March 2026
 কাজ শেষ করার জন্য, মেট্রোর তরফে টাকা দিয়ে সার্ভিস রোড তৈরি করে দেওয়া হলেও জট কাটেনি। কলকাতা পুলিশের তরফে কাজের অনুমতি মিলছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ইস্যুতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবও।

'আমরা এই প্রথমবার দেখছি...', রাজ্যকে কড়া ভর্ৎসনা প্রধান বিচারপতির, ধমক খেয়ে ফিরতে হল সুপ্রিম কোর্ট থেকে
সুপ্রিম কোর্ট

রাজ্যের যুক্তি ধোপে টিকল না। ধমক খেয়ে ফিরতে হল সুপ্রিম কোর্ট থেকে। চিংড়িঘাটা মেট্রো লাইন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে টালবাহানা চলছে। মাত্র ৩৬৬ মিটার লাইনের কাজ বাকি থাকায় সম্পূর্ণ হচ্ছে না কলকাতা মেট্রোর অরেঞ্জ লাইন। রাজ্য়ের সঙ্গে মেট্রো কর্তৃপক্ষের বারবার সংঘাত তৈরি হয়েছে এই নিয়ে। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে বৈঠকে বসেও কোনও লাভ হয়নি। আর এবার সেই ইস্যুতেই রাজ্যকে কার্যত ভর্ৎসনা করল সুপ্রিম কোর্ট।

কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে পারেনি মেট্রো। পুলিশের বিরুদ্ধে কাজ করতে না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কাজ করার ক্ষেত্রে বারবার বিভিন্ন যুক্তি দেখিয়েছে রাজ্য। হাইকোর্টের নির্দেশ মানার বদলে সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ করে মামলা করেছে রাজ্য সরকার। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবও এই ইস্যুতে মুখ খুলেছিলেন। আজ, সোমবার হাইকোর্টের রায় বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হল, হাইকোর্ট যে সময়সীমা বেঁধে দেবে, তার মধ্যে কাজ শেষ করতে হবে রাজ্যকে।


মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ নিয়ে সংসদে মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী, হরমুজ দিয়ে তেল আনতে কী করছে ভারত?
গড়িয়া-সল্টলেক মেট্রোর কমলা লাইন সম্প্রসারণে চিংড়িঘাটার ওই অংশের কাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আগামী মে মাস পর্যন্ত সময় দেওয়ার আবেদন করেছিল রাজ্য সরকার। এদিন তা খারিজ করে দিয়েছে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চ।


এদিন প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ বলে, “আমরা প্রথমবার দেখছি, কোনও রাজ‍্য উন্নয়নের বিরোধিতা করছে। এই মামলা এত দূর গড়িয়েছে যে, এখন নির্বাচন বিধির আওতায় পড়ে গিয়েছে। আপনাদের কাছে উৎসব আগে না যোগাযোগ ব‍্যবস্থার উন্নতি করা আগে? আপনারা ডিসেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে প্রথমে বৈঠক করে, তারপর এসে হাইকোর্টকে বলেছেন যে উৎসবের প্রস্তুতিতে ব‍্যস্ত, তাই মেট্রো সম্প্রসারণের কাজটা করতে পারবেন না?” অবিলম্বে রাজ্যকে নিজেদের আবেদন প্রত‍্যাহার করার নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত।

গত ৬ জানুয়ারির মধ‍্যে একটি তারিখ ঠিক করে চিংড়িঘাটা মেট্রোর কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। এই মর্মে কলকাতা পুলিশ এবং রাজ‍্যকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। হাইকোর্টের নির্দেশ মতো কাজ না করে, রাজ‍্যের তরফে হাইকোর্টের রায়ের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়।

সুপ্রিম কোর্টের এই পর্যবেক্ষণের পর তৃণমূল মুখপাত্র জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, “মানুষের সুবিধা-অসুবিধা দেখাটা রাজ্যের কর্তব্য। সবদিক দেখে তবেই ঠিক করতে হবে।”


আজ সংসদে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "যুদ্ধ যখন থেকে শুরু হয়েছে তখন থেকে ভারতীয়দের নিরাপত্তায় সচেষ্ট রয়েছে নয়া দিল্লি। পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছি। তার মধ্যেও অনেকের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন। তাঁদের পরিবারকে সাহায্য করা হচ্ছে। আহতদের চিকিৎসায় সাহায্য করা হচ্ছে। প্রভাবিত দেশগুলিকে ভারতীয়দের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। ২৪ ঘণ্টা কন্ট্রোল রুম ও নম্বর চালু করা হয়েছে। সংকট পরিস্থিতি ভারতীয়দের সুরক্ষাই অগ্রাধিকার।"

 হরমুজ় থেকে কীভাবে তেল আমদানি করছে ভারত, সংসদে জানালেন প্রধানমন্ত্রী
নরেন্দ্র মোদী

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতে সংসদে ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি জানান, পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি যথেষ্ঠ উদ্বেগের। আর তা ভারতের আর্থিক, বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলেছে। অপ্রত্যাশিত চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে ভারতের জন্য। তবে, তিনি জানিয়েছেন সব পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রয়েছে ভারতের। আতঙ্কের কোনও কারণ এই মুহূর্তে নেই। হরমুজ় দিয়েও তেল আমদানিতে সচেষ্ট রয়েছে ভারত। একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা, ভারত শান্তিরই পক্ষে। আলোচনা, কূটনীতিক মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান করতে হবে

আর কী বললেন প্রধানমন্ত্রী ?


 অনলাইনে পেমেন্ট হবে না, জানুন RBI-র নতুন নিয়ম
১ এপ্রিল থেকে বদলে যাচ্ছে ATM থেকে টাকা তোলার নিয়ম, সর্বাধিক কত টাকা তুলতে পারবেন?
আজ সংসদে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যুদ্ধ যখন থেকে শুরু হয়েছে তখন থেকে ভারতীয়দের নিরাপত্তায় সচেষ্ট রয়েছে নয়া দিল্লি। পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছি। কিন্তু এটাই দুর্ভাগ্যজনক যে তার মধ্যেও বহু ভারতীয়র মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন অনেকে। তাঁদের পরিবারকে সাহায্য করা হচ্ছে। আহতদের চিকিৎসায় সাহায্য করা হচ্ছে। প্রভাবিত দেশগুলিকে ভারতীয়দের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। ২৪ ঘণ্টা কন্ট্রোল রুম ও নম্বর চালু করা হয়েছে। সংকট পরিস্থিতি ভারতীয়দের সুরক্ষাই অগ্রাধিকার।”
পশ্চিম এশিয়া থেকে ৩ লাখ ৭৫ হাজার ভারতীয় ফিরেছেন। ইরান থেকে প্রায় এক হাজার ভারতীয় ফিরেছেন। তাঁদের মধ্যে ৭০০-র বেশি মেডিক্যাল ছাত্র রয়েছেন।
ভারতে বড় মাত্রায় তেল, গ্যাস, সার-সহ প্রয়োজনীয় জিনিস হরমুজ দিয়ে সরবরাহ করা হয়। সেখানে হরমুজ় দিয়ে জাহাজ যাতায়াতে বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে ভারতের জন্য। পেট্রল-ডিজ়েল সরবরাহে যাতে বিঘ্ন না ঘটে, তার জন্য যথাযথ চেষ্টা করেছে ভারত। ৬০ শতাংশ এলপিজি উৎপাদন বাড়ানো হয়েছে। গত ১১ বছরে ভারত ৪১ দেশের থেকে গ্যাস, তেল আমদানি করেছে।
ভারতের কাছে ৫৩ লাখ মেট্রিক টন পেট্রোলিয়াম মজুত রয়েছে। ৬৫ লাখের লক্ষ্যমাত্রা স্থির করে কাজ করা হচ্ছে।
কৃষি ব্যবস্থাতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি। কৃষকদের আতঙ্কের কোনও কারণ নেই।
দেশে পর্যাপ্ত কয়লা মজুত রয়েছে।
তড়িৎবাবু জানান, "পুজো হলে আমি তো যাই। এমনিতে তো জানাজানি আছে। আমি ওকে আশীর্বাদ করলাম ভাল কাজ করুক। তবে ওর জয় কামনা করতে পারব না। আমার তো প্রার্থী আছে এখানে নাকি। আদর্শ গত ভাবে আমরা ভীষণভাবে বিজেপির বিরুদ্ধে। ও বাড়ির ছেলে বটেই। তবে মতাদর্শের পক্ষে নই। বলেছি যাতে ওকালতিতে বড় হয়।" 

আমার তো প্রার্থী আছে নাকি...', কৌস্তুভকে আশীর্বাদ করেও জয় চাইলেন না সিপিএম-এর তড়িৎবরণ
তড়িতের বাড়িতে কৌস্তভ

এক সময় কংগ্রেসে ছিলেন। এখন যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে। কথা হচ্ছে বিজেপি প্রার্থী কৌস্তভ বাগচিকে নিয়ে। প্রাক্তন প্রবীণ সিপিএম (CPIM) সাংসদ তড়িৎ বরণ তোপদারের বাড়িতে হাজির বিজেপি প্রার্থী কৌস্তভ বাগচী।

রাজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিধানসভা কেন্দ্র হল ব্যারাকপুর। এখান থেকেই তৃণমূলের হয়ে লড়াই করছেন তৃণমূলের রাজ চক্রবর্তী। এবার সেখানে দাঁড়িয়েছেন বিজেপির কৌস্তভ বাগচী। এই ব্যারাকপুরে CPIM-এর একসময় পাঁচবারের সাংসদ ছিলেন তড়িৎ বরণ তোপদার। ১৯৮৯ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে সাংসদ ছিলেন তিনি। বর্ষীয়ান সেই সিপিএম নেতার বাড়িতে হাজির হলেন কৌস্তভ। পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করে আশীর্বাদ চাইলেন তিনি।

প্রচারের মধ্যেই ভোট চাইতে প্রাক্তন সিপিএম কাউন্সিলের বাড়িতে অগ্নিমিত্রা, নিজেও ভাবতে পারেননি এমনটাও ঘটতে পারে!
কৌস্তভ বাগচি বলেন, “নির্দিষ্ট কোনও উদ্দেশ্যে আসা নয়। আমার বাবা ওঁকে দীর্ঘদিন ধরে চিনতেন। প্রচণ্ড শ্রদ্ধা করতেন। যখন সাংসদ ছিলেন তখনও সম্পর্ক। আমি আমার দল আমার মতাদর্শের কথা বলব। ওঁর মতাদর্শের বিরুদ্ধে কথা বলব। তবে পারিবারিক সম্পর্ক আছে। জেঠুর কাছে ভাইপো আশীর্বাদ চাইতে এসেছে। জেঠু পরামর্শ দিয়েছেন ভাল করে কাজ করতে আরও যাতে উচ্চতা বাড়ে। রাজনৈতিক ভাবে উনি তো আমার দলের সদস্য নয়। উনি তো বিরোধিতা করবেন।”

তড়িৎবাবু জানান, “পুজো হলে আমি তো যাই। এমনিতে তো জানাজানি আছে। আমি ওকে আশীর্বাদ করলাম ভাল কাজ করুক। তবে ওর জয় কামনা করতে পারব না। আমার তো প্রার্থী আছে এখানে নাকি। আদর্শ গত ভাবে আমরা ভীষণভাবে বিজেপির বিরুদ্ধে। ও বাড়ির ছেলে বটেই। তবে মতাদর্শের পক্ষে নই। বলেছি যাতে ওকালতিতে বড় হয়।”

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে, ৭০০-র বেশি জুডিশিয়াল অফিসার ওই নামগুলি খতিয়ে দেখছেন। সোমবার সন্ধ্যায় সাংবাদিক বৈঠক করে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল জানিয়েছেন, এদিন রাত ৯টায় প্রকাশ হবে প্রথম সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট।


প্রসেসিং চলছে, রাতেই বেরচ্ছে লিস্ট, তালিকায় নামের সংখ্যা জানালেন মনোজ আগরওয়াল

অবশেষে প্রকাশ হচ্ছে সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট। ২৮ ফেব্রুয়ারি এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হয়েছে ঠিকই, তবে এখনও ৬০ লক্ষ নাম রয়েছে বিচারাধীন তালিকায়। কত নাম বাদ পড়বে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। আর এবার প্রকাশ হতে চলেছে প্রথম সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে, ৭০০-র বেশি জুডিশিয়াল অফিসার ওই নামগুলি খতিয়ে দেখছেন। সোমবার সন্ধ্যায় সাংবাদিক বৈঠক করে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল জানিয়েছেন, এদিন রাত ৯টায় প্রকাশ হবে প্রথম সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট।


২০২৩ সাল থেকে ওই ভারতের বায়ুসেনা ঘাঁটিতে কাজ, কে জানতো সেই সুমিত কুমারই আসলে পাক গুপ্তচর!

 'আমার তো প্রার্থী আছে নাকি...', কৌস্তুভকে আশীর্বাদ করেও জয় চাইলেন না সিপিএম-এর তড়িৎবরণ
মনোজ আগরওয়াল জানিয়েছেন, যে ড্যাশবোর্ড তাঁদের কাছে আছে, সেখানে তিনি দেখতে পাচ্ছেন, ২৯ লক্ষ নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত বিচারকদের ই-সাইন হয়ে কত নাম আসবে, তা স্পষ্ট করে বলতে পারেননি তিনি। কত নাম বাদ যাবে, সে ব্যাপারে কিছু বলেননি সিইও। তবে, সূত্রের খবর, ১০ লক্ষ নাম বাদ পড়তে পারে। সোমবার রাতে শুধুমাত্র অনলাইনে দেখা যাবে তালিকা, প্রিন্ট হবে পরে। মঙ্গলবার প্রিন্ট করা তালিকা দেখা যাবে।

কমিশনের তরফে ভোট প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে জানানো হয়েছে, বুথের দায়িত্ব থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপর। এখানে পুলিশের কোনও ভূমিকা নেই। ওয়েব ক্যামেরা কাজ না করলে রিপোল হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। নাম বাদ গেলে, হাইকোর্টের তৈরি করা ট্রাইব্যুনালে আবেদন জানাতে পারবেন ভোটাররা।


হোয়াট ইন্ডিয়া থিঙ্কস টুডে সামিটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, "আজ যখন বিশ্ব বহু শিবিরে বিভক্ত, ভারত তখন অভূতপূর্ব সেতুবন্ধন তৈরি করেছে। ভারত সকল দেশের অংশীদার। কেউ কেউ জিজ্ঞাসা করেন, আমরা কার পক্ষে। আমার উত্তর হল, আমরা ভারতের পক্ষে। আমরা শান্তির পক্ষে। আমরা আলোচনার পক্ষে।"

WITT সামিটে প্রধানমন্ত্রী মোদী, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কথা তুলে ধরলেন
WITT সামিটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদ

টিভি৯ নেটওয়ার্কের হোয়াট ইন্ডিয়া থিঙ্কস টুডে সামিট ২০২৬ শুরু হল সোমবার। এই সামিটের প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এদিন সামিটে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কথা তুলে ধরলেন তিনি। বললেন, “বিশ্ব আজ যে কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছে তা অত্যন্ত গুরুতর।” বাংলায় একাধিক কেন্দ্রীয় যোজনা লাগু না করায় তৃণমূল সরকারকেও নিশানা করলেন। 

এদিন WITT সামিটে বক্তব্যের শুরুতেই এই সম্মেলন আয়োজনের জন্য টিভি৯ নেটওয়ার্ককে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী মোদী। বলেন, “আমি এই শীর্ষ সম্মেলনকে অভিনন্দন জানাই। আজ যখন বিশ্ব সংঘাতে জর্জরিত এবং এর প্রভাব বিশ্বজুড়ে দেখা যাচ্ছে, তখন ভারত ও বিশ্ব নিয়ে কথা বলা অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। আজকের ভারত দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির একটি দেশ।”


প্রাইভেট টিউটরের সঙ্গে প্রেম! আচমকা তরুণীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারে রণক্ষেত্র শিলিগুড়ি
১ এপ্রিল থেকে শুধু পিন দিলে আর অনলাইনে পেমেন্ট হবে না, জানুন RBI-র নতুন নিয়ম
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা চালায় ইজরায়েল-আমেরিকা। জবাব দেয় ইরান। যুদ্ধের আঁচে উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য। এদিন WITT সামিটে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, “যুদ্ধের সময়েও ভারতের নীতি ও রণনীতি দেখে বিশ্বের অনেক দেশই বিস্মিত হয়। আমাদের একটি প্রবাদ আছে যে, সত্যের কোনও ক্ষতি করা যায় না।” তারপরই তিনি বলেন, “আজ যখন বিশ্ব বহু শিবিরে বিভক্ত, ভারত তখন অভূতপূর্ব সেতুবন্ধন তৈরি করেছে। ভারত সকল দেশের অংশীদার। কেউ কেউ জিজ্ঞাসা করেন, আমরা কার পক্ষে। আমার উত্তর হল, আমরা ভারতের পক্ষে। আমরা শান্তির পক্ষে। আমরা আলোচনার পক্ষে।”

এরপরই কংগ্রেসকে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যখন রাজনীতিতে ব্যক্তিগত স্বার্থ ঢুকে পড়ে, তখন মানুষ দেশের কথা ভাবা বন্ধ করে দেয়। কংগ্রেস সরকারের আমলে পেট্রোল সংকট ছিল। কিন্তু কংগ্রেস দেশ নিয়ে নয়, বিদ্যুৎ নিয়ে চিন্তিত ছিল। কংগ্রেস অয়েল বন্ড জারি করেছিল। বিদ্যুৎ বাঁচাতে তারা ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিগত পাঁচ-ছয় বছর ধরে আমাদের সরকার কংগ্রেসের পাপের (অয়েল বন্ড) বোঝা বহন করেছে। এই পরিবহণের খরচ কমেনি। ১ লক্ষ ৪৮ হাজার কোটি টাকার পরিবর্তে আমাদের ৩ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি দিতে হয়েছে। আজকাল কংগ্রেস নেতারা একের পর এক বিবৃতি দিয়ে যাচ্ছেন, কিন্তু এই বিষয়ে নীরব রয়েছেন।”

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ নিয়ে WITT সামিটে মোদী বলেন, “বিশ্বের যেকোনও প্রান্তে যুদ্ধ সবাইকে প্রভাবিত করে। কিন্তু রাজনৈতিক স্বার্থে কিছু লোক নিজেদের জন্য রাজনৈতিক সুযোগ খুঁজছে। তাই, আমি টিভি৯ মঞ্চ থেকে আবারও বলছি, এটি সংযম ও সংবেদনশীলতার সময়। এমনকি কোভিড-১৯ মহামারির সময়েও, যখন গোটা দেশ একসঙ্গে কাজ করেছে, তখন তার ফল ইতিবাচক হয়। আমাদের বর্তমান পরিস্থিতিকেও একইভাবে মোকাবিলা করতে হবে।” মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মধ্যেও ভারতের উন্নয়ন যে অব্যাহত রয়েছে, সেকথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যুদ্ধের প্রভাব সত্ত্বেও ভারত তার উন্নয়নের গতি থামায়নি। গত ২৩ দিনে সরকার বেশ কিছু বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যুদ্ধের মুখেও ভারত তার অগ্রগতি বজায় রেখেছে।” নিজের বক্তব্যের শেষে ফের টিভি৯ নেটওয়ার্কের এই সামিটের প্রশংসা করে মোদী বলেন, “আমি আত্মবিশ্বাসী যে এই টিভি৯ সামিট ভারত এবং ভারতীয়দের প্রতি বিশ্বের আস্থা আরও দৃঢ় করবে।

সোমবার থেকে টিভি৯ নেটওয়ার্কের হোয়াট ইন্ডিয়া থিঙ্কস টুডে সামিট শুরু হয়েছে। প্রধান অতিথি হিসাবে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সংশ্লিষ্ট সামিটে দেশের উন্নয়ন নিয়ে যেমন কথা বলেছেন, তেমনই বিরোধী দলগুলিকে তীব্র আক্রমণও শানিয়েছেন তিনি।

কেন্দ্রের কোন-কোন প্রকল্পের সুবিধা বাংলা পায় না WITT সামিটে বললেন মোদী
নরেন্দ্র মোদী, প্রধানমন্ত্রী

নাম না করে তৃণমূল সরকারকে বেলাগাম আক্রমণ নরেন্দ্র মোদীর। শুধু তৃণমূল নয়, পাশাপাশি কংগ্রেসকেও আক্রমণ শানালেন প্রধানমন্ত্রী। এই দুই দলই উন্নয়নের বিরোধী বলে কটাক্ষ করলেন মোদী।

সোমবার থেকে টিভি৯ নেটওয়ার্কের ‘হোয়াট ইন্ডিয়া থিঙ্কস টুডে’ সামিট শুরু হয়েছে। প্রধান অতিথি হিসাবে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সংশ্লিষ্ট সামিটে দেশের উন্নয়ন নিয়ে যেমন কথা বলেছেন, তেমনই বিরোধী দলগুলিকে তীব্র আক্রমণও শানিয়েছেন তিনি। সামনেই রয়েছে পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা ভোট। তার আগে প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য নিতান্তই তাৎপর্যপূর্ণ।



দিব্যা ভারতীর মৃত্যু রহস্য, সেই শেষ কয়েক ঘণ্টা কী ঘটেছিল নায়িকার সঙ্গে? ফাঁস বিস্ফোরক তথ্য
মোদী বলেন, “এক সময় পশ্চিমবঙ্গ ভারতের সংস্কৃতি, শিক্ষার হাব ছিল।” তাঁর অভিযোগ এই বাংলায় কেন্দ্রের প্রকল্পকে বাধা দিচ্ছে সরকার। তবে একবারও তৃণমূলের নাম করেননি তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এগারো বছরে কেন্দ্র সরকার বাংলার জন্য অনেক উন্নয়নের চেষ্টা করেছে। কিন্তু দুর্ভাগ্য এখন ওইখানে এমন নির্মম সরকার রয়েছে যে উন্নয়নে বাধা দিচ্ছে।”

মোদী এও বলেন, “টিভি ৯ বাংলায় যে দর্শক আছে তাঁরা জানেন বাংলায় আয়ুষ্মান প্রকল্পে বাধা দেওয়া হয়েছে, ‘প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর বিনামূল্যে বিদ্যুত’ প্রকল্পে বাধা দেওয়া হয়েছে, ‘আবাস যোজনা প্রকল্পে’ বাধা দেওয়া হয়েছে। চা বাগানের শ্রমিকদের জন্য শুরু হওয়া একাধিক প্রকল্পের সুবিধা এই সরকার পেতে দেয় না। অর্থাৎ উন্নয়ন নয়, এই নির্মম সরকার শুধু মাত্র রাজনীতি করে যাচ্ছে।” এরপরই কংগ্রেসকে দোষারোপ করে তাঁর অভিযোগ, “দেশে এই ধরনের রাজনীতি যে দল প্রথম শুরু করেছে তারা হল কংগ্রেস। তবে তারা তাদের দোষ থেকে বাঁচতে পারবে না। কংগ্রেসের রাজনীতির লক্ষ্যই উন্নয়নে বাধা দেওয়া।”

তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মিথ্যা কথা বলেছেন। এই মিথ্যা কথা বলছেন কীভাবে? অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তো বারেবারে বলেছেন সামনা-সামনি কথা বলার কথা। সকলের সামনে হিসাব হয়ে যাবে। বাংলাকে বঞ্চনা করা হয়েছে, গরিব মানুষের পেটে লাথি মারা হয়েছে।“

সোমবার কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশ্ন করেন, 'ডিজি ট্রান্সফার হতে পারে, কিন্তু মুখ্যসচিবকে বদলি কীভাবে? মাত্র এক মাস দায়িত্ব পেয়েছিলেন পুলিশ কমিশনার সুপ্রতীম সরকার। তাঁকে বদলি কেন? শুধু ক্ষমতা আছে বলে?" মুখ্যসচিবকে বদলানো যায় না বলেও সওয়াল করেন তিনি।

'রাজ্যে সুপার এমার্জেন্সি', সাংসদের জোর সওয়াল আদালতে, কল্যাণের এক্তিয়ার নিয়েই প্রশ্ন তুলল কমিশন


রাজ্যে ভোট ঘোষণা হওয়ার পর মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের ডিজি সহ রাজ্যের পুলিশ ও প্রশাসনের প্রায় সব শীর্ষ আধিকারিককে সরিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সেই ইস্যুতেই আদালতে কমিশনের বিরুদ্ধে জোর সওয়াল করলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। ‘৩৫৬ জারি না করে কমিশন তার ক্ষমতার প্রয়োগ করে অপ্রত্যাশিত জরুরি অবস্থা জারি করেছে রাজ্যে।’ জনস্বার্থ মামলায় সওয়াল করতে গিয়ে সোমবার এমনটাই বললেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে নির্বাচন কমিশন এদিন কল্যাণের মামলা করার অধিকার নিয়েই প্রশ্ন তুলেছে।

শুধু ক্ষমতা আছে বলেই বদলি?



মামলায় কল্যানের যুক্তি, প্রায় সব জেলাশাসকদের বদলি করা হয়েছে। ডিইও-দের বদলি নিয়ে প্রশ্ন তুলে কল্যাণ বলেন, “আবার তাঁদের অন্য রাজ্যে পর্যবেক্ষকদের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে।” কল্যাণের প্রশ্ন, “ডিজিকে ট্রান্সফার হতে পারে, কিন্তু মুখ্যসচিবকে বদলি কীভাবে? মাত্র এক মাস দায়িত্ব পেয়েছিলেন পুলিশ কমিশনার সুপ্রতীম সরকার। তাঁকে বদলি কেন? শুধু ক্ষমতা আছে বলে?” ৬৩ জন পুলিশ অফিসারকে বদল হয়েছে, ১৩ জন এসপি-কে বদল করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন কল্যাণ।

মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনার কথা এদিন আদালতে উল্লেখ করেন কল্যাণ। তিনি বলেন, “লোকসভার ১২০ জন ও রাজ্যসভার ৬০ জন সই করেছেন। কমিশনের আচরণে প্রশ্ন উঠছে, ফেডেরাল পরিকাঠামো কি ভেঙে দিতে চাইছে?”

‘সুপার এমার্জেন্সি’

পরপর অফিসারের বদলির পরিস্থিতিকে ‘সুপার এমার্জেন্সি’ বলে উল্লেখ করে কল্যাণ বলেন, “ডেভেলপমেন্টের কাজ বন্ধ। ৩৫৬ ধারা জারি না করে, কমিশন তার ক্ষমতার প্রয়োগ করে অপ্রত্যাশিত জরুরি অবস্থা জারি করেছে রাজ্যে। সিএস লিড করেন সরকারি অন্যান্য অফিসারদের। রাজ্যের সঙ্গে কোনও আলোচনা না করেই গুরুত্বপূর্ণ পদে এমন বদলি করায় রাজ্যের প্রশাসনিক কাজে প্রভাব পড়ছে।”

কল্যাণের এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন

কমিশনের তরফে আইনজীবী এদিন কল্যাণের যুক্তির বিরোধিতা করে বলেন, “কমিশনকে অভিযুক্ত করা হচ্ছে। অভিযোগ সর্বৈব মিথ্যা। পাঁচ রাজ্যে ভোট। কোথাও এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।”

পাশাপাশি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনস্বার্থ মামলা করার এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে হাইকোর্ট। কমিশন বলে, “জনস্বার্থ মামলাকারীর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট পড়ে দেখুক আদালত। রাজ্যের আইনজীবী হয়ে একাধিক মামলায় সওয়াল করেছেন, দেখুন নির্দেশনামায় কার নাম। সরকারের জুনিয়র আইনজীবী হিসেবে কাজ করেন।”

কমিশনের দাবি, আদালতের কাছে তথ্য গোপন করে মামলা করেছেন জনস্বার্থ মামলাকারী। কমিশনের আরও প্রশ্ন, সব রদবদলের নির্দেশিকা মুখ্যসচিবকে দেওয়া হয়েছে। তাহলে এই নির্দেশিকা কীভাবে পেলেন জনস্বার্থ মামলাকারী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়? বদলি হলেও, কোনও পদ যে ফাঁকা রাখা হয়নি, সে কথাও উল্লেখ করে কমিশন।

মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি, কলকাতার পুলিশ কমিশনার সহ একাধিক অফিসার বদল করেছে কমিশন। স্বরাষ্ট্রসচিব পদ থেকে সরিয়ে জগদীশ প্রসাদ মিনাকে ভিনরাজ্যে পর্যবেক্ষক হিসেবে পাঠানো হয়েছে। কমিশনের এই সিদ্ধান্তে স্থগিতাদেশ চেয়ে আদালতে মামলা করেছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।


 আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি নামখানার চন্দন পিড়ির যুবক। ঘটনাটি ঘটেছে কাকদ্বীপ থানার উকিলের বাজার সংলগ্ন কালীবাঁধ এলাকায়। লরি ও মেশিন ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর আহত হলেন ৩ জন। 


এই দুর্ঘটনায় মেশিন ভ্যানের চালকের একটি হাত শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে বলে জানা গেছে। আহত যুবকের নাম ভুবনেশ্বর পাত্র (৩৫), তাঁর বাড়ি নামখানার চন্দনপিঁড়ি এলাকায়। 
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে খবর, সোমবার সকাল এগারোটা নাগাদ একটি দ্রুতগামী লরি কাকদ্বীপ থেকে নামখানার দিকে যাচ্ছিল। সেই সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মালবোঝাই মেশিন ভ্যানের সঙ্গে কালীবাঁধের কাছে লরিটির মুখোমুখি সজোরে ধাক্কা লাগে। সংঘর্ষের তীব্রতা এতটাই ছিল যে, মেশিন ভ্যানটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ওই ভ্যানের চালক নামখানার চন্দনপিড়ির বাসিন্দা বছর ৩৫ এর ভুবনেশ্বর পাত্রের একটি হাত ঘটনাস্থলেই কেটে বাদ পড়ে যায়। ভ্যানে থাকা আরও দুজন যাত্রী এই ঘটনায় আহত হয়েছেন।

দুর্ঘটনার শব্দ শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে আসেন এবং উদ্ধারকার্যে হাত লাগান। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কাকদ্বীপ থানার পুলিশ। রক্তাত্ব অবস্থায় ভুবনেশ্বরকে উদ্ধার করে প্রথমে কাকদ্বীপ মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু তাঁর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হতে থাকায় চিকিৎসকরা তাঁকে ডায়মন্ড হারবার জেলা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করেন।ঘটনার পরেই ঘাতক লরিটিকে আটক করেছে কাকদ্বীপ থানার পুলিশ। তবে লরির চালক লরি ফেলে পালিয়ে যায়। চালকের সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ

স্টাফ রিপোর্টার মুন্না সরদার

 কোচবিহারের সিতাই (সংরক্ষিত) আসনে লড়াই করবেন ফরওয়ার্ড ব্লকের প্রার্থী অরুণ কুমার বর্মা। আলিপুরদুয়ার থেকে লড়াই করবেন শ্যামল রায়। চোপড়া থেকে বামফ্রন্ট মনোনিত প্রার্থী হলেন মাকলেশ্বর রহমান। অপরদিকে, ইসলামপুর থেকে এবার প্রার্থী হয়েছেন বাজ়িল আখতার। মুর্শিদাবাদের লালগোলা থেকে লড়বেন বাবলুজমান। এন্টালি থেকে তৃণমূলের সন্দীপন সাহা ও বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়ালের বিপরীতে লড়াই করবেন আবদুর রউফ।


 আরও ১৫ আসনে প্রার্থী দিল বামেরা, দেখে নিন এবার কে কোথায় লড়াই করছেন
বামেদের হেভিওয়েট
১৯২ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছিল বামফ্রন্ট। তারপর দ্বিতীয় দফায় ৩২ আসনের নাম ঘোষণা করা হয়। এরপর ফের পনেরো আসনে প্রার্থী দিল বামেরা। তবে এবারও সুজন চক্রবর্তী কিংবা শতরূপ ঘোষের মতো নেতাদের নাম নেই। যদিও, শতরূপ ভোটে লড়তে চান না বলে আগেই জানিয়েছিলেন। অপরদিকে, সুজন চক্রবর্তীকে লোকসভা ভোটের সময় প্রার্থী কারনো হয় দমদমে। তবে তিনি পরাজিত হয়েছিলেন। এবার যদিও, নির্বাচনে লড়ছেন না তিনি। তবে পুরদস্তুর প্রার্থীদের সমর্থনে মাঠে-ময়দানে রয়েছেন।

কোচবিহারের সিতাই (সংরক্ষিত) আসনে লড়াই করবেন ফরওয়ার্ড ব্লকের প্রার্থী অরুণ কুমার বর্মা। আলিপুরদুয়ার থেকে লড়াই করবেন শ্যামল রায়। চোপড়া থেকে বামফ্রন্ট মনোনিত প্রার্থী হলেন মাকলেশ্বর রহমান। অপরদিকে, ইসলামপুর থেকে এবার প্রার্থী হয়েছেন বাজ়িল আখতার। মুর্শিদাবাদের লালগোলা থেকে লড়বেন বাবলুজমান। এন্টালি থেকে তৃণমূলের সন্দীপন সাহা ও বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়ালের বিপরীতে লড়াই করবেন আবদুর রউফ।


১ এপ্রিল থেকে বদলে যাচ্ছে ATM থেকে টাকা তোলার নিয়ম, সর্বাধিক কত টাকা তুলতে পারবেন?

তৃণমূল প্রার্থী ঘনিষ্ঠ নেতাকে থানায় ছাড়াতে হাজির BJP প্রার্থী, কেন?
এখানে উল্লেখ্য, এর আগে প্রথম দফায় ১৯২ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছিল বামফ্রন্ট। পরে আরও ১০ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে CPIML লিবারেশন। দ্বিতীয় দফায় ৩২ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছিল। এবার পনেরো আসনে প্রার্থী দিল। সব মিলিয়ে ২৪৯ আসনে প্রার্থী দিল বামেরা।




গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়ার পথেই দুর্ঘটনার কবলে পড়লেন এক মৎস্যজীবী। ঘটনাটি ঘটে রবিবার সকালে নামখানার হাতানিয়া-দোয়ানিয়া নদীতে। ট্রলারের কাছিতে পা জড়িয়ে উত্তাল নদীতে পড়ে গিয়েও শেষ পর্যন্ত স্থানীয় খেয়া নৌকার কর্মীদের তৎপরতায় উদ্ধার হল শেখ আসাউদ্দিন নামের এক মৎস্যজীবী।


স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে খবর, রবিবার সকালে 'এফবি তারা মা' নামের একটি ট্রলারে চড়ে ১৪ জন মৎস্যজীবীর একটি দল নামখানা ঘাট থেকে গভীর সমুদ্রের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন। ট্রলারটি যখন হাতানিয়া-দোয়ানিয়া নদীর মাঝপথে, তখন অসাবধানতাবশত ট্রলারের মোটা কাছি দড়ি জড়িয়ে যায় শেখ আসাউদ্দিনের পায়ে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই কাছির টানে তিনি ট্রলার থেকে ছিটকে পড়েন মাঝনদীতে। 
সেই সময় নদীতে ছিল জোয়ারের প্রবল স্রোত। মুহূর্তের মধ্যে স্রোতের টানে ভাসতে থাকেন ওই মৎস্যজীবী। সহকর্মীরা চিৎকার শুরু করলে ঘটনাস্থলের কাছে থাকা কয়েকটি যাত্রীবাহী খেয়া নৌকার কর্মীরা দ্রুত এগিয়ে আসেন। প্রায় ১৫ মিনিটের চেষ্টায় জলমগ্ন আসাউদ্দিনকে নদী থেকে টেনে তোলেন তাঁরা। 
উদ্ধারের সময় আসাউদ্দিন যথেষ্ট অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় দ্বারিকনগর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁর শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।

স্টাফ রিপোর্টার মুন্না সরদার


মেঘ কেটে রোদ উঠতেই রবিবার ভোলবদল বকখালির! শনিবারের সেই রক্তচক্ষু দেখানো সমুদ্র রবিবার শান্ত হতেই পর্যটকদের ঢল নামল দক্ষিণ ২৪ পরগনার এই অন্যতম সেরা পর্যটন কেন্দ্রে। একদিকে ঈদের উৎসব আর অন্যদিকে শনি-রবির ছুটি,সব মিলিয়ে রবিবার বকখালি সৈকতে তিল ধারণের জায়গা নেই।


শনিবার ঘূর্ণাবর্ত আর ভরা কটালের জেরে উত্তাল সমুদ্রের কারণে স্নান করায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল প্রশাসন। তবে রবিবার সকালে আবহাওয়ার উন্নতি হতেই সেই বিধি-নিষেধ তুলে নেওয়া হয়। আর নিষেধাজ্ঞা উঠতেই খুশিতে আত্মহারা পর্যটকরা। সকাল থেকেই নারী-পুরুষ নির্বিশেষে কয়েক হাজার পর্যটক মেতে উঠেছেন সমুদ্র স্নানে। রঙ-বেরঙের পোশাকে সেজে ওঠে বকখালি সৈকত।

ভিড় বাড়লেও পর্যটকদের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো ঝুঁকি নিতে নারাজ প্রশাসন। সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা অনবরত বাঁশি বাজিয়ে পর্যটকদের নির্দিষ্ট সীমানার মধ্যে থাকার নির্দেশ দেন। ফ্রেজারগঞ্জ কোস্টাল থানার পুলিশ কর্মীরাও টহলদারি চালান সৈকতে। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে লাগাতার নজরদারি চালানো হয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে।
গতকালের ঝোড়ো হাওয়ায় ব্যবসায় মন্দার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল বকখালির হোটেল ও দোকানদারদের মনে। কিন্তু রবিবারের উপচে পড়া ভিড় দেখে খুশি ব্যবসায়ীরা।

স্টাফ রিপোর্টার মুন্না সরদার

 সম্মুখ সমরে সায়ন্তিকা-সজল। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তুমুল উত্তেজনা ছড়াল বরানগরে। তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে রীতিমতো সংঘর্ষের ছবি সামনে এসেছে। হোর্ডিং খোলাকে কেন্দ্র করে বচসার সূত্রপাত। পরিস্থিতি সামাল দিতে নামানো হল কেন্দ্রীয় বাহিনী।

বরানগরের টবিন রোডের কাছে মল্লিক কলোনিতে বিজেপির পার্টি অফিস ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে। উত্তেজনা ঠেকাতে বিশাল পুলিশ বাহিনী পৌঁছেছে ঘটনাস্থলে। পৌঁছে গিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ঘটনাস্থলে রয়েছেন বিজেপির প্রার্থী সজল ঘোষ। বিজেপির ১০ জন আহত হয়েছেন। উত্তেজনা ছড়ালে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন দুই দলেরই প্রার্থী।


একদিকে, তৃণমূল প্রার্থী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়া হচ্ছে, অপরদিকে চোর চোর স্লোগানে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে বরানগর। অভিযোগ, বিজেপির হোর্ডিং খুলে দেওয়া হয়েছে। এই অভিযোগ তুলতেই তৃণমূলকর্মীরা আক্রমণ করে বলে অভিযোগ। ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন বিজেপি কর্মী। সজল ঘোষের দলীয় কার্যালয়েও ভাঙচুর চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।

দু’পক্ষেরই দাবি, বহিরাগত লোক এনে অশান্তি তৈরি করা হয়েছে। সজলের দাবি, তৃণমূলের কর্মীর সংখ্যা কম, বাইরে থেকে লোক আনতে হয়েছে। তিনি বলেন, “আগের বিজেপি আর নেই। এখন চোখ দেখালে চোখে আঙুল ঢোকানো হবে। বরানগর পাল্টে গিয়েছে।” অন্যদিকে, সায়ন্তিকা বলেন, বিজেপি অশান্তি তৈরি করার চেষ্টা করছে। মানুষ দেখছে বিজেপি কী করছে।

বিজেপির দাবি, পুলিশ নীরব দর্শকের ভূমিকায় ছিল এদিন, কোনও কাজই করেনি। পুলিশ নিরপেক্ষ থাকলে এই পরিস্থিতি তৈরি হত না বলে মন্তব্য করেছেন সজল ঘোষ।


ঘটনাটি ঘটেছে বরাহনগর আলমবাজারের। সেখানেই প্রকাশ্যে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ। জানা যাচ্ছে, বরাহনগর পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত আলমবাজার বিএসএফ ক্যাম্প এলাকায় ছোট্টু মোহলি নামে এক তৃণমূল নেতা কর্মীদের নিয়ে প্রার্থীর পতাকা লাগানোর কাজ করছিলেন।

বাড়িতে থেকে তুলে নিয়ে ক্লাবে ঢুকিয়ে মার, আলমবাজারে তৃণমূল কর্মীকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধেই
বরাহনগরে বিরাট গণ্ডগোল



ভোটের আগে ব্যাপক গোষ্ঠী-কোন্দল বরাহনগরে। দলের কর্মীকেই বেধড়ক মারধরের অভিযোগ তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে। বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ক্লাবের ভিতরে ঢুকিয়ে মার। ভোটের আগে প্রার্থী সায়ন্তিকার কেন্দ্রে তুমুল অশান্তি। দলের অন্দরের এই ঘটনা পরবর্তীতে নির্বাচনের রেজাল্টের উপর পড়বে না তো? উঠছে প্রশ্ন।


ঘটনাটি ঘটেছে বরাহনগর আলমবাজারের। সেখানেই প্রকাশ্যে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ। জানা যাচ্ছে, বরাহনগর পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত আলমবাজার বিএসএফ ক্যাম্প এলাকায় ছোট্টু মোহলি নামে এক তৃণমূল নেতা কর্মীদের নিয়ে প্রার্থীর পতাকা লাগানোর কাজ করছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় তৃণমূল নেতা পুলক ঘোষের অনুগামীরা তাঁকে এলাকা থেকে তুলে নিয়ে যান। পরবর্তীতে আলমবাজার নবজ্যোতি ক্লাবের মধ্যে ঢুকিয়ে বাঁশ, রড ও আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে মারধর করে বলে অভিযোগ।



স্ত্রীর হাতের রেখায় লুকানো স্বামীর সাফল্যের চাবিকাঠি! জেনে নিন কোন চিহ্নগুলি আনে রাজযোগ
কাদের পাশে রাজবংশীরা? উত্তরে মমতার ভোটের প্রচার শুরুর আগে বাড়ছে তরজা
স্থানীয় সূত্রে খবর, ছোট্টু মোহলি কুমোর পাড়া লাইন এলাকায় ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার ব্যবসা করেন। সেই ব্যবসার টাকার ভাগ দিতে হবে তৃণমূল নেতা পুলক ঘোষকে বলে দাবি আক্রান্তের। এখানেই শেষ নয়, পুলক চাইতেন যাতে মোহলি তাঁর অনুগামী হয়ে কাজ করেন। কিন্তু সেটায় রাজি ছিলেন না তিনি। আক্রান্ত তৃণমূল নেতা স্থানীয় কাউন্সিলর এর অনুগামী বলে পরিচিত। আর সেই ক্ষোভের থেকেই তাঁকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে এসে ক্লাবের মধ্যে মারধোর করা হয় বলে অভিযোগ। যদিও, গোটা ঘটনায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে এলাকায়। তবে, নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পুলক।


ছোট্টু মোহলির অনুগামী রবি মোহলি বলেন, “তৃণমূলের পতাকা লাগিয়ে বাড়ি চলে গেলাম। আমাদের সেক্রেটারি ছোট মৌলি বলেছিলেন বাড়ি চলে যেতে। এরপর রাত সাড়ে এগারোটার সময় ফোন আসে তোদের সেক্রেটারিকে ক্লাবে ঢুকিয়ে পুলক মারছে। মিটার ঘর নিয়ে ঝামেলা অনেক বছর ধরে। আমরা তৃণমূল করি তারপরও তৃণমূলের হাতে মার খাচ্ছি।” অভিযুক্ত পুলক বলেন, “ধুর এমন তো কিছু হয়নি। ছোট্টু মোহলির নামে অভিযোগ পেলাম ওই কাউকে মেরেছে। আসলে ঈদ নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। যদিও ওকে তৃণমূল করতে দেখিনি। কোথায় মদ খেয়ে মারপিট করেছে। আমি আর কী বলব।”

পুজো শেষে মন্দির সংলগ্ন এলাকায় জোরদার জনসংযোগও সারতে দেখা যায় তাঁকে। সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে তাঁদের অভাব-অভিযোগের কথাও শোনেন। এরইমাঝে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানান প্রচারের অভিজ্ঞতার কথাও। ঋতুপর্ণা বলছেন, মাঠে নামতেই সাধারণ মানুষের থেকে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন।


বনগাঁ: রাজনীতির সঙ্গে পরিবারের যোগ দীর্ঘদিনের। এবার তাঁর উপর ভরসা করছ দল। প্রার্থী করে দিয়েছে বনগাঁ দক্ষিণের মতো বহুল চর্চিত কেন্দ্রে। নির্বাচনী লড়াইয়ের ময়দানে নামার আগে এবার সোজা বনগাঁ সাত ভাই কালিতলার মন্দিরে চলে গেলেন ঋতুপর্ণা আঢ্য। চাইলেন রাজনৈতিক শুভকামনা। বাবা-মাকে সঙ্গে নিয়ে দলীয় কর্মীদের উপস্থিতিতে ভক্তিভরে পুজো দিতে দেখা যায় ঋতুপর্ণাকে। নিজের জয়ের চাওয়ার পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামেও মন্দিরে বিশেষ পুজো দেন তিনি। নিজেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সে কথা বলেন। দল যাতে গোটা রাজ্যেই ভাল ফল করতে পারে তাও চান মায়ের কাছে। বলেন, “মায়ের আশীর্বাদ নিয়ে আমি যেন বনগাঁ দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রে উন্নয়নের কাজ করার সুযোগ পাই, এটাই আমার একমাত্র লক্ষ্য।” 



 এদিকে এবার আবার মতুয়াগড়ে পুরনো মুখেই ভরসা রেখেছে বিজেপি। বদল হয়নি প্রার্থী। বনগাঁ দক্ষিণে বিদায়ী বিধায়ক স্বপন মজুমদারকেই প্রার্থী করেছে বিজেপি। নাম ঘোষণার পরেই গোপালনগরের পল্লা বাজার ও চাঁদপাড়ায় মিছিল করেন স্বপন। অন্যদিকে তৃণমূল ঋতুপর্ণাকে টিকিট দিতেই স্বপনের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন তিনিও। এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে খানিক সুর চড়িয়েই বলেন, দীর্ঘদিন থাকার পরেও এখানকার বিজেপি বিধায়ক কোনও কাজই করেননি। এরপরেই তাঁর সংযোজন, “ভগবানের কৃপায় আমি এখন এমন একটা দলে সুযোগ পেয়েছি যেখানে কাজ করার অনেক জায়গা রয়েছে। আমি কাজ করতে চাই। নবীন-প্রবীণ দুই শিবিরকেই একসঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই।” 



চারবারের তৃণমূল বিধায়কের এহেন বিতর্কিত মন্তব্য মুহূর্তে ভাইরাল হয়। পরে মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে ফোন করলে সমস্যা মিটে যায় বলে পরের দিন সাংবাদিকদের ডেকে জানান বিদায়ী বিধায়ক। এরপর ওইদিন জেলা সভাপতি মহুয়া গোপের উপস্থিতিতে অনুগামীদের নিয়ে এলাকায় মিছিলও করেন খগেশ্বর।


প্রার্থীর কর্মিসভাতে ‘অ্যাবসেন্ট’ বিদায়ী বিধায়ক? লাভের অঙ্ক কষতে শুরু করে দিল বিজেপি
রাজনৈতিক মহলে চর্চা তুঙ্গে

ভোটের মুখে অস্বস্তি বেড়েই চলছে শাসকদলের। প্রার্থী ঘোষণা হয়ে গেলেও রাজগঞ্জ বিধানসভায় ফের প্রকাশ্যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। যদিও এই ইস্যুতে স্পিকটি নট খগেশ্বর শিবির। তবে এবার বিতর্ক ধামা চাপা দিতে সাফাই দিলেন খোদ কৃষ্ণ দাস। 

তৃণমূল নেতা কৃষ্ণ দাস এবং বিধায়ক খগেশ্বর রায় এর মধ্যে ব্যক্তিগত সম্পর্ক যে একেবারে আদায় কাঁচকলায় তা নিয়ে চর্চা দীর্ঘদিনের। রাজগঞ্জ বিধানসভা আসনে এবার আর টিকিট পাননি চারবারের বিধায়ক খগেশ্বর রায়। টিকিট না পাওয়া নিয়ে কৃষ্ণ দাসের হাত রয়েছে, নাম না করে এমনই ইঙ্গিত দিয়ে জেলা চেয়ারম্যানের পদ থেকে থেকে পদত্যাগ করেছিলেন খগেশ্বর। তার অনুগামীরাও বিভিন্ন পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন। এমনকি সেদিন ক্ষুব্ধ খগেশ্বরকে বলতে শোনা গিয়েছিল, তিনি টাকার কাছে হেরে গেলেন। তা নিয়ে রাডনৈতিক মহলে চর্চা কম হয়নি। 



কামদুনির টুম্পা কয়াল কি এবার বিজেপির প্রার্থী? শমীকের সঙ্গে সাক্ষাতে বাড়ছে জল্পনা
চারবারের তৃণমূল বিধায়কের এহেন বিতর্কিত মন্তব্য মুহূর্তে ভাইরাল হয়। পরে মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে ফোন করলে সমস্যা মিটে যায় বলে পরের দিন সাংবাদিকদের ডেকে জানান বিদায়ী বিধায়ক। এরপর ওইদিন জেলা সভাপতি মহুয়া গোপের উপস্থিতিতে অনুগামীদের নিয়ে এলাকায় মিছিলও করেন খগেশ্বর। এরইমধ্যে শনিবার বিকেলে দলের অবজারভার কৃষ্ণ দাসের তরফে রাজগঞ্জ বিধানসভার শিকারপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের হরিমন্দির ভবনে কর্মী সভা ডাকা হয়। কিন্তু সেই সভায় উপস্থিত ছিলেন না খগেশ্বর রায় সহ তাঁর কোনও অনুগামীরাই। আর এতেই নতুন করে বিতর্ক দানা বেঁধেছে রাজগঞ্জ বিধানসভাতে।

সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিধানসভার অবজারভার তথা জলপাইগুড়ি সদর বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী কৃষ্ণ দাস। কিন্তু বিদায়ী বিধায়কের এই অনুপস্থিতিকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। বিজেপির তরফে বিষয়টিকে নিয়ে কটাক্ষ করলেও তৃণমূল নেতা কৃষ্ণ দাস তাতে গুরুত্ব দিতে নারাজ।

কৃষ্ণ দাস যদিও বলছেন, রাজগঞ্জের প্রার্থী স্বপ্না বর্মনের সমর্থনে এই কর্মিসভা। প্রচুর কর্মী এসেছেন। খগেশ্বর রায় প্রসঙ্গে উঠতেই বলেন, নির্বাচনী প্রচারে জেলায় আসছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাই হয়তো খগেশ্বরবাবু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কর্মসূচি নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। পাশাপাশি খগেশ্বর অনুগামী ব্লক সভাপতি অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপস্থিত থাকা নিয়ে বলেন, “নিশ্চয়ই কিছু কাজ থাকায় তিনি উপস্থিত থাকতে পারেননি।”

তবে এই ইস্যুতে তৃণমূল কে খোঁচা দিতে ছাড়েননি বিজেপির রাজগঞ্জ বিধানসভার কনভেনার তপন রায়। উল্টে লাভের অঙ্ক কষে বলছেন, “খগেশ্বর ও কৃষ্ণর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিবাদ। ওই বিবাদ কোনওদিন মিটবেও না। কৃষ্ণ খগেশ্বরের নাম কেটে দিয়েছে। তাই এবার খগেশ্বর শিবির ভোটে নামবে না। এতে বিজেপির খুবই সুবিধা হবে।” 

 ফলে, তাঁকে পরাজিত করতে পারে এমন একটি হেভিওয়েট মুখ প্রয়োজন বিজেপির। সেক্ষেত্র শুভেন্দু অধিকারীই প্রথম নাম বঙ্গ বিজেপির। ২০২১ সালে মুখ্যমন্ত্রী নিজে শুভেন্দুর গড় নন্দীগ্রামে গিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন বিরোধী দলনেতার বিরুদ্ধে। তবে পরাজিত হয়েছেন।

শুভেন্দুকে মমতার বিরুদ্ধে দাঁড় করানোটা 'মাস্টারস্ট্রোক', আসল স্ট্র্যাটেজি এবার বলে দিলেন সুকান্ত
সুকান্ত মজুমদার ও মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়


 সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই মুখ। তিনি নিজে একসময় বলেছিলেন, ‘২৯৪ আসনে আমিই প্রার্থী’। অর্থাৎ, তাঁকে দেখেই মানুষ ভোট দেন। সেই মমতাকেই নিজের কেন্দ্রে আটকে রাখতেই কি নন্দীগ্রাম সহ ভবানীপুরে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে দাঁড় করিয়েছে বিজেপি? এক প্রকার এই জল্পনাতেই সিলমোহর দিলেন বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। কোন স্ট্রাটেজির জন্য ভবানীপুরে শুভেন্দু লড়ছেন? টিভি ৯ বাংলাকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে বললেন তিনি।


মমতার বিরুদ্ধে শুভেন্দু এটা মাস্টারস্ট্রোক নাকি ডিফেন্সসিভ স্ট্রোক? সুকান্ত স্পষ্ট বলেন, “এটা মাস্টার স্ট্রোক। কারণ, এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যাকে দশবার ভাবতে হবে নিজের এলাকা ছাড়ার জন্য। ভাবনীপুর ছাড়ার অগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যয়াকে ভাবতে হবে তিনি ছাড়বেন কি ছাড়বে না।” মমতা ব্যানার্জী পোড় খাওয়া বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ।তিনি অভিজ্ঞ। রাজনীতির অঙ্কের হিসাব সব তাঁর গুলে খাওয়া। ফলে, তাঁকে পরাজিত করতে পারে এমন একটি হেভিওয়েট মুখ প্রয়োজন বিজেপির। সেক্ষেত্র শুভেন্দু অধিকারীই প্রথম নাম বঙ্গ বিজেপির। ২০২১ সালে মুখ্যমন্ত্রী নিজে শুভেন্দুর গড় নন্দীগ্রামে গিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন বিরোধী দলনেতার বিরুদ্ধে। তবে পরাজিত হয়েছেন। এবার শুভেন্দু লড়াই করছেন ভবানীপুরে। ফলে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরে জনসংযোগে তুলনামূলক আরও বেশি জোর দিতে হবে বলার অপেক্ষা রাখে না।


‘এক বস্ত্রেই মসজিদ-মন্দিরে এলাম’, মতুয়াগড়ে প্রার্থী হয়েই বিজেপিকে আক্রমণ ঋতুপর্ণার
বিজেপিও কার্যত সেই চালটিই দিয়েছে, অন্তত তেমনটাই স্বীকার করলেন সুকান্ত। তিনি বলেন, “মমতা ছাড়া ওই দলে আর কোনও নেতৃত্ব নেই। মমতাই পোস্ট বাকি সব ল্যাম্পপোস্ট। অভিষেক রয়েছেন, কিন্তু তাঁর টা আইপ্যাক দ্বারা তৈরি করা ফিগার। একটা আলপিন ঢুকলে পুরোটা।” অর্থাৎ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি বাকি প্রার্থীদের হয়ে জনসংযোগ না করেন তাহলে তাঁদের জেতার আশা যে কম সে কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত বিজেপির।


কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আরও দাবি করে বলেছেন, ভবানীপুরে মুখ্যমন্ত্রী পরাজিত হবেন। তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হারবেনই। যেখানে নন্দীগ্রামে মুসলমান ছিলেন সেখানেই হেরেছেন। আমরা ভেবেছিলাম নন্দীগ্রামে অভিষেক দাঁড়াবেন। উনি সাহস পেলেন না।” বস্তুত, এই ভবানীপুরে প্রায় ৪৮ হাজারের নাম বাদ গিয়েছে। বিবেচনাধীন অনেকে। এই নিয়ে বারেবারে সরব হয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তবে এও বলেছেন, এই ভবানীপুরে একটি ভোটে হলেও তিনি জিতবেন। এখন দেখার কালীঘাটের গঙ্গার জল ঠিক কোন দিকে গড়ায়।


নন্দীগ্রাম থেকেই এই জেলায় প্রচার শুরু করতে যাচ্ছেন তৃণমূলের নম্বর টু অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। জানা যাচ্ছে, নির্বাচনী আবহে দলীয় সংগঠনকে আরও মজবুত করতে চলতি মাসেই পূর্ব মেদিনীপুরে তিনটি প্রচার কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।

 নন্দীগ্রামে জিততে মরিয়া তৃণমূল, একটি বা দু'টি নয় ৩টি জনসভা অভিষেকের

রাজ্যের অন্যতম হটস্পট কেন্দ্র হল নন্দীগ্রাম। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) গড়ে তাঁরই ঘনিষ্ঠ পবিত্র করকে প্রার্থী করে চমকে দিয়েছিল তৃণমূল। এবার সেই নন্দীগ্রাম আসন দখল করতে মরিয়া রাজ্যের শাসকদল। তিন-তিনটি সভা করতে চলেছেন তিনি।


নন্দীগ্রাম থেকেই এই জেলায় প্রচার শুরু করতে যাচ্ছেন তৃণমূলের নম্বর টু অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। জানা যাচ্ছে, নির্বাচনী আবহে দলীয় সংগঠনকে আরও মজবুত করতে চলতি মাসেই পূর্ব মেদিনীপুরে তিনটি প্রচার কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। জানা যাচ্ছে, ২৫ মার্চ নন্দীগ্রামে একটি কর্মীসভার মাধ্যমে প্রচার শুরু করবেন তিনি। সেখানকার দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে কর্মীদের প্রয়োজনীয় দিশা দেবেন অভিষেক। এরপর ২৭ মার্চ পাঁশকুড়া পূর্ব কেন্দ্রে তাঁর একটি জনসভা করার কথা রয়েছে। সাধারণ মানুষের কাছে দলের বার্তা পৌঁছে দেওয়াই এই সভার মূল উদ্দেশ্য। আর ৩০ মার্চ কাঁথি সাংগঠনিক জেলায় একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠক করবেন তিনি। নির্বাচনী রণকৌশল নির্ধারণে এই বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। অভিষেকের এই সফরকে কেন্দ্র করে জেলার তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যাচ্ছে।


গতবার অর্থাৎ ২০২১ সালে এই নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন খোদ সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও, সেখান থেকে পরাজিত হয়েছিলেন তিনি। এবার আবার মমতাকে হারাতে ভবানীপুর থেকে লড়বেন শুভেন্দু। পাশাপাশি নিজের কেন্দ্র নন্দীগ্রামেও লড়াই করবেন তিনি। মমতা ব্যানার্জী পোড় খাওয়া বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ।তিনি অভিজ্ঞ। রাজনীতির অঙ্কের হিসাব সব তাঁর গুলে খাওয়া। ফলে, তাঁকে পরাজিত করতে পারে এমন একটি হেভিওয়েট মুখ প্রয়োজন বিজেপির। সেক্ষেত্র শুভেন্দু অধিকারীই প্রথম নাম বঙ্গ বিজেপির। কিন্তু নন্দীগ্রামে এমন একজনকে প্রয়োজন যিনি সেখানকার অলিগলির হিসাব বোঝেন। সেক্ষেত্রে ভূমি পুত্র পবিত্র করকে তৃণমূল প্রার্থী করে কৌশলী চাল দিয়েছে বলছেন রাজনীতিবিদদের একাংশ। এক সময় শুভেন্দু অধিকারী ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন পবিত্র। ছিলেন একসময়কার প্রধান। ফলে জল কোনদিকে গড়াতে পারে পবিত্রও জানেন ভাল করে। এখন সেই প্রার্থীকেই জেতাতে ময়দানে খোদ অভিষেক।

সাগরে ‘সুমন্ত মন্ডল’ বনাম ‘বর্তমান সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী’: কপিলমুনির আশীর্বাদ নিয়ে বঙ্কিমকে চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন সুমন্ত!


১৩২ সাগর বিধানসভা কেন্দ্রে এবার লড়াই সেয়ানে সেয়ানে। বিজেপির দ্বিতীয় দফার তালিকায় নামখানার ভূমিপুত্র সুমন্ত মন্ডলের নাম ঘোষণা হতেই মেজাজে গেরুয়া শিবির। শুক্রবার বিকেলে কচুবেড়িয়া ভেসেল ঘাটে পা রাখতেই সুমন্তবাবুকে ঘিরে বিজেপি কর্মীদের উন্মাদনা ছিল চোখে পড়ার মতো। ফুলের মালায় ঢেকে ফেলা হয় প্রার্থীকে।

প্রচারের প্রথম দিন ভেসেল থেকে নামার পর থেকেই শুরু হয় হাইভোল্টেজ জনসংযোগ। একের পর এক মোড়ে দাঁড়িয়ে আমজনতার সঙ্গে হাত মেলান সুমন্ত মন্ডল। মাইক হাতে নিয়ে সরাসরি আক্রমণ শানান শাসকদলের বিরুদ্ধে। তৃণমূল সরকারের কাজ নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি দাবি করেন, সাগরের মানুষ এবার প্রকৃত উন্নয়ন চায়। এরপর তিনি সোজা পৌঁছে যান গঙ্গাসাগরের পবিত্র কপিলমুনির আশ্রমে। সেখানে জয়ের আশীর্বাদ চেয়ে পুজো দেন তিনি। তবে সাগরের গড় রক্ষা করা সুমন্তর কাছে মস্ত বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ উল্টোদিকে রয়েছেন তৃণমূলের দীর্ঘদিনের বিধায়ক তথা হেভিওয়েট সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা। টানা চারবার জেতা বঙ্কিমবাবুকে পঞ্চমবারের জন্য প্রার্থী করেছে ঘাসফুল শিবির।নামখানার ঘরের ছেলেকে প্রার্থী করে বিজেপি স্থানীয় আবেগকে উস্কে দিতে চাইছে। মন্ত্রীর অভিজ্ঞতার পাহাড় নাকি সুমন্ত মন্ডলের তারুণ্য ও পরিবর্তনের ডাক— শেষ পর্যন্ত কার মাথায় উঠবে সাগরের মুকুট, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

উন্নয়নের জোয়ারে আস্থা: সাগরদ্বীপে ফের বঙ্কিমচন্দ্র হাজরাকেই চাইছে বাসিন্দারা


আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরগরম দক্ষিণ ২৪ পরগনার সাগরদ্বীপ। তবে এলাকার রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সুর অত্যন্ত স্পষ্ট। সাগরের সাধারণ মানুষের মতে, গত কয়েক বছরে দ্বীপের ভোল বদলে দিয়েছে বর্তমান সরকার।
এলাকার বাসিন্দারা জানান, উন্নত রাস্তাঘাট, ঘরে ঘরে বিশুদ্ধ পানীয় জল এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পরিষেবার মতো মৌলিক চাহিদাগুলো এখন হাতের মুঠোয়। উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত রাখতে তাঁরা আবারও তৃণমূল কংগ্রেসকেই ক্ষমতায় দেখতে আগ্রহী। বিশেষ করে ভূমিপুত্র তথা বর্তমান বিধায়ক বঙ্কিমচন্দ্র হাজরার স্বচ্ছ ভাবমূর্তি ও মানুষের পাশে থাকার মানসিকতা তাঁদের মুগ্ধ করেছে।

স্থানীয় এক বাসিন্দার কথায়, "সাগরের উন্নয়ন মানেই বঙ্কিম বাবু। আমরা তাঁকেই ফের বিধায়ক হিসেবে দেখতে চাই।" সব মিলিয়ে, ভোটের আগে উন্নয়নের তাসেই ফের বাজিমাত করতে মরিয়া ঘাসফুল শিবির।

 মৌসম ভবনে পূর্বাভাস অনুযায়ী, সক্রিয় পশ্চিমি ঝঞ্ঝার প্রভাবে উত্তর পাকিস্তানের উপরে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে যা ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া, বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি এবং বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি করছে ভারতের উপরে। পশ্চিমবঙ্গ ও সিকিমে এর প্রভাবে ইতিমধ্যেই ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হচ্ছে।


এখন তো ট্রেলার! দমকা বাতাস বইতে শুরু করল কলকাতায়, আগামী ২-৩ ঘণ্টার মধ্যেই 'খেল'
কলকাতা-সহ শহরতলিতে ঝড়

দুপুরের পর থেকেই কালো করে এসেছিল আকাশ। মুহূর্তে বদলে যেতে থাকে হাওয়া। সকাল থেকে মেঘলা ছিল আকাশ। দুপুরের পর থেকে হঠাৎ করে ফুরফুরে হাওয়া বইতে শুরু করে। সেই হাওয়া আরামপ্রদ। কলকাতা-সহ শহরতলি, দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জায়গায় দমকা হাওয়া বইতে শুরু করে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস আগেই ছিল। সেটাই সত্যি হল। আবহাওয়া দফতরের শেষ বুলেটিন অনুযায়ী, এই মুহূর্তে বৃষ্টি নেমে গিয়েছে পূর্ব বর্ধমান, নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা, বাঁকুড়ায়। আগামী ১-২ ঘণ্টার মধ্যে বৃষ্টি হবে মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমানে। এই সমস্ত জায়গায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে।

সন্ধ্যার পর থেকে কলকাতা-সহ শহরতলির একাধিক জায়গায় দমকা বাতাস বইতে শুরু করে। প্রায় ঘণ্টায় ৪০-৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো বাতাস বইছে। দমকা বাতাস বইতে শুরু করে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায়। পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতেও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।



 'আমার পক্ষে সম্ভব নয়', মুখ্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন প্রধান বিচারপতি
মৌসম ভবনে পূর্বাভাস অনুযায়ী, সক্রিয় পশ্চিমি ঝঞ্ঝার প্রভাবে উত্তর পাকিস্তানের উপরে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে যা ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া, বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি এবং বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি করছে ভারতের উপরে। পশ্চিমবঙ্গ ও সিকিমে এর প্রভাবে ইতিমধ্যেই ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। আগামী ২২ মার্চ আরও একটি নতুন পশ্চিমি ঝঞ্ঝা আসতে চলেছে। সাধারণত এই সময়ে পশ্চিমি ঝঞ্ঝা বা ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয় না। ভারতে ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রতি মাসে চার থেকে ছয়টি পশ্চিমি ঝঞ্ঝা তৈরি হয়।


কতদিন অন্তর রক্ষণাবেক্ষণ করা হত, এই ধরনের একাধিক বিষয়ে রিপোর্ট তলব করেছে স্বাস্থ্য ভবন। আগামী সোমবার সকালের মধ্যেই এই রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে।পাশাপাশি, অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গতিবিধি এবং লিফটের ভিতর সিসিটিভির যে ছবি বন্দি হয়েছে, তাও রিপোর্ট সহকারে জমা দিতে বলা হয়েছে স্বাস্থ্য ভবনে।

কেন লিফটে কোনও কর্মী ছিলেন না, কেন বাকিরা বেরোতে পারলেও আটকে গেলেন অরূপ? এবার রিপোর্ট তলব স্বাস্থ্য ভবনের
ট্রমা কেয়ারের লিফটে মৃত্যু


এবার আর জি করের ঘটনায় স্বাস্থ্য ভবন রিপোর্ট তলব করল। কী ঘটেছিল, কেন লিফটের ভিতর কোন কর্মী ছিল না, ওই ব্যক্তি কোথায় গিয়েছিলেন কার সঙ্গে ছিলেন, লিফটের রক্ষণাবেক্ষণ কী অবস্থায় ছিল, কতদিন অন্তর রক্ষণাবেক্ষণ করা হত, এই ধরনের একাধিক বিষয়ে রিপোর্ট তলব করেছে স্বাস্থ্য ভবন। আগামী সোমবার সকালের মধ্যেই এই রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে।পাশাপাশি, অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গতিবিধি এবং লিফটের ভিতর সিসিটিভির যে ছবি বন্দি হয়েছে, তাও রিপোর্ট সহকারে জমা দিতে বলা হয়েছে স্বাস্থ্য ভবনে।

শিশু এবং মহিলা বের হতে পারলেও কেন ওই ব্যক্তি আটকে পড়লেন, কেন তিনি বের হতে পারলেন না, সে ব্যাপারেও যাবতীয় তথ্যাদি অনুসন্ধান করা নির্দেশ দেওয়া হয়েছে স্বাস্থ্য ভবনের তরফে। শুক্রবার সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য ভবনের তরফে হাসপাতালে কর্তৃপক্ষ কাছে, এ ব্যাপারে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।


 প্রার্থীকেই মারতে উদ্যত! বিজেপির 'গোষ্ঠীকোন্দলে' আশঙ্কাজনক ২, তপ্ত খড়দহ
'তিন দিনের যোগী...', দেবাংশুর হয়ে দেওয়াল লিখলেও রচনায় গোঁসা অসিতের
গাফিলতি কোন পর্যায় ছিল এবং রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে যে সংস্থাগুলি রয়েছে, সেগুলি কতটা দায়িত্বসম্পূর্ণ, সেগুলো রিপোর্টে উল্লেখ রাখতে বলা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার রাত আড়াইটে নাগাদ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে যায় আরজি কর হাসপাতালে। ট্রমা কেয়ার সেন্টারের লিফটে দীর্ঘক্ষণ আটকে মৃত্যু হয় ওই এক ব্যক্তির। অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায় নামে বছর চল্লিশের ওই ব্যক্তি নাগেরবাজারের বাসিন্দা। তাঁর ছেলের হাত ভেঙে গিয়েছিল। ছেলেকে নিয়ে হাসপাতালে এসেছিলেন তিনি। সঙ্গে পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন। লিফটে নীচে নামছিলেন তিনি। লিফটে তাঁর সঙ্গে আরও কয়েকজন পরিবারের সদস্য ছিলেন বলে সূত্রের খবর। কিন্তু তাঁরা বেরোতে পারলেও অরূপ পারেননি। দীর্ঘক্ষণ পর তাঁকে যখন উদ্ধার করা হয়, তাঁর মৃত্যু হয়েছে।


দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বামেদের। প্রথম দফায় ১৯২ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছিল বামফ্রন্ট। পরে ১০ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছিল CPIML লিবারেশন। বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠক করে দ্বিতীয় দফার প্রার্থী ঘোষণা করল বামেরা। দ্বিতীয় দফায় ৩২ জনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। নন্দীগ্রামে প্রার্থী করা হয়েছে শান্তি গিরিকে। টালিগঞ্জে লড়বেন পার্থপ্রতিম বিশ্বাস। রানিনগরে সিপিএম প্রার্থী জামাল হোসেন।


নাম নেই সেলিম, শতরূপের, বামেদের দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকায় জায়গা পেলেন কারা?
বামেদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ


দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বামেদের। প্রথম দফায় ১৯২ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছিল বামফ্রন্ট। পরে আরও ১০ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে CPIML লিবারেশন। সেক্ষেত্রে মোট ২০২ আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠক করে দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল বামেরা। এদিন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সিপিএম-এর রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। দ্বিতীয় দফায় ৩২ আসনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে এখনও পর্যন্ত ২৯৪ আসনের মধ্যে ২৩৪টি আসনের প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে।

নন্দীগ্রামে প্রার্থী করা হয়েছে শান্তি গিরিকে। টালিগঞ্জে লড়বেন পার্থপ্রতিম বিশ্বাস। রানিনগরে সিপিএম প্রার্থী জামাল হোসেন। ভবানীপুর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রার্থী করা হয়েছে আইনজীবী শ্রীজীব বিশ্বাসকে। এর আগেও একাধিকবার নির্বাচনে প্রার্থী করা হয়েছিল। তবে জয় পাননি। বালিগঞ্জে রয়েছে চমক। প্রার্থী করা হয়েছে আফরিন বেগমকে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রের মৃত্য়ুতে বিক্ষোভে পথে নেমেছিলেন আফরিন। একাধিক বিক্ষোভে নেতৃত্ব দিতে দেখা গিয়েছে। কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠকে সিপিএমের প্রতিনিধি দলেও দেখা গিয়েছিল তাঁকে। এবার সেই আরফিনকে বালিগঞ্জের মতো গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হয়েছে। এই কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের টিকিটে লড়াই করছেন হেভিওয়েট প্রার্থী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।


প্রথমবার টিকিট পেয়েই প্রচার নয়, সরকারি দফতরে ফোন করে আধিকারিক-কর্মীদের ধমক তৃণমূলের প্রার্থীর! আশার আলো দেখছেন বাসিন্দারা
বামেদের দ্বিতীয় তালিকায় আর কাদের নাম রয়েছে, কোন আসন থেকে কারা লড়বেন, দেখে নিন তালিকা

SL No. Constituency (বিধানসভা কেন্দ্র) Party (দল) Candidate Name (প্রার্থীর নাম) Gender (লিঙ্গ)
1 ১১- কালচিনি (ST) RSP পাসাং শেরপা M
2 ৩২- করণদিঘি CPI(M) মোঃ সাহাবুদ্দিন M
3 ৪৩- হাবিবপুর CPI(M) বাসুদেব বর্মন M
4 ৪৫- চাঁচল CPI(M) আনোয়ারুল হক M
5 ৬২- ভগবানগোলা CPI(M) মাহমুদুল হাসান M
6 ৬৩- রানীনগর CPI(M) জামাল হোসেন M
7 ৬৫- নবগ্রাম (SC) CPI(M) পূর্ণিমা দাস F
8 ৭৬- জলঙ্গি CPI(M) ইউনুস আলী সরকার M
9 ৮৩- কৃষ্ণনগর উত্তর CPI(M) অদ্বৈত বিশ্বাস M
10 ৮৮- কৃষ্ণগঞ্জ (SC) CPI(M) অর্চনা বিশ্বাস F
11 ৯২- কল্যাণী (SC) CPI(M) সবুজ দাস M
12 ১২৪- বসিরহাট দক্ষিণ CPI(M) আইনুল আরেফিন (রাজু আহমেদ) M
13 ১২৯- কুলতলি (SC) CPI(M) রামশঙ্কর হালদার M
14 ১৩৬- জয়নগর (SC) CPI(M) অপূর্ব প্রামাণিক M
15 ১৪০- বারুইপুর পশ্চিম CPI(M) লাহেক আলী M
16 ১৪৩- ডায়মন্ড হারবার CPI(M) সমরেন্দ্রনাথ নাইয়া M
17 ১৫২- টালিগঞ্জ CPI(M) প্রফেসর পার্থ প্রতিম বিশ্বাস M
18 ১৫৭- মেটিয়াবুরুজ CPI(M) অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম M
19 ১৫৯- ভবানীপুর CPI(M) অ্যাডভোকেট শ্রীজীব বিশ্বাস M
20 ১৬১- বালিগঞ্জ CPI(M) আফরিন বেগম (শিল্পী) F
21 ১৮৭- চাঁপদানি CPI(M) অ্যাডভোকেট চন্দ্রনাথ ব্যানার্জি M
22 ১৯৫- জাঙ্গিপাড়া CPI(M) সুদীপ্ত সরকার M
23 ১৯৯- পুরশুড়া CPI(M) সন্দীপ কুমার সামন্ত M
24 ২০৪- পাঁশকুড়া পূর্ব CPI(M) ইব্রাহিম আলী M
25 ২০৫- পাঁশকুড়া পশ্চিম CPI(M) নিরঞ্জন সিহি M
26 ২১০- নন্দীগ্রাম CPI শান্তি গিরি M
27 ২১৫- খেজুরি (SC) CPI(M) হিমাংশু দাস M
28 ২২০- নয়াগ্রাম (ST) CPI(M) ডাঃ পুলিন বিহারী বাসকে M
29 ২২১- গোপীবল্লভপুর CPI বিকাশ ষড়ঙ্গী M
30 ২৬৩- মন্তেশ্বর CPI(M) অনুপম ঘোষ M
31 ২৮১- আসানসোল উত্তর CPI অখিলেশ কুমার সিং M
32 ২৯৪- মুরারই CPI(M) মোঃ আলী রেজা মন্ডল M

ভোটের আগে বোনাস বাড়ল সিভিকদের, বিজ্ঞপ্তি জারি নবান্নর, রিপোর্ট তলব কমিশনের

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ও কলকাতা পুলিশের অধীনস্থ সিভিক ভলান্টিয়ার এবং ভিলেজ পুলিশ ভলান্টিয়াররা এবার বছরে ৭ হাজার ৪০০ টাকা করে বোনাস পাবেন। গত অর্থবর্ষে এই বোনাসের পরিমাণ ছিল ৬ হাজার ৮০০ টাকা।অর্থ দফতরের (অডিট শাখা) সুপারিশ অনুযায়ী এই বোনাস বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।


কলকাতা : ভোটের আগে সিভিক ভলান্টিয়ারদের জন্য বড় ঘোষণা। চলতি অর্থবর্ষে বাড়তে চলেছে সিভিকদের অ্যাড-হক বোনাস। যদিও, বোনাস বৃদ্ধির ঘোষণা আগেই করেছিল নবান্ন। এবার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে তা কার্যকর করা হচ্ছে। ভিলেজ পুলিশ ভলান্টিয়ারদেরও বোনাস বাড়ছে । প্রায় ৬০০ টাকা বাড়ানো হচ্ছে বোনাস। নবান্ন বিজ্ঞপ্তি জারি করতেই রিপোর্ট তলব নির্বাচন কমিশনের।

স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দফতর একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ও কলকাতা পুলিশের অধীনস্থ সিভিক ভলান্টিয়ার এবং ভিলেজ পুলিশ ভলান্টিয়াররা এবার বছরে ৭ হাজার ৪০০ টাকা করে বোনাস পাবেন। গত অর্থবর্ষে এই বোনাসের পরিমাণ ছিল ৬ হাজার ৮০০ টাকা। অর্থ দফতরের (অডিট শাখা) সুপারিশ অনুযায়ী এই বোনাস বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২০২৬ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারির মেমো অনুসারে সংশোধিত হার কার্যকর করার বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। সরকারি নির্দেশে জানানো হয়েছে, রাজ্যপাল এই বোনাস প্রদানের অনুমোদন দিয়েছেন। নির্দিষ্ট খাতে এর ব্যয় বহন করা হবে।



প্রসঙ্গত, নির্বাচনের দিন ঘোষণার দিন কমিশনের বৈঠকের কিছু আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুরোহিতদের ভাতা বাড়ানোর ঘোষণা করেছিলেন। মোয়াজ্জিনদের ভাতা বৃদ্ধির ঘোষণা করেন। ১৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০০০ টাকা করা হয় পুরোহিত ও মোয়াজ্জিনদের ভাতা। শুধু তাই নয়, ওই ঘোষণার আধ ঘণ্টার মধ্যে বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দেওয়ার কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় জানান মুখ্যমন্ত্রী। সাধারণত ভোটের নির্ঘন্ট ঘোষণা হলে এই ধরনের ভাতা বাড়ানোর ঘোষণা করতে পারে না সরকার। তাই আগেভাগেই ভাত বাড়িয়ে দেওয়ার ঘোষণা করা হয়। সেক্ষেত্রে, অ্যাড-হক বোনাসও বাড়ানোর ঘোষণা আগেই করা হয়েছিল। ২৭ ফেব্রুয়ারি অর্থদপ্তর বিজ্ঞপ্তি জারি করে বোনাস বৃদ্ধির ঘোষণা করে। এবার সেই সিদ্ধান্তই কার্যকর হতে চলেছে।


জানা গিয়েছে, অটোয় ব্যবহৃত জ্বালানির দাম এক ধাক্কায় ৮ টাকা দাম বেড়েছে। শুক্রবার থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে। অর্থাৎ আজ থেকে ৭০.৬৮ টাকায় বিক্রি হবে LPG গ্যাস। এর আগে অটোয় ব্যবহৃত জ্বালানির দাম ছিল লিটার প্রতি ৫৭ টাকা ৬৮ পয়সা। কিন্তু, দিন কয়েক আগে হঠাৎ করেই ৫ টাকা বেড়ে যায় এলপিজির দাম।


 এলপিজি সংকটের মধ্যেই ফের বাড়ল গ্যাসের দাম!
গ্যাসের দাম বাড়ল

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতিতে গ্যাসের সংকট তৈরি হয়েছে দেশজুড়ে। পর্যাপ্ত বাণিজ্যিক সিলিন্ডার নেই। বন্ধ হচ্ছে রেস্তরাঁ, হোটেল। অভিযোগ, ঘরোয়া রান্নার গ্যাস নিয়েও হয়রানির শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। কোথাও বুকিং সংক্রান্ত সমস্যা কোথাও আবার রান্নার গ্যাস ডেলিভারি নিয়ে সমস্যা। এদিকে, সকাল নেই-বিকেল নেয়… পাম্পগুলিতে দেখা যাবে লম্বা লাইন। বিশেষ করে গ্যাস ভরার জন্য লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে সারি সারি অটো। কখনও অপেক্ষা ১ ঘণ্টার বেশি, কখনও আবার দেড় ঘণ্টা থেকে দুই ঘণ্টা পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে তারপর মিলছে জ্বালানি। এই আবহেই ফের গ্যাসের দাম বাড়াল কেন্দ্র। অটোয় জ্বালানি হিসাবে ব্যবহৃত এলপিজির দাম বাড়ানো হয়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, এবার অটো ভাড়াও বাড়বে।

জানা গিয়েছে, অটোয় ব্যবহৃত জ্বালানির দাম এক ধাক্কায় ৮ টাকা দাম বেড়েছে। শুক্রবার থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে। অর্থাৎ আজ থেকে ৭০.৬৮ টাকায় বিক্রি হবে LPG গ্যাস। এর আগে অটোয় ব্যবহৃত জ্বালানির দাম ছিল লিটার প্রতি ৫৭ টাকা ৬৮ পয়সা। কিন্তু, দিন কয়েক আগে হঠাৎ করেই ৫ টাকা বেড়ে যায় এলপিজির দাম। সেই দাম দাঁড়ায় ৬২ টাকা ৬৮ পয়সা। গতকাল পর্যন্ত এই দামেই মিলছিল এলপিজি। একসপ্তাহ কাটতে না কাটতেই ফের বাড়ল এলপিজির দাম। শুক্রবার থেকে আরও ৮ টাকা বেশি খরচ করতে হবে অটোচালকদের।



এদিকে গ্যাসের দাম বাড়তেই মাথায় হাত পড়েছে অটো চালকদের। একেই গ্যাস সংকটে জেরবার তাঁরা, তার মধ্যে এলপিজির দাম বাড়ায় রীতমতো ক্ষুব্ধ। আগে জ্বালানির দাম বাড়তেই বেশ কিছু রুটে অটো ভাড়া বাড়ানো হয়েছিল। কোথাও ৫ টাকা, কোথাও ৭টা বাড়ানো হয়েছিল ভাড়া। সেক্ষেত্রে এলপিজির দাম নতুন করে বাড়ায় খুব স্বাভাবিকভাবে অটো ভাড়াও যে বাড়তে চলেছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আর অটো ভাড়া হলে নতুন করে বাড়তেই কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে মধ্যবিত্তদের।


রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাও অংশগ্রহণ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। তাঁদের মধ্যে থাকবেন মধ্যপ্রদেশের মোহন যাদব, উত্তরাখণ্ডের পুষ্কর সিং ধামি, রাজস্থানের ভজন লাল শর্মা, হরিয়ানার নায়েব সিং সাইনি, পঞ্জাবের ভগবন্ত মান এবং কর্ণাটকের উপ মুখ্যমন্ত্রী ডিকে শিবকুমার।


নেটওয়ার্কের সামিটে প্রধান অতিথি হিসেবে আবারও উপস্থিত থাকছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী


শুরু হচ্ছে  ‘What India Thinks Today Summit 2026’ সম্মেলন। এবার চতুর্থ সংস্করণ। আগামী ২৩ ও ২৪ মার্চ ওই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে দিল্লিতে। এবারও সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে তিনি কী বার্তা দেন, সেদিকেই নজর থাকবে। পাশাপাশি, দেশের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো নিয়ে আলোচনা হবে এই সম্মেলনে।


এই মুহূর্তে ভারতে অর্থনৈতিক লক্ষ্য, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, সামাজিক পরিস্থিতি, সবটাই উঠে আসবে আলোচনায়। ‘ইন্ডিয়া অ্যান্ড দ্য ওয়ার্ল্ড’ শিরোনামে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে এই সামিটে। দেশের উন্নয়নের ব্লু প্রিন্ট তৈরি করার বিষয়ে হবে আলোচনা। উপস্থিত থাকবেন বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি।


ভোররাতে গভীর রহস্য দাঁতনে! ধানজমির দিকে তাকিয়েই চমকে উঠলেন গ্রামবাসীরা
ধুরন্ধরের ১০০০ কোটি আয় থেকে ৫০০ কোটি দেওয়া হোক এই অভিনেতাকে! ঘোষণা রণবীর সিংয়ের
এর আগে ‘হোয়াট ইন্ডিয়া থিঙ্কস টুডে’ (What India Thinks Today) সম্মেলনের মূল বিষয়বস্তু ছিল ‘ইন্ডিয়া ইন দ্য নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার’। পরিবর্তনশীল বিশ্বে ভারত কীভাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করছে, তা নিয়েই আলোচনা হয়েছিল। এবছর আলোচনার বিষয়, ২০৪৭-এ ভারত কেমন হবে?

‘হোয়াট ইন্ডিয়া থিঙ্কস টুডে’ সম্মেলনে এবারও বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের বক্তব্য শোনা যাবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল, জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া এবং অশ্বিনী বৈষ্ণবও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাও অংশগ্রহণ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। তাঁদের মধ্যে থাকবেন মধ্যপ্রদেশের মোহন যাদব, উত্তরাখণ্ডের পুষ্কর সিং ধামি, রাজস্থানের ভজন লাল শর্মা, হরিয়ানার নায়েব সিং সাইনি, পঞ্জাবের ভগবন্ত মান এবং কর্ণাটকের উপ মুখ্যমন্ত্রী ডিকে শিবকুমার। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মহিলা ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি, লোকসভার সংসদ সদস্য অখিলেশ যাদব ও আসাদউদ্দিন ওয়াইসি এই।

বোর্ডরুম লিজেন্ড অধ্যাপক রাম চরণ, এমএইচপি ইন্ডিয়া (A Porsche Company)-র গ্রুপ সিওও (COO) মার্কাস ওয়ামবাখ এবং সিইও (CEO) বার্ন্ড ও. হরম্যান এই মেগা ইভেন্টের অংশ হতে চলেছেন।

খবর পেয়ে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছয় তারকেশ্বর থানার পুলিশ। পুলিশি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে একজনকে আটকও করা হয়েছে। এরই মধ্যে হামলার প্রতিবাদে, দোষীদের কড়া শাস্তির তুমুল বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন।


 তারকেশ্বরে সন্তু পানকে ঘিরে ফেলল তৃণমূল? থানায় আছড়ে পড়ল বিজেপির বিক্ষোভের ঢেউ
রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর

ভোটের মুখে উত্তপ্ত হুগলির তারকেশ্বর। এবার খোদ বিজেপি প্রার্থীর গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বুধবার তারকেশ্বর থানার সামনে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখান বিজেপি নেতা-কর্মীরা। যদিও তৃণমূলের বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছে ঘাসফুল শিবিরের স্থানীয় নেতারা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও ব্যাপক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। 

এবার তারকেশ্বরে বিজেপি দাঁড় করিয়েছে তরুণ সাংবাদিক সন্তু পানকে। কিছুদিন আগেই একেবারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের হাত থেকে বিজেপির পতাকা তুলে নেন তিনি। বৃহস্পতিবার তারকেশ্বরের গুড়েভাটায় একটি মিটিংয়ে গিয়েছিলেন সন্তু। অভিযোগ, সেখানে রাস্তার ধারে যখন মিটিং চলছিল, ঠিক সেই সময়েই তৃণমূল আশ্রিত বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতী অতর্কিতে হামলা চালায়। বিজেপি কর্মীদের বেশ কয়েকটি গাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ গেরুয়া শিবিরের। ভাঙচুর করা হয় সন্তুর গাড়িও। 


ভোটার কার্ড ছাড়া কোন নথি নিয়ে গেলে ভোট দিতে পারবেন, নির্দেশিকায় জানাল কমিশন
খবর পেয়ে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছয় তারকেশ্বর থানার পুলিশ। পুলিশি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে একজনকে আটকও করা হয়েছে। এরই মধ্যে হামলার প্রতিবাদে, দোষীদের কড়া শাস্তির তুমুল বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। প্রতিবাদ আছড়ে পড়ে তারকেশ্বর থানার সামনে।

তৃণমূলের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে সন্তু বলেন, “তারকেশ্বরে গণতন্ত্র থাকবে না? আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলতে চাই এই বিজেপি সেই বিজেপি নয় যে আপনি চমকালে বাড়ি যাবে! আপনি মনে রাখবেন শ্রীকৃষ্ণ বাঁশিও বাজিয়েছেন সুদর্শন চক্রও তুলে নিয়েছেন। আমরা কিন্তু ছেড়ে কথা বলব না।”  

অন্যদিকে, এই ঘটনায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়েছেন দলের আরামবাগ সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি তথা স্থানীয় তৃণমূল নেতা স্বপন সামন্ত। তাঁর দাবি, “এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও কর্মী বা সমর্থক জড়িত নয়। আসলে প্রচারের আলোয় আসার জন্য বিজেপি নিজেরাই নিজেদের উপর এই আক্রমণের নাটক সাজিয়েছে।” তবে এর পাশাপাশি তিনি এও জানান, দলের কেউ যদি এই ঘটনার সঙ্গে সত্যিই যুক্ত থাকে, তবে বিষয়টি দলীয় স্তরে গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হবে। সব মিলিয়ে এই ভাঙচুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তারকেশ্বরের রাজনৈতিক মহলে তরজা তুঙ্গে। আটক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। 

এবারের ভোট যুদ্ধে 'বাংলা অস্মিতা'কে আবারও হাতিয়ার করতে চলেছে তৃণমূল। বিগতদিনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাঙালি অস্মিতা নিয়ে বারবার সরব হয়েছেন। ভিনরাজ্যে কীভাবে বাঙালি শ্রমিকদের হেনস্থা করা হয়েছে, সেই সব অভিযোগ তুলে এনেছেন। ধর্মতলায় মঞ্চ তৈরি করে প্রতিবাদ করেছেন। কেন্দ্রকে বাংলা-বিরোধী তকমা দিয়ে সুর চড়িয়েছেন। এবার কার্যত রাজনৈতিকভাবে যুদ্ধ ঘোষণা করতে চলেছে তৃণমূল।


তৃণমূলের ইস্তেহার চূড়ান্ত, স্লোগানে এবার 'মেয়ে' নয় 'মা', কোন কোন ক্ষেত্রে জোর

লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পর যুব সাথী, সাধারণ মানুষের কাছে নগদ টাকা পৌঁছে দেওয়ার একাধিক স্কিম তৈরি করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। ২০২৬-এর নির্বাচনের ঠিক আগে একাধিক ক্ষেত্রে ভাতার পরিমাণও বাড়িয়েছে রাজ্য। এবার ইস্তেহারে নতুন প্রতিশ্রুতির পালা। চতুর্থবারের জন্য ক্ষমতায় এলে, তৃণমূলের কী কী ভাবনা আছে, তা শীঘ্রই সামনে আনবে ঘাসফুল শিবির। সূত্রের খবর, চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে তৃণমূলের ইস্তেহার। শুক্রবার অথবা শনিবারের মধ্যেই সেটি প্রকাশ হবে বলে জানা গিয়েছে।


সূত্রের খবর, তৃণমূলের ইস্তেহারে আরও বেশি করে সামাজিক সুরক্ষার উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্য, শিক্ষায় জোর শাসক দলের। নতুন কোনও স্কিমের কথা বলা হয় কি না, সেদিকেও নজর থাকবে।


মমতার বিরুদ্ধে মুসলিম প্রার্থী দিলেন হুমায়ুন
একইসঙ্গে এবারের ভোট যুদ্ধে ‘বাংলা অস্মিতা’কে আবারও হাতিয়ার করতে চলেছে তৃণমূল। বিগতদিনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাঙালি অস্মিতা নিয়ে বারবার সরব হয়েছেন। ভিনরাজ্যে কীভাবে বাঙালি শ্রমিকদের হেনস্থা করা হয়েছে, সেই সব অভিযোগ তুলে এনেছেন। ধর্মতলায় মঞ্চ তৈরি করে প্রতিবাদ করেছেন। কেন্দ্রকে বাংলা-বিরোধী তকমা দিয়ে সুর চড়িয়েছেন। এবার কার্যত রাজনৈতিকভাবে যুদ্ধ ঘোষণা করতে চলেছে তৃণমূল।

২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভোট-যুদ্ধের স্লোগান ছিল, ‘বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়’। এবার ২০২৬-এর নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূলের স্লোগান, ‘যে লড়ছে সবার ডাকে/সেই বাঁচাবে বাংলা মা কে।’ সাধারণ মানুষের জন্য কী প্রতিশ্রুতি থাকে, সেটাই এখন দেখার।

বৃহস্পতিবার এই বিষয়ে মহম্মদ সেলিম বলেন, "হাসপাতালের চত্বরের মধ্যে ডিউটিরত ছাত্রী, একজন চিকিৎসককে ধর্ষণের পর খুন করা হয়। ,এরকম আগে আমাদের রাজ্য তো দূর, দেশেও ঘটেনি। তারপর সব সাক্ষ্মী, প্রমাণ লোপাট করার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, স্বাস্থ্য দফতর, তৃণমূল কংগ্রেস সক্রিয় হয়। তখন বুদ্ধদেববাবুর লাশ পড়ে রয়েছে এই ঘরে, সেইসময় এই ঘটনার কথা সিপিএম প্রথম জানায়।

তখনও বুদ্ধদার লাশ পড়ে, তিলোত্তমার খবর আমরাই প্রথম জানাই, বিজেপি নয়', সেই রাত মনে করালেন সেলিম
মহম্মদ সেলিম কী বললেন?


 রাজ্য-রাজনীতিতে জোর জল্পনা বিজেপির প্রার্থী হচ্ছেন তিলোত্তমার মা।  এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে নিজেই জানিয়েছেন, তিনি প্রার্থী হতে চান। তাঁর কাছে প্রস্তাব এসেছিল। আর সেই প্রস্তাবে তিনি সম্মতি দিয়েছেন। একইসঙ্গে জানিয়েছেন, বিজেপিই একমাত্র তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারবে। সিপিএম-কে তৃণমুলের জন্য সুযোগ করে দেবেন না। তিলোত্তমার মা-এর এই মন্তব্যের পরই মুখ খুলেছেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। তাঁর দাবি, আরএসএস-এর শেখানো বুলি আওড়াচ্ছেন তিলোত্তমার মা। তাঁর আর্জি, কোনও নির্দিষ্ট পক্ষ যেন অবলম্বন না করেন তিলোত্তমার মা।

দিন কয়েক আগে বিজেপি নেতা অর্জুন সিং তিলোত্তমার বাড়িতে গিয়েছিল। তাঁর বাবা-মায়ের সঙ্গে প্রায় ঘণ্টা দেড়েক কথাও বলেন। আর তাঁর এই সাক্ষাতের পরই তিলোত্তমার মায়ের বিজেপি-তে যোগদান নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়। এমনকী, তিনি বিজেপির প্রার্থী হতে পারেন বলেও খবর ছড়ায়। সূত্রের খবর, পানিহাটি থেকেই টিকিট পেতে পারেন তিলোত্তমার মা। এই বিষয়ে, তিলোত্তমার মা বলেন, “দুঃখ-যন্ত্রণা ভিতরে রয়েছে। কিন্তু সেটাকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে সব পরিস্থিতি। তাই কালকে আমি নিজেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি নিজেই ফোন করেছি। আমি প্রার্থী হতে চাই। আমার মেয়েকে কেউ ভোটে ব্যবহার করুক, সেটা আমি চাই না। তাই বিজেপিতে যোগ দিতে চাই। সিপিএম-কে তৃণমূলের জন্য সুযোগ করে দেবো না। স্বাস্থ্য, শিক্ষা দুর্নীতি আর নারীদের সুরক্ষায় লড়াইয়ের জন্যই বিজেপিতে যাচ্ছি। আর বিজেপিই পারবে তৃণমূলের সঙ্গে লড়াই করতে।” তিলোত্তমার বাবা দাবি করেন, তৃণমূল সরকারকে উৎখাত করার ক্ষমতা রয়েছে বিজেপির।




বৃহস্পতিবার এই বিষয়ে মহম্মদ সেলিম বলেন, “হাসপাতালের চত্বরের মধ্যে ডিউটিরত ছাত্রী, একজন চিকিৎসককে ধর্ষণের পর খুন করা হয়। ,এরকম আগে আমাদের রাজ্য তো দূর, দেশেও ঘটেনি। তারপর সব সাক্ষ্মী, প্রমাণ লোপাট করার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, স্বাস্থ্য দফতর, তৃণমূল কংগ্রেস সক্রিয় হয়। তখন বুদ্ধদার লাশ পড়ে রয়েছে এই ঘরে, সেইসময় এই ঘটনার কথা সিপিএম প্রথম জানায়। তারপর কোর্টে যাই আমরা। তড়িঘড়ি করে পোস্টমর্টেম করা হয়। অন্ধকারে নামার পর সব করা হয়। আমরা প্রথম এই বিষয়টাকে সামনে নিয়ে আসি। কোনও আরএসএস, কোনও বিজেপি কিন্তু বিষয়টা সামনে আনেনি।”

সেদিনে ছাত্র যুবদের লড়াইকেও মনে করিয়ে দিয়েছেন সেলিম। তিনি বলেন,”সেদিন ছাত্র যুব বাহিনী, বুদ্ধদার শেষ যাত্রা থেকে বেরিয়ে গাড়ি আটকায়। অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ায়। পুলিশের অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়। বিজেপি, আরএসএস-এর মুরোদ আছে ধর্ষিতাকে ন্যায় দেবে, বিচার দেবে, অপরাধীকে ধরবে? কলকাতা পুলিশ যা বলেছে, সিবিআইও তাই বলেছে।” পরোক্ষভাবে তৃণমূল-বিজেপি-র সেটিং তত্ত্বকেই তুলে ধরলেন তিনি।

সেলিমের কথায়, “ভোট নির্বাচন আলাদা বিষয়। সেটা পরিবার সিদ্ধান্ত নেবে। আমরা কখনও বলিনি সিপিএম হও। আমরা সবসময় সন্তানহারা পরিবারের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। এসব বলে কিছু লাভ হবে না।” তবে, তিলোত্তমার বাবা-মায়ের প্রতি তাঁর অনুরোধ, কোনও পক্ষ না নিয়ে তাঁরা যেন লড়াই করেন


রাতের শহরে বেপরোয়া গতির দাপাদাপির জেরেই দুর্ঘটনা এমনটাই অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের। রাতে খবর পেয়েই হাসপাতালে ছুটে যান ওই তরুণীর সহকর্মীরা। তাঁদের অভিযোগ, পুলিশ বেপরোয়া গাড়ি নিয়ন্ত্রণে কোনও পদক্ষেপ করে না। সেই কারণেই বারবার এমন ঘটনা ঘটে চলেছে।

 কাজ শেষে বাড়ি ফেরা হল না তরুণীর, পিষে গেল মাথা, রাতের শহরে মর্মান্তিক ঘটনা



রাতের শহরে ফের বেপরোয়া গতি গাড়ির। মর্মান্তিক ঘটনায় প্রাণ হারালেন ২৯ বছরের তরুণী। সেক্টর ফাইভে হোটেলে কর্মরত ছিলেন রিম্পা ধাড়া নামে ওই তরুণী। বৃহস্পতিবার রাতে কাজ সেরে বাড়ি ফেরার সময় এই ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। প্রতিনিয়ত বহু মানুষ রাতে কাজ সেরে অ্যাপ বাইকে চেপে বাড়ি ফেরেন। এই ঘটনা তাঁদের কাছে নতুন করে আতঙ্ক তৈরি করেছে।

সল্টলেক সেক্টর ফাইভ থেকে অ্যাপ বাইক বুক করে কসবার দিকে যাচ্ছিলেন ওই তরুণী। বাইকের পিছনে বসেছিলেন তিনি। সেক্টর ফাইভের ব্রিজের ওপর থেকে নিকো পার্কের দিকে যাওয়ার সময় আচমকা পিছন দিক থেকে বেপরোয়া ডাম্পার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাইকের পিছনে ধাক্কা মারে বলে অভিযোগ। আচমকা ধাক্কায় বাইকের পিছনে বসে থাকা আরোহী রিম্পা ধাড়া ছিটকে গিয়ে পড়েন রাস্তায়। বেপরোয়া গতি থাকায় মাথার উপর দিয়ে পিষে চলে যায় ওই ডাম্পার।


 রাজীব কুমারের আত্মীয়, বিজেপির টিকিট পেলেন রাজেশ কুমার
তিলোত্তমার মা এখন রাজনীতির কারণে যা খুশি বলছেন: চন্দন সেন
ঘটনাস্থলে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকেন রিম্পা। ট্রাফিক পুলিশের সহায়তায় অটো করে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় বিধান নগর মহকুমা হাসপাতালে। সেখানে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।

ঘাতক গাড়ি এবং গাড়ির চালক পলাতক। সংশ্লিষ্ট এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে ঘাতক গাড়িটি চিহ্নিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে ইলেকট্রনিক্স কমপ্লেক্স থানার পুলিশ। তবে রাতের শহরে বেপরোয়া গতির দাপাদাপির জেরেই দুর্ঘটনা এমনটাই অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের। রাতে খবর পেয়েই হাসপাতালে ছুটে যান ওই তরুণীর সহকর্মীরা। তাঁদের অভিযোগ, পুলিশ বেপরোয়া গাড়ি নিয়ন্ত্রণে কোনও পদক্ষেপ করে না। সেই কারণেই বারবার এমন ঘটনা ঘটে চলেছে

বেশ কিছুক্ষণ ধরেই নাকি দু'পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা চরম আকার নেয়। তৃণমূল সূত্রে খবর, এই বিষয়টি খোদ তৃণমূল নেতৃত্বের কাছে পৌঁছেছে ইতিমধ্যেই, যা নিয়ে ক্ষুব্ধ নেতৃত্ব। ওই তিনজন কাউন্সিলর ভোটের সময় কেমন কাজ করে, তার উপরে নজর রাখা হবে বলেও তৃণমূল সূত্রে খবর।


 যাদবপুরে তুলকালাম! 'শেষ দেখে ছাড়ব', অভিষেকের কথা বলতেই প্রার্থীর মুখের উপর চিৎকার তিন কাউন্সিলরের

 যাদবপুরে নির্বাচনী বৈঠকে তৃণমূল প্রার্থী অভিষেকের বার্তা শোনাতেই চরম ঝামেলা। দলের তিন কাউন্সিলরের গলায় ‘শেষ দেখে ছাড়ার’ হুমকি। অস্বস্তিতে তৃণমূল শিবির। যাদবপুরের তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা হয়েছে কলকাতা পুরনিগমের মেয়র পারিষদ তথা ৯৬ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর দেবব্রত মজুমদারের নাম। গতবারও তিনি যাদবপুরের বিধায়ক ছিলেন। এবারও তাঁকে প্রার্থী করেছে রাজ্যের শাসক দল। সেই প্রার্থীর সঙ্গেই এবার চরম বাগ-বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়লেন তৃণমূলের তিন কাউন্সিলর।


সূত্রের খবর, দুই মহিলা কাউন্সিলর সহ তিনজনের সঙ্গে রীতিমতো কথা কাটাকাটি হয় দেবব্রতর। কলকাতা পুরনিগমের ১০৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাঁপুই পাড়ায় যাদবপুরের মূল পার্টি অফিসে বৈঠক চলাকালীন ওই তিন কাউন্সিলরের সঙ্গে চরম ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েন তৃণমূল প্রার্থী দেবব্রত মজুমদার। স্থানীয় নেতৃত্ব সূত্রে খবর, দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের বার্তা নির্বাচনী কোর কমিটির বৈঠকে প্রার্থী পেশ করতেই রীতিমতো রে রে করে ওঠেন দলের ওই তিন কাউন্সিলর।



'আমাকে শুভেচ্ছাবার্তা পাঠিয়েছেন..., শুভেচ্ছা গ্রহণ করছি না!' বিজেপির টিকিট পেয়েই মুখ খুললেন হিরণ
জানা যাচ্ছে, বৃহস্পতিবার বৈঠক চলাকালীন তৃণমূল প্রার্থী দেবব্রত মজুমদার বলেন, অভিষেকের নির্দেশ অনুযায়ী, এ বারের নির্বাচনে কাউন্সিলরদের কাজের পারফরম্যান্স খতিয়ে দেখা হবে। আর সেই ভিত্তিতেই মূল্যায়ন করা হবে। কার্যত এদিন তিনি বুঝিয়ে দেন, ২০২৬ সালের ডিসেম্বর মাসে কলকাতায় যে পুর নির্বাচন হবে, তাতে কোনও কাউন্সিলরকে টিকিট দেওয়া হবে কি না, তা বিধানসভা নির্বাচনে সেই কাউন্সিলরের ওয়ার্ডের ফলাফলের উপর নির্ভর করবে। এই কথা শুনেই নাকি রীতিমতো চিৎকার করে ওঠেন ওই তিন কাউন্সিলর।


‘আমাদের অবিশ্বাস করা হচ্ছে। এইভাবে অপমান করার কোনও মানে হয় না। আমরা এর শেষ দেখে ছাড়ব’। দেবব্রত মজুমদারের মুখের উপর এভাবেই নাকি চিৎকার করতে শোনা যায় ওই তিন কাউন্সিলরকে। তৃণমূল প্রার্থী তখন ওই তিন কাউন্সিলরকে পাল্টা বুঝিয়ে দেন, এটা তাঁর কথা নয়। এটা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছেন তারই বার্তা।

কিন্তু তারপরও নিজেদের চেয়ার ছেড়ে উঠে এই নির্বাচন থেকে নিজেদের বিরত রাখবেন বলে চিৎকার করতে থাকেন ওই কাউন্সিলররা। রীতিমতো হুমকির সুরে বলেন, “যাদবপুরের ধমকের চমকের রাজনীতি চলবে না। এটা যেন প্রার্থী ভালো করে বুঝে নেন।” আচমকাই তখন দেবব্রত মজুমদার পাল্টা আবারও মন্তব্য করেন, সেই কারণেই তো কাউন্সিলর হয়ে বিধায়ক হওয়ার জন্য সিভি পাঠিয়েছিলেন ওই তিনজন। এই মন্তব্যে ক্ষোভ আরও বেড়ে যায় এবং বৈঠকের পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

যাদবপুরের দায়িত্বপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক তথা কলকাতা পুরসভার ১০১ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্ত উপস্থিত ছিলেন বৈঠকে। তিনিও চিৎকার করে ওঠেন বলে জানা গিয়েছে। ওই তিন কাউন্সিলরের উদ্দেশে তিনি প্রশ্ন ছু়ড়ে দেন, “২০২৪ সালে যখন কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম কলকাতার কাউন্সিলরদের নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে এই একই বার্তা দিয়েছিলেন, তখন কেন এই কাউন্সিলররা মুখ বন্ধ করেছিলেন?” অভিষেকের বার্তা প্রত্যেককে শুনতে হবে। এটা নির্দেশ দলের।

বেশ কিছুক্ষণ ধরেই নাকি দু’পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা চরম আকার নেয়। তৃণমূল সূত্রে খবর, এই বিষয়টি খোদ তৃণমূল নেতৃত্বের কাছে পৌঁছেছে ইতিমধ্যেই, যা নিয়ে ক্ষুব্ধ নেতৃত্ব। ওই তিনজন কাউন্সিলর ভোটের সময় কেমন কাজ করে, তার উপরে নজর রাখা হবে বলেও তৃণমূল সূত্রে খবর।

দলের একাংশ মনে করছে, যাদবপুরের মতো এমন একটি মর্যাদাপূর্ণ কেন্দ্র থেকে অনেক কাউন্সিলরই নিজেদেরকে দলের প্রার্থী হিসেবে ভাবতে শুরু করেছিলেন, তাই প্রত্যাশা পূরণ না হওয়ায় ভোটের আগে এই অস্বস্তিকর পরিবেশ তৈরি হয়ে হয়েছে ওই কেন্দ্রের তৃণমূল শিবিরে।

 বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকায় সাগর বিধানসভার জন্য নাম ঘোষণা করা হয়েছে নামখানার সুমন্ত মণ্ডলের। পেশায় শিক্ষক এবং নামখানা পঞ্চায়েত সমিতির বর্তমান সদস্য সুমন্ত ফ্রেজারগঞ্জ এলাকার ভূমিপুত্র হিসেবেই পরিচিত। ঘরের ছেলেকে প্রার্থী হিসেবে পেয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকেই উন্মাদনায় ফেটে পড়েন নামখানা ও সাগরের বিজেপি কর্মীরা।


সুমন্ত মণ্ডল গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে নামখানা পঞ্চায়েত সমিতিতে জয়ী হয়ে এলাকায় নিজের প্রভাব প্রমাণ করেছিলেন। এবার দল তাঁর ওপর ভরসা রাখায় সাগর বিধানসভার লড়াইয়ে এক নতুন মাত্রা যোগ হলো। নাম ঘোষণার পরেই এদিন সন্ধ্যায় ফ্রেজারগঞ্জের স্থানীয় একটি রাধা-কৃষ্ণ মন্দিরে পুজো দেন সুমন্ত। এরপর কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে আবির খেলায় মেতে ওঠেন তিনি।
পেশায় শিক্ষক হওয়ার সুবাদে সুমন্ত মণ্ডলের একটি পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি রয়েছে। প্রার্থী হিসেবে তাঁর লক্ষ্য স্পষ্ট। তিনি জানান, "এটি কেবল একটা নির্বাচন নয়, এটি নীতি ও আদর্শের লড়াই। সাগর বিধানসভায় চারটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপ রয়েছে, যেখানে যোগাযোগ ও উন্নয়নের প্রচুর অভাব। আমরা যুব সমাজের জন্য কর্মসংস্থান এবং দ্বীপের মানুষের মৌলিক সমস্যাগুলোকে সামনে রেখে মানুষের দুয়ারে পৌঁছাব।"

সাগরের বর্তমান বিধায়ক বঙ্কিম হাজরা দীর্ঘদিনের পোড়খাওয়া নেতা। অন্যদিকে সুমন্ত মণ্ডল নবীন। যেহেতু সুমন্ত নামখানা ব্লকের ফ্রেজারগঞ্জের বাসিন্দা, তাই নামখানা ব্লকের ভোটব্যাঙ্কে তিনি থাবা বসাতে পারেন বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। জয়ের ব্যাপারে সুমন্তবাবু আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জানান, "সাগরের মানুষ পরিবর্তন চাইছে, আমরা জয়ের ব্যাপারে ১০০ শতাংশ আশাবাদী।"


স্টাফ রিপোর্টার মুন্না সরদার