Articles by "india"
Showing posts with label india. Show all posts

বুধবার (২৪ জুলাই), লোকসভায় প্রথম বক্তৃতা দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি তথা পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সাংসদ, অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। আর প্রথম বক্তৃতা দেওয়ার সময়ই কংগ্রেস সাংসদ তথা লোকসভার উপ-দলনেতা গৌরব গগৈয়ের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ে জড়িয়ে পড়লেন তিনি।

গগৈ! প্রথম ভাষণেই বিতর্কে অভিজিৎ
লোকসভা উত্তপ্ত বাদানুবাদে জড়ালেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ও গৌরব গগৈ


 বুধবার (২৪ জুলাই), লোকসভায় দেখা গেল গঙ্গোপাধ্যায় বনাম গগৈ। নির্মলা সীতারামনের কেন্দ্রীয় বাজেটে প্রস্তাবের উপর বলতে উঠেছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি তথা পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সাংসদ, অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এটিই ছিল লোকসভায় তাঁর প্রথম বক্তৃতা। আর প্রথম বক্তৃতা দেওয়ার সময়ই কংগ্রেস সাংসদ তথা লোকসভার উপ-দলনেতা গৌরব গগৈয়ের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ে জড়িয়ে পড়লেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর বলা কিছু কথা পরে লোকসভার রেকর্ড থেকে মুছেও ফেলতে হয়েছে।

সেই সময় চেয়ায়ে লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লা ছিলেন না। তাঁর বদলে সভা পরিচালনা করছিলেন চেয়ারপার্সন দিলীপ সাইকিয়া। বাজেট বক্তৃতায় তমলুকের বিধায়ক অতিরিক্ত সময় নিচ্ছেন বলে আপত্তি এসেছিল বিরোধী বেঞ্চ থেকে। দিলীপ সাইকিয়াও প্রাক্তন বিচারপতিকে এক মিনিটে তাঁর বক্তৃতা শেষ করতে বলেন। এরপরই, বিরোধীদের উদ্দেশ্য করে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “যাঁরা আমায় বক্তৃতা শেষ করতে বলছেন, তাঁদের বলি, আমি আমার বক্তৃতা শোনার জন্য তাদের এখানে থাকতে বলিনি।”

এতে, কংগ্রেসের লোকসভার উপ-দলনেতা গৌরব গগৈ মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকারী নাথুরাম গডসের প্রসঙ্গ তোলেন। অতীতে এক টিভি সাক্ষাৎকারে, বিজেপির প্রথমবারের বিধায়ক বলেছিলেন, মহাত্মা গান্ধীকে হত্যার পিছনে গডসের কী প্রেরণা ছিল, তা না বুঝতে পারলে, গান্ধী এবং গডসের মধ্যে কোনও একজনকে বেছে নেওয়াটা তাঁর পক্ষে অসম্ভব। সেই প্রসঙ্গ তুলে গডসে সম্পর্কে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের মতামত জিজ্ঞাসা করেন গৌরব গগৈ।


করোনায় মৃতের সংখ্যা আবারও দেড়শো পার। সংক্রমণ কিছুটা কমলেও অবশ্য চিন্তার ভাঁজ অব্যাহতই রইল পজিটিভিটি রেট নিয়ে। রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে কোভিডের জেরে প্রাণ হারালেন ১৫৪ জন।

দৈনিক সংক্রমণ অবশ্য কিছুটা কমেছে গত ২৪ ঘণ্টার বিচারে। রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী, গত একদিনে রাজ্যে নতুন করে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ১৮ হাজার ৮৬৩ জন। এই একই সময়পর্বে রাজ্যে করোনামুক্ত হয়েছেন ১৯ হাজার ২০২ জন। যে বিচারে ৪৯৩ জন কমে এই মুহূর্তে রাজ্যে অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ৩১ হাজার ৬৮৮ জনে। ডিসচার্জ রেট ৮৮.৩২ শতাংশ।

দৈনিক সংক্রমণকে দৈনিক সুস্থতা টেক্কা দিলেও স্বস্তির নিশ্বাস ঠিক এখনই ফেলা যাচ্ছে না। কারণ, পজিটিভিটি রেট। রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টা সময়ে রাজ্যে করোনা টেস্ট হয়েছিল ৭০ হাজার ১৯ টি। যার মধ্যে ১৮ হাজার ৮৬৩ জনের স্যাম্পেল পজিটিভ। আর সেই জন্যই পজিটিভিটি রেট ১০.৫৩ শতাংশ।

 


৪০ বছরের এক যুবককে কুপিয়ে খুন (Stabbed to Death) করার অভিযোগ উঠল এক দম্পতির বিরুদ্ধে। রবিবার ঘটনাটি ঘটেছে দিল্লির মঙ্গলপুরিতে। ঘটনায় রেশমা ও তার স্বামী জিতেন্দ্রকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের দুজনের বিরুদ্ধেই এক ব্যক্তিকে ১০০ টাকা নিয়ে ঝগড়ার জেরে কুপিয়ে খুন করার অভিযোগ রয়েছে। মৃতের নাম অজিত, তিনি মঙ্গলপুরির বাসিন্দা ছিলেন।

পুলিশ সূত্রে খবর, রবিবার দুপুর ২.৪৫ মিনিট নাগাদ পুলিশের কাছে এই ঘটনার খবর আসে। সঞ্জয় গান্ধি হাসপাতালে গিয়ে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। অজিতের বাবা অজিতকে ওই হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন। যদিও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর অজিতকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। ডান ঘাড়ের পিছনে গভীর ক্ষতের দাগ ছিল অজিতের। ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয়েছে বলে প্রাথমিক অনুমান পুলিশের।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, রবিবার অজিতের কাছে গিয়ে ১০০ টাকা ধারের টাকা ফেরত চায় জিতেন্দ্র। এই নিয়ে আচমকাই দু'জনের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়ে যায়। চরম অশান্তি শুরু হয়। অভিযোগ, অজিত প্রথমে মারতে শুরু করে জিতেন্দ্রকে। টাকা দিতে অস্বীকার করেন অজিত। এর পরই নিজের বাড়িতে ফিরে গিয়ে স্ত্রী এবং ধারালো অস্ত্র-সহ ফের অজিতের বাড়িতে চড়াও হয় জিতেন্দ্র। সেখানেই অস্ত্র দিয়ে অজিতকে কুপিয়ে পালিয়ে যায় দু'জনে।

ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন অজিত। শরীর থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণের ফলে মৃত্যু হয় তাঁর। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও তাঁকে বাঁচানো যায়নি।



ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের আতঙ্ক ক্রমশই বাড়তে শুরু করেছে দেশে ৷ এই সংক্রমণকে ইতিমধ্যেই ‘মহামারী’ বলে ঘোষণা করেছে রাজস্থান এবং তেলঙ্গানা সরকার। মহারাষ্ট্রেও ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের সংক্রমণে ইতিমধ্যেই ৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে দেড় হাজার। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রের তরফে স্পষ্ট করে জানানো হয়, ব্ল্যাক ফাঙ্গাসও এখন মহামারার কারণ হয়ে উঠেছে ৷ রাজ্যগুলিকে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জন সাধারণকে সচেতন করার নির্দেশ

এবার আতঙ্ক বাড়িয়ে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস বা মিউকোরোমাইকোসিসের সংক্রমণ ধরা পড়ল পশ্চিমবঙ্গেও ৷ রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর এখনও পর্যন্ত এ রাজ্যে ৫ জনের শরীরে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে ৷ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আজ, বৃহস্পতিবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রাজ্যের আক্রান্তদের নিয়ে। বলেছেন, এর ওষুধ দেওয়ার কথা কেন্দ্রের। কিন্তু কেন্দ্র কোনও স্পষ্ট দিশা দিচ্ছে না।

পরিস্থিতির দিকে নজর রেখে দ্রুত ব্ল্যাক ফাঙ্গাস সংক্রান্ত একটি সরকারি নির্দেশিকা বা গাইডলাইন তৈরির প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে রাজ্য। বাংলায় ৫ জন রোগীর শরীরে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের সংক্রমণের খবর জানার পরেই বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকরা। 



প্রশ্ন হল ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকি কাদের ? এইমস জানাচ্ছে, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস রোগী, বেশি মাত্রায় স্টেরয়েড নেন যারা, তাদের ক্ষেত্রে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি ৷ ক্যানসার বা অন্য কোনও জটিল রোগের চিকিৎসা যাদের অনেকদিন ধরে চলছে, তাদেরও এই ছত্রাক রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা ৷ পাশাপাশি গুরুতর ভাবে কোভিডে আক্রান্ত, ভেন্টিলেটরে অক্সিজেন সাপোর্টে রয়েছেন, এমন রোগীরাও ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হতে পারেন ৷ নাক দিয়ে অস্বাভাবিক কালো রস বেরনো বা রক্ত বেরনো এই রোগের একটা লক্ষণ ৷ পাশাপাশি মুখে অসাড় ভাব, মুখ খুলতে বা চিবোতে খুব অসুবিধা হচ্ছে, নাক বন্ধ, মাথা ও চোখে প্রচণ্ড যন্ত্রণা, লাল চোখ ৷ অত্যাদি সবই ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের লক্ষণ ৷ কেন্দ্রের তরফেও রাজ্যগুলিকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস সংক্রান্ত সব খবর জানাতে ৷ এবং আক্রান্তদের তালিকা তৈরি করে রিপোর্ট জমা দিতে ৷ 


অক্সিজেনের মাত্রা মাঝেমধ্যেই ওঠানামা করছে। তবু হাসপাতালে যেতে চাইছেন না রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য।  চিকিৎসকরা অবশ্য বলছেন, করোনা উপসর্গ থাকলে স্যাচুরেশান কমা-বাড়া  অত্যন্ত স্বাভাবাকি। তবে সতর্কতার জন্য তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করার মত দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। কিন্তু কোনও মতেই হাসপাতালের পথে পা বাড়াতে রাজি নন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। সূত্রের খবর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে এখনও কোনও হাই ডোজ অ্যান্টিবায়োটিক বা স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ দেওয়া হচ্ছে না। চিকিৎসকরা তাঁর শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছেন প্রতি মুহূর্তেই।

চিকিৎসকদের মত, ক্রনিক সিওপিডি সমস্যায় অক্সিজেনের মাত্রা স্বাভাবিকের থেকে কম থাকলে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। বুদ্ধবাবুর অক্সিজেনের মাত্রা মাঝেমধ্যেই নব্বইয়ে নেমে যাচ্ছে খানিকটা সেই কারণেই।



সূত্রের খবর আজ বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের দুটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা আজকে করা হবে। রক্তের ‘ডি-ডিমার’ এবং ‘ফেরিটিন’ পরীক্ষা করা হবে। প্রথম পরীক্ষাটিতে দেখা হয়, রক্তের জমাট বাঁধার প্রবণতা কেমন, অন্য কোনও সংক্রমণ হয়েছে কি না। দ্বিতীয় পরীক্ষায় দেখা হয় রক্তের প্রদাহ কতটা, আয়রনের পরিমাণ রক্তে যত বেশি হবে, প্রদাহ তত বেশি হবে। রক্তপরীক্ষায় উল্লেখযোগ্য ঘাটতি পাওয়া গেলে সেই অনুযায়ী তাঁর চিকিৎসা নিয়ে এগোবেন চিকিৎসকেরা, এমনটাই খবর।

প্রসঙ্গত গত ১৮ মে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের স্ত্রী করোনা আক্রান্ত হয়ে উডল্যান্ডস হাসপাতালে ভর্তি হন। তাঁর অবস্থা অনেকটাই স্থিতিশীল। স্যাচুরেশানের মাত্রা ঠিক আছে।  অ্যান্টিবায়োটিক ও স্টেরয়েড ইঞ্জেকশান দেওয়া হচ্ছে তাঁকে। তাঁর কোমর্বিডিটি রয়েছে। ফলে চিকিৎসকরা তাঁর শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণে রাখছেন প্রতি মুহূর্তেই।


 

এবার বাড়িতেই করোনা টেস্ট করার ছাড়পত্র দিল ICMR ৷ এই বিষয়ে বুধবার নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে ৷ উপসর্গ থাকলে তবেই বাড়িতে পরীক্ষা করা যাবে ৷ করোনা আক্রান্তের সংস্পর্শে এলে করা যাবে পরীক্ষা ৷ মোবাইল ফোনে অ্যাপে থাকবে পরীক্ষার নিয়মাবলী ৷ পরীক্ষার রিপোর্ট আপলোড করতে হবে অ্যাপে ৷ পরীক্ষার সব তথ্য ICMR-এর কাছে থাকবে ৷

র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টের জন্য একটি টেস্ট কিটকে অনুমতি দিল ICMR৷ এই কিটের সাহায্যে বাড়িতে বসেই নাক থেকে স্যাম্পেল নেওয়া যাবে ৷ হোম আইসোলেশন টেস্টিং কিটের জন্য MY LAB DISCOVERY SOLUTION LTD পুণের সংস্থাকে অথোরাইজ করা হয়েছে ৷ কিটের নাম COVISELF (Pathocatch) ৷



ছাড়পত্র দেওয়ার পর ICMR-এর তরফে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে ৷ যাঁদের মধ্যে করোনার লক্ষণ রয়েছে বা সংক্রমিত ব্যক্তির সংস্পর্শে এসেছেন তাঁদের অবশ্যই টেস্ট করা উচিৎ ৷ সংস্থার তরফে দেওয়া ম্যানুয়েলে টেস্ট করা পদ্ধতি সম্বন্ধে বিস্তারিত জানানো রয়েছে ৷ হোম টেস্টিংয়ের জন্য গুগল প্লে স্টোর ও অ্যাপল স্টোর থেকে মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে ৷ অ্যাপের মাধ্যমে জানতে পারবেন রিপোর্ট পজিটিভ না নেগেটিভ ৷

বাড়িতে টেস্ট করার জন্য টেস্ট স্ট্রিপ ফিচার কিনতে হবে এবং সেই মোবাইল থেকে ছবি তুলতে হবে যেখানে অ্যাপ ডাউনলোড করা হয়েছে ৷ মোবাইল ফোনের ডেটা সরাসরি ICMR এর টেস্টিং পোর্টালে স্টোর হয়ে যাবে ৷ রোগীর গোপনীয়তা বজায় রাখা হবে ৷ এই রিপোর্টে যাঁর টেস্ট পজিটিভ আসবে তাকে পজিটিভ মনে করা হবে ৷ অন্য টেস্ট করার আর দরকার পড়বে না ৷



রিপোর্ট পজিটিভ এলে হোম আইসোলেশনে থাকতে হবে এবং ICMR এর গাইডলাইন মেনে চলতে হবে ৷ যে রোগীদের নেগেটিভ আসবে তাদের RTPCR করাতে হবে ৷

 


ভারতে করোনা পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর। দৈনিক মৃত্যুতে ফের বিশ্বে সর্বকালীন রেকর্ড হল দেশে। গত ২৪-ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে রেকর্ড ৪৩২৯ জনের। তবে, গতকালের তুলনায় কমেছে দৈনিক সংক্রমণ। 


হলেও সামান্য কমল দেশের দৈনিক করোনা সংক্রমণ।  গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমিতের সংখ্যা আড়াই লক্ষের বেশি। দেশে দৈনিক মৃত্যু দাঁড়িয়েছে চার হাজার তিনশো পার।




কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের মঙ্গলবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে মৃত্যু হয়েছে ৪,৩২৯ জনের। এখনও পর্যন্ত দেশে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২ লক্ষ ৭৮ হাজার ৭১৯।


সোমবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই সংখ্যাটি ছিল  ৪ হাজার ১০৬ জন। রবিবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে মৃত্যু হয়েছিল ৪ হাজার ৭৭ জনের। শনিবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে মৃত্যু হয়েছিল ৩ হাজার ৮৯০ জনের। 


শুক্রবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে মৃত্যু হয়েছিল ৪ হাজার জনের। বৃহস্পতিবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী,  ভারতে করোনায় মৃত্যু হয়েছিল ৪ হাজার ১২০ জনের। বুধবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, করোনায় দেশে মৃত্যু হয়েছিল রেকর্ড ৪ হাজার ২০৫ জনের। 


শুক্রবারের পরিসংখ্য়ান অনুযায়ী, এই সংখ্যাটি ছিল ৩ লক্ষ ৪৪ হাজার ৭৭৬। বৃহস্পতিবার সুস্থ হয়েছিলেন ৩ লক্ষ ৫২ হাজার ১৮১ জন। বুধবারের সুস্থ হয়েছিলেন ৩ লক্ষ ৫৫ হাজার ৩৩৮ জন। 


কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের মঙ্গলবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে এখনও পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ২কোটি ১৫ লক্ষ ৯৬ হাজার ৫১২ জন।  এখনও পর্যন্ত দেশে মোট ১৮.৪৪ কোটি মানুষের টিকাকরণ হয়েছে। 


কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের মঙ্গলবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৩৩ লক্ষ ৫৩ হাজার ৭৬৫। সোমবারের হিসেব অনুযায়ী, দেশে অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ছিল ৩৫ লক্ষ ১৬ হাজার ৯৯৭।


রবিবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই সংখ্যাটি ছিল ৩৬ লক্ষ ১৮ হাজার ৪৫৮। শনিবারের হিসেব অনুযায়ী, এই সংখ্যাটি ছিল ৩৬ লক্ষ ৭৩ হাজার ৮০২।


কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের মঙ্গলবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২ বক্ষ ৬৩ হাজার ৫৩৩ জন। দেশে মোট সংক্রমিতের সংখ্যা ২ কোটি ৫২ লক্ষ ২৮ হাজার ৯৯৬।


সোমবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই সংখ্যাটি ছিল  ২ লক্ষ ৮১ হাজার ৩৮৬ জন।  রবিবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লক্ষ ১১ হাজার ১৭০ জন। শনিবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী,আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লক্ষ ২৬ হাজার ৯৮ জন। 


শুক্রবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আক্রান্ত হয়েছিলেন ৩ লক্ষ ৪৩ হাজার ১৪৪ জন। বৃহস্পতিবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী,  আক্রান্ত হয়েছিলেন ৩ লক্ষ ৬২ হাজার ৭২৭ জন। বুধবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আক্রান্ত হয়েছিলেন ৩ লক্ষ ৪৮ হাজার ৪২১ জন। 


শুক্রবারের হিসেব অনুযায়ী, দেশে অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ছিল ৩৭ লক্ষ ৪ হাজার ৮৯৩। বৃহস্পতিবার এই সংখ্যা ছিল ৩৭ লক্ষ ১০ হাজার ৫২৫। বুধবারের হিসেব অনুযায়ী, অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ছিল ৩৭ লক্ষ ৪ হাজার ৯৯। 


কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের মঙ্গলবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাকে জয়ী করে সুস্থ হয়েছেন  ৪ লক্ষ ২২ হাজার ৪৩৬ জন।  সোমবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই সংখ্যাটি ছিল ৩ লক্ষ ৭৮ হাজার ৭৪১। 


রবিবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই সংখ্যাটি ছিল ৩ লক্ষ ৬২ হাজার ৪৩৭। শনিবারের পরিসংখ্য়ান অনুযায়ী,  এই সংখ্যাটি ছিল ৩ লক্ষ ৫৩ হাজার ২৯৯।





হাতে মাত্র কয়েকটা দিন, তারপরই বাঙালি সবথেকে বড় উৎসব দুর্গাপূজা। আর এই দুর্গাপূজার সময় বেশ কতকগুলি ট্রেন রয়েছে যাদের ব্যাপক চাহিদা থাকে। এই চাহিদার কথা মাথায় রেখে পূর্ব রেলের তরফ থেকে ভারতীয় রেল বোর্ডকে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে নতুন করে ১৩টি ট্রেন চালানোর বিষয়ে। আর এই চিঠি ফিরে আশার আলো দেখতে শুরু করেছেন নাগরিকরা কিছুটা হলেও পূর্ব রেলে ট্রেন চলাচল নিয়ে।
পূর্ব রেলের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, পুজোর সময় ওই নির্দিষ্ট ১৩ টি ট্রেনের ব্যাপক চাহিদা থাকায় এই ট্রেনগুলির চালাচল শুরু হলে মাসে প্রায় ২৩ কোটি টাকা আয় করতে পারবে ভারতীয় রেল। ট্রেনের চাহিদা এবং ভারতীয় রেলের আর্থিক পরিস্থিতিকে ফের চাঙ্গা করতে ওই নির্দিষ্ট ট্রেনগুলি চলাচল শুরু করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে রেল বোর্ডকে।
ভারতীয় রেলের তরফ থেকে এটাও আশা করা হচ্ছে যে, অক্টোবর মাসে দুর্গাপুজো ছাড়াও নবরাত্রি, দুর্গাপুজো, দশেরা, দীপাবলি এবং ভাইফোঁটার মতো একাধিক উৎসব রয়েছে। আর এই সকল উৎসবকে কেন্দ্র করে যাত্রী সংখ্যা বাড়বে বলেই আশা ভারতীয় রেলের।
পূর্ব রেলের তরফ থেকে যে ১৩টি ট্রেন চালু করার কথা বলা হয়েছে সেই ট্রেনগুলি শিয়ালদা স্টেশন থেকে চালু করার জন্য আবেদন করা হয়েছে। আর এই আবেদনের ভিত্তিতে এখন দেখার বিষয় পুজোর মরশুমে কিছুটা হলেও ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হচ্ছে কিনা।
আশুতোষ কলেজের ইংরাজির মেধা তালিকায় নাম প্রকাশ সানি লিওনের। ২৪ ঘণ্টাও কাটল না, জবাব দিলেন অভিনেত্রী। রসিকতা করে সানি লিওন ট্যুইট করলেন, “কলেজের পরবর্তী সেমেস্টারে তোমাদের সবার সঙ্গে দেখা হচ্ছে। আশা করি তোমরা সবাই আমার ক্লাসে থাকবে।”
প্রসঙ্গত, আশুতোষ কলেজের ইংরাজির মেধা তালিকায় সানি লিওনের নাম নিয়ে যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়, তা সবার প্রথম প্রকাশিত হয় এবিপি আনন্দর ওয়েবসাইটে। চ্যানেলে খবর প্রকাশিত হওয়ার পরই তড়িঘড়ি তালিকা সংশোধন করে দেওয়া হয়। সরিয়ে দেওয়া হয় অভিনেত্রীর নাম। যদিও সেখানে প্রাপ্ত নম্বর একই রয়েছে।
কর্তৃপক্ষের সাফাই ছিল, কোনও পড়ুয়া মশকরা করেই এই কাজ করেছে। কিংবা প্রযুক্তিগত বিভ্রাটের কারণেই এই ভুল হয়ে থাকতে পারেও আশঙ্কা করেছেন কলেজের উপাধক্ষ্য। পরে কলেজ কর্তৃপক্ষ সানি লিওনের নাম সরিয়ে দিলেও পশ্চিমবঙ্গ তো বটেই সারা ভারতের শিরোনামে চলে আসেন সানি লিওন। এবার সেই চর্চায় অংশীদার হলেন সানি নিজে।
ভারতে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ছড়ানোর গতি যেন কমছেই না ৷ আক্রান্তের সংখ্যা প্রতিদিন লাগাতার বেড়েই চলেছে ৷ শনিবার দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৩০ লক্ষ হতে চলেছে ৷ ভারত বিশ্বের মধ্যে তৃতীয় দেশ যেখানে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ লক্ষ পেরিয়ে গিয়েছে ৷ ভারতের থেকে বেশি আক্রান্তের সংখ্যা রয়েছে আমেরিকা ও ব্রাজিলে ৷ শুক্রবারও দেশের মধ্যে ৬৮ হাজারের বেশি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৷ অর্থাৎ ৩০ লক্ষ হওয়া থেকে ২৯০০০ কেস কম রয়েছে ভারতে ৷
আমেরিকা ও ব্রাজিলের থেকে বর্তমানে ভারতে অনেক বেশি দ্রুত গতিতে ছড়াচ্ছে করোনা ভাইরাস ৷ মাত্র ১৬ দিনে ১০ লক্ষ মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৷ অথচ ব্রাজিলে ২০ থেকে ৩০ লক্ষ হতে প্রায় ২৩ দিন সময় লেগেছিল ৷ আমেরিকায় সময় লেগেছিল প্রায় ২৮ দিন ৷ প্রথমে ভারতে ১০ লক্ষ আক্রান্ত হয়েছিল ১৩৮ দিনে ৷ কিন্তু এরপর সংক্রমণ ছড়ানোর গতি হু হু করে বেড়ে যায় ৷ ১০ লক্ষ থেকে ২০ লক্ষ হতে সময় লেগেছিল ২১ দিন৷
তবে স্বস্তির বিষয় হচ্ছে ভারতে মৃত্যুর হার অনেকটাই কম ৷ এখনও পর্যন্ত ভারতে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৫৪৮৪৯ জনের ৷ অথচ আমেরিকায় ৩০ লক্ষ আক্রান্ত হওয়ার সময় ১ লক্ষ ৩০ হাজার জনের মৃত্যু হয়েছিল ৷ ব্রাজিলে ৩০ লক্ষ আক্রান্তের সময় মৃত্যু হয়েছিল ১ লক্ষের বেশি ৷ ভারতে এখন মৃত্যুর হার ২ শতাংশের কম ৷ আমেরিকা ও ব্রাজিলে মৃত্যুর হার অনেকটাই বেশি ৷
এই দাবি যদি সত্যি হয়, তাহলে এটাই হল দেশের প্রথম মাতৃগর্ভে করোনা সংক্রমণের ঘটনা যা এখন চিন্তা বাড়িয়েছে বিশেষজ্ঞ মহলের। 


প্রতিদিনই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। সারা বিশ্বে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ইতিমধ্যেই ১ কোটি ৬৯ লক্ষ ১১ হাজার ছাড়িয়েছে। এই ভাইরাসে এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৬ লক্ষ ৬৩ হাজার ৮৪০ জনের। ভারতেও করোনা পরিস্থিতি ক্রমশ উদ্বেগজনক হচ্ছে। প্রতিদিনই ৪৭-৪৮ হাজার মানুষ নতুন করে আক্রান্ত হচ্ছেন করোনায়। এই পরিস্থিতিতে আতঙ্ক আরও বাড়িয়ে দিল পুনের একটি হাসপাতালে দাবি। ওই হাসপাতালের তরফে দাবি করা হয়েছে, মাতৃগর্ভস্ত শিশুর শরীরেও করোনা সংক্রমিত হয়েছে! এই দাবি যদি সত্যি হয়, তাহলে এটাই হল দেশের প্রথম মাতৃগর্ভে করোনা সংক্রমণের ঘটনা।

এর আগে পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন, মাতৃগর্ভে বা জঠরে থাকা ভ্রূণের বা শিশুর করোনা আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি তেমন একটা নেই। এই প্রসঙ্গে ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পেরিনেটাল এপিডেমিওলজিস্ট ডঃ খ্রিশ্চান চেম্বার্স বলেছিলেন, গর্ভবতী মায়ের জরায়ুর প্লাসেন্টা তাঁর শরীরে অ্যান্টিবডি হিসাবে কাজ করে এবং ভ্রূণকে সুরক্ষিত রাখে। তাই করোনা-সংক্রমণে ভ্রূণের বা শিশুর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা কমই থাকে। তবে এই ধারণাকে ভ্রান্ত প্রমাণ করে দিতে পারে পুনের ওই হাসপাতালে সাম্প্রতিক দাবি।
           
পুনের সাসুন জেনারেল হাসপাতালের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডঃ আরতি কিনিকার জানিয়েছেন, গত মে মাসে এক সন্তানসম্ভবা মহিলা হাসপাতালে ভর্তি হন। ICMR-এর নির্দেশিকা মেনে ওই মহিলার করোনা পরীক্ষা করা হয়। সেই পরীক্ষার ফল নেগেটিভ আসে। কিন্তু পরবর্তীতে তাঁর সদ্যোজাত শিশুকন্যার নাকের থেকে শ্লেষ্মার নুমনার পরীক্ষা করে দেখা যায় ফল পজিটিভ। এর পর অন্য একটি ওয়ার্ডে ওই শিশুকন্যাকে স্থানান্তরিত করা হয়। দু’সপ্তাহ চিকিৎসার পরে শিশুটি সুস্থ হয়ে ওঠে। ডঃ কিনিকার জানান, পরীক্ষা করে দেখার পর তাঁরা নিশ্চিত যে, এ ক্ষেত্রে ভার্টিকাল ট্রান্সমিশন ঘটেছে। বলে রাখা ভাল, মায়ের নাড়ি বা প্লাসেন্টার মাধ্যমে মাতৃগর্ভে বা জঠরে থাকা ভ্রূণের বা শিশুর মধ্যে সংক্রমণের ঘটনাকে চিকিৎসাশাস্ত্রের পরিভাষায় ‘ভার্টিকাল ট্রান্সমিশন’ বলা হয়।
ডঃ কিনিকার বলেন, “আমরা তিন সপ্তাহ পরে ফের একবার ওই শিশু ও তার মায়ের অ্যান্টিবডি পরীক্ষা করেছি। উভয়ের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। তবে মায়ের ক্ষেত্রে বেশি এবং শিশুটির শরীরে কম অ্যান্টিবডি পাওয়া গিয়েছে।” সুরতাং, পুনের সাসুন জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসকদের এই দাবি যদি সত্যি হয়, তাহলে মাতৃগর্ভেও যে করোনার হাত থেকে ভ্রূণ বা শিশু সুরক্ষিত নয়, এ ক্ষেত্রে তারই ইঙ্গিত মিলছে! আর এই দাবিই এখন চিন্তা বাড়িয়েছে বিশেষজ্ঞ মহলের।
উপকূলরক্ষী বাহিনীর তৎপরতায় বেঁচে ফিরলেন ১৫ জন মৎস্যজীবী। গভীর সমুদ্র থেকে ১৫ জন মৎস্যজীবীকে উদ্ধার করে, মৎস্যজীবী সংগঠনের সদস্যদের হাতে তুলে দিলেন উপকূলরক্ষী বাহিনীর কর্মীরা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৩ দিন আগে ইলিশের সন্ধানে গভীর সমুদ্রে পাড়ি দিয়েছিল এফ বি কৃষ্ণ কানাইয়া নামক একটি ট্রলার।
বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে হঠাৎই আবহাওয়ার পরিবর্তন হওয়ায়, ট্রলারটি উপকূলের দিকে ফিরে আসছিল। উত্তাল ঢেউয়ের পাশ কাটিয়ে উপকূলের দিকে ফেরার সময়, ট্রলারটির পেছনে 
লাগানো পাখা ভেঙে পড়ে যায়। এরপরই ট্রলারটি গভীর সমুদ্রে বিকল হয়ে ২ দিন ভাসতে থাকে। আশেপাশে অন্য কোন ট্রলার না থাকায়, জীবনের আশঙ্কায় ভীত হয়ে পড়েন ১৫ জন মৎস্যজীবী।
সঙ্গে সঙ্গে উপকূল রক্ষী বাহিনীর কর্মীরা বিকল হয়ে পড়া ট্রলারটির কাছাকাছি যান এবং ১৫ জন মৎস্যজীবীকে উদ্ধার করেন। 
এ বিষয়ে কাকদ্বীপ ফিশারম্যান ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের সম্পাদক বিজন মাইতি জানান, “উদ্ধার হওয়া ১৫ জন মৎস্যজীবী সুস্থ রয়েছেন। বিকল হয়ে পড়া ট্রলারটিকে কাকদ্বীপের মৎস্য বন্দরে টেনে আনা হচ্ছে।”
পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব বর্ধমান জেলায় সম্প্রতি খোঁজ মিলেছে এক “চেন হত্যাকারীর”। কামারুজ্জামান বিদ্যুতের মিটার দেখার নাম করে দুপুর বা বিকেলের দিকে হাজির হন এবং বাড়িতে একা থাকার সুযোগ নিয়ে আচমকাই গলায় সাইকেলের চেন পেচিয়ে ধরেন। কালনা মহকুমার বিভিন্ন প্রান্তে এই একই পদ্ধতিতে খুনের শিকার হয়েছেন বহু মহিলা। এর মধ্যে প্রাণে বেঁচেছেন বেশকিছু জন। অভিযুক্ত চেন খুনীকে কালনা আদালত মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করেন। পূর্ব বর্ধমান ও পার্শ্ববর্তী হুগলি জেলায় প্রায় পাঁচ জন মহিলাকে যৌন নিপীড়ন ও হত্যার অভিযোগ ওঠে।এছাড়া এই অপরাধীর বিরুদ্ধে সর্বমোট ১৫ টি খুন বা খুনের চেষ্টার মামলা করা হয়েছে। শেষ ঘটনাটি ঘটেছিল ৩০ শে মে ২০১৯। এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে কালনা আদালতের বিচারক তপন কুমার মণ্ডল তাকে ফাঁসির রায় শুনিয়েছিলেন। আইনজীবীরা দাবি করেন বালিকার ওপর যৌন নির্যাতন চালিয়ে খুনের এই মামলায় ‘পকসো’ ধারা অনুসরণ করা হয়েছিল।এই ধরনের মামলার ক্ষেত্রে সাধারণত ৩০ দিনের মধ্যে চার্জশিট জমা এবং এক বছরের মধ্যে বিচার সম্পন্ন করতে হয়। ক্রমাগত এই ধরনের ঘটনার পর গত বছর জুন মাসে অভিযুক্তকে তার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়।
২০১৯ এর ১ এপ্রিল হাট কালনার পঞ্চায়েতের রং পাড়ার এক বধু আক্রান্ত হয়েছিলেন ।অভিযুক্ত ধরা পড়ার পরে টিআই প্যারেডে তাকে চিহ্নিত করা হয়েছে। ওই বধূ বলেন “সেদিনের ঘটনায় আজও শিউরে উঠি। লোকটা বাড়িতে মিটার দেখার নাম করে ঢুকে গলায় চেন লাগিয়ে খুনের চেষ্টা করেছিল। অনেক কষ্টে প্রাণে বেঁচেছি।” কালনাতে বছর চুয়াত্তরের এক মহিলাও আক্রান্ত হয়েছিলেন এই চেন খুনির হাতে। প্রাণে বাঁচলেও ঘটনার পর দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন তিনি। কালনায় মল্লিকপাড়া একটি ভাড়া বাড়িতে গলার চেন পেচিয়ে খুন করা হয় এক মহিলাকে। পুলিশের দাবি তার ওপর যৌন নির্যাতন চালানো হয়েছিল। ২০১৩ সালে মন্তেশ্বর এ গলায় চেন পেচিয়ে খুন করা হয় এক বৃদ্ধাকে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায় ক্ষতিগ্রস্তদের বাড়ি থেকে মূল্যবান বেশকিছু জিনিস নিয়ে পালালেও চুরির উদ্দেশ্য অপরাধী ছিল না । জেলা পুলিশের খবর মহিলাদের হত্যা করাই তার প্রধান লক্ষ্য। পুলিশ জানিয়েছে যে লোকটি বিবাহিত এবং তার তিনটি ছেলে মেয়ে রয়েছে। মহিলাদের খুন করে যৌনাঙ্গে ধারালো অস্ত্র ঢোকানোর অভিযোগ রয়েছে তার ওপর। ২০১৯ এর ৪ এপ্রিল কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মেমারি থানা এলাকায় দুজন মহিলা কে পর পর হত্যা করেছে অপরাধী। এই চেন খুনি আটটি মামলায় আদালতে দোষী সাব্যস্ত হয়েছে।সরকার পক্ষের আইনজীবী নিযুক্ত হয়েছেন সৌমজিৎ রাহা। তিনি বলেন লকডাউন না হলে আরো দুটি মামলায় শুনানি হয়ে যেত ।
নিজের জন্মদিনে যখন ভারতের ক্রীড়াপ্রেমীদের শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা পাচ্ছেন, তখন রিটার্ন গিফট হিসেবে ক্রীড়াপ্রেমীদের জন্য সুখবর আনলেন বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। বছরের বাকি সময়ের লক্ষ্য হিসেবে আইপিএলকেই এগিয়ে রাখলেন মহারাজ। এবং এই বছরেই আইপিএল করার ব্যাপারে আশ্বাস দিলেন ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক।
বুধবার একটি টিভি শোয়ের আলোচনা সভায় সৌরভ আইপিএল নিয়ে ইতিবাচক বার্তা দেন। তিনি বলেন, “আমরা আইপিএল চাই কারণ জীবনকে সাধারণ স্রোতে ফিরিয়ে আনতে হবে। ক্রিকেটকে ফিরিয়ে আনতেই হবে।”সৌরভ বলেন, “মিডিয়ার কাছ থেকে অনেক কথাই শুনছি কিন্তু বোর্ডের তরফ থেকে এরকম কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। কিন্তু আমরা আইপিএল আয়োজন করতে চাই, আমাদের প্রথম পছন্দ ভারত। যেমন সময়সূচি পাই না কেন, ৩৫-৪০ দিনের হলেও আমরাই আয়োজন করব।”

এই আয়োজনের জন্য কলকাতা, মুম্বই, চেন্নাই ও দিল্লিকে মাথায় রেখেছেন বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট। পাশাপাশি আমেদাবাদেও চোখ রাখছেন সৌরভ।

শেষে আবারও আশার বার্তা দিলেন সৌরভ। তিনি বলেন, “আমরা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছি এবং আশাবাদী আয়োজন করার ব্যাপারে। আইপিএল ছাড়া আমরা ২০২০ শেষ করতে চাইছি না।”

 ৯ জুলাই বিকেল পাঁচটা থেকে গোটা রাজ্যের কন্টেইনমেন্ট জোনগুলিতে কড়া লকডাউনের সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার৷ কন্টেইনমেন্ট জোনে বন্ধ থাকবে সমস্ত সরকারি-বেসরকারি অফিস, কারখানা এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান৷ কন্টেইনমেন্ট জোনগুলিতে বন্ধ থাকবে সবরকম যানবাহন চলাচল৷ শুধুমাত্র অত্যাবশ্যকীয় পণ্য এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দোকান খোলা থাকবে বলে জানা গিয়েছে৷ অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবাও চালু থাকবে৷ কোনওরকম জমায়েত করা যাবে না৷ ইতিমধ্যেই এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করেছে রাজ্য৷ কন্টেইনমেন্ট জোনের বাসিন্দারা অফিসেও যেতে পারবেন না৷
কড়া লকডাউনের জন্য কন্টেইনমেন্ট জোনের সংজ্ঞাও বদলাচ্ছে রাজ্য সরকার৷ বাড়ানো হয়েছে কন্টেইনমেন্ট জোনের পরিধি৷ বাফার জোনকেও কন্টেইনমেন্ট জোনের আওতায় আনা হয়েছে৷ কোন কোন এলাকাগুলি কন্টেইনমেন্ট জোনের অধীনে পড়ছে তার তালিকা এগিয়ে বাংলা ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে৷ পাশাপাশি, প্রতিটি এলাকায় স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনও জোরদার প্রচার চালাবে৷ পাশাপাশি লকডাউন কার্যকর করতেও কড়া নজরদারি চালাবে পুলিশ প্রশাসন৷
এ দিনই কলকাতার কন্টেইনমেন্ট জোনের সংখ্যা বাড়িয়ে ১৮ থেকে ৩৩ করা হয়েছে৷ বেলেঘাটার একাংশ সিল করে দেওয়া হয়েছে৷কলকাতা, দুই চব্বিশ পরগনা, হাওড়া সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে যেভাবে করোনার দাপট বাড়ছিল, তাতে কন্টেইনমেন্ট জোনগুলিতে লকডাউন জারি করার নির্দেশ দিতে বাধ্য হল রাজ্য৷ যেহেতু কড়া লকডাউন শুরু হচ্ছে, তাই সাধারণ মানুষকে কিছুটা সময় দিতে বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা থেকে লকডাউন শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷ কড়া লকডাউন জারি করে সংক্রমণের হার নিয়ন্ত্রণ করাই রাজ্যের লক্ষ্য৷
উচ্চমাধ্যমিকের বাকি পরীক্ষাগুলো বাতিল বলে শুক্রবার সাংবাদিক সম্মেলন করে ঘোষণা করেছেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু বাতিল এই পরীক্ষাগুলি বা এই বিষয়গুলি নম্বর কিভাবে ছাত্র-ছাত্রীদের মূল্যায়ন করা হবে তা নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী রূপরেখা তৈরি সিদ্ধান্ত উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ ও বিশেষজ্ঞ কমিটির উপরেই ছেড়ে দিয়েছিলেন। ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ কিভাবে ওই বিষয়গুলির মূল্যায়ন করা হবে তা নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করল।শুক্রবার সন্ধে নাগাদ উচ্চমাধ্যমিক শি ক্ষা সংসদের তরফে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়েছে উচ্চমাধ্যমিকের ইতিমধ্যেই যে বিষয়গুলির পরীক্ষা হয়ে গেছে সেই বিষয়গুলির যে লিখিত নম্বর পেয়েছে ছাত্রছাত্রীরা তার সর্বোচ্চ পরীক্ষার লিখিত প্রাপ্ত নম্বর হিসেবে গ্রহণ করে বাকি বিষয়গুলির ক্ষেত্রে তা দেওয়া হবে। প্রয়োজনে শতকরা হারেও দেওয়া হবে বলে শুক্রবারই বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। একাংশের মতে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের এই সিদ্ধান্ত কার্যকর পরোক্ষভাবে সিবিএসই এর মডেল অনুসরণ করে দেওয়া হল। প্রসঙ্গত শুক্রবার সকাল বেলাতেই সুপ্রিমকোর্টকে সিবিএসই বোর্ড পরীক্ষায় কিভাবে ছাত্র-ছাত্রীদের বাতিল হবে পরীক্ষাগুলি নম্বর দেবে তা নিয়ে বিস্তারিত নির্দেশিকা জমা দেয়। সেই নির্দেশিকাকেই সম্মতি দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট সিবিএসই বোর্ডকে।বৃহস্পতিবারের পর বোঝা গিয়েছিল এরাজ্যেও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা কার্যত বাতিল হতে চলেছে। শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টে বাতিল হওয়া পরীক্ষাগুলি মুল্যায়ন কিভাবে করবে তা নিয়ে সিবিএসই বোর্ড সুপ্রিম কোর্টকে জানানোর পরপরই সেই কাজটা অনেকটাই কার্যত বাস্তবায়িত হওয়ার দিকে এগোতে শুরু করেছিল।অবশেষে শুক্রবার বিকেল নাগাদ সাংবাদিক সম্মেলন করে রাজ্য সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়ে দিল ২,৬,ও ৮ই জুলাইয়ের পরীক্ষা বাতিল করা হচ্ছে।
সিবিএসই ও আইসিএসসি বোর্ডের তরফে শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টকে জানানো হয়েছে ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে তারা তাদের ফল প্রকাশ করে দেবে। সেই মোতাবেক এদিন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় সাংবাদিক সম্মেলন করে উচ্চ মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ ৩১ শে জুলাই এর মধ্যেও করে দেওয়ার চেষ্টা করা হবে বলে জানিয়ে দেন।সর্বভারতীয় স্তরের পরীক্ষায় বসতে যাতে সমস্যা না হয়, তাই ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে উচ্চমাধ্যমিকের ফল প্রকাশ করতে চাইছে শিক্ষা দফতর।তবে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা বাতিল করা হলেও অনেকগুলি বিষয়ের পরীক্ষায় কার্যত বাতিল হয়ে যায়। বাতিল হওয়া বিষয়ের মধ্যে ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি, অর্থনীতি, অ্যাকাউন্টেন্সির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো রয়েছে। তাই ছাত্র-ছাত্রীদের এই বিষয়টিকে মাথায় নিয়ে কিভাবে মূল্যায়ন করা যায় তা নিয়ে দফায় দফায় উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ ও স্কুল শিক্ষা দফতরের আধিকারিকরা আলোচনা চালায়। শেষমেষ শুক্রবার সন্ধ্যা নাগাদ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ বাতিল হওয়া পরীক্ষা নম্বর কিভাবে দেওয়া হবে তা নিয়ে বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।
উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের তরফে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়েছে:
১) উচ্চমাধ্যমিকের বাকি পরীক্ষাগুলো বাতিল করা হল।
২) উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার বাতিল পরীক্ষাগুলোর মূল্যায়ন পদ্ধতির ক্ষেত্রে পরীক্ষার্থী ইতিমধ্যে সম্পন্ন বিষয়গুলির লিখিত পরীক্ষার নম্বর পেয়েছে তার সর্বোচ্চ টিকে বাতিল পরীক্ষার লিখিত অংশের প্রাপ্ত নম্বর হিসেবে গ্রহণ করা হবে। প্রয়োজনে শতকরা হারে নম্বর পরিগণিত হবে।
৩) পুরো প্রক্রিয়াটিই উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের মাধ্যমে দ্রুত শেষ করা হবে যাতে জুলাই মাসের মধ্যেই উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফল প্রকাশের চেষ্টা করা হয়।
৪) যে পদ্ধতিতে পরীক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হচ্ছে সেই পদ্ধতিতে প্রাপ্ত নম্বরে যদি কোনো পরীক্ষার্থী অসন্তুষ্ট বোধ করে তাহলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে শুধুমাত্র ওই পরীক্ষার্থীদের জন্য কেবল বাকি বিষয়গুলির লিখিত পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে। এক্ষেত্রে ওই পরীক্ষাটি তে যে নম্বর সেই ছাত্র বা ছাত্রী পাবে সেটি চূড়ান্ত এবং অপরিবর্তনীয় থাকবে।
৫) উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ এই পরীক্ষা তখনই গ্রহণ করবে যখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। সেই অনুযায়ী উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ যথাসময় ইচ্ছুক পরীক্ষার্থীদের জন্য বাকি লিখিত পরীক্ষার সময় ও নির্দিষ্ট নিয়মাবলী প্রকাশ করবে।
উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ সূত্রে খবর যে পরীক্ষাগুলি ইতিমধ্যেই নেওয়া হয়ে গেছে সেই পরীক্ষা গুলির উত্তরপত্র মূল্যায়ন যাতে দ্রুত শেষ করা হয় সেই বিষয়ে মূল্যায়নকারী শিক্ষক ও প্রধান পরীক্ষকদের কাছে ফের নির্দেশ যেতে চলেছে সংসদের তরফে।
শহরের আটটি সেতুতেই আপাতত মেরামতির কাজ করা হবে। তারপর দুটো সেতু ভেঙে তৈরি হবে নতুন সেতু। কী অবস্থায় আছে শহরের উড়ালপুল? সরেজমিনে দেখলেন আমাদের প্রতিনিধিরা।

বিশেষজ্ঞ কমিটির রিপোর্ট বলছে, চিংড়িঘাটা ফ্লাইওভারের নকশাতেই গলদ আছে। তাই ব্রিজ ভাঙা ছাড়া উপায় নেই। কলকাতা-সল্টলেক যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম এই সেতু। ব্রিজ ভাঙলে দুর্ভোগ বাড়বে তো বটেই, বলছেন মানুষ।

হাল খারাপ শিয়ালদহ ফ্লাইওভারেরও। বয়স হয়েছে, গাড়ির চাপও প্রবল। তার উপর ব্রিজের নীচে কোলে মার্কেটের ঠাসা দোকানপাঠ। ভাঙাভাঙি নয়, আপাতত সারানো হবে উত্তর-দক্ষিণ যোগাযোগের এই লাইফলাইন।

একই ভাবে গাড়ির ভারে নুয়ে পড়া বঙ্কিম সেতুতেও মেরামতির কাজ শুরু হয়েছে। বাঘাযতীনের দুটো উড়ালপুলের একটার বয়স ১০, অন্যটার কুড়ি। রিপোর্ট বলছে, অল্পবয়সেও স্বাস্থ্যহানির কারণ নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে ব্রিজ নির্মাণ। এই ব্রিজের উপর গাড়ির চাপ এতটাই বেশি, যে ব্রিজ ভাঙা যাবে না! তাহলে উপায়? চলছে আলোচনা।

এ ছাড়াও মেরামতির কাজ চলবে অরবিন্দ সেতু, বিজন সেতু, এবং উল্টোডাঙা ফ্লাইওভারে। ভাঙা হবে অর্ধশতক পেরিয়ে যাওয়া কালীঘাট সেতু। জোরকদমে চলছে প্রস্তুতি। 


 পঞ্চায়েতের ওপর আর আস্থা নেই। বারবার বলাতেও কাজ হয়নি। তাই এবার পঞ্চায়েতের মুখাপেক্ষী না থেকে,  চাঁদা তুলে রাস্তা সংস্কারে উদ্যোগী হলেন পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার বেলডাঙা গ্রামের   বাসিন্দারা।
বর্ধমান জেলার  ভাতার গ্রাম পঞ্চায়েতের বেলডাঙ্গা গ্রামের মানুষজন দীর্ঘ ১০ বছর ধরে ভাঙা, জরাজীর্ণ, বিপজ্জনক রাস্তাতেই যাতায়াত করছিলেন। তাঁদের আশা ছিল, গ্রাম পঞ্চায়েতের উদ্যোগে হয়তো তাঁদের গ্রামের কাঁচা রাস্তা একদিন পাকা হবে। অন্তত তা ঢালাই রাস্তায় পরিণত হবে। অভিযোগ, দশ বছর ধরে আবেদন-নিবেদনে শুধু আশ্বাস মিলেছে। কাজের কাজ কিছু হয়নি।এবছরও বৃষ্টিতে  গ্রামের রাস্তার অবস্থা বেহাল। কাদা রাস্তায় হাঁটা দায়। তাই আর অপেক্ষায় না থেকে চাঁদা তুলে রাস্তা সংস্কারে এগিয়ে এলেন গ্রামের বাসিন্দারাই।
গ্রামবাসী ছোট্টু প্রমাণিক জানান, '' আমরা গ্রামের রাস্তা সংস্কারের জন্য  গ্রাম পঞ্চায়েত, ব্লক অফিস, বিধায়ক সকলকেই জানিয়েছিলাম। কোনও ফল হয়নি। তাই অবশেষে আমরা নিজেদের উদ্যোগে রাস্তা সংস্কার করতে শুরু করলাম।''২০১০ সালে একবার রাস্তায় মোরাম দেওয়া হয়েছিল। তারপর থেকে গ্রামের রাস্তার কোন কাজ হয়নি বলে গ্রামবাসীদের দাবি। গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পরেশ চক্রবর্তী জানান, '' ওই গ্রামের রাস্তাটির অবস্থা খুবই খারাপ শুনেছি। গ্রামের মানুষজন ও পঞ্চায়েত সদস্য আমাকে বলেছিল গ্রাম থেকে কৃষিজমিতে  যাওয়ার জন্য তাঁদের একটি সেতু করে দিতে হবে। সেই সেতু তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু পরবর্তী সময়ে গ্রামের মানুষজন রাস্তা সংস্কার করতে হবে বলে দাবি জানায়। কিন্তু নতুন করে কোনও স্কিম না এলে গ্রামের রাস্তা করা যাবে না।''উন্নয়নে গতি আনার কথা বলছে জেলা প্রশাসন। একশ দিনের কাজকে উন্নয়ন প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে। প্রতি গ্রামে এক কিলোমিটার করে ঢালাই রাস্তা করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদ। আগেও এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল। তারপরও একটি গ্রামের মাটির রাস্তা ১০  বছরে কেন পাকা হল না ?  প্রশ্ন তুলেছেন গ্রামবাসীরা। ওই রাস্তা কেন উন্নয়ন প্রকল্পের বাইরে থেকে গেল তা দেখা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধারা।
গালওয়ান থেকে পিছিয়ে গিয়েছে চিনা সেনা। কিন্তু পূর্ব অভিজ্ঞতা থেকে এবার আরও সতর্ক ভারত। আর সেই সতর্কতাতেই সারারাত ধরে পূর্ব লাদাখের বিস্তীর্ণ এলাকায় নিশ্ছিদ্র টহলদারি বায়ুসেনার।
সংবাদসংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, সোমবার সারারাত ধরে বায়ুসেনার একাধিক যুদ্ধবিমান ও চপার পুরোদমে চক্কর কাটে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে। এই নাইট অপারেশনে ব্যবহার করা হয়েছে বায়ুসেনার মিগ টোয়েন্টি নাইন, সুখোই-এর মতো যুদ্ধবিমান। পাশাপাশি নজরদারির জন্য ওড়ানো হয়েছে অ্যাপাচের মতো অ্যাটাক-রেডি আধুনিক হেলিকপ্টার। টহল দিয়েছে উচ্চ ভারবহন ক্ষমতা সম্পন্ন চিনুক হেলিকপ্টারও।
সীমান্তে শান্তির পক্ষে ভারত। কিন্তু প্ররোচিত হলে যোগ্য জবাব দেওয়ার ক্ষমতা যে ভারতের আছে, সেই বার্তাই যেন মিলল বায়ুসেনার নাইট অপারেশনে। অর্থাত্ ভারতকে হালকাভাবে নিয়ে ফের এগনোর চেষ্টা করলে যে তা বুদ্ধিমানের কাজ হবে না, সে কথা স্পষ্ট করে দিল বায়ুসেনা। 
মাঝরাত। কনকনে ঠান্ডা আবহাওয়া। সেই সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া। আর তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অ্যাপাচের রোটরের ঘটঘট শব্দ। আবহাওয়া যে উড়ানের পক্ষে একদমই আদর্শ ছিল না, তা বলাই বাহুল্য। তবুও এদিন রাতে টহলদারিতে কোনওরকম ঢিলেমি দেয়নি ভারতীয় বায়ুসেনা। 
নাইট অপারেশনে এত গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে কেন? সিনিয়র ফাইটার পাইলট ক্যাপ্টেন এ রথি বলেন, "নাইট অপারেশনে একটা এলিমেন্ট অব সারপ্রাইজ থাকে। তাছাড়া দিন হোক বা রাত, যেকোনও সময়েই কোনও অপারেশনে কাজ করার মতো দক্ষতা ও ইক্যুইপমেন্ট ভারতীয় বায়ুসেনার রয়েছে।"
প্রথমেই ভারত চিন সীমান্তের কাছে উড়ান শুরু করে অ্যাপাচে হেলিকপ্টার। নাইট ভিশন গগলস্ পরে টেক অফ করতে দেখা যায় বায়ুসেনার পাইলটদের। 
রাত এগারোটা থেকে চক্কর শুরু করে বায়ুসেনার ফাইটার বিমানগুলি। মিগ টোয়েন্টিনাইনের বিকট শব্দ ইকো হতে থাকে পাহাড়ে ঘেরা এয়ারবেসে। আর এই শব্দই যে শত্রুপক্ষের বাহিনীর মনে ভয় ধরানোর পক্ষে যথেষ্ট তা বলাই যায়।

Source Video Link : 
https://twitter.com/i/status/1280369517311344642

দেশজুড়ে করোনার প্রাদুর্ভাবের জেরে স্থগিত বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠাগুলিতে বাৎসরিক পরীক্ষার অনুমতি দিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। চলতি বছরের মার্চ থেকে স্থগিত রয়েছে পরীক্ষাগুলি। দীর্ঘমেয়াদী এই পরীক্ষাগুলিকে আনলক ২-এর ছাড়ের আওতায় রেখে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। তাই সমস্ত সুরক্ষা ব্যবস্থা বজায় রেখে পরীক্ষাগুলি নেওয়া যেতে পারে বলে উচ্চশিক্ষা সচিবকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক৷
চিঠিতে বলা হয়েছে, ইউজিসি-র নির্দেশিকা এবং একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী বাধ্যতামূলকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাগুলি নিতে হবে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক কর্তৃক অনুমোদিত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং পদ্ধতি অনুসারে পরীক্ষার আয়োজন করতে হবে। ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর পরীক্ষা বাতিল করেছে বাংলা ও রাজস্থান সরকার৷ রবিবার মানবসম্পদ উন্নয়নমন্ত্রী রমেশ পোখরিয়াল বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে এপ্রিলে প্রকাশিত একাডেমিক ক্যালেন্ডার এবং নির্দেশিকা ‘পুনর্বিবেচনা’ করতে বলেছিলেন৷ পুনর্বিবেচিত নির্দেশিকাগুলির ভিত্তি হবে ‘স্বাস্থ্য ও সুরক্ষার শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং কর্মচারী’, সোশ্যাল মিডিয়ায় এমনটাই জানিয়েছেন পোখরিয়াল৷
অবশেষে এবার বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন বা ইউজিসি পরীক্ষার জন্য একটি নতুন একাডেমিক ক্যালেন্ডার এবং সংশোধিত নির্দেশিকা প্রকাশ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। করোনার প্রভাবে শিক্ষা ক্ষেত্রে সময়সূচি ব্যাপকভাবে বিঘ্নিত হয়েছে। মার্চ থেকে স্কুল বন্ধ থাকায় বেশিরভাগ রাজ্যেই বোর্ড পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছিল এবং অতীতের যোগ্যতার ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ইতিমধ্যেই চলতি মাসে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ইঞ্জিনিয়ারিং এবং মেডিক্যালের  প্রতিযোগিতামূলক প্রবেশিকা পরীক্ষা বাতিল করার দাবি জানিয়েছে শিক্ষার্থীরা। যদিও বিষয়টি নিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি।
যদিও, গত ২৭ জুন রাজ্যের উচ্চ শিক্ষা দফতরের তরফে সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের অ্যাডভাইজারি দিয়ে জানানো হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে কোনও ভাবেই পরীক্ষা নেওয়া যাবে না৷ চূড়ান্ত বর্ষের পরীক্ষার্থীদের আগের পরীক্ষার সর্বোচ্চ নম্বর ৮০ শতাংশ অনুযায়ী মূল্যায়ন করা হবে৷ এতদিন, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা যতগুলি সিমেস্টার দিয়েছেন, প্রত্যেকটির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ নম্বরের ৮০ শতাংশ গ্রাহ্য হবে৷ বাকি ২০ নম্বর অ্যাসাইনমেন্টের উপর ভিত্তি করে দেওয়া হবে৷ আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে ফল প্রকাশিত হবে বলেও জানানো হয়েছে৷ তবে এই মূল্যায়ন পদ্ধতিতে যাঁরা অসন্তোষ প্রকাশ করবেন কিংবা যারা পরীক্ষা দিতে চাইবেন, তাঁদের জন্য পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে নতুন করে পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে৷ সে ক্ষেত্রে ইচ্ছুক পরীক্ষার্থীদের পরবর্তী পরীক্ষায় নম্বর চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে৷ রাজ্য উচ্চ শিক্ষা দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, চূড়ান্ত বর্ষের পরীক্ষার্থী নন, এমন পড়ুয়াদের সরাসরি পরবর্তী বর্ষে উত্তীর্ণ করে দেওয়া হবে৷ নেওয়া হবে না কোনও পরীক্ষা৷ বিজ্ঞপ্তি দেখুন- https://www.caluniv.ac.in/news/ug-pg-exam-27-6-20.pdf এই লিঙ্কে৷ কিন্তু, আচমকা কেন্দ্রের নয়া নির্দেশ জারি হওয়ায় নতুন করে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা৷