June 2020



বড় বড় ইমারত তৈরিতে, যে জিনিসটার প্রাধান্য অনেক, অথাৎ 'ইট' আজ সেই ইট ভাটায় কর্মরত শ্রমিক দের জীবিকা ও জীবন।
কাকদ্বীপের বিভিন্ন ইট ভাটায় কাজ করেন, বাইরের অনেক শ্রমিকরা, বিহার, ঝাড়খন্ড, ছত্রিশ গড় আরো অন্যান্য জায়গা থেকেও আসেন এখানে ইট ভাটার কাজে।
গত কয়েক মাস ধরেই চলছে লকডাউন,  তাই কেমন কাটছে তাদের জীবন জীবিকা ?
                         📱Video📱

ফের জঙ্গি হানা কাশ্মীরে। বুধবার সকালে কাশ্মীরের সোপরে সেনা টহলদারির সময় আড়াল থেকে এলোপাথাড়ি গুলি চালায় জঙ্গিরা। যার জেরে এখনও পর্যন্ত ১ জন জওয়ান শহিদ এবং অন্তত ৩ জন সিআরপিএফ জওয়ান জখম হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে এক সাধারণ নাগরিকেরও। মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জানা গিয়েছে, বুধবার সকালে সোপর মডেল টাউনে সিআরপিএফ এবং কাশ্মীর পুলিশের  যৌথ টহলদারি বাহিনীর উপর আচমকা হামলা চালায় জঙ্গিরা। তাঁদের লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে থাকে তাঁরা।

জম্মু কাশ্মীর পুলিশের আইজি দিলবাগ সিং জানিয়েছেন, সোপর মডেল টাউনে টহলদারি চালানোর সময় নিরাপত্তারক্ষীদের উপর আচমকা গুলিবর্ষণ শুরু করেছে জঙ্গিরা। বেশ কয়েকজন সিআরপিএফ জওয়ান জখম হয়েছেন। কয়েকজন সাধারণ নাগরিকও আহত হয়েছেন। গোটা এলাকা ঘিরে ফেলা হয়েছে এবং ওই এলাকায় এই মুহূর্তে চিরুনি তল্লাশি চলছে।



তারপরেই খবর আসে, জখম জওয়ানদের মধ্যে ১ জন ইতিমধ্যেই শহিদ হয়েছেন। আরও ৩ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগেও কাশ্মীরে টহলদারির সময় সেনাদের হামলা চালায় জঙ্গিরা। বুধবার সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটল।

উল্লেখ্য, কাশ্মীরে গত কয়েক মাস ধরেই লাগাতার জঙ্গি দমন অভিযান চলছে। যার জেরে গত ৪ মাসের মধ্যে খতম করা হয়েছে লস্কর, হিজবুল ও জইশ-সহ ৪ জঙ্গি সংগঠনের প্রধানকেই। যা কাশ্মীরে সন্ত্রাসদমনে বিরাট সাফল্য বলে মনে করা হচ্ছে।


কোহিমা: নাগাল্যান্ডকে  আরও ছয় মাসের জন্য অর্থাৎ, ডিসেম্বর মাসের শেষ পর্যন্ত “বিঘ্নিত অঞ্চল” হিসাবে ঘোষণা করল কেন্দ্র। মঙ্গলবার কেন্দ্রের তরফ থেকে এমনটাই জানানো হয়েছে।

এক বিজ্ঞপ্তিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে যে, কেন্দ্রীয় সরকার এই মতামত নিয়েছে যে পুরো নাগাল্যান্ডের সমন্বিত অঞ্চলটি এতটাই অশান্ত ও বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে যে নাগরিক শক্তির সহায়তায় সশস্ত্র বাহিনীর ব্যবহার জরুরি।

‘স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক আরও জানিয়েছে যে, এই পরিস্থিতি বিবেচনা করে এখন নাগাল্যান্ডে সশস্ত্র বাহিনী অর্থাৎ, বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৫৮ (১৯৮৮ সালের নং ২৮) এর ধারা ৩ দ্বারা প্রদত্ত ক্ষমতার প্রয়োগ করা হবে। কেন্দ্রীয় সরকার এই রাজ্যটিকে আরও ৬মাসের জন্য পুরোপুরি একটি বিড়ম্বিত অঞ্চল হিসাবে ঘোষণা করেছে। ২০২০ সালের ৩০ জুন পর থেকে এই আইন শুরু হবে।



উল্লেখ্য, নাগাল্যান্ড প্রায় ছয় দশক ধরে সশস্ত্র বাহিনী (বিশেষ ক্ষমতা) আইন (এএফএসপিএ) এর আওতায় রয়েছে। এমনকি ২০১৫ সালের ৩রা অগস্টে  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উপস্থিতিতে নাগাল্যান্ডের বিদ্রোহী দল ন্যাশনাল সোশ্যালিস্ট কাউন্সিল নাগাল্যান্ড এর সাধারণ সম্পাদক থিউঙ্গিলেং মুইভা এবং সরকারি কথোপকথক আরএন রবি সঙ্গে একটি কাঠামো চুক্তি স্বাক্ষরের পরেও এই আইন প্রত্যাহার করা হয়নি।

নাগাল্যান্ডে এই আইনটি মূলত বহু আইনজীবী গোষ্ঠীর “ড্র্যাকোনিয়ান” হিসাবে অভিহিত  একটি আইন। যা নাগাল্যান্ডে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটনার পরে এসেছে।

প্রসঙ্গত, এই বিশেষ আইনে এএফএসপিএ সশস্ত্র বাহিনীকে অনুসন্ধান ও গ্রেফতার করার এবং “জনশৃঙ্খলা রক্ষণাবেক্ষণের জন্য” প্রয়োজন মনে করলে গুলি চালানোর ক্ষমতা দেয়।


করোনা আবহে সাবধানতা অবলম্বন করতে বড় পদক্ষেপ নিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। দেশের বেসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকে চিঠি দিয়ে রাজ্যের বিমানবন্দরগুলিতে যাতে বেশ কিছু বিমানের অবতরণ না করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। রাজ্যের পক্ষ থেকে মুখ্য সচিব রাজীব সিনহা ওই চিঠি লিখেছেন।

সেই চিঠিতে রাজীব সিনহা লিখেছেন যে অনুগ্রহ করে দিল্লি, মুম্বই, পুনে, নাগপুর, চেন্নাই, ইন্দোর, আওমেদাব্দ এবং সুরাত থেকে কোনও বিমান যাতে পশ্চিমবঙ্গের বিমানবন্দরে না অবতরণ করে সেদিকে নজর দেবেন। ওই সকল বিমানবন্দর থেকে যাতে কোনও বিমানের টিকিট বুকিং না করা হয় সেই বিষয়েও নজর দেওয়ার কথা বলেছেন রাজীবাবু।

করোনা মহামারি রোধ করতেই এই অনুরোধ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য সচিব রাজীব সিনহা। দুই সপ্তাহের জন্য এই পরিষেবা বন্ধ রাখার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে রাজ্যের পক্ষ থেকে। আগামী জুলাই মাসের ছয় তারিখ থেকে সেই দুই সপ্তাহের মেয়াদ শুরু হবে। ওই সময়ের মধ্যে কলকাতা, বাগডোগরা এবং অন্ডাল বিমানবন্দরে যাতে উল্লিখিত শহর থেকে কোনও বিমান না আসে সেই অনুরোধ করা হয়েছে।


দেশের অন্যান্য শহরগুলি থেকে যেমন পরিষেবা চলছে তা জারি আগের মতোই স্বাভাবিক থাকবে বলে জানিয়েছেন রাজীব সিনহা। মূলত দেশের যে সকল রাজ্যগুলিতে করোনা ভাইরাস মারাত্মক আকার নিয়েছে সেই সকল রাজ্যের শহরগুলির সঙ্গেই আকাশপথে যোগাযোগ বন্ধ রাখতে চাইছে বাংলা।



মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র  ও  লাতিন আমেরিকায় করোনার সংক্রমণ লাগাম ছাড়া ভাবে ছড়াচ্ছে। গোটা বিশ্বে মৃত্যু সংখ্যা ৫ লক্ষ ছাড়িয়ে গিয়েছে। এই অবস্থায় আরও আশঙ্কার কথা শোনাচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। 'হু' সতর্ক করে বলছে অতিমারী থামার এখনি কোনও লক্ষণই দেখা যাচ্ছে না।
 
গোটা বিশ্বে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১ কোটি পার করে গিয়েছে। সংক্রমণ আয়ত্বে না আসাক বিশ্বের কয়েকটি দেশ আবার নতুন করে লকডাউনের পথে হাঁটছে। বিশ্ব অর্থমীতি বিপর্যস্ত অবস্থায় পৌঁছেছে। এই অবস্থায় 'হু' প্রধান  টেড্রস আধানম ঘেব্রেইসাসসতর্ক করে বলছেন, ‘আমরা সবাই এর সমাপ্তি চাই। আমরা সবাই আমাদের জীবন নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই। কিন্তু কঠিন বাস্তবতা হচ্ছে, এটা শেষ হওয়ার ধারেকাছেও নেই। কিছু দেশ যদিও কিছুটা উন্নতি করেছে, তবু বিশ্বজুড়ে মহামারিটি দ্রুতগতিতেই ছড়াচ্ছে।’

টেড্রস বলেছেন, ছ’মাস আগে চিনে প্রথম এই করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কথা শোনা যায়। এর পরে গোটা বিশ্বেই ছড়িয়ে পড়েছে এই ভাইরাস। চিনে নতুন করে সংক্রমণের ধাক্কায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে চলেছে। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় বেজিংয়ে  ‘নো গো জোন’ বানানোর প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। স্কুল-কলেজ-অফিসে তালা পড়েছে। রাজধানী শহর থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যাওয়ার অন্তত বারোশো বিমান বাতিল করা হয়েছে, বাতিল করা হয়েছে কয়েকশো ট্রেন। সংক্রমণ ঠেকাতে লাখের কাছাকাছি মানুষের গণ রক্তপরীক্ষা শুরু হয়েছে।তিনি আরও যোগ করেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ সঠিক পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরও মারাত্মক রূপ নেবে। আরও বেশি মানুষ করোনা ভাইরাসের শিকার হবে। তিনি পরীক্ষা, শনাক্ত, আইসোলেশন ও কোয়ারেন্টিনের ওপর পুনরায় গুরুত্বারোপ করেন।
করোনা পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠার কারণ হিসেবে গবেষকরা মনে করছেন মানুষের শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি অনেক কমে গেছে। 'হু' প্রধানের বক্তব্য, ভাইরাসের সংক্রমণ তখনই কমবে যখন মানুষের শরীরে ‘হার্ড ইমিউনিটি’তৈরি হবে।

অর্থাৎ শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে। বিশেষজ্ঞরা আগেই বলেছিলেন, সমাজের এক অংশের মধ্যে যদি ‘হার্ড ইমিউনিটি’ তৈরি হয়, তাহলেই ভাইরাল স্ট্রেন ব্যাপক হারে সংক্রমিত হতে পারবে না। একটা পর্যায়ের পরে স্ট্রেন দুর্বল হতে শুরু করবে। সেই পর্যায় থেকেই সংক্রমণ ধীরে ধীরে কমতে শুরু কমবে। তবে এখনই সেই পর্যায়ে এসে পৌঁছনো যায়নি।এদিকে বিশ্বে এক কোটিরও বেশি লোক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যু দুটোই যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি। দেশটিতে করোনায় মারা গেছেন ১ লাখ ২৫ হাজারেরও বেশি মানুষ এবং আক্রান্ত ২৫ লাখ। বিশ্বে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংক্রমণ ছড়িয়েছে ব্রাজিলে।
লাদাখ সীমান্তে ভারত-চিন সংঘর্ষের জেরে টিকটক সহ ৫৯টি চিনা অ্যাপকে নিষিদ্ধ করল ভারত সরকার। আজ সাংবাদিক সম্মেলন করে ৫৯টি চিনা অ্যাপের তালিকা প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক। তারপর থেকেই পাবজি, মোবাইল জুমের মতো জনপ্রিয় অ্যাপগুলি নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। তবে কি বন্ধ হয়ে যাবে জনপ্রিয় গেমিং অ্যাপ পাবজিও? এই প্রশ্নই ঘোরাফেরা করছে হাজার হাজার ইউজারদের মনে। ইন্টারনেটে ট্রেন্ড করছে হ্যাশট্যাগও।

সোমবার একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক থেকে জানানো হয়েছে যে, ভারতীয় সংবিধানের ৬৯এ আইন প্রয়োগ করে ৫৯টি অ্যাপকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। জনস্বার্থ রক্ষা ও তথ্য সুরক্ষিত রাখা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ বলে জানানো হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে। গালওয়ান উপত্যকায় ভারত-চিন সংঘর্ষের পর লাদাখ পরিস্থিতি এখনও উত্তপ্ত। ভারতের ওপর চিন সাইবার হামলা চালাতে পারে বলে আশঙ্কা তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের। সেই আশঙ্কা থেকেই ৫৯টি চিনা অ্যাপকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হল। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, এই অ্যাপগুলি মারফত ভারতের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন গোপনীয় তথ্য ফাঁস হয়ে যেতে পারে।
তবে, ৫৯টি আ্যাপের যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে সেই তালিকায় নেই পাবজির নাম। বিভ্রান্তি ছড়ালেও পাবজি অ্যাপটি বন্ধ হওয়ার কোনও ঘোষণা এখনও অবধি করেনি সরকার। পাবজি অ্যাপের মালিকানা চিন নয়, একটি দক্ষিণ কোরিয়ার সংস্থার। তাই চিনা অ্যাপ নিষিদ্ধ হলেও প্রভাব পড়বে না পাবজির ওপর। সোশ্যাল মিডিয়ায় পাবজি বন্ধ হওয়ার যে জল্পনা ছড়িয়েছে তা ভুও বলে জানা যাচ্ছে ।
এখনই শেষ হওয়ার নয় করোনা সংক্রমণ। এমনকি বিশ্বমারী সংক্রমণ শেষ হওয়ার ধারে কাছেও নেই। একথাই সোমবার সাফ জানিয়ে দিলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেডরস আধানম।

চিনের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে করোনা সম্পর্কে জানানোর পর ৬ মাস কেটে গিয়েছে। ১ কোটির বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন, ৫ লক্ষ মানুষের প্রাণ চলে গিয়েছে। আরও অনেকে আক্রান্ত হতে পারেন। ভাইরাস এখনও অনেক জায়গায় সংক্রমণ ছড়াবে। বিশ্বমারী শেষ হওয়ার নাম মাত্র ইঙ্গিত নেই।

আধানম এ-ও বলেছেন, "আমরা সকলে চাই ভাইরাস শেষ হোক। কিন্তু বাস্তবে আমরা শেষের ধারে কাছেও নেই। যদিও কিছু দেশ উন্নতি করছে তবু বিশ্বব্যাপী ভাইরাসের গতি ক্রমশই বাড়ছে।" বিশ্ব স্বাস্থ্য় সংস্থার আপদকালীন ব্যবস্থাপনার প্রধান মাইক রায়ান জানিয়েছেন, প্রতিষেধক তৈরিতে উন্নতি হলেও কবে প্রতিষেধক মিলবে তার কোনও নিশ্চয়তা নেই।

কিছু দেশ আইসোলেশন, দ্রুত পরীক্ষা ও ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে করোনা লড়াইয়ে সফল হচ্ছে। দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, জার্মানির নাম নিয়ে একথা জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

©Zee 24 Ghanta
ফের চিন, শুকর থেকে ছড়িয়ে পড়ছে ভয়ঙ্কর জি-৪ ভাইরাস

চিনের উহান থেকেই সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে নোভেল করোনাভাইরাস। করোনা ছড়ানোর দায়ে বারবার চিনের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছে হোয়াইট হাউস।
সেই চিন থেকেই ফের দানা বাঁধছে সোয়াইন ফ্লু। গবেষকরা বলছেন এই ফ্লুও মহামারীর আকার নিতে পারে। এমনই ভয়ঙ্কর  তথ্য প্রকাশিত হয়েছে মার্কিন বিজ্ঞান জার্নাল পিএনএএসে।

এই ফ্লু এর নাম জি-৪। জিনগত ভাবেই এইচ ১ এন ১ থেকে এর উৎপত্তি। এই এইচ ১ এন ১ এর জন্যই ২০০৯ সালে মহামারী হয়েছিল। ফের  রক্তচক্ষু দেখাচ্ছে জি-৪।
জার্নালে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী চিনা বিশ্ববিদ্যালয় ও চিনের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের গবেষকরা জানিয়েছেন মানুষকে আক্রান্ত করার সব বৈশিষ্ট্যই রয়েছে জি-৪ এর।

২০১১ থেকে ২০১৮, সাত বছর ধরে বিজ্ঞানীরা প্রায় শুকরের ৩০ হাজার অনুনাসিকা নমুনা সংগ্রহ করেছেন চিনের ১০ টি প্রদেশের কসাইখানা থেকে।  সেখান থেকে প্রায় ১৭৯ টি সোয়াইন ফ্লু ভাইরাস আলাদা করেছেন তাঁরা। সেখানেই ২০১৬ সাল থেকে একটি নতুন ধরনের ভাইরাস চোখে পড়েছে তাঁদের।

ফেরেট নামে একটি প্রাণী, যাঁদের সঙ্গে মানুষের ভাইরাস উপসর্গ প্রায় সমান সেখানে এই জি-৪ প্রয়োগে ক্ষতিকর প্রভাব স্পষ্ট।

বিজ্ঞানীরা বলছেন ১০.৪ শতাংশ কর্মী যারা শুকরের কাজের সঙ্গে যুক্ত তাদের মধ্যে ছড়িয়ে গিয়েছে এই ভাইরাস। সাধারণ মানুষের ৪.৪ শতাংশও আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন। সর্দি, কাশি, জ্বর এই ভাইরাসেরও উপসর্গ।

প্রাণী থেকে ইতিমধ্যেই মানুষের দেহে প্রবেশ করেছে এই ভাইরাস। কিন্তু মানুষ থেকে মানুষে সংক্রমণের কোনও প্রমাণ এখনও মেলেনি। শুকরের কসাইখানায় যারা কাজ করেন তাঁদের বাড়তি নিরাপত্তার কথা মাথায় রাখতে বলা হয়েছে ওই জার্নালে।
সীমান্তের পাশাপাশি দেশের ভেতরেও চিনকে আঘাত হানা শুরু করে দিল কেন্দ্র। অর্থনৈতিকভাবে চিনকে কোণঠাসা করতে চিনা পণ্য বয়কটের দাবি উঠছে দেশে। এরকম এক পরিস্থিতিতে বিহারে একটি ব্রিজ নির্মাণের জন্যে টেন্ডার বাতিল করল কেন্দ্র। ওই নির্মাণকাজে যুক্ত ছিল দুটি চিনা কোম্পানি।

কেন্দ্র ইতিমধ্যেই বিএসএনএল, এমটিএমএল-সহ দেশের টেলিকম কোম্পানিগুলিকে চিনের সরঞ্জাম ব্যবহার করতে নিষেধ করেছে।  এবার পরিকাঠামোগত ক্ষেত্রে জড়িত চিনা কোম্পানিগুলির ওপরে আঘাত হানা শুরু হল।

বিহার সরকারের এক আধিকারিক সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, গঙ্গা নদীর ওপরে একটি ব্রিজ নির্মাণের জন্য নিয়োগ করা হয়েছিল মোট ৪ সংস্থাকে। এদের মধ্যে দুটি সংস্থা চিনের। ওই টেন্ডার বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। গোটা প্রকল্পের মোট খরচ ধরা হয়েছিল ২,৯০০ কোটি টাকা। এর মধ্য়ে ছিল ৫.৬ কিলোমিটার লম্বা ব্রিজ, আন্ডারপাস, রেল ওভারব্রিজ ও অন্যান্য ছোট ছোট ব্রিজ।

২০১৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর ওই ব্রিজ নির্মাণের ব্যাপারে ছাড়পত্র দেয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অর্থনৈতিক বিষয়ক কমিটি।  কমিটির চেয়ারম্যান খোদ প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু গালওয়ানের ২০ জওয়ানের মৃত্যু পর সবকিছুই ওলটপালট হয়ে গেল।

গঙ্গার ওপরে মহাত্মা গান্ধী সেতুর সমান্তরাল ওই ব্রিজটি তৈরি হচ্ছিল। এটি তৈরি হয়ে গেল উপকৃত হতেন পাটনা, বৈশালী ও সারান জেলার মানুষজন। ব্রিজের সঙ্গেই নির্মাণের তালিকায় ছিল ৪টি আন্ডারপাস, ১.৫৮ কিলোমিটার লম্বা রাস্তা, একটি ফ্লাইওভার, ৪টি ছোট ব্রিজ, ৫টি বাস স্ট্যান্ড ও ১৩টি রোড জাংশন। প্রকল্পটি শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৩ সালে।

শ্রীসন্থ আর বিতর্ক যেন নিত্যসঙ্গী। ভাজ্জির হাতের চড় থেকে শুরু করে ফিক্সিং কাণ্ডে নাম জড়ানো! একের পর এক কাণ্ড ঘটেছে তাঁর জীবনে। ক্রিকেট খেলে তিনি যত না জনপ্রিয় হয়েছেন, এসব কাণ্ডের জন্য তাঁর নাম ছড়িয়েছে বরং বেশি। তবে দু দুটো বিশ্বকাপ কিন্তু শ্রীসন্থের ঝুলিতে আছে। ২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আর ২০১১ সালে দেশের মাটিতে পঞ্চাশ ওভারের বিশ্বকাপ। তবে আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতে কারও কাঁধে চড়ে মাঠ ছাড়বেন মাহি। এমনই ইচ্ছে প্রকাশ করলেন শ্রীসন্থ।

আইপিএল ফিক্সিং কাণ্ডে শ্রীসন্থের নির্বাসনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে চলতি বছরেই। মাঠে ফেরার প্রস্তুতিও শুরু করেছেন কেরলের পেসার। ফের জাতীয় দলে খেলার ইচ্ছে রয়েছে তাঁর। সেই সঙ্গে প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনির অবসর জল্পনা উড়িয়ে দিচ্ছেন শ্রী। তাঁর মতে আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ফের খেলবেন ধোনি। আর বিশ্বকাপ জিতে ধোনিকে কাঁধে তুলে নিয়ে মাঠ ছাড়বে বিরাটরা। এমন ইচ্ছের কথাই এক সাক্ষাত্কারে জানিয়েছেন শান্তাকুমার শ্রীসন্থ।

২০১৯ বিশ্বকাপের সেমি ফাইনালের পর থেকে বাইশ গজে আর ধোনিকে দেখা যায়নি। এবারের আইপিএল-এ মাঠে ফোরর পরিকল্পনা করেছিলেন এমএস ধোনি। কিন্তু করোনার কারণে আপাতত তা বিশবাঁও জলে। মারণ ভাইরাসের কারণে অক্টোবর মাসে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ঘিরে অনিশ্চয়তার মেঘ। তবে শ্রীসন্থ মনে করেন, "আমার মনে হয় ও (ধোনি) টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলবে। তার আগেই আইপিএল-ও হবে। ধোনিভাইকে আবার আগের ফর্মে দেখতে পাব। অনেকেই অনেকর কথা বলছেন। কিন্তু ধোনিভাই নিরব আছে। ও জানে ও কি করবে।"

ধোনির অবসর প্রসঙ্গে শ্রীসন্থ বলেন, "ওটা ধোনি ভাই ঠিক করবে, একজন ক্রিকেট ফ্যান হিসেবে আমি সচিন পাজিকে দেখেছি। আমি নিজে চাই ধোনি ভাই আর একটা বিশ্বকাপ খেলুক আর ভারত জিতুক। তারপর যেমন সচিন অবসরের কথা জানিয়েছিলেন। তারপরেই ধোনি ভাইও সিদ্ধান্ত জানাবে। আমি চাই ধোনি কারও কাঁধে চেপে মাঠ ঘুরবে ... এবং এটা হবেই দেখবেন। "
প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনা বাড়ানো হল নভেম্বর পর্যন্ত। আজ মঙ্গলবার জাতির উদ্দেশে ভাষণে এই ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। অর্থাৎ এই যোজনায় গরিব পরিবারকে মাথাপিছু যে পাঁচ কেজি চাল অথবা গম এবং এক কেজি ডাল দেওয়া হচ্ছিল বিনামূল্যে, সেই প্রকল্প নভেম্বর পর্যন্ত বাডানো হল। পাশাপাশি আনলক পর্বে আরও সতর্ক থাকার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
দেশ জুড়ে করোনাভাইরাসের দাপট অব্যাহত। সোমবারও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের হিসেবে দেশে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৮ হাজার ৫২২ জন। মোট আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে পাঁচ লক্ষ ছাড়িয়ে গিয়েছে। আজ শেষ হচ্ছে আনলক-১। নতুন করে লকডাউন যে হচ্ছে না, তা সোমবার কেন্দ্রের বিজ্ঞপ্তিতেই স্পষ্ট হচ্ছে। ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামিকাল ১ জুলাই থেকে দেশে শুরু হচ্ছে আনলক-২। কিন্তু এখনও ট্রেন, মেট্রো আন্তর্জাতিক উড়ান চালু হয়নি। বহু শিল্পক্ষেত্রে কাজও শুরু হয়নি পুরোদমে। আবার পরিযায়ী শ্রমিকরাও ঘরে ফিরে কার্যত ঘরে বসে আছেন। রোজগার প্রায় শূন্য। এই পরিস্থিতিতেই প্রধানমন্ত্রী অন্ন যোজনার মেয়াদ আরও পাঁচ মাস বাড়ানোর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর। ৩০ জুন পর্যন্ত এই যোজনার মেয়াদ ছিল। শেষ হওয়ার আগেই মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। 
প্রধানমন্ত্রী এ দিন বলেন, ‘‘জুলাই মাস থেকে কৃষিক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি কাজকর্ম হয়। তুলনায় অন্যান্য শিল্পক্ষেত্রে কিছুটা কম কাজ হয়। তা ছাড়া উৎসবের মরশুমও শুরু হচ্ছে কার্যত জুলাই থেকেই। উৎসবের মরশুমে মানুষের প্রয়োজন বাড়ে, খরচও বাড়ে। সেই বিষয় মাথায় রেখেই প্রধানমন্ত্রী অন্ন যোজনার মেয়াদ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হল। অর্থাৎ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের প্রায় ৮০ কোটি মানুষ বিনামূল্য খাদ্যশস্য পাবেন।’’ 
প্রধানমন্ত্রী এ দিন জানান, এই প্রকল্পের জন্য ৯০ হাজার কোটি টাকা খরচ হবে। এর আগে মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত ছ'মাস এই প্রকল্পে গরিবদের বিনামূল্যে খাদশস্য দেওয়া হয়েছে। সেই খরচ যোগ করলে প্রায় দেড় লক্ষ কোটি টাকা সরকারের খরচ হবে— জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। 
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য: 

নভেম্বর পর্যন্ত ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে খাদ্য: ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

Modi
জাতির উদ্দেশে ভাষণ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। ছবি: টুইটার থেকে নেওয়া

প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনা বাড়ানো হল নভেম্বর পর্যন্ত। আজ মঙ্গলবার জাতির উদ্দেশে ভাষণে এই ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। অর্থাৎ এই যোজনায় গরিব পরিবারকে মাথাপিছু যে পাঁচ কেজি চাল অথবা গম এবং এক কেজি ডাল দেওয়া হচ্ছিল বিনামূল্যে, সেই প্রকল্প নভেম্বর পর্যন্ত বাডানো হল। পাশাপাশি আনলক পর্বে আরও সতর্ক থাকার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। 

দেশ জুড়ে করোনাভাইরাসের দাপট অব্যাহত। সোমবারও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের হিসেবে দেশে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৮ হাজার ৫২২ জন। মোট আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে পাঁচ লক্ষ ছাড়িয়ে গিয়েছে। আজ শেষ হচ্ছে আনলক-১। নতুন করে লকডাউন যে হচ্ছে না, তা সোমবার কেন্দ্রের বিজ্ঞপ্তিতেই স্পষ্ট হচ্ছে। ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামিকাল ১ জুলাই থেকে দেশে শুরু হচ্ছে আনলক-২। কিন্তু এখনও ট্রেন, মেট্রো আন্তর্জাতিক উড়ান চালু হয়নি। বহু শিল্পক্ষেত্রে কাজও শুরু হয়নি পুরোদমে। আবার পরিযায়ী শ্রমিকরাও ঘরে ফিরে কার্যত ঘরে বসে আছেন। রোজগার প্রায় শূন্য। এই পরিস্থিতিতেই প্রধানমন্ত্রী অন্ন যোজনার মেয়াদ আরও পাঁচ মাস বাড়ানোর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর। ৩০ জুন পর্যন্ত এই যোজনার মেয়াদ ছিল। শেষ হওয়ার আগেই মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। 

প্রধানমন্ত্রী এ দিন বলেন, ‘‘জুলাই মাস থেকে কৃষিক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি কাজকর্ম হয়। তুলনায় অন্যান্য শিল্পক্ষেত্রে কিছুটা কম কাজ হয়। তা ছাড়া উৎসবের মরশুমও শুরু হচ্ছে কার্যত জুলাই থেকেই। উৎসবের মরশুমে মানুষের প্রয়োজন বাড়ে, খরচও বাড়ে। সেই বিষয় মাথায় রেখেই প্রধানমন্ত্রী অন্ন যোজনার মেয়াদ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হল। অর্থাৎ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের প্রায় ৮০ কোটি মানুষ বিনামূল্য খাদ্যশস্য পাবেন।’’ 

প্রধানমন্ত্রী এ দিন জানান, এই প্রকল্পের জন্য ৯০ হাজার কোটি টাকা খরচ হবে। এর আগে মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত ছ'মাস এই প্রকল্পে গরিবদের বিনামূল্যে খাদশস্য দেওয়া হয়েছে। সেই খরচ যোগ করলে প্রায় দেড় লক্ষ কোটি টাকা সরকারের খরচ হবে— জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। 

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য: 

• এই সময় সর্দি-কাশি বেড়ে যায় 

• আপনাদের প্রতি আমার আর্জি, এই সময় সাবধানে থাকুন

• করোনা .নিয়ন্ত্রণে বিশ্বের অনেক দেশের চেয়ে এগিয়ে ভারত

• কিন্তু আনলক-১ শুরু হতেই সাবধানতা কমে গিয়েছে 

• দেশের নাগরিকদের এখনও সতর্ক থাকতে হবে 

• বিশেষ করে কন্টেনমেন্ট জোনগুলিতে নজর দিতে হবে 

• যে সব মানুষ নিয়ম পালন করছেন না, তাঁদের থামাতে হবে এবং বোঝাতে হবে 

• আপনারা খবরে দেখে থাকবেন, একটা দেশের প্রধানমন্ত্রীর জরিমানা হয়েছে, কারণ তিনি মাস্ক ছাড়া জনসমক্ষে বেরিয়েছিলেন 

• লকডাউনের সময় দেশের কোনও মানুষের ঘরে উনুন জ্বলেনি এমন হয়নি 

• সরকার থেকে সাধারণ মানুষ সবাই সাহায্য করেছেন 

• এই তিন মাসে গরিবদের মাথাপিছু ৫ কেজি চাল অথবা ডাল এবং এক কেজি ডাল দেওয়া হয়েছে 

• এই সময় আজ একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করতে চলেছি 

• এই বর্ষার সময়ে কৃষিক্ষেত্রে অনেক বেশি কাজকর্ম হয় 

• জুলাই থেকে ধীরে ধীরে উৎসবের মরসুম শুরু হয় 

• এর পর অনেক উৎসব আসছে পরপর 

• উৎসবের এই সময় প্রয়োজনও বাড়ে, খরচও বাড়ে 

• এই কারণেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে 

• প্রধানমন্ত্রী অন্ন যোজনা দিওয়ালি ও ছট পুজো পর্যন্ত করে দেওয়া হবে 

• জুলাই, আগস্ট, সেপ্টেম্বর, অক্টোবর, নভেম্বর পর্যন্ত দেওয়া হবে 

• গরিব পরিবারের সদস্যদের মাথাপিছু ৫ কেজি চাল/গম এবং ১ কেজি ডাল দেওয়া হবে নভেম্বর পর্যন্ত 

• এতে ৯০ হাজার কোটি টাকা খরচ হবে সরকারের 

• আগের গুলো জুড়লে প্রায় দেড় লক্ষ কোটি টাকা খরচ হবে  

• দেশের কোটি কোটি সব করদাতাদের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা 

• আগামী সময়ে আমরা গরিব, শোষিত, বঞ্চিতদের ক্ষমতা বাড়াতে আরও কাজ করব

কেউ তাঁকে শেষ করে দিতে চাইছেন, মৃত্যুর আগে বন্ধুদের প্রায়ই বলতেন সুশান্ত!

ইতিমধ্যেই ২৭ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিস

কেউ তাঁর কেরিয়ার শেষ করে দিতে চাইছেন। তাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করে বলিউড থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। মৃত্যুর কয়েক মাস আগে নাকি কাছের বন্ধুদের প্রায়শই এমন কথা বলতেন সুশান্ত সিং রাজপুত। তবে কাদের দিকে ইঙ্গিত করতেন সুশান্ত, সে বিষয়ে কিছু জানাননি অভিনেতা। সম্প্রতি সুশান্তের কাছের বন্ধুদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিস।

মৃত্যুর ৬ মাস আগে থেকে নাকি অবসাদে ভুগতে শুরু করেন সুশান্ত সিং রাজপুত। ফলে মনোবিদ কেশরি ছাবড়ার ওষুধ খেতেন তিনি। সুশান্তের মৃত্যুর তদন্ত করতে গিয়ে এমনই তথ্য উঠে আসে পুলিসের হাতে। রিয়া চক্রবর্তীও দাবি করেছেন, অবসাদ কাটানোর ওষুধ খেতেন সুশান্ত। সেই সূত্র অনুযায়ী সুশান্তের কাছের লোককে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিস। ইতিমধ্যেই ২৭ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে ব্যান্দ্রা থানার পুলিসের তরফে

পুলিসি জিজ্ঞাসাবাদের মুখে সুশান্তের বেশ কয়েকজন বন্ধু জানিয়েছেন, আত্মহত্যার ৬ মাস আগে থেকে নাকি মাঝে মধ্যেই ভয় পেতেন সুশান্ত। কেউ তাঁকে শেষ করে দিতে চাইছে বলে বন্ধুদের কাছে মন্তব্য করতেন অভিনেতা। ইন্ডাস্ট্রির বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী তাঁর কেরিয়ার ধ্বংস করে দিতে চাইছেন বলেও নাকি মন্তব্য করতেন সুশান্ত। তবে কাদের কথা বলতেন সুশান্ত, সে বিষয়ে কোনও নাম তাঁর বন্ধুরা পুলিসকে জানাতে পারেননি।


এদিকে সুশান্তের মৃত্যুর পর যশরাজ ফিল্মসের কাস্টিং ডিরেক্টর শানো শর্মাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিস। তবে শানোকে কী কী বিষয় নিয়ে পুলিসি জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়তে হয়েছে, সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।

টিকটক-ইউসি ব্রাউজার-সহ ৫৯টি চিনা অ্যাপ্লিকেশন নিষিদ্ধ ভারতে

টিকটক, শেয়ারইট, ইউসি ব্রাউজার, লাইকি, ইউচ্য়াট, বিগো লাইভ-সহ মোট ৫৯টি চিনা অ্য়াপ নিষিদ্ধ করল তথ্য়-প্রযুক্তি মন্ত্রক।

          সীমান্ত উত্তেজনার আবহে চিনের বিরুদ্ধে বড়সড় পদক্ষেপের পথে হাঁটল কেন্দ্র সরকার। টিকটক, শেয়ারইট, ইউসি ব্রাউজারের মতো জনপ্রিয় চিনা অ্য়াপ নিষিদ্ধ করল ভারত সরকার। টিকটক, শেয়ারইট, ইউসি ব্রাউজার, লাইকি, ইউচ্য়াট, বিগো লাইভ-সহ মোট ৫৯টি চিনা অ্য়াপ নিষিদ্ধ করল তথ্য়-প্রযুক্তি মন্ত্রক।


          টিকটক, শেয়ারইট, ইউসি ব্রাউজার, লাইকি, ইউচ্য়াট, বিগো লাইভ ছাড়াও নিষিদ্ধ অ্য়াপের তালিকায় রয়েছে ক্লাব ফ্য়াক্টরি, এমআই কমিউনিটি, ভাইরাস ক্লিনার, এমআই ভিডিও কল-শাওমি, হেলো, বিউটি প্লাস, ইউ ক্য়াম মেকআপ, ক্য়াম স্ক্য়ানার, সুইট সেলফি, প্য়ারালেল স্পেস, ইউসি নিউজ, উই মিট, ডিইউ রেকর্ডার, মোবাইল লেজেন্ডস, ওন্ডার ক্য়ামেরা।

          তথ্য় প্রযুক্তি মন্ত্রকের তরফে এ ব্য়াপারে জানানো হয়েছে, ওই অ্য়াপগুলি দেশের সার্বভৌমত্ব, অখণ্ডতা, দেশের সুরক্ষার জন্য় ক্ষতিকারক। সেকারণেই ওই অ্য়াপগুলিকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তথ্য় প্রযুক্তি আইনের ৬৯এ ধারায় অ্য়াপগুলি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

          তথ্য় প্রযুক্তি মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ১৩০ কোটি ভারতবাসীর তথ্য় সুরক্ষিত রাখার প্রশ্নে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অ্য়ান্ড্রয়েড ও আইওএস প্ল্য়াটফর্মে মোবাইল অ্য়াপকে অপব্য়বহার করে গ্রাহকদের তথ্য় চুরি করা হচ্ছে বলে বেশ কিছু অভিযোগ জমা পড়েছিল তথ্য় প্রযুক্তি মন্ত্রকে। এরপরই এ ব্য়াপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানা যাচ্ছে। লাদাখে সীমান্ত সংঘাতের আবহে চিনা অ্য়াপ নিষিদ্ধ করার মতো সিদ্ধান্ত উল্লেখযোগ্য় বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ।


বর্ষাকালে পাতে গরম ইলিশ সবারই ভালো লাগে, ঠিক যতটা ভালো লাগে তেমনি ভাবেই এই জীবিকার সাথে যারা একদম শ্রমিক দলের সাথে যুক্ত তাদের জীবন হয় ততটাই কঠিন হয় গভীর সমুদ্রে। 
কাকদ্বীপ, সাগর, নামখানা, বকখালি, পাথর  এলাকা গুলির বেশির ভাগ মানুষ মৎসজীবী। 
তাদের প্রধান জীবিকার গুলির মধ্যে এটি অন্যতম, সবাই নদীর মাছ খেতে খুব ভালো বাসে, কিন্তু যারা এত কষ্ট করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যায়, তাদের জীবন কেমন ভাবে কাটে?
আসুন এই ভিডিওটি তে দেখে নি, কেমন হয় মৎসজীবীদের জীবন।
YouTube : https://youtu.be/heL_F2BGq0k

                       📱 video link📱
লাদাখ সীমান্তে উত্তেজনার মধ্যেই বড়সড় সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র। নিষিদ্ধ করা হল একসঙ্গে ৫৯টি চিনা অ্যাপ। এর মধ্যে রয়েছে টিকটকের মতো অত্যন্ত জনপ্রিয় অ্যাপও। দেখে নেওয়া যাক কোন অ্যাপগুলি রয়েছে এই তালিকায়।
১. টিকটক: বিনোদনমূলক ভিডিয়োর এই সোশ্যাল অ্যাপটি ভারতে ব্যাপক জনপ্রিয়। শুধুমাত্র এ দেশেই এই অ্যাপটির ইউজার সংখ্যা ১১ লক্ষেরও বেশি। অ্যাপটির মোট ডাউনলোডের ৩০ শতাংশ শুধুমাত্র ভারতেই। ৬১ কোটি বার ডাউনলোড করা হয়েছে অ্যাপটি।
২. শেয়ারইট: অত্যন্ত দ্রুতগতিতে বড় ফাইল আদানপ্রদানের জন্য ব্যবহার করা হত এই অ্যাপ দিয়ে। ভারতে ফেসবুক এবং হোয়াটসঅ্যাপের পর সবচেয়ে অ্যাক্টিভ অ্যাপ এটিই।
৩. ইউসি ব্রাউজার: ইন্দোনেশিয়ার মতো এশিয়ার কয়েকটি দেশে গুগল ক্রোমের চেয়েও বেশি জনপ্রিয় ছিল এই অ্যাপ। ভারতে গুগলের ক্রোমের পরেই সবচেয়ে জনপ্রিয় এই ব্রাউজার।
জনপ্রিয় এই তিনটি অ্যাপ ছাড়াও নিষিদ্ধের তালিকায় যে অ্যাপগুলি রয়েছে সেগুলি হল কোয়াই, বাইদু ম্যাপ, শেইন, ক্ল্যাশ অব কিংস,
এমআই কমিউনিটি, সিএম ব্রাউজার্স, ভাইরাস ক্লিনার, আপুস ব্রাউজার, রোমউই, ক্লাব ফ্যাক্টরি, নিউজডগ, বিউটি প্লাস, জেন্ডার, কিউকিউ মিউজিক, কিউকিউ নিউজফিড, বিগো লাইভ,
সেলফি সিটি, মেল মাস্টার, প্যারালাল স্পেস, এমআই ভিডিয়ো কল-শাওমি, ভিগো ভিডিয়ো, নিউ ভিডিয়ো স্ট্যাটাস, ডিইউ রেকর্ডার, ভল্ট-হাইড, ক্যাম স্ক্যানার, ক্লিন মাস্টার-চিতা মোবাইল, ওয়ান্ডার ক্যামেরা, ফোটো ওয়ান্ডার, কিউকিউ প্লেয়ার, উই মিট, সুইট সেলফি, বাইদু ট্রান্সলেট, ভিমেট, কিউকিউ ইন্টারন্যাশনাল, কিউকিউ সিকিউরিটি সেন্টার, কিউকিউ লঞ্চার, ইউ ভিডিয়ো, ভি ফ্লাই স্ট্যাটাস ভিডিয়ো, মোবাইল লেজেন্ডস, ডিইউ প্রাইভেসি।
মন্দারমনিতে তিমি! না কোনও গাঁজাখুরি গল্প নয়। বাস্তব। মন্দারমণির সমুদ্রসৈকতে ক্যামেরাবন্দি হল তিমি।
লম্বায় প্রায় ৩৫ ফিট, চওড়ায় ১০ ফিট! বিশালাকার একটি মৃত তিমির দেখা মিলল মন্দারমণিতে । 
এটি হাম্পব্যাক প্রজাতির তিমি বলে জানা গিয়েছে। খানিকটা ব্যাঙাচির মতো দেখতে তিমিটি। 
৩৫ ফিট লম্বা, ১০ ফিট চওড়া হাম্পব্যাক প্রজাতির বিশালাকার তিমিটি ওজনে প্রায় দেড় টন।
এমনকি তাঁদের মতে, এই ধরনে তিমি বঙ্গোপসাগরেও সচরাচর দেখা যায় না । 
দিঘার জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়র তরফে প্রাথমিকভাবে বলা হয়েছে, খাদ্যাভাবেই হয়তো উপরের দিকে উঠে এসেছে তিমিটি। 
পাশাপাশি, ট্রলার, জাহাজ তেমন না চলায় সমুদ্র এখন দূষণমুক্ত।
এছাড়া গভীর সমুদ্রে ঘনঘন প্রাকৃতিক দুর্যোগও তিমির উপরে উঠে আসার কারণ হয়ে থাকতে পারে। 
সমুদ্রের গভীরে ভূতাত্ত্বিক প্লেটের কম্পনের ফলেও তিমিটি উঠে আসতে পারে বলে মনে করছে দিঘা সায়েন্স সেন্টার। 
প্রসঙ্গত, ২০১২ সালে দিঘা মোহনার সৈকতে মৃত নীল তিমি এসে ঠেকেছিল। 
বিশ্ব মহামারীর দিনগুলোতে একেবারে সামনের সারিতে দাঁড়িয়েই করোনার সঙ্গে লড়ছেন চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীরা। তাই তাঁদের জন্য় গর্বিত রাজ্য। তাঁদের লড়াইকে কুর্নিশ জানিয়ে ১ জুলাই চিকিৎসক দিবসের দিন রাজ্যের সমস্ত স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। সোমবার নবান্নের বৈঠকে একথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। 
এ দিন সাংবাদিক সম্মেলনে মখ্যমন্ত্রী জানান, " পশ্চিমবঙ্গে  ছুটির পাশাপাশি কেন্দ্র সরকার এবং অন্য রাজ্যগুলিকেও ছুটি ঘোষণার অনুরোধ জানাব"। তিনি আরও জানিয়েছেন যে, এই পরিস্থিতিতে ১ জুলাই দিনটি যাতে জাতীয় ছুটি হিসেবে ঘোষণা করা হয় সেবিষয়েও অনুরোধ জানানো হবে কেন্দ্রের কাছে। করোনা আবহে স্বাস্থ্যকর্মী এবং চিকিৎসকদের অক্লান্ত পরিশ্রমকে শ্রদ্ধা জানাতেই এই সিদ্ধান্ত। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই রাজ্যের সমস্ত ইন্টার্ন, হাউসস্টাফদের স্টাইপেন্ড বাড়িয়ে দেয় রাজ্য। সেবারও জানানো হয়েছিল যে, এই দুর্ভোগের সময়ে চিকিৎসকরা যেভাবে দিন রাত এক করে কাজ করছেন সেই কাজকে কুর্নিশ জানাতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার।
এখানেই শেষ নয়। সোমবারের সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী জানান, টেলি মেডিসিন পরিষেবা চালুর ভাবনা-চিন্তাও শুরু করেছে রাজ্য়। বিধানচন্দ্র রায়ের জন্মদিন অর্থাৎ চিকিৎসক দিবসের দিন থেকে এই পরিষেবা চালু করা হবে। এ ক্ষেত্রে ফোনেই চিকিৎসকদের সঙ্গে পরামর্শ করতে পারবেন রোগী এবং তাঁর পরিবার। আগামী ১ জুলাই ১২ টা থেকে জেলায় জেলায় শুরু হবে এই পরিষেবা। প্রতিটি জেলার জন্য থাকবে আলাদা আলাদা নম্বর। এমনটাই ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর। যদিও এ বিষয়ে এখনও বিস্তারিত জানানো হয়নি। 
 ১ জুলাই থেকে বদলে যেতে পারে ব্যাংকের বেশ কিছু নিয়মকানুন। এর মধ্যে রয়েছে মিনিমাম ব্যালান্স, বিনা চার্জে এটিএম থেকে টাকা তোলার নিয়মও।
দেশ করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে গত ২৪ মার্চ বেশকিছু আর্থিক পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। আয়কর, জিএসটি, কাস্টমস ডিউটি ও ব্যাঙ্ক ক্ষেত্রে বেশকিছু ছাড় দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন অর্থমন্ত্রী।  ছাড় দেওয়া হয়েছিল ব্যাঙ্কে মিনিমান ব্যালান্স রাখার নিয়ম ও এটিএম থেকে টাকা তোলার নিয়মেও। ওই ছাড়ের মেয়াদ ছিল ৩ মাস। অর্থাত্ আগামী ৩০ জুন তা শেষ হচ্ছে।
অর্থমন্ত্রীর ঘোষণা ছিল
১. যে কোনও ব্যাঙ্কের এটিএম থেকে বিনা চার্জে ৩ মাস টাকা তোলা যাবে।
২. মিনিমাম ব্যালান্সের সীমা থাকবে না।
৩. ডিজিটার লেনদেনের ক্ষেত্রে চার্জ কম করা হবে।

এখন ওইসব ছাড়ের মেয়াদ যদি সরকার না বাড়ায় তাহলে ফিরবে আগের নিয়ম। ফলে এটিএম থেকে টাকা তোলার ক্ষেত্রে ফের বিধিনিষেধ জারি হবে। নির্দিষ্ট সংখ্যকবারই বিনা চার্জে টাকা তোলা যাবে।  মিনিমাম ব্যালান্স আগের নিয়মেই রাখতে হবে। তা না করলেই জরিমানা কাটা হতে পারে।
বিশ্বের সব থেকে বড় ক্রিকেট স্টেডিয়াম হয়েছে ভারতে। এবার বিশ্বের প্রথম হাইটেক ক্রিকেট স্টেডিয়ামও তৈরি হবে ভারতে। এই স্টেডিয়ামে যা সুযোগ সুবিধা রয়েছে তা বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রিকেট স্টেডিয়াম মোতেরাতেও নেই। জানা যাচ্ছে, এবার বৃষ্টি হলেও ম্যাচ বন্ধ হবে না। সাধারণত ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ছাদ থাকে না। কিন্তু চণ্ডীগড়ের নির্মীয়মাণ এই হাইটেক স্টেডিয়ামে বৃষ্টি থেকে ম্যাচ বাঁচানোর যাবতীয় ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়াও বহু অত্যাধুনিক ব্যবস্থা থাকবে মুল্লাপুর আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে। আসলে গ্রিন বিল্ডিংস কনসেপ্ট অনুযায়ী তৈরি করা হচ্ছে এই স্টেডিয়াম। 

আট লাখ স্কোয়ার ফিট জায়গা জুড়ে তৈরি করা হচ্ছে এই হাইটেক স্টেডিয়াম। খরচ হচ্ছে দেড়শো কোটি টাকা। জানা গিয়েছে মোহালি স্টেডিয়াম-এর থেকে তিনগুণ বড় হবে এই স্টেডিয়াম। যে কোনও প্রতিকূল পরিস্থিতিতে এই স্টেডিয়ামে ম্যাচ আয়োজন করা সম্ভব হবে। বৃষ্টি বা রোদের হাত থেকে বাঁচতে পারবেন দর্শকরাও। রেইন ওয়াটার হারভেস্টিং সিস্টেম থাকবে স্টেডিয়ামে। যাতে বৃষ্টির জল ধরে রেখে তা আবার নতুন করে ব্যবহার করা যায়! এছাড়া গোটা স্টেডিয়ামের ইলেকট্রিসিটি চলবে সৌর বিদ্যুতের মাধ্যমে। স্টেডিয়ামের বিস্তীর্ণ জায়গা জুড়ে লাগানো হবে গাছ। যাতে প্রাকৃতিক শোভা বজায় থাকে। 

বৃষ্টির জন্য কোনওভাবেই আর ম্যাচ পণ্ড হবে না। জানা যাচ্ছে এই স্টেডিয়ামে ড্রেনেজ সিস্টেম এতটাই ভাল থাকবে যে বৃষ্টি থামার আধ ঘন্টার মধ্যে খেলা শুরু করা যাবে। তাছাড়া বৃষ্টি চলাকালীন পিচ ও আউটফিল্ডের কোনওরকম ক্ষতিও হবে না।  হাইটেক স্টেডিয়ামে দর্শকদের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের কথা মাথায় রাখা হয়েছে। বৃষ্টি বা রোদের হাত থেকে দর্শকরা এবার বাঁচতে পারবেন। তবে কবে নাগাদ এই স্টেডিয়ামের নির্মাণকাজ শেষ হবে তা এখনও পাকাপাকিভাবে কিছু জানানো হয়নি। জানা যাচ্ছে ইতিমধ্যে হাইটেক স্টেডিয়াম তৈরির কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। কাজ অনেক দূর এগিয়েছে। তবে যেহেতু অত্যাধুনিক ব্যবস্থা থাকবে, তাই এই স্টেডিয়াম নির্মাণের সময় লাগবে অনেকটাই বেশি।
মানব শরীরে কবে প্রথম করোনা থাবা বসায়, তা যদিও নিশ্চিত ভাবে জানা যায়নি। তবে গত বছরের ডিসেম্বরের গোড়াতে চিনের উহানেই প্রথম এই ভাইরাস থেকে সংক্রমণ ছড়ায়। তার মাস দেড়েক পর চিনা মেনল্যান্ড থেকে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং তাইল্যান্ডে ছড়ায় সংক্রমণ। উহানফেরত এক ব্যক্তির মাধ্যমে ২১ জানুয়ারি সংক্রমণ পৌঁছয় আমেরিকায়।
আজ প্রায় ১ কোটি ছাড়িয়েছে, গোটা বিশ্ব।
ক্রিকেট ছেড়ে চাষবাসে মন! ট্রাক্টর কিনে অরগ্যানিক চাষ। বিশ্বকাপজয়ী ভারত অধিনায়কের এটাই এখন রোজনামচা। রাঁচিতে নিজের ফার্ম হাউসে কৃষিকাজে ব্যস্ত মহেন্দ্র সিং ধোনি। রীতিমত 8 লক্ষ টাকা খরচ করে ট্রাক্টর কিনে ফেলেছেন মাহি। শুধু কেনাই নয় নিজে ট্রাক্টর চালানো শিখে ফেলেছেন ক্যাপ্টেন কুল। রোজ নিয়ম করে ট্রাক্টর নিয়ে চাষ করছেন ধোনি। মোটরসাইকেল প্রেমী এমএসডি এখন ট্রাক্টর প্রেমী মানুষ। ট্রাক্টর চালানোর সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট হওয়ার পরই মুহূর্তে ভাইরাল।
শুধুু মাহির ট্ট্রাক্টর চালিয়ে চাষ করার ভিডিও ভাইরাল নয়। বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়কের লুকও তাক লাগিয়ে দেওয়ার মতো। ধোনির নতুন লুক সবাইকে চমকে দিয়েছে। লকডাউনে একগাল সাদা-পাকা দাড়ি দেখে অনেকেই  চমকে গিয়েছিলেন। এবারও ধোনির যে ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে গালে সাদা পাকা চাপ দাড়ি। চুল এলোমেলো। পরনে আর্মি রংয়ের প্যান্ট। ফুল স্লিভ টি-শার্ট, পায়ে জুতো।  ট্রাক্টর সম্পর্কিত বই হাতে ধোনির নিজের ফার্ম হাউসে বসে আছেন।
ক্রিকেট থেকে বহুদূরে ধোনি।
 শেষ প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলেছিলেন ২০১৯ বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে। এক বছরের বেশি সময় প্রতিযোগিতামূলক কোনও ম্যাচ খেলেননি মাহি। লকডাউনের আগে চেন্নাইয়ের হয়ে আইপিএলের প্রস্তুতি শুরু করেছিলেন। তবে করোনা আতঙ্কে সব বন্ধ হয়ে যায়। চেন্নাই থেকে রাঁচি ফিরে নিজেকে গৃহবন্দি করে ফেলেছেন মাহি। মেয়ে জিভার সঙ্গে সময় কাটাতে ব্যস্ত ক্যাপ্টেন কুল। ইতিমধ্যেই ধোনির স্ত্রী সাক্ষী সোশ্যাল মিডিয়ায় বাবা- মেয়ের খেলার বিভিন্ন ভিডিও পোস্ট করেছেন। ধোনি ও জিভার সঙ্গে খেলতে দেখা গিয়েছে তাঁদের প্রিয় পোষ্য গুলিকেও।
এসবের মধ্যেই কোটি কোটি ভারতীয়র কাছে এখনও ধোনির ক্রিকেট ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। আর কি ক্রিকেট খেলবেন বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক? টিম ইন্ডিয়ার জার্সিতে দেখা যাবে? আইপিএল না হওয়ায় মাহির ভারতীয় দলে কামব্যাক করা কার্যত অসম্ভব বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে একটা সম্ভাবনা দেখছেন ধোনির ভক্তরা। করোনার জেরে অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়ায় যদি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাতিল হয় সেক্ষেত্রে ওই সময় ভারতে আইপিএল হতে পারে। তখন যদি ধোনি নিজেকে প্রমাণ করতে পারেন তাহলে ভারতীয় জার্সিতে ফের একটা সুযোগ মিললেও মিলতে পারে। অনেক ক্রিকেট বিশেষজ্ঞের মতে, ভারতীয় জার্সিতে ক্যাপ্টেন কুলকে আর দেখতে পাওয়া যাবে না। ধোনি আইপিএল খেলবেন।
পদ্মপুরাণের রচয়িতা স্বয়ং প্রজাপতি ব্রহ্মা ৷ পুরাণ মতে প্রজাপতি ব্রহ্মা বিষ্ণুর নাভি থেকে বা নাভি কমল থেকে জন্মেছিলেন ৷ পরবর্তী কালে তাঁর রচনা থেকে জ্ঞানের সঞ্চার হয়ে থাকে ৷ তিনিই সৃষ্টি করেন ৷ পদ্মপুরাণ অনুসারে কিছু অনুসরণ করা যায় তো সেক্ষেত্রে প্রজাপতি ব্রহ্মা বিশেষ রূপে সন্তুষ্ট হন ৷ জীবনে উন্নতি আসে আয়ু আরও দীর্ঘ হয়ে থাকে ৷

পদ্মপুরাণ অনুসারে কোনও মানুষ যদি গরুর ক্ষুরে থাকা ধুলো মাথায় ধারণ করেন তাহলে পাপ থেকে তিনি মুক্তি পেতে পারেন অনায়াসেই ৷ যিনি গোমাতার সেবা করেন তিনিই গোভক্ত মানবপুত্র, ধন, বিদ্যা, সুখ ও সমৃদ্ধি পেয়ে থাকেন জীবনে ৷
পদ্মপুরাণ অনুসারে শালগ্রাম, তুলসি ও শঙ্খকে একসঙ্গে যদি রাখা যায় ৷ ঈশ্বর তাঁর উপরে প্রসন্ন হন ৷ কিন্তু প্রদীপ, শিবলিঙ্গ, মণি, দেব প্রতিমা, মাণিক্য, হিরে, সোনা, তুলসি, রুদ্রাক্ষ, ফুলের মালা, জপমালা, ফুল, চন্দন, ফুল, কর্পূর, গোচনা এই সমস্ত মাটিতে রাখলে জীবনে অনেক সমস্যা দেখা দেয় ৷
পদ্মপুরাণ মতে কোনও বিবাহিত স্ত্রী তাঁর স্বামীর সেবা মন থেকে করলে তাঁর মঙ্গল হয় ৷ তিনি সর্বদা সুখে থাকেন ৷ স্বামীর পুণ্যের অর্ধেক ভাগ তাঁর হয়ে যায় ৷ (Disclaimer: এটি শুধুমাত্র তথ্যসূত্র নিউজ ১৮ বাংলা কাউকে মানতে বাধ্য করায়না ৷ মনের বিশ্বাসে যিনি বিশ্বাস করেন, তিনি মেনে দেখতে পারেন, কেননা বিশ্বাসে মিলায় বস্তু তর্কে বহুদূর) ৷
বাতিল করা হলো উচ্চমাধ্যমিক এর বাকি পরীক্ষা গুলি, 
● উচ্চমাধ্যমিক এর বাকি পরীক্ষা গুলি (২,৬,৮ জুলাই) সবগুলি বাতিল করা হলো
● শতকরা হারে বাকি পরীক্ষা গুলির নম্বর দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদ।



● আগামী জুলাই মাসের মধ্যে ২০২০ সালের উচ্চমাধ্যমিক এর ফলপ্রকাশ করার চেষ্টা করা হইবে।
● উপরিউক্ত মূল্যায়ন পদ্ধতিতে কোনো শিক্ষার্থী অসন্তুষ্ট হলে, তার জন্য লিখিত পরিক্ষার ব্যবস্থা করা হবে, সব কিছু স্বাভাবিক হওয়ার পরে।

নিয়মিত আমাদের আপডেট পেতে ⬇️
YouTube : www.youtube.com/c/kakdwip
FaceBook : facebook.com/kakdwipcity
Instagram : instagram/kakdwip_city
Website : www.kakdwip.co.in
ফুটবল প্লেয়ারদের আর্থিক সহায়তায়
আজ কাকদ্বীপে, A Choches Welfare Forum
কাকদ্বীপ অক্ষয়নগর এথেলেটিক ক্লাবের 
সহযোগিতায় - 
আজ প্রায় ৪৪ জন প্লেয়ার এবং কোচদের কিছু প্রোটিন খাদ্য সামগ্রী, এবং ফুটবল যে সামগ্রী দরকার তা তুলে দেন, আর্থিক ভাবেও তাদের সহায়তা করেন। ফুটবল প্রাণ কেন্দ্রের মানুষ পি.কে. ব্যানার্জির জন্মদিন
উপলক্ষ্যে তাঁর দুই কন্যা এবং স্ত্রীর যৌথ উদ্যোগে আজ কাকদ্বীপে এই উদ্দ্যোগ । 
Choches Who Care, A Choches Welfare Forum
অশোক নগর অভিযাত্রী সাংস্কৃতিক সংস্থা (১৯৮৬) থেকে আজ উকিলের বাজার 
বুধাখালি গ্রামপঞ্চায়েত এর ফটিকপুরে মাননীয় আই. সি. সুদীপ সিংহ মহাশয় এর সহযোগিতায়
 আজ ২০০ পরিবারের হাতে খাদ্য সামগ্রী তুলে দিলেন। তাতে রয়েছে সয়াবিন প্যাকেট, ডাল , আলু, সরষের তেল।
আজ কাকদ্বীপ এলাকার বামানগর নগর রথ তলা 
দুর্গা মন্দিরের মাঠে ত্রান বিতরণ করা হলো।
আমফান দুর্গত মানুষদের হাতে ত্রান তুলে দিলেন, মাননীয় আই. সি. সুদীপ সিংহ মহাশয়ের সহযোগিতায়
গ্রামের ৩০০ জন মানুষের হাতে শাড়ি, স্যানিটারি ন্যাপকিন, ৫টি করে খাতা, মশারি এবং ও.আর.এস, মাস্ক ইত্যাদি তুলে দিলেন।
Youtube : https://youtu.be/GYhIPpd3Bo4