Articles by "India news"
Showing posts with label India news. Show all posts

এই গাড়ি আগেও চর্চায় এসেছিল। গত বছর চিনে সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের বৈঠকে যোগ দিতে যখন প্রধানমন্ত্রী মোদী গিয়েছিলেন, তখন সেখানে রুশ প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়। সামিট শেষে দুজনে পুতিনের এই গাড়িতে চড়েই ফিরেছিলেন। 

'ইয়ে দোস্তি হাম নেহি...', রাশিয়া থেকে উড়ে আসা পুতিনের বিশেষ গাড়িতে ফের চড়লেন মোদী, কোথায় গেলেন?
এক গাড়িতে প্রধানমন্ত্রী মোদী ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

কূটনীতির আলোচনা সাধারণত বন্ধ দরজার ওপারে, গোল টেবিলে হয়। তবে প্রধানমন্ত্রী মোদী ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ক্ষেত্রে বিষয়টা যেন আলাদা। গোটা বিশ্ব ফের একবার দেখল কারপ্লোমেসি (Carplomacy)। ব্রিকস সামিটে যোগ দিতে এসে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বিশেষ গাড়ি, অরাস সেনাট লিম্যুজিন (Aurus Senat limousine)-এ চাপলেন দুই বন্ধু।


আগামিকাল থেকে শুরু হচ্ছে ব্রিকস লিডারস সামিট। তার আগেই আজ দিল্লিতে এসে পৌঁছেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। আজ তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় বসেন। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী মোদী ও রুশ প্রেসিডেন্ট মিলে পুতিনের বিশেষ গাড়িতে চেপে ভারত মণ্ডপমে গেলেন।


 'মমতা, বুদ্ধবাবুর কুশপুতুল পুড়িয়েছি, মামলা হয়নি', বাগেশ্বর বাবার ছবি পোড়ানোয় রাতেই গ্রেফতার কংগ্রেস নেতা


এই গাড়ি আগেও চর্চায় এসেছিল। গত বছর চিনে সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের বৈঠকে যোগ দিতে যখন প্রধানমন্ত্রী মোদী গিয়েছিলেন, তখন সেখানে রুশ প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়। সামিট শেষে দুজনে পুতিনের এই গাড়িতে চড়েই ফিরেছিলেন।

এ দিন দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে তামিল কবি তিরুভল্লুভারের ‘তিরুক্কুরাল’-এর একটি রুশ অনুবাদ উপহার দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, “দুই হাজার বছর আগে তিরুভল্লুভার ‘তিরুক্কুরাল’ লিখেছিলেন। এটিকে রাশিয়ান ভাষায় অনুবাদ করা হয়েছে। আমার বিশ্বাস যে তিরুক্কুরাল রুশ ভাষায় অনুবাদ হলে ভারত ও রাশিয়ার মানুষের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ আরও বাড়বে। দুই দেশের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে এই অনুবাদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।”

বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে একাধিক বিষয়ে আলোচনা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী মোদীর। ভারত-রাশিয়ার সম্পর্ক এর মধ্যে সবথেকে বেশি প্রাধান্য পেয়েছে। এছাড়াও বাণিজ্য, শক্তি, প্রতিরক্ষা সহ নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, মস্কো এখন ভারতের অন্যতম অংশীদার এবং সামরিক অস্ত্র সরবরাহকারী। এছাড়া রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনে ভারত।



ওই ব্যক্তির সঙ্গে থাকা তাঁর দেহরক্ষীকেও আটক করে পুলিশ। তাঁর কাছ থেকেই বন্দুকটি উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, আটক ২৪ বছর বয়সি রোহন পারেখ নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর দফতর বা PMO-র আধিকারিক বলে পরিচয় দেন। কিন্তু তাঁর পরিচয়পত্র পরীক্ষা করে দেখা যায়, সেটি ভুয়ো।


মুম্বইয়ে মোদীর অনুষ্ঠানের আগে বন্দুক-সহ পাকড়াও ভুয়ো PMO আধিকারিক! প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে চাঞ্চল্য
নরেন্দ্র মোদী (ফাইল ফোটো)

 দুই ব্যক্তি। একটি বন্দুক এবং ভুয়ো PMO-র পরিচয়পত্র। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মুম্বইয়ের অনুষ্ঠানের আগে নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠল। অনুষ্ঠানস্থল থেকে দু’জনকে আটক করেছে মুম্বই পুলিশ। প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানস্থলে কেন তাঁরা ভুয়ো পরিচয়ে ঢোকার চেষ্টা করছিলেন, সেই প্রশ্ন উঠেছে।


সূত্রের খবর, সোমবার গভীর রাতে নিরাপত্তা প্রোটোকল ড্রিল চলাকালীন ওই দু’জনকে আটক করা হয়। মুম্বই পুলিশ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে একজনের কাছ থেকে একটি বন্দুকও উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মুম্বইয়ের বান্দ্রা-কুর্লা কমপ্লেক্সে অবস্থিত নীতা মুকেশ অম্বানী কালচারাল সেন্টারে (NMACC) প্রধানমন্ত্রী মোদীর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে এক ব্যক্তিকে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। এরপরই তাঁকে আটক করা হয়।


'আরশোলার দুধ'-এ এত গুণ! আবিষ্কার করে ভারতের মুকুটে 'নোবেল' পালক
ওই ব্যক্তির সঙ্গে থাকা তাঁর দেহরক্ষীকেও আটক করে পুলিশ। তাঁর কাছ থেকেই বন্দুকটি উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, আটক ২৪ বছর বয়সি রোহন পারেখ নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর দফতর বা PMO-র আধিকারিক বলে পরিচয় দেন। কিন্তু তাঁর পরিচয়পত্র পরীক্ষা করে দেখা যায়, সেটি ভুয়ো।


ঘটনার পরই প্রধানমন্ত্রীর মুম্বই সফরের আগে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে সতর্কতা জারি করা হয়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় NMACC-তে গ্লোবাল ফিনটেক ফেস্ট (GFF) ২০২৬-এর উদ্বোধন করার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। বন্দুক এবং ভুয়ো পরিচয়পত্র নিয়ে ওই দু’জন কী উদ্দেশ্যে অনুষ্ঠানের ভেন্যুতে ঢোকার চেষ্টা করেছিলেন, তা জানতে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে মুম্বই পুলিশ।

ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে তদন্তের দায়িত্ব নিয়েছে মুম্বই ক্রাইম ব্রাঞ্চ। আটক দু’জনকে জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি তাঁদের মোবাইল ফোন, পরিচয়পত্র এবং অন্যান্য সামগ্রীও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের পর পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

প্রসঙ্গত, মুম্বইয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গ্লোবাল ফিনটেক ফেস্ট (GFF) ২০২৬-এর উদ্বোধন করবেন। এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ এবং গুরুত্বপূর্ণ বার্ষিক ফিনটেক সম্মেলন।


 প্রধান বিচারপতি বলেন, শেষ পর্যন্ত বিষয়টি পুলিশকেই বিবেচনা করতে হবে। আবেদনটির ভিত্তিতে কেন্দ্র এবং দিল্লি পুলিশকে নোটিস দিতে সম্মত হলেও প্রস্তাবিত মিছিলের আগেই মামলাটির শুনানি করতে রাজি হয়নি বেঞ্চ। এরপরও নিজের বক্তব্যে অনড় থাকেন আবেদনকারীর আইনজীবী আহমেদ। তাঁর অভিযোগ, CJP এমন আচরণ করছে যেন তাদের ক্ষেত্রে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা (BNSS) প্রযোজ্য নয়।


‘অঘটন ঘটবেই, এমনটা ধরে নিতে পারি না’, CJP-র প্রতিবাদ মিছিল নিয়ে জরুরি হস্তক্ষেপে 'না' সুপ্রিম কোর্টের
কী বলল সুপ্রিম কোর্ট?

আগামী ৫ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)-র প্রতিবাদ মিছিল। আর এই মিছিলের বিরোধিতা করে মামলায় জরুরি হস্তক্ষেপ করতে অস্বীকার করল সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার এই সংক্রান্ত আবেদনের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় সরকার এবং দিল্লি পুলিশকে নোটিস পাঠাল শীর্ষ আদালত। তবে আবেদনকারী পক্ষের আইনজীবী রিজান আহমেদের বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও ৩ সেপ্টেম্বরের আগে মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করতে রাজি হয়নি সুপ্রিম কোর্ট।


প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনা-কে নিয়ে গঠিত বেঞ্চ মামলাটি আগামী ১০ সেপ্টেম্বর শুনানির জন্য ধার্য করেছে। ছাত্র আন্দোলন সংক্রান্ত অন্যান্য মামলার সঙ্গে এই মামলাটিও শুনবে আদালত। সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার বিষয়টি মূলত পুলিশের এক্তিয়ারভুক্ত। তাই আবেদনকারীকে তাঁর উদ্বেগের কথা কেন্দ্রীয় সরকার এবং দিল্লি পুলিশের কাছে জানাতে বলল শীর্ষ আদালত।

এছাড়াও আগামী সপ্তাহে দিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলন হওয়ার কথা। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা সেই সময় রাজধানীতে উপস্থিত থাকবেন। তার মধ্যেই এই ধরনের মিছিল নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন আবেদনকারীর আইনজীবী। আহমেদ বলেন, ‘‘১২ ও ১৩ তারিখে আন্তর্জাতিক অতিথিরা রাজধানীতে আসছেন। এআই সম্মেলনে কী হয়েছিল, আমরা দেখেছি। মানুষ পোশাক খুলে নেচেছিল। আমার আবেদন, ১৫ তারিখ পর্যন্ত মিছিলটি পিছিয়ে দেওয়া হোক। দাবিটি কি এতটাই জরুরি? পুলিশ কি এখনই মানুষের বাড়িতে অভিযান চালাচ্ছে? CJP যা করছে, তারা কি ব্রিকস সম্মেলন শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারে না?’’

কী বললেন প্রধান বিচারপতি?

আবেদনকারীর আইনজীবীর এই সওয়াল শুনে প্রধান বিচারপতি বলেন, অঘটন ঘটবে বলে আগেভাগে ধরে নেওয়ার কোনও কারণ আদালতের কাছে নেই। তাঁর কথায়, ‘‘এই মুহূর্তে আমরা ধরে নেব যে প্রত্যেকে শান্তিপূর্ণভাবে আচরণ করবেন। এখন এমন কোনও জোরালো পরিস্থিতি নেই, যার ভিত্তিতে ধরে নিতে হবে যে কোনও অঘটন ঘটবে।’’

তবে আহমেদ পাল্টা বলেন, ‘‘এই অনুমান অভিজ্ঞতা থেকেই আসে।’’ তিনি দাবি করেন, গত ২০ জুলাই CJP-র ডাকা সংসদ অভিযান ঘিরে ব্যাপক হিংসার ঘটনা ঘটেছিল। ভবিষ্যতে ফের কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। বলেন, ‘‘ঈশ্বর না করুন, আবার কোনও দুর্ঘটনা ঘটল—CJP-র কারণে নয়, কোনও দুষ্কৃতী বা উচ্ছৃঙ্খল ব্যক্তির কারণে।’’

প্রধান বিচারপতি বলেন, শেষ পর্যন্ত বিষয়টি পুলিশকেই বিবেচনা করতে হবে। আবেদনটির ভিত্তিতে কেন্দ্র এবং দিল্লি পুলিশকে নোটিস দিতে সম্মত হলেও প্রস্তাবিত মিছিলের আগেই মামলাটির শুনানি করতে রাজি হয়নি বেঞ্চ। এরপরও নিজের বক্তব্যে অনড় থাকেন আহমেদ। তাঁর অভিযোগ, CJP এমন আচরণ করছে যেন তাদের ক্ষেত্রে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা (BNSS) প্রযোজ্য নয়। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না করা হলে দেশকে বড় মূল্য চোকাতে হতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি। আহমেদ বলেন, ‘‘তারা নিজেদের ইচ্ছেমতো BNSS সংশোধন করছে। দেশ এই ঘটনাকে ভালোভাবে মনে রাখবে না। কিছু মানুষ যে ঔদ্ধত্য দেখাচ্ছেন… সংশ্লিষ্ট থানার অনুমতি নেওয়া প্রয়োজন।’’

এরপর প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট করে দেন, বিষয়টি সরকার এবং পুলিশের এক্তিয়ারভুক্ত। তিনি বলেন, ‘‘আমাদের সামনে কোনও নির্দিষ্ট গোষ্ঠী নেই। আপনি কেন্দ্রীয় সরকার অথবা দিল্লি সরকারের কাছে বিষয়টি তুলে ধরুন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা তাদের দায়িত্ব। আইন অনুযায়ী তাদের ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।’’

আহমেদ তখন দাবি করেন, জুলাইয়ের আন্দোলনের পর ‘রক্তের স্বাদ’ পেয়ে গিয়েছে CJP। তাই তারা এবার কোনও অনুমতি নেবে না। তাঁর বক্তব্য, পুলিশ বাধা দিলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের সামনে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে পারে। তিনি বলেন, ‘‘তারা রক্তের স্বাদ পেয়েছে। তারা অনুমতি নেবে না। পুলিশ বাধা দেবে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের সামনে এটাই তারা চায়। তাদের আইনজীবী যদি আদালতে উপস্থিত হন, অন্তত তাতে আইনের প্রতি সম্মান দেখানোর বার্তা যাবে।’’ এর জবাবে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘‘আমরা এমন কাউকে ডাকছি না, যিনি এই মামলার পক্ষ নন। কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে যান।’’ শেষে আহমেদ জানান, সংগঠনটির কোনও নথিভুক্ত অফিস বা লেটারহেড নেই। ফলে তাদের মামলার পক্ষ করা সম্ভব হচ্ছে না। তাঁর কথায়, ‘‘আমরা তাদের পক্ষভুক্ত করতে পারছি না। তাদের কোনও অফিস নেই, কোনও লেটারহেডও নেই।’’


 ২০২৭ সালের জনগণনা ভারতের জন্য একাধিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ। এটিই হতে চলেছে দেশের প্রথম সম্পূর্ণ ডিজিটাল জনগণনা। পাশাপাশি এই জনগণনায় প্রথমবারের মতো জাতিভিত্তিক তথ্যও সংগ্রহ করা হবে।


কোভিড টিকাকরণ থেকে আধার নম্বর- জনগণনায় কোন ৪০টি প্রশ্ন করা হবে আপনাকে?
জনগণনায় কী কী প্রশ্ন করা হবে?

দেশজুড়ে চলছে জনগণনা বা জনশুমারি। ইতমধ্যেই প্রথম ধাপে সেল্ফ এনুমারেশন চলছিল এতদিন। এবার আরও এক ধাপ এগোল কেন্দ্র। জনগণনায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহের জন্য ৪০টি প্রশ্নের তালিকা প্রকাশ করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক (MHA)। ১৪ অগস্ট এই বিজ্ঞপ্তি জারি করেন ভারতের রেজিস্ট্রার জেনারেল তথা জনগণনা কমিশনার মৃত্যুঞ্জয় কুমার নারায়ণ।


জনগণনা ২০২৭-এর দ্বিতীয় পর্যায় অর্থাৎ জনসংখ্যা গণনা (Population Enumeration)-এর সময় এই প্রশ্নগুলির মাধ্যমে দেশের প্রতিটি পরিবারের সদস্যদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এই ধাপে জনসংখ্যার আর্থ-সামাজিক, শিক্ষাগত যোগ্যতা, অভিবাসন সহ বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এই প্রথমবার জনগণনায় জাতিভিত্তিক জনগণনাও করা হবে।


'৫ বছর পর দেখে নেব', প্রিজন ভ্যানে তোলার সময় পুলিশকেই হুমকি তৃণমূল নেতার!
জনগণনায় কী কী প্রশ্ন করা হবে?
জনগণনার সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সম্পর্কে মোট ৪০টি প্রশ্ন করবেন। এগুলি হল—


 ব্যক্তির নাম
পরিবারের প্রধানের সঙ্গে সম্পর্ক
 লিঙ্গ
 জন্মতারিখ ও বয়স (সম্পূর্ণ বছর হিসাবে)
 বর্তমান বৈবাহিক অবস্থা
 বিয়ের সময় বয়স
 স্বামী/স্ত্রীর নাম
 ঘোষিত নাগরিকত্ব
 ধর্ম
তফসিলি জাতি (SC)/তফসিলি উপজাতি (ST)/জাতি
বাবার তথ্য
 মায়ের তথ্য
 প্রতিবন্ধকতা সংক্রান্ত তথ্য
 মাতৃভাষা ও অন্য কী কী ভাষা জানেন
 সাক্ষরতা ও ডিজিটাল সাক্ষরতার অবস্থা
 শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিতির হার বা অবস্থা
 সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং বিষয়/শাখা
গত এক বছরে কোনও সময় কাজ করেছেন কি না
অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ধরন
 পেশা
 শিল্প, ব্যবসা বা পরিষেবার ধরন
 কর্মীর শ্রেণি
 অর্থনৈতিক নয়, এমন কার্যকলাপ (প্রান্তিক, অর্ধ-প্রান্তিক ও কর্মহীনদের ক্ষেত্রে)
কাজ খুঁজছেন কি না বা কাজের জন্য উপলব্ধ কি না
 কর্মস্থলে যাতায়াতের তথ্য
জন্মস্থান
 শেষ কোথায় বসবাস করতেন
 অভিবাসন বা স্থানান্তরিত হওয়ার কারণ
 শেষবার স্থানান্তরিত হওয়ার পর এই গ্রাম/শহরে কত বছর ধরে বসবাস করছেন
 স্থায়ী বাসস্থানের ঠিকানা
 বর্তমানে জীবিত সন্তানের সংখ্যা (বিবাহিত, বিধবা, বিবাহবিচ্ছিন্ন ও পৃথক বসবাসকারী মহিলাদের ক্ষেত্রে)
 জীবনে মোট কতজন জীবিত সন্তানের জন্ম দিয়েছেন (বর্তমানে বিবাহিত, বিধবা, বিবাহবিচ্ছিন্ন ও পৃথক বসবাসকারী মহিলাদের ক্ষেত্রে)
 গত এক বছরে জীবিত সন্তানের জন্ম দিয়েছেন কি না এবং সংখ্যা (বর্তমানে বিবাহিত মহিলাদের ক্ষেত্রে)
 কোভিড-১৯ টিকাকরণের স্থান
 মোট কতটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট রয়েছে
 মোবাইল নম্বর (যদি থাকে)
 আধার নম্বর (যদি থাকে)
ভোটার আইডি নম্বর (যদি থাকে)
 পাসপোর্ট নম্বর (ভারতীয় পাসপোর্টধারীদের ক্ষেত্রে)
 ড্রাইভিং লাইসেন্স রয়েছে কি না
প্রথম পর্যায়ে ছিল ৩৩টি প্রশ্ন-
এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে জনগণনা ২০২৭-এর প্রথম পর্যায়ের জন্য ৩৩টি প্রশ্ন নির্ধারণ করেছিল রেজিস্ট্রার জেনারেল অব ইন্ডিয়া (RGI)। সেই পর্যায়ে মূলত বাড়ির তালিকাভুক্ত এবং বাড়ি সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। পরিবারের প্রধান তফসিলি জাতি (SC), তফসিলি উপজাতি (ST) নাকি ‘অন্যান্য’ শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত—সেই প্রশ্নও ছিল প্রথম পর্যায়ের প্রশ্নে।

জনগণনা ২০২৭-এর দ্বিতীয় পর্যায় অর্থাৎ জনসংখ্যা গণনা (Population Enumeration) ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে হওয়ার কথা। এই পর্যায়ে দেশের প্রতিটি ব্যক্তির আর্থিক, শিক্ষাগত, অভিবাসন এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এই পর্যায়েই হবে জাতভিত্তিক জনগণনা।

প্রথমবার সম্পূর্ণ ডিজিটাল জনগণনা
২০২৭ সালের জনগণনা ভারতের জন্য একাধিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ। এটিই হতে চলেছে দেশের প্রথম সম্পূর্ণ ডিজিটাল জনগণনা। পাশাপাশি এই জনগণনায় প্রথমবারের মতো জাতিভিত্তিক তথ্যও সংগ্রহ করা হবে।
আইনজীবী রাজা চৌধুরীর অভিযোগ, ১৫ মে-র পর থেকে আদালতের কার্যবিবরণীর বিভিন্ন অংশ কেটে জোড়া দিয়ে তৈরি করা ভিডিয়ো ক্লিপের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। আদালতের শুনানির সময় বিচারপতিদের দেওয়া মৌখিক পর্যবেক্ষণকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে তা মিমে পরিণত করা হচ্ছে। এরপর সেই সমস্ত ভিডিয়ো ও মিম সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দিয়ে বাণিজ্যিক লাভের চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।


'প্রধান বিচারপতির মন্তব্যকে বিকৃত করা হয়েছে', এবার 'ককরোচ' বিতর্কে কেন্দ্র ও সিবিআইয়ের কাছে জবাব চাইল সুপ্রিম কোর্ট
সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত

ককরোচ’। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের এই মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক বেধেছিল। তার জেরে ককরোচ জনতা পার্টি হয়। নিট প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে আন্দোলনে নামে জেন-Z। প্রধান বিচারপতি সেই মন্তব্যের পর কেটে গিয়েছে তিন মাস। এবার বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্র ও সিবিআই-এর কাছে জবাব চাইল সুপ্রিম কোর্ট। অভিযোগ, ভার্চুয়াল আদালতের কার্যবিবরণীর কিছু অংশ বেছে নিয়ে কৌশলে এডিট করে ওই মন্তব্যকে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। এমনকি প্রধান বিচারপতি যে অর্থে মন্তব্যটি করেছিলেন, তার সম্পূর্ণ ভিন্ন অর্থও তুলে ধরা হয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে দায়ের হয়েছে জনস্বার্থ মামলা। এই জনস্বার্থ মামলাতেই এবার কেন্দ্র ও সিবিআইয়ের কাছে জবাব চাইল শীর্ষ আদালত।


সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চে মঙ্গলবার এই মামলার শুনানি হয়। প্রায় আধ ঘণ্টার শুনানিতে আবেদনকারী তথা আইনজীবী রাজা চৌধুরী দাবি করেন, ১৫ মে-র শুনানিতে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতির মুখ থেকে ‘ককরোচ’ শব্দটি বেরিয়েছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে সেই মন্তব্যের একটি অংশ বেছে নিয়ে এডিট করা হয় এবং বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করা হয়। তাঁর দাবি, এর ফলে বিচারব্যবস্থার মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থাতেও আঘাত লেগেছে।


ফুটবল খেলে বাড়ি ফিরে স্নান করেছিল কিশোর, তারপরই কান ফাটানো আর্তনাদ, কিছু বোঝার আগে সব শেষ
আবেদনকারীর তরফে শীর্ষ আদালতের কাছে দাবি জানানো হয়েছে, বিচারপতিদের মৌখিক পর্যবেক্ষণ বা রূপক মন্তব্যের বাণিজ্যিক ব্যবহার, ট্রেডমার্কের অপব্যবহার, বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে প্রচার কিংবা অনুমতি ছাড়া বাণিজ্যিক ব্যবহারের অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা সংস্থার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। একইসঙ্গে আবেদনকারী স্পষ্ট করেছেন, সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যে থেকে ন্যায্য সমালোচনা, গণতান্ত্রিক ভিন্নমত, ব্যঙ্গ এবং বাকস্বাধীনতার অধিকার অবশ্যই বজায় রাখতে হবে।


কোন প্রসঙ্গে ‘ককরোচ’ মন্তব্য করেছিলেন প্রধান বিচারপতি?

‘সঞ্জয় দুবে বনাম দিল্লি হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল’ মামলার ১৫ মে-র শুনানির প্রসঙ্গ তুলে ধরে রাজা চৌধুরী বলেন, ভুয়ো আইনজীবীদের প্রসঙ্গেই ‘ককরোচ’ মন্তব্য করেছিলেন প্রধান বিচারপতি। আদালতের প্রক্রিয়ার অপব্যবহার, পেশাগত মানের অবনতি এবং এর ফলে বিচারব্যবস্থার উপর কী প্রভাব পড়ছে—এই বিষয়গুলি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করার সময়ই ওই মন্তব্য করা হয়েছিল বলে দাবি আবেদনকারীর।

রাজা চৌধুরীর অভিযোগ, ১৫ মে-র পর থেকে আদালতের কার্যবিবরণীর বিভিন্ন অংশ কেটে জোড়া দিয়ে তৈরি করা ভিডিয়ো ক্লিপের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। আদালতের শুনানির সময় বিচারপতিদের দেওয়া মৌখিক পর্যবেক্ষণকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে তা মিমে পরিণত করা হচ্ছে। এরপর সেই সমস্ত ভিডিয়ো ও মিম সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দিয়ে বাণিজ্যিক লাভের চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

আবেদনকারীর আরও দাবি, আদালতের বক্তব্যের বিকৃত উপস্থাপনের মাধ্যমে বিচারব্যবস্থা ও বিচারপতিদের সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা তৈরি করা হচ্ছে। এর ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটির প্রতি আস্থা নষ্ট করার একটি পরিকল্পিত চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

 প্যানেল টাকা উদ্ধারের পর যে তদন্ত হয়েছিল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, "তথ্য প্রমাণ সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা হয়নি। আইন অনুযায়ী গুদাম ঘর সিল করা ও তদন্তের আগে প্রমাণ নষ্ট করা হয়েছিল। নোট কীভাবে উধাও যাওয়ারও কোনও ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।"

 কোটি কোটি টাকার উৎস কী, নেই কোনও ব্যাখ্যা! সংসদীয় কমিটিও দোষী সাব্যস্ত করল প্রাক্তন বিচারপতি ভর্মাকে
ফাইল চিত্র।

দোষী সাব্যস্ত হলেন দিল্লি হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি যশবন্ত ভর্মা। তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছিল বিপুল পরিমাণ টাকা। সেই টাকা কোথা থেকে এসেছিল, তা ব্যাখ্যা করতে ব্যর্থ হলেন তিনি। এরপরই লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার নেতৃত্বে গঠিত প্যানেলের তরফে প্রাক্তন বিচারপতিকে দোষী সাব্যস্ত করা হল।


আজ, বুধবার কমিটির রিপোর্ট পেশ করা হয় সংসদে। রিপোর্টে দিল্লি হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতিকে টাকা উদ্ধারের মামলায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়।



পাকিস্তানের ফয়জলাবাদ টু তপসিয়া! বাংলা থেকে জঙ্গি সন্দেহে গ্রেফতার আরও এক
প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের ১৪ মার্চের রাতে দিল্লি হাইকোর্টের তৎকালীন বিচারপতি যশবন্ত ভর্মার বাসভবনে আগুন লাগে। অগ্নিকাণ্ডের সময় বাড়িতে ছিলেন না বিচারপতি ও তাঁর পরিবার। দমকল আগুন নেভাতে গেলে, একটি গুদাম ঘর থেকে বান্ডিল বান্ডিল টাকা উদ্ধার হয়, যার অধিকাংশই আগুনে পুড়ে গিয়েছিল।


বিচারপতি ওই টাকার উৎস জানাতে পারেননি। এরপরই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। আজ কমিটির রিপোর্টে বলা হয়, “৩০, তুঘলক ক্রেসেন্ট নয়া দিল্লির বাসভবনের স্টোররুমে বিপুল পরিমাণ ৫০০ টাকার নোট উদ্ধার হয়েছিল। বিচারপতি এই টাকার উৎস ও মালিকানার যথাযথ ব্যাখ্যা করতে ব্যর্থ হয়েছেন।”

প্যানেল টাকা উদ্ধারের পর যে তদন্ত হয়েছিল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, “তথ্য প্রমাণ সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা হয়নি। আইন অনুযায়ী গুদাম ঘর সিল করা ও তদন্তের আগে প্রমাণ নষ্ট করা হয়েছিল। নোট কীভাবে উধাও যাওয়ারও কোনও ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।”

তবে কমিটির রিপোর্টে এও উল্লেখ করা হয়েছে বিচারপতি নিজেই ওই টাকা সরিয়েছিলেন, এমন কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বাড়িতে এই বিপুল পরিমাণ টাকা কোথা থেকে এল, তার যে ব্যাখ্যা প্রাক্তন বিচারপতি ভর্মা দিয়েছিলেন, তা সন্তোষজনক নয় বলেই জানিয়েছে প্যানেল। তাঁর বয়ানে স্বচ্ছতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক দায়বদ্ধতা ছিল না।

এর আগে আদালতের তরফে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্নার নেতৃত্বে ইন-হাউস কমিটি তদন্ত করেছিল, সেই কমিটিও বলেছিল, “যে নির্দিষ্ট স্টোররুমে নগদ টাকা লুকিয়ে রাখা হয়েছিল, সেটির উপর বিচারপতি ভর্মার সক্রিয় বা নীরব নিয়ন্ত্রণ ছিল।”

টাকা উদ্ধারের পর দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় এবং তিনি এলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি হন। সংসদের তরফে তাঁকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। এরপরে বিচারপতি ভর্মা নিজেই ইস্তফা দেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এই সাক্ষাৎ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। এনডিএ-র বৈঠকে অনুপস্থিত ছিলেন এনসিপিআই-র তিন মুসলিম সাংসদ। তারা সাফ জানিয়েছিলেন, এনসিপিআই-তে থাকলেও, এনডিএ-র শরিক হবেন না। সেই আবহের মাঝেই আজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে সাক্ষাৎ।


জল্পনার মাঝেই হঠাৎ শাহের দুয়ারে হাজির আবু তাহের-খলিলুর-ইউসুফ!
অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করছেন আবু তাহের, খলিলুর রহমান ও ইউসুফ পাঠান।

 তৃণমূল থেকে এনসিপিআই(NCPI)-তে যাওয়া তিন মুসলিম সাংসদকে নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। দিল্লিতে কান পাতলে শোনা যাচ্ছিল, এনসিপিআই-তে থাকলেও, বিজেপি (BJP)-র সঙ্গে মিশে যাওয়া নিয়ে আপত্তি রয়েছে তাদের। কোন দলে থাকবেন তারা, এই জল্পনার মাঝেই বড় খবর। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) সঙ্গে দেখা করবেন এনসিপিআই-র তিন মুসলিম সাংসদ আবু তাহের, খলিলুর রহমান ও ইউসুফ পাঠান।


এনডিএ-র বৈঠকে অনুপস্থিত ছিলেন এনসিপিআই-র তিন মুসলিম সাংসদ। তারা সাফ জানিয়েছিলেন, এনসিপিআই-তে থাকলেও, এনডিএ-র শরিক হবেন না। সেই আবহের মাঝেই আজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে সাক্ষাৎ।


যদিও এনসিপিআই তিন সাংসদের দাবি, নিজেদের কেন্দ্রের বিভিন্ন সমস্যা, দাবি-দাওয়া ও উন্নয়ন নিয়েই কথা বলবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে। নির্বাচিত সাংসদ হিসাবে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ অত্যন্ত স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।


তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এই সাক্ষাৎ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ কারণ তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে আসা এই তিন মুসলিম সাংসদ সংসদ চত্বরে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন যে এনসিপিআই-তে আছেন তারা, এনডিএ-তে নেই। বিজেপির পাশে বসা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। এরপরেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তারা। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির বাংলার পর্যবেক্ষক তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব ও সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। এরপর সুদীপ বন্দ্যোপাধ্য়ায়ও দাবি করেন যে ১৬ পাতার নথি জমা দিয়েছেন, যেখানে এনসিপিআই-র ২০ সাংসদের এলাকার দাবি-দাওয়ার উল্লেখ আছে।

আজকের বৈঠকে অমিত শাহ তাদের কোনও আশ্বাস দেন কি না, অথবা বিজেপির সঙ্গে কেন দূরত্ব রাখছেন, তা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় কি না, তার দিকে নজর থাকবে। কারণ এই তিন সাংসদের মন্তব্য ও অবস্থান বিজেপিকে যথেষ্ট অস্বস্তিতে ফেলেছে।

আগাম জামিন চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছিলেন সুমিত রায়, কিন্তু সেই আর্জি খারিজ হয়ে যায়। হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। তবে অন্য একটি মামলায় সুমিতকে আগাম জামিন দিয়েছে হাইকোর্ট।


সুপ্রিম কোর্টে বড় স্বস্তি সুমিত রায়ের, উঠল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর প্রসঙ্গ

 জমি কেলেঙ্কারির মামলায় নাম সামনে আসার পর থেকেই বেপাত্তা সুমিত রায়। তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) আপ্তসহায়ক সুমিতকে এবার স্বস্তি দিল সুপ্রিম কোর্ট। যে সুমিতের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ, তাঁর গ্রেফতারিতে স্থগিতাদেশ দিল শীর্ষ আদালত। শালবনীর জমি কেলেঙ্কারির মামলায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে।


জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হাজিরা দিতে হবে সুমিতকে
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, সুমিতকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হাজিরা দিতে হবে। তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে। সঙ্গে একজন আইনজীবীকে নিয়ে যেতে পারবেন তিনি। সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সুমিতকে তদন্তের জন্য ডাকা যাবে, তবে গ্রেফতার করা যাবে না।


 'ও না থাকলে গজনি হিট হতো না!' প্রদীপের বিদায়ে শ্রদ্ধার্ঘ্য আমিরের, স্মৃতিতে ডুব দিলেন সলমন
সুমিত রায়ের পক্ষে আইনজীবী গোপাল শঙ্করানারায়নণ সওয়াল করেন, বাংলায় নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পরই সুমিতের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। এই অভিযোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।


উঠল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর প্রসঙ্গ
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষে সওয়াল করতে গিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। তিনি দাবি করেন, অনেক বছর আগে অভিযোগ উঠলেও রাজ্যের পূর্বতন সরকার সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। সুমিতের গ্রেফতারিতে স্থগিতাদেশের বিরোধিতা করে তিনি বলেন, “আমরা যখন গ্রেফতার করতে গিয়েছিলাম, তখন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হস্তক্ষেপ করেন। যখনই কোনও তদন্তকারী সংস্থা যায়, তখনই উনি হস্তক্ষেপ করেন। আমি এটা রেকর্ড রাখতে চাই। রাজ্যের হোক বা কেন্দ্রের, যে কোন ল এনফোর্সমেন্ট এজেন্সির তদন্তে আগেও হস্তক্ষেপ করেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। শীর্ষ আদালতের বিষয়টি দেখা প্রয়োজন।” আইনজীবী শঙ্করনারায়নণ এই বক্তব্যকে ‘রাজনৈতিক’ বলে দাবি করেন।

মেটা (Meta)-র প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রায় ৪৫ মিনিট বৈঠক হয় কেন্দ্রের। মেটার তরফে উপস্থিত ছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট নিল পটস, সিনিয়র ডিরেক্টর রাফায়েল ফ্রান্কেল, আমান জৈন ও প্রিয়া শ্রীনিবাসন। সরকারের তরফে উপস্থিত ছিলেন তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রকের সেক্রেটারি এস কৃষ্ণন।  

ক্ষমা চাইলেন মার্ক জাকারবার্গ, প্রধানমন্ত্রী মোদীর ভিডিয়ো ডিলিট নিয়ে কী বলল Meta?
ক্ষমা চাইলেন মার্ক জাকারবার্গ।


ফেসবুক থেকে প্রধানমন্ত্রী মোদী(PM Narendra Modi)-র ভিডিয়ো কিছুক্ষণের জন্য সরানো নিয়ে তলব মেটা (Meta)-কে। বুধবার মেটার প্রতিনিধিদের সঙ্গে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে বসেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। সেখানেই প্রধানমন্ত্রীর ভিডিয়ো সরানো নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। একইসঙ্গে শিশুদের উপরে নির্যাতনের ভিডিয়ো এবং এই সংক্রান্ত কনটেন্ট নিয়ন্ত্রিত করা নিয়েও সতর্ক করা হয় মেটা সংস্থাকে। সূত্রের খবর, মেটা (Meta) প্ল্যাটফর্মে শিশুদের যৌন শোষণ ও ডিপফেক কনটেন্ট (Deepfake) নিয়ে মার্ক ক্ষমা চেয়েছেন মার্ক জাকারবার্গ (Mark Zuckerberg)।


জানা গিয়েছে, মেটা (Meta)-র প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রায় ৪৫ মিনিট বৈঠক হয় কেন্দ্রের। মেটার তরফে উপস্থিত ছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট নিল পটস, সিনিয়র ডিরেক্টর রাফায়েল ফ্রান্কেল, আমান জৈন ও প্রিয়া শ্রীনিবাসন। সরকারের তরফে উপস্থিত ছিলেন তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রকের সেক্রেটারি এস কৃষ্ণন।


পরিচারিকাকেও দিতে হবে মেটারনিটি লিভ! 'ব্রেস্ট ফিডিং' নিয়ে বড় সওয়াল স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
বৈঠকে কনটেন্ট মডারেশন নিয়ে নিরাপত্তা ও সুরক্ষা বাড়ানোর কথা বলা হয়। সূত্রের খবর, আলোচনার মুখ্য বস্তু ছিল প্রধানমন্ত্রী মোদীর জেন-জ়ি-দের উদ্দেশ্যে যে ভিডিয়ো পোস্ট করেছিলেন, তা কিছুক্ষণের জন্য ডিলিট হয়ে যাওয়া। সরকারের শর্ত মেনে না চলা, একইসঙ্গে মেটা প্ল্যাটফর্মে আপত্তিজনক কনটেন্ট প্রদর্শন নিয়েও কেন্দ্রীয় সরকার উদ্বেগ প্রকাশ করেন।


আজকের বৈঠকে মেটা আধিকারিকরা কেন্দ্রের কাছে ব্যাখ্যা দেয় যে কোন ভুলের কারণে প্রধানমন্ত্রী মোদীর ভিডিয়ো সরানো হয়েছিল সাময়িকভাবে। এর জবাবে কেন্দ্রের তরফে কঠোরভাবে বলা হয় আইন-নিয়ম মেনে চলতে। বাক স্বাধীনতা হরণ করা হচ্ছে না, তবে সমস্ত সোশ্য়াল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মকে আইন মেনে চলতে হবে।

সূত্রের খবর, মেটার আধিকারিকরা জানিয়েছেন, তাদের অভ্যন্তরীণ নিয়ম ও ফ্যাক্ট চেকিং মেকানিজম আগে থেকেই রয়েছে।

এর আগে তথ্য প্রযুক্তির সংসদীয় স্ট্যান্ডি কমিটি প্রধানমন্ত্রীর ভিডিয়ো সাময়িক সরানো নিয়ে মেটা-র সিইও মার্ক জাকারবার্গের কাছ থেকে তিনদিনের মধ্যে ক্ষমা দাবি করে। যদি তিনদিনের মধ্যে ফেসবুক প্রতিষ্ঠাতা ক্ষমা না চান, তাহলে আইনি সুরক্ষা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়। এই আইনি সুরক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৭৯ ধারায় মেটা-র মতো সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মকে থার্ড পার্টি কনটেন্টের ক্ষেত্রে দায়বদ্ধতা থেকে রক্ষা করে।

প্রসঙ্গত, ইন্সটাগ্রামে পেইড বিজ্ঞাপনে শিশুদের যৌন শোষণ ও নিপীড়ন নিয়ে ভিডিয়ো দেখানো নিয়ে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের নজরদারিতে এসেছে মেটা। সরকারের তরফে গত মাসে এই ইস্যুতে নোটিসও পাঠানো হয়।


 হাসিনা বলেন, "আমার সরকারের আমলে যে বিচার বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছিল, ইউনূসের অবৈধ সরকার ক্ষমতা দখলের পর সেই তদন্ত বন্ধ করে দেয়। জুলাই-আগস্ট আন্দোলন কোনও স্বতস্ফূর্ত আন্দোলন নয়। পরিকল্পিত পদক্ষেপ। ১০ হাজার আওয়ামী লিগ সদস্য নিখোঁজ হয়ে গিয়েছে।"


বাংলাদেশ 'দ্বিতীয় পাকিস্তানে' পরিণত হচ্ছে! ডিসেম্বরেই বাংলাদেশ ফিরবেন হাসিনা
শেখ হাসিনা।

দেশ ছাড়ার দুই বছর। সামনে না এলেও, সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বললেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। বললেন, “আমি ডিসেম্বরে দেশে ফিরব এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি”। মুজিবর কন্যা বাংলাদেশ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। ধরে আসে গলা।


কী বললেন হাসিনা?
এ দিন অডিয়ো বার্তায় সরাসরি কথা বলেন শেখ হাসিনা। শেখ মুজিবর রহমানের কথা বলতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন হাসিনা। তিনি বলেন, শেখ মুজিবরের কন্যা হিসেবে বাংলাদেশের সঙ্গে আমার সম্পর্ক নাড়ির। গত দুই বছর ধরে আমি আমার প্রিয় বাংলাদেশকে অনেক কষ্ট সহ্য করতে দেখেছি। এটা কোনও শান্তিপূর্ণ ছাত্র আন্দোলন ছিল না। সহিংস রাজনৈতিক হাতিয়ারে পরিণত করা হয়েছিল আন্দোলনকে।”



কীভাবে পতন হয়েছিল আওয়ামী লিগ সরকারের?
দুই বছর আগে ছাত্র আন্দোলনের জেরে আওয়ামী লিগ সরকারের পতন নিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, “সরকারের তরফ থেকে আন্দোলনকারীদের আলোচনার জন্য আমন্ত্রণ করা হয়েছিল। কিন্তু সরকার ফেলতে পরিকল্পিত ব্লুপ্রিন্ট তৈরি করা হয়েছিল। ব্যালট বক্সের বাইরে থেকে সরকারকে উৎখাত করার চেষ্টা করা হয়েছিল। আমি প্রশ্ন করতে চাই, এই ধরনের পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে রক্ষা করতে সরকারের কী করা উচিত? যা করা হয়েছে, সেটা অপরাধ নয়, বরং সরকারের দায়বদ্ধ পদক্ষেপ।”


তিনি আরও বলেন, “আমার সরকারের আমলে যে বিচার বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছিল, ইউনূসের অবৈধ সরকার ক্ষমতা দখলের পর সেই তদন্ত বন্ধ করে দেয়। জুলাই-আগস্ট আন্দোলন কোনও স্বতস্ফূর্ত আন্দোলন নয়। পরিকল্পিত পদক্ষেপ। ১০ হাজার আওয়ামী লিগ সদস্য নিখোঁজ হয়ে গিয়েছে।”

সরকার পতনের পরও বাংলাদেশে যে অত্যাচার হয়েছে, তা নিয়ে হাসিনা বলেন, “সংখ্যালঘু থেকে শুরু করে সাংবাদিক-সবার উপর আক্রমণ হয়েছে। স্বাধীনতা সংগ্রামীরা হেনস্থার শিকার হয়েছেন। ওরা বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে দিতে চায়। সাধারণ মানুষকে এই পরিস্থিতির মূল্য চোকাতে হচ্ছে। আমি আন্তর্জাতিক মহলের (international community) আবেদন করছি, বাংলাদেশের মানুষের পাশে দাঁড়াতে।”

দেশে ফিরবেনই হাসিনা-
দেশে ফেরার ঘোষণা করে বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি দেশের মানুষের কাছে ফিরব। আমি প্রিয় দেশের থেকে দূরে থাকতে পারব না। আমি জেলে যেতে পারি। কিন্তু আমি নিজের ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তিত নই। আমি জেলে থেকে আমার সন্তানের জন্ম দিয়েছি। মানুষ সব ক্ষমতার উৎস। আমি একাধিকবার এর আগে গ্রেফতার হয়েছি। আমাকে দেশ ছেড়ে যেতে হয়েছে। আমাকে হত্যা করা হতে পারে। কিন্তু আমি এইসব নিয়ে চিন্তিত নই।”

এরপরই হাসিনার ছেলে, সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, “দেশে ফেরা নিয়ে আমরা বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কোনও কথা বলিনি। বলব না।”

হাসিনা জানান যে ভারত সরকারের তরফে আমাদের যথেষ্ট সম্মান এবং আন্তরিকতা দেখানো হয়েছে। এরপরই হাসিনা ঘোষণা করেন, “আমি ডিসেম্বরে দেশে ফিরব-এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কবে কত তারিখে ফিরব, সেই সিদ্ধান্ত পরে জানাবো। ভারত আমাদের সবচেয়ে বন্ধু দেশ। একটা দেশের সঙ্গে আরেকটা দেশের সম্পর্ক থাকবেই। আমি আজ এখানে এসেছি। ভারত বন্ধু দেশ হিসেবে বন্ধু থাকবেই, কিন্তু আমি আমার দেশের মানুষের কাছে ফিরব।”

রাষ্ট্রপুঞ্জ তথ্য দিচ্ছে না-
শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ও সরব হন। তিনি বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধেও সুর চড়িয়ে বলেন যে এই সরকার মানবাধিকারে হস্তক্ষেপ করছে। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন করছে এবং দেশের নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে মৃত্যুর সংখ্যা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন জয়। তাঁর দাবি, রাষ্ট্রপুঞ্জ (UN) ওই আন্দোলনে ১,৪০০ জনের মৃত্যুর কথা বললেও বাংলাদেশ সরকার কম মৃত্যুর কথা জানিয়েছে। জয়ের অভিযোগ, আওয়ামী লিগ বারবার রাষ্ট্রপুঞ্জের কাছে ওই ১,৪০০ জনের নাম-পরিচয় জানতে চাইলেও, এখনও কোনও তথ্য দেওয়া হয়নি।

ইনডেমনিটি বিল-এর সমালোচনা করেন হাসিনা পুত্র। তাঁর অভিযোগ, ওই আইনের মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে সাধারণ নাগরিক, আওয়ামী লিগের নেতা-কর্মী এবং পুলিশকর্মীদের হত্যার অভিযোগে মামলা বা বিচার থেকে ব্যাপক আইনি সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। জয়ের দাবি, পরে বিএনপি সরকারও ওই আইন অনুমোদন করেছে।

আওয়ামী লিগের হাজার হাজার নেতা-কর্মীকে বিচার, জামিন বা আইনগত প্রক্রিয়া ছাড়াই আটক করে রাখা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বলেন, “অনেকের পুলিশি হেফাজতে মৃত্যু হয়েছে, আবার অনেককে কারাগারের বাইরে হত্যা করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, আওয়ামী লীগের প্রতি সহানুভূতিশীল বলে মনে করা সাংবাদিক, সম্পাদক, সংবাদমাধ্যমের মালিক এবং ব্যবসায়ীদেরও বিচার ছাড়াই জেলে পাঠানো হয়েছে”।

বাংলাদেশকে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র‘ বলে দাবি করে তিনি বলেন, “দেশে এখন বাকস্বাধীনতা নেই, মানবাধিকার নেই, আইনশৃঙ্খলার অস্তিত্ব নেই এবং সংবিধান কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছে।”

ভারতের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ
বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলি দেশের বড় বড় সংবাদমাধ্যমকে ভার্চুয়াল সাংবাদিক বৈঠকের খবর বা সম্প্রচার না করার নির্দেশ দিয়েছে। সজীবের বিস্ফোরক অভিযোগ, “বাংলাদেশ এখন ভারতের পূর্ব সীমান্তে ‘আরেকটি পাকিস্তান’-এ পরিণত হচ্ছে।”

তাঁর অভিযোগ, আওয়ামী লিগ সরকারের আমলে গ্রেফতার হওয়া শত শত দোষী জঙ্গিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে এবং বর্তমানে হিজবুত তাহরীর ও আল-কায়েদা-র জঙ্গিরা প্রকাশ্যে সক্রিয় রয়েছে। জয়ের দাবি, এই পরিস্থিতি শুধু ভারতের জন্য নয়, গোটা আন্তর্জাতিক মহলের নিরাপত্তার জন্যও উদ্বেগের বিষয়। দ্রুত পরিস্থিতির পরিবর্তন না হলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদের একটি বড় উৎসে পরিণত হতে পারে বলেই সতর্ক করেন জয়।

যুবসমাজের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, "আজ ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম। ভারত এখন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল ফোন উৎপাদনকারী দেশ। ভারতের তৈরি ডিজিটাল সলিউশন বিশ্বের বহু দেশের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে। এই সমস্ত কৃতিত্বই দেশের যুবশক্তির।"

ভারতের যুবরা পৌঁছে গিয়েছেন মহাকাশ পর্যন্ত', ফের যুবসমাজের প্রশংসায় প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী

দেশের মূল শক্তি যুবরাই। সবক্ষেত্রে ভারতকে উন্নতির শিখরে পৌঁছে দিচ্ছেন তাঁরা। শনিবার কর্নাটকের মহীশূরে একটি অনুষ্ঠানে গিয়ে আবারও যুবসমাজের প্রশংসায় পঞ্চমুখ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi)। তিনি বলেন,”ভারতের সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন থেকে শুরু করে স্টার্টআপ, ডিজিটাল প্রযুক্তি…সব ক্ষেত্রেই যে দ্রুত অগ্রগতি হচ্ছে, তার মূল শক্তি দেশের যুবসমাজ।”


মা সারদা, রামকৃষ্ণদেব ও স্বামী বিবেকানন্দকে শ্রদ্ধা
প্রধানমন্ত্রী মোদী এদিন মহীশূরে স্বামী বিবেকানন্দ কালচারাল (Swami Vivekanada Cultural) ইউথ সেন্টার ‘বিবেক স্মারক’-এর উদ্বোধন করেন। সেখানে শ্রীরামকৃষ্ণ, মা সারদা, ও স্বামীজিকে শ্রদ্ধা জানান। মহীশূরের সঙ্গে কীভাবে যোগাযোগ গড়ে উঠেছিল স্বামী বিবেকানন্দের, তা তুলে ধরেন। বলেন, “প্রায় ১৩০ বছর আগে এক তরুণ সন্ন্যাসী হিসেবে স্বামী বিবেকানন্দ মহীশূরে এসেছিলেন। তখন তাঁর খ্যাতি ততটা না থাকলেও তাঁর ভাবনা ছিল অসাধারণ। সেই সময় মহীশূরের তৎকালীন মহারাজা তাঁর প্রতিভা চিনতে পেরেছিলেন এবং পরবর্তীকালে আমেরিকা থেকে লেখা একটি চিঠিতে স্বামী বিবেকানন্দ নিজেও মহারাজার সহযোগিতার কথা উল্লেখ করেছিলেন। রামকৃষ্ণ আশ্রম এবং স্বামী বিবেকানন্দের স্মৃতি মহীশূরের ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ‘বিবেক স্মারক’-এর উদ্বোধনের মাধ্যমে সেই আদর্শকে আরও বিস্তৃত করা হচ্ছে।” তিনি এই উদ্যোগের জন্য রামকৃষ্ণ আশ্রম এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে অভিনন্দন জানান।


মৃত্যুর পর কেন জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল উত্তমের পার্সোনাল ডায়েরি?
স্বামীজির আদর্শ নিয়ে কী বললেন মোদী?
দেশসেবায় স্বামীজির আদর্শকেও তুলে ধরেন বক্তব্যে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, “স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শ ছিল ‘শিব জ্ঞানে জীব সেবা’। অর্থাৎ মানুষের সেবাই ঈশ্বরের সেবা। এই স্মারকে এমন যুবসমাজ গড়ে তুলতে হবে, যাদের কাছে সমাজ ও দেশের স্বার্থই সবার আগে থাকবে। দরিদ্র ও বঞ্চিত মানুষের সেবাই হবে জীবনের লক্ষ্য।”


যুবসমাজের প্রশংসা করে মোদী বলেন, “আজ ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম। ভারত এখন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল ফোন উৎপাদনকারী দেশ। ভারতের তৈরি ডিজিটাল সলিউশন বিশ্বের বহু দেশের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে। এই সমস্ত কৃতিত্বই দেশের যুবশক্তির।”

তিনি আরও বলেন,”একসময় ভারতের যুবসমাজ পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ ছিল। কিন্তু আজ সেই যুবকরাই বিশ্বের উন্নয়নের গতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। স্বামী বিবেকানন্দ যুবসমাজের শিক্ষাকেই জাতি গঠনের সবচেয়ে শক্তিশালী ভিত্তি হিসেবে দেখতেন।”

 ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার পরই ওড়িশার বিজেপি সাংসদ অপরাজিতা সারাঙ্গীর মেয়ে অর্চিতা সারাঙ্গী ইন্সটাগ্রামে শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার খবরের শিরোনামের ছবি পোস্ট করেন। এর কিছুক্ষণ পরই তিনি আবার লেখেন, "আমি পোস্ট ডিলিট করব না"।


ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা নিয়ে পোস্ট করতেই 'Delete' করার চাপ? কড়া জবাব বিজেপি সাংসদ-কন্যার
ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা নিয়ে পোস্ট করতেই বিতর্ক।

শিক্ষামন্ত্রী পদ থেকে ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা (Dharmendra Pradhan Resignation) দিতেই ইন্সটাগ্রামে পোস্ট করেছিলেন বিজেপি সাংসদের মেয়েও। তারপরই নাকি চাপ সৃষ্টি করা হয় সেই পোস্ট ডিলিট করার জন্য। তবে অনড় বিজেপি সাংসদের মেয়েও। তিনি ফের ইন্সটাগ্রামে পোস্ট করেই বললেন, “আমি পোস্ট ডিলিট করব না।”


নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসকে কেন্দ্র করে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে সরব হয়েছিল ছাত্র-যুবরা। অবশেষে শনিবার সেই দাবি পূরণ হয়। কেন্দ্রের সঙ্গে ককরোচ জনতা পার্টির তৃতীয় দফা বৈঠক শুরুর আগেই কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন ধর্মেন্দ্র প্রধান।

 'আমাকে আগের সপ্তাহেও গার্ডিয়ানস্ মিটিংয়ে ডেকেছিল...বললাম নমাজ পড়ছিলাম ডাকলেন কেন?', স্কুলে সবে টিফিন মুখে তুলেছিল রায়হান, হঠাৎই খবর গেল বাড়িতে...


প্রধানমন্ত্রীর কুরুচিকর ছবি নিয়ে চরম বিতর্কে শ্রীলেখা! FIR হতেই 'ফাঁসিতে চড়াবেন?'...
তাঁর ইস্তফার পরই ওড়িশার বিজেপি সাংসদ অপরাজিতা সারাঙ্গীর মেয়ে অর্চিতা সারাঙ্গী ইন্সটাগ্রামে শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার খবরের শিরোনামের ছবি পোস্ট করেন। এর কিছুক্ষণ পরই তিনি আবার লেখেন, “আমি পোস্ট ডিলিট করব না”। জল্পনা শুরু হয়, তাহলে কি বিজেপি সাংসদের কন্যার উপরে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে পোস্ট ডিলিট করার জন্য?


‘ডিপি’স পিএ’ (DP’s PA) বলে উল্লেখ করে অর্চিতা লেখেন, “ডিপি’স পিএ, যিনি আমার মাকে মেসেজ করে বলেছেন যে আগের স্টোরি যেন ডিলিট করে দিই- দয়া করে চেষ্টা করবেন না। আমি ইস্তফা দেব না। জয় জগন্নাথ! জয় হিন্দি!”

এর কিছুক্ষণ পর থেকেই অর্চিতার ইন্সটাগ্রাম অ্যাকাউন্ট ডি-অ্যাক্টিভেট করা। এদিকে, অর্চিতার মা, বিজেপি সাংসদ অপরাজিতা সারাঙ্গী ধর্মেন্দ্র প্রধানকেই সমর্থন জানিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের নৈতিক দায় নিয়ে তিনি ইস্তফা দিয়েছেন। এটা সাহসিকতার প্রমাণ।

প্রসঙ্গত, অপরাজিতা সারাঙ্গী রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার আগে অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অফিসার ছিলেন। ২০২৪ সালে তিনি ভুবনেশ্বর আসন থেকে বিজেপির প্রার্থী হন এবং বিজেডির প্রার্থীকে ৩৫ হাজার ভোটে হারান। ধর্মেন্দ্র প্রধানও ওড়িশার বিজেপি নেতা। রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পিছনে বিরাট ভূমিকা পালন করেছেন তিনি।

প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যবইতে ১৬০০-রও বেশি ভুল পাওয়া গিয়েছে।ওড়িশার পাহাড়কে ঝাড়খণ্ডের মানচিত্রে দেখানো থেকে শুরু করে পঞ্চম শ্রেণির পাঠ্যবইতে হিন্দি গান ছাপানো- চোখে পড়ার মতো ভুল নজরে আসতেই ওড়িশাব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিজেডির ছাত্র শাখা। 

ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার পরই তিন রাজ্যে শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার দাবিতে আন্দোলন, ক্রমশ ছড়াচ্ছে অশান্তির আগুন
ছাত্র আন্দোলন দিকে দিকে।

ছাত্র-যুবদের আন্দোলনের মুখে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan)। তবে বিদ্রোহের আগুন কিন্তু এখনও নেভেনি। ধর্মেন্দ্র প্রধানের পর এবার তিন রাজ্যে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ আন্দোলনে ক্রমশ ছড়াচ্ছে অশান্তির আগুন।


বিজেপি শাসিত ছত্তীসগঢ়ে (Chhattisgarh) শিক্ষা ব্যবস্থার বেহাল দশার অভিযোগে শিক্ষামন্ত্রী গজেন্দ্র যাদবের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিলে উত্তাল হয়ে উঠছে রায়পুর। সম্প্রতি নিট পরীক্ষায় (NEET Exam) ভালো ফল করতে না পারার জন্য আত্মহত্যা করেন জগদলপুরের এক ছাত্রী। তার মৃত্যুর নৈতিক দায় নিয়ে ছত্তীসগঢ়ের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করছে কংগ্রেস (Congress)।



আরশোলার মতোই ওরা নোংরা', 'ককরোচ'দের কটাক্ষ কঙ্গনার
অন্যদিকে, ধর্মেন্দ্র প্রধানের নিজের রাজ্য ওড়িশাতেও (Odisha) ত্রুটিতে ভরা টেক্সটবুকের ইস্যুতে শিক্ষামন্ত্রী নিত্যানন্দ গন্ডের পদত্যাগ চাইছে কংগ্রেস এবং বিজেডি। প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যবইতে ১৬০০-রও বেশি ভুল পাওয়া গিয়েছে।ওড়িশার পাহাড়কে ঝাড়খণ্ডের মানচিত্রে দেখানো থেকে শুরু করে পঞ্চম শ্রেণির পাঠ্যবইতে হিন্দি গান ছাপানো- চোখে পড়ার মতো ভুল নজরে আসতেই ওড়িশাব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিজেডির ছাত্র শাখা।



পঞ্জাবেও উঠেছে শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার দাবি। সম্প্রতি সেখানে ফার্মেসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে যায়। এই নিয়ে আপ সরকারের শিক্ষামন্ত্রী হরজ্যোত সিং বেইনসের পদত্যাগের দাবিতে পথে নেমেছে কংগ্রেস। পাল্টা আপ সরকারের বিরুদ্ধে কংগ্রেস এবং বিজেপির চক্রান্তের অভিযোগ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান।

 সুপ্রিম কোর্টে রাজ্যসভার সাংসদ মনোজ কুমার ঝা এই নিয়ে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছেন। একাধিক রাজ্যেই ছাত্র আন্দোলন চলছে। আন্দোলনকারীদের থামাতে পুলিশ যেমন লাঠিচার্জ করেছে, তেমনই কাঁদানে গ্যাস, জলকামান ব্যবহার করেছে।

 প্রকাশ্যেই আন্দোলনকারী ছাত্রদের উপরে AK-47 দিয়ে গুলি চালাল পুলিশ অফিসার! ভয়ঙ্কর ভিডিয়ো সামনে
এই পুলিশ অফিসার গুলি চালান ছাত্রদের লক্ষ্য করে।


আন্দোলনকারী ছাত্রদের উপরে গুলি? বিতর্কিত ভিডিয়ো প্রকাশ্যে। বিহারে ছাত্রদের আন্দোলনে এক পুলিশ অফিসারকে একে-৪৭ দিয়ে গুলি চালাতে দেখা গেল। এই ভিডিয়ো সামনে আসতেই ওই পুলিশ অফিসারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।


গত ২৫ জুলাই ‘বিহার বনধ’ (Bihar Bandh) ডাকা হয়েছিল নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসকে কেন্দ্র করে। সূত্রের খবর, ছাত্রদের মিছিলে ওই পুলিশ অফিসার গুলি চালান। কমপক্ষে চার থেকে পাঁচ রাউন্ড গুলি চালিয়েছিলেন আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে, যদিও ভাইরাল ভিডিয়োয় ওই পুলিশ অফিসারকে এক রাউন্ড গুলি চালাতেই দেখা গিয়েছে।



 ডি.লিট পেলেন সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়, 'নেতা হতে চেয়েছিলাম কিন্তু...' বললেন অভিনেত্রী
ভাইরাল ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, অভিষেক পটেল নামক ওই পুলিশ অফিসার নীল রঙের হেলমেট ও বুলেটপ্রুফ ভেস্ট পরে আছেন এবং একে-৪৭ বন্দুক নিয়ে দৌড়চ্ছেন। অন্তত একটি গুলি চালাতে স্পষ্ট বোঝা যায়। এরপরে তাঁর সহকর্মীরাও তাঁকে অনুসরণ করেন। এক পুলিশ অফিসার মাটি থেকে কিছু একটা তুলে ছুড়ে মারতে দেখা যায়।



সুপ্রিম কোর্টে রাজ্যসভার সাংসদ মনোজ কুমার ঝা এই নিয়ে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছেন। একাধিক রাজ্যেই ছাত্র আন্দোলন চলছে। আন্দোলনকারীদের থামাতে পুলিশ যেমন লাঠিচার্জ করেছে, তেমনই কাঁদানে গ্যাস, জলকামান ব্যবহার করেছে।

বিহারের সিওয়ানেও বিক্ষোভকারীদের উপরে গুলি চলেছে। তিনজন জখম হন।
 সরকারকে প্রশ্ন করে সুপ্রিম কোর্ট বলে, "পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ নিয়েও তদন্ত করা দরকার। সরকারকেও ব্যাখ্যা দিতে হবে যে পুলিশকে কেন পর্যাপ্ত সুরক্ষা গিয়ার দেওয়া হয়নি, যারা বিক্ষোভে আহত হয়েছেন।" এক্ষেত্রে সব রাজ্যে সুনির্দিষ্ট এক প্রোটোকল থাকা উচিত বলেও পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের।

শুধু আন্দোলন বলে লাঠিচার্জ করা যায় না', পুলিশের ভূমিকা নিয়ে কড়া মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের
ফাইল চিত্র।

“বিক্ষোভ-প্রতিবাদ হচ্ছে বলেই সেখানে লাঠিচার্জ হতে পারে না”- সোমবার এ কথা স্পষ্ট করে দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। সুস্পষ্টভাবে জানানো হল, “সংবিধান প্রত্যেক নাগরিককে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করার পূর্ণ অধিকার দিয়েছে”।


ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভে পুলিশের লাঠিচার্জ প্রসঙ্গে একটি মামলার শুনানি চলছিল সুপ্রিম কোর্টে। সেখানেই গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ রাখল শীর্ষ আদালত। গত ২০ জুলাই ছাত্র-যুবদের ‘সংসদ চলো’ অভিযানে যেভাবে পুলিশ লাঠিচার্জ করে, কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে, তার তদন্তের আর্জি জানানো হয়েছিল। সেই আবেদন গ্রহণ করে আজ সুপ্রিম কোর্ট জানাল, পুলিশের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হবে।


প্রধানমন্ত্রীর কুরুচিকর ছবি নিয়ে চরম বিতর্কে শ্রীলেখা! FIR হতেই 'ফাঁসিতে চড়াবেন?'...
পয়লা অগাস্ট শহরে 'মাই নেম ইজ জান' ইতিমধ্যেই প্রায় হাউজফুল
আরজেডি সাংসদ মনোজ ঝা-র দায়ের করা মামলার প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতির পর্যবেক্ষণ – শান্তিপূর্ণ আইনানুগ প্রতিবাদ সংবিধান স্বীকৃত। যতক্ষণ শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন হচ্ছে, শুধুমাত্র বিক্ষোভ-প্রতিবাদ হচ্ছে বলেই সেখানে লাঠিচার্জ হতে পারে না। এ দিন সুপ্রিম কোর্ট বলেন, “সংবিধানে শান্তিপূর্ণভাবে, আইন মেনে বিক্ষোভ-প্রতিবাদ করার অধিকার সম্পূর্ণ নিশ্চিত করা হয়েছে। তাই যতক্ষণ আন্দোলন শান্তিপূর্ণ হচ্ছে, ততক্ষণ শুধু আন্দোলন বলে লাঠিচার্জ করা যায় না।”


নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস ঘিরে যখন আন্দোলন চলছিল, তখন পুলিশদেরও আহত হওয়ার খবর আসে। আলাদাভাবে সেই মামলাও শুনতে রাজি হয় শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্ট বলে, “যদি পুলিশ বাড়াবাড়ি করে থাকে তাহলে তা খতিয়ে দেখতে হবে”। পুলিশ বলপ্রয়োগ করেছে কিনা তা খতিয়ে দেখবে কোর্ট।

সরকারকে প্রশ্ন করে সুপ্রিম কোর্ট বলে, “পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ নিয়েও তদন্ত করা দরকার। সরকারকেও ব্যাখ্যা দিতে হবে যে পুলিশকে কেন পর্যাপ্ত সুরক্ষা গিয়ার দেওয়া হয়নি, যারা বিক্ষোভে আহত হয়েছেন।”

এক্ষেত্রে সব রাজ্যে সুনির্দিষ্ট এক প্রোটোকল থাকা উচিত বলেও পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের। প্রধান বিচারপতির কথায়, “গণতান্ত্রিক কাঠামোয় ডিসিপ্লিন অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ”। আগামিকাল এই মামলার বিস্তারিত শুনানি হবে সুপ্রিম কোর্টে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানান যে মোদী সরকার দেশের যুব-ছাত্রদের ভাবাবেগকে সম্মান করে এবং পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস রুখতে প্রয়োজনীয় যাবতীয় পদক্ষেপ করতে দৃঢ়প্রতীজ্ঞ। প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িত অপরাধীদের কড়া শাস্তি দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। 

যে কোনও পদের থেকে পড়ুয়ারা বেশি গুরুত্বপূর্ণ: অমিত শাহ

কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা ধর্মেন্দ্র প্রধানের (Dharmendra Pradhan)। তাঁর ইস্তফার পর প্রথম প্রতিক্রিয়া দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি বললেন, প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা ভারতীয় জনতা পার্টির আদর্শেই। বিজেপিও মনে করে যে দেশ, দেশের পড়ুয়া ও যুবকদের স্বার্থ কোনও রাজনৈতিক চেয়ারের থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।


নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আন্দোলন হচ্ছিল। ছাত্র আন্দোলনাকারীদের অন্যতম দাবিই ছিল শিক্ষামন্ত্রী পদ থেকে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা। শিক্ষামন্ত্রীও ইস্তফা দেন সেই দাবি মতো। তিনি জানান, দেশের ছাত্রদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে এবং দেশবিরোধী কোনও শক্তি যাতে এই আন্দোলনকে বিপথে চালিত করতে না পারে, তার জন্যই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।


আপনারা কি যা ইচ্ছা তাই করতে পারেন?', SIR সংক্রান্ত মামলায় কমিশনকে প্রশ্ন হাইকোর্টের
এক্স হ্যান্ডেলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, “বিজেপি কর্মীদের জন্য আমাদের দেশ, পড়ুয়ারা কোনও পদের থেকে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আজ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফাও সেই নীতিকেই প্রতিফলন করছে।”


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানান যে মোদী সরকার দেশের যুব-ছাত্রদের ভাবাবেগকে সম্মান করে এবং পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস রুখতে প্রয়োজনীয় যাবতীয় পদক্ষেপ করতে দৃঢ়প্রতীজ্ঞ। প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িত অপরাধীদের কড়া শাস্তি দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।

তিনি জানান যে সরকারের এই প্রস্তাবিত পরিবর্তন পড়ুয়াদের জন্য ন্যায়-বিচার নিশ্চিত করবে, যারা নিট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়।

ধর্মেন্দ্র প্রধানও গতকাল ইস্তফা দিয়ে জানিয়েছিলেন যে ব্যক্তিগত সম্মানের বিষয় নয় এটা। পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ সবসময় প্রাধান্য পায়। তিনি এই প্রশ্নপত্র ফাঁসের দায় নিয়ে, নিজের পদ থেকে সরে দাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এরপর আজ সকালে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে (সাবেক টুইটার) একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেন অভিজিত। লেখেন, "এরপর কী করব বা সন্ধ্যা পর্যন্ত কী ঘটবে, তা নিয়ে চিন্তা না করেই আমি ঘুমোলাম।" অর্থাৎ এত দিন আন্দোলনের রূপরেখা নিয়ে চিন্তা করতে হত। তবে, এবার কয়েকদিন অন্তত তার থেকে মুক্তি। খুব শান্ত গলায় তাঁকে বলতে শোনা যায়, "এখন কয়েকদিন কোনও আতঙ্ক নেই।"

এটা সবে শুরু...',সকাল হতেই ফের ভিডিয়ো বার্তা ককরোচ অভিজিতের, এবার কীসের ইঙ্গিত?
অভিজিৎ দীপকের ভিডিয়ো বার্তা

 একটানা ৩৭ দিন। লাগাতার আন্দোলন, বিক্ষোভ, প্রতিবাদ, মিছিল, র‌্যালি কী কী না হয়নি। প্রতিদিন মাটি কামড়ে পড়ে থাকতে হয়েছে রাস্তায়। তবে সরে আসেনি CJP। কিন্তু রবিবার সকালটা আলাদা। অবশেষ স্বস্তির ঘুম ঘুমোলেন CJP-র প্রধান অভিজিৎ দীপকে। নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই কথাই জানালেন তিনি। সঙ্গে উস্কে দিলেন পরবর্তী পদক্ষেপের কথা।


নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে উঠেছিল গোটা দেশ। আন্দোলনে পথে নামে পড়ুয়ারা। তাদের নেতৃত্ব দেয় ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ দিল্লি থেকে চেন্নাই, বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ- সব জায়গায় বিক্ষোভ চলছিল ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে। কলকাতাও বাদ যায়নি। অভিজিৎ দীপকে ও তাঁর সহযোগীদের নেতৃত্বে দিল্লিতে আন্দোলন তীব্রতর হয়ে ওঠে। এরপর শনিবার ইস্তফা দেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। পরে কেন্দ্র ছাত্রদের সব দাবি মেনে নেয়। যুক্তি দেওয়া হয়, ‘দেশ সবার আগে।’ স্বরাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী বান্দি সঞ্জয় কুমার লেখেন, ” প্রথমে দেশ, তারপর দল, শেষে নিজে। পদের চেয়ে দায়িত্ব এবং নিজের চেয়ে দেশকে বড় মনে করার যে সংস্কৃতি দল শেখে, প্রধানের ইস্তফা তারই প্রমাণ।” পরে সকল দাবি পূরণের পর গোটা অবস্থান উঠিয়ে নেয় সিজেপি (CJP)।



'যুবসমাজের কাছে দেশই সবার আগে', বার্তা প্রধানমন্ত্রী মোদীর
এরপর আজ সকালে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে (সাবেক টুইটার) একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেন অভিজিত। লেখেন, “এরপর কী করব বা সন্ধ্যা পর্যন্ত কী ঘটবে, তা নিয়ে চিন্তা না করেই আমি ঘুমোলাম।” অর্থাৎ এত দিন আন্দোলনের রূপরেখা নিয়ে চিন্তা করতে হত। তবে, এবার কয়েকদিন অন্তত তার থেকে মুক্তি। খুব শান্ত গলায় তাঁকে বলতে শোনা যায়, “এখন কয়েকদিন কোনও আতঙ্ক নেই।” কিন্তু ভিডিয়োর শেষে বাড়ল জল্পনা।অভিজিৎ বললেন, “এটা সবে শুরু… ককরোচ জনতা পার্টিকে আরও দীর্ঘ পথ যেতে হবে।” অভিজিৎ-এর এই মন্তব্যের পরই জল্পনা বেড়েছে। তবে ফের একবার তারা নতুন কোনও ইস্যুতে আন্দোলন করবেন? উঠল সেই প্রশ্ন।


 বিজেপির হাতিয়ার ইউপিএ জমানা এবং কংগ্রেস-সহ বিরোধী শাসিত রাজ্যে প্রশ্নফাঁস এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতার পাল্টা খতিয়ান। প্রশ্নফাঁস রুখতে আনা সংশোধনী বিলের আলোচনার পরিসরকে কাজে লাগিয়ে এই ইস্যুই তুলতে চলেছে বিজেপি।


সং ছাত্র আন্দোলনকারীদের দাবি পূরণ। শিক্ষামন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা ধর্মেন্দ্র প্রধানের (Dharmendra Pradhan Resignation)। আন্দোলনকারীদের তিন দাবি পূরণের পরই আন্দোলন প্রত্যাহার করে নিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (Cockroach Janta Party)। তবে ককরোচ আন্দোলন প্রত্যাহার হলেও, প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে সংসদে সরকারের উপর চাপ বজায় রাখতে মরিয়া কংগ্রেস-সহ বিরোধীরা।

ককরোচ জনতা পার্টি আন্দোলন থেকে সরে গেলেও, বিরোধীরা শুধু ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগে সন্তুষ্ট নয়। দেশের ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে প্রধানমন্ত্রীকে। এই দাবি তাদের। ২০ জুলাই সংসদ অভিযানে ছাত্র-ছাত্রীদের উপর পুলিশি অত্যাচারের দায় নিতে হবে অমিত শাহকে। এটাও দাবি।


সোমবার সরকারের প্রশ্ন ফাঁস সংক্রান্ত বিল পেশ করা হবে, যাতে কড়া শাস্তির বিধান দেওয়া হয়েছে। এই বিল পেশের সময় থেকেই দাবিগুলি নিয়ে সরব হবে বিরোধীরা।

এই বিষয়ে ফ্লোর কো-অর্ডিনেশন ঠিক করতে সোমবার সকাল ১০টায় সংসদে বৈঠকে বসছে ইন্ডিয়া জোটের সংসদীয় দলের নেতারা।

অন্যদিকে, বিজেপির হাতিয়ার ইউপিএ জমানা এবং কংগ্রেস-সহ বিরোধী শাসিত রাজ্যে প্রশ্নফাঁস এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতার পাল্টা খতিয়ান। প্রশ্নফাঁস রুখতে আনা সংশোধনী বিলের আলোচনার পরিসরকে কাজে লাগিয়ে এই ইস্যুই তুলতে চলেছে বিজেপি।

ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর এবার রাম মন্দিরের চুরির ইস্যুকে পার্লামেন্টে মুখ্য হাতিয়ার করতে চাইছে সমাজবাদী পার্টি, কংগ্রেস-সহ বিরোধীরা। এই বিষয়ে আলোচনার জন্য সংসদে দুই কক্ষে মুলতবি প্রস্তাব জমা দিতে চলেছে একাধিক বিরোধী সাংসদ। পরিকল্পনা চূড়ান্ত করতে ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে আলোচনা হবে আগামিকাল।


কলেজ জীবন থেকেই সাংবাদিকতার প্রতি আগ্রহ তৈরি হয় সৌরভের। একজন সক্রিয় আরটিআই কর্মী হিসেবেও পরিচিত সৌরভ। ক্লাইমেট অ্যাকশন ফ্রন্ট নামক একটি পরিবেশ রক্ষা সংস্থার সহ-প্রতিষ্ঠাতা সৌরভ। ২০১৭ সালে, মাত্র ১৮ বছর বয়সেই সৌরভ তথ্যের অধিকার আইনে একাধিক বিষয়ে মামলা করতে থাকেন।

মাত্র ১৮ বছর বয়স থেকে RTI-র মাধ্যমে সত্যসন্ধান, 'ককরোচ'দের মুখ কীভাবে হয়ে উঠলেন সৌরভ দাস?
সিজেপি-র অন্যতম মুখ। কে এই সৌরভ দাস?


 এই দলের অস্তিত্বই ছিল না কয়েক মাস আগেও। এখন ঘরে ঘরে পরিচিত ‘ককরোচ জনতা পার্টি’। নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে দিল্লিতে যে বিশাল ছাত্র যুব আন্দোলন হল, তার প্রধান চালিকাশক্তিও এই ককরোচ জনতা পার্টিই (Cockr। সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে এখন সকলের পরিচিত। তবে তাঁর পাশেই নজর কেড়েছেন আরও একজন। সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে নিজেদের দাবি নিয়ে সাক্ষাৎ থেকে শুরু করে বিক্ষোভ-আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া- সবেতেই ছিলেন সৌরভ দাস। কে এই সৌরভ জানেন?


সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির দেশের যুবদের ‘আরশোলা’র সঙ্গে তুলনা করার পরই তৈরি হয় ককরোচ জনতা পার্টি। এরপরই সৌরভ দাস সিজেপিতে যোগ দেন এবং দলের মুখপাত্র হয়ে ওঠেন। দিল্লির বাসিন্দা সৌরভ।


স্পিড ব্রেকারের ওপর দিয়ে উড়ে এল গাড়ি, হাওয়ায় উড়লেন বাইক আরোহী! হাড়হিম ভিডিয়ো বিচলিত করবে আপনাকেও, দেখুন...
সিজেপির সকল সদস্যরাই অল্প বয়সী। অনেকেই এখনও পড়াশোনা করছেন। যেমন দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে বস্টন ইউনিভার্সিটি থেকে পাবলিক রিলেশনে পোস্ট গ্রাজুয়েশন করেছেন। একইভাবে সৌরভ দাসও সাংবাদিকতা নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। জার্নালিজম ও মাস কমিউনিকেশনে স্নাতক তিনি।


কলেজ জীবন থেকেই সাংবাদিকতার প্রতি আগ্রহ তৈরি হয় সৌরভের। একজন সক্রিয় আরটিআই কর্মী হিসেবেও পরিচিত সৌরভ। ক্লাইমেট অ্যাকশন ফ্রন্ট নামক একটি পরিবেশ রক্ষা সংস্থার সহ-প্রতিষ্ঠাতা সৌরভ। ২০১৭ সালে, মাত্র ১৮ বছর বয়সেই সৌরভ তথ্যের অধিকার আইনে একাধিক বিষয়ে মামলা করতে থাকেন এবং সেই মামলা থেকে সত্য তুলে এনে প্রতিবেদন লেখেন।

কোভিড-১৯ মহামারির সময় তিনি মহামারী সম্পর্কিত বিচারাধীন আরটিআই মামলাগুলির দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন সৌরভ। এর পরে কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশনকে (সিআইসি) অনেক বিচারাধীন মামলায় দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হয়েছিল তাঁর চাপেই। আরটিআই-এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে আরোগ্য সেতু অ্যাপ, সোশ্যাল মিডিয়ার উপর সরকারি পদক্ষেপ, জেএনইউ হিংসা মামলা এবং আরও অনেক জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন। টেলিভিশন সংবাদমাধ্যমে যেমন তাঁর আরটিআই মামলা জায়গা পায়, তেমনই সৌরভ নিজেও ক্যারাভান ম্যাগাজিন, আর্টিকেল ১৪, আল জাজিরা, দ্য ওয়ার, দ্য হিন্দু ও নিউ লাইনস ম্যাগাজিনে লিখেছেন।

সৌরভ স্বাধীন অনুসন্ধানী সাংবাদিক হিসাবে কাজ করেন। বর্তমানে কমপ্লিসিট সাইলেন্স: দ্য কোর্টস রোল ইন ইন্ডিয়াস কোয়াইট সাফারিং (Complicit Silence: The Court’s Role in India’s Quiet Suffering) নামে একটি বই লিখছেন, যা দেশের বিচারব্যবস্থার মামলাগুলি বিশ্লেষণ করা হয়েছে। তিনি ‘দ্য জাস্টিস ব্রিফ উইথ সৌরভ দাস’ নামে একটি শো-ও সঞ্চালনা করেছেন।

তিহাড় জেলে বন্দী কিছু অভিযুক্তের সঙ্গে সাক্ষাতের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করার পরও সৌরভ দাসের নাম আলোচনায় আসে। এদের মধ্যে ছিলেন দিল্লি দাঙ্গা মামলার অন্যতম অভিযুক্ত উমর খালিদ। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর রাজনৈতিক পছন্দ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যদিও সৌরভ দাস একাধিকবার স্পষ্ট করেছেন যে কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে তাঁর কোনও সম্পর্ক নেই। তিনি নিজেকে একজন স্বাধীন সাংবাদিক ও সমাজকর্মী হিসেবে বিবেচনা করেন।

যে কাগজপত্র উদ্ধার হয়েছে তাতে দিল্লি এবং মুম্বই সম্পর্কিত কিছু তথ্য রয়েছে। যা দেখেই অনুমান করা হচ্ছে, স্বাধীনতা দিবসের আগে বড়সড় নাশকতার ছক ছিল জঙ্গিদের। একটি বক্সের ভিতরে এই বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক রাখা ছিল।

মিলল কিছু সাংকেতিক শব্দ, ধাতব বাক্সতেই কি না এইসব...বর্ডারে ভয়ঙ্কর ঘটনা
উদ্ধার হওয়া এই বাক্সেই ছিল বিস্ফোরক।

অমৃতসর: স্বাধীনতা দিবসের মুখে ভারতের বুকে বড়সড় হামলার পরিকল্পনা? লক্ষ্য দিল্লি বা মুম্বই? পঞ্জাবের জলন্ধর থেকে উদ্ধার বিপুল পরিমাণে আরডিএক্স (RDX)। বোমা তৈরির সামগ্রীও মিলল এর সঙ্গে।


মুম্বই এবং দিল্লির বুকে বড়সড় নাশকতা রুখল জলন্ধর পুলিশ এবং কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স। জানা গিয়েছে, ভারত-পাক সীমান্ত থেকে প্রায় দেড় ঘন্টা দূরত্বে অবস্থিত জলন্ধরের একটি এলাকা থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রায় ১ কেজি ৩০০ গ্রাম আরডিএক্স।


কাহানি' তে ট্যুইস্ট! বিদ্যাকে সরিয়ে সুজয়ের নতুন 'কাহানি'র মুখ কে?

 রিয়ালে অনিশ্চিত ভিনি, নতুন মরশুমে ব্রাজিলিয়ান তারকাকে নিতে মরিয়া প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব!
একটি বক্সের ভিতরে এই বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক রাখা ছিল। একইসঙ্গে সেখানে রাখা ছিল টাইম মেশিন, বেশ কিছু লোহার বিয়ারিং এবং বোমা তৈরি করার সামগ্রী। এছাড়াও বেশ কিছু কাগজপত্র উদ্ধার হয়েছে। যেখানে সাংকেতিক শব্দ রয়েছে বলে জলন্ধর পুলিশের গোয়েন্দা সূত্রে খবর।


যে কাগজপত্র উদ্ধার হয়েছে তাতে দিল্লি এবং মুম্বই সম্পর্কিত কিছু তথ্য রয়েছে। যা দেখেই অনুমান করা হচ্ছে, স্বাধীনতা দিবসের আগে বড়সড় নাশকতার ছক ছিল জঙ্গিদের।

সীমান্ত দিয়ে স্লিপার সেলের মাধ্যমে এই বিপুল পরিমাণে বিস্ফোরক নিজেদের নেটওয়ার্কের কাছে পৌঁছে দেওয়ার প্ল্যান ছিল। সেই উদ্দেশ্যেই জলন্ধরের একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে রাখা হয়েছিল বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক।

স্থানীয় বাসিন্দারা সন্দেহজনকভাবে সেই বাক্সটি পড়ে থাকতে দেখতে পান এবং পুলিশে খবর দেন। ইতিমধ্যেই জলন্ধর গ্রামীণ পুলিশ এফআইআর দায়ের করেছেন। সাংকেতিক শব্দগুলিতে মূলত কী বলা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখার জন্য বিশেষজ্ঞদের নিয়ে আসা হয়েছে।

বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞদের কথায়, যে বিশাল পরিমাণ বিস্ফোরণ উদ্ধার হয়েছে, তাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারত। বিশেষ করে দিল্লি, মুম্বইয়ের মতো জনবহুল এলাকায় বড়সড় ক্ষতি হতে পারত।

স্বাধীনতা দিবসের আগে জঙ্গিরা দেশের রাজধানী এবং অর্থনৈতিক রাজধানীতে নাশকতার পরিকল্পনা করেছে বলেই অনুমান করছেন গোয়েন্দারা। যে কারণে পঞ্জাবের পাক সীমান্ত অথবা নেপাল সীমান্তকে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে আশঙ্কা গোয়েন্দারা।