এরপর এই বক্তব্য চ্যালেঞ্জ করে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা বলেন,"তাঁকে (সুমিত) প্রাসঙ্গিক সব প্রশ্ন করা হয়েছে। সেই প্রমাণ আছে। আমরা আদালতে সব আমরা জমা দেব। ১০ লক্ষ টাকা জমা পড়েছে দেখা যাচ্ছে। কিন্তু এটা হিমশৈলের চূড়া মাত্র। নগদ কালো টাকা অন্য কোথাও রাখা আছে। সম্প্রকি দু'কোটি টাকা অন্য অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছে।"
নয়া দিল্লি: রাজ্যে পালাবদলের পর থেকে একাধিক মামলা হয়েছে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) ও তাঁর আপ্ত-সহায়ক সুমিত রায়ের (Sumit Roy)-এর বিরুদ্ধে। সোমবার সুমিত রায়ের একটি কেসে আগাম জামিনের মামলা সুপ্রিম কোর্টে ওঠে। শুনানির সময় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের ভর্ৎসনার মুখে ইডিসহ কেন্দ্রীয় এজেন্সি। প্রসঙ্গ ওঠে ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্সেরও’। তখনই তদন্তের শ্লথ গতি নিয়ে বিচারপতিদের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে।
সোমবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের এজলাসে সুমিতের মামলার শুনানি চলছিল। কোর্টে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহেতার সওয়াল, একটি রাজনৈতিক দলের অ্যাকাউন্ট থেকে ৩০ কোটি টাকা ‘লিপস্ এন্ড বাউন্স’- এর মত ‘দাগী’ সংস্থার অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে। সেই সময়ই বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ভর্ৎসনার মুখে পড়ে কেন্দ্রীয় এজেন্সি।


Post A Comment:
0 comments so far,add yours