July 2026

​শরৎকালের আগমনী বার্তার আগেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার গঙ্গাসাগরে শুরু হয়ে গেল দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি। সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে ঐতিহ্যবাহী আশ্রমমোড় সার্বজনীন শারদীয়া দুর্গোৎসব কমিটির ৬৪ তম বর্ষের পুজোর শুভ খুঁটিপুজো সম্পন্ন হলো অত্যন্ত ধুমধাম ও আনন্দমুখর পরিবেশে।


​পবিত্র গুরু পূর্ণিমার শুভ তিথিকে বেছে নেওয়া হয়েছিল এই শুভ সূচনার জন্য। এদিন সকালে বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণ, উলুধ্বনি এবং শঙ্খধ্বনির মাধ্যমে পুজোর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন তথা খুঁটিপুজো সম্পন্ন হয়। এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, পুজো কমিটির সদস্যবৃন্দ এবং সাধারণ মানুষ এই অনুষ্ঠানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। খুঁটিপুজোকে কেন্দ্র করে আশ্রমমোড় চত্বরে এখন থেকেই যেন এক উৎসবের আমেজ তৈরি হয়েছে।

​প্রতি বছরই ব্যতিক্রমী থিম এবং জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে দক্ষিণ ২৪ পরগনা তথা সমগ্র রাজ্যে নজর কাড়ে গঙ্গাসাগরের এই পুজো কমিটি। এ বছর তাদের ৬৪ তম বর্ষে আরও বড় চমক নিয়ে হাজির হতে চলেছে আয়োজকরা। পুজো কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ বছরের তাদের মূল থিম কর্ণাটকের ঐতিহাসিক 'বিধানসৌধ' (বেঙ্গালুরু)।
​বেঙ্গালুরুর এই সুবিশাল এবং স্থাপত্যের এক অনন্য নিদর্শন—বিধানসৌধের রূপ ও সুদৃশ্য কারুকার্য এবার ফুটিয়ে তোলা হবে গঙ্গাসাগরের এই পুজো মণ্ডপে। দক্ষিণ ভারতের প্রাচীন ও আধুনিক স্থাপত্যকলার মেলবন্ধনে তৈরি এই থিম দর্শনার্থীদের এক অদ্ভুত নান্দনিক অভিজ্ঞতা দেবে বলেই আশাবাদী পুজো কমিটি। শুধু মণ্ডপসজ্জা নয়, প্রতিমা এবং আলোকসজ্জাতেও থাকছে বিশেষ চমক। ​খুঁটিপুজোর শুভ দিনে পুজো কমিটির সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ জানান, "আজ গুরু পূর্ণিমার পবিত্র দিনে আমাদের ৬৪ তম বর্ষের খুঁটিপুজো সম্পন্ন হলো। প্রতিবারের মতো এবারও আমরা এলাকার মানুষকে একটি ঐতিহাসিক ও দৃষ্টিনন্দন থিম উপহার দিতে চলেছি। কর্ণাটকের বিধানসৌধের আদলে গড়া আমাদের এই মণ্ডপ গঙ্গাসাগরের পুজোর ইতিহাসে এক নতুন মাইলফলক হয়ে থাকবে। আশা করছি, দূরদূরান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীরা এই বিশাল কর্মযজ্ঞ দেখে মুগ্ধ হবেন।"
​পুজোর মাসকয়েক আগেই এই ধরনের জমকালো খুঁটিপুজো এবং অভিনব থিমের ঘোষণার পর থেকেই গঙ্গাসাগর ও আশেপাশের এলাকাবাসীর মধ্যে উন্মাদনা তুঙ্গে পৌঁছেছে। এখন কেবল অপেক্ষা শারদোৎসবের সেই মহামিলনের ক্ষণের, যখন অগণিত মানুষের ভিড়ে মুখর হয়ে উঠবে আশ্রমমোড়ের এই পুজো প্রাঙ্গণ।

অসমের একাধিক জেলার অবস্থা বর্তমানে আশঙ্কাজনক। মাথার ওপর ছাদ হারিয়ে বহু পরিবার এখন নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে দিন কাটাচ্ছেন। এই দুর্যোগের সময়েই সলমন খানের দাতব্য সংস্থা ‘বিয়িং হিউম্যান’ (Being Human)-এর মাধ্যমে ত্রাণ পাঠাতে উদ্যোগী হন তারকা।

অসমের বন্যা দুর্গতদের পাশে সলমন খান! কোন দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিলেন ভাইজান?
আকাশ মিশ্র


অসমের সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় ঘরছাড়া লাখ লাখ মানুষ। প্লাবিত এলাকার এই সংকটজনক পরিস্থিতিতে এবার ত্রাতার ভূমিকায় এগিয়ে এলেন বলিউড ভাইজান সলমন খান। ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষের সহায়তায় একটি বিশেষ ত্রাণ অভিযানের সূচনা করেছেন অভিনেতা। তাঁর উদ্যোগে ইতিমধ্যেই বন্যাকবলিত দুর্গম এলাকাগুলোতে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে শুকনো খাবার, পানীয় জল এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জরুরি সামগ্রী।


স্থানীয় সূত্রের খবর, অসমের একাধিক জেলার অবস্থা বর্তমানে আশঙ্কাজনক। মাথার ওপর ছাদ হারিয়ে বহু পরিবার এখন নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে দিন কাটাচ্ছেন। এই দুর্যোগের সময়েই সলমন খানের দাতব্য সংস্থা ‘বিয়িং হিউম্যান’ (Being Human)-এর মাধ্যমে ত্রাণ পাঠাতে উদ্যোগী হন তারকা। প্রয়োজনীয় চাল, ডাল, পানীয় জল, শিশুদের খাবার ও ওষুধপত্রসহ হাজার হাজার ত্রাণ সামগ্রীর কিট লরি বোঝাই করে দুর্গতদের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছে।



কোথায় দাঁড়িয়ে নিম্নচাপ? কী বলছে আবহাওয়া দফতর?
সলমন খানের ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রের খবর, এই কঠিন সময়ে অসমের মানুষের পাশে থাকাটা নিজের সামাজিক দায়িত্ব বলেই মনে করছেন অভিনেতা। পাশাপাশি, তিনি তাঁর অনুরাগীদের এবং সমাজের সামর্থ্যবান মানুষদেরও এই সংকটকালে বন্যাকবলিত এলাকার বাসিন্দাদের সহায়তায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।


প্রতিবছরের মতো এবারও অসমের বন্যা পরিস্থিতি মারাত্মক রূপ ধারণ করায় তারকাদের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ ও উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা। সলমন খানের এই ত্রাণ সামগ্রী অন্তত কিছু মানুষের মুখের আহার ও প্রাথমিক চিকিৎসা নিশ্চিত করতে বড় সাহায্য করবে বলেই মনে করছেন স্থানীয় প্রশাসন।

একই সঙ্গে আগামী ১৬ অগস্ট নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে আয়ুষ্মান ভারত দিবস পালন হবে বলেও সচিবদের বৈঠকে এমনটাই ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। যাঁরা আয়ুষ্মান ভারত কর্মসূচির আওতায় আসবে না, তাঁদের ওই দিন মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা যোজনা কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।

পুজোর আগেই মেরামত করে ফেলতে হবে রাস্তা, সচিবদের কড়া নির্দেশ শুভেন্দুর
শুভেন্দু অধিকারী, মুখ্যমন্ত্রী


রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় রাস্তার হাল অত্যন্ত খারাপ। বাদ নয় কলকাতাও। তিলোত্তমার বিভিন্ন রাস্তা খানা-খন্দে ভরা। যার জেরে প্রবল অসুবিধায় পড়তে হয় স্থানীয় মানুষজনকে। এবার রাস্তা নিয়ে কড়া বার্তা দিল শুভেন্দুর সরকার। দুর্গাপুজোর আগেই রাস্তা ঠিক করতে হবে রাস্তা। সচিবদের বৈঠকে এমনটাই নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।


বর্ষা আসার পরপরই একাধিক রাস্তার বেহাল অবস্থা ৷ শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “সঠিকভাবে টেন্ডার করতে হবে। ১০ অক্টোবরের মধ্যেই সব রাস্তা ঠিক করার কাজ সেরে ফেলতে হবে। এর জন্য পূর্ত দফতরকে ৫০০ কোটি টাকা দেওয়া হচ্ছে। এর আগের সরকার ভেন্ডারদের ঠকিয়েছে। ওদের সঙ্গে কথা বলে সমস্যার সমাধান করতে হবে।” খবর নবান্ন সূত্রে।

‘ভয়ের দিন শেষ...’ বাদশার ক্ষমতা নিয়ে বিস্ফোরক স্ত্রী ইশা! বিয়ের কয়েক মাস যেতে না যেতেই বিচ্ছেদ?


দাঁড়াও...দাঁড়াও ছেলেগুলো হাত দেখাতেই দাঁড়িয়ে পড়ল শুভেন্দুর কনভয়, মুখ্যমন্ত্রী দিলেন নম্বর, কী বলেছিল ওরা জানেন?

কোথায় দাঁড়িয়ে নিম্নচাপ? কী বলছে আবহাওয়া দফতর?
একই সঙ্গে আগামী ১৬ অগস্ট নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে আয়ুষ্মান ভারত দিবস পালন হবে বলেও সচিবদের বৈঠকে এমনটাই ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। যাঁরা আয়ুষ্মান ভারত কর্মসূচির আওতায় আসবে না, তাঁদের ওই দিন মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা যোজনা কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। উল্লেখ্য, এ দিকে, রাজ্য মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর সোমবারই পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা যোজনা (MMSBY) চালু হল। মূলত,যে সকল পরিবারগুলি ‘আয়ুষ্মান ভারত’ প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছে না, অথচ স্বাস্থ্য পরিষেবার প্রয়োজন তাঁদের জন্যই স্বাস্থ্য বিমা চালু করল সরকার।

 ইডির নজরে থাকা একাধিক হেভিওয়েট ব্যবসায়ী। গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, এই তল্লাশি অভিযানে সন্দেহভাজনদের বাড়ি ও অফিস থেকে একাধিক ডিজিটাল ডিভাইস, ব্যাঙ্কের পাসবুক, লেনদেনের খাতা এবং কয়লা ব্যবসার নানা গুরুত্বপূর্ণ নথি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ধানবাদে ইডির জোর তল্লাশি, ২৫ জায়গায় হানা
আসানসোলে ইডি তল্লাশি

বেআইনি কয়লা পাচার এবং কালো টাকা কারবারের গুরুতর অভিযোগে ঝাড়খণ্ডের ধানবাদে বড়সড় অভিযান চালাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের প্রায় ২৫টি আলাদা দল একযোগে শহরের প্রায় ২৫টি ভিন্ন স্থানে এই মেগা অভিযান চালায়। ধানবাদের একাধিক প্রভাবশালী ও বিতর্কিত কয়লা ব্যবসায়ীর বাড়ি, অফিস এবং ডেরায় এই চিরুনি তল্লাশি শুরু হয়।


ইডির নজরে থাকা একাধিক হেভিওয়েট ব্যবসায়ী। গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, এই তল্লাশি অভিযানে সন্দেহভাজনদের বাড়ি ও অফিস থেকে একাধিক ডিজিটাল ডিভাইস, ব্যাঙ্কের পাসবুক, লেনদেনের খাতা এবং কয়লা ব্যবসার নানা গুরুত্বপূর্ণ নথি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ভয়ের দিন শেষ...’ বাদশার ক্ষমতা নিয়ে বিস্ফোরক স্ত্রী ইশা! বিয়ের কয়েক মাস যেতে না যেতেই বিচ্ছেদ?
উল্লেখ্য, এর আগেও গত বছরের নভেম্বর মাসে এই একই কয়লা কেলেঙ্কারির মামলায় অভিযান চালিয়েছিল কেন্দ্রীয় এজেন্সি। সেই সময় নগদ প্রায় আড়াই কোটি টাকা এবং দেড়শর বেশি জমির দলিল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। ইডি আধিকারিকদের প্রাথমিক অনুমান, বর্তমান এই ব্যাপক তল্লাশির ফলে আরও একাধিক নতুন বেনামি সম্পত্তির হদিশ মিলবে এবং কালো টাকা লেনদেনের গভীর চক্র উন্মোচিত হবে।


পাশাপাশি, এই বিশাল অবৈধ কয়লা কারবারের নেপথ্যে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী সরকারি আধিকারিকেরও প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ যোগসাজশ থাকতে পারে বলে জোরাল জল্পনা তৈরি হয়েছে। নথিপত্র খতিয়ে দেখে এই সিন্ডিকেটের সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য কুশীলবদের দ্রুত চিহ্নিত করার কাজ চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল।

 মৃত যুবকের পরিবারের অভিযোগ, হাত পা বেঁধে মারধর করা হয়েছে তুফানকে। এমনকি তাঁকে জলে ডোবানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় মানিক, মানিকের বন্ধু সুজয় সহ বেশ কয়েকজন জড়িত বলে অভিযোগ মৃতের পরিবারের।


মোটর বাইক সারানো নিয়ে বচসা, মিটমাট হওয়ার পরই বড় 'ষড়যন্ত্র', হাড়হিম ঘটনা বর্ধমানে
কী বলছে মৃত যুবকের পরিবার?


মোটর সাইকেল সারানোকে কেন্দ্র করে বচসা। তার জেরে গ্যারেজ মালিককে খুনের অভিযোগ উঠল বন্ধুর বিরুদ্ধে। মৃতের নাম তুফান ক্ষেত্রপাল(২৮)। বর্ধমান থানার পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ তিন জনকে আটক করেছে। আর এক অভিযুক্তের খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ। ঘটনায় জড়িতদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন মৃত যুবকের পরিবার।


তুফান ক্ষেত্রপালের বর্ধমানের নীলপুর বটতলা এলাকায় একটি মোটর সাইকেলের গ্যারেজ আছে। ওই এলাকাতেই ঘর ভাড়া নিয়ে থাকতেন তিনি। অভিযুক্ত মানিক পোড়েল তাঁর মোটর সাইকেলটি বেশ কয়েকদিন আগে সার্ভিসিংয়ের জন্য দেন। বেশ কয়েকদিন মোটর সাইকেল না পাওয়ায় গতকাল মানিক ও তুফানের মধ্যে বচসা হয়। পরে তুফানের পরিবারের সদস্যরা এলে বিষয়টি মিটমাট হয়। সেখানেই নাকি কথা হয় পরদিন অর্থাৎ মঙ্গলবার মোটর সাইকেল সার্ভিসিং করে ফেরত দেবেন তুফান।


'ওর নিতম্বটা দারুণ...', রামের চুমুতেই কেরিয়ার ওলটপালট! 'সমকামী' তকমা নিয়ে বিস্ফোরক নমন
মিটমাট হওয়ার পর মানিক তুফানের পরিবারের সদস্যদের জানান, তিনি তুফানকে বাড়ি দিয়ে আসবেন। কিন্তু তুফান সারারাত বাড়ি ফেরেননি বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। মঙ্গলবার সকালে তুফানের পরিবার জানতে পারে তেলিপুকুর এলাকায় মানিকের বাড়ির অদূরে তুফানের মৃতদেহ পড়ে আছে। তুফানের পরিবারের অভিযোগ, হাত পা বেঁধে মারধর করা হয়েছে তুফানকে। এমনকি তাঁকে জলে ডোবানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় মানিক, মানিকের বন্ধু সুজয় সহ বেশ কয়েকজন জড়িত বলে অভিযোগ মৃতের পরিবারের।


কী বলছে মৃতের পরিবার?

নিহতের জামাইবাবু বিশ্বজিৎ নট্ট অভিযোগ করেন, বড়বাজার থেকে তুফানকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। তুফানের ভাই রাজু খবর পেয়ে মীমাংসার জন্য গিয়েছিলেন। তখন অভিযুক্তরা জানায়, তুফানকে পরে পাঠিয়ে দেবে। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, সারারাত তুফানকে হাত-পা বেঁধে মারধর করা হয়েছে। তারপর জলে ডোবানো হয়েছে। সকালে তাঁরা খবর পান, মৃত অবস্থায় তাঁকে তেলিপুকুর এলাকায় ফেলে রাখা হয়েছে।

নিহতের বাবা বাপি ক্ষেত্রপাল বলেন, গাড়ি সারনো নিয়ে এমন নৃশংস ঘটনা ঘটবে, ভাবতে পারেননি তাঁরা। দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানান তাঁরা।

 কিন্তু কোনওরকম সদর্থক পদক্ষেপ রাজ্য প্রশাসনের তরফে করা হয়নি। যে কারণে মালদহ, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়া এই তিন জেলায় সবথেকে বেশি অনিয়ম ধরা পড়েছে।সম্প্রতি, উত্তরবঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সীমান্ত পরিদর্শনে এলে তাঁকে পঞ্চায়েত প্রধান এবং বিগত প্রশাসনকে চিঠি দেওয়ার বিষয়টি বিএসএফ কর্তারা তাঁকে জানান।


অনুপ্রবেশকারীদের বাংলাদেশ থেকে ঢোকাত কারা জানেন? BSF-খুঁজে পেল 'সর্ষের মধ্যেই ভূত'
বিএসএফ


অনুপ্রবেশকারীদের নাগরিকত্ব পাইয়ে দিতে পঞ্চায়েত প্রধানদের ভূমিকা নিয়ে বিগত তৃণমূল সরকারকে বারবার চিঠি বিএসএফের (BSF), উদাসীন বিগত প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে এবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অমিত শাহকে অভিযোগ বিএসএফ কর্তাদের। জানা যাচ্ছে, একবার বা দু’বার নয়, অন্তত পাঁচবার বিএসএফের (BSF)-এর তরফে বিগত প্রশাসনকে চিঠি দিয়ে সতর্ক করা হয়েছিল সীমান্ত লাগোয়া গ্রামগুলির পঞ্চায়েত প্রধানদের ভূমিকা নিয়ে।


বিএসএফ সূত্রে খবর, অনুপ্রবেশকারীদের নাগরিকত্ব পাইয়ে দেওয়ার জন্য এই পঞ্চায়েত প্রধানরা সই করতেন ফর্মে। বিগত পাঁচ বছরে যতজন অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়েছেন, তাঁদের ৭৫ শতাংশের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ভোটার কার্ড অথবা আধার কার্ড। কীভাবে এই কার্ড তাঁরা বের করেছে, সেই তদন্ত করতে গিয়েই পঞ্চায়েত প্রধানদের সইয়ের বিষয়টি উঠে আসে। এরপরই বিএসএফের তরফে রাজ্য প্রশাসনকে এবং পুলিশ প্রশাসনকে পঞ্চায়েত প্রধানদের এই কর্মকাণ্ড জানিয়ে ব্যবস্থা নিতে বিএসএফের তরফে বলা হয়েছিল।

কোথায় দাঁড়িয়ে নিম্নচাপ? কী বলছে আবহাওয়া দফতর?
কিন্তু কোনওরকম সদর্থক পদক্ষেপ রাজ্য প্রশাসনের তরফে করা হয়নি। যে কারণে মালদহ, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়া এই তিন জেলায় সবথেকে বেশি অনিয়ম ধরা পড়েছে।সম্প্রতি, উত্তরবঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সীমান্ত পরিদর্শনে এলে তাঁকে পঞ্চায়েত প্রধান এবং বিগত প্রশাসনকে চিঠি দেওয়ার বিষয়টি বিএসএফ কর্তারা তাঁকে জানান।


রাজ্যে পালা বদলের পর পঞ্চায়েত প্রধানদের সই এবং আনুষঙ্গিক বেশ কিছু ক্ষমতা বিল এনে কেড়ে নেওয়া হয়েছে। বিএসএফ সূত্রে খবর, সীমান্তবর্তী গ্রামগুলির পঞ্চায়েত প্রধানদের একাংশ আর্থিকভাবে সব থেকে বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত। অভিযোগ, মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে অনুপ্রবেশকারীদের নাগরিকত্ব পাইয়ে দেওয়ার ব্যাপারে এই প্রধানদের একাংশ সচেষ্ট হয়েছে বারবার।

বিষয়টি বিস্তারিত এবং উদাহরণ দিয়ে বিগত রাজ্য প্রশাসনকে জানানো হলেও ভোট ব্যাংকের কারণেই চুপ থেকেছে তৃণমূল শাসিত প্রশাসন, এমনই দাবি বিএসএফ কর্তাদের একাংশের।

BSF এর তথ্য – গত ৩ বছরের হিসাব

পশ্চিমবঙ্গের হিসাব-
২০২৩: ১,১৮১ জন
২০২৪: ১,৫১৬ জন
 ২০২৫: ১৩৮৪ জন
 ২০২৬: ৮৭৯ জন
এর মধ্যে দক্ষিণবঙ্গ ফ্রন্টিয়ার এলাকায় ৩ হাজার ৯৮৪টি কেস এবং উত্তরবঙ্গ ফ্রন্টিয়ার এলাকায় ৯৭৬টি কেস

একটি হিসাবও দেওয়া হয়েছে বিএসএফ-এর তরফে। ২০২৪-২০২৫ এর কিছু উল্লেখযোগ্য ঘটনা 1. নভেম্বর ২০২৫: বসিরহাটে সীমান্তে মাত্র ৩ দিনে ৮৯ জন বাংলাদেশি আটক। এর মধ্যে ২ নভেম্বর ৩ জন ও ১ নভেম্বর ১৫ জন 2. ফেব্রুয়ারি ২০২৪: নদিয়া ও মুর্শিদাবাদে BSF ৭ জন বাংলাদেশি ও ৩ জন ভারতীয় দালালকে ধরেছে 3. জানুয়ারি ২০২৪: BSF ১৩ জন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে পুশব্যাক করেছে ও ৩ জন গরু পাচারকারিকে ধরেছে 4. এপ্রিল ২০২৪: মালদহতে ৩ জন বাংলাদেশি ধরা পড়ে 5. অক্টোবর ২০২৪: মুর্শিদাবাদে ৩ জন ধরা পড়েছেন। অগস্টে একই জেলায় ৪ জন ধরা পড়েছিল।

প্রাক্তন বিধায়ক হুমায়ুন কবীর বলেন,”এটা ঠিক বাংলাদেশের লোক এখানে থাকবে কেন? যার ভিসা আছে সে থাকবে। কারা বেআইনি ভাবে আছে সেটা নিশ্চয়ই বিএসএফ-এর কাছে আছে। সেই তথ্য দিক।” দোলা সেন বলেন, “এখন তো ডাবল ইঞ্জিন গর্ভমেন্ট। তাই পুরনো সরকারকে দোষ দিয়ে লাভ কী?”

প্রশাসনের কাছে দম্পতির আর্জি অবিলম্বে চুরি যাওয়া জিনিসপত্র উদ্ধার করতে হবে। সম্প্রতি উত্তরপাড়ায় তিনটি টোটোর ব্যাটারি চুরির অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনায় এখনও অধরা অভিযুক্ত। আর বাড়ি ফাঁকা রেখে কোথাও গেলেই বারবার চুরির ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের।


৩ দিনের পুরী ট্রিপে গিয়েছিলেন স্বামী-স্ত্রী! বাড়ি ঢুকেই তাজ্জব উত্তরপাড়ার দম্পতি
উত্তরপাড়ার বাসিন্দা প্রীতি বেরা

উল্টোরথে হঠাৎ করে পুরী যাওয়ার প্ল্যান হয় উত্তরপাড়ার দম্পতির। ২-৩ দিনের প্ল্যান, তাই বাড়ি ফাঁকা রেখেই চলে গিয়েছিলেন। কিন্তু ফিরে এসে এমন দৃশ্য দেখতে হবে, তা ভাবতে পারেনি ওই দম্পতি। উধাও নগদ টাকা, উধাও সোনার গয়না।


হুগলির উত্তরপাড়া পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের চড়কডাঙা রোডের বাসিন্দা নন্দদুলাল বেরা ও প্রীতি বেরা উল্টোরথে পুরী বেড়াতে গিয়েছিলেন, ফিরে এসে দেখেন বাড়ির একতলার জানালার গ্রিল কাটা। চোর বাড়িতে ঢুকে বাড়ি লন্ডভন্ড করে ফেলেছে। আলমারি খুলে দেখেন, আলমারি থেকে নগদ ২ লক্ষ টাকা এবং প্রায় ৩০ গ্রাম সোনার গয়না নিয়ে চম্পট দিয়েছে দুষ্কৃতীরা।


এক্ষুনি রক্ষাকবচ চাইবেন না', অভিষেকের পিএ-র মামলায় বলল হাইকোর্ট, বড় অভিযোগ রাজ্যের
বাড়ির গৃহকর্ত্রী প্রীতি জানিয়েছেন, তাঁর বাড়িতে লোনের টাকা মেটানোর জন্য নগদ টাকা রাখা ছিল। সেই টাকা চুরি হয়ে গিয়েছে। তিনি আরও জানান, সোনার গয়নাও চুরি হয়েছে। কার্যত মাথায় হাত ওই দম্পতির। এলাকায় কোনও সিসিটিভি না থাকায় অভিযুক্তদের চিহ্নিত করা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন প্রীতি। প্রশাসনের কাছে দম্পতির আর্জি অবিলম্বে চুরি যাওয়া জিনিসপত্র উদ্ধার করা হোক, দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করা হোক।


সম্প্রতি উত্তরপাড়ায় তিনটি টোটোর ব্যাটারি চুরির অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনায় এখনও অধরা অভিযুক্ত। আর বাড়ি ফাঁকা রেখে কোথাও গেলেই বারবার চুরির ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের। এমন ঘটনা যাতে আর না ঘটে, সেই আবেদন জানাচ্ছেন বাসিন্দারা।

তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, থানা থেকে বার বার বলা হয়েছে যাতে ফাঁকা বাড়ি ছেড়ে কেউ কোথাও গেলে, তা থানায় জানানো হয়। তারপরও মানুষ সচেতন হচ্ছে না বলে দাবি পুলিশের।


অর্থ দফতর, পরিবহন দফতরের, বিশেষ সচিব পদে রদবদল করা হয়েছে। মালদহ, বালুরঘাট সহ একাধিক জায়গায় এসডিও বদল করা হয়েছে। ডিএম, এডিএম পদেও হয়েছে বদল। এছাড়া, পুলিশের একাধিক পদেও বদল করা হয়েছে।


 ৩৬ অফিসার, ৩১ ইন্সপেক্টরের বদলের বিজ্ঞপ্তি নবান্নের

পুলিশ ও প্রশাসনের একগুচ্ছ পদে রদবদল। সোমবার রাতে বদলি করা হয়েছে ৩৬ জন WBCS অফিসারকে। নতুন পদে বদলি করা হয়েছে তাঁদের। নির্দেশিকায় স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, সংশ্লিষ্ট সমস্ত অফিসারদের অবিলম্বে তাঁদের নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে। এছাড়া পুলিশ প্রশাসনেও বড় রদবদল হয়েছে। এছাড়া, রাজ্য পুলিশে ৩১ জন ইন্সপেক্টর পদেও রদবদল করা হয়েছে। রাজ্যে আট মহিলা থানার আইসি বদল করা হয়েছে।


অর্থ দফতর, পরিবহন দফতরের, বিশেষ সচিব পদে রদবদল করা হয়েছে। মালদহ, বালুরঘাট সহ একাধিক জায়গায় এসডিও বদল করা হয়েছে। ডিএম, এডিএম পদেও হয়েছে বদল। এছাড়া, পুলিশের একাধিক পদেও বদল করা হয়েছে।


 দাঁড়াও...দাঁড়াও ছেলেগুলো হাত দেখাতেই দাঁড়িয়ে পড়ল শুভেন্দুর কনভয়, মুখ্যমন্ত্রী দিলেন নম্বর, কী বলেছিল ওরা জানেন?
রাজ্য পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে একাধিক ইন্সপেক্টরকে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। CID, STF, ইন্টেলিজেন্স ব্রাঞ্চ (IB), এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ (EB), ভিজিল্যান্স কমিশনে আনা হয়েছে নতুন আধিকারিকদের। ঝাড়গ্রাম, হাওড়া, বারাসত, ব্যারাকপুর, বিধাননগর, বারুইপুরে মহিলা থানায় দায়িত্ব পেয়েছেন নতুন ইনচার্জ।

বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, রক্ষাকবচের মেয়াদ শেষ হওয়ার এক দিনের মধ্যেই পুলিশ তড়িঘড়ি গ্রেফতার করে ফেলছে। এই প্রসঙ্গে রাজ্যের আইনজীবী আদালতকে জানান, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে দেখা হবে। তবে মামলা বিচারাধীন থাকলে কোনও কঠোর পদক্ষেপ করা হবে না এবং এই বিষয়ে পুলিশকে পুনরায় নির্দেশ জানিয়ে দেওয়া হবে। আজ ফের শুনানি হল কোর্টে।


অতীন ঘোষকে নিয়ে বড় নির্দেশ দিলেন বিচারপতি ঘোষ

জমি মামলায় অভিযুক্ত কলকাতা পুরসভার প্রাক্তন ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষকে এখনই গ্রেফতার করা যাবে না। তাঁর রক্ষাকবচের মেয়াদ ফের বৃদ্ধি করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। আজ, মঙ্গলবার অতীন ঘোষকে ১৪ অগস্ট পর্যন্ত রক্ষাকবচ দিল আদালত। এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ১০ অগস্ট।


এ দিন, মামলাকারীর আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য এবং সরকারের আইনজীবীরা শুনানির জন্য আইনজীবীরা হাজির হন। সময় চাওয়া হয়। তারপরেই বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ লিখিতভাবে রক্ষাকবচ দেন অতীন ঘোষ সহ অন্য অভিযুক্তদের। এর আগে মৌখিক রক্ষাকবচ ছিল তাঁর।

 ২-৩ দিনের পুরী ট্রিপে গিয়েছিলেন স্বামী-স্ত্রী! বাড়ি ঢুকেই তাজ্জব উত্তরপাড়ার দম্পতি
রাজ্যের প্রাক্তন বিধায়ক তথা অতীন ঘোষের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছিল। এমনকী, অতীনের মেয়েকে উত্তর থানার পুলিশ ডেকে পাঠিয়েছিল। এরপরই আগাম জামিন চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অতীন। গতকাল মামলা ওঠে কোর্টে। বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ বলেন, “মামলাকারীকে যেন কোনওভাবেই গ্রেফতার না করা হয়।” বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, রক্ষাকবচের মেয়াদ শেষ হওয়ার এক দিনের মধ্যেই পুলিশ তড়িঘড়ি গ্রেফতার করে ফেলছে। এই প্রসঙ্গে রাজ্যের আইনজীবী আদালতকে জানান, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে দেখা হবে। তবে মামলা বিচারাধীন থাকলে কোনও কঠোর পদক্ষেপ করা হবে না এবং এই বিষয়ে পুলিশকে পুনরায় নির্দেশ জানিয়ে দেওয়া হবে। আজ ফের শুনানি হল কোর্টে।

জাপান মেটেওরজিক্যাল এজেন্সি অর্থাৎ জাপানের আবহাওয়া সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল সমুদ্রপৃষ্ঠের নীচে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে। জাপানের ওকি থেকে ৪ কিমি ছিল ভূমিকম্পের কেন্দ্র। এদিকে, ভূমিকম্পের পর কুমামোটো, নাগাসাকি, কাগোশিমা, ফুকুওকা, সাগা, ওইতা এবং মিয়াজাকি আফটারশকের জরুরি সতর্কতা জারি করেছে জাপান সরকার।


এক সপ্তাহের মধ্যে জাপানে দ্বিতীয় ভূমিকম্প, জারি হল সুনামির সতর্কতা
প্রতীকী ছবি


জাপানে ফের ভূমিকম্প (Japan Earthquake)। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সকালে দেশের দক্ষিণের কিউশু উপকূলে শক্তিশালী কম্পন অনুভূত হয়েছে। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ৭.১। সুনামির (Japan Tsunami) সতর্কতাও জারি করা হয়েছে। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৫০ জন আহত হয়েছেন বলে খবর। তবে, তীব্র ভূমিকম্পে কোথায়, কতটা ক্ষতিগ্রস্থ, সেই বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি।


আফটারশক ও সুনামির সতর্কতা
জাপান মেটেওরজিক্যাল এজেন্সি অর্থাৎ জাপানের আবহাওয়া সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল সমুদ্রপৃষ্ঠের নীচে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে। জাপানের ওকি থেকে ৪ কিমি ছিল ভূমিকম্পের কেন্দ্র। এদিকে, ভূমিকম্পের পর কুমামোটো, নাগাসাকি, কাগোশিমা, ফুকুওকা, সাগা, ওইতা এবং মিয়াজাকি আফটারশকের জরুরি সতর্কতা জারি করেছে জাপান সরকার।


দাঁড়াও...দাঁড়াও ছেলেগুলো হাত দেখাতেই দাঁড়িয়ে পড়ল শুভেন্দুর কনভয়, মুখ্যমন্ত্রী দিলেন নম্বর, কী বলেছিল ওরা জানেন?
সুনামির সতর্কতাও জারি করা হয়েছে। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, উপকূলবর্তী এলাকায় ১ মিটার পর্যন্ত উচ্চতার ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই উপকূলের কাছে বসবাসকারী প্রত্যেককে নিরাপদ ও উঁচু জায়গায় সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এদিকে, জাপানের সরকারি সংবাদমাধ্যমের দাবি, কয়েকটি এলাকায় ওই উচ্চতার ঢেউ ইতিমধ্যেই আছড়ে পড়তে শুরু করেছে।


এক সপ্তাহের মধ্যেই দ্বিতীয় বড় ভূমিকম্প
গত ২৫ জুন জাপানের উত্তরে ৭.২ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প হয়েছিল। যদিও সেই ঘটনায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির খবর মেলেনি। ২০ এপ্রিল জাপানের উত্তরাঞ্চলে ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছিলেন। উল্লেখ্য, ২০১১ সালে জাপানে ৯ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্প ও সুনামিতে প্রায় ১৮,৫০০ জনের মৃত্যু হয়েছিল। ওই ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ফুকুশিমা পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।

ভিডিয়ো সরানোর জন্য ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রীর কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছে মেটা। তবে, সূত্রের খবর, ঘটনাটিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে কেন্দ্রীয় সরকার। ঘটনার ব্যাখ্যা চেয়ে মেটার (ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম) গ্লোবাল হেড এবং গ্লোবাল হেড অব পাবলিক পলিসিকে তলব করেছে ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক।


ফেসবুক থেকে প্রধানমন্ত্রীর ভিডিয়ো ডিলিট! ক্ষমা চাইল মেটা, সংস্থার শীর্ষকর্তাদের তলব কেন্দ্রের
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।


 নিট নিয়ে চলা বিক্ষোভের মাঝে যুবসমাজকে বার্তা দিতে ভিডিয়ো পোস্ট করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi)। এবার সেই ভিডিয়ো ডিলিট করে দিল মেটা (Meta)। যদিও, কিছুক্ষণের মধ্যেই ভিডিয়ো আবার ফিরে আসে প্রধানমন্ত্রীর সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে। ইতিমধ্যেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে হইচই পড়ে গিয়েছে। কীভাবে ভিডিয়ো ডিলিট হল (PM Modi Video Delete), এই বিষয়ে মেটা-র কাছে জবাবদিহি চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ইতিমধ্যেই ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম-এর শীর্ষ কর্তাদের তলব করা হয়েছে।


কী দাবি মেটার?
ভিডিয়ো সরানোর জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছে মেটা। তবে, সূত্রের খবর, ঘটনাটিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে কেন্দ্রীয় সরকার। ঘটনার ব্যাখ্যা চেয়ে মেটার (ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম) গ্লোবাল হেড এবং গ্লোবাল হেড অব পাবলিক পলিসিকে তলব করেছে ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক। তবে, মেটার দাবি, ভুলবশত এটা হয়েছে। প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে সাময়িকভাবে ভিডিয়োটি সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল ডিলিট হয়ে গিয়েছিল।


অতীন ঘোষকে নিয়ে বড় নির্দেশ দিলেন বিচারপতি ঘোষ
 নিট নিয়ে ভিডিয়ো পোস্ট মোদীর
গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রায় ৩ মিনিটের সেলফি ভিডিয়ো পোস্ট করেছিলেন। সেখানে তিনি নিট-ইউজি প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশে বার্তা দেন। ভিডিয়োতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রশ্নফাঁসের ঘটনা অত্যন্ত গুরুতর এবং এতে লক্ষ লক্ষ ছাত্রছাত্রী ও তাঁদের পরিবারের ক্ষতি হয়েছে। তিনি জানান, অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে জেলে পাঠানো হয়েছে এবং যাতে পড়ুয়াদের একটা বছরও নষ্ট না হয়, সেই লক্ষ্যেই দ্রুত পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে নিট নিয়ে নয়া বিল নিয়েও ঘোষণা করেছিলেন।


ভিডিয়োটি পোস্ট করার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তা রীতিমতো ভাইরাল হয়ে যায়। ইনস্টাগ্রামে ৩০৩ মিলিয়নেরও বেশি ভিউজ় হয়। বাড়ে ফলোয়ার্সের সংখ্যাও। ভিডিয়োটি আপলোড করার আগে ইনস্টাগ্রামে প্রধানমন্ত্রী মোদীর অনুসারীর সংখ্যা ছিল ১০১ মিলিয়ন। কিন্তু পোস্টটি প্রকাশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেই সংখ্যা লাফিয়ে ১০২ মিলিয়নে পৌঁছে যায়।

 পরপর পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার অভিযোগে একমাসেরও বেশি সময় ধরে চলেছে বিক্ষোভ। বিক্ষোভের জেরে পদত্যাগ করেছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। এরপরই বিলে সংশোধনী আনা হচ্ছে। সেই বিল নিয়েই মঙ্গলবার ছিল আলোচনা।


অভিষেকের বক্তব্যের সময় তুমুল উত্তেজনা, বিজেপিকে থামাতে গেলেন
অভিষকের পাশে মহুয়া


পেপার লিক বন্ধ করতে বিলে সংশোধনী আনছে কেন্দ্র। আজ, মঙ্গলবার সেই বিল নিয়ে চলছে আলোচনা। একে একে বলছেন বিরোধীরা। বিলের সমর্থনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায় (Abhishek Banerjee) বক্তব্য রাখতে উঠতেই তুমুল হট্টগোল শুরু হয়ে যায় লোকসভায়। থামাতে ওঠেন সাংসদ মহুয়া মৈত্র। বিজেপির সাংসদদের বারবার চুপ করতে বলেন তিনি। পরে সব পক্ষকে থামিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেন স্পিকারের আসনে থাকা সাংসদ দিলীপ সাইকিয়া।


ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ এদিন বিলের সমর্থনে বলতে উঠতেই হট্টগোল শুরু হয়ে যায়। তখনই সরব হন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া। উঠে চিৎকার করে বলতে থাকেন, “ওদের থামতে বলুন। দেখুন আদতে কে আলোচনা চায় না। ওরা ডিসটার্ব করছে।” বিজেপি সাংসদদের দিকে দেখিয়ে স্পিকার বলেন, “দেখুন ওঁরা সবাই বসে আছে। আপনি দাঁড়িয়ে কথা বলতে পারেন না। বসুন।” এরপর অভিষেক ফের বলতে শুরু করতেই আবারও উত্তাল হয়ে ওঠে সংসদ কক্ষ। ফের উঠে দাঁড়ান মহুয়া। স্পিকার সেই সময় মহুয়াকে থামানোর চেষ্টা করেন। মহুয়া না বসায়, স্পিকার বলতে থাকেন, ‘আপনি বসুন।’ পরে বিজেপি সাংসদদের থামানোর পর পরিস্থিতি আয়ত্তে আসে।



Salman Khan: অসমের বন্যা দুর্গতদের পাশে সলমন খান! কোন দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিলেন ভাইজান?
অভিষেক বলেন, “২০২৪-এ বিল এনে এখনই সংশোধনী আনতে হচ্ছে। এটা লজ্জার। পরীক্ষার্থীরা স্বচ্ছতা চায়। বিল কোনও সমাধান নয়। এই বিল বলে দিচ্ছে এনডিএ ব্যর্থ হয়েছে।” অভিষেকের প্রশ্ন, কেন প্রশ্নফাঁস রুখতে পারে না? তিনি বলেন, “যদি প্রশ্নপত্র নিয়ে যাওয়ার জন্য মিলিটারি হেলিকপ্টার প্রয়োজন হয় তাহলে দেশের পরীক্ষা ব্যবস্থার কী পরিকাঠামো বুঝুন।” অভিষেকের দাবি, এই বিল কোনও সমাধান নয়। এই বিল একটা স্বীকারোক্তি, যে সরকার ব্যর্থ হয়েছে। এটা সরকারের একটা নতুন কৌশল বলে মন্তব্য করেছেন অভিষেক।

বরাদ্দ অর্থ পাওয়ার পরেই জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তৎপরতা শুরু হয়ে গিয়েছে। সম্প্রতি জেলাশাসক এবং এলাকার সাংসদ নিজে ওই পরিত্যক্ত বিমানঘাঁটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন। খুব শীঘ্রই সংশ্লিষ্ট দফতরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও এটি পরিদর্শনে আসবেন বলে জানা গিয়েছে।


বরাদ্দ হয়ে গেল ২০০০ কোটি টাকা, প্রস্তুতি শুরু! এবার জেলাতেই বিমানবন্দর, বদলাচ্ছে অর্থনৈতিক চিত্র! বড় পদক্ষেপ নবান্নের
পুরুলিয়ায় ছররা বিমানবন্দর


দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে এবার আশার আলো দেখছে পুরুলিয়ার ছররা বিমানবন্দর। কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের যৌথ উদ্যোগে এই পরিত্যক্ত বিমানঘাঁটিকে পুনরুজ্জীবিত করার কাজ শীঘ্রই শুরু হতে চলেছে। কেন্দ্র সরকারের ‘উড়ান’ প্রকল্পের আওতায় এই বিমানবন্দরটিকে যুক্ত করে এর আধুনিকীকরণ ও সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের জন্য মোট ২০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সাংসদ।


দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়, ১৯৪২ সালে সামরিক প্রয়োজনে ছররা বিমানবন্দরটি তৈরি করা হয়েছিল। ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত এটি সক্রিয়ভাবে ব্যবহৃত হলেও তারপর থেকেই এটি সম্পূর্ণ পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। বাম আমল থেকেই এই বিমানবন্দরটি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হলেও বাস্তবে কোনও কাজ এগোয়নি। এমনকি বর্তমান তৃণমূল সরকারের আমলে বিগত ১৫ বছরে একাধিকবার এই নিয়ে ঘোষণা হলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। তবে বর্তমান পরিস্থিতির পালাবদলের পর সাম্প্রতিক বাজেটেই ছররা বিমানবন্দর চালুর কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয় এবং এর জন্য ২০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়।


অভিষেকের বক্তব্যের সময় তুমুল উত্তেজনা, বিজেপিকে থামাতে গেলেন
বরাদ্দ অর্থ পাওয়ার পরেই জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তৎপরতা শুরু হয়ে গিয়েছে। সম্প্রতি জেলাশাসক এবং এলাকার সাংসদ নিজে ওই পরিত্যক্ত বিমানঘাঁটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন। খুব শীঘ্রই সংশ্লিষ্ট দফতরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও এটি পরিদর্শনে আসবেন বলে জানা গিয়েছে। বিমানবন্দরটিকে আধুনিক করে গড়ে তুলতে এবং ছোট ও মাঝারি বিমান চলাচলের উপযোগী করতে রানওয়ে-সহ অন্যান্য পরিকাঠামো তৈরি করা হবে। প্রয়োজনে কিছু নতুন জমিও অধিগ্রহণ করা হতে পারে, যে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সংশ্লিষ্ট দফতর।


এই বিমানবন্দরটি চালু হলে পুরুলিয়া ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের অর্থনৈতিক চিত্র সম্পূর্ণ বদলে যাবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। রঘুনাথপুর শিল্প পার্ক এবং ঝাড়খণ্ডের সীমানায় অবস্থিত বিভিন্ন শিল্পতালুকের ব্যবসা ও যোগাযোগ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে সুবিধা হবে। পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড়-সহ আশপাশের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে পর্যটকদের যাতায়াত আরও সহজ হবে। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির জেরে এই জেলায় নতুন নতুন শিল্প গড়ে উঠবে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।

বিমানবন্দর চালুর এই খবরে স্বাভাবিকভাবেই অত্যন্ত খুশি স্থানীয় ব্যবসায়ী মহল থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ ও পর্যটন ব্যবসায়ীরা। দীর্ঘদিনের বঞ্চনা কাটিয়ে ছররা বিমানবন্দর পুরুলিয়াকে দেশের বিমান মানচিত্রে স্থান করে দিতে চলেছে, যা এই পিছিয়ে থাকা জেলার উন্নয়নে এক নতুন মাইলফলক হতে চলেছে।

 অভিষেকের আইনজীবী কিশোর দত্ত এদিন আদালতে দাবি করেন, ওই কার্যালয় ভাঙা নিয়ে পঞ্চায়েত আইন মানা হয়নি। নূন্যতম নোটিস দেওয়া হয়নি লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসকে। দু'পক্ষের সওয়াল শোনার পর বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ আগামী ৬ অগস্ট পর্যন্ত ওই কার্যালয় ভাঙা নিয়ে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেন।


অভিষেকের আমতলার কার্যালয় এখনও ভাঙা যাবে না, রাজ্যের আবেদনে মন্তব্য হাইকোর্টের
আমতলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কার্যালয় নিয়ে কী বলল হাইকোর্ট?

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমতলার কার্যালয় ভাঙা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে বড় দাবি করল রাজ্য সরকার। রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনেরাল (এজি) সুরজিৎ মিত্র মঙ্গলবার হাইকোর্টে বললেন, পাঁচতলা ওই ভবনের মামলাকারীর অংশ ভাঙাই হয়নি। অবৈধ নির্মাণের অভিযোগে যে অংশটি ভাঙা হয়েছে, তা মামলাকারীই নয়। তবে হাইকোর্ট অভিষেকের ওই কার্যালয় ভাঙা নিয়ে আগামী ৬ অগস্ট পর্যন্ত স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দিল।


অবৈধ নির্মাণের অভিযোগে গত ১৮ জুলাই অভিষেকের ওই কার্যালয় ভাঙা শুরু করে প্রশাসন। এর বিরুদ্ধেই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক। সেই মামলায় এদিন রাজ্যের এজি বলেন, মামলাকারী জানিয়েছেন যে লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস ৫০৯ এবং ৫১২ দাগ নম্বরের মালিক। কিন্তু, ওই অংশ ভাঙা হয়নি। এজি দাবি করেন, যে অংশ ভাঙা হয়েছে, তা ৫০৭ দাগ নম্বরের। মামলাকারীর দাগ নম্বরের অংশ ভাঙা হয়নি। ওই কার্যালয় ভাঙা নিয়ে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ প্রত্যাহারের আর্জি জানান।


 অতীন ঘোষকে নিয়ে বড় নির্দেশ দিলেন বিচারপতি ঘোষ
অন্যদিকে, অভিষেকের আইনজীবী কিশোর দত্ত এদিন আদালতে দাবি করেন, ওই কার্যালয় ভাঙা নিয়ে পঞ্চায়েত আইন মানা হয়নি। নূন্যতম নোটিস দেওয়া হয়নি লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসকে। দু’পক্ষের সওয়াল শোনার পর বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ আগামী ৬ অগস্ট পর্যন্ত ওই কার্যালয় ভাঙা নিয়ে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেন। ওই দিন দুপুর দুটোয় শুনানি।


অভিষেকের ওই কার্যালয় কেন ভাঙা শুরু করেছিল প্রশাসন?

সুশান্ত মণ্ডল নামে জনৈক এক ব্যক্তি নির্মাণ নকশা ছাড়া এই পাঁচতলা ভবন তৈরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন। আবার স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, একটি বেকারির জায়গা দখল করে আমতলায় অভিষেকের ওই কার্যালয় তৈরি করা হয়েছে। রাজ্যে পালাবদলের পর জেলা পরিষদে ফের সুশান্ত মণ্ডলের অভিযোগ খতিয়ে দেখার কাজ শুরু হয় এবং নোটিস পাঠানো শুরু করেন জেলা পরিষদের কর্তারা। গত ৩০ জুন দক্ষিণ ২৪ পরগনা প্রশাসনের তরফে নোটিস পাঠানো হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাবা অমিত বন্দ্যোপাধ্যায়কে। লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের ডিরেক্টর হিসাবে অমিত বন্দ্যোপাধ্যায়কে নোটিস পাঠানো হয়। কারণ, এই সম্পত্তিতেও লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের নাম যুক্ত রয়েছে। 

গত ১৫ জুলাই দুপুর ২টোর সময় হাজির হতে বলা হয়েছিল অভিযোগকারী এবং অভিযুক্ত সব পক্ষকেই। নোটিসে জানানো হয়েছিল, সুশান্তের অভিযোগের ভিত্তিতে সকলকে তলব করা হচ্ছে। সব পক্ষকে নিজেদের দাবি কিংবা অভিযোগের সপক্ষে প্রয়োজনীয় নথি-প্রমাণ নিয়ে যেতেও বলা হয়েছিল। কিন্তু নোটিস পেয়েও নির্দিষ্ট দিনে কার্যালয় কর্তৃপক্ষের তরফে হাজিরা দেননি অমিত বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপরই ফের জেলা পরিষদের তরফে অমিত বন্দ্যোপাধ্যায়কে নোটিস দিয়ে জানানো হয়, আমতলার এই সুবিশাল কার্যালয় ভেঙে ফেলা হবে। সেই মতো গত ১৮ জুলাই সকাল অভিষেকের ওই কার্যালয় ভাঙার কাজ শুরু হয়। তার বিরুদ্ধেই আদালতের দ্বারস্থ হন অভিষেক।


বিভিন্ন গ্রাম-গঞ্জে মহিলারা অবৈধ চোলাই মদ নিয়ে প্রায়ই সরব হন। অনেক সময় চোলাই মদের ভাটি ভাঙতে মহিলারাই আসরে নামেন। এবার এই টোল ফ্রি নম্বরে ফোন করলেই দ্রুত পদক্ষেপ করবে প্রশাসন। তেমনই কোনও সরকারি প্রকল্পে কেউ কাটমানি চাইলেই অভিযোগ জানাতে পারবেন সাধারণ মানুষ।

কাটমানি থেকে সিন্ডিকেট! এবার এই চার নম্বরে ফোন করে সরাসরি আপনার অভিযোগ জানান রাজ্যকে
দুর্নীতি রুখতে চালু টোল ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর


সুপ্রিয় গুহ


কলকাতা: তৃণমূল আমলে কাটমানি, দুর্নীতি এই শব্দগুলো অহরহ সামনে আসত। রাজ্যে পালাবদলের পরই দুর্নীতিতে জিরো টলারেন্সের বার্তা দেয় নতুন সরকার। দুর্নীতিতে যুক্ত থাকলে কোনওভাবেই পার পাওয়া যাবে না বলে কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এবার কাটমানি, দুর্নীতি নিয়ে সাধারণ মানুষ যাতে অভিযোগ জানাতে পারেন, সেজন্য টোল ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর চালু করল রাজ্য। মঙ্গলবার এর আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। অভিযোগ জানানোর জন্য চারটি টোল ফ্রি নম্বর জানানো হল।


 অভিষেকের বক্তব্যের সময় তুমুল উত্তেজনা, বিজেপিকে থামাতে গেলেন

অতীন ঘোষকে নিয়ে বড় নির্দেশ দিলেন বিচারপতি ঘোষ
এদিন ভবানীভবনে ওই হেল্পলাইন নম্বরগুলির আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যের বার্তা, দুর্নীতির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ লড়াই। সেই লড়াইয়ে সাধারণ মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে। রাজ্যের স্পষ্ট বার্তা, দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অভিযোগ পেলেই দ্রুত পদক্ষেপ করা হবে।


চারটি টোল ফ্রি নম্বর চালু করা হল-

তৃণমূল আমলে কাটমানি, সিন্ডিকেটের কথা প্রায়ই শোনা যেত। সেসব বন্ধে এবার আলাদা আলাদা হেল্পলাইন নম্বর চালু করল রাজ্য। মোট ৪টি হেল্পলাইন চালু করা হল। কাটমানির অভিযোগ জানাতে একটি টোল ফ্রি নম্বর। সিন্ডিকেট সংক্রান্ত অভিযোগ জানাতে আর একটি হেল্পলাইন নম্বর। জেনে নিন, কোন হেল্পলাইন নম্বরে কোন অভিযোগ জানাতে পারবেন সাধারণ মানুষ।
কাটমানি নিয়ে অভিযোগ জানাতে টোল ফ্রি নম্বরটি হল- ১৫৫৩৩৪
সিন্ডিকেট সংক্রান্ত অভিযোগ জানাতে টোল ফ্রি নম্বরটি হল- ১৫৫৩৩৫
অনৈতিকভাবে রোড ট্যাক্স কিংবা টোল আদায় নিয়ে অভিযোগ জানাতে টোল ফ্রি নম্বরটি হল-১৫৫৩৩৭
অবৈধ চোলাই মদ নিয়ে অভিযোগ জানাতে টোল ফ্রি নম্বরটি হল- ১৫৫৩৩৯
বিভিন্ন গ্রাম-গঞ্জে মহিলারা অবৈধ চোলাই মদ নিয়ে প্রায়ই সরব হন। অনেক সময় চোলাই মদের ভাটি ভাঙতে মহিলারাই আসরে নামেন। এবার এই টোল ফ্রি নম্বরে ফোন করলেই দ্রুত পদক্ষেপ করবে প্রশাসন। তেমনই কোনও সরকারি প্রকল্পে কেউ কাটমানি চাইলেই অভিযোগ জানাতে পারবেন সাধারণ মানুষ। তৃণমূলের আমলে শহরাঞ্চলে সিন্ডিকেটের দাপট মাত্রা ছাড়িয়েছিল বলে অভিযোগ। এবার সিন্ডিকেটের জুলুমবাজি রুখতেও টোল ফ্রি নম্বর চালু করল রাজ্য।

টোল ফ্রি নম্বর চালু নিয়ে মুখ্যসচিব মনোজকুমার আগরওয়াল বলেন, “রাজ্যের যেকোনও প্রান্ত থেকে অভিযোগ জানানো যাবে। ২৪ ঘণ্টা চালু থাকবে এই কন্ট্রোল রুম। প্রত্যেকটি কল রেকর্ড করা হবে। প্রত্যেকটি অভিযোগের নিষ্পত্তি করার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকবে। অভিযোগের ভিত্তিতে কী কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, তা রিভিউ রিপোর্ট মুখ্যমন্ত্রীর কাছে জমা করা হবে। SOP তৈরি করা হয়েছে। রাজ্যে দুর্নীতির যে ক্যানসার ছড়িয়ে পড়েছিল, তার সমাধানের জন্য এই পদক্ষেপ।”

টোল ফ্রি নম্বর নিয়ে কী বললেন কুণাল-

দুর্নীতি দমনে টোল ফ্রি নম্বর নিয়ে কালীঘাট তৃণমূলের বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, “তারাতলায় বিপর্যয়ের পর মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভায় কাগজ দেখিয়ে বললেন, দেখুন কার সই রয়েছে। কাউকে ছাড়া হবে না। ভালো তৃণমূল হয়ে গেল, মুখ্যমন্ত্রী সব ভুলে গেলেন। আবার মুখ্যমন্ত্রী নাম করে বলেছেন, ৮০ থেকে ৯০টি বেআইনি নির্মাণ করেছেন। ভালো তৃণমূল হয়ে গেল। মুখ্যমন্ত্রী তার সঙ্গে হেসে কথা বলছেন। পুলিশ আর দেখতে পাচ্ছে না। সুতরাং টোল ফ্রি নম্বর, দুর্নীতির বিরোধিতা, সব মানলাম। কিন্তু, যারা ভালো তৃণমূল হতে যাচ্ছে, তাদের ক্ষেত্রে পুলিশ চোখ বুঝে বসে থাকছে। এটা করলে আর টোল ফ্রি নম্বরের কী মানে রয়েছে।”

মঙ্গলবারও এই মামলায় আরও গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করে সুপ্রিম কোর্ট। আদালত জানায়, আন্দোলন মোকাবিলায় পুলিশের জন্য নতুন প্রোটোকল তৈরি করা প্রয়োজন। দিল্লি-সহ অন্যান্য রাজ্যে ছাত্র-ছাত্রীদের উপর পুলিশি অত্যাচারের তদন্তের জন্য 'হাই পাওয়ার' তদন্ত কমিটি গঠনেরও ইঙ্গিত দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের পর্যবেক্ষণ, প্রচলিত ধারায় এখন আর ঘটনা ঘটছে না। আন্দোলন নিয়ন্ত্রণ করতে দেশব্যাপী ইউনিফর্ম তৈরির জন্য সংশ্লিষ্ট সবপক্ষকে সহযোগিতা করার আবেদন জানান প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত।


যা ঘটেছে, শুধু ছাত্রদের পক্ষে করা সম্ভব নয়', পশ্চিমবঙ্গ সরকারের থেকেও রিপোর্ট তলব করল সুপ্রিম কোর্ট
সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি


সিজেপি আন্দোলনে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে কড়া মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court)। ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভে (CJP Protest) পুলিশের লাঠিচার্জ মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ, “যাঁরা নিরীহ মানুষের উপর অত্যাচার করেছে, আইন বিচার করবে। এই ঘটনার স্বাধীন, নিরপেক্ষ তদন্তের প্রয়োজন। দায়বদ্ধতা নির্ধারণ না করা হলে তদন্ত অর্থহীন।” একইসঙ্গে, পুলিশি অত্যাচারের তদন্তের জন্য ‘হাই পাওয়ার’ তদন্ত কমিটি গঠনের ইঙ্গিত দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এদিকে, ছাত্র-ছাত্রীদের বিক্ষোভে পুলিশের লাঠিচার্জ, অত্যাচারের ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের থেকে রিপোর্ট তলব করল সুপ্রিম কোর্ট। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও দিল্লি, মহারাষ্ট্র, কেরলম, বিহার, অসম, উত্তর প্রদেশ এবং কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। কোনও ছাত্রছাত্রীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না বলেও রাজ্যগুলিকে নির্দেশ দেন বিচারপতি সূর্য কান্ত।


পুলিশের ‘লাঠিচার্জ’ মামলা
ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভে পুলিশের লাঠিচার্জ প্রসঙ্গে একটি মামলার শুনানি চলছে সুপ্রিম কোর্টে। গত ২০ জুলাই দিল্লির যন্তর-মন্তর থেকে ‘সংসদ চলো’ অভিযান করেন CJP বিক্ষোভকারীরা। সেই সময় পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে এবং লাঠিচার্জ করে বলে অভিযোগ। ঘটনায় তদন্তের আবেদন করা হয়। আরজেডি সাংসদ মনোজ ঝা এই সংক্রান্ত মামলা করেন সুপ্রিম কোর্টে। সোমবারই মামলার পর্যবেক্ষণে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল, ‘সংবিধানে শান্তিপূর্ণভাবে, আইন মেনে বিক্ষোভ-প্রতিবাদ করার অধিকার সম্পূর্ণ নিশ্চিত করা হয়েছে। তাই যতক্ষণ আন্দোলন শান্তিপূর্ণ হচ্ছে, ততক্ষণ শুধু আন্দোলন বলে লাঠিচার্জ করা যায় না।’



 দাঁড়াও...দাঁড়াও ছেলেগুলো হাত দেখাতেই দাঁড়িয়ে পড়ল শুভেন্দুর কনভয়, মুখ্যমন্ত্রী দিলেন নম্বর, কী বলেছিল ওরা জানেন?
পুলিশের ভূমিকা নিয়ে কড়া মন্তব্য শীর্ষ আদালতের
মঙ্গলবারও এই মামলায় আরও গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করে সুপ্রিম কোর্ট। আদালত জানায়, আন্দোলন মোকাবিলায় পুলিশের জন্য নতুন প্রোটোকল তৈরি করা প্রয়োজন। দিল্লি-সহ অন্যান্য রাজ্যে ছাত্র-ছাত্রীদের উপর পুলিশি অত্যাচারের তদন্তের জন্য ‘হাই পাওয়ার’ তদন্ত কমিটি গঠনেরও ইঙ্গিত দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের পর্যবেক্ষণ, প্রচলিত ধারায় এখন আর ঘটনা ঘটছে না। আন্দোলন নিয়ন্ত্রণ করতে দেশব্যাপী ইউনিফর্ম তৈরির জন্য সংশ্লিষ্ট সবপক্ষকে সহযোগিতা করার আবেদন জানান প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত।


প্রধান বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, ‘গণতন্ত্রে আন্দোলন স্বাভাবিক ঘটনা।’ সূর্য কান্তের মতে, “আন্দোলন ও পুলিশি পদক্ষেপ সংক্রান্ত একটি সর্বজনীন প্রোটোকল তৈরি হয়ে গেলে, যাঁরাই অতিসক্রিয়তা বা অন্যায় করেছেন, আইন নিজের হাতে তুলে নিয়েছেন এবং অত্যাচার চালিয়েছেন, তাঁদের সকলকেই আইনের আওতায় আনতে সুবিধা হবে।”

কেন্দ্রের বক্তব্য
কেন্দ্র এবং দিল্লি সরকারের হয়ে সওয়াল করেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। আদালতে বলেন, ছাত্রদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ হয়ে থাকলে কেন্দ্র বিষয়টিকে হালকাভাবে নিচ্ছে না। তাঁর বক্তব্য, “যদি অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ হয়ে থাকে, তাহলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তবে ঘটনায় ২৫০ জন পুলিশকর্মীও আহত হয়েছেন। সত্য সামনে আনতে নিরপেক্ষ তদন্ত দরকার। একইসঙ্গে বাহিনীর মনোবলও ভেঙে দেওয়া উচিত নয়।”

তুষার মেহতার দাবি, আন্দোলনে অংশ নেওয়া ছাত্ররা হিংসায় জড়িত ছিলেন বলে মনে করেন না তিনি। অভিযোগ, আন্দোলনের মধ্যে সমাজবিরোধীরা ঢুকে পড়েছিল। খুন, ধর্ষণ এবং মাদক-সংক্রান্ত মামলায় অভিযুক্ত কিছু ব্যক্তি ওই ভিড়ে মিশে গিয়েছিল বলে সরকারের কাছে তথ্য রয়েছে।

আদালতের পর্যবেক্ষণ
প্রধান বিচারপতি এই বিষয়ে বলেন, “শান্তিপূর্ণ ছাত্র আন্দোলনের মধ্যে সমাজবিরোধীরা ঢুকে পড়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। যা ঘটেছে, তা শুধুমাত্র ছাত্রদের পক্ষে করা সম্ভব নয়। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মধ্যে দুষ্কৃতীরা ঢুকে পড়তে পারে।”

মহিলা,আইনজীবী ও সাংবাদিকদের উপর আক্রমণের অভিযোগের আপাত বাস্তবতা আছে বলেও স্বীকার করেন প্রধান বিচারপতি। এই ঘটনাগুলোর প্রেক্ষিতে স্বতন্ত্র তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি।

রাজ্যগুলিকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের
ছাত্র আন্দোলনের ঘটনায় কেন্দ্র এবং সাতটি রাজ্যের থেকে রিপোর্ট তলব করেছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানিয়েছেন, রিপোর্ট খতিয়ে দেখা হবে। তারপরই নিরপেক্ষ তদন্ত বা সিট গঠনের সিদ্ধান্ত নেবে সুপ্রিম কোর্ট।

শীর্ষ আদালতের আরও নির্দেশ, কোনও ছাত্রছাত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। তবে ক্রিমিনাল রেকর্ড থাকলে পদক্ষেপ করতে হবে পুলিশকে।অপ্রাপ্তবয়স্কদের অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে। সিসিটিভি ফুটেজ, ড্রোন ক্যামেরা, বডি ক্যাম, অন্যান্য ক্যামেরা ভিজ্যুয়াল, ওয়ারলেস কমিউনিকেশনের ডেটা পরবর্তী তদন্তের জন্য সংরক্ষণ করতে হবে


পুলিশকর্মীদের জন্য নানা পদক্ষেপ কথা জানিয়ে পুলিশমন্ত্রীর বক্তব্য, "পুলিশের আবাসন, কিচেন, অফিস-সহ বিভিন্ন জায়গায় অর্থ বরাদ্দ করার পদক্ষেপ করেছি। নানা ধরনের প্রযুক্তিগত সুবিধা যাতে কলকাতা ও রাজ্যের পুলিশ পায়, তার প্রয়াস নেওয়া হয়েছে। আপনারা অনেক পিছিয়ে আছেন পরিকাঠামোগত এবং সরকারি বিভিন্ন সাহায্যের ক্ষেত্রে।"



কলকাতা: দুর্নীতি রুখতে সাধারণ মানুষের জন্য চারটি চালু করল রাজ্য। মঙ্গলবার ভবানীভবনে এই হেল্পলাইনের সূচনা করতে গিয়ে একাধিক বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানালেন, নবান্নে কন্ট্রোল রুম সকাল ৮ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত চালু থাকবে। তবে ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করতে কেউ যাতে মিথ্যা তথ্য না দেন, তা নিয়ে সতর্ক করলেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যে পুলিশের সংখ্যা বাড়াতে ধাপে ধাপে ১ লক্ষ পুলিশকর্মী নিয়োগ হবে বলে তিনি জানালেন। পুলিশকর্মীদের জন্য মাসিক রেশন ভাতা বাড়িয়ে ২০০০ টাকা করার কথাও ঘোষণা করলেন শুভেন্দু।

কী কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?


সিন্ডিকেট, কাটমানি-সহ বিভিন্ন অভিযোগ জানাতে হেল্পলাইন নম্বরের সূচনা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “রাজ্যের মানুষ সকলে ফোন করতে পারবেন। তবে কেউ অপব্যবহার করবেন না। ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করার কাজে ব্যবহার করবেন না। সঠিক তথ্য দিলে উপকার পাবেন। মিথ্যা তথ্য দিলে আইন অনুযায়ী যা নিয়ম আছে তাই হবে।” রাজ্যের পুলিশকে আরও সক্রিয় করার বার্তা দিয়ে শুভেন্দু বলেন, “পুলিশের যে উচ্চতা বিগত দিনে ছিল, সেই জায়গায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করব আমরা। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর তিন দিনের সফরে এসে পুলিশ এবং পুলিশের বিভিন্ন বিভাগকে আরও কীভাবে আধুনিক এবং গতিশীল করা যায়, তাই নিয়ে আলোচলা করেছেন।



পুলিশে নিয়োগের বার্তা পুলিশমন্ত্রী শুভেন্দুর-

রাজ্যে পুলিশকর্মীর সংখ্যা যথেষ্ট কম জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, “ধাপে ধাপে ১ লক্ষ পুলিশকর্মী নিয়োগ হবে রাজ্যে। ৪৭ হাজার শূন্যপদ আছে। OBC জট কাটিয়ে উঠতে পেরেছি। ১৪ হাজার কনস্টেবল কাজে যোগ দেওয়ার জন্য ট্রেনিং নিয়ে বসে আছেন। তাদের দুর্গাপুজোর আগেই কাজে ব্যবহার করতে পারব।” পুলিশকর্মীর সংখ্যা নিয়ে উত্তর প্রদেশকে অনুসরণ করার বার্তা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা উত্তর প্রদেশের সরকারকে অনুসরণ করতে পারি, যেখানে প্রতি ১ লক্ষ জনগণ পিছু ২০০ জন পুলিশকর্মী রয়েছেন।”

পুলিশকর্মীদের জন্য নানা পদক্ষেপ কথা জানিয়ে পুলিশমন্ত্রীর বক্তব্য, “পুলিশের আবাসন, কিচেন, অফিস-সহ বিভিন্ন জায়গায় অর্থ বরাদ্দ করার পদক্ষেপ করেছি। নানা ধরনের প্রযুক্তিগত সুবিধা যাতে কলকাতা ও রাজ্যের পুলিশ পায়, তার প্রয়াস নেওয়া হয়েছে। আপনারা অনেক পিছিয়ে আছেন পরিকাঠামোগত এবং সরকারি বিভিন্ন সাহায্যের ক্ষেত্রে। গাড়িগুলোর ইন্সুরেন্স থাকে না। দুর্ঘটনা ঘটলে বেনিফিট পায় না। চার হাজার গাড়ি ধাপে ধাপে ব্যবস্থা করা হবে। আধুনিক যানবাহনের ব্যবস্থা করব। আপনাদের ধাপে ধাপে প্রশিক্ষণের জন্য পাঠানো হবে।”

কেন্দ্রের NIA-র ধাঁচে রাজ্যে SIA (স্টেট ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি) গঠনের সিদ্ধান্তের কথাও এদিন জানান মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে তিনি জানান, “মহিলা পুলিশকর্মীদের বাড়ির কাছাকাছি পোস্টিংয়ের কথা বলেছি। ১৫ বছরের বেশি যাঁরা দূরের জেলায় কাজ করেছেন, তাঁদের কাছের জেলায় যাতে ফিরিয়ে আনা যায়, তার জন্য বলেছি। পুলিশ আবাসনে জল পড়ে, আমাকে ছবি পাঠিয়েছিলেন। আমি DGP-কে পদক্ষেপ করতে বলেছি। থানার পরিকাঠামো যথাযথ নেই। পুলিশকর্মীদের অর্থনৈতিক অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। সপ্তম পে কমিশন এতদিন পাননি। রিপোর্ট এসে গেলে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে পেয়ে যাবেন। IPS-দের নিচের যাঁরা আছেন, তাঁদের কথা ভাবা হয়নি। আমার করব। তবে একটু সময় লাগবে।”

পুলিশকর্মীদের রেশন ভাতা বাড়ল-

পুজোর আগে পুলিশকর্মীদের জন্য খুশির খবর শোনালেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন তিনি বলেন, শেষবার রেশন ভাতা বেড়েছিল ২০১৭ সালে। সেইসময় থেকে পুলিশকর্মীরা মাসে রেশন ভাতা পান দেড় হাজার টাকা। সেটাই এবার বাড়িয়ে করা হল ২ হাজার টাকা। অক্টোবর থেকে পুলিশকর্মীরা বাড়তি এই রেশন ভাতা পাবেন। ধীরে ধীরে আরও বাড়াবেন বলে জানালেন। একইসঙ্গে তিনি বলেন, “পুজোর আগে অক্টোবরের বেতন দিতে এবং তার সঙ্গে বর্ধিত DA-র টাকা দিতে বলেছি আমি।”


মহেশতলার চট্টায় একটি জিন্স কারখানায় বয়লার ফেটে মর্মান্তিক মৃত্যু হল এক ব্যক্তির। নিহত ব্যক্তির বয়স আনুমানিক ৪০ বছর। ঘটনার পরেই নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন; মহেশতলা থানা ইতিমধ্যেই কারখানাটি সিল করে দিয়েছে।



চাঞ্চল্যকর তথ্য হল, দুর্ঘটনার কবলে পড়া ওই 'ফেড জিন্স' কারখানার মালকিন হলেন দক্ষিণ ২৪ পরগণার প্রাক্তন জেলা পরিষদের সভাধিপতি শামিমা শেখ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার হঠাৎই বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে পুরো চত্বর। কারখানার ভেতরে থাকা বয়লারটি আচমকাই ফেটে যাওয়ায় গুরুতর আহত হন ওই শ্রমিক। তৎক্ষণাৎ তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।


নিরাপত্তার তোয়াক্কা না করে কীভাবে এই কারখানা চলছিল এবং বয়লার রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষেত্রে কী ত্রুটি ছিল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। কারখানা মালিক শামিমা শেখের বিরুদ্ধে কী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়, সেদিকেই এখন নজর রয়েছে সকলের। ঘটনার জেরে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

সাধারণ মানুষের জন্য অত্যন্ত কম মূল্যে পুষ্টিকর খাবার পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে সোনারপুর দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রে চালু হলো নতুন 'মা আহার' ক্যান্টিন। এই ক্যান্টিনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সোনারপুর দক্ষিণের বিধায়িকা রূপা গাঙ্গুলী।



এদিন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় বহু সাধারণ মানুষ ও দলীয় কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। ফিতা কেটে ক্যান্টিনের সূচনা করার পর বিধায়িকা নিজে উপস্থিত সাধারণ মানুষের হাতে খাবার তুলে দেন। 


এই উদ্যোগের ফলে এলাকার দরিদ্র ও কর্মজীবী মানুষ অত্যন্ত সাশ্রয়ী মূল্যে স্বাস্থ্যসম্মত ও মানসম্মত খাবার পাবেন। এলাকার সাধারণ মানুষ ও উপকৃত প্রবীণ নাগরিকরা এই জনকল্যাণমূলক পদক্ষেপে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন।
 ছাত্রের কাকার অভিযোগ স্কুল থেকে ফোন করে বলা হয় ছাত্র পড়ে গিয়েছে দেশবন্ধু নগর হাসপাতালে এসে ওই ছাত্রের গায়ে কোন কত চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে বাগুইআটি থানার পুলিশতবে এই বিষয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ কোন ধরনের মন্তব্য করেননি।

আমাকে আগের সপ্তাহেও গার্ডিয়ানস্ মিটিংয়ে ডেকেছিল...বললাম নমাজ পড়ছিলাম ডাকলেন কেন?', স্কুলে সবে টিফিন মুখে তুলেছিল রায়হান, হঠাৎই খবর গেল বাড়িতে...
ইনসেটে ছাত্রের বাবা

 স্কুলের টিফিন-আওয়ার্স। ক্লাস থেকে বেরিয়ে ব্যাগ থেকে টিফিন বাক্সটা বার করেছিল রায়হান। রুটিটা মুখে দেওয়ার সময়েই আচমকা মুখ থুবড়ে পড়ে যায়। আর চোখেমুখে অন্ধকার, শরীরে নেই কোনও সাড়। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগেই শেষ বছর পনেরোর রায়হান। স্তম্ভিত সহপাঠীরাও। দশম শ্রেণির ছাত্রের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে বাগুইআটির একটি স্কুলে চাঞ্চল্য। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম মহম্মদ রায়হান।


স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, স্কুলের টিফিন টাইমে খাবার খেতে গিয়ে পড়ে যায় রায়হান। তবে ছাত্রের বাবার অভিযোগ, স্কুলের মধ্যে চার-পাঁচজন ছাত্র রয়েছে, যারা তার ছেলেকে প্রায়ই মারধর করত। গত সপ্তাহে গার্ডিয়ান মিটিংয়ে ছাত্রের বাবাকে ডাকা হয়েছিল।


হাসপাতালে ভর্তি রাম চরণ, চলছে অপারেশন, কী হয়েছে দক্ষিণী তারকার?
সোমবার সকালে ছাত্রের কাকার অভিযোগ স্কুল থেকে ফোন করে বলা হয় ছাত্র পড়ে গিয়েছে দেশবন্ধু নগর হাসপাতালে এসে ওই ছাত্রের গায়ে কোন কত চিহ্ন পাওয়া যায়নি। স্কুলের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে বাগুইআটি থানার পুলিশ।


কথা বলার মতো পরিস্থিতিতেই নেই বাবা-মা। তার মধ্যেও বাবা বললেন, “স্কুল ভালো, স্কুলের বিরুদ্ধে সত্যিই আমার কোনও অভিযোগ নেই। কিন্তু আমাকে আগের সপ্তাহে গার্ডিয়ানস্ মিটিংয়ে ডেকেছিল। তখনই বলেছিলাম, ওদের ক্লাসের কয়েকজন ছেলে মারধর করেন। আমার ছেলে যদি দুষ্টু হত, বলতাম। আপনারা তো জানেন কারা করছে!”

ছাত্রের মা বলেন, “আমাকে আজকেও বললেও, স্কুলে আমাকে প্রজেক্ট জমা দিতে হবে। আমি ৩ দিন স্কুলে যাব। আমাকে স্কুল থেকে বলল, ও অজ্ঞান হয়ে গিয়েছে। আমি নমাজ পড়ে এসে দেখলাম, আমার ছেলেটা নাই। স্কুলের ছেলেরা বলল টিফিন খালছিল। ওরা হঠাৎ আওয়াজ শোনে, দেখে ও পড়ে গিয়েছে। শ্বাস নিতে অসুবিধা হচ্ছিল।” দেহ আপাতত ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ। এখনও গোটা বিষয়টি নিয়ে স্তব্ধ স্কুল কর্তৃপক্ষ।

 ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার পরই ওড়িশার বিজেপি সাংসদ অপরাজিতা সারাঙ্গীর মেয়ে অর্চিতা সারাঙ্গী ইন্সটাগ্রামে শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার খবরের শিরোনামের ছবি পোস্ট করেন। এর কিছুক্ষণ পরই তিনি আবার লেখেন, "আমি পোস্ট ডিলিট করব না"।


ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা নিয়ে পোস্ট করতেই 'Delete' করার চাপ? কড়া জবাব বিজেপি সাংসদ-কন্যার
ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা নিয়ে পোস্ট করতেই বিতর্ক।

শিক্ষামন্ত্রী পদ থেকে ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা (Dharmendra Pradhan Resignation) দিতেই ইন্সটাগ্রামে পোস্ট করেছিলেন বিজেপি সাংসদের মেয়েও। তারপরই নাকি চাপ সৃষ্টি করা হয় সেই পোস্ট ডিলিট করার জন্য। তবে অনড় বিজেপি সাংসদের মেয়েও। তিনি ফের ইন্সটাগ্রামে পোস্ট করেই বললেন, “আমি পোস্ট ডিলিট করব না।”


নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসকে কেন্দ্র করে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে সরব হয়েছিল ছাত্র-যুবরা। অবশেষে শনিবার সেই দাবি পূরণ হয়। কেন্দ্রের সঙ্গে ককরোচ জনতা পার্টির তৃতীয় দফা বৈঠক শুরুর আগেই কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন ধর্মেন্দ্র প্রধান।

 'আমাকে আগের সপ্তাহেও গার্ডিয়ানস্ মিটিংয়ে ডেকেছিল...বললাম নমাজ পড়ছিলাম ডাকলেন কেন?', স্কুলে সবে টিফিন মুখে তুলেছিল রায়হান, হঠাৎই খবর গেল বাড়িতে...


প্রধানমন্ত্রীর কুরুচিকর ছবি নিয়ে চরম বিতর্কে শ্রীলেখা! FIR হতেই 'ফাঁসিতে চড়াবেন?'...
তাঁর ইস্তফার পরই ওড়িশার বিজেপি সাংসদ অপরাজিতা সারাঙ্গীর মেয়ে অর্চিতা সারাঙ্গী ইন্সটাগ্রামে শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার খবরের শিরোনামের ছবি পোস্ট করেন। এর কিছুক্ষণ পরই তিনি আবার লেখেন, “আমি পোস্ট ডিলিট করব না”। জল্পনা শুরু হয়, তাহলে কি বিজেপি সাংসদের কন্যার উপরে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে পোস্ট ডিলিট করার জন্য?


‘ডিপি’স পিএ’ (DP’s PA) বলে উল্লেখ করে অর্চিতা লেখেন, “ডিপি’স পিএ, যিনি আমার মাকে মেসেজ করে বলেছেন যে আগের স্টোরি যেন ডিলিট করে দিই- দয়া করে চেষ্টা করবেন না। আমি ইস্তফা দেব না। জয় জগন্নাথ! জয় হিন্দি!”

এর কিছুক্ষণ পর থেকেই অর্চিতার ইন্সটাগ্রাম অ্যাকাউন্ট ডি-অ্যাক্টিভেট করা। এদিকে, অর্চিতার মা, বিজেপি সাংসদ অপরাজিতা সারাঙ্গী ধর্মেন্দ্র প্রধানকেই সমর্থন জানিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের নৈতিক দায় নিয়ে তিনি ইস্তফা দিয়েছেন। এটা সাহসিকতার প্রমাণ।

প্রসঙ্গত, অপরাজিতা সারাঙ্গী রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার আগে অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অফিসার ছিলেন। ২০২৪ সালে তিনি ভুবনেশ্বর আসন থেকে বিজেপির প্রার্থী হন এবং বিজেডির প্রার্থীকে ৩৫ হাজার ভোটে হারান। ধর্মেন্দ্র প্রধানও ওড়িশার বিজেপি নেতা। রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পিছনে বিরাট ভূমিকা পালন করেছেন তিনি।


ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশে দেওয়া ভিডিয়ো বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, "প্রশ্নফাঁসের মতো অপরাধের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আদালত এবং কড়া আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে শুধু আইন করলেই হবে না, পরীক্ষা ব্যবস্থাকেও আরও শক্তিশালী করতে হবে, যাতে মানুষের আস্থা ফিরে আসে।"


AADHAAR-র রূপকার থেকে ISRO-র প্রাক্তন প্রধান-দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় বদল আনবে মোদীর এই টাস্ক ফোর্সই

ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন। পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস রুখতে বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের, নতুন টাস্ক ফোর্স (Task Force) গঠন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi)। রবিবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশের পরীক্ষা ব্যবস্থাকে আরও নিরাপদ ও স্বচ্ছ করতে একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন টাস্ক ফোর্স গঠনের ঘোষণা করেন। এই কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়েছে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ও ইনফোসিসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা নন্দন নিলেকানিকে। এছাড়াও প্রযুক্তি, মহাকাশ, নিরাপত্তা, শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশাসনের ছয়জন বিশেষজ্ঞ এই কমিটিতে রয়েছেন।


ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশে দেওয়া ভিডিয়ো বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “প্রশ্নফাঁসের মতো অপরাধের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আদালত এবং কড়া আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে শুধু আইন করলেই হবে না, পরীক্ষা ব্যবস্থাকেও আরও শক্তিশালী করতে হবে, যাতে মানুষের আস্থা ফিরে আসে।”



নন্দন নিলেকানির নেতৃত্বে প্রযুক্তিনির্ভর সংস্কার-
১৯৫৫ সালের ২ জুন বেঙ্গালুরুতে জন্ম নন্দন নিলেকানির। তিনি আইআইটি বম্বে থেকে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বি.টেক করেন। আধার (Aadhaar) প্রকল্পের অন্যতম রূপকার হিসাবে পরিচিত নিলেকানি। পরীক্ষায় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে প্রশ্নফাঁস রোধ, নিরাপত্তা জোরদার এবং পুরো প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ করার জন্য তিনি সুপারিশ করবেন বলেই জানা গিয়েছে।


এস সোমনাথের বড় প্রযুক্তি প্রকল্পের অভিজ্ঞতা- 
কেরলের আলাপ্পুঝা জেলার বাসিন্দা এস সোমনাথ ২০২২ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত ইসরোর চেয়ারম্যান ছিলেন। প্রায় ৪০ বছরের অভিজ্ঞ এই মহাকাশ বিজ্ঞানী রকেট ও মহাকাশ প্রযুক্তি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। পরীক্ষা ব্যবস্থায় আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়ে তাঁর অভিজ্ঞতা কাজে লাগবে।

নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করবেন তপন কুমার ডেকা-
অসমের বরপেটা জেলার বাসিন্দা তপন কুমার ডেকা ১৯৮৮ ব্যাচের আইপিএস অফিসার। তিনি ২০২২ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর (IB) ডিরেক্টর ছিলেন। সন্ত্রাসবাদ দমন, ২৬/১১ মুম্বই হামলার তদন্ত, ইন্ডিয়ান মুজাহিদিনের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জম্মু-কাশ্মীর ও উত্তর-পূর্ব ভারতের নিরাপত্তা অভিযানে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। পরীক্ষার নিরাপত্তা জোরদারে তাঁর অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো হবে।

অ্যাকাডেমিক ও প্রযুক্তিগত পরামর্শ দেবেন আইআইটি মাদ্রাজের পরিচালক ভি কামাকোটি-
চেন্নাইয়ে জন্ম ভি কামাকোটির। তিনি বর্তমানে আইআইটি মাদ্রাজের ডিরেক্টর। কম্পিউটার আর্কিটেকচার, সাইবার নিরাপত্তা এবং ভিএলএসআই প্রযুক্তির বিশেষজ্ঞ তিনি। জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা বোর্ডের সদস্য হওয়ার পাশাপাশি কেন্দ্রের এআই টাস্ক ফোর্সেরও চেয়ারম্যান ছিলেন। পরীক্ষা ব্যবস্থায় প্রযুক্তিগত উন্নয়নের বিষয়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ মতামত দেবেন।

শিক্ষা নীতির অভিজ্ঞতা কাজে লাগাবেন অনিতা কারওয়াল-
১৯৮৮ ব্যাচের আইএএস অফিসার অনিতা কারওয়ালের প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা ৩৬ বছরেরও বেশি। তিনি ২০১৭ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত সিবিএসই-র চেয়ারম্যান ছিলেন। পরে স্কুল শিক্ষা ও সাক্ষরতা দফতরের সচিব হিসেবে জাতীয় শিক্ষা নীতি (NEP 2020) এবং নতুন জাতীয় পাঠ্যক্রম তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

প্রশাসনিক দক্ষতার দায়িত্বে অমৃত লাল মীনা-
রাজস্থানে জন্ম অমৃত লাল মীনার। তিনি ১৯৮৯ ব্যাচের আইএএস অফিসার। বিহারের মুখ্যসচিব এবং কেন্দ্রীয় কয়লা মন্ত্রকের সচিব হিসেবে কাজ করেছেন মীনা। প্রশাসন ও বৃহৎ পরিসরের কাজ পরিচালনায় তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা পরীক্ষা পরিচালনার দক্ষতা বাড়াতে কাজে লাগবে।

কী করবে এই টাস্ক ফোর্স?
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, এই বিশেষজ্ঞ কমিটি দেশের পরীক্ষা ব্যবস্থাকে আরও নির্ভরযোগ্য, স্বচ্ছ এবং প্রযুক্তিনির্ভর করার জন্য সুপারিশ করবে। বিশেষ করে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (NTA)-কে আরও শক্তিশালী করা, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ানো এবং প্রশ্নফাঁস রোধে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হবে।

কেন্দ্র জানিয়েছে, এই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই ভবিষ্যতে পরীক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কার আনা হবে। একই সঙ্গে প্রশ্নফাঁস ও পরীক্ষায় জালিয়াতির বিরুদ্ধে আরও দ্রুত তদন্ত, দ্রুত বিচার এবং কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করার দিকেও সরকার এগোচ্ছে।

 ঘণ্টায় ৬০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া, দুপুরেই বাংলায় এন্ট্রি অতি গভীর নিম্নচাপের! দুর্যোগের আশঙ্কা এই সব জেলায়...
ফাইল চিত্র।

কলকাতা: বাংলার আকাশে নিম্নচাপ (Depression)। তুমুল বৃষ্টি হবে আজ থেকে। এমনটাই পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া অফিস (Weather Office)। বঙ্গোপসাগরের উপরে তৈরি হয়েছে অতি গভীর নিম্নচাপ। বাংলা হয়েই সেই নিম্নচাপ স্থলভাগে ঢুকছে। 


আলিপুর আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বাংলা-ওড়িশা উপকূলে রয়েছে নিম্নচাপ। আজ দুপুরে ক্যানিং ও চাঁদবালির মাঝে অর্থাৎ কাঁথির কাছ দিয়ে স্থলভাগে ঢুকবে অতি গভীর নিম্নচাপ। এই নিম্নচাপ যত স্থলভাগে ঢুকবে, ততই দুর্যোগ বাড়বে। নিম্নচাপের মূল প্রভাব ওড়িশায় পড়লেও সতর্কতা জারি করা হয়েছে বাংলাতেও।

৯ বছরের ছোট ক্রিকেটার যশস্বীর সঙ্গে প্রেম করছেন ম্রুণাল ঠাকুর?
শক্তিশালী নিম্নচাপে দিনভর দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া থাকবে। পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগণা, পশ্চিমাঞ্চলের ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়াতে দফায় দফায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। 


ইতিমধ্যেই কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে উপকূল ও পশ্চিমাঞ্চলে। উপকূলে ঘণ্টায় ৬০ কিমি বেগে দমকা বাতাস বইতে পারে। ২৯ জুলাই, বুধবার পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

নিম্নচাপের প্রভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে কলকাতা ও শহরতলিতেও। আজ থেকে বৃষ্টি বাড়বে উত্তরবঙ্গেও। সোমবার থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা উত্তরবঙ্গের উপরের দিকের পার্বত্য জেলাগুলিতে। দার্জিলিং, কালিম্পং থেকে শুরু করে কোচবিহারে বিক্ষিপ্তভাবে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা থাকবে। বুধ-বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ারেও অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

এতদিন, হাওড়া স্টেশনে সবথেকে দীর্ঘ প্ল্যাটফর্ম ছিল ৯ নম্বর প্ল্যাটফর্ম। কিন্তু, তা যথেষ্ঠ ছিল না। তাই, ২৪ নম্বর প্ল্যাটফর্ম তৈরির সিদ্ধান্ত নেয় পূর্ব রেল। আর এটাই এখন হাওড়া স্টেশনের দীর্ঘ প্ল্যাটফর্ম। এই প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ প্রায় ৬৩৫ মিটার। জানা গিয়েছে, প্রায় ২৬ বগির ট্রেন অনায়াসে দাঁড়াতে পারবে এই নতুন প্ল্যাটফর্মে।

 ২৬ বগির ট্রেন দাঁড়াবে অনায়াসে, সোমবার থেকে হাওড়া স্টেশনে চালু হচ্ছে নয়া প্ল্যাটফর্ম, কত খরচ হয়েছে জানেন?
হাওড়া স্টেশনের নয়া প্ল্যাটফর্ম

যাত্রীদের জন্য সুখবর। সোমবার থেকে হাওড়া স্টেশনে (Howrah Station) চালু হচ্ছে নয়া প্ল্যাটফর্ম। হাওড়া স্টেশনে (Howrah Station New Platform) সিগন্যালে দীর্ঘক্ষণ ট্রেন দাঁড়িয়ে থাকে। এই নিয়ে যাত্রীদের অভিযোগ বহুদিনের। যাত্রী দুর্ভোগ কমাতে আগেই নতুন প্ল্যাটফর্ম চালুর ঘোষণা করেছে ভারতীয় রেল। এবার সেই নতুন ২৪ নম্বর প্ল্যাটফর্মে সোমবার থেকে যাত্রী পরিষেবা শুরু হচ্ছে।


হাওড়া স্টেশনে দীর্ঘ প্ল্যাটফর্ম
এতদিন, হাওড়া স্টেশনে সবথেকে দীর্ঘ প্ল্যাটফর্ম ছিল ৯ নম্বর প্ল্যাটফর্ম। কিন্তু, তা যথেষ্ঠ ছিল না। তাই, ২৪ নম্বর প্ল্যাটফর্ম তৈরির সিদ্ধান্ত নেয় পূর্ব রেল। আর এটাই এখন হাওড়া স্টেশনের দীর্ঘ প্ল্যাটফর্ম। এই প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ প্রায় ৬৩৫ মিটার। জানা গিয়েছে, প্রায় ২৬ বগির ট্রেন অনায়াসে দাঁড়াতে পারবে এই নতুন প্ল্যাটফর্মে। আজ ভোর পাঁচটা থেকেই নতুন প্ল্যাটফর্ম থেকে যাত্রী পরিষেবা চালু হবে বলে জানা গিয়েছিল। কিন্তু, সেই পরিষেবা এখনও শুরু হয়নি। দুপুরের দিকে যাত্রী পরিষেবা চালু হবে বলে জানা গিয়েছে।


ককরোচ' পার্টির অভিজিৎকে Follow করলেন প্রিয়াঙ্কা! জল্পনা শুরু বলিপাড়ায়
কত খরচ হয়েছে জানেন?
জানেন কি, এই নয়া প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে রেলের কত খরচ হয়েছে? পূর্ব রেল সূত্রে খবর, দীর্ঘ ২৪ নম্বর প্ল্যাটফর্ম প্রায় তিন কোটি টাকা দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। উল্লেখ্য, মূলত দূরপাল্লার মেল ও এক্সপ্রেস ট্রেনের কথা মাথায় রেখেই নতুন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হয়েছে।


উল্লেখ্য, জুলাই মাসেই হাওড়া স্টেশন ও হাওড়া ডিভিশনের রেল পরিকাঠামোয় একাধিক বড় উন্নয়নের ঘোষণা করে পূর্ব রেল। নতুন ট্রেন পরিষেবার পাশাপাশি প্ল্যাটফর্ম সম্প্রসারণ… বলা ভালো নতুন করে হাওড়া স্টেশনকে সাজানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। ২৪ নম্বর প্ল্যাটফর্মের পাশাপাশি দীর্ঘ দূরত্বের ট্রেন পরিচালনার সুবিধার্থে ১০-১১ এবং ১২-১৩ নম্বর প্ল্যাটফর্মের সম্প্রসারণের কাজ চলছে। এদিকে, ১৬ নম্বর প্ল্যাটফর্মের কাজ চলছে। যদিও তা চালু করতে সময় লাগবে বলেও জানান হাওড়া ডিভিশনের কর্তারা।

এই দাবিতেই আজ লোকসভায় আলোচনার দাবি জানাবে কংগ্রেস-সহ বিরোধীরা। ইতিমধ্যেই একাধিক মুলতবি প্রস্তাব জমা পড়েছে সংসদের দুই কক্ষে। সকাল ১০টায় ইন্ডিয়া ব্লকের সংসদীয় দলের নেতাদের বৈঠকে ফ্লোর কো-অর্ডিনেশন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।


'ছররা গুলি চালানোর অনুমতি কে দিয়েছিল?', প্রশ্ন রাহুলের, 'ককরোচ'রা বাড়ি ফিরলেও কেন্দ্রকে ছাড়ছে না বিরোধীরা
সংসদে আজও সুর চড়াবে বিরোধীরা।

এক সপ্তাহ ধরে সংসদে কার্যত অচলাবস্থা চলার পর আজ হাইভোল্টেজ অধিবেশন (Parliament Assembly)। আজ, সোমবারই সংসদে পেশ হতে চলেছে প্রশ্নপত্র ফাঁস রুখতে সংশোধনী বিল। এদিকে, বিরোধীরাও তাদের আক্রমণ শানাচ্ছে। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী পদ থেকে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা, নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস সহ একাধিক ইস্যুতে আক্রমণ করবে তারা।


নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস ঘিরে দেশজুড়ে ছাত্র-যুবদের আন্দোলন বিরাট রূপ নিয়েছিল দিল্লির যন্তর মন্তরে। এরপরেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আশ্বাস দেন যে প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে কড়া ব্যবস্থা করা হবে। আগে যে আইন ছিল, তাতে সংশোধন করে আরও কঠোর আইন আনা হবে। এই বিলের নাম দ্য পাবলিক এক্সামিনেশনস (প্রিভেনশন অব আনফেয়ার মিনস) অ্যাক্ট ২০২৪ (The public examinations (prevention of unfair means) act 2024)। এতে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা ও ৫ থেকে ১০ বছরের জেলের বিধান দেওয়া হয়েছে।

'আমাকে আগের সপ্তাহেও গার্ডিয়ানস্ মিটিংয়ে ডেকেছিল...বললাম নমাজ পড়ছিলাম ডাকলেন কেন?', স্কুলে সবে টিফিন মুখে তুলেছিল রায়হান, হঠাৎই খবর গেল বাড়িতে...
Kangana Ranaut: 'আরশোলার মতোই ওরা নোংরা', 'ককরোচ'দের কটাক্ষ কঙ্গনার
ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় এই বিল সবুজ সঙ্কেত পেয়েছে। আজ সংসদে এই সংশোধনী বিল পেশ করা হবে। চলতি সপ্তাহেই লোকসভা এবং রাজ্যসভায় এই বিল পাস করাতে বদ্ধপরিকর সরকার।


এই বিল পেশের সময় বিরোধীরা হট্টগোল করলে, বিরোধীরা শিক্ষা পরিকাঠামো সংস্কারে বাধা দিচ্ছে বলে প্রচার শুরু করবে বিজেপি। এমনটাই তাদের স্ট্র্যাটেজি।

অন্যদিকে, দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টি তাদের আন্দোলন তুলে নিলেও, এই ইস্যুকে সহজে ছাড়ছে না বিরোধীরা। তারা সংসদেও প্রশ্নফাঁস এবং সংসদ অভিযানে ছাত্র-ছাত্রীদের উপরে লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস ছোড়া নিয়ে সরব হবে।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)-কে একটি খোলা চিঠি লিখেছেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। সেখানে তিনি প্রশ্ন করেছেন, সংসদ অভিযানের দিন (২০ জুলাই) ছাত্রদের উপরে পেলেট গান বা ছররা গুলি ব্যবহার করেছিল পুলিশ। এই পেলেট গান ব্যবহারের অনুমতি কে দিয়েছিল? তিনি আরও প্রশ্ন করেছেন যে সাধারণ পোশাকে লাঠি হাতে ছাত্র-ছাত্রীদের মারছিল কারা? ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর পুলিশ অত্যাচারের এই যাবতীয় প্রশ্নের জবাব দিতে হবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে। বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি পাঠিয়েছেন এই মর্মে।

এই দাবিতেই আজ লোকসভায় আলোচনার দাবি জানাবে কংগ্রেস-সহ বিরোধীরা। ইতিমধ্যেই একাধিক মুলতবি প্রস্তাব জমা পড়েছে সংসদের দুই কক্ষে। সকাল ১০টায় ইন্ডিয়া ব্লকের সংসদীয় দলের নেতাদের বৈঠকে ফ্লোর কো-অর্ডিনেশন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।




প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যবইতে ১৬০০-রও বেশি ভুল পাওয়া গিয়েছে।ওড়িশার পাহাড়কে ঝাড়খণ্ডের মানচিত্রে দেখানো থেকে শুরু করে পঞ্চম শ্রেণির পাঠ্যবইতে হিন্দি গান ছাপানো- চোখে পড়ার মতো ভুল নজরে আসতেই ওড়িশাব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিজেডির ছাত্র শাখা। 

ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার পরই তিন রাজ্যে শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার দাবিতে আন্দোলন, ক্রমশ ছড়াচ্ছে অশান্তির আগুন
ছাত্র আন্দোলন দিকে দিকে।

ছাত্র-যুবদের আন্দোলনের মুখে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan)। তবে বিদ্রোহের আগুন কিন্তু এখনও নেভেনি। ধর্মেন্দ্র প্রধানের পর এবার তিন রাজ্যে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ আন্দোলনে ক্রমশ ছড়াচ্ছে অশান্তির আগুন।


বিজেপি শাসিত ছত্তীসগঢ়ে (Chhattisgarh) শিক্ষা ব্যবস্থার বেহাল দশার অভিযোগে শিক্ষামন্ত্রী গজেন্দ্র যাদবের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিলে উত্তাল হয়ে উঠছে রায়পুর। সম্প্রতি নিট পরীক্ষায় (NEET Exam) ভালো ফল করতে না পারার জন্য আত্মহত্যা করেন জগদলপুরের এক ছাত্রী। তার মৃত্যুর নৈতিক দায় নিয়ে ছত্তীসগঢ়ের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করছে কংগ্রেস (Congress)।



আরশোলার মতোই ওরা নোংরা', 'ককরোচ'দের কটাক্ষ কঙ্গনার
অন্যদিকে, ধর্মেন্দ্র প্রধানের নিজের রাজ্য ওড়িশাতেও (Odisha) ত্রুটিতে ভরা টেক্সটবুকের ইস্যুতে শিক্ষামন্ত্রী নিত্যানন্দ গন্ডের পদত্যাগ চাইছে কংগ্রেস এবং বিজেডি। প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যবইতে ১৬০০-রও বেশি ভুল পাওয়া গিয়েছে।ওড়িশার পাহাড়কে ঝাড়খণ্ডের মানচিত্রে দেখানো থেকে শুরু করে পঞ্চম শ্রেণির পাঠ্যবইতে হিন্দি গান ছাপানো- চোখে পড়ার মতো ভুল নজরে আসতেই ওড়িশাব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিজেডির ছাত্র শাখা।



পঞ্জাবেও উঠেছে শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার দাবি। সম্প্রতি সেখানে ফার্মেসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে যায়। এই নিয়ে আপ সরকারের শিক্ষামন্ত্রী হরজ্যোত সিং বেইনসের পদত্যাগের দাবিতে পথে নেমেছে কংগ্রেস। পাল্টা আপ সরকারের বিরুদ্ধে কংগ্রেস এবং বিজেপির চক্রান্তের অভিযোগ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান।

 সুপ্রিম কোর্টে রাজ্যসভার সাংসদ মনোজ কুমার ঝা এই নিয়ে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছেন। একাধিক রাজ্যেই ছাত্র আন্দোলন চলছে। আন্দোলনকারীদের থামাতে পুলিশ যেমন লাঠিচার্জ করেছে, তেমনই কাঁদানে গ্যাস, জলকামান ব্যবহার করেছে।

 প্রকাশ্যেই আন্দোলনকারী ছাত্রদের উপরে AK-47 দিয়ে গুলি চালাল পুলিশ অফিসার! ভয়ঙ্কর ভিডিয়ো সামনে
এই পুলিশ অফিসার গুলি চালান ছাত্রদের লক্ষ্য করে।


আন্দোলনকারী ছাত্রদের উপরে গুলি? বিতর্কিত ভিডিয়ো প্রকাশ্যে। বিহারে ছাত্রদের আন্দোলনে এক পুলিশ অফিসারকে একে-৪৭ দিয়ে গুলি চালাতে দেখা গেল। এই ভিডিয়ো সামনে আসতেই ওই পুলিশ অফিসারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।


গত ২৫ জুলাই ‘বিহার বনধ’ (Bihar Bandh) ডাকা হয়েছিল নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসকে কেন্দ্র করে। সূত্রের খবর, ছাত্রদের মিছিলে ওই পুলিশ অফিসার গুলি চালান। কমপক্ষে চার থেকে পাঁচ রাউন্ড গুলি চালিয়েছিলেন আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে, যদিও ভাইরাল ভিডিয়োয় ওই পুলিশ অফিসারকে এক রাউন্ড গুলি চালাতেই দেখা গিয়েছে।



 ডি.লিট পেলেন সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়, 'নেতা হতে চেয়েছিলাম কিন্তু...' বললেন অভিনেত্রী
ভাইরাল ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, অভিষেক পটেল নামক ওই পুলিশ অফিসার নীল রঙের হেলমেট ও বুলেটপ্রুফ ভেস্ট পরে আছেন এবং একে-৪৭ বন্দুক নিয়ে দৌড়চ্ছেন। অন্তত একটি গুলি চালাতে স্পষ্ট বোঝা যায়। এরপরে তাঁর সহকর্মীরাও তাঁকে অনুসরণ করেন। এক পুলিশ অফিসার মাটি থেকে কিছু একটা তুলে ছুড়ে মারতে দেখা যায়।



সুপ্রিম কোর্টে রাজ্যসভার সাংসদ মনোজ কুমার ঝা এই নিয়ে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছেন। একাধিক রাজ্যেই ছাত্র আন্দোলন চলছে। আন্দোলনকারীদের থামাতে পুলিশ যেমন লাঠিচার্জ করেছে, তেমনই কাঁদানে গ্যাস, জলকামান ব্যবহার করেছে।

বিহারের সিওয়ানেও বিক্ষোভকারীদের উপরে গুলি চলেছে। তিনজন জখম হন।
মামলায় বলা হয়েছে, বিতর্কিত পোস্ট এবং ডিপফেক ভিডিয়োগুলিতে নিতিন গড়করী ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে E20 ইথানল কর্মসূচি থেকে আর্থিক লাভের অভিযোগ জুড়ে দেওয়া হয়েছে। যদিও ইথানল মিশ্রণের নীতি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের, গড়করী বা তাঁর পরিবারের নয়।
  

E20-তে লাভবান হচ্ছে নিতিন গড়করীর পরিবার? হাইকোর্টে ছুটলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গড়করী।

ই২০ বিতর্ক আবহেই এবার বম্বে হাইকোর্টে (Bombay High Court)-র দ্বারস্থ হলেন কেন্দ্রীয় সড়ক ও পরিবহন মন্ত্রী নিতিন গড়করী (Nitin Gadkari)। ই২০ ইথানল প্রোগ্রামের (E20 Ethanol Programme) সঙ্গে তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে যুক্ত করা এবং তাদের বিরুদ্ধে সম্মানহানিকর পোস্ট করা নিয়েই হাইকোর্টে গেলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।


কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দাবি, ইথানল নিয়ে তাঁর ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে যে মানহানিকর এবং ডিপফেক পোস্ট করা হচ্ছে, তাতে সম্মানহানি হচ্ছে। এর জন্য মেটা সহ অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলির বিরুদ্ধে সিভিল স্যুট দায়ের করার অনুমতি চান তিনি, যেখান থেকে এই ধরনের পোস্ট শেয়ার করা হয়েছে। আদালত সেই অনুমতিও দিয়েছে।



আরশোলার মতোই ওরা নোংরা', 'ককরোচ'দের কটাক্ষ কঙ্গনার
নিতিন গড়করী লেটার্স পেটেন্টের (Letters Patent) ১২ ধারা অনুযায়ী আদালতে একটি ‘লিভ পিটিশন’ (Leave Petition) দায়ের করেছেন। এটি একটি আইনি প্রক্রিয়া, যা তখন অনুসরণ করতে হয় যখন মামলার কিছু অংশের ঘটনা বম্বে হাইকোর্টের ভৌগোলিক (আঞ্চলিক) এক্তিয়ারের বাইরে ঘটে।


এই বিধান অনুযায়ী, যদি আদালত অনুমতি দেয়, তাহলে মামলার কিছু অংশ আদালতের নির্ধারিত এলাকার বাইরে ঘটলেও বম্বে হাইকোর্ট তার অরিজিনাল সিভিল জুরিসডিকশন-এর আওতায় সেই মামলা গ্রহণ করে শুনানি করতে পারে।

মামলায় বলা হয়েছে, বিতর্কিত পোস্ট এবং ডিপফেক ভিডিয়োগুলিতে নিতিন গড়করী ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে E20 ইথানল কর্মসূচি থেকে আর্থিক লাভের অভিযোগ জুড়ে দেওয়া হয়েছে। যদিও ইথানল মিশ্রণের নীতি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের, গড়করী বা তাঁর পরিবারের নয়।

মামলাটির শুনানি চলছিল বিচারপতি অভয় আহুজার বেঞ্চে। গড়করীর পক্ষে আইনজীবী সন্দীপ এস লাড্ডা আদালতে জানান, বিতর্কিত পোস্ট ও ডিপফেক কনটেন্টগুলি মুম্বই থেকেও দেখা যাচ্ছে এবং সেগুলি মুম্বইয়ের মানুষদের দেখার উদ্দেশ্যেই প্রকাশ করা হয়েছে। তাই এই মামলার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশের ঘটনা বম্বে হাইকোর্টের বিচারাধীন এলাকার মধ্যেই ঘটেছে বলে আদালতের এই মামলার শুনানি করার এক্তিয়ার রয়েছে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে মুম্বই ছাড়াও অন্য়ান্য জায়গায় ভিডিয়ো দেখানো হচ্ছে। শুনানির পর আদালত গড়করীকে মামলা করার অনুমতি দেওয়া হয়।

এর আগে নাগপুরে চারজন সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল ই২০ ব্লেন্ডিং প্রোগ্রামের সঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গড়করীর নাম জুড়ে মিথ্যা তথ্য প্রচার করার জন্য।

একজন টায়ার সারাইয়ের বাড়িতে কেন হানা এনআইএ আধিকারিকদের? ভিড়ে জমেছে সাংবাদিকদেরও। এক চালা বাড়ির বাইরে যে ফোর্স ছিল, তাঁদের কাছ থেকে জানা যায় এনআইএ আসার কারণ। আর সে কারণ শুনে চক্ষু চড়কগাছ স্থানীয় বাসিন্দাদের। গোলাম নাকি মানবপাচারের সঙ্গে যুক্ত!


সাইকেলের টায়ার সারাই মিস্ত্রি গোলামকে দেখেই সন্দেহ NIA-এর, এক-চালা বাড়ি ঘিরল ফোর্স, সব জেনে থরহরি কম্প পড়শিরা
গোলামের বাড়িতে NIA টিম


 বৃষ্টিভেজা সোমবার সকাল। ঘড়ির কাঁটায় তখন ৮টা। দুর্গাপুরের নিউ স্টিল পার্কে হানা দেয় সাদা গাড়ি। গাড়ি থেকে নেমে এলাকার গোলাম জামার বাড়ির খোঁজ করতে থাকেন কয়েকজন। স্থানীয় বাসিন্দারাই দেখিয়ে দেন বাড়ি। কিন্তু তখনও তাঁরা জানতে পারেননি, ওঁরা আসলে এনআইএ আধিকারিক। পরে যতক্ষণে জানতে পারেন, গোলামের বাড়ির সামনে জমতে থাকে ভিড়। কিন্তু একজন টায়ার সারাইয়ের বাড়িতে কেন হানা এনআইএ আধিকারিকদের? ভিড়ে জমেছে সাংবাদিকদেরও। এক চালা বাড়ির বাইরে যে ফোর্স ছিল, তাঁদের কাছ থেকে জানা যায় এনআইএ আসার কারণ। আর সে কারণ শুনে চক্ষু চড়কগাছ স্থানীয় বাসিন্দাদের। গোলাম নাকি মানবপাচারের সঙ্গে যুক্ত!


নাশকতা-মানবপাচারর অভিযোগে দুর্গাপুরের নিউ স্টিল পার্ক এলাকায় গোলাম জামা বাড়িতে এনআইএ তল্লাশি চালায়। বাড়ি ঘিরে রেখেছে ফোর্স। ছ’জনের দলে একজন মহিলা আধিকারিকও রয়েছেন বলে খবর। সঙ্গে আছে পুলিশের বিশাল বাহিনী।


 অবসরের পরও ছুটির দুপুরে স্কুলে প্রধান শিক্ষক, উদ্দেশ্য জানতে পেরেই হাতেনাতে ধরলেন গ্রামবাসীরা
স্থানীয় বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, বছর তিনেক ধরে ওই এলাকায় স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে ভাড়া রয়েছেন গোলাম। পড়শিরা জানাচ্ছেন, গোলাম প্রতিবেশীদের সঙ্গে তেমন মেলামেশা করেন না। অন্ডাল এলাকায় একটি টায়ার সারাইয়ের দোকানে কাজ করেন। তবে এলাকাবাসীদের দাবি, মধ্যপ্রাচ্যে ও মালয়েশিয়ায় যোগাযোগ ছিল গোলাম জামার। কী কারণে যোগাযোগ, তা জানার চেষ্টা করছেন আধিকারিকরা।


অভিযোগ, বিভিন্ন কাজের লোভ দেখিয়েই মানবপাচার করত গোলাম। NIA-এর দাবি, জাল পাসপোর্ট চক্রের সঙ্গেও জড়িত গোলাম। জাল পাসপোর্ট বানিয়ে কাজ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশে পাঠাতেন গোলাম। সেখানে নাশকতামূলক কাজের সঙ্গে তাঁদেরকে যুক্ত করা হত বলে অভিযোগ। ইতিমধ্যেই ছত্তীসগঢ় থেকে এই অভিযোগে ২ জনকে গ্রেফতার করেন তদন্তকারীরা। তাদের কাছ থেকেই উঠে আসে গোলামের নাম। এই গোলামের ওপর দীর্ঘদিন ধরেই নজর রাখছিলেন তদন্তকারীরা।

 আলিপুর আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সোমবার দুপুরে ক্যানিং ও চাঁদবালির মাঝে অর্থাৎ কাঁথির কাছ দিয়ে স্থলভাগে ঢুকবে অতি গভীর নিম্নচাপ। এই নিম্নচাপ যত স্থলভাগে ঢুকবে, ততই দুর্যোগ বাড়বে। নিম্নচাপের মূল প্রভাব ওড়িশায় পড়লেও সতর্কতা জারি করা হয়েছে বাংলাতেও।


 দিঘা থেকে মাত্র ৭০ কিমি দূরে অপেক্ষা করছে... হাওড়া, ঝাড়গ্রাম, মেদিনীপুর জুড়ে অ্যালার্ট জারি
আবহাওয়ার আপডেট

দক্ষিণবঙ্গ থেকে উত্তরবঙ্গ, গোটা বাংলা জুড়েই কার্যত অ্যালার্ট (Weather Alert) জারি করল হাওয়া অফিস। বঙ্গোপসাগরে অপেক্ষা করছে অতি গভীর নিম্নচাপ (Deep Depression)। ওড়িশা উপকূলের কাছে অবস্থান হলেও সোমবার দুপুরেই সেই নিম্নচাপ প্রবেশ করছে পশ্চিমবঙ্গের স্থলভাগে। তার জেরে গোটা সপ্তাহ জুড়েই দুর্যোগ চলবে বাংলায়।


পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথির কাছ দিয়ে বাংলায় প্রবেশ করবে ওই নিম্নচাপ। শেষ পাওয়া আপডেট অনুযায়ী, সাগরদ্বীপ থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে ও দিঘা থেকে ৭০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে ওই নিম্নচাপ। তার জেরে চার জেলায় কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। শুধু বৃষ্টি নয়, ঝড়ো হাওয়া বা প্রবল দমকা বাতাস বইবে জেলাগুলিতে। ফলে, ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকছে বাংলায়।

 'ককরোচ' পার্টির অভিজিৎকে Follow করলেন প্রিয়াঙ্কা! জল্পনা শুরু বলিপাড়ায়
আগামী শুক্রবার পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে নামার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। অর্থাৎ গোটা সপ্তাহ জুড়েই চলবে দুর্যোগ। আলিপুর আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সোমবার দুপুরে ক্যানিং ও চাঁদবালির মাঝে অর্থাৎ কাঁথির কাছ দিয়ে স্থলভাগে ঢুকবে অতি গভীর নিম্নচাপ। এই নিম্নচাপ যত স্থলভাগে ঢুকবে, ততই দুর্যোগ বাড়বে। নিম্নচাপের মূল প্রভাব ওড়িশায় পড়লেও সতর্কতা জারি করা হয়েছে বাংলাতেও।


সোমবার অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা

দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম জেলায়।

ভারী বৃষ্টির সতর্কতা

কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, জলপাইগুড়ি জেলায়।

মঙ্গলবার ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার জেলায়।

কোথায় কত বেগে বইবে ঝড়ো হাওয়া

দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম: ৫০-৬০ কিমি/ঘণ্টা।

কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি: ৪০-৫০ কিমি/ঘণ্টা।

রাজ্যের বাকি অংশ: ৩০-৪০ কিমি/ঘণ্টা।

শুনানি পিছিয়ে যাওয়ার পরেই রাজ্যের উদ্দেশে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ বলেন, মামলাকারীকে যেন কোনওভাবেই গ্রেফতার না করা হয়। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, রক্ষাকবচের মেয়াদ শেষ হওয়ার এক দিনের মধ্যেই পুলিশ তড়িঘড়ি গ্রেফতার করে ফেলছে।


 'যা দেখা যাচ্ছে, রক্ষাকবচের মেয়াদ শেষ হওয়ার এক দিনের মধ্যেই গ্রেফতারি!', কোন মামলায় বিচারপতির কড়া পর্যবেক্ষণ?
কলকাতা হাইকোর্ট


 আদালতে তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক অতীন ঘোষের স্বস্তি। কলকাতা হাই কোর্ট স্পষ্ট নির্দেশ দিল যে, মামলা বিচারাধীন থাকা অবস্থায় তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না। সোমবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে অতীন ঘোষের আগাম জামিনের মামলার শুনানি ছিল। রাজ্যের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী কল্লোল মণ্ডল। মামলাকারীর পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য। তবে কিছু কারণে সেই শুনানি পিছিয়ে যায়।


শুনানি পিছিয়ে যাওয়ার পরেই রাজ্যের উদ্দেশে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ বলেন, মামলাকারীকে যেন কোনওভাবেই গ্রেফতার না করা হয়। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, রক্ষাকবচের মেয়াদ শেষ হওয়ার এক দিনের মধ্যেই পুলিশ তড়িঘড়ি গ্রেফতার করে ফেলছে। এই প্রসঙ্গে রাজ্যের আইনজীবী আদালতকে জানান, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে দেখা হবে। তবে মামলা বিচারাধীন থাকলে কোনও কঠোর পদক্ষেপ করা হবে না এবং এই বিষয়ে পুলিশকে পুনরায় নির্দেশ জানিয়ে দেওয়া হবে। পরবর্তী সময়ে অন্য একটি মামলার শুনানিতেও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ। তিনি মন্তব্য করেন, পুলিশ কেন আদালতের উপর আস্থা রাখতে পারছে না? এর উত্তরে রাজ্যের আইনজীবী জানান, বিচারাধীন এবং অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ থাকা মামলাগুলিতে পুলিশ যাতে কোনও রকম কড়া পদক্ষেপ না করে, তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনকে সুনির্দিষ্ট নির্দেশ দেওয়া হবে।



 প্রধানমন্ত্রীর কুরুচিকর ছবি নিয়ে চরম বিতর্কে শ্রীলেখা! FIR হতেই 'ফাঁসিতে চড়াবেন?'...
প্রসঙ্গত, জমি দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলায় আগাম জামিন চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন তৃণমূল নেতা অতীন ঘোষ। ইতিমধ্যেই ওই মামলায় কলকাতার প্রাক্তন ডেপুটি মেয়র অতীন এবং তাঁর কন্যা প্রিয়দর্শিনী ঘোষকে তলব করেছে বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ। পুলিশের ওই পদক্ষেপের বিরুদ্ধেও উচ্চ আদালতের কাছে আবেদন জানান অতীন।