August 2026

এবারের বিগ বস বাংলায় যেন আরও বেশি চমক। তবে এরই মাঝে আলাদা করে নজর কাড়লেন জলপাইগুড়ির মেয়ে তনুশ্রী রায় দাস। বিশেষ করে, মঞ্চে দাঁড়িয়ে সবার সামনে সৌরভ গঙ্গোপাধ্য়ায়ের হাতে চিমটি কাটতেই শোরগোল নেটপাড়ায়! তা কেই তনুশ্রী? কী করেন? কীভাবে সম্ভব হল তাঁর বিগ বস যাত্রা!


 ১৬ বছর বয়সে বিয়ে, রয়েছে ১৫ বছরের মেয়ে! বিগ বসে গিয়ে সৌরভকে চিমটি কাটা,কে এই তনুশ্রী?
আকাশ মিশ্র

গোটা বাংলা, গোটা দেশ এক নজরে দেখে নিল এবারের বিগ বাংলার একঝাঁক তারকা অতিথিদের। রবিবার ঝকঝকে অনুষ্ঠানে বিগ বস বাংলার মঞ্চ যেন তারকার হাট। বাঙালির দাদা তথা সৌরভ গঙ্গোপাধ্য়ায়ের সঞ্চালনায়, এবারের বিগ বস বাংলায় যেন আরও বেশি চমক। তবে এরই মাঝে আলাদা করে নজর কাড়লেন জলপাইগুড়ির মেয়ে তনুশ্রী রায় দাস। বিশেষ করে, মঞ্চে দাঁড়িয়ে সবার সামনে সৌরভ গঙ্গোপাধ্য়ায়ের হাতে চিমটি কাটতেই শোরগোল নেটপাড়ায়! তা কেই তনুশ্রী? কী করেন? কীভাবে সম্ভব হল তাঁর বিগ বস যাত্রা!


জলপাইগুড়ির মেয়ে তনুশ্রী। ছোটবেলা থেকেই জলপাইগুড়িতেই বড় হওয়া। জলপাইগুড়ি গভর্মেন্ট স্কুল থেকে পড়াশুনো। পরে জলপাইগুড়ি পিডি উইম্যান কলেজ থেকে স্নাতক। প্রথম থেকেই তনুশ্রীর নিজে পায়ে দাঁড়ানোর স্বপ্ন। সেই স্বপ্ন সফলও হয়েছে। খুব অল্প বয়সেই বিয়ে হয়, তাঁর। ১৬ বছর বয়সেই কাঁধে আসে সংসারের দায়িত্ব। কিন্তু ছোটবেলা থেকেই লড়াকু তনুশ্রী, সব সামলে নেন নিজের হাতে। সঙ্গে তাঁর সফল ব্যবসায়ী হওয়ার স্বপ্ন। ঠিক সেই সময়ই তনুশ্রীর কোলে আসে কন্যাসন্তান। আজ তাঁর বয়স ১৫। কিন্তু থমকে যাননি তনুশ্রী। স্বামী, সংসার, মেয়েকে সামলাচ্ছেন নিজের ছন্দে। সঙ্গে জলপাইগুড়ি টাউনে বিশাল তাঁর বুটিক। অফলাইন ও অনলাইনে, মেয়েদের বাহারি পোশাক বিক্রি।

তনুশ্রী বলেন, বিগ বস থেকে যখন তাঁকে প্রথম কল করা হয়, তখন তিনি বিশ্বাসই করেননি, সবটাই ফেক মনে হয়েছিল। এমনকী, বিগ বস মঞ্চে যখন সৌরভের সামনে দাঁড়িয়ে তনুশ্রী, তখনও বিশ্বাস করতে পারছিলেন না। তাই সৌরভের হাতে চিমটিই কেটে ফেললেন!

Bigboss Bangla

সৌরভ তাঁকে প্রশ্ন করেন, তাঁর জীবনে কোনটা প্রায়োরিটি, এই গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ড নাকি মেয়ে? সৌরভকে স্পষ্ট জবাবে তনুশ্রী বলেন, তাঁর কাছে মেয়েই সব। কেননা, দিন শেষে তাঁর একটাই পরিচয় তিনি মেয়ের মা।

বিগ বস ঘর মানেই বিতর্ক, লড়াই, একের পর এক দ্বন্দ্ব। তনুশ্রী কীভাবে সামলাবেন এসব? তনুশ্রী জানান, তিনি একেবারে ঠোঁটকাটা। অন্যায় সহ্য করবেন না।

এবারের বিগ বস যে জমে যেতে চলেছে, তার ইঙ্গিত রবিবারের এই অপেনিং অনুষ্ঠানেই। নজরে থাক বিগ বসের ঘর।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, মার্কিন হামলায় কয়েকজন ইরানি সেনা ও সাধারণ নাগরিক নিহত এবং আহত হয়েছেন। IRGC-র এক মুখপাত্রের দাবি, লারাক দ্বীপে হামলার জন্য আমেরিকাকে অর্থনৈতিক ও সামরিক-দুই দিক থেকেই মূল্য চোকাতে হবে। জানা গিয়েছে, ড্রোনের মাধ্যমে হামলা চালানো হয়েছিল। 


ইরানের লারাক দ্বীপে হামলা আমেরিকার, ড্রোন দিয়ে পাল্টা জবাব দিল তেহরানও
ইরান-আমেরিকার সংঘাত শুরু নতুন করে।

ওয়াশিংটন ও তেহরান: ফের শুরু সংঘাত। আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল সম্পর্ক। হরমুজ প্রণালীতে (Strait of Hormuz) সি মাইন (Sea Mine) পুঁততে পারে ইরান, এই অভিযোগ তুলে ইরানের লারাক দ্বীপে সামরিক হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। এরপরই পাল্টা জবাব দেয় তেহরান। ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস (IRGC) জানিয়েছে, লারাক দ্বীপে মার্কিন হামলার জবাবে তারা জর্ডনে থাকা মার্কিন ঘাঁটিতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।


নতুন করে হামলাকে কেন্দ্র করে ফের মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে উঠেছে। জুন মাসের পর থেকে তুলনামূলকভাবে শান্ত ছিল আমেরিকা-ইরান। বড়সড় সংঘাতে জড়ায়নি তারা। তবে এই ঘটনায় নতুন করে বড় সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি করেছে।

তরুণীর দাবি, ক্রিকেটারের সঙ্গে তাঁর সাড়ে তিন বছরের সম্পর্ক ছিল। বছর দেড়েক আগে তাঁদের মধ্যে একবার সমস্যা হলে, তা থানা পর্যন্ত গড়ায়। তবে সেসময় অভিযোগ দায়ের হয়নি। পরে তরুণী মগড়া থানায় অভিযোগ জানিয়ে আসেন। ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন। আর তারপরই গ্রেফতার করা হয় তাঁকে।


 'তালিকা মেনেই মামলার শুনানি হবে', আরও বিপাকে ধর্ষণে অভিযুক্ত বাংলার সেই ক্রিকেটার
কলকাতা হাইকোর্ট

গ্রেফতারির বিরুদ্ধে দ্রুত শুনানি চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দৃষ্টি আকর্ষণ বাংলার ক্রিকেটার। ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন তিনি। তারপরই গ্রেফতারির বিরুদ্ধে দ্রুত শুনানির আর্জি জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ অভিযুক্তের আইনজীবী। তবে সেই শুনানিতে ‘না’ কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court)। আদালতে দ্রুত শুনানির আর্জি জানান তাঁর আইনজীবী ময়ূখ মুখোপাধ্যায়।


হাইকোর্টে অভিযুক্ত ওই খেলোয়াড়ের আইনজীবী জানান, ওই মামলায় চার্জশিট পেশ করা হয়ে গিয়েছে। গ্রেফতারের আশঙ্কায় এই মামলা করা হয়েছিল। কিন্তু তার আগেই গ্রেফতার করা হয়। এখন এই আদালতে মামলা বিচারাধীন থাকার কারণে জামিনের আবেদন করা যাচ্ছে না। তারপরই দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হয়। তবে, সেই শুনানির আবেদন নাকচ করে দেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। তাঁর মন্তব্য, “যেহেতু ইতিমধ্যে গ্রেফতার হয়েছেন। আপনি জামিনের জন্য আবেদন করুন। তালিকা মেনেই মামলার শুনানি হবে।”

IPL-এ দিল্লি ক্যাপিটাল দলের নির্ভরযোগ্য কিপার-ব্যাটার এই খেলোয়ার। বাংলার ছেলে। তবে তাঁর বিরুদ্ধেই উঠেছিল বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ। তারপরই গ্রেফতার করা হয় সেই বিখ্যাত ক্রিকেটারকে। অভিযোগ, কর্নাটকে ডাক্তারী পড়ুয়া এক তরুণী গত ২৩ জুন মগড়া থানায় গিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।


তরুণীর দাবি, ক্রিকেটারের সঙ্গে তাঁর সাড়ে তিন বছরের সম্পর্ক ছিল। বছর দেড়েক আগে তাঁদের মধ্যে একবার সমস্যা হলে, তা থানা পর্যন্ত গড়ায়। তবে সেসময় অভিযোগ দায়ের হয়নি। পরে তরুণী মগড়া থানায় অভিযোগ জানিয়ে আসেন। ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন। আর তারপরই গ্রেফতার করা হয় তাঁকে।

আলিপুর আবহাওয়া অফিস আগেই জানিয়েছিল যে বঙ্গোপসাগরের উপরে তৈরি হওয়া একটি নিম্নচাপের জেরে ফের বৃষ্টি হবে। ইতিমধ্যেই সেই নিম্নচাপের প্রভাব শুরু হয়ে গিয়েছে। নিম্নচাপের প্রভাবে বেশি বৃষ্টি হচ্ছে ওড়িশা, ছত্তীসগঢ়ে।


 বাংলার আকাশ জুড়ে নিম্নচাপের ঘনঘটা। নিম্নচাপের প্রভাবে আরও বৃষ্টির পূর্বাভাস দিল আলিপুর আবহাওয়া অফিস। আজ ইতিমধ্যেই কলকাতা সহ বেশ কিছু জায়গায় বৃষ্টি শুরু হয়েছে। কোথায় কোথায় বৃষ্টি হবে? কতদিনই বা এই বৃষ্টি চলবে?


আলিপুর আবহাওয়া অফিস আগেই জানিয়েছিল যে বঙ্গোপসাগরের উপরে তৈরি হওয়া একটি নিম্নচাপের জেরে ফের বৃষ্টি হবে। ইতিমধ্যেই সেই নিম্নচাপের প্রভাব শুরু হয়ে গিয়েছে। নিম্নচাপের প্রভাবে বেশি বৃষ্টি হচ্ছে ওড়িশা, ছত্তীসগঢ়ে। তবে বাংলাতেও বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হবে। গতকাল, রবিবারও দুপুর থেকে বৃষ্টি শুরু হয়েছিল। অনেক জায়গায় রাতেও বৃষ্টি হয়েছে।

সর্বশেষ খবর
কলকাতা
পশ্চিমবঙ্গ
খেলা
বিনোদন
ব্যবসা
দেশ
বিশ্ব
লাইফস্টাইল
আধ্যাত্মিক
প্রিমিয়াম স্টোরি
টিভি৯ Shorts
VIDEO
ফটো গ্যালারি
আবহাওয়া
কলকাতা হাইকোর্ট
ঘরের বায়োস্কোপ
Pujoy Pulse
Bangla News Kolkata West Bengal Weather Update: Low Pressure Brings More Rain, IMD Issues Fresh Forecast
West Bengal Weather Update: নিম্নচাপের ফাঁড়া কিছুতেই কাটছে না…বৃষ্টির লেটেস্ট আপডেট কী, জানাল হাওয়া অফিস
Kolkata & West Bengal Rain Alert: আলিপুর আবহাওয়া অফিস আগেই জানিয়েছিল যে বঙ্গোপসাগরের উপরে তৈরি হওয়া একটি নিম্নচাপের জেরে ফের বৃষ্টি হবে। ইতিমধ্যেই সেই নিম্নচাপের প্রভাব শুরু হয়ে গিয়েছে। নিম্নচাপের প্রভাবে বেশি বৃষ্টি হচ্ছে ওড়িশা, ছত্তীসগঢ়ে।

West Bengal Weather Update: নিম্নচাপের ফাঁড়া কিছুতেই কাটছে না...বৃষ্টির লেটেস্ট আপডেট কী, জানাল হাওয়া অফিস
ফাইল চিত্র।
Image Credit: PTI
Kaamalesh Chowdhury
Kaamalesh Chowdhury | Edited By: ঈপ্সা চ্যাটার্জী | Updated on: Aug 31, 2026 | 12:10 PM
Share
google button
কলকাতা: বাংলার আকাশ জুড়ে নিম্নচাপের ঘনঘটা। নিম্নচাপের প্রভাবে আরও বৃষ্টির পূর্বাভাস দিল আলিপুর আবহাওয়া অফিস। আজ ইতিমধ্যেই কলকাতা সহ বেশ কিছু জায়গায় বৃষ্টি শুরু হয়েছে। কোথায় কোথায় বৃষ্টি হবে? কতদিনই বা এই বৃষ্টি চলবে?


আলিপুর আবহাওয়া অফিস আগেই জানিয়েছিল যে বঙ্গোপসাগরের উপরে তৈরি হওয়া একটি নিম্নচাপের জেরে ফের বৃষ্টি হবে। ইতিমধ্যেই সেই নিম্নচাপের প্রভাব শুরু হয়ে গিয়েছে। নিম্নচাপের প্রভাবে বেশি বৃষ্টি হচ্ছে ওড়িশা, ছত্তীসগঢ়ে। তবে বাংলাতেও বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হবে। গতকাল, রবিবারও দুপুর থেকে বৃষ্টি শুরু হয়েছিল। অনেক জায়গায় রাতেও বৃষ্টি হয়েছে।




চলন্ত বাসে নাবালিকাকে গণধর্ষণের অভিযোগ, ৪৭ কিলোমিটার পথ পেরিয়ে কাশ্মীরি গেট
আজ, সপ্তাহের প্রথমদিনে সকাল থেকেই আকাশের মুখ ভার রয়েছে। কলকাতায় বিক্ষিপ্তভাবে দু-এক পশলা বৃষ্টিও হয়েছে। আবহাওয়া অফিস আজ উপকূল ও পশ্চিমাঞ্চলে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে। সেখানে তুমুল বৃষ্টির সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়াও বইতে পারে। মঙ্গলবার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।


আগামিকাল পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূমে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতা ও শহরতলিতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

অন্যদিকে উত্তরবঙ্গেও বিক্ষিপ্তভাবে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আজ থেকে বৃষ্টি বাড়তে পারে উত্তরবঙ্গে। উপরের দিকের জেলাগুলিতে হলুদ সর্তকতা জারি রয়েছে। বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টি হতে পারে দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার জেলায়।

রবিবার পানিহাটিতে বিজেপি আয়োজিত একটি অনুষ্ঠান ছিল। সংশ্লিষ্ট সেই অনুষ্ঠান থেকেই এলাকার বিধায়ক সকলকে সতর্ক করে দেন তোলাবাজির ব্যাপারে। তোলাবাজদের উদ্দেশ্যে হুঁশিয়ারি দিলেন বিধায়ক। রত্না দেবনাথ বলেন, "যাঁরা টাকা নিতে আসছেন তাঁদের মোবাইলে ফটো তুলে রাখবেন।

কোনও তোলাবাজি বরদাস্ত করা হবে না, আগেই বার্তা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সেই কারণে যাথাযথ পদক্ষেপও করা হচ্ছে। দলের কোনও নেতার নাম জড়ালে কিংবা কোনও পুলিশ আধিকারিকও যদি তোলাবাজি করেন তার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করছে রাজ্য সরকার। আর এবার নিজের বিধানসভা ক্ষেত্রে সেই একই বার্তা দিলেন পানিহাটির বিধায়ক রত্না দেবনাথ (Ratna Debnath)। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, ‘কেউ যদি আমার নাম করে টাকা চায় তাহলে দেবেন না।’


রবিবার পানিহাটিতে বিজেপি আয়োজিত একটি অনুষ্ঠান ছিল। সংশ্লিষ্ট সেই অনুষ্ঠান থেকেই এলাকার বিধায়ক সকলকে সতর্ক করে দেন তোলাবাজির ব্যাপারে। তোলাবাজদের উদ্দেশ্যে হুঁশিয়ারি দিলেন বিধায়ক। রত্না দেবনাথ বলেন, “যাঁরা টাকা নিতে আসছেন তাঁদের মোবাইলে ফটো তুলে রাখবেন। আর বলবেন যদি বিধায়ক পাঠান তাহলে তার সই নিয়ে আসুন। আর নয়ত তাঁর MLA প্যাডে নিয়ে আসুন। ভয় পাবেন না। সাহস করে এগিয়ে আসুন।”

 যাদবপুরে ফের নতুন করে দেওয়াল লিখন। এই প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন দিলীপ। মন্ত্রীর দাবি, গণতান্ত্রিক দেশে দেওয়াল লিখন সবাই করতে পারে। কিন্তু, দেশবিরোধী স্লোগান বরদাস্ত নয়। সেই কারণেই সরকার এই পদক্ষেপ করেছে। কিন্তু, কার্ল মার্কসের উক্তি লেখাতে কোনও সমস্যা নেই।

গণতান্ত্রিক দেশে সবাই দেওয়াল লিখতে পারে, কার্ল মার্কসের নীতি তো ব্যান হয়নি', সাফ বার্তা দিলীপের
দিলীপ ঘোষ

মুখ্যমন্ত্রীর কড়া দাওয়াইয়ের পরই রাতারাতি মুছে ফেলা হয়েছিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) দেওয়াল লিখন। তবে, ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সাদা চুনকাম করা দেওয়ালে ফের জ্বলজ্বল করছে নীল কালিতে লেখা কার্ল মার্কসের উক্তি। নতুন করে দেওয়াল লিখনকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই চর্চা শুরু হয়েছে। এবিভিপি (ABVP) ছাত্র সংগঠনের দাবি, নকশালপন্থীরাই লিখেছে। যদিও, এই নতুন দেওয়াল লিখনে ভুল কিছু দেখছেন না রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)।


কী বললেন দিলীপ?
দিলীপ ঘোষের দাবি, গণতান্ত্রিক দেশে দেওয়াল লিখন সবাই করতে পারে। কিন্তু, দেশবিরোধী স্লোগান বরদাস্ত নয়। সেই কারণেই সরকার এই পদক্ষেপ করেছে। কিন্তু, কার্ল মার্কসের উক্তি লেখাতে কোনও সমস্যা নেই। মন্ত্রী বলেন,”প্রথমবার তো এরকম হল। ওখানে অ্যান্টি ন্যাশনাল স্লোগান মোছার প্রয়োজন মনে করেছে সরকার, তাই করেছে। এর আগে তো কেউ চেষ্টা করেনি। যাঁরা ক্যাম্পাসকে দখল করে এতদিন এখানে অ্যান্টি ন্যাশনাল মুভমেন্টের কেন্দ্র তৈরি করেছিল। তাঁরা তো একটা বার্তা পেয়েছে যে এটা চলবে না। দেওয়াল লিখন গণতান্ত্রিক দেশে সবাই করতে পারে। আর কার্ল মার্কসের নীতি লেখা তো এখানে ব্যান হয়ে যায়নি। কিন্তু ভারতের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ করা, ভারতের ঐক্য, অখন্ডতা নিয়ে চ্যালেঞ্জ করা, এটা তো ভারত সরকার বরদাস্ত করবে না।”




 আজ, সোমবার সকাল ৯টা ১৫ মিনিট নাগাদ শিয়ালদহ স্টেশনের ফুড প্লাজায় আগুন লাগে। ইতিমধ্যেই আগুন নেভাতে উপস্থিত হয়েছে দমকল। তিনটি ইঞ্জিন আগুন নেভানোর কাজ করছে। গলগল করে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায় স্টেশন থেকে। 


সপ্তাহের প্রথম দিনেই বিপত্তি। অফিস টাইমে শিয়ালদহ স্টেশনে লাগল আগুন (Sealdah Station Fire)। আজ, সোমবার সকাল ৯টা ১৫ মিনিট নাগাদ শিয়ালদহ স্টেশনের ফুড প্লাজায় আগুন লাগে। তিনটি দোকানে আগুন লেগেছে বলেই খবর। ইতিমধ্যেই আগুন নেভাতে উপস্থিত হয়েছে দমকল। তিনটি ইঞ্জিন আগুন নেভানোর কাজ করছে। গলগল করে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায় স্টেশন থেকে।


কীভাবে, কখন আগুন লাগল?
জানা গিয়েছে, শিয়ালদহ স্টেশনের বাইরে যে ফুড প্লাজা রয়েছে, সেখানে আগুন লাগে। সকাল ৯টা ১৫ মিনিট নাগাদ আগুন লাগে। দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে।আধ ঘণ্টারও বেশি পার হয়ে গেলেও, এখনও আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি। তিনটি ইঞ্জিন আগুন নেভানোর চেষ্টা করছে। যেহেতু পরপর সমস্ত খাবার দোকান রয়েছে এবং সেখানে রান্নার তেল সহ প্রচুর দাহ্য পদার্থ মজুত থাকে, তাই দমকলও চিন্তিত। প্রাথমিকভাবে অনুমান, রান্নার সিলিন্ডার থেকেই আগুন লেগেছে।

শুভেন্দু বলেন, "এখনও পর্যন্ত নন্দীগ্রামে ৬৭ হাজার মহিলার অ্যাকাউন্টে ৩ হাজার করে টাকা ঢোকানো হয়েছে। আরও ৫ হাজার ভেরিফিকেশন বা প্রসেসে আছেন। ১৭টা অঞ্চলে ৬৭ হাজার মা-বোন দিদিকে তিন হাজার করে মাসে দেওয়া ছোটখাটো কাজ নয়। এই প্রত্যাশা নিয়ে আপনারা আমাকে জিতিয়েছিলেন।"


নন্দীগ্রামে কল্পতরু শুভেন্দু, রাস্তা থেকে স্বাস্থ্য নিয়ে একাধিক ঘোষণা, অন্নপূর্ণা নিয়েও দিলেন বড় আপডেট

নন্দীগ্রামের রেয়াপাড়ায় প্রশাসনিক সভা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। জেলার প্রশাসনিক কাজের তদারকি করেন তিনি। এই সভা থেকেই নন্দীগ্রামের (Nandigram) জন্য একাধিক ঘোষণা করলেন শুভেন্দু। রাস্তা থেকে স্বাস্থ্য…নন্দীগ্রামে কল্পতরু মুখ্যমন্ত্রী। কী কী ঘোষণা করলেন, জেনে নিন


মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আজকের দিনটা নন্দীগ্রামের কাছে গুরুত্বপূর্ণ দিন। আপনারা আমাকে নির্বাচিত করেছিলেন এবারও। এবং আমি এই সাড়ে তিন মাস রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। এই সাড়ে তিন মাস বা চার মাসের কাছাকাছি ১১০-১১২ বা ১১৪ দিন একটা সরকারের কাছে তেমন কিছু দিন নয়। তারপরেও আজ আমরা এখানে যে কাজগুলো করলাম, তার মধ্যে ৩২টি নতুন রাস্তা নির্মাণ ও সংস্কার। বেশ কিছু রাস্তার উদ্বোধন বা নতুন রাস্তার ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন হল। আমি বিশেষ করে পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতর, পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদ ও হলদিয়া উন্নয়ন পর্ষদকে ধন্যবাদ জানাব। ১৭টি গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে তৈরি হওয়া গ্রামীণ এলাকা নন্দীগ্রামে পরিকাঠামোগত উন্নয়নে একটা নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হল।”
নন্দীগ্রামে একাধিক ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর। বলেন, “আজ এখান থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিকশিত ভারত জিরাম-জি জব কার্ড হোল্ডার ১২৫দিনের কাজের সূচনা হল। আপনারা ৩১৭ রকমের কাজ করতে পারবেন। প্রত্যেকটি shg গ্র্রুপের অ্যাকাউন্টে আমরা এখান থেকে ট্রান্সফার করলাম। আমরা এই বছরে নন্দীগ্রামে ১১৭০০ নতুন বাড়ি তৈরি করব। প্রথম কিস্তি ৬০ হাজার টাকাও দেওয়ার ব্যবস্থা। এছাড়াও আমরা নন্দীগ্রামের হরিপুর একটি দমকল কেন্দ্রের উদ্বোধন করলাম।”
শুভেন্দু বলেন, “এখনও পর্যন্ত নন্দীগ্রামে ৬৭ হাজার মহিলার অ্যাকাউন্টে ৩ হাজার করে টাকা ঢোকানো হয়েছে। আরও ৫ হাজার ভেরিফিকেশন বা প্রসেসে আছেন। ১৭টা অঞ্চলে ৬৭ হাজার মা-বোন দিদিকে তিন হাজার করে মাসে দেওয়া ছোটখাটো কাজ নয়। এই প্রত্যাশা নিয়ে আপনারা আমাকে জিতিয়েছিলেন।”
স্বাস্থ্য নিয়ে শুভেন্দু বলেন, “রেয়াপাড়া হেলথ সেন্টারকে ৩০ বেডের জায়গায় ৬০ বেড করা হল। মহেশপুর স্বাস্থ্যকেন্দ্রকে আপগ্রেড করা হল। নন্দীগ্রাম জেলা হাসপাতালে নিউ মা মাতৃ বিল্ডিংয়ের কাজ শুরু হল রোগীদের আত্মীয়দের জন্য। নন্দীগ্রাম সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে জনৌষধি কেন্দ্র চালু হবে। মা-আহার ক্যান্টিন চালু করা হল। ৫ টাকাতে খাবার পাবেন। সপ্তাহে দুই দিন করে মাছও চালু করে দিয়েছি।নন্দীগ্রামে কোনও অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটলে পোস্টমার্টেমের জন্য তমলুকে যেতে হবে না। এখানে পুলিশ মর্গেরও ঘোষণা করে গেলাম।”

 এরপর এই বক্তব্য চ্যালেঞ্জ করে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা বলেন,"তাঁকে (সুমিত) প্রাসঙ্গিক সব প্রশ্ন করা হয়েছে। সেই প্রমাণ আছে। আমরা আদালতে সব আমরা জমা দেব। ১০ লক্ষ টাকা জমা পড়েছে দেখা যাচ্ছে। কিন্তু এটা হিমশৈলের চূড়া মাত্র। নগদ কালো টাকা অন্য কোথাও রাখা আছে। সম্প্রকি দু'কোটি টাকা অন্য অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছে।"




নয়া দিল্লি: রাজ্যে পালাবদলের পর থেকে একাধিক মামলা হয়েছে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) ও তাঁর আপ্ত-সহায়ক সুমিত রায়ের (Sumit Roy)-এর বিরুদ্ধে। সোমবার সুমিত রায়ের একটি কেসে আগাম জামিনের মামলা সুপ্রিম কোর্টে ওঠে। শুনানির সময় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের ভর্ৎসনার মুখে ইডিসহ কেন্দ্রীয় এজেন্সি। প্রসঙ্গ ওঠে ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্সেরও’। তখনই তদন্তের শ্লথ গতি নিয়ে বিচারপতিদের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে।

সোমবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের এজলাসে সুমিতের মামলার শুনানি চলছিল। কোর্টে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহেতার সওয়াল, একটি রাজনৈতিক দলের অ্যাকাউন্ট থেকে ৩০ কোটি টাকা ‘লিপস্ এন্ড বাউন্স’- এর মত ‘দাগী’ সংস্থার অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে। সেই সময়ই বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ভর্ৎসনার মুখে পড়ে কেন্দ্রীয় এজেন্সি।


তিনি আরও জানান, "ধরুন আপনি এসপ্ল্যানেড যাচ্ছেন। ওই অ্যাপটা খুলে দেখে নেবেন কোথায় কোথায় পার্কিং রয়েছে। আমরা খুব দ্রুতই এই অ্যাপ আনছি। তবে হাতজোড় করে অনুরোধ করছি বেআইনি ভাবে পার্কিং করবেন না।" এখানে উল্লেখ্য, গত শনিবার নবান্নে এই সকল পার্কিং নিয়ে একটি বৈঠক করেন অগ্নিমিত্রা পাল। ওই বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়,কোন পৌর এলাকায় কতগুলি জায়গায় সরকারি ভাবে পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে।


ক্ষমতায় আসার পর পার্কিং নিয়ে পদক্ষেপ করেছিলেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul)। যেখানে সেখানে রাখা যাবে না গাড়ি। নয়ত ফাইন দিতে হবে। জানিয়ে দিয়েছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী। যাঁদের চার চাকা গাড়ি বা বাইক রয়েছে ফের একবার তাঁদের ফের একবার সতর্ক করলেন অগ্নিমিত্রা পাল। সরকার প্রদত্ত নির্দিষ্ট জায়গা ছাড়া অন্য কোথাও গাড়ি রাখলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে ফের একবার মনে করিয়েছেন তিনি।


অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, “যেখানে-সেখানে পার্কিং করবেন না। আমরা মিটিং করছি। কোথায়-কোথায় আমরা পার্কিং করা যায় তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। একটা অ্যাপ আনব আমরা। সেই অ্যাপটা এলে সুবিধা হবে সকলের।” কীভাবে এই অ্যাপ কাজ করবে তা নিয়েই বার্তা দেন তিনি। রাজ্যের মন্ত্রী বলেন, “ঘুরে ঘুরে দেখতে হবে না কোথায় পার্কিং আছে। অনেকে বলছেন ম্যাডাম জানব কী করে কোথায় পার্কিং আছে, আপনি কেস দিয়ে দিচ্ছেন।”
তিনি আরও জানান, “ধরুন আপনি এসপ্ল্যানেড যাচ্ছেন। ওই অ্যাপটা খুলে দেখে নেবেন কোথায় কোথায় পার্কিং রয়েছে। আমরা খুব দ্রুতই এই অ্যাপ আনছি। তবে হাতজোড় করে অনুরোধ করছি বেআইনি ভাবে পার্কিং করবেন না।” এখানে উল্লেখ্য, গত শনিবার নবান্নে এই সকল পার্কিং নিয়ে একটি বৈঠক করেন অগ্নিমিত্রা পাল। ওই বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়,কোন পৌর এলাকায় কতগুলি জায়গায় সরকারি ভাবে পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে। এমনকী কোথায় বেশি গাড়ি থাকে সেই জায়গাও বাছা হয়। সংশ্লিষ্ট সেই জায়গাগুলির বাইরে অন্য কোথাও গাড়ি বা মোটরবাইক পার্কিং করলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জরিমানা করা হবে বলেও ঠিক করা হয়।

 প্রধান বিচারপতি বলেন, শেষ পর্যন্ত বিষয়টি পুলিশকেই বিবেচনা করতে হবে। আবেদনটির ভিত্তিতে কেন্দ্র এবং দিল্লি পুলিশকে নোটিস দিতে সম্মত হলেও প্রস্তাবিত মিছিলের আগেই মামলাটির শুনানি করতে রাজি হয়নি বেঞ্চ। এরপরও নিজের বক্তব্যে অনড় থাকেন আবেদনকারীর আইনজীবী আহমেদ। তাঁর অভিযোগ, CJP এমন আচরণ করছে যেন তাদের ক্ষেত্রে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা (BNSS) প্রযোজ্য নয়।


‘অঘটন ঘটবেই, এমনটা ধরে নিতে পারি না’, CJP-র প্রতিবাদ মিছিল নিয়ে জরুরি হস্তক্ষেপে 'না' সুপ্রিম কোর্টের
কী বলল সুপ্রিম কোর্ট?

আগামী ৫ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)-র প্রতিবাদ মিছিল। আর এই মিছিলের বিরোধিতা করে মামলায় জরুরি হস্তক্ষেপ করতে অস্বীকার করল সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার এই সংক্রান্ত আবেদনের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় সরকার এবং দিল্লি পুলিশকে নোটিস পাঠাল শীর্ষ আদালত। তবে আবেদনকারী পক্ষের আইনজীবী রিজান আহমেদের বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও ৩ সেপ্টেম্বরের আগে মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করতে রাজি হয়নি সুপ্রিম কোর্ট।


প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনা-কে নিয়ে গঠিত বেঞ্চ মামলাটি আগামী ১০ সেপ্টেম্বর শুনানির জন্য ধার্য করেছে। ছাত্র আন্দোলন সংক্রান্ত অন্যান্য মামলার সঙ্গে এই মামলাটিও শুনবে আদালত। সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার বিষয়টি মূলত পুলিশের এক্তিয়ারভুক্ত। তাই আবেদনকারীকে তাঁর উদ্বেগের কথা কেন্দ্রীয় সরকার এবং দিল্লি পুলিশের কাছে জানাতে বলল শীর্ষ আদালত।

এছাড়াও আগামী সপ্তাহে দিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলন হওয়ার কথা। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা সেই সময় রাজধানীতে উপস্থিত থাকবেন। তার মধ্যেই এই ধরনের মিছিল নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন আবেদনকারীর আইনজীবী। আহমেদ বলেন, ‘‘১২ ও ১৩ তারিখে আন্তর্জাতিক অতিথিরা রাজধানীতে আসছেন। এআই সম্মেলনে কী হয়েছিল, আমরা দেখেছি। মানুষ পোশাক খুলে নেচেছিল। আমার আবেদন, ১৫ তারিখ পর্যন্ত মিছিলটি পিছিয়ে দেওয়া হোক। দাবিটি কি এতটাই জরুরি? পুলিশ কি এখনই মানুষের বাড়িতে অভিযান চালাচ্ছে? CJP যা করছে, তারা কি ব্রিকস সম্মেলন শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারে না?’’

কী বললেন প্রধান বিচারপতি?

আবেদনকারীর আইনজীবীর এই সওয়াল শুনে প্রধান বিচারপতি বলেন, অঘটন ঘটবে বলে আগেভাগে ধরে নেওয়ার কোনও কারণ আদালতের কাছে নেই। তাঁর কথায়, ‘‘এই মুহূর্তে আমরা ধরে নেব যে প্রত্যেকে শান্তিপূর্ণভাবে আচরণ করবেন। এখন এমন কোনও জোরালো পরিস্থিতি নেই, যার ভিত্তিতে ধরে নিতে হবে যে কোনও অঘটন ঘটবে।’’

তবে আহমেদ পাল্টা বলেন, ‘‘এই অনুমান অভিজ্ঞতা থেকেই আসে।’’ তিনি দাবি করেন, গত ২০ জুলাই CJP-র ডাকা সংসদ অভিযান ঘিরে ব্যাপক হিংসার ঘটনা ঘটেছিল। ভবিষ্যতে ফের কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। বলেন, ‘‘ঈশ্বর না করুন, আবার কোনও দুর্ঘটনা ঘটল—CJP-র কারণে নয়, কোনও দুষ্কৃতী বা উচ্ছৃঙ্খল ব্যক্তির কারণে।’’

প্রধান বিচারপতি বলেন, শেষ পর্যন্ত বিষয়টি পুলিশকেই বিবেচনা করতে হবে। আবেদনটির ভিত্তিতে কেন্দ্র এবং দিল্লি পুলিশকে নোটিস দিতে সম্মত হলেও প্রস্তাবিত মিছিলের আগেই মামলাটির শুনানি করতে রাজি হয়নি বেঞ্চ। এরপরও নিজের বক্তব্যে অনড় থাকেন আহমেদ। তাঁর অভিযোগ, CJP এমন আচরণ করছে যেন তাদের ক্ষেত্রে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা (BNSS) প্রযোজ্য নয়। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না করা হলে দেশকে বড় মূল্য চোকাতে হতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি। আহমেদ বলেন, ‘‘তারা নিজেদের ইচ্ছেমতো BNSS সংশোধন করছে। দেশ এই ঘটনাকে ভালোভাবে মনে রাখবে না। কিছু মানুষ যে ঔদ্ধত্য দেখাচ্ছেন… সংশ্লিষ্ট থানার অনুমতি নেওয়া প্রয়োজন।’’

এরপর প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট করে দেন, বিষয়টি সরকার এবং পুলিশের এক্তিয়ারভুক্ত। তিনি বলেন, ‘‘আমাদের সামনে কোনও নির্দিষ্ট গোষ্ঠী নেই। আপনি কেন্দ্রীয় সরকার অথবা দিল্লি সরকারের কাছে বিষয়টি তুলে ধরুন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা তাদের দায়িত্ব। আইন অনুযায়ী তাদের ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।’’

আহমেদ তখন দাবি করেন, জুলাইয়ের আন্দোলনের পর ‘রক্তের স্বাদ’ পেয়ে গিয়েছে CJP। তাই তারা এবার কোনও অনুমতি নেবে না। তাঁর বক্তব্য, পুলিশ বাধা দিলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের সামনে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে পারে। তিনি বলেন, ‘‘তারা রক্তের স্বাদ পেয়েছে। তারা অনুমতি নেবে না। পুলিশ বাধা দেবে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের সামনে এটাই তারা চায়। তাদের আইনজীবী যদি আদালতে উপস্থিত হন, অন্তত তাতে আইনের প্রতি সম্মান দেখানোর বার্তা যাবে।’’ এর জবাবে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘‘আমরা এমন কাউকে ডাকছি না, যিনি এই মামলার পক্ষ নন। কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে যান।’’ শেষে আহমেদ জানান, সংগঠনটির কোনও নথিভুক্ত অফিস বা লেটারহেড নেই। ফলে তাদের মামলার পক্ষ করা সম্ভব হচ্ছে না। তাঁর কথায়, ‘‘আমরা তাদের পক্ষভুক্ত করতে পারছি না। তাদের কোনও অফিস নেই, কোনও লেটারহেডও নেই।’’


এ দিন, মোট দু'টি লাইনে বিভক্ত হন মহিলারা। একটি জলপাইগুড়ি-ডাবগ্রাম কেন্দ্রের বঞ্চিত মহিলাদের লাইন ছিল। আর একটি ছিল দার্জিলিং লেখার লাইন। প্রায় শ'য়ে-শ'য়ে মহিলা হাজির হন শঙ্কর ঘোষের কার্যালয়ের সামনে। কার্যত অবরূদ্ধ হয়ে পড়ে শিলিগুড়ি হিলকার্ট রোড।

 'কখনও প্রসেস কখনও রিজেক্ট দেখাচ্ছে', 'অন্নপূর্ণা যোজনার' টাকা না পেয়ে শঙ্করের কার্যালয়ের সামনে হাজির শ'য়ে-শ'য়ে মহিলা
শঙ্কর ঘোষ, মন্ত্রী

 ‘অন্নপূর্ণা যোজনার’ টাকা না পাওয়ার অভিযোগ। মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষের দুয়ারে হাজির মহিলারা। শিলিগুড়িতে মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষের অফিসের সামনে লম্বা লাইন। পরিস্থিতি সামলাতে নামল কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং র‌্যাফ।


এ দিন, মোট দু’টি লাইনে বিভক্ত হন মহিলারা। একটি জলপাইগুড়ি-ডাবগ্রাম কেন্দ্রের বঞ্চিত মহিলাদের লাইন ছিল। আর একটি ছিল দার্জিলিং লেখার লাইন। প্রায় শ’য়ে-শ’য়ে মহিলা হাজির হন শঙ্কর ঘোষের কার্যালয়ের সামনে। কার্যত অবরূদ্ধ হয়ে পড়ে শিলিগুড়ি হিলকার্ট রোড। আশপাশের যে দোকানগুলি রয়েছে, সেই দোকানগুলির ব্যবসা বাণিজ্য প্রায় বন্ধ হওয়ার পথে।
এক মহিলা বলেন, “তিন মাস ধরে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা পাচ্ছি না।” আর এক মহিলা বলেন, “কখনও আন্ডার প্রসেস, কখনও রিজেক্ট, একটার পর একটা স্টেটমেন্ট দিচ্ছে। টাকা তো পাচ্ছি না। সেই কারণে বিধায়কের সঙ্গে কথা বলতে এসেছি। প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। ”



 অগ্নিনির্বাপণ বিধি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে দমকল আধিকারিকরা এসেছেন। আর এদিকে, বৃহস্পতিবারের পর সোমবার, ফের অভিষেকের অফিসে পৌঁছেছেন পুলিশ আধিকারিকরাও। অভিষেকের অফিসের অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা ঠিকঠাক রয়েছে কিনা, সবটাই খতিয়ে দেখছেন আধিকারিকরা। 


অগ্নিনির্বাপণ বিধি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে এবার অভিষেকের অফিসে দমকল
ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে দমকল

তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে দমকল-পুলিশ। অগ্নিনির্বাপণ বিধি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে দমকল আধিকারিকরা এসেছেন। আর এদিকে, বৃহস্পতিবারের পর সোমবার, ফের অভিষেকের অফিসে পৌঁছেছেন পুলিশ আধিকারিকরাও। অভিষেকের অফিসের অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা ঠিকঠাক রয়েছে কিনা, সবটাই খতিয়ে দেখছেন আধিকারিকরা।


দমকল আধিকারিক বলেন, “অডিট চলছে। রুটিন মেনেই চেক আপ চলছে। একেবারে এক তলা থেকে দেখা হচ্ছে। পাঁচ-ছ’তলার অফিসে ঠিকঠাক অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা রয়েছে কিনা, সেটা দেখা হচ্ছে। এটা সব সময়েই মেনটেইন করা উচিত।” জানা যাচ্ছে, অভিষেকের অফিসের কিছু ব্যবস্থার ক্ষেত্রে তাঁরা সন্তুষ্ট নন। মূলত স্প্রিঙ্কলার্স তাঁরা ব্যবহার করতে পারেননি। ফায়ার সেফটি সিস্টেম কাজ করেনি। অ্যালার্ম বাজেনি। জানা যাচ্ছে, দমকল আধিকারিকরা বেশ কিছু ক্ষেত্রে গলদ খুঁজে পেয়েছেন। আধিকারিক জানিয়েছেন, সাত তলা এই বিল্ডিংয়ের প্রত্যেকটা তলায় সমান ব্যবস্থাপনা রয়েছে। কিন্তু পাঁচ ও ছ’তলা যে ব্যবস্থা রয়েছে, তা নিয়ে খুব সন্তুষ্ট নন আধিকারিকরা।

বিজেপি মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এতদিন এমন জায়গায় ছিলেন যেন সবার উচ্চে, সবার আগে। যেন স্বর্গের প্রতিনিধি। চার ইঞ্চি ওপর দিয়ে রথের চাকা চলছে।” উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবারই অভিষেকের অফিসে বেআইনি বিল বোর্ড খোলার জন্য পুলিশ গিয়েছিল। তা নিয়ে রীতিমতো তুলকালাম পরিস্থিতি তৈরি হয়।



উৎসবের আবহে ডায়মন্ড হারবার মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হল বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠান। সোমবার সকাল ১১টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শুরু হয় এই বিশেষ অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল তথা ডায়মন্ড হারবার মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য আর. এন. রবি। তাঁর উপস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের কাছে দিনটি হয়ে ওঠে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।

সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত স্কলার ও বিজ্ঞানী অধ্যাপক চন্দ্রিমা সাহা। পাশাপাশি বিশেষ সম্মানীয় অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে যোগ দেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উচ্চ ও কারিগরি শিক্ষা বিভাগের মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মিতা ব্যানার্জির উদ্যোগে এবং বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনায় এই সমাবর্তন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এদিনের অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ডক্টর ইন্দিরা চক্রবর্তীকে সম্মানসূচক ডক্টর অফ সায়েন্স (D.Sc.) ডিগ্রি প্রদান। তাঁর দীর্ঘদিনের শিক্ষা, গবেষণা ও সমাজের প্রতি অবদানের স্বীকৃতি হিসেবেই এই সম্মান প্রদান করা হয় বলে বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে।

সমাবর্তন ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে সকাল থেকেই ছিল উৎসবের পরিবেশ। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং আমন্ত্রিত অতিথিদের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে ওঠে গোটা ক্যাম্পাস। শিক্ষাজীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায় শেষ করে ডিগ্রি ও সম্মান গ্রহণের মুহূর্তে ছাত্রীদের মধ্যেও ছিল বিশেষ উচ্ছ্বাস।

অনুষ্ঠানের মঞ্চে রাজ্যপাল আর. এন. রবি ছাত্রীদের হাতে বিভিন্ন ডিগ্রি ও সম্মান তুলে দেন। শিক্ষাক্ষেত্রে কৃতিত্ব অর্জনকারী ছাত্রীদের বিশেষভাবে সম্মানিত করা হয়। উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে ছাত্রীদের আরও এগিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি গবেষণা ও জ্ঞানচর্চায় তাঁদের ভূমিকা নিয়েও অনুষ্ঠানে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

এদিন সংগীতশিল্পী স্বাগতালক্ষ্মী দাশগুপ্তকেও সম্মানিত করা হয়। তাঁর হাতে সম্মাননা তুলে দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে। শিক্ষা ও সংস্কৃতির মেলবন্ধনের বার্তাও উঠে আসে এই অনুষ্ঠানে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় সমাবর্তনকে কেন্দ্র করে ডায়মন্ড হারবারে শিক্ষা মহলেও বিশেষ আগ্রহ তৈরি হয়েছে। মহিলা শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ তৈরি এবং তাঁদের আত্মনির্ভর করে তোলার ক্ষেত্রে ডায়মন্ড হারবার মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা নিয়েও এদিন আলোচনা হয়।

রাজ্যপাল তথা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য আর. এন. রবি’র উপস্থিতি অনুষ্ঠানের গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দেয়। রাজ্যের শিক্ষা প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হিসেবে মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের উপস্থিতিও ছিল তাৎপর্যপূর্ণ। একই মঞ্চে শিক্ষাবিদ, বিজ্ঞানী, প্রশাসনিক প্রতিনিধি ও সাংস্কৃতিক জগতের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে সমাবর্তন অনুষ্ঠান হয়ে ওঠে বর্ণময়।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে আয়োজিত এই সমাবর্তন শুধু ডিগ্রি প্রদান অনুষ্ঠান নয়, বরং আগামী দিনে ছাত্রীদের উচ্চশিক্ষা, গবেষণা এবং বৃহত্তর সমাজে তাঁদের ভূমিকার ক্ষেত্রেও নতুন দিশা দেখাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সুকান্ত মজুমদার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, পুরভোটের প্রার্থী নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। এত তাড়াহুড়োর করার প্রয়োজন নেই। ভোটের প্রার্থী ঝাড়াই-বাছাইয়ের সময় কী কী বিষয় দেখা হবে, কোন মাপকাঠিতে টিকিট দেওয়া হবে, তা জানিয়ে দিয়েছেন সুকান্ত। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, যে জিতবে, তাঁকেই প্রার্থী করবে বিজেপি। দলের সঙ্গে কে কতদিন যুক্ত তা বিচার্য নয়।


কে কতদিন দলে আছে, সেটা বিচার্য নয়', ভোটে কারা টিকিট পাবেন, আগাম জানিয়ে দিলেন সুকান্ত
সুকান্ত মজুমদার

সামনেই রয়েছে পুরভোট। নভেম্বরের দিকেই পুরভোট করার চিন্তা-ভাবনা করছে রাজ্য সরকার। ইতিমধ্যেই সেই ইঙ্গিত মিলেছে কখনও মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যে, কখনও আবার পুর ও নগরোন্নায়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের (Agnimitra Paul) মন্তব্যে। তবে, দিনক্ষণ এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তবে, জোরকদমে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে বিজেপি। দলের বিভিন্ন বিধায়ক-মন্ত্রীদের মধ্যে দায়িত্বও ভাগ করা দেওয়া হয়েছে। কলকাতার পুরভোট (KMC Vote) সামলানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সুকান্ত মজুমদারকে (Sukanta Majumdar)। এবার ভোটের আগে প্রার্থী নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করলেন বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। ভোটে কারা টিকিট পাবেন তা আগাম জানিয়ে দিলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি।


কী বলেছেন সুকান্ত মজুমদার?
সুকান্ত মজুমদার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, পুরভোটের প্রার্থী নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। এত তাড়াহুড়োর করার প্রয়োজন নেই। ভোটের প্রার্থী ঝাড়াই-বাছাইয়ের সময় কী কী বিষয় দেখা হবে, কোন মাপকাঠিতে টিকিট দেওয়া হবে, তা জানিয়ে দিয়েছেন সুকান্ত। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, যে জিতবে, তাঁকেই প্রার্থী করবে বিজেপি। দলের সঙ্গে কে কতদিন যুক্ত তা বিচার্য নয়।



 স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ও বিশেষ নজর রেখেছেন এই বিষয়ে। তাঁর মতে, সৌন্দর্যায়নের নামে জায়গায় জায়গায় পদ্ম পুল বানানো বন্ধ হোক। তিনি বলেন, "কোনও দিন একটা পদ্ম ফুটতে দেখিনি। একটা মাছ ঘুরে বেড়াতেও দেখিনি। তৈরি হয়ে যায়, তারপর রক্ষণাবেক্ষণ হয় না ঠিক মতো।"


 ১০ জনের মৃত্যু ভাবাচ্ছে স্বাস্থ্য দফতরকে, ৭ দিনে হাসপাতালে ভর্তি ৮০০ আক্রান্ত


বর্ষা মানেই ডেঙ্গি আতঙ্ক। এবছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। পরিসংখ্যান যা বলছে, তাতে ডেঙ্গিকে আর অবহেলা করার সময় নেই। চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত ১০ জন ডেঙ্গি আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে বলে সূত্রের খবর। শয়ে শয়ে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। গত সাত দিনে ডেঙ্গির উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন অন্তত ৮০০ জন। তার মধ্যে ৫ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।


পরিসংখ্যান: ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২৩ আগস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গিতে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৩৮৭ জন। ২০২৬ সালে ১ জানুয়ারি থেকে ২৩ আগস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গিতে আক্রান্ত ৩২৭ জন।

১০ জনের মৃত্যু ভাবাচ্ছে স্বাস্থ্য দফতরকে, ৭ দিনে হাসপাতালে ভর্তি ৮০০ আক্রান্ত

স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ও বিশেষ নজর রেখেছেন এই বিষয়ে। তাঁর মতে, সৌন্দর্যায়নের নামে জায়গায় জায়গায় পদ্ম পুল বানানো বন্ধ হোক। তিনি বলেন, "কোনও দিন একটা পদ্ম ফুটতে দেখিনি। একটা মাছ ঘুরে বেড়াতেও দেখিনি। তৈরি হয়ে যায়, তারপর রক্ষণাবেক্ষণ হয় না ঠিক মতো।"


১০ জনের মৃত্যু ভাবাচ্ছে স্বাস্থ্য দফতরকে, ৭ দিনে হাসপাতালে ভর্তি ৮০০ আক্রান্ত

বর্ষা মানেই ডেঙ্গি আতঙ্ক। এবছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। পরিসংখ্যান যা বলছে, তাতে ডেঙ্গিকে আর অবহেলা করার সময় নেই। চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত ১০ জন ডেঙ্গি আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে বলে সূত্রের খবর। শয়ে শয়ে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। গত সাত দিনে ডেঙ্গির উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন অন্তত ৮০০ জন। তার মধ্যে ৫ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।


পরিসংখ্যান: ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২৩ আগস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গিতে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৩৮৭ জন। ২০২৬ সালে ১ জানুয়ারি থেকে ২৩ আগস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গিতে আক্রান্ত ৩২৭ জন।

১৪ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণে উস্কানি ও মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেফতার নার্স
উদ্বেগ কোথায়: প্রতি বছর পূর্ববর্তী বছরের সঙ্গে যখন পরিসংখ্যান মেলানো হয়, তখন দেখা যায় আগের বছর থেকে অন্তত ৩০-৪০ শতাংশ কম ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়। কিন্তু এবার সেখানে মাত্র ১৫ শতাংশ কম।


ডেঙ্গির ঝুঁকি-সূচক: ৩০ অগস্টের একটি স্বাস্থ্য-ঝুঁকি সূচকে কলকাতায় ডেঙ্গির ঝুঁকি ৩৯/১০০, অর্থাৎ মাঝারি হিসাবে দেখানো হয়েছে। এটি আক্রান্তের সংখ্যা নয। ৩৯/১০০ পরিসংখ্যানটি সরকারি ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা নয়; এটি একটি স্বাস্থ্য-ঝুঁকি সূচক।

ম্যালেরিয়ার ঝুঁকিও রয়েছে: একই সূচকে কলকাতায় ম্যালেরিয়ার ঝুঁকি ডেঙ্গির তুলনায় বেশি দেখানো হয়েছে।

মৃত্যুর সংখ্যা: ২০২৬ সালে এখনও পর্যন্ত মোট ডেঙ্গিতে মৃত্যু হয়েছে ১০জন আক্রান্তের। তবে ডেথ রিভিউ কমিটির মতে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের। বাকি ৩ জন ডেঙ্গি আক্রান্ত হলেও মৃত্যুর কারণ অন্য, ডেঙ্গি নয়। ২০২৫ সালে মৃত্যু হয়েছিল ১৯ জনের, ২০২৪-এ মৃত্যু হয়েছিল ৩১ জনের।

পদ্ম-পুল বন্ধ করে দেওয়া হোক: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ও বিশেষ নজর রেখেছেন এই বিষয়ে। তাঁর মতে, সৌন্দর্যায়নের নামে জায়গায় জায়গায় পদ্ম পুল বানানো বন্ধ হোক। তিনি বলেন, “কোনও দিন একটা পদ্ম ফুটতে দেখিনি। একটা মাছ ঘুরে বেড়াতেও দেখিনি। তৈরি হয়ে যায়, তারপর রক্ষণাবেক্ষণ হয় না ঠিক মতো।” কেএমসির মুখ্য পতঙ্গবিদ দেবাশিস বিশ্বাসের বক্তব্য, এখনও হাতের বাইরে যায়নি পরিস্থিতি। সবাইকে এ ব্যাপারে সচেতন হতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।



 স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ও বিশেষ নজর রেখেছেন এই বিষয়ে। তাঁর মতে, সৌন্দর্যায়নের নামে জায়গায় জায়গায় পদ্ম পুল বানানো বন্ধ হোক। তিনি বলেন, "কোনও দিন একটা পদ্ম ফুটতে দেখিনি। একটা মাছ ঘুরে বেড়াতেও দেখিনি। তৈরি হয়ে যায়, তারপর রক্ষণাবেক্ষণ হয় না ঠিক মতো।"


 ১০ জনের মৃত্যু ভাবাচ্ছে স্বাস্থ্য দফতরকে, ৭ দিনে হাসপাতালে ভর্তি ৮০০ আক্রান্ত


বর্ষা মানেই ডেঙ্গি আতঙ্ক। এবছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। পরিসংখ্যান যা বলছে, তাতে ডেঙ্গিকে আর অবহেলা করার সময় নেই। চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত ১০ জন ডেঙ্গি আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে বলে সূত্রের খবর। শয়ে শয়ে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। গত সাত দিনে ডেঙ্গির উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন অন্তত ৮০০ জন। তার মধ্যে ৫ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।


পরিসংখ্যান: ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২৩ আগস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গিতে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৩৮৭ জন। ২০২৬ সালে ১ জানুয়ারি থেকে ২৩ আগস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গিতে আক্রান্ত ৩২৭ জন।

১০ জনের মৃত্যু ভাবাচ্ছে স্বাস্থ্য দফতরকে, ৭ দিনে হাসপাতালে ভর্তি ৮০০ আক্রান্ত

স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ও বিশেষ নজর রেখেছেন এই বিষয়ে। তাঁর মতে, সৌন্দর্যায়নের নামে জায়গায় জায়গায় পদ্ম পুল বানানো বন্ধ হোক। তিনি বলেন, "কোনও দিন একটা পদ্ম ফুটতে দেখিনি। একটা মাছ ঘুরে বেড়াতেও দেখিনি। তৈরি হয়ে যায়, তারপর রক্ষণাবেক্ষণ হয় না ঠিক মতো।"


১০ জনের মৃত্যু ভাবাচ্ছে স্বাস্থ্য দফতরকে, ৭ দিনে হাসপাতালে ভর্তি ৮০০ আক্রান্ত

বর্ষা মানেই ডেঙ্গি আতঙ্ক। এবছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। পরিসংখ্যান যা বলছে, তাতে ডেঙ্গিকে আর অবহেলা করার সময় নেই। চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত ১০ জন ডেঙ্গি আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে বলে সূত্রের খবর। শয়ে শয়ে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। গত সাত দিনে ডেঙ্গির উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন অন্তত ৮০০ জন। তার মধ্যে ৫ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।


পরিসংখ্যান: ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২৩ আগস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গিতে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৩৮৭ জন। ২০২৬ সালে ১ জানুয়ারি থেকে ২৩ আগস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গিতে আক্রান্ত ৩২৭ জন।

১৪ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণে উস্কানি ও মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেফতার নার্স
উদ্বেগ কোথায়: প্রতি বছর পূর্ববর্তী বছরের সঙ্গে যখন পরিসংখ্যান মেলানো হয়, তখন দেখা যায় আগের বছর থেকে অন্তত ৩০-৪০ শতাংশ কম ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়। কিন্তু এবার সেখানে মাত্র ১৫ শতাংশ কম।


ডেঙ্গির ঝুঁকি-সূচক: ৩০ অগস্টের একটি স্বাস্থ্য-ঝুঁকি সূচকে কলকাতায় ডেঙ্গির ঝুঁকি ৩৯/১০০, অর্থাৎ মাঝারি হিসাবে দেখানো হয়েছে। এটি আক্রান্তের সংখ্যা নয। ৩৯/১০০ পরিসংখ্যানটি সরকারি ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা নয়; এটি একটি স্বাস্থ্য-ঝুঁকি সূচক।

ম্যালেরিয়ার ঝুঁকিও রয়েছে: একই সূচকে কলকাতায় ম্যালেরিয়ার ঝুঁকি ডেঙ্গির তুলনায় বেশি দেখানো হয়েছে।

মৃত্যুর সংখ্যা: ২০২৬ সালে এখনও পর্যন্ত মোট ডেঙ্গিতে মৃত্যু হয়েছে ১০জন আক্রান্তের। তবে ডেথ রিভিউ কমিটির মতে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের। বাকি ৩ জন ডেঙ্গি আক্রান্ত হলেও মৃত্যুর কারণ অন্য, ডেঙ্গি নয়। ২০২৫ সালে মৃত্যু হয়েছিল ১৯ জনের, ২০২৪-এ মৃত্যু হয়েছিল ৩১ জনের।

পদ্ম-পুল বন্ধ করে দেওয়া হোক: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ও বিশেষ নজর রেখেছেন এই বিষয়ে। তাঁর মতে, সৌন্দর্যায়নের নামে জায়গায় জায়গায় পদ্ম পুল বানানো বন্ধ হোক। তিনি বলেন, “কোনও দিন একটা পদ্ম ফুটতে দেখিনি। একটা মাছ ঘুরে বেড়াতেও দেখিনি। তৈরি হয়ে যায়, তারপর রক্ষণাবেক্ষণ হয় না ঠিক মতো।” কেএমসির মুখ্য পতঙ্গবিদ দেবাশিস বিশ্বাসের বক্তব্য, এখনও হাতের বাইরে যায়নি পরিস্থিতি। সবাইকে এ ব্যাপারে সচেতন হতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।


কোনও আগাম অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছাড়াই সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি দেখা করবেন এবং তাঁদের অভিযোগ শুনবেন অফিসাররা। ওই দুদিন কোনও কাজে বাইরে যেতে পারবেন না অফিসাররা। প্রকাশ করতে হবে তাঁদের মোবাইল নম্বরও।


প্রতি মঙ্গল-বৃহস্পতি সকাল সাড়ে ১০টা, বিডিও-এসডিও-র সঙ্গে দেখা করতে পারবেন আপনিও
নবান্ন

অভাব-অভিযোগের কথা শুনতে প্রতি শনিবার জনতার দরবারে বসেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু প্রতিনিয়ত বিভিন্ন সরকারি পরিষেবা নিয়ে অনেক সমস্যার মুখে পড়তে হয় সাধারণ মানুষকে। তাঁদের কথাও এবার শোনার ব্যবস্থা করল রাজ্য সরকার। নবান্নের তরফে জারি করা হল বিশেষ নির্দেশিকা। মহকুমা শাসক সহ উচ্চপদস্থ সরকারি অফিসারদের সঙ্গে এবার থেকে সরাসরি দেখা করতে পারবেন সাধারণ মানুষ।


কবে দেখা করতে পারবেন
নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্রতি সপ্তাহে মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০ টা থেকে সরকারি অফিসারদের সঙ্গে দেখা করতে পারবেন সাধারণ মানুষ। অফিস জনসাধারণের জন্য খোলা থাকবে ওই দুদিন। ওই দুদিন কোনও আগাম অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছাড়াই সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি দেখা করবেন এবং তাঁদের অভিযোগ শুনবেন অফিসাররা। ওই দুদিন কোনও কাজে বাইরে যেতে পারবেন না অফিসাররা।


কাকদ্বীপ, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: জাতীয় সড়কে টোটো ও মেশিন ভ্যানের চলাচল রুখতে কাকদ্বীপে বিশেষ সচেতনতামূলক অভিযান চালাল সুন্দরবন পুলিশ জেলা ও কাকদ্বীপ ট্রাফিক গার্ড। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পরিবহন দপ্তরের নির্দেশিকা মেনে শনিবার ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়কে এই কর্মসূচি হয়।

অভিযানে ট্রাফিক পুলিশের কর্মীরা টোটো ও মেশিন ভ্যান চালকদের জাতীয় সড়কে না চলাচলের বিষয়ে সচেতন করেন। দুর্ঘটনা এড়ানো, যানজট নিয়ন্ত্রণ এবং সড়ক নিরাপত্তা বজায় রাখতেই এই উদ্যোগ বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। চালকদের নির্ধারিত রুট মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি জাতীয় সড়ক দখল করে অবৈধভাবে যানবাহনের স্ট্যান্ড তৈরি না করার বিষয়েও সতর্ক করা হয়।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভবিষ্যতে জাতীয় সড়কে বেআইনিভাবে যানবাহন দাঁড় করিয়ে যানজট সৃষ্টি বা অবৈধ স্ট্যান্ড গড়ে তোলা হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কাকদ্বীপ থেকে সন্দীপ দাসের রিপোর্ট, কাকদ্বীপ ডট কম।

কাকদ্বীপ: কাকদ্বীপ থেকে বকখালিগামী রাস্তায় গণেশ নগর নিমতলা সংলগ্ন এলাকায় পথ দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়াল। জানা গিয়েছে, একটি প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার ধারে থাকা একটি বিদ্যুতের পোস্টে সজোরে ধাক্কা মারে।

ঘটনার সময় গাড়িটিতে চালক-সহ মোট তিনজন যাত্রী ছিলেন। দুর্ঘটনায় একজন গুরুতর আহত হন। দুর্ঘটনার শব্দ শুনে আশপাশের স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করেন।


স্থানীয়দের তৎপরতায় আহতকে দ্রুত কাকদ্বীপ মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে সেখানে তাঁর চিকিৎসা চলছে। কী কারণে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিদ্যুতের পোস্টে ধাক্কা মারল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

কাকদ্বীপ থেকে সন্দীপ দাসের রিপোর্ট।

উৎসবের মরশুম হোক কিংবা সাধারণ দিন, একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীর লোভের জেরে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে সাধারণ মানুষের পকেট কাটার প্রবণতা পুরোপুরি রুখতে রবিবার দুপুরে সাগর ব্লকের বিভিন্ন বাজারে এক আকস্মিক ও ব্যাপক পরিদর্শন চালালেন কাকদ্বীপের মহকুমা শাসক শুভঙ্কর ভট্টাচার্য। 

সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় ন্যায্য মূল্যে মানসম্মত খাদ্যসামগ্রী ও সমস্ত নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস সঠিক পরিমাণে ও সঠিক মূল্যে পৌঁছাচ্ছে কি না, তা সরাসরি খতিয়ে দেখতে এবং বাজারে পণ্যের গুণগত মান ঠিকঠাক বজায় রয়েছে কি না তা নিশ্চিত করতে এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে জেলা ও ব্লক প্রশাসন।
রবিবার দুপুরে সাগর ব্লকের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম বাজারে এসডিও-র এই হঠাৎ পরিদর্শনে স্থানীয় ব্যবসায়ী মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও হুলস্থূল পড়ে যায়। চাল, ডাল, আটা, ভোজ্যতেল, মাছ, মাংস, ডিম ও শাকসবজি সহ অন্যান্য বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বর্তমান বাজারদর কেমন রয়েছে, তা তিনি নিজেই বিভিন্ন দোকানে গিয়ে সরাসরি বিক্রেতা ও সাধারণ ক্রেতাদের কাছ থেকে খুঁটিয়ে জেনে নেন। পাশাপাশি, খাদ্যের মান যথাযথ রয়েছে কি না, পণ্যের গায়ে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য বা এমআরপি সঠিকভাবে লেখা রয়েছে কি না এবং ওজন বা পরিমাপে কোনো কারচুপি বা ওজনে মার দেওয়ার প্রবণতা চলছে কি না, তা যাচাই করতে কয়েকটি দোকানে আকস্মিক তল্লাশি চালানো হয়। এছাড়া ক্রেতা সুরক্ষা আইন এবং সরকারের দেওয়া বিভিন্ন নির্দেশিকা ও নিয়মকানুন ব্যবসায়ীরা ঠিকঠাক মেনে চলছেন কি না, সে বিষয়েও উপস্থিত ব্যবসায়ীদের কঠোরভাবে সতর্ক করেন মহকুমা শাসক। প্রশাসন সূত্রে বিশেষভাবে জানা গেছে, সাগরের মতো একটি সংবেদনশীল ও ভৌগোলিকভাবে বিচ্ছিন্ন দ্বীপে সুযোগ বুঝে কেউ যাতে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে কালোবাজারির ফায়দা লুটতে না পারে, সে বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন অত্যন্ত কড়া নজর রাখছে। দ্বীপ অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থার সুযোগ নিয়ে কেউ যাতে অতিরিক্ত মুনাফা অর্জন করতে না পারে, সেদিকেও প্রশাসনের কড়া দৃষ্টি রয়েছে। সাধারণ মানুষ যাতে কোনোভাবেই অহেতুক অর্থনৈতিক হয়রানির শিকার না হন এবং বাজারে কোনো সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য না থাকে, তার জন্য প্রশাসনিক স্তর থেকে এই ধরনের নজরদারি ভবিষ্যতে আরও কঠোর করা হবে বলে স্পষ্ট ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। এই আকস্মিক পরিদর্শনের খবর চাউর হতেই আশপাশের বাজারের অন্যান্য ব্যবসায়ীরাও নিজেদের দোকানপাট, পণ্যের মূল্যতালিকা ও স্টক নিয়ে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন শুরু করেন। সাধারণ ক্রেতারাও প্রশাসনের এই আকস্মিক ও ইতিবাচক পদক্ষেপে গভীর স্বস্তি প্রকাশ করেছেন এবং এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিত চালিয়ে যাওয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন।
এদিনের এই গুরুত্বপূর্ণ ও উচ্চপর্যায়ের ঝটিকা অভিযানে মহকুমা শাসক শুভঙ্কর ভট্টাচার্য ছাড়াও কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে উপস্থিত ছিলেন এসডিপিও সুমন কান্তি ঘোষ, সাগর ব্লকের জয়েন্ট বিডিও, এসআই ও সাগর থানার ওসি অর্পণ নায়েক সহ ব্লকের বিভিন্ন দপ্তরের অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় প্রশাসনিক আধিকারিকেরা। প্রশাসনের এতগুলি দপ্তরের শীর্ষ কর্তাদের একসঙ্গে বাজারে ঘুরে বেড়াতে দেখে স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ ও কৌতূহল লক্ষ্য করা যায়। সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষা করতে এবং জনস্বার্থ পুরোপুরি সুরক্ষিত রাখতে এই ধরনের অভিযান আগামী দিনেও নিয়মিতভাবে সাগর ব্লকের বিভিন্ন বাজারে চালানো হবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাজারের এই সার্বিক পরিস্থিতি খুঁটিয়ে দেখে স্থানীয় প্রশাসন ব্লকের প্রতিটি ব্যবসায়ীকে সৎ, স্বচ্ছ ও নিয়ম মেনে ব্যবসা পরিচালনা করার চূড়ান্ত নির্দেশ দিয়েছে।

সাগরদ্বীপের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোয় বড়সড় পরিবর্তনের পথে। শুক্রবার সাগর গ্রামীণ হাসপাতাল পরিদর্শন করেন ডিস্ট্রিক্ট ডেপুটি ডিরেক্টর অফ হেলথ সার্ভিসেস ড. নিতাই মণ্ডল (DDHS RCH & State Family Planning Officer)। পরিদর্শনের পর স্বাস্থ্য সচিব ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে হাসপাতালে স্থায়ীভাবে একজন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ (Paediatrician) নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে সাগর গ্রামীণ হাসপাতালে স্থায়ী শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ না থাকায় সমস্যায় পড়ছিলেন দ্বীপবাসী। বিশেষ করে প্রসূতি ও নবজাতকের চিকিৎসায় এই ঘাটতি নিয়ে উদ্বেগ ছিল স্থানীয়দের।

সম্প্রতি এক নবজাতকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল চত্বরে বিক্ষোভের ঘটনাও ঘটে। পরিবারের অভিযোগ, শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে কাকদ্বীপে রেফার করা হলেও মুড়িগঙ্গা নদী পারাপারে বিলম্ব হয়। ঘটনার পর বিধায়ক সুমন্ত মণ্ডল পরিবারের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দেন।

এরপরই স্বাস্থ্য দপ্তরের এই সিদ্ধান্তে সাগরদ্বীপের স্বাস্থ্য পরিষেবা আরও শক্তিশালী হবে বলে আশাবাদী এলাকাবাসী।




সাগরদ্বীপের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোয় বড়সড় পরিবর্তনের পথে। শুক্রবার সাগর গ্রামীণ হাসপাতাল পরিদর্শন করেন ডিস্ট্রিক্ট ডেপুটি ডিরেক্টর অফ হেলথ সার্ভিসেস ড. নিতাই মণ্ডল (DDHS RCH & State Family Planning Officer)। পরিদর্শনের পর স্বাস্থ্য সচিব ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে হাসপাতালে স্থায়ীভাবে একজন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ (Paediatrician) নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে সাগর গ্রামীণ হাসপাতালে স্থায়ী শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ না থাকায় সমস্যায় পড়ছিলেন দ্বীপবাসী। বিশেষ করে প্রসূতি ও নবজাতকের চিকিৎসায় এই ঘাটতি নিয়ে উদ্বেগ ছিল স্থানীয়দের।

সম্প্রতি এক নবজাতকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল চত্বরে বিক্ষোভের ঘটনাও ঘটে। পরিবারের অভিযোগ, শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে কাকদ্বীপে রেফার করা হলেও মুড়িগঙ্গা নদী পারাপারে বিলম্ব হয়। ঘটনার পর বিধায়ক সুমন্ত মণ্ডল পরিবারের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দেন।

এরপরই স্বাস্থ্য দপ্তরের এই সিদ্ধান্তে সাগরদ্বীপের স্বাস্থ্য পরিষেবা আরও শক্তিশালী হবে বলে আশাবাদী এলাকাবাসী।




সুন্দরবনের দুর্গম ও নদীমাতৃক এলাকার মানুষের সুরক্ষা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা এবং সাংবাদিকতার নানা দিক নিয়ে কাকদ্বীপের বিডিও অফিসে একটি উচ্চপর্যায়ের বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সুন্দরবনের প্রত্যন্ত অঞ্চলের খবর কীভাবে আরও দায়িত্বশীল ও গুরুত্ব সহকারে মূলধারার গণমাধ্যমে তুলে ধরা যায় এবং চরম সংকটের দিনে সাংবাদিকদের ভূমিকা ঠিক কেমন হওয়া উচিত, মূলত সেই রূপরেখা তৈরিতেই এই সভার আয়োজন করা হয়।


এদিনের এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সুন্দরবন উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী তথা কাকদ্বীপের বিধায়ক দীপঙ্কর জানা, ইউনিসেফের প্রতিনিধি সুচরিতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্যের বিশিষ্ট প্রবীণ সাংবাদিক জয়ন্ত বসু দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের উপদক্ষ অনিমেষ মন্ডল জয়েন বিডিও সহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার একাধিক নামী সাংবাদিকেরা। সুন্দরবনের অবহেলিত মানুষের জীবনযাত্রা, তাদের নিত্যদিনের সংগ্রাম এবং প্রশাসনিক ত্রুটি ও বিপদের দিনে গণমাধ্যমের পক্ষ থেকে তাদের পাশে দাঁড়ানোর কার্যকর উপায় নিয়ে বৈঠকে দীর্ঘ আলোচনা হয়। বৈঠকের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল সুন্দরবনের অত্যন্ত সংবেদনশীল ও জলবেষ্টিত অঞ্চলগুলি—যেমন গোসাবা, কুলতলী, গঙ্গাসাগর, পাথরপ্রতিমা, ঘোড়ামারা দ্বীপ এবং মৌসুনি দ্বীপ। প্রতি বছর বর্ষা বা বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপ ও ঘূর্ণিঝড়ের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগে এই সমস্ত এলাকার মানুষ কীভাবে সর্বস্বান্ত হন এবং চরম বিপদের মুখে পড়েন, তার নিখুঁত ও বস্তুনিষ্ঠ চিত্র তুলে ধরার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। কেবল ক্ষয়ক্ষতির খতিয়ান দেওয়াই নয়, বরং দুর্গত মানুষের কণ্ঠস্বর যাতে যথাযথভাবে প্রশাসনের কাছে পৌঁছায়, সে বিষয়েও সংবাদকর্মীদের বিশেষ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।

এছাড়াও, বৈঠকে সাংবাদিকতার পেশাগত নৈতিকতা, মাঠপর্যায়ে খবর সংগ্রহের সময় নিরাপত্তা এবং শিশুদের সুরক্ষার মতো বিষয়গুলি নিয়েও বিস্তারিত মতবিনিময় করেন ইউনিসেফের প্রতিনিধি ও প্রবীণ সাংবাদিকরা। সুন্দরবনের প্রতিটি দ্বীপের নিজস্ব সমস্যা এবং তার স্থায়ী সমাধানের পথগুলি গণমাধ্যমের মাধ্যমে বারবার তুলে ধরে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে এই বৈঠক এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টমহল।

সুন্দরবনের দুর্গম ও নদীমাতৃক এলাকার মানুষের সুরক্ষা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা এবং সাংবাদিকতার নানা দিক নিয়ে কাকদ্বীপের বিডিও অফিসে একটি উচ্চপর্যায়ের বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সুন্দরবনের প্রত্যন্ত অঞ্চলের খবর কীভাবে আরও দায়িত্বশীল ও গুরুত্ব সহকারে মূলধারার গণমাধ্যমে তুলে ধরা যায় এবং চরম সংকটের দিনে সাংবাদিকদের ভূমিকা ঠিক কেমন হওয়া উচিত, মূলত সেই রূপরেখা তৈরিতেই এই সভার আয়োজন করা হয়।


এদিনের এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সুন্দরবন উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী তথা কাকদ্বীপের বিধায়ক দীপঙ্কর জানা, ইউনিসেফের প্রতিনিধি সুচরিতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্যের বিশিষ্ট প্রবীণ সাংবাদিক জয়ন্ত বসু দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের উপদক্ষ অনিমেষ মন্ডল জয়েন বিডিও সহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার একাধিক নামী সাংবাদিকেরা। সুন্দরবনের অবহেলিত মানুষের জীবনযাত্রা, তাদের নিত্যদিনের সংগ্রাম এবং প্রশাসনিক ত্রুটি ও বিপদের দিনে গণমাধ্যমের পক্ষ থেকে তাদের পাশে দাঁড়ানোর কার্যকর উপায় নিয়ে বৈঠকে দীর্ঘ আলোচনা হয়। বৈঠকের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল সুন্দরবনের অত্যন্ত সংবেদনশীল ও জলবেষ্টিত অঞ্চলগুলি—যেমন গোসাবা, কুলতলী, গঙ্গাসাগর, পাথরপ্রতিমা, ঘোড়ামারা দ্বীপ এবং মৌসুনি দ্বীপ। প্রতি বছর বর্ষা বা বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপ ও ঘূর্ণিঝড়ের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগে এই সমস্ত এলাকার মানুষ কীভাবে সর্বস্বান্ত হন এবং চরম বিপদের মুখে পড়েন, তার নিখুঁত ও বস্তুনিষ্ঠ চিত্র তুলে ধরার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। কেবল ক্ষয়ক্ষতির খতিয়ান দেওয়াই নয়, বরং দুর্গত মানুষের কণ্ঠস্বর যাতে যথাযথভাবে প্রশাসনের কাছে পৌঁছায়, সে বিষয়েও সংবাদকর্মীদের বিশেষ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।

এছাড়াও, বৈঠকে সাংবাদিকতার পেশাগত নৈতিকতা, মাঠপর্যায়ে খবর সংগ্রহের সময় নিরাপত্তা এবং শিশুদের সুরক্ষার মতো বিষয়গুলি নিয়েও বিস্তারিত মতবিনিময় করেন ইউনিসেফের প্রতিনিধি ও প্রবীণ সাংবাদিকরা। সুন্দরবনের প্রতিটি দ্বীপের নিজস্ব সমস্যা এবং তার স্থায়ী সমাধানের পথগুলি গণমাধ্যমের মাধ্যমে বারবার তুলে ধরে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে এই বৈঠক এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টমহল।
সোমবার পুরুলিয়ায় পরপর দুটো কর্মসূচি ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। প্রথমে মানবাজারে জলপ্রকল্পের উদ্বোধন করেন। পরে রঘুনাথপুরে তিনি একটি ইস্পাত কারখানার শিলান্যাস করেন তিনি। পুরুলিয়ার রঘুনাথপুরে একটি নতুন ইস্পাত কারখানার শিলান্যাস ও প্রশাসনিক কর্মসূচি ছিল তাঁর।

রাজ্যবাসীর কাছে ১ বছর সময় চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী, কেন?
পুরুলিয়ায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী


রাজ্যবাসীর কাছে এক বছর সময় চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যবাসীর কাছে যেন এক পরীক্ষায় তিনি। আর সেই পরীক্ষায় যদি ১০-এর মধ্যে ৯ না পান, তাহলে ক্ষমা চেয়ে নেবেন তিনি। পুরুলিয়ার সভা থেকে রাজ্যবাসীর উদ্দেশে বার্তা মুখ্য়মন্ত্রীর।


তিনি বললেন, “আগামী ২০২৭ সালের ৯ মে আমার মুখ্যমন্ত্রিত্বের ১ বছর হবে। মুখ্যমন্ত্রিত্বের ১ বছর হলে আপনাদের সামনে পরীক্ষায় বসব। পরীক্ষায় আপনারা আমাকে নম্বর দেবেন। ১০-এর মধ্যে ৯ না পেলে ক্ষমা চেয়ে নেব। বলব পারলাম না। আপনারাই বলবেন ভুল লোককে ঠিক করিনি। সঠিক লোককে সঠিক দলকে এনেছি। বিশ্বাস-ভরসা রাখুন। সময় দিন।” তিনি আবারও বলেন, “কেন্দ্র-রাজ্য একসঙ্গে মিলে আপনাদের কল্যাণ করব। আমরা বদ্ধপরিকর।”


'বয়স না হলে চাপকে পিঠের ছাল তুলে তুলে নিতাম', 'মাস্টারমশাই' আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়কে কেন হুমকি দিয়েছিলেন বিজেপির মণ্ডল সভাপতি?
সোমবার পুরুলিয়ায় পরপর দুটো কর্মসূচি ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। প্রথমে মানবাজারে জলপ্রকল্পের উদ্বোধন করেন। পরে রঘুনাথপুরে তিনি একটি ইস্পাত কারখানার শিলান্যাস করেন তিনি। পুরুলিয়ার রঘুনাথপুরে একটি নতুন ইস্পাত কারখানার শিলান্যাস ও প্রশাসনিক কর্মসূচি ছিল তাঁর। এই প্রকল্পটিতে প্রায় ৪,০০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ এবং প্রায় ৫,০০০ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে চলেছে।


মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “শিল্পায়নের জন্য আমরা সবরকম সাহায্য করব, পুরুলিয়ায় দাঁড়িয়ে বললেন শুভেন্দু।” মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দেন, “আমরা জোর করে শিল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণ করব না, আমরা ল্যান্ড পার্চেস পলিসি চালু করেছি। ল্যান্ড পুলিং পলিসি চালু করেছি। চাষিদের থেকে জমি নিয়ে ল্যান্ড ডেভলপমেন্টও চালু করব।” বদলের বাংলায় শিল্পের জোয়ার আনতে যে এই সরকার বদ্ধপরিকর, তা স্পষ্ট করে দেন মুখ্যমন্ত্রী।

অমৃত ফার্মেসিতে স্টেন্টের উপর ৮০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হবে! ক্যানসারের ওষুধ , চোখের লেন্স কম টাকায় পাওয়া যাবে। রাজ্যের এরকম প্রায় ১০০ টি ফার্মেসি চিহ্নিত করা হয়েছে ইতিমধ্যেই। ইতিমধ্যে এই সংখ্যা আরও বাড়ানো হতে পারে বলেও জানিয়েছেন তিনি।


স্টেন্টের উপর ৮০ শতাংশ ছাড়, চোখের লেন্স থেকে ক্যান্সারের ওষুধে বিস্তর ছাড়! বাংলায় এবার জায়গায় জায়গায় 'অমৃত ফার্মেসি'
স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়


 রবিবারই বাংলায় আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের চালু করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একই সঙ্গে চালু হয় মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমা যোজনাও। আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের পাশাপাশি রাজ্যে চালু করা হয় ‘অমৃত ফার্মাসি’। কিন্তু কী এই অমৃত ফার্মেসি? কী সুবিধা মিলবে তাতে? তারই ব্যাখ্যা দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়।


স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, রাজ্যের ১০০টি সরকারি হাসপাতালে এই ‘অমৃত ফার্মেসি’ থাকবে। এর মাধ্যমে বিভিন্ন ওষুধ এবং চিকিৎসাসামগ্রী ৫০-৮০ শতাংশ ছাড়ে কেনা যাবে। সরকারি হাসপাতালে এই ফার্মেসি চালু করার জন্য একটি কোম্পানির সঙ্গে মৌচুক্তি স্বাক্ষর করেছে রাজ্য সরকার।


বাবা হলেন অনুপম রায়, স্ত্রী প্রশ্মিতার কোল জুড়ে ছেলে এল নাকি মেয়ে?
অমৃত ফার্মেসিতে স্টেন্টের উপর ৮০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হবে! ক্যানসারের ওষুধ , চোখের লেন্স কম টাকায় পাওয়া যাবে। রাজ্যের এরকম প্রায় ১০০ টি ফার্মেসি চিহ্নিত করা হয়েছে ইতিমধ্যেই। ইতিমধ্যে এই সংখ্যা আরও বাড়ানো হতে পারে বলেও জানিয়েছেন তিনি। সাধারণত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালগুলির আশপাশেই এই ধরনের ফার্মেসি চিহ্নিত করা হচ্ছে। ছাড়ের সুবিধা নিতে রোগীর প্রেসক্রিপশন এবং ক্ষেত্রবিশেষে পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখতে পারেন পরিজনরা।


পাশাপাশি রাজ্যের স্বাস্থ্যক্ষেত্রে উন্নয়নের জন্য আরও একাধিক পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, সরকারি হাসপাতালগুলোতে ইন্টিগ্রেটেড কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। সেকথা আগেই ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এর মাধ্যমে প্রত্যেকটি হাসপাতালে নজরদারি রাখা হবে। ২৪ ঘণ্টা লাইভ ফিড পাওয়া যাবে। নজরদারিতে থাকবেন মেডিক্যাল অফিসার। হাসপাতাল পরিষেবার কার্যকারিতা, নির্ধারিত মানদণ্ড মেনে চলা, ফিল্ড ইউনিটের সঙ্গে সমন্বয় এবং গুরুত্বপূর্ণ কর্মদক্ষতা সূচকের উপর নজর রাখা হচ্ছে।

 বঙ্গোপসাগরে জন্ম হওয়া নিম্নচাপ আরও শক্তি বাড়িয়ে অতিগভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। ধীরে ধীরে সেটি প্রবেশ করছে স্থলভাগে। বর্তমানে এর অবস্থান কলকাতার ঠিক মাথার উপর। ধীরে ধীরে সেটি দক্ষিণবঙ্গ হয়ে সরে যাবে ঝাড়খন্ডের দিকে। তবে, তার জেরে ভাসবে বাংলা।



কলকাতা: সোমবার প্রবল বৃষ্টিতে ভাসবে বাংলা। সেই পূর্বাভাস আগেই দিয়েছিল আলিপুর আবহাওয়া অফিস। আর তেমনটাই হল। সপ্তাহের শুরুর দিন আকাশের মুখ ভার। কালো মেঘে ঢেকে পুরো আকাশ। সকাল থেকে মুষলধারে বৃষ্টি হয়ে চলেছে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায়। হাওয়া অফিস বলছে, বর্তমানে কলকাতার ঠিক উপরেই অবস্থান করছে নিম্নচাপ। এর জেরে আরও বৃষ্টি হবে বলে পূর্বাভাস দিচ্ছে হাওয়া অফিস। আগামী ২৪ ঘণ্টায় ১১৫ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টির সতর্কতা মহানগরে।ঘণ্টায় ২০-৩০ মিলিমিটার বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে কলকাতায়। যত সময় যাবে বৃষ্টির তীব্রতা বাড়বে।

বঙ্গোপসাগরে জন্ম হওয়া নিম্নচাপ আরও শক্তি বাড়িয়ে অতিগভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। ধীরে ধীরে সেটি প্রবেশ করছে স্থলভাগে। বর্তমানে এর অবস্থান কলকাতার ঠিক মাথার উপর। ধীরে ধীরে সেটি দক্ষিণবঙ্গ হয়ে সরে যাবে ঝাড়খন্ডের দিকে। তবে, তার জেরে ভাসবে বাংলা। শুধু তাই নয়, ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে বইবে দমকা বাতাসও। বাজ পড়লে কংক্রিটের নিচে আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ আবহবিদের।

সোমবার চরম ভারী বৃষ্টির লাল সতর্কতা থাকছে- পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া।

সোমবার অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা: হাওড়া, হুগলি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান।

সোমবার ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা: কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং।

মঙ্গলবার ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা: পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার

এ দিকে, প্রবল বৃষ্টিতে শহরের নিচু এলাকাগুলিতে জল জমতে শুরু করেছে। বন্ধ করা হতে পারে আন্ডারপাসগুলি। প্রবল বৃষ্টিতেরাস্তা জল জমে ব্যাপক যানজটের আশঙ্কা।

আর প্রবল বৃষ্টির জেরে বানভাসী হওয়ার আশঙ্কা থাকছে জেলাগুলিতে।ইতিমধ্যেই জল ছাড়তে শুরু করেছে ডিভিসি। মরশুমে এই প্রথম ৩২ হাজার কিউসেক হারে জল ছাড়ছে ডিভিসি। সেই কারণে প্লাবনের আশঙ্কা থাকছে জেলাগুলিতে।

অপরদিকে, হলদিয়ার পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপ হচ্ছে। ৫ দিনে ৫৫২ মিলিমিটার বৃষ্টি হলদিয়ায়। জলমগ্ন হলদিয়ায় শেষ ২৪ ঘণ্টায় ১৩৪ মিলিমিটার বৃষ্টি। ২৪ ঘণ্টায় ১৩৭ মিলিমিটার সাগরদ্বীপে। দিঘায় ১১৪ মিমি, ডায়মন্ড হারবারে ১১২ মিমি বৃষ্টি হয়েছে।কাঁথিতে বৃষ্টির পরিমাণ ৮০ মিলিমিটার। উপকূলে ঘণ্টায় ৪০-৫০ কিমি বেগে দমকা বাতাস বইবে।


অন্যান্যদের মতো তপনবাবুও পরিবার নিয়ে গিয়েছিলেন তারাপীঠ। যেহেতু শ্রাবণের শেষ সোমবার, সেই কারণে পুণ্য তিথিতে অনেক পুণ্যার্থীই তারাকে পুজো দিতে হাজির হয়েছেন সেখানে। তপনজ্যোতির সঙ্গে ছিলেন তাঁর ৭২ বছরের বৃদ্ধা মা, স্ত্রী ও দশ বছরের দুই সন্তান।


পটপট করে আওয়াজ...আমার উল্টোদিকের ৭ জন মরে গেছে,ভগবান বাঁচিয়েছেন', তারাপীঠের হোটেলের হাড়হিম অভিজ্ঞতা বললেন আবাসিক
তারাপীঠের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা জানালেন

রাতে হোটেলের ভিতর নিশ্চিন্তে ঘুমোচ্ছিলেন সকলে। কারও প্ল্যান ছিল পরের দিন তারাপীঠে পুজো দেওয়ার, কেউ আবার পুজো দিয়ে ফেলেছেন বাড়ির ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন। কিন্তু গভীর রাতে এমন হাড়হিম ঘটনা ঘটবে কল্পনারও বাইরে। যাঁরা জীবিত রইলেন তাঁদের মধ্যেই একজন বললেন, “আমার বাঁচার কথাই ছিল না…ভগবান বাঁচিয়েছেন। আমার উল্টোদিকের সাতজন মরে গিয়েছে…।” ভগবানের জায়গায় এসে এমন মারত্মক ঘটনা ঘটবে ভাবতে গেলেই এখনও শিউরে উঠছেন অভিশপ্ত সেই হোটেলের আবাসিক তপনজ্যোতি মণ্ডল।


অন্যান্যদের মতো তপনবাবুও পরিবার নিয়ে গিয়েছিলেন তারাপীঠ। যেহেতু শ্রাবণের শেষ সোমবার, সেই কারণে পুণ্য তিথিতে অনেক পুণ্যার্থীই তারাকে পুজো দিতে হাজির হয়েছেন সেখানে। তপনজ্যোতির সঙ্গে ছিলেন তাঁর ৭২ বছরের বৃদ্ধা মা, স্ত্রী ও দশ বছরের দুই সন্তান। সকলের মতো তাঁরাও রাতে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। আর যখন চোখ খুললেন সেই বীভৎস অভিজ্ঞতা।


ভাই ছাড়া স্বামীকেও পরাতে পারেন রাখী! শাস্ত্রে রয়েছে এর নেপথ্যের কারণও
তিনি বলেন, “যে রিসেপশনে ঘটনাটা ঘটেছে তার পিছনের প্রথম রুমে আমার বৃদ্ধ মা ছিলেন। পরের রুমে আমার স্ত্রী ও দশ বছরের দুই সন্তান ছিল। রাতে হঠাৎ করে এসি বন্ধ, ফ্যান বন্ধ হয়ে গেল। বাইরে পাটকাঠি পোড়ালে যেমন আওয়াজ হয় পট পট পট, তেমন আওয়াজ অনুভব করলাম। এরপর দরজা খুলতে না খুলতেই দেখি আগুন ঢুকে গেল…আমরা বেরতে পারিনি।” তাঁর আরও সংযোজন, “এদিকে দরজা বন্ধ করছি কিন্তু এসির জন্য জানালা-ভেন্টিলেটর কিছুই নেই। না পারছি বেরতে না পারছি কিছু করতে। তারপর বাথরুমে জল চালিয়েছি। আর সেখানকার ফাঁকা অংশ থেকে সাহায্যের জন্য চিৎকার করেছি।”


তিনি এও বলেন, “তারপর তারাপীঠ থানা থেকে এসে উদ্ধার করে। আমার বাচ্চারা অজ্ঞান হয়ে যায়। আমার বাঁচার কথা নয়…ভগবান বাঁচিয়েছেন। উল্টোদিকের সাতজন মরে গেছেন। বাচ্চা নিয়ে বেরিয়ে গেছি।”

এখানে উল্লেখ্য, তারাপীঠ থানা থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে পুকুরের ধারে হোটেল। সোমবার সেই হোটেলেই ভোররাতে আচমকা আগুন লাগে। জানা গিয়েছে, ভোররাতে হোটেলের এক তলায় বিদ্যুত সরবরাহের এনসিবিতে হঠাৎ আগুন দেখতে পান হোটেলের কর্মীরা। তারপরই চিৎকার, ডাকাডাকি শুরু করেন তাঁরা। কিন্তু, ততক্ষণে আগুন পুরো ছড়িয়ে পড়ে হোটেলের বিল্ডিংয়ে। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী কমপক্ষে ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে।

আগামী ১৮ অগস্ট, মঙ্গলবার বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া জেলার সমস্ত রাজ্য সরকারি দফতর বন্ধ থাকবে। এই ছুটির আওতায় থাকছে, রাজ্য সরকারের সমস্ত সরকারি অফিস, স্থানীয় সংস্থা, স্ট্যাটুটরি বডি,বোর্ড ও কর্পোরেশন, সরকারি নিয়ন্ত্রণাধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য সরকারি নিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠান।


রাজ্যে প্রথমবার, মনসা পুজোয় ছুটি দিল সরকার
মনসা পুজো উপলক্ষে ছুটি


 মঙ্গলবার রয়েছে মনসা পুজো (Manasa Puja)। বাংলার প্রায় অনেকের বাড়িতেই এই পুজো হয়ে থাকে। আর সেই কারণে সরকারি দফতরগুলিতে ছুটি ঘোষণা করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার (West Bengal)। তবে সব জেলায় এই ছুটি ঘোষণা হয়নি। শুধু মনসা পুজো উপলক্ষে বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া জেলায় সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে।


আগামী ১৮ অগস্ট, মঙ্গলবার বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া জেলার সমস্ত রাজ্য সরকারি দফতরে পূর্ণ দিবস ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এই ছুটির আওতায় থাকছে, রাজ্য সরকারের সমস্ত সরকারি অফিস, স্থানীয় সংস্থা, স্ট্যাটুটরি বডি, বোর্ড ও কর্পোরেশন, সরকারি নিয়ন্ত্রণাধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য সরকারি নিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠান।




বিদেশ যাওয়ার আগে বিপাকে অভিষেক, ফ্রিজ হওয়া ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলাতে ছুটলেন হাইকোর্ট
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার থাকাকালীন বিভিন্ন ধরনের সরকারি ছুটি দেওয়া হত কর্মী। এমনকী দুর্গা পুজোর সময় দীর্ঘ ছুটি দিতেন তিনি। একই সঙ্গে জেলাগুলিতে আঞ্চলিক যে যে উৎসব হয়, প্রায় সেই সকল উৎসবেই ছুটি ঘোষণা করতেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে, এখন রাজ্যে পালা-বদল হয়েছে। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে বেশ কিছু নতুন ছুটিও সংযোজন হয়েছে সেই তালিকায়। যেমন এর আগে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিনের দিন কোনও দিনও রাজ্যে সরকারি ছুটি দেওয়া হত না। তবে, বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সেই ঘোষণা করেছিলেন। অন্যদিকে, কিছু ছুটি কমিয়েও দেওয়া হয়েছে। যেমন তৃণমূল সরকারের সময় বকরি ইদে দুটি ছুটি দেওয়া হত। তবে এবার তা কমিয়ে একদিন করা হয়েছে। এবার সেই নতুন ছুটির তালিকায় সংযোজন হল মনসা পুজোর ছুটি।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সুমনা সরকার জানান, "১০ জুলাই পর্যন্ত যতগুলি আবেদন জমা পড়েছিল, তা ভেরিফাই হয়ে গিয়েছে। ১১ জুলাই থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত যত আবেদন জমা পড়েছে, সেগুলি ফেরিভাইয়ের কাজ চলছে। ৩১ জুলাই পর্যন্ত যত আবেদন জমা পড়েছে, সেগুলি ফেরিভাই শেষ না হওয়া পর্যন্ত নতুন আবেদন গ্রহণ করা হবে না।"


আজ থেকে কত মহিলার অ্যাকাউন্টে ঢুকবে অন্নপূর্ণার টাকা, জানিয়ে দিলেন মন্ত্রী
অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে কী বললেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সুমনা সরকার?


আজ (১৭ অগস্ট) শুভেন্দু-সরকারের একশো দিন পূর্ণ হল। আর নতুন সরকারের ১০০তম দিনে অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বড় বার্তা দিলেন রাজ্যের স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সুমনা সরকার। এদিন নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানালেন, অগস্টে অন্নপূর্ণা যোজনায় ১ কোটি ৪৫ লক্ষ মহিলা টাকা পাচ্ছেন। আজ (সোমবার) থেকে যোগ্য মহিলাদের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো শুরু হয়েছে। আগামী ২০ অগস্ট পর্যন্ত মহিলাদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকবে।


কী বললেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সুমনা সরকার?



বিজেপির জাতীয় সহ সভাপতি পদে বাংলার চিকিৎসক, কে এই মধুছন্দা কর?
সাপ আদৌ কি দুধ খায়?
এদিন নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে সুমনা সরকার বলেন, বর্তমান সরকারের আজ ১০০ দিন পূর্ণ হল। আজ আমাদের সবার কাছে আনন্দের। মুখ্য়মন্ত্রী অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বার্তা দিয়েছিলেন। তবে নানা বিভ্রান্তিমূলক খবর ছড়িয়েছে। মহিলাদের মধ্যে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। তাঁদের বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। আমরা বলতে চাই, ১ কোটি ৮০ লক্ষ আবেদন জমা পড়েছে। সেখানে ১ কোটি ৪৫ লক্ষ মহিলার নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। চারদিন ধরে টাকা দেওয়ার কাজ চলবে। আজ অর্থাৎ ১৭ অগস্ট থেকে ২০ অগস্ট। আজ টাকা ছাড়ার কাজ শুরু হয়েছে। ২০ অগস্ট পর্যন্ত চলবে। প্রত্যেক যোগ্য মহিলা টাকা পাবেন। এটা আমাদের জন্য গর্বের।”


আপাতত নতুন আবেদন নেওয়া হবে না-

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, “১০ জুলাই পর্যন্ত যতগুলি আবেদন জমা পড়েছিল, তা ভেরিফাই হয়ে গিয়েছে। ১১ জুলাই থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত যত আবেদন জমা পড়েছে, সেগুলি ফেরিভাইয়ের কাজ চলছে। ৩১ জুলাই পর্যন্ত যত আবেদন জমা পড়েছে, সেগুলি ফেরিভাই শেষ না হওয়া পর্যন্ত নতুন আবেদন গ্রহণ করা হবে না।”

অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে সমালোচনার জবাব দিয়ে তিনি বলেন, “যাঁরা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন, তাঁদের বলছি, ৩১ জুলাই পর্যন্ত জমা পড়া আবেদন ভেরিফাই না হওয়া পর্যন্ত নতুন আবেদন গ্রহণ করা হবে না। কিন্তু, কোনও যোগ্য মহিলা বঞ্চিত হবেন না।” মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও আগেই জানিয়েছিলেন, ১৭ অগস্ট থেকে যোগ্য মহিলাদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকবে। এদিন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জানিয়ে দিলেন, এবার কতজন মহিলা অন্নপূর্ণা যোজনায় টাকা পাচ্ছেন। 

 কোনও আবেদনকারীকেই একেবারের রিজেক্টেড করা হচ্ছে না জানিয়ে মৌমিতা গোদারা বসু বলেন, "আমি আবার বলছি, কাউকে একদম বাদ (Rejected) দেওয়া হচ্ছে না। অর্থাৎ তাঁরা আবার ক্লেম ও অবজেকশন জানাতে পারেন। হতেই পারে, আর একটু ইন ডেপথ ভেরিফিকেশন করতে হবে। সেক্ষেত্রে ক্লেম করলে আবার ভেরিফিকেশন হবে। তারপর তিনি যোগ্য হলে টাকা পাবেন।"

 বড় খবর, অন্নপূর্ণা যোজনায় নাম বাদ পড়া মহিলারা আবার আবেদন করতে পারবেন
কী বললেন নারী ও শিশু উন্নয়ন ও সমাজকল্যাণ দফতরের সচিব মৌমিতা গোদারা বসু?


অগস্টে ১ কোটি ৪৫ লক্ষ মহিলা অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাচ্ছেন। আজ (১৭ অগস্ট) থেকে টাকা ঢোকা শুরু হয়েছে। ২০ তারিখ পর্যন্ত টাকা দেওয়া হবে। কিন্তু, যাঁদের নাম বাদ পড়ল, তাঁদের জন্যও অন্নপূর্ণা যোজনার দরজা একেবারে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে না। সোমবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে একথা জানালেন নারী ও শিশু উন্নয়ন ও সমাজকল্যাণ দফতরের সচিব মৌমিতা গোদারা বসু। যাঁদের নাম আপাতত বাদ পড়ছে, তাঁরা ফের আবেদনের সুযোগ পাবেন বলে জানালেন তিনি।


কী বললেন মৌমিতা গোদারা বসু?


এদিন সাংবাদিক বৈঠকে নারী ও শিশু উন্নয়ন ও সমাজকল্যাণ দফতরের সচিব মৌমিতা গোদারা বসু জানান, গত ১০ জুলাই পর্যন্ত যত আবেদন জমা পড়েছে, তার মধ্যে ১ কোটি ৪৫ লক্ষ মহিলা অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাচ্ছেন। ১৭ লক্ষের মতো নাম আপাতত বাদ পড়েছে জানিয়ে তাঁর সংযোজন, “যেসব শর্ত রাখা হয়েছে, তার পরিপ্রেক্ষিতে ১০ জুলাইয়ের আগে যেসব আবেদনকারীর নাম বাদ পড়েছে, তারপরও তাঁরা কিন্তু বঞ্চিত হচ্ছেন না। তাঁর যদি টাকা না ঢোকে, তিনি একটা ক্লেম (দাবি) করবেন। সেই দাবি জেলা প্রশাসন আবার এনকোয়ারি করবে। সেখানে যদি দেখা যায়, উনি টাকা পাওয়ার যোগ্য, তবে তিনিও আবার পাবেন। অর্থাৎ কাউকে একদম বাদ দেওয়া হচ্ছে না। যাঁদের এখন আন্ডার ভেরিফিকেশন দেখানো হল, তাঁরা আবার ক্লেম করতে পারেন। এবং ক্লেম করে টাকা পেতে পারেন, যদি তিনি ভেরিফিকেশনে যোগ্য হন।”


তারপরই তিনি জানান, ১১ জুলাই থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত যাঁরা আবেদন করেছেন, তাঁদের ফেরিভিকেশন চলছে। সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহের মধ্যে পুরো ভেরিফিকেশন সম্পূর্ণ হয়ে যাবে। তারপর তাঁদের মধ্যে যাঁরা যোগ্য হবেন, তাঁরা টাকা পাবেন।

কাউকে একেবারে বাদ দেওয়া হচ্ছে না-

কোনও আবেদনকারীকেই একেবারের রিজেক্টেড করা হচ্ছে না জানিয়ে মৌমিতা গোদারা বসু বলেন, “আমি আবার বলছি, কাউকে একদম বাদ (Rejected) দেওয়া হচ্ছে না। অর্থাৎ তাঁরা আবার ক্লেম ও অবজেকশন জানাতে পারেন। হতেই পারে, আর একটু ইন ডেপথ ভেরিফিকেশন করতে হবে। সেক্ষেত্রে ক্লেম করলে আবার ভেরিফিকেশন হবে। তারপর তিনি যোগ্য হলে টাকা পাবেন।”

টাকা না পাওয়ার কারণ জানানো হবে-

নারী ও শিশু উন্নয়ন ও সমাজকল্যাণ দফতরের সচিব জানান, “যাঁরা পাবেন না, তাঁদের কারণ জানানো হবে। পাশে সেটা লেখা থাকবে। কারও বাড়িতে গিয়ে হয়তো পাওয়া যায়নি, সেটা পাশে লেখা থাকবে ‘নট ফাউন্ড’। সেটার উপর ভিত্তি করে তাঁরা ক্লেম করবেন। আমাদের যে সোশ্যাল রেজিস্ট্রি পোর্টাল রয়েছে, সেখানেই এই ক্লেম ও অবজেকশন জানানো যাবে। সেখানে আপাতত নতুন আবেদন করা যাবে না। আগামী ২ দিনের মধ্যে ক্লেম ও অবজেকশন জানানোর জন্য খুলে দেওয়া হবে পোর্টালটি। ১৯ অগস্টেই ক্লেম ও অবজেকশনের জন্য পোর্টাল খুলে যাবে।” তিনি জানান, আধার সম্পর্কিত মিস ম্যাচের জন্যই বেশিরভাগ নাম বাদ গিয়েছে। একইসঙ্গে সচিব জানিয়ে দেন, আবার পোর্টাল খোলা হলে এখনও যাঁরা আবেদন করেননি, তাঁরা আবেদন করতে পারবেন।

গতকাল ল্যান্সডাউন বাজারে পরিদর্শনে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে গিয়ে তিনি দেখেন ফুটপাথ তো বটেই,রাস্তার পাশেরও অনেকখানি জায়গা দখলে চলে গিয়েছে ব্যবসায়ীদের। যা দেখেই মেজাজ হারিয়ে ফেলেন মন্ত্রী। সেই সময়ই তাঁর নজরে পড়ে এক বেআইনি পাখি ব্যবসায়ী। তাঁকেও কার্যত ধমক দেন মন্ত্রী।

 'আমি কি ঘাসে মুখ দিয়ে চলি?', বলেই খাঁচা খুলে একের পর এক পায়রা ওড়ালেন অগ্নিমিত্রা
অগ্নিমিত্রা পাল


ক্ষমতায় আসার পর থেকেই কলকাতার রাস্তায় ঘুরে-ঘুরে বেআইনি দখলদারি উচ্ছেদ নিয়ে কড়া দিয়েছেন পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul)। যখনই তিনি রাস্তাঘাট নোংরা দেখেছেন, ফুটে বসে থাকা ব্যবসায়ীদের কড়া নির্দেশ দিয়েছেন। এমনকী, ফুটপাথ জুড়ে দোকান নিয়ে বসে থাকা ব্যবসায়ীদেরও বুঝিয়ে দিয়েছেন এভাবে চলা যাবে না। আর রবিবার তেমনই বেআইনিভাবে আটকে রাখা এক পাখি বিক্রেতাকে কড়া বার্তা দিয়েছেন পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল।


গতকাল ল্যান্সডাউন বাজারে পরিদর্শনে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে গিয়ে তিনি দেখেন ফুটপাথ তো বটেই,রাস্তার পাশেরও অনেকখানি জায়গা দখলে চলে গিয়েছে ব্যবসায়ীদের। যা দেখেই মেজাজ হারিয়ে ফেলেন মন্ত্রী। সেই সময়ই তাঁর নজরে পড়ে এক বেআইনি পাখি ব্যবসায়ী। তাঁকেও কার্যত ধমক দেন মন্ত্রী।

 বিজেপির জাতীয় সহ সভাপতি পদে বাংলার চিকিৎসক, কে এই মধুছন্দা কর?
মন্ত্রী যখন পাখিগুলি ছেড়ে দিতে শুরু করেন সেই সময় বিক্রতা বলেন, “আমি এদের পুষি। পরে ছেড়ে দেব।” পাল্টা অগ্নিমিত্রা বলেন, “তুমি তো কাটার জন্য এনেছ।” বিক্রেতা বলেন, “না দিদি পুষি।” সঙ্গে-সঙ্গে অগ্নিমিত্রা বলেন, “পোষো তুমি? কী ভেবেছ ঘাসে মুখ দিয়ে চলি?”


এরপর এক পুলিশ কর্মীকে খাঁচার পাখি খোলার নির্দেশ দেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, “ভিতরে তিনটে পাখি আছে। বাইরে ছেড়ে দিন ওদের।” তারপরই কড়া ভাষায় তাঁর হুঁশিয়ারি, “এবার পাখি ছাড়লাম পরের বার তোমায় থানায় ধরে নিয়ে যাব।”

  বাংলায় ৩০ লক্ষ প্রধানমন্ত্রী আবাসের ঘর করা হবে জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "যে ৩০ লাখ বাড়ি আমরা দেব, তাতে কেউ যদি এক টাকা চায় আমাকে খবর দেবেন।" এরপরই তিনি বলেন, "বালির দাম একটু বেশি হয়ে গিয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রী আবাসে যাঁরা ঘর করবেন, তাঁরা ১২০০ টাকা করে বালি পাবেন। সব বালি ঘাটকে বৈধ করব, সিন্ডিকেট বন্ধ করব। আপনারা তো চান, সরকারের টাকা সরকারের ঘরে আসুক।"


পুরুলিয়ার স্কুলগুলিতেও এবার মিড ডে মিলের দায়িত্বে ইসকন, রাঁধুনিদের বড় বার্তা শুভেন্দুর
পুরুলিয়ার স্কুলে মিড ডে মিল নিয়ে কী বললেন 

 কলকাতায় স্কুলের পড়ুয়াদের মিড ডে মিলের দায়িত্বে ইসকন। রাজ্য সরকার এই ঘোষণার পর বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছিল। পড়ুয়াদের পাতে ডিম পড়বে কি না, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত পড়ুয়াদের পাতে ডিম পড়ছে। এবার কলকাতার বাইরে পুরুলিয়ার স্কুলগুলিতেও মিড ডে মিলের দায়িত্ব ইসকনকে দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একইসঙ্গে মিড ডে মিলের রাঁধুনিদের কাজ যাবে না বলে আশ্বস্ত করলেন।


কী বললেন শুভেন্দু অধিকারী?


ভাই ছাড়া স্বামীকেও পরাতে পারেন রাখী! শাস্ত্রে রয়েছে এর নেপথ্যের কারণও
সোমবার পুরুলিয়ার মানবাজারে জলপ্রকল্পের উদ্বোধনে এসে পড়ুয়াদের মিড ডে মিল নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “বিজেপি সরকার প্রাইমারির বাচ্চাদের খাবারের জন্যও ১০ টাকা করে দিয়েছে। যাতে তারা ভালো খাবার পায়। কলকাতাতে ২ লক্ষ ৪৫ হাজার ছাত্রছাত্রী ইসকনের খাওয়ার পাচ্ছে। বিরোধীরা বলছিল, বিজেপি আসার পর ইসকনের প্রসাদ খাওয়াবে, ডিম কোথায়? আমরা ইসকনের শুদ্ধ খাওয়ারও যেমন দিচ্ছি, সপ্তাহে ২ দিন ডিমেরও ব্যবস্থা করেছি। এর পরের তালিকাতে আমরা পুরুলিয়াকেও যুক্ত করেছি। পুরুলিয়াতেও মিড ডে মিল আমরা ইসকনকে দেব। রাঁধুনিরা নিশ্চিত থাকুন, তাঁদের কারও কাজ যাবে না। এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে দিয়ে সপ্তাহে ২ দিন ডিম পড়ুয়াদের পাতে দেব।”


মিড ডে মিল ছাড়াও মঞ্চ থেকে নানা ইস্যুতে বার্তা দেন শুভেন্দু অধিকারী। পরিযায়ী শ্রমিকদের রাজ্যে ফিরে আসার বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, “পরিযায়ী শ্রমিকেরা ফিরে আসুন। শিল্পে ভরিয়ে দেব।” ভিবি জি রাম জি প্রকল্পে কাজের কথা উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রীর সংযোজন, “১২৫ দিন কাজ পাবেন। নতুন জব কার্ড হবে। পুরনো জব কার্ড যাঁদের রয়েছে, তাঁরা তো কাজ পাবেনই। যাঁদের নেই, আপনারা নতুন করে জব কার্ড করুন। আগামী ৬ মাস ১২ হাজার কোটি টাকার কাজ করব। প্রত্যেক গ্রাম পঞ্চায়েতে ৫০ লক্ষ টাকার কাজ হবে।”

বাংলায় বিজেপি সরকার ১০০ দিন পূর্ণ করল। তাঁর সরকারের এই ১০০ দিনের কাজের উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা জনগণনা শুরু করেছি। অবৈধভাবে যাদের ওবিসি করা হয়েছিল, তাদের বাতিল করে দিয়েছি। ভোটব্যঙ্কের স্বার্থে ও তোষণের জন্য অবৈধভাবে ওবিসি করে দেওয়া হয়েছিল। এবার স্কুল সার্ভিস কমিশন, পুলিশ সবমিলিয়ে এক লক্ষের কাছাকাছি দ্রুত নিয়োগ হবে।” তিনি আরও বলেন, “আমরা রেশনে পচা আটা বন্ধ করে দিয়েছি। ৫ লক্ষ টাকা চিকিৎসা ফ্রি করার জন্য আয়ুষ্মান ভারত গতকাল চালু করে দিয়েছি। সারা দেশের ৩৮ হাজার হাসপাতালে আয়ুষ্মানের চিকিৎসা পাবেন। যাঁরা আয়ুষ্মান পেলেন না, মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমায় আরও ৮০ লক্ষ সংযুক্ত হবে।”

দুর্নীতিতেও যে তাঁর সরকার জিরো-টলারেন্স নীতি নিয়েছে, সেকথা উল্লেখ করে শুভেন্দু বলেন, “জামবনি ব্লকের একজন সাব অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার। ঠিকাদারের কাছ থেকে ২ লাখ টাকা নিচ্ছিল। খপ করে ধরেছি। জেলে ভরেছি। হাতেনাতে। আসানসোল-দুর্গাপুরে টোলপ্লাজাতে গাড়িতে বৈধ কাগজ রয়েছে। ওভারলোড নেই। তারপরও মোটর ভেহিক্যালের দু’জন ইঞ্জিনিয়ার ১৬ হাজার টাকা ঘুষ চেয়েছেন। ব্যবস্থা নিয়েছি।”

তোলাবাজি বন্ধে বার্তা-

তোলাবাজি বন্ধ করতেও যে তাঁর সরকার বদ্ধ পরিকর, সেকথা বুঝিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী। জনগণের উদ্দেশে জিজ্ঞাসা করেন, “তোলাবাজি বন্ধ হয়েছে? রাস্তায় হাত পাতা বন্ধ হয়েছে? গোরু পাচার বন্ধ হয়েছে? কয়লা পাচার বন্ধ হয়েছে?” হাত তুলে জনতা তাঁকে সমর্থন জানান।

‘কেউ ১ টাকা চাইলে আমায় বলবেন’-

বাংলায় ৩০ লক্ষ প্রধানমন্ত্রী আবাসের ঘর করা হবে জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “যে ৩০ লাখ বাড়ি আমরা দেব, তাতে কেউ যদি এক টাকা চায় আমাকে খবর দেবেন।” এরপরই তিনি বলেন, “বালির দাম একটু বেশি হয়ে গিয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রী আবাসে যাঁরা ঘর করবেন, তাঁরা ১২০০ টাকা করে বালি পাবেন। সব বালি ঘাটকে বৈধ করব, সিন্ডিকেট বন্ধ করব। আপনারা তো চান, সরকারের টাকা সরকারের ঘরে আসুক।”

শেষে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “অনেক আশা-স্বপ্ন নিয়ে আপনারা আমাদের জিতিয়েছেন। আমরা নরেন্দ্র মোদীর গ্যারান্টি পূরণ করব। এক বছর পর আপনাদের সঙ্গে পরীক্ষায় বসব। যদি ১০ এ ৯ না পাই, তাহলে বলবেন।”