শিবসেনার ভাঙন ও একনাথ শিন্ডের শিবিরকে আসল শিবসেনার স্বীকৃতি দেওয়ার প্রসঙ্গ টেনে সঞ্জয় রাউত বলেন যে মহারাষ্ট্রে গণতন্ত্র নিয়ে যে মজা হয়েছে, তার সবথেকে বড় দায় সুপ্রিম কোর্টের। যদি সুপ্রিম কোর্ট যথাসময়ে পদক্ষেপ করত, তাহলে রাজ্যে এই রাজনৈতিক অস্থিরতা থামানো যেত।
তৃণমূল থেকে শিক্ষা! বিদ্রোহী সাংসদদের বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ করতে চলেছে উদ্ধবের শিবসেনা
বিদ্রোহীদের সবক শেখাবে উদ্ধবের শিবসেনা?
শিবসেনা ভেঙেছে একবার। আরও একবার ভাঙনের মুখে উদ্ধব ঠাকরের (Uddhav Thackeray) শিবসেনা। ছয়জন বিদ্রোহী সাংসদরা তৈরি করতে চলেছেন আলাদা ফ্রন্ট। এমনটাই সূত্রের খবর। দলের তরফে নয়জন সাংসদকে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছিল, কিন্তু মাত্র তিনজনই উপস্থিত হন। এবার বিদ্রোহী সাংসদদের বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ করতে চলেছে শিবসেনা (ইউবিটি) (Shiv Sena UBT)।
উদ্ধব ঠাকরের নির্দেশে চিফ হুইপ অনিল দেশাইয়ের ডাকা সংসদীয় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না শিবসেনা (ইউবিটি)-র ছয়জন সাংসদ। তাদের ইতিমধ্যেই দলের তরফে শোকজ নোটিস দেওয়া হয়েছে। শিবসেনা (ইউবিটি) সাংসদ অরবিন্দ সাওয়ান্ত জানিয়েছেন, বিদ্রোহী নেতাদের আগামী সাতদিনের মধ্যে শোকজের জবাব দিতে হবে। যদি তারা জবাব না দেন, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলেও তিনি জানান।
নায়কের সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর নাতনি! কেরিয়ারের সাফল্যই কি ব্রেকআপের কারণ?
গতকালই রাজ্যসভার শিবসেনা (ইউবিটি) সাংসদ সঞ্জয় রাউত জানিয়েছিলেন যে চিফ হুইপের নির্দেশ অমান্য করে আইন ভঙ্গ করেছেন বিদ্রোহী সাংসদরা। তিনি জানান, ইতিমধ্যেই ডিসিপ্লিনারি প্রসিডিং শুরু হয়েছে। এই বিদ্রোহী সাংসদদের বিরুদ্ধে দলের তরফে সাংসদ পদ খারিজ করে দেওয়ার আবেদন জানানো হবে বলেও হুঙ্কার দেন সঞ্জয় রাউত। বিদ্রোহী সাংসদরা ষড়যন্ত্র ও প্রতারণা করেছেন বলে অভিযোগ করেন।
একইসঙ্গে তিনি সুপ্রিম কোর্টের বিরুদ্ধেও সুর চড়ান। শিবসেনার ভাঙন ও একনাথ শিন্ডের শিবিরকে আসল শিবসেনার স্বীকৃতি দেওয়ার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন যে মহারাষ্ট্রে গণতন্ত্র নিয়ে যে মজা হয়েছে, তার সবথেকে বড় দায় সুপ্রিম কোর্টের। যদি সুপ্রিম কোর্ট যথাসময়ে পদক্ষেপ করত, তাহলে রাজ্যে এই রাজনৈতিক অস্থিরতা থামানো যেত।
সূত্রের খবর, আজ বিধান পরিষদে ভোটিংয়ের পর শিবসেনা (ইউবিটি)-র ছয় সাংসদ নিজদের আলাদা একটি ফ্রন্ট তৈরি করবে। সাংসদ সঞ্জয় বান্দু যাদব এই নতুন ফ্রন্টের নেতা হবেন।
প্রসঙ্গত, মহারাষ্ট্রের আগে পশ্চিমবঙ্গেও একইভাবে ভাঙন ধরেছে তৃণমূল কংগ্রেসে। সেখানে তৃণমূলের বিদ্রোহী ২০ জন সাংসদও আলাদা ফ্রন্ট গঠন করার পরিকল্পনা করেছিলেন কাকলী ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে। তবে দলত্যাগ বিরোধী আইনে ফেঁসে যাওয়ার ভয়েই এনসিপিআই (NCPI)-তে মিশে যান। মহারাষ্ট্রের শিবসেনা (ইউবিটি) সাংসদরা আলাদা ফ্রন্ট গড়বেন নাকি একনাথ শিন্ডের শিবসেনার সঙ্গে মিশে যাবেন, তাই-ই দেখার।


Post A Comment:
0 comments so far,add yours