পরিবহন মন্ত্রী অর্জুন সিং বলেন, "এরা ভাবছে দিল্লিতে গেলে ওদের সুবিধা হবে। আর কলকাতায় এলে জনতা মারবে। দিল্লির জনতা তো আর এদের মারে না। দিল্লিতে বিজেপি ছাড়া আর কোনও রাজনৈতিক দলের ক্ষমতা নেই একটা মিছিল বের করার।" মন্ত্রীর আরও অভিযোগ, দিল্লিতে টাকা দিলেই ঝাণ্ডা ধরার লোক পাওয়া যায়।
'দিল্লিতে টাকা দিলেই ঝাণ্ডা ধরার লোক পাওয়া যায়, কলকাতায় এলে জনতা মারবে', বিরোধীদের নিশানা অর্জুনের
অর্জুন সিং
দিল্লিতে বিক্ষোভ নিয়ে বিরোধী দলগুলিকে এবার তোপ পরিবহন মন্ত্রী অর্জুন সিংয়ের (Arjun Singh)। জ্ঞানেশ কুমারের (Gyanesh Kumar) পদত্যাগের দাবিতে গতকাল অর্থাৎ রবিবার ইন্ডি জোটের (INDIA) বিক্ষোভ কর্মসূচিতে উত্তপ্ত হয় দিল্লি। বাংলা থেকে সেই মিছিলে উপস্থিত ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অধীর চৌধুরী, সুজন চক্রবর্তীরা। এই প্রসঙ্গেই অর্জুনের মন্তব্য, বিরোধীদের জন্য দিল্লিতে বিক্ষোভ অনেক সহজ। কারণ বাংলায় বিক্ষোভ দেখালে জনতার হাতে মার খাবেন তাঁরা। মন্ত্রীর আরও দাবি, দিল্লিতে বিজেপি ছাড়া আর কোনও রাজনৈতিক দলের মিছিল বের করার ক্ষমতা নেই।
কী বললেন অর্জুন সিং?
পরিবহন মন্ত্রী অর্জুন সিং বলেন, “এরা ভাবছে দিল্লিতে গেলে ওদের সুবিধা হবে। আর কলকাতায় এলে জনতা মারবে। দিল্লির জনতা তো আর এদের মারে না। দিল্লিতে বিজেপি ছাড়া আর কোনও রাজনৈতিক দলের ক্ষমতা নেই একটা মিছিল বের করার।” মন্ত্রীর আরও অভিযোগ, দিল্লিতে টাকা দিলেই ঝাণ্ডা ধরার লোক পাওয়া যায়। এই বিষয়ে অর্জুন বলেন, “ওখানে এক হাজার টাকা দিয়ে লোক পাওয়া যায়। শুধু ঝান্ডা ধরতে হয়, আর খাওয়া-দাওয়া দিতে হয়। কত লোক ওখানে যায়। ওখানে ব্যবসা রয়েছে। ওখানে পার্টির লোক এখন বিজেপির সংগঠনের কাছে আছে, আর কারও কাছে নেই।”
এসপি ম্যাডাম, খুঁজে আনতে হবে আপনাকে..আমি ওকে জেলে দেখতে চাই', SP পাপিয়া সুলতানাকে বড় দায়িত্ব দিলেন শুভেন্দু
এরা তো ইতরশ্রেণির লোক...', মমতার জমানা নিয়ে বিস্ফোরক সুখেন্দু শেখর
মমতারে আক্রমণ অর্জুনের
প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে তোপ দেগে পরিবহন মন্ত্রী বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাল খুব খারাপ, তাই আরশোলাদের সঙ্গে হাত মেলাতে হচ্ছে। আমরা তৈরি রয়েছি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এগোতে দেব না।”
অর্জুনের এই মন্তব্য প্রসঙ্গে মমতা তৃণমূল নেতা প্রদীপ্ত মুখোপাধ্যায় বলেন, “আসলে উনি খুব ভালো ঝান্ডা ধরতে পারেন। বারংবার ঝান্ডা বিভিন্ন সময় বিভিন্নরকমভাবে ধরেছেন। প্রকৃত পরিবহন মন্ত্রী। তৃণমূল থেকে বিজেপি, বিজেপি থেকে তৃণমূল, তৃণমূল থেকে বিজেপি…পরিবহনের জার্নিটা খুব ভালো বুঝেছেন।”


Post A Comment:
0 comments so far,add yours