মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠার দাবিতে স্লোগান দেন এবং প্ল্যাকার্ড নিয়ে মিছিলে হাঁটছিলেন। গত কয়েক মাস ধরে ওই অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। সেইসময়ই বিস্ফোরণ ঘটে।


পাকিস্তানে ‘শান্তি মিছিল’ চলাকালীন আত্মঘাতী বিস্ফোরণ, রাস্তায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে মৃতদেহ
আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে একটি শান্তি মিছিল চলাকালীন ভয়াবহ বিস্ফোরণ। রবিবারের এই বিস্ফোরণে কমপক্ষে ১৪ জন নিহত হয়েছেন। এবং আরও ২২ জন আহত হয়েছেন। ইতিমধ্যেই এই বিস্ফোরণের ভিডিয়ো সমাজ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও জঙ্গি সংগঠন এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।


এদিন পাকিস্তানের সোয়াত জেলার কাবাল শহরে ‘শান্তি মিছিল’ চলাকালীন এই বিস্ফোরণ ঘটে। স্থানীয় আদিবাসী পরিষদ সোয়াত আমান জিরগার উদ্যোগে এই শান্তি মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল। মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠার দাবিতে স্লোগান দেন এবং প্ল্যাকার্ড নিয়ে মিছিলে হাঁটছিলেন। গত কয়েক মাস ধরে ওই অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। সেইসময়ই বিস্ফোরণ ঘটে। পুলিশকর্মীদের উপর হামলা করাই লক্ষ্য ছিল বলে জানা গিয়েছে। বাধা পেয়ে বিস্ফোরণ ঘটায় হামলাকারী।


জনতার দরবারে অভিযোগ জানাতেই বাড়িতে বিধায়ক, হাতেনাতে ফল পেল পরিবার
বিস্ফোরণের পর উদ্ধারকারী দল দ্রুত আহতদের নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যায়। পুলিশ এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থল ঘিরে ফেলে তদন্ত শুরু করে। সোয়াতের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল (ডিআইজি) ফিদা হুসেন সংবাদ সংস্থা এএফপিকে জানান, “হামলাকারী বিস্ফোরক ভর্তি জ্যাকেটের বিস্ফোরণ ঘটায়। একজন আত্মঘাতী জঙ্গি মোড়ে অবস্থিত পুলিশ স্টেশনে ঢোকার চেষ্টা করেছিল। তবে মূল ফটকেই পুলিশ তাকে আটকে দেয়। এরপরই সে নিজের গায়ে বাঁধা বিস্ফোরক ফাটিয়ে দেয়।”


এখনও পর্যন্ত কোনও জঙ্গি সংগঠন এই হামলার দায় স্বীকার করেনি। পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি এই হামলার তীব্র নিন্দা করেছেন। তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেছেন এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন।

এর আগে পাকিস্তান সীমান্তবর্তী প্রদেশগুলিতে এ ধরনের হামলার জন্য আফগানিস্তান থেকে পরিচালিত জঙ্গি কার্যকলাপকে দায়ী করেছে। তবে আফগানিস্তানের তালিবান সরকার সেই সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। এখন দেখার, এই হামলার দায় কোনও সংগঠন স্বীকার করে কি না।
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours