Articles by "namkhana news"
Showing posts with label namkhana news. Show all posts
আবারও শ্লীলতাহানির শিকার কাকদ্বীপের এক নাবালিকা,এবার শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠলো এক যোগব্যায়ামের শিক্ষকের ওপর। 

 


                                ছবি -০১



    এক নাবালিকাকে শ্লীলতাহানীর অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করলো হারুপয়েন্ট কোস্টাল থানার পুলিশ। অভিযুক্তর নাম হারুপদ দাস  বয়স(৩৮), কাকদ্বীপ দক্ষিণ গোবিন্দপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করে হারুপয়েন্ট কোস্টাল থানার পুলিশ। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৫৪(সি)ও ৮ পোকসো ধারায় মামলা রুজু করেছে হারুপয়েন্ট কোস্টাল থানার পুলিশ। আজ ওই অভিযুক্তকে কাকদ্বীপ আদালতে তোলা হলে। কাকদ্বীপ আদালত এক দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন।  


প্রশ্ন থেকেই যায় নারী সুরক্ষা আজ কোথায় ? 

সুন্দরবনের দক্ষিণ কাশিয়াবাদে বাঘের আতঙ্ক (Tiger Comes Out in South Kashiabad of Sundarbans) । জানা গিয়েছে, নদীতে কাঁকড়া ধরতে গিয়ে বাঘ দেখতে পান এক মহিলা । বন দফতর জঙ্গলে বাঘের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে ।


দক্ষিণ 24 পরগনা, 22 মার্চ : আবারও বাঘের আতঙ্ক সুন্দরবনের দক্ষিণ কাশিয়াবাদে ।গ্রামের কয়েকজন মহিলা মঙ্গলবার সকালে নদীতে কাঁকড়া ধরতে গিয়ে বাঘ দেখতে পান বলে জানা গিয়েছে । গোবদিয়া নদীর তীরে বাতাকাটি জঙ্গল থেকে বাঘটি বেরিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে (Tiger Comes Out in South Kashiabad of Sundarbans) । এই খবর চাউর হতেই বাঘের আতঙ্ক ছড়ায় দক্ষিণ কাশিয়াবাদ গ্রামে । খবর দেওয়া হয় ঢোলাহাট থানা ও বন দফতরকে । পুলিশ মাইকিং করে দক্ষিণ কাশিয়াবাদ ও আশেপাশের গ্রামের বাসিন্দাদের সতর্ক করছে । বাঘের খোঁজে বনকর্মীরা তল্লাশি শুরু করেছেন ।


স্থানীয় সূত্রে খবর, স্থানীয় কয়েকজন মহিলা সকালে নদীতে কাঁকড়া ধরতে গিয়েছিলেন । তাঁদের মধ্যে কবিতা বর নামে এক মহিলা নদী থেকে উঠে আসার সময় জঙ্গলের ভিতরে একটি বিশালাকৃতির প্রাণী দেখতে পান । কবিতা বরের কথায় সেটি বাঘ ছিল । তিনি সেখানে চিত্‍কার করে ওঠেন এবং নদীর পাড়ে জ্ঞান হারিয়ে পড়ে যান । তাঁর চিত্‍কার শুনে বাকিরা সেখানে যান । তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয় । জ্ঞান ফিরলে তিনি জানান, জঙ্গলের ভিতরে বাঘ দেখতে পেয়েছিলেন ।



  সম্পূর্ণ তথ্য -  ETV bharat  বাঙ্গালি 



আজ সকালে কাকদ্বীপ নামখানার ভুবন নগর রেললাইনের এক যুবতীর দেহ  পড়ে থাকতে দেখা যায়, প্রথমে পরিচয় যানা না গেলেও  পরে জানা যায় ঐ যুবতীর নাম  দেবীকা মাইতি (২০)  মেয়েটি কাকদ্বীপ শপিং কমপ্লেক্স এ  কাজ করতো । মৃত্যুর কারণ অধরা রেল পুলিশ তদন্ত চালাচ্ছে।


সঙ্গে থাকুন বিস্তারিত আসছে....

আনন্দ দাস,কাকদ্বীপ.কম :২৫ শে জানুয়ারি ভোরবেলায় বকখালি থেকে এক অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির দেহ উদ্ধার করল ফ্রেজারগঞ্জ পুলিশ। অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি এলাকায়।ঘটনাটি মঙ্গলবার সকালে ঘটেছে নামখানার ফ্রেজারগঞ্জের সমুদ্রসৈকতে।মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা দেখেন, ফ্রেজারগঞ্জের সমুদ্রসৈকতে আনুমানিক বছর 55 এর এক অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তি উবুর হয়ে সমুদ্র সৈকতের ধারে পড়ে রয়েছে। এর পরেই স্থানীয় বাসিন্দারা ফ্রেজারগঞ্জ কোস্টাল থানায় খবর দেন। ঘটনাস্থলে ফ্রেজারগঞ্জ কোস্টাল থানার পুলিশ এসে ওই অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির দেহ উদ্ধার করে দ্বারিকনগর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে যাওয়া হলে ওই ব্যক্তিকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা । বছর 55 এর ওই অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিকে স্থানীয়রা এর আগে ঐ এলাকায়  কখনো দেখেননি বলে জানিয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের ধারণা ফ্রেজারগঞ্জের  অমরাবতী গ্রামে ছোট ছোট খুঁটি সাবাড়ের কাজ করতে আসা কোনো মৎস্যজীবী হতে পারেন। তবে ওই ব্যক্তি ফ্রেজারগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা নয় বলে দাবি করেছেন স্থানীয় মানুষজন। 

উদ্ধার করা ওই  মৃত ব্যক্তির পরনে ছিল একটি সাদা শার্ট ও হলুদ প্যান্ট। সকালেই ওই অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ালো ফ্রেজারগঞ্জ এলাকায়।আপাতত ঘটনাস্থলে গিয়ে ফ্রেজারগঞ্জ কোস্টাল থানার পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে কাকদ্বীপে মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছেন। ফ্রেজারগঞ্জে কিভাবে এলো ওই  অজ্ঞাত পরিচয়ের ব্যক্তি। কিংবা ওই ব্যক্তির পরিচয় কী? তা জানার জন্য তদন্ত শুরু করেছে ফ্রেজারগঞ্জ কোস্টাল থানার পুলিশ।
বাঙালির রসনা তৃপ্তিকে রসদ যোগাতে বছরের প্রথম দিনে পিঠে পুলি উৎসব। শনিবার ২০২২ এর ইংরেজি বর্ষের  প্রথম দিনে খাদ্য রসিক বাঙালির রসনাকে কিছুটা উৎসবমুখর করে তুলল নামখানার উত্তর শিবপুর মানব তীর্থ ক্লাব। শনিবার বিকেল থেকে পিঠেপুলির বিভিন্ন পদ নিয়ে ভোজনরসিক বাঙালির জিভে কিছুটা  জল এনে দিল এই ক্লাব।

বছরের প্রথম দিনে নামখানার উত্তর শিবপুরের মানবতীর্থ ক্লাব ও পাঠাগার এর উদ্যোগে একটি পিঠেপুলি ও খাদ্য উৎসব অনুষ্ঠিত হলো। নতুন বছরে এই উৎসবের উদ্বোধন করেন গঙ্গাসাগর বকখালি উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান শ্রীমন্ত কুমার মালি। এলাকার মহিলারা শনিবার বিকেল থেকেই বিভিন্ন রকমের পিঠে সহ পায়েস বানানোর কাজে হাত লাগান। সন্ধ্যে সাতটা থেকে সেই সমস্ত বিভিন্ন পদের পিঠে ও পায়েস দেওয়া হয় উৎসবে আসা মানুষদের।এই পিঠে পুলি উৎসব দেখতে শনিবার ক্লাবের মাঠে মানুষের ভিড়ও ছিল চোখে পড়ার মতো। ক্লাবের পক্ষ থেকে এদিন প্রায় 2000 এর বেশি মানুষের পাতে তুলে দেওয়া হয় পিঠে ও পায়েস। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে ক্লাবের মাঠে সন্ধ্যা থেকে চলে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।




নামখানা ব্রিজের নিচে বিধ্বংসী আগুন। নামখানার হাতানিয়া দোয়ানিয়া সেতু তলায় বিধ্বংসী আগুন লাগলো। রবিবার রাত দশটা নাগাদ স্থানীয় ব্যবসায়ীরা দেখেন, ব্রিজের নিচে থাকা পাটকাঠির স্তুপে দাউদাউ করে আগুন জ্বলছে। আগুনের কাছে এসে দেখেন আগুনের লেলিহান শিখা ব্রিজের তলায় ছড়িয়ে পড়েছে। ধীরে ধীরে আগুন বিধ্বংসী আকার নেয়।

গত কয়েকবছর আগে নামখানার হাতানিয়া দোয়ানিয়া নদীর উপর বকখালি ও কলকাতার যাতায়াতের রাস্তায় নদীর উপর এই সেতুটি তৈরি করা হয়েছিল। সেই সেতুর নিচে অনেক অস্থায়ী ব্যবসায়ী অনেকদিন ধরে ডেকোরেটর বাঁশকাঠ ও পান বরজের ব্যবহৃত পাটকাঠি মজুত করে রেখেছিলেন। রবিবার রাত্রি দশটা নাগাদ স্থানীয় কয়েকজন দেখেন ব্রিজের নিচে থাকা পাটকাটির স্তূপে দাউদাউ করে আগুন জ্বলছে। পাশেই রয়েছে নামখানা থানা। ঘটনাস্থলে নামখানা থানার পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও কোনো লাভ হয়নি। কারণ আগুনের লেলিহান শিখা তখন ব্রিজের নিচে তখন দাউদাউ করছে। কাকদ্বীপ দমকল বিভাগে খবর দেওয়া হলে সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে দমকলের একটি ইঞ্জিন এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। আগুন এতটাই বিধ্বংসী আকার ধারণ করে ব্রীজের বেশিরভাগ জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে। তাতে পরে আরও একটি দমকলের ইঞ্জিন আনা হয়। ব্রিজের নিচে আগুন লাগায় ব্রিজের উপর দিয়ে যাতায়াত করার সমস্ত গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দেয় পুলিশ। ব্রিজের নিচে আগুন লাগায় স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। কারণ আগুন ছড়িয়ে পড়ে আরো বড়সড় দুর্ঘটনা না ঘটে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্থানীয় মানুষদের অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। দমকলের দুটি ইঞ্জিনএর চেষ্টায় প্রায় ঘণ্টাতিনেক পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। দমকলকর্মীরা প্রাথমিকভাবে অনুমান করছেন, কোন বিড়ি কিংবা শীতের পোহানো আগুন থেকে এই বিধ্বংসী কান্ড।


স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,বেআইনিভাবে দীর্ঘদিন ধরে সেতুর নিচে কয়েকজন ব্যবসায়ী এই সমস্ত বাহগলা পাটকাঠি রেখেছেন। তার জেরেই এই বিপত্তি। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পরেই ব্রিজের উপর দিয়ে গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক করা হয় পুলিশের পক্ষ থেকে। তবে ঠিক কি কারণে আগুন লেগে এইরকম বিধ্বংসী কান্ড,  পরে তদন্ত করার পরেই উঠে আসতবে বলে মনে করছেন তদন্তকারী অফিসাররা।