সূত্রের খবর, ত্রিপাঠীর পরিবারের অনেকগুলি ট্রাক আছে, যেগুলি বালি নিয়ে যেত। বালি খাদানে কার নিয়ন্ত্রণ থাকবে এবং টাকার ভাগ কে, কত পাবে, তা নিয়েই বিরোধ চলছিল। বুধবার রাতে ভরত সিংকে যখন ঝামেলা মেটানোর জন্য টাকা হয়েছিল, তিনি ফরচুনার গাড়ি নিয়ে যান।


রায়পুর: ভয়ঙ্কর। দীর্ঘদিনের ঝামেলায় ভয়ঙ্কর পরিণতি হল বিজেপি নেতার। দুটি ট্রাকের মাঝে আটকে দেওয়া হয়েছিল গাড়ি, তারপর সেই গাড়িতে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হল। গাড়ির ভিতরেই পুড়ে মৃত্যু হল বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রেসিডেন্ট ভরত সিংয়ের। তাঁর সঙ্গে গাড়িতে ছিলেন আরও দুইজন। তাঁদের মৃত্যু হয়েছে গাড়ির ভিতরে আগুনে পুড়ে।

ঘটনাটি ঘটেছে ছত্তীসগঢ়ের কোরিয়া জেলায়। বুধবার রাতে ওই বিজেপি নেতাকে ডাকা হয়েছিল বালি উত্তোলন নিয়ে ঝামেলা মেটাতে। তবে পরিবারের দাবি, আসলে সেটা ফাঁদ ছিল। দীর্ঘদিন ধরেই সোনহাত, কৈলাশপুর. তেলিমুড়া, বেলিয়া ও চিনগুড়ায় বালি তোলা নিয়ে ঝামেলা ছিল। বিগত কয়েক মাস ধরে ভরত সিংয়ের গোষ্ঠী ও আরেক বিজেপি নেতা মনোজ ত্রিপাঠীর গোষ্ঠীর মধ্যে বিরোধ চরমে উঠেছিল।



সূত্রের খবর, ত্রিপাঠীর পরিবারের অনেকগুলি ট্রাক আছে, যেগুলি বালি নিয়ে যেত। বালি খাদানে কার নিয়ন্ত্রণ থাকবে এবং টাকার ভাগ কে, কত পাবে, তা নিয়েই বিরোধ চলছিল। বুধবার রাতে ভরত সিংকে যখন ঝামেলা মেটানোর জন্য টাকা হয়েছিল, তিনি ফরচুনার গাড়ি নিয়ে যান। সেখানে পৌঁছতেই তাঁর গাড়ির সামনে ও পিছনে ট্রাক দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়। এরপরই সঙ্গে সঙ্গে গাড়িতে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ফলে গাড়ি ভিতরে থাকা বিজেপি নেতা ও তাঁর দুই সঙ্গী পুড়ে মারা যান। ময়ঙ্ক সিং নামক আরও একজন গুরুতর আহত। তাঁর অবস্থা সঙ্কটজনক।

পুলিশ এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত আক্ষত ত্রিপাঠী, বিশাল ত্রিপাঠী, সত্য প্রকাশ ত্রিপাঠী ও মন্নু ত্রিপাঠীকে গ্রেফতার করেছে। নয়জনের বিরুদ্ধে খুন ও খুনের চেষ্টার মামলা করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ভরত সিং আগে কংগ্রেস করতেন। ভূপেশ বাঘেল সরকারের আমলে তিনি বিজেপিতে যোগ দেন। যথেষ্ট প্রভাবশালী নেতা ছিলেন তিনি। নীল বাতির গাড়ি নিয়ে ঘুরতেন।  মৃতের পরিবার সিবিআই তদন্তের দাবি করেছে।

Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours