Articles by "Daliy news"
Showing posts with label Daliy news. Show all posts

​​সরকারি অর্থ তছরুপ, নদী বাঁধ নির্মাণে অনিয়ম এবং আম্ফান পরবর্তী ত্রাণ প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সাগর ব্লকের ধসপাড়া সুমতিনগর–২ গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান বিপিন পড়ুয়াকে ঘিরে তীব্র বিক্ষোভ দেখালেন স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। মঙ্গলবার পঞ্চায়েত কার্যালয়ে উপপ্রধান উপস্থিত থাকাকালীন এই বিক্ষোভ শুরু হয়। 

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সাগর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং উপপ্রধানকে নিরাপদে উদ্ধার করে।
​স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় একনায়কতান্ত্রিকভাবে প্রভাব বিস্তার করে আসছেন বিপিন পড়ুয়া। অতীতে বাম রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি তৃণমূলে যোগ দেন এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিজের আধিপত্য বজায় রাখেন। আম্ফানের পুনর্গঠন কাজ, সরকারি তহবিল তছরুপ, স্বজনপোষণ এবং জোর করে চাঁদা আদায়ের মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। 


এছাড়া ভোটের সময় সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের পক্ষে ভোটদানে বাধ্য করার অভিযোগও তুলেছেন ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা। দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে জানিয়েও সুরাহা না মেলায় অবশেষে তাঁরা এই পথ বেছে নেন। ​এদিকে বিক্ষোভ চলাকালীন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন বিজেপির মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার সাগর মণ্ডল–২-এর সভাপতি ভোলানাথ মাইতি এবং সাধারণ সম্পাদক রবীন গুড়িয়া। তাঁরা উপপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এলাকার উন্নয়নমূলক কাজগুলি অবিলম্বে স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্তভাবে পরিচালনার দাবি জানান। শেষ পর্যন্ত পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

 এর আগে হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন না করে সরাসরি সুপ্রিম কোর্টের দরজায় পৌঁছে গিয়েছিলেন কালীঘাট তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ৩ অগস্ট সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চে অভিষেকের আবেদনের শুনানি হয়। সেখানে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানান, হাইকোর্টেই এই মামলার শুনানি হবে।

বিদেশ যাওয়া আপাতত স্থগিত? অভিষেকের একটাই পণ 'SSKM-এ যাব না'
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদন নিয়ে কী নির্দেশ দেবে হাইকোর্ট?

প্রথমে কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ। অনুমতি না পেয়ে সরাসরি সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু, শীর্ষ আদালত ফের মামলা পাঠায় কলকাতা হাইকোর্টে। সাত দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানাতে হাইকোর্টকে নির্দেশ দেয় দেশের সর্বোচ্চ আদালত। তারপরই বুধবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিদেশযাত্রার আবেদন নিয়ে শুনানি হল হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চে। আর এদিন শুনানিতে ফের ধাক্কা খেলেন অভিষেক। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, এসএসকেএম হাসপাতালে চোখ দেখান তৃণমূল সাংসদ। কিন্তু, এসএসকেএম-এ চোখ দেখাতে নারাজ অভিষেক। শেষপর্যন্ত আবেদন প্রত্যাহার করতে চান তিনি। তারপরই মামলাটি খারিজ করেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য।  


এদিন শুনানিতে কী হল?


শশীকে নিয়ে এত জল্পনা, এবার নিজে কি কিছু বললেন প্রাক্তন মন্ত্রী?
এদিন মামলার শুনানিতে অভিষেকের আইনজীবী রেবেকা জন বলেন, এর আগে তদন্তকারী সংস্থাকে সাত দিন আগে নোটিস দিয়ে গিয়েছেন তাঁর মক্কেল। কলকাতায় স্ত্রী ও বাচ্চারা রয়েছে। তাঁর মক্কেলের প্রতি মুভমেন্ট জানা যায়। সাংসদ হিসেবে যে কোনও দেশে যেতে পারেন তিনি। তখন বিচারপতি বলেন, সমস্যা হল বিধাননগর পুলিশ থানায় একাধিক আলাদা মামলা বিচারাধীন আছে। একটা মামলা হলে আলাদা কথা ছিল। কিন্তু আদালত মনে করছে, কলকাতায় কিংবা রাজ্যের বাইরে হলেও এই চিকিৎসা করার ক্ষেত্রে অসুবিধা নেই।


বিচারপতি আরও বলেন, “বিদেশ কিংবা দেশ, আজকের দিনে চিকিৎসাক্ষেত্রে ম্যাটার করে না।” বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, অপথ্যালমোলজি এসএসকেএম-এ যেটি বিখ্যাত, সেখানেই তিন চিকিৎসকের কমিটি পরীক্ষা করবে। চেক করবে আজ। পরশু রিপোর্ট দেবে। তারা যদি মনে করে, কলকাতা কিংবা দেশের যে কোনও আই হসপিটাল চিকিৎসা হতে পারে।

অভিষেকের আইনজীবী রেবেকা জন তখন জানান, তাঁর মক্কেল এসএসকেএম-এ চিকিৎসা করাতে চান না। অভিষেকের আইনজীবী বারবার বলেন, তাঁর মক্কেল চিকিৎসা কন্টিনিউ করতে বিদেশে যেতে চান। কারণ, বিদেশেই তাঁর চোখের চিকিৎসা চলছে। যদি ট্রিটমেন্ট এখানে সম্ভব হত, তাহলে বলতেন না। তখন বিচারপতি প্রশ্ন করেন, “নির্দেশে কী লিখব আপনি এসএসকেএম-এ যেতে চান না।” বিপাকে পড়ে মামলা প্রত্যাহার করতে চান অভিষেকের আইনজীবী।

মামলা প্রত্যাহারের আবেদন শুনে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য বলেন, “শীর্ষ আদালতের নির্দেশ। শুনতে হবে এই মামলা। ফলে এটা প্রত্যাহার করতে দেব না। সুপ্রিম কোর্টের অনেক বিচারপতি দেশেই চিকিৎসা করান।” একইসঙ্গে বিচারপতি বলেন, অভিষেক যে চিকিৎসকের উল্লেখ করেছেন আবেদনে, সেই চিকিৎসকের রেজিস্ট্রার নম্বর নেই সেখানে। এরপর অভিষেকের আইনজীবী সব্যসাচী বন্দ্যোপাধ্যায় গুগল থেকে চিকিৎসকের যাবতীয় ডিটেলস পড়ে শোনান। তাঁর বক্তব্য, “শীর্ষ আদালতের বহু বিচারপতি বাইরেও যান চিকিৎসা করাতে।” অভিষেকের আইনজীবী বলেন, “আমরা শুধু দেশের বাইরে যেতে চেয়েছি। এসএসকেএম-এ যাওয়ার জন্য আমার মক্কেল কোনও নির্দেশ দেননি।”

শেষ পর্যন্ত অভিষেকের মামলা খারিজ করেন বিচারপতি। বিদেশে চোখের চিকিৎসা করাতে চান অভিষেক। আর বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, আগে এসএসকে এম-র চিকিৎসকরা পরীক্ষা করবেন। তাতে সায় নেই অভিষেকের। তাই মামলা খারিজ করা হল।

মামলা খারিজ করে অর্ডারে বিচারপতি লেখেন, “আদালত যেহেতু মেডিকেল এক্সপার্ট নয়, তাই আদালত তার পরামর্শ দিয়েছিল এসএসকেএম-এ ৬ অগস্টে যাওয়ার জন্য। সেখানে নির্ধারিত হত এটা আদৌ কতটা জরুরি বাইরে যাওয়া। যেকোনও নাগরিক যেকোনও জায়গায় চিকিৎসার জন্য যেতে পারেন। কিন্তু এক্ষেত্রে একাধিক মামলা রয়েছে। যার মধ্যে তিনটে মামলা বিচারাধীন এবং তদন্ত চলছে। তাই আদালত এবিষয়ে এসএসকেএম-র পরামর্শ চেয়েছিল।”

আগে কী হয়েছিল?

গত ২০ জুলাই অভিষেকের বিদেশযাত্রার আবেদন নিয়ে হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য বলেছিলেন, “আপনার চোখের চিকিৎসা কলকাতার হাসপাতালে করা হয়নি। আদালত আপনাকে তখন যেতে দিতে পারে যখন এখানে এই চিকিৎসা করা যাবে না। আপনি কি কখনও SSKM গিয়েছিলেন? চিকিৎসকরা একটা বোর্ড গঠন করুক। মেডিক্যাল বোর্ড যদি মনে করে চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাত্রা প্রয়োজনীয়, তাহলে সমস্যা নেই।”

সিঙ্গল বেঞ্চের এই নির্দেশকেই চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন না করে সরাসরি সুপ্রিম কোর্টের দরজায় পৌঁছে যান কালীঘাট তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ৩ অগস্ট সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চে অভিষেকের আবেদনের শুনানি হয়। সেখানে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানান, হাইকোর্টেই এই মামলার শুনানি হবে। একইসঙ্গে নির্দেশ দেন, চোখের চিকিৎসার জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিদেশ যেতে পারবেন কি না সেবিষয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে কলকাতা হাইকোর্টকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তারপরই এদিন হাইকোর্টে ফের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে অভিষেকের আবেদনের শুনানি হয়। সেখানেই শুনানি শেষে মামলা খারিজ করেন বিচারপতি।

বিদেশযাত্রা কি আপাতত স্থগিত করলেন অভিষেক?

তিনি চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশ যেতে চেয়ে আবেদন জানিয়েছিলেন। আবার সেই আবেদন প্রত্যাহার করতে চান এদিন। অভিষেকের মামলা এদিন হাইকোর্ট খারিজ করার পর প্রশ্ন উঠছে, আপাতত বিদেশযাত্রা কি স্থগিত রাখছেন তৃণমূল সাংসদ? কারণ, তাঁকে বিদেশ যেতে হলে ফের আদালতের দ্বারস্থ হতে হবে। আবেদন প্রত্যাহার করে নিয়ে বিদেশযাত্রা আপাতত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিলেন অভিষেক?

ওই সেপটিক ট্যাঙ্কটি কয়েক মাস ধরে বন্ধ অবস্থায় পড়ে ছিল। সোমবার সকালে ট্যাঙ্ক পরিষ্কার বা খোলার উদ্দেশ্যে ভিতরে ঢুকেছিলেন অজিত মুহূর্তেই বিষাক্ত গ্যাসে অজ্ঞান হয়ে পড়েন কর্মরত যুবক অজিত দেশোয়ালি। তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন বাড়ির মালিক সুব্রত সেনগুপ্তও।

সেপটিক ট্যাঙ্ক খুলতেই বিপত্তি, ২ শ্রমিকের যা পরিণতি হল...
সেপটিক ট্যাঙ্ক খুলতেই বিপত্তি

দীর্ঘদিন বন্ধ হয়ে পড়েছিল। কাজ করতে গিয়ে পাটাতন খুলেছিলেন। আর তাতেই অঘটন। হঠাৎ করেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। আর তাঁকে দেখে আরেক সহকর্মীও তাঁকে সাহায্য করতে যান। তাঁরও প্রায় একই অবস্থা। নতুন নির্মিত সেপটিক ট্যাঙ্কের পাটাতন খুলতে গিয়ে বিপত্তি। ঘটনাটি ঘটেছে ঝাড়গ্রাম।


স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই সেপটিক ট্যাঙ্কটি কয়েক মাস ধরে বন্ধ অবস্থায় পড়ে ছিল। সোমবার সকালে ট্যাঙ্ক পরিষ্কার বা খোলার উদ্দেশ্যে ভিতরে ঢুকেছিলেন অজিত মুহূর্তেই বিষাক্ত গ্যাসে অজ্ঞান হয়ে পড়েন কর্মরত যুবক অজিত দেশোয়ালি। তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন বাড়ির মালিক সুব্রত সেনগুপ্তও।


 ১ অক্টোবর থেকে ফিক্সড ডিপোজিটে বড় বদল, কী প্রভাব পড়বে গ্রাহকদের উপর?
ওই যুবকের স্ত্রীর আর্তচিৎকারে স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। দ্রুত শুরু হয় উদ্ধারকাজ। বাড়ির পাশের এক হাতুড়ে চিকিৎসকের তাৎক্ষণিক বুদ্ধিমত্তা ও তৎপরতায় সঙ্গে সঙ্গে অক্সিজেন সিলিন্ডার থেকে গ্যাস দেওয়া শুরু হয়, যার ফলে দুই ব্যক্তির প্রাণ রক্ষা পায়।


ওই চিকিৎসকের ফোন পেয়ে মাত্র দুই মিনিটের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। এরপর তাঁদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে চিকিৎসাধীন দুই ব্যক্তিই বিপদমুক্ত এবং সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছেন।

 এখনও পর্যন্ত মৃত যুবক ও যুবতীর কোনও পরিচয় জানা যায়নি। তবে তাঁদের পরিচয় শনাক্ত করার জন্য আশপাশের এলাকায় খোঁজখবর চালানো হচ্ছে। এই মৃত্যু নিছক কোনও দুর্ঘটনা নাকি এর পেছনে অন্য কোনও রহস্য রয়েছে, তা নিয়ে তীব্র ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।


মুর্শিদাবাদ:  রেললাইনের ধার থেকে যুবক-যুবতীর দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য। মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জ থানার গদাইপুর এলাকায় রেললাইন থেকে এক যুবক ও এক যুবতীর ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা রেললাইনের ধারে দেহ দুটি পড়ে থাকতে দেখে প্রথমে রেল পুলিশ ও রঘুনাথগঞ্জ থানায় খবর দেন।


পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত মৃত যুবক ও যুবতীর কোনও পরিচয় জানা যায়নি। তবে তাঁদের পরিচয় শনাক্ত করার জন্য আশপাশের এলাকায় খোঁজখবর চালানো হচ্ছে। এই মৃত্যু নিছক কোনও দুর্ঘটনা নাকি এর পেছনে অন্য কোনও রহস্য রয়েছে, তা নিয়ে তীব্র ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।


​শরৎকালের আগমনী বার্তার আগেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার গঙ্গাসাগরে শুরু হয়ে গেল দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি। সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে ঐতিহ্যবাহী আশ্রমমোড় সার্বজনীন শারদীয়া দুর্গোৎসব কমিটির ৬৪ তম বর্ষের পুজোর শুভ খুঁটিপুজো সম্পন্ন হলো অত্যন্ত ধুমধাম ও আনন্দমুখর পরিবেশে।


​পবিত্র গুরু পূর্ণিমার শুভ তিথিকে বেছে নেওয়া হয়েছিল এই শুভ সূচনার জন্য। এদিন সকালে বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণ, উলুধ্বনি এবং শঙ্খধ্বনির মাধ্যমে পুজোর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন তথা খুঁটিপুজো সম্পন্ন হয়। এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, পুজো কমিটির সদস্যবৃন্দ এবং সাধারণ মানুষ এই অনুষ্ঠানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। খুঁটিপুজোকে কেন্দ্র করে আশ্রমমোড় চত্বরে এখন থেকেই যেন এক উৎসবের আমেজ তৈরি হয়েছে।

​প্রতি বছরই ব্যতিক্রমী থিম এবং জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে দক্ষিণ ২৪ পরগনা তথা সমগ্র রাজ্যে নজর কাড়ে গঙ্গাসাগরের এই পুজো কমিটি। এ বছর তাদের ৬৪ তম বর্ষে আরও বড় চমক নিয়ে হাজির হতে চলেছে আয়োজকরা। পুজো কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ বছরের তাদের মূল থিম কর্ণাটকের ঐতিহাসিক 'বিধানসৌধ' (বেঙ্গালুরু)।
​বেঙ্গালুরুর এই সুবিশাল এবং স্থাপত্যের এক অনন্য নিদর্শন—বিধানসৌধের রূপ ও সুদৃশ্য কারুকার্য এবার ফুটিয়ে তোলা হবে গঙ্গাসাগরের এই পুজো মণ্ডপে। দক্ষিণ ভারতের প্রাচীন ও আধুনিক স্থাপত্যকলার মেলবন্ধনে তৈরি এই থিম দর্শনার্থীদের এক অদ্ভুত নান্দনিক অভিজ্ঞতা দেবে বলেই আশাবাদী পুজো কমিটি। শুধু মণ্ডপসজ্জা নয়, প্রতিমা এবং আলোকসজ্জাতেও থাকছে বিশেষ চমক। ​খুঁটিপুজোর শুভ দিনে পুজো কমিটির সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ জানান, "আজ গুরু পূর্ণিমার পবিত্র দিনে আমাদের ৬৪ তম বর্ষের খুঁটিপুজো সম্পন্ন হলো। প্রতিবারের মতো এবারও আমরা এলাকার মানুষকে একটি ঐতিহাসিক ও দৃষ্টিনন্দন থিম উপহার দিতে চলেছি। কর্ণাটকের বিধানসৌধের আদলে গড়া আমাদের এই মণ্ডপ গঙ্গাসাগরের পুজোর ইতিহাসে এক নতুন মাইলফলক হয়ে থাকবে। আশা করছি, দূরদূরান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীরা এই বিশাল কর্মযজ্ঞ দেখে মুগ্ধ হবেন।"
​পুজোর মাসকয়েক আগেই এই ধরনের জমকালো খুঁটিপুজো এবং অভিনব থিমের ঘোষণার পর থেকেই গঙ্গাসাগর ও আশেপাশের এলাকাবাসীর মধ্যে উন্মাদনা তুঙ্গে পৌঁছেছে। এখন কেবল অপেক্ষা শারদোৎসবের সেই মহামিলনের ক্ষণের, যখন অগণিত মানুষের ভিড়ে মুখর হয়ে উঠবে আশ্রমমোড়ের এই পুজো প্রাঙ্গণ।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমা বিধানসভার দক্ষিণ কাশিনগর থেকে রায়দিঘি পর্যন্ত সরাসরি টোটো ও অটো চলাচলের নতুন রুট চালু হওয়ায় বোলেরবাজার এলাকার অটোচালকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে চালু থাকা বোলেরবাজার অটোস্ট্যান্ড কার্যত গুরুত্ব হারিয়েছে বলে অভিযোগ।


এর জেরে গত প্রায় দুই বছর ধরে যাত্রী সংখ্যা কমে যাওয়ায় বহু চালকের রুজি-রোজগার মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

স্থানীয় অটোচালকদের দাবি, আগে বোলেরবাজার স্ট্যান্ড থেকে প্রতিদিন প্রায় ৬০টি অটো যাত্রী পরিবহন করত। ব্রিজ নির্মাণের পরও কিছুদিন পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও পরে দক্ষিণ কাশিনগর থেকে সরাসরি রায়দিঘি পর্যন্ত অটো ও টোটো চলাচল শুরু হওয়ায় মাঝপথের স্ট্যান্ডগুলিতে যাত্রী ওঠানামা প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। ফলে অনেক চালক বাধ্য হয়ে অন্য পেশায় চলে গিয়েছেন। বর্তমানে সারাদিন স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়েও তেলের খরচ তোলার মতো ভাড়া মিলছে না বলে অভিযোগ।
চালকদের প্রস্তাব, দক্ষিণ কাশিনগর থেকে যাত্রীরা বোলেরবাজার পর্যন্ত এসে সেখান থেকে স্থানীয় অটোতে রায়দিঘি যাবেন এবং ফেরার ক্ষেত্রেও একই ব্যবস্থা চালু করা হোক। তাঁদের অভিযোগ, এই দাবির বিষয়টি প্রশাসন ও স্থানীয় নেতৃত্বের কাছে জানানো হলেও তা গুরুত্ব পায়নি।

সম্প্রতি এই ইস্যুতে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও সেখানে চালকদের মতামত উপেক্ষা করে একতরফাভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ালে রায়দিঘি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। চালকদের হুঁশিয়ারি, দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে তাঁরা বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটবেন। এখন প্রশাসন এই সংকটের সমাধানে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন এলাকার অটোচালক ও সাধারণ মানুষ।


জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা, নিরাপদ পানীয় জল নিশ্চিতকরণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সুন্দরবনের সাগর ব্লকে শুরু হলো "Building Water Security and Climate 


Resilience in Sunderbans, Sagar" প্রকল্প। সম্প্রতি এ উপলক্ষে একটি ব্লক স্তরের উদ্বোধনী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। সাগর ব্লক উন্নয়ন দপ্তরের আয়োজনে এবং পশ্চিমবঙ্গ স্বনির্ভর গোষ্ঠী ও স্বনিযুক্তি দপ্তর (WBSRLM)-এর সহযোগিতায় ছবি মহলে এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে। এতে কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে Water For People India Trust (WFPIT) এবং অর্থায়ন করেছে Tata Trusts। গাছে গোড়ায় জল দিয়ে এই প্রকল্পের শুভ সূচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাগর ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক কানাইয়া কুমার রাও, সাগর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সাবিনা বিবি, WBSRLM-এর রাজ্য ও জেলা প্রতিনিধি, Tata Trusts ও WFPIT-এর আধিকারিকেরা এবং বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিরা।
কর্মশালায় ম্যানগ্রোভ সংরক্ষণ, পানীয় জলের সংকট দূরীকরণ, কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এই উদ্যোগের মাধ্যমে সুন্দরবনের গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর দীর্ঘমেয়াদি জল নিরাপত্তা ও জলবায়ু সহনশীল পরিবেশ গড়ে তোলার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

 সুন্দরবনঃ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী বন দফতরের সহযোগিতায় বুধবার সুন্দরবন এলাকায় একটি সন্দেহজনক ভারতীয় মাছধরা ট্রলার আটক করে। ট্রলার থেকে চারজন ভারতীয় মৎস্যজীবীকে আটক করা হয়। পাশাপাশি ট্রলারটি থেকে উদ্ধার হয় বেশ কিছু অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ও প্রচুর পরিমাণ গুলি। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রশস্ত্রের উৎস, গন্তব্য এবং এর সঙ্গে কোনও আন্তঃসীমান্ত পাচারচক্রের যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। 
ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই অভিযান আন্তঃসীমান্ত পাচারচক্রের বিরুদ্ধে তাদের কঠোর অবস্থান এবং সমুদ্র নিরাপত্তা রক্ষায় গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক অভিযানের সাফল্যেরই প্রমাণ। উপকূলীয় এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে। 


ধৃত চারজনকেই বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সুন্দরবন কোস্টাল থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়েছে চারটি লং ব্যারেল বন্দুক সহ প্রচুর কার্তুজ উদ্ধার হয়েছে। উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্র কোথা থেকে এল সে বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পাশাপাশি ধৃতদের পরিচয় ও তাদের কর্মকান্ড সম্পর্কেও তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। শুক্রবার ধৃতদের আলিপুর আদালতে তোলা হবে। এসডিপিও ক্যানিং মোত্তাকিনুর মোল্লা বলেন, “ ধৃতদের নাম, পরিচয় সহ তাদের সম্পর্কে জানার জন্য তদন্ত শুরু হয়েছে। কোথা থেকে এই অস্ত্র পেলেন এরা, কোথাও পাচারের পরিকল্পনা ছিল কিনা সব বিষয়েই খোঁজ চলছে।”

নিজস্ব সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ:
দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছর পর অবশেষে নিজেদের দখলে ফিরে পেল একটি সোসাইটির নিজস্ব জমি ও ভবনের চাবি। কাকদ্বীপ যুব মোর্চা এবং মথুরাপুর সাংগঠনিক যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক রবিন মজুমদার, স্থানীয় গ্রামবাসীদের সহযোগিতায় সোসাইটির হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে চাবি তুলে দেওয়া হয়।

সোসাইটির সদস্যদের দাবি, প্রায় ৩৩ বছরের জন্য বৈধভাবে তারা এই জায়গাটি লিজ নিয়েছিলেন। তবে তৃণমূল আমলে দুষ্কৃতীদের দখলে চলে যায় ওই সম্পত্তি। অভিযোগ, দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে সোসাইটির সদস্যদের সেখানে যেতে বাধা দেওয়া হতো, এমনকি ভয় দেখানো ও মারধরের ঘটনাও ঘটেছে। ফলে সমাজসেবামূলক সমস্ত কার্যক্রম কার্যত বন্ধ হয়ে যায়।
চাবি ফিরে পাওয়ার পর সোসাইটির সদস্যরা আনন্দ প্রকাশ করেন। তারা জানিয়েছেন, খুব শীঘ্রই জায়গাটি সংস্কার করে পুনরায় সমাজসেবামূলক কাজ শুরু করা হবে। এলাকাবাসীর জন্য উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা, অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের দিয়ে স্বাস্থ্য শিবির এবং স্বল্পমূল্যে বা বিনামূল্যে ওষুধ প্রদানের মতো বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে বলে সোসাইটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

কাকদ্বীপ থেকে বাপ্পা রুহি দাস সঙ্গে সৌম্য সুন্দর দাস এর রিপোর্ট কাকদ্বীপ ডট কম।

তিনি বলেন, "বিগত তৃণমূল সরকার একুশে জুলাইয়ের কমিটি গড়েছিল। এই কমিশনের যে তদন্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, আইন অনুযায়ী যথাযথ তদন্ত, নির্বাহী তদন্তের রিপোর্টের অনুপস্থিতি বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনার আলোচনার বাইরে চলে গিয়েছে। ফলে পুলিশি গুলি চালানোর যথার্থতা প্রমাণিত হয় না। মহাকরণ থেকে কেন নথি পাওয়া যাচ্ছে না সেই প্রশ্ন করে কমিশন।" তিনি নাম না করে শুভেন্দুর অভিযোগ, "তখন কার মুখ্যমন্ত্রী তথ্য সরবরাহ করেননি। তিনি একটাও নথি দেননি। কারণ ওঁর বিদ্যুৎমন্ত্রী ফেঁসে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল।"


তখনকার মুখ্যমন্ত্রী তথ্য দেননি, ওঁর বিদ্যুৎমন্ত্রী ফেঁসে যেতে পারতেন',নাম না করে মমতা ও মণীশকে আক্রমণ শুভেন্দুর
বাঁদিকে পুরনো একুশে জুলাইয়ের ছবি, মাঝে মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, ডানদিকে মণীশ গুপ্ত
অবন্তিকা প্রামাণিক

মণীশ গুপ্ত, কয়েক দিন আগেই তৃণমূলের (TMC) সঙ্গে কোনও রকম সম্পর্ক রাখবেন না বলে দাবি করেছিলেন। সেই মণীশের নাম এবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর গলায়। একুশে জুলাইয়ের ঠিক আগে বিস্ফোরক অভিযোগ শুভেন্দু। বললেন, “মণীশ গুপ্তের নির্দেশেই গুলি চলেছিল।”


১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই তৎকালীন যুব কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে মহাকরণ অভিযান হয়। সেই অভিযান আটকাতে গুলি চালায় পুলিশ। ১৩ জন যুব কংগ্রেস নেতার মৃত্যুতে অভিযোগ ওঠে তৎকালীন বাম সরকারের বিরুদ্ধে। এরপর একটি কমিশন গঠিত হয়। ডাক পড়ে প্রাক্তন প্রয়াত মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যেরও। এরপর পালাবদল। ক্ষমতায় আসে তৃণমূল। তারপর থেকে তারা শহিদদের স্মৃতি স্মরণে পালন করে একুশে জুলাই। তবে, আজ বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী বললেন, তৎকালীন বাম আমলের স্বরাষ্ট্রসচিব তথা তৃণমূল আমলের প্রাক্তন বিদ্যুৎ মন্ত্রী মণীশ গুপ্তের নির্দেশেই চলেছিল গুলি।


 ১০ মিনিটের বৈঠকে 'ককরোচ জনতা পার্টি'কে আশ্বাস দিলেন জে পি নাড্ডা
শুভেন্দু কী বললেন?


তিনি বলেন, “বিগত তৃণমূল সরকার একুশে জুলাইয়ের কমিটি গড়েছিল। এই কমিশনের যে তদন্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, আইন অনুযায়ী যথাযথ তদন্ত, নির্বাহী তদন্তের রিপোর্টের অনুপস্থিতি বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনার আলোচনার বাইরে চলে গিয়েছে। ফলে পুলিশি গুলি চালানোর যথার্থতা প্রমাণিত হয় না। মহাকরণ থেকে কেন নথি পাওয়া যাচ্ছে না সেই প্রশ্ন করে কমিশন।” তিনি নাম না করে শুভেন্দুর অভিযোগ, “তখন কার মুখ্যমন্ত্রী তথ্য সরবরাহ করেননি। তিনি একটাও নথি দেননি। কারণ ওঁর বিদ্যুৎমন্ত্রী ফেঁসে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল।”

শুভেন্দু এও বলেন, “সমস্ত সাক্ষ্য থেকে কমিশনে দেখেছে, মহাকরণ থেকে দূরে জনতা অবস্থান করছিল। গুলি চালানো প্রয়োজন ছিল না। মহাকরণ আক্রমণের আশঙ্কা কাল্পনীক। গুলি চালানোর ঘটনা মহাকরণ থেকে অনেক দূরে হয়েছে। গুলি চালানো ছিল উদ্দ্যেশ্য বিহীন , বিনা প্ররোচনায়। রয়টার্স দখলের কথা ছিল কাল্পনিক।”

কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের আন্ডার সেক্রেটারি অবিনাশ ভট্টাচার্য আজ দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার সাগর ব্লক ও গঙ্গাসাগর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা পরিদর্শন করেন। মন্ত্রকের বিভিন্ন গ্রামীণ প্রকল্পের বাস্তবায়ন খতিয়ে দেখাই ছিল এই সফরের মূল উদ্দেশ্য।


সকালে কলকাতা থেকে রওনা হয়ে তিনি সরাসরি সাগর ব্লকের বিভিন্ন এলাকায় ভিবুগ্রাম-জি (VBGRAM-G) প্রকল্পের কাজ পরিদর্শন করেন। তিনি মাঠপর্যায়ে কর্মী, আধিকারিক এবং এনআরএলএম (NRLM) দলের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে প্রকল্পের কাজ সম্পর্কে সরাসরি মতামত সংগ্রহ করেন। এরপর তিনি ব্লক আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করে

 পিএমএওয়াই-জি (PMAY-G) এবং অন্যান্য গ্রামীণ উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতির বিশদ পর্যালোচনা করেন।
পরিদর্শন শেষে কাজের গুণমান ও গতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন আন্ডার সেক্রেটারি। তিনি মাঠপর্যায়ের কর্মীদের নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার প্রশংসা করে বলেন, গ্রামীণ জনজীবনের উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকারি প্রকল্পগুলো যাতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ও কার্যকরীভাবে বাস্তবায়িত হয়, সেদিকে আরও নজর দিতে হবে। এদিন বিকেলেই তিনি কলকাতায় ফিরে যান। রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের আধিকারিক অনিত নন্দী তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।


দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার অন্যতম ঐতিহ্যবাহী লক্ষ্মীপুজো মথুরাপুরের সদিয়াল গ্রামের সদিয়াল জনকল্যাণ সমিতি পরিচালিত কোজাগরী উৎসব ২০২৬-এর খুঁটি পুজো সাড়ম্বরে অনুষ্ঠিত হলো বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই।

এবারের পুজোর মূল আকর্ষণ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে অযোধ্যার রাম মন্দির-কে কেন্দ্র করে বিশেষ থিম। খুঁটি পুজোর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মথুরাপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ বাপী হালদার। তাঁর উপস্থিতিতেই প্রায় ৫০০ জন দুস্থ মানুষের হাতে ত্রিপল বিতরণ করা হয়, যা অনুষ্ঠানে সামাজিক দায়বদ্ধতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে ওঠে।
উল্লেখ্য, প্রতিবছরের মতো এবারও ৮ দিনব্যাপী কোজাগরী উৎসব উপলক্ষে থাকছে একাধিক সমাজসেবামূলক ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচি। এর মধ্যে রয়েছে রক্তদান শিবির, বস্ত্র বিতরণ, পাশাপাশি প্রতিদিন সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হবে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

প্রতিবছরের ন্যায় এবারও এই ঐতিহ্যবাহী লক্ষ্মীপুজো ও কোজাগরী উৎসবকে ঘিরে বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থীর সমাগমের প্রত্যাশা করছেন আয়োজকরা।

ব্যুরো রিপোর্ট | কাকদ্বীপ ডট কম

দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান। রথযাত্রার পবিত্র তিথিতে ধুমধাম করে দুর্গাপূজার খুঁটিপুজো সম্পন্ন হলো সাগর ব্লকের কমলপুর গ্রামে। এই গ্রামে আগে কখনো দুর্গাপূজা হতো না, তাই এবারই প্রথম আয়োজিত হতে চলেছে নতুন এই দুর্গোৎসব। 


এদিন প্রথা মেনে নারকেল ফাটিয়ে খুঁটিপুজোর শুভ সূচনা করেন সাগর ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক কানাইয়া কুমার রাও। এই বিশেষ মুহূর্তের সাক্ষী থাকতে হাজির ছিলেন স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তি থেকে শুরু করে এলাকার সাধারণ মানুষ। কমলপুর সার্বজনীন দুর্গা উৎসব পুজো কমিটির এই প্রথম বর্ষের পদযাত্রায় উদ্যোক্তারা বিশেষ চমক রেখেছেন। কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এবারের পুজোর থিম— ‘চাষির ঘরে দুর্গা’। 


গ্রামবাংলার কৃষি সংস্কৃতি ও অন্নদাতাদের সম্মানেই এই বিশেষ থিম বেছে নেওয়া হয়েছে। নতুন এই পুজোকে কেন্দ্র করে কমলপুর ও পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষের মধ্যে চরম উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। গ্রামবাসীর দীর্ঘদিনের এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হতে চলায় খুশি পুজো কমিটির সদস্যরাও। এলাকার সাধারণ মানুষের আশা, প্রথম বর্ষের এই পুজো আগামী দিনে বড় আকার ধারণ করবে এবং সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দেবে। খুঁটিপুজোর দিন থেকে শুরু হওয়া এই উৎসবের প্রস্তুতি এখন থেকেই জোরকদমে শুরু হয়েছে।

ডায়মন্ড হারবার:ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রকে ঘিরে ‘ডায়মন্ড হারবার মডেল’ নিয়ে ফের বিতর্ক দানা বাঁধছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় উন্নয়নের দাবি করলেও, ডায়মন্ড হারবার ২ নম্বর ব্লকের সরিষা আশ্রম মোড় থেকে কাঁটাপুকুরিয়া পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়কের বেহাল অবস্থা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

অভিযোগ, সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তায় এক হাঁটু পর্যন্ত জল জমে যায়। কোথাও কোথাও রাস্তা ও পুকুরের মধ্যে পার্থক্য করা কঠিন হয়ে পড়ে। প্রায় ১০ থেকে ১৫টি গ্রামের কয়েক লক্ষ মানুষ প্রতিদিন এই রাস্তা ব্যবহার করেন। স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রী, রোগী, ব্যবসায়ী, কৃষক ও সাধারণ নিত্যযাত্রীদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়। স্থানীয়দের দাবি, গত প্রায় ১৫ বছর ধরে একই সমস্যা চললেও স্থায়ী সমাধান হয়নি।

স্থানীয় চিকিৎসক ডা. অনুপম প্রামাণিক বলেন, নিকাশি নালা কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। বৃষ্টির জল বের হওয়ার পথ না থাকায় দীর্ঘদিন জল জমে থাকে। বহু বছর ধরে খাল সংস্কারও হয়নি। ফলে ছোট ছোট পড়ুয়াদের কোলে করে রাস্তা পার করাতে হয় এবং রোগীদেরও চিকিৎসাকেন্দ্রে পৌঁছাতে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। তাঁর অভিযোগ, মাঝে মাঝে কিছু ইট ফেলে সংস্কারের নামে দায়িত্ব পালন করা হলেও স্থায়ী কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
এই পরিস্থিতিতে ডায়মন্ড হারবার ২ নম্বর বিজেপি মণ্ডলের উদ্যোগে নিকাশি নালা পরিষ্কার ও সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। মণ্ডল সভাপতি উত্তম বাগের দাবি, দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে এলাকায় স্থায়ী উন্নয়নের পরিবর্তে শুধু প্রতিশ্রুতি ও প্রকল্পের ফলক বসানো হয়েছে। মানুষের দুর্ভোগের কথা ভেবেই প্রশাসনের সহযোগিতায় নিকাশি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

স্থানীয় বাসিন্দা কনকান্তি মণ্ডল ও অভিজিৎ পুরকাইতও দাবি করেন, প্রতিবছর বর্ষায় একই সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। জল জমে থাকার কারণে বহু পরিবার চরম দুর্ভোগে পড়ে। তাঁরা দ্রুত রাস্তা ও নিকাশি ব্যবস্থার স্থায়ী সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।

বঙ্গোপসাগরের রুদ্রমূর্তির কাছে ফের হার মানল আরও একটি ট্রলার! 'জয় মা কালী' ট্রলারের মর্মান্তিক দুর্ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই বকখালি থেকে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার দূরে গভীর সমুদ্রে ডুবে গেল 'এফ বি সিদ্ধিবিনায়ক' নামের একটি মৎস্যজীবী ট্রলার। তবে কাছাকাছি থাকা অন্য ট্রলারগুলির তৎপরতায় রক্ষা পেয়েছেন ট্রলারে থাকা ১৩ জন মৎস্যজীবীই।

মৎস্যজীবী সংগঠন ও প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, দিন কয়েক আগেই নামখানা ঘাট থেকে 'এফ বি সিদ্ধিবিনায়ক' ট্রলারটি নিয়ে সমুদ্রে মাছ ধরতে রওনা দিয়েছিলেন ১৩ জন মৎস্যজীবী।
সোমবার রাতে মাছ ধরার সময় বকখালি উপকূল থেকে ৪৫ কিলোমিটার দূরে উত্তাল সমুদ্রের প্রবল ঢেউ আছড়ে পড়ে ট্রলারটির ওপর। 

জলের প্রচণ্ড তোড়ে ট্রলারের তলায় বড়সড় ফাটল ধরে যায় এবং হু হু করে জল ঢুকতে শুরু করে। বিপদ বুঝে মৎস্যজীবীরা চিৎকার শুরু করলে,কাছাকাছি থাকা অন্যান্য মৎস্যজীবী ট্রলারগুলি দ্রুত সেখানে ছুটে আসে। 


ট্রলারের মৎস্যজীবীরা ডুবন্ত 'সিদ্ধিবিনায়ক' থেকে ১৩ জন মৎস্যজীবীকে উদ্ধার করেন।এখনও পর্যন্ত দুর্ঘটনাগ্রস্ত ওই ট্রলারটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

মমতা জমানার শেষের দিকে কলকাতার পুলিশ কমিশনার ছিলেন সুপ্রতিম সরকার। পরে রাজ্যে নির্বাচনী বিধি কার্যকর হওয়ার পর কমিশনের নির্দেশে তাঁকে ওই পদ থেকে সরে যেতে হয়। ভিনরাজ্যে অবজারভার হিসেবেও পাঠানো হয়েছিল তাঁকে।

পদ থেকে সরানো হল সুপ্রতিম সরকারকে, রাজ্য পুলিশে বড় রদবদল
সুপ্রতিম সরকার


রাজ্য পুলিশে বড় রদবদল। ফের পদ থেকে সরানো হল কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকারকে (Supratim Sarkar)। এডিজি সিআইডি পদ থেকে সরানো হল তাঁকে। একইসঙ্গে একাধিক আইপিএস ও ডব্লুবিপিএস পদে রদবদল হয়েছে। মঙ্গলবার এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বারুইপুর-কাণ্ডে দুই এএসপি-কেও সরানো হয়েছে।


কাকে কোথায় বদল করা হল
এডিজি সিআইডি পদ থেকে সরানো হয়েছে আইপিএস সুপ্রতিম সরকারকে। এডিজি সিআইডি পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে এডিজি টেলিকম পদ। এটি অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ পদ। ডিজি সিআইডি পদে আনা হল নটরাজন রমেশবাবুকে।


তারকেশ্বর নিয়ে প্রাক্তন সরকার একচোখ বন্ধ করে রাখত: শুভেন্দু
তৃণমূল আমলের আর্থিক দুর্নীতি খোঁজার দায়িত্বে ডিরেক্টর অব ইকোনমিক অফেন্স পদে নিয়ে আসা হল সৎ অফিসার হিসেবে পরিচিত কে জয়রামনকে।


বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার পদ থেকে সরানো হল ত্রিপুরারি অথর্ভকে। বিধাননগরের নতুন সিপি হলেন অমিত রাথোড়।

বারুইপুরের দুজন অ্যাডিশনাল এসপি-কেও সরানো হয়েছে। পিনাকি দত্তকে সরিয়ে দায়িত্ব দেওয়া হল অতীশ বিশ্বাসকে। সূর্যপুরের ঘটনা মুখ্যমন্ত্রী পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। কেন অফিসাররা ঘটনাস্থলে পৌঁছতে দেরি করে, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তারপরই এই পদক্ষেপ।

ভোট ঘোষণার পরই সরানো হয়েছিল সুপ্রতিম সরকারকে
২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার পরই আইপিএস সুপ্রতিম সরকারকে কলকাতার পুলিশ কমিশনার পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। এডিজি সিআইডি করা হয়েছিল তাঁকে। পরে ভিনরাজ্যে পুলিশ অবজারভারের দায়িত্বও দেওয়া হয়েছিল এই আধিকারিককে। তামিলনাড়ুর পাঁচটি বিধানসভা কেন্দ্রের দায়িত্ব পালনের জন্য পাঠানো হয়েছিল তাঁকে।

এডিজি টেলিকম পদ কী?
রাজ্য় পুলিশ যে টেলিকম ব্যবস্থা ব্যবহার করে। সেই ওয়্যারলেস টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেম চালানোর দায়িত্ব থাকে এডিজি টেলিকমের হাতে। তবে পুলিশ মহলে এই পদের তেমন গুরুত্ব নেই।

  মৌলবাদীদের চাপে ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ ছাড়তে হয়েছিল তসলিমাকে। পরে ২০০৪ সালে তিনি আশ্রয় নিয়েছিলেন কলকাতায়। বাংলা ভাষার শহর কলকাতাকে আঁকড়ে ধরতে চেয়েছিলেন। সাহিত্যিক মহলে বেড়ে ওঠে পরিচিতি। বাম নেতাদের সঙ্গেও তৈরি হয় সুসম্পর্ক। তারপর কী এমন ঘটল!

নির্বাসনের পর নির্বাসন জুটেছে তসলিমার (Taslima Nasreen)। বাংলাদেশ, কলকাতা, ভারত ছাড়তে হয়েছে তাঁকে। ‘লজ্জা’র লেখিকাকে নিয়ে যেমন বিতর্কের শেষ নেই, তেমনই বাম সরকারকে কম প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়নি। যারা নিজেদের উদারপন্থী বলে থাকে, সেই বামেদের আমলে কেন তসলিমাকে কলকাতা ছাড়তে হল? তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বারবার। প্রশ্ন তুলেছেন বিদ্বজনেরা। তসলিমা নাসরিন নিজে বারবার বাম সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। একাধিক পোস্টে নিজেকে ‘বামপন্থী’ বলে দাবি করেন তিনি। প্রশ্ন তোলেন, কেন বাম সরকার তাকে বের করে দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছিল?

মৌলবাদীদের চাপে ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ ছাড়তে হয়েছিল তসলিমাকে। পরে ২০০৪ সালে তিনি আশ্রয় নিয়েছিলেন কলকাতায়। বাংলা ভাষার শহর কলকাতাকে আঁকড়ে ধরতে চেয়েছিলেন। সাহিত্যিক মহলে বেড়ে ওঠে পরিচিতি। বাম নেতাদের সঙ্গেও তৈরি হয় সুসম্পর্ক।


পরে কলকাতায় বিতর্ক দানা বাঁধতে শুরু করে। শুরু হয় অশান্তি। তাঁর শিরচ্ছেদের নিদান দিতে শুরু করে কোনও কোনও সংগঠন। কেউ বলে ক্ষমা চাইতে হবে। ২০০৭ সালে অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিনের বিধায়করা তসলিমা নাসরিনের প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছিলেন।

ইতিমধ্যেই এই এনকাউন্টারের ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে সিআইডি। ঠিক কোন পরিস্থিতিতে পুলিশকে এনকাইন্টার করতে হয়েছিল, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশের দাবি, পুলিশের পকেট থেকে রিভলবার বার করে এক রাউন্ড গুলি চালিয়ে পালানোর চেষ্টা করেছিল সেই অভিযুক্ত।


এবার আর রাতে নয়, সাতসকালেই অভিযুক্তদের নিয়ে বারুইপুরের ঘটনার পুনর্নির্মাণ
ঘটনার পুনর্নির্মাণ

 বারুইপুরের গণধর্ষণ-খুনের ঘটনা তদন্ত, ঘটনার পুনর্নির্মাণে গিয়ে এনকাউন্টার, এক সপ্তাহের মধ্যে সূর্যপুরের তদন্তকারী আধিকারিকদের মধ্যে রদবদল। তার মধ্যেই ফের বারুইপুরকাণ্ডে ৩ অভিযুক্তকে নিয়ে মঙ্গলবার সকালে পুনর্নির্মাণে গেলেন তদন্তকারীরা। যাকে এনকাউন্টার করা হয়েছিল, সেই অভিযুক্তকে পুনর্নির্মাণের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছিল রাত ২.২০ মিনিট নাগাদ। সূর্যপুর স্টেশনের অদূরে যে এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে, সেটি জলাজঙ্গলে ভর্তি ছিল। সেখানেই এদিন নিয়ে যাওয়া হয় বাকি অভিযুক্তদের।


ইতিমধ্যেই এই এনকাউন্টারের ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে সিআইডি। ঠিক কোন পরিস্থিতিতে পুলিশকে এনকাইন্টার করতে হয়েছিল, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশের দাবি, পুলিশের পকেট থেকে রিভলবার বার করে এক রাউন্ড গুলি চালিয়ে পালানোর চেষ্টা করেছিল সেই অভিযুক্ত। আত্মরক্ষার্থেই পাল্টা গুলি চালানো হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বারুইপুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। দেহ নিতে অস্বীকার করে পরিবারও।



 'শাহরুখ আমার পা চাটছে', আমিরের মন্তব্য ক্ষোভে ফেটে পড়েন শাহরুখ ভক্তরা!
অসুস্থ! হাসপাতালে অভিনেতা সুমন্ত মুখোপাধ্যায়, এখন কেমন আছেন?
আগেই এই ঘটনায় ২ জন মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ, যাদের বিরুদ্ধে সরাসরি ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ রয়েছে। এলাকায় মাদকের কারবারের সঙ্গে যুক্ত বলেও অভিযোগ। এনকাউন্টারের দিন সকালে গ্রেফতার করা হয় আরেক অভিযুক্তকে। এই ৩ অভিযুক্তকে নিয়েই চলে এদিনের পুনর্নির্মাণ। সকাল সাড়ে এগারোটার আশেপাশে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করা হয়। ঘটনাস্থলে থাকে সিআইডি-র আধিকারিক ও ফরেনসিক আধিকারিকরা। ছিলেন সিআইডি আধিকারিকরাও।

 গত ৩ জুলাই শক্তিপুর থানায় হাজিরা এড়ান নওদার বিধায়ক। তবে ৪ জুলাই রেজিনগর থানায় হাজিরা দেন। ওইদিন হুমায়ুনকে ৪ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে রেজিনগর থানার পুলিশ। সেই জিজ্ঞাসাবাদের পরই ১৪ জুলাই ফেরে হাজিরা দেওয়ার জন্য হুমায়ুনকে নোটিস ধরায় রেজিনগর থানা।

রেজিনগর থানায় পৌঁছলেন হুমায়ুন, শক্তিপুর থানার পুলিশ পৌঁছল তাঁর বাড়িতে, ব্যাপারটা কী?
থানায় হুমায়ুন কবীর (বাঁদিকে), তাঁর বাড়িতে পুলিশ (ডানদিকে)

 একটা থানায় হাজিরার সময় আগে থেকেই ঠিক ছিল। সেই মতো সকাল সাড়ে এগারোটায় কর্মী, সমর্থকদের নিয়ে থানায় পৌঁছে গেলেন তিনি। আর নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীর যখন রেজিনগর থানায় পৌঁছলেন, তখন তাঁর বাড়িতে পৌঁছে গেলেন শক্তিপুর থানার পুলিশ। মঙ্গলবার শক্তিপুর থানার পুলিশ হুমায়ুনের বাড়িতে গিয়ে হাজিরার নোটিস দিয়ে এল। রেজিনগর থানায় হাজিরার পর আগামী ১৯ জুলাই শক্তিপুর থানায় হুমায়ুনকে হাজিরা দিতে হবে।


হুমায়ুনকে ২ থানায় হাজিরার জন্য কেন ডাকা হল?

 'শাহরুখ আমার পা চাটছে', আমিরের মন্তব্য ক্ষোভে ফেটে পড়েন শাহরুখ ভক্তরা!
হুমায়ুনের দুটি মন্তব্য নিয়ে দুটি থানায় মামলা হয়েছে। গত ২৬ জুন রেজিনগরের কাশীপুর হাটতলার এক জনসভায় বিজেপিকে হুঁশিয়ারি দিয়ে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন বলেছিলেন, “আমি যেদিন ময়দানে মুসলমানদের নিয়ে নেমে যাব না, সেদিন এমন স্যাঁটা ভাঙা মার শুরু করব যে আপনাদের পতাকা ধরার লোক থাকবে না।” অন্যদিকে, শক্তিপুর থানায় যে এফআইআর দায়ের হয়, সেখানে অভিযোগ করা হয় যে শক্তিপুর থানার গড়দুয়ার ঘাট সংলগ্ন এলাকায় একটি বিজয় সমাবেশ থেকে প্রশাসনকে উদ্দেশ্য কের মানহানিকর ও উস্কানিমূলক মন্তব্য করেন হুমায়ুন।


রেজিনগরে হুমায়ুনের এই হুঁশিয়ারি নিয়ে কড়া বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিধানসভায় হুমায়ুনের মন্তব্য তুলে ধরে সংযত হওয়ার বার্তা দেন। দুটি থানার পুলিশও কড়া পদক্ষেপ করে হুমায়ুনকে হাজিরা হওয়ার জন্য নোটিস পাঠায়। গত ৩ জুলাই শক্তিপুর থানায় হাজিরা এড়ান নওদার বিধায়ক। তবে ৪ জুলাই রেজিনগর থানায় হাজিরা দেন। ওইদিন হুমায়ুনকে ৪ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে রেজিনগর থানার পুলিশ। সেই জিজ্ঞাসাবাদের পরই ১৪ জুলাই ফেরে হাজিরা দেওয়ার জন্য হুমায়ুনকে নোটিস ধরায় রেজিনগর থানা।

সেইমতো এদিন রেজিনগরে দলীয় কার্যালয় থেকে কর্মী, সমর্থকদের নিয়ে থানায় পৌঁছে যান হুমায়ুন। থানায় হাজিরা দিতে যাওয়ার আগে পুলিশের বিরুদ্ধে সরব হন তিনি। আর তিনি যখন রেজিনগর থানায় পৌঁছে যান, তখন শক্তিপুর থানার পুলিশ তাঁর মানিক্যহারের বাড়িতে পৌঁছে যায়। ৩ জুলাই হাজিরার নির্দেশ থাকলে ওইদিন শক্তিপুর থানায় যাননি হুমায়ুন। সেজন্য দ্বিতীয় ১৯ জুলাই হাজিরা দেওয়ার জন্য এদিন হুমায়ুনের বাড়িতে নোটিস দিতে আসেন শক্তিপুর থানার পুলিশ। বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর হুমায়ুনের বাড়ির লোকজন নোটিসটি গ্রহণ করেন।

অভিজিতের দাবি, শওকত মোল্লা যে হলফনামা জমা করেছিলেন তা একেবারেই মিথ্যা। উচ্চ মাধ্যমিক এবং গ্রাজুয়েশন যে বোর্ড থেকে পাস করেছে সেই বোর্ডটিও ভুয়ো। এই ভুয়ো বোর্ড তৈরির পিছনে হাত রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, তার পিএ সুমিত রায়,আয়ন ঘোষ দস্তিদার, খোকন বেরা, স্বপন সরদার জীবনতলা থানায়ও লিখিত অভিযোগ দায়ের দায়ের করেছেন।


রাজস্থান থেকে গ্রাজুয়েট, রাষ্ট্রবিজ্ঞানে করেছেন MA! শওকতের ডিগ্রি নিয়ে এবার থানায় ছুটল BJP, দাবি CBI তদন্তেরও
শওকত মোল্লা, তৃণমূল নেতা

 ক্যানিং পূর্বের প্রাক্তন বিধায়ক শওকত মোল্লা (Saokat Molla) আপাতত জেলে। তোলাবাজির ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছেন তিনি। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে ভাঙড় থেকে আইএসএফ (ISF) বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকির কাছে পরাজিত হয়েছিলেন। তবে, শওকত যে নির্বাচনী হলফনামা জমা দিয়েছিলেন, সেখানে দেখা গিয়েছিল তিনি লিখেছেন,পলিটিক্যাল সায়েন্সে (রাষ্ট্রবিজ্ঞান) এম.এ (MA) পাস করেছেন। এবার সেই শওকতেরই শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলল বিজেপি। বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস শওকতের শিক্ষাগত যোগ্যতা পুরোটাই ভুয়ো বলে বারুইপুর এস পি অফিসে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।


অভিজিতের দাবি, শওকত মোল্লা যে হলফনামা জমা করেছিলেন তা একেবারেই মিথ্যা। উচ্চ মাধ্যমিক এবং গ্রাজুয়েশন যে বোর্ড থেকে পাস করেছে সেই বোর্ডটিও ভুয়ো। এই ভুয়ো বোর্ড তৈরির পিছনে হাত রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, তার পিএ সুমিত রায়,আয়ন ঘোষ দস্তিদার, খোকন বেরা, স্বপন সরদার জীবনতলা থানায়ও লিখিত অভিযোগ দায়ের দায়ের করেছেন।



 বিশ্বকাপের রেফারিকে নিয়ে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিলেন অমিতাভ বচ্চন
বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস বলেন, “উনি পঞ্চম-ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত পড়া একজন ক্রিমিন্যাল। যাঁকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন তুই বোম বাঁধিস। সেই লোকটি দেখাচ্ছে তিনি উচ্চ শিক্ষিত। ও ২০১৬ সালে নির্বাচনে দাঁড়ানোর সময় যে হলফনামা জমা করেছিল সেখানে লিখেছিল ২০১৪ সালে উচ্চ-মাধ্যমিক পাশ করেছে বোর্ড অফ ইউথ এডুকেশন ইন্ডিয়া থেকে। এই বোর্ডটাও ভুয়ো। এরপর গ্রাজুয়েশন পাশ করেছে রাজস্থান থেকে। এবার আবার দেখিয়েছে ও নাকি মাস্টার ডিগ্রি করেছে পলিটিক্যাল সায়েন্সে। ও আসলে জালি সার্টিফিকেট চক্রের সঙ্গে যুক্ত। পুলিশ আশ্বাস দিয়েছে এটার তদন্ত হবে। দরকারে সিবিআই তদন্ত হতে পারে।”