দুর্গাপুজোর পাস বিক্রির অভিযোগ উঠেছে ইন্দ্রনীল সেনের নামে। ঘটনায় নাম নাম জড়ায় ইন্দ্রনীল ও তাঁর স্ত্রীর। তাঁদের সংস্থা ‘মাস আর্ট’-এর মাধ্যমে ইউনেস্কোর নামে পুজোর পাস বিক্রি করা হত বলে অভিযোগ। প্রায় ৫০-৬০ কোটি টাকা হাতানো হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে।
প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর মেয়ের NGOর সঙ্গে যোগ! নন্দীগ্রামের সময় ইন্দ্রনীলের ভূমিকাও মনে করালেন শুভেন্দু
পুজোর পাস বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা হাতানোর অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে রাজ্যের প্রাক্তন তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনকে (Indranil Sen)। তিনি শুধু রাজ্যের একজন মন্ত্রীই ছিলেন না। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ হিসেবেই বরাবর পরিচিত ছিলেন তিনি। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার গঠনের আগে সিপিএমের (CPIM) সঙ্গে সঙ্গীতশিল্পীর যে ঘনিষ্ঠতা ছিল, গ্রেফতারির পর সে কথা মনে করালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
বুধবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী ইন্দ্রনীলে গ্রেফতারি সম্পর্কে বলেন, “তদন্তকারী সংস্থা তথ্য প্রমাণ পেয়েছে বলেই গ্রেফতার করেছে। তবে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ মদতে সবটা হয়েছে। ও একা তো খায়নি, খাইয়ে খেয়েছে।” মমতার সঙ্গে ইন্দ্রনীল একই গাড়িতে ঘুরে বেড়াতেন, গান করতেন, সে কথাও মনে করিয়ে দিয়ে শুভেন্দু বলেন, “দুজনের শেষ গানটাও আমরা শুনেছি… আমার যাবার সময় হল।”
এরপরই সিপিএমের যোগের কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, সিপিএমের ব্লু আয়েড বয় ছিলেন ইন্দ্রনীল। নাম না করে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর মেয়ের এনজিও-র সঙ্গে যুক্ত ছিলেন রাজ্যের এই প্রাক্তন মন্ত্রী। তাঁর কথায়, এরা সময়ে সময়ে জলের আকার ধারন করে। তবে বিজেপির যে দরজা বন্ধ, সেই বার্তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন শুভেন্দু।
ইন্দ্রনীল সেন সিপিএমের সবথেকে বড় ক্যাম্পেনার ছিলেন বলেও উল্লেখ করেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি উল্লেখ করেন, নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময় ইন্দ্রনীল সেন সিপিএমের হয়ে গান গাইতেন, কথা বলতেন। তিনিই পরবর্তীতে তৃণমূল সরকারের মন্ত্রী হন। ‘সিপিএমকে খাইয়ে খেতেন’ বলেও মন্তব্য করেন শুভেন্দু।


Post A Comment:
0 comments so far,add yours