January 2021
আজ থেকে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে করোনার টিকাকরণ কর্মসূচি। তবে শুরুর আগেই সমস্যা দেখা দিয়েছে কো উইন অ্যাপে (WinApp)। করোনা ভ্যাকসিন কারা পেলেন এবং পেতে চলেছেন, এমন ব্যক্তিদের নাম নথিভুক্ত হওয়ার কথা এই অ্যাপটির মাধ্যমে। কিন্তু আপাতত এ রাজ্যে প্রতিষেধক নেওয়ার আগে ও পরে কো-উইন অ্যাপে নাম তোলা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর।
তার বদলে রেজিস্ট্রেশন এবং প্রতিষেধক দেওয়ার পরে হাতে লেখা স্লিপ দেওয়া হবে গ্রাহককে।প্রশাসন সূত্রে খবর, নেটওয়ার্ক সমস্যার কারণেই এমন সিদ্ধান্ত। আজ প্রতিটি কেন্দ্রে ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য যে একশো জনের নাম রয়েছে, তাঁদের নাম কো-উইন অ্যাপে নথিভুক্ত করার কথা।
কিন্তু নাম তুলতে গিয়ে দেখা যায়, এক-একটি নামের জন্যই অতিরিক্ত সময় লাগছে। সারা দেশ জুড়ে ওই অ্যাপের ব্যবহার চলছে। তার ফলে সার্ভার বসে যাওয়াতেই সমস্যা দেখা দিয়েছে। তাই প্রথম দিনে আপাতত ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে কাজের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য।

মুরগির দাম বেড়ে গিয়ে দাঁড়িয়েছে প্রতি কেজি ১০০০ টাকা থেকে ২০০০ টাকা পর্যন্ত। এ ছাড়াও মোরগের দাম প্রতি কেজি ৩০০০ টাকা।
#হায়দরাবাদ দেশে এখন নতুন আতঙ্ক ছড়িয়েছে বার্ড ফ্লু নিয়ে। ইতিমধ্যেই ১০ রাজ্যে বার্ড ফ্লু হওয়ার ঘটনা নজরে এসেছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে পোলট্রি এবং পোলট্রি জাতীয় পণ্যের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। যার ফলে মুরগির দাম মারাত্মক ভাবে হ্রাস পেয়েছে। কোনও কোনও স্থানে মুরগির দাম প্রতি কেজি ১০০টাকায় পৌঁছেছে। তবে অন্ধ্রপ্রদেশে মুরগির দামে কোনও হেরফের ঘটেনি। উলটে মুরগির দাম বেড়ে গিয়ে দাঁড়িয়েছে প্রতি কেজি ১০০০ টাকা থেকে ২০০০ টাকা পর্যন্ত। এ ছাড়াও মোরগের দাম প্রতি কেজি ৩০০০ টাকা।
অবাক হলেও এই ঘটনা সত্যি! মকর সংক্রান্তির পরেই মেলায় মেলায় বসে যায় মোরগের লড়াই।অন্ধ্রপ্রদেশেও এই ঘটনার বিরূপ হয়নি। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় এখন চলছে জোড়া মোরগের লড়াই। এ ছাড়াও গুন্টুর, কৃষ্ণ,পূর্ব ও পশ্চিম গোদাবরী জেলায় চড়া দামে বিক্রি করা হচ্ছে মুরগির মাংস। প্রতি বছর সংক্রান্তির সময় মরগের লড়াই এখনও বিলুপ্ত হয়নি। বহু কাল ধরেই এই রীতি ঐতিহ্য বহন করে চলেছে মোরগ মালিকেরা।
মোরগ লড়াই'য়ের সময় দু’টি মোরগের মধ্যে চলে রক্তারক্তি কান্ড । সংক্রান্তির পরের দিন এ খেলা দেখতে ভিন্ন প্রান্তের মানুষ উপস্থিত হয় মাঠে মাঠে। লড়াইয়ের হিসেব সহজ। যার মোরগ জিতবে, ঘায়েল মোরগও তাঁর। ফলে মালিকেরা ওই ঘায়েল মোরগকে বিক্রি করে দেয় কিলো দরে। এ ছাড়াও যে মোরগ জিতবে সেগুলিকে বিক্রি করা হয় ৮ থেকে ১০ হাজার টাকায়।মাংস বিক্রেতা প্রসাদ ভীমাবরমের কথায়, "ঘায়েল মোরগের শরীর লড়াইয়ের পড়ে এক্কেবারে ক্ষতবিক্ষত হয়ে পড়ে। তার সেরে উঠতে অনেক দিন সময় লেগে যায়। তাই সেই মোরগের পিছনে অর্থ নষ্ট না করে বিক্রি করে দেওয়া হয়। যাতে মানুষ খেতে পারেন"। তিনি আরও উল্লেখ করেছিলেন যে লড়াই করার জন্য যে মোরগ গুলো কে ব্যবহার করা হয় সেগুলোর জাত অনেক উন্নত। এবং জন্মানোর পরে  আলাদাভাবে যত্ন নেওয়া হয় ওই মোরগগুলির।
খাম্মাম জেলার এক মোরগ মালিক উদয় ভাস্কর কনকামেডালা জানিয়েছেন, "ভাল জাতের মোরগকে আমরা খুব যত্ন  নিয়ে লালন-পালন করি।কারণ ওকে লড়াই করতে হবে। প্রতিযোগিতায় সাফল্য পাওয়ার জন্য আমরা মোরগকে জন্মের পর থেকেই প্রশিক্ষণ দিতে শুরু করি। তিনি আরও বলেন, প্রতিযোগিতায় কেবল একটি মোরগ জিতবে, অপরটি হারবে। তাই জয়ী মোরগকে অনেক সময় ১৫ হাজার টাকা থেকে ২ লক্ষ টাকাতেও বিক্রি করা হয়। অপর ঘায়েল মোরগকে খাওয়ার জন্য বিক্রি করা হয়, কারণ এতে পুষ্টির পরিমাণ পর্যাপ্ত রয়েছে"। (তথ্য সংযোজন: রাম কুমার, যিনি মাংস কিনছিলেন। নিউজ ১৮-কে এই বিষয় জানিয়েছেন।) 
ভূমিকম্পের জেরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ইন্দোনেশিয়ায়। এখনও পর্যন্ত মৃত্যু ৭, আহত অসংখ্য।
শুক্রবার ভোরের দিকে ইন্দোনেশিয়ার সুলায়েসি দ্বীপে (Indonesia's Sulawesi island) এই কম্পন অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে তীব্রতা ছিল ৬.২। কম্পনের উৎসস্থল ম্যাজিন শহরের (Majene city)উত্তর-পূর্বে ভূগর্ভের ১০ কিলোমিটার গভীরে।তবে এখনও পর্যন্ত  দেশের আবহাওয়াবিদেরা ( Meteorology, Climatology and Geophysics Agency) সুনামির (tsunami) কোনও সতর্কতা জারি করেননি।
একটি হাসপাতাল ভেঙে পড়েছে। রোগী ও স্বাস্থ্যকর্মীরা মাটির নীচে চাপা পড়েছেন। তাঁদের উদ্ধারের কাজ চলছে। প্রাথমিকভাবে ম্যাজিনে (Majene city)৪ জন এবং মামুজু (Mamuju)-তে ৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে।আহত হয়েছেন প্রায় ৭০০ মানুষ। মৃত এবং আহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলেই আশঙ্কা।
রোজভ্যালি কাণ্ডে এ বার সিবিআই গ্রেফতার করল শুভ্রা কুন্ডুকে। তিনি রোজ ভ্যালি কর্তা গৌতম কুন্ডুর স্ত্রী। শুক্রবার বিকেলে তাঁকে গ্রেফতার করে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে আনা হয়েছে। তার আগে তাঁকে সিবিআইয়ের গোয়েন্দারা জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন। সেখানে শুভ্রা বহু প্রশ্নের সদুত্তর দিতে পারেননি বলে অভিযোগ। ইচ্ছাকৃত ভাবে অনেক প্রশ্নের উত্তর এড়িয়েও যান বলে গোয়েন্দাদের সূত্রে জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, খুব শীঘ্রই শুভ্রাকে ভুবনেশ্বরে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে হাজির করানো হবে।
ভুঁইফোঁড় অর্থলগ্নি সংস্থা রোজ ভ্যালির কর্ণধার গৌতম কুন্ডুকে আগেই গ্রেফতার করেছে সিবিআই। ২০১৫ সাল থেকে জেলে তিনি। এই মামলায় শুভ্রা মুখ খুললে আরও অনেক প্রভাবশালীর নাম বেরিয়ে আসতে পারে বলে মনে করছে সিবিআই।
সিবিআই সূত্রে খবর, গৌতম জেলে যাওয়ার পর রোজ ভ্যালির ‘চাবির গোছা’ শুভ্রার হাতে ওঠে। এমনকি যে ‘অদ্রিজা’ দোকানের আড়ালে কোটি কোটি টাকা তছরুপের অভিযোগ, তারও দেখভাল করতেন শুভ্রা। এমনকি সেই সময় তদন্তের দায়িত্বে থাকা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর এক কর্তা মনোজ কুমারের সঙ্গেও শুভ্রার নাম জড়িয়ে যায়। অভিযোগ ওঠে, শুভ্রার কাছ ‘সুবিধা’র বিনিময়ে তদন্তকে ভুল পথে চালনা করছিলেন তিনি। সেই সময় মনোজকেও গ্রেফতারও করে কলকাতা পুলিশ।কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের অভিযোগ, রোজ ভ্যালির কোটি কোটি টাকা পাচার করে দেন শুভ্রা। তাঁর বিরুদ্ধে যথেষ্ট তথ্য প্রমাণও রয়েছে। কিন্তু গোয়েন্দাদের সামনে কিছুতেই মুখ খুলছিলেন না তিনি। অনেক প্রশ্নের উত্তরই এড়িয়ে যাচ্ছিলেন। এমনকি তদন্তে অসহযোগিতাও করছিলেন বলে অভিযোগ। তাই নিজেদের হেফাজতে নিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই মতো গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। এমনটাই গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে।
কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের দাবি, গ্রেফতার হওয়ার পর জেল থেকে যাঁদের সঙ্গে নিয়মিত কথা বলতেন গৌতম, তাঁদের মধ্যে অন্যতম শুভ্রা। কী করা উচিত আর কী নয়, কাকে সংস্থার কোন পদে রাখা উচিত, কাকে কোথায় সরানো উচিত, ফোনে এ নিয়ে তাঁকে পরামর্শ দিতেন গৌতম।টাকাপয়সা কোথায় সরিয়ে ফেলতে হবে তা-ও শুভ্রাকে ভাল করে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন তিনি।
গোয়েন্দাদের সন্দেহ, গৌতমের নির্দেশেই কাউকে কিছু না-জানিয়ে বিপুল পরিমাণ টাকা সরিয়ে ফেলেন শুভ্রা। বিদেশেও টাকা সরিয়ে ফেলা হয়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা গোয়েন্দাদের। হেফাজতে চেপে ধরলেই শুভ্রা সব কিছু উগরে দিতে পারেন বলে আশাবাদী তাঁরা। যে টাকার হদিশ মিলছে না, তার খোঁজে জায়গায় জায়গায় তল্লাশি অভিযানও চালানো হতে পারে।
রোজ ভ্যালির বিরুদ্ধে প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকা তছরুপের অভিযোগ। ইডি এবং সিবিআই, দুই সংস্থাই তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করছে। গৌতমের পাশাপাশি এই মামলায় তৃণমূলের দুই সাংসদ তাপস পাল এবং সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কেও গ্রেফতার করা হয়। তবে ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি-র মদতেই নতুন করে তদন্তের নামে ধরপাকড় শুরু হয়েছে বলে অভিযোগ করছে জোড়াফুল শিবির। 
আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে দেশব্যাপী  Covid vaccination drive। তার আগে এদিন ভ্যাকসিনের 'Dos and Donts' নিয়ে দেশবাসীকে পাঠ পড়াল সরকার। কী বলা হয়েছে সেখানে? চলুন দেখে নেওয়া যাক-
# ১৮ বছর ও তাঁর ঊর্ধ্বেই একমাত্র ভ্যাকসিন (Vaccine) দেওয়া যাবে।
# কোভিড ভ্যাকসিন (Covid Vaccine) ও অন্যান্য টিকার মাঝে ন্যূনতম ১৪ দিনের ব্যবধান রাখতে হবে। 
# দ্বিতীয় ডোজটিও একই কোভিড ভ্যাকসিনের হতে হবে।
# করোনায় (Covid 19) আক্রান্ত কোনও ব্যক্তি নেগেটিভ হওয়ার ৪ থেকে ৮ সপ্তাহ পর ভ্যাকসিন নিতে পারবেন।
# গর্ভবতী ও সদ্য় প্রসূতি মায়েরা যাঁরা সন্তানকে স্তন্যপান করাচ্ছেন, তাঁদেরকে এই ভ্যাকসিন দেওয়া যাবে না।
# যাঁদের অ্যালার্জির প্রবণতা আছে, তাঁদেরকেও এই ভ্যাকসিন দেওয়া যাবে না।
# কো-মরবিডিটি (Co-morbidity) আছে, এমন রোগীর ক্ষেত্রে ভ্যাকসিন দেওয়ার বিষয়ে অবশ্যই চিকিত্সকের পরামর্শ নিতে হবে।উল্লেখ্য, কাল থেকে শুরু হওয়া টিকাকরণ কর্মসূচিতে ৩,০০০ কেন্দ্রে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। প্রতি সেন্ট্রারে প্রত্যেকদিন ১০০ জনকে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। টিকাকরণের প্রক্রিয়া সফলভাবে এগোলে এরপরের লক্ষ্য ৫০০০টি কেন্দ্রে ভ্যাকসিন দেওয়া। প্রসঙ্গত, প্রথম ধাপে প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ঝুঁকিপূর্ণ মানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। যার মধ্যে ৩০ মিলিয়ন স্বাস্থ্য ও প্রথমসারির কর্মীরা রয়েছেন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) বিশ্বের করোনা পরিস্থিতি দেখাতে গিয়ে বারবার একই ভুল করে ফেলছে। যদিও অনেকে আবার সেটাকে ভুল বলে মেনে নিতে নারাজ। দাবি করা হচ্ছে, এসব হু-র চক্রান্ত। করোনা পরিস্থিতি বোঝাতে দিনকয়েক আগে Covid-19 ড্যাশবোর্ডে এই মানচিত্র প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। কোন দেশ করোনায় কতটা ক্ষতিগ্রস্ত, তা বোঝানোর জন্যই এই মানচিত্র প্রকাশ। সেই মানচিত্র নিয়ে বিস্তর বিতর্ক হয়েছে। ব্রিটেনের প্রবাসী ভারতীয়রা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এই মানচিত্রের কড়া সমালোচনা করেছিলেন। আসলে সেই মানচিত্রে ভারতের জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ আলাদা রঙে চিহ্নিত করে দেখানো হয়েছিল।সেই মানচিত্রে জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখকে ছাই রঙে চিহ্নিত করা হয়েছিল। এদিকে গোটা ভারত চিহ্নিত হয়েছিল গাঢ় নীল রঙে।
বারবার একই ভুল কী করে করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা! এর আগেও ভারতের ভুল মানচিত্র প্রকাশ করেছিল তারা। এবারও ভারত বিশ্ব স্বাস্থ্য় সংস্থার প্রধানকে চিঠি পাঠিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছে। এই নিয়ে গত এক মাসে তিনবার বিশ্ব স্বাস্থ্য় সংস্থাকে কড়া ভাষায় চিঠি লিখল কেন্দ্র। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা পোর্টালে যে ভিডিয়ো ও ছবি দেখা যাচ্ছে সেখানে ভারতের মানচিত্র ভুল দেখানো হচ্ছে।এমনকী ভারতের সীমানার উল্লেখেও ভুল রয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। হু অবশ্য জানিয়েছিল, রাষ্ট্রসংঘের অনুমতি নিয়েই তারা সেই মানচিত্র প্রকাশ করেছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কোভিড ট্র্যাকার বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশে ব্যবহার করে। সেখানে ভারতের মানচিত্রে এত বড় ভুল! অনেকেই দাবি করেছেন, করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারত উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিয়েছে। ১৬ জানুয়ারি থেকে ভারতের টিকাকরণের দিকেও তাকিয়ে আছে গোটা বিশ্ব। হু-র তাই ভারতের ব্যাপারে আরও সতর্ক হওয়া উচিত ছিল।অনেকে আবার অভিযোগ করেছেন, চিনের থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ অনুদান হিসাবে পায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। তাই চিনের নির্দেশেই ভারতের ভুল মানচিত্র ছড়িয়ে দিতে চাইছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।  
পৌষ সংক্রান্তি মানেই পিঠে-পুলি। আর ঘুড়ি। আজ বাংলার অনেক জায়গাতেই আকাশে রঙিন ঘুড়ি দাপিয়ে বেড়ায়। গ্রামেগঞ্জে-মফঃস্বলে এই প্রথা বহুদিনের। কিন্তু সংক্রান্তি ও ঘুড়ির সম্পর্ক ঠিক কোথায়! কেন আজকের দিনে ঘুড়ি ওড়ানোর এই পরম্পরা চলে আসছে!
আজকের দিনে বাংলার বহু জায়গায় অনেকেই দল বেঁধে ঘুড়ি ওড়ান। একসঙ্গে ঘুড়ি ওড়ানোর মজাই আলাদা। এখন অবশ্য ব্যস্ততার যুগে অনেকেই আর সময় করে উঠতে পারেন না। তার উপর কম্পিউটার গেমের যুগে ঘুড়ি এখন আর আকর্ষণের কেন্দ্রে নেই।তবুও বহু মানুষ পুরনো ঐতিহ্য এখনও আঁকড়ে রয়েছেন।
ঘুড়ি আসলে আশা, খুশি, উল্লাস, স্বাধীনতা, শুভ সন্দেশের প্রতীক। সংক্রান্তির শুভক্ষণে তাই ঘুড়িই যেন খুশি ও স্বাধীনতার বার্তা বহন করে।
মানুষের আশা-আকাঙ্খা, আনন্দ, সুখও যেন উর্ধ্বমুখী হয়, শুভ দিনে এই আশাতেই রঙিন ঘুড়ি আকাশে ওড়ানো হয়।
উত্তরপ্রদেশ ও বিহারের অনেক জেলায় ঘুড়িকে বলা হয় গুড্ডি। আজকের দিনে সেইসব জেলার বাসিন্দারাও ঘুড়ি ওড়ানোয় মেতে ওঠেন।
ঘুড়ি ওড়ালে মন ভাল থাকে। সেইসঙ্গে মগজের ব্যায়ামও হয়। ঘুড়ি যাতে না কাটে তাই সব সময় মস্তিষ্ক কাজে লাগাতে হয়। প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ মনে করে, ঘুড়ি ওড়ালে নতুন ভাবনার উদয় হতে পারে।
একজন ঘুড়ি ওড়াবে। আরেকজন লাটাই ধরবে। অর্থাত্, ঘুড়ি ওড়ানোর ঐতিহ্যের মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে বন্ধুত্ব ও বোঝাপড়া বাড়ানোর ধারা অব্যহত রয়েছে।
ঘুড়ি ওড়ানো কিন্তু ধৈর্যের কাজও বটে। তাই আজকের দিনে ঘুড়ি ওড়ানোর ভাল দিক স্রেফ একটি নয়, অনেক।
সম্প্রতি ব্রিটেনের স্বাস্থ্যকর্মীদের গবেষণায় উঠে এল এক নতুন তথ্য। তাঁদের দাবি, একবার কারও শরীরে ভাইরাসের সংক্রমণ হলে, তাঁর শরীর অন্তত পাঁচ মাসের জন্য ভাইরাসের আক্রমণ প্রতিরোধ করতে সক্ষম।
করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব টের পাওয়ার পর থেকেই, গোটা বিশ্বে চলছে ভাইরাস নিয়ে গবেষণা। নানা দেশে, নানা সংস্থার পরীক্ষা-নিরীক্ষায় বার বার উঠে এসেছে ভাইরাস সংক্রান্ত নতুন তথ্য। সম্প্রতি ব্রিটেনের স্বাস্থ্যকর্মীদের গবেষণায় উঠে এল আর এক নতুন তথ্য। তাঁদের দাবি, একবার কারও শরীরে ভাইরাসের সংক্রমণ হলে, তাঁর শরীর অন্তত পাঁচ মাসের জন্য ভাইরাসের আক্রমণ প্রতিরোধ করতে সক্ষম হয়।তবে নিজের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হওয়ার পরও তাঁরা ভাইরাস বহন করতে পারেন এবং ছড়িয়ে দিতে পারেন নিজের অজান্তেই।
একবার সংক্রমণ হলে, পুনরায় তা হতে পারে কি না, এ নিয়ে প্রথমিক ভাবে গবেষণা করেছে পাবলিক হেলথ ইংল্যান্ড বা পিএইচই। সংস্থার তরফে সমীক্ষা করা হয় ৬,৬১৪ জন মানুষকে নিয়ে, যাঁরা সংক্রমণের শিকার হয়েছেন আগেই। তবে দেখা গিয়েছে এঁদের মধ্যে মাত্র ৪৪ জন ফের কোভিড পজিটিভ হয়েছেন। তবে এই সংস্থার বিজ্ঞানীদের দাবি, যাঁরা ২০২০ সালের শুরুর দিকে করোনায় ভুগেছিলেন, এখন ফের সংক্রমণের আশঙ্কা রয়েছে তাঁদের। শুধু তাই নয়, এ বিষয়েও তাঁরা সতর্ক করছেন যে একবার যাঁদের সংক্রমণ হয়ে ন্যাচরাল ইমিউনিটি গড়ে উঠেছে, তাঁরা হয় তো নাক এবং গলায় বহন করছেন করোনার নতুন স্ট্রেন, যা ছড়িয়ে পড়তে পারে অন্যদের মধ্যেও।
পাবলিক হেলথ ইংল্যান্ড-এর গবেষণার প্রধান সুজান হপকিনস-এর মতে, “আমরা সকলেই এখন জেনে গিয়েছি যে, ভাইরাসের সংক্রমণ হলে শরীরে তৈরি হয় অ্যান্টিবডি।তবে ঠিক কতদিনের জন্য এই অ্যান্টিবডি রোধ করতে পারবে ফের সংক্রমণ, তা এখনও পুরোপুরি পরিষ্কার নয়।” তিনি আরও বলেন, “একবার করোনা সংক্রমণ হলে বেশ কিছুদিনের জন্য এ বিষয়ে কিছুটা নিশ্চিন্ত থাকা যেতে পারে যে ফের মারাত্মক সংক্রমণ হবে না। তবে সেই ব্যক্তির থেকে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি থেকেই যায়।”
বুধবার মহারাষ্ট্রে আরও ৪৮১ পাখির মৃত্যুর খবর মিলেছে। এ রাজ্যে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হল ২,৩৯৫, যার মধ্যে ৪৫৫টি পোলট্রির পাখি।
বুধবার মহারাষ্ট্রে আরও ৪৮১ পাখির মৃত্যুর খবর মিলেছে। এ রাজ্যে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হল ২,৩৯৫, যার মধ্যে ৪৫৫টি পোলট্রির পাখি।
মুম্বইর আবহে কিছুটা স্বস্তি আসতে না আসতেই, দেশে মাথা চারা দিয়েছে বার্ড ফ্লু আতঙ্ক। বেড়েই চলেছে মৃত পাখির সংখ্যা। বুধবার মহারাষ্ট্রে আরও ৪৮১ পাখির মৃত্যুর খবর মিলেছে। এ রাজ্যে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হল ২,৩৯৫, যার মধ্যে ৪৫৫টি পোলট্রির পাখি। মহারাষ্ট্রে এই পরিস্থিতি দেখে, অন্য রাজ্যগুলি সম্পর্কেও আশঙ্কা বাড়ছে। তবে বার্ড ফ্লু বা অ্যাভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা নিয়ন্ত্রণে আনতে, পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে এ রাজ্যে।
রাজ্যের পশুপালন বিভাগের প্রধান সচীন্দ্র প্রতাপ সিংহ জানিয়েছেন, বার্ড ফ্লু নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সমস্ত জেলা কালেক্টরদের হাতে। তিনি আরও জানিয়েছেন, পাখিদের মৃত্যুর কারণ জানতে, বিভিন্ন জেলা থেকে নমুনা পাঠানো হয়েছে ভোপালের আইসিএআর-ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হাই-সিকিওরিটি অ্যানিম্যাল ডিজিজেজ-এ। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও রিপোর্ট আসেনি।মঙ্গলবার সকালে, মোট ২১৮টি পাখিকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে মহারাষ্ট্রের বিভিন্ন জেলায়। এর মধ্যে ২১৪টি ছিল পোলট্রির পাখি। গত সোমবার পর্যন্ত, শুধুমাত্র ছ’টি জায়গাতেই খোঁজ মিলেছিল পাখির মৃত্যুর। মুম্বই, থানে, রত্নগিরি, বিদ এবং লাতুর-এ। কিন্তু পরে তা ছড়িয়ে পড়ে রাজ্যের অন্যান্য জেলাতেও। পারভানি এবং লাতুরে বার্ড ফ্লু-তে আক্রান্তের সংখ্যা বেশি থাকায়, জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে ১৫,০০০ পোলট্রি মুরগিকে আলাদা করে রাখা হয়েছে। প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহে বার্ড ফ্লু-তে ৮০০ পাখির মৃত্যু হয়েছিল এই পারভানি জেলায়।পারভানি জেলার কালেক্টর দীপক মুগলিকর জানিয়েছেন, এই জেলা থেকে মোট ৩,৪৪৩ পোলট্রির পাখি ধরে, আলাদা করে রাখা হয়েছে। অন্যদিকে লাতুর জেলার কালেক্টর পৃথ্বীরাজ বি পি জানিয়েছেন, মোট ১১,১৬৪ টি পোলট্রির পাখি ধরে আলাদা করে রাখা হয়েছে এই জেলায়। অ্যাভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জার প্রভাব নিয়ন্ত্রণে আনতেই নেওয়া হচ্ছে এই ব্যবস্থা।
করিয়ে টাকা দেন না পরিচালক রামগোপাল ভার্মা। পরিচালকের সঙ্গে কাজ করবেন না বলে জানিয়ে দিলেন ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির কলা-কুশলীরা। পরিচালক রামগোপাল ভার্মাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করল ফেডারেশন অফ ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান সিনে এমপ্লয়িজ (FCWICE)। যার আওতায় রয়েছে প্রায় ৩২টি সংগঠন।
ফেডারেশন অফ ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান সিনে এমপ্লয়িজ (FCWICE)এর অভিযোগ, কলা-কুশলীরা পরিচালক রামগোপাল ভার্মার কাছে ১.২৫ কোটি টাকা পান।অভিযোগ, এর আগে FCWICE-র তরফে একাধিকবার পরিচালকের কাছে চিঠি পাঠানো হলেও কোনও জবাব মেলেনি। এমনকি পরিচালকের কাছে পাওনা চেয়ে আইনি চিঠি পাঠিয়েও লাভ হয়নি।
এবিষয়ে FCWICE-সভাপতি বি এন তিওয়ারি বিবৃতিতে জানান, ''এবিষয়ে আমরা গোয়ার মুখ্যমন্ত্রীকে বিষদ জানিয়ে গত ১০ সেপ্টেম্বর চিঠি পাঠিয়েছিলাম।আমরা চেয়েছিলাম, যাতে গরিব টেকনিশিয়ানসদের টাকা পরিচালক রামগোপাল ভার্মা মিটিয়ে দেন। কিন্তু তিনি সেটা করেননি। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, ভবিষ্যতে আমরা ওনার সঙ্গে কাজ করব না। আমরা এ বিষয়ে অন্যান্য ইউনিয়নের মধ্যে ইন্ডিয়ান মোশন পিকচার্স প্রোডাকশন অ্যাসোসিয়েশন (আইএমপিপিএ) এবং প্রডিউসারস গিল্ড অফ ইন্ডিয়া (জিইএলডি) কেও অবহিত করেছি।"এদিকে ফের 'হরর ফিল্ম' নিয়ে ফের দর্শকদের দরবারে ফিরতে চলেছে রামগোপান ভার্মার প্রযোজনা সংস্খা RGV। তাঁর আগামী ছবির নাম ১২.০ ক্লক।

জেলায় ভ্যাকসিন বন্টনের কাজ প্রায় শেষ। বুধবার দুপুর ১২.৩০ এর মধ্যে ট্রাকে করে রওনা দিয়েছে সমস্ত ভ্যাকসিন। জানা গিয়েছে, কলকাতার জন্য ৯৩ হাজার ভ্যাকসিন রেখে বাকি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে জেলার প্রথম সারির উদ্দেশে।
গতকাল মধ্যরাত থেকেও একের পর এক ট্রাক ভ্যাকসিন নিয়ে বেরিয়ে গিয়েছে। মনে করা হচ্ছে, বুধবার মধ্য রাতের মধ্যেই বণ্টনের কাজ শেষ হবে। ১৬ জানুয়ারি থেকে শুরু ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ। তার আগে একদিন হাতে রেখে যুদ্ধকালীন তৎপরতার সঙ্গে কাজ করছে রাজ্য।
বুধবার সকালে বাগবাজারের সেন্ট্রাল ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার থেকে উত্তরবঙ্গের উদ্দেশে রওনা দেয় ভ্যাকসিন।এছাড়া, ঝাড়গ্রাম, বসিরহাট, পশ্চিম মেদিনীপুর, ডায়মন্ডহারবার, পুরুলিয়া, বীরভূম, এই সমস্ত জায়গায় আজ সকাল থেকে ভ্যাকসিন পাঠানো হয়েছে।
সব মিলিয়ে মোট ২৮ টি জেলার কেন্দ্রে ভ্যাকসিন বন্টন করা হবে। মোট ভ্যাকসিন পাঠানো হয়েছে ৬৪৪৫০০ টি।
কোচ বিহার - ১৮৫০০
জলপাইগুড়ি- ১৬৫০০
আলিপুরদুয়ার- ১২৫০০
দার্জিলিং- ১৮০০০
কালিংপং-৩৫০০
উত্তর দিনাজপুর- ১৭০০০
দক্ষিণ দিনাজপুর- ২০৫০০
মালদা- ২২০০০
মুর্শিদাবাদ- ৩৭৫০০
নদিয়া - ২২০০০
বাঁকুড়া- ১৮৫০০
বিষ্ণুপুর- ৬৫০০
পুরুলিয়া- ১৮০০০
পূর্ব মেগিনীপুর- ৩১৫০০
বীরভূম- ১১৫০০
রামপুরহাট- ১০৫০০
পশ্চিম মেদিনীপুর- ১৯০০০
উত্তর ২৪ পরগণা- ৪৭০০০
হুগলি- ৩২০০০
পশ্চিম মেদিনীপুর- ২৬০০০
ঝাড়গ্রাম- ৯৫০০
বসিরহাট- ১৩৫০০
দক্ষিণ ২৪ পরগণা- ২৬০০০
নন্দীগ্রাম- ১১০০০
পূর্ব মেদিনীপুর- ২১০০০
হাওড়া- ২৮৫০০
কলকাতা- ৯৩৫০০
মঙ্গলবার বিমান বন্দর থেকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পণ্যবাহী ট্রাকে করে বাগাবাজারে কেন্দ্রীয় মেডিক্যাল স্টোরে পৌঁছয় কোভিশিল্ড। পুণের সেরাম ইন্সটিটিউট থেকে বিশেষ বিমানে কলকাতায় এসেছে প্রায় সাত লক্ষ ভ্যাকসিন। ১৬ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে টিকাকরণ। কাকভোরেই পুণে থেকে রওনা দিয়েছিল ভ্যাকসিন বোঝাই কার্গো বিমান।
এবার রাজ্যের হাসপাতালগুলিতে টিকা পৌঁছনোর পালা। ইতিমধ্যেই সব জেলায় তিনটি করে হাসপাতালে টিকাকরণের মহড়া হয়েছে।উল্লেখ্য, প্রতি ডোজ কোভিশিল্ডের (Covishield) দাম ধার্য হয়েছে ২০০ টাকা। প্রাথমিকভাবে সরকারকে ১.১ কোটি ডোজ দেবে সেরাম।আপাতত ২০০ টাকা করে পড়ছে প্রথম ১০ কোটি ডোজের দাম।
উল্লখ্য, গতকাল কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, প্রথম সারির কোভিড যোদ্ধার টিকাকরণের খরচ জোগাবে কেন্দ্রীয় সংখ্যা। প্রথম ধাপে ৩ কোটি কোভিড যোদ্ধাকে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে বলে সোমবার জানিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কিন্তু বাকিদের কী হবে? বৈঠকে জানতে চান মুখ্যমন্ত্রী (মমতা ব্যানার্জী)। সেই সিদ্ধান্ত পরে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্র। 
ট্যুইটার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ষড়যন্ত্র মূলক পোস্ট শেয়ার করায় এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে
#ওয়াশিংটন: আমেরিকার কংগ্রেস ভবন ক্যাপিটল হিলে নজিরবিহীন হিংস্রতার পর বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থক ৭০ হাজার ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হল। ট্যুইটার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ষড়যন্ত্র মূলক পোস্ট শেয়ার করায় এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থকরা অনেকদিন ধরেই ‘কিউঅ্যানন’ নামে একটি ষড়যন্ত্র স্থাপনের চেষ্টা করছেন। সেই তত্ত্বের ভিত্তিতে প্রচার করা হয়, ট্রাম্পকে সরাতে শিশু যৌন নিপীড়নকারীরা একজোট হয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছেন ডেমোক্র্যাটদের বড় নেতা, এমনকি হলিউড সেলেব্রিটিরাও।৬ জানুয়ারি ক্যাপিটল হিলের প্রশাসনিক ভবনে ট্রাম্প সমর্থকরা হামলা চালানোর পর কিউঅ্যানন কনটেন্টের উপর পোস্ট শেয়ার করেছেন যাঁরা তাঁদের অ্যাকাউন্টগুলো নিয়ে তদন্ত শুরু করে ট্যুইটার কর্তৃপক্ষ। সেই সূত্র ধরেই সোমবার জানা গিয়েছে, শুক্রবার থেকে এ পর্যন্ত তারা ৭০ হাজার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিয়েছে।
ট্যুইটার থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, এমন কিছু ট্যুইট করা হয়েছে এই অ্যাকউন্টগুলি থেকে, যেগুলি সরাসরি হিংসায় ইন্ধন জোগাতে পারে। ফলে যাঁরা ‘কিউঅ্যানন’ বিষয়ে কোনও আপত্তিকর পোস্ট শেয়ার করেছেন যেগুলি সরাসরি হিংসা বাড়াতে পারে, সেগুলি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি যে ৭০ হাজার অ্যাকাউন্ট থেকে ক্রমাগত এই ধরনের পোস্ট দেওয়া হচ্ছিল সেগুলি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।গত শুক্রবার ট্যুইটার ঘোষণা করে, যে বা যাঁরা এই মিথ্যা ষড়য়ন্ত্রের তত্ত্ব স্থাপন করাচ্ছেন তাদের অ্যাকাউন্টও সরিয়ে নেওয়া হবে। তারা মনে করছেন, অতি ডানপন্থী সমর্থকদের উক্তি অনেক সময়েই হিংস্রতাকে প্ররোচনা দেয়। এগুলো বন্ধ না করলে ভবিষ্যতে হঠাৎ করে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হতে পারে আমেরিকায়।
শীত থাকুক বা না থাকুক, হাঁটু, কোমর আর ঘাড়ের ব্যথার হাত থেকে নিস্তার নেই। অসময়ে শীত বিদায় নেওয়ায়, ব্যথায় কাতর রোগীরা ভাবছেন, ব্যথাও পালিয়ে যাবে। তা নিয়ে কিন্তু যথেষ্ট সন্দেহ আছে। তবে একটা বিষয়ে সন্দেহ নেই, সয়াবিন খেলে হাড় মজবুত হয়। ফলে এই বাতের ব্যথা অনেকাংশে প্রতিরোধ করা যাবে সারা বছর ধরেই। এমনটাই বললেন ডায়েটিশিয়ান সুবর্ণা রায়চৌধুরী।
কারা খেতে পারেন
ভরপুর পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ সয়াবিন সব বয়সিদের জন্যই সমান উপকারী। একমাত্র যাঁদের কিডনির অসুখ আছে এবং যাঁরা গাউটের সমস্যায় ভুগছেন, তাঁরা ছাড়া প্রত্যেকেই সয়াবিন খেতে পারেন। ঋতুনিবৃত্তির পর মাঝবয়সী অনেক মহিলার হাড় ক্ষয়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। এই সমস্যা কমাতে সয়াবিন উল্লেখযোগ্য ভূমিকায় নিতে পারে। এমনটাই বলছেন সুবর্ণা।
মহিলাদের জন্য ভাল
এক পরিসংখ্যান বলছে, সপ্তাহে নিদেনপক্ষে তিন দিন ৩০ থেকে ৫০ গ্রাম সয়াবিন ও নিয়মিত সয়ামিল্ক খেলে হাড়ের ক্ষয় প্রতিরোধ করা যায়। মেনোপজের পর মহিলাদের হাড়ে ক্যালশিয়ামের পরিমাণ কমতে শুরু করে। হাড় ভঙ্গুর হয়ে পড়ে। রোজকার ডায়েটে ফাইটোইস্ট্রোজেন সমৃদ্ধ সয়াপ্রোটিন থাকলে ক্যালশিয়ামের ঘাটতি কমে যায়। ইংল্যান্ডের হাল বিশ্ববিদ্যালয়ে দু’বছর ধরে ২০০০ পরিসংখ্যান নেওয়া হয়। সদ্য ঋতুনিবৃত্তি হয়েছে এমন মহিলাদের নিয়ম করে ৩০ গ্রাম (৬৬ মিলিগ্রাম সয়া প্রোটিন যুক্ত) সয়াবিন টানা ৬ মাস খাওয়ানোর পর, রক্ত পরীক্ষা করে এমন এক মার্কার পাওয়া গিয়েছে, যা অস্টিওপোরোসিসের মতো হাড়ের ক্ষয়জনিত সমস্যাকে অনেকটা প্রতিহত করতে পারে। গবেষকদলের প্রধান থোজুকাত সাথ্যপালন তাঁর গবেষণাপত্রে লিখেছেন, শুধুমাত্র অস্টিওপোরোসিসের কারণে লক্ষ লক্ষ মানুষের হাড় ভাঙে। তাঁরা প্রায় পঙ্গু জীবনযাপন করতে বাধ্য হন।শুধুমাত্র সয়া প্রোটিন ডায়েট দিয়ে এই সমস্যা অনেকাংশেই প্রতিরোধ করা সম্ভব। পাশাপাশি দরকার যোগাসন বা ব্যায়াম। 
রক্ত চলাচলের সাহায্য
ডায়েটিশিয়ান ইন্দ্রাণী ঘোষ জানালেন, সয়াবিনে আছে আইসোফ্ল্যাভেন ও লেসিথিন। দু’টিই জোরালো অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট। এগুলো লো ডেনসিটি কোলেস্টেরলের মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে সাহায্যে করে। এলডিএল অর্থাৎ লোডেনসিটি কোলেস্টেরল অত্যন্ত ক্ষতিকারক। ধমণির মধ্যে কোলেস্টেরলের পলি জমিয়ে রক্ত চলাচল কমিয়ে দেয় এই এলডিএল। সয়াবিনের অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট এই সমস্যার মোকাবিলায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিতে পারে বলে জানাচ্ছেন ইন্দ্রাণী।
অকালবার্ধক্য রোধ
সয়াবিনের আইসোফ্ল্যাভেন অত্যন্ত জোরালো ফাইটো ইস্ট্রোজেন। ত্বক ও চুল উজ্জ্বল ও ঝকঝকে রাখতে এই যৌগ সাহায্য করে। সয়াবিনে থাকা লেসিথিন রক্তচাপ স্বাভাবিক রেখে হার্ট ও মস্তিষ্ককে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল রাখতে সাহায্য করে। এতে অকালবার্ধক্য থেকে মুক্তি পাওয়া যায়, বলছেন ইন্দ্রাণী। সয়াবিনের লেথিসিন ফ্যাট মেটাবলিজিম বাড়াতে সাহায্য করে। তাতে ওজনও নিয়ন্ত্রণে থাকে।
অন্যান্য উপকার
সপ্তাহে দিন তিনেক ৫০ মিলিগ্রাম করে সয়াবিন খেলে এইচডিএল এবং এলডিএলের ভারসাম্য রক্ষা হয়। ফলে হৃদরোগের আশঙ্কা কমে। ব্রিটিশ জার্নাল অব নিউট্রিশনে প্রকাশিত এক রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, খাবার পরিপাকের সময় সয়া-প্রোটিন নামে এক যৌগ তৈরি হয়, যা কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্যে করে। সয়া-ফাইবার রক্তের ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা স্বাভাবিক রাখে। ইন্দ্রাণী জানালেন, ‘‘সয়াবিনে আছে ফাইটিক অ্যাসিড, স্যাপোনিন, আইসোফ্ল্যাভেন ও আরও নানা পুষ্টিকর উপাদান। এগুলির প্রতিটিই আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।’’
তবে অতিরিক্ত সয়াবিনের ক্ষতিকারক দিকও আছে। সুবর্ণা বললেন, ‘‘৫০ গ্রামের বেশি সয়াবিন খাওয়া ঠিক নয়। অনেকেরই বেশি সয়াবিন হজমে সমস্যা হয়। তবে সয়া মিল্ক প্রতি দিনই খাওয়া যায়। যাঁদের ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স আছে, দুধ খেলে হজমের অসুবিধা হয়, তাঁরা প্রতি দিনই সয়া মিল্ক খেতে পারেন।’’ তাঁর মতে, বাচ্চাদের জন্যও সয়া মিল্ক অত্যন্ত পুষ্টিকর। টাটকা বিনস রাখুন রোজকার ডায়েটে, পরামর্শ দিচ্ছেন তিনি। সপ্তাহে অন্তত দিন তিনেক সয়াবিন খেলে অনেক অসুখ অনায়াসে প্রতিরোধ করা যায় বলে তাঁর মত।
কোভিডে এ বার আক্রান্ত হল আমেরিকার এক চিড়িয়াখানার গরিলারা। সোমবার দুই গরিলার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছেন ক্যালিফোর্নিয়ার সান দিয়েগো চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। সারা বিশ্বে ছড়ানোর পর করোনায় এই প্রথম কোনও প্রাইমেট আক্রান্ত হল।
গত সপ্তাহেই সান দিয়েগো চিড়িয়াখানার দুই গরিলার কাশি হচ্ছিল। শুক্রবার হওয়া প্রাথমিক পরীক্ষায় ভাইরাসের উপস্থিতির প্রমাণ মিলেছিল।তার পর আমেরিকার ডিপার্টমেন্ট অব এগ্রিকালচার্‌স ন্যাশনাল ভেটেরিনারি সার্ভিসেস ল্যাবরেটরি সোমবার ওই দুই গরিলার করোনা আক্রান্ত হওয়া নিশ্চিত করে। আরও এক গরিলারও কাশি শুরু হয়েছে। গরিলারা যেহেতু পরিবারের মতো একত্রে বাস করে। তাই চিড়িয়াখানার বাকিদেরও আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
যদিও কাশি ছাড়া আক্রান্ত গরিলাদের শারিরীক অবস্থা ভালই রয়েছে। বাকিদের স্বাস্থ্যের উপর নজর রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। প্রাথমিক অনুমান, লক্ষণহীন করোনা আক্রান্ত চিড়িয়াখানা কর্মীর থেকেই এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে গরিলারা।চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ বলেছেন, ‘‘আক্রান্ত গরিলাদের কোয়রান্টিনে রাখা হয়েছে। আমরা আশা করছি তারা খুব শীঘ্র সুস্থ হয়ে উঠবে।’’ আমেরিকায় মাত্রাছাড়া সংক্রমণ বৃদ্ধির জন্য ২০২০-র ডিসেম্বরের শুরু থেকেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল ক্যালিফোর্নিয়ার এই চিড়িয়াখানা।
প্রসঙ্গত আমেরিকাতে করোনা সংক্রমণ এখনও লাগামছাড়া। রোজ বহু মানুষ নতুন করে আক্রান্ত হচ্ছেন সেখানে। মোট আক্রান্ত ইতিমধ্যেই ২ কোটি ছাড়িয়ে গিয়েছে।
মার্কস অনেকেরই সৌন্দর্যের অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। স্ট্রেচ মার্কসের জন্য বেশি সমস্যায় পড়তে হয় মহিলাদের। কোমড়ে, পেটে, হাতে বা পায়ে স্ট্রেচ মার্কসের জন্য অনেক পছন্দসই পোশাক পড়তে সমস্যায় পড়তে হয়। স্ট্রেচ মার্কস নিয়ে বহু মহিলাই নাজেহাল। বিশেষ করে মা হওয়ার পরে এই সমস্যা বেশ চিন্তায় ফেলে। যদিও এই ব্যাপারটি সে ভাবে শরীরের ক্ষতি করে না। কিন্তু শ্রী নষ্ট করে। নিজের পছন্দ মতো পোশাক পরতে না পারার জন্য অনেকেই মানসিক অবসাদে ভুগতে পারেন। শুধু মেয়েরা নয়, বিভিন্ন কারণে ছেলেরাও এই সমস্যার শিকার।
কেন হয় এই স্ট্রেচ মার্কস
বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ওজন ঝরিয়ে রোগা হলে শরীরে স্ট্রেচ মার্কস দেখা দেয়। তাছাড়া, সন্তান ধারণের পর প্রায় সব মহিলারই পেটে আর কোমড়ে স্ট্রেচ মার্কস তৈরি হয়। বাজারে একাধিক ক্রিম বা জেল রয়েছে যেগুলি স্ট্রেচ মার্কস দূর করতে সাহায্য করে। নতুন অবস্থায় স্ট্রেচ মার্কসের রং গোলাপি, পরে সময়ের সঙ্গে বদলে হয় বাদামি। ছেলে বা মেয়ে বয়ঃসন্ধির সময়ে দ্রুত লম্বা হয়, কখনও ওজন কমে বা বাড়ে। এর ফলে থাই, হাত, কোমরে স্ট্রেচ মার্কস দেখা যায়।ওজন কমলে যেমন স্ট্রেচ মার্কস হয়, তেমনই দ্রুত ওজন বাড়লেও হয়। তবে রাসায়নিক যুক্ত ক্রিম বা জেল থেকে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার একটা ঝুঁকি কিন্তু থেকেই যায়। সে ক্ষেত্রে এমন বেশ কয়েকটি ঘরোয়া উপায় রয়েছে যেগুলি কাজে লাগিয়ে সহজেই স্ট্রেচ মার্কস দূর করা যায়।
আলুর রস
পাতলা করে আলু কেটে আলুর রস স্ট্রেচ মার্কের ওপর আলতো করে মালিশ করুন। ৫-১০ মিনিট রেখে উষ্ণ জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এ ভাবে সপ্তাহ খানেক স্ট্রেচ মার্কের ওপর আলুর রস মাখতে পারলে ফল পাবেন হাতে নাতে। আলুর কুরিয়ে তার রস দাগ হালকা করতে সাহায্য করে। স্ট্রেচ মার্কস থেকে দ্রুত মুক্তি পেতে রোজ খেতে হবে দিনে আট-দশ গ্লাস জল। ডায়েটে থাক আমন্ড, পালং শাক, ব্রকোলি, পেঁপে, দই, তিল, কুমড়ো ইত্যাদি। ওষুধের চেয়ে ঘরোয়া পদ্ধতিতে দাগ তুলতে সময় বেশি লাগবে এবং দামও বেশি। কিন্তু সাইড এফেক্ট এড়াতে ঘরোয়া পদ্ধতিতে ভরসা করা বুদ্ধিমানের কাজ।
ডিমের সাদা অংশ
এই দাগ তুলতে সাহায্য করে হাই প্রোটিন ও অ্যামিনো অ্যাসিড। দুটোই আছে ডিমের সাদা অংশে। ডিমের সাদা অংশ তুলি দিয়ে লাগিয়ে নিন স্ট্রেচ মার্কসের উপরে। শুকিয়ে গেলে জলে ধুয়ে ফেলুন। ডিমের সাদা অংশ ভাল করে ফেটিয়ে স্ট্রেচ মার্কের ওপর আলতো করে মাখিয়ে রাখুন। মিনিট পনেরো এ ভাবেই রেখে দিন। শুকিয়ে গেলে জল দিয়ে ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। তার পর কোনও ময়েশ্চারাইজার মেখে নিন। যত দিন না দাগ হালকা হচ্ছে, এই পদ্ধতি কাজে লাগান। ওষুধের চেয়ে ঘরোয়া পদ্ধতিতে দাগ তুলতে সময় বেশি লাগবে এবং দামও বেশি। কিন্তু সাইড এফেক্ট এড়াতে ঘরোয়া পদ্ধতিতে ভরসা করা বুদ্ধিমানের কাজ।