Articles by "Healthy Tips"
Showing posts with label Healthy Tips. Show all posts
কন্ট্রোলে ডায়াবেটিস ! কীভাবে?
ডায়াবেটিক। মানে ভাত খাওয়া বাদ ?
খুব মিষ্টি খেতে ইচ্ছে হলে ? 
ডায়াবেটিক মানে ভাত বাদ ? 
By: নিবেদিতা বন্দ্যোপাধ্যায় | Updated at : 08 Nov 2022 09:02 AM (IST)

Edited By: Nibedita Bhattacharya

FOLLOW US: 

Diabetes How to control by easy diet ? Dr Ananya Bhowmik shares opinions Diabetes: ভাত, আম, মিষ্টি খেয়েও কন্ট্রোলে ডায়াবেটিস ! কীভাবে?
Diabetes: ভাত, আম, মিষ্টি খেয়েও কন্ট্রোলে ডায়াবেটিস ! কীভাবে? জানাচ্ছেন ড. অনন্যা ভৌমিক

Advertisement


ডায়াবেটিক। মানে ভাত খাওয়া বাদ ? নাহ। ভুল। মধুমেহ আক্রান্ত হলেও খাওয়া যেতে পারে ভাত। এমনকী দিনে তিনবার পর্যন্ত। কিন্তু জানতে হবে, করটুকু খাবেন, কীভাবে খাবেন । ডায়াবেটিস মানেই সব খাওয়া দাওয়া বন্ধ ? আম-কলা-মিষ্টি সব বাদ ? নাহ, সারাজীবন সব খাবার দাবার বাদ দিয়ে কেউ বাঁচতে পারেন না। তাই , মনের তৃপ্তির জন্য ডায়াবেটিকদেরও সামান্য পরিমাণে আম-কলার মতো ফল ফলও খাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। কিন্তু সেটা খেলে সারাদিনে অন্য খাওয়া-দাওয়া গুলি ম্যানেজ করতে হবে। কীভাবে? সেটা বলে দেবেন আপনার পুষ্টিবিদ ও চিকিৎসক। এই নিয়ে বিস্তারিত আলোচনায় ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্ট ড. অনন্যা ভৌমিক। 

ভারত এখন ডায়াবেটিক ক্যাপিটাল। ঘরে ঘরে মধুমেহ রোগ। কিন্তু প্রত্যেক রোগীর শরীরের পরিস্থিতি আলাদা। ব্লাগড সুগারের লেভেলও আলাদা। তাই কোনও জেনারেল ডায়েট চার্ট এক্ষেত্রে ফলো করা ঠিক নয়। ড. ভৌমিকের কথায়, ডায়াবেটিস রোদৃগীদের জন্য চার্ট হবে পার্সন-স্পেসিফিক। 

মনে রাখতে হবে, কারও হয়ত খুব হাই সুগার ধরা পড়ল। ফাস্টিং, পিপি - সব ক্ষেত্রেই স্বাভাবিকের থেকে বেশ উঁচুতে ব্লাডসুগার লেভেল। তখন কি করবেন ?

তখন কিন্তু সত্যিই অনেক খাবার খাওয়া বন্ধ রাখতে হবে। 
মিষ্টি জাতীয় খাবার সরাসরি খাওয়া ও রান্নায় চিনি দেওয়া বন্ধকরতে হবে। 
অতিরিক্ত মিষ্টি ফল., যেমন আম, কলা, কাঁঠাল বাদ রাখতে হবে। 
আলু খাওয়াও বারণ। 
তবে ভাত খাওয়া বন্ধ করে দিতে হবে এমনটা একে বারেই নয়। 
ভাত দিনে তিনবারও খাওয়া যায়। তবে পরিমাণটা বেণধ দেবেন পুষ্টিবিদই। 
ধীরে ধীরে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে এলে, অল্প অল্প করে উপরে উল্লিখিত খাবারগুলি খাওয়া যেতে পারে, তবে সেটা এক্কেবারে পরিমাণ মেপে। সেই পরিমাণটা ঠিক করে দেবেন পুষ্টিবিদই। 



খুব মিষ্টি খেতে ইচ্ছে হলে ? 
হ্যাঁ। ডায়াবেটিক হলেও মিষ্টি খাওয়া যায়। জানালেন ড. অনন্যা। তবে একটুকরো মিষ্টি খেলে, তা অবশ্যই সকালের দিকে খাওয়া ভাল। রাতের দিকে ন। যাতে সারাদিনের ডায়েটটা তেমন ভাবে ম্যানেজ করে নেওয়া যায়। বা বেশ কিছুটা হাণটাচলা বা শারীরিক কসরত করে ফেলা যায়। 

ডায়াবেটিক মানে ভাত বাদ ? 
না। ডাই ডায়াবেটিকরাও ভাত খেতে পারেন। একাধিকবার খেতে পারেন। তবে পরিমানটা ঠিক জানতে হবে। যত খুশি তত খাওয়া যাবে না। 
এবিপি লাইভকে অনন্যআ জানালেন, যখন প্রথম কেউ ডায়াবেটিসের সমস্যা নিয়ে পুষ্টিবিদের কাছে আসেন, তখন বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, তাঁদের প্যারামিটারগুলি স্বাভাবিকের থেকে অনেকটাই উঁচুতে । তাই শুরুটা কড়াকড়ি দিয়ে করতেই হয়। তাই দরকার
প্রতিবছর ডাক্তারের কাছে যাওয়া
কিছু কিছু উপসর্গ দেখে সতর্ক হতে হবে। 

কীভাবে বোঝা যাবে ?
হঠাৎ ঘেমে মেয়ে একাকার ?
শরীর আনচান ?
বারবার প্রস্রবাব পাচ্ছে?
বারবার জল তেষ্টা পাচ্ছে ?
শরীর দুর্ব লাগছে ?

সতর্ক থাকুন। এই ওয়ার্নিং সাইনগুলি দেখলেই সতর্ক হোন। পুষ্টিবিদের সাহায্য নিন। ডায়াবেটিসকে নিজের হাতে জয় করুন ! 
অল্প কয়েক মিনিট বা কয়েক ঘণ্টার জন্য হাত বা পা অবশ বোধ হল? কথা জড়িয়ে গেল? চোখে ঝাপসা দেখছেন? হতে পারে মিনি স্ট্রোক ! ডাক্তারি পরিভাষায় যাকে বলে, ট্রানসিয়েন্ট ইসকেমিক অ্যাটাক ( Transient ischaemic attack ) বা মিনি স্ট্রোক ( Ministroke ) । ABP Live এর সঙ্গে আলোচনা করলেন ডা. অম্লান কুসুম দত্ত । ( MD DM DrNB, Consultant Neurologist, Techno India Dama Hospital)। 

এক্ষেত্রে ব্রেন স্ট্রোকের মতো দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব না দেখা গেলেও ট্রান্সিয়েন্ট ইসকেমিক অ্যাটাক বা টিআইএ-এর ক্ষেত্রে অল্প সময়ের জন্য এই লক্ষণগুলি চোখে পড়ে। তবে সঙ্গে সঙ্গে না ব্যবস্থা নিলে ভবিষ্যতে বড় বিপদ হতে পারে। হয়ত কয়েক মাসের মধ্যেই বড় স্ট্রোক হতে পারে। মস্তিষ্কের কোনও একটি রক্তনালীর মধ্যে সামান্য কিছু সময়ের জন্য রক্ত আটকে গেলে মস্তিষ্কের একটি অংশে রক্ত পৌঁছতে পারে না। ফলে মস্তিষ্কের সেই অংশ কাজ করা বন্ধ করে দেয়। তবে নিজে থেকেই তা ঠিক হয়ে যায় বলে শরীর কম সময়েই ঠিক হয়ে যায়। তবে এটিকে অবজ্ঞা করতে পরে বড় পক্ষাঘাত আসতেই পারে। 

যেমন -

কথা জড়িয়ে আসা
কোনও একটি দিক জোর না পাওয়া
একদিকের হাত-পা অবশ হয়ে যাওয়া 
মুখের একদিক বেঁকে যাওয়া
চোখে হঠাৎ একটা জিনিস দুটো দেখা 
একটা চোখে না দেখতে পাওয়া 
হঠাৎ করে প্রচন্ড মাথা যন্ত্রণা করা 
হঠাৎ করে হাঁটতে অসুবিধে বোধ করা 
কথা বলার সময় বা বোঝানোর সময় ক্ষমতা হারিয়ে ফেলা 
হঠাৎ করে অস্বাভাবিক আচরণ করা লোকজন চিনতে না পারা 



স্ট্রোক কী
মাথার কোনও রক্তনালীতে স্থায়ীভাবে রক্তজমাট বাঁধলে সেই অংশে রক্তচলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তার ফলে স্ট্রোকের মতো ধাক্কা আসতে পারে। ধমনীতে কোনও কারণে রক্ত আটকে গেলে মস্তিষ্কের কোনও একটি অংশে রক্ত পৌঁছাতে পারে না । তখনই ঘটে মস্তিষ্কে সেই অংশ অকেজো হয়ে যায় । মস্তিষ্ক যেহেতু আমাদের সারা শরীরের বিভিন্ন কাজকর্ম পরিচালনা করে তাই। শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে কাজকর্ম বন্ধ করে দিতে পারে। 

স্ট্রোক, টিআইএ -র ঝুঁকি কাদের বেশি
উচ্চ রক্তচাপ থাকলে
ডায়াবিটিস, কোলেস্ট্রলের মতো অসুখ থাকলে
ওজন বেশি হলে
বংশে স্ট্রোকের ইতিহাস থাকলে 

স্ট্রোকের পর প্রথম সাড়ে ৪ ঘণ্টা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ 
লক্ষণ দেখা দিলে সময় নষ্ট না করে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া উচিত। কারণ এটি একটি মেডিকেল ইমার্জেন্সি। লক্ষণ শুরু হওয়ার সাড়ে চার ঘন্টার মধ্যে এর চিকিৎসা করলে এর চূড়ান্ত খারাপ প্রভাব আটকানো যেতে পারে। 
ধমনী আটকে গিয়ে রক্ত চলাচল কমে যাওয়ার জন্য যদি স্ট্রোক হয় তবে প্রথম সাড়ে চার ঘন্টার মধ্যে ওষুধের মাধ্যমে সেই ব্লক খুলে দেওয়া যেতে পারে। অথবা কুঁচকির কাছে ফুটো করে মস্তিষ্কের ধমনীতে তার নিয়ে গিয়ে সেই ধমনী থেকে রক্তপিণ্ড বা ক্লট বার করা ও সম্ভব যাকে Mechanical Thrombectomy বলা হয়।
এই সময়ের মধ্যে এই চিকিৎসা না করালে এই কাজ আর করা যায় না । এই সময়-সুযোগ পেরিয়ে গেলে সাধারণত মস্তিষ্কের সেই জায়গাটি বাঁচানো যায় না এবং রোগীর অক্ষমতা চিরস্থায়ী হয়ে যায়। তখন ওষুধের ভূমিকা হল, পরবর্তী স্ট্রোক আটকাতে সাহায্য করা। যাকে সেকেন্ডেরি প্রিভেনশন বলা যায় ।
মিনি স্ট্রোক বা টিআইএ হলেও সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে আসা উচিত । তাড়াতাড়ি চিকিৎসা শুরু করলে ভবিষ্যতে বড় রকম দুর্ঘটনা এড়ানো যেতে পারে। 
স্ট্রেস, অতিরিক্ত চিন্তা-উদ্বেগ বা হাইপারটেনশন, এমন ধরনের সমস্যা এখন প্রায় ঘরে ঘরে দেখা যায়। সদ্য় তরুণ থেকে প্রৌঢ় সব বয়সের মধ্যেই এই সমস্যা দেখা যায়। আর এসবের হাত ধরেই থাবা বসায় ডায়াবেটিস (Diabetes) বা মধুমেহ। যাদের পরিবারে ডায়াবেটিসের প্রকোপের ইতিহাস রয়েছে, তাঁদের জন্য ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। এই সমস্য়া রুখতে শরীরচর্চা করতে বলে থাকেন চিকিৎসকরা। তার পাশাপাশি কড়া নজর রাখতে হয় খাবারেও। কিন্তু কী হবে ডায়েট? এই প্রশ্নই মনে ঘোরাফেরা করে বরাবর। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ-ইন্ডিয়া ডায়াবেটিস ( Indian Council of Medical Research-India Diabetes)-এর নয়া রিপোর্ট এই প্রশ্নেরই উত্তর দিয়েছে। কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার বাদ দিয়ে প্রোটিনে ভরসা বাড়ালে কমবে ডায়াবেটিসের সমস্যা। এমনটাই জানানো হয়েছে ওই রিপোর্টে।   

কোন গবেষণা:
Indian Council of Medical Research-India Diabetes বা ICMR-INDIAB-এর তরফে একটি সমীক্ষা করা হয়েছিল। ম্যাক্রো-নিউট্রিয়েন্ট (macro-nutrient) জাতীয় পোষক পদার্থ গ্রহণের একটি বিশেষ ধরনের উপর সমীক্ষা হয়েছিল। ১৮ হাজারের উপর লোকের উপর এটি করা হয়েছে। একটি গাণিতিক মডেলের সাহায্যে বোঝার চেষ্টা করা হয়েছে কীভাবে খাওয়ার পরিমাণ বা ধরণ ঠিক করা যায়। 

ডায়েটেই ভরসা:
এই গবেষণা পত্রের অন্যতম লেখক চিকিৎসক ভি মোহন জানাচ্ছেন, ভারতে এখন চোখ রাঙাচ্ছে ডায়াবেটিস। বিপুল সংখ্যক মানুষ এর শিকার। পাশাপাশি প্রি-ডায়াবেটিক অর্থার ডায়াবেটিস হওয়ার দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে রয়েছে তার চেয়েও বেশি সংখ্যক নাগরিক। উচ্চ মাত্রায় কার্বোহাইড্রেট রয়েছে এমন খাবার খাওয়ার অভ্যাসেই বাড়ছে বিপদ। 


কত কমাতে হবে:
অতিরিক্ত ভাত (Rice) হোক কিংবা গম (Wheat), দুটিই সমান সমস্যা তৈরি করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি কোনও ব্যক্তি সারাদিনে তাঁর গ্রহণ করা ক্যালোরির মধ্যে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ ৫০-৫৫ শতাংশে নামিয়ে আনতে পারেন এবং প্রোটিনের পরিমাণ বাড়াতে পারেন, তাহলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকিও কমবে। তবে ছোট মাছ, সামুদ্রিক মাছ বা মুরগির মাংস অথবা উদ্ভিজ্জ উৎস সেই প্রোটিন (Protein) নিতে হবে। কোনওভাবেই রেড মিট নয়। এখন সাধারণত কোনও ব্যক্তি, সারাদিনে তাঁর গ্রহণ করা ক্যালোরির মধ্যে প্রায় ৭৫ শতাংশই কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ করে থাকেন। রিপোর্টে বলা হচ্ছে, এখনই ডায়াবেটিস ধরা পড়েছে এমন ব্যক্তির জন্য সারাদিনের ক্যালোরির মধ্যে ৫০-৫৪ শতাংশ কার্বোহাইড্রেট থাকবে, ১৯-২০ শতাংশ প্রোটিন থাকবে, ২১-২৬ শতাংশ স্নেহজাতীয় (Fat) পদার্থ থাকবে এবং ফাইবার থাকবে ৫-৬ শতাংশ। তবে পুরুষ এবং নারী ভেদে এর পরিমাণ সামান্য এদিক-ওদিক হবে। বয়সের উপরেও পরিমাণ নির্ভর করবে। কতটা শরীরচর্চা করা হয়ে থাকে, তার উপরও অনেকটা নির্ভর করবে এই হিসেব। 

ডিসক্লেইমার : কপিতে উল্লেখিত দাবি, পদ্ধতি পরামর্শস্বরূপ। প্রয়োজনীয় চিকিৎসাপদ্ধতি/ডায়েট ফলো করার জন্য অবশ্যই বিশেষজ্ঞ / চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন ও সেইমতো নিয়ম মেনে চলুন।
থেকে নখ, হাড় থেকে ত্বক--সব কিছুর জন্যই যে বিশেষ পোষকপদার্থ সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, তা হল ভিটামিন ডি। বিশেষ করে হাড়ের ঘনত্ব এবং গঠন ভাল হওয়ার জন্য প্রয়োজন এই ভিটামিন। প্রাকৃতিক পায়ে ভিটামিন ডি (Vitamin D) তৈরি হয়। সূর্যের আলো ত্বকের সংস্পর্শে এলে ভিটামিন ডি তৈরি হয়। পাশাপাশি, বিভিন্ন ধরনের খাবারের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ভিটামিন ডি পাওয়া যায়। কেন ভিটামিন ডি প্রয়োজন?

হাড়ের জন্য প্রয়োজনীয়:
একাধিক কাজে লাগে ভিটামিন ডি। তার মধ্যে অন্যতম হল হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য। ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস শোষণের কাজ করে ভিটামিন ডি। রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ঠিকমতো রাখার জন্যও প্রয়োজন এটি। হাড় ও দাঁতের গঠন ঠিক রাখার জন্য ছোট থেকেই পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি পাওয়া প্রয়োজন।

হাড়-সংক্রান্ত রোগের ঝুঁকি কম:
পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি যেহেতু হাড়ের স্বাস্থ্য (Bone Health) ভাল রাখে সেই কারণে হাড়ের নানা রোগও ঠেকিয়ে রাখতে পারে। ভিটামিন ডি-এর অভাবে ক্যালসিয়াম গ্রহণ করতে পারে না শরীর। প্রয়োজনীয় খনিজ মৌলও নিতে পারে না। এরই ফলস্বরূপ হতে পারে রিকেট রোগ। যার ফলে হাড়ের গঠনে সমস্যা হয়, হাড় ভঙ্গুর হয়ে যায়। ঠিকমতো ভিটামিন ডি শরীরে গেলে এই রোগ দূরে থাকতে পারে।

দূরে থাকবে অন্যান্য রোগ:
হঠাৎ করে কোনও সংক্রমণ যাতে কাবু করতে না পারে তার জন্য কাজ করে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। সেই ক্ষমতা ঠিক রাখার জন্য ভিটামিন ডি প্রয়োজন। হাড়ের সমস্যা ছাড়াও আরও কিছু রোগ দেখা দিতে পারে ভিটামিন ডি-এর অভাবে। মাল্টিপল স্কেলেরিওসিস, টাইপ ১ ডায়াবিটিস, গ্লুকোজ ইনটলারেন্সের মতো বিষয়ও দেখা দেয়।


কোথা থেকে পাবেন পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি:
একাধিক প্রাণীজ খাদ্যের উৎসহ থেকে ভিটামিন ডি মিলতে পারে। বিশেষ করে দুধ (Milk) ও দুধজাতীয় খাদ্য এবং ডিমের কুসুম। এছাড়াও তেলাক্ত মাছ, সামুদ্রিক মাছ থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়। মাংস থেকেও মেলে ভিটামিন ডি। সয়াবিন, বিন জাতীয় শস্য থেকেও মেলে এই ভিটামিন। 

কোনও সমস্যা হলে, বা বয়স হলে নির্দিষ্ঠ সময় অন্তর বিশেষ রক্তপরীক্ষার মাধ্যমে দেহের ভিটামিন ডি-র মাত্রা পরীক্ষা করে নেওয়া যায়।

ডিসক্লেইমার : কপিতে উল্লেখিত দাবি, পদ্ধতি পরামর্শস্বরূপ। প্রয়োজনীয় চিকিৎসাপদ্ধতি/ডায়েট ফলো করার জন্য অবশ্যই বিশেষজ্ঞ / চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন ও সেইমতো নিয়ম মেনে চলুন।

বদহজমের সমস্যা হল অ্যান্টাসিডের সাহায্য নেন বেশিরভাগ মানুষ। কিন্তু ঘন ঘন অ্যান্টাসিড খাওয়ার অভ্যাসও কিন্তু ভাল নয়।

খাবার খাওয়ার পরই পেট জ্বালা, বুক জ্বালার সমস্যায় গ্যাসের ওষুধ খেয়ে নেন। কিন্তু এই পেট জ্বালার সমস্যা কতটা মারাত্মক রূপ ধারণ করতে পারে, তা কি জানেন? ঘন ঘন বদহজম, পেট জ্বালা, গ্যাসের সমস্যা মোটেই ভাল নয়। এই ধরনের সমস্যাগুলো দীর্ঘস্থায়ী রোগে দাঁড়িয়ে যেতে পারে। পাশাপাশি তৈরি হতে পারে গ‌্যাসট্রাইটিসের সমস্যা। মূলত যখন পেটে অ্যাসিডের মাত্রা অতিরিক্ত মাত্রায় বেড়ে যায় তখন পেট জ্বালা করে। পাশাপাশি যখন সেই অ্যাসিড খাদ্যনালীর মাধ্যমে উপরে ওঠে তখন বুক জ্বালার সমস্যা দেখা দেয় এবং শরীরের উপরের অংশে প্রদাহ তৈরি করে। অনেক সময় ঝাল, মশলা জাতীয় খাবারগুলো খেলেও পেটে জ্বালাভাব দেখা দেয়। এছাড়াও হেলিকোব্যাক্টর পাইলোরি নামক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের ফলেও এই সমস্যা দেখা দেয়।
গ‌্যাসট্রাইটিসের সমস্যার জন্য ভীষণভাবে দায়ী অতিরিক্ত পরিমাণে মদ্যপান। অতিরিক্ত পরিমাণে অ্যালকোহল সেবনের কারণে পেটের লাইনিং ক্ষয়ে যায়। পেটের মধ্যে থাকা উৎসেচকগুলোর প্রতি আরও সংবেদনশীল হয়ে ওঠে। এতে বিপাক ক্রিয়া ধীর হয়ে যায়। যার ফলে আপনি যা-ই খাবার খান না, তা হজম হয় না। উল্টে পেট জ্বালা, গ্যাস, বদহজমের সমস্যা তৈরি হয়। যদিও বদহজমের সমস্যা অনেক সময় মানসিক চাপের কারণেও দেখা দেয়। তবে সেই সমস্যা অ্যাকিউট গ্যাসট্রাইটিস।

যদি দীর্ঘদিন ধরে আপনি গ্যাসট্রাইটিসের এই উপসর্গগুলো লক্ষ্য করেন তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত। তবে আপনি যদি পেট জ্বালা, বদহজমের সমস্যাকে প্রতিরোধ করতে চান, তাহলে দৈনন্দিন জীবনে বেশ কিছু নিয়ম মেনে চলতে পারেন। তার প্রথমে প্রথমেই রয়েছে সীমিত পরিমাণে অ্যালকোহল। অ্যালকোহল লিভারের উপর প্রভাব ফেলেই এবং গ্যাসট্রাইটিসের সমস্যা বাড়িয়ে তোলে।

বদহজমের সমস্যা হল অ্যান্টাসিডের সাহায্য নেন বেশিরভাগ মানুষ। কিন্তু ঘন ঘন অ্যান্টাসিড খাওয়ার অভ্যাসও কিন্তু ভাল নয়। এর পরিবর্তে আপনি লাইফস্টাইলের দিকে বিশেষ নজর দিন। রোগকে যদি প্রথম থেকে প্রতিরোধ করা যায় তাহলে এই অ্যান্টাসিড খাওয়ার প্রয়োজনই পড়বে না।

গ্যাসট্রাইটিসের সমস্যাকে প্রতিরোধ করার জন্য আপনাকে খাওয়া-দাওয়ার উপরও নজর দিতে হবে। ক্যাফেইন-যুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন। পাশাপাশি ঝাল, মশলাযুক্ত খাবারের পরিমাণও কমিয়ে দিন। প্রয়োজনে টক জাতীয় খাবারও কম পরিমাণে খাবেন। বেশিক্ষণ খালি পেটে থাকবেন না। নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে বারে-বারে অল্প পরিমাণ করে খাবার খেতে থাকুন। আর প্রচুর পরিমাণে জল পান করুন। গ্যাসট্রাইটিসের সমস্যা এড়ানোর জন্য ওজনের দিকেও বিশেষ নজর দেওয়া জরুরি। কারণ ওবেসিটি একাধিক স্বাস্থ্য সমস্যার সঙ্গে জড়িত।

মহিলাদের তুলনায় আক্রান্তের সংখ্যা কম হলেও, বিষয়টি নিয়ে গুরুত্ব দেওয়ার সময় এসেছে। সময় এসেছে সতর্ক হওয়ার। 

পুরুষদের স্তন ক্যান্সার ! অনেকে হয়ত জানেনই না, পুরুষের স্তনেও কর্কটরোগ হতে পারে। না, এটা শুধুমাত্র মহিলাদের রোগ নয়, পুরুষদের স্তন ক্যান্সার একটি বিরল অসুখ যা পুরুষদের স্তনের টিস্যুতে তৈরি হয়।মহিলাদের তুলনায় আক্রান্তের সংখ্যা কম হলেও, বিষয়টি নিয়ে গুরুত্ব দেওয়ার সময় এসেছে। সময় এসেছে সতর্ক হওয়ার। 

পুরুষদের মধ্যেও স্তন ক্যান্সারের ঘটনা বাড়ছে
স্তন ক্যান্সার বলতেই অনেকে মনে করেন, এটি এক্কেবারে মেয়েদের সমস্যা। এটা ঠিকই স্তন ক্যান্সারে মহিলারাই আক্রান্ত হন বেশি। কিন্তু বর্তমান পরিসংখ্যান বলছে, পুরুষদের মধ্যেও এই ক্যান্সারের ঘটনা বাড়ছে। বিভিন্ন কারণে পুরুষদের ব্রেস্ট ক্যান্সার অনেক বেশি প্রাণঘাতী ! 

চিকিৎসকের কাছে আসতে দেরি হয়ে যায়
পরিসংখ্যান বলছে, বেশিরভাগ আক্রান্তই প্রাথমিক স্তরে লক্ষণগুলি বুঝতে পারেন না। তাই চিকিৎসকের কাছে আসতে দেরি হয়ে যায়, তাই বিষয়টি বিপজ্জনক জায়গায় পৌঁছে যায়। দেখা গিয়েছে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বয়স্ক পুরুষের মধ্যো এমন সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার ভয় থাকে। অবশ্য  যে কোনও বয়সেই ব্রেস্ট ক্যান্সার আক্রমণ করতে পারে ছেলেদের।

এই বিষয়ে বিস্তারিত জানালেন অঙ্কোলজিস্ট ও টেকনো ইন্ডিয়া ডামা হাসপাতালের মেডিক্যাল ডিরেক্টর ডা. সৌরভ ঘোষ। 

পুরুষ স্তন ক্যান্সারের উপসর্গগুলি কী কী

• স্তনের উপর থেকে লাম্প বা ফোলা ভাব দেখা যেতে পারে।

• স্পর্শ করলে লাম্পের অস্তিস্ব বোঝা যেতে পারে। 

• মহিলাদের ব্রেস্ট ক্যান্সারের লক্ষণগুলির সঙ্গে পুরুষদের উপসর্গ খুব আলাদা নয়। যেমন ব্রেস্ট-এর ত্বকের রঙে  লক্ষণীয় পরিবর্তন আসতে পারে।

•  কোনও কোনও সময় ত্বকের উপর তল বা টেক্সচার কমলালেবুর খোসার মতো মনে হতে পারে। 

• স্তনবৃন্তে পরিবর্তন আসতে পারে। স্তনবৃন্তের রঙে পরিবর্তন আসে। 

• স্তনবৃন্ত থেকে তরল বের হতে পারে। কখনও আবার রক্তপাতও ঘটতে পারে। 

• লিভার সিরোসিস থাকলে তা পুরুষ হরমোন হ্রাস করে এবং মহিলা হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি করে। যা স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। 

• অতিরিক্ত ওজনের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে দেহের ইস্ট্রোজেনের মাত্রার। এই হরমোন বেশি হয়ে গেলে , তা স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়।

কীভাবে ধরা পড়বে 

স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত ব্রেস্ট স্ক্রিনিং করাতে হবে মহিলাদের মতোই। তাতে স্তন ক্যানসারের সম্ভাবনা অনেকাংশেই কমে যায়। আর যাঁদের পরিবারের স্তন ক্যান্সারের ইতিহাস আছে, তাদের তো করাতেই হবে। পুরুষ এবং মহিলা উভয়ের ক্ষেত্রে ম্যামোগ্রাম, ইউএসজি, নিপল ডিসচার্জের পরীক্ষা এবং বায়োপ্সির মাধ্যমে স্তন ক্যানসার নির্ণয় করা হয়।

পুরুষদের স্তন ক্যান্সার কেন হয়

প্রত্যেকেই অল্প পরিমাণে ব্রেস্ট-টিস্যু নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। স্তনের টিস্যুতে দুধ উৎপাদনকারী গ্রন্থি (লোবিউল), স্তনবৃন্তে দুধ বহনকারী নালী এবং চর্বি থাকে। বয়ঃসন্ধির সময়, মহিলাদের আরও স্তনের টিস্যু তৈরি হয় এবং পুরুষদের হয় না। কিন্তু যেহেতু পুরুষরা অল্প পরিমাণে স্তন টিস্যু নিয়ে জন্মায়, তাই তাদেরও স্তন ক্যান্সার হতে পারে।

ঝুঁকির কখন ? 
    পুরুষ স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে, যখন - 

- বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে। পুরুষ স্তন ক্যান্সার ৬০-এর পরে হয়ে থাকে সাধারণত। 

- ইস্ট্রোজেন-ধরনের ওষুধ গ্রহণ করলে এর ঝুঁকি বাড়ে।  যেমন প্রস্টেট ক্যান্সারে হরমোন থেরাপির জন্য ব্যবহৃত হয় এই ওষুধ, যা পুরুষদের স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায় । 

- স্তন ক্যান্সারের পারিবারিক ইতিহাস থাকলে সতর্ক হতে হবে। আপনার  পরিবারের কারও আগে এই রোগ হয়ে থাকলে, আপনার তা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

 চিকিৎসা
প্রাথমিক পর্যায়ে পুরুষদের স্তন ক্যান্সার নির্ণয় হলে নিরাময় হতে পারে দ্রুত। ক্যান্সার কতদূর ছড়িয়েছে, তার উপর ভিত্তি করে হয় চিকিৎসা। রেডিয়েশন থেরাপি, ম্যাস্টেকটমি ,  কেমোথেরাপি, হরমোনাল থেরাপি, টার্গেটেড সেল থেরাপির মতো অনেক চিকিৎসা রয়েছে।


যদি শুধুমাত্র ওজন কমানোর জন্যই হাঁটেন তাহলে রয়েছে কিছু নিয়ম। ওজন কমানোর জন্য হাঁটার ভুলগুলিতে এড়িয়ে গেলেই হু হু করে গলবে মেদ।

অতিরিক্ত মেদ (Weight Loss) ঝরাতে হাঁটা (Walking) হল সবচেয়ে সহজ একটি উপায়। দিনে ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট পর্যন্ত ঘাম ঝরিয়ে হাঁটার পরামর্শ দেন অধিকাংশ চিকিত্‍সকরা। প্রতিদিন নিয়ম করে হাঁটলে শুধু ওজন কমবে তাই নয়, শরীরের নানা সমস্যা থেকেও দ্রুত মুক্তি মেলে। ওজন কমাতে যেমন সাহায্য করে তেমনি হার্ট, ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরলের মত রোগ থেকেও দূরে রাখতেও সাহায্য করে। অনেক ডাক্তারের পরামর্শ হল, খাবারের পর কিছুক্ষণ হাঁটলে দ্রুত খাবার হজম হয়।খাবার থেকে শরীরে পুষ্টি সরবরাহও হয় কম সময়ে। তবে শুধু হাঁটাই যথেষ্ট নয়। গুরুত্বপূর্ণ হল আপনি কীভাবে সঠিক পথে হাঁটবেন। আর তাতেই পাবেন উপকার। যদি শুধুমাত্র ওজন কমানোর জন্যই হাঁটেন তাহলে রয়েছে কিছু নিয়ম। ওজন কমানোর জন্য হাঁটার ভুলগুলিতে এড়িয়ে গেলেই হু হু করে গলবে মেদ।

-নিজেকে অতিরিক্ত প্রেশার দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। হাঁটার সময় নিজেকে অতিরিক্ত চাপ দেবেন না। তাতে হাড় ও পেশীগুলি নিজেদের কাজগুলি পর্যাপ্ত সময় পায় না। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাদের কাজ বন্ধ করে দেওয়া শুরু করে। সহজ ও দ্রুত ফলাফল পেতে এই ভুলটি একেবারেই করবেন না।

-খারাপ ভঙ্গিতে হাঁটলে উল্টে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। আপনি যদি হাঁটার সময় খারাপ ভঙ্গিতে হাঁটেন তাহলে তা পিঠের উপর প্রভাব পড়ে। তাই হাঁটার সময় রিল্যাক্ মুডে হাঁটুন। পিঠ সোজা, কাঁধ শিথির করে জোরে জোরে হাঁটুন।

-ভুল জুতো পরছেন না তো? ভুল জুতো পরে হাঁটলে পায়ে ও পায়ের পেশিতে প্রভাব তৈরি হয়। তৈরি হয় অন্যান্য সমস্যা। তাই হাঁটার জন্য জুতো বেছে নিন সঠিক। পায়ে যাতে অপ্রয়োজনীয় চাপ না পড়ে, আরামজদায়ক একটি জুতো নিজের জন্য বেছে নিন।

-হাঁটার সময়ও নিজেকে হাইড্রেটেড রাখা জরুরি। যখন হাঁটাহাঁটি করেন, তখন প্রচুর ঘাম নির্গত হয়। নিজেকে সুস্থ রাখতে ভালভাবে হাইড্রেট রাখা গুরুত্বপূর্ণ। পর্যাপ্ত জল পান না করলে শরীরের ইলেক্ট্রোলাইটের মাত্রা কমে যেতে পারে। অন্যান্য সমস্যার মধ্যে ক্লান্তি, তন্দ্রা সৃষ্টি হয়।

মস্তিষ্কের জন্যেও উপকারী চালকুমড়ো। বিশেষত নিউরোনের টনিক হিসেবে কাজ করে...

দেশী সবজির কদর সব সময়। কিন্তু আজকাল অধিকাংশই যেমন সবজি খেতে পছন্দ করেন না তেমনই এই সব সবজির গুণাগুণও জানেন না। সবজিটির উল্লেখ রয়েছে বিভিন্ন বাংলা গল্প, সিনেমায়। তবে সবজিটি কী ভাবে রান্না করতে হয়, কী ভাবেই বা চিনে কিনবেন তাও অনেকের কাছে অজানা। আয়ুর্বেদে প্রাচীন কাল থেকেই ব্যবহার করা হচ্ছে এই সবজির জুস। এই সবজিকে অনেকে সাদা কুমড়োও বলে থাকেন। পাশাপাশি চালকুমড়ো কিন্তু পেট ঠাণ্ডা রাখে, হজম ভাল করায় সেই সঙ্গে শরীরের একাধিক উপকারিতাও রয়েছে।

চালকুমড়োর মধ্যে রয়েছে আয়রন, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, জিঙ্ক, ম্যাগনেসিয়াম, কপার এবং ম্যাঙ্গানিজের মতো খনিজ। এছাড়াও থাকে নিয়াসিন, থায়ামিন, ভিটামিন সি এবং রাইবোফ্ল্যাভিনের মতো ভিটামিন। যে কারণেই পুষ্টিবিদরা এই সব সবজিকে রোজকার ডায়েটে রাখার কথা বলেন। আয়ুর্বেদ বলছে চালকুমড়ো আমাদের অন্ত্র, কিডনি, হার্টের জন্য ভীষণ উপকারী। ছেলের মধ্যে ইনফার্টিলির সমস্যা রুখে এবং মেয়েদের পিরিয়ডকালীন সমস্যা দূর করতেও কিন্তু কাজে আসে চালকুমড়ো। আগেকার দিনে প্রায়শই গ্রাম বাংলার সব বাড়িতে রান্না করা হত এই সবজিটি। যে কারণে রোগ জ্বালাও ছিল অনেক কম। এছাড়াও আরও যা সব উপকারিতা রয়েছে-

মস্তিষ্কের জন্যেও উপকারী চালকুমড়ো। বিশেষত নিউরোনের টনিক হিসেবে কাজ করে। যা স্মৃতিশক্তি বাড়ায়। সঙ্গে ঘুমও ভাল হয়।

গ্যাস, কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতেও জুড়ি মেলা ভার এই সবজিটির। চালকুমড়োর মধ্যে রয়েছে গ্যাস্ট্রোপ্রোটেকটিভ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থেকে দ্রুত মুক্তি দিতে পারে। সেই সঙ্গে গ্যাস, অম্বলও দূরে রাখে।

প্রস্রাবে সমস্যা হচ্ছে? সব সময় জ্বালা পোড়া ভাব? কিংবা কিডনিতে পাথর হয়েছে? চোখ বন্ধ করে রোজ খান চালকুমড়ো। এতে প্রস্রাবের সমস্যা মিটবে। এমনকী ঘন ঘন ইউরিন ইনফেকশনের হাত থেকেও রক্ষা পাবেন।

হৃৎপেশিকে সুস্থ রাখতে এবং হৃদপিণ্ডের মধ্যে রক্তচলাচল ভাল রাখতে ভূমিকা রয়েছে চালকুমড়োর। এছাড়াও রক্তচাপ কমাতে, হার্টের সমস্যা এড়াতে সর্বোপরিভাবে হার্টকে সুস্থ রাখতে ভূমিকা রয়েছে এই সবজিটির। পাশাপাশি মূত্রবর্ধক হিসেবেও কিন্তু কাজ করে। ২০-৪০ মিলিলিটার চালকুমড়োর জুসের সঙ্গে গোলমরিচ মিশিয়ে খান, উপাকার পাবেনই।

সকাল-বিকেল ভাত খেলে কী হতে পারে জানা আছে? সে সম্পর্কে আশঙ্কার কথা শোনাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

কলকাতা: সঙ্গে যাই থাকুক না কেন, সারাদিনে অনেকবার ভাত খেয়ে থাকেন বহু মানুষ। শুধু বাঙালিরাই নন, বহু মানুষই ভাত খেতে সাধারণত বেশ পছন্দই করেন। কিন্তু এই ভাত নিয়েই আশঙ্কার কথা শোনালেন গবেষকরা।

বেশি পরিমাণে ভাত খেলে কী প্রভাব পড়ে?

গবেষকরা জানাচ্ছেন, বেশি পরিমাণে ভাত খাওয়া শরীরের পক্ষে মোটেই ভাল নয়। তাঁদের মতে, চাষ করার সময়ই মাটি ও জল থেকে ধানের মধ্যে আর্সেনিক প্রবেশ করে। পরবর্তীকালে ধান থেকে চাল এবং ভাত হওয়ার সময়ও থেকে যায় আর্সেনিক। ভাত খেলে হয়তো খুব সহজেই পেট ভরে যায়। কিন্তু বেশি পরিমাণে খেলে পেট ফাঁপার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

২. রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়তে পারে বেশি পরিমাণে ভাত খেলে এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তাই যাঁদের মধুমেহর সমস্যা রয়েছে, তাঁদের অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে, তবেই ভাত খাওয়া প্রয়োজন।


৩. ভাতে যে পরিমাণ ক্যালোরি থাকে, তাতে অত্যধিক ওজন বৃদ্ধির সম্ভাবনা থাকতে পারে বলে মত বিশেষজ্ঞদের। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে তাই অবশ্যই পরিমাণ বুঝে ভাত খাওয়া দরকার।
৪. বিশেষজ্ঞদের মতে, সারাদিনে বেশি বার ভাত খেলে ঘুম বেশি পেতে পারে। শরীরে এনার্জির মাত্রা কমে যেতে পারে। ভাত খাওয়ার পরই তাই ঘুমও বেশি পায়। এগুলো সবই হয় এতে থাকা ক্যালোরির পরিমাণের জন্য। মত পুষ্টিবিদদের।

তবে, এর পাশাপাশি বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, সিদ্ধ চাল- বাকি অঞ্চলে আতপ চালের চল থাকলেও বাংলায় সিদ্ধ চালই খাওয়া হয়। ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম এবং আয়রনে ভরপুর সিদ্ধ চাল হজমশক্তি বৃদ্ধি করে। রয়েছে উপকারী অ্যান্টি-অক্সিডেন্টও। লাল চাল- লাল চালের উপকারিতা নানাবিধ। প্রথমত, লাল চালে প্রচুর পরিমাণে বি ভিটামিন রয়েছে যা শরীরে প্রয়োজনীয় লোহিত কণিকা এবং সেরোটোনিন উৎপাদন করে। এতে বেশি পরিমাণে আয়রন থাকায় খেতে খুব সুস্বাদু নয়, কিন্তু রক্তাল্পতায় ভোগা মানুষের জন্য ওষুধের মতো কাজ করে। রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে বলে লাল চাল ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য উপকারী। তাই স্বাদ অগ্রাহ্য করে খেতেই পারেন লাল চালের ভাত।

মাঙ্কিপক্স থেকে মৃত্যুর সম্ভাবনা কম , তবে রোগ ছড়ায় খুব দ্রুত ।

মাঙ্কিপক্স (Monkeypox ) কি?

করোনা-উদ্বেগের মধ্যেই বাড়ছে মাঙ্কি পক্সের সংক্রমণ। আগেই বিশ্বজুড়ে স্বাস্থ্যভিত্তিক জরুরি অবস্থা ঘোষণা করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এবার সেই পথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও । ভারতেও মাঙ্কিপক্সে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে।  কী এই রোগ ? মাঙ্কিপক্স হল একটি ভাইরাল সংক্রমণ যা স্মলপক্স ভাইরাসের মতো।  এটি একটি নতুন ভাইরাস নয়।

বিশেষক্ষদের কেউ কেউ বলছেন, মাঙ্কিপক্স ভাইরাসটি প্রথম ১৯৫৮ সালে বানরের মধ্যে এবং তারপর ১৯৭০ এর দশকের শুরুতে মানুষের মধ্যে দেখা যায় ৷ যদিও মাঙ্কিপক্স এবং গুটিবসন্তের একই উপসর্গ , তবে মাঙ্কিপক্স থেকে মৃত্যুর সম্ভাবনা অনেক কম বলে মনে করা হয়। 

মাঙ্কিপক্সের লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে:

  • ফুসকুড়ি
  • জ্বর
  • ঠান্ডা লাগা
  • শরীরে ব্যথা
  • ক্লান্তি
  • মাথাব্যথা
  • শ্বাসকষ্টের লক্ষণ
  • গলা ব্যথা, কাশি এবং নাক বন্ধ
  • ফোলা লিম্ফ নোড

    দেখা যাচ্ছে, ফুসকুড়ি দেখা দিতে পারে:
  • মুখ
  • যৌনাঙ্গ
  • মুখ
  • হাত
  • পা 
  • বুক
  • মলদ্বার

ফুসকুড়ি ফোসকা বা পিম্পলের মতো  হয় এবং তারপরে তরল এবং পুঁজ  বের হতে পারে। ফুসকুড়ি খুব যন্ত্রণাদায়ক। 

কীভাবে ছড়ায়?
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংক্রমণের প্রাথমিক মোড হল ত্বক থেকে ত্বকের যোগাযোগ। মাঙ্কিপক্স ফুসকুড়ি,  বা শরীরের তরলগুলির সাথে সরাসরি যোগাযোগ থেকে এই রোগ ছড়ায়।   আক্রান্ত ব্যক্তির শ্বাস প্রশ্বাসের নিঃসরণ থেকে ছড়াতে পারে।  যৌন ক্রিয়াকলাপ, আলিঙ্গন, চুম্বন থেকেও ছড়াতে পারে। কোনও কোনও চিকিৎসকের দাবি, গর্ভবতীর  প্লাসেন্টার মাধ্যমে তাদের ভ্রূণে ভাইরাস ছড়িয়ে দিতে পারে।

উপোস করার আগে ও পরে বেশ কিছু নিয়ম না মেনে চললে শরীর খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। 

শ্রাবণ মাসের প্রতি সোমবার বহু পূণ্যার্থী ভগবান শিবের (Sawan 2022) পুজো করেন। পুজো দেওয়ার আগে তাঁরা উপোস (Fasting) করে থাকেন। অনেকেই এমন রয়েছেন, যাঁরা উপোস করার সময় জল পর্যন্ত খান না। আবার অনেকে শুধু জল খেয়ে থাকেন। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, উপোস করলে আমাদের স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব পড়ে। উপোস করার আগে ও পরে বেশ কিছু নিয়ম না মেনে চললে শরীর খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। 
বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, উপোস করার আগে ও পরে কী করা দরকার আর কী করা একেবারেই উচিত নয়, তা জানা থাকে না বহু মানুষের। তাই এই সময়ে শরীর খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা সবথেকে বেশি দেখা যায়। বমি, ডায়রিয়া, ডিহাইড্রেশন, পেটের সমস্যা কিংবা আরও নানা সমস্যা দেখা যায় এই সময়ে। তাই উপোস করার আগে কী করা দরকার আর পরেই বা কী করা দরকার, সে সম্পর্কে বিশদে জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদরা।
উপোস করার আগে ও পরে কী করবেন-

পুষ্টিবিদদের মতে, বহু মানুষ উপোস করার সময় দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকেন। কেউ এক ফোঁটা জলও খান না। আবার কেউ কেউ শুধুমাত্র জল খান। উপোস করার স্বাস্থ্যকর দিকও রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যাঁরা উপোস করেন, তাঁদের শরীরে অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধির সম্ভাবনা কম থাকে। আবার বেশিদিন বাঁচারও হার দেখা যায় তাঁদেরই মধ্যে। 
বিশেষজ্ঞদের মতে, উপোস করার আগের খাবারে যেন কোনওভাবেই প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন কিংবা খুব কম পরিমাণে মিষ্টি না থাকে। তাতে শরীরে ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে। উপোস ভঙ্গের সময় বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মিষ্টি খেয়ে শুরু করার চল থাকে। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই অভ্যাস একেবারেই স্বাস্থ্যকর নয়। বরং, উপোস ভঙ্গের সময় যদি ফলের রস বা ডাবের জল খাওয়া যায়, তা সবথেকে বেশি স্বাস্থ্যকর। এরপরও কোনও মিষ্টি বা মিষ্টিজাতীয় খাবার খাওয়া চলবে না। উপোস ভাঙতে হবে সব্জি খেয়ে। তারপর খাওয়া যেতে পারে প্রোটিনজাতীয় খাবার, ফ্যাটজাতীয় খাবার। এবং সবশেষে মিষ্টি খাওয়া যেতে পারে। এই নিয়মগুলি মানলে তবেই সুস্থ থাকবে শরীর।

বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, স্বাস্থ্য়কর উপায়েও আলুর চিপস তৈরি করা সম্ভব। আর তা নিজে বাড়িতেই তৈরি করতে পারবেন।

চিপস (Potato Chips) খেতে কে না ভালোবাসে। মুচমুচে আলুর চিপস পছন্দ ছোট থেকে বড় সকলের। এই একটা খাবার যেকোনও সময় মানুষ খেতে পছন্দ করে। মন ভালো থাকলেও আবার মন ভালো না থাকলেও। কিন্তু বাজার থেকে কিনে আনা আলুর চিপসে অনেক সময়ই অত্যধিক মশলা থাকে। যা স্বাস্থ্যের জন্য একেবারেই ভালো নয়। যে মশলা ব্য়বহার করা হয় আলুর চিপসে তা স্বাস্থ্যের নানা ক্ষতি করতে পারে। 

অনেক ক্ষেত্রেই এমনটা মনে করা হয় যে, আলু খেলে ওজন বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এতে থাকা ক্যালোরি অতিরিক্ত ওজন বাড়িয়ে দেয়। তাই ওজন বেড়ে যাওয়ার ভয়ে বহু মানুষ পছন্দের ফ্রেঞ্চ ফ্রাই কিংবা চিপস খাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, স্বাস্থ্য়কর উপায়েও আলুর চিপস তৈরি করা সম্ভব। আর তা নিজে বাড়িতেই তৈরি করতে পারবেন। থাকবে না তাতে কোনও অস্বাস্থ্যকর মশলা কিংবা স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয় এমন কোনও উপাদান। তাহলে দেখে নেওয়া যাক পদ্ধতি (Potato Chips Making Tips)।

আলুর চিপস তৈরি করার পদ্ধতি-

১. আলুর চিপস তৈরি করার জন্য লাগবে- ১টি আলু, এক চামচ অলিভ অয়েল, অর্ধেক চামচ চিলি ফ্লেকস, ২ চামচ কর্ন স্টার্চ, নুন এবং গোলমরিচ।


২. চিপস তৈরি করার জন্য প্রথমেই আলু খুব পাতলা পাতলা করে কেটে নিতে হবে। আলুর খোসা ছাড়িয়েও নিতে পারেন আবার নাও নিতে পারেন। যেমনটা ইচ্ছে আপনার।

৩. আলুর টুকরোগুলি এবার ভালো করে জল দিয়ে ধুয়ে নিন। তারপর এমন একটি পাত্রে রাখুন যাতে আলু থেকে জল ঝরে যায়।
8. আলু থেকে ভালো করে জল ঝরে গেলে টুকরোগুলিকে অন্য একটি পাত্রে রাখুন। এবার তাতে অলিভ অয়েল, চিলি ফ্লেকস, কর্ন স্টার্চ, গোলমরিচগুঁড়ো আর এক চিমটে নুন দিয়ে দিন।

৫. আলুর সঙ্গে সমস্ত উপকরণগুলিকে ভালো করে মিশিয়ে দিন। তারপর সেগুলিকে একটি বেকিং শিটে রাখুন।

৬. ৪০০ ডিগ্রি ফারেনহাইটে ২০ থেকে ২৫ মিনিট ধরে আলুর টুকরোগুলি বেক করুন। বেক করতে না চাইলে এয়ার ফ্রাইও করতে পারেন।

৭. ২০ থেকে ২৫ মিনিট পর বের করে নিন। আপনার স্বাস্থ্যকর আলুর চিপস তৈরি।
এই রোগ থেকে সেরে উঠতে প্রোটিন হল সবচেয়ে বেশি জরুরি। তাতে শরীরে পেশিগুলি পুনরায় শক্তি ফিরে পায়, কোষের ক্ষতি মেরামত করতে সাহায্য করে। যার ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আরও দ্বিগুণ বাড়িয়ে তোলে।
Monkeypox in India: মাঙ্কিপক্স হলে দ্রুত সেরে উঠতে কোন ধরনের খাবার খাবেন? বিশেষজ্ঞ পরামর্শ জানুন 

করোনার (COVID 19 Pandemic) দাপট এখনও অব্য়াহত। তার মধ্য়ে বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে মাঙ্কিপক্স ভাইরাস (Monkeypox Virus)। যে হারে ছড়িয়ে পড়ছে, তাতে উদ্বেগ প্রকাশ করে নির্দেশিকা জারি করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)। নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে ভারতেও। কারণ ইতোমধ্যে এ দেশেও জুনোটিক ভাইরাল রোগটি প্রবেশের ঘটনা সামনে এসেছে। এখনও পর্যন্ত কেরালায় ২জনের শরীরের পাওয়া গিয়েছে বলে খবর রয়েছে। যদিও এই রোগটি নিয়ে বিশেষ চিন্তার কিছু নেই, এটি একটি মৃদু ও স্ব-সীমাবদ্ধ বলে পরিচিত। উপসর্গ দেখা দেওয়ার পর প্রায় ২-৪ সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী থাকে। কিন্তু অনেকের কাছে আবার বেশ কষ্টকর ও যন্ত্রণাদায়কও হয়ে ওঠে। প্রচণ্ড ব্যথা-সহ গুরুতর আকার নিলে রোগীকে হাসপাতালে বিশেষ পরিষেবা দেওয়ার ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে।

যদি আপনার শরীরে মাঙ্কিপক্সের উপসর্গ দেখা যায়, তবে সম্পূর্ণভাবে সুস্থ হতে একটি সুষম খাদ্য, তরল খাওয়া ও বিশ্রাম নেওয়ার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পুষ্টিবিদরা জানিয়েছেন, হাই-অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, প্রোটিন, খনিজ ও ভিটামিনযুক্ত খাবারগুলি শরীরকে হাইড্রেট রাখতে ও শক্তি উত্‍পন্ন করতে সাহায্য করে।

প্রোটিন ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট-যুক্ত খাবার খাওয়া সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ

এই রোগ থেকে সেরে উঠতে প্রোটিন হল সবচেয়ে বেশি জরুরি। তাতে শরীরে পেশিগুলি পুনরায় শক্তি ফিরে পায়, কোষের ক্ষতি মেরামত করতে সাহায্য করে। যার ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আরও দ্বিগুণ বাড়িয়ে তোলে। মাঙ্কিপক্সের জেরে কোষের ব্যপক ক্ষতি হয়। তাই মাঙ্কিপক্স থেকে সুস্থ হতে বীজ, আমন্ড-সহ বাদাম, মুসুর ডাল, দুগ্ধজাত দ্রব্য, মুরগির মাংস, ডিম ও মাছের মত খাবার খাওয়া জরুরি। কারণ এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন। আবার এমন কিছু খাবার রয়েছে যেগুলি প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য যুক্ত রয়েছে। শীতকালে সর্দি-কাশি থেকে রক্ষা পেতে প্রাকৃতিকভাবে খাওয়া হয়ে থাকে। তুলসি, আদা, কালো গোলমরিচ, লবঙ্গ, রসুনের মত খাবারগুলি অ্যান্টি-ভাইরাল খাদ্য় হিসেবে পরিচিত। এছাড়া খালি পেটে কাড়া খাওয়া বেশ উপকারে লাগে।

মাঙ্কিপক্স থেকে দ্রুত সেরে উঠতে তরলজাত কী কী খাবেন

শরীরের খনিজ ও ভিটামিন পুনরায় পূরণের জন্য চাই তরলজাত খাবার। যা শরীর থেকে টক্সিন বা বিষাক্ত পদার্থ করে দ্রুত সুস্থ হতে সাহায্য করে। নারকেল জল, আমলার জুস, লস্যি, ছাস, তাজা কমলালেবুর রস খাওয়া খুব উপকারী এই সময়। তার সঙ্গে দিনে প্রচুর পরিমাণে জল পান করা উচিত। নিজেকে হাইড্রেট রাখতে ৮-১০ লিটার পানীয় জল পান করুন।

– যে খাবার খান না কেন, ভালভাবে রান্না করে খাবার খাওয়ার কথা মনে রাখতে হবে। রান্না না করা খাবার বা মাংস খাওয়া এড়িয়ে চলুন। তাতে হজমপদ্ধতি স্বাভাবিক থাকে। যদি নরম কোনও খাবার খেতে পছন্দ হয়, তাহলে ম্যাশড পটেটো, মিষ্টি আলু সেদ্ধ, নরম গলে যাওয়া ভাত, ওটস খেতে পারেন। এছাড়া সবজি হিসেবে এর সঙ্গে গাজর, সিদ্ধ মটরশুটি, মুসুর ডাল যোগ করে খিচুড়ি খেতে পারেন।

মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত হলে কোন কোন খাবার খাবেন, কী কী বাদ দেবেন, জানুন…

– পেঁয়াজ, রসুন, কলার মত অন্ত্র নিরাময়কারী প্রিবায়োটিক যোগ করা সমাগ্রিক স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে পারে। দই দিয়ে ভেজানো কিসমিস,ফ্যাট ছাড়া পনির, স্মুদি খাবার খেতে পারেন।

– বেরিজ, তরমুজ, শসা, পালংশাক, ব্রকলি, পিচের মত ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট বৈশিষ্ট্য সরবরাহ করতে বিভিন্ন রঙের ফল ও সবজি ভালোভাবে ধুয়ে, রান্না করে খান।

– প্রোটিন জাতীয় খাবার যেমন সোয়া, পনির, দই, স্প্রাউট খাওয়ার পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে হবে।

– প্রচুর পরিমাণে জল পান করলে শরীরকে হাইড্রেটেড থাকতে এবং শরীর থেকে টক্সিন দূর করতে সাহায্য করে। তবে এই সময় অতিরিক্ত কপি, চা, অ্যালকোহল, ধূমপান, সোজা, কোলা ও অন্যান্য এনার্জি ড্রিভ্কস এড়িয়ে চলুন।

কলকাতা: অম্বল গোলমাল বহু মানুষেরই থাকে। অনেকেই আবার হজমের সমস্যা রয়েছে মনে করে মুঠো মুঠো ওষুধ (Antacid) খেয়ে থাকেন। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই দোকান থেকে অম্বল ওষুধ কিনে খেয়ে থাকেন। কিন্তু জানেন কি, এর ফলে স্বাস্থ্যের কী মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে? অকারণে বা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টাসিড খেলে কী হতে পারে, সে সম্পর্কে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

অত্যধিক হজমের ওষুধ খাওয়ার ফলে কী হবে?

বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, অত্যধিক মাত্রায় অম্বলের ওষুধ খেলে হার ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে হৃদপিণ্ডে (Heart)। তাতে প্রদাহর সমস্যা দেখা দেয়, হার্ট বার্নের (Heart Burn) সমস্যা দেখা দেয়। হৃদরোগের (Heart Disease) ঝুঁকি বাড়ায় অত্যধিক পরিমাণে অ্যান্টাসিড সেবন। তাঁরা আরও জানাচ্ছেন, অত্যধিক পরিমাণে অ্যান্টাসিড সেবনে হৃদরোগ ছাড়াও দেখা দেয় স্বাস্থ্যের আরও নানা সমস্যা। ডায়রিয়া, কিডনির জটিল রোগ, কিডনিতে পাথর, শরীরে বি১২ কমে যাওয়া, স্মৃতিভ্রংশ, স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে যাওয়া, মাথার যন্ত্রণা, তলপেটে ব্যথা প্রভৃতি সমস্যা দেখা দেয়।

হৃদরোগের লক্ষণ-

১. হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক এবং আরও নানা প্রকার হৃদরোগের ঝুঁকি বেড়েছে বর্তমান যুগে। এর মুখ্য উপসর্গ হিসেবে দেখা দিতে পারে বুকে ব্যথা।

২. তলপেটে ও পিঠে ব্যথা হতে পারে এই সময়ে।

৩. বুকে ব্যথা ছাড়াও বুকে চাপ অনুভব, শ্বাস প্রশ্বাসে সমস্যা দেখা 

8.শরীর অত্যধিক মাত্রায় কমে গেলে কিংবা হাত পা নাড়াচাড়া করতে সমস্যা হলে তা বেশ চিন্তার।


৫. ঘাড়ে, চিবুকে. গলায় ব্যথা দেখা দিতে পারে।


৬. অত্যধিক মাত্রায় যদি হৃদস্পন্দন বেড়ে যায়, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া দরকার।


৭. ঝাপসা দেখা, চোখে ব্যথা, চোখ ঘোলা হয়ে যাওয়া এগুলিও হৃদরোগের লক্ষণ।


৮. মাথা ঘোরা, ত্বকে সমস্যা, শুকনো কাশি, মাঝে মধ্যেই বুকে কষ্ট অনুভব হলে তা চিন্তার।

স্টাইলের জন্য প্রায়ই স্ট্রেইটনার ব্যবহার করেন, তাহলে চুলকে ক্ষতির হাত থেকে কীভাবে দূরে রাখবেন, তার জরুরি টোটকা রইল এখানে...
চুল হবে মোলায়েম, মসৃণ ও স্ট্রেট। এমন স্বপ্ন অধিকাংশ মহিলার। তবে অনেকেই বুঝে উঠতে পারেন না যে হেয়ার স্ট্রেট করাবেন কিনা। তবে বর্তমানে হেয়ার স্ট্রেটনিং-ই ট্রেন্ড। সামনেই পুজো, তাই হেয়ার স্টাইল কেমন হবে তা নিয়ে পরিকল্পনা ইতোমধ্যেই হয়ে গিয়েছে। হেয়ার স্ট্রেটনিং না করিয়েও বাড়িতে আপনি যদি নিয়মিত হেয়ার স্ট্রেইটনার বা ফ্ল্যাট আয়রন ব্যবহার করেন তবে নিজের চুল নিজেই ক্ষতি করছেন। এটা সত্য যে নিয়মিত চুল সোজা করলে ক্ষতি হতে পারে এবং কীভাবে ক্ষতি এড়ানো যায় তা জানাও গুরুত্বপূর্ণ। স্ট্রেইটনারের মতো গরম একটি সরঞ্জাম ব্যবহার করার সময় তাপের ক্ষতির ঝুঁকি কমাতে আপনি কিছু পদক্ষেপ নিতে পারেন। আর সেটি কীভাবে ম্যানেজ করবেন, তা জেনে নিন একনজরে…

স্টাইলের জন্য প্রায়ই স্ট্রেইটনার ব্যবহার করেন, তাহলে চুলকে ক্ষতির হাত থেকে কীভাবে দূরে রাখবেন, তার জরুরি টোটকা রইল এখানে…

স্ট্রেটনারের পাশাপাশি হেয়ার টুল রাখুন

চুল মসৃণ ও সোজা করার সময় বেশি তাপ দিয়ে স্ট্রেটনার ব্যবহার করলে অনেকসময় চুল পোড়ার গন্ধ বের হয়। এমনকি চুল থেকে ধোঁয়াও বের হয়। তাই এমন পরিস্থিতি যাতে পরবর্তীকালে না হয়, তার জন্য হেয়ার টুল ব্যবহার করুন। পাতলা চুল হলে অবশ্য়ই কম তাপমাত্রা বেছে নিতে হবে। তা না হলে চুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ঝাড়ুর মত দেখতে হবে।

সিরামিক স্ট্রেইটনার কিনুন

সিরামিক স্ট্রেইটনার কম ক্ষতিকারক। আপনি যদি একটি নতুন স্ট্রেইটনার কিনতে চান তাহলে সিরামিক প্লেট-সহ স্ট্রেটনার অর্জার দিতে পারেন। সিরামিক প্লেটগুলি আপনার চুলকে রক্ষা করে কারণ তাদের নেগেটিভলি চার্জড আয়ন রয়েছে।

ভেজা চুলে কখনই স্ট্রেইটনার ব্যবহার করবেন না

আপনি যদি সরাসরি ভেজা চুলে স্ট্রেইটনার ব্যবহার করেন তাহলে আপনার চুলের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। কারণ আর্দ্রতা আপনার স্ট্রেইটনারের উচ্চ তাপমাত্রাকে দ্রুত কমিয়ে দেয়। প্রথমে আপনার চুলের কোন ক্ষতি চোখে পড়ে না। তবে বেশ কয়েকদিন পর চুল রুক্ষ হয়ে ঝাড়ুর মত দেখতে হয়ে যায়। চুল অত্যাধিক পরিমাণে ঝরতে শুরু করে।এছাড়া চুলের টেক্সচারের অবনতি হতে পারে। আপনার চুল সোজা করার আগে, সম্পূর্ণ শুকনো কিনা তা নিশ্চিত করুন। আপনার চুল সোজা করার আগে, তাড়াহুড়োর মধ্যে থাকেন তাহলে তা প্রথমে এটি ব্লো-ড্রাই করুন।

একই জায়গায় দুবার স্ট্রেটনার এড়িয়ে চলুন

চুলের একটি অংশে বারবার স্ট্রেইটনার ব্যবহার করা সাধারণ। কেউ বুঝতে পারেন না যে এর ফলে বিরাট ক্ষতি হচ্ছে চুলে। কেবলমাত্র আয়রন বা ব্লো ড্রায়ারটিকে একটা স্ট্রোকেই শেষ করার চেষ্টা করুন। তাতে আপনি একই ফলাফল অর্জন করবেন, এবং চুলও ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।

নিয়মিত ক্ষতিগ্রস্থ চুলের চিকিত্সা করতে ভুলবেন না

আপনার চুলের স্টাইল করার জন্য চুলের পণ্য বা সরঞ্জাম ব্যবহার করার সময়, এটি স্বাভাবিক যে অনেক কারণে কিছু ক্ষতি হতে পারে। অতএব, প্রতিদিন যত্ন-সহ আপনার চুলের ট্রিটমেন্ট করা গুরুত্বপূর্ণ। মাসে একবার আপনার স্থানীয় সেলুনে বা পার্লারে হেয়ার স্পা-এ করাতে পারেন। চুল পুনরুদ্ধারে সাহায্য করার জন্য প্রতি সপ্তাহান্তে একটি হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করুন। এর ফলে আপনার চুল হবে নরম এবং স্বাস্থ্যকর।

তাপ রক্ষাকারী স্প্রে বা সিরাম প্রয়োগ করুন

চুলে আয়রন বা ব্লো-ড্রাইং ব্যবহার করার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া থেকে রক্ষা করতে, প্রথমেই দরকার তাপ-রক্ষাকারী স্প্রে বা সিরাম। তাতে ক্ষতির পরিমাণে অনেকটা কমে যায়। একটি প্রতিরক্ষামূলক স্তর হিসাবে কাজ করে এবং আপনার চুলের রঙ বজায় রাখে।
স্বাস্থ্য ভাল যাচ্ছে নাকি খারাপ তার সম্পর্কে আমাদের পেট অনেক আগেই সংকেত দিতে শুরু করে। এই ধরনের সংকেতগুলির মধ্যে কিছু সংকেত কোলন ক্যান্সারের জন্যও থাকে। কোন ধরনের সংকেত?
অন্যান্য অসুখের তুলনায় কোলন ক্যান্সার (Colon Cancer) অনেক বেশি বিপজ্জনক (Deadly Disease)। পরিসংখ্যান অনুসারে, সমগ্র বিশ্বে সব লিঙ্গের মানুষের মধ্যে ক্যান্সারের কারণে হওয়া মৃত্যুর মধ্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম কারণটি হল কোলন ক্যান্সার। দি কোলোরেক্টাল ক্যান্সার অ্যালায়েন্স-এর মতে ২০২২ সালে কোলন ক্যান্সারের কারণে প্রায় ৫২, ৫৮০ জন ব্যক্তির প্রাণ হারানোর আশঙ্কা রয়েছে। আরও ভয়ের ব্যাপার হল, প্রথম দিকে এই অসুখের কোনও লক্ষণ (easy to miss) সেভাবে বোঝা যায় না। ফলে রোগাক্রান্তও চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন না। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একেবারেই যে লক্ষণ (Symptom of Colon Cancer) প্রকাশ পায় না এমন নয়। তবে উপসর্গ এতই মৃদু থাকে যে প্রায় প্রত্যেক রোগীই তা এড়িয়ে যান। তবে তাঁরা সতর্ক করছেন লক্ষণগুলিকে (warning signals) এড়িয়ে যাওয়া চলবে না। অবশ্যই গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ ওই নির্দিষ্ট লক্ষণগুলিই হল কোলন ক্যান্সারের রেড ফ্ল্যাগ!

পলিপস (Polyps)!

আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটির বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, অনেকসময় কোলন ক্যান্সার এবং রেকটাল ক্যান্সার একে অপরের সঙ্গে মিলেমিশে থাকে। কারণ এই দুই ক্যান্সারের বৈশিষ্ট্য প্রায় সমান। কারণ হিসেবে তাঁরা জানাচ্ছেন, কোলোরেক্টাল ক্যান্সার শুরু হয় একধরনের বৃদ্ধি বা গ্রোথ দিয়ে। এই বৃদ্ধিকে বলে পলিপ। সাধারণত রেকটাম এবং কোলনের ভিতরের গাত্রে এই ধরনের পলিপ তৈরি হয়।

না, সব পলিপই যে ক্যান্সারযুক্ত তা নয়। তবে হ্যাঁ, এই ধরনের পলিপ প্রকৃতিতে অ্যাডিনোমাস। অর্থাৎ ক্যান্সার হওয়ার আগের পর্যায়ে থাকে এই ধরনের পলিপ। কিছু কিছু ক্ষেত্রে যা ক্যান্সারে পরিণত হয়। এমনকী পলিপ হাইপারপ্লাস্টিক (কোষের সংখ্যাবৃদ্ধি ঘটাতে পারে এমন) এবং প্রদাহজনক হতে পারে তবে সবসময় তা ক্যান্সারে রূপান্তরিত হবে এমন নয়। অবশ্য সেসিল পলিপস এবং ট্রাডিশনাল সারিটেড অ্যাডিনোমাস পলিপের চিকিৎসা দ্রুত করার দরকার, কারণ এই ধরনের পলিপকে ক্যান্সারের ঝুঁকি হিসেবেই দেখা হয়।

কোন বয়সে বেশি দেখা যায়?

বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। তবে আজকাল কমবয়সিদের মধ্যেই এই রোগের আশঙ্কা বাড়ছে। পরিসংখ্যান অনুসারে, ১৯৯০ সালের পর থেকে তরুণ-তরুণীদের মধ্যে কোলোরেক্টাল ক্যান্সার হওয়ার সংখ্যা (কোলন এবং রেকটামের ক্যান্সার মিলিতভাবে) বেড়েই চলেছে। এমনকী ৫০ বছরের বয়সের কম বয়সি লোকেরও কোলোরেক্টাল ক্যান্সার হতে দেখা যাচ্ছে। অদ্ভুতভাবে বয়স্কদের মধ্যে বরং কোলন ক্যান্সারজনিত প্রাণহানির সংখা কমছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নিয়মিত কোলনোস্কোপি করানো এবং ধূমপান ত্যাগ করার প্রবণতাই এই ঘটনার পিছনে দায়ী।

কোলনোস্কোপিতে রোগ ধরা পড়ে যাওয়ার কারণেই ক্যান্সারের আগাম চিকিৎসা শুরু করা যাচ্ছে ও প্রাণে বাঁচছেন রোগী। অতএব প্রাণহানি রোধে রোগের প্রাথমিক লক্ষণ চেনা অত্যন্ত জরুরি একটি বিষয়।

বয়স যাই হোক না কেন, কোলন ক্যান্সারের বিশেষ বিশেষ লক্ষণগুলি শরীরে দেখা দিলেই সতর্ক হন। বিশেষ করে ৪৫ বছরে পা দেওয়া মাত্রই নিয়মিত কোলনোস্কোপি করানো দরকার। এছাড়া রোগনির্ণয়ে স্টুল টেস্টও জরুরি। আবার বংশে কোলন ক্যান্সার হওয়ার ইতিহাস থাকলে ৪৫ বছরের কম বয়স থেকেই স্ক্রিনিং করান।

কোন লক্ষণ এড়াবেন না?

স্বাস্থ্য ভাল যাচ্ছে নাকি খারাপ তার সম্পর্কে আমাদের পেট অনেক আগেই সংকেত দিতে শুরু করে। এই ধরনের সংকেতগুলির মধ্যে কিছু সংকেত কোলন ক্যান্সারের জন্যও থাকে। কোন ধরনের সংকেত?

বমি বমি ভাব, রেকটাল ব্লিডিং, বদহজম এবং বিভিন্ন ধরনের ব্যথা হল কোলন ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণ। এমনকী কোষ্ঠকাঠিন্য এবং ডায়ারিয়ার সমস্যাও কোলন ক্যান্সারের ইঙ্গিত হতে পারে। তবে কোষ্ঠকাঠিন্য এবং ডায়ারিয়া এতটাই পরিচিত সমস্যা যে প্রায় সকলেই উপসর্গগুলিকে পাত্তা দেন না।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পুষ্টি উপাদান সংগ্রহের জন্য কোলন প্রচুর জল শোষণ করে। এর ফলে অপাচ্য এবং তরল খাদ্যবস্তু কঠিন মলে পরিণত হয়। ফলে কোলনে কোনও সমস্যা তৈরি হলে কোলন জল শোষণ করতে পারবে না। তাই বারংবার ডায়ারিয়ার সমস্যা দেখা দেবে।

আবার কনস্টিপেশনও হতে পারে। কারণ কী? বিশেষজ্ঞরা বিশ্লেষণ করেছেন— কোলন হল শরীর থেকে মল নিষ্কাশনের অন্যতম রাস্তা। তবে এই পথে ক্যান্সারযুক্ত কোষের বৃদ্ধি হলে মল বেরতে পারবে না। আটকে যাবে। এমন ক্ষেত্রে রোগীর কনস্টিপেশনের সমস্যা দেখা দেবে।

কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের অন্যান্য লক্ষণ

প্রশ্ন হল কোন ধরনের লক্ষণ দেখলে তৎক্ষণাৎ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত? বিশেষজ্ঞের উত্তর— আগে কখনও এমন সমস্যা দেখা না গেলে, একটানা বারবার উপরিউক্ত উপসর্গগুলি দেখা দিলে, সাধারণ চিকিৎসায় উপসর্গের উপশম না হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। সেক্ষেত্রে চিকিৎসক কিছু পরীক্ষা করেই বুঝতে পারবেন ওই রোগীর দেহে কোলন ক্যান্সার বাসা বেঁধেছে কি না।

রোগ প্রতিরোধ
খাদ্যে প্রোটিন (মাংস) ও ফ্যাটজাতীয় খাদ্যের (ঘি, মাখন, তেল, ভাজাভুজি, ময়দা) মাত্রা বেশি থাকা, প্রদাহজনক অন্যান্য অসুখ থাকা, শরীরচর্চায় অনীহা এই রোগের আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়। রোগ প্রতিরোধে তাই ফাইবার যুক্ত খাদ্য (শাকসব্জি, ফল) বেশি করে খেতে হবে। এছাড়া নিয়মিত ৪০ মিনিট এক্সারসাইজ করতে হবে।




শসার রয়েছে নানাবিধ গুণ। রূপচর্চা থেকে শুরু করে মেদ নিয়ন্ত্রণসহ নানা উপযোগিতা আছে এই সহজলভ্য সবজিটির। ভিন্নভাবে রান্না করেও খেতে পারেন এই সবজিটি। তাছাড়া খেতে পারেন শসার ক্ষীর যা খুব সহজেই বাড়িতে তৈরি করে নিতে পারেন।

যা লাগবে
শসা কুড়োনা- ৫০০ গ্রাম
দুধ- ২ লিটার
চিনি ৪০০ গ্রাম
ঘি- ২ চামচ
কাজুবাদাম কুচি- আধা কাপ
কিশমিশ- আধা কাপ
ছোট এলাচ- ৫টি
সুন্দর পরিবেশনের জন্য কাঠবাদাম পেস্তা

যেভাবে তৈরি করবেন
প্রথমেই শসা খুব মিহি করে কুড়িয়ে নিতে হবে। তারপর কুড়ানো শসাগুলোকে ভালো করে ধুইয়ে নিন। নিংড়ে নিতে হবে এর সঙ্গে লেগে থাকা জল। তারপর দুধ ভালো করে ফুটিয়ে ঘন করে নিতে হবে। পরে কড়াইতে ঘি গরম করে কুচানো কাজু বাদামগুলোকে হালকা ভেজে তুলে নিতে হবে। এবার আগে থেকে ঘি দেওয়া এই কড়াইতেই শসাগুলোকে হালকা আঁচে ভালো করে ভেজে নিয়ে তাতে ফোটানো দুধ দিয়ে ভালো করে ফুটতে দিতে হবে।

এর মধ্যে চিনি, ভাজা কাজুবাদাম কুচানো এবং কিশমিশ দিয়ে ভালো করে নেড়ে গোটা এলাচ দিয়ে ইচ্ছেমতো ঘন করে নামিয়ে নিলেই তৈরি হবে শসার ক্ষীর। পরে ঠান্ডা হয়ে এলে এর উপরে কিছুটা কাঠবাদাম ও পেস্তা দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

 

অবশ হয়ে গিয়েছে হাত। চামচ তুলতে পারছে না বছর ষোলোর পারমিতা। দিন সাতেক ধরে সোমদত্তার কনুইতে চিনচিনে ব্যথা। এমন সব অসুখ নিয়ে ভিড় বাড়ছে শহরের হাসপাতালে। রোগীদের পরীক্ষা করে চিকিৎসকরা বলছেন, স্নায়ুর (Nerve) অসুখ। মাত্র ষোলো -সতেরোয়? সূত্র খুঁজতে গিয়ে ‘ভিলেন’ চিনতে পেরেছেন অস্থিরোগ বিশেষজ্ঞরা। তা হল হাতের স্মার্ট ফোন (Smart Phones)। করোনা আবহে বন্ধ স্কুল-কলেজ। মোবাইলেই চলছে পড়াশোনা। বাইরে বেরনো বন্ধ। ঘরবন্দি কিশোর-কিশোরীর মোবাইল আসক্তির মাশুল দিচ্ছে স্নায়ু।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, স্মার্ট ফোনে রাত-দিন আঙুলের নাড়াচাড়া, শরীরের মারাত্মক অসুখ নিয়ে আসছে। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের অস্থিরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. কাঞ্চনকুমার সাবুইয়ের কথায়, মোবাইল ব্যবহারে তিনটি আঙুলের ওপর চাপ পড়ে সবচেয়ে বেশি। বুড়ো আঙুল আর তর্জনি দিয়ে টাইপ/স্ক্রল চলে সারাদিন। আর হাতের সবচেয়ে ছোট আঙুলটা মোবাইলটা হাতের তালুতে ধরে রাখার সাপোর্ট দেয়। এই তিন আঙুলের মাধ্যমেই শরীরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তিন স্নায়ুর চলাচল। অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহারে ওই স্নায়ুগুলোয় চাপ পড়ছে। একসময় তা স্থিতিস্থাপকতা হারাচ্ছে। তাতেই বাসা বাঁধছে অসুখ।

চিকিৎসকের বক্তব্য, সারাক্ষণ মোবাইলে লিখলে বুড়ো আঙুল, তর্জনির অতিরিক্ত ব্যবহার হয়। আঙুল দুটির কাছাকাছি থাকা স্নায়ুর ওপরে বাড়তি চাপ পড়ে। এর জেরে প্রথমে আঙুল অসাড় লাগে। তারপর থেকে শুরু হয় কনুইয়ে চিনচিনে ব্যথা। ডাক্তারি পরিভাষায় এ সমস্যার নাম কিউবিটাল টানেল সিনড্রোম। ছাত্র-ছাত্রীদের মোবাইল ব্যবহারের সময়সীমা জানতে আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথভাবে এক গবেষণা চালিয়েছে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ সোশ্যাল সায়েন্স রিসার্চ। সেই গবেষণার তথ্য বলছে, কলেজে পড়া ছাত্ররা দিনে অন্ততপক্ষে দেড়শোবার নিজের মোবাইল চেক করে। লকডাউন আবহে তা দ্বিগুণ হয়েছে বলেই মত অভিভাবকদের। অস্থিরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. সাবুই জানিয়েছেন, অনেকেই বলছেন হাত অবশ হয়ে যাচ্ছে। ঘুম থেকে উঠে দীর্ঘক্ষণ হাতে কোনও সাড় থাকছে না। চিকিৎসা পরিভাষায় একে বলে নাম্বনেস। বুড়ো আঙুল আর তর্জনির ভিতরকার ‘মিডিয়ান’ আর ‘রেডিয়াল’ নার্ভ ক্ষতিগ্রস্ত হলেই এমনটা হয়। এমআর বাঙুর হাসপাতালের অস্থিরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. জগৎ জ্যোতি ধারা জানিয়েছেন, শুধু ছাত্রছাত্রীরাই নন, হাসপাতালে স্নায়ুরোগীর তালিকায় রয়েছেন প্রবীণ-মধ্যবয়স্করাও।

ঘরবন্দি অবস্থায় সকলেই বিভিন্ন সোশ্যাল সাইটে মেসেজ আদান প্রদান করছেন। যত কথা মোবাইলের মাধ্যমে বলছেন এত কথা তাঁরা সারাদিনে মুখোমুখি কারও সঙ্গে বলেন না। দীর্ঘক্ষণ মোবাইলে টাইপ করা থেকেই বাড়ছে পিঠের ব্যথা-সহ মেরুদণ্ডের নানা সমস্যাও। ডা. ধারার কথায়, মোবাইলে লেখার সময় আমাদের পিঠে অজান্তেই একটা বোঝা চেপে যায়। কীভাবে? চিকিৎসকের ব্যখ্যা, টেক্সট করার সময় সকলে মোবাইলটা হাতে নিয়ে একটু ঝুঁকে পড়ে। এতে মেরুদণ্ডটা একটা বিশেষ কোণে বেঁকে থাকে। এবং এর ফলে মেরুদণ্ডে যে পরিমাণ চাপ তৈরি হয় তার ওজন ৫০ পাউন্ড। অর্থাৎ বছর সাতেকের একটা বাচ্চার সমান। কেউ দিনে পাঁচ ঘণ্টা টেক্সট করছেন মানে টানা পাঁচ ঘণ্টা একটা ৫০ পাউন্ডের বোঝা ঘাড়ে নিয়ে রয়েছেন। এই জন্য অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার জন্ম দিচ্ছে পিঠব্যথারও। কোভিডের কারণে সব কাজ হচ্ছে বাড়ি থেকে। মারাত্মক বেড়ে গিয়েছে মোবাইল ব্যবহার। চিকিৎসকদের পরামর্শ, পিঠের ব্যথা ও স্নায়ুর রোগ থেকে মুক্তি পেতে অকারণে মোবাইল ব্যবহার করবেন না।

 
 বাঙালি বর্ষা প্রায় এসেই গেল। তাই খাদ্যরসিক পেটুক  বাঙালিদের মন প্রলাপের  একটি বিশেষ কারণে।এমন সময় গরম ভাতে একটু ইলিশ না থাকলে চলে? বাঙালির ইলিশ প্রেমের তুলনা হয় না শুধু বাঙালি কেন অবাঙালি ও কম যায় না । 

বর্ষা আসার সঙ্গে সঙ্গে মত্‍স্যজীবীদের ইলিশে ইলিশে হয় ছয়লাপ।  সেই ইলিশের ঝোলে ডুব দিতে দিতে মেলে একেবারে পরম তৃপ্তি। শুধু ঝোল কেন সর্ষে ইলিশ সহ নানা রেসেপি  সেই যাকে ইংরেজিতে বলে 'ফুডগ্যাজম'।

তবে মাছটি দামি হওয়ায় বেশিরভাগ সময়ই অনেক বাঙালি তা ছুঁতে গিয়েও ছুঁতে পারেন না । কিন্তু এবার মাছটির গুরুত্ব একটি অন্য কারণেই বেড়ে গিয়েছে।আনন্দের বিষয় হল যে বিশেষজ্ঞরাও নাকি বর্ষাকালে রোজ আমাদের পাতে রাখতে বলেছেন টাটকা ইলিশ মাছ কিন্তু কেন? 

এর একমাত্র কারণ হল তা করোনাকালে নাকি বিশেষ কার্যকরী (covid-19)।


নিশ্চয়ই মনে প্রশ্ন উঠেছে যে কীভাবে করোনাতে কাজে দিতে পারে এই রুপোলি রঙের ইলিশ?


১।পুষ্টিবিদরা বলছেন ইলিশ মাছে রয়েছে এক বিশেষ ধরনের ফ্যাটি এসিড যা পলিআনস্যাচুরেটেড (fatty acid)। এই ফ্যাটি এসিড (fatty acid) ডায়াবেটিস, ক্যান্সারের মত মারণ রোগকেও আমাদের থেকে দূরে রাখতে সাহায্য করে।


২।একই সঙ্গে হার্টের রোগ থাকে দূরে। আমাদের শরীর থেকে ব্যাড কোলেস্টেরলকে (cholesterol) দূরে রেখে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে সেটি।


৩।আবার এই মাছে রয়েছে ফসফরাস যা আমাদের হাড় মজবুত করতে সাহায্য করে। এমনকি ডিমেনশিয়ার মত রোগও পাত্তা পায় না আমাদের শরীরে।তাই এবার থেকে গিন্নিকে বলুন রোজ যেনো আপনার পাতে থাকে ৫০ গ্রাম থেকে ১০০ গ্রামের একটি ইলিশ মাছ। রোজ টাটকা কিনে খেতে পারলে তো খুবই ভালো।তবে চাইলে প্রতিদিনের বদলে সপ্তাহে দুদিনও তা খেতে পারেন। যারা মাছটি গন্ধের জন্যে খান না তারাও এবার শরীরের কথা ভেবে লেগে পড়ুন।কিন্তু এই বিষয়ে আবার একটি বিশেষ পরামর্শও রয়েছে। যাদের কিডনি সংক্রান্ত সমস্যা রয়েছে তারা ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ না করে ইলিশ মাছ খাবেন না।তাই সমস্ত বিধিনিষেধ মেনে তবেই ইলিশ মাছকে এবার আপন করে নিন।


কাশি সারাতে সবসময়ই মধু সাহায্য করে। গলা ব্যথা, খুশখুশে ভাব, সারাতে মধুর জুড়ি মেলা ভার। আর মধুর সঙ্গে আদার রস মিশিয়ে খেলে দ্রুত সেরে যায় কাশি।

মনে রাখবেন, মধু অ্যান্টি ব্যাক্টিরিয়াল ও অ্যান্টি ফাঙ্গাল। কোথাও কেটে গেলে মধু সেটি সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে। মায়ো ক্লিনিকের মতো মধু বিশেষত শরীরের একাধিক রোগ সারিয়ে তুলতে পারে, বিশেষত সারিয়ে তেলে পোড়া।

ত্বকের জন্য মধু খুবই উপকারী। যদি বেসন, মধু, দই মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে মুখে লাগানো যায়, তাহলে তৈলাক্ত ত্বকের বিশেষ উপকার হয়।
ঘুমের ঘাটতি মেটাতে মধু ব্যবহার করা যেতে পারে। মধু খেলে ঘুম ভাল হয়। এর একটা হালকা প্রভাব শরীরে থেকে যায়। বিছানায় যাওয়ার আগে, এককাপ দুধে মধু মিশিয়ে খেয়ে নিলে শরীর ভাল থাকবে।

 ঠোঁট ভাল রাখতে মধু ব্যবহার করা যেতে পারে। মধু ব্যবহার করলে ঠোঁট নরম হয়। সাধারণ মাস্কের মতোই মধু নিয়ে নিজের ঠোঁটে লাগিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ, দেখবেন উপকার পাবেন।