কাকদ্বীপ বাসস্ট্যান্ড তথা কাকদ্বীপ মহকুমা আদালতের সামনেই আয়োজিত এই বিশেষ অঙ্কন কর্মসূচিতে অংশ নেয় প্রায় ৬০ থেকে ৭০ জন ছাত্রছাত্রী। কারও তুলিতে ধরা পড়ল দেবী দুর্গার রুদ্ররূপ, কারও আঁচড়ে ফুটে উঠল মায়ের শান্ত ও স্নিগ্ধ মহিমা। আবার কেউ কুলোর উপরেই নিপুণ হাতে ফুটিয়ে তুলল দেবীর অপরূপ প্রতিচ্ছবি।

ছাত্রছাত্রীদের এই সৃজনশীল উদ্যোগে উপস্থিত ছিলেন চিত্রাঞ্জলি কলাকেন্দ্রের কর্ণধার সুবল দাস। 
মহালয়ার সকালে জনসমাগমের মাঝে শিল্পের এই অভিনব উপস্থাপনা হয়ে উঠল কাকদ্বীপবাসীর কাছে বিশেষ আকর্ষণ।
তবে এখানেই শেষ নয়। এই শিল্পকর্মগুলিকে ঘিরে রয়েছে আরও বড় স্বপ্ন। চিত্রাঞ্জলি কলাকেন্দ্রের কর্ণধার সুবল দাস জানান - ছাত্রছাত্রীদের আঁকা এই ছবি ও পোর্ট্রেটগুলিকে কাজে লাগিয়ে আগামী দিনে একটি দুর্গাপুজোর মণ্ডপ তৈরি করে কাকদ্বীপবাসীকে উপহার দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে চিত্রাঞ্জলি কলাকেন্দ্রের। 

শিল্প শুধু ক্যানভাসে সীমাবদ্ধ নয়, শিল্পের হাত ধরেই গড়ে উঠতে পারে নতুন ভাবনা, নতুন সৃষ্টি—মহালয়ার সকালে চিত্রাঞ্জলি কলাকেন্দ্রের ছাত্রছাত্রীদের এই উদ্যোগ যেন সেই বার্তাই দিয়ে গেল।
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours