June 2026

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শুক্রবার ইরানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন যে তারা হরমুজ প্রণালী থেকে আসা ভারতীয় জাহাজের উপরে ড্রোন হামলা চালানোর চেষ্টা করেছিল। এই হামলা কোনওভাবে মানা যায় না বলেও উল্লেখ করেছেন ট্রাম্প।

 'কোনওভাবেই মানা যায় না...', ভারতীয় নাবিকদের মৃত্যুর দায় ইরানের উপরেই চাপিয়ে দিলেন ট্রাম্প!
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

র্কিন রাষ্ট্রদূতকে। এবার মুখ খুললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে নিজের দেশের দোষ স্বীকার করলেন না, উল্টে দোষ চাপালেন ইরানের উপরে।


মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শুক্রবার ইরানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন যে তারা হরমুজ প্রণালী থেকে আসা ভারতীয় জাহাজের উপরে ড্রোন হামলা চালানোর চেষ্টা করেছিল। এই হামলা কোনওভাবে মানা যায় না বলেও উল্লেখ করেছেন ট্রাম্প।



লোটে মাছের গন্ধ পেয়েই অচেনা বাড়িতে হানা রূপা গঙ্গোপাধ্যায়ের, তারপর যা করলেন বিধায়ক...
ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করে ট্রাম্প দাবি করেছেন, “হরমুজ প্রণালী ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার সময় ভারতীয় জাহাজগুলির ওপর গত রাতে ইরানের চালানো ড্রোন হামলা, যা সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ করে দেওয়া হয়েছে, তা কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”


প্রসঙ্গত, চলতি সপ্তাহেই ওমানের উপকূলে তিনটি তেলবাহী জাহাজে আক্রমণ হয়েছে, যেখানে ভারতীয় ক্রু-রা ছিলেন। পালাউয়ের পতাকা লাগানো একটি জাহাজে হামলায় তিন ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু হয়েছে। 

এই হামলার পরই বিদেশ মন্ত্রকের তরফে বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। ভারত এই হামলাকে অত্যন্ত উদ্বেগের বলেই উল্লেখ করে। একইসঙ্গে অবিলম্বে যেন এই ধরনের হামলা বন্ধ করা হয়, সেই দাবিও করা হয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট যেমন ভারতীয়দের উপরে হামলার দায় ইরানের উপরে চাপিয়েছেন, একইভাবে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ থামাতে শান্তিচুক্তি ‘লিক’ বা ফাঁস করে দেওয়ার অভিযোগও আনেন।

ট্রাম্প বলেন, প্রস্তাবিত চুক্তিটি নিয়ে ইরানের দেওয়া বিবরণীর সঙ্গে “বাস্তবতার কোনও মিল নেই।” তিনি দাবি করেন, ইরানিদের ক্ষেত্রে “সৎ উপায়ে বা সততার সঙ্গে চুক্তি করার মতো কোনও বিষয়ই নেই”। নিজের ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ (Truth Social) প্ল্যাটফর্মে দেওয়া এক বিবৃতিতে ট্রাম্প বলেন, “তাদের নিজেদের শুধরে নেওয়া উচিত, এবং তা খুব দ্রুতই!”

ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও মার্কিন-ইরান চুক্তি সংক্রান্ত “ভুয়ো তথ্য” উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে ইরান কোনও নগদ অর্থ পাচ্ছে না এবং কোনও চুক্তি সই করার জন্য কোনও তহবিলও ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে না। এক্স-(X) হ্যান্ডেলে ভ্যান্স লিখেছেন, “এই চুক্তির কাঠামো এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে আমেরিকা এবং তার বন্ধু দেশগুলির উদ্বেগগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান যদি তাদের প্রতিশ্রুতিগুলি পূরণ করে, তবেই কেবল অর্থনৈতিক সুবিধা তাদের কাছে এবং পুরো অঞ্চলে পৌঁছাবে।”

আজ নেইমারের দেশের বিরুদ্ধে খেলবে মরক্কো, যে মরক্কো গত বিশ্বকাপে চমকে দিয়েছিল গোটা বিশ্বকে। বিশ্বকাপ ইতিহাসের প্রথম আফ্রিকান-আরব দেশ হিসেবে তারা খেলেছিল সেমিফাইনাল। নক আউট পর্বে হারিয়েছিল ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর পর্তুগালকে। ম্যাচের পর রোনাল্ডোর কাঁদতে কাঁদতে বেরিয়ে যাওয়া তো এখনও ফুটবলবিশ্ব ভোলেনি।

 '৯৪ এর স্মৃতি উস্কে আজ বিশ্বকাপে ব্রাজিল, কেমন হবে সেলেকাওদের সম্ভাব্য একাদশ?
আজ খেলবেন নেইমার?


 চার বছর… এই চার বছরে কত কী বদলে যায়। দুনিয়া কত এগিয়ে যায়… কিন্তু বদলায় না একটা জিনিস। বিশ্বকাপ এলেই কলকাতা শহরের রং বদলে যাওয়া। গোটা শহর যেন ভাগ হয়ে যায় তিন ভাগে, ব্রাজিল (Brazil)-আর্জেন্টিনা (Argentina) -পর্তুগাল (Portugal)। সে এখন যতই কিলিয়ান এমবাপে (Kyllian Mbappe), লামিন ইয়ামালরা (Lamine Yamal) সেই ভালবাসায় ভাগ বসাতে আসুন না কেন, দুর্গাপুজো মানেই যেমন নর্থ কলকাতার সাবেকিয়ানা, তেমনই বিশ্বকাপ ফুটবল (FIFA World Cup) মানেই কলকাতার রং হলুদ-সবুজ বা নীল-সাদা বা লাল। এই বছরেও তার অন্যথা হয়নি। গোটা শহর মুড়ে গিয়েছে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, পর্তুগালের পতাকায়। দেওয়ালে দেওয়ালে আঁকা হয়েছে নেইমার জুনিয়র (Neymar JR.), লিও মেসি (Leo Messi), ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোদের (Christiano Ronaldo) ম্যুরাল। রাস্তায় উপরে টাঙানো হয়েছে ইয়াব্বড় পতাকা। যে পতাকা আগামী দেড়মাস উজ্জ্বল থাকবে এভাবেই।


এমনই এক রবি রাতে বিশ্বকাপ ২০২৬ এ নিজেদের প্রথম ম্যাচে নামতে চলেছে ব্রাজিল। পেলের ব্রাজিল, রোনাল্ডোর ব্রাজিল, রোনাল্ডিনহো-কাকার ব্রাজিল, কার্লো আন্সেলোত্তির ব্রাজিল, নেইমার জুনিয়রের ব্রাজিল, ভিনি-রাফিনহা জুটির ব্রাজিল। যে ব্রাজিল ২০০২ সালের পর বিশ্বকাপ জেতেনি, কিন্তু তবুও একটুও ফিকে হয়নি যার পতাকার রং। ১% ও কমেনি যার সমর্থন, উল্টে এই ইউরোপীয় ফুটবলের বিশ্বায়নের চক্করে বেড়েছে। আজ নেইমারের দেশের বিরুদ্ধে খেলবে মরক্কো, যে মরক্কো গত বিশ্বকাপে চমকে দিয়েছিল গোটা বিশ্বকে। বিশ্বকাপ ইতিহাসের প্রথম আফ্রিকান-আরব দেশ হিসেবে তারা খেলেছিল সেমিফাইনাল। নক আউট পর্বে হারিয়েছিল ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর পর্তুগালকে। ম্যাচের পর রোনাল্ডোর কাঁদতে কাঁদতে বেরিয়ে যাওয়া তো এখনও ফুটবলবিশ্ব ভোলেনি। এই মরক্কোর বিরুদ্ধে আজ (ভারতীয় সময় আগামীকাল রাত) কাপ অভিযানে নামছে ব্রাজিল।


লোটে মাছের গন্ধ পেয়েই অচেনা বাড়িতে হানা রূপা গঙ্গোপাধ্যায়ের, তারপর যা করলেন বিধায়ক...
টলিউডে শুটিংয়ের জন্য ইমেল করতে হবে? কী কাণ্ড ঘটেছে জানুন!
ম্যাচ শুরুর আগে চর্চায় একজনই। নেইমার দ্য সিলভা স্যান্টোস জুনিয়র। যা শোনা গিয়েছে, প্রথম ম্যাচে নেইমারকে ছাড়াই নামতে হবে সেলেকাওদের। একই সঙ্গে রিয়াল মাদ্রিদের প্রাক্তন ‘ডন কার্লো’-রও এটি ব্রাজিলের কোচ হিসেবে বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচ। তবে কেমন হতে পারে নেইমারহীন ব্রাজিলের প্রথম একাদশ? যা শোনা গিয়েছে দলে থাকবেন, কিপার হিসেবে অ্যালিসন, চার ডিফেন্ডার হলেন ড্যানিলো (রাইট ব্যাক), স্যান্ড্রো (লেফট ব্যাক), দুই সেন্ট্রাল ব্যাক থাকবেন গ্যাব্রিয়েল মার্গেলহাস, মার্কুইনহোস। মাঝমাঠে থাকবেন ক্যাসেমিরো, ব্রুনো গুইমারেস, লুকাস পাকুয়েতা। দুই উইং সামলাবেন রাফিনহা ও ভিনি জুনিয়র। ফরোয়ার্ডে ম্যাথেউজ কুনহা। এর মধ্যে যদি বিপক্ষ চাপ বাড়ায়, তাহলে ৪-২-৩-১ থেকে ব্রাজিল দল চলে যাবে ৪-৪-২ ফর্মেশনে। যেখানে আরও বেশি করে আক্রমণে যাওয়ার সুযোগ পাবেন ভিনি-রাফিনহারা। উল্টো দিকে শোনা গিয়েছে চিরাচরিত ৪-৩-৩ ফর্মেশনে নামবে মরক্কো। দলে থাকবেন পিএসজি-র রাইট ব্যাক আশরাফ হাকিমী ও উইং সামলাবেন রিয়াল মাদ্রিদের ব্রাহিম দিয়াজ। সেন্টার ফরোয়ার্ড হিসেবে থাকবেন সাইবারি। গোলে সেই ইয়াসিন বোনু, যাঁর গোলকিপিং দক্ষতায় মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিল কাতার-সহ গোটা বিশ্ব।


গ্ৰুপ সি-র গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে আজ মেটলাইফ স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হচ্ছে দুই দল। এই গ্ৰুপে মরক্কো ছাড়াও হাইতি ও স্কটল্যান্ডের সঙ্গে খেলবে ব্রাজিল। সেই দুই ম্যাচে নেইমার খেলেন কি না, সেই দিকে যেমন নজর থাকবে দর্শকদের, তেমনই এই বিশ্বকাপ যেন ব্রাজিলের ঘরেই ফেরে, ‘মিশন হেক্সা’ যেন সম্পন্ন হয়, সেটাও চান দর্শকরা। শেষবার যখন আমেরিকায় বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছিল, এই দেশেই যে বিশ্বকাপ (১৯৯৪) পেয়েছিলেন কাফু-রোনাল্ডোরা, ভুলে গেলে চলবে?

কল্যাণ সাফ বলছিলেন, “এত ঔদ্ধত্যের কী আছে! সময় থাকতে শিক্ষা পেল না। আমি তো ক্যামাক স্ট্রিটের কর্মী নই। আজকে বুঝতে হবে, ওর জন্য দলটার সর্বনাশ হয়েছে। এখনও যদি ওটা না বোঝে, তাহলে কিছু করার নেই।” কিন্তু কল্যাণ নিয়ে বলতে গিয়ে একটুকুও মাথা গরম করলেন না অভিষেক।


কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আমাকে মানুষ করেছেন, তাই কটু কথা বলার অধিকার রয়েছে’, ‘অ্যারোগেন্ট’ অভিষেকের ভোলবদল?
আর কী বললেন অভিষেক?


 ‘অভিষেকের জন্যই দলের সর্বনাশ হয়েছে। মমতাকে বাছতে হবে হয় আমি, নয় অভিষেক।’ একদিন আগেই চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তৃণমূলের হেভিওয়েট সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। একদা এই কল্যাণই অভিষেকের হয়ে একের পর এক মামলা লড়েছেন। আবার একদিন আগে এই কল্যাণই অভিষেকের বিরুদ্ধে ঔদ্ধত্যের অভিযোগ এনে অভিষেকের রক্ষাকবচ মামলা থেকে সরেও দাঁড়িয়েছেন। কিন্তু এবার অভিষেকের গলায় কল্যাণকে নিয়ে অন্য সুর।  


কল্যাণ সাফ বলছিলেন, “এত ঔদ্ধত্যের কী আছে! সময় থাকতে শিক্ষা পেল না। আমি তো ক্যামাক স্ট্রিটের কর্মী নই। আজকে বুঝতে হবে, ওর জন্য দলটার সর্বনাশ হয়েছে। এখনও যদি ওটা না বোঝে, তাহলে কিছু করার নেই।” কিন্তু কল্যাণ নিয়ে বলতে গিয়ে একটুকুও মাথা গরম করলেন না অভিষেক। উল্টে খানিক কৃতজ্ঞতার সুরে বললেন, ‘কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের অধিকার রয়েছে আমাকে নিয়ে কথা বলার।’ কিন্তু কেন? তাও খোলসা করলেন অভিষেক।



সেক্টর ফাইভে বিজেপির পার্টি অফিসে হাজির বিতর্কিত সিপিএম নেতা তন্ময় ভট্টাচার্য
এদিন ডিজে মামলার তদন্তে অভিষেকের বাড়িতে নোটিস দিতে আসে সিআইডি। কিন্তু প্রায় আড়াই ঘণ্টা সিআইডিকে অপেক্ষা করিয়ে শেষে বাড়িতে আসেন অভিষেক। সেখানেই বিজেপির বিরুদ্ধে সুর চড়াতে গিয়েই উঠে আসে কল্যাণের প্রসঙ্গ। চেনা ছন্দ, স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গি থেকে খানিক সরে অভিষেক বলেন, “কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের অধিকার রয়েছে আমাকে নিয়ে কথা বলার। অধিকার রয়েছে চারটে কটু কথা বলার। ছোট থেকে মানুষ করেছেন। বড় হতে দেখেছেন।” এরপরই দরাজ কণ্ঠে তাঁর সংযোজন, “আমি ওনার কথা খারাপ ভাবে নিই না। ওনার হয়তো কোনও ঘটনা খারাপ লাগতে পারে, তাই বলেছেন। আমার কোনও ব্যক্তিগত ক্রোধ বা ক্ষোভ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে নিয়ে নেই। আমি তাঁকে আগেও সম্মান করতাম, আগামীতেও করব।”
তৃণমূলের তরফে রাজ্য সভানেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য চিঠি পাঠিয়েছেন কালীগঞ্জের বিধায়ক আলিফা আহমেদকে। মহিলা তৃণমূলের সভানেত্রীর পদ এতদিন সামলেছেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তাঁকে রাজ্য সভাপতির পদে এনে মহিলা সংগঠনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল কলকাতা দক্ষিণের সাংসদ মালা রায়কে।

সামনে এসেছে সই, ইস্তফা দিলেন মালা রায়
মালা রায়

 তৃণমূলের মহিলা কংগ্রেসের চেয়ারপার্সন পদ থেকে ইস্তফা দিলেন মালা রায়। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন তিনি। কাকলি ঘোষ দস্তিদারের বিক্ষুব্ধ সংসদীয় দল রয়েছে, তাতে ১৮ নম্বরে সই রয়েছে মালা রায়ের। এই দুইয়ের মধ্যে কোথাও কোনও সংযোগ রয়েছে কিনা, আদৌ তিনি তৃণমূলে থাকবেন কিনা, তা এখনও পরিষ্কার নয়।


ইতিমধ্যেই সূত্রের খবর, তৃণমূলের তরফে রাজ্য সভানেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য চিঠি পাঠিয়েছেন কালীগঞ্জের বিধায়ক আলিফা আহমেদকে। মহিলা তৃণমূলের সভানেত্রীর পদ এতদিন সামলেছেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তাঁকে রাজ্য সভাপতির পদে এনে মহিলা সংগঠনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল কলকাতা দক্ষিণের সাংসদ মালা রায়কে। যিনি আবার কলকাতা পুরসভারও চেয়ারপার্সন।


উনি যেভাবে মা কালীকে…’, মহুয়াকে ‘সবক’ শেখাতে পচা ডিম-টমেটো নিয়ে আদালতে হাজির জনতা
বিপর্যয়ের সময়ে কাকলী ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে যে বিক্ষুব্ধ দলীয় সাংসদরা NDA তে যোগদানের ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন, সেই তালিকাতেও নাম রয়েছে মালা রায়ের। একটি চিঠি সামনে এসেছে, সেখানে সই করেছেন বিক্ষুব্ধ সাংসদরা। তাতে ১৮ নম্বরে নাম রয়েছে দক্ষিণ কলকাতার সাংসদ মালার।


মালা রায় সম্পর্কে কুণাল বলেন, “মালা দি-কে শ্রদ্ধা করি। তিনি অসুস্থ। ভালো করে হাঁটতে পারেন না, পায়ে প্রচণ্ড ব্যাথা। তারপরও দল তাঁকে সময়, সুযোগ দিয়ে সাংসদ করেছে। পুরনিগমের চেয়ারপার্সনও তিনি। তাঁদেরও যদি মনে হয় শিবির বদল করতে হবে, তা অত্যন্ত দুঃখের।”

 এদিন উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়িতে। রবিবার ভারী বৃষ্টি হতে পারে শুধুমাত্র জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে। সেখানে সোমবার ও মঙ্গলবার ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে জলপাইগুড়ি আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে।

২-৩ দিনের মধ্যে মেজাজটাই বদলে ফেলছে বর্ষা, কী আপডেট দিল আবহাওয়া দফতর
কী বলছে হাওয়া অফিস?

 একটু দেরি হলেও প্রায় গোটা বাংলায় হাজির বর্ষা। পুরুলিয়ার কিছুটা অংশ ছাড়া গোটা দক্ষিণবঙ্গ জুড়েই মৌসুমি বায়ু। হাওয়া অফিস বলছে, ২-৩ দিনের মধ্যে গোটা রাজ্যই মুড়ে ফেলবে বর্ষা। তবে বর্ষা এলেও ভারী বৃষ্টির আশা নেই দক্ষিণবঙ্গে। মৌসুমি বায়ু পুরোদমে সক্রিয় শুধু উত্তরবঙ্গে। আগামী কয়েকদিন উত্তরবঙ্গে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকছে। উত্তরবঙ্গ পেরিয়ে বিহারের কিছু অংশ ঢুকে পড়েছে মৌসুমী বায়ু।


এদিন উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়িতে। রবিবার ভারী বৃষ্টি হতে পারে শুধুমাত্র জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে। সেখানে সোমবার ও মঙ্গলবার ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে জলপাইগুড়ি আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে। বাকি জেলাগুলিতেও বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হতে পারে। বুধবার আবার উত্তরের জেলাগুলিতে বৃষ্টির মাত্রা এক ধাক্কায় অনেকটাই বেড়ে যেতে পারে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি- সহ কমবেশি সব জেলাতেই বিক্ষিপ্তভাবে চলবে বৃষ্টি। 

গত মার্চ মাসে অর্থাৎ বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে ধর্মতলার একটি মঞ্চ থেকেই ওই বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঞ্চ থেকেই বলেছিলেন, “আমরা আছি বলে আপনারা সবাই ভালো আছেন। যদি আমরা না থাকি তখন এক সেকেন্ড লাগবে! একটা কমিউনিটি যখন জোট বাঁধে না...।"

সবার সামনে উনি বলুন, কোন কমিউনিটি', মমতার কাছে দাবি অভিযোগকারীর
অভিযোগকারী ব্যবসায়ী

এক বিশেষ মন্তব্যের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের (Mamata Banerjee) বিরুদ্ধে তিনটি ধারায় এফআইআর (FIR) দায়ের করা হয়েছে। একটি জামিন অযোগ্য ও দুটি জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা করা হয়েছে মমতার বিরুদ্ধে। যিনি অভিযোগ দায়ের করেছেন, সৌরিশ মুখোপাধ্যায় নামে সেই ব্যবসায়ীর দাবি, মমতার ওই মন্তব্যের জন্য তাঁর বিরুদ্ধে পুলিশেরই স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করা উচিৎ ছিল। মন্তব্যের ব্যাখ্যা দেওয়া উচিৎ বলেও দাবি করেছেন তিনি।


গত মার্চ মাসে অর্থাৎ বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে ধর্মতলার একটি মঞ্চ থেকেই ওই বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঞ্চ থেকেই বলেছিলেন, “আমরা আছি বলে আপনারা সবাই ভালো আছেন। যদি আমরা না থাকি তখন এক সেকেন্ড লাগবে! একটা কমিউনিটি যখন জোট বাঁধে না, তখন ঘিরে ফেললে ১ সেকেন্ডে দেবে একদম ১২টা বাজিয়ে দেবে। যদি নিজেদের ১৩টা বাজাতে না চান তাহলে বিজেপির অপ্রচারে ভুল বুঝবেন না।” এই মন্তব্যকে উস্কানিমূলক বলে অভিযোগ করেই এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।


আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়ের খোঁজেই অভিষেকের বাড়িতে পুলিশ, কেন?
দারুণ কাজ, বিধায়ক রুদ্রনীলের গালে চুমু মুনমুন সেনের, কোথায় ঘটল এমন?
অভিযোগকারী ব্যবসায়ী বলেন, “ওরকম একজন পদাধিকারী কী করে এমন একটা কথা বলে দিতে পারেন। সাধারণ মানুষ, যাঁর মাথায় একটুও সেন্স আছে, তিনি এই মন্তব্য করবেন না। পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করতে পারত। করেনি যখন কাউকে না কাউকে তো করতে হবে।” এই মন্তব্যের জন্য হেয়ার স্ট্রিট থানায় এফআইআর দায়ের হয়েছে।


মন্তব্যের ব্যাখ্যা চেয়ে ওই ব্যবসায়ী বলেন, “উনি সবার আগে এসে বলুন, উনি কোন কমিউনিটির কথা বলতে চেয়েছেন। পুলিশ পুলিশের কাজ করুক। মানুষ তাকিয়ে আছে পুলিশের দিকে।”

এই বছরের গোড়ার ঘটনা। বছরের প্রথম সপ্তাহে গায়িকা দেবলীনা নন্দী এক রাতে জীবন শেষ করে দিতে চেয়েছিলেন। গানের শো করে ফেরার পথে ঘুমের ওষুধ খান। এরপর তাঁর বর প্রবাহ নন্দীর সঙ্গে নানা সমস্যার কথা উঠে আসে দেবলীনার সঙ্গে সাক্ষাত্‍কারে। প্রবাহ পেশায় পাইলট। এদিকে দেবলীনা-প্রবাহর বৈবাহিক জীবনের প্রচুর ভিডিয়ো দেখা যেত সোশ্যাল মিডিয়ায়।
'

সমাজ মাধ্যমে পোস্ট করবে, নয় জীবন শেষ করে দেবে', কোন ঘটনা বললেন প্রবাহ


এই বছরের গোড়ার ঘটনা। বছরের প্রথম সপ্তাহে গায়িকা দেবলীনা নন্দী এক রাতে জীবন শেষ করে দিতে চেয়েছিলেন। গানের শো করে ফেরার পথে ঘুমের ওষুধ খান। এরপর তাঁর বর প্রবাহ নন্দীর সঙ্গে নানা সমস্যার কথা উঠে আসে দেবলীনার সঙ্গে সাক্ষাত্‍কারে। প্রবাহ পেশায় পাইলট। এদিকে দেবলীনা-প্রবাহর বৈবাহিক জীবনের প্রচুর ভিডিয়ো দেখা যেত সোশ্যাল মিডিয়ায়। এই ঘটনার পর মুখ খুলেছেন দেবলীনা। বলেছেন তাঁর নানা অভিযোগের কথা। তবে এত দিন একদম চুপ করে ছিলেন প্রবাহ। বারংবার মিডিয়ার ফোন এড়িয়ে গিয়েছেন। ছ’ মাস পর প্রথমবার টিভি নাইন বাংলার সঙ্গে কথা বলেছেন প্রবাহ।


সেই সাক্ষাত্‍কারে প্রবাহ দাবি করেন, ”দেবলীনা কিন্তু এমনিতে খুব শর্ট টেম্পারড। ও আমাকে চড় মেরেছে, আবার পা ধরে ক্ষমাও চেয়েছে। এফআইআর-এ ও লিখেছে যে, আমি ওঁকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেছি। আমরা যখন বেড়াতে গিয়েছি, তখনও আমাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হতো। ও চাইত, আমি ওঁর সব কথায় ‘হ্যাঁ’ বলব। ‘ও মদ খেয়ে আমাকেও বলেছে যে, ঘুমের ওষুধ খেয়ে মরতে চাই’। যাই হোক, ও বলে আমি সমাজ মাধ্যমে গিয়ে বলব। ওটা কি কোনও আদালত? দেবলীনা বলে, হয় সমাজ মাধ্যমে পোস্ট করবে, নয় জীবন শেষ করে দেবে। বা পলিটিকাল কানেকশন ব্যবহার করবে। এই ঘটনার পর আমার পরিবার খুব খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে গিয়েছে।”



সবার সামনে উনি বলুন, কোন কমিউনিটি', মমতার কাছে দাবি অভিযোগকারীর
এই সাক্ষাত্‍কার সামনে আসার পর সমাজ মাধ্যমে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করা হয়। যেখানে দেখা যাচ্ছে, গায়িকা দেবলীনা নন্দী বলছেন, ”গাড়িতে ঘুমের ওষুধ আছে, আমাকে এনে দে, রোজ-রোজ মরার চেয়ে একেবারে মরে যাই…” যে ভিডিয়ো দেখে বোঝা যায়, এই বছরের গোড়ায় জীবন শেষ করে দেওয়ার চেষ্টা করার আগেও, অতীতে জীবন শেষ করে দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন দেবলীনা। সেই সময় তাঁকে পরিচিত কোনও মহিলা বোঝানোর চেষ্টা করছেন, এমন করা ঠিক নয়।

দুবাইয়ের একটি কোম্পানির কর্মীরা মিনিবাসে করে যাচ্ছিলেন। রাস্তায় একটি ট্রাক দাঁড়িয়েছিল যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে। সেই ট্রাকের পিছনে গিয়ে ধাক্কা মারে ওই মিনিবাসটি। নিহত যাত্রীদের মধ্যে ভারতের নাগরিক যেমন ছিল, তেমনই শ্রীলঙ্কা ও নেপালের নাগরিকরাও ছিলেন।


দুবাইয়ে পথ দুর্ঘটনায় নিহত-আহতদের ২.৬ কোটি টাকার আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা ডঃ শামসেরের
দুবাইয়ে নিহত ও আহতদের আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা।

ভয়ঙ্কর পথদুর্ঘটনা দুবাইতে। মিনিবাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে সাতজন ভারতীয় নাগরিকের। আহত আরও নয়জন। চলতি সপ্তাহের সোমবার (৯ জুন) এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ও আহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন অনাবাসী উদ্যোগপতি ও সমাজসেবী ডঃ শামসের ভায়ালিল। তিনি ২.৬ কোটি টাকার আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করেছেন।


দুবাইয়ের এমিরেটস রোডে গত ১০ জুন পথ দুর্ঘটনায় সাতজন কর্মীর মৃত্যু এবং যে নয়জন আহত হয়েছিলেন, তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন বুর্জিল হোল্ডিংয়ের চেয়ারম্যান তথা সিইও ডঃ শামসের ভায়ালিল। শুধুমাত্র আর্থিক সাহায্যই নয়, তাদের দুবাই যাওয়ার খরচ, থাকার খরচ, এমনকী নিহতদের পরিবারের সন্তানের পড়াশোনার দায়িত্বও নেবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।


 আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়ের খোঁজেই অভিষেকের বাড়িতে পুলিশ, কেন?
জানানো হয়েছে, ওই দুর্ঘটনায় যে সাতজন প্রাণ হারিয়েছন, তাদের পরিবার পিছু ২৬ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য করা হবে। নয়জন আহতদের জন্য ৪৭ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে তাদের চিকিৎসার প্রয়োজন অনুযায়ী। এর মধ্যে ১৮ লক্ষ টাকা ধার্য করা হয়েছে আহতদের পরিবারের সদস্যদের ইমার্জেন্সি ট্রাভেল ও থাকার জন্য। ১৩ লক্ষ টাকা দেওয়া হবে সন্তানদের পড়াশোনার খরচের জন্য।


এই প্যাকেজ এমনভাবেই ডিজাইন করা হয়েছে, যাতে সেই পরিবারগুলি বিশেষভাবে সাহায্য পায়, যাদের পরিবারের একক উপার্জনকারীর মৃত্যু হয়েছে দুর্ঘটনায়। যাদের পরিবারে ছোট ছোট সন্তান রয়েছে, তাদেরও বিশেষ প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।

কীভাবে হয়েছিল দুর্ঘটনা?
দুবাইয়ের একটি কোম্পানির কর্মীরা মিনিবাসে করে যাচ্ছিলেন। রাস্তায় একটি ট্রাক দাঁড়িয়েছিল যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে। সেই ট্রাকের পিছনে গিয়ে ধাক্কা মারে ওই মিনিবাসটি। নিহত যাত্রীদের মধ্যে ভারতের নাগরিক যেমন ছিল, তেমনই শ্রীলঙ্কা ও নেপালের নাগরিকরাও ছিলেন। ভারতের ছয়জন নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে তিনজন উত্তর প্রদেশের এবং তিনজন তেলঙ্গানার বাসিন্দা। আহত নয়জনের মধ্যে আটজনই ভারতীয়। একজন নেপালের নাগরিক রয়েছেন। ইতিমধ্যেই পাঁচজন আহতকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

দুবাইয়ে ভারতীয় কনস্যুলেটের তরফে সাহায্য করা হচ্ছে নিহত ও আহতদের পরিবারকে যোগাযোগ ও আসা-যাওয়ার জন্য।

দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করে ডঃ শামসের বলেছেন, “এই দুঃখজনক দুর্ঘটনায় বহু পরিবার প্রভাবিত হয়েছে। এই কর্মীরা অনেক স্বপ্ন, আশা ও দায়িত্ব নিয়ে এসেছিলেন। কোনও আর্থিক সাহায্য এই ক্ষতি পূরণ করতে পারে না, তবে আমরা আশা করছি যে শোকাহত পরিবারকে এই আর্থিক সহায়তা কিছুটা সাহায্য করবে।”

প্রসঙ্গত, এই প্রথম নয়, এর আগেও ডঃ শামসের বিভিন্ন সময়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। গত বছর আহমেদাবাদে এয়ার ইন্ডিয়া বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত মেডিক্যাল পড়ুয়াদের পরিবারকে ৬ কোটি টাকার আর্থিক সাহায্য করেছিলেন।

অসমের জোরহাটে ভেঙে পড়ল ভারতীয় বায়ুসেনার এএন-৩২ বিমান। শনিবার সকালে জোরহাটে এয়ারবেসে অবতরণের সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে। নামার পরই বিমানে আগুন ধরে যায়। এখনও পর্যন্ত আহত বা নিহতের কোনও খবর মেলেনি।

আকাশ থেকে ভেঙে পড়ল বায়ুসেনার AN-32 বিমান, পড়া মাত্রই ধরে গেল আগুন
ভেঙে পড়ল বায়ুসেনার বিমান।

ভয়াবহ দুর্ঘটনার মুখে বায়ুসেনার বিমান। অসমের জোরহাটে ভেঙে পড়ল ভারতীয় বায়ুসেনার এএন-৩২ বিমান। শনিবার সকালে জোরহাটে এয়ারবেসে অবতরণের সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে। নামার পরই বিমানে আগুন ধরে যায়। এখনও পর্যন্ত আহত বা নিহতের কোনও খবর মেলেনি। কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তাও আন্দাজ করা যাচ্ছে না এই মুহূর্তে।


শনিবার সকালে অসমের জোরহাটে মিলিটারি বেসে অবতরণ করছিল বায়ুসেনার এএন-৩২ ট্রান্সপোর্ট বিমান। সেই সময় দুর্ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছিল, বিমান অবতরণের আগেই আগুন লেগে গিয়েছিল বিমানে, তবে পরে জানা যায় বিমানটি ভেঙে পড়ার পর তাতে আগুন ধরে যায়। কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।





বিমানের পাইলটের এখনও কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। আশঙ্কা করা হচ্ছে, দুর্ঘটনায় বায়ুসেনার বিমানের পাইলটের মৃত্যু হয়েছে দুর্ঘটনায়। তবে বায়ুসেনার তরফে কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি।

দুর্ঘটনার পর বায়ুসেনার তরফে বিবৃতি প্রকাশ করে বলা হয়েছে, “জোরহাটে আজ বায়ুসেনার এএন-৩২ বিমান দুর্ঘটনার মুখে পড়ে। বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।”

সুকুমারের মামার বাড়ি ছিল জামগড়া গ্রামে। সেই সূত্রেই তাঁর সঙ্গে বিউটির পরিচয়। ধীরে ধীরে তা ভালোবাসার সম্পর্কের রূপ নেয়। যদিও সুকুমার বিয়ে হয়েছে আগেই। বিউটিরও বিয়ে ঠিক হয়ে গিয়েছিল বীরভূমের দুবরাজপুর এলাকায়।


রবিবার বিয়ে! আগের দিনই পাশের গ্রামের বিবাহিত যুবকের সঙ্গে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার তরুণীর
শোকের ছায়া পরিবারে

 সাতসকলে যুবক-যুবতীর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য দুর্গাপুর ফরিদপুর ব্লকের জামগড়া গ্রামে। গ্রাম থেকে কিছুটা দূরে দু’জনকে ঝুলতে দেখেন এলাকার বাসিন্দারা। খবর চাউর হতেই রীতিমতো শোরগোল পড়ে যায় এলাকায়। সুকুমার বাগদি ও বিউটি বাগদি নামে ওই যুগলের মধ্যে দীর্ঘদিন থেকেই তাঁদের মধ্যে প্রণয়ের সম্পর্ক ছিল। এর মধ্যে মৃত যুবক অন্ডালের দক্ষিণখন্ড গ্রামের বাসিন্দা, এবং যুবতীটি জামগড়া গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। 


সুকুমারের মামার বাড়ি ছিল জামগড়া গ্রামে। সেই সূত্রেই তাঁর সঙ্গে বিউটির পরিচয়। ধীরে ধীরে তা ভালোবাসার সম্পর্কের রূপ নেয়। যদিও সুকুমার বিয়ে হয়েছে আগেই। বিউটিরও বিয়ে ঠিক হয়ে গিয়েছিল বীরভূমের দুবরাজপুর এলাকায়। কয়েকদিন পরেই ছিল বিয়ের অনুষ্ঠান। কিন্তু এরইমধ্যে এ ঘটনায় স্বভাবতই শোরগোল পড়ে গিয়েছে এলাকায়। 




স্থানীয় বাসিন্দাদের সন্দেহ তাঁদের ভালোবাসা কখনও পরিণতি পাবে না ভেবেই চরম সিদ্ধান্তের পথে হেঁটেছেন এই যুগল। শনিবার সকালে তাদের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় গ্রামের পাশেই একটা বাঁশঝোপের সামনে থেকে। এলাকার লোকজনই খবর দেন পুলিশে। ইতিমধ্যেই ফরিদপুর থানার পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে গিয়েছে। একইসঙ্গে ঘটনার গভীরে যেতে পুলিশ কথা বলছে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেই। দুই পরিবারেই নেমেছে শোকের ছায়া। এলাকার এক বাসিন্দা বিধান বাগদি বলছেন, ওরা দুজন দুজনকে ভালোবাসতো। রবিবার মেয়েটার বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। এরমধ্যেই তো এই ঘটনা ঘটে গেল। ওদের ভালোবাসা কেউ মেনে নেবে না ভেবেই হয়তো এটা করেছে। 

বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হিসাবে বর্ষীয়ান তৃণমূল বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রস্তাবের চিঠিকে কেন্দ্র করে সেই বিতর্কের সূত্রপাত। অভিযোগ ওঠে, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক স্পিকার রথীন্দ্র বসুকে যে প্রস্তাব পাঠান, তাতে অনেক তৃণমূল বিধায়কের সই ‘জাল’ করা হয়েছে। আর এই অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে ঋতব্রত।


জেতার দলে ভিড় জমানো সহজ, হেরোদের দলে টিকে থেকে লড়াই চালাতে দমের প্রয়োজন', অনেক কিছুই বলে ফেললেন ঋতব্রতর স্ত্রী
ডান দিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী


তাঁর স্বামী তৃণমূলের বিধায়ক। বিক্ষুদ্ধ। তাঁর হাত ধরেই তৈরি হয়েছে নতুুন তৃণমূল। যার পোশাকি নাম তৃণমূল ব্লক। তিনি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। সিপিএম থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পর নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে রাজ্যসভার সাংসদ হিসাবে পাঠিয়েছিলেন। এরপর বিধায়কের টিকিট। আর দলের বিপর্যয়ের সময়ে সেই তিনিই নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছেড়ে নয়া অস্তিত্ব স্থাপনের চেষ্টায় মত্ত! তৃণমূল এখন অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই চালাচ্ছে। ইতিমধ্যেই তাঁর নামের আগে বসেছে ‘বিশ্বাসঘাতক’ তকমা। এহেন পরিস্থিতিতে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী দুর্বা সেন বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের সামাজিক মাধ্যমে করলেন একটি পোস্ট। যা শেয়ার করলেন কুণাল ঘোষ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যা যথেষ্টই ইঙ্গিতবাহী। দুর্বা মায়া অ্যাঞ্জেলুর বিখ্যাত পংক্তি উল্লেখ করে লিখলেন, “সাহস সব গুণের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সাহস ছাড়া অন্য কোনও গুণকে ধারাবাহিকভাবে চর্চা করা যায় না।”


আর এর ব্যাখ্যা দিতে দিয়ে এক ‘সাধু’ ও এক ‘যুবকের’ নীতিগল্পও উল্লেখ করেছেন তিনি।

থাকবে না 'এপাং, ওপাং' থেকে 'হাম্বা', রাজ্যের সব লাইব্রেরি থেকে সরছে মমতার বই, ঘোষণা মন্ত্রীর



বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হিসাবে বর্ষীয়ান তৃণমূল বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রস্তাবের চিঠিকে কেন্দ্র করে সেই বিতর্কের সূত্রপাত। অভিযোগ ওঠে, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক স্পিকার রথীন্দ্র বসুকে যে প্রস্তাব পাঠান, তাতে অনেক তৃণমূল বিধায়কের সই ‘জাল’ করা হয়েছে। আর এই অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে ঋতব্রত। এখন তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত ঋতব্রত। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার ত্রয়োদশ বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। তাঁর এই দাবি ও সমর্থনের ভিত্তিতে স্পিকার বিধানসভায় তাঁর ঘরও খুলে দিয়েছেন। তাঁর হাত ধরেই এখন বিরোধীদের দখলে মমতার পরিষদীয় দল। কিন্তু এই হাজারও বিতর্কের মাঝে সিপিএম থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পর ঋতব্রত রাজনৈতিক কেরিয়ার নতুন করে দিশা দেখেছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরেই। নির্বাচনের আগে ঋতব্রতকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘সহযোদ্ধা’ হিসাবে পাশে থাকতে দেখা গিয়েছে। সেই ঋতব্রতই দলের দুঃসময়ে সুর চড়িয়েছেম দলের একনায়কতন্ত্র-দুর্নীতির বিরুদ্ধে। তৃণমূলের অন্দরেই সমান্তরাল একটি অক্ষরেখা তৈরি করেছেন।

এবার প্রশ্ন, তাহলে তাঁর স্ত্রী এই পোস্ট কার উদ্দেশে? যদিও পোস্টের নীতি তিনি লিখেছেন, “এই পোস্টটি একান্ত ব্যক্তিগত এবং এর সাথে রাজনীতির কোনো যোগ নেই।” 
এই পোস্টটাই শেয়ার করেছেন কুণাল ঘোষ। তিনি বললেন, “পড়লাম, ভাল লাগল।”

 বিদ্যুৎ বণ্টনজনিত আর্থিক ক্ষতি কমানো এবং ডিসকমগুলির (DISCOMs) আর্থিক হাল ফেরানোই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা (WBSEDCL) ইতিমধ্যেই প্রথম পর্যায়ে তাদের ৫৫৪টি কাস্টমার কেয়ার সেন্টারের (CCC) মধ্যে ১০৩টি এলাকায় স্মার্ট মিটার বসানোর কাজ শুরু করে দিয়েছে। বাকি এলাকাগুলিতেও ধাপে ধাপে এই মিটার স্থাপন করা হবে।


অনেক দিন ধরেই কথা চলছিল, এবার বাধ্যতামূলক, করতেই হবে! সরকারি কর্মীদের জন্য বড় নির্দেশিকা নবান্নের
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

 বিদ্যুৎ বণ্টন ব্যবস্থা সংস্কার ও আধুনিকীকরণে বড় পদক্ষেপ রাজ্য সরকারের। কেন্দ্রীয় সরকারের আরডিএসএস (RDSS) প্রকল্পের আওতায় এবার রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বাড়িতে বাধ্যতামূলকভাবে স্মার্ট বিদ্যুৎ মিটার বসানোর নির্দেশ দিলেন মুখ্য সচিব। এই নির্দেশিকার আওতায় কেবল মূল সরকারি দফতরের কর্মীরাই নন, রয়েছেন প্যারাস্টেটাল, রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা (PSU), কর্পোরেশন এবং সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরাও।


বিদ্যুৎ বণ্টনজনিত আর্থিক ক্ষতি কমানো এবং ডিসকমগুলির (DISCOMs) আর্থিক হাল ফেরানোই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা (WBSEDCL) ইতিমধ্যেই প্রথম পর্যায়ে তাদের ৫৫৪টি কাস্টমার কেয়ার সেন্টারের (CCC) মধ্যে ১০৩টি এলাকায় স্মার্ট মিটার বসানোর কাজ শুরু করে দিয়েছে। বাকি এলাকাগুলিতেও ধাপে ধাপে এই মিটার স্থাপন করা হবে।


সেক্টর ফাইভে বিজেপির পার্টি অফিসে হাজির বিতর্কিত সিপিএম নেতা তন্ময় ভট্টাচার্য
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:


বিলিং ব্যবস্থা: নতুন স্মার্ট মিটারগুলি আপাতত বর্তমানের মতো পোস্ট-পেইড পদ্ধতিতেই চলবে। বিলিং ব্যবস্থায় এখনই কোনও বদল আসছে না।

প্রি-পেইড বিকল্প: মিটার স্থাপনের পর কোনও গ্রাহক যদি চান, তবে তিনি স্বেচ্ছায় প্রি-পেইড ব্যবস্থায় স্যুইচ করতে পারবেন।

যে সমস্ত সরকারি কর্মী WBSEDCL এলাকার বাসিন্দা, তাঁদের এই মিটার স্থাপনের কাজে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সমস্ত দফতর প্রধান, জেলাশাসক, বিভাগীয় কমিশনার এবং পুলিশ কর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে তাঁরা নিজ নিজ কর্মীদের দ্রুত এই বিষয়ে অবগত ও সচেতন করেন।

টেসলা প্রধান এলন মাস্ক জানিয়েছেন, মহাকাশে কৃত্রিম উপগ্রহ বা স্যাটেলাইট পাঠানো ও বিশাল ডেটা সেন্টার তৈরি এবং ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে মানুষের স্থায়ী বসতি বা কলোনি গড়ে তোলার স্বপ্নের জন্যই স্পেস-এক্সের প্রচুর অর্থের প্রয়োজন।

বিশ্বের প্রথম ‘ট্রিলিয়নার’ ইলন মাস্ক! শেয়ার বাজারে Space-X এসেই লিখল ইতিহাস
বিশ্বের সবথেকে ধনী ব্যক্তি ইলন মাস্ক।

বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি ইলন মাস্ক (Elon Musk)। এবার তিনি আরও এক অবিশ্বাস্য রেকর্ড গড়লেন। পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম ‘ট্রিলিয়নার’ (Trillionaire) হলেন ইলন মাস্ক। মাস্কের সম্পত্তি এখন ১ লক্ষ কোটি বা ১ ট্রিলিয়ন ডলারের মালিক। শেয়ার বাজারে তাঁর রকেট ও মহাকাশযান সংস্থা ‘স্পেস-এক্স’ (SpaceX) পা রাখতেই এই ম্যাজিক ঘটল।


লক্ষ কোটির সম্পত্তি মাস্কের–
শেয়ার মার্কেটে এসেছে স্পেস-এক্সের আইপিও। প্রথম দিনেই কোম্পানির শেয়ারের দাম ১১ শতাংশ লাফিয়ে ১৫০ ডলারে পৌঁছয় এবং পরে তা আরও বেড়ে প্রায় ১৭২ ডলার হয়ে যায়। স্পেস-এক্স কোম্পানির মোট বাজারমূল্য দাঁড়িয়েছে ২.১৮ ট্রিলিয়ন ডলার।


'কল্যাণদা খুবই ইমোশনাল...', পুরনো ঝগড়া টেনে দুঃসময়ের বাস্তবতা বোঝালেন মহুয়া
প্রাথমিক পাবলিক অফার বা আইপিও (IPO)-তে স্পেস-এক্সের শেয়ারের দাম ১৩৫ ডলার থেকে সরাসরি ১৫০ ডলারে উঠে যাওয়ার পরেই, মাস্কের মোট সম্পত্তি ট্রিলিয়নের গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলে।


বর্তমানে ইলন মাস্কের মোট সম্পদের মূল উৎস হল স্পেস-এক্স এবং গাড়ি তৈরির কোম্পানি টেসলা (Tesla)-র শেয়ার। এ ছাড়াও নিউরোলিঙ্ক (মস্তিষ্কের প্রযুক্তি তৈরির কোম্পানি) এবং দ্য বোরিং কোম্পানির (টানেল তৈরির সংস্থা) মতো বড় বড় সংস্থায় তাঁর মালিকানা রয়েছে।

২০২১ সালের জানুয়ারি মাসেই অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোসকে পেছনে ফেলে বিশ্বের সবথেকে ধনী ব্যক্তির স্থান দখল করেন ইলন মাস্ক। সেই সময় টেসলার শেয়ারের দাম বেড়ে তাঁর মোট সম্পদ ১৮৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছিল।

কেন হঠাৎ শেয়ার বাজারে এল স্পেস-এক্স?
টেসলা প্রধান এলন মাস্ক জানিয়েছেন, মহাকাশে কৃত্রিম উপগ্রহ বা স্যাটেলাইট পাঠানো ও বিশাল ডেটা সেন্টার তৈরি এবং ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে মানুষের স্থায়ী বসতি বা কলোনি গড়ে তোলার স্বপ্নের জন্যই স্পেস-এক্সের প্রচুর অর্থের প্রয়োজন। আর সেই কারণেই কোম্পানিটিকে শেয়ার বাজারে আনা হয়েছে।

মঙ্গল গ্রহে ১০ লাখ মানুষের কলোনি বানানোর পরিকল্পনা মাস্কের। পাশাপাশি মহাকাশে ফুটবল মাঠের মতো বিশাল আকৃতির ডেটা সেন্টার চালু করা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI) প্রযুক্তির ব্যবসায় ওপেনএআই (OpenAI) ও অ্যানথ্রপিক (Anthropic)-এর মতো প্রতিদ্বন্দ্বীদের টেক্কা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে স্পেস-এক্স।

তবে এই আকাশছোঁয়া স্বপ্ন পূরণ করতে স্পেস-এক্সের আরও শত শত কোটি ডলারের প্রয়োজন, যা তাদের বর্তমান রকেট ও স্যাটেলাইট ব্যবসা থেকে পাওয়া আয়ের চেয়ে অনেক বেশি। হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শুরু থেকে ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত কোম্পানিটির প্রায় ৮.৭ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি হয়েছে।

টাকা-পয়সা আর লাগবে না, চাকরি হবে কেবল ‘শখ’-
গত বছরই এক সাক্ষাৎকারে ইলন মাস্ক দাবি করেছিলেন যে ভবিষ্যতে মানুষের কাছে টাকা-পয়সার কোনও মূল্য থাকবে না এবং চাকরি করাটা বাধ্যতামূলক থাকবে না। মাস্কের মতে, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) এবং মানুষের মতো দেখতে রোবটরা (Humanoid Robots) ভবিষ্যতে এতটাই উৎপাদনশীল ও দক্ষ হয়ে উঠবে যে সমাজে আর কোনও দারিদ্র্য থাকবে না। ফলে টাকা-পয়সার আর কোনও প্রয়োজন থাকবে না এবং বেশিরভাগ চাকরি তখন মানুষের জন্য বাধ্যতামূলক কাজ না হয়ে কেবল একটি শখ বা অবসরের বিনোদন হয়ে দাঁড়াবে।

গতকাল, শুক্রবারই তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের পটুয়াপাড়ার বাড়িতে উপস্থিত হয়েছিল সিআইডি। '৪ তারিখ ডিজে বাজবে'- এই মন্তব্যের তদন্তে অভিষেকের বাড়িতে নোটিস দিতে আসে সিআইডি। তখন অভিষেক বাড়ি ছিলেন না।

ঘিরে রেখেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী, সাতসকালে অভিষেকের বাড়ির তালা ভেঙে ঢুকল শালবনী থানার পুলিশ, কী কারণে?
সাতসকালে অভিষেকের বাড়িতে পুলিশ।

টানটান উত্তেজনা। সাতসকালে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) বাড়িতে গিয়ে কড়া নাড়ছে পুলিশ। কলকাতা পুলিশ নয়, সুদূর শালবনী (Salboni) থেকে এসেছেন পুলিশ আধিকারিকরা। কোন মামলায় অভিষেকের বাড়িতে আসতে হল জেলার পুলিশকেও, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। অভিষেকের বাড়িতে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। পুলিশ চলে যাওয়ার পর তিনি চলে যান।


ঝাড়গ্রাম থেকে এল পুলিশ-
আজ অভিষেকের বাড়িতে এল শালবনী থানার পুলিশ। কী কারণে তারা হঠাৎ অভিষেকের বাড়িতে এসেছেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। স্থানীয় থানার পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনী ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীও উপস্থিত রয়েছেন বলেই জানা গিয়েছে। গোটা বাড়ি ঘিরে রেখেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

সেক্টর ফাইভে বিজেপির পার্টি অফিসে হাজির বিতর্কিত সিপিএম নেতা তন্ময় ভট্টাচার্য
জানা গিয়েছে, ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্টের সদস্যরা এদিন তালা ভেঙে অভিষেকের বাড়িতে ঢোকেন। ভিতরে যান ঝাড়গ্রামের শালবনী থানার পুলিশ। কিছুক্ষণ পর শালবনী থানার পুলিশ বেরিয়ে এসে মিনিট পাঁচেক কলকাতা পুলিশের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন। বাড়ির ভিতরে অভিষেক আছেন বলেই অনুমান। বাড়িতে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। বাড়ির বাইরে ভিভিআইপি গাড়ি দেখা যায়, যেটি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যবহার করেন। পুলিশ চলে যাওয়ার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বেরিয়ে যান।


কীসের তদন্তে এল শালবনী থানার পুলিশ?
সূত্রের খবর, অর্থের বিনিময়ে টিকিট দেওয়ার অভিযোগে তদন্ত করতে এসেছিল শালবনী থানার পুলিশ। অভিষেকের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপের অভিযোগ। সেই সূত্রেই অভিষেকের বাড়িতে হাজির হয় পুলিশ। দীর্ঘক্ষণ তারা অভিষেকের বাড়ির ভিতরে ছিলেন। পরে তারা বেরিয়ে গেলেও, এখনও কলকাতা পুলিশ উপস্থিত রয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীও মোতায়েন রয়েছে।

গতকাল, শুক্রবারই তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের পটুয়াপাড়ার বাড়িতে উপস্থিত হয়েছিল সিআইডি। ‘৪ তারিখ ডিজে বাজবে’- এই মন্তব্যের তদন্তে অভিষেকের বাড়িতে নোটিস দিতে আসে সিআইডি। তখন অভিষেক বাড়ি ছিলেন না। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করার পর সিআইডি যখন চলে যায়, তখন আসেন অভিষেক। পরে আবার আসেন সিআইডির আধিকারিকরা। তবে নোটিস গ্রহণ করতে অস্বীকার করেন অভিষেক। জানা গিয়েছে, ১৬ তারিখ সকাল ১১টায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভবানীভবনে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তবে শুধু এই দুই জায়গাই নয়, জোকা, দক্ষিণেশ্বর সহ পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এদিন সকাল থেকেই একযোগে ৮ জায়গায় তল্লাশি চালায় ইডি। ফলে চাপানউতোর চলছে পুরোদমে। বেলেঘাটা মেন রোডে ঠিকাদার সঞ্জীব ঘোষের বাড়িতেও যায় ইডি-র টিম।

সাতসকালে ঘুম থেকে তুলে তল্লাশি, তিন ফ্ল্যাটে ইডির হানা! বিছানার তলা থেকে উদ্ধার নথি-টাকা
চাপানউতোর চলছে

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার ফের জোরদার অ্যাকশন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের। কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের একাধিক ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালান ইডির আধিকারিকরা। সাতসকালেই তল্লাশি চলেছে মদনের দক্ষিণেশ্বরের ফ্ল্যাটে। একইসঙ্গে জোকাতে মদনের পুরনো ফ্ল্যাটেও হানা দিয়েছে ইডি। যদিও বিগত ১০ থেকে ১২ বছর এই ফ্ল্যাটে আসেন না মদন মিত্র, এমনটাই দাবি প্রতিবেশীদের।  


এদিন একেবারে কাকভোরে সেন্ট্রাল ফোর্সের জওয়ানদের নিয়ে মদনের ফ্ল্যাটে চলে যান ইডি-র ৫ থেকে ৬ জন আধিকারিকরা। যদিও গিয়েই ঢুকতে পারেননি তাঁরা। জোকা মেট্রো স্টেশন সংলগ্ন ওই ফ্ল্যাট তালা বন্ধ থাকায় বেশ কিছুক্ষণ তাঁদের বাইরেই দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। দেড় ঘণ্টার বেশি সময় ধরে তাঁরা সেখানেই অপেক্ষা করেন। খোঁজ-খবর শুরু হয় চাবির জন্য। অন্যদিকে হানা দেওয়া হয় মদন মিত্রের ভবানীপুরের ফ্ল্যাটেও। 

 'শুভেন্দুদাকে সম্মান করি, ওঁর সঙ্গে ভালো সম্পর্ক', বলার পরই বড় বোম ফাটালেন মহুয়া মৈত্র
প্রসঙ্গত, পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এর আগে একাধিক হেভিওয়েটকে জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতারও করা হয়। এবার আচমকা মদন মিত্রের বাড়িতে রেইড থেকে নতুন আর কী কী পাওয়া যায় সেটাও দেখার। ইতিমধ্যেই বিছানার তলা থেকে বেশ কিছু নথি ও টাকা মিলেছে বলে ইডি সূত্রের খবর। ৬টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেরও হদিশ মিলেছে। 


তবে শুধু এই জায়গাগুলিও নয়, জোকা, দক্ষিণেশ্বর সহ পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এদিন সকাল থেকেই একযোগে ৮ জায়গায় তল্লাশি চালায় ইডি। ফলে চাপানউতোর চলছে পুরোদমে। বেলেঘাটা মেন রোডে ঠিকাদার সঞ্জীব ঘোষের বাড়িতেও যায় ইডি-র টিম। তিনি আবার এলাকার কাউন্সিলরের বেশ ঘনিষ্ঠ ছিলেন বলে জানা যাচ্ছে। এলাকার একের পর এক কাজের টেন্ডার শুধু তাঁর হাতে যাওয়া নিয়েও চলছে চর্চা। খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

অভিষেকের বাড়িতে যখন শালবনি থানার পুলিশ আসে, তখন বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট এসে তালা ভাঙে। এরপরে শালবনি থানার সাতজনের টিম বাড়ির ভিতরে ঢোকেন। তল্লাশি করা হয়, জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়।



কলকাতা: কালীঘাটে ও (Abhishek Banerjee) বাড়িতে শালবনী থানার পুলিশ। সকাল থেকে টানটান উত্তেজনা। বাড়ি ঘিরে রাখল কেন্দ্রীয় বাহিনী, কলকাতা পুলিশ। শালবনীর পুলিশ চলে যাওয়ার পর ক্ষুব্ধ অভিষেক নিজেই বললেন, “তালা ভেঙে পুরো বাড়ি তল্লাশি করেছে পুলিশ“। কিন্তু  কীসের জন্য এসেছিল পুলিশ?


কার খোঁজে এল পুলিশ?

এ দিন সকাল থেকেই উত্তেজনা কালীঘাটে। সকাল ৭টা নাগাদ জানা যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে এসেছে শালবনী থানার পুলিশ। দীর্ঘ অপেক্ষার পর জানা গেল, অভিষেক নয়, তাঁর আপ্তসহায়কের খোঁজেই এসেছিল পুলিশ। অভিষেকের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়। অভিষেকের ছায়াসঙ্গী তিনি।

জানা গিয়েছে, আর্থিক তছরুপের অভিযোগ উঠেছে অভিষেকের আপ্তসহায়কের বিরুদ্ধে। টাকার বিনিময়ে টিকিট দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অপর একটি সূত্রে খবর,  জমি কেলেঙ্কারিতে নাম রয়েছে সুমিতের। মেদিনীপুরের প্রাক্তন বিধায়ক সুজয় হাজরাকে জমি কেলেঙ্কারিতে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় সুমিত রায়ের নাম উঠে আসে। সেই কেসে শালবনি থানা পুলিশ ওয়ারেন্ট নিয়ে আসে।

অভিষেকের বাড়িতেই কেন এল পুলিশ?

সূত্রের খবর, সুমিত রায়ের মোবাইলের টাওয়ার লোকেশন পাওয়া গিয়েছিল অভিষেকের কালীঘাটের পটুয়াপাড়ার বাড়িতেই। গতকাল রাত আড়াইটে পর্যন্ত সুমিতের লোকেশন এখানে পাওয়া যায়। এরপরই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে হাজির হয় শালবনি পুলিশ।

কী বললেন অভিষেক?

অভিষেকের বাড়িতে যখন শালবনি থানার পুলিশ আসে, তখন বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট এসে তালা ভাঙে। এরপরে শালবনি থানার সাতজনের টিম বাড়ির ভিতরে ঢোকেন। তল্লাশি করা হয়, জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়।

পুলিশ চলে যাওয়ার পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই এসে জানান যে তদন্তে সবরকমের সহযোগিতা করা হয়েছে। তিনি বলেন, “লুকিয়ে রেখেছি কি না, আমার পুরো বাড়ি সার্চ হয়েছে। উত্তর তদন্তকারী সংস্থার প্রতিনিধিদের জিজ্ঞাসা করুন।”


 তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও আইপ্যাককে নিশানা করে জগদীশ বলেন, "অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলা এবং ভাবের আদানপ্রদান করা খুবই কঠিন ব্যাপার ছিল। উনি এমনিতেই কম কথা বলতেন। এবং কথা শুনতেন না। অভিষেক দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে দলের সিনিয়র নেতাদের সরানো হয়েছে। আইপ্যাক ও অভিষেক মিলে যে প্রার্থী বাছাই হয়েছিল, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সেটা ভুল সিদ্ধান্ত ছিল। ফলে অনেক জায়গায় হেরে গিয়েছি।"


তৃণমূলের লোগো, টাকা কার? বড় ইঙ্গিত দিলেন বিক্ষুব্ধ জগদীশ বসুনিয়া
কী বললেন জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া?

১৮ মে না ৮ জুন? তৃণমূলের লোকসভার বিক্ষুব্ধ সাংসদরা চিঠিতে কবে সই করেছেন? কবে জমা দিয়েছেন লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লার কাছে? এই নিয়ে চাপানউতোর বাড়ছে। তখন মুখ খুলছেন লোকসভার বিক্ষুব্ধ তৃণমূল সাংসদ জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া। কোচবিহারের তৃণমূল সাংসদ বলে দিলেন, ১৮ মে নয়, ৮ জুন তাঁরা চিঠিতে সই করেছেন। সেখানে তাঁরা কী জানিয়েছেন, তাও জানালেন। টিভি৯ বাংলায় এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে আর কী বললেন জগদীশ বসুনিয়া?


অধ্যক্ষের কাছে বিক্ষুব্ধ সাংসদদের চিঠি নিয়ে-


 ১৮ মে নয়, কবে স্পিকারকে চিঠি দিয়েছেন বিক্ষুব্ধ সাংসদরা? জানালেন জগদীশ বসুনিয়া
একটি সংবাদসংস্থা বলছে, বিক্ষুব্ধ সাংসদদের সই করা চিঠি ১৮ মে জমা পড়েছে, তা কি ঠিক? প্রশ্ন শুনে কোচবিহারের তৃণমূল সাংসদ বলেন, “১৮ মে নয়। এটা ভুল। ৮ জুন স্পিকারের অফিসে জমা পড়েছে। আমরা দাবি জানিয়েছি, আমরা তৃণমূল কংগ্রেসের আলাদা লবি। এবং প্রকৃত তৃণমূল হয়ে লোকসভায় বসতে চাই। ইস্যু ভিত্তিক উন্নয়নে আমরা এনডিএ-কে সমর্থন করব। দেশ ও রাজ্যের উন্নয়ন যাতে কোথাও বাধাপ্রাপ্ত না হয়, সেজন্য সবসময় তাদের সঙ্গে থাকব।”


তিনি আরও বলেন, “চিফ হুইপ হিসেবে কাকলি ঘোষ দস্তিদার ছিলেন। এবং ডেপুটি চিফ হুইপ ছিলেন শতাব্দী রায়। সেই হিসেবে কাগজটা তাঁরা জমা দিয়েছেন। এই সই আমরা সম্ভবত তিনদিন আগে করেছি। যেটা স্পিকারের কাছে জমা পড়েছে। সেটা আজকে সামনে এসেছে।”

কাকলিকে সরিয়ে কল্যাণকে চিপ হুইপ করা নিয়ে তৃণমূলের চিঠি-

তৃণমূল বলছে, কল্যাণকে চিপ হুইপ করার চিঠি ২০ মে দেওয়া হয়েছিল। এবং ২৯ মে তা গৃহীত হয়। এই নিয়ে জগদীশ বলেন, “কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে যে ওরা করেছে, তা তো লোকসভায় গৃহীত হয়নি।” এরপরই তিনি বলেন, “এই বিষয়টি আমি জানি না। কাকলি ঘোষ দস্তিদার ও শতাব্দী রায় দেখছেন।”

একইসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা প্রকৃত তৃণমূল হিসেবেই দাবি করব। পার্টির লোগো, ফান্ডের বিষয়টি ধাপে ধাপে জানতে পারবেন। সেই প্রক্রিয়া চলছে। আগে সংসদের কাজটা শেষ হোক।”

ভোটে তৃণমূলের ভরাডুবির পর কেন তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করছেন?

এই নিয়ে জগদীশ বসুনিয়া বলেন, “এই ক্ষোভটা একদিনের নয়। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে কোচবিহারে জেতে বিজেপি। কিন্তু, আমার সিতাই আসনে আমরা ৩৪ হাজারের বেশি লিড দিয়েছিলাম। তারপর বিজেপি সিতাইয়ে আমাদের কর্মীদের উপর আক্রমণ শুরু করে। এমনকি, আমার বাড়িতেও ভাঙচুর চালায়। তিনমাস আলিপুরদুয়ারে ছিলাম। আমি সেইসময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানিয়েছিলাম। কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। কিন্তু, মুখ্যমন্ত্রী চাইলেই ব্যবস্থা করতে পারতেন।”

তিনি আরও বলেন, “২০২১ সালের বিধানসভার আগে প্রকাশ্য সভায় নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলাম। বলেছিলাম, দল সঠিক সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন না। প্রকাশ্য সভায় সরব হয়েছিলাম। দল আমাকে কলকাতায় ডেকে পাঠিয়েছিল। প্রকাশ্যে কেন একথা বলছি, জানতে চেয়েছিল। আমার কথা জানিয়েছিলাম। একুশে সেটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। কোচবিহারে আমি আর পরেশ অধিকারী ছাড়া কেউ জেতেনি।”

অভিষেক ও আইপ্যাক নিয়ে বিস্ফোরক জগদীশ-

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও আইপ্যাককে নিশানা করে জগদীশ বলেন, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলা এবং ভাবের আদানপ্রদান করা খুবই কঠিন ব্যাপার ছিল। উনি এমনিতেই কম কথা বলতেন। এবং কথা শুনতেন না। অভিষেক দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে দলের সিনিয়র নেতাদের সরানো হয়েছে। আইপ্যাক ও অভিষেক মিলে যে প্রার্থী বাছাই হয়েছিল, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সেটা ভুল সিদ্ধান্ত ছিল। ফলে অনেক জায়গায় হেরে গিয়েছি।” টাকা নিয়ে বিধানসভায় টিকিট দেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমি চাই দুর্নীতির তদন্ত হোক। দুর্নীতিতে যারা যুক্ত, তাদের শাস্তি হোক।”

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য প্রসঙ্গে ঋতব্রত বলেন, "আমি ও সন্দীপন আমরা সমষ্টির প্রতিনিধিত্ব করছি। সুতরাং ব্যক্তিগত মতামত নিয়ে আমাদের আগ্রহ নেই। ব্যক্তিগত একটা ঘটনা ঘটেছে, তার পরিপ্রেক্ষিতে উনি একটা মন্তব্য করেছেন। আমাদের কাছে যে বিষয়টা মনে হয়েছে, আমরা সমষ্টিগতভাবে যে কথাটা অনেকদিন ধরে বলছি, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যক্তিগতভাবে সেই কথাগুলো বলেছেন।"

ফিরহাদ এখন কাদের সঙ্গে? প্রশ্ন শুনেই ঋতব্রত বললেন...
ফিরহাদ হাকিমকে নিয়ে কী বললেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়?

ফিরহাদ হাকিমের অবস্থান কী? তিনি কি এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে রয়েছেন? নাকি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের ‘নব তৃণমূল ব্লকে’ যোগ দিয়েছেন? কলকাতা বন্দরের বিধায়ক তথা কলকাতা পৌরনিগমের প্রাক্তন মেয়রকে নিয়ে জল্পনার শেষ নেই। বৃহস্পতিবার বিধানসভায় আসার কথা থাকলেও আসেননি তিনি। ফিরহাদের অবস্থান নিয়ে কী বলছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়?


শুক্রবার বিধানসভায় শপথ নিলেন দুই বিধায়ক। ফলতার বিজেপি বিধায়ক দেবাংশু পণ্ডা এবং চণ্ডীতলার তৃণমূল বিধায়ক স্বাতী খন্দকার। দুই বিধায়কের শপথ অনুষ্ঠানে এসেছিলেন ‘নব তৃণমূল ব্লকের’ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহা। সেই শপথ অনুষ্ঠানের পর সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হল ঋতব্রত ও সন্দীপন। সেখানেই একাধিক প্রশ্নের উত্তর দিলেন ঋতব্রত।


‘নব তৃণমূল ব্লকে’ বিক্ষুব্ধ বিধায়কদের সংখ্যা বাড়বে?


ঋতব্রত বলেন, “সংখ্যা বাড়বে কি না, সেটা সোমবার বলতে পারব। মঙ্গলবার বলতে পারব। নম্বর বাড়লে অবশ্যই সংবাদমাধ্যমকে জানিয়ে দেব। সোম-মঙ্গলে কী হবে, এখন বলতে পারব না।”

স্বাতী খন্দকার কি আপনাদের সঙ্গে রয়েছে?

প্রশ্ন শুনেই ঋতব্রত বলেন, “আজকে দু’জন বিধায়ক শপথ নিয়েছেন। একজন বিজেপির দেবাংশু পণ্ডা আর অন্যজন আমাদের স্বাতী খন্দকার। যেহেতু আমাদের বিধায়ক, তাই আমি ও সন্দীপন শপথ গ্রহণে ছিলাম।” এরপরই তিনি বলেন, “আমরাই তো এখানে মূল ফোর্স। দুই-তৃতীয়াংশের বেশি বিধায়কের সমর্থন। আমার এটা নৈতিক দায়িত্ব। আমাদের ব্লককে সমর্থন করছেন কি না, তার সঙ্গে এটার কোনও সম্পর্ক নেই।”

ফিরহাদ হাকিম কি আপনাদের ব্লকে যোগ দিয়েছেন নাকি যোগ দেবেন?

এই নিয়ে ঋতব্রত বলেন, “আমি ব্যক্তি সম্পর্কে বলব না। আমি সংখ্যায় যাব। আমি ও সন্দীপন ছাড়া এবং যাঁদের কথা বলেছি, তাঁদের ছাড়া কারও কথা বলব না। যখন বিধানসভার অধিবেশন হবে, তখন দেখা যাবে।” প্রসঙ্গত, গত ৮ জুন বিধানসভায় এসেছিলেন ফিরহাদ। তখন সন্দীপন সাহা তাঁর হাত ধরে বিরোধী দলনেতা ঋতব্রতর ঘরে নিয়ে গিয়েছিলেন। ঘণ্টাখানেক সেখানে ছিলেন ফিরহাদ। ফলে তাঁকে নিয়ে জল্পনা বাড়ে। গতকাল বিধানসভায় যাওয়ার কথা থাকলেও যাননি ফিরহাদ।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য প্রসঙ্গে ঋতব্রত বলেন, “আমি ও সন্দীপন আমরা সমষ্টির প্রতিনিধিত্ব করছি। সুতরাং ব্যক্তিগত মতামত নিয়ে আমাদের আগ্রহ নেই। ব্যক্তিগত একটা ঘটনা ঘটেছে, তার পরিপ্রেক্ষিতে উনি একটা মন্তব্য করেছেন। আমাদের কাছে যে বিষয়টা মনে হয়েছে, আমরা সমষ্টিগতভাবে যে কথাটা অনেকদিন ধরে বলছি, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যক্তিগতভাবে সেই কথাগুলো বলেছেন।”


প্রসঙ্গত, চণ্ডীতলা আসনের জয়ী তৃণমূল প্রার্থী স্বাতী খন্দকারের শপথগ্রহণ দুর্ঘটনার কারণে পিছিয়ে গিয়েছিল। তাঁর পা ভেঙে যাওয়ায় গত ১৩ ও ১৪ মে অন্য বিধায়কদের সঙ্গে শপথ নিতে পারেননি তিনি। সেইসময় হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। এদিন দেবাংশু পণ্ডার সঙ্গে শপথ নিলেন।

সূত্রের খবর, মমতার বিরুদ্ধে হেয়ারস্ট্রিট থানায় এই অভিযোগ দায়ের করেছেন এক ব্যবসায়ী। পুলিশ ইতিমধ্যেই মামলা রুজু করে তদন্তও শুরু করে ফেলেছে বলে জানা যাচ্ছে। এখন দেখার এই কেসে পুলিশ মমতাকে ডেকে পাঠায় কিনা।


 ‘একটা কমিউনিটি যখন জোট বাঁধে না..’, মমতার ‘১ সেকেন্ড’ মন্তব্যে এবার পুলিশে অভিযোগ দায়ের
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

গত ২ জুন রানি রাসমণি রোডের সভা থেকে নাম না করে বাংলাদেশের ওসমান হাদি হত্যা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের অভিযোগ উঠেছিল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। ওই ঘটনাতেই তাঁর নামে দায়ের হয়েছিল এফআইআর। শিলিগুড়ির সাইবার ক্রাইম থানায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন এক আইনজীবী। এবার মমতার বিরুদ্ধে আরও চাপ বাড়ছে। এবার আরও এক উস্কানিমূলক মন্তব্যের অভিযোগে মমতার নামে থানায় অভিযোগ দায়ের করলে এক ব্যবসায়ী। 


এই বছরের শুরুর দিকেই ভোটের আবহে ধর্মতলার মঞ্চ থেকেই ওই বিতর্কিত মন্তব্য করতে দেখা গিয়েছিল মমতাকে। মঞ্চ থেকেই বলেছিলেন, “আমরা আছি বলে আপনারা সবাই ভালো আছেন। যদি আমরা না থাকি তখন এক সেকেন্ড লাগবে! একটা কমিউনিটি যখন জোট বাঁধে না, তখন ঘিরে ফেললে ১ সেকেন্ডে দেবে একদম ১২টা বাজিয়ে দেবে। যদি নিজেদের ১৩টা বাজাতে না চান তাহলে বিজেপির অপ্রচারে ভুল বুঝবেন না।” মুহূর্তেই তাঁর এই মন্তব্য ভাইরাল হয়ে গিয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। বিতর্কের ঝড় উঠেছিল রাজনীতির আঙিনায়। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসে থাকার পরেও একজন কীভাবে এই ধরনের উস্কানিমূলক মন্তব্য করতে পারেন সেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল নাগরিক মহলে। 



অবশেষে দায়ের অভিযোগ। সূত্রের খবর, মমতার বিরুদ্ধে হেয়ারস্ট্রিট থানায় এই অভিযোগ দায়ের করেছেন এক ব্যবসায়ী। পুলিশ ইতিমধ্যেই মামলা রুজু করে তদন্তও শুরু করে ফেলেছে বলে জানা যাচ্ছে। এখন দেখার এই কেসে পুলিশ মমতাকে ডেকে পাঠায় কিনা। অন্যদিকে ২ জুন রানি রাসমণি রোডের সভা থেকে মমতার করা মন্তব্য নিয়েও চাপে রয়েছে তৃণমূল। 

রাজনীতির কারবারিরা বলছেন, তৃণমূলের বর্তমান পরিস্থিতিতে মমতার সঙ্গে 'হারাধনের' যে কয়েকজন নেতা রয়েছেন, তার মধ্যে অন্যতম মদন। তৃণমূল সুপ্রিমোর দীর্ঘদিনের সঙ্গী কামারহাটির বিধায়ক। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, মমতার সঙ্গেই তিনি রয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে তাঁর সিআইডি-র নোটিস পাওয়া নিয়ে জল্পনা বাড়ছে। 

মমতার আর এক 'হারাধন' মদনের কাছেও এল সিআইডি-র নোটিস
বিধায়কদের সই জালকাণ্ডে সিআইডি-র নোটিস পেলেন মদন মিত্র

বিধায়কদের সই জালকাণ্ডে এবার কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রকে নোটিস সিআইডি-র। শুক্রবার মদনের কামারহাটির বাড়িতে গিয়ে তাঁকে নোটিস দেন সিআইডি আধিকারিকরা। তিনি যে নোটিস পেয়েছেন, তা স্বীকার করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিশ্বস্ত সঙ্গী মদন। নোটিস পেয়ে কী বলছেন কামারহাটির বিধায়ক?


তৃণমূল বিধায়কদের সই জালকাণ্ডে পুরোদমে তদন্তে নেমেছে সিআইডি। গতকালই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাড়ে ৫ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন সিআইডি আধিকারিকরা। অভিষেক একাধিক প্রশ্নের উত্তর দেননি বলে জানা গিয়েছে। সিআইডি আধিকারিকদের প্রশ্নে মেজাজও হারান।


ঘুম থেকে উঠেই এই জিনিস দেখলে দিনটা খারাপ যাবে
অভিষেককে নিয়ে চর্চার মধ্যেই মদনকে নোটিস দিল সিআইডি। এই নিয়ে কামারহাটির বিধায়ক বলেন, “আজ সকালে আমাকে একটা নোটিস দেওয়া হয়েছে। আমি নোটিস পেয়েছি। তবে আমায় এখনও তলব করা হয়নি। সিআইডি শুধু জানিয়ে গিয়েছে, আমাকে নোটিস দেওয়া হল।” জানা গিয়েছে, সই জালকাণ্ডে মদনকে তদন্তে সাহায্যের জন্য বলা হয়েছে।


রাজনীতির কারবারিরা বলছেন, তৃণমূলের বর্তমান পরিস্থিতিতে মমতার সঙ্গে ‘হারাধনের’ যে কয়েকজন নেতা রয়েছেন, তার মধ্যে অন্যতম মদন। তৃণমূল সুপ্রিমোর দীর্ঘদিনের সঙ্গী কামারহাটির বিধায়ক। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, মমতার সঙ্গেই তিনি রয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে তাঁর সিআইডি-র নোটিস পাওয়া নিয়ে জল্পনা বাড়ছে।

প্রসঙ্গত, বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর থেকে এমনিতে তৃণমূলের অন্দরে ডামাডোল বাড়ছে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, সন্দীপন সাহার নেতৃত্বে তৃণমূলের ৬০ বিধায়ক ‘নব তৃণমূল ব্লক’ গঠন করেছেন। লোকসভায়ও তৃণমূল সাংসদরা দু’ভাগ হয়ে গিয়েছেন। রাজ্যসভায় একের পর এক সাংসদ ইস্তফা দিচ্ছেন। এরই মধ্যে বিধায়কদের সই জালকাণ্ডে তদন্তের গতি বাড়িয়েছে সিআইডি। বিধায়কদের সই জাল করে বিধানসভায় জমা দেওয়ার অভিযোগে অভিষেককে একাধিকবার তলব করা হয়েছে। প্রথম তিনবার সিআইডি-র তলবে সাড়া দেননি তিনি। এরপর গতকাল কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের পর ভবানীভবনে হাজির হন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড।

সাংবাদিক সম্মেলনে বিজিবিএস প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন,"আমার কাছে তালিকা রয়েছে। বিজিবিএস করতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থাকে মোট ৬৩৫ কোটি টাকা দিয়ে গিয়েছেন। এরও তদন্ত হবে। শুধু তদন্ত নয়, মামলা করব। প্রয়োজনে আর্থিক তছরূপের যাঁরা তদন্ত করে, তাঁদের দায়িত্ব দেব।"



কলকাতা: তৃণমূলের সরকারের (TMC Government) বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন (BGBS) নিয়ে বিজেপির (BJP) অভিযোগ বহুদিনের। মানুষকে ঠকানোর মঞ্চ তৈরি করেছিল তৃণমূল, এমনও বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছিল তৎকালীন বিরোধী দল। তবে, এবার বাংলায় সরকার বদল হতেই বিজিবিএস নিয়ে কড়া পদক্ষেপ শুভেন্দুর সরকারের (Suvendu Adhikari Government)। তৃণমূলের আমলের এই বাণিজ্য সম্মেলনে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতির (BGBS Corruption) অভিযোগ তুললেন। বিরোধী দল থাকাকালীনও দুর্নীতির অভিযোগ করেছিলেন। এবার ক্ষমতায় এসে বাণিজ্য সম্মেলনের আয়োজনে দুর্নীতির তদন্তও হবে বলে ঘোষণা 


আজ নরেন্দ্র মোদীর সরকারের ১২ বছর পূর্ণ উপলক্ষে বিশেষ প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করা হয়েছে বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এক সাংবাদিক সম্মেলনে নরেন্দ্র মোদী সরকারের আমলে কী কী উন্নতি হয়েছে দেশে,তার খতিয়ান তুলে ধরেন। পরে, সেখানেই সাংবাদিক সম্মেলনে বিজিবিএস প্রসঙ্গে বলেন,”আমার কাছে তালিকা রয়েছে। বিজিবিএস করতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থাকে মোট ৬৩৫ কোটি টাকা দিয়ে গিয়েছেন। এরও তদন্ত হবে। শুধু তদন্ত নয়, মামলা করব। প্রয়োজনে আর্থিক তছরূপের যাঁরা তদন্ত করে, তাঁদের দায়িত্ব দেব। আমরা ছাড়ব না। ছাড়ার জন্য তো লোক বসাইনি। পুষ্পাদের পরিস্থিতি তো দেখতেই পাচ্ছেন।” শুভেন্দু স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এই টাকা কোন কোন খাতে ব্যবহার করা হয়েছে, তার পুঙ্খানুপুঙ্খ রিপোর্ট নিয়ে প্রয়োজনে তদন্ত করা হবে।

উল্লেখ্য, তৃণমূল সরকারের আমলে বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনের আয়োজন করা হত। এই মঞ্চ থেকেই শিল্পে বিনিয়োগ এসেছে বলে বহুবার দাবি করেছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে, প্রথম থেকেই বিজিবিএস-এর বাস্তবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল বিজেপি। সবটাই তৃণমূলের লোক দেখানো বলে অভিযোগ তোলা হয়েছিল। বারবার এই নিয়ে সরব হয়েছিল তৎকালীন বিরোধী দল বিজেপি। তবে, সরকার বদলে যেতেই বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্যের ভবিষ্যত নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল রাজনৈতিক মহলে। এবার সেই সম্মেলনেই এবার আর্থিক নয়ছয়ের অভিযোগ তুলেছেন শুভেন্দু।


 বাগুইআটির বাসিন্দা রাজীব সরকার নামে জনৈক এক ব্যক্তি তিনি বিধানগর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। প্রথমে এই মামলার তদন্তভার নিয়েছিলেন বিধাননগর কমিশনারেটের সাইবার শাখা। গত বুধবার সিআইডি তদন্তভার হাতে নেয়।

 কালীঘাটের দরজার এপারে CID, ওপাশে অভিষেকের উকিলরা! রক্ষাকবচের 'ফাঁক' দিয়েই কি 'যুবরাজে'র গ্রেফতারি?
বাঁ দিকে, অভিষেকের লিগ্যাল টিম, ডান দিকে সিআইডি


সই মামলায় রক্ষাকবচ পেয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে হাইকোর্টের নির্দেশে বৃস্পতিবারই ভবানী ভবনে হাজিরা দিয়েছেন অভিষেক। একটি মামলায় রক্ষাকবচ পেয়েছেন, কিন্তু ফাঁক তো রয়ে গিয়েছে আরও। কারণ অভিষেকের বিরুদ্ধে আরও একটি মামলার দায়িত্ব নিয়েছে সিআইডি। সেটি ডিজে মামলা। অর্থাৎ নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যে উস্কানিমূলক মন্তব্য করেছিলেন, তার বিরুদ্ধে FIR দায়ের হয় বিধাননগর থানায়। গত বুধবার রাতেই সেই মামলা নিজের হাতে নেয় সিআইডি। শুক্রবার সেই মামলারই নোটিস দিতে আসেন তদন্তকারীরা। বিধানসভার সই জালিয়াতির পর এবার উস্কানিমূলক মন্তব্য করার অভিযোগে ডাক পড়ল অভিষেকের।


বৃহস্পতিবারই অভিষেকের সিআইডি দফতরে হাজিরা নিয়ে এক প্রস্থ নাটক দেখেছে বাংলা। প্রথমে বর্ষীয়ান আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামলা থেকে সরে দাঁড়ানো, তারপর হাইকোর্টের বিচারপতি কৌশিক চন্দের অভিষেককে হাজিরা দেওয়ার জন্য ডেডলাইন বেঁধে দেওয়া, সঙ্গে ১৪ দিনের রক্ষাকবচ। সন্ধ্যা ৬টায় অভিষেকের হাজিরা, আর তার মাঝেই অভিষেকের ডিজে মামলার তদন্তভার সিআইডি-র হাতে নেওয়া।


মমতার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করলেন? আজ সবটা জানিয়ে দিলেন শতাব্দী
আর সেই সূত্র ধরেই শুক্রবার দুপুরে সিআইডি-র টিম যায় অভিষেকের কালীঘাটের বাড়িতে। ডিজে হুমকি মামলার তদন্তে আসেন তাঁরা। গেটের বাইরে থাকেন সিআইডি আধিকারিকরা। কিছুক্ষণের মধ্যেই খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবীরা। এক মহিলা আইনজীবী-সহ তিন জনের টিম পৌঁছন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন তাঁরা। এক আইনজীবী বলেন, “সংবিধানের লোক, তিনি সংবিধান মেনেই চলবেন। তিনি তো বারবার করে বলেছেন, আমি সহযোগিতা করব। হাইকোর্টের নির্দেশে গতকালও তিনি গিয়েছিলেন। তিনি নির্দেশকে মান্যতা দিয়েছেন। আগামী দিনেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আইন মাফিকই কাজ করবেন।”


অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যেহেতু সে সময়ে বাড়িতে ছিলেন না, তাই নোটিস দেওয়া সম্ভব হয়নি। বাগুইআটির বাসিন্দা রাজীব সরকার নামে জনৈক এক ব্যক্তি তিনি বিধানগর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। প্রথমে এই মামলার তদন্তভার নিয়েছিলেন বিধাননগর কমিশনারেটের সাইবার শাখা। গত বুধবার সিআইডি তদন্তভার হাতে নেয়।

নির্বাচনী প্রচারে অভিষেক বলেছিলেন, ‘৪ তারিখ বেলা বারোটার পর কোন জহ্লাদের কত ক্ষমতা, কার দিল্লির বাবা কাকে বাঁচাতে আসে, আমি ৪ তারিখ দেখব। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যতই উদার হোক, ৪ তারিখ আরামবাগের স্টিয়ারিং আমার হাতে থাকবে। ডিজে বাজবে, এমন জোরে বাজবে, কান ঝালাপালা করে দেব।’

অভিযোগকারী রাজীব সরকার বলেন, “এমন কিছু শব্দ তিনি ব্যবহার করেছেন, যা অসাংবিধানিক। জনপ্রতিনিধি আইন অনুসারে, এক জন জনপ্রতিনিধি এরকম কোনও শব্দ ব্যবহার করতে পারেন না, যা মানুষকে উত্তেজিত করে। সেটাই উনি করেছিলেন।”

গঙ্গাসাগরের নটেন্দ্রপুর এলাকায় এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। স্থানীয় নটেন্দ্রপুর ঘেরির ভেতর থেকে সোলার প্লেট বসানোর কাজে ব্যবহৃত লোহার পাইপ, লোহার চ্যানেলসহ বিভিন্ন পরিকাঠামোর সরঞ্জাম খোয়া যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এর পাশাপাশি, ওই এলাকা থেকেই কয়েকশো আধার কার্ড উদ্ধার হওয়ায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।



অভিযোগের তির তৃণমূল নেতার ছেলে দীনেশ মাইতির দিকে। স্থানীয়দের দাবি, ঘেরির ভেতর সোলার প্যানেল বসানোর পরিকাঠামোগুলো সরিয়ে ফেলা হয়েছে, যার ফলে সরকারি প্রকল্পের সরঞ্জাম খোয়া যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সবচেয়ে বেশি আতঙ্ক তৈরি হয়েছে কয়েকশো আধার কার্ড উদ্ধার হওয়া নিয়ে। এত বিপুল সংখ্যক সরকারি পরিচয়পত্র কেন একটি ঘেরির ভেতরে ফেলে রাখা হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসী।

এই ঘটনার পেছনে কোনো বড়সড় জালিয়াতি চক্র জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি তুলেছেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে পুলিশ। বিষয়টি নিয়ে তৃণমূল নেতৃত্বের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। পুরো ঘটনার নেপথ্যে প্রকৃত সত্য উদ্‌ঘাটন করতে পুলিশ প্রশাসন কতটা তৎপর হয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার গঙ্গাসাগরের সুমতি নগর ও জীবনতলা গ্রামের সংযোগকারী একমাত্র কাঠের সেতুটি দীর্ঘ এক বছর ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। জরাজীর্ণ এই সেতু দিয়েই প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে বাধ্য হচ্ছেন এলাকার সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে রোগী, বৃদ্ধ এবং স্কুলগামী ছাত্র-ছাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।



স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সেতুটির কাঠ পচে গিয়ে বিভিন্ন জায়গায় বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করছেন তারা। স্থানীয়রা জানান, বারংবার স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের কাছে এই বিষয়ে অভিযোগ জানিয়েও কোনো সুরাহা মেলেনি। বর্ষার মরশুম সামনে আসায় আতঙ্ক আরও বেড়েছে এলাকাবাসীদের মধ্যে। দ্রুত সেতুটি মেরামতি বা নতুন সেতু নির্মাণের দাবিতে সরব হয়েছেন স্থানীয়রা।


এই বিষয়ে স্থানীয় নবনির্বাচিত বিজেপি বিধায়ক সুমন্ত মণ্ডল জানান, তিনি ব্যক্তিগতভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। সেতুটির বেহাল দশা সম্পর্কে তিনি অবগত। বিধায়ক আশ্বাস দিয়েছেন, p w d এর সঙ্গে কথা বলেছেন প্রশাসনিক স্তরে আলোচনা করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সেতুটি মেরামতির ব্যবস্থা করা হবে। এখন প্রশাসন কবে এই সমস্যা সমাধানে উদ্যোগী হয়, সেটাই দেখার বিষয়।

ডায়মন্ড হারবার: গ্রেফতার হওয়া জাহাঙ্গীর খানকে বৃহস্পতিবার পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যে হাফ প্যান্ট ও গেঞ্জি পরিহিত অবস্থায় ঘটনাস্থল ও সংলগ্ন এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। তদন্তের স্বার্থে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান চিহ্নিত করতে এবং ঘটনার পুনর্নির্মাণ 


(রেকনস্ট্রাকশন) করতে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

জাহাঙ্গীরকে দেখতে এলাকায় ভিড় জমায় বহু মানুষ। অভিযুক্তকে ওই অবস্থায় এলাকায় ঘোরানো নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কেউ তদন্তের স্বার্থে পুলিশের পদক্ষেপকে সমর্থন করেন, আবার কেউ বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চলমান তদন্তের অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং মামলার সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে। গোটা ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। তদন্তকারীরা আশা করছেন, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র মিলতে পারে।

সমুদ্রে মৎস্যজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ও সচেতনতা প্রসারের লক্ষ্যে সাগর থানার উদ্যোগে স্থানীয় ‘ছবি মহলে একটি জরুরি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এদিনের এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বিধায়ক সুমন্ত মণ্ডল, বিডিও কানাইয়া কুমার রাও, এসডিপিও, সাগর থানা ও কোস্টাল থানার ওসি, বন দপ্তরের প্রতিনিধি এবং কোস্ট গার্ডের আধিকারিকরা এবং মৎস দপ্তরের আধিকারিক।



মূলত সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়ার আগে মৎস্যজীবীদের সতর্ক করতেই এই সভার ডাক দেওয়া হয়েছিল। সভায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে মৎস্যজীবীদের বেশ কিছু কঠোর নির্দেশিকা মেনে চলার কথা বলা হয়েছে। নির্দেশ অনুযায়ী, সমুদ্রে পাড়ি দেওয়ার সময় প্রতিটি মৎস্যজীবীকে বাধ্যতামূলকভাবে 'লাইফ জ্যাকেট' সঙ্গে রাখতে হবে। এছাড়া, মাছ ধরতে যাওয়ার সময় মৎস্যজীবীদের কাছে প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ও নৌকার নথিপত্র অরিজিনাল বা মূল কপি রাখা আবশ্যক।
নিরাপত্তার পাশাপাশি মৎস্যজীবীদের সামাজিক সুরক্ষার দিকটিও গুরুত্ব পেয়েছে এদিনের আলোচনায়। প্রশাসনিক আধিকারিকরা স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, প্রতিটি মৎস্যজীবীর বিমা বা ইনস্যুরেন্স থাকা বাধ্যতামূলক। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় সমুদ্রে যাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে এবং সরকারি নির্দেশিকা মেনে চলতে মৎস্যজীবীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন মৎস্যজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

ডায়মন্ড হারবার: ডায়মন্ড হারবার বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ডায়মন্ড হারবার ২ নম্বর ব্লকের সরিষা পঞ্চায়েত এলাকার হিঙ্গছেবেরিয়া গ্রামে কয়েক কোটি টাকার সেবাশ্রয় ক্যাম্পের ওষুধ মাটির নিচ থেকে উদ্ধারের অভিযোগ ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।


ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। বিজেপির অভিযোগ, সাধারণ মানুষের চিকিৎসার জন্য আনা কোটি কোটি টাকার ওষুধ ও চিকিৎসা সামগ্রী গোপনে মাটির নিচে পুঁতে রাখা হয়েছিল। যদিও এই অভিযোগ নিয়ে এখনও পর্যন্ত প্রশাসন বা তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ডায়মন্ড হারবার ২ নম্বর বিজেপি মণ্ডলের সভাপতি উত্তম বাগের নেতৃত্বে বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা সরিষার হিঙ্গছেবেরিয়া এলাকায় অভিযান চালান। অভিযোগ, নির্দিষ্ট একটি জায়গায় মাটি খুঁড়তেই বেরিয়ে আসে বিপুল পরিমাণ ওষুধ, স্বাস্থ্য পরিষেবার বিভিন্ন সামগ্রী, এমনকি অক্সিজেন সিলিন্ডারও। মুহূর্তের মধ্যে ঘটনাস্থলে ভিড় জমাতে শুরু করেন এলাকার মানুষ। বহু মানুষ মোবাইলে সেই দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করেন। এলাকাজুড়ে শুরু হয় তুমুল চর্চা।


বিজেপির দাবি, উদ্ধার হওয়া ওষুধ ও সামগ্রীগুলি তথাকথিত “সেবাশ্রয় ক্যাম্প”-এ ব্যবহারের জন্য আনা হয়েছিল। উল্লেখ্য, ডায়মন্ড হারবার, বজবজ এবং ফলতা-সহ বিভিন্ন এলাকায় সম্প্রতি সেবাশ্রয় ক্যাম্প পরিচালনা করা হয়েছিল। বিজেপির অভিযোগ, সেই ক্যাম্পগুলির দায়িত্বে ছিলেন ফলতার প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গীর খান এবং ডায়মন্ড হারবারের পর্যবেক্ষক তথা মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক শামীম আহমেদের ঘনিষ্ঠ নেতৃত্ব। যদিও এই দাবির স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এই ঘটনাকে সামনে এনে বিজেপি সরাসরি তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বড়সড় দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছে। তাদের দাবি, সাধারণ মানুষের জন্য বরাদ্দ চিকিৎসা সামগ্রী ও ওষুধ গোপনে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, যদি এই ওষুধ মানুষের চিকিৎসার জন্য বরাদ্দ হয়ে থাকে, তাহলে তা মাটির নিচে কীভাবে গেল? কেন তা সংরক্ষণ না করে লুকিয়ে রাখা হল? এই প্রশ্ন এখন ঘুরপাক খাচ্ছে রাজনৈতিক মহলে।
অন্যদিকে, এই ঘটনার জেরে রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকেও কাঠগড়ায় তুলছে বিজেপি। তাদের অভিযোগ, সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে সাধারণ মানুষ প্রতিদিন ওষুধের অভাবে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। অনেক ক্ষেত্রেই চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন নিয়ে বাইরে থেকে দামি ওষুধ কিনতে বাধ্য হচ্ছেন রোগীরা। দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত মানুষের পক্ষে সেই ব্যয়ভার বহন করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে কয়েক কোটি টাকার ওষুধ মাটির নিচে পড়ে থাকার অভিযোগ সামনে আসায় মানুষের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
ডায়মন্ড হারবার ২ নম্বর বিজেপি মণ্ডলের সভাপতি উত্তম বাগ এই ঘটনাকে “তৃণমূল আমলের স্বাস্থ্য দুর্নীতির জ্বলন্ত প্রমাণ” বলে দাবি করেছেন। তাঁর কথায়, “একদিকে মানুষ হাসপাতালে ওষুধ পাচ্ছে না, সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গেলে বলা হচ্ছে ওষুধ নেই। অন্যদিকে কোটি কোটি টাকার ওষুধ মাটির নিচে লুকিয়ে রাখা হয়েছে। এটা অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। এর নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া দরকার।”
উত্তম বাগ আরও দাবি করেন, শুধুমাত্র ওষুধ নয়, উদ্ধার হয়েছে অক্সিজেন সিলিন্ডার-সহ একাধিক স্বাস্থ্য সরঞ্জাম। তাঁর বক্তব্য, “যদি প্রশাসন নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে, তাহলে আরও বড় মাথাদের নাম সামনে আসবে। কার নির্দেশে এই ওষুধ মাটির নিচে রাখা হয়েছিল, কারা এর সঙ্গে জড়িত—সব সামনে আসা উচিত। আমরা চাই দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হোক।”
বিজেপির অভিযোগের জেরে সরিষা এলাকায় রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশও ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি তুলেছেন। তাঁদের প্রশ্ন, এত বিপুল পরিমাণ ওষুধ কীভাবে এখানে এল? সরকারি নথিতে সেই ওষুধের হিসাব রয়েছে কি না? এবং সেগুলি আদৌ সাধারণ মানুষের জন্য বরাদ্দ ছিল কিনা—তা প্রশাসনের স্পষ্ট করা উচিত।
যদিও এখনও পর্যন্ত প্রশাসনের তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর পরিমাণ বা প্রকৃতি নিয়ে কিছু জানানো হয়নি। পুলিশ বা স্বাস্থ্য দফতরের তরফেও এই বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য মেলেনি। ফলে বিষয়টি নিয়ে ধোঁয়াশা থেকেই যাচ্ছে। তবে রাজনৈতিক মহলের মতে, অভিযোগ যদি সত্য প্রমাণিত হয়, তাহলে তা ডায়মন্ড হারবার মহকুমার সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় বিতর্কে পরিণত হতে পারে।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে ডায়মন্ড হারবারের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নতুন মোড় নিতে পারে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ। একদিকে বিজেপি দুর্নীতির অভিযোগ তুলে আন্দোলনের পথে হাঁটার ইঙ্গিত দিচ্ছে, অন্যদিকে তৃণমূল কী অবস্থান নেয়, সেদিকেও নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের। এখন দেখার, প্রশাসনিক তদন্ত আদৌ শুরু হয় কি না এবং শুরু হলে সেই তদন্তে কী তথ্য উঠে আসে।

উত্তরবঙ্গের আদিবাসী মুখ মালতী রাভা রায়। উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের আলিপুরদুয়ার কলেজ থেকে আর্টসে গ্রাজুয়েশন করেছেন তিনি। ৯০-র দশক থেকে বিজেপিতে রয়েছেন মালতী। তাঁর স্বামী ইন্দ্র মোহন রাভা বিজেপির জেলা সভাপতি ছিলেন।


সঙ্ঘ ঘনিষ্ঠ উত্তরবঙ্গের দাপুটে নেত্রীর হাতেই রাজ্যের নারী সুরক্ষার ভার, কে এই মালতী রাভা রায় চেনেন?
কে এই মালতী রাভা রায়?

মাটি কামড়ে পড়েছিলেন, লড়েছিলেন দাঁতে দাঁত চেপে। তার পুরস্কারও পেলেন। রাজ্যের নতুন বিজেপি সরকারের (BJP Govt) একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দফতরের দায়িত্ব পেলেন উত্তরবঙ্গের নেত্রী তথা তুফানগঞ্জের বিজেপি বিধায়ক মালতী রাভা রায় (Malati Rava Roy)। স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী তিনি। আজ মন্ত্রিত্ব বন্টনে তাঁকে নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী করা হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক উন্নয়ন ও স্বনির্ভর গোষ্ঠীর দায়িত্বও সামলাবেন তিনি।


উত্তরবঙ্গের আদিবাসী মুখ মালতী রাভা রায়। উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের আলিপুরদুয়ার কলেজ থেকে আর্টসে গ্রাজুয়েশন করেছেন তিনি। ৯০-র দশক থেকে বিজেপিতে রয়েছেন মালতী। তাঁর স্বামী ইন্দ্র মোহন রাভা বিজেপির জেলা সভাপতি ছিলেন। মালতী নিজেও জেলা সভাপতি ছিলেন। ২০২১ সালে প্রথমবার বিজেপির টিকিটেই তুফানগঞ্জ থেকে নির্বাচনে লড়েন এবং বিধায়ক হন। এবার ফের নির্বাচনে লড়লেন তুফানগঞ্জ থেকে এবং তৃণমূলের প্রার্থী প্রাক্তন ক্রিকেটার শিবশঙ্করকে ৩১ হাজার ভোটে হারিয়ে জয়ী হলেন।



 অভিষেক সরিয়েছিলেন চেয়ারম্যানের পদ থেকে, তৃণমূলের ভরাডুবি হতেই পৌরসভায় রবীন্দ্রনাথ, বড় কোনও ইঙ্গিত? 
সংঘ ঘনিষ্ঠ হিসাবেই পরিচিত মালতী। উত্তরবঙ্গে বিজেপির লড়াইয়ে অন্যতম মুখ ছিলেন তিনি। ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের আগে কোচবিহারে বিজেপির রথযাত্রা করার কথা ছিল। সেই রথযাত্রা আয়োজনের দায়িত্বে ছিলেন মালতী। যদিও পরে হাইকোর্টের অনুমতি না মেলায়, সেই রথযাত্রা হয়নি। সেই সময়ও শিরোনামে উঠে এসেছিল মালতীর নাম।

পরবর্তীতে সাংবাদিকতার পেশা ছেড়ে রাজনীতির এবড়োখেবড়ো ময়দানে পা। প্রথম লড়াইয়ে হারের মুখ দেখতে হলেও, হার মানেননি জগন্নাথ। ফল মিলেছে এবারের ভোটে। শুধু বিধায়ক নয়, হলেন রাজ্যের মন্ত্রীর। রাজ্যের উচ্চ শিক্ষা দফতরের গুরু দায়িত্ব এবার তাঁর কাঁধে।



 ছোট থেকেই RSS-এর ঘরের ছেলে, সাংবাদিকতার সরণী বেয়ে উচ্চশিক্ষার উচ্চাসনে! কে এই জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়?
কবে থেকে রাজনীতিতে যোগ?

স্বাধীনতার পর এই প্রথম! সিউড়ির মুকুটে জুড়ল পূর্ণমন্ত্রীর পালক। নতুন ইতিহাস লিখে ফেললেন সিউড়িরই ভূমিপুত্র জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। একসময়ে ছিলেন সাংবাদিক। ঝড় তুলতেন কলমের খোঁচায়। প্রশাসনিক রিপোর্টিংয়ের ক্ষেত্রে কর্মজীবনে বিশেষ সুনাম অর্জন করেছিলেন। যে সময় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা, সেই সময় নবান্ন তথা রাজ্য প্রশাসনের খবর করতেন তিনি। শোনা যায়, দক্ষ সাংবাদিক হওয়ায় তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পছন্দের সাংবাদিকও ছিলেন। 


পরবর্তীতে সাংবাদিকতা ছেড়ে রাজনীতির এবড়োখেবড়ো ময়দানে পা। প্রথম লড়াইয়ে হারের মুখ দেখতে হলেও, হার মানেননি জগন্নাথ। ফল মিলেছে এবারের ভোটে। শুধু বিধায়ক নয়, হলেন রাজ্যের মন্ত্রীর। রাজ্যের উচ্চ শিক্ষা দফতরের গুরু দায়িত্ব এবার তাঁর কাঁধে। 


ফাইলের পর ফাইল নথি ছাই, 'কোলাপস' করে যেতে পারে গোটা সরকারি সিস্টেম! সরকারের প্রধান অফিসেই ভয়ঙ্কর ঘটনা
ছোট থেকেই তাঁর আরএসএস ঘনিষ্ঠতা বরাবরই চর্চায় থেকেছে। ছাত্রাবস্থাতেও করেছেন আরএসএসের ছাত্র সংগঠনই। পরবর্তীতে বিজেপিতে যোগ। বিগত কয়েক বছর ধরেই দলের হয়ে টানা কাজ করে গিয়েছেন। তৃণমূলের বেলাগাম দুর্নীতি নিয়ে বিজেপির হয়ে বারবার মুখ খুলেছেন টিভির পর্দায়। তাঁর ক্ষরধার শব্দের প্রয়োগে বারবার কাত হয়েছে শাসক শিবির। পড়ে থেকেছেন মাঠে ময়দানে, বারবার বিজেপির নানা আন্দোলনে তাঁকে একেবারে প্রথমসারিতে দেখা গিয়েছে। দক্ষতার প্রমাণ দিয়ে প্রথমে রাজ্য সাধারণ সম্পাদক এবং পরবর্তীতে রাজ্য সহ-সভাপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। এবার একেবারে মন্ত্রিত্বে।


২০২১ সালের নির্বাচনে জয় অধরা থাকলেও, জনপ্রতিনিধি না হলেও জনসেবার পথে তা বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। দলের সর্বভারতীয় স্তরের যোগাযোগকে কাজে লাগিয়ে সিউড়ির উন্নয়নের স্বার্থে বারবার কেন্দ্রীয় রেল মন্ত্রকের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। তার এই নিরলস চেষ্টাতেই দীর্ঘদিনের আটকে থাকা হাটজনবাজার রেল ওভারব্রিজের কাজ গতি পেয়েছে। এছাড়া সিউড়ি-শিয়ালদহ যাতায়াত সুগম করতে মেমু এক্সপ্রেস চালু, সিউড়ি স্টেশনের আধুনিকীকরণ, সিউড়ি-প্রান্তিক রেল প্রকল্পের থমকে থাকা কাজ পুনরায় শুরু করার ক্ষেত্রেও যথেষ্ট সচেষ্ট হয়েছিলেন জগন্নাথ। 

 ছাত্রাবস্থায় কংগ্রেস করতেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজীব গান্ধীর স্নেহভাজন ছিলেন তিনি। ১৯৯১ সালে মন্ত্রীও ছিলেন। পরে কংগ্রেসের সঙ্গে বিরোধ বাধে। তৈরি হয় দূরত্ব। শেষে ১৯৯৮ সালে তিনি কংগ্রেস ছেড়ে বেরিয়ে আসেন। তৈরি করেন তৃণমূল কংগ্রেস।

কংগ্রেসের সঙ্গে মিশে গেলে মমতার কী লাভ?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।


বঙ্গের রাজনীতিতে টানটান উত্তেজনা। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে হারের পর তৃণমূল কংগ্রেসে (TMC) যে ভাঙন ধরেছে, তাতে শুধু রাজ্যের নয়, দেশের রাজনীতিও তোলপাড় হচ্ছে। এর মধ্যেই বড় চমক। এক হয়ে যেতে পারে কংগ্রেস ও তৃণমূল কংগ্রেস? তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় (Mamata Banerjee)-কে কংগ্রেসে (Congress) যোগদানের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, এমনটাই সূত্রের খবর। মমতাকে কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সহ সভাপতি হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন সনিয়া গান্ধী (Sonia Gandhi) বলে কংগ্রেস সূত্রে খবর। তবে প্রশ্ন উঠছে কেন এই পথে হাঁটতে হচ্ছে মমতাকে? 

ছাত্রাবস্থায় কংগ্রেস করতেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজীব গান্ধীর স্নেহভাজন ছিলেন তিনি। ১৯৯১ সালে মন্ত্রীও ছিলেন। পরে কংগ্রেসের সঙ্গে বিরোধ বাধে। তৈরি হয় দূরত্ব। শেষে ১৯৯৮ সালে তিনি কংগ্রেস ছেড়ে বেরিয়ে আসেন। তৈরি করেন তৃণমূল কংগ্রেস। সেই কংগ্রেসেই আবার ২৮ বছর পর ফেরার জল্পনা শোনা যাচ্ছে। তবে এর পিছনে রয়েছে রাজনীতির জটিল অঙ্ক।


মাইকি'কে রড দিয়ে পিটিয়ে খুন, 'জানে তু ইয়া...' খ্যাত অভিনেত্রীর কান্না দেখে নিজেকে ধরে রাখতে পারলেন না ভূমি


অনাথ নাবালিকাকে 'আশ্রয়' দিয়েছিলেন জেঠু, সেখানেই এমন 'ফাঁদ' পাতা হয়েছিল...
ঋত-ব্লক:
বিধানসভা নির্বাচনে ধরাশায়ী হওয়ার পর তৃণমূল কংগ্রেস ভেঙে খণ্ড খণ্ড হয়েছে। প্রথম ভাঙন ধরান ঋতব্রত। বিধানসভায় ঋতব্রতের হাত ধরে ৬৪ জন বিধায়ক আলাদা তৃণমূল গড়ার চেষ্টা করছে। তারা নিজেদের আসল তৃণমূল বলে দাবি করতে পারে। আদালতে যদি এরা যদি নিজেদের আসল তৃণমূল দাবি করে, তবে দলের প্রতীকও পেয়ে যেতে পারে। দলের টাকা থেকে শুরু করে যাবতীয় অধিকার তাদের হাতে চলে যাবে। দলত্যাগ বিরোধী আইনও প্রয়োগ করা যাবে না যেহেতু তাদের হাতেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। ঠিক যেমনটা মহারাষ্ট্রে হয়েছিল।



এদিকে, লোকসভা-রাজ্যসভাতেও ভাঙন ধরছে। লোকসভায় তৃণমূলের ২৮ জন সাংসদ আছে। রাজ্যসভায় তৃণমূলের সাংসদের সংখ্যা ১৩। লোকসভায় তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে ২০ জন সাংসদ আলাদা ব্লক তৈরি করতে চাইছেন। তারা সমর্থন জানাবে এনডিএ-কে। রাজ্যসভার সাংসদদের একাংশও দল ছাড়ছে, পদ ছাড়ছে। ইতিমধ্যেই ইস্তফা দিয়েছেন সুখেন্দু শেখর রায়, সুস্মিতা দেব। সদ্য রাজ্যসভার সাংসদ হওয়া কোয়েল মল্লিকের ইস্তফাও এখন সময়ের অপেক্ষা।

দলত্যাগ বিরোধী আইন কী?
দল যাতে হাতছাড়া না হয় এবং এনডিএ-র হাত শক্তিশালী না হয়, তার জন্যই কি তৃণমূলের এই স্ট্র্যাটেজি? এর জন্য বুঝতে হবে দলত্যাগ বিরোধী আইন। কী এই আইন? কোনও সাংসদ বা বিধায়ক যদি এক দলের টিকিটে জেতার পর অন্য দলে যোগ দেন, তবে তাঁর সেই পদ খারিজ করার যে আইনি ব্যবস্থা রয়েছে, তাকেই দলত্যাগ বিরোধী আইন বলা হয়। ভারতীয় রাজনীতিতে দুর্নীতি কমানো এবং সরকারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য এই আইনটি আনা হয়েছিল।

কোনও সদস্য দলত্যাগ বিরোধী আইনের আওতায় পড়ছেন কি না, সেই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন সংশ্লিষ্ট কক্ষের প্রিসাইডিং অফিসার অর্থাৎ লোকসভা বা বিধানসভার ক্ষেত্রে স্পিকার এবং রাজ্যসভার ক্ষেত্রে চেয়ারম্যান। তবে স্পিকারের এই সিদ্ধান্তকে পরবর্তীতে আদালতে চ্যালেঞ্জ করা যেতে পারে।



এই আইনটিতে বিশেষ ছাড়ও রয়েছে, যা দল ভাঙার ক্ষেত্রে সুরক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে। সেটি হল দুই-তৃতীয়াংশের নিয়ম। যদি কোনও রাজনৈতিক দলের মোট নির্বাচিত সদস্যের অর্থাৎ সাংসদ বা বিধায়ক অন্তত দুই-তৃতীয়াংশ অংশ দল ছেড়ে অন্য কোনও দলের সঙ্গে যুক্ত হতে চান বা একীভূত (Merger) হতে চান, তবে তাঁদের পদ খারিজ হয় না।

মমতার মাস্টারস্ট্রোক?
এখন তৃণমূলের যা অবস্থা, তাতে ঋতব্রত শিবির বা কাকলির শিবির- কাউকেই দলত্যাগ বিরোধী আইনের আওতায় ফেলতে পারবে না মমতার তৃণমূল কংগ্রেস। তবে সেখানেই যদি মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় কংগ্রেসের সঙ্গে এক হয়ে যান, তাহলে সাংসদ সংখ্যা কমবে না, উল্টে বাড়বে। তখন কাকলি সহ ২০ সাংসদের বিরুদ্ধে দলত্য়াগ বিরোধী আইনে অভিযোগ করা যাবে এবং তাদের সাংসদ পদও খারিজ হতে পারে। তবে রাজ্য বিধানসভার ক্ষেত্রে তা হবে না, কারণ তৃণমূলের বিদ্রোহী বিধায়কের সংখ্যা বেশি। কংগ্রেসে যোগ দিলেও দুই তৃতীয়াংশের সংখ্যায় পৌঁছতে পারবে না। আপাতত লোকসভা ও রাজ্যসভায় ঘর বাঁচাতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২৮ বছর পর কংগ্রেসে ফিরতে পারেন।

আজ কুণাল বলেন, "এই বিষয়ে কোনও কথা বলার এক্তিয়ার নেই। কারণ, আমাদের তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী দিল্লিতে রয়েছে। ওইখানে কংগ্রেসের নেতা-নেত্রীরা রয়েছেন। এটাও ঘটনা, তৃণমূলের জন্ম হয়েছিল সিপিএম-এর অপশাসনকে মুক্ত করার জন্য। 

কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে তৃণমূলের জন্ম হয়েছিল। আগে রাজীব গান্ধী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে স্নেহ করতেন।"


মমতা কংগ্রেসে গেলে কুণাল কী করবেন? প্রশ্ন শুনেই বললেন..
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে কুণাল


পালা বদলের একমাসের মধ্যেই ভগ্নদশা তৃণমূলের। চুনোপুঁটি থেকে রাঘব বোয়াল কেউ দল ছাড়ছেন, কেউ আবার পদ ছাড়ছেন। এই আবহের মধ্যেই দিল্লিতে চড়চড় করে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তেজনা। প্রশ্ন উঠছে তবে কি তৃণমূল দলটাই উঠে যাবে? কারণ, সূত্রের খবর, তৃণমূলকে কংগ্রেসে মিশিয়ে ২৮ বছর পর আবার হাত শিবিরে ফিরতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banrjee)। আর সুপ্রিমো যদি কংগ্রেসে যান, তাহলে কুণাল ঘোষ কী করবেন? তাঁর রাজনৈতিক অবস্থানই বা কী হবে? টিভি ৯ বাংলাকে এক্সক্লুসিভ বললেন সে কথা।


আজ কুণাল বলেন, “এই বিষয়ে কোনও কথা বলার এক্তিয়ার নেই। কারণ, আমাদের তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী দিল্লিতে রয়েছে। ওইখানে কংগ্রেসের নেতা-নেত্রীরা রয়েছেন। এটাও ঘটনা, তৃণমূলের জন্ম হয়েছিল সিপিএম-এর অপশাসনকে মুক্ত করার জন্য। কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে তৃণমূলের জন্ম হয়েছিল। আগে রাজীব গান্ধী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে স্নেহ করতেন। আর এখন সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে তাঁর ভালো সম্পর্কে রয়েছেন। তাই এখানে যা যা আলোচনাই হোক সেটা এই মুহূর্তে বলা সম্ভব নয়। আমি মন্তব্য করব না।”


মাইকি'কে রড দিয়ে পিটিয়ে খুন, 'জানে তু ইয়া...' খ্যাত অভিনেত্রীর কান্না দেখে নিজেকে ধরে রাখতে পারলেন না ভূমি
কংগ্রেসে মমতা গেলে কুণালের রাজনৈতিক অবস্থান কী?


বেলেঘাটার তৃণমূলে বিধায়ক বলেন, “সূত্রের উপর দাঁড়িয়ে আমি মন্তব্য করব না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতীক নিয়ে আমি বিধায়ক হয়েছি,এখানে টাটকা কৃতজ্ঞতা কাজ করেন। একমাস হয়েছে ভোট, আমি তো এত কিছুর পরও নির্দল হইনি। তাই উনি যে রাজনীতি করবেন আমি ওঁর সঙ্গেই সেই রাজনীতি করার চেষ্টা করব। কিন্তু ভবিষ্যত কখন কী হবে তা বলা মুশকিল।”