সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে যে, এই তথ্য সংগ্রহ করার জন্য কেন্দ্র সরকার একটি প্রশ্নপত্র তৈরি করতে পারে এবং সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের কাছ থেকে জবাব তলব করতে পারে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ১৪ ডিসেম্বর হবে। ডিভিশন বেঞ্চ বলেছে, তাদের পুরো বিশ্বাস রয়েছে যে, কেন্দ্র, রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলো ঋতুকালীন স্বাস্থ্য একটি মৌলিক অধিকার হিসেবে ঘোষণা করার আদালতের রায়ের গুরুত্ব বুঝতে পেরেছে।


 মেনস্ট্রুয়াল হাইজিন বা ঋতুকালীন স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া নির্দেশ বাস্তবায়ন সম্পর্কিত তথ্য না দিলে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করল সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, মেনস্ট্রুয়াল হাইজিন সংক্রান্ত রায় কার্যকর করার জন্য কী কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, সেই বিষয়ে কেন্দ্র সরকারের চাওয়া তথ্য যদি রাজ্যের মুখ্যসচিবরা না দেন, তাহলে তাঁদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার নোটিস জারি করা হবে।


বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা এবং বিচারপতি আর মহাদেবনের বেঞ্চ প্রশ্ন তোলে যে, কেন্দ্র সরকারের চাওয়া তথ্য রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলো কেন এখনও দেয়নি। আদালতের দেওয়া নির্দেশ পালনের জন্য একটি শেষ সুযোগ দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়। সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্রকে নির্দেশ দিয়েছে যে, এই বিষয়ে গত ১ সেপ্টেম্বর দেওয়া নির্দেশের বিশেষ কিছু নির্দেশকে গুরুত্ব দিয়ে, রায় বাস্তবায়িত হওয়ার বিষয়ে সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের কাছে লিখিত তথ্য চাইতে হবে।




সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে যে, এই তথ্য সংগ্রহ করার জন্য কেন্দ্র সরকার একটি প্রশ্নপত্র তৈরি করতে পারে এবং সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের কাছ থেকে জবাব তলব করতে পারে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ১৪ ডিসেম্বর হবে। ডিভিশন বেঞ্চ বলেছে, তাদের পুরো বিশ্বাস রয়েছে যে, কেন্দ্র, রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলো ঋতুকালীন স্বাস্থ্য একটি মৌলিক অধিকার হিসেবে ঘোষণা করার আদালতের রায়ের গুরুত্ব বুঝতে পেরেছে।


শীর্ষ আদালত বলেছে, “আমরা এই স্বাস্থ্যবিধিকে সংবিধানের ২১ নম্বর অনুচ্ছেদের (Article 21) একটি অংশ হিসেবে ঘোষণা করেছি।” তবে বেঞ্চ এই প্রশ্নও তুলেছে যে, আদালত রায় কেবল কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ থাকলে এই অধিকার কীভাবে বাস্তবায়িত হবে?

ডিভিশেন বেঞ্চ মন্তব্য করেছে, “আমাদের রায়ের বিষয়গুলো যদি শুধু কাগজেই থেকে যায়, তবে কেন্দ্র, রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলো কীভাবে এই মৌলিক অধিকার বাস্তবায়ন করবে? আমরা যা কিছু করেছি, তা সেই সব তরুণী মেয়েদের স্বার্থে করেছি যারা মেনস্ট্রুয়াল হাইজিনের মতো সমস্যার কারণে পড়াশোনা ছেড়ে দিচ্ছে। দেশের দূর-দরাজের এলাকাগুলোতে বিশেষ করে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়।”


Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours