April 2024

ডনের অঙ্গুলিহেলনেই নাকি একবার একটি অনুষ্ঠানে নেচেছিলেন রাজেশ খান্না, ডিম্পল কাপাডিয়ার কন্যা টুইঙ্কল খান্না। সব্বাই জানেন, বলিউড অভিনেতা অক্ষয় কুমারের স্ত্রীও তিনি। দাউদের ইশারায় কোনও অনুষ্ঠানে কি সত্যি নেচেছিলেন টুইঙ্কল? এ ব্যাপারে মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী...

দাউদের অঙ্গুলিহেলনে টুইঙ্কলের নাচ, অবশেষে মুখ খুললেন অক্ষয়-পত্নী?
দাউদ-টুইঙ্কল।


মুম্বইয়ের আলো-আঁধারি জগতের ‘বেতাজ বাদশাহ’ দাউদ ইব্রাহিম। এই প্রখ্যাত ডন পুলিশের মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকার খাতায়। ১৯৯৩ সালে মুম্বই বিস্ফোরণের মূল ষড়যন্ত্রকারীর তালিকায় নাকি ছিলেন এই ডনই। তাঁকে নিয়ে সিনেমা হয়েছে প্রচুর। বলিউডের সুন্দরী নায়িকাদের উপর নজরও রয়েছে এই ডনের। এই ডনের অঙ্গুলিহেলনেই নাকি একবার একটি অনুষ্ঠানে নেচেছিলেন রাজেশ খান্না, ডিম্পল কাপাডিয়ার কন্যা টুইঙ্কল খান্না। সব্বাই জানেন, বলিউড অভিনেতা অক্ষয় কুমারের স্ত্রীও তিনি। দাউদের ইশারায় কোনও অনুষ্ঠানে কি সত্যি নেচেছিলেন টুইঙ্কল? এ ব্যাপারে মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী…


মস্করা করার খুবই স্বভাব আছে টুইঙ্কলের। এ প্রশ্ন আসতেই হাসতে-হাসতে তাঁর জবাব, “সবাই বলছে, আমি নাকি দাউদের কোনও এক অনুষ্ঠানে নেচেছি। হাসি পাচ্ছে। রাগও হচ্ছে। এমনটা রটেছে দেখে। আমি তো নাচতেই পারি না। আমার কাছে নাচতে গেলেই উঠোন বাঁকা। আমার ছেলেমেয়েরা বলে, ‘মা, তোমার নাচ দেখলে মনে হয় কুস্তি করছ’। আর আমাকে দাউদ ডাকবেন। কখনওই না। আরও অনেক ভাল নৃত্যশিল্পী আছেন। তাঁদের ডাকবেন। আমাকে ডাকবেনই না। সব মিথ্যে কথা।”

আগামী ৯ মে বিয়ে করছেন কৌশাম্বী ও আদৃত। সেই উপলক্ষেই গোটা মিঠাই পরিবারের তরফে আয়োজিত হয়েছিল এক গেট টুগেদারের। সেই গেট টুগেদারে হাজির ছিলেন ছোট থেকে বড় সকলেই। বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী, স্বাগতা বসু, লোপামুদ্রা সিনহা থেকে শুরু করে ফাহিম মির্জা, বিশ্বাবসু বিশ্বাস-- বাদ ছিলেন না কেউই।

তলানিতে আদৃত-সৌমিতৃষার সম্পর্ক? এক ছবিই উস্কে দিল রটনা
এক ছবিই উস্কে দিল রটনা


‘মিঠাই’ ধারাবাহিক চলাকালীনই ইন্ডাস্ট্রিতে রটনা ছিল সম্পর্ক নাকি মোটেও ভাল নেই, ছবির দুই প্রধান আদৃত রায় ও সৌমিতৃষা কুন্ডুর। এক সময় তাঁদের প্রেমের গুঞ্জন শোনা গেলেও রটেছিল কৌশাম্বী চক্রবর্তীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর পর থেকেই নাকি ক্রমশ সম্পর্কের অবনতি হতে থাকে তাঁদের। সেই রটনা এবার আরও উস্কে দিলেন খোদ আদৃতই। নেপথ্যে এক ছবি।


আগামী ৯ মে বিয়ে করছেন কৌশাম্বী ও আদৃত। সেই উপলক্ষেই গোটা মিঠাই পরিবারের তরফে আয়োজিত হয়েছিল এক গেট টুগেদারের। সেই গেট টুগেদারে হাজির ছিলেন ছোট থেকে বড় সকলেই। বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী, স্বাগতা বসু, লোপামুদ্রা সিনহা থেকে শুরু করে ফাহিম মির্জা, বিশ্বাবসু বিশ্বাস– বাদ ছিলেন না কেউই। এমনকি দেখা গিয়েছিল তন্বী লাহা রায়কেও। তবে ফ্রেমে দেখা যায়নি সৌমিতৃষাকে। মিঠাইয়ের এই অনুপস্থিতিই বাড়িয়ে দিয়েছে নানা জল্পনা। আদৃতের ‘আইবুড়োভাত’-এ তন্বীর উপস্থিতি মোটেও ভাল ভাবে নেননি মিঠাইয়ের ভক্তরাও। তাঁদের পুরনো ‘ঝামেলা’র প্রসঙ্গ টেনে এনে একজন লেখেন, “শুধু বাদ সৌমিতৃষা? এটা কিন্তু ঠিক নয়।”




ইন্ডাস্ট্রির সূত্র বলে, ধারাবাহিক চলাকালীনই আদৃত ও সৌমিতৃষার সখ্য গড়ে উঠেছিল। সখ্য হয়তো নিতেও পারত অন্য কোনও সম্পর্কের নাম। তবে তা হয়নি। কারণ, অন্য সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন আদৃত। আপাতত সেই সম্পর্কই আরও একধাপ এগচ্ছে। আগামী ৯ মে বিয়ে করছেন তিনি ও তাঁর সহকর্মী তথা প্রেমিকা কৌশাম্বী। মিঠাই সেই বিয়েতে যান কিনা এখন সেটাই দেখার।


গত বছরের শেষ মাসে শহরের এক ওটিটি প্ল্যাটফর্মের উচ্চপদস্থ কর্মচারী সৌম্য মুখোপাধ্যায়কে বিয়ে করেন সন্দীপ্তা। তবে সে বিয়েতে আসেননি রাহুল। তাঁর দাবি, "ওর বিয়ের সময় আমি ছিলাম না"। রাহুল অকপটেই জানিয়েছেন আর সন্দীপ্তার সঙ্গে কথা হয় না তাঁর।

'ওর বিয়ের সময় আমি...', সন্দীপ্তার সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে অকপট রাহুল
সন্দীপ্তার সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে অকপট রাহুল


বছর তিনেক আগেও ‘ট্র্যাভেল পার্টনার’ সন্দীপ্তা সেনের সঙ্গে ছবি দিয়ে রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছিলেন, ‘আমার সব মন কেমনের ঠিকানা তুই’। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ঠিকানা বদলেছে। হৃদয়ের দফতরে এখন অন্য কারও আনাগোনা। একদা যে ছিলেন কাছের মানুষ আজ তাঁর সঙ্গেই যোগাযোগ নেই– এমনটাই দাবি করেছে হৃদয়ের মালিক তথা রাহুল। আর তেমন যোগাযোগ নেই সন্দীপ্তার সঙ্গে– অকপটেই স্বীকার করেছেন সম্প্রতি ‘নিবেদিতা অনলাইন’ নামক এক ইউটিউব চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে।


সন্দীপ্তা কী ছিলেন তাঁর? প্রেমিকা, বন্ধু নাকি অন্য কোনও সম্পর্ক? প্রশ্ন আসতেই রাহুলের উত্তর, “আমাদের নিয়ে যখন এত আলোচনা হয়েছে আমি বা সন্দীপ্তা আমরা কেউই কিন্তু স্বীকার করিনি আমরা সম্পর্কে আছি। আজ যখন সন্দীপ্তা অন্য কারও সঙ্গে ভাল আছে, তখন নতুন করে স্বীকার করার কিছু নেই যে আমি ওর প্রেমিক ছিলাম। আমরা বন্ধু ছিলাম। বা বন্ধুর চেয়ে বেশি ছিলাম। আর সম্পর্ক তো এলআইসি বন্ড নয় যে গ্যারান্টির সঙ্গে আসবে।” গত বছরের শেষ মাসে শহরের এক ওটিটি প্ল্যাটফর্মের উচ্চপদস্থ কর্মচারী সৌম্য মুখোপাধ্যায়কে বিয়ে করেন সন্দীপ্তা। তবে সে বিয়েতে আসেননি রাহুল। তাঁর দাবি, “ওর বিয়ের সময় আমি ছিলাম না”। রাহুল অকপটেই জানিয়েছেন আর সন্দীপ্তার সঙ্গে কথা হয় না তাঁর। তবে রুকমা রায়ের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের সমীকরণ খানিক আলাদা, তা স্বীকার করতেও ভোলেননি রাহুল। তাঁর কথায়, “রুকমা আমাকে মজার মজার ভিডিয়ো পাঠায়। একটা ভীষণ গভীর বন্ধন আছে আমাদের।”


এর আগে সন্দীপ্তার বিয়ের খবর শুনে টিভিনাইন বাংলায় মুখ খুলেছিলেন রাহুল। বলেছিলেন, “খুব ভাল হোক, বন্ধুর ভাল হবে সেটাই চাইব। আমরা তো কোনওদিন কোনও সম্পর্কে ছিলাম না। বন্ধু ছিলাম। ওর জীবনে সম্পর্ক আসার দরকার ছিল এবং সেটা এসেছে, সে জন্য আমি ভীষণই খুশি।” এই মুহূর্তে স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকারের সঙ্গে বৈবাহিক অশান্তি মিটিয়ে আবারও এক হয়েছেন রাহুল। তবু অতীত ফিরে আসে মাঝেমধ্যেই, প্রশ্ন এড়ানো যায় কি?

আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পর জয়পুরের সওয়াই মানসিং স্টেডিয়ামে রাজস্থান রয়্যালস ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ম্যাচ। এক বার ভাবুন তো তার আগে যদি রোহিত-হার্দিকরা স্টেডিয়ামে না পৌঁছতে পারেন, তা হলে কী হবে? সঠিক সময়ে ম্যাচ শুরু হবে তো? এই পরিস্থিতিতে রোহিতদের উদ্ধারকর্তা হলেন সানি।

ট্রাফিক জ্যামে আটকে MI টিম, পথ দেখানো সানির জন্য হাততালি রোহিতদের
ট্রাফিক জ্যামে আটকে MI টিম, পথ দেখানো সানির জন্য হাততালি রোহিতদের


 পৌঁছতে কে না চায়! সকলেই এমনটা চান। কিন্তু ট্রাফিক জ্যাম অনেককে সঠিক সময়ে গন্তব্যস্থলে পৌঁছতে দেয় না। আর এই ট্রাফিক জ্যাম তো কারও হাতে থাকে না। এ বার জয়পুরের রাস্তায় যানজটে আটকে পড়ল মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের (Mumbai Indians) টিম বাস। আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পর জয়পুরের সওয়াই মানসিং স্টেডিয়ামে রাজস্থান রয়্যালস ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ম্যাচ। এক বার ভাবুন তো তার আগে যদি রোহিত-হার্দিকরা স্টেডিয়ামে না পৌঁছতে পারেন, তা হলে কী হবে? সঠিক সময়ে ম্যাচ শুরু হবে তো? এই পরিস্থিতিতে রোহিতদের উদ্ধারকর্তা হলেন সানি।

মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সোশ্যাল মিডিয়া সাইট X এ একটি ১৮ সেকেন্ডের ভিডিয়ো শেয়ার করা হয়েছে। যেখানে দেখা গিয়েছে, জয়পুরে ট্রাফিক জ্যামে আটকে পড়েছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের টিম বাস। সেই সময় সানি নাম ও ৭ নম্বর লেখা জার্সি পরা এক ব্যক্তি সাহায্য়ের হাত বাড়িয়ে দেন রোহিত-সূর্যদের দিকে। রাস্তার মধ্যে থাকা বেশ কয়েকটি গাড়িকে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের টিম বাসের সামনে থেকে সরে যেতে সাহায্য করেন তিনি। সেই সময় গাড়িতে থাকা মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ক্রিকেটাররা সানির জন্য হাততালি দেন। ভেতর থেকে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের এক ক্রিকেটার আবার বলেন, ‘ভালো ভালো সানি, খুব ভালো।’ এরপর মুম্বইয়ের টিম বাস সামনে এগিয়ে যায়। ভিডিয়োটির ক্যাপশনে MI টিমের পক্ষ থেকে লেখা হয়েছে, ‘দিল জিত লিয়া সানি ভাই।’

এক ঝলকে দেখে নিন ট্রাফিক জ্যামে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের টিম বাস আটকে যাওয়ার সেই ভিডিয়োটি 

 হর্ষিত রানার ফুলটস বলে আউট হয়েছেন বিরাট। কিন্তু তাঁর আউট ঘিরে রয়েছে বিতর্ক। প্রযুক্তিগত ত্রুটির কথা বলছেন অনেকে। আবার অনেকেই বলছেন, আম্পায়ার সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আম্পায়ারের পক্ষে দাঁড়ানো লোকের সংখ্যা কিন্তু কম নয়। অধিকাংশ প্রাক্তন, বিশেষ করে যাঁরা ধারাভাষ্য দেন, তাঁরা কিন্তু সোজাসুজি বলে দিচ্ছেন, নিয়ম অনুযায়ী আম্পায়ার ঠিক আউটই দিয়েছেন।

শেখাবে নাকি ঝগড়া করবে... বিরাটকে লক্ষ্য করে বিষাক্ত তির প্রাক্তনের?


কলকাতা: টুইটারে একটা ভিডিয়ো নিয়ে খুব চলছে। ছোট্ট ভিডিয়ো কিন্তু ভীষণ শিক্ষনীয়। কেরিয়ারে অনেক ম্যাচ খেলেছেন সচিন তেন্ডুলকর। বিতর্কিত আউটও হয়েছেন বহুবার। তখন ডিআরএস ছিল না। বল ট্র্যাকিং প্রযুক্তিও আসেনি। যতবার বিতর্কিত আউট হয়েছেন, কী প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন ক্রিকেট ঈশ্বর। তাঁর সেই বিখ্যাত মনভোলানো হাসি। যেন বলতে চেয়েছেন, ‘ওরা জানে না, কী ভুল করছে! ওদের ক্ষমা করো।’ সচিন কেরিয়ার জুড়ে শিখিয়ে গিয়েছেন, আম্পায়ারের সিদ্ধান্তই সব। তিনি আউট দিলে মানতে হয়। মাঠ ছেড়ে যেতে হয়। যতই সচিনের উত্তরসূরী ধরা হোক, ক্রিকেট দুনিয়ার নতুন কিং বলা হোক, বিরাট কোহলিকে কি তাঁর আসনে বসানো যাবে? এক প্রাক্তন কিন্তু বিষমাখানো তির ছুড়লেন বিরাটের দিকে।


কেকেআরের বিরুদ্ধে রবিবার দুপুরের ম্যাচে চরম বিতর্ক তৈরি হয়েছে। হর্ষিত রানার ফুলটস বলে আউট হয়েছেন বিরাট। কিন্তু তাঁর আউট ঘিরে রয়েছে বিতর্ক। প্রযুক্তিগত ত্রুটির কথা বলছেন অনেকে। আবার অনেকেই বলছেন, আম্পায়ার সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আম্পায়ারের পক্ষে দাঁড়ানো লোকের সংখ্যা কিন্তু কম নয়। অধিকাংশ প্রাক্তন, বিশেষ করে যাঁরা ধারাভাষ্য দেন, তাঁরা কিন্তু সোজাসুজি বলে দিচ্ছেন, নিয়ম অনুযায়ী আম্পায়ার ঠিক আউটই দিয়েছেন। তাতেও যে বিতর্ক থেমেছে, তা নয়। কিন্তু মাঠে আম্পায়ারের সঙ্গে ঝামেলা করার অভিযোগে বড়সড় জরিমানা হয়েছে বিরাটের। ৫০ শতাংশ ম্যাচ ফি কাটা গিয়েছে তাঁর। পরিস্থিতি যখন জটিল, তখন এক প্রাক্তন কিন্তু বিরাটকে নাম না করে সমালোচনা করলেন। কে তিনি?





তিনি আকাশ চোপড়া। বিরাটের বিতর্কিত আউটে যিনি পাশে দাঁড়িয়েছেন আম্পায়ার। সেই তিনি একটি টুইট করে লিখেছেন, ‘যে তারকা, সে তার প্রভাব কাজে লাগিয়ে শিক্ষিত করার চেষ্টা করবে অথবা ঝামেলা করবে। ভেবেচিন্তে ঠিক করুক।’ আকাশ যে বিরাটকে ঘুরিয়ে বলেছেন, টুইট পড়লেই বোঝা যাবে। আর তা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। অনেকেই সরাসরি আক্রমণ করেছেন আকাশকে। কেউ কেউ আবার আকাশের প্রশংসাও করেছেন। সব মিলিয়ে কিন্তু কেকেআর ম্যাচে বিরাট কোহলির আউট ঘিরে বিতর্কের জল মাঠের বাইরেও গড়াতে শুরু করেছে।

বস্তুত, দীর্ঘদিন লড়াই-আন্দোলনের পরই চাকরি পেয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কা সাউ ও অনামিকা রায়। এদিন টিভি ৯ বাংলায় প্রিয়াঙ্কা জানান, "আমাদের ভোট দান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা যদি অযোগ্যদের মানুষদের সেই ক্ষমতা দিই তাহলে আমাদের ভুক্তভোগী হতেই হবে।"

 'অযোগ্যদের ক্ষমতা দিলে ভুক্তভোগী হতেই হবে', চাকরি হারিয়ে বললেন প্রিয়াঙ্কা
প্রিয়াঙ্কা সাউ


কলকাতা: ভোটের আবহেই আজ বড় দিন বাংলায়। SSC মামলার রায় ঘোষণা করলেন বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি মহম্মদ সাব্বির রশিদির ডিভিশন বেঞ্চ। আদালত জানিয়ে দিল, বেআইনি ভাবে সমস্ত চাকরি বাতিল। বাতিল হল ২৩ হাজার ৭৫৩ জনের চাকরি। যাঁদের চাকরি বাতিল হয়েছে সেই তালিকায় রয়েছে প্রিয়াঙ্কা সাউ ও অনামিকা রায়ের চাকরি। তবে তাঁদের বেতন ফেরত দিতে হবে না।


বস্তুত, দীর্ঘদিন লড়াই-আন্দোলনের পরই চাকরি পেয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কা সাউ ও অনামিকা রায়। এদিন টিভি ৯ বাংলায় প্রিয়াঙ্কা জানান, “আমাদের ভোট দান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা যদি অযোগ্যদের মানুষদের সেই ক্ষমতা দিই তাহলে আমাদের ভুক্তভোগী হতেই হবে। তার দৃষ্টান্ত আমাদের চোখের সামনে। যারা দুর্নীতি করল তাদের জন্য আমরা যারা যোগ্য আন্দোলন করলাম, রাস্তায় বসে রইলাম, তারপর কোর্টে অর্ডারে চাকরি পেলাম, আজকে একইভাবে সেই লিস্টে এসে গেলাম যে আমাদের চাকরি বহাল থাকল না।” এখানেই শেষ নয়, প্রিয়াঙ্কা আরও বলেন,” একটাই কথা বলব কোর্টের অর্ডারে চাকরি পেয়েছি। কোর্টের অর্ডারেই চাকরি নেই। আমরা টাকার বিনিময়ে চাকরি পাইনি। উচ্চ আদালতে যাব।”

তিনি জানান, “মাথা ঠিক না হলে অঙ্গ প্রত্যঙ্গে পচন ধরবে। আর সেই কারণে শিক্ষামন্ত্রী জেলে। এত আমলারা জেলে। যারা দুর্নীতি করে চাকরি পেয়েছেন তারা জলে আর দুধে মিশে রয়েছে। আর তাদের আলাদা করা যাচ্ছে না বলে আমাদের মতো যোগ্য প্রার্থীরা ভুক্তভোগী। সীতাকে অগ্নিপরীক্ষা দিতে হয়েছিল। আমাদেরও প্রমাণ করতে হবে আমরা ভুয়োদের দলে পরি না।”


আদালতের রায়ে মানসিকভাবে কার্যত ভেঙে পড়েছেন অনামিকা রায়ও। তিনি বলেন, “অযোগ্যদের জন্য এত বারবার পরীক্ষা দিতে হবে। আমি হতাস। এই রায় মানতে পারছি না। আমি ভেঙে পড়েছি। শুধু অযোগ্যদের বের করতে পারত। আমরা অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে চাকরি পেয়েছি। কিন্তু এটা আশা করিনি। অযোগ্যদের জন্য মানসিক দিক থেকে ভেঙে পড়েছি। দুর্নীতির জন্যই এটা হল।”

কেকেআরের বিরুদ্ধে শুরুতেই ঝড় বইয়ে দিয়েছিলেন বিরাট। কিন্তু বেশিক্ষণ সেই ঝড়ের স্থায়িত্ব ছিল না। হর্ষিত রানার বলে ফিরে যান ৮ বলে ১৮ করে। এই আউট নিয়েই তীব্র বিতর্ক দেখা গিয়েছে আইপিএলে। প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণেই নাকি আউট হয়েছেন বিরাট, এমন বলা শুরু করেছেন অনেকেই। 

কিন্তু ধারাভাষ্যকাররা অনেকেই যুক্তি দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছেন, বিরাটের আউট যথাযথ নিয়ম মেনেই দেওয়া হয়েছে। আম্পায়ার কোনও ভুলই করেননি।

আউট হয়ে ঝামেলা আম্পায়ারের সঙ্গে, বিরাট জরিমানা কোহলির!


কলকাতা: কোমরের উপরের বলে আউট হয়েছেন। এমনই দাবি ছিল তাঁর। আম্পায়ারের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জও জানিয়েছিলেন। কিন্তু তা কাজে লাগেনি। তৃতীয় আম্পায়ার বল ট্র্যাকিং দেখে আউটের সিদ্ধান্তই বহাল রাখেন। তার পরও ক্ষোভ গোপন করেননি তিনি। আম্পায়ারকে প্রশ্নবাণে জর্জরিত করেন। এতেই শেষ নয়, ম্যাচের পরও আম্পায়ারের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায় তাঁকে। তিনি যে অখুশি, তাও শরীরীভাষায় ফুটে উঠছিল। এর ফল হাতেনাতে পেলেন বিরাট কোহলি। কেকেআর ম্যাচে বিধিভঙ্গের অপরাধে আরসিবি তারকার বিরাট জরিমানা করল বিসিসিআই।


কেকেআরের বিরুদ্ধে শুরুতেই ঝড় বইয়ে দিয়েছিলেন বিরাট। কিন্তু বেশিক্ষণ সেই ঝড়ের স্থায়িত্ব ছিল না। হর্ষিত রানার বলে ফিরে যান ৮ বলে ১৮ করে। এই আউট নিয়েই তীব্র বিতর্ক দেখা গিয়েছে আইপিএলে। প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণেই নাকি আউট হয়েছেন বিরাট, এমন বলা শুরু করেছেন অনেকেই। কিন্তু ধারাভাষ্যকাররা অনেকেই যুক্তি দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছেন, বিরাটের আউট যথাযথ নিয়ম মেনেই দেওয়া হয়েছে। আম্পায়ার কোনও ভুলই করেননি।

বিরাট স্টেপ আউট করেছিলেন হর্ষিতের বল খেলার জন্য। ক্রিজ ছেড়ে বেরনোর কারণেই হর্ষিতের বল কোমরের উপর ছিল। যদি ক্রিজে দাঁড়িয়ে খেলতেন, তা হলে ওই বল কোমরের নিচে থাকত। স্টেপ আউট করা ব্যাটারের পজিশন ট্র্যাক করার ক্ষেত্রে প্রযুক্তি তাঁর স্টান্স পজিশনই ধরবে। এগিয়ে গিয়ে খেলছে কিনা, তা ধরা হবে না। প্রাক্তন ক্রিকেটারদের এই যুক্তি কিন্তু অনেকেই উড়িয়ে দিচ্ছেন। কেউ কেউ আবার এও বলছেন, ভুলের শিকার হয়েছেন বিরাট। ফুটবলের অফসাইডের ক্ষেত্রে যেমন একটা লাইন আঁকা হয়, এ ক্ষেত্রেও তাই করা উচিত।


পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, বিরাট কিন্তু বিতর্কের কেন্দ্রে। আউট হয়ে তিনি যে ঝামেলা করেছেন, তার খেসারত দিতে হল। ৫০ শতাংশ ম্যাচ ফি কাটা গেল তাঁর। স্লো ওভার রেটের কারণে ক্যাপ্টেন ফাফ দু’প্লেসির ১২ লক্ষ টাকা জরিমান হয়েছে। একে টিম টানা ছ’ম্যাচ হেরে বসেছে। তার উপর টিমের দুই তারকার বড় জরিমানা আরও চেপে ফেলে দিল আরসিবিকে। টিমের এ বারও যা হাল, তাতে এ বারও টিম প্লে-অফে যেতে পারবে কিনা, তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে। বিরাট অঘটন না ঘটলে লিগেই শেষ হয়ে যাবে আরসিবির খেলা।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কি জঙ্গিদের টার্গেটে? কারণ, অভিষেকের বাড়ি রেইকি করে মুম্বই হামলার ষড়যন্ত্রকারী। এমনই বড় তথ্য সামনে আনল কলকাতা পুলিশ। তাঁর বাড়ি রেইকি করে মুম্বই হামলার ষড়যন্ত্রকারী।

জঙ্গি টার্গেটে অভিষেক! রেইকি করা হয়েছিল বাড়ি, গ্রেফতার মুম্বই হামলার 'ষড়যন্ত্রকারী'
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল প্রার্থী


কলকাতা: তৃণমূল সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কি জঙ্গিদের টার্গেটে? তাঁর বাড়ি রেইকি করে মুম্বই হামলার ষড়যন্ত্রকারী। এমনই বড় তথ্য সামনে আনল কলকাতা পুলিশ। এই ঘটনায় উঠে আসছে রাজারাম রেগের নাম। জানা যাচ্ছে, এই রাজারাম কলকাতায় আসে। শেক্সপিয়ার সরণি এলাকার একটি হোটেলে উঠেছিলেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর পিএ-র মোবাইল নম্বরও জোগাড় করেছিলেন বলে কলকাতা পুলিশ সূত্রে খবর।

জানা যাচ্ছে, কলকাতা পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স রাজারাম নামে এই ব্যক্তিকে মুম্বই থেকে গ্রেফতার করেছে। এই ব্যক্তির অপর বড় পরিচয় হল তিনি একসময় শিবসেনা নেতা ছিলেন। ২৬/১১ মুম্বই হামলার তদন্তে রেগের নাম উঠে এসেছিল। হামলার অন্যতম চক্রী ডেভিড হেডলির শিকাগোতে যখন বিচার প্রক্রিয়া চলছিল, সেই সময় তিনি বয়ান দিয়েছিলেন যে রাজারাম রেগে নামক এই শিবসেনা নেতার সঙ্গে শিবসেনা ভবনের বাইরে তিনি দেখা করেছিলেন। শুধু তাই নয়, তিনি চেয়েছিলেন লস্কর-ই-তৈবার মুম্বই হামলায় এই রাজারাম রেগেকে ব্যবহার করতে। এরপর থেকেই রাজারামের নাম মুম্বই হামলার ঘটনায় উঠে আসে।

কলকাতা পুলিশের অভিযোগ, রাজারাম দক্ষিণ কলকাতার একটি হোটেলে ছিলেন। সেখান থেকে তিনি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর আপ্ত-সাহায়কের ফোন নম্বরও জোগাড়ে করেছিলেন। একই সঙ্গে রেইকি করা হয় তৃণমূল নেতার বাড়িও। তবে ঠিক কী কারণে এই রেইকি করেছিলেন রাজারাম তা জানতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মুরলীধর শর্মা বলেন, “তদন্তে আমরা জানতে পেরেছি মুম্বই থেকে একজন লোক এখানে এসে থেকেছে। প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছি ওই ব্যক্তি রাজারাম রেগে।”

 এ দিন, ভরা সভামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "আমরা লড়ে যাব। লড়াই করব। যাঁদের কথা বলা হয়েছে অর্থাৎ চাকরি বাতিল করা হল তাঁরা হতাশ হবেন না। চিন্তা করবেন না। কেউ জীবনের ঝুঁকি নেবেন না। আমরা আপনাদের পাশে রয়েছি। যতদূর লড়াই করার লড়াই করব।"

 'এই অর্ডার বেআইনি, দেড় লক্ষ পরিবারের ক্ষতি, আমার ১০ লক্ষ চাকরি রেডি'
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, মুখ্যমন্ত্রী

ভোটের প্রচারে উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ দিন সভার শুরুতেই কলকাতা হাইকোর্টের রায় নিয়ে মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। আদালতের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। চাকরি হারাদের পাশে থাকার বার্তাও দেন তিনি।


এ দিন, ভরা সভামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমরা লড়ে যাব। লড়াই করব। যাঁদের কথা বলা হয়েছে অর্থাৎ চাকরি বাতিল করা হল তাঁরা হতাশ হবেন না। চিন্তা করবেন না। কেউ জীবনের ঝুঁকি নেবেন না। আমরা আপনাদের পাশে রয়েছি। যতদূর লড়াই করার লড়াই করব।”

নাম না করে তমলুকের বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে কড়া ভাষায়ে আক্রমণ করেন মুখ্য়মন্ত্রী। বলেন, “একজনকে দেখলেন না বিজেপির হয়ে ভোটে দাঁড়িয়ে গেল। তাঁর অর্ডার ছিল এটা। সুপ্রিম কোর্ট এটাকে সরিয়ে দিয়েছিল। বলেছিল নতুন ডিভিশন বেঞ্চ করে আলোচনা হোক।” মুখ্যমন্ত্রীর প্রশ্ন, “আরে কাকে নিয়ে করবেন নতুন ডিভিশন বেঞ্চ? রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছিলেন বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদে। আমি বিচারপতিদের নিয়ে বলছি না।”


এরপরই আদালতের রায় নিয়ে বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী চ্যালেঞ্জ ছোড়েন। বলেন, ” রায় নিয়ে বলার অধিকার আমার রয়েছে। আমি চ্যালেঞ্জ করছি। কারণ ২৬ হাজার ছেলেমেয়ের চাকরি বাতিল মানে প্রায় দেড় লক্ষ পরিবার। বলছে কি না আট বছর তাঁরা চাকরি করেছে, চার সপ্তাহের মধ্যে সব টাকা ফেরত দিতে হবে। এটা সম্ভব?” মুখ্য়মন্ত্রীর প্রশ্ন, “আপনারা যাঁরা এই রায়টা দিচ্ছেন, সারা জীবন আপনারা যাঁরা চাকরি করলেন, তাঁদের যদি টাকা ফেরত দিতে বলা হয় পারবেন দিতে? সব তো সরকারি টাকায় চলেন, সরকারের গাড়িতে চড়েন, সরকারি নিরাপত্তা পান। আমরা আপনাদের সম্মান করি। এই অর্ডার বেআইনি। সেই জন্যই চ্যালেঞ্জ করছি।” এরপরই মুখ্যমন্ত্রীর হুংকার, “আমি এই অর্ডারকে বেআইনি বলছি। বিচারপতিকে নয়। আমরা এটা নিয়ে উচ্চ-আদালতে যাচ্ছি।” মুখ্য়মন্ত্রী বলেন, “শিক্ষক-শিক্ষিকারা পড়ুয়ারা চিন্তা করবেন না। যখন বিপদে পড়বেন আর কেউ না থাকলেও আমি আছি। আরও একটা কথা বলি। আরও দশ লক্ষ সরকারি চাকরি রেডি।“

 "সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ছিল, ন্য়াচারাল জাস্টিসের জন্য সব পক্ষের বক্তব্য শোনা হবে, সেটা ফিজিক্যালি হতে পারে, হলফনামার মাধ্যমে হতে পারে। এক্ষেত্রে সেই হলফনামা নিশ্চই পড়া হয়েছে, সেটা আমি জানি না। এই বিষয়গুলো আমাদের আইনি বিভাগ দেখবে।"

হাজার হাজার চাকরি বাতিল, স্কুলের পঠন পাঠন নিয়ে উদ্বেগে পর্ষদ
প্রতীকী ছবি



কলকাতা: এসএসসি নিয়োগ মামলায় বড় রায় কলকাতা হাইকোর্টের। ২০১৬ সালের সম্পূর্ণ প্যানেল বাতিল করেছে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি দেবাংশু বসাক, বিচারপতি মহম্মদ সাব্বির রশিদির ডিভিশন বেঞ্চ। কিন্তু এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার কথা বললেন মধ্যশিক্ষা পর্ষদ সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায়। হাইকোর্টের নির্দেশে, ২৫ হাজার ৭৫৩ জনের। তাহলে এত চাকরি বাতিলের পর রাজ্যের স্কুলগুলো চলবে কীভাবে? উদ্বেগে পর্ষদ।


রামানুজ বলেন, “সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ছিল, ন্য়াচারাল জাস্টিসের জন্য সব পক্ষের বক্তব্য শোনা হবে, সেটা ফিজিক্যালি হতে পারে, হলফনামার মাধ্যমে হতে পারে। এক্ষেত্রে সেই হলফনামা নিশ্চই পড়া হয়েছে, সেটা আমি জানি না। এই বিষয়গুলো আমাদের আইনি বিভাগ দেখবে। প্রাথমিকভাবে যতটুকু বুঝতে পেরেছি, তার ভিত্তিতে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ করবে। আমরা চেষ্টা করব যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মামলা ফাইল করতে পারি।”

তিনি বলেন, “এত মানুষের কালকে থেকে স্কুলে যাওয়া বা না যাওয়া, স্কুল পরিচালনা করা, পঠন পাঠন ব্যবস্থা, সবটাই দেখা-বোঝা বোর্ডের দায়িত্ব। স্কুলগুলো কীভাবে চলবে, সেটা আমাদের নজর রাখতে হবে। যতটা তাড়াতাড়ি সম্ভব সুপ্রিম কোর্টের কাছে আবেদন রাখব।”


তিনি আরও বলেন, “একজনও নির্দোষ প্রার্থী বঞ্চিত না হন, তার চেষ্টা করব। আমরা চেষ্টা করব, ন্যায়ের পথে আজকের রায় গ্রহণ করতে না পারার কারণ শীর্ষ আদালতে পেশ করতে পারব।”



রচনা বলেন, গৃহিনী খুব আদর করে রান্না করেছেন। সব খাবারে তাই এত স্বাদ। তবে আলু পোস্ত আলাদা করে মনে ধরেছে তৃণমূলের তারকা-প্রার্থীর। যদিও রচনা বলেন, প্রথমে তাঁকে আলু পোস্ত দিতে ভুলেই গিয়েছিল। চেয়ে নিয়েছেন তিনি।

 'আমি বাঙাল, ঘটি নই, তবে...', রচনার পাতে আলু পোস্ত পড়তেই যা বললেন
পাত পেড়ে খেলেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়।


হুগলি: ভোটপ্রচারে বেরিয়ে কখনও টকদই, কখনও আবার ঘুগনি খেতে দেখা গিয়েছে হুগলির তৃণমূল প্রার্থী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়কে । এবার পাতে পড়ল আলু পোস্ত। দই, ঘুগনির মতোই আলু পোস্তর প্রশংসায় পঞ্চমুখ রচনা। বলাগড়ের একতারপুরের গাজিপাড়ার এক আদিবাসী পরিবারে শনিবার মধ্যাহ্ন ভোজ সারেন রচনা। মাটির থালায় কলাপাতা দেওয়া। তার উপর সাজানো ভাত, শাকভাজা, শুক্তো, ডাল, পটল ভাজা, আলু পোস্ত, আলু পটলের তরকারি, দই। চাটাইয়ে বাবু হয়ে বসে সেই ভাত-ডাল-আলু পোস্ত খেলেন ‘দিদি নম্বর ওয়ান’।


রচনা বলেন, গৃহিনী খুব আদর করে রান্না করেছেন। সব খাবারে তাই এত স্বাদ। তবে আলু পোস্ত আলাদা করে মনে ধরেছে তৃণমূলের তারকা-প্রার্থীর। যদিও রচনা বলেন, প্রথমে তাঁকে আলু পোস্ত দিতে ভুলেই গিয়েছিল। চেয়ে নিয়েছেন তিনি।


হাসতে হাসতে রচনা বলেন, “আলু পোস্ত ভালবাসি খেতে। আমি সব বাঙালি খাবারই খেতে ভালবাসি। আর আজ নিরামিষ। তাই পোস্ত ছাড়া তো বাঙালির খাবার অসম্পূর্ণ। যদিও আমি বাঙাল, ঘটি নই। তাও আলু পোস্ত খেতে ভালবাসি।” কিছুদিন আগে তাঁর দই নিয়ে মন্তব্য ঘিরে জোর চর্চা হয়েছিল। এদিন বলাগড়ের দই খেয়ে কেমন লাগল? সিঙ্গুরের দই নাকি বলাগড়ের দই ভাল, তা নিয়ে প্রশ্ন করতেই রচনার জবাব, “হুগলির দই।”

এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে দেব বলেন, আবারও সাংসদ হিসাবে নির্বাচিত হলে তাঁর সাংসদ তহবিল থেকে প্রতিবছর ১৫ শতাংশ টাকা আদিবাসীদের উন্নয়নের জন্য খরচ করবেন। দেব জানান, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় যেভাবে সমস্ত মানুষকে সম্মান করেন, অন্য কোনও দল তা করে না।


আদিবাসী-পোশাকে নাচ দেবের, শুনেই হিরণ বললেন, 'আমিও তো কয়েকদিন আগে...'
মঞ্চে দেব।


মেদিনীপুর: ভোটের বঙ্গে কত কিছুই না ঘটে! বছরভরের তারকারা এই ভোটের সময়গুলো নেমে আসেন মাটিতে। একেবারে মাটির মানুষ হয়ে যান তাঁরা। ঘাটাল লোকসভার অন্তর্গত ডেবরা বিধানসভার ডেবরা অডিটোরিয়ামে এসটি সেলের নির্বাচনী জনসভায় আদিবাসীদের পোশাকে হাজির হলেন দেব। মাথায় হলুদ গামছা আর হলুদ কাপড় পরে আদিবাসী সমাজের মানুষের সঙ্গে মিশে চলল প্রচার।


এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে দেব বলেন, আবারও সাংসদ হিসাবে নির্বাচিত হলে তাঁর সাংসদ তহবিল থেকে প্রতিবছর ১৫ শতাংশ টাকা আদিবাসীদের উন্নয়নের জন্য খরচ করবেন। দেব জানান, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় যেভাবে সমস্ত মানুষকে সম্মান করেন, অন্য কোনও দল তা করে না।

ঘাটালের বিজেপি প্রার্থী হিরণ অবশ্য দেবের এই পোশাক পরে প্রচারকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। তিনি বলেন, “উনি তো অভিনেতা, অভিনয় করেন মানুষকে মিথ্যা প্রতিশ্রুতির। মানুষকে বোকা বানানোর চেষ্টা করছেন। উনি তো স্বীকারও করেছেন যে মানুষের কাছে যান না, লোকসভা এলাকায় থাকেন না।”


তবে একইসঙ্গে হিরণ মনে করিয়ে দেন, তিনিও যে আদিবাসী সম্প্রদায়ের সঙ্গে গিয়ে নেচেছেন। তাঁর কথায়, “উনি তো একটি হলের মধ্যে কিছু মা বোনের সঙ্গে মাথায় ফেট্টি বেঁধে নাচলেন। আমি তো কয়েকদিন আগে মাঠের মধ্যে জনজাতি সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে ধূলোর মধ্যে নাচছিলাম। পার্থক্য ছিল, পার্থক্য আছে থাকবে।”



মইনুদ্দিনকে আইএসএফ প্রার্থী করার পর সম্প্রতি অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় তাঁর বেশ সুনামই করেছিলেন। চাকরিপ্রার্থী মইনুদ্দিনকে 'ভদ্রলোক' বলে মন্তব্য করেছিলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বলেছিলেন, 'একটি সাক্ষাৎকারে তিনি ভদ্রলোকের মতো কথা বলেছেন।

 'আমাদের রাস্তায় বসিয়ে এসেছেন...', অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি গাঙ্গুলির বিরুদ্ধে ভোটের প্রচারে চাকরিপ্রার্থী
অভিজিৎ গাঙ্গুলির বিরুদ্ধে ভোটে লড়ছেন চাকরিপ্রার্থী মইনুদ্দিন


নন্দীগ্রাম: হাইভোল্টেজ তমলুকে এবার অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বিপরীতে প্রচার শুরু করে দিলেন চাকরিপ্রার্থী মইনুদ্দিন আহমেদ। এবারের ভোটে বিজেপির অভিজিৎবাবুর বিপরীতে আইএসএফ প্রার্থী করেছে আন্দোলনরত চাকরিপ্রার্থীদের অন্যতম প্রতিনিধি মইনুদ্দিনকে। শনিবার নন্দীগ্রাম থেকে ভোটের প্রচারে নেমে পড়লেন আইএসএফ প্রার্থী। শনিবার সন্ধেয় নন্দীগ্রামের দাউদপুর ভাটপুকুর বাজার এলাকায় ঘুরে প্রচার করলেন তিনি। দোকানে দোকানে ঢুকে আমজনতার সঙ্গে কথা বললেন।


উল্লেখ্য, মইনুদ্দিনকে আইএসএফ প্রার্থী করার পর সম্প্রতি অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় তাঁর বেশ সুনামই করেছিলেন। চাকরিপ্রার্থী মইনুদ্দিনকে ‘ভদ্রলোক’ বলে মন্তব্য করেছিলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বলেছিলেন, ‘একটি সাক্ষাৎকারে তিনি ভদ্রলোকের মতো কথা বলেছেন। যে কোনও ভদ্রলোককেই আমি সম্মান জানাই। তাঁকেও সম্মান জানাব। একটি সুষম লড়াই হবে।’

আজ নন্দীগ্রামে ভোটের প্রচারে এসে মইনুদ্দিনও প্রতি সম্মান জানালেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের উদ্দেশে। আইএসএফ প্রার্থী বললেন, ‘যাঁরা বঞ্চিত সমাজকে খুব কাছ থেকে দেখেছেন, তাঁরা বঞ্চিত সমাজের যন্ত্রণাটা বোঝেন। তাই হয়ত তিনি প্রশংসা করছেন। আমিও ব্যক্তিগতভাবে তাঁকে সম্মান করি। কিন্তু তাঁর রাজনৈতিক মতাদর্শের সঙ্গে আমার রাজনৈতিক মতাদর্শের বিস্তর ফারাক রয়েছে।’


তবে একইসঙ্গে আইএসএফ প্রার্থী মইনুদ্দিন আহমেদ এও বললেন, ‘যতদিন তিনি বিচারপতির আসনে ছিলেন, তাঁর নির্দেশনামা নিয়ে আমাদের কোনও সংশয় নেই। কিন্তু তিনি বিচারপতির আসন ছেড়ে আমাদের রাস্তায় বসিয়ে এসেছিলেন। আমি চাকরিপ্রার্থী হিসেবে তমলুকের মাটিতে বিচার চাইতে এসেছি।’

ভোটের দিনক্ষণ যত এগিয়ে আসছে, নন্দীগ্রাম তথা তমলুকের রাজনীতিও গরম হচ্ছে। সব রাজনৈতিক দলগুলি একে অপরকে টেক্কা দেওয়ার চেষ্টায় নেমে পড়েছে। সিপিএমের থেকে এখানে প্রার্থী করা হয়েছে আইনজীবী সায়ন বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে। আবার শাসক শিবিরের বাজি দলের যুব নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য। এখন দেখার ৪ জুন ভোট গণনার দিন শেষ হাসি কার মুখে ফোটে।

অভিযোগ, বর্ধমান থেকে লরিতে করে বান্দোয়ানের পারবাইদ গ্রামে ধান কিনতে এসেছিলেন ফড়েরা। কোমরে রিমোট লুকিয়ে রেখে ওজনে কারচুপি করছিলেন। এক গ্রামবাসী তা দেখে ফেলেন। এরপরই রিমোট ফেলে পালানোর চেষ্টা করেন অভিযুক্তরা। কিন্তু গ্রামের মাঝখান থেকে পালানোর পথ পাননি।

 'হ্যাঁ চুরি করছিলাম, কী করব?', ধান কেনায় জালিয়াতি ধরা পড়তেই বলল ফড়ে...
এলাকায় উত্তেজনা।

পুরুলিয়া: ফড়েদের কাছে ধান বিক্রি করতে গিয়ে ফাঁপড়ে চাষিরা। অভিযোগ, মাপে ঠকাচ্ছিলেন বর্ধমান থেকে আসা ফড়ের দল। প্রতিবাদে এই চড়া রোদে ফড়েদের বেঁধে রেখে দিলেন গ্রামবাসী। পুরুলিয়ার বান্দোয়ান থানার গুড়ুর গ্রামপঞ্চায়েতের পারবাইদ গ্রামের ঘটনা।


অভিযোগ, বর্ধমান থেকে লরিতে করে বান্দোয়ানের পারবাইদ গ্রামে ধান কিনতে এসেছিলেন ফড়েরা। কোমরে রিমোট লুকিয়ে রেখে ওজনে কারচুপি করছিলেন। এক গ্রামবাসী তা দেখে ফেলেন। এরপরই রিমোট ফেলে পালানোর চেষ্টা করেন অভিযুক্তরা। কিন্তু গ্রামের মাঝখান থেকে পালানোর পথ পাননি। উল্টে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করায় বেঁধে রেখে দেন গ্রামের লোকজন। অভিযুক্ত এক ফড়ে তো স্বীকারও করে নেন। বলেন, চুরি করছিলেন তিনি।

ধান বিক্রেতা সুশান্তকুমার মাহাতো বলেন, “কোমরে রিমোট গুজে রেখেছিল। ওটা দিয়েই ধানের মাপ নিয়ন্ত্রণ করছিল। আমি দেখেই চিৎকার করতে ছুট দেয়।” সুশান্তর কথায়, ফড়ে জেনেও এক প্রকার বাধ্য হয়েই ধান বিক্রি করেন। তিনি বলেন, “সরকারিভাবে ধান যে বিক্রি করব তাতেও তো কোনও সুরক্ষা নেই। ওখানেও দেখুন এসব চলছে।”


তবে সুশান্ত জানান, প্রশাসনকে জানাননি এ বিষয়ে। বলেন, “কী জানাব, এটা গাঁয়ের ব্যাপার।” অন্যদিকে অভিযুক্তদের মধ্যে এক যুবক শেখ রাজু বলেন, “হ্যাঁ আমরা চুরি করছিলাম। কী করব? অসহায়। কুইন্টালে ৮ কিলো, ৯ কিলো, ১০ কিলো করে চুরি করেছি। আমাদের ভুল মানছি। চুরির কথা মেনেও নিচ্ছি।” তবে রাজু বলেন, এই প্রথমবারই এরকম ঘটনা ঘটিয়েছেন। এর আগে তাঁরা এমন কাজ করেননি।

জানা গিয়েছে, শনিবার ভোর রাতে ডাকাতি করার ছক নিয়ে একদল দুষ্কৃতী জড়ো হয়েছিল। গোপন সূত্রে সেই খবর পুলিশের কাছে যায়। সেই মতো পুলিশ জায়গায় আসে। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ওই পাঁচজন দুষ্কৃতী পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু তাদের তাড়া করে গ্রেফতার করে ফেলে পুলিশ।


 'প্ল্যান সাকসেসফুল' করার আগেই পুলিশ ধরল, বারুইপুরে ভয়াবহ কাণ্ড
বারুইপুরে গ্রেফতার ডাকাত


বারুইপুর: প্যান মাফিক এসেছিল ওরা। জড়ো হয়েছিল। শুধু নিজেদের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করতে যাবে। ব্যাস তার আগেই বিপত্তি। ডাকাতি করতে এসে পুলিশের হাতে পাকড়াও পাঁচ ডাকাত। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি আগ্নেয়াস্ত্র ও এক রাউন্ড কার্টুজ। ঘটনাটি ঘটেছে বারুইপুর থানার মল্লিকপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের গনিমা এলাকার।


জানা গিয়েছে, শনিবার ভোর রাতে ডাকাতি করার ছক নিয়ে একদল দুষ্কৃতী জড়ো হয়েছিল। গোপন সূত্রে সেই খবর পুলিশের কাছে যায়। সেই মতো পুলিশ জায়গায় আসে। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ওই পাঁচজন দুষ্কৃতী পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু তাদের তাড়া করে গ্রেফতার করে ফেলে পুলিশ।


অভিযুক্তদের কাছ থেকে একটি ওয়ান সাটার, এক রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার হয়েছে। তবে ওই দলে থাকা বাকি দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায় বলে খবর। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এর আগেও অপরাধমূলক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগ দায়ের হয়েছিল থানায়। ধৃতদের শনিবার বারুইপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয়। বাকি দুষ্কৃতীদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে বারুইপুর থানার পুলিশ।

গত ২৮ জানুয়ারি মোহনা পয়েন্ট (সুন্দরবন এলাকা) থেকে বিএসএফ ২টি বাংলাদেশি ট্রলারকে আটক করে। দু'টি ট্রলারই নিউ মুর দ্বীপের কাছে অবৈধভাবে ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করছিল। অভিযোগ, দক্ষিণ ২৪ পরগনার ঝড়খালি ফেরি জেটিতে ওই পণ্যগুলি অফলোড করতে যাচ্ছিল।

জলপথে সুপুরি পাচার, তদন্তে বড় নাম উঠে এল এবার...
বিএসএফ ১১৫২ ব্যাগ সুপারি উদ্ধার করে এবং ২৭ জন বাংলাদেশি নাগরিককে ধরে।

দক্ষিণ ২৪ পরগনা: সীমান্তে চোরা চালানকারীরা সর্বদাই সক্রিয়। সবসময়ই চেষ্টা চলে বিএসএফের নজর এড়িয়ে সীমান্ত পার করে কখনও সোনা, কখনও গরু পাচারের। তবে সীমান্তরক্ষীরাও সর্বদা নজরদারি চালায়। আর সেই নজরদারিতে উদ্ধার হল ৭০,০০০ কেজি সুপুরি। দু’টি বাংলাদেশী ট্রলার এবং ২৭ জন বাংলাদেশিকে আটক করা হয়েছিল। এবার এই ঘটনায় এক কাস্টমস অফিসার স্ক্যানারে।


গত ২৮ জানুয়ারি মোহনা পয়েন্ট (সুন্দরবন এলাকা) থেকে বিএসএফ ২টি বাংলাদেশি ট্রলারকে আটক করে। দু’টি ট্রলারই নিউ মুর দ্বীপের কাছে অবৈধভাবে ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করছিল। অভিযোগ, দক্ষিণ ২৪ পরগনার ঝড়খালি ফেরি জেটিতে ওই পণ্যগুলি অফলোড করতে যাচ্ছিল। পরে তা ভারতীয় চোরাচালানকারীদের হাতে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল।

এই ঘটনায় বিএসএফ ১১৫২ ব্যাগ সুপারি উদ্ধার করে এবং ২৭ জন বাংলাদেশি নাগরিককে ধরে। প্রায় ৩ কোটি টাকার সুপারি ছিল বলে খবর। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অমল ঢালি, প্রভাকর মণ্ডল, অভিজিৎ ঘোষ ও রাজু নামে চার ভারতীয় চোরাকারবারীকে শনাক্ত করা হয়। আটকদের মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করে তা ৩০ জানুয়ারি ডিআরআই-এর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছিল।

ইন্দ্রাণী হালদার অভিনীত 'গোয়েন্দা গিন্নি' সিরিয়ালে অভিনয় করেছিলেন প্রিয়া মণ্ডল। লাইমলাইটে আসেন তখনই। প্রিয়ার বাবা-মা শুরু থেকেই চাইতেন তিনি অভিনয় পেশায় এগিয়ে যান। অনেকটা বাবা-মায়ের ইচ্ছেতেই 'ডান্স বাংলা ডান্স'-এ অংশগ্রহণ করেছিলেন প্রিয়া। কিন্তু লেখাপড়াটাও শেষ করতে চেয়েছিলেন অভিনেত্রী।

অভিনেত্রী এবং তাঁর মাকে দেখে পড়ার লোকের কটূক্তি, 'কোত্থেকে রাত কাটিয়ে এল...'
প্রিয়া মালাকার।


কলকাতার হাইকোর্টের আইনজীবী এই অভিনেত্রী। অভিনয় করতে-করতে লেখাপড়া শেষ করেছেন তিনি। তাঁর নাম প্রিয়া মালাকার। অভিনয়ের মতো এক অনিশ্চিত পেশায় থেকেও কীভাবে ওকালতিতে এত ভাল ফল করলেন প্রিয়া, সেটা একটা কাহিনি। নিজেই জানিয়েছেন অভিনেত্রী।


ইন্দ্রাণী হালদার অভিনীত ‘গোয়েন্দা গিন্নি’ সিরিয়ালে অভিনয় করেছিলেন প্রিয়া মণ্ডল। লাইমলাইটে আসেন তখনই। প্রিয়ার বাবা-মা শুরু থেকেই চাইতেন তিনি অভিনয় পেশায় এগিয়ে যান। অনেকটা বাবা-মায়ের ইচ্ছেতেই ‘ডান্স বাংলা ডান্স’-এ অংশগ্রহণ করেছিলেন প্রিয়া। ভোরবেলা থেকে মেয়েকে নিয়ে তাঁর অডিশনের লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতেন। সেই লড়াইয়ের কথা প্রিয়া নিজের মুখে ব্য়ক্ত করেছিলেন একটি প্ল্যাটফর্মে।

নাচ করতে গিয়েই অভিনয়ে আসেন প্রিয়া। অভিনেত্রী জানিয়েছেন, নাচের মতো অভিনয়ে সুযোগ পেতেও তাঁকে অডিশন দিতে হয়েছিল। প্রথমে ‘গোয়েন্দা গিন্নি’ সিরিয়ালে অভিনয় করতে আসেন। তারপর ‘ত্রিনয়নী’ সিরিয়ালে কামিনীর চরিত্রটা পেয়েছিলেন। প্রিয়া জানিয়েছিলেন, অনেকেরই ভ্রান্ত ধারণা আছে, অভিনয় করতে গেলে কাউকে টাকা দিতে হয়। সেটা কিন্তু নয়। ফলে কাজ পাইয়ে দেব বলে যদি কেউ টাকা চান, সেই ফাঁদে পা দেবেন না।




২০১১ সালে সারোগেসির মধ্যে আজাদের জন্ম দেন কিরণ। এই মুহূর্তে আমির খানের সঙ্গে আর বৈবাহিক সম্পর্কে নেই পরিচালক। বছর দুয়েক আগেই বিচ্ছেদ হয়েছে তাঁদের। তবু আমিরের সঙ্গে আজও বন্ধুতা বজায় রেখেছেন তিনি। একই সঙ্গে দু'জনে মিলেই আজাদের দেখভাল করেন। 

এমনকি আমির খানের প্রথম স্ত্রী রীনার সঙ্গেও বেশ ভাল সম্পর্ক কিরণের। 
একের পর এক গর্ভপাত, কী ঘটেছিল আমিরের পরিবারে? অকপট কিরণ
কী ঘটেছিল আমিরের পরিবারে? অকপট কিরণ


কিরণ রাওকে চেনেন? পেশায় তিনি চিত্র পরিচালক। তাঁর আরও এক পরিচয়ও রয়েছে। সম্পর্কে কিরণ আমির খানের প্রাক্তন স্ত্রী। এ হেন কিরণই এবার এক যন্ত্রণার কথা শেয়ার করলেন যা শুনলে আপনার চোখে জল আসবেই। কিরণ জানান, ছেলে আজাদকে জন্ম দেওয়ার আগে একবার নয় একাধিক বার গর্ভপাত হয়েছিল তাঁর। তাঁর কথায়, “যে বছর ধোবি ঘাট নির্মিত হয়েছিল সেই বছরই আজাদের জন্ম হয়। সন্তান জন্ম দেওয়ার জন্য এর আগে পাঁচ বছর ধরে আমি ক্রমাগত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলাম। অনেক বার মিসক্যারেজ হয়। অনেক শারীরিক সমস্যা দেখা দিয়েছিল। কিন্তু সন্তান আমি চেয়েছিলাম।”আর সেই কারণেই আজাদ যখন জন্ম নেয় তখন কিরণ তাঁর কেরিয়ার। তাঁর চিত্র পরিচালনাও কিছু দিনের জন্য স্থগিত রেখেছিলেন। সেই নিয়ে অবশ্য কোনও আফসোস নেই তাঁর। কিরণের কথায়, “আজাদই আমার মুখ্য হয়ে ওঠে।”

২০১১ সালে সারোগেসির মধ্যে আজাদের জন্ম দেন কিরণ। এই মুহূর্তে আমির খানের সঙ্গে আর বৈবাহিক সম্পর্কে নেই পরিচালক। বছর দুয়েক আগেই বিচ্ছেদ হয়েছে তাঁদের। তবু আমিরের সঙ্গে আজও বন্ধুতা বজায় রেখেছেন তিনি। একই সঙ্গে দু’জনে মিলেই আজাদের দেখভাল করেন। এমনকি আমির খানের প্রথম স্ত্রী রীনার সঙ্গেও বেশ ভাল সম্পর্ক কিরণের।

 'মিসেস সেনগুপ্তা'র সেটে হাজির  রোদে পোড়া দুপুরে ঘেমেনেমে অভিনয় করছিলেন টলিউডের কুইন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। শুটিংয়ের ফাঁকে কথা হল। আসন্ন কাজ থেকে শুরু করে রাজনীতি, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়--সব নিয়েই চলল আড্ডা।

প্রসেনজিতের জন্য আক্ষেপ ঋতুপর্ণার, 'দেখা হলে এসব আলোচনার সময় থাকে না...'
প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণা।


বৈশাখের প্রখর রৌদ্রে তেতেপুড়ে যাচ্ছেন টলিউড কুইন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। তিনি ব্য়স্ত মানুষ। এই ঠাঠা গরমেও শুটিং ফ্লোরেই দেখা মিলল ‘মিসেস সেনগুপ্তা’। ঋতুপর্ণার নতুন ছবির নামও’মিসেস সেনগুপ্তা’। সেই ছবির শুটিং ফ্লোরে হাজির হয়েছিল  উদ্দেশ্য ছিল একটাই–কাজের ফাঁকে একটু আড্ডা দেওয়া। দুটো শটের মাঝেই প্রতিনিধিকে দেখে একগাল হাসি দিলেন অভিনেত্রী। শট শেষে ঋতুর উদ্বেগ,”এই রোদে এসেছ, ঠান্ডা কিছু খেয়েছ?” তারপরই বলে বসেন, “আমার এই লুকের ছবি নিওনা কিন্তু”।


কিন্তু শুটিংয়ের ফাঁকেই যে সময় দিতে পারবেন ঋতুপর্ণা। কেন না, প্যাকআপ হলেই তাঁকে ছুটতে হবে মুম্বই। তারপর সিঙ্গাপুর। ঋতুপর্ণা জানালেন, তাঁর মা এবং শাশুড়িমা দু’জনেই খুবই অসুস্থ। শুটিং সামলে দু’জনকেই সময় দিতে হচ্ছে তাঁকে।

আর এই সব সামাল দিতে গিয়েই যে সব জায়গা পৌঁছতে দেরি করে ফেলেন ঋতু। তাঁর এই স্বভাবের কথা সকলেই জানেন। তাঁর এই দেরি করা নিয়েও কথা হল। তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, যদি নিজের আত্মজীবনী লিখেন, তা হলে কি নাম দেবেন, “পথে হল দেরি”? প্রশ্ন শুনে অট্টহাসিতে ফেটে পড়েন। বললেন, “এটা বেশ ভাল আইডিয়া। অনেক সময় সব কাজ সামলে উঠলেও খুবই দেরি করে ফেলি। তবে চার ঘণ্টা দেরি করলেও দু’ঘণ্টায় কাজটা তুলে দিই।”


প্লাবনী মুখোপাধ্যায়। অভিনেতা ভাস্বর চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম স্ত্রী। তিনি অভিনেতাকে ৪৯৮ ধারায় ফাঁসিয়েছিলেন। কিন্তু কেন? এই নিয়ে কিছুদিন আগেই  অনেক কথা বলেছিলেন। প্রথম মুখ খুলেছিলেন অভিনেতা। এর পর আরও কিছু কথা অভিনেতা ব্যক্ত করেছেন...

ভাস্বরকে 'বউ-পেটানো'র তকমা দেন স্ত্রী, অভিনেতা কি সত্যি গায়ে হাত তুলতেন?
ভাস্বর চট্টোপাধ্যায়।
 বলেছেন, “আমার প্রথম স্ত্রীর নাম প্লাবনী মুখোপাধ্য়ায়। সেই সময় আমি সবে মাত্র অভিনয় করতে শুরু করেছিলাম ইন্ডাস্ট্রিতে। আমার বিয়ের ব্যবস্থা করে বাড়ির লোক। সম্বন্ধ করে বিয়ে ঠিক হয় প্লাবনীর সঙ্গে।”


কে প্লাবনী? অভিনেতা ভাস্বর চট্টোপাধ্যায়ের স্ত্রী। মাত্র দু’মাস সংসার করেছিলেন তাঁরা। প্লাবনী চাকরি করতেন না। কিন্তু ভাস্বরের সঙ্গে সংসার করতে চাননি তিনি। তেমনটাই দাবী ভাস্বরের। বলেছিলেন, “প্লাবনীর বাড়ি থেকে আমার সঙ্গে জোর করে ওর বিয়ে দিয়েছিল। ও চাইত না। ওর অন্য একজনের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল। সেটা বাড়ির লোক কিছুতেই মেনে নেয়নি। আমার সঙ্গে সম্বন্ধ করে বিয়ে দিয়ে দেয়। আমিও ছাদনাতলায় যাই।”

কিন্তু সেই ছাদনাতলা যাওয়াই কাল হয়েছিল অভিনেতার। প্লাবনী হঠাৎ করে ৪৯৮ ধারায় অভিযুক্ত করেন ভাস্বরকে। ‘বউ পেটানো’র তকমা জোটে নায়কের গায়ে। সেই যন্ত্রণা আজও এই ৪৯ বছর বয়সেও বহন করে নিয়ে যাচ্ছেন অভিনেতা। বলেছেন, “প্লাবনীর একটা সম্পর্ক ছিল। সেই ছেলেটির সঙ্গেও ও থাকতে চাইত। কিন্তু আমার সঙ্গে বিয়ে হয়ে যায়। ওর বাড়ির লোকজনের কাছে আমার পরিচয় ছিল ভাল ছেলে। সেই ভাল ছেলের গায়ে বউ পেটানোর তকমা না দিলে তো ও নিস্তার পেত না বিয়েটা থেকে। আমাকে মিথ্যে জালে ফাঁসালো। ৪৯৮ দিল। সেই সময় এই ধারাকে অনেক মেয়েই হাতিয়ার করে ব্যবহার করেছিলেন। আমার প্রথম স্ত্রীও করেছিলেন। এই অপরাধের জন্য আমি ওকে কোনওদিনও ক্ষমা করতে পারব না জানেন। বিশ্রী ব্যাপার ঘটিয়েছিলেন তিনি।”


এই খবরটিও পড়ুন
প্রসেনজিতের জন্য আক্ষেপ ঋতুপর্ণার, ‘দেখা হলে এসব আলোচনার সময় থাকে না…’
প্রসেনজিতের জন্য আক্ষেপ ঋতুপর্ণার, ‘দেখা হলে এসব আলোচনার সময় থাকে না…’
অভিনেত্রী এবং তাঁর মাকে দেখে পড়ার লোকের কটূক্তি, ‘কোত্থেকে রাত কাটিয়ে এল…’
অভিনেত্রী এবং তাঁর মাকে দেখে পড়ার লোকের কটূক্তি, ‘কোত্থেকে রাত কাটিয়ে এল…’
জয়া নন, এই মহিলার হাতে তৈরি পিৎজ়া দেখলে নিজেকে আর আটকে রাখতে পারেন না অমিতাভ
জয়া নন, এই মহিলার হাতে তৈরি পিৎজ়া দেখলে নিজেকে আর আটকে রাখতে পারেন না অমিতাভ
‘বউ পেটানো’র তকমার কারণে অনেক হেনস্থা হয়েছেন ভাস্বর। তাঁকে অনেক জায়গায় কটূক্তি শুনতে হয়েছে। লোকে বলেছেন, “এমন সুপুরুষ চেহারা, কিন্তু বউ পেটায়। এই জন্যই বলে–বইয়ের মলাট দেখে কাউকে বিচার করা উচিত না।” বেশ কিছু বছর ভাস্বর সেই সব কিছু সহ্য করেছেন মুখ বুজে। কিন্তু তিনি যে নিরপরাধ, সেটাও প্রমাণ করতে পেরেছিলেন।

প্লাবনীর সঙ্গে বিয়ে ভাঙার পর উত্তমকুমারের নাতনি নবমিতার সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি হয় অভিনেতার। সেই সম্পর্কটাও ভেঙে গিয়েছে। ডিভোর্স হয়ে গিয়েছে দু’জনের মধ্যে। বিয়েটা নাকি ভাঙতে চাননি ভাস্বর। প্রথম স্ত্রী প্লাবনীর মতো তাঁকে কোনওদিনও ক্ষমা করতে পারবেন না ভাস্বর। 
 সঙ্গে সেই সাক্ষাৎকারে সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন ভাস্বর।

শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়ের টক শো 'অপুর সংসার'-এ এসে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় সম্পর্কে অনেক কথা বলেছিলেন রচনা। প্রসেনজিৎ কোনওদিনও তাঁর হাত ধরে মিষ্টি-মিষ্টি প্রেমের কথা বললেন না, এই নিয়ে রচনার খুবই আক্ষেপ, তা জানালেন অভিনেত্রী।

রচনার খুব দুঃখ! প্রসেনজিৎ পাশে বসে হাত ধরে কেন করলেন না প্রেম...
রচনা এবং প্রসেনজিৎ।


৩০-৪০টি ছবিতে একসঙ্গে নায়ক-নায়িকা হয়ে কাজ করেছিলেন অভিনেত্রী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ‘ইন্ডাস্ট্রি’ প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। দুই অভিনেতার দারুণ ভাল সম্পর্ক। কিন্তু একটি বিষয় নিয়ে দারুণ আক্ষেপ করেছিলেন রচনা। কী সেটা?


শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়ের টক শো ‘অপুর সংসার’-এ এসে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় সম্পর্কে অনেক কথা বলেছিলেন রচনা। প্রসেনজিৎ কোনওদিনও তাঁর হাত ধরে মিষ্টি-মিষ্টি প্রেমের কথা বললেন না, এই নিয়ে রচনার খুবই আক্ষেপ, তা জানালেন অভিনেত্রী। বলেছিলেন, “৩৫-৪০টি ছবিতে আমরা একসঙ্গে কাজ করলাম। কিন্তু কোনওদিনও আমাকে ভালবাসার দুটো কথা বললেন না প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। পাশে বসে হাতটা ধরলেন না, প্রেম করলেন না, পাত্তাও দিলেন না। এটাই আমার আক্ষেপ।”


আসলে কথাগুলো এক্কেবারেই মস্করা করে বলেছিলেন রচনা। প্রসেনজিতের সঙ্গে তাঁর কাজের অভিজ্ঞতা কতখানি ভাল, জানিয়েছিলেন অভিনেত্রী। এই মুহূর্তে লোকসভা ভোটের ময়দানে নেমেছেন রচনা। হুগলির তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে তাঁকে নির্বাচনে দাঁড় করানো হয়েছে। প্রচারে ভয়ানক ব্যস্ত আছেন অভিনেত্রী।

কেকেআরের হয়ে ভালো খেলার পরই রিঙ্কু সিংয়ের জাতীয় দলে এন্ট্রি হয়। তিনি ভারতীয় জার্সিতে যখনই সুযোগ পেয়েছেন, নিজেকে প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন। টি-২০ ক্রিকেটে তিনি ভারতের নতুন ফিনিশারের তকমাও পেয়েছেন। এ বার দেখার জুনে শুরু হতে চলা টি-২০ বিশ্বকাপের জন্য ভারতীয় টিমে রিঙ্কু সুযোগ পান কিনা।

বিশ্বকাপে রিঙ্কু সিংয়ের সুযোগ কমছে... আশঙ্কা ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটারের

বিশ্বকাপে রিঙ্কু সিংয়ের সুযোগ কমছে... আশঙ্কা ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটারের

কেকেআরের যোদ্ধা আলিগড়ের নবাব রিঙ্কু সিং (Rinku Singh)। এ বারের আইপিএলে (IPL) এখনও অবশ্য রিঙ্কুর ব্যাটে ম্যাজিক দেখার সুযোগ পাচ্ছেন না। কারণ, রিঙ্কু নিজেই তো সেই অর্থে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পাচ্ছেন না। কেকেআরের টপ অর্ডার ১৭তম আইপিএলে ভালো পারফর্ম করছে। যে কারণে রিঙ্কুকে ব্যাট হাতে ধামাকা দেখাতে দেখা যাচ্ছে না। রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে ম্যাচে কেকেআর হারার পর প্রেস কনফারেন্সে এসে রিঙ্কু এই বিষয়ে জানিয়েছিলেন। টিমের টপ অর্ডার অনবদ্য পারফর্ম করছে বলে তিনি সুযোগ পাচ্ছেন না। রিঙ্কু এও বলেছিলেন, তিনি সুযোগ পেলেই দলের জন্য রান করার চেষ্টা করবেন। কেকেআরের হয়ে এই আইপিএলে সেই অর্থে বেশি ব্যাটিং করার না সুযোগ কি রিঙ্কুর টি-২০ বিশ্বকাপ (T20 World Cup) স্বপ্নে জল ঢালবে?

আইপিএল শেষ হলেই রয়েছে টি-২০ বিশ্বকাপ। এখনও তার জন্য ভারতীয় স্কোয়াড বাছা হয়নি। এর আগে বার বার শোনা গিয়েছে, আইপিএলে ভারতীয় ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্সে নজর রাখছেন জাতীয় নির্বাচন কমিটির সদস্যরা। আর এতেই রিঙ্কুকে নিয়ে আশঙ্কা করছেন দেশের এক প্রাক্তন ক্রিকেটার।

সম্প্রতি Firstpost-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রিঙ্কু সিংকে নিয়ে ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার সঞ্জয় মঞ্জরেকর বলেন, ‘ও খুব বেশি সুযোগ পাচ্ছে না। আমি আশা করি নির্বাচকরা বিশ্বকাপের জন্য রিঙ্কু সিংকে ভুলে যাবে না। ও ভারতীয় টিমে থাকার যোগ্য। যখন এবং যতবারই ও সুযোগ পেয়েছে নিজেকে প্রমাণ করেছে। আমরা সকলেই সেটা দেখেছি। ধারাবাহিকতাও দেখিয়েছে ও। কোর ভারতীয় টিমের বাইরে আমি ওকে পছন্দ করি।’

কেকেআরের হয়ে ভালো খেলার পরই রিঙ্কু সিংয়ের জাতীয় দলে এন্ট্রি হয়। তিনি ভারতীয় জার্সিতে যখনই সুযোগ পেয়েছেন, নিজেকে প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন। টি-২০ ক্রিকেটে তিনি ভারতের নতুন ফিনিশারের তকমাও পেয়েছেন। এ বার দেখার জুনে শুরু হতে চলা টি-২০ বিশ্বকাপের জন্য ভারতীয় টিমে রিঙ্কু সুযোগ পান কিনা।

খবরের শিরোনাম দখল করে নিচ্ছে 'পুষ্পা'। কেন জানেন? শোনা যাচ্ছে, প্রচারের আগে, মুক্তির অনেক আগেই এই ছবি ১০০০ কোটির ব্যবসা করে ফেলেছে। ভারতীয় ছবির ইতিহাসে প্রথম এমনটা ঘটনা। আর এই অনন্য নজির গড়ল আল্লু অর্জুন অভিনীত এই ছবি।

ইতিহাস গড়ল 'পুষ্পা: দ্যা রাইজ়'! মুক্তির আগেই 

২০২৪ সালের স্বাধীনতা দিবসে বড়সড় ধামাকা হতে চলেছে। মুক্তি পেতে চলেছে ‘পুষ্পা: দ্য়া রাইজ়’ ছবির সিকুয়্যেল ‘পুষ্পা: দ্যা রুল’। তবে মুক্তির চার মাস আগে থেকেই এই ছবি শোরগোল ফেলে দিয়েছে ভীষণরকম। এখনও পর্যন্ত প্রচার শুরু হয়নি ছবির। তা সত্ত্বেও, খবরের শিরোনাম দখল করে নিচ্ছে ‘পুষ্পা’। কেন জানেন? শোনা যাচ্ছে, প্রচারের আগে, মুক্তির অনেক আগেই এই ছবি ১০০০ কোটির ব্যবসা করে ফেলেছে। ভারতীয় ছবির ইতিহাসে প্রথম এমনটা ঘটনা। আর এই অনন্য নজির গড়ল আল্লু অর্জুন অভিনীত এই ছবি।


১৯৭২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত শক্তি সামন্ত পরিচালিত ‘অমর প্রেম’ ছবিতে শর্মিলা ঠাকুরের কান্না দেখে রাজেশ খান্না বলেছিলেন ‘পুষ্পা, আই হেট টিয়ার্স’। কাট টু, ২০২১ সালে, ‘পুষ্পা: দ্যা রাইজ়’ ছবিতে দক্ষিণের সুপারস্টার আল্লু অর্জুন বললেন, ‘পুষ্পা, ম্যায় ঝুকে গা নেহি সালা…’। পুষ্পাকে কেন্দ্র করে দুই সংলাপে আকাশ-পাতালের তফাৎ। তফাৎ সোয়্যাগে। এক পুষ্পা (‘অমর প্রেম’ ছবিতে শর্মিলা ঠাকুর অভিনীত চরিত্রের নাম ছিল পুষ্পা) কান্নাকাটি করে ভাসায়। ১৯৭২ সাল থেকে দর্শকের মনে বদ্ধমূলভাবে গেঁথে গিয়েছে– ফুলের মতো ‘নাজ়ুক’ পুষ্পারা কেবল কাঁদতেই পারে। ফোঁস করতে পারেন না। ২০২১ সালে আল্লু অর্জুন প্রথম দেখালেন, পুষ্পাদের কাঁটাও আছে। ফোঁস করতেও পারে। পুষ্পার নতুন সংজ্ঞা তৈরি করলেন এই বলে যে সে মাথা নোয়াতে রাজি নয়, ‘পুষ্পা ঝুকেগা নেহি!’ সোয়্যাগে পরিপূর্ণ ডায়ালগ ডেলিভারি, থুতনির নীচ দিয়ে আঙুলগুলো কায়দা করে নিতে-নিতে পুষ্পা বলে ‘ঝুকেগা নেহি সালা’!


আল্লুর সোয়্যাগ…

এই ছবিতে অভিনয় করে প্রকৃত অর্থেই শোরগোল ফেলে দিলেন দক্ষিণ ভারতীয় তারকা আল্লু অর্জুন। যিনি অতীতে কেবল নিজের ঘরের মাঠেই গোল দিয়েছেন। কখনও ‘দেসামুদুরু’, কখনও ‘পারুগু’ তো কখনও ‘ইয়েভাদু’ ছবিতে। রাতারাতি প্যান ইন্ডিয়া স্টারের তকমা পেয়ে গেলেন আল্লু। হয়ে উঠলেন গোটা দেশের ঘরের ছেলে। গ্ল্যামারের মোড়ক থেকে আগাগোড়া বেরিয়ে, রোদে পোড়া চেহারা নিয়ে ক্যামেরার সামনে এসে দাঁড়ালেন পুষ্পারূপী আল্লু অর্জুন। পাখির চোখ করলেন গোটা দেশের দর্শককে। ‘মহাভারত’ মহাকাব্যের বীরের মতো লক্ষ্যভ্রষ্ট ছিলেন না বলেই পুষ্পার সিকুয়্যেল নিয়ে এখন থেকেই এত হাঙ্গামা শুরু হয়ে গিয়েছে।



সোশ্যাল মিডিয়ায় ১৮ এপ্রিল পঞ্জাব-মুম্বই ম্যাচের এক ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে। তারপরই যেন নড়েচড়ে বসেছে বিসিসিআই। নিয়ম সকলের জন্য যেহেতু একই হয়, তাই শৃঙ্খলাভঙ্গ করে পার পেলেন না মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কোচ কায়রন পোলার্ডও। জানা গিয়েছে, এমআই শিবিরের দুই তারকার শাস্তি হয়েছে। কিন্তু ঠিক কী করেছেন পোলার্ড ও ডেভিড?

 স্কাইকে সাহায্য করতে গিয়ে বড় শাস্তি MI কোচ ও তারকা ক্রিকেটারের

স্কাইকে সাহায্য করতে গিয়ে বড় শাস্তি MI কোচ ও তারকা ক্রিকেটারের

দিনদুয়েক আগে মুল্লানপুরে পঞ্জাব কিংসকে রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে হারিয়েছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স (Mumbai Indians)। এ বার আইপিএলের (IPL) ওই ম্যাচে নিয়ম বিরুদ্ধ কাজ করার অভিযোগ উঠেছে মুম্বইয়ের কোচ কায়রন পোলার্ড (Kieron Pollard) ও টিমের তারকা ক্রিকেটার টিম ডেভিডের উপর। নিয়ম সকলের জন্য যেহেতু একই হয়, তাই শৃঙ্খলাভঙ্গ করে পার পেলেন না মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কোচ কায়রন পোলার্ডও। জানা গিয়েছে, এমআই শিবিরের দুই তারকার শাস্তি হয়েছে। কিন্তু ঠিক কী করেছেন পোলার্ড ও ডেভিড?


সোশ্যাল মিডিয়ায় ১৮ এপ্রিল পঞ্জাব-মুম্বই ম্যাচের এক ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে। যেখানে দেখা গিয়েছে, ডাগআউট থেকে সূর্যকুমার যাদবকে ডিআরএস নিতে বলছিলেন পোলার্ড ও ডেভিড। তারপরই জানা গিয়েছে আইপিএলের কোড অব কন্ডাক্ট না মানার অপরাধে শাস্তি হয়েছে কায়রন পোলার্ড এবং টিম ডেভিডের। শনিবার আইপিএলের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ‘টিম ডেভিড ও কায়রন পোলার্ড আইপিএলের কোড অব কন্ডাক্টের লেভেল ১ এর ২.২০ ধারা অনুযায়ী অপরাধ করেছেন। ডেভিড এবং পোলার্ড এই দু’জনের ম্যাচ ফি-র ২০ শতাংশ আর্থিক জরিমানা করা হয়েছে। দু’জনই তাঁদের অপরাধ স্বীকার করেছেন। এবং রেফারির সিদ্ধান্তকে গ্রহণ করেছেন। আইপিএলের আচরণবিধির লেভেল ১ লঙ্ঘন করলে ম্যাচ রেফারির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত এবং বাধ্যতামূলক।’



আইপিএলে পঞ্জাব-মুম্বই ম্যাচে ঠিক কী ঘটেছিল, যার জন্য শাস্তি হয়েছে পোলার্ড ও ডেভিডের?

পঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে মুম্বইয়ের ইনিংস চলাকালীন ঘটনাটি ঘটেছিল। ১৫তম ওভারে পঞ্জাব কিংসের অর্শদীপ সিং একটি ওয়াইড ইয়র্কার ডেলিভারি দেন। সূর্যকুমার যাদব শট মারতে পারেননি। এরপর দেখা যায় মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ডাগআউটে বসে থাকা টিম ডেভিড এবং ব্যাটিং কোচ কায়রন পোলার্ড ক্রিজে থাকা সূর্যকুমার যাদব ডিআরএস নেওয়ার জন্য ইশারা করেন। এরপরই সূর্য তাঁদের ইশারা দেখে ডিআরএস নেন এবং সেটা ওয়াইড হয়। ওই সময় মাঠ থেকে প্রতিবাদ করেন পঞ্জাবের স্ট্যান্ড ইন ক্যাপ্টেন স্যাম কারান। কিন্তু ফিল্ড আম্পায়ার সূর্যর চাওয়া ডিআরএস নেন।

তাপমাত্রা যতই ৪০ ছাড়াক, আপনাকে কাজে বেরোতেই হবে। চড়া রোদে বাড়ির বাইরে বেরোনো বিপদকে ডেকে আনার সমান। কাঠফাটা রোদে সান স্ট্রোকের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। এছাড়াও ঘাম বসে সর্দি-কাশি হওয়াও সম্ভাবনাও থাকে। আর যদি এই গরমে ভাজাভুজি, মশলাদার খাবার খান, সেখানেও হতে পারে বদহজম।

 কাঠফাটা রোদে অফিসে বেরোতে হচ্ছে, এই ৫ টিপস না মানলে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন


তাপমাত্রা যতই ৪০ ছাড়াক, আপনাকে কাজে বেরোতেই হবে। চড়া রোদে বাড়ির বাইরে বেরোনো বিপদকে ডেকে আনার সমান। কিন্তু স্কুল-কলেজে ছুটি পড়তে এখনও দেরি আছে। আর অফিসের তো ছুটির কোনও বালাই নেই। তাই গরমে যত কষ্টই হোক, আপনাকে বাইরে বেরোতেই হবে। কিন্তু রোদে বেরিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লেই মুশকিল। কাঠফাটা রোদে সান স্ট্রোকের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। এছাড়াও ঘাম বসে সর্দি-কাশি হওয়াও সম্ভাবনাও থাকে। আর যদি এই গরমে ভাজাভুজি, মশলাদার খাবার খান, সেখানেও হতে পারে বদহজম। কিন্তু রোদে বেরিয়েও কীভাবে নিজেকে সুস্থ রাখবেন, সেটাই সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জের।


১) রাস্তায় বেরোলে সঙ্গে জলের বোতল রাখুন। হাঁটুন বা বাসে-ট্রামে চড়ে যান, মাঝে মাঝে জল খেতে থাকুন। জল ছাড়াও রাস্তায় ডাব দেখতে পেলে ডাবের জল কিনে খান। এই মরশুমে কোল্ড ড্রিংক্স কিনে খাওয়ার থেকে অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর ডাবের জল, দইয়ের ঘোল ও তাজা ফলের রস।

২) এই গরমে গাঢ় রঙের পোশাক এড়িয়ে চলুন। হালকা রঙের পোশাক পরুন। সুতির ঢিলেঢালা পোশাক পরুন। পাশাপাশি রোদ থেকে মুখ বাঁচাতে টুপি, সানগ্লাস ও ছাতা ব্যবহার করুন। লু-এর হাত থেকে সুরক্ষিত থাকতে সুতির স্কার্ফ দিয়ে মাথা ও মুখ ঢেকে ফেলুন।

 রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু এ বারও ধারাবাহিকতা দেখাতে ব্যর্থ। মাত্র একটি ম্যাচ জিতেছে তারা। এরপর হার মানেই লাইফ লাইন শেষ হতে থাকা। ইডেনে কাল কেকেআরের বিরুদ্ধে নামছে আরসিবি। তাদের ব্যাটিং লাইন আপে বিরাট কোহলি, ফাফ ডুপ্লেসি এবং লোয়ার অর্ডারে দীনেশ কার্তিক ছাড়া কেউই ভরসা দিতে পারছে না। আর বোলিংয়ের পরিস্থিতি আরও করুণ। আলোচনায় অবশ্য দীনেশ কার্তিকের ফর্ম।

 'রোহিতদের উপর ভরসা আছে...', বিশ্বকাপ নিয়ে বড় প্রত্যাশা কার্তিকের


সময় এগিয়ে আসছে। খুব তাড়াতাড়িই হয়তো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল বেছে নেবে বোর্ডের নির্বাচন কমিটি। জুনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। রোহিত শর্মা নেতৃত্ব দেবেন। এর বাইরে কোনও বিষয়ই যেন নিশ্চিত নয়। নানা চমকও দেখা যেতে পারে। জাতীয় দলে পারফরম্যান্সের পাশাপাশি ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগেও নজর রেখেছেন নির্বাচকরা। আইপিএলের পারফরম্যান্স ধরলে বিশ্বকাপের দৌড়ে বাতিলের খাতায় ফেলা যায় না দীনেশ কার্তিককেও।


রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু এ বারও ধারাবাহিকতা দেখাতে ব্যর্থ। মাত্র একটি ম্যাচ জিতেছে তারা। এরপর হার মানেই লাইফ লাইন শেষ হতে থাকা। ইডেনে কাল কেকেআরের বিরুদ্ধে নামছে আরসিবি। তাদের ব্যাটিং লাইন আপে বিরাট কোহলি, ফাফ ডুপ্লেসি এবং লোয়ার অর্ডারে দীনেশ কার্তিক ছাড়া কেউই ভরসা দিতে পারছে না। আর বোলিংয়ের পরিস্থিতি আরও করুণ। আলোচনায় অবশ্য দীনেশ কার্তিকের ফর্ম।

গত ম্যাচে ঘরের মাঠে হেরেছিল আরসিবি। আইপিএলের রেকর্ড ২৮৮ রান তাড়া করতে নেমে অবিশ্বাস্য একটা ইনিংস খেলেছিলেন দীনেশ কার্তিক। তার আগের ম্যাচেও চাপের মুহূর্তে ভালো ইনিংস। সে কারণেই সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে, দীনেশ কার্তিককে বিশ্বকাপে দেখা যেতে পারে। অনেক প্রাক্তন ক্রিকেটারও তাঁকে নেওয়ার বিষয়ে সওয়াল করেছেন। কার্তিক নিজে কী বলছেন?


ইডেনে কেকেআরের বিরুদ্ধে নামার আগে কার্তিক বলছেন, ‘টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আসছে। আমি তার জন্য মানসিক ভাবে প্রস্তুত। তিন জনের উপর গুরুদায়িত্ব। রোহিত শর্মা, রাহুল দ্রাবিড়, অজিত আগরকর, এই তিনজনের উপর ভরসা আছে। এই বয়সে এসে জাতীয় দলে প্রতিনিধিত্ব করা সবচেয়ে আনন্দের হবে। বিশ্বকাপের দলে ঠাঁই পাওয়ার জন্য আমি সবকিছু করতে রাজি।’

আগামিকাল, ২০ এপ্রিলই ভারত সফরে আসার কথা ছিল বিশ্বের অন্যতম ধনী ব্যক্তি ইলন মাস্কের। ভারতে এসে একাধিক বিনিয়োগ ও গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষর করার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু হঠাৎই তিনি পরিকল্পনা বাতিল করে দিলেন।   

জলে গেল টেসলার স্বপ্ন, ভারতে আসছেন না ইলন মাস্ক
ফাইল চিত্র

 ভারতে আসার পরিকল্পনা বাতিল করে দিলেন টেসলার মালিক ইলন মাস্ক (Elon Musk)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (PM Narendra Modi) সঙ্গে সাক্ষাতের পরিকল্পনা ছিল তাঁর। কিন্তু হঠাৎই সেই পরিকল্পনা বাতিল করে দিলেন ইলন মাস্ক। তিনি জানিয়েছেন, টেসলার একাধিক দায়িত্ব-বাধ্যবাধকতা থাকার কারণেই ভারতে আসার পরিকল্পনা বাতিল করতে বাধ্য হয়েছেন।


আগামিকাল, ২০ এপ্রিলই ভারত সফরে আসার কথা ছিল বিশ্বের অন্যতম ধনী ব্যক্তি ইলন মাস্কের। ভারতে এসে একাধিক বিনিয়োগ ও গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষর করার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু হঠাৎই তিনি পরিকল্পনা বাতিল করে দিলেন।



ইলন মাস্ক নিজেই এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে লেখেন, “দুঃখজনকভাবে, টেসলার একাধিক দায়িত্ব থাকায় ভারতে আসার পরিকল্পনা পিছিয়ে দিতে হচ্ছে। কিন্তু আমি ভারতে আসতে আগ্রহী। এই বছরেরই আমি ভারতে আসব।”

প্রসঙ্গত, ইলন মাস্কে ভারতে আসার খবর প্রকাশ্যে আসার পরই জল্পনা শুরু হয়েছিল, ভারতে বড় বিনিয়োগ করতে পারেন ইলন টেসলা কর্তা। ভারতে টেসলার কারখানা খোলার জল্পনা দীর্ঘদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল। মাস্কের ভারত সফরের কথা প্রকাশ্যে আসার পরই সেই জল্পনায় আরও হাওয়া লাগে। সূত্রের খবর, ভারতে ২০০ থেকে ৩০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করতে পারেন ইলন মাস্ক। টেসলার পাশাপাশি ইলন মাস্কের আরেক সংস্থা স্টারলিঙ্কের জন্যও ২০০০ কোটির বিনিয়োগ ঘোষণা করতে পারেন।

জানা গিয়েছে পোস্টারে লেখা রয়েছে, 'ক্যানিং ও জীবনতলা থেকে লোক এনে ভাঙড়ে সন্ত্রাস করে খুন করল, সেই খুনের দায়ের আরাবুল জেলে,শওকত মোল্লা বাইরে কেন? প্রশাসন জবাব দাও!' এর পাশাপাশি আরও লেখা রয়েছে , 'বোমা গুলির মাস্টারমাইন এই ভাঙড়ে ঠাঁই নাই।'

ভাঙড়ে সন্ত্রাস-খুনের অভিযোগে আরাবুল জেলে, শওকত কেন বাইরে? এমনই পোস্টার পড়ল ভাঙড়ের জায়গায়-জায়গায়
শওকত মোল্লার বিরুদ্ধে পড়ল পোস্টার


ভাঙড়: ভোটের আগে অস্বস্তি তৃণমূলের অন্দরে। ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লার গ্রেফতারির দাবিতে পড়ল পোস্টার। কলকাতা পুলিশের পোলেরহাট থানা এলাকায় শ্যামনগরে পড়ল পোস্টার। তৃণমূল বিধায়কের সভার আগেই এই পোস্টার পড়ায় চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে এলাকায়।

জানা গিয়েছে পোস্টারে লেখা রয়েছে, ‘ক্যানিং ও জীবনতলা থেকে লোক এনে ভাঙড়ে সন্ত্রাস করে খুন করল, সেই খুনের দায়ের আরাবুল জেলে,শওকত মোল্লা বাইরে কেন? প্রশাসন জবাব দাও!’ এর পাশাপাশি আরও লেখা রয়েছে , ‘বোমা গুলির মাস্টারমাইন এই ভাঙড়ে ঠাঁই নাই।’

এই পোস্টার পড়া নিয়ে ইতিমধ্যে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন অধীর চৌধুরী। তিনি বলেছেন, “যারা পোস্টার মারছে তারা আমাদের আর্শীবাদ করছে। যত এমন করবে ততবেশি এই এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেস শক্তিশালী হবে।” শওকতের কথায়, “আমি জানি না কারা এই সব করছে। পক্ষের লোক নাকি বিপক্ষের লোক। তবে যারাই করছে তারা আমাদের আশীর্বাদ করছে। দোয়া করছে। কারণ এইসব করলে তৃণমূল আরও বেশি শক্তিশালী হবে। ভাঙড়ের মানুষ মিথ্য়াকে কখনও প্রশ্রয় দেবে না।”

উল্লেখ্য, সম্প্রতি ভাঙড় ২ ব্লক তৃণমূলের আহ্বায়ক (কনভেনর) পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে আরাবুল ইসলামকে। তারপর থেকেই যদিও অস্বস্তি বেড়েছিল দলের অন্দরে। এরপর শওকতের বিরুদ্ধে পোস্টার পড়ায় চাঞ্চল্য আরও বাড়ল বলেই খবর।

বেঙ্গালুরুর চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে আরসিবি বনাম কেকেআর ম্যাচের আগের দিন একটা ছবি প্রকাশ্যে এসেছিল। প্র্যাক্টিসে আরসিবি তারকা ক্রিকেটার বিরাট কোহলি। অন্য দিকে, কলকাতা নাইট রাইডার্সের প্রাক্তন অধিনায়ক তথা মেন্টর গৌতম গম্ভীর। ছবিটা এমন, দেখে মনে হচ্ছে দু-জনেই একে অপরকে ম্যাচের আগে মেপে নিচ্ছেন। ম্যাচের পর কী পরিস্থিতি হতে পারে, আকর্ষণ ছিল সেটাও। ম্যাচ চলাকালীন স্ট্র্যাটেজিক টাইম আউটে মাঠে আসেন গম্ভীর।

 'বন্ধু হতে পারি না...!', ভালোবাসার ইডেনে পাশাপাশি কোহলি-গম্ভীর

ফসিলস ব্যান্ড-রূপম ইসলামের সেই গানটা মনে পড়ে? শোনো আমরা কি সবাই বন্ধু হতে পারি না? হঠাৎ এমন প্রশ্ন কেন! গৌতম গম্ভীর ও বিরাট কোহলি। বছরের পর বছর একটা ছবি দেখতেই যেন সকলে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন। গৌতম গম্ভীর ও বিরাট কোহলি একসঙ্গে হলেই কোনও না কোনও বিতর্কের পরিস্থিতি। এ মরসুমে আরসিবির মাঠে খেলে এসেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। সেই ম্যাচেও নজর ছিল বিরাট-গম্ভীরেই।


বেঙ্গালুরুর চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে আরসিবি বনাম কেকেআর ম্যাচের আগের দিন একটা ছবি প্রকাশ্যে এসেছিল। প্র্যাক্টিসে আরসিবি তারকা ক্রিকেটার বিরাট কোহলি। অন্য দিকে, কলকাতা নাইট রাইডার্সের প্রাক্তন অধিনায়ক তথা মেন্টর গৌতম গম্ভীর। ছবিটা এমন, দেখে মনে হচ্ছে দু-জনেই একে অপরকে ম্যাচের আগে মেপে নিচ্ছেন। ম্যাচের পর কী পরিস্থিতি হতে পারে, আকর্ষণ ছিল সেটাও। ম্যাচ চলাকালীন স্ট্র্যাটেজিক টাইম আউটে মাঠে আসেন গম্ভীর। বিরাটকে আলিঙ্গন করেন। ইডেনে ম্যাচের আগে পরিস্থিতিটা আরও সুন্দর।


প্রচন্ড গরম। ইডেনে রবিবার দুপুরের ম্যাচ। দিনের ম্যাচের তাপ বাড়বে বিরাট কোহলি মাঠে নামলেই। তার আগের দিন অবশ্য শান্ত পরিবেশ। বিরাট কোহলি এবং গৌতম গম্ভীর পাশাপাশি দাঁড়িয়ে আড্ডা মারছেন! বিশ্বাস না হওয়ার মতোই যেন। অন্তত গত কয়েক বছরের ট্রেন্ড ধরলে এমনটাই বলা যায়। কলকাতা ভালোবাসার শহর। ইডেন গার্ডেন্স ভালোবাসার মাঠ। ইডেনে কেরিয়ারে প্রথম আন্তর্জাতিক সেঞ্চুরি বিরাট কোহলির। সেই ম্যাচে সেরার পুরস্কার জিতেছিলেন গৌতম গম্ভীর। যদিও তরুণ বিরাট কোহলিকে সেই পুরস্কার দিয়েছিলেন গৌতম।


পরবর্তীতে সম্পর্কে অবনতি হতে থাকে। জাতীয় দলে থাকাকালীন হোক কিংবা ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে প্রতিপক্ষ হিসেবে খেলার সময়। এ মরসুমে সব পাল্টে গিয়েছে। শনিবারের ইডেনে আরও একটা বন্ধুত্বের মুহূর্ত। ভালোবাসার শহরে পাশাপাশি বিরাট-গম্ভীর।

এমন ঘটনা ঘটানো হল কেন? মানুষের রায় ঘোষণার আগে কেন এমন উদ্যোগ? তবে কী দীর্ঘমেয়াদি ভোটে কর্মীদের মনোবল ধরে রাখতেই এই গেম প্ল্যান? এটা কী তৃণমূলের নতুন স্ট্র্যাটেজি?
Lok Sabha Elections: এ যেন বিয়ের আগেই বৌভাত! চর্চা তুঙ্গে বঙ্গ রাজনীতির আঙিনায়
রাজনৈতিক মহলে চর্চা তুঙ্গে


কলকাতা: এ যেন বিয়ের আগেই বৌভাত! রাজ্যের প্রথম দফার নির্বাচনের পর তৃণমূলের বিজয় মিছিল দেখে এমনটাই মনে হচ্ছে অনেকের। বাংলার নির্বাচনের ইতিহাসে এমন ঘটনা এর আগে কবে দেখা গিয়েছে মনে করতে পারছেন না কেউই। ভোট চলাকালীন সময়ে তৃণমূল ভবনে রীতিমতো সাংবাদিক সম্মেলন করে রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা জানিয়ে দিলেন মোদীর মন্ত্রী হেরে গিয়েছেন। তারপরই এলেন আরেক মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তার মুখেও একই সুর। শুধু তাই না সাংবাদিক বৈঠক শুরু করার আগে গানের তালে নেচে উঠলেন রাজ্যের দুই শীর্ষ মন্ত্রী। টিভির পর্দায় তখন নাচের তালে পা মিলিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং। আর তারপরই ভোট মিটতেই বিজয় মিছিল। তিন জেলায়। একেবারে সাজিয়ে গুছিয়ে। একই সময়ে। আর এখানেই উঠছে প্রশ্ন। 

এমন ঘটনা ঘটানো হল কেন? মানুষের রায় ঘোষণার আগে কেন এমন উদ্যোগ? তবে কী দীর্ঘমেয়াদি ভোটে কর্মীদের মনোবল ধরে রাখতেই এই গেম প্ল্যান? এটা কী তৃণমূলের নতুন স্ট্র্যাটেজি? না হলে এমন সংগঠিত উদ্যোগ কেন? প্রশ্নগুলি ঘোরাফেরা করছে রাজনৈতিক মহলের অনাচে-কানাচে।  

তৃণমূলের দাবি অবশ্যই অন্য। নেতারা বলছেন লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের জয় হয়েছে। মহিলাদের অংশগ্রহণ তৃণমূলের জয় নিশ্চিত করেছে। এমনটাই তাদের গ্রাউন্ড রিপোর্ট। ওয়াকিবহাল মহলের একটা বড় অংশের মতে রাজ্যের তরফে একশো দিনের টাকা দেওয়া। মে মাসের পর কেন্দ্র না দিলে আবাসের টাকা দেওয়ার ঘোষণা গ্রামের ভোট ব্যাঙ্ককে সংগঠিত করেছে তৃণমূলের দিকে। তৃণমূলের উত্তরের নেতারা আরও বলছেন চা বাগানের পাট্টা, চা সুন্দরী প্রকল্পও তৃণমূলের সহায়ক হয়েছে। তাই জয় নিশ্চিত। তাই বলে বিজয় মিছিল? অভূতপূর্ব এমন ঘটনা ঘিরে এখন জোর চর্চা বঙ্গ রাজনীতির আঙিনায়। 


ট্রেন চালক দেখতে পান ট্রেনের তলা থেকে ধোঁয়া বেরচ্ছে। ট্রেন দাঁড় করিয়ে দেন চালক। যাত্রীরা নেমে পড়েন। ধোঁয়া দেখে হুড়োহুড়ি পড়ে যায় যাত্রীদের মধ্যে। পরে ৯ টা ৫ মিনিটের ডাউন ব্যান্ডেল হাওড়া হয়ে যাত্রা শুরু করে ট্রেনটি।

ট্রেন থেকে বেরচ্ছে ধোঁয়া, দেখতে পেয়েই শুরু হুড়োহুড়ি ব্যান্ডেল লোকালে
ট্রেনে ধোঁয়া


ব্যান্ডেল: ফের লোকাল ট্রেনে ধোঁয়া। সাত সকালে আতঙ্ক ছড়াল হুগলিতে। ব্যান্ডেল লোকাল থেকে ধোঁয়া বেরতে দেখা যায়। দেখতে পেয়েই দ্রুত ট্রেন থেকে নেমে যান যাত্রীরা। চুঁচুড়া স্টেশনে দ্রুত নেমে পড়েন যাত্রীরা। হুড়োহুড়ি পড়ে যায় যাত্রীদের মধ্যে।


কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পর ট্রেন প্ল্যাটফর্ম ছেড়ে বেরিয়ে যায়। পূর্ব রেল সূত্রে জানা গিয়েছে ডাউন ব্যান্ডেল হাওড়া লোকাল ট্রেনটি ব্যান্ডেল স্টেশন ছাড়ে সকাল ৮ টা ২৮ মিনিটে। ট্রেনটি চুঁচুড়ার দু নম্বর প্ল্যাটফর্মে ঢোকে ৮ টা ৩৪ মিনিটে।


ট্রেন চালক দেখতে পান ট্রেনের তলা থেকে ধোঁয়া বেরচ্ছে। ট্রেন দাঁড় করিয়ে দেন চালক। যাত্রীরা নেমে পড়েন। ধোঁয়া দেখে হুড়োহুড়ি পড়ে যায় যাত্রীদের মধ্যে। পরে ৯ টা ৫ মিনিটের ডাউন ব্যান্ডেল হাওড়া হয়ে যাত্রা শুরু করে ট্রেনটি। চুঁচুড়ায় নেমে যাওয়া যাত্রীরা অন্য ট্রেন ধরে গন্তব্যে রওনা দেন। রেল সূত্রের খবর, ব্রেক বাইন্ডিং এর ফলে ধোঁয়া বেরচ্ছিল। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

বেজিং, তিয়ানজিনের মতো বড় বড় ও জনবহুল শহর ডুবে যাচ্ছে। আগে যেখানে প্রতি বছর ৩ মিলিমিটার অবধি মাটি বসে যাচ্ছিল, সেখানেই চিনের ৪৫ শতাংশ শহরতলি দ্রুতগতিতে ডুবে যাচ্ছে।

ডুবে যাচ্ছে বেজিং-সাংহাই! পরের নম্বর কি কলকাতা-দিল্লির?
চিনের মতো ভারতও কি ডুবে যাবে?

ডুবে যাচ্ছে চিন। হু হু করে ডুবছে একের পর এক শহর। যেকোনও দিনই ঘরছাড়া হতে পারেন কোটি কোটি মানুষ। এমনটাই ভয়ঙ্কর অবস্থা ভারতের পড়শি দেশের। মাটির নীচ থেকে অতিরিক্ত পরিমাণ জল শোষণ ও উচু উচু বাড়ি, শপিং কমপ্লেক্স তৈরি করার ফলেই বসে যাচ্ছে মাটি। চিনের অধিকাংশ শহরই এভাবে ডুবে যাচ্ছে।


সম্প্রতিই জার্নাল সায়েন্সে প্রকাশিত একটি গবেষণা পত্রেই উল্লেখ করা হয়েছে যে বেজিং, তিয়ানজিনের মতো বড় বড় ও জনবহুল শহর ডুবে যাচ্ছে। আগে যেখানে প্রতি বছর ৩ মিলিমিটার অবধি মাটি বসে যাচ্ছিল, সেখানেই চিনের ৪৫ শতাংশ শহরতলি দ্রুতগতিতে ডুবে যাচ্ছে। ১৬ শতাংশ জমি বছরে ১০ মিলিমিটার হারে ডুবে যাচ্ছে।

গবেষণায় আরও দেখা গিয়েছে, ২০১৫ সাল থেকে ২০২২ সালের মধ্যে চিনের যে শহরগুলিতে জনসংখ্যা ২০ লক্ষেরও বেশি, সেই শহরগুলি দ্রুত হারে মাটিতে বসে যাচ্ছে। সাংহাই বিগত এক দশকে প্রায় ৩ মিটার অবধি ডুবে গিয়েছে। বেজিংয়ের সাবওয়ে ও হাইওয়েগুলি প্রতি বছরে প্রায় ৪৫ মিলিমিটার করে বসে গিয়েছে। যত উচু বিল্ডিং তৈরি হচ্ছে, ততই মাটির নীচে জমি বসে যাচ্ছে।


আর এখানেই এই প্রশ্নও উঠছে যে চিনের পড়শি দেশ ভারত। বর্তমানে ভারতেও প্রকট হয়ে উঠছে জলসঙ্কট। বেঙ্গালুরু ইতিমধ্যেই শুকনো হয়ে গিয়েছে। মাটির নীচে জল শুকিয়ে গিয়েছে। ভারতেও যদি চিনের মতো অবস্থা হয়, তবে কলকাতা, মুম্বইয়ের মতো বড় বড় মেট্রো ডুবে যেতে পারে।

রেজিস্ট্রার জেনারেলকে দেখে হাজির হয়েছে পুলিশও। খোঁজ-খবর নিয়ে ফোন গেল ঘোড়ার মালিকের কাছে। ততক্ষণে পুলিশ চেষ্টা করেছে তাকে জল খাইয়ে সুস্থ করার। কিন্তু পিঠে ঘা থাকায় কোনভাবেই ঘোড়াটি উঠতে পারঠিল না।

 শহরের উষ্ণতম দিনে মানবিক ছবি, ময়দানের অসুস্থ ঘোড়াকে উদ্ধার রেজিস্ট্রার জেনারেলের
উষ্ণতম দিনে মানবিক ছবি


কলকাতা: বইছে গরম হাওয়া। কলকাতা ও লাগোয়া অঞ্চলে আজ ৪১-৪২ ডিগ্রির গরম। দহন জ্বালায় নাভিশ্বাস উঠছে বঙ্গবাসীর। গরম সহ্য না করতে পেরে ময়দানে অসুস্থ হয়ে পড়ল একটা ঘোড়া। চারিদিকে ঝলসানো গরম থেকে রেহাই পেতে একটু গাছের ছায়া খুঁজেছিল সে। কিন্তু গলায় দড়ি থাকায় তার নাগাল পায়নি সে। শহরের উষ্ণতম দিনেই দেখা গেল শহরের মানবিক ছবি। অসুস্থ ঘোড়াকে সুস্থ করতে এগিয়ে এলেন অনেকেই। শেষে হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল উদ্ধার করলেন ঘোড়াকে। 

সকালে হাইকোর্টে যাচ্ছিলেন হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল চৈতালি চট্টোপাধ্যায়। ময়দান এলাকায় হঠাৎ দেখতে পেলেন অসুস্থ ঘোড়াকে। এভাবে বসে থাকতে দেখে সন্দেহ হওয়ায় গাড়ি থেকে নেমে এগিয়ে এলেন। কী হয়েছে খোঁজখবর শুরু করলেন। বোঝা গেল তীব্র গরমেই অসুস্থ হয়ে পড়েছে ঘোড়াটি। গলায় দড়ি দিয়ে বাঁধা থাকায় ছায়ার খোঁজে বেশিদূর যেতে পারেনি সে। খোঁজ শুরু হয় মালিকের। কিন্তু, শুরুতে তাঁরও খোঁজ পাওয়া যায়নি। 

এদিকে ততক্ষণে রেজিস্ট্রার জেনারেলকে দেখে হাজির হয়েছে পুলিশও। খোঁজ-খবর নিয়ে ফোন গেল ঘোড়ার মালিকের কাছে। ততক্ষণে পুলিশ চেষ্টা করেছে তাকে জল খাইয়ে সুস্থ করার। কিন্তু পিঠে ঘা থাকায় কোনভাবেই ঘোড়াটি উঠতে পারঠিল না। অবশেষে ময়দানে এসে পৌছায় ঘোড়ার মালিক ফিরোজ। তবে তাঁর দাবি, ঘোড়া সুস্থই রয়েছে। তিনি বলেন, আমি একটা কাজে গিয়েছিলাম। সে কারণেই আসতে দেরি হয়েছিল। ও এমনিতে সুস্থ আছে। ওর চিকিৎসার বিশেষ প্রয়োজন নেই।  

অবশেষে পুলিশ ঘোড়াটিতে হাসপাতালে নিয়ে যায়। মালিককেও জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। তবে এই গরমে শহরের পশুদের প্রতি আর একটু মানবিক হওয়ার আবেদন জানান চৈতালী দেবী। বলেন, ওর পিঠে তো একটা ক্ষত রয়েছে। আমরা ঘোড়াটাকে দেখেই জল খাওয়ানোর চেষ্টা করি। ঘোড়াটি নিজে অনেকবার ওঠার চেষ্টা করে। কিন্তু উঠতে পারেনি। 

রবিবারের তপ্ত ইডেন। দিনের ম্যাচে মুখোমুখি কলকাতা নাইট রাইডার্স ও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। অ্যাওয়ে টিমের হাল খুবই খারাপ। সেটা পয়েন্ট টেবলেই বোঝা যায়। তবে বিরাট কোহলি, ফাফ ডুপ্লেসি, দীনেশ কার্তিকরা বিধ্বংসী ফর্মে রয়েছেন। টানা হারে ক্লান্ত রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স। এমন সময় ঘুরে দাঁড়ানোই লক্ষ্য হবে। এই পরিস্থিতিতে ইডেনে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারেন বিরাট কোহলি। তাঁর জন্য কী পরিকল্পনা কেকেআরের?

বিরাট কোহলির জন্য কী প্ল্যান? KKR পেসার যা বললেন...

 মাথাব্যথা হয়ে উঠেছেন মিচেল স্টার্ক? না হওয়ার কিছু নেই। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে কেকেআর টিম ম্যানেজমেন্ট যদি স্টার্ককে নিয়ে অন্য কিছু ভাবে, অবাক হওয়ার নেই। ইডেনে লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে অনবদ্য বোলিং করেছিলেন। স্টার্ক নিজেই জানিয়েছিলেন, তিনি পর্যাপ্ত টি-টোয়েন্টি না খেলায় শুরুর দিকে সমস্যা হচ্ছিল। ফর্মে ফেরায় আত্মবিশ্বাসী শুনিয়েছিল স্টার্ককে। রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে ঘুরে ফিরে সেই একই বিন্দুতে।


রবিবারের তপ্ত ইডেন। দিনের ম্যাচে মুখোমুখি কলকাতা নাইট রাইডার্স ও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। অ্যাওয়ে টিমের হাল খুবই খারাপ। সেটা পয়েন্ট টেবলেই বোঝা যায়। তবে বিরাট কোহলি, ফাফ ডুপ্লেসি, দীনেশ কার্তিকরা বিধ্বংসী ফর্মে রয়েছেন। টানা হারে ক্লান্ত রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স। এমন সময় ঘুরে দাঁড়ানোই লক্ষ্য হবে। এই পরিস্থিতিতে ইডেনে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারেন বিরাট কোহলি। তাঁর জন্য কী পরিকল্পনা কেকেআরের?

বিরাটের বিরুদ্ধে স্ট্র্যাটেজি নিয়ে ইডেনে সাংবাদিক সম্মেলনে কেকেআরের তরুণ পেসার বৈভব অরোরা বলছেন, ‘এরকম কোনও ব্যাপার নয়। দেখতে হবে কোথায় দুর্বলতা আছে। কোথায় শক্তি। সেই মতো প্ল্যানিং এক্সিকিউট করতে হবে আমাদের। প্রত্যেকের জন্যই পরিকল্পনা থাকে। মাঠে নেমে সেটা বাস্তবায়িত করাই আসল।’ মিচেল স্টার্কের ফর্ম বাকি বোলারদের উপর কতটা চাপ তৈরি করছে?


সতীর্থের পাশেই দাঁড়ালেন কেকেআরের তরুণ পেসার। বলছেন, ‘এরকম হতেই পারে। একদিন কারও খারাপ যেতেই পারে। সতীর্থ কোনও দিন খারাপ খেলতেই পারে। তার মানে এই নয় যে নিজের উপর অতিরিক্ত চাপ বাড়বে। ক্রিকেটে তো সবসময় চাপ থাকেই।’