ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার কাকদ্বীপে হাইস্কুল মাঠ মেলা প্রাঙ্গণের সামনে আলিশান বিরিয়ানি হাউসে। গত অষ্টমীতে ঘটলো এমন এক ঘটনা। দোকানের সিসিটিভি ফুটেজ চেক করে দেখা যায় কতটা দক্ষ কৌশলে ক্যামেরাটি চুরি করছে একদল যুবক।
দিন দিন বেড়ে চলেছে চোর দের উপদ্রব, সাধারণত দূর্গা পূজার সময় মানুষ রাত জেগেই পুজো দেখে। আর সেই সুযোগ নিচ্ছেই চোরেরা। বিভিন্ন পাড়ায় পাড়ায় শোনা যাচ্ছে এখন চুরির ঘটনা। কিন্তু এটাতো পুরো এক উল্টো ঘটনা, দোকান ভর্তি লোকের মধ্যেই চলছে চুরি।
জানাযায় ক্যামেরাটির মূল্য ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা মডেল নম্বর NIKON Z5 । গত অষ্টমীতে বন্ধুদের সঙ্গে ক্যামেরাটি নিয়ে ক্যামেরার মালিক সোমনাথ মজুমদার ঠাকুরদেখার শেষে খেতে যায় ওই বিরিয়ানি দোকানে। কিছু সময় পরে দোকানে প্রবেশ করে একদল যুবক। তারা চারপাশ খেয়াল করে তারপর নিজেদের হেলমেটের মধ্যে ক্যামেরাটিকে ঢুকিয়ে দেয়, এবং চম্পট দেয় ওইখান থেকে। এই ঘটনা জানার পর ওই দোকানে থাকা সমস্ত কাস্টমারের মাথায় হাত। সিসিটিভিতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে চোরদের মুখ, সেই অনুযায়ী তদন্ত শুরু করা হয়েছে। এদের কে কেউ দেখে থাকলে বা চীনে থাকলে সত্তর যোগাযোগ করুন ক্যামেরার মালিকের সঙ্গে।
কাকদ্বীপ ডট কম নিউজ টিম
একুশে জুলাইয়ে ধর্মতলার সভায় যোগ দিতে সাগরের কচুবেড়িয়া ভেসেল ঘাট থেকে ট্রলারে ও ভেসেলে করে রওনা দিলো তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীর সমর্থকরা,
ট্রলারে ও ভেসেলে করে একুশে জুলাইয়ের ধর্মতলার সভায় যোগ দেওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিলো সাগর ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকরা
রিপোর্টার : সৌরভ মণ্ডল (দক্ষিণ ২৪ পরগণা)
সারা হয়ে গিয়েছিল বাগদান পর্ব (Engagement)। বিয়ের বাকি ছিল আর মাত্র কয়েকটা দিন। কিন্তু তার আগে, আজ শেষযাত্রায় (last rite) পাড়ি দিলেন পঞ্জাবের (Punjab) জনপ্রিয় গায়ক ও রাজনীতিক সিধু মুসেওয়ালা (Sidhu Moosewala)।
সামনেই ছিল সিধুর বিয়েগত ২৯ মে, রবিবার, প্রকাশ্যে নিজেরই গ্রামে গুলি করে খুন করা হয় সিধু মুসেওয়ালাকে। ২৮ বছর বয়সী এই গায়কের বাগদান হয়ে গিয়েছিল। পাত্রী সঙ্গরুর জেলার সঙ্ঘরেরি গ্রামের। পরের মাসে বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। চারহাত এক করে, সুখে সংসারের স্বপ্ন অধরাই রয়ে গেল।
পরিবার সূত্রে খবর, চলতি বছরের এপ্রিল মাসে বাগদত্তা আমনদীপ কৌরের (Amandeep Kaur) সঙ্গে বিয়ে হওয়ার কথা ছিল সিধুর। কিন্তু মার্চে পঞ্জাব বিধানসভা ভোটে সিধু লড়বেন বলে বিয়ে পিছিয়ে দেওয়া হয়। মানসা থেকে কংগ্রেসের হয়ে লড়েন সিধু কিন্তু আম আদমি পার্টির বিজয় সিংলার কাছে পরাজিত হন।সূত্রের খবর, বিয়ের কথা দুই পরিবারই গোপন রেখেছিলেন। তবে সিধুর মৃত্যুর পর সেই খবর প্রকাশ্যে আসে। সিধুর মা একটি পুরনো সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন যে শীঘ্রই বিয়ে করবেন গায়ক। এখন সেই ভিডিওই ভাইরাল হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।
সূত্রের আরও খবর, সিধু মুসেওয়ালার বাগদত্তা আমনদীপ কৌর কানাডায় থাকেন এবং ২ বছর আগে তাঁরা বাগদান সেরেছেন। দুই পরিবারে চলছিল বিয়ের প্রস্তুতি।
বোমা তৈরির পর তা ছবি তুলে পাঠানো হতো গ্রাহকের কাছে। গ্রাহকের পছন্দ হলে চলত দরাদরি। পুলিশ সূত্রে খবর, একবারে বেশি পরিমাণে কিনলে থাকত বিশেষ ছাড়ও।এ যেন অনলাইন খাবার ডেলিভারির কাজ। তফাৎ একটাই, খাবারের বদলে ডেলিভারি হয় বোমা। কাটোয়ার মুলটিতে এমনই এক নেটওয়ার্কের পর্দাফাঁস পুলিশের। জালে এক অভিযুক্ত। ধৃতের নাম মকবুল শেখ।
কী অভিযোগ?
নানা ধরনের বোমা (Bomb)। এক এক বোমার, এক একরকম আয়তন, এক একরকম কাজ। বোমা তৈরির পর তা ছবি তুলে পাঠানো হতো গ্রাহকের কাছে। গ্রাহকের পছন্দ হলে চলত দরাদরি। পুলিশ সূত্রে খবর, একবারে বেশি পরিমাণে কিনলে থাকত বিশেষ ছাড়ও।
কীভাবে বেচাকেনা:
পুরো প্রক্রিয়া চলত অনলাইনেই (Online)। অনলাইনের বরাত পাঠাত ক্রেতা। দরদামও হতো। তারপর পার্সেল করে নির্দিষ্ট ঠিকানায় পাঠিয়ে দেওয়া হতো বোমা। টাকাও পাঠানো হতো অনলাইনেই।
কোন বোমার কত দাম?
২৫০ টাকায় সুতলি বোমা, ৪৫০ টাকায় কৌটো বোমা বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। ধৃতকে জেরা করে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য পুলিশের হাতে।
বহুদিন ধরেই বোমার ব্যবসার খবর ছিল জেলা পুলিশের কাছে। কিন্তু কীভাবে বেচাকেনা চলছে তা বোঝা যাচ্ছিল না। শেষপর্যন্ত অভিযান চালিয়ে বোমা উদ্ধার করা হয়। অভিযুক্তের বাড়ির শৌচালয়ের ছাদ থেকে বোমা উদ্ধার করা হয়। সুতলি বোমা, কৌটো বোমা উদ্ধার হয়। বম্ব স্কোয়াডকে ডাকা হয়েছে। অভিযুক্তের ফোন দেখতেই অভিনব পদ্ধতির পর্দা ফাঁস। সেখান থেকে তথ্য খুঁজছে পুলিশ। কোথায় তৈরি হতো বোমা, আর কারা কারা যুক্ত, কারা এসব কিনত, সেগুলো খোঁজা হবে। অর্ডার পেয়েই কী বোমা তৈরি হতো? সেক্ষেত্রে কারা বরাত দিত সেটাও খোঁজা হচ্ছে।
কী বলছেন প্রাক্তন পুলিশকর্তারা:
রাজ্য পুলিশের প্রাক্তন আইজি পঙ্কজ দত্ত বলেন, 'এটা আর তাজ্জব হওয়ায় বিষয় নয়। আমি আর অবাক হই না। এবার তো মেশিন গানও অনলাইনে পাওয়া যাবে। পুলিশ ধরেছে তাও ভাল। কারা কিনত, কীভাবে কিনত, সবই দেখতে হবে।' প্রাক্তন পুলিশ কর্তা সলিল ভট্টাচার্য বলেন, 'আর সত্যিই বলার কিছু নেই। বোমা অফুরন্ত। নতুন নতুন ঘটনা ঘটছে। বোমা তৈরি, অস্ত্র ব্যবসা, এখন কুটির শিল্প হয়ে গিয়েছে।'
শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজাও:
বিজেপি (BJP) নেতা রাহুল সিনহা বলেন, 'এর চেয়ে চমৎকৃত খবর সারা বিশ্বে হয়েছে কিনা জানি না। দুয়ারে রেশন, দুয়ারে সরকারের পর দুয়ারে বোমও পৌঁছে যাচ্ছে।' পাল্টা তোপ দেগেছে তৃণমূলও। তৃণমূল (TMC) নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, 'পুলিশ কাজ করছে বলেই এগুলো উদ্ধার হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী হিংসা দূর করার কথা বলছেন। বিজেপির কতটা ইন্ধন রয়েছে দেখতে হবে।'
তখন ভোরের আলো সবেমাত্র ফুটেছে। ডায়মন্ড হারবারের (Diamond Harbour) বাটা পেট্রোল পাম্পের কর্মীদের চোখ কপালে ওঠার জোগাড়। থানা থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে এই পেট্রোল পাম্পের সামনে পড়ে রয়েছেন খাকি উর্দিধারী এক ব্যক্তি। পরে জানা যায় তিনি ডায়মন্ড হারবার থানার এএসআই (ASI) সমীর দাস।
এসএসসিতে দুর্নীতি করে চাকরি। আদালতের নির্দেশে চাকরি গিয়েছে মন্ত্রী কন্যা অঙ্কিতার। তার এক সপ্তাহের মধ্যেই কলেজ সার্ভিস কমিশনের তািলকায় নাম উঠল পরেশ কন্যার। তাঁকে ইন্টারভিউতেও কল করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বাবার ক্ষমতা ব্যবহার করে যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও চাকরি পেয়েছিলেন অঙ্কিতা এমনই অভিযোগ রয়েছে।
কলেজ সার্ভিস কমিশনের তালিকায় অঙ্কিতা

কলেজ সার্ভিস কমিশনে নাম উঠেছে পরেশ অধিকারীর কন্যা অঙ্কিতার। কয়েকদিন আগেই আদালতের নির্দেশে শিক্ষকতার চাকরি হারিয়েছেন তিনি। তার কয়েকদিনের মধ্যেই নতুন সুযোগ এসে হাজির। এবার যদিও বাবার পদের ব্যবহার না করেই তিনি সুযোগ পেেয়ছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে ইন্টারভিউ-র জন্য ডাকও এসে গিয়েছে তাঁর। অঙ্কিতা এসএসসির চাকরির ক্ষেত্রে পার্সোনািলটি টেস্ট দেননি। বাবার মন্ত্রী পদের ব্যবহার করেই তিনি সরাসরি চাকরিতে ঢুকেছিলেন বলে অভিযোগ।
কী বলছে কলেজ সার্ভিস কমিশন
কলেজ সার্ভিস কমিশনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে অঙ্কিতার যোগ্যতা রয়েছে। সেই হিসেবেই তিনি পরীক্ষা দিয়ে সুযোগ পেয়েছেন। এবং সেই যোগ্যতার হিসেবেই তঁাকে ডাকা হয়েছে ইন্টারভিউয়ের জন্য। ২৬ এপ্রিলই অঙ্কিতার কাছে ইন্টারভিউ-র জন্য ডাক এসেছে। মেরিট থাকলে ইন্টরভিউতে ডাকা হবেই চাকরি প্রার্থীকে এমনউ জানানো হয়েছে কলেজ সার্ভিস কমিশনের পক্ষ থেকে। অ্যালফাবেটিকালি সধারণত ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাকা হয়ে থাকে। অঙ্কিতার যেহেতু এ দিয়ে নাম শুরু সেকারণে তাঁকে আগে ডাকা হয়েছে।
শিক্ষকতার চাকরি থেকে বরখস্ত
কয়েকদিন আগেই হাইকোর্টের নির্দেশে শিক্ষকতার চাকরি হারিয়েছেন মন্ত্রী কন্যা অঙ্কিতা। বাবা পরেশ অধিকারী শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। এসএসসিতে সুযোগ পেলেও পার্সোনালিিট টেস্ট দেননি তিনি। তরপরেও কীভাবে অঙ্কিতা চাকরি পেলেন তাই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিলে। বাবা মন্ত্রী হওয়ার সুবাদেই এই সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। এই অভিযোগে হাইকোর্ট অঙ্কিতার চাকরি খারিজের নির্দেশ দেয়। এবং যত টাকা বেতন তিনি পেয়েছেন শিক্ষকতা করে সেটা রাজ্য সরকারকে ফিরিয়ে দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
এসএসসি কাণ্ডে জেরা পরেশ অধিকারী
এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে নাম জড়িয়েছে অঙ্কিতার বাবা শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর। তঁাতে তলব করা হয়েছিলে। কিন্তু প্রথমে সিবিআই হাজিরা এড়াতে এক প্রকার মেয়েকে নিয়ে উধাও হয়ে গিয়েছিলেন পরেশ অধিকারী। তারপর জানা যায় তিনি উত্তরবঙ্গে রয়েছে। আদলত অবমাননার অভিযোগে এবং এসএসসি দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগে পরেশ অধিকারীকে পর পর ৩ বার জেরা করেছে সিবিআই। প্রয়োজনে আরও জেরা করা হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
পার্থকে জেরা
এসএসসি দুর্নীতি কাণ্ডে পরেশ অধিকারী ছড়ার তত্কালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কেও জের করেছে সিবিআই। পর্থ চট্টোপাধ্যায়কে অঙ্কিতার চাকরি নিয়েও জের করা হয়েছে। কীভাবে অঙ্কিতাকে চাকরি দেওয়া হয়েছিল তা নিয়েও জেরা করা হয়। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে অঙ্কিতার চাকরি নিয়েও জানতে চেয়েছিলেন তদন্তকারীরা।
বাড়িতে স্বামীর জন্য খাবার রেখেছিলেন স্ত্রী। কিন্তু অবুঝ ছাগল সেই খাবারটাই খেয়ে ফেলে। সেই সামান্য কারণ নিয়েই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অশান্তি লেগে যায়। রাগের মাথায় স্ত্রীকে মারতে উদ্ধত হলে আটকাতে যায় মেয়ে! কিন্তু বাবার রাগের থেকে রেহাই পেলেন না মেয়ে।
পুলিশ সূত্রে খবর, এদিন দুপুরে ভাত খেতে গিয়ে ধূপগুড়ির নিরঞ্জন পাল দেখে তার খাবার বাড়ির ছাগল খেয়ে নিয়েছে। রাগের মাথায় স্ত্রীকে ধরে মারতে শুরু করে নিরঞ্জন। বাবার হাত থেকে মাকে বাঁচাতে দৌড়ে আসেন বছর উনিশের মেয়ে ললিতা। কিন্তু নিরঞ্জনের রাগ তখন বাগে আনা দায়। স্ত্রীয়ের ওপর রাগ গিয়ে পড়ল মেয়ের ওপর।
কাছেই পড়ে থাকা একটি চ্যালাকাঠ দিয়ে মেয়েকে বেধড়ক মারতে শুরু করে নিরঞ্জন। মেয়েকে বাঁচাতে এসে স্বামীর হাতে মার খান স্ত্রীও। কিন্তু নিরঞ্জনের মারের চোটে ললিতা মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। আর তাঁকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
ঘটনা ঘটার পরই বাড়ি থেকে জঙ্গলে পালিয়ে যায় নিরঞ্জন। পরে পুলিশ লুকিয়ে থাকা নিরঞ্জনকে গ্রেফতার করে। স্থানীয় সূত্রে খবর, নিরঞ্জন পাল পেশায় মৃত্শিল্পী। বরাবরই রগচটা মানুষ। এমনকি মানসিক বিকারগ্রস্থ বলেও স্থানীয়রা জানিয়েছেন। আরও খবর, প্রায়শই স্ত্রীয়ের সঙ্গে নানা কারণে ঝামেলা লেগে থাকত। কিন্তু সেই ঝামেলার পরিমাণ যে এমন পর্যায়ে পৌঁছাবে তা স্বপ্নেও ভাবতে পারেননি কেউ। ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়।
মন্নতে বোধহয় ফ্রাইডে নাইটে সেলিব্রেশন হবে। মাদক মামলায় নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোর চার্জশিটে নেই শাহরুখ খানের ছেলে আরিয়ান খানের নাম (Aryan Khan)। জানা গিয়েছে, আরিয়ান- সহ মোট ছ'জনকে এই মামলা থেকে মুক্তি দিয়েছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। যা খান পরিবারের জন্য সুখবর বলেই মনে করা হচ্ছে।
এই মামলায় ১৪ জনের নাম চার্জশিটে রেখেছে এনসিবি। তারা বলেছে, আরিয়ান-সহ ৬ জনের বিরুদ্ধে এমন কোনও তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়নি যাতে এটা প্রতিষ্ঠিত হয় তাঁরা মাদক নিচ্ছিলেন বা কাউকে দিচ্ছিলেন।গত বছর শেষ দিকে মুম্বই থেকে গোয়াগামী প্রমোদতরীতে মাদক নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল আরিয়ানকে। দীর্ঘদিন জেলে ছিলেন আরিয়ান। যদিও সেই সময়ে মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী তথা এনসিপি নেতা নবাব মালিক বলেছিলেন, শাহরুখের অনেক প্রতিপত্তি। তাই ওঁর ছেলেকে ফাঁসিয়ে এনসিবি অফিসার টাকা লুঠের ষড়যন্ত্র করেছেন। অনেকে এই ঘটনাকে মারাঠা মুলুকের স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গেও জুড়ে দেখাতে চেয়েছিলেন।
এদিন আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছে এনসিবি। সূত্রের খবর ২৯ মে-র শুনানিতে আরিয়ানদের মুক্তি হবে। ঘটনা হল, এই মামলায় শাহরুখের ছেলেসের গ্রেফতারি নিয়ে যখন রাজনীতির অভিযোগ উঠেছিল তখন এনসিবি-র সদর দফতর আর মুম্বইয়ের হাতে বিষয়টি রাখেনি। দিল্লি থেকে স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম গড়ে তদন্তের জন্য পাঠানো হয়। তার মাথায় ছিলেন সঞ্জয় কুমার নামের অফিসার। এত মাস পর চার্জশিট দেওয়া হল, আরিয়ানদের বিরুদ্ধে মাদক সেবন বা পাচারের কোনও অভিযোগই নেই।
কয়েকদিন আগেই ব্যারাকপুরের প্রসিদ্ধ বিরিয়ানির দোকান ডি বাপিতে শ্যুট আউটের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার মাস্টার মাইন্ড সুজিত রায়কে দমদম সেন্ট্রাল জেল থেকে গ্রেফতার করা হয়। সে মণীশ শুক্ল খুনের মামলাতেও অভিযুক্ত। সেখানে বন্দি ছিল সুজিত। জেল থেকেই বিরিয়ানির দোকানের মালিক বাপি দাসকে খুন করার ছক কোষে ছিল সে। তাই কাকিনাড়ার বাসিন্দা সোনুকে খুনের সুপারি দেয় সুজিত। গত ১৬ মে সোনু দুই সঙ্গীকে নিয়ে ওই বিরিয়ানির দোকানের সামনে গিয়ে এলোপাথারি গুলি চালায়। তারপরে হায়দারবাদে পালিয়ে যায়।সুজিতকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পরেই সোনুর কথা জানতে পারে ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের তদন্তকারীরা। সোনুকে গ্রেফতার করতে হায়দরাবাদে যায় তদন্তকারীদের একটি দল। পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার হায়দরাবাদ থেকে ধরা পড়েছে সোনু ও তার তিন সঙ্গী।
মহেশতলা থেকে বাসন্তীর শ্মশানে গিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী এক যুবতী। পরিবারের সদস্যরা বলছেন, দাদার মৃত্যুর সংবাদ পেয়েই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন অনন্যা নস্কর। বাসন্তীতে খুড়তুতো দাদার বিদ্যুত্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর খবর শুনে বাড়িতে কাউকে না জানিয়ে ঠাকুরপুকুর মহেশতলা ব্লকের চট্টা কালিকাপুর রায়পাড়া থেকে বাসন্তীতে যান অনন্যা, একাই রওনা দেন বাসন্তীতে আদি বাড়ির উদ্দেশ্যে।
অন্যদিকে, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ভূপতিনগরে মহিলার অর্ধনগ্ন মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য! ঠিক কী কারণে মহিলার মৃত্যু, তা নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক! বৃহস্পতিবার সকালে ভূপতিনগরে এক মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে ফাঁকা মাঠ থেকে অর্ধনগ্ন অবস্থায় পড়ে থাকা ওই দেহ ঘিরে রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ভুপতিনগর থানার পুলিশ। জানা গিয়েছে, স্বামী পরিত্যক্তা ওই মহিলা ভূপতিনগরের বাসুদেববেড়িয়া গ্রামে বাপের বাড়িতে থাকতেন। বুধবার বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে একটি অনুষ্ঠান দেখতে গিয়েছিলেন তিনি, তারপর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন। রাতে খোঁজাখুঁজি করেও পরিবারের সদস্যরা খুঁজে পাননি। বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ি থেকে ৫০০ মিটার দূরে ফাঁকা মাঠ থেকে অর্ধনগ্ন অবস্থায় মহিলার মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘটনার খবর পেয়ে হাজির হয় ভুপতিনগর থানার পুলিশ। মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায় তাঁরা। বাপের বাড়ির সদস্যরা এসে মৃতদেহটি শনাক্ত করেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, মহিলাকে ধর্ষণ করার পর প্রমাণ লোপাটের জন্য খুন করা হয়েছে। মহিলার গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ছিল। যদিও পুলিশের দাবি, এখনও পর্যন্ত ধর্ষণের কোনও প্রমাণ মেলেনি।
বর্তমান শিক্ষা প্রতি মন্ত্রী পরেশ অধিকারীর (Paresh Adhikari) মেয়ে অঙ্কিতা অধিকারীর স্কুলের চাকরি বাতিল করার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিত্ গঙ্গোপাধ্যায় শুক্রবার শুনানির পর জানিয়েছেন, অবিলম্বে অঙ্কিতার চাকরি বাতিল ঘোষণা করতে হবে।
অর্ণব আইচ: কলকাতায় (Kolkata) বসে 'হানি ট্র্যাপ'। কয়েকজন যুবতীর সাহায্যে অশ্লীল ছবি ও ভিডিও তৈরি করে শহরবাসীদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিত চক্রটি। এই চক্রের মাথা শুভ দাসকে গ্রেপ্তার করলেন মধ্য কলকাতার হেয়ার স্ট্রিট থানার আধিকারিকরা।
পুলিশ জানিয়েছে, এই চক্রটি ভুয়ো কল সেন্টার খোলে।
একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে তিনি ওই টাকা দেওয়ার পর ফের তাঁর কাছে আট লক্ষ টাকা চাওয়া হয়। রীতিমতো তাঁকে হুমকিও দিতে শুরু করে তারা। এরপরই টাকা দেওয়ার বদলে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানান ওই ব্যক্তি। পুলিশ তদন্ত করে জানতে পারে, ওই চক্রে রয়েছেন একাধিক যুবতী। তাদের 'ব্যবহার করে'ই ওই অশ্লীল ভিডিও তুলে তোলাবাজি করা হত। পুলিশ মোবাইল ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সূত্র ধরে গ্রেপ্তার করে ওই চক্রের মাথা শুভ দাসকে। তার কাছ থেকে কুড়িটিরও বেশি মোবাইল উদ্ধার হয়। তাকে জেরা করে চক্রের অন্যদের সন্ধান চলছে।
এদিকে, উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতে ভুয়ো কল সেন্টার চালানোর অভিযোগে নোয়াপাড়ার দম্পতি অনির্বান মুখোপাধ্যায় ও তৃষা পাল এবং পূর্ব বর্ধমানের শুভঙ্কর চুনারিকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি। এই ভুয়ো কল সেন্টার থেকে মোবাইল টাওয়ার বসানোর নাম করে বিভিন্ন জেলার বাসিন্দাদের কাছ থেকে কয়েক লক্ষ টাকা এই দম্পতি হাতিয়েছে বলে অভিযোগ। ধৃতদের জেরা করে অন্যান্য জেলায় চক্রের পান্ডাদের সন্ধান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
দু'বছর আগে গোটা দেশে তোলপাড় ফেলে দেওয়া হায়দরাবাদে 'দিশা এনকাউন্টার'কে ভুয়ো সংঘর্ষ বলে জানাল সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে গঠিত তিন সদস্যের শিরপুরকর কমিশন। দোষী পুলিশকর্মীদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে রিপোর্টে।
২০১৯ এর নভেম্বরে হায়দরাবাদের শামশাবাদে ২৬ বছরের এক পশু চিকিত্সককে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে খুন করার অভিযোগ ওঠে চার জনের বিরুদ্ধে।
২০১৯-এর ২৭ নভেম্বর ২৬ বছরের এক পশু চিকিত্সককে অপহরণ করা হয়। তার পর তাঁকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়। নিগৃহীতার দেহ হায়দরাবাদের ৪৪ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে একটি নির্জন জায়গায় পুড়িয়ে দেওয়া হয়। সেখান থেকেই তাঁর পোড়া দেহের অংশ উদ্ধার করে পুলিশ। তদন্তে মহম্মদ আরিফ, চিন্তাকুন্তা চেন্নাকেশভালু, জলু শিবা এবং জলু নবীনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তার পরই অভিযুক্তদের নিয়ে অকুস্থলে যায় পুলিশ। পুলিশ দাবি করেছিল, সেখানেই পালানোর চেষ্টা করে ওই অভিযুক্তরা। পুলিশের বন্দুক ছিনিয়ে নিয়ে তাদেরই উপর গুলিও চালানোর দাবি করা হয়েছিল। পুলিশের দাবি ছিল, পাল্টা গুলিতে চার জনের মৃত্যু হয়।
এই ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসার পরই একটি অংশ পুলিশের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে ওঠেন। আবার অন্য একটি অংশ আইন-আদালতকে পাশ কাটিয়ে পুলিশ 'ট্রিগার-হ্যাপি' হয়ে উঠছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করে। সুপ্রিম কোর্ট এই ঘটনায় তিন সদস্যের একটি কমিশন গড়ে দেয়। সুপ্রিম কোর্টেরই অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শিরপুরকরের নেতৃত্বে তিন সদস্যের কমিশন তদন্ত করে শুক্রবার প্রধান বিচারপতি এন ভি রমণা, বিচারপতি সূর্যকান্ত এবং বিচারপতি হিমা কোহলীর বেঞ্চে রিপোর্ট জমা দেয়। কমিশন রিপোর্টে বলেছে, দোষী ১০ পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে খুনের মামলার রুজু করতে।
শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে খারিজ হয়ে গেল পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আবেদন। এ দিন বিচারপতি সুব্রত তালুকদার এবং বিচারপতি আনন্দকুমার মুখোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, 'বিচারপতি অভিজিত্ গঙ্গোপাধ্যায়ের পর্যবেক্ষণ রাজ্য বা তদন্তকারীদের কাছে বাধ্যতামূলক হবে না'।
রক্ষাকবচের আবেদন জানিয়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আইনজীবী অনিন্দ্য মিত্র আদালতে জানান, এসএসসি মামলার আবেদনে কোথাও পার্থের নাম নেই। তা হলে তাঁকে মন্ত্রী পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া উচিত বা তাঁর পদত্যাগ করা উচিত, এটা কী করে বলতে পারে আদালত?
পাশাপাশি হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা এবং মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেওয়ার বিষয়টি বাদ দেওয়ার আবেদনও জানান পার্থর আইনজীবী। একই সঙ্গে পার্থের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ যাতে না নেওয়া হয় সেই আবেদনও করা হয়।
তবে শুনানি শেষে রায় দিতে গিয়ে রক্ষাকবচ নিয়ে পার্থের আর্জি খারিজ করে দেয় ডিভিশন বেঞ্চ। ফলে প্রয়োজনে পার্থকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে সিবিআই। তবে সিঙ্গল বেঞ্চ তাঁকে মন্ত্রিত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার যে সুপারিশ করেছে, রাজ্য সরকার তা মানতে বাধ্য নয় বলে জানিয়ে দিল ডিভিশন বেঞ্চ।
স্কুল সার্ভিস কমিশনের উপদেষ্টা কমিটি গঠন নিয়ে সিবিআই-এর প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছেন পার্থ। সিবিআই সূত্রে দাবি, বুধবার নিজাম প্যালেসের জিজ্ঞাসাবাদে নিয়োগ প্রসঙ্গে পার্থকে প্রশ্ন করা হয়। শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে কী নিয়ম মানা হয়েছিল, শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে তিনি কী কী বিষয় দেখতেন, ইত্যাদি বিষয় নিয়েও তাঁর কাছ থেকে জানতে চাইছেন তদন্তকারীরা। খতিয়ে দেখা হচ্ছে তাঁর আগের দিনের বয়ান। যে কারণে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী এবং বর্তমানে শিল্পমন্ত্রী পার্থকে আগামী সপ্তাহে ফের তলব করেছে সিবিআই।
গোপন সূত্রে পুলিশ আগেই খবর পেয়েছিল যে পূর্ব বর্ধমানের গুসকরা বর্ধমান রোড ধরে পাচারকার্যের সঙ্গে যুক্ত একটি গাড়ি যাবে। সেইমতো সতর্ক ছিল পুলিশ । শুরু হয়েছিল ওই রোডে নাকা চেকিং আর তারপরই ১২ চাকার একটি লরি আটক করে পুলিশ। গাড়িতে তল্লাশি চালাতেই যা দেখা গেল তা দেখে রীতিমতো হতবাক সকলে।
আরো পড়ুন : BREAKING: ২ দফা জেরাতেও মেলেনি তথ্য, আজ ফের তলব পরেশ অধিকারীকে
পুলিশ এই গমের বস্তা বোঝাই লরিটিকে আটক করে ভাতারের মুরাতিপুর এলাকায় । গোপন সূত্রে খবর পেয়েছিল যে, একটি লরিতে করে সরকারি রেশন দ্রব্য পাচার করা হচ্ছে। আর তারপর ওই রোডে পুলিশ তল্লাশি চালাতে শুরু করে । যার ফলে ধরা পড়ে গাড়িটি। ওই গাড়ির চালক এবং খালাসিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে কোনো সদুত্তর পাওয়া যায়নি পাশাপাশি তাদের কাছে কোনো বৈধ নথিপত্র না থাকায় গাড়িসহ তাদেরকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয় ভাতার থানায়।
এত বিপুল পরিমাণ গম তাঁরা কোথায় পেয়েছে এই প্রশ্নের কোন উত্তর এখনও পর্যন্ত মেলেনি । বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে সেই গমবোঝাই বস্তা গুলিকে। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানতে পারে, এইগুলি সরকারের রেশন বন্টন প্রকল্পের গম । গ্রাহকদের কাছ থেকে কম দামে এই গম কিনে তারপরে কলকাতার খিদিরপুর এলাকায় পাচার করার জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল । কিন্তু তার আগেই পুলিশের হাতে ধরা পড়ে সেগুলি। কার নির্দেশে এই গমগুলি পাচার করা হচ্ছিল বা এই পাচারকার্যের সঙ্গে আরও কারা যুক্ত রয়েছে সেই সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করার চেষ্টা করছে ভাতার থানার পুলিশ। তাদেরকে বৃহস্পতিবার বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়েছিল বলে জানা যায়। ধৃত চালক এবং খালাসি আপাতত পুলিশি হেফাজতে রয়েছে। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে খবর পুলিশ সূত্রে।
সম্পত্তির লোভে সুপারি কিলার দিয়ে দাদাকে খুন করানোর অভিযোগ ভাইয়ের বিরুদ্ধে। খুনের ঘটনায় গ্রেফতার ভাই-সব দুই অভিযুক্ত। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির শ্রীরামপুরের রাজ্যধরপুর এলাকায়।
এলাকারই একটি পুকুর থেকে গত বৃহস্পতিবার গৌতম দাসের (৫৮) মৃতদেহ উদ্ধার হয়।
গৌতমের ছোটো ভাই উত্পল দাস দাদার মৃত্যু নিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন শ্রীরামপুর থানায়। তদন্তে নামে পুলিশ। কৃষ্ণ সরকার নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়। বছর তিরিশে কৃষ্ণ পুলিশের নজরে ছিল নিজের অসামাজিক কাজের জন্য। কৃষ্ণকে জেরা করে উজ্জ্বলকে আটক করে পুলিশ। দু'জনকে জেরা করে খুন ও খুনের কারণ জানা যায়।
জানা যায়, দিল্লি রোডের পাশে দাস পরিবারের বিপুল টাকার জমি এবং সম্পত্তি রয়েছে। পুলিশের দাবি, সেই সম্পত্তি দখল করার লোভে দাদাকে খুনের ছক করে ভাই উজ্জ্বল। পুলিশ জানতে পেরেছে, এর আগে দু'টো জমি ঊজ্জ্বল তার ভাইদের না জানিয়ে বিক্রি করে দেয়। তা নিয়ে অশান্তি ছিল পরিবারে। দাদাকে খুন করাতে সুপারি কিলার ভাড়া করে সে।
পুলিশ সূত্রে খবর, ২৫ হাজার টাকায় হয়েছিল রফা। খুনের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এরই মধ্যে সন্দেহ, এই ঘটনায় জড়িত থাকতে পারে ভগ্নিপতি বিজয় মণ্ডলও। ঘটনার কথা জানাজানি হতেই গা ঢাকা দিয়েছে সে। ফেরার ভগ্নিপতির খোঁজে চলছে তল্লাশি।
সমুদ্রের মাঝে ঝকঝকে সোনালী রঙের রথ! ঘূর্ণিঝড় অশনির কারণে উত্তাল বঙ্গোপসাগারে হঠাত্ দেখে যায় সোনার রঙের পরত দেওয়া রথের আকারের বস্তু। যা দেখে সকলেই হতবাক হয়ে যায়। এই সোনার বরণ রথ কোথা থেকে, কীভাবে ভেসে এল, তা নিয়ে চলে নানাবিধ চর্চা।
এই রথ শ্রীকাকুলাম জেলার সূন্নাপল্লীর তটে পাওয়া গিয়েছিল। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সমুদ্রে বয়ে এটা আসে। সমুদ্রে এতবড় সোনালি রঙের জিনিস বইতে দেখেন তখনই সেটাকে উদ্ধারে নেমে পড়েন স্থানীয়রা। উত্তাল সমুদ্রে নেমেই টানতে টানতে নিয়ে আসেন সেই সোনালী রঙের রথ। কিছুক্ষণের মধ্যেই এই খবর ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র। প্রচুর উত্সাহী মানুষ ওই জায়গায় পৌঁছে যান। সাধারণের বিবরণ অনুযায়ী, রথটি দেখতে খুবই সুন্দর। মাথার ওপরদিকটা মনেস্ট্রি ধাঁচের। তাতে সোনালি রঙের আবরণ দেওয়া রয়েছে। এটা এমনভাবেই তৈরি যাতে জলে পড়লে ভাসতে পারে। তবে কোথা থেকে এল এত সুন্দর রথ? সত্যিই কী সোনায় মোড়া রয়েছে? এই সব তথ্য জানিয়েছেন স্থানীয় পুলিশ আধিকারিক।
নৌপাড়া থানার সাব ইন্সপেক্টর জানিয়েছেন যে, এই রথটি জোয়ারের ঢেউয়ে ভেসে এসেছে। থাইল্যান্ড, জাপান, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া বা মালেশিয়া, যে কোন দেশের হতে পারে এই রথ। তবে পুলিশ কর্তার মতে, মায়নমারে -এ এর উত্স, কারণ সে দেশে এমন নকশার রথ তৈরি হয়।
তিনি আরও জানিয়েছেন যে, রথটি টিনের তৈরি, তাতে সোনালি রং করা হয়েছে। দেখে মনে হবে যেন আস্ত এরটি মন্দির, যাতে চাকা লাগানো হয়েছে। যদিও এই রথের ভিতর কিছু ছিল না বলে তাঁর দাবি। তবে এটিকে একেবারে সন্দেহের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া যাচ্ছে না। কোনও কুমতলবে এই রথ ভারতের সমুদ্রে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছে কিনা, তার দিকেও নজর রাখা হচ্ছে।
ধীমান রায়, কাটোয়া: ফের প্রকাশ্যে হাসপাতালের বড়সড় আর্থিক কেলেঙ্কারি। এবারের ঘটনাস্থল কাটোয়া (Katwa) মহকুমা হাসপাতাল। সেখানে বিরিয়ানি (Biriyani) বাবদ বিল এল ৩ লক্ষ টাকা! শুধু তাইই নয়, ফার্মেসি থেকে কেনা হয়েছে আসবাব! হাসপাতালের তরফে প্রায় কোটি টাকার বিল বকেয়া।

ঘটনার সূত্রপাত দিন তিনেক আগে। কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালের সদ্য দায়িত্ব নেওয়া সুপার সৌভিক আলমের কাছে একগুচ্ছ বিল (Bills) আসে। বলা হয়, এতগুলো বিলের টাকা এখনও দেওয়া হয়নি। তা দ্রুত মিটিয়ে দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছেন ঠিকাদার কিংশুক মণ্ডল। তা জেনে বিলগুলি পরীক্ষা করতে বসেন সুপার। কিন্তু বিলের বহর দেখে তো তাঁর চক্ষুচড়কগাছ! বিরিয়ানির বিল ৩ লক্ষ টাকা! এছাড়া গাড়ি, গাছের চারা, আসবাবপত্র বাবদও বিল প্রচুর। এরকম অন্তত ৮১ টি বিলে অসংগতি খুঁজে পান সুপার সৌভিক আলম।
সবে একমাস হল কাটোয়া হাসপাতালের সুপার হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন। তাঁর আগে সুপার ছিলেন রতন শাসমল। তাঁর আমলেই কোটি টাকার বিল এসেছে। কারণ, সবকটি বিলে দেখা গিয়েছে রতন শাসমলের সই। তাতে 'ওয়ার্কড ডান' বলেও লেখা রয়েছে।

বিলগুলি কিংশুক ঘোষ নামে এক ঠিকাদারের তরফে বিরিয়ানি থেকে আসবাব, গাছের চারা সবই সরবরাহ করা হয়েছে। আর সেসবের ৮১ টি বিল বাকি। যার প্রায় প্রতিটিতেই অসংগতি আছে। এসব দেখে সুপার সৌভিক আলম শুক্রবার রোগী কল্যাণ সমিতির বৈঠক ডাকেন। সেখানে এসব নিয়ে আলোচনা চলে। কিন্তু সমিতির সদস্যরা সেভাবে কেউ কিছু দিতে পারেননি। রোগী কল্যাণ সমিতির সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কোনও অন্যায় হলে তার শাস্তি হবেই। বিষয়টি এখনও হাসপাতালের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। তবে তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবেন সুপার। সমস্যা সমাধানের তাদের সাহায্য চাইতে পারেন।
বোমাবাজির অভিযোগ উঠল পাণ্ডবেশ্বরের এক যুবকের বিরুদ্ধে (Pandabeshwar)। না রাজনৈতিক দলাদলি নয়,প্রেমে প্রত্যাখাত হয়ে এমন কান্ড করেছেন অভিযুক্ত রাজীব বাউরি(Rajib Bauri)। প্রাক্তন প্রেমিকাকেই আবার চাই তাঁর। কাজেই সেই ভাঙা সম্পর্ক জোড়া লাগাতে চাপ এবং হুমকি কোনও কিছুর কসুর রাখেন নি।শেষে প্রেমিকার বাড়িতে বোমা ছোড়েন তিনি।
পশ্চিম বর্ধমানের (Paschim Bardhaman) পাণ্ডবেশ্বর থানার অন্তর্গত জামুরিয়া ২ নম্বর ব্লকের ভুড়ি গ্রামের ডোম বাউরি পাড়ার ঘটেছে ঘটনাটি। স্থানীয় সূত্রের খবর, শুক্রবার অভিযুক্ত বোমা ছোড়েন। তাতে অল্প আহত হন চার জন। তাঁদের বাহাদুরপুর উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিত্সার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।
প্রসঙ্গত অভিযুক্ত রাজীব বাউরি পাড়ারই এক মেয়ের সঙ্গে প্রেম করতেন। কিন্তু এক বছর আগে সেই সম্পর্ক ভেঙে যায়।সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পরও তাঁদের মেয়ের উপর ক্রমাগত চাপসৃষ্টি করছিলেন রাজীব।এই নিয়ে থানায় অভিযোগ করেছিল ওই মেয়েটির পরিবার। এমনকি সম্পর্ক না রাখলে মেয়েকে রাজীব না কী প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেন। অভিযোগ জানানোর পরেও কিন্তু পুলিশ এতদিনেও কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ পরিবারের। তার জেরেই এত বড় ঘটনা ঘটল বলে দাবি তাঁদের। পলাতক রাজীবকে খোঁজা শুরু করেছে পুলিশ।





















