March 2024

এ বারের আইপিএল শেষ হলেই রয়েছে আইসিসি টি-২০ বিশ্বকাপ। সংবাদসংস্থা পিটিআইকে বিসিসিআইয়ের এক সূত্র জানিয়েছে, টি-২০ বিশ্বকাপের জন্য ভারতের ১৫ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা হবে এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে। ইতিমধ্যেই আইসিসির পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ১ মে টি-২০ বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া টিমগুলোকে তাদের স্কোয়াড জমা দিতে হবে।


আইপিএলের মাঝেই বিশ্বকাপের টিম ঘোষণা, ভাগ্যপরীক্ষা বিরাট কোহলির

আইপিএলের মাঝেই বিশ্বকাপের টিম ঘোষণা, ভাগ্যপরীক্ষা বিরাট কোহলির

 ক্রিকেট প্রেমীরা এখন মজে রয়েছেন বিনোদনে ভরপুর ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট লিগ আইপিএলে। দেশ-বিদেশের বহু ক্রিকেটারে ঠাসা এই জনপ্রিয় কোটিপতি লিগ। এ বারের আইপিএল (IPL) শেষ হলেই রয়েছে আইসিসি টি-২০ বিশ্বকাপ (T20 World Cup 2024)। সংবাদসংস্থা পিটিআইকে বিসিসিআইয়ের এক সূত্র জানিয়েছে, টি-২০ বিশ্বকাপের জন্য ভারতের ১৫ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা হবে এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে। ইতিমধ্যেই আইসিসির পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ১ মে টি-২০ বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া টিমগুলোকে তাদের স্কোয়াড জমা দিতে হবে।

এ বারের টি-২০ বিশ্বকাপে ২০টি দেশ অংশ নিচ্ছে। মোট ৫৫টি ম্যাচ হবে। আইপিএল শেষ হওয়ার আগেই হবে টি-২০ বিশ্বকাপের জন্য যেহেতু ভারতীয় টিম ঘোষণা হয়ে যাবে, তাই একঝাঁক ভারতীয় ক্রিকেটারদের সামনে এখন বড় পরীক্ষা। আইপিএল শুরু হওয়ার কয়েকদিন আগে থেকে বার বার শোনা যাচ্ছিল এ বারের বিশ্বকাপে খেলতে দেখা যাবে না বিরাট কোহলিকে। একাধিক প্রাক্তন ক্রিকেটার এই খবর ভিত্তিহীন বলেছিলেন। বোর্ড অবশ্য আগে জানিয়েছিল, আইপিএলের সময় ভারতীয় ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্সে বিশেষ নজর থাকবে। সেই দিক থেকে দেখতে হলে বিরাট কোহলি, লোকেশ রাহুল, ঋষভ পন্থের মতো একাধিক ক্রিকেটারের ভাগ্যপরীক্ষা হবে এপ্রিলের শেষে।

বিসিসিআইয়ের এক সিনিয়র কর্তা বলেছেন, ‘এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে বিশ্বকাপের জন্য ভারতীয় টিম বেছে নেওয়া হবে। ওই সময় আইপিএলের প্রথম পর্ব শেষ হয়ে যাবে। ওই সময় কোন ক্রিকেটার কেমন ফর্মে রয়েছেন, সে বিষয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিটির কাছে স্পষ্ট ধারণা থাকবে। ১৯ মে আইপিএলের লিগ স্টেজের খেলা শেষ হওয়ার পর প্রথম ব্যাচের ক্রিকেটাররা নিউ ইয়র্ক চলে যাবে। যে ক্রিকেটারদের টিম শেষ চারের জন্য যোগ্যতা অর্জন করবে না, তাঁরাও নিউ ইয়র্ক চলে যাবে। যেমনটা গত বছর বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের সময় যেমন হয়েছিল।’ ওই সূত্র জানিয়েছেন, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও নিউ ইয়র্কে এ বারের বিশ্বকাপ হওয়ায় কয়েকজন ক্রিকেটার স্ট্যান্ড বাই হিসেবে টিমের সঙ্গে যাবেন।

বলিউডের অন্যতম চর্চিত স্টার, অনেকের কাছেই তিনি অভিভাবক সম। সেই সলমন খানই এক রিয়্যালিটি শোয়ের মঞ্চে দাঁড়িয়ে করিনা কাপুরের নামে এ কী বললেন? 

'মাছের কাঁটা, দাঁতে চেপে ফেলে দিই', সাইজ জিরো করিনাকে মুখের ওপর বললেন সলমন


করিনা কাপুর খান। কাপুর পরিবারের মান বজায় রেখে যিনি একের পর এক হিট ছবি দর্শকদের উপহার দিয়েছেন। এখনও পর্যন্ত দাপটের সঙ্গে অভিনয় করে চলেছেন তিনি। যদিও বলিউডের বিভিন্ন স্টারদের সঙ্গে তাঁর সমীকরণ বিভিন্ন। কখনও সামনে উঠে আসতে দেখা যায় কারও সঙ্গে বচসার খবর, কখনও আবার সামনে উঠে আসতে দেখা যায় কারও সঙ্গে মিষ্টি সম্পর্কের সমীকরণ। ঝড়ের গতিতে ভাইরাল হওয়া একাধিক সাক্ষাৎকারে করিনা কাপুরকে তা নিয়ে খোলামেলা আলোচনাও করতে দেখা যায়। তবে প্রকাশ্যে তাঁকে নিয়ে এভাবে মজা করার সাহস খুব একটা কেউ পান না। তিনি তিনি সলমন খান। বলিউডের অন্যতম চর্চিত স্টার, অনেকের কাছেই তিনি অভিভাবক সম। সেই সলমন খানই এক রিয়্যালিটি শোয়ের মঞ্চে দাঁড়িয়ে করিনা কাপুরের নামে এ কী বললেন?


সলমন খান, করিনা কাপুরকে একপ্রকার বডি শেমিং করে বসেন। প্রকাশ্যে সলমন খান বলেন, ‘একবার বেবোকে দেখে আমি অবাক। ছোটবেলায় যেমন দেখেছিলাম, ঠিক তেমনই। এই রোগা। সাইজ জিরো।’ সলমনকে থামিয়ে করিনা বলেন, ‘আমি স্বাস্থ্যবান।’ তাঁকে থামিয়ে পাল্টা সলমন খান বলেন, ‘ওটা মাছের কাঁটা। আমরা দাঁতে চেপে ফেলে দিই।’ তখন করিনার চোখে মুখে অস্বস্তির ছাপ ছিল স্পষ্ট।


নিজেকে সামলাতে না পেলে লাল গাল নিয়ে লজ্জায় বলে ফেললেন করিনা, ‘এবার কিন্তু আমার খারাপ লাগছে’। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টা থামিয়ে দেন সলমন খান। সলমন করিনা কাপুরকে ছোট থেকেই চেনেন। কাপুর পরিবারে গিয়ে কোন ছোট্ট করিনাকে দেখেছিলেন, হাসতে হাসতে সেটাও জানান তিনি।

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে এ মরসুমের শুরুটা খুব ভালো হয়নি বিরাট কোহলির। চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে উদ্বোধনী ম্যাচে সেট হয়েও দ্রুতই ফিরেছিলেন। স্লোয়ার বাউন্সারে পরাস্থ হয়েছিলেন। গত ম্যাচে অবশ্য বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন। পঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে ৪৯ বলে ৭৭ রানের ইনিংস খেলেছিলেন বিরাট কোহলি। আগের রাতে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে অপরাজিত ৮৩ রানের ইনিংস খেলেন বিরাট।

KKR-র বিরুদ্ধেও বিধ্বংসী, বিরাটের স্ট্রাইকরেট নিয়ে তবুও প্রশ্ন তুলছেন প্রাক্তন!


ব্রেক থেকে ফিরে ফের বিধ্বংসী মেজাজে বিরাট কোহলি। জুনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। বিরাট কোহলি দলে জায়গা পাবেন কিনা, তা নিয়ে অবশ্য প্রশ্ন রয়েছে। নানা সূত্রের দাবি, বিশ্বকাপ পরিকল্পনায় নেই বিরাট। জাতীয় দলের ক্যাপ্টেন রোহিত শর্মা অবশ্য বলে দিয়েছেন, বিরাট কোহলিকে বিশ্বকাপে চাই। শুধু বিরাটই নন, যে কোনও ক্রিকেটারের বিশ্বকাপ স্কোয়াডে জায়গা করে নিতে প্রয়োজন ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে দুর্দান্ত পারফর্ম করা।


ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে এ মরসুমের শুরুটা খুব ভালো হয়নি বিরাট কোহলির। চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে উদ্বোধনী ম্যাচে সেট হয়েও দ্রুতই ফিরেছিলেন। স্লোয়ার বাউন্সারে পরাস্থ হয়েছিলেন। গত ম্যাচে অবশ্য বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন। পঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে ৪৯ বলে ৭৭ রানের ইনিংস খেলেছিলেন বিরাট কোহলি। আগের রাতে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে অপরাজিত ৮৩ রানের ইনিংস খেলেন বিরাট। সমস্যায় পড়েছিলেন আন্দ্রে রাসেলের বোলিংয়ে। বড় শট খেলতে অভ্যস্থ বিরাট কোহলি। যদিও রাসেলের স্লোয়ারে টাইমিং করতে পারছিলেন না।

টানা দু-ম্যাচে হাফসেঞ্চুরি। তারপরও অবশ্য বিরাট কোহলির স্ট্রাইকরেট নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। দেশের প্রাক্তন ক্রিকেটারই প্রশ্ন তুলছেন। পঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে বিরাটের স্ট্রাইকরেট ছিল ১৫৭-এর বেশি। কেকেআরের বিরুদ্ধে ৫৯ বলে ৮৩ রান বিরাটের। স্ট্রাইকরেট ১৪০-র মতো। দেশের প্রাক্তন ক্রিকেটার আকাশ চোপড়া ইউটিউব চ্যানেলে বিরাটের স্ট্রাইকরেট প্রশ্ন তুলেছেন।


কেকেআরের ওপেনিং জুটির উদাহরণ টেনে বলেন, ‘সুনীল নারিন ওপেন করার সময় পরিস্থিতিটা একদম ক্লিয়ার থাকে। হয় আমি থাকবো, নয় বোলার থাকবে। প্রতিটা বলেই ছয় মারার চেষ্টা করে। বোলাররা ধারাবাহিক শর্টপিচ ডেলিভারি চেষ্টা করে। বোলাররা সাফল্য না পেলে নারিন কী করতে পারে, সেটা বেঙ্গালুরু বোলাররা ভালো ভাবেই বুঝতে পেরেছে।’

এরপরই বিরাট প্রসঙ্গ আকাশের মুখে, ‘ফিল সল্ট প্রথম ওভারে একাই ১৮ রান তুলেছে। দুর্দান্ত ব্যাটিং। ধরে নিলাম কেকেআর দুর্দান্ত বোলিং করেছে। তারপরও বিরাট কোহলির ৮৩ রানে পৌঁছতে ৫৯ বল। আর কলকাতা ৫.৫ ওভারেই ৮৫ রান তুলে নিয়েছে।’ বিরাট কোহলির স্ট্রাইকরেট নিয়ে প্রশ্ন এই ম্যাচেই প্রথম নয়। বরং ইনিংস খেললেও টি-টোয়েন্টি এখন নিয়মিত ভাবেই তাঁর স্ট্রাইকরেট নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

আজ উত্তর কলকাতার কংগ্রেস প্রার্থী প্রদীপ ভট্টাচার্যের সমর্থনে মিছিলে হেঁটেছেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। শনিবার বেলেঘাটা গান্ধী ভবন থেকে নির্বাচনী প্রচার করে কংগ্রেস। সেই মিছিলেন হাঁটেন বিমান। বয়স যে তাঁর কাছে নিতান্তই সংখ্যা তা আজ আবারও হারে-হারে বুঝিয়ে দিয়েছেন।


৩৪ ডিগ্রির গরমেও মাইক হাতে ঝাঁঝালো বক্তৃতায় 'রক্ত গরম করলেন' ৮৩ বছরের যুবক 'বিমান'
বিমান বসু, বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান


কলকাতা: বেলা তিনটে। মাথার উপরে তখন চড়চড় করছে তখন রোদ। সাদা পাঞ্জাবি, ধুতি পরে সেই আগেই মেজাজে বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। কে বলবে বয়স ৮৩? বামনেতার চলন দেখলেই বোঝা যাবে বলে বলে তিনি মাত দিতে পারবেন এখনকার তরুণ-তরুণী। শুধু তাই নয়, মাইক হাতে সেই আগের মতোই দৃপ্ত কণ্ঠ। ঝাঁঝালো বক্ততা। মন দিয়ে তা শুনলেও উপস্থিত বাম-কংগ্রেস নেতৃত্ব।


আজ উত্তর কলকাতার কংগ্রেস প্রার্থী প্রদীপ ভট্টাচার্যের সমর্থনে মিছিলে হেঁটেছেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। শনিবার বেলেঘাটা গান্ধী ভবন থেকে নির্বাচনী প্রচার করে কংগ্রেস। সেই মিছিলেন হাঁটেন বিমান। বয়স যে তাঁর কাছে নিতান্তই সংখ্যা তা আজ আবারও হারে-হারে বুঝিয়ে দিয়েছেন।

এ দিন মাইক হাতে বিমান বসুকে বলতে শোনা যায়, “সব থেকে বেশি পৃথিবীতে বেকার মানুষের বাস এই ভারতে। অর্থনীতির দিক থেকে ভয়ানক অবস্থা। দেশের এই অবস্থার উত্তোরণের পথে যেহেতু বিজেপি করতে পারছে না তাই মানুষের মধ্যে ভেদাভেদ করছে। আমরা তাদের এই চক্রান্তের জাল ছিন্ন করতে চাই।”


বরাবরই খুব সাদামাটা জীবন যাপনে বিশ্বাসী বিমান বসু। আলিমুদ্দিনেরই একটি ছোট্ট ঘরে থাকেন ‘রাজনৈতিক এই সন্ন্যাসী’ মুড়ি, ভাত, চা, শশা খেতে ভালবাসেন। মাঝে মধ্যে অল্পবিস্তর ধুমপানও করে থাকেন।

গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে অ্যাওয়ে ম্যাচে মরসুম শুরু করেছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। টস থেকে শুরু করে পুরো ম্যাচেই বিদ্রুপ করা হয়েছে মুম্বই অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়াকে। দর্শকদের মধ্য থেকে রোহিত ধ্বনিতে ভরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই চিত্রটা দেখা গিয়েছে তারপরের ম্যাচেও। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের মাঠেও একই পরিস্থিতি হয়েছিল। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে কেরিয়ার শুরু হয়েছিল হার্দিকের। একটা সময় সকলের প্রিয় ছিলেন।

 ঘরের মাঠেও অস্বস্তি, MI ক্যাপ্টেন হার্দিক পান্ডিয়ার জন্য বিশেষ নিরাপত্তা?


জোড়া হার দিয়ে মরসুম শুরু হয়েছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের। দুটিই অ্যাওয়ে ম্যাচ ছিল। সোমবার ঘরের মাঠে অভিযান শুরু করবে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। প্রথম ম্যাচের আগেও অস্বস্তি! ঘরের মাঠের সমর্থন যে কোনও দলের কাছে বাড়তি পাওয়া। মুম্বই শিবিরের জন্যও তাই। ক্যাপ্টেন হার্দিক পান্ডিয়ার জন্য পরিস্থিতিটা বোধ হয় এমন নয়। মুম্বই ক্রিকেট সংস্থা সে কারণেই নড়েচড়ে বসেছে। ওয়াংখেড়েতে রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে ম্যাচে যাতে কোনওরকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়, তার জন্য কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।


গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে অ্যাওয়ে ম্যাচে মরসুম শুরু করেছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। টস থেকে শুরু করে পুরো ম্যাচেই বিদ্রুপ করা হয়েছে মুম্বই অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়াকে। দর্শকদের মধ্য থেকে রোহিত ধ্বনিতে ভরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই চিত্রটা দেখা গিয়েছে তারপরের ম্যাচেও। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের মাঠেও একই পরিস্থিতি হয়েছিল। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে কেরিয়ার শুরু হয়েছিল হার্দিকের। একটা সময় সকলের প্রিয় ছিলেন। এ বার মুম্বইতে ফেরার পর থেকে তাঁকে নিয়ে শুধুই নেতিবাচক মন্তব্য!

পাঁচ বারের চ্যাম্পিয়ন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। পাঁচ বারই মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে চ্যাম্পিয়ন করেছেন রোহিত শর্মা। এ বারও তাঁকে নেতা করেই দল গড়া হয়েছিল। হার্দিক পান্ডিয়া যোগ দেওয়ার পর রোহিতকে সরিয়ে তাঁকে ক্যাপ্টেন করা হয়। মুম্বই সমর্থকরা বিষয়টি ভালো ভাবে নিতে পারেননি। সব ভেনুতেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। সোমবার ঘরের মাঠে প্রথম ম্যাচে হার্দিককে নিয়ে বিদ্রুপ আরও বেশি হতে পারে, এমনটাই আশঙ্কা মুম্বই ক্রিকেট সংস্থার। সে কারণে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও বাড়ানো হচ্ছে।


লোকমত মারাঠির খবর অনুযায়ী, ‘এই ম্যাচের জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করছে মুম্বই ক্রিকেট সংস্থা। ম্যাচে দর্শকদের আচরণ খুঁটিয়ে নজর রাখা হবে। কেউ যদি হার্দিকের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করার চেষ্টা করেন কিংবা বিদ্রুপ করেন, সঙ্গে সঙ্গে আটক করা হবে এবং স্টেডিয়াম থেকে বের করে দেওয়া হবে।’ এত দর্শকের মধ্যে পুলিশের সামনে যে প্রবল চ্যালেঞ্জ এ বিষয়ে সন্দেহ নেই।

৮৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রবীর মুখোপাধ্যায়কে বলতে শোনা যায়, "পতাকার তলায় আছেন বলে আপনাকে চেনে, কাল পতাকাটা কেড়ে নিলে পাড়ার কুকুরও আপনাকে চিনবে না। এখন আমাদের দলে অনেকেই জানেন না তার এলাকায় ভোটার কত।"

 'বড় বড় গাড়ি, সোনার চেন...', ফিরহাদ-বক্সিরা মঞ্চে, তার মাঝেই বিস্ফোরক কাউন্সিলর
কলকাতা দক্ষিণের প্রার্থী মালা রায়ের সমর্থনে কর্মিসভা।



কলকাতা: কলকাতা দক্ষিণের তৃণমূল প্রার্থী মালা রায়ের সমর্থনের কর্মিসভা। সেই কর্মিসভা থেকে দলের একাংশের বিরুদ্ধেই সরব তৃণমূল কাউন্সিলর। রাসবিহারী বিধানসভার অন্তর্গত কালীঘাট এলাকার তৃণমূল কাউন্সিলর প্রবীর মুখোপাধ্যায় রীতিমত বিস্ফোরক। শনিবার রাসবিহারী বিধানসভার কাউন্সিলর এবং কর্মীদের নিয়ে কলকাতা দক্ষিণের তৃণমূল প্রার্থী মালা রায়ের সমর্থনে উত্তম মঞ্চে কর্মিসভা ছিল।

সেই কর্মিসভায় ৮৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রবীর মুখোপাধ্যায়কে বলতে শোনা যায়, “পতাকার তলায় আছেন বলে আপনাকে চেনে, কাল পতাকাটা কেড়ে নিলে পাড়ার কুকুরও আপনাকে চিনবে না। এখন আমাদের দলে অনেকেই জানেন না তার এলাকায় ভোটার কত। নবীন প্রজন্ম যাঁরা রয়েছেন, তাঁরা বুথে বুথে কত ভোটার সেই তথ্যই রাখেন না। অথচ আমরা পায়ের তলায় মাটি থাকা অবস্থাতেই দলের জন্য কাজ করেছি এবং বুথের ভোট সঠিক তথ্য অনুযায়ী তুলে ধরেছি।”

এখানেই শেষ নয়। ভরা সভা থেকে তৃণমূল কাউন্সিলরকে বলতে শোনা যায়, “মাথার উপরে মুখ্যমন্ত্রী। ভোট কমবে কী কারণে? কারণ হচ্ছে আমাদের কিছু নেতার ব্যবহার। আমাদের চলাফেরা। আমাদের হঠাৎ যেন গজিয়ে ওঠা। বড় বড় গাড়ি চড়লাম। বড় বড় সোনার চেন। একটু নিজেদের সংযত করুন।”

মালা রায়, সুব্রত বক্সী, দেবাশিস কুমার, ফিরহাদ হাকিমরা তখন মঞ্চেই বসে। স্বভাবতই প্রবীর মুখোপাধ্যায়ের এই বক্তব্য হইচই ফেলে দেয়। যদিও পরে এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এত ভাল কাজ করার পরও কিছু কিছু জায়গায় সমস্যা হচ্ছে। আমার উপলব্ধি আমরা মানুষের সঙ্গে ?যেন আরেকটু গভীরভাবে মিশতে পারি। আর এটা নিয়ে বিরোধীদের উৎফুল্ল হওয়ার কোনও কারণ নেই।”

বস্তুত, রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের রাজত্বকালে তাঁর সভাসদে ছিলেন গোপাল ভাঁড়। গোপালের বুদ্ধিমত্তার কাহিনী কারোর অজানা নয়। এবার সেই গোপালকে নিয়েই বিতর্কিত মন্তব্য করেন উজ্জ্বল। বলেন, "একশো বার বলছি খুন করা হয়েছে। গোপাল যখন মৃত্যুসজ্জায় তখন অশরীরী আত্মারা তুলে নিয়ে যায়।"

গোপাল ভাঁড়কে খুন করেছেন কৃষ্ণচন্দ্র, দাবি মন্ত্রীর, মামলার হুমকি রানিমা অমৃতার
অমৃতা রায় ও উজ্জ্বল বিশ্বাস


কৃষ্ণনগর: রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের পরিবারের সদস্য রানি মা অমৃতা রায় বিজেপির প্রার্থী হতেই কার্যত রাজনৈতিক মহলে তোলপাড় শুরু। উঠে আসছে পুরনো রাজবাড়ির ইতিহাস। শুক্রবারও মন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেছিলেন, ‘তোলাবাজ ক্লাইভকে বাংলায় এনেছিলেন কৃষ্ণচন্দ্র’ সেই ঘটনার একদিন কাটতে না কাটতেই বিতর্কিত মন্তব্য করলেন রাজ্যের মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস। তিনি বললেন, “গোপাল ভাঁড়কে খুন করেছেন রাজা কৃষ্ণচন্দ্র।” আর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই এর তীব্র বিরোধিতা করেছেন অমৃতা। বলেছেন, “উজ্জ্বল বিশ্বাস যদি প্রমাণ করতে না পারেন তাহলে মানহানির মামলা করব।”


বস্তুত, রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের রাজত্বকালে তাঁর সভাসদে ছিলেন গোপাল ভাঁড়। গোপালের বুদ্ধিমত্তার কাহিনী কারোর অজানা নয়। এবার সেই গোপালকে নিয়েই বিতর্কিত মন্তব্য করেন উজ্জ্বল। বলেন, “একশো বার বলছি খুন করা হয়েছে। গোপাল যখন মৃত্যুসজ্জায় তখন অশরীরী আত্মারা তুলে নিয়ে যায়। এটা নিশ্চয়ই জানেন। আর উনি প্রতিবাদ করেছিলেন যে ব্রিটিশদের পক্ষে দাঁড়ানো ঠিক নয়। সেই কারণে ওনাকে হত্যা করা হয়েছিল বলে আমার ধারণা। আর খুনের কথা সকলে জানে। ওনার মৃত্যু স্বাভাবিক ছিল না। ইতিহাসের পাতা ঘাঁটলেই বোঝা যায় যে ওনার মৃত্যু দেখানো হয়েছিল যে অশরীরী আত্মা নাকি তুলে নিয়ে গিয়েছে। কিন্তু সেকথা ঠিক নয়।”

প্রসঙ্গত, কৃষ্ণনগরে একটি মেলা চলছিল। মেলার আয়োজক ছিল তৃণমূল। সেই মেলার উদ্বোধন গতকাল করেন রাজ্যের মন্ত্রী। বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, “রাজা কৃষ্ণচন্দ্র চক্রান্ত করে হত্যা করেছিলেন। এটা ইতিহাসের পাতায় লেখা। কেউ যদি দুর্নাম করে থাকেন তিনি কৃষ্ণনগরের রাজা।” আর এই অডিয়ো ভাইরাল হতেই শোরগোল পড়ে যায়। যদিও, অডিয়ো বার্তার সত্যতা যাচাই করেনি টিভি৯ বাংলা।


এরপরই রানি মা অমৃতা রায় বলেন, “উজ্জ্বল বিশ্বাস কী বলেছেন আমার জানা নেই। উনি গায়ের জোরে বললে আমার কিছু বলার নেই। পরিবারে থেকে আমি যতদূর জানি এমন কিছু ঘটেনি। উনি নিশ্চয়ই আমার থেকে বেশি জানবে না। আমি ওনার পরিবার নিয়ে টানাটানি করছি না। তাহলে আমার বংশধরদের নিয়ে টানাটানি কেন করছে। আমি চ্যালেঞ্জ করছি প্রমাণ করুক। প্রমাণ না দিলে আমি মামলা করব।”

সদ্য নিজের মাতৃত্ব নিয়ে  এক দীর্ঘ সাক্ষাৎকার দিয়েছেন অপরাজিতা। তিনি যে গার্গীর 'মা', তা তিনি অকপট বলেছেন। এবং গার্গী সম্পর্কে তিনি  আগে কোথাও একটি কথাও বলেননি।

শুক্রবার সেই গার্গী  সঙ্গে কথা বলেছেন এবং জানিয়েছেন, তাঁর ও অপরাজিতার মা-মেয়ের সম্পর্কের না-বলা কথাগুলো।

এবার মুখ খুললেন অপরাজিতা আঢ্যর 'সন্তান', কেন অভিনেত্রীকে 'মা' ডাকেন গার্গী?
মা-মেয়ে অপরাজিতা-গার্গী।


স্নেহা সেনগুপ্ত

২৬ বছরের দাম্পত্য জীবন বাঙালি অভিনেত্রী অপরাজিতা আঢ্যর। তিনি বিয়ে করেছিলেন টলিপাড়ার এক টেকনিশিয়ান অতনু হাজরাকে। কিন্তু অপরাজিতা এবং অতনুর ঔরসজাত কোনও সন্তান নেই। বায়োলজিক্যালি তাঁরা ‘নিঃসন্তান’। কিন্তু অপরাজিতার এক কন্যা সন্তান আছে। ৩৬ বছর বয়স সেই কন্যার। তাঁর নাম গার্গী রায়। গার্গী থাকেন অপরাজিতা এবং তাঁর স্বামী যে বাড়িতে থাকেন, সেই বেহালার বাড়িতেই। তা হলে কি এই সন্তানকে দত্তক নিয়েছিলেন অপরাজিতা-অতনু? 
 সঙ্গে সত্যি শেয়ার করে নিয়েছেন অপরাজিতার সেই মেয়ে।