​​সরকারি অর্থ তছরুপ, নদী বাঁধ নির্মাণে অনিয়ম এবং আম্ফান পরবর্তী ত্রাণ প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সাগর ব্লকের ধসপাড়া সুমতিনগর–২ গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান বিপিন পড়ুয়াকে ঘিরে তীব্র বিক্ষোভ দেখালেন স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। মঙ্গলবার পঞ্চায়েত কার্যালয়ে উপপ্রধান উপস্থিত থাকাকালীন এই বিক্ষোভ শুরু হয়। 

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সাগর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং উপপ্রধানকে নিরাপদে উদ্ধার করে।
​স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় একনায়কতান্ত্রিকভাবে প্রভাব বিস্তার করে আসছেন বিপিন পড়ুয়া। অতীতে বাম রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি তৃণমূলে যোগ দেন এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিজের আধিপত্য বজায় রাখেন। আম্ফানের পুনর্গঠন কাজ, সরকারি তহবিল তছরুপ, স্বজনপোষণ এবং জোর করে চাঁদা আদায়ের মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। 


এছাড়া ভোটের সময় সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের পক্ষে ভোটদানে বাধ্য করার অভিযোগও তুলেছেন ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা। দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে জানিয়েও সুরাহা না মেলায় অবশেষে তাঁরা এই পথ বেছে নেন। ​এদিকে বিক্ষোভ চলাকালীন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন বিজেপির মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার সাগর মণ্ডল–২-এর সভাপতি ভোলানাথ মাইতি এবং সাধারণ সম্পাদক রবীন গুড়িয়া। তাঁরা উপপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এলাকার উন্নয়নমূলক কাজগুলি অবিলম্বে স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্তভাবে পরিচালনার দাবি জানান। শেষ পর্যন্ত পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদাব্রত ঘাটের কয়ালপাড়ায় আদি গঙ্গা থেকে এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির দেহ উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। 


স্থানীয়দের খবর পেয়ে বারুইপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহটি উদ্ধার করে এবং পরিচয় জানার পাশাপাশি মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আদি গঙ্গার পাশের রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে জঙ্গল ও আবর্জনায় ভরে রয়েছে এবং সন্ধ্যার পর এলাকায় নেশার আসর বসে। ফলে নিরাপত্তা জোরদার ও নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দাবি জানিয়েছেন বাসিন্দারা। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।


মণিপুর সীমান্তে মায়ানমারের সঙ্গে জমি এক্সচেঞ্জ করা হবে কি না, এই জল্পনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, "সীমান্তের কিছু জায়গা নিয়ে এখনও নিষ্পত্তি হয়নি। সেই অংশগুলি নিয়ে এখনও আলোচনা চলছে।"


মায়ানমারের সঙ্গে জমি অদল-বদল করবে ভারত! কেন এমন প্রস্তাব?
ফাইল চিত্র।

ভারতের (India) ভূখণ্ড হয়ে যাবে মায়ানমারের (Myanmar)! আর মায়ানমারের জমিতে অধিকার স্থাপন হবে ভারতের! ঐতিহাসিক পদক্ষেপ করতে পারে ভারত সরকার। অনুপ্রবেশ রুখতে এবং দেশের নিরাপত্তা বাড়াতে কেন্দ্রীয় সরকার দেশের প্রতিটি কোণের সীমান্ত সুরক্ষিত করার উদ্যোগ নিয়েছে। সেই প্রস্তাবনারই একটি অংশ জমি অদল-বদল।


জমি অদল-বদল?
সূত্রের খবর, মায়ানমারের ১.৪৪ স্কোয়ার মাইল জমি মায়ানমারের সঙ্গে অদল-বদল করার আভ্যন্তরীণ প্রস্তাবনা খতিয়ে দেখছে কেন্দ্রীয় সরকার। ভারত-মায়ানমার সীমান্তে স্পর্শকাতর এলাকায় জমি অদল-বদল করার চুক্তি করতে পারে। মূলত মণিপুরের সীমান্তবর্তী এলাকা এটি।


যাত্রীগণ কৃপয়া ধ্যান দে...', সত্যিই কি স্টেশনে মাইক্রোফোন হাতে কেউ বসে এই ঘোষণা করে?
মণিপুর সীমান্তে মায়ানমারের সঙ্গে জমি এক্সচেঞ্জ করা হবে কি না, এই জল্পনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “সীমান্তের কিছু জায়গা নিয়ে এখনও নিষ্পত্তি হয়নি। সেই অংশগুলি নিয়ে এখনও আলোচনা চলছে।”


কতটা জমি অদল-বদল করা হতে পারে?
এর আগে মার্কিন ম্যাগাজিন দ্য ডিপ্লোম্যাটে দাবি করা হয়েছিল যে নয়া দিল্লি মায়ানমারের সঙ্গে জমি অদল-বদলের পরিকল্পনা করছে। মণিপুরে মায়ানমারের সঙ্গে সীমান্তে ৬৫ থেকে ৬৮ নম্বর পিলারের মধ্যে ১.৪ স্কোয়ার মাইল জমি অদল-বদল করা হতে পারে পড়শি দেশের সঙ্গে।

মণিপুরের চান্ডেল জেলায় এই জমি অদল-বদল করা হতে পারে। উল্টোদিকে কাবাও ভ্যালি রয়েছে। যদি সীমান্ত নির্ধারণ বা চিহ্নিতকরণের প্রক্রিয়া হয়, তাহলে তিন মাসের মধ্যে এই কাজ সম্পূর্ণ হয়ে যাবে।

প্রসঙ্গত, ভারত ও মায়ানমারের মধ্যে ১৬৪৩ কিলোমিটার আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে, যা অরুণাচল প্রদেশ, নাগাল্যান্ড, মণিপুর ও মিজোরামের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে অধিকাংশ এলাকাই জঙ্গলে ঘেরা। দুই দেশেই মূলত আদিবাসী সম্প্রদায় বসবাস করে।

১৪৭২ কিলোমিটার সীমান্তের মধ্যে ১৭১ কিলোমিটার এলাকায়, মূলত মণিপুরের কাবাও ভ্যালি ও অরুণাচল প্রদেশের লোহিত সেক্টরে সীমান্ত নিয়ে এখনও সমস্যা রয়েছে।

সূত্রের খবর, অনুপ্রবেশ রুখতে এবং আন্তঃসীমান্ত অপরাধ রুখতে দেশের সীমান্তে কাঁটাতার দিতে চায় কেন্দ্র। এর মধ্যে মায়ানমারের সীমান্তও রয়েছে। ২০২৪ সালে ভারত সরকার ১৬৪৩ কিলোমিটার আন্তর্জাতিক সীমান্তে কাঁটাতার দেওয়ার ঘোষণা করে। একইসঙ্গে ভারত-মায়ানমারের সীমান্তের মধ্যে মুক্ত চলাচলও বন্ধ করার কথা বলা হয়। ২০১৮ সাল থেকে সীমান্তের পাশে বসবাসকারী আদিবাসীরা বিনা ভিসায় দুই দেশের মধ্যে ১৬ কিলোমিটার পর্যন্ত যেতে পারত শুধুমাত্র বর্ডার পাস দেখিয়ে। এদিকে, দুই দেশের মধ্যে এলাকা অদল-বদলের প্রস্তাবনা সামনে আসতেই মণিপুরে পুশব্যাকের আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে


এক-এক জায়গায় ২০০ মিমি-রও বেশি বৃষ্টি হওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে। প্রবল বৃষ্টিতে দুর্ভোগ বাড়ছে উত্তরবঙ্গে। আজও পাহাড়-ডুয়ার্সে অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা। ভারী বৃষ্টি হতে পারে দুই দিনাজপুর, মালদহে। ভারী বৃষ্টি এবং অতি বৃষ্টিতে ধসের সম্ভাবনা পার্বত্য এলাকায়। নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।


জারি হল লাল সতর্কতা, তোলপাড় হবে বাংলা, বৃষ্টি থামবে কবে?
আবহাওয়ার খবর


ঢেলে বৃষ্টি কলকাতায়। আগামী কয়েকদিন এইভাবেই বৃষ্টি চলবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া অফিস। উত্তরবঙ্গ এবং দক্ষিণবঙ্গ, দুই বঙ্গেই এই বৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া অফিস (Alipore Weather Office)।


হাওয়া অফিস জানিয়েছে, উত্তরবঙ্গে হবে প্রবল বর্ষণ। বিগত কয়েকদিন ধরে সেখানে ভারী অতিভারী বৃষ্টি হচ্ছিল তবে পরিস্থিতি অনুকূলে আসার কোনও সম্ভাবনা নেই। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ারে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে। এক-এক জায়গায় ২০০ মিমি-রও বেশি বৃষ্টি হওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে। প্রবল বৃষ্টিতে দুর্ভোগ বাড়ছে উত্তরবঙ্গে। আজও পাহাড়-ডুয়ার্সে অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা। ভারী বৃষ্টি হতে পারে দুই দিনাজপুর, মালদহে। ভারী বৃষ্টি এবং অতি বৃষ্টিতে ধসের সম্ভাবনা পার্বত্য এলাকায়। নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।


বেশ কিছুদিন ধরেই কৃষকদের থেকে অভিযোগ আসছিল, সাতসকালে বাজারে হানা ইবি কর্তাদের, যা ধরা পড়ল...
অন্যদিকে, দক্ষিণবঙ্গেও প্রবল বর্ষণের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। কলকাতা ও লাগোয়া জেলায় বজ্রবিদ্যুত্‍-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। আজ দক্ষিণবঙ্গের আট জেলা হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান,বীরভূম, নদিয়ায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকছে।


আগামিকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা রয়েছে দুই মেদিনীপুর ও বাঁকুড়ায়। বাঁকুড়া,পশ্চিমবর্ধমান ও বীরভূমে বৃষ্টি হবে। এ দিকে, খানিকআগেই (দুপুর ৩টে বেজে ৫৮ মিনিট) লাল সতর্কতা জারি হয়েছে পশ্চিম বর্ধমান,বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামে। তবে এই বৃষ্টি কবে কমবে তা এখনও কিছু জানাতে পারেনি আবহাওয়া অফিস।

গ্রেফতার হলেন পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনী থানার কর্মাশোল গ্রামের বাসিন্দা তথা সিপিআই (মাওবাদী) রিজিওনাল কমিটির নেতা মদন মাহাতো ওরফে শঙ্কর। সরাইকেলা-খরসোওয়া জেলার নিমডি থানার বেনাডি গ্রামের তেধাডি টোলার বাসিন্দা সাগর সিং ওরফে বীরেন। পাশাপশি তাঁর স্ত্রী পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড়তলির বাঘমুন্ডি থানার আমকোচা গ্রামের মীরা পাহাড়িয়া ওরফে মিনাও গ্রেফতার হয়েছেন।

কারও মাথার দাম ১৫ লক্ষ, কারও ৫ লক্ষ, পুলিশের জালে ৩ মাও নেতা-নেত্রী
ধৃত ৩ মাওবাদী

 দেশ মাওবাদী-মুক্ত হয়েছে। কিছুদিন আগেই এই ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তবে কোথাও কোথাও কয়েকজন মাওবাদী নেতা আত্মগোপন করে রয়েছে। তাদের ধরতে বার্তা দিয়েছেন শাহ। তারপরই ধরা পড়েছেন মাওবাদীদের পলিটব্যুরোর সদস্য মিসির বেসরা। এবার ঝাড়খণ্ড পুলিশের জালে ধরা পড়ল মাওবাদীদের বঙ্গ ব্রিগেডের ৩ মাও নেতা-নেত্রী।


মঙ্গলবার ঝাড়খণ্ডের সরাইকেলা- খরসওয়া জেলার কাণ্ডরা থানা এলাকা থেকে গ্রেফতার হলেন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার শালবনী থানার কর্মাশোল গ্রামের বাসিন্দা তথা সিপিআই (মাওবাদী) রিজিওনাল কমিটির নেতা মদন মাহাতো ওরফে শঙ্কর। সরাইকেলা-খরসোওয়া জেলার নিমডি থানার বেনাডি গ্রামের তেধাডি টোলার বাসিন্দা সাগর সিং ওরফে বীরেন। তিনি সিপিআই (মাওবাদী)-র সাব জোনাল কমান্ডার ছিলেন। পাশাপশি তাঁর স্ত্রী পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড়তলির বাঘমুন্ডি থানার আমকোচা গ্রামের মীরা পাহাড়িয়া ওরফে মিনাও গ্রেফতার হয়েছেন। তিনি মাওবাদীদের সাব জোনাল কমিটির সদস্য ছিলেন।


এবার দুর্গাপুরে পরিত্যক্ত ইটভাটায় লক্ষ লক্ষ টাকা, কোথা থেকে এল?

 সাই পল্লবীর ব্যাগে লাভ লেটার! জানতে পেরেই মা-বাবা যা করলেন তা আজও ভুলতে পারেননি রণবীরের 'সীতা'
ঝাড়খণ্ড পুলিশ মদনের মাথার দাম রেখেছিল ১৫ লক্ষ। অন্যদিকে বীরেন এবং তাঁর স্ত্রী মীরার মাথার দাম ছিল ৫ লক্ষ করে। সোমবার বাংলা-ঝাড়খণ্ড সহ ৭ রাজ্যের পুলিশের ডিজিদের সঙ্গে বৈঠক করে কড়া বার্তা দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তার পরই টেকনিক্যাল ও ম্যানুয়াল সোর্স অ্যাক্টিভ করে জোরদার তল্লাশিতে নামে ঝাড়খণ্ড পুলিশ।


ঝাড়খণ্ড পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে কাণ্ডরা থানা এলাকার উদয়পুর গ্রামে এক ব্যক্তির বাড়িতে বীরেন আসেন। এই খবরের ভিত্তিতে দ্রুত যৌথ বাহিনী গ্রাম ঘিরে ফেলে। তার পর তল্লাশি চালিয়ে বাড়ির ভেতর থেকে বীরেনকে পাকড়াও করে। ধৃতের কাছ থেকে একটি একে ৪৭, একটি ৯ এম এম পিস্তল, সহ প্রচুর কার্তুজ এবং একটি ওয়াকিটকি উদ্ধার হয়। ধৃতকে টানা জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পারে চান্ডিল থানা এলাকায় কাঁদেরবেড়া গ্রামে বুগরুন ওরফে গোপী পাহাড়িয়ার বাড়িতে মদন এবং মীরা পাহাড়িয়া রয়েছেন। তার পর আর একটি টিম দ্রুত সেখানে পৌঁছে তাঁদের গ্রেফতার করে।

সম্প্রতি সিপিআই (মাওবাদী) পলিটব্যুরোর সদস্য মিসির বেসরা গ্রেফতার হওয়ার পর একমাত্র কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা অসীম মণ্ডল ওরফে আকাশ বঙ্গ ব্রিগেডের ৮ সদস্যকে নিয়ে পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম সীমানার ঝাড়খণ্ডের জঙ্গলে ফিরে আসেন। ২৪ বছর পর এই তল্লাটে ফিরে আসার পরও তাঁরা আত্মসমর্পণ না করে ফের সংগঠন গোছানোর কাজে জোর দিয়েছিল। সম্প্রতি আকাশ ও সচিন সহ ৬ জনের একটি দল পূর্ব দলমা এলাকায় আত্নগোপন করেন। সংগঠনের বিশেষ কাজে অন্য দু’দিকে ছড়িয়ে গিয়েছিল এই তিন সদস্য। এই তিন মাও নেতা-নেত্রীর গ্রেফতারকে ঝাড়খণ্ড পুলিশ বড় সাফল্য হিসেবে দেখছে। কারণ ধৃতদের জেরা করে এবার আকাশ-সচিনদের খোঁজ মিলবে বলে আশাবাদী ঝাড়খণ্ড পুলিশ।

মেটা (Meta)-র প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রায় ৪৫ মিনিট বৈঠক হয় কেন্দ্রের। মেটার তরফে উপস্থিত ছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট নিল পটস, সিনিয়র ডিরেক্টর রাফায়েল ফ্রান্কেল, আমান জৈন ও প্রিয়া শ্রীনিবাসন। সরকারের তরফে উপস্থিত ছিলেন তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রকের সেক্রেটারি এস কৃষ্ণন।  

ক্ষমা চাইলেন মার্ক জাকারবার্গ, প্রধানমন্ত্রী মোদীর ভিডিয়ো ডিলিট নিয়ে কী বলল Meta?
ক্ষমা চাইলেন মার্ক জাকারবার্গ।


ফেসবুক থেকে প্রধানমন্ত্রী মোদী(PM Narendra Modi)-র ভিডিয়ো কিছুক্ষণের জন্য সরানো নিয়ে তলব মেটা (Meta)-কে। বুধবার মেটার প্রতিনিধিদের সঙ্গে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে বসেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। সেখানেই প্রধানমন্ত্রীর ভিডিয়ো সরানো নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। একইসঙ্গে শিশুদের উপরে নির্যাতনের ভিডিয়ো এবং এই সংক্রান্ত কনটেন্ট নিয়ন্ত্রিত করা নিয়েও সতর্ক করা হয় মেটা সংস্থাকে। সূত্রের খবর, মেটা (Meta) প্ল্যাটফর্মে শিশুদের যৌন শোষণ ও ডিপফেক কনটেন্ট (Deepfake) নিয়ে মার্ক ক্ষমা চেয়েছেন মার্ক জাকারবার্গ (Mark Zuckerberg)।


জানা গিয়েছে, মেটা (Meta)-র প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রায় ৪৫ মিনিট বৈঠক হয় কেন্দ্রের। মেটার তরফে উপস্থিত ছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট নিল পটস, সিনিয়র ডিরেক্টর রাফায়েল ফ্রান্কেল, আমান জৈন ও প্রিয়া শ্রীনিবাসন। সরকারের তরফে উপস্থিত ছিলেন তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রকের সেক্রেটারি এস কৃষ্ণন।


পরিচারিকাকেও দিতে হবে মেটারনিটি লিভ! 'ব্রেস্ট ফিডিং' নিয়ে বড় সওয়াল স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
বৈঠকে কনটেন্ট মডারেশন নিয়ে নিরাপত্তা ও সুরক্ষা বাড়ানোর কথা বলা হয়। সূত্রের খবর, আলোচনার মুখ্য বস্তু ছিল প্রধানমন্ত্রী মোদীর জেন-জ়ি-দের উদ্দেশ্যে যে ভিডিয়ো পোস্ট করেছিলেন, তা কিছুক্ষণের জন্য ডিলিট হয়ে যাওয়া। সরকারের শর্ত মেনে না চলা, একইসঙ্গে মেটা প্ল্যাটফর্মে আপত্তিজনক কনটেন্ট প্রদর্শন নিয়েও কেন্দ্রীয় সরকার উদ্বেগ প্রকাশ করেন।


আজকের বৈঠকে মেটা আধিকারিকরা কেন্দ্রের কাছে ব্যাখ্যা দেয় যে কোন ভুলের কারণে প্রধানমন্ত্রী মোদীর ভিডিয়ো সরানো হয়েছিল সাময়িকভাবে। এর জবাবে কেন্দ্রের তরফে কঠোরভাবে বলা হয় আইন-নিয়ম মেনে চলতে। বাক স্বাধীনতা হরণ করা হচ্ছে না, তবে সমস্ত সোশ্য়াল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মকে আইন মেনে চলতে হবে।

সূত্রের খবর, মেটার আধিকারিকরা জানিয়েছেন, তাদের অভ্যন্তরীণ নিয়ম ও ফ্যাক্ট চেকিং মেকানিজম আগে থেকেই রয়েছে।

এর আগে তথ্য প্রযুক্তির সংসদীয় স্ট্যান্ডি কমিটি প্রধানমন্ত্রীর ভিডিয়ো সাময়িক সরানো নিয়ে মেটা-র সিইও মার্ক জাকারবার্গের কাছ থেকে তিনদিনের মধ্যে ক্ষমা দাবি করে। যদি তিনদিনের মধ্যে ফেসবুক প্রতিষ্ঠাতা ক্ষমা না চান, তাহলে আইনি সুরক্ষা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়। এই আইনি সুরক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৭৯ ধারায় মেটা-র মতো সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মকে থার্ড পার্টি কনটেন্টের ক্ষেত্রে দায়বদ্ধতা থেকে রক্ষা করে।

প্রসঙ্গত, ইন্সটাগ্রামে পেইড বিজ্ঞাপনে শিশুদের যৌন শোষণ ও নিপীড়ন নিয়ে ভিডিয়ো দেখানো নিয়ে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের নজরদারিতে এসেছে মেটা। সরকারের তরফে গত মাসে এই ইস্যুতে নোটিসও পাঠানো হয়।

২০ জন সাংসদ মিশে গিয়েছিলেন এনসিপিআই-এর সঙ্গে। জল্পনা তৈরি হয়, তাঁরা এনডিএ-র সমর্থক হয়ে থাকবেন নাকি বিজেপিতে যোগ দেবেন? সে ক্ষেত্রে আটকে যাচ্ছেন তিন সংখ্যালঘু সাংসদ। আবু তাহের, খলিলুর রহমান, ইউসুফ পাঠানদের দাবি, বিজেপিতে যোগ দেওয়ার তাঁদের পক্ষে সম্ভব নয়।


শেষমেশ 'তৃণমূলে'ই মিশে যাবে কাকলি-শতাব্দীরা? কী পরিকল্পনা বিজেপির
এনসিপিআই


অঙ্কটা যতটা সহজ ভাবা হয়েছিল, ততটা সহজ কি হচ্ছে না কাকলি-সুদীপদের জন্য? এনডিএ বৈঠকে প্রথম সারিতে বসার জায়গা মিললেও এনসিপিআই-এর ভবিষ্যৎ ঠিক কী হতে চলেছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। লোকসভার স্পিকারের স্বীকৃতি মেলেনি এখনও। সূত্রের খবর, তৃণমূলের প্রতীক-ফয়সালার উপর নির্ভর করছে ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অব ইন্ডিয়া (NCPI)-র ভবিষ্যৎ। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব অন্তত সেই বার্তাই দিয়েছেন।


সুদীপদের কী বলেছেন ভূপেন্দ্র যাদব?
মঙ্গলবার শুভেন্দু অধিকারী ও ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে এনসিপিআই সাংসদদের দু’দফা বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, এনসিপিআই-এর স্বীকৃতি নিয়ে কথা হয়েছে। তিনি প্রশ্ন করেছিলেন, স্বীকৃতি কবে মিলবে? সুদীপের দাবি, ভূপেন্দ্র যাদব বলেছেন, তৃণমূলের প্রতীক সংক্রান্ত সমস্যা মিটলেই বিষয়টা সহজ হয়ে যাবে। প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি ঋতব্রত-শিবিরের হাতে জোড়াফুলের অধিকার গেলে, ওই তৃণমূলেই মিশে যেতে পারে এনসিপিআই?


 এবার দুর্গাপুরে পরিত্যক্ত ইটভাটায় লক্ষ লক্ষ টাকা, কোথা থেকে এল?
এই প্রসঙ্গে কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় বলেন, “এনসিপিআই বলে আদৌ কোনও পার্টি আছে? মমতার পিছন দিক থেকে ছুরি মেরে যারা চলে গিয়েছে, তারা এবার বুঝুক কত ধানে কত চাল।”


কোথায় ঝুলে এনসিপিআই-এর ভবিষ্যৎ?
২০ জন সাংসদ মিশে গিয়েছিলেন এনসিপিআই-এর সঙ্গে। জল্পনা তৈরি হয়, তাঁরা এনডিএ-র সমর্থক হয়ে থাকবেন নাকি বিজেপিতে যোগ দেবেন? সে ক্ষেত্রে আটকে যাচ্ছেন তিন সংখ্যালঘু সাংসদ। আবু তাহের, খলিলুর রহমান, ইউসুফ পাঠানদের দাবি, বিজেপিতে যোগ দেওয়ার তাঁদের পক্ষে সম্ভব নয়। এমনকী এনডিএ-কে সমর্থন করার ক্ষেত্রেও তাঁদের বাধ্যবাধকতা আছে। সে ক্ষেত্রে তিনজন বাদ পড়লে সংখ্যাটা ১৭-তে নেমে আসতে পারে। ফলে, দুই-তৃতীয়াংশ হবে না, ফলে দলত্যাগ-বিরোধী আইনের ফাঁসে পড়ে যেতে পারেন তাঁরা। সে ক্ষেত্রে ঋত-শিবিরই কি কাকলিদের একমাত্র পথ? সেই প্রশ্নই সামনে আসছে।

পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী ফলাফল এবং ইন্ডিয়া জোটে ডিএমকে প্রধান এমকে স্ট্যালিনের সঙ্গে কংগ্রেসের সম্পর্কের অবনতির পর বিজেপি এখন ডিএমকের লোকসভার ২২ জন সাংসদের সমর্থন পাওয়ার দিকেও নজর রাখছে। কারণ, সংবিধান সংশোধনী বিল পাশ করাতে দুই কক্ষেই দুই-তৃতীয়াংশ বিশেষ সংখ্যাগরিষ্ঠতা বাধ্যতামূলক।


সংখ্যার অঙ্ক মিলছে? আসন পুনর্বিন্যাস ও মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে বড় ভাবনা কেন্দ্রের
ফাইল চিত্র।

বাদল অধিবেশনে সংসদে বারবার অচলাবস্থার মুখে পড়েছে কেন্দ্র। এরই মধ্যে নরেন্দ্র মোদী সরকার দুটি গুরুত্বপূর্ণ আইন পাশ করানোর প্রস্তুতি শুরু করেছে। কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রে খবর, ১৩ অগস্ট সংসদের বাদল অধিবেশন শেষ হওয়ার পরপরই সংসদের একটি বিশেষ অধিবেশন ডাকা হতে পারে। সেখানে ডিলিমিটেশন বা আসন পুনর্বিন্যাস বিল এবং মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে আলোচনা ও পাশ করানোর চেষ্টা করবে কেন্দ্র। 


সূত্রের দাবি, বাদল অধিবেশন শেষ হলেও সংসদ আপাতত মুলতুবি করা নাও হতে পারে। এতে প্রয়োজন পড়লে খুব অল্প সময়ের নোটিসে বিশেষ অধিবেশন ডাকা সম্ভব হবে। ইতিমধ্যেই সংবিধান সংশোধনী বিল পাশ করাতে প্রয়োজনীয় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে কেন্দ্র। প্রয়োজনীয় সমর্থন নিশ্চিত হলেই কেন্দ্র বিশেষ অধিবেশন ডেকে বিলগুলি পাশ করানোর উদ্যোগ নিতে পারে। ১৭ অগস্ট বিশেষ অধিবেশন ডাকা হতে পারে।


জানেন কোন ভয়ে ছেলেকে সিনেমায় অভিনয় করতে দেননি উত্তম?
একসঙ্গেই আনা হয়েছিল দুই বিল-


আসন পুনর্বিন্যাস বিল এবং মহিলা সংরক্ষণ বিলকে একসঙ্গে ১৩১তম সংবিধান সংশোধনী বিলের আওতায় আনা হয়েছিল। তবে গত এপ্রিল মাসে ডাকা তিন দিনের বিশেষ অধিবেশনে লোকসভায় এই বিলটি প্রয়োজনীয় দুই-তৃতীয়াংশ বিশেষ সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় তা পাশ হয়নি। সেই সময় বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ-র লোকসভা বা রাজ্যসভা—কোনও কক্ষেই প্রয়োজনীয় দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন ছিল না। এরপর রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।

বদলেছে রাজনৈতিক সমীকরণ-

মে মাসে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের ভরাডুবির ফলে লোকসভা ও রাজ্যসভা—দুই কক্ষেই বিজেপির অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে। ফলে বিশেষ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য যে ব্যবধান ছিল, তা অনেকটাই কমেছে। বর্তমানে লোকসভায় সংবিধান সংশোধনী বিল পাশ করাতে ৩৬০ জন সাংসদের এবং রাজ্যসভায় ১৬৪ জন সদস্যের সমর্থন প্রয়োজন।

একইসঙ্গে, পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী ফলাফল এবং ইন্ডিয়া জোটে ডিএমকে প্রধান এমকে স্ট্যালিনের সঙ্গে কংগ্রেসের সম্পর্কের অবনতির পর বিজেপি এখন ডিএমকের লোকসভার ২২ জন সাংসদের সমর্থন পাওয়ার দিকেও নজর রাখছে। কারণ, সংবিধান সংশোধনী বিল পাশ করাতে দুই কক্ষেই দুই-তৃতীয়াংশ বিশেষ সংখ্যাগরিষ্ঠতা বাধ্যতামূলক।

ডিএমকের অবস্থান কী হবে?

তবে আসন পুনর্বিন্যাসের বিষয়টি তামিলনাড়ুতে অত্যন্ত স্পর্শকাতর রাজনৈতিক ইস্যু। ক্ষমতায় থাকাকালীন ডিএমকে এই ইস্যুর বিরোধিতাকেই জোরালোভাবে প্রচার করেছিল। তাই ১৩১তম সংবিধান সংশোধনী বিলের ক্ষেত্রে শেষ পর্যন্ত স্ট্যালিনের দল বিজেপিকে সমর্থন করবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।