মৃত যুবকের পরিবারের অভিযোগ, হাত পা বেঁধে মারধর করা হয়েছে তুফানকে। এমনকি তাঁকে জলে ডোবানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় মানিক, মানিকের বন্ধু সুজয় সহ বেশ কয়েকজন জড়িত বলে অভিযোগ মৃতের পরিবারের।


মোটর বাইক সারানো নিয়ে বচসা, মিটমাট হওয়ার পরই বড় 'ষড়যন্ত্র', হাড়হিম ঘটনা বর্ধমানে
কী বলছে মৃত যুবকের পরিবার?


মোটর সাইকেল সারানোকে কেন্দ্র করে বচসা। তার জেরে গ্যারেজ মালিককে খুনের অভিযোগ উঠল বন্ধুর বিরুদ্ধে। মৃতের নাম তুফান ক্ষেত্রপাল(২৮)। বর্ধমান থানার পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ তিন জনকে আটক করেছে। আর এক অভিযুক্তের খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ। ঘটনায় জড়িতদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন মৃত যুবকের পরিবার।


তুফান ক্ষেত্রপালের বর্ধমানের নীলপুর বটতলা এলাকায় একটি মোটর সাইকেলের গ্যারেজ আছে। ওই এলাকাতেই ঘর ভাড়া নিয়ে থাকতেন তিনি। অভিযুক্ত মানিক পোড়েল তাঁর মোটর সাইকেলটি বেশ কয়েকদিন আগে সার্ভিসিংয়ের জন্য দেন। বেশ কয়েকদিন মোটর সাইকেল না পাওয়ায় গতকাল মানিক ও তুফানের মধ্যে বচসা হয়। পরে তুফানের পরিবারের সদস্যরা এলে বিষয়টি মিটমাট হয়। সেখানেই নাকি কথা হয় পরদিন অর্থাৎ মঙ্গলবার মোটর সাইকেল সার্ভিসিং করে ফেরত দেবেন তুফান।


'ওর নিতম্বটা দারুণ...', রামের চুমুতেই কেরিয়ার ওলটপালট! 'সমকামী' তকমা নিয়ে বিস্ফোরক নমন
মিটমাট হওয়ার পর মানিক তুফানের পরিবারের সদস্যদের জানান, তিনি তুফানকে বাড়ি দিয়ে আসবেন। কিন্তু তুফান সারারাত বাড়ি ফেরেননি বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। মঙ্গলবার সকালে তুফানের পরিবার জানতে পারে তেলিপুকুর এলাকায় মানিকের বাড়ির অদূরে তুফানের মৃতদেহ পড়ে আছে। তুফানের পরিবারের অভিযোগ, হাত পা বেঁধে মারধর করা হয়েছে তুফানকে। এমনকি তাঁকে জলে ডোবানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় মানিক, মানিকের বন্ধু সুজয় সহ বেশ কয়েকজন জড়িত বলে অভিযোগ মৃতের পরিবারের।


কী বলছে মৃতের পরিবার?

নিহতের জামাইবাবু বিশ্বজিৎ নট্ট অভিযোগ করেন, বড়বাজার থেকে তুফানকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। তুফানের ভাই রাজু খবর পেয়ে মীমাংসার জন্য গিয়েছিলেন। তখন অভিযুক্তরা জানায়, তুফানকে পরে পাঠিয়ে দেবে। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, সারারাত তুফানকে হাত-পা বেঁধে মারধর করা হয়েছে। তারপর জলে ডোবানো হয়েছে। সকালে তাঁরা খবর পান, মৃত অবস্থায় তাঁকে তেলিপুকুর এলাকায় ফেলে রাখা হয়েছে।

নিহতের বাবা বাপি ক্ষেত্রপাল বলেন, গাড়ি সারনো নিয়ে এমন নৃশংস ঘটনা ঘটবে, ভাবতে পারেননি তাঁরা। দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানান তাঁরা।
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours