ফোর্ট উইলিয়াম সূত্রে খবর, বড়সড় বিপর্যয়ে যখন সব রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়, তখন ভারতীয় সেনা এই ধরনের মেশিন ব্যবহার করে থাকে। তারাতলা বিপর্যয়ের ক্ষেত্রে উদ্ধার কার্য নানান সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে। মূলত ভিতরে যে অন্ধকার অবস্থা, সেই কারণে এই ধরনের অত্যাধুনিক যন্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে।


তারাতলার বিপর্যয়ে সেনা নামাল রেসকিউ র‌্যাডার, কীভাবে প্রাণের খোঁজ দিচ্ছে এই যন্ত্র?
উদ্ধারকাজে সেনার হাতে রেসকিউ র‌্যাডার

বুধবার থেকে চলেছে উদ্ধারকাজ। সেনা-এনডিআরএফ-দমকল-পুলিশ মিলে সকলে একযোগে চালিয়ে যাচ্ছে তারাতলায় উদ্ধার কাজ। এখনও (বৃহস্পতিবার সকাল ১০.৩০) পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ২৩ জন। মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। বুধবারের পর থেকে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে সেনা। আর এবার ভারতীয় সেনার তরফে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে উদ্ধারকার্যে। নামানো হলো বিশেষ প্রযুক্তি সম্পন্ন স্ক্যানার মেশিন। এই মেশিনের নাম ‘রেসকিউ র‌্যাডার।’


কীভাবে কাজ করে এই র


বিধানসভায় 'এপাং ওপাং ঝপাং' বলে কী বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন রুদ্রনীল?
ধ্বংসস্তূপের উপরে এই মেশিন বসিয়ে ভিতরের যাবতীয় ছবি নিজেদের ডিসপ্লে বোর্ডে তুলে আনছেন সেনারা। যেখানে-যেখানে শ্রমিকদের আটকে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে, সেখানে এই মেশিন বসানো হচ্ছে। তারপর ডিস-প্লে বোর্ডের ভিতরের সম্পূর্ণ ছবি ওই অত্যাধুনিক মেশিনের মাধ্যমে ফুটে উঠছে। এরপর ছবি হাতে পাওয়া মাত্রই শাবল এবং হাতুড়ি নিয়ে সেই ঢালাই ব্রিজের ভাঙার কাজ শুরু করেছে সেনারা।


ফোর্ট উইলিয়াম সূত্রে খবর, বড়সড় বিপর্যয়ে যখন সব রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়, তখন ভারতীয় সেনা এই ধরনের মেশিন ব্যবহার করে থাকে। তারাতলা বিপর্যয়ের ক্ষেত্রে উদ্ধার কার্য নানান সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে। মূলত ভিতরে যে অন্ধকার অবস্থা, সেই কারণে এই ধরনের অত্যাধুনিক যন্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে। ভারতীয় সেনার সূত্রে খবর, উত্তর কাশীতে যখন বিপর্যয় হয়েছিল তখন এই রেসকিউ র‌্যাডার ব্যবহার করে শ্রমিকদের উদ্ধার করা হয়েছিল। সংবাদপত্রডিজিটাল সংস্করণ

এখানে উল্লেখ্য, তারাতলায় নির্মীয়মান গোডাউনের ছাদ ভেঙে বুধবার বিপর্যয় ঘটে। এই ঘটনার রিপোর্ট জমা পড়েছে পৌরনিগমের কাছে। কলকাতা পৌরনিগমের কাছে যে রিপোর্ট জমা পড়েছে সেখানে দেখা যাচ্ছে, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে এই ৫৪ কাঠা জমির উপরে নির্মাণ নকশা অনুমোদন হয়। রিপোর্টে বলা হয়েছে, গুদামে তিনতলা কাঠামো তৈরি হয়ে গিয়েছিল। নিয়ম অনুযায়ী, একতলা থেকে ঢালাই দিতে হয়। কিন্তু ত্রুটিপূর্ণ পরিকল্পনা অনুযায়ী, তিনতলা থেকে ঢালাই দেওয়ার কাজ শুরু হয়। সেই ভার রাখতে পারেনি নির্মাণ কাঠামো। তারপরই এমন বিপর্যয়।
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours