে শহরে মেয়র হিসেবে চার বছর কাজ করেছেন গৌতম দেব, সেই শহরের সব ওয়ার্ডেই পরাজিত হয় তৃণমূল। গৌতম দেব নিজেও শিলিগুড়ির কেন্দ্র থেকে পরাজিত হয়েছেন। এরপর থেকেই মেয়রের পদ থেকে গৌতম দেবের ইস্তফা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়।

শিলিগুড়ির পুরবোর্ডও হাতছাড়া তৃণমূলের? এবার মেয়র পদ থেকে ইস্তফা গৌতম দেবের
গৌতম দেব

শিলিগুড়ির মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দিলেন গৌতম দেব (Gautam Deb)। জানা গিয়েছে, পুর কমিশনারকে ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছেন তিনি। নির্বাচনের ভরাডুবির পর থেকেই গৌতমের মেয়র পদ বহাল থাকবে কি না সেই নিয়ে জল্পনা চলছিল। অবশেষে জল্পনার অবসান ঘটিয়ে মেয়র পদ ছাড়লেন গৌতম (Gautam Deb Resignation)। সেক্ষেত্রে কলকাতা, বিধাননগর, চন্দননগরের পর এবার শিলিগুড়ির পুরবোর্ডও হাতছাড়া হল তৃণমূলের।


গৌতম দেবকে নিয়ে ক্ষোভ দলের অন্দরে
বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর গৌতম দেবকে নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন দলের একাংশ। অভিযোগ, যে শহরে মেয়র হিসেবে চার বছর কাজ করেছেন গৌতম দেব, সেই শহরের সব ওয়ার্ডেই পরাজিত হয় তৃণমূল। গৌতম দেব নিজেও শিলিগুড়ির কেন্দ্র থেকে পরাজিত হয়েছেন। এরপর থেকেই মেয়রের পদ থেকে গৌতম দেবের ইস্তফা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়।


এক বছর আগেই চুপি চুপি বিয়ে সেরেছেন অম্বরীশ! জানেন পাত্রী কে? ফাঁস তথ্য
মেয়র গৌতম দেব বলেছিলেন, “আমি নিজের বুথে হেরেছি। নিজের ওয়ার্ডে হেরেছি। সব কাউন্সিলরেরা হেরেছেন। কিন্তু এটা জনতার রায় নয়। ইভিএম ট্যাম্পারিং নিয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। আর মেয়র পদে থাকব কি না, তা দলনেত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে জানাব। সিদ্ধান্ত নেব।”


মমতার সঙ্গে দেখার পরই ইস্তফা?
যদিও গৌতম দেব জানিয়েছিলেন, কাজ চালিয়ে যাবেন তিনি। তবে, সূত্রের খবর, দিন দু’য়েক আগেই কলকাতায় এসেছিলেন গৌতম দেব। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করেন, কথাও বলেন। তারপরই শিলিগুড়িতে ফিরে ইস্তফাপত্র দিলেন গৌতম দেব। গৌতম দেবের ইস্তফার পর শিলিগুড়ি পুরবোর্ডও কার্যত হাতছাড়া তৃণমূল। মেয়রের ইস্তফার পর এবার কীভাবে প্রশাসন চলবে? বিজেপি সূত্রে খবর, দ্রুতই প্রশাসক নিয়োগ করা হবে। যাতে রোজকার পরিষেবা চালু থাকে, তা নিশ্চিত করতে হবে।

  অতিবৃষ্টিতে পাহাড়ে আরও ধসের সতর্কবার্তা থাকছে। ৪ দিন সিকিম, দার্জিলিং, কালিম্পংয়ে অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। থাকছে হড়পা বানের ভয়। পাহাড়ি নদী থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন আবহাওয়া দফতরের কর্তারা।

৪ দিন একেবারে লাল সতর্কতা! ২০০ মিমি-র বেশি বৃষ্টির আশঙ্কা এই জেলাগুলিতে
কী বলছে আবহাওয়া দফতর?

দক্ষিণবঙ্গে টানা আকাশের মুখ ভার থাকলেও , বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরেই লাগাতার বৃষ্টি চলছে উত্তরবঙ্গে। আগামী কয়েকদিনই দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। অতি ভারী বৃষ্টিও হতে পারে এই পাঁচ জেলার কিছু কিছু অংশে। ফলে উত্তরবঙ্গে যে ভয়াবহ দুর্যোগের আশঙ্কা রয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ইতিমেধ্যেই ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের উপরেও ধসের খবর মিলেছে। অন্যদিকে দুধিয়া ব্রিজের অস্থায়ী ডাইভার্সন (হিউম পাইপ সেতু)-এর একটি অংশও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। 


এই আবহে অতিবৃষ্টিতে পাহাড়ে আরও ধসের সতর্কবার্তা থাকছে। ৪ দিন সিকিম, দার্জিলিং, কালিম্পংয়ে অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। থাকছে হড়পা বানের ভয়। পাহাড়ি নদী থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন আবহাওয়া দফতরের কর্তারা। 

 স্বরূপ বিশ্বাসের চশমায় ক্যামেরা লাগানো থাকত! বিস্ফোরক অভিযোগ আদালতে
প্রসঙ্গত, বিগত কয়েকদিন ধরেই টানা বৃষ্টি চলছে ডুয়ার্সের প্রায় সর্বত্রই। এবার সেই বৃষ্টির দাপট আরও বাড়তে পারে। আগামী ৪ দিন লাল সতর্কতা জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ারে। শনিবার লাল সতর্কতা কোচবিহারেও। হাওয়া অফিস বলছে একদিনে ২০০ মিমি-র বেশি বৃষ্টিও হতে পারে ডুয়ার্সে। ভুটানের জল ও স্থানীয় বৃষ্টিতে ডুয়ার্সের নদীতে জলস্ফীতির সতর্কতা। 


প্রবল বৃষ্টি, সঙ্গে ধস আর জল জমার জন্য সমস্যায় পড়ছেন অনেক উত্তরবঙ্গে আগত পর্যটকরা। এই অবস্থায় তাঁদের জন্য ইতিমধ্যেই হেল্পলাইন চালু করেছে রাজ্য সরকার। পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের পরিস্থিতি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের ভার্চুয়াল পর্যালোচনা বৈঠক করেছেন পূর্ত দফতরের মন্ত্রী অজয় কুমার পোদ্দার। তিনি ছাড়াও বৈঠকে ছিলেন সচিব অন্তরা আচার্য, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কালিম্পং জেলার জেলাশাসক এবং গণপূর্ত দফতরের ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরা।

 
সূত্রের খবর, চিঠিতে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক লিখেছেন, রক্তে তাঁর শর্করার মাত্রা ৩৫০-তে পৌঁছেছে। কিডনির জটিল সমস্যায় ভুগছেন। এই পরিস্থিতিতে দলের দায়িত্ব পালন করা তাঁর পক্ষে আর সম্ভব নয়। তাঁর পদত্যাগ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।


মমতার হাত ছাড়লেন বালু-ও, দলের সব পদ থেকে ইস্তফা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের
জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক

আরও ‘একা’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার নেত্রীর হাত ছাড়লেন তাঁর প্রিয় ‘বালু’। দলের সব পদ থেকে ইস্তফা দিলেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। সূত্রের খবর, দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়ে নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন প্রাক্তন মন্ত্রী। ইস্তফাপত্রে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক তাঁর শারীরিক অসুস্থতার কথা জানিয়েছেন। সম্প্রতি, তৃণমূল কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটিতে স্থান পেয়েছিলেন জ্যোতিপ্রিয়। কিন্তু, শারীরিক অসুস্থতার জন্য তিনি দায়িত্ব নিতে অপারগ। চিঠিতে এমনটাই জানিয়েছেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।


চিঠিতে কী লিখেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?
সূত্রের খবর, চিঠিতে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক লিখেছেন, রক্তে তাঁর শর্করার মাত্রা ৩৫০-তে পৌঁছেছে। কিডনির জটিল সমস্যায় ভুগছেন। এই পরিস্থিতিতে দলের দায়িত্ব পালন করা তাঁর পক্ষে আর সম্ভব নয়। তবে, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের পদত্যাগ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।


দিনে কটা ডিম খাওয়া নিরাপদ জানেন?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠদের মধ্যে প্রথম সারিতেই রয়েছে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের নাম। তৃণমূলের শুরু থেকে, মমতার লড়াইয়ের দিনগুলিতে দলের অন্যতম সৈনিক হিসেবে মমতার পাশে ছিলেন তিনি। বালুর দুর্দিনে তাঁর হাত ছাড়েননি মমতাও। রেশন দুর্নীতি মামলায় জ্যোতিপ্রিয়র জেলযাত্রার পরেও তাঁর উপর ভরসা রেখেছিলেন তৃণমূল নেত্রী। জ্যোতিপ্রিয়কে ফাঁসানো হয়েছে বলেও জোর গলায় দাবিও করেছিলেন। কিন্তু, দলের দুর্দিনে, মমতার দুর্দিনে সেই বালুও সঙ্গে থাকলেন না।


রেশন দুর্নীতি মামলায় জেলে যাওয়ার পরেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন তাঁকে বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী করেছিলেন সেই নিয়ে কম সমালোচনাও হয়নি। এদিকে, দিন কয়েক আগেও তৃণমূল কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য করা হয়েছিল জ্যোতিপ্রিয়কে। কিন্তু, দিন কয়েকের মধ্যেই বদলে গেল ছবিটা। শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে ইস্তফা দিলেও রাজনৈতিক মহলের মতে, দলের ভরাডুবির কারণে বাকিদের মতো তিনিও ইস্তফা দিয়েছেন।

১৩২ নম্বর সাগর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত সাগর ব্লকের কোস্টাল থানার সামনে আজ প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করলেন ভারতীয় জনতা পার্টির একাংশের পুরাতন কর্মী ও সমর্থকরা। মিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগ তুলে এই আন্দোলনে সামিল হন বহু বিজেপি কর্মী ও নেতৃত্ব।


আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে যাঁরা তৃণমূল কংগ্রেসের সক্রিয় কর্মী ও সমর্থক ছিলেন, সরকার পরিবর্তনের পর তাঁদের অনেকেই বিজেপিতে যোগদান করেন। অভিযোগ, সেই নতুন যোগদানকারী নেতাকর্মীদের একটি অংশ কোস্টাল থানার মাধ্যমে পূর্বতন বিজেপি কর্মী ও নেতৃত্বের বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা দায়ের করাচ্ছেন।
বিক্ষোভকারীদের দাবি, এই ধরনের মামলার ফলে দীর্ঘদিনের বিজেপি কর্মীরা প্রশাসনিক ও আইনি জটিলতার মধ্যে পড়ছেন এবং মানসিকভাবে চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন। তাঁদের বক্তব্য, দলের আদর্শ ও সংগঠনকে দীর্ঘদিন ধরে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া কর্মীদেরই আজ নানা অভিযোগে জর্জরিত হতে হচ্ছে।
প্রতিবাদ সভা থেকে বিজেপির ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি জানানো হয়। আন্দোলনকারীরা স্পষ্টভাবে জানান, অবিলম্বে বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত ও সমাধানের উদ্যোগ না নেওয়া হলে আগামী দিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের পথে নামবেন তাঁরা।

বিক্ষোভ কর্মসূচিকে ঘিরে কোস্টাল থানা এলাকায় কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনার পরিবেশ তৈরি হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ছিল। ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাগর ব্লকের রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। পুরনো ও নতুন কর্মীদের মধ্যে এই বিরোধ ভবিষ্যতে সংগঠনের উপর কী প্রভাব ফেলবে, তা নিয়েও নানা মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।
বর্তমানে আন্দোলনকারীদের দাবির প্রেক্ষিতে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব বা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে এই ঘটনায় সাগরের রাজনৈতিক পরিস্থিতি যে নতুন মাত্রা পেল, তা নিয়ে একমত রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের বড় অংশ।


 এই মামলায় বিচারপতি প্রশ্নও করেন, "এই অনুষ্ঠান ব্রিগেডে করা হচ্ছে না কেন?" রাজ্যের অ্যাডিশন্যাল এজি বিলদ্বল ভট্টাচার্য জানান, সেনা বাহিনী এই অনুষ্ঠানের জন্য রেড রোড অনুমোদন করেছে। এটা রাজ্য সরকারের অনুষ্ঠান। মাত্র ৮০০ মিটার বন্ধ করা হয়েছে। বাকি সব রাস্তা খোলা আছে।


নাগরিকরা বিকল্প পথে যান', কোন মামলায় রাজ্যবাসীকে বড় পরামর্শ কলকাতা হাইকোর্টের
কলকাতা হাইকোর্ট

যোগ দিবস পালনে ৭ দিন রেড রোড বন্ধ, আর তাতে আমজনতার হয়রানির বিষয়টি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন আইনজীবীদের একাংশ। বৃহস্পতিবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য এই মামলায় পরামর্শ দেন, ২১ জুন পর্যন্ত নাগরিকরা যাতে বিকল্প রাস্তা ব্যবহার করেন। তবে এই মামলায় বিচারপতি প্রশ্নও করেন, “এই অনুষ্ঠান ব্রিগেডে করা হচ্ছে না কেন?” রাজ্যের অ্যাডিশন্যাল এজি বিলদ্বল ভট্টাচার্য জানান, সেনা বাহিনী এই অনুষ্ঠানের জন্য রেড রোড অনুমোদন করেছে। এটা রাজ্য সরকারের অনুষ্ঠান। মাত্র ৮০০ মিটার বন্ধ করা হয়েছে। বাকি সব রাস্তা খোলা আছে।

বিচারপতি তখন প্রশ্ন করেন, “এটা ব্রিগেডে হলে কী ক্ষতি হত? আমি মানছি এটা রাজ্যের সরকারি অনুষ্ঠান, এটা রাজনৈতিক নয়, তারপরেও বলছি এটা ব্রিগেডে হলে নাগরিকের ওই রাস্তা ব্যবহারে সমস্যা হত না। আর গোটা রাস্তা বন্ধ কেন, কেন অর্ধেক খোলা নয়?”



বাবা হিন্দু, মা মুসলিম...' ঈশান খট্টরের ধর্ম কী? অভিনেতা বললেন 'জয় শ্রী...'
বঙ্গোপসাগরে বড় খেলা খেলছে পাকিস্তান, দোসর হয়েছে চিন! ভারত কি জবাব দেবে?
তখন এএজি জানান, “প্রধানমন্ত্রী এসপিজি নিরাপত্তা পান। তার জন্য গোটা রাস্তা বন্ধ করতে হচ্ছে। তার নিরাপত্তার কারণেই ব্রিগেডে করা যাচ্ছে না।”

বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, “সিপির এই বিজ্ঞপ্তিতে প্রশ্ন আছে। তিন সপ্তাহের মধ্যে সবপক্ষকে হলফনামা দিতে হবে।” পাশাপাশি রাজ্য় পুলিশকেও স্পষ্ট করে দেন, এই সময়ের মধ্যে বিকল্প রাস্তার ব্যবস্থা করতে হবে সব নাগরিকদের জন্য। যাতে তাঁরা সুষ্ঠুভাবে গন্তব্যে পৌঁছতে পারেন। অনুষ্ঠান শেষ হলেই যাতে সেই রাস্তা ব্যবহার করা যায়, সেটা পুলিশকে নিশ্চিত করতে হবে। এই মামলায় সেনাবাহিনীকে আগামী দিনে যুক্ত করতে হবে।

উল্লেখ্য, ২১ জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস। ২০ জুন কলকাতার আকাশে উড়বে ৩ হাজার ড্রোন। ২১ জুন বাংলায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী। যোগ দিবস বাংলাতে পালন করবেন তিনিও। ২১ জুন রেড রোডে হবে যোগ প্রদর্শনী।


ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা করার স্পিকারের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বালিগঞ্জের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। বুধবার সেই মামলার শুনানি শেষ হয়েছে। কিন্তু রায়দানে দেখা যায়, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের আবেদনে হস্তক্ষেপ করল না আদালত। কিন্তু কেন? 


ঠিক কোন বিশেষ নথির জোর? শোভনদেব নন, ঋতব্রতর পক্ষেই গেল আদালতের রায়? স্পষ্ট করলেন সন্দীপন
সন্দীপন সাহা

বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের আবেদনে আপাতত হস্তক্ষেপ করলেন না কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। হাইকোর্টের রায়ের পর সন্দীপন সাহা বললেন, “এটা আমাদের নৈতিক জয়। যে লড়াইটা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও আমি, আমরা শুরু করেছিলাম, যে অনিয়মের বিরুদ্ধে, তাতে আমরা নৈতিক জয় পেলাম।”


বুধবারই কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের বেঞ্চে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের আবেদনের শুনানি ছিল। শুনানিতে বারবার বিধানসভার স্পিকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তৃণমূল থেকে বহিষ্কার করার পরেও কী ভাবে বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসাবে বেছে নিলেন স্পিকার রথীন্দ্র বসু? বিধানসভার মামলায় প্রশ্ন তুলেছিল কলকাতা হাই কোর্ট। কেন তৃণমূলের তরফ থেকে আসা প্রথম চিঠিকে গুরুত্ব দেওয়া হল না এবং কেন দ্বিতীয় চিঠিটি গ্রহণ করে নেওয়া হল, সেই প্রশ্নও তুলেছেন বিচারপতি কৃষ্ণ রাও। ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা করার স্পিকারের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বালিগঞ্জের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। বুধবার সেই মামলার শুনানি শেষ হয়েছে। কিন্তু রায়দানে দেখা যায়, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের আবেদনে হস্তক্ষেপ করল না আদালত। কিন্তু কেন?


কেন দলীয় কার্যালয়ে বেডরুম? পিছনে 'মহৎ উদ্দেশ্য', ব্যাখ্যা দেবাংশুর
বিধায়ক সন্দীপন সাহা বললেন, “৫৮ জনের বেশি বিধায়ক সমর্থন দিয়ে ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা করার জন্য অধ্যক্ষকে চিঠি দিয়েছিলেন। সেটা পুরোপুরি নিয়ম মাফিক। স্পিকার তাতে স্বীকৃতি দিয়েছেন। আজকে হাইকোর্টও সেই স্বীকৃতিতে শিলমোহর দিল। আমরা যে কাজটা করেছি, আইন মেনে করা, নৈতিক জয়। বিধায়কদের সমর্থনের সংখ্যা বাড়ছে। যাঁরা নতুন করে সমর্থন করছেন, সেই মতো চিঠি স্পিকারকে দিচ্ছি।” এই গোটা বিষয়টি আদালতের নজরে আনা হয় বলে তিনি জানান।

তরফে সন্দীপনকে প্রশ্ন করা হয়, শোভনদেবকে বিরোধী দলনেতা চেয়ে ১২ তারিখে চিঠি দেওয়া হয়েছিল, তা ১৬ তারিখে কেন চিঠি গৃহীত হল? এই প্রশ্ন করতেই সন্দীপন বলেন, “কোন তৃণমূল কংগ্রেসের কথা বলছেন? সেই তৃণমূল কংগ্রেস অনেক কথা বলে, অনেক দাবি করে, সেই সাপোর্টিং নথি থাকতে হয়, অধিকাংশ সময়েই দেখা যায়, সেরকম নথি থাকে না। তাঁরা মুখে বলছেন।” উল্লেখ্য, বুধবারের শুনানিতে সেই একই প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি রাও। কেন তৃণমূল থেকে দেওয়া প্রথম চিঠিকে গুরুত্ব না দিয়ে দ্বিতীয় চিঠির ভিত্তিতে পদক্ষেপ করা হল? সে প্রশ্ন ওঠে হাইকোর্টেও।

সূত্রের খবর, ত্রিপাঠীর পরিবারের অনেকগুলি ট্রাক আছে, যেগুলি বালি নিয়ে যেত। বালি খাদানে কার নিয়ন্ত্রণ থাকবে এবং টাকার ভাগ কে, কত পাবে, তা নিয়েই বিরোধ চলছিল। বুধবার রাতে ভরত সিংকে যখন ঝামেলা মেটানোর জন্য টাকা হয়েছিল, তিনি ফরচুনার গাড়ি নিয়ে যান।


রায়পুর: ভয়ঙ্কর। দীর্ঘদিনের ঝামেলায় ভয়ঙ্কর পরিণতি হল বিজেপি নেতার। দুটি ট্রাকের মাঝে আটকে দেওয়া হয়েছিল গাড়ি, তারপর সেই গাড়িতে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হল। গাড়ির ভিতরেই পুড়ে মৃত্যু হল বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রেসিডেন্ট ভরত সিংয়ের। তাঁর সঙ্গে গাড়িতে ছিলেন আরও দুইজন। তাঁদের মৃত্যু হয়েছে গাড়ির ভিতরে আগুনে পুড়ে।

ঘটনাটি ঘটেছে ছত্তীসগঢ়ের কোরিয়া জেলায়। বুধবার রাতে ওই বিজেপি নেতাকে ডাকা হয়েছিল বালি উত্তোলন নিয়ে ঝামেলা মেটাতে। তবে পরিবারের দাবি, আসলে সেটা ফাঁদ ছিল। দীর্ঘদিন ধরেই সোনহাত, কৈলাশপুর. তেলিমুড়া, বেলিয়া ও চিনগুড়ায় বালি তোলা নিয়ে ঝামেলা ছিল। বিগত কয়েক মাস ধরে ভরত সিংয়ের গোষ্ঠী ও আরেক বিজেপি নেতা মনোজ ত্রিপাঠীর গোষ্ঠীর মধ্যে বিরোধ চরমে উঠেছিল।



সূত্রের খবর, ত্রিপাঠীর পরিবারের অনেকগুলি ট্রাক আছে, যেগুলি বালি নিয়ে যেত। বালি খাদানে কার নিয়ন্ত্রণ থাকবে এবং টাকার ভাগ কে, কত পাবে, তা নিয়েই বিরোধ চলছিল। বুধবার রাতে ভরত সিংকে যখন ঝামেলা মেটানোর জন্য টাকা হয়েছিল, তিনি ফরচুনার গাড়ি নিয়ে যান। সেখানে পৌঁছতেই তাঁর গাড়ির সামনে ও পিছনে ট্রাক দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়। এরপরই সঙ্গে সঙ্গে গাড়িতে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ফলে গাড়ি ভিতরে থাকা বিজেপি নেতা ও তাঁর দুই সঙ্গী পুড়ে মারা যান। ময়ঙ্ক সিং নামক আরও একজন গুরুতর আহত। তাঁর অবস্থা সঙ্কটজনক।

পুলিশ এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত আক্ষত ত্রিপাঠী, বিশাল ত্রিপাঠী, সত্য প্রকাশ ত্রিপাঠী ও মন্নু ত্রিপাঠীকে গ্রেফতার করেছে। নয়জনের বিরুদ্ধে খুন ও খুনের চেষ্টার মামলা করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ভরত সিং আগে কংগ্রেস করতেন। ভূপেশ বাঘেল সরকারের আমলে তিনি বিজেপিতে যোগ দেন। যথেষ্ট প্রভাবশালী নেতা ছিলেন তিনি। নীল বাতির গাড়ি নিয়ে ঘুরতেন।  মৃতের পরিবার সিবিআই তদন্তের দাবি করেছে।


শিবসেনার ভাঙন ও একনাথ শিন্ডের শিবিরকে আসল শিবসেনার স্বীকৃতি দেওয়ার প্রসঙ্গ টেনে সঞ্জয় রাউত বলেন যে মহারাষ্ট্রে গণতন্ত্র নিয়ে যে মজা হয়েছে, তার সবথেকে বড় দায় সুপ্রিম কোর্টের। যদি সুপ্রিম কোর্ট যথাসময়ে পদক্ষেপ করত, তাহলে রাজ্যে এই রাজনৈতিক অস্থিরতা থামানো যেত।   


 তৃণমূল থেকে শিক্ষা! বিদ্রোহী সাংসদদের বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ করতে চলেছে উদ্ধবের শিবসেনা
বিদ্রোহীদের সবক শেখাবে উদ্ধবের শিবসেনা?


শিবসেনা ভেঙেছে একবার। আরও একবার ভাঙনের মুখে উদ্ধব ঠাকরের (Uddhav Thackeray) শিবসেনা। ছয়জন বিদ্রোহী সাংসদরা তৈরি করতে চলেছেন আলাদা ফ্রন্ট। এমনটাই সূত্রের খবর। দলের তরফে নয়জন সাংসদকে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছিল, কিন্তু মাত্র তিনজনই উপস্থিত হন। এবার বিদ্রোহী সাংসদদের বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ করতে চলেছে শিবসেনা (ইউবিটি) (Shiv Sena UBT)।


উদ্ধব ঠাকরের নির্দেশে চিফ হুইপ অনিল দেশাইয়ের ডাকা সংসদীয় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না শিবসেনা (ইউবিটি)-র ছয়জন সাংসদ। তাদের ইতিমধ্যেই দলের তরফে শোকজ নোটিস দেওয়া হয়েছে। শিবসেনা (ইউবিটি) সাংসদ অরবিন্দ সাওয়ান্ত জানিয়েছেন, বিদ্রোহী নেতাদের আগামী সাতদিনের মধ্যে শোকজের জবাব দিতে হবে। যদি তারা জবাব না দেন, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলেও তিনি জানান।



নায়কের সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর নাতনি! কেরিয়ারের সাফল্যই কি ব্রেকআপের কারণ?
গতকালই রাজ্যসভার শিবসেনা (ইউবিটি) সাংসদ সঞ্জয় রাউত জানিয়েছিলেন যে চিফ হুইপের নির্দেশ অমান্য করে আইন ভঙ্গ করেছেন বিদ্রোহী সাংসদরা। তিনি জানান, ইতিমধ্যেই ডিসিপ্লিনারি প্রসিডিং শুরু হয়েছে। এই বিদ্রোহী সাংসদদের বিরুদ্ধে দলের তরফে সাংসদ পদ খারিজ করে দেওয়ার আবেদন জানানো হবে বলেও হুঙ্কার দেন সঞ্জয় রাউত। বিদ্রোহী সাংসদরা ষড়যন্ত্র ও প্রতারণা করেছেন বলে অভিযোগ করেন।

একইসঙ্গে তিনি সুপ্রিম কোর্টের বিরুদ্ধেও সুর চড়ান। শিবসেনার ভাঙন ও একনাথ শিন্ডের শিবিরকে আসল শিবসেনার স্বীকৃতি দেওয়ার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন যে মহারাষ্ট্রে গণতন্ত্র নিয়ে যে মজা হয়েছে, তার সবথেকে বড় দায় সুপ্রিম কোর্টের। যদি সুপ্রিম কোর্ট যথাসময়ে পদক্ষেপ করত, তাহলে রাজ্যে এই রাজনৈতিক অস্থিরতা থামানো যেত।

সূত্রের খবর, আজ বিধান পরিষদে ভোটিংয়ের পর শিবসেনা (ইউবিটি)-র ছয় সাংসদ নিজদের আলাদা একটি ফ্রন্ট তৈরি করবে। সাংসদ সঞ্জয় বান্দু যাদব এই নতুন ফ্রন্টের নেতা হবেন।

প্রসঙ্গত, মহারাষ্ট্রের আগে পশ্চিমবঙ্গেও একইভাবে ভাঙন ধরেছে তৃণমূল কংগ্রেসে। সেখানে তৃণমূলের বিদ্রোহী ২০ জন সাংসদও আলাদা ফ্রন্ট গঠন করার পরিকল্পনা করেছিলেন কাকলী ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে। তবে দলত্যাগ বিরোধী আইনে ফেঁসে যাওয়ার ভয়েই এনসিপিআই (NCPI)-তে মিশে যান। মহারাষ্ট্রের শিবসেনা (ইউবিটি) সাংসদরা আলাদা ফ্রন্ট গড়বেন নাকি একনাথ শিন্ডের শিবসেনার সঙ্গে মিশে যাবেন, তাই-ই দেখার।

কয়েকদিন আগে বেলেঘাটার প্রাক্তন মেয়র পারিষদ স্বপন সমাদ্দার গ্রেফতার হওয়ার পর কুণাল ঘোষ মুখ্যমন্ত্রীকে বার্তা পাঠিয়ে বলেছিলেন, এই হয়রানি থামানো দরকার। বহু জায়গায় নেতা-কর্মীদের উপর পুলিশি হেনস্থা চলছে। এর মধ্যে সত্যিকারের অপরাধে কিছু বলার নেই। কিন্তু বহু ক্ষেত্রে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য দেখা যাচ্ছে।

অধিবেশনের দিনই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর ঘরে হাজির কুণাল-মদন-শোভনদেবরা

পালাবদলের পর রাজ্যে এক অভিনব রাজনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। রাজ্যে বিরোধী দল এখন আড়াআড়ি বিভক্ত। তৃণমূলের (TMC) বিধায়ক হয়েও একদল বিরোধী দলের স্বীকৃতি পাননি, আবার একদল বিরোধীদের ঘরে বসার সুযোগ পেয়েছে। এহেন পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে অধিবেশন। প্রথম দিনই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) ঘরে ঢুকতে দেখা গেল পাঁচ তৃণমূল বিধায়ককে, যাঁরা মূলত মমতা-পন্থী বলেই জানা যায়।


এদিন বিধানসভায় রাজ্যপালের ভাষণ শেষ হওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসেন পাঁচ বিধায়ক। ছিলেন কুণাল ঘোষ, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, মদন মিত্র, অশোক দেব, রহিম বক্সী। সাম্প্রতিক কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করতেই শুভেন্দু অধিকারীর কাছে গিয়েছেন তাঁরা।


মমতাকে চাপে ফেলতে বড় পদক্ষেপ অরূপের? পাল্টা মোক্ষম চাল তৃণমূল সুপ্রিমোর! কী ঘটল?
কয়েকদিন আগে বেলেঘাটার প্রাক্তন মেয়র পারিষদ স্বপন সমাদ্দার গ্রেফতার হওয়ার পর কুণাল ঘোষ মুখ্যমন্ত্রীকে বার্তা পাঠিয়ে বলেছিলেন, এই হয়রানি থামানো দরকার। বহু জায়গায় নেতা-কর্মীদের উপর পুলিশি হেনস্থা চলছে। এর মধ্যে সত্যিকারের অপরাধে কিছু বলার নেই। কিন্তু বহু ক্ষেত্রে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য দেখা যাচ্ছে বলে দাবি করেন কুণাল। মুখ্যমন্ত্রী পাল্টা যোগাযোগ করে বার্তা দেন যে, এভাবে কথা হয় না। অধিবেশন বসছে। সেদিন রাজ্যপালের ভাষণের পর মুখোমুখি কথা হতে পারে।


এরপর বুধবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা প্রত্যাহারের পর কুণাল নিজে থেকেই আবার মুখ্যমন্ত্রীকে খবর পাঠিয়ে বলেন, পুরনো পিএসও-দের ফিরিয়ে দিতে। কুণাল আবেদন করেন, পুলিশ প্রশাসন যাই করুক, মুখ্যমন্ত্রী যেন সৌজন্যমূলকভাবে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করেন। মোটামুটি ইতিবাচক সাড়া আসে। ঠিক হয় বৈঠকে বিষয়টি আলোচিত হবে। এরপরই আজ বসল বৈঠক।

চলতি বছর জয়েন্ট এন্ট্রান্সে পাশের হার ৯৭.৭৪ শতাংশ। প্রথম দশে জায়গা করে নিয়েছেন কলকাতার পড়ুয়ারা। মেধাতালিকার শীর্ষেই রয়েছেন কলকাতার এক পড়ুয়া। পশ্চিম মেদিনীপুর থেকেও জায়গা করে নিয়েছেন দুইজন।

প্রকাশিত জয়েন্টের ফল, প্রথম স্থানে কলকাতার পড়ুয়া, দেখে নিন মেধাতালিকা
প্রতীকী ছবি

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত হল রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রাসের ফল (WBJEE 2026)। আজ দুপুরে সাংবাদিক বৈঠক করে ফলপ্রকাশ করা হল পশ্চিমবঙ্গ জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ডের তরফে। পরীক্ষার প্রায় ২৬ দিনের মাথায় ফলপ্রকাশ করল বোর্ড। চলতি বছর জয়েন্ট এন্ট্রান্সে ((WBJEE Result 2026) পাশের হার ৯৭.৭৪ শতাংশ। প্রথম দশে জায়গা করে নিয়েছেন কলকাতার পড়ুয়ারা। মেধাতালিকার শীর্ষেই রয়েছেন কলকাতার এক পড়ুয়া। পশ্চিম মেদিনীপুর থেকেও জায়গা করে নিয়েছেন দুইজন।


জয়েন্ট এন্ট্রান্সের মেধাতালিকা
প্রথম স্থানে রয়েছেন শাশ্বত বন্দ্যোপাধ্যায়। সল্টলেকের বাসিন্দা। রাজস্থানের নালন্দা অ্যাকাডেমির ছাত্র
দ্বিতীয় হয়েছেন সৌঋদ্ধ মণ্ডল। বিবেকানন্দ মিশন স্কুল। বিষ্ণুপুরের বাসিন্তা
তৃতীয় হয়েছেন রাণীগঞ্জের বাসিন্দা উমঙ্গ ভুট, পূরব ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ছাত্র
চতুর্থ স্থানে রাহুল কোনার। উত্তর ২৪ পরগনার ডিপিএস-এর ছাত্র।
পঞ্চম স্থানে শ্রাবণ ভট্টাচার্য। নদিয়ার বীজপুরের বাসিন্দা শ্রাবণ গার্ডেন হাইস্কুলের ছাত্র
ষষ্ঠ স্থানে আরহা ভট্টাচার্য। চন্দ্রকোনা জিরাট হাইস্কুলের ছাত্র
সপ্তম স্থানে সৃজন শুর, কলকাতার সাউথ পয়েন্টের ছাত্র, শিবপুরের ছেলে
অষ্টম স্থানে মণীশ সেনাপতি, মেদিনীপুর কলেজিয়েট স্কুলের ছাত্র
নবম স্থানে সব্যসাচী লস্কর, বিডি মেমোরিয়াল, সোনারপুরের ছেলে
দশম স্থানে দেবজিত পাল, কলকাতার সাউথ পয়েন্টের ছাত্র, বালিগঞ্জের ছেলে
জয়েন্ট এন্ট্রান্সে এবার মোট পরীক্ষার্থী ৯৪ হাজার ৯০১। ছাত্র ৬৭ হাজার ৩৭৮। ছাত্রী ২৭ হাজার ৫২১জন। ট্রান্সজেন্ডার ২ জন


সলমনের ‘কৃষ্ণসার হরিণ শিকার’ মামলা নিয়ে ছবি তৈরি করায় খুনের হুমকি পেলেন প্রযোজক!
মোট পাশ করেছেন ৯২ হাজার ৭৫৩। পাশের হার ৯৭.৭৪ শতাংশ। ছাত্র পাশ করেছেন ৬৬ হাজার ৩৮৩। ছাত্রী পাশ করেছেন ২৬ হাজার ৩৬৮।

এতদিন কাউন্সেলিংয়ের ক্ষেত্রে একবার রেজিস্ট্রেশনের পর আর রেজিস্ট্রেশন করতে হত না। এবারে তিনটে রাউন্ডেই আলাদা করে প্রত্যেক ছাত্র -ছাত্রী তিনবারই আলাদা করে প্রেফারেন্স চয়েস ফিলিং করতে পারবে। রেজিস্ট্রেশনও আলাদা ভাবে করতে পারবেন।

 সকাল থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনের ছবিটা অন্য। কেবল পিএসও পদমর্যাদার কয়েকজন পুলিশ আধিকারিক সকাল থেকে হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের বাড়ির বাইরেই দাঁড়িয়ে রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একজনকে ভেতরে ঢুকে কথা বলার অনুমতি দেওয়া হলেও ১০ মিনিটের মধ্যে তাঁকেও বের করে দেওয়া হয়।


মমতার বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হল মমতার বিশেষ নিরাপত্তারক্ষীকে! কী করেছেন তিনি? কালীঘাটে বড় ঘটনা
কালীঘাটে নিরাপত্তার দায়িত্বে আস্থাভাজনরা

বুধবারের সন্ধ্যার পর বৃহস্পতিবার সকালও। আরও ৬ জন পিএসও পদমর্যাদার আধিকারিককে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে পাঠিয়েছিল লালবাজার। তাদেরকে অনুমতি দেওয়া হল না ভিতরে প্রবেশের ক্ষেত্রে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির যাবতীয় নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাচ্ছে বর্তমানে দলেরই বেশ কয়েকজন যুবক। যাঁরা দলের অত্যন্ত বিশ্বাসী এবং আস্থাভাজন। তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন দু-একজন পুলিশ।


সকাল থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনের ছবিটা অন্য। কেবল পিএসও পদমর্যাদার কয়েকজন পুলিশ আধিকারিক সকাল থেকে হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের বাড়ির বাইরেই দাঁড়িয়ে রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একজনকে ভেতরে ঢুকে কথা বলার অনুমতি দেওয়া হলেও ১০ মিনিটের মধ্যে তাঁকেও বের করে দেওয়া হয়। জানিয়ে দেওয়া হয়, “ম্যাডাম অনুমতি দেননি আপনাদের প্রবেশের। ম্যাডামের সিদ্ধান্ত উনি পিএসও নেবেন না। ম্যাডাম সিদ্ধান্ত না বদলালে আমাদের পক্ষে আপনাদের ভিতরে প্রবেশ করার অনুমতির দেওয়া সম্ভব নয়।”



জল থেকে হু হু করে ছড়াচ্ছে 'শিগেলা', ইতিমধ্যেই মৃত্যু ৬ জনের! কী উপসর্গ দেখলে সতর্ক হবেন?
সূত্রের খবর, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, তাঁর কোনও পিএসও লাগবে না। বাইরে কলকাতা পুলিশের বিশেষ বাহিনীর জওয়ানরা বারবার টহল দিচ্ছেন। কিন্তু ভিতরে কাউকে অনুমতি দেওয়া হয়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মোট পাঁচজন পিএসও ছিলেন। যার মধ্যে তিনজন সবথেকে বিশ্বাসী এবং আস্থাভাজন। তাঁদেরকে নিজেদের পুরনো ইউনিটে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়ায় ক্ষুব্ধ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা প্রত্যাহারের পর কুণাল নিজে থেকেই মুখ্যমন্ত্রীর কাছে বিষয়টি উত্থাপন করেন। বৃহস্পতিবারই বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন মমতাপন্থী পাঁচ বিধায়ক। মধ্যস্থতা করেন কুণাল। তিনি আবেদন জানান, যাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো পিএসও-দের ফিরিয়ে দেওয়া হয়। কুণালের আবেদন, পুলিশ প্রশাসন যাই করুক, মুখ্যমন্ত্রী যেন সৌজন্যমূলকভাবে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করেন। মোটামুটি ইতিবাচক সাড়া আসে।

প্রসঙ্গত, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষীদের সরিয়ে দেওয়া এবং তাঁর কালীঘাটের বাড়ির সামনে থেকে পুলিশি প্রহরা তুলে নেওয়ার অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলীয় সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন এই পদক্ষেপকে ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’ বলে অভিযোগ করেছেন। অন্যদিকে, রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ পুরোপুরি খারিজ করে দেওয়া জেড প্লাস নিরাপত্তা বহাল রয়েছে এবং রুটিন প্রশাসনিক রদবদলের অংশ হিসেবে নতুন নিরাপত্তা কর্মীদের পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই নতুন রক্ষীদের গ্রহণ করতে অস্বীকার করেন।