কয়েকদিন আগে বেলেঘাটার প্রাক্তন মেয়র পারিষদ স্বপন সমাদ্দার গ্রেফতার হওয়ার পর কুণাল ঘোষ মুখ্যমন্ত্রীকে বার্তা পাঠিয়ে বলেছিলেন, এই হয়রানি থামানো দরকার। বহু জায়গায় নেতা-কর্মীদের উপর পুলিশি হেনস্থা চলছে। এর মধ্যে সত্যিকারের অপরাধে কিছু বলার নেই। কিন্তু বহু ক্ষেত্রে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য দেখা যাচ্ছে।

অধিবেশনের দিনই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর ঘরে হাজির কুণাল-মদন-শোভনদেবরা

পালাবদলের পর রাজ্যে এক অভিনব রাজনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। রাজ্যে বিরোধী দল এখন আড়াআড়ি বিভক্ত। তৃণমূলের (TMC) বিধায়ক হয়েও একদল বিরোধী দলের স্বীকৃতি পাননি, আবার একদল বিরোধীদের ঘরে বসার সুযোগ পেয়েছে। এহেন পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে অধিবেশন। প্রথম দিনই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) ঘরে ঢুকতে দেখা গেল পাঁচ তৃণমূল বিধায়ককে, যাঁরা মূলত মমতা-পন্থী বলেই জানা যায়।


এদিন বিধানসভায় রাজ্যপালের ভাষণ শেষ হওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসেন পাঁচ বিধায়ক। ছিলেন কুণাল ঘোষ, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, মদন মিত্র, অশোক দেব, রহিম বক্সী। সাম্প্রতিক কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করতেই শুভেন্দু অধিকারীর কাছে গিয়েছেন তাঁরা।


মমতাকে চাপে ফেলতে বড় পদক্ষেপ অরূপের? পাল্টা মোক্ষম চাল তৃণমূল সুপ্রিমোর! কী ঘটল?
কয়েকদিন আগে বেলেঘাটার প্রাক্তন মেয়র পারিষদ স্বপন সমাদ্দার গ্রেফতার হওয়ার পর কুণাল ঘোষ মুখ্যমন্ত্রীকে বার্তা পাঠিয়ে বলেছিলেন, এই হয়রানি থামানো দরকার। বহু জায়গায় নেতা-কর্মীদের উপর পুলিশি হেনস্থা চলছে। এর মধ্যে সত্যিকারের অপরাধে কিছু বলার নেই। কিন্তু বহু ক্ষেত্রে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য দেখা যাচ্ছে বলে দাবি করেন কুণাল। মুখ্যমন্ত্রী পাল্টা যোগাযোগ করে বার্তা দেন যে, এভাবে কথা হয় না। অধিবেশন বসছে। সেদিন রাজ্যপালের ভাষণের পর মুখোমুখি কথা হতে পারে।


এরপর বুধবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা প্রত্যাহারের পর কুণাল নিজে থেকেই আবার মুখ্যমন্ত্রীকে খবর পাঠিয়ে বলেন, পুরনো পিএসও-দের ফিরিয়ে দিতে। কুণাল আবেদন করেন, পুলিশ প্রশাসন যাই করুক, মুখ্যমন্ত্রী যেন সৌজন্যমূলকভাবে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করেন। মোটামুটি ইতিবাচক সাড়া আসে। ঠিক হয় বৈঠকে বিষয়টি আলোচিত হবে। এরপরই আজ বসল বৈঠক।
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours