এই গাড়ি আগেও চর্চায় এসেছিল। গত বছর চিনে সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের বৈঠকে যোগ দিতে যখন প্রধানমন্ত্রী মোদী গিয়েছিলেন, তখন সেখানে রুশ প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়। সামিট শেষে দুজনে পুতিনের এই গাড়িতে চড়েই ফিরেছিলেন।
'ইয়ে দোস্তি হাম নেহি...', রাশিয়া থেকে উড়ে আসা পুতিনের বিশেষ গাড়িতে ফের চড়লেন মোদী, কোথায় গেলেন?
এক গাড়িতে প্রধানমন্ত্রী মোদী ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
কূটনীতির আলোচনা সাধারণত বন্ধ দরজার ওপারে, গোল টেবিলে হয়। তবে প্রধানমন্ত্রী মোদী ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ক্ষেত্রে বিষয়টা যেন আলাদা। গোটা বিশ্ব ফের একবার দেখল কারপ্লোমেসি (Carplomacy)। ব্রিকস সামিটে যোগ দিতে এসে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বিশেষ গাড়ি, অরাস সেনাট লিম্যুজিন (Aurus Senat limousine)-এ চাপলেন দুই বন্ধু।
আগামিকাল থেকে শুরু হচ্ছে ব্রিকস লিডারস সামিট। তার আগেই আজ দিল্লিতে এসে পৌঁছেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। আজ তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় বসেন। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী মোদী ও রুশ প্রেসিডেন্ট মিলে পুতিনের বিশেষ গাড়িতে চেপে ভারত মণ্ডপমে গেলেন।
'মমতা, বুদ্ধবাবুর কুশপুতুল পুড়িয়েছি, মামলা হয়নি', বাগেশ্বর বাবার ছবি পোড়ানোয় রাতেই গ্রেফতার কংগ্রেস নেতা
এই গাড়ি আগেও চর্চায় এসেছিল। গত বছর চিনে সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের বৈঠকে যোগ দিতে যখন প্রধানমন্ত্রী মোদী গিয়েছিলেন, তখন সেখানে রুশ প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়। সামিট শেষে দুজনে পুতিনের এই গাড়িতে চড়েই ফিরেছিলেন।
এ দিন দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে তামিল কবি তিরুভল্লুভারের ‘তিরুক্কুরাল’-এর একটি রুশ অনুবাদ উপহার দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, “দুই হাজার বছর আগে তিরুভল্লুভার ‘তিরুক্কুরাল’ লিখেছিলেন। এটিকে রাশিয়ান ভাষায় অনুবাদ করা হয়েছে। আমার বিশ্বাস যে তিরুক্কুরাল রুশ ভাষায় অনুবাদ হলে ভারত ও রাশিয়ার মানুষের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ আরও বাড়বে। দুই দেশের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে এই অনুবাদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।”
বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে একাধিক বিষয়ে আলোচনা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী মোদীর। ভারত-রাশিয়ার সম্পর্ক এর মধ্যে সবথেকে বেশি প্রাধান্য পেয়েছে। এছাড়াও বাণিজ্য, শক্তি, প্রতিরক্ষা সহ নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, মস্কো এখন ভারতের অন্যতম অংশীদার এবং সামরিক অস্ত্র সরবরাহকারী। এছাড়া রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনে ভারত।


Post A Comment:
0 comments so far,add yours