August 2026

উত্তর ২৪ পরগনার 
হিঙ্গলগঞ্জ স্যান্ডেল বিল গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনে 8 নং স্যান্ডেলেরবিল, পশ্চিমবঙ্গ আবাস যোজনার ঘরের ছবি তুলতে গিয়ে শ্লীলতা হানি করে,


জোর করে ঘরে ঢুকে ধর্ষণ করার চেষ্টা করে, স্যান্ডেল বিল গ্রাম পঞ্চায়েত হাজীকুর রহমান গাজী সান্ডেল বিল গ্রাম পঞ্চায়েতের জি.আর.এস. কাজ করে এই হাজীকুর রহমান গাজীর বিরুদ্ধে হিঙ্গলগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে এই বিষয়ে হিঙ্গলগঞ্জ থানার পুলিশ তন্ত্র করছে।আরো অভিযোগ সরকারি ঘর পাইয়ে দেওয়ার নাম করে 15 বছর ধরে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ। 




পঞ্চায়েতের বিভিন্ন ফান্ডের টাকা তছরুপ করে, এবং তৃণমূলের প্রভাবশালীদের ভয় দেখাতো।
হাজীকুর রহমান গাজীকে প্রশ্ন করায়,তার উত্তরে তিনি বললেন আমাকে চক্রান্ত করে ফাঁসানো হয়েছে, আমি নির্দোষ।

ডায়মন্ড হারবার: বিধায়কের হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে তাঁর পরিচিত ও সাধারণ মানুষের কাছে টাকা চাওয়ার অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল ডায়মন্ড হারবারে। ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক তথা ডায়মন্ড হারবার ক্রিমিনাল কোর্টের আইনজীবী দেবাংশু পাণ্ডার হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা হয়েছে বলে অভিযোগ। 


তাঁর মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ পাঠিয়ে টাকা চাওয়া, দেখা করার জন্য বলা এবং হুমকি দেওয়ার অভিযোগ সামনে আসতেই তড়িঘড়ি থানায় পৌঁছে যান বিধায়ক। ডায়মন্ড হারবার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি।

বিধায়কের অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে বিষয়টি সাইবার অপরাধের সঙ্গে যুক্ত বলে মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই সাইবার ক্রাইম শাখার আধিকারিকরা গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। কীভাবে বিধায়কের হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ অন্যের হাতে গেল, কারা ওই নম্বর ব্যবহার করে মেসেজ পাঠাচ্ছে এবং কতজন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে, তা জানতে প্রযুক্তিগত তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডার দাবি, গতকাল রাতে ডায়মন্ড হারবারের নায়াপাড়ার এক বাসিন্দা তাঁকে ফোন করে গোটা বিষয়টি জানান। ওই ব্যক্তি বিধায়ককে জানান, তাঁর হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর থেকে একাধিকবার মেসেজ পাঠানো হয়েছে। শুধু মেসেজ পাঠানোই নয়, তাঁর সঙ্গে দেখা করার জন্যও বলা হয়। পাশাপাশি টাকা চাওয়া এবং হুমকি দেওয়ার মতো মেসেজও পাঠানো হয়েছে বলে অভিযোগ।

বিষয়টি শুনে প্রথমে বিষয়টির সত্যতা যাচাই করেন বিধায়ক। এরপর আর দেরি না করে ডায়মন্ড হারবার থানায় যান তিনি। সেখানে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে পুলিশকে ঘটনার তদন্তের আবেদন জানান। একইসঙ্গে তাঁর নম্বর থেকে কোনও ধরনের সন্দেহজনক মেসেজ বা ফোন গেলে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার আবেদন করেছেন তিনি।

দেবাংশু পাণ্ডা জানান, তাঁর নম্বর থেকে যদি কোনও ব্যক্তি ফোন করেন কিংবা হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ পাঠিয়ে টাকা চান, দেখা করতে বলেন অথবা কোনও ধরনের হুমকি দেন, তাহলে কেউ যেন সেই কথায় বিশ্বাস না করেন। এমন কোনও ঘটনা ঘটলে দ্রুত তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করার আবেদন জানান বিধায়ক।

তাঁর দাবি, এর আগেও বিধানসভা নির্বাচনের আগে তাঁর ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা হয়েছিল। শুধু তাঁর অ্যাকাউন্ট নয়, বিজেপির একাধিক নেতা এবং দলের রাজ্য সভাপতির সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট হ্যাক করার ঘটনাও ঘটেছিল বলে দাবি তাঁর। এবার সেই সাইবার হামলার তালিকায় তাঁর হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টও যুক্ত হল বলে অভিযোগ বিজেপি বিধায়কের।

একজন জনপ্রতিনিধির ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের কাছে টাকা চাওয়ার অভিযোগ সামনে আসায় ঘটনাটি যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে দেখছে পুলিশ। কারণ, হোয়াটসঅ্যাপের মতো জনপ্রিয় যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে প্রতারণা চক্র সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করতে পারে। বিধায়কের নাম ও পরিচয় ব্যবহার করে কেউ আর্থিক প্রতারণার চেষ্টা করেছে কি না, সেই বিষয়টিও তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে প্রযুক্তিগত দিক থেকে তদন্ত শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মোবাইল নম্বর, হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টের কার্যকলাপ এবং সন্দেহজনক যোগাযোগের তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকেও তথ্য সংগ্রহ করা হতে পারে। তদন্তের মাধ্যমে হ্যাকারদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে।
ঘটনার পিছনে কোনও ব্যক্তি নাকি সংগঠিত সাইবার অপরাধী চক্র রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে কি না, সেই সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিধায়ক। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।

দেবাংশু পাণ্ডার বক্তব্য, তিনি থানায় অভিযোগ করেছেন এবং পুলিশের তদন্তের উপর তাঁর আস্থা রয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে যারা যুক্ত, তাদের দ্রুত চিহ্নিত করে গ্রেফতার করা হবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

এদিকে বিধায়কের নাম করে টাকা চাওয়া বা হুমকি দেওয়ার অভিযোগ সামনে আসায় সাধারণ মানুষকেও সতর্ক করা হয়েছে। পরিচিত কোনও ব্যক্তির নম্বর থেকে টাকা চেয়ে মেসেজ এলেও সরাসরি টাকা না দিয়ে আগে ফোন করে বা অন্য কোনও মাধ্যমে বিষয়টি যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

এখন তদন্তে নজর, কীভাবে বিধায়কের হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট হ্যাক হল, কারা তাঁর পরিচয় ব্যবহার করে মেসেজ পাঠাল এবং এই ঘটনায় আরও কেউ প্রতারিত হয়েছেন কি না। সাইবার ক্রাইম শাখার তদন্তেই মিলতে পারে সেই সব প্রশ্নের উত্তর।

পুণ্যভূমি গঙ্গাসাগরে এসে কপিল মুনির আশ্রমে পুজো দিলেন মধ্যপ্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী রাজেন্দ্র শুক্লা। আজ তিনি সশরীরে উপস্থিত হয়ে কপিল মুনির আশীর্বাদ নেন এবং দেশ ও রাজ্যের শান্তি ও মঙ্গলকামনা করেন।


এদিনের এই বিশেষ সফরে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সাগরের বিধায়ক সুমন্ত মন্ডল, ভারতীয় জনতা পার্টির মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি নবেন্দু সুন্দর নস্কর বিজেপি যুব মোর্চা জেলা সভাপতি নিতাই দাস, সাগর মন্ডল চারের এর সভাপতি এবং অন্যান্য সাংগঠনিক নেতৃত্ব ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গঙ্গাসাগরে পৌঁছানোর পর দলীয় নেতৃত্ব তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। কপিল মুনির মন্দিরে পুজো দেওয়ার পাশাপাশি তিনি আশ্রম চত্বর ও সংলগ্ন এলাকা ঘুরে দেখেন এবং সার্বিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। একই সঙ্গে, স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও দলীয় কর্মীদের সঙ্গেও আলাপ-আলোচনায় অংশ নেন তিনি।
এই হাই-প্রোফাইল রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের সাগরে আগমনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ করা যায়। পুজো পাঠ ও সমস্ত কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন করার পর অতিথিরা নির্দিষ্ট গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা দেন।

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে কঠোর বার্তা দিল সাগর ব্লক প্রশাসন ও সাগর থানা। সম্প্রতি সাগর ব্লক উন্নয়ন আধিকারিকের (বিডিও) অফিসে এলাকার সমস্ত সাউন্ড সিস্টেমের মালিক ও মাইক চালকদের নিয়ে একটি বিশেষ উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। 


এদিনের এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সাগর থানার ওসি অর্পণ নায়েক এবং সাগর ব্লকের বিডিও অনন্ত কুমার গোস্বামী।
বৈঠকে বিডিও অনন্ত কুমার গোস্বামী এবং ওসি অর্পণ নায়েক যৌথভাবে স্পষ্ট নির্দেশ দেন যে, উচ্চ শব্দে মাইক বা সাউন্ড বক্স বাজিয়ে সাধারণ মানুষের শান্তি বিঘ্নিত করা যাবে না। বিশেষ করে অতিরিক্ত স্পিকার এবং উচ্চ শব্দযুক্ত হর্ন ব্যবহারের ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। 


নির্দিষ্ট মাত্রা মেনে এবং ছাত্রছাত্রী, রোগী সহ সাধারণ মানুষের যাতে কোনো রকম সমস্যা তৈরি না হয়, সেই বিষয়টি নিশ্চিত করেই সাউন্ড বক্স ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন।
ওসি অর্পণ নায়েক ও বিডিও অনন্ত কুমার গোস্বামী সাফ জানিয়ে দেন, প্রশাসনের এই নির্দেশ যদি কেউ অমান্য করেন, তবে সংশ্লিষ্ট সাউন্ড বক্স মালিক এবং চালকদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। শব্দহীন ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে প্রশাসন এবিষয়ে কোনো রকম ছাড় দেবে না বলেই জানিয়ে দেন এদিনের এই বৈঠকে।

পুণ্যভূমি গঙ্গাসাগরে এসে কপিল মুনির আশ্রমে পুজো দিলেন মধ্যপ্রদেশের উপ-মুখ্যমন্ত্রী মাননীয় রাজেন্দ্র শুক্লা মহাশয়। আজ তিনি সশরীরে উপস্থিত হয়ে কপিল মুনির আশীর্বাদ নেন এবং দেশের ও রাজ্যের মঙ্গলকামনা করেন।


এদিনের এই বিশেষ সফরে মধ্যপ্রদেশের উপ-মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় জনতা পার্টির মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি নবেন্দু সুন্দর নস্কর (দাদা) এবং বিজেপি যুব মোর্চা জেলা সভাপতি নিতাই দাস সহ অন্যান্য বিশিষ্ট নেতৃত্ববৃন্দ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এদিন গঙ্গাসাগরে পৌঁছানোর পর দলীয় নেতৃত্ব তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।


 কপিল মুনির মন্দিরে পুজো দেওয়ার পাশাপাশি তিনি এখানকার সার্বিক পরিকাঠামো ঘুরে দেখেন। এই হাই-প্রোফাইল রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের সাগরে আগমনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে ও সাধারণ মানুষের মধ্যে বেশ উৎসাহ লক্ষ করা গেছে। পুজো পাঠ শেষে অতিথিরা নির্দিষ্ট কর্মসূচির উদ্দেশ্যে রওনা দেন।
রাশিয়ার প্রস্তাবিত সম্ভাব্য রুটটি বেশ দীর্ঘ। রাশিয়া থেকে রেলপথ তুর্কমেনিস্তান, ইরান, আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানের উপর দিয়ে এগিয়ে শেষ পর্যন্ত ভারতে পৌঁছতে পারে সম্ভাব্য রেল। তবে এটি এখনও শুধুই পরিকল্পনার স্তরে রয়েছে।


রাশিয়া থেকে সোজা ভারত অবধি ট্রেন চলবে? বিরাট প্রস্তাব মস্কোর
প্রতীকী চিত্র।

ফ্লাইট নয়, ভারতের (India) সঙ্গে এবার রেলপথে জুড়তে চাইছে রাশিয়া (Russia)। ভারতের সঙ্গে স্থলপথে আরও শক্তিশালী যোগাযোগ তৈরি করতে চাইছে রাশিয়া। এবার রেলপথে ভারত মহাসাগর পর্যন্ত পৌঁছনোর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখার প্রস্তাব দিল মস্কো।


রাশিয়ার উপপ্রধানমন্ত্রী মারাত খুসনুলিন জানিয়েছেন, গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথগুলির উপর নির্ভরতা কমাতে বিকল্প রুট তৈরি করা প্রয়োজন। সেই লক্ষ্যেই ভারত মহাসাগর পর্যন্ত রেলপথ তৈরির সম্ভাবনা বিবেচনা করা যেতে পারে।


রুশ সংবাদ সংস্থা TASS-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই প্রস্তাবের কথা জানিয়েছেন খুসনুলিন। তাঁর বক্তব্য, বসফরাস প্রণালী এবং হরমুজ প্রণালীর মতো গুরুত্বপূর্ণ জলপথকে ঘিরে ঝুঁকি বাড়ছে। তাই পণ্য পরিবহণের জন্য বিকল্প স্থলপথ তৈরি করা ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।


কোন পথে ভারত পর্যন্ত পৌঁছতে পারে রেল?
রাশিয়ার প্রস্তাবিত সম্ভাব্য রুটটি বেশ দীর্ঘ। রাশিয়া থেকে রেলপথ তুর্কমেনিস্তান, ইরান, আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানের উপর দিয়ে এগিয়ে শেষ পর্যন্ত ভারতে পৌঁছতে পারে সম্ভাব্য রেল। তবে এটি এখনও শুধুই পরিকল্পনার স্তরে রয়েছে। কোনও নির্দিষ্ট রুট চূড়ান্ত হয়নি।

খুসনুলিন জানিয়েছেন, ভারত পর্যন্ত পৌঁছনোর সুযোগ তৈরি করে এমন যে কোনও বিকল্পই রাশিয়া বিবেচনা করতে পারে। এই মুহূর্তেই রাশিয়া-ভারতের মধ্যে কোনও নতুন যাত্রীবাহী ট্রেন চালুর সিদ্ধান্ত হয়নি। ট্রেনের নাম, টিকিটের দাম, রুট বা পরিষেবা শুরুর তারিখও এখনও ঘোষণা করা হয়নি।

কেন এমন রেলপথ চাইছে রাশিয়া?
এর পিছনে মূল কারণ হল বাণিজ্যিক নিরাপত্তা। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহণের পথ হল হরমুজ প্রণালী। বিশ্বের মোট তেল বাণিজ্যের প্রায় ২৫ শতাংশ এবং এলএনজি (LNG) পরিবহণের প্রায় ২০ শতাংশ এই জলপথের উপর দিয়ে যায়। ফলে হরমুজ প্রণালী বা অন্য কোনও গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথে সমস্যা তৈরি হলে আন্তর্জাতিক পণ্য পরিবহণ ও জ্বালানি সরবরাহে বড় প্রভাব পড়তে পারে। রাশিয়া তাই সমুদ্রপথের পাশাপাশি স্থলপথেও পণ্য পরিবহণের সুযোগ তৈরি করতে চাইছে।

ভারতের কী লাভ?
এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ভারতের জন্যও তা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। রেলপথ তৈরি হলে রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের স্থল যোগাযোগ আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে মধ্য এশিয়া ও দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক যোগাযোগও বাড়তে পারে। বিশেষ করে পণ্য পরিবহণের ক্ষেত্রে এই ধরনের করিডর গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। ভবিষ্যতে যদি সত্যিই ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে স্থলপথে রেল যোগাযোগ তৈরি হয়, তাহলে পর্যটকদের যাতায়াতের সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।

রাশিয়ার এই প্রস্তাবটি এখনও আলোচনার পর্যায়েই রয়েছে। আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মতো দেশগুলির মধ্য দিয়ে রেলপথ তৈরি করা, একাধিক দেশের সঙ্গে সমন্বয় এবং বিপুল পরিকাঠামো নির্মাণ- সব মিলিয়ে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে।

তবে এই প্রস্তাবের সবচেয়ে বড় তাৎপর্য হল, ভারতের দিকে স্থলপথে পৌঁছনোর জন্য নতুন রেল সংযোগের সম্ভাবনা নিয়ে রাশিয়া ভাবতে শুরু করেছে। ভবিষ্যতে এই পরিকল্পনা বাস্তব রূপ পেলে ভারত-রাশিয়া বাণিজ্য ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে তা বড় পরিবর্তন আনতে পারে।

নিম্নচাপের প্রভাবে গত সপ্তাহে বাংলায় আকাশের ছিল মুখভার। দুর্যোগের সম্ভাবনা না থাকলেও, বৃষ্টি চলবে এই সপ্তাহেও। এমনটাই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া অফিস। কবে কবে বৃষ্টি হবে, জেনে নিন আগেই। 


নিম্নচাপ তো বিদায় নিয়েছে, এই সপ্তাহেও কি বৃষ্টি হবে? জেনে নিন আবহাওয়ার লেটেস্ট আপডেট
কলকাতাতেও কি বৃষ্টি হবে?

 নতুন সপ্তাহ, আর তার শুরুতেই ফের বৃষ্টির পূর্বাভাস। নিম্নচাপের প্রভাবে গত সপ্তাহে বাংলায় আকাশের ছিল মুখভার। দুর্যোগের সম্ভাবনা না থাকলেও, বৃষ্টি চলবে এই সপ্তাহেও। এমনটাই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া অফিস। কবে কবে বৃষ্টি হবে, জেনে নিন আগেই।


বঙ্গোপসাগরের উপরে তৈরি একটি নিম্নচাপের প্রভাবে গত সপ্তাহে বৃষ্টি হয়েছে রাজ্য জুড়ে। তবে এখন আর সেই নিম্নচাপের প্রভাব নেই। তাই সপ্তাহের প্রথম ভাগে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনাও নেই। আলিপুর আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আপাতত দুই দিন অর্থাৎ সোমবার ও মঙ্গলবার বৃষ্টির তেমন সম্ভাবনা নেই। বিক্ষিপ্তভাবে কোথাও কোথাও বৃষ্টি হতে পারে। বুধবার থেকে বৃষ্টি বাড়বে দক্ষিণবঙ্গে।


কোথায় কোথায় বৃষ্টি হবে?
পূর্বাভাস অনুযায়ী, বুধবার উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বৃহস্পতিবার ভারী বৃষ্টি হতে পারে দুই ২৪ পরগনা ও পশ্চিম মেদিনীপুরে। শুক্রবার বৃষ্টির সম্ভাবনা আরও বেশি।


আজ ও আগামিকাল বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে বৃষ্টি হলেও, ভ্যাপসা গরম কমবে না। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা অনেকটাই বেশি রয়েছে, তার জেরে অস্বস্তিকর গরম থাকবে।

অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গে আপাতত ৪ দিন ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস নেই। পাহাড়ি জেলাগুলিতে অর্থাৎ দার্জিলিং, কালিম্পংয়ে হালকা থেকে মাঝারি পরিমাণ বৃষ্টি হতে পারে।

কীভাবে জরুরি বার্তা পৌঁছে দেবেন, সোদপুর রেলওয়ে পার্কে তারই মকড্রিল করল হ্যাম রেডিও। ওই রেলওয়ে পার্কে আয়োজন করা হয়েছিল বিশেষ মকড্রিল এক্সারসাইজের। ওয়েস্ট বেঙ্গল রেডিও ক্লাব এবং ইন্ডিয়ান অ্যাকাডেমি অফ কমিউনিকেশন অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্টের উদ্যোগে আয়োজিত এই মকড্রিলের মূল উদ্দেশ্য ছিল বিপর্যয় মোকাবিলায় বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থার গুরুত্ব সম্পর্কে যুব সমাজকে সচেতন করা।

মোবাইলে নেটওয়ার্ক নেই? তারপরেও পৌঁছবে জরুরি বার্তা, কীভাবে? জেনে নিন
সোদপুরে মক ড্রিল

কারও কাছে কোনও জরুরি বার্তা পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যম মোবাইল। বিশেষ করে বিপর্যয় পরিস্থিতে দ্রুত যোগাযোগের জন্য মোবাইলের বিকল্প কিছু নেই। কিন্তু, দেখা যায় সেই জরুরি পরিস্থিতেই মোবাইলে নেটওয়ার্ক নেই। আর নেটওয়ার্ক না থাকলে ইন্টারনেটও কাজ করে না। এধরনের সমস্যায় পড়েছেন অনেকেই। তবে, জানেন কি নেটওয়ার্ক ছাড়াই জরুরি বার্তা পৌঁছে দিতে পারবেন। কীভাবে? তারই উপায় বাতলে দিল ওয়েস্ট বেঙ্গল রেডিও ক্লাব (West Bengal Radio Club) এবং ইন্ডিয়ান অ্যাকাডেমি অফ কমিউনিকেশন অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট।


সোদপুরে মক-ড্রিল
কীভাবে জরুরি বার্তা পৌঁছে দেবেন, সোদপুর রেলওয়ে পার্কে (Sodepur Railway Park) তারই মকড্রিল করল হ্যাম রেডিও। ওই রেলওয়ে পার্কে আয়োজন করা হয়েছিল বিশেষ মকড্রিল এক্সারসাইজের। ওয়েস্ট বেঙ্গল রেডিও ক্লাব এবং ইন্ডিয়ান অ্যাকাডেমি অফ কমিউনিকেশন অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্টের উদ্যোগে আয়োজিত এই মকড্রিলের মূল উদ্দেশ্য ছিল বিপর্যয় মোকাবিলায় বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থার গুরুত্ব সম্পর্কে যুব সমাজকে সচেতন করা।

'আর মাত্র ৬ মাস বাঁচবেন!' সতর্কবার্তা শুনেই কীভাবে ১২০ কেজি ওজন কমান আদনান সামি?
কীভাবে যোগাযোগ করবেন?
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন রেডিও স্টেশনের একাধিক কর্মী, কমিউনিকেশন ও ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে যুক্ত আধিকারিক এবং অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। তাঁদের উপস্থিতিতে বিপর্যয়ের সময় যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখার বিভিন্ন কৌশল প্রদর্শন করা হয়। সাধারণত, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, ভূমিকম্প, বন্যা বা অন্য কোনও জরুরি পরিস্থিতিতে মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সেই পরিস্থিতিতে রেডিও যোগাযোগের মাধ্যমে কীভাবে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে দ্রুত জরুরি বার্তা পৌঁছে দেওয়া যায় এবং বিপদগ্রস্ত মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে কীভাবে যোগাযোগ ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে, মকড্রিলের মাধ্যমে তা তুলে ধরা হয়।

৪৮ ঘণ্টা পার। এখনও ভারতে ফিরল না অপহৃত কৃষক (Kidnapped Indian Farmer)। রবিবার সন্ধ্যায় চাউল হাটি বিএসএফ (BSF) ক্যাম্পে বিক্ষোভ দেখায় গ্রামবাসীরা। বিক্ষোভের মুখে পড়েন রাজগঞ্জের বিজেপি বিধায়ক দীনেশ সরকারও। বিক্ষোভ সামাল দিতে আসে রাজগঞ্জ ও কোতোয়ালি থানার পুলিশ।


 বাংলাদেশ ছাড়ছে না! দুই রাত পরও বাড়ি ফেরেনি অপহৃত ভারতীয়, ক্ষোভ BSF-র বিরুদ্ধে, উঠল বড় দাবি
বামদিকে অপহৃত ভারতীয়। ডানদিকে, স্বামীকে না পেয়ে সংজ্ঞা হারাচ্ছেন স্ত্রী।

৪৮ ঘণ্টা পার। এখনও ভারতে ফিরল না অপহৃত কৃষক (Kidnapped Indian Farmer)। তাঁকে পণবন্দি বানিয়ে রেখেছে বাংলাদেশি (Bangladeshi) দুষ্কৃতীরা। অপহৃত ওই ভারতীয়কে দেশে ফেরাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) হস্তক্ষেপের দাবি করল অপহৃতের বাবা ও গ্রামবাসীরা।


শনিবার জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলার রাজগঞ্জ ব্লকের বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া কুকুর জান এলাকায় ঢুকে দীপঙ্কর গোপ নামে এক চা চাষিকে অপহরণ করে নিয়ে যায় বাংলাদেশি দুষ্কৃতীদের দল। সম্প্রতিই বিএসএফ চোরাচালানের চেষ্টা রুখে দিয়েছিল। আটক করা হয় এক বাংলাদেশিকে। তার বদলা নিতেই এই কৃষককে অপহরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ।


আত্মহত্যা করবেন ঠিক করে ফেলেন, এক পুরোহিতই বদলে দিয়েছিল বলিউডের এই অভিনেতার জীবন
এদিকে, উদ্বেগে রাত কাটছে পরিবারের। রবিবার সন্ধ্যায় চাউল হাটি বিএসএফ (BSF) ক্যাম্পে বিক্ষোভ দেখায় গ্রামবাসীরা। বিক্ষোভের মুখে পড়েন রাজগঞ্জের বিজেপি বিধায়ক দীনেশ সরকারও। বিক্ষোভ সামাল দিতে আসে রাজগঞ্জ ও কোতোয়ালি থানার পুলিশ।


এবার পরিবারের দাবি, প্রয়োজনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হস্তক্ষেপ করুন, তবু ফিরিয়ে আনা হোক দীপঙ্করকে। প্রয়োজনে জেল হেফাজতে থাকা ওই বাংলাদেশিকে তাঁর দেশে ফিরিয়ে দিক ভারত সরকার, এমনটাই দাবি উঠল জলপাইগুড়ি জেলার চাউল হাটি সীমান্তে। সীমান্তবাসীরা জানিয়েছেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে তাদের দাবি পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বিজেপি বিধায়ক।

ফ্ল্যাগ মিটিংয়ের পর তাঁর স্বামীকে ছেড়ে দেবে বাংলাদেশিরা। এই আশায় শ্বশুর ও দুই ছেলেকে নিয়ে ২৮ নং সীমান্ত গেটের কাছে গিয়ে অপেক্ষা করতে থাকেন অপহৃতের স্ত্রী মহামায়া গোপ। কিন্তু বৈঠক শেষে খালি হাতে ফেরেন বিএসএফ (BSF) কর্তারা। জানতে পারেন, মুক্তিপণ না পেলে ছাড়া হবে না তাঁর স্বামীকে। এই কথা জানার পরই সংজ্ঞা হারান মহামায়া দেবী।

শনিবার অপহৃত হওয়া দীপঙ্কর গোপকে দেশে ফেরাতে গেলে, গত ৬ আগষ্ট চাউল হাটি সীমান্তে গ্রেফতার হওয়া বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে ফেরত দিতে হবে। এই কঠিন শর্ত চাপিয়েছে বাংলাদেশ। এই বিষয়ে গত শনিবার থেকে বিজিবি কর্তাদের সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠক করেন বিএসএফ আধিকারিকরা। কিন্তু সব চেষ্টা বৃথা হয়।

এই পরিস্থিতিতে বিএসএফের উপরে আস্থা হারিয়েছে অপহৃতের পরিবার এবং স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা বিএসএফের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন। অভিযোগ, কাঁটাতারের বেড়া পেরিয়ে তারা যখন চাষবাস করতে যায়, তখন ওই এলাকার জিরো লাইন বরাবর আগে বিএসএফ টহল দিত। ইদানিং তা বন্ধ করে দিয়েছে। এতেই বাংলাদেশিদের দৌরাত্ম্য বেড়েছে। ওই এলাকায় বিএসএফের টহল পুনরায় চালু করার দাবি জানিয়েছেন তারা। একইসঙ্গে এই ইস্যুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সরাসরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।

জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জ ব্লকের কুকুর যান গ্রামপঞ্চায়েতের চাউল হাটি সীমান্ত বাসী দের এই দাবিকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করে, স্বরাষ্ট্র দফতরে এই বার্তা পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন রাজগঞ্জের বিজেপি বিধায়ক দীনেশ সরকার।

পেট্রোল পাম্প থেকে মোটা অঙ্কের টাকা তোলা দাবি করেন এই তৃণমূল নেতা। এর আগেও এই তৃণমূল নেতারা পেট্রোল পাম্প থেকে বহুবার তেল ভরে টাকা না দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এই ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকার মানুষ ঘটনাস্থলে এসে উপস্থিত হন। ছুটে আসে পুলিশও।

 স্বভাব যায় না...! ফুল ট্যাঙ্ক পেট্রোল ভরিয়ে টাকা না দিয়ে উল্টে তোলাবাজির চেষ্টা, শ্রীঘরে ঠাঁই ২ তৃণমূল নেতা
তোলাবাজিতে ধৃত তৃণমূল নেতা।

ক্ষমতা গেলেও, স্বভাব বদলায়নি। তোলাবাজির অভ্যাস যায়নি তৃণমূল নেতাদের। এবার পেট্রোল পাম্প থেকে তেল ভরে টাকা না দিয়ে, তোলাবাজি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ল দুই তৃণমূল নেতা। পুলিশের হাতে গ্রেফতার দুইজনই।


ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগণার হাড়োয়া থানার শঙ্করপুরে। ধৃত দুই তৃণমূল নেতার নাম জাহাঙ্গির আনসারি ও আনসারুল মোল্লা। হাড়োয়া থানার পুলিশ তাদেরকে গ্রেফতার করেছে।

 তিলোত্তমাকে খুন করা হয়েছিল যেভাবে...', কুণালকে পাল্টা দিলেন তাপস
অভিযোগ, জাহাঙ্গির আনসারি শঙ্করপুর এলাকার একটি পেট্রোল পাম্পের তেল ভরতে গিয়েছিলেন। বাইক ফুল ট্যাঙ্ক তেল ভর্তি করে তিনি টাকা দিতে অস্বীকার করেন। তখন ওই পাম্পের যে কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন, তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করতে শুরু করেন। এমনকী, মারধর করার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে।


পেট্রোল পাম্পের ম্যানেজার রুহুল আমিন মল্লিক বলেন, “আজ জাহাঙ্গির আনসারি আসেন, বাইকে তেল ভরান। ১০৪৬ টাকা ২২ পয়সা, কিন্তু টাকা দিতে অস্বীকার করেন। টাকা চাইলে হুমকির সুরে বলেন যে পঞ্চায়েত সভাপতি খালেক মোল্লার সঙ্গে যোগাযোগ করতে, তার থেকে টাকা নিতে। অন ডিউটি আমাকে ধাক্কা মারেন। আগেও উনি এরকম করেছেন। আজ আমি হাড়োয়া থানার দ্বারস্থ হই। এখানে ব্যবসা করতে এসেছি, তোলা দেওয়ার জন্য নয়।”

এই ঘটনার পরেও পেট্রোল পাম্প থেকে মোটা অঙ্কের টাকা তোলা দাবি করেন এই তৃণমূল নেতা। এর আগেও এই তৃণমূল নেতারা পেট্রোল পাম্প থেকে বহুবার তেল ভরে টাকা না দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এই ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকার মানুষ ঘটনাস্থলে এসে উপস্থিত হন। ছুটে আসে পুলিশও। এরপরই দুই তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গির আনসারি ও আনসারুল মোল্লাকে গ্রেফতার করা হয়। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে হাড়োয়া থানার পুলিশ।

এই বিষয়ে একাধিক তৃণমূল নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাদের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। বিজেপি নেতা বিমল দাস বলেন, “জাহাঙ্গির আনসারি নামক এক তৃণমূল নেতা পেট্রোল পাম্প থেকে তোলাবাজি করতে গিয়ে ধরা পড়েছেন। বাইকে তেল ভরে টাকা দিতে অস্বীকার করেছিলেন। এটা শুধু এখানে বলে নয়, সারা পশ্চিমবঙ্গ জুড়েই হয়েছে। জামাকাপড়ের দোকান থেকেও তৃণমূল নেতারা ধার নিত। এক একটা দোকানে ৭০ হাজার, ৮০ হাজার বাকি পড়ে থাকত। টাকা চাইলে ভয় দেখাত। পরিবর্তনের পর বাংলার মানুষ এইসব মেনে নিচ্ছে না। কেস হচ্ছে, গ্রেফতার হচ্ছে। মানুষ উৎসাহের সঙ্গে বেরিয়ে আসছে, অভিযোগ জানাচ্ছে। তৃণমূলের আমলে পশ্চিমবঙ্গে বাইরে থেকে ব্যবসায়ীরা আসতে ভয় পেত। বিজেপি আসার পর শিল্প আসছে।”


সব রাজ্যে যদি ৫০ শতাংশ হারে আসন বৃদ্ধি প্রস্তাবে নিশ্চয়তা পেলে, আসন পুনর্ববিন্যাস বিলকে সমর্থন করবে ডিএমকে এবং শরদ পওয়ারের এনসিপি দল। অন্যদিকে বিদেশি অনুদান (FCRA) বিল নিয়ে চার্চ এবং খ্রিস্টান সংগঠনের দাবিকে সমর্থন করছেন এমকে স্ট্যালিন এবং শরদ পওয়ার।

মেপে পা ফেলছে কেন্দ্র, ডিলিমিটেশন-মহিলা সংরক্ষণ বিল পাশ হলেই ঝুলি থেকে বেরবে আরেক বিল?
কেন্দ্র আরও এক নতুন বিল আনবে সংসদে?

সংসদে মেপে পা ফেলছে কেন্দ্রীয় সরকার। বিরোধীদের শিবিরে ধরেছে ভাঙন। সেই সুযোগ নিয়েই গুরুত্বপূর্ণ একাধিক বিল পাশ করানোর পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের, এমনটাই সূত্রের খবর। এর মধ্যে যে বিল নিয়ে এখন তুমুল আলোচনা, তা হল বিদেশি অনুদান (নিয়ন্ত্রণ) আইন ( Foreign Contribution Regulation Act)। আসন পুনর্বিন্যাস বা ডিলিমিটেশন এবং মহিলা সংরক্ষণ বিলের প্রতি সম্ভাব্য সমর্থনের অঙ্ক কষেই ফরেন কন্ট্রিবিউশন রেগুলেশন অ্যাক্ট নিয়ে মেপে পা ফেলছে সরকার।


বাদল অধিবেশনের আগেই, গত এপ্রিল মাসে বিশেষ অধিবেশন ডেকে কেন্দ্রীয় সরকার ১৩১তম সংবিধান সংশোধনী বিল পাশ করানোর চেষ্টা করেছিল। কিন্তু বিলের সপক্ষে ভোট কম পড়ায় সেই বিল পাশ হয়নি। এবার ফের একবার আসন পুনর্বিন্যাস ও মহিলা সংরক্ষণ বিল, যা সংবিধান সংশোধনীরই অংশ, তা পাশ করানোর চেষ্টা করা হবে।


'আমি কাউকে চুমু খাইনি, আর কারও থেকে নিইওনি', নাম না করেই কাকে খোঁচা কুমার শানুর!
FCRA বিল পেশ হবে?

পাশাপাশি চলতি অধিবেশনে বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইন (Foreign Contribution (Regulation) Act)-এর সংশোধনী বিল পেশ করা হবে কি না, তা নিয়ে আজ বিজনেস অ্যাডভাইসরি কমিটির (Business advisory committee) বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।


লোকসভার বিজনেস তালিকা অনুযায়ী, আজ চারটি বিল আলোচনার এবং অনুমোদনের জন্য তালিকাভুক্ত আছে। এর মধ্যে নেই এফসিআরএ (FCRA) বিল।

এনসিপি-ডিএমকে চটবে!
সব রাজ্যে যদি ৫০ শতাংশ হারে আসন বৃদ্ধি প্রস্তাবে নিশ্চয়তা পেলে, আসন পুনর্ববিন্যাস বিলকে সমর্থন করবে ডিএমকে এবং শরদ পওয়ারের এনসিপি দল। অন্যদিকে বিদেশি অনুদান (FCRA) বিল নিয়ে চার্চ এবং খ্রিস্টান সংগঠনের দাবিকে সমর্থন করছেন এমকে স্ট্যালিন এবং শরদ পওয়ার। অর্থাৎ হয় এই বিলকে প্রত্যাহার করতে হবে অথবা যৌথ সংসদীয় কমিটিতে পর্যালোচনার জন্য পাঠাতে হবে।

শুধুমাত্র সংখ্যার জোরে এফসিআরএ (FCRA) বিল পাস করিয়ে, ডিএমকে এবং এনসিপিকে চটানো উচিত হবে কিনা, তা খতিয়ে দেখছে সরকার।

এদিকে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করে খ্রিস্টান প্রতিনিধিদের তরফে জানানো হয়েছে যে সরকার প্রস্তাবিত সংশোধনী অনুযায়ী কোনও সংস্থার এফসিআরএ (FCRA) লাইসেন্স বাতিল হলে বা রিনিউ না হলে, সংস্থার কর্তৃত্ব নিজের হাতে নিয়ে নেবে সরকার। এই বিল পাশ হলে, অর্থের অভাবে বিভিন্ন সংস্থার সমাজসেবামূলক কাজ ব্যাহত হবে বলে জানিয়েছেন তারা।

অন্যদিকে, আজ সকাল ১০টায় বৈঠকে বসছে ইন্ডিয়া জোটের সংসদীয় দলের নেতারা। এই বৈঠকেই এফসিআরএ (FCRA) বিল নিয়ে বিরোধীদের রণকৌশল ঠিক করা হবে।

শুভেন্দু বলেন, "প্রথমত মৃতের পরিবার দুটো জিনিস চেয়েছে। বলেছে আমরা জেনেছি শারীরিক অত্যাচার হয়েছে। দোষী পুলিশদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। দ্বিতীয়ত, মৃতের দু'টি সন্তান আচ্ছা। তাঁদের ভবিষ্য়তের দায়িত্ব নিতে হবে।"


'পুলিশের গাফিলতি প্রমাণিত...', মৃত তৃণমূল নেতার কাউন্সিলর স্ত্রীকে CM-র অ্যাটেনডেন্টের চাকরি দিলেন শুভেন্দু
শুভেন্দু অধিকারী, মুখ্যমন্ত্রী


পুলিশি হেফাজতে মৃত্যুর অভিযোগ তৃণমূল নেতার। রবিবার দলের সেই কর্মীর পরিবারে গিয়ে চোর স্লোগান শুনতে হয় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যাকে। তবে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেননি পরিবারের কেউ। আজ অর্থাৎ সোমবার সকালে সেই হালিশহরে পৌঁছে যান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvednu Adhikari)। মৃতের পরিবারের পাশে দাঁড়ান তিনি। মৃত তৃণমূল কর্মীর স্ত্রী কাউন্সিলর। তাঁকে অ্যাটেনডেন্টের চাকরি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সঙ্গে ১০ লক্ষ টাকার ক্ষতিপূরণ ও মৃতের দুই শিশুর পড়াশোনার দায়িত্বভারও গ্রহণ করলেন তিনি। একই সঙ্গে তদন্তকারী অফিসারকেও সাসপেন্ড করলেন রাজ্যের পুলিশমন্ত্রী শুভেন্দু।


‘মৃতের পরিবারকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি’


শুভেন্দু বলেন, “যে ছেলেটি মারা গিয়েছেন তার পরিবার একটি কাগজ দিয়েছে। এখানে অর্জুন সিং, লোকাল বিধায়ক, DGP আছেন। পরিবারকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছি। তারা এই মৃত্যুকে নিয়ে রাজনৈতিক স্লোগান কাউকে দেয়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আসার পর বাড়ি লোক দেখা করেননি। মৃতের দাদা বলছিলেন, আমি বিচার চাই আর বিচার দিতে পারবে রাজ্য পুলিশ ও প্রশাসন।” গোটা বিষয়টিতে কার্যত আপ্লুত মুখ্যমন্ত্রী। বারেবারে তিনি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেছেন, “পরিবার পুলিশ ও রাজ্য পুলিশের উপর আস্থা রেখেছেন। এটা পাওনা।” একই সঙ্গে এ রাজ্যে পুলিশের অত্যাচারের ঘটনার অনেক উদাহরণ রয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশমন্ত্রী।


‘বুদ্ধবাবু ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও পারেননি’

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “প্রয়াত বুদ্ধবাবু ও মমতার সময়ে একটা উদাহরণ দেখাতে পারবেন না, যে রাজ্য সরকারের প্রশাসনিক প্রধান মুখ্যমন্ত্রী, ডিজিপিকে সঙ্গে নিয়ে রাজনৈতিক ভিন্ন মত পোষণ করা লোকের বাড়িতে এসেছেন। এই উদাহরণ পাবেন না। মৃতের পরিবার পুরোটাই তৃণমূল করে। মৃতের পরিবারের স্ত্রী কাউন্সিলর।”

‘মৃতের পরিবার কী কী চেয়েছে?’

শুভেন্দু বলেন, “প্রথমত মৃতের পরিবার দুটো জিনিস চেয়েছে। বলেছে আমরা জেনেছি শারীরিক অত্যাচার হয়েছে। দোষী পুলিশদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। দ্বিতীয়ত, মৃতের দু’টি সন্তান আচ্ছা। তাঁদের ভবিষ্য়তের দায়িত্ব নিতে হবে।” এরপর তাঁর আরও সংযোজন, “উনি বললেননি আমরা করেছি। পুলিশের হেফাজতে মারা গেছে এটা দিনের আলোর মতো সত্যি। কতটা শারীরিক অত্যাচারে মারা গেছে, সেটা আমরা বলতে পারব না। তিনজন ডাক্তারের উপস্থিত ও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট থেকে জানা যাবে। IO-তে সাসপেন্ড করছি। ঘটনার গুরুত্ব বুঝে ম্যাজেস্ট্রেরিয়ান ইনকোয়ারি দায়িত্ব দিচ্ছি।”

‘স্ত্রীকে চাকরি’

শুভেন্দুর ঘোষণা, “আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বছরে তিনজন অ্যাটেনডেন্ট পাই। ওঁর স্ত্রীকে আমার অ্যাটেনডেন্ট হিসাবে চাকরি দিলাম। উনি শোক কাটিয়ে ওঠার পর লোকাল থানার সঙ্গে যোগাযোগ রাখবেন। এই অ্যাটনডেন্টরা ১৫ হাজার টাকা বারো মাস পায়। ১২ মাস শেষ হলে গ্রুপ ডি-তে স্থায়ী নিয়োগ হন। বারেবারে বলেছি মৃত্যু অর্থ দিয়ে হয় না। তবে মুখ্যমন্ত্রীর তো দায়িত্ব থাকে। ওরা অর্থ চায়নি। তবে আমি মুখ্যমন্ত্রী রিলিফ ফান্ড থেকে ১০ লক্ষ টাকার চেক দিয়েছি।”

ভারতের বিরুদ্ধে ক্যারিবিয়ানরা সিরিজ খেলতে চলেছে। সেপ্টেম্বর-অক্টোবর তিন ম্যাচের সিরিজে মুখোমুখি হবে দুই দল। সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচ হবে যথাক্রমে ২৭ ও ৩০ সেপ্টেম্বর । ভারতকে পরপর দুই ম্যাচে হারালেও ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল সরাসরি কোয়ালিফাই করতে পারবে না।

কালো অতীতের পুনরাবৃত্তি, ২০২৭ বিশ্বকাপের আগেই বিপাকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল!
ক্যারিবিয়ান ক্রিকেট দল


কোনও এক সময় ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের নাম শুনলে থরহরিকম্প পরিস্থিতি হত বিপক্ষ দলের ব্যাটারদের। কিন্তু বিগত দশক থেকেই যেন প্রায় অস্তমিত ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেট। গতবারের মতো এবারেও ধাক্কা খেল ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট। দুইবারের বিশ্বকাপজয়ী দল সরাসরি ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে ব্যর্থ হল। আফগানিস্তানের কাছে আয়ারল্যান্ডের হারের পরেই নিশ্চিত হয়ে গেল যে ক্যারিবিয়ান দলকে এবার বিশ্বকাপ খেলতে গেলে কোয়ালিফায়ার খেলতে হবে।


আগামী বছর হবে বিশ্বকাপ। দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবোয়ে, নামিবিয়ার মোট ১২টি মাঠে অনুষ্ঠিত হবে ২০২৭ বিশ্বকাপ। সেই প্রতিযোগিতায় সরাসরি কোয়ালিফাই করতে ব্যর্থ হল ক্যারিবিয়ানরা। এই নিয়ে টানা তৃতীয়বার বিশ্বকাপে সরাসরি যোগ্যতা অর্জন করতে ব্যর্থ হল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ২০১৯ ও ২০২৩ সালের বিশ্বকাপে এক ঘটনা ঘটেছিল। ২০১৯ সালে কোয়ালিফায়ার খেললেও ২০২৩ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে খেলতেই পারেনি ক্যারিবিয়ানরা। ২০২৭ বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জনের নিয়ম অনুযায়ী, আয়োজক দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবোয়ে সরাসরি বিশ্বকাপ খেলবে। বাকি ৭ জায়গা নির্ধারণ করা হবে ICC Ranking এর ভিত্তিতে। এর জন্য ২০২৬ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ক্রমতালিকা দেখা যাবে। বর্তমানে ওয়েস্ট ইন্ডিজ রয়েছে ১০ নম্বরে। আফগানিস্তান রয়েছে ৮ নম্বরে। বাংলাদেশ ৯ ও জিম্বাবোয়ে ১১। যেহেতু আয়োজক হিসেবে জিম্বাবোয়ে সরাসরি খেলবে, তাই তালিকার প্রথম ৯টি দল সরাসরি সুযোগ পাবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ক্যারিবিয়ানদের প্রথম ৯য়ে ওঠার কোনও সুযোগ নেই।




ভারতের বিরুদ্ধে ক্যারিবিয়ানরা সিরিজ খেলতে চলেছে। সেপ্টেম্বর-অক্টোবর তিন ম্যাচের সিরিজে মুখোমুখি হবে দুই দল। সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচ হবে যথাক্রমে ২৭ ও ৩০ সেপ্টেম্বর । ভারতকে পরপর দুই ম্যাচে হারালেও ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল সরাসরি কোয়ালিফাই করতে পারবে না। আবার আয়ারল্যান্ড দলের আশাও একপ্রকার শেষ। সরাসরি যোগ্যতা অর্জন করার দৌড়ে টিকে থাকতে গেলে আয়ারল্যান্ডকে পাঁচ ম্যাচের সিরিজ ৫-০ ব্যবধানে জিততে হত। কিন্তু সিরিজের প্রথম ম্যাচই বৃষ্টিতে ভেস্তে যাওয়ার ফলে তাদের সেই আশা ধাক্কা খেয়েছে। এরপর ২য় ম্যাচে আফগানরা জিতে যাওয়ার ফলে আয়ারল্যান্ডকেও কোয়ালিফায়ার খেলতে হবে। কিন্তু বারবার বিশ্বকাপের মূলপর্বে যেতে না পারা আসলে ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের ব্যর্থতাকে প্রকট করে দিচ্ছে।


 বনগাঁ দেবগড়ের বাসিন্দা শুভম মিত্র। শুক্রবার রাত সাড়ে আটটা নাগাদ নতুনগ্রাম এলাকা দিয়ে মামাকে নিয়ে বাইকে করে যাচ্ছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় পিছন থেকে অপর একটি বাইকে করে তাঁদের পথ আটকায় দুষ্কৃতীরা। জানা গিয়েছে, দুষ্কৃতীদের দু'জনের মুখে মাক্স পরা ছিল এবং একজন হেলমেটও পরেছিলেন। তারপর ঠিক কী ঘটে?

মাথায় আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে প্রথমে সোনার চেন 'ছিনতাই', তারপরই চলল গুলি! চাঞ্চল্যকর ঘটনা বনগাঁয়
বনগাঁয় সোনার হার ছিনতাইয়ের অভিযোগ

রাতের অন্ধকারে চাঞ্চল্যকর ঘটনা বনগাঁয়। আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে সোনার চেন ছিনতাইয়ের অভিযোগ দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, গুলি চালানোরও অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় রীতিমতো আতঙ্ক ছড়িয়েছে গোপালনগর থানার নতুনগ্রাম এলাকায়। ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে গোপালনগর থানার পুলিশ।


কী ঘটেছিল, কীভাবে ছিনতাই?
বনগাঁ দেবগড়ের বাসিন্দা শুভম মিত্র। শুক্রবার রাত সাড়ে আটটা নাগাদ নতুনগ্রাম এলাকা দিয়ে মামাকে নিয়ে বাইকে করে যাচ্ছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় পিছন থেকে অপর একটি বাইকে করে তাঁদের পথ আটকায় দুষ্কৃতীরা। জানা গিয়েছে, দুষ্কৃতীদের দু’জনের মুখে মাক্স পরা ছিল এবং একজন হেলমেটও পরেছিলেন। অভিযোগ, পথ আটকানোর পরই হঠাৎ আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে প্রথমে সোনার চেন ছিনতাই করে। তারপর হুমকিও দেয় বলে অভিযোগ। পরে ছিনতাই করে পালিয়ে যাওয়ার সময় এক রাউন্ড গুলি চালায় বলে অভিযোগ তুলেছেন শুভম।



শুভম বলেন, “তিন দুষ্কৃতী মোটর-সাইকেল করে আসে। এসে প্রথমে বন্দুক ঠেকায়। তারপর গলার চেন ছিনিয়ে নিয়ে কুকথা বলতে শুরু করে। তারপরই সেখান থেকে চলে যাওয়ার সময় শূন্যে গুলি চালায়।” শুভমের মামার কথায়, “আমাদের এখানে শান্তিপ্রিয় জায়গা। এখানে এই ধরনের ঘটনা ঘটে না।”


তদন্ত শুরু পুলিশের
খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় গোপালনগর থানার পুলিশ। শুভম ও তাঁর মামার সঙ্গে কথা বলেন। পরে থানায় অভিযোগও জানান তাঁরা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে গোপালনগর থানার পুলিশ। অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায় এবং রীতিমত ভয়ের পরিবেশ ও তৈরি হয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে যায় গোপালনগর থানার পুলিশ। অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে গোপালনগর থানার পুলিশ।

রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় জানান, স্বাস্থ্য ভবনের তদন্তের আওতায় আনা হচ্ছে তিলোত্তমার সহকর্মীদের। আবার তাঁদের বয়ান রেকর্ড হবে। খুনের ঘটনার পর কারা কোন উদ্দেশ্যে আরজি কর হাসপাতালে গিয়েছিলেন, তা জানতে তাঁদের পরপর ডেকে পাঠাচ্ছে স্বাস্থ্য ভবনের তদন্তকারী দল। স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, রবিবার পশ্চিমবাংলায় সমস্ত সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে সকাল এগারোটার সময় তিলোত্তমার স্মরণে দুই মিনিট নীরবতা পালন করা হবে।

আরজি করকাণ্ডে নতুন করে সিট গড়ে তদন্তে কতটা এগোল সিবিআই? কী বলছেন তিলোত্তমার মা?
নতুন করে তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই

 আজ (৯ অগস্ট) সেই নৃশংস ঘটনার দিন। যার জেরে তোলপাড় পড়েছিল রাজ্যে। রাস্তায় নেমেছিলেন সাধারণ মানুষ। আরজি কর কাণ্ডের ২ বছর পূরণ হওয়ার দিন ফের উঠছে নানা প্রশ্ন। কবে বিচার পাবে তিলোত্তমার পরিবার? নতুন করে তদন্তে কতটা এগোল সিবিআই? কী বলছেন তিলোত্তমার মা? স্বাস্থ্য ভবন কী পদক্ষেপ করছে? 


২০২৪ সালের ৯ অগস্ট আরজি করের সেমিনার হল থেকে তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার হয়। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশ। পরে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ তদন্তভার নেয় সিবিআই। তারাও সঞ্জয়কে একমাত্র অভিযুক্ত বলে উল্লেখ করে চার্জশিট দেয়। শিয়ালদহ আদালত তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে আজীবন কারাবাসের নির্দেশ দেয়। কিন্তু, তিলোত্তমার পরিবারের দাবি, সঞ্জয় একা এরকম নৃশংস কাজে যুক্ত থাকতে পারে না। এর সঙ্গে আরও বড় মাথা রয়েছে।



রাজ্যে পালাবদলের পর নতুন সরকার তিলোত্তমাকাণ্ড নিয়ে ফের তদন্তের কথা জানায়। আবার তিলোত্তমার পরিবারের আবেদন মেনে সিবিআইকে নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। ইতিমধ্যে হাইকোর্টের নির্দেশে সিবিআই নতুন এবং পৃথক স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম (SIT) গঠন করেছে। তাতে নতুন অফিসাররা রয়েছেন। সেই অফিসাররা ঘটনার পরম্পরা অনুযায়ী, যাঁদের যাঁদের নাম উঠে আসছে, ফুটেজে দেখা গিয়েছে, তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। তার মধ্যে তিলোত্তমার সঙ্গে সেদিন রাতে যেসব সহকর্মী খেয়েছিলেন, তাঁদের বয়ান নিয়ে নিজেদের কাছে রাখছে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য ভবন যেহেতু পৃথকভাবে তদন্ত প্রক্রিয়া চালাচ্ছে। প্রত্যেককে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। স্বাস্থ্য ভবনের তদন্তে যেসব বয়ান উঠে আসবে, সেগুলি সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়া হবে। এরপর দুটো বয়ান মিলিয়ে দেখবেন তদন্তকারীরা। দুটো বয়ানে অসঙ্গতি পাওয়া গেলে তদন্তকারীরা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে। বিশেষ তদন্তকারী দল একদম প্রথম থেকে তদন্ত শুরু করেছে যাতে তিলোত্তমার পরিবার সুবিচার পায়। তিলোত্তমার পরিবার যেসব অভিযোগ তুলেছে, সব অভিযোগ খতিয়ে দেখছে সিবিআই।




গোটা ঘটনায় আতঙ্কে উৎপল মণ্ডলের পরিবার। আতঙ্ক ছড়িয়েছে সারা গ্রামে। বাড়ির মধ্যে ভূতের ভয়ে সিঁটিয়ে সবাই। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ভূত বা অলৌকিক শক্তি ছাড়া এমন বন্ধ ঘরে আগুন লাগা সম্ভব নয়। কারণ বাড়ির ওই অংশের বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন।

কেউ নেই, বন্ধ ঘরে এদিক-ওদিকে লেগে যাচ্ছে আগুন, কুণ্ডলী পাকিয়ে উঠছে ধোঁয়া! আতঙ্কে কাটা মণ্ডল পরিবার, কী হচ্ছে এই বাড়িতে?
এই বাড়িতেই আচমকা আগুন লেগে যাচ্ছে।

বন্ধ ঘর। বাইরে থেকে তালা মারা। এদিকে ঘরের ভিতরে নাকি জ্বলছে আগুন। সেই আগুনে পুড়ে ছাই-ও হয়ে যাচ্ছে। অথচ ঘরের ভিতরে কেউ নেই! অদ্ভুতুড়ে এই ঘটনাতেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে দাসপুরের বৈকুণ্ঠপুরে। ভূতের কারসাজি নাকি অন্য কারোর রয়েছে এর পিছনে? তদন্তে ফায়ার ব্রিগেড ও বিজ্ঞান মঞ্চ। ঘটনায় শোরগোল পড়েছে এলাকায়।


ফাঁকা বাড়িতে ঘরের এদিক-ওদিকে জ্বলে উঠছে আগুন। শুক্রবার রাত থেকে ঘটনাকে ঘিরে আতঙ্কে ওই বাড়িতে থাকা পরিবার। আতঙ্কিত পাড়া-প্রতিবেশীরা ও। ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে এসেছে পুলিশ ও দমকল। তবে আগুনের উৎস খুঁজতে কালঘাম ছুটছে ফায়ার ব্রিগেডের।



দাসপুর থানার অধীনে বাসুদেবপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বৈকুণ্ঠপুর গ্রামে শ্যালক-ভগ্নীপতি মিলে যৌথ বাড়ি তৈরি করেছে। গৌর সামন্ত নামক এক ব্যক্তি তাঁর দুই শ্যালকের সঙ্গে যৌথভাবে ওই প্লটটি প্রায় বছর কুড়ি আগে কেনেন। পরে একসঙ্গেই বসতবাড়ি করে পৃথকভাবে বসবাস শুরু করেন। কর্মসূত্রে জামাই গৌর সামন্ত ও এক শ্যালক অনুপ মণ্ডল পরিবার নিয়ে ভিন রাজ্যে থাকেন। আর এক শ্যালক উৎপল মণ্ডলের পরিবার এই বাড়িতেই তাঁর অংশে বসবাস করেন।


আজ প্রায় দু’দিন ধরে মাঝে-মধ্যেই গৌর সামন্তের অংশের একের পর এক বেডরুমে আগুন লেগে যাচ্ছে। বন্ধ ঘরে আগুন! তারা অনেক পরে ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখতে পান। যতক্ষণে দরজা খোলেন, ততক্ষণে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে ঘরের মধ্যে সমস্ত আসবাব, বিছানা, সোফা-সবই।

গোটা ঘটনায় আতঙ্কে উৎপল মণ্ডলের পরিবার। আতঙ্ক ছড়িয়েছে সারা গ্রামে। বাড়ির মধ্যে ভূতের ভয়ে সিঁটিয়ে সবাই। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ভূত বা অলৌকিক শক্তি ছাড়া এমন বন্ধ ঘরে আগুন লাগা সম্ভব নয়। কারণ বাড়ির ওই অংশের বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন।

চারিদিকে ঝোপঝাড়-জঙ্গলের মাঝে আলো-আঁধারি পরিবেশে এই শ্যালক-ভগ্নীপতিদের বসতবাড়িতে এলে এমনিতেই গা ছমছম করে। বাড়ির দেওয়ালে নানা চিহ্ন আঁকা। সেই চিহ্নে হাত দিলেই নাকি বিপদ। এমন পরিবেশে কীভাবে থাকবেন উৎপলের পরিবার? তাঁর স্ত্রীও আতঙ্কে। কিন্তু তাঁদের যাওয়ারও কোনও জায়গা নেই।

ঘটনার তদন্তে নেমেছেন দমকলের আধিকারিকরা। খতিয়ে দেখছেন আগুনের উৎস। এক আধিকারিক বলেন, “এই আগুন লেগে যাওয়া স্বাভাবিক নয়। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সম্ভবত আগুন লাগানো হতে পারে। তবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এখনই প্রকাশ্যে কিছু বলছি না।”

রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চের একটি টিম। অলৌকিক ঘটনা, ভূতের হাত আছে—এইসব আজগুবি গল্প মানতে তারা নারাজ।

এদিকে, বাসুদেবপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান প্রশান্ত হড়ের বক্তব্য, তিন শরিকের বিবাদ থেকেই এমন কিছু হতে পারে।

 ওড়িশার সম্বলপুরেও সমারোহে পালন করা হল 'হর ঘর তিরঙ্গা' কর্মসূচি। এই মিছিলের নেতৃত্ব দিলেন বিজেপি সাংসদ তথা দলের প্রবীণ নেতা ধর্মেন্দ্র প্রধান। জাতীয় পতাকা নিয়ে দলীয় কর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে পদযাত্রায় অংশ নেন তিনি। কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে জনজোয়ার দেখা যায়।


ধর্মেন্দ্র প্রধানের নেতৃত্বে 'হর ঘর তিরঙ্গা' কর্মসূচি, সম্বলপুরে জনজোয়ার
ধর্মেন্দ্র প্রধান


দেশজুড়ে বিভিন্ন রাজ্যে শুরু হয়েছে ‘হর ঘর তিরঙ্গা যাত্রা’। ওড়িশার সম্বলপুরেও সমারোহে পালন করা হল এই কর্মসূচি। এই মিছিলের নেতৃত্ব দিলেন বিজেপি সাংসদ তথা দলের প্রবীণ নেতা ধর্মেন্দ্র প্রধান। জাতীয় পতাকা নিয়ে দলীয় কর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে পদযাত্রায় অংশ নেন তিনি। কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে জনজোয়ার দেখা যায়।


ওড়িশায় ‘হর ঘর তিরঙ্গা’
স্বাধীনতা দিবসের আগে দেশজুড়ে ৯ অগস্ট থেকে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। ওড়িশার সম্বলপুরে এই কর্মসূচির সূচনা করলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। হাতে পতাকা, গলায় তিরঙ্গা উত্তরীয় পরে দলের কর্মী-নেতাদের সঙ্গে হাঁটেন। পদযাত্রার পাশাপাশি একটি জায়গায় জমায়েত হয়ে দেশপ্রেম ও জাতীয় ঐক্যের বার্তা তুলে ধরা হয়।




মমতার গাড়িতে পড়ল পাথর, জুতো, উঠল চোর স্লোগান , দেখুন...
এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, “তিরঙ্গা (ভারতের পতাকা) আমাদের জাতীয় গর্ব, আত্মমর্যাদা ও ঐক্যের প্রতীক। সম্বলপুরে ‘তিরঙ্গা যাত্রা’র মাধ্যমে আমরা বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছি। ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ অভিযানকে গণআন্দোলনে পরিণত করি এবং ‘বিকশিত ওড়িশা’ ও ‘বিকশিত ভারত’ গড়ে তুলতে অবদান রাখি।” উল্লেখ্য, নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস ঘিরে ছাত্র আন্দোলনে উত্তাল হয়েছিল দেশ। দাবি ছিল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার। সেই দাবি পূরণ করে গত ২৫ জুলাই শিক্ষামন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেন তিনি।


এদিকে, রবিবার ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝি ‘তিরঙ্গা যাত্রা’-য় অংশগ্রহণকারীদের প্লাস্টিকের পতাকা ব্যবহার না করার আবেদন জানিয়েছিলেন। পরিবেশবান্ধব কর্মসূচির জন্য প্লাস্টিকের পরিবর্তে কাপড়ের তৈরি জাতীয় পতাকা ব্যবহারের পরামর্শ দেন তিনি। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আহ্বানে শুরু হওয়া এই কর্মসূচি বর্তমানে একটি দেশব্যাপী আন্দোলনে পরিণত হয়েছে।

‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া একটি পোস্টও করেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে তিনি লেখেন,”এই কর্মসূচি ভারতীয়দের মধ্যে দেশপ্রেম, আত্মমর্যাদা ও ঐক্যের অনুভূতি আরও শক্তিশালী করছে। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আহ্বানে শুরু হওয়া এই অভিযান আজ গোটা দেশে গণআন্দোলনের রূপ নিয়েছে।”

দক্ষিণ শহরতলির অন্যতম বড় ও গুরুত্বপূর্ণ রেলস্টেশন হল যাদবপুর। এই স্টেশনের লাগোয়া রেলের জমিতেই তৈরি হচ্ছে মিনি মার্ট। যাদবপুর এলাকাকে প্রাণবন্ত করার জন্য এই মার্ট তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই মিনি মার্টে ছোট ছোট দোকান করে দেওয়া হবে। দোকানের সর্বোচ্চ আয়তন হবে ৮০ বর্গফুট।


আমূল বদলে যাচ্ছে যাদবপুর স্টেশন, তৈরি হবে মিনি মার্ট, এক ছাদের তলাতেই মিলবে সব, বড় উদ্যোগ রেলের
যাদবপুর স্টেশন

যাদবপুর স্টেশনকে (Jadavpur Station) ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ পূর্ব রেলের। স্টেশনে তৈরি হবে মিনি মার্ট (Mini Mart)। প্রায় তিন হাজার বর্গমিটার এলাকায় মিনি মার্ট তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে পূর্ব রেল (Eastern Railway)। এই মিনি মার্টে একই ছাদের তলায় নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস থেকে খাবার সবই পাওয়া যাবে। ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। রেলের এই উদ্যোগের ফলে যেমন ছোট ব্যবসায়ীদের আয়ের পথ খুলবে, তেমনই উপকৃত হবেন যাত্রীরাও।


কী এই মিনি মার্ট?
দক্ষিণ শহরতলির অন্যতম বড় ও গুরুত্বপূর্ণ রেলস্টেশন হল যাদবপুর। এই স্টেশনের লাগোয়া রেলের জমিতেই তৈরি হচ্ছে মিনি মার্ট। যাদবপুর এলাকাকে প্রাণবন্ত করার জন্য এই মার্ট তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই মিনি মার্টে ছোট ছোট দোকান করে দেওয়া হবে। দোকানের সর্বোচ্চ আয়তন হবে ৮০ বর্গফুট। সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ জায়গাজুড়ে দোকান তৈরি করা হবে। নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দোকান যেমন থাকছে, তেমনই খাবার দোকানও থাকবে মিনি মার্টে। প্রয়োজন মতো যাত্রীরা এই মিনি মার্ট থেকে কেনাকাটা করতে পারবেন।


মমতার ওপর 'হামলা', রাজ্য জুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে কালীঘাট তৃণমূল
পূর্ব রেল সূত্রে খবর, ছোট দোকানগুলির জন্য ৫০ শতাংশ জায়গা রাখা হচ্ছে। বড় খুচরো দোকানগুলির জন্য় ২৫ শতাংশ ও যাতায়াত ও সৌন্দর্যায়নের জন্য ২০-৩০ শতাংশ জায়গা রাখা হচ্ছে। এই মার্টে শুধু দোকান নয়। যাত্রীদের জন্য থাকবে বিশ্রামাগার, শৌচাগার ও পার্কিংয়ের ব্যবস্থা। পূর্ব রেল সূত্রে খবর, এই বিশ্রামাগার, পার্কিং, শৌচাগারের জন্য ৫ থেকে ২০ শতাংশ জায়গা রাখা হয়েছে। এছাড়া, নতুন টিকিট বুকিং কাউন্টার থেকে লিফট-সহ ফুট ওভারব্রিজ তৈরিরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।


উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগেই যাদবপুর স্টেশনে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। হকারদের রুজিরুটি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তবে, রেলের বিশেষ উদ্যোগে এই হকাররাই লাভবান হতে পারেন বলে খবর। এই মিনি মার্টে উচ্ছেদ হওয়া হকারদের পুনর্বাসন দেওয়া হতে পারে বলে রেল সূত্রে খবর। এর ফলে বহু ছোট ব্যবসায়ীদের আয়ের পথ খুলবে বলে মনে করা হচ্ছে।

কী বলছেন নিত্যযাত্রীরা?
রেলের এই উদ্যোগে খুশি নিত্যযাত্রীরা। মিনি মার্ট তৈরি হলে বহু যাত্রীর সুবিধা হবে বলছেন তাঁরা। যাতায়াতে যেমন সুবিধা হবে, তেমনই প্রয়োজনীর জিনিস হাতের সামনে পেলেও উপকৃত হবেন বলে জানাচ্ছেন যাত্রীরা।

গত কয়েকদিনে ছাত্রদের বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে একাধিক দফায় বৈঠক করেছে রাজ্য সরকার। আলোচনায় কংগ্রেসের ছাত্র সংগঠন NSUI, ঝাড়খণ্ড ছাত্র মোর্চা (JCM) এবং আদিবাসী ছাত্র সংঘ (ACS)-সহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন।

ফের জেন-Z'র বড় জয়, পরীক্ষা বাতিল করতে চলেছে এই সরকার
পড়ুয়াদের আন্দোলনে পিছু হটল ঝাড়খণ্ড সরকার

পড়ুয়াদের টানা আন্দোলন। এবার পিছু হটছে ঝাড়খণ্ডের হেমন্ত সোরেনের সরকার। পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে ছাত্রদের আন্দোলনের জেরে তিনটি পরীক্ষা বাতিল করতে পারে ঝাড়খণ্ড সরকার। রবিবার ছাত্র প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পর এমনই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর। আন্দোলন ইতিমধ্যেই ১৬ দিনে পড়েছে।


সূত্রের খবর, ২০২৩ এবং ২০২৫ সালের ঝাড়খণ্ড পাবলিক সার্ভিস কমিশন (JPSC) এবং ১৪তম প্রিলিমিনারি পরীক্ষা বাতিলের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। রবিবারের বৈঠকে রাজ্য সরকার পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগের সঙ্গে যুক্ত আর্থিক লেনদেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)-কে দিয়ে খতিয়ে দেখানোর বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছে বলে সূত্রের খবর। জানা গিয়েছে, লখনউয়ের বেসরকারি পরীক্ষা পরিচালনাকারী সংস্থা TDPL যে সমস্ত পরীক্ষা নিয়েছে, সেগুলি খতিয়ে দেখা হবে। পাশাপাশি, JPSC এবং ঝাড়খণ্ড স্টাফ সিলেকশন কমিশন (JSSC)-র সংস্কারের জন্য IIM এবং XISS-র সাহায্য নেওয়া হবে। এই দুই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করবে রাজ্য সরকার।


সরকারের সঙ্গে গত দু’দিন ধরে ছাত্র সংগঠনগুলির একাধিক দফায় আলোচনা চললেও কোনও সমাধান সূত্র বেরোয়নি। এরপরই রবিবার ফের বৈঠকে বসে দু’পক্ষ। ছাত্রনেতা দেবেন্দ্রনাথ মাহতো অনির্দিষ্টকালের অনশনে বসেছেন। তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আরও এক আন্দোলনকারী রাহুল ক্রান্তিম অনশনে রয়েছেন এবং তাঁকে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। সবমিলিয়ে ছয়জন আন্দোলনকারী অনশনে রয়েছেন।


গত কয়েকদিনে ছাত্রদের বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে একাধিক দফায় বৈঠক করেছে রাজ্য সরকার। আলোচনায় কংগ্রেসের ছাত্র সংগঠন NSUI, ঝাড়খণ্ড ছাত্র মোর্চা (JCM) এবং আদিবাসী ছাত্র সংঘ (ACS)-সহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন।

এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন বলেন, “আজ এই সরকার যখন শক্তিশালী হয়ে উঠছে, তখন অনেকেই তা মেনে নিতে পারছেন না। তাঁরা মুখ লুকিয়ে, ছদ্মবেশ বদলে কিংবা নেপথ্যে থেকে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে মানুষকে ভুল পথে চালিত করার চেষ্টা করছেন। প্রতিটি সমস্যার সমাধান আলোচনার মাধ্যমেই সম্ভব, লাঠি বা গুলি চালিয়ে নয়।”

দিল্লির যন্তর মন্তরে ছাত্র আন্দোলনে পুলিশি পদক্ষেপ নিয়ে কটাক্ষ করে তিনি আরও বলেন, “লাঠি ও গুলি সীমান্তে, দেশের শত্রুদের বিরুদ্ধে ব্যবহারের জন্য। নিজেদের দেশের মানুষের বিরুদ্ধে, নিজেদের ঘরের মধ্যে শক্তি প্রয়োগ করে কোনও সমস্যার সমাধান হয় না। যুব সমাজের আবেগ ও উদ্বেগ আমাদেরও উদ্বেগ। আজ আমি সাংবিধানিক পদে রয়েছি। আমি সম্পূর্ণ আশ্বাস দিচ্ছি, স্বচ্ছতার সঙ্গে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।”

প্রসঙ্গত, JPSC পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদিকে, JPSC-এর প্রাক্তন প্যানেল চেয়ারম্যান এল খিয়াংতে-কে গত ২৮ জুলাই থেকে এখনও পর্যন্ত চারবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

 বিধানসভা নির্বাচনের ফল বিশ্লেষণ করে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব দেখেছে, যেখানে অশান্তি, শৃঙ্খলাভঙ্গের সমস্যা বেশি আসছে, যেখানে বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির পক্ষে ফল আসেনি। জিতেছে তৃণমূল। কিন্তু এলাকায় আর তৃণমূলের প্রভাব নেই। সেই জায়গায় তৃণমূলের একাংশকে সঙ্গী করে, কাজে লাগিয়ে বিজেপির কেউ কেউ আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছেন বলেই বিজেপির অন্দরের আলোচনায় উঠে এসেছে।


তৃণমূলীদের সঙ্গে হাত মেলানো থেকে তোলাবাজি, ভয়ঙ্কর অভিযোগ উঠতেই জেলায় জেলায় খোলনলচে বদলাচ্ছে বিজেপি
তোলাবাজিতে জিরো টলারেন্স বলে আগেই বার্তা দিয়েছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য

বাংলায় প্রথমবার ক্ষমতায় এসেছে দল। আর তিনমাসের মধ্যেই দলের একাধিক নেতার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ আসছে। এই নিয়ে রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য কড়া বার্তা দিয়েছেন। দুর্নীতিতে জিরো টলারেন্সের কথা বলেছেন। এমনকি, রাজ্যে ২২ জন নেতাকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এবার সাংগঠনিক রদবদলের পথে হাঁটছে রাজ্য বিজেপি। একাধিক জেলায় নেতৃত্ব বদল হতে চলেছে।


কেন জেলায় জেলায় নেতৃত্বে রদবদল করছে বিজেপি? 


এই দুজন সাংসদ মিস গাইড করছেন', আবু তাহেরদের আক্রমণ সৌগত-কল্যাণদের
রাজ্য বিজেপি সূত্রে খবর, বেশ কিছু জেলায় সাংগঠনিকভাবে দল এখনও শক্তিশালী হয়নি। অথচ বেশ কয়েকটি জেলায় দলবিরোধী কার্যকলাপ, দলীয় শৃঙ্খলা বিরোধী কাজকর্ম মাথাচাড়া দিচ্ছে। এমনকি, অর্থের লেনদেন সামনে আসছে। সেই সব জেলাকে চিহ্নিত করার কাজ চলছে পদ্ম শিবিরের অভ্যন্তরে। তেমনভাবেই স্থির হয়েছে এক ডজনের বেশি সাংগঠনিক জেলা। সেখান থেকেই জেলাস্তরে বদল হবে।


বিধানসভা নির্বাচনের ফল বিশ্লেষণ করে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব দেখেছে, যেখানে অশান্তি, শৃঙ্খলাভঙ্গের সমস্যা বেশি আসছে, যেখানে বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির পক্ষে ফল আসেনি। জিতেছে তৃণমূল। কিন্তু এলাকায় আর তৃণমূলের প্রভাব নেই। সেই জায়গায় তৃণমূলের একাংশকে সঙ্গী করে, কাজে লাগিয়ে বিজেপির কেউ কেউ আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছেন বলেই বিজেপির অন্দরের আলোচনায় উঠে এসেছে। তৃণমূলের অন্দরে থাকা ক্ষমতার স্বাদ না পাওয়া অংশের সঙ্গেও কোথাও কোথাও হাত মিলিয়েছেন পদ্ম শিবিরের কেউ কেউ। সেখানে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। যার ফলে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। সেই এলাকাগুলি নিয়েও বিজেপি নেতৃত্বের চিন্তা বাড়ছে বলে সূত্রের খবর। এই সব এলাকা, জেলাকে চিহ্নিত করার কাজও চলছে দলীয় স্তরে।

রাজ্যে পালাবদলের পর মাস তিনেক কেটেছে। বিভিন্ন জায়গা থেকে তোলাবাজির অভিযোগ আসছে বিজেপির নেতাদের বিরুদ্ধেও। কিন্তু বিজেপি দুর্নীতিতে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। সেই নীতি অনুসরণ করেই তোলাবাজির অভিযোগে বিজেপি থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে ২২ জন নেতাকে। অন্তত ২৫০ জনকে শোকজ করেছে শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি। এবার জেলা নেতৃত্বেও বদলের পথে হাঁটছেন শমীক ভট্টাচার্যরা।

 কল্যাণ বলেন, "বিজেপির কর্মীরা যেভাবে বড় বড় পাথর মমতাদির গাড়িতে ছুড়েছে, আর সেটা ক্রমাগত করে গেছে। গাড়ির সামনে বাধা সৃষ্টি করেছে। যেভাবে গুণ্ডাগিরি করছে...এবং অশ্রাব্য গালিগালাজ। আমরা যখন যাচ্ছিলাম বাইরে থেকে হু হু করে লোক নিয়ে এসেছে। আমাদের ট্রাফিকে ১ ঘণ্টা আটকে রাখে।"


ওদের টার্গেট ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মেরে ফেলা: কল্যাণ
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সাংসদ


পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর অভিযোগ তৃণমূল কর্মীর। মৃত সেই কর্মীর বাড়িতে যেতে গিয়ে প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee)। ছোড়া হয় জুতো, ওঠে চোর স্লোগান। মমতার সঙ্গে ছিলেন দোলা সেন ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও। পরে হালিশহর থেকে ফিরে আসার পর বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন কল্যাণ। বললেন, “ওদের টার্গেট ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মেরে ফেলা।”


কল্যাণ বলেন, “বিজেপির কর্মীরা যেভাবে বড় বড় পাথর মমতাদির গাড়িতে ছুড়েছে, আর সেটা ক্রমাগত করে গেছে। গাড়ির সামনে বাধা সৃষ্টি করেছে। যেভাবে গুণ্ডাগিরি করছে…এবং অশ্রাব্য গালিগালাজ। আমরা যখন যাচ্ছিলাম বাইরে থেকে হু হু করে লোক নিয়ে এসেছে। আমাদের ট্রাফিকে ১ ঘণ্টা আটকে রাখে। তারপর ওই সময় পুরো ভিড়টাকে ওরা জমায়েত করে। আর ফেরার সময় পুরো খালি। বড় বড় পাথ দিয়ে মেরেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হত্যা করা ওদের উদ্দেশ্য ছিল। টার্গেট ছিল কীভাবে ওদের শেষ করে দেওয়া যায়। বড় বড় পাথর পড়েছে। যদি কাচ খোলা থাকত মাথার কোনও অংশ দেখতে পেতেন না।”



এ দিন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, “আমাদের গাড়িতে প্রচুর ইট ছোড়া হয়েছে। এত ইট মেরেছে কল্পনা করতে পারবেন না। এক ঘণ্টা গাড়ি আটকে রেখেছিল। বিজেপির লোক জোগাড় করে এই সব করানো হয়েছে। যিনি এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন তিনি নিজে বাইরে রয়েছেন। পুরো গাড়িতে ইট মারতে মারতে গেছে।” তাঁর সংযোজন, “আমি বেরবোই। বিজেপি ভয় পায় আমায়। এই ভাবে আমায় আটকাতে পারবে না…ওরা ভয় পাচ্ছে কারণ ওদের মুখোশ খুলে যাবে।”

বিধানসভার ওয়েবসাইটটা খুলতেই হোম পেজে দেখা যাচ্ছে, বিধানসভার ছবির নীচে একদিকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, ডান দিকে স্পিকার রথীন্দ্র বোসের ছবি। আর তার ঠিক একেবারে ডান দিকে শ্রীকৃষ্ণের ছবি। আর তার সঙ্গে কৃষ্ণের কিছু উক্তি। যেখানে মূলত রাগের অপকারিতা ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

 বিধানসভার ওয়েবসাইটে প্রথমে কৃষ্ণ-কথা, পরে বদলে গিয়ে হল রামকৃষ্ণের বাণী
ফাইল ফোটো

 এবার বিধানসভার ওয়েবসাইটে দেখা গেল ধর্মের বাণী। প্রথমে কৃষ্ণের ছবির পাশেই রাগের ক্ষতিকর দিক নিয়ে দীর্ঘ বাণী। রাগের অপকারিতাও ব্যাখ্যাও ছিল তাতে। কিছুক্ষণ পর বদলে যায় ছবি। শ্রীকৃষ্ণের ছবির বদলে দেখা যায় রামকৃষ্ণের বাণী।


বিধানসভার ওয়েবসাইটটা খুলতেই হোম পেজে দেখা যাচ্ছিল, বিধানসভার ছবির নীচে একদিকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, ডান দিকে স্পিকার রথীন্দ্র বোসের ছবি। আর তার ঠিক একেবারে ডান দিকে শ্রীকৃষ্ণের ছবি। আর তার সঙ্গে কৃষ্ণের কিছু উক্তি। যেখানে মূলত রাগের অপকারিতা ব্যাখ্যা করা হয়েছে।


লেখা ছিল, “রাগ মানুষের সমস্ত দুর্বলতাগুলোর মধ্যে একটি। যা তাকে সর্বদা ভালো সত্ত্বা থেকে দূরে নিয়ে যায়। জীবনের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলি সম্পর্কে তাকে আরও বিভ্রান্ত করে তোলে।” সঙ্গে আরও কিছু লেখা রয়েছে।

বিধানসভার ওয়েবসাইটটা খুলতেই হোম পেজে দেখা যাচ্ছে, বিধানসভার ছবির নীচে একদিকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, ডান দিকে স্পিকার রথীন্দ্র বোসের ছবি। আর তার ঠিক একেবারে ডান দিকে শ্রীকৃষ্ণের ছবি। আর তার সঙ্গে কৃষ্ণের কিছু উক্তি। যেখানে মূলত রাগের অপকারিতা ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

বিধানসভার ওয়েবসাইটে প্রথমে কৃষ্ণ-কথা, পরে বদলে গিয়ে হল রামকৃষ্ণের বাণী
ফাইল ফোটো

 এবার বিধানসভার ওয়েবসাইটে দেখা গেল ধর্মের বাণী। প্রথমে কৃষ্ণের ছবির পাশেই রাগের ক্ষতিকর দিক নিয়ে দীর্ঘ বাণী। রাগের অপকারিতাও ব্যাখ্যাও ছিল তাতে। কিছুক্ষণ পর বদলে যায় ছবি। শ্রীকৃষ্ণের ছবির বদলে দেখা যায় রামকৃষ্ণের বাণী।


বিধানসভার ওয়েবসাইটটা খুলতেই হোম পেজে দেখা যাচ্ছিল, বিধানসভার ছবির নীচে একদিকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, ডান দিকে স্পিকার রথীন্দ্র বোসের ছবি। আর তার ঠিক একেবারে ডান দিকে শ্রীকৃষ্ণের ছবি। আর তার সঙ্গে কৃষ্ণের কিছু উক্তি। যেখানে মূলত রাগের অপকারিতা ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

এক একটার দামই ৩০ থেকে ৬০ হাজার! এয়ারপোর্টে সাদা থার্মোকলের বাক্স খুলতেই বেরিয়ে এল ৫৫০ 'সাপের মাথা'... কয়েক কোটির পার্সেল কোথায় যাচ্ছিল?
লেখা ছিল, “রাগ মানুষের সমস্ত দুর্বলতাগুলোর মধ্যে একটি। যা তাকে সর্বদা ভালো সত্ত্বা থেকে দূরে নিয়ে যায়। জীবনের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলি সম্পর্কে তাকে আরও বিভ্রান্ত করে তোলে।” সঙ্গে আরও কিছু লেখা রয়েছে।



মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে শুভেন্দু বলেন, "ছুটির দিন একজন আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে রাজনীতি করতে গিয়েছেন, পুলিশকে না জানিয়ে। পুলিশ এতো বড় ব্যবস্থা করেছে দেখলাম, যেটা ওনার পাওয়ার কথা নয়। উনি এখন সেই ক্যাটাগরিতে পড়েন কিনা সন্দেহ রয়েছে। আমাদের নির্দেশ রয়েছে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, বয়সও হয়েছে, যতটা সম্ভব পূর্ণ নিরাপত্তা দেওয়া ও সম্মান রাখা।"

মমতার গাড়িতে কাদা, শুভেন্দু বললেন, 'কাদা মাখাবে না কি ফুল ছুড়বে?'
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, শুভেন্দু অধিকারী

হালিশহরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়ির সামনে বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের। আর যাওয়ার পথেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়ি লক্ষ্য করে ছোড়া হল কাদা ও জুতো। মমতাকে লক্ষ্য করে ওঠে চোর স্লোগানও। এবার পানিহাটিতে এসে তা নিয়ে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বললেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ যথাযথ ব্যবস্থাপনা করেছিল। কিন্তু জনরোষের শিকার হয়েছেন তিনি।


মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি টিভির ছবিতে যতটুকু দেখেছি, সিনিয়র পুলিশ ডিসি-র নেতৃত্বে পুলিশ টিম তাঁকে সঠিকভাবে সাপোর্ট দিয়েছে। আমি বিজেপির কোনও পরিচিত মুখও দেখিনি, ঝান্ডাও দেখিনি।” মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, বাড়ির লোক বলছেন তাঁরা ডাকেননি, তাঁরা চাননি মমতা যুক্ত হোন। তাঁর কথায়, “উনি জোর করে বলতে চাইছেন, লক আপে মেরে দিয়েছে, বিজেপি মেরে দিয়েছে। আর বাড়ির লোক বলছে, পুলিশের ভূমিকায় সন্তুষ্ট। রহস্য উদঘাটন হোক, সেটাই চায় পরিবার। কিন্তু সেক্ষেত্রে পরিবার বলছে, পুলিশ-প্রশাসনই বিচার দিতে পারবে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিচার দিতে পারবে না। ”


 এক একটার দামই ৩০ থেকে ৬০ হাজার! এয়ারপোর্টে সাদা থার্মোকলের বাক্স খুলতেই বেরিয়ে এল ৫৫০ 'সাপের মাথা'... কয়েক কোটির পার্সেল কোথায় যাচ্ছিল?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে শুভেন্দু বলেন, “ছুটির দিন একজন আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে রাজনীতি করতে গিয়েছেন, পুলিশকে না জানিয়ে। পুলিশ এতো বড় ব্যবস্থা করেছে দেখলাম, যেটা ওনার পাওয়ার কথা নয়। উনি এখন সেই ক্যাটাগরিতে পড়েন কিনা সন্দেহ রয়েছে। আমাদের নির্দেশ রয়েছে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, বয়সও হয়েছে, যতটা সম্ভব পূর্ণ নিরাপত্তা দেওয়া ও সম্মান রাখা।” তাঁর পরামর্শ, “আপনার কাছ থেকে যদি কেউ সাহায্য চায়, নিশ্চয়ই করুন। কিন্তু আপনি অহেতুক কোনও জায়গায় গিয়ে এমন কিছু করবেন না, যাতে স্বাভাবিক জনজীবন বিপর্যস্ত হয়।”


প্রসঙ্গত, হালিশহর থানার হেফাজতে থাকা অবস্থায় এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, তিনি তৃণমূল কর্মী। রবিবার ছুটির দিনে তাঁর বাড়িতেই যাচ্ছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাস্তায় তাঁর গাড়ির সামনে বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের। আর যাওয়ার পথেই মমতার গাড়ি লক্ষ্য করে ছোড়া হল কাদা ও জুতো।

মুখ্যমন্ত্রীর পরামর্শ, তিলোত্তমার বাড়ি যেতে পারতেন মমতা। হাত জোড় করে ক্ষমা চাওয়ারও পরামর্শ দিলেন। আর সে প্রসঙ্গেই বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “একটা স্টেট হাসপাতালের ভিতরে মেরেছিলেন তিলোত্তমাকে, প্রমাণ লোপাট করতে গিয়েছিলেন, ১০ লক্ষ টাকা দিয়ে কিনতে গিয়েছিলেন, সেদিন আপনার গাড়িতে কাদা মাখাবে না কি ফুল ছুড়বে?”

রবিবারে পানিহাটিতে আয়োজিত একটি স্মরণসভায় তিনি ঘোষণা করেন, স্বজনপ্রীতি বা ব্যক্তি সম্পর্ক দূরে রেখে এই বর্বরোচিত ঘটনায় জড়িতদের কঠোরতম শাস্তি দেওয়া হবে। এর পাশাপাশি, অভয়ার তড়িঘড়ি দেহ সৎকারের পেছনে তৎকালীন প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ভূমিকা, তথা পানিহাটির তৎকালীন বিধায়ক নির্মল ঘোষের ভূমিকা, পাশাপাশি তৎকালীন বারাকপুরের সিপির তদন্ত প্রক্রিয়ার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি।


দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে তিলোত্তমা মামলায় পুনর্তদন্তের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর
পানিহাটিতে শুভেন্দু অধিকারী

অভিশপ্ত ৯ অগাস্টের ২ বছর পূর্তি। তিলোত্তমার মৃত্যুবার্ষিকীতে পানিহাটিতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পানিহাটিতে গিয়ে তিলোত্তমার মৃত্য়ু-রহস্য উদঘাটনে নতুন করে তদন্তের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর। শুভেন্দু বলেন, “লম্বা ২ বছরের লড়াই। দীর্ঘ লড়াই। তবে আমি বলছি, নিশ্চিতভাবে এই লড়াইয়ে তিলোত্তমা জিতবে।”


রবিবারে পানিহাটিতে আয়োজিত একটি স্মরণসভায় তিনি ঘোষণা করেন, স্বজনপ্রীতি বা ব্যক্তি সম্পর্ক দূরে রেখে এই বর্বরোচিত ঘটনায় জড়িতদের কঠোরতম শাস্তি দেওয়া হবে। এর পাশাপাশি, অভয়ার তড়িঘড়ি দেহ সৎকারের পেছনে তৎকালীন প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ভূমিকা, তথা পানিহাটির তৎকালীন বিধায়ক নির্মল ঘোষের ভূমিকা, পাশাপাশি তৎকালীন বারাকপুরের সিপির তদন্ত প্রক্রিয়ার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি।


মমতার গাড়িতে পড়ল পাথর, জুতো, উঠল চোর স্লোগান , দেখুন...
২০২৪ সালের ৯ অগস্ট আরজি করের সেমিনার রুম থেকে উদ্ধার হয় তরুণী চিকিৎসকের দেহ। ঘটনায় সিভিক ভলান্টিয়র সঞ্জয় রায় গ্রেফতার হয় এবং হাই কোর্টের নির্দেশে তদন্তভার নেওয়া সিবিআই তাকে যাবজ্জীবন সাজা দেওয়া পর্যন্ত পৌঁছয়। তবে নির্যাতিতার পরিবারের দাবি ছিল, এই ঘটনায় আরও অনেকেই যুক্ত রয়েছে।


ক্ষমতার পালাবদলের পর শুভেন্দু প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে নতুন আশার আলো হিসাবে দেখছেন তিলোত্তমার মা-বাবা। “২ বছর আগে এই দিনটার কথা আমাদের সকলের মধ্য়ে জাগ্রত হলে বা স্মরণ করলে বিচলিত হই। আমাদের হৃদয় ব্যথাতুর হয়ে পড়ে। চোখ থেকে জল পড়তে শুরু করে। কোনও সভ্য সমাজে বর্বরোচিত ঘটনা ঘটতে পারে, একটা সুরক্ষিত জায়গায় সভ্য ভারতবর্ষে কেউ ভাবতে পারিনি।” তিলোত্তমাকাণ্ডের সময়ে নবান্ন অভিযান নিয়েও মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “রাখিপূর্ণিমায় অরাজনৈতিক নবান্ন অভিযান ছিল সেই সময় আমাদের ‘দিদি’, ডাক্তার বোনের মায়ের মাথায় পুলিশের লাঠি, এত বড় ফোলা আমি অবাক হয়ে গিয়েছিলাম। কী ভয়ংকর অত্যাচারী শাসকের হাতে ছিল বাংলা। ভর্তি করাতে দেয়নি। হাসপাতালের এমার্জেন্সিতে ফেলে রেখেছিল। আমি ভুলি না। যা করণীয় কাজ করছি, আগামিদিনেও করব। এর শেষ আমাকে দেখতেই হবে।”

এবার কমনওয়েলথ গেমসে পদক তালিকায় চতুর্থ স্থানে থেকে অভিযান শেষ করেছে ভারত। মোট ৩৯টি পদক জিতেছে। ১৩টি সোনা, ১৭টি রুপো এবং ৯টি ব্রোঞ্জ। যদিও ২০২৬ সালে ভারতের পদকসংখ্যা ২০২২ সালের বার্মিংহাম কমনওয়েলথ গেমসে জেতা ৬১টি পদকের তুলনায় কম। তবে পরিসংখ্যানের পিছনের ছবিটা কিছুটা আলাদা। বার্মিংহামে জেতা ৬১টি পদকের মধ্যে ৩০টি এসেছিল এমন কয়েকটি খেলা থেকে, যেগুলি গ্লাসগোর কমনওয়েলথ গেমসের সূচি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল।


জো খেলেগা, ও খিলেগা', কমনওয়েলথে পদকজয়ীদের পাশে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তা মোদীর
কমনওয়েলথে পদকজয়ীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

গ্লাসগোতে সদ্য সমাপ্ত কমনওয়েলথ গেমসে ভারতের মুখ উজ্জ্বল করেছেন তাঁরা। আর রবিবার দিল্লিতে কমনওয়েলথ গেমসে পদকজয়ী ক্রীড়াবিদদের সঙ্গে দেখা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কমনওয়েলথ গেমসে পদকজয়ীদের অভিনন্দন জানান তিনি। তাঁদের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করেন। একইসঙ্গে ক্রীড়াবিদদের পাশে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বার্তা দেন, “যারা খেলবে, তারাই সাফল্য পাবে।”


প্রধানমন্ত্রী মোদী ক্রীড়াবিদদের সঙ্গে তাঁর এই সাক্ষাতের একটি ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন। সেখানে ভারতীয় ক্রীড়াবিদদের সঙ্গে তাঁকে হাসি-ঠাট্টার মুহূর্ত ভাগ করে নিতে দেখা যায়। ভারতের সোনাজয়ী বক্সার সাক্ষী চৌধুরী হাতে সেলফি ক্যামেরা নিয়ে বলেন, “হ্যালো বন্ধুরা। আমাদের সম্মানীয় প্রধানমন্ত্রী স্যার কমনওয়েলথ গেমসের সব পদকজয়ীকে এখানে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। আমরা খুব গর্বিত বোধ করছি। তাঁর সঙ্গে দেখা করে খুব ভালো লেগেছে। তিনি খুবই বিনয়ী। স্যার, আপনিও কিছু বলুন।” এরপর প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জো খেলেগা, ও খিলেগা। সবসময় ভারতের জন্য গলা ফাটান। ভারত মাতা কি জয়।” প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গলা মিলিয়ে পদকজয়ী ক্রীড়াবিদরাও ভারত মাতা কি জয় বলেন। 






এবার কমনওয়েলথ গেমসে পদক তালিকায় চতুর্থ স্থানে থেকে অভিযান শেষ করেছে ভারত। মোট ৩৯টি পদক জিতেছে। ১৩টি সোনা, ১৭টি রুপো এবং ৯টি ব্রোঞ্জ। যদিও ২০২৬ সালে ভারতের পদকসংখ্যা ২০২২ সালের বার্মিংহাম কমনওয়েলথ গেমসে জেতা ৬১টি পদকের তুলনায় কম। তবে পরিসংখ্যানের পিছনের ছবিটা কিছুটা আলাদা। বার্মিংহামে জেতা ৬১টি পদকের মধ্যে ৩০টি এসেছিল এমন কয়েকটি খেলা থেকে, যেগুলি গ্লাসগোর কমনওয়েলথ গেমসের সূচি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল।

এবার মাত্র ১২২ জন ক্রীড়াবিদ নিয়ে প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিল ভারত। ২০২২ সালে এই সংখ্যা ছিল ২১০। তা সত্ত্বেও পদক তালিকায় চতুর্থ স্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে ভারত। পাশাপাশি পদক জয়ের হারও বেড়েছে। মোট ৩৮ জন ভারতীয় ক্রীড়াবিদ পদক নিয়ে দেশে ফিরেছেন। ভারতের হয়ে একমাত্র দু’টি পদক জিতেছেন দূরপাল্লার দৌড়বিদ গুলভীর সিং। ২০৩০ সালে কমনওয়েলথ গেমসের শতবর্ষের আসর বসবে গুজরাটের আহমেদাবাদ শহরে।

তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ নিয়ে সুমিত রায় বলেন, "আমি মন্তব্য করতে পারব না।" প্রশ্ন করা হয়, সেবাশ্রয় থেকে বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগে কেন আপনার নাম জড়াচ্ছে? সেবাশ্রয় নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটে রইলেন। বললেন, "বলতে পারব না। সেবাশ্রয় নিয়ে মন্তব্য করতে পারব না।"

পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে ২ মাস কোথায় লুকিয়ে ছিলেন? জানিয়ে দিলেন অভিষেকের PA
কী বললেন সুমিত রায়?

গত ২ মাস ধরে পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে লুকিয়ে ছিলেন তিনি। পুলিশ তাঁকে কোথাও খুঁজে পায়নি। এমনকি, তাঁর খোঁজে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতেও হানা দিয়েছিল পুলিশ। শেষপর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টে রক্ষাকবচ পাওয়ার পর সিআইডি-র তলবে ভবানী ভবনে পরপর দু’দিন হাজিরা দিলেন। আর রবিবার হাজিরা শেষে অভিষেকের আপ্তসহায়ক সুমিত রায় জানিয়ে দিলেন, গত ২ মাস কোথায় ছিলেন তিনি। মুখ খুললেন তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ নিয়েও।


কী বললেন সুমিত রায়?



পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনীতে জমি কেলেঙ্কারি মামলায় গতকাল সিআইডি ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ করে সুমিত রায়কে। রবিবার ফের তাঁকে তলব করা হয়েছিল। এদিন ফের ৮ ঘণ্টার মতো জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় অভিষেকের পিএ-কে। ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের একের পর এক প্রশ্নের মুখে পড়েন সুমিত। বেশিরভাগ প্রশ্নে মুখ খুলতে চাইলেন না। বিচারাধীন বলে পাশ কাটিয়ে গেলেন। আর অনেক প্রশ্নে সংক্ষিপ্ত উত্তর দিলেন।


এদিন সাংবাদিকরা তাঁর কাছে জানতে চান, এই ২ মাস আপনি কোথায় ছিলেন? প্রথমে সুমিত বলেন, “আমি এই বিষয়ে মন্তব্য করতে পারব না।” তারপর ফের প্রশ্ন করায় বললেন, “এদিকে, আশপাশেই ছিলাম।” তাহলে কি কলকাতাতেই ছিলেন অভিষেকের পিএ, উঠছে প্রশ্ন। তাঁকে আরও প্রশ্ন করা হয়, এতদিন আত্মগোপন করে থাকলেন কেন? জবাবে সুমিত বলেন, “সুপ্রিম কোর্ট যেমন নির্দেশ দিয়েছে, তা-ই তো মেনে চলছি।”

তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ নিয়ে বলেন, “আমি মন্তব্য করতে পারব না।” প্রশ্ন করা হয়, সেবাশ্রয় থেকে বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগে কেন আপনার নাম জড়াচ্ছে? সেবাশ্রয় নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটে রইলেন। বললেন, “বলতে পারব না। সেবাশ্রয় নিয়ে মন্তব্য করতে পারব না।”

তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, আপনি কি মনে করেন হেনস্থা করা হচ্ছে? এবার বললেন, “হতে পারে। কিন্তু, এই নিয়ে আমি কোনও মন্তব্য করব না। কারণ, মামলা আদালতে বিচারাধীন। সব কিছুতে মন্তব্য করতে পারব না।” তারপরই বলেন, “হতে পারে। কারা করাচ্ছে বলতে পারব না। পুলিশ যখনই ডাকবে সহযোগিতা করব। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সহযোগিতা করার চেষ্টা করছি।”

তাঁর বিরুদ্ধে সব অভিযোগ অস্বীকার করেন। টাকা নেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে বলেন, “বাজে কথা।” তারপরই বলেন, “আমার বিরুদ্ধে যা অভিযোগ, তা মিথ্যে।” গতকাল তৃণমূলের গাড়িতে করে তাঁর অভিষেকের বাড়িতে যাওয়া নিয়ে সুমিত বলেন, “যে অফিসে কাজ করি, সেই অফিস থেকে গাড়িটা দিয়েছে।”

আগামিকাল চাকরি দুর্নীতি নিয়ে ডেবরার মামলায় তাঁকে ফের তলব করা হয়েছে। নিজেই একথা জানান। বললেন, “কাল ১১টার সময় ডেকেছে।” এদিন তাঁকে কোনও ডকুমেন্ট আনতে বলা হয়নি বলে জানালেন।

দেশাত্মবোধ ও জাতীয় ঐক্যের বার্তা সামনে রেখে রবিবার, ৯ আগস্ট বিকেল ৪টায় কাকদ্বীপ বিডিও অফিসের মোড় থেকে শুরু হয় বর্ণাঢ্য তিরঙ্গা যাত্রা। পদযাত্রাটি কাকদ্বীপ অক্ষনগর নতুন রাস্তার মোড় পর্যন্ত যায়।

এই তিরঙ্গা যাত্রার একেবারে শুরুতে ছিল ‘ভারতমাতা’র ট্যাবলো। এরপর ছিল এনসিসি বাহিনী, তার পরেই ছিল ব্যান্ড পার্টি। ব্যান্ডের সুরে ও জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে যাত্রায় অংশ নেন বহু মানুষ। র‍্যালিতে উপস্থিত ছিলেন কাকদ্বীপের বিধায়ক তথা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রতিমন্ত্রী দীপঙ্কর জানা।

তিরঙ্গা যাত্রাকে ঘিরে কাকদ্বীপের মানুষের মধ্যেও দেখা যায় ব্যাপক উৎসাহ। পথ চলতি মানুষ থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ এবং বাজার রোড সংলগ্ন ব্যবসায়ীরাও এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান।
অন্যদিকে, যাত্রাকে ঘিরে যাতে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়, তার জন্য সুন্দরবন পুলিশ জেলার পক্ষ থেকে মোতায়েন ছিল পর্যাপ্ত পুলিশ বাহিনী। পুলিশের তৎপরতায় নির্বিঘ্নেই সম্পন্ন হয় এই তিরঙ্গা যাত্রা।


কাকদ্বীপ থেকে কৌশিক গিরির রিপোর্ট কাকদ্বীপ ডট কম


দেশাত্মবোধ ও জাতীয় ঐক্যের বার্তা সামনে রেখে রবিবার, ৯ আগস্ট বিকেল ৪টায় কাকদ্বীপ বিডিও অফিসের মোড় থেকে শুরু হয় বর্ণাঢ্য তিরঙ্গা যাত্রা। পদযাত্রাটি কাকদ্বীপ অক্ষনগর নতুন রাস্তার মোড় পর্যন্ত যায়।

এই তিরঙ্গা যাত্রার একেবারে শুরুতে ছিল ‘ভারতমাতা’র ট্যাবলো। এরপর ছিল এনসিসি বাহিনী, তার পরেই ছিল ব্যান্ড পার্টি। ব্যান্ডের সুরে ও জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে যাত্রায় অংশ নেন বহু মানুষ। র‍্যালিতে উপস্থিত ছিলেন কাকদ্বীপের বিধায়ক তথা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রতিমন্ত্রী দীপঙ্কর জানা।

তিরঙ্গা যাত্রাকে ঘিরে কাকদ্বীপের মানুষের মধ্যেও দেখা যায় ব্যাপক উৎসাহ। পথ চলতি মানুষ থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ এবং বাজার রোড সংলগ্ন ব্যবসায়ীরাও এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান।
অন্যদিকে, যাত্রাকে ঘিরে যাতে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়, তার জন্য সুন্দরবন পুলিশ জেলার পক্ষ থেকে মোতায়েন ছিল পর্যাপ্ত পুলিশ বাহিনী। পুলিশের তৎপরতায় নির্বিঘ্নেই সম্পন্ন হয় এই তিরঙ্গা যাত্রা।


কাকদ্বীপ থেকে কৌশিক গিরির রিপোর্ট কাকদ্বীপ ডট কম

গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে মগরাহাট থানার পুলিশের বড়সড় অভিযানে বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার হল। মগরাহাট-২ নম্বর ব্লকের যুগদিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ১২২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনায় দুই সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, উদ্ধার হওয়া গাঁজা কোথা থেকে আনা হয়েছিল এবং কোথায় পাচারের পরিকল্পনা ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এই মাদকচক্রের সঙ্গে আর কেউ জড়িত রয়েছে কি না, সেই বিষয়েও তদন্ত শুরু করেছে মগরাহাট থানার পুলিশ।
মাদক পাচার ও বেআইনি কারবারের বিরুদ্ধে অভিযান আরও জোরদার করা হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে। পাশাপাশি, এলাকায় মাদক সংক্রান্ত কোনও তথ্য সাধারণ মানুষের নজরে এলে তা পুলিশকে জানানোর আবেদন করা হয়েছে।

মগরাহাট থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কেউ মাদকজাত দ্রব্য সংক্রান্ত কোনও তথ্য জানলে নির্দ্বিধায় পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। তথ্যদাতার পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ।


কাকদ্বীপ ডট কম নিউজ টিম

পাথরপ্রতিমার কুমারপুর এলাকায় এক ছাত্রীর শ্লীলতাহানির অভিযোগকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, ওই ছাত্রীর গৃহশিক্ষক দীপক মাইতির বিরুদ্ধে।

ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ দীপক মাইতির বাড়িতে গিয়ে তাঁকে থানায় নিয়ে আসে। পরবর্তীতে ছাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের করা হলে, সেই অভিযোগের ভিত্তিতে দীপক মাইতিকে গ্রেফতার করে পাথরপ্রতিমা থানার পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে পকসো (POCSO) আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

গ্রেফতারের পর অভিযুক্তকে কাকদ্বীপ মহকুমা আদালতে পেশ করা হলে আদালত সাত দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পাথরপ্রতিমা থানার পুলিশ। অভিযোগের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
অন্যদিকে, অভিযুক্ত দীপক মাইতি ভারতীয় জনতা পার্টির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে বিজেপির পাথরপ্রতিমা মণ্ডল-৩-এর সভাপতি অলকেশ পুরকাইত দীপক মাইতিকে দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্তের কথা জানান।

৬ আগস্ট ২০২৬ তারিখে জারি করা দলীয় চিঠিতে দীপক মাইতির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এবং তা নিয়ে তৈরি হওয়া পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে তাঁকে দল থেকে বহিষ্কারের কথা জানানো হয়েছে।

ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য রয়েছে। অভিযোগের সত্যতা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে। পুলিশ ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখছে।


পাথরপ্রতিমা থেকে পূর্ণব্রত হাজরার রিপোর্ট কাকদ্বীপ ডট কম

সাগর বিধানসভা কেন্দ্রের গঙ্গাসাগরের লাইট হাউস মোড় এলাকা থেকে উদ্ধার হল বিপুল পরিমাণ সরকারি কৃষি সরঞ্জাম। একটি বাড়ি থেকে ৫০টিরও বেশি ধান ছাড়ানোর মেশিন-সহ বিভিন্ন কৃষিজাত সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে খবর, বিমল প্রামাণিক নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে ওই সরঞ্জামগুলি মজুত ছিল। অভিযোগ, স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের জন্য বরাদ্দ সরকারি প্রকল্পের সামগ্রী উপভোক্তাদের মধ্যে বিতরণ না করে ওই বাড়িতে রাখা হয়েছিল।

বাড়ির মালিকের দাবি, মাসিক ৫০০ টাকা ভাড়ার বিনিময়ে কয়েকজন রাজনৈতিক নেতার মাধ্যমে ওই সামগ্রী তাঁর বাড়িতে রাখা হয়েছিল। এই ঘটনায় এলাকায় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।
খবর পেয়ে সাগর কোস্টাল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে। সরকারি প্রকল্পের সামগ্রী কীভাবে সেখানে পৌঁছল এবং এর নেপথ্যে কারা রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

গঙ্গাসাগর থেকে সৌরভ নস্করের রিপোর্ট, কাকদ্বীপ ডট কম।

সাগর: সাগরদ্বীপের বামনখালি এলাকায় ঘুরতে থাকা এক মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধাকে পরিবারের হাতে ফিরিয়ে দিয়ে মানবিকতার নজির গড়লেন সাগর ব্লক বিজেপি নেতৃত্ব।

জানা গিয়েছে, গতকাল রাতে স্থানীয়রা ওই বৃদ্ধাকে দেখতে পান। খবর পেয়ে বিজেপি নেতা অরুণাভ দাস ঘটনাস্থলে পৌঁছে কথা বলে তাঁর পরিচয় জানতে পারেন। জানা যায়, তাঁর নাম আমেনা বিবি, বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামের গোপালপুরে।
রাত হয়ে যাওয়ায় তাঁর থাকা ও খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। এরপর নন্দীগ্রামের বিজেপি মণ্ডল সভাপতি সৌমিত্র দে-র সহযোগিতায় পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়। জানা যায়, তিন দিন আগে মেয়ের বাড়ি নামখানায় যাওয়ার পথে ভুল করে গঙ্গাসাগরে চলে আসেন তিনি।

আজ সকালে পরিবারের সদস্যরা পাথরপ্রতিমায় পৌঁছলে আমেনা বিবিকে তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ঘটনায় প্রশংসা কুড়িয়েছেন অরুণাভ দাস ও তাঁর সহযোগীরা।

গঙ্গাসাগর থেকে সৌরভ নস্করের রিপোর্ট কাকদ্বীপ ডট কম

বিয়ের পর ধর্মান্তরের চাপ ও দীর্ঘদিন অত্যাচারের অভিযোগ, স্বামীর বিরুদ্ধে থানায় মহুয়ার

বসিরহাট: প্রেম করে বিয়ের পর স্বামীর ধর্মপরিচয় গোপন করা এবং পরবর্তীতে জোর করে ধর্মান্তরের চাপ দেওয়ার অভিযোগ উঠল বসিরহাটে। প্রায় আট বছর ধরে শ্বশুরবাড়িতে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ তুলে স্বামীর বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন মহুয়া সরকার নামে এক মহিলা। তাঁর অভিযোগ, ধর্ম পরিবর্তনে রাজি না হওয়ায় তাঁকে মারধর করা এবং প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হত।

ঘটনাটি বসিরহাট পুরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের নেওড়া এলাকার বলে জানা গিয়েছে। মহুয়ার দাবি, ২০১২ সালে পরিবারের অমতে পাশের এলাকার বাসিন্দা মুস্তাফিজুর গাজীর সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। অভিযোগ, বিয়ের সময় মুস্তাফিজুর নিজেকে ‘বাপ্পা ব্যানার্জি’ নামে পরিচয় দিয়েছিলেন। বিয়ের প্রায় পাঁচ মাস পর বিভিন্ন নথি দেখে স্বামীর আসল পরিচয় জানতে পারেন তিনি। এরপর বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলতেই তাঁর উপর অত্যাচার শুরু হয় বলে অভিযোগ।

মহুয়ার আরও অভিযোগ, তাঁকে বারবার ধর্ম পরিবর্তনের জন্য চাপ দেওয়া হত। রাজি না হওয়ায় মারধর ও মানসিক নির্যাতন করা হতো। পরবর্তীতে শ্বশুরবাড়ির চাপে তাঁকে ধর্ম পরিবর্তন করতে বাধ্য করা হয় বলে দাবি তাঁর। এমনকি তাঁর নাম বদলে ‘তানিয়া গাজী’ রাখা হয় এবং সমাজমাধ্যমেও ওই নাম ব্যবহার করতে বাধ্য করা হয়েছিল বলে অভিযোগ।
২০১৬ সালে তাঁদের এক পুত্রসন্তান জন্ম নেয়। মহুয়ার অভিযোগ, এরপরও তাঁর স্বামী একাধিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। পরিস্থিতি অসহনীয় হয়ে ওঠায় ২০২৩ সালে রাতের অন্ধকারে শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে কলকাতায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নেন তিনি।

মহুয়ার দাবি, সন্তানকে ফিরে পাওয়ার জন্য স্বামীকে ফোন করলে তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এরপর শুক্রবার বসিরহাট থানায় মুস্তাফিজুর গাজীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পাশাপাশি বসিরহাট আদালতেরও দ্বারস্থ হয়েছেন মহুয়া।

মহুয়ার আইনজীবী কালীচরণ মণ্ডলের দাবি, এ ধরনের ঘটনা বর্তমানে সামাজিক ব্যাধির আকার নিচ্ছে। যদিও মহুয়ার স্বামীর বক্তব্য বা পুলিশের পক্ষ থেকে অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া এখনও জানা যায়নি।

মহুয়ার কথায়, “আমি চরম শাস্তি চাই। যে ভাবে অত্যাচার সহ্য করেছি, তা আর কাউকে যেন করতে না হয়।”

অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।


সৌরভ নস্করের রিপোর্ট কাকদ্বীপ ডট কম