প্রধান বিচারপতি জানান, এই ধরনের গুরুতর অপরাধের ঘটনায় উপযুক্ত তদন্ত হওয়া উচিত। হাইকোর্টের নির্দেশ, ওই দুর্নীতির তদন্ত সিআইডি (CID) করবে। থানাকে তদন্ত সংক্রান্ত নথি সিআইডিকে দিতে হবে। আগামী ১০ ডিসেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি। ওই দিন তদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট আদালতে জমা দিতে হবে সিআইডি-কে (CID)।
জনগণের করের অর্থ এইভাবে নয়ছয় করা যায় না',স্পষ্ট বললেন প্রধান বিচারপতি
কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি
টাকি পুরসভার (Taki Municipality) আর্থিক তছরূপের একটি মামলা কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) উঠেছিল। সেই ঘটনায় এবার সিআইডি (CID) তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বুধবার প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে এবং বিচারপতি ওম নারায়ণ রাইয়ের ডিভিশন বেঞ্চের মন্তব্য, “জনগণের করের অর্থ এই ভাবে নয়ছয় করা যায় না।”
প্রধান বিচারপতি জানান, এই ধরনের গুরুতর অপরাধের ঘটনায় উপযুক্ত তদন্ত হওয়া উচিত। হাইকোর্টের নির্দেশ, ওই দুর্নীতির তদন্ত সিআইডি (CID) করবে। থানাকে তদন্ত সংক্রান্ত নথি সিআইডিকে দিতে হবে। আগামী ১০ ডিসেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি। ওই দিন তদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট আদালতে জমা দিতে হবে সিআইডি-কে (CID)।
জন্মভূমির 'পিসিমা' অভিনেত্রী মিতা চট্টোপাধ্যায় এখন কী করেন জানেন?
Uttam Kumar: নিজে ছিলেন 'মহানায়ক', তবুও ছেলেকে কেন সিনেমা করতে দেননি উত্তম?
এই মামলার ব্যাকগ্রাউন্ড
টাকি পুরসভার প্রাক্তন কাউন্সিলর প্রদ্যুৎ দাস দুর্নীতির অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছেন। তাঁর দাবি, ওই পুরসভার প্রায় ২০ কোটি টাকা তছরুপ হয়েছে। অ্যাকাউন্টেন্ট জেনারেলের অডিট রিপোর্টে সেই তথ্য উঠে এসেছে। অর্থ পুরসভার কয়েক জন কর্মীর ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়। এমনকি বেআইনি ভাবে কর্মীও নিয়োগ করা হয়েছে। ওই পুরসভার চেয়ারম্যান সোমনাথ মুখপাধ্যায় যুক্ত রয়েছেন। এছাড়া এই ঘটনায় নাম জড়িয়েছে সাব অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার দীপঙ্কর দাস এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত হিসাবরক্ষক শুভ্রকুমার দাসেরও। আজ সেই মামলাই ওঠে কোর্টে। আদালতে রিপোর্ট দিয়ে রাজ্য জানায়, ইতিমধ্যে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং কয়েক জনকে গ্রেফতারও করেছে।


Post A Comment:
0 comments so far,add yours