করোনায় মৃতের সংখ্যা আবারও দেড়শো পার। সংক্রমণ কিছুটা কমলেও অবশ্য চিন্তার ভাঁজ অব্যাহতই রইল পজিটিভিটি রেট নিয়ে। রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে কোভিডের জেরে প্রাণ হারালেন ১৫৪ জন।
দৈনিক সংক্রমণ অবশ্য কিছুটা কমেছে গত ২৪ ঘণ্টার বিচারে। রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী, গত একদিনে রাজ্যে নতুন করে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ১৮ হাজার ৮৬৩ জন। এই একই সময়পর্বে রাজ্যে করোনামুক্ত হয়েছেন ১৯ হাজার ২০২ জন। যে বিচারে ৪৯৩ জন কমে এই মুহূর্তে রাজ্যে অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ৩১ হাজার ৬৮৮ জনে। ডিসচার্জ রেট ৮৮.৩২ শতাংশ।
দৈনিক সংক্রমণকে দৈনিক সুস্থতা টেক্কা দিলেও স্বস্তির নিশ্বাস ঠিক এখনই ফেলা যাচ্ছে না। কারণ, পজিটিভিটি রেট। রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টা সময়ে রাজ্যে করোনা টেস্ট হয়েছিল ৭০ হাজার ১৯ টি। যার মধ্যে ১৮ হাজার ৮৬৩ জনের স্যাম্পেল পজিটিভ। আর সেই জন্যই পজিটিভিটি রেট ১০.৫৩ শতাংশ।
৪০ বছরের এক যুবককে কুপিয়ে খুন (Stabbed to Death) করার অভিযোগ উঠল এক দম্পতির বিরুদ্ধে। রবিবার ঘটনাটি ঘটেছে দিল্লির মঙ্গলপুরিতে। ঘটনায় রেশমা ও তার স্বামী জিতেন্দ্রকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের দুজনের বিরুদ্ধেই এক ব্যক্তিকে ১০০ টাকা নিয়ে ঝগড়ার জেরে কুপিয়ে খুন করার অভিযোগ রয়েছে। মৃতের নাম অজিত, তিনি মঙ্গলপুরির বাসিন্দা ছিলেন।
পুলিশ সূত্রে খবর, রবিবার দুপুর ২.৪৫ মিনিট নাগাদ পুলিশের কাছে এই ঘটনার খবর আসে। সঞ্জয় গান্ধি হাসপাতালে গিয়ে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। অজিতের বাবা অজিতকে ওই হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন। যদিও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর অজিতকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। ডান ঘাড়ের পিছনে গভীর ক্ষতের দাগ ছিল অজিতের। ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয়েছে বলে প্রাথমিক অনুমান পুলিশের।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, রবিবার অজিতের কাছে গিয়ে ১০০ টাকা ধারের টাকা ফেরত চায় জিতেন্দ্র। এই নিয়ে আচমকাই দু'জনের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়ে যায়। চরম অশান্তি শুরু হয়। অভিযোগ, অজিত প্রথমে মারতে শুরু করে জিতেন্দ্রকে। টাকা দিতে অস্বীকার করেন অজিত। এর পরই নিজের বাড়িতে ফিরে গিয়ে স্ত্রী এবং ধারালো অস্ত্র-সহ ফের অজিতের বাড়িতে চড়াও হয় জিতেন্দ্র। সেখানেই অস্ত্র দিয়ে অজিতকে কুপিয়ে পালিয়ে যায় দু'জনে।
ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন অজিত। শরীর থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণের ফলে মৃত্যু হয় তাঁর। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও তাঁকে বাঁচানো যায়নি।
ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের আতঙ্ক ক্রমশই বাড়তে শুরু করেছে দেশে ৷ এই সংক্রমণকে ইতিমধ্যেই ‘মহামারী’ বলে ঘোষণা করেছে রাজস্থান এবং তেলঙ্গানা সরকার। মহারাষ্ট্রেও ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের সংক্রমণে ইতিমধ্যেই ৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে দেড় হাজার। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রের তরফে স্পষ্ট করে জানানো হয়, ব্ল্যাক ফাঙ্গাসও এখন মহামারার কারণ হয়ে উঠেছে ৷ রাজ্যগুলিকে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জন সাধারণকে সচেতন করার নির্দেশ
এবার আতঙ্ক বাড়িয়ে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস বা মিউকোরোমাইকোসিসের সংক্রমণ ধরা পড়ল পশ্চিমবঙ্গেও ৷ রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর এখনও পর্যন্ত এ রাজ্যে ৫ জনের শরীরে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে ৷ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আজ, বৃহস্পতিবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রাজ্যের আক্রান্তদের নিয়ে। বলেছেন, এর ওষুধ দেওয়ার কথা কেন্দ্রের। কিন্তু কেন্দ্র কোনও স্পষ্ট দিশা দিচ্ছে না।
পরিস্থিতির দিকে নজর রেখে দ্রুত ব্ল্যাক ফাঙ্গাস সংক্রান্ত একটি সরকারি নির্দেশিকা বা গাইডলাইন তৈরির প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে রাজ্য। বাংলায় ৫ জন রোগীর শরীরে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের সংক্রমণের খবর জানার পরেই বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকরা।
প্রশ্ন হল ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকি কাদের ? এইমস জানাচ্ছে, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস রোগী, বেশি মাত্রায় স্টেরয়েড নেন যারা, তাদের ক্ষেত্রে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি ৷ ক্যানসার বা অন্য কোনও জটিল রোগের চিকিৎসা যাদের অনেকদিন ধরে চলছে, তাদেরও এই ছত্রাক রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা ৷ পাশাপাশি গুরুতর ভাবে কোভিডে আক্রান্ত, ভেন্টিলেটরে অক্সিজেন সাপোর্টে রয়েছেন, এমন রোগীরাও ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হতে পারেন ৷ নাক দিয়ে অস্বাভাবিক কালো রস বেরনো বা রক্ত বেরনো এই রোগের একটা লক্ষণ ৷ পাশাপাশি মুখে অসাড় ভাব, মুখ খুলতে বা চিবোতে খুব অসুবিধা হচ্ছে, নাক বন্ধ, মাথা ও চোখে প্রচণ্ড যন্ত্রণা, লাল চোখ ৷ অত্যাদি সবই ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের লক্ষণ ৷ কেন্দ্রের তরফেও রাজ্যগুলিকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস সংক্রান্ত সব খবর জানাতে ৷ এবং আক্রান্তদের তালিকা তৈরি করে রিপোর্ট জমা দিতে ৷
চিকিৎসকদের মত, ক্রনিক সিওপিডি সমস্যায় অক্সিজেনের মাত্রা স্বাভাবিকের থেকে কম থাকলে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। বুদ্ধবাবুর অক্সিজেনের মাত্রা মাঝেমধ্যেই নব্বইয়ে নেমে যাচ্ছে খানিকটা সেই কারণেই।
সূত্রের খবর আজ বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের দুটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা আজকে করা হবে। রক্তের ‘ডি-ডিমার’ এবং ‘ফেরিটিন’ পরীক্ষা করা হবে। প্রথম পরীক্ষাটিতে দেখা হয়, রক্তের জমাট বাঁধার প্রবণতা কেমন, অন্য কোনও সংক্রমণ হয়েছে কি না। দ্বিতীয় পরীক্ষায় দেখা হয় রক্তের প্রদাহ কতটা, আয়রনের পরিমাণ রক্তে যত বেশি হবে, প্রদাহ তত বেশি হবে। রক্তপরীক্ষায় উল্লেখযোগ্য ঘাটতি পাওয়া গেলে সেই অনুযায়ী তাঁর চিকিৎসা নিয়ে এগোবেন চিকিৎসকেরা, এমনটাই খবর।
প্রসঙ্গত গত ১৮ মে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের স্ত্রী করোনা আক্রান্ত হয়ে উডল্যান্ডস হাসপাতালে ভর্তি হন। তাঁর অবস্থা অনেকটাই স্থিতিশীল। স্যাচুরেশানের মাত্রা ঠিক আছে। অ্যান্টিবায়োটিক ও স্টেরয়েড ইঞ্জেকশান দেওয়া হচ্ছে তাঁকে। তাঁর কোমর্বিডিটি রয়েছে। ফলে চিকিৎসকরা তাঁর শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণে রাখছেন প্রতি মুহূর্তেই।
এবার বাড়িতেই করোনা টেস্ট করার ছাড়পত্র দিল ICMR ৷ এই বিষয়ে বুধবার নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে ৷ উপসর্গ থাকলে তবেই বাড়িতে পরীক্ষা করা যাবে ৷ করোনা আক্রান্তের সংস্পর্শে এলে করা যাবে পরীক্ষা ৷ মোবাইল ফোনে অ্যাপে থাকবে পরীক্ষার নিয়মাবলী ৷ পরীক্ষার রিপোর্ট আপলোড করতে হবে অ্যাপে ৷ পরীক্ষার সব তথ্য ICMR-এর কাছে থাকবে ৷
র্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টের জন্য একটি টেস্ট কিটকে অনুমতি দিল ICMR৷ এই কিটের সাহায্যে বাড়িতে বসেই নাক থেকে স্যাম্পেল নেওয়া যাবে ৷ হোম আইসোলেশন টেস্টিং কিটের জন্য MY LAB DISCOVERY SOLUTION LTD পুণের সংস্থাকে অথোরাইজ করা হয়েছে ৷ কিটের নাম COVISELF (Pathocatch) ৷
ছাড়পত্র দেওয়ার পর ICMR-এর তরফে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে ৷ যাঁদের মধ্যে করোনার লক্ষণ রয়েছে বা সংক্রমিত ব্যক্তির সংস্পর্শে এসেছেন তাঁদের অবশ্যই টেস্ট করা উচিৎ ৷ সংস্থার তরফে দেওয়া ম্যানুয়েলে টেস্ট করা পদ্ধতি সম্বন্ধে বিস্তারিত জানানো রয়েছে ৷ হোম টেস্টিংয়ের জন্য গুগল প্লে স্টোর ও অ্যাপল স্টোর থেকে মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে ৷ অ্যাপের মাধ্যমে জানতে পারবেন রিপোর্ট পজিটিভ না নেগেটিভ ৷
বাড়িতে টেস্ট করার জন্য টেস্ট স্ট্রিপ ফিচার কিনতে হবে এবং সেই মোবাইল থেকে ছবি তুলতে হবে যেখানে অ্যাপ ডাউনলোড করা হয়েছে ৷ মোবাইল ফোনের ডেটা সরাসরি ICMR এর টেস্টিং পোর্টালে স্টোর হয়ে যাবে ৷ রোগীর গোপনীয়তা বজায় রাখা হবে ৷ এই রিপোর্টে যাঁর টেস্ট পজিটিভ আসবে তাকে পজিটিভ মনে করা হবে ৷ অন্য টেস্ট করার আর দরকার পড়বে না ৷
রিপোর্ট পজিটিভ এলে হোম আইসোলেশনে থাকতে হবে এবং ICMR এর গাইডলাইন মেনে চলতে হবে ৷ যে রোগীদের নেগেটিভ আসবে তাদের RTPCR করাতে হবে ৷
ভারতে করোনা পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর। দৈনিক মৃত্যুতে ফের বিশ্বে সর্বকালীন রেকর্ড হল দেশে। গত ২৪-ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে রেকর্ড ৪৩২৯ জনের। তবে, গতকালের তুলনায় কমেছে দৈনিক সংক্রমণ।
হলেও সামান্য কমল দেশের দৈনিক করোনা সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমিতের সংখ্যা আড়াই লক্ষের বেশি। দেশে দৈনিক মৃত্যু দাঁড়িয়েছে চার হাজার তিনশো পার।
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের মঙ্গলবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে মৃত্যু হয়েছে ৪,৩২৯ জনের। এখনও পর্যন্ত দেশে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২ লক্ষ ৭৮ হাজার ৭১৯।
সোমবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই সংখ্যাটি ছিল ৪ হাজার ১০৬ জন। রবিবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে মৃত্যু হয়েছিল ৪ হাজার ৭৭ জনের। শনিবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে মৃত্যু হয়েছিল ৩ হাজার ৮৯০ জনের।
শুক্রবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে মৃত্যু হয়েছিল ৪ হাজার জনের। বৃহস্পতিবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ভারতে করোনায় মৃত্যু হয়েছিল ৪ হাজার ১২০ জনের। বুধবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, করোনায় দেশে মৃত্যু হয়েছিল রেকর্ড ৪ হাজার ২০৫ জনের।
শুক্রবারের পরিসংখ্য়ান অনুযায়ী, এই সংখ্যাটি ছিল ৩ লক্ষ ৪৪ হাজার ৭৭৬। বৃহস্পতিবার সুস্থ হয়েছিলেন ৩ লক্ষ ৫২ হাজার ১৮১ জন। বুধবারের সুস্থ হয়েছিলেন ৩ লক্ষ ৫৫ হাজার ৩৩৮ জন।
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের মঙ্গলবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে এখনও পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ২কোটি ১৫ লক্ষ ৯৬ হাজার ৫১২ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে মোট ১৮.৪৪ কোটি মানুষের টিকাকরণ হয়েছে।
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের মঙ্গলবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৩৩ লক্ষ ৫৩ হাজার ৭৬৫। সোমবারের হিসেব অনুযায়ী, দেশে অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ছিল ৩৫ লক্ষ ১৬ হাজার ৯৯৭।
রবিবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই সংখ্যাটি ছিল ৩৬ লক্ষ ১৮ হাজার ৪৫৮। শনিবারের হিসেব অনুযায়ী, এই সংখ্যাটি ছিল ৩৬ লক্ষ ৭৩ হাজার ৮০২।
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের মঙ্গলবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২ বক্ষ ৬৩ হাজার ৫৩৩ জন। দেশে মোট সংক্রমিতের সংখ্যা ২ কোটি ৫২ লক্ষ ২৮ হাজার ৯৯৬।
সোমবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই সংখ্যাটি ছিল ২ লক্ষ ৮১ হাজার ৩৮৬ জন। রবিবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লক্ষ ১১ হাজার ১৭০ জন। শনিবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী,আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লক্ষ ২৬ হাজার ৯৮ জন।
শুক্রবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আক্রান্ত হয়েছিলেন ৩ লক্ষ ৪৩ হাজার ১৪৪ জন। বৃহস্পতিবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আক্রান্ত হয়েছিলেন ৩ লক্ষ ৬২ হাজার ৭২৭ জন। বুধবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আক্রান্ত হয়েছিলেন ৩ লক্ষ ৪৮ হাজার ৪২১ জন।
শুক্রবারের হিসেব অনুযায়ী, দেশে অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ছিল ৩৭ লক্ষ ৪ হাজার ৮৯৩। বৃহস্পতিবার এই সংখ্যা ছিল ৩৭ লক্ষ ১০ হাজার ৫২৫। বুধবারের হিসেব অনুযায়ী, অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ছিল ৩৭ লক্ষ ৪ হাজার ৯৯।
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের মঙ্গলবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাকে জয়ী করে সুস্থ হয়েছেন ৪ লক্ষ ২২ হাজার ৪৩৬ জন। সোমবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই সংখ্যাটি ছিল ৩ লক্ষ ৭৮ হাজার ৭৪১।
রবিবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই সংখ্যাটি ছিল ৩ লক্ষ ৬২ হাজার ৪৩৭। শনিবারের পরিসংখ্য়ান অনুযায়ী, এই সংখ্যাটি ছিল ৩ লক্ষ ৫৩ হাজার ২৯৯।
এই আয়োজনের জন্য কলকাতা, মুম্বই, চেন্নাই ও দিল্লিকে মাথায় রেখেছেন বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট। পাশাপাশি আমেদাবাদেও চোখ রাখছেন সৌরভ।
শেষে আবারও আশার বার্তা দিলেন সৌরভ। তিনি বলেন, “আমরা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছি এবং আশাবাদী আয়োজন করার ব্যাপারে। আইপিএল ছাড়া আমরা ২০২০ শেষ করতে চাইছি না।”
কড়া লকডাউনের জন্য কন্টেইনমেন্ট জোনের সংজ্ঞাও বদলাচ্ছে রাজ্য সরকার৷ বাড়ানো হয়েছে কন্টেইনমেন্ট জোনের পরিধি৷ বাফার জোনকেও কন্টেইনমেন্ট জোনের আওতায় আনা হয়েছে৷ কোন কোন এলাকাগুলি কন্টেইনমেন্ট জোনের অধীনে পড়ছে তার তালিকা এগিয়ে বাংলা ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে৷ পাশাপাশি, প্রতিটি এলাকায় স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনও জোরদার প্রচার চালাবে৷ পাশাপাশি লকডাউন কার্যকর করতেও কড়া নজরদারি চালাবে পুলিশ প্রশাসন৷
এ দিনই কলকাতার কন্টেইনমেন্ট জোনের সংখ্যা বাড়িয়ে ১৮ থেকে ৩৩ করা হয়েছে৷ বেলেঘাটার একাংশ সিল করে দেওয়া হয়েছে৷কলকাতা, দুই চব্বিশ পরগনা, হাওড়া সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে যেভাবে করোনার দাপট বাড়ছিল, তাতে কন্টেইনমেন্ট জোনগুলিতে লকডাউন জারি করার নির্দেশ দিতে বাধ্য হল রাজ্য৷ যেহেতু কড়া লকডাউন শুরু হচ্ছে, তাই সাধারণ মানুষকে কিছুটা সময় দিতে বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা থেকে লকডাউন শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷ কড়া লকডাউন জারি করে সংক্রমণের হার নিয়ন্ত্রণ করাই রাজ্যের লক্ষ্য৷
সিবিএসই ও আইসিএসসি বোর্ডের তরফে শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টকে জানানো হয়েছে ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে তারা তাদের ফল প্রকাশ করে দেবে। সেই মোতাবেক এদিন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় সাংবাদিক সম্মেলন করে উচ্চ মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ ৩১ শে জুলাই এর মধ্যেও করে দেওয়ার চেষ্টা করা হবে বলে জানিয়ে দেন।সর্বভারতীয় স্তরের পরীক্ষায় বসতে যাতে সমস্যা না হয়, তাই ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে উচ্চমাধ্যমিকের ফল প্রকাশ করতে চাইছে শিক্ষা দফতর।তবে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা বাতিল করা হলেও অনেকগুলি বিষয়ের পরীক্ষায় কার্যত বাতিল হয়ে যায়। বাতিল হওয়া বিষয়ের মধ্যে ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি, অর্থনীতি, অ্যাকাউন্টেন্সির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো রয়েছে। তাই ছাত্র-ছাত্রীদের এই বিষয়টিকে মাথায় নিয়ে কিভাবে মূল্যায়ন করা যায় তা নিয়ে দফায় দফায় উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ ও স্কুল শিক্ষা দফতরের আধিকারিকরা আলোচনা চালায়। শেষমেষ শুক্রবার সন্ধ্যা নাগাদ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ বাতিল হওয়া পরীক্ষা নম্বর কিভাবে দেওয়া হবে তা নিয়ে বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।
উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের তরফে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়েছে:
অবশেষে এবার বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন বা ইউজিসি পরীক্ষার জন্য একটি নতুন একাডেমিক ক্যালেন্ডার এবং সংশোধিত নির্দেশিকা প্রকাশ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। করোনার প্রভাবে শিক্ষা ক্ষেত্রে সময়সূচি ব্যাপকভাবে বিঘ্নিত হয়েছে। মার্চ থেকে স্কুল বন্ধ থাকায় বেশিরভাগ রাজ্যেই বোর্ড পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছিল এবং অতীতের যোগ্যতার ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ইতিমধ্যেই চলতি মাসে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ইঞ্জিনিয়ারিং এবং মেডিক্যালের প্রতিযোগিতামূলক প্রবেশিকা পরীক্ষা বাতিল করার দাবি জানিয়েছে শিক্ষার্থীরা। যদিও বিষয়টি নিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি।
যদিও, গত ২৭ জুন রাজ্যের উচ্চ শিক্ষা দফতরের তরফে সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের অ্যাডভাইজারি দিয়ে জানানো হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে কোনও ভাবেই পরীক্ষা নেওয়া যাবে না৷ চূড়ান্ত বর্ষের পরীক্ষার্থীদের আগের পরীক্ষার সর্বোচ্চ নম্বর ৮০ শতাংশ অনুযায়ী মূল্যায়ন করা হবে৷ এতদিন, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা যতগুলি সিমেস্টার দিয়েছেন, প্রত্যেকটির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ নম্বরের ৮০ শতাংশ গ্রাহ্য হবে৷ বাকি ২০ নম্বর অ্যাসাইনমেন্টের উপর ভিত্তি করে দেওয়া হবে৷ আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে ফল প্রকাশিত হবে বলেও জানানো হয়েছে৷ তবে এই মূল্যায়ন পদ্ধতিতে যাঁরা অসন্তোষ প্রকাশ করবেন কিংবা যারা পরীক্ষা দিতে চাইবেন, তাঁদের জন্য পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে নতুন করে পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে৷ সে ক্ষেত্রে ইচ্ছুক পরীক্ষার্থীদের পরবর্তী পরীক্ষায় নম্বর চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে৷ রাজ্য উচ্চ শিক্ষা দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, চূড়ান্ত বর্ষের পরীক্ষার্থী নন, এমন পড়ুয়াদের সরাসরি পরবর্তী বর্ষে উত্তীর্ণ করে দেওয়া হবে৷ নেওয়া হবে না কোনও পরীক্ষা৷ বিজ্ঞপ্তি দেখুন- https://www.caluniv.ac.in/news/ug-pg-exam-27-6-20.pdf এই লিঙ্কে৷ কিন্তু, আচমকা কেন্দ্রের নয়া নির্দেশ জারি হওয়ায় নতুন করে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা৷











