Articles by "daily"
Showing posts with label daily. Show all posts

রাহুলের স্টাম্পিং হাতছাড়া, ফিল্ডিংয়ে কিছু ভুল, ২০০ প্লাস স্কোর গড়তে সাহায্য করে বাংলাদেশকে। সবচেয়ে অস্বস্তি ছিল রোহিতের ক্যাচ মিস নিয়ে। নয়তো চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির মতো মঞ্চে হ্যাটট্রিক হত অক্ষরের। কী বলছেন এই বাঁ হাতি স্পিন বোলিং অলরাউন্ডার?

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে হ্যাটট্রিক মিস! ক্যাপ্টেনকে নিয়ে কী বলছেন অক্ষর প্যাটেল?



চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি অভিযান শুরু করেছে ভারত। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে জয় দিয়ে অভিযান শুরু করতে ভারতের চাই ২২৯ রান। যদিও এই টার্গেট আরও কম হতে পারত বলেই মনে করা হচ্ছে। পরিস্থিতিও তাই বলছে। পাওয়ার প্লে-তে দুর্দান্ত ফিল্ডিংও করেছে ভারত। বিরাট কোহলি, শুভমন গিল দুর্দান্ত ক্যাচ নেন। কিন্তু রোহিত এবং হার্দিকের একটি করে ক্যাচ মিস, রাহুলের স্টাম্পিং হাতছাড়া, ফিল্ডিংয়ে কিছু ভুল, ২০০ প্লাস স্কোর গড়তে সাহায্য করে বাংলাদেশকে। সবচেয়ে অস্বস্তি ছিল রোহিতের ক্যাচ মিস নিয়ে। নয়তো চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির মতো মঞ্চে হ্যাটট্রিক হত অক্ষরের। কী বলছেন এই বাঁ হাতি স্পিন বোলিং অলরাউন্ডার?


বাংলাদেশ শিবিরে প্রথম ওভারেই ধাক্কা দেন মহম্মদ সামি। দ্বিতীয় ওভারে বাংলাদেশ ক্যাপ্টেনকে ফেরান হর্ষিত রানা। তবে দুর্দান্ত মুহূর্ত তৈরি হয় নবম ওভারে। পরিস্থিতি বুঝে স্পিনারকে আক্রমণে আনার পরিকল্পনা আগেই শুরু হয়েছিল। নবম ওভারে অক্ষর প্যাটেলকে আক্রমণে আনেন রোহিত শর্মা। পরপর দু-বলে উইকেট নেন অক্ষর। প্রথম উইকেটের ক্ষেত্রে লোকেশ রাহুলকে কৃতিত্ব দিতে হবে। অক্ষর তো আবেদনই করেননি। এই ওভারেই হ্যাটট্রিক হতে পারত। কিন্তু স্লিপে ক্যাচ ফসকান রোহিত।

সতীর্থর হ্যাটট্রিক হয়নি, ক্যাচ মিসে প্রচণ্ড অস্বস্তিতে দেখা যায় রোহিতকে। মাঠের মধ্যে ঘুসি মারতে থাকেন রাগে। এরপর জোর হাত করে অক্ষরের কাছে ক্ষমাও চান। ইনিংস বিরতিতে অক্ষর বলেন, ‘প্রথম উইকেটের ক্ষেত্রে জানতাম না আউট। দুটো উইকেটের পর এজ লাগতেই মনে হল হ্যাটট্রিক। আমি ফিল্ডিংয়ের দিকে দেখিনি। সেলিব্রেশন করতে যাচ্ছিলাম। তখন দেখলাম মিস। তবে মনে হয়েছিল, এরকম মিস তো সকলেরই হয়। মন খারাপ করার কিছু নেই।’

ভারতের কাছে এই টার্গেট কঠিন হওয়ার কথা নয়, এমনটাই মনে করেন এই অলরাউন্ডার। অক্ষর আরও বলেন, ‘মনে হতেই পারে ওদের আরও আগে অলআউট করা উচিত ছিল। যদিও পিচ স্লো হচ্ছিল, বল পুরনো হওয়ায় আরও খেলতে সুবিধা হয়েছে ব্যাটারদের। আমার মনে হয়, এই টার্গেট আমাদের কাছে সহজ।’

আগাম জামিন নিতে এসে আদালত চত্বর থেকেই গ্রেফতার হল হাঁসখালি-কাণ্ডের এক অভিযুক্ত। ধৃতের নাম রঞ্জিত মল্লিক ওরফে লাদেন। সিবিআই আধিকারিকেরা লাদেনের ফোনে আড়ি পেতেছিলেন। সেই সূত্র ধরেই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মূল এফআইআরে নাম ছিল না লাদেনের। কিন্তু গ্রেফতারের আশঙ্কা করছিল সে।

তাই লাদেন আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করে আগাম জামিনের চেষ্টা করছিল সে।তবে হাঁসখালি-কাণ্ডের তদন্তভার নেওয়ার পর থেকে সিবিআই হন্যে হয়ে খুঁজছিল রঞ্জিতকে। তার পরিবারের সদস্য এবং বন্ধুদের ফোনে আড়ি পাতা হয়েছিল। ফোনের সূত্র ধরেই তদন্তকারী আধিকারিকরা জানতে পারেন, শনিবার দুপুরে পরিবারের দুই সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে রানাঘাট আদালতে আসবে লাদেন। সেখানেই পাতা হয় ফাঁদ।


আদালত চত্বর থেকেই তাকে গ্রেফতার করেন তদন্তকারীরা। হাঁসখালির ঘটনার তদন্তভার নেওয়ার পর এটাই সিবিআইয়ের প্রথম গ্রেফতার। মূল এফআইআরে নাম না থাকলেও তদন্তে বার বার উঠে আসছিল তাঁর নাম। ওই ঘটনাকে ঘিরে যে অডিয়ো ক্লিপ প্রকাশ্যে এসেছিল তাতে তিন যুবকের কথোপকথনেও উঠে আসে লাদেনের নাম।


এ ছাড়া রাজ্য পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া প্রভাকর পোদ্দারকে জেরা করে তদন্তকারীরা এক প্রকার নিশ্চিত হয়ে যান যে ব্রজগোপাল গয়ালির জন্মদিনের পার্টিতে লাদেন উপস্থিত ছিল। লাদেন ব্রজের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। ব্রজের পাড়াতেই তার বাড়ি। ব্রজ গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই বেপাত্তা হয়েছিল সে এবং তার পরিবার। তদন্তকারীদের সূত্রে জানা গিয়েছে, ব্রজ জেরায় স্বীকার করেছে যে, রঞ্জিত গত ৪ এপ্রিল তার বাড়িতে উপস্থিত ছিল।


তদন্তকারীদের সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, প্রভাকর জেরায় বলেছে, ''আমি ব্রজের বাড়িতে বমি করেছিলাম। লাদেন রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল। সেই সময় আমি ওর কাছে জল চাই। এর পর জল দিতে ও ব্রজের বাড়িতে ঢোকে।'' এই তথ্য তদন্তকারীদের হাতে আসতেই তাঁরা লাদেনের খোঁজ শুরু করেন। দফায় দফায় তারা লাদেনের বাড়িতে তার খোঁজ যান। তবে এত দিন অধরা ছিল সে। শনিবার দুপুরে সেই লাদেন সিবিআইয়ের জালে।

সমাজে দিনের পর দিন নারী নির্যাতন বেড়েই চলেছে। কখনো বা পণপ্রথার কারণে আবার কখনো বা সামান্য কারনেও অত্যন্ত নির্মম ভাবে অত্যাচার করা হয় মহিলাদের উপর। সম্প্রতি এমন একটি খুনের ঘটনা সামনে এসেছে যেখানে দাম্পত্য জীবনে অশান্তির কারণ একটু যেন অবাক করার মত।খিচুড়িতে সামান্য একটু নুন বেশি হয়েছিল আর তাতেই স্বামী রেগে গিয়ে স্ত্রীকে খুন করলেন।

ঘটনাটি ঘটেছে মহারাষ্ট্রের থানে জেলার ভাইন্দার শহরে । ৪৬ বছর বয়সী নীলেশ ঘাঘ নামক ওই ব্যক্তি তার ৪০ বছর বয়সী স্ত্রীয়ের গলায় শাড়ি পিছিয়ে পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছেন। ওই ব্যক্তির অভিযোগ সকালে তাকে যে খাবার দেওয়া হয়েছিল সেই খাবারে অতিরিক্ত লবণ ছিল। শনিবার এমনটাই জানিয়েছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে ভাইন্দার পূর্ব ফাটক রোড এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সকাল সাড়ে নয়টার দিকে নাস্তা করার পর ওই ব্যক্তি তার স্ত্রীর নির্মলাকে শ্বাসরোধ করে খুন করেন। তিনি খাবারে লবণ বেশি হওয়ায় অত্যন্ত রেগে গিয়ে এই কাজটি করেছেন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায় এবং মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ (খুন) ধারার অধীনে মামলা দায়ের করা হয়েছে ভাইন্দর নভঘর থানায়।

শুধু একটা ঘটনা নয়, বৃহস্পতিবার এই ধরনের আরেকটি ঘটনা ঘটেছে , যেখানে শ্বশুরবাড়িতে সময়মতো চা এবং জলখাবার না দেওয়ায় পুত্রবধূকে গুলি করে খুন করা হয়েছে। ৪২ বছর বয়সী মহিলার দোষ ছিল তিনি তাড়াতাড়ি সকালের জলখাবার তৈরি করতে পারেননি, তাই শ্বশুরবাড়ির লোকেরা তার পেটে গুলি করেন। শুক্রবার সকালে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিত্‍সা চলাকালীন তার মৃত্যু হয়েছে।
বাংলাদেশের পাবনার ভাঙ্গুড়ায় পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রী ৬ মাসের অন্তঃসত্তা৷ তাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে মামুন হোসেন নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে৷ বৃহস্পতিবার রাতে স্থানীয়রা মামুনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। অভিযুক্ত মামুন পার্শ্ববর্তী ফরিদপুর উপজেলার বিলবকরি (চাঁদপুর) গ্রামের মো.কামরুল উদ্দিনের ছেলে। তার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রীর বাবা।

জানা গেছে, ৯ মাস আগে ঐ স্কুলছাত্রীর সঙ্গে মামুনের পরিচয় হয়। এরপর থেকেই ঐ ছাত্রীর বাড়িতে আসা-যাওয়া শুরু হয় তার৷ এক পর্যায়ে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে ঐ ছাত্রীকে ধর্ষণ করে সে৷ এমনকি ধর্ষণের কথা কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকিও দেয়৷ এতে ভয়ে মুখ বন্ধ রাখে ভুক্তভোগী ছাত্রী। এই সুযোগে মামুন আরো কয়েকবার ধর্ষণ করে তাকে।

ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, হঠাৎ ঐ ছাত্রীর শারীরিক

পরিবর্তন দেখা দিলে তাকে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে পরীক্ষা করান তার মা-বাবা৷ এতেই ধরা পড়ে ঐ ছাত্রী ৬ মাসের অন্তঃসত্তা৷ পরে বিষয়টি মা-বাবাকে জানায় ভুক্তভোগী। বৃহস্পতিবার রাতে অভিযুক্ত মামুনকে ডেকে এনে আটক করে স্থানীয়রা৷ পরে খবর পেয়ে পুলিশ এসে তাকে থানায় নিয়ে যায়।


ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, হঠাৎ ঐ ছাত্রীর শারীরিক পরিবর্তন দেখা দিলে তাকে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে পরীক্ষা করান তার মা-বাবা৷ এতেই ধরা পড়ে ঐ ছাত্রী ৬ মাসের অন্তঃসত্তা৷ পরে বিষয়টি মা-বাবাকে জানায় ভুক্তভোগী। বৃহস্পতিবার রাতে অভিযুক্ত মামুনকে ডেকে এনে আটক করে স্থানীয়রা৷ পরে খবর পেয়ে পুলিশ এসে তাকে থানায় নিয়ে যায়।

ভাঙ্গুড়া খানার ওসি মু. ফয়সাল বিন আহসান জানান, অভিযুক্ত মামুন ঐ স্কুলছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় ধর্ষণের শিকার ছাত্রীর বাবা মামলা করেছেন। অভিযুক্ত যুবককে আদালতে ও ভুক্তভোগী ছাত্রীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

 ৩০ জন একসঙ্গে পড়ে গেলেন এক গভীর কুয়োয়! বৃহস্পতিবার মধ্যপ্রদেশের বিদিশা জেলার গাঞ্জ বাসোদা এলাকার একটি গ্রামে এই কাণ্ড ঘটেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। জানা গেছে, প্রথমে ওই কুয়োয় পড়ে যায় একটু বাচ্চা ছেলে। তাকেই উদ্ধার করার চেষ্টা করছিলেন গ্রামবাসীরা। সে সময়ে অনেক মানুষের ভার সহ্য করতে না পেরে কুয়োটি হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে, ভেতরে পড়ে যান জনা তিরিশ মানুষ! সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় পুলিশ ও প্রশাসনকে। উদ্ধারকারী দল এসে কাজ শুরু করে, হাত লাগান গ্রামবাসীরাও। ২০ জনকে উদ্ধার করে তোলা গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তাঁদের সকলেরই অল্পবিস্তর চোট লেগেছে। ৫ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।


কিন্তু বাকি ১০ জন এখনও নিখোঁজ। মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান জানিয়েছেন, তিনি উদ্ধার কাজের উপর কড়া নজর রাখছেন এবং বিষয়টি নিয়ে অত্যন্ত উগ্বিগ্ন। তিনি বলেন, 'জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দল এবং রাজ্যের উদ্ধারকারী দল একসঙ্গে কাজ করছে। উচ্চপদস্থ কর্তারা ঘটনাস্থলে আছেন। আমি খেয়াল রাখছি।' কীভাবে এত বড় দুর্ঘটনা ঘটল, সে বিষয়ে উচ্চপর্যায়ের তদন্তের নির্দেশও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই সঙ্গে জানিয়েছেন, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের চিকিত্‍সায় যেন কোনও ত্রুটি না হয়, তাও দেখবে তাঁর সরকার।


 বুধবার সকালেই রামনগরের এক ব্যক্তির মৃত্যুর কথা জানিয়েছিলেন। রাতে আর তিন মৃত্যুর খবর এলো। ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের দাপটে মৃত্যু হয়েছে মন্দারমনি ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার দুই বাসিন্দার। অন্য দিকে ভরা কোটালে গঙ্গায় তলিয়ে গিয়েছেন ভোলা দাস নামের নৈহাটির এক তরুণ। মন্দারমনির মৃত ব্যক্তির নাম কানাই গিরি। ঘোড়ামারার মৃত ব্যক্তির নাম বৃন্দাবন জানা। এছাড়াও গুরুতর আহত হয়ে দিঘা স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি এক ব্যক্তি।

মন্দারমনির বাসিন্দা কানাই গিরি মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। ঘূর্ণিঝড় শুরু হওয়ায় আচমকাই তলিয়ে যান তিনি। গতকাল, বুধবার ইয়াসের দাপটে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে মন্দারমনি -সহ গোটা পূর্ব মেদিনীপুরেই। সমুদ্রের জল ঢুকে নষ্ট হয়েছে চাষের জমি। অন্তত চার লক্ষ মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন।

একই চিত্র দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার। মুড়িগঙ্গার জলোচ্ছ্বাসই সেখানে প্রাণ নিল বৃন্দাবন জানা নামের ওই ব্যক্তি। সাইক্লোন সেন্টারে উঠে এলেও ঝড় বৃষ্টি মাথায় তিনি বাড়ির পরিস্থিতি দেখতে যান। পরে বিপর্যয় কমলে তাঁর মৃতদেহ পাওয়া যায় নিকটবর্তী এক পানের বরজে। মনে করা হচ্ছে তীব্র জলোচ্ছ্বাসেই ভেসে গিয়েছিলেন তিনি।

অন্য দিকে নৈহাটিতে ভরা কোটা‌লের সময়ে গঙ্গা পারাপার না করার কথা বারংবার বলা হয়েছিল। সূত্রের খবর নৈহাটির যুবক ভোলা দাস নোঙরে নৌকো বাঁধতে জলে নেমেছিলেন সব নিষেধাজ্ঞা এড়িয়েই। জলে তলিয়ে যান তিনি।

ইয়াস আসার আগের দিন বিকেলে মিনি টর্নেডোয় দুই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছিল। ইয়াসের আছড়ে পড়ার দিন, বুধবার দুপুরে রামনগরের এক বাসিন্দা মাছ ধরতে সব জলে তলিয়ে গিয়েছিলেন। ক্রমে আরও তিনটি মৃত্যুর খবর এলো। অর্থাৎ সব মিলিয়ে ৬ জনের প্রাণ নিল ঘাতক সাইক্লোন ইয়াস। মৃতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা আগেই জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।


 অক্সিজেনের (Oxygen) প্রয়োজন হলেই এবার বাড়ির দরজায় পৌঁছে যাবে অক্সি এক্সপ্রেস । আজ সোমবার নিউ আলিপুর সুরুচি সঙ্ঘ ও অন্যান্য কয়েকটি সংস্থা ও ব্যক্তির উদ্যোগে ৫টি গাড়ি উদ্বোধন করা হয়। এই গাড়িগুলির নাম দেওয়া হয়েছে অক্সি এক্সপ্রেস। আজ এই অক্সি এক্সপ্রেসের উদ্বোধন করলেন সুরুচি সঙ্ঘের সভাপতি তথা বিদ্যুৎ, যুবকল্যাণ ও ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস (Arup Biswas)। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) আবেদনে সাড়া দিয়েই সুরুচি সঙ্ঘ এই প্রয়াস নিয়েছে।

মূলত দক্ষিণ কলকাতার মানুষের জন্যই এই পরিষেবা দেবে অক্সি এক্সপ্রেস। বেহালা, টালিগঞ্জ সহ দক্ষিণ কলকাতায় যেখানে অক্সিজেন সিলিন্ডার বা কনসেন্ট্রেটরের প্রয়োজন পড়বে সেখানে এই অক্সি এক্সপ্রেস পৌঁছে যাবে। সঙ্গে একজন চিকিৎসকও থাকবেন। অক্সিজেন সিলিন্ডার ও কনসেন্ট্রেটর ছাড়াও ফ্রি টেলি মেডিসিন পরিশষেবা অর্থাৎ ডাক্তারি পরামর্শ পাবে মানুষ। আক্রান্ত যাঁরা বাড়িতে আছেন তাঁদের নার্সিং কনসালটেন্ট দেওয়া হবে। এছাড়াও সুরুচি সঙ্ঘ নার্সিং ডায়েটিশিয়ানের সঙ্গেও কনসাল্ট করার ব্যবস্থা করেছে।

একটি টোল ফ্রি নম্বরে ফোন করলেই গাড়ি পৌঁছে যাবে বাড়িতে। নম্বরটি হল ১৮০০ ৩০৯ ৯০৯৯। প্রথমে পাঁচটি গাড়ির ব্যবস্থা করা হলেও, চাহিদা বেশি থাকলে আগামীতে গাড়ির সংখ্যা বাড়ানো হবে বলেও জানান অরূপ বিশ্বাস।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউতে সংক্রমণ এমন জায়গায় পৌঁছয় যে অক্সিজেনের ঘাটতি একটি বড় সমস্যা হয়ে ওঠে। সেই অবস্থায় সুরুচি সঙ্ঘের এমন উদ্যোগে মানুষ উপকৃত হবে বলেই মনে করছে। করোনায় অধিকাংশ রোগীরই অক্সিজেনের দরকার পড়ছে। আর তাই উল্লিখিত টোল ফ্রি নম্বরে ফোন করলেই অক্সি এক্সপ্রেস বাড়িতে পৌঁছে অক্সিজেনের ব্যবস্থা করে দেবে।

 

করোনা সংক্রমণের (Coronavirus Update) পারদ পতন বজায় রইল সোমবারও। সঙ্গে নতুন রেকর্ড করল দৈনিক সুস্থতা। তবে রাজ্যে দৈনিক মৃত্যুর (Corona Death) সংখ্যা রইল ১৫০-র ওপরেই। শুধুমাত্র উত্তর ২৪ পরগনাতেই মৃত্যু হয়েছে ৪৭জনের। সোমবার রাজ্যে (West Bengal) করোনা আক্রান্তের (Daily Covid Cases) সংখ্যা নামল ১৮ হাজারের নিচে। ২ দিনে দৈনিক সংক্রমণ কমল প্রায় ১,০০০। তবে এদিন পরীক্ষাও হয়েছে কিছু কম।

রবিবার সকাল ৯টা থেকে সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত রাজ্যে করোনা পরীক্ষা হয়েছে প্রায় ৬৬,৩০০। তার মধ্যে ১৭,৮৮৩ জন সংক্রমিতের খোঁজ মিলেছে। যার ফলে মোট সংক্রমণের সংখ্যাহয়েছে ১২,৮৪,৯৭৩। এদিন রাজ্যে সুস্থ হয়েছেন ১৯,৬৭০ জন। যা এক নতুন রেকর্ড। এর ফলে মোট সুস্থতা বেড়ে হয়েছে ১১,৪১,৮৭১।

সোমবারের বুলেটিন অনুসারে রাজ্যে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ১৫৩ জনের। যার ফলে মোট মৃত্যু বেড়ে হয়েছে ১৪,৫১৭। এদিন উত্তর ২৪ পরগনায় ৪৭ জন ও কলকাতায় ৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবারের পর মঙ্গলবারও রাজ্যে লক্ষণীয় ভাবে কমেছে অ্যাক্টিভ কেস। সোমবার রাজ্যে ১,৯৪০টি অ্যাক্টিভ কেস কমেছে। যার ফলে মোট অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১,২৮,৫৮৫। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৮৮.৮৬ শতাংশ। প্রতি শতকে সংক্রমণের হার বেড়ে হয়েছে ১০.৭২।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রবিবার বেশ কিছু পরীক্ষাগার বন্ধ থাকায় সোমবার সাধারণত সংক্রমণ একটু কম দেখায়। সোমবারের পরীক্ষার ফল মঙ্গলবার জানা গেলে বোঝা যাবে সংক্রমণের আসল চেহারা। তবে রাজ্য প্রশাসনের মতে কাজে দিচ্ছে রাজ্যজুড়ে করোনা মোকাবিলায় কড়া বিধি নিষেধ। প্রসঙ্গত, সংক্রমণ ঠেকাতে ১৬ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত রাজ্যে কড়া বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। অন্যদিকে জোর দেওয়া হয়েছে টিকাকরণেও। ঘূর্ণিঝড় যশের প্রস্তুতির মাঝেও করোনা টিকাকরণ যাতে ব্যাহত না হয়, তার জন্যও বিশেষ বন্দোবস্ত করছে প্রশাসন। স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বিশেষ বিদ্যুৎ পরিষেবারও ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আর এরই মধ্যে করোনার দৈনিক সংক্রমণ নিম্নমুখী হওয়ায় সামান্য হলেও স্বস্তিতে রাজ্য সরকার।


 পূর্ব মেদিনীপুর, দুই চব্বিশ পরগণা তো বটেই, গত বছর এই মে মাসেই ঘূর্ণিঝড় আমফানের দাপটে লন্ডভন্ড হয়ে গিয়েছিল কলকাতা৷ ফিরিয়ে এনেছিল ২০০৯ সালের মে মাসের আর এক বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড় আয়লার স্মৃতি৷ এবার ইয়াসকে নিয়েও একই আতঙ্ক তৈরি হয়েছিল বাংলায়৷ যদিও আলিপুর আবহাওয়া দফতরের যা পূর্বাভাস, তাতে সম্ভবত দুই চব্বিশ পরগণা বা কলকাতায় আমফানের মতো প্রলয় চালাবে না ইয়াস৷ তবে প্রস্তুতিতে কোনও ফাঁক রাখছে না রাজ্য প্রশাসন৷

আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাঞ্চলীয় অধিকর্তা সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় এ দিন বলেন, আয়লা, আমফানের সঙ্গে বেশ কিছু পার্থক্য রয়েছে ইয়াসের৷ আয়লা এবং আমফান দু'টি সরাসরি এ রাজ্যে আঘাত হেনেছিল৷ কিন্তু ইয়াস আছড়ে পড়তে চলেছে ওড়িশার বালাসোরের কাছে৷ ফলে ওড়িশা লাগোয়া পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ইয়াস বিধ্বংসী রূপ নিলেও রাজ্যের বাকি অংশে তা আয়লা, আমফানের মতোই ধ্বংসলীলা চালাবে না বলেই আশাবাদী আবহবিদরা৷ পূর্ব মেদিনীপুরে অবশ্য ইয়াসের সর্বোচ্চ গতি হতে পারে ঘণ্টায় ১৮৫ কিলোমিটার৷ কিন্তু দুই চব্বিশ পরগণা, কলকাতা, হাওড়া এবং হুগলির মতো জেলাগুলিতে তার সর্বোচ্চ গতিবেগ থাকতে পারে ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার৷ গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের আরও ভিতরের জেলাগুলিতে আরও কম থাকবে ঝড়ের গতিবেগ৷

সঞ্জীববাবু বলেন, 'গতি দিয়ে পুরোটার বিচার হয়না৷ আয়লা, আমফান সরাসরি আমাদের রাজ্যে আঘাত এনেছিল৷ সেখান ইয়াস ওড়িশা হয়ে এ রাজ্যে ঢুকবে৷ আয়লার ক্ষেত্রে পুরোটা আমাদের রাজ্যের উপর দিয়ে গিয়েছিল৷ আমফানের ক্ষেত্রেও আমরা যদি দেখি সাগরের কাছে আছড়ে পরার পর কলকাতা, উত্তর চব্বিশ পরগণা হয়ে তা বাংলাদেশের দিকে চলে গিয়েছিল৷ বলা যায়, কলকাতার বুক চিড়ে চলে গিয়েছিল আমফান৷ আর ইয়াস সেখানে চলে যাবে ঝাড়খণ্ডের উপরের দিকে৷ ফলে ঝাড়খণ্ডেও কিছুটা দুর্যোগ হবে৷'

সঞ্জীববাবু আরও বলেন, ওড়িশার বালাসোরে যেখানে ইয়াসের আঘাত হানার কথা, সেখান থেকে দিঘার দূরত্ব প্রায় ১০০ কিলোমিটার৷ দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার সাগরের দূরত্ব ১২০ কিলোমিটার৷ আর কলকাতার দূরত্ব প্রায় ২০০ কিলোমিটার৷ ফলে কলকাতা বা দুই চব্বিশ পরগণায় ইয়াসের দাপট অনেকটাই কম হবে বলেই মত আবহবিদদের৷

তবে ইয়াসের দাপটে এ দিন থেকেই পূর্ব মেদিনীপুর, দুই চব্বিশ পরগণা, কলকাতা. হাওড়ায় বৃষ্টি শুরু হয়ে গিয়েছে৷ বৃষ্টি হয়েছে আরও কয়েকটি জেলায়৷ মঙ্গলবার এবং বুধবার দুই চব্বিশ পরগণা, কলকাতা, হাওড়া, হুগলিতে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর৷

হাওয়া অফিসের তরফে এ দিন জানানো হয়েছে, আগামী বুধবার দুপুরের দিকে ওড়িশার বালাসোরের কাছাকাছি স্থলভাগে প্রথম আঘাত হানবে ইয়াস৷ বালাসোরের সঙ্গে ভদ্রক, কেন্দুপাড়া, জগৎসিংহপুরে প্রভূত ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে৷ একই ধরনের আশঙ্কা রয়েছে এ রাজ্যের পূর্ব মেদিনীপুরকে নিয়ে৷ কারণ এই সমস্ত জায়গাতেই ইয়াস আছড়ে পড়ার সময় হাওয়ার গতিবেগ থাকতে ঘণ্টায় ১৫৫ থেকে ১৬৫ কিলোমিটারের মধ্যে৷ যা সর্বোচ্চ ১৮৫ কিলোমিটারে পৌঁছতে পারে৷

আবহবিদদরা জানিয়েছেন, ইয়াসের দাপটে পূর্ব মেদিনীপুরে সমুদ্রে ২ থেকে ৪ মিটার জলস্ফিতি ঘটতে পারে৷ দক্ষিণ চব্বিশ পরগণায় তা থাকবে ১ থেকে ২ মিটারের মধ্যে৷

যদিও রাজ্য প্রশাসনের তরফে ঘূর্ণিঝড়ের প্রস্তুতিতে  কোনওরকম ফাঁক রাখা হচ্ছে না৷ উপকূলবর্তী এলাকাগুলি থেকে প্রায় ১০ লক্ষ মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে৷ গোটা পরিস্থিতির উপরে নিজে নজর রাখছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ কলকাতাতেও সবরকম সতর্কতা নিচ্ছে কলকাতা পুরসভা৷


দিঘা থেকে ৪২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত শক্তিশালী সাইক্লোন ইয়াসের অভিমুখ এখন ঝাড়খণ্ডের দিকে। তাই শুধুই দুই মেদিনীপুর, দুই চব্বিশ পরগণাই নয়, ঝাড়খণ্ড সীমান্ত লগোয়া জেলাগুলিতেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রাখার নির্দেশ দিল নবান্ন।

আবহাওয়ার গতিপ্রকৃতি দেখে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঝাড়গ্রামের গোপীবল্লভপুর ১, গোপীবল্লভপুর ২, সাঁকরাইল, নয়াগ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুরের মোহনপুর, কেশিয়াড়ি,দাঁতন, পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগর ২, রামনগর ২ দক্ষিণ ২৪ পরগনার সাগরের অংশগুলোতে বেশি ক্ষতি হবার সম্ভাবনা রয়েছে। সব দিক মাথায় রেখে জেলাশাসকদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন।

এখনও পর্যন্ত য়া স্থির হয়েছে তাতে পুরুলিয়ার নির্দিষ্ট কিছু অংশে মানুষকে স্থানান্তরিত করা  হবে। অন্য দিকে ইয়.স ঝাড়খণ্ডের দিকে গেলে, বুধবারের পর বৃহস্পতিবারও বৃষ্টি হলে পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, বীরভূমের একাংশে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, এমন আশঙ্কাও থাকছে । তাই তড়িঘড়ি সেচ দফতরের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট জেলার জেলাশাসকদের, নবান্ন সূত্রে খবর। মাঠে নেমে কাজ শুরু করেছেন জেলাশাসকরাও।

এর পাশাপাশি এখনও পর্যন্ত  উত্তর ২৪ পরগনায় ৫১৫৫৪ জনকে নিরাপদ আশ্রয় এ নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়েছে। ইয়াসের কথা মাথায় রেখে বসিরহাট পুলিশ জেলাতেই এই  ব্যবস্থা নেওয়া  হয়েছে। দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার গোরামারা, নামখানা, গঙ্গাসাগরে এক লক্ষ ৯৫ হাজার মানুষকে ত্রাণ শিবিরে সরানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত ক্রমেই স্থলভাগের সঙ্গে দূরত্ব কমছে সাইক্লোন ইয়াসের।বুধবার দুপুরে অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় হিসেবে ইয়াস দিঘা ও পারাদ্বীপের মাঝামাঝি অঞ্চল অতিক্রম করবে। কিন্তু আজ মঙ্গলবার থেকেই প্রকৃতির রোষের মুখে পড়েছে বহু অঞ্চল। ফ্রেজারগঞ্জ থেকে শুরু করে হলদিয়া বহুজায়গাতেই জলোচ্ছ্বাস শুরু হয়েছে।

ভাল নেই মদন মিত্র। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের গলায় একটি টিউমার ধরা পড়েছে। মদন মিত্রের অসুস্থতায় উদ্বিগ্ন তাঁর লক্ষ লক্ষ ফ্যান।
এসএসকেএম হাসপাতালের উডবার্ন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন মদন মিত্র। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, মদন মিত্রের হাইপ্রেশার ও সুগারের সমস্যা রয়েছে। তাঁর ফুসফুসেও সংক্রমণ রয়েছে। তবে চিন্তা বাড়াচ্ছে গলার টিউমার
এ দিন মদন মিত্রের কাশির সঙ্গে রক্তক্ষরণ হওয়ায় বেড়েছে চিন্তা। তবে তাঁর অবস্থা স্থিতীশীল।। মদন মিত্রের ছেলে শুভরূপ মিত্র জানিয়েছেন, "আগে যেমন ২৪ ঘণ্টা অক্সিজেন দিতে হচ্ছিল, এখন সেই নির্ভরযোগ্যতা কিছুটা হলেও কমেছে। তার জন্য বিশেষ থেরাপি চলছে। বিকেলে ফের মেডিক্যাল বোর্ড তাঁর স্বাস্থ্যও নিয়ে বৈঠকে বসবে।" 
এ দিকে, নারদ কান্ডে আর এক অভিযুক্ত বর্ষীয়ান নেতা সুব্রত মুখোপাধ্যায়ও এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তবে তাঁরও শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, দুজনেই স্থিতিশীল। তবে দুজনেরই কিছু জটিল সমস্যা রয়েছে। ফলে নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে তাঁদের
উল্লেখ্য, ভোটপর্বে করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন মদন মিত্র। তার পর সুস্থ হয়ে উঠলেও, শরীর দুর্বলতা ছিলই। নারদকান্ডে গ্রেফতারির পর ফের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। তারপরেই তাঁকে হাসপাতালে ভিরতি করা হয়। আপাতত উডবার্ন ওয়ার্ডের ১০৩ নম্বর ঘরে ভর্তি তিনি। ফাইল ছবি।
করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় (Coronavirus 2nd Wave) ঢেউয়ে বেসামাল দেশ। তারই মধ্যে চোখ রাঙাচ্ছে করোনার তৃতীয় ঢেউ (Coronavirus 3rd Wave)। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তৃতীয় ঢেউয়ে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা শিশুদের। রাজস্থানের দুঙ্গারপুরে ৩০০-র বেশি শিশুর করোনা (Coronavirus) আক্রান্ত হওয়ার খবর প্রকাশ্যে এসেছে। যা নিঃসন্দেহে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে চিকিৎসক-বিশেষজ্ঞদের কপালে।
স্বাস্থ্য আধিকারিকেরা এই ঘটনায় কড়া নির্দেশিকা জারি করেছেন। গুজরাতের সীমানা সংলগ্ন এই জেলায় এত শিশুর করোনা পজিটিভ হওয়ার খবরে শিউড়ে উঠছেন সকলে। যদিও স্বাস্থ্য দফতরের তরফে একে করোনার তৃতীয় ঢেউ বলা হচ্ছে না।
গত ১২ মে থেকে এই জেলায় ১৯ বছর পর্যন্ত প্রায় ৩১৫ জন শিশুর করোনা আক্রান্ত হওয়া খবর প্রকাশ্যে এসেছে। সদ্যোজাত থেকে ৯ বছর পর্যন্ত প্রায় ৬০ জন, ২৫৫ জন শিশু ৯ থেকে ১৯ বছরের মধ্যে করোনা আক্রান্ত হয়েছে। স্বাস্থ্য দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, 'সমস্ত করোনা আক্রান্ত শিশুকে ওষুধ দেওয়া হয়েছে, তাদের তদারকি চালানো হচ্ছে। বিশাল সেফ হোম তৈরি করা হয়েছে। অক্সিজেন কনসেনট্রেটর মজুত রাখা হয়েছে। চিকিৎসকদেরও ব্যবস্থা করা হয়েছে।'
রাজস্থানে শনিবার ১১৫ জন করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন। ৬ হাজার ১০৩ জনের নতুন করে করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর সামনে এসেছে। এর ফলে এখনও পর্যন্ত রাজ্যে ৭ হাজার ৫৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে। ৯ লক্ষ ৯ হাজার ৫২১ জন মোট পজিটিভ রোগী পাওয়া গিয়েছে। জয়পুর থেকে ২১ জনের মৃত্যুসংবাদ পাওয়া গিয়েছে। ১৯০০ জন শুধুমাত্র জয়পুরেই করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যোধপুরে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে।


  রাজ্যে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের প্রথম বলি। কলকাতার শম্ভুনাথ পণ্ডিত হাসপাতালে মৃত হরিদেবপুরের এক মহিলা। করোনায় আক্রান্ত ছিলেন তিনি। সঙ্গে শরীরে বাসা বাঁধে মারণ ছত্রাক ব্ল্যাক ফাঙ্গাস। এই মারণ ছত্রাক নিয়ে ইতিমধ্যে অ্যাডভাইজারি প্রকাশ করেছে রাজ্য।

মৃতার স্বামী রাজু চক্রবর্তী জানান, গত এক সপ্তাহ ধরে শম্ভুনাথ পণ্ডিত হাসপাতালে ভরতি ছিলেন তাঁর স্ত্রী। করোনার চিকিৎসা চলছিল। সুগারও ছিল তাঁর। হঠাৎই চিকিৎসকরা জানান, তাঁর স্ত্রীর শরীরে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের লক্ষণ দেখা দিয়েছে। চোখ ফুলে গিয়েছে, চোখ ও মাথা ব্যথা করছে, নাক দিয়ে জল বেরোচ্ছে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, রোগীকে অ্যাম্পোটিরিসিন বি দেওয়া হচ্ছিল। তবে শেষ রক্ষা করা যায়নি। ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হয়ে মহিলার মৃত্যু হয়। এমনটাই পরিবারের দাবি।

 

দেশ জুড়ে এখন একটাই নাম- করোনাভাইরাস! এই মারণ ভাইরাসের আতঙ্ক যেন ঘুম কেড়ে নিয়েছে দেশবাসীর। কবে এই মহামারী থেকে রক্ষা পাবে দেশ, সেই চিন্তায় দিন কাটছে সকলের। তার মধ্যে রয়েছে ভ্যাকসিনের আকাল। সব মিলিয়ে যেন করোনা আক্রান্ত না হয়েই মৃত্যুকে আলিঙ্গন করার জোগাড়। এই পরিস্থিতিতে ‘ইয়ং ওয়ারিয়র’ (Young Warrior) নামে একটি অভিযান শুরু করেছে কেন্দ্রীয় মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড (CBSE)।

এই অভিযানের অংশ হিসাবে কেন্দ্রীয় শিক্ষা বোর্ড কোভিড ১৯-এর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে মোট ৫০ লক্ষ্য তরুণকে যুক্ত করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে। যার লক্ষ্য ৫ কোটি মানুষকে প্রভাবিত করা।

এই অভিযানের অংশ হিসাবে কেন্দ্রীয় শিক্ষা বোর্ড কোভিড ১৯-এর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে মোট ৫০ লক্ষ্য তরুণকে যুক্ত করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে। যার লক্ষ্য ৫ কোটি মানুষকে প্রভাবিত করা।

যোগদানের জন্য, এই পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করতে পারেন:

স্টেপ ১: WhatsApp-এ টাইপ করুন YWA এবং এটি +৯১ ৯৬৫০৪১৪১৪১ নম্বরে পাঠিয়ে দিন। এছাড়া আপনি মিসড কল করেও যোগদান করতে পারেন। মিসড কল নম্বর হল, ০৮০-৬৬০১৯২২৫

স্টেপ ২: একবার কেউ যোগ দিলে, তাঁরা ১০ বছর বা তার বেশি বয়সের তরুণদের (১০-৩০ বছর) এই মুভমেন্টে যোগ দিতে উদ্বুদ্ধ করতে পারেন

স্টেপ ৩: ৫ জন বন্ধুকে ট্যাগ করে, সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘আমি একজন তরুণযোদ্ধা’ (I am a #youngwarrior) এই বাক্যটি সহ একটি মেসেজ পোস্ট করে কোভিড ১৯-এর এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি নিতে হবে।

প্রথমটি প্রযুক্তি ভিত্তিক চ্যাট-বট (Chat-Bot) প্ল্যাটফর্ম যা UReport (WhatsApp YWA-থেকে +৯১ ৯৬৫০৪১৪১৪১) নামে পরিচিত। দ্বিতীয়টি হল ইন্টারেক্টিভ ভয়েস রেসপন্স (IVR) ভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম (০৮০৬৬০১৯২২৫ নম্বরে মিসড কল দিন), WhatsApp/Internet না থাকতে পারে এমন যুবসম্প্রদায়ের জন্য এবং তৃতীয়টি ফোন বা ইন্টারনেটের পরিষেবা নেই তাঁদের জন্য কমিউনিটি রেডিওর (Community Radio) মাধ্যমে হবে।

যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া মন্ত্রক, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক, YuWaah-UNICEF এবং ৯৫০-এর বেশি অংশীদারদের সঙ্গে এই প্রচার শুরু করেছে।

বাবা হিসেবে গর্বে বুক ভরে যাচ্ছে অ্যান্থনি পিলকিংটনের (Anthony Pilkington)। তাঁর ছেলে লুকা পিলকিংটনকে (Luca Pilkington) মাত্র আট বছর বয়সে নিজেদের ক্লাবে সই করাল ম্যাঞ্চেস্টার সিটি (Manchester City)। সন্তানের কৃতিত্বে গর্বিত ইস্টবেঙ্গলের (East Bengal) আইরিশ উইঙ্গার। সিনিয়র পিলকিংটন নিজেই ইনস্টাগ্রামে খুশির খবর ভাগ করে নিয়েছেন ফ্যানেদের সঙ্গে। নিজেই সকলকে জানালেন যে, তাঁর ছেলে ইংল্যান্ডের বিশ্ববন্দিত ফুটবল ক্লাবে খেলার সুযোগ পেয়েছে।