July 2024

 ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মাথাভাঙা শহর তৃণমূলের ব্লক সভাপতি বিশ্বজিৎ রায় এই বিতর্কিত মন্তব্য করেন। শহরের ১ নম্বর ওয়ার্ডের একটি পথসভায় তৃণমূলের শহর ব্লক সভাপতি বিশ্বজিৎ রায়ের বিতর্কিত মন্তব্য ব্যাপক আলোড়ন ফেলেছে শহরে।

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে এখন হুমকি দিয়ে বেড়াচ্ছেন তৃণমূল নেতারা?
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে হুঁশিয়ারি তৃণমূল নেতা।

দিনহাটার পর এবার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধের হুঁশিয়ারি মাথাভাঙার তৃণমূল ব্লক সভাপতির। লোকসভা ভোটে মাথাভাঙায় সব ওয়ার্ডে তৃণমূলের হার হয়েছে। তাতেই কি লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে কোপ পড়তে চলেছে বলে হুঁশিয়ারি দিলেন ব্লক তৃণমূল সভাপতি? তৃণমূলে থেকে সব সুযোগ সুবিধা নিয়ে বিজেপিকে ভোট দিয়েছে যারা, আগামিদিনে তাদের চিহ্নিত করে সরকারি প্রকল্প বন্ধের হুঁশিয়ারি দেন মাথাভাঙার তৃণমূল ব্লক সভাপতি বিশ্বজিৎ রায়।

২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মাথাভাঙা শহর তৃণমূলের ব্লক সভাপতি বিশ্বজিৎ রায় এই বিতর্কিত মন্তব্য করেন। শহরের ১ নম্বর ওয়ার্ডের একটি পথসভায় তৃণমূলের শহর ব্লক সভাপতি বিশ্বজিৎ রায়ের বিতর্কিত মন্তব্য ব্যাপক আলোড়ন ফেলেছে শহরে।

১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভা থেকে দিনহাটা ২ নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি দীপক কুমার ভট্টাচার্যকে ঠিক এরকমই কথা বলতে শোনা গিয়েছিল। এবার মাথাভাঙা নেতার মুখেও একই কথা। বিশ্বজিৎ রায়কে ওই সভায় বলতে শোনা গিয়েছে, “যারা বেইমানি করে তাদের শিক্ষা দিতে হবে। সারা বছর তৃণমূলের খেয়েদেয়ে ভোটের সময় বেইমানি করলে শক্ত হাতে দমন করতে হবে। প্রয়োজনে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধ করে দিতে হবে। এটাই আমাদের উদ্দেশ্য হবে আগামিদিনে।”

পাল্টা বিজেপির কোচবিহার জেলা সভাপতি মনোজ ঘোষ বলেন, এই প্রকল্পগুলি তো মানুষের করের টাকায়। আর এটা তো তৃণমূল দেয় না। সরকার দেয়। সরকার তো সকলের। তাই সকলেরই তা পাওয়ার অধিকারী আছে। কী করে এটা বলতে পারে? মনোজ ঘোষ বলেন, “তাহলে সরকার কাগজে লিখে দিক তৃণমূলে ভোট দিলে এই প্রকল্প পাওয়া যাবে। না হলে নয়।”

এ বিষয়ে বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, “যেমন ঝাড় তেমনই তো বাঁশ হবে। এই যে কেন্দ্রের সরকার যদি বলে যারা বিজেপিকে ভোট দেয়নি আধার কার্ড বাতিল করে দেব, ভোটার কার্ড, রেশন কার্ড বাতিল করে দেব। সেটাও যেমন শুনতে ভাল লাগে না বা সম্ভব নয়। এটাও তেমনই সম্ভব নয়।”
এর পাশাপাশি জয়ন্ত সিংয়ের বাড়ি নিয়েও মন্তব্য করতে শোনা যায় দমদমের তৃণমূল সাংসদকে। অভিযোগ উঠছে, পুকুর বুজিয়ে বেআইনি নির্মাণ করেছে জয়ন্ত। তবে কি তার বাড়ি এবার ভেঙে ফেলা হবে? সৌগত রায় বলেছেন, "এখনই এমন কিছু হবে না। বাড়ি ভাঙার আইনগত পদ্ধতি আছে।


'ভুল হয়েছে...' মদনকে পাশে নিয়ে বড় সিদ্ধান্তের কথা জানালেন সৌগত
মদন মিত্র ও সৌগত রায়


উত্তর ২৪ পরগনা: জয়ন্ত সিং…জয়ন্ত সিং… আর জয়ন্ত সিং…। বিগত বেশ কয়েকদিন ধরে এই ‘গ্যাংস্টারের’ নাম সংবাদ শিরোনামে। আড়িয়াদহে মা ছেলেকে পেটানোর অভিযোগ থেকে শুরু করে সাঁড়াশি দিয়ে নাবালকের গোপনাঙ্গ ছিঁড়ে নেওয়ার চেষ্টার মতো হাড়হিম করা ভিডিয়ো প্রকাশ্যে আসতেই হইচই পড়ে যায় রাজনীতিতে। আর সেই আগুনে ঘি পড়ে তখন, যখন দেখা যায় এই জয়ন্ত সিংয়ের সঙ্গে একই মঞ্চ শেয়ার করছেন কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রের ছেলে, তাঁর পুত্রবধূ। সেই ছবি প্রকাশ্যে আসতেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে তবে কি এই গ্যাংস্টারের সঙ্গে যোগ রয়েছে মদনের পরিবারের? কার ছত্রছায়াতেই বা এই দুষ্কৃতীর বাড়ন্ত? এমন আবহেই আজ মদনকেই পাশে বসিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন দমদমের তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। বলেন, “যা হয়েছে ভুল হয়েছে। সংশোধন করে নেওয়া হবে।”

আজ তৃণমূল নেতা-কর্মী ও এলাকার কাউন্সিলরদের সঙ্গে একপ্রস্থ বৈঠক করেন মদন-সৌগত। একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় সেখানে। পরে সাংবাদিক বৈঠক করে সে কথাই খোলাখুলি জানান সৌগত রায়। সাংসদ বলেন,”আজ আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের সঙ্গে কোনও বড় প্রোমোটার বা সমাজ বিরোধীদের সম্পর্ক থাকবে না। অতীতে যদি ভুল হয়ে থাকে আমরা সেটা সংশোধন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।” সৌগতকে এও বলতে শোনা যায়, “অতীতে হয়ত কিছু ভুল হয়েছে…তবে সব কিছুর তো সময় থাকে? উল্টো রথের দিন সিদ্ধান্ত নিলাম যা হয়েছে ভুল হয়েছে। সংশোধন করব। এরপর থেকে ভুল হবে না।”

এর পাশাপাশি জয়ন্ত সিংয়ের বাড়ি নিয়েও মন্তব্য করতে শোনা যায় দমদমের তৃণমূল সাংসদকে। অভিযোগ উঠছে, পুকুর বুজিয়ে বেআইনি নির্মাণ করেছে জয়ন্ত। তবে কি তার বাড়ি এবার ভেঙে ফেলা হবে? সৌগত রায় বলেছেন, “এখনই এমন কিছু হবে না। বাড়ি ভাঙার আইনগত পদ্ধতি আছে। সেটা শুরু হয়েছে। প্রথম পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।”

কেন্দ্রীয় হারে ডিএ প্রয়োজন। এই দাবি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারিদের একাংশ। এই নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টেরও দ্বারস্থ হন তাঁরা। পরবর্তীতে মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। সরকারি কর্মচারিদের একাংশের পাশাপাশি রাজ্য সরকারও দ্বারস্থ হয়েছে শীর্ষ আদালতের।


ফের পিছিয়ে গেল DA শুনানি, অপেক্ষা করতে হবে ডিসেম্বর পর্যন্ত
সুপ্রিম কোর্ট


নয়া দিল্লি: কেন্দ্রীয় হারে মহার্ঘ ভাতা পান না রাজ্য সরকারি কর্মচারিরা। এই দাবি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন রাজ্য সরকারি কর্মচারিদের একাংশ। সোমবার শুনানি হওয়ার কথা ছিল। তবে তা হল না। পিছিয়ে গেল ডিএ মামলার শুনানি। কোনও পক্ষই পেশ করতে পারেনি বক্তব্য। ডিসেম্বরে ফের ডিএ মামলার শুনানি।

কেন্দ্রীয় হারে ডিএ প্রয়োজন। এই দাবি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারিদের একাংশ। এই নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টেরও দ্বারস্থ হন তাঁরা। পরবর্তীতে মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। সরকারি কর্মচারিদের একাংশের পাশাপাশি রাজ্য সরকারও দ্বারস্থ হয়েছে শীর্ষ আদালতের। সেই মামলার শুনানি ছিল আজ। তবে সেই শুনানি হয়নি। জানা যাচ্ছে, ডিসেম্বরে ডিএ মামলার শুনানি হবে। ফলে ততদিন পর্যন্ত ফের প্রতীক্ষায় থাকতে হবে রাজ্য সরকারি কর্মচারিদের।

প্রসঙ্গত, ২০২২ সালে প্রথম সুপ্রিম কোর্টে ওঠে ডিএ মামলা। প্রায় দেড় বছরের বেশি সময় কেটেছে। কিন্তু পূর্ণাঙ্গ শুনানি একবারও হয়নি। যার জেরে কার্যত হতাশ লক্ষ-লক্ষ কর্মচারি। রাজ্য সরকারি কর্মীদের একাংশের অভিযোগ, ৫০ শতাংশ হারে মহার্গ ভাতা পেলেও তাঁদের এআইসিপিআই মেনে ডিএ দেওয়া হচ্ছে না। বঞ্চনার শিকার হচ্ছেন তাঁরা।

পরিবার ও হাসপাতাল সূত্রে খবর, অমিত মিত্রর শ্বাসনালী সংক্রমণের ধাঁচ রয়েছে। এবার জ্বর-সর্দি-কাশি থাকার জন্য কোনও ঝুঁকি নেননি তাঁর পরিবারের সদস্যরা। ঢাকুরিয়ার বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। চিকিৎসকরা একাধিক শারীরিক পরীক্ষা-নীরিক্ষা করেন।

করোনা আক্রান্ত অমিত মিত্র, ঢাকুরিয়ার বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি
অমিত মিত্র


কলকাতা: হাসপাতালে ভর্তি রাজ্যের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। সূত্রের খবর, করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন তিনি। বেশ কয়েকদিন ধরেই জ্বর-সর্দি-কাশি নিয়ে ভুগছিলেন তিনি। এরপর সোমবার ঢাকুরিয়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। তবে অমিতবাবুর শারীরিক অবস্থা উদ্বেগজনক নয় বলে খবর।

পরিবার ও হাসপাতাল সূত্রে খবর, অমিত মিত্রর শ্বাসনালী সংক্রমণের ধাঁচ রয়েছে। এবার জ্বর-সর্দি-কাশি থাকার জন্য কোনও ঝুঁকি নেননি তাঁর পরিবারের সদস্যরা। ঢাকুরিয়ার বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। চিকিৎসকরা একাধিক শারীরিক পরীক্ষা-নীরিক্ষা করেন। সেই সময় করোনা পরীক্ষা করা হলে কোভিড পজেটিভ ধরা পড়ে তাঁর।

হাসপাতাল সূত্রে খবর, প্রাক্তন অর্থ মন্ত্রীকে আলাদা কেবিনে রাখা হয়েছে । স্যালাইনের মাধ্যমে অ্যান্টিবডি দেওয়া হতে পারে বলে খবর। প্রসঙ্গত, দীর্ঘ একদশক ধরে রাজ্যের অর্থ দফতরের দায়িত্ব সামলেছেন অমিত মিত্র। অর্থমন্ত্রী থাকাকালীন বিভিন্ন ধরনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। তবে বয়সজনিত কারণে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে আর ভোট লড়েননি তিনি।

 মধ্য প্রদেশের ৫৫টি জেলায় 'পিএম কলেজ অব এক্সেলেন্স'-র ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ৫৫টি জেলায় আলাদা আলাদা অনুষ্ঠান হয়। গুনায় 'পিএম কলেজ অব এক্সেলেন্স'-র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পান্নালাল শাক্য।

ডিগ্রি কাজে লাগবে না, মোটর সাইকেলের লিক সারানোর দোকান খোলো', পড়ুয়াদের পরামর্শ বিজেপি বিধায়কের
প্রতীকী ছবি


গিয়েছিলেন ‘পিএম কলেজ অব এক্সেলেন্স’-র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। সেখানে গিয়ে সংসার চালাতে পড়ুয়াদের মোটর সাইকেলের লিক সারানোর দোকান খোলার পরামর্শ দিলেন এক বিজেপি বিধায়ক। মধ্য প্রদেশের গুনা বিধানসভার বিধায়ক পান্নালাল শাক্য ওই অনুষ্ঠানে পড়ুয়াদের এই পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, “ডিগ্রি অর্জন করে কোনও লাভ হবে না। সংসার চালাতে মোটর সাইকেলের লিক সারানোর দোকান খোলা উচিত পড়ুয়াদের।”

রবিবার মধ্য প্রদেশের ইন্দোরে অটল বিহারী বাজপেয়ী গভর্নমেন্টস আর্টস ও সায়েন্স কলেজে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেই অনুষ্ঠান থেকে মধ্য প্রদেশের ৫৫টি জেলায় ‘পিএম কলেজ অব এক্সেলেন্স’-র ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ৫৫টি জেলায় আলাদা আলাদা অনুষ্ঠান হয়। গুনায় ‘পিএম কলেজ অব এক্সেলেন্স’-র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পান্নালাল শাক্য।

সংবাদসংস্থা PTI জানিয়েছে, সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজেপি বিধায়ক বলেন, “এখানে একটি পিএম কলেজ অব এক্সেলেন্স উদ্বোধন করলাম আমরা। আমি একটা কথা সবাইকে মনে রাখতে বলব। এইসব কলেজ ডিগ্রি দিয়ে কিছু হবে না। তার বদলে পেট চালাতে বাইকের পাংচার সারানোর একটা দোকান খুলুন।”



এ প্রসঙ্গে সংগঠনের এক কর্তা বলেন, "একটি মুরগি বোঝাই গাড়ি পুলিশ আটক করে। বৈধ নথি থাকা সত্বেও পুলিশ গাড়ি আটকে রাখে। হেনস্থা করা হয় চালককে। টাকা চাওয়া হয়। পুলিশ যে টাকা চেয়েছিল সেই টাকা চালকের কাছে না থাকায় উনি দিতে অস্বীকার করেন।"

বৃহস্পতিবার থেকে কি বাংলায় মিলবে না মুরগির মাংস? নেওয়া হল বড় সিদ্ধান্ত
মিলবে না মুরগির মাংস?


বেলদা: এবার কি মুরগির মাংস মিলবে না? নাকি অধিক দাম দিয়ে কিনতে হবে? কারণ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ মুরগি পরিবহন। সাংবাদিক সম্মেলন করে নির্দেশিকা জারি করল ওয়েস্ট বেঙ্গল পোল্ট্রি ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন।

কেন এমন সিদ্ধান্ত?

গত ১১ই জুলাই বৃহস্পতিবার মধ্যরাত্রে একটি মুরগির গাড়ি যাচ্ছিল। অভিযোগ, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বেলদা থানা এলাকায় পুলিশের দ্বারা আক্রান্ত হয় গাড়ির চালক। তাঁর নাম সমীর ঘোষ। বাড়ি শালবনীতে। ঘটনার পর তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে বেলদা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় মেদিনীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বেলদা থানার আইসি পরে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার পুলিশ সুপার এবং নবান্নে মেল মারফত জানান অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তারা। তার এখনো উত্তর মেলেনি বলে দাবি অ্যাসোসিয়েশনের।

এ প্রসঙ্গে সংগঠনের এক কর্তা বলেন, “একটি মুরগি বোঝাই গাড়ি পুলিশ আটক করে। বৈধ নথি থাকা সত্বেও পুলিশ গাড়ি আটকে রাখে। হেনস্থা করা হয় চালককে। টাকা চাওয়া হয়। পুলিশ যে টাকা চেয়েছিল সেই টাকা চালকের কাছে না থাকায় উনি দিতে অস্বীকার করেন। চালক নিজের সাধ্য মতো পঞ্চাশ টাকা দিতে চেয়েছিলেন। আর তার জন্য কর্তব্যরত পুলিশ আধিকারিকরা ওই চালককে টর্চের পিছন দিক দিয়ে মাথায় জোরাল আঘাত করেন। রক্তাক্ত হন চালক। গালিগালাজ করা হয়।”

এরপর সোমবার সন্ধ্যায় পাঁশকুড়ার মেছোগ্রামে একটি আবাসনে বেশ কয়েকটি জেলার প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি বৈঠক হয়। সেই বৈঠক শেষে সাংবাদিক সম্মেলন করে ওয়েস্ট বেঙ্গল পোল্ট্রি ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তারা। তাঁরা ঘোষণা করেন, আগামী ১৮ জুলাই বৃহস্পতিবার মধ্যরাত্র থেকে রাজ্য জুড়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য মুরগি পরিবহন বন্ধ থাকবে।

ছানিকাণ্ডে সম্পূর্ণ দৃষ্টিশক্তি হারালেন দু'জন। বাকি ১৮ জনেরও দৃষ্টিশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত। দু'জনের দৃষ্টিশক্তি নষ্টের কথা অস্বীকার করেননি আর‌আইও ডিরেক্টর অসীম ঘোষ। একদিকে ছানিকাণ্ডে ধাক্কা, অন্যদিকে চিকিৎসক সঙ্কটে আর‌আইও। আর‌আইও'র ১২ জন চিকিৎসককে অন্যত্র বদলি করা হয়েছে।


চোখের আলো’ প্রকল্পে অন্ধকার ঘনাল চোখে! ছানিকাণ্ডে দৃষ্টি হারালেন ২ জন
ছানি কাটাতে এসে দৃষ্টি হারালেন দু'জন।


কলকাতা: স্বাস্থ্য ভবনের মুখরক্ষা হল না। চোখের আলো প্রকল্পেই দুই রোগীর চোখে ঘনিয়ে এল অন্ধকার। ছানি অপারেশনকাণ্ডে দৃষ্টিশক্তিই হারালেন দুই রোগী। তাঁদের একটি করে চোখের দৃষ্টি হারিয়েছেন তাঁরা। ছানিকাণ্ডে সম্পূর্ণ দৃষ্টিশক্তি হারালেন দু’জন। বাকি ১৮ জনেরও দৃষ্টিশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত। দু’জনের দৃষ্টিশক্তি নষ্টের কথা অস্বীকার করেননি আর‌আইও ডিরেক্টর অসীম ঘোষ। একদিকে ছানিকাণ্ডে ধাক্কা, অন্যদিকে চিকিৎসক সঙ্কটে আর‌আইও। আর‌আইও’র ১২ জন চিকিৎসককে অন্যত্র বদলি করা হয়েছে।

চক্ষু হাসপাতালের উৎকর্ষ কেন্দ্রে প্রফেসর, অ্যাসোসিয়েট, অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর পদে ২৪ জন চিকিৎসক থাকার কথা। চিকিৎসক সঙ্কটে কি উৎকর্ষ মানের পরিষেবা সম্ভব, ছানিকাণ্ডের অস্বস্তির মধ্যেই প্রশ্ন আর‌আইও কর্তৃপক্ষের।

অনেকেরই বেসরকারি হাসপাতালে গিয়ে ছানি কাটানোর সামর্থ নেই। তাঁদের জন্যই সরকার চোখের আলো প্রকল্প নিয়ে এসেছে। সেই প্রকল্পে মেটিয়াবুরুজ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ছানি কাটাতে গিয়েই চরম বিপাকে পড়েছেন।

রিজিওনাল ইনস্টিটিউট অব অবথ্যালমোলজি বা আর‌আইও ডিরেক্টর অসীম ঘোষ বলেন, “প্রায় সকলকে নিয়েই আমরা আশাবাদী। ১৪-১৫ জন তো বটেই।” অর্থাৎ সকলের ক্ষেত্রে একইরকম জোর নেই আরআইওর ডিরেক্টরের গলায়।

মেটিয়াবুরুজ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ছানি কাটানোর পর একাধিক রোগীর আত্মীয়রা দাবি করেন, সেই অস্ত্রোপচারের পরই চোখের সমস্যা দেখা দিয়েছে। সূত্রের খবর, কোনও সংক্রমণ থেকে এই ঘটনা ঘটে। স্বাস্থ্য ভবনে এ নিয়ে বৈঠক হয়। প্রশ্ন ওঠে, অপারেশন থিয়েটারের পরিকাঠামো নিয়েও। স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম এ নিয়ে রিপোর্টও চান। জানতে চান, রাজ্যের সমস্ত চোখের হাসপাতালে নির্দিষ্ট এসওপি মেনে কাজ হচ্ছে কি না। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, এই রিপোর্ট চাওয়ায় একটু দেরি হয়ে গেল না তো? যখন চোখের ছানি কাটাতে গিয়ে ২ জন দৃষ্টি হারালেন, ১৮ জন ক্ষতিগ্রস্ত, তখন নড়েচড়ে বসল স্বাস্থ্যভবন। আগে এই ফাকফোকর খুঁজে দেখা হল না কেন?

বিজেপি নেতা সজল ঘোষের কথায়, “সরকার ভুল বোঝাচ্ছে। এই যে বলছে ২ জনের সমস্যা আর ১৮ জনের দৃষ্টিশক্তি ফিরেছে। এটা একদমই ঠিক নয়। খোঁজ নিয়ে দেখবেন হয়ত ১৮ জনও একইভাবে ক্ষতির মুখে। সরকার মিসগাইড করছে। আমি এই সেট-আপটা বুঝি। এই ইনফেকশনে চোখ গেলে চোখ ফেরানো মুশকিল। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা।”

যদিও তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বলেন, “চক্ষু বিশেষজ্ঞদের দেখা উচিত কেন হল। রাজনীতি দিয়ে নয়। এর জন্য স্বাস্থ্য পরিকাঠামো ভেঙে পড়েছে। এটা ঠিক না।”

নবান্ন সূত্রে খবর, শ্রম দফতরের নতুন সচিব করা হয়েছে অবনীন্দ্র সিং-কে। তিনি শ্রম দফতরের পাশাপাশি বর্ধমান ডিভিশনের ডিভিশনাল কমিশনারের দায়িত্বও সামলাবেন। আবার বর্তমান শ্রম সচিব বরুণ রায় অপ্রচলিত ও পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি দফতরের অতিরিক্ত মুখ্য সচিব হলেন।


প্রশাসনের উচ্চ-পর্যায়ে বড় রদবদল করল নবান্ন, কে কোন দায়িত্ব পেলেন?
নবান্ন


কলকাতা: রাজ্য প্রশাসনের উচ্চ-পর্যায়ে রদবদল নবান্নর। একাধিক আধিকারিক পেলেন অতিরিক্ত দায়িত্ব। তার মধ্যে যেমন রয়েছেন আইপিএস রাজেশ কুমার, তেমনই রয়েছেন পরিবেশ সচিব রোশনি সেন।নবান্ন সূত্রে খবর, শ্রম দফতরের নতুন সচিব করা হয়েছে অবনীন্দ্র সিং-কে। তিনি শ্রম দফতরের পাশাপাশি বর্ধমান ডিভিশনের ডিভিশনাল কমিশনারের দায়িত্বও সামলাবেন। আবার বর্তমান শ্রম সচিব বরুণ রায় অপ্রচলিত ও পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি দফতরের অতিরিক্ত মুখ্য সচিব হলেন।

নতুন পরিবেশ সচিব হচ্ছেন আইপিএস রাজেশ কুমার। তিনি দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের সদস্য সচিবের পদও সামলাবেন। বর্তমান পরিবেশ সচিব রোশনি সেন এবার মৎস্য দফতরের অতিরিক্ত মুখ্যসচিবের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ শিল্প উন্নয়ন নিগমের চেয়ারম্যান এবং এমডি পদের দায়িত্ব সামলাবেন।

ছোটেন লামা আদিবাসী উন্নয়ন দফতরের পাশাপাশি এখন থেকে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের প্রধান সচিবের দায়িত্বেও থাকবেন। কর্মিবর্গ ও প্রশাসনিক সংস্কার দফতরের নতুন সচিব হলেন জগদীশপ্রসাদ মিনা। এই দফতরের পাশাপাশি তিনি সংশোধনাগার দফতর এবং প্রেসিডেন্সি ডিভিশনের ডিভিশনাল কমিশনারের দায়িত্বও সামলাবেন। ‌কর্মিবর্গ ও প্রশাসনিক সংস্কার দফতরের বর্তমান সচিব প্রভাত কুমার মিশ্র সেচ দফতর দেখবেন। ‌‌সংখ্যালঘু উন্নয়ন ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের নতুন সচিব হলেন গুলাম আলি আনসারি। মালদা ডিভিশনের অতিরিক্ত কমিশনারের দায়িত্বও তিনি সামলাবেন।

রবিবার স্থানীয় একটি পুজোর বিসর্জন দেখতে গিয়েছিল ওই কিশোরী। মেয়েটি ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ত। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, রাত্রি দশটা বেজে যাওয়ার পরও বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করে। সারারাত খুঁজে না পাওয়ায় সোমবার সকালে কিশোরীর বাবা জয়পুর থানায় অভিযোগ করে।

মা রে বাড়ি চল...', মায়ের ডাক ফিরিয়েছিল মেয়ে, বিসর্জনের রাতেই নারকীয় ঘটনার শিকার
হাওড়ায় হাড়হিম ঘটনা


হাওড়া: কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ। শুধু তাই নয়, তারপর খুন। দেহ লোপাটের জন্য় খোঁড়া হল মাটি। অতঃপর দেহটি পুঁতে তার উপর মাটি চাপা দিয়ে প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা। শিউরে ওঠার মতো এমনই ঘটনা ঘটেছে হাওড়ার জয়পুর থানা এলাকায়। গ্রেফতার অভিযুক্ত প্রতিবেশী যুবক।

পরিবার সূত্রে খবর, রবিবার স্থানীয় একটি পুজোর বিসর্জন দেখতে গিয়েছিল ওই কিশোরী। মেয়েটি ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ত। রাত্রি দশটা বেজে যাওয়ার পরও বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করে। সারারাত খুঁজে না পাওয়ায় সোমবার সকালে কিশোরীর বাবা জয়পুর থানায় অভিযোগ করেন। এরপরই পুলিশ তদন্ত নামে। ছাত্রীর বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে প্রতিবেশী সন্দেহভাজন বছর বাইশের এক যুবককে আটক করা হয়। পরে পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে পারে, নাবালিকাকে শ্বাসরোধ করে খুন করে একটি জমির মধ্যে মাটি চাপা দিয়েছে সে। এরপর জয়পুর থানার পুলিশ গিয়ে ছাত্রীর দেহ উদ্ধার করে। পরে পুলিশ ওই যুবককে গ্রেফতার করে।

নির্যাতিতার মা বলেন, “মেয়ে বলেছিল পুজো দেখতে যাচ্ছি। রাত্রি আটটা নাগাদ আমি ডাকতে গিয়ে বললাম বাড়ি চল মা। ও বলল যাব না। ঠাকুর ভাসান গেলে যাব। এরপর ফের রাত্রি দশটা নাগাদ ওইখানে গিয়ে আর মেয়েকে দেখতে পাইনি।” নির্যাতিতার বাবা বলেন, “মেয়েকে খুঁজে পাইনি। পুলিশকে জানাই। এরপর থানায় ডেকে পাঠাল আমায়। ডায়রি করি। পরে বড় সাহেব জানাল খবরটা।”

বস্তুত, ২০১৬ সালের স্কুল সার্ভিস কমিশনের পুরো প্যানেল বাতিল করা হয়। বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি শব্বর রশিদির ডিভিশন বেঞ্চ ওই প্যানেল বাতিলের নির্দেশ দেয়। দেখা যায়, গ্রুপ সি, গ্রুপ ডি, নবম-দশম ও একাদশ-দ্বাদশের মোট ২৫ হাজার ৭৫৩ জনের চাকরি বাতিল হয়।


চাকরি থাকবে ২৫ হাজারের বেশি শিক্ষাকর্মীর? সুপ্রিম শুনানি মঙ্গলবার
প্রতীকী ছবি

 বাতিল মামলার শুনানি মঙ্গলবার। ২৫ হাজারের বেশি শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর আদৌ কি চাকরি থাকবে ? সেই উত্তর মিলবে আগামিকাল। কারণ, সুপ্রিম কোর্টে শুনানি রয়েছে চাকরি বাতিল মামলার। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে চাকরি বাতিল হয় ২৫ হাজারের বেশি শিক্ষাকর্মীর।


বস্তুত, ২০১৬ সালের স্কুল সার্ভিস কমিশনের পুরো প্যানেল বাতিল করা হয়। বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি শব্বর রশিদির ডিভিশন বেঞ্চ ওই প্যানেল বাতিলের নির্দেশ দেয়। দেখা যায়, গ্রুপ সি, গ্রুপ ডি, নবম-দশম ও একাদশ-দ্বাদশের মোট ২৫ হাজার ৭৫৩ জনের চাকরি বাতিল হয়। এরপর রাজ্য সরকার ও এসএসসি এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়। এসএসসি-র দাবি, কতজনের চাকরি অবৈধভাবে হয়েছে, তার একটা হিসেব তারা দিয়েছিল হাইকোর্টে। তারপরও কেন পুরো প্যানেল বাতিল করা হল? এই প্রশ্ন তোলে তারা।দেশের শীর্ষ আদালতের নির্দেশে এই রায়ে স্থগিতাদেশ পড়ে।


তবে আদৌ কি এই ২৫ হাজারের চাকরি বহাল থাকবে? কারণ, অভিযোগ উঠছে অনিয়মের। আর সেই মামলার শুনানি রয়েছে আগামিকাল। আদৌ এই ২৫ হাজারের চাকরি বহাল থাকবে? নাকি কিছু জনের চাকরি বেঁচে যাবে? মঙ্গলবারই মিলতে চলছে সব প্রশ্নের উত্তর।

মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পাওয়া ডোনাল্ড ট্রম্পের প্রতি তাদের ভালবাসা প্রকাশ করেছেন ট্রাম্পের সন্তানরা। কিন্তু মেলানিয়া ট্রাম্পের পক্ষ থেকে কোনও বার্তা আসেনি। বস্তুত, হোয়াইট হাউসে দ্বিতীয়বার প্রবেশের ইচ্ছেয়, ট্রাম্প বর্তমানে যে নির্বাচনী প্রচার চালাচ্ছেন, তার কোথাও মেলানিয়াকে দেখা যায়নি। কোথায় গেলেন মার্কিুন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন ফার্স্ট লেডি?
স্বামীর উপর প্রাণঘাতী হামলা, কোথায় মেলানিয়া ট্রাম্প?
মেলানিয়া ও ডোনাল্ড ট্রাম্প

ওয়াশিংটন: পেনসিলভানিয়ায় নির্বাচনী সমাবেশ হত্যার চেষ্টা রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। অল্পের জন্য বেঁচে গিয়েছেন তিনি। রবিবার (১৪ জুলাই), ট্রাম্পের উপর এই হামলার পর, সারা বিশ্বের রাষ্ট্রনেতারা এবং ট্রাম্পের সন্তানরা বেশ কিছু বার্তা পাঠিয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রাম্পের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন। কিন্তু, এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি তাঁর স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্প। মৃত্যু হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার ট্রম্পের প্রতি তাদের ভালবাসা প্রকাশ করেছেন ট্রাম্পের সন্তানরা। কিন্তু মেলানিয়া ট্রাম্পের পক্ষ থেকে কোনও বার্তা আসেনি।

বস্তুত, হোয়াইট হাউসে দ্বিতীয়বার প্রবেশের ইচ্ছেয়, ট্রাম্প বর্তমানে যে নির্বাচনী প্রচার চালাচ্ছেন, তার কোথাও মেলানিয়াকে দেখা যায়নি। প্রচারের আলো থেকে সাত হাত দূরে আছেন তিনি। প্রকাশ্যে তাঁকে দেখাই যাচ্ছে না। এর মধ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্প সুপার টিউসডে ভিক্ট্রি পার্টি দিয়েছেন। গত মাসে তার ৭৮তম জন্মদিন ছিল। সেই উপলক্ষ্যেও পার্টি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু এই সকল গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে দেখা যায়নি মেলানিয়া ট্রাম্পকে। এমনকি, নিউইয়র্কে এক মাস ধরে অর্থের বিনিময়ে মুখ বন্ধ রাখার মামলার বিচার চলাকালীনও রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থীর সঙ্গে দেখা যায়নি মেলানিয়াকে। আজ, পেনসিলভানিয়ার সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন না তিনি। ট্রাম্পের উপর প্রাণঘাতী হামলা হওয়ার পরও তাঁর কাছ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া আসেনি।

কোথায় গেলেন মার্কিুন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন ফার্স্ট লেডি? শোনা যাচ্ছে, বেশিরভাগ সময় তিনি হয় ফ্লোরিডার পাম বিচে বা নিউ ইয়র্ক সিটির মার-এ-লাগোতে আছেন। তাঁর ছেলে ব্যারন, নিউ ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবেন। তাঁর সঙ্গেই আছেন মেলানিয়া বলে মনে করা হচ্ছে। সংবাদ সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহে মিলওয়াকিতে রিপাবলিকান পার্টির ন্যাশনাল কনভেনশন রয়েছে। সেখানে যোগ দিতে পারেন আমেরিকার প্রাক্তন ফার্স্ট লেডি, মেলানিয়া। মেলানিয়া কোনও বার্তা না দিলেও, ট্রাম্পের চার সন্তানই তাদের বাবার পাশে দাঁড়িয়েছে। নিজ নিজ সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে বাবার পাশে থাকার বার্তা দিয়েছে।

মেলানিয়াকে যখন ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাশে দেখা যাচ্ছে না, সেই সময় তাঁর পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন ট্রাম্পের প্রাক্তন স্ত্রী, মার্লা মেপলস। ট্রাম্পের প্রচারে তিনি সহায়তা করতে চেয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি ট্রাম্পের ভাইস প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগ্রহও দেখিয়েছেন। ১৯৯৩ সালে ট্রাম্পের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল তাঁর। দুজনের এক মেয়েও আছে, টিফানি। ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত টিকেছিল ট্রাম্পের এই বিয়ে। ২০ লক্ষ ডলারের বিনিময়ে ট্রাম্পকে বিবাহ বিচ্ছেদ দিয়েছিলেন তিনি। ট্রাম্পেক ২০১৬ সালের প্রচারের সময়, ৬০ বছর বয়সী প্রাক্তন অভিনেত্রীকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি।

বস্তুত, গতকাল দলের সব নেতা-কর্মী ক্ষোভ বিক্ষোভ শোনেন সুকান্ত-দিলীপ। কার্যত করজোড়ে তিনি কর্মীদের আবেদন করেন একসঙ্গে মিলেমিশে কাজ করার। উদাহরণ হিসাবে সুকান্ত তুলে ধরেন দিলীপ ঘোষের সময়কার উদাহরণ।

 'দিলীপদাকেই রাজ্য সভাপতি করতে হবে', সুকান্তর সামনেই চিৎকার BJP কর্মীর, হাত উঠিয়ে পাল্টা রাজ্য সভাপতি বললেন...
মঞ্চে দিলীপ-সুকান্ত


খড়গপুর: পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়গপুরে শনিবার বিজেপি-র কার্যকর্তাদের নিয়ে তখন মিটিং চলছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও মেদিনীপুরের প্রাক্তন সাংসদ দিলীপ ঘোষ। মিটিং সেই সময় একদম শেষের মুখে। হঠাৎ করেই একজন বিজেপি কর্মী বলেন উঠলেন, ‘দিলীপদাকে রাজ্যসভাপতি করতে হবে…।’

বস্তুত, গতকাল দলের সব নেতা-কর্মী ক্ষোভ বিক্ষোভ শোনেন সুকান্ত-দিলীপ। কার্যত করজোড়ে তিনি কর্মীদের আবেদন করেন একসঙ্গে মিলেমিশে কাজ করার। উদাহরণ হিসাবে সুকান্ত তুলে ধরেন দিলীপ ঘোষের সময়কার উদাহরণ। সভা শেষ হতেই আচমকা দেখা যায় এক কর্মী বলে বসেন, ‘দিলীপদাকে রাজ্যসভাপতি করতে হবে…দিলীপদাকে রাজ্যসভাপতি করতে হবে…তবেই বাংলার সিংহাসন আমরা পাব।’ এরপর সুকান্ত হাত দেখিয়ে ওই কর্মীকে থামিয়ে আশ্বাস দেন। বলেন, ‘করে দেব…।’

উল্লেখ্য, চলতি বছরের লোকসভা নির্বাচনে মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে দিলীপ ঘোষকে সরিয়ে বর্ধমান-দুর্গাপুর কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়। তৃণমূলের কীর্তি আজাদের কাছে পরাজিত হন তিনি। যা কার্যত মেনে নিতে পারেনি খোদ সুকান্ত মজুমদার থেকে শুরু করে শুভেন্দু অধিকারীদের মতো বিজেপির তাবড় নেতৃত্ব। সুকান্ত নিজেও বলেন, ‘দিলীপদার কেন্দ্র বদলের সিদ্ধান্ত হয়ত ঠিক হয়নি…’ একা দিলীপের পরাজয় নয়, চব্বিশের ভোটে রেজাল্টও ভাল করেনি পদ্ম-শিবিরের। আসন সংখ্যা কমেছে তাঁদের। ২০১৯-এ দিলীপ ঘোষ রাজ্য সভাপতি থাকাকালীন বিজেপি পেয়েছিল ১৮জন সাংসদকে। সেখানে এবার আসন হারানোয় কার্যত প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় রাজ্য সভাপতি সুকান্তকে। কানাঘুষো এও উঠে আসে দিলীপ ঘোষ থাকলে হয়ত রেজাল্ট আরও ভাল হত। তবে সুকান্তকে বারবার বলতে শোনা গিয়েছে, ‘আমি রাজ্য সভাপতি। খারাপ ফলের দায় তো আমাকেই নিতে হবে…।’ এই আবহে আচমকা কর্মীদের এমন দাবি পদ্ম শিবিরকে অস্বস্তিতে ফেলল কি না তার উত্তর যদিও মেলেনি।

পরিবারের বক্তব্য, ছোট থেকেই মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন সুপর্ণা শীল। প্রায় প্রতিদিনই তিনি ভোর সাড়ে তিনটা নাগাদ বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতেন। যেমনটা বেরিয়েছিলেন ১১ তারিখ। আবার ঠিক সময়মতো বাড়িও ফিরে আসতেন।


প্রায়ই বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেত, ফিরেও আসত, কিন্তু…’, কাশী বোসে উদ্ধার হওয়া মহিলার দেহ চিনতে পেরেই আক্ষেপ পরিবারের
শোকের ছায়া পরিবারে


কলকাতা: হঠাৎ মাটি খুঁড়তেই উঠে এসেছিল মহিলার পচা গলা দেহ। শনিবার বিকালে এ ঘটনায় রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছিল কাশী বোস লেনে। যদিও তাঁর মৃত্যু নিয়ে শুরু থেকেই ঘনাচ্ছিল রহস্য। জানা যায়নি পরিচয়ও। অবশেষে এদিন সকালে সামনে আসে পরিচয়। পুলিশ সূত্রে খবর, ওই মহিলার নাম সুপর্ণা শীল। শ্যামপুকুর এলাকার বাসিন্দা ৪৫ বছরের ওই মহিলা মানসিক সমস্যাগ্রস্থ ছিলেন বলেও জানা যাচ্ছে। 

পরিবারের বক্তব্য, ছোট থেকেই মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন সুপর্ণা শীল। প্রায় প্রতিদিনই তিনি ভোর সাড়ে তিনটা নাগাদ বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতেন। যেমনটা বেরিয়েছিলেন ১১ তারিখ। আবার ঠিক সময়মতো বাড়িও ফিরে আসতেন। তবে এবারে ফিরে না আসায় পরিবারের তরফ থেকে প্রাথমিকভাবে খোঁজাখুঁজি শুরু হলেও অতটা গা করেনি পরিবারের লোকজন। কারণ সুপর্ণা শীল যেখানেই যেতেন ঠিক ফিরে আসতেন দাবি পরিবারের। এবারেও ভেবেছিলেন তেমনটাই হবে। কিন্তু, কে জানতো আর হবে না বাড়ি ফেরা। 

পরিবারের এক মহিলা বলছেন, “ওরকম তো মাঝেমাঝেই হয়। বাড়ি থেকে চলে যায়। আবার চলে আসে। এবার যে ফিরবে না কী করে জানব। আমরা ১১ তারিখের পর থেকেই খোঁজ করছিলাম। কিন্তু পাইনি। শনিবার বিকালে কাশী বোস লেনে দেহ উদ্ধারের পরেই আমরা থানায় যাই। পুলিশকে সবটা খুলে বলি। তারপর তো দেহ দেখে আমরা চিনতে পারি।”

আর এক সদস্য বলছেন, “রাত সাড়ে তিনটে থেকে ৪টে নাগাদ প্রায়ই বাড়ি থেকে বের হতেই। এরকম ঘটনা আগেও হয়েছে তিন থেকে চার বার। দু থেকে তিনদিন পর্যন্ত বাড়িতে ছিলেন না। তারপর ফের ফিরে আসে। একটা নির্দিষ্ট এলাকার মধ্যে ঘোরাফেরা করে। কিন্তু এবার যে আসবে না আর সেটা বুঝতে পারিনি।”    


পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুর ১ নম্বর ব্লকের সুলতাননগর জ্যোত গৌরাঙ্গ সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতির ৩১ টি আসনে আজ ছিল নির্বাচন। বেলা গড়াতেই ছাপ্পা ভোট ঘিরে তুমুল উত্তেজনা তৈরি হয়। এলাকার বাসিন্দাদের দাবি, জটাধরপুর বুথে হঠাৎই দেখা যায় বেশ কিছু বহিরাগত ভোট দিতে ঢুকছে।

সমবায় ভোটেও ছাপ্পা? ধস্তাধস্তি, মারধর, ঝরল রক্ত
ঝরল রক্ত


দাসপুর: সমবায় নির্বাচনেও উত্তেজনা। বহিরাগতদের এনে ছাপ্পা দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, সমবায় মঞ্চ বাঁচাও কমিটির এক কর্মীর মাথা ফাটানোর অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। নামল র‌্যাফ ও পুলিশ।

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুর ১ নম্বর ব্লকের সুলতাননগর জ্যোত গৌরাঙ্গ সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতির ৩১ টি আসনে আজ ছিল নির্বাচন। বেলা গড়াতেই ছাপ্পা ভোট ঘিরে তুমুল উত্তেজনা তৈরি হয়। এলাকার বাসিন্দাদের দাবি, জটাধরপুর বুথে হঠাৎই দেখা যায় বেশ কিছু বহিরাগত ভোট দিতে ঢুকছে। সেই সময় এলাকার মানুষজন বহিরাগতদেরকে আটকায়। তারপরই শুরু হয় পুলিশের সাথে তুমুল উত্তেজনা। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, পুলিশ থাকা ক্ষেত্রেও কেন এভাবে বহিরাগতরা ছাপ্পা ভোট দিতে আসবে।

এরপর পুলিশের সামনেই চলে তুমুল ধস্তাধস্তি। ফাটল এক ব্যক্তির মাথা। শুধু তাই নয়, একজনকে তোলা হয় পুলিশ ভ্যানেও। স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “প্রশাসন দাঁড়িয়েছিল। কোনও কাজ করছে না। তিরিশটা ভোট ছাপ্পা মেরেছে।” ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের সভাপতি আশিস হুদাইত বলেন, “এগুলো সব অপপ্রচার। শান্তিপূর্ণ ভোট হয়েছে। এর বেশি আর কিছু বলব না।”



তৃণমূলের ব্লক সভাপতি মুখে লক্ষ্মীর ভান্ডারের নাম কাটার কথা শুনেই শোরগোল কোচবিহার জেলার রাজনৈতিক মহলে। যদিও তাঁর বক্তব্যকে বিকৃতভাবে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে বলেই দাবি তৃণমূলের ওই ব্লক সভাপতির।


'লক্ষ্মীর ভান্ডার পেয়েও যাঁরা ভোট দেননি, নাম বাদ...', বড় কথায় চরম রাজনৈতিক শোরগোল
লক্ষ্মীর ভান্ডার নিয়ে বিতর্ক

কোচবিহার: লক্ষ্মীর ভান্ডার পেয়েও ভোট দেননি যাঁরা, তাঁদের নাম কেটে দেওয়া হবে। এমনই হুঁশিয়ারি দিয়ে বিতর্কে তৃণমূলের ব্লক সভাপতি। ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভা থেকে বললেন দিনহাটা ২ নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি দীপক কুমার ভট্টাচার্য। তৃণমূলের ব্লক সভাপতি মুখে লক্ষ্মীর ভান্ডারের নাম কাটার কথা শুনেই শোরগোল কোচবিহার জেলার রাজনৈতিক মহলে। যদিও তাঁর বক্তব্যকে বিকৃতভাবে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে বলেই দাবি তৃণমূলের ওই ব্লক সভাপতির।

তৃণমূল নেতা ঠিক কী বলেছেন?

দিনহাটা ২ নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি দীপক কুমার ভট্টাচার্য বলেন, “এত কিছু পাওয়ার পরেও, লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা পাওয়ার পরেও তৃণমূল কংগ্রেসকে ভোট না দিয়ে বিজেপিকে ভোট দিয়েছে, অন্ততপক্ষে আমাদের কিছু জনের নাম লক্ষ্মীর ভান্ডার থেকে কেটে দেওয়া দরকার আছে। যে টাকাটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিচ্ছে, যে টাকাটা তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকার দিচ্ছে, সেটা নরেন্দ্র মোদীর টাকা নয়। তৃণমূল সরকারের টাকা।”

বিষয়টি নিয়ে শোরগোল রাজনৈতিক মহলে। বিজেপি নেতা বিরাজ বসু বলেন, “বিচারকের আসনে বসে বিরোধী দল করলেই তাঁকে লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা দেওয়া যাবে না। রেশন নিতে দেওয়া যাবে না। সরকারি বিভিন্ন যে প্রকল্প রয়েছে, তার সুবিধা দেওয়া যাবে না, এটাই তৃণমূলী কালচার।” প্রসঙ্গত, লক্ষ্মীর ভান্ডার নিয়ে নতুন কিছু বলার নেই। এই প্রকল্পের আওতায় প্রথম দিকে সাধারণ শ্রেণীর মহিলাদের প্রতি মাসে ৫০০ টাকা এবং তপশিলি জাতি ও উপজাতি শ্রেণীর মহিলাদের প্রতি মাসে ১০০০ টাকা করে দেওয়া হতো। বর্তমানে টাকার পরিমাণ বৃদ্ধি করে করা হয়েছে যথাক্রমে ১০০০ টাকা ও ১২০০ টাকা। আর এই ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’ই বাংলার রাজনীতির একটি কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। কোচবিহার আসনে ৩৯,২৫০ ভোটে বিজেপি প্রার্থী নিশীথকে হারিয়ে দেন তৃণমূল প্রার্থী জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া। তারপরও তৃণমূল নেতাদের একাংশের মতে, কিছু ভোট বিজেপিতে গিয়েছে। আর তাতেই এহেন মন্তব্য।

এ মাসেই শ্রীলঙ্কা সফরে যাবে ভারতীয় টিম। তার জন্য এখনও ভারতীয় টিম ঘোষণা হয়নি। শীঘ্রই লঙ্কা সফরের দল বাছাই হবে। তার আগে হঠাৎ করেই রিঙ্কু সিংকে ঘিরে আশঙ্কা। শ্রীলঙ্কার বিমান আলিগড়ের ছেলের ধরা হবে তো? প্রশ্ন তৈরি হয়েছে অনুরাগীদের মনে।
 

শীঘ্রই শ্রীলঙ্কার দল বাছাই, হঠাৎই রিঙ্কু সিংকে ঘিরে আশঙ্কা!

শীঘ্রই শ্রীলঙ্কার দল বাছাই, হঠাৎই রিঙ্কু সিংকে ঘিরে আশঙ্কা!


কলকাতা: ফিল্ডিংয়ে তিনি জান প্রাণ লড়িয়ে দেন। তিনি থাকা মানে দলও থাকে অনেকটাই স্বস্তিতে। হারারেতে তাঁর দুরন্ত ফিল্ডিং দেখাও গিয়েছে। ক্যাচ হোক বা ফিল্ডিং রিঙ্কু সিং (Rinku Singh) বরাবর নিজের ১০০% দেওয়ার চেষ্টাটাই করেন। সেই রিঙ্কুকে দেখা গিয়েছিল চতুর্থ ম্যাচে ফিল্ডিং মিস করেছেন। ৩ খানা ক্যাচ নিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি ফিল্ডিং মিস করছেন, এমন দৃশ্য যেন তাঁর অনুরাগীদের হজম করতেও সমস্যা হয়। তাই তিনি ফের ট্রেন্ডিংয়ে। সিরিজের পঞ্চম ম্যাচেও রিঙ্কুকে নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। ম্যাচ চলাকালীন হঠাৎ করেই তাঁকে অস্বস্তিতে দেখা যায়। খুঁড়িয়ে হাঁটছিলেন তিনি। তাই অনুরাগীদের মনে প্রশ্ন জেগেছে রিঙ্কু ঠিক আছেন তো?

রিঙ্কু সিংকে নিয়ে কেন আশঙ্কা? বিষয়টা পরিষ্কার করা যাক। আসলে জিম্বাবোয়ের ইনিংসের ১১.৫ ওভার চলাকালীন টেলিভিশন ক্যামেরা প্যান হতেই দেখা যায় রিঙ্কু সিংকে। তিনি খুঁড়িয়ে হাঁটছিলেন। দীর্ঘক্ষণ ধরে টেলিভিশন ক্যামেরা তাঁকেই ফোকাসে রেখেছিল। খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে বাউন্ডারি লাইনের কাছে যান রিঙ্কু।

এরপর দেখা যায় ১২.১ ওভারের সময় রিঙ্কু সিং সাইডলাইনে চলে যান। তাঁর কাছে আসেন ভারতের ফিজিয়ো। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা হয় তাঁর। ফিজিয়ো তাঁকে ম্যাজিক স্প্রে দিয়ে দেন। অনুমান করা হচ্ছে ডান হাঁটুর পেশিতে হয়তো তাঁর টান লেগেছিল। গরমের কারণে যেটা অনেকেরই হয়ে থাকে। সেই সময় রিঙ্কুর চোখে মুখে অস্বস্তির ছাপ ফুটে উঠছিল।


একটু বিরতি নিয়েই তিনি মাঠে ফেরেন। ফিল্ডিংও চালিয়ে যান তিনি। ফলে বোঝা যাচ্ছে রিঙ্কুর সেই অর্থে চোট নিশ্চিত ভাবে হয়নি। ফলে তাঁকে শ্রীলঙ্কা সফরের জন্য ভাবনায় রাখতেই পারে অজিত আগরকরের নির্বাচক কমিটি। উল্লেখ্য, জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে সিরিজের শেষ টি-২০ ম্যাচে ৯ বলে ১১ অপরাজিত ১১ করেন রিঙ্কু সিং।

শুভ তিথি মেনে দুপুর ১টা ২৮ মিনিটে পুরী মন্দিরের ভিতরে অবস্থিত রত্ন ভাণ্ডারের দরজা খোলা হয়। এই খবর পেয়েই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন মাঝি। 


৪৬ বছর পর খুলল পুরীর রত্ন ভাণ্ডারের দরজা, কী বের হল ভিতর থেকে?
ফাইল চিত্র


ভুবনেশ্বর: অপেক্ষার অবসান হল অবশেষে। খুলল পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের রত্ন ভাণ্ডারের দরজা (Puri Jagannath Temple Ratna Bhandar)। ৪৬ বছর পর আজ, রবিবার খুলল রত্ন ভাণ্ডারের দরজা। শুভ তিথি মেনে দুপুর ১টা ২৮ মিনিটে পুরী মন্দিরের ভিতরে অবস্থিত রত্ন ভাণ্ডারের দরজা খোলা হয়। এই খবর পেয়েই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন মাঝি।

আদালতের নির্দেশের পরও, বিভিন্ন টানাপোড়েনের কারণে খোলা যাচ্ছিল না পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের রত্ন ভাণ্ডারের দরজা। সম্প্রতিই রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়, ১৪ জুলাই রত্ন ভাণ্ডারের দরজা খোলা হবে। রত্ন ভাণ্ডারের ভিতরে কী কী রয়েছে, তা পরীক্ষা করার জন্য ১১ সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি তৈরি করা হয়েছে। এই ১১ সদস্যই রত্ন ভাণ্ডারের ভিতরে প্রবেশ করেছেন।

এই ১১ সদস্যের টিমে রয়েছেন ওড়িশা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি বিশ্বনাথ রথ, শ্রী জগন্নাথ মন্দিরের মুখ্য প্রশাসক অরবিন্দ পাধি, এএসআই সুপারিন্টেন্ডেন্ট ডিবি গদানায়ক ও পুরীর গজপতি মহারাজার পরিবারের এক সদস্য।


রত্ন ভাণ্ডারের চারপাশ ঘিরে ফেলা হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরায়। পুরী মন্দির সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য় অনুযায়ী, রত্ন ভাণ্ডারের বাইরের চেম্বারটি খোলা হয়েছে। আনা হয়েছে বিশেষ বাক্স। জগন্নাথ দেব, বলরাম দেব ও সুভদ্রা দেবীর যে গহনা-গাটি রয়েছে, তা ওই বাক্সে ভরে আপাতত অস্থায়ী স্ট্রং রুমে সরিয়ে রাখা হবে। এই স্ট্রং রুমে বাইরের কেউ ঢুকতে পারবেন না। নিরাপত্তার জন্য মন্দিরের বাইরেও মোতায়েন করা হয়েছে র‌্য়াফ।


জানা গিয়েছে, আজ শুধু রত্ন ভাণ্ডারের পরীক্ষা করা হবে। আগামিকাল রত্ন ভাণ্ডারের ভিতরের কুঠুরি খোলার চেষ্টা করা হবে। তারপরই জানা যাবে, রত্ন ভাণ্ডারের ভিতরে কী কী রয়েছে। এত বছর ধরে রত্ন ভাণ্ডার ঘিরে যে রহস্য় তৈরি হয়েছে, তারও উদঘাটন হবে।

মুখ্যমন্ত্রী মোহন মাঝি এক্স হ্যান্ডেলে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। তিনি জগন্নাথ দেবের কাছে আশীর্বাদ প্রার্থনাও করেছেন। বলেছেন যে রত্ন ভাণ্ডার খোলার সৎ উদ্দেশ্য সফল হবে।



মালদহে ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি নিয়ে কর্মী বৈঠক করেন ফিরহাদ হাকিম। সেখান থেকেই তিনি বলেন, "এমনিতেই পর পর হার। মাটির তলায় মাটিটাও নেই। প্রেসের দয়ায় বেঁচে আছে।" ছাড়েননি কুণাল ঘোষও। কুণাল বলেন, "লোক নেই জন নেই। নির্বাচনে বারবার পরাজয়, বলছে নবান্নে যাব। মনের মধ্যে কী চলছে, বলা খুব কঠিন।"


দু'কান কাটা হলে নির্লজ্জের মতোই...', শুভেন্দুদের একযোগে খোঁচা ববি-কুণালের
শুভেন্দুকে একযোগে বিঁধলেন কুণাল ও ফিরহাদ।

 একের পর এক নির্বাচনে জোরাল ধাক্কা বিজেপির। এবার গা ঝাড়া দিয়ে নামছে ময়দানে। ২১ জুলাই ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ পালন করছে তারা। শুভেন্দু অধিকারীরা সাংবাদিক সম্মেলন করে রবিবার জানিয়ে দেন, টানা কর্মসূচি হবে তাঁদের। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ফিরহাদ হাকিমের কুশপুতুলও দাহ করা হবে বলে জানান তাঁরা। যদিও এর পাল্টা ফিরহাদ হাকিমের খোঁচা, ‘মানুষের এক কান কাটা হলে দেওয়াল ধরে যায়। দু’ কান কাটা হলে নির্লজ্জের মতো ঘুরে বেড়ায়।’ ছাড়েননি কুণাল ঘোষও। বলেন, নিজেদের জেতা সিটগুলোতেও হেরেছে। নবান্নে হয়ত যেতে চাইছেন।

মালদহে ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি নিয়ে কর্মী বৈঠক করেন ফিরহাদ হাকিম। সেখান থেকেই তিনি বলেন, “এমনিতেই পর পর হার। পায়ের তলায় মাটিটাও নেই। প্রেসের দয়ায় বেঁচে আছে।” ছাড়েননি কুণাল ঘোষও। কুণাল বলেন, “লোক নেই জন নেই। নির্বাচনে বারবার পরাজয়, বলছে নবান্নে যাব। মনের মধ্যে কী চলছে, বলা খুব কঠিন।”

প্রসঙ্গত, রবিবার ঘোষণা করা হয়, ১৮ জুলাই নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারী মিছিল করবেন। ২১ জুলাই বিজেপি ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ পালন করবে বলে জানান শুভেন্দু অধিকারী। ঠিক তার পরদিন ২২ জুলাই সিইএসসি ঘেরাও করা হবে। নবান্ন অভিযানের প্রস্তাবও তাঁরা দলকে দেবে বলে জানান।

এ দিন, রাজভবনের সামনে প্রতিবাদ সভা থেকে শুভেন্দু বলেন, "আমি আমার নির্বাচন কেন্দ্রে গণ আন্দোলনের ডাক দিয়েছি। আলু এবং সমস্ত জিনিসের আকাশ ছোঁয়া মূল্য বৃদ্ধি, বিদ্যুতের দাম বাড়ানো, জমি-কেনাবেচার দুই শতাংশ সেস বাড়ানো, পেট্রল-ডিজেলের দাম ১ টাকা করে বাড়ানোর প্রতিবাদে সবাইকে পথে নামার ডাক দিচ্ছি।"

তৃণমূলের ২১ শে জুলাইয়ের দিনে পাল্টা চাল বিজেপি-র, বড় আন্দোলনে নামছেন শুভেন্দুরা
নতুন কর্মসূচি ঘোষণা শুভেন্দুর


কলকাতা: বাংলায় লোকসভা ভোটের খারাপ রেজাল্ট ও উপভোটে ভরাডুবির পর ফের আরও একবার অ্যাক্টিভ হচ্ছে গেরুয়া শিবির। তৃণমূলের শহিদ দিবস অর্থাৎ ২১শে জুলাইয়ের দিনই পাল্টা কর্মসূচি ঘোষণা পদ্ম-শিবিরের। ওই দিন বিজেপি পাল্টা গণতন্ত্র হত্যা দিবস পালন করবেন বলে জানান বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

এ দিন, রাজভবনের সামনে প্রতিবাদ সভা থেকে শুভেন্দু বলেন, “আমি আমার নির্বাচন কেন্দ্রে গণ আন্দোলনের ডাক দিয়েছি। আলু এবং সমস্ত জিনিসের আকাশ ছোঁয়া মূল্য বৃদ্ধি, বিদ্যুতের দাম বাড়ানো, জমি-কেনাবেচার দুই শতাংশ সেস বাড়ানো, পেট্রল-ডিজেলের দাম ১ টাকা করে বাড়ানোর প্রতিবাদে সবাইকে পথে নামার ডাক দিচ্ছি।” এরপরই শুভেন্দু ঘোষণা করেন, “এই উপভোটে যাঁরা ভোট দিতে পারেনি, যাঁরা আক্রান্ত হয়েছেন, তাঁদের বাড়িতে বিরোধী দলনেতা ও বিধায়করা পরিদর্শন করবেন। আগামী ২১ তারিখ গণতন্ত্র হত্যা দিবস হবে। আর ২২ তারিখে সিইএসসি ঘেরাও করব। আর ১৭ তারিখ দলের কাছে প্রস্তাব দেব নবান্ন অভিযানের।”

প্রসঙ্গত, রবিবার ভোট পরবর্তী হিংসার প্রতিবাদে রাজভবনের সামনে ধরনায় বসে রাজ্যের পদ্ম-শিবির। উপস্থিত ছিলেন বিজেপি নেতা তাপস রায়, বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, অর্জুন সিং সহ প্রমুখ। এর পাশাপাশি বিক্ষোভ সভাতে উপস্থিত ছিলেন অসীম সরকার,কৌস্তভ বাগচী,অশোক দিন্দারা। একই সঙ্গে প্রতিবাদ মঞ্চে নিয়ে আসা হয় ভোট পরবর্তী আক্রান্তদের পরিবারকে।

অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের মতো মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের বিচারপতি থাকাকালীন রোহিত আর্যর একাধিক নির্দেশ নিয়ে শোরগোল পড়ে। তবে কোনও দুর্নীতি মামলার রায় নিয়ে নয়। ২০২১ সালে ইন্দোরে নিউ ইয়ার অনুষ্ঠানে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত দেওয়া এবং কোভিড প্রোটোকল লঙ্ঘন করার অভিযোগে কমেডিয়ান মুনাওয়ার ফারুকি এবং নলীন যাদবের বিরুদ্ধে মামলা হয়। সেই মামলায় দু'জনের জামিনের আবেদন খারিজ করেন রোহিত আর্য।


বিজেপিতে আরও এক বিচারপতি, অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে পার্থক্য শুধু...
শনিবার বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি রোহিত আর্য

প্রথমজন ছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি। দ্বিতীয়জন মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের বিচারপতি। লোকসভা নির্বাচনের আগে প্রথমজন যোগ দেন বিজেপি। দ্বিতীয়জনও যোগ দিলেন গেরুয়া শিবিরে। তবে পার্থক্য একটা রয়েছে। প্রথমজন বিচারপতি পদে ইস্তফা গিয়ে বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নেন। আর দ্বিতীয়জন অবসর নেওয়ার তিনমাস পর গেরুয়া শিবিরে যোগ দিলেন। প্রথমজন কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। আর দ্বিতীয়জন মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি রোহিত আর্য। স্থানীয় একটি সংবাদমাধ্যমকে উদ্ধৃত করে বার ও বেঞ্চ জানিয়েছে, শনিবার ভোপালে একটি অনুষ্ঠানে বিজেপির রাজ্য সভাপতি রাঘবেন্দ্র শর্মার হাত থেকে দলের সদস্যপদ গ্রহণ করেন।

চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনের হাওয়া তখন বইতে শুরু করেছে। সেইসময় কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের রাজনীতিতে যোগদান নিয়ে জল্পনাও বাড়তে থাকে। অবশেষে অবসর নেওয়ার কয়েকমাস আগে বিচারপতি পদে ইস্তফা দেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। মার্চের প্রথম সপ্তাহে বিচারপতি পদে ইস্তফা দিয়ে বিজেপিতে যোগ দেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বিচারপতি পদে থাকাকালীন শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের একাধিক রায় নিয়ে শোরগোল পড়েছিল। একাধিক দুর্নীতির মামলায় সিবিআইকে তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি।

অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের মতো মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের বিচারপতি থাকাকালীন রোহিত আর্যর একাধিক নির্দেশ নিয়ে শোরগোল পড়ে। তবে কোনও দুর্নীতি মামলার রায় নিয়ে নয়। ২০২১ সালে ইন্দোরে নিউ ইয়ার অনুষ্ঠানে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত দেওয়া এবং কোভিড প্রোটোকল লঙ্ঘন করার অভিযোগে কমেডিয়ান মুনাওয়ার ফারুকি এবং নলীন যাদবের বিরুদ্ধে মামলা হয়। সেই মামলায় দু’জনের জামিনের আবেদন খারিজ করেন রোহিত আর্য। একইসঙ্গে নিজের রায়ে বিচারপতি আর্য জানিয়েছিলেন, সম্প্রতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ বাড়ানো সাংবিধানিক দায়িত্ব। ২ কমেডিয়ানের জামিন খারিজ নিয়ে শোরগোল পড়ে। রোহিত আর্যর রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে জামিন পান মুনাওয়ার।


এর আগে ২০২০ সালে বিচারপতি হিসেবে রোহিত আর্যর একটি রায় নিয়ে জোর আলোচনা হয়েছিল। এক মহিলার শ্লীলতাহানিতে অভিযুক্তকে জামিন দিয়েছিলেন বিচারপতি রোহিত আর্য। জামিন দেওয়ার সময় তিনি বলেন, রাখিবন্ধনের দিন ওই মহিলার বাড়ি যাবেন অভিযুক্ত। এবং মহিলা তাঁর হাতে রাখি পরিয়ে দেবেন। মহিলাকে রক্ষা করার প্রতিশ্রুতি দিতে হবে অভিযুক্তকে। তাঁর এই নির্দেশ নিয়ে শোরগোল পড়ে। সুপ্রিম কোর্ট তাঁর এই নির্দেশ খারিজ করে দেয়।

অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি রোহিত আর্যর জন্ম ১৯৬২ সালের ২৮ এপ্রিল। ১৯৮৪ সালে মধ্য প্রদেশ হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরু করেন তিনি। ২০১৩ সালের ১২ সেপ্টেম্বর মধ্য প্রদেশ হাইকোর্টের বিচারপতি নিযুক্ত হন। ২১০৫ সালের ২৬ মার্চ স্থায়ী বিচারপতি হন রোহিত আর্য। মাস তিনেক আগেই বিচারপতি হিসেবে অবসর নিয়েছেন তিনি। এবার যোগ দিলেন বিজেপিতে। অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গে তুলে কেউ কেউ বলছেন, অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বিচারপতি পদে ইস্তফা দিয়ে বিজেপিতে পা রাখেন। আর ইনি অবসরের তিনমাস পরে গেরুয়া শিবিরে গেলেন।

রথযাত্রায় পাঁপড় - জিলিপি কেন খাওয়া হয় জানেন?

রথযাত্রা মেলার এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। আর মেলার হরেক বৈশিষ্ট্যের মধ্যে অতি পরিচিত বা প্রায় মাস্ট আইটেম হল পাঁপড় আর জিলিপি। যাঁরা রথযাত্রার দিনে রথ টানেন না, বা কোনও রথের মেলায় যেতে পারেন না, তাঁরাও আর কিছু না হোক, একটু জিলিপি ও পাঁপড়ের আস্বাদ নেনই এদিন। কিন্তু, রথযাত্রার সঙ্গে পাঁপড় ভাজা, জিলিপি খাওয়ার চল কীভাবে শুরু হল জানেন?
রথযাত্রার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে জিলিপি-পাঁপড় ভাজা। এগুলি ছাড়া যেন রথযাত্রা উৎসব অসম্পূর্ণ। কিন্তু, রথযাত্রার সঙ্গে পাঁপড় ভাজা, জিলিপি খাওয়ার চল কীভাবে শুরু হল জানেন?

জিলিপি মূলত আফগানিস্তানের খাবার। পুরাণ বা প্রাচীন পুঁথিতে জিলিপির উল্লেখ নেই। মুঘল সম্রাটদের হাত ধরেই বাংলায় জিলিপি খাওয়ার চল শুরু হয়। পরবর্তীতে বর্ধমানের রাজা মহতাবচন্দ্র বাহাদুর ইফতারের সময় তাঁর পাচকদের দিয়ে মানকচুর জিলিপি তৈরি করে বিলি করতেন। সেটা দারুণ জনপ্রিয় হয়েছিল এবং বিভিন্ন মেলায় ঠাঁই পেয়েছিল।
আর পাঁপড় মূলত উত্তর ভারতের খাবার, আরও ভালভাবে বললে পঞ্জাব থেকে এসেছে পাঁপড়। তবে রামায়ণেও পাঁপড়ের উল্লেখ রয়েছে। রামচন্দ্র ও তাঁর সেনাবাহিনীর জন্য ভরদ্বাজ মুনি যে বাঙালি খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন করেছিলেন, সেই মেনুতে ছিল পাঁপড়।

কিংবদন্তি রয়েছে, রথযাত্রার আগে স্নানযাত্রায় ১০৮ ঘড়া জলে স্নান করেন জগন্নাথদেব। তারপর জগন্নাথদেবের জ্বর আসে। সেই সময় তিনি টানা ৭ দিন নিভৃতবাসে ছিলেন। পাচন খাইয়ে সুস্থ করা হয় জগন্নাথদেবকে। তারপর বলরামদেব এবং সুভদ্রাদেবীর সঙ্গে রথে করে গুন্ডিচায় মাসির বাড়ি যান জগন্নাথদেব। তখন মুখের স্বাদ বদল করতে তাঁর নোনতা খাওয়ার ইচ্ছা হয়। তখনই নাকি পাঁপড় ভাজা খান জগন্নাথদেব। আর মিষ্টি হিসাবে জিলিপি খান। যদিও জগন্নাথদেবের ৫৬ ভোগে জিলিপি বা পাঁপড় ভাজার ঠাঁই হয়নি। তবে আগে বাংলার প্রত্যন্ত গ্রামে রথের মেলা বসত। সেখানে চাষাভূষা মানুষদের পক্ষে দামি মিষ্টি কেনার সামর্থ্য ছিল না। তাই অল্প পয়সার জিলিপি মেলার অন্যতম আকর্ষণ হয়ে দাঁড়ায়। আর এভাবেই রথযাত্রা থেকে বিভিন্ন মেলায় জায়গা করে নেয় জিলিপি। আর নোনতা খাবার হিসাবে জিলিপির দোসর হয়ে ওঠে পাঁপড় ভাজা। গ্রামাঞ্চলের মেলায় সেঁকা পাঁপড়ও দেদার বিক্রি হয়। আর এভাবেই রথযাত্রার ঐতিহ্য হয়ে উঠেছে পাঁপড়-জিলিপি।
পেনসেলভেনিয়ায় জনসভায় বক্তব্য রাখছিলেন প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। বাইডেন প্রশাসনের সমালোচনা করছিলেন, এমন সময়ই পরপর গুলির শব্দ শোনা যয়ায়। সঙ্গে সঙ্গে প্রাক্তন প্রেসিডেন্টকে নীচু করে আড়াল করেন সিক্রেট সার্ভিস এজেন্টরা।


কান থেকে গড়াচ্ছে রক্ত, ট্রাম্পের উপরে চলল পরপর গুলি, উদ্বেগ প্রকাশ মোদীর
গুলি চলার পরের মুহূর্তে প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।


অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেলেন ট্রাম্প। প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট তথা বর্তমানে প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপরে চলল গুলি। শনিবার পেনিসেলভেনিয়ার বাটলার শহরে নির্বাচনী প্রচার চলার সময়ই ট্রাম্পের উপরে হামলা হয়। কান ঘেঁসে বেরিয়ে যায় বুলেট। এরপরই সিক্রেট সার্ভিসের এজেন্টরা ট্রাম্পকে স্টেজ থেকে নামিয়ে নিয়ে যান।

সংবাদসংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের তথ্য অনুযায়ী, পেনসেলভেনিয়ায় জনসভায় বক্তব্য রাখছিলেন প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। বাইডেন প্রশাসনের সমালোচনা করছিলেন, এমন সময়ই পরপর গুলির শব্দ শোনা যয়ায়। সঙ্গে সঙ্গে প্রাক্তন প্রেসিডেন্টকে নীচু করে আড়াল করেন সিক্রেট সার্ভিস এজেন্টরা। এরপর তাঁকে স্টেজ থেকে নামিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।


যখন ট্রাম্পকে ধরে স্টেজ থেকে নামানো হচ্ছে, সেই সময়ই কানের পাশ, গালে রক্ত লক্ষ্য করা যায়। তবে প্রাক্তন প্রেসিডেন্টের গুলি লাগেনি বলেই জানা গিয়েছে। নামার সময় হাত উঁচিয়ে, মুঠো করে হার না মানার ইঙ্গিত করে দেখান ট্রাম্প।

এই ঘটনার পর ট্রাম্পের মুখপাত্র একটি বিবৃতিতে জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী সম্পূর্ণ ঠিক আছেন। স্থানীয় চিকিৎসা কেন্দ্রে তাঁকে পরীক্ষা করা হচ্ছে। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া ও উদ্ধারের জন্য পুলিশ প্রশাসনকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন ট্রাম্প।

সিক্রেট সার্ভিসের তরফেও জানানো হয়েছে, ট্রাম্প সুস্থ রয়েছেন। তাঁর সুরক্ষায় যাবতীয় পদক্ষেপ করা হয়েছে। হামলার ঘটনাটি তদন্ত করে দেখবে সিক্রেট সার্ভিস।

অন্যদিকে, বিভিন্ন মার্কিনি সংবাদসংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, সন্দেহভাজন হামলাকারীকে নিকেশ করা হয়েছে। ট্রাম্পকে লক্ষ্য় করে পরপর গুলি চলার পরই পাল্টা জবাব দেয় পুলিশ। শুটার ও তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একজনের মৃত্যু হয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জানিয়েছেন, তিনি ফেডারেল এজেন্সির কাছ থেকে গোটা ঘটনার তথ্য় নিয়েছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গেও যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছিলেন। তাঁর চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ট্রাম্প সুস্থ আছেন।


প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাও ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে লেখেন, “আমাদের গণতন্ত্রে রাজনৈতিক হিংসার কোনও স্থান নেই। আমরা জানি না ঠিক কী হয়েছে, তবে স্বস্তির বিষয় হল প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গুরুতর আহত হননি।”


ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি এক্স হ্য়ান্ডেলে লেখেন, “আমার বন্ধু, প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপরে হামলার ঘটনায় অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। রাজনীতি ও গণতন্ত্রে হিংসার কোনও স্থান নেই। ওঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করি।”

থেকে থেকেই হার্দিক পান্ডিয়ার সঙ্গে স্ত্রী নাতাশা স্তানকোভিচের বিচ্ছেদের গুঞ্জন শোনা যায়। কিন্তু হার্দিক নিজের মতো করে ভালো থাকার কারণ খুঁজে নিয়েছেন। এ বার নিজের ইন্সটাগ্রামে বেশ কয়েকটি ছবি শেয়ার করে হার্দিক লিখেছেন, 'ভালোবাসায় ভরা একটা রাত।'

 ভালোবাসায় ভরা একটা রাত..., হার্দিক পান্ডিয়ার পোস্টে বড় ইঙ্গিত
ভালোবাসায় ভরা একটা রাত..., হার্দিক পান্ডিয়ার পোস্টে বড় ইঙ্গিত

 হার্দিক পান্ডিয়া (Hardik Pandya) এই মুহূর্তে ভালোবাসায় মোড়ানো অবস্থায় রয়েছেন। এ কথা তিনি নিজেই জানিয়েছেন। সদ্য তাঁকে দেখা গিয়েছিল অনন্ত অম্বানি ও রাধিকা মার্চেন্টের বিয়েতে। বিশ্বজয় করে আসার পর বেশ খোশমেজাজেই রয়েছেন হার্দিক পান্ডিয়া। যদিও থেকে থেকেই তাঁর সঙ্গে স্ত্রী নাতাশা স্তানকোভিচের বিচ্ছেদের গুঞ্জন শোনা যায়। কিন্তু হার্দিক নিজের মতো করে ভালো থাকার কারণ খুঁজে নিয়েছেন। এ বার নিজের ইন্সটাগ্রামে বেশ কয়েকটি ছবি শেয়ার করে হার্দিক লিখেছেন, ‘ভালোবাসায় ভরা একটা রাত।’ নেটিজ়েনরা তাঁর এই পোস্টে বড় ইঙ্গিতের আভাস পাচ্ছেন।

মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে খেলার সুবাদে অম্বানি পরিবারের সঙ্গে হার্দিকের একটা আলাদা সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। যে কারণে, অম্বানিদের বিয়ের অনুষ্ঠানকে হার্দিক যেন নিজের পরিবারের অনুষ্ঠানই মনে করেছেন। তাঁকে খুব আনন্দ করতেও দেখা গিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে হার্দিকের নাচের বিভিন্ন ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে।

বলিউডের তারকা অনন্যা পান্ডে, শানায়া কাপূরদের সঙ্গে নাচ করেছেন হার্দিক পান্ডিয়া। তাঁর পাশে দেখা গিয়েছে বলিউড সুপারস্টার রনবীর সিংকেও। হার্দিক যেন আলাদাই মেজাজে ছিলেন। অনেকে তাঁর এই অবতার দেখে বলেছেন, ‘এই তো সেই পুরনো হার্দিক। একেবারে রকস্টার লুক।’ তিনি নিজের যে ক’টি ছবি ইন্সটাগ্রামে শেয়ার করেছেন, তাতে তাঁকে দারুণ দেখাচ্ছিল। আর তাঁর ক্যাপশন (‘ভালোবাসায় ভরা একটা রাত’) বলে দিচ্ছিল, প্রিয় মানুষদের সঙ্গে রাতটা তাঁর ভালোই কেটেছে।


বিশ্বকাপ জয়ের পর ক্রিকেট থেকে খানিক বিরতি পেয়েছেন হার্দিক। ২৭ জুলাই থেকে শুরু হবে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ভারতের সীমিত ওভারের সিরিজ। সেখানে এ বার হার্দিককে খেলতে দেখা যেতে পারে। এখনও বোর্ডের তরফ থেকে ভারতের শ্রীলঙ্কা সফরের জন্য স্কোয়াড ঘোষণা করা হয়নি। শোনা যাচ্ছে, হার্দিককে টি-২০ টিমের নেতৃত্ব দিতে দেখা যেতে পারে।

বকেয়া বিল পেতে একাধিকবার ব্লক প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েও সেই টাকা মেলেনি। আর এতগুলো টাকা না পেয়ে সমস্যায় পড়েছেন এই প্রৌড় চা-ওয়ালা। এমনকি বকেয়া চাইতে গেলে বিডিও তাকে ধমক দিয়ে দোকানঘরের জায়গার কাগজ দেখতে চেয়েছেন বলে দাবি প্রৌড় ওই চা- ওয়ালার।


 চায়ের দোকানে বাকি ১৪ হাজার টাকা, দোকানদার চাইতে যান, খরিদ্দার বিডিও যা বললেন.... শুনে পায়ের তলার মাটি সরল চা বিক্রেতার, অবাক হবেন বইকি!
চায়ের দোকানে ১৪ হাজার টাকার বিল



পূর্ব মেদিনীপুর: রোজ চা যেত অফিসে। বলা হত টাকা মাসের শেষে দেওয়া হবে। এভাবে বিল হতে থাকে লম্বা। বকেয়া গিয়ে দাঁড়ায় ১৪ হাজার টাকা। অভিযোগ খোদ পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মহিষাদলের ব্লক প্রশাসনের বিরুদ্ধে। বকেয়া টাকা পেতে গিয়েছিলেন দোকানদার। কিন্তু তাতে বিডিও যা বললেন, তা আরও অবাক হওয়ার মতো বইকি।

দোকানদারের দাবি, বিডিও নাকি বলেছিলেন, দলিল দেখালেই না কি মিলবে টাকা। অভিযোগ অস্বীকার করে পালটা বিডিওর দাবি, অতিরিক্ত দাম ধরে বিল করায় এই বিপত্তি। জানা যাচ্ছে, সরকারি অফিসে টেন্ডারের বিল পাশ হতে নানান ঝক্কি সামলাতে হয় ঠিকাদারদের, এমন অভিযোগ শোনা যায় অনেক সময়। বিলের টাকা নিয়ে বিভিন্ন গরমিলের অভিযোগও ওঠে নানান সময়ে। কিন্তু চা দোকান থেকে চা খেয়ে সেই বিল মাসের পর ফেলে রাখার নজির বোধহয় খুব একটা নেই! অন্তত তেমনটাই বলছেন দোকানদারেরা। তাও আবার সরকারি অফিসে।

পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মহিষাদলের ব্লক প্রশাসনের ছোট্ট একটি চা দোকানে বিল বাকি রয়েছে ১৩ হাজার ৬০০ টাকা। সূত্রের খবর, দিনের পর দিন ব্লক ও পঞ্চায়েত সমিতির নানান মিটিংয়ে চায়ের পাশাপাশি খাওয়া হয়েছে বিস্কুট, কফি, মশলা মুড়ি প্রভৃতি। মহিষাদল পঞ্চায়েত সমিতির অনুমোদিত ক্যান্টিনের কর্মীদের অসুস্থতার জন্য বেশ কয়েকমাস বন্ধ ছিল এই ক্যান্টিন। সেই সময় পঞ্চায়েত সমিতির কিছুটা দূরে হিজলি টাইডাল ক্যানেলের পাড়ে গড়ে ওঠা নন্দ মাইতির এই চা দোকান থেকে চা, বিস্কুট, কফি, মশলামুড়ি প্রভৃতি অর্ডার মাফিক যেত অফিসে। সেই বিলের প্রায় ১৪হাজার টাকা দীর্ঘদিন ধরে পাচ্ছেন না নন্দ মাইতি।

এমনকি বকেয়া বিল পেতে একাধিকবার ব্লক প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েও সেই টাকা মেলেনি। আর এতগুলো টাকা না পেয়ে সমস্যায় পড়েছেন এই প্রৌড় চা-ওয়ালা। এমনকি বকেয়া চাইতে গেলে বিডিও তাকে ধমক দিয়ে দোকানঘরের জায়গার কাগজ দেখতে চেয়েছেন বলে দাবি প্রৌড় ওই চা- ওয়ালার। চা বিক্রেতা নন্দ মাইতির বক্তব্য, “আমাকে অর্ডার দিত, আমি খাবার সরবরাহ করতে থাকি। ওদের অফিসের ক্যান্টিন রয়েছে। কিন্তু ক্যান্টিনের মালিক অসুস্থ হয়ে যান। তারপর বিডিও-ই আমাকে বলেছিলেন, ক্যান্টিন বন্ধ, তুমি তোমার দোকানে খাবার রাখো, তোমারও লাভ। পরে আবার ক্যান্টিন খোলে। তখন আমি বিলগুলো সাবমিট করি। আমাকে প্রশ্ন করছেন, কফি কীভাবে ২০ টাকা করে হয়। আমি বললাম, ৭০ টাকা করে তো দুধই কিনি। কফি ২০ টাকারই হয়। আমার কাছে তখন দোকানের কাগজপত্র দেখতে চাইলেন। আমি তাও দেখলাম। তারপর আমার মেয়ে যায়। মেয়েকে বলেন, জায়গার দলিল দেখাও। দলিল কোথাও পাব, এটা তো সেচ দফতরের জায়গা। তারপর বললেন, দলিল না হলে টাকা দেব না।”

তবে বিষয়টি এমন নয় বলে মহিষাদলের বিডিও বরুনাশিস সরকারের দাবি, “আমি আসার আগে এই ঘটনা ঘটেছে। ওঁ যে অভিযোগ করছেন তা ভিত্তিহীন।ওঁ যে পরিমাণ টাকা বকেয়া বলছেন আদতে তা নয়। আর যেহেতু সরকারিভাবে, সরকারি জায়গায় যাঁরা রয়েছেন তাদের যেহেতু তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে, তাই ওঁকে দোকানের জায়গার কী কাগজ আছে তা আনতে বলা হয়েছে। যে টাকা বলছেন, ওত টাকা বাকি নেই। খুব বড় জোর চার হাজার টাকা মতো বাকি রয়েছে। ওঁ সব জিনিসেরই দাম বাড়িয়ে লিখেছে।”

ইতিমধ্যেই বকেয়া টাকা পাওয়ার জন্য মহিষাদল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শিউলি দাসের কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন নন্দ মাইতি। শিউলির দাবি, “আবেদন পেয়েছি, বিডিওর সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আর এই ঘটনা সামনে আসায় কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য প্রদীপ দাসের বক্তব্য, একটি চা দোকানদারের এই টাকা না দিয়ে অমানবিকতার পরিচয় দিচ্ছে মহিষাদল ব্লক প্রশাসন।

 করত, তাদেরও চুপ করিয়ে দিয়েছে এই পরিসংখ্যান। যারা মিথ্যা প্রচার করে, তারা বিনিয়োগের শত্রু, পরিকাঠামো উন্নয়ন ও দেশের বৃদ্ধির শত্রু।"
'৮ কোটি কর্মসংস্থান চুপ করিয়ে দিয়েছে...', নাম না করে কাকে উন্নয়নের শত্রু বললেন প্রধানমন্ত্রী?
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

দেশের যুব প্রজন্মের কর্মসংস্থান নিয়ে বারবার সুর চড়িয়েছে বিরোধীরা। এবার তাদের পাল্টা জবাব দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শনিবার তিনি বলেন, “বিগত ৩-৪ বছরে ৮ কোটি নতুন কর্মসংস্থান হয়েছে। যারা বেকারত্ব নিয়ে মিথ্যা প্রচার চালাচ্ছিল, তাদেরও মুখ বন্ধ হয়ে গিয়েছে।”

মহারাষ্ট্রে ২৯,০০০ কোটি টাকার সড়ক, রেলওয়ে ও বন্দর প্রকল্পের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেখান থেকেই তিনি কর্মসংস্থান নিয়ে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়ার সাম্প্রতিক একটি রিপোর্টের তথ্য তুলে ধরেন এবং জনগণকে আশ্বাস দেন যে এনডিএ সরকার স্থিতাবস্থা ও প্রবৃদ্ধিকেই সবথেকে বেশি গুরুত্ব দেয়। ছোট, বড়-সব ধরনের বিনিয়োগকে স্বাগত জানান তিনি।

বিরোধীদের আক্রমণ করে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, “বিগত ৩-৪ বছরে দেশে ৮ কোটি নতুন কাজ তৈরি হয়েছে। যারা কর্মসংস্থান নিয়ে মিথ্যা প্রচার করত, তাদেরও চুপ করিয়ে দিয়েছে এই পরিসংখ্যান। যারা মিথ্যা প্রচার করে, তারা বিনিয়োগের শত্রু, পরিকাঠামো উন্নয়ন ও দেশের বৃদ্ধির শত্রু। এদের প্রতিটা নীতি যুব প্রজন্মকে ঠকানো ও কর্মসংস্থান আটকে দেওয়ার উদ্দেশে হয়। মানুষ এদের মিথ্যা আর শুনছে না। সব সত্যি সামনে আসছে।”

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দেশে কারিগরি শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। সরকার সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে। আমাদের লক্ষ্য হল সকলের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন করা এবং সেরা জীবন দেওয়া। সেই কারণেই মুম্বইয়ের আশেপাশের এলাকার সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করা হচ্ছে। মহারাষ্ট্রে গৌরব উজ্জ্বল ইতিহাস রয়েছে, দক্ষতায় ভরপুর বর্তমান এবং সুন্দর ভবিষ্যতের সম্ভাবনা রয়েছে। আমার লক্ষ্য হল মহারাষ্ট্রকে বিশ্বের বড় আর্থিক পাওয়ারহাউসে পরিণত করা এবং মুম্বইকে গ্লোবাল ফিনটেকের রাজধানী করা।”

জনসভায় বক্তব্য রাখছিলেন ট্রাম্প। হঠাৎ তিনি কানে হাত দেন, লক্ষ্য করেন হাতে রক্ত। সঙ্গে সঙ্গেই মাথা নীচু করে নেন তিনি। পিছনে বসে থাকা রিপাবলিকান সমর্থকরাও মাথা পিছু করে নেন। আতঙ্কে ছোটাছুটি শুরু করেন। 


'একটা শব্দ শুনলাম, তারপরই আমার ডান কান চিরে বেরিয়ে গেল বুলেট', হামলার ভয়ঙ্কর বর্ণনা ট্রাম্পের মুখে
নামিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে ট্রাম্পকে।

 কান চিড়ে গিয়েছে গুলি। রক্তাক্ত মুখ। অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচেছেন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর উপরে এই প্রাণঘাতী হামলার পর অবশেষে প্রতিক্রিয়া দিলেন প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট। পেনসেলভেনিয়ার ঘটনা নিয়ে ট্রাম্প বলেন, “আমায় লক্ষ্য় করে গুলি চালানো হয়েছিল, যা আমার ডান কানের উপরের অংশ চিরে চলে যায়।”

ফের একবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সামিল হয়েছেন প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রাথমিক ট্রেন্ডে প্রতিদ্বন্দ্বী জো বাইডেনের থেকে কিছুটা এগিয়েও রয়েছেন। শনিবার নির্বাচনী প্রচারেই পেনসেলভেনিয়ার বাটলার শহরে গিয়েছিলেন ট্রাম্প। সেখানেই সভা চলাকালীন তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চলে।

নিজস্ব সোশ্যাল সাইট ট্রুথে গোটা ঘটনার প্রতিক্রিয়া দিয়ে ট্রাম্প বলেন, “আমার ডান কান ছুঁয়ে বুলেট বেরিয়ে গিয়েছে। একটা শব্দ কানে আসে, আমি সঙ্গে সঙ্গেই বুঝতে পারি যে কিছু একটা হয়েছে। মুহূর্তের মধ্যেই অনুভব করি যে বুলেট আমার ত্বক চিরে বেরিয়ে গেল।”

ভিডিয়োতেও দেখা গিয়েছে, জনসভায় বক্তব্য রাখছিলেন ট্রাম্প। হঠাৎ তিনি কানে হাত দেন, লক্ষ্য করেন হাতে রক্ত। সঙ্গে সঙ্গেই মাথা নীচু করে নেন তিনি। পিছনে বসে থাকা রিপাবলিকান সমর্থকরাও মাথা পিছু করে নেন। আতঙ্কে ছোটাছুটি শুরু করেন।


৭৮ বছর বয়সী রিপাবলিকান নেতার চোট গুরুতর নয় বলেই জানা গিয়েছে। হামলার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই সিক্রেট সার্ভিসের এজেন্টরা ট্রাম্পকে স্টেজ থেকে নামিয়ে গাড়ির ভিতরে নিয়ে যান।

পুলিশের পাল্টা গুলিতে নিহত সম্ভাব্য বন্দুকবাজ। পাশাপাশি এক নিরাপরাধ ব্যক্তিরও মৃত্যু হয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প লিখেছেন, “আমি আমেরিকা সিক্রেট সার্ভিস, আইন প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাতে চাই তাদের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের জন্য। তবে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ, আমি ওই নিহতের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই যিনি মারা গিয়েছেন এবং আরেকজন, যিনি গুরুতর আহত হয়েছেন, তার প্রতি।”

ট্রাম্প আরও বলেন, “আমাদের দেশে এমন ঘটনা ঘটতে পারে ভেবেই অবাক হচ্ছি। হামলাকারী, যার মৃত্যু হয়েছে, তার সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি। আমার কান ঘেঁষে গুলি বেরিয়ে গিয়েছে। অনেক রক্তপাত হয়েছে। তখন আমি বুঝতে পারি যে কী হয়েছে। গড ব্লেস আমেরিকা।”



 লেক মলের সামনেই রয়েছে তাঁর ফুলের দোকান। সূত্রের খবর, ভাইয়ের সঙ্গে একসঙ্গেই চালাতেন ব্যবসা। দোকানে বেশ কয়েকজন কর্মচারীও রয়েছেন। কিন্তু, বেশ কয়েকদিন ধরে ফুল ব্যবসায় মন্দা চলছিল বলে জানাচ্ছেন দোকানের কর্মচারীরা।
 

কাল মাটি ফুঁড়ে, আজ ঝুলন্ত, পরপর দু'দিন কলকাতায় জোড়া লাশ
দু'দিনে দুই দেহ উদ্ধারে শোরগোল


কলকাতা: শনিবার বিকালে কাশী বোস লেনে রাস্তা খুঁড়তেই উদ্ধার হয়েছিল এক মহিলার পচা গলা দেহ। তা নিয়ে চাপানউতোর চলছেই। মৃত্যু ঘিরে উঠে গিয়েছে একগুচ্ছ প্রশ্ন। এরইমধ্যে লেক মলের সামনে উদ্ধার ঝুলন্ত মৃতদেহ। রবিবার ভোর পাঁচটা নাগাদ মলের সামনের ফুটপাতে হোর্ডিংয়ের সঙ্গে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত দেহ দেখতে পাওয়া যায়। স্থানীয় সূত্রে খবর, ওই ব্যক্তি ফুল ব্যবসায়ী। নাম বিশু হালদার। 

লেক মলের সামনেই রয়েছে তাঁর ফুলের দোকান। সূত্রের খবর, ভাইয়ের সঙ্গে একসঙ্গেই চালাতেন ব্যবসা। দোকানে বেশ কয়েকজন কর্মচারীও রয়েছেন। কিন্তু, বেশ কয়েকদিন ধরে ফুল ব্যবসায় মন্দা চলছিল বলে জানাচ্ছেন দোকানের কর্মচারীরা। সে কারণেই সম্প্রতি কিছুদিন মন ভাল ছিল না মালিকের। সেই থেকে মানসিক অবসাদ থেকে তিনি আত্মঘাতী হয়ে থাকতেন বলে মনে করছেন কেউ কেউ। কিন্তু, ব্যবসায় মন্দার কারণে যে একেবারে আত্মহত্যার পথ বেছে নেবেন তা ভাবতে পারছেন না বন্ধু-বান্ধব থেকে পরিজনেরা। সবদিক খতিয়ে দেখছে পুলিশ। 

বিশুবাবুর মৃত্যুতে শোকে পাথর হয়ে গিয়েছেন তাঁর পরিবারের সদস্যরাও। শোকের ছায়া লেক মার্কেটের ব্যবসায়িক মহলেও। মালিকের অকাল মৃত্যু মানতে পারছেন না দোকানের কর্মীরাও। একজন তো বলছেন, “আমি তো ওনার কাছেই কাজ করি। ওনারা দুই ভাই। দু’জনেই ফুলের ব্যবসা করেন। এখানেই দোকান ছিল। এই দোকানেই আমি কাজ করি। কাল তো ওনারা রাত ১টা পর্যন্ত খাওয়া-দাওয়াও করেন। পুলিশও ছিল তখন এলাকায়। কিন্তু, এরমধ্যে কী থেকে কী হয়ে গেল বুঝতেই পারছি না।”  



একাধিক গুরুতর অভিযোগ, পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর থেকেই ফেরার, অবশেষে পুলিশের ফাঁদে ভাঙড়ের দাপুটে ISF নেতা


আদালত তাঁর বিরুদ্ধে সমন জারি করলেও শাহিন আদালতে হাজিরা দেননি। প্রায় এক বছর ধরে পুলিশের চোখেধূলো দিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন ওই আইএসএফ নেতা। উত্তর কাশীপুর থানার ওসি অমিত চট্টোপাধ্যায় শাহিনের লোকেশান জানতে পেরে বিদ্যাসাগর সেতুর টোল প্লাজার কাছে নাকা চেকিং বসান।

একাধিক গুরুতর অভিযোগ, পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর থেকেই ফেরার, অবশেষে পুলিশের ফাঁদে ভাঙড়ের দাপুটে ISF নেতা
শাহিন কাদির


ভাঙড়: একটা দু’টো দিন নয়, পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে এক বছরের বেশি সময় ধরে পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন ভাঙড়ের আইএসএফ নেতা শাহিন কাদির। অবশেষে শুক্রবার রাতে ওই নেতাকে গ্রেফতার করে উত্তর কাশীপুর থানার পুলিশ। বিদ্যাসাগর সেতুর টোল প্লাজা পেরোনোর সময় তিনি পুলিশের জালে ধরা পড়েন। ভাঙড়ের উত্তর কাশীপুর থানার চক মরিচা গ্রামে বাড়ি শাহিনের। তাঁর বিরুদ্ধে খুন, অস্ত্র আইন, সংঘটিতভাবে হামলা চালানো-সহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে।

তথ্য বলছে, ২০২৩ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে চালতাবেড়িয়া অঞ্চল থেকে পঞ্চায়েত সমিতির প্রার্থী হয়েছিলেন শাহিন। ওই বছর ১৫ জুন মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন শাহিন কাদির ভাঙড় ২ ব্লক অফিসে তাঁর মনোনয়নপত্র জমা দিতে আসছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় তৃণমূল তাঁদের বাধা দেয়। ওই দিন তার মত আরও অনেক প্রার্থী বাধা পাওয়ায় আইএসএফ ও তৃণমূলের মধ্যে গুলি-বোমার লড়াই শুরু হয়ে যায়। সবটাই হয়েছিল বিজয়গঞ্জ বাজারের মেলার মাঠে। সেই ঘটনায় এক আইএসএফ কর্মী ও দুই তৃণমূল কর্মীর মৃত্যু হয়। তৃণমূল কর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় নাম জড়ায় শাহিন কাদির-সহ অন্যান্যদের। পরবর্তীকালে মরিচা গ্রামে বোমা বাঁধতে গিয়ে চারজন আইএসএফ কর্মী গুরুতর জখম হন। 

ওই ঘটনাতেও নাম জড়ায় শাহিন-সহ বেশ কয়েকজনের। আদালত তাঁর বিরুদ্ধে সমন জারি করলেও শাহিন আদালতে হাজিরা দেননি। প্রায় এক বছর ধরে পুলিশের চোখেধূলো দিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন ওই আইএসএফ নেতা। উত্তর কাশীপুর থানার ওসি অমিত চট্টোপাধ্যায় শাহিনের লোকেশান জানতে পেরে বিদ্যাসাগর সেতুর টোল প্লাজার কাছে নাকা চেকিং বসান। তাতেই ধরা পড়েন আইএসএফ নেতা। 

আক্রান্ত প্রোমোটারের দাবি, হামলাকারীরা নিজেদের কলকাতার ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষের ঘনিষ্ঠ বলেও পরিচয় দেয়। তাঁদের মুখে শোনা যায় আড়িয়াদহের জয়ন্ত সিং গ্যাংয়ের নামও। যা নিয়ে শোরগোল শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলেও।


 'ও তৃণমূলেরই লোক, ভাল ছেলে', সিঁথি কাণ্ডে দুষ্কৃতীতের সার্টিফিকেট অতীনের
কী বলছেন অতীন?


কলকাতা: আড়িয়াদহের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের বাহুবলীদের গুন্ডাগিরির ছবি ভাইরাল। ঘটনাস্থল সিঁথি। অভিযোগ, ৫ লক্ষ টাকা তোলা না দেওয়ায় প্রোমোটার অভিজিৎ সরকারের অফিসে তাণ্ডব চালায় দুষ্কৃতীরা। ঘটনায় শনিবার রাত থেকেই শোরগোল চলছে শহর কলকাতায়। এরইমধ্যে এ ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মোট ছ’জনকে গ্রেফতার করেছে কাশিপুর থানার পুলিশ। মূল অভিযুক্ত অভিজিৎ মণ্ডল ওরফে রানাকে শনিবার মধ্যরাতে গ্রেফতার করা হয়। গতকাল বিকালেই গ্রেফতার করা হয়েছিল জিতেন কুমার পাল এবং কানোয়ালজিৎ শী ওরফে কানু নামে দুই অভিযুক্তকে। রবিবার সকালে গ্রেফতার করা হয়েছে আরও দু’জনকে।

গ্রেফতার করা হয় সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়, বিশাল দেব, মনু পাণ্ডেকেও। শনিবারের ঘটনার পর ২৪ ঘন্টার মধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে মূল অভিযুক্ত সহ এই ছয় জনকে। এদিন আদালতে পেশ করা হবে এই ছয় অভিযুক্তকে। হামলার সিসিটিভি-র ফুটেজও ইতিমধ্যেই সামনে এসেছে। তা দেখেই চিহ্নিত করা হয় ৬ জনকে। 

আক্রান্ত প্রোমোটারের দাবি, হামলাকারীরা নিজেদের কলকাতার ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষের ঘনিষ্ঠ বলেও পরিচয় দেয়। তাঁদের মুখে শোনা যায় আড়িয়াদহের জয়ন্ত সিং গ্যাংয়ের নামও। এদিকে রানার সঙ্গে ইতিমধ্যেই অতীন ঘোষ, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো একাধিক সিনিয়র তৃণমূল নেতার ছবিও প্রকাশ্যে এসেছে। যা নিয়েও শুরু হয়েছে জলঘোলা। রানাকে তিনি ভালভাবেই চেনেন বলে জানিয়েও ঘটনার দায় ঝেড়ে ফেলেছেন অতীন। তবে রানাকে সজ্জন ব্যক্তি বলেও সার্টিফিকেট দিয়েছেন। একসঙ্গে শাস্তির কথা বলে তিনি জানা, “আমি বলছি ও তৃণমূলের দীর্ঘদিনের সক্রিয় কর্মী। তবে সিঁথি থানা বা কাশীপুর থানায় ওর নামে কোনও কেস নেই। পুলিশ যে আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে তা আমি পূর্ণ সমর্থন করি। ও দোষ করে থাকলে ওর সাজা পাওয়া উচিত।”  

 আগে নকল মদ বানানোর অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছিলেন বাপি রায়। এলাকায় ঠিকাদারি ছাড়াও জমির কারবার করতেন বাপি। বাপির স্ত্রী এবার প্রথম পঞ্চায়েত নির্বাচনে টিকিট পেয়ে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতে যান।

নকল মদের ব্যবসা, সঙ্গে জমির কারবারে বিপুল টাকা! তাই কী মৃত্যু ডেকে আনল ইসলামপুরের TMC নেতার?
বাপি রায়


ইসলামপুর: রায়গঞ্জে উপনির্বাচনের রেজাল্ট বের হতে না হতেই চলেছে গুলি। ঝরছে রক্ত। গিয়েছে প্রাণ। টার্গেট ইসলামপুরের দুই তৃণমূল নেতা। তার মধ্যে বাপি রায় নামে এক তৃণমূল নেতার মৃত্যু হয়েছে শনিবার রাতেই। তিনি আবার ইসলামপুর পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য ছিলেন বলে জানা যাচ্ছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন মহম্মদ সাজ্জাদ নামে আরও এক তৃণমূল নেতা। তিনি আবার রামগঞ্জ ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে জেলার রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়ে গিয়েছে নতুন চাপানউতোর। অন্যদিকে যে ধাবায় গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে তা ঘিরে রেখেছে পুলিশ। রবিবার সকাল থেকে গোটা ইসলামপুরই একেবারে থমথমে। দিকে দিকে মোতায়েন পুলিশ। 

ইতিমধ্যেই ধাবা মালিক ও কর্মীদের আটক করে জিঞ্জাসাবাদ চালাচ্ছে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজও সংগ্রহ করা হয়েছে। অভিযুক্তদের খোঁজে চলছে তল্লাশি। পুলিশ সূত্রে খবর, মুখে মাস্ক পরে এসেছিল আততায়ীরা। আগে থেকেই ঠিক ছিল টার্গেট। একেবারে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে বাপিকে চার রাউন্ড গুলি চালায় আততায়ীরা। মুহূর্তেই বাপির অসার দেহ লুটিয়ে পড়ে মাটিতে। দূরে গাড়ি রেখে রেইকি করে এসেই পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে পালায় আততায়ীরা। গুরুতর আহত হন সাজ্জাদ। কিন্তু কেন শুটআউট? তা এখনও স্পষ্ট নয়। ক্রাইম সিন সিল করে রেখেছে পুলিশ। 

সূত্রের খবর, এর আগে নকল মদ বানানোর অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছিলেন বাপি রায়। এলাকায় ঠিকাদারি ছাড়াও জমির কারবার করতেন বাপি। বাপির স্ত্রী এবার প্রথম পঞ্চায়েত নির্বাচনে টিকিট পেয়ে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতে যান। পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যও হন তৃণমূলের টিকিটে। এলাকাবাসীরা বলছেন, বিপুল অর্থবল বাপির। 

সূত্রের খবর, যে ধাবায় এই ঘটনা ঘটেছে সেখানে নিয়মিত আসতেন বাপি। এর আগে নকল মদের কারবার করে এই হোটেল থেকেই গ্রেফতার হন বাপী। পরে জামিনে ছাড়া পান। তবে রাত হলেই হোটেলে আসা ছাড়েননি বাপীই। রাত হলেই এখানে নিয়মিত আসতেন বাপি-সাজ্জাদরা। রাতভর চলত বৈঠক। জানা যাচ্ছে এমনটাই। বসতেনও নির্দিষ্ট জায়গায়। শনিবারও সেখানেই বসেছিলেন বলে খবর। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান আততায়ীরা আগে থেকেই জানত ওখানেই বসে বাপী। সে কারণেই সোজা বাপির কাছে গিয়ে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে পালিয়ে যায়। 

স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, পাঁচ লক্ষ টাকার বিনিময়ে এক একটি স্টল বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। একএক জন ছটি বা দশটি স্টলের মালিক বলেই অভিযোগ। অথচ যাঁরা ওইখানে স্টল হওয়ার আগে থেকেই ব্যবসা করত, তাঁদের আশ্বাস দেওয়ার পরেও স্টল দেওয়া হচ্ছে না এখনও।


'মমতা না পারলে আমি দেখে নেব...', জেতার পরই তমলুকে কাজ শুরু করে দিলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়
অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়


পূর্ব মেদিনীপুর: “আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে গিয়ে বলব, সরকারি জায়গার উপর ঘর বাড়ি ভাঙার কথা” কেন এমন বললেন তমলুকের সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ! তমলুকের রাধামণি মিনি মার্কেটের স্টল বিলি নিয়ে অস্বচ্ছতা রয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের। সেই অভিযোগ খতিয়ে দেখতে শনিবার সন্ধ্যায় এলাকার স্টল পরিদর্শন করেন তমলুকের বিজেপি সাংসদ।


স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, পাঁচ লক্ষ টাকার বিনিময়ে এক একটি স্টল বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। একএক জন ছটি বা দশটি স্টলের মালিক বলেই অভিযোগ। অথচ যাঁরা ওইখানে স্টল হওয়ার আগে থেকেই ব্যবসা করত, তাঁদের আশ্বাস দেওয়ার পরেও স্টল দেওয়া হচ্ছে না এখনও।


বিভিন্ন অভিযোগের কথা শুনে পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিজিৎ বলেন, “বেশ কিছু দুর্নীতি হয়েছে। যারা দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত তাঁরা সাবধান হয়ে যান। না হলে সব স্টল ভাঙবো। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছেন সরকারি জায়গার উপর ঘরবাড়ি তৈরি হলে তা ভাঙা হবে। আমি নিজে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে গিয়ে বলবো আপনি যা ঘোষণা করেছেন তা করুন। যদি না করেন তার পরের ব্যবস্থা আমি দেখবো।” এদিন স্থানীয় মানুষদের সঙ্গে এবং স্টল থেকে বঞ্চিত হয়েছেন এমন মানুষদের সঙ্গে কথা বলেন সাংসদ অভিজিৎ।

এরপরই কোকওভেন থানার পুলিশ পৌঁছে ওই শিশুর দেহ উদ্ধার করে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরক্ষণে পরিবারের কাছে খবর আসে অভিযুক্ত বাবা দুর্গাপুর স্টেশন সংলগ্ন রেল লাইনে আত্মঘাতী হয়েছেন।

খাট থেকে তুলে ৯ মাসের শিশুকে আছড়ে 'খুন', পরে রেললাইনে গলা দিলেন বাবা
শিশুকে মাটিতে ফেলে খুন



দুর্গাপুর: অত্যন্ত মর্মান্তিক ঘটনা। নিজের কোলের সন্তানকে আছড়ে মেরে প্রথমে খুন। তারপর আত্মঘাতী বাবা। মৃত শিশুর নাম সুজন রুইদাস। বয়স ন’মাস। অপরদিকে, মৃত ব্যক্তির নাম আবির রুইদাস। তিনি দুর্গাপুরের সগরভাঙার রুইদাস পাড়ার বাসিন্দা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সকাল থেকেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে চলছিল বিবাদ। জানা গিয়েছে, বাড়ির বিছানায় তখন খেলা করছিল ফুটফুটে শিশু সুজন। অভিযোগ, তখনই সুজনকে বিছানা থেকে তুলে আছাড় মেরে পালিয়ে যায় গুণধর বাবা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় শিশুকে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতলে নিয়ে যাওয়া হলে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। তবে বর্ধমানে নিয়ে যাওয়ার রাস্তাতেই মৃত্যু হয় শিশুর। তখনই পরিবার-পরিজনেরা ওই শিশুকে বাড়ি নিয়ে চলে যায়। গোটা এলাকা জুড়ে পড়ে যায় শোরগোল।

এরপরই কোকওভেন থানার পুলিশ পৌঁছে ওই শিশুর দেহ উদ্ধার করে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরক্ষণে পরিবারের কাছে খবর আসে অভিযুক্ত বাবা দুর্গাপুর স্টেশন সংলগ্ন রেল লাইনে আত্মঘাতী হয়েছেন। এ প্রসঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দা কানাই বাউরি জানান, দিনমজুর কাজ করে সংসার চালাত আবির। ওর স্ত্রী সরমা রুইদাস। প্রায় দিনই বিবাদ লেগেই থাকতো দুজনের মধ্যে। শনিবার সকালে সেই বিবাদ চরম পর্যায় পৌঁছায়। তখনই আবির তার নয় মাসের সন্তানকে বিছানা থেকে তুলে আছাড় মারে। এলাকাবাসীরা আবিরকে চড়-থাপ্পর মারে। এরপরেই এলাকা ছেড়ে পালায় সে। তারপরেই শোনা যায় রেল লাইনে মাথা দিয়েছে সে।” ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান দুর্গাপুর নগর নিগমের প্রাক্তন কাউন্সিলর অঙ্কিতা চৌধুরী ও নগর নিগমের প্রশাসক মণ্ডলীর সদস্য দীপঙ্কর লাহা। এই ঘটনার পর থেকেই শোকস্তব্ধ গোটা এলাকা।


 কেটেছে জট, অবশেষে পিএইচডি-তে ভর্তি হতে চলেছেন মাও নেতা অর্ণব

 দীর্ঘ জটিলতার পর আগামী সোমবার মাও নেতা অর্ণব দাম পিএইচডিতে ভর্তি হবেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে। ইতিমধ্যেই বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে ইতিহাস বিভাগের তরফে আগামী সোমবার ভর্তির নোটিস দেওয়া হয়েছে।


 কেটেছে জট, অবশেষে পিএইচডি-তে ভর্তি হতে চলেছেন মাও নেতা অর্ণব
জেল বন্দী প্রাক্তন মাওবাদী নেতা অর্ণব দাম।


বর্ধমান: মাও নেতা বসছেন পিএইডি-র ইন্টারভিউয়ে। খবরটা সামনে আসতেই একেবারে তোলপাড় শুরু হয়ে গিয়েছিল। শেষে রেজাল্ট বের হতে দেখা গেল তিনি একেবারে ‘ফার্স্ট বয়’। ভর্তি হতে যাবেন, এমন সময় শোনা গিয়েছিল গোটা প্রক্রিয়াই নাকি স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে। তাতে শুরু হয় নতুন শোরগোল। প্রশাসনিক মহলেও বাড়তে থাকে চাপানউতোর। কথা হচ্ছে মাও নেতা অর্ণব দামকে নিয়ে। যার পিএইচডি-র জটিলতা কাটাতে আসরে নেমে গিয়েছিলেন খোদ কুণাল ঘোষের মতো নেতারা। এগিয়ে এসেছিলেন শিক্ষা মন্ত্রী ব্রাত্য বসু, কারামন্ত্রী অখিল গিরি। অবশেষে জট কাটল বলেই জানতে পারা যাচ্ছে। 

সূত্রের খবর, দীর্ঘ জটিলতার পর আগামী সোমবার মাও নেতা অর্ণব দাম পিএইচডিতে ভর্তি হবেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে। ইতিমধ্যেই বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে ইতিহাস বিভাগের তরফে আগামী সোমবার ভর্তির নোটিস দেওয়া হয়েছে। এদিকে ৮ জুলাই এমনই এক নোটিস দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে জানানো হয়েছিল আপাতত বন্ধ থাকছে ভর্তি প্রক্রিয়া। কিন্তু, ঠিক কী কারণে মন সিদ্ধান্ত তা নিয়ে জলঘোলা হতে থাকে। নানা মহল থেকে প্রশ্ন ওঠে উপাচার্যের ভূমিকা নিয়ে। শোনা যায় তাঁর ‘সদিচ্ছাতেই’ দেওয়া হয়েছিল ওই নোটিস। আসরে নামেন কুণালরা। সাফ বলে দেন, ‘ওকে তো পিএইচডি করিয়ে তবেই ছাড়ব’। এরইমধ্যে নতুন বিজ্ঞপ্তি ঘিরে নতুন চর্চা শিক্ষ মহলের অন্দরে। ইতিহাস বিভাগের মেধা তালিকা অনুযায়ী ১০০ নম্বরের মধ্যে ৭৬.৮৬৭০ নম্বর পেয়ে প্রথম হন অর্ণব। ইতিহাসে পিএইচডি করার ইন্টারভিউয়ে ২৪৯ জনকে পিছনে একেবারে প্রথম স্থানে উঠে এসেছেন তিনি। 

সূত্রের খবর, শনিবার সকালে কুণালের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা হয় উপাচার্য গৌতম চন্দ্রের। সেখানে অর্ণবের ভর্তি প্রক্রিয়ায় জট কাটানো নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা চলে বলে জানা যায়। এরইমধ্যে এসে গেল নতুন নোটিস। সূত্রের খবর, সোমবার বিকাল ৩ টের সময় বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে যাবেন অর্ণব।

সুব্রত মুখোপাধ্যায়, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের পর সুপ্তি পাণ্ডে হলেন মুখ্যমন্ত্রীর প্রায় সমবয়সী। এ দিন সেই সব তথ্যই তুলে ধরেন সংবাদ মাধ্যমে। পুরনো কথা বলতে গিয়ে বলেন, "মুখ্যমন্ত্রী আমার থেকে চার পাঁচ বছরের বড়।"

আমি জানতামই না মমতা পলিটিক্স করে...'
সুপ্তি পাণ্ডে


কলকাতা: মানিকতলায় ৬২ হাজারের বেশি ভোটে জিতিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী সুপ্তি পাণ্ডে। সেই জয় তাড়িয়ে-তাড়িয়ে উপভোগ করেছেন তিনি। শুধু তাই নয় শনিবার ভোটের ফল ঘোষণার পর পুরনো দিনের স্মৃতিচারণা করলেন জয়ী এই তৃণমূল প্রার্থী। কীভাবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর পরিচয়। কোথায় প্রথম দেখা, রাজনীতিতেই বা কীভাবে এলেন সবটাই জানালেন সংবাদ মাধ্যমকে।

সুব্রত মুখোপাধ্যায়, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের পর সুপ্তি পাণ্ডে হলেন মুখ্যমন্ত্রীর প্রায় সমবয়সী। এ দিন সেই সব তথ্যই তুলে ধরেন সংবাদ মাধ্যমে। পুরনো কথা বলতে গিয়ে বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী আমার থেকে চার পাঁচ বছরের বড়। ও গ্র্যাজুয়েশনের পর অনেকদিন বসেছিল। নিজের কাজ করছিল। তারপর ওয়ার্ল্ড হিস্ট্রি নিয়ে এমএ পড়তে যায়। আমি পড়তে যাই সায়েন্স কলেজে। ও হয়ত ভাবত রাজনীতি করবে। আমরা জানতাম না মমতা আদৌ পলিটিক্স করে।”

এখানেই শেষ নয়, তিনি এও বলেন, “আমি বিয়ের পর সোমনাথ চ্যাটার্জীর পাশে ওকে দেখে বলছি শ্বশুরমশাইকে বললাম বাবা ইনি আমার চেনা। তারপর উপনির্বাচনের সময় আমায় দেখে মমতা বলছে তুই কীভাবে এখানে চলে এলি। বললাম একে বিয়ে করে।” প্রসঙ্গত, মানিকতলার প্রয়াত বিধায়ক সাধন পাণ্ডের মৃত্যুর পর তাঁর কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী করে সাধন-জায়া সুপ্তিকে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছিল প্রার্থী হতে পারেন কন্যা শ্রেয়া পাণ্ডে। পরে জানা যায় নির্বাচনে লড়ছেন সুপ্তি। তাঁর বিপরীতে লড়াই করেছিলেন বিজেপির কল্যাণ চৌবে। আজ সেই উপভোটের ফলাফল বের হয়। দেখা যায় সুপ্তি শুধু জিতেছেনই নন, সাধন পাণ্ডের থেকে অনেক বেশি মার্জিনে তিনি কল্যাণ চৌবেকে হারিয়েছেন। ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে ২০ হাজার ২৩৮ ভোটে জিতেছিলেন তৃণমূলের প্রার্থী সাধন পাণ্ডে। সেই সময়ও বিজেপি প্রার্থী করেছিল কল্যাণ চৌবেকে। সাধন তৎকালীন সময়ে পেয়েছিলেন ৬৫ হাজার ৫৭৭ ভোট। আর কল্যাণ পেয়েছিলেন ৪৭ হাজার ৩৩৯ ভোট। ২০২৪-এর উপনির্বাচনে দেখা গেল সুপ্তি পাণ্ডের প্রাপ্ত ভোট ৮২ হাজার ৮৬১ ভোট। কল্যাণ চৌবে পেয়েছেন ২০ হাজার ৭৪৫ ভোট। অর্থাৎ ২০২১ সালের তুলনায় কল্যাণের প্রাপ্ত ভোট তো কমেছেই, তৃণমূল প্রার্থী বহু পিছনে ফেলে দিয়েছে তাঁকে।

 খবর যায় পুলিশে। কিন্তু, এলাকার লোকজনের অভিযোগ, পুলিশ দেরিতে এসেছে। সে কারণেই কাউকে ধরা যয়ানি। ক্ষোভে ফেটে পড়ে উত্তেজিত জনতা। পুলিশকে ঘিরে ধরে শুরু হয় বিক্ষোভ। উত্তেজিত জনতা পুলিশের পাঁচ পাঁচটি গাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ।



ফের ছেলেধরা গুজব! পুলিশ যেতেই ইট বৃষ্টি, আহত সিভিক ভলান্টিয়ার, রণক্ষেত্র আসানসোল
ভাঙল পুলিশের গাড়ি


আসানসোলঃ ছেলেধরা সন্দেহে মার! গণপিটুনি! বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরেই একের পর এক ঘটনায় শোরগোল চলছেই গোটা রাজ্যজুড়ে। এবার আসানসোল। উত্তেজনা আসানসোল উত্তর থানার ভানোড়া ব্লু ফ্যাক্টরি সংলগ্ন এলাকায়। এলাকার লোকজনের বলেছেন, রাতের অন্ধকারে অজ্ঞাত পরিচয় দুই যুবক ও এক যুবতীকে ঘুরে বেড়াতে দেখা যাচ্ছে। তাঁদেরকে দেখেই ছেলেধরা সন্দেহ করে বসেন অনেকে। গুজব ছড়ায় গোটা এলাকায়। বাড়তে থাকে চাপানউতর। এদিকে এখনও পর্যন্ত ওই যুবকদের সঙ্গে যুবতীর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। 

খবর যায় পুলিশে। কিন্তু, এলাকার লোকজনের অভিযোগ, পুলিশ দেরিতে এসেছে। সে কারণেই কাউকে ধরা যয়ানি। ক্ষোভে ফেটে পড়ে উত্তেজিত জনতা। পুলিশকে ঘিরে ধরে শুরু হয় বিক্ষোভ। উত্তেজিত জনতা পুলিশের পাঁচ পাঁচটি গাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ। পরিস্তিতি ক্রমেই হাতের বাইরে যেতে শুরু করলে মুহূর্তেই আরও পুলিশ চলে আসে এলাকায়। 

কিন্তু, তখনও কমেনি জনতার রোষ। শুরু হয় ইট বৃষ্টি। ইটের আঘাতে বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্মী, সিভিক ভলান্টিয়ার আহত হয়েছেন বলে খবর। কিন্তু, যাঁদের ছেলেধরা হিসাবে সন্দেহ করা হচ্ছিল তাঁদের কিন্তু কোনও খোঁজ পাওয়াই যায়নি। তাই তাঁদের অস্তিত্ব নিয়ে উঠে যাচ্ছে প্রশ্ন। 

অন্যদিকে স্থানীয় কাউন্সিলর উৎপল সিনহা কিন্তু গ্রামবাসীদের পক্ষই নিচ্ছেন। তিনি বলছেন, ওরা নিরীহ গুজবের পাল্লায় পড়ে কিছু একটা ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। অন্যদিকে পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনায় বেশ কয়েকজন হামলাকারীকে আটক করা হয়েছে।