September 2026

বিগ বসের উইকেন্ড এপিসোডে ধুন্ধুমার! 'শো স্ক্রিপ্টেড' মন্তব্যের কড়া জবাব দিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। অন্যদিকে, সঞ্চালকের ধমক খেয়ে সবার সামনে কান ধরে ক্ষমা চাইলেন জীতু কমল! কিন্তু কেন? সোনামণির আনা 'ব্যাড টাচ' অভিযোগ নিয়েই বা কী বললেন সঞ্চালক? বিগ বসের অন্দরের সব খবর জানতে পড়ুন...


উইকেন্ডের এপিসোড মানেই টানটান উত্তেজনা। প্রতিযোগীদের সারা সপ্তাহের ভুলের হিসাব নিতে হাজির হন সঞ্চালক। এবারও তার ব্যতিক্রম হল না। ‘বিগ বস’-এর ঘরে কি সবটাই স্ক্রিপ্ট মেনে হয়? শো-এর অন্দরে সম্প্রতি এমনটাই দাবি করেছিলেন সোহিনী। শনিবার তারই কড়া জবাব দিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। একই সঙ্গে জীতু কমলের একটি আগ্রাসী আচরণ নিয়েও কড়া ভাষায় ভর্ৎসনা করেন তিনি। সোনামণির আনা ‘ব্যাড টাচ’ অভিযোগ নিয়েও এদিন মুখ খোলেন সঞ্চালক। কী এমন ঘটেছিল উইকেন্ডের এপিসোডে?


‘বিগ বস’ কি আদেও রিয়্যালিটি শো? নাকি পুরোটাই আগে থেকে ঠিক করা থাকে? দর্শকদের মনে এই প্রশ্ন অনেকদিন ধরেই ঘুরপাক খাচ্ছে। সম্প্রতি প্রতিযোগী সোহিনী দাবি করেছিলেন, উইকেন্ডে সঞ্চালক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় নাকি স্ক্রিপ্ট পড়েই কথা বলেন। শনিবার এই মন্তব্যেরই কড়া জবাব দিয়েছেন সৌরভ। সঞ্চালক স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন, শো-এর কোনও অংশই স্ক্রিপ্টেড নয়। প্রমাণ হিসেবে তিনি সৃজলার গুরুতর চোট পাওয়ার ঘটনাটি তুলে ধরেন। সৌরভ কড়া সুরে বলেন, যদি সবকিছু আগে থেকেই ঠিক করা থাকত, তাহলে এমন অমানবিক দুর্ঘটনা বিগ বস কখনও হতে দিত না। সঞ্চালকের এই যুক্তির পর কার্যত চুপ হয়ে যান প্রতিযোগীরা।

তবে বিতর্ক এখানেই শেষ হয়নি। উইকেন্ডের এপিসোডে এদিন সঞ্চালকের তোপের মুখে পড়েন জীতু কমল। টাস্ক চলাকালীন মনামীকে টেনে সরানোর অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। সহ-প্রতিযোগীর প্রতি এমন আচরণের জন্য জীতুকে রীতিমতো ভর্ৎসনা করেন সৌরভ। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে, নিজের ভুলের জন্য সবার সামনে কান ধরে ক্ষমা চেয়ে নেন জীতু। তিনি বুঝিয়ে দেন, খেলার উত্তেজনায় এই কাজ করে ফেলেছেন, কাউকে আঘাত করার কোনও উদ্দেশ্য তাঁর ছিল না।

অন্যদিকে, সোনামণির আনা ‘ব্যাড টাচ’ অভিযোগ নিয়েও এদিন আলোচনা হয়। টাস্কের মাঝে জীতুর বিরুদ্ধে এই গুরুতর অভিযোগ উঠেছিল। সৌরভ গোটা বিষয়টি পরিষ্কার করে দেন। তিনি নিরঞ্জনকে বুঝিয়ে বলেন যে, জীতু ইচ্ছে করে গায়ে হাত দেননি। টাস্কের হুড়োহুড়িতেই অনিচ্ছাকৃতভাবে এমনটা ঘটে গিয়েছে। সব মিলিয়ে উইকেন্ডের এই এপিসোড ছিল ড্রামা আর অ্যাকশনে ভরপুর। একদিকে যেমন স্ক্রিপ্টেড বিতর্কের অবসান ঘটল, তেমনই প্রতিযোগীদের আচরণের সীমানাও স্পষ্ট করে দেন সঞ্চালক।



পড়ুয়াদের অফারের পাশাপাশি এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস আরও কিছু ছাড় দিচ্ছে। সরাসরি বুকিংয়ের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে প্রোমো কোড VIBES ব্যবহার করে অতিরিক্ত ৫% ছাড় পাওয়া যেতে পারে। এছাড়া ভিসা কার্ড ব্যবহারকারীদের জন্যও একটি বিশেষ সুবিধে দেওয়া হচ্ছে।


উৎসবের মরসুমের আগে পড়ুয়াদের জন্য বিশেষ অফার নিয়ে এল এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস। এই অফারের মাধ্যমে যোগ্য পড়ুয়ারা দেশের মধ্যে বিমানযাত্রা করলে বেস ভাড়ায় ১০% ছাড় পাবেন। এর পাশাপাশি মিলবে অতিরিক্ত লাগেজের সুবিধা ও কম খরচে টিকিটের তারিখ পরিবর্তনের সুযোগ।


কী কী সুবিধে পাওয়া যাবে?

যোগ্য পড়ুয়ারা এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস-এর নির্দিষ্ট ভ্যালু ফেয়ার বুক করলে ৩টি বিশেষ সুবিধে পাবেন।


১- বেস ভাড়ায় ১০% ছাড়।
২- চেক-ইন লাগেজের সীমা ১৫ কেজি থেকে বাড়িয়ে ২৫ কেজি করা হবে।
৩- সরাসরি এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস-এর ওয়েবসাইট বা মোবাইল অ্যাপ থেকে টিকিট কাটলে ৯৯ টাকায় তারিখ বদল করা যাবে।

তবে এই বেশ সুবিধে শুধুমাত্র দেশের অভ্যন্তরীণ বিমানযাত্রা ও নির্দিষ্ট ভ্যালু ফেয়ার-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

কারা এই সুবিধে পাবেন?

১২ বছর বা তার বেশি বয়সের পড়ুয়ারা এই অফার ব্যবহার করতে পারবেন। তবে তাঁদের কোনও স্বীকৃত শিক্ষা প্রতিস্হানের দেওয়া বৈধ স্টুডেন্ট ফটো আইডি থাকতে হবে। পরিচয়পত্রে পড়ুয়ার নাম ও জন্মতারিখ থাকা বাধ্যতামূলক। বিমানবন্দরে চেক-ইনের সময় এই স্টুডেন্ট আইডি দেখতে হতে পারে।

কিভাবে টিকিট কাটবেন?

পড়ুয়ারা এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস-এর ওয়েবসাইট অথবা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে টিকিট বুক করতে পারবেন। টিকিট কাটার সময় স্টুডেন্ট ফেয়ার নির্বাচন করতে হবে। তাহলে প্রযোজ্য সুবিধাগুলি পাওয়া যাবে।

রয়েছে আরও অফার

পড়ুয়াদের অফারের পাশাপাশি এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস আরও কিছু ছাড় দিচ্ছে। সরাসরি বুকিংয়ের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে প্রোমো কোড VIBES ব্যবহার করে অতিরিক্ত ৫% ছাড় পাওয়া যেতে পারে। এছাড়া ভিসা কার্ড ব্যবহারকারীদের জন্যও একটি বিশেষ সুবিধে দেওয়া হচ্ছে। ডোমেস্টিক ও ইন্টারন্যাশনাল টিকিট বুক করলে ৬০০ টাকা পর্যন্ত ছাড় পাওয়া যাবে। এই অফারটি ৯ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত চালু থাকছে। তবে প্রতিটি অফারের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শর্ত প্রযোজ্য। তাই টিকিট কাটার আগে অফার দেখা জরুরি।




প্রাণ বাঁচাতে উঁচু জায়গায় আশ্রয় নিতে হয় বহু পরিবারকে। কিছুদিন আগেই শান্তিপুর গয়েশপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত শ্রীরামপুর এলাকায় রাতের অন্ধকারে প্রায় ১০ টি বাড়ি নদীগর্ভে তলিয়ে যায়। এবার ফের জল বাড়ার সঙ্গে ভাঙনের তীব্রতাও বেড়েছে। শান্তিপুরের হালদারপাড়া চৌধুরী পাড়ার যাতায়াতের রাস্তা বর্তমানে জলের তলায়।


 হু হু করে বাড়ছে ভাগীরথীর জল। ধীরে ধীরে বিপদসীমা অতিক্রম করছে নদীর জলস্তর। ইতিমধ্যেই শান্তিপুরের গঙ্গা তীরবর্তী একাধিক রাস্তা চলে গিয়েছে জলের তলায়। পাশাপাশি শুরু হয়েছে নদী ভাঙন। চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন শান্তিপুরের গঙ্গা তীরের বাসিন্দারা। রাতের অন্ধকারে একের পর এক বাড়ি তলিয়ে গিয়েছে। সেইসঙ্গে এবার চাষের জমিও যেতে বসেছে চাষের জমিও।


শান্তিপুর থানা এলাকার একাধিক গ্রাম ভাগীরথীর তীরে অবস্থিত। প্রতি বছরই বর্ষার এই সময়টায় জল বাড়ার পাশাপাশি ভাঙনের কবলে পড়ে বিস্তীর্ণ এলাকা। জলের তলায় চলে যায় চাষের জমি, নষ্ট হয় বিভিন্ন ফসল। পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে নদীর জল ঢুকে পড়ে গ্রামে, জলমগ্ন হয়ে পড়ে বাড়িঘর।


প্রাণ বাঁচাতে উঁচু জায়গায় আশ্রয় নিতে হয় বহু পরিবারকে। কিছুদিন আগেই শান্তিপুর গয়েশপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত শ্রীরামপুর এলাকায় রাতের অন্ধকারে প্রায় ১০ টি বাড়ি নদীগর্ভে তলিয়ে যায়। এবার ফের জল বাড়ার সঙ্গে ভাঙনের তীব্রতাও বেড়েছে। শান্তিপুরের হালদারপাড়া চৌধুরী পাড়ার যাতায়াতের রাস্তা বর্তমানে জলের তলায়। জল ঢুকতে শুরু করেছে চাষের জমিতেও। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের একাধিকবার জানানো হলেও স্থায়ী সমাধান হয়নি।


এলাকার বাসিন্দারা বলছেন, “এভাবে চলতে থাকলে গোটা গ্রাম শেষ হয়ে যাবে।” যে রাস্তা দিয়ে বাসস্ট্যান্ডে যাওয়া যায়, সেই রাস্তার প্রায় পুরোটাই জলের তলায় চলে গিয়েছে। সেইসঙ্গে চাষের জমিও ভাঙন শুরু হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই।


জয়শঙ্কর বলেন, “বন্ধুত্ব ও সদিচ্ছা সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে একসঙ্গে চলতে পারে না।” সন্ত্রাসবাদের মতো কর্মকাণ্ড চলতে থাকলে সেই সম্পর্কের ভিত্তিতে তৈরি বোঝাপড়াগুলিও স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্নের মুখে পড়বে বলে জানান তিনি। বিদেশমন্ত্রীর কথায়, সন্ত্রাসবাদের পথ বেছে নেওয়া পক্ষকেই নিজেদের আচরণ বদলাতে হবে।

রাষ্ট্রপুঞ্জের মঞ্চে সন্ত্রাসবাদ নিয়ে ফের কড়া বার্তা দিল ভারত। শনিবার রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ সভায় ৮১তম অধিবেশনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কোনও রকম আপস করা যাবে না। যে সমস্ত সরকার সন্ত্রাসবাদকে মদত দেয় বা কোনওভাবে সাহায্য করে, তাদেরও জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে বলে দাবি জানান।


বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর বলেন, “সন্ত্রাসবাদে মদত দেওয়া রাষ্ট্রগুলিকে দায়ী করতে হবে। একইসঙ্গে সন্ত্রাসবাদে অর্থ জোগানোর যে নেটওয়ার্ক রয়েছে, সেগুলিও চিহ্নিত করে ভেঙে দিতে হবে। সন্ত্রাসবাদের আর্থিক দিকটি প্রকাশ্যে আনা এবং তার বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ করা অত্যন্ত জরুরি।”

এটিও পড়ুন
বাংলাদেশে ড্রামের ভিতরে মিলল হিন্দু ব্যবসায়ীর দেহ! দেখে তসলিমার প্রশ্ন, 'হিন্দুকে কি মেরে ফেলবে?'
Nandigram: ২০০৭-র মামলায় ফের গ্রেফতারি পরোয়ানা, নেতাদের বাড়ি বাড়ি পুলিশ-বাহিনী
Ranbir-Alia: 'বহুত বোল রাহা হ্যায় তু', আলিয়ার কোমর জড়িয়ে কার দিকে আঙুল তুললেন রণবীর?
নাম না করে পাকিস্তানকে নিশানা?
বক্তব্যে সরাসরি পাকিস্তানের নাম না নিলেও বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্করের মন্তব্য যে প্রতিবেশী দেশের প্রসঙ্গেই ছিল, তা স্পষ্ট। শুক্রবারও তিনি বলেছিলেন যে ‘সন্ত্রাসবাদের ধারাবাহিক অনুশীলনকারী’ রাষ্ট্রপুঞ্জের সামনে তথ্যকে ভুলভাবে তুলে ধরেছেন।


জয়শঙ্করের অভিযোগ, সন্ত্রাসবাদকে স্বাভাবিক ঘটনা হিসেবে দেখানোর এবং তার পরিণতি থেকে দায়মুক্তি পাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। ভারত তা মেনে নেবে না বলেও স্পষ্ট বার্তা দেন বিদেশমন্ত্রী। তিনি বলেন, “সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে এবং প্রয়োজন হলে সেই অধিকার প্রয়োগ করা হবে।”

‘সন্ত্রাসবাদ ও বন্ধুত্ব একসঙ্গে চলতে পারে না’-
সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিষয়টিও জুড়ে দেন জয়শঙ্কর। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, “কোনও দেশ যদি সন্ত্রাসবাদকে হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করে, তাহলে সেই দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার সম্পর্ক আগের মতো চলতে পারে না।”

জয়শঙ্কর বলেন, “বন্ধুত্ব ও সদিচ্ছা সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে একসঙ্গে চলতে পারে না।” সন্ত্রাসবাদের মতো কর্মকাণ্ড চলতে থাকলে সেই সম্পর্কের ভিত্তিতে তৈরি বোঝাপড়াগুলিও স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্নের মুখে পড়বে বলে জানান তিনি। বিদেশমন্ত্রীর কথায়, সন্ত্রাসবাদের পথ বেছে নেওয়া পক্ষকেই নিজেদের আচরণ বদলাতে হবে।

প্রসঙ্গত, ভারত দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছে, সীমান্তে সন্ত্রাসবাদকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক থেকে আলাদা করে দেখা সম্ভব নয়। যে দেশগুলি সন্ত্রাসবাদী সংগঠনকে সমর্থন, অর্থ বা নিরাপদ আশ্রয় দেয়, তাদেরও দায়বদ্ধ করতে হবে বলে আন্তর্জাতিক মঞ্চে দাবি করে আসছে নয়াদিল্লি।



বাংলাদেশে সংসার করার মাঝেই ফের সামাজিক মাধ্যমে মুর্শিদাবাদের এক যুবকের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে সেই পরিচয় প্রেমের সম্পর্কে পরিণত হয়। এরপর ডালিম নামে ওই যুবকের সঙ্গে দেখা করার উদ্দেশ্যে এবং প্রেমের টানে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ফেরার চেষ্টা করেন মানজেরা।


বাংলাদেশের সংসারের গণ্ডি পেরিয়ে মুর্শিদাবাদের যুবকের প্রেমে পড়েছিলেন মানজিরা! ঘর ছেড়ে আসতেই যা হল...
গ্রেফতার বাংলাদেশি

 বাংলাদেশে তাঁর স্বামী-সন্তান সবই রয়েছে। তাঁরা সবাই বাংলাদেশি। কিন্তু প্রেম কি আর কোনও বাধা মানে। সামাজিক মাধ্যমে পরিচয়, আর তার থেকে প্রেম। তার থেকে সেই সম্পর্ককে পরিণতি দেওয়ার চেষ্টা। প্রেমের টানে বাংলাদেশ থেকে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে আসার চেষ্টা। আর সেই পথেই বিএসএফ ও রঘুনাথগঞ্জ থানার পুলিশের হাতে গ্রেফতার এক মহিলা। ধৃতের নাম মানজেরা বিবি। রবিবার তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে পুলিশের পক্ষ থেকে।


পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত মানজেরা বিবির বাড়ি মুর্শিদাবাদ জেলার রঘুনাথগঞ্জের নাড়ু খাকি চর এলাকায়। একদম ছোট বয়সেই বাংলাদেশের এক যুবকের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয় বিয়ে করে বাংলাদেশেই সংসার শুরু করেন মানজেরা। তাঁদের তিন মেয়ে এবং একটি ছয় বছরের সন্তানও রয়েছে। বিয়ের পর দীর্ঘদিন বাংলাদেশেই স্বামীর সঙ্গে সংসার করছিলেন তিনি। সবকিছুই ওখানে রয়েছে তাঁর।


তবে অভিযোগ, বাংলাদেশে সংসার করার মাঝেই ফের সামাজিক মাধ্যমে মুর্শিদাবাদের এক যুবকের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে সেই পরিচয় প্রেমের সম্পর্কে পরিণত হয়। এরপর ডালিম নামে ওই যুবকের সঙ্গে দেখা করার উদ্দেশ্যে এবং প্রেমের টানে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ফেরার চেষ্টা করেন মানজেরা।


জানা গিয়েছে, বাংলাদেশ থেকে সীমান্ত পেরিয়ে মুর্শিদাবাদে ঢোকার সময় রঘুনাথগঞ্জের বাহুরা ঘাট এলাকায় তাঁকে আটক করে বিএসএফ। পরে বিষয়টি রঘুনাথগঞ্জ থানার পুলিশকে জানানো হয়। বিএসএফের হাতে আটক ওই মহিলাকে পরবর্তী সময়ে রঘুনাথগঞ্জ থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

পুলিশ মানজেরা বিবিকে গ্রেফতার করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কীভাবে তিনি বাংলাদেশ থেকে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। ধৃত মহিলাকে রবিবার আদালতে পেশ করা হয়েছে। ঘটনাকে ঘিরে সীমান্ত এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।



পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর সম্পূর্ণ হওয়ার পর প্রায় ৯০ লক্ষের বেশি ভোটারের নাম বাদ যায়। ৩৭ লক্ষের বেশি নাম ট্রাইব্যুনালে ঝুলে রয়েছে, যাদের আবেদনের নিষ্পত্তি হয়নি। তাদের জন্য নাম তোলার সুযোগ করে দিল কমিশন।  


এসআইআর নিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের বড় সিদ্ধান্ত। পশ্চিমবঙ্গ সহ ২০টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিশেষ কর্মসূচির নির্দেশ নির্বাচন সদনের। এসআইআর প্রক্রিয়ায় যাদের নাম বাদ পড়েছে, তাদের আবার নাম তোলার সুযোগ দেওয়া হবে। নতুন করে আবেদন করা যাবে। পাশাপাশি জানানো হল যে এসআইআরে যাদের হিয়ারিংয়ে ডাকা হবে, তাদেরও আর কষ্ট করে বুথ বা ইআরও (ERO)-র কাছে যেতে হবে না। বাড়িতেই শুনানি হবে।


গতকাল, শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তিন কমিশনার একসঙ্গে বসে সাংবাদিক বৈঠক করেন। জানানো হয় যে ২০টি রাজ্য ও কেন্দ্রীয়শাসিত অঞ্চলে এসআইআর সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে দিল্লি ও মহারাষ্ট্রে এসআইআর চলছে।


আজ আমার গুলিবিদ্ধ দেহ পাওয়া যেত, জানি না এটাই আমার শেষ বিবৃতি কি না', বললেন কুণাল
পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর সম্পূর্ণ হওয়ার পর প্রায় ৯০ লক্ষের বেশি ভোটারের নাম বাদ যায়। ৩৭ লক্ষের বেশি নাম ট্রাইব্যুনালে ঝুলে রয়েছে, যাদের আবেদনের নিষ্পত্তি হয়নি। তাদের জন্য নাম তোলার সুযোগ করে দিল কমিশন।


নতুন কী নিয়ম?
কমিশনের সিদ্ধান্ত, এসআইআরের নোটিস পেলেও আবেদনকারীদের সশরীরে শুনানির জন্য যেতে হবে না। নোটিস পাওয়া ব্যক্তিদের বাড়ি গিয়ে প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ করবেন বিএলও (BLO)। এইআরও (AERO) বা ইআরও (ERO) অফিসে শুনানির জন্য ডাকা হবে না। বিশেষ কোনও ক্ষেত্রে ইআরও মনে করলে, অনলাইনে শুনানি করতে পারেন।

নির্বাচন সদনের তরফে জানানো হয়েছে, এসআইআরে নাম বাদ পড়া ব্যক্তিরা সরাসরি ইআরও-র কাছে আবেদন করতে পারবেন নিজেদের নাম ভোটার তালিকায় তোলার জন্য। ফর্ম ৬ দিয়ে নতুন করে নাম তোলার জন্য আবেদন করা যাবে। তবে উল্লেখ্য, যাদের নাম ট্রাইব্যুনালে ক্লিয়ার হয়ে গিয়েছে, তারাই নতুন করে নাম তোলার জন্য আবেদন করতে পারবেন। এছাড়া যারা স্থানান্তরিত হয়েছেন বা কোনও কারণে এসআইআর প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারেননি, তারাই আবেদন করতে পারবেন।



টানা তিনদিন ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের পর বৃহস্পতিবার ব্যাঙ্ক খুলছে। আবার শুক্রবার গান্ধী জয়ন্তী থাকায় সেদিন ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকবে। স্বাভাবিকভাবেই বৃহস্পতিবারে সমস্ত ব্যাঙ্কে ভিড় হবে। সেই কারণেই গ্রাহকরা, যাদের ব্যাঙ্কে যাওয়ার প্রয়োজন, তারা আজই তড়িঘড়ি কাজ মিটিয়ে রাখছেন।




কলকাতা: ছুটির দিন রবিবারে খোলা ব্যাঙ্ক। এবং তাতে গ্রাহকদের ভিড়ও চোখে পড়ার মতো। আগামিকাল, ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টানা তিনদিন ব্যাঙ্ক ধর্মঘট থাকায় গ্রাহকদের চরম ভোগান্তির আশঙ্কা। সেই কারণেই আজ, রবিবার ব্যাঙ্ক খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।



সপ্তাহে পাঁচদিন কর্মদিবস এবং শনি ও রবিবার ছুটির দাবিতে তিনদিনের ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে ইউনাইটেড ফোরাম অব ব্য়াঙ্ক ইউনিয়ন। আগামিকাল থেকে বুধবার পর্যন্ত ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকবে। ব্যাঙ্কে চেক জমা, পাসবুক আপডেট, উইথড্রলের মতো পরিষেবাগুলি এই তিনদিন পাওয়া যাবে না। তবে অনলাইন পরিষেবা, এটিএম চালু থাকবে।


কেন রবিবার ব্যাঙ্ক খোলা?
এর আগে সেপ্টেম্বর মাসের শুরুতেও একদিনের ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছিল। সেই সময়ে ব্যাঙ্কিং পরিষেবা সেভাবে ব্যাহত হয়নি। তবে এইবার একটানা তিনদিন ধর্মঘট ডাকা হয়েছে। এই শনিবার চতুর্থ শনিবার হওয়ায়, ওইদিনও ব্যাঙ্ক বন্ধ ছিল। আজ, রবিবারও যদি ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকত, তাহলে একটানা পাঁচদিন ব্যাঙ্কের কাজ হত না। সেক্ষেত্রে সাধারণ মানুষকে চরম সমস্যায় পড়তে হত। সেই কারণেই কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ব্যাঙ্ক খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কী বলছেন গ্রাহকরা?
টানা তিনদিন ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের পর বৃহস্পতিবার ব্যাঙ্ক খুলছে। আবার শুক্রবার গান্ধী জয়ন্তী থাকায় সেদিন ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকবে। স্বাভাবিকভাবেই বৃহস্পতিবারে সমস্ত ব্যাঙ্কে ভিড় হবে। সেই কারণেই গ্রাহকরা, যাদের ব্যাঙ্কে যাওয়ার প্রয়োজন, তারা আজই তড়িঘড়ি কাজ মিটিয়ে রাখছেন।

সকাল ১০টায় ব্য়াঙ্ক খুলতেই গ্রাহকদের ভিড় দেখা যাচ্ছে। গ্রাহকরা আজ ব্যাঙ্ক খোলা পেয়ে খুশি। তাদের বক্তব্য, এই সিদ্ধান্তে সকলে উপকৃত হবেন। পেনশন গ্রাহকরা যাদের মাসের শেষে টাকা আসে অ্যাকাউন্টে, তাদের খুব সমস্যা হবে। মাসের শেষে বেতন আসার সময়ই ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকায়, অনেকেরই টাকা তুলতে বা লেনদেন করতে অসুবিধা হবে। অনেক গ্রাহক আবার অভিযোগ জানান যে সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাঙ্কের পরিষেবার অবনতি হয়েছে।



 প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, "ভারতে একটা সময় ছিল, যখন সিরিয়াল বিস্ফোরণ হত। ২০০৮ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে সিরিয়াল বিস্ফোরণে বহু নির্দোষের প্রাণ গিয়েছিল। তার কয়েক সপ্তাহ পরই, মুম্বইতে ২৬/১১ হামলা হয়েছিল। আগেও পাকিস্তানের উপরে তদন্তের দাবি করা হত, কিন্তু তা গুরুত্ব দেওয়া হত না।"


ঝড়খালির বাঘ-বিধবাদের প্রশংসা প্রধানমন্ত্রীর, কী বললেন তাঁদের সম্পর্কে?

সন্ত্রাসবাদ নিয়ে আরও একবার ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi)। ‘মন কি বাত’ (Mann ki Baat) অনুষ্ঠানের ১৩৮ তম পর্বে প্রধানমন্ত্রী মোদী সার্জিকাল স্ট্রাইক থেকে শুরু করে ৯/১১ মুম্বই হামলার ঘটনা এবং ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার ধ্বংসের কথা তুলে ধরেন। এরপরই ভারতের বর্তমান অবস্থান স্পষ্ট করে দেন। আর কী কী বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদী, দেখে নিন একনজরে-


এ দিন শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, “আজ সার্জিকাল স্ট্রাইকের সাফল্যের কথা বলতে হয়। ১০ বছর আগে, ২০১৬ সালের ২৮-২৯ সেপ্টেম্বর ভারতীয় সেনা পাকিস্তানে জঙ্গিদের গোপন ঘাঁটিতে সার্জিকাল স্ট্রাইক চালিয়েছিল। নিয়ন্ত্রণ রেখার ওই পারে গিয়ে আমাদের সেনা যে সাহসিকতা, বীরত্ব দেখিয়েছিল, তা দেখে গোটা বিশ্ব অবাক হয়েছিল।”
সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের অবস্থানের এক নতুন উদাহরণ তৈরি হয়েছিল। দীর্ঘ সময় ধরে জঙ্গি হামলায় ভারতকে অনেক কষ্ট সহ্য করতে হয়েছে। সার্জিকাল স্ট্রাইক তার জবাব ছিল। বিগত এক দশকে বালাকোট এয়ারস্ট্রাইক থেকে শুরু করে অপারেশন সিঁদুর পর্যন্ত অভিযানে ভারতীয় সেনা বীরত্ব দেখিয়েছে। বারবার স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে যে জঙ্গিরা ভারতের দিকে তাকালে, তার কড়া জবাব দেওয়া হবে।
ভারতে একটা সময় ছিল, যখন সিরিয়াল বিস্ফোরণ হত। ২০০৮ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে সিরিয়াল বিস্ফোরণে বহু নির্দোষের প্রাণ গিয়েছিল। তার কয়েক সপ্তাহ পরই, মুম্বইতে ২৬/১১ হামলা হয়েছিল। আগেও পাকিস্তানের উপরে তদন্তের দাবি করা হত, কিন্তু তা গুরুত্ব দেওয়া হত না। আজকের ভারত সন্ত্রাসবাদে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে চলে।
আমেরিকায় ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে হামলায় মার্কিন নাগরিকদের পর সবথেকে বেশি ভারতীয়দের প্রাণহানি হয়েছিল। ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর মার্কিন সফরে গিয়ে আমি এই নির্দোষ মানুষদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছিলাম।

জনগণনা হচ্ছে দেশের সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে। ইতিমধ্যেই জনগণনার প্রথম পর্ব শেষ হয়েছে, ৩২ কোটি মানুষের নাম নথিভুক্ত হয়েছে। জনগণনা আমাদের সকলের দায়িত্ব। নিজেদের তথ্য জানান। নিজেদের মোবাইল থেকেই এই তথ্য আপলোড করতে পারবেন। অনলাইন পোর্টালে গিয়ে তথ্য় আপলোড করুন। এর কোনও কোনও ডকুমেন্ট আপলোড করতে হবে না। জনগণনার কর্মীরা এলে আইডি নম্বর বলুন।
২৭ সেপ্টেম্বর আরও একটি কারণে বিশেষ। আজ বিশ্ব হিন্দু পরিষদের প্রাক্তন অধ্যক্ষ অশোক সিংঘলজির জন্মবার্ষিকী। উনি রাম জন্মভূমি আন্দোলনকে যে দিশা দিয়েছিলেন, তার জন্যই আজ অযোধ্যায় রাম মন্দির দেখতে পাচ্ছি।
আজ থেকে এক হাজার বছর আগে, ১০২৬ সালে মহম্মদ গজনি প্রথমবার সোমনা মন্দিরে হামলা চালিয়েছিল। যারা সোমনাথ মন্দিরকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল, আজ তাদের অস্তিত্বও নেই। এই বছর সোমনাথ স্বাভিমান পর্ব পালিত হচ্ছে। গুজরাটের মোদেরা মন্দিরও ধ্বংস করা হয়েছিল এক হাজার বছর আগে।
২ অক্টোবর মহাত্মা গান্ধীর জন্মদিন। বাপু আমাদের জীবনের নানা মন্ত্র দিয়েছেন। স্বচ্ছতা তার অন্যতম অংশ। মধ্য প্রদেশে কিছু যুবক নদী পরিষ্কার করছে। সকলে সেই উদ্যোগে অংশ নিচ্ছেন। মুম্বইতেও কয়েকশো যুবক-যুবতী প্রতি সপ্তাহে কোনও না কোনও সমুদ্র সৈকত সাফাই অভিযান চালাচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গেও স্থানীয় বাসিন্দা ও যুবকরা পিকনিক স্পট পরিষ্কার করছে। এটাই তো জনগণের অংশীদারিত্ব।
  আমরা যখন পরিবেশকে রক্ষা করি, তখন শুধু গাছ নয়, পুরো ইকোসিস্টেমকে রক্ষা করি। অসমের সোনাই রুপাইতে জমি অধিগ্রহণ হয়েছিল। তিন বছর আগে তা মুক্ত করা হয়। অদ্ভুতভাবে সেখানে আবার হাতির পাল ফিরে এসেছে।
পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবনের ঝড়খালির মহিলারা মানগ্রোভ রোপণ ও সংরক্ষণ করে উদাহরণ তৈরি করছে। তারা নতুন করে মানগ্রোভ অরণ্য তৈরি করছেন। এই মহিলাদের মধ্যে অধিকাংশই বাঘ-বিধবা, যাদের স্বামীকে বাঘ টেনে নিয়ে বা খেয়ে নিয়েছে।
দেশে নেশামুক্তি অভিযান চলছে। হাজার হাজার পডুয়া, যুবক অংশগ্রহণ করেছে।
ক্রীড়াজগতে ভারত একের পর এক সাফল্য পাচ্ছে।


‘ শুক্রবারই সাংবাদিক বৈঠকে বসেছিল কমিশনের ফুল বেঞ্চ। দুই নির্বাচনী কমিশনারের সঙ্গে মুখ্য নির্বাচনী কমিশনারের ছবি মতভেদের বিতর্কের অবসান ঘটায়। কমিশনের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, এসআইআর ইস্যুতে সর্বসম্মত ভাবেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এবার সেই বৈঠকের প্রসঙ্গ তুলে ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করলেন মুখ্যমন্ত্রী।


পশ্চিমবঙ্গে ২৭ লক্ষ নাম বাদের দায় বিজেপি বা কমিশনের নয়', SIR ইস্যুতে মন্তব্য মুখ্যমন্ত্রীর
শুভেন্দু অধিকারী


এসআইআর (SIR) ইস্যুতে এবার মমতা তৃণমূলকে নিশানা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। তাঁর দাবি, পশ্চিমবঙ্গে ২৭ লক্ষ নাম বাদের দায় বিজেপি বা কমিশনের নয়। শুভেন্দুর দাবি, এসআইআর নিয়ে বারবার সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছে মমতা তৃণমূল। তারপরই সুপ্রিম কোর্ট বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে জুডিশিয়াল অফিসারদের নিয়োগ করে। ওই অফিসাররাই নাম বাদ দিয়েছেন। উল্লেখ্য, শুক্রবারই সাংবাদিক বৈঠকে বসেছিল কমিশনের ফুল বেঞ্চ। দুই নির্বাচনী কমিশনারের সঙ্গে মুখ্য নির্বাচনী কমিশনারের ছবি মতভেদের বিতর্কের অবসান ঘটায়। কমিশনের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, এসআইআর ইস্যুতে সর্বসম্মত ভাবেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এবার সেই বৈঠকের প্রসঙ্গ তুলে ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করলেন মুখ্যমন্ত্রী।


কমিশনের বৈঠক নিয়ে কী বলেন শুভেন্দু?
মুখ্য় নির্বাচন কমিশনারের বৈঠক নিয়ে শুভেন্দু বলেন, “গতকালের এই ছবি বলে দিয়েছে SIR-এর সিদ্ধান্ত মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের একার ছিল না। তিনজন সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এসআইআর কেরলে খুব ভাল, মিষ্টি। কংগ্রেস জিতেছে, তাই বলছে। কংগ্রেসের কথা হল, কেরলে এসআইআর না হলে সিপিএম থেকে যেত। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে তো এসআইআর তিতো। কারণ বহু কষ্টে কংগ্রেস ভোট কাটাকাটির সুযোগে ঢুকে পড়েছেন, কত দিন থাকবে জানি না। সিপিএম তো সোশ্যাল মিডিয়াতে আছে, টক শোতে আছে।”

আর কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?
এরপরই শুভেন্দু দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর-এ নাম বাদের দায় তৃণমূলেরই। তার কারণ হিসেবে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “গতকাল সাংসদ রবিশঙ্কর প্রসাদ উল্লেখ করেছেন, বিহারের এসআইআর-এর সময় থেকে কংগ্রেস ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলি সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছে। বিহার থেকে শুরু করে পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে একবার নয়, একাধিকবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। এবং পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্ট বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে আর্টিকেল ১৪২-প্রয়োগ করেছে। মূলত বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে ইআরও-দের পাওয়ার কেড়ে নিয়ে জুডিশিয়ার অফিসারদের নিয়োগ করে সুপ্রিম কোর্ট।” মমতাকে নিশানা করে বলেন, “আপনার কথা শুনেই তো সুপ্রিম কোর্ট সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।”এরপরই শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, পশ্চিমবঙ্গে ২৭ লক্ষ নাম বাদের দায় বিজেপি বা কমিশনের নয়। এর দায় তৃণমূলের।

তৃণমূল ও সিপিএম-কেও একযোগে আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “৩৪ বছরের সিপিএমের অত্যাচার, অবিচার, সীমাহীন মানবাধিকার লঙ্ঘন, নন্দীগ্রাম থেকে নেতাই পর্যন্ত, তার উপরে দাঁড়িয়ে। সিপিএম এখন ওঁদের বন্ধু হয়েছে। সেই বন্ধুত্ব আমরা কিছুদিন আগে বিধানসভার ভিতরেও দেখেছি।”



 গতকাল মমতার সভায় যাওয়ার সময় উত্তরপাড়ায় কুণালের গাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছিল। ডিম হামলার পাশাপাশি রড দিয়ে তাঁর গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। আজ আবারও বিধায়কের গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল বাইক বাহিনীর বিরুদ্ধে।




কলকাতা: উত্তরপাড়ার পর বেলেঘাটা। এবার নিজের বিধানসভা এলাকাতেই ‘আক্রান্ত’ বিধায়ক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। গতকাল মমতার সভায় যাওয়ার সময় উত্তরপাড়ায় কুণালের গাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছিল। ডিম হামলার পাশাপাশি রড দিয়ে তাঁর গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। আজ আবারও বিধায়কের গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল। কুণালের অভিযোগ, তাঁর গাড়ি ঘিরে ধরে হামলা চালিয়েছে বাইক বাহিনী। হামলার ঘটনায় বিজেপির বিরুদ্ধেই অভিযোগ তুলেছেন বিধায়ক। এদিকে, এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ (Sajal Ghosh)। তবে, তাঁর দাবি, এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপি জড়িত নয়।


রসুনের নামে একটা গোটা শহর, ভারতের 'গার্লিক সিটি' বলা হয় কাকে জানেন?
বাংলাদেশে ড্রামের ভিতরে মিলল হিন্দু ব্যবসায়ীর দেহ! দেখে তসলিমার প্রশ্ন, 'হিন্দুকে কি মেরে ফেলবে?'
ঠিক কী ঘটেছে?
হামলার অভিযোগ তুলে সংবাদমাধ্যমের কাছে একটি অডিয়ো বার্তা পাঠিয়েছিলেন কুণাল ঘোষ। বিধায়কের অভিযোগ, তাঁর গাড়ি ধাওয়া করে হামলা করা হয়। হাতুড়ি দিয়ে ভাঙচুর করার অভিযোগ ওঠে। অডিয়ো বার্তায় বলেন, “আমার উপর আবার হামলা চালানো হয়েছে। আমি বেলেঘাটায় এক অনুষ্ঠানে ঢুকছিলাম। বাইক বাহিনী ঘিরে আমার গাড়ি চুরমার করে দিয়েছে। সশ্রস্ত্র রিভলবার নিয়ে হাতুড়ি দিয়ে কাচ ভেঙে আমাকে বের করতে যাচ্ছিল। সেখান থেকে কোনও রকমে আমার সহকর্মী চালক ও আমি নারকেলডাঙা থানায় এসে ঢুকেছি। আমি বাঁচতে ঢুকেছি নারকেলডাঙা থানায়। একেবারে বেলাঘাটা থেকে অনুসরণ করেছে বিজেপির গুন্ডা বাহিনী। তারা সশস্ত্র অবস্থায় আসে।”


বিজেপি কী বলছে?
সজল ঘোষ বলেন, “ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি। কিন্তু, আমার বিশ্বাস ঘটনাস্থলে বিজেপি ছিল না। যে বা যাঁরা করেছে, তাঁদের রাজনৈতিক রং না দেখে পুলিশ গ্রেফতার করুক।” দোষীদের শাস্তির দাবি করেছেন বিজেপি বিধায়ক। বিধায়ক ও মন্ত্রী তাপস রায়ের কথায়, দলগত বা ব্যক্তিগতভাবে এই বিষয়টা একেবারেই সমর্থন করে না।

উত্তরপাড়ায় হামলা
শনিবার শ্রীরামপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের সভা ছিল। সেখানেই যাচ্ছিলেন কুণাল ঘোষ। কিন্তু, তার আগে উত্তরপাড়াতেই বেলেঘাটার বিধায়ককে আটকে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। বেশ কিছু লোকজন এগিয়ে গিয়ে কাচের উপর ডিম ছুড়তে শুরু করে বলে অভিযোগ। সরাসরি বিজেপির দিকে আঙুল তুলেছে মমতা তৃণমূল। তবে বিজেপির দাবি, এটা সাধারণ মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ।




হামলার অভিযোগ তুলে কুণাল ঘোষ বলেন, "গাড়ির ভিতরে হাতুড়ি পড়ে রয়েছে। আমি ড্রাইভারের পাশে বসি। ভেঙে আমার গলা ধরে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। আরেকজন রিভলভার বের করছে। আমার তো গুলিবিদ্ধ দেহ পাওয়ার কথা ছিল। ওপরওয়ালা রয়েছেন, তাই আমি বাঁচতে নারকেল ডাঙায় ঢুকেছি।"

১৮ ঘণ্টায় দ্বিতীয়বার। রবিবার নিজের বিধানসভায় একটা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে ফের ‘আক্রান্ত’ হলেন বিধায়ক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। শুধু তাই নয়, গুলি করে খুনের চেষ্টার মতো গুরুতর অভিযোগ তুললেন তিনি। বিধায়কের অভিযোগ, গাড়ি ভাঙচুরের পর তাঁকে টেনে বের করে গুলি করে খুনের চেষ্টা করা হয়। বিধায়কের কথায়, ‘আজ আমার তো গুলিবিদ্ধ দেহ পাওয়ার কথা ছিল।’


কী বললেন কুণাল?
হামলার অভিযোগ তুলে কুণাল ঘোষ বলেন, “গাড়ির ভিতরে হাতুড়ি পড়ে রয়েছে। আমি ড্রাইভারের পাশে বসি। কাচ ভেঙে আমার গলা ধরে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। আরেকজন রিভলভার বের করে। আমার তো গুলিবিদ্ধ দেহ পাওয়ার কথা ছিল। ওপরওয়ালা রয়েছেন, তাই আমি বাঁচতে নারকেল ডাঙায় ঢুকেছি। আমার একার চিন্তা নয়, আমার সঙ্গে গাড়িতে চারজন ছিলেন। এটা কী হচ্ছে? আমি চালকের কাছে কৃতজ্ঞ যে ওই অবস্থা থেকে গাড়িটা বের করে এনেছে। কোন পরিস্থিতি তৈরি হলে কলকাতা পুলিশের সিকিউরিটিকে রিভলভার বের করতে হয়। এইভাবে থামানো যাবে না। একজন-দুজনের নাম পাওয়া গিয়েছে।”


ঠিক কীভাবে হামলা চালানো হয়?
কুণাল ঘোষের দাবি, “বাড়ি থেকে ফলো করা হয়। শুধু আমি নই, আমার সহকর্মীরাও নিরাপদ নয়। বাড়ি থেকে বেরনোর পর যখন একটু এগিয়েছি একের পর এক বাইক বাহিনী যোগ হতে থাকে। সব মুখ বাধা, হাতে হাতুড়ি। ফুলবাগানের মোড় দিয়ে যখন যাচ্ছি, তখন আমার গাড়ি ঘিরে ফেলার চেষ্টা হয়। আমি যখন বুঝতে পারি, ঘিরে ফেলার চেষ্টা চলছে তখন আমার সহকর্মীরা গাড়ি ঘুরিয়ে নেয়। ঠিক তখনই পিছন থেকে ইট, পাথর মারা হয়। এরপর যখন নারকেল ডাঙায় ঢুকেছি, ঠিক তখনই বাইক বাহিনী ঘিরে ফেলে। অকথ্য গালাগালি। সামনের কাচ চুরমার করে আমার হাতে হাতুড়ি দিয়ে মারা হয়। বলেছে জানে মেরে দেবে। রিভলবার পাঠিয়েছে। এটা কী হচ্ছে? বাঁচতে দেবে না।”



পুজো উদ্যোক্তা সুরজ কুমার সিং বলেন, "বামপন্থীদের কোনও স্টল আমরা পুজোতে লাগাতে দেব না। ওরা ধর্ম বিশ্বাস রাখে না। আর আমরা ওদের উপর বিশ্বাস রাখি না, মানুষও ওদের উপর কোনও বিশ্বাস রাখে না। যেখানে ধর্ম সেখানে বামপন্থীরা থাকতে পারে না।"

 কামারডাঙার দুর্গাপুজোয় বসতে দেওয়া হবে না বামেদের বুক স্টল, ব্যানারে লেখা হল 'বাম বধ'
দুর্গাপুজা কমিটি

শারদোৎসব’ না লিখলে সিপিএম-কে কোনও স্টল করতে দেওয়া হবে না। নির্দেশ দিয়েছিলেন স্বয়ং মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আর সেই পথেই একপ্রকার হাঁটল ‘কামারডাঙা দুর্গোৎসব কমিটি’। এবারের পুজোয় ‘বামবধের’ ডাক। এই সমিতি এবার বুকস্টল করতে দেবে না বামেদের। একটি ব্যানারও ছাপা হয়েছে এই মর্মে।


এবার কামারডাঙা দুর্গোৎসব সমিতির থিম-‘সনাতন হিন্দু রাষ্ট্র’। ১০৭ বছর পড়বে তাদের পুজোয়। তার তোড়জোড় চলছে। কিন্তু এর পাশাপাশি বামেদের বুকস্টলকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে একটি ব্যানারও ছাপা হয়েছে। যেখানে বামবধের ডাক দিয়েছে তারা। সংশ্লিষ্ট ব্যানারে লেখা রয়েছে-‘CPIM/ DYFI/SUCI সহ সকল বামপন্থী সংগঠন দ্বারা নির্মিত স্টল বসতে দেওয়া হবে না।’


 'আজ আমার গুলিবিদ্ধ দেহ পাওয়া যেত, জানি না এটাই আমার শেষ বিবৃতি কি না', বললেন কুণাল
পুজো উদ্যোক্তা সুরজ কুমার সিং বলেন, “বামপন্থীদের কোনও স্টল আমরা পুজোতে লাগাতে দেব না। ওরা ধর্ম বিশ্বাস রাখে না। আর আমরা ওদের উপর বিশ্বাস রাখি না, মানুষও ওদের উপর কোনও বিশ্বাস রাখে না। যেখানে ধর্ম সেখানে বামপন্থীরা থাকতে পারে না। আর আমরা তো ধর্মীয় অনুষ্ঠান করছি। দুর্গাপুজো ধর্মীয় অনুষ্ঠান। মুখ্যমন্ত্রীও বলে দিয়েছেন, এটা শারোদৎসব নয় দুর্গাপুজো। তাই আমাদের পুজোতে হিন্দুদের আহ্বান জানাচ্ছি।”


সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী পুরো বিষয়টি শুনে প্রথমেই বলেন, “আমি কোনও প্রতিক্রিয়া দেব না। কেউ একটা প্রচার পাওয়ার জন্য এই ধরনের কথা বলছেন। ওখানে দুর্গোৎসব কমিটি কী হয়, কে করে কেউ জানে কি না জানি না। তবে আমি অন্তত জানি না। ওইখানে পুজোয় স্টল হয় কি না আমি সেইটাও জানি না। শুধুমাত্র প্রচারের জন্য এই সব করছে। যাতে সরকারের কাছ থেকে বেশি টাকা পাওয়া যায়।”



স্বাস্থ্য মন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় বলেন, "বাংলার রাজনীতিতে সৌজন্যতা এখন নিম্নমানে চলে গেছে। এত নির্লজ্জভাবে কেউ এমন বলতে পারে, ভাবতেই পারিনি। হতে পারে উনি শুভেন্দু অধিকারীকে পছন্দ করেন না, ওঁর নীতি অপচ্ছন্দ হতে পারে। কিন্তু কারও মৃত্যু কামনা করা যায়? তীব্র নিন্দা করছি।"


উপরওয়ালা যেন তাড়াতাড়ি ওঁর টিকিট কাটিয়ে দেয়', মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর মৃত্যু কামনা করলেন হুমায়ুন, চাইলেন ইন্দিরা-রাজীব গান্ধীর মতো পরিণতি
শুভেন্দু অধিকারীর মৃত্যু কামনা হুমায়ুনের

বাংলার প্রশাসনিক প্রধান তিনি। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। আর তাঁকেই কি না এভাবে আক্রমণ? এখানে ‘আক্রমণ’ শব্দটাও অত্যন্ত লঘু। কারণ, রীতিমতো ঘৃণ্য রাজনীতির নির্লজ্জ নজির গড়লেন নওদার আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মৃত্যুকামনা করলেন তিনি। রাজনীতিতে না পেরেই কি এমনভাবে আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রীকে?


হুমায়ুন এ দিন সাংবাদিকদের সামনে কদর্য ভাষায় বলেন, “আমাদের অসম্মান করলে ক্ষমতাচ্যুত হতে হবে। আমি চাই মুখ্যমন্ত্রী থেকে উনি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হয়ে যান। শুক্রবারে নমাজ পড়ব, বলব, এ যত তাড়াতাড়ি পৃথিবী থেকে বিদায় হয়, উপরওয়ালা যেন ওকে ওঁর টিকিট কাটিয়ে দেয়। ছত্তিশগঢ়ের একজন কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। তাঁর কীভাবে মৃত্যু হয়েছে? মহারাষ্ট্রের শরদ পাওয়ারের ভাইপো অজিত পাওয়ারের কীভাবে মৃত্যু হয়েছে? ইন্দিরা গান্ধী-রাজীব গান্ধীকে কীভাবে যেতে হয়েছে? এর এত অহংকার? অহংকারের পতন হবে। ওইভাবে পৃথিবী ছেড়ে যেতে হবে।”


উত্তরপাড়ার পর বেলাঘাটা, ফের 'আক্রান্ত' কুণাল, হাতুড়ি দিয়ে 'ভাঙা' হল গাড়ির কাচ, প্রাণ বাঁচাতে ছুটলেন থানায়



ঠিক এই কদর্য ভাষাতেই আক্রমণ করেছেন হুমায়ুন। রাজনীতি মতাদর্শ বিভিন্ন হতে পারে। ভারতের মতো গণতান্ত্রিক দেশে প্রত্যেকের স্বাধীনতা রয়েছে নিজের নিজের মতো করে পছন্দের রাজনৈতিক দলকে সমর্থন করা। কিন্তু তা বলে এই ধরনের নিম্ন রুচির আক্রমণ, তাও আবার মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে? এমনটা করা যায় কি না প্রশ্ন তুলেছে ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ।

স্বাস্থ্য মন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় বলেন, “বাংলার রাজনীতিতে সৌজন্যতা এখন নিম্নমানে চলে গিয়েছে। এত নির্লজ্জভাবে কেউ এমন বলতে পারে, ভাবতেই পারিনি। হতে পারে উনি শুভেন্দু অধিকারীকে পছন্দ করেন না, ওঁর নীতি অপছন্দ হতে পারে। কিন্তু কারও মৃত্যুকামনা করা যায়? তীব্র নিন্দা করছি। শুভেন্দু অধিকারী কারও দয়ায় মুখ্যমন্ত্রী হননি, জনগণ মুখ্যমন্ত্রী করেছেন। আমি ওঁকে বলছি, হুমায়ুুন কবীর সাহেব- শকুনের অভিশাপে গরু মরে না।”



 রবিবার রাজ্য বিজেপির সদর দফতরে সাংবাদিক বৈঠক করেন শুভেন্দু অধিকারী। মমতাকে মনে করিয়ে দেন নন্দীগ্রামের কথা, তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা পিছনে কারণের কথা। এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "যখন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা হয়েছিল, তখন কংগ্রেস থেকে ঘাড় ধাক্কা খেয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।"


'সিপিএম-এর বিরোধিতার উপর দাঁড়িয়ে তৃণমূলের জন্ম , এখন সিপিএম ওদের বন্ধু হয়েছে', মমতাকে নিশানা শুভেন্দুর
শুভেন্দু অধিকারী

সিপিএম-এর বিরোধিতার উপর দাঁড়িয়ে তৃণমূলের জন্ম। সেই তৃণমূল এখন বামেদের সঙ্গে হাত মেলাচ্ছে।” এবার মমতা ও বামেদের একযোগে রেখে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দিন কয়েক আগেই সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবির সঙ্গে ফোনে কথা বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। জ্ঞানেশ কুমার বিতর্ক নিয়ে দেশের সব বিরোধী নেতাদের পাশাপাশি মমতাকে আগেই চিঠি লিখেছিলেন এম এ বেবি। এরপর থেকেই জোর চর্চা শুরু হয়। এরপর শনিবার শ্রীরামপুরের সভা থেকে জোটবার্তা দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্পষ্ট জানিয়ে দেন, বিজেপিকে রুখতে আর লাল-নীল-হলুদ দেখবেন না তিনি। এবার মমতা-সিপিএমের এই ‘বন্ধুত্ব’-কেই কটাক্ষ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী(Suvendu Adhikari)।


মমতা ও সিপিএম-কে আক্রমণ করে কী বললেন শুভেন্দু ?
রবিবার রাজ্য বিজেপির সদর দফতরে সাংবাদিক বৈঠক করেন শুভেন্দু অধিকারী। মমতাকে মনে করিয়ে দেন নন্দীগ্রামের কথা, তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা পিছনে কারণের কথা। এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “যখন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা হয়েছিল, তখন কংগ্রেস থেকে ঘাড় ধাক্কা খেয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ রাজ্যে কমিউনিস্ট শাসনকে শেষ করার জন্য ওনাকে আশ্রয় দিয়েছিলেন অটলজি। ৩৪ বছরের সিপিএমের অত্যাচার, অবিচার, সীমাহীন মানবাধিকার লঙ্ঘন, নন্দীগ্রাম থেকে নেতাই পর্যন্ত, তার উপরে দাঁড়িয়ে তৃণমূল। এখন সিপিএম ওঁদের বন্ধু হয়েছে।”

শুভেন্দুর দাবি, এর আগেও বিধানসভায় মমতা-সিপিএম-এর সখ্যতা নজরে এসেছিল তাঁর। এই বিষয়ে বলেন, “সেই বন্ধুত্ব আমরা কিছুদিন আগে বিধানসভার ভিতরেও দেখেছি। অধ্যাপক সংক্রান্ত বিলে সমর্থন না করে যখন তৃণমূল ওয়াকআউট করল, সেদিন আমরা দেখলাম ১৫টি ভোট পড়েছিল। তার মধ্যে মমতা তৃণমূলও ছিলেন, ডোমকলের সিপিএম বিধায়কও ছিলেন। যে তৃণমূল কংগ্রেস সিপিএমের অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠা হয়েছিল, সেই মমতা তৃণমূল কংগ্রেস সিপিএমের সঙ্গে হাত মেলালেন।”


শ্রীরামপুরে মমতার সভা নিয়ে কটাক্ষ শুভেন্দুর
শ্রীরামপুরে মমতার সভা নিয়েও কটাক্ষ করেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “কার্যত জনশূন্য শ্রীরামপুর কোর্ট ময়দানের সভাতে ১৫০ জন লোক ছিল। আর পুলিশ ছিল ১৭০। তার মধ্যেই উনি ঘণ্টা চারেক যে ভাষায় কথা বলে গিয়েছেন, ঠিক একই ভাষায় রেজিনগরে গিয়ে একাধিক নির্বাচনে হারা সেলিম সাহেব। বারবার হেরেছেন। এবারের নির্বাচনে লড়ার ঝুঁকি নেননি। তিনিও একই ভাষায় কথা বলেছেন।”



 রবিবার রাজ্য বিজেপির সদর দফতরে সাংবাদিক বৈঠক করেন শুভেন্দু অধিকারী। মমতাকে মনে করিয়ে দেন নন্দীগ্রামের কথা, তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা পিছনে কারণের কথা। এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "যখন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা হয়েছিল, তখন কংগ্রেস থেকে ঘাড় ধাক্কা খেয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।"


'সিপিএম-এর বিরোধিতার উপর দাঁড়িয়ে তৃণমূলের জন্ম , এখন সিপিএম ওদের বন্ধু হয়েছে', মমতাকে নিশানা শুভেন্দুর
শুভেন্দু অধিকারী

সিপিএম-এর বিরোধিতার উপর দাঁড়িয়ে তৃণমূলের জন্ম। সেই তৃণমূল এখন বামেদের সঙ্গে হাত মেলাচ্ছে।” এবার মমতা ও বামেদের একযোগে রেখে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দিন কয়েক আগেই সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবির সঙ্গে ফোনে কথা বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। জ্ঞানেশ কুমার বিতর্ক নিয়ে দেশের সব বিরোধী নেতাদের পাশাপাশি মমতাকে আগেই চিঠি লিখেছিলেন এম এ বেবি। এরপর থেকেই জোর চর্চা শুরু হয়। এরপর শনিবার শ্রীরামপুরের সভা থেকে জোটবার্তা দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্পষ্ট জানিয়ে দেন, বিজেপিকে রুখতে আর লাল-নীল-হলুদ দেখবেন না তিনি। এবার মমতা-সিপিএমের এই ‘বন্ধুত্ব’-কেই কটাক্ষ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী(Suvendu Adhikari)।


মমতা ও সিপিএম-কে আক্রমণ করে কী বললেন শুভেন্দু ?
রবিবার রাজ্য বিজেপির সদর দফতরে সাংবাদিক বৈঠক করেন শুভেন্দু অধিকারী। মমতাকে মনে করিয়ে দেন নন্দীগ্রামের কথা, তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা পিছনে কারণের কথা। এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “যখন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা হয়েছিল, তখন কংগ্রেস থেকে ঘাড় ধাক্কা খেয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ রাজ্যে কমিউনিস্ট শাসনকে শেষ করার জন্য ওনাকে আশ্রয় দিয়েছিলেন অটলজি। ৩৪ বছরের সিপিএমের অত্যাচার, অবিচার, সীমাহীন মানবাধিকার লঙ্ঘন, নন্দীগ্রাম থেকে নেতাই পর্যন্ত, তার উপরে দাঁড়িয়ে তৃণমূল। এখন সিপিএম ওঁদের বন্ধু হয়েছে।”

শুভেন্দুর দাবি, এর আগেও বিধানসভায় মমতা-সিপিএম-এর সখ্যতা নজরে এসেছিল তাঁর। এই বিষয়ে বলেন, “সেই বন্ধুত্ব আমরা কিছুদিন আগে বিধানসভার ভিতরেও দেখেছি। অধ্যাপক সংক্রান্ত বিলে সমর্থন না করে যখন তৃণমূল ওয়াকআউট করল, সেদিন আমরা দেখলাম ১৫টি ভোট পড়েছিল। তার মধ্যে মমতা তৃণমূলও ছিলেন, ডোমকলের সিপিএম বিধায়কও ছিলেন। যে তৃণমূল কংগ্রেস সিপিএমের অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠা হয়েছিল, সেই মমতা তৃণমূল কংগ্রেস সিপিএমের সঙ্গে হাত মেলালেন।”


শ্রীরামপুরে মমতার সভা নিয়ে কটাক্ষ শুভেন্দুর
শ্রীরামপুরে মমতার সভা নিয়েও কটাক্ষ করেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “কার্যত জনশূন্য শ্রীরামপুর কোর্ট ময়দানের সভাতে ১৫০ জন লোক ছিল। আর পুলিশ ছিল ১৭০। তার মধ্যেই উনি ঘণ্টা চারেক যে ভাষায় কথা বলে গিয়েছেন, ঠিক একই ভাষায় রেজিনগরে গিয়ে একাধিক নির্বাচনে হারা সেলিম সাহেব। বারবার হেরেছেন। এবারের নির্বাচনে লড়ার ঝুঁকি নেননি। তিনিও একই ভাষায় কথা বলেছেন।”


সম্প্রতি রাজ্যে এসে দুর্গাপুজোয় আমিষ খাওয়া নিয়ে আপত্তি প্রকাশ করেন ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী। তাঁর বক্তব্যে রীতিমতো বিতর্ক তৈরি হয় রাজ্য জুড়ে। বাগেশ্বর বাবার ছবি পুড়িয়ে বিক্ষোভ দেখানো হয় ভবানীপুরের রাস্তায়। সেই অভিযোগে একজনকে গ্রেফতার করা হয়।


সরকার বদলেছে, সময়ও বদলেছে, এখন আর কোনও ভয় নেই। সাধু-সন্তদের সামনে এই বার্তা স্পষ্ট করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী তথা বাগেশ্বর বাবার (Bageswar Baba) ছবি পোড়ানোয় গ্রেফতার হতে হয়েছিল এক কংগ্রেস নেতাকে। আর এবার হাজার হাজার সন্তের সামনে শুভেন্দু বললেন, “সাধু-সন্ত-মহন্তদের অপমান করলে জেলে যেতে হবে।”


সম্প্রতি রাজ্যে এসে দুর্গাপুজোয় আমিষ খাওয়া নিয়ে আপত্তি প্রকাশ করেন ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী। তাঁর বক্তব্যে রীতিমতো বিতর্ক তৈরি হয় রাজ্য জুড়ে। বাগেশ্বর বাবার ছবি পুড়িয়ে বিক্ষোভ দেখানো হয় ভবানীপুরের রাস্তায়। সেই অভিযোগে একজনকে গ্রেফতার করা হয়। আজ, নেতাজি ইন্ডোরে ১১ হাজার কন্ঠে গীতাপাঠের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানেই নতুন করে বার্তা দিলেন শুভেন্দু।


রসুনের নামে একটা গোটা শহর, ভারতের 'গার্লিক সিটি' বলা হয় কাকে জানেন?
কী কী বার্তা দিলেন শুভেন্দু
“আগামী ২৯ ডিসেম্বর ১০ লক্ষ কন্ঠে গীতাপাঠের আয়োজন করা হয়েছে। মোহন ভাগবতের ওই কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার কথা।”


‘বাগেশ্বর বাবা এসেছিলেন। সন্ত-মহন্ত-মহারাজরা তো তাঁদের বানী বলবেন। সনাতন ধর্মের মাহাত্ম্য প্রচার করবেন। এটা স্বাধীন দেশ। সংবিধান যার স্বীকার করার থাকবে করবেন। কিন্তু যেভাবে ধীরেন্দ্র শাস্ত্রীর অপমান করা হয়েছে, কমিউনিস্ট আর জামাতি তথা মমতার লোকেরা যেভাবে অপমান করেছে, তাদের বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা নিয়েছে।”

“বিধানসভায় বলে দিয়েছি, সাধু-সন্ত-মহন্তদের অপমান করলে জেলে যেতে হবে। যিনি ছবি পুড়িয়েছিলেম, তাঁকে আমি ওইদিন রাতেই গ্রেফতার করিয়েছি।”

“এখন যত খুশি গীতাপাঠ করুন, হনুমান চল্লিশা পড়ুন, হরেকৃষ্ণ মন্ত্র বলুন। শাঁখ বাজান। মৃদঙ্গ বাজান। কোনও ভয় নেই। জমানা বদলে গিয়েছে। এখন গোমাতা রক্ষার সরকার এসেছে। সবাই এক থাকতে হবে।”



আরও এক ছাত্র বলেন, "এদের কোনও লজ্জা নেই। এরা আমাদের মারছে। হাত ধরে টেনে বের করে দিয়েছে।" আর এক পড়ুয়া বলেন, "আমাদের ক্যাম্পাসে ঢুকে আমাদের মেরেছে। এটা আমাদের প্রতিষ্ঠান। আমরা এখানে পড়াশোনা করি। ওরা বাইরে থেকে এসে মারছে আর বলছে আমরা জঙ্গি?"


ঐতিহ্যবাহী ‘সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইন্সস্টিটিউট’-এ রক্তারক্তি কাণ্ড। প্রতিষ্ঠানের হল ভাড়া করে ‘অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত পশ্চিমবঙ্গ প্রান্ত’-র অনুষ্ঠান চলছিল। সেখানেই তুমুল অশান্তি। অনুষ্ঠানে বাধা দেওয়ার অভিযোগ পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে। তারপর দু’পক্ষের বচসা গড়ায় হাতাহাতিতে।


ঠিক কী ঘটেছে?



সম্প্রতি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ঠিক একই ভাবে বহিরাগতরা তাণ্ডব চালিয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। আর এবার SRFTI। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, একটি হিন্দুত্ববাদী সংগঠন SRFTI-এর অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠানে আয়োজন করেছিল। অভিযোগ, সেই সময় পড়ুয়ারা এসে প্রশ্ন তোলে কেন প্রতিষ্ঠানের ভিতর এই অনুষ্ঠান করা হবে? এই নিয়ে দু’পক্ষের কথাকাটি শুরু হয়। এরপরই তা পৌঁছয় হাতাহাতিতে। উদ্যোক্তাদের অভিযোগ, তাঁদের পোস্টার-ব্যানার ছিঁড়ে দেওয়া হয়েছে। পড়ুয়াদের দাবি, কথা বলার সময় তাঁদের গায়ে হাত তোলা হয়েছে। চড়-থাপ্পরও মারা হয়। শিক্ষকরাও আক্রান্ত।


এক ছাত্রী বলেন, “ওঁরা আমাদের ক্যাম্পাসে ঢুকে দেশবিরোধী, নক্সাল, জঙ্গি বলছে। ছাত্রদের মারছে। মেয়েদের গায়ে হাত তুলছে। ছুরি দিয়ে আঘাত করছে। আমাদের বাংলাদেশি বলছে।” আরও এক ছাত্র বলেন, “এদের কোনও লজ্জা নেই। এরা আমাদের মারছে। হাত ধরে টেনে বের করে দিয়েছে।” আর এক পড়ুয়া বলেন, “আমাদের ক্যাম্পাসে ঢুকে আমাদের মেরেছে। এটা আমাদের প্রতিষ্ঠান। আমরা এখানে পড়াশোনা করি। ওরা বাইরে থেকে এসে মারছে আর বলছে আমরা জঙ্গি?”

এ দিকে ওই সংগঠনের বক্তব্য, প্রতিষ্ঠানের হল তারা টাকা বিনিময়ে ভাড়া নিয়েছেন অনুষ্ঠানের জন্য। নিজেরদের মতোই অনুষ্ঠান করছিলেন। তখনই পড়ুয়ারা হামলা চালায়। সংগঠনের এক সদস্য বলেন, “আমরা টাকা দিয়ে হল বুক করি। হাসপাতালে ইতিমধ্যেই চারজন ভর্তি হয়েছেন। এরা ছাত্র? স্বামী বিবেকানন্দের ছবি ভেঙেছে এরা। সব পড়ুয়ারা নেশাগ্রস্ত ওইখানে।”



আসন্ন 2017 গঙ্গাসাগর মেলা আন্তর্জাতিক মানের স্বীকৃতি পাওয়ার পথে। এই মেলাকে ঘিরে রাজ্য প্রশাসনের তৎপরতা তুঙ্গে। পালাবদল হলেও মুড়িগঙ্গা নদীতে গঙ্গাসাগর সেতু তৈরির কাজ নিরবচ্ছিন্নভাবে চলছে। এর ফলে কচুবেড়িয়া থেকে কপিলমুনির আশ্রম পর্যন্ত যাতায়াত আরও নিরাপদ ও সুরক্ষিত করতে উদ্যোগী হয়েছে পূর্ত বা পিডব্লিউডি বিভাগ।


রাস্তার পাশের জবরদখল হটাতে পিডব্লিউডির পক্ষ থেকে তিনশোরও বেশি দোকানকে নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। প্রশাসনের এই নির্দেশ পাওয়ার পরই সাগরের মন্দিরতলা বাজারসহ বিভিন্ন এলাকার ব্যবসায়ীরা নজিরবিহীনভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন।

 বুলডোজার বা উচ্ছেদ অভিযানের অপেক্ষা না করে ব্যবসায়ীরা নিজেরাই স্বতঃস্ফূর্তভাবে অবৈধ দোকানগুলি ভেঙে ফেলার কাজ শুরু করেছেন। এতে মেলায় আগত পুণ্যার্থীদের যাতায়াত যেমন সুগম হবে, তেমনই যানজটমুক্ত সুন্দর পরিবেশ গড়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার নামখানা থানার উত্তর চন্দনপিড়ী এলাকায় এক স্কুলছাত্রীর অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃত ছাত্রীর নাম অঞ্জনা মিদ্যা (১৩)। সে চন্দনপিড়ী মুরারীমোহন 
হাইস্কুলের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।


পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার সকালে কোচিং না থাকায় অঞ্জনা বাড়িতেই ছিল। সেই সময় তার বাবা, মা ও বোন বাড়ির কাছেই কাজে গিয়েছিলেন। কিছুক্ষণ পর অঞ্জনার বাবা বাড়িতে ফিরে মেয়ের খোঁজ করেন। কোনও সাড়া না পেয়ে বাড়িতে গিয়ে তাকে গুরুতর অবস্থায় দেখতে পান। পরিবারের সদস্যদের চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন।

এরপর অঞ্জনাকে দ্রুত দ্বারিকনগর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে নামখানা থানার পুলিশ হাসপাতালে পৌঁছে দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কাকদ্বীপ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
কী কারণে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটল, তা নিয়ে পরিবারের সদস্যরাও নিশ্চিত নন। ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে নামখানা থানার পুলিশ। অঞ্জনার অকাল মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।

‘চোর চোর’ স্লোগানকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত পাথরপ্রতিমার রামগঙ্গা। বিডিও অফিসে যাওয়ার পথে দুই তৃণমূল কর্মাধ্যক্ষকে ঘিরে বিক্ষোভ ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় আহত হয়েছেন পাথরপ্রতিমা পঞ্চায়েত সমিতির দুই কর্মাধ্যক্ষ বিবেক পোদ্দার ও শশাঙ্ক হালদার। তাঁদের গাড়িচালক সুবিনয় পট্টনায়ককেও মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ।

জানা গিয়েছে, রামগঙ্গা এলাকায় তাঁদের গাড়ি পৌঁছতেই ‘চোর চোর’ স্লোগান দেওয়া হয়। এরপরই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং হামলার অভিযোগ ওঠে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে।
গাড়িচালক সুবিনয়ের পরিবারের দাবি, তিনি শুধুমাত্র গাড়ি চালানোর দায়িত্বে ছিলেন। তাঁকেও মারধর করা হয়েছে। ঘটনায় ছেলের উপর হামলার বিচার চেয়ে প্রশাসনের কাছে আবেদন জানিয়েছেন তাঁর বাবা-মা।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। তৃণমূলের অভিযোগের তির বিজেপির দিকে থাকলেও বিজেপি তা অস্বীকার করেছে। এদিকে ঘটনার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়েছে। তবে ভিডিওটির সত্যতা আমাদের চ্যানেল যাচাই করেনি।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৭৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ‘সেবা সপ্তাহ’ কর্মসূচিকে সামনে রেখে বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। সেই কর্মসূচিরই অংশ হিসেবে নামখানার দ্বারিকনগর গ্রামীণ হাসপাতালে বিশেষ উদ্যোগ নিল ভারতীয় জনতা যুব মোর্চা।


সাগর বিধানসভার বিধায়ক সুমন্ত মণ্ডলের অনুপ্রেরণায় এবং ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার উদ্যোগে দ্বারিকনগর গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগী ও গর্ভবতী মহিলাদের হাতে ফল ও বিভিন্ন উপহার সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন গর্ভবতী মহিলা ও রোগীর মধ্যে এই সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের সঙ্গে দেখা করে তাঁদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি তাঁদের হাতে ফল ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী তুলে দেন আয়োজকরা। এই উদ্যোগের মাধ্যমে অসহায় ও চিকিৎসাধীন মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং মানবিকতার বার্তাও তুলে ধরা হয়।
আয়োজকদের বক্তব্য, মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সমাজের পিছিয়ে পড়া ও অসহায় মানুষের জন্য বিভিন্ন ধরনের জনকল্যাণমূলক কাজ করাই এই ধরনের কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য। আগামী দিনেও ‘সেবা সপ্তাহ’-এর পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তাঁরা।


শিশু ও মায়ের সুস্থ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে সাগরে অনুষ্ঠিত হলো ‘অঙ্গনওয়াড়ি মিলন সংকল্প অভিযান ২০২৬’। পুষ্টি, স্বাস্থ্য, সচেতনতা ও সুরক্ষিত ভবিষ্যতের বার্তা নিয়ে শনিবার সাগরের বামনখালী বহুমুখী ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রে এই বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

মুরিগঙ্গা-২ অঞ্চলের সমস্ত অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কর্মী ও সহায়িকাদের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাগর বিধানসভার কনভেনার সোমনাথ ভুঁইয়া, মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার সদস্য অরুনাভ দাস, মণ্ডল-১-এর সভাপতি চিন্ময় সাউ-সহ একাধিক নেতৃত্ব। পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় এলাকার মা-বোনেরা এবং অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কর্মী ও সহায়িকারা।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রতীকী মূর্তিতে মাল্যদান ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর উদ্বোধনী সংগীত পরিবেশিত হয়। অনুষ্ঠানে শিশুদের আবৃত্তি, নৃত্য-সহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা দর্শকদের নজর কাড়ে।

কর্মসূচিতে শিশু, গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়েদের পুষ্টি, স্বাস্থ্যবিধি এবং সুষম খাদ্যের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে জীবনের প্রথম কয়েক বছর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় নিয়মিত স্বাস্থ্যপরীক্ষা, পুষ্টিকর খাবার এবং সঠিক পরিচর্যার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে সচেতন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সুস্থ মা ও সুস্থ শিশুই একটি সুস্থ সমাজের ভিত্তি। তাই পরিবারস্তর থেকেই পুষ্টি ও স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তোলার প্রয়োজন রয়েছে।

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের উদ্যোগে তৈরি পুষ্টিকর খাবার ও স্বাস্থ্যসচেতনতা বিষয়ক স্টল। সেখানে বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজি, ফল ও ভেষজ উপাদান প্রদর্শন করা হয়। সহজলভ্য উপকরণ দিয়ে কীভাবে পুষ্টিকর খাবার তৈরি করা যায়, সেই বিষয়েও উপস্থিতদের সচেতন করা হয়।

সব মিলিয়ে, বামনখালীতে আয়োজিত এই কর্মসূচির মধ্য দিয়ে শিশু ও মায়ের স্বাস্থ্য, পুষ্টি এবং সচেতনতার পাশাপাশি একটি সুস্থ ও সুরক্ষিত ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার বার্তা উঠে আসে।
পানিহাটি স্পোর্টিং খেলার মাঠে আয়োজিত হয় এই ফুটবল টুর্নামেন্ট। এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করতে আসেন রাজ্য সম্পাদক শমীক ভট্টাচার্য। উপস্থিত ছিলেন পানিহাটির বিধায়ক রত্না দেবনাথ সহ বিজেপির একাধিক কর্মী নেতৃত্বরা। 


MLA-কে পাত্তাই দেওয়া হচ্ছে না...', পানিহাটিতেই 'অপমানিত' রত্না দেবনাথ, অভিযোগ স্বামীর
কী অভিযোগ রত্না দেবনাথের স্বামীর?

বিধায়িকাকে সম্মান দেওয়া হচ্ছে না! অভিযোগ তুললেন খোদ বিধায়িকার স্বামীই। পানিহাটিতে রাজ্যস্তরের ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনে এসে অপমানিত হওয়ার অভিযোগ তুললেন বিধায়িকা রত্না দেবনাথের স্বামী শেখর দেবনাথ। ক্ষোভ উগড়ে দিলেন সংবাদমাধ্যমের সামনে। তবে মুখ খুলতে নারাজ পানিহাটির বিধায়িকা রত্না দেবনাথ।


কী হয়েছিল?
কলকাতা উত্তর শহরতলী ক্রীড়া বিভাগের আয়োজিত তিন দিন ব্যাপী পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য স্তরের ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু হয়েছে। পানিহাটি স্পোর্টিং খেলার মাঠে আয়োজিত হয় এই ফুটবল টুর্নামেন্ট। এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করতে আসেন রাজ্য সম্পাদক শমীক ভট্টাচার্য। উপস্থিত ছিলেন পানিহাটির বিধায়ক রত্না দেবনাথ সহ বিজেপির একাধিক কর্মী নেতৃত্বরা।


 'ভোটের আগে বলেননি কেন অন্নপূর্ণা যোজনা সবাই পাবে না?', 'লক্ষ্মীর ভাণ্ডার' সকলে পেতেন মনে করালেন মমতা
এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধনে এসে রত্না দেবনাথের স্বামী, শেখর দেবনাথ একরাশ ক্ষোভ উগরে দেন। তিনি বলেন, “পানিহাটির বিধায়ককে অপমানিত করা হচ্ছে। এমএলএ রীতিমতো অপমানিত। তাঁকে পাত্তাই দেওয়া হচ্ছে না। তারা এখানে নিজেদের ইচ্ছামতো প্রোগ্রাম করছে।”


যদিও বা এই বিষয় নিয়ে মুখ খুলতে চাননি বিধায়ক রত্না দেবনাথ। তিনি নিজের দলের নেতৃত্বের কাছে অপমানিত হয়েছেন কি না, এই প্রশ্নের উত্তরে শুধু বলেন, “না, অপমানিত হইনি। এই বিষয়ে আমি কথা বলতে চাই না”। অন্যদিকে, বিজেপির কেউ এই বিষয়ে মন্তব্য করতে নারাজ। তবে কি বিধায়িকার স্বামীর অভিযোগই ভুল?




আগে রাষ্ট্রসঙ্ঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে ভারতের পক্ষ থেকে পাকিস্তানকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করা হয়। ভারতীয় কূটনীতিক ক্ষিতিজ ত্যাগী বলেছিলেন যে, পাকিস্তানের কেবলমাত্র অন্যের দেশে নজর না দিয়ে, সন্ত্রাসবাদ রফতানি না করে, নিজেদের দেশের আভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক সঙ্কটের দিকে নজর দেওয়া।


পাকিস্তানি সাংবাদিক প্রশ্ন করতে চুপ করিয়ে দিয়েই ঘর ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন জয়শঙ্কর
পাক সাংবাদিককে জবাব বিদেশমন্ত্রীর

সন্ত্রাস নিয়ে পাকিস্তানকে বারবার কড়া জবাব দিয়েছে ভারত। পাকিস্তানের জঙ্গি কার্যকলাপে মদত দেওয়ার বিষয়টা যে ভারত কোনোভাবেই বরদাস্ত করে না, তা সরাসরি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে আন্তর্জাতিক মঞ্চে। আর এবার পাকিস্তানি সাংবাদিকের (Pakistani Journalist) প্রশ্নে কড়া জবাব দিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)।


রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ পরিষদের (UNGA) ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে সাংবাদিক বৈঠক চলাকালীন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর কার্যত কড়া জবাবে চুপ করিয়ে দেন জয়শঙ্কর। শুধু তাই নয়, সাংবাদিককে জবাব দিয়েই ঘর ছেড়ে বেরিয়ে যান তিনি।


সোহিনী জীবনে কী করেছে?' নন্দিনীর কটাক্ষে এবার মুখ খুললেন তাপস পালের স্ত্রী, কী বললেন আরেক নন্দিনী?
রাষ্ট্রসঙ্ঘের সদর দফতরে চলছিল ওই সাংবাদিক বৈঠক। সেখানেই ওই পাক সাংবাদিক জয়শঙ্করকে প্রশ্ন করেছিলেন, ‘ভারত কবে পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদে মদত দেওয়া বন্ধ করবে?’ এই প্রশ্ন শেষ হতে না হতেই বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলে ওঠেন “একটি সন্ত্রাসী দেশ আমাকে এই প্রশ্ন করছে?” এক লাইনের এই জবাবই সাংবাদিককে থামিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট ছিল। জবাব দেওয়ার পরই মন্ত্রী এবং অন্যান্য ভারতীয় প্রতিনিধিরা চেয়ার ছেড়ে ঘর থেকে বেরিয়ে যান, আর ওই সাংবাদিক তখনও কথা বলে চলছিলেন।


এর আগে রাষ্ট্রসঙ্ঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে ভারতের পক্ষ থেকে পাকিস্তানকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করা হয়। ভারতীয় কূটনীতিক ক্ষিতিজ ত্যাগী বলেছিলেন যে, পাকিস্তানের কেবলমাত্র অন্যের দেশে নজর না দিয়ে, সন্ত্রাসবাদ রফতানি না করে, নিজেদের দেশের আভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক সঙ্কটের দিকে নজর দেওয়া।



আগামী ২ এবং ৩ অক্টোবর মাইনোরিটি সিটিজেনস ফোরামের ব্যানারে ধনধান্য অডিটোরিয়ামে বিশেষ আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে রাষ্ট্রবাদী ভাবনায় থাকা সংখ্যালঘুদের আমন্ত্রণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শাখা বৃদ্ধি এবং সাংগঠনিক কাজকর্ম আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।


লক্ষ্য ১০,০০০, বাংলায় বড় ভাবনা আরএসএসের, বর্ধমানে আসছেন ভাগবত
মোহন ভাগবত

 রাজ্যে পালাবদলের পরই রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সাংগঠনিক কাঠামোয় বদল। শাখা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিল সঙ্ঘ। রাজ্যকে সাংগঠনিক পাঁচটি প্রদেশে ভাগ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিজেপি যখন নিজেদের সংগঠন বৃদ্ধিতে জোর দিয়েছে, তখন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘও (RSS) রাজ্যে নিজেদের সংগঠনে পা থেকে মাথা পর্যন্ত বদল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।


৫ হাজার থেকে শাখা বেড়ে ১০ হাজার
আগামী ৮ অক্টোবর আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত আসছেন রাজ্যে। বর্ধমানে যাওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। আরএসএস সূত্রে খবর, সাংগঠনিক নির্বাচন নিয়ে এই সফরে সময় যেমন আলোচনা হবে, তেমনই রাজ্য সংগঠন বৃদ্ধির বিষয়েও যে একাধিক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে, সেই বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। বর্তমানে রাজ্যে রাজ্যে ৫ হাজার শাখা রয়েছে আরএসএসের। ১০ অক্টোবরের মধ্যে এই শাখার সংখ্যা ১০ হাজার করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।

ভোটের আগে বলেননি কেন অন্নপূর্ণা যোজনা সবাই পাবে না?', 'লক্ষ্মীর ভাণ্ডার' সকলে পেতেন মনে করালেন মমতা

এই ৫ বীজ রোজ খেলে ১০ দিনেই নতুন চুলে ভরে যাবে মাথা! বিশ্বাস না হলে খেয়েই দেখুন
পাঁচ সম্ভাগ থাকবে রাজ্যে
রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সংগঠনের কাজকর্ম চালাতে পশ্চিমবঙ্গকে তিনটি ভাগে ভাগ করা রয়েছে বর্তমানে, যাকে মূলত বলা হয় ‘প্রান্ত’। সংগঠন বৃদ্ধির কাজের জন্য এবং রাজ্যে প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করার জন্য এবার তা বদল করা হচ্ছে বলেও আরএসএস সূত্রের খবর। এবার থেকে আর প্রান্ত থাকবে না, পশ্চিমবঙ্গকে নিজেদের সাংগঠনিক কাজ পরিচালনার জন্য মোট পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হচ্ছে, যাকে বলা হচ্ছে ‘সম্ভাগ’। মোট পাঁচটি সম্ভাগ তৈরি করা হবে। একটি সম্ভাগে পাঁচটি করে জেলা থাকবে।


উত্তরবঙ্গ, বর্ধমান, নবদ্বীপ, মেদিনীপুর এবং কলকাতা- মোট পাঁচটি সম্ভাগ থাকবে। গোটা দেশে বর্তমানে ৪৪টি প্রান্ত রয়েছে, যা সম্পূর্ণ সাংগঠনিক বদল হয়ে ১১০টি সম্ভাগে ভাগ হতে চলেছে। এছাড়াও, আগামী ২ এবং ৩ অক্টোবর মাইনোরিটি সিটিজেনস ফোরামের ব্যানারে ধনধান্য অডিটোরিয়ামে বিশেষ আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে রাষ্ট্রবাদী ভাবনায় থাকা সংখ্যালঘুদের আমন্ত্রণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শাখা বৃদ্ধি এবং সাংগঠনিক কাজকর্ম আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।




 সম্প্রতি কলকাতার মুকুন্দপুরে মমতা তৃণমূলের মিছিলে আক্রমণের অভিযোগ ওঠে। আহত হন কর্মীরা। গুরুতর আহত হন প্রাক্তন বিধায়ক হুমায়ুন কবীরও। বিজেপি মারধর করেছে বলে অভিযোগ ওঠে। ঘটনার পরের দিন সেই খবর প্রকাশ হয় সিপিএমের মুখপত্র গণশক্তিতে।


বেনজির সখ্য! ইতিহাস পিছনে রেখে সিপিএমের সঙ্গে কথা মমতার
বেবির সঙ্গে কথা মমতার

মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের রাজনৈতিক তাৎপর্য হিসেবে সবথেকে বেশি আলোচিত হয় বাম-বিরোধী লড়াইয়ের কথা। ৩৪ বছরের বাম দুর্গের পতন ঘটানো নেত্রী হিসেবে ভারতীয় রাজনীতিতে বিশেষ পরিচিত রয়েছে মমতার। রাস্তায় নেমে, অনশন করেই হোক বা সংসদীয় রাজনীতিতেই হোক, সিপিএমকে সরাতে মমতা যে লড়াই লড়েছিলেন, তা বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে লেখা থাকবে। তবে, বিজেপি বিরোধিতায় মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় যদি সিপিএমের সঙ্গে পংক্তিতে দাঁড়ান, তাহলে তা নতুন ইতিহাস তৈরি করবে, এ কথা বলাই যায়। সেই পথেই কি এগোচ্ছেন মমতা?


আপাতত রাজ্যে না হলেও, জাতীয় রাজনীতিতে সিপিএমের সঙ্গে বেনজির সান্নিধ্যে এলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবির সঙ্গে ফোনে কথা বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তাই নয়, আগামী সপ্তাহে দিল্লিতে ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক হোক, চান মমতা। এই বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়ার আবেদন জানিয়ে ফোনে কথা বলেছেন রাহুল গান্ধীর সঙ্গেও।


MLA-কে পাত্তাই দেওয়া হচ্ছে না...', পানিহাটিতেই 'অপমানিত' রত্না দেবনাথ, অভিযোগ স্বামীর
'সন্ত্রাসবাদ চালালে ফল ভুগতেই হবে', 'মিথ্যাবাদী' পাকিস্তানকে ধুয়ে দিল ভারত 
চিঠি চালাচালিও হয়েছে বেবি-মমতার
ইংরেজি দৈনিকে কমিশন সংক্রান্ত খবর প্রকাশের দিনই রাহুল গান্ধী, অখিলেশ যাদব, উদ্ধব ঠাকরে সহ একাধিক বিরোধী নেতার সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। জ্ঞানেশ কুমার বিতর্ক নিয়ে দেশের সব বিরোধী নেতাদের পাশাপাশি মমতাকে আগেই চিঠি লিখেছিলেন এম এ বেবি। সিপিএম সাধারণ সম্পাদকের চিঠির জবাবে পাল্টা চিঠিও দিয়েছেন মমতা।


বেবির সঙ্গে কথা হয়েছিল অভিষেকের
পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় থাকাকালীন ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে সিপিএমের সঙ্গে এক টেবিলে বৈঠকে বসলেও কোনোদিন সিপিএমের সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে আলাদা করে কথা বলেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্যে একজোট হওয়া তো দূর অস্ত।

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের আগে দিল্লিতে রাহুল গান্ধীর বাসভবনে সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবির সঙ্গে আলাদা করে কিছুক্ষণ আলাপচারিতা করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, সেই সময় এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বেবি এবং অভিষেকের কথাও হয়েছিল। সূত্রের খবর, ইন্ডিয়া জোটের বাইরে থাকা রাজনৈতিক দল- আপ (AAP), ডিএমকে (DMK), বিজেডি (BJD)-র মতো দলগুলিকেও কমিশন ইস্যুতে পাশে টানার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন বেবি এবং মমতা।

গণশক্তিতে ছাপা হয়েছিল মমতা-তৃণমূল আক্রান্ত হওয়ার খবর
সম্প্রতি কলকাতার মুকুন্দপুরে মমতা তৃণমূলের মিছিলে আক্রমণের অভিযোগ ওঠে। আহত হন কর্মীরা। গুরুতর আহত হন প্রাক্তন বিধায়ক হুমায়ুন কবীরও। বিজেপি মারধর করেছে বলে অভিযোগ ওঠে। ঘটনার পরের দিন সেই খবর প্রকাশ হয় সিপিএমের মুখপত্র গণশক্তিতে।




ভারত গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশকে ৪২-২১, ইরানকে ৩৭-২৩, জাপানকে ৫০-২৫ ব্যবধানে হারানোর পর সেমিফাইনালে নেপালকে উড়িয়ে দিয়ে বার্তা দিয়েছিল। সেই কথাই রাখল ফাইনালে ইরানকেও ধরাশায়ী করে। এর ফলে ক্রিকেট, শ্যুটিংয়ের মিক্সড ডাবলসের পরে আবার কবাডিতে সোনা পেল ভারত।


অপ্রতিরোধ্য মেয়েদের কবাডি দল, ইরানকে হারিয়ে এশিয়ান গেমসে ৩য় সোনা পেল ভারত
ভারতীয় মহিলা কবাডি দল

এশিয়ান গেমসে আবার সেরার শিখরে ভারত। এবার কবাডিতে। মহিলাদের কবাডিতে ইরানকে ফাইনালে ৩৭-৩৪ ফলে হারাল ভারত। এটি এশিয়ান গেমসে ভারতের তৃতীয় সোনা। যদিও, এশিয়ান গেমসে মহিলা কবাডি দলের এটি ৪ নম্বর পদক। ২০১০ সালে এই ইভেন্ট চালু হওয়ার পর ভারত ২০১০, ২০১৪, ২০২২ সালে সোনা জিতেছিল। ২০১৮ সালে জাকার্তা এশিয়ান গেমসে ইরানের কাছে ফাইনালে হেরে রানার্স হয়েছিল ভারত।


যদিও, গ্ৰুপ পর্বে বাংলাদেশ, ইরান, জাপানকে হারায় ভারত। সেমিফাইনালে নেপালকে ৪৮-২৪ ব্যবধানে পরাজিত করে ভারত ফাইনালে পৌঁছায়। এর ফলে, টুর্নামেন্টে অপরাজিত থেকে সোনা জিতল ভারত। ফাইনালেও প্রথমার্ধে এগিয়েই ছিল টিম ইন্ডিয়া। ৬ পয়েন্টের পার্থক্য ছিল দুই দলের মধ্যে। ২২-১৬ ফলে টিম ইন্ডিয়া জিতছিল। প্রথমার্ধে এমনকি ভারতের কাছে অল-আউটও হয়ে যায় ইরান। তবে বিরতির পর মরিয়া চেষ্টা চালানো শুরু করে ইরান। ভারত ২৭-২২ ব্যবধানে এগিয়ে থাকার সময় ইরানের আতেনা মাদাদি একটি ৪ পয়েন্টের রেড করে ব্যবধান কমিয়ে ২৭-২৬ স্কোর করেন। গোটা ম্যাচে এই প্রথমবার এগিয়ে যাওয়ার একটা সুযোগ পায় ইরান। এরপর থেকেই ভারত ডিফেন্স শক্তিশালী করে ও ইরানের ম্যাচে ফেরার রাস্তা রুখে দেয়। শেষ পর্যন্ত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে ৩৭-৩৪ ব্যবধানে ম্যাচ জেতে টিম ইন্ডিয়া।


সোহিনী জীবনে কী করেছে?' নন্দিনীর কটাক্ষে এবার মুখ খুললেন তাপস পালের স্ত্রী, কী বললেন আরেক নন্দিনী?
ম্যাচের শেষদিকে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করেছিল ইরান। একবার অল-আউটও হয়ে যায় ভারত। যদিও পুষ্পা রানা ভাল খেলেছেন আজ। যদিও ভারত বাংলাদেশকে ৪২-২১, ইরানকে ৩৭-২৩, জাপানকে ৫০-২৫ ব্যবধানে হারানোর পর সেমিফাইনালে নেপালকে উড়িয়ে দিয়ে বার্তা দিয়েছিল। সেই কথাই রাখল ফাইনালে ইরানকে উড়িয়ে দিয়ে।


বর্তমান পয়েন্ট তালিকায় সেরা ৫ –



তবে ভোটারদের ভিআইপি হিসাবে চিহ্নিত করার নিয়ম নির্বাচন কমিশনের (ECI)-এর ম্যানুয়ালে ২০১৮ সাল থেকেই রয়েছে। নতুন বিষয় হল, এবার এই ভিআইপি ট্যাগ সরাসরি বিএলও (BLO)-দের ব্যবহৃত ডিজিটাল অ্যাপের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। ফলে বুথ পর্যায়ে ভোটার তালিকা তৈরির কাজের প্রক্রিয়ায় এই ভিআইপি-দের চিহ্নিত করা যাবে। 


এসআইআর নিয়ে বিতর্ক যেন থামতেই চাইছে না। পশ্চিমবঙ্গের পালা মিটেছে। এখন রাজধানীতে চলছে এসআইআর। সেখানেই এমন সব ব্য়ক্তির নাম বাদ পড়েছে বা নোটিস পাঠানো হয়েছে, যাদের নাম শুনলে তাজ্জব হবেন। দিল্লির প্রাক্তন ও বর্তমান- দুই মুখ্যমন্ত্রীরই নাম বাদ। এসআইআরের নোটিস পাঠানো হয়েছে দেশের প্রাক্তন উপ-প্রধানমন্ত্রী তথা প্রবীণ বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আদবাণীকে। বাদের তালিকায় রয়েছে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর থেকে বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রির নাম। এমনকী নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধুর নামও বাদ পড়েছে। এই বিতর্কের আবহেই নতুন ফিচার চালু করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন- মার্ক ভিআইপি (Mark VIP)। কী কাজ হবে এই ফিচার বা অপশনে?


নাম পড়েই বোঝা যাচ্ছে যে এটি ভিআইপি-দের চিহ্নিত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। হিন্দুস্তান টাইমসের রিপোর্ট অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশন বুথ লেভেল অফিসারদের (BLO) ব্যবহৃত বিশেষ মোবাইল অ্যাপে মার্ক ভিআইপি নামে একটি নতুন ফিচার চালু করা হয়েছে। গত ৩১ জুলাই অ্যাপেল অ্যাপ স্টোরে এই ডিজিটাল আপডেটটি দেখা গিয়েছে। সেখানে এর ডিটেইলসে লেখা—মার্ক ভিআইপি ইলেকটর রিলেটেড চেঞ্জ (mark VIP elector related changes)। রিপোর্ট অনুযায়ী, ফিচারটি ৩০ জুলাই থেকেই চালু হয়ে গিয়েছে।


ভোটের আগে বলেননি কেন অন্নপূর্ণা যোজনা সবাই পাবে না?', 'লক্ষ্মীর ভাণ্ডার' সকলে পেতেন মনে করালেন মমতা
দিল্লির চিফ ইলেক্টোরাল অফিসার (CEO)-এর দফতরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ সরাসরি এই সফটওয়্যারে কোনও পরিবর্তন করতে পারবে না।


‘Mark VIP’ ফিচারটি কী কাজ করবে?
‘মার্ক ভিআইপি’ মূলত ভোটারদের ভিআইপি (VIP) হিসেবে চিহ্নিত করা এবং তাঁদের সংক্রান্ত কাজের অগ্রগতি ডিজিটালভাবে ট্র্যাক করার জন্য একটি ব্যবস্থা। বিএলও (BLO)-রা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের তথ্য যাচাই করার সময় কোনও ভোটারকে ভিআইপি হিসাবে চিহ্নিত করতে পারবেন। এরপর ওই ভোটারের প্রোফাইলে একটি তারকা (*) চিহ্ন দেখা যাবে।

এটি কেন ব্যবহার করা হচ্ছে?
বিশিষ্ট ব্যক্তিদের চিহ্নিতকরণ (Digital Flagging): সাংসদ, বিধায়ক, সাংবিধানিক বা বিচারবিভাগের উচ্চপদস্থ কর্তা, প্রবীণ আমলা, বিখ্যাত ক্রীড়াবিদ, শিল্পী বা সাংবাদিক ভোটারদের ভোটার তালিকায় বিশেষ চিহ্ন (asterisk/তারকাচিহ্ন) দিয়ে ট্যাগ করা হবে।

এই ফ্ল্যাগিংয়ের মাধ্যমে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নাম ড্রাফট ভোটার তালিকা থেকে যাতে দুর্ঘটনাবশত বাদ না পড়ে, তা নিশ্চিত করতেই এই ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এতে প্রশাসনিক কাজে সুবিধা হবে। ভিআইপি-দের তথ্য যাচাইয়ের সুবিধায় যাতে বিশেষ প্রশাসনিক নজরদারি থাকে, নথিপত্র যাচাই বা সংশোধন প্রক্রিয়ায় তাঁদের সরাসরি শুনানি কেন্দ্রে এসে লাইনে দাঁড়াতে না হয়, তার জন্যই এই ব্যবস্থা।

একাধিক স্তরে যাচাই-
কোনও ভোটারকে ভিআইপি হিসাবে চিহ্নিত করার পর সেই সুপারিশ ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের কাছে পাঠানো হবে। প্রথমে অ্যাসিস্ট্যান্ট ইলেকটোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার বা এইআরও (AERO) এবং ইলেকটোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার বা ইআরও (ERO) তা যাচাই করবেন। এরপর বিষয়টি যাবে দিল্লির মুখ্য নির্বাচন অফিসারের দফতরে।

খসড়া ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তি-
এই ট্যাগ করার ফলে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের খসড়া ভোটার তালিকায় যুক্ত করার প্রক্রিয়া সহজ হবে। সাংসদ, বিধায়ক, সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তি, বিচারপতি, সরকারি আধিকারিক এবং শিল্প, খেলাধুলা ও সাংবাদিকতার মতো ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থা কার্যকর হবে। তাঁরা এনুমারেশন ফর্ম পূরণ না করলেও তাঁদের খসড়া ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার ব্যবস্থা থাকবে।

শুনানি কেন্দ্রে যাওয়ার প্রয়োজন নেই-
ভিআইপি হিসাবে চিহ্নিত ভোটারদের ফর্ম দ্রুত প্রক্রিয়াকরণের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এর ফলে ভুল করে তাঁদের নাম বাদ পড়ার সম্ভাবনা কমবে। আবার কোনও অসঙ্গতি নিয়ে নোটিস বা আপত্তির বিষয় উঠলে, তাঁদের শারীরিকভাবে শুনানির কেন্দ্রে গিয়ে হাজির হতে হবে না। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া প্রশাসনিকভাবে সম্পন্ন করার ব্যবস্থা থাকবে।

তবে ভোটারদের ভিআইপি হিসাবে চিহ্নিত করার নিয়ম নির্বাচন কমিশনের (ECI)-এর ম্যানুয়ালে ২০১৮ সাল থেকেই রয়েছে। নতুন বিষয় হল, এবার এই ভিআইপি ট্যাগ সরাসরি বিএলও (BLO)-দের ব্যবহৃত ডিজিটাল অ্যাপের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। ফলে বুথ পর্যায়ে ভোটার তালিকা তৈরির কাজের প্রক্রিয়ায় এই ভিআইপি-দের চিহ্নিত করা যাবে।

তবে ভিআইপি হিসাবে চিহ্নিত হলেই কোনও ভোটার দাবি-আপত্তির প্রক্রিয়া থেকে পুরোপুরি ছাড় পেয়ে যাবেন—এমনটা নয়। নিয়ম অনুযায়ী, প্রয়োজন হলে তাঁদের তথ্য ও নথি যাচাই করা হতে পারে। মূলত এই ট্যাগের উদ্দেশ্য হল, প্রশাসনিক কাজ দ্রুত করা, প্রযুক্তিগত কারণে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া আটকানো এবং প্রয়োজনীয় নথি যাচাইয়ের প্রক্রিয়াকে সহজ করা।



 শনিবার ভোরে মেদিনীপুর সদর ব্লকের হাতিহলকা এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে। জানা গিয়েছে, গতকাল বিকেল থেকেই ঝামেলার সূত্রপাত। কোনও মিছিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। প্রাথমিকভাবে বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে মিটে গেলেও শনিবার ভোরে ফের নতুন করে ঝামেলা শুরু হয় বলে খবর।


বিজেপি কর্মীকে পিটিয়ে খুনের (BJP Worker Allegedly Beaten to Death) অভিযোগ উঠল মেদিনীপুরে। বাঁশ, লাঠি দিয়ে দফায় দফায় হামলা চালিয়ে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। সেই ঘটনার ভয়াবহ সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে এসেছে। মৃত বিজেপি নেতার নাম শামসের বিশ্বাস। আরও এক বিজেপি কর্মী জখম হয়েছেন বলে খবর। কে বা কারা হামলা চালিয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।


কী নিয়ে ঝামেলা?
শনিবার ভোরে মেদিনীপুর সদর ব্লকের হাতিহলকা এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে। জানা গিয়েছে, গতকাল বিকেল থেকেই ঝামেলার সূত্রপাত। কোনও মিছিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। প্রাথমিকভাবে বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে মিটে গেলেও শনিবার ভোরে ফের নতুন করে ঝামেলা শুরু হয় বলে খবর। সেখানেই ওই বিজেপি নেতাকে পিটিয়ে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার মুহূর্তের সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে এসেছে।


 'ভোটের আগে বলেননি কেন অন্নপূর্ণা যোজনা সবাই পাবে না?', 'লক্ষ্মীর ভাণ্ডার' সকলে পেতেন মনে করালেন মমতা
Samik Bhattacharya: তোলাবাজি করলেই গ্রেফতার করুন, বার্তা শমীকের
প্রকাশ্যে সিসিটিভি ফুটেজ
সিসিটিভিতে দেখা গিয়েছে, একদল দুষ্কৃতী বাঁশ, লাঠি নিয়ে দফায় দফায় হামলা চালাচ্ছে। এক বার নয়, একাধিকবার হামলা করা হয়। তাতেই ওই বিজেপি কর্মীর মৃত্য়ু হয়ে বলে অভিযোগ। আরও একজন বিজেপি কর্মী জখম হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি।


ঘটনার পর থেকেই উত্তপ্ত রয়েছে মেদিনীপুরের ওই এলাকা। সকালেই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ বাহিনী। তাঁরা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আঁটোসাঁটো করা হয়েছে নিরাপত্তা। ঘটনাস্থলে চলছে পুলিশি টহল। আপাতত থমথমে রয়েছে ওই এলাকা।

কারা হামলা চালিয়েছে, কী বলছে বিজেপি?
তবে, কে বা কারা হামলা চালিয়েছে, তা জানা যায়নি। বিজেপির জেলা সহ-সভাপতি অজয় জানার দাবি, ঘটনার নেপথ্যে রাজনৈতিক কোনও যোগ নেই। একদল দুষ্কৃতী হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এই বিষয়ে বলেন, “কে করছে, কি করছে তাঁদের নাম আমাদের কাছে আসছে। থানায় পাঠিয়েছি। তদন্ত হোক। এখন তো আর কোনও বিরোধী রাজনৈতিক দল নেই। তৃণমূলও নেই , সিপিএমও নেই। দুষ্কৃতীরাই হামলা চালিয়েছে।

অন্যদিকে, জেলা সভাপতি সৌমেন তিওয়ারির দাবি, যাঁরা গত ১৫ বছর ধরে এলাকায় গোলমাল পাকিয়ে নিজেদের আয়ত্তে রাখার চেষ্টা করেছিল, তারাই ফের এলাকা দখলের চেষ্টা করছে। তাই এই ধরনের গোলমাল হয়েছে। তবে, মৃত শামসের আদৌ বিজেপি করতেন কি না, সেই নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তিনি।



জানা গিয়েছে, জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ চেয়ে ফের একবার লোকসভায় স্পিকারের কাছে নোটিস পাঠাবে বিরোধীরা। এই বিতর্কে বিরোধী দলগুলির অবস্থান কী হবে, তাদের স্ট্র্যাটেজি কী-তা ঠিক করতেই ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক ডাকা হয়েছে। আগামী সপ্তাহেই এই বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা। 


আবার শক্তিশালী হচ্ছে ইন্ডিয়া জোট? জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ চেয়ে ফের একবার একজোট হচ্ছে ছন্নছাড়া বিরোধী জোট। ইতিমধ্যেই সিপিআইএমের সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবির সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এবার ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে যোগ দিতে দিল্লি যেতে পারেন মমতা। সঙ্গে যাবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। এমনটাই সূত্রের খবর।


সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, আগামী সপ্তাহে দিল্লিতে যেতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে জোট দেওয়ার জন্যই এই দিল্লি সফর। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে ইন্ডিয়া জোট বৈঠক হবে। বৈঠকে যোগ দেবেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও।


উত্তমকে চুমু খেতে ইচ্ছা করছে!', সুচিত্রা সেনের এমন ফোনে কী জবাব দিয়েছিলেন সুপ্রিয়া?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদন মেনেই আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর বৈঠকে বসতে চলেছে ইন্ডিয়া জোট। ২৯ সেপ্টেম্বর বসবে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক। তার পরদিনই বিরোধী জোটের বৈঠকে চূড়ান্ত হবে যৌথ কর্মসূচির রূপরেখা।


ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকের বিষয়বস্তু কী হবে?
এসআইআর বিতর্কের আবহে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ চাইছে বিরোধীরা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও ফেসবুক লাইভে এসে জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবি করেছেন। জানা গিয়েছে, জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ চেয়ে ফের একবার লোকসভায় স্পিকারের কাছে নোটিস পাঠাবে বিরোধীরা। এই বিতর্কে বিরোধী দলগুলির অবস্থান কী হবে, তাদের স্ট্র্যাটেজি কী-তা ঠিক করতেই ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক ডাকা হয়েছে। আগামী সপ্তাহেই এই বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা।

কারা কারা থাকবে?
যা শোনা যাচ্ছে, শুধুমাত্র ইন্ডিয়া জোটের শরিকরাই নয়, জোটে নেই কিন্তু বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলিও একত্রিত হতে পারে। সেক্ষেত্রে তামিলনাড়ুর শাসক দল টিভিকে-র নাম যেমন উঠে আসছে, তেমনই ককরোচ জনতা পার্টি রাজনৈতিক বৈঠকে যোগ দেবে কি না, তাও দেখার। অক্টোবরের শুরুতে এই বৈঠক হবে। সেই বৈঠকে যোগ দিতেই ৩০ সেপ্টেম্বর দিল্লি রওনা দেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

দিন কয়েক আগেই সিপিআইএমের সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবি প্রথমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লেখেন এবং তারপরে তাদের মধ্যে ফোনে কথা হয়। আগামী সপ্তাহে ইন্ডিয়া জোট এবং তার বাইরে থাকা শক্তিগুলোকে নিয়ে বৈঠক হবে।

এই বিষয় নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়ে মমতা পন্থী তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেন, “বৈঠকের চূড়ান্ত দিনক্ষণ স্থির হয়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দুদিন আগে এমএ বেবি চিঠি লিখেছেন, কথা বলেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে সম্মতি নিয়েছেন। আগামী সপ্তাহে বৈঠক করার কথা। রাহুল গান্ধীর সঙ্গেও কথা বলেছিলেন নেত্রী। অন্যান্য বিরোধীদের সঙ্গে কথা বলেছেন। এখনও মিটিংয়ের দিন চূড়ান্ত হয়নি। এই বৈঠকে কংগ্রেস উপস্থিত থাকবে।”



 কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার (ট্রাফিক) সূর্য প্রতাপ যাদব যাচ্ছেন রাজ্য IB-র DIG পদে। তাঁর জায়গায় ড.ভোলানাথ পাণ্ডে কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার (ট্রাফিক) হচ্ছেন। এছাড়া কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার (সিকিউরিটি) সুখেন্দু হীরা, বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের যুগ্ম কমিশনার দেবর্ষি দত্ত


পুরভোটের আগে রাজ্য পুলিশে বড় রদবদল, একসঙ্গে ২৩জন IPS-এর বদলি, দায়িত্ব বদল কলকাতার অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনারেরও
রাজ্য পুলিশে রদবদল



কলকাতা: ফের রাজ্য পুলিশে (West Bengal Police Reshuffle) রদবদল। পুরভোটের আগে একাধিক আইপিএস ও ডব্লিউবিপিএস পদমর্যাদার আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে। রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতরের তরফে এই সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে মোট ২৩ জন আইপিএস-কে বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তালিকায় রয়েছে কলকাতার অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ডি পি সিং। তাঁকে কলকাতা থেকে পাঠানো হয়েছে উত্তরবঙ্গের আইজি পদে। সেই জায়গায় কলকাতার নতুন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার হলেন সুধীর কুমার নীলকান্তম। STF-এর IGP পদে ছিলেন তিনি।


'সোহিনী জীবনে কী করেছে?' নন্দিনীর কটাক্ষে এবার মুখ খুললেন তাপস পালের স্ত্রী, কী বললেন আরেক নন্দিনী?
কোন কোন পদে কাদের বদলি করা হল?
কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার (ট্রাফিক) সূর্য প্রতাপ যাদব যাচ্ছেন রাজ্য IB-র DIG পদে। তাঁর জায়গায় ড.ভোলানাথ পাণ্ডে কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার (ট্রাফিক) হচ্ছেন। এছাড়া কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার (সিকিউরিটি) সুখেন্দু হীরা, বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের যুগ্ম কমিশনার দেবর্ষি দত্ত এবং কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার (ডিটেকটিভ ডিপার্টমেন্ট) পদে যাচ্ছেন স্পর্শা নীলাঙ্গি।


জেলা স্তরেও একাধিক রদবদল হয়েছে। দার্জিলিংয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপারেশনস) কৌস্তুভদীপ্ত আচার্য যাচ্ছেন আলিপুরদুয়ারের জয়গাঁয়। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে পাঠানো হচ্ছে। আলিপুরদুয়ারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) হচ্ছেন সলিমা লামা। এছাড়া, কালিম্পঙের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হচ্ছেন পূর্ণিমা শেরপা এবং মালদহ থেকে বীরভূমের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে যাচ্ছেন অভিষেক রায়। তাঁর সদর দফতর থাকবে বোলপুরে।

রদবদলের তালিকা

দেবেন্দ্র প্রকাশ সিং, IPS : বর্তমান পদ-অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার, নতুন পদ: IG, IB, উত্তরবঙ্গ

নীলু শেরপা (চক্রবর্তী), IPS: বর্তমান পদ- IGP, SCRB, নতুন পদ- IGP, WBPHIDCL

শঙ্খ শুভ্র চক্রবর্তী, IPS: বর্তমান পদ- IG, হোম গার্ড, নতুন পদ- IGP, SCRB, পশ্চিমবঙ্গ

সুধীর কুমার নীলকান্তম, IPS: বর্তমান পদ- IGP, STF, পশ্চিমবঙ্গ , নতুন পদ- অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (Addl. CP), কলকাতা

সুখেন্দু হীরা, IPS: বর্তমান পদ- DIG (সিকিউরিটি), পশ্চিমবঙ্গ, নতুন পদ: যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (সিকিউরিটি), কলকাতা

ড.ভোলানাথ পাণ্ডে, IPS: বর্তমান পদ- DIG, IB, পশ্চিমবঙ্গ, নতুন পদ- যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক), কলকাতা

সূর্য প্রতাপ যাদব, IPS : বর্তমান পদ- যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক), কলকাতা, নতুন পদ- DIG, IB, পশ্চিমবঙ্গ

দেবর্ষি দত্ত, IPS: বর্তমান পদ-DIG, WBPHIDCL, নতুন পদ- যুগ্ম পুলিশ কমিশনার, বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট

নিমা নরবু ভুটিয়া, IPS: বর্তমান পদ-CO, SAP 10th Bn, নতুন পদ- SS, CID, পশ্চিমবঙ্গ

ধৃতিমান সরকার, IPS: বর্তমান পদ- SS, IB, পশ্চিমবঙ্গ, নতুন পদ- SS, CID, মালদহ

ওয়াংডেন ভুটিয়া, IPS: বর্তমান পদ- CO, 2nd IR Bn, শিলিগুড়ি, পশ্চিমবঙ্গ, নতুন পদ- SS, CID, পশ্চিমবঙ্গ

ড. হোসেন মেহেদি রহমান, IPS: বর্তমান পদ- SS, IB, পশ্চিমবঙ্গ, নতুন পদ- ডেপুটি ডিরেক্টর, SVSPA, পশ্চিমবঙ্গ

আরিশ বিলাল, IPS: বর্তমান পদ- SS, CID, মালদহ, নতুন পদ- SS, CID, পশ্চিমবঙ্গ

সৌম্যদীপ ভট্টাচার্য, IPS: বর্তমান পদ- CO, SAP 1st Bn, নতুন পদ- DC, Cyber-II, কলকাতা

কাজি সামসুদ্দিন আহমেদ, IPS: বর্তমান পদ- DC, ট্রাফিক, শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেট, নতুন পদ- DC, DD, বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট

কুন্তল বন্দ্যোপাধ্যায়, IPS: বর্তমান পদ- CO, SAP 4th Bn, নতুন পদ- DC, ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট

স্পর্শা নীলাঙ্গি, IPS: বর্তমান পদ- DC, EB, কলকাতা, নতুন পদ- DC, DD, কলকাতা

কৌস্তুভদীপ্ত আচার্য, WBPS: বর্তমান পদ- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপারেশনস), দার্জিলিং, নতুন পদ- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, জয়গাঁ, আলিপুরদুয়ার

সলিমা লামা, WBPS: বর্তমান পদ- Dy. CO, IR 2nd Bn, শিলিগুড়ি, পশ্চিমবঙ্গ, নতুন পদ- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর), আলিপুরদুয়ার

পূর্ণিমা শেরপা, WBPS: বর্তমান পদ- Dy. CO, SAP 12th Bn, নতুন পদ- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, কালিম্পং

অভিষেক রায়, WBPS: বর্তমান পদ- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গ্রামীণ), মালদহ, নতুন পদ- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, বীরভূম (সদর দফতর বোলপুর)

মানবেন্দ্র দাস, WBPS: বর্তমান পদ- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, বীরভূম (সদর দফতর বোলপুর), নতুন পদ- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, মাথাভাঙা, কোচবিহার

কুনাল বার্নাবাস, WBPS: বর্তমান পদ- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, কালিম্পং, নতুন পদ- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গ্রামীণ), মালদহ





শনিবার বিকেল ৪টেয় সভা শুরু হবে শ্রীরামপুরে। মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় সেখানে যাওয়ার আগেই দুপুরে যাচ্ছিলেন কুণাল ঘোষ। উত্তরপাড়াতেই বেলেঘাটার বিধায়ককে আটকে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। বেশ কিছু লোকজন এগিয়ে গিয়ে কাচের উপর ডিম ছুড়তে শুরু করে বলে অভিযোগ।


ক্ষমতা ও প্রতীক দুই হারানোর পর আজ শনিবার প্রথমবার সভা করার কথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের (Mamata Banerjee)। কলকাতা হাইকোর্টের শর্ত মেনেই এদিন সভা করতে হবে তাঁকে। সেই সভার কয়েক ঘণ্টা আগেই আক্রান্ত হলেন মমতা তৃণমূলের বিধায়ক কুণাল ঘোষ। শ্রীরামপুরের সেই সভায় যোগ দিতে যাওয়ার পথেই কুণাল ঘোষের গাড়িতে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল।


শনিবার বিকেল ৪টেয় সভা শুরু হবে শ্রীরামপুরে। মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় সেখানে যাওয়ার আগেই দুপুরে যাচ্ছিলেন কুণাল ঘোষ। উত্তরপাড়াতেই বেলেঘাটার বিধায়ককে আটকে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। বেশ কিছু লোকজন এগিয়ে গিয়ে কাচের উপর ডিম ছুড়তে শুরু করে বলে অভিযোগ। সরাসরি বিজেপির দিকে আঙুল তুলেছে মমতা তৃণমূল। তবে বিজেপির দাবি, এটা সাধারণ মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ।


লাঠি, বাঁশ নিয়ে দফায় দফায় হামলা, রাস্তায় লুটিয়ে পড়লেন বিজেপি কর্মী, প্রকাশ্যে ঘটনার ভয়াবহ সিসিটিভি ফুটেজ
ঘটনায় ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন,”যে কোনও বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারত। চুরমার করে দিয়েছে গাড়ি। মমতার সভায় যাচ্ছিলাম। লাঠি-রড নিয়ে দাঁড়িয়েছিল। পুরো রাস্তা আটকে দিল। আমার সারা শরীর কাচে ভরা।” তাঁর দাবি, গাড়ি থামিয়ে থামিয়ে রাস্তায় দেখা হচ্ছে, কোন গাড়িতে কোন নেতা যাচ্ছে। পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। কাচ ভেদ করে পাথর গেলে ডানদিকে কাঁধে আঘাত লেগেছে বলে জানিয়েছেন তিনি। ভাঙা গাড়ি নিয়েই সোজা লালবাজার বা ভবানী ভবন যাচ্ছেন তিনি। কুণাল বলেন, “আমি ভবানী ভবনে যাচ্ছি। গিয়ে দেখাব, একজন বিধায়কের কী অবস্থা।”


এই পরিস্থিতি নিয়ে উত্তরপাড়ার বিধায়ক দীপাঞ্জন গুহ বলেন, “কুণাল ঘোষ কী অভিযোগ করলেন, তাতে কিছু যায় আসে না। উনি তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও অভিযোগ করেছিলেন।” বিধায়কের দাবি, বিজেপি নয়, সাধারণ মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হয়েছে।