Articles by "News"
Showing posts with label News. Show all posts

ইথিওপিয়া ও মালয়শিয়ার প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, তারা ভারতের সঙ্গে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও বাড়াতে আগ্রহী তারা। যৌথ সামরিক প্রশিক্ষণ ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। দুই দেশই ভারতীয় শিল্প ও বিনিয়োগকে স্বাগত জানিয়েছেন।


আজ থেকে শুরু হচ্ছে ব্রিকস সামিট। এবার ব্রিক সামিটের সভাপতিত্বের দায়িত্বে রয়েছে ভারত। সামিট শুরুর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করলেন ইথিওপিয়া ও মালয়শিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। তারা জানিয়েছেন, ভারতের সঙ্গে ইথিওপিয়া ও মালয়শিয়ার সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।


ইথিওপিয়া ও মালয়শিয়ার প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, তারা ভারতের সঙ্গে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও বাড়াতে আগ্রহী তারা। যৌথ সামরিক প্রশিক্ষণ ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। দুই দেশই ভারতীয় শিল্প ও বিনিয়োগকে স্বাগত জানিয়েছেন। একদিকে যেখানে ইথিওপিয়ায় ভারতীয় মাইনিং কোম্পানি গুলিকে স্বাগত জানানো হয়েছে, সেখানেই মালয়শিয়ার সঙ্গে সেমিকন্ডাক্টর নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এমনটাই খবর সরকারি সূত্রে।


প্রসঙ্গত, ছোট ও মাঝারি দেশগুলির সঙ্গে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সহযোগিতা ক্রমশ বাড়ছে। এশিয়া, আফ্রিকা-সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নিরাপত্তার প্রয়োজন মেটাতে ভারতের তৈরি প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহ বাড়ছে।সাম্প্রতিক সময়ে এর অন্যতম উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হল ইন্দোনেশিয়া। চলতি বছরের জুলাই মাসে জাকার্তা ভারতের সঙ্গে ব্রাহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র সংক্রান্ত চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। পাশাপাশি, ভারতের ‘অস্ত্র’ (Astra) এয়ার-টু-এয়ার মিসাইলকে ঘিরে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তিও স্বাক্ষর করেছে দুই দেশ।


ভিয়েতনামও ভারতের গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাব্য প্রতিরক্ষা অংশীদার হিসেবে উঠে এসেছে। ভারত সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ভিয়েতনামের সঙ্গে ব্রহ্মোস চুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। ফিলিপিন্স ইতিমধ্যেই ব্রহ্মোস কিনেছে ভারতের কাছ থেকে। ৩৭৫ মিলিয়ন ডলারের চুক্তিতে তিনটি অ্যান্টি-শিপ মিসাইল ব্যাটারি কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। ২০২৬ সালে সেই সরঞ্জাম সরবরাহের কাজও সম্পূর্ণ হয়েছে।

আর্মেনিয়াও ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা ক্রেতা। ভারতের কাছ থেকে পিনাকা মাল্টি-ব্যারেল রকেট লঞ্চার, আকাশ-১এস এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম, ATAGS আর্টিলারি গান, র‌্যাডার-সহ একাধিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কিনেছে। ২০২২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে আর্মেনিয়ার মোট অস্ত্র আমদানির প্রায় ৪৩ শতাংশই এসেছে ভারত থেকে।



 রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেসকিয়ান, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাপোসাও আসবেন। মিশরের প্রেসিডেন্ট আব্দেল ফতেহ এল সিসি, ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবিই আহমেদ, ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো আসবেন ব্রিকস সামিটে।


এক ছাদের নীচে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সেখানেই থাকবেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। বিরল এই মুহূর্তের সাক্ষী হবে ব্রিকস সামিট। নয়া দিল্লিতে বসতে চলেছে ব্রিকস লিডারস সামিটের আসর। সেখানেই উপস্থিত থাকবেন সকলে।


১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়া দিল্লির ভারত মণ্ডপমে বসছে ব্রিকস লিডারস সামিটের আসর। আগামিকালই ভারতে আসতে চলেছেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। সাত বছর পর ভারতে আসছেন তিনি। বিশেষ করে, ২০২০ সালে গালওয়ান সংঘর্ষের পর এই প্রথম চিনা প্রেসিডেন্টের ভারত সফর যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। ১২ তারিখ সন্ধ্যাতেই তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসতে পারেন।


'বাংলা ভেসে যাচ্ছে, আর কালীঘাটের মধ্যবিত্ত পাড়ার ছেলে নিউ জার্সিতে ভিলা নিয়ে থাকছে', অভিষেককে খোঁচা মদনের
এছাড়াও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেসকিয়ান, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাপোসাও আসবেন। মিশরের প্রেসিডেন্ট আব্দেল ফতেহ এল সিসি, ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবিই আহমেদ, ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো আসবেন ব্রিকস সামিটে।


ব্রিকস সামিটে আমন্ত্রিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা। উপস্থিত থাকবেন প্রতিটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাও। ব্রিকসের নৈশভোজে যোগ দিতে যাবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা সংসদ ভবনে যাবেন। সেখান থেকে বাসে চেপে তারা ভারত মণ্ডপমে যাবেন।



ব্রিকস সামিটের ফাঁকেই মুখোমুখি আলোচনায় বসতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi) ও চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং (Xi Jinping)। এমনটাই সূত্রের খবর। যদি সত্যি তাই হয়, তবে ২০২০ সালের গালওয়ান সংঘর্ষের পর এই প্রথম দুই রাষ্ট্রনেতা দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় বসতে চলেছেন। 


রাজধানীতে বসতে চলেছে ব্রিকস সামিট (BRICS Summit)। সেই সামিটের ফাঁকেই মুখোমুখি আলোচনায় বসতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi) ও চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং (Xi Jinping)। এমনটাই সূত্রের খবর। যদি সত্যি তাই হয়, তবে ২০২০ সালের গালওয়ান সংঘর্ষের পর এই প্রথম দুই রাষ্ট্রনেতা দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় বসতে চলেছেন।


ব্রিকসে মুখোমুখি মোদী-জিনপিং-
আগামী ১২ সেপ্টেম্বর নয়া দিল্লিতে বসতে চলেছে ব্রিকস সামিট। সেই বৈঠকের ফাঁকেই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসতে পারে দুই রাষ্ট্রনেতা। দুই দেশেরই নজর এই বৈঠকের দিকে, কারণ বিগত কয়েক বছর ধরে সীমান্তে যে টানাপোড়েন-উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল এবং আর্থিক সম্পর্কেরও অবনতি হয়েছিল, সেই দিকে নজর রেখে জিনপিং ও প্রধানমন্ত্রী মোদীর বৈঠক দুই দেশের সম্পর্কে মোড় আনতে পারে।


আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে ১৮তম ব্রিকস লিডারস সামিট হতে চলেছে। জানা গিয়েছে, আগামী শনিবারই দিল্লিতে আসার কথা শি জিনপিংয়ের। সাত বছরে এই প্রথম তিনি ভারত সফরে আসতে চলেছেন। যদিও নয়া দিল্লি বা বেজিং-কারোর তরফেই দ্বিপাক্ষিক বৈঠক নিয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি।


সম্প্রতি সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন অর্থাৎ এসসিও সামিটে দেখা হয়েছিল দুই রাষ্ট্রনেতার। সেই সময় মোদী ও জিনপিং হাত মেলালেও, তাদের মধ্যে কোনও দ্বিপাক্ষিক আলোচনা হয়নি।

অন্যদিকে, শি জিনপিংয়ের ভারত সফরের পরই জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের চিন সফরে যাওয়ার কথা।

গালওয়ান সংঘর্ষ-
২০২০ সালের জুন মাসে পূর্ব লাদাখের কাছে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা ঘিরে উত্তেজনা এবং তারপর গালওয়ান সংঘর্ষের জেরে ভারত-চিন সম্পর্কের অবনতি হয়। এরপরে দুই দেশের তরফে একাধিকবার সেনা ও কূটনৈতিক স্তরে আলোচনায় বসা হয়। সেই আবহেই এবার মুখোমুখি আলোচনায় বসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী মোদী ও চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।




ইতিমধ্যেই আইফোন গোটা বিশ্বে খুব বিখ্যাত। এখন চলছে আইফোন ১৭-র যুগ। তবে যেহেতু এই প্রথমবার ফোল্ডিং ফোন বাজারে বিক্রি করা শুরু করতে চলেছে অ্যাপল, তাই সব ঠিক চললে খুব কম দিনের মধ্যেই আইফোন ব্যবসাতে আরও লাভের মুখ দেখবে সংস্থা।

প্রথমবার বাজারে Foldable ফোন আনল অ্যাপল! দাম কত? কী কী ফিচার আছে জানেন?
আইফোন ডুও

স্মার্টফোনের বাজারে একটু আউট অফ দ্য বক্স ফোন মানেই Apple আইফোন। নতুন ফোন বেরনো মানেই কখন সেই নতুন মডেল হাতে নিয়ে একটা সেলফি তুলে সোশাল মিডিয়াতে দিয়ে পোস্ট করবেন, এই ফোমোতে ভোগে সবাই। তবে Apple নিজেও এবার একটা চমক দেখাল। বহুদিন ধরেই বাজারে পাওয়া যাচ্ছে ফোল্ডিং ফোন। তবে এই প্রথমবার বাজারে নিজেদের ফোল্ডেবল ফোন iPhone Duo নিয়ে এল Apple। এই ফোনটি নিয়ে ইতিমধ্যেই চর্চা সর্বত্র।


কী আছে এই ফোনে?



নতুন iPhone Duo-র বেস 256 GB-র মডেলে আছে 7.6 ইঞ্চির ডিসপ্লে। পাশাপাশি আছে 5.4 ইঞ্চির আউটসাইড বা বাইরের স্ক্রিন। ফোনটির hinge, ওজন ও মাল্টিটাস্কিং-এর উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে Apple। ফোনটিকে বিভিন্ন অ্যাঙ্গলে ভাঁজ করে বা ফোল্ড করে ব্যবহার করা যাবে। ফলে একই সময়ে একাধিক কাজ করতে পারবেন ইউজাররা। মোট 256 GB, 512 GM, 1 TB, 2 TB-র স্পেসের হবে এই iPhone Duo। Star White ও Night Sky – এই দুটি কালার অপশনে পাওয়া যাবে এই ফোন।


লঞ্চের আগে শোনা গিয়েছিল, এই ফোনটির দাম হবে প্রায় ২০০০ ডলারেরও বেশি। তবে এই ফোনের দাম শুরু হচ্ছে ১৯৯৯ ডলার থেকে। ভারতে এই ফোনের দাম শুরু হচ্ছে ২ লক্ষ ৯৯ হাজার ৯০০ টাকা থেকে। দীর্ঘদিন ধরেই Samsung, Huawei-এর মতো একাধিক কোম্পানি ফোল্ডিং ফোন বানায় ও সেগুলি খুব বিখ্যাত। সেখানে সবেমাত্র এই ফোল্ডিং ফোনের দুনিয়াতে পা রাখল Apple। ফলে, যাঁরা ইতিমধ্যেই ফোল্ডিং ফোনের বিষয়ে জানেন, সেই প্রিমিয়াম গ্রাহকরা নতুন প্রযুক্তি ও Apple নামক ব্র্যান্ডের উপর ভরসা করে প্রায় ৩ লক্ষ টাকা খরচ করতেও প্রস্তুত।

ইতিমধ্যেই আইফোন গোটা বিশ্বে খুব বিখ্যাত। এখন চলছে আইফোন ১৭-র যুগ। তবে যেহেতু এই প্রথমবার ফোল্ডিং ফোন বাজারে বিক্রি করা শুরু করতে চলেছে Apple, তাই সব ঠিক চললে খুব কম দিনের মধ্যেই আইফোন ব্যবসাতে আরও লাভের মুখ দেখবে সংস্থা। IDC এর তথ্যের মান অনুযায়ী, লঞ্চের প্রথম ১২ মাসে Apple প্রায় ১ কোটি iPhone Duo বিক্রি করতে পারে। এর ফলে সংস্থার ২৭ বিলিয়ন ডলার টাকা লাভ হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। সব যদি ঠিক ভাবে চলে, তাহলে ২০২৭ সালের মধ্যে বিশ্বের সবথেকে বড় স্মার্টফোন বিক্রেতা সংস্থা হয়ে উঠবে Apple। তবে এই সবকিছুই দেখা যাবে ২৩ অক্টোবর থেকে। কারণ ২৩ অক্টোবর থেকে ভারতে পাওয়া যাবে iPhone Duo। Apple ইন্ডিয়ার নানা স্টোরে ফোনটির জন্য প্রি-বুক করা যাবে ১৬ অক্টোবর, বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে।



ব্রিকস সামিটে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আসবেন কি না, তা নিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরেই জল্পনা ছিল। তবে আজ সব জল্পনার অবসান করে বাংলাদেশ সরকারের তরফে জানানো হয় যে ভারতে ব্রিকস সামিটে যোগ দিতে আসবেন না। 


ভারতে আসছেন না বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান! কেন?
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

 ভারতে আসছেন না বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান (Tarique Rahman)। ব্রিকস লিডারস সামিটে (BRICS Leader’s Summit) অংশ নিতে নয়া দিল্লিতে আসার কথা ছিল তাঁর, কিন্তু শেষ মুহূর্তে জানা গেল, ব্রিকসের বৈঠকে যোগ দেবেন না তারেক রহমান। আজ বাংলাদেশের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এ দিন সাংবাদিক বৈঠক করে এ কথা জানান। এরপরে বিএনপি-র ফেসবুক পেজেও পোস্ট করা হয়।


কেন আসছেন না তারেক রহমান?
ব্রিকস সামিটে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আসবেন কি না, তা নিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরেই জল্পনা ছিল। তবে আজ সব জল্পনার অবসান করে বাংলাদেশ সরকারের তরফে জানানো হয় যে ভারতে ব্রিকস সামিটে যোগ দিতে আসবেন না।


 অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে বার্ধক্য ভাতার ১৫০০! টাকা পেতেই ক্ষোভ প্রকাশ করে ব্যানার বৃদ্ধের ছেলের! কারণ জানেন?
বিদেশ প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জানান যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ করা হয়নি, বরং বিমস্টেকের চেয়ারম্যান হিসাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। সেই কারণেই তারেক রহমান ভারতে আসছেন না। এমনকী, বাংলাদেশের কোনও প্রতিনিধিও ব্রিকস সামিটে যোগ দিতে আসবেন না বলেই জানানো হয়েছে।


প্রসঙ্গত, বিমস্টেক হল বঙ্গোপসাগরের সাত দেশের আঞ্চলিক জোট। এই জোটের সদস্য হল ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, মায়ানমার, নেপাল ও ভুটান।

ভারতে কি আসবেনই না তারেক?
ব্রিকস সামিটে না এলেও, বিদেশ প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির নিজেই জানিয়েছেন যে ভারত ও বাংলাদেশ-উভয়ই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের ব্যবস্থা করছে। অনুকূল পরিবেশ হলেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারতে দ্বিপাক্ষিক সফরে আসবেন।

এর আগে জল্পনা শোনা গিয়েছিল যে চলতি বছরের নভেম্বর মাসের শেষে বা ডিসেম্বরে ভারত সফরে আসতে পারেন তারেক রহমান। তবে দুই দেশের তরফেই এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও ঘোষণা করা হয়নি।





হলফনামা অনুযায়ী, শেখ হাসিনার ১৫.৩ বিঘা কৃষিজমি রয়েছে। টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ সদর, গাজিপুর এবং রংপুরে এই জমিগুলি রয়েছে। গাজিপুর শহর থেকে প্রায় ১৩ কিলোমিটার দূরে ঢাকা-টাঙ্গাইল হাইওয়ের পাশে মৌচাকের তেলিরচালা এলাকায় শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের একটি বাগানবাড়িও রয়েছে।


হাসিনার সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের তোরজোড়, কোটি টাকার ব্যাঙ্ক ব্যালান্স থেকে জমি-বাড়ি, কী কী রয়েছে বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর নামে?

বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে (Seikh Hasina) গত বছরই মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (ICT)। একইসঙ্গে তাঁর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এবার সেই সম্পত্তি কীভাবে বাজেয়াপ্ত করা হবে, কোন সংস্থা এই কাজ করবে এবং বাজেয়াপ্ত সম্পত্তি কীভাবে নিহতদের পরিবারের ক্ষতিপূরণে ব্যবহার করা হবে, তা নিয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলছে। আর এই প্রসঙ্গেই নতুন করে উঠে এসেছে হাসিনার সম্পত্তির পরিমাণ (Seikh Hasina Assets)।


প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার সাংবাদিকদের এই বিষয়ে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মহম্মদ আমিনুল ইসলাম। তাঁর বক্তব্য, আইন ও বিধিতে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সংস্থান রয়েছে। তবে গোটা প্রক্রিয়াটি কীভাবে কার্যকর হবে, তা সাধারণ আইনের মাধ্যমে নির্ধারিত হয়। তবে, পুরনো রায়েও বাজেয়াপ্ত করা যাবে সম্পত্তি? চিফ প্রসিকিউটর জানিয়েছেন, শুনানির সময় বিষয়টি ট্রাইব্যুনালের বিচারকদের সামনে তোলা হয়েছিল এবং এই নিয়ে স্পষ্ট নির্দেশিকা দেওয়ার আবেদন করা হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হয়ে গেলে তা পূর্ববর্তী রায়ের ক্ষেত্রেও কার্যকর হতে পারে। অর্থাৎ, ইতিমধ্যে যে সমস্ত রায়ে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সেই নির্দেশ অনুযায়ীও পদক্ষেপ করা সম্ভব হবে। এক্ষেত্রে কোনও আইনি বাধা নেই বলেই দাবি করেছেন তিনি।


এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, শেখ হাসিনার নিজের নামে ঠিক কত সম্পত্তি রয়েছে, যা বাজেয়াপ্ত করা সম্ভব? ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ির মালিকানাই বা কার নামে?


হাসিনার নামে কত টাকার সম্পত্তি?
২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জ-৩ আসন থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন শেখ হাসিনা। সেই সময় জমা দেওয়া নির্বাচনী হলফনামায় নিজের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির হিসাব দিয়েছিলেন তিনি।

হলফনামা অনুযায়ী, শেখ হাসিনার নিজের নামে বাংলাদেশি মুদ্রায় মোট ৪ কোটি ৩৪ লক্ষ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি রয়েছে। ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় তিন কোটি ৩৩ লক্ষ টাকা। তাঁর হাতে নগদ ছিল ২৮ হাজার ৫০০ টাকা (বাংলাদেশি)। ব্যাঙ্ক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ছিল প্রায় ২ কোটি ৩৯ লক্ষ বাংলাদেশি টাকা।

এছাড়া, ২৫ লক্ষ টাকার (বাংলাদেশি) সেভিংস সার্টিফিকেট এবং ৫৫ লক্ষ টাকার (বাংলাদেশি) ফিক্সড ডিপোজিট বা FDR থাকার কথা জানিয়েছিলেন তিনি।

তিনটি গাড়ি, সোনা ও আসবাব
নির্বাচনী হলফনামায় শেখ হাসিনা তিনটি মোটরগাড়ির কথাও জানিয়েছিলেন। তার মধ্যে একটি উপহার হিসাবে পাওয়া। সেই গাড়ির মূল্য উল্লেখ করা হয়নি। বাকি দু’টি গাড়ির মোট মূল্য দেখানো হয়েছিল বাংলাদেশের হিসেবে ৪৭ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া, তাঁর কাছে ১৩ লক্ষ ২৫ হাজার টাকার সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতু এবং ৭ লক্ষ ৪০ হাজার টাকার আসবাব থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছিল।

কোথায় কোথায় জমি রয়েছে?
হলফনামা অনুযায়ী, শেখ হাসিনার ১৫.৩ বিঘা কৃষিজমি রয়েছে। টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ সদর, গাজিপুর এবং রংপুরে এই জমিগুলি রয়েছে। গাজিপুর শহর থেকে প্রায় ১৩ কিলোমিটার দূরে ঢাকা-টাঙ্গাইল হাইওয়ের পাশে মৌচাকের তেলিরচালা এলাকায় শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের একটি বাগানবাড়িও রয়েছে।

১৯৭০ সালের আশপাশে স্থানীয় এক ব্যক্তি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে ওই জমি হস্তান্তর করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে উত্তরাধিকার সূত্রে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা ওই জমির মালিক হন।

পরে তাঁরা জমির একাংশ সন্তানদের নামে হস্তান্তর করেন। ফলে জমির মালিকানার অংশ যায় শেখ হাসিনার সন্তান সজীব ওয়াজেদ ও সায়মা ওয়াজেদ এবং শেখ রেহানার সন্তান রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ও আজমিনা সিদ্দিকের নামে। নথি অনুযায়ী, ওই জমির পরিমাণ ২৯৭ ডেসিমেল বা প্রায় ৯ বিঘা।

শেখ হাসিনার নির্বাচনী হলফনামায় ঢাকার পূর্বাচলে একটি প্লটের উল্লেখ রয়েছে। তার মূল্য দেখানো হয়েছে ৩৪ লক্ষ ৭৬ হাজার টাকা।

শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন পূর্বাচলে তাঁর নিজের পাশাপাশি ছেলে সজীব ওয়াজেদ, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ, বোন শেখ রেহানা, রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক এবং মেয়ে আজমিনা সিদ্দিকের নামে ১০ কাঠা করে প্লট বরাদ্দ হয়েছিল। অর্থাৎ, একই পরিবারের ছয় সদস্য মোট ৬০ কাঠা জমি পেয়েছিলেন।

টুঙ্গিপাড়ায় তিনতলা বাড়ি
হলফনামায় টুঙ্গিপাড়ার একটি সম্পত্তির কথাও জানিয়েছিলেন শেখ হাসিনা। তাঁর নিজের নামে আংশিক ৬.১০ ডেসিমেল জমি এবং সেখানে একটি তিনতলা বাড়ি রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছিল।

ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়ি কি হাসিনার নামে?
ভূমি দফতরের সূত্র অনুযায়ী, ঢাকার ঐতিহাসিক ৩২ ধানমন্ডির বাড়িটির মালিকানা শেখ হাসিনার নামে নেই। বাড়িটির মালিকানা রয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের নামে। অন্যদিকে, ধানমন্ডিতে শেখ হাসিনার বাসভবন ‘সুধা সদন’-এর মালিকানা তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদ এবং মেয়ে সায়মা ওয়াজেদের নামে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

মৃত্যুদণ্ডের সঙ্গে সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের নির্দেশ
২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনা এবং বাংলাদেশের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। পাশাপাশি তাঁদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশও দেওয়া হয়।পাশাপাশি জুলাই আন্দোলনে নিহতদের পরিবারকে উল্লেখযোগ্য অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয় সরকারকে।

শুধু এই মামলাই নয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের আরও কয়েকটি রায়েও অভিযুক্তদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আশুলিয়ায় ছয় ব্যক্তিকে হত্যা এবং তাঁদের দেহ পুড়িয়ে দেওয়ার মামলায় প্রাক্তন সাংসদ সাইফুল ইসলামের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।



ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, মার্কিন হামলায় কয়েকজন ইরানি সেনা ও সাধারণ নাগরিক নিহত এবং আহত হয়েছেন। IRGC-র এক মুখপাত্রের দাবি, লারাক দ্বীপে হামলার জন্য আমেরিকাকে অর্থনৈতিক ও সামরিক-দুই দিক থেকেই মূল্য চোকাতে হবে। জানা গিয়েছে, ড্রোনের মাধ্যমে হামলা চালানো হয়েছিল। 


ইরানের লারাক দ্বীপে হামলা আমেরিকার, ড্রোন দিয়ে পাল্টা জবাব দিল তেহরানও
ইরান-আমেরিকার সংঘাত শুরু নতুন করে।

ওয়াশিংটন ও তেহরান: ফের শুরু সংঘাত। আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল সম্পর্ক। হরমুজ প্রণালীতে (Strait of Hormuz) সি মাইন (Sea Mine) পুঁততে পারে ইরান, এই অভিযোগ তুলে ইরানের লারাক দ্বীপে সামরিক হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। এরপরই পাল্টা জবাব দেয় তেহরান। ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস (IRGC) জানিয়েছে, লারাক দ্বীপে মার্কিন হামলার জবাবে তারা জর্ডনে থাকা মার্কিন ঘাঁটিতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।


নতুন করে হামলাকে কেন্দ্র করে ফের মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে উঠেছে। জুন মাসের পর থেকে তুলনামূলকভাবে শান্ত ছিল আমেরিকা-ইরান। বড়সড় সংঘাতে জড়ায়নি তারা। তবে এই ঘটনায় নতুন করে বড় সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি করেছে।
রাশিয়ার প্রস্তাবিত সম্ভাব্য রুটটি বেশ দীর্ঘ। রাশিয়া থেকে রেলপথ তুর্কমেনিস্তান, ইরান, আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানের উপর দিয়ে এগিয়ে শেষ পর্যন্ত ভারতে পৌঁছতে পারে সম্ভাব্য রেল। তবে এটি এখনও শুধুই পরিকল্পনার স্তরে রয়েছে।


রাশিয়া থেকে সোজা ভারত অবধি ট্রেন চলবে? বিরাট প্রস্তাব মস্কোর
প্রতীকী চিত্র।

ফ্লাইট নয়, ভারতের (India) সঙ্গে এবার রেলপথে জুড়তে চাইছে রাশিয়া (Russia)। ভারতের সঙ্গে স্থলপথে আরও শক্তিশালী যোগাযোগ তৈরি করতে চাইছে রাশিয়া। এবার রেলপথে ভারত মহাসাগর পর্যন্ত পৌঁছনোর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখার প্রস্তাব দিল মস্কো।


রাশিয়ার উপপ্রধানমন্ত্রী মারাত খুসনুলিন জানিয়েছেন, গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথগুলির উপর নির্ভরতা কমাতে বিকল্প রুট তৈরি করা প্রয়োজন। সেই লক্ষ্যেই ভারত মহাসাগর পর্যন্ত রেলপথ তৈরির সম্ভাবনা বিবেচনা করা যেতে পারে।


রুশ সংবাদ সংস্থা TASS-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই প্রস্তাবের কথা জানিয়েছেন খুসনুলিন। তাঁর বক্তব্য, বসফরাস প্রণালী এবং হরমুজ প্রণালীর মতো গুরুত্বপূর্ণ জলপথকে ঘিরে ঝুঁকি বাড়ছে। তাই পণ্য পরিবহণের জন্য বিকল্প স্থলপথ তৈরি করা ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।


কোন পথে ভারত পর্যন্ত পৌঁছতে পারে রেল?
রাশিয়ার প্রস্তাবিত সম্ভাব্য রুটটি বেশ দীর্ঘ। রাশিয়া থেকে রেলপথ তুর্কমেনিস্তান, ইরান, আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানের উপর দিয়ে এগিয়ে শেষ পর্যন্ত ভারতে পৌঁছতে পারে সম্ভাব্য রেল। তবে এটি এখনও শুধুই পরিকল্পনার স্তরে রয়েছে। কোনও নির্দিষ্ট রুট চূড়ান্ত হয়নি।

খুসনুলিন জানিয়েছেন, ভারত পর্যন্ত পৌঁছনোর সুযোগ তৈরি করে এমন যে কোনও বিকল্পই রাশিয়া বিবেচনা করতে পারে। এই মুহূর্তেই রাশিয়া-ভারতের মধ্যে কোনও নতুন যাত্রীবাহী ট্রেন চালুর সিদ্ধান্ত হয়নি। ট্রেনের নাম, টিকিটের দাম, রুট বা পরিষেবা শুরুর তারিখও এখনও ঘোষণা করা হয়নি।

কেন এমন রেলপথ চাইছে রাশিয়া?
এর পিছনে মূল কারণ হল বাণিজ্যিক নিরাপত্তা। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহণের পথ হল হরমুজ প্রণালী। বিশ্বের মোট তেল বাণিজ্যের প্রায় ২৫ শতাংশ এবং এলএনজি (LNG) পরিবহণের প্রায় ২০ শতাংশ এই জলপথের উপর দিয়ে যায়। ফলে হরমুজ প্রণালী বা অন্য কোনও গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথে সমস্যা তৈরি হলে আন্তর্জাতিক পণ্য পরিবহণ ও জ্বালানি সরবরাহে বড় প্রভাব পড়তে পারে। রাশিয়া তাই সমুদ্রপথের পাশাপাশি স্থলপথেও পণ্য পরিবহণের সুযোগ তৈরি করতে চাইছে।

ভারতের কী লাভ?
এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ভারতের জন্যও তা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। রেলপথ তৈরি হলে রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের স্থল যোগাযোগ আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে মধ্য এশিয়া ও দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক যোগাযোগও বাড়তে পারে। বিশেষ করে পণ্য পরিবহণের ক্ষেত্রে এই ধরনের করিডর গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। ভবিষ্যতে যদি সত্যিই ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে স্থলপথে রেল যোগাযোগ তৈরি হয়, তাহলে পর্যটকদের যাতায়াতের সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।

রাশিয়ার এই প্রস্তাবটি এখনও আলোচনার পর্যায়েই রয়েছে। আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মতো দেশগুলির মধ্য দিয়ে রেলপথ তৈরি করা, একাধিক দেশের সঙ্গে সমন্বয় এবং বিপুল পরিকাঠামো নির্মাণ- সব মিলিয়ে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে।

তবে এই প্রস্তাবের সবচেয়ে বড় তাৎপর্য হল, ভারতের দিকে স্থলপথে পৌঁছনোর জন্য নতুন রেল সংযোগের সম্ভাবনা নিয়ে রাশিয়া ভাবতে শুরু করেছে। ভবিষ্যতে এই পরিকল্পনা বাস্তব রূপ পেলে ভারত-রাশিয়া বাণিজ্য ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে তা বড় পরিবর্তন আনতে পারে।

  প্রতিষ্ঠানের AICTE অনুমোদন দেখতে ভুলবে না
আইটি-র দুনিয়ায় পা রাখার স্বপ্ন অনেকেরই থাকে। ক্লাস টুয়েলভের পর আইটি-তে সফল কেরিয়ার তৈরি করতে বহু ছাত্রছাত্রী বিসিএ (BCA) কোর্স করার পরিকল্পনা করেন। এই কোর্সে একজন পড়ুয়া পাঠ্যবইয়ের সিলেবাসের পাশাপাশি প্র্যাকটিক্যাল বা হাতে-কলমে পড়াশোনাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিসিএ কোর্স করতে গেলে যে কোনও প্রতিষ্ঠান বেছে নিলেই হয় না, AICTE অনুমোদন থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।


বিসিএ পড়ে আইটি দুনিয়ায় পা রাখার স্বপ্ন? প্রতিষ্ঠানের AICTE অনুমোদন দেখতে ভুলবে না


পিঠে স্কুলব্যাগ, চেনা বই-খাতা, শিক্ষকের বকুনির গণ্ডী পেরিয়ে নতুন জীবনে পা বাড়ানোর সময়টা আসে বছর ১৮-য়। দ্বাদশ পেরনো দু-চোখ ভরে থাকে স্বপ্ন। কিন্তু স্বপ্নপূরণের সঠিক দিশা কী হবে, সেটা বেছে নেওয়াই আসল ‘জ্যাকপট’। বর্তমান প্রজন্মের লক্ষ্য থাকে স্পষ্ট, নির্দিষ্ট কেরিয়ারকে সামনে রেখে তাঁরা এগিয়ে যান বটে, কিন্তু প্রতিষ্ঠান বাছতে একটু ভুল হয়ে গেলেই ওলোটপালট হয়ে যেতে পারে বাকি জীবনটা। শুধুমাত্র প্রতিষ্ঠানের নামই যথেষ্ট নয়, বেছে নেওয়ার আগে দেখে নিতে হবে সেই প্রতিষ্ঠানের সঠিক অনুমোদন আছে কি না।


আইটি-র দুনিয়ায় পা রাখার স্বপ্ন অনেকেরই থাকে। ক্লাস টুয়েলভের পর আইটি-তে সফল কেরিয়ার তৈরি করতে বহু ছাত্রছাত্রী বিসিএ (BCA) কোর্স করার পরিকল্পনা করেন। এই কোর্সে একজন পড়ুয়া পাঠ্যবইয়ের সিলেবাসের পাশাপাশি প্র্যাকটিক্যাল বা হাতে-কলমে পড়াশোনাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিসিএ কোর্স করতে গেলে যে কোনও প্রতিষ্ঠান বেছে নিলেই হয় না, AICTE অনুমোদন থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই অনুমোদন থাকলে তবেই একজন পড়ুয়া ওই প্রতিষ্ঠানে সঠিক শিক্ষা পেতে পারে। সিলেবাস, পরিকাঠামো, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষাদানের পদ্ধতি দেখে তবেই এই AICTE অনুমোদন দেওয়া হয়।




বিসিএ প্রোগ্রামে মূলত কম্পিউটার সায়েন্স ও প্রযুক্তি নিয়ে পড়ানো হয়। পাশাপাশি পড়ুয়ারা শিখতে পারেন সফটওয়ার ডেভেলপমেন্ট, ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট, ওয়েব টেকনোলজি, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, ক্লাউড কম্পিউটিং, আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স, সাইবার সিকিউরিটি, ডেটা অ্যানালিটিক্স ইত্যাদি।

এই প্রোগ্রামে হাতে-কলমে কাজ শেখার বিষয়টিতেও গুরুত্ব দেওয়া হয়, যাতে পেশাগত জীবনে পা রাখলে কোনও সমস্যা না হয়। সে ক্ষেত্রে ল্যাবরেটরিতে শিক্ষার পাশাপাশি কোডিং, প্রজেক্ট এমনকী ইন্টার্নশিপের ব্যবস্থাও থাকা জরুরি। শুধু সিলেবাসে আবদ্ধ না থেকে, বাস্তবে সমস্যার সমাধান কীভাবে করা যায়, তা শিখতে পারলে তবেই একজন পড়ুয়ার শিক্ষা সম্পূর্ণ হয়।

Large Image Om Dayal 4

AICTE অনুমোদন জরুরি কেন?
AICTE-অনুমোদিত কোর্স এটা নিশ্চিত করে যে পডুয়ারা একটা স্বীকৃত কাঠামোর মধ্যে থেকে পড়াশোনা করছে। আধুনিক পাঠ্যক্রম, যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকা, উন্নত পরিকাঠামো সহ শিক্ষার সঠিক পরিবেশ থাকলে তবেই মেলে অনুমোদন।

ওমদয়াল গ্রুপ অব ইনস্টিটিউশনস কীভাবে বিসিএ কোর্সে গুরুত্ব দিচ্ছে
আসলে যুগের চাহিদার সঙ্গে সঙ্গে উচ্চশিক্ষার ধরণও বদলাচ্ছে। ‘ওমদয়াল গ্রুপ অব ইনস্টিটিউশনস’ এই পরিবর্তনকেই গ্রহণ করেছে। প্রয়োগও করছে তাদের কোর্সে। তারা একটি AICTE-অনুমোদিত প্রোগ্রাম দেয়। পাঠ্যপুস্তকের শিক্ষার সঙ্গে বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং পেশাগত চাহিদাকে সুন্দরভাবে মেলবন্ধন করেই এই কোর্স অফার করছে এই প্রতিষ্ঠান।

এই কোর্সটি এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে ক্লাসরুমের শিক্ষা এবং পেশাদার জগতের মধ্যে কোনও ব্যবধান না থাকে। ইন্টার্নশিপ, টেকনিক্যাল প্রজেক্ট, ওয়ার্কশপ, সেমিনার, বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনার সুযোগ পেতে পারবে পড়ুয়ারা। পাঠ্যক্রমে কম্পিউটার সায়েন্সের পাশাপাশি এআই, ক্লাউড কম্পিউটিং, সাইবার নিরাপত্তা এবং ডেটা অ্যানালিটিক্সের মতো নতুন বিষয়গুলিও থাকছে।

প্রযুক্তি-নির্ভর ক্যাম্পাস
ওমদয়াল ইন্সটিটিউটে আধুনিক শিক্ষার পরিবেশ রয়েছে। থাকছে স্মার্ট ক্লাসরুম, উন্নত কম্পিউটার ল্যাব, ওয়াই-ফাই, লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (LMS), ডিজিটাল লাইব্রেরি এবং NPTEL ও SWAYAM-এর মতো প্লাটফর্ম ব্যবহারের সুযোগ।

অভিজ্ঞ শিক্ষক
অভিজ্ঞ অধ্যাপকদের শিক্ষা, সেমিনার ও গেস্ট লেকচারের মাধ্যমে শিল্প বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে পেশাগত শিক্ষা পেতে পারে পড়ুয়ারা। প্রতিষ্ঠানটি ইন্টার্নশিপ, সফ্ট-স্কিল ট্রেনিং, কেরিয়ার কাউন্সিলিং এবং প্লেসমেন্টের ক্ষেত্রেও সাহায্য করে।

যারা সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI), ক্লাউড কম্পিউটিং, সাইবার সিকিউরিটির মতো ক্ষেত্রে নিজের ভবিষ্যৎ গড়তে চান, তাদের জন্য ওমদয়াল গ্রুপ অব ইনস্টিটিউশনস একটি আদর্শ প্রতিষ্ঠান।

মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠার দাবিতে স্লোগান দেন এবং প্ল্যাকার্ড নিয়ে মিছিলে হাঁটছিলেন। গত কয়েক মাস ধরে ওই অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। সেইসময়ই বিস্ফোরণ ঘটে।


পাকিস্তানে ‘শান্তি মিছিল’ চলাকালীন আত্মঘাতী বিস্ফোরণ, রাস্তায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে মৃতদেহ
আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে একটি শান্তি মিছিল চলাকালীন ভয়াবহ বিস্ফোরণ। রবিবারের এই বিস্ফোরণে কমপক্ষে ১৪ জন নিহত হয়েছেন। এবং আরও ২২ জন আহত হয়েছেন। ইতিমধ্যেই এই বিস্ফোরণের ভিডিয়ো সমাজ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও জঙ্গি সংগঠন এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।


এদিন পাকিস্তানের সোয়াত জেলার কাবাল শহরে ‘শান্তি মিছিল’ চলাকালীন এই বিস্ফোরণ ঘটে। স্থানীয় আদিবাসী পরিষদ সোয়াত আমান জিরগার উদ্যোগে এই শান্তি মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল। মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠার দাবিতে স্লোগান দেন এবং প্ল্যাকার্ড নিয়ে মিছিলে হাঁটছিলেন। গত কয়েক মাস ধরে ওই অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। সেইসময়ই বিস্ফোরণ ঘটে। পুলিশকর্মীদের উপর হামলা করাই লক্ষ্য ছিল বলে জানা গিয়েছে। বাধা পেয়ে বিস্ফোরণ ঘটায় হামলাকারী।


জনতার দরবারে অভিযোগ জানাতেই বাড়িতে বিধায়ক, হাতেনাতে ফল পেল পরিবার
বিস্ফোরণের পর উদ্ধারকারী দল দ্রুত আহতদের নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যায়। পুলিশ এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থল ঘিরে ফেলে তদন্ত শুরু করে। সোয়াতের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল (ডিআইজি) ফিদা হুসেন সংবাদ সংস্থা এএফপিকে জানান, “হামলাকারী বিস্ফোরক ভর্তি জ্যাকেটের বিস্ফোরণ ঘটায়। একজন আত্মঘাতী জঙ্গি মোড়ে অবস্থিত পুলিশ স্টেশনে ঢোকার চেষ্টা করেছিল। তবে মূল ফটকেই পুলিশ তাকে আটকে দেয়। এরপরই সে নিজের গায়ে বাঁধা বিস্ফোরক ফাটিয়ে দেয়।”


এখনও পর্যন্ত কোনও জঙ্গি সংগঠন এই হামলার দায় স্বীকার করেনি। পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি এই হামলার তীব্র নিন্দা করেছেন। তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেছেন এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন।

এর আগে পাকিস্তান সীমান্তবর্তী প্রদেশগুলিতে এ ধরনের হামলার জন্য আফগানিস্তান থেকে পরিচালিত জঙ্গি কার্যকলাপকে দায়ী করেছে। তবে আফগানিস্তানের তালিবান সরকার সেই সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। এখন দেখার, এই হামলার দায় কোনও সংগঠন স্বীকার করে কি না।

জাপান মেটেওরজিক্যাল এজেন্সি অর্থাৎ জাপানের আবহাওয়া সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল সমুদ্রপৃষ্ঠের নীচে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে। জাপানের ওকি থেকে ৪ কিমি ছিল ভূমিকম্পের কেন্দ্র। এদিকে, ভূমিকম্পের পর কুমামোটো, নাগাসাকি, কাগোশিমা, ফুকুওকা, সাগা, ওইতা এবং মিয়াজাকি আফটারশকের জরুরি সতর্কতা জারি করেছে জাপান সরকার।


এক সপ্তাহের মধ্যে জাপানে দ্বিতীয় ভূমিকম্প, জারি হল সুনামির সতর্কতা
প্রতীকী ছবি


জাপানে ফের ভূমিকম্প (Japan Earthquake)। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সকালে দেশের দক্ষিণের কিউশু উপকূলে শক্তিশালী কম্পন অনুভূত হয়েছে। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ৭.১। সুনামির (Japan Tsunami) সতর্কতাও জারি করা হয়েছে। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৫০ জন আহত হয়েছেন বলে খবর। তবে, তীব্র ভূমিকম্পে কোথায়, কতটা ক্ষতিগ্রস্থ, সেই বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি।


আফটারশক ও সুনামির সতর্কতা
জাপান মেটেওরজিক্যাল এজেন্সি অর্থাৎ জাপানের আবহাওয়া সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল সমুদ্রপৃষ্ঠের নীচে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে। জাপানের ওকি থেকে ৪ কিমি ছিল ভূমিকম্পের কেন্দ্র। এদিকে, ভূমিকম্পের পর কুমামোটো, নাগাসাকি, কাগোশিমা, ফুকুওকা, সাগা, ওইতা এবং মিয়াজাকি আফটারশকের জরুরি সতর্কতা জারি করেছে জাপান সরকার।


দাঁড়াও...দাঁড়াও ছেলেগুলো হাত দেখাতেই দাঁড়িয়ে পড়ল শুভেন্দুর কনভয়, মুখ্যমন্ত্রী দিলেন নম্বর, কী বলেছিল ওরা জানেন?
সুনামির সতর্কতাও জারি করা হয়েছে। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, উপকূলবর্তী এলাকায় ১ মিটার পর্যন্ত উচ্চতার ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই উপকূলের কাছে বসবাসকারী প্রত্যেককে নিরাপদ ও উঁচু জায়গায় সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এদিকে, জাপানের সরকারি সংবাদমাধ্যমের দাবি, কয়েকটি এলাকায় ওই উচ্চতার ঢেউ ইতিমধ্যেই আছড়ে পড়তে শুরু করেছে।


এক সপ্তাহের মধ্যেই দ্বিতীয় বড় ভূমিকম্প
গত ২৫ জুন জাপানের উত্তরে ৭.২ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প হয়েছিল। যদিও সেই ঘটনায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির খবর মেলেনি। ২০ এপ্রিল জাপানের উত্তরাঞ্চলে ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছিলেন। উল্লেখ্য, ২০১১ সালে জাপানে ৯ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্প ও সুনামিতে প্রায় ১৮,৫০০ জনের মৃত্যু হয়েছিল। ওই ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ফুকুশিমা পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।

তিন বছর আগে এমনই এক জুলাইতে সস্ত্রীক বিরাট কোহলির সঙ্গে দেখা করেছিলেন গ্যারি সোবার্স। সেখানেই কোহলির ব্যাটিংয়ের প্রশংসা করতে দেখা যায় তাঁকে। তবে আজ তিনি চলে যাওয়ার ফলে ক্রিকেটের দুনিয়াতে এমন এক শূন্যস্থান তৈরী হল, যা পূরণ করা অসম্ভব।

অভিভাবকহীন ক্রিকেট দুনিয়া, না ফেরার দেশে স্যর গ্যারি সোবার্স!
স্যার গ্যারি সোবার্স

চলে গেলেন গ্যারি সোবার্স (Sir Garry Sobers)। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটের স্বর্ণযুগ বললে যে গুটিকয়েক ক্রিকেটারের নাম মাথায় আসে, স্যার গারফিল্ড সোবার্স তাঁদের মধ্যে অন্যতম। কিন্তু আজ, শুক্রবার তাঁর জীবনাবসান হল ৮৯ বছর বয়সে। ঠিক দুই সপ্তাহ পরেই ছিল তাঁর ৯০তম জন্মদিন। যাঁর নাম শুনলেই মনে পড়ে ৩৬৫ রানের মহাকাব্যিক ইনিংস বা ছয় বলে ছয় ছক্কা, সেই মহান ক্রিকেটার আজ চলে গেলেন পরপারে। ইতিমধ্যেই তাঁর মৃত্যুর খবরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে ক্রিকেটমহলে।


বাঁহাতি ব্যাটার হওয়ার পাশাপাশি তিনি ছিলেন বাঁহাতি স্পিনার। আবার, একই সঙ্গে তিনি চায়নাম্যান ও পেস বোলিংও করতে পারতেন। মাত্র ১৬ বছর বয়সে প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তাঁর। এর ঠিক দু’বছর পরেই তাঁর জন্য খুলে যায় জাতীয় দলের দরজা। ১৯৫৪-১৯৭৪, ২০ বছরের বর্ণময় কেরিয়ারে তিনি যেমন দেশকে জিতিয়েছেন বহু ম্যাচ, তেমনই গড়েছেন একাধিক রেকর্ড।


আমি বিয়ের জন্য রেডি!',কাকে দেখে মালাইকা ভুললেন অর্জুন?
১৯৫৮ সালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে করলেন নিজের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি। শুধু তাই নয়, সেই শতরানকে রূপ দিলেন ৩৬৫ রানের এক মহাকাব্যিক ইনিংসে, যা অক্ষুন্ন ছিল ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত। সেই বছর ব্রায়ান লারা ৩৭৫ রানের ইনিংস খেলেছিলেন ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে। তবে আজও টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে গ্যারি সোবার্সের এই ইনিংস অমর হয়ে থাকবে। এরপর পাঁচটি টেস্ট সিরিজে ৫০০র বেশি রান করেন তিনি। ১৯৫৮-৫৯ সালে ভারতের বিরুদ্ধে তিনটি সেঞ্চুরি করেন গ্যারি। এরপর ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধেও করেন এক কীর্তি। ফ্র্যাঙ্ক ওরেলের সঙ্গে ৩৯৯ রানের জুটি গড়ে তোলেন, যা টিকেছিল প্রায় সাড়ে ৯ ঘন্টা।


এর পরের বছর ১৯৬০ সালের ব্রিসবেনে ইতিহাসের প্রথম টাই হওয়া টেস্টেও ১৩২ রান করেন সোবার্স। ১৯৬৮-৬৯ সিরিজে ব্রিসবেন টেস্টে ওপেনিং বোলার হিসেবে ৭৩ রানে ৬ উইকেট নেন গ্যারি। প্রচন্ড গরমের মধ্যেও টানা ২২টি ৮ বলের ওভার করেছিলেন তিনি। নিজের কেরিয়ারে খেলেছেন ৯৩টি টেস্ট ও একটি ওয়ান ডে। টেস্ট ক্রিকেটে ৮০৩২ রান করার পাশাপাশি নিয়েছিলেন ২৩৫ উইকেট। টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে ৮০০০-এর বেশি রান ও ২০০টি উইকেট নেওয়ার বিরল কৃতিত্ব রয়েছে মাত্র দুই ক্রিকেটারের – স্যার গ্যারি সোবার্স ও জ্যাক ক্যালিস।

১৯৬৫ সালে মোহনবাগান ক্লাবের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে ইডেন গার্ডেন্সে খেলতে এসেছিলেন তিনি। সেই ম্যাচে বিশ্ব একাদশের অধিনায়ক ছিলেন তিনি। এর ঠিক ৩ বছর পরেই কাউন্টি ক্রিকেটে নটিংহ্যামশায়ারের হয়ে গ্ল্যামারগনের বিরুদ্ধে এক ওভারে ৬টি ৬ মেরে পেশাদার ক্রিকেটে এই অনন্য কীর্তি গড়েছিলেন তিনি। তাঁর সেই কীর্তি আজও ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হয়। প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে ২৮ হাজার রান করার পাশাপাশি নিয়েছেন এক হাজারেরও বেশি উইকেট, যা এক বিরল রেকর্ড।

তিন বছর আগে এমনই এক জুলাইতে সস্ত্রীক বিরাট কোহলির সঙ্গে দেখা করেছিলেন গ্যারি সোবার্স। সেখানেই কোহলির ব্যাটিংয়ের প্রশংসা করতে দেখা যায় তাঁকে। তবে আজ তিনি চলে যাওয়ার ফলে ক্রিকেটের দুনিয়াতে এমন এক শূন্যস্থান তৈরী হল, যা পূরণ করা অসম্ভব। তাঁকে নিয়ে স্যার ডন ব্র্যাডম্যান একবার বলেছিলেন,“সর্বকালের সেরা ক্রিকেটার।” ঠিক কতটা পারদর্শী হলে ডন ব্র্যাডম্যানের প্রশংসা শোনার সৌভাগ্য হয়, তা জানতেন সোবার্স। ১৯৭৫ সালে নাইট উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছিল তাঁকে। করেছিলেন কে? রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ! আজ ক্রিকেট দুনিয়াকে অন্ধকার করে চলে গেলেন তিনি, তবে তাঁর কীর্তিগুলি অমর থেকে যাবে। কারণ, গ্যারি সোবার্স ও ক্রিকেট – দুইই যে সমার্থক।


বিক্রম-১ হল ভারতের প্রথম বেসরকারিভাবে তৈরি রকেট, যা উপগ্রহকে পৃথিবীর কক্ষপথে স্থাপন করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। এটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বে মহাকাশ কর্মসূচি থেকে বেসরকারি শিল্পের অংশগ্রহণের নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।

সকাল সাড়ে ১১টায় ইতিহাসের সাক্ষী হবে ভারত, মহাকাশে পাড়ি দেবে প্রথম বেসরকারি রকেট ‘Vikram-1’
আর কিছুক্ষণ পরই উৎক্ষেপণ হবে বিক্রম-১-এর।


মহাকাশে আরও এক ইতিহাস লেখার পথে ভারত। আজ, ১৮ জুলাই উৎক্ষেপণ হবে দেশের প্রথম বেসরকারিভাবে তৈরি কক্ষপথে স্যাটেলাইট স্থাপনকারী উৎক্ষেপণযান ‘বিক্রম-১’ (Vikram-1)। আজ সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে, স্কাইরুট অ্যারোস্পেস (Skyroot Aerospace) অন্ধ্র প্রদেশের শ্রীহরিকোটা থেকে ‘বিক্রম-১’ (Vikram-1) উৎক্ষেপণ করবে। ভারতের এই মহাকাশ অভিযান নিয়ে পোস্ট করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi)-ও।


বিক্রম-১ অনেক দিক থেকেই বিশেষ। চার ধাপবিশিষ্ট এই রকেটটি দ্রুত এবং চাহিদা অনুযায়ী (অন-ডিমান্ড) উপগ্রহ উৎক্ষেপণ ও স্থাপন করার জন্যই তৈরি করা হয়েছে।



ছোট স্তনে কাজ হবে না তাই...!' এরপরই পরিচালক যা বলেছিলেন তা ভাবলে আজও গায়ে কাঁটা দেয় সমীরা রেড্ডির
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই মহাকাশ অভিযান নিয়ে লিখেছেন, “এই মিশন আমাদের দেশের তরুণদের প্রতিভা, দৃঢ় সংকল্প এবং উদ্যোগ নেওয়ার মানসিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। পাশাপাশি এটি প্রমাণ করে যে মহাকাশ খাতে সরকারের সংস্কারমূলক পদক্ষেপ কীভাবে উদ্ভাবন এবং উদ্যোগের জন্য নতুন নতুন সুযোগের দ্বার খুলে দিচ্ছে।”



জানা গিয়েছে, আজ সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে শ্রীহরিকোটার উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে মহাকাশে পাড়ি দেবে স্কাইরুট অ্যারোস্পেসের (Skyroot Aerospace) ‘বিক্রম-১’ (Vikram-1) রকেট। ‘মিশন আগমন’ (Mission Aagaman)-এর মাধ্যমে ভারতের বেসরকারি মহাকাশ শিল্পে একাধিক নতুন ইতিহাস তৈরি হতে চলেছে।

এই মিশনের প্রধান বিশেষত্বগুলি হল-
 ভারতের প্রথম বেসরকারিভাবে তৈরি কক্ষপথগামী রকেট-
বিক্রম-১ হল ভারতের প্রথম বেসরকারিভাবে তৈরি রকেট, যা উপগ্রহকে পৃথিবীর কক্ষপথে স্থাপন করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। এটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বে মহাকাশ কর্মসূচি থেকে বেসরকারি শিল্পের অংশগ্রহণের নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।

 ভারতীয় মহাকাশ স্টার্টআপের প্রথম কক্ষপথে পৌঁছানোর চেষ্টা-
‘মিশন আগমন’ স্কাইরুট অ্যারোস্পেসের প্রথম কক্ষপথগামী পরীক্ষামূলক রকেট। এই প্রথম কোনও ভারতীয় বেসরকারি মহাকাশ সংস্থা নিজস্ব রকেটের মাধ্যমে কক্ষপথে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে। ফলে আজকের মিশন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

 ভারতের প্রথম সম্পূর্ণ কার্বন কম্পোজিট কক্ষপথগামী রকেট-
বিক্রম-১ সম্পূর্ণ কার্বন কম্পোজিট কাঠামো দিয়ে তৈরি ভারতের প্রথম কক্ষপথগামী রকেট। এই রকেটের অভ্যন্তরীণ ও বাইরের কাঠামোর উপাদান প্রচলিত রকেট-গ্রেড ইস্পাতের তুলনায় হালকা ও বেশি মজবুত, ফলে রকেটের কর্মক্ষমতা বাড়ে অনেকটাই।

 ভারতের প্রথম ১০০ শতাংশ ৩ডি-প্রিন্টেড ইঞ্জিনযুক্ত কক্ষপথগামী রকেট-
বিক্রম-১-এর অরবিটাল অ্যাডজাস্টমেন্ট মডিউলটি সম্পূর্ণ থ্রিডি (3D Printed)-প্রিন্টেড তরল জ্বালানি চালিত ইঞ্জিনে চলবে। কক্ষপথে উপগ্রহ স্থাপনকারী রকেটে এই ধরনের ইঞ্জিন এই প্রথম ব্যবহার করা হচ্ছে।

 ভারতের দীর্ঘতম মনোলিথিক কার্বন কম্পোজিট রকেট স্টেজ-
বিক্রম-১-এর প্রথম ধাপটি দেশের দীর্ঘতম মনোলিথিক কার্বন কম্পোজিট রকেট স্টেজ। এটি দেশীয় কম্পোজিট উৎপাদন প্রযুক্তি ও মহাকাশ অভিযানে ভারতের অগ্রগতির প্রমাণ।

ভারতে প্রথম অত্যাধুনিক আল্ট্রা-লো-শক নিউম্যাটিক সেপারেশন সিস্টেম-
বিক্রম-১-এ এমন একটি আল্ট্রা-লো-শক নিউম্যাটিক সেপারেশন সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে, যা ভারতের রকেট প্রযুক্তিতে প্রথম। এই প্রযুক্তির সাহায্যে রকেটের বিভিন্ন ধাপ অত্যন্ত কম কম্পন ও ধাক্কায় নিরাপদে আলাদা করা যায়।


২০২৪-এর অক্টোবর থেকেই দেশে এবং বিদেশে ‘মাই নেম ইজ জান’ চর্চায়। কিংবদন্তি গওহর জানের জীবনকে ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে নাটক ‘মাই নেম ইজ জান’। নামভূমিকায় রয়েছেন অর্পিতা চট্টোপাধ্যায়। 

.‘স্টুডিয়ো নাইন’-এর উদ্যোগে ২৫ অক্টোবর, ২০২৪ মুম্বইয়ের বাল গান্ধর্ব রঙ্গ মন্দির অডিটোরিয়ামে এই বছরের প্রথম শো মঞ্চস্থ হয়েছিল। যেখানে উপস্থিত ছিলেন বলিউড তারকা অনুপম খের, টিভিনাইন নেটওয়ার্কের এমডি ও সিইও বরুণ দাস, অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত-সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব।

অগাস্টের প্রথম দিনেই শহরে মাই নেম ইজ জান, টিকিট কাটার ভিড়...

 থেকেই দেশে এবং বিদেশে ‘মাই নেম ইজ জান’ চর্চায়। কিংবদন্তি গওহর জানের জীবনকে ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে নাটক ‘মাই নেম ইজ জান’। নামভূমিকায় রয়েছেন অর্পিতা চট্টোপাধ্যায়। ‘স্টুডিয়ো নাইন’-এর উদ্যোগে ২৫ অক্টোবর, ২০২৪ মুম্বইয়ের বাল গান্ধর্ব রঙ্গ মন্দির অডিটোরিয়ামে এই বছরের প্রথম শো মঞ্চস্থ হয়েছিল। যেখানে উপস্থিত ছিলেন বলিউড তারকা অনুপম খের, টিভিনাইন নেটওয়ার্কের এমডি ও সিইও বরুণ দাস, অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত-সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। এই নাটক ইতিমধ্যেই সাড়া ফেলেছে দর্শক মহলে। শুধু মুম্বই নয়, কলকাতা-সহ অন্যান্য শহরে একাধিকবার মন কাড়ে অর্পিতা চট্টোপাধ্যায়ের ‘মাই নেম ইজ জান’। ২০২১ সালে মূলত বাংলাতেই দেখা গিয়েছিল এই নাটকটি। তিন বছর পর নতুন রূপে মঞ্চে ফিরে সকলকে তাক লাগিয়েছেন টিম অর্পিতা। এতদিন যাঁরা এই শো দেখে উঠতে পারেনি বা আবারও দেখার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন, তাঁদের জন্যই এবার রয়েছে সুখবর। ১ অগাস্ট, শনিবার, জি ডি বিড়লা সভাঘরে মঞ্চস্থ হবে ‘গার্ডেন ভরেলি মাই নেম ইজ জান’। এটা ২৪তম শো। 


এই নাটকের উপস্থাপনা অন্যান্য নাটকের থেকে অনেকাংশেই ভিন্ন। ‘মাই নেম ইজ জান’ গোটা বিশ্বের দরবারে দর্শকদের মন জয় করছে। নাচ, গান, অভিনয়, সূত্রধর, সবটাই একা হাতে যেভাবে সামলাচ্ছেন অর্পিতা, তা সত্যি প্রশংসার। নাটকের মিউজিক্যাল যে জার্নি, তাও থিয়েটার দর্শকদের স্বাদ বদল করে চলেছে। ‘মাই নেম ইজ জান’ নাটকটি লিখেছেন অবন্তী চক্রবর্তী এবং টিভিনাইন নেটওয়ার্কের এম ডি ও সিইও বরুণ দাস। অবন্তী চক্রবর্তী রয়েছেন পরিচালকের আসনে। নাটকটির নৃত্য পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন রক্তিম গোস্বামী। নাটকের সঙ্গীত নির্দেশক জয় সরকার।




 ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস (IRGC) দাবি করেছে, একাধিক জাহাজ তাদের নির্দেশ অমান্য করে অনুমোদিত পথ ছেড়ে অন্য রুটে চলছিল। সতর্কবার্তা অমান্য করায় একটি জাহাজকে গুলি করে থামানো হয়। পাশাপাশি তেহরানের হুঁশিয়ারি, নতুন করে যদি হামলা করা হয়, তাহলে আরও শত্রু ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেবে তারা।


আবারও হরমুজ বন্ধ করল ইরান, পাল্টা তীব্র প্রতিঘাত আমেরিকার! ফের সংকটে বিশ্ববাণিজ্য?
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ



পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে। হামলার প্রতিঘাত বাড়াচ্ছে আমেরিকা (Iran-US Conflict)। ইরানও পাল্টা হামলা করছে। দুই দেশের সংঘর্ষে বিশ্বজুড়ে নতুন করে উদ্বেগ বাড়ছে। এই আবহে হরমুজ় প্রণালী (Strait of Hormuz) ফের বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছিল। আর সেই আশঙ্কাই সত্যি হল। হরমুজ় ফের বন্ধের ঘোষণা করল তেহরান। সম্প্রতি, হরমুজ়ে একটি জাহাজকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস। তারপরই ওই প্রণালী বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের সেনা। এদিকে, হরমুজ বন্ধ করতেই ইরানের উপর ফের হামলা চালিয়েছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM)।


কী বলছে আমেরিকা?
মার্কিন সেনাবাহিনীর দাবি, সাইপ্রাসের পতাকাবাহী একটি কনটেনার জাহাজ ইরানের গুলিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জাহাজটির ইঞ্জিনরুমে বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। একইসঙ্গে এক নাবিক নিখোঁজ রয়েছেন বলে খবর। এর আগে ওয়াশিংটন স্পষ্ট জানিয়েছিল, হরমুজ প্রণালীতে বারবার হামলা করা হলে বা জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করা হলে যুদ্ধ-পরবর্তী আলোচনায় অগ্রগতি সম্ভব নয়।

অ্যাকাউন্টে ৭০০ কোটি! অন্নপূর্ণা যোজনার ৩ হাজার টাকা তুলতে গিয়ে চক্ষু চড়কগাছ মহিলার
Saayoni Ghosh: 'আগে ইগনোর করেছি, এবার... কোর্টে দেখা হবে', নোটিস পাঠালেন সায়নী

 ‘স্বাস্থ্যসাথী তো বাংলার বাইরে কাজে লাগতো না’, মুখ্য়মন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমার ঘোষণায় উচ্ছ্বসিত সাধারণ মানুষ
পাল্টা ইরানের দাবি
তবে ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস (IRGC) দাবি করেছে, একাধিক জাহাজ তাদের নির্দেশ অমান্য করে অনুমোদিত পথ ছেড়ে অন্য রুটে চলছিল। সতর্কবার্তা অমান্য করায় একটি জাহাজকে গুলি করে থামানো হয়। পাশাপাশি তেহরানের হুঁশিয়ারি, নতুন করে যদি হামলা করা হয়, তাহলে আরও শত্রু ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেবে তারা। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, “ইরান ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এবার তার মূল্য দিতে হবে।”


ওমানের মধ্যস্থতায় আলোচনা
শনিবার ওমানের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। বৈঠকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়। ওমান জানিয়েছে, প্রযুক্তিগত ও রাজনৈতি, দুই স্তরেই আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে দুই দেশ একমত হয়েছে।

মোজতবা খামেনেইয়ের হুঁশিয়ারি
এদিকে, আমেরিকাকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনেই। বিবৃতি দিয়ে বলেন, ইরানের উপর হামলার প্রতিশোধ নেওয়া হবে। তাঁর কথায়, “এটাই জাতির ইচ্ছা এবং তা অবশ্যই পূরণ করা হবে।”

বিশ্ব অর্থনীতিতে বাড়তে পারে প্রভাব
বিশ্বের মোট তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস বাণিজ্যের প্রায় ২০ শতাংশ হরমুজ প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হয়। সেক্ষেত্রে হরমুজ বন্ধ থাকলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। যুদ্ধ চলাকালীন অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপিছু ১২০ ডলার পর্যন্ত উঠেছিল। যদিও পরে দাম কিছুটা কমেছে। তবে নতুন করে উত্তেজনা বিশ্ববাজারে আবারও অস্থিরতা তৈরি করতে পারে।


গত বছরও ভিয়েতনামে বড় দুর্ঘটনা ঘটেছিল। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে হা লং উপসাগরে একটি যাত্রীবাহী নৌকা ঝড়ের মধ্যে উল্টে যায়।ওই দুর্ঘটনায় অন্তত ৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল। তারপর থেকেই ভিয়েতনামের পর্যটন এলাকায় নৌ-নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত হতাহত নিয়ে কিছু জানানো হয়নি।

ভিয়েতনামে বড় দুর্ঘটনা, ভারতীয় পর্যটক নিয়ে উল্টে গেল নৌকা, মৃত্যু ১৫ জনের
ভিয়েতনামে উল্টে গেল নৌকা


ভিয়েতনামে বড় দুর্ঘটনা। ফুকুয়ক (Phu Quoc) দ্বীপের কাছে উল্টে গেল যাত্রীবাহী নৌকা (Vietnam Boat Accident)। ওই নৌকাতে ভারতীয় পর্যটক ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। ভিয়েতনামে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসের তরফে এই খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। জোরকদমে চলছে উদ্ধারকাজ।


ঠিক কী ঘটেছে?
আজ দুপুরের দিকে ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, দুর্ঘটনার সময় আন থোই উপকূলের সমুদ্র বেশ উত্তাল ছিল। তবুও সেই সময় পর্যটকবাহী নৌকা চলাচল করছিল। স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে খবর, ওই নৌকাতে মোট ৩২ জন ভারতীয় পর্যটক ছিলেন। এছাড়া চারজন নাবিক ছিলেন। তাঁদের মধ্যে এখনও পর্যন্ত ১৫ ভারতীয় পর্যটকের মৃত্যু (প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত) হয়েছে। ভারতীয় দূতাবাসের তরফে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে জানানো হয়েছে, “ফুকুয়ক দ্বীপের কাছে মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। ভারতীয় পর্যটক নিয়ে একটি নৌকা উল্টে গিয়েছে। ঘটনার সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।”


এখনই সোনা কিনতে পিছিয়ে যাচ্ছেন? সোনার দাম ১ লাখ ৬০ হাজার পৌঁছতে আর বেশি দেরি নেই কিন্তু!
ভারতীয় দূতবাসের তরফে একটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে সাহায্য করতে হো চি মিন সিটিতে ভারতীয় কনস্যুলেট জেনারেলে এই কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। পাশাপাশি হ্যানয়েও একটি পৃথক কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়েছে। প্রয়োজনে সেখান থেকে তথ্য ও সাহায্যও পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে দূতাবাস।


হো চি মিন সিটিতে যে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে, তার যোগাযোগের নম্বরও দেওয়া হয়েছে। নম্বরগুলি হল +৮৪৩৬২৮১৭৯৩০, +৮৪৯১৫৫২৩৭১৪ এবং +৮৪৩৩৪৫২০৪১৪। হ্যানয়ের কন্ট্রোল রুমের নম্বর বল +৮৪৯১৩০৮৯১৬৫।

জোরকদমে চলছে উদ্ধারকাজ
দুর্ঘটনার পর সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় উদ্ধারকারী দল। আশপাশে থাকা একাধিক পর্যটকবাহী নৌকা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজে অংশ নেয়। দুর্ঘটনার বিষয়ে নৌকার এক মাঝি জানান, তাঁরা মাত্র পাঁচ মিনিটের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান। তবে অনেক যাত্রী নৌকার ভিতরে আটকে পড়ায় উদ্ধারকাজে প্রাথমিক সমস্যা তৈরি হয়। তাঁর কথায়, খুব অল্প কয়েকজনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত বছরও ভিয়েতনামে বড় দুর্ঘটনা ঘটেছিল। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে হা লং উপসাগরে একটি যাত্রীবাহী নৌকা ঝড়ের মধ্যে উল্টে যায়। ওই দুর্ঘটনায় অন্তত ৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল। তারপর থেকেই ভিয়েতনামের পর্যটন এলাকায় নৌ-নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল।

সম্প্রতি ইজরায়েলও ইরানের ট্রাম্পকে খুনের প্ল্যান নিয়ে যে সতর্কবার্তা দিয়েছে, সেই প্রসঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, "না, না,ইজরায়েল কিছু বলেনি। আমি দীর্ঘ সময় ধরেই ওদের তালিকায় এক নম্বরে রয়েছি। এটাই জীবন। আশা করি আপনারা আমায় মিস করবেন।"

যখন-তখন খুন হতে পারেন! মৃত্যু হলে কী করতে হবে, আগে থেকেই নির্দেশ দিয়ে রাখলেন ট্রাম্প
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।


মৃত্যুভয় পাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)? তাঁর আশঙ্কা, তাঁকে খুন করা হতে পারে। ইরানই তাঁকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করছে। শঙ্কা এতটাই যে ট্রাম্পকে যদি খুন করা হয়, তাহলে তারপর কী করবে আমেরিকা, সেই নির্দেশ এখন থেকেই দিয়ে রেখেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।


ট্রাম্পকে খুনের প্ল্যান?
শুক্রবার, ১০ জুলাই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন যে ইসলামিক রিপাবলিক যদি তাঁকে হত্যা করতে সফল হয়, তাহলে তিনি আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়ে রেখেছেন যে ইরানের উপরে যেন বোমাবর্ষণ করা হয়। নিউ ইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন যে দীর্ঘদিন ধরেই তিনি ইরানের হিট লিস্টে আছেন।


‘রেজিনগরটা দেবেন তো?’ পরিবর্তে কী কী দেবেন ‘ফলতা মডেলে’ বলে দিলেন শুভেন্দু
ইরান ধ্বংসের নির্দেশ- 
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরেই ওদের তালিকায় আছি। আমরা এদেরকেই সামলাচ্ছি…আমি আগে থেকেই নির্দেশ দিয়ে রেখেছি, যদি কিছু হয়, তাহলে ওদের (ইরান) উপরে এমন মাত্রায় বোমা বর্ষণ করতে যা আগে কখনও দেখেনি।”


সম্প্রতি ইজরায়েলও ইরানের ট্রাম্পকে খুনের প্ল্যান নিয়ে যে সতর্কবার্তা দিয়েছে, সেই প্রসঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “না, না,ইজরায়েল কিছু বলেনি। আমি দীর্ঘ সময় ধরেই ওদের তালিকায় এক নম্বরে রয়েছি। এটাই জীবন। আশা করি আপনারা আমায় মিস করবেন।”

ভয়ে দিন কাটাচ্ছেন ট্রাম্প?
প্রসঙ্গত, ইরানের মিলিটারি অফিসার কাশেম সোলেমানিকে হত্যার নির্দেশ দেওয়ার পর থেকেই হিটলিস্টে রয়েছেন ট্রাম্প। ইরানের প্রয়াত সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেইয়ের শেষকৃত্যে ট্রাম্পের বিশালাকার লেগো মূর্তি তৈরি করে তা শূন্যে ঝুলিয়ে আগুনে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। দিকে দিকে ‘কিল ট্রাম্প’-র স্লোগান উঠেছে। হামলার আশঙ্কাতেই আঙ্কারা থেকে ন্যাটো সামিট থেকে ফেরার পথে নিজের বিমানও বদলে নিয়েছিলেন ট্রাম্প।

ন্যাটো সামিটেও ট্রাম্প বলেন, “ওদের লিডার আর নেই। তারপর ওরা আরও নতুন নেতৃত্ব তৈরি করেছিল। তারাও নেই। এখন আবার নতুন লিডার তৈরি করেছে। ওরাও হয়তো আর থাকবে না, কে বলতে পারে। আর কী জানি, আমিও হয়তো থাকব না।”

মার্কিন জিওলজিক্যাল সার্ভের তথ্য অনুযায়ী, ভেনেজুয়েলায় প্রথম যে ভূমিকম্পটি হয়, রিখটার স্কেলে তার মাত্রা ছিল ৭.২। এর ৩৯ সেকেন্ড বাদেই ফের আরও জোরাল ভূমিকম্প হয়। রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৭.৫। ভেনেজুয়েলার পাশাপাশি ত্রিনিদাদ, টোবাগো, পর্তু রিকোর মতো ক্যারিবিয়ান দ্বীপেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। 

 ৩৯ সেকেন্ডে জোড়া ভূমিকম্পে তছনছ ভেনেজুয়েলা! কী এই বিরল 'ডাবলেট ভূমিকম্প', কেন এত ভয়ঙ্কর?
কী এই ডাবলেট ভূমিকম্প?

ভূমিকম্প মানেই ভয়াবহতা। তবে ভেনেজুয়েলার বিপর্যয় যেন ভয়ঙ্করের থেকেও বেশি কিছু। বুধবার ভেনেজুয়েলার উপকূলে ৭.২ মাত্রার ভূমিকম্প (Earthquake) হয়। দেশের বাসিন্দারা যখন ওই ভূমিকম্পের ধাক্কা বুঝতে শুরু করেছে, ঠিক সেই সময়েই আবার একটা ধাক্কা। এবার ভূমিকম্পের মাত্রা আরও বেশি। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭.৫। পরপর এই দুটি ভূমিকম্পে ক্যারিবিয়ান সাগরের বিভিন্ন অংশে সুনামির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ভেনেজুয়েলায় (Venezuela) জারি করা হয়েছে ইমার্জেন্সি।


ডাবলেট ভূমিকম্প-
সিসমোলজিস্টরা এই জোড়া ভূমিকম্পকে ডাবলেট ভূমিকম্প (Doublet Earthquake) বলে উল্লেখ করেছেন। এই ডাবলেট ভূমিকম্প কী? যখন পরপর দুটি বড় ভূমিকম্প হয়, সাধারণত একই মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প একই অঞ্চলে, খুব কম সময়ের মধ্যে যখন হয়, তখন তাকে ডাবলেট ভূমিকম্প বলে।  


বিধানসভায় 'এপাং ওপাং ঝপাং' বলে কী বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন রুদ্রনীল?
মার্কিন জিওলজিক্যাল সার্ভের তথ্য অনুযায়ী, ভেনেজুয়েলায় প্রথম যে ভূমিকম্পটি হয়, রিখটার স্কেলে তার মাত্রা ছিল ৭.২। এর ৩৯ সেকেন্ড বাদেই ফের আরও জোরাল ভূমিকম্প হয়। রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৭.৫। ভেনেজুয়েলার পাশাপাশি ত্রিনিদাদ, টোবাগো, পর্তু রিকোর মতো ক্যারিবিয়ান দ্বীপেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।


বিগত প্রায় এক দশকে এই প্রথম এত জোরাল ভূমিকম্প হল। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, জোড়া ভূমিকম্পে বিল্ডিংগুলি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে, রাস্তাঘাটও ভেঙে গিয়েছে। এখনও পর্যন্ত ৩২ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে সরকারি সূত্রে। আহত ৭০০-রও বেশি। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেই আশঙ্কা। ইতিমধ্যেই ভেনেজুয়েলা প্রশাসন ইমার্জেন্সি জারি করেছে। সংবাদপত্রডিজিটাল সংস্করণ

কখন ডাবলেট ভূমিকম্প হয়?
ডাবলেট ভূমিকম্প কোনও সাধারণ ঘটনা নয়। যখন দুটি বড় ভূমিকম্প, যার মাত্রা বা ম্যাগনিটিউড তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি হয়, তা একই সময়ে, একই জায়গায় হয়, তখন ডাবলেট ভূমিকম্প হয়। সাধারণ ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে বড়সড় ভূমিকম্পের পর ছোট ছোট আফটারশক হয়। সেখানেই ডাবলেট ভূমিকম্পে দুটি ভূমিকম্পই একই মাত্রার হয়, যার ফলে দ্বিগুণ ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা থাকে।

সাধারণত ডাবলেট ভূমিকম্প সেই সময় হয়, যখন প্রথম ভূমিকম্পে স্ট্রেস বা চাপ রিলিজের পর, তা পাশের ফল্ট সেগমেন্টে ট্রান্সফার হয়ে যায়। এর ফলে আবার ভাঙন বা কম্পন ধরে মাটির নীচে থাকা প্লেটে। এই ঘটনাটি বিরল, কারণ অধিকাংশ ভূমিকম্পে সঞ্চিত টেকটনিক প্লেটের চাপের বেশিরভাগই মুক্ত হয়ে যায়, ফলে তার পরপরই একই মাত্রার আরেকটি বড় ধরনের ভূমিকম্প হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।

মাত্র কয়েক সেকেন্ডেই কেন দ্বিতীয় ভূমিকম্প হল? 
এর মূল কারণ হল চাপ বা স্ট্রেস ট্রান্সফার। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (USGS)-র মতে, বড় ধরনের ভূমিকম্প আশপাশের ফল্ট লাইনে চাপের ভারসাম্য বদলে দিতে পারে, যার ফলে কখনও কখনও আরেকটি ভূমিকম্প হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। যদিও অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই ধরনের প্রভাবের ফলে ছোট ছোট আফটারশক দেখা যায়, তবে বিরল কিছু ক্ষেত্রে স্থানান্তরিত চাপ এতটাই বেশি হতে পারে যে তা অন্য একটি বড় ফল্ট অংশকে সক্রিয় করে তুলতে পারে।

একটি বড় ভূমিকম্প কাছাকাছি থাকা ফল্ট লাইনে নতুন ভূমিকম্প ঘটাতে পারে। এমনকী, কখনও কখনও অনেক দূরে অবস্থিত ফল্ট লাইনগুলিকেও প্রভাবিত করতে সক্ষম।

ভেনেজুয়েলার ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের ধারণা, প্রথম ভূমিকম্পের ফলে ফল্ট সিস্টেমের সংলগ্ন একটি অংশে চাপের পরিবর্তন ঘটে, যার জেরেই মাত্র কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে দ্বিতীয় বড় ধরনের ভূমিকম্পটি ঘটেছে।

স্টারমার বলেন, "আমার দল এখন এই প্রশ্ন করছে যে, আগামী সাধারণ নির্বাচনে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য আমি কি সেরা ব্যক্তি? আমার সংসদীয় দলের উত্তর আমি শুনেছি এবং তা সসম্মানে গ্রহণ করছি। আমি যে সিদ্ধান্তই নিয়েছি, দেশের স্বার্থকে সবার আগে রেখেই নিয়েছি। সেই কারণেই আমি লেবার পার্টির নেতার পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছি।"

 ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা কিয়ার স্টারমারের, কেন এই বড় সিদ্ধান্ত?
স্টারমার

ব্রিটেনের রাজনীতিতে বড় বদল। তীব্র চাপের মুখে অবশেষে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিলেন কিয়ার স্টারমার (Keir Starmer)। লেবার পার্টির প্রধানের দায়িত্ব থেকেও অব্যাহতি নিয়েছেন। সোমবার লন্ডনের ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের সামনে দাঁড়িয়ে আবেগঘন ভাষণে স্টারমার জানান, নতুন নেতা নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি প্রধানমন্ত্রী ও দলের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি তিনি তাঁর উত্তরসূরিকে পূর্ণ সমর্থনের আশ্বাসও দিয়েছেন।


কী বললেন স্টারমার?
স্টারমার বলেন, “আমার দল এখন এই প্রশ্ন করছে যে, আগামী সাধারণ নির্বাচনে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য আমি কি সেরা ব্যক্তি? আমার সংসদীয় দলের উত্তর আমি শুনেছি এবং তা সসম্মানে গ্রহণ করছি। আমি যে সিদ্ধান্তই নিয়েছি, দেশের স্বার্থকে সবার আগে রেখেই নিয়েছি। সেই কারণেই আমি লেবার পার্টির নেতার পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছি।” তিনি জানান, সোমবার সকালে রাজা তৃতীয় চার্লসের সঙ্গেও কথা বলেছেন এবং নিজের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তাঁকে অবহিত করেছেন।



নায়িকাদের কাছে পেলেই কেন গায়ে ঢলে পড়েন ওরি? গোপন কথা ফাঁস করলেন আরেক নায়িকা
স্টারমারের কথায়, “আমি লেবার পার্টির ন্যাশনাল এক্সিকিউটিভ কমিটিকে নতুন নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করার অনুরোধ করেছি। যাতে সেপ্টেম্বর মাসে সংসদের পরবর্তী অধিবেশন শুরু হওয়ার আগেই নতুন নেতা নির্বাচিত হয়। আমি আমার উত্তরসূরিকে সম্পূর্ণ সমর্থন করব। আমি বিশ্বাস করি, তিনি আরও শক্তিশালী ব্রিটেনের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন এবং লেবার পার্টিকে দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করবেন।”


স্ত্রীকে পাশে নিয়ে আবেগঘণ স্টারমার
ভাষণের শেষে আবেগপ্রবণ হয়ে স্ত্রী ভিক্টোরিয়ার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন স্টারমার। তিনি বলেন, “সুসময় হোক বা দুঃসময়, ভিক্টোরিয়া সবসময় আমার পাশে থেকেছে। দেশের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব ছেড়ে যাওয়ার পর আমি আমার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজটিতে আরও বেশি সময় দিতে চাই। সেটা হল একজন ভালো স্বামী ও একজন ভালো বাবা হওয়া।”

জানা গিয়েছে, লেবার পার্টির নেতৃত্ব নির্বাচনের জন্য ৯ জুলাই থেকে মনোনয়ন জমা নেওয়া শুরু হবে এবং ১৬ জুলাইয়ের মধ্যে তা শেষ হবে। প্রয়োজনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, যাতে সেপ্টেম্বরের মধ্যে নতুন নেতা নির্বাচিত করা যায়।

প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহে লেবার পার্টির অভ্যন্তরীণ প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম একটি বিশেষ নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর থেকেই স্টারমারের নেতৃত্ব নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়। গ্রেটার ম্যানচেস্টারের প্রাক্তন মেয়র বার্নহ্যাম প্রকাশ্যেই দলের নেতৃত্বের জন্য চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিলেন। সেই রাজনৈতিক চাপের মধ্যেই অবশেষে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিলেন কিয়ার স্টারমার।

ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়া (NPCI) এমন একটি ফিচার এনেছে, যাতে যত খুশি ডিভাইসে UPI ব্যবহার করতে পারেন। UPI Circle নামে ওই ফিচারে দুটি স্মার্টফোন ব্যবহার করলেও নতুন UPI সেট আপ করতে হবে না, পৃথক ব্যাঙ্ক অ্য়াকাউন্টও ব্যবহার করতে হবে না।

UPI-তে দুর্দান্ত ফিচার, মা-বাবা-সন্তান, যে কেউ আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকেই পেমেন্ট করতে পারবেন

বর্তমানে বহু মানুষের কাছে থাকে দুটি স্মার্টফোন। কেউ একটি ফোন কাজের জন্য ও অপর ফোন ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করেন। একটি ফোনে জরুরি কথা আর অন্য ফোনে গান-সিনেমা- এভাবেই ব্যবহার করেন অনেকে। কিন্তু মুস্কিল হল UPI ব্যবহার করার জন্য় একটা নির্দিষ্ট ফোনই রাখতে হয়। চাইলেই যে কোনও ফোনে UPI ব্যবহার করতে পারেন না। তবে এবার সেই সমস্যার সমাধান এসে গিয়েছে।


ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়া (NPCI) এমন একটি ফিচার এনেছে, যাতে যত খুশি ডিভাইসে UPI ব্যবহার করতে পারেন। UPI Circle নামে ওই ফিচারে দুটি স্মার্টফোন ব্যবহার করলেও নতুন UPI সেট আপ করতে হবে না, পৃথক ব্যাঙ্ক অ্য়াকাউন্টও ব্যবহার করতে হবে না।


কাঠগড়ায় মাস্টারমশাই, তাঁর বিরুদ্ধে মামলার প্রেক্ষাপট শুনেই ভরা এজলাসে হাতজোড় করে ক্ষমা চাইলেন খোদ বিচারক, করলেন দুঃখপ্রকাশও! কী অপরাধ স্যরের?
কী এই UPI Circle?
এই ফিচারে একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকেই একাধিক ডিভাইসে মাধ্যমে পেমেন্ট করা সম্ভব। সে ক্ষেত্রে শুধু একজন ব্যক্তির একাধিক ডিভাইস থাকলেই যে সুবিধা হবে তা নয়, কোনও পরিবারের একাধিক সদস্যও একজনের অ্যাকাউন্ট থেকেই পেমেন্ট করতে পারবেন।

এই ফিচারে প্রাইমারি UPI অ্যাকাউন্ট হোল্ডার অর্থাৎ যাঁর অ্যাকাউন্টের সঙ্গে UPI লিংক আছে, তাঁকেই বাকি ডিভাইসগুলি অথরাইজ করতে হবে। সে ক্ষেত্রে অন্যদের ফোনে থাকবে UPI-এর সেকেন্ডারি অ্যাকাউন্ট। যাঁর ফোনে সেকেন্ডারি অ্যাকাউন্ট থাকবে, তাঁকে প্রত্যেকবার লেনদেনে অনুমতি চাইতে হবে কি না, তা ঠিক করবে প্রাইমারি হোল্ডার। সেকেন্ডারি ইউজার ঠিক কত টাকা ব্যবহার করতে পারবে, সেটাও ঠিক করে দিতে পারবে প্রাইমারি ইউজার।

কীভাবে UPI Circle সেট আপ করবেন
ফোন থেকে UPI অ্যাপ খুলুন।

UPI Circle নামে ফিচারটি খুঁজে বের করুন।

কোনও কোনও অ্যাপের এই ফিচারটির নাম রয়েছে Pocket Money।

সেখানে গিয়ে সেকেন্ডারি ইউজার অ্যাড করুন।

invite অথবা dependent account অপশনে ট্যাপ করুন।

সেকেন্ডারি ইউজারের UPI ID ও মোবাইল নম্বর দিন।

Verification শেষ করুন।

এরপর ঠিক করুন সেকেন্ডারি ইউজার আপনার থেকে অনুমতি নেবে কি না।