Articles by "cyclone yaaa update"
Showing posts with label cyclone yaaa update. Show all posts


দিঘা থেকে ৪২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত শক্তিশালী সাইক্লোন ইয়াসের অভিমুখ এখন ঝাড়খণ্ডের দিকে। তাই শুধুই দুই মেদিনীপুর, দুই চব্বিশ পরগণাই নয়, ঝাড়খণ্ড সীমান্ত লগোয়া জেলাগুলিতেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রাখার নির্দেশ দিল নবান্ন।

আবহাওয়ার গতিপ্রকৃতি দেখে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঝাড়গ্রামের গোপীবল্লভপুর ১, গোপীবল্লভপুর ২, সাঁকরাইল, নয়াগ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুরের মোহনপুর, কেশিয়াড়ি,দাঁতন, পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগর ২, রামনগর ২ দক্ষিণ ২৪ পরগনার সাগরের অংশগুলোতে বেশি ক্ষতি হবার সম্ভাবনা রয়েছে। সব দিক মাথায় রেখে জেলাশাসকদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন।

এখনও পর্যন্ত য়া স্থির হয়েছে তাতে পুরুলিয়ার নির্দিষ্ট কিছু অংশে মানুষকে স্থানান্তরিত করা  হবে। অন্য দিকে ইয়.স ঝাড়খণ্ডের দিকে গেলে, বুধবারের পর বৃহস্পতিবারও বৃষ্টি হলে পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, বীরভূমের একাংশে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, এমন আশঙ্কাও থাকছে । তাই তড়িঘড়ি সেচ দফতরের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট জেলার জেলাশাসকদের, নবান্ন সূত্রে খবর। মাঠে নেমে কাজ শুরু করেছেন জেলাশাসকরাও।

এর পাশাপাশি এখনও পর্যন্ত  উত্তর ২৪ পরগনায় ৫১৫৫৪ জনকে নিরাপদ আশ্রয় এ নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়েছে। ইয়াসের কথা মাথায় রেখে বসিরহাট পুলিশ জেলাতেই এই  ব্যবস্থা নেওয়া  হয়েছে। দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার গোরামারা, নামখানা, গঙ্গাসাগরে এক লক্ষ ৯৫ হাজার মানুষকে ত্রাণ শিবিরে সরানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত ক্রমেই স্থলভাগের সঙ্গে দূরত্ব কমছে সাইক্লোন ইয়াসের।বুধবার দুপুরে অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় হিসেবে ইয়াস দিঘা ও পারাদ্বীপের মাঝামাঝি অঞ্চল অতিক্রম করবে। কিন্তু আজ মঙ্গলবার থেকেই প্রকৃতির রোষের মুখে পড়েছে বহু অঞ্চল। ফ্রেজারগঞ্জ থেকে শুরু করে হলদিয়া বহুজায়গাতেই জলোচ্ছ্বাস শুরু হয়েছে।

গত বছরই আমফানের তান্ডবলীলা দেখেছে বাংলা। তাই এই বছর একই সময় ঘূর্ণিঝড় যশের পূর্বাভাসে ভয়ে কাঁটা হয়ে রয়েছে উপকূল এলাকা তথা পশ্চিমবঙ্গবাসী। ঘূর্ণিঝড় যশ (Cyclone Yaas) এর গতিপ্রকৃতি নিয়ে তটস্থ আবহাওয়া দফতরও (Weather Office)। জানা যাচ্ছে শনিবারই পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন উত্তর আন্দামান সাগরে নিম্নচাপ তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে সোমবার। এমনটাই জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। তারপর আরও শক্তি বাড়িয়ে উত্তর পশ্চিম দিকে এগোবে এই ঝড়। সম্ভবত আগামী বুধবার বাংলার উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড় যশ বা ইয়াস।

এদিকে, গত কয়েকদিন থেকেই গা জ্বালানি গরমে হিমশিম খাচ্ছেন বঙ্গবাসী। বৃষ্টির দেখা নেই। ভোর হতে না হতেই চড়া রোদে নাজেহাল অবস্থা। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা যাচ্ছে, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে রাজ্যে আগামী মঙ্গলবার থেকে বৃষ্টি শুরু হবে। ২৫ মে থেকে রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি শুরু হবে। কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টি হতে পারে পরবর্তী সময়ে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে। মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা বাকি জেলাগুলিতেও।