দক্ষিণের সব রেকর্ড ভেঙে ফেলেছে উত্তরবঙ্গ। শুধু শিলিগুড়ি-দার্জিলিংয়ে বৃষ্টি হয়েছে ২৪০ মিলিমিটারের বেশি। আগামী ২৪ ঘণ্টায় উত্তরবঙ্গের উপরের পাঁচটি জেলা দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়িতে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।

ঘনঘোর বর্ষায় বিরামহীন বৃষ্টি বাংলায়, দিনভর কোথায় কত ধারাপাত?
বৃষ্টি নিয়ে কী বলছে আবহাওয়া দফতর?

উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ, সর্বত্রই চলছে টানা বৃষ্টি। হাওয়া অফিস বলছে, রাজ্যে বর্তমানে পুরোদমে সক্রিয় রয়েছে মৌসুমী বায়ু। তার জেরেই এই বৃষ্টি। এছাড়াও একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা রয়েছে পঞ্জাব থেকে বিহার পর্যন্ত। বঙ্গোপসাগর থেকে বাংলায় ঢুকছে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প। সব মিলিয়ে ঘনঘোর বর্ষার ধারাপাত চলছে। 


কোথায় কোথায় সর্বাধিক বৃষ্টি? 
বীরপাড়া পাম্পিং স্টেশন- ৮৮ মিমি


আগেই নির্দেশ এসেছে মুখ্যমন্ত্রীর থেকে, জামাইষষ্ঠীতে চেহারাই বদলে যাচ্ছে দিঘার
বেলগাছিয়া পাম্পিং স্টেশন- ৯৫ মিমি

ধাপা পাম্পিং স্টেশন- ৯০ মিমি

উল্টোডাঙ্গা পাম্পিং স্টেশন- ৭৯ মিমি 

পামারবাজার পাম্পিং স্টেশন- ৭১ মিমি

কুলিয়া ট্যাংরা পাম্পিং স্টেশন- ৯৪.৬ মিমি

চিংড়িঘাটা পাম্পিং স্টেশন- ৭৫ মিমি

পাগলাডাঙ্গা পাম্পিং স্টেশন- ১১৫ মিমি

বালিগঞ্জ বাম্পিং স্টেশন- ৭০ মিমি

তবে দক্ষিণের সব রেকর্ড ভেঙে ফেলেছে উত্তরবঙ্গ। শুধু শিলিগুড়ি-দার্জিলিংয়ে বৃষ্টি হয়েছে ২৪০ মিলিমিটারের বেশি। আগামী ২৪ ঘণ্টায় উত্তরবঙ্গের উপরের পাঁচটি জেলা দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়িতে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। শুধু আগামী ২৪ ঘণ্টায় নয়, আগামী তিনদিনই উত্তরবঙ্গের এই পাঁচটি জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। ভেঙে যেতে পারে অতীতের সব রেকর্ড। দক্ষিণবঙ্গে আগামী ২৪ ঘণ্টা সব জায়গাতেই বৃষ্টি হবে। ২১ তারিখ বৃষ্টিপাতের পরিমাণ খানিকটা কমবে। শনিবার হুগলি, হাওড়ার পাশাপাশি দুই চব্বিশ পরগনা, কলকাতা, দুই মেদিনীপুরে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তারপর ধীরে ধীরে বৃষ্টির মাত্রা কমে এলেও ২৫ তারিখ দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টিপাত বাড়বে। আপাতত কলকাতার তাপমাত্রা ২৮ থেকে ৩১ ডিগ্রির কাছাকাছি ঘোরাফেরা করবে। 
 সাধারণত রবিবারে ট্রেনের সংখ্যা কম থাকে, তবে পরীক্ষার্থীদের কথা মাথায় রেখে ওই দিন ট্রেনের সূচিতে বড়সড় বদল আনা হয়েছে। সব ট্রেনই সপ্তাহের সাধারণ সূচি অনুযায়ী চলবে। পাশাপাশি থাকছে স্পেশ্যাল ট্রেন।


কোনও ট্রেন বাতিল তো নয়ই, উল্টে ২১ তারিখ হাওড়া ও শিয়ালদহ শাখায় চলবে একগুচ্ছ স্পেশ্যাল ট্রেন
তালিকায় কোন কোন ট্রেন?

রবিবার নিট। পরীক্ষার্থীদের সুবিধার্থে তৎপর পূর্ব রেল। আগামী রবিবার হাওড়া এবং শিয়ালদহ, দুই ডিভিশনেই বিশেষ EMU ও MEMU ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সাধারণত রবিবারে ট্রেনের সংখ্যা কম থাকে, তবে পরীক্ষার্থীদের কথা মাথায় রেখে ওই দিন ট্রেনের সূচিতে বড়সড় বদল আনা হয়েছে। সব ট্রেনই সপ্তাহের সাধারণ সূচি অনুযায়ী চলবে। পাশাপাশি থাকছে স্পেশ্যাল ট্রেন। 


হাওড়া ডিভিশনে ২ জোড়া বিশেষ MEMU ট্রেন চলবে রবিবার। দাঁড়াবে সব স্টেশনেই। তালিকায় রয়েছে…
রামপুরহাট – বর্ধমান MEMU স্পেশ্যাল (০৩০৭২)- সকাল ৬টা ৩৫ মিনিটে রামপুরহাট থেকে ছেড়ে সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে বর্ধমান পৌঁছাবে।
বর্ধমান – রামপুরহাট MEMU স্পেশ্যাল (০৩০৭১)- সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে বর্ধমান থেকে ছেড়ে দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে রামপুরহাট পৌঁছাবে।
আজিমগঞ্জ – কাটোয়া MEMU স্পেশ্যাল (০৩০৭৪)- সকাল ৫টা ৪০ মিনিটে আজিমগঞ্জ থেকে ছেড়ে সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে কাটোয়া পৌঁছাবে।
কাটোয়া – আজিমগঞ্জ MEMU স্পেশ্যাল (০৩০৭৩)- সকাল ৭টা ২৫ মিনিটে কাটোয়া থেকে ছেড়ে সকাল ৯টা ৫ মিনিটে আজিমগঞ্জ পৌঁছাবে। 
শিয়ালদহ ডিভিশনে পরীক্ষার্থীদের জন্য ৫টি বিশেষ EMU ট্রেন চালানো হবে। এই ট্রেনগুলিও সব স্টেশনে দাঁড়াবে। তালিকায় রয়েছে… 
সোনারপুর – ডায়মন্ড হারবার স্পেশ্যাল (০৩১৪৪)- সকাল ৬টা ৫ মিনিটে সোনারপুর থেকে ছেড়ে সকাল ৭টা ১০ মিনিটে ডায়মন্ড হারবার পৌঁছাবে।
ডায়মন্ড হারবার – শিয়ালদহ স্পেশ্যাল (০৩১৪৩)- সকাল ৭টা ২২ মিনিটে ডায়মন্ড হারবার থেকে ছেড়ে সকাল ৮টা ৫৮ মিনিটে শিয়ালদহ পৌঁছাবে।
শিয়ালদহ – সোনারপুর স্পেশ্যাল (০৩১২২)- সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে শিয়ালদহ থেকে ছেড়ে সকাল ১০টা ১০ মিনিটে সোনারপুর পৌঁছাবে।
ক্যানিং – সোনারপুর স্পেশ্যাল (০৩১২১)- সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে ক্যানিং থেকে ছেড়ে দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে সোনারপুর পৌঁছাবে। 
শিয়ালদহ – ক্যানিং স্পেশ্যাল (৩৪৪২০)- সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে শিয়ালদহ থেকে ছেড়ে সকাল ১১টা ৫ মিনিটে ক্যানিং পৌঁছাবে।
পাশাপাশি, শিয়ালদহ ডিভিশনে যে সমস্ত লোকাল ট্রেন সাধারণত রবিবারে বন্ধ থাকে সেগুলিও ওই দিন সপ্তাহের অন্যান্য কর্মদিবসের মতোই চালানো হবে। একই ছবি হাওড়াতেও। 
 নির্বাচনী প্রচার পর্বে ডিজে হুমকি মামলার তদন্তে ভবানী ভবনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রায় সাড়ে ৬ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেন সিআইডি গোয়েন্দারা। তারপরই বৃহস্পতিবারই অদিতি গায়েনের বাড়িতে সিআইডি। এদিন প্রায় ৮-১০ জন আধিকারিক আসেন, যাঁদের মধ্যে মহিলা আধিকারিকরাও ছিলেন।


অভিষেকের নামের সঙ্গে সম্পৃক্ত! কে এই মেয়ে? যাঁর খোঁজে মমতার পাড়ায় হানা CID-র
বাঁ দিকে অদিতি গায়েন

২৯/D! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাড়া হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের একটি আবাসন। সেই আবাসনের ফার্স্ট ফ্লোর। বৃহস্পতিবার দুপুর ১.৪৫ মিনিট নাগাদ হঠাৎই সেখানেই হানা দেন সিআইডি আধিকারিকরা। কিন্তু কেন? জানা যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলার তদন্তেই এসেছেন তাঁরা। এই আবাসনে কেন? আসলে ওই বাড়িতেই থাকেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছোট বোন। অর্থাৎ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছোট পিসি। সেই পিসির মেয়ে অদিতি গায়েনের খোঁজে হানা দিয়েছেন আধিকারিকরা। তিনি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সোশ্যাল মিডিয়া পেজ এবং অনলাইন প্রচারের মূল দায়িত্বে। দলীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বক্তৃতা ও প্রচার সংক্রান্ত ডিজিটাল বিষয়গুলো তিনি পরিচালনা করে থাকেন।


নির্বাচনী প্রচার পর্বে ডিজে হুমকি মামলার তদন্তে ভবানী ভবনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রায় সাড়ে ৬ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেন সিআইডি গোয়েন্দারা। তারপরই বৃহস্পতিবারই অদিতি গায়েনের বাড়িতে সিআইডি। এদিন প্রায় ৮-১০ জন আধিকারিক আসেন, যাঁদের মধ্যে মহিলা আধিকারিকরাও ছিলেন। অদিতির সঙ্গে এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে কথা বলেন। সামাজিক মাধ্যমে প্রচার পর্বে অভিষেকের হয়ে যা যা পোস্ট করতেন, তা নিয়ে আলোচনা হয়। সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত সামাজিক মাধ্যমের পোস্ট কিছু হয়েছিল কিনা, সেটাও জানতে চান তদন্তকারীরা।


 অভিষেকের 'বাহন' কী? খোঁচা ঋতব্রতর, কুণালের 'বার্তা' নিয়েও শোরগোল
তৃণমূলের আইটি সেলের ইনচার্জ উপাসনা চৌধুরী বলেন, “ডিজে মামলাটা কবেকার, এটা নির্বাচনের সময়ে। মন্তব্যটা ভুল যদি হয়েই থাকে, তাহলে নির্বাচনের সময়েই অর্থাৎ যে সময়ে বলা হয়েছিল, তখনই কেন কোনও পদক্ষেপ করা হল না?”



পূর্ব রেলের তরফে জানানো হয়েছে, ২০ জুন মোট ৭টি বিশেষ ট্রেন চালানো হবে। হাওড়া ডিভিশনে হাওড়া–শেওড়াফুলি–তারকেশ্বর–গোঘাট শাখায় ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশেষ ট্রেনগুলির কখন, কোন স্টেশন থেকে ছাড়বে, একনজরে দেখে নেওয়া যাক বিশেষ ট্রেনের সময়সূচি

তারকেশ্বরের জন্য স্পেশ্যাল ট্রেন ঘোষণা পূর্ব রেলের, জেনে নিন সময়সূচি
ফাইল ফোটো

তারকেশ্বরের (Tarakeswar) যাত্রীদের জন্য সুখবর। বিশেষ ট্রেনের ঘোষণা পূর্ব রেলের (Eastern Railway)। একটা নয়, মোট ৭টি বিশেষ ট্রেন চালাবে পূর্ব রেল। ২০ জুন পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষ্যে রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi)। আগামিকাল তারকেশ্বরে বিশেষ কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রচুর লোকের সমাগম হতে পারে। বাড়তি যাত্রীর আশঙ্কা করেই তারকেশ্বরে অতিরিক্ত ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পূর্ব রেল।


পূর্ব রেলের তরফে জানানো হয়েছে, ২০ জুন মোট ৭টি বিশেষ ট্রেন চালানো হবে। হাওড়া ডিভিশনে হাওড়া–শেওড়াফুলি–তারকেশ্বর–গোঘাট শাখায় ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশেষ ট্রেনগুলির কখন, কোন স্টেশন থেকে ছাড়বে, একনজরে দেখে নেওয়া যাক বিশেষ ট্রেনের সময়সূচি


 দিনে কটা ডিম খাওয়া নিরাপদ জানেন?
বিশেষ ট্রেনগুলির সময়সূচি নিম্নরূপ—

০৩০৬৩ হাওড়া–তারকেশ্বর EMU স্পেশাল। হাওড়া থেকে সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে ছেড়ে তারকেশ্বরে পৌঁছবে ৯টা ১২ মিনিটে।
০৩০৬৬ তারকেশ্বর–শেওড়াফুলি EMU স্পেশাল। তারকেশ্বর থেকে ৯টা ৪৫ মিনিটে ছেড়ে শেওড়াফুলিতে পৌঁছবে ১০টা ৩৫ মিনিটে।
০৩০৬৫ শেওড়াফুলি–তারকেশ্বর EMU স্পেশাল। শেওড়াফুলি থেকে ১০টা ৪৮ মিনিটে ছেড়ে তারকেশ্বরে পৌঁছবে ১১টা ৪৫ মিনিটে।
০৩০৬৭ তারকেশ্বর–আরামবাগ EMU স্পেশাল। তারকেশ্বর থেকে ৭ টা ২০ মিনিটে ছেড়ে আরামবাগ পৌঁছবে ৮টায়।
০৩০৬৮ আরামবাগ–তারকেশ্বর EMU স্পেশাল। আরামবাগ থেকে ৮টা ৭ মিনিটে ছেড়ে তারকেশ্বরে পৌঁছবে ৮ টা ৩৯ মিনিটে।
০৩০৬৯ তারকেশ্বর–গোঘাট EMU স্পেশাল। তারকেশ্বর থেকে ১০টা ২১ মিনিটে ছেড়ে গোঘাট পৌঁছবে ১১টা ৮ মিনিটে।
০৩০৭০ গোঘাট–তারকেশ্বর EMU স্পেশাল। গোঘাট থেকে ১১টা ২০ মিনিটে ছেড়ে তারকেশ্বরে পৌঁছবে ১২টা ১০ মিনিটে।
পূর্ব রেল সূত্রে জানানো হয়েছে, সব ট্রেনই প্রতিটি স্টেশনে দাঁড়াবে।

এছাড়াও, ৩৭৩৬১ হাওড়া–আরামবাগ EMU লোকাল ট্রেনটের যাত্রাপথ একদিনের জন্য গোঘাট পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে । ট্রেনটি দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে গোঘাট থেকে ছাড়বে এবং ৩৭৩৬২ ট্রেনের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী হাওড়া পর্যন্ত চলবে বলে জানানো হয়েছে পূর্ব রেলের তরফে।

 মেট্রো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রবিবার ব্লু, গ্রিন ও ইয়েলো লাইনে মেট্রো পরিষেবাও বাড়ানো হয়েছে। তবে, ভোরবেলা পরিষেবা শুরু হলেও, শেষ মেট্রোর সময় অপরিবর্তিত থাকবে বলে জানিয়েছে মেট্রো কর্তৃপক্ষ। কোন স্টেশন থেকে কখন মেট্রো চলবে, জেনে নিন সময়সূচি

রবিবার ভোর ৪টে থেকেই মিলবে মেট্রো, চলবে একগুচ্ছ বাড়তি ট্রেনও
ফাইল ছবি

মেট্রো যাত্রীদের জন্য সুখবর। রবিবার ভোর ৪টে থেকেই মিলবে পরিষেবা (Kolkata Metro Service)। তবে, শুধুমাত্র ২১জুনের জন্যই বিশেষ পরিষেবা দেবে মেট্রো কর্তৃপক্ষ। আসলে ২১ জুন রাজ্যজুড়ে সাড়ম্বরে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস (International Yoga Day) পালন করা হবে। রাজ্যে যোগদিবসে সামিল হবেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi)। যোগদিবস উপলক্ষে রবিবার রেডরোডে কর্মসূচি রয়েছে। কর্মসূচিতে সামিল হবেন সাধারণ মানুষ। আবার রবিবার নিট পরীক্ষা (NEET-UG Exam)। ফলে বাড়তি চাপ থাকবেই। তাই, যাত্রীদের সুবিধার্থে রবিবার ভোর থেকেই মেট্রো চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে রবিবার ব্লু, গ্রিন ও ইয়েলো লাইনে মেট্রো পরিষেবাও বাড়ানো হয়েছে।


মেট্রো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভোরবেলা পরিষেবা শুরু হলেও, শেষ মেট্রোর সময় অপরিবর্তিত থাকবে। কোন স্টেশন থেকে কখন মেট্রো চলবে, জেনে নিন সময়সূচি



৬০-এ বিয়ে, মা না হওয়ার সিদ্ধান্ত! সমাজের বাধা ধরা নিয়ম ভাঙায় কী ঘটে সুহাসিনীর সঙ্গে?

দিনে কটা ডিম খাওয়া নিরাপদ জানেন?


ব্লু লাইন মেট্রো পরিষেবা
রবিবার সাধারণত ১৫২টি মেট্রো চলে ব্লু লাইনে। তবে, ২১ জুন মোট ২১৪টি মেট্রো (১০৭ আপ ও ১০৭ ডাউন) চালানো হবে। ভোর ৪টে থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত আপ ও ডাউনে ১৪ থেকে ১৫ মিনিট অন্তর মেট্রো চলবে।

প্রথম মেট্রোর সময়সূচি
দক্ষিণেশ্বর থেকে শহিদ ক্ষুদিরাম। সকাল ৯টার পরিবর্তে ভোর ৪টে থেকে পরিষেবা শুরু। নোয়াপাড়া থেকে শহিদ ক্ষুদিরাম।ভোর ৪টে। মহানায়ক উত্তম কুমার থেকে শহিদ ক্ষুদিরাম: ভোর ৪টে (বিশেষ পরিষেবা) শহিদ ক্ষুদিরাম থেকে দক্ষিণেশ্বর। ভোর ৪:০০ টে মহানায়ক উত্তম কুমার থেকে দক্ষিণেশ্বর। ভোর ৪টে। নোয়াপাড়া থেকে দক্ষিণেশ্বর। ভোর ৪টে (বিশেষ পরিষেবা)

গ্রিন লাইনে পরিষেবা
সাধারণত রবিবারে ১০৮টি মেট্রো চলে গ্রিন লাইনে। তবে, রবিবার মোট ১৭৩টি মেট্রো (৮৭ আপ ও ৮৬ ডাউন) চলবে। ভোর ৪টে থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত আপ ও ডাউনে ১০ থেকে ১৫ মিনিট অন্তর মেট্রো পরিষেবা পাওয়া যাবে। এরপর রবিবারের স্বাভাবিক সময়সূচি কার্যকর হবে।

প্রথম মেট্রো

হাওড়া ময়দান থেকে সল্টলেক সেক্টর ফাইভ। ভোর ৪টে নাগাদ শুরু হবে পরিষেবা। সল্টলেক সেক্টর ফাইভ থেকে হাওড়া ময়দান। ভোর ৪টে ২ মিনিটে শুরু পরিষেবা।

ইয়েলো লাইনে পরিষেবা
রবিবারের ৭৮টি মেট্রোর পরিবর্তে ১১২টি মেট্রো (৫৬ আপ ও ৫৬ ডাউন) চালানো হবে। ভোর ৪টে ১৮ মিনিট থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত আপ ও ডাউনে ১৮ থেকে ২০ মিনিট অন্তর মেট্রো চলবে। এরপর রবিবারের স্বাভাবিক পরিষেবা চালু হবে।

প্রথম মেট্রো

নোয়াপাড়া থেকে জয় হিন্দ বিমানবন্দর। ভোর ৪টে ১৮ মিনিটে প্রথম মেট্রো। জয় হিন্দ বিমানবন্দর থেকে নোয়াপাড়া। ভোর ৪টে ৪০ মিনিটে প্রথম মেট্রো।

কোন পরিষেবা বন্ধ থাকবে?
মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২১ জুন পার্পল লাইন ও অরেঞ্জ লাইনে কোনও পরিষেবা চালু থাকবে না।

আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের অনুষ্ঠান ও NEET-UG পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখেই এই বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ।

যুদ্ধের জেরেই ভারতে পেট্রোল-ডিজেলের দাম বেড়েছে। তাও মার্চ-এপ্রিল মাসে দাম বাড়ানো হয়নি। মে মাসে কয়েক ধাপে মোট সাড়ে সাত টাকা দাম বাড়ানো হয়েছিল সরকারের তরফে। বাকি সমস্ত দেশের তুলনায় ভারতেই পেট্রোল-ডিজেলের দাম কম বেড়েছে। 


৮০ ডলারের থেকেও কমে ব্যারেল ব্যারেল ক্রুড তেল কিনছে ভারত, পেট্রোল-ডিজেলের দাম কমবে?
কবে পেট্রোল-ডিজেলের দাম কমবে?


ইরান আমেরিকা যুদ্ধের জেরে আকাশছোঁয়া হয়েছিল অপরিশোধিত ক্রুড তেলের (Crude Oil) দাম। গত ফেব্রুয়ারির শেষভাগ থেকেই এই অতিরিক্ত দামের বোঝা বইতে হচ্ছে বিশ্বের বহু দেশকেই। ভারতের উপরে চাপ আরও বেশি কারণ ভারতে তেল ও জ্বালানির চাহিদার ৮০ শতাংশই বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। তবে গত ১২ জুন আমেরিকা ও ইরান শান্তি চুক্তির (Iran-US Peace Deal) কথা ঘোষণা করতেই তেলের দামে বড়সড় পতন হয়েছে। এরপরই সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, তাহলে পেট্রোল-ডিজেলের দামও (Petrol-Diesel Price) কমবে নিশ্চয়ই?


ক্রুড তেলের দামের হিসাব-
বর্তমানে ক্রুড তেলের দাম ৮০ ডলারের নীচে রয়েছে। ১৬ জুন ক্রুড তেলের দাম ছিল ব্যারেল প্রতি ৭৮.৬৬ ডলার। যুদ্ধের সময় এই তেলই ভারতকে ১১৫ ডলার থেকে শুরু করে ১২৫ ডলারে কিনতে হয়েছে। এই হিসাবে দেখতে ভারত এখন কম দামেই তেল কিনছে। তবে দৃষ্টির পরিধি এতটুকু হলে চলবে না। দেখতে হবে যুদ্ধ শুরুর আগে দাম কত ছিল অপরিশোধিত ক্রুড তেলের?


স্বরূপ বিশ্বাসের চশমায় ক্যামেরা লাগানো থাকত! বিস্ফোরক অভিযোগ আদালতে
ইরান-আমেরিকার যুদ্ধ শুরু হয়েছিল ২৮ ফেব্রুয়ারি। তার আগে ফেব্রুয়ারিতেই ভারত প্রতি ব্যারেল ক্রুড তেল কিনেছে ৭০.৭০ ডলারে। এই তথ্য দিচ্ছে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের প্ল্যানিং ও অ্যানালাইসিস সেল। অর্থাৎ এখন যা দাম, সেই তুলনাতেও অনেক কম দামেই ভারত আগে তেল কিনছিল। সেই হিসাবে দেশ যে এখন সস্তায় তেল পাচ্ছে, তা বলা যায় না।

গত এপ্রিলে যুদ্ধ চলাকালীন ভারত ব্যারেল প্রতি ১১৪.৪৮ ডলারে ক্রুড তেল কিনেছে, মে মাসে সেই তেল কিনেছে ১০৬.২৩ ডলারে। আবার মার্চ মাসে, যখন পুরোদমে যুদ্ধ চলছে, তখন ১৭ মার্চ ক্রুড তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১৪৬ ডলারে পৌঁছেছিল।

পেট্রোল-ডিজেলের দাম কমা সম্ভব?
যুদ্ধের জেরেই ভারতে পেট্রোল-ডিজেলের দাম বেড়েছে। তাও মার্চ-এপ্রিল মাসে দাম বাড়ানো হয়নি। মে মাসে কয়েক ধাপে মোট সাড়ে সাত টাকা দাম বাড়ানো হয়েছিল সরকারের তরফে। বাকি সমস্ত দেশের তুলনায় ভারতেই পেট্রোল-ডিজেলের দাম কম বেড়েছে।

যুদ্ধের সময় দেশের অয়েল মার্কেটিং সংস্থাগুলির বিপুল ক্ষতি হয়েছে। তাদের এই ক্ষতি পূরণ হতে অনেকটা সময় লাগবে। যদি ক্রুড তেলের দাম কম থাকে, তাহলে সংস্থাগুলির ঘাটতি পূরণ হতে পারে। এর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকারও পেট্রোল-ডিজেলে ১০ টাকা শুল্ক কমিয়েছিল মার্চের শেষভাগে। সেই ঘাটতি পূরণ করতে চাইবে সরকারও। তাই সরকার পেট্রোল-ডিজেলের দাম এখনই কমানোর কথা ঘোষণা করবে না বলেই অনুমান বিশেষজ্ঞদের।

পেট্রোল-ডিজেলের দাম কমালে কি লাভ হবে?
জ্বালানির দাম বাড়ালেই যে সরকারের লাভ, তা নয়। পেট্রোল-ডিজেলের দাম কমলেও এখন সরকারের লাভ হবে, কারণ এতে কনজামশন বাড়বে অর্থাৎ গ্রাহকরা আগের তুলনায় বেশি পেট্রোল-ডিজেল কিনবে। এতে সরকারের ট্যাক্স রেভেনিউ বাড়বে। এছাড়া জ্বালানির দাম কমলে রিটেল মূল্যবৃদ্ধিও কমবে। খাদ্যপণ্যের দাম কমবে।
 জেলা শিক্ষা দফতরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তারা যেন নিশ্চিত করেন যে সরকারের এই নির্দেশ সরকারি স্কুলগুলিতে অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হচ্ছে। কোনও শিক্ষক কোচিং সেন্টার বা প্রাইভেট টিউশন পড়াচ্ছেন কি না, তার উপরও নজর রাখতে বলা হয়েছে।


স্কুল শিক্ষকদের জন্য এল নির্দেশ, কোনও প্রাইভেট টিউশন-কোচিং সেন্টারে পড়ানো যাবে না!
ফাইল চিত্র।


স্কুলে পড়ুয়াদের লেখাপড়া করানোয় বিশেষ মনোযোগ নেই। শিক্ষকরা কোচিং সেন্টার, প্রাইভেট টিউশনেই বেশি ব্যস্ত। তবে এবার সেই অভ্যাস বন্ধ হবে। কড়া নির্দেশ এল সরকারি স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য। তারা শুধুমাত্র স্কুলেই পড়াবেন। আলাদাভাবে কোনও টিউশন ক্লাস, কোচিং সেন্টার বা বাণিজ্যিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াতে পারবেন না (Private Tuition Ban)। কেউ এই নিয়ম ভাঙলেই তার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে।


সম্প্রতিই বিহার সরকার (Bihar Government) স্কুল শিক্ষকদের জন্য এই নির্দেশিকা জারি করেছে। তাদের বলা হয়েছে যে স্কুলে নিজেদের ডিউটি যেন সম্পূর্ণ পেশাদারিত্বের সঙ্গে পূরণ করেন। আর্থিক লাভের জন্য তারা অন্য কোথাও প্রাইভেটে পড়ানো যাবে না।


অভিষেকের 'বাহন' কী? খোঁচা ঋতব্রতর, কুণালের 'বার্তা' নিয়েও শোরগোল
সরকারি আধিকারিকরা জানিয়েছেন যে শিক্ষকরা যাতে সরকারি স্কুলগুলিতে পড়াশোনার মানোন্নয়নে জোর দেন এবং স্কুলের সময়ে সকল পড়ুয়াদের জন্য সবসময় উপস্থিত থাকেন, তার জন্য এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জেলা শিক্ষা দফতরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তারা যেন নিশ্চিত করেন যে সরকারের এই নির্দেশ সরকারি স্কুলগুলিতে অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হচ্ছে। কোনও শিক্ষক কোচিং সেন্টার বা প্রাইভেট টিউশন পড়াচ্ছেন কি না, তার উপরও নজর রাখতে বলা হয়েছে। যদি কোনও শিক্ষক নিয়ম ভাঙেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে ডিসিপ্লিনারি অ্যাকশন নেওয়া হবে।

বিহারে স্কুল শিক্ষা ব্যবস্থাকে উন্নত করতে এবং সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির উন্নয়নে বিশেষ জোর দিচ্ছে মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরীর সরকার।

 গতকাল থেকেই ধস নেমে বন্ধ হয়ে গিয়েছে NH10। শিলিগুড়ি-গ্যাংটক সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থাও বন্ধ হয়ে গিয়েছে। বন্ধ হয়ে গিয়েছে ১১০ নং জাতীয় সড়কও। মহানদীর কাছে খারসাং থেকে শিলিগুড়ি পর্যন্ত তিন লেনের সড়ক ভেঙে গিয়েছে। প্রধান সড়কের ওপর একটি বড় গাছ পড়েছে বলে খবর।

প্রবল বৃষ্টিতে ধস পাহাড়ে, জলের তোড়ে ভেসে গেল দুধিয়া সেতু, বন্ধ দার্জিলিং-শিলিগুড়ি যোগাযোগ
বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ

প্রবল বৃষ্টিতে ফের বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ। গত কয়েকদিন ধরেই উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টির (North Bengal Rain Update) দাপট বেড়েছে। তবে, গতকাল থেকেই উত্তরের (North Bengal Weather) একাধিক জেলায় প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়েছে। সারারাত প্রবল বর্ষণের ফলে একাধিক জায়গায় ধস নেমেছে। ভেঙে পড়েছে গাছ। বন্ধ হয়ে গিয়েছে ১১০ নং জাতীয় সড়ক। এদিকে, দুধিয়া সেতু ভেঙে পড়ায় শিলিগুড়ি-মিরিক যোগাযোগও প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে।


বালাসন নদীর তোড়ে ভাসল সেতু
বৃহস্পতিবার থেকেই ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি শুরু হয়েছে উত্তরবঙ্গে। শেষ করে নেপাল লাগোয়া মিরিকে রাতভর বৃষ্টি হয়েছে। এদিকে, প্রবল বর্ষণের জেরে রাত থেকেই ফুঁসছে বালাসন নদী। জানা গিয়েছে, ভোর রাতে নদীর জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছে দুধিয়ার অস্থায়ী সেতু। গত অক্টোবরের দুর্যোগেই ভেঙে গিয়েছিল দুধিয়া সেতু। পরে বালাসনের নদীবক্ষেই তৈরি হয় অস্থায়ী সেতু। তবে, এবারের বৃষ্টিতে সেই সেতুও ভেঙে গেল। এর ফলে শিলিগুড়ি-মিরিক যোগাযোগ কার্যত বন্ধ হয়ে গিয়েছে। সেক্ষেত্রে, ঘুরপথে সুখিয়াপোখরি হয়ে নামতে হবে পর্যটকদের।

১৮ মাস 'চুপ' থাকবেন রণবীর সিং! কেন হঠাৎ এমন সিদ্ধান্ত নিলেন 'ধুরন্ধর'?


আগেই নির্দেশ এসেছে মুখ্যমন্ত্রীর থেকে, জামাইষষ্ঠীতে চেহারাই বদলে যাচ্ছে দিঘার
বন্ধ NH10 ও ১১০ নং জাতীয় সড়ক
এদিকে, গতকাল থেকেই ধস নেমে বন্ধ হয়ে গিয়েছে NH10। শিলিগুড়ি-গ্যাংটক সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থাও বন্ধ হয়ে গিয়েছে। বন্ধ হয়ে গিয়েছে ১১০ নং জাতীয় সড়কও। মহানদীর কাছে খারসাং থেকে শিলিগুড়ি পর্যন্ত তিন লেনের সড়ক ভেঙে গিয়েছে। প্রধান সড়কের ওপর একটি বড় গাছ পড়েছে বলে খবর। ফলে, দার্জিলিং থেকে শিলিগুড়ি পর্যন্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।