মুখ্যসচিব বলেন, "তিনি কোনও ভোট চুরি, কারচুপি বা বেআইনি কাজ করেননি। তাঁর কাজ ছিল আইন এবং নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনে সরকারি দায়িত্ব পালন করা।" মনোজের দাবি, মহুয়ার অভিযোগের ফলে তাঁর সততা,পেশাগত দক্ষতা ও ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।


২৪ ঘণ্টা ডেডলাইন, মহুয়াকে চাইতে হবে নিঃশর্ত ক্ষমা, সাংসদকে মানহানির নোটিস মুখ্যসচিবের
মুখ্যসচিব ও মহুয়া মৈত্র

সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে (Mahua Moitra) আইনি নোটিস পাঠালেন মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল (Manoj Agarwal)। আগেই সাংসদকে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব তথা পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। এবার মহুয়াকে মানহানির নোটিস পাঠালেন তিনি। নোটিসে বলা হয়েছে, নোটিস পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মহুয়াকে দু’টি পোস্ট মুছে ফেলতে হবে। একইসঙ্গে নিঃশর্ত ভাবে লিখিত ক্ষমা চাইতে হবে। যদিও, বিষয়টিকে খুব একটা পাত্তা দিতে চাইছেন না সাংসদ।


বিতর্কের সূত্রপাত কোথায়?
এক্স হ্যান্ডেলে মহুয়ার একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে বিতর্কের সূত্রপাত। সুব্রত গুপ্ত ও মনোজ আগারওয়ালের ছবি পোস্ট করে লেখেন, “এরাই বাংলার এসআইআরের (SIR) সবথেকে বড় কারিগর। সব ধরনের অবৈধ কাজ করেছেন এঁরা। কেউ বাঁচতে পারবে না এঁরা।” তারপরই মনোজ আগারওয়াল বলেন, “এনাফ ইজ এনাফ। লিগাল টিমের সঙ্গে কথা বলে ডিফেমেশন কেস (মানহানির মামলা) করা হবে। সিইও কখনই কোনও নাম যুক্ত করতে বা বাদ দিতে পারে না।” কথা মতোই কড়া পদক্ষেপ করেন মুখ্যসচিব।


গ্র্যামি দৌড়ে 'ধুরন্ধর' এন্ট্রি, রণবীর সিংয়ে সুপারহিট ছবি এবার লড়বে বিশ্বমঞ্চে
মুখ্যসচিব বলেন, “তিনি কোনও ভোট চুরি, কারচুপি বা বেআইনি কাজ করেননি। তাঁর কাজ ছিল আইন এবং নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনে সরকারি দায়িত্ব পালন করা।” মনোজের দাবি, মহুয়ার অভিযোগের ফলে তাঁর সততা,পেশাগত দক্ষতা ও ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একইসঙ্গে জানানো হয়েছে, নোটিস পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মহুয়াকে দু’টি পোস্ট মুছে ফেলতে হবে। নিঃশর্ত ভাবে লিখিত ক্ষমা চাইতে হবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের মানহানিকর বক্তব্য প্রকাশ না করার লিখিত প্রতিশ্রুতি দিতে হবে।


এছাড়া, মানহানির ক্ষতিপূরণ হিসেবে ১০ কোটি টাকা এবং আইনি ও আনুষঙ্গিক খরচ বাবদ আরও ৫০ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছে। আইনি নোটিসের জবাব না দিয়ে দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইনি পদক্ষেপ করার কথা জানিয়েছেন মুখ্যসচিব।

কী বলেছেন মহুয়া?
মনোজ আগরওয়ালের মানহানির নোটিসের বিশেষ তোয়াক্কা করেন না। এমনটাই জানিয়েছেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র।


Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours