সৌগত পুরনো প্রসঙ্গ টেনে বলেন, "এর আগে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল, শুধুমাত্র স্বীকৃত প্রতিনিধিরাই ফুল বেঞ্চের সঙ্গে দেখা করতে পারে। সেক্ষেত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃণমূলের চেয়ারম্যান তো কোনও মিটিং চাননি, তাহলে ভেঙে যাওয়া বিক্ষুব্ধ তৃণমূলরা কীভাবে সাক্ষাতের সময় পেল?"
দাবি তো বৈধ নই-ই, কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় পাওয়ারও যোগ্য নন ঋতব্রতরা! কীভাবে, বোঝালেন সৌগত
তৃণমূলের নাম এবং প্রতীকের আসল দাবিদার কারা? টানাপোড়েনের মাঝেই বৃহস্পতিবার দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠক করেন ঋতব্রতরা। কিন্তু তাঁদের বৈঠকের অনতিবিলম্ব পরই সাংবাদিক বৈঠকে করেন মমতাপন্থী সৌগত-সাগরিকা ঘোষরা। কেন ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলের দাবি আইনত বৈধ নয়, কীভাবেই বা তাঁরা নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গেও বৈঠক করার অনুমতি পেলেন- এ সব নিয়ে বিস্তর প্রশ্ন তুললেন তাঁরা। তাঁর প্রশ্ন, ” ভেঙে যাওয়া বিক্ষুব্ধ তৃণমূলরা কীভাবে সাক্ষাতের সময় পেল?”
প্রসঙ্গত, তৃণমূলের প্রতীক, তহবিল কার হাতে থাকবে, তা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠক করেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা। আর সেটা নিয়েই সাংবাদিক বৈঠক করেন মমতাপন্থী সাংসদরা। সৌগত বলেন, “আজকে একটা গোষ্ঠী দেখেছি, যারা তৃণমূল থেকে বেরিয়ে যাওয়া… যাদের নেতাকে তৃণমূল বহিষ্কার করেছিল, তারা নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠক করেছে।” কিন্তু এটা কীভাবে সম্ভব? সৌগত পুরনো প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “এর আগে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল, শুধুমাত্র স্বীকৃত প্রতিনিধিরাই ফুল বেঞ্চের সঙ্গে দেখা করতে পারে। সেক্ষেত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃণমূলের চেয়ারম্যান তো কোনও মিটিং চাননি, তাহলে ভেঙে যাওয়া বিক্ষুব্ধ তৃণমূলরা কীভাবে সাক্ষাতের সময় পেল?”
গানের রিয়েলিটি শো-র প্যানেলিস্টদের সঙ্গে কী ধরনের চ্যাট করতেন অদিতি মুন্সি? এবার বিস্ফোরক তথ্য এল সামনে
তাঁর দাবি, “আমরাই তো ঠিক করব, কে আমাদের দলের প্রতিনিধি, এতে জ্ঞানেশ কুমারের কোনও ভূমিকা নেই।” সাংবাদিক বৈঠকেই এক গুচ্ছ প্রশ্নের উত্থাপন করেন বর্ষীয়ান সাংসদ। তাঁর প্রশ্ন, যে কোনও লোককেই কমিশনের সাক্ষাতের সময় দিতে পারে? যে কোনও বিধায়ক গিয়ে তিন জন কমিশনের আধিকারিকের সঙ্গে দেখা করতে পারেন? এর আগে হয়েছে এরকম?
এদিকে আবার কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠকের পর ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, “ফুল বেঞ্চের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা হয়েছে । পার্টি চার্টার্ড ব্যুরোক্র্যাট হাইজ্যাক করেছিল। পার্টি পারিবারিক হয়ে গিয়েছিল। আসল তৃণমূল আমরাই।”


Post A Comment:
0 comments so far,add yours