Articles by "Helth tips"
Showing posts with label Helth tips. Show all posts

অনেকেই এই হোয়াইটহেডসকে ব্রণ ভেবে ভুল করে। ব্রণর মতো এগুলো ব্যথা হয় না। কিন্তু খুঁটলে সাদা রস নিঃসৃত হয়। পাশাপাশি মুখে দাগ হয়ে থাকে। তাই হোয়াইটহেডসকে চিনে রাখা দরকার। তাছাড়া তৈলাক্ত ত্বকে সবচেয়ে বেশি হোয়াইটহেডসের সমস্যা দেখা দেয়।

নাকের কোণে, ঠোঁটের নিচে হোয়াইটহেডসে ভরে গিয়েছে? না খুঁটে ঘরোয়া টোটকার সাহায্য নিন

ব্রণই একমাত্র সমস্যা নয়, যা বিরক্তিকর। হোয়াইটহেডসও রয়েছে এই তালিকায়। সেবেসিয়াস গ্লান্ড থেকে যে তেল নিঃসৃত হয়, সেটি ত্বককে ময়েশ্চাইরাইজ রাখে। পাশাপাশি ত্বকে রোমকূপ ও হেয়ার ফলিকল থাকে। আপনার ত্বক যদি অতিরিক্ত পরিমাণে সেবাম উৎপন্ন করে, রোমকূপগুলোয় ময়লা জমতে থাকে। পাশাপাশি রোমকূপে মরা কোষ, সেবাম জমে। রোমকূপের মুখ বন্ধ হয়ে যায় এবং ব্যাকটেরিয়া উৎপন্ন করে। এখান থেকে হেয়ার ফলিকলগুলো ফুলে ওঠে। এগুলোকেই হোয়াইটহেডস বলা হয়। ব্রণর মতো এগুলো ব্যথা হয় না। কিন্তু খুঁটলে সাদা রস নিঃসৃত হয়। পাশাপাশি মুখে দাগ হয়ে থাকে। অনেকেই এই হোয়াইটহেডসকে ব্রণ ভেবে ভুল করে। তাই হোয়াইটহেডস তাড়ানোর সহজ উপায় জেনে রাখুন।


অ্যালোভেরা: অ্যালোভেরা কখনওই ত্বকের ক্ষতি করে না। বিশেষত, ব্যাকটেরিয়া দূর করার ক্ষেত্রে অ্যালোভেরা সবচেয়ে বেশি কার্যকর। পাশাপাশি ত্বকের প্রদাহও কমায়। হোয়াইটহেডস দূর করাতে এবং উজ্জ্বল ত্বক পেতে আপনি অ্যালোভেরা ব্যবহার করতে পারেন। তাজা অ্যালোভেরা জেল নিয়ে দিনে দু’বার মুখে ঘষুন।

মধু: মধুর মধ্যে অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল, অ্যান্টি-ফাঙ্গাল ও অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান রয়েছে, যা হোয়াইটহেডস দূর করতে দারুণ কার্যকর। ব্যাকটেরিয়ার কারণে হওয়া হোয়াইটহেডস তাড়াতে মধু উপযোগী। তার সঙ্গে ত্বকের প্রদাহ কমায় এবং ত্বককে ময়েশ্চারাইজ রাখে। মাত্র ১৫ সেকেন্ডের জন্য মধু গরম করে নিন। এবার এই ঈষদুষ্ণ মধু সরাসরি হোয়াইটহেডসের উপর লাগান। ১৫ মিনিট রেখে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
মোগলাই হোক বা চাইনিজ—মুখরোচক খাবারের সঙ্গে কোল্ড ড্রিংক্স থাকা চাই। শুধু কি কোল্ড ড্রিংক্স? ফ্রুট জ্য়ুস হিসেবেও ঢকঢক করে ব্রেকফাস্টে যে পানীয় গলাদ্ধকরণ করছেন, তাতেও রয়েছে আর্টিফিশিয়াল সুইটেনার (Artificial Sweetener)। কিন্তু এই ধরনের পানীয় ঘন ঘন খাওয়ার ফলে আপনার ও আপনার বাচ্চার শরীরের উপর কী প্রভাব পড়ে, তা জানেন কি?

বিরিয়ানি চিবিয়েই ঢকঢক করে গিলে ফেলেন কোল্ড ড্রিঙ্কস? পুষ্টিবিদের পরামর্শ শুনুন

বিরিয়ানির সঙ্গে কোল্ড ড্রিংক্স চাই-ই চাই। কোনও কারণ ছাড়াই ঠান্ডা পানীয় খেয়ে ফেলেন। ছোট হোক বা বড়, সোডাযুক্ত পানীয় সকলেই পছন্দ। মোগলাই হোক বা চাইনিজ—মুখরোচক খাবারের সঙ্গে কোল্ড ড্রিংক্স থাকা চাই। তার উপর গরম বাড়ছে। একটু হাঁসফাঁস অবস্থা হলেই ফ্রিজ খুলে কিংবা দোকান থেকে খেয়ে ফেলবেন কোল্ড ড্রিংক্স। শুধু কি কোল্ড ড্রিংক্স? ফ্রুট জ্য়ুস হিসেবেও ঢকঢক করে ব্রেকফাস্টে যে পানীয় গলাদ্ধকরণ করছেন, তাতেও রয়েছে আর্টিফিশিয়াল সুইটেনার (Artificial Sweetener)। কিন্তু এই ধরনের পানীয় ঘন ঘন খাওয়ার ফলে আপনার ও আপনার বাচ্চার শরীরের উপর কী প্রভাব পড়ে, তা জানেন কি? এরই উত্তর খুঁজতে l ডিজিটালের তরফে যোগাযোগ করা হয় বিশিষ্ট পুষ্টিবিদ অরিজিৎ দে-এর সঙ্গে।


আজকাল কম বয়সে বহু মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভারে। এর অন্য়তম কারণ হিসেবে অবশ্যই অস্বাস্থ্যকর খাওয়া-দাওয়াকে দায়ী করছেন চিকিৎসক তথা নিউট্রিশানিস্টরা। এর মধ্যে অন্যতম হল কোল্ড ড্রিংক্স। অরিজিৎ বলেন, “সোডাযুক্ত পানীয় ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। এই ধরনের পানীয়তে প্রচুর পরিমাণে চিনি থাকে। চিনি শরীরকে ভারী করে দেয়। এখান থেকেই বাড়ে ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি।” অতিরিক্ত চিনি আর বিভিন্ন ধরনের প্রিজারভেটিভ দিয়ে তৈরি হয় পানীয়গুলো। ক্যালোরির পরিমাণও বেশি থাকে। অরিজিতের কথায়, “দিনের পর দিন কোল্ড ড্রিংক্স খেতে থাকলে ওজন বাড়তে বাধ্য।”


আজকাল ক্যানসারে আক্রান্তের হার বেড়েছে। আর এতে শারীরীক যন্ত্রণার পাশাপাশি মানসিক যন্ত্রণাও থাকে। ফলে শরীরের ডিটক্সিফিকেশন প্রয়োজন। শরীর থেকে অতিরিক্ত পরিমাণ টক্সিন বেরিয়ে গেলে শরীর সুস্থ থাকে, ক্যানসারের ঝুঁকি কমে

Lemon For Health: রোজ গরম ভাতে পাতিলেবু মেখে খেলে ক্যানসার- রক্তচাপ ঠেকাতে পারবেন অনায়াসেইকেন গরম ভাতে লেবু খাবেন
গরম ভাত, ডাল, পাতিলেবু আর সামান্য ঘি- এমন অমৃত সমান খাবারের কাছে পোলাও বিরিয়ানি নেহাতই ছেলেমানুষ। তেমনই গরম ভাতে লেবু আর মাংসের ঝোল দিয়ে মেখে খাবার স্বাদটাই আলাদা। পাতিলেবু আমাদের Life Saviour। রোজ পাতে থাকলেই একাধিক সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। সেই সঙ্গে ভাল থাকবে শরীরও। পাতিলেবুর মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি। এই গরমের দিনে লেবু-চিনি দিয়ে শরবত খেতে যেমন ভাল লাগে তেমনই পান্তাভাতে একটু লেবুর রস মেশালে নেহাৎ মন্দ লাগে না। পাতিলেবু হল ভিটামিন খনিজর ভান্ডার। এর মধ্যে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফ্ল্যাভিনয়েড এসব রয়েছে ভরে ভরে। যার ফলে অনেক সমস্যা অনায়াসে সারিয়ে তুলতে পারে।


গবেষণায় দেখা গিয়েছে, এই ফলে রয়েছে কার্ব, ক্যালশিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, পটাশিয়াম, সেলেনিয়াম, ভিটামিন সি, ফোলেট, কোলিন, ভিটামিন, লিউটিন ও জিয়াজ্যানথিনের মতো উপকারী উপাদান। আর এই সকল উপাদানই শরীর সুস্থ রাখার কাজে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা নেয়। তাই নিয়মিত পাতিলেবু খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা।

রক্তনালীতে যদি ঠিকমতো রক্তপ্রবাহ না হয় কিংবা ফ্যাট জমা হয় তাহলে সেখান থেকে স্ট্রোক হতে পারে। পাতিলেবু এই স্ট্রোকের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়। রোজ যদি একটা করে পাতিলেবু খাওয়া যায় তাহলে খুবই ভাল।


রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে থাকে পাতিলেবুর গুণে। রক্তচাপের সমস্যা এখন বাড়িতে বাড়িতে। অতিরিক্ত রক্তচাপ থেকে হার্ট, কিডনি, চোখের উপর চাপ পড়ে। অনেক সময় চোখের শিরাও ছিঁড়ে যায়। পাতিলেবুতে পটাশিয়াম থাকে যা রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।

আজকাল ক্যানসারে আক্রান্তের হার বেড়েছে। আর এতে শারীরীক যন্ত্রণার পাশাপাশি মানসিক যন্ত্রণাও থাকে। ফলে শরীরের ডিটক্সিফিকেশন প্রয়োজন। শরীর থেকে অতিরিক্ত পরিমাণ টক্সিন বেরিয়ে গেলে শরীর সুস্থ থাকে, ক্যানসারের ঝুঁকি কমে। তাই ক্যানসার আক্রান্তরাও রোজ একটা করে লেবু খান।

অ্যাজমা, অ্যালার্জির সমস্যা আগের চাইতে অনেকখানি বেড়েছে। অ্যাজমা থাকলেই শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা হচ্ছে। তখন ইনহেলার ছাড়া আর কোনও গতি থাকে না। আর তাই অ্যাজমা ঠেকাতে নিয়ম করে লেবু খান। রোজ একটা করে পাতিলেবু খেলে অনেক উপকার পাবেন। এই উপকারিতা গুণে গুণে শেষ করতে পারবেন না।


শীতকালে দূষণ বেশি থাকে। মুখে তেল, সাবান, ক্রিম নিয়মিত দেওয়া হলেও অনেকেই হাতে পায়ে তা ঠিক করে লাগান না


শীতকালে আমরা মুখের যত্ন যেভাবে নিই সেই ভাবে হাত, পায়ের যত্ন নিই না। অথচ শীতের দিনে সবচাইতে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় আমাদের হাত, পা। কারণ সারাদিনের যাবতীয় পরিশ্রম হয় এই হাত আর পায়ের উপর দিয়েই। ঠাণ্ডার দিনে হাতে যদি অতিরিক্ত সাবান, ডিটারজেন্ট লাগে সেখান থেকেও হাত খসখসে হয়ে যেতে পারে। এছাড়াও শীতকালে দূষণ বেশি থাকে। মুখে তেল, সাবান, ক্রিম নিয়মিত দেওয়া হলেও অনেকেই হাতে পায়ে তা ঠিক করে লাগান না। ফলে পা ফেটে যাওয়ার মত সমস্যা দেখা দেয়। আমরা সকলেই ভুলে যাই যে ত্বকের পাশাপাশি হাতেরও সমান ভাবে যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। ত্বকের মত হাতেরও চামড়া গুটিয়ে যায় এবং বলিরেখা পড়ে। আর তাই প্রথম থেকে সচেতন না হলে হাত দেখতে খুবই বাজে লাগে। যাঁরা রোজ বাড়িতে বাসন মাজেন বা কাপড় কাচেন তাঁদের আরও বেশি করে হাতের যত্ন নিতে হবে।

এর জন্য নিয়মিত ভাবে স্ক্রাব করতে হবে। বাড়িতে লেবু, মধু, চিনি থাকেই। এই তিনটে উপাদান একসঙ্গে মিশিয়ে স্ক্রাব বানিয়ে নিন। এবার তা হাতে ভাল করে ম্যাসাজ করলেই কাজ চলে যাবে।

এছাড়াও সেদ্ধ আলুর খোসা ফেলে না দিয়ে তা হাতে ভাল করে ঘষে নিতে পারেব। এতেও হাতের কালো দাগ সহজেই দূর হয়ে যায়। ত্বক থেকে মৃত কোষও তুলে ফেলা যায়। এতে হাত থাকে নরম।

যাণদের দাঁত দিযে হাতের চামড়া কাটার অভ্যাস রয়েছে তাঁদের জন্য শীতের দিনে আরও বেশি সমস্যা হয়। আর তাই হাতে ভাল করে মাখন লাগিয়ে নিন ঘুমোতে যাওয়ার আগে। এতে চামড়া নরম থাকে। উঠে আসীর মত সমস্যা হয় না। সহজে ফেটে যায় না।

শীতের দিনে অন্তত নিয়ম করে হ্যান্ড ক্রিম লাগান। এতে চামড়া নরম থাকে। হাতে জ্বালা ভাব থাকে না। রাতো ঘুমোতে যাওয়ার আগে হাত পরিষ্কার করে ধুয়ে নিয়ে শুকনো করে মুছে নিন। এবার হ্যান্ড ক্রিম ভাল ভাবে হাতে মেখে নিন। এতে হাতের তালু নরম থাকে। কোনও রকম বলিরেখাও পড়ে না।

 সম্প্রতি আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞ ড দীক্ষা ভাবসার সোশ্যাল মিডিয়ায় সকলের জন্য প্রযোজ্য কাশি-সর্দি ও গলা ব্যথা উপশমের জন্য ৪টি রেসিপির কথা পোস্ট করেছেন। সেগুলি এখানে দেওয়া রইল...


আবহবিদদের মতে হিমেল হাওয়া গায়ে লাগলেও জাঁকিয়ে শীত এখনই নয়। তবে ঋতু পরিবর্তনের ফলে প্রত্যেক ঘরেই এখন ভাইরাল ও শ্বাসযন্ত্রের সমক্রমণের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। শীত পড়তে না পড়তেই দূষণের মাত্রাও বেড়ে চলেছে। দিল্লি ও তার পার্শ্বর্তী এলাকায় এখনই এক হাত দূরের জিনিস আবছা বোঝা যাচ্ছে। কালীপুজোর পর থেকে কলকাতার আবহাওয়া পরিস্থিতিও সুবিধের নয়। এর সঙ্গেই আতঙ্ক ছড়াচ্ছে ডেঙ্গি ও ওমিক্রনেকর সাবভেরিয়েন্টের দৌরাত্ম্য। তাই জ্বর, গলা ব্যথা, কাশি ও সর্দির মত লক্ষণগুলি এখন ঘরে ঘরে। এই উপসর্গ দেখার সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় বা পারিবারিক চিকিত্‍সকের সঙ্গে পরামর্শ অবশ্যই নেবেন। সঙ্গে বেশ কিছু আয়ুর্বেদিক ঘরোয়া টোটকাও চেষ্টা করুন। তাতে সংক্রমণের জেরে অসুস্থতা অনেকটাই উপশম হবে, পাবেন আরামও। ফ্লুয়ের লক্ষণগুলিকে হ্রাস করার জন্য ঘরোয়া ও প্রাকৃতিক টোটকা অনেক কার্যকরী।

যেমন শুকনো আদার মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরির বৈশিষ্ট্য, যা সর্দি ও কাশির চিকিত্‍সার জন্য মোক্ষম দাওয়াই। হলুদ. আদা, কালো গোলমরিচ, তুলসী, পুদিনা পাতা, মেথি বীজ, রান্নাঘরের নানান মশলা ও ভেষজ গলার ব্যথা উপশম করতে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ও অন্যান্য উপসর্গগুলি থেকে মুক্তে দিতে সত্যিই উপকারী। সম্প্রতি আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞ ড দীক্ষা ভাবসার সোশ্যাল মিডিয়ায় সকলের জন্য প্রযোজ্য কাশি-সর্দি ও গলা ব্যথা উপশমের জন্য ৪টি রেসিপির কথা পোস্ট করেছেন। সেগুলি এখানে দেওয়া রইল…

১. সারা দিন শুকনো আদার সেদ্ধ করে বা শুকনো আদা গুঁড়ো দিয়ে ফুটিয়ে জল পান করুন। এর জেরে পরিপাকতন্ত্র উন্নত হয়। হজমশক্তিও স্বাভাবকি থাকে। এছাড়া গলা ব্যথা, গলায় খুসখুস করলে এই জল খেলে অনেকটা উপশম পাবেন। পাশাপাশি কাশি হলেও সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে।

রেসিপি

১ লিটার জলের মধ্যে আধ চা চামচ শুকনো আদার গুঁড়ো বা এককুচি তাজা আদা যোগ করে মাঝারি আঁচে ১০ মিনিট সেদ্ধ করুন। ফুটে উঠলে ছেঁকে নিন। এরপর ঘরের তাপমাত্রায় ঠান্ডা করে স্টিলের বোতলে সংরক্ষণ করে রাখুন।

২. ভেষজ মিশ্রণ

উপকরণ

– আধ চা চামচ হলু, আধ চা চামচ শুকনো আদার গুঁড়ো, ১টি কালো গোলমরিচ বা ১/৪ চা চামচ গোল মরিচের গুঁড়ো, ১ চা চামচ খাঁটি মধু নিন।

প্রত্যেকটি উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে খাবার খাওয়ার এক ঘণ্টা আগে বা পরে দিনে ২-৩ বার খান।

৩. দিনে দুবার এই আয়ুর্বেদিক মিশ্রণের সঙ্গে বাস্পের মত ভাপ নিতে পারেন। তার জন্য কী কী দরকার, তা দেখুন।

উপকরণ

– ২ গ্লাস জল, এক মুঠো তুলসী পাতা, ৫-৭ টি পুদিনা পাতা, ১ তা তামচ জোয়ান বীজ, আধ চা চামচ মেথি, আধ চা চামচ হলুদ। প্রত্যেকটি উপকরণ একসঙ্গে পাত্রের মধ্যে নিয়ে মাঝারি আঁচে ৭-১০ মিনিট সেদ্ধ করুন। এরপর মাথার উপর দিয়ে তোয়ালে চাপা দিয়ে এর ভাপ নিন। আরাপ তো পাবেনই, সঙ্গে গলা ব্যথা, সর্দি, কাশিও উপশম হবে।

৪. হলুদ জল দিয়ে গার্গল করুন

একগ্লাস জল মাঝারি আঁচে গরম করতে দিন। তাতে ১ চা চামচ হলুদ মিশিয়ে ৩-৫ মিনিট ফুটতে দিন। দিনে ২-৩বার এই জল দিয়ে গার্গল করলে আরাম পাবেন। সংক্রমণের অস্বস্তিও দূর হবে দ্রুত। কিশোর থেকে প্রাপ্তবয়স্ত, সকলেই এই টোটকা অনুসরণ করতে পারেন। নিজের জন্যও এটি ট্রাই করতে পারেন।

লোভনীয় খাবার দেখে সেগুলি থেকে বেশিক্ষণ মুখ ফিরিয়েও নেওয়া যায় না। তাই অনিয়ম হতেই থাকে। রঙিন ও আলোকময় উত্‍সবের মরসুমে যে যে খাবার একেবারেই ছোঁবেন না, তা জেনে নিন...



দিওয়ালি, কালীপুজো, ভাইফোঁটা সব মিলিয়ে উত্‍সবের আমেজ একেবারে জমে গিয়েছে। সামনেই জগদ্ধাত্রী পুজো, ছট পুজো। দীপাবলির এই পাঁচদিন ধরে ভারতীয়রা দেশি মুডেই থাকেন। উত্‍সব মানেই খাওয়া-দাওয়া, মিষ্টি, ক্যালোরি যুক্ত খাবার। সঙ্গে বাড়িতে প্রচুর আত্মীয়ের ভিড় হলে তো কথাই নেই। উত্‍সবের সময় গৃহস্থের বাড়িতে লুচি, পকোড়া, মিষ্টি, বিরিয়ানি, মশলাযুক্ত খাবার খাওয়ার প্রচুর সুযোগ তৈরি হয়। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, প্যাকেজজাত খাবার, কার্বনাইটেড পানীয়, দোকান থেকে যখন-তখন খাবার অর্ডার করে খাওয়া, এই সবই হজম ও গোটা শরীরকে অস্বাস্থ্যকর করে তোলে। তবে এইসবের মধ্যে থেকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন ডায়াবেটিসের রোগীরা। লোভনীয় খাবার দেখে সেগুলি থেকে বেশিক্ষণ মুখ ফিরিয়েও নেওয়া যায় না। তাই অনিয়ম হতেই থাকে। রঙিন ও আলোকময় উত্‍সবের মরসুমে যে যে খাবার একেবারেই ছোঁবেন না, তা জেনে নিন…


ময়দা দিয়ে তৈরি খাবার

কালীপুজো, ভাইফোঁটা এই সব অনুষ্ঠানে ময়দা দিয়ে তৈরি নানা সুস্বাদু খাবার তৈরি হয়েই থাকে। কিন্তু ডায়াবেটিসের রোগীরা যতটা সম্বব ময়দা-জাত খাবার এড়িয়ে যাওয়াই ভাল। পরিশোধিত ময়দাতে কোনও ফাইবার থাকে না। থাকে সাধারণ চিনি। মিহি করে আটা দিয়ে তৈরি সুস্বাদু ও মুখরোচক খাবার রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। ময়দার পরিবর্তে বাজরা বা মাল্টিগ্রেন ময়দা দিয়ে খাবার তৈরি করতে পারেন।

চিনিযুক্ত পানীয় বা কার্বোনেটেড পানীয়

উত্‍সবের দিনে খাবার খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিশ্রমও হয় বেশি। অত্যাধিক তৃষ্ণার লক্ষণ দেখা যায় ডায়াবেটিস রোগীদের। তেষ্টা মেটাতে ঠান্ডা কোক বা চিনিযুক্ত ও কার্বোনেটেড পানীয় খাওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায়। এতে কোনও পুষ্টি তো নেই, বরং ক্যালোরি বেড়ে গিয়ে সমস্যা বাড়িয়ে দেয়। খুব সহজে রক্তে শর্করার মাত্রাও বেড়ে যায়।

ডিপ ফ্রাই ফুড

উত্‍সবের মধ্যে সিঙ্গারা, কচুরি, চপ, কাটলেট না হলে কি চলে? কিন্ত এই খাবারগুলি যতই অস্বাস্থ্যকর হোক না কেন, খাওয়ার লোভ সামলানো অসম্ভব। এই খাবারগুলি অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়ার ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা শুধু বেড়ে যায় তাই নয়, বরং ওজন বৃদ্ধির কারণও হতে পারে। এছড়া রান্না করার সময় একই তেল বারবার ব্যবহার করার ফলে ট্রান্স-ফ্যাটের পরিমাণও বেড়ে যায়। ট্রান্স ফ্যাট হল খারাপ ফ্যাট. যা রক্তের লিপিডগুলিকে ধবংস করে দেয়।

প্রচুর চকোলেট ও মিষ্টি

ডায়াবেটিসের সঙ্গে উত্‍সবে সামিল থাকার ব্যাপারে অল্প হলেও সতর্ক থাকা দরকার। দোকান থেকে কেনা মিষ্টি, প্রচুর চকোলেট, কুকিজ, ডোনাট ও সুস্বাদু খাবার এই উত্‍সবের মরসুমে বাড়িতে মজুত থাকেই। সেই সব খাবারে প্রচুর পরিমাণে ময়দা. চিনির মাত্রা বেশি থাকে। তবে বাড়িতে তৈরি মিষ্টিতে অনেকটা মিষ্টি নিয়ন্ত্রণ রেখে করা হয়। তাতে স্বাদও যেমন ঠিক থাকে, আবার স্বাস্থ্যকরও।

ভাজা ও নোনতা বাদাম




বাদাম স্বাস্থ্যের পক্ষে দারুণ উপকারী। এতে থাকে প্রয়োজনীয় মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড এবং পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিডের মতো ভাল চর্বি। ভাজা ও নোনতা বাদাম ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ভাল একটি বিকল্প হতে পারে না। অতিরিক্ত লবণ ও তেল হার্টের সুস্থতার জন্য একদমই ভাল নয়। এতে হার্টের সমস্যার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। রামা, আখরোট, পেস্তা, কাজুবাদাম , এই সব কিছুই কাঁচা বা ভেজে রেখে খেতে পারেন।

পুজো, বিবাহ, স্বাস্থ্য উভয় ক্ষেত্রেই পান পাতার ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ। কারণ মনে করা হয় এই পাতার জেরে সমৃদ্ধি বজায় থাকে। পান সতেজতার প্রতীক।


অনেক এমন উপাদান হাতের কাছে থাকে, তার গুণের কথা কতজন জানি। চুলের যত্নের জন্য প্রতিদিনের রুটিনে খুব বেশি বিনিয়োগ করার দরকার নেই। কারণ ব্যস্তপূর্ণ গোটা সপ্তাহে চুলের যত্নের জন্য বেশি সময় দেওয়ার ভয়ে রুটিন মানা হয় না। তবে এই নয় যে চুলের ক্ষতি করা হয়। চুলের সমস্যার শেষ নেই। খুসকি, চুল পড়া থেকে শুরু করে প্রতিদিনের একটা ঝামেলা। সঙ্গে চুল ঝরতে ঝরতে পাতলা ও ছোট হতে থাকে। ঘরোয়া ও ভেষজ হেয়ার প্যাক ব্যবহার করে অনেকেই অনেক উপকার পেয়ে থাকেন। ঘি মাথার ত্বকে প্রয়োগ করলে চুলের পুষ্টির ঘাটতি মেটে। এছাড়া পান পাতাও চুলের জন্য খুব ভাল। পান শুধু মুখশুদ্ধির জন্য নয়, ত্বক ও চুলের যত্নের জন্যও যথেষ্ট কার্যকরী।

পান পাতার উপকারিতা

পুজো, বিবাহ, স্বাস্থ্য উভয় ক্ষেত্রেই পান পাতার ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ। কারণ মনে করা হয় এই পাতার জেরে সমৃদ্ধি বজায় থাকে। পান সতেজতার প্রতীক। আয়ুর্বেদ অনুসারে, এটি পটাসিয়াম, নিকোটিনিক অ্যাসিড. ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি ১২ ও ভিটামিন বি ১-সহ অন্য়ান্য চিকিত্‍সাক্ষেত্রে ও প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজগুলিতে সমৃদ্ধ।

পান পাতা চুল বৃদ্ধিতে কতটা উপযুক্ত

স্বাস্থ্যকর চুলের জন্য পান পাতায় রয়েছে বেশ কিছু প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল ও অ্যান্টি-ব্য়াকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য । যা চুলকে কন্ডিশনার করার সময় ঘন ও লম্বা করতে সাহায্য করে। এছাড়াও পান পাতা মাথার ত্বকের চুলকানি, খুশকি ও স্প্লিট এন্ডের সমস্যার সমাধান করতে সাহায্য করে। কারণ মাথার ত্বকে ছত্রাক গঠনে বাধা দেয় ও অ্য়ালার্জির প্রতিক্রিয়া থেকে রক্ষা করে। পানের একটি হেয়ার প্যাকেই রয়েছে প্রচুর পরিমাণে রয়েছে ভিটামিন সি।

শুধু পান খাবেন না, চুলেও লাগান। ভিটামিন সি প্রোটিন উত্‍পাদনের জন্য প্রোজন যা সাধারণত কোলাজেন নামে পরিচিত। এটি চুলের জন্য অত্যন্ত উপকারী। ভিটামিন সি চুলের স্বাস্থ্যকে উন্নীত করতে ,চুল পড়া রোধ করতে ও চুলের বৃদ্ধি করতে সাহায়্য করে। অন্যদিকে ভিটামিন সিয়ের অভাবে চুল শুষ্ক হতে শুরু করে।

চুলের জন্য পান কীভাবে ব্যবহার করবে?

বাড়িতে তৈরি সুপারি পাতা চুলের প্যাক হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। পানের পাতার তৈরি হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করতে হলে এক টেবিলস্পুন ঘ যোগ করুন। তাতে চুল থাকে সতেজ ও কন্ডিশনড।

হেয়ার প্যাক কীভাবে বানাবেন জানুন

– ৫ থেকে ১০টি পানপাতার পেস্ট

– ২-৩ চামচ ঘি

– এক চা চামচ মধু

– পরিমাণমত জল

এবার পদ্ধতিটা জেনে নিন…


একটি গ্রাইন্ডারে পান পাতা যোগ করে নিন। তাতে অল্প পরিমাণ জল দিয়ে মিহি করে বেটে নিন। এবার একটি বোলে রেখে তাতে ঘি ও মধু যোগ করুন। ভাল করে পেস্টটি মিশিয়ে নিন, যাতে সব কটি উপকরণ ভাল করে মিশে যায়।এবার কয়েক মিনিট আলাদা করে রেখে দিন। মিশ্রণটি মাথার ত্বকে ও চুলের দৈর্ঘ্য অনুযায়ী তৈরি করুন। এরপর চুল ভাগ করে আঙুল বা ব্রাশ দিয়ে পেস্টটা ব্যবহার করুন। চুলের গোড়ায় প্রলেপ লাগিয়ে ৪-৫ মিনিটের জন্য ম্যাসাজ করুন। আধ ঘণ্টা রেখে দিন। এরপর গরম জল দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিন। হালকা শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার দিয়ে পরিষ্কার করুন।



প্রাচীনকাল থেকে ত্বককে পুষ্ট করতে এবং ত্বককে উজ্জ্বল রাখতে আমন্ড ব্যবহার করা হচ্ছে। আমন্ড হল পুষ্টির পাওয়ার হাউস।



পুজো শেষ হয়ে গেলেও উৎসবের মরশুম এখনও চলছে। আর কয়েকদিন পরেই কালিপুজো, ভাইফোঁটা। এর পাশাপাশি কিন্তু রূপচর্চা (Skin Care) মরশুম কখনওই শেষ হয় না। আর যখনই রূপচর্চার প্রসঙ্গ আসে তখন প্রাকৃতিক উপাদানকেই (Natural Ingredients) বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়। আমন্ডও হল এমনই একটি প্রাকৃতিক উপাদান যা রূপচর্চায় ব্যবহার করা হয়। প্রাচীনকাল থেকে ত্বককে পুষ্ট করতে এবং ত্বককে উজ্জ্বল রাখতে আমন্ড (Almonds) ব্যবহার করা হচ্ছে। তাছাড়া আমন্ড হল পুষ্টির পাওয়ার হাউস। এতে ভিটামিন ই, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে। আমন্ড ত্বকের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। সাধারণত আমন্ড তেল ত্বকের উপর ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও বেশ কিছু উপায়ে আপনি আমন্ডকে আপনার রূপচর্চার অঙ্গ করে তুলতে পারেন।

বাদামের তৈরি স্ক্রাব ত্বকের জন্য ভীষণ উপকারী। অনেকেই রয়েছে যাঁরা নিয়মিত স্ক্রাব ব্যবহার করেন না। কিন্তু সপ্তাহে দু’বার স্ক্রাব ব্যবহার করলে আপনি ত্বককে ভাল রাখতে পারবেন। এক কাপ জলে ৩-৪টে আমন্ড সারারাত ভিজিয়ে রাখুন। পরদিন সকালে ওই আমন্ডগুলো গুঁড়ো করে নিন। এবার এতে দুই টেবিল চামচ মধু এবং সামান্য দুধ মিশিয়ে স্ক্রাব বানিয়ে নিন। এবার এটা ত্বকের উপর বুলিয়ে নিন। হালকা হাতে ত্বকের উপর ঘষে নিন। এরপর ঠান্ডা জল দিয়ে মুখ দিয়ে নিন।

আমন্ড এবং কলার ময়েশ্চারাইজিং প্যাক

আমন্ডের মধ্যে ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করার ক্ষমতা রয়েছে। আমন্ড ও কলার ফেসপ্যাক ত্বককে পুষ্টি জোগায়। এক কাপ জলে ৩-৪টে আমন্ড সারারাত ভিজিয়ে রাখুন। পরদিন সকালে এর পেস্ট বানিয়ে নিন। এবার এতে অর্ধেক কলা ম্যাশ করে যোগ করুন। এতে এক টেবিল চামচ গোলাপ জল যোগ করে ভাল করে উপাদানগুলো মিশিয়ে নিন। এবার এটা মুখে, ঘাড়ে ও গলা মাখুন। মিনিট কুড়ি রেখে ঠান্ডা জল দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন।

ট্যান দূর করতে বানিয়ে নিন আমন্ডের ফেসপ্যাক



আমন্ড রোদে পোড়া দাগ দূর করতে দারুণ কার্যকর। পাশাপাশি এটি নতুন কোষ বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে। এক কাপ জলে ৩-৪টে আমন্ড সারারাত ভিজিয়ে রাখুন। পরদিন সকালে এর পেস্ট বানিয়ে নিন। এতে এক চামচ বেসন ও এক চামচ টক দই মিশিয়ে নিন। এবার এই মিশ্রণটি আপনার ত্বকের উপর প্রয়োগ করুন। মিনিট ২০ রাখার পর হালকা হাতে স্ক্রাব করুন। এরপর ঠান্ডা জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এই মিশ্রণটি আপনার সানট্যানের সমস্যা দূর করে দেবে।


সামান্য জ্বর-কাশিতে প্যারাসিটামল খাবেন না। জ্বর ২ দিন থাকলেই রক্ত পরীক্ষা করান

ঘরে ঘরে বাড়ছে জ্বর, সর্দি, কাশি। পুজোর পর আরও জোরাল হয়েছে সংক্রমণ। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা এর জন্য দুষছেন আবহাওয়াকেই। ঠাণ্ডা গরমই সবচেয়ে বেশি কাল করছে। কখনও বৃষ্টি, কখনও রোদ। সবার সঙ্গেই যে সব সময় ছাতা থাকে এমনও নয়। রোদে ঘেমে কিংবা বৃষ্টিতে ভেজার পর এসি ঘরে ঢুকলেই ঠাণ্ডা বসে যাচ্ছে। অনেকে আবার ঘেমে নেয়ে ফ্রিজের ঠাণ্ডা জলও খাচ্ছেন। এই ভাবেই ঠাণ্ডা লাগছে। গা, হাত-পা ব্যথা, গলাখুশখুশ, গলা জ্বালা, নাক দিয়ে ক্রমাগত জল পড়া- এমন সব উপসর্গ নিয়েই কাহিল বাংলা। আর এই সব সংক্রমণই ভাইরাসঘটিত। কয়েকদিনের মধ্যেই সেরে যাচ্ছে এই সব উপসর্গ। তবে চিকিৎসকেরা আরও একটি বিষয় নিয়েও ভয় পাচ্ছেন। তা হল সাধারণ এই জ্বর-জ্বর ভাব, গায়ে-হাতে-পায়ে ব্যথার মধ্যে মিশে রয়েছে ডেঙ্গির উপসর্গও। আর তাই সামান্য জ্বর-কাশিতে প্যারাসিটামল খেলে অনেক সময় সেই সব উপসর্গ চাপা পড়ে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।




কোভিড বিধি শিথিল হওয়ার পর থেকে কমে গিয়েছে মাস্কের ব্যবহার। ফলে নানা রকম সংক্রমণও বাড়ছে। এই ঠাণ্ডা-গরম আবহাওয়া ভাইরাসের বৃদ্ধির জন্য আদর্শ। শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলে তখনই তা শরীরে জাঁকিয়ে বসে এই সব রেসপিরেটরি ভাইরাস। নাক দিয়ে জল পড়া, মাথা ব্যথা, কাশি, শ্বাস নিতে সমস্যা -এই নন ফ্রিবাইল রেসপিরেটরি ইলনেসের জন্য দায়ী অ্যাডিনোভাইরাস। যা শিশুদের বেশি কাবু করে। তবে জ্বর দু’দিনের বেশি থাকলেই ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়ার টেস্ট করিয়ে নিতে ভুলবেন না। আর তাই এমন সমস্যা হলে কাজে লাগান ঘরোয়া টোটকা।

একটা বাটিতে এক গ্লাস মাপে জল নিয়ে ওর মধ্যে হাফ চামচ মধু, সামান্য এলাচ গুঁড়ো দিয়ে ফুটিয়ে অর্ধেক করে ওর মধ্যে লেবুর রস মিশিয়ে নিতে হবে। সর্দি, কফে খুব ভাল কাজ করে এই টোটকা। বিশেষত যদি গলা খুশখুশ করে।

বড় বড় করে কাটা পেঁয়াজের টুকরো, গোলমরিচ, জোয়ান পাতা আর মিছরি একসঙ্গে দিয়ে ফুটিয়ে হাফ করে নিন। এবার তা দিনের মধ্যে ডুমিক দিয়ে অন্তত ২ বার খান। এতে কাশি, গলা জ্বালা, গলা ব্যথার মতো অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যায়।

সসপ্যানে এক চামচ ঘি দিতে হবে। এবার এপৃর মধ্যে ৬ টুকরো টমেটো, ৬ কোয়া রসুন দিয়ে নেড়ে এক গ্লাস জল দিতে হবে। ফুটে আসলে গোলমরিচের গুঁড়ো, সামান্য নুন আর একটা তুলসি পাতা দিয়ে আবারও ফুটিয়ে নিতে হবে। এবার তা সামান্য ঠাণ্ডা করে গ্রাইন্ডারে পেস্ট করে নিন। এই টমেটো স্যুপ খেলেও অনেক রকম উপকার পাওয়া যায়।
তুলসী হল এমন একটি পবিত্র ঔষধি গাছ যা ক্যান্সারের রেডিওথেরাপির প্রভাবকে হ্রাস করতে সহায়তা করে।

অক্টোবর মাস মানেই ঠান্ডা শিরশিরানি বাতাসের ছোঁয়া। সঙ্গে দিনের বেলায় কাঠফাটা রোদে ঘেমে প্যাচপ্যাচে অস্বস্তিকর অনুভূতি। আর তাতেই সাধারণ ফ্লু থেকে শুরু করে নানারকম ভাইরাসের উত্‍পাত শুরু হয়ে যায়। সর্দি, কাশি, জ্বরে ভুগে রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতাও বিগড়ে যায়। তবে শরীরকে যদি এইসবের মধ্যে থেকে দূরে রাখতে চান তাহলে তুলসি পাতা খাওয়া অত্যন্ত উপকারী। এতে রয়েছে শক্তিশালী অ্যাডাপটোজেনিক ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের প্রভাব। শরীরকে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে দারুণ উন্নত করতে সাহায্য করে। স্ট্রেসের মাত্রা কমিয়ে মানসিক সুস্থকে বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। তুলসী হল একটি পবিত্র ঔষধি গাছ যা ক্যান্সারের রেডিওথেরাপির প্রভাবকে হ্রাস করতে সহায়তা করে।
চলবে না। তুলসির চায়ের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট কোষের ফ্রি- র‍্যাডিকলের ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। তাতে অনেক রোগের বিকাশ ও বিস্তারকে বিনাস করতে সহায়তা করে। আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞদের মতে প্রতিটি ভারতীয় পরিবারে তুলসি গাছকে পুজোর আসনে বসানো হয়েছে। একে শুধু দেবতা জ্ঞানে নয়, এর উপকারী গুণের বহর দেখলে চমকে যেতে হয়।

তুলসি চায়ের উপকারিতা

– তুলসি পাতা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়িয়ে দিতে সাহায্য করে। এছাড়া এতে রয়েছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, অ্যান্টি ভাইরাল (সর্দি, কাশি ও ভাইরাল জ্বরকে প্রতিরোধ করে), অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল (সংক্রমণ জনিত ব্যাধি থেকে রক্ষা করে, গলাব্যথার উপশম করতে), অ্যান্টি-ফাঙ্গাল (ছত্রাকজনিত ত্বকের রোগের উপকারী) বৈশিষ্ট্য।

– শ্বাসকষ্টের সময় তুলসি চা পান করতে পারেন, যথেষ্ট আরাম পাবেন।

– এটি অ্যান্টি-স্ট্রেস বৈশিষ্ট্য থাকার জন্য মানসিক চাপ কমে দ্রুত।

– সাইনোসাইটিস ও মাথা ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।

তুলসিকে অনেক সংক্রমণ ও অসুস্থতার বিরুদ্ধে শরীরকে রক্ষা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা অবলম্বন করে। হৃদরোগের নানাবিধ ওষুধ ও ভেষজের থেকে তুলসির চা অনেক উপকারী বলে প্রমাণিত। কারণ এতে রয়েছে শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। তার জেরে রক্তচাপ ও কোলেস্টেরেলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করেষ তুলসি পাতা বিভিন্ন উপায়েই শরীরের জন্য উপকারী ও অগণিত নিরাময় সুবিধার অধিকারী।

কীভাবে করবেন

তুলসির চা তৈরি করার জন্য ৫ ছেকে ৬টি তাজা তুলসি পাতা ধুয়ে আলাদা করে রেখে দিন। সেগুলিকে এক কাপ জলে ২-৩মিনিটের জন্য ফুটিয়ে রাখুন। সেই জল গরম গরম পান করতে হবে

সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যের একটি অংশ প্রস্টেট ক্যান্সারের আশঙ্কা ৭০ শতাংশ বাড়িয়ে দেয়।


বিশ্বের স্বাস্থ্য সংস্থার মতে ভারতে ফুসফুসের ক্যান্সারের পরে প্রস্টেট ক্যান্সারে আক্রান্ত ভারতীয় পুরুষদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। মূলত বয়স ৫০ পেরোলেই পুরুষদের মধ্যে এই রোগের ঝুঁকি বেশি দেখা যায়। প্রাথমিক পর্যায়ে প্রস্টেট ক্যান্সার ধরা পড়লে, চিকিৎসাধীন থাকলে মৃত্যুর ঝুঁকি এড়ানো যায়। কিন্তু প্রাথমিক স্তরে এই ক্যান্সারের লক্ষণগুলো বোঝা যায় না। প্রস্টেট ক্যান্সারের ক্ষেত্রে মূত্রত্যাগের সময় ব্যথা, ঘন ঘন প্রস্রাব, প্রস্রাবের রঙ পরিবর্তন এই ধরনের লক্ষণগুলো উপেক্ষা করা উচিত নয়। ঠিক কোন কারণে পুরুষদের মধ্যে প্রস্টেট ক্যান্সার দেখা দেয় তা এখনও জানা যায়নি। কিন্তু এর মধ্যে জিনগত কারণও রয়েছে। পাশাপাশি এমন বেশি কিছু খাবার রয়েছে যা পুরুষদের মধ্যে প্রস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে।

খাওয়া-দাওয়ার অভ্যাসের উপরই নির্ভর করে আমাদের সুস্থ থাকা। যে কারণে চিকিৎসকরা সবসময় সুষম আহারের উপর জোর দেন। কিন্তু এমনও কিছু ‘স্বাস্থ্যকর’ খাবার রয়েছে যা বাড়িয়ে দিতে পারে পুরুষদের মধ্যে প্রস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি। 644307

ক্যান্সার প্রতিরোধে খাদ্যতালিকায় কোলিনের ভূমিকা নিয়ে একাধিক গবেষণা করা হয়েছে। সম্প্রতি এক গবেষণা দেখা গিয়েছে, শরীরে যদি অতিরিক্ত মাত্রায় কোলিন চলে যায় তাহলে প্রস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি ৭০ শতাংশ বেড়ে যায়। আর এই কোলিন বেশ কয়েকটি পুষ্টিকর খাবারেই রয়েছে। ডিম, দুধ এবং মাংসের মতো খাবারে এই কোলিন সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায়।

কোলিন একটি অপরিহার্য পুষ্টি যা কোষের ঝিল্লির কাঠামোগত গঠনে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। এটি এটি নিউরোট্রান্সমিশন এবং মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু গবেষণা বলছে, যদি একজন প্রাপ্তবয়স্ক সারাদিনে ৪৫০ মিলিগ্রাম কোলিন গ্রহণ করে, তাহলে এটি শরীরের জন্য বিপজ্জনক। অন্যদিকে, একটা ডিমে ১৫০ মিলিগ্রাম কোলিন থাকে। এর পাশাপাশি দুধ ও মাংসের মধ্যেও বেশ ভাল পরিমাণে কোলিন রয়েছে। সুতরাং, আপনি যদি দিনে এই তিন উপাদান বেশ পরিমাণে খান তাহলে কোলিনের মাত্রা ৪৫০ মিলিগ্রাম ছাড়িয়ে যেতে পারে। আর এখানেই তৈরি হয় প্রস্টেট ক্যান্সারের আশঙ্কা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি এড়ানোর জন্য পুরুষদের কোলিনের মাত্রা পরীক্ষা করানো উচিত। পাশাপাশি কী ধরনের ডায়েট গ্রহণ করছে তার উপরও নজর দেওয়া দরকার। আর একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে স্যাচুরেটেড ফ্যাট সমৃদ্ধ খাবারেও প্রস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি রয়েছে। যদি স্যাচুরেটেড ফ্যাট সমৃদ্ধ খাবারে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রাও বেড়ে যায়। এর পরিবর্তে আপনি ফল, শাকসবজি, বীজ, বাদাম খেতে পারেন।