প্রসঙ্গত, ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত রেজিনগর থেকে ১ লক্ষ ২৩ হাজারের বেশি ভোটে নিজের পকেটে ঢুকিয়েছিলেন আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর। ভোট শতাংশের বিচারে তা ৫১ শতাংশের বেশি।


রেজিনগরটা দেবেন তো?’ পরিবর্তে কী কী দেবেন ‘ফলতা মডেলে’ বলে দিলেন শুভেন্দু
রেজিনগরে কর্মিসভায় শুভেন্দু


 বিধানসভায় বিজেপিকে ২০৯ করার চ্যালেঞ্জ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। রেজিনগরের কর্মিসভাতেই বেজে গেল উপনির্বাচনের ডঙ্কা। একইসঙ্গে নন্দীগ্রামে জয় যে একপ্রকার নিশ্চিত তাও বললেন সোচ্চারে। তাঁর সাফ কথা, “নন্দীগ্রামটা আমার উপর ছেড়ে দিন। ওখানে কত ভোটে জিতব আমি জানি। সীমা নেই, অনেক বড় ভোটে জিতব।” কিন্তু তার পাখির চোখ যে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত রেজিনগরও তাও বোঝালেন গোটা সভাতেই। সংখ্যালঘুদের কথা মাথায় রেখেই দিলেন গুচ্ছ গুচ্ছ প্রতিশ্রুতি। অকপটেই সমবেত জনতার উদ্দেশ্যে বললেন, “রেজিনগরটা দেবেন তো? একটা নয়, দুটো ব্রিজ দেব। পরিযায়ী শ্রমিকদের বাড়ি ফেরাব। যত আবাস লাগে দেব। যা চাইবেন দু’হাত ভরে দেব। নন্দীগ্রাম জিতে ২০৮ বিধায়ক হবে বিজেপির। এবার সংখ্যাটা ২০৯ হবে কিনা রেজিনগরের উপর নির্ভর করবে।” 


রেজিনগরে ফুটবে পদ্ম? 
প্রসঙ্গত, ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত রেজিনগর থেকে ১ লক্ষ ২৩ হাজারের বেশি ভোটে নিজের পকেটে ঢুকিয়েছিলেন আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর। ভোট শতাংশের বিচারে তা ৫১ শতাংশের বেশি। সেখানে বিজেপির বাপন ঘোষ পেয়েছিলেন ৬৪ হাজারের কিছু বেশি ভোট। ভোট শতাংশের বিচারে তা প্রায় ২৭ শতাংশ। অন্যদিকে তৃণমূলের খাতায় ছিল ১৭ শতাংশের কিছু বেশি ভোট। এবার সেই রেজিনগরেই বাকিদের ছাপিয়ে পদ্ম পদ্ম ফোটাতে চাইছেন শুভেন্দু। 

মাঝ সমুদ্রে উধাও হয়ে যায়, এখনও খোঁজ মিলল না 'কালী'র
‘কার অহঙ্কার ভাঙতে হবে নামটা বললাম না’ 
তুলোধনা করলেন হুময়ুন কবীরেরও। নাম না করেই বললেন, “কাকে পাঠাবেন বিধানসভায়? যে ঝগড়া করবে, ধমকাবে, কমিউনিটির কথা বলবে, হিন্দু-মুসলমান করবে, মন্দির-মসজিদ করবে, না উন্নয়ন চাইবেন?” হুমায়ুনের বিরুদ্ধে সুর আরও চড়িয়ে বলেন, “দম্ভটা ভাঙতে হবে, অহঙ্কারটা ভাঙতে হবে। কার অহঙ্কার ভাঙতে হবে নামটা বললাম না। সামঝদারো কা ইশারা কাফি হ্যা। নাম বললে অনেকে হিরো হয়। তাই নাম বলার দরকার নেই।” 
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours