Articles by "Bollywood news"
Showing posts with label Bollywood news. Show all posts

অসমের একাধিক জেলার অবস্থা বর্তমানে আশঙ্কাজনক। মাথার ওপর ছাদ হারিয়ে বহু পরিবার এখন নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে দিন কাটাচ্ছেন। এই দুর্যোগের সময়েই সলমন খানের দাতব্য সংস্থা ‘বিয়িং হিউম্যান’ (Being Human)-এর মাধ্যমে ত্রাণ পাঠাতে উদ্যোগী হন তারকা।

অসমের বন্যা দুর্গতদের পাশে সলমন খান! কোন দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিলেন ভাইজান?
আকাশ মিশ্র


অসমের সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় ঘরছাড়া লাখ লাখ মানুষ। প্লাবিত এলাকার এই সংকটজনক পরিস্থিতিতে এবার ত্রাতার ভূমিকায় এগিয়ে এলেন বলিউড ভাইজান সলমন খান। ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষের সহায়তায় একটি বিশেষ ত্রাণ অভিযানের সূচনা করেছেন অভিনেতা। তাঁর উদ্যোগে ইতিমধ্যেই বন্যাকবলিত দুর্গম এলাকাগুলোতে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে শুকনো খাবার, পানীয় জল এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জরুরি সামগ্রী।


স্থানীয় সূত্রের খবর, অসমের একাধিক জেলার অবস্থা বর্তমানে আশঙ্কাজনক। মাথার ওপর ছাদ হারিয়ে বহু পরিবার এখন নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে দিন কাটাচ্ছেন। এই দুর্যোগের সময়েই সলমন খানের দাতব্য সংস্থা ‘বিয়িং হিউম্যান’ (Being Human)-এর মাধ্যমে ত্রাণ পাঠাতে উদ্যোগী হন তারকা। প্রয়োজনীয় চাল, ডাল, পানীয় জল, শিশুদের খাবার ও ওষুধপত্রসহ হাজার হাজার ত্রাণ সামগ্রীর কিট লরি বোঝাই করে দুর্গতদের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছে।



কোথায় দাঁড়িয়ে নিম্নচাপ? কী বলছে আবহাওয়া দফতর?
সলমন খানের ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রের খবর, এই কঠিন সময়ে অসমের মানুষের পাশে থাকাটা নিজের সামাজিক দায়িত্ব বলেই মনে করছেন অভিনেতা। পাশাপাশি, তিনি তাঁর অনুরাগীদের এবং সমাজের সামর্থ্যবান মানুষদেরও এই সংকটকালে বন্যাকবলিত এলাকার বাসিন্দাদের সহায়তায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।


প্রতিবছরের মতো এবারও অসমের বন্যা পরিস্থিতি মারাত্মক রূপ ধারণ করায় তারকাদের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ ও উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা। সলমন খানের এই ত্রাণ সামগ্রী অন্তত কিছু মানুষের মুখের আহার ও প্রাথমিক চিকিৎসা নিশ্চিত করতে বড় সাহায্য করবে বলেই মনে করছেন স্থানীয় প্রশাসন।


বরাবরের মতোই এবারও জাতীয় পুরস্কারের মঞ্চে বলিউড ও আঞ্চলিক সিনেমাগুলির মধ্যে এক সুন্দর ভারসাম্য লক্ষ্য করা গিয়েছে। জুরি বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই বছরের মনোনয়নগুলিতে গল্প বলার অভিনবত্ব, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং সূক্ষ্ম নির্মাণশৈলীকে বিশেষ প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।


 জাতীয় পুরস্কারে সম্মানিত কার্তিক, ইয়ামি, মাম্মুঠি, সেরা ছবি কোনটি?
আকাশ মিশ্র


ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ সম্মান ‘৭২তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার’ (72nd National Film Awards)-এর বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হল। প্রতি বছরের মতো এবারও দেশের সেরা সিনেমা, অভিনয়শিল্পী এবং নেপথ্য কলাকুশলীদের এই সর্বোচ্চ সম্মাননায় ভূষিত করেছে কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক।


এবারের পুরস্কারের মঞ্চে বড় জয় ছিনিয়ে নিয়েছে রাজনৈতিক থ্রিলারধর্মী ছবি ‘আর্টিকেল ৩৭০’ (Article 370)। পাশাপাশি মূল ধারার বাণিজ্যিক সিনেমা থেকে শুরু করে দক্ষিণ ভারতের মননশীল চলচ্চিত্রের জয়জয়কার দেখা গিয়েছে এবারের তালিকায়। জুরি বোর্ডের চুলচেরা বিশ্লেষণের পর সেরা অভিনেতা ও অভিনেত্রীর ক্যাটাগরিতেও মিলেছে বড় চমক।


'সপ্তপদী'র ওথেলোর দৃশ্যে সুচিত্রার জন্য কণ্ঠ দিয়েছিলেন কে জানেন? তাঁর সঙ্গে রয়েছে কাপুর বংশের যোগ
প্লাস্টিকের নোট আসছে, পুরনো নোট বদলাতে আবার ব্যাঙ্কে লাইন দিতে হবে?
কারা কারা পেলেন এবারের ৭২তম জাতীয় পুরস্কার, দেখে নিন তালিকা–


সেরা বাংলা ছবি: চালচিত্র এখন (Chalchithra Ekhon)

সেরা হিন্দি ছবি: শ্রীকান্ত (Srikanth)

সেরা তামিল ছবি: রায়ান (Raayan)

সেরা তেলুগু ছবি: কমিটি কুরোল্লু (Committee Kurrollu)

সেরা মালয়ালম ছবি: ফেমিনিচি ফাতিমা (Feminichi Fathima)

সেরা কন্নড় ছবি: মিথ্যা (Mithya)

সেরা মারাঠি ছবি: মুক্কাম পোস্ট বোম্বিলওয়াড়ি (Mukkham Post Bombilwadi)

সেরা ওড়িয়া ছবি: লহরী (Lahari)

সেরা অসমীয়া ছবি: জুইফুল (Juiphool)

সেরা গুজরাটি ছবি: মারণ (Maaran)

সেরা মণিপুরী ছবি: সুনিতা (Sunita)

সেরা তুলু ছবি: ইম্বু (IMBU)

সেরা গাড়োয়ালী ছবি: ঢোলি (Dholi)

সেরা কোঙ্কনি ছবি: মোগ আসুম (Mog Asum)

মূল বিভাগসমূহ (Major Categories)
সেরা চলচ্চিত্র (Best Film): আর্টিকেল ৩৭০ (Article 370)

সেরা পরিচালক (Best Direction): রাজকুমার পেরিয়াসামি (চলচ্চিত্র: অমরন / Amaran)

সেরা অভিনেতা (প্রধান চরিত্র): কার্তিক আরিয়ান (চন্দু চ্যাম্পিয়ন) এবং মামুট্টি (ভ্রমযুগম / Bramayugam)

সেরা অভিনেত্রী (প্রধান চরিত্র): ইয়ামি গৌতম (আর্টিকেল ৩৭০)

সেরা জনপ্রিয় চলচ্চিত্র: কল্কি ২৮৯৮ এডি (Kalki 2898 AD)

সেরা নবাগত পরিচালকের ছবি (Best Debut Film): স্বাতন্ত্র্য বীর সাভারকর (Swatantrya Veer Savarkar)

জাতীয়, সামাজিক ও পরিবেশগত মূল্যবোধ প্রচারকারী সেরা চলচ্চিত্র: ক্যাপ্টেন মিলার (Captain Miller)

সেরা শিশু চলচ্চিত্র: ৩৫ – চিন্না কথা কাডু (35 – Chinna Katha Kaadu)

পার্শ্ব চরিত্র ও শিশু শিল্পী (Supporting Roles & Child Artists)
সেরা সহ-অভিনেতা/অভিনেত্রী (Best Actor in Supporting Role): রূপশ্রী বারকাদি (মিথ্যা), সচনা নামিদাস (মহারাজা) এবং সঞ্জয় মিশ্র (ভক্ষক / Bhakshak)

সেরা শিশু শিল্পী (Best Child Artist): ঋদ্ধিমান ব্যানার্জী, তপময় দেব ও গীতশ্রী চক্রবর্তী (চলচ্চিত্র: অঙ্ক কি কঠিন), অরুণদেব পোথুলা (৩৫ – চিন্না কথা কাডু) এবং অতীশ এস শেট্টি (মিথ্যা)

বিশেষ উল্লেখ (Special Mentions): সুরেন জি (আই মেইয়াঝাগান / II Meiyazhagan) এবং ধনুশ (ক্যাপ্টেন মিলার)

সঙ্গীত ও নেপথ্য কণ্ঠ (Music & Playback)
সেরা সঙ্গীত পরিচালনা (Best Music Direction): জি ভি প্রকাশ কুমার (অমরন) এবং শাশ্বত সচদেব (আর্টিকেল ৩৭০)

সেরা গায়ক/গায়িকা (Best Playback Singer): বৈকম বিজয়লক্ষ্মী (চলচ্চিত্র: এআরএম – গান: ‘আঙ্গু ভানা কোনিলু’) এবং অভয় যোধপুরকর (চলচ্চিত্র: ঘরাঁত গণপতি – গান: ‘নভসাছি গৌরী মাঝি’)

সেরা গীতিকার (Best Lyrics): মনোজ মুন্তাশির (গান: ‘জানে দো’ – চলচ্চিত্র: ময়দান)

কারিগরি ও অন্যান্য বিভাগ (Technical Categories)
সেরা চিত্রনাট্য (Best Screenplay): যোগেশ দেশপাণ্ডে (স্বর্গন্ধর্ব সুধীর ফাড়কে) এবং বন্দিরেড্ডি সুকুমার (পুষ্পা ২)

সেরা সংলাপ (Best Dialogues): ভেঙ্কি আতলুরি (লাকি ভাস্কর / Lucky Baskhar)

সেরা সিনেমাটোগ্রাফি (Best Cinematography): শেহনাদ জালাল (ভ্রমযুগম)

সেরা অ্যাকশন পরিচালনা (Best Action Direction): অনি আরাসু (মহারাজা)

সেরা কোরিওগ্রাফি (Best Choreography): বিজয় গাঙ্গুলী (স্ত্রী ২ / Stree 2)

সেরা প্রোডাকশন ডিজাইন (Best Production Design): নিতিন জিহান চৌধুরী (কল্কি ২৮৯৮ এডি)

সেরা কস্টিউম ডিজাইন (Best Costume Design): দিপালী নূর এবং শীতল শর্মা (পুষ্পা ২)

সেরা মেকআপ (Best Makeup): পি রবি কুমার (কমিটি কুরোল্লু)

সেরা এডিটিং (Best Editing): আর কালাইভানন (অমরন)

সেরা সাউন্ড ডিজাইন (Best Sound Design): মানস চৌধুরী (ভুল ভুলাইয়া ৩)

এবারের জাতীয় পুরস্কারের মঞ্চে অন্যতম বড় চমক বলিউড তারকা কার্তিক আরিয়ান এবং ইয়ামি গৌতমের জয়। স্পোর্টস-ড্রামা ‘চন্দু চ্যাম্পিয়ন’ ছবিতে এক লড়াকু সৈনিক ও প্যারা-অ্যাথলেটের চরিত্রে অনবদ্য অভিনয়ের জন্য সেরা অভিনেতার শিরোপা জিতে নিয়েছেন কার্তিক। যৌথভাবে এই পুরস্কার পেয়েছেন মালয়ালম সিনেমার কিংবদন্তি অভিনেতা মামুট্টি, ‘কাথাল – দ্য কোর’ ছবিতে তাঁর সংবেদনশীল অভিনয়ের জন্য।


অন্যদিকে, কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহারের প্রেক্ষাপটে তৈরি ‘আর্টিকেল ৩৭০’ ছবিতে এনআইএ (NIA) অফিসারের চরিত্রে শক্তিশালী অভিনয়ের জন্য সেরা অভিনেত্রীর জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন ইয়ামি গৌতম। শুধু অভিনয়ই নয়, সেরা ছবি এবং সেরা পরিচালকের জুতোও গলিয়েছে এই দুর্ধর্ষ পলিটিক্যাল থ্রিলারটি।

বরাবরের মতোই এবারও জাতীয় পুরস্কারের মঞ্চে বলিউড ও আঞ্চলিক সিনেমাগুলির মধ্যে এক সুন্দর ভারসাম্য লক্ষ্য করা গিয়েছে। জুরি বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই বছরের মনোনয়নগুলিতে গল্প বলার অভিনবত্ব, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং সূক্ষ্ম নির্মাণশৈলীকে বিশেষ প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।


চারিদিকে চলা এই তীব্র সমালোচনার ঝড়ের মধ্যে গত বুধবার আমির খান স্পষ্ট করেন যে, তাঁর আগের দুই স্ত্রী হিন্দু হলেও বর্তমান স্ত্রী গৌরী আদতে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী। তবে অভিনেতার এই সাফাইতেও ক্ষোভের আগুন কমেনি। উল্টে ‘লাভ জেহাদ’ প্রচারের অভিযোগ তুলে এবার গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের ভাই আরজু বিষ্ণোই আমিরকে চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।


ষাটোর্ধ্ব বয়সে এসেও খবরের শিরোনামে আমির খান (Aamir Khan)। তবে এবার কোনও সিনেমার সাফল্য নয়, বরং নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আইনি ও রাজনৈতিক মহাবিপাকে ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’। সম্প্রতি পরিবার এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের উপস্থিতিতে ‘স্পেশাল ম্যারেজ অ্যাক্ট’-এর অধীনে গৌরী স্প্র্যাটের সঙ্গে তৃতীয়বার আইনি বিয়ে সেরেছেন এই বলিউড সুপারস্টার। আর এই বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আসতেই দেশজুড়ে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। রাজনৈতিক দল থেকে শুরু করে কট্টরপন্থী সংগঠন— সবাই এখন আমিরের এই পদক্ষেপের বিরোধিতায় সরব।


চারিদিকে চলা এই তীব্র সমালোচনার ঝড়ের মধ্যে গত বুধবার আমির খান স্পষ্ট করেন যে, তাঁর আগের দুই স্ত্রী হিন্দু হলেও বর্তমান স্ত্রী গৌরী আদতে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী। তবে অভিনেতার এই সাফাইতেও ক্ষোভের আগুন কমেনি। উল্টে ‘লাভ জেহাদ’ প্রচারের অভিযোগ তুলে এবার গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের ভাই আরজু বিষ্ণোই আমিরকে চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।



 ‘মা মনটা কেমন করছে, একটু জল দাও না’, রেল দুর্ঘটনার আগে কু ডেকেছিল একরত্তি জেসিকার?
সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি অডিও বার্তায় (যার সত্যতা যাচাই করেনি TV9Bangla) আরজু বিষ্ণোইকে বলতে শোনা যায়, “আমির খানের মতো যারা আমাদের দেশে ‘লাভ জেহাদ’-এর প্রচার চালাচ্ছে, তাদের সতর্ক করে দিচ্ছি যে সনাতন ধর্মবিরোধী এই ধরনের কাজ আমরা কোনওভাবেই বরদাস্ত করব না। এটা আমাদের সংস্কৃতির পরিপন্থী। তাই আমির খান এবং ওঁর ঘনিষ্ঠদের বলছি— তৈরি থাকুন, খুব তাড়াতাড়ি এর ফল ভোগ করতে হবে। যেখানেই পাব, এমন শিক্ষা দেব যা ভবিষ্যতেও মনে রাখবে।” পোস্টে আরও দাবি করা হয়, তারকাখ্যাতির দোহাই দিয়ে যারা লাভ জেহাদ উসকে দিচ্ছে, তাদের ঔদ্ধত্য বিষ্ণোই গ্যাং নিজেদের কায়দায় চুরমার করবে।


আমিরের এই তৃতীয় বিয়ে নিয়ে রাজনৈতিক পারদ চড়াতে কসুর করেননি মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী নীতেশ রানে। তাঁর সেই মন্তব্যকে সমর্থন জানিয়ে অযোধ্যার আধ্যাত্মগুরু তথা ‘তপস্বী ছাওনি’র পীঠাধীশ্বর জগৎগুরু পরমহংস আচার্য এক বিস্ফোরক ঘোষণা করেছেন। আমির খানকে ‘লাভ জেহাদের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর’ বলে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “আমি পবিত্র রামজন্মভূমি অযোধ্যা ধাম থেকে ঘোষণা করছি, যে ব্যক্তি আমির খানকে নিকেশ করতে পারবে, তাকে ৫ কোটি টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। শুধু তাই নয়, ওই ব্যক্তির আইনি লড়াইয়ের সমস্ত খরচও আমি বহন করব। আমার বিশ্বাস, এই ধরনের ১০০-২০০ জনকে শেষ করতে পারলেই দেশ থেকে লাভ জেহাদের বীজ সমূলে উৎপাটন করা সম্ভব।”

প্রসঙ্গত, ১৯৮৬ সালে রীনা দত্তকে প্রথম বিয়ে করেছিলেন আমির খান। ২০০২ সালে তাঁদের দীর্ঘ বৈবাহিক জীবনের অবসান ঘটে। এরপর ২০০৫ সালে পরিচালক কিরণ রাওয়ের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন অভিনেতা। কিন্তু ২০২১ সালে তাঁদেরও বিচ্ছেদ হয়ে যায়। অবশেষে ২০২৬ সালের জুলাই মাসে নিজের মুম্বইয়ের বাসভবনে গৌরী স্প্র্যাটের সঙ্গে তৃতীয়বার আইনি বিয়ে সারলেন অভিনেতা। আগের দুই স্ত্রী এবং বর্তমান স্ত্রীর ধর্মীয় পরিচয়কে কেন্দ্র করেই এখন দেশজুড়ে চরম কোণঠাসা বলিউডের ‘র‍্যাঞ্চো’।

তিরিশ বছর বয়স পার হতেই শুনতে হয়েছিল রোম্যান্টিক ছবির জন্য বয়স বেশি! এবার বলিউডের বয়স ও লিঙ্গবৈষম্য নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেত্রী তাপসী পান্নু। শাহরুখ খানের উদাহরণ টেনে আনলেন দক্ষিণী ছবির বিচিত্র অভিজ্ঞতার কথাও।


নায়িকাদের তিরিশ পেরোলেই শেষ! শাহরুখের নাম নিয়ে বোমা ফাটালেন তাপসী
কী বলেছেন অভিনেত্রী?


শাহরুখ খান (Shah Rukh Khan)-এর সঙ্গে অভিনয় করলে বলিউডে একজন অভিনেত্রীর কেরিয়ারের ভোল বদলে যায়, কিন্তু দক্ষিণী ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে সিনিয়র তারকাদের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করার অভিজ্ঞতা নাকি একেবারেই উল্টো! সম্প্রতি বিনোদন জগতের ভেতরের এই লিঙ্গবৈষম্য এবং বয়স নিয়ে পক্ষপাতিত্ব বা ‘এজইজম’ (Ageism) নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন অভিনেত্রী তাপসী পান্নু। তাঁর স্পষ্ট কথা, গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ডে মেয়েদের বয়স তিরিশ পেরোলেই রোম্যান্টিক-কমেডি ছবির দরজা বন্ধ হয়ে যায়, অথচ পুরুষ অভিনেতাদের ক্ষেত্রে নিয়মটা একেবারেই আলাদা।




স্পষ্টবক্তা এবং ঠোঁটকাটা স্বভাবের জন্য তাপসীর বেশ নামডাক রয়েছে। এবার এক সাক্ষাৎকারে নিজের কেরিয়ারের শুরুর জীবনের এক কঠিন লড়াইয়ের কথা ভাগ করে নিয়েছেন তিনি। তাপসী জানান, পঁচিশ বছর বয়সের কোঠায় যখন তিনি হিন্দি সিনেমা জগতে পা রাখেন, তখন নিজের পায়ের তলার মাটি শক্ত করতেই কেটে গিয়েছিল তিন-চার বছর। আর যখনই তিনি ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের একটা আলাদা পরিচিতি তৈরি করতে পারলেন, ততদিনে তাঁর বয়স ৩০ পার হয়ে গিয়েছে। ঠিক সেই সময়েই নাকি তাঁকে মুখের ওপর বলে দেওয়া হয়েছিল, রোম্যান্টিক-কমেডি বা রম-কম ছবির জন্য তাঁর বয়স নাকি বড্ড বেশি!


তাপসীর প্রশ্ন, ছবির চরিত্রের জন্য সবসময় কেন কম বয়সী কাউকেই প্রয়োজন হবে? তিরিশের কোঠায় থাকা অভিনেত্রীরা কি পর্দায় প্রেমে পড়তে পারেন না? এই দ্বিচারিতা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেন, পুরুষ তারকাদের ক্ষেত্রে কিন্তু বয়সের এই মাপকাঠি কোনওদিনই খাটতে দেখা যায় না। তাঁরা অনায়াসে মাঝবয়সে এসেও রোম্যান্টিক হিরো সেজে পর্দা কাঁপিয়ে দিচ্ছেন, আর কোপটা এসে পড়ছে শুধু নায়িকাদের ওপরেই।

শুধু বলিউডই নয়, দক্ষিণী ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করার সময়েও এক বিচিত্র মানসিকতার মুখোমুখি হতে হয়েছিল তাপসীকে। সেখানে কোনও সিনিয়র অভিনেতার বিপরীতে অভিনয় করলেই জুটে যেত এক অদ্ভুত তকমা। তাপসীর কথায়, “সিনিয়র অভিনেতার সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করার পর তরুণ নায়করা আমার সঙ্গে কাজ করতে চাইত না। তাঁদের মনে হত, আমি যেহেতু বয়সে বড় অভিনেতার নায়িকা হয়েছি, তাই বোধহয় ওদের পাশে আর মানাবে না।” অথচ শাহরুখ খানের উদাহরণ টেনে তিনি বুঝিয়ে দেন, বি-টাউনে কিং খানের নায়িকা হওয়া মানেই ভাগ্যের চাকা ঘুরে যাওয়া, সেখানে এই ধরণের কোনও ছুৎমার্গ বা ট্যাবু কাজ করে না।

কাজের সূত্রে, তাপসী পান্নুকে শেষবার দেখা গিয়েছে অনুভব সিনহা পরিচালিত ‘অসি’ (Assi) ছবিতে। যেখানে কানি কুশ্রুতি, রেবতী এবং মনোজ পাহওয়ার মতো শক্তিশালী শিল্পীদের সঙ্গে তাঁর অভিনয় নজর কেড়েছিল। তবে বক্স অফিসের লড়াইয়ের পাশাপাশি ইন্ডাস্ট্রির ভেতরের এই নোংরা রাজনীতির বিরুদ্ধে তাপসীর এই সটান জবাব নেটপাড়ায় এখন তুমুল চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 রবিনা ট্যান্ডনের বাড়িতে চুরির ঘটনায় চাঞ্চল্য। আপন ভেবে যাঁকে বাড়িতে জায়গা দিয়েছিলেন, সেই ‘কাছের মানুষ’-ই যে এমন বিশ্বাসঘাতকতা করবেন, তা হয়তো ঘুণাক্ষরেও ভাবতে পারেননি রবিনা ট্যান্ডন ও তাঁর পরিবার। ২০২০ সাল থেকে রবিনা ট্যান্ডনদের বাড়িতে নিয়মিত যাতায়াত করতেন তিনি। কিন্তু কে জানত, সেই বিশ্বাসের সুযোগ নিয়েই এমন বড়সড় হাতসাফাইয়ের ছক কষছিলেন তিনি! মায়ের ২৫ লক্ষ টাকার গয়না ও ঘড়ি হাতানোর অভিযোগে গ্রেফতার পরিবারের এক ঘনিষ্ঠ সদস্য। ঠিক কী ঘটেছে? কী জানাচ্ছে পুলিশ?

রবিনার বাড়ি থেকে লাখ লাখ টাকার গয়না চুরি!
কীভাবে আস্থা অর্জন করেছিলেন অভিযুক্ত?


বলিউড তারকা রবিনা ট্যান্ডনের বাড়িতে চুরি! আপন ভেবে যাঁকে বাড়িতে জায়গা দিয়েছিলেন, সেই ‘কাছের মানুষ’-ই যে এমন বিশ্বাসঘাতকতা করবেন, তা হয়তো ঘুণাক্ষরেও ভাবতে পারেননি রবিনা ট্যান্ডন ও তাঁর পরিবার। অভিনেতার মায়ের ২৫ লক্ষ টাকার গয়না ও বহুমূল্য ঘড়ি চুরি করার অভিযোগে এক মহিলাকে গ্রেফতার করল মুম্বইয়ের জুহু পুলিশ।



সময় দিত, সঙ্গ দিত…’, ঠিক কী চক্র চালাতেন ইন্দ্রনীল সেন? পর্দাফাঁস করতে এবার মুখ্যমন্ত্রীর কাছে দুই গায়িকা

শুক্র ও রবিতে ব্যাপক বৃষ্টি বাংলায়, বর্ষা নিয়ে সুখবর দিল হাওয়া অফিস
কীভাবে আস্থা অর্জন করেছিলেন অভিযুক্ত?


পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্তের নাম রাশি ছাবরিয়া। ৪৭ বছর বয়সি এই মহিলা ২০২০ সাল থেকে রবিনা ট্যান্ডনদের বাড়িতে নিয়মিত যাতায়াত করতেন। দীর্ঘ চার বছর ধরে অভিনেত্রীর মায়ের সেবাযত্ন করে ধীরে ধীরে গোটা পরিবারের আস্থা অর্জন করে নিয়েছিলেন তিনি। রবীনার মায়ের প্রায় ছায়াসঙ্গী হয়ে উঠেছিলেন রাশি। কিন্তু কে জানত, সেই বিশ্বাসের সুযোগ নিয়েই এমন বড়সড় হাতসাফাইয়ের ছক কষছিলেন তিনি! কারও মনে কোনও সন্দেহ তৈরি না করেই দিনের পর দিন এই কাণ্ড ঘটিয়েছেন ওই মহিলা।

ঠিক কী ঘটেছিল? পুলিশ জানিয়েছে, ওই অভিযুক্ত মহিলা রবিনার মায়ের ঘরের লকার ভেঙে সোনার ও হিরের গয়নাসমেত দু’টি অত্যন্ত দামি ঘড়ি চুরি করেন। সব মিলিয়ে খোয়া গিয়েছে প্রায় ২৫ লক্ষ টাকার সম্পত্তি। লকার থেকে বহুমূল্য সামগ্রী উধাও হতে দেখে প্রথমে পরিবারের সদস্যদের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে। স্বাভাবিকভাবেই বাড়ির সবথেকে কাছের পরিচারিকার ওপর সন্দেহ গিয়ে পড়ে পরিবারের। কিন্তু তাঁকে এ বিষয়ে প্রথমবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি পুরো বিষয়টিই অস্বীকার করেন। তিনি জানান যে, এই চুরির বিষয়ে তাঁর কাছে কোনও খবর নেই এবং তিনি কখনও লকারের ধারেকাছেও যাননি।

রাশির বয়ানে রবিনার পরিবারের সন্দেহ আরও গাঢ় হয়। উপায় না দেখে সোজা জুহু পুলিশের দ্বারস্থ হন তাঁরা। সেখানে একটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করা হয়। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ অভিযুক্ত রাশিকে আটক করে। লাগাতার পুলিশি জেরার মুখে পড়ে শেষমেশ ভেঙে পড়েন তিনি। পুলিশের কাছে নিজের অপরাধ কবুল করে নেন ওই মহিলা।

ইতিমধ্যেই অভিযুক্তের কাছ থেকে চুরি যাওয়া কয়েকটি দামি ঘড়ি উদ্ধার করা গিয়েছে। তবে বাকি সোনার ও হিরের গয়না ঠিক কোথায় লুকিয়ে রাখা হয়েছে, তা জানতে জোরদার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। বলিউড তারকাদের বাড়িতে চুরির ঘটনা অবশ্য নতুন কিছু নয়। তবে দীর্ঘদিনের পরিচিত ও বিশ্বাসভাজন কারও এমন কীর্তিতে স্বাভাবিকভাবেই বেশ হতবাক রবিনা ও তাঁর পরিবার। আপাতত পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন ওই অভিযুক্ত। জুহু পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, খুব দ্রুতই বাকি গয়না উদ্ধার করা সম্ভব হবে।

 মাদক কাণ্ডে যখন নাম জড়িয়েছিল শাহরুখ খানের ছেলে আরিয়ান খানের, তখন তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন রিয়া চক্রবর্তী। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই কঠিন সময়ের স্মৃতি হাতড়ালেন অভিনেত্রী। কী কী বলেছেন অভিনেত্রী?


শাহরুখ পুত্রের কাছে এই জন্যই ছুটে গিয়েছিলাম', আরিয়ানকে নিয়ে কোন কথা প্রকাশ্যে আনলেন রিয়া?
কী বলেছেন রিয়া?



শাহরুখ খান (Shah Rukh Khan)-এর জীবনের অন্যতম অন্ধকার অধ্যায় ছিল ছেলে আরিয়ান খানের মাদক মামলায় জড়িয়ে পড়া। গোটা দেশ যখন কিং খানের পরিবারকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছিল, ঠিক তখনই আরিয়ানের দিকে সহানুভূতির হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন একজন। তিনি আর কেউ নন, খোদ রিয়া চক্রবর্তী। সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর যিনি নিজে তীব্র মিডিয়া ট্রায়াল এবং সামাজিক লাঞ্ছনার শিকার হয়েছিলেন, তিনি আরিয়ানের এই চরম দুর্দশা দেখে নিজেকে ধরে রাখতে পারেননি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রিয়া খোলসা করেছেন সেই অজানা অধ্যায়, যা আগে কখনও সামনে আসেনি।



 জাভেদের হাটে হাঁড়ি ভেঙেছিলেন শুভেন্দু, জানেন সেই হাঁড়ি কত বড়?
মাদক কাণ্ডে আরিয়ানের গ্রেফতারি রিয়াকে তাঁর নিজের ফেলে আসা দিনগুলোর কথা মনে করিয়ে দিয়েছিল। রিয়া জানিয়েছেন, আরিয়ান যখন ওই কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন দূর থেকে সেটা দেখা তাঁর পক্ষে অত্যন্ত কষ্টকর ছিল। অভিনেত্রীর কথায়, “পুরো ঘটনাটা আমার নিজের জীবনের সঙ্গে হুবহু মিলে গিয়েছিল। সত্যি বলতে, আমার থেকেও আমার ভাই শৌভিকের কাহিনীর সঙ্গে আরিয়ানের ঘটনার বেশি মিল ছিল। এমনকি ওদের দুজনের চেহারার মধ্যেও একটা অদ্ভুত সাদৃশ্য রয়েছে।” রিয়া স্পষ্ট জানান, আরিয়ানের ওই অসহায়তা দেখে তিনি চুপ করে থাকতে পারেননি, সরাসরি তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন।

সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর তীব্র ট্রমা ও সামাজিক লাঞ্ছনার শিকার হয়েছিলেন রিয়া চক্রবর্তী। চার বছরের থেরাপি কীভাবে তাঁর জীবন বদলে দিল? কীভাবে তিক্ততা ভুলে আবারও ভালোবাসায় বিশ্বাস করতে শিখলেন রিয়া? পড়ুন বিস্তারিত।


 অতীত ভুলে মন খুলে ভালোবাসতে চান, কার কথা বললেন রিয়া?
কী বলেছেন অভিনেত্রী?


রিয়া চক্রবর্তী (Rhea Chakraborty)-র জীবন ওলটপালট হয়ে গিয়েছিল ২০২০ সালে। অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর সামাজিক মাধ্যমের তীব্র আক্রমণ, আইনি টানাপোড়েন আর ট্রমার মুখোমুখি হতে হয়েছিল তাঁকে। কিন্তু সেই কঠিন সময় পেরিয়ে, দীর্ঘ চার বছরের থেরাপির সাহায্যে নিজেকে নতুন করে চিনেছেন তিনি। এক সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে রিয়া অকপটে জানিয়েছেন, এত কিছুর পরেও তিনি জীবন থেকে হারিয়ে যাননি, বরং এখনও ভালোবাসায় বিশ্বাস করেন।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রিয়া তাঁর জীবনের এই পরিবর্তনের কথা শেয়ার করেছেন। তিনি এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি পরিণত। মজার ছলে রিয়া বলেন, “আমার বন্ধুরা ইয়ার্কি করে বলে, আমি নাকি ৩৩ বছরের একটা শরীরে আস্ত এক ৮০ বছরের বৃদ্ধা! কারণ, এই অল্প বয়সে আমি যা যা দেখেছি, তা হয়তো অনেকেই সারাজীবনে ভাবতেও পারেন না।” জীবনের এই নির্মম অভিজ্ঞতাগুলো তাঁকে পুরোপুরি বদলে দিয়েছে। তবে কোনও তিক্ততা বা ক্ষোভকে মনের মধ্যে পুষে রাখতে চাননি তিনি। রাগ বা অভিমান কখনও সখনও হলেও, থেরাপির মাধ্যমে তিনি সেই অন্ধকার কাটিয়ে উঠেছেন।

 ‘একবার নয়, চার বার বলেছিলেন…’, চাপ বাড়ছে রচনার
৪ বছরের থেরাপি ও ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই

ট্রমা কীভাবে একজন মানুষের স্বাভাবিক জীবন কেড়ে নিতে পারে, তা রিয়া খুব ভালো করেই জানেন। তবে নিজেকে সেই অন্ধকারের গ্রাসে সঁপে দিতে চাননি এই অভিনেত্রী। রিয়ার কথায়, “গত চার বছর ধরে আমি নিয়মিত থেরাপি করাচ্ছি। এই থেরাপির সাহায্যেই আমি বুঝতে পারছি যে আমি ঠিক কোন দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। ট্রমা যাতে আমার ব্যক্তিত্বকে গ্রাস করতে না পারে, সেই লড়াইটাই চালিয়ে যাচ্ছি। আমি এখনও দয়ালু হতে চাই, এখনও ভালোবাসায় বিশ্বাস রাখতে চাই। এই পৃথিবী কেন শুধু আমাকেই এই কষ্টের জন্য বেছে নিল, এই ভেবে বসে থাকতে আমি রাজি নই। আমি কেবলই একজন সাধারণ মেয়ে, যে নিজের মতো করে বাঁচতে চায়, কাজ করতে চায়।”

২০২০ সালের সেই ভয়াবহ ঝড়ের পর রিয়ার কাছের মানুষের বৃত্তটা অনেকটাই বদলে গিয়েছে। তিনি মনে করেন, তিনি বন্ধুদের বেছে নেননি, বরং বন্ধুবান্ধবরাই তাঁকে বেছে নিয়েছে। জীবনের কঠিনতম সময়ে যাঁরা তাঁর হাত ছাড়েনি, আজ তাঁদেরই সবচেয়ে বেশি বিশ্বাস ও ভালোবাসেন রিয়া। তিনি আরও জানান, তিনি শুধু রোমান্টিক দিক থেকেই নয়, সার্বিকভাবেই আরও মন খুলে মানুষকে ভালোবাসতে চান, যদিও পুরোপুরি সেই জায়গায় পৌঁছতে এখনও হয়তো কিছুটা সময় লাগবে।

প্রসঙ্গত, সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর রিয়াকে মাদক মামলায় জড়িয়ে গ্রেপ্তার করেছিল এনসিবি। পরে তিনি জামিন পেলেও দীর্ঘ সময় নানা আইনি বিধিনিষেধের মধ্যে কাটাতে হয়েছে। তবে ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে রিয়া প্রমাণ করে দিলেন, ট্রমা যতই গভীর হোক না কেন, সঠিক মানসিক যত্ন আর থেরাপির সঙ্গে জীবনের মূল স্রোতে আবারও ফেরা সম্ভব।

ককটেল ২’ ছবির ট্রেলার মুক্তি পেতেই তোলপাড় বলিপাড়া। সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া ছবির ৩ মিনিটের ঝলকটি দেখেই নেটপাড়ায় শুরু হয়েছে তুমুল হইচই। ট্রেলার রিলিজের পর থেকেই শুরু হল এক চরম চর্চা। প্রেম আর বন্ধুত্বের পুরনো ফর্মুলাকে এক ঝটকায় ওলটপালট করে দিয়ে ট্রেলারটি এখন সোশাল মিডিয়ায় মারাত্মক ট্রেন্ডিং। কত পারিশ্রমিক নিয়েছেন তারকারা?



শাহরুখ খান (Shah Rukh Khan) ১৯৯৮ সালে ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’ ছবিতে যখন বলেছিলেন “প্যায়ার দোস্তি হ্যায়”, তখন থেকে জেনারেশনের পর জেনারেশন ওই এক লাইনেই প্রেমের ব্যাকরণ খুঁজে পেয়েছিল। দীর্ঘ আড়াই দশক ধরে সেই রাহুল-অঞ্জলির রসায়নই ছিল বলিউডের প্রেমের শেষ কথা, যা সিনেমাপ্রেমীরা কখনও ভুলবেন না। কিন্তু ২০২৬ সালের জেন-জি (Gen-Z) জমানায় দাঁড়িয়ে সেই চিরন্তন সত্যিতেই এবার বড়সড় ঝটকা দিল হোমি আদাজানিয়ার নতুন ছবি ‘ককটেল ২’। সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া ছবির ৩ মিনিটের ঝলকটি দেখেই নেটপাড়ায় শুরু হয়েছে তুমুল হইচই। ট্রেলার রিলিজের পর থেকেই শুরু হল এক চরম চর্চা। প্রেম আর বন্ধুত্বের পুরনো ফর্মুলাকে এক ঝটকায় ওলটপালট করে দিয়ে ট্রেলারটি এখন সোশাল মিডিয়ায় মারাত্মক ট্রেন্ডিং।

কৃতি-রশ্মিকার ‘সমকামী প্রেম’ নাকি স্রেফ ব্রোম্যান্সের উল্টো পিঠ?



ছবিতে প্রধান পুরুষ চরিত্র ‘কুনাল’-এর ভূমিকায় অভিনয় করছেন শাহিদ কাপুর। ট্রেলারে তাঁর একটি সংলাপকে কেন্দ্র করেই মূলত আলোচনার সূত্রপাত। শাহিদকে বলতে শোনা যায়, নতুন সম্পর্কে সবকিছুই খুব মজার মনে হয়, কিন্তু সমস্যা তখনই হয় যখন প্রেমটা বন্ধুত্বের মতো মনে হতে শুরু করে, আর বন্ধুত্বটা প্রেমের সঙ্গে গুলিয়ে যায়। শাহিদের এই জটলা পাকানো কথা শেষ হওয়ার আগেই বোমাটি ফাটান নায়িকা কৃতি স্যানন। তিনি সটান প্রশ্ন করেন, “লাইক আ থ্রি-সাম?” (Threesome)।

এর পরেই গল্পে এন্ট্রি নেয় রশ্মিকা মন্দানার চরিত্রটি। ট্রেলারে তিন জনের এই ঘনিষ্ঠতা দেখে ইতিমধ্যেই ফিসফাস শুরু হয়েছে যে, ছবিতে কি তবে কৃতি ও রশ্মিকার মধ্যে কোনও সমকামী সম্পর্ক দেখানো হতে চলেছে? যদিও পরিচালক হোমি আদাজানিয়া স্পষ্ট জানিয়েছেন, দুই নায়িকার মধ্যে কেবল গভীর বন্ধুতাই রয়েছে, কোনও সমকামী গল্প নেই। এই গুঞ্জনে কৃতি নিজেও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, দুটো ছেলের ভাল বন্ধুত্ব হলে তাকে ‘ব্রোম্যান্স’ বলা হবে, আর দুটো মেয়ের ভাল বন্ধুত্ব যেন হতেই পারে না!

পারিশ্রমিকের অঙ্কে চমক: কার পকেটে কত গেল?

সম্পর্ক নিয়ে এই চর্চার পাশাপাশি ছবির বাজেট ও তারকাদের পারিশ্রমিক নিয়েও ইন্ডাস্ট্রিতে জোর আলোচনা চলছে। জানা গিয়েছে, পুরো ছবিটি তৈরি করতে খরচ হয়েছে মোট ৮০ কোটি টাকা, যার একটি বড় অংশই চলে গিয়েছে তিন প্রধান তারকার পকেটে। ওটিটি দুনিয়ায় ‘ফরজ়ি’ সিরিজ়ের অভাবনীয় সাফল্যের পর থেকেই শাহিদের পারিশ্রমিকের গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী। এই ছবির জন্য তিনি একাই হাঁকিয়েছেন ৩৫ কোটি টাকা। অন্যদিকে গ্ল্যামারাস ও বোল্ড চরিত্রে অভিনয়ের জন্য কৃতি স্যানন নিয়েছেন ১৫ কোটি টাকা। বক্স-অফিস সফল অভিনেত্রী হিসেবে রশ্মিকা মান্দানাও ছবির জন্য সমপরিমাণ অর্থাৎ ১৫ কোটি টাকাই পারিশ্রমিক নিয়েছেন।

২০১২ সালের সুপারহিট ‘ককটেল’ ছবির এই সিক্যুয়েলটি নিয়ে দর্শকদের প্রত্যাশা আকাশছোঁয়া হলেও নেটপাড়ার একাংশ অবশ্য এখনই মন্তব্য করতে শুরু করেছেন, সাইফ আলি খানের সেই স্বভাবজাত পাগলামিটা শাহিদের অভিনয়ে কোথাও যেন একটু মিসিং। তবে ভারী দেশপ্রেম বা মারকাটারি অ্যাকশনের বাইরে গিয়ে এই ছবি যে দর্শকদের এক হালকা মেজাজের বিনোদন দেবে, সেই আশা করাই যায়। আগামী ১৯ জুন প্রেক্ষাগৃহে ছবিটি মুক্তি পাওয়ার পরেই পরিষ্কার হবে বক্স অফিসের আসল সমীকরণ।


তৃতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন আমির খান? প্রেমিকা গৌরী স্প্র্যাটের সঙ্গে মিস্টার পারফেকশনিস্টের ছাদনাতলায় বসার গুঞ্জনে তোলপাড় বলিপাড়া। কোনও রকম আড়ম্বর ছাড়াই অত্যন্ত ছিমছাম এবং ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে চার হাত এক হতে চলেছে এই জুটির।

হ্যাট্রিক! শেষমেশ করেই ফেললেন আমির
কবে বিয়ে?


শাহরুখ খান (Shah Rukh Khan) এবং সলমন খানের মতো মেগাস্টাররা কি আগামী ৫ জুলাই চাঁদের হাট বসাতে চলেছেন মুম্বইয়ের কোনও এক গোপন জলসায়? বলিপাড়ার অন্দরে কান পাতলে এখন এই একটি প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে। আর এই জল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন বলিউডের ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’ আমির খান। বিটাউনের জোরালো গুঞ্জন, দীর্ঘদিনের প্রেমিকা গৌরী স্প্র্যাটের গলায় এবার মালা দিতে চলেছেন অভিনেতা। রীনা দত্ত এবং কিরণ রাওয়ের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্কে ইতি টানার পর, আমির কি তবে জীবনে বিয়ের হ্যাটট্রিকটি সেরেই ফেলছেন? একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কোনও রকম আড়ম্বর ছাড়াই অত্যন্ত ছিমছাম এবং ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে চার হাত এক হতে চলেছে এই জুটির।




মমতার দীর্ঘদিনের 'সঙ্গী' জাভেদ কেন শিবির বদল করলেন?
আমির খান এবং গৌরী স্প্র্যাটের রসায়ন কিন্তু এক রাতের গল্প নয়। গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের মার্চ মাসে নিজের ৬০তম জন্মদিনের উদযাপনে প্রথমবার গৌরীর হাত ধরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছিলেন অভিনেতা। তখনই খোলসা করেছিলেন, তাঁরা তার আগের ১৮ মাস ধরে চুটিয়ে প্রেম করছেন। তবে আসল চমক ছিল অন্য জায়গায়। আমির জানিয়েছিলেন, তাঁরা একে অপরকে চেনেন প্রায় ২৫ বছর ধরে! জীবনের একটা বড় সময় বন্ধু হিসেবে কাটানোর পর, সেই গভীর বন্ধনই রূপ নিয়েছে ভালোবাসায়। বেশ কিছু দিন ধরে তাঁরা এক ছাদের তলায় থাকছেন বলেও খবর। এবার সেই লিভ-ইন সম্পর্ককেই আইনি সিলমোহর দিতে চলেছেন আমির।


চলতি বছরের শুরুর দিকে এক সাক্ষাৎকারে আমির নিজেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তাঁর এই নতুন জীবন নিয়ে। অভিনেতা জানিয়েছিলেন, গৌরী তাঁর জীবনে আসার পর এক অদ্ভুত মানসিক শান্তি এবং স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে। অনুরাগীদের কৌতুহল বাড়িয়ে আমির এও বলেছিলেন যে, তিনি মনে মনে গৌরীর সঙ্গে বিয়েটা অনেক আগেই সেরে ফেলেছেন, এবার শুধু কাগজে-কলমে সিলমোহর পড়ার অপেক্ষা। আর সেই শুভক্ষণ নাকি আসন্ন জুলাইয়েই। যদিও বিয়ের খবরটি নিয়ে আমির বা গৌরী এখনও পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি।

ডিজিটাল দুনিয়ায় এই খবর চাউর হতেই অনুগামীদের মধ্যে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। সবার নজর এখন আমন্ত্রিতদের তালিকার দিকে। নেটিজেনরা ইতিউতি খোঁজ নিচ্ছেন, আমিরের এই বিশেষ দিনে শাহরুখ-সলমনের পাশাপাশি তাঁর দুই প্রাক্তন স্ত্রী রীনা দত্ত এবং কিরণ রাও কি উপস্থিত থাকবেন? কারণ বিবাহবিচ্ছেদ হলেও আমির তাঁর দুই প্রাক্তনের সঙ্গেই অত্যন্ত সুমধুর সম্পর্ক বজায় রেখে চলেন। এখন ৫ জুলাইয়ের অপেক্ষায় রয়েছেন ভক্তরা।

 ‘ডন ৩’ ছবি থেকে সরে দাঁড়ানোয় অভিনেতা রণবীর সিংহের উপর জারি হওয়া ‘নিষেধাজ্ঞা’ বা অসহযোগিতার নির্দেশ তুলে নিল এফডব্লিউআইসিই (FWICE)। আইনি নোটিস এবং একাধিক গিল্ডের মধ্যস্থতায় কাটল জট।


রণবীরের ওপর থেকে সরল নিষেধাজ্ঞা! কীভাবে বাজিমাত করলেন বাজিরাও?
আইনি নোটিস এবং একাধিক গিল্ডের মধ্যস্থতায় 

বলিউড অভিনেতা রণবীর সিং (Ranveer Singh) ‘ডন ৩’ (Don 3) ছবি থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার পর থেকেই তাঁর কেরিয়ারের আকাশে ঘনিয়ে আসছিল মেঘ। ফারহান আখতারের বিগ বাজেট ছবি মাঝপথে ছেড়ে দেওয়ার ‘অপরাধে’ অভিনেতার বিরুদ্ধে অসহযোগিতার ডাক বা অলিখিত ‘নিষেধাজ্ঞা’ জারি করেছিল ফেডারেশন অফ ওয়েস্টার্ন ইন্ডিয়া সিনে এমপ্লয়িজ় (FWICE)। কিন্তু রণবীরও দমবার পাত্র নন! পাল্টা আইনি চিঠি পাঠাতেই দাবার ছক উল্টে গিয়েছে ৩৬০ ডিগ্রি। পিছু হটে অভিনেতার উপর থেকে তড়িঘড়ি সমস্ত নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে বাধ্য হল ফেডারেশন।


ঠিক কী এমন ঘটেছিল, যা নিয়ে এত বড় তুলকালাম? গত ২৫ মে পরিচালক ফারহান আখতার এবং তাঁর সহযোগী প্রযোজক রীতেশ সিধওয়ানি ইন্ডিয়ান ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ডিরেক্টরস অ্যাসোসিয়েশনে (IFTDA) রণবীরের বিরুদ্ধে একটি মোক্ষম অভিযোগ দায়ের করেন। জনপ্রিয় ‘ডন’ ফ্র্যাঞ্চাইজির চতুর্থ পর্বের প্রি-প্রোডাকশনের কাজ গত তিন বছর ধরে চলছে, অথচ এখনও ফ্লোরে শুটিং শুরু করা যায়নি। প্রযোজকদের দাবি, ইতিমধ্যে ছবির পিছনে ৪৫ কোটি টাকারও বেশি বিপুল অঙ্কের টাকা খরচ হয়ে গিয়েছে! এই অভিযোগের ভিত্তিতেই ফেডারেশন অভিনেতার বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিয়েছিল। তবে পরিস্থিতি বদলে গেল ইন্ডিয়ান মোশন পিকচার প্রোডিউসার্স অ্যাসোসিয়েশন (IMPPA), প্রোডিউসার্স গিল্ড অফ ইন্ডিয়া এবং সিনে অ্যান্ড টিভি আর্টিস্টস অ্যাসোসিয়েশনের (CINTAA) যৌথ মধ্যস্থতায়।



মমতার দীর্ঘদিনের 'সঙ্গী' জাভেদ কেন শিবির বদল করলেন?
সংগঠনের পক্ষ থেকে একটি অফিসিয়াল বার্তায় স্পষ্ট জানানো হয়েছে, “ইমপা, প্রোডিউসার্স গিল্ড এবং সিআইএনটিএএ-র বিশেষ অনুরোধে আমরা অবিলম্বে আমাদের অসহযোগিতার নির্দেশ প্রত্যাহার করে নিচ্ছি।” ফেডারেশনের এই আকস্মিক পিছু হটাকে অনেকেই রণবীরের আইনি চালের কাছে বড়সড় পরাজয় হিসেবে দেখছেন। তবে ফেডারেশন সভাপতি বিএন তিওয়ারি অবশ্য মানতে নারাজ যে তাঁরা মাথা নোয়ালেন। বেশ মুচকি হেসেই সাংবাদিকদের তিনি জানিয়েছেন, “বিষয়টি মোটেও জয়-পরাজয়ের নয়। রণবীরের আইনি নোটিসের জবাব আমাদের আইনজীবীরা যথাসময়ে দিয়ে দেবেন। তবে প্রযোজক, পরিচালক কিংবা অভিনেতা, কারও যাতে কোনও সমস্যা না হয়, সেই মঙ্গল চেয়েই সবার অনুরোধে আমরা বৈঠকে বসেছিলাম এবং এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।” অর্থাৎ, ‘ডন’-এর স্টাইলেই ডন থ্রি-র রফা হল বলা চলে!


গোটা বিতর্কে এত দিন বিলক্ষণ মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন বলিউডের এই ‘বাজিরাও’। অবশেষে নীরবতা ভেঙেছেন তিনি। রণবীরের টিমের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বিনোদন দুনিয়া এবং ইন্ডাস্ট্রির প্রত্যেকটি মানুষের প্রতি তাঁর গভীর শ্রদ্ধা ও ইতিবাচক ভাবনা রয়েছে। তিনি মনে করেন, পেশাদার জীবনের যে কোনও সমস্যা বা আলোচনা ব্যক্তিগত স্তরে, পারস্পরিক শ্রদ্ধার সঙ্গে মিটিয়ে নেওয়াই শ্রেয়। কাদা ছোঁড়াছুড়ির পথে না হেঁটে, আইনি প্যাঁচেই আপাতত কেল্লাফতে করলেন অভিনেতা।




 আসন্ন ছবি 'হ্যায় জওয়ানি তো ইশক হোনা হ্যায়'-এর মুক্তির আগে মন্দিরে পুজো দিতে গিয়ে চরম ট্রোলড হলেন বলিউড অভিনেতা বরুণ ধাওয়ান। শর্টস ও স্যান্ডো গেঞ্জি পরে মন্দিরে যাওয়ায় তাঁর শালীনতা ও সংস্কার নিয়ে প্রশ্ন তুলল নেটপাড়া।

এটা শোওয়ার ঘর নয়', স্যান্ডো গেঞ্জি ও শর্টস পরে মন্দিরে ঢুকতেই তুমুল কটাক্ষের মুখে বরুণ
ডিজিটাল দুনিয়ায় এই নিয়ে এখন জোরদার চর্চা চলছে।


বরুণ ধাওয়ান (Varun Dhawan) যখনই ক্যামেরার সামনে আসেন, তখনই তাঁর স্টাইল স্টেটমেন্ট নিয়ে চর্চা শুরু হয়ে যায়। কিন্তু এবার তিনি রুপোলি পর্দার বাইরে যা করলেন, তা দেখে প্রশংসার বদলে ধেয়ে এল তীব্র কটাক্ষ। নিজের আসন্ন এবং বহু প্রতীক্ষিত ছবি ‘হ্যায় জওয়ানি তো ইশক হোনা হ্যায়’-এর বক্স অফিস সাফল্যের কামনায় পুজো দিতে মন্দিরে গিয়েছিলেন অভিনেতা। কিন্তু ভগবানের দরবারে তাঁর পোশাক নির্বাচন দেখেই নেটপাড়ার চোখ রীতিমতো চড়কগাছে। শর্টস আর সাধারণ একটা স্যান্ডো গেঞ্জি পরে সোজা মন্দিরে ঢুকে পড়েছেন বরুণ! আর সেই ভিডিয়ো সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই শুরু হয়েছে তুমুল ট্রোলের বন্যা। ডিজিটাল দুনিয়ায় এই নিয়ে এখন জোরদার চর্চা চলছে।


তারকাদের বিমানবন্দর থেকে শুরু করে জিম, সর্বত্রই পোশাক থাকে লাইমলাইটে। কিন্তু মন্দিরের মতো পবিত্র স্থানে যাওয়ার জন্য কোনও নির্দিষ্ট শালীনতা বজায় রাখা উচিত কি না, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। ভাইরাল হওয়া ভিডিয়োটিতে দেখা গিয়েছে, বরুণ অত্যন্ত ক্যাজুয়াল লুকে মন্দিরের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। পরনে একটি ঢিলেঢালা হাফ প্যান্ট এবং সাদা রঙের সাধারণ গেঞ্জি, যা সাধারণত বাড়িতে আরাম করার জন্যই মানুষ ব্যবহার করে থাকে। নতুন ছবির সাফল্যের প্রার্থনা হয়তো মন থেকেই ছিল, কিন্তু তারকার এমন পোশাকের সঙ্গে একাত্ম হতে পারছেন না অনুরাগীদের একাংশ। অনেকেরই দাবি, বলিউড তারকারা হয়তো ভুলেই গিয়েছেন যে মন্দির আর জিমের তফাতটা ঠিক কী!




ভিডিয়োটি প্রকাশ্যে আসতেই কমেন্ট বক্সে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন নেটিজেনরা। অনেকেই সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন, “মন্দিরে যাওয়ার এটা কোন ধরনের ভদ্রতা?” কেউ আবার লিখেছেন, “টাকা-পয়সা অনেক হতে পারে, কিন্তু সংস্কার আর শালীনতাও একটা বড় বিষয়। এটা পুজো দেওয়ার জায়গা, জিম বা শোওয়ার ঘর নয়।” ভারতীয় সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যের দোহাই দিয়ে অনেকেই বরুণকে ধর্মীয় স্থানে যাওয়ার সময় শালীন পোশাক পরার পরামর্শ দিয়েছেন। কারও কারও মতে, সাধারণ মানুষ যাদের আইকন বলে মনে করে, তাঁদের পোশাকে ও আচরণে আরও একটু দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন।

চলতি বছরেই মুক্তি পাওয়ার কথা ‘হ্যায় জওয়ানি তো ইশক হোনা হ্যায়’ ছবিটির। বরুণের কেরিয়ারের গ্রাফের জন্য এই প্রজেক্টটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ছবি মুক্তির আগে তারকাদের মন্দিরে যাওয়া বা ঈশ্বরের আশীর্বাদ নেওয়া নতুন কোনও ঘটনা নয়। কিন্তু ঈশ্বরের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের এই চেষ্টায় পোশাকের এমন বিচ্যুতি শেষ পর্যন্ত ছবির প্রচারে উল্টো প্রভাব ফেলবে কি না, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। ট্রোলিং যতই হোক না কেন, বরুণের এই ‘মন্দির লুক’ নেটদুনিয়ায় ঝড় তুলেছে। এখন দেখার, এই বিতর্ক নিয়ে অভিনেতা নিজে কোনও প্রতিক্রিয়া দেন, নাকি স্রেফ চুপ থেকেই পরিস্থিতি সামাল দেন।


তৃতীয়বার বিয়ে করতে চলেছেন আমির খান? প্রেমিকা গৌরীর সঙ্গে বিয়ের গুঞ্জনের মাঝেই নেটপাড়ায় নতুন করে ভাইরাল অভিনেতার বয়ান। প্রেমিকাকে নিয়ে কী বললেন আমির? সম্পর্ক প্রেম বিয়ে নিয়ে অকপট আমির।

 'বিয়ে করেই ফেলেছি', গৌরীকে নিয়ে কী বললেন আমির?


বলিউড সুপারস্টার আমির খান (Aamir Khan) কি তবে জীবনের ষাটোর্ধ্ব ইনিংসে এসে ফের ছাদনাতলায় বসতে চলেছেন? বিটাউনের অলিতে-গলিতে এখন কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে এক চরম চর্চিত জল্পনা— আগামী ৫ জুলাই নাকি দীর্ঘদিনের প্রেমিকা গৌরী স্প্র্যাটের সঙ্গে তৃতীয়বারের জন্য গাঁটছড়া বাঁধতে চলেছেন ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’। গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে তাঁরা একে অপরের সঙ্গে লিভ-ইন সম্পর্কে রয়েছেন। যদিও এই রাজকীয় বিয়ের খবরের ওপর এখনও পর্যন্ত কোনও অফিশিয়াল সিলমোহর বা আইনি ঘোষণা আসেনি, তবুও ভক্তকুলের মধ্যে উত্তেজনার পারদ এখন তুঙ্গে। তবে এই হাই-প্রোফাইল বিয়ের গুঞ্জনের মাঝেই ডিজিটাল দুনিয়ায় নতুন করে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে আমিরের একটি সাক্ষাৎকারের ভিডিয়ো। যেখানে গৌরীর প্রতি নিজের ভালোবাসার কথা প্রকাশ্যেই উগরে দিয়েছিলেন অভিনেতা।


সম্পর্কের কথা প্রথমবার জনসমক্ষে আনার পর, গত বছর আমিরকে এক সাক্ষাৎকারে প্রশ্ন করা হয়েছিল, খুব শীঘ্রই কি তবে সানাই বাজতে চলেছে? সেই সময়ে কোনো লুকোছাপা না করেই অভিনেতা সরাসরি জানিয়েছিলেন, গৌরীকে নিয়ে তিনি অত্যন্ত সিরিয়াস এবং তাঁরা খুব সুন্দর সম্পর্কের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। তিনি অকপটে বলেছিলেন, “বিয়ে শব্দটা… আসলে আমি মনে মনে তো ওর সঙ্গে বিয়ে করেই ফেলেছি। তাই আমরা এটাকে খাতায়-কলমে আইনি স্বীকৃতি দেব কি দেব না, সেটা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দুজনে মিলে ঠিক করব।” নিজের জীবনের একাকীত্ব নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এক পডকাস্টে আমির বেশ আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলেন। অভিনেতা স্বীকার করেছিলেন, “গৌরীর সঙ্গে আলাপ হওয়ার আগে মনে হচ্ছিল বয়সটা যেন বড্ড বেড়ে গিয়েছে। এই বয়সে এসে আর কাকে পাব! কিন্তু আমাদের আলাপটা ভাগ্যের লিখন ছিল। প্রথমে ভুল করে দেখা হওয়া, তারপর বন্ধুত্ব এবং কখন যে ভালোবাসা হয়ে গেল, বুঝতেই পারিনি।”



লন্ডন থেকে পাস, সুরেন্দ্রনাথ কলেজের 'কান কাটা' দেবুর ছেলের ঠিকুজি-কুষ্ঠি জানেন?
বেশ কিছুদিন ধরেই প্রচারের আলো থেকে আড়ালে রেখে নিজের এই সম্পর্ককে সযত্নে আগলে রেখেছেন আমির। তবে পারিবারিক অনুষ্ঠান বা সিনেমার স্পেশাল স্ক্রিনিংয়ে মাঝেমধ্যেই অভিনেতার পাশে দেখা মিলেছে গৌরীর। এখন বিভিন্ন বিনোদনমূলক সংবাদমাধ্যমের দাবি, অত্যন্ত গোপনে, ঘনিষ্ঠ আত্মীয় ও বন্ধুদের উপস্থিতিতে একটি ঘরোয়া অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই চার হাত এক হতে চলেছে।



করণ জোহরের মতে, সেই অন্ধ অনুকরণের দিন এখন অতীত। বর্তমান সময়ের দর্শকেরা পর্দায় তারকাদের দেখছেন ঠিকই, কিন্তু তাঁদের মতো করে সাজগোজ করার বা তাঁদের অন্ধভাবে অনুকরণ করার তাগিদ এখন আর কারও মধ্যে নেই। ফ্যাশনের চাবিকাঠি এখন আর শুধু তারকাদের হাতে আটকে নেই।


আলিয়া-করিনাকে টেনে বলিউড নিয়ে বিস্ফোরক করণ, হঠাৎ পরিচালকের কী হল?
আকাশ মিশ্র


আলিয়া ভাট কিংবা করিনা কাপুর খান— দুজনেই পরিচালক-প্রযোজক করণ জোহরের কতটা কাছের, তা আর নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। বিশেষ করে আলিয়ার প্রতি তাঁর অন্ধ স্নেহ নিয়ে বলিপাড়ায় প্রায়শই চর্চা চলে। স্বজনপোষণ থেকে শুরু করে বলিউডের প্রথম সারির অভিনেত্রীদের প্রতি পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ বরাবরই উঠেছে করণের বিরুদ্ধে। কিন্তু এবার সেই প্রিয় পাত্রীদের নিয়েই সম্পূর্ণ ভিন্ন এক সুর শোনা গেল করণের গলায়। অকপটে তিনি স্বীকার করে নিলেন, “এখনকার দিনে আর কেউ আলিয়া কিংবা করিনাদের মতো হতে চান না।”

একটা সময় ছিল যখন রুপোলি পর্দার তারকাদের ফ্যাশন আমজনতার জীবনযাত্রাকে আক্ষরিক অর্থেই নিয়ন্ত্রণ করত। মাধুরী দীক্ষিতের পরা চুড়িদার থেকে শুরু করে ‘তেরে নাম’ ছবিতে সলমন খানের সেই বিখ্যাত চুলের ছাঁট— পর্দায় যা-ই আসত, অনুরাগীরা হুবহু তা নকল করতেন। তারকাদের লিপস্টিকের শেড কিংবা পোশাকের ধরন দেখেই চলত দেশের ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি।


সিভিক ভলান্টিয়ার থেকে কাউন্সিলর, এবার পুলিশের জালে দেবরাজের 'ডান হাত' সম্রাট
তবে করণ জোহরের মতে, সেই অন্ধ অনুকরণের দিন এখন অতীত। বর্তমান সময়ের দর্শকেরা পর্দায় তারকাদের দেখছেন ঠিকই, কিন্তু তাঁদের মতো করে সাজগোজ করার বা তাঁদের অন্ধভাবে অনুকরণ করার তাগিদ এখন আর কারও মধ্যে নেই। ফ্যাশনের চাবিকাঠি এখন আর শুধু তারকাদের হাতে আটকে নেই।

এর পেছনের আসল কারণ হিসেবে করণ মানুষের মানসিকতার পরিবর্তনকেই তুলে ধরেছেন। তাঁর মতে, আজকের প্রজন্ম সেলিব্রিটিদের ছাঁচে নিজেদের না ঢেলে বরং নিজেদের স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখতে বেশি পছন্দ করেন।

করণের ভাষায়, “দর্শক তারকাদের অন্ধভাবে নকল করবেন, সেই যুগটা এখন পুরোপুরি চলে গিয়েছে। বর্তমান সময়ের মূল মন্ত্রই হলো নিজস্বতা। এখন কেউ আর করিনা, দীপিকা বা আলিয়া হতে চান না; বরং প্রত্যেকে নিজের মতো করে স্টাইল করতে চান। মানুষ এখন নিজস্বতা বা স্বকীয়তার জন্যই খরচ করতে রাজি।”

বলিউডের এই নামী পরিচালক আসলে মেনে নিয়েছেন যে, আজকের দিনে নায়ক-নায়িকাদের মতো হুবহু দেখতে হওয়াটা আর কোনো কৃতিত্বের বিষয় নয়। বরং সাধারণ মানুষ এখন নিজেদের চেনা গণ্ডির মধ্যেই নিজস্ব একটি ফ্যাশন স্টেটমেন্ট তৈরি করতে ভালোবাসেন এবং নিজেদের স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখাকেই বেশি গুরুত্ব দেন।


তাঁর অভিযোগ ছিল, প্রতীকের চরম দুর্দিনেও বাবা রাজ বব্বর বা তাঁর সৎ ভাইয়েরা কেউ এগিয়ে আসেননি, প্রতীককে তাঁরা কখনও মন থেকে আপন করে নিতে পারেননি। যদিও রাজ বব্বরের প্রথম পক্ষের কন্যা জুহি বব্বর এই দাবি উড়িয়ে দিয়ে জানান, প্রতীকের সঙ্গে তাঁর ভাই-বোনের সম্পর্ক অত্যন্ত মধুর এবং তাঁদের মধ্যে কোনও তিক্ততা নেই।
টাকা লাগলেই খোঁজ পড়ত! সৎ ভাই প্রতীককে নিয়ে বিস্ফোরক রাজ বব্বরের প্রথম ছেলে আর্য
আকাশ মিশ্র

জন্মের মাত্র কয়েক দিনের মাথায় মা স্মিতা পাটিলকে হারিয়েছিলেন ছেলে প্রতীক। মা-হারা সেই সদ্যোজাত বড় হয়েছেন এক বুক অভিমান নিয়ে। অভিনেতা প্রতীক বব্বরের দাবি, শৈশব থেকে শুরু করে জীবনের প্রতিটা কঠিন লড়াইয়ে তিনি খ্যাতনামী বাবা রাজ বব্বরকে পাশে পাননি, উল্টে জুটেছে চরম অবহেলা। বাবার প্রতি এই গভীর ক্ষোভ আর দূরত্ব থেকেই শেষমেশ নিজের পিতৃপরিচয় মুছে ফেলার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। ‘বব্বর’ পদবি ত্যাগ করে তিনি এখন ‘প্রতীক স্মিতা পাটিল’। শুধু তা-ই নয়, বছরদুয়েক আগে নিজের বিয়ের আসরেও ডাকেননি জন্মদাতাকে। এবার প্রতীককে নিয়ে মুখ খুললেন তাঁর সৎ ভাই তথা রাজ বব্বরের বড় ছেলে আর্য বব্বর। আর তাঁর সেই মন্তব্যে পারিবারিক ফাটল ও বিতর্কের আঁচ আরও তীব্র হল।

প্রতীকের বিয়ের পর তাঁর স্ত্রী প্রিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় প্রকাশ্যেই ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, প্রতীকের চরম দুর্দিনেও বাবা রাজ বব্বর বা তাঁর সৎ ভাইয়েরা কেউ এগিয়ে আসেননি, প্রতীককে তাঁরা কখনও মন থেকে আপন করে নিতে পারেননি। যদিও রাজ বব্বরের প্রথম পক্ষের কন্যা জুহি বব্বর এই দাবি উড়িয়ে দিয়ে জানান, প্রতীকের সঙ্গে তাঁর ভাই-বোনের সম্পর্ক অত্যন্ত মধুর এবং তাঁদের মধ্যে কোনও তিক্ততা নেই।


তবে জুহির সুর শোনা গেল না বড় ভাই আর্য বব্বরের গলায়। আর্য স্পষ্ট জানান, প্রতীকের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত কোনও শত্রুতা নেই এবং তিনি ভাইকে ভালোবাসেন। এমনকী বেশ কয়েকবার যোগাযোগের চেষ্টাও করেছিলেন। কিন্তু আর্যর দাবি, প্রথমবার বিবাহবিচ্ছেদের পর প্রতীক নিজেই পরিবারের সবার সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক চুকিয়ে দিয়েছিলেন।

আক্ষেপ ও ক্ষোভ মেশানো সুরে আর্য বলেন, “স্মিতা মায়ের (স্মিতা পাটিল) জন্য বাবা আমাদের এবং মাকে ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। অথচ আজ তাঁর ছেলেই বাবাকে নুন্যতম সম্মানটুকু দিচ্ছে না, এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।”

এখানেই শেষ নয়, প্রতীকের বিরুদ্ধে একপ্রকার স্বার্থপরতার অভিযোগ এনে আর্য আরও বলেন, “যখনই ওর আর্থিক সাহায্য বা টাকার প্রয়োজন হয়, একমাত্র তখনই ও বাবার খোঁজ করে। শুধু নিজের দরকারে বাবার পরিচয় ব্যবহার করবে, আর অন্য সময়ে বাবাকে সম্মান দেবে না— এটা মেনে নেওয়া যায় না। তবে ও যদি চায়, আমরা এখনও ওর সঙ্গে সম্পর্ক জোড়া লাগাতে রাজি। কিন্তু মনে হয়, প্রতীক নিজেই আর আমাদের সঙ্গে আগের মতো মিশতে চাইছে না।”

বব্বর পরিবারের এই কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি স্বাভাবিকভাবেই বলিপাড়ার অন্দরে নতুন করে চর্চার জন্ম দিয়েছে। একদিকে মায়ের স্মৃতিকে আঁকড়ে ধরে প্রতীকের একাকী লড়াই, অন্যদিকে রাজ বব্বরের প্রথম পক্ষের সন্তানদের পাল্টা দাবি— সব মিলিয়ে স্মিতা পাটিলের মৃত্যুর এত বছর পরও তাঁর পরিবারে ভাঙনের ক্ষত যে দগদগে, তা আর্যর কথাতেই স্পষ্ট।

বরাবরের মতো সামনের চুল দিয়ে মুখটি ফ্রেম করা থাকলেও, বাকি চুল খোলা রেখেছিলেন তিনি। অন্যদিকে, চলতি বছরের কানের দ্বিতীয় উপস্থিতিতে ঐশ্বর্য বেছে নিয়েছিলেন একটি গোলাপি রঙের পোশাক। তার পোশাকেও ছিল আরধ্যার মতোই একটি কেপ। পোশাকটি জুড়েই ছিল ফুল ও রুচিংয়ের কাজ।


আলিয়া মুম্বই ফিরতেই মেয়েকে নিয়ে কানে ঐশ্বর্য রাই বচ্চন, সঙ্গে গেলেন কে?
আকাশ মিশ্র | May 23, 2026 | 11:38 AM
প্রতি বছরই মা ঐশ্বর্যের হাত ধরে কান চলচ্চিত্র উৎসবে দেখা মেলে তার। তবে ২০২৬ সালের কান-এর মঞ্চ আরধ্যা বচ্চনের জন্য একটু বেশিই বিশেষ। কারণ, অবশেষে এই আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজস্ব ভঙ্গিমায় ডেবিউ করলেন তিনি। লরিয়াল প্যারিস (L’Oréal Paris)-এর বার্ষিক ‘লাইটস অন উইমেনস ওয়ার্থ’ অ্যাওয়ার্ডস অনুষ্ঠানে মা ঐশ্বর্য রাই বচ্চনের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন আরধ্যা। লাল গাউনে আরধ্যাকে যেমন উজ্জ্বল দেখাচ্ছিল, তেমনই গোলাপি পোশাকে বরাবরের মতোই মোহময়ী রূপ নিয়ে হাজির হন ঐশ্বর্য।


অনুষ্ঠানে আরধ্যার পরনে ছিল একটি লাল রঙের গাউন, যার সঙ্গে মিলিয়ে তিনি পরেছিলেন একটি জমকালো কেপ (Cape)। বরাবরের মতো সামনের চুল দিয়ে মুখটি ফ্রেম করা থাকলেও, বাকি চুল খোলা রেখেছিলেন তিনি। অন্যদিকে, চলতি বছরের কানের দ্বিতীয় উপস্থিতিতে ঐশ্বর্য বেছে নিয়েছিলেন একটি গোলাপি রঙের পোশাক। তার পোশাকেও ছিল আরধ্যার মতোই একটি কেপ। পোশাকটি জুড়েই ছিল ফুল ও রুচিংয়ের কাজ।


এবার শ্যামপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে গেরুয়া শিবিরের প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায়। তিনি যেমন অভিনেতা হিসাবে পরিচিত মুখ, তেমনই পাঁচ বছর ধরে গেরুয়া শিবিরের হয়ে বিধায়কের দায়িত্ব পালন করছেন। তবে এবার তাঁর নির্বাচনের কেন্দ্র বদল হয়েছে। শ্যামপুরে লড়ার সুযোগ পেয়েই 
হিরণ জানিয়েছিলেন, শ্যামপুরে তাঁর মায়ের শিকড়।


বিনা চিকিত্‍সায় মৃত বাবা-মা, 'মামারবাড়ি' শ্যামপুর নিয়ে হিরণ বললেন...


এবার শ্যামপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে গেরুয়া শিবিরের প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায়। তিনি যেমন অভিনেতা হিসাবে পরিচিত মুখ, তেমনই পাঁচ বছর ধরে গেরুয়া শিবিরের হয়ে বিধায়কের দায়িত্ব পালন করছেন। তবে এবার তাঁর নির্বাচনের কেন্দ্র বদল হয়েছে। শ্যামপুরে লড়ার সুযোগ পেয়েই TV9 বাংলাকে হিরণ জানিয়েছিলেন, শ্যামপুরে তাঁর মায়ের শিকড়। তাই সেই জায়গাকে তিনি মামারবাড়ি হিসাবেই দেখেন।


এবার এক ভিডিয়োতে শ্যামপুর নিয়ে বড় বার্তা দিলেন হিরণ। তিনি বললেন, ”প্রায় সকলেই জানেন, ১৯৯৭ সালে আমি বাবা আর মাকে হারিয়েছি। আমরা অত্যন্ত গরিব ছিলাম। হাসপাতালে বিনা চিকিত্‍সায় মারা গিয়েছেন বাবা-মা। শ্যামপুরে এসে আমি দেখেছি, এখানে কোনও সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতাল নেই। সেরকম কোনও রোগ হলে, প্রথমেই অন্য জায়গায় যেতে হয়। যাত্রা পথেই কত মানুষ চলে যান চিরকালের মতো। তাই এটা কথা দিচ্ছি, শ্যামপুরে সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতাল তৈরি করব।”



হিরণ বিধায়ক হলে যে এলাকার মানুষের চিকিত্‍সা সংক্রান্ত সমস্যার সুরাহা করার দায়িত্ব তিনি নেবেন, সেটাই স্পষ্ট তাঁর কথায়। হিরণ এটাও খোলসা করেছেন, সেখানে এমন কোনও ওষুধের দোকান নেই, যা সারা রাত খোলা থাকে। তাঁর কথায়, রাতে কোনও ওষুধের দরকার পড়লে, তখন নাজেহাল হয়ে যান এলাকার মানুষ। সেই কারণে এমন ওষুধের দোকানের ব্যবস্থা করবেন তিনি, যা সব সময়ে খোলা থাকবে, সেই কথা দিয়েছেন গেরুয়া শিবিরের প্রার্থী।


লক্ষণীয় শ্যামপুরে এর আগের বিধানসভা নির্বাচনে গেরুয়া শিবিরের প্রার্থী ছিলেন নায়িকা তনুশ্রী চক্রবর্তী। তিনি জয় ছিনিয়ে আনতে পারেননি সবুজ শিবিরের থেকে। এবার বিধানসভা নির্বাচনে হিরণের ফল কেমন হয়, তা দেখার অপেক্ষা।


লোটাস ডেভেলপার্সের অধীনে থাকা ট্রিক্সা রিয়েল এস্টেট প্রাইভেট লিমিটেডের কাছ থেকে এই ফ্ল্যাটগুলি কেনা হয়েছে। গত ২১ এপ্রিল এই লেনদেনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়, যার জন্য ২.১৬ কোটি টাকা স্ট্যাম্প ডিউটি এবং ৯০ হাজার টাকা রেজিস্ট্রেশন ফি জমা দেওয়া হয়েছে। এই চুক্তির সঙ্গে ছয়টি পার্কিং স্পটও পেয়েছেন তাঁরা।

শাহরুখ থাকছেন ভাড়া বাড়িতে, ম্যানেজার পূজা কিনলেন বিলাসবহুল ফ্ল্যাট! জানেন দাম কত?


মুম্বইয়ের অভিজাত এলাকা বান্দ্রায় নতুন ঠিকানা গড়লেন শাহরুখ খানের ব্র্যান্ড ম্যানেজার পূজা দাদলানি। সরকারি রেজিস্ট্রেশন নথি (CRE Matrix) অনুযায়ী, পূজা তাঁর স্বামী হিতেশ প্রকাশ এবং বাবা মোহন শিউরাম দাদলানির সঙ্গে মিলে কার্টার রোডে তিনটি প্রিমিয়াম অ্যাপার্টমেন্ট কিনেছেন। এই মেগা ডিলের মোট অর্থমূল্য প্রায় ৩৮.২১ কোটি টাকা।


কার্টার রোডের ‘বরুণ’ নামক একটি পুনর্নির্মাণ প্রকল্পের উঁচু তলায় এই তিনটি ফ্ল্যাট কিনেছেন তাঁরা। প্রতিটি ফ্ল্যাটের কার্পেট এরিয়া ১,৫১১.১৫ বর্গফুট এবং সঙ্গে রয়েছে ৮১.১৬ বর্গফুটের বিশাল ব্যালকনি। সব মিলিয়ে প্রায় ৪,৭৭৬ বর্গফুট এলাকা জুড়ে তাঁদের এই নতুন রাজপ্রাসাদ। লোটাস ডেভেলপার্সের অধীনে থাকা ট্রিক্সা রিয়েল এস্টেট প্রাইভেট লিমিটেডের কাছ থেকে এই ফ্ল্যাটগুলি কেনা হয়েছে। গত ২১ এপ্রিল এই লেনদেনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়, যার জন্য ২.১৬ কোটি টাকা স্ট্যাম্প ডিউটি এবং ৯০ হাজার টাকা রেজিস্ট্রেশন ফি জমা দেওয়া হয়েছে। এই চুক্তির সঙ্গে ছয়টি পার্কিং স্পটও পেয়েছেন তাঁরা।



পাবলিক প্রোফাইল খুব একটা সামনে না আনলেও, পূজা বিনোদন জগতের অন্যতম প্রভাবশালী নাম। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি শাহরুখ খানের ব্র্যান্ড এনডোর্সমেন্ট এবং পাবলিক অ্যাপিয়ারেন্স সামলাচ্ছেন। ২০২৩ সালে তাঁর আগের বাড়ির অন্দরসজ্জা যখন বদলে গিয়েছিল, তখন খোদ শাহরুখ খান সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন। উল্লেখ্য, পূজার সেই বাড়ির ভোল বদলে দিয়েছিলেন গৌরী খান স্বয়ং।


পূজা যখন ৩৮ কোটির বাড়ি কিনছেন, তখন শাহরুখ খান নিজে কিন্তু আপাতত ভাড়াবাড়িতে দিন কাটাচ্ছেন। তাঁর আইকনিক বাংলো ‘মন্নত’-এ মেরামতির কাজ চলায় গত বছর ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি খারে দুটি লাক্সারি ডুপ্লেক্স অ্যাপার্টমেন্ট লিজ নিয়েছেন। তিন বছরের জন্য সেই লিজে শাহরুখ খরচ করেছেন প্রায় ৮.৬৭ কোটি টাকা।

আর সেই সাফল্যের নেপথ্যে অন্যতম কারিগর হলেন ‘কমেডি কিং’ ডেভিড ধাওয়ান। সলমনের কেরিয়ারের অন্যতম সেরা ছবিগুলো এসেছে তাঁরই হাত ধরে। তবে ডেভিডের মতে, তাঁদের এই সম্পর্কের রসায়ন কেবল শুটিং সেটেই সীমাবদ্ধ নয়, তা ছড়িয়ে রয়েছে তাঁদের ব্যক্তিগত জীবনেও।

‘সলমন তো আসলে...’, ভাইজানের কোন স্বভাব ফাঁস করলেন ডেভিড ধাওয়ান?


নব্বইয়ের দশক থেকে শুরু করে বর্তমান সময় সলমন খান মানেই বক্স অফিসে ঝোড়ো হাওয়া। আর সেই সাফল্যের নেপথ্যে অন্যতম কারিগর হলেন ‘কমেডি কিং’ ডেভিড ধাওয়ান। সলমনের কেরিয়ারের অন্যতম সেরা ছবিগুলো এসেছে তাঁরই হাত ধরে। তবে ডেভিডের মতে, তাঁদের এই সম্পর্কের রসায়ন কেবল শুটিং সেটেই সীমাবদ্ধ নয়, তা ছড়িয়ে রয়েছে তাঁদের ব্যক্তিগত জীবনেও।


সম্প্রতি দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ডেভিড ধাওয়ান বলেন, “আমাদের সফরটা অনেক দিনের। আমরা একসঙ্গে আট-ন’টি সিনেমা করেছি। সলমন এমন একজন মানুষ, যে যেকোনও প্রয়োজনে পাশে এসে দাঁড়ায়। শুধু আমার জন্য নয়, আমাদের গোটা পরিবারের কাছে ও আশীর্বাদের মতো। আমরা শুটিংয়ের খাতিরে বিশ্বের আনাচে-কানাচে ঘুরেছি, দিনের পর দিন একসঙ্গে সময় কাটিয়েছি। সেই থেকেই আমাদের মধ্যে এই অদ্ভুত সুন্দর সম্পর্কটা গড়ে উঠেছে।”




সলমনকে নিয়ে বলতে গিয়ে ডেভিড জানান, পর্দার ‘দাবাং’ ইমেজের আড়ালে লুকিয়ে আছে অত্যন্ত নরম মনের এক মানুষ। তাঁর কথায়, “শুটিং শেষ হওয়ার পরও সলমন সেই একই রকম সহজ-সরল। ও যেমন চমৎকার একজন মানুষ, তেমনই ভীষণ আবেগপ্রবণ। বিপদে-আপদে ও যেভাবে সমর্থন জোগায়, তা ভাবা যায় না। আমাদের মধ্যে এমন এক সম্পর্ক তৈরি হয়েছে যা সত্যিই বিরল।”


‘জুড়ুয়া’, ‘বিবি নম্বর ১’ থেকে শুরু করে ‘পার্টনার’— সলমন ও ডেভিড ধাওয়ান জুটি বারবার প্রমাণ করেছে যে তাঁরা দর্শকদের নাড়ি বোঝেন। ডেভিড জানান, তাঁদের মধ্যে এতটাই বোঝাপড়া যে শুটিংয়ের সময় খুব একটা কথা বলার প্রয়োজন পড়ে না। দুজনের এই পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসাই তাঁদের জুটিকে বলিউডের অন্যতম আইকনিক জুটিতে পরিণত করেছে।

ভাইজানের এই ‘মানবিক’ দিকটি সামনে আসতেই নতুন করে চর্চায় তাঁর ব্যক্তিত্ব। সলমন শুধু বক্স অফিসের রাজা নন, অনেকের কাছেই তিনি এক নির্ভরযোগ্য অভিভাবক এবং প্রকৃত বন্ধু— ডেভিড ধাওয়ানের কথায় যেন সেটাই আরও একবার স্পষ্ট হল।


এবার চর্চাটা শুধু ব্যক্তিগত সম্পর্কের সমীকরণ নিয়ে নয়

গ্ল্যামার জগতের অলিন্দে কান পাতলেই এখন একটা গুঞ্জন সবথেকে বেশি জোরালো হচ্ছে- ধনুষ আর ম্রুণাল ঠাকুর। তবে এবার চর্চাটা শুধু ব্যক্তিগত সম্পর্কের সমীকরণ নিয়ে নয়, বরং তার থেকে কয়েক ধাপ এগিয়ে গিয়েছেন ধনুষ। সুত্রের খবর বলছে, দক্ষিণী সুপারস্টার ধনুষ এবার তাঁর ‘লেডি লাভ’ ম্রুণালকে নিয়ে একটি বিশেষ প্রজেক্টের পরিকল্পনা করছেন। আর সবথেকে বড় চমক হল, এই ছবিতে ম্রুণালকে নিছকই নায়িকা হিসেবে নয়, বরং এক শক্তিশালী কেন্দ্রীয় চরিত্রে দেখা যেতে পারে। এমনকি ছবির পরিচালক হিসেবেও সম্ভবত থাকছেন খোদ ধনুষ।


শোনা যাচ্ছে, এই সিনেমাটি সাধারণ কোনও রোমান্টিক থ্রিলার নয়, বরং ষাট বা সত্তরের দশকের প্রেক্ষাপটে তৈরি একটি পিরিয়ড ড্রামা। যেখানে সেই সময়ের আভিজাত্য আর লড়াইয়ের গল্প উঠে আসবে। ছবির সবথেকে বড় আকর্ষণ হল এর নারী-কেন্দ্রিক ভাবনা। ম্রুণাল ঠাকুরকে সেখানে এমন এক চরিত্রে ভাবা হয়েছে, যা তাঁর কেরিয়ারে অন্যতম মাইলফলক হয়ে উঠতে পারে। শোনা যাচ্ছে, প্রাথমিক কথাবার্তা ইতিমধ্যেই অনেক দূর এগিয়ে গিয়েছে। যদিও দুই তারকাই আপাতত বিষয়টি নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছেন।



ধনুষ আর ম্রুণালের অফ-স্ক্রিন রসায়ন নিয়ে চর্চার শুরু কিন্তু আজ নয়। ২০২৫-এর অগস্টে ‘সন অফ সর্দার ২’ ছবির প্রিমিয়ারে তাঁদের প্রথম একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল। এরপর ধনুষের আপকামিং সিনেমা ‘তেরে ইশক মে’-র র‍্যাপ আপ পার্টিতেও ম্রুণালের উপস্থিতি নজর কেড়েছিল নেটিজেনদের। শুধু তাই নয়, ম্রুণালকে ধনুষের পরিবারের সদস্যদের সোশ্যাল মিডিয়ায় ফলো করতে দেখে ভক্তদের মনে সন্দেহ দানা বাঁধতে শুরু করে। এবার কি সেই অফ-স্ক্রিন বন্ধুত্বই অন-স্ক্রিন প্রফেশনাল পার্টনারশিপে রূপ নিতে চলেছে?


ধনুষ বরাবরই ছক ভাঙতে পছন্দ করেন। অভিনেতা হিসেবে তিনি যতটা শক্তিশালী, পরিচালক হিসেবেও তাঁর একটা আলাদা দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। অন্যদিকে ‘সীতা রামম’ খ্যাত ম্রুণাল ঠাকুরও তাঁর অভিনয় দক্ষতার প্রমাণ বারবার দিয়েছেন। পিরিয়ড ড্রামায় ম্রুণালের সেই ক্ল্যাসিক লুক যে দারুণ মানাবে, তা নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। এখন দেখার, জল্পনা পেরিয়ে কবে এই ছবির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়। ইন্ডাস্ট্রির অন্দরের খবর যদি সত্যি হয়, তবে খুব শীঘ্রই দক্ষিণী এবং বলিউড দুই দুনিয়ার মেলবন্ধনে এক ঐতিহাসিক প্রজেক্ট পেতে চলেছেন দর্শকরা।



তবে হঠাৎ কেন এই গান নিয়েই মুখ খুললেন সমীর? আসলে অনেকেই এই গানের সঙ্গে সমীরের লেখা বিখ্যাত গান ‘সরকাই লো খাটিয়া’র তুলনা টেনেছেন। কিন্তু সমীর সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, গোবিন্দার ওই গানটি সিচুয়েশন অনুযায়ী লেখা হয়েছিল। কিন্তু নোরার এই গানটিতে নাকি ইচ্ছাকৃতভাবে কুরুচিকর শব্দ ঢোকানো হয়েছে।

'নীল ছবি বানিয়েই রিলিজ করে দিন!' ‘সরকে চুনর’ গান নিয়ে বিস্ফোরক প্রখ্যাত গীতিকার
তবে হঠাৎ কেন এই গান নিয়েই মুখ খুললেন?


গান রিলিজ হয়ে জনপ্রিয় হওয়ার পর তাতে কাঁচি চালানো বা নিষিদ্ধ করা কি আদেও কোনও সমাধান? দক্ষিণী ছবি ‘কেডি: দ্য ডেভিল’-এর একটি গান ‘সরকে চুনর’ নিয়ে এখন তোলপাড় বলিউড। গানের শব্দের ভাঁজে নাকি লুকিয়ে আছে চরম অশ্লীলতা! আর এই নিয়েই এবার মুখ খুললেন বলিউডের প্রবীণ গীতিকার সমীর অঞ্জন। সেন্সর বোর্ডকে (CBFC) তুলোধোনা করে তিনি সাফ বললেন, “সব কিছু যখন এতই খোলাখুলি হচ্ছে, তখন আর রাখঢাক কেন? বরং নীল ছবি বানিয়েই রিলিজ করে দিন!” সমীর অঞ্জন এই ঘটনায় রীতিমতো ক্ষুব্ধ। তাঁর মতে একটি সাধারণ অটো চালক যদি গানের নোংরা অর্থ বুঝতে পারে, তবে সেন্সর বোর্ডের শিক্ষিত কর্তারা কেন তা আগে বুঝতে পারলেন না? গানটি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ার পর কেন তা নিষিদ্ধ করার নাটক করা হচ্ছে? তাঁর দাবি, ডিজিটাল দুনিয়া থেকে কোনও কিছু একবারে মুছে ফেলা অসম্ভব। তাই কাজটা আগেই করা উচিত ছিল।


সমীরের নিশানায় শুধু গান নয়, সিনেমার সংলাপও। তিনি মনে করেন বর্তমানে বড় বড় সিনেমা বা ওয়েব সিরিজে যে ভাবে যথেচ্ছ গালিগালাজ ব্যবহার করা হয়, তা কি অশ্লীলতা নয়? তাঁর কথায়, “যদি গালিগালাজ শুনতে রাজি থাকেন, তবে অশ্লীল গানও শুনবেন। এই দ্বিচারিতা কেন?” তিনি আরও বলেন যে, কোনও বিতর্ক হলেই সবার আগে লেখকের দোষ খোঁজা হয়। অথচ পরিচালক বা গল্পের প্রয়োজনে অনেক সময় অনেক কিছুই লিখতে বাধ্য হন লেখকরা।


এই গান নিয়েই মুখ খুললেন সমীর? আসলে অনেকেই এই গানের সঙ্গে সমীরের লেখা বিখ্যাত গান ‘সরকাই লো খাটিয়া’র তুলনা টেনেছেন। কিন্তু সমীর সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, গোবিন্দার ওই গানটি সিচুয়েশন অনুযায়ী লেখা হয়েছিল। কিন্তু নোরার এই গানটিতে নাকি ইচ্ছাকৃতভাবে কুরুচিকর শব্দ ঢোকানো হয়েছে।

অন্যদিকে, এই গান নিয়ে আইনি জটিলতা কিছুতেই কাটছে না নোরা ফাতেহির। জাতীয় মহিলা কমিশনের (NCW) ডাকে সাড়া না দেওয়ায় তাঁকে শেষ বারের মতো আগামী ২৭ এপ্রিল হাজির হতে বলা হয়েছে। যদিও নোরা আগেই বলে দিয়েছেন যে, হিন্দি গানের কথা বা অনুবাদের সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ নেই। কিন্তু বিতর্কের মেঘ তাতে কাটেনি। সমীর অঞ্জনের এই বিস্ফোরক বয়ান এখন বি-টাউনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।