Articles by "all news"
Showing posts with label all news. Show all posts

 


‘মা, আমারে পার্লারে কাম দেওয়ার কথা বইলা সোহাগ আর কালু ইন্ডিয়ার খারাপ জায়গায় দেড় লাখ টাকায় বেইচা ফেলছে।’ মোবাইল ফোনে মেয়ের সঙ্গে যোগাযোগের পর এমন কথা শুনে মায়ের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে। শুভাকাঙ্ক্ষী রূপে পাশে এসে দাঁড়ানো ওই ব্যক্তির কাছে ছুটে যান ওই নারী। তাঁরা বলেন, ‘এসব বাজে কথা, তোমার মেয়ে ভালো আছে।’ এরপর মেয়ের আর ফোন আসে না। এখন পর্যন্ত মেয়েকে ফিরে পাননি বস্তিবাসী ওই নারী। তবে ভারত থেকে নিজের মেয়েকে উদ্ধার করে দেশে ফিরে আসা একই বস্তির এক নারীর কাছ থেকে তিনি জানতে পেরেছেন, তাঁর মেয়ে ভারতের পশ্চিম দিনাজপুরের কিষানগঞ্জের পাঞ্জিপাড়ায় একটি নিষিদ্ধ পল্লীতে বন্দিদশায় রয়েছে।

রাজধানীর পল্লবী থানাধীন কালশী এলাকার শাহপরান বস্তির একটি ঘরে সম্প্রতি যখন ওই নারীর সঙ্গে কথা হয়, তখন তিনি শুধু মেয়েকে ফিরে পাওয়ার আকুতি জানাচ্ছিলেন। তিনি জানান, পল্লবী থানায় অভিযোগও করেছেন তিনি।

গত ১৬ আগস্ট র‌্যাব অভিযুক্ত সেই কালু, সোহাগ ওরফে নাগিন সোহাগ ও বিল্লাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পাওয়া তথ্যের সূত্রে এবং ভুক্তভোগী কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এই পাচারকারীচক্রে রাজিয়া, আসমা, শামসুল, আলী, ভাগিনা বাবুসহ আরো কয়েকজন রয়েছেন। তাঁরা গত কয়েক বছরে ঢাকা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ থেকে দরিদ্র পরিবারের ২০০ মেয়েকে ভারতের নিষিদ্ধ পল্লীতে বিক্রি করেছেন।

কয়েকটি ঘটনা প্রকাশ পাওয়ায় লজ্জা-সংকোচ পেছনে ফেলে ভুক্তভোগী অন্য পরিবারগুলোও প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছে। তাঁদের কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শুধু কালশীর শাহপরান বস্তিরই শতাধিক নারীকে ফাঁদে ফেলে ভারতে পাচার করেছে কালু-সোহাগ চক্র।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, পাচারকারীচক্রটি প্রভাবশালী হওয়ায় অভিযোগ পেয়েও পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে আগে ব্যবস্থা নেয়নি। এমনকি র‌্যাব কয়েকজনকে গ্রেপ্তারের পরেও তদন্তে পাচারের বিস্তারিত বেরিয়ে আসছে না। ভারতে বন্দি থাকা মেয়েদের ফেরত আনার ব্যাপারেও নেই কোনো উদ্যোগ।

জানতে চাইলে র‌্যাব ৪-এর অধিনায়ক মোজাম্মেল হক কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘চক্রটি আরো অনেক মেয়েকে পাচার করেছে বলে আমরা তথ্য পেয়েছি। ফিরে আসা মা-মেয়েও দেখেছে। এই চক্রে আরো কয়েকজন আছে। আমরা মামলাটির তদন্তভার পেতে আবেদন করেছি। তদন্ত পেলে সব বিষয় খতিয়ে দেখা হবে।’

মেয়েকে ফিরে পাওয়ার আকুতি : শাহপরান বস্তির ভুক্তভোগী নারী বলছিলেন, চলতি বছরের ৬ এপ্রিল সোহাগ ও তাঁর মামা কালু সাতক্ষীরায় পার্লারে কাজে দেওয়ার কথা বলে তাঁর মেয়েকে নিয়ে যান। গন্তব্যে পৌঁছার পর কালুর মোবাইল ফোন থেকে ভিডিও কলে মেয়ের সঙ্গে কথা হয়। সোহাগ এসে একদিন মেয়ের বেতনের নাম করে তাঁর হাতে পাঁচ হাজার টাকা তুলে দেন। আরেক মাসে দেন আড়াই হাজার টাকা। সঙ্গে একটি মোবাইল ফোনসেট। মেয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে যখন জানতে পারেন যে তাকে ভারতের নিষিদ্ধ পল্লীতে দেড় লাখ টাকায় বিক্রি করে দিয়েছেন কালু ও সোহাগ, তখন তাঁদের কাছে ছুটে যান। মেয়েকে ফিরে পেতে আকুতি জানান। কিন্তু কোনোভাবেই তাঁর মেয়ের হদিস পাচ্ছিলেন না। মান-সম্মান হারানোর ভয়ে কাউকে কিছু জানাতেও পারছিলেন না। এরই মধ্যে তিনি খবর পান, ভারতে পাচার হয়ে যাওয়া মেয়েকে উদ্ধার করে ফিরেছেন তাঁদের বস্তিরই আরেক নারী। পরিচিত সেই নারীর কাছে যেতেই তিনি বলেন, ‘তোমার মাইয়ারে দেখছি। আমার মাইয়ারে যেখান থেইকা উদ্ধার করছি, সেইখানে। অনেক কষ্টে আছে। ভারতের পশ্চিম দিনাজপুরের কিষানগঞ্জের পাঞ্জিপাড়ায় আছে সে।’ তিনি জানান, তাঁর স্বামী অসুস্থ। দুই ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে কারচুপির কাজ করে অনেক কষ্টে সংসার চলছে তাঁদের। বড় মেয়েটির বিয়ে হয় চার বছর আগে। স্বামী নির্যাতন করার কারণে সম্পর্ক ভেঙে যায়। এর পর থেকেই এক সন্তান নিয়ে মেয়েটি তাঁর কাছেই ছিল। সোহাগ বস্তিতে এসে তাঁর মেয়েকে পার্লারে কাজ দেবেন বলে নিয়ে যান।

ওই নারী বলেন, ‘আমি থানায় অভিযোগ করছি। তারা মামলা না নিয়া খালি জেরা করে। আমি আমার মাইয়ারে ফিরত চাই।’

মেয়েকে উদ্ধার করে ফিরেছেন এক মা : শাহপরান বস্তির অদম্য সেই মা পরিচয় লুকিয়ে নিজেই পাচার হয়ে সাড়ে চার মাস নিষিদ্ধ পল্লীতে বন্দি থেকে মেয়েকে উদ্ধার করে গত ১৭ জুলাই দেশে ফিরেছেন। কালের কণ্ঠ’র সঙ্গে আলাপকালে তিনি ও তাঁর মেয়ে পাচারকারীদের ব্যাপারে বিস্তারিত জানিয়েছেন। তাঁরা বলছিলেন, শাহপরান বস্তিরই দুই নারীকে তাঁরা পাঞ্জিপাড়ার সেই নিষিদ্ধ পল্লীতে দেখেছেন।

ওই নারী বলেন, তাঁর মেয়ে পাচার হওয়ার ঘটনা জানিয়ে গত ১৭ জানুয়ারি পল্লবী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। সন্দেহভাজনদের নাম জানালেও পুলিশ তাঁদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। শেষে পরিচয় গোপন করে কালুর কাছে বিদেশে কাজ চেয়ে স্বেচ্ছায় পাচার হন তিনি। সাতক্ষীরার বিল্লাল এবং ভারতের শামসুলের মাধ্যমে নয়াদিল্লির জিবি রোডের নিষিদ্ধ পল্লীতে পৌঁছে যান তিনি। তবে সেখানে মেয়েকে পাননি। তিনি ছোট ছোট আবদ্ধ কক্ষে বাংলাদেশি কিছু নারীকে দেখেছেন। সাড়ে চার মাস পর কৌশলে সেখান থেকে পালান তিনি। এরই মধ্যে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ হয় ভারতীয় এক যুবকের সঙ্গে। তাঁর সহায়তায় মেয়ের খোঁজ পান দক্ষিণ দিনাজপুরের পাঞ্জিপাড়ায়। স্থানীয় চেয়ারম্যানের সহায়তায় সেখানকার নজরুলের পল্লী থেকে মেয়েকে উদ্ধার করেন তিনি।

জানতে চাইলে ওই নারী বলেন, ‘যে মায়ের কথা বলছেন, তাঁর মেয়েকে পাঞ্জিপাড়ার একটা ঘরে দেখলাম। খারাপ অবস্থা। কথা বলতে পারি নাই। আমার কিছু করার ছিল না। নিজের মেয়েরেই আনতে পারছিলাম না।’ তিনি আরো বলেন, ‘মেয়েকে উদ্ধার করে ফিরে আসার পর শুনেছি, বস্তির আরো দুই মেয়েকে সোহাগ নিয়ে যাবে। আমি তখন ওই দুই পরিবারের কাছে গিয়ে সব ঘটনা খুলে বলি। ওই দুজন আর যেতে রাজি হয়নি। বস্তির অনেক মেয়ে নিখোঁজ আছে।’ তিনি বলছিলেন, বস্তির সবাই জানে বাউনিয়া বাঁধের কালু আর তাঁর ভাগ্নে সোহাগ মেয়েদের চাকরি দেওয়ার কথা বলে নিয়া যান।

ফিরে আসা ১৮ বছরের মেয়েটি বলেন, পার্লারে কাজের কথা বলে সাতক্ষীরা নেওয়ার পর বিল্লাল যখন আরো তিনটা মেয়ের সঙ্গে নৌকায় তাঁকে পার করছিলেন, তখন জানতে পারেন তাঁদের গন্তব্য ভারত। তখন মাঝির মোবাইল ফোন থেকে বাবাকে কল দিয়ে জানান। এরপর ওই পারে আলী নামের একজন তাঁদের চারজনকে নজরুলের কাছে নিয়ে যান। পাঞ্জিপাড়ায় নজরুলের নিয়ন্ত্রণাধীন নিষিদ্ধ পল্লীতে আরো মেয়ে আছে। বাংলাদেশের মেয়েও আছে।

স্ত্রীকে পাচারের অভিযোগ রিকশাচালকের : শাহপরান বস্তির এক রিকশাচালক অভিযোগ করেন, কালু ও সোহাগদের চক্র তাঁর স্ত্রীকে পাচার করেছে। মাসখানেক আগে তিনি ঘটনাটি জানতে পারেন। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আট মাস ধরে কালু আর সোহাগ আমার স্ত্রীকে ভালো চাকরি দিয়ে বিদেশ পাঠানোর কথা বলে আসছিল, কিন্তু আমি রাজি হই নাই। একদিন আমার স্ত্রী কিছু না বইল্যাই বাসা ছেড়ে চলে যায়।’ তিনি স্ত্রীর সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করতে পারেননি বলে জানান।

বস্তির বাসিন্দাদের অভিযোগ, সোহাগ, বাবুসহ কয়েকজন যুবক বস্তিতে ঘুরে মাদক বিক্রি করেন। যেসব ঘরে তরুণী আছে, সেখানে গিয়ে কৌশলে সম্পর্ক তৈরি করেন। আর্থিক অনটনে থাকা এই তরুণীদের বিনা খরচে ভারতের বিভিন্ন মার্কেট, সুপারশপ, বিউটি পার্লারে চাকরির প্রলোভন দিয়ে পাচার করেন তাঁরা।

ভুক্তভোগীরা জানান, সাতক্ষীরার দেবহাটা সীমান্তবর্তী গ্রামে চারটি ‘সেফ হাউসে’ নারীদের রাখেন পাচারকারীচক্রের বিল্লাল। কালু, সোহাগসহ ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুরের দালালরা সেখানে মেয়েদের নিয়ে যান। একদিন অবস্থানের পর নৌকায় করে ইছামতী নদী পার হয়ে ভারতের বসিরহাট সীমান্তবর্তী গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয় ওই মেয়েদের। এ কাজ করেন চক্রের এজেন্ট আলী ও শামসুল। বসিরহাট থেকে কৃষ্ণনগর হয়ে কিষানগঞ্জের পাঞ্জিপাড়া, এরপর আরেকটি রুটে ট্রেনে করে দিল্লিতে নেওয়া হয় তাদের।

জানতে চাইলে পল্লবী থানার ওসি পারভেজ ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘কালু, সোহাগ ও বিল্লালের বিরুদ্ধে দুটি মামলা করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে তাদের পাঁচ দিনের রিমান্ডে আনা হয়। রিমান্ড শেষে কালু ও বিল্লাল ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে।’ তিনি আরো বলেন, ‘এই চক্র শাহপরান বস্তি থেকে আরো মেয়েকে পাচার করেছে বলে শুনছি। তবে পরিবারগুলো অভিযোগ দিচ্ছে না। অভিযোগ পেলে মামলা করা হবে।’


 



সিরাজগঞ্জের তাড়াশে বন্ধুদের সঙ্গে বাইক (মোটরসাইকেল) প্রতিযোগিতায় নেমে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন তুষার আহমেদ (২৬) নামে ছাত্রলীগের এক নেতা। দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার তিন দিন পর সোমবার (৩০ আগস্ট) ভোরে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত তুষার আহমেদ উপজেলার বারুহাস ইউনিয়নের বিনসাড়া গ্রামের জুলফিকার আলী ভুট্টুর ছেলে ও সিরাজগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র। এছাড়াও তাড়াশ উপজেলা ছাত্রলীগের সদস্য।

এর আগে শুক্রবার (২৭ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাড়াশ-রানীরহাট আঞ্চলিক সড়কের পেঙ্গুয়ারী পাগলা বাজার এলাকায় দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন তুষার।

বারুহাস ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মোক্তার হোসেন মুক্তা জানান, পেঙ্গুয়ারী পাগলা বাজার এলাকায় বন্ধুদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা দিয়ে মোটরসাইকেল চালানোর সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি তালগাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে ছাত্রলীগ নেতা তুষারের পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এছাড়া বাইকটিতে থাকা অপর আরোহী বায়েজীদ হোসেনও গুরুতর আহত হয়। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শনিবার দুপুরে দুর্ঘটনাস্থলের পাশের খাল থেকে তার স্বজনেরা বিচ্ছিন্ন হওয়া পা উদ্ধার করেন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার ভোরে তার মৃত্যু হয়।



 মেদিনীপুর শহরের সরকারি বালিকা ভবন থেকে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া ৩ কিশোরীর মধ্যে আরও দুই যুবতীকে উদ্ধার করল কোতোয়ালি থানার পুলিশ। এক সপ্তাহের ব্যবধানে ৩ জনকেই উদ্ধার করতে পেরে স্বস্তিতে পুলিশ প্রশাসন, রাতে ঝাড়খন্ডের জামদা এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয় ওই দুই নাবালিকাকে। প্রসঙ্গত,গত ১ লা জুলাই মেদিনীপুর শহরের বিদ্যাসাগর বালিকা ভবনের পাঁচিল টপকে পালিয়ে যায় তিন নাবালিকা। এরপরেই তিন জনের খোঁজে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। এক সপ্তাহ আগে খড়্গপুর গ্রামীন এলাকার থেকে উদ্ধার করা হয় এক যুবতীকে। দেখা গিয়েছিল ওই যুবতী পালিয়ে মাদপুরের এক যুবককে বিয়ে করে ফেলেছিল। এরপর বৃহস্পতিবার ঝাড়খণ্ডের জামদা থেকে উদ্ধার করা হয় অপর দুই নাবালিকাকে।পুলিশ সুত্রে খবর, মোবাইলের টাওয়ার লোকেশান ট্র্যাক করে উদ্ধার করা হয় দুই নাবালিকাকে। উদ্ধার হওয়া দুই নাবালিকাকে শুক্রবার তোলা হয় মেদিনীপুর দায়রা আদালতে।

 


বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের পক্ষ থেকে প্রকাশিত দৈনিক করোনা বুলেটিন অনুযায়ী, 'গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে নতুন করে ৪১ হাজার ৪৯৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ১ কোটি ৬৮ লক্ষ ১৪ হাজার ৮১৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হলো। নয়া নমুনা পরীক্ষায় আরও ৭১৭ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। যার ফলে রাজ্যে মারণ ভাইরাসে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৫ লক্ষ ৩৫ হাজার ৫৩৪ জনে। মারণ ভাইরাসের ছোবলে নতুন করে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছেন ৯ জন। এ নিয়ে রাজ্যে করোনার বলি হলেন ১৮ হাজার ৪০২ জন।'


স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য অনুযায়ী, 'গত ২৪ ঘন্টায় প্রাণঘাতী ভাইরাসকে হারিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৭২৬ জন। এ নিয়ে সুস্থ হলেন ১৫ লক্ষ ১৭ হাজার ৯৬৫ জন। সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৮ দশমিক ২২ শতাংশ। একদিনে অ্যাকটিভ কেস কমেছে ১৮টি। সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ১৬৭ জনে।'

সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়, গত কয়েকদিন ধরেই কলকাতা মহানগরীতে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে চলেছে। গত ২৪ ঘন্টায় শুধু কলকাতাতেই নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১১৮ জন। রাজ্যে করোনার দৈনিক সংক্রমণের শীর্ষে উঠে এসেছে কল্লোলিনী তিলোত্তমা। কলকাতার পাশাপাশি উত্তর ২৪ পরগনার করোনা চিত্রও উদ্বেগজনক। ওই জেলাতেও দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা একশোর গণ্ডি ছুঁইছুঁই করছে। একদিনে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৯৭ জন।

 


কাবুল বিমানবন্দরের বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা পেরিয়ে গেল ১০০। জানা গেছে, অন্তত ৯০ জন আফগান মানুষ মারা গেছেন বলে নিশ্চিত খবর মিলেছে। এদের মধ্যে মহিলা তো বটেই রয়েছে বেশ কিছু শিশুও। এছাড়াও নিহত অন্তত ১৩ জন মার্কিন সেনা। জখম কয়েকশো মানুষ। আজ সকালে হামলার দায় স্বীকার করেছে আইসিস।গোটা বিশ্বই এই হামলার কড়া ভাষায় নিন্দা জানিয়েছে। গতকাল রাতে প্রথমে খবর মিলেছিল, ১৩ জন নিহত হয়েছেন কাবুল বিমানবন্দরের জোড়া-বিস্ফোরণে। তালিবানের তরফে এমনটাই জানা গেছিল। কয়েক ঘণ্টা পরেই সে সংখ্যা বেড়ে পৌঁছয় চল্লিশে। আজ সকালে জানা যায়, অন্তত ষাট জন মারা গেছেন। কাবুলের একজন স্বাস্থ্য আধিকারিক এমনটাই নিশ্চিত করেন। বেলা গড়াতেই সে সংখ্যা পেরোল ১০০। বিমানবন্দরের কাছাকাছি হাসপাতালগুলিতে পা ফেলার জায়গা নেই। সর্বত্র হাহাকার ও আর্তচিত্‍কার। এরই মধ্যে কিছু ভিডিও সামনে এসেছে, যা দেখলে রীতিমতো শিউরে উঠতে হয়, চোখ ঢাকতে হয়। বিমানবন্দরের গেটের সামনে সারি দিয়ে পড়ে রয়েছে মৃতদেহ। যেন মহাকাব্যের পাতার কোনও যুদ্ধের দৃশ্য। থইথই করছে রক্ত, জল। কোথাও দেখা যাচ্ছে মৃতের পরিবার-পরিজন দেহ ধরে টেনে সরানোর চেষ্টা করছেন। বিশ্বের ইতিহাসে এক চরম মর্মান্তিক অধ্যায় হয়ে রইল গতকালের কাবুল বিস্ফোরণ। কয়েকদিন আগেই আমেরিকা ও অন্যান্য পাশ্চাত্য দেশ আফগানিস্তানে তাদের নাগরিকদের সতর্ক করে বলেছিল, কেউ কাবুল বিমান বন্দরের কাছে যাবেন না। কারণ সেখানে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ হতে পারে। সেই আশঙ্কা সত্যি করে বৃহস্পতিবার বিস্ফোরণ ঘটে কাবুল বিমান বন্দরের কাছে।



প্রথমে বিমানবন্দরের অ্যাবি গেটের সামনে একটি আত্মঘাতী বিস্ফোরণ হয়। ওই এলাকাটি আমেরিকার সেনা দিয়ে ঘেরা ছিল। তার পরেই শুরু হয় এলোপাথাড়ি গুলি-বর্ষণ। এক শিশুর মৃত্যুর খবর মেলে। মোট ১৩ জন মারা গেছেন বলে জানা যায়। তার পরেই দীর্ঘ হতে থাকে মৃত্যুমিছিল। তবে এখানেই শেষ নয়। মার্কিন সেনার তরফে খবর, আরও বিস্ফোরণ হতে পারে। ফলে গোটা এলাকা যেন থমথম করছে। নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হলেও আশঙ্কা এড়ানো যাচ্ছে না কিছুতেই। কারণ গতকালও খবর থাকার পরেও কার্যত এড়ানো যায়নি বিপর্যয়। মার্কিন সেনা সূত্রের খবর, গতকালই আশঙ্কা ছিল কিছু ঘটার। আমেরিকা আফগানিস্তানে তাদের নাগরিকদের সতর্ক করে বলেছিল, কেউ কাবুল বিমান বন্দরের কাছে যাবেন না। কারণ সেখানে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ হতে পারে। সেই আশঙ্কা সত্যি করে বৃহস্পতিবার বিস্ফোরণ ঘটে কাবুল বিমান বন্দরের কাছে। একটা নয়, পরপর দুটো। জানা গেছে, গতকাল প্রথম বিস্ফোরণটি ঘটার পরেই কাবুলে ফ্রান্সের দূত সম্ভাব্য দ্বিতীয় বিস্ফোরণ সম্পর্কে সতর্ক করে দেন। ফরাসি দূত ডেভিড মার্টিনন টুইট করে বলেন, 'আফগান বন্ধুদের উদ্দেশে বলছি, আপনারা যদি বিমান বন্দরের গেটের কাছে থাকেন, অবিলম্বে সরে আসুন। কোনও নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নিন। কারণ যে কোনও সময় আর একটি বিস্ফোরণ হতে পারে।' এর পরেই ঘটে দ্বিতীয় বিস্ফোরণও। কিছুই করা যায়নি তার আগে। রক্তবন্যায় ভেসে গেছে সারি সারি ছিন্নভিন্ন দেহ। আফগান রিপোর্টার বিলাল সারওয়ারি বলেন, স্থানীয় মানুষ জানিয়েছেন, এক আত্মঘাতী বোমারু ভিড়ের মধ্যে বিস্ফোরণ ঘটায়। তারপরে আরও একটা। একজন গুলিও চালাতে থাকে। বিস্ফোরণে ও গুলিতে অনেকের মৃত্যু হয়েছে।


 আম আদমি পার্টিতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা সোনুর। শুক্রবার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং আম আদমি পার্টির কনভেনর রাঘব চাড্ডার সঙ্গে দেখা করেন সোনু। প্রায় দেড় ঘণ্টা চলে বৈঠক। তারপরই যৌথ সাংবাদিক বৈঠকে সোনু সুদ এবং কেজরিওয়াল ঘোষণা করেন, দিল্লি সরকারের এক নতুন কর্মসূচির মেন্টর হিসাবে কাজ করবেন অভিনেতা। সূত্রের খবর, এখনই সরকারিভাবে কেজরিওয়ালের দলে যোগ না দিলেও খুব শিগগিরই আপের পতাকা হাতে নিতে চলেছেন বলিউড অভিনেতা। আগামী দিনে সোনুকে সরাসরি দলে টানতে আগ্রহী কেজরিওয়াল নিজেও। তবে সাংবাদিক বৈঠকে দু'পক্ষই সোনুর রাজনীতিতে যোগের জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছে। আপাতত দিল্লি সরকারের প্রস্তাবিত 'ভারত কে মেন্টর' নামের কর্মসূচিতে অংশ নেবেন অভিনেতা। অবশ্য কিছুদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল সোনু সুদ কংগ্রেসে যোগ দেবেন। এমনকী মুম্বই কংগ্রেসের এক নেতা তাঁকে মুম্বইয়ের মেয়র পদের প্রার্থী করার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন। আবার তেলঙ্গনার শাসক দল টিআরএসের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা নিয়েও আলোচনা কম হয়নি। শেষ পর্যন্ত দিল্লির শাসকদল আম আদমি পার্টিতেই সম্ভবত যোগ দিতে চলেছেন অভিনেতা।

এটা ঘটনা গতবছর লকডাউনের সময় থেকেই নিজেকে মানুষের কাজে নিয়োজিত করেছেন তিনি। কখনও পরিযায়ীদের ঘরে ফিরিয়েছেন তো কখনও গরিব পরিবারের চিকিত্‍সার বন্দোবস্ত করেছেন। আর সবটাই করেছেন নিজের খরচে।


 পুরনো এক ড্রাগ মামলায় ইডি  তলব করল টলিউডের ১২ অভিনেতা     ও ডিরেক্টরকে । ড্রাগ চক্রে যুক্ত থাকার অভিযোগে ২০১৭ সালে এই অভিনেতা এবং ডিরেক্টরদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলে বিশেষ তদন্তকারী দল।  মামলাটি প্রায় ৪ বছরের পুরনো বলেই জানা গিয়েছে।

এই তালিকায় রয়েছেন রাকুল প্রীত সিং, রানা দাগ্গুবতী, রবি তেজা, পুরী জগন্নাথ, চারমি কাউর, মুমাইথ খান। পুরী জগন্নাথকে ইডি তলব করেছে ৩১ অগাস্ট। রাকুল প্রীতকে ডাকা হয়েছে ৬ সেপ্টেম্বর, রানা এবং রবি তেজাকে ডাকা হয়েছে সেপ্টেম্বরের ৮ ও ৯ তারিখে। ১৫ নভেম্বর তলব করা হয়েছে মুমাইথ খানকে। এছাড়াও অভিনেত্রী চারমি কাউকেও তলব করেছে ইডি।

২০১৭ সালে প্রথমে তলব করা হয়েছিল ডিরেক্টর পুরী জগন্নাথকে। তাঁকে প্রায় ১০ ঘন্টা ধরে জেরা করা হয়েছিল। দ্বিতীয় দিনে তলব করা হয়েছিল নামকরা তেলগু সিনেমাটোগ্রাফার শ্যাম কে নাইডুকে। সেই সময় তৃতীয় যাঁকে তলব করা হয়েছিল তিনি ছিলেন বাহুবলী-২-এর অভিনেতা পি সুব্বারাজুকে। তিনি সংবাদ মাধ্যমকে সেই সময় জানিয়েছিলেন, কী ঘটেছে তা তিনি জানেন না। দীর্ঘদিন তিনি ইন্ডাস্ট্রিতে রয়েছেন, কোনও খারাপ কাজ তিনি করেননি বলে দাবি করেছিলেন তিনি।

সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ইডি রাকুল প্রীত সিং-এর বিরুদ্ধে একটি আর্থিক তছরুপের মামলার তদন্তও করছে। যে কারণে তাঁকে ৬ সেপ্টেম্বর সেপ্টেবর ইডির অফিসে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।

সূত্রের খবর অনুযায়ী, সাক্ষী হিসেবেই এইসব অভিনেতা-অভিনেত্রীদের ডাকা হয়েছে। আর্থিক তছরুপের যে মামলাটির তদন্ত ইডি করছে, তা এক্সাইজ ও প্রোহিবিশন ডিপার্টমেন্টের করা।

হায়দরাবাদ এক্সাইড অ্যান্ড প্রোহিবিশন ডিপার্টমেন্টের স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম ২০১৭-র জুলাইয়ে টলিউড সেলিব্রিটি এবং অন্যদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে। সেই সময় এসআইটি এইসব সেলিব্রিটি সমেত ৬২ জন সন্দেহভাজনের মাথার চুল এবং নখের স্যাম্পেল নিয়েছিল। তবে সেই সময় থেকে এখন পর্যন্ত ইডি এইসব সেলিব্রিটিদের বিরুদ্ধে কোনও চার্জশিট দাখিল করেনি। পাশাপাশি এইসব সেলিব্রিটিদের সবাই কিংবা কেউ ড্রাগ চোরাচালান কিংবা ড্রাগ নেওয়ার যুক্ত আছেন কিনা তাও জানায়নি ইডি।



মুম্বই থেকে হায়দরাবাদে কোকেন সরবরাহ করার অভিযোগে দক্ষিণ আফ্রিকার নাগরিক রাফায়েল অ্যালেক্স ভিক্টরকে ২০১৭ সালেই গ্রেফতার করেছিল এসআইটি। সেই সময় টলিউড সুপারস্টার কাজল আগরওয়ালের ম্যানেজার রোশন জোসেফ ওরফে রনিকে গ্রেফতার করেছিল হায়দরাবাদ পুলিশ। অন্যদিকে পরিবারের তরফে সেই সময় দাবি করা হয়েছিল অভিযুক্তরা সবাই নির্দোষ।


নিজেস্ব সংবাদ: দক্ষিণ 24 পরগণা জেলার কাকদ্বীপ চৌরাস্তা মোড়ে  প্রতিবছরের মতো এই বছরেরও একই ভাবে পালিত হলো রাখী বন্ধন  উৎসব এই অতি মহামারী কোরোনা পরিবেশেও পালন করা হয়েছে এই শুভ রাখী বন্ধন উৎসব।  Covid 19 সিচুয়েশনের  কথা  মাথা রেখে ,সম্পূর্ণ ভাবে কোভিড বিধি মেনে  পালিত হয় এই উৎসব।  ঠিক আজ থেকে 116 বছর আগে ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলন প্রতিরোধ করার জন্য  কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রাখী বন্ধন উৎসব পালন করেছিলেন।

 তিনি কলকাতা, ঢাকা ও সিলেট থেকে হাজার হাজার হিন্দু ও মুসলিম ভাই ও বোন কে আহ্বান করেছিলেন একতার প্রতীক হিসাবে রাখি বন্ধন উৎসব পালন করার জন্য। আজও তা পালন করা হয় ভারত বৎসের অলিতে গলিতে আজ কের দিনে  , ঠিক তেমনি  কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সৃষ্টি শুভ রাখী বন্ধন উৎসব, আজ দক্ষিণ 24 পরগনা জেলার কাকদ্বীপ চৌরাস্তা মোড়ে এই উৎসব পালিত হয়। 


 

এই উৎসবে উপস্থিত ছিলেন কাকদ্বীপ তথা সুন্দরবন বিধায়ক  মন্টু রাম পাখিরা মহাশয় , এবং উপস্থিত ছিলেন কাকদ্বীপ SDPO শ্রী অনিল কুমার রায়, এবং এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কাকদ্বীপ তৃণমূল কংগ্রেস ছাত্র পরিষদের সভাপতি দেবাশীষ দাস ও উপস্থিত ছিলেন আরো বিশিষ্ট ব্যক্তি গন।   কাকদ্বীপ .কমের পক্ষ থেকে সকল কাকদ্বীপ বাসিকে রাখী বন্ধনের  প্রীতি শুভেচ্ছা 

ব্যুরো রিপোর্ট আনন্দ দাস, KAKDWIP. com  

            


 কাবুল দখলের পর কি এবার পাকিস্তানেজর তালিবানের? এই প্রশ্নের কারণ, বুধবার পাক-আফগান সীমান্ত অঞ্চলে তালিবানের সঙ্গে পাক সেনার সংঘর্ষের ঘটনা। জানা গিয়েছে, খাইবার-পাখতুনখোয়া অঞ্চলের দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানে তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান গোষ্ঠীর সঙ্গে সংঘর্ষে এক পাক সেনার মৃত্যু হয়েছে। সংঘর্ষে নিহত হয়েছে এক জঙ্গিও। ওই এলাকায় বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণও ঘটিয়েছে তালিবানদের ওই গোষ্ঠীটি। বুধবারের এই সংঘর্ষ নিয়ে যদিও পাক সেনার তরফে অবশ্য নির্দিষ্টভাবে তালিবানের নাম করা হয়নি।বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানের (Waziristan) কান্নিগুরামের সেনা চৌকিতে জঙ্গি হামলায় শহিদ হয়েছেন এক জওয়ান। যদিও পাক সংবাদমাধ্যমের একাংশের দাবি, গোটা দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানেই একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ টিটিপি'র। আমেরিকায় ড্রোন হামলায় নিহত জঙ্গি নেতা বায়তুল্লা মেহসুদ প্রতিষ্ঠিত এই গোষ্ঠী বরাবরই পাক সরকারের বিরোধী। ২০১৪ সালে পেশোয়ারের একটি স্কুলে হামলা চালিয়ে শতাধিক পড়ুয়াকে খুন করেছিল টিটিপি জঙ্গিরা।

এরই মধ্যে বুধবার আফগানিস্তানের জেলে বন্দি টিটিপি-র নেতা মৌলানা ফকির মহম্মদকে মুক্তি দিয়েছে তালিবান। আফগান তালিবানের নেতা মহম্মদ ইয়াকুবের নির্দেশেই তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে পাক সংবাদমাধ্যমের একাংশের দাবি। যা খানিকটা হলেও চিন্তায় রাখছে ইসলামাবাদকে। মৌলানা ফকির মহম্মদ যদি নতুন করে ওয়াজিরিস্তানে টিটিপির নেটওয়ার্ক তৈরির কাজ শুরু করে, সেটা বেশ চাপের হবে ইমরান খানের জন্য। আফগানিস্তানে তালিবানের ক্ষমতা দখল পাকিস্তানে তালিবানিদের এই গোষ্ঠীটিকে নতুন করে উত্‍সাহিত করছে।



যদিও, এখনও তালিবানের সঙ্গে ইমরান সরকারের সুসম্পর্ক বজায় আছে। গত রবিবার তালিবান কাবুল দখলের পরেই তাদের শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান । আফগানিস্তানের পরবর্তী তালিবান সরকারে পাক সেনার মদতে পুষ্ট তালিবান নেতা সিরাজুদ্দিন হাক্কানি গুরুত্বপূর্ণ পদ পেতে পারেন বলেও ইঙ্গিত মিলেছে। খাইবার-পাখতুনখোয়া প্রদেশের উত্তর ওয়াজিরিস্তানে প্রভাব রয়েছে হাক্কানি নেটওয়ার্কের। তালিবানের ভিতরের সমীকরণ বলছে, দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানের টিটিপি এবং সোয়াত উপত্যকায় সক্রিয় 'তেহরিক-ই নিফাজ-ই শরিয়তি মহম্মদি' গোষ্ঠীর সঙ্গে হাক্কানিদের পুরনো শত্রুতা রয়েছে।

 


বৃষ্টির দিনে বাঙালির পাতে খিচুড়ি-ইলিশ থাকবে না , তা কি হয় ? বর্ষার মরশুমে ভালো ইলিশ পাওয়া যায় , তাই হয়তো খিচুড়ির সাথে ইলিশ এক অনবদ্য সংযোজন। তবে প্রাচীন গ্রাম বাংলায় বর্ষা কালে জ্বালানি কাঠ পর্যাপ্ত পরিমানে না থাকায় মানুষ চাল ও ডাল একই সাথে রান্না করতেন। বিশেষ করে বাউল সম্প্রদায়ের কাছে এই খিচুড়ি অন্যতম একটি খাদ্য ছিল। গান গেয়ে গৃহস্থের বাড়ি থেকে সংগ্রহ করা চালডাল তাঁরা রান্না করতেন একত্রে। এই খিচুড়িকে কেন্দ্র করে রয়েছে নানান মজাদার ঐতিহাসিক ঘটনা।

কাহিনি ১ : ঐতিহাসিক লেখনি

আলেকজান্ডারের সেনাপতি সেলুকাসের লেখনীতে খিচুড়ির উল্লেখ রয়েছে। সেলুকাসের বক্তব্য অনুযায়ী এই বিশেষ খাদ্যটি সাউথ এশিয়ায় বেশি জনপ্রিয় ছিল। ১৩৫০ সালে ইমন বতুতার ভ্রমণ কথাতেও চাল এবং ডালের মিশ্রণে তৈরি খিশ্রীর কথা পাওয়া যায়।

কাহিনি ২ : খিচুড়ি যখন কেডজি

কেডজি মূলত ব্রিটিশ আমলের সংস্করণ। যা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হাত ধরে ভারতে পৌঁছায়। অ্যাংলো ইন্ডিয়ানরা সাধারণত রাতের উদ্বৃত্ত খাবারের সংমিশ্রণ পরদিন সকালে সুস্বাদু করে রান্না করতেন। যা কেডজি নামে পরিচিত ছিল।

কাহিনি ৩ : কুশারি

খিচুড়ির অন্যতম একটি রূপ ছিল কুশারি। কুশারি জনপ্রিয় ছিল উনিশ শতকের নিম্নবিত্ত ইজিপশিয়ানদের মধ্যে। এই খাদ্যটি সৈন্য শিবিরে স্থান পেয়েছিল। কুশারি সাধারণত বানানো হতো আদা রসুন পিঁয়াজের সাথে চাল ডাল টমেটো সস এবং ভিনিগার দিয়ে।

কাহিনি ৪ : ভুট্টার খিচুড়ি

আবুল ফজলের লেখা আইন-ই-আকবরীতে তিন ধরনের শাহী খাদ্যের পাশাপাশি সাত রকমের খিচুড়ির নাম পাওয়া যায় । স্বয়ং হুমায়ুন যখন পারস্যে ছিলেন সেখানে হেঁসেলে তৈরি হতো খিচুড়ি । এছাড়াও আকবরের সময়ে বীরবলের গল্পে খিচুড়ির কাহিনি পাওয়া যায় । জাহাঙ্গীরের রন্ধনশালায় স্থান পেয়েছিল গুজরাটের ভুট্টার খিচুড়ি।

কাহিনি ৫ : শাহজাহানী খিচুড়ি

প্রচলিত একটি ইতিহাস কাহিনি রয়েছে। যোধপুরের রাও জোধাকে মেবারের রানা কুম্ভ উত্‍খাত করেছিলেন চিতোর থেকে। রাও জোধা বাধ্য হয়ে ছদ্মবেশে আশ্রয় নিয়েছিলেন এক কৃষকের বাড়িতে। সেখানে তাঁকে আহারে জন্য দেওয়া হয় খিচুড়ি। রাও প্রথমে গরম খিচুড়ি মধ্যে হাত দিয়ে দেন এবং তাঁর হাত পুড়ে যায়। তখন কৃষক গৃহিণী বলেছিলেন খিচুড়ির পাত্রের মাঝখানটা সবচেয়ে বেশি গরম থাকে আর ধারগুলো ঠান্ডা। তাই খিচুড়ি খেতে শুরু করতে হয় ধার থেকে। এই কথায় রাও জোধার মাথায় আসে অন্য এক কুটনৈতিক বুদ্ধি। তিনি সরাসরি চিতোর আক্রমণ না করে চারিপাশের দুর্গ গুলি জয় করে অবশেষে ফিরে পান নিজের রাজত্ব।


 বার্সেলোনা ছেড়ে প্যারিসে লিয়োনেল মেসি। অনুশীলনেও নেমে পড়েছেন পিএসজি-র জার্সিতে। তবে সে সবই অন্দরমহলের দৃশ্য। ফুটবল বিশ্ব কবে নতুন জার্সিতে দেখবে বার্সেলোনার প্রাক্তনীকে? সেই প্রশ্নই এখন ঘুরছে মেসি-ভক্তদের মনে।

এই মরশুমে ফরাসি লিগে (লিগ ওয়ান) দুটি ম্যাচ খেলে ফেলেছে পিএসজি। তবে মেসিকে এখনও মাঠে নামতে দেখা যায়নি। আর্জেন্টিনার হয়ে কোপা আমেরিকা জয়ের পরে এখনও অবধি কোনও ম্যাচ খেলেননি মেসি। প্রাক মরশুম অনুশীলনের সুযোগও পাননি ৩৪ বছরের ফুটবল তারকা। তাঁকে পুরোপুরি ফিট করে তবেই মাঠে নামাতে চাইছেন পিএসজি-র কোচ মরিসিও পচেত্তিনো।

এমন অবস্থায় ৩০ অগস্ট রেইমসের বিরুদ্ধে মেসিকে দেখা যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। লিগের দ্বিতীয় ম্যাচে স্ট্রাসবর্গকে ৪-২ ব্যবধানে হারিয়ে দেয় পিএসজি। এখনও মাঠে না নামলেও দলের খেলা দেখতে মাঠে এসেছিলেন মেসি।

সেই ম্যাচের পর পচেত্তিনো বলেন, 'কোপা আমেরিকা ফাইনালে খেলার পর এখনও অবধি মাত্র দু'দিন অনুশীলন করেছে মেসি। আমরা তাড়াহুড়ো করব না। ধীরে ধীরে একে অপরকে জানার চেষ্টা করব। মেসি পুরোপুরি সুস্থ হোক, দলের সঙ্গে ভাল ভাবে মিশে যাক। তারপরেই অভিষেক হবে ওর।'


 সরকারি হোম থেকে পাঁচিল টপকে পালিয়ে গিয়েছিল ৩ নাবালিকা। নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল। ফের ওই তিন নাবালিকাকেই উদ্ধার করল হোম কর্তৃপক্ষকে। কী কারণে পালিয়ে গিয়েছিল তারা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এদিকে, পালাতে গিয়ে জখম হয়েছিল এক নাবালিকা। সে এখনও কৃষ্ণনগর শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে ভরতি।

ঠিক কী হয়েছিল? শুক্রবার গভীররাতে নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগরের নগেন্দ্রনগরের সরকারি হোম থেকে পাঁচিল টপকে পালিয়ে যায় তিন। পালিয়ে যেতে সক্ষম ওই তিন নাবালিকার মধ্যে একজন বাংলাদেশি। বাকি দুই নাবালিকার বিয়ের বন্দোবস্ত করেছিল পরিবার। তবে তা রুখে দিয়ে ওই সরকারি হোমে রাখা হয়েছিল। হোম সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই তিনজনের সঙ্গে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল আরও একজন নাবালিকাও। যদিও পাঁচিল টপকাতে না পেরে জখম হয় সে। ওই রাতেই বিষয়টি নজরে আসে নগেন্দ্রনগর সরকারি হোম কর্তৃপক্ষের। জখম অবস্থায় নাবালিকাকে কৃষ্ণনগর শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে ভরতি করা হয়।

সরকারি হোম থেকে তিন নাবালিকার পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় হইচই শুরু হয়। হোমের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। ওই নাবালিকারা কোথায় পালিয়ে গেল, সেই তদন্ত শুরু হয়। তবে শনিবার গভীর রাতে ওই নাবালিকাদের স্থানীয় বাসস্ট্যান্ডে বসে থাকতে দেখা যায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের তাদের আচরণে সন্দেহ হয়। খোঁজখবর নিয়ে জানা যায়, তারা হোম থেকে পালিয়ে গিয়েছে। তারপরই হোম কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। আপাতত হোম কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে তাদের। তবে কী কারণে হোম ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পদক্ষেপ নিল তারা, সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি।

 


সমুদ্রের গর্ভে তলিয়ে যাবে ভারতের ১২টি শহর। চাঞ্চল্য কর রিপোর্ট প্রকাশ্যে এসেছে। সেই তালিকায় রয়েছে ভারতের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ উপকূলবর্তী শহর। আইপিসিিস রিপোর্টে এই ভয়ঙ্কর দিনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। পৃথিবীর তাপ বাড়ছে। যার জেরে হিমবাহগুলি গলতে শুরু করেছে আন্টার্কটিকায়। আর বাড়ছে সমুদ্রের জলস্তর। সেকারণেই উপকূলবর্তী একাধিক শহর সমুদ্রের গর্ভে তলিয়ে যাবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিজ্ঞানীরা।


প্রকৃতির রোষ বাড়ছে। মানব সভ্যতার আগ্রাসী উন্নয়নে ভীষণ ভাবে রুষ্ট প্রকৃতি। তার কোপ পড়তে শুরু করেছে। আইপিসিসি যে রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসতেই ঘুম উড়েছে বিজ্ঞানীদের। চারিদিকে ধ্বংসের পূর্বাভাস দিয়েছে আইপিসিসির রিপোর্ট। প্রকাশ্যে এসেেছ একাধিক তথ্য তাতে জানানো হয়েছে পৃিথবীর উত্তাপ বাড়ছে। সেই উত্তাপ বৃদ্ধি সীমা ছাড়িয়ে এগোতে শুরু করেছে। পৃথিবীর উত্তাপ বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে সমুদ্রের উষ্ণতাও। আর এই সমুদ্রের উষ্ণতা বৃদ্ধি মানব জাতিকে ক্রমশ ধ্বংসের দিকে নিয়ে যেতে চলেছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা। তাঁরা এই নিয়ে সতর্ক করেছেন সকলকে। একের পর এত বড় বড় প্রাকৃতিক বিপর্যয় এই ভয়ঙ্কর ভাবে তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণেই তৈরি হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

তলিয়ে যাবে ১২টি শহর



সমুদ্রের জলের উত্তাপ বৃদ্ধির কারণে বরফ গলতে শুরু করেছে আন্টার্কটিকার হিমবাহ গলতে শুরু করেছে। যার কারণে সমুদ্রের জলস্তর বাড়তে শুরু করেছে। মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার বিজ্ঞানীরা ভারতের জন্য আরও দুঃসংবাদ শুনিয়েছেন। গবেষকরা জানিয়েছেন ভারতের ১২টি শহরের উপর ঘনাচ্ছে বড় বিপদ। শতাব্দির শেষে হয়তো এই ১২িট শহর সমুদ্রের গর্ভে তলিয়ে যাবে। সেই তালিকায় রয়েছে মুম্বই, চেন্নাই, কোচি, বিশাখাপত্তনম, ওখা, কলকাতার খিদিরপুর, পারাদ্বীপ, ম্যাঙ্কালোর, তুতিকোরিন, মোরমোগাঁও, ভৌনগর, কান্ডলা। এই জায়গা গুলির অধিকাংশটাই জলের তলায় চলে যাবে বলে জানিয়েছেন তাঁরা। ইতিমধ্যেই সেই জায়গায় গুলিতে জলস্তর বাড়তে শুরু করেছে সমুদ্রের। অল্প বৃষ্টিতেই জলমগ্ন হয়ে পড়ে মুম্বই- কলকাতার মতো শহরগুলি। সেই জল যেেত দীর্ঘ সময় লাগতে শুরু করেছে। তার অন্যতম কারণ এই সমুদ্রের জলবৃদ্ধি।

দ্রুত বদলাচ্ছে আবহাওয়া





গবেষকরা জানিয়েছেন আগে ১০০ বছর অন্তর জলবায়ু পরিবর্তন দেখা যেত কিন্তু এখন সেই সময় ক্রমশ কমতে কমতে এখন ৭থেকে ৮ বছর অন্তরই জলবায়ু পরিবর্তন দেখা দিচ্ছে। ২০৫০ সালেই তা ভয়ানক আকার নিতে চলেছে। ২১ শতকে সমুদ্রের জলস্তর লাগাতার বৃদ্ধি হয়ে চলেছে। যার জেরে উপকূলবর্তী শহরগুলিতে ভীষণ সংকট দেখা দিচ্ছে। গত কয়েক মাসে একের পর এক প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়তে হয়েছে। মুম্বই, কলকাতা, ওড়িশাকে। আয়লা, ফনী, ইয়াস, আম্ফানের মতো বড় বড় ঘূর্ণিঝড়ের মুখে পড়তে হয়েছে ভারতরে। যে সব ঝড়ের তীব্রতা ছিল ভয়ঙ্কর। ভয়ঙ্কর তাদের গতি। ১৭০ থেকে ১৮০ কিলোমিটার বেগে বয়েছে ঝড়। তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে একাধিক বাড়ি, ঘর, গাছপালা। বিপুল সম্পত্তির ক্ষতি হয়েছে। এই ধরনের বিধ্বংসী ঝড়ের মুখে আগে কখনও পড়তে হয়নি ভারতকে। শুধু ঘূর্ণিঝড় নয়। টর্নেগো দেখা দিয়েছে কলকাতায়। যা এক প্রকার অসম্ভব প্রাকৃতিক বিপর্যয় বলে মনে করা হচ্ছে । কারণ এশিয়ার কোনও জায়গায় টর্নেটোর দেখা মেলেনা।

বাড়ছে জলস্তর




আইপিসিসির রিপোর্ট বলছে সমুদ্রের জলস্তর বাড়তে শুরু করেছে। বছরে প্রায় ৩.৭ মিলিমিটার করে বাড়ছে সমুদ্রের উচ্চতা। হিন্দুকুশ হিমালয় রিজিওন ক্রমশ ডুবতে শুরু করেছে। ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির দিকে এগিয়ে চলেছি আমরা। সমুদ্রের জলস্তর বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হিমবাহ গলতে শুরু করা। আন্টার্কটিকার বরফ গলছে। চরম থেকে চরমতর হচ্ছে প্রাকৃতিক বিপর্যয়। এর আরও একটি বড় কারণ সমুদ্রের জলের উত্তাপ বৃদ্ধি। সমুদ্রের জলের উত্তাপ বৃদ্ধির কারণে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে ভারত মহাসাহরে। জলীয়বাষ্মের উত্‍পাদন বাড়ছে যার জেরে সমুদ্রের উপর একের পর এক ভয়াবহ ঘূর্ণিবর্ত তৈরি হচ্ছে। সেগুলি ভীষণ গতিতে ধেয়ে আসছে ভূখণ্ডের দিকে। ভারত মহাসাগরে এইধরনের ঘূর্ণিঝড় বা সাইক্লোনের উত্‍পাদন বেশি মাত্রায় হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া বিদরা।



 একটানা বৃষ্টি যেমন রীতিমতো দুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছিল গ্রামবাসীদের, তেমনই আবার বাড়ির কাছে নদীর তীরে ধনসম্পদ চলে এল অজান্তেই।

একটানা মুষলধারে বৃষ্টির পর মধ্যপ্রদেশের একাধিক জেলা প্লাবিত। স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি বৃষ্টি হওয়ায় মধ্যপ্রদেশের সিন্ধ নদীর জলস্তর বেড়ে গিয়েছিল অনেকটাই। কিন্তু বৃষ্টি থামার পর জলস্তর নেমে যেতেই হতবাক হয়ে গিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। নদীর জল নেমে যেতেই তীর জুড়ে পড়ে থাকতে দেখা যায় রাশি রাশি রুপোর মুদ্রা। ঘটনাটি ঘটেছে অশোক নগরের পাঁচওয়ালি গ্রাম। রহস্যময় এই ঘটনার তদন্তে পুলিশও নেমেছে।



কিন্তু পুলিশের কান পর্যন্ত খবর পৌঁছনোর আগে অবাধে লুঠপাট চালালেন গ্রামবাসীরা। তীর জুড়ে রুপোর মুদ্রা পড়ে থাকার খবর শুনে ভীড় জমিয়েছেন আশপাশের গ্রামের বাসিন্দারাও। যদিও মুদ্রাগুলো ব্রিটিশ আমলের। যা দেখেই গুপ্তধন বলেই মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। গ্রামবাসীরা জানাচ্ছেন!  কাছের একটি বাড়িতে প্রচুর সম্পত্তি লুকোনো ছিল। হয়তো নদীর জলে সেগুলোই ভেসে এসেছে। আবার কারও দাবি, অনেকেই প্রার্থনা করে নদীতে রুপোর মুদ্রা ফেলেছিলেন। যদিও সেসব বিষয় নিয়ে বেশি মাথা ঘামাচ্ছেন না স্থানীয় বাসিন্দারা।


অন্যদিকে ওই অঞ্চলের এসডিপিও জানাচ্ছেন, নেপাল মাধ্যমেও এই খবর তিনি প্রথম শোনেন। অফিসাররা খবর পেয়ে ইতিমধ্যেই পৌঁছে গিয়েছেন সেখানে। কীভাবে রাশি রাশি মুদ্রা তীরে এল, তা ঘিরে তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ।

 


 জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর ডাকে ১৯৪২ সালে আজকের দিনে সারাদেশ জুড়ে শুরু হয়েছিল 'ভারত ছাড়ো' আন্দোলন। ব্রিটিশদের ভারত ছাড়ার ডাক দিয়ে আন্দোলন শুরু করেন মহাত্মা গান্ধী। এই আন্দোলনে অনেকের মতোই যোগ দিয়েছিলেন কলকাতার কার্তিক চন্দ্র দত্ত। ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সংগ্রামী কার্তিকবাবুর বাসভবনে এসে পৌঁছাল রাষ্ট্রপতির তরফে সম্মানপত্র। যেহেতু এইদিনেই ভারত ছাড়ো আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল, তাই একইদিনে জাতীয় সম্মান পেয়ে আপ্লুত কার্তিক দত্তের পরিবার। প্রতিবছরের মতো এই বছরও এই সম্মান পেলেন কার্তিকবাবু। যদিও ৯৭ বছর বয়সি কার্তিকবাবুর স্মৃতির পাতায় মুছে গেছে একাধিক ঘটনা। আগের কথা কিছুই স্মরণে নেই কার্তিকবাবুর। 
বার্ধক্যজনিত কারণে জীবনের বহু স্মৃতিই নষ্ট হয়ে গেছে তাঁর। কসবার দত্ত পরিবারের অনেকেই যুক্ত ছিলেন ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের সঙ্গে। বড় ও মেজো ভাইয়ের দেখাদেখি ছাত্রজীবন থেকেই স্বাধীনতা সংগ্রামের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার বাসনা জাগে। তাঁর বাড়িতে ছিল কংগ্রেস নেতাদের আনাগোনা। সেই থেকেই স্বাধীনতা সংগ্রামে যুক্ত হওয়ার বাসনা নিয়ে দাদাদের অনুসরণে বন্ধু-বান্ধবরা মিলে জড়ো হতেন একাধিক মিটিং-মিছিলে। এইভাবে পথ চলা শুরু কার্তিকবাবুদের। তারপর আসে ভারত ছাড়ো আন্দোলন। গুপ্ত চিঠি নিয়ে পাড়ি দেন অধুনা বাংলাদেশের ঢাকার চন্দ্রকান্ত ভূষণ রায়চৌধুরীর কাছে। ওখানকার গান্ধী ময়দানে চলে ইংরেজদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ। জেলও খাটেন কার্তিকবাবুরা। 



স্বাধীনতার পরে প্রতি বছরই ৯ আগস্ট স্বাধীনতা সংগ্রামীদের সম্মানিত করে ভারত সরকার। দিল্লীতে সেই অনুষ্ঠানে যোগ দেন স্বাধীনতা সংগ্রামীরা। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে সম্মানপত্র নেন তাঁরা। তবে গত ২ বছর করোনার কারণে বাড়িতেই চলে আসে সেই সম্মানপত্র। স্বরাষ্ট্র দফতরের পক্ষ থেকে এই সম্মান বাড়িতে পাঠানো হয়েছে। এই সম্মানে খুশি পরিবার। কার্তিকবাবুর পুত্রের কথায়, 'বাবার কাজে গর্বিত। ভারত সরকারের এই সম্মান প্রতিবছরই পেয়ে থাকেন বাবা। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী প্রতিবছরই সংবর্ধনা দেন বাবাদের। সব রাজ্য থেকে পাঁচজনকে এই সময় দিল্লি নিয়ে যাওয়া হয়।' কেন্দ্রের তরফে এখন শুধুমাত্র ট্রেনের পাসটুকু পান কার্তিকবাবুরা। তবে বয়েসজনিত কারণে কোথাও যেতেই পারেন না তিনি। সম্বল কিছু ঝাপসা হয়ে যাওয়া স্মৃতির পাতা আর কেন্দ্রের দেওয়া প্রতি বছরের এই সম্মান।

 


পুজোর ছুটির পরে পর্যায়ক্রমে স্কুল খোলার ভাবনা। পুজোর পর একদিন অন্তর স্কুল খোলা যেতে পারে। করোনা কালে স্কুল খোলা নিয়ে আজ একথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।  এক বছর ধরে করোনার কারণে বন্ধ রয়েছে সব স্কুল। শিক্ষক-শিক্ষিকারা স্কুলে গেলেও দেখা মিলছে না ছাত্রছাত্রীদের। মুখ্যমন্ত্রীর এই ভাবনায় খুশি শিক্ষক-শিক্ষিকারা। তাঁদের মতে, রাজ্যের কোভিড বিধিনিষেধ অনেক সরল হয়েছে। খুলেছে শপিং মলও। আর সেখানে যাচ্ছে ছাত্রীছাত্রীরাও। তাহলে স্কুলে গিয়ে পঠনপাঠনে কোন সমস্যা হওয়ার কথা নয়। পাশাপাশি শিক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, স্কুল বন্ধ থাকায় অনেকটাই ক্ষতি হয়েছে শিক্ষার। এখন আরও ক্ষতি আটকাতে নতুন করে খুলতে হবে স্কুল, অবশ্যই কোভিড স্বাস্থ্যবিধি মেনে।

 

 

s34

এক তরুণীর সাহসে ভর করে যৌন নিগ্রহে অভিযুক্ত এক যুবককে গ্রেফতার করল গুয়াহাটি পুলিশ। জানা গিয়েছে, সাহসী সেই তরুণী নিজেই নিগ্রহের শিকার। সেই কাহিনী ৩০ জুলাই ফেসবুক পোস্ট করতেই ভাইরাল। নিগ্রহের শিকার হয়েও সাহস দেখানোর জন্য সেই তরুণীকে কুর্নিশ জানাচ্ছে নেট দুনিয়া। অসম পুলিশ সূত্রে খবর, ৩০ জুলাই সন্ধ্যায় শহরের রুক্মিণী নগর এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে।

ঠিক কী হয়েছিল? ফেসবুকে পোস্ট করে ওই তরুণী জানান, 'মধুছানা রাজকুমার নামে এক যুবক স্কূটিতে এসে তাঁর সামনে দাঁড়ায়। তাঁকে দিক নির্দেশ জানতে চায়। তরুণী জানান সে ওই রাস্তা চেনেন না। তখনই সেই যুবক তাঁর গোপনাঙ্গ ছোঁয়ার চেষ্টা করে। কুকীর্তি করেই স্কুটি নিয়ে চম্পট দিতে যায় অভিযুক্ত।' তরুণী লিখেছেন, 'ওই অবস্থায় আমি একটুও না ভেবে ওকে পিছন থেকে সর্বশক্তি দিয়ে ধরার চেষ্টা করি। রাস্তায় পড়ে গেলে ওর স্কুটির পিছনের চাকা টেনে ধরি। সেই অবস্থায় অভিযুক্ত আমাকে খানিকটা টেনে নিয়ে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায়। উলটে পড়ে রাস্তার ধারে ড্রেনে।'

সেই পোস্টে আরও লেখা, 'এরপরেই সেই রাস্তায় ভিড় জমে। আমি সহ-নাগরিকদের বলি অভিযুক্তের মাস্ক-হেলমেট খুলে তাঁর নাম-ঠিকানা জানতে। কোনওভাবে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছয়। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে মামলা রুজু করেছে গুয়াহাটি পুলিশ।' ওই তরুণী আরও লেখেন, 'যদি আমি সেই সময় নিজের সাহস না দেখাতাম, তাহলে এই ঘটনা আমার জীবনে খারাপ অভিজ্ঞতা হয়ে থাকত। আমার আগে বা পরে আরও দশ জনকে সেই অভিযুক্ত এভাবেই নিগ্রহ করত/করেছে।'

এই ঘটনায় নিজেদের ট্যুইটার পেজে গুয়াহাটি পুলিশ লিখেছে, 'দিসপুর থানার অধীনে হওয়া এই নিন্দাজনক নিগ্রহের ঘটনায় এফআইআর দায়ের হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে গুয়াহাটি থানায় এই মামলা স্থানান্তরিত করা হয়েছে। আইনি পথেই এই মামলার নিষ্পত্তি হবে এবং নিগৃহীতাকে ন্যায় দেওয়া হবে।


 জম্মু, ৪ আগস্ট : ভেঙে পড়ার একদিন পরেও নিখোঁজ দুর্ঘটনাগ্রস্ত সেনা হেলিকপ্টার ধ্রুবের পাইলট ও সহকারী পাইলট। গতকাল মঙ্গলবার জম্মু ও কাশ্মীরের খাটুয়া জেলার রঞ্জিত সাগর ড্যামে ভেঙে পড়ে ভারতীয় সেনা হেলিকপ্টার ধ্রুব। এই দুর্ঘটনার পরে এখনও পর্যন্ত ভারতীয় প্রতিরক্ষার তরফে দুর্ঘটনাগ্রস্ত হেলিকপ্টারের চালক ও সহকারী চালক সুস্থ আছেন সংক্রান্ত তথ্য দিয়ে কোনও বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি। ঘটনাস্থল রঞ্জিত সাগর ড্যামের অবস্থান খাটুয়ার বাসোলি এলাকায়। এখানেই ভেঙে পড়ে ধ্রুব। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে কাটুয়া পুলিশ উদ্ধারকাজে ছুটি গিয়েছিল। সেই সূত্রেই জানা গেছে যে ধ্রুবের পাইলট ও সহকারী পাইলটের খোঁজ মেলেনি

উদ্ধারকারীরা জলাধার থেকে একটি হেলমেট, একটি পিঠুব্যাগ, একজোড়া জুতো উদ্ধার হয়েছে। তবে সেখানে নিখোঁজ পাইলট ও সহকারী পাইলটের উপস্থিতির কোনও চিহ্ন নেই। অন্ধকার হয়ে যাওয়ায় গতকাল উদ্ধারকাজ বন্ধ রাখা হয়েছিল। আজ সকাল থেকে ফের উদ্ধারকার্য শুরু হবে। এমনটাই জানিয়েছেন সেনার এক আধিকারিক। পাঞ্জাবের পাঠানকোট থেকে হেলিকপ্টারটি উড়েছিল প্রথমে খুব নিচে দিয়ে যাওয়ার পর ড্যামের জলে ভেঙে পড়ে।

 


শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন সারা পৃথিবীর ক্ষমতাশালী প্রভাবশালী নেতা হচ্ছেন নরেন্দ্র মোদী। চাকরি দেওয়া এবং 15 লক্ষ টাকা প্রতিশ্রুতি দিয়েও কথা রাখতে পারেননি নরেন্দ্র মোদী। তাই রীতিমতো প্রধানমন্ত্রীকে বিদ্রুপ করে আজ এক কাপ করে চা খাওয়ানোর ব্যবস্থা করলেন মদন মিত্র । এবং সেই এক কাপ চায়ের দাম ছিল ১৫ লক্ষ টাকা।

আজ মদন মিত্রকে ভবানীপুরে এই চা তুলে দিতে দেখা গেল। চায়ের নাম দিয়েছিলেন মোদী চা আদানি ব্র্যান্ড। তিনি বলেন মানুষ তো ১৫ লক্ষ টাকা অ্যাকাউন্টে পায়নি তাই ১৫ লক্ষ টাকার এক কাপ চা খাওয়াচ্ছি। মদন মিত্রের অনুগামীরা নরেন্দ্র মোদীর মুখোশ পড়ে থাকেন।মদন মিত্রের পরনে ছিল কালো পাঞ্জাবি, মাথায় টুপি, চোখে সানগ্লাস।



নিম্নচাপের জেরে টানা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলা। ভয়ঙ্কর বন্যায় দক্ষিণবঙ্গে মৃত্যু হয়েছে ১৬ জনের। মৃতদের পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। গতকালই নবান্নে রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি মৃতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করে দেন। একাধিক ড্যাম থেকে ছাড়া হচ্ছে জল। অন্যদিকে টানা বৃষ্টিতে নদীগুলিতে বেড়ে গিয়এছে জল। ফলে জলের তলায় দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলা। বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। রাজ্যের বিভিন্ন দপ্তরের মন্ত্রীদের বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে বিপর্যস্ত এলাকায় যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের দ্রুত ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করারও নির্দেশ দেন জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের। লাগাতার বৃষ্টির জেরে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বাঁকুড়া, হাওড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, দুই বর্ধমান-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় মাটির বাড়ির দেওয়াল ভেঙে অথবা বিদ্যুত্‍স্পৃষ্ট হয়ে মোট ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে হবে।বন্যা দুর্গতদের ত্রাণ সামগ্রী দিয়ে সাহায্য করতে হবে। বিপর্যস্ত এলাকা গুলিতে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদেরও প্রতিনিয়ত যাওয়ার নির্দেশ দেন মমতা ব্যানার্জি। জেলার মন্ত্রীদেরও গোটা বিষয়টি বিপর্যস্ত এলাকায় গিয়ে ঘুরে দেখতে হবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, গতকালই পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটালে বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে যান রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখার্জি।


সুব্রত বাবুর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সেচ মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র সহ জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা। নৌকায় চেপে ঘাটালের বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন সুব্রত মুখার্জি। বন্যায় বিপর্যস্ত সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথাও বলেন সুব্রত মুখার্জি, সৌমেন মহাপাত্ররা। দ্রুত সমস্ত বিষয় সমাধান করা হবে বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের আশ্বাসও দেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখার্জি।