July 2026
 খুব শীঘ্রই রাজ্যে চালু হতে চলেছে মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বীমা (Chief Minister Health Insurance Scheme)। আয়ুষ্মানের মতো এই প্রকল্পেও ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ক্যাশলেশ চিকিৎসার (Cashless Medical Benefit) সুবিধা মিলবে। সেক্ষেত্রে মূলত কারা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন, কীভাবে আবেদন করতে হবে, জেনে নিন সব খুঁটিনাটি।

কারা পাবেন মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা? কীভাবে আবেদন করবেন, জেনে নিন বিশদে
শুভেন্দু অধিকারী

শুভেন্দু-সরকার (CM Suvendu Adhikari) আসার পর থেকেই রাজ্যজুড়ে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে (Ayushman Bharat Scheme) আবেদন শুরু হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই এই প্রকল্পে আবেদন করা শুরু করেছেন রাজ্যবাসীর একাংশ। কারণ সকলে এই স্বাস্থ্য প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না। কারণ আয়ুষ্মান ভারতে আবেদনের জন্য বেশ কিছু শর্ত রয়েছে। সেই শর্ত থেকে বাদ যাচ্ছেন বহু মানুষ। সেক্ষেত্রে তাঁদের কথা ভেবে ইতিমধ্যেই বড় ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। খুব শীঘ্রই রাজ্যে চালু হতে চলেছে মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বীমা (Chief Minister Health Insurance Scheme)। আয়ুষ্মানের মতো এই প্রকল্পেও ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ক্যাশলেশ চিকিৎসার (Cashless Medical Benefit) সুবিধা মিলবে। সেক্ষেত্রে মূলত কারা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন, কীভাবে আবেদন করতে হবে, জেনে নিন সব খুঁটিনাটি।


কারা পাবেন মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমা?
যাঁরা ‘আয়ুষ্মান ভারত’-এর সুবিধা পাবেন না, তাঁরা প্রত্যেকেই মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্পে আবেদন করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে জেনে নেওয়া যাক, কারা আয়ুষ্মান ভারত-এর সুবিধা পাচ্ছেন না।


এটিও পড়ুন
ইমপা থেকে অবশেষে পদত্যাগ করলেন পিয়া সেনগুপ্ত ?
১৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও থামছে না শুটিং! টলিপাড়ায় কোন জটিলতা...
ধনে পাতা তো খান, ডাটা ফেলে দিয়ে বড় ভুল করে ফেলছেন না তো?
আয়ুষ্মান ভারত-এর সুবিধা কারা পাবেন না?
এসইসিসি-র ভিত্তিতে চিহ্নিত বঞ্চিতদের তালিকায় যাঁরা পড়ে না, তাঁরা আয়ুষ্মান ভারত-এর সুবিধা পাবেন না
যাঁদের পাকা বাড়ি রয়েছে, তাঁরা পাবেন না।
এছাড়া, সাফাইকর্মী, গৃহপরিচারক, হকার, রিকশাচালক, রাজমিস্ত্রি, নির্মাণ শ্রমিক, কলের মিস্ত্রি, ইলেকট্রিশিয়ান, নিরাপত্তা কর্মীর মতো ১১টি পেশার সঙ্গে যদি যুক্ত না থাকেন, তাহলে আয়ুষ্মান ভারত পাবেন না।
কীভাবে মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমাতে আবেদন করবেন?
মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা নিয়ে বা এই প্রকল্পে আবেদনের জন্য এখনও পর্যন্ত নির্দিষ্ট রূপরেখা তৈরি হয়নি। এক সংবাদমাধ্যমকে এমনটাই জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। বিগত সরকারের আমলে বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবার জন্য স্বাস্থ্যসাথী কার্ড দেওয়া হয়েছিল। সেক্ষেত্রে, যাঁদের স্বাস্থ্যসাথীতে নাম ছিল, তাঁদের নাম সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমাতে ট্রান্সফার করা যায় কি না কিংবা নতুন করে আবেদন করতে হবে কি না, সেই বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত কিছুই হয়নি। সবটাই আলোচনার স্তরে রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। খুব শীঘ্রই সরকারের তরফে এই বিষয়ে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হবে।

মমতা জমানার শেষের দিকে কলকাতার পুলিশ কমিশনার ছিলেন সুপ্রতিম সরকার। পরে রাজ্যে নির্বাচনী বিধি কার্যকর হওয়ার পর কমিশনের নির্দেশে তাঁকে ওই পদ থেকে সরে যেতে হয়। ভিনরাজ্যে অবজারভার হিসেবেও পাঠানো হয়েছিল তাঁকে।

পদ থেকে সরানো হল সুপ্রতিম সরকারকে, রাজ্য পুলিশে বড় রদবদল
সুপ্রতিম সরকার


রাজ্য পুলিশে বড় রদবদল। ফের পদ থেকে সরানো হল কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকারকে (Supratim Sarkar)। এডিজি সিআইডি পদ থেকে সরানো হল তাঁকে। একইসঙ্গে একাধিক আইপিএস ও ডব্লুবিপিএস পদে রদবদল হয়েছে। মঙ্গলবার এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বারুইপুর-কাণ্ডে দুই এএসপি-কেও সরানো হয়েছে।


কাকে কোথায় বদল করা হল
এডিজি সিআইডি পদ থেকে সরানো হয়েছে আইপিএস সুপ্রতিম সরকারকে। এডিজি সিআইডি পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে এডিজি টেলিকম পদ। এটি অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ পদ। ডিজি সিআইডি পদে আনা হল নটরাজন রমেশবাবুকে।


তারকেশ্বর নিয়ে প্রাক্তন সরকার একচোখ বন্ধ করে রাখত: শুভেন্দু
তৃণমূল আমলের আর্থিক দুর্নীতি খোঁজার দায়িত্বে ডিরেক্টর অব ইকোনমিক অফেন্স পদে নিয়ে আসা হল সৎ অফিসার হিসেবে পরিচিত কে জয়রামনকে।


বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার পদ থেকে সরানো হল ত্রিপুরারি অথর্ভকে। বিধাননগরের নতুন সিপি হলেন অমিত রাথোড়।

বারুইপুরের দুজন অ্যাডিশনাল এসপি-কেও সরানো হয়েছে। পিনাকি দত্তকে সরিয়ে দায়িত্ব দেওয়া হল অতীশ বিশ্বাসকে। সূর্যপুরের ঘটনা মুখ্যমন্ত্রী পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। কেন অফিসাররা ঘটনাস্থলে পৌঁছতে দেরি করে, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তারপরই এই পদক্ষেপ।

ভোট ঘোষণার পরই সরানো হয়েছিল সুপ্রতিম সরকারকে
২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার পরই আইপিএস সুপ্রতিম সরকারকে কলকাতার পুলিশ কমিশনার পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। এডিজি সিআইডি করা হয়েছিল তাঁকে। পরে ভিনরাজ্যে পুলিশ অবজারভারের দায়িত্বও দেওয়া হয়েছিল এই আধিকারিককে। তামিলনাড়ুর পাঁচটি বিধানসভা কেন্দ্রের দায়িত্ব পালনের জন্য পাঠানো হয়েছিল তাঁকে।

এডিজি টেলিকম পদ কী?
রাজ্য় পুলিশ যে টেলিকম ব্যবস্থা ব্যবহার করে। সেই ওয়্যারলেস টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেম চালানোর দায়িত্ব থাকে এডিজি টেলিকমের হাতে। তবে পুলিশ মহলে এই পদের তেমন গুরুত্ব নেই।

  মৌলবাদীদের চাপে ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ ছাড়তে হয়েছিল তসলিমাকে। পরে ২০০৪ সালে তিনি আশ্রয় নিয়েছিলেন কলকাতায়। বাংলা ভাষার শহর কলকাতাকে আঁকড়ে ধরতে চেয়েছিলেন। সাহিত্যিক মহলে বেড়ে ওঠে পরিচিতি। বাম নেতাদের সঙ্গেও তৈরি হয় সুসম্পর্ক। তারপর কী এমন ঘটল!

নির্বাসনের পর নির্বাসন জুটেছে তসলিমার (Taslima Nasreen)। বাংলাদেশ, কলকাতা, ভারত ছাড়তে হয়েছে তাঁকে। ‘লজ্জা’র লেখিকাকে নিয়ে যেমন বিতর্কের শেষ নেই, তেমনই বাম সরকারকে কম প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়নি। যারা নিজেদের উদারপন্থী বলে থাকে, সেই বামেদের আমলে কেন তসলিমাকে কলকাতা ছাড়তে হল? তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বারবার। প্রশ্ন তুলেছেন বিদ্বজনেরা। তসলিমা নাসরিন নিজে বারবার বাম সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। একাধিক পোস্টে নিজেকে ‘বামপন্থী’ বলে দাবি করেন তিনি। প্রশ্ন তোলেন, কেন বাম সরকার তাকে বের করে দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছিল?

মৌলবাদীদের চাপে ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ ছাড়তে হয়েছিল তসলিমাকে। পরে ২০০৪ সালে তিনি আশ্রয় নিয়েছিলেন কলকাতায়। বাংলা ভাষার শহর কলকাতাকে আঁকড়ে ধরতে চেয়েছিলেন। সাহিত্যিক মহলে বেড়ে ওঠে পরিচিতি। বাম নেতাদের সঙ্গেও তৈরি হয় সুসম্পর্ক।


পরে কলকাতায় বিতর্ক দানা বাঁধতে শুরু করে। শুরু হয় অশান্তি। তাঁর শিরচ্ছেদের নিদান দিতে শুরু করে কোনও কোনও সংগঠন। কেউ বলে ক্ষমা চাইতে হবে। ২০০৭ সালে অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিনের বিধায়করা তসলিমা নাসরিনের প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছিলেন।

 তৃণমূল সরকারের আমলে বন্ধ হয়ে গিয়েছে একের পর এক সরকারি বাস। এমন অভিযোগ আকছাড় উঠত। সরকারি বাস রাস্তায় প্রায় চলেই না। আর এতে সব থেকে বেশি অসুবিধায় পড়তেন নিত্যযাত্রীরা। তবে, এবার পালা বদল হয়েছে। আর তারপরই সরকারি বাস চালানোর আশ্বাস দিয়েছে সরকার। 

'সোনার বাস চালাব', আশ্বাস অর্জুনের, কী এই সোনার বাস জানেন?
অর্জুন সিং, পরিবহন মন্ত্রী

মন্ত্রিত্ব পেয়েই একের পর এক জনমূখী উদ্যোগ নিয়েছেন পরিবহন মন্ত্রী অর্জুন সিং (Arjun Singh)। রাজ্যে চালু হয়েছে একের পর এক সরকারি বাস। উদাহরণ দিতে গিয়ে বলতেই হয় তারকেশ্বরের কথা। সোমবার তারকেশ্বর থেকে পাঁচটি সরকারি বাস চালু হয়েছে। আর এবার রাজ্যে সোনার বাস চলবে বলে আশ্বাস দিলেন মন্ত্রী অর্জুন সিং। সত্যিই কি সোনার বাস চলবে? এই সোনার বাসই বা কী, সবই ব্যাখ্যা দিলেন অর্জুন।


সোনার বাস কী?


রোজ ওটস খাচ্ছেন! ওটস খেলে শরীরে কী কী ঘটে জানেন তো?
প্রসেনজিত্‍ চট্টোপাধ্যায়কে চিঠি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর, কী আছে চিঠিতে?
তৃণমূল সরকারের আমলে বন্ধ হয়ে গিয়েছে একের পর এক সরকারি বাস। এমন অভিযোগ আকছাড় উঠত। সরকারি বাস রাস্তায় প্রায় চলেই না। আর এতে সব থেকে বেশি অসুবিধায় পড়তেন নিত্যযাত্রীরা। তবে, এবার পালা বদল হয়েছে। আর তারপরই সরকারি বাস চালানোর আশ্বাস দিয়েছে সরকার।


অর্জুন সিং জানিয়েছেন, একটা সময় ছিল ব্যারাকপুর সুভাষ চন্দ্র বাস টার্মিনাল থেকে অনেক বাস যেত। ধীরে ধীরে এই এলাকা থেকে অনেক বাস বন্ধ হয়েছে। পরিবহন ব্য়বস্থা তলানিতে গিয়েছে। বিজেপি সরকার চেষ্টা করছে যেখানে পরিবহন ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গেছে, সেখান থেকে সরকারি বাস চালানোর। তিনি বলেন, “প্রায় ৫০ টা নতুন বাস চালাব। পুজোর আগে আরও ৪৮৭টা বাস আনার চেষ্টা করছি। এর পাশাপাশি পরিবহন ব্যবস্থাতে অনেক লিকেজ থাকে। সেই লিকেজ বন্ধ হলে আমরা সোনার বাস চালাতে পারব।”

পরে সোনার বাসের আসল অর্থ বোঝান রাজ্যের পরিবহন মন্ত্রী। তাঁর কথায়, যদি তৃণমূল আমলের মতো টায়ার চুরি, পার্টস চুরি করা হত। এইসব যদি বন্ধ করা যায়, তাহলে সোনার বাস চালানো যেতে পারে। অর্থাৎ পরিবহন দফতরকে দুর্নীতি মুক্ত করতে পারলে আগামিদিনে রাজ্যে সোনার সরকারি বাস চলানো যাবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন অর্জুন।

ইতিমধ্যেই এই এনকাউন্টারের ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে সিআইডি। ঠিক কোন পরিস্থিতিতে পুলিশকে এনকাইন্টার করতে হয়েছিল, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশের দাবি, পুলিশের পকেট থেকে রিভলবার বার করে এক রাউন্ড গুলি চালিয়ে পালানোর চেষ্টা করেছিল সেই অভিযুক্ত।


এবার আর রাতে নয়, সাতসকালেই অভিযুক্তদের নিয়ে বারুইপুরের ঘটনার পুনর্নির্মাণ
ঘটনার পুনর্নির্মাণ

 বারুইপুরের গণধর্ষণ-খুনের ঘটনা তদন্ত, ঘটনার পুনর্নির্মাণে গিয়ে এনকাউন্টার, এক সপ্তাহের মধ্যে সূর্যপুরের তদন্তকারী আধিকারিকদের মধ্যে রদবদল। তার মধ্যেই ফের বারুইপুরকাণ্ডে ৩ অভিযুক্তকে নিয়ে মঙ্গলবার সকালে পুনর্নির্মাণে গেলেন তদন্তকারীরা। যাকে এনকাউন্টার করা হয়েছিল, সেই অভিযুক্তকে পুনর্নির্মাণের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছিল রাত ২.২০ মিনিট নাগাদ। সূর্যপুর স্টেশনের অদূরে যে এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে, সেটি জলাজঙ্গলে ভর্তি ছিল। সেখানেই এদিন নিয়ে যাওয়া হয় বাকি অভিযুক্তদের।


ইতিমধ্যেই এই এনকাউন্টারের ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে সিআইডি। ঠিক কোন পরিস্থিতিতে পুলিশকে এনকাইন্টার করতে হয়েছিল, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশের দাবি, পুলিশের পকেট থেকে রিভলবার বার করে এক রাউন্ড গুলি চালিয়ে পালানোর চেষ্টা করেছিল সেই অভিযুক্ত। আত্মরক্ষার্থেই পাল্টা গুলি চালানো হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বারুইপুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। দেহ নিতে অস্বীকার করে পরিবারও।



 'শাহরুখ আমার পা চাটছে', আমিরের মন্তব্য ক্ষোভে ফেটে পড়েন শাহরুখ ভক্তরা!
অসুস্থ! হাসপাতালে অভিনেতা সুমন্ত মুখোপাধ্যায়, এখন কেমন আছেন?
আগেই এই ঘটনায় ২ জন মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ, যাদের বিরুদ্ধে সরাসরি ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ রয়েছে। এলাকায় মাদকের কারবারের সঙ্গে যুক্ত বলেও অভিযোগ। এনকাউন্টারের দিন সকালে গ্রেফতার করা হয় আরেক অভিযুক্তকে। এই ৩ অভিযুক্তকে নিয়েই চলে এদিনের পুনর্নির্মাণ। সকাল সাড়ে এগারোটার আশেপাশে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করা হয়। ঘটনাস্থলে থাকে সিআইডি-র আধিকারিক ও ফরেনসিক আধিকারিকরা। ছিলেন সিআইডি আধিকারিকরাও।
মামলার মূল অভিযোগকারী বোলপুরের ত্রিসুলাপট্টির বাসিন্দা শুভেন্দু মণ্ডল। পেশায় ব্যবসায়ী শুভেন্দু দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে ওই এলাকায় ইটের ব্যবসা চালাচ্ছেন। তাঁর অভিযোগ, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে ফের তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পরপরই তাঁর ওপর তীব্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক আক্রমণ নামিয়ে আনা হয়।


গ্রেফতারির ভয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ সদ্য 'ভাল তৃণমূলী' অনুব্রত
হাইকোর্টের দ্বারস্থ অনুব্রত মণ্ডল

 দিন দুয়েক, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছেড়ে ঋতব্রত-শিবিরে যোগ দিয়েছেন তিনি। বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্যের কথায়, কেষ্ট ‘ভাল তৃণমূলে’ যোগ দিতেই ফিরে পেয়েছেন সংগঠনের দায়িত্ব। বীরভূম জেলা তৃণমূলের পদ ফিরে পেয়েছেন তিনি। দায়িত্ব পেতেই নেমে পড়েছেন ময়দানে। তবে তার আগে তিনি হাইকোর্টের দ্বারস্থ। মূলত বীরভূমের ইটভাটা লুঠ মামলায় গ্রেফতারির ভয় পাচ্ছেন তিনি। তাই আগাম জামিনের আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে মামলা করেছেন। এর আগে তিনি এই মামলায় আগাম জামিন চেয়ে সিউড়ি জেলা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। কিন্তু সেখান থেকে তাঁকে খালি হাতে ফিরতে হয়।


মামলার প্রেক্ষাপট


চায়ে চুমুক দেওয়াই যদি হয় আপনার পেশা! ৬০ ঘণ্টার বিশেষ কোর্সের সুযোগ আনল রাজ্য, কোথায় আবেদন করবেন
মামলার মূল অভিযোগকারী বোলপুরের ত্রিসুলাপট্টির বাসিন্দা শুভেন্দু মণ্ডল। পেশায় ব্যবসায়ী শুভেন্দু দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে ওই এলাকায় ইটের ব্যবসা চালাচ্ছেন। তাঁর অভিযোগ, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে ফের তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পরপরই তাঁর ওপর তীব্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক আক্রমণ নামিয়ে আনা হয়। অভিযোগের তির সরাসরি বীরভূমের তৎকালীন দাপুটে তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের দিকে।


ব্যবসায়ীর দাবি, খোদ অনুব্রত মণ্ডলের সবুজ সঙ্কেত পেয়েই কঙ্কালীতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের তৎকালীন উপপ্রধান মামন শেখের নেতৃত্বে প্রায় ২০০ জন সশস্ত্র দুষ্কৃতী তাঁর ইটভাটায় চড়াও হয়েছিল। সেখানে দিনদুপুরে ব্যাপক তাণ্ডব ও ভাঙচুর চালানো হয়। বাধা দিতে গেলে কর্মরত কর্মচারীদের বেধড়ক মারধর করে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার ইট লুট করে নিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। শুধু তাই নয়, ব্যবসায়ী ও তাঁর কর্মীদের প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়।

মামলাকারীর অভিযোগ ছিল, তিনি সক্রিয় বিজেপি সমর্থক হওয়াতেই তৎকালীন শাসকদলের রোষানলে পড়েছিলেন। সেই সময় অনুব্রত ও তৃণমূলের চরম দাপটের কারণে পুলিশ-প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েও কোনও সুরাহা বা ন্যায়বিচার পাননি তিনি। অবশেষে পরিস্থিতি কিছুটা বদলাতেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন ওই ব্যবসায়ী, যার জেরে আইনি ফাঁসে জড়িয়েছেন অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা।

 গত ৩ জুলাই শক্তিপুর থানায় হাজিরা এড়ান নওদার বিধায়ক। তবে ৪ জুলাই রেজিনগর থানায় হাজিরা দেন। ওইদিন হুমায়ুনকে ৪ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে রেজিনগর থানার পুলিশ। সেই জিজ্ঞাসাবাদের পরই ১৪ জুলাই ফেরে হাজিরা দেওয়ার জন্য হুমায়ুনকে নোটিস ধরায় রেজিনগর থানা।

রেজিনগর থানায় পৌঁছলেন হুমায়ুন, শক্তিপুর থানার পুলিশ পৌঁছল তাঁর বাড়িতে, ব্যাপারটা কী?
থানায় হুমায়ুন কবীর (বাঁদিকে), তাঁর বাড়িতে পুলিশ (ডানদিকে)

 একটা থানায় হাজিরার সময় আগে থেকেই ঠিক ছিল। সেই মতো সকাল সাড়ে এগারোটায় কর্মী, সমর্থকদের নিয়ে থানায় পৌঁছে গেলেন তিনি। আর নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীর যখন রেজিনগর থানায় পৌঁছলেন, তখন তাঁর বাড়িতে পৌঁছে গেলেন শক্তিপুর থানার পুলিশ। মঙ্গলবার শক্তিপুর থানার পুলিশ হুমায়ুনের বাড়িতে গিয়ে হাজিরার নোটিস দিয়ে এল। রেজিনগর থানায় হাজিরার পর আগামী ১৯ জুলাই শক্তিপুর থানায় হুমায়ুনকে হাজিরা দিতে হবে।


হুমায়ুনকে ২ থানায় হাজিরার জন্য কেন ডাকা হল?

 'শাহরুখ আমার পা চাটছে', আমিরের মন্তব্য ক্ষোভে ফেটে পড়েন শাহরুখ ভক্তরা!
হুমায়ুনের দুটি মন্তব্য নিয়ে দুটি থানায় মামলা হয়েছে। গত ২৬ জুন রেজিনগরের কাশীপুর হাটতলার এক জনসভায় বিজেপিকে হুঁশিয়ারি দিয়ে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন বলেছিলেন, “আমি যেদিন ময়দানে মুসলমানদের নিয়ে নেমে যাব না, সেদিন এমন স্যাঁটা ভাঙা মার শুরু করব যে আপনাদের পতাকা ধরার লোক থাকবে না।” অন্যদিকে, শক্তিপুর থানায় যে এফআইআর দায়ের হয়, সেখানে অভিযোগ করা হয় যে শক্তিপুর থানার গড়দুয়ার ঘাট সংলগ্ন এলাকায় একটি বিজয় সমাবেশ থেকে প্রশাসনকে উদ্দেশ্য কের মানহানিকর ও উস্কানিমূলক মন্তব্য করেন হুমায়ুন।


রেজিনগরে হুমায়ুনের এই হুঁশিয়ারি নিয়ে কড়া বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিধানসভায় হুমায়ুনের মন্তব্য তুলে ধরে সংযত হওয়ার বার্তা দেন। দুটি থানার পুলিশও কড়া পদক্ষেপ করে হুমায়ুনকে হাজিরা হওয়ার জন্য নোটিস পাঠায়। গত ৩ জুলাই শক্তিপুর থানায় হাজিরা এড়ান নওদার বিধায়ক। তবে ৪ জুলাই রেজিনগর থানায় হাজিরা দেন। ওইদিন হুমায়ুনকে ৪ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে রেজিনগর থানার পুলিশ। সেই জিজ্ঞাসাবাদের পরই ১৪ জুলাই ফেরে হাজিরা দেওয়ার জন্য হুমায়ুনকে নোটিস ধরায় রেজিনগর থানা।

সেইমতো এদিন রেজিনগরে দলীয় কার্যালয় থেকে কর্মী, সমর্থকদের নিয়ে থানায় পৌঁছে যান হুমায়ুন। থানায় হাজিরা দিতে যাওয়ার আগে পুলিশের বিরুদ্ধে সরব হন তিনি। আর তিনি যখন রেজিনগর থানায় পৌঁছে যান, তখন শক্তিপুর থানার পুলিশ তাঁর মানিক্যহারের বাড়িতে পৌঁছে যায়। ৩ জুলাই হাজিরার নির্দেশ থাকলে ওইদিন শক্তিপুর থানায় যাননি হুমায়ুন। সেজন্য দ্বিতীয় ১৯ জুলাই হাজিরা দেওয়ার জন্য এদিন হুমায়ুনের বাড়িতে নোটিস দিতে আসেন শক্তিপুর থানার পুলিশ। বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর হুমায়ুনের বাড়ির লোকজন নোটিসটি গ্রহণ করেন।

অভিজিতের দাবি, শওকত মোল্লা যে হলফনামা জমা করেছিলেন তা একেবারেই মিথ্যা। উচ্চ মাধ্যমিক এবং গ্রাজুয়েশন যে বোর্ড থেকে পাস করেছে সেই বোর্ডটিও ভুয়ো। এই ভুয়ো বোর্ড তৈরির পিছনে হাত রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, তার পিএ সুমিত রায়,আয়ন ঘোষ দস্তিদার, খোকন বেরা, স্বপন সরদার জীবনতলা থানায়ও লিখিত অভিযোগ দায়ের দায়ের করেছেন।


রাজস্থান থেকে গ্রাজুয়েট, রাষ্ট্রবিজ্ঞানে করেছেন MA! শওকতের ডিগ্রি নিয়ে এবার থানায় ছুটল BJP, দাবি CBI তদন্তেরও
শওকত মোল্লা, তৃণমূল নেতা

 ক্যানিং পূর্বের প্রাক্তন বিধায়ক শওকত মোল্লা (Saokat Molla) আপাতত জেলে। তোলাবাজির ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছেন তিনি। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে ভাঙড় থেকে আইএসএফ (ISF) বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকির কাছে পরাজিত হয়েছিলেন। তবে, শওকত যে নির্বাচনী হলফনামা জমা দিয়েছিলেন, সেখানে দেখা গিয়েছিল তিনি লিখেছেন,পলিটিক্যাল সায়েন্সে (রাষ্ট্রবিজ্ঞান) এম.এ (MA) পাস করেছেন। এবার সেই শওকতেরই শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলল বিজেপি। বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস শওকতের শিক্ষাগত যোগ্যতা পুরোটাই ভুয়ো বলে বারুইপুর এস পি অফিসে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।


অভিজিতের দাবি, শওকত মোল্লা যে হলফনামা জমা করেছিলেন তা একেবারেই মিথ্যা। উচ্চ মাধ্যমিক এবং গ্রাজুয়েশন যে বোর্ড থেকে পাস করেছে সেই বোর্ডটিও ভুয়ো। এই ভুয়ো বোর্ড তৈরির পিছনে হাত রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, তার পিএ সুমিত রায়,আয়ন ঘোষ দস্তিদার, খোকন বেরা, স্বপন সরদার জীবনতলা থানায়ও লিখিত অভিযোগ দায়ের দায়ের করেছেন।



 বিশ্বকাপের রেফারিকে নিয়ে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিলেন অমিতাভ বচ্চন
বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস বলেন, “উনি পঞ্চম-ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত পড়া একজন ক্রিমিন্যাল। যাঁকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন তুই বোম বাঁধিস। সেই লোকটি দেখাচ্ছে তিনি উচ্চ শিক্ষিত। ও ২০১৬ সালে নির্বাচনে দাঁড়ানোর সময় যে হলফনামা জমা করেছিল সেখানে লিখেছিল ২০১৪ সালে উচ্চ-মাধ্যমিক পাশ করেছে বোর্ড অফ ইউথ এডুকেশন ইন্ডিয়া থেকে। এই বোর্ডটাও ভুয়ো। এরপর গ্রাজুয়েশন পাশ করেছে রাজস্থান থেকে। এবার আবার দেখিয়েছে ও নাকি মাস্টার ডিগ্রি করেছে পলিটিক্যাল সায়েন্সে। ও আসলে জালি সার্টিফিকেট চক্রের সঙ্গে যুক্ত। পুলিশ আশ্বাস দিয়েছে এটার তদন্ত হবে। দরকারে সিবিআই তদন্ত হতে পারে।”



ওই নাবালিকা উত্তর ২৪ এলাকার বাসিন্দা। বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসেছিল সে। ট্রেন ধরে শিয়ালদহে পৌঁছে যায়। সেই চত্বরেই কাজ করে অভিযুক্ত। পুলিশ তদন্তে জানতে পেরেছে, নাবালিকাকে রাস্তায় ইতঃস্তত ঘোরাফেরা করতে দেখেছিল অভিযুক্ত। সে তার কাছে গিয়ে খাবারের লোভ দেখায়। ট্রেনে বারুইপুর নিয়ে আসে ওই নাবালিকাকে। 

ফের বারুইপুর, নাবালিকাকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ
বারুইপুর থানা

ফের বারুইপুর। গণধর্ষণ, খুন, এনকাউন্টার-বিতর্ক কাটার আগেই ফের বারুইপুরে এক নাবালিকাকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠল। খাবারের লোভ দেখিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। অভিযুক্তকে হাতনাতে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেন এলাকাবাসীরা।


পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই নাবালিকা উত্তর ২৪ এলাকার বাসিন্দা। বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসেছিল সে। ট্রেন ধরে শিয়ালদহে পৌঁছে যায়। সেই চত্বরেই কাজ করে অভিযুক্ত। পুলিশ তদন্তে জানতে পেরেছে, নাবালিকাকে রাস্তায় ইতঃস্তত ঘোরাফেরা করতে দেখেছিল অভিযুক্ত। সে তার কাছে গিয়ে খাবারের লোভ দেখায়। ট্রেনে বারুইপুর নিয়ে আসে ওই নাবালিকাকে।


 বিশ্বকাপের রেফারিকে নিয়ে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিলেন অমিতাভ বচ্চন
এদিকে অভিযুক্তও বারুইপুর এলাকার বাসিন্দা নয়। ওই জেলারই অন্য এলাকার বাসিন্দা। বারুইপুরের একটা বাড়িতে ঘর ভাড়া নিয়ে ওই নাবালিকাকে নিয়ে ঢোকে সে। তখন এলাকাবাসীর সন্দেহ হয়। অভিযোগ, ধর্ষণের চেষ্টা করছিল অভিযুক্ত। তখনই তাকে হাতেনাতে ধরা হয়। পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ওই নাবালিকাকে আপাতত হোমে পাঠানো হয়েছে।


বারুইপুরের ঘটনার পর এলাকায় নিরাপত্তা বাড়াতে গত শনিবারই সূর্যপুরে ফাঁড়ির উদ্বোধন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এলাকার প্রত্যেকটা গলিতে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানোরও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বারুইপুরের ঘটনার থেকে শিক্ষা নিয়ে রাজ্য জুড়ে চলছে মাদক বিরোধী অভিযানও। তার মধ্যেই এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে


দুর্নীতির অভিযোগে ২০২১ সালের পর থেকে স্তব্ধ ছিল গ্রামীণ অর্থনীতির অন্যতম লাইফলাইন ১০০ দিনের কাজ। দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও বঞ্চনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে দক্ষিণ ২৪ পরগনার নামখানায় সম্পূর্ণ নতুন রূপে এবং নতুন নিয়মে শুরু হলো গ্রামীণ কর্মসংস্থান প্রকল্প। তবে এবার আর ১০০ দিন নয়, সম্পূর্ণ নতুন 'ভিবি জি রাম জি' প্রকল্পের মাধ্যমে এলাকার প্রান্তিক মানুষজন কাজ পাবেন পুরো ১২৫ দিন। 


সোমবার নামখানা ব্লকের দুটি গ্রাম পঞ্চায়েতে এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা দেখা গিয়েছে।
প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার নামখানার নারায়ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের পাশাপাশি ফ্রেজারগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েতে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। 
ফ্রেজারগঞ্জে এদিনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নামখানার জয়েন্ট সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক, ফ্রেজারগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান কাশীনাথ জানা-সহ প্রশাসনের অন্যান্য আধিকারিক ও ইঞ্জিনিয়াররা।পুরোনো সমস্ত দুর্নীতির অভিযোগ সরিয়ে রেখে, সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা বজায় রেখে এবং কড়া নজরদারির মাধ্যমে এই বর্ধিত কর্মদিবসের রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে। স্বচ্ছতা আনতে তিন টাইম অ্যাটেনডেন্স করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ফলে কাজ না করে আগের মত বাড়িতে বসে নাম নথিভুক্ত করার মতো দুর্নীতি থাকছে না।

দীর্ঘদিন পর নিজের এলাকায় কাজ পেয়ে রীতিমতো উচ্ছ্বসিত প্রান্তিক মানুষজন। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, প্রথম দিনের কাজেই মহিলাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। কোদাল-ঝুড়ি হাতে অত্যন্ত উৎসাহের সঙ্গে প্রথম দিনের কাজ শুরু করেছেন শ্রমিকরা। প্রশাসনের এই উদ্যোগে নামখানার গ্রামীণ অর্থনীতি ফের চাঙ্গা হবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।


বকখালি থেকে মুন্না সরদারে রিপোর্ট কাকদ্বীপ ডট কম

গত বছরের জুনে কামারহাটিতে তৃণমূলের এক কর্মিসভায় মদন বলেছিলেন, "আমি দায়িত্ব নিয়ে বলতে পারি, এখানে যাঁরা আছেন, তাঁরা অন্তত ৪০ শতাংশ তৃণমূলের দেওয়া চাকরি পেয়েছেন।" ওই কর্মিসভায় উপস্থিত তৃণমূল কর্মীদের দিকে আঙুল দেখিয়ে একথা বলেন মদন। জোর গলায় বলেন, "আমি মদন মিত্র একথা বলছি।"
Madan Mitra: পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার আতসকাচের তলায় মদনের পরিবার, বড় পদক্ষেপ ইডির
মদন মিত্র (ফাইল ফোটো)
Image Credit: TV9 Bangla
সুজয় পাল
সুজয় পাল | Edited By: Sanjoy Paikar | Updated on: Jul 14, 2026 | 4:43 PM
Google News Badge
Share
কলকাতা: এর আগে তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছে। এবার পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির নজরে কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের পরিবার। পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার তলব করা হল মদন মিত্রের স্ত্রী ও দুই পুত্রকে। আগামী ২২ ও ২৩ জুলাই সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করা হয়েছে তাঁদের।


এর আগে কামারহাটি পৌরসভায় অবৈধ নিয়োগ মামলায় নাম জড়ায় মদনের। জুন মাসেই তাঁর একাধিক বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। ভবানীপুরের বাড়ি ছাড়াও দক্ষিণেশ্বর-সহ একাধিক বাড়িতে হানা দিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ইডি সূত্রের খবর, পুরনিয়োগ দুর্নীতিতে বেশ কিছু রহস্যময় আর্থিক লেনদেনে কামারহাটির বিধায়কের স্ত্রী ও দুই পুত্রের নাম সামনে এসেছে। সেজন্যই মদনের স্ত্রী ও দুই পুত্রকে জিজ্ঞসাবাদ করতে চাইছে ইডি। মদন মিত্রের পুত্রবধূদের অবশ্য ইডি তলব করেনি। প্রসঙ্গত, কামারহাটি পৌরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হলেন মদনের কনিষ্ঠ পুত্রবধূ মেঘনা মিত্র।


 বিশ্বকাপের রেফারিকে নিয়ে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিলেন অমিতাভ বচ্চন
পুরনিয়োগ মামলায় এর আগে গত বছরের অক্টোবরে সিবিআই-ও মদনের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিল। নারদ মামলাতেও অভিযুক্ত মদন। কিন্তু, এবার তাঁর পরিবারকে ইডি তলব করায়, মদনের উপর চাপ বাড়ল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। মদনের স্ত্রী ও ২ পুত্রকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডি কোন তথ্য পায়, সেটাই এখন দেখার।


তৃণমূলের কর্মিসভায় চাকরি দেওয়ার কথা বলেছিলেন মদন-

২০১১ সালে প্রথমবার কামারহাটি থেকে জেতেন মদন। ২০১৬ সালে অবশ্য হেরে যান। আবার ২০২১ এবং ২০২৬ সালের নির্বাচনে এই কেন্দ্রে জয়ী হন তিনি। ফলে কামারহাটির সঙ্গে মদনের সম্পর্ক অনেক পুরনো। সেই কামারহাটিতে তৃণমূল কর্মীদের চাকরি দেওয়ার কথা বলেছিলেন মদন। গত বছরের জুনে কামারহাটিতে তৃণমূলের এক কর্মিসভায় মদন বলেছিলেন, “আমি দায়িত্ব নিয়ে বলতে পারি, এখানে যাঁরা আছেন, তাঁরা অন্তত ৪০ শতাংশ তৃণমূলের দেওয়া চাকরি পেয়েছেন।” ওই কর্মিসভায় উপস্থিত তৃণমূল কর্মীদের দিকে আঙুল দেখিয়ে একথা বলেন মদন। জোর গলায় বলেন, “আমি মদন মিত্র একথা বলছি।” এরপরই তিনি বলেন, “এবার যাঁরা চাকরি পাননি, তাঁদের মুখটার দিকে একবার চেয়ে দেখুন তো, তাঁরা কী ভাবছেন।”


২০০৭ সালের ২১ নভেম্বর তসলিমার বিরুদ্ধে মৌলবাদী আন্দোলনে উত্তাল হয়েছিল কলকাতা। সেই সময় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। পরিস্থিতি সামাল দিতে সেই সময় সেনা নামাতে হয়েছিল। তারপর আর কলকাতায় ফেরেননি তসলিমা।


১৮ বছর পর কলকাতায় তসলিমা, রবীন্দ্র সদনের মঞ্চে কবিতাপাঠ, থাকতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুও
তসলিমা নাসরিন ফিরছেন কলকাতায়

বিক্ষোভের জেরে কলকাতা ছাড়তে হয়েছিল তসলিমা নাসরিনকে (Taslima Nasreen)। তারপর থেকে বারবার অভিমান প্রকাশ পেয়েছে তাঁর কথায়। বারবার ফিরতেও চেয়েছেন তিনি। পালাবদলে পরই তসলিমাকে ফেরাতে সরব হন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। এবার তিনি সত্যিই ফিরতে চলেছেন। তসলিমার নিজের ফেসবুক পোস্টেই বিষয়টি সামনে আসে।


২০০৭ সালের ২১ নভেম্বর তসলিমার বিরুদ্ধে মৌলবাদী আন্দোলনে উত্তাল হয়েছিল কলকাতা। সেই সময় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। পরিস্থিতি সামাল দিতে সেই সময় সেনা নামাতে হয়েছিল। তারপর আর কলকাতায় ফেরেননি তসলিমা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে তসলিমা ইচ্ছা প্রকাশ করলেও তাঁকে ফেরানো সম্ভব হয়নি। অবশেষে ফিরতে চলেছেন তিনি।


নিজেকে 'বামপন্থী' বলে দাবি করেন! বুদ্ধবাবুর আমলে কেন কলকাতা ছাড়তে হয়েছিল তসলিমাকে?
অসুস্থ! হাসপাতালে অভিনেতা সুমন্ত মুখোপাধ্যায়, এখন কেমন আছেন?
রবীন্দ্র সদনে যে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে, তার উদ্যোক্তা হল ‘সেক্যুলার মিশন’ ও ‘পশ্চিমবঙ্গের জন্য’। অনুষ্ঠানের উদ্য়োক্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “তসলিমা আসছেন। ১৮ বছর পর তিনি কলকাতায় আসবেন। রবীন্দ্র সদনের মঞ্চে তিনি কবিতাপাঠ করবেন। গানও গাইবেন। তিনি তাঁর মত প্রকাশ করবেন। মুখ্যমন্ত্রী কথা দিয়েছেন, তিনি ওইদিন আসবেন।”


আগামী ১ অগস্ট ওই অনুষ্ঠান হওয়ার কথা। এই প্রসঙ্গে প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীর বলেন, “লেখিকাকে স্বাগত জানাচ্ছি। তবে তাঁকে নিয়ে একাংশের মানুষের আপত্তি ছিল। আমি ওঁর লেখা খুব পছন্দ করি। উনি আসছেন বলে খুশি হয়েছি। শুধু এটুকুই বলতে চাই, আলাদা করে যাতে কোনও বিতর্কিত কথা না বলেন।” বাম আমলে তসলিমা কলকাতা ছাড়ার সময় এ রাজ্যের পুলিশ আধিকারিক ছিলেন হুমায়ুন কবীর।

  তবে যেভাবে বাংলার নতুন সরকার এগিয়ে চলেছে, যেভাবে মানুষের জন্য কাজ করে চলেছে তাতে উচ্ছ্বসিত কেন্দ্রীয় কৃষি মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। শুরুতেই তিনি ধন্যবাদ জানান মুখ্যমন্ত্রীকে। সাফ বলেন, “আগের সরকারের আমলে কাজ হয়নি। তারা কোনও সহযোগিতা করেনি।”


আবাস যোজনায় বাংলায় ১ লক্ষ বাড়ির টাকা দিল কেন্দ্র’, বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

নবান্নে কেন্দ্রীয় কৃষি মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানের সঙ্গে বড় বৈঠক করে ফেললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আবাস যোজনা থেকে গ্রাম সড়ক যোজনা, ১২৫ দিনের কাজ, নানাবিধ বিষয় নিয়েই হল কথা। শেষে কেন্দ্রীয় কৃষি মন্ত্রীকে নিয়েই সাংবাদিক বৈঠকও করলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই তিনি স্পষ্ট জানালেন, প্রাণী সম্পদ বিকাশ থেকে শুরু করে ৮০ লক্ষ মহিলাদের বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আলাদা করে কৃষি সংক্রান্ত বিষয়ে দার্জিলিং, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম নিয়ে আলাদা করে আলোচনাও হয়। 


সাংবাদিক সম্মেলন থেকে শুভেন্দু বলেন, “আবাস যোজনায় বাংলায় ১ লক্ষ বাড়ির টাকা দিল কেন্দ্র। গ্রাম সড়ক যোজনায় দেওয়া হয়েছে ১ হাজার কোটি। ২৪০০ কিলোমিটার রাস্তা জন্য এসেছে টাকা। উদ্যান পালনের ক্ষেত্রে ফুল ও পান সহ নানা ক্ষেত্রে চাষের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রান্তিক মানুষদের আয় সুনিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার। বাংলায় ১২৫ দিনের কাজে চিহ্নিত ২ কোটি ৫৬ লক্ষ।”





অযধ্যার পর এবার পুণে, ২৫.৭ একর জমি কিনলেন রণবীর কাপুর! কত টাকা খরচা হল জানেন?
তবে যেভাবে বাংলার নতুন সরকার এগিয়ে চলেছে, যেভাবে মানুষের জন্য কাজ করে চলেছে তাতে উচ্ছ্বসিত কেন্দ্রীয় কৃষি মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। শুরুতেই তিনি ধন্যবাদ জানান মুখ্যমন্ত্রীকে। সাফ বলেন, “আগের সরকারের আমলে কাজ হয়নি। তারা কোনও সহযোগিতা করেনি। এবার পশ্চিমবঙ্গের মানুষের খুব দ্রুত বিকাশ হবে। মহিলাদের স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির পাশেও দাঁড়াবে সরকার। আবাস পেতে যাতে দেরি না হয় তার জন্য প্রথমে ১ লাখ ঘর দেওয়া হবে। পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নে ভারত সরকার সবরকম সাহায্য করবে।”  

 রবীন্দ্র সদনে ‘সেক্যুলার মিশন’ ও ‘পশ্চিমবঙ্গের জন্য’-এর উদ্যোগে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। উদ্য়োক্তা জানিয়েছেন, ১৮ বছর কলকাতায় আসবেন তসলিমা। রবীন্দ্র সদনের মঞ্চে তিনি কবিতাপাঠ করবেন। গানও গাইবেন। তিনি তাঁর মত প্রকাশ করবেন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীরও ওইদিন মঞ্চে উপস্থিত থাকার কথা।

 কলকাতা ছাড়ার পর তসলিমা বারবার বলেছেন, ‘আমি ওদের থেকেও বেশি বামপন্থী।’ কেন বামপন্থীরা তাঁকে দেশছাড়া করার উদ্যোগ নিয়েছিল, সেই প্রশ্ন বারবার ঘুরেফিরে এসেছে তাঁর কথায়। পরবর্তীতে মানসিক-শারীরিক অত্যাচারের অভিযোগও তুলেছিলেন বামপন্থী সরকার তথা বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সরকারের বিরুদ্ধে। সেই তসলিমা নাসরিন এবার বিজেপি সরকারের আমলে ফিরছেন কলকাতায়। সব ঠিক থাকলে আগামী ১ অগস্ট রবীন্দ্র সদনের মঞ্চে শোনা যাবে তসলিমার কন্ঠস্বর। তাঁকে ফেরানোর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাচ্ছেন বিশিষ্টরা।


১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ থেকে বেরিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছিলেন তসলিমা। পরে কলকাতায় ছিলেন বেশ কিছু সময়। ২০০৭ সালের ২১ নভেম্বর কিছু মৌলবাদী সংগঠনের সমর্থনে কলকাতায় শুরু হয় বিক্ষোভ। শহর ছাড়ে হয় তাঁকে। বিজেপি সরকারের আমলে তসলিমার ফেরা রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।


 'দুর্গাপুজো দখল করা যাবে না', বিজেপি বিধায়কদের আগেভাগে বড়বার্তা দিলেন শমীক
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ কাজী মাসুম আখতার বলেন, “একজনকে তাঁর লেখার জন্য, ভাবনা ব্যক্ত করার জন্য, তাঁকে যেভাবে লাঞ্ছিত হতে হয়েছিল, এটা আমাদের লজ্জা। বাঙালির লজ্জা। ভারতে মুক্তচিন্তার জয়গান হয়। সেখান থেকেই বের করে দেওয়া হয়েছিল। যে বামপন্থীরা উদারতার কথা বলেন, কেবলমাত্র ক’টা ভোটের জন্য তারাই তাড়িয়ে দিয়েছিল। আর তৃণমূলের কথা যত কম বলা যায় ততই ভালো।” তসলিমাকে ফেরানোর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন তিনি।


সাহিত্যিক তিলোত্তমা মজুমদারও জানিয়েছেন, তসলিমা ফিরছেন জেনে তিনি খুশি। তিলোত্তমা বলেন, “সিপিএম আর তৃণমূল, দুটো আলাদা আদর্শের সরকারকে দেখেছি, তাঁরা তসলিমাকে ব্রাত্য করে রেখেছিলেন। বিজেপি যে ঔদার্য দেখাচ্ছে, তাতে ভালো লাগছে।”

বাম নেতা কলতান দাশগুপ্ত বলেন, “ওঁর স্টেটাস নিয়ে অনেক কথা বলেছেন শমীক ভট্টাচার্যরা। সিএএ, এনআরসি নিয়ে কোনও কথা বলেননি। সেই সময় কী ষড়যন্ত্র হয়েছিল, তা নিয়ে বিজেপি এখন নিজেদের বক্তব্য তৈরি করবে। কিন্তু মানুষ তাতে আর বিশ্বাস রাখবে বলে মনে হয় না।”
 একইসঙ্গে একহাত নেন তৃণমূলের বিদ্রোহী-বিক্ষুব্ধ শিবিরের বিরুদ্ধেও। সুর চড়য়িছেন আইপ্যাকের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়েও। বিক্ষুব্ধ তৃণমূলের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে বলেন, “তোমরাই তো ওর (অভিষেকের) সঙ্গে ছিলে, তোমরাই তো ওর থেকে সব পেয়েছ। তোমরাই তো আইপ্যাক কে মাথায় তুলেছ।”


‘ক্যামাক স্ট্রিটটা সব শেষ করে দিল’, ফের অভিষেকের বিরুদ্ধে সরব কল্যাণ
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে বিস্ফোরক কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

 ফের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সরব কল্যাণ। আক্রমণ তাঁর ‘বিতর্কিত’ আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়কেও। ক্যামাক স্ট্রিট সব শেষ করে দিল। যারা সব থেকে বেশি সুবিধা নিয়েছে, অভিষেকের লোক বলে চাপ তৈরি করত, তারাই আজ অভিষেকের বিরুদ্ধে বলছে। অভিষেক বাঁচিয়ে দেবে জেনেই অন্যায় করেছে নেতারা। এ ভাষাতেই আক্রমণ শানাতে দেখা যায় কল্যাণকে। তা নিয়েই চাপানউতোর শুরু রাজনৈতিক আঙিনায়। 


সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে কল্যাণ বলেন, “ক্যামাক স্ট্রিটে সুমিত রায়ের সঙ্গে যারা কথা বলতো, সগংগঠন চালানোর জন্য বেশি কথাবার্তা বলেছে, তাদের এখন ডেকে ডেকে পুলিশ বলছে, ওই শালবনির কেসের সঙ্গে যোগ আছে। বেশি যদি বাড়াবাড়ি করো ঢুকিয়ে দেব। এটা এখন পুলিশের পিকচার হয়ে গেছে। বলছে, হয় ঋতব্রতর ক্যাম্পে যাও না হলে ধরে নেব। সুমিত রায়ের জন্য আজ অসংখ্য ছেলে এই চাপের মুখে পড়ছে। ক্যামাক স্ট্রিটটা শেষ করে দিল আমাদের।” 



অযধ্যার পর এবার পুণে, ২৫.৭ একর জমি কিনলেন রণবীর কাপুর! কত টাকা খরচা হল জানেন?
একইসঙ্গে একহাত নেন তৃণমূলের বিদ্রোহী-বিক্ষুব্ধ শিবিরের বিরুদ্ধেও। সুর চড়য়িছেন আইপ্যাকের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়েও। বিক্ষুব্ধ তৃণমূলের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে বলেন, “তোমরাই তো ওর (অভিষেকের) সঙ্গে ছিলে, তোমরাই তো ওর থেকে সব পেয়েছ। তোমরাই তো আইপ্যাক কে মাথায় তুলেছ।” কল্যাণের দাবি, এককালের সুবিধাভোগীরাই আজ অভিষেকের বিরুদ্ধে সবথেকে বেশি মুখ খুলছে। অথচ তাঁরাই একসময় আইপ্যাক থেকে সুবিধা নিয়েছেন। আক্রমণের ধার আরও বাড়িয়ে বলেন, “সুমিত দিনে দু’বার কথা বললে ভাবতো জীবন ধন্য হয়ে গিয়েছে। যখন আমি আই-প্যাক এর বিরুদ্ধে সমালোচনা করেছি তখন তো আমার আমার পাশে কেউ দাঁড়ায়নি। আইপ্যাক এর থেকে সব সুবিধা নিয়েছো, নিজেদের নেতা বলে প্রতিষ্ঠা করেছো। নিজেদের অভিষেকের লোক বলে চাপ সৃষ্টি করেছ। আজ তারা অভিষেকের বিরুদ্ধে বলছে।”

এতদিন পর্যন্ত পঞ্চায়েতের অধীন বিভিন্ন প্রকল্পের কাজে টাকা দেওয়ার ক্ষমতা ছিল প্রধানদের। কিন্তু সেই সব প্রকল্পে টাকা নয়ছয় হওয়ার অভিযোগ ওঠে। সেই পরিস্থিতি যাতে আর না হয়, সেটা দেখতেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানানো হয়েছে।

প্রধানদের হাতে আর টাকা নয়, রাজ্যের পঞ্চায়েত আইনে আসছে বড় বদল

প্রথম অধিবেশনেই একাধিক বিল পেশ করেছে রাজ্য সরকার। এবার আসন্ন অধিবেশনেও আসছে নতুন বিল। পঞ্চায়েত আইনে বড় বদল হওয়ার সম্ভাবনা রাজ্যে। নতুন আইনে পঞ্চায়েত প্রধানদের ক্ষমতাতেও আসতে পারে বদল। আগামী শুক্রবার থেকে বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হচ্ছে। আর সেখানেই পেশ করা হতে পারে এই নতুন বিল।


রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, “পঞ্চায়েতের দুর্নীতির জন্য সরকারের দিকে আঙুল ওঠে। তাই আর্থিক লেনদেনের প্রক্রিয়ায় বদল আনতে এই আইন আনা হবে।” নয়া বিলে আর্থিক লেনদেনের দায়িত্ব প্রধানের হাত থেকে নিয়ে দেওয়া হচ্ছে আধিকারিকদের হাতে। দিলীপ ঘোষ জানান, প্রধান নয়, এবার থেকে টাকা দেওয়ার দায়িত্ব থাকবে সচিবদের হাতে।


অযধ্যার পর এবার পুণে, ২৫.৭ একর জমি কিনলেন রণবীর কাপুর! কত টাকা খরচা হল জানেন?
এতদিন পর্যন্ত পঞ্চায়েতের অধীন বিভিন্ন প্রকল্পের কাজে টাকা দেওয়ার ক্ষমতা ছিল প্রধানদের। কিন্তু সেই সব প্রকল্পে টাকা নয়ছয় হওয়ার অভিযোগ ওঠে। সেই পরিস্থিতি যাতে আর না হয়, সেটা দেখতেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানানো হয়েছে। তৃণমূল জমানাতেও পঞ্চায়েত ঘিরে অনেক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। আবাস যোজনা থেকে ১০০ দিনের কাজের ক্ষেত্রেও দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে।


উল্লেখ্য, ১৭ জুলাই থেকে ২৫ জুলাই পর্যন্ত বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্ব চলবে। আগামী বুধবার ২২ জুলাই রাজ্য বিধানসভায় পেশ হবে স্বরাষ্ট্র দফতরের বাজেট। ওই দিন তিন ঘণ্টা ধরে চলবে আলোচনা।

২০১০ সালের পর ওবিসি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ৭৭টি সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্তি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। যে ৭৭টি সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্তি বাতিল করে হাইকোর্ট, তার মধ্যে ৭৫টি মুসলিম সম্প্রদায়। ২০২৪ সালের মে মাসের হাইকোর্টের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল পূর্বতন তৃণমূল সরকার।

চাকরির দুয়ার খুলল! ওবিসি মামলা কফিনে বন্দি করে দিল শুভেন্দু-সরকার
কী পদক্ষেপ করল শুভেন্দু-সরকার?



 একদিন আগেই বার্তা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বলেছিলেন, পূর্বতন তৃণমূল সরকারের ওবিসি সংক্রান্ত মামলা সুপ্রিম কোর্ট থেকে প্রত্যাহার করা হবে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শীর্ষ আদালত থেকে ওবিসি মামলা প্রত্যাহার করে নিল রাজ‍্য সরকার। মঙ্গলবার সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চকে জানান, রাজ্য মন্ত্রিসভা এই মামলা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একইসঙ্গে, রাজ্য অনগ্রসর শ্রেণি কমিশনও তাদের পৃথক আপিলও প্রত্যাহার করেছে। কমিশনের তরফে আইনজীবী কুণাল চট্টোপাধ্যায় এই সিদ্ধান্তের কথা সুপ্রিম কোর্টকে জানান। মামলা প্রত্যাহারের অনুমতি দিয়েছে শীর্ষ আদালত। তবে এই মামলায় অন্য কোনও ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ চাইলে তাদের নিজস্ব মামলা দায়ের করতে পারবে বলে এদিন জানিয়েছে প্রধান বিচারপতি বেঞ্চ।


২০১০ সালের পর ওবিসি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ৭৭টি সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্তি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। যে ৭৭টি সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্তি বাতিল করে হাইকোর্ট, তার মধ্যে ৭৫টি মুসলিম সম্প্রদায়। ২০২৪ সালের মে মাসের হাইকোর্টের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল পূর্বতন তৃণমূল সরকার। কিন্তু, বিজেপি ক্ষমতায় এসেই জানিয়ে দেয়, ওবিসি তালিকা নিয়ে পূর্বতন সরকারের মামলা সুপ্রিম কোর্ট থেকে প্রত্যাহার করবে তারা। সেইমতো এদিন মামলা প্রত্যাহার করে নিল বর্তমান রাজ্য সরকার।



অযধ্যার পর এবার পুণে, ২৫.৭ একর জমি কিনলেন রণবীর কাপুর! কত টাকা খরচা হল জানেন?
নিয়োগ প্রক্রিয়া থমকে থাকার জন্য এই ওবিসি মামলার কথা গতকাল উল্লেখ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শিক্ষক নিয়োগ কবে হবে, সেই প্রশ্নের উত্তরে গতকাল মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, ওবিসি সংরক্ষণের জটিলতায় নিয়োগ প্রক্রিয়া কিছুটা পিছিয়ে পড়েছে। সেজন্য ওবিসি সংক্রান্ত আইন বিধানসভায় পাশ করা হয়েছে। আগের তৃণমূল সরকার যে ভুল করেছিল, সেটা প্রথমে ঠিক করা হয়েছে। তখনই মুখ্যমন্ত্রী জানান, সুপ্রিম কোর্টে ওবিসি সংক্রান্ত যে মামলা আগের সরকার করেছিল, সেখান থেকে বর্তমান সরকার সরে আসবে। ফলে নিয়োগের ক্ষেত্রে আর কোনও বাধা থাকবে না। গতকাল তিনি বলেছিলেন, “যে ৬ হাজারের মৌখিক হয়ে গিয়েছে, আর যে ৬ হাজারের মৌখিক বাকি রয়েছে, সেটা হয়ে যাবে। আর আমাদের সংকল্পপত্র অনুসারে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনও রাজনীতির লোক থাকবে না।” 

​দক্ষিণ ২৪ পরগনার সাগর ব্লকের বামনখালিতে শুরু হয়েছে রথযাত্রার সাজ সাজ রব। ১৯২০ সালে যে রথযাত্রার সূচনা হয়েছিল, এবার তা ১০৬ বছরে পা দিল। শতাব্দী প্রাচীন এই উৎসব আজও এলাকার মানুষের ভক্তি, বিশ্বাস এবং ঐক্যের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। ​


বর্তমানে রথের সংস্কার ও রঙের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। নতুন রূপে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী এই রথটিকে। কাঠের খুঁটিনাটি মেরামতির পাশাপাশি চলছে শেষ মুহূর্তের ঘষামাজা। স্থানীয়দের কথায়, সময়ের সঙ্গে রথের সাজসজ্জা বদলালেও এর মাহাত্ম্য বিন্দুমাত্র কমেনি। ​বামনখালির রথযাত্রাকে ঘিরে রয়েছে এক অলৌকিক জনশ্রুতি। প্রবীণদের দাবি, একবার রথ চলতে চলতে হঠাৎ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। হাজার চেষ্টা করেও রথ সরানো যায়নি।


 পরে পুরোহিত স্বপ্নাদেশ পেয়ে জানতে পারেন অঘটনের কথা। এরপর পুরোহিত সেই ভুল সংশোধন করতেই অলৌকিকভাবে রথ সচল হয়—এই ঘটনা আজও স্থানীয়দের মনে গভীর ভক্তি জাগিয়ে তোলে। ​উৎসবকে কেন্দ্র করে এলাকায় এখন ব্যাপক উৎসাহ। নতুন সাজে সজ্জিত রথ দেখার জন্য মুখিয়ে আছেন আপামর বাঙালি। রথের দিন হাজার হাজার ভক্তের সমাগমে বামনখালি আবারও উৎসবের রঙে মেতে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।

রাজ্যজুড়ে পালিত হচ্ছে অরণ্য সপ্তাহ ২০২৬। এই কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে আজ সাগর ব্লকেও মহাসমারোহে অরণ্য সপ্তাহ পালন করা হলো। পরিবেশ রক্ষা এবং সবুজায়নের বার্তাকে সাধারণ মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে ব্লক প্রশাসনের সাগর পঞ্চায়েত সমিতির পক্ষ থেকে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়।


এদিন সাগর ব্লক কার্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাগর ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক (বিডিও) কানাইয়া কুমার রাও, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সাবিনা বিবি ও মহারাজ সহ ব্লকের বিশিষ্ট নেতৃত্ববৃন্দ। অনুষ্ঠানের অঙ্গ হিসেবে এদিন স্থানীয় স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের হাতে চারাগাছ তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি, ব্লক অফিসের চত্বরে আধিকারিক ও জনপ্রতিনিধিরা নিজেরা গাছ লাগিয়ে অরণ্য সপ্তাহের সূচনা করেন।


 গাছ লাগানোর পাশাপাশি, পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এদিন ব্লক চত্বর থেকে একটি ট্যাবলোর সূচনা করা হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ট্যাবলোটি সাগর ব্লকের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে গাছ লাগানোর প্রয়োজনীয়তা ও পরিবেশ রক্ষার বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেবে।
প্রশাসনের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় পরিবেশপ্রেমীরা।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলপি থানার করঞ্জলী গ্রাম পঞ্চায়েতের অরুণবেড়িয়া মোড় এলাকায় ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়কে ট্রাকের সঙ্গে মোটরবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত্যু হলো এক মোটরবাইক আরোহীর। শনিবার সকালে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম আনন্দ পাত্র। তিনি দ্রুতগতিতে মোটরবাইক নিয়ে কাকদ্বীপের দিকে যাচ্ছিলেন। সেই সময় উল্টো দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের জেরে তিনি গুরুতর জখম হন এবং ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনায় তাঁর মুখ থেঁতলে যায় বলে জানা গেছে।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে ছুটে এসে পুলিশে খবর দেন। কিছু সময়ের জন্য ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়। খবর পেয়ে কুলপি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশ একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করেছে। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ডায়মন্ড হারবার জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনার পর ঘাতক ট্রাকটি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পলাতক ট্রাকটির সন্ধানে তল্লাশি শুরু করেছে কুলপি থানার পুলিশ।

কুলপী থেকে মুন্না সরদারের রিপোর্ট কাকদ্বীপ ডট কম

পুলিশ সূত্রে খবর, দক্ষিণেশ্বরের একটি হোটেল থেকে তাঁকে রবিবার গভীর রাতে গ্রেফতার করে পুলিশ। খড়দা থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। বন্দুক দেখিয়ে লটারির টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কীভাবে টাকা আত্মসাৎ করেছিলেন, এর পিছনে আর কেউ ছিলেন কি না বা কত জনের মধ্যে টাকা ভাগ হয়েছিল, সেই বিষয়ে তীর্থঙ্করকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।


আড়ালে থেকেও শেষ রক্ষা হল না! গ্রেফতার প্রাক্তন বিধায়ক নির্মলের ‘গুণধর’ ছেলে, রয়েছে লটারির টিকিট হাতানোর অভিযোগ
নির্মল ঘোষ ও তীর্থঙ্কর ঘোষ

পুলিশের ব়্যাডারে ছিলেন বাবা-ছেলে দু’জনেই। বাবা পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষ (Nirmal Ghosh)। দীর্ঘদিন বেপাত্তা থাকার পর দিন দু’য়েক আগেই হঠাৎ উদয় হন। ঋতব্রতদের (Ritabrata Banerjee) বৈঠকে হাজির হতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। যদিও ঋতব্রত শিবিরের দাবি, পানিহাটির নির্মল অনাহুত। তাঁকে বৈঠকে ডাকাই হয়নি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে রাজ্য-রাজনীতিতে। এরই মধ্যে নির্মলের ‘গুণধর’ ছেলেকে গ্রেফতার করল পুলিশ। জানা গিয়েছে, নির্মল ঘোষের মতো গা ঢাকা দিয়েছিলেন ছেলে তীর্থঙ্কর ঘোষও (Tirthankar Ghosj)। অবশেষে রবিবার গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে দক্ষিণেশ্বর থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। উল্লেখ্য, চলতি বছর পানিহাটিতে তৃণমূল প্রার্থীও হয়েছিলেন তীর্থঙ্কর ঘোষ। কিন্তু পরাজিত হন।


কী অভিযোগ তীর্থঙ্কর ঘোষের বিরুদ্ধে?
ড্রাইভারের লটারির টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তীর্থঙ্করের বিরুদ্ধে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর থেকেই বাবার মতো তিনিও গা ঢাকা দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। পুলিশ সূত্রে খবর, রবিবার গভীর রাতে দক্ষিণেশ্বরের একটি হোটেল থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বর্তমানে তাঁকে খড়দা থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। বন্দুক দেখিয়ে লটারির টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তীর্থঙ্করের বিরুদ্ধে। কীভাবে টাকা আত্মসাৎ করেছিলেন, এর পিছনে আর কেউ ছিলেন কি না বা কত জনের মধ্যে টাকা ভাগ হয়েছিল, সেই বিষয়ে তীর্থঙ্করকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। আজ তাঁকে ব্যারাকপুর আদালতে তোলা হবে। তাঁকে ১০ দিনের হেফাজতের আবেদন করতে পারে পুলিশ। তীর্থঙ্করের বিরুদ্ধে ভোট পরবর্তী হিংসারও অভিযোগ রয়েছে।


ছেলের পর কি এবার গ্রেফতার হবেন বাবাও?
তোলাবাজির অভিযোগে পানিহাটির এক বড় বার ও হোটেলের মালিক সুশান্ত সরকারকে গ্রেফতার করেছে খড়দহ থানার পুলিশ। এরপর থেকেই প্রাক্তন বিধায়ক এবং বিধানসভার প্রাক্তন মুখ্যসচেতক নির্মল ঘোষের খোঁজ চলছিল। শুধু তোলাবাজি নয়, তাঁর বিরুদ্ধে জমি দখল, টাকা আত্মসাৎ, ভয় দেখানোর অভিযোগ রয়েছে। পুলিশে অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর থেকে কার্যত বেপত্তা ছিলেন তিনি। কেউ কেউ বলছিলেন, গা ঢাকা দিয়েছেন নির্মল। কিন্তু, গত শনিবার ঋতব্রত শিবিরে এসে দাবি করলেন তিনি গা ঢাকা দেননি। তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তাই তিনি এসছেন। এদিকে ঋতব্রত দাবি করেছেন, নির্মল ঘোষকে তাঁরা ডাকেননি। তাঁকে ডাকার প্রশ্ন নেই। মেদিনীপুরের নির্মল ঘোষকে ডাকা হয়েছিল। নির্মল বিভ্রাটের মধ্যেই প্রাক্তন বিধায়কের ছেলেকে তুলে নিল পুলিশ।

 কন্ডাক্টর তাঁর ব্যাগ খুলে দেখান যে তাঁর কাছে আর খুচরো টাকা নেই। যদি খুচরো টাকায় ভাড়া দিতে না পারেন, তাহলে তিনি যেন বাস থেকে নেমে যান। শুনে একটু হকচকিয়ে গেলেও, মন্ত্রী চুপচাপ নেমে যান বাস থেকে। পরে তিনি অটো-রিক্সায় করে এক কিলোমিটার যান।



বেঙ্গালুরু: বাসে-ট্রেনে যাতায়াত করার সময় অন্যতম মাথাব্যথা হল খুচরো টাকা। নিত্যদিনই বহু যাত্রীকে এই নিয়ে ভোগান্তি পোহাতে হয়। অনেকেরই অটো চালক বা বাস কন্ডাক্টরের সঙ্গে ঝগড়া লেগে যায়। যাত্রীদের এই সমস্যা এবার হাড়ে হাড়ে টের পেলেন পরিবহন মন্ত্রী। খুচরো দিতে না পারায়, তাঁকে বাস থেকে নামিয়ে দিলেন কন্ডাক্টর।


কর্নাটকের পরিবহন মন্ত্রী বাইরথি সুরেশ যাত্রীদের সুবিধা-অসুবিধা বুঝতেই ব্যাঙ্গালোর মেট্রোপলিটন ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশনের বাসে উঠেছিলেন। নিজের পরিচয় গোপন করতে মন্ত্রী মুখে মাস্ক পরে ছিলেন। কন্ডাক্টর যখন টিকিট কাটতে আসেন, তখন মন্ত্রী মশাই ১০০ টাকার নোট দিয়ে দুটি টিকিট কাটতে বলেন।



কন্ডাক্টর তাঁর ব্যাগ খুলে দেখান যে তাঁর কাছে আর খুচরো টাকা নেই। যদি খুচরো টাকায় ভাড়া দিতে না পারেন, তাহলে তিনি যেন বাস থেকে নেমে যান। শুনে একটু হকচকিয়ে গেলেও, মন্ত্রী চুপচাপ নেমে যান বাস থেকে। পরে তিনি অটো-রিক্সায় করে এক কিলোমিটার যান।

রবিবার বারুইপুর-কাণ্ডে উস্কানি দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার হন লাহেক। সোমবার তাঁকে কোর্টে তোলা হয়। আট দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। তবে, বাম নেতার পরিষ্কার মন্তব্য, তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। এও বলেছেন, "আমি উস্কানি দিয়েছি প্রমাণ করুক।"



কলকাতা: হাত মুঠো। আদালত থেকে বেরিয়ে উঠবেন প্রিজ়ন ভ্যানে। তার আগে দৃপ্ত কণ্ঠে বললেন, ‘এভাবে বেশিদিন আটকে রাখা যাবে না…।’ এই বছর অর্থাৎ ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি সিপিএম-এর হয়ে লড়াই করেছিলেন বারুইপুর পশ্চিম থেকে। জিততে পারেননি। এর আগেও নির্বাচনে লড়েছিলেন। কিন্তু এতদিন খবরে তাঁকে দেখা যায়নি। আজ শুধুই চর্চায় তিনি। তাঁর বিরুদ্ধে উঠেছে গুরুতর অভিযোগ। বারুইপুরে গণপিটুনির ঘটনায় নাকি তিনি উস্কানিমূলক মন্তব্য করেছেন। আর তারপর সটান তাঁর বাড়িতে হাজির পুলিশ। এরপর গ্রেফতারি। কথা হচ্ছে সিপিএম নেতা লাহেক আলিকে নিয়ে। বামেদের এই তরুণ মুখকে চেনেন? জানেন তাঁর কী পরিচয়?


লাহেক পেশায় গৃহশিক্ষক। ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ান তিনি। তাঁর ঝুলিতে রয়েছেন স্নাতকোত্তর ডিগ্রি। ২০০৫ সাল থেকে তিনি সক্রিয় ভাবে বাম রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। প্রথমে DYFI-এর জেলা সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য ছিলেন। এরপর সিপিএম। ২০২৪ সালে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় পার্টির জেলা কমিটির সদস্য হয়েছেন। ২০০১ ও ২০২৬ সালে বারুইপুর বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী হন।


রবিবার বারুইপুর-কাণ্ডে উস্কানি দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার হন লাহেক। সোমবার তাঁকে কোর্টে তোলা হয়। আট দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। তবে, বাম নেতার পরিষ্কার মন্তব্য, তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। এও বলেছেন, “আমি উস্কানি দিয়েছি প্রমাণ করুক।” বারেবারে বুঝিয়েছেন ইচ্ছা করে ফাঁসানো হয়েছে তাঁকে।


এ দিকে, দলের কর্মীর গ্রেফতারির পর ক্ষোভে ফুঁসছে সিপিএম। লাহেকের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীর অভিযোগ, রাজনৈতিক কারণেই গ্রেফতার করা হয়েছে লাহেক আলিকে। আবার সিপিএম নেতা শতরূপ ঘোষের বক্তব্য, “পুলিশকে কাজে লাগিয়ে লাহেক আলিকে গ্রেফতার করেছে রাজ্য সরকার। এর বিরুদ্ধে আমরা আদালতে যাব। আদালতে গিয়েই জয় ছিনিয়ে আনব।”

দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার গঙ্গাসাগরের ডাক্তার বাড়ি এলাকায় পথ দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হলেন দুজন। স্থানীয় সূত্রে খবর, সোমবার বৃষ্টি চলাকালীন একটি লরির সঙ্গে বাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বাইকটিতে তিন ব্যক্তি ছিলেন। দুর্ঘটনার তীব্রতায় বাইকটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং বাইকে থাকা তিনজনের মধ্যে দু’জন গুরুতর আহত হন।

স্থানীয় বাসিন্দারা তড়িঘড়ি তাঁদের উদ্ধার করেন। আহতদের দ্রুত চিকিৎসার জন্য সাগর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। 


ঘটনার খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় গঙ্গাসাগর কোস্টাল থানার পুলিশ। ঘাতক লরিটিকে আটক করা হয়েছে এবং দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

ব্যবসায়ী সুজয় ঘোষ বলেন, "প্রচুর লোক জায়গা দখল করেছে। অনেক বড় ব্যবসায়ী যাঁদের কাছে নিজস্ব ঘর আছে, লাইসেন্স প্রাপ্ত ঘর পেয়েছে ওরাও বেআইনি ভাবে দখল করে রেখেছে। কেউ কেউ দুটো তিনটে করে দোকান বানিয়েছে। আমরা ব্যবসায়ীরা সরকারের সঙ্গে।"


কোনও রকম বেআইনি নির্মাণ রাখা যাবে না। রেলের জায়গা দখল করা যাবে না। ফুটপাথ খালি করতে হবে, যাতে তা সাধারণ মানুষের বসবাসের যোগ্য হয়। আর এই নীতি সর্বত্র প্রয়োগ করছে রাজ্য সরকার। রাজ্যের প্রতিটি জেলায় চলছে বেআইনি হকার উচ্ছেদ। তেমনই এবার জলপাইগুড়ির ধূপগুড়িতে চলল বুলডোজার। একসঙ্গে ৩টি বুলডোজার নামল রাস্তায়।


সোমবার রেগুলেটেড সুপারমার্কেটে এই অভিযান চলেছিল। রীতিমতো সরকারি জায়গা দখল করে প্রায় ৩৫০ টি দোকান ঘর গজিয়ে উঠেছিল। তারপরই তা ভাঙা হবে বলে নোটিস জারি করা হয়। এরপর পনেরো দিনের মধ্যেই তা উঠিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। প্রশাসনের তরফ থেকে চালানো হয় বুলডোজার। চলে দখল মুক্ত করার অভিযান। ঘটনাস্থলে ধূপগুড়ি থানার পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিক। ঘটনায় চাঞ্চল্য এলাকায়। এই উচ্ছেদ অভিযান চালাতে গিয়ে ব্যবসায়ীদের বাধার মুখে পড়তে হয় আধিকারিকদের।

বর্তমানে কলকাতায় মোট ১৪৪টি ওয়ার্ড আছে। সেগুলি ভেঙে ২০০টি ওয়ার্ড তৈরি করা হচ্ছে। তার জন্য এলাকায় গিয়ে সমীক্ষা করা হবে বলে জানিয়েছেন পুর কমিশনার। সরকারি ভাবে জানিয়ে দেওয়া হল বিষয়টি। বিভিন্ন ওয়ার্ডে সমীক্ষা শুরু হচ্ছে শীঘ্রই।

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ডিসেম্বরেই পুরভোট হতে চলেছে। তার আগেই যে কলকাতা পুরনিগমের ওয়ার্ডের পুনর্বিন্যাস করা হবে বলেও জানিয়েছিলেন শুভেন্দু। এবার সেই ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের কথা জানিয়ে দিলেন পুর কমিশনার স্মিতা পাণ্ডে। সেই প্রক্রিয়া যে শুরু হচ্ছে সে কথাও জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।


পুরসভার কমিশনার জানিয়েছেন, আগামী ২৭ জুলাই ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস নিয়ে রিপোর্ট জমা করতে হবে। আগামী ৩১ জুলাইয়ের পর খসড়া প্রকাশ করা হবে। আর ডিসেম্বরে হবে কলকাতা পুরসভার নির্বাচন। তার আগেই সরকারিভাবে জানিয়ে দেওয়া হল কলকাতা পুরসভার ওয়ার্ড সংখ্যা ১৪৪ থেকে বেড়ে ২০০ করা হচ্ছে।


কলকাতায় কোনও কোনও ওয়ার্ডে রয়েছেন ৬০-৮০ হাজার ভোটার। আবার কোনও কোনও ওয়ার্ডে রয়েছেন ১০ থেকে ১৫ হাজার ভোটার। এই ধরনের ওয়ার্ডগুলিকে নতুন করে সাজানো হবে বলে জানানো হয়েছে। জোকার কাছ থেকে সিঁথির মোড়, নিউ গড়িয়া মেট্রো স্টেশন থেকে উল্টোডাঙা ব্রিজ। কলকাতা পুরসভার ওয়ার্ডগুলি ভাঙা হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে।


মুখ্যমন্ত্রীর গদিতে বসার পর শুভেন্দু অধিকারী কলকাতা পুরসভার ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস নিয়ে নিজের বড় সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিলেন। সেই মতো কাজ শুরু করল কলকাতা পুরসভা। আগামী ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে সমীক্ষা রিপোর্ট জমা পড়বে কলকাতা পুরসভার সদর দফতরের কেন্দ্রীয় টিমের কাছে। সেই টিম এবং অডিট টিম মূলত ওয়ার্ডের বাউন্ডারি এবং বুথ খতিয়ে দেখবে। একই সঙ্গে খতিয়ে দেখা হবে ওয়ার্ডগুলির জনসংখ্যা। এরপর ৩১ শে জুলাই যাবতীয় রিপোর্ট খসড়া আকারে পুর ও নগরোন্নয়ন দফরের কাছে জমা পড়বে।

কারও কোন অভিযোগ থাকলে সেই খসড়া নিয়ে জানাতে পারবেন বলেও কমিশনার জানিয়েছেন।

বাঁকুড়া থেকে তারকেশ্বর, বর্ধমান থেকে তারকেশ্বর, দিঘা থেকে তারকেশ্বর, খড়গপুর থেকে তারকেশ্বর, কলকাতা থেকে তারকেশ্বর বাস চালু হয়েছে। এক মহিলা বলেন, "আমি কলকাতায় থাকি। ছেলে এখানে থাকে। এই বাসগুলো চালু হলে গ্রামের মানুষের খুব সুবিধা হবে। এর থেকে ভালো উদ্যোগ হয় না। পরিবর্তন হয়ে খুবই ভাল হয়েছে। সরকার যে কাজ করছে দেখা যাচ্ছে।"

 রাজ্যে আরও ৫টি সরকারি বাস চালু হল, কোন রুটে চলবে?
বাস পরিষেবা চালু

 রাজ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হবে, কর্মসংস্থান বাড়বে, সরকারি বাসে মহিলারা ফ্রি যাতায়াত করতে পারবেন এই প্রতিশ্রুতি দিয়ে রাজ্যে এসেছিল বিজেপি। আর এবার সেই প্রতিশ্রুতি পূরণের পালা। রাজ্যে চালু হল আরও সরকারি বাস। নাম দেওয়া হয়েছে ‘মহাদেব এক্সপ্রেস’। তারকেশ্বর থেকে হাওড়া, বর্ধমান, বাঁকুড়া, দিঘা এবং কলকাতা পযন্ত প্রতিদিন চলবে মোট পাঁচটি সরকারি বাস।


এতদিন, তারকেশ্বর থেকে কোনও সরকারি বাস পরিষেবা ছিল না। সরকারি বাস পরিষেবা চালু হওয়ায় খুশি এখানকার বাসিন্দারা। বিশেষ করে খুশি হয়েছেন মহিলারা। কারণ, সরকারি বাসে বিনামূল্যে যাতায়াত করছেন তাঁরা।


৮দিন পর উদ্ধার হওয়া ট্রলার থেকে বেরিয়ে আসছে একের পর এক লাশ, এখনও পর্যন্ত ৯ মৎস্যজীবীর দেহ উদ্ধার, নিখোঁজ ৬

ক্যানসারকে হারিয়েও বাঁচল না প্রাণ, প্রয়াত‘জুরাসিক পার্ক’অভিনেতা স্যাম নিল
তারকেশ্বরের বিধায়ক সন্তু পান বলেন, “এখান থেকে প্রচুর মানুষ পুরী যান। এবং উত্তরবঙ্গেও যাতে যেতে পারেন সেই ব্যবস্থা করেছি। সাধারণ মানুষ গোটা রাজ্যে যেতে পারে। ট্রেনের পাশাপাশি বাসের সুবিধা যাতে পায় সেই চেষ্টাই করব দেওয়ার। শুধু বাস না, ভাল বাসের সুবিধা যাতে দিতে পারি চেষ্টা করেছি। এই সরকার মানুষের সরকার।”


নতুন বাস কোথায়-কোথায় যাবে?

বাঁকুড়া থেকে তারকেশ্বর, বর্ধমান থেকে তারকেশ্বর, দিঘা থেকে তারকেশ্বর, খড়গপুর থেকে তারকেশ্বর, কলকাতা থেকে তারকেশ্বর বাস চালু হয়েছে। এক মহিলা বলেন, “আমি কলকাতায় থাকি। ছেলে এখানে থাকে। এই বাসগুলো চালু হলে গ্রামের মানুষের খুব সুবিধা হবে। এর থেকে ভালো উদ্যোগ হয় না। পরিবর্তন হয়ে খুবই ভাল হয়েছে। সরকার যে কাজ করছে দেখা যাচ্ছে।”

 
কিন্তু গত ৬ মে কাজে গেলে তাঁকে আর রেজিস্টারে সই করতে দেওয়া হয়নি। চাকরি থেকে বাদ পড়ায় নানান কটূক্তির শিকার হতে হচ্ছে মহিলাকে বলে অভিযোগ করে মামলা দায়ের হয়। এরপরই বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে মামলা দায়ের হয়েছে।


 এখনই গ্রেফতার নয় মানসকে, তবে কোর্ট দিল কয়েকটি শর্ত
কলকাতা হাইকোর্ট

গ্রেফতারির আশঙ্কা থেকে আগেই কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court)-এর দ্বারস্থ হয়েছিলেন প্রাক্তন সেচমন্ত্রী মানস ভুঁইয়া। অবশেষে স্বস্তি পেলেন তিনি। সবংয়ের প্রাক্তন বিধায়ককে শর্তসাপেক্ষে রক্ষাকবচ দিল আদালত।


কী কী শর্ত দেওয়া হয়েছে?


ময়দানে নামল ৩টি বুলডোজার, ভেঙে গুঁড়িয়ে দিল ফুটপাথের সব দোকান

 এবার লেকটাউন, বাড়িতে ডেকে মাদক মেশানো পানীয় খাইয়ে ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ
বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য কোর্টের শর্ত,মানুষ ভূঁইয়া সহ বাকিদেরকে গ্রেফতার করা যাবে না। টাকার বিনিময় চাকরি দেওয়ার মামলায় তদন্ত সহযোগিতা করতে হবে। পাসপোর্ট জমা রাখতে হবে পুলিশের কাছে। সবং এর বাইরে যেতে পারবেন না মানুষ ভূঁইয়া।


মামলার ব্যাকগ্রাউন্ড

তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম সারির নেতাদের মধ্যে অন্য একজন হলেন মানসবাবু। তৃণমূল জমানায় সেচমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলেছেন। তবে, সম্প্রতি দল ছেড়েছেন সবংয়ের সাত বারের বিধায়ক। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে থানায়। রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ, চাকরি দেওয়ার নাম করে আর্থিক প্রতারণা করেছেন। সবং থানার পুলিশ সেই অভিযোগের ভিত্তিতে BNS-এর ৩১৮(৪)/৬১(২) ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। অভিযোগকারীর দাবি, সেচ দফতরের বাংলোতে চাকরি করে দেওয়া হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। তার বিনিময়ে চাওয়া হয় পাঁচ লক্ষ টাকা। চাকরি পাওয়ার পর থেকে খাতায় সই করে অভিযোগাকারীর স্ত্রী মার্চ মাসের বেতন হিসেবে প্রায় ১১ হাজার টাকা পেয়েছিলেন। কিন্তু গত ৬ মে কাজে গেলে তাঁকে আর রেজিস্টারে সই করতে দেওয়া হয়নি। চাকরি থেকে বাদ পড়ায় নানান কটূক্তির শিকার হতে হচ্ছে মহিলাকে বলে অভিযোগ করে মামলা দায়ের হয়। এরপরই বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে মামলা দায়ের হয়েছে।


তাঁর আপ্ত সহায়কের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেছেন অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, ২০২৪ সাল থেকে একটি সংস্থা তাঁর শিডিউল এবং ইভেন্ট দেখভাল করে। ওই সংস্থারই একজন কর্মী অভিযুক্ত। সংস্থার তরফে অভিযুক্ত যুবক তাঁর আপ্ত সহায়ক হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন।

যুবতীকে ধর্ষণের অভিযোগ শ্রাবন্তীর ম্যানেজারের বিরুদ্ধে, মুখ খুললেন অভিনেত্রী
প্রতীকী ছবি

অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়কের বিরুদ্ধে এক যুবতীকে ধর্ষণের অভিযোগ। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল হাওড়ার চ্যাটার্জিহাট থানার পুলিশ। ধৃতকে সোমবার হাওড়া আদালতে তোলা হয়। এদিকে, তাঁর ম্যানেজারের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে শ্রাবন্তী জানিয়েছেন, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি বিশদে না জানলেও ম্যানেজারের দায়িত্ব থেকে অভিযুক্তকে সরানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। 


অভিযুক্ত যুবকের বাড়ি হাওড়ার চ্যাটার্জিহাট এলাকায়। পুলিশ সূত্রে খবর, একটি ইভেন্ট কোম্পানির সঙ্গে যুক্ত তিনি। সেখানেই অভিযোগকারিণীও কাজ করেন। ওই যুবতী গত ১২ এপ্রিল চ্যাটার্জিহাট এলাকায় অর্ঘ্যর বাড়িতে আসেন। নিজের বাড়িতে ওই যুবতীকে অভিযুক্ত ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ। ঘটনাটি ১২ এপ্রিল হলেও গত ২৭ জুন ওই যুবতী চ্যাটার্জিহাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ একটি ধর্ষণের মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে। গতকাল রাতে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণ-সহ একাধিক জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা শুরু করে পুলিশ। এদিন ধৃতকে হাওড়া আদালতে পেশ করা হয়। আদালতে নিয়ে যাওয়ার পথে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে মুখ খোলেননি ধৃত যুবক।


রাস্তার মাঝে প্রাইভেট পার্ট খুলে দেখাচ্ছে...' ডেলিভারি বয়ের কলার ধরে টেনে সোজা ঢোকালেন থানায়
তবে অভিযুক্তের আইনজীবী শঙ্খজিৎ লাল মিত্র বলেন, “অভিযুক্ত ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টে কাজ করেন। তাঁর এক বান্ধবী তাঁর বিরুদ্ধে যৌন নিগ্রহের অভিযোগ দায়ের করেছেন। দু’জনেই দীর্ঘদিনের পরিচিত। অভিযুক্তের বাড়িতে ঘটনাটি ঘটেছে গত ১২ এপ্রিল। গত ২৭ জুন অভিযোগ দায়ের হয়েছে। মাঝে এতদিনের একটা ব্যবধান রয়েছে। এটা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। পুলিশ তদন্ত করছে। ধর্ষণের অভিযোগ-সহ জামিন অযোগ্য একাধিক ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতের আবেদন জানানো হয়েছে। তদন্ত হোক। আশা করছি, আগামিদিনে জামিন পাবেন।” 


ম্যানেজারের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে কী বলছেন অভিনেত্রী শ্রাবন্তী?

তাঁর আপ্ত সহায়কের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেছেন অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, ২০২৪ সাল থেকে একটি সংস্থা তাঁর শিডিউল এবং ইভেন্ট দেখভাল করে। ওই সংস্থারই একজন কর্মী অভিযুক্ত। সংস্থার তরফে অভিযুক্ত যুবক তাঁর আপ্ত সহায়ক হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় শ্রাবন্তী লিখেছেন, ‘আমি জানতে পেরেছি, তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তাঁর ব্যক্তিগত বিষয়ে আমি বিশেষ কিছু না জানলেও বিষয়টি উদ্বেগজনক। তাই পরবর্তী নোটিস না দেওয়া পর্যন্ত তাঁকে আমার ম্যানেজারের দায়িত্ব থেকে সরালাম।’ এদিকে, ওই ইভেন্ট সংস্থার তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, তাদের সংস্থা থেকে ওই কর্মীকে বরখাস্ত করা হল।

রাজার দেহ উদ্ধার করে আর জি কর হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। বাকি দুই সহযোগীকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। সেখানেই চিকিৎসা চলছে। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। শুধুমাত্র পাঁচজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দমদম থানার পুলিশ।

দমদমে 'খুন' কুখ্যাত দুষ্কৃতী, বেলঘড়িয়া এক্সপ্রেসওয়ের ধার থেকে উদ্ধার রক্তাক্ত দেহ, নিজের বন্দুকে গুলিতেই ঝাঁঝরা রাজা দত্ত?
মৃত রাজা দত্ত

দমদমে ‘খুন’ কুখ্যাত দুষ্কৃতী রাজা দত্ত। সোমবার ভোর রাতে বেলঘড়িয়া এক্সপ্রেসওয়ের ধার থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দলবলের সঙ্গে গন্ডগোলের জেরেই খুন বলে প্রাথমিক অনুমান পুলিশের। এখনও পর্যন্ত ঘটনায় পাঁচজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দমদম থানার পুলিশ। রাজা দত্তের বিরুদ্ধে একাধিক অপরাধমূলক কাজের অভিযোগ রয়েছে।


ঠিক কী ঘটেছে?
আজ ভোরে উত্তর দমদম পৌরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের খলিসাকোটা থেকে রাজার দেহ উদ্ধার হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, গ্যাংওয়ারেই খুন হয়েছেন রাজা। জানা গিয়েছে, গতকালই পৌরসভা এলাকার একটি পার্টি অফিসে বাগ-বিতণ্ডা হয় বলে অভিযোগ। পার্টি অফিস ভাঙচুরেরও অভিযোগ ওঠে। পুলিশ সূত্রে খবর, ভোর রাতে কুখ্যাত দুষ্কৃতী রাজা দত্ত দু’জন সঙ্গীকে নিয়ে বাইকে করে বেলঘড়িয়া এক্সপ্রেসের খলিসাকোটায় আসেন। সেইসময় বেশ কয়েকজনের সঙ্গে গন্ডগোল হয় বলে পুলিশ সূত্রে খবর। পুলিশের আরও অনুমান, রাজা দত্তের আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে তাঁকেই গুলি করে খুন করেছেন ওই দুষ্কৃতীরা। কিন্তু কী কারণে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা হয়েছে, ঠিক কী হয়েছিল, তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।


১০০ টাকার খুচরো নেই, পরিবহন মন্ত্রীকেই বাস থেকে নামিয়ে দিলেন কন্ডাক্টর!

কলকাতা বিমানবন্দর থেকে সরবে বাঁকড়া মসজিদ, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু বললেন...
রাজার দেহ উদ্ধার করে আর জি কর হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। বাকি দুই সহযোগীকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। সেখানেই চিকিৎসা চলছে। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। শুধুমাত্র পাঁচজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দমদম থানার পুলিশ।


রাজা দত্তের বিরুদ্ধে কী অভিযোগ?
স্থানীয় সূত্রে খবর, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী ছিলেন রাজা দত্ত। একাধিক খুনের মামলায় জড়িত রয়েছেন তিনি। পুলিশ সূত্রে দাবি, এছাড়াও একাধিক অপরাধমূলক কাজের সঙ্গে জড়িত ছিলেন রাজা।

 রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের দাবি, এটা নিয়ে চিন্তার কোনও কারণ নেই। কোর ব্যাঙ্কিং সিস্টেমের ক্ষেত্রে একটা টেকনিক্যাল গ্লিচ তৈরি হচ্ছে। সেই কারণেই এই ধরনের ঘটনা ঘটছে। তাঁদের আরও দাবি, বিপুল অঙ্কের টাকাই হোক বা কম অঙ্কের টাকা, গ্রাহকের কাছে যেমন টাকা ঢোকার মেসেজ আসবে, তেমনই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেও তা এন্ট্রি হবে।
 

 এই ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট থাকলেই ঢুকছে ৭৫৯ কোটি টাকা! কেন ঢুকছে জেনে নিন
মহিলাদের অ্যাকাউন্টে ৭৬০ কোটি


কোচবিহার, জলপাইগুড়ি: কেউ স্কলারশিপের টাকা তুলতে গিয়েছিলেন। কেউ আবার অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে কি না দেখতে গিয়েছিলেন। কেউ আবার অ্যাকাউন্ট চেক করতে যান। কিন্তু, ব্যালেন্স দেখেই তো চক্ষু চড়কগাছ। একের পর এক অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে ৭০০ কোটির বেশি। কেউ সাধারণ দিন আনা দিন খাওয়া নিম্নবিত্ত পরিবারের বা কেউ আবার দশম বা দ্বাদশ শ্রেণীর পড়ুয়া। বেশিরভাগের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে ৭৫৯ কোটি ৬৯ লক্ষ ৫১ হাজার ৯৫১ টাকা। মুর্শিদাবাদ, জলপাইগুড়ি, থেকে ময়নাগুড়ি, কোচবিহার…সর্বত্র একই ছবি। আরও তাজ্জব ব্যাপার হল সকলেরই অ্যাকাউন্ট একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে রয়েছে। সম্প্রতি, এই ঘটনা শোরগোল ফেলে দিয়েছে চারিদিকে।

 দমদমে 'খুন' কুখ্যাত দুষ্কৃতী, বেলঘড়িয়া এক্সপ্রেসওয়ের ধার থেকে উদ্ধার রক্তাক্ত দেহ, নিজের বন্দুকে গুলিতেই ঝাঁঝরা রাজা দত্ত?
কোচবিহারের ঘটনা
কোচবিহারের বাসিন্দা সুকুমার অধিকারী। সাধারণ হোটেল চালান তিনি। ৫০০ টাকা তুলতে গিয়েছিলেন। কিন্তু, ব্যালেন্স দেখতে গিয়ে অবাক হয়ে যান তিনি। দেখা যায়, তাঁর অ্যাকাউন্টে রয়েছে ৭০০ কোটির বেশি। স্বাভাবিকভাবেই প্রথমে তিনি ঘাবড়ে যান। পরে থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। অন্যদিকে, দিনহাটাতে এক দশম শ্রেণির ছাত্র স্কলারশিপের টাকা তুলতে গিয়েছিল। সেখানও একই পরিস্থিতি। দিনহাটা থানায় অভিযোগও দায়ের করে তাঁর পরিবার। শনিবার ও রবিবার ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকায় ব্যাঙ্কে যেতে পারেননি কেউ। সোমবার ওই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক খুলতেই লাইন পড়ে যায় এই ধরনের গ্রাহকদের।


জলপাইগুড়ি, ময়নাগুড়ির ঘটনা
হলদিবাড়ির ছাত্রী। স্কলারশিপের টাকা ঢুকেছে কি না দেখতে গিয়েছিল ব্যাঙ্কে। সেও দেখে তার অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে সেই একই অঙ্কের টাকা। আবার ময়নাগুড়িতে এক গৃহবধূ অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা তুলতে ব্যাঙ্কে গিয়েছিলেন। সেখানেও একই ঘটনা।

মুর্শিদাবাদের ঘটনা
মুর্শিদাবাদে লালগোলা থানার বিলবোরাকোপরা অঞ্চলের কালিকাপুর গ্রামেও একই ঘটনা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কালিকাপুর গ্রামের বাসিন্দা শরিফা খাতুনের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে গত শনিবার চেন্নাই থেকে ৩,০০০ টাকা পাঠান তাঁর দেওর। সেই টাকা তুলতে গিয়েই শরিফা খাতুন দেখেন, তাঁর অ্যাকাউন্টে ব্যালেন্সের জায়গায় জ্বলজ্বল করছে ৭,৫৯,৬৯,৫১,৯৫১ টাকা ১৬ পয়সা। তাঁরও অ্যাকাউন্ট রয়েছে ওই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে।

ব্যাঙ্ক কী বলছে?
রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের দাবি, এটা নিয়ে চিন্তার কোনও কারণ নেই। কোর ব্যাঙ্কিং সিস্টেমের ক্ষেত্রে একটা টেকনিক্যাল গ্লিচ তৈরি হচ্ছে। সেই কারণেই এই ধরনের ঘটনা ঘটছে। তাঁদের আরও দাবি, বিপুল অঙ্কের টাকাই হোক বা কম অঙ্কের টাকা, গ্রাহকের কাছে যেমন টাকা ঢোকার মেসেজ আসবে, তেমনই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেও তা এন্ট্রি হবে। কিন্তু ওই বিপুল পরিমাণ টাকা আদতে ব্যাঙ্কে ক্রেডিট হচ্ছে। সেক্ষেত্রে ওই টাকা কোনওভাবেই তোলা যাবে না। ওই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের দাবি, অনলাইনে যাঁরা ব্যাঙ্কে লেনদেন করেন, বা নেট ব্যাঙ্কিংয়ের মতো পরিষেবা ব্যবহার করেন, তাঁদের ক্ষেত্রে এই ধরনের ঘটনা ঘটেনি। যাঁদের লেনদেন কম, তাঁদের অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রেই এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। তবে, কোন জায়গায় গ্লিচ হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এরকম ধরনের কোনও ঘটনা ঘটলে, সেটা সঙ্গে সঙ্গে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকে জানানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সাইবার বিশেষজ্ঞরা কী বলছেন?
অ্যাকাউন্টে এভাবে কোটি কোটি টাকা কোনও সাইবার প্রতারণাও হতে পারে। এই বিষয়ে সাইবার বিশেষজ্ঞ সাম্যজিৎ মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, বিশ্বকাপ চলাকালীন প্রতারণা বেড়েছে। যাঁরা প্রতারক, তাঁরা এই সময় অনেক বেশি সক্রিয় থাকেন। বিভিন্ন অ্যাপ যা এখন ভারতে বন্ধ হয়ে গিয়েছে, সেগুলি চালিয়ে তাঁরা ব্যবসা করছে। তাঁর আরও দাবি, এই ধরনের টাকাগুলি আসলে বেশিরভাগই প্রতারণার টাকা। প্রতারকরা বাঁচার জন্য বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে সেই টাকা পাঠিয়ে দেয়। এধরনের ঘটনা গুজরাট ও ব্যাঙ্গালোরেও ঘটেছে। এটা সত্যি চিন্তার বিষয়। সেক্ষেত্রে, সাধারণ মানুষকে অনেক বেশি সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন তিনি। তাঁর পরামর্শ, এধরনের কোনও ঘটনা ঘটলে প্রথমে থানায় জানাতে হবে। তারপর নির্দিষ্ট ব্যাঙ্কে যেতে হবে।

সাম্যজিতের আরও দাবি, টেকনিক্যাল গ্লিচ হলেও এত টাকা কীভাবে এক অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য অ্যাকাউন্টে চলে যেতে পারে? সেক্ষেত্রে ব্যাঙ্কে আপনার টাকা আদৌ সুরক্ষিত কি না সেটা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সেক্ষেত্রে এটা জালিয়াতি চক্র নাকি ব্যাঙ্কের ত্রুটি সেটা খতিয়ে দেখতে হবে বলে মনে করছেন তিনি।

২০১৫ সাল থেকে ২০২০ সালের মধ্যে নিয়োগ বাতিলের সিদ্ধান্ত এবং রাজ্য সরকারের অনুদানভিত্তিক (Grant-in-Aid) প্রকল্পের আওতায় বেতন প্রদানের দাবি প্রত্যাখ্যান করার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ৩৬১ জন মামলাকারী। তাঁদের মধ্যে থেকে ১৩ জনকে বেছে নেওয়া হয়।

কোনও রিট পিটিশনেরই মেরিট নেই', মাদ্রাসায় শিক্ষক-অশিক্ষক কর্মী নিয়োগ নিয়ে বড় রায় সুপ্রিম কোর্টের
সুুপ্রিম কোর্ট


মাদ্রাসায় (Madrasa) শিক্ষক-অশিক্ষক কর্মী নিয়োগ (Madrasa Teacher Recruitment) নিয়ে বড় রায় সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court)। রাজ্যের অনুমোদিত মাদ্রাসার শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মীদের নিয়োগের বৈধতা নিয়ে মামলা হয় শীর্ষ আদালতে। সেই মামলাই এবার খারিজ করে দিল শীর্ষ আদালত। কোনও রিট পিটিশনেরই কোনও মেরিট নেই। সব আবেদন খারিজ করে পর্যবেক্ষণ বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি এজি মাসিহ-র বেঞ্চের।


পর্যবেক্ষণে কী বললেন বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ?
২০১৫ সাল থেকে ২০২০ সালের মধ্যে নিয়োগ বাতিলের সিদ্ধান্ত এবং রাজ্য সরকারের অনুদানভিত্তিক (Grant-in-Aid) প্রকল্পের আওতায় বেতন প্রদানের দাবি প্রত্যাখ্যান করার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ৩৬১ জন মামলাকারী। তাঁদের মধ্যে থেকে ১৩ জনকে বেছে নেওয়া হয়। শুনানি চলাকালীন সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল, বাছাই করা ১৩ টি আবেদন সম্পর্কে যদি আদালত সন্তুষ্ট হয় তাহলে বাকি মামলাগুলি খতিয়ে দেখা হবে। কিন্তু, সোমবার বিচারপত্তি দত্ত জানান, এই ১৩ আবেদনকারীর কেউই আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারেনি। তাই শুধু এই ১৩ আবেদনই নয়, সমস্ত আবেদনই খারিজ করে দেওয়া হচ্ছে।

ঋতব্রতরাই কি বৈধ তৃণমূল? আদালতের নির্দেশ নিয়ে জবাব দিল 'কালীঘাট তৃণমূল'
বিস্তারিত মামলা 
বিতর্কের সূত্রপাত পশ্চিমবঙ্গ মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন অ্যাক্ট, ২০০৮-কে কেন্দ্র করে। এই অ্যাক্টের মাধ্যমে স্বীকৃত মাদ্রাসাগুলিতে শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করার জন্য একটি আইনানুগ (Statutory) কমিশন গঠন করা হয়। ২০১৪ সালে কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ অ্যাক্টকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে। সিঙ্গেল বেঞ্চের রায়কে বৈধতা দেয় ডিভিশন বেঞ্চও। মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে।


২০১৬ সালে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের রায়ের উপর স্থগিতাদেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। এরপর ২০২০ সালে সুপ্রিম কোর্ট কলকাতা হাইকোর্টের রায় খারিজ করে ২০০৮ এর ওই আইনকে বৈধ বলে ঘোষণা করে।

কিন্তু, ২০১৫ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত এই মামলা শীর্ষ আদালতে বিচারাধীন থাকার সময় মাদ্রাসাগুলিতে লাগাতার শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মচারী নিয়োগ হয়। এই সময়কালের নিয়োগ বৈধ নয় বলে ফের মামলা হয় সুপ্রিম কোর্টে। ২০২৩ সালে একটি কমিটি গঠন করে সুপ্রিম কোর্ট। ২০১৫ সালে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ থেকে ২০২০ সালে সুপ্রিম কোর্টের চূড়ান্ত রায় দেওয়া পর্যন্ত মাদ্রাসায় যে শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মী নিয়োগ হয়েছে তা বৈধ কিনা তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়। একইসঙ্গে কর্মরত শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মচারীদের বেতন দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় রাজ্যকে।

২০২৩ সালে সুপ্রিম কোর্টের গঠিত কমিটি রিপোর্টে জানায়, সংশ্লিষ্ট সময়ের নিয়োগ বৈধ নয়। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে এতদিন শুনানি চলছিল। মোট ৩৬১ জন আবেদনকারী ৪০টি রিট পিটিশন ফাইল করেছিলেন। এর মধ্যে ১৩জন আবেদনকারীর নিয়োগের বৈধতা খতিয়ে দেখা শুরু করে সুপ্রিম কোর্ট। জানানো হয়, যদি এই ১৩জনের নিয়োগ সংক্রান্ত সওয়ালে সুপ্রিম কোর্ট সন্তুষ্ট হয়, তবে বাকি ৩৪৮ জনের আবেদন খতিয়ে দেখা হবে। আজ সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, ১৩ জুনের নিয়োগের বিষয় সন্তুষ্ট নয় সুপ্রিম কোর্ট। স্বাভাবিকভাবেই বাকিদের আবেদন খতিয়ে দেখার প্রয়োজন নেই।


এরপর বিধানসভার সচিব সৌমেন্দ্রনাথ দাস পদাধিকার বলে এই নির্বাচনে রির্টানিং অফিসার এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন। এ দিন, মনোনয়ন পত্র পেশের সময় উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। 


একদিকে শুভেন্দু অন্য়দিকে শমীক, মাঝে সদ্য বিজেপিতে আসা ৩ প্রার্থী, জমা দিলেন মনোনয়ন
মনোনয়ন পেশ


আগে ছিলেন তৃণমূলের (TMC) রাজ্য সভার সাংসদ (MP)। তারপর পালা বদলের পর দল ছাড়েন। এরপর বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের হাত থেকে বিজেপির (BJP) পতাকা তুলে নেন। এরপর সোমবার রাজ্যসভার ভোটে মনোনয়ন পেশ করলেন তৃণমূল ত্যাগী সুস্মিতা দেব, সুখেন্দু শেখর রায় ও প্রকাশ চিক বড়াইক। বর্তমান সমীকরণ অনুযায়ী তৃণমূল ত্যাগী তিনজনেরই জয় নিশ্চিত।


সমীকরণ কী বলছে?



এই ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট থাকলেই ঢুকছে ৭৫৯ কোটি টাকা! কেন ঢুকছে জেনে নিন

৬০টি রথযাত্রা কমিটিকে ৫ লক্ষ করে অনুদান, জানালেন শুভেন্দু
বিধানসভায় অখন্ড তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক রয়েছেন ৮০ জন। কংগ্রেসের ২ জন বিধায়ক, আইএসএফ ও সিপিএম জোটের ২ জন বিধায়ক রয়েছেন। এছাড়া আমজনতা উন্নয়ন পার্টি দু’টি আসনে জিতলেও বিধায়ক এক জন। এ দিকে, বিজেপির একার ২০৭ জন বিধায়ক রয়েছে। রাজ্যসভার নির্বাচনে যে অঙ্ক রয়েছে, এক-একজন প্রার্থীকে ১৪৭টি ভোট পেতে হবে। ফলে বিজেপির কাছে সেই সংখ্যা রয়েছে। অন্যদিকে, বিরোধীরা সবাই একজট হলেও সেই সংখ্যা তৈরি হচ্ছে না। ফলত, এই তিনজনের জয় শুধু সময়ের অপেক্ষা হবে।


মঙ্গলবার এই প্রার্থীদের মনোনয়ন পত্র পরীক্ষা হবে। আগামী ১৭ তারিখ বেলা তিনটের মধ্যে মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের সময় রয়েছে। তারপরই তাঁদের হাতে জয়ের শংসাপত্র তুলে দেওয়া হবে। এরপর বিধানসভার সচিব সৌমেন্দ্রনাথ দাস পদাধিকার বলে এই নির্বাচনে রির্টানিং অফিসার এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন। এ দিন, মনোনয়ন পত্র পেশের সময় উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।

বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর শমীক বলেছিলেন তৃণমূল কর্মীদের দলে জায়গা হবে না। পরে যদিও তিনি বলেছিলেন, ‘ভাল তৃণমূলের জন্য দরজা খোলা’। এরপর দেখা যায় এই তিন তৃণমূলত্যাগীকে যোগদান করান বিজেপির রাজ্য সভাপতি নিজের হাতে। সেই সময় তিনি জানিয়েছিলেন তৃণমূলে থেকে যাঁরা দুর্নীতি করেননি,তাঁদের আগেই পাশে চেয়েছে বিজেপি।

বঙ্গোপসাগরে ডুবে যাওয়া শংকরপুরের অভিশপ্ত 'জয় মা কালী' ট্রলারের ঘটনায় নিখোঁজ হলেন একই পরিবারের তিন ভাই।জানা গিয়েছে, ওই ডুবন্ত ট্রলারে ছিলেন ওড়িশার বালেশ্বরের একই পরিবারের তিন ভাই রবীন্দ্র মাঝি, জয়রাম মাঝি ও জগন্নাথ মাঝি! 


বর্তমানে চরম উৎকণ্ঠা এবং বুকফাটা কান্না নিয়ে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের মর্গের বাইরে অপেক্ষা করছেন নিখোঁজ মৎস্যজীবীদের পরিবারের সদস্যরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে মর্গের বাইরে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী।

মর্মাহত পরিবারের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, নিখোঁজ ওই তিন ভাইয়ের রবীন্দ্র মাঝি, জয়রাম মাঝি এবং জগন্নাথ মাঝি পেশায় বরাবর মৎস্যজীবী। কখনো বা উড়িষ্যায় ফিসিং করতে না আবার কখনো পশ্চিমবঙ্গের শংকরপুরে। গত ২রা জুলাই মাছ ধরার উদ্দেশ্যে তাঁরা বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন। এরপর থেকেই পরিবারের সঙ্গে তাঁদের আর কোনো যোগাযোগ হয়নি। রবিবার বঙ্গোপসাগরের রক্তেশ্বরী চরে ট্রলার উদ্ধারের খবর পেয়েই ওড়িশা থেকে ছুটে এসেছেন পরিবারের লোকজন। 
প্রশাসন সূত্রে খবর, গতকাল ট্রলারের ভেতর থেকে উদ্ধার হওয়া ৯ জন মৎস্যজীবীর মৃতদেহ শনাক্তকরণের পর পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে।তবে সবচেয়ে মর্মান্তিক বিষয় হলো, বালেশ্বরের ওই তিন ভাইকে এখনও মৃতদেহগুলির মধ্যে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। 


তাঁরা ওই ৯ জন মৃতের তালিকায় রয়েছেন, নাকি নিখোঁজ ৬ জনের মধ্যে আছেন,তা নিয়ে চরম ধোঁয়াশা ও উৎকণ্ঠায় প্রহর গুনছে পরিবার।
অন্যদিকে, বাকি নিখোঁজ মৎস্যজীবীদের সন্ধানে সোমবার সকাল থেকেই বঙ্গোপসাগরের বুকে নতুন করে মেগা তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে উপকূল রক্ষী বাহিনী এবং বনদপ্তর। "একই পরিবারের তিনটি তরতাজা প্রাণ সমুদ্রের গ্রাসে!

প্রতি বছর শ্রাবণ মাসে তারকেশ্বর মন্দিরে যান বহু ভক্ত। রাজ্যে তথা দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ সমাগম দেখা যায় শ্রাবণী মেলায়। এবার সেই ভক্তদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই সঙ্গে অন্য দুই শিব মন্দিরের ভক্তদের জন্যও থাকছে ব্যবস্থা।

বাঁক কাঁধে যাওয়া জলযাত্রীদের উপর পুষ্পবৃষ্টি করবে সরকার, তারকেশ্বরের জন্য ১৫ কোটি অনুদান ঘোষণা
বাঁক কাঁধে প্রতি বছর যান ভক্তরা

রথযাত্রার জন্য অনুদান তুলে দেওয়ার পাশাপাশি শিবের ভক্তদের জন্য বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রথযাত্রা (Rath Yatra) কমিটিগুলিকে ৫ লক্ষ টাকা অনুদান দেওয়ার কথা আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল। সোমবার সেই অনুদান তাদের হাতে তুলে দেওয়া হল। সেই সঙ্গে তারকেশ্বর সহ রাজ্যের একাধিক ঐতিহ্যবাহী মন্দিরের জন্য একের পর এক ঘোষণা করেছেন শুভেন্দু।


৬০টি রথযাত্রা কমিটিকে ৫ লক্ষ করে অনুদান
৬০টি রথযাত্রা কমিটিকে এদিন ৫ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য করা হচ্ছে বলে সোমবার ঘোষণা করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “এবারের তালিকায় যদি কোনও ত্রুটি থাকে, তাহলে ক্ষমা করে দেবেন। আগামিদিনে জেলাশাসকদের জানালে ত্রুটিমুক্ত তালিকা তৈরি করার চেষ্টা হবে। রথযাত্রার ঐতিহ্যকে উৎসবে পরিণত করার চেষ্টা করব ধীরে ধীরে।” শুভেন্দু উল্লেখ করে ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রা কমিটিগুলি এই অনুদান পেলে কিছুটা উপকৃত হবে। কমিটিগুলি পুরনো রথগুলি রক্ষণাবেক্ষণ ও সংস্কারের কাজে এই টাকা ব্যয় করবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন শুভেন্দু।

এই ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট থাকলেই ঢুকছে ৭৫৯ কোটি টাকা! কেন ঢুকছে জেনে নিন


সুরুচি সঙ্ঘ থেকে 'ছেঁটে' ফেলা হল 'বিশ্বাস' ব্রাদার্সকে, অরূপ-স্বরূপের জায়গায় নতুন কমিটিতে কারা?
তীর্থক্ষেত্র সার্কিট, ১০০০ কোটি বরাদ্দ
তীর্থক্ষেত্রে সার্কিট নামে একটি ব্যবস্থার কথাও এদিন ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, মুর্শিদাবাদের কীরিটেশ্বরী সহ একাধিক প্রাচীন ঐতিহাসিক মন্দির সংস্কার ও হেরিটেজের আওতায় আনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। আগামী ২ বছর ধরে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। ধর্মীয় স্থানগুলির উন্নয়নে মোট ১০০০ কোটি বরাদ্দ করছে রাজ্য সরকার।


এছাড়া, ভারত সেবাশ্রমের হাসপাতালগুলিকে আয়ুষ্মান ভারতের অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু। রামকৃষ্ণ মিশনের বিভিন্ন প্রস্তাবও গ্রহণ করা হয়েছে। সিমলায় স্বামী বিবেকানন্দের জন্মস্থানে ৫ কোটি টাকা অনুদান দিচ্ছে রাজ্য সরকার।

জলযাত্রীদের উপর পুষ্পবৃষ্টি
শ্রাবণ মাসে তারকেশ্বরে শ্রাবণী মেলার আয়োজন করা হয়। এবার সেই মেলা উদ্বোধনে যাবেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন, মোট ১৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হচ্ছে তারকেশ্বরের জন্য। ওই তীর্থক্ষেত্রকে সাজানোর জন্য দেওয়া হচ্ছে অনুদান।

শেওড়াফুলি থেকে তারকেশ্বর পর্যন্ত রাস্তায় ৫ কিমি অন্তর ‘সেবা কেন্দ্র’ রাখা হবে। জলযাত্রীরা এতে উপকৃত হবেন। এছাড়া, আবহাওয়া ঠিক থাকলে প্রতি সোমবার এই জলযাত্রীদের উপর সরকারি হেলিকপ্টার থেকে গোলাপ বৃষ্টি করা হবে বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।

তারকেশ্বরের পাশাপাশি জলপাইগুড়ির জল্পেশ মন্দির ও ভূটান সীমান্তে জয়ন্তী এালাকার মন্দিরের ভক্তদের জন্য পুলিশি সহায়তা ক্যাম্প, মেডিক্যাল ক্যাম্প তৈরি করা হচ্ছে। শ্রাবণ মাস জুড়ে সেখানে জল, ওআরএস সহ সবরকম সহযোগিতা করা হবে। বিশ্রামের জায়গাও রাখা হচ্ছে।