২৫ বছরের দীর্ঘ এই যাত্রার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, ২০০১ সালে যখন তিনি দায়িত্ব নিয়েছিলেন, তখন কখনওই ভাবেননি যে একদিন এমন এক জায়গায় পৌঁছবেন। দেশের কোটি কোটি মানুষের ভালোবাসা ও আশীর্বাদ, দলীয় কর্মী এবং এনডিএ সহযোগীদের সমর্থনের জন্যই আজ দীর্ঘ ২৫ বছর সরকারপ্রধান হিসাবে সেবা প্রদান করা সম্ভব হয়েছে বলে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
ভুজের ভূমিকম্প, কোভিড ও মিডিয়া- প্রশাসনিক জীবনের ২৫ বছরে কী কী শিখলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী? প্রশাসক মোদীকে কী কী শিক্ষা দিল?
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী
২০০১ সালের ৭ অক্টোবর গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার প্রশাসনিক প্রধান পদে শপথ নিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদী। ২০২৬ সালের ৭ অক্টোবর দেখতে দেখতে সরকারপ্রধান হিসেবে পূর্ণ হল প্রশাসক হিসাবে তাঁর ২৫ বছর। এই মাইলফলক স্পর্শ করে বিজেপির ‘সেবা সংকল্প অভিযান’-এর ‘বিকশিত ভারত সংকল্প সভা’য় নিজের দীর্ঘ যাত্রার অভিজ্ঞতা ও জীবনের পাঠ তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। স্পষ্ট জানান, “সেবাই পরম ধর্ম। আমি কোনও উচ্চাকাঙ্ক্ষার জন্য নয়, বরং নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে বেঁচে থাকি।”
২৫ বছরের দীর্ঘ এই যাত্রার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, ২০০১ সালে যখন তিনি দায়িত্ব নিয়েছিলেন, তখন কখনওই ভাবেননি যে একদিন এমন এক জায়গায় পৌঁছবেন। দেশের কোটি কোটি মানুষের ভালোবাসা ও আশীর্বাদ, দলীয় কর্মী এবং এনডিএ সহযোগীদের সমর্থনের জন্যই আজ দীর্ঘ ২৫ বছর সরকারপ্রধান হিসাবে সেবা প্রদান করা সম্ভব হয়েছে বলে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
ভাটনগরে নিজের শৈশবের কথা মনে করে ৭৬ বছর বয়সী প্রধানমন্ত্রী জানান, স্কুলে তাঁর শেখার প্রতি যে আগ্রহ ছিল, তা আজও অটুট। নিজেকে একজন চিরন্তন ছাত্র মনে করে তিনি প্রতিদিন নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করেন।
দীর্ঘ প্রশাসনিক জীবনে সমর্থকদের পাশাপাশি সমালোচকদেরও বিশেষ ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “যাঁরা আমাকে শেখাতে চেয়েছেন, তাঁরা আমাকে বিনয়ী হতে শিখিয়েছেন। আর যাঁরা আমাকে টেনে নিচে নামাতে চেয়েছেন, তাঁরা শিখিয়েছেন কীভাবে নতুন করে ঘুরে দাঁড়াতে হয়। সমর্থকরা আমাকে উৎসাহিত করেছেন, আর সমালোচকরা শিখিয়েছেন আত্মদর্শন করতে।” প্রতিটি সঙ্কট তাঁর ধৈর্য পরীক্ষা করেছে এবং প্রতিটি অর্জন নতুন উদ্যমে বড় লক্ষ্য অর্জনের সাহস জুগিয়েছে বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, “আমার জীবনের কোনও ঘটনাই ব্যর্থ যায়নি। জীবনের প্রত্যেকটা ঘটনা শিক্ষা দিয়েছে। ভুজের ভূমিকম্প আমাকে পুনর্নির্মাণের প্রয়াস শিখিয়েছে। চন্দ্রযান অসফলতা থেকে ঘুরে দাঁড়ানো শিখিয়েছে। করোনা রাষ্ট্রের সাময়িক চেতনা মাহাত্ম্য বুঝিয়েছে। মিডিয়া আমাকে টক-মিষ্টি অনুভূতির মধ্যে এগিয়ে চলার প্রেরণা দিয়েছে।”


Post A Comment:
0 comments so far,add yours