পরবর্তীতে পরিষদীয় মন্ত্রীর হস্তক্ষেপে দরজা খোলা হয়। তারপরও দেখা যায়, তৃণমূল কংগ্রেসের মোসারফ হোসেন, বীরভূম জেলা থেকে নির্বাচিত বাহারুল ইসলাম, কাজল শেখ, বায়রন বিশ্বাস, পান্নালাল হালদার, মুরারইয়ের মুসারফ হোসেন - যাঁরা প্রত্যেকেই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের। তাঁরা সকলেই বিধানসভা অন্দরে বসে থাকলেন।
ঋতব্রত শিবিরেই ফাটল? বিধানসভার নজিরবিহীন দৃশ্যে জোর জল্পনা
বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন বিধায়করা
OBC বিলের সংশোধনী নিয়ে ভোটাভুটিতে ঋতব্রত-শিবিরের মধ্যে বিভ্রান্তি। বেশিরভাগ বিধায়ক ওয়াক-আউট করলেও অধিবেশন কক্ষেই রয়ে গিয়েছেন বেশ কয়েকজন। সোমবার বিধানসভায় এই বিল পাশ হওয়া নিয়ে বেশ কয়েকটি নাটকীয় পরিস্থিতি তৈরি হয়। দেখা যায়, বিল পাশের সময়ে ঋতব্রত শিবিরের প্রায় সকলেই বেরিয়ে যাচ্ছিলেন। তারপরই দেখা যায়, বেশ কয়েকজন আটকে পড়েন। কারণ ভোটাভুটির সময়ে দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়। সে কারণে বেরোতে পারছিলেন না শিউলি সাহা, সন্দীপন সাহার মতো বেশ কয়েকজন। GeographicReference
পরবর্তীতে পরিষদীয় মন্ত্রীর হস্তক্ষেপে দরজা খোলা হয়। তারপরও দেখা যায়, তৃণমূল কংগ্রেসের মোসারফ হোসেন, বীরভূম জেলা থেকে নির্বাচিত বাহারুল ইসলাম, কাজল শেখ, বায়রন বিশ্বাস, পান্নালাল হালদার, মুরারইয়ের মুসারফ হোসেন – যাঁরা প্রত্যেকেই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের। তাঁরা সকলেই বিধানসভা অন্দরে বসে থাকলেন। দেখা যায়, কুণাল ঘোষ তাঁদের উদ্দেশে বলেন, “আপনারা বেরোবেন না, আপনারা এটাই ঠিক করেছেন।” এরপরই দেখা গেল, বাহারুল ইসলাম, কাজল শেখ, বায়রন বিশ্বাসরা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে কথা বলতে এগিয়ে যান। অন্যদিকে, তৃণমূলের কালীঘাট শিবিরের বিধায়করা অর্থাৎ শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়রা সেখানে থাকেন। বিশ্লেষকদের প্রশ্ন, কেবল দরজা বন্ধ ছিল বলেই কি বেরোতে পারলেন না? নাকি বেরোতে চাননি বলে দরজা খোলা হলেও বেরোলেন না? তাহলে কি ঋতব্রত শিবিরেই ধরল ফাটল, এদিনের দৃশ্যে সে প্রশ্নই ঘোরপাক খাচ্ছে। এই বিলের পক্ষে ভোট পড়েছে ১৮৬ টি। বিপক্ষে ১৭ টা। ভোটদান থেকে বিরত থেকেছেন ৬ জন।


Post A Comment:
0 comments so far,add yours