Articles by "Indian news"
Showing posts with label Indian news. Show all posts


গরমের মরশুমেই উত্তরাখণ্ডে চারধাম যাত্রার (Char Dham Yatra) প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে পুরোদমে। আগামী ৩ মে থেকে বদ্রীনাথ, কেদারনাথ, গঙ্গোত্রী, যুমনোত্রীর পবিত্র ও হিন্দু মন্দিরগুলির বার্ষিক তীর্থযাত্রা শুরু হবে বলে জানা গিয়েছে। আগামী ৬ মে থেকে কেদারনাথ মন্দিরের (Kedarnath Temple) দরজা সাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

এবছর কেদারনাথ যাত্রার জন্য যে পূণ্যার্থীরা পরিকল্পনা করেছেন তাঁদের জন্য রয়েছে সুখবর। কারণ কেদারনাথ মন্দিরের যাওয়ার জন্য অনলাইনে হেলিকপ্টার পরিষেবার (Helicopter Service) জন্য বুক করা যাচ্ছে।

আগামী ৪ এপ্রিল থেকে অনলাইন বুকিং চালু করেছে গাড়ওয়াল মণ্ডল বিকাশ নিগম । আগামী ৩ মে থেকে গঙ্গোত্রী ও যমুনোত্রীর মন্জিরগুলির দরজা সাধারণ ভক্তদের জন্য খুলে দেওয়া হবে। শুধু তাই নয়, বার্ষিক যাত্রার জন্য ৪ মে থেকে খুলে দেওয়া হবে বদ্রীনাথ মন্দিরের দরজাও।

চারধাম যাত্রার মধ্যে কেদারনাথ মন্দিরে যাওয়ার রাস্তা সবচেয়ে দুর্গম। উত্তরাখণ্ডের উঁচু স্থানে অবস্থিত একটি গুহায় অবস্থিত। বহু তীর্থযাত্রীর পক্ষেই পায়ে হেঁটে যাত্রা করা সম্ভব নয়। এই যাত্রায় সামিল হোন বহু প্রবীণরাও। তবুও শরীরের জন্য এই যাত্রা কখনও বাধা হয়ে দাঁড়ায় না। অনেক মাঝপথে অসুস্থ বোধ করতে শুরু করে, অনেকে যাত্রাপথ পূরণ করতে পারেন না। এর কারণ হলে কেদারনাথ মন্দিরে যাওরা পথটি অত্যন্ত কঠিন। এমন পরিস্থিতির কথা ভেবে উত্তরাখণ্ড সিভিল এভিয়েশন ডেভেলপমেন্ট অথরিটি প্রতি বছর শিবের অন্যতম পবিত্র মন্দিরের যাওয়ার জন্য লক্ষ লক্ষ তীর্থযাত্রীদের জন্য হেলিকপ্টার পরিষেবার আয়োজন করেছে।

কেদারনাথ যাত্রার জন্য যাঁরা পরিকল্পনা করছেন, তাঁরা আগাম চপার অনলাইনে বুকিং করতে পারেন। গারহাওয়াল মন্ডল বিকাশ নিগম (GMVN), heliservices.uk.gov.in-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট সার্চ করে হেলিকপ্টার যাত্রার আগে থেকেই বুক করতে পারেন। রয়েছে হেল্পলাইন নম্বরও। 0135-2746817 বা 0135-2431793-এর মাধ্যমেও বুকিং করা যেতে পারে।

জানা গিয়েছে, গুপ্তকাশী, সিরসি এবং ফাটা থেকে হেলি রাইড পরিচালনা করা হবে। গুপ্তকাশী থেকে কেদারনাথের ভাড়া ৭,৭৫০ টাকা। যেখানে সিরসি এবং ফাটা থেকে মন্দিরের ভাড়া মাত্র ৪৭২০টাকা ও ৪৬৮০ টাকা। প্রসঙ্গত, উত্তরাখণ্ডের রুদ্রপ্রয়াগ জেলায় কেদারনাথ মন্দিরটি অবস্থিত। গাড়ওয়াল হিমালয় পর্বতমালার মধ্যে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৩৫৮৪ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত। চারধাম যাত্রার সময় প্রতি বছর লক্ষাধিক ভক্ত মন্দিরে ভিড় করেন। তবে তীব্র ঠান্ডা ও তুষারপাতের কারণে প্রতি বছর ভাইফোঁটার আগেই মন্দিরের দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়।

করোনার (Coronavirus) ধাক্কায় এবার বন্ধ হচ্ছে পুরীর (Puri) জগন্নাথ মন্দির (Jagannath Temple)। আগামী ১০ জানুয়ারি থেকে মন্দির বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। জানা গিয়েছে, মন্দির ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ রাখা হবে। তারপর পরিস্থিতি বুঝে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শুক্রবার মন্দির কর্তৃপক্ষের বৈঠক ছি‌ল। 'ছত্তিশা নিয়োগ' কমিটিই জগন্নাথ মন্দির সংক্রান্ত যাবতীয় সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে। এদিনও তারাই বৈঠক করেছে। সেই সঙ্গে শ্রীজগন্নাথ মন্দির কর্তৃপক্ষ এসজিটিএ'র সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জেলা আধিকারিকরাও। বৈঠকের পরে পুরীর জেলাশাসক সমর্থ ভার্মা সাংবাদিকদের জানিয়ে দেন, ভক্ত ও সেবকদের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে ১০ জানুয়ারি থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ রাখা হবে মন্দির। সম্প্রতি মন্দির প্রশাসনের সদস্য থেকে সাধারণ সেবক, অনেকেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। ক্রমশই গোটা দেশের মতোই ওড়িশার কোভিড পরিস্থিতিও উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। তাই আর ঝুঁকি না নিয়ে মন্দির বন্ধ রাখার এই সিদ্ধান্ত।


এর আগেও করোনা পরিস্থিতির দিকে নজর রেখে ডিসেম্বরে ২ দিন বন্ধ ছিল মন্দির। বন্ধ ছিল নতুন বছরের প্রথম দিনেও। মন্দির কর্তৃপক্ষ আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন ২৫ এবং ৩১ ডিসেম্বর বন্ধ থাকবে মন্দির। সেই সঙ্গে ১ জানুয়ারিও জগন্নাথ মন্দিরের দরজা সাধারণ নাগরিকদের জন্য বন্ধ রাখা হবে।

করোনা পরিস্থিতিতে ২০২০ সালের মার্চ মাস থেকে দেশের অন্যান্য ধর্মীয় স্থানের মতো বন্ধ হয়ে গিয়েছিল পুরীর জগন্নাথ মন্দিরও। আনলক পর্বে ধীরে ধীরে দেশের অন্যান্য মন্দির খুললেও পুরীর জগন্নাথ মন্দির বন্ধই ছিল। করোনা কালে পুরীর রথযাত্রায় (Rathyatra) জমায়েত একেবারে নিষিদ্ধ হয়ে যায়। শুধুমাত্র প্রথাটুকুই পালন করা হয়। দীর্ঘ ৯ মাস পর ডিসেম্বরে কোভিডবিধি মেনে ভক্তদের জন্য পুরীর মন্দিরের দরজা খোলে। তারপরও করোনা পরিস্থিতির দিকে নজর রেখেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। এবার ফের সাবধানতা অবলম্বন করতে মন্দির বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল।

সপ্তাহ ঘোরার আগে ফের সিঙ্গুরে জমায়েত চাকরিপ্রার্থীদের। তবে এ বারও পুলিশের বাধার মুখে থমকে গেল কর্মসূচি। সোমবার সিঙ্গুর স্টেশনে ট্রেন থেকে নেমে সংগঠনের ব্যানার নিয়ে মিছিল শুরু করার আগেই পুলিশ আন্দোলনকারীদের আটক করে। তাঁদের গাড়িতে তুলতে গেলে ধস্তাধস্তি বেধে যায়। আন্দোলনকারীদের মধ্যে দুই মহিলা অসুস্থ হয়ে পড়েন।

তাঁদের সিঙ্গুর গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিত্‍সার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে। প্রায় ৪০ জন আন্দোলনকারীকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার এসএসসি যুব ছাত্র অধিকার মঞ্চ শিক্ষা ও শারীরশিক্ষা সংগঠনের তরফে জমায়েত করা হয় সিঙ্গুর স্টেশন লাগোয়া এলাকায়। সিঙ্গুরে টাটা প্রকল্পের গেটের সামনে যেখানে এক সময় বিরোধী নেত্রী থাকাকালীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধর্না দিয়েছিলেন সেখান থেকে মিছিল শুরু করার কথা ছিল তাঁদের। কিন্তু সেই অভিযান আটকে দেয় পুলিশ।


এর আগে গত ১২ নভেম্বর সিঙ্গুর টাটা প্রকল্পের সামনে জমায়েত করার চেষ্টা করেছিলেন আন্দোলনকারীরা। তবে সে বার আন্দোলনের অনুমতি দেয়নি পুলিশ। সেই সময় আন্দোলনকারীরা ঘোষণা করেন, এসএসসি চাকরিপ্রার্থীরা সিঙ্গুর থেকে নবান্ন অভিযান করবে। সেই কথা মতো সোমবার সিঙ্গুর স্টেশন লাগোয়া এলাকায় জমায়েত করেন তাঁরা। তবে এ বারও তাঁদের থমকে যেতে হয়। তাঁদের দাবি, পুলিশের থেকে কর্মসূচির জন্য অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। তবে পুলিশের দাবি, এই কর্মসূচির কোনও অনুমতি ছিল না।

সংগ্ৰহ 
THE WALL

রাজ্যে ফের হেনস্তার শিকার হল বাংলার পুলিশ (West Bengal police)। যোগী রাজ্যের পদ্ম নেতাকে গ্রেফতার করতে গিয়ে নিগ্রহের শিকার হয় রাজ্য পুলিশের এক দল। অভিযুক্ত যুব মোর্চা কর্মী যোগেশ বার্ষ্ণোইকে চার বছরের আগের মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করতে যেতেই উপস্থিত বিজেপি কর্মীদের হাতে মারধরের অভিযোগ ওঠে
ঘটনার সূত্রপাত ২০১৭ সাল। ওই সময়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে একটি কুরুচিকর মন্তব্য করেন বিজেপি নেতা যোগেশ বার্ষ্ণোই। সেই সময়, যোগেশে সগর্বে ঘোষণা করেন, 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাথা কেটে আনতে পারলে ১১ লক্ষ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে।' যা সামনে আসতেই রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে জাতীয় রাজনীতিতে। সেই ঘটনারই তদন্তেই শনিবার আলিগড়ে পৌঁছান বাংলার পুলিশ। অভিযোগ, যোগেশ বার্ষ্ণোইয়ের বাড়িতে পৌঁছালেই উপস্থিত শতাধিক বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা তাঁদের ঘিরে ধরে। এমনকি মারধরও করা হয়। এমনকি তাঁদের আটকে রাখার অভিযোগও ওঠে। এই ঘটনা উত্তরপ্রদেশ পুলিশের সামনেই ঘটেছে বলে অভিযোগ। তবে পরে অবশ্য যোগী পুলিশ উদ্ধার করেন তাঁদের। এই ঘটনা নিয়ে তর্জা শুরু হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতেও। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করে কুণাল ঘোষ বলেন, 'ঘটনাটি অত্যন্ত নিন্দাজনক। যোগী রাজ্যে জঙ্গলরাজ চলছে।' পাল্টা জবাবে বিজেপি বলে, 'সমস্ত ক্ষেত্রে রাজনীতি করতে গেলে যা হয়, উত্তরপ্রদেশেও তাই হয়েছে
টোকিও অলিম্পিকে ইতিহাস। ৬৯ কেজি ওয়াল্টার ওয়েট বিভাগে চাইনিজ তাইপে অর্থাত্‍ তাইওয়ানের চেন নিয়েন চিনকে হারিয়ে বক্সিংয়ের সেমিফাইনালে উঠে গেলেন ভারতের লভলিনা বরগোঁহাই (Lovlina Borgohain )। সেই সঙ্গে অন্তত ব্রোঞ্জ পদক নিশ্চিত করে ফেললেন তিনি। কোয়ার্টার ফাইনালে লভলিনা জিতলেন ৪-১ পয়েন্টের ব্যবধানে।


গতকালই মেরি কমের (Mary Kom) হতাশাজনক ফলাফলে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল ভারতের। রেফারির বিতর্কিত সিদ্ধান্তের জন্য কোয়ার্টার ফাইনালে হতাশাজনক হারের মুখ দেখতে হয়েছিল কিংবদন্তিকে। তবে, মেরি কমের সেই হতাশা দূর করলেন উত্তর পূর্ব ভারতেরই আরেক কন্যা।


প্রথম অসমিয়া বক্সার হিসাবে অলিম্পিক পদক নিশ্চিত করে ইতিহাস গড়লেন লভলিনা বরগোঁহাই। কোয়ার্টার ফাইলানে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী চাইনিজ তাইপের চেন নিয়েন চিন ধারেভারে তাঁর থেকে এগিয়েই শুরু করেছিলেন। কিন্তু ম্যাচ শুরুর পরই বদলে যায় ছবি। পদক জয়ের আশায় এদিন যেন অপরাজেয় মানসিকতা নিয়ে নেমেছিলেন ভারতের সোনার মেয়ে। কোয়ার্টার ফাইনালের একেবারে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলতে দেখা যায় লভলিনাকে। প্রথম রাউন্ডে তিনি জেতেন ৩-২ এর স্লিট পয়েন্টে। দ্বিতীয় রাউন্ডে রক্ষণ এবং আক্রমণের অনবদ্য মিশেল দেখান লভলিনা। এই রাউন্ডে তিনি জেতেন সর্বসম্মতিক্রমে। ফলে শেষ রাউন্ডে শুধু নক-আউট না হলেই পদকজয় নিশ্চিত ছিল লভলিনার। তাই শেষ রাউন্ডে খানিকটা রক্ষণাত্মক খেলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত বিচারকরা ৪-১ পয়েন্টের ব্যবধানে লভলিনাকেই জয়ী ঘোষণা করে দেন। সেই সঙ্গে ইতিহাসের খাতায় নাম তুলে দেন অসমের এই বক্সার। সেমিফাইনালে ওঠার ফলে অন্তত ব্রোঞ্জ পদক নিশ্চিত করে ফেলেছেন লভলিনা। সেমিফাইনালে তুরস্কের বক্সারকে হারাতে পারলে রুপোজয়ও নিশ্চিত করতে ফেলতে পারবেন তিনি।ইতিমধ্যেই লভলিনাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ক্রীড়ামন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর।


এদিকে, লভলিনার পাশপাশি এদিন ভারতের জন্য সুখবর এসেছে তিরন্দাজি থেকেও। কঠিন লড়াইয়ের পর রাশিয়ার প্রতিদ্বন্দ্বিকে হারিয়ে তিরন্দাজির ব্যক্তিগত ইভেন্টের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে গিয়েছেন দীপিকা কুমারীও। তবে, দীপিকা আশা জাগালেও হতাশ করেছেন শুটার মনু ভাকের। ২৫ মিটার এয়ার পিস্তলে ফাইনালের জন্য যোগ্যতা অর্জন করতে পারেননি তিনি। এদিকে ১০০ মিটার স্প্রিন্টিংয়ে ফাইনালে উঠতে পারেননি ভারতের দ্যুতি চাঁদও
নিজস্ব প্রতিবেদন: শুক্রবারের চেয়ে শনিবার বাড়ল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। ২৪ ঘণ্টায় দেশের দৈনিক সংক্রমণ প্রায় ৪৬ হাজারের বেশি। গত তিন দিন ধরে ৫০ হাজারের কম রয়েছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। গত বৃহস্পতিবার সেই সংখ্যা ৫০ হাজার অতিক্রম করেছিল। দেশের মধ্যে কেরল, দিল্লি এবং মহারাষ্ট্রে দৈনিক সংক্রমণ সবথেকে বেশি।
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুসারে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৪৬ হাজার ২৩২ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৯০.৫ লাখ অতিক্রম করল। তবে, বিশ্বের প্রথম স্থানে রয়েছে আমেরিকা। দ্বিতীয় স্থানে ভারত। তৃতীয় স্থানে থাকা ব্রাজিল এক মাসেরও বেশি সময় ধরে দৈনিক সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রখেছে।আমেরিকাতেও ক্রমশ বাড়ছে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা।  আজ দৈনিক সংক্রমণ ১ লক্ষ ৮৭ হাজার ৪২৮ জন। গোটা করোনাকালে যা এখনও অবধি সর্বোচ্চ। ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৫৬৪ জনের। দেশে এখনও অবধি করোনায় মৃত্যু হয়েছে ১ লক্ষ ৩২ হাজারের বেশি। এর প্রায় এক তৃতীয়াংশ মৃত্যুই মহারাষ্ট্রে।
তবে স্বস্তির খবর, দেশে কোভিড আক্রান্তদের সুস্থ হওয়ার হার ৯৩.৬ শতাংশ অতিক্রম করেছে। এখনও পর্যন্ত দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৯০ লক্ষ ৫০ হাজার ২৪৭ জন। সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ ৩২ হাজার ৭৬৪ জন।
জানা গিয়েছে, ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে স্বাস্থ্যকর্মী ও প্রবীণ ব্যক্তিরা পেতে পারেন অক্সফোর্ডের কোভিড রোধের ভ্যাকসিন। যার জন্য খরচ হতে পারে মাত্র ১০০০ টাকা। 

প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে দিওয়ালিটা সীমান্তে সেনা জওয়ানদের সঙ্গেই কাটান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷ করোনা অতিমারির মধ্যেও এ বছর তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না৷ এ বছর রাজস্থানের জয়সলমেরে পাকিস্তান সীমান্তে পৌঁছে যাচ্ছেন তিনি৷
মূলত সেনাদের মনোবল বাড়াতেই দিওয়ালিটা তাঁদের সঙ্গে কাটান প্রধানমন্ত্রী৷ জওয়ানদের মিষ্টিমুখ করানোর পাশাপাশি তাঁদের সঙ্গে আলাপচারিতাও সারেন তিনি৷ গোটা দেশ যখন খুশির দিওয়ালি পালন করে, তখনও পরিবার থেকে দূরে সীমান্তে অতন্দ্র নিরাপত্তার কাজ করেন সেনা জওয়ানরা৷ সেই কারণেই প্রত্যেকবছর উৎসবের সময় কোনও না কোনও সীমান্তে পৌঁছে যান প্রধানমন্ত্রী৷এ দিন সকালেই বিশেষ বিমানে জয়সলমেরে পৌঁছনোর কথা প্রধানমন্ত্রীর৷ ইতিমধ্যেই তাঁকে স্বাগত জানাতে ভারতীয় সেনা, বায়ুসেনা এবং বিএসএফ-এর শীর্ষ কর্তারা সেখানে পৌঁছে গিয়েছেন৷
এ দিনই দেশবাসীকে দিওয়ালির শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী৷ ট্যুইটারে তিনি লিখেছেন, 'প্রত্যেক দেশবাসীকে দীপাবলির শুভকামনা জানাই৷ এই উৎসব আরও খুশি এবং ঔজ্বল্য নিয়ে আসুক, এই কামনা করি৷ সবাই সুস্থ থাকুন, জীবনে সমৃদ্ধি আসুক৷'
এ বছর দীপাবলিতে দেশের জওয়ানদের সম্মানে একটি করে প্রদীপ জ্বালানোর জন্য দেশবাসীর কাছে অনুরোধ করেছেন প্রধানমন্ত্রী৷ শুক্রবারও সেই আবেদন রেখেছেন তিনি৷২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পরই দিওয়ালিতে সিয়াচেনে পৌঁছে গিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি৷ এর পর গত কয়েক বছরে একে এক উত্তরাখণ্ড, হিমাচল প্রদেশ, পঞ্জাব এবং জম্মু কাশ্মীরের বিভিন্ন ফরওয়ার্ড বেসে সেনা জওয়ানদের সঙ্গে দীপবালি কাটিয়েছেন তিনি৷

সুশান্ত মৃত্যুর রহস্য যেন দিন দিন জটিল হয়ে উঠছে। জানা যাচ্ছে, গত ২৮ নভেম্বর সুশান্তের সাড়ে ৪ কোটি টাকার ফিক্সড ডিপোজিট ভেঙে ফেলা হয়। আর এবিষয়েই জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় রিয়া চক্রবর্তী এবং অভিনেতার প্রাক্তন ম্যানেজার শ্রুতি মোদী-কে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।

জানা যাচ্ছে, এবিষয়ে শ্রুতি মোদী ED-কে জানিয়েছেন, তিনি সুশান্তের আর্থিক বিষয় দেখতেন না। তাই এই বিষয়ে তিনি কিছুই বলতে পারবেন না। সুশান্ত যখন সবেমাত্র রিয়ার সঙ্গে ডেট করা শুরু করেছেন, তখনই তিনি সুশান্তের ম্যানেজার হিসাবে কাজ করা শুরু করেছিলেন। তবে সুশান্তের আর্থিক বিষয় ও কেরিয়ারের বিষয় সবটাই রিয়া সিদ্ধান্ত নিতেন।

এদিকে সুশান্তের ফিক্সড ডিপোজিট ভাঙার বিষয়ে ED-র তরফে রিয়াকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ''কেন FD ভাঙা হল, এটা সুশান্তই বলতে পারবেন''। জানা যাচ্ছে, একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কে একটি ২ কোটির আরেকটি আড়াই কোটির ফিক্সড ডিপোজিট ছিল সুশান্তের। সেটি গত নভেম্বরে ভেঙে ফেলা হয়। পরিবর্তে ১ কোটি টাকা দুটি ফিক্সড ডিপোজিট করা হয়। প্রসঙ্গত, সুশান্তের ফিক্সড ডিপোজিটের বিষয়ে গত মঙ্গলবার অভিনেতার দিদি মীতু সিংওকেও জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডি।

এদিকে জানা যাচ্ছে, তিনদিন ধরে রিয়ার বয়ানে সন্তুষ্ট নয় ইডি। রিয়ার কথায় অসঙ্গতি রয়েছে। আবার তিনি বেশকিছু প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গিয়েছেন। ইতিমধ্যে রিয়া ও তাঁর পরিবারের ফোন, ল্যাপটপ, আইপ্যাড সমস্ত গ্য়াজেটস বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি। সেগুলির ফরেন্সিক পরীক্ষাও করা হবে বলে জানা যাচ্ছে। ইডির তরফে জানানো হয়, রিয়া সুশান্তের সঙ্গে হওয়া তাঁর কিছু হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট মুছে ফেলেছেন। সেগুলি ইতিমধ্যেই উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
শুধু নগদে বা নেটে দাম মেটালেই হবে না। ইন্ডেনের গ্যাসসিলিন্ডার (১৪.২ কেজির) পেতে মোবাইলে আসা ডেলিভারি অথেন্টিকেশন কোড-ও (ডিএসি) জানাতে হবে ডেলিভারি বয়কে। এ মাস থেকেই শুর হয়েছে সেই নিয়ম। সংস্থার দাবি, রান্নার গ্যাস ঠিক গ্রাহক পাচ্ছেন, সেটা নিশ্চিত করাই এর লক্ষ্য। যদিও তারা বলছে, এই নিয়ম এখনও বাধ্যতামূলক হয়নি। কিন্তু ডিলারদের দাবি, সরকারি ভাবে বলা না হলেও, কোড না- জানালে পরে ভর্তুকির টাকা পেতে বা পরের সিলিন্ডার বুক করতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে পারেন গ্রাহক।
ইন্ডেন সূত্রের দাবি, প্রকৃত গ্রাহকের বদলে বেআইনি ভাবে সিলিন্ডার অন্য গ্রাহকের কাছে পৌঁছনোর অভিযোগ আসে ভুরিভুরি। অডিটের সময়েও সরকারি ভর্তুকি ঠিক গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে ঢুকছে কি না, তা নিশ্চিত করার ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। তাই এমন পদক্ষেপ।
ইন্ডেন ডিস্ট্রিবিউটর্স অ্যাসোসিয়েশনের (ওয়েস্ট বেঙ্গল) প্রেসিডেন্ট বিজন বিশ্বাস বলেন, ‘‘ক্যাশমেমো তৈরির পরে পাঠানো এসএমএসে ছ’সংখ্যার ডিএসি সিলিন্ডার দেওয়ার সময়ে ডেলিভারি বয়কে গ্রাহকের থেকে জেনে আসতে বলেছে ইন্ডেন। সিলিন্ডার বিক্রির তথ্যের সঙ্গেই তা সংস্থার সিস্টেমে নথিভুক্ত করতে হবে। এটা না-করলে ভর্তুকি পাওয়া ও পরের সিলিন্ডার বুক করতে সমস্যা হতে পারে। তবে অনেকেই কোড জানাতে চাইছেন না। এ নিয়ে সচেতনতা জরুরি।’’


যে কোনও দিন দুপুরে আপনি ফোন পেতে পারেন আয়কর দফতর থেকে। সেই ফোনে কোনও আয়করকর্মী জানতে চাইতে পারেন, আপনার প্যান কার্ড নম্বর। জানতে চাইতে পারেন, আপনার আধার কার্ড প্যানের সঙ্গে লিঙ্ক করা আছে কি না... ইত্যাদি। আপনি হয়তো জানালেন, আপনার প্যান এবং আধার নম্বর লিঙ্ক করা আছে। তাতেও নাছোড়বান্দা ওই আয়করকর্মী জানাবেন, তাঁদের নথিতে লিঙ্ক থাকার কোনও প্রমাণ নেই। আয়করকর্মী নিশ্চিত হওয়ার জন্য আপনাকে জিজ্ঞাসা করবেন, কোন ফোন নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে লিঙ্ক করার সময়?

এ বার আপনার আশঙ্কিত! বলে দিলেন সেই ফোন নম্বর। ফোনের ওপার থেকে বলা হল, ‘‘আমরা এই নম্বর দিয়ে ফের লিঙ্ক করে দিলাম। আপনার নম্বর সঠিক কি না তা জানার জন্য একটা ওটিপি যাবে মোবাইলে।” আপনার কাছ থেকে সেই ওটিপি বা ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড জেনে নেবেন সেই আয়করকর্মী। গোটা ফোনালাপে ব্যাঙ্ক, টাকা পয়সা বা লেনদেনের দূর দূর তক কোনও যোগ নেই। তাই ভাবলেন, আপনারও আশঙ্কার কোনও কারণ নেই। বরং ‘লিঙ্ক’ হওয়ার পর আপনি হয়তো হাঁফ ছেড়ে বাঁচলেন। ভাবলেন, আয়কর দফতরে দৌড়ঝাঁপ না করেই একটা গুরুত্বপূর্ণ কাজ মিটে গেল।
ঘটনার বেশ কয়েক সপ্তাহ পর। আপনি হয়তো তত দিনে ভুলেই গিয়েছেন, আয়কর দফতরের সেই ফোনের কথা। এক দিন দেখলেন, আপনার বাড়িতে পুলিশ এসে হাজির। বা ফোন পেলেন কোনও থানা থেকে বা লালবাজার থেকে। পড়িমরি করে সেখানে গিয়ে জানতে পারলেন, ব্যাঙ্ক জালিয়াতির কয়েক লাখ টাকা এসেছে আপনার অ্যাকাউন্টে! আপনার নামে, আপনার আধার এবং প্যান নম্বর দিয়ে তৈরি অ্যাকাউন্ট। যদিও আপনি কস্মিনকালেও জানতেন না, এ রকম একটা অ্যাকাউন্ট আছে আপনার।
এই ঘটনা কিন্তু কোনও কল্পগল্প নয়। পুরোটাই কুখ্যাত জামতাড়া গ্যাংয়ের নয়া কৌশল। আয়কর আধিকারিকের পরিচয় দিয়ে ফোন করছে সেই প্রতারকরাই। আমার-আপনার আধার কার্ড এবং প্যান কার্ড নম্বর দিয়ে তৈরি হচ্ছে হাজার হাজার ডিজিটাল অ্যাকাউন্ট। আর সেই অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা হচ্ছে জালিয়াতির টাকা লেনদেনে। মূল অপরাধী থাকছে অধরা। হেনস্থার শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। পর পর ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে বিভিন্ন ব্যাঙ্কের জালিয়াতি দমন শাখার আধিকারিক এবং পুলিশের কর্তাদের ধারণা— কোভিডে সারা দেশের অর্থনীতি ধাক্কা খেলেও ফুলেফেঁপে উঠেছে জামতাড়া গ্যাং। লকডাউন এবং কোভিডের মরসুমে দেশ জুড়ে কমপক্ষে ১৫০-২০০ কোটি টাকার প্রতারণা করেছে জামতাড়া-দেওঘর-কারমাটাঁড়ে ঘাঁটি গেড়ে থাকা কয়েকশো প্রতারণা গ্যাং। 
কী ভাবে হচ্ছে প্রতারণা?
গোটা দেশে অনলাইন প্রতারণার সবচেয়ে বড় হাব এখন জামতাড়া। গত কয়েক বছর ধরে একের পর এক নতুন নতুন কৌশল আমদানি করে চলছে প্রতারণা। ডিজিটাল ইন্ডিয়ার প্রসারের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নিজেদের আপডেট করেছে প্রতারকরাও। একটি প্রথম সারির বেসরকারি ব্যাঙ্কের জালিয়াতি দমন শাখার এক শীর্ষ আধিকারিক, কয়েক জন পুলিশ কর্তা বর্ণনা করেন জামতাড়া গ্যাংয়ের নয়া কৌশল।
বাল্ক এসএমএস
ওই আধিকারিকের কথায়, ‘‘অর্থনীতির ভাষায় প্রায় জিরো ইনভেস্টমেন্টে এটা কোটি কোটি টাকার ব্যবসা। মাত্র ৩ হাজার ৪৫০ টাকা খরচ করলে ৫০ হাজার বাল্ক এসএমএস করা যায়। প্রতি ১৫ দিন অন্তর এ রকম ৫০ হাজার বাল্ক এসএমএস করছে প্রতারকরা। ফোন নম্বরের কোনও নির্দিষ্ট ডেটাবেস ধরে নয়, পর পর নম্বর ধরে করা হচ্ছে বাল্ক এসএমএস। কোনওটায় বলা হচ্ছে, আপনার কার্ডের পাসওয়ার্ডের মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। কোথাও কেওয়াইসি আপডেট করতে বলা হচ্ছে। কোথাও বা রেস্তরাঁর অনলাইন কাবার ডেলিভারির টোপ।’’
টেলি কলিং সার্ভিস
বাল্ক এসএমএসে দেওয়া থাকছে প্রতারকদের একটি ফোন নম্বর। দেওঘরের এক পুলিশ আধিকারিক যিনি সম্প্রতি জামতাড়া গ্যাংয়ের এক বড় মাথাকে পাকড়াও করেছেন, তিনি বললেন, ‘‘এদের টার্গেট থাকে মাত্র ১০ শতাংশ। অর্থাৎ ৫০ হাজারের মধ্যে পাঁচ হাজার যদি ফাঁদে পা দিয়ে প্রতারকদের ফোন করে তা হলেই কেল্লা ফতে। তার মধ্যে অন্তত ১০ শতাংশের ওরা প্রতারণা করতে পারে।” জামতাড়া গ্যাংয়ের টেলি-কলাররা বিভিন্ন কৌশলে হয় ‘টার্গেট’-র কাছ থেকে অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত তথ্য হাতিয়ে নেয়, নয়তো এনি ডেস্ক বা টিম ভিউয়ারের মতো অ্যাপের লিঙ্ক পাঠিয়ে টার্গেটকে সেই অ্যাপ ডাউন লোড করিয়ে নেয়। ওই অ্যাপগুলোর সাহায্যে প্রতারকের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে টার্গেটের মোবাইল। পুলিশ এবং ব্যাঙ্ক কর্তাদের দাবি, গত কয়েক মাসে সব চেয়ে বেশি প্রতারণার ঘটনা ঘটেছে পেটিএমের কেওয়াইসি আপডেটের নাম করে।
ডিজিটাল অ্যাকাউন্ট
লকডাউনের সময়ে প্রায় সব বেসরকারি ব্যাঙ্ক এবং বেশ কিছু রাষ্ট্রাত্ব ব্যাঙ্ক ডিজিটাল অ্যাকাউন্ট খোলার সুযোগ করে দেয় গ্রাহকদের। ওই পদ্ধতিতে বাড়ি বসেই, অনলাইনে আধার কার্ড এবং প্যান কার্ডের সাহায্যে অ্যাকাউন্ট খোলা যায়। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়েই ভুয়ো আয়কর আধিকারিক সেজে এরা বিভিন্ন মানুষের প্যান এবং আধার কার্ড নম্বর জোগাড় করে খুলে নিচ্ছে ডিজিটাল অ্যাকাউন্ট। সেই অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ থাকছে প্রতারকদের হাতে। এক পুলিশ কর্তা বলেন, ‘‘বেশ কয়েকটা গ্রেফতারির সময় প্রতারকরা টাকা যে অ্যাকাউন্ট থেকে তুলছে, সেই নম্বর তদন্তে সাহায্য করেছে পুলিশকে। তাই পুলিশকে ধোঁকা দিতে এ বার অন্যের নামে খোলা ডিজিটাল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে প্রতারণার টাকা লেনদেন শুরু করেছে জামতাড়া গ্যাং। ফলে পুলিশ গিয়ে পাচ্ছে আর এক ধরনের প্রতারিতদের যাঁদের অজান্তেই তৈরি হয়েছে অ্যাকাউন্ট। আড়ালে থেকে যাচ্ছে মূল প্রতারকরা।
জামতাড়া— গ্যাং না প্রতারকদের একটা নেটওয়ার্ক?
গোটা দেশ জুড়ে জামতাড়া গ্যাং কুখ্যাত হলেও, এটি একটি নির্দিষ্ট কোনও গ্যাং নয়। বাংলা-ঝাড়খণ্ড সীমানায় এক সময়ে যে জায়গাগুলো ছিল বাঙালির স্বাস্থ্য উদ্ধারের জন্য বিখ্যাত, সেই জামতাড়া, কারমাটাঁড়, দেওঘর, নারায়ণপুরের প্রায় প্রতি গ্রামেই চলছে অতি লাভজনক এই প্রতারণার ব্যবসা।
ভাগ বাঁটোয়ারা
কলকাতা পুলিশের এক গোয়েন্দাকর্তা বলেন, ‘‘সম্প্রতি নারায়ণপুর ব্লক থেকে ঝাড়খণ্ড পুলিশ আনোয়ার আনসারি নামে প্রতারণা চক্রের বড় মাথাকে পাকড়াও করে। আনোয়ার আনসারি যে সে লোক নন। সম্প্রতি ঝাড়খণ্ডের বিধানসভা ভোটে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার টিকিটে বিধানসভা ভোটেও প্রার্থী ছিলেন তিনি। ভোটে হেরে গেলেও, এলাকায় নেতা হিসাবে দাপট অনেক। পুলিশের দাবি, আনোয়ারের একটা বড় দল আছে। সেখানে কম করে ৪০-৫০ জন টেলি কলার রয়েছে। তাঁকে জেরা করে জানা গিয়েছে, এখন প্রতারণার টাকা ভাগ বাঁটোয়ারা হচ্ছে ৪০-৪০-২০ শতাংশ হিসাবে। যে ফোন করে টার্গেটকে ফাঁদে ফেলে প্রতারণা করছে, সে পাচ্ছে ৪০ শতাংশ টাকা। কারণ, তার সরাসরি প্রতারণায় যোগ। তার ধরা পড়ার ঝুঁকি বেশি কারণ সে ফোন ব্যবহার করছে।
লুঠের ৪০ শতাংশ পাচ্ছে যার মাধ্যমে টাকা তোলা হচ্ছে। সে ক্ষেত্রেও যুক্তি, তার ধরা পড়ার ঝুঁকি বেশি। কারণ, সেখানেও মোবাইল ব্যবহার করা হচ্ছে। অন্য দিকে বাকি ২০ শতাংশ পাবে আনোয়ার আনসারির মতো লোক। কারণ তিনি নতুন কৌশল উদ্ভাবন করছে। পরিকল্পনা তাঁর। কিন্তু তিনি থাকবেন আড়ালে। তাঁর সঙ্গে প্রতারণার সরাসরি কোনও যোগসূত্র থাকবে না। গ্রেফতার হলেও, পরে আদালতে টিকবে না অভিযোগ।
প্রতারকদের রোজগারের ছোট্ট একটা উদাহরণ দেন দেওঘরের এক পুলিশ আধিকারিক। তিনি বলেন, ‘‘মে মাসে মাঝারি মাপের গ্যাংয়ের এক পাণ্ডাকে পাকড়াও করেছিলাম। জেরা করতে গিয়ে জানা গেল নগদ ২০ লাখ টাকা দিয়ে সে একটা গাড়ি কিনেছে ধরা পড়ার ক’দিন আগেই! তা হলেই বুঝুন রোজগারের পরিমাণ।”

প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনা বাড়ানো হল নভেম্বর পর্যন্ত। আজ মঙ্গলবার জাতির উদ্দেশে ভাষণে এই ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। অর্থাৎ এই যোজনায় গরিব পরিবারকে মাথাপিছু যে পাঁচ কেজি চাল অথবা গম এবং এক কেজি ডাল দেওয়া হচ্ছিল বিনামূল্যে, সেই প্রকল্প নভেম্বর পর্যন্ত বাডানো হল। পাশাপাশি আনলক পর্বে আরও সতর্ক থাকার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
দেশ জুড়ে করোনাভাইরাসের দাপট অব্যাহত। সোমবারও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের হিসেবে দেশে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৮ হাজার ৫২২ জন। মোট আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে পাঁচ লক্ষ ছাড়িয়ে গিয়েছে। আজ শেষ হচ্ছে আনলক-১। নতুন করে লকডাউন যে হচ্ছে না, তা সোমবার কেন্দ্রের বিজ্ঞপ্তিতেই স্পষ্ট হচ্ছে। ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামিকাল ১ জুলাই থেকে দেশে শুরু হচ্ছে আনলক-২। কিন্তু এখনও ট্রেন, মেট্রো আন্তর্জাতিক উড়ান চালু হয়নি। বহু শিল্পক্ষেত্রে কাজও শুরু হয়নি পুরোদমে। আবার পরিযায়ী শ্রমিকরাও ঘরে ফিরে কার্যত ঘরে বসে আছেন। রোজগার প্রায় শূন্য। এই পরিস্থিতিতেই প্রধানমন্ত্রী অন্ন যোজনার মেয়াদ আরও পাঁচ মাস বাড়ানোর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর। ৩০ জুন পর্যন্ত এই যোজনার মেয়াদ ছিল। শেষ হওয়ার আগেই মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। 
প্রধানমন্ত্রী এ দিন বলেন, ‘‘জুলাই মাস থেকে কৃষিক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি কাজকর্ম হয়। তুলনায় অন্যান্য শিল্পক্ষেত্রে কিছুটা কম কাজ হয়। তা ছাড়া উৎসবের মরশুমও শুরু হচ্ছে কার্যত জুলাই থেকেই। উৎসবের মরশুমে মানুষের প্রয়োজন বাড়ে, খরচও বাড়ে। সেই বিষয় মাথায় রেখেই প্রধানমন্ত্রী অন্ন যোজনার মেয়াদ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হল। অর্থাৎ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের প্রায় ৮০ কোটি মানুষ বিনামূল্য খাদ্যশস্য পাবেন।’’ 
প্রধানমন্ত্রী এ দিন জানান, এই প্রকল্পের জন্য ৯০ হাজার কোটি টাকা খরচ হবে। এর আগে মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত ছ'মাস এই প্রকল্পে গরিবদের বিনামূল্যে খাদশস্য দেওয়া হয়েছে। সেই খরচ যোগ করলে প্রায় দেড় লক্ষ কোটি টাকা সরকারের খরচ হবে— জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। 
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য: 

নভেম্বর পর্যন্ত ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে খাদ্য: ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

Modi
জাতির উদ্দেশে ভাষণ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। ছবি: টুইটার থেকে নেওয়া

প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনা বাড়ানো হল নভেম্বর পর্যন্ত। আজ মঙ্গলবার জাতির উদ্দেশে ভাষণে এই ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। অর্থাৎ এই যোজনায় গরিব পরিবারকে মাথাপিছু যে পাঁচ কেজি চাল অথবা গম এবং এক কেজি ডাল দেওয়া হচ্ছিল বিনামূল্যে, সেই প্রকল্প নভেম্বর পর্যন্ত বাডানো হল। পাশাপাশি আনলক পর্বে আরও সতর্ক থাকার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। 

দেশ জুড়ে করোনাভাইরাসের দাপট অব্যাহত। সোমবারও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের হিসেবে দেশে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৮ হাজার ৫২২ জন। মোট আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে পাঁচ লক্ষ ছাড়িয়ে গিয়েছে। আজ শেষ হচ্ছে আনলক-১। নতুন করে লকডাউন যে হচ্ছে না, তা সোমবার কেন্দ্রের বিজ্ঞপ্তিতেই স্পষ্ট হচ্ছে। ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামিকাল ১ জুলাই থেকে দেশে শুরু হচ্ছে আনলক-২। কিন্তু এখনও ট্রেন, মেট্রো আন্তর্জাতিক উড়ান চালু হয়নি। বহু শিল্পক্ষেত্রে কাজও শুরু হয়নি পুরোদমে। আবার পরিযায়ী শ্রমিকরাও ঘরে ফিরে কার্যত ঘরে বসে আছেন। রোজগার প্রায় শূন্য। এই পরিস্থিতিতেই প্রধানমন্ত্রী অন্ন যোজনার মেয়াদ আরও পাঁচ মাস বাড়ানোর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর। ৩০ জুন পর্যন্ত এই যোজনার মেয়াদ ছিল। শেষ হওয়ার আগেই মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। 

প্রধানমন্ত্রী এ দিন বলেন, ‘‘জুলাই মাস থেকে কৃষিক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি কাজকর্ম হয়। তুলনায় অন্যান্য শিল্পক্ষেত্রে কিছুটা কম কাজ হয়। তা ছাড়া উৎসবের মরশুমও শুরু হচ্ছে কার্যত জুলাই থেকেই। উৎসবের মরশুমে মানুষের প্রয়োজন বাড়ে, খরচও বাড়ে। সেই বিষয় মাথায় রেখেই প্রধানমন্ত্রী অন্ন যোজনার মেয়াদ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হল। অর্থাৎ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের প্রায় ৮০ কোটি মানুষ বিনামূল্য খাদ্যশস্য পাবেন।’’ 

প্রধানমন্ত্রী এ দিন জানান, এই প্রকল্পের জন্য ৯০ হাজার কোটি টাকা খরচ হবে। এর আগে মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত ছ'মাস এই প্রকল্পে গরিবদের বিনামূল্যে খাদশস্য দেওয়া হয়েছে। সেই খরচ যোগ করলে প্রায় দেড় লক্ষ কোটি টাকা সরকারের খরচ হবে— জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। 

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য: 

• এই সময় সর্দি-কাশি বেড়ে যায় 

• আপনাদের প্রতি আমার আর্জি, এই সময় সাবধানে থাকুন

• করোনা .নিয়ন্ত্রণে বিশ্বের অনেক দেশের চেয়ে এগিয়ে ভারত

• কিন্তু আনলক-১ শুরু হতেই সাবধানতা কমে গিয়েছে 

• দেশের নাগরিকদের এখনও সতর্ক থাকতে হবে 

• বিশেষ করে কন্টেনমেন্ট জোনগুলিতে নজর দিতে হবে 

• যে সব মানুষ নিয়ম পালন করছেন না, তাঁদের থামাতে হবে এবং বোঝাতে হবে 

• আপনারা খবরে দেখে থাকবেন, একটা দেশের প্রধানমন্ত্রীর জরিমানা হয়েছে, কারণ তিনি মাস্ক ছাড়া জনসমক্ষে বেরিয়েছিলেন 

• লকডাউনের সময় দেশের কোনও মানুষের ঘরে উনুন জ্বলেনি এমন হয়নি 

• সরকার থেকে সাধারণ মানুষ সবাই সাহায্য করেছেন 

• এই তিন মাসে গরিবদের মাথাপিছু ৫ কেজি চাল অথবা ডাল এবং এক কেজি ডাল দেওয়া হয়েছে 

• এই সময় আজ একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করতে চলেছি 

• এই বর্ষার সময়ে কৃষিক্ষেত্রে অনেক বেশি কাজকর্ম হয় 

• জুলাই থেকে ধীরে ধীরে উৎসবের মরসুম শুরু হয় 

• এর পর অনেক উৎসব আসছে পরপর 

• উৎসবের এই সময় প্রয়োজনও বাড়ে, খরচও বাড়ে 

• এই কারণেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে 

• প্রধানমন্ত্রী অন্ন যোজনা দিওয়ালি ও ছট পুজো পর্যন্ত করে দেওয়া হবে 

• জুলাই, আগস্ট, সেপ্টেম্বর, অক্টোবর, নভেম্বর পর্যন্ত দেওয়া হবে 

• গরিব পরিবারের সদস্যদের মাথাপিছু ৫ কেজি চাল/গম এবং ১ কেজি ডাল দেওয়া হবে নভেম্বর পর্যন্ত 

• এতে ৯০ হাজার কোটি টাকা খরচ হবে সরকারের 

• আগের গুলো জুড়লে প্রায় দেড় লক্ষ কোটি টাকা খরচ হবে  

• দেশের কোটি কোটি সব করদাতাদের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা 

• আগামী সময়ে আমরা গরিব, শোষিত, বঞ্চিতদের ক্ষমতা বাড়াতে আরও কাজ করব