শিক্ষার আলোয় আলোকিত হোক সুন্দরবনের প্রত্যন্ত এলাকার প্রতিটি ঘর। আর্থিক প্রতিবন্ধকতা যেন কোনও মেধাবী পড়ুয়ার শিক্ষার পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়, সেই লক্ষ্যেই এগিয়ে এল ঢাকুরিয়ার মানসী দা হিলিং টাচ। সংস্থার পক্ষ থেকে সুন্দরবনের নামখানা ও সাগর ব্লকের মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের হাতে তুলে দেওয়া হল ‘অবিস্মরণ মেধা বৃত্তি’। পাশাপাশি এলাকার দুস্থ মানুষদের হাতে নতুন জামাকাপড় তুলে দিয়ে সামাজিক দায়বদ্ধতার নজিরও গড়ল সংস্থাটি।
দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার নামখানার সাতমাইলে এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই বৃত্তি প্রদান কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এদিন মোট ১৬ জন মেধাবী ছাত্রছাত্রীর হাতে বৃত্তির অর্থ ও সম্মান তুলে দেওয়া হয়। প্রত্যন্ত সুন্দরবন এলাকার পড়ুয়াদের পড়াশোনায় উৎসাহ জোগানো এবং আগামী দিনে তাঁদের আরও ভালো ফলাফলের জন্য অনুপ্রাণিত করাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য বলে উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়।
শুধু মেধাবী পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়ানোই নয়, সমাজের আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষের মুখে হাসি ফোটাতেও উদ্যোগী হয় সংস্থাটি। এদিন অনুষ্ঠানে দুস্থদের হাতে নতুন জামাকাপড় তুলে দেওয়া হয়। উৎসবের আবহে নতুন পোশাক পেয়ে খুশি হন উপভোক্তারা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নামখানা ব্লকের উদ্যান পালন ক্ষেত্রের আধিকারিক মলয় কুমার দাস, শিক্ষারত্ন পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রাক্তন শিক্ষক তাপস কান্তি করণ, সাংবাদিক ও সমাজসেবী তাপস পাল-সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
উপস্থিত অতিথিরা এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তাঁদের মতে, সুন্দরবনের মতো প্রত্যন্ত অঞ্চলে বহু প্রতিভাবান পড়ুয়া রয়েছে। উপযুক্ত সুযোগ ও সহযোগিতা পেলে তারাও আগামী দিনে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে। তাই এই ধরনের বৃত্তি প্রদান কর্মসূচি পড়ুয়াদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর পাশাপাশি শিক্ষার প্রসারেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। শিক্ষা ও মানবসেবাকে একসূত্রে বেঁধে হিলিং টাচের এই উদ্যোগ এলাকার মানুষের কাছে প্রশংসিত হয়েছে।


Post A Comment:
0 comments so far,add yours