June 2024

অ্যানার স্বামী জনপ্রিয় ফুটবলার। ইউরো কাপে তাঁকে অ্যাকশনে দেখা যাবে। কিন্তু তাঁর দেশের হয়ে প্রথম ম্যাচে ওই ফুটবলার খেলতে পারবেন না। অ্যানা এবং ওই ফুটবলারের অনুরাগীরা অবশ্য এখন থেকেই তাঁর খেলার দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন। কে এই ফুটবলার?

একজনকেই দু'বার বিয়ে, তারপরই পদবী বদল! স্বামীর খেলা দেখার অপেক্ষায় অ্যানা

একজনকেই দু'বার বিয়ে, তারপরই পদবী বদল! স্বামীর খেলা দেখার অপেক্ষায় অ্যানা


কলকাতা: ভালোবাসা কত কিছুই বদলে দেয়। তা না হলে, দুই সন্তানের মা ফের একজনকেই দু’বার বিয়ে করেন। কথা হচ্ছে সুন্দরী অ্যানাকে নিয়ে। তাঁর পুরো নাম বলে দিলেই অনেকে ধরে ফেলবেন তিনি কে। তার আগে একটু তাঁর দু’বার বিয়ের গল্প শোনানো যাক। অ্যানার স্বামী জনপ্রিয় ফুটবলার। ইউরো কাপে তাঁকে অ্যাকশনে দেখা যাবে। কিন্তু তাঁর দেশের হয়ে প্রথম ম্যাচে ওই ফুটবলার খেলতে পারবেন না। অ্যানা এবং ওই ফুটবলারের অনুরাগীরা অবশ্য এখন থেকেই তাঁর খেলার দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন। কে এই ফুটবলার? ক্রিকেট বিশ্বে রানমেশিন বলে পরিচিত বিরাট কোহলি। আর ফুটবল বিশ্বে গোলমেশিন বলে পরিচিত রবার্ট লেওয়ানডস্কি (Robert Lewandowski)। তাঁকে এবং তাঁর স্ত্রী অ্যানাকে নিয়েই হচ্ছে কথা।

দুই সন্তানের বাবা-মা রবার্ট ও অ্যানা ২০২৩ সালে দ্বিতীয় বার বিয়ে করেন। ২০১৩ সালে প্রথম বার অ্যানা স্টাচুরুসকাকে বিয়ে করেন পোলিশ সুপারস্টার রবার্ট লেওয়ানডস্কি। গত বছর তাঁদের দশম বিবাহবার্ষিকী ছিল। সেই উপলক্ষ্যে বিবাহবার্ষিকী স্মরণীয় করে রাখতে তাঁরা দুই কন্যাসন্তানের সামনে দ্বিতীয় বার বিয়ে করেন। রবার্ট মাঠে থাকলে অ্যানা সেই ম্যাচ দেখার চেষ্টা করেন। তাঁদের মেয়েদেরও দেখা যায় স্টেডিয়ামে। ইউরো কাপেও লেওয়ানডস্কিকে অ্যাকশনে দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন অ্যানা।


পোল্যান্ডের তারকা রবার্ট লেওয়ানডস্কি এ বারের ইউরো কাপের প্রথম ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে খেলতে পারবেন না। ফলে ইউরোর শুরুতেই স্বামীর জন্য গলা ফাটাতে পারছেন না অ্যানা। কিন্তু রবার্ট লেওয়ানডস্কির অনুরাগীদের মতো তাঁর স্ত্রী অ্যানাও চান শীঘ্রই পোল্যান্ডের জার্সিতে তাঁকে ইউরোর মঞ্চে গোল করতে দেখতে। স্বামী ফুটবলার, অ্যানাও কম যান না। তিনি ক্যারাটেতে পারদর্শী। পাশাপাশি ফিটনেস ফ্রিক এবং পুষ্টিবিদ। তাঁর ইন্সটাগ্রামে ঢুঁ মারলেই তার ঝলক মেলে।

বীজনগর গ্রামে রবিবার সকালে জগন্নাথ পালের বাড়িতে এক অচেনা মহিলা ঢুকে পড়েন। জগন্নাথের স্ত্রী লক্ষ্মীরানি পাল তখন রান্নাঘরে কাজে ব্যস্ত ছিলেন। সেটি প্রতিবেশী এক মহিলা দেখতে পেয়ে যান। তিনিই গিয়ে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টা জানান।

দরজা খোলা রাখতেই কেল্লাফতে! বাড়িকর্তা বাজার থেকে ফিরতেই, পিছু পিছু ঘরে ঢোকেন মহিলা, নজর এড়ায়নি প্রতিবেশীর! রবির সকালে পাড়া-সুদ্ধ পড়ল ঢি
কালনায় এক মহিলাকে বেঁধে রেখে 'মার'

কাটোয়া: ছুটির সকালে বাড়িতে সকলেই রয়েছেন। বাজার করে সবে ফিরেছেন গৃহকর্তা। তাই সদর দরজা খোলাই ছিল। তার মধ্যেই আচমকা চোখের আড়ালে মহিলা ঢুকে পড়েছিলেন ঘরে। একজন অচেনা মহিলা যে ইতিউতি দেখে অন্যের বাড়িতে ঢুকছেন, তা খেয়াল রেখেছিলেন প্রতিবেশী মহিলা। তিনিও পিছু নেন। আর তারপরই মর্মান্তিক ঘটনা। মহিলাকে নিয়ে বেঁধে যায় হট্টগোল। চোর সন্দেহে এক মহিলাকে পোলে বেঁধে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ। ঘটনাটি ঘটেছে কাটোয়ার এক নম্বর ব্লকের সুদপুর পঞ্চায়েতের বীজনগর গ্রামে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বীজনগর গ্রামে রবিবার সকালে জগন্নাথ পালের বাড়িতে এক অচেনা মহিলা ঢুকে পড়েন। জগন্নাথের স্ত্রী লক্ষ্মীরানি পাল তখন রান্নাঘরে কাজে ব্যস্ত ছিলেন। সেটি প্রতিবেশী এক মহিলা দেখতে পেয়ে যান। তিনিই গিয়ে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টা জানান। তারপরই পাড়াসুদ্ধ ঢি পড়ে যায়। তারপরই সবাই চড়াও হয় ওই বাড়িতে মহিলাকে ধরতে। মহিলাকে বিদ্যুতের পোলের সঙ্গে বেঁধে রেখে বেধড়ক মারধর শুরু হয়।


বাঁশ, লাঠি, লোহার রড দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। গ্রামবাসীদের মধ্যেই কয়েকজন কাটোয়া থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ গিয়ে ওই মহিলাকে উদ্ধার করে। ওই মহিলাকে উদ্ধার করে নিয়ে যায় কাটোয়া থানায়। পুলিশ জানিয়েছে, ওই মহিলার কাছ থেকে কোনও কিছুই উদ্ধার হয়নি। তবে কী কারণে ওই মহিলা বাড়িতে ঢুকেছিলেন, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

 নোজ় জব করিয়ে জীবনে নেমে আসে বিপর্যয়। নানা কথা শুনতে হয় বাঙালি সুপারমডেল কোয়েনা মিত্রকে। এখন তিনি কী করছেন? নোজ় জব নিয়ে তাঁর কী ছিল বক্তব্য। অভিনেত্রী সবটাই ব্যক্ত করেছিলেন প্রয়াত পরিচালক ঋতুপর্ণ ঘোষকে।


 নোজ় জব করিয়ে পড়েন বিপদে, সেই কোয়েনা মিত্র এখন কেমন আছেন জানেন?
কোয়েনা মিত্র।


বাঙালি মেয়ে কোয়েনা মিত্র। এক জনপ্রিয় বাংলা ম্যাগাজ়িনের আয়োজিত সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে জিতেছিলেন কোয়েনা। তারপর থেকে মডেলিং জগতে তাঁর যাত্রা শুরু হয়। হাতছানি দেয় আরব সাগর পাড়ের স্বপ্ননগরী মুম্বই। মুম্বইয়ের সুপারমডেল কোয়েনাকে নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে একটা সময়। বিশেষ করে আলোচনা হয়েছে তাঁর সার্জারি নিয়ে। নিজের নাকেটা পছন্দ করতেন না কোয়েনা। কারেকশন করিয়েছিলেন। জানাজানি হতেই জীবন তাঁর দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। সেই অসহনীয়তার কথাই কোয়েনা প্রথমবার বলেছিলেন প্রয়াত পরিচালককে।

নাকের অস্ত্রোপচার করার বিষয়টি নিয়ে কোয়েনা বলেছিলেন, “আমি নাকের অস্ত্রোপচার করিয়েছিলাম। লোকজনের একটা অনুমান তৈরি হয়েছিল সেটা নিয়ে। কিন্তু আমি কখনও নিজে মুখে কিছু বলিনি একটা সময় পর্যন্ত। ফলে আলোচনার কোনও অবকাশ ছিল না। অনুমান নিয়ে মানুষ আর কতদিন চলতে পারেন? নোজ় জব করানোর এক বছর পেরিয়ে যায়। কিছু বন্ধুকে গল্পের ছলে আমি বলে ফেলি। ব্যস, সেটাই ছিল আমার দোষ। সেই কথা কোথা থেকে কোথায় গিয়ে সোজা চলে যায় সংবাদ মাধ্যমের কাছে। ফলাও করে বেরোয় নিউজ়। আমি খুবই আহত হয়েছিলাম। অনেক কথা আমাকে শুনতে হয়েছিল।”

 গত বারের ইউরোতেও তরুণ দল গড়ে সাফল্য পেয়েছিল স্পেন। যদিও কাতার বিশ্বকাপে সেই স্ট্র্যাটেজি কাজে আসেনি। স্বাভাবিক ভাবেই এই স্ট্র্যাটেজি নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছিলেন তৎকালীন কোচ লুইস এনরিকে। কাতার বিশ্বকাপের পরই পদ ছাড়তে বাধ্য হন। দায়িত্ব দেওয়া হয় বিভিন্ন বয়সভিত্তিক দলকে কোচিং করানো লুই দে লা ফুয়েন্তেকে। তাঁর কোচিংয়ে প্রথম বড় অ্যাসাইনমেন্ট।

স্পেনের দুর্দান্ত শুরু, ১৬ বছরের তরুণ জমি ধরাল ক্রোয়েশিয়াকে


কার্লোস আলকারাস! একটা সময় রাফায়েল নাদাল! তরুণ বয়সে টেনিস কোর্টে তাঁদের কীর্তি অজানা নয়। স্পেন যেন বরাবরই তরুণদের বিজ্ঞাপন করে। কিছুক্ষেত্রে সাফল্যও আসে। ইউরো কাপে ১৬ বছরের স্প্যানিশ তরুণ জমি ধরাল ক্রোয়েশিয়াকে! তাঁর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দৌড়তে গিয়ে হিমসিম অবস্থা ক্রোয়েশিয়া মিডফিল্ডের। নাম লামিনে য়ামাল। রেকর্ড গড়লেন ইউরো কাপে। টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সে খেলার নজির স্প্যানিশ তরুণের। বয়স ১৬ বছর ৩৩৮ দিন। লামিনের রেকর্ডের দিনে ক্রোয়েশিয়ার মতো ধারাবাহিক ভালো খেলা টিমকে ৩-০ ব্যবধানে হারাল স্পেন।

গত বারের ইউরোতেও তরুণ দল গড়ে সাফল্য পেয়েছিল স্পেন। যদিও কাতার বিশ্বকাপে সেই স্ট্র্যাটেজি কাজে আসেনি। স্বাভাবিক ভাবেই এই স্ট্র্যাটেজি নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছিলেন তৎকালীন কোচ লুইস এনরিকে। কাতার বিশ্বকাপের পরই পদ ছাড়তে বাধ্য হন। দায়িত্ব দেওয়া হয় বিভিন্ন বয়সভিত্তিক দলকে কোচিং করানো লুই দে লা ফুয়েন্তেকে। তাঁর কোচিংয়ে প্রথম বড় অ্যাসাইনমেন্ট। তিনি তারুণ্য এবং অভিজ্ঞতার মিশেলে দল গড়ে শুরুটা দুর্দান্ত করলেন।

ক্রোয়েশিয়া দলে লুকা মদ্রিচের মতো তারকা ফুটবলার। গুয়ার্দিওলের মতো অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার। এ ছাড়া মাঝমাঠে অভিজ্ঞ ব্রোজোভিচ, কোভাসিচরা রয়েছেন। শুধু অভিজ্ঞতা দিয়ে যে ম্যাচ জেতা যায় না! লামিনে গোল না করলেও করালেন। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ফুটবল বিশ্বের নজর কাড়লেন। ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে প্রথমার্ধেই তিন গোল করে স্পেন। দ্বিতীয়ার্ধে সুযোগ তৈরি হলেও গোল আসেনি।


ম্যাচের ১২ মিনিটেই এগিয়ে যায় স্পেন। ক্যাপ্টেন আলভারো মোরাতার দুর্দান্ত রান। তেমনই চোখ ধাঁধানো পাস ফ্যাবিয়ান রুইজের। আলভারো মোরাতা কোনও ভুল করেননি দলকে এগিয়ে দিতে। প্রথম গোলে অ্যাসিস্ট। ৩২ মিনিটে পেদ্রির অ্যাসিস্টে গোল সেই ফ্যাবিয়ান রুইজের। তবে এই ম্যাচে বাড়তি নজর ছিল সর্বকনিষ্ঠ লামিনের দিকে। কোচের ভরসার মর্যাদা দিয়েছেন। প্রথমার্ধের অ্যাডেড টাইমে শর্ট কর্নার স্পেনের। নিজেদের মধ্যে পাস-পাস-পাস। লামিনে প্রথম পোস্ট নিশানা করে বল পাঠান, তাতে টোকা দিয়ে গোল কার্ভাহালের।

ভাগ্যও সঙ্গ দেয়নি ক্রোয়েশিয়াকে। পেনাল্টি মিস, ভিআরএ গোল বাতিল, এসব হতাশা নিয়েই ইউরো অভিযান শুরু লুকা মদ্রিচদের। লিগ পর্বে একটা হার মানে অনেকটা পিছিয়ে পড়া। ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য পরিকল্পনা বদলে নামতে হবে মদ্রিচদের।

বিশ্বকাপে রান পাচ্ছেন না বিরাট কোহলি। তিন ম্যাচের পারফরম্যান্সে বিরাট কোহলি যে সেরার আসন থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন তা কোনও ভাবেই নয়। ক্রিকেটের শুভেচ্ছা দূত তিনি। কিং কোহলির উদাহরণ দিয়ে অনেক দেশের ক্রিকেট বেঁচে থাকে। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে তাঁর স্ট্রাইকরেট যখন প্রবল আলোচনায় বিরাট জবাব দিয়েছিলেন, টিমের জন্য খেলেন, স্ট্রাইকরেটের জন্য নয়।

ভিডিয়ো: কানাডা ক্রিকেটারদের স্বপ্নপূরণ, প্রেরণার বার্তা কিংবদন্তির


বৃষ্টি থেমেছে। ম্যাচ হয়নি। কানাডা ক্রিকেটারদের কাছে তবুও বসন্ত। এই ম্যাচটার জন্য হা পিত্যেশ করেছিলেন কানাডা ক্রিকেটাররা। বিশ্বের সেরা ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধে খেলার স্বপ্ন। এমন ম্যাচে বাড়তি তাগিদ থাকে। বিশ্বের নজরে আসার জন্য সেরাদের বিরুদ্ধে সর্বস্ব দিয়ে পারফর্ম করতে মরিয়া থাকেন সকলেই। কানাডার মতো ক্রিকেট বিশ্বের ছোট দেশও এই প্রত্যাশায় ছিল। তাদের প্রত্যাশায় জল ঢেলে দিয়েছে প্রকৃতি। কিন্তু ম্যাচের বাইরের স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। সেই প্রাপ্তিও কম নয়।

বিশ্বকাপে রান পাচ্ছেন না বিরাট কোহলি। তিন ম্যাচের পারফরম্যান্সে বিরাট কোহলি যে সেরার আসন থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন তা কোনও ভাবেই নয়। ক্রিকেটের শুভেচ্ছা দূত তিনি। কিং কোহলির উদাহরণ দিয়ে অনেক দেশের ক্রিকেট বেঁচে থাকে। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে তাঁর স্ট্রাইকরেট যখন প্রবল আলোচনায় বিরাট জবাব দিয়েছিলেন, টিমের জন্য খেলেন, স্ট্রাইকরেটের জন্য নয়। আর সে কারণেই অনেক দেশে টি-টোয়েন্টির প্রচারে তাঁর নাম ব্যবহার করা হয়। কথাটা যে মিথ্যে নয়, মার্কিন মুলুকে তাঁকে নিয়ে মাতামাতিতেই পরিষ্কার।


ফ্লোরিডায় ম্যাচ ভেস্তে যাওয়ার পরই বিরাটের সঙ্গে ছবি তোলার আবদার কানাডা ক্রিকেটারদের। নিরাশ করেননি বিরাট কোহলিও। গ্রুপ ছবিতে হাসি মুখে কিং কোহলি। প্রাপ্তির এখানেই শেষ নয়। কানাডা ক্রিকেটাররা সকলের সই করা জার্সি উপহার দেন টিম ইন্ডিয়ার হেড কোচ কিংবদন্তি রাহুল দ্রাবিড়কে। গ্রেট দ্য ওয়ালের থেকে প্রেরণার বার্তাও মিলেছে। যা কানাডা ক্রিকেটার এবং পরবর্তী প্রজন্মকে এই খেলায় উন্নতিতে ব্যাপক প্রভাব রাখবে।

রাহুল দ্রাবিড়ের বার্তা কানাডা শিবিরে কতটা প্রভাব ফেলেছে, এই ভিডিয়োতেই যেন পরিষ্কার।

 গ্রুপ পর্বে ভারতের প্রথম ম্যাচ ছিল আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে। ভারত সহজেই জিতেছে। যদিও ৫ বল খেলে মাত্র ১ রানেই ফেরেন ওপেন করতে নামা বিরাট কোহলি। বিশ্বকাপের আগেই আইপিএল হয়েছে। ওপেনার বিরাট কোহলি দুর্দান্ত পারফর্ম করেছেন। কিন্তু নিউ ইয়র্কের জার্নিটা ভালো হয়নি। দ্বিতীয় ম্যাচে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত কভার ড্রাইভে বাউন্ডারি মারেন।


 সুপার এইটের আগে ভারতীয় দলে যে বিরাট প্রশ্নের উত্তর মিলল না...


বিরাট কোহলি কি বিশ্বকাপের বাকি ম্যাচেও ওপেন করবেন? নাকি তাঁকে ফেরানো হবে সবচেয়ে বেশি সাফল্য পাওয়া তিনেই! এই প্রশ্ন নিয়েই সুপার এইটে ভারত। গ্রুপ পর্বে প্রথম তিন ম্যাচ জিতেই সুপার এইট নিশ্চিত করেছিল ভারত। নিউ ইয়র্কের পিচ ব্যাটারদের কাছে খুবই চ্যালেঞ্জিং ছিল। একশো প্লাস রান তাড়া করতে ঘাম ছুটেছে ব্যাটারদের। এর কারণ সেখানকার পিচ। অসমান বাউন্স। কখনও হঠাৎ লাফিয়ে উঠছে বল, কখনও আবার নীচু হচ্ছে। ভারতীয় দল বিশ্বকাপের আগে একটি মাত্রই প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছে। নিউ ইয়র্কের নাসাউ স্টেডিয়ামে সেই ম্যাচে খেলেননি বিরাট কোহলি। কার্যত প্রস্তুতি ছাড়াই নেমেছিলেন।

গ্রুপ পর্বে ভারতের প্রথম ম্যাচ ছিল আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে। ভারত সহজেই জিতেছে। যদিও ৫ বল খেলে মাত্র ১ রানেই ফেরেন ওপেন করতে নামা বিরাট কোহলি। বিশ্বকাপের আগেই আইপিএল হয়েছে। ওপেনার বিরাট কোহলি দুর্দান্ত পারফর্ম করেছেন। কিন্তু নিউ ইয়র্কের জার্নিটা ভালো হয়নি। দ্বিতীয় ম্যাচে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত কভার ড্রাইভে বাউন্ডারি মারেন। কিন্তু তিন নম্বর ডেলিভারিতেই অফ স্টাম্পের বাইরের বল তাড়া করে আউট। গত ম্যাচে আমেরিকার বিরুদ্ধে গোল্ডেন ডাক। ফলে প্রশ্ন উঠছে বিরাট কোহলির ব্য়াটিং পজিশন নিয়ে।


কানাডার বিরুদ্ধে গ্রুপের শেষ ম্যাচে এই প্রশ্নেরই উত্তর খোঁজার ছিল। বিশ্বকাপের আগে প্রাক্তনদের অনেকেই বলেছিলেন, বিরাট কোহলিকে ওপেন করানো উচিত। ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টও সেই সিদ্ধান্তই নিয়েছে। এখনও অবধি সেই সিদ্ধান্ত সঠিক প্রমাণ হয়নি। সে কারণেই মনে করা হচ্ছিল, কানাডা ম্যাচের পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। কিন্তু বৃষ্টিতে ম্যাচ ভেস্তে যাওয়ার পর সেই প্রশ্নের উত্তর অধরাই থেকে গেল।

হঠাৎ তাঁর মনে হয়, মুখে কিছু একটা চ্যাটচ্যাটে লাগছে সন্দেহ হলে, তিনি পার্লারের সিসিটিভি ফুটেজ দেখতে চান। প্রথমে অস্বীকার করলেও, শেষে অনেক ঝামেলার পর সিসিটিভি ফুটেজ দেখাতে রাজি হয় পার্লারের মালিক। আর সেই ফুটেজ দেখেই শিউরে ওঠেন ওই ব্যক্তি।

 চোখ বুজে আরাম নিচ্ছেন কাস্টমার, থুতু দিয়ে 'ফেস ম্যাসাজ' করছেন বিউটিশিয়ান!
এভাবেই থুতু দিয়ে মুখে ম্যাসাজ করেন কর্মী।


লখনউ: সারা সপ্তাহের খাটাখাটনি। ক্লান্তি দূর করতে সেলুনে গিয়েছিলেন একটু ম্যাসাজ নিতে। ভালই ম্যাসাজ করছিল পার্লারের কর্মী। হঠাৎ কেমন যেন অন্য কিছু মুখে লাগল বলে মনে হল। সন্দেহ হতেই চোখ খোলেন গ্রাহক। দেখতে চান, কী ক্রিম তাঁর মুখে দেওয়া হল। কিন্তু তা দেখাতে নারাজ সেলুনের কর্মী। অনেক ঝগড়া-অশান্তির পর শেষে যখন সিসিটিভি ফুটেজ দেখলেন, তখন পায়ের নীচ থেকে মাটি সরে গেল। সেলুনের কর্মী যে কাজ করেছেন তাঁর সঙ্গে, তা দেখে গা ঘিনঘিন করে উঠল। দেখলেন, ক্রিমের বদলে থুতু দিয়ে মুখে ম্যাসাজ করেছেন সেলুনের কর্মী।

ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর প্রদেশের লখনউতে। সেখানে একটি পার্লারে এক ব্যক্তির মুখে থুতু দিয়ে ম্যাসাজ করে দেন সেলুনের কর্মী। আশীষ কুমার নামে ওই ব্যক্তি জানিয়েছেন, তিনি গত ১১ জুন স্থানীয় একটি সেলুনে গিয়েছিলেন। সেখানে তাঁর চুল কাটেন এবং ফেস ম্যাসাজ করেন পার্লারের ব্যক্তি।

হঠাৎ তাঁর মনে হয়, মুখে কিছু একটা চ্যাটচ্যাটে লাগছে সন্দেহ হলে, তিনি পার্লারের সিসিটিভি ফুটেজ দেখতে চান। প্রথমে অস্বীকার করলেও, শেষে অনেক ঝামেলার পর সিসিটিভি ফুটেজ দেখাতে রাজি হয় পার্লারের মালিক। আর সেই ফুটেজ দেখেই শিউরে ওঠেন ওই ব্যক্তি। দেখেন, ম্য়াসাজ করার ফাঁকে পার্লারের কর্মী নিজের হাতে থুতু ফেলে, সেই থুতু দিয়েই মুখে ম্যাসাজ করে দেন।


ওই ভিডিয়ো হাতে পেতেই পার্লারে যাওয়া ব্যক্তি পুলিশের দ্বারস্থ হন। পুলিশও ফুটেজ দেখে যথাযথ ব্যবস্থা করার আশ্বাস দিয়েছে।

প্রসঙ্গত, এর কয়েকদিন আগেই উত্তর প্রদেশের শামলি জেলাতেও এক সেলুনের কর্মীকে এক ব্যক্তির মুখে থুতু দিয়ে ম্যাসাজ করতে দেখা যায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিয়োটি ভাইরাল হতেই পুলিশ কড়া পদক্ষেপ কে এবং অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে।



 গোপন সূত্রে খবর মিলেছিল নইনপুরের ভাইওয়াহি এলাকায় বিপুল সংখ্যক গরু এনে রাখা ছিল কুরবানির জন্য। এই খবর পেয়েই পুলিশ অভিযান চালায়। উদ্ধার করা হয় ১৫০টিরও বেশি গরু। ১১ জন অভিযুক্তের বাড়ির ফ্রিজ থেকে গরুর মাংস উদ্ধার করা হয়। ঘর থেকে উদ্ধার করা হয় গরুর চামড়া ও হাড়গোড়।

গরুর মাংস আছে ফ্রিজে! খবর পেয়েই বুলডোজার দিয়ে ১১টি বাড়ি গুঁড়িয়ে দিল পুলিশ
প্রতীকী চিত্র

ফ্রিজে রাখা রয়েছে গরুর মাংস। গোপন সূত্রে এই খবর আসা মাত্রই অ্যাকশন মোডে পুলিশ। বুলডোজার দিয়ে ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া হল বাড়ি। তাও আবার একটি নয়, পরপর ১১টি বাড়ি। রাজ্যে বেআইনি গরুর মাংসের বিক্রি রুখতেই কঠোর পদক্ষেপ সরকারের।

ঘটনাটি ঘটেছে মধ্য প্রদেশের মান্দলায়। জানা গিয়েছে, ভেঙে দেওয়া বাড়িগুলি সরকারি জমির উপরে তৈরি ছিল। এর জন্য়ই সরকারি নির্দেশে পুলিশ গিয়ে বাড়িগুলি ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া হয়।

পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, গোপন সূত্রে খবর মিলেছিল নইনপুরের ভাইওয়াহি এলাকায় বিপুল সংখ্যক গরু এনে রাখা ছিল কুরবানির জন্য। এই খবর পেয়েই পুলিশ অভিযান চালায়। উদ্ধার করা হয় ১৫০টিরও বেশি গরু। ১১ জন অভিযুক্তের বাড়ির ফ্রিজ থেকে গরুর মাংস উদ্ধার করা হয়। ঘর থেকে উদ্ধার করা হয় গরুর চামড়া ও হাড়গোড়। স্থানীয় সরকারি পশু চিকিৎসকও পরীক্ষা করে জানান যে উদ্ধার হওয়া মাংস গরুরই। নমুনাগুলি ডিএনএ পরীক্ষার জন্য হায়দরাবাদে পাঠানো হয়েছে।


এরপরই প্রশাসনের নির্দেশে ১১ জন অভিযুক্তের বাড়ি, যা সরকারি জমির উপরে তৈরি, তা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। ইতিমধ্যেই ১ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি ১০ অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

প্রসঙ্গত, মধ্য প্রদেশে প্রকাশ্যে মাছ-মাংস, ডিম বিক্রি নিষিদ্ধ। পাশাপাশি ২০১২ সালেই গো-হত্যা প্রতিরোধ আইন কঠোর করা হয়েছে রাজ্যে। গরুর মাংস কেনা-বেচা নিষিদ্ধ। যদি কেউ গো-হত্যায় অভিযুক্ত হয়, তবে ৭ বছর পর্যন্ত সাজা হতে পারে।

লোকসভা নির্বাচনে এনডিএ জোট জেতার পরই শোনা গিয়েছিল, জোটসঙ্গীরা চাপ সৃষ্টি করছে বিজেপির উপরে। চন্দ্রবাবুর টিডিপি লোকসভার স্পিকার পদ দাবি করেছে। বিজেপি এই পদ ছাড়বে কি না, তা জানা না গেলেও, এখন শোনা যাচ্ছে, বিরোধীদেরও নজর রয়েছে ওই পদের উপরে। 


ঘরে-বাইরে চাপে বিজেপি! টিডিপির পর এখন বিরোধীদেরও নজর স্পিকার পদে, কী হবে সংসদে?
ইন্ডিয়া জোট। ফাইল ছবি।


 লোকসভা ভোটে কিছুটা হলেও ধাক্কা খেয়েছে বিজেপি। এনডিএ-র ৪০০ পারের যে স্বপ্ন ছিল, তা ২৯২-তেই থেমেছে। কড়া কট্টর দিয়েছে বিরোধী জোট ইন্ডিয়া। তবে শুধু ভোটের ময়দানে নয়, এবার সংসদের অন্দরেও লড়াই কঠিন হতে চলেছে বিজেপির। সূত্রের খবর, বিরোধীরাও এবার স্পিকার পদের দাবি করতে পারে। 

লোকসভা নির্বাচনে এনডিএ জোট জেতার পরই শোনা গিয়েছিল, জোটসঙ্গীরা চাপ সৃষ্টি করছে বিজেপির উপরে। চন্দ্রবাবুর টিডিপি লোকসভার স্পিকার পদ দাবি করেছে। বিজেপি এই পদ ছাড়বে কি না, তা জানা না গেলেও, এখন শোনা যাচ্ছে, বিরোধীদেরও নজর রয়েছে ওই পদের উপরে।

সূত্রের খবর, বিরোধী শিবির অধিবেশন শুরুর আগেই লোকসভার ডেপুটি স্পিকারের পদ দাবি করবে। যদি তাদের সেই পদ দেওয়া না হয়, তবে তারা স্পিকার পদের জন্য নিজেদের প্রার্থী দেবে।


প্রসঙ্গত, আগামী ২৪ জুন থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের লোকসভার অধিবেশন। শেষ হবে ৩ জুলাই। ৯ দিনের এই বিশেষ অধিবেশনে ২৬ জুন স্পিকারের নির্বাচন হবে।

স্পিকার পদটিকে শাসক দলের শক্তির প্রতীক হিসাবেই গণ্য করা হয়। যেহেতু স্পিকারের হাতেই লোকসভা পরিচালনার ক্ষমতা থাকে, তাই এই পদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে, স্পিকারের অবর্তমানে দায়িত্ব থাকে ডেপুটি স্পিকারের। তবে ডেপুটি স্পিকার কিন্তু স্পিকারের অধীনে কাজ করেন না।

সেমি হাইস্পিড ট্রেন বন্দে ভারত এক্সপ্রেস যাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়। তবে চেয়ারকার হওয়ায়, এই ট্রেন বেশি দূরত্বে চালানো হয় না। দূরপাল্লার আরও ট্রেন বাড়াতে এবং বন্দে ভারতে অধিক দূরত্ব অতিক্রম করার জন্যই রেলের তরফে স্লিপার কোচ আনা হচ্ছে বন্দে ভারত ট্রেনে।


১৫ অগস্টের আগেই শুয়ে যেতে পারবেন বন্দে ভারতে, 'বিছানাটা' কেমন দেখুন
চেয়ারকার বন্দে ভারত। প্রতীকী চিত্র

 অপেক্ষার অবসান। এবার আর বসে নয়, শুয়ে সফর করা যাবে বন্দে ভারতে। অবশেষে ট্র্যাকে নামতে চলেছে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন(Vande Bharat Sleeper Train)। খোদ কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw) এই সুখবর দিলেন। আগামী ১৫ অগস্টের আগেই চাকা গড়াতে চলেছে বহু প্রতীক্ষিত বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের। আগামী ৬ মাসের মধ্যে সম্পূর্ণ পরিষেবা চালু হয়ে যাবে।

ভারতীয় রেলওয়ে সূত্রে জানা গিয়েছে, বন্দে ভারতের কোচ প্রায় তৈরি হয়ে গিয়েছে। শেষ কিছু কাজ চলছে। তবে ১৫ অগস্টের আগেই তা রেললাইনে নামার জন্য প্রস্তুত হয়ে যাবে। প্রাথমিকভাবে ট্রায়াল চলবে। তার ৬ মাস পর থেকে সম্পূর্ণরূপে পরিষেবা চালু হবে।


বন্দে ভারত স্লিপারের কামরা।

সেমি হাইস্পিড ট্রেন বন্দে ভারত এক্সপ্রেস যাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়। তবে চেয়ারকার হওয়ায়, এই ট্রেন বেশি দূরত্বে চালানো হয় না। দূরপাল্লার আরও ট্রেন বাড়াতে এবং বন্দে ভারতে অধিক দূরত্ব অতিক্রম করার জন্যই রেলের তরফে স্লিপার কোচ আনা হচ্ছে বন্দে ভারত ট্রেনে।

এক গবেষক বলেন, "এই রোগে আক্রান্ত হলে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মৃত্যু হয় অধিকাংশ ক্ষেত্রেই। এই ব্যাকটেরিয়া প্রবেশ করলে, ধরা যাক রোগী সকালে লক্ষ্য করলেন যে পা ফুলে গিয়েছে। দুপুরের মধ্যে তা হাঁটু পর্যন্ত ছড়িয়ে যাবে। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সংক্রমণে মৃত্যু হতে পারে।"


ছড়াচ্ছে ভয়ঙ্কর রোগ, শরীরে বাসা বাঁধছে মাংসখেকো ব্যাকটেরিয়া, ৪৮ ঘণ্টাতেই মৃত্যু নিশ্চিত!
প্রতীকী চিত্র

শরীরের ভিতর থেকে কুড়ে কুড়ে মাংস খেয়ে ফেলছে ব্যাকটেরিয়া! একবার শরীরে এই ব্যাকটেরিয়া ঢুকলে, ৪৮ ঘণ্টার মধ্য়ে মৃত্যু প্রায় নিশ্চিত। ভয়ঙ্কর এমনই এক রোগ ছড়িয়ে পড়েছে জাপানে। চলতি বছরেই আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় হাজার ছুইছুই। মারণ এই ব্যাকটেরিয়াকে ঘিরে চরম আতঙ্ক ছড়িয়েছে দেশে।

বিরল রোগ স্ট্রেপটোকোকাল টক্সিক শক সিনড্রোম (streptococcal toxic shock syndrome)। এক ধরনের মাংসখেকো ব্যাকটেরিয়া থেকেই এই রোগ হয়। ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব ইনফেকশিয়াস ডিজিজ-র তরফে জানানো হয়েছে, ২ জুন পর্যন্ত জাপানে ৯৭৭ জন আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে। গত বছর জাপানে এই রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন ৯৪১ জন।

চিকিৎসক-গবেষকরা জানিয়েছেন, স্ট্রেপটোকোকাল টক্সিক শক সিনড্রোম এমনই এক ভয়ঙ্কর রোগ, যা আক্রান্ত হওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মৃত্যু হতে পারে। গ্রুপ এ স্ট্রেপটোককাস (GAS) রোগে মূলত শিশুরাই আক্রান্ত হয়। স্ট্রেপ থ্রোট-ও বলা হয় একে। এই সংক্রমণের প্রাথমিক উপসর্গ হল গলা ব্যথা বা গলা ফুলে যাওয়া। কিন্তু দ্রুত শারীরিক অবনতি হতে থাকে। হাত-পায়ের পেশীতে ব্য়থা, ফুলে যাওয়া, জ্বর, রক্তচাপ কমে যাওয়ার পর উপসর্গ দেখা যায়। শেষ পর্যায়ে নেক্রোসিস (কোষের মৃত্যু), শ্বাসকষ্ট, অঙ্গ-প্রতঙ্গ বিকল হয়ে যাওয়া এবং মৃত্যু হয়। পঞ্চাশোর্ধ্ব ব্যক্তিদেরও এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।


টোকিয়ো ওমেন্স মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটির এক গবেষক বলেন, “এই রোগে আক্রান্ত হলে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মৃত্যু হয় অধিকাংশ ক্ষেত্রেই। এই ব্যাকটেরিয়া প্রবেশ করলে, ধরা যাক রোগী সকালে লক্ষ্য করলেন যে পা ফুলে গিয়েছে। দুপুরের মধ্যে তা হাঁটু পর্যন্ত ছড়িয়ে যাবে। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সংক্রমণে মৃত্যু হতে পারে।”

২০২৪ সালে জাপানে এই বিরল রোগে আক্রান্তের সংখ্যা ২৫০০ পার করতে পারে বলেই শঙ্কা গবেষকদের। এই রোগে মৃত্যুহারও ভয় ধরানোর মতো। ৩০ শতাংশ রোগীরই মৃত্যু হয়। এই মারণ ব্যাকটেরিয়া থেকে বাঁচতে নিয়মিত ভালভাবে হাত ধোয়া এবং কোনও খোলা ক্ষতস্থান থাকলে, তার চিকিৎসা করার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।



গৌরব চট্টোপাধ্যায়ের জন্মদিন আজ। তিনি উত্তমকুমারের নাতি। দাদুর আদর্শকে বুকে নিয়ে চলেন গৌরব। তবে বিখ্যাত দাদুর নাতি হওয়ার পাশাপাশি গৌরব নিজেকে স্বতন্ত্রভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন অভিনেতা হিসেবে। তাঁর জন্মদিনে আজ পরিবারের সকলেই আনন্দে ভাসছেন। জানেন তাঁর স্ত্রী অভিনেত্রী দেবলীনা কুমার কী লিখেছেন গৌরবের জন্য?


'...প্রত্যেক ঝগড়ার নিস্তব্ধতার পর', স্বামী গৌরবের জন্মদিনে স্ত্রী দেবলীনার পোস্ট!
দেবলীনা-গৌরব।


আজ গৌরব চট্টোপাধ্যায়ের জন্মদিন। টলিপাড়ার অভিনেতা তিনি। মূলত সিরিয়ালেই অভিনয় করেন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে। তাঁর আরও এক বিরাট পরিচয়, তিনি মহানায়ক উত্তমকুমারের নাতি। কিন্তু সেই পরিচয়কে ছাপিয়েও গৌরব নিজেকে প্রতিনিয়ত প্রমাণ করছেন অভিনয় জগতে। সে সিরিয়াল হোক, সিনেমা কিংবা ওয়েব সিরিজ়। গৌরব এক কথায় লাজবাব। আরও এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, গৌরব অসম্ভব অমায়িক এবং সৎ। সেটা একবাক্যে স্বীকার করে নেন তাঁর প্রিয়জনেরা। গৌরব বিয়ে করেছেন তৃণমূল বিধায়ক দেবাশিস কুমারের কন্যা দেবলীনা কুমারকে। ৪ বছর আগে তাঁদের বিয়ে হয়েছে ঘটা করে। স্বামীর জন্য হৃদয় উজাড় করে পোস্ট লিখেছেন অভিনেত্রী, নৃত্যশিল্পী এবং শিক্ষিকা দেবলীনা কুমার।

দেবলীনার পোস্ট থেকে:

“আমার জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে আজ বলতে চাই শুভ জন্মদিন। প্রথম ছবিটি তাঁকে যেভাবে গোটা পৃথিবীর মানুষ দেখেছেন। দ্বিতীয়টি তাঁকে আমি যেভাবে পেয়েছি। তোমাকে অনেক ধন্যবাদ জানাতে চাই আমাকে হাসিয়ে-হাসিয়ে পেট খিল ধরিয়ে দেওয়ার জন্য। তোমার জোকস আমাকে আনন্দ দেয়। সারাক্ষণ বাড়িটাকে আনন্দে ভরিয়ে রাখো তুমি। এখন গর্ব করে বলতে পারি আমার একজন মিম পার্টনার আছে। প্রত্যেক ঝগড়ার নিস্তব্ধতার পর, জোকসের পর, রিল শেয়ার করার পর, একে-অপরকে ১০০০টি ডাক নাম দেওয়ার পর (একটাও বলতে পারব না লোককে), জীবনের সব আনন্দ পাও তুমি। একে-অপরের চেয়ে ১৮০ ডিগ্রি বিপরীত হওয়ার পরও আমি তোমাকেই বেছে নেব বারবার। শুভ জন্মদিন গৌরব।”



রামোজি রাওয়ের মৃত্যু ভীষণভাবে নাড়িয়ে দিয়েছে পরিচালক-প্রযোজক-অভিনেতা শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে। রামোজির মৃত্যুর একসপ্তাহ পর 
 ডিজিটালের জন্য কলম ধরলেন শিবপ্রসাদ। ঋণীর স্বীকার করলেন। বললেন, "আজ আমি যা হতে পেরেছি, সব এই লোকটার জন্য..."



জামাই হাউ আর ইউ?' রামোজি রাও-এর স্মৃতিতে ডুবলেন 'জামাই' শিবপ্রসাদ
শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়।



নীতীশদা (নীতীশ রায়–রামোজি ফিল্ম সিটি তৈরি হয় তাঁর নির্দেশনাতেই) আর নন্দিতাদি (নন্দিতা রায়–নীতীশের স্ত্রী, ইটিভি বাংলার জন্ম লগ্নের দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং পরবর্তীতে চলচ্চিত্র পরিচালক) না থাকলে রামোজি রাও কে কিংবা রামোজি ফিল্ম সিটি কী, জানাই হত না আমার। রামোজি রাও যে বাংলা ছবিটি প্রথম প্রযোজনা করেছিলেন, সেই ছবির নায়ক ছিলাম আমি। ছবির নাম ‘জামাই নম্বর ওয়ান’। নীতীশদাই ছিলেন ছবির পরিচালক। সুতরাং, বুঝতেই পারছেন, রামোজি রাওয়ের নজরে আমি ছিলাম কেবলই এক নায়ক। এক অভিনেতা। এই নায়ক কীভাবে আগামীকালের পরিচালক হয়ে উঠল, তার নেপথ্যে রামোজির কতখানি হাত, সেটাই আজ বলতে ইচ্ছা করছে খুব। যেদিন তিনি মারা গেলেন (রামোজি রাওয়ের মৃত্যু হয়েছে একসপ্তাহ আগে। দিনটা ছিল শনিবার, ৮ জুন, ২০২৪), সেদিনই আমি একটি পোস্ট করেছিলাম ফেসবুকে। তাও যেন মনের মধ্যে থেকে বোঝাটা নামাতে পারছিলাম না। তারপর আপনাদের দফতরের ফোনটা পেলাম। মানুষটাকে নিয়ে লেখার আরও একটা প্ল্যাটফর্ম পেয়ে নিজেকে উজাড় করে দিতে ইচ্ছা করল খুব। শুনুন তবে…

তখন আমি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারন্যাশনাল রিলেশনের ছাত্র। লেখাপড়ায় মন্দ ছিলাম না। বাড়ির সকলে আমার থেকে অনেককিছু আশা করে বসেছিলেন। বাবা-মা, প্রত্যেকে চাইতেন ছেলে তাঁদের ইউপিএসসি-ডব্লিউবিএসসি পরীক্ষায় সুযোগ পেয়ে দেশের হাল ধরুক। কিন্তু ছেলের সেই সবের বালাই ছিল না। সে চাইত স্রেফ একটা চাকরি। যে চাকরি করতে-করতেও ছেলেটা সিনেমা তৈরির প্রস্তুতি নিতে পারবে। তখনই হাতে চাঁদ পাওয়ার মতো নন্দিতাদির অফারটা আসে আমার কাছে। তিনি আমাকে ইটিভিতে চাকরি করার প্রস্তাব দিয়ে বসেন। কী জানি, অদৃষ্টের দৃষ্টি আমার উপর দয়াই করেছিল হয়তো। চাকরি করতে এসে ছবি তৈরির অ-আ-ক-খ শিখে নিলাম এই রামোজি ফিল্ম সিটিতে বসে। রামোজি রাওয়ের অধীনে।

বিয়ের জন্য সম্বন্ধ নিয়ে এসে অভিনেত্রীর উপর অদ্ভুত শর্ত চাপিয়ে দিচ্ছেন পাত্ররা। তা দেখে বিয়ে নামক প্রতিষ্ঠানকে জুয়া ছাড়া আর কিছুই মনে করতে পারছেন না অভিনেত্রী। ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন তিনি। সেই ক্ষোভ সমগ্র পুরুষজাতির প্রতি। কেন এত রাগ তাঁর?

বিয়ের জন্য ছেলে পাচ্ছেন না সায়ন্তনী, পাত্রদের অদ্ভুত শর্ত শুনে মাথায় হাত অভিনেত্রীর
সায়ন্তনী গুহ ঠাকুরতা।


বিয়ের জন্য একদমই ছেলে পাচ্ছেন না অভিনেত্রী সায়ন্তনী গুহ ঠাকুরতা। তাঁর খুবই দুঃখ। এদিকে তাঁকে নিয়ে নানা গুঞ্জন। সব কিছুকে ছাপিয়ে  ডিজিট্যালকে অভিনেত্রী জানালেন, তিনি বিয়েটিয়ে করছেন না একেবারেই। এর অন্যতম কারণ, বিয়ের কথা এগোলেই ছেলেরা তাঁর উপর এক অদ্ভুত শর্ত চাপিয়ে দিচ্ছেন। এবং একবিংশ শতাব্দীর মেয়ে হয়ে সেই শর্ত তিনি কোনওমতেই হজম করতে পারছেন না।


সম্প্রতি পরিচালক রাজর্ষি দে’র ‘এ বার দার্জিলিং’ ছবিতে অভিনয় করেছেন সায়ন্তনী। এক হানিমুন কাপলের চরিত্রে তিনি। পর্দায় হানিমুনে গেলেও বাস্তবে কিন্তু সায়ন্তনীর জীবনে সেরকম কিছুই ঘটছে না। বিয়েটাই হচ্ছে না তাঁর। তিনি বিস্ফোরক কিছু কথা বলেছেন, যা রীতিমতো ভাবিয়ে তুলতে পারে পাঠককে। পরিবার থেকে সায়ন্তনীর জন্য পাত্র খোঁজা হয় মাঝেমধ্যে। পাত্ররা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির নন কেউই। তাঁরা অন্য পেশার। সায়ন্তনীর অভিনেত্রী প্রোফাইল এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর ফলোয়ার দেখে কথা বলতে আসেন। এবং তারপরই এক অদ্ভুত শর্ত চাপিয়ে দেন। তাক লাগানো শর্ত সেটি। তাঁরা কেউই চান না, বিয়ের পর সায়ন্তনী অভিনয় পেশায় থাকেন। তাঁদের বক্তব্য, “আমরা তো যথেষ্টই রোজগার করি, তোমার আর রং মেখে অভিনয় করার কী আছে..!” ভাবুন…

সেদিনের সেই কথাকে নস্যাৎ করে মা হয়েছিলেন নীতা অম্বানি। শুধু কি তাই? বছর তিনেক বাদে স্বাভাবিক ভাবেই জন্ম দিয়েছিলেন অনন্ত অম্বানি। তাঁর বিয়ে সামনে। আকাশ ও ঈশারও বিয়ে হয়েছে আগেই। দুই ছেলে এক মেয়ে নিয়ে অম্বানিদের সুখী পরিবার।
গর্ভধারণের ক্ষমতা নেই! সাফ জানান চিকিৎসক, কোন 'মন্ত্রবলে' মা হন নীতা অম্বানি?
কোন 'মন্ত্রবলে' মা হন নীতা অম্বানি?


পৃথিবীর অন্যতম ধনী ব্যক্তির স্ত্রী তিনি। শুধু যে ধনী ব্যক্তির স্ত্রী এটিই তাঁর একমাত্র পরিচয় নয়। একই সঙ্গে নিজেও ব্যবসা সামলান সমান হাতে। এ হেন নীতা অম্বানির জীবনে এক সময় হয়েছিল উথালপাথাল। আর পাঁচজনের মতো বিয়ের পর তিনি যখন মা হওয়ার চেষ্টা করছেন ঠিক তখনই ডাক্তার শুনিয়ে দেন এক নিদারুণ সত্য। জানিয়ে দেন মা হতে পারবেন না তিনি। নীতার বয়স তখন মাত্র ২৩ বছর। সাক্ষাৎকারে নিজেই জানিয়েছেন, সে সময় মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে তাঁর। মনকষ্টে ভুগতে শুরু করেন। তবে ওই যে চিরদিন কাহারও সমান নাহি যায়। যুদ্ধজয় করে আজ তিনি তিন সন্তানের জননী। কীভাবে সম্ভব হল সবটা? রইল এই প্রতিবেদনে।

জানেন কি, ঈশা ও আকাশ মানে অম্বানিদের যমজ সন্তানের জন্ম হয় আইভিএফ অর্থাৎ Vitro Fertilization পদ্ধতিতে। ১৯৯১ সালে দাঁড়িয়ে এ কিন্তু মুখের কথা নয়! সে সময় আইভিএফের এত প্রচলন ছিল না। তবে সন্তান সুখের আশায় সেই পন্থাই অবলম্বন করেছিলেন অম্বানি দম্পতি। তাঁদের জন্মও যেন এক আখ্যান। নীতার কথায়, “আমি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ছিলাম। আর মুকেশ সবেমাত্র ভারতে ফিরেছে। ফিরতেই ডাক্তারের ফোন পায় ও এক্ষুনি ইউএসএ আসতে হবে। মা (কোকিলাবেন অম্বানি), আমাদের ডাক্তার (ডক্টর ফিরোজা) আর মুকেশ তক্ষুণি ফ্লাইটে চেপে বসেন। আর মাঝআকাশেই খবর আসে এক ছেলে আর এক মেয়ে হয়েছে।” কেন ছেলে-মেয়ের নাম ঈশা ও আকাশ রাখেন তাঁরা? সে গল্পও শুনিয়েছেন দেশের সবচেয়ে ধনী মানুষ। বলেছেন, “মুকেশ যখন ভারত থেকে আসছিল অনেক পাহাড় পর্বতের উপর দিয়ে ফ্লাইটটা আসছিল। তাই মেয়ের নাম রাখা হয় ঈশা যার মানে পাহাড়ের দেবী বা পার্বতী। আর আকাশেই সন্তানদের জন্মের খবর পেয়েছিল বাবা, তাই ছেলের নাম রাখা হয় আকাশ।”

সেদিনের সেই কথাকে নস্যাৎ করে মা হয়েছিলেন নীতা অম্বানি। শুধু কি তাই? বছর তিনেক বাদে স্বাভাবিক ভাবেই জন্ম দিয়েছিলেন অনন্ত অম্বানি। তাঁর বিয়ে সামনে। আকাশ ও ঈশারও বিয়ে হয়েছে আগেই। দুই ছেলে এক মেয়ে নিয়ে অম্বানিদের সুখী পরিবার।

সম্পর্ক ভাঙার বহু বছর পার হয়ে গিয়েছে ওঁদের। যদিও আজও কথা বলেন না তাঁরা। স্বামীকে নিয়ে সুখের সংসার ঐশ্বর্যার। সলমন যদিও আজও বিয়ে করেননি।

ঐশ্বর্যার সামনেই সলমনকে খোঁচা অভিষেকের! 'ও তো শার্ট খোলার জন্য...'
ঐশ্বর্যার সামনেই সলমনকে খোঁচা অভিষেকের!


এই মুহূর্তে অভিষেক বচ্চন ও সলমন খানের মধ্যে মধুর সম্পর্ক। তবে সারাজীবনই কি এমনটা ছিল? এক পুরনো ভিডিয়ো আচমকাই ভাইরাল হওয়ায় এই প্রশ্ন আপনার মনেও জাগতে পারে। অভিষেকের স্ত্রী অভিনেত্রী ঐশ্বর্যা রাই বচ্চন যে সলমন খানে প্রাক্তন প্রেমিকা এ কথা কারও অজানা নয়। তাঁদের সম্পর্ক যে কী তিক্তভাবে শেষ হয়েছিল তাও জানেন অনেকেই। সে সময় সদ্য বিয়ে করেছেন অভিষেক ও ঐশ্বর্যা। তাঁরা হাজির হয়েছিলেন করণ জোহরের চ্যাট শো’য়ে। সেখানেই যথারীতি সঞ্চালক করণ সলমন প্রসঙ্গে বেশ কিছু কথা জানতে চেয়েছিলেন অভিষেকের কাছে। উত্তরে তিনি যা বলেছিলেন, তা কিন্তু রীতিমতো অবাক করবেই আপনাকে!


করণ অভিষেককে জিজ্ঞাসা করেছিলেন সলমন খান– এই নামটা শুনলেই প্রথম কী মাথায় আসে? এক মুহূর্ত দেরি না করে অভিষেক বলেছিলেন, “এত ওয়ার্ক আউট করা বন্ধ কর। আসলে ও তো জামা খোলার জন্য পরিচিত। তবে আমি জানি ও এর থেকেও বেশি যোগ্য।” পাশেই ছিলেন না ঐশ্বর্যা। হালকা হাসতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। না, কোনও মন্তব্য করেননি তিনি। ছিলেন চুপ করে।


সম্পর্ক ভাঙার বহু বছর পার হয়ে গিয়েছে ওঁদের। যদিও আজও কথা বলেন না তাঁরা। স্বামীকে নিয়ে সুখের সংসার ঐশ্বর্যার। সলমন যদিও আজও বিয়ে করেননি।



গত সপ্তাহে টিআরপির রেজাল্ট বের হতেই দেখা গিয়েছে জল থই থই ওই স্লটে লিড করছে। অপরাজিতার কথায়, "এতটাই হাস্যকর যে এটা দেখে আর না লিখে পারলাম না। যে সব সিরিয়ালের টিআরপি কম সেগুলো চলছে। আর আমরা রেটিংয়ে এতটাই এগিয়ে আছি, স্লট লিডার শেয়ার বেশি সেই ধারাবাহিক আগে বন্ধ করে দিল।"


'...হাসি ছাড়া কিছুই আসছে না', এত বড় অবিচার! স্তম্ভিত অপরাজিতা
স্তম্ভিত অপরাজিতা


এমনটা যে হতে পারে তা হয়তো নিজেও ভাবতে পারেননি অপরাজিতা আঢ্য। ইন্ডাস্ট্রিতে কম দিন কাটাননি তিনি। তাঁর ভাগ্যেই নাকি জুটল এই! রেগে আগুন তাঁর ভক্তরা। অভিনেত্রী নিজেও কটাক্ষ করতে ছাড়লেন না। কী ঘটেছে? দিন কয়েক আগেই টিভিনাইন বাংলা জানিয়েছিল বন্ধ হচ্ছে জল থই থই ভালবাসা। ওই ধারাবাহিকে মুখ্য ভূমিকায় অপরাজিতা। সাধারণত টিআরপি পড়তে শুরু করলে চ্যানেল কর্তৃপক্ষ ধারাবাহিক বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। তবে এ ক্ষেত্রে তেমনটা না ঘটলেও কেন হচ্ছে এমনটা?

গত সপ্তাহে টিআরপির রেজাল্ট বের হতেই দেখা গিয়েছে জল থই থই ওই স্লটে লিড করছে। অপরাজিতার কথায়, “এতটাই হাস্যকর যে এটা দেখে আর না লিখে পারলাম না। যে সব সিরিয়ালের টিআরপি কম সেগুলো চলছে। আর আমরা রেটিংয়ে এতটাই এগিয়ে আছি, স্লট লিডার শেয়ার বেশি সেই ধারাবাহিক আগে বন্ধ করে দিল। হাহাহাহা এখানে হাসি ছাড়া আর কিছুই আসছে না।” প্রসঙ্গত, টিআরপি জানাচ্ছে স্টার জলসার হাল বিগত বেশ কিছু মাস ধরেই বেশ খারাপ যাচ্ছে। বলে বলে গোল দিচ্ছে জি বাংলা। জল থই থই এই সপ্তাহে সাত নম্বরে আছে ঠিকই তবে জলসাতে তাঁর স্থান দুই। সেই ধারাবাহিক কেন বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে আচমকার সে ব্যাখ্যা অবশ্য মেলেনি চ্যানেলের তরফে। অপরাজিতা সিরিয়ালের জায়গায় আসছে নতুন ধারাবাহিক। যেখানে মুখ্য ভূমিকায় আছেন হানি বাফনা ও সোনামণি সাহা।


বিশ্বকাপে পাকিস্তানের ভাগ্য ফেরানোর জন্য শাহিন আফ্রিদির জায়গায় বাবর আজমকে নেতার আসনে ফেরানো হয়। কিন্তু ওই যে বলে হিতে বিপরীত হওয়া--- সেটাই হয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট (Pakistan Cricket) টিমের সঙ্গে। পাক ক্রিকেট বোর্ডের এক সূত্র জানিয়েছেন, দলের অন্দরের অবস্থা।


 বিশ্বকাপে বেসামাল বাবররা, পাকিস্তানের বিধ্বস্ত হওয়ার ৩ বড় কারণ
 বিশ্বকাপে বেসামাল বাবররা, পাকিস্তানের বিধ্বস্ত হওয়ার ৩ বড় কারণ


কলকাতা: কুড়ি-বিশের বিশ্বকাপে যে অঘটন চাইছিলেন না পাক ক্রিকেট প্রেমীরা, সেটাই হয়েছে। এ বারের টি-২০ বিশ্বকাপের (T20 World Cup 2024) গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হচ্ছে গ্রিন আর্মিকে। টুর্নামেন্টের প্রথম দুটো ম্যাচ হারের খেসারত দিতে হল বাবর আজমদের। ফ্লোরিডায় আমেরিকা বনাম আয়ারল্যান্ড ম্যাচ বৃষ্টির কারণে ভেস্তে যেতেই বিশ্বকাপ থেকে ছুটি হয়ে গেল পাকিস্তানের। বিশ্বকাপে পাকিস্তানের ভাগ্য ফেরানোর জন্য শাহিন আফ্রিদির জায়গায় বাবর আজমকে নেতার আসনে ফেরানো হয়। কিন্তু ওই যে বলে হিতে বিপরীত হওয়া— সেটাই হয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট (Pakistan Cricket) টিমের সঙ্গে। পাক ক্রিকেট বোর্ডের এক সূত্র জানিয়েছেন, দলের অন্দরের অবস্থা।


পাকিস্তানের ক্যাপ্টেন হয়ে বাবর আজমের ফেরার পর থেকে দলে সবকিছু ঠিক নেই। চলতি টি-২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের পারফরম্যান্সে তার ছাপ ফুটে উঠছে। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের এক সূত্র জানিয়েছেন, টিমের মধ্যে ৩টে গ্রুপ তৈরি হয়েছে। যেমন- ক্যাপ্টেন্সি চলে যাওয়ায় খুশি নন শাহিন আফ্রিদি। তাঁর মনে হয় বাবর আজমের থেকে পূর্ণ সমর্থন পাচ্ছেন না। পাশাপাশি মহম্মদ রিজওয়ান সন্তুষ্ট নন। কারণ, তাঁকে পাক টিমের ক্যাপ্টেন করার কথা ভাবা হচ্ছে না।

সংবাদসংস্থা পিটিআইকে পিসিবির এক নিকট সূত্র বলেছে, ‘দলের মধ্যে ৩টে গ্রুপ হয়ে গিয়েছে। একটা বাবর আজমের নেতৃত্বে, দ্বিতীয়টা শাহিন আফ্রিদির আর তৃতীয়টা মহম্মদ রিজওয়ানের। এই পরিস্থিতিতে মহম্মদ আমির, ইমাদ ওয়াসিমের মতো সিনিয়র ক্রিকেটাররা দলে ফেরার পরও বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিপর্যয় হয়েছে। এমনও ঘটনা ঘটেছে যেখানে কিছু প্লেয়ার টিমের অপর ক্রিকেটারদের সঙ্গে কথাবার্তাও বলেননি।’


ইমার ও আমিরের দলে ফেরায় বাবর আজমের খুব একটা সুবিধা হয়নি। কারণ তাঁদের কাছ খেকে সেই অর্থে ভালো পারফরম্যান্স পাওয়া যায়নি। এই পরিস্থিতিতে পিসিবির প্রধান মহসিন নকভি চেষ্টা করেছিলেন দুটি বৈঠক করে বাবরদের সমস্যার সমাধান করতে। তিনি পাক ক্রিকেটারদের জানিয়েছিলেন, সমস্ত সমস্যা তাঁরা যেন দূরে সরিয়ে রাখেন এবং জয়ের দিকে মনোনিবেশ করেন।



পুরো নাম প্রমোদ কুমার মিশ্র। জন্ম ১৯৪৮ সালের ১১ অগস্ট। জন্মস্থান ওড়িশার সম্বলপুর জেলা। ১৯৭২ সালে দিল্লি স্কুল অব ইকোনমিকস থেকে অর্থনীতিতে এমএ করেন তিনি। উত্তীর্ণ হন প্রথম শ্রেণিতে।


প্রধানমন্ত্রীর ডান হাতকে চেনেন? আবার ৫ বছর মন্ত্রণা দেবেন মোদীকে
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পি কে মিশ্র

 একজন যেন ভারতীয় জেমস বন্ড। প্রায়ই প্রচারের আলোয় আসেন। তাঁর বিভিন্ন ‘কীর্তি’ সংবাদমাধ্যমের পাতায় জ্বলজ্বল করে। অন্যজন নিশ্চুপ। নিঃশব্দে নিজের কাজ করে চলেন। তেমনভাবে সাধারণ মানুষের কাছে পরিচিতও নন। কিন্তু, দু’জনেরই গুরুত্ব কোথাও গিয়ে তাঁদের এক সূত্রে বেঁধেছে। আর সূত্রধরের ভূমিকায় স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ওই দু’জনের মধ্যে প্রথমজন হলেন অজিত ডোভাল। এবং দ্বিতীয়জন পি কে মিশ্র। তৃতীয়বার ক্ষমতায় এসে ফের অজিত ডোভালকে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা নিযোগ করেছেন মোদী। তেমনই ফের প্রধানমন্ত্রীর প্রধান সচিব হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন পি কে মিশ্র। কে এই পি কে মিশ্র? প্রধানমন্ত্রীর প্রধান সচিব হিসেবে তাঁর ভূমিকা কী? জেনে নিন খুঁটিনাটি।

কে এই পি কে মিশ্র?

পুরো নাম প্রমোদ কুমার মিশ্র। জন্ম ১৯৪৮ সালের ১১ অগস্ট। জন্মস্থান ওড়িশার সম্বলপুর জেলা। ১৯৭২ সালে দিল্লি স্কুল অব ইকোনমিকস থেকে অর্থনীতিতে এমএ করেন তিনি। উত্তীর্ণ হন প্রথম শ্রেণিতে। পরে ১৯৯০ সালে ডেভেলপমেন্ট ইকোনমিকসে ফের এমএ করেন তিনি। সাসেক্স বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে পিএইচডি করেন।

গত ওয়ান ডে বিশ্বকাপ হয়েছিল ভারতের মাটিতে। টুর্নামেন্টে খেলতে আসা নিয়েও প্রবল বায়নাক্কা করেছিল পাকিস্তান। ট্রফি জেতা নিয়েও অনেক বড় বড় কথা বলেছিল। যদিও লিগ পর্বেই বিদায় নিয়েছিল পাকিস্তান। এরপরই ব্যর্থতার দায় নিয়ে নেতৃত্ব ছেড়েছিলেন বাবর আজম। শাহিন আফ্রিদিকে দেওয়া হয়েছিল নেতৃত্ব। ব্যর্থতা পিছু ছাড়েনি।


টানা ব্যর্থতার ঝড়ে এলোমেলো পাকিস্তান, বড় শাস্তির মুখে পড়তে চলেছেন বাবররা


টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এখনও এক ম্যাচ বাকি পাকিস্তানের। আগামী কাল লিগ পর্বের শেষ ম্যাচে আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে নামছে পাকিস্তান ক্রিকেট টিম। গ্রুপ এ থেকে প্রথম দল হিসেবে সুপার এইটে জায়গা করে নিয়েছিল ভারত। দুটি জয় এবং গত কাল বৃষ্টিতে আয়ারল্যান্ড ভেস্তে যাওয়ায় মোট পাঁচ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় দল হিসেবে সুপার এইটে জায়গা করে নিয়েছে আমেরিকাও। প্রতিটি গ্রুপ থেকে পাঁচটির মধ্যে দুটি দল সুপার এইটে। পাকিস্তান একটি মাত্র জয় পেয়েছে। ফলে এক ম্যাচ বাকি থাকলেও তাদের আর আশা নেই। এ বার বড়সড় শাস্তির মুখে পড়তে চলেছেন পাকিস্তান ক্রিকেটাররা।

গত ওয়ান ডে বিশ্বকাপ হয়েছিল ভারতের মাটিতে। টুর্নামেন্টে খেলতে আসা নিয়েও প্রবল বায়নাক্কা করেছিল পাকিস্তান। ট্রফি জেতা নিয়েও অনেক বড় বড় কথা বলেছিল। যদিও লিগ পর্বেই বিদায় নিয়েছিল পাকিস্তান। এরপরই ব্যর্থতার দায় নিয়ে নেতৃত্ব ছেড়েছিলেন বাবর আজম। শাহিন আফ্রিদিকে দেওয়া হয়েছিল নেতৃত্ব। ব্যর্থতা পিছু ছাড়েনি। বাবর আজমের নেতৃত্বে গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে রানার্স হয়েছিল পাকিস্তান। এ বারও তাই বাবরকেই নেতৃত্বে ফেরানো হয়। তাতেও সমস্যার সমাধান হয়নি। গত বারের রানার্স প্রথম রাউন্ডেই বিদায়।

প্রতিটি বড় টুর্নামেন্টের পরই পাকিস্তান ক্রিকেটে ডামাডোল চলে। এ বারও তার অন্যথা নয়। গত বছর এশিয়া কাপের আগে বোর্ডের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে বিরোধ ছিল ক্রিকেটারদের। পরবর্তীতে সমঝোতার পথ খোলে। পারফরম্যান্সে উন্নতি না হওয়ায় প্লেয়ারদের চুক্তি পর্যালোচনায় বসতে চলেছে পাক বোর্ড। বোর্ডের এক সূত্র সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে জানিয়েছে, প্লেয়ারদের পারফরম্যান্স পর্যালোচনা হবে। অনেক প্লেয়ার চুক্তি থেকে বাদ পড়তে পারেন, তেমনই অনেকের বেতন কমানোর ভাবনাও রয়েছে।


কারা বাদ পড়বেন বা কাদের বেতন কমতে পারে, এ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। অধিনায়ক বাবর আজম যে ব্যাকফুটে একথা বলাই যাই। পাশাপাশি শাদাব খান, শাহিন আফ্রিদির মতো সিনিয়র প্লেয়ারও রয়েছেন। শুধু তাই নয়, বিদেশের ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলার বিষয়েও কড় নিয়ম আনতে পারে পিসিবি।

উত্তর ২৪ পরগনার কাঁচড়াপাড়া পৌরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের বিনোদনগর অঞ্চলে বসবাস করেতেন বাবা নিতাই কুণ্ডু ও তাঁর মেয়ে টুম্পা কুণ্ডু। জানা গিয়েছে, প্রথমদিকে নিতাইবাবু হোটেলে কাজ করতেন। পরে বয়সজনিত কারণে সেই কাজ করতে অক্ষম হয়ে পড়েন।


 মেয়ে মারা গিয়েছে ৪ দিন, তাকেই আগলে ধরে পাশে শুয়ে বাবা, কাঁচড়াপাড়ায় আতঙ্ক
কাঁচড়াপাড়ায় কী কাণ্ড


কাঁচড়াপাড়া: বাড়িতে থাকতেন শুধু মেয়ে আর বাবা। বেশ কয়েকদিন ধরেই তাদের কোনও সাড়া-শব্দ না পেয়ে সন্দেহ হয়েছিল প্রতিবেশীদের। তারপর বাড়ি থেকে একটা উটকো গন্ধ নাকে পৌঁছতেই সেই সন্দেহ আরও বাড়ে। পরে কিছু একটা আঁচ করতে পেরেই এলাকাবাসীই খবর দেয় পুলিশে। তাঁরা এসে দরজা ভেঙে দেখেন মেয়ের মৃতদেহ আগলে তাঁর পাশেই শুয়ে রয়েছেন বাবা।

উত্তর ২৪ পরগনার কাঁচড়াপাড়া পৌরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের বিনোদনগর অঞ্চলে বসবাস করেতেন বাবা নিতাই কুণ্ডু ও তাঁর মেয়ে টুম্পা কুণ্ডু। জানা গিয়েছে, প্রথমদিকে নিতাইবাবু হোটেলে কাজ করতেন। পরে বয়সজনিত কারণে সেই কাজ করতে অক্ষম হয়ে পড়েন। এলাকার বাসিন্দাদের থেকে চেয়েচিন্তে চলে যেত তাঁর।


তবে বিগত চারদিন ধরে তাদের কোনও আওয়াজ না পাওয়ায় সন্দেহ হয় বাসিন্দাদের। তার উপর সেই উটকো গন্ধ পেতেই খবর দেন বীজপুর থানার পুলিশে। আর পুলিশ এসে দরজা ভেঙে তাদের উদ্ধার করে। মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাবাকে ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালে। এলাকাবাসীর অনুমান অপুষ্টির জেরে মৃত্যু হয়েছে মেয়েটির। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “আমরা আলোচনা করছিলাম যে মেয়েটাকে দেখা যাচ্ছে না। এরপর একটা ইঁদুর পচা গন্ধ পাচ্ছিলাম শুক্রবার। তখনই বুঝি টুম্পা মারা গিয়েছে। পুলিশ এসে উদ্ধার করে দেহ হাসপাতালে পাঠিয়েছে। আমরা শুনতে পেয়েছি মেয়েটির শরীরে গামছা ছিল। বাবা তার মেয়েকে আগলে শুয়ে থাকে।”
 বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে অন্যতম আয়োজক আমেরিকার কাছে হারে পাকিস্তান। বোর্ডে বড় টার্গেট থাকলেও দারুন ব্যাটিং আমেরিকার। বিশ্বের অন্যতম সেরা বলা হয় পাকিস্তানের বোলিং আক্রমণকে। অভিজ্ঞ মহম্মদ আমির, শাহিন আফ্রিদি, হ্যারিস রউফ, নাসিম শাহ। এমন পেস আক্রমণ থাকলে তাদের সেরা বলাই স্বাভাবিক।

আর্মি ট্রেনিং নিয়েই বিশ্বকাপে বিদায় পাকিস্তানের! সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলেছে মজার ভিডিয়ো


টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি সেরেছিল পাকিস্তান ক্রিকেট টিম। আয়ারল্যান্ড সফরে গিয়েছিলেন বাবর আজমরা। সেখানে টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলেছেন। এরপর ইংল্যান্ডে টি-টোয়েন্টি সিরিজ। বিশ্বকাপের আগে ওয়ার্ম আপ ম্যাচ। প্রস্তুতিতে কোনও খামতি রাখতে নারাজ ছিল পাকিস্তান ক্রিকেট টিম। গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ফাইনালেও উঠেছিল পাকিস্তান ক্রিকেট টিম। যদিও ফাইনালে ইংল্যান্ডের কাছে হার। রানার্স হয়েছিল পাকিস্তান। এ বার ট্রফিতেই ছিল নজর। এর জন্য যেমন বেশ কিছু দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলেছে, আর্মি ট্রেনিংও নিয়েছিল পাকিস্তান। আর এই আর্মি ট্রেনিংই নাকি পাকিস্তানের বিদায়ের কারণ!

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে অন্যতম আয়োজক আমেরিকার কাছে হারে পাকিস্তান। বোর্ডে বড় টার্গেট থাকলেও দারুন ব্যাটিং আমেরিকার। বিশ্বের অন্যতম সেরা বলা হয় পাকিস্তানের বোলিং আক্রমণকে। অভিজ্ঞ মহম্মদ আমির, শাহিন আফ্রিদি, হ্যারিস রউফ, নাসিম শাহ। এমন পেস আক্রমণ থাকলে তাদের সেরা বলাই স্বাভাবিক। কিন্তু ১৫৯ রানের পুঁজি নিয়েও ম্যাচ জিততে পারেনি। সুপার ওভারে দুর্দান্ত জয় ছিনিয়ে নেয় আমেরিকা। এরপর ভারতের কাছেও হার পাকিস্তানের।


টানা দু-ম্যাচ হারের পরই খাদের কিনারায় ছিল পাকিস্তান। কানাডার বিরুদ্ধে জিতে বিশ্বকাপে সাময়িক লাইফলাইন পেয়েছিল। তাদের অঙ্ক ছিল, আমেরিকার হার এবং পাকিস্তান যেন বাকি দু-ম্যাচে জেতে। আমেরিকা প্রথম দু-ম্যাচ জিতে অ্যাডভান্টেজ ছিল। গত কাল ফ্লোরিডায় আমেরিকা বনাম আয়ারল্যান্ড ম্যাচ ভেস্তে যেতেই বিদায় হয়ে যায় পাকিস্তানের। তাদের একটি ম্যাচ বাকি থাকলেও তা শুধুই নিয়মরক্ষার। আর এই বিদায়ের পরই মজার একটি ভিডিয়ো ঘুরছে।

এই ভিডিয়োয় অ্যাঙ্কর বলছেন, পাকিস্তানের হারের কারণ আর্মি ট্রেনিং। বিশ্বকাপের প্রস্তুতিতে পাকিস্তান ক্রিকেটার যে আর্মি ট্রেনিং নিয়েছিল, সেখানি নাকি ‘আত্মসমর্পন’ ছাড়া কিছু শেখানো হয়নি। সে কারণেই পাকিস্তান ক্রিকেট টিম আত্মসমর্পন করেছে দু-ম্যাচেই। বাবর আজমকে বলছেন, ‘বাহার’ আজম! কারণ, পাকিস্তান বিশ্বকাপের বাইরে।


পরবর্তীতে যাতে আমেরিকাকে হারানো যায় এর জন্য কোডিং শিখছেন পাকিস্তান ক্রিকেটাররা! এরও কারণ রয়েছে। সুপার ওভারে আমেরিকার জয়ের নায়ক সৌরভ নেত্রভালকর। তিনি একজন সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। বিখ্য়াত বহুজাতিক সংস্থা ওরাকলে চাকরি করেন সৌরভ। বিশ্বকাপের মাঝেও ওয়ার্ক ফ্রম হোটেল চলছে! তাঁর বোলিংয়ের রহস্য ভেদ করতে কোডিং শেখা প্রয়োজন! যাই হোক না কেন, এই ভিডিয়ো কিন্তু ভাইরাল।



ব্রাত্য বসু বলেন, "এটা কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যর্থতা। হাজার-হাজার পরীক্ষার্থীর ভবিষ্যত নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হয়েছে। আমাদের রাজ্যের শিক্ষক দুর্নীতি নিয়ে অনেক আলোচনা হল। অনেক টক শো হল। তদন্ত হল। গ্রেফতারও হল।"

রাজ্যের হাতে ফেরানো হোক মেডিক্যাল জয়েন্ট পরীক্ষা, দাবি জানালেন ব্রাত্য
শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু


কলকাতা: ডাক্তারি প্রবেশিকা অর্থাৎ নিট পরীক্ষার ফলাফলে কারচুপির অভিযোগ উঠেছে। এবার সেই ঘটনায় কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব রাজ্য। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর বক্তব্য, মেডিক্যালে যে জয়েন্টের পরীক্ষা ছিল সেই পরীক্ষা আবারও ফিরিয়ে দেওয়া হোক রাজ্যের হাতে। অর্থাৎ মেডিক্যাল জয়েন্ট পরীক্ষা ফেরত চাইছে রাজ্য।

ব্রাত্য বসু বলেন, “এটা কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যর্থতা। হাজার-হাজার পরীক্ষার্থীর ভবিষ্যত নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হয়েছে। আমাদের রাজ্যের শিক্ষক দুর্নীতি নিয়ে অনেক আলোচনা হল। অনেক টক শো হল। তদন্ত হল। গ্রেফতারও হল। কিন্তু কেন্দ্রের এই নিট যা সারা ভারতের ক্ষেত্রে খুব সম্মানের পরীক্ষা সেটার ক্ষেত্রে যা হল গোটা ভারত দেখছে। তার জন্য কোনও তদন্ত হবে না? সিবিআই ইডি মাঠে নামবে না? এই ব্যর্থতার পর আমার মনে হয় ওদেরই স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে রাজ্যের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া উচিত।”


উল্লেখ্য, এর আগে রাজ্যের বোর্ডগুলি পৃথকভাবে মেডিক্যালে প্রবেশিকা পরীক্ষা নিত। এবং রাজ্যের মেডিক্যাল কলেজগুলিতে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ভর্তি হতেন শিক্ষার্থীরা। কিন্তু ২০১৩ সাল থেকে একটিই পরীক্ষা হয়। যা সর্বভারতীয় স্তরে হয়ে থাকে। কিন্তু ২০১৪-২০১৫ সালেও তা চালু করা যায়নি। কারণ এই ঘটনায় বেশ কিছু বোর্ড আপত্তি করে। ২০১৬ সালে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে স্থির হয় সর্বভারতীয় ডাক্তারি পরীক্ষার কাউন্সিলিং হবে। চিকিৎসকরা বিভিন্ন রাজ্যে-রাজ্যে যাবেন। তবে এই নিট পরীক্ষা পুনরায় রাজ্যের হাতে ফেরত আসবে না বলাই যায়। কারণ এক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ রয়েছে। সব কিছু বিবেচনা করে ক্যাবিনেট এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেক্ষেত্রে বিশেষ কোনও ব্যবস্থা ছাড়া পুনরায় রাজ্যের হাতে পরীক্ষা আসা সম্ভব নয় বলেই মনে করছে শিক্ষকমহল।
প্রেস বিবৃতিতে বিজেপির তরফে দাবি করা হয়েছে, ভোটপর্ব গোটা দেশে শান্তিপূর্ণভাবেই হয়েছে। শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া কোথাও কোনও অশান্তি ও গোলমালের অভিযোগ নেই। বাংলায় একুশের বিধানসভা নির্বাচন পরবর্তী সময়ে অশান্তি ও হিংসার অভিযোগের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে বিজেপির তরফে।


বাংলা ছাড়া কোথাও কোনও অভিযোগ নেই', চার সদস্যের টিম পাঠাচ্ছেন নাড্ডা
জে পি নাড্ডা


কলকাতা: বাংলায় সাত দফার লোকসভা ভোট মোটের উপর শান্তিতেই মিটেছে। কিন্তু ভোটের রেজাল্টের পর থেকেই জেলায় জেলায় অশান্তি ও গোলমালের অভিযোগ উঠে আসতে শুরু করেছে। বিজেপির অভিযোগ, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তাদের দলীয় কর্মী-সমর্থকরা ভোট পরবর্তী অশান্তির শিকার হচ্ছেন। প্রচুর কর্মী ও সমর্থক ঘরছাড়া বলেও দাবি বঙ্গ বিজেপির। এসবের মধ্যেই এবার বাংলার বাস্তব পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে চার সদস্যের টিম বানালেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা।

শনিবার দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতর থেকে প্রেস বিবৃতি প্রকাশ করে জানানো হয়েছে এই চার সদস্যের প্রতিনিধি দল গঠনের কথা। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা এই প্রতিনিধি দল তৈরি করেছেন। কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে রাখা হয়েছে ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা সাংসদ বিপ্লবকুমার দেবকে। বাংলার বিভিন্ন প্রান্ত ঘুরে ভোট পরবর্তী অশান্তির অভিযোগ খতিয়ে দেখবেন বিজেপির এই চার সদস্যের প্রতিনিধি দল। গ্রাউন্ড জিরো থেকে ঘুরে গিয়ে তাঁরা দলের সর্বভারতীয় সভাপতির কাছে একটি রিপোর্ট জমা দেবেন।


প্রেস বিবৃতিতে বিজেপির তরফে দাবি করা হয়েছে, ভোটপর্ব গোটা দেশে শান্তিপূর্ণভাবেই হয়েছে। শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া কোথাও কোনও অশান্তি ও গোলমালের অভিযোগ নেই। বাংলায় একুশের বিধানসভা নির্বাচন পরবর্তী সময়ে অশান্তি ও হিংসার অভিযোগের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে বিজেপির তরফে। কলকাতা হাইকোর্ট সম্প্রতি যে নির্দেশ দিয়েছে ২১ জুন পর্যন্ত রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রাখার, সেই বিষয়টিও প্রেস বিবৃতিতে তুলে ধরেছে বিজেপি শিবির।




প্রসঙ্গত, সদ্য সমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনের প্রার্থী দেওয়ার সময়েও এই জটের ছবি বারবার উঠে এসেছিল। চলেছিল দীর্ঘ টানাপোড়েন। শেষ পর্যন্ত বাম-কংগ্রেস আসন সমঝোতা হলেও আইএসএফকে পাশে পাওয়া যায়নি। টানা পোড়েন তীব্র হয়েছিল ফরওয়ার্ড ব্লক আর কংগ্রেসের মধ্যেও।

উপ ভোটেও জোটে জট! ফরওয়ার্ড কাঁটায় স্বস্তি নেই কংগ্রেসের
রাজনৈতিক মহলে বাড়ছে চাপানউতোর



কলকাতা: উপ ভোটেও জোটে জট! জটিলতা বাগদা আসন নিয়ে। ফরওয়ার্ড ব্লকের প্রার্থী হয়েছেন গৌর বিশ্বাস। বামফ্রন্টের বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল ফরওয়ার্ড ব্লক ওই আসনে লড়বে। কংগ্রেসকে রায়গঞ্জ আসন ছাড়া ছাড়া হবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বামফ্রন্ট। কিন্তু, কংগ্রেস একটি আসন ছাড়াও আরেকটি লড়তে চায়। আনুষ্ঠানিক ভাবে রায়গঞ্জ আর বাগদা আসন লড়ার কথা জানিয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব। 

সূত্রের খবর, বাগদা আসনে ঠাকুরবাড়ির কাউকে প্রার্থী করা যায় কি না তা নিয়ে আলোচনা চলছে প্রদেশের অন্দরে। প্রদেশ সূত্রে খবর, যদি সেটা কিছু না করা যায় তাহলে বাগদা আসনে কংগ্রেসের হয়ে লড়তে পারেন প্রবীর কীর্তনীয়া। লোকসভাতেও দেখা গিয়েছিল পুরুলিয়া আসনে কংগ্রেস আর ফরওয়ার্ড ব্লককে। উপভোটেও সেই ছবি দেখা যাচ্ছে। তা নিয়েই এবার চাপানউতোর শুরু হয়েছে দুই দলের অন্দরেই। 

বৃষ্টির দাপট জারি থাকবে উত্তরবঙ্গে। ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়ে যাচ্ছে দার্জিলিং, কালিম্পংয়ে। এছাড়াও ভাল বৃষ্টি হতে পারে মালদহ ও দুই দিনাজপুরে। আগামী পাঁচ দিন উত্তরবঙ্গের সর্বত্রই বৃষ্টি চলবে বলে জানাচ্ছে আবহাওয়া দফতর।


কিছুক্ষণের মধ্যে ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস, ভিজবে নাকি আপনার জেলা, জানুন কী বলছে হাওয়া অফিস
প্রতীকী ছবি


কলকাতা: প্রবল গরমের মধ্যে সাময়িক স্বস্তির খবর। ঝাড়খণ্ড থেকে মেঘপুঞ্জ ঢুকছে বাংলায়। বিকেলে পুরুলিয়া, বাঁকুড়ায় ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস হাওয়া অফিসের। বিকেলে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে পশ্চিম বর্ধমানেও। বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হতে পারে কোনও কোনও জায়গায়। ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়ারও দেখা মিলতে পারে। বীরভূমের কিছু এলাকাতেও ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে বলে জানাচ্ছে আবহাওয়া দফতর। বজ্রাঘাত থেকে বাঁচতে সতর্ক থাকার পরামর্শ আবহাওয়াহিদদের।

অন্যদিকে বৃষ্টির দাপট জারি থাকবে উত্তরবঙ্গে। ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়ে যাচ্ছে দার্জিলিং, কালিম্পংয়ে। এছাড়াও ভাল বৃষ্টি হতে পারে মালদহ ও দুই দিনাজপুরে। আগামী পাঁচ দিন উত্তরবঙ্গের সর্বত্রই বৃষ্টি চলবে বলে জানাচ্ছে আবহাওয়া দফতর। ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়িতে। ফলে ফের নতুন করে ভূমি ধসের আশঙ্কা করা হচ্ছে। পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের নদীগুলির জলস্তরও আরও বাড়তে পারে। সে কারণেও তৈরি হয়েছে উদ্বেগ।  


অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গের ক্ষেত্রে ১৮, ১৯ ও ২০ তারিখ সবথেকে বেশি বৃষ্টি হতে পারে বলে জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। এদিন কিছু জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হলেও পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রামে অস্বস্তিকর গরমের দাপট চলবে। তবে আগামী সপ্তাহ থেকে আর দেখা যাবে তাপপ্রবাহের ছবি। 



সাগরের রুদ্রনগরে সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রীর অফিসে হঠাৎই আগুন লাগায়,ঘটনাস্থলে দমকলের একটি ইঞ্জিন 

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায় দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার সাগর ব্লকের রুদ্রনগরে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সুন্দরবন উন্নয়ন বিষয়ক দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরার পুরনো অফিসে ১৪ই জুন শুক্রবার সকালে হঠাৎই আগুন লাগে,

এরপর স্থানীয়রা আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগায় এবং ওই আগুন লাগার খবর পেয়ে দমকলের একটি ইঞ্জিন ও সাগর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে, ইলেকট্রিক শর্ট সার্কিট থেকে ওই আগুন লেগেছে বলে পুলিশ ও দমকল কর্মীদের প্রাথমিকভাবে অনুমান

স্টাফ রিপোর্টার সৌরভ মন্ডল

ভেসেল কর্মীদের তৎপরতায় প্রাণ বাঁচল এক যুবকের

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায় কাকদ্বীপের লট নম্বর এইটের ভেসেল ঘাট থেকে একটি ভেসেল যাত্রী বোঝাই করে নিয়ে ১৪ই জুন শুক্রবার দুপুর ২:১৫ মিনিট নাগাদ সাগরের কচুবেড়িয়া ভেসেল ঘাটের দিকে আসার পথে শুক্রবার আনুমানিক দুপুর ২টো ২৫ মিনিট নাগাদ হঠাৎই ওই ভেসেলের ভেসেল কর্মীরা ও যাত্রীরা দেখতে পায় 
মুড়িগঙ্গা নদীর মাঝখানে একজন যুবক ভাসছে এরপর তারা ওই ভেসেলটিকে ওই যুবকের কাছাকাছি নিয়ে গিয়ে ভেসেল থেকে কাছিতে করে রিং বয়া বেঁধে ওই যুবককে উদ্ধার করে ভেসেলে ওঠায় ভেসেল কর্মীরা,এরপর ওই যুবককে উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয় সাগরের কচুবেড়িয়া ভেসেল ঘাটে,ওই যুবকের এখনো পর্যন্ত কোনো পরিচয় জানা যায়নি,বর্তমানে সুস্থ রয়েছে অজ্ঞাত পরিচয় ওই যুবক,কি কারনে ওই যুবক মুড়িগঙ্গা নদীর মাঝখানে এলো তার সঠিক কারণ এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি,প্রশাসনের প্রাথমিকভাবে অনুমান ওই যুবক মানসিক ভারসাম্যহীন রয়েছে তাই ওই যুবক তারা নিজের নাম ঠিকানা বলতে পারছে না,
এখানে বলা যেতে পারে আরো একবার ভেসেল কর্মীরা নিজেদের সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে ভেসেল কর্মীদের তৎপরতায় এক অজ্ঞাত পরিচয়ের তরতাজ যুবকের প্রাণ বাঁচালো,
মুড়িগঙ্গা নদীর মাঝখান থেকে ওই অজ্ঞাত পরিচয় যুবককে উদ্ধারের ছবি আপনারা সরাসরি দেখতে পাচ্ছেন কাকদ্বীপ ডট কমের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে

স্টাফ রিপোর্টার সৌরভ মণ্ডল


হঠাৎই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সাগরের রুদ্রনগরের কাছে একটি ইলেকট্রিক পোস্টে ধাক্কা মারল একটি অটো,ওই ঘটনায় গুরুতর আহত তিনজন



স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায় ১৪ই জুন শুক্রবার সকালে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার সাগর ব্লকের বামনখালী থেকে একটি অটো যাত্রী বোঝাই করে নিয়ে সাগরের চৌরঙ্গীতে সবজি আনতে যাচ্ছিল
সাগরের চৌরঙ্গীর দিকে যাওয়ার পথে ওই অটোটি হঠাৎই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে শুক্রবার সকাল ৫ঃ৩৩ মিনিট নাগাদ সাগরের রুদ্রনগরের রেজিস্ট্রি অফিসের সম্মুখে একটি ইলেকট্রিক পোস্টে ধাক্কা মারে,
এর ফলে ওই অটোর ড্রাইভার শেখ জাহাঙ্গীর সহ ওই অটোতে থাকা সন্ধ্যা পাত্র ও সাবিত্রী মন্ডল নামে দুইজন মহিলা যাত্রী ঘটনাস্থলে গুরুত্ব আহত হয় এরপর স্থানীয়রা দেখতে পেয়ে ওই তিনজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে সাগর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায় সাগর গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসা চলাকালীন ওই অটো ড্রাইভার সহ ওই দুইজন মহিলার অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাদেরকে সাগর গ্রামীণ হাসপাতাল থেকে ডায়মন্ডহারবার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে,সেই ছবি আপনারা সরাসরি দেখতে পাচ্ছেন কাকদ্বীপ ডটকমের ক্যামেরার মাধ্যমে,
স্টাফ রিপোর্টার সৌরভ মন্ডল