Articles by "Indian Army"
Showing posts with label Indian Army. Show all posts

 


৩১ অগস্টের মধ্যে খালি করতে হবে কাবুল এয়ারপোর্ট। সমস্ত বিদেশি সেনার জন্য ফতোয়া জারি করেছে তালিবান। এদিকে, উদ্ধারকাজ এখনও সম্পন্ন হয়নি। তার মধ্যে এই হুমকির জেরে এখন চাপে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এখনও কয়েক হাজার আফগান শরণার্থী এবং বিদেশি নাগরিক কাবুল এয়ারপোর্টের ভিতরে ও বাইরে ভিড় করে আছেন উদ্ধারের আশায়। এই পরিস্থিতিতে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে।

আজ, মঙ্গলবারের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে আমেরিকাকে, তারা উদ্ধারকাজের জন্য ৩১ অগস্ট পর্যন্ত মেয়াদের সময়সীমা বাড়াবে কি না। কারণ আফগান শরণার্থী ও দেশের নাগরিক যাঁরা আফগানিস্তানে আটকে রয়েছেন তাঁদের নিরাপদে উদ্ধারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বাইডেন। যদিও তালিবানের দাবি, কোনও বিদেশি শক্তি মেয়াদ বাড়ানোর আর্জি করেনি, এবং করলেও তা মানা হবে না।

এদিকে, আফগানিস্তানের পরিস্থিতি ও তালিবানের ডেডলাইন নিয়ে আজ, মঙ্গলবার জি-৭ গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির বৈঠক হতে চলেছে। সেই বৈঠকেই বিশ্বের সাত মহা শক্তিধর দেশ উদ্ধারকাজের সময়সীমা বাড়ানো হবে কি না তা নিয়ে আলোচনা করতে পারে। এই বৈঠকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও ব্রিটেন, ইতালি, ফ্রান্স, জার্মানি, কানাডা এবং জাপানের প্রতিনিধিরা থাকবেন।


বৈঠকে আফগানিস্তানে তালিবান শাসনকে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় উঠতে পারে। মনে করা হচ্ছে, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার রক্ষা, মহিলাদের অধিকার সুরক্ষা এবং আন্তর্জাতিক সুসম্পর্ক বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দিলে তবেই তালিবান সরকারকে স্বীকৃতি দেওয়ার কথা ভাববে জি-৭ দেশগুলি।

অন্যদিকে, তালিবানের ক্ষমতা দখল মানে ফের মাথাচাড়া দিতে পারে আল-কায়দা। ট্রাম্প প্রশাসনের সন্ত্রাস দমন বিষয়ক অধিকর্তা ক্রিস কোস্টার আশঙ্কা, তালিবান শাসন মানেই ফের মধ্যপ্রাচ্যে শক্তি বাড়বে আল-কায়দার। কুড়ি বছর আগে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার-পেন্টাগনে হামলা চালানো জঙ্গিগোষ্ঠীর মাথা ওসামা বিন-লাদেনকে শায়েস্তা করতেই আফগানিস্তানে সেনা পাঠায় আমেরিকা। শুরু হয় ইতিহাসের দীর্ঘতম রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের।

 


ফের পাকিস্তান সীমান্তে ড্রোন লক্ষ্য করে গুলি নিরাপত্তা বাহিনীর। জম্মুর আরনিয়া সেক্টরে আন্তর্জাতিক সীমান্তে বিএসএফ (BSF) জওয়ানরা একটি উড়ন্ত বস্তুকে লক্ষ্য করে গুলি করে। তার পর সেটি পাকিস্তানের দিকে চলে যায়। বিএসএফ বলেছে, আজ ভোর প্রায় সাড়ে পাঁচটা নাগাদ আকাশে একটি লাল ও হলুদ আলো জ্বলজ্বল করছিল। সীমান্তে মোতায়েন জওয়ানরা সেটি লক্ষ্য গুলি ছোড়ে। গুলি ছোড়ার পরই বস্তুটি আরও বেশি উচ্চতা দিয়ে উড়ে পাকিস্তানের দিকে চলে যায়।

পুলিশের সাহায্যে এলাকায় তল্লাশি চালানো হয়। যদিও সন্দেহজনক কোনও কিছু পাওয়া যায়নি। বেশ কয়েকমাস ধরে জম্মু ও কাশ্মীরে পাকিস্তানি ড্রোনের তত্‍পরতা বেড়েছে। স্থানীয় জঙ্গিদের আগ্নেয়াস্ত্র-সহ অন্য সরঞ্জাম পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই ড্রোন ব্যবহার করছে পাকিস্তানি সেনারা। 

২ জুলাই আরনিয়া সেক্টরে একটি কোয়াডকপ্টার ধ্বংস করে নিরাপত্তাবাহিনী। ২৭ জুন ড্রোন ব্যবহার করেই জম্মু এয়ারফোর্স স্টেশনে দুটি বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। ইতিমধ্যেই বাহিনীর হাতে অ্যান্টি ড্রোন সিস্টেম তুলে দেওয়া হয়েছে।

 


আজ ভারতের ৭৫ তম স্বাধীনতা দিবস। সকালে লালকেল্লায় পতাকা উত্তোলন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এছাড়া প্রত্যেক বছরের ন্যায় দেশের বিভিন্ন ছোটো-বড়ো জায়গায় উদযাপিত হয়েছে আজকের দিনটি। সেরকমই ভারতীয় উপকূল রক্ষী বাহিনীর পক্ষ থেকে পশ্চিমবঙ্গের দশটি জায়গায় স্বাধীনতা দিবস পালিত হল। উড়িষ্যার চারটি দ্বীপ ছাড়াও দেশের অন্যান্য দ্বীপগুলিতেও স্বাধীনতা দিবস পালন করা হয়েছে। সমস্ত জায়গাতেই ভারতের জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পাশাপাশি, জাতীয় সংগীত গেয়েছেন উপকূল রক্ষী বাহিনীর কর্মীরা। জাতীয় পতাকার উদ্দেশ্যে তাঁরা স্যালুট জানিয়ে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।

প্রসঙ্গত, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংহ বলেই দিয়েছিলেন দেশের মধ্যে জাতীয় ঐক্য ও চেতনা গড়ে তোলার জন্য ভারতীয় উপকূল রক্ষী বাহিনী দেশের ১০০ টি দ্বীপে পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে স্বাধীনতা দিবস পালন করবে।


 জম্মু ও কাশ্মীরে জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াই সেনাবাহিনীর। শনিবার ভোরে এই সংঘর্ষে নিহত হয়েছে এক সন্ত্রাসবাদী। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে অত্যাধুনিক হাতিয়ার। তবে নিহতের পরিচয় জানা যায়নি।

গোপন সূত্রে জঙ্গি লুকিয়ে থাকার খবর পেয়ে শনিবার ভোরে বদগাওঁ জেলার মচওয়া অঞ্চলে তল্লাশি চালায় নিরাপত্তাবাহিনী। অন্ধকার থাকতে থাকতেই দ্রুত ওই এলাকা ঘিরে ফেলে সেনা, আধাসেনা ও কাশ্মীর পুলিশের একটি যৌথবাহিনী। এই সময়ই জওয়ানদের লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করে জঙ্গিরা। পাল্টা জবাব দেয় নিরাপত্তাবাহিনীও। বেশ কিছুক্ষণ ধরে চলে গুলির লড়াই। শেষ পর্যন্ত সেনার গুলিতে নিহত হয় এক জঙ্গি। নিহতের কাছ থেকে একটি একে-৪৭ রাইফেল ও পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহত জঙ্গি পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তইবার সদস্য হতে পারে বলে অনুমান।


সম্প্রতি কাশ্মীজুড়ে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে যৌথ বাহিনী। কয়েকদিন আগেই পুলওয়ামায় সেনার সঙ্গে এনকাউন্টারে নিকেশ হয় জইশ-ই-মহম্মদের কুখ্যাত জঙ্গি মহম্মদ ইসমাইল আলভি।

 


ছত্তিশগড়ের দান্তেওড়ায় আবারও মাওবাদী হামলা। মাওবাদী হামলায় একজন নিহত হওয়ার পাশাপাশি আহত হয়েছেন ১১ জন।তাদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, ছত্তিশগড়ের দান্তেওড়া জেলায় একটি গাড়ি বিষ্ফোরক দিয়ে উড়িয়ে দেয় মাওবাদীরা। ওই গাড়িতে বেশিরভাগই শ্রমিক ছিল বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

দান্তেওড়ার পুলিশ সুপার অভিষেক পাল্লাভা জানান, আজ সকালে ঘটিয়া গ্রামের কাছে এই বিষ্ফোরণের ঘটনা ঘটে। আইডি বিষ্ফোরক ব্যবহার করে এই বিষ্ফোরণ ঘটিয়েছে মাওবাদীরা বলে পুলিশ সূত্রে খবর। এই বিষ্ফোরণের ঘটনায় এক মহিলা সহ ১২ জন আহত হয়েছেন, বলেও জানান পুলিশ সুপার।

তিনি আরও বলেন, সম্ভবত ওই গাড়িটিকে পুলিশের গাড়ি ভেবে ভুল করেছিল মাওবাদীরা। আর সেই কারণেই ওই গাড়িটিতে বিষ্ফোরণ ঘটায় মাওবাদীরা। এছাড়াও দান্তেওড়ার পুলিশ সুপার আরও জানান, ওই গাড়িতে যারা ছিলেন তারা সকলেই শ্রমিক ছিলেন। তিনি জানান, ওই গাড়িটি মধ্যপ্রদেশের বালাঘাট থেকে তেলেঙ্গানার দিকে যাচ্ছিল।

তিনি আরও জানান, নারায়ণপুরকে দান্তেওয়াড়ার সঙ্গে সংযুক্ত করতে যে রাস্তা তৈরি হচ্ছে সেই নতুন তৈরি হওয়া রাস্তায় এখনও কোনও পুলিশের গাড়ি যাওয়ার অনুমতি নেই। তিনি বলেন, ওই গাড়ির চালক হয়তো গুগল ম্যাপ অনুসরণ করছিলেন, আর তাই তিনি ওই রাস্তার ওই এলাকায় প্রবেশ করে এবং মাওবাদীদের লক্ষ্য হয় ওঠে, বলেও জানান দান্তেওড়ার পুলিশ সুপার।


 আবারও জঙ্গি হানায় প্রাণ হারালেন দেশের জওয়ান। মঙ্গলবার ভোরে ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলা থেকে প্রায় ১০০ কিমি দূরে অবস্থিত ধলাই জেলার R C Nath আউটপোস্টের কাছে আচমকাই হামলা করে জঙ্গিরা। কর্তব্যরত দুই জওয়ানের মৃত্যু হয় সেখানে। বিএসএফ সূত্রে খবর, শহিদ দু'জন হলেন, সাব ইনসপেক্টর ভুরু সিং এবং কনস্টেবল রাজ কুমার।

আবারও জঙ্গি হানায় প্রাণ হারালেন দেশের জওয়ান। মঙ্গলবার ভোরে ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলা থেকে প্রায় ১০০ কিমি দূরে অবস্থিত ধলাই জেলার R C Nath আউটপোস্টের কাছে আচমকাই হামলা করে জঙ্গিরা। কর্তব্যরত দুই জওয়ানের মৃত্যু হয় সেখানে। বিএসএফ সূত্রে খবর, শহিদ দু'জন হলেন, সাব ইনসপেক্টর ভুরু সিং এবং কনস্টেবল রাজ কুমার।

গোটা ঘটনার পর থেকেই দুই বিএসএফ জওয়ানের সার্ভিস রাইফেল উধাও। খুব সম্ভবত জঙ্গিরাই সেগুলি নিয়ে চম্পট দিয়েছে। পুলিশের মতে ত্রিপুরার কুখ্যাত ন্যাশনাল লিবেরাল ফ্রন্ট অফ ত্রিপুরা এই কাজের জন্য দায়ী। ত্রিপুরার এই বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তি এর আগেও বেশ কয়েকটি জায়গাতে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করে ব্যর্থ হয়। পলাতক আহত জঙ্গিদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।

কী বলছেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব?



রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব এই প্রসঙ্গে ট্যুইট করেছেন, 'বিএসএফ জওয়ানদের ওপর কাপুরুষোচিত হামলার নিন্দা করি। আমাদের সাহসী জওয়ানদের আত্মবলিদান ব্যর্থ হবে না। শহিদদের পরিবারের পাশে কাঁধে কাঁধ দিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে গোটা দেশ।'

১৫ আগস্টের আগেই জঙ্গি হানা!

৭৫ তম স্বাধীনতা দিবসের সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছে দেশ। এই সময় দেশে বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনগুলির অতিসক্রিয়তা নিয়ে আগেই সাবধান করেছে দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলি। কাশ্মীর থেকে দিল্লি বিভিন্ন জায়গাতে জঙ্গিরা হামলার ছক কষছে বলেও একাধিক সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। সম্প্রতি কাশ্মীরের একাধিক জায়গাতে ড্রোন হামলার পরিকল্পনা করেছে জঙ্গিরা। সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলিকে বিশেষ সজাগ থাকতে বলেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি।


 চিনের সঙ্গে সীমান্ত নিয়ে সংঘাতের আবহে ইজরায়েল (Israel) পৌঁছলেন ভারতীয় বায়ুসেনা প্রধান আর কে এস ভাদুরিয়া। দুই বন্ধু দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সম্পর্ক আরও মজবুত করতে এই সফর অত্যন্ত তাত্‍পর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে প্রতিরক্ষা মহল




সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, ইজরায়েলী বায়ুসেনা প্রধান মেজর জেনারেল আমিকাম নরকিনের আমন্ত্রণ রক্ষা করতে বন্দু দেশে গিয়েছেন ভাদুরিয়া। এই বিষয়ে নিজেরদের টুইটার হ্যান্ডেলে ভারতীয় বায়ুসেনা জানিয়েছে, 'কৌশলগত সহযোগী হিসেবে ভারত ও ইজরায়েলের মধ্যে বহুমুখী সম্পর্ক রয়েছে। প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে পারস্পরিক আদানপ্রদান এই সম্পর্কের অন্যতম স্তম্ভ। এই বৈঠকে দুই দেশের বায়ুসেনার মধ্যে সম্পর্ক আরও গভীর করা নিয়ে আলোচনা হবে।' বিশ্লেষকদের মতে, ভাদুরিয়ার সফর সৌজন্যমূলক হলেও এর তাত্‍পর্য গভীর। লাদাখ সীমান্তে চিনা আগ্রাসন ও জম্মুতে ড্রোন হামলার পর এই সফর ইঙ্গিত দিচ্ছে যে ভবিষ্যতে সামরিক ক্ষেত্রে নয়াদিল্লি ও তেল আভিভ আরও কাছাকাছি আসতে চলেছে।

উল্লেখ্য, বহু বছর ধরেই অস্ত্র আমদানির ক্ষেত্রে ইজরায়েল ভারতের অন্যতম ভরসার জায়গা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বালাকোট হামলায় ভারতীয় বিমানবাহিনী যে বোমা ব্যবহার করেছিল সেই বোমাও আমদানি করা হয়েছিল ইজরায়েল থেকেই। এছাড়া, গত বছর ১০০ কোটি মার্কিন ডলার খরচ করে ইজরায়েল থেকে অত্যাধুনিক দু'টি অ্যাওয়াকস কেনার কথা ঘোষণা করে ভারত। পাকিস্তানের বালাকোটের জাবা পাহাড়ে রাতের অন্ধকারে জইশ জঙ্গিদের ঘাঁটি ধ্বংস করতে সফল অভিযান চালিয়েছিল ভারতের বায়ুসেনা। বায়ুসেনার ১২টি মিরাজ-২০০০ যুদ্ধবিমানকে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে গাইড করে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া, তাদের নিরাপত্তা দেওয়া এবং শত্রু বিমানবহরের গতিবিধির উপর কড়া নজর রাখার ক্ষেত্রে দু্র্দান্ত কাজ করেছিল অ্যাওয়াকস্। পুরো নাম, ফ্যালকন 'এয়ারবোর্ন আর্লি ওয়ার্নিং অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম' (AWACS)। পাশাপাশি, ইজরায়েলকে আরও ১২টি স্পাইক লঞ্চার এবং ২০০টির বেশি ক্ষেপণাস্ত্রের বরাত দেওয়ার প্রস্তাব গৃহীত হয়। বালাকোটে প্রত্যাঘাতের পর একই পরিমাণ ক্ষেপণাস্ত্র এবং লঞ্চার জরুরি ভিত্তিতে কেনা হয়েছিল। সূত্রের খবর, গতবারের কেনা লঞ্চার এবং ক্ষেপণাস্ত্র পাক সীমান্তের কাছে মজুত করেছিল সেনাবাহিনী। এবার হয়তো চিনা ট্যাংক বাহিনীর বিরুদ্ধে এই ঘাতক হাতিয়ার ব্যবহারের ভাবনা আছে ভারতীয় সেনার।


 জম্মু, ৪ আগস্ট : ভেঙে পড়ার একদিন পরেও নিখোঁজ দুর্ঘটনাগ্রস্ত সেনা হেলিকপ্টার ধ্রুবের পাইলট ও সহকারী পাইলট। গতকাল মঙ্গলবার জম্মু ও কাশ্মীরের খাটুয়া জেলার রঞ্জিত সাগর ড্যামে ভেঙে পড়ে ভারতীয় সেনা হেলিকপ্টার ধ্রুব। এই দুর্ঘটনার পরে এখনও পর্যন্ত ভারতীয় প্রতিরক্ষার তরফে দুর্ঘটনাগ্রস্ত হেলিকপ্টারের চালক ও সহকারী চালক সুস্থ আছেন সংক্রান্ত তথ্য দিয়ে কোনও বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি। ঘটনাস্থল রঞ্জিত সাগর ড্যামের অবস্থান খাটুয়ার বাসোলি এলাকায়। এখানেই ভেঙে পড়ে ধ্রুব। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে কাটুয়া পুলিশ উদ্ধারকাজে ছুটি গিয়েছিল। সেই সূত্রেই জানা গেছে যে ধ্রুবের পাইলট ও সহকারী পাইলটের খোঁজ মেলেনি

উদ্ধারকারীরা জলাধার থেকে একটি হেলমেট, একটি পিঠুব্যাগ, একজোড়া জুতো উদ্ধার হয়েছে। তবে সেখানে নিখোঁজ পাইলট ও সহকারী পাইলটের উপস্থিতির কোনও চিহ্ন নেই। অন্ধকার হয়ে যাওয়ায় গতকাল উদ্ধারকাজ বন্ধ রাখা হয়েছিল। আজ সকাল থেকে ফের উদ্ধারকার্য শুরু হবে। এমনটাই জানিয়েছেন সেনার এক আধিকারিক। পাঞ্জাবের পাঠানকোট থেকে হেলিকপ্টারটি উড়েছিল প্রথমে খুব নিচে দিয়ে যাওয়ার পর ড্যামের জলে ভেঙে পড়ে।


বহু প্রতীক্ষার অবসান, ৭ হাজার বহু প্রতীক্ষার অবসান, ৭ হাজার কিলোমিটার রাস্তা অতিক্রম করে ইতিমধ্যেই আম্বালায় রাফাল

'ওয়েলকাম হোম!' বহু প্রতীক্ষার অবসান। অবশেষে ভারতের ঘরে এল গোল্ডেন অ্যারোজ। ৭ হাজার কিলোমিটার রাস্তা অতিক্রম করে বেশ কিছুক্ষণ আগেই ভারতের আকাশসীমায় ডানা মেলে রাফাল। অবশেষে আম্বালা এয়ারবেসে ছুঁল ভারতভূমি। সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের মীরাজ যুদ্ধ বিমান উড়েছিল হরিয়ানার এই আম্বালা এয়ারবেস থেকেই। পাঁচটি রাফালকে অভ্যর্থনা জানাতে এয়ারবেসে উপস্থিত ছিলেন এয়ার স্টাফ প্রধান আরকেএস ভাদুড়িয়া।
পাকিস্তান সীমান্ত থেকে এই এয়ারবেসের দূরত্ব ২০০ কিলোমিটার। বিস্তীর্ণ অঞ্চল ঢেকে ফেলা হয়েছে সতর্কতার মোড়কে। আশে পাশের চারটি গ্রামে জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা। রাফালের অবতরণের সময় ছবি তোলা বা ভিডিয়ো রেকর্ড করা চলবে না। স্থানীয় বিধায়ক রাফালকে শুভেচ্ছা জানানোর জন্য সন্ধ্যার সময় গ্রামবাসীকে প্রদীপ জ্বালাতে আর্জি জানিয়েছেন। সব মিলিয়ে সাজসাজ রবে আম্বালা।
দক্ষিণ পশ্চিম ফ্রান্সের এয়ারবেস থেকে উড়ান শুরু করে ৩০ হাজার ফুট উচ্চতায় ফ্রান্সের ট্যাঙ্কার থেকে রাফালে গতকাল জ্বালানি ভরেছেন আইএফের পাইলটরা। সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর আল দাফরা বিমান ঘাঁটিতে কিছুক্ষণের জন্য থেমেছিল রাফালের উড়ান। ফ্রান্সের ভারতীয় দূত জাবেদ আসরাফ জানিয়েছেন, পাইলটদের কথা অনুযায়ী এই জেটগুলি দ্রুত, বহুমুখী শক্তিশালী বিমান। ফ্রান্স ও ভারতের মধ্যে বন্ধুত্ব আরও দৃঢ় করার পাশাপাশি ভারতের সুরক্ষা বলয়কে আরও শক্তিশালী করবে এগুলি। ভারতীয় এয়ারফোর্সের ১৭ নম্বর স্কোয়াড্রন অর্থাৎ "গোল্ডেন অ্যারোজে" যুক্ত হবে এই বিমানগুলি।

লাদাখে ভারত- চিন উত্তেজনার মধ্যেই সেনাবাহিনীর জন্য ভাল খবর৷ এ বছর শীতকালে লাদাখে সেনাবাহিনীকে উইন্টার ডিজেল সরবরাহ করা হবে৷ সমতল থেকে অনেকটা উঁচুতে থাকা লাদাখে শীতকালে তাপমাত্রা হিমাঙ্কের অনেকটা নীচে নেমে যায়৷ তখন সাধারণ ডিজেল ঠান্ডায় জমে যায়৷ তাই উইন্টার ডিজেলের জোগান নিশ্চিত হলে সেনাবাহিনীর চিন্তা অনেকটাই কমবে৷শীতকালে লাদাখের বহু বাসিন্দাকেই ডিজেলের সঙ্গে কেরোসিন মিশিয়ে ব্যবহার করতে হয় যাতে তা জমে না যায়৷ লাদাখ সীমান্তে চিনের সঙ্গে বিবাদ বাড়ার পরই সেই সমস্যা কাটাতে সেনাকে উইন্টার ডিজেল সরবরাহে উদ্যোগী হয়েছে সরকার৷ এবার থেকে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থা ইন্ডিয়ান অয়েল নিয়মিত লাদাখে সেনাবাহিনীকে উইন্টার ডিজেল সরবরাহ করবে৷গত বছর নভেম্বর মাসেই লাদাখে উইন্টার গ্রেড ডিজেল বিক্রয়কেন্দ্রের উদ্বোধন করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ৷ একটি সর্বভারতীয় ইংরেজি সংবাদপত্রের খবর অনুযায়ী, ডিরেক্টর জেনারেল অফ কোয়ালিটি অ্যাসিওরেন্স (DGQA)-এর তরফেও সেনাকে উইন্টার ডিজেল ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে৷বর্তমানে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলি পার্বত্য এলাকায় ভারতীয় সেনার জন্য এক বিশেষ ধরনের ডিজেল সরবরাহ করে৷ যা -৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত জমে না৷ কিন্তু এবার যে উইন্টার ডিজেল সরবরাহ করা হবে, তার মান অনেক ভাল৷
সামরিক এবং কূটনৈতিক স্তরে সীমান্ত উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা করছে ভারত এবং চিন৷ এই পরিস্থিতে কোনও পক্ষেরই এমন পদক্ষেপ করা উচিত নয়, যাতে উত্তেজনা আরও বাড়ে৷ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির লাদাখ সফর নিয়ে এমনই প্রতিক্রিয়া জানাল বেজিং৷ চিনা বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র এ দিন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর লাদাখ সফর নিয়ে এ কথা বলেছেন৷
প্রসঙ্গত এ দিনই আচমকা লাদাখ সফরে যান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷ নিমুতে ফরওয়ার্ড পোস্টে গিয়ে কম্যান্ডারদের সঙ্গে কথা বলে সীমান্তের প্রকৃত পরিস্থিতি বুঝে নেন তিনি৷ হাসপাতালে গিয়ে চিনা সেনাদের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত জওয়ানদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি৷ পাশাপাশি লেহতে সেনা জওয়ানদের উদ্দেশে ভাষণ দেন তিনি৷
এ দিন লাদাখে গিয়ে চিনের নাম না করলেও কড়া বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷ ভারতীয় ভূখণ্ডে চিনের দখলদারির চেষ্টার জবাব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নাম না করেই বলেন, 'বিস্তারবাদের যুগ শেষ, এখন বিকাশবাদের যুগ৷ বিস্তারবাদীরা বিশ্ব শান্তির প্রতি বিপজ্জনক৷ গোটা বিশ্ব বিস্তারবাদের বিরুদ্ধে একজোট হয়েছে৷ ইতিহাস সাক্ষী, বিস্তারবাদীদের দিন শেষ হয়ে গিয়েছে৷'
গত ১৫ জুন লাদাখের গালওয়ানে ভারত এবং চিনা বাহিনীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে৷ কূটনৈতিক এবং সামরিক স্তরে একাধিক আলোচনাও হয়েছে৷ দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে সর্বশেষ আলোচনায় উত্তেজনা প্রশমনে দু' পক্ষই পিছু হঠার বিষয়ে সহমত হলেও লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর একাধিক জায়গা নিয়ে এখনও জটিলতা রয়েছে৷ এই পরিস্থিতিতে লাদাখে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি প্রত্যাশিত ভাবেই চিন ভালভাবে নিচ্ছে না৷ বেজিং-এর পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, সেটাই এখন দেখার৷
কর্নেল সন্তোষ বাবু লুটিয়ে পড়তেই প্রবল আক্রোশে প্রতিপক্ষের উপরে ঝাঁপিয়ে পড়ে বিহার রেজিমেন্টের জওয়ানরা৷
#লাদাখ: ১৫ জুন রাতে কীভাবে লাদাখে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল? ভারতীয় সেনারাই বা কীভাবে ১৪ নম্বর প্যাট্রলিং পয়েন্ট থেকে চিনের পোস্ট সরিয়ে দিয়েছিল? সংবাদসংস্থা এএনআই-এর দাবি অনুযায়ী, প্রথমে চিনা সেনাদের ওই পোস্ট সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধই করেছিল ভারতীয় সেনা৷ কিন্তু দু' পক্ষের উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের মধ্যেই তাঁদের উপরে পূর্ব পরিকল্পিত আক্রমণ চালায় চিনা সেনারা৷
১৫ তারিখ কী হয়েছিল, গোটা ঘটনাক্রম তুলে ধরেছে সংবাদসংস্থা এএনআই৷ সংবাদসংস্থার দাবি অনুযায়ী ১৫ জুন বিকেলে ভারতীয় সেনার সিনিয়র অফিসাররা শাইয়ক এবং গালওয়ান নদীর সংযোগস্থলে Y পয়েন্টে উপস্থিত হন৷ সেখানেই চিনা বাহিনীর অফিসারদের সঙ্গে তাঁদের আলোচনা হওয়ার কথা ছিল৷
সূত্রের খবর, ১৬ নম্বর বিহার রেজিমেন্টের সহ ভারতীয় সেনা জওয়ানদের নির্দেশ দেওয়া হয়, চিনের সেনাবাহিনী যাতে ১৪ নম্বর প্যাট্রলিং পয়েন্ট থেকে তাদের পোস্ট সরিয়ে নেয়, তা নিশ্চিত করতে৷ এর পর ওই পোস্ট সরিয়ে নেওয়ার বার্তা দিয়ে একটি ছোট নজরদারি দলকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়৷
চিনের ওই নজরদারি পোস্টে সেই সময় ১০ থেকে ১২ জন সৈন্য ছিল৷ ভারতীয় বাহিনীর জওয়ানরা দুই দেশের সেনা কর্তাদের বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চিনা সেনাদের ওই পোস্ট সরিয়ে নিতে বলেন৷ যদিও চিনা সেনারা তাতে রাজি হয়নি৷ ভারতের ওই নজরদারি দলটি সঙ্গে সঙ্গে এই খবর দিতে নিজেদের ইউনিটে ফিরে আসে৷
এর পরেই ১৬ বিহার রেজিমেন্টের কমান্ডিং অফিসার কর্নেল সন্তোষ বাবুর নেতৃত্বে ৫০ জন সেনা জওয়ানের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে চিনা সেনাদের ফের ভারতীয় এলাকা ছেড়ে নিজেদের এলাকায় ফেরার কথা বলে৷
সংবাদসংস্থার দাবি অনুযায়ী, ভারতীয় সেনার প্রথম নজরদারি দলটি যখন ফিরে এসেছিল সেই ফাঁকে খবর পাঠিয়ে নিজেদের ঘাঁটি থেকে আরও ২৫০ থেকে ৩০০ সেনাকে ঘটনাস্থলে জড়ো করে ফেলেছিল চিনা বাহিনী৷ ওই নজরদারি পোস্টের চারপাশে উঁচু জায়গাগুলিতে তারা ভারতীয় সেনাদের উপরে আক্রমণের জন্য লুকিয়ে ছিল৷
পোস্ট সরানো নিয়ে কর্নেল সন্তোষ বাবুর নেতৃত্বে থাকা বিহার রেজিমেন্টের সৈন্যদের সঙ্গে চিনা ফৌজের উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় শুরু হয়৷ তার মধ্যেই চিনা বাহিনীর তাঁবু উপড়ে ফেলতে শুরু করে ভারতীয় সেনারা৷ অভিযোগ, তখনই ভারতীয় সেনাদের উপরে আক্রমণ করে ঘাপটি মেরে থাকা চিনা সেনারা৷ প্রথমে কর্নেল সন্তোষ বাবু এবং হাবিলদার পালানির উপরে হামলা চালানো হয়৷ কর্নেল সন্তোষ বাবু লুটিয়ে পড়তেই প্রবল আক্রোশে প্রতিপক্ষের উপরে ঝাঁপিয়ে পড়ে বিহার রেজিমেন্টের জওয়ানরা৷ প্রতিপক্ষ সংখ্যায় বেশি হওয়া এবং উপর থেকে পাথর বৃষ্টি সত্ত্বেও চিনা সেনাদের ঘায়েল করতে শুরু করেন ভারতীয় জওয়ানরা৷
সূত্রের খবর অনুযায়ী, প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে গভীর রাত পর্যন্ত সংঘর্ষ চলে৷ ঘটনাস্থলেই চিনা বাহিনীর একাধিক সেনা মৃত অথবা গুরুতর আহত অবস্থায় পড়েছিল৷
পরের দিন সকালে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলে ভারতীয় বাহিনীর পক্ষ থেকে চিনা সেনাদের মৃতদেহ প্রতিপক্ষকে ফেরত দেওয়া হয়৷ ভারতীয় সেনার অন্তত ১০০ জন জওয়ান এই উদ্ধারকাজে অংশ নেন৷ সেই সময় চিনের প্রায় ৩৫০ সেনা ঘটনাস্থলে ছিল৷ ততক্ষণে অবশ্য ভারতীয় বাহিনী চিনা সেনাদের ১৪ নম্বর প্যাট্রোলিং পয়েন্ট থেকে সরিয়ে দিয়েছে৷
এই ঘটনার পর পরই ওই এলাকায় প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার ওপারে নিজেদের প্রচুর বাহিনী মোতায়েন করে ফেলে চিন৷
সূত্রকে উদ্ধৃত করে সংবাদসংস্থা দাবি করেছে, প্রতিপক্ষের থেকে সংখ্যায় কম হওয়া সত্ত্বেও চিনা সেনাদের পোস্ট সরিয়ে দিতে সক্ষম হয় বিহার রেজিমেন্টের জওয়ানরা৷ সেনা সূত্রের দাবি, দু' দেশের মধ্যে হওয়া চুক্তির খেলাপ করে ওই পোস্ট তৈরি করেছিল চিন৷
সংবাদসংস্থা আরও জানিয়েছে, প্যাট্রিলং পয়েন্ট ১৪, ১৫ এবং ১৭এ-তে দু' পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা কমানোর জন্য আগামী কয়েকদিনে দুই দেশের লেফটেন্যান্ট জেনারেল পর্যায়ের অফিসারদের মধ্যে দফায় দফায় বৈঠক হওয়ার কথা৷

শক্তি বাড়াচ্ছে বায়ুসেনা! ভারত-চিন তপ্ত আবহে ৩৩টি অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান কেনার প্রস্তাব
কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রের খবর, প্রস্তাবটি কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের কাছে গিয়েছে৷ আগামী সপ্তাহের মধ্যে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার ওই প্রকল্পের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে নেবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক৷
#নয়াদিল্লি: লাদাখ সীমান্তে চিনের সঙ্গে উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে বায়ুসেনাকে আরও শক্তিশালী করার প্রক্রিয়া শুরু করে দিল ভারত৷ ১২টি সুখোই ও ২১টি নতুন MiG-29s যুদ্ধবিমান কেনার সিদ্ধান্ত নিল ভারতীয় বায়ুসেনা৷ ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্স ইতিমধ্যেই ওই অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানগুলি কেনার প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছে৷ দ্রুত ক্রয় প্রক্রিয়া শেষ করতে কেন্দ্রকেও প্রস্তাবপত্র পাঠিয়ে দিয়েছে বায়ুসেনা৷
কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রের খবর, প্রস্তাবটি কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের কাছে গিয়েছে৷ আগামী সপ্তাহের মধ্যে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার ওই প্রকল্পের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে নেবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক৷
প্রস্তাবপত্রে বলা হয়েছে, রাশিয়ার থেকে আরও MiG-29s যুদ্ধবিমান কেনার পাশাপাশি MiG-29 কেনার চলতি চুক্তিতেও কিছু অদলবদল করা হবে৷ ২০১৬ সালে ৩৬টি রাফাল যুদ্ধবিমান কেনার চুক্তি স্বাক্ষরের পরে দ্বিতীয় পর্যায়ে এই ৩৩টি যুদ্ধবিমান কিনতে চলেছে ভারতীয় বায়ুসেনা৷
সরকারকে পাঠানো বায়ুসেনার প্রস্তাব এও বলা হয়েছে, এই যুদ্ধবিমান সম্বন্ধীয় সব উপকরণ ও যাবতীয় প্রক্রিয়া একেবারে স্বচ্ছ ভাবে বরাতের মাধ্যমে যেন করা হয়, যাতে না ভবিষ্যতে কোনও সমস্যা তৈরি হয়৷

মুখ্যমন্ত্রী এই ট্যুইট করার পরেই সংবাদসংস্থা এএনআই জানায়, সোমবার চিনের সেনার সঙ্গে সংঘর্ষে ভারতীয় সেনাবাহিনীর অন্তত কুড়ি জনের মৃত্যু হয়েছে৷
#কলকাতা: লাদাখে চিনের সেনাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে ভারতীয় সেনা অফিসার এবং জওয়ানদের মৃত্যুর ঘটনায় শোকপ্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ ট্যুইটারে শহিদ কর্নেল এবং সেনা জওয়ানদের বলিদানকে শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি লেখেন, 'গালওয়ান উপত্যকায় দেশের সেবায় তিন ভারতীয় সেনার চূড়ান্ত বলিদানকে আমি স্যালুট করি৷ এই বীর সৈনিকদের পরিবারের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা জানাই৷ ভগবান তাঁদের এই কঠিন সময় কাটিয়ে ওঠার শক্তি দিন৷'
মুখ্যমন্ত্রী এই ট্যুইট করার পরেই সংবাদসংস্থা এএনআই জানায়, সোমবার চিনের সেনার সঙ্গে সংঘর্ষে ভারতীয় সেনাবাহিনীর অন্তত কুড়ি জনের মৃত্যু হয়েছে৷ যদিও সরকারি ভাবে এ বিষয়ে কিছু জানায়নি ভারত৷
প্রাথমিক ভাবে যে তিন ভারতীয় সেনার মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়, তাঁদের মধ্যে একজন কর্নেল সন্তোষ বাবু৷ তিনি তেলেঙ্গানার বাসিন্দা৷
তবে ভারতীয় বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, বিনা প্ররোচনায় চিন একতরফা ভাবে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় স্থিতাবস্থা বদলের চেষ্টা করাতেই সোমবার রাতে সংঘর্ষ বাঁধে দু' পক্ষে৷ ভারত এবং চিনের সেনাবাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে দিল্লিতেও তৎপরতা তুঙ্গে৷ মঙ্গলবার রাতেই লাদাখ পরিস্থিতি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷ প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গেও কথা বলেন তিনি৷ তিন বাহিনীর প্রধান এবং চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ বিপিন রাওয়াতের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং৷