প্রাণ বাঁচাতে উঁচু জায়গায় আশ্রয় নিতে হয় বহু পরিবারকে। কিছুদিন আগেই শান্তিপুর গয়েশপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত শ্রীরামপুর এলাকায় রাতের অন্ধকারে প্রায় ১০ টি বাড়ি নদীগর্ভে তলিয়ে যায়। এবার ফের জল বাড়ার সঙ্গে ভাঙনের তীব্রতাও বেড়েছে। শান্তিপুরের হালদারপাড়া চৌধুরী পাড়ার যাতায়াতের রাস্তা বর্তমানে জলের তলায়।


 হু হু করে বাড়ছে ভাগীরথীর জল। ধীরে ধীরে বিপদসীমা অতিক্রম করছে নদীর জলস্তর। ইতিমধ্যেই শান্তিপুরের গঙ্গা তীরবর্তী একাধিক রাস্তা চলে গিয়েছে জলের তলায়। পাশাপাশি শুরু হয়েছে নদী ভাঙন। চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন শান্তিপুরের গঙ্গা তীরের বাসিন্দারা। রাতের অন্ধকারে একের পর এক বাড়ি তলিয়ে গিয়েছে। সেইসঙ্গে এবার চাষের জমিও যেতে বসেছে চাষের জমিও।


শান্তিপুর থানা এলাকার একাধিক গ্রাম ভাগীরথীর তীরে অবস্থিত। প্রতি বছরই বর্ষার এই সময়টায় জল বাড়ার পাশাপাশি ভাঙনের কবলে পড়ে বিস্তীর্ণ এলাকা। জলের তলায় চলে যায় চাষের জমি, নষ্ট হয় বিভিন্ন ফসল। পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে নদীর জল ঢুকে পড়ে গ্রামে, জলমগ্ন হয়ে পড়ে বাড়িঘর।


প্রাণ বাঁচাতে উঁচু জায়গায় আশ্রয় নিতে হয় বহু পরিবারকে। কিছুদিন আগেই শান্তিপুর গয়েশপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত শ্রীরামপুর এলাকায় রাতের অন্ধকারে প্রায় ১০ টি বাড়ি নদীগর্ভে তলিয়ে যায়। এবার ফের জল বাড়ার সঙ্গে ভাঙনের তীব্রতাও বেড়েছে। শান্তিপুরের হালদারপাড়া চৌধুরী পাড়ার যাতায়াতের রাস্তা বর্তমানে জলের তলায়। জল ঢুকতে শুরু করেছে চাষের জমিতেও। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের একাধিকবার জানানো হলেও স্থায়ী সমাধান হয়নি।


এলাকার বাসিন্দারা বলছেন, “এভাবে চলতে থাকলে গোটা গ্রাম শেষ হয়ে যাবে।” যে রাস্তা দিয়ে বাসস্ট্যান্ডে যাওয়া যায়, সেই রাস্তার প্রায় পুরোটাই জলের তলায় চলে গিয়েছে। সেইসঙ্গে চাষের জমিও ভাঙন শুরু হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই।


Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours