July 2026

দেবরাজের অদিতি মুন্সি এলাকার বিধায়ক ছিলেন, তবে অভিযোগ, তাঁর হয়ে এলাকা কন্ট্রোল করতেন দেবরাজই। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেবাশ্রয় নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এই সেবাশ্রয়ের আয়োজনের দায়িত্বে ছিলেন দেবরাজও। সেই মামলাতেও দেবরাজকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন তদন্তকারীরা। 

দেবরাজের বিরুদ্ধে একাধিক মহিলাঘটিত অপরাধও! এবার নীরবতা ভাঙবেন? অদিতিকে হাতিয়ার করেই এগোতে পারেন তদন্তকারীরা
দেবরাজ চক্রবর্তী-অদিতি মুন্সি (ফাইল ছবি)

রক্ষাকবচ খারিজের এক সপ্তাহের মধ্যেই গ্রেফতার বিধাননগরের প্রাক্তন মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তী। পুরুলিয়া-ঝাড়খণ্ড সীমানা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তোলাবাজি-হিংসা মামলায় বেঙ্গল এসটিএফের জালে অভিষেক-ঘনিষ্ঠ এই তৃণমূল নেতা।

দেবরাজ চক্রবর্তী উত্তর ২৪ পরগনার যুব সভাপতি ছাড়াও রাজারহাট, নিউটাউন, বাগুইআটি এলাকায় কার্যত একটা চক্রবর্তী সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিল। দীর্ঘদিনের অভিযোগ, দেবরাজের আয় বহির্ভূত প্রচুর সম্পত্তি রয়েছে। তার জন্য এলাকার মানুষ দেবরাজের প্রতি বীতশ্রদ্ধ ছিলেন। পূর্ণেন্দু বসুর আপ্ত সহায়ক হিসাবেই দেবরাজের উত্থান। তারপর সেখান থেকে সুজিত বসুর হাত ধরেন। তখন থেকেই ধীরে ধীরে নিজের প্রভাব বিস্তার শুরু করেন দেবরাজ। এরপর শুরু হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠা।


 দশদিন ধরে কোথায় লুকিয়ে ছিলেন দেবরাজ? উঠে এল বিস্ফোরক তথ্য

কবে পেট্রোল-ডিজেলের দাম কমবে? অবশেষে উত্তরটা দিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী
এলাকার প্রোমোটারদের হুমকি দেওয়া, তোলাবাজি, টাকা তোলার একাধিক অভিযোগ উঠতে থাকে। সব থেকে বড় উদাহরণ, রাজ্যে SIR এর সময়ে দেবরাজের ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মীদের হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ ওঠে। যাতে মৃতদের নাম তালিকায় তোলা হয়।

দেবরাজের অদিতি মুন্সি এলাকার বিধায়ক ছিলেন, তবে অভিযোগ, তাঁর হয়ে এলাকা কন্ট্রোল করতেন দেবরাজই। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেবাশ্রয় নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এই সেবাশ্রয়ের আয়োজনের দায়িত্বে ছিলেন দেবরাজও। সেই মামলাতেও দেবরাজকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন তদন্তকারীরা। রাজ্যের মন্ত্রী অর্জুন সিং অভিযোগ করেছিলেন, অভিষেকের মদতে দেবরাজ উত্তর ২৪ পরগনাতে একাধিক দুর্নীতির জাল বিস্তার করেছিলেন। দেবরাজের বিরুদ্ধে একাধিক মহিলা সংঘঠিত অপরাধেরও অভিযোগ রয়েছে। সে ব্যাপারে দেবরাজের স্ত্রী প্রাক্তন বিধায়ক অদিতি মুন্সি কতটা জানতেন, সেটাই জানতে তৎপর তদন্তকারীরা। সেক্ষেত্রে তাঁদেরও মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।

নির্বাচনের আগেই অদিতি মুন্সি কীভাবে মনোনয়নপত্রে ভুল তথ্য দিয়েছিলেন, তা নিয়ে থানায় এফআইআর দায়ের করেছিলেন বিজেপি নেতা তথা আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি। দেবরাজের গ্রেফতারির পর এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, “সম্পত্তির কিছুটা অংশ তো তাঁর নামেও ছিল। বউ ও জানত, স্বামী শুধু চোর নয়, ডাকাত। খুনের কথাটাও ওর বউ জানতেন। তিনি নিজেও তো এক বাচ্চার মা, জানেন না সন্তান মারা গেলে কী কষ্ট হয়? তারপরেও দেবরাজের সঙ্গেই থেকে গিয়েছেন। নির্বাচনের আগে বলেছিলেন না, ‘আমার স্বামী যদি চুরি করে, তাঁর নামে যদি অভিযোগ হয়, হিন্দু ধর্ম মতে বিয়ে হয়েছে, আমিও যাব জেলে।’ তাহলে যান। এখন আদালতে জামিন চাইতে গিয়েছিলেন কেন? বলুন, ‘আমার স্বামী গ্রেফতার হয়েছে, আমিও হব।’ উল্লেখ্য, আগাম জামিনের আবেদন জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন দেবরাজ-অদিতি। চার মাসের সন্তানের কথা ভেবে অদিতিকে আদালত রক্ষাকবচ দিলেও দেবরাজকে দেয়নি।

২০১৫ সালে গানের রিয়েলিটি শোতে অদিতির গলায় কীর্তন শুনে ভুলেছিল গোটা বাংলা। ২০১৮ সালে দেবরাজ চক্রবর্তীকে বিয়ে করেন অদিতি। দেবরাজ তখন ধীরে ধীরে সুজিত বসুর সূত্রে ধরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়াচ্ছেন। দেবরাজের বিরুদ্ধে এখন বিস্তর অভিযোগ।

গানের রিয়েলিটি শো-র প্যানেলিস্টদের সঙ্গে কী ধরনের চ্যাট করতেন অদিতি মুন্সি? এবার বিস্ফোরক তথ্য এল সামনে
অদিতি মুন্সি

বিপদ বুঝে দু’জনেই আদালতের কাছে ছুটেছিলেন রক্ষাকবচ চাইতে। চার মাসের সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক অদিতি মুন্সিকে রক্ষাকবচ দিলেও, হাইকোর্টের দেবরাজের আবেদন খারিজ করে দেয়। আর তার এক সপ্তাহের মধ্যেই দেবরাজ গ্রেফতার হয়েছেন! এই পরিস্থিতি অদিতি মুন্সিকে খোঁচা বিজেপি বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারি। এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অদিতি সম্পর্কের বিস্ফোরক দাবি করলেন তরুণজ্যোতি। গানের রিয়েলিটি শো-তে তিনি ঠিক কী করেছিলেন, তা ফাঁস করলেন বিধায়ক।

তরুণজ্যোতি এক সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “ওঁকে আমি নির্বাচনের সময় তো আক্রমণ করিনি। কিচ্ছু বলিনি। নাহলে আমার কাছে যা যা স্ক্রিনশট ছিল, যা যা প্রমাণ ছিল, উনি যখন গানের প্রতিযোগিতায় গিয়েছিলেন, যাঁরা যাঁরা ওই প্যানেলে ছিলেন, তাঁদের সঙ্গে কী ধরণের চ্যাট হত… চ্যাটগুলো আমার কাছে আছে। সেগুলো পাবলিশ করে দিতে পারি। কিন্তু আমি মহিলাদের সম্মান করি… ওঁর বাচ্চা রয়েছে। আমিও বাচ্চার বাবা। বাবা চোর, মা চোর। বাচ্চা কী করবে? বাচ্চাটা ভাল থাকুক, তার জন্যই হয়তো বাইরে রয়েছেন। কোর্ট ও সেটাই মনে করেছে।”


কবে পেট্রোল-ডিজেলের দাম কমবে? অবশেষে উত্তরটা দিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

দশদিন ধরে কোথায় লুকিয়ে ছিলেন দেবরাজ? উঠে এল বিস্ফোরক তথ্য
২০১৫ সালে গানের রিয়েলিটি শোতে অদিতির গলায় কীর্তন শুনে ভুলেছিল গোটা বাংলা। ২০১৮ সালে দেবরাজ চক্রবর্তীকে বিয়ে করেন অদিতি। দেবরাজ তখন ধীরে ধীরে সুজিত বসুর সূত্রে ধরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়াচ্ছেন। দেবরাজের বিরুদ্ধে এখন বিস্তর অভিযোগ। রাজারহাট-বাগুইআটি-গোপালপুর-নিউটাউনে দেবরাজ নিজের একচ্ছত্র সাম্রাজ্য বিস্তার করেছিলেন বলে অভিযোগ। কিন্তু দেবরাজের বিরুদ্ধে যা যা অভিযোগ, তার কিছুই কি জানতেন না অদিতি মুন্সি। সে প্রশ্ন তোলেন তরুণজ্যোতিও।

বিজেপি বিধায়কের বক্তব্য, “দেবরাজের সম্পত্তির কিছুটা অংশ তো তাঁর নামেও ছিল। বউ ও জানত, স্বামী শুধু চোর নয়, ডাকাত। তারপরেও দেবরাজের সঙ্গেই থেকে গিয়েছেন।”

অদিতিকে খোঁচা দিয়ে তরুণজ্যোতি বলেন, “নির্বাচনের আগে বলেছিলেন না, ‘আমার স্বামী যদি চুরি করে, তাঁর নামে যদি অভিযোগ হয়, হিন্দু ধর্ম মতে বিয়ে হয়েছে, আমিও যাব জেলে।’ তাহলে যান। এখন আদালতে জামিন চাইতে গিয়েছিলেন কেন? বলুন, ‘আমার স্বামী গ্রেফতার হয়েছে, আমিও হব।” সূত্রের খবর, তদন্তের স্বার্থে দেবরাজের সঙ্গে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হতে পারে অদিতিকেও।
সে সময়ে তৃণমূলের রাজত্ব চলছে। ছেলে এদিকে বিজেপি সমর্থক। তবুও সাহস জুগিয়ে পঁচাশি বছরের বৃদ্ধ গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছেও। কিন্তু তিনি বিচার পাননি। উল্টে তাঁর দাবি, এতে দেবরাজদের দাপট আরও বেড়ে যায়।


জানালা দিয়ে হাত ঢুকিয়ে বলত...', অশীতিপর বৃদ্ধ সামনে আনলেন দেবরাজের আরও ঘৃ্ণ্য দিক
অভিযোগকারী বৃদ্ধ

 প্রোমোটারি, তোলাবাজি, ভয় দেখিয়ে টাকা তোলা, জমি দখল- দেবরাজ চক্রবর্তীর অভিযোগের তালিকা শেষ আপাতত দেখা যাচ্ছে না। সঙ্গে রয়েছে মহিলাঘটিত অপরাধও। একাধিক ব্যক্তি প্রকাশ্যে এসে মুখ খুলতে শুরু করেছেন। কিন্তু তা বলে পাড়ার ৮৬ বছরের বৃদ্ধের সঙ্গে এই ঘটনা। যাকে জ্যেঠু বলে ডাকতেন দেবরাজ! মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ২৫ লক্ষ টাকা হাতানোর অভিযোগ দেবরাজের বিরুদ্ধে। প্রাক্তন মেয়র পারিষদের ভয়ে বাড়ি ছাড়া বৃদ্ধের ছেলে-বৌমা। বিস্ফোরক দাবি করেছেন বাগুইআটির অশীতিপর বৃদ্ধ দেবকুমার দাশগুপ্ত।

দেবকুমার বলেন, “বিভিন্ন লোক জনকে বাড়িতে পাঠাত। বলত টাকা দাও, নাহলে কেস দেব। বাড়ির ভিতর ঢুকে যেত। জানালা দিয়ে হাত ঢুকিয়ে বলত টাকা দাও। আমি এখন একা থাকি। ছেলের ক্ষতি হবে, এই সব চিন্তা করে টাকা দিতাম। লক্ষ লক্ষ টাকা দিয়েছি। প্রায়২৫ লক্ষ টাকা নিয়ে গিয়েছে। ছেলে আমার বিজেপি করে, তাই মিথ্যা কেস দেওয়ার ভয় দেখাত।”


দশদিন ধরে কোথায় লুকিয়ে ছিলেন দেবরাজ? উঠে এল বিস্ফোরক তথ্য
সে সময়ে তৃণমূলের রাজত্ব চলছে। ছেলে এদিকে বিজেপি সমর্থক। তবুও সাহস জুগিয়ে পঁচাশি বছরের বৃদ্ধ গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছেও। কিন্তু তিনি বিচার পাননি। উল্টে তাঁর দাবি, এতে দেবরাজদের দাপট আরও বেড়ে যায়। তিনি বলেন, “আমি মমতার কাছে পর্যন্ত গিয়েছিলাম। আমি দেবরাজদের বাড়িতেই কতবার গিয়েছি। দেবরাজের পাড়াতেও পাঠকীর্তন করে এসেছি। ওর মা-বাবা আমাকে কতদিনের চেনা। আমার সঙ্গে পশুর মতো ব্যবহার করেছে ও। আমি শুনেছি গ্রেফতার হয়েছে। কিন্তু ও সাজা পাক কঠিন।”

দেবরাজের গ্রেফতারিতে এখন পাড়াতেও খুশির জোয়ার। একটা সময়ে রাজারহাট-গোপালপুর, নিউটাউন, বাগুইআটিতে একচ্ছত্র আধিপত্য চালিয়েছেন দেবরাজ। তাঁর বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ। এই নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় বলেন, “দেবরাজের তো এটাই কান, এটাই মাথা। ধারাবাহিক চোর। তৃণমূল কংগ্রেসে চুরি নিয়ে OTT তে সিরিজ লঞ্চ হয়েছে। আর ওনার স্ত্রী তো যা করে গিয়েছেন, উনি গায়ক, ভক্তিগীতি গাইতেন। এখন ভক্তির কী ছিরিছাঁদ তো বুঝতেই পারছি।”


  চাঞ্চল্যকর অভিযোগ EX ফরেন্সিক আধিকারিকের
দিন কয়েক আগে তিলোত্তমার পরিবারের কাছে এই চিঠি আসে। সেখানে তিলোত্তমার বাবাকে অ্যাড্রেস করা ছিল। চিঠি পাঠান প্রাক্তন ফরেন্সিক আধিকারিক। চিঠিতে বলা হয়, তিলোত্তমার ভিসেরা নেওয়ার যে স্যাম্পেল নেওয়া হয়েছিল, তা বদলে ফেলা হয়েছে। তিলোত্তমার লিভার, কিডনি, পাকস্থলীর স্যাম্পেল নেওয়া হয়েছিল, এটা দেখার জন্য, যে তিলোত্তমার শরীরে কোনও বিষক্রিয়া করা হয়েছিল কিনা, ঘুমের ওষুধ দেওয়া হয়েছিল কিনা।


খোদ মমতার বিরুদ্ধেই অভিযোগ, সেই রাতে ল্যাবে তিলোত্তমার ভিসেরা স্যাম্পেলে কী মেশানো হয়? চাঞ্চল্যকর অভিযোগ EX ফরেন্সিক আধিকারিকের
আরজি কর কাণ্ডে বিস্ফোরক তথ্য

 তিলোত্তমা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় এবার বিস্ফোরক অভিযোগ পরিবারের।রাজ্য ফরেনসিক পরীক্ষাগারে তিলোত্তমার ভিসেরা পরীক্ষার জন্য নমুনা নষ্ট করার অভিযোগ। প্রাক্তন এক ফরেনসিক আধিকারিক তিলোত্তমার বাবাকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন এই তথ্য। তিলোত্তমার বাবার দাবি, রাজ্য ফরেনসিক বিভাগের তিন আধিকারিক তিলোত্তমার ভিসেরা স্যাম্পল নষ্ট করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে সেই চিঠিতে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশে ভিসেরা নমুনা নষ্ট করা হয়েছে বলে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। 

দিন কয়েক আগে তিলোত্তমার পরিবারের কাছে এই চিঠি আসে। সেখানে তিলোত্তমার বাবাকে অ্যাড্রেস করা ছিল। চিঠি পাঠান প্রাক্তন ফরেন্সিক আধিকারিক। চিঠিতে বলা হয়, তিলোত্তমার ভিসেরা নেওয়ার যে স্যাম্পেল নেওয়া হয়েছিল, তা বদলে ফেলা হয়েছে। তিলোত্তমার লিভার, কিডনি, পাকস্থলীর স্যাম্পেল নেওয়া হয়েছিল, এটা দেখার জন্য, যে তিলোত্তমার শরীরে কোনও বিষক্রিয়া করা হয়েছিল কিনা, ঘুমের ওষুধ দেওয়া হয়েছিল কিনা। কিন্তু অভিযোগ, রাজ্য ফরেন্সিক বিভাগের তিন আধিকারিক সেই স্যাম্পেল বদলে ফেলেছিলেন। রাজ্য ফরেন্সিক ল্যাব থেকে সেন্ট্রাল ফরেন্সিক ল্যাবে যখন স্যাম্পেল গিয়েছে, সেটাও বদলে ফেলা হয়েছে।


গানের রিয়েলিটি শো-র প্যানেলিস্টদের সঙ্গে কী ধরনের চ্যাট করতেন অদিতি মুন্সি? এবার বিস্ফোরক তথ্য এল সামনে
সেই চিঠি এবার শিয়ালদহ আদালতে বিচারকের কাছে জমা করতে চলেছে তিলোত্তমার পরিবার। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে সিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিক আদালত, সেই মর্মে আজই আর্জি জানানো হবে। চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে তৃণমূল জমানায় খুন হওয়া বিজেপি, সিপিএম কর্মীদের ভিসেরা নষ্ট করেছে ওই তিন কর্মী।

তখন বিচারপতি জানতে চান, তিনটে অ্যাকাউন্টে মোট কত টাকা রয়েছে? বিচারপতির তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য, "অপরাধগুলিই যদি ব্যাঙ্ক অ্য়াকাউন্ট নিয়ে হয়, তাহলে তদন্তে বাধা কোথায়?" তখন বিচারপতি বলেন, তাহলে কি তদন্তের স্বার্থে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি দুজনকে স্পেশাল অফিসার নিয়োগ করা যায়? তিনি নির্দেশ দেন, এই সময়ের মাঝে তদন্তকারী জানাবেন কী কী তথ্য পাওয়া গিয়েছে এই অ্যাকাউন্ট থেকে।


সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা, অভিযোগের সময়টাই ভাবাচ্ছে', তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ মামলায় কেন বললেন বিচারপতি?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়


অভিযোগ দায়েরের সময়টাই আদালতকে ভাবাচ্ছে। তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট ৪৪০ কোটি ফ্রিজ মামলায় বড় পর্যবেক্ষণ কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। এই ঘটনায় শরৎ বোস রোডের বেসরকারি ব্যাঙ্কের হলফনামা তলব করেছে আদালত। এই মামলায় অন্তবর্তী নির্দেশ দিতে চায় আদালত। তার আগে ব্যাঙ্ক কতৃপক্ষের বক্তব্য জানতে চায় হাইকোর্ট। মঙ্গলবার তদন্তের অগ্রগতি সংক্রান্ত তথ্য আদালতে পেশ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এই মামলায় এদিন কালীঘাট তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে আইনজীবী ছিলেন কিশোর দত্ত। অভিযোগকারী অর্থাৎ জয়নগরের বিধায়কের হয়ে সওয়াল করেন নীরজ কিষণ পাল। এদিন শুনানির শুরুতেই বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য বলেন, “আদালতের কাছে এখন এই বিষয়টি অস্পষ্ট ,তখন কার বিরুদ্ধে কী অভিযোগ রয়েছে, তার গভীরতা দেখা সম্ভব নয়। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলিতে ডেবিট ফ্রিজিং জরুরি কি না সেটা এই আদালত দেখবে। তিনটি একাউন্ট ঘিরে অভিযোগ থাকলে কিছু সময়ের জন্য তো বন্ধ থাকবে? অ্যাকাউন্ট বন্ধ না হলে কীভাবে পদক্ষেপ হবে? এই আদালতের রায় কি তদন্ত গুটিয়ে দেবে?”



গানের রিয়েলিটি শো-র প্যানেলিস্টদের সঙ্গে কী ধরনের চ্যাট করতেন অদিতি মুন্সি? এবার বিস্ফোরক তথ্য এল সামনে
তখন কালীঘাট তৃণমূলের আইনজীবী কিশোর দত্ত সওয়াল করেন, “পুলিশের এই ক্ষমতা নেই। রাজনৈতিক দলের প্রতিদিনের কিছু খরচ রয়েছে। ইলেক্ট্রিক বিল, জলের লাইন ইত্যাদি জরুরি পরিষেবা। সেগুলি কোনওভাবেই বন্ধ করা যায় না। সিজ করা যেতে পারে কিন্তু একেবারে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া যায় না।”

তখন বিচারপতি জানতে চান, তিনটে অ্যাকাউন্টে মোট কত টাকা রয়েছে? বিচারপতির তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য, “অপরাধগুলিই যদি ব্যাঙ্ক অ্য়াকাউন্ট নিয়ে হয়, তাহলে তদন্তে বাধা কোথায়?” তখন বিচারপতি বলেন, তাহলে কি তদন্তের স্বার্থে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি দুজনকে স্পেশাল অফিসার নিয়োগ করা যায়? তিনি নির্দেশ দেন, এই সময়ের মাঝে তদন্তকারী জানাবেন কী কী তথ্য পাওয়া গিয়েছে এই অ্যাকাউন্ট থেকে।

রাজ্য পুলিশের তরফ থেকে সওয়াল করেন সলিসেটর জেনারেল তুষার মেহতা। তিনি বলেন, “আমরা তদন্ত করছি। কীভাবে টাকা সাইফন হয়েছে দেখা হচ্ছে।”

তখনই বিচারপতি বলেন, “অভিযোগ দায়েরের সময় আদালতকে ভাবাচ্ছে। ২৮ জুন সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় অভিযোগ দায়ের হল। আর পরদিন সকালেই ব্যাঙ্ক জানাল অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে। অথচ অভিযোগ জানানোর আগে ওই অ্যাকাউন্ট নিয়ে নির্দিষ্ট কেন অপরাধের অভিযোগে উঠেনি। তাহলে হঠাৎ পুলিশ অভিযোগের পরে কিসের ভিত্তিতে এত তড়িঘড়ি ফ্রিজ করার জায়গায় চলে গেল।”

কালীঘাট তৃণমূলের আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি বলেন, “পুলিশ কি চলতি রাজনৈতিক দলকে এভাবে তার লাইফলাইন বন্ধ করে পঙ্গু করতে পারে?”

অভিযোগকারীর আইনজীবী নীরজ কিষণ কল বলেন, “এই মামলার কি আদৌ গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে? ৫ জুন আপডেট দেখলে বোঝা যাবে কয়েকজন অফিস বেয়ারা নিয়োগ করেছে সেটা কি করা যায়? কে এই পার্টি কে রিপ্রেসেন্ট করছে।” বেআইনি ফান্ড নিয়ে এই অ্যাকাউন্টে জমা হয়েছে বলে আদালতে দাবি করেন তিনি। তাঁর প্রশ্ন, সেক্ষেত্রে পুলিশ যা করছে সেটা কি ভুল?

তখন তুষার মেহতা বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেসের দুজন প্রেসিডেন্ট দাবি করছেন, তারাই এই দলের দাবিদার। কে ব্যবহার করবে এই অ্যাকাউন্ট?” সেক্ষেত্রে তিনি আদালতের কাছে আর্জি জানান, এখন কোনও অ্যাকাউন্টই যাতে ব্যবহার করতে না দেওয়া হয়। এরপরই ব্যাঙ্কের কাছে হলফনামা তলব করা হয়েছে।


 সুপ্রিম কোর্ট এ-ও স্পষ্ট করেছে যে এই রায় এআই(AI) প্রযুক্তির বৈধ বা দায়িত্বশীল ব্যবহারের বিরুদ্ধে নয়। গবেষণা, তথ্য বিশ্লেষণ বা অন্যান্য কাজে এআই ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে এআই যদি ভুয়ো বা অস্তিত্বহীন তথ্য তৈরি করে, তা যাচাই না করে আদালতে ব্যবহার করা যাবে না।


আদালতে AI ব্যবহার নিয়ে 

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে কড়া অবস্থান সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। আদালতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করে তৈরি ভুয়ো বা অস্তিত্বহীন মামলার নজির (Precedent) কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। সাফ জানিয়েছিল শীর্ষ আদালত।

বৃহস্পতিবার একটি মামলার পর্যবেক্ষণে সুপ্রিম কোর্ট জানায়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)-তৈরি ভুয়ো বা ‘হ্যালুসিনেটেড’ তথ্যের ভিত্তিতে দেওয়া কোনও রায় আইনের চোখে বৈধ সিদ্ধান্ত হিসেবে গণ্য হবে না। এমনকী, বিচার প্রক্রিয়ায় সামান্যতম ভুয়ো তথ্যের প্রভাব থাকলেও সেই রায় বাতিল করা হতে পারে বলে স্পষ্ট করেছে দেশের শীর্ষ আদালত।


খোদ মমতার বিরুদ্ধেই অভিযোগ, সেই রাতে ল্যাবে তিলোত্তমার ভিসেরা স্যাম্পেলে কী মেশানো হয়? চাঞ্চল্যকর অভিযোগ EX ফরেন্সিক আধিকারিকের
Dankuni: শিশু কোলে মহিলাকে দেখেই বললেন 'কী চাই?', ততক্ষণে যা সর্বনাশ হওয়ার হয়ে গিয়েছে
বিচারপতি পি এস নরসিংহ এবং বিচারপতি অলোক আরাধের বেঞ্চ এসেল ইনফ্রাপ্রজেক্টস লিমিটেডের (Essel Infraprojects Ltd)-র দেউলিয়া সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানিতে এই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করে। মামলার নথি খতিয়ে দেখে আদালতের নজরে আসে যে ন্যাশনাল কোম্পানি ল ট্রাইব্যুনাল (NCLT)-এর রায়ে এমন একাধিক রায়ের নজিরের উল্লেখ করা হয়েছে, যেগুলির কোনও অস্তিত্বই নেই অথবা যেভাবে সেগুলিকে উদ্ধৃত করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভুল।

‘জিরো টলারেন্স’ বার্তা সুপ্রিম কোর্টের-
সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়েছে, আদালতে এআই (AI) দিয়ে তৈরি তথ্য ব্যবহার করা নিষিদ্ধ নয়, কিন্তু যাচাই না করে ভুয়ো তথ্যকে আদালতের কাছে প্রকৃত নজির হিসেবে পেশ করা বা তার উপর নির্ভর করা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। এই ধরনের ঘটনার ক্ষেত্রে আদালত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করবে।

আদালতের পর্যবেক্ষণ, কোনও আইনজীবী যদি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি রায় বা উদ্ধৃতি যাচাই না করেই আদালতে পেশ করেন, তবে তা পেশাগত অসদাচরণ বা মিসকনডাক্ট (Misconduct) বলে গণ্য করা হবে। একইভাবে কোনও বিচারক যদি সেই ভুয়ো তথ্যের উপর নির্ভর করে রায় দেন, সেটিও গুরুতর ত্রুটি হিসাবে ধরা হবে।

‘এক ফোঁটা ভুয়ো তথ্যও চলবে না’
সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ জানিয়েছে, বিচারপ্রক্রিয়ায় সামান্যতম ভুয়ো বা ‘হ্যালুসিনেটেড’ তথ্য ঢুকে পড়লেও বিচারব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই এমন তথ্যের ভিত্তিতে দেওয়া কোনও সিদ্ধান্ত আইনের দৃষ্টিতে নির্ভরযোগ্য হতে পারে না। আদালতের ভাষায়, বিচারব্যবস্থার সততা (Integrity) বজায় রাখতে বার এবং বেঞ্চ- উভয় পক্ষকেই সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

এআই ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা নয়, সতর্কবার্তা-
সুপ্রিম কোর্ট এ-ও স্পষ্ট করেছে যে এই রায় এআই(AI) প্রযুক্তির বৈধ বা দায়িত্বশীল ব্যবহারের বিরুদ্ধে নয়। গবেষণা, তথ্য বিশ্লেষণ বা অন্যান্য কাজে এআই ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে এআই যদি ভুয়ো বা অস্তিত্বহীন তথ্য তৈরি করে, তা যাচাই না করে আদালতে ব্যবহার করা যাবে না।

এনসিএলএটি (NCLAT)-এর ভূমিকাও প্রশ্নের মুখে-
ন্যাশনাল কোম্পানি ল অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনাল (NCLAT)-এর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের প্রশ্ন, ভুয়ো ও অস্তিত্বহীন রায়-গুলি কীভাবে আপিলের সময়ও ধরা পড়ল না? একই সঙ্গে বার কাউন্সিলকে এই ঘটনাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখে, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে শীর্ষ আদালত।

কী ছিল পুরো মামলা-
জম্মু ও কাশ্মীর ব্যাঙ্ক এসেল ইনফ্রাপ্রজেক্ট লিমিটেডের বিরুদ্ধে দেউলিয়া আইন (IBC)-এর ৭ নম্বর ধারায় আবেদন করেছিল। অভিযোগ ছিল, সংস্থাটি প্যান ইন্ডিয়া ইউটিলিটিস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডে (Pan India Utilities Distribution Company Ltd)-এর ঋণের জন্য কর্পোরেট গ্যারান্টি দিয়েছিল। ২০২৪ সালের ২৮ অগস্ট এনসিএলটি মুম্বই মামলাটি গ্রহণ করে। পরে সংস্থার সাসপেন্ডেড ডিরেক্টর পূজা রমেশ সিংহের পক্ষে উপস্থিত সিনিয়র অ্যাডভোকেট মাধবী দিবান দাবি করেন, ট্রাইব্যুনাল যে ছয়টি রায়ের উপর নির্ভর করেছে, তার কয়েকটির কোনও অস্তিত্বই নেই এবং কয়েকটি আবার মামলার সঙ্গে কোনওভাবেই প্রাসঙ্গিক নয়। এরপরই বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের নজরে আসে এবং এআই দিয়ে তৈরি ভুয়ো তথ্যের ব্যবহার নিয়ে কড়া অবস্থান নেয় সুপ্রিম কোর্ট।

 রেলের আইনজীবী ধীরজ ত্রিবেদী দাবি করেছেন, হকার উচ্ছেদ করতে কোনও নোটিস লাগে না। বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য বলেন, "কিন্তু আপনারা নোটিস দিয়েছেন। কোন কাঠামো উচ্ছেদ করা হবে, সেটা বলুন। নাহলে নোটিস খারিজ করব।"


কাঁচা-পাকা কাঠামো ভাগ করেছেন?' জানতে চাইল হাইকোর্ট, সব হকারের জন্য স্থগিতাদেশ


রেল ও অন্যান্য সরকারি জমি ব্যবহার করে ব্যবসা চালানোর অভিযোগ তুলে শহর তথা রাজ্যের একাধিক জায়গায় হকার উচ্ছেদ করা হয়েছে। বেআইনিভাবে ব্যবসা করার অভিযোগে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে হকারদের। বালিগঞ্জ, বামনগাছি, বারুইপুর, ডানকুনির মতো একাধিক জায়গার হকার উচ্ছেদ নিয়ে আগেই মামলা হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court)। আর এবার মধ্যমগ্রাম রেল স্টেশনে হকার উচ্ছেদে অন্তর্বতী স্থগিতাদেশ দিল হাইকোর্ট।


যাঁরা মামলা করেছেন, শুধুমাত্র তাঁদের উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ। আজ, বৃহস্পতিবার বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য ও বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্য ডিভিশন বেঞ্চে সেই মামলা উঠলে বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, আপাতত ওই স্টেশনের সবার জন্যই স্থগিতাদেশ প্রযোজ্য হবে। পরবর্তী শুনানির আগে পর্যন্ত লাগু থাকবে এই নির্দেশ।

জানালা দিয়ে হাত ঢুকিয়ে বলত...', অশীতিপর বৃদ্ধ সামনে আনলেন দেবরাজের আরও ঘৃ্ণ্য দিক


 কবে পেট্রোল-ডিজেলের দাম কমবে? অবশেষে উত্তরটা দিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী
রেলের আইনজীবী ধীরজ ত্রিবেদী দাবি করেছেন, হকার উচ্ছেদ করতে কোনও নোটিস লাগে না। বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য বলেন, “কিন্তু আপনারা নোটিস দিয়েছেন। কোন কাঠামো উচ্ছেদ করা হবে, সেটা বলুন। নাহলে নোটিস খারিজ করব।”

কারা লাইসেন্সপ্রাপ্ত, কারা নয়, কাদের কাঁচা কাঠামো, কাদের পাকা কাঠামো রয়েছে, সেগুলি ভাগ করা হয়েছে কি না, রেলের কাছে জানতে চান বিচারপতি। রেলের আইনজীবী প্রশ্ন তোলেন, যে ১৩ জন আদালতে এসেছে, তাদের ছাড় দেওয়া হয়েছে, তাহলে এখন সবার জন্য অর্ডার দেওয়ার কথা কেন বলা হচ্ছে? যত হকার আছে সবাইয়ের ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া অসম্ভব বলে দাবি করেন তিনি।

বিচারপতি বলেন, “আপনারা কাদের নোটিসের মধ্যে আনছেন? যদি বলেন আলাদা আলাদা করে প্রত্যেককে নোটিস দেবেন না, তাহলে একইসঙ্গে হকাররাও একইভাবে ওই স্থগিতাদেশ পাবেন।” এর আগে হকার সংক্রান্ত অপর একটি মামলায় হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, রেলকে উচ্ছেদের আগে বিকল্প জায়গা বেছে দিতে হবে

সৌগত পুরনো প্রসঙ্গ টেনে বলেন, "এর আগে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল, শুধুমাত্র স্বীকৃত প্রতিনিধিরাই ফুল বেঞ্চের সঙ্গে দেখা করতে পারে। সেক্ষেত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃণমূলের চেয়ারম্যান তো কোনও মিটিং চাননি, তাহলে ভেঙে যাওয়া বিক্ষুব্ধ তৃণমূলরা কীভাবে সাক্ষাতের সময় পেল?" 

দাবি তো বৈধ নই-ই, কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় পাওয়ারও যোগ্য নন ঋতব্রতরা! কীভাবে, বোঝালেন সৌগত

তৃণমূলের নাম এবং প্রতীকের আসল দাবিদার কারা? টানাপোড়েনের মাঝেই বৃহস্পতিবার দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠক করেন ঋতব্রতরা। কিন্তু তাঁদের বৈঠকের অনতিবিলম্ব পরই সাংবাদিক বৈঠকে করেন মমতাপন্থী সৌগত-সাগরিকা ঘোষরা। কেন ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলের দাবি আইনত বৈধ নয়, কীভাবেই বা তাঁরা নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গেও বৈঠক করার অনুমতি পেলেন- এ সব নিয়ে বিস্তর প্রশ্ন তুললেন তাঁরা। তাঁর প্রশ্ন, ” ভেঙে যাওয়া বিক্ষুব্ধ তৃণমূলরা কীভাবে সাক্ষাতের সময় পেল?”

প্রসঙ্গত, তৃণমূলের প্রতীক, তহবিল কার হাতে থাকবে, তা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠক করেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা। আর সেটা নিয়েই সাংবাদিক বৈঠক করেন মমতাপন্থী সাংসদরা। সৌগত বলেন, “আজকে একটা গোষ্ঠী দেখেছি, যারা তৃণমূল থেকে বেরিয়ে যাওয়া… যাদের নেতাকে তৃণমূল বহিষ্কার করেছিল, তারা নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠক করেছে।” কিন্তু এটা কীভাবে সম্ভব? সৌগত পুরনো প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “এর আগে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল, শুধুমাত্র স্বীকৃত প্রতিনিধিরাই ফুল বেঞ্চের সঙ্গে দেখা করতে পারে। সেক্ষেত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃণমূলের চেয়ারম্যান তো কোনও মিটিং চাননি, তাহলে ভেঙে যাওয়া বিক্ষুব্ধ তৃণমূলরা কীভাবে সাক্ষাতের সময় পেল?”


গানের রিয়েলিটি শো-র প্যানেলিস্টদের সঙ্গে কী ধরনের চ্যাট করতেন অদিতি মুন্সি? এবার বিস্ফোরক তথ্য এল সামনে
তাঁর দাবি, “আমরাই তো ঠিক করব, কে আমাদের দলের প্রতিনিধি, এতে জ্ঞানেশ কুমারের কোনও ভূমিকা নেই।” সাংবাদিক বৈঠকেই এক গুচ্ছ প্রশ্নের উত্থাপন করেন বর্ষীয়ান সাংসদ। তাঁর প্রশ্ন, যে কোনও লোককেই কমিশনের সাক্ষাতের সময় দিতে পারে? যে কোনও বিধায়ক গিয়ে তিন জন কমিশনের আধিকারিকের সঙ্গে দেখা করতে পারেন? এর আগে হয়েছে এরকম?

এদিকে আবার কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠকের পর ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, “ফুল বেঞ্চের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা হয়েছে । পার্টি চার্টার্ড ব্যুরোক্র্যাট হাইজ্যাক করেছিল। পার্টি পারিবারিক হয়ে গিয়েছিল। আসল তৃণমূল আমরাই।”

 
দুপুর সাড়ে ১২টায় বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত ও ১০ বিধায়ককের সময় দিয়েছিল কমিশন। সেই সময়েই পৌঁছে যান তাঁরা। বৈঠকের পর বেরিয়ে ঋতব্রত জানান, সম্প্রতি অরূপ রায়কে চেয়ারপার্সন করে যে কমিটি গঠন করা হয়েছে, সেই বিষয়ে এদিন কমিশনকে অবগত করেছেন বিধায়করা।

ফুল-বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠক করলেন ঋতব্রতরা, পরিবারবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের বার্তা বিরোধী দলনেতার
ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়


নির্ধারিত সময়ে দিল্লিতে জাতীয় কমিশনের দফতরে উপস্থিত হলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় (Ritabrata Banerjee), অরূপ রায় সহ ১০ বিধায়ক। ফুল বেঞ্চের সঙ্গে দেখা করে কমিটি গঠনের বিষয়ে কথা বললেন তাঁরা। দলীয় প্রতীক ও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নিয়ে আলাদা করে কোনও কথা বলার প্রয়োজন নেই বলেই উল্লেখ করেন তিনি।

এদিন দুপুর সাড়ে ১২টায় বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত ও ১০ বিধায়ককের সময় দিয়েছিল কমিশন। সেই সময়েই পৌঁছে যান তাঁরা। বৈঠকের পর বেরিয়ে ঋতব্রত জানান, সম্প্রতি অরূপ রায়কে চেয়ারপার্সন করে যে কমিটি গঠন করা হয়েছে, সেই বিষয়ে এদিন কমিশনকে অবগত করেছেন বিধায়করা। ঋতব্রত বলেন, “কমিশনের ফুল বেঞ্চ ধৈর্য ধরে আমাদের কথা শুনেছেন। সবটা খতিয়ে দেখে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন বলে জানিয়েছেন। আশা করি, খুব শীঘ্র আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে।”


 কবে পেট্রোল-ডিজেলের দাম কমবে? অবশেষে উত্তরটা দিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী
দলের প্রতীক বা ফান্ড সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে ঋতব্রত সাফ জবাব দেন, “আমরাই অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস। এই প্রশ্নটা আসছে কোথা থেকে?” একইসঙ্গে ঋতব্রত একাধিকবার দাবি করেন, এই দলে যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার, তা সমষ্টিগতভাবে নেওয়া হবে, কেউ একা নেবে না। তাঁর কথায়, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস যে দিনের পর দিন পরিবারতন্ত্রে পরিণত হয়েছে। সেই পরিবারতন্ত্রের বিরুদ্ধে লড়াই হবে। পরিবারতন্ত্র বাংলার মানুষ সমর্থন করে না।’

একইসঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নাম না করে কটাক্ষ করেন ঋতব্রত। তিনি বলেন, “দলের কাছে ৪ টাকা থাকলে, ১ টাকা খরচ হয়েছে চার্টার্ড বিমানে। যারা বালি চুরি করেছে, কয়লা চুরি করেছে, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত হওয়া উচিৎ।”

কেন প্রকৃত তৃণমূল কংগ্রেসের মান্যতা দেওয়া হবে সেই প্রসঙ্গে নিজেদের সমর্থনে তথ্য দিয়ে নোটিসের জবাব দিতে হবে। ৬ জুলাই, আগামী সোমবার, বিকেল সাড়ে পাঁচটার মধ্যে দুই পক্ষকেই নোটিসের জবাব জমা দিতে হবে দুই পক্ষকেই।


 তৃণমূল তুমি কার? মমতা-ঋতব্রত, দুই পক্ষকেই নোটিস ধরিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন
রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর চলছে


 কে আসল, কেই বা নকল, তা নিয়ে টানাপোড়েনের অন্ত নেই। বিধানসভায় বিরোধী শিবিরের তকমা জুটেছে ঋতব্রতপন্থী তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়কদের। অন্যদিকে ছেড়ে কথা বলতে নারাজ মমতাপন্থী কালীঘাট তৃণমলের বিধায়করাও। রোজই চলছে কাদা ছোড়াছুড়ি। টানাটানি চলছে প্রতীক নিয়েও। আড়াআড়ি ভাগ একুশে জুলাই নিয়েও। এবার শেষ পর্যন্ত তৃণমূলের অধিকার নিয়ে মমতা এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, দুই পক্ষকেই নোটিস দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। তা নিয়েই শুরু হয়েছে নতুন চর্চা। 

কী বলছে কমিশন? 
কেন প্রকৃত তৃণমূল কংগ্রেসের মান্যতা দেওয়া হবে সেই প্রসঙ্গে নিজেদের সমর্থনে তথ্য দিয়ে নোটিসের জবাব দিতে হবে। ৬ জুলাই, আগামী সোমবার, বিকেল সাড়ে পাঁচটার মধ্যে দুই পক্ষকেই নোটিসের জবাব জমা দিতে হবে দুই পক্ষকেই। 


কবে পেট্রোল-ডিজেলের দাম কমবে? অবশেষে উত্তরটা দিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী
অন্যদিকে সাম্প্রতিক, কালে তৃণমূলের ন্যাশনাল ওয়ার্কিং কমিটি নিয়েও জট ক্রমেই বেড়েছে। প্রশ্ন উঠেছে বৈধতা নিয়ে। এই আবহে ঋতব্রত শিবিরের বক্তব্য, ২০২৫ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে পুরনো ওয়ার্কিং কমিটির মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। তারপর আর কোনও অভ্যন্তরীণ নির্বাচন হয়নি। অপরদিকে মমতা শিবিরের বক্তব্য, ২০২৬ এর ফেব্রুয়ারি মাসে তাঁরা কমিটির তালিকা পাঠিয়ে দিয়েছেন। ফলে বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন থাকার কথা নয়। এখন এর মূলেই যেতে চাইছে কমিশন। 

এদিকে নির্বাচন কমিশনের নিয়ম বলছে, প্রতিটা রাজনৈতিক দলকে একজন ব্যক্তিকে রাখতে হয় যিনি কমিশনের সঙ্গে দলের হয়ে ‘অফিসিয়ালি’ কথা বলেন। যিনি পার্টির বিষয়ে সিদ্ধান্তের কথাও জানাতে পারেন, একইসঙ্গে যার সাক্ষর নির্বাচন কমিশনে বৈধ হিসাবে গণ্য হবে। এই জটিলতার আবহে তৃণমূলের তরফে সেই অধিকার কার কাছে থাকছে তা নিয়েও চলছে চাপানউতোর। অন্যদিকে কালীঘাট তৃণমূল সূত্রে খবর এতদিন সাংগঠনিক ক্ষেত্রে এই সই করতেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আর প্রার্থীদের মনোনয়নের ক্ষেত্রে সই করতেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 

 বিশেষ জোর নারী নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও। ৫০০ থানায় চালু মহিলা হেল্প ডেস্ক। চালু দুর্গা স্কোয়াডও। ২১৩টি নতুন মোটরসাইকেল দেওয়া হচ্ছে মহিলা পুলিশদের। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “নির্ভয়ার ঘটনা থেকে তিলোত্তমার ঘটনা পর্যন্ত আমরা যে তিক্ত অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছি তা মাথায় রেখে আমরা আমাদের রাজ্যের নারী-কন্যাদের সুরক্ষা প্রদান করব।”


 পুলিশকে মনের মতো সাজালেন শুভেন্দু, এবার কী কী করবে?
কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

সাইবার অবরাধ মোকাবিলায় জোর বিজেপি সরকারের। জোর নারী নিরাপত্তাতেও। আজ থেকেই পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটা থানায় চালু সাইবার হেল্পডেস্ক। শুরু হচ্ছে সাইবার হেল্পলাইন। চালু করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সাংবাদিক বৈঠক থেকে খানিক উদ্বেগের সঙ্গেই বললেন, “সাইবার অপরাধ কার্যত মহামারির আকার ধারণ করেছে। সামাজিক প্রকল্পে যাঁরা ফর্ম ফিলাপ করছেন, অ্যাকাউন্ট নম্বর দিচ্ছেন সেটা জানতে পেরে সেই সমস্ত প্রান্তিক মানুষদের কাছ থেকে, তাঁদের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা গায়েব হয়ে যাচ্ছে।” 

সাইবার অপরাধ দমনে বড় পদক্ষেপ
অন্যদিকে আগামীতে সাইবার অপরাধ দমনে যে রাজ্য আলাদা করে একগুচ্ছ পদক্ষেপ নিতে চলেছে তাও এদিন জানান শুভেন্দু। জোরালো সাওয়াল গোল্ডেন আওয়ারেই সমাধানের পক্ষে। বলেন, “বিভিন্ন দফতরে যেমন উচ্চপদের এডিজি, আইজি লেভেলের আধিকারিকরা রয়েছেন তেমনই সাইবারের ক্ষেত্রে এই ধরনের সিনিয়র আধিকারিকদের এক্সক্লুসিভভাবে দিতে চলেছি। তিনি পুরো রাজ্যে সাইবার হেল্পডেস্ক, সাইবার পুলিশ স্টেশন এগুলো করবেন ভারত সরকারের স্বরাষ্ট্র দফতরের সঙ্গে সমণ্বয় রেখে।”  


গানের রিয়েলিটি শো-র প্যানেলিস্টদের সঙ্গে কী ধরনের চ্যাট করতেন অদিতি মুন্সি? এবার বিস্ফোরক তথ্য এল সামনে

সৌরভ মাধ্যমিকে কত নম্বর পেয়েছিলেন জানেন?
Petrol-Diesel Price: কবে পেট্রোল-ডিজেলের দাম কমবে? অবশেষে উত্তরটা দিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী
একইসঙ্গে বিশেষ জোর নারী নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও। ৫০০ থানায় চালু মহিলা হেল্প ডেস্ক। চালু দুর্গা স্কোয়াডও। ২১৩টি নতুন মোটরসাইকেল দেওয়া হচ্ছে মহিলা পুলিশদের। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “নির্ভয়ার ঘটনা থেকে তিলোত্তমার ঘটনা পর্যন্ত আমরা যে তিক্ত অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছি তা মাথায় রেখে আমরা আমাদের রাজ্যের নারী-কন্যাদের সুরক্ষা প্রদান করব। তার জন্য সরকার জিরো টলারেন্স নীতিতে চলবে।”  

কী বললেন পুলিশকে নিয়ে? 
বড় বার্তা দেন পুলিশের উদ্দেশ্যেও। অপরাধ দমনে আগের সরকারের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, “কোনও অভিযোগ এলে লুকানোর দরকার নেই। নথিভুক্ত করুন। এফআইআর করুন। ভারত সরকারের স্বরাষ্ট্র দফতর যে ধরনের তথ্য বিভিন্ন ক্রাইমের ক্ষেত্রে বিশেষ করে মহিলা ও শিশু সংক্রান্ত অভিযোগের যে সমস্ত তথ্য চায় বিগত দিনে আমাদের সরকার পাঠায়নি। আমরা যেন এবার কোনওভাবে একটা সংখ্যাও কম না পাঠাই! আমরা যদি বুঝতে পারি আমাদের রাজ্য়ে কোন ধরনের রোগ বেশি হচ্ছে তাহলে আমরা সঠিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করব। সেই ব্যধিকে আড়াল করলে ব্যধি বাড়বে।”  

অন্যদিকে অ্যাকশন নেওয়া, পুলিশি তৎপরতা আরও বাড়ানোর পক্ষেও জোরালো সওয়াল করেন শুভেন্দু। অনেক ক্ষেত্রে এমন অনেক ঘটনা ঘটে যেখানে পুলিশকে অন দ্য স্পষ্ট সিদ্ধান্ত নিতে হয়। সে ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা পুলিশের থাকা উচিত বলেই মত শুভেন্দুর। বলেন, “আমি ডিজিপকে বলেছি ১১২ পরিষেবা আমাদের রাজ্যে চালু করুন। গুজরাট, মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশে গড়ে ৬ মিনিটে পুলিশ পৌঁছায়। পশ্চিমবঙ্গে এই গড় ৩ ঘণ্টা। আগামী বাজেটে আরও গাড়ি দেওয়া হবে পুলিশ। আগামী ১ বছরের মধ্যে অন্য রাজ্য যদি ৬ মিনিটে পৌঁছায় আমরা ৫ মিনিটে পৌঁছাতে পারব। এটাই আমাদের লক্ষ্য থাকা উচিত।”  


এবার নিট (NEET), জেইই (JEE)-র মতো কোর্সে শুধু প্রবেশিকা পরীক্ষায় (Entrance) প্রাপ্ত নম্বরই নয়, মাধ্যমিক বা উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাওয়া নম্বরেরও ৫০ শতাংশ গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে। সূত্রের খবর এমনটাই। একটি মাত্র পরীক্ষার উপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমাতেই এই প্রস্তাব বিবেচনা করা হচ্ছে।

এবার শুধু প্রবেশিকা নয়, উচ্চ মাধ্যমিকের রেজাল্টেরও প্রয়োজন ডাক্তারি-ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অ্যাডমিশনে
ফাইল চিত্র।


শিক্ষা ব্যবস্থায় আসছে বড় বদল। এবার নিট (NEET), জেইই (JEE)-র মতো কোর্সে শুধু প্রবেশিকা পরীক্ষায় (Entrance) প্রাপ্ত নম্বরই নয়, মাধ্যমিক বা উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাওয়া নম্বরেরও ৫০ শতাংশ গুরুত্ব (50 Percent Weightage) দেওয়া হতে পারে। সূত্রের খবর এমনটাই। একটি মাত্র পরীক্ষার উপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমাতেই এই প্রস্তাব বিবেচনা করা হচ্ছে।


সহজভাবে বলতে গেলে, মেডিক্যাল ও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তির প্রবেশিকা পরীক্ষা (NEET, JEE) হোক বা বোর্ড পরীক্ষা- কোনও একটি নম্বরকে একমাত্র নির্ধারক না রেখে, প্রবেশিকা ও বোর্ড পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে ভর্তি প্রক্রিয়া পরিচালনার ভাবনা করা হচ্ছে।



অন্নপূর্ণা যোজনার ১২ পাতার ফর্ম যাঁরা পূরণ করেছেন, তাঁরা বড় সুযোগ পেতে চলেছেন, ঘোষণা শুভেন্দুর
Debraj Chakraborty: 'জানালা দিয়ে হাত ঢুকিয়ে বলত...', অশীতিপর বৃদ্ধ সামনে আনলেন দেবরাজের আরও ঘৃ্ণ্য দিক
বড় বড় পরীক্ষাগুলিতে একাধিক ব্যবস্থাপনায় গলদ, প্রশ্নপত্র ফাঁসের পরই দেশের পরীক্ষা ব্যবস্থা বা সিস্টেম নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এরপরই এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার চিন্তাভাবনা।

সূত্রের খবর, “কোনও কোর্সে ভর্তিতে বোর্ড পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ৫০ শতাংশও গুরুত্ব দেওয়ার চিন্তা করা হচ্ছে, যাতে স্কুলের পাঠক্রমও প্রবেশিকা পরীক্ষার অংশ হয়। প্রবেশিকা পরীক্ষার ক্ষেত্রে কোচিং সেন্টার, একাধিকবার প্রচেষ্টার উপরে নির্ভরশীলতা কমাতে এবং কম্পিউটার ভিত্তিক পরীক্ষার দিকে ধীরে ধীরে স্থানান্তরিত হওয়ার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ।”

বর্তমানে মেডিক্যাল ও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তি প্রবেশিকা পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে হয়। প্রার্থীদের বোর্ড পরীক্ষায় ন্যূনতম একটি শতাংশ নম্বর পেতে হয়, প্রবেশিকা পরীক্ষায় বসার জন্য।

গত বছর শিক্ষা মন্ত্রকের নয় সদস্যের কমিটি তৈরি করা হয়েছিল পড়ুয়াদের কোচিং সেন্টারের উপরে নির্ভরশীলতা কতটা, তা পরীক্ষা করার জন্য এবং এই ধরনের পরীক্ষায় যাতে স্বচ্ছতা বজায় থাকে, তা নিশ্চিত করতে।

জানা গিয়েছে, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এই প্য়ানেল কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা করতে পারে। এই কমিটি প্রবেশিকা পরীক্ষাকে স্কুলের সিলেবাসের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতেও সুপারিশ করেছে।

আজ কাকদ্বীপ বিধানসভার কাকদ্বীপ বাস স্ট্যান্ড প্রাঙ্গণে ভারতীয় জনতা পার্টির যুব মোর্চার উদ্যোগে একটি বাজেট আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। 

সভায় কেন্দ্রীয় বাজেটের বিভিন্ন দিক, যুবসমাজের জন্য ঘোষিত বিভিন্ন প্রকল্প, কর্মসংস্থান, পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
সভায় বিজেপি যুব মোর্চার জেলা ও স্থানীয় নেতৃত্বসহ দলের কর্মী-সমর্থকেরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা কেন্দ্রীয় বাজেটের বিভিন্ন ইতিবাচক দিক তুলে ধরেন এবং সাধারণ মানুষের কাছে বাজেটের সুফল পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি উপস্থিত কর্মীদের আগামী দিনে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার বার্তাও দেওয়া হয়।

এই বাজেট আলোচনা সভাকে ঘিরে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।


কাকদ্বীপ থেকে সৌম্য সুন্দর দাস এর সাথে বাপ্পা রুহি দাস এর রিপোর্ট কাকদ্বীপ ডট কম।

পাথর প্রতিমা:দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমা ব্লকের দক্ষিণ রায়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতে কাটমানি ও দুর্নীতির অভিযোগকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা ছড়াল। আবাস যোজনা-সহ একাধিক সরকারি প্রকল্পে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ তুলে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখান।


অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে টাকা ফেরতের দাবি জানিয়ে দীর্ঘক্ষণ ধরে চলে বিক্ষোভ ও বচসা, যার জেরে পরিস্থিতি ক্রমশ অশান্ত হয়ে ওঠে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই আবাস যোজনা এবং অন্যান্য সরকারি সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নাম করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠছিল। অভিযোগ, প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে কাটমানি আদায় করা হয়েছে। বহু মানুষ টাকা দেওয়ার পরও সরকারি সুবিধা না পাওয়ায় তাঁদের মধ্যে ক্ষোভ জমতে থাকে। অবশেষে মঙ্গলবার সেই ক্ষোভ বিস্ফোরণের আকার নেয়।
গ্রামবাসীদের অভিযোগের তীর মূলত স্থানীয় তৃণমূল নেতা অনন্ত হালদারের দিকে। বিক্ষোভ চলাকালীন গ্রামবাসীদের একাংশ অনন্ত হালদারকে একটি দোকান থেকে ধরে বের করে আনেন। এরপর ক্ষোভে ফেটে পড়ে তাঁকে জুতোপেটা করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলে উপস্থিত বহু মানুষ এই ঘটনার সাক্ষী থাকলেও পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে কেউ প্রথমে হস্তক্ষেপ করার সাহস পাননি।
পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে যখন তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি সুশান্ত দাস ওরফে কিরণ, উপপ্রধান এবং পঞ্চায়েতের অন্যান্য সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন। অভিযোগ, তাঁদের ঘিরে ধরে বিক্ষুব্ধ জনতার একাংশ বচসায় জড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে সেই বচসা হাতাহাতিতে পরিণত হয়। বিক্ষোভকারীদের একাংশ তাঁদের উপর চড়াও হলে গণধোলাইয়ের ঘটনা ঘটে। এতে সুশান্ত দাস গুরুতরভাবে আহত হন বলে অভিযোগ।


ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় ঢোলাহাট থানার পুলিশ। উত্তেজিত জনতাকে নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়। শেষপর্যন্ত পুলিশ হস্তক্ষেপ করে অভিযুক্ত ও আক্রান্তদের উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যায়। পুলিশের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলেও এলাকায় এখনও থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর। বিরোধীদের অভিযোগ, সরকারি প্রকল্পে দুর্নীতি ও কাটমানির সংস্কৃতি গ্রামাঞ্চলে সাধারণ মানুষের ক্ষোভকে চরমে পৌঁছে দিয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। দলের একাংশের দাবি, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করা হয়েছে।
বর্তমানে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। নতুন করে অশান্তি এড়াতে প্রশাসন নজরদারি বাড়িয়েছে। কাটমানি অভিযোগ ঘিরে এই বিস্ফোরক পরিস্থিতি দক্ষিণ ২৪ পরগনার রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এখন দেখার, তদন্তে কী তথ্য সামনে আসে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রশাসন কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
,

সরকারি সূত্রে খবর, হরমুজ প্রণালীর পথ খুলে গেলেও, এখনও ১২টি ভারতীয় জাহাজ আটকে রয়েছে হরমুজ প্রণালীতে। এতদিন হরমুজের বাইরেই অপেক্ষা করতে হচ্ছিল জাহাজগুলিকে। দীর্ঘ জাহাজ-জটের সৃষ্টি হয়েছিল। তার ফলে ভারতে তেল ও জ্বালানি সরবরাহেও টান পড়েছিল।    

১০০ টাকার নীচে নেমে আসবে পেট্রোল-ডিজেলের দাম? শীঘ্রই সুখবর শোনাতে পারে কেন্দ্র
পেট্রোল-ডিজেলের দাম কমবে?


ইরান-আমেরিকার যুদ্ধের প্রভাব সইতে হয়েছে গোটা বিশ্বকে। হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ায়, বিশ্ব জুড়েই তেল সরবরাহ বিপর্যস্ত হয়েছিল। দাম বেড়েছিল পেট্রোল-ডিজেল (Petrol-Diesel Price Hike) থেকে শুরু করে এলপিজি-সিএনজির (LPG-CNG Price Hike)। এখন দুই দেশ শান্তি চুক্তিতে সম্মত হতেই ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে ক্রুড তেলের সরবরাহ। এবার কি পেট্রোল-ডিজেলের দাম কমাবে কেন্দ্রীয় সরকার?

জ্বালানি সরবরাহে জোর-
মধ্যপ্রাচ্য থেকে জ্বালানি সরবরাহ নিরবিচ্ছিন্ন রাখতে ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার উপর জোর দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi)। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেস্কিয়ানের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ ফোনে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। হরমুজ প্রণালীতে যাতে সম্পূর্ণ বাধাহীন ভাবে জাহাজ চলাচল করে, তার জন্য ইরানের প্রেসিডেন্টকে আবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী, এমনটাই জানা গিয়েছে।


অন্নপূর্ণা যোজনার ১২ পাতার ফর্ম যাঁরা পূরণ করেছেন, তাঁরা বড় সুযোগ পেতে চলেছেন, ঘোষণা শুভেন্দুর
'গান-টান গেয়ে লাভ নেই বন্ধুরা!' আচমকা পোস্ট সাহানা বাজপেয়ীর
সরকারি সূত্রে খবর, হরমুজ প্রণালীর পথ খুলে গেলেও, এখনও ১২টি ভারতীয় জাহাজ আটকে রয়েছে হরমুজ প্রণালীতে। এতদিন হরমুজের বাইরেই অপেক্ষা করতে হচ্ছিল জাহাজগুলিকে। দীর্ঘ জাহাজ-জটের সৃষ্টি হয়েছিল। তার ফলে ভারতে তেল ও জ্বালানি সরবরাহেও টান পড়েছিল।

বর্তমানে জ্বালানি সরবরাহে ইরানের উপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে আমেরিকা। আর এই মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সুযোগকেই কাজে লাগাতে চাইছে ভারত।

পেট্রোল-ডিজেলের দাম কমবে?
ইতিমধ্যেই বিশ্ববাজারে কমেছে তেলের দাম। সঙ্গতি রেখে আজই বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম কমেছে দেশে। কমেছে পাঁচ কেজি রান্নার গ্যাসের দামও। কমেছে বিমান জ্বালানির খরচও। সূত্রের খবর, জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক হবার পর দাম কমতে পারে পেট্রোল-ডিজেলেরও। বর্তমানে ১১৩ টাকা প্রতি লিটার পেট্রোলের, ডিজেলের দাম ৯৯ টাকা রয়েছে। এই দাম কতটা কমে, তাই-ই দেখার।

 শিয়ালদহ ডিভিশনের নর্থ লাইনের আগরপাড়া, টিটাগড়, জগদ্দল, বিরাটি, অশোকনগর রোড, মছলন্দপুরের রিজার্ভেশন টিকিট কাউন্টারের ঝাঁপ পড়েছে। শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার ঢাকুরিয়া, বজবজ শাখার নিউ আলিপুরের টিকিট কাউন্টারগুলোর ঝাঁপ পড়েছে। কাচের PRS কাউন্টার থেকে টিকিট কাটার অনুরোধ করেছে রেল। 

আজ থেকেই হয়ে গেল বন্ধ! এবার চরম ভোগান্তিতে আগরপাড়া, টিটাগচরড়া, জগদ্দল-সহ শিয়ালদহ ডিভিশনের ৮ স্টেশনের যাত্রীরা
আগরপাড়া স্টেশন


আজ থেকে বন্ধ হয়ে গেল শিয়ালদহ ডিভিশনের ৮ স্টেশনে বন্ধ হল রিজার্ভেশন কাউন্টার। শিয়ালদহ ডিভিশনের নর্থ লাইনের আগরপাড়া, টিটাগড়, জগদ্দল, বিরাটি, অশোকনগর রোড, মছলন্দপুরের রিজার্ভেশন টিকিট কাউন্টারের ঝাঁপ পড়েছে। শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার ঢাকুরিয়া, বজবজ শাখার নিউ আলিপুরের টিকিট কাউন্টারগুলোর ঝাঁপ পড়েছে। কাচের PRS কাউন্টার থেকে টিকিট কাটার অনুরোধ করেছে রেল।

মূলত অনলাইন টিকিটের রমরমা এবং কাউন্টারে টিকিট বিক্রির হার কমে যাওয়ার কারণেই রেল এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে। রেল সূত্রের খবর, এই স্টেশনগুলির কাউন্টারে প্রতিদিন গড়ে টিকিটের চাহিদা অনেকটাই কমে গিয়েছিল। খরচ কমাতে এবং কর্মীদের অন্য কাজে ব্যবহার করতে এই পদক্ষেপ। তবে কাউন্টার বন্ধ হলেও যাত্রীদের সম্পূর্ণ খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে না। রেলের তরফে জানানো হয়েছে, স্টেশনগুলির সাধারণ টিকিট কাউন্টার বা ‘কাচের কাউন্টার’ থেকেই এখন দূরপাল্লার ট্রেনের রিজার্ভেশন টিকিট কাটার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

আমরা ফ্রিতে বাসে যাতায়াত করতে চাই না', দিদিদের কথা শুনে শুভেন্দু বুঝিয়ে দিলেন এবার কারা সুবিধা পাবেন
'যার যত ভালো ক্লিভেজ, সুযোগ তত বেশি!' ইন্ডাস্ট্রির কোন দিক তুলে ধরলেন জিনত আমন?
রিজার্ভেশন কাউন্টার বন্ধ হওয়ায় এই স্টেশনের যাত্রীরা নিম্নলিখিত জায়গা থেকে টিকিট কাটতে পারবেন

অনলাইন বুকিং: রেলের ওয়েবসাইট বা অফিসিয়াল অ্যাপের মাধ্যমে ঘরে বসেই টিকিট কাটতে পারবেন।
মোবাইল অ্যাপ: ট্রেনের আসন ও টিকিটের তথ্যের জন্য RailOne App ব্যবহার করতে পারেন।

এই স্টেশনগুলোর কাউন্টার বন্ধ হলেও বড় জংশন বা পার্শ্ববর্তী অন্য স্টেশনের রিজার্ভেশন কাউন্টারে পরিষেবা চালু রয়েছে।

চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী থেকে শুরু করে তৃণমূলের অন্যান্য কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে জেলা শাসজের দফতর , ইংরেজবাজার থানা এমনকি খোদ মুখ্যমন্ত্রীর কাছেও অভিযোগ জানানো হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে জমি আত্মসাতের, অবৈধ নির্মাণের, তোলাবাজি ইত্যাদির। ক্ষোভও রয়েছে মানুষের মধ্যে। কিন্তু সেই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ নেই।

এতদিন চড়া দামে বিকিয়েছে, এখনও সাজানো পেটি পেটি ডিম, কিন্তু তার কী হবে? রাতারাতি এই ঘটনায় দুশ্চিন্তায় ব্যবসায়ীরা
ডিম ব্যবসায়ী

আশাহত ডিম ব্যবসায়ীরা। সামনে ভাল ডিমের সঙ্গে গাদা গাদা পচা ডিমও সাজিয়ে রাখা। এই আশায় যদি ডিম থেরাপির জন্যে বিক্রি হয়। চড়া দামে। কিন্তু সেগুড়ে বালি। ইংরেজবাজার পুরএলাকায় কোন তৃণমূল নেতাকে ডিম ছুঁড়ছে না কেউ। ধোয়া তুলশী পাতা কেউ নয়, কাছেপিঠে সকলের বিরুদ্ধেই দুর্নীতির বিস্তর অভিযোগ, তবুও ডিম ছুঁড়ছে না কেউ। আজব ছবি মালদহে। পুর এলাকায় বিক্রি নেই পচা ডিমের। অথচ অন্যত্র ভালো ডিমের থেকেও বেশি দামে পচা ডিম বিক্রি হয়েছে শুধুমাত্র দুর্গন্ধের কারণে। পেটি পেটি পচা ডিম বিক্রি হয়েছে বেশি দামে। রাজ্যের সর্বত্র চলেছে এমনকি মালদাতেও মানিকচক, চাঁচল, হবিবপুরে ডিম থেরাপি হয়েছে তৃণমূল নেতাদের লক্ষ্য করে।

ব্যতিক্রম শুধু মালদহ শহর, বিশেষ করে ইংরেজবাজার পুরএলাকায়। দোকানদাররা নিজেরাই পচা ডিম সাজিয়ে, দুর্গন্ধে জেরবার। তারমধ্যে বিক্রি নেই। অথচ, ইংরেজবাজার পুরসভা তৃণমূল পরিচালিত। রাজ্যে সরকার বদলে গেলেও চেয়ারম্যান, কাউন্সিলররা দিব্যি আছেন। পুরসভায় যাচ্ছেন আসছেন। কম বেশি প্রত্যেকের বিরুদ্ধেই রোজই প্রায় অভিযোগ জমা পড়ছে। বিভিন্ন দুর্নীতির। চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী থেকে শুরু করে তৃণমূলের অন্যান্য কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে জেলা শাসজের দফতর , ইংরেজবাজার থানা এমনকি খোদ মুখ্যমন্ত্রীর কাছেও অভিযোগ জানানো হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে জমি আত্মসাতের, অবৈধ নির্মাণের, তোলাবাজি ইত্যাদির। ক্ষোভও রয়েছে মানুষের মধ্যে। কিন্তু সেই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ নেই।



'যার যত ভালো ক্লিভেজ, সুযোগ তত বেশি!' ইন্ডাস্ট্রির কোন দিক তুলে ধরলেন জিনত আমন?
ক্লাস ফাইভের ইংরেজি বইয়ে সলমন-ঐশ্বর্যর ‘নিম্বুড়া নিম্বুড়া’!
ডিম থেরাপিও নেই। রাস্তায় বেরোলে বা অফিসে সেই সব কাউবসিলর বা চেয়ারম্যানের সঙ্গে লোকজন বা অনুগামীদের ভিড় হয়তো আর দেখা যাচ্ছে না, কিন্তু ডিমও ছুঁড়ছে না কেউ।

এই নিয়ে কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী বলেন, “আমরা ক্ষমতার অপব্যবহার করিনি। আমি বামফ্রন্টের সঙ্গেও সম্পর্কটা রাখতাম। সকলের সঙ্গে ভাল সম্পর্ক রাখতাম। আর আমি এটা মেনটেইন করি বলেই, এখানে চরম কিছু হচ্ছে না। ” উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই ডিম থেরাপি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে। ডিম ছোড়ায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, তা নিয়ে রাজ্যের কাছে হলফনামা তলব করেছে আদালত।

অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে মন্ত্রী মালতী রাভা রায় বলেন, "অন্নপূর্ণা যোজনা শুধু আর্থিক সাহায্য নয়, এটা নারীদের আত্মবিশ্বাস ও স্বাধীনতার দিকে বড় পদক্ষেপ। একজন মা ও বোনের হাতে টাকা থাকলে পরিবারের সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাঁর ভূমিকা থাকে। সমাজ শক্তিশালী হয়। সোনার বাংলা গড়ে তোলার মূল কারিগর মা ও বোনেরা। আমি অনুরোধ করব, যাঁরা যোগ্য তাঁরা যেন এই যোজনার সুবিধা নেন।"


আপনার সন্তান এইসব স্কুলে পড়লে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাবেন না
প্রতীকী ছবি


অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা কারা পাবেন না? প্রকল্পের শুরুতে এই নিয়ে রাজ্য সরকারের তরফে বার্তা দেওয়া হয়েছিল। এরপর ১২ পাতার ফর্ম পূরণ করতে হয়। পরিবারের সন্তান কোন স্কুলে পড়ে, তাও ফর্মে জানাতে হয়। সন্তান কোন স্কুল ও কোন ক্লাসে পড়ে, তা জানতে চাওয়া নিয়ে নানা মহলে প্রশ্ন উঠেছিল। অবশেষে অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্মে ওই পয়েন্ট রাখার কারণ স্পষ্ট করল রাজ্য সরকার। কোনও পরিবারের সন্তান কোন স্কুলে পড়লে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাওয়া যাবে না, এদিন জানিয়ে দিলেন নারী ও শিশু উন্নয়ন ও সমাজকল্যাণ দফতরের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী মালতী রাভা রায়।

কী বললেন মন্ত্রী মালতী রাভা রায়?


'প্রতীক লাগবে না, ছবিটাই এনাফ', মমতাপন্থী তৃণমূলের সভায় বলছেন অনুগত কর্মী
এদিন নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে রাজ্য সরকারের অন্নপূর্ণা যোজনার অনুষ্ঠান হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন ১ কোটি ৩০ লক্ষের বেশি মহিলার অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা ঢুকছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেই মন্ত্রী মালতী রাভা রায় জানান, অন্নপূর্ণা যোজনায় কারা টাকা পাবেন এবং কারা টাকা পাবেন না। তিনি জানিয়ে দেন, অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সী মহিলারা পাবেন। এই যোজনার প্রাপকদের পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা হতে হবে। আয়করদাতা হলে হবে না।

এরপরই এই যোজনার বাইরে কাদের রাখা হয়েছে, সেকথা জানান তিনি। সেখানেই জানান, কোন স্কুলে সন্তান পড়লে মহিলারা অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাবেন না। তিনি বলেন, “স্বচ্ছতা বজায় রাখতে গিয়ে কিছু শ্রেণিকে এই প্রকল্পের বাইরে রাখা হয়েছে। একাধিক বিবাহযুক্ত পরিবার। স্থায়ী সরকারি কর্মচারী। এবং যে পরিবারের সন্তানরা সরকার অনুমোদিত নয়, এমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করে, তাঁরা এই যোজনায় আসবেন না। পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা যে মহিলাদের নাম বাদ পড়েছে, সেই মহিলারা আপাতত এই যোজনার সুবিধা পাবেন না।”

অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে মন্ত্রী মালতী রাভা রায় বলেন, “অন্নপূর্ণা যোজনা শুধু আর্থিক সাহায্য নয়, এটা নারীদের আত্মবিশ্বাস ও স্বাধীনতার দিকে বড় পদক্ষেপ। একজন মা ও বোনের হাতে টাকা থাকলে পরিবারের সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাঁর ভূমিকা থাকে। সমাজ শক্তিশালী হয়। সোনার বাংলা গড়ে তোলার মূল কারিগর মা ও বোনেরা। আমি অনুরোধ করব, যাঁরা যোগ্য তাঁরা যেন এই যোজনার সুবিধা নেন।”

আগামী ২৫ জুলাই কলকাতা থেকে শুরু হবে উদ্বোধনী ম্যাচ। এরপর প্রায় এক মাস ধরে কলকাতা, রাঁচি, শিলং, গুয়াহাটি, ইম্ফলে হবে ডুরান্ড কাপ। ২৩ অগাস্ট কলকাতার যুবভারতী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল। এবারেও বেশ কিছু সেনার দল, নতুন ফুটবল ক্লাব ও বিদেশী ক্লাব নিয়ে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ডুরান্ড কাপ।


একই গ্ৰুপে মোহন-ইস্ট, ডুরান্ড কাপে জায়গাই হল না অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের দলের!
ইস্টবেঙ্গল এফসি


১৩৫তম ডুরান্ড কাপ শুরু হতে আর বেশি দেরি নেই। ইতিমধ্যেই ডুরান্ড কাপ (Durand Cup) আয়োজক কমিটি এবারের প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া মোট ২৪টি দলের নাম ও ৫টি আয়োজক শহরের নাম ঘোষণা করেছে। আবার একই গ্ৰুপে রয়েছে ইস্টবেঙ্গল (East Bengal FC) ও মোহনবাগান (Mohunbagan Supergiant)। মোট ছটি স্টেডিয়ামে হবে ডুরান্ডের ম্যাচ। কিন্তু এবার ডুরান্ডে সুযোগই পেল না ডায়মন্ড হারবার এফসি (Diamond Harbour FC)। গতবারের রানার্স ছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banderjee) দল ডায়মন্ড হারবার। এবার তারা অংশগ্রহণ করছে না ডুরান্ড কাপে।

আগামী ২৫ জুলাই কলকাতাতে শুরু হবে উদ্বোধনী ম্যাচ। এরপর প্রায় এক মাস ধরে কলকাতা, রাঁচি, শিলং, গুয়াহাটি, ইম্ফলে হবে ডুরান্ড কাপ। ২৩ অগাস্ট কলকাতার যুবভারতী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল। এবারেও বেশ কিছু সেনার দল, নতুন ফুটবল ক্লাব ও বিদেশী ক্লাব নিয়ে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ডুরান্ড কাপ। ২০১৯ সাল থেকেই কলকাতাকে ডুরান্ড কাপের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে দেখা হচ্ছে। এবারেও শহরে হবে দুটি গ্ৰুপের ম্যাচ। উদ্বোধনী ম্যাচ, দুটি কোয়ার্টার ফাইনাল, একটি সেমিফাইনাল ও ফাইনালও হবে কলকাতার যুবভারতী স্টেডিয়ামে। সব ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে কলকাতার দুটি মাঠে – যুবভারতী স্টেডিয়াম ও কিশোরভারতী স্টেডিয়াম। ২৫ জুলাই থেকে ২৩ অগাস্ট অবধি চলবে ডুরান্ড কাপ।


জুলাই মাসে মালামাল হয়ে যাবে এই রাশি! কাদের সাবধানে থাকতে হবে?
গ্রুপ এ-তে আছে মোহনবাগান সুপারজায়েন্ট, ইস্টবেঙ্গল এফসি, সাউথ ইউনাইটেড ও সিআইএসএফ ফুটবল টিম। মোহনবাগান ১৭ বার ডুরান্ড চ্যাম্পিয়ন ও ১৬ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ইস্টবেঙ্গল এফসি। কলকাতার গ্রুপ বি-তে আছে বাঘপত এফসি, ইন্ডিয়ান নেভি, মহামেডান স্পোর্টিং ও সমলেশ্বরী স্পোর্টিং। এই বছর প্রথমবার ডুরান্ড কাপে নামতে চলেছে আই লিগ ৩ চ্যাম্পিয়ন বাঘপত এফসি ও ওড়িশার সম্বলপুরের আই লিগ ৩ এর দল সমলেশ্বরী স্পোর্টিং। কিন্তু এবার বাদ দেওয়া হয়েছে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল ডায়মন্ড হারবার এফসিকে।

এই প্রথমবারের মত রাঁচিতে ডুরান্ড কাপ খেলা হবে। রাঁচির বিরসা মুন্ডা স্টেডিয়ামে লিগ পর্বের ম্যাচ হবে এখানে। এমনকি একটি কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচও পাচ্ছে রাঁচি। রাঁচিতে খেলবে জামশেদপুর এফসি, ইন্ডিয়ান এয়ার ফোর্স ফুটবল টিম, স্পোর্টিং দিল্লি ও শ্রীলঙ্কার সেনা দল ডিফেন্ডার্স এফসি। ডিফেন্ডার্স এই প্রথমবার ডুরান্ড কাপে অংশ নিচ্ছে।

ইম্ফলের খুমান লাম্পাক স্টেডিয়ামেও খেলা হবে। সেই গ্রুপে রয়েছে স্থানীয় দুই দল নেরোকা এফসি, ট্রাউ এফসি, ইন্ডিয়ান নেভি ফুটবল টিম। এর পাশাপাশই অংশ নেবে এফসি রেংদাই, যারা গত মরশুমে আই লিগ ৩-এ রানার্স হয়েছিল। সব মিলিয়ে, ডায়মন্ড হারবার বিতর্কের মাঝেই ডুরান্ডে ফিরতে চলেছে ভারতের ফুটবলের মরশুমের উত্তেজনা ।
  ডিম থেরাপি নিয়েই মহুয়া সরব হয়েছিলেন। বলেছিলেন, "বোরখা পরে ডিম ছোড়ো, তাহলে কেউ চিনতে পারবে না।" আর মহুয়ার এই মন্তব্য ঘিরে তুমুল দানা বাঁধে বিতর্ক। অভিযোগ ওঠে, মহুয়া বিশেষ এক সম্প্রদায়ের মএইহিলাদের অপমান করছেন। নদিয়ার হোগলাবেড়িয়া থানায় তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআরও দায়ের হয়।


একটার পর একটা ধেয়ে আসছে... বিধ্বস্ত হয়ে কোনও রকমে নিজেকে বাঁচাতে ফেসবুক লাইভে এলেন মহুয়া মৈত্র
মহুয়া মৈত্র, সাংসদ


এবার নিগৃহীত কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র। কালীগঞ্জে বৈঠকের মাঝেই আক্রান্ত হন মহুয়া। মহুয়াকে লক্ষ্য করে কাদা-গোবর ছোড়া হয়েছে বলে অভিযোগ। কালীগঞ্জের বিধায়ক আলিফা আহমেদের বাড়িতে বৈঠক চলছিল, কাদা-গোবর বাইরে থেকে ছোড়া হয়েছে। তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয় বলেও অভিযোগ। গোটা ঘটনা নিজের মোবাইলে দৃশ্যবন্দি করেছেন খোদ মহুয়াই। তাঁকে কালো পতাকাও দেখানো হয়। গোটা বিষয়টি নিজের ফেসবুক লাইভে এসে দেখান মহুয়া। ফেসবুকে মহুয়া বলতে থাকেন, “দেখুন কীভাবে জানালা দিয়ে ডিম ছুড়ছে। কীভাবে ঘরের মধ্যে এসে পড়ছে ডিম। পুলিশ জাস্ট দাঁড়িয়ে রয়েছে। পুলিশ কেবল দাঁড়িয়ে দেখছে।”


অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে ট্রেন্ডটা শুরু হয়েছিল। সোনারপুরে মৃত কর্মীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে নিগৃহীত হতে হয়েছিল তাঁকে। জনরোষ আছড়ে পড়েছিল তাঁর ওপর। প্রচুর ডিম ছোড়া হয়েছিল বিক্ষুব্ধ জনতার মাঝ থেকে। ভোট পরবর্তী নতুন বাংলায় এটাই ‘ডিম থেরাপি’র প্রথম এপিসোড। পরবর্তীতে তা সংক্রমণের চেহারা নেয়। তৃণমূলের একেবারে ছোট, মেজো-বড় মাপের নেতাদের লক্ষ্য করে ডিম ছুড়তে দেখা গিয়েছে জনতাকে। এর আগে ডিম থেরাপির শিকার হন বর্ষীয়ান সাংসদ সৌগত রায়ও।


'গান-টান গেয়ে লাভ নেই বন্ধুরা!' আচমকা পোস্ট সাহানা বাজপেয়ীর
এই ডিম থেরাপি নিয়েই মহুয়া সরব হয়েছিলেন। বলেছিলেন, “বোরখা পরে ডিম ছোড়ো, তাহলে কেউ চিনতে পারবে না।” তাঁদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হবে ৷ থানা অভিযোগ না আদালত এমনকী সুপ্রিম কোর্টেও যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ৷ আর মহুয়ার এই মন্তব্য ঘিরে তুমুল দানা বাঁধে বিতর্ক। অভিযোগ ওঠে, মহুয়া বিশেষ এক সম্প্রদায়ের মহিলাদের অপমান করছেন। নদিয়ার হোগলাবেড়িয়া থানায় তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআরও দায়ের হয়। কিন্তু এদিন কালীগঞ্জে যে দৃশ্য দেখা গেল, তিনি ঘরের মধ্যে বৈঠক করছেন, জানতে পেরেই বাইরে জড়ো হয় জনতা। একেবারে রাস্তা থেকে ওই ঘরের জানালা টিপ্ করে ডিম ছুড়তে থাকেন বিক্ষোভকারীরা। আর সে মুহূর্তে জানালার আড়ালে থেকে সেটি মোবাইলবন্দি করতে দেখা যায় মহুয়াকেও।

বর্তমানে শিয়ালদহ ভায়া বনগাঁ থেকে রানাঘাট, শিয়ালদহ থেকে রানাঘাট, শিয়ালদহ থেকে কৃষ্ণনগর, শিয়ালদহ থেকে কল্যাণী, শিয়ালদহ থেকে কৃষ্ণনগর এসি পরিষেবা রয়েছে। উন্নত যাত্রী পরিষেবা এবং আধুনিক মানের রেক হওয়ায় যাত্রীদের সংখ্যাও অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে।

বনগাঁ-রানাঘাট-কৃষ্ণনগর তো ছিলই, এবার শিয়ালদহের এই শাখাতেও চলবে AC লোকাল, বড় ঘোষণা রেলের
প্রতীকী ছবি
আগে একাধিক লাইনে চালু হয়েছে। এবার শিয়ালদহ থেকে বারাসাত পর্যন্ত এসি লোকাল চালু হতে চলেছে। সাংবাদিক বৈঠকে ঘোষণা করলেন শিয়ালদহ ডিআরএম রাজীব সাক্সেনা। বর্তমানে ১০টি সার্ভিস চলছে একাধিক শাখায়। আগামী সোমবার অর্থাৎ ৬ জুলাই থেকে এই নতুন পরিষেবা শুরু করছে পূর্ব রেল। তাতেই খুশির হাওয়া এই লাইনের যাত্রীদের। 

শিয়ালদহ স্টেশন থেকে ছাড়বে সকাল ১০:৩৩ মিনিটে। বারাসত পৌঁছাবে ১১:১৮ টা নাগাদ। বারাসাত থেকে ছাড়বে ১১:২৯ মিনিট নাগাদ। শিয়ালদহ পৌঁছাবে ১২:১৩ মিনিট নাগাদ। শিয়ালদহ থেকে ছেড়ে মোট পাঁচটি স্টেশন দাঁড়াবে এই এসি লোকাল। বিধাননগর রোড, দমদম জংশন, দমদম ক্যান্টনমেন্ট, বিরাটি, মধ্যমগ্রাম। বাকি কোনও স্টেশনে দাঁড়াবে না। 


বাংলায় Swiggy-Zomato কর্মীদের নিয়ে সংস্থাগুলিকে বড় নির্দেশ মন্ত্রীর
বর্তমানে শিয়ালদহ ভায়া বনগাঁ থেকে রানাঘাট, শিয়ালদহ থেকে রানাঘাট, শিয়ালদহ থেকে কৃষ্ণনগর, শিয়ালদহ থেকে কল্যাণী, এসি পরিষেবা রয়েছে। উন্নত যাত্রী পরিষেবা এবং আধুনিক মানের রেক হওয়ায় যাত্রীদের সংখ্যাও অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। ফলের একের পর এক জায়গা থেকে চাহিদা আসছে। বিভিন্ন শাখার যাত্রীরাই চাইছেন তাঁদের লাইনেও এসি লোকাল চালু হোক। বারাসত-সহ আশপাশের শহরতলি থেকে প্রত্যেকদিনই বড় সংখ্যায় মানুষ কলকাতা ও আশপাশের এলাকায় কাজে আসেন। সঙ্গে প্রতি বছর কালীপুুজোর সময়েও বারাসত লাইনে ট্রেনে চাহিদা থাকে তুঙ্গে। ফলে এসি লোকালের দাবিটা এই লাইনের যাত্রীরা তুলছিলেন অনেকদিন থেকেই। অবশেষে হতে চলেছে চাহিদা পূরণ। যাত্রীদের চাহিদার বিষয়টিকে মাথায় রেখেই শিয়ালদহ থেকে বারাসাত এসি লোকাল চালু করা হচ্ছে বলে জানাচ্ছে রেল। 


চাপ বাড়ছে অনুব্রত মণ্ডলের। জোর ধাক্কা আদালতে। ভোট-পরবর্তী হিংসা মামলায় অনুব্রতর আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করল সিউড়ির জেলা আদালত। মঙ্গলবার মামলার শুনানি চলে। সওয়াল জবাবের পর শেষ পর্যন্ত বিচারক অনুব্রতর আবেদন নাকচ করে দেন। আইনজীবীদের বড় অংশের মত, আবেদন খারিজ হয়ে যাওয়ায় এই মামলায় অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেফতার করতে পুলিশের সামনে আপাতত আর কোনও আইনি বাধা রইল না। 

তবে এই পরিস্থিতিতে অনুব্রতর আইনজীবীরা উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হন কি না সেদিকেও অবশ্যই নজর থাকছে। যদিও তার আগেই অনুব্রতর বিরুদ্ধে পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নেয় কিনা সেদিকেও নজর রাজনৈতিক মহলের। চাপানউতোর চলছে পুরোদমে।



'যার যত ভালো ক্লিভেজ, সুযোগ তত বেশি!' ইন্ডাস্ট্রির কোন দিক তুলে ধরলেন জিনত আমন?
ঘটনার সূত্রপাত ২০২১ সালে বিধানসভা ভোটের ফলপ্রকাশের পর থেকে। অভিযোগ, সেই সময় বোলপুরের কঙ্কালীতলা পঞ্চায়েতের পাথরঘাটা গ্রামের একটি ইটভাটা থেকে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা মূল্যের ইট লুঠ হয়ে যায়। ১০০ ট্রাক্টর গিয়ে সেই ইট লুঠ করে নিয়ে আসে। সুর চড়ান ইটভাটার মালিক শুভেন্দু বিকাশ মণ্ডল। তাঁর অভিযোগ, কঙ্কালীতলা পঞ্চায়েতের তৎকালীন উপপ্রধান মামন শেখ ও তাঁর অনুগামীরাই এই কাণ্ড করেছেন। তখনই জড়িয়ে গিয়েছিল অনুব্রত মণ্ডলের নাম। মূল চক্রান্তকারী হিসাবে সামনে আসে অনুব্রত মণ্ডলের নাম। যদিও সেই সময় কড়া কোনও পদক্ষেপ করেনি পুলিশ। কিন্তু রাজ্যে পালাবদলের পরেই রাজনৈতিক আঙিনাতেও হাওয়া বদল। এখন দেখার জল কোনদিকে গড়ায়। চর্চা চলছে জেলার রাজনৈতিক আঙিনায়। 



কলকাতার ১৫০ বছরের পুরোনো নস্ট্যালজিয়া এবং ঐতিহ্যবাহী ট্রাম এবার সম্পূর্ণ নতুন রূপে ফিরতে চলেছে শহরের রাজপথে। ট্রামকে কেন্দ্র করে নতুন এক ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। কলকাতার দুই অন্যতম প্রধান পুণ্যভূমি কালীঘাট এবং দক্ষিণেশ্বর মন্দিরকে এবার যুক্ত করতে চলেছে ট্রাম পরিষেবা।


বুধবার পার্ক স্ট্রিটের একটি বিলাসবহুল হোটেলে আয়োজিত বণিকসভার অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে এই যুগান্তকারী পরিকল্পনার কথা জানালেন রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিং।

বহুদিন ধরেই মহানগরের ট্রাম পরিষেবার পুনরুজ্জীবন নিয়ে নানা জল্পনা চলছিল। তবে বর্তমান সরকারের এই নতুন উদ্যোগ শহরের ট্রামপ্রেমীদের মুখে চওড়া হাসি ফুটিয়েছে। পরিবহণমন্ত্রী জানান, এই রুটে সাধারণ ট্রাম নয়, বরং সম্পূর্ণ আধুনিক এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (AC) ট্রাম চালানো হবে। শুধু তাই নয়, কলকাতার পাশাপাশি সল্টলেক, নিউটাউন এবং রাজারহাটের বুকেও ট্রাম ছোটানোর বড়সড় পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে রাজ্য।


বাংলায় Swiggy-Zomato কর্মীদের নিয়ে সংস্থাগুলিকে বড় নির্দেশ মন্ত্রীর
শহরের রাস্তায় ট্রামের কারণে যানজট তৈরি হয়— দীর্ঘদিন ধরে ওঠা এই অভিযোগ মেটাতে এবার এক অভিনব কৌশল নেওয়া হচ্ছে। অর্জুন সিং স্পষ্ট করেছেন, নতুন এই ট্রামগুলি রাস্তার মাঝখান দিয়ে নয়, বরং রাস্তার একেবারে বাঁদিক ঘেঁষে চলাচল করবে। এর জন্য নতুন করে ট্রামলাইন পাতার কাজও খুব শীঘ্রই শুরু হতে চলেছে। বিদেশের ধাঁচে তৈরি এই ট্রামগুলি চলবে সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব ব্যাটারি প্রযুক্তির সাহায্যে, যার ফলে একদিকে যেমন দূষণ কমবে, অন্যদিকে বাঁচবে জ্বালানিও।

কলকাতার এই প্রাচীন ঐতিহ্যকে বৈজ্ঞানিক ও আধুনিক উপায়ে ফিরিয়ে আনতে ইতিমধ্যেই কোমর বেঁধে নেমেছে প্রশাসন। শহরের কোন কোন রুটে কীভাবে ট্রাম চালানো সম্ভব, তা খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় সংস্থা ‘রাইটস’ (RITES)-কে সমীক্ষার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে সেই সার্ভের কাজ।

পরিবহণ দপ্তরের আশা, দক্ষিণেশ্বর এবং কালীঘাটের মতো দুটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থান ট্রামলাইনের মাধ্যমে জুড়ে গেলে লক্ষ লক্ষ দর্শনার্থী ও পুণ্যার্থীদের যাতায়াত যেমন অনেক সহজ হবে, তেমনই কলকাতার বুকেও তৈরি হবে এক নতুন আকর্ষণ।

তদন্তকারী অফিসার জানান, রাস্তা ও কিছু বাড়ির সিসিটিভি খতিয়ে দেখা হয়েছে। দেখা গিয়েছে শাকির আলি যে গাড়ি ব্যবহার করতেন, সেই গাড়ি বাদ দিয়ে অন্যান্য গাড়ি ভাঙচুর হয়েছে। ঘটনার পর ওই গাড়িতেই শাকির আলি বেরিয়ে যান।


'মাথায় অক্সিজেন যায় না', জামিন চেয়ে অপরূপার স্বামীর দাবি, সেদিন শান্তিরক্ষা করতে গিয়েছিলেন
শাকির আলি


তিন বছর আগের মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে শাকির আলিকে (Shakir Ali)। প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ অপরূপা পোদ্দারের (Aparupa Poddar) স্বামীকে রামনবমী সংক্রান্ত মামলার মূলচক্রী হিসেবে গ্রেফতার করেছে এনআইএ (NIA)। তাঁর বাড়ি থেকে একগুচ্ছ গুলিও উদ্ধার হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, স্ত্রী এমপি থাকায় প্রভাব খাটিয়েছিলেন কাউন্সিলর শাকির, হামলার পরিকল্পনাও করেন তিনি। আজ, বুধবার আদালতে তোলা হলে, সব অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি। যে কোনও শর্তে জামিনের আবেদন করেছেন তিনি।

‘কেন হেফাজতে নেওয়া দরকার?’, জানতে চাইলেন বিচারক
আদালতে এনআইএ উল্লেখ করে, রামনবমীতে অশান্তির ঘটনায় ৬টা এফআইআর হয়েছিল। দুই কমিউনিটির মধ্যে অশান্তি হয়। রামনবমীর মিছিলে যাঁরা ছিলেন, তাঁদের উপর হামলা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এনআইএ-র দাবি, তদন্তে উঠে এসেছে যে শাকির আলি মূলচক্রী যিনি, উস্কানি দিয়েছিলেন। এছাড়া তাঁর বাড়ি থেকে ৩৬ রাউন্ড গুলি উদ্ধার হয়েছে বলেও জানায় এনআইএ। এনআইএ হেফাজতের আবেদন জানানো হয়েছে।



'ঋতুপর্ণ মিথ্যে বলেছিল,অনুপম খের টাকা দিয়ে আমার মুখ বন্ধ করতে চেয়েছিলেন!', কী ঘটেছিল রীতা কয়রালের সঙ্গে?
তবে বিচারক জানতে চেয়েছেন, ২০২৩-এর মে মাসে যে মামলা শুরু হয়েছে, তাতে এতদিন পর গ্রেফতার করা হল কেন? কেন হেফাজতে নেওয়া দরকার?

এনআইএ উত্তরে জানায়, আগে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি, কারণ সরকারের তরফে কোনও সহযোগিতা পাওয়া যায়নি। এখন সবদিক থেকে সমর্থন পাওয়া যাচ্ছে বলে দাবি করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। তদন্তকারীদের বক্তব্য, “আগে এরকম কাউকে গ্রেফতার করা স্বপ্নের মতো ছিল।”

‘সাদা গাড়িটা ওঁর ছিল’
তদন্তকারী অফিসার আরও জানান, রাস্তা ও কিছু বাড়ির সিসিটিভি খতিয়ে দেখা হয়েছে। দেখা গিয়েছে শাকির আলি যে গাড়ি ব্যবহার করতেন, সেই গাড়ি বাদ দিয়ে অন্যান্য গাড়ি ভাঙচুর হয়েছে। ঘটনার পর ওই গাড়িতেই শাকির আলি বেরিয়ে যান। হাইকোর্টে মামলা চলাকালীন সাদা গাড়িটি বিক্রি করা হয় বলেও দাবি এনআইএ-র।

‘মাথায় অক্সিজেন যায় না’, জামিন চান শাকির আলি
আদালতে শাকির আলির আইনজীবী জানান, শাকির এই মামলায় দু’বার হাজিরা দিয়েছিলেন। একজন কাউন্সিলর হিসেবে শান্তিরক্ষা করতে গিয়েছিলেন বলে দাবি করা হয়। শাকিরের বক্তব্য, “যাঁরা মিছিল করে এল, তাঁদের ষড়যন্ত্র খুঁজে পেলেন না, যারা রক্ষা করতে গিয়েছে তাদের অ্যারেস্ট করছেন? বাকি অভিযুক্তরা সবাই জামিনে আছে।”

শাকির আরও জানান যে তাঁর কাছে লাইসেন্সড বন্দুক ছিল, সেটা তিনি বিক্রি করে দিয়েছিলেন। কিন্তু গুলি বিক্রি করা যায় না। শাকির আরও বলেন, “মাথায় অক্সিজেন যায় না, সাসপেক্টেড ক্যান্সার পেশেন্ট, যে কোনও শর্তে জামিনের আবেদন করছি।”

শাকির আলিকে দু’দিনের এনআইএ হেফাজতের আবেদন করা হয়েছে। বিচারবিভাগীয় হেফাজত হলেও জেলে গিয়ে জেরায় আপত্তি নেই এনআইএ-র।

বুধবার দক্ষিণ কলকাতার তৃণমূলের কর্মিসভার আয়োজন করা হয়েছে। নেতৃত্বে রয়েছেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ও বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উপস্থিত না থাকলেও তৃণমূলের কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ কিছু কম ছিল না।


'প্রতীক লাগবে না, ছবিটাই এনাফ', মমতাপন্থী তৃণমূলের সভায় বলছেন অনুগত কর্মী
তৃণমূলের কর্মিসভা

 ভাঙন ধরা তৃণমূল (TMC) আর কোনওদিন মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবে কি না, তা নিয়ে চর্চা চলছে বিভিন্ন মহলে। ২ মাস আগেও যে দল শাসন ক্ষমতায় ছিল, পাড়ায় পাড়ায় যাদের দাপট চলত, তারা আজ কেউ জেলে, কেউ অন্য শিবিরে আশ্রয় নিচ্ছেন। বুধবার বিকেলে নজর কাড়ল সেই তৃণমূলের কর্মিসভা। ঋতব্রত-শিবির নয়, মমতাপন্থী তৃণমূলের কর্মিসভায় উপচে পড়া ভিড়।

বুধবার দক্ষিণ কলকাতার তৃণমূলের কর্মিসভার আয়োজন করা হয়েছে। নেতৃত্বে রয়েছেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ও বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উপস্থিত না থাকলেও তৃণমূলের কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ কিছু কম ছিল না। ‘আসল তৃণমূল’ নিয়ে যখন টানাপোড়েন তুঙ্গে, তখন এই ছবি যে কালীঘাট-শিবিরে বাড়তি অক্সিজেন জোগাবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

বিচারপতিও সরে দাঁড়ালেন! ৮ জুলাই, এবার নতিস্বীকার করতেই হচ্ছে অভিষেককে
Large Image Tmc Meeting 2

মহারাষ্ট্র নিবাস হলে কর্মিসভার আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানেই দক্ষিণ কলকাতার প্রচুর কর্মীর উপস্থিতি দেখা যায়। কর্মীরা এদিন ঋতব্রত শিবিরের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিন।

এক কর্মী এই ভিড় সম্পর্কে বলেন, “এটা হিমশৈলের চূড়ামাত্র। ভিড় দেখবেন আগামিদিনে। যারা ডিম ছুড়ছে, তাদের কী অবস্থা হবে বুঝতে পারবেন। ওই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে সিপিএম থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে, তৃণমূল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এবার মানুষ বহিষ্কার করে বঙ্গোপসাগরের জলে ফেলবে।”

আর এক কর্মী বলেন, “দেখা যাক কে হয় আসল তৃণমূল। মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় মাটির নেত্রী। তাঁর জন্য কোনও ঋতব্রতর সার্টিফিকেটের দরকার নেই। শুধু মমতার বন্দ্যোপাধ্যায় নামটা লাগবে আর ছবিটা লাগবে, কোনও প্রতীক লাগবে না। ছবিটাই এনাফ… এনাফ…এনাফ।”

অন্যদিকে, আসল তৃণমূল হিসেবে স্বীকৃতি পেতে ইতিমধ্যেই দিল্লি গিয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। ৯ বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে বৃহস্পতিবার জাতীয় নির্বাচন কমিশনে দেখা করার কথা তাঁর।

এর আগে সাইবার ক্রাইম থানায় অভিষেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন রাজীব সরকার। তৃণমূলের সাংসদের ডিজে মন্তব্য নিয়ে উস্কানি দেওয়ার অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। সেই অভিযোগের তদন্ত করছে সিআইডি। অভিষেকের কন্ঠস্বরের নমুনা চেয়েছেন তদন্তকারীরা।


ওইভাবে ঝুলে যাওয়ার অনুমতি নেই', এবার আরও বিপাকে অভিষেক
অভিষেকের বিরুদ্ধে এফআইআর


হুমকি থেকে টাকা নয়ছয় সহ একাধিক অভিযোগে জর্জরিত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায় (Abhishek Banerjee)। সিআইডি দফতরে হাজিরা দেওয়ার পর এবার কন্ঠস্বরের নমুনা জমা দেওয়ার নির্দেশে আইনি লড়াই চলছে। হাইকোর্টেও মেলেনি স্বস্তি। আর এবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কালীঘাট থানায় দায়ের হল অভিযোগ। ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে।

সমাজ মাধ্যমে একটি ছবিতে দেখা গিয়েছিল, দু’জন নিরাপত্তাকর্মী একটি গাড়ির ফুট বোর্ডে দাঁড়িয়ে অত্যন্ত বিপজ্জনকভাবে যাতায়াত করছেন। সেই ছবির ভিত্তিতেই এই অভিযোগ দায়ের করেছেন রাজীব সরকার নামে এক ব্যক্তি।



অন্নপূর্ণা যোজনার ১২ পাতার ফর্ম যাঁরা পূরণ করেছেন, তাঁরা বড় সুযোগ পেতে চলেছেন, ঘোষণা শুভেন্দুর
ক্লাস ফাইভের ইংরেজি বইয়ে সলমন-ঐশ্বর্যর ‘নিম্বুড়া নিম্বুড়া’!
অভিযোগ, এ ক্ষেত্রে ‘মোটর ভেহিকেলস অ্যাক্ট, ১৯৮৮’ অনুযায়ী ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন করা হয়েছে। সেই কারণেই সাংসদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন রাজীব সরকার। মোটরযান আইন, ১৯৮৮-র ধারা ১২৩ ও ধারা ১৮৪-তে মামলা করা হয়েছে। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, নিরাপত্তার অজুহাতে এক্ষেত্রে আইনি ছাড় নেওয়া হয়েছে। ভিআইপি নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রোটোকল অনুযায়ী, নিরাপত্তা কর্মীদের গাড়ির বাইরে ওইভাবে ঝুলে যাতায়াত করার অনুমতি নেই বলেও দাবি করা হয়েছে।

এর আগে সাইবার ক্রাইম থানায় অভিষেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন রাজীব সরকার। তৃণমূলের সাংসদের ডিজে মন্তব্য নিয়ে উস্কানি দেওয়ার অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। সেই অভিযোগের তদন্ত করছে সিআইডি। অভিষেকের কন্ঠস্বরের নমুনা চেয়েছেন তদন্তকারীরা।

বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জয়ের পর বিধানসভায় এক অভূতপূর্ব পরিস্থিতি তৈরি হয়। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে যে নতুন ব্লক তৈরি হয়, তারা নিজেদের 'আসল তৃণমূল' বলে দাবি করে। এরপরই প্রশ্ন ওঠে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে জোড়াফুল প্রতীকের অধিকারও কি ছিনিয়ে নেবেন ঋতব্রতরা?


দিল্লি থেকে এল ডাক, তড়িঘড়ি পৌঁছলেন ঋতব্রত সহ ১০
ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়
বাংলায় তৃণমূল কংগ্রেস ভেঙে ছারখার। ৬০-এর বেশি বিধায়ক নতুন ব্লকে নাম লিখিয়েছেন। আর সেই ব্লকের নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Ritabrata Banerjee) বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন বিধানসভার স্পিকার। এবার দিল্লিতে ডাক পড়ল সেই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের। দিল্লির নির্বাচন কমিশনে দেখা করতে বলা হয়েছে তাঁকে।

বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জয়ের পর বিধানসভায় এক অভূতপূর্ব পরিস্থিতি তৈরি হয়। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে যে নতুন ব্লক তৈরি হয়, তারা নিজেদের ‘আসল তৃণমূল’ বলে দাবি করে। এরপরই প্রশ্ন ওঠে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে জোড়াফুল প্রতীকের অধিকারও কি ছিনিয়ে নেবেন ঋতব্রতরা? ইতিমধ্যেই সেই আর্জি নিয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনে দেখা করেছেন তাঁরা। কোনও আইনি জট যাতে না তৈরি হয়, তার জন্য সবদিক বিবেচনা করেই এগোচ্ছেন তাঁরা।


 বনগাঁ-রানাঘাট-কৃষ্ণনগর তো ছিলই, এবার শিয়ালদহের এই শাখাতেও চলবে AC লোকাল, বড় ঘোষণা রেলের
রাজ্য নির্বাচন কমিশনে দেখা করার পর কর্মসমিতির বৈঠক করেন বিক্ষুব্ধ বিধায়করা। গত ২২ জুন অরূপ রায়কে চেয়ারপার্সন করে নতুন কমিটি তৈরি হয়। ঋতব্রত ছাড়াও সেখানে রয়েছেন ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, সন্দীপন সাহা, জাভেদ খানের মতো নেতারা। এরপরই ওই বৈঠকের কথা জানিয়ে কমিশনে একটি চিঠি দেওয়া হয় তৃণমূলের এই নতুন ব্লকের তরফে। তারপরই জাতীয় নির্বাচন কমিশন থেকে ডেকে পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ঠিক দুপুর ১২টায় সময় দেওয়া হয়েছে তাঁদের। তার প্রেক্ষিতেই ৯ বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনে ফুল বেঞ্চের সঙ্গে দেখা করবেন বলে জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা।

সাগর বিধানসভা কেন্দ্রের সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পরিষেবা পৌঁছে দিতে এবার গঙ্গাসাগরের চৌরঙ্গী মোড়ের কাছে চালু হলো ‘বিধায়ক সেবা কেন্দ্র’। বুধবার সন্ধ্যায় মহাসমারোহে এই কেন্দ্রের উদ্বোধন করলেন সাগর বিধানসভার নবনির্বাচিত বিজেপি বিধায়ক সুমন্ত মণ্ডল।


উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সাগর কেন্দ্রে প্রাক্তন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরাকে পরাজিত করে জয়লাভ করেন বিজেপি প্রার্থী সুমন্ত মণ্ডল। বিধায়কের বাড়ি নামখানা ব্লকে হওয়ায়, সাগরদ্বীপের বাসিন্দাদের সুবিধার্থে এবং দ্রুত পরিষেবা প্রদানের লক্ষ্যে চৌরঙ্গী মোড়ে এই অফিসটি খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বুধবার সন্ধ্যায় প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ও ফিতা কেটে কার্যালয়ের দ্বারোদ্ঘাটন করেন বিধায়ক সুমন্ত মণ্ডল। এরপর উপস্থিত দলীয় কর্মী-সমর্থকদের মিষ্টিমুখ করিয়ে তিনি শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিধায়ক জানান, এই সেবা কেন্দ্রের মাধ্যমে এখন থেকে সাগর বিধানসভার মানুষ তাদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান ও সরকারি পরিষেবা সংক্রান্ত বিষয়ে সরাসরি সহায়তা পাবেন। এলাকার মানুষের সুবিধার্থেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

*বিষ্ণুপুর:* 'সেবাশ্রয়' ও 'সেবাশ্রয়-২' মেডিক্যাল ক্যাম্পে গুরুতর অনিয়ম ও বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে বিষ্ণুপুর থানায় এফআইআর দায়েরের দাবি জানালেন বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস, ওরফে ববি।

১ জুলাই ২০২৬ তারিখে বিষ্ণুপুর থানার আইসি-কে দেওয়া অভিযোগপত্রে তিনি জানিয়েছেন, ওই ক্যাম্পগুলিতে আল্ট্রাসাউন্ড, পোর্টেবল এক্স-রে-র মতো নিয়ন্ত্রিত ডায়াগনস্টিক যন্ত্রপাতির ব্যবহারে বিধি ভাঙা হয়েছে। পাশাপাশি অননুমোদিত চিকিৎসা, অযোগ্য ব্যক্তিদের দিয়ে রোগী দেখানো, ভুয়ো প্রেসক্রিপশন ও কনসালটেশন রেকর্ড, বায়োমেডিক্যাল বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় গাফিলতি, সরকারি সম্পদের অপব্যবহার, আর্থিক অনিয়ম ও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অভিযোগও তুলেছেন তিনি।
অভিযোগের কপি ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার এসপি-কেও পাঠিয়েছেন অভিজিৎ দাস। তাঁর দাবি, আয়োজকদের সরকারি প্রকাশনা, প্রচারপত্র, কনসালটেশন শিট, রেফারেল স্লিপ, ছবি, ভিডিও ও সরেজমিন পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে এই অভিযোগ।

বিজেপি নেতার বক্তব্য, প্রাথমিক তথ্যপ্রমাণেই চিকিৎসা সংক্রান্ত আইন ও রোগী সুরক্ষার বিধি লঙ্ঘনের বিষয়টি স্পষ্ট। তাই অবিলম্বে এফআইআর দায়ের করে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

বিষ্ণুপুর থানা সূত্রে খবর, ১ জুলাই অভিযোগপত্রটি গৃহীত হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।


*উস্তি:* দক্ষিণ ২৪ পরগনার উস্তি থানার রাজারহাট এলাকায় ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়কে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা। বেসরকারি বাসের সঙ্গে ম্যাজিক গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত হলেন অন্তত ১৩ জন। তাঁদের মধ্যে ৫ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

স্থানীয় সূত্রে খবর, মঙ্গলবার বিকেলে ডায়মন্ড হারবারগামী একটি বেসরকারি বাসের সঙ্গে উল্টো দিক থেকে আসা যাত্রীবোঝাই ম্যাজিক গাড়ির সজোরে ধাক্কা লাগে। সংঘর্ষের তীব্রতায় ম্যাজিক গাড়িটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। আহতদের চিৎকারে ছুটে আসেন স্থানীয়রা। তারাই প্রথম উদ্ধারকাজ শুরু করেন।
খবর পেয়ে উস্তি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে গুরুতর আহত ৫ জনকে ডায়মন্ড হারবার জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। একজনের অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে কলকাতায় স্থানান্তর করা হয়েছে।

দুর্ঘটনার জেরে জাতীয় সড়কে বেশ কিছুক্ষণ যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরে পুলিশ গাড়ি দুটি সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করে। কী কারণে দুর্ঘটনা, খতিয়ে দেখছে পুলিশ। প্রাথমিক অনুমান, দ্রুতগতি ও বেপরোয়া ওভারটেকের জেরেই এই সংঘর্ষ।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার গঙ্গাসাগরে আইসিডিএসে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগে দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। 


সাগর থানায় দায়ের হওয়া একটি মামলার ভিত্তিতে অভিযানে নেমে বুধবার এক আইসিডিএস কর্মী এবং এক ভুয়ো জেলা সমন্বয়কারীকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতরা হলেন গঙ্গাসাগরের কালীবাজার এলাকার বাসিন্দা ও আইসিডিএস কর্মী আমিনা বেগম।

 আমিনা সাগর ব্লকের আইসিডিএসের তৃণমূলপন্থী সংগঠনের নেত্রী। এবং রায়দিঘির মধুসূদনচকের বাসিন্দা রাজকুমার গোস্বামী। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজকুমার নিজেকে আইসিডিএসের জেলা সমন্বয়কারী পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করতেন বলে অভিযোগ। তদন্তকারীদের দাবি, আর্থিক লেনদেন, সম্পত্তি ও অন্যান্য নথি উদ্ধারের স্বার্থে ধৃতদের পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানিয়ে এদিন আদালতে তোলা হবে। ঘটনার তদন্ত চলছে।